<?xml version="1.0" encoding="UTF-8" ?>
<rss version="2.0"
     xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
     xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
     xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
     xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/"
     xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/">
<channel>
    <title><![CDATA[NBS Bangla | 24/7 Latest Bangla News Updates | Etc News]]></title>
    <link>https://nbs24.org</link>
    <atom:link href="https://nbs24.org/feed" type="application/rss+xml" rel="self"/>
    <description><![CDATA[Read most highly trusted and reliable the Latest and Bangla Top News from Bangladesh and around the world - nbs24 bangla, bangladesh newspaper, list of all bangla newspaper, prothom alo, bd pratidin, bdnews24, jagonews24, banglanews24, jugantor, kalerkantho and more at one place.]]></description>
    
    <language>bn-BD</language>
    
    <copyright>Copyright © 2021-2026 NBS Bangla | 24/7 Latest Bangla News Updates | Etc News</copyright>
    <lastBuildDate>Sat, 19 Sep 2026 13:55:04 +0600</lastBuildDate>
    <ttl>30</ttl>
    <sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
    <sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>

    <image>
        <url>https://nbs24.org/upload/images/logo/nbs24-logo-main.png</url>
        <title><![CDATA[NBS Bangla | 24/7 Latest Bangla News Updates | Etc News]]></title>
        <link>https://nbs24.org</link>
    </image>

        
    <item>
        <title><![CDATA[র‍্যাব থেকে এসআরবি—নাম বদল নাকি বড় কাঠামোগত পরিবর্তন?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/exclusive/52474</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/exclusive/52474</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 18 Sep 2026 17:47:05 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[এক্সক্লুসিভ]]></category>
                <category><![CDATA[সর্বশেষ]]></category>
                        <category><![CDATA[RAB Bangladesh, SRB Bangladesh, RAB to SRB, Special Response Battalion, Bangladesh Police, Bangladesh News, RAB Dissolved, SRB Act 2026, Bangladesh Law and Order, RAB Reform, Bangladesh Politics, Latest Bangladesh News, nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor]]></category>
        
        <description><![CDATA[র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন বা র‍্যাব আর নেই। সরকারি গেজেটের মাধ্যমে র‍্যাব বিলুপ্ত করে বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে নতুন বিশেষায়িত ইউনিট স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন বা এসআরবি গঠন করা হয়েছে। নতুন আইন অনুযায়ী এসআরবি র‍্যাবের পরিবর্তে কাজ করবে এবং র‍্যাবের জনবল, সম্পদ, নথি, অর্থ ও দায়-দায়িত্বের স্থানান্তরের বিধানও রাখা হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, এটি কি সত্যিই একটি কাঠামোগত সংস্কার, নাকি মূলত একই সক্ষমতাকে নতুন আইনি কাঠামো ও নতুন নামে পরিচালনার ব্যবস্থা? এই ভিডিওতে র‍্যাব বিলুপ্তির কারণ, এসআরবি গঠনের আইনি ভিত্তি, ক্ষমতা ও জবাবদিহির কাঠামো, পুরোনো জনবলের ভূমিকা এবং সামনে কী কী পরিবর্তন হতে পারে—সবকিছু সহজ ভাষায় বিশ্লেষণ করা হয়েছে। সরকার বলছে, নতুন ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি জোরদার করার লক্ষ্য রয়েছে। অন্যদিকে, বিরোধী পক্ষের কিছু সংসদ সদস্য প্রশ্ন তুলেছেন, র‍্যাবের জনবল ও সম্পদ এসআরবিতে স্থানান্তর হলে বাস্তবে কতটা পরিবর্তন হবে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/885_1.webp" alt="র‍্যাব থেকে এসআরবি—নাম বদল নাকি বড় কাঠামোগত পরিবর্তন?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>র‍্যাব থেকে এসআরবি—নাম বদল নাকি বড় কাঠামোগত পরিবর্তন?</h1>
            <p>র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন বা র‍্যাব আর নেই। সরকারি গেজেটের মাধ্যমে র‍্যাব বিলুপ্ত করে বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে নতুন বিশেষায়িত ইউনিট স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন বা এসআরবি গঠন করা হয়েছে। নতুন আইন অনুযায়ী এসআরবি র‍্যাবের পরিবর্তে কাজ করবে এবং র‍্যাবের জনবল, সম্পদ, নথি, অর্থ ও দায়-দায়িত্বের স্থানান্তরের বিধানও রাখা হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, এটি কি সত্যিই একটি কাঠামোগত সংস্কার, নাকি মূলত একই সক্ষমতাকে নতুন আইনি কাঠামো ও নতুন নামে পরিচালনার ব্যবস্থা? এই ভিডিওতে র‍্যাব বিলুপ্তির কারণ, এসআরবি গঠনের আইনি ভিত্তি, ক্ষমতা ও জবাবদিহির কাঠামো, পুরোনো জনবলের ভূমিকা এবং সামনে কী কী পরিবর্তন হতে পারে—সবকিছু সহজ ভাষায় বিশ্লেষণ করা হয়েছে। সরকার বলছে, নতুন ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি জোরদার করার লক্ষ্য রয়েছে। অন্যদিকে, বিরোধী পক্ষের কিছু সংসদ সদস্য প্রশ্ন তুলেছেন, র‍্যাবের জনবল ও সম্পদ এসআরবিতে স্থানান্তর হলে বাস্তবে কতটা পরিবর্তন হবে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/885_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/885_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/885_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[চীনের চাপে ইরান কি হুথিদের থামাবে? মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সংকট]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/52473</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/52473</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[মৌসুমী আক্তার]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 18 Sep 2026 17:47:05 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[China Iran relations, China Houthis, Iran Houthis, Houthi latest news, Saudi Arabia Houthis, Bab al Mandab, Strait of Hormuz, Middle East crisis, Middle East war, Saudi oil pipeline, Iran war latest, UN Iran report, nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor]]></category>
        
        <description><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্যে একই সময়ে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা নতুন করে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ তৈরি করেছে। সৌদি আরবের তেল অবকাঠামো ও লোহিত সাগরকেন্দ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির মধ্যে চীন ইরানের ওপর হুথিদের কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে চাপ দিচ্ছে বলে আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। এই ভিডিওতে বিশ্লেষণ করা হয়েছে চীন কেন ইরানের ওপর প্রভাব ব্যবহার করতে চাইছে, হুথিদের অগ্রযাত্রা সৌদি আরবের তেল রপ্তানি ও বাব আল-মান্দাব নৌপথের জন্য কী অর্থ বহন করে এবং হরমুজের সঙ্গে এই সংকটের সম্পর্ক কোথায়। একই সঙ্গে জাতিসংঘের স্বাধীন তদন্ত মিশনের ইরানসংক্রান্ত প্রতিবেদনে মার্কিন হামলা নিয়ে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ এবং ইরান সরকারের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ কীভাবে উঠে এসেছে, সেটিও আলাদা করে আলোচনা করা হয়েছে। এসব অভিযোগ তদন্ত মিশনের অনুসন্ধান—এগুলো আদালতের চূড়ান্ত রায় নয়। বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ দুই জ্বালানি নৌপথে অস্থিরতা বাড়লে আন্তর্জাতিক তেলবাজার ও তেল আমদানিনির্ভর দেশগুলোর ওপরও প্রভাব পড়তে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে তেলের দাম ও সরবরাহ নিয়ে বাজারে উদ্বেগ দেখা গেছে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/884_1.webp" alt="চীনের চাপে ইরান কি হুথিদের থামাবে? মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সংকট" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>চীনের চাপে ইরান কি হুথিদের থামাবে? মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সংকট</h1>
            <p>মধ্যপ্রাচ্যে একই সময়ে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা নতুন করে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ তৈরি করেছে। সৌদি আরবের তেল অবকাঠামো ও লোহিত সাগরকেন্দ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির মধ্যে চীন ইরানের ওপর হুথিদের কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে চাপ দিচ্ছে বলে আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। এই ভিডিওতে বিশ্লেষণ করা হয়েছে চীন কেন ইরানের ওপর প্রভাব ব্যবহার করতে চাইছে, হুথিদের অগ্রযাত্রা সৌদি আরবের তেল রপ্তানি ও বাব আল-মান্দাব নৌপথের জন্য কী অর্থ বহন করে এবং হরমুজের সঙ্গে এই সংকটের সম্পর্ক কোথায়। একই সঙ্গে জাতিসংঘের স্বাধীন তদন্ত মিশনের ইরানসংক্রান্ত প্রতিবেদনে মার্কিন হামলা নিয়ে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ এবং ইরান সরকারের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ কীভাবে উঠে এসেছে, সেটিও আলাদা করে আলোচনা করা হয়েছে। এসব অভিযোগ তদন্ত মিশনের অনুসন্ধান—এগুলো আদালতের চূড়ান্ত রায় নয়। বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ দুই জ্বালানি নৌপথে অস্থিরতা বাড়লে আন্তর্জাতিক তেলবাজার ও তেল আমদানিনির্ভর দেশগুলোর ওপরও প্রভাব পড়তে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে তেলের দাম ও সরবরাহ নিয়ে বাজারে উদ্বেগ দেখা গেছে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/884_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/884_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/884_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[কিয়েভ ও জাপোরোঝিয়ায় রাশিয়ার ব্যাপক অভিযানে বিপর্যস্ত ইউক্রেন]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/52472</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/52472</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 18 Sep 2026 17:40:04 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor, Russia Ukraine war, Vladimir Putin, Volodymyr Zelenskyy, Ukraine war latest, Russia Ukraine latest news, Russian military, Ukrainian military, Odesa attack, Black Sea Ukraine, Ukraine military infrastructure, Bucha investigation, Russia Ukraine analysis]]></category>
        
        <description><![CDATA[রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধে নতুন করে তীব্র হয়েছে সামরিক হামলা ও পাল্টা হামলা। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি অনুযায়ী, ইউক্রেনের সামরিক স্থাপনা, রসদ সরবরাহ ব্যবস্থা, ড্রোন অবকাঠামো এবং গুরুত্বপূর্ণ লজিস্টিক স্থাপনায় একাধিক হামলা চালানো হয়েছে। তবে এসব দাবির সবগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব নয়। এই ভিডিওতে ওডেসা ও কৃষ্ণসাগর অঞ্চলের সামরিক রসদ সরবরাহ, ইউক্রেনের অবকাঠামোর ওপর রুশ হামলা, ড্রোন ও বিমান হামলা, যুদ্ধক্ষেত্রের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি এবং রাশিয়ার দাবিকৃত সামরিক ক্ষয়ক্ষতির তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। পাশাপাশি বুচা ঘটনা নিয়ে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নতুন দাবিও তুলে ধরা হয়েছে। মস্কো ঘটনাটিকে পশ্চিমা ষড়যন্ত্র হিসেবে বর্ণনা করলেও, ইউক্রেনীয় তদন্ত সংস্থাগুলো বুচায় রুশ বাহিনীর বিরুদ্ধে বেসামরিক নাগরিক হত্যার তদন্ত চালানোর কথা জানিয়েছে। ফলে এই অংশটি নিয়ে পরস্পরবিরোধী দাবি ও তথ্যের বিষয়টিও ভিডিওতে তুলে ধরা হয়েছে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/883_1.webp" alt="কিয়েভ ও জাপোরোঝিয়ায় রাশিয়ার ব্যাপক অভিযানে বিপর্যস্ত ইউক্রেন" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>কিয়েভ ও জাপোরোঝিয়ায় রাশিয়ার ব্যাপক অভিযানে বিপর্যস্ত ইউক্রেন</h1>
            <p>রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধে নতুন করে তীব্র হয়েছে সামরিক হামলা ও পাল্টা হামলা। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি অনুযায়ী, ইউক্রেনের সামরিক স্থাপনা, রসদ সরবরাহ ব্যবস্থা, ড্রোন অবকাঠামো এবং গুরুত্বপূর্ণ লজিস্টিক স্থাপনায় একাধিক হামলা চালানো হয়েছে। তবে এসব দাবির সবগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব নয়। এই ভিডিওতে ওডেসা ও কৃষ্ণসাগর অঞ্চলের সামরিক রসদ সরবরাহ, ইউক্রেনের অবকাঠামোর ওপর রুশ হামলা, ড্রোন ও বিমান হামলা, যুদ্ধক্ষেত্রের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি এবং রাশিয়ার দাবিকৃত সামরিক ক্ষয়ক্ষতির তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। পাশাপাশি বুচা ঘটনা নিয়ে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নতুন দাবিও তুলে ধরা হয়েছে। মস্কো ঘটনাটিকে পশ্চিমা ষড়যন্ত্র হিসেবে বর্ণনা করলেও, ইউক্রেনীয় তদন্ত সংস্থাগুলো বুচায় রুশ বাহিনীর বিরুদ্ধে বেসামরিক নাগরিক হত্যার তদন্ত চালানোর কথা জানিয়েছে। ফলে এই অংশটি নিয়ে পরস্পরবিরোধী দাবি ও তথ্যের বিষয়টিও ভিডিওতে তুলে ধরা হয়েছে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/883_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/883_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/883_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[মক্কার আকাশে ড্রোন সৌদির রেড লাইন]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/52391</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/52391</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 17 Sep 2026 18:08:13 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Saudi Arabia, Houthi, Mecca Drone, Mecca Attack, Saudi Houthi Conflict, Yemen War, Middle East Crisis, Saudi Arabia News, Houthi Drone Attack, Middle East Geopolitics, Red Sea Crisis, International News, nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor]]></category>
        
        <description><![CDATA[মক্কার দিকে ড্রোন এগিয়ে আসার দাবি ঘিরে সৌদি আরব ও হুতিদের মধ্যে শুরু হয়েছে তীব্র পাল্টাপাল্টি বক্তব্য। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের দাবি, মক্কার দিকে এগিয়ে আসা একটি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। অন্যদিকে হুতি পক্ষ বলছে, পবিত্র স্থান তাদের লক্ষ্য ছিল না। এই ঘটনার সত্যতা, ড্রোনের সম্ভাব্য গন্তব্য, ইয়েমেন–সৌদি সংঘাত, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং মধ্যপ্রাচ্যের বৃহত্তর ভূরাজনীতির সঙ্গে এর সম্পর্ক কী—এই ভিডিওতে সেসব বিষয় বিশ্লেষণ করা হয়েছে। মক্কা ও মদিনার নিরাপত্তাকে সৌদি আরব কেন ‘রেড লাইন’ হিসেবে দেখছে? হুতিদের অস্বীকারের পেছনে কী যুক্তি রয়েছে? এক হাজার একশো কিলোমিটার দূরত্ব থেকে ড্রোন পরিচালনার সক্ষমতা নিয়ে কী প্রশ্ন উঠছে? আর এই উত্তেজনা বাড়লে সৌদি–ইয়েমেন শান্তি প্রক্রিয়া, লোহিত সাগর এবং বিশ্ববাজারে এর কী প্রভাব পড়তে পারে? বাংলাদেশের অর্থনীতি, জ্বালানি বাজার ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের দিক থেকেও মধ্যপ্রাচ্যের এই ধরনের উত্তেজনা গুরুত্বপূর্ণ। পুরো ঘটনাটি তাই শুধু সৌদি আরব ও হুতিদের দ্বন্দ্ব নয়, বরং বৃহত্তর আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্যের সঙ্গেও যুক্ত। ভিডিওটি ভালো লাগলে লাইক দিন, মতামত কমেন্টে জানান এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও ভূরাজনীতির গভীর বিশ্লেষণের জন্য চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/880_1.webp" alt="মক্কার আকাশে ড্রোন সৌদির রেড লাইন" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>মক্কার আকাশে ড্রোন সৌদির রেড লাইন</h1>
            <p>মক্কার দিকে ড্রোন এগিয়ে আসার দাবি ঘিরে সৌদি আরব ও হুতিদের মধ্যে শুরু হয়েছে তীব্র পাল্টাপাল্টি বক্তব্য। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের দাবি, মক্কার দিকে এগিয়ে আসা একটি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। অন্যদিকে হুতি পক্ষ বলছে, পবিত্র স্থান তাদের লক্ষ্য ছিল না। এই ঘটনার সত্যতা, ড্রোনের সম্ভাব্য গন্তব্য, ইয়েমেন–সৌদি সংঘাত, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং মধ্যপ্রাচ্যের বৃহত্তর ভূরাজনীতির সঙ্গে এর সম্পর্ক কী—এই ভিডিওতে সেসব বিষয় বিশ্লেষণ করা হয়েছে। মক্কা ও মদিনার নিরাপত্তাকে সৌদি আরব কেন ‘রেড লাইন’ হিসেবে দেখছে? হুতিদের অস্বীকারের পেছনে কী যুক্তি রয়েছে? এক হাজার একশো কিলোমিটার দূরত্ব থেকে ড্রোন পরিচালনার সক্ষমতা নিয়ে কী প্রশ্ন উঠছে? আর এই উত্তেজনা বাড়লে সৌদি–ইয়েমেন শান্তি প্রক্রিয়া, লোহিত সাগর এবং বিশ্ববাজারে এর কী প্রভাব পড়তে পারে? বাংলাদেশের অর্থনীতি, জ্বালানি বাজার ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের দিক থেকেও মধ্যপ্রাচ্যের এই ধরনের উত্তেজনা গুরুত্বপূর্ণ। পুরো ঘটনাটি তাই শুধু সৌদি আরব ও হুতিদের দ্বন্দ্ব নয়, বরং বৃহত্তর আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্যের সঙ্গেও যুক্ত। ভিডিওটি ভালো লাগলে লাইক দিন, মতামত কমেন্টে জানান এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও ভূরাজনীতির গভীর বিশ্লেষণের জন্য চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/880_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/880_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/880_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[বাইডেন যে চালান আটকে দিয়েছিলেন, ট্রাম্প কেন সেই পথ খুললেন]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/52390</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/52390</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 17 Sep 2026 18:08:13 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[আমেরিকাস]]></category>
                        <category><![CDATA[Trump Israel arms deal, Israel 40000 bombs, Trump Israel weapons, US Israel military aid, 2.8 billion arms deal, MK84 bombs, BLU117 bombs, Benjamin Netanyahu, Donald Trump, Gaza war, Middle East conflict, US Israel relations, nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor]]></category>
        
        <description><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন ইসরায়েলের জন্য ২.৮ বিলিয়ন ডলারের একটি প্রস্তাবিত অস্ত্র প্যাকেজ প্রস্তুত করছে বলে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। এতে ৪০ হাজার দুই হাজার পাউন্ডের ভারী বোমা অন্তর্ভুক্ত থাকার কথা বলা হয়েছে। প্রস্তাবিত প্যাকেজে ২০ হাজার MK-84 এবং ২০ হাজার BLU-117 বোমার পাশাপাশি I-2000 Penetrator warheads থাকার তথ্যও প্রকাশিত হয়েছে। এর আগে ২০২৪ সালে গাজায় বেসামরিক হতাহতের আশঙ্কায় বাইডেন প্রশাসন দুই হাজার পাউন্ডের MK-84 বোমার একটি চালান স্থগিত করেছিল। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ট্রাম্প ক্ষমতায় ফিরে সেই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করেন। এবারের প্রস্তাবিত অস্ত্র প্যাকেজ কেন গুরুত্বপূর্ণ? এত বিপুল পরিমাণ ভারী বোমা ইসরায়েলের হাতে গেলে মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক ভারসাম্যে কী প্রভাব পড়তে পারে? যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে এই চুক্তি নিয়ে কেন রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হচ্ছে? আর কংগ্রেসের ভূমিকা কতটা গুরুত্বপূর্ণ? এই ভিডিওতে ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন অস্ত্র প্যাকেজ, বাইডেন আমলের সিদ্ধান্ত, যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল সামরিক সম্পর্ক এবং মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি তথ্যভিত্তিকভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। প্রস্তাবটি এখনো চূড়ান্ত চুক্তি নয়—এই বিষয়টিও ভিডিওতে পরিষ্কারভাবে তুলে ধরা হয়েছে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/881_1.webp" alt="বাইডেন যে চালান আটকে দিয়েছিলেন, ট্রাম্প কেন সেই পথ খুললেন" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>বাইডেন যে চালান আটকে দিয়েছিলেন, ট্রাম্প কেন সেই পথ খুললেন</h1>
            <p>যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন ইসরায়েলের জন্য ২.৮ বিলিয়ন ডলারের একটি প্রস্তাবিত অস্ত্র প্যাকেজ প্রস্তুত করছে বলে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। এতে ৪০ হাজার দুই হাজার পাউন্ডের ভারী বোমা অন্তর্ভুক্ত থাকার কথা বলা হয়েছে। প্রস্তাবিত প্যাকেজে ২০ হাজার MK-84 এবং ২০ হাজার BLU-117 বোমার পাশাপাশি I-2000 Penetrator warheads থাকার তথ্যও প্রকাশিত হয়েছে। এর আগে ২০২৪ সালে গাজায় বেসামরিক হতাহতের আশঙ্কায় বাইডেন প্রশাসন দুই হাজার পাউন্ডের MK-84 বোমার একটি চালান স্থগিত করেছিল। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ট্রাম্প ক্ষমতায় ফিরে সেই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করেন। এবারের প্রস্তাবিত অস্ত্র প্যাকেজ কেন গুরুত্বপূর্ণ? এত বিপুল পরিমাণ ভারী বোমা ইসরায়েলের হাতে গেলে মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক ভারসাম্যে কী প্রভাব পড়তে পারে? যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে এই চুক্তি নিয়ে কেন রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হচ্ছে? আর কংগ্রেসের ভূমিকা কতটা গুরুত্বপূর্ণ? এই ভিডিওতে ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন অস্ত্র প্যাকেজ, বাইডেন আমলের সিদ্ধান্ত, যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল সামরিক সম্পর্ক এবং মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি তথ্যভিত্তিকভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। প্রস্তাবটি এখনো চূড়ান্ত চুক্তি নয়—এই বিষয়টিও ভিডিওতে পরিষ্কারভাবে তুলে ধরা হয়েছে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/881_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/881_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/881_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[যুদ্ধের ময়দানে ইউক্রেনীয় বাহিনীর বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/52383</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/52383</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 17 Sep 2026 17:57:57 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor, Russia Ukraine War, Ukraine War, Russia Ukraine Conflict, Vladimir Putin, Volodymyr Zelenskyy, Ukraine Military, Russia Military, Ukraine Crisis, Germany Ukraine Aid, European Security, Geopolitical Crisis, International News]]></category>
        
        <description><![CDATA[রাশিয়া–ইউক্রেন সংঘাতে যুদ্ধক্ষেত্রের পরিস্থিতি দ্রুত বদলে যাচ্ছে। ইউক্রেনের বিভিন্ন যুদ্ধাঞ্চলে রুশ বাহিনীর ধারাবাহিক হামলা, সামরিক ঘাঁটি ও সরবরাহ ব্যবস্থায় আঘাত এবং ড্রোন প্রতিরোধের দাবি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। একই সময়ে কিয়েভকে সামরিক সহায়তা দিতে জার্মানির ভূমিকা এবং বিশেষ সমন্বয় ইউনিট নিয়েও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে। এই ভিডিওতে খারেভ অঞ্চলের যুদ্ধ পরিস্থিতি, ইউক্রেনের সামরিক ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবিগুলো, কিয়েভের সামরিক ও সরবরাহ অবকাঠামোয় হামলা, জার্মানির সামরিক সহায়তা এবং ইউক্রেন যুদ্ধ ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের কূটনৈতিক সমীকরণ বিশ্লেষণ করা হয়েছে। পাশাপাশি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদকে ঘিরে সম্ভাব্য কূটনৈতিক তৎপরতা, ইউক্রেনের জন্য পশ্চিমা সামরিক সহায়তা এবং বৃহত্তর ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার দিকগুলোও তুলে ধরা হয়েছে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/879_1.webp" alt="যুদ্ধের ময়দানে ইউক্রেনীয় বাহিনীর বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>যুদ্ধের ময়দানে ইউক্রেনীয় বাহিনীর বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি</h1>
            <p>রাশিয়া–ইউক্রেন সংঘাতে যুদ্ধক্ষেত্রের পরিস্থিতি দ্রুত বদলে যাচ্ছে। ইউক্রেনের বিভিন্ন যুদ্ধাঞ্চলে রুশ বাহিনীর ধারাবাহিক হামলা, সামরিক ঘাঁটি ও সরবরাহ ব্যবস্থায় আঘাত এবং ড্রোন প্রতিরোধের দাবি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। একই সময়ে কিয়েভকে সামরিক সহায়তা দিতে জার্মানির ভূমিকা এবং বিশেষ সমন্বয় ইউনিট নিয়েও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে। এই ভিডিওতে খারেভ অঞ্চলের যুদ্ধ পরিস্থিতি, ইউক্রেনের সামরিক ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবিগুলো, কিয়েভের সামরিক ও সরবরাহ অবকাঠামোয় হামলা, জার্মানির সামরিক সহায়তা এবং ইউক্রেন যুদ্ধ ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের কূটনৈতিক সমীকরণ বিশ্লেষণ করা হয়েছে। পাশাপাশি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদকে ঘিরে সম্ভাব্য কূটনৈতিক তৎপরতা, ইউক্রেনের জন্য পশ্চিমা সামরিক সহায়তা এবং বৃহত্তর ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার দিকগুলোও তুলে ধরা হয়েছে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/879_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/879_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/879_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Benny Blanco Says Being “Nice” Was the Key to Romance With Selena Gomez]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/52330</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/52330</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Mousumi Akter]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 16 Sep 2026 22:03:38 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[Entertainment]]></category>
                        <category><![CDATA[Benny Blanco, Selena Gomez, Today show interview, relationship advice, open dialogue, celebrity marriage, September 2025 wedding, Santa Barbara wedding, engagement December 2024, Mel Robbins Podcast, therapy list, kindness in relationships, Persian rugs wedding, Grammy-winning producer, celebrity couple news]]></category>
        
        <description><![CDATA[Benny Blanco says the “secret” to building a relationship with Selena Gomez wasn’t a grand gesture or a complicated plan, but something far more straightforward: treating people well and communicating. According to reports, the Grammy-winning producer shared the relationship advice during a Sept. 13 appearance on the “Today” show, where he discussed how he and Gomez have maintained a strong partnership since they began dating in 2023. “I didn’t use, like, black magic or anything,” Blanco, 38, said in the interview. “I just was nice.” He added that the foundation of their relationship comes down to understanding each other and keeping conversations open, saying it’s “understanding your partner and being able to talk about things, and have an open dialogue.” Blanco also described their current dynamic in positive terms. “Yeah, we’re in a really good spot, and I’m very fortunate,” he said, according to the interview. He continued by crediting basic decency and kindness for helping bring Gomez into his life: “And I think, again, not being a dick and being nice to people put her in my orbit.” The remarks align with advice Blanco has previously shared about what he was looking for in a long-term partner. On “The Mel Robbins Podcast,” he said he once worked with his therapist to write down qualities he wanted in a future wife. The first item, he recalled, was “age-appropriate.” The second was “someone who’s nice,” which he described as “nice, caring, compassionate, like someone who’s a nice person.” His third requirement was someone who “woke up generally happy,” he said on the podcast, framing it as a preference for a partner with a naturally upbeat baseline. Blanco and Gomez, a singer and actress, made their relationship public in 2023 and later announced their engagement in December 2024, according to the timeline cited in reports. They married in September 2025 in Santa Barbara, California. In the “Today” show conversation, Blanco also shared details about their wedding and the tone the couple wanted to set. He said Gomez preferred Persian rugs rather than a traditional aisle and specifically wanted to avoid a “bougie” feel. Blanco described the celebration as carefully planned but not overly formal, saying it felt “incredible” and “didn’t feel stuffy,” according to the report. Celebrity couples frequently share personal relationship reflections on talk shows, where small details about proposals, weddings and home life can quickly travel across social media and entertainment news. In recent years, public discussions about therapy and communication have also become more common among high-profile figures, reflecting a broader cultural shift toward normalizing mental health support and intentional relationship habits. Why this matters Gomez and Blanco’s relationship has drawn wide attention, and their public comments can shape how fans and media interpret their partnership—particularly after a high-profile engagement and wedding. Blanco’s emphasis on kindness and open dialogue echoes themes that relationship experts frequently highlight as central to long-term stability, even under public scrutiny. For audiences, the discussion also reflects how celebrities increasingly frame therapy and communication as standard tools rather than taboo topics. Blanco’s message, as he put it, is simple: be kind, talk openly, and build the relationship from there.]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_74.webp" alt="Benny Blanco Says Being “Nice” Was the Key to Romance With Selena Gomez" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Benny Blanco Says Being “Nice” Was the Key to Romance With Selena Gomez</h1>
            <p>Benny Blanco says the “secret” to building a relationship with Selena Gomez wasn’t a grand gesture or a complicated plan, but something far more straightforward: treating people well and communicating. According to reports, the Grammy-winning producer shared the relationship advice during a Sept. 13 appearance on the “Today” show, where he discussed how he and Gomez have maintained a strong partnership since they began dating in 2023. “I didn’t use, like, black magic or anything,” Blanco, 38, said in the interview. “I just was nice.” He added that the foundation of their relationship comes down to understanding each other and keeping conversations open, saying it’s “understanding your partner and being able to talk about things, and have an open dialogue.” Blanco also described their current dynamic in positive terms. “Yeah, we’re in a really good spot, and I’m very fortunate,” he said, according to the interview. He continued by crediting basic decency and kindness for helping bring Gomez into his life: “And I think, again, not being a dick and being nice to people put her in my orbit.” The remarks align with advice Blanco has previously shared about what he was looking for in a long-term partner. On “The Mel Robbins Podcast,” he said he once worked with his therapist to write down qualities he wanted in a future wife. The first item, he recalled, was “age-appropriate.” The second was “someone who’s nice,” which he described as “nice, caring, compassionate, like someone who’s a nice person.” His third requirement was someone who “woke up generally happy,” he said on the podcast, framing it as a preference for a partner with a naturally upbeat baseline. Blanco and Gomez, a singer and actress, made their relationship public in 2023 and later announced their engagement in December 2024, according to the timeline cited in reports. They married in September 2025 in Santa Barbara, California. In the “Today” show conversation, Blanco also shared details about their wedding and the tone the couple wanted to set. He said Gomez preferred Persian rugs rather than a traditional aisle and specifically wanted to avoid a “bougie” feel. Blanco described the celebration as carefully planned but not overly formal, saying it felt “incredible” and “didn’t feel stuffy,” according to the report. Celebrity couples frequently share personal relationship reflections on talk shows, where small details about proposals, weddings and home life can quickly travel across social media and entertainment news. In recent years, public discussions about therapy and communication have also become more common among high-profile figures, reflecting a broader cultural shift toward normalizing mental health support and intentional relationship habits. Why this matters Gomez and Blanco’s relationship has drawn wide attention, and their public comments can shape how fans and media interpret their partnership—particularly after a high-profile engagement and wedding. Blanco’s emphasis on kindness and open dialogue echoes themes that relationship experts frequently highlight as central to long-term stability, even under public scrutiny. For audiences, the discussion also reflects how celebrities increasingly frame therapy and communication as standard tools rather than taboo topics. Blanco’s message, as he put it, is simple: be kind, talk openly, and build the relationship from there.</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_74.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_74.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_74.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Marcello Hernández Ad-Libs Emmy Moment, Invites Zendaya and Tom Holland to Dinner]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/52329</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/52329</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Mousumi Akter]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 16 Sep 2026 20:56:44 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[Entertainment]]></category>
                        <category><![CDATA[Marcello Hernández, Zendaya, Tom Holland, 2026 Emmys, 78th Primetime Emmy Awards, Peacock Theater, Saturday Night Live, Outstanding Directing for a Comedy Series, Mariska Hargitay host, NBC broadcast, Peacock streaming, Spider-Man Brand New Day, Emmy presenter moment, awards show ad-lib, celebrity couple appearance]]></category>
        
        <description><![CDATA[Marcello Hernández turned a routine awards presentation into one of the 2026 Emmys’ most talked-about unscripted moments Monday night, pausing while announcing the winner for Outstanding Directing for a Comedy Series to address newlyweds Zendaya and Tom Holland from the stage and invite them to dinner at his home. The exchange unfolded at the 78th Primetime Emmy Awards at the Peacock Theater in Los Angeles, according to reports. Hernández, 29, best known as a cast member on “Saturday Night Live,” was mid-presentation on Sept. 14 when he spotted the couple in the audience and decided not to stick to the typical presenter script. “I saw you and I wanted to play it cool, and I’ve decided I can’t do that,” he told the room, prompting laughter. He then leaned into the joke by addressing Holland directly as his most famous role. “So, I would like to invite you and Spider-Man to have dinner at my house,” Hernández said, referencing the pair’s “Spider-Man: Brand New Day” connection. Cameras cut to Zendaya and Holland, who smiled and laughed along as the audience reacted. The spontaneous shout-out landed as a light comedic beat during a ceremony already packed with celebrity appearances, acceptance speeches and live-television timing that leaves little room for mistakes—or surprise. The 2026 Emmys were hosted by Mariska Hargitay and broadcast live on NBC, with streaming available on Peacock. Award-show presenters frequently use their stage time to add short punchlines or nod to stars in the crowd, a format that helps keep long ceremonies moving while creating moments designed to play well both in the room and on social platforms afterward. Hernández’s remark also stood out because Zendaya and Holland are not frequent fixtures on red carpets together. While both are major Hollywood stars, their public joint appearances are relatively rare compared with other celebrity couples—making even a brief on-camera reaction a notable moment for fans following their relationship. Zendaya, in particular, has been an awards-season regular in recent years, including past Emmys recognition tied to prestige television—part of a broader shift that has seen film-level celebrity increasingly anchored in streaming and premium series. Holland, meanwhile, remains closely associated with blockbuster franchises, and the pair’s shared “Spider-Man” history has long drawn public interest. Monday’s exchange did not alter the award being presented, but it did what live awards shows often aim to do: create a quick, human moment that cuts through the formality. Hernández’s ability to pivot from a standard category announcement to a playful, audience-facing bit reflected the skill set that has made “SNL” alumni common choices for hosting and presenting on major broadcast stages. Why this matters In an era when awards shows compete with short-form video and viral content, unscripted interactions have become a key way ceremonies stay culturally relevant beyond the broadcast. Zendaya and Holland’s limited joint appearances also mean small moments—especially those captured on camera—can generate outsized attention online. For the Emmys, it’s another reminder that presenter ad-libs and crowd shots often shape the next day’s headlines as much as the awards themselves. The dinner invite was unlikely to be the night’s biggest honor, but it became one of its most memorable laughs.]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_68.webp" alt="Marcello Hernández Ad-Libs Emmy Moment, Invites Zendaya and Tom Holland to Dinner" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Marcello Hernández Ad-Libs Emmy Moment, Invites Zendaya and Tom Holland to Dinner</h1>
            <p>Marcello Hernández turned a routine awards presentation into one of the 2026 Emmys’ most talked-about unscripted moments Monday night, pausing while announcing the winner for Outstanding Directing for a Comedy Series to address newlyweds Zendaya and Tom Holland from the stage and invite them to dinner at his home. The exchange unfolded at the 78th Primetime Emmy Awards at the Peacock Theater in Los Angeles, according to reports. Hernández, 29, best known as a cast member on “Saturday Night Live,” was mid-presentation on Sept. 14 when he spotted the couple in the audience and decided not to stick to the typical presenter script. “I saw you and I wanted to play it cool, and I’ve decided I can’t do that,” he told the room, prompting laughter. He then leaned into the joke by addressing Holland directly as his most famous role. “So, I would like to invite you and Spider-Man to have dinner at my house,” Hernández said, referencing the pair’s “Spider-Man: Brand New Day” connection. Cameras cut to Zendaya and Holland, who smiled and laughed along as the audience reacted. The spontaneous shout-out landed as a light comedic beat during a ceremony already packed with celebrity appearances, acceptance speeches and live-television timing that leaves little room for mistakes—or surprise. The 2026 Emmys were hosted by Mariska Hargitay and broadcast live on NBC, with streaming available on Peacock. Award-show presenters frequently use their stage time to add short punchlines or nod to stars in the crowd, a format that helps keep long ceremonies moving while creating moments designed to play well both in the room and on social platforms afterward. Hernández’s remark also stood out because Zendaya and Holland are not frequent fixtures on red carpets together. While both are major Hollywood stars, their public joint appearances are relatively rare compared with other celebrity couples—making even a brief on-camera reaction a notable moment for fans following their relationship. Zendaya, in particular, has been an awards-season regular in recent years, including past Emmys recognition tied to prestige television—part of a broader shift that has seen film-level celebrity increasingly anchored in streaming and premium series. Holland, meanwhile, remains closely associated with blockbuster franchises, and the pair’s shared “Spider-Man” history has long drawn public interest. Monday’s exchange did not alter the award being presented, but it did what live awards shows often aim to do: create a quick, human moment that cuts through the formality. Hernández’s ability to pivot from a standard category announcement to a playful, audience-facing bit reflected the skill set that has made “SNL” alumni common choices for hosting and presenting on major broadcast stages. Why this matters In an era when awards shows compete with short-form video and viral content, unscripted interactions have become a key way ceremonies stay culturally relevant beyond the broadcast. Zendaya and Holland’s limited joint appearances also mean small moments—especially those captured on camera—can generate outsized attention online. For the Emmys, it’s another reminder that presenter ad-libs and crowd shots often shape the next day’s headlines as much as the awards themselves. The dinner invite was unlikely to be the night’s biggest honor, but it became one of its most memorable laughs.</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_68.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_68.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_68.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Doria Ragland Reportedly Urged Meghan Markle to Weigh UK Return Carefully, Family Source Says]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/52328</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/52328</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Abdullah Sahel]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 16 Sep 2026 20:56:44 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[U.K.]]></category>
                        <category><![CDATA[doria ragland, meghan markle mother, meghan markle uk return, prince harry meghan markle, archie and lilibet, sussex security concerns, duchess of sussex news, rob shuter meghan markle, meghan markle family source, harry meghan britain move, royal family news, montecito sussexes, meghan markle doria ragland bond, harry meghan school change, sussex uk security]]></category>
        
        <description><![CDATA[According to reports citing a family source who spoke with columnist Rob Shuter, Doria Ragland has cautioned her daughter, Meghan Markle, to think carefully before committing to an extended return to Britain, where the Duchess of Sussex, Prince Harry and their children, Archie and Lilibet, are currently staying. The reported advice comes as the family faces ongoing security questions in the United Kingdom, including a recent decision to move the children to a new school on safety grounds. The source described Ragland, 70, as a protective mother who watched closely as her daughter navigated intense public scrutiny after marrying Prince Harry in 2018. "Doria told Meghan to think very carefully before moving back," the source said. "She watched what Britain did to her daughter the first time. She saw the pressure, the criticism and the toll it took. She's terrified history will repeat itself." Meghan has offered a more upbeat picture of the family's time in the UK, sharing glimpses of outdoor outings with the children on social media. Ragland's reported reservations do not appear to have caused a rift, however. The source stressed that she is "not rooting against" her daughter and that the two remain close. "Doria loves Meghan enough to tell her what she doesn't want to hear," the source added. "Meghan believes she's stronger now and can make Britain work on her own terms. Doria desperately wants her to be right." The bond between mother and daughter has long been visible to the public. Ragland was the only member of Meghan's family to attend the 2018 wedding at Windsor Castle, and she has remained a regular presence in the lives of her grandchildren since the couple settled in Montecito, California, in 2020. That physical closeness made the family's departure for Britain especially difficult, according to the source. "Those grandchildren are Doria's world," the source said. "A few weeks ago, they were close enough to hug. Now there's an ocean between them. That's devastating." The security concerns at the center of Ragland's reported worries have a long history. After Harry and Meghan stepped back from senior royal duties in early 2020, they lost the automatic, taxpayer-funded police protection provided to working members of the royal family. Harry subsequently challenged the British government's decision in court, arguing that his family could not safely visit the UK without it. That backdrop helps explain why the couple's current stay has been accompanied by practical safety decisions, including the September 14 school change that the Sussexes' team attributed solely to discussions with their security advisers rather than any issue with the school itself. Why this matters For U.S. readers, the story illustrates how the Sussexes' 2020 move to California reshaped not just their public roles but the day-to-day logistics of their family life, from grandparents' access to the children to the level of protection they receive abroad. Ragland's reported caution also reflects a broader theme that has followed the couple since their departure from royal life: the tension between reclaiming a connection to Britain and the scrutiny and security challenges that come with it. As public figures who have built media and business ventures in the United States, any long-term shift back across the Atlantic carries personal and professional implications that extend beyond the royal family itself. For now, the reported exchange underscores a family weighing hope against hard experience. Meghan appears determined to approach Britain on her own terms, while her mother, by the source's account, is doing what she has always done: looking out for her daughter.]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_67.webp" alt="Doria Ragland Reportedly Urged Meghan Markle to Weigh UK Return Carefully, Family Source Says" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Doria Ragland Reportedly Urged Meghan Markle to Weigh UK Return Carefully, Family Source Says</h1>
            <p>According to reports citing a family source who spoke with columnist Rob Shuter, Doria Ragland has cautioned her daughter, Meghan Markle, to think carefully before committing to an extended return to Britain, where the Duchess of Sussex, Prince Harry and their children, Archie and Lilibet, are currently staying. The reported advice comes as the family faces ongoing security questions in the United Kingdom, including a recent decision to move the children to a new school on safety grounds. The source described Ragland, 70, as a protective mother who watched closely as her daughter navigated intense public scrutiny after marrying Prince Harry in 2018. "Doria told Meghan to think very carefully before moving back," the source said. "She watched what Britain did to her daughter the first time. She saw the pressure, the criticism and the toll it took. She's terrified history will repeat itself." Meghan has offered a more upbeat picture of the family's time in the UK, sharing glimpses of outdoor outings with the children on social media. Ragland's reported reservations do not appear to have caused a rift, however. The source stressed that she is "not rooting against" her daughter and that the two remain close. "Doria loves Meghan enough to tell her what she doesn't want to hear," the source added. "Meghan believes she's stronger now and can make Britain work on her own terms. Doria desperately wants her to be right." The bond between mother and daughter has long been visible to the public. Ragland was the only member of Meghan's family to attend the 2018 wedding at Windsor Castle, and she has remained a regular presence in the lives of her grandchildren since the couple settled in Montecito, California, in 2020. That physical closeness made the family's departure for Britain especially difficult, according to the source. "Those grandchildren are Doria's world," the source said. "A few weeks ago, they were close enough to hug. Now there's an ocean between them. That's devastating." The security concerns at the center of Ragland's reported worries have a long history. After Harry and Meghan stepped back from senior royal duties in early 2020, they lost the automatic, taxpayer-funded police protection provided to working members of the royal family. Harry subsequently challenged the British government's decision in court, arguing that his family could not safely visit the UK without it. That backdrop helps explain why the couple's current stay has been accompanied by practical safety decisions, including the September 14 school change that the Sussexes' team attributed solely to discussions with their security advisers rather than any issue with the school itself. Why this matters For U.S. readers, the story illustrates how the Sussexes' 2020 move to California reshaped not just their public roles but the day-to-day logistics of their family life, from grandparents' access to the children to the level of protection they receive abroad. Ragland's reported caution also reflects a broader theme that has followed the couple since their departure from royal life: the tension between reclaiming a connection to Britain and the scrutiny and security challenges that come with it. As public figures who have built media and business ventures in the United States, any long-term shift back across the Atlantic carries personal and professional implications that extend beyond the royal family itself. For now, the reported exchange underscores a family weighing hope against hard experience. Meghan appears determined to approach Britain on her own terms, while her mother, by the source's account, is doing what she has always done: looking out for her daughter.</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_67.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_67.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_67.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Meghan Markle Signals Affection for the UK Amid Ongoing Security Concerns]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/52327</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/52327</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Abdullah Sahel]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 16 Sep 2026 20:56:44 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[U.K.]]></category>
                        <category><![CDATA[meghan markle uk, prince harry meghan markle, duchess of sussex news, archie mountbatten windsor, lilibet mountbatten windsor, sussex family uk, meghan markle instagram, british royal family news, harry meghan security, harry meghan school change, megxit security, royal family news 2026, prince harry uk return, meghan markle england flag, sussexes royal news]]></category>
        
        <description><![CDATA[According to reports, Meghan Markle has shown a sign of warmth toward the United Kingdom even as separate concerns remain about security for her children, Archie and Lilibet. The Duchess of Sussex posted a video on her Instagram account that gave viewers a brief look into family time during her stay in Britain, coming at a moment when her family was navigating both personal and safety-related decisions. In the past, Meghan has spoken about what she described as difficult experiences after her high-profile wedding to Prince Harry in 2018. However, August 2026 marked a shift in plans when the couple confirmed they would be returning to the UK for an extended stay with their two children. The announcement drew mixed reactions among observers, with some welcoming the news and others viewing it as unexpected. The Instagram video offered a more lighthearted glimpse of that visit. It showed Archie and Lilibet fishing, while Prince Harry and Meghan were seen taking a stroll through a lush, green landscape. Meghan added two stickers to the clip, one of which was the English flag paired with a red heart. Many viewers interpreted that small detail as her way of expressing affection for her husband’s homeland, though the video itself did not directly state the phrase "the UK is love." Despite those relaxed and warm moments captured on camera, the Sussexes soon faced a more serious development. On September 14, 2026, their team confirmed that Archie and Lilibet had moved to a different school. They clarified that the decision was made strictly for security reasons following discussions with the family’s security team, and not because of any issue with their previous school or its administration. This contrast between the idyllic scenes shown online and the confirmed change in schooling reflects a longer-running dynamic for the Sussexes. After announcing in January 2020 that they would step back as senior working members of the British royal family, Harry and Meghan relocated from the UK to California. With that move came a significant change in their publicly funded protection, which over time evolved into an ongoing public discussion about their security arrangements. That broader backdrop helps explain why safety considerations have remained a factor for the family even during what appeared to be a positive return visit. Why this matters The split between the Sussexes’ personal experiences and their security needs speaks to a wider shift in the modern monarchy. As some younger royals have chosen different paths outside the institution, long-established protections and public roles have had to adjust in ways that were less common in previous generations. For a U.S. audience, this story highlights not just family dynamics, but how changes in duty, geography and public scrutiny can continue to carry lasting practical consequences long after a relocation. In conclusion, while Meghan’s Instagram post conveyed a sense of warmth toward Britain, that gesture ran parallel to a confirmed decision to change her children’s school for security reasons, reflecting two very different realities unfolding at the same time.]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_65.webp" alt="Meghan Markle Signals Affection for the UK Amid Ongoing Security Concerns" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Meghan Markle Signals Affection for the UK Amid Ongoing Security Concerns</h1>
            <p>According to reports, Meghan Markle has shown a sign of warmth toward the United Kingdom even as separate concerns remain about security for her children, Archie and Lilibet. The Duchess of Sussex posted a video on her Instagram account that gave viewers a brief look into family time during her stay in Britain, coming at a moment when her family was navigating both personal and safety-related decisions. In the past, Meghan has spoken about what she described as difficult experiences after her high-profile wedding to Prince Harry in 2018. However, August 2026 marked a shift in plans when the couple confirmed they would be returning to the UK for an extended stay with their two children. The announcement drew mixed reactions among observers, with some welcoming the news and others viewing it as unexpected. The Instagram video offered a more lighthearted glimpse of that visit. It showed Archie and Lilibet fishing, while Prince Harry and Meghan were seen taking a stroll through a lush, green landscape. Meghan added two stickers to the clip, one of which was the English flag paired with a red heart. Many viewers interpreted that small detail as her way of expressing affection for her husband’s homeland, though the video itself did not directly state the phrase "the UK is love." Despite those relaxed and warm moments captured on camera, the Sussexes soon faced a more serious development. On September 14, 2026, their team confirmed that Archie and Lilibet had moved to a different school. They clarified that the decision was made strictly for security reasons following discussions with the family’s security team, and not because of any issue with their previous school or its administration. This contrast between the idyllic scenes shown online and the confirmed change in schooling reflects a longer-running dynamic for the Sussexes. After announcing in January 2020 that they would step back as senior working members of the British royal family, Harry and Meghan relocated from the UK to California. With that move came a significant change in their publicly funded protection, which over time evolved into an ongoing public discussion about their security arrangements. That broader backdrop helps explain why safety considerations have remained a factor for the family even during what appeared to be a positive return visit. Why this matters The split between the Sussexes’ personal experiences and their security needs speaks to a wider shift in the modern monarchy. As some younger royals have chosen different paths outside the institution, long-established protections and public roles have had to adjust in ways that were less common in previous generations. For a U.S. audience, this story highlights not just family dynamics, but how changes in duty, geography and public scrutiny can continue to carry lasting practical consequences long after a relocation. In conclusion, while Meghan’s Instagram post conveyed a sense of warmth toward Britain, that gesture ran parallel to a confirmed decision to change her children’s school for security reasons, reflecting two very different realities unfolding at the same time.</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_65.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_65.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_65.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Selena Gomez Shines in Gold Louis Vuitton at 2026 Emmys as ‘Only Murders’ Earns Producer Nod]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/52319</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/52319</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Mousumi Akter]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 16 Sep 2026 20:56:44 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[Entertainment]]></category>
                        <category><![CDATA[Selena Gomez, 2026 Emmys, Louis Vuitton gown, Tiffany & Co jewelry, Jean Schlumberger, Bird on a Rock bracelet, Erin Walsh stylist, Zanna Roberts Rassi, Only Murders in the Building, executive producer nomination, Benny Blanco, Emmy red carpet fashion, mermaid silhouette, Feathers High Jewelry collection, Hulu comedy]]></category>
        
        <description><![CDATA[Selena Gomez brought high-glamour fashion to the 2026 Emmy Awards on Monday night, stepping onto the red carpet in a strapless, gold beaded Louis Vuitton gown as she marked her fourth Emmys appearance and competed this year as an executive producer on Hulu’s “Only Murders in the Building.” According to reports from the red carpet coverage, Gomez arrived alone and it was not immediately clear whether her husband, Benny Blanco, joined her inside the ceremony. The Louis Vuitton look was designed with a shimmering metallic finish and a fitted mermaid silhouette that extended to the floor. The intricate beadwork radiated outward in a circular pattern at the waist, a detail that emphasized the gown’s structure and shape while keeping the overall styling clean and classic. Ahead of Gomez’s arrival, E! red carpet host and stylist Zanna Roberts Rassi previewed the outfit and shared a note from stylist Erin Walsh about the dress’s surprising construction. “It looks like it weighs a billion pounds, but it’s actually light as a feather,” Walsh said, according to the broadcast. Gomez accessorized with a significant Tiffany & Co. lineup, including a Jean Schlumberger Bird on a Rock by Tiffany bracelet and earrings from the house’s Feathers High Jewelry collection. She also wore three Schlumberger rings valued at $18,000, $65,000 and $26,000, according to the report. Her hair was styled in loose, casual curls—an effect that echoed the relaxed glamour of her recent summer trip to Italy with Blanco that has been widely referenced in coverage of her recent looks. The choice balanced the formality of the beaded gown with a more natural finish. On the awards side, Gomez is nominated this year in her role as an executive producer on “Only Murders in the Building.” The series is up against a competitive slate that includes “Hacks,” “Abbott Elementary,” “The Bear,” “Margo’s Got Money Troubles,” “Nobody Wants This,” “Shrinking” and “Widow’s Bay,” according to the list cited in reports. Gomez’s Emmys style has been consistent in its preference for elongated, body-skimming silhouettes. Last year she wore a bright red Louis Vuitton halter gown, and in 2024 she appeared in a semi-sheer Oscar de la Renta design reportedly embellished with nearly half a million sequins. While her red carpet schedule has been less packed in recent months, she has still made several major black-tie appearances in 2026. Reports noted she wore a gold Oscar de la Renta gown to Taylor Swift and Travis Kelce’s July wedding. She also wore a Ralph Lauren halter gown for her own wedding to Blanco last September. Why this matters Awards-season fashion remains a major visibility platform for luxury houses, and Louis Vuitton’s presence at the Emmys reflects how top designers increasingly use TV’s biggest night the way they once prioritized film premieres and the Oscars. Gomez’s nomination also highlights a broader industry shift: high-profile actors are taking on executive producer roles, giving them more creative influence while aligning their brands with streaming-era hits. For U.S. audiences, “Only Murders in the Building” is part of the continuing dominance of streaming and premium comedy at the Emmys. Gomez’s red carpet moment ultimately paired statement jewelry and a luminous gold palette with a professional milestone tied to one of television’s most watched comedy contenders.]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_64.webp" alt="Selena Gomez Shines in Gold Louis Vuitton at 2026 Emmys as ‘Only Murders’ Earns Producer Nod" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Selena Gomez Shines in Gold Louis Vuitton at 2026 Emmys as ‘Only Murders’ Earns Producer Nod</h1>
            <p>Selena Gomez brought high-glamour fashion to the 2026 Emmy Awards on Monday night, stepping onto the red carpet in a strapless, gold beaded Louis Vuitton gown as she marked her fourth Emmys appearance and competed this year as an executive producer on Hulu’s “Only Murders in the Building.” According to reports from the red carpet coverage, Gomez arrived alone and it was not immediately clear whether her husband, Benny Blanco, joined her inside the ceremony. The Louis Vuitton look was designed with a shimmering metallic finish and a fitted mermaid silhouette that extended to the floor. The intricate beadwork radiated outward in a circular pattern at the waist, a detail that emphasized the gown’s structure and shape while keeping the overall styling clean and classic. Ahead of Gomez’s arrival, E! red carpet host and stylist Zanna Roberts Rassi previewed the outfit and shared a note from stylist Erin Walsh about the dress’s surprising construction. “It looks like it weighs a billion pounds, but it’s actually light as a feather,” Walsh said, according to the broadcast. Gomez accessorized with a significant Tiffany & Co. lineup, including a Jean Schlumberger Bird on a Rock by Tiffany bracelet and earrings from the house’s Feathers High Jewelry collection. She also wore three Schlumberger rings valued at $18,000, $65,000 and $26,000, according to the report. Her hair was styled in loose, casual curls—an effect that echoed the relaxed glamour of her recent summer trip to Italy with Blanco that has been widely referenced in coverage of her recent looks. The choice balanced the formality of the beaded gown with a more natural finish. On the awards side, Gomez is nominated this year in her role as an executive producer on “Only Murders in the Building.” The series is up against a competitive slate that includes “Hacks,” “Abbott Elementary,” “The Bear,” “Margo’s Got Money Troubles,” “Nobody Wants This,” “Shrinking” and “Widow’s Bay,” according to the list cited in reports. Gomez’s Emmys style has been consistent in its preference for elongated, body-skimming silhouettes. Last year she wore a bright red Louis Vuitton halter gown, and in 2024 she appeared in a semi-sheer Oscar de la Renta design reportedly embellished with nearly half a million sequins. While her red carpet schedule has been less packed in recent months, she has still made several major black-tie appearances in 2026. Reports noted she wore a gold Oscar de la Renta gown to Taylor Swift and Travis Kelce’s July wedding. She also wore a Ralph Lauren halter gown for her own wedding to Blanco last September. Why this matters Awards-season fashion remains a major visibility platform for luxury houses, and Louis Vuitton’s presence at the Emmys reflects how top designers increasingly use TV’s biggest night the way they once prioritized film premieres and the Oscars. Gomez’s nomination also highlights a broader industry shift: high-profile actors are taking on executive producer roles, giving them more creative influence while aligning their brands with streaming-era hits. For U.S. audiences, “Only Murders in the Building” is part of the continuing dominance of streaming and premium comedy at the Emmys. Gomez’s red carpet moment ultimately paired statement jewelry and a luminous gold palette with a professional milestone tied to one of television’s most watched comedy contenders.</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_64.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_64.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_64.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Buckingham Palace Highlights Princess Anne’s Engagement Amid Separate Sussex Security Reports]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/52318</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/52318</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Abdullah Sahel]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 16 Sep 2026 19:56:06 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[U.K.]]></category>
                        <category><![CDATA[buckingham palace update, princess anne sheep dog trials, international sheep dog society, prince harry meghan markle security, royal family instagram, princess royal patronage, british monarchy public duties, king charles royal engagements, harry meghan children school, uk royal news, royal working duties, constitutional monarchy uk, royal family news 2025, buckingham palace statement, british royal engagements]]></category>
        
        <description><![CDATA[According to Buckingham Palace’s official social media channels, Princess Anne, the Princess Royal, attended this year’s International Sheep Dog Trials as patron, continuing her long-standing public duties at a time when separate media reports have focused on Prince Harry and Meghan Markle’s security arrangements. The Royal Family’s verified Instagram account shared a series of photographs from the event and provided a brief update highlighting the occasion without directly referencing the Duke and Duchess of Sussex. The palace noted that the International Sheep Dog Society hosted the trials and works to support both the training and welfare of sheep dogs. As patron of the organization, Princess Anne met with team members from across the United Kingdom, watched qualifying runs and presented awards to recognize their contributions to sheepdog trialling. The Instagram caption celebrated the winners with a light play on words, welcoming the results for this year’s competitors. While the social media post was focused solely on the agricultural event, some coverage noted its timing, coming as Prince Harry and Meghan Markle’s representatives have clarified changes involving their children’s schooling. According to those statements reported separately, the decision to change schools was made only after discussions between the family’s security team and practical considerations about current arrangements, and not due to any concerns with the school or its administration. Buckingham Palace did not issue any statement related to that matter in connection with Princess Anne’s engagement. The royal family has a long history of maintaining scheduled public engagements regardless of other headlines. For working members of the monarchy, planned patronage events are often arranged months in advance, meaning routine outings frequently proceed as planned even when unrelated family developments are drawing public attention. This helps maintain continuity in their charitable and ceremonial work without conflating two separate stories. Why this matters Royal public engagements like Princess Anne’s appearance underscore the institutional nature of the British monarchy and its emphasis on continuous public service. In a constitutional monarchy, working royals are expected to fulfill their duties regardless of media cycles, and agricultural patronages also reflect the monarchy’s historic ties to rural communities across the United Kingdom. For a U.S. audience, these events offer context about how the royal household often separates private family matters from its official public role, preventing one story from overshadowing long-established commitments. In conclusion, the Buckingham Palace update centered strictly on Princess Anne’s support for the International Sheep Dog Trials. The parallel discussion around the Sussexes’ security arrangements remains a separate matter, with the palace choosing to highlight ongoing public service rather than commenting on private family concerns.]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_63.webp" alt="Buckingham Palace Highlights Princess Anne’s Engagement Amid Separate Sussex Security Reports" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Buckingham Palace Highlights Princess Anne’s Engagement Amid Separate Sussex Security Reports</h1>
            <p>According to Buckingham Palace’s official social media channels, Princess Anne, the Princess Royal, attended this year’s International Sheep Dog Trials as patron, continuing her long-standing public duties at a time when separate media reports have focused on Prince Harry and Meghan Markle’s security arrangements. The Royal Family’s verified Instagram account shared a series of photographs from the event and provided a brief update highlighting the occasion without directly referencing the Duke and Duchess of Sussex. The palace noted that the International Sheep Dog Society hosted the trials and works to support both the training and welfare of sheep dogs. As patron of the organization, Princess Anne met with team members from across the United Kingdom, watched qualifying runs and presented awards to recognize their contributions to sheepdog trialling. The Instagram caption celebrated the winners with a light play on words, welcoming the results for this year’s competitors. While the social media post was focused solely on the agricultural event, some coverage noted its timing, coming as Prince Harry and Meghan Markle’s representatives have clarified changes involving their children’s schooling. According to those statements reported separately, the decision to change schools was made only after discussions between the family’s security team and practical considerations about current arrangements, and not due to any concerns with the school or its administration. Buckingham Palace did not issue any statement related to that matter in connection with Princess Anne’s engagement. The royal family has a long history of maintaining scheduled public engagements regardless of other headlines. For working members of the monarchy, planned patronage events are often arranged months in advance, meaning routine outings frequently proceed as planned even when unrelated family developments are drawing public attention. This helps maintain continuity in their charitable and ceremonial work without conflating two separate stories. Why this matters Royal public engagements like Princess Anne’s appearance underscore the institutional nature of the British monarchy and its emphasis on continuous public service. In a constitutional monarchy, working royals are expected to fulfill their duties regardless of media cycles, and agricultural patronages also reflect the monarchy’s historic ties to rural communities across the United Kingdom. For a U.S. audience, these events offer context about how the royal household often separates private family matters from its official public role, preventing one story from overshadowing long-established commitments. In conclusion, the Buckingham Palace update centered strictly on Princess Anne’s support for the International Sheep Dog Trials. The parallel discussion around the Sussexes’ security arrangements remains a separate matter, with the palace choosing to highlight ongoing public service rather than commenting on private family concerns.</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_63.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_63.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_63.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Lisa Kudrow Returns to Emmys Red Carpet With Son Julian Stern After Seven-Year Absence]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/52317</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/52317</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Mousumi Akter]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 16 Sep 2026 19:56:06 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[Entertainment]]></category>
                        <category><![CDATA[Lisa Kudrow, Julian Stern, Emmys red carpet, 78th Primetime Emmy Awards, Peacock Theater, The Comeback, Valerie Cherish, HBO comedy, Outstanding Lead Actress Comedy, Friends Emmy 1998, Quinta Brunson, Ayo Edebiri, Jean Smart, Elle Fanning, Michel Stern]]></category>
        
        <description><![CDATA[Lisa Kudrow stepped back onto the Emmys red carpet Monday for the first time in seven years, arriving at the 78th Primetime Emmy Awards at the Peacock Theater with her son, Julian Stern, as her date. According to reports, Kudrow is nominated this year for Outstanding Lead Actress in a Comedy Series for playing Valerie Cherish in the final season of HBO’s “The Comeback.” Kudrow wore an all-black gown with a matching blazer, keeping her look sleek and understated. Stern, 28, coordinated in a classic black suit as the mother-son pair posed for photographers outside the venue in downtown Los Angeles. The appearance marked Kudrow’s first Emmys red carpet showing since 2019, a notable return for an actor who has long been a fixture in TV comedy. She won an Emmy in 1998 for her performance as Phoebe Buffay on NBC’s “Friends” and has amassed 16 Emmy nominations across her career, including two earlier nominations tied to “The Comeback,” the reports said. This year’s lead-actress comedy race is crowded with familiar names and newer breakout stars. Kudrow is competing against Quinta Brunson of “Abbott Elementary,” Ayo Edebiri of “The Bear,” Elle Fanning of “Margo’s Got Money Troubles,” and past winner Jean Smart of “Hacks,” according to the published nominee list referenced in reports. Kudrow’s nomination is tied to a role that has become a cult favorite for comedy fans: Valerie Cherish, a former sitcom star who tries to revive her career while navigating the entertainment industry’s realities. “The Comeback,” an HBO series, has been widely recognized for its sharp satire of Hollywood and the often-unflattering behind-the-scenes dynamics of fame—an approach that grew even more resonant as reality TV and social media reshaped celebrity culture in the years after the show first premiered. Stern’s presence on the carpet also carried a professional connection to his mother’s work. Kudrow and her husband, Michel Stern, share one child, and Julian has appeared on “The Comeback” himself. According to reports, he made his television debut in Season 3 as an AI trainer named Evan, calling the opportunity a “genuine dream come true.” He has also shared a more personal, lighthearted memory of growing up around his mother’s awards and famous roles. Stern previously joked that as a child he viewed Kudrow’s “Friends” Emmy less as a career milestone and more as “the coolest action figure” he’d ever seen, remembering how he staged mock battles using her “Friends” bobbleheads. Kudrow’s return to the Emmys carpet arrives at a moment when the awards show continues to evolve, with streaming platforms and premium cable increasingly dominating nominations that once largely went to broadcast networks. At the same time, legacy sitcom stars like Kudrow remain central to the ceremony’s appeal, bridging eras of television for longtime viewers and newer audiences discovering past hits through streaming. Why this matters Kudrow’s nomination underscores how a series can gain lasting cultural traction well beyond its original run, especially as audiences revisit older shows and elevate cult favorites into award-season conversation. Her return also highlights the way Emmy campaigns now span multiple waves of television history, with established performers competing alongside newer names from streaming-era hits. For viewers, it’s a reminder that the Emmys still serve as a rare stage where multi-generational TV fandoms meet in one night. As the ceremony unfolded at the Peacock Theater, Kudrow’s red carpet appearance reinforced her enduring presence in TV comedy—this time with her son alongside her.]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_62.webp" alt="Lisa Kudrow Returns to Emmys Red Carpet With Son Julian Stern After Seven-Year Absence" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Lisa Kudrow Returns to Emmys Red Carpet With Son Julian Stern After Seven-Year Absence</h1>
            <p>Lisa Kudrow stepped back onto the Emmys red carpet Monday for the first time in seven years, arriving at the 78th Primetime Emmy Awards at the Peacock Theater with her son, Julian Stern, as her date. According to reports, Kudrow is nominated this year for Outstanding Lead Actress in a Comedy Series for playing Valerie Cherish in the final season of HBO’s “The Comeback.” Kudrow wore an all-black gown with a matching blazer, keeping her look sleek and understated. Stern, 28, coordinated in a classic black suit as the mother-son pair posed for photographers outside the venue in downtown Los Angeles. The appearance marked Kudrow’s first Emmys red carpet showing since 2019, a notable return for an actor who has long been a fixture in TV comedy. She won an Emmy in 1998 for her performance as Phoebe Buffay on NBC’s “Friends” and has amassed 16 Emmy nominations across her career, including two earlier nominations tied to “The Comeback,” the reports said. This year’s lead-actress comedy race is crowded with familiar names and newer breakout stars. Kudrow is competing against Quinta Brunson of “Abbott Elementary,” Ayo Edebiri of “The Bear,” Elle Fanning of “Margo’s Got Money Troubles,” and past winner Jean Smart of “Hacks,” according to the published nominee list referenced in reports. Kudrow’s nomination is tied to a role that has become a cult favorite for comedy fans: Valerie Cherish, a former sitcom star who tries to revive her career while navigating the entertainment industry’s realities. “The Comeback,” an HBO series, has been widely recognized for its sharp satire of Hollywood and the often-unflattering behind-the-scenes dynamics of fame—an approach that grew even more resonant as reality TV and social media reshaped celebrity culture in the years after the show first premiered. Stern’s presence on the carpet also carried a professional connection to his mother’s work. Kudrow and her husband, Michel Stern, share one child, and Julian has appeared on “The Comeback” himself. According to reports, he made his television debut in Season 3 as an AI trainer named Evan, calling the opportunity a “genuine dream come true.” He has also shared a more personal, lighthearted memory of growing up around his mother’s awards and famous roles. Stern previously joked that as a child he viewed Kudrow’s “Friends” Emmy less as a career milestone and more as “the coolest action figure” he’d ever seen, remembering how he staged mock battles using her “Friends” bobbleheads. Kudrow’s return to the Emmys carpet arrives at a moment when the awards show continues to evolve, with streaming platforms and premium cable increasingly dominating nominations that once largely went to broadcast networks. At the same time, legacy sitcom stars like Kudrow remain central to the ceremony’s appeal, bridging eras of television for longtime viewers and newer audiences discovering past hits through streaming. Why this matters Kudrow’s nomination underscores how a series can gain lasting cultural traction well beyond its original run, especially as audiences revisit older shows and elevate cult favorites into award-season conversation. Her return also highlights the way Emmy campaigns now span multiple waves of television history, with established performers competing alongside newer names from streaming-era hits. For viewers, it’s a reminder that the Emmys still serve as a rare stage where multi-generational TV fandoms meet in one night. As the ceremony unfolded at the Peacock Theater, Kudrow’s red carpet appearance reinforced her enduring presence in TV comedy—this time with her son alongside her.</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_62.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_62.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_62.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Raheem Sterling Pleads Guilty to Dangerous Driving After Bodycam Footage Shows Laughing Gas Canisters in Crashed Lamborghini]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/52316</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/52316</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Omor Farooq]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 16 Sep 2026 19:56:06 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[U.S.]]></category>
                        <category><![CDATA[Raheem Sterling, dangerous driving guilty plea, nitrous oxide possession, Lamborghini Urus crash, laughing gas canisters, England football, Crown Prosecution Service, bodycam footage, Psychoactive Substances Act, Feyenoord, former Chelsea player, southern England crash, rush hour collision, sports law UK]]></category>
        
        <description><![CDATA[Former England international Raheem Sterling pleaded guilty in court Tuesday to dangerous driving and possession of nitrous oxide after bodycam footage showed him holding inflated laughing gas canisters in his crashed Lamborghini Urus following a May collision in southern England. The Crown Prosecution Service released the dashcam and bodycam material alongside the guilty plea, according to The Sun, which first reported the details. The footage captures officers speaking with the 31-year-old in the moments after he slammed into a gate at a motorway layby during rush hour. Sterling, who has earned 82 caps for the Three Lions, is seen holding an inflated white balloon while weaving through traffic before the impact, which destroyed the vehicle's front tire. At least six nitrous oxide canisters were recovered from the wreckage of the black Urus, a super-SUV valued at approximately $360,000. "You can put that down, mate," one officer tells the dazed Sterling, who is holding the large canisters on his lap. The officer then orders him to stop "tensing up" as his rights are read and instructs him to place his arms behind his back. Sterling was also denied a phone call and was required to provide his name and address before being taken into custody. Sterling, who previously played for Chelsea, Manchester City, and Liverpool, is currently without a club following his release from Dutch side Feyenoord at the end of last season. He faces a maximum sentence of two years in prison. He also declined to provide a biological specimen when requested by officers at the scene, a refusal that can carry its own evidentiary weight in UK courts. The possession charge carries particular significance because nitrous oxide was only added to the Psychoactive Substances Act in England and Wales in January 2024, making it one of the earliest high-profile prosecutions under the new framework. The law criminalized the supply, possession with intent to supply, and use of N2O in a vehicle, a measure introduced after years of campaigning by police forces and health officials who linked the inhalant to cognitive impairment and fatal driving incidents. Why This Matters Sterling's case lands at a moment when UK authorities are actively testing the boundaries of the 2024 nitrous oxide legislation, and a guilty plea by a former Premier League star with 120+ top-flight goals gives the law immediate public visibility that legislators likely intended but few expected in this form. For American readers, the incident also underscores a broader pattern in professional sports where elite athletes' off-field legal troubles—ranging from DUIs to substance possession—increasingly surface through bodycam and dashcam footage rather than traditional police reports, reshaping how the public and clubs assess player conduct. The sentencing hearing is expected to take place in the coming weeks.]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_61.webp" alt="Raheem Sterling Pleads Guilty to Dangerous Driving After Bodycam Footage Shows Laughing Gas Canisters in Crashed Lamborghini" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Raheem Sterling Pleads Guilty to Dangerous Driving After Bodycam Footage Shows Laughing Gas Canisters in Crashed Lamborghini</h1>
            <p>Former England international Raheem Sterling pleaded guilty in court Tuesday to dangerous driving and possession of nitrous oxide after bodycam footage showed him holding inflated laughing gas canisters in his crashed Lamborghini Urus following a May collision in southern England. The Crown Prosecution Service released the dashcam and bodycam material alongside the guilty plea, according to The Sun, which first reported the details. The footage captures officers speaking with the 31-year-old in the moments after he slammed into a gate at a motorway layby during rush hour. Sterling, who has earned 82 caps for the Three Lions, is seen holding an inflated white balloon while weaving through traffic before the impact, which destroyed the vehicle's front tire. At least six nitrous oxide canisters were recovered from the wreckage of the black Urus, a super-SUV valued at approximately $360,000. "You can put that down, mate," one officer tells the dazed Sterling, who is holding the large canisters on his lap. The officer then orders him to stop "tensing up" as his rights are read and instructs him to place his arms behind his back. Sterling was also denied a phone call and was required to provide his name and address before being taken into custody. Sterling, who previously played for Chelsea, Manchester City, and Liverpool, is currently without a club following his release from Dutch side Feyenoord at the end of last season. He faces a maximum sentence of two years in prison. He also declined to provide a biological specimen when requested by officers at the scene, a refusal that can carry its own evidentiary weight in UK courts. The possession charge carries particular significance because nitrous oxide was only added to the Psychoactive Substances Act in England and Wales in January 2024, making it one of the earliest high-profile prosecutions under the new framework. The law criminalized the supply, possession with intent to supply, and use of N2O in a vehicle, a measure introduced after years of campaigning by police forces and health officials who linked the inhalant to cognitive impairment and fatal driving incidents. Why This Matters Sterling's case lands at a moment when UK authorities are actively testing the boundaries of the 2024 nitrous oxide legislation, and a guilty plea by a former Premier League star with 120+ top-flight goals gives the law immediate public visibility that legislators likely intended but few expected in this form. For American readers, the incident also underscores a broader pattern in professional sports where elite athletes' off-field legal troubles—ranging from DUIs to substance possession—increasingly surface through bodycam and dashcam footage rather than traditional police reports, reshaping how the public and clubs assess player conduct. The sentencing hearing is expected to take place in the coming weeks.</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_61.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_61.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_61.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Travis Kelce Calls Wedding to Taylor Swift “Best Night of My Life” in ESPN Interview]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/52315</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/52315</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Mousumi Akter]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 16 Sep 2026 19:56:06 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[Entertainment]]></category>
                        <category><![CDATA[Travis Kelce, Taylor Swift, ESPN interview, Chris Berman, July 3 wedding, Madison Square Garden wedding, Patrick Mahomes, New Heights podcast, Jason Kelce, Brittany Mahomes, Stephen A. Smith, Pat McAfee, Scott Van Pelt, Samoyed Wendy, Tommy Hilfiger campaign]]></category>
        
        <description><![CDATA[Travis Kelce is opening up about marrying Taylor Swift, telling ESPN that their July 3 wedding at New York’s Madison Square Garden exceeded anything he imagined and describing it as “the best night of my life,” according to reports citing the network interview. Kelce, the Kansas City Chiefs tight end, shared the comments in a conversation with ESPN’s Chris Berman that was taped as the NFL season approached and previewed ahead of the Sept. 14 airing. When Berman asked directly whether Kelce had gotten married, Kelce confirmed it and joked, “Didn’t I see you there?” Berman, however, was not among the roughly 1,000 guests reported to have attended. The event drew a notable sports-media presence, including ESPN personalities Stephen A. Smith, Pat McAfee, and SportsCenter anchor Scott Van Pelt, the report said. Kelce told Berman the ceremony and reception felt “magical,” emphasizing that the atmosphere created by the guest list made the night especially meaningful. “Marrying Taylor was more than I could have ever dreamed it to be because of all the people that showed up, and the amount of, you know, love that was in the air,” Kelce said. Chiefs quarterback Patrick Mahomes, Kelce’s teammate, also discussed the wedding during the ESPN sit-down, calling it “a lot of fun.” Mahomes said he even used the reception as a personal milestone in his recovery after tearing his ACL and LCL last December, testing his rehabbed left knee on the dance floor. “I did a little dancing,” Mahomes said, adding that he wasn’t sure he would be able to dance and appreciated getting that “first dancing experience of the offseason.” Kelce previously addressed the wedding publicly on the Sept. 2 episode of his “New Heights” podcast, which he co-hosts with his brother, Jason Kelce. Flashing his wedding band, Kelce told listeners, “I’m a married man,” and thanked friends and family for attending. He also expressed appreciation to Madison Square Garden staff, saying the venue helped them create a celebration that felt “intimate” and “private” despite the couple’s high profile. Madison Square Garden—best known in the U.S. as a major arena for concerts and professional sports—offered the kind of controlled environment that can be difficult for celebrity couples to secure for major life events, particularly as social media and fan interest make privacy increasingly hard to maintain. Kelce also said the couple has added a new member to their household: a Samoyed named Wendy. The dog recently appeared in a Tommy Hilfiger campaign with Kelce, a Super Bowl champion, after the couple had kept the pet out of public view. Kelce told his brother on the podcast that the fashion shoot team had repeatedly asked whether he was comfortable around dogs. “And I’m like, ‘I have a dog,’” he said, adding that he first discussed the idea with Swift and that she supported it. Why this matters Kelce and Swift’s relationship has drawn sustained attention at the intersection of sports and pop culture, highlighting how major athletes and global entertainers now navigate constant public scrutiny. The comments also arrive as Kelce and Mahomes prepare for another season with Super Bowl expectations, underscoring how off-field moments can shape the public narrative around NFL stars. For fans and brands alike, the wedding and related media appearances show how modern celebrity milestones are increasingly shared through controlled platforms like major TV interviews and podcasts. As the Chiefs’ season gets underway, Kelce’s remarks add rare personal detail about a heavily watched relationship while keeping the focus on gratitude and privacy.]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_60.webp" alt="Travis Kelce Calls Wedding to Taylor Swift “Best Night of My Life” in ESPN Interview" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Travis Kelce Calls Wedding to Taylor Swift “Best Night of My Life” in ESPN Interview</h1>
            <p>Travis Kelce is opening up about marrying Taylor Swift, telling ESPN that their July 3 wedding at New York’s Madison Square Garden exceeded anything he imagined and describing it as “the best night of my life,” according to reports citing the network interview. Kelce, the Kansas City Chiefs tight end, shared the comments in a conversation with ESPN’s Chris Berman that was taped as the NFL season approached and previewed ahead of the Sept. 14 airing. When Berman asked directly whether Kelce had gotten married, Kelce confirmed it and joked, “Didn’t I see you there?” Berman, however, was not among the roughly 1,000 guests reported to have attended. The event drew a notable sports-media presence, including ESPN personalities Stephen A. Smith, Pat McAfee, and SportsCenter anchor Scott Van Pelt, the report said. Kelce told Berman the ceremony and reception felt “magical,” emphasizing that the atmosphere created by the guest list made the night especially meaningful. “Marrying Taylor was more than I could have ever dreamed it to be because of all the people that showed up, and the amount of, you know, love that was in the air,” Kelce said. Chiefs quarterback Patrick Mahomes, Kelce’s teammate, also discussed the wedding during the ESPN sit-down, calling it “a lot of fun.” Mahomes said he even used the reception as a personal milestone in his recovery after tearing his ACL and LCL last December, testing his rehabbed left knee on the dance floor. “I did a little dancing,” Mahomes said, adding that he wasn’t sure he would be able to dance and appreciated getting that “first dancing experience of the offseason.” Kelce previously addressed the wedding publicly on the Sept. 2 episode of his “New Heights” podcast, which he co-hosts with his brother, Jason Kelce. Flashing his wedding band, Kelce told listeners, “I’m a married man,” and thanked friends and family for attending. He also expressed appreciation to Madison Square Garden staff, saying the venue helped them create a celebration that felt “intimate” and “private” despite the couple’s high profile. Madison Square Garden—best known in the U.S. as a major arena for concerts and professional sports—offered the kind of controlled environment that can be difficult for celebrity couples to secure for major life events, particularly as social media and fan interest make privacy increasingly hard to maintain. Kelce also said the couple has added a new member to their household: a Samoyed named Wendy. The dog recently appeared in a Tommy Hilfiger campaign with Kelce, a Super Bowl champion, after the couple had kept the pet out of public view. Kelce told his brother on the podcast that the fashion shoot team had repeatedly asked whether he was comfortable around dogs. “And I’m like, ‘I have a dog,’” he said, adding that he first discussed the idea with Swift and that she supported it. Why this matters Kelce and Swift’s relationship has drawn sustained attention at the intersection of sports and pop culture, highlighting how major athletes and global entertainers now navigate constant public scrutiny. The comments also arrive as Kelce and Mahomes prepare for another season with Super Bowl expectations, underscoring how off-field moments can shape the public narrative around NFL stars. For fans and brands alike, the wedding and related media appearances show how modern celebrity milestones are increasingly shared through controlled platforms like major TV interviews and podcasts. As the Chiefs’ season gets underway, Kelce’s remarks add rare personal detail about a heavily watched relationship while keeping the focus on gratitude and privacy.</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_60.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_60.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_60.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Target Launches Limited-Edition Pokémon x Owala FreeSip Bottles With Five New Designs]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/52314</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/52314</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Mousumi Akter]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 16 Sep 2026 19:56:06 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[All News]]></category>
                        <category><![CDATA[Pokémon x Owala, Target exclusive, Owala FreeSip bottle, Pokémon water bottle, Pikachu I Choose You, Gengar In The Shadows, Eevee Evolutions, Kanto First Partners, Charizard Brings The Heat, 16-ounce bottle, leak-proof bottle, keeps cold 24 hours, September 16 launch, $29.99 price, restock information]]></category>
        
        <description><![CDATA[Target shoppers can now buy a limited-edition collaboration between Pokémon and Owala, with five new FreeSip water bottle designs released as a Target exclusive on Sept. 16. SheKnows reported that the collection went live online and in stores at 6 a.m. PT/9 a.m. ET, with each bottle priced at $29.99. The drop arrives amid broader 30th anniversary celebrations tied to the Pokémon brand and a steady stream of new merchandise that has accompanied recent collectible and trading card game releases. According to SheKnows, the Target-exclusive launch includes five new 16-ounce Owala FreeSip bottles featuring Pokémon-themed artwork: “Pikachu I Choose You,” “Gengar In The Shadows,” “Eevee Evolutions,” “Kanto First Partners,” and “Charizard Brings The Heat.” Owala’s FreeSip line has become a popular format in the reusable bottle market by combining two drinking options in one lid design. SheKnows described the bottles as leak-proof and designed to keep beverages cold for up to 24 hours. The bottle includes a built-in straw for sipping and a wide-mouth opening, giving users the option to drink through the straw or take a larger sip directly from the top. Cleaning details are also part of the appeal for consumers who use bottles daily. The outlet noted the FreeSip design includes a dishwasher-safe lid, while the cup itself is hand-wash only. The collaboration is exclusive to Target, meaning shoppers looking for the five Pokémon designs will need to purchase through Target’s website, app, or physical stores rather than directly from Owala or other retailers. SheKnows said the bottles were positioned as giftable items ahead of the holiday season, and the outlet cautioned that availability could be tight given the intensity of demand often seen for limited Pokémon merchandise. That kind of rush has become a familiar feature of the modern Pokémon retail ecosystem. In the U.S., the franchise has expanded far beyond video games into a major collectibles and lifestyle category, and special drops—whether in trading cards or branded collaborations—can attract both dedicated fans and resale interest. Retail exclusives, in particular, tend to generate extra competition because they concentrate supply in a single storefront network. For shoppers who missed the initial wave, SheKnows said there was no confirmed restock information at the time of publication. The outlet noted that if restock plans become available later, it would update readers. While the Pokémon x Owala collaboration is one of many anniversary-adjacent products hitting shelves this year, it reflects a broader trend: major entertainment brands increasingly partner with everyday consumer goods companies—such as drinkware—to reach fans outside traditional toy and gaming aisles. Why this matters Limited-edition Pokémon merchandise has become a significant retail story in the U.S., with drops frequently selling out quickly as collecting culture and brand collaborations continue to grow. Target exclusives can be especially competitive because they compress demand into one retailer’s inventory. For consumers, the release also highlights how reusable drinkware brands like Owala have turned design and pop-culture tie-ins into a key part of product strategy. For now, the five Pokémon designs are available through Target while supplies last, with restock plans still unclear.]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_58.webp" alt="Target Launches Limited-Edition Pokémon x Owala FreeSip Bottles With Five New Designs" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Target Launches Limited-Edition Pokémon x Owala FreeSip Bottles With Five New Designs</h1>
            <p>Target shoppers can now buy a limited-edition collaboration between Pokémon and Owala, with five new FreeSip water bottle designs released as a Target exclusive on Sept. 16. SheKnows reported that the collection went live online and in stores at 6 a.m. PT/9 a.m. ET, with each bottle priced at $29.99. The drop arrives amid broader 30th anniversary celebrations tied to the Pokémon brand and a steady stream of new merchandise that has accompanied recent collectible and trading card game releases. According to SheKnows, the Target-exclusive launch includes five new 16-ounce Owala FreeSip bottles featuring Pokémon-themed artwork: “Pikachu I Choose You,” “Gengar In The Shadows,” “Eevee Evolutions,” “Kanto First Partners,” and “Charizard Brings The Heat.” Owala’s FreeSip line has become a popular format in the reusable bottle market by combining two drinking options in one lid design. SheKnows described the bottles as leak-proof and designed to keep beverages cold for up to 24 hours. The bottle includes a built-in straw for sipping and a wide-mouth opening, giving users the option to drink through the straw or take a larger sip directly from the top. Cleaning details are also part of the appeal for consumers who use bottles daily. The outlet noted the FreeSip design includes a dishwasher-safe lid, while the cup itself is hand-wash only. The collaboration is exclusive to Target, meaning shoppers looking for the five Pokémon designs will need to purchase through Target’s website, app, or physical stores rather than directly from Owala or other retailers. SheKnows said the bottles were positioned as giftable items ahead of the holiday season, and the outlet cautioned that availability could be tight given the intensity of demand often seen for limited Pokémon merchandise. That kind of rush has become a familiar feature of the modern Pokémon retail ecosystem. In the U.S., the franchise has expanded far beyond video games into a major collectibles and lifestyle category, and special drops—whether in trading cards or branded collaborations—can attract both dedicated fans and resale interest. Retail exclusives, in particular, tend to generate extra competition because they concentrate supply in a single storefront network. For shoppers who missed the initial wave, SheKnows said there was no confirmed restock information at the time of publication. The outlet noted that if restock plans become available later, it would update readers. While the Pokémon x Owala collaboration is one of many anniversary-adjacent products hitting shelves this year, it reflects a broader trend: major entertainment brands increasingly partner with everyday consumer goods companies—such as drinkware—to reach fans outside traditional toy and gaming aisles. Why this matters Limited-edition Pokémon merchandise has become a significant retail story in the U.S., with drops frequently selling out quickly as collecting culture and brand collaborations continue to grow. Target exclusives can be especially competitive because they compress demand into one retailer’s inventory. For consumers, the release also highlights how reusable drinkware brands like Owala have turned design and pop-culture tie-ins into a key part of product strategy. For now, the five Pokémon designs are available through Target while supplies last, with restock plans still unclear.</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_58.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_58.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_58.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Ole Miss Players Shrug Off Kiffin Drama as No. 7 LSU Heads to Oxford]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/52313</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/52313</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Omor Farooq]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 16 Sep 2026 19:56:06 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[Sports]]></category>
                        <category><![CDATA[Lane Kiffin, Ole Miss vs LSU, Kewan Lacy, LSU Tigers, Ole Miss Rebels, SEC opener, College Football Playoff, Pete Golding, Princewill Umanmielen, TJ Dottery, Vaught-Hemingway Stadium, Magnolia Bowl, college football rivalry, Kiffin return to Oxford]]></category>
        
        <description><![CDATA[OXFORD, Miss. — Ole Miss running back Kewan Lacy made it clear this week that he isn't dwelling on Lane Kiffin's exit, telling reporters Tuesday that he has "really no relationship" with the former Rebels coach ahead of Saturday night's showdown between No. 8 Ole Miss and No. 7 LSU at Vaught-Hemingway Stadium. The matchup, reported by the Associated Press, marks Kiffin's first trip back to Oxford since he left for the LSU job on Nov. 30 — just one week before the program he spent five seasons building earned its first-ever College Football Playoff berth. Lacy, the Rebels' featured back, acknowledged he stays in touch with several former assistants and teammates now in Baton Rouge, but said those conversations are on hold. "I just want to be focused on the game plan and the game," he said. The fallout from Kiffin's departure was substantial. Eight assistant coaches, four support staffers and four players followed him to LSU, including two defensive starters — end Princewill Umanmielen and linebacker TJ Dottery — who have played key roles in the Tigers' 2-0 start. The exodus echoes Kiffin's history of abrupt exits, most famously his 2010 departure from Tennessee for USC after a single season, which sparked campus protests in Knoxville. Defensive tackle Will Echoles remembers the day vividly. "I was planning on deer hunting in the woods that morning," he said, recalling the sudden team meeting where defensive coordinator Pete Golding was announced as head coach. "It didn't really hit me until the next day when I went to the weight room and coach [Nick] Savage wasn't there." Golding steadied the ship impressively, guiding Ole Miss to two playoff victories and nearly a third in a national semifinal loss to Miami at the Fiesta Bowl. Echoles said he felt pressure to leave but never seriously considered it. "I told my mom that I liked it here and this is where I was supposed to be," he said. The personal ties between the rosters remain warm — for now. "I still see P-Will and TJ. They're my boys," Echoles said. Umanmielen, speaking in Baton Rouge, downplayed the reunion: "There are no friends on the field, you know?" LSU linebacker Whit Weeks added that neither transfer has even mentioned the return trip to Oxford. Wide receiver Deuce Alexander, an Oxford native who turned down his own chance to follow Kiffin, said the offensive similarities between the two teams are obvious. "I can see the same plays; yeah, I see the tweaks," he said with a grin. Why This Matters Saturday's game is the SEC opener for both top-10 teams, with early implications for the conference race and College Football Playoff positioning. The Ole Miss-LSU rivalry, known as the Magnolia Bowl, has been contested for more than a century between the neighboring states' flagship universities, and Kiffin's defection — complete with a dozen staffers and four players — injects a level of personal animosity rarely seen even in the transfer portal era, when coaching moves increasingly trigger mass roster migrations. Players on both sides insist the noise won't reach the locker room. "Every time people see me, it's the only game they want to talk about," Alexander said. "But in our locker room we're about locking out all those things and keeping the main thing the main thing."]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_57.webp" alt="Ole Miss Players Shrug Off Kiffin Drama as No. 7 LSU Heads to Oxford" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Ole Miss Players Shrug Off Kiffin Drama as No. 7 LSU Heads to Oxford</h1>
            <p>OXFORD, Miss. — Ole Miss running back Kewan Lacy made it clear this week that he isn't dwelling on Lane Kiffin's exit, telling reporters Tuesday that he has "really no relationship" with the former Rebels coach ahead of Saturday night's showdown between No. 8 Ole Miss and No. 7 LSU at Vaught-Hemingway Stadium. The matchup, reported by the Associated Press, marks Kiffin's first trip back to Oxford since he left for the LSU job on Nov. 30 — just one week before the program he spent five seasons building earned its first-ever College Football Playoff berth. Lacy, the Rebels' featured back, acknowledged he stays in touch with several former assistants and teammates now in Baton Rouge, but said those conversations are on hold. "I just want to be focused on the game plan and the game," he said. The fallout from Kiffin's departure was substantial. Eight assistant coaches, four support staffers and four players followed him to LSU, including two defensive starters — end Princewill Umanmielen and linebacker TJ Dottery — who have played key roles in the Tigers' 2-0 start. The exodus echoes Kiffin's history of abrupt exits, most famously his 2010 departure from Tennessee for USC after a single season, which sparked campus protests in Knoxville. Defensive tackle Will Echoles remembers the day vividly. "I was planning on deer hunting in the woods that morning," he said, recalling the sudden team meeting where defensive coordinator Pete Golding was announced as head coach. "It didn't really hit me until the next day when I went to the weight room and coach [Nick] Savage wasn't there." Golding steadied the ship impressively, guiding Ole Miss to two playoff victories and nearly a third in a national semifinal loss to Miami at the Fiesta Bowl. Echoles said he felt pressure to leave but never seriously considered it. "I told my mom that I liked it here and this is where I was supposed to be," he said. The personal ties between the rosters remain warm — for now. "I still see P-Will and TJ. They're my boys," Echoles said. Umanmielen, speaking in Baton Rouge, downplayed the reunion: "There are no friends on the field, you know?" LSU linebacker Whit Weeks added that neither transfer has even mentioned the return trip to Oxford. Wide receiver Deuce Alexander, an Oxford native who turned down his own chance to follow Kiffin, said the offensive similarities between the two teams are obvious. "I can see the same plays; yeah, I see the tweaks," he said with a grin. Why This Matters Saturday's game is the SEC opener for both top-10 teams, with early implications for the conference race and College Football Playoff positioning. The Ole Miss-LSU rivalry, known as the Magnolia Bowl, has been contested for more than a century between the neighboring states' flagship universities, and Kiffin's defection — complete with a dozen staffers and four players — injects a level of personal animosity rarely seen even in the transfer portal era, when coaching moves increasingly trigger mass roster migrations. Players on both sides insist the noise won't reach the locker room. "Every time people see me, it's the only game they want to talk about," Alexander said. "But in our locker room we're about locking out all those things and keeping the main thing the main thing."</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_57.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_57.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_57.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Pippa Middleton and James Matthews Win Ruling to Keep Walkers Off Driveway at Berkshire Estate]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/52312</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/52312</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Abdullah Sahel]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 16 Sep 2026 19:56:06 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[U.K.]]></category>
                        <category><![CDATA[Pippa Middleton, James Matthews, Barton Court, Berkshire estate, public right of way, West Berkshire District Council, Kintbury, Ramblers Association, planning inspector ruling, driveway access dispute, electric gates, Lady Victoria Conran, Tony Vickers, Princess of Wales sister, UK footpath law]]></category>
        
        <description><![CDATA[Pippa Middleton and her husband, financier James Matthews, have won an appeal blocking the public from using a driveway that cuts through their Berkshire country estate, after a government-appointed planning inspector ruled that local walkers did not prove the route had been used continuously for the 20 years required to establish a public right of way. The decision, issued Monday, overturns an earlier designation that would have allowed public access, according to reports. The dispute centered on Barton Court, a large Georgian property and surrounding land near the village of Kintbury. Matthews bought the estate for £15.5 million in 2022, and it sits about 12 miles from the Berkshire childhood home of Pippa, 43, and her sister Catherine, the Princess of Wales. Villagers had argued that the driveway had been used for generations as a convenient link to a public footpath leading toward local destinations including the village’s 12th-century church. Backed by the Ramblers’ Association, more than 30 walkers petitioned West Berkshire District Council to formally recognize the route as a public right of way—an application that was granted in 2024. Matthews, 51, challenged that decision. At a public inquiry held in May, he argued the driveway had not been used freely and openly by the public for the legally required two decades. Matthews also told the inquiry that when he purchased the property, nothing in the conveyancing process indicated any public entitlement to use the drive. The inspector ultimately sided with the landowners, finding the walkers had not provided enough evidence of qualifying use over the necessary 20-year period. The ruling reversed the earlier council designation, giving the couple control over access to the driveway. The inquiry heard that within weeks of the couple taking possession of Barton Court, electric gates were installed across the driveway, along with signs stating “No Trespassing” and “Private: No Public Access,” according to reports. Matthews defended the need for gates by pointing to heightened security considerations connected to the family’s public profile. “There are implications for my family, due to their high public profile, which means there is a need for a higher level of security than would otherwise be the case,” he told the inquiry, according to the reports. Support for the couple also came from Lady Victoria Conran, the widow of designer Sir Terence Conran, who sold Barton Court—described as a 32-room mansion set on 145 acres—to Matthews and Middleton after her husband’s death. In a statement to the inquiry, she said that during the roughly 30 years she lived at Barton Court, she saw only one person using the driveway who “should not have been there,” adding she never observed organized groups of walkers using it. Not everyone welcomed the outcome. Local councillor Tony Vickers said he was “surprised and very disappointed” the inspector found for the landowner, adding that after attending most of the inquiry he did not believe Matthews’ side had offered a decisive argument, according to reports. A spokesperson for Matthews and Middleton responded by saying the couple was grateful for the careful review of the evidence and appreciated the time invested by all parties. Why this matters Public rights of way are a defining feature of the U.K.’s countryside access system, and disputes often hinge on whether a route meets the strict legal tests—especially the 20-year “as of right” use threshold that can effectively create a presumed public right. As high-value rural estates change hands and more landowners install gates and security measures, conflicts between privacy, security, and community access have become more visible. The ruling also underscores that local authorities’ decisions on footpaths can be overturned when evidence does not meet the legal standard. For now, the inspector’s decision gives Middleton and Matthews a significant privacy victory and limits public passage through Barton Court.]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_56.webp" alt="Pippa Middleton and James Matthews Win Ruling to Keep Walkers Off Driveway at Berkshire Estate" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Pippa Middleton and James Matthews Win Ruling to Keep Walkers Off Driveway at Berkshire Estate</h1>
            <p>Pippa Middleton and her husband, financier James Matthews, have won an appeal blocking the public from using a driveway that cuts through their Berkshire country estate, after a government-appointed planning inspector ruled that local walkers did not prove the route had been used continuously for the 20 years required to establish a public right of way. The decision, issued Monday, overturns an earlier designation that would have allowed public access, according to reports. The dispute centered on Barton Court, a large Georgian property and surrounding land near the village of Kintbury. Matthews bought the estate for £15.5 million in 2022, and it sits about 12 miles from the Berkshire childhood home of Pippa, 43, and her sister Catherine, the Princess of Wales. Villagers had argued that the driveway had been used for generations as a convenient link to a public footpath leading toward local destinations including the village’s 12th-century church. Backed by the Ramblers’ Association, more than 30 walkers petitioned West Berkshire District Council to formally recognize the route as a public right of way—an application that was granted in 2024. Matthews, 51, challenged that decision. At a public inquiry held in May, he argued the driveway had not been used freely and openly by the public for the legally required two decades. Matthews also told the inquiry that when he purchased the property, nothing in the conveyancing process indicated any public entitlement to use the drive. The inspector ultimately sided with the landowners, finding the walkers had not provided enough evidence of qualifying use over the necessary 20-year period. The ruling reversed the earlier council designation, giving the couple control over access to the driveway. The inquiry heard that within weeks of the couple taking possession of Barton Court, electric gates were installed across the driveway, along with signs stating “No Trespassing” and “Private: No Public Access,” according to reports. Matthews defended the need for gates by pointing to heightened security considerations connected to the family’s public profile. “There are implications for my family, due to their high public profile, which means there is a need for a higher level of security than would otherwise be the case,” he told the inquiry, according to the reports. Support for the couple also came from Lady Victoria Conran, the widow of designer Sir Terence Conran, who sold Barton Court—described as a 32-room mansion set on 145 acres—to Matthews and Middleton after her husband’s death. In a statement to the inquiry, she said that during the roughly 30 years she lived at Barton Court, she saw only one person using the driveway who “should not have been there,” adding she never observed organized groups of walkers using it. Not everyone welcomed the outcome. Local councillor Tony Vickers said he was “surprised and very disappointed” the inspector found for the landowner, adding that after attending most of the inquiry he did not believe Matthews’ side had offered a decisive argument, according to reports. A spokesperson for Matthews and Middleton responded by saying the couple was grateful for the careful review of the evidence and appreciated the time invested by all parties. Why this matters Public rights of way are a defining feature of the U.K.’s countryside access system, and disputes often hinge on whether a route meets the strict legal tests—especially the 20-year “as of right” use threshold that can effectively create a presumed public right. As high-value rural estates change hands and more landowners install gates and security measures, conflicts between privacy, security, and community access have become more visible. The ruling also underscores that local authorities’ decisions on footpaths can be overturned when evidence does not meet the legal standard. For now, the inspector’s decision gives Middleton and Matthews a significant privacy victory and limits public passage through Barton Court.</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_56.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_56.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_56.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Travis Kelce Reveals White Top Hat Detail From Star-Studded Taylor Swift Wedding at Madison Square Garden]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/52311</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/52311</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Mousumi Akter]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 16 Sep 2026 19:56:06 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[Entertainment]]></category>
                        <category><![CDATA[Travis Kelce, Taylor Swift wedding, white top hat, Madison Square Garden, Christian Dior Haute Couture, Jonathan Anderson, Patrick Mahomes interview, July 3 ceremony, star-studded wedding, Taylor Swift effect, NFL pop culture, Christian Louboutin shoes, celebrity power couple, Netflix special rumor, Brad Pitt Tom Brady]]></category>
        
        <description><![CDATA[Kansas City Chiefs tight end Travis Kelce offered new insight into his July 3 wedding to Taylor Swift during an ESPN interview that aired Monday, confirming he wore a distinctive white top hat as part of his formal look for the ceremony held at New York City's Madison Square Garden. The NFL star described the night as exceeding every expectation, citing the overwhelming presence of loved ones and the palpable sense of joy that filled the arena, while his teammate Patrick Mahomes called it one of the greatest evenings imaginable for anyone. In the conversation alongside Mahomes, Kelce lit up when asked about the headwear. "Oh yeah! I had the full gamut, man," he replied enthusiastically. He elaborated that marrying Swift proved more magical than he could have imagined, thanks to the crowd that showed up and the deep affection circulating throughout the venue. Both athletes emphasized the event's emotional weight, with Kelce labeling it the best night of his life. The couple selected Christian Dior Haute Couture for their attire, created by the brand's creative director Jonathan Anderson through tight collaboration with Swift and Kelce. According to Dior, the outfits were meticulously produced at the label's storied ateliers along 30 Avenue Montaigne in Paris, paired with custom shoes from Christian Louboutin. A glittering guest list drew heavyweights from entertainment and sports, among them Brad Pitt, Tom Brady, Selena Gomez, Bradley Cooper and Jennifer Lopez. No images from inside the ceremony have surfaced publicly, yet an eyewitness account shared with Page Six described camera crews filming extensively, prompting speculation that Swift could eventually release footage, perhaps even as a Netflix special. One observer likened the scene to stepping onto a movie set. Their decision to wed at Madison Square Garden adds a layer of personal symmetry. The venue has served as a cornerstone for Swift since her early career breakthroughs there, hosting landmark performances that solidified her status as a generational talent. The wedding comes nearly three years after their romance first sparked in September 2023, when Swift appeared at a Chiefs game and the pair's connection quickly became a cultural touchstone. That moment accelerated a broader merging of NFL fandom with pop music audiences, driving measurable spikes in league viewership and merchandise sales while illustrating how modern celebrity relationships can bridge traditionally separate entertainment worlds. Why This Matters The Kelce-Swift wedding encapsulates a defining trend in American culture where athletes and musicians form power couples that command unprecedented cross-platform attention, reshaping everything from broadcast ratings to fashion cycles. Their story builds on decades of high-profile sports-entertainment pairings but stands out in the streaming era, when personal milestones can generate billions in economic value and introduce new demographics to institutions like the NFL. For U.S. audiences, it also reflects evolving norms around celebrity privacy, as the couple appears to control their narrative tightly while still feeding public fascination through selective reveals. With no official visuals released yet, Kelce's relaxed recounting gives fans a glimpse into a night that blended elite fashion, elite athletics and pop royalty. The couple, now navigating married life amid demanding careers, seems poised to keep generating cultural moments long after the vows.]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_55.webp" alt="Travis Kelce Reveals White Top Hat Detail From Star-Studded Taylor Swift Wedding at Madison Square Garden" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Travis Kelce Reveals White Top Hat Detail From Star-Studded Taylor Swift Wedding at Madison Square Garden</h1>
            <p>Kansas City Chiefs tight end Travis Kelce offered new insight into his July 3 wedding to Taylor Swift during an ESPN interview that aired Monday, confirming he wore a distinctive white top hat as part of his formal look for the ceremony held at New York City's Madison Square Garden. The NFL star described the night as exceeding every expectation, citing the overwhelming presence of loved ones and the palpable sense of joy that filled the arena, while his teammate Patrick Mahomes called it one of the greatest evenings imaginable for anyone. In the conversation alongside Mahomes, Kelce lit up when asked about the headwear. "Oh yeah! I had the full gamut, man," he replied enthusiastically. He elaborated that marrying Swift proved more magical than he could have imagined, thanks to the crowd that showed up and the deep affection circulating throughout the venue. Both athletes emphasized the event's emotional weight, with Kelce labeling it the best night of his life. The couple selected Christian Dior Haute Couture for their attire, created by the brand's creative director Jonathan Anderson through tight collaboration with Swift and Kelce. According to Dior, the outfits were meticulously produced at the label's storied ateliers along 30 Avenue Montaigne in Paris, paired with custom shoes from Christian Louboutin. A glittering guest list drew heavyweights from entertainment and sports, among them Brad Pitt, Tom Brady, Selena Gomez, Bradley Cooper and Jennifer Lopez. No images from inside the ceremony have surfaced publicly, yet an eyewitness account shared with Page Six described camera crews filming extensively, prompting speculation that Swift could eventually release footage, perhaps even as a Netflix special. One observer likened the scene to stepping onto a movie set. Their decision to wed at Madison Square Garden adds a layer of personal symmetry. The venue has served as a cornerstone for Swift since her early career breakthroughs there, hosting landmark performances that solidified her status as a generational talent. The wedding comes nearly three years after their romance first sparked in September 2023, when Swift appeared at a Chiefs game and the pair's connection quickly became a cultural touchstone. That moment accelerated a broader merging of NFL fandom with pop music audiences, driving measurable spikes in league viewership and merchandise sales while illustrating how modern celebrity relationships can bridge traditionally separate entertainment worlds. Why This Matters The Kelce-Swift wedding encapsulates a defining trend in American culture where athletes and musicians form power couples that command unprecedented cross-platform attention, reshaping everything from broadcast ratings to fashion cycles. Their story builds on decades of high-profile sports-entertainment pairings but stands out in the streaming era, when personal milestones can generate billions in economic value and introduce new demographics to institutions like the NFL. For U.S. audiences, it also reflects evolving norms around celebrity privacy, as the couple appears to control their narrative tightly while still feeding public fascination through selective reveals. With no official visuals released yet, Kelce's relaxed recounting gives fans a glimpse into a night that blended elite fashion, elite athletics and pop royalty. The couple, now navigating married life amid demanding careers, seems poised to keep generating cultural moments long after the vows.</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_55.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_55.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_55.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Pokémon TCG 30th Celebration Expansion Now Available Worldwide]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/52310</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/52310</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Mousumi Akter]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 16 Sep 2026 19:56:06 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[Entertainment]]></category>
                        <category><![CDATA[Pokémon TCG, 30th Celebration expansion, Pokémon Trading Card Game, Classic Collection, Pikachu rare cards, Pokémon 30th anniversary, Pokémon League, new Pokémon cards, TCG expansion 2026, Pokémon TCG history, collectible card game, Pokémon cards available now, Pokémon anniversary set, local Pokémon League]]></category>
        
        <description><![CDATA[The Pokémon Trading Card Game’s 30th Celebration expansion is now on sale worldwide, arriving simultaneously across global markets on Sept. 16, 2026, as Pokémon commemorates three decades of the collectible card game. According to an official Pokémon announcement, the set includes more than 150 cards, rare Pikachu cards, and a Classic Collection highlighting iconic designs from the game’s history. Pokémon is presenting the launch as a centerpiece of the TCG’s anniversary year. The company said the expansion’s artwork focuses on Pokémon taking over both day and night, pairing new illustrations with a retrospective look at cards released over the past 30 years. Collectors can find the cards in a range of products, and Pokémon said additional items—including promotional cards—will arrive later this year. The Classic Collection is one of the set’s defining features. Rather than focusing only on brand-new Pokémon, it spotlights memorable cards from earlier eras of the game, giving longtime players a chance to see familiar artwork and mechanics framed as part of a 30-year timeline. Pokémon also pointed fans to a product showcase with more detail on which promo cards will be available and when later products are scheduled to release. The anniversary is tied to a well-established origin story. The Pokémon TCG first launched in Japan in 1996, the same year the original Game Boy games introduced the franchise, and the English-language version reached North America in 1999. What started as a companion product to the video games grew into a global hobby with organized play, world championships, and a collecting market that now extends far beyond traditional card shops. That dual identity—playable game and collectible—helps explain why a 30th-anniversary expansion carries extra weight. In the United States, new Pokémon TCG releases have frequently drawn heavy demand in recent years, with popular sets selling out quickly at big-box retailers and independent hobby stores. Vintage and special-edition cards have also become high-profile collectibles, turning anniversary products into events for both casual fans and serious collectors. Pokémon is using the launch to push community play as well. The company encouraged fans to take their new cards to a local Pokémon League, describing those gatherings as a casual setting to meet, trade, and battle. Local leagues have long been the grassroots layer of the TCG, offering a lower-pressure alternative to competitive tournaments while helping stores introduce new players to the game. The worldwide, same-day release is also notable. Staggered launches can create shortages and gray-market markups, especially for hyped Pokémon products. A simultaneous global drop is intended to put the expansion in front of collectors at the same time, though availability at individual stores can still vary. Why this matters The Pokémon TCG is one of the most recognizable collectible games in the United States, and anniversary sets tend to pull in both returning fans and people who only recently entered the hobby. A 30-year milestone also lands amid a broader collecting boom that has made booster packs, special collections, and vintage cards a mainstream retail story, not just a niche pastime. For game stores, schools, and local leagues, a high-profile expansion can mean more foot traffic, more trade activity, and a fresh wave of interest in organized play. Pokémon said more 30th Celebration products will follow later in 2026, extending the anniversary beyond the initial launch and giving collectors additional chances to complete the set.]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_54.webp" alt="Pokémon TCG 30th Celebration Expansion Now Available Worldwide" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Pokémon TCG 30th Celebration Expansion Now Available Worldwide</h1>
            <p>The Pokémon Trading Card Game’s 30th Celebration expansion is now on sale worldwide, arriving simultaneously across global markets on Sept. 16, 2026, as Pokémon commemorates three decades of the collectible card game. According to an official Pokémon announcement, the set includes more than 150 cards, rare Pikachu cards, and a Classic Collection highlighting iconic designs from the game’s history. Pokémon is presenting the launch as a centerpiece of the TCG’s anniversary year. The company said the expansion’s artwork focuses on Pokémon taking over both day and night, pairing new illustrations with a retrospective look at cards released over the past 30 years. Collectors can find the cards in a range of products, and Pokémon said additional items—including promotional cards—will arrive later this year. The Classic Collection is one of the set’s defining features. Rather than focusing only on brand-new Pokémon, it spotlights memorable cards from earlier eras of the game, giving longtime players a chance to see familiar artwork and mechanics framed as part of a 30-year timeline. Pokémon also pointed fans to a product showcase with more detail on which promo cards will be available and when later products are scheduled to release. The anniversary is tied to a well-established origin story. The Pokémon TCG first launched in Japan in 1996, the same year the original Game Boy games introduced the franchise, and the English-language version reached North America in 1999. What started as a companion product to the video games grew into a global hobby with organized play, world championships, and a collecting market that now extends far beyond traditional card shops. That dual identity—playable game and collectible—helps explain why a 30th-anniversary expansion carries extra weight. In the United States, new Pokémon TCG releases have frequently drawn heavy demand in recent years, with popular sets selling out quickly at big-box retailers and independent hobby stores. Vintage and special-edition cards have also become high-profile collectibles, turning anniversary products into events for both casual fans and serious collectors. Pokémon is using the launch to push community play as well. The company encouraged fans to take their new cards to a local Pokémon League, describing those gatherings as a casual setting to meet, trade, and battle. Local leagues have long been the grassroots layer of the TCG, offering a lower-pressure alternative to competitive tournaments while helping stores introduce new players to the game. The worldwide, same-day release is also notable. Staggered launches can create shortages and gray-market markups, especially for hyped Pokémon products. A simultaneous global drop is intended to put the expansion in front of collectors at the same time, though availability at individual stores can still vary. Why this matters The Pokémon TCG is one of the most recognizable collectible games in the United States, and anniversary sets tend to pull in both returning fans and people who only recently entered the hobby. A 30-year milestone also lands amid a broader collecting boom that has made booster packs, special collections, and vintage cards a mainstream retail story, not just a niche pastime. For game stores, schools, and local leagues, a high-profile expansion can mean more foot traffic, more trade activity, and a fresh wave of interest in organized play. Pokémon said more 30th Celebration products will follow later in 2026, extending the anniversary beyond the initial launch and giving collectors additional chances to complete the set.</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_54.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_54.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_54.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Prince Edward Steps Into Role Long Linked to Prince Andrew as Aides Push Back on “Favorite Son” Claims]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/52306</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/52306</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Abdullah Sahel]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 16 Sep 2026 19:56:06 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[U.K.]]></category>
                        <category><![CDATA[Prince Edward, Prince Andrew, King Charles, British royal family, Duke of York, Jeffrey Epstein scandal, Dickie Arbiter, Royal Exclusive podcast, Queen Elizabeth II, Matthew Dennison, The Queen book, royal reshuffle, working royals, Buckingham Palace, police investigation]]></category>
        
        <description><![CDATA[Prince Edward has taken over a key position in the British royal family previously associated with his older brother Prince Andrew, as Andrew remains sidelined from public duties following his connections to Jeffrey Epstein and the fallout that followed, according to reports. The reshuffling comes amid renewed debate about Andrew’s standing inside the House of Windsor and long-running claims that Queen Elizabeth II protected him because he was her “favorite” child. Dickie Arbiter, a former press secretary to the late queen, disputed that characterization in comments made on the Royal Exclusive podcast, saying Andrew “was never the favourite.” Arbiter described Andrew—formally known as Andrew Mountbatten-Windsor and previously the Duke of York—as “bombastic,” adding that he often put himself first “to the detriment of everybody else.” “Andrew was always up front, he was always the noisy one and he was always the noisy one as an adult until he was put back in his box,” Arbiter said, according to the podcast discussion referenced in reports. In Arbiter’s account, the queen’s true favorite was Edward, her youngest son. That claim has also been advanced by royal biographer Matthew Dennison in his book “The Queen,” the reports said. The latest commentary arrives as Andrew continues to be treated as a non-working royal. He stepped back from public duties in 2019 after a widely criticized BBC interview about Epstein and his relationship with Ghislaine Maxwell. In 2022, Buckingham Palace announced that Andrew would no longer use the style “His Royal Highness” in an official capacity, and that his military affiliations and royal patronages were returned to the queen—moves widely seen as formalizing his removal from frontline royal work. King Charles III has signaled a preference for a slimmer working monarchy since taking the throne, relying on a smaller group of senior royals for public engagements and ceremonial responsibilities. Edward and his wife, Sophie, Duchess of Edinburgh, have increasingly represented the Crown at events in the U.K. and abroad, a trend that has continued as the royal family manages fewer working members and ongoing public scrutiny. The reports also linked the new claims about Andrew’s personality and family dynamics to an “ongoing investigation” by police into allegations said to have emerged from Epstein-related files, including claims of misconduct in public office and sex offenses against minors. No additional details about the jurisdiction or the status of any potential action were provided in the account. Why this matters The royal family’s internal assignments carry public significance because they shape who represents the monarchy—and, by extension, how it is perceived—during a period of heightened scrutiny. For U.S. audiences, Andrew’s continued association with the Epstein scandal has been a major reputational issue for the Crown, and any move to elevate other royals into more visible roles signals how the institution is trying to contain long-term damage. Edward’s expanded presence also reflects King Charles’ broader effort to stabilize the monarchy with a tighter, more disciplined group of working royals. As the palace continues to navigate the aftershocks of the Andrew controversy, the shift toward Prince Edward underscores a clear message: Andrew’s return to prominent royal responsibilities remains unlikely.]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_53.webp" alt="Prince Edward Steps Into Role Long Linked to Prince Andrew as Aides Push Back on “Favorite Son” Claims" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Prince Edward Steps Into Role Long Linked to Prince Andrew as Aides Push Back on “Favorite Son” Claims</h1>
            <p>Prince Edward has taken over a key position in the British royal family previously associated with his older brother Prince Andrew, as Andrew remains sidelined from public duties following his connections to Jeffrey Epstein and the fallout that followed, according to reports. The reshuffling comes amid renewed debate about Andrew’s standing inside the House of Windsor and long-running claims that Queen Elizabeth II protected him because he was her “favorite” child. Dickie Arbiter, a former press secretary to the late queen, disputed that characterization in comments made on the Royal Exclusive podcast, saying Andrew “was never the favourite.” Arbiter described Andrew—formally known as Andrew Mountbatten-Windsor and previously the Duke of York—as “bombastic,” adding that he often put himself first “to the detriment of everybody else.” “Andrew was always up front, he was always the noisy one and he was always the noisy one as an adult until he was put back in his box,” Arbiter said, according to the podcast discussion referenced in reports. In Arbiter’s account, the queen’s true favorite was Edward, her youngest son. That claim has also been advanced by royal biographer Matthew Dennison in his book “The Queen,” the reports said. The latest commentary arrives as Andrew continues to be treated as a non-working royal. He stepped back from public duties in 2019 after a widely criticized BBC interview about Epstein and his relationship with Ghislaine Maxwell. In 2022, Buckingham Palace announced that Andrew would no longer use the style “His Royal Highness” in an official capacity, and that his military affiliations and royal patronages were returned to the queen—moves widely seen as formalizing his removal from frontline royal work. King Charles III has signaled a preference for a slimmer working monarchy since taking the throne, relying on a smaller group of senior royals for public engagements and ceremonial responsibilities. Edward and his wife, Sophie, Duchess of Edinburgh, have increasingly represented the Crown at events in the U.K. and abroad, a trend that has continued as the royal family manages fewer working members and ongoing public scrutiny. The reports also linked the new claims about Andrew’s personality and family dynamics to an “ongoing investigation” by police into allegations said to have emerged from Epstein-related files, including claims of misconduct in public office and sex offenses against minors. No additional details about the jurisdiction or the status of any potential action were provided in the account. Why this matters The royal family’s internal assignments carry public significance because they shape who represents the monarchy—and, by extension, how it is perceived—during a period of heightened scrutiny. For U.S. audiences, Andrew’s continued association with the Epstein scandal has been a major reputational issue for the Crown, and any move to elevate other royals into more visible roles signals how the institution is trying to contain long-term damage. Edward’s expanded presence also reflects King Charles’ broader effort to stabilize the monarchy with a tighter, more disciplined group of working royals. As the palace continues to navigate the aftershocks of the Andrew controversy, the shift toward Prince Edward underscores a clear message: Andrew’s return to prominent royal responsibilities remains unlikely.</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_53.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_53.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_53.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Kelly Osbourne Declares No Path to Reconciliation With Estranged Sister Aimee]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/52305</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/52305</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Mousumi Akter]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 16 Sep 2026 18:56:01 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[Entertainment]]></category>
                        <category><![CDATA[Kelly Osbourne reveals on a new podcast that she and older sister Aimee will never reconcile, citing years of feeling ignored and embarrassed by the family’s public image. She discusses their polar-opposite personalities after Ozzy’s 2025 death.]]></category>
        
        <description><![CDATA[Kelly Osbourne told listeners on a popular podcast this week that she has no expectation of ever repairing her fractured relationship with her older sister Aimee, describing years of feeling unseen and suggesting the two are simply too different to bridge the divide. The candid admission, made on the September 15 episode of “We Need to Talk,” comes as the Osbourne family continues to navigate life after the 2025 death of their patriarch, Ozzy Osbourne, whose larger-than-life persona once dominated their shared public narrative. According to E! News, Kelly, now 41, said Aimee “didn’t really ever acknowledge me and my brother” growing up, choosing instead to remain “in her own world.” While Ozzy, Sharon, Kelly and Jack Osbourne allowed cameras into their chaotic Beverly Hills home for the groundbreaking MTV reality series “The Osbournes,” which aired from 2002 to 2005, Aimee refused to participate. Kelly emphasized that she would not speak for her sister or reveal private details out of respect, yet she described a persistent feeling that Aimee was “embarrassed of us. The whole family.” The sisters, born just 13 months apart, present a study in contrasts. “Everything I am, she’s not. Everything she is, I’m not,” Kelly said. “We’re like oil and water.” That polarity became especially clear when Aimee pursued music on her own terms, releasing material under her name and with the band ARO while avoiding the reality-television spotlight that catapulted her siblings into fame. Kelly admitted the absence of a close big sister left lasting marks. She learned many life lessons alone that she believes an older sister might have taught her, and those unmet expectations have hardened into resentment she expects to carry “forever.” Kelly, who shares 3-year-old son Sidney with ex-partner Sid Wilson, also touched on the conditions she sets for relationships. “If you’re not going to accept me for who I am and constantly be trying to change me, I don’t want you in my life,” she explained. When directly asked about any possibility of future reconciliation, her answer was unambiguous: “No.” She added that while she respects Aimee’s choices and accepts their differences, the emotional distance appears permanent. The Osbournes’ very public struggles with addiction, health crises and marital turbulence played out against a shifting American media landscape. The early-2000s explosion of reality television turned private family dysfunction into prime-time entertainment, a trend that brought the clan unprecedented visibility but also intensified pressures that different family members processed in opposing ways. Aimee has spoken in rare interviews about wanting to protect her privacy and build a career on merit rather than familial fame, a stance that stood in sharp contrast to the rest of the household’s openness. Why This Matters The Osbourne family’s story reflects broader patterns in American culture where celebrity, addiction recovery and chronic illness collide under relentless media scrutiny. Ozzy’s decades-long battle with Parkinson’s disease, multiple surgeries, and his passing at age 76 in 2025 only deepened public fascination with how the family holds together amid loss. For millions of U.S. viewers who grew up watching “The Osbournes” as an early template for unfiltered reality programming, Kelly’s comments highlight the hidden costs when fame amplifies existing sibling differences and forces some relatives to choose privacy over shared spotlight. Their experience mirrors a wider societal trend: research suggests one in four American adults experiences family estrangement, showing that even the most famous households grapple with the same painful questions of belonging and acceptance. E! News has reached out to Aimee’s representatives for comment without response so far. Kelly’s latest reflections arrive as she continues raising her young son while honoring the complicated legacy left by her parents’ turbulent but enduring love story. Though the sisters remain on separate paths, the conversation serves as another chapter in a family that has rarely shied away from airing its most difficult truths.]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_52.webp" alt="Kelly Osbourne Declares No Path to Reconciliation With Estranged Sister Aimee" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Kelly Osbourne Declares No Path to Reconciliation With Estranged Sister Aimee</h1>
            <p>Kelly Osbourne told listeners on a popular podcast this week that she has no expectation of ever repairing her fractured relationship with her older sister Aimee, describing years of feeling unseen and suggesting the two are simply too different to bridge the divide. The candid admission, made on the September 15 episode of “We Need to Talk,” comes as the Osbourne family continues to navigate life after the 2025 death of their patriarch, Ozzy Osbourne, whose larger-than-life persona once dominated their shared public narrative. According to E! News, Kelly, now 41, said Aimee “didn’t really ever acknowledge me and my brother” growing up, choosing instead to remain “in her own world.” While Ozzy, Sharon, Kelly and Jack Osbourne allowed cameras into their chaotic Beverly Hills home for the groundbreaking MTV reality series “The Osbournes,” which aired from 2002 to 2005, Aimee refused to participate. Kelly emphasized that she would not speak for her sister or reveal private details out of respect, yet she described a persistent feeling that Aimee was “embarrassed of us. The whole family.” The sisters, born just 13 months apart, present a study in contrasts. “Everything I am, she’s not. Everything she is, I’m not,” Kelly said. “We’re like oil and water.” That polarity became especially clear when Aimee pursued music on her own terms, releasing material under her name and with the band ARO while avoiding the reality-television spotlight that catapulted her siblings into fame. Kelly admitted the absence of a close big sister left lasting marks. She learned many life lessons alone that she believes an older sister might have taught her, and those unmet expectations have hardened into resentment she expects to carry “forever.” Kelly, who shares 3-year-old son Sidney with ex-partner Sid Wilson, also touched on the conditions she sets for relationships. “If you’re not going to accept me for who I am and constantly be trying to change me, I don’t want you in my life,” she explained. When directly asked about any possibility of future reconciliation, her answer was unambiguous: “No.” She added that while she respects Aimee’s choices and accepts their differences, the emotional distance appears permanent. The Osbournes’ very public struggles with addiction, health crises and marital turbulence played out against a shifting American media landscape. The early-2000s explosion of reality television turned private family dysfunction into prime-time entertainment, a trend that brought the clan unprecedented visibility but also intensified pressures that different family members processed in opposing ways. Aimee has spoken in rare interviews about wanting to protect her privacy and build a career on merit rather than familial fame, a stance that stood in sharp contrast to the rest of the household’s openness. Why This Matters The Osbourne family’s story reflects broader patterns in American culture where celebrity, addiction recovery and chronic illness collide under relentless media scrutiny. Ozzy’s decades-long battle with Parkinson’s disease, multiple surgeries, and his passing at age 76 in 2025 only deepened public fascination with how the family holds together amid loss. For millions of U.S. viewers who grew up watching “The Osbournes” as an early template for unfiltered reality programming, Kelly’s comments highlight the hidden costs when fame amplifies existing sibling differences and forces some relatives to choose privacy over shared spotlight. Their experience mirrors a wider societal trend: research suggests one in four American adults experiences family estrangement, showing that even the most famous households grapple with the same painful questions of belonging and acceptance. E! News has reached out to Aimee’s representatives for comment without response so far. Kelly’s latest reflections arrive as she continues raising her young son while honoring the complicated legacy left by her parents’ turbulent but enduring love story. Though the sisters remain on separate paths, the conversation serves as another chapter in a family that has rarely shied away from airing its most difficult truths.</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_52.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_52.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_52.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[No Atlantic Hurricanes So Far This Year, a Rare Quiet Start That Meteorologists Say Has More Than One Cause]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/52304</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/52304</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Omor Farooq]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 16 Sep 2026 18:56:01 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[U.S.]]></category>
                        <category><![CDATA[Atlantic hurricane season, no Atlantic hurricanes this year, El Niño, wind shear, Saharan Air Layer, tropical cyclone formation, hurricane records 1907 1914, satellite era, seasonal peak September, Madden-Julian Oscillation, storm suppression, Atlantic basin, Gulf Coast risk, East Coast hurricanes, NOAA hurricane outlook]]></category>
        
        <description><![CDATA[The Atlantic hurricane season has produced no hurricanes so far this year—an unusually calm stretch that stands out even in a basin known for dramatic year-to-year swings, and one that forecasters say cannot be explained by El Niño alone. According to reports, another atmospheric pattern may be suppressing storm formation and pushing the season’s typical peak later than usual. Historically, an Atlantic season with zero hurricanes is almost unheard of. In the last 175 years of record-keeping, only two years—1907 and 1914—are documented as having no hurricanes in the Atlantic Ocean, the report noted. Even that comparison comes with a caveat: before the satellite era, storms that stayed out to sea or missed shipping routes could have gone undetected, meaning the official record may undercount some earlier hurricanes. A “hurricane” is a tropical cyclone with sustained winds of at least 74 mph, and the Atlantic basin includes the Atlantic Ocean, Caribbean Sea, and Gulf of Mexico. The season runs from June 1 through Nov. 30, and activity typically ramps up through August before reaching a climatological peak around early to mid-September. One factor often tied to lower Atlantic activity is El Niño, the periodic warming of the central and eastern tropical Pacific that can reshape global weather patterns. El Niño tends to increase upper-level winds over the Atlantic, creating vertical wind shear that disrupts the organization storms need to intensify into hurricanes. In many El Niño years, more tropical disturbances struggle to consolidate, and those that do form can have a harder time strengthening. But the report emphasized El Niño is not the only player. Meteorologists also track other storm inhibitors that can dominate for weeks at a time, including intrusions of dry, stable air and dust from the Sahara known as the Saharan Air Layer. When that hot, dry air spreads across the Atlantic’s main development region, it can choke off thunderstorm growth, limit moisture, and make the atmosphere less favorable for tropical cyclones—particularly early in the heart of the season. Short-term shifts in the Madden–Julian Oscillation (MJO), a pulse of enhanced and suppressed tropical rainfall that circles the globe every few weeks, can also tilt the odds. When the MJO phase favors sinking air over the Atlantic, storm formation can slow even if ocean temperatures are warm enough to support development. A quiet start, however, does not guarantee a quiet finish. Some years deliver most of their hurricanes in a compressed late-season burst, especially when the atmosphere becomes more humid and wind shear relaxes. The Atlantic has also produced high-impact storms well after the traditional peak, including notable late-season hurricanes that formed in October and November. Why this matters Hurricanes remain among the costliest and deadliest U.S. weather disasters, and even one landfalling storm can define a season for communities along the Gulf Coast and East Coast. A lull can also create a false sense of security, since the most intense part of the season often arrives quickly and leaves limited time for preparation. Understanding why storms are being suppressed helps forecasters and emergency managers assess whether the calm is likely to persist—or break suddenly. With weeks still left in the season’s most active window, forecasters will be watching for signs that the atmospheric brakes ease and allow systems to strengthen into hurricanes.]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_51.webp" alt="No Atlantic Hurricanes So Far This Year, a Rare Quiet Start That Meteorologists Say Has More Than One Cause" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>No Atlantic Hurricanes So Far This Year, a Rare Quiet Start That Meteorologists Say Has More Than One Cause</h1>
            <p>The Atlantic hurricane season has produced no hurricanes so far this year—an unusually calm stretch that stands out even in a basin known for dramatic year-to-year swings, and one that forecasters say cannot be explained by El Niño alone. According to reports, another atmospheric pattern may be suppressing storm formation and pushing the season’s typical peak later than usual. Historically, an Atlantic season with zero hurricanes is almost unheard of. In the last 175 years of record-keeping, only two years—1907 and 1914—are documented as having no hurricanes in the Atlantic Ocean, the report noted. Even that comparison comes with a caveat: before the satellite era, storms that stayed out to sea or missed shipping routes could have gone undetected, meaning the official record may undercount some earlier hurricanes. A “hurricane” is a tropical cyclone with sustained winds of at least 74 mph, and the Atlantic basin includes the Atlantic Ocean, Caribbean Sea, and Gulf of Mexico. The season runs from June 1 through Nov. 30, and activity typically ramps up through August before reaching a climatological peak around early to mid-September. One factor often tied to lower Atlantic activity is El Niño, the periodic warming of the central and eastern tropical Pacific that can reshape global weather patterns. El Niño tends to increase upper-level winds over the Atlantic, creating vertical wind shear that disrupts the organization storms need to intensify into hurricanes. In many El Niño years, more tropical disturbances struggle to consolidate, and those that do form can have a harder time strengthening. But the report emphasized El Niño is not the only player. Meteorologists also track other storm inhibitors that can dominate for weeks at a time, including intrusions of dry, stable air and dust from the Sahara known as the Saharan Air Layer. When that hot, dry air spreads across the Atlantic’s main development region, it can choke off thunderstorm growth, limit moisture, and make the atmosphere less favorable for tropical cyclones—particularly early in the heart of the season. Short-term shifts in the Madden–Julian Oscillation (MJO), a pulse of enhanced and suppressed tropical rainfall that circles the globe every few weeks, can also tilt the odds. When the MJO phase favors sinking air over the Atlantic, storm formation can slow even if ocean temperatures are warm enough to support development. A quiet start, however, does not guarantee a quiet finish. Some years deliver most of their hurricanes in a compressed late-season burst, especially when the atmosphere becomes more humid and wind shear relaxes. The Atlantic has also produced high-impact storms well after the traditional peak, including notable late-season hurricanes that formed in October and November. Why this matters Hurricanes remain among the costliest and deadliest U.S. weather disasters, and even one landfalling storm can define a season for communities along the Gulf Coast and East Coast. A lull can also create a false sense of security, since the most intense part of the season often arrives quickly and leaves limited time for preparation. Understanding why storms are being suppressed helps forecasters and emergency managers assess whether the calm is likely to persist—or break suddenly. With weeks still left in the season’s most active window, forecasters will be watching for signs that the atmospheric brakes ease and allow systems to strengthen into hurricanes.</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_51.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_51.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_51.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Prince Harry’s Invictus Team Highlights Women Athletes After Sydney Sweeney Betting-Ad Backlash]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/52303</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/52303</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Abdullah Sahel]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 16 Sep 2026 18:56:01 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[U.K.]]></category>
                        <category><![CDATA[Prince Harry, Duke of Sussex, Invictus Games, women in sports, women in the military, Sydney Sweeney ad controversy, sports betting app, gambling advertising, Invictus community, female competitors, Invictus Games photos, statement message, adaptive sports, military veterans]]></category>
        
        <description><![CDATA[Prince Harry’s office issued a public show of support for women competing in sports and serving in the military, spotlighting female participants in the Invictus Games after a controversial sports-betting advertisement featuring actor Sydney Sweeney sparked criticism online, according to reports. The message, shared alongside a series of photos of women who have competed in the Invictus Games over the years, was framed as a tribute to female competitors and a call for the community to celebrate their accomplishments. It was released as some members of the sports community voiced shock and frustration over Sweeney’s recent campaign promoting a sports betting app, which critics described as “distasteful,” the reports said. In the statement, Harry’s Invictus team wrote: “Here’s to the amazing female competitors who make the #InvictusGames so special!” The post continued, “Women in the military and women in sport continue to break barriers, challenge perceptions and show what is possible.” The statement then directly addressed the broader network of competitors and supporters connected to the event: “To the women of the Invictus Community, past and present, share your favourite Invictus Games memories in the comments below.” The post drew positive reactions from supporters who praised the focus on women’s participation and the Games’ emphasis on resilience and recovery. While the message did not mention Sweeney or the sports-betting ad by name, its timing connected it to the wider debate roiling parts of the sports world about gambling promotions and how they intersect with athletes, fandom, and public health concerns. The Invictus Games, founded by Harry in 2014, is an international sporting event for wounded, injured, and sick service members and veterans. In recent years, the competition has increasingly showcased women’s participation, reflecting the broader presence of women in armed forces and in adaptive sports—areas where representation has historically lagged. The episode also comes as sports betting has become far more visible in mainstream sports culture. Since the U.S. Supreme Court cleared the way for states to legalize sports wagering in 2018, betting ads and sponsorships have expanded across broadcasts and social media, prompting recurring criticism from some fans, advocates, and regulators about the pace and prominence of marketing. Harry’s team, in focusing on women competitors, emphasized themes that have long been central to the Invictus brand: service, recovery, and inclusion. By highlighting images from past Games, the post also served as a reminder of the event’s evolution and the growing number of women who have competed on the Invictus stage. Why this matters Women’s sports and women’s military service have both seen major gains in visibility in the past decade, but public attention can shift quickly when controversies erupt around the commercial side of sports. The Invictus Games message underscores how organizations tied to athletics increasingly use their platforms to reinforce values and community identity. It also lands amid broader scrutiny of sports-betting advertising and its impact on sports culture. For Invictus supporters, the post positioned women competitors not as a sidebar, but as a central part of the Games’ story—past, present, and future.]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_50.webp" alt="Prince Harry’s Invictus Team Highlights Women Athletes After Sydney Sweeney Betting-Ad Backlash" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Prince Harry’s Invictus Team Highlights Women Athletes After Sydney Sweeney Betting-Ad Backlash</h1>
            <p>Prince Harry’s office issued a public show of support for women competing in sports and serving in the military, spotlighting female participants in the Invictus Games after a controversial sports-betting advertisement featuring actor Sydney Sweeney sparked criticism online, according to reports. The message, shared alongside a series of photos of women who have competed in the Invictus Games over the years, was framed as a tribute to female competitors and a call for the community to celebrate their accomplishments. It was released as some members of the sports community voiced shock and frustration over Sweeney’s recent campaign promoting a sports betting app, which critics described as “distasteful,” the reports said. In the statement, Harry’s Invictus team wrote: “Here’s to the amazing female competitors who make the #InvictusGames so special!” The post continued, “Women in the military and women in sport continue to break barriers, challenge perceptions and show what is possible.” The statement then directly addressed the broader network of competitors and supporters connected to the event: “To the women of the Invictus Community, past and present, share your favourite Invictus Games memories in the comments below.” The post drew positive reactions from supporters who praised the focus on women’s participation and the Games’ emphasis on resilience and recovery. While the message did not mention Sweeney or the sports-betting ad by name, its timing connected it to the wider debate roiling parts of the sports world about gambling promotions and how they intersect with athletes, fandom, and public health concerns. The Invictus Games, founded by Harry in 2014, is an international sporting event for wounded, injured, and sick service members and veterans. In recent years, the competition has increasingly showcased women’s participation, reflecting the broader presence of women in armed forces and in adaptive sports—areas where representation has historically lagged. The episode also comes as sports betting has become far more visible in mainstream sports culture. Since the U.S. Supreme Court cleared the way for states to legalize sports wagering in 2018, betting ads and sponsorships have expanded across broadcasts and social media, prompting recurring criticism from some fans, advocates, and regulators about the pace and prominence of marketing. Harry’s team, in focusing on women competitors, emphasized themes that have long been central to the Invictus brand: service, recovery, and inclusion. By highlighting images from past Games, the post also served as a reminder of the event’s evolution and the growing number of women who have competed on the Invictus stage. Why this matters Women’s sports and women’s military service have both seen major gains in visibility in the past decade, but public attention can shift quickly when controversies erupt around the commercial side of sports. The Invictus Games message underscores how organizations tied to athletics increasingly use their platforms to reinforce values and community identity. It also lands amid broader scrutiny of sports-betting advertising and its impact on sports culture. For Invictus supporters, the post positioned women competitors not as a sidebar, but as a central part of the Games’ story—past, present, and future.</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_50.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_50.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_50.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Bob Mackie, 'Sultan of Sequins' Who Dressed Music and Film Icons, Dies at 87]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/52302</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/52302</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Mousumi Akter]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 16 Sep 2026 18:56:01 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[Entertainment]]></category>
                        <category><![CDATA[Bob Mackie, Sultan of Sequins, costume designer death, Cher revenge dress, Bob Mackie obituary, Hollywood glamour, Emmy winner, Marilyn Monroe dress, Ray Aghayan, Cher Oscars 1986, Tina Turner costumes, Dolly Parton, Elton John designer, AIDS crisis Hollywood, Tony Award fashion]]></category>
        
        <description><![CDATA[Bob Mackie, the visionary costume designer whose dazzling, sequin-drenched creations helped define the looks of superstars including Cher, Tina Turner, Dolly Parton and Elton John, died at age 87. The news broke Monday through an official statement on his Instagram account that paid tribute to a man who spent his entire life chasing his singular passion for fashion and costume design. According to that statement and subsequent reports, Mackie lived his 87 years to the fullest. "He lived his 87 years to the fullest, fulfilling his dream of being a Fashion and Costume Designer, which is all he ever wanted to do," it read. "His genius and extraordinary designs will live on forever, continuing to bring beauty into this world." His six-decade career brought him a Tony Award, nine Emmy Awards and three Oscar nominations. Mackie became forever linked with Cher, designing the dramatic Mohawk headdress, plumed showgirl elements and bare-midriff look she wore to the 1986 Academy Awards. The singer called it her "revenge dress," choosing the bold ensemble the year after she failed to receive an expected Oscar nomination for her role in the film "Mask." Cher reflected on that choice in the 2024 documentary "Bob Mackie: Naked Illusion." In a 2010 BBC interview, Mackie said Cher "looked like no-one else in the entertainment business at the time" and that "everybody just went crazy over this woman as she could wear anything." His work for her also made history when she became widely recognized as the first woman to bare her midriff on American television. Those boundary-pushing designs arrived as the entertainment industry shifted dramatically. Mackie began his career during the rise of color television in the 1960s, when networks needed bolder, more visually striking costumes to captivate viewers on variety shows and live specials. That technological change created perfect conditions for his glittering, theatrical aesthetic to flourish. Born Robert Gordon Mackie in Monterey Park, California, in 1939, he launched his professional life as a sketch artist for established costume designer Jean Louis. One early assignment required him to draw the now-iconic dress Marilyn Monroe wore while singing "Happy Birthday, Mr. President" to John F. Kennedy in 1962. The task connected him directly to one of the most indelible intersections of Hollywood glamour, music and American politics. Mackie married singer and actress Lulu Porter in 1960. They divorced three years later and had a son, Robin, who died in his early thirties from an AIDS-related illness. Mackie shared a long-term relationship with Iranian fashion designer Ray Aghayan from 1963 until Aghayan's death in 2011. That personal story unfolded against the devastating backdrop of the AIDS epidemic, which took a heavy toll on creative communities in fashion, film and music throughout the 1980s and 1990s. Even late in life, Mackie showed little interest in slowing down. In a 2018 interview with The Guardian, he described himself as "the oldest living designer in Hollywood" and responded to questions about retirement with a simple declaration: "I hope not." Why This Matters Mackie's death marks the end of an era in American pop culture when extravagant costume design helped turn performers into larger-than-life icons and transformed red carpets into major cultural events watched by millions. His work bridged the more restrained glamour of old Hollywood with the bold, colorful demands of television and concert stages, influencing everything from music videos to today's global fashion media economy. For U.S. audiences, his story also reflects the profound losses many in the creative industries endured during the AIDS crisis, even as artists like Mackie continued producing beauty and joy amid private grief. The images he created will keep shining in retrospectives, awards show clips and stage performances for years to come.]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_49.webp" alt="Bob Mackie, 'Sultan of Sequins' Who Dressed Music and Film Icons, Dies at 87" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Bob Mackie, 'Sultan of Sequins' Who Dressed Music and Film Icons, Dies at 87</h1>
            <p>Bob Mackie, the visionary costume designer whose dazzling, sequin-drenched creations helped define the looks of superstars including Cher, Tina Turner, Dolly Parton and Elton John, died at age 87. The news broke Monday through an official statement on his Instagram account that paid tribute to a man who spent his entire life chasing his singular passion for fashion and costume design. According to that statement and subsequent reports, Mackie lived his 87 years to the fullest. "He lived his 87 years to the fullest, fulfilling his dream of being a Fashion and Costume Designer, which is all he ever wanted to do," it read. "His genius and extraordinary designs will live on forever, continuing to bring beauty into this world." His six-decade career brought him a Tony Award, nine Emmy Awards and three Oscar nominations. Mackie became forever linked with Cher, designing the dramatic Mohawk headdress, plumed showgirl elements and bare-midriff look she wore to the 1986 Academy Awards. The singer called it her "revenge dress," choosing the bold ensemble the year after she failed to receive an expected Oscar nomination for her role in the film "Mask." Cher reflected on that choice in the 2024 documentary "Bob Mackie: Naked Illusion." In a 2010 BBC interview, Mackie said Cher "looked like no-one else in the entertainment business at the time" and that "everybody just went crazy over this woman as she could wear anything." His work for her also made history when she became widely recognized as the first woman to bare her midriff on American television. Those boundary-pushing designs arrived as the entertainment industry shifted dramatically. Mackie began his career during the rise of color television in the 1960s, when networks needed bolder, more visually striking costumes to captivate viewers on variety shows and live specials. That technological change created perfect conditions for his glittering, theatrical aesthetic to flourish. Born Robert Gordon Mackie in Monterey Park, California, in 1939, he launched his professional life as a sketch artist for established costume designer Jean Louis. One early assignment required him to draw the now-iconic dress Marilyn Monroe wore while singing "Happy Birthday, Mr. President" to John F. Kennedy in 1962. The task connected him directly to one of the most indelible intersections of Hollywood glamour, music and American politics. Mackie married singer and actress Lulu Porter in 1960. They divorced three years later and had a son, Robin, who died in his early thirties from an AIDS-related illness. Mackie shared a long-term relationship with Iranian fashion designer Ray Aghayan from 1963 until Aghayan's death in 2011. That personal story unfolded against the devastating backdrop of the AIDS epidemic, which took a heavy toll on creative communities in fashion, film and music throughout the 1980s and 1990s. Even late in life, Mackie showed little interest in slowing down. In a 2018 interview with The Guardian, he described himself as "the oldest living designer in Hollywood" and responded to questions about retirement with a simple declaration: "I hope not." Why This Matters Mackie's death marks the end of an era in American pop culture when extravagant costume design helped turn performers into larger-than-life icons and transformed red carpets into major cultural events watched by millions. His work bridged the more restrained glamour of old Hollywood with the bold, colorful demands of television and concert stages, influencing everything from music videos to today's global fashion media economy. For U.S. audiences, his story also reflects the profound losses many in the creative industries endured during the AIDS crisis, even as artists like Mackie continued producing beauty and joy amid private grief. The images he created will keep shining in retrospectives, awards show clips and stage performances for years to come.</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_49.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_49.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_49.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Amanda Seyfried, Thomas Sadoski Separate After 9 Years as Actress Lists $3.2M L.A. Home]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/52297</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/52297</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Mousumi Akter]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 16 Sep 2026 18:56:01 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[Entertainment]]></category>
                        <category><![CDATA[Amanda Seyfried, Thomas Sadoski, separation, divorce news, People statement, Los Angeles home listing, 3.2 million listing, Runyon Canyon, Carolwood Estates, Justin Paul Huchel, Adam Brody, upstate New York farm, OCD anxiety, celebrity real estate, Nina and Thomas Jr]]></category>
        
        <description><![CDATA[Amanda Seyfried and her husband, actor Thomas Sadoski, have ended their marriage after nine years, confirming in a joint statement that they have been living apart for “a while,” a development that comes just weeks after Seyfried put her longtime Los Angeles home on the market for $3.2 million. Realtor.com first reported the split and the timing of the listing. “We have been separated for a while, and it’s proven to be the right move for us and our family unit. We’ve got each other forever—and it’s GOOD,” the pair said in a statement provided to People. Seyfried, 40, and Sadoski, 50, met in 2015 and made their relationship public the following year. In 2017, they quietly married in an intimate elopement. Sadoski previously described the ceremony as a private trip into the country with an officiant and no guests, saying the experience was “beautiful” and “everything that it should be.” The couple share two children. Their daughter, Nina, was born shortly after they married, and their son, Thomas Jr., arrived in 2020. The personal news arrives as Seyfried appears to be winding down her long-running ties to Southern California real estate. Her three-bedroom, 2.5-bathroom Los Angeles house—about 2,700 square feet—has served as her West Coast base for more than a decade. The 1916 home sits on a 9,104-square-foot lot and is listed with Justin Paul Huchel of Carolwood Estates. Seyfried bought the property in 2011 for $1.85 million from actor Adam Brody, her co-star in “Jennifer’s Body,” purchasing it through a trust that has also been used in connection with her music releases, according to the report. The current listing describes the residence as a “private oasis” set behind mature hedges and a private gate, with outdoor features that include a swimming pool, spa and wraparound porch. Inside, the home includes multiple living and dining areas, a kitchen with blue cabinetry, a den, a light-filled sunroom, and a garage that has been converted into a gym. The listing also notes the home’s proximity to Runyon Canyon. In recent years, Seyfried has increasingly emphasized her upstate New York life. She bought a farm property there in 2013 and has said she now lives primarily at the rural home with her family and rescue animals. In a March 2025 interview, she said the quieter setting helped her manage anxiety and obsessive-compulsive disorder symptoms, describing periods when her OCD made it difficult to function. Seyfried has also spoken publicly about reshaping her real estate footprint. She sold a Manhattan condo in 2022 for $3.25 million after purchasing it for $1.9 million in 2010, and she still owns a separate New York City home—an Upper West Side apartment bought the same year she sold the condo. Why this matters Celebrity home sales often draw attention not just for price tags and amenities, but because they can signal broader lifestyle shifts—especially as more high-profile figures choose privacy and space outside Los Angeles. The listing also reflects how long-held properties near major L.A. hubs can appreciate significantly over time, even as some owners reduce their presence in the city. For fans, the separation marks a major change for a couple that had largely kept its relationship details out of the spotlight. Seyfried and Sadoski, in their statement, emphasized that their separation is rooted in what they believe works best for their family moving forward.]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_48.webp" alt="Amanda Seyfried, Thomas Sadoski Separate After 9 Years as Actress Lists $3.2M L.A. Home" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Amanda Seyfried, Thomas Sadoski Separate After 9 Years as Actress Lists $3.2M L.A. Home</h1>
            <p>Amanda Seyfried and her husband, actor Thomas Sadoski, have ended their marriage after nine years, confirming in a joint statement that they have been living apart for “a while,” a development that comes just weeks after Seyfried put her longtime Los Angeles home on the market for $3.2 million. Realtor.com first reported the split and the timing of the listing. “We have been separated for a while, and it’s proven to be the right move for us and our family unit. We’ve got each other forever—and it’s GOOD,” the pair said in a statement provided to People. Seyfried, 40, and Sadoski, 50, met in 2015 and made their relationship public the following year. In 2017, they quietly married in an intimate elopement. Sadoski previously described the ceremony as a private trip into the country with an officiant and no guests, saying the experience was “beautiful” and “everything that it should be.” The couple share two children. Their daughter, Nina, was born shortly after they married, and their son, Thomas Jr., arrived in 2020. The personal news arrives as Seyfried appears to be winding down her long-running ties to Southern California real estate. Her three-bedroom, 2.5-bathroom Los Angeles house—about 2,700 square feet—has served as her West Coast base for more than a decade. The 1916 home sits on a 9,104-square-foot lot and is listed with Justin Paul Huchel of Carolwood Estates. Seyfried bought the property in 2011 for $1.85 million from actor Adam Brody, her co-star in “Jennifer’s Body,” purchasing it through a trust that has also been used in connection with her music releases, according to the report. The current listing describes the residence as a “private oasis” set behind mature hedges and a private gate, with outdoor features that include a swimming pool, spa and wraparound porch. Inside, the home includes multiple living and dining areas, a kitchen with blue cabinetry, a den, a light-filled sunroom, and a garage that has been converted into a gym. The listing also notes the home’s proximity to Runyon Canyon. In recent years, Seyfried has increasingly emphasized her upstate New York life. She bought a farm property there in 2013 and has said she now lives primarily at the rural home with her family and rescue animals. In a March 2025 interview, she said the quieter setting helped her manage anxiety and obsessive-compulsive disorder symptoms, describing periods when her OCD made it difficult to function. Seyfried has also spoken publicly about reshaping her real estate footprint. She sold a Manhattan condo in 2022 for $3.25 million after purchasing it for $1.9 million in 2010, and she still owns a separate New York City home—an Upper West Side apartment bought the same year she sold the condo. Why this matters Celebrity home sales often draw attention not just for price tags and amenities, but because they can signal broader lifestyle shifts—especially as more high-profile figures choose privacy and space outside Los Angeles. The listing also reflects how long-held properties near major L.A. hubs can appreciate significantly over time, even as some owners reduce their presence in the city. For fans, the separation marks a major change for a couple that had largely kept its relationship details out of the spotlight. Seyfried and Sadoski, in their statement, emphasized that their separation is rooted in what they believe works best for their family moving forward.</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_48.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_48.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_48.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Meghan Markle Posts Birthday Tribute to Prince Harry as Security Issues Keep Sussexes in Spotlight]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/52295</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/52295</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Abdullah Sahel]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 16 Sep 2026 17:44:03 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[U.K.]]></category>
                        <category><![CDATA[Meghan Markle, Prince Harry birthday, 42nd birthday, Duchess of Sussex, Instagram video, Archie and Lilibet, Sussex security, UK security dispute, King Charles birthday message, royal family proximity, school change, People magazine statement, royal social media, Sussexes news]]></category>
        
        <description><![CDATA[Meghan Markle marked Prince Harry’s 42nd birthday on September 15 with a family-centered Instagram tribute, posting a short video montage of photos that highlighted Harry’s relationship with their children, Prince Archie and Princess Lilibet, as the couple continues to navigate ongoing concerns tied to security arrangements, according to reports. The Duchess of Sussex captioned the post with a direct message to her husband: “He’s simply the best. Happy birthday, my love.” The video featured a series of intimate snapshots of Harry with Meghan and their children, emphasizing home life and the couple’s young family rather than royal ceremony. The birthday post drew fresh attention because it arrived amid continued public discussion about the Sussexes’ security planning, including recent changes involving their children’s schooling. Meghan’s message also stood out as one of her first new social media statements after the family moved Archie and Lilibet to a different school, a decision the couple’s representatives said was driven by security considerations rather than dissatisfaction with the previous school. People reported that Harry and Meghan’s team described the move as the result of a review with their security advisers. “The decision for the children to move schools was taken following a discussion with the family’s security team about the practicalities of their current arrangements,” a spokesperson said, according to People. The spokesperson added that the parents were “extremely grateful” to teachers and staff and stressed the decision “should in no way be interpreted as a reflection on the school or the exceptional care the children have received there.” The timing also fueled interest in how the rest of the royal family might respond publicly. With September 15 marking Harry’s birthday, attention turned to whether King Charles would offer a greeting to his youngest son, particularly as the family is described as being in close proximity. The public spotlight on birthday messaging reflects how royal greetings have become part of the monarchy’s modern communications strategy, with well-wishes often issued through official channels. In recent years, however, royal public messaging has also become a point of scrutiny as the monarchy balances family ties with the working roles and responsibilities of senior royals. Why this matters The Sussexes’ ongoing focus on security has remained a central theme since they stepped back from senior royal duties and relocated to the United States, with Prince Harry frequently arguing that safety planning affects travel and daily logistics for his family. Decisions such as changing children’s schools underscore how security concerns can reach into routine family life and continue to drive headlines. At the same time, public birthday acknowledgments—whether from Meghan or the royal family—often carry outsized significance because they are closely read as signals about relationships within the House of Windsor. Meghan’s video ultimately kept the focus on family and celebration, even as questions about security arrangements and royal communications continue to follow the couple.]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_47.webp" alt="Meghan Markle Posts Birthday Tribute to Prince Harry as Security Issues Keep Sussexes in Spotlight" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Meghan Markle Posts Birthday Tribute to Prince Harry as Security Issues Keep Sussexes in Spotlight</h1>
            <p>Meghan Markle marked Prince Harry’s 42nd birthday on September 15 with a family-centered Instagram tribute, posting a short video montage of photos that highlighted Harry’s relationship with their children, Prince Archie and Princess Lilibet, as the couple continues to navigate ongoing concerns tied to security arrangements, according to reports. The Duchess of Sussex captioned the post with a direct message to her husband: “He’s simply the best. Happy birthday, my love.” The video featured a series of intimate snapshots of Harry with Meghan and their children, emphasizing home life and the couple’s young family rather than royal ceremony. The birthday post drew fresh attention because it arrived amid continued public discussion about the Sussexes’ security planning, including recent changes involving their children’s schooling. Meghan’s message also stood out as one of her first new social media statements after the family moved Archie and Lilibet to a different school, a decision the couple’s representatives said was driven by security considerations rather than dissatisfaction with the previous school. People reported that Harry and Meghan’s team described the move as the result of a review with their security advisers. “The decision for the children to move schools was taken following a discussion with the family’s security team about the practicalities of their current arrangements,” a spokesperson said, according to People. The spokesperson added that the parents were “extremely grateful” to teachers and staff and stressed the decision “should in no way be interpreted as a reflection on the school or the exceptional care the children have received there.” The timing also fueled interest in how the rest of the royal family might respond publicly. With September 15 marking Harry’s birthday, attention turned to whether King Charles would offer a greeting to his youngest son, particularly as the family is described as being in close proximity. The public spotlight on birthday messaging reflects how royal greetings have become part of the monarchy’s modern communications strategy, with well-wishes often issued through official channels. In recent years, however, royal public messaging has also become a point of scrutiny as the monarchy balances family ties with the working roles and responsibilities of senior royals. Why this matters The Sussexes’ ongoing focus on security has remained a central theme since they stepped back from senior royal duties and relocated to the United States, with Prince Harry frequently arguing that safety planning affects travel and daily logistics for his family. Decisions such as changing children’s schools underscore how security concerns can reach into routine family life and continue to drive headlines. At the same time, public birthday acknowledgments—whether from Meghan or the royal family—often carry outsized significance because they are closely read as signals about relationships within the House of Windsor. Meghan’s video ultimately kept the focus on family and celebration, even as questions about security arrangements and royal communications continue to follow the couple.</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_47.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_47.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_47.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Jay-Z Admits 'Cringe' Moments Await as Family Prepares to Watch His Intimate New Documentary]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/52294</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/52294</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Mousumi Akter]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 16 Sep 2026 17:44:03 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[Entertainment]]></category>
                        <category><![CDATA[Jay-Z, Beyonce, Blue Ivy, Jay-Z in 8, HBO documentary, Rick Rubin, Jay-Z 30 Tour, Blue Ivy dancer, Shawn Carter, hip hop legacy, celebrity parenting, Yankee Stadium concert, perfect pitch pianist, Renaissance tour, Met Gala debut]]></category>
        
        <description><![CDATA[Jay-Z told reporters at the world premiere of his new HBO docuseries in New York City on September 13 that he feels a mix of pride and embarrassment at the thought of his wife Beyoncé and their children watching the deeply personal project. The eight-part series, titled "Jay-Z in 8," captures the rapper reflecting on his life and three-decade career, and it arrives as he headlines his ongoing 30th-anniversary tour. According to E! News, the artist born Shawn Carter described the experience as both exciting and occasionally uncomfortable. "They know these things. We talk all the time," he said of his family, which includes 14-year-old Blue Ivy and 9-year-old twins Rumi and Sir. "It'll be fascinating to see on a big screen and at times, I know it'll be, like, cringe." He emphasized that the project remains honest and beautiful despite those vulnerable moments that might make him squirm in front of his loved ones. The series features Jay-Z in conversation with legendary producer Rick Rubin, a format that allows for candid discussion of his evolution from Brooklyn's Marcy Projects to global icon. It premieres on HBO and Max on September 18, landing squarely in the middle of his Jay-Z 30 Tour, which launched in his hometown with a limited run of eight shows. This reflective timing is no coincidence. As hip-hop celebrates its 50th anniversary era and many of its foundational artists enter their 50s, figures like Jay-Z are using long-form documentaries to cement legacies in an industry now dominated by streaming platforms and short-form content. His family has already rallied around the tour. Beyoncé and Blue Ivy made a memorable appearance at his July 10 show at Yankee Stadium, where the singer planted a kiss on her husband and told him she loved him before stepping offstage. That public support comes as Blue Ivy carves her own path in the spotlight, something her father admitted makes him more nervous than his own projects. Speaking separately with Extra TV at the premiere, Jay-Z expressed both pride and protective anxiety about his eldest daughter's growing profile. Blue Ivy has served as a principal dancer on Beyoncé's Renaissance and Cowboy Carter tours, became one of the youngest Grammy winners ever, made her Met Gala debut this year, and even played piano during her father's recent stadium performances. "I'm more nervous for her than I am for myself," he said, "but she's put in the work and she's a student." He highlighted her natural musical gifts, noting that Blue plays piano entirely by ear with perfect pitch and refuses formal lessons because she doesn't want it to feel like a job. "That's just talent," Jay-Z added. "She worked at this, and it makes me proud that she fought for something that she really wanted to do. I don't think we're going to be able to get her off that stage now." Why This Matters Jay-Z's willingness to discuss both his own vulnerabilities and his daughter's emerging career reflects a larger shift in American entertainment, where hip-hop's biggest stars are balancing immense wealth and fame with the challenges of raising the next generation under constant public scrutiny. For U.S. audiences, this moment connects to decades of Black excellence in music, from the civil rights era through the explosive commercialization of rap in the 1990s and 2000s, showing how legacy artists now prioritize authenticity and family boundaries after years of industry exploitation. As streaming has made personal storytelling more lucrative and accessible, projects like "Jay-Z in 8" help shape cultural conversations about success, parenting, and artistic integrity at a time when celebrity children face unprecedented digital pressures. The documentary and tour together mark another chapter in the Carter family's carefully managed public narrative. While final viewer reactions from his inner circle remain to be seen, Jay-Z's comments suggest the project will spark meaningful conversations at home as much as it does with audiences when it drops later this week.]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_46.webp" alt="Jay-Z Admits 'Cringe' Moments Await as Family Prepares to Watch His Intimate New Documentary" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Jay-Z Admits 'Cringe' Moments Await as Family Prepares to Watch His Intimate New Documentary</h1>
            <p>Jay-Z told reporters at the world premiere of his new HBO docuseries in New York City on September 13 that he feels a mix of pride and embarrassment at the thought of his wife Beyoncé and their children watching the deeply personal project. The eight-part series, titled "Jay-Z in 8," captures the rapper reflecting on his life and three-decade career, and it arrives as he headlines his ongoing 30th-anniversary tour. According to E! News, the artist born Shawn Carter described the experience as both exciting and occasionally uncomfortable. "They know these things. We talk all the time," he said of his family, which includes 14-year-old Blue Ivy and 9-year-old twins Rumi and Sir. "It'll be fascinating to see on a big screen and at times, I know it'll be, like, cringe." He emphasized that the project remains honest and beautiful despite those vulnerable moments that might make him squirm in front of his loved ones. The series features Jay-Z in conversation with legendary producer Rick Rubin, a format that allows for candid discussion of his evolution from Brooklyn's Marcy Projects to global icon. It premieres on HBO and Max on September 18, landing squarely in the middle of his Jay-Z 30 Tour, which launched in his hometown with a limited run of eight shows. This reflective timing is no coincidence. As hip-hop celebrates its 50th anniversary era and many of its foundational artists enter their 50s, figures like Jay-Z are using long-form documentaries to cement legacies in an industry now dominated by streaming platforms and short-form content. His family has already rallied around the tour. Beyoncé and Blue Ivy made a memorable appearance at his July 10 show at Yankee Stadium, where the singer planted a kiss on her husband and told him she loved him before stepping offstage. That public support comes as Blue Ivy carves her own path in the spotlight, something her father admitted makes him more nervous than his own projects. Speaking separately with Extra TV at the premiere, Jay-Z expressed both pride and protective anxiety about his eldest daughter's growing profile. Blue Ivy has served as a principal dancer on Beyoncé's Renaissance and Cowboy Carter tours, became one of the youngest Grammy winners ever, made her Met Gala debut this year, and even played piano during her father's recent stadium performances. "I'm more nervous for her than I am for myself," he said, "but she's put in the work and she's a student." He highlighted her natural musical gifts, noting that Blue plays piano entirely by ear with perfect pitch and refuses formal lessons because she doesn't want it to feel like a job. "That's just talent," Jay-Z added. "She worked at this, and it makes me proud that she fought for something that she really wanted to do. I don't think we're going to be able to get her off that stage now." Why This Matters Jay-Z's willingness to discuss both his own vulnerabilities and his daughter's emerging career reflects a larger shift in American entertainment, where hip-hop's biggest stars are balancing immense wealth and fame with the challenges of raising the next generation under constant public scrutiny. For U.S. audiences, this moment connects to decades of Black excellence in music, from the civil rights era through the explosive commercialization of rap in the 1990s and 2000s, showing how legacy artists now prioritize authenticity and family boundaries after years of industry exploitation. As streaming has made personal storytelling more lucrative and accessible, projects like "Jay-Z in 8" help shape cultural conversations about success, parenting, and artistic integrity at a time when celebrity children face unprecedented digital pressures. The documentary and tour together mark another chapter in the Carter family's carefully managed public narrative. While final viewer reactions from his inner circle remain to be seen, Jay-Z's comments suggest the project will spark meaningful conversations at home as much as it does with audiences when it drops later this week.</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_46.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_46.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_46.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Moment Kash Patel’s Senate Hearing Veers Into Debate Over FBI Hiring Standards]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/52293</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/52293</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Omor Farooq]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 16 Sep 2026 17:44:03 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[U.S.]]></category>
                        <category><![CDATA[Kash Patel, FBI Director, Senate hearing, FBI hiring requirements, FBI recruitment, FBI standards, congressional oversight, Senate committee, federal law enforcement hiring, FBI staffing, bipartisan criticism, vetting standards, public trust, FBI policy]]></category>
        
        <description><![CDATA[FBI Director Kash Patel faced pointed, bipartisan questioning during a Senate hearing after lawmakers pressed him to explain what they described as the bureau’s loosening of hiring requirements—an exchange that left both Republicans and Democrats openly incredulous, according to reports. The hearing, which was focused on FBI oversight, shifted abruptly when senators raised concerns that changes to recruitment standards could affect the bureau’s ability to vet and prepare new agents and professional staff. Patel was forced to defend the approach in real time as lawmakers signaled they were unconvinced that relaxing any requirements would strengthen the agency’s long-term readiness. Several senators from both parties reacted with visible disbelief as the discussion unfolded, turning what is typically a structured question-and-answer session into what observers described as an unusually awkward moment. The surprise was not simply that hiring standards had become a central topic, but that it did so in a way that appeared to catch members of the committee—and Patel—off guard. While details of the specific requirements under debate were not fully laid out during the exchange, the political dynamic was clear: lawmakers who often disagree sharply on FBI priorities aligned in expressing skepticism about any move that could be perceived as lowering the bar for entry into an agency tasked with counterterrorism, counterintelligence, and complex criminal investigations. Patel defended the bureau’s direction, arguing the FBI still needs to meet its staffing demands while maintaining public trust. Senators, however, signaled concern that changes meant to broaden the applicant pool could have unintended consequences, including raising questions about qualifications and consistency in screening. The dispute lands at a time when many federal law enforcement and intelligence agencies face a fiercely competitive recruiting environment, especially for candidates with in-demand technical skills. Across government, agencies have increasingly had to compete with the private sector on pay, flexibility, and career mobility—pressures that can fuel internal debates over how to attract enough qualified applicants without compromising standards. At the same time, the FBI remains under intense scrutiny from Congress, with oversight hearings frequently becoming flashpoints over the bureau’s leadership decisions and operational priorities. That backdrop helps explain why even incremental changes in hiring policy can quickly become a political controversy on Capitol Hill. Why this matters The FBI’s hiring standards sit at the intersection of public safety and public confidence: the bureau must recruit enough people to meet mission demands, but it also has to reassure Congress and the public that vetting and preparedness are not being diluted. In an era of heightened concern over cyber threats and national security, the agency’s ability to attract skilled applicants is increasingly central to its effectiveness. Bipartisan alarm in a public hearing suggests hiring policy may become a larger oversight issue moving forward. The hearing ended with senators making clear they expect further explanation of the bureau’s rationale and guardrails around any revised requirements, underscoring that the debate is unlikely to fade quickly.]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_45.webp" alt="Moment Kash Patel’s Senate Hearing Veers Into Debate Over FBI Hiring Standards" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Moment Kash Patel’s Senate Hearing Veers Into Debate Over FBI Hiring Standards</h1>
            <p>FBI Director Kash Patel faced pointed, bipartisan questioning during a Senate hearing after lawmakers pressed him to explain what they described as the bureau’s loosening of hiring requirements—an exchange that left both Republicans and Democrats openly incredulous, according to reports. The hearing, which was focused on FBI oversight, shifted abruptly when senators raised concerns that changes to recruitment standards could affect the bureau’s ability to vet and prepare new agents and professional staff. Patel was forced to defend the approach in real time as lawmakers signaled they were unconvinced that relaxing any requirements would strengthen the agency’s long-term readiness. Several senators from both parties reacted with visible disbelief as the discussion unfolded, turning what is typically a structured question-and-answer session into what observers described as an unusually awkward moment. The surprise was not simply that hiring standards had become a central topic, but that it did so in a way that appeared to catch members of the committee—and Patel—off guard. While details of the specific requirements under debate were not fully laid out during the exchange, the political dynamic was clear: lawmakers who often disagree sharply on FBI priorities aligned in expressing skepticism about any move that could be perceived as lowering the bar for entry into an agency tasked with counterterrorism, counterintelligence, and complex criminal investigations. Patel defended the bureau’s direction, arguing the FBI still needs to meet its staffing demands while maintaining public trust. Senators, however, signaled concern that changes meant to broaden the applicant pool could have unintended consequences, including raising questions about qualifications and consistency in screening. The dispute lands at a time when many federal law enforcement and intelligence agencies face a fiercely competitive recruiting environment, especially for candidates with in-demand technical skills. Across government, agencies have increasingly had to compete with the private sector on pay, flexibility, and career mobility—pressures that can fuel internal debates over how to attract enough qualified applicants without compromising standards. At the same time, the FBI remains under intense scrutiny from Congress, with oversight hearings frequently becoming flashpoints over the bureau’s leadership decisions and operational priorities. That backdrop helps explain why even incremental changes in hiring policy can quickly become a political controversy on Capitol Hill. Why this matters The FBI’s hiring standards sit at the intersection of public safety and public confidence: the bureau must recruit enough people to meet mission demands, but it also has to reassure Congress and the public that vetting and preparedness are not being diluted. In an era of heightened concern over cyber threats and national security, the agency’s ability to attract skilled applicants is increasingly central to its effectiveness. Bipartisan alarm in a public hearing suggests hiring policy may become a larger oversight issue moving forward. The hearing ended with senators making clear they expect further explanation of the bureau’s rationale and guardrails around any revised requirements, underscoring that the debate is unlikely to fade quickly.</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_45.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_45.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_45.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[UK Security Committee Fast-Tracks Risk Assessment for Meghan Markle Ahead of Potential UK Return]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/52292</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/52292</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Abdullah Sahel]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 16 Sep 2026 17:44:03 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[U.K.]]></category>
                        <category><![CDATA[Meghan Markle, Prince Harry, RAVEC, security risk assessment, Sussex UK return, Archie and Lilibet, royal police protection, Megxit security, UK Home Secretary, royal family threats, People Magazine, Sussex children school, British VIP committee, Harry legal challenges]]></category>
        
        <description><![CDATA[The Royal and VIP Executive Committee (RAVEC) is expediting a formal security risk assessment for Meghan Markle, with a parallel review for Prince Harry, as the couple navigates serious safety concerns while considering more time in Britain with their young children. This development reflects renewed urgency around protection protocols that have been in flux since the Sussexes stepped away from royal life. According to a People Magazine report, RAVEC’s chairman signaled last week that entirely new assessments would be commissioned for both the Duke and Duchess following any relocation. The committee had already internally decided on Harry’s police protection before the family’s potential move, though that outcome was never disclosed to him. Officials now say they must reevaluate everything to distinguish between occasional visits and a fuller return to the UK. Harry has pressed the Home Secretary on the matter for some time, and action finally appears to be materializing. To inform their decision, RAVEC has asked the couple to submit detailed daily schedules. That includes routine matters such as taking Prince Archie, now 7, and Princess Lilibet, 5, to school. The timing of this request coincides with the couple’s recent decision to pull their children from what would have been their first school in Britain over specific security risks. RAVEC has yet to announce its final determination and remains in deliberation over the precise measures needed. The expedited process suggests the committee is treating the situation with heightened priority. Since Harry and Meghan stepped back from senior royal roles in 2020, the loss of automatic, taxpayer-funded police protection has created ongoing complications. Their subsequent high-profile projects, including a Netflix series and Harry’s bestselling memoir, have kept them squarely in the global spotlight, a reality that can amplify threats in an era when social media can rapidly escalate risks for public figures. Why This Matters This security review highlights the lasting complexities created by the 2020 departure known as Megxit, which fundamentally altered how the British government supports non-working royals. For a U.S. audience long fascinated by the couple’s Montecito life and philanthropic efforts, the situation underscores the personal trade-offs involved when high-visibility figures seek independence while raising children under constant scrutiny. How Britain ultimately balances these protection decisions carries implications not only for the Sussexes but for broader questions around public funding, family safety, and the monarchy’s evolving role in the 21st century. As RAVEC continues its work without a announced timeline, the outcome will likely influence how freely Harry, Meghan and their children can spend time in the United Kingdom in the months and years ahead. The family maintains its primary home in California but has expressed interest in preserving stronger British connections when proper safeguards exist.]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_44.webp" alt="UK Security Committee Fast-Tracks Risk Assessment for Meghan Markle Ahead of Potential UK Return" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>UK Security Committee Fast-Tracks Risk Assessment for Meghan Markle Ahead of Potential UK Return</h1>
            <p>The Royal and VIP Executive Committee (RAVEC) is expediting a formal security risk assessment for Meghan Markle, with a parallel review for Prince Harry, as the couple navigates serious safety concerns while considering more time in Britain with their young children. This development reflects renewed urgency around protection protocols that have been in flux since the Sussexes stepped away from royal life. According to a People Magazine report, RAVEC’s chairman signaled last week that entirely new assessments would be commissioned for both the Duke and Duchess following any relocation. The committee had already internally decided on Harry’s police protection before the family’s potential move, though that outcome was never disclosed to him. Officials now say they must reevaluate everything to distinguish between occasional visits and a fuller return to the UK. Harry has pressed the Home Secretary on the matter for some time, and action finally appears to be materializing. To inform their decision, RAVEC has asked the couple to submit detailed daily schedules. That includes routine matters such as taking Prince Archie, now 7, and Princess Lilibet, 5, to school. The timing of this request coincides with the couple’s recent decision to pull their children from what would have been their first school in Britain over specific security risks. RAVEC has yet to announce its final determination and remains in deliberation over the precise measures needed. The expedited process suggests the committee is treating the situation with heightened priority. Since Harry and Meghan stepped back from senior royal roles in 2020, the loss of automatic, taxpayer-funded police protection has created ongoing complications. Their subsequent high-profile projects, including a Netflix series and Harry’s bestselling memoir, have kept them squarely in the global spotlight, a reality that can amplify threats in an era when social media can rapidly escalate risks for public figures. Why This Matters This security review highlights the lasting complexities created by the 2020 departure known as Megxit, which fundamentally altered how the British government supports non-working royals. For a U.S. audience long fascinated by the couple’s Montecito life and philanthropic efforts, the situation underscores the personal trade-offs involved when high-visibility figures seek independence while raising children under constant scrutiny. How Britain ultimately balances these protection decisions carries implications not only for the Sussexes but for broader questions around public funding, family safety, and the monarchy’s evolving role in the 21st century. As RAVEC continues its work without a announced timeline, the outcome will likely influence how freely Harry, Meghan and their children can spend time in the United Kingdom in the months and years ahead. The family maintains its primary home in California but has expressed interest in preserving stronger British connections when proper safeguards exist.</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_44.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_44.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_44.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Reporter Clarifies ‘Genuine Curiosity’ Behind Caitlin Clark-Angel Reese Friendship Question After U.S. World Cup Win]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/52287</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/52287</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Abdullah Sahel]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 16 Sep 2026 17:44:03 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[Sports]]></category>
                        <category><![CDATA[Caitlin Clark, Angel Reese, Jackson Thompson, WNBA rivalry, FIBA World Cup 2026, Team USA basketball, Indiana Fever, Atlanta Dream, Clark Reese friendship, women's basketball growth, 2023 NCAA championship, WNBA playoffs, sports journalism, USA gold medal, Reese double-double]]></category>
        
        <description><![CDATA[Sports reporter Jackson Thompson said his postgame question to Caitlin Clark about her relationship with Angel Reese was not meant to stir controversy but stemmed from simple curiosity after watching the two players interact during the tournament. The exchange happened moments after Team USA defeated France to claim gold at the 2026 FIBA Women’s World Cup on Sunday. According to Pro Football Network, Thompson asked the Indiana Fever guard about the status of her longtime on-court rival’s friendship. Clark responded plainly, “We’ve always been friends.” When the reporter attempted a follow-up, Clark waved him off with “Don’t try to do that” and stepped away from the media scrum. Appearing on Dan Dakich’s podcast two days later, Thompson set the record straight. “I did not ask the question to be inflammatory or divisive,” he said. “I asked the question because I was genuinely curious about what I had seen that week, between the two players as they looked like friends.” He added that he hoped highlighting their off-court bond would help more fans understand that the rivalry stays on the court. Clark and Reese first drew intense national scrutiny during the 2023 NCAA championship game, when Clark’s Iowa team defeated Reese’s LSU squad in one of the most-watched women’s basketball games in history. That matchup, along with Reese’s memorable gesture toward Clark, helped fuel a surge in popularity for women’s hoops that carried into the WNBA, where both rookies drew record crowds and television audiences. Despite the competitive history, the two have spoken respectfully about each other in past interviews. They first teamed up during the 2024 WNBA All-Star Game, where Reese recorded a double-double and Clark handed out 10 assists in a victory over the U.S. Olympic team. Their chemistry continued this summer in the World Cup. Coming off the bench for a deep U.S. roster, Clark averaged 7.8 points, 2.2 rebounds and 5.3 assists per game, primarily serving as a playmaker. Reese posted 7.2 points, 5.0 rebounds and 1.2 steals while anchoring the defensive end. The numbers showed how well they complemented each other: 83 percent of Reese’s made field goals in the tournament were assisted by Clark. In the gold-medal game, Reese’s hustle created a turnover that led to a key Clark three-pointer, helping the Americans erase an early deficit and pull away for the win. Clark finished the final with 12 points and three assists; Reese had three points, three rebounds, a steal and a block. Why This Matters Clark and Reese’s ability to set aside their well-known rivalry while representing the United States illustrates a maturing chapter in women’s basketball. What began as a polarizing NCAA storyline has evolved into a powerful driver of league growth, with the WNBA enjoying sustained increases in attendance, merchandise sales, and media coverage since both players arrived as rookies. For American fans and the broader sports landscape, their story shows how authentic rivalries, when paired with mutual respect and national-team success, can elevate the entire sport rather than divide it. With the WNBA regular season entering its final stretch, Indiana and Atlanta both sit at 26-14. The Dream host Connecticut on September 17, while the Fever visit Toronto the following day. Clark is averaging 22.5 points and 8.4 assists this season; Reese is putting up 16.1 points and 12.4 rebounds. Their World Cup experience suggests both will bring elevated games into the playoffs, whatever the seeding. The two will resume their on-court battles in the league’s final weeks, but the gold-medal run offered a reminder that their connection extends beyond the scoreboard.]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_42.webp" alt="Reporter Clarifies ‘Genuine Curiosity’ Behind Caitlin Clark-Angel Reese Friendship Question After U.S. World Cup Win" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Reporter Clarifies ‘Genuine Curiosity’ Behind Caitlin Clark-Angel Reese Friendship Question After U.S. World Cup Win</h1>
            <p>Sports reporter Jackson Thompson said his postgame question to Caitlin Clark about her relationship with Angel Reese was not meant to stir controversy but stemmed from simple curiosity after watching the two players interact during the tournament. The exchange happened moments after Team USA defeated France to claim gold at the 2026 FIBA Women’s World Cup on Sunday. According to Pro Football Network, Thompson asked the Indiana Fever guard about the status of her longtime on-court rival’s friendship. Clark responded plainly, “We’ve always been friends.” When the reporter attempted a follow-up, Clark waved him off with “Don’t try to do that” and stepped away from the media scrum. Appearing on Dan Dakich’s podcast two days later, Thompson set the record straight. “I did not ask the question to be inflammatory or divisive,” he said. “I asked the question because I was genuinely curious about what I had seen that week, between the two players as they looked like friends.” He added that he hoped highlighting their off-court bond would help more fans understand that the rivalry stays on the court. Clark and Reese first drew intense national scrutiny during the 2023 NCAA championship game, when Clark’s Iowa team defeated Reese’s LSU squad in one of the most-watched women’s basketball games in history. That matchup, along with Reese’s memorable gesture toward Clark, helped fuel a surge in popularity for women’s hoops that carried into the WNBA, where both rookies drew record crowds and television audiences. Despite the competitive history, the two have spoken respectfully about each other in past interviews. They first teamed up during the 2024 WNBA All-Star Game, where Reese recorded a double-double and Clark handed out 10 assists in a victory over the U.S. Olympic team. Their chemistry continued this summer in the World Cup. Coming off the bench for a deep U.S. roster, Clark averaged 7.8 points, 2.2 rebounds and 5.3 assists per game, primarily serving as a playmaker. Reese posted 7.2 points, 5.0 rebounds and 1.2 steals while anchoring the defensive end. The numbers showed how well they complemented each other: 83 percent of Reese’s made field goals in the tournament were assisted by Clark. In the gold-medal game, Reese’s hustle created a turnover that led to a key Clark three-pointer, helping the Americans erase an early deficit and pull away for the win. Clark finished the final with 12 points and three assists; Reese had three points, three rebounds, a steal and a block. Why This Matters Clark and Reese’s ability to set aside their well-known rivalry while representing the United States illustrates a maturing chapter in women’s basketball. What began as a polarizing NCAA storyline has evolved into a powerful driver of league growth, with the WNBA enjoying sustained increases in attendance, merchandise sales, and media coverage since both players arrived as rookies. For American fans and the broader sports landscape, their story shows how authentic rivalries, when paired with mutual respect and national-team success, can elevate the entire sport rather than divide it. With the WNBA regular season entering its final stretch, Indiana and Atlanta both sit at 26-14. The Dream host Connecticut on September 17, while the Fever visit Toronto the following day. Clark is averaging 22.5 points and 8.4 assists this season; Reese is putting up 16.1 points and 12.4 rebounds. Their World Cup experience suggests both will bring elevated games into the playoffs, whatever the seeding. The two will resume their on-court battles in the league’s final weeks, but the gold-medal run offered a reminder that their connection extends beyond the scoreboard.</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_42.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_42.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_42.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Uganda Recommits to Invictus Games After Buckingham Palace Clarifies King Charles’ Position]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/52286</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/52286</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Abdullah Sahel]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 16 Sep 2026 17:44:03 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[U.K.]]></category>
                        <category><![CDATA[Prince Harry, Invictus Games, Uganda, King Charles, Buckingham Palace, Sir Clive Alderton, Muhoozi Kainerugaba, Invictus Games Foundation, Rob Owen, Birmingham 2027, Meghan Markle, private citizens letter, veterans sports, wounded service members, royal family statement]]></category>
        
        <description><![CDATA[Uganda will remain part of Prince Harry’s Invictus Games community and plans to compete at the Invictus Games Birmingham 2027 after Buckingham Palace intervened to reassure the Ugandan military leadership that King Charles III had no objection to the country’s participation, according to reports. The latest development follows a brief flare-up sparked by a letter from the King that reaffirmed Prince Harry and Meghan Markle’s status as “private citizens.” General Muhoozi Kainerugaba—the head of Uganda’s armed forces and the son of President Yoweri Museveni—had interpreted the message as meaning participation in the Invictus Games could be seen as disrespectful to the monarch, the reports said. The misunderstanding was eased after the King’s private secretary, Sir Clive Alderton, contacted Kainerugaba directly. During the call, Alderton conveyed that Charles “had no problem” with Uganda taking part in the Invictus Games associated with the Duke of Sussex, according to the same accounts. In a statement, Invictus Games Foundation CEO Rob Owen OBE said the organization welcomed confirmation that Uganda would continue as part of the Invictus network and compete at the Birmingham 2027 Games, which the foundation described as “now less than 300 days away.” “Uganda became our 26th nation earlier this year,” Owen said, adding that it joined a growing international effort that offers year-round recovery opportunities for wounded, injured and sick service members and veterans. A representative for Prince Harry declined to comment when approached, reports said. However, sources described as close to the Duke indicated there had been optimism Uganda would reverse its withdrawal after it pulled back last week. Palace officials, in comments cited in the reports, reiterated that the King—who serves as Commander-in-Chief of the British Armed Force—encourages organizations that support wounded service personnel. The episode underscored how continued sensitivities around the Sussexes’ relationship with the royal household can ripple into events linked to Harry’s public work, even when the purpose is nonpolitical and focused on veterans’ rehabilitation. Invictus has positioned itself as both a global sports competition and a year-round support network for military communities. Since its launch, the Games have expanded the number of participating nations and emphasized adaptive sports as a tool for physical recovery, mental health support, and peer connection among veterans and serving personnel. Why this matters Founded by Prince Harry in 2014, the Invictus Games have become one of the most prominent international sporting events dedicated to wounded and injured military personnel, often compared to the Paralympic movement in its emphasis on adaptive competition and rehabilitation. The brief Uganda controversy highlights how modern diplomacy and public perception can be shaped by fast-moving narratives—especially when high-profile figures and institutions like Buckingham Palace are involved. For the U.S. audience, it also reflects a broader trend: veteran-focused wellness initiatives increasingly rely on multinational partnerships, and public disputes can complicate participation even when the mission is apolitical. For now, the Invictus Games Foundation says Uganda will remain in the fold as preparations continue for Birmingham 2027.]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_41.webp" alt="Uganda Recommits to Invictus Games After Buckingham Palace Clarifies King Charles’ Position" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Uganda Recommits to Invictus Games After Buckingham Palace Clarifies King Charles’ Position</h1>
            <p>Uganda will remain part of Prince Harry’s Invictus Games community and plans to compete at the Invictus Games Birmingham 2027 after Buckingham Palace intervened to reassure the Ugandan military leadership that King Charles III had no objection to the country’s participation, according to reports. The latest development follows a brief flare-up sparked by a letter from the King that reaffirmed Prince Harry and Meghan Markle’s status as “private citizens.” General Muhoozi Kainerugaba—the head of Uganda’s armed forces and the son of President Yoweri Museveni—had interpreted the message as meaning participation in the Invictus Games could be seen as disrespectful to the monarch, the reports said. The misunderstanding was eased after the King’s private secretary, Sir Clive Alderton, contacted Kainerugaba directly. During the call, Alderton conveyed that Charles “had no problem” with Uganda taking part in the Invictus Games associated with the Duke of Sussex, according to the same accounts. In a statement, Invictus Games Foundation CEO Rob Owen OBE said the organization welcomed confirmation that Uganda would continue as part of the Invictus network and compete at the Birmingham 2027 Games, which the foundation described as “now less than 300 days away.” “Uganda became our 26th nation earlier this year,” Owen said, adding that it joined a growing international effort that offers year-round recovery opportunities for wounded, injured and sick service members and veterans. A representative for Prince Harry declined to comment when approached, reports said. However, sources described as close to the Duke indicated there had been optimism Uganda would reverse its withdrawal after it pulled back last week. Palace officials, in comments cited in the reports, reiterated that the King—who serves as Commander-in-Chief of the British Armed Force—encourages organizations that support wounded service personnel. The episode underscored how continued sensitivities around the Sussexes’ relationship with the royal household can ripple into events linked to Harry’s public work, even when the purpose is nonpolitical and focused on veterans’ rehabilitation. Invictus has positioned itself as both a global sports competition and a year-round support network for military communities. Since its launch, the Games have expanded the number of participating nations and emphasized adaptive sports as a tool for physical recovery, mental health support, and peer connection among veterans and serving personnel. Why this matters Founded by Prince Harry in 2014, the Invictus Games have become one of the most prominent international sporting events dedicated to wounded and injured military personnel, often compared to the Paralympic movement in its emphasis on adaptive competition and rehabilitation. The brief Uganda controversy highlights how modern diplomacy and public perception can be shaped by fast-moving narratives—especially when high-profile figures and institutions like Buckingham Palace are involved. For the U.S. audience, it also reflects a broader trend: veteran-focused wellness initiatives increasingly rely on multinational partnerships, and public disputes can complicate participation even when the mission is apolitical. For now, the Invictus Games Foundation says Uganda will remain in the fold as preparations continue for Birmingham 2027.</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_41.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_41.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_41.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Perez Hilton Enters Residential Mental Health Program, Family Says After August Crisis]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/52285</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/52285</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Mousumi Akter]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 16 Sep 2026 17:44:03 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[Entertainment]]></category>
                        <category><![CDATA[Perez Hilton, health update, residential treatment program, mental health recovery, suicide attempt, August 4 incident, TikTok livestream, Miami-Dade County, sheriff deputies, Golden Artists Entertainment, celebrity blogger, family statement, children safe, online harassment, 988 crisis lifeline]]></category>
        
        <description><![CDATA[Perez Hilton is continuing his recovery in a residential treatment facility more than a month after he was hospitalized following an apparent self-harm incident during a TikTok livestream in Miami-Dade County, his family said in a new update posted to his website. In the statement, the family said it has been “more than a month since the events of August 4” and thanked people who have sent messages and well wishes. They confirmed that, after spending weeks in the hospital for treatment of physical injuries, the celebrity blogger has now transitioned into a residential program designed to let him focus fully on his mental health. The family emphasized that the process will take time and that there is no firm timeline for his return to regular life. “This was an important next step, but there’s still a long road ahead,” the statement said, adding that he is expected to remain in residential treatment for “several more weeks,” and possibly longer depending on guidance from his treatment team. As part of that program, the family said Hilton does not have access to his phone or laptop and is maintaining only limited contact with loved ones so he can concentrate on treatment. They also pushed back against what they described as inaccurate claims circulating online about his condition. The family’s message addressed the online reaction to the August incident, saying some people had mocked or celebrated the crisis. “Whatever anyone may think of ‘Perez Hilton,’ his past, or things he has said over the years, there’s a real human being behind the name,” they wrote. Referring to him as “Mario,” the family said he is “a father of three, a son, a brother, and a friend” who reached a point of severe struggle. They added that while people are not required to accept his past actions or apologies, “celebrating someone’s suicide attempt crosses a line.” They also said Hilton’s three children are safe and stable and are being cared for full-time by their grandmother while he remains in treatment. Hilton, 48, was hospitalized on Aug. 4 after Miami-Dade County Sheriff’s deputies responded to reports of an apparent self-harm incident. In the immediate aftermath, his talent management team, Golden Artists Entertainment, said it had not been able to reach him directly but that its priority was his health and privacy. Why this matters Mental health crises involving public figures often play out in real time online, especially as livestreaming and rapid sharing can spread partial or inaccurate information before families or medical teams can provide updates. In the U.S., suicide remains a major public health concern, and federal data in recent years has shown suicide deaths at historically high levels. The family’s statement also underscores a broader reality: online harassment and celebration of personal tragedy can have serious consequences for individuals and their families. If you or someone you know is in crisis, the 988 Suicide & Crisis Lifeline is available by calling or texting 988 in the U.S.]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_40.webp" alt="Perez Hilton Enters Residential Mental Health Program, Family Says After August Crisis" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Perez Hilton Enters Residential Mental Health Program, Family Says After August Crisis</h1>
            <p>Perez Hilton is continuing his recovery in a residential treatment facility more than a month after he was hospitalized following an apparent self-harm incident during a TikTok livestream in Miami-Dade County, his family said in a new update posted to his website. In the statement, the family said it has been “more than a month since the events of August 4” and thanked people who have sent messages and well wishes. They confirmed that, after spending weeks in the hospital for treatment of physical injuries, the celebrity blogger has now transitioned into a residential program designed to let him focus fully on his mental health. The family emphasized that the process will take time and that there is no firm timeline for his return to regular life. “This was an important next step, but there’s still a long road ahead,” the statement said, adding that he is expected to remain in residential treatment for “several more weeks,” and possibly longer depending on guidance from his treatment team. As part of that program, the family said Hilton does not have access to his phone or laptop and is maintaining only limited contact with loved ones so he can concentrate on treatment. They also pushed back against what they described as inaccurate claims circulating online about his condition. The family’s message addressed the online reaction to the August incident, saying some people had mocked or celebrated the crisis. “Whatever anyone may think of ‘Perez Hilton,’ his past, or things he has said over the years, there’s a real human being behind the name,” they wrote. Referring to him as “Mario,” the family said he is “a father of three, a son, a brother, and a friend” who reached a point of severe struggle. They added that while people are not required to accept his past actions or apologies, “celebrating someone’s suicide attempt crosses a line.” They also said Hilton’s three children are safe and stable and are being cared for full-time by their grandmother while he remains in treatment. Hilton, 48, was hospitalized on Aug. 4 after Miami-Dade County Sheriff’s deputies responded to reports of an apparent self-harm incident. In the immediate aftermath, his talent management team, Golden Artists Entertainment, said it had not been able to reach him directly but that its priority was his health and privacy. Why this matters Mental health crises involving public figures often play out in real time online, especially as livestreaming and rapid sharing can spread partial or inaccurate information before families or medical teams can provide updates. In the U.S., suicide remains a major public health concern, and federal data in recent years has shown suicide deaths at historically high levels. The family’s statement also underscores a broader reality: online harassment and celebration of personal tragedy can have serious consequences for individuals and their families. If you or someone you know is in crisis, the 988 Suicide & Crisis Lifeline is available by calling or texting 988 in the U.S.</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_40.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_40.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_16-9-26_40.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইরানকে ঠেকাতে ইসরায়েলের সঙ্গে সরাসরি হাত মেলাল সৌদিসহ ছয় আরব দেশ, বাড়ছে আঞ্চলিক সমন্বয়]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/52281</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/52281</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 16 Sep 2026 16:25:47 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[iran news]]></category>
        
        <description><![CDATA[জার্মানিতে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং কয়েকটি আরব দেশের শীর্ষ সামরিক কমান্ডারদের মধ্যে গোপন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইরান যুদ্ধ এবং পশ্চিম এশিয়াজুড়ে ছড়িয়ে পড়া তীব্র আঞ্চলিক উত্তেজনা মোকাবিলায় কৌশল নির্ধারণের লক্ষ্যে গত সপ্তাহে এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার সম্মেলনটির আতিথেয়তা প্রদান করেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে ইসরায়েলি দুই কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ছয় মাস আগে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার পর এটাই এ ধরনের প্রথম উচ্চপর্যায়ের বৈঠক।  বৈঠকে ইসরায়েল ছাড়াও সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কুয়েত, কাতার, জর্ডান এবং মিশরের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানরা অংশ নেন। যেসব উপসাগরীয় আরব দেশের সঙ্গে ইসরায়েলের কোনো কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই, তাদের সামরিক প্রধানদের জন্য এই আয়োজন ছিল সরাসরি মতবিনিময়ের এক বিরল ও অভূতপূর্ব সুযোগ। সেন্টকম পরবর্তীতে এক বিবৃতির মাধ্যমে এই বৈঠকের সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছে যে, পশ্চিম এশিয়ায় নিরাপত্তা সহযোগিতা বাড়ানোর সুযোগ নিয়ে আলোচনার জন্যই জার্মানিতে পূর্বনির্ধারিত একটা সম্মেলনে আটটা দেশের ঊর্ধ্বতন সামরিক নেতাদের আতিথেয়তা দেওয়া হয়েছে।  মূলত ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে স্বাক্ষরিত আব্রাহাম চুক্তির পর থেকেই ইসরায়েল এবং অঞ্চলের অন্যান্য দেশের মধ্যে সামরিক সহযোগিতা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ওই চুক্তির পর ইসরায়েলকে মার্কিন ইউরোপীয় কমান্ডের আওতা থেকে সরিয়ে সেন্টকমের প্রশাসনিক অধীনে আনা হয়, যার ফলে যৌথ আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় আরব দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করার বড় সুযোগ পায় ইসরায়েল।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/1.webp" alt="ইরানকে ঠেকাতে ইসরায়েলের সঙ্গে সরাসরি হাত মেলাল সৌদিসহ ছয় আরব দেশ, বাড়ছে আঞ্চলিক সমন্বয়" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইরানকে ঠেকাতে ইসরায়েলের সঙ্গে সরাসরি হাত মেলাল সৌদিসহ ছয় আরব দেশ, বাড়ছে আঞ্চলিক সমন্বয়</h1>
            <p>জার্মানিতে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং কয়েকটি আরব দেশের শীর্ষ সামরিক কমান্ডারদের মধ্যে গোপন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইরান যুদ্ধ এবং পশ্চিম এশিয়াজুড়ে ছড়িয়ে পড়া তীব্র আঞ্চলিক উত্তেজনা মোকাবিলায় কৌশল নির্ধারণের লক্ষ্যে গত সপ্তাহে এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার সম্মেলনটির আতিথেয়তা প্রদান করেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে ইসরায়েলি দুই কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ছয় মাস আগে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার পর এটাই এ ধরনের প্রথম উচ্চপর্যায়ের বৈঠক।  বৈঠকে ইসরায়েল ছাড়াও সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কুয়েত, কাতার, জর্ডান এবং মিশরের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানরা অংশ নেন। যেসব উপসাগরীয় আরব দেশের সঙ্গে ইসরায়েলের কোনো কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই, তাদের সামরিক প্রধানদের জন্য এই আয়োজন ছিল সরাসরি মতবিনিময়ের এক বিরল ও অভূতপূর্ব সুযোগ। সেন্টকম পরবর্তীতে এক বিবৃতির মাধ্যমে এই বৈঠকের সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছে যে, পশ্চিম এশিয়ায় নিরাপত্তা সহযোগিতা বাড়ানোর সুযোগ নিয়ে আলোচনার জন্যই জার্মানিতে পূর্বনির্ধারিত একটা সম্মেলনে আটটা দেশের ঊর্ধ্বতন সামরিক নেতাদের আতিথেয়তা দেওয়া হয়েছে।  মূলত ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে স্বাক্ষরিত আব্রাহাম চুক্তির পর থেকেই ইসরায়েল এবং অঞ্চলের অন্যান্য দেশের মধ্যে সামরিক সহযোগিতা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ওই চুক্তির পর ইসরায়েলকে মার্কিন ইউরোপীয় কমান্ডের আওতা থেকে সরিয়ে সেন্টকমের প্রশাসনিক অধীনে আনা হয়, যার ফলে যৌথ আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় আরব দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করার বড় সুযোগ পায় ইসরায়েল।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[রংপুরকেও পেছনে ফেলল বরিশাল! সবচেয়ে বেশি গরিব মানুষ এ বিভাগটিতে]]></title>
        <link>https://nbs24.org/bangladesh/52273</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/bangladesh/52273</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 16 Sep 2026 14:34:15 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[বরিশাল]]></category>
                        <category><![CDATA[Barishal, Barishal Division, Bangladesh Poverty, Barishal Poverty, Bhola Gas, Bangladesh Economy, South Bangladesh, Barishal Economy, Bangladesh Development, Poverty Map Bangladesh, Barishal Development, Bangladesh News, nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor]]></category>
        
        <description><![CDATA[বরিশাল—একসময় পরিচিত ছিল ‘বাংলার শস্যভাণ্ডার’ ও ‘বাংলার ভেনিস’ নামে। নদী, কৃষি, মৎস্যসম্পদ ও ভোলার গ্যাস—সব মিলিয়ে দক্ষিণাঞ্চলের এই বিভাগটির অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ছিল বিশাল। কিন্তু বাস্তব চিত্র কেন এত ভিন্ন? বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রকাশিত Poverty Map 2022 বরিশালের দারিদ্র্য পরিস্থিতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এনেছে। এই ভিডিওতে আমরা বিশ্লেষণ করেছি বরিশালের দারিদ্র্যের পেছনে থাকা কর্মসংস্থান সংকট, কৃষি ও মৎস্য উৎপাদনের পরিবর্তন, জলবায়ু পরিবর্তন ও লবণাক্ততার প্রভাব, দুর্বল যোগাযোগব্যবস্থা, শিল্পায়নের সীমাবদ্ধতা এবং ভোলার গ্যাসের মতো স্থানীয় সম্পদ যথাযথভাবে কাজে লাগানোর প্রশ্ন। কেন বরিশালের মানুষ কর্মসংস্থানের জন্য ঢাকামুখী হচ্ছেন? কেন বড় বিনিয়োগ এই অঞ্চলে প্রত্যাশিত মাত্রায় আসেনি? ভোলার গ্যাস, পায়রা বন্দর এবং উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা কি দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনীতিতে নতুন পরিবর্তন আনতে পারে? ভিডিওটি তথ্য, পরিসংখ্যান ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যের আলোকে বরিশালের অর্থনৈতিক বাস্তবতা বোঝার একটি বিশ্লেষণধর্মী প্রচেষ্টা।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/878_1.webp" alt="রংপুরকেও পেছনে ফেলল বরিশাল! সবচেয়ে বেশি গরিব মানুষ এ বিভাগটিতে" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>রংপুরকেও পেছনে ফেলল বরিশাল! সবচেয়ে বেশি গরিব মানুষ এ বিভাগটিতে</h1>
            <p>বরিশাল—একসময় পরিচিত ছিল ‘বাংলার শস্যভাণ্ডার’ ও ‘বাংলার ভেনিস’ নামে। নদী, কৃষি, মৎস্যসম্পদ ও ভোলার গ্যাস—সব মিলিয়ে দক্ষিণাঞ্চলের এই বিভাগটির অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ছিল বিশাল। কিন্তু বাস্তব চিত্র কেন এত ভিন্ন? বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রকাশিত Poverty Map 2022 বরিশালের দারিদ্র্য পরিস্থিতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এনেছে। এই ভিডিওতে আমরা বিশ্লেষণ করেছি বরিশালের দারিদ্র্যের পেছনে থাকা কর্মসংস্থান সংকট, কৃষি ও মৎস্য উৎপাদনের পরিবর্তন, জলবায়ু পরিবর্তন ও লবণাক্ততার প্রভাব, দুর্বল যোগাযোগব্যবস্থা, শিল্পায়নের সীমাবদ্ধতা এবং ভোলার গ্যাসের মতো স্থানীয় সম্পদ যথাযথভাবে কাজে লাগানোর প্রশ্ন। কেন বরিশালের মানুষ কর্মসংস্থানের জন্য ঢাকামুখী হচ্ছেন? কেন বড় বিনিয়োগ এই অঞ্চলে প্রত্যাশিত মাত্রায় আসেনি? ভোলার গ্যাস, পায়রা বন্দর এবং উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা কি দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনীতিতে নতুন পরিবর্তন আনতে পারে? ভিডিওটি তথ্য, পরিসংখ্যান ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যের আলোকে বরিশালের অর্থনৈতিক বাস্তবতা বোঝার একটি বিশ্লেষণধর্মী প্রচেষ্টা।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/878_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/878_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/878_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইউক্রেনে রাশিয়ার ব্যাপক বিমান ও ড্রোন হামলা]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/52272</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/52272</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 16 Sep 2026 14:34:15 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor, Russia Ukraine war, Russia Ukraine conflict, Vladimir Putin, Volodymyr Zelenskyy, Ukraine war latest, Russia military operation, Ukraine military crisis, NATO Russia conflict, Ukraine Russia news, Patriot missiles Ukraine, Russia drone attacks, geopolitical crisis]]></category>
        
        <description><![CDATA[রাশিয়া ও ইউক্রেনের চলমান যুদ্ধে আবারও বাড়ছে সামরিক উত্তেজনা। ইউক্রেনের বিভিন্ন সামরিক অবকাঠামো, লজিস্টিকস, জ্বালানি ও পরিবহন ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রুশ বাহিনীর ধারাবাহিক হামলার দাবি সামনে এসেছে। একই সময়ে রুশ ভূখণ্ডে ইউক্রেনীয় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলাও সংঘাতকে আরও বিস্তৃত করছে। এই ভিডিওতে আলোচনা করা হয়েছে ইউক্রেনের সামরিক ও লজিস্টিক পরিস্থিতি, রাশিয়ার বিমান ও ড্রোন হামলার প্রভাব, পশ্চিমা অস্ত্র সরবরাহের অনিশ্চয়তা, প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান এবং ইউক্রেন যুদ্ধে ন্যাটো ও ইউরোপের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি। পাশাপাশি আলোচনায় রয়েছে কৃষ্ণ সাগর, সীমান্তবর্তী অঞ্চল, আর্কটিক অঞ্চলের নতুন ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতা এবং যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় সম্ভাব্য প্রভাব। তবে ভিডিওতে উল্লেখিত যুদ্ধক্ষেত্রের হতাহতের সংখ্যা ও সামরিক সাফল্যের অনেক দাবি সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে তৈরি; স্বাধীনভাবে সব তথ্য যাচাই করা সম্ভব নয়। তাই বিষয়গুলোকে সংশ্লিষ্ট পক্ষের দাবি ও বিশ্লেষণের প্রেক্ষাপটে দেখা উচিত। রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধের সামরিক পরিস্থিতি, পশ্চিমা সহায়তা, ন্যাটোর ভূমিকা এবং ভবিষ্যৎ ভূরাজনৈতিক সমীকরণ জানতে পুরো ভিডিওটি দেখুন।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/876_1.webp" alt="ইউক্রেনে রাশিয়ার ব্যাপক বিমান ও ড্রোন হামলা" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইউক্রেনে রাশিয়ার ব্যাপক বিমান ও ড্রোন হামলা</h1>
            <p>রাশিয়া ও ইউক্রেনের চলমান যুদ্ধে আবারও বাড়ছে সামরিক উত্তেজনা। ইউক্রেনের বিভিন্ন সামরিক অবকাঠামো, লজিস্টিকস, জ্বালানি ও পরিবহন ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রুশ বাহিনীর ধারাবাহিক হামলার দাবি সামনে এসেছে। একই সময়ে রুশ ভূখণ্ডে ইউক্রেনীয় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলাও সংঘাতকে আরও বিস্তৃত করছে। এই ভিডিওতে আলোচনা করা হয়েছে ইউক্রেনের সামরিক ও লজিস্টিক পরিস্থিতি, রাশিয়ার বিমান ও ড্রোন হামলার প্রভাব, পশ্চিমা অস্ত্র সরবরাহের অনিশ্চয়তা, প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান এবং ইউক্রেন যুদ্ধে ন্যাটো ও ইউরোপের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি। পাশাপাশি আলোচনায় রয়েছে কৃষ্ণ সাগর, সীমান্তবর্তী অঞ্চল, আর্কটিক অঞ্চলের নতুন ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতা এবং যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় সম্ভাব্য প্রভাব। তবে ভিডিওতে উল্লেখিত যুদ্ধক্ষেত্রের হতাহতের সংখ্যা ও সামরিক সাফল্যের অনেক দাবি সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে তৈরি; স্বাধীনভাবে সব তথ্য যাচাই করা সম্ভব নয়। তাই বিষয়গুলোকে সংশ্লিষ্ট পক্ষের দাবি ও বিশ্লেষণের প্রেক্ষাপটে দেখা উচিত। রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধের সামরিক পরিস্থিতি, পশ্চিমা সহায়তা, ন্যাটোর ভূমিকা এবং ভবিষ্যৎ ভূরাজনৈতিক সমীকরণ জানতে পুরো ভিডিওটি দেখুন।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/876_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/876_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/876_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[লোহিত সাগরে হুথিদের দখল বাড়ছে, সৌদি তেলপথে হামলায় বাড়ছে বিশ্ববাজারের চাপ]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/52271</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/52271</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 16 Sep 2026 14:34:15 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Iran USA conflict, Hormuz Strait, Iran news, USA Iran tension, Hormuz Strait crisis, Red Sea crisis, Middle East conflict, Iran drone attack, IRGC, global oil market, geopolitical crisis, Middle East geopolitics, nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor]]></category>
        
        <description><![CDATA[পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে নতুন করে বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সামরিক উত্তেজনা। ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস বা আইআরজিসি দাবি করেছে, মাত্র ৪৮ ঘণ্টার ব্যবধানে হরমুজ প্রণালীর আকাশে দুটি মার্কিন নজরদারি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। একই সময়ে তেল ট্যাংকারে হামলা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংকট এবং গুরুত্বপূর্ণ নৌরুট ঘিরে উদ্বেগ আন্তর্জাতিক বাজারে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করছে। অন্যদিকে লোহিত সাগরের কৌশলগত নৌরুট, হুথিদের কার্যক্রম, সৌদি আরবের তেল অবকাঠামো এবং পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইন ঘিরে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। হরমুজ ও লোহিত সাগর—দুই গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক রুটে অস্থিরতা বাড়লে বিশ্বব্যাপী তেল সরবরাহ, জ্বালানি মূল্য এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে এর কী ধরনের প্রভাব পড়তে পারে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। এই ভিডিওতে হরমুজ প্রণালীর কৌশলগত গুরুত্ব, ইরানের ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি, মার্কিন সামরিক উপস্থিতি, তেল পরিবহন রুট, সৌদি তেল অবকাঠামো এবং মধ্যপ্রাচ্যের পরিবর্তিত ভূরাজনৈতিক সমীকরণ বিশ্লেষণ করা হয়েছে। নোট: ভিডিওতে উল্লিখিত সামরিক ঘটনার যেসব দাবি সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্যের ওপর নির্ভরশীল, সেগুলোকে দাবি হিসেবেই উপস্থাপন করা হয়েছে; সব তথ্য স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হয়েছে এমন নয়।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/877_1.webp" alt="লোহিত সাগরে হুথিদের দখল বাড়ছে, সৌদি তেলপথে হামলায় বাড়ছে বিশ্ববাজারের চাপ" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>লোহিত সাগরে হুথিদের দখল বাড়ছে, সৌদি তেলপথে হামলায় বাড়ছে বিশ্ববাজারের চাপ</h1>
            <p>পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে নতুন করে বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সামরিক উত্তেজনা। ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস বা আইআরজিসি দাবি করেছে, মাত্র ৪৮ ঘণ্টার ব্যবধানে হরমুজ প্রণালীর আকাশে দুটি মার্কিন নজরদারি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। একই সময়ে তেল ট্যাংকারে হামলা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংকট এবং গুরুত্বপূর্ণ নৌরুট ঘিরে উদ্বেগ আন্তর্জাতিক বাজারে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করছে। অন্যদিকে লোহিত সাগরের কৌশলগত নৌরুট, হুথিদের কার্যক্রম, সৌদি আরবের তেল অবকাঠামো এবং পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইন ঘিরে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। হরমুজ ও লোহিত সাগর—দুই গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক রুটে অস্থিরতা বাড়লে বিশ্বব্যাপী তেল সরবরাহ, জ্বালানি মূল্য এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে এর কী ধরনের প্রভাব পড়তে পারে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। এই ভিডিওতে হরমুজ প্রণালীর কৌশলগত গুরুত্ব, ইরানের ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি, মার্কিন সামরিক উপস্থিতি, তেল পরিবহন রুট, সৌদি তেল অবকাঠামো এবং মধ্যপ্রাচ্যের পরিবর্তিত ভূরাজনৈতিক সমীকরণ বিশ্লেষণ করা হয়েছে। নোট: ভিডিওতে উল্লিখিত সামরিক ঘটনার যেসব দাবি সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্যের ওপর নির্ভরশীল, সেগুলোকে দাবি হিসেবেই উপস্থাপন করা হয়েছে; সব তথ্য স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হয়েছে এমন নয়।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/877_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/877_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/877_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[আওয়ামী আমলের লুটপাটে ২১ ব্যাংকে ৩ লাখ কোটি ঘাটতি! আপনার টাকা কতটা নিরাপদ?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/exclusive/52270</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/exclusive/52270</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ আল মাসুম]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 16 Sep 2026 14:34:15 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[এক্সক্লুসিভ]]></category>
                <category><![CDATA[সর্বশেষ]]></category>
                        <category><![CDATA[Bangladesh banking crisis, Bangladesh Bank, Bangladesh bank crisis, banking sector Bangladesh, bank capital shortfall, Bangladesh economy, bank deposit safety, default loans Bangladesh, Bangladesh financial crisis, banking reform Bangladesh, bank crisis 2026, Bangladesh politics, nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor]]></category>
        
        <description><![CDATA[বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে বড় ধরনের মূলধন সংকট নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন উদ্বেগ। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত ২১টি ব্যাংকের মোট মূলধন ঘাটতি দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ লাখ ৯৪ হাজার কোটি টাকা। একই সময়ে দেশের সামগ্রিক খেলাপি ঋণও পৌঁছেছে কয়েক লাখ কোটি টাকায়। এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—সাধারণ মানুষের ব্যাংকে রাখা কষ্টার্জিত আমানত কতটা নিরাপদ? ব্যাংকগুলোর মূলধন ঘাটতি, খেলাপি ঋণ, সুশাসনের সংকট এবং দীর্ঘদিনের অনিয়ম কীভাবে বর্তমান পরিস্থিতি তৈরি করেছে, এই ভিডিওতে আমরা তা বিশ্লেষণ করেছি। ভিডিওতে আরও থাকছে বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের বর্তমান সংকট, আমানতকারীদের উদ্বেগ, দুর্বল ব্যাংকগুলোর সমস্যা এবং ব্যাংক খাত পুনর্গঠনে বর্তমান সরকারের নেওয়া সংস্কারমূলক উদ্যোগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা। ব্যাংকিং খাতের এই সংকট শুধু ব্যাংকের ভেতরের বিষয় নয়। এর প্রভাব পড়তে পারে আমানত, ঋণ, ব্যবসা, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান এবং সামগ্রিক অর্থনীতির ওপর। তাই পরিস্থিতি বোঝা এবং সঠিক তথ্য জানা প্রত্যেক আমানতকারীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/873_1.webp" alt="আওয়ামী আমলের লুটপাটে ২১ ব্যাংকে ৩ লাখ কোটি ঘাটতি! আপনার টাকা কতটা নিরাপদ?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>আওয়ামী আমলের লুটপাটে ২১ ব্যাংকে ৩ লাখ কোটি ঘাটতি! আপনার টাকা কতটা নিরাপদ?</h1>
            <p>বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে বড় ধরনের মূলধন সংকট নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন উদ্বেগ। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত ২১টি ব্যাংকের মোট মূলধন ঘাটতি দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ লাখ ৯৪ হাজার কোটি টাকা। একই সময়ে দেশের সামগ্রিক খেলাপি ঋণও পৌঁছেছে কয়েক লাখ কোটি টাকায়। এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—সাধারণ মানুষের ব্যাংকে রাখা কষ্টার্জিত আমানত কতটা নিরাপদ? ব্যাংকগুলোর মূলধন ঘাটতি, খেলাপি ঋণ, সুশাসনের সংকট এবং দীর্ঘদিনের অনিয়ম কীভাবে বর্তমান পরিস্থিতি তৈরি করেছে, এই ভিডিওতে আমরা তা বিশ্লেষণ করেছি। ভিডিওতে আরও থাকছে বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের বর্তমান সংকট, আমানতকারীদের উদ্বেগ, দুর্বল ব্যাংকগুলোর সমস্যা এবং ব্যাংক খাত পুনর্গঠনে বর্তমান সরকারের নেওয়া সংস্কারমূলক উদ্যোগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা। ব্যাংকিং খাতের এই সংকট শুধু ব্যাংকের ভেতরের বিষয় নয়। এর প্রভাব পড়তে পারে আমানত, ঋণ, ব্যবসা, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান এবং সামগ্রিক অর্থনীতির ওপর। তাই পরিস্থিতি বোঝা এবং সঠিক তথ্য জানা প্রত্যেক আমানতকারীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/873_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/873_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/873_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[আমিরাতে ৪৮০০ প্রবাসীর ভিসা বাতিল: আসল রহস্য কী?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/probash/52269</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/probash/52269</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ আল মাসুম]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 16 Sep 2026 14:34:15 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[প্রবাস]]></category>
                <category><![CDATA[সর্বশেষ]]></category>
                        <category><![CDATA[UAE visa cancellation, Dubai visa news, Bangladeshi expatriates, UAE Bangladeshi visa, Bangladesh UAE relations, Dubai Bangladeshi news, UAE visa update, Bangladeshi workers in UAE, Middle East news, UAE latest news, Bangladesh news, expatriate Bangladeshis]]></category>
        
        <description><![CDATA[সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রায় ৪ হাজার ৮০০ বাংলাদেশির রেসিডেন্স ভিসা বাতিলের ঘটনায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বাংলাদেশি প্রবাসীদের মধ্যে। ছুটিতে দেশে এসে অনেকেই এখন কর্মস্থলে ফিরতে পারছেন না। কারও কাছে ইমেইল বা মোবাইল বার্তার মাধ্যমে ভিসা বাতিলের তথ্য পৌঁছেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। কেন হঠাৎ এত সংখ্যক বাংলাদেশির ভিসা বাতিল হলো? এর পেছনে কি কাগজপত্র বা ভিসা নবায়নের বিষয় রয়েছে, নাকি মধ্যপ্রাচ্যের চলমান নিরাপত্তা ও ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিরও কোনো প্রভাব রয়েছে? স্থানীয় আইন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং নিরাপত্তাজনিত যাচাই-বাছাই নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ সরকার কূটনৈতিক চ্যানেলে বিষয়টি সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছে তুলে ধরছে। প্রবাসীদের স্বার্থ রক্ষা এবং সমস্যার সমাধানে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর তৎপরতা নিয়েও থাকছে বিস্তারিত আলোচনা। এই ভিডিওতে জানুন ৪৮০০ ভিসা বাতিলের ঘটনা, প্রবাসীদের বর্তমান পরিস্থিতি, সম্ভাব্য কারণ, মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতির প্রভাব এবং বাংলাদেশ সরকারের কূটনৈতিক উদ্যোগ সম্পর্কে বিস্তারিত বিশ্লেষণ।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/874_3.webp" alt="আমিরাতে ৪৮০০ প্রবাসীর ভিসা বাতিল: আসল রহস্য কী?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>আমিরাতে ৪৮০০ প্রবাসীর ভিসা বাতিল: আসল রহস্য কী?</h1>
            <p>সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রায় ৪ হাজার ৮০০ বাংলাদেশির রেসিডেন্স ভিসা বাতিলের ঘটনায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বাংলাদেশি প্রবাসীদের মধ্যে। ছুটিতে দেশে এসে অনেকেই এখন কর্মস্থলে ফিরতে পারছেন না। কারও কাছে ইমেইল বা মোবাইল বার্তার মাধ্যমে ভিসা বাতিলের তথ্য পৌঁছেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। কেন হঠাৎ এত সংখ্যক বাংলাদেশির ভিসা বাতিল হলো? এর পেছনে কি কাগজপত্র বা ভিসা নবায়নের বিষয় রয়েছে, নাকি মধ্যপ্রাচ্যের চলমান নিরাপত্তা ও ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিরও কোনো প্রভাব রয়েছে? স্থানীয় আইন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং নিরাপত্তাজনিত যাচাই-বাছাই নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ সরকার কূটনৈতিক চ্যানেলে বিষয়টি সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছে তুলে ধরছে। প্রবাসীদের স্বার্থ রক্ষা এবং সমস্যার সমাধানে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর তৎপরতা নিয়েও থাকছে বিস্তারিত আলোচনা। এই ভিডিওতে জানুন ৪৮০০ ভিসা বাতিলের ঘটনা, প্রবাসীদের বর্তমান পরিস্থিতি, সম্ভাব্য কারণ, মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতির প্রভাব এবং বাংলাদেশ সরকারের কূটনৈতিক উদ্যোগ সম্পর্কে বিস্তারিত বিশ্লেষণ।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/874_3.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/874_3.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/874_3.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের ফাঁসি: জুলাই মামলার ঐতিহাসিক রায়]]></title>
        <link>https://nbs24.org/exclusive/52268</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/exclusive/52268</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ আল মাসুম]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 16 Sep 2026 14:34:15 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[এক্সক্লুসিভ]]></category>
                <category><![CDATA[সর্বশেষ]]></category>
                        <category><![CDATA[Obaidul Quader, Obaidul Quader death sentence, Bangladesh politics, Bangladesh political news, July movement Bangladesh, July uprising Bangladesh, International Crimes Tribunal Bangladesh, Bangladesh tribunal verdict, Awami League news, Sheikh Hasina, Bangladesh latest news, Bangladesh political analysis, nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor]]></category>
        
        <description><![CDATA[বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে আলোচিত এক রায়কে কেন্দ্র করে নতুন করে সামনে এসেছে বড় প্রশ্ন—ওবায়দুল কাদেরসহ সাত শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পর দেশের রাজনীতিতে কী ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে? জুলাই-আগস্টের আন্দোলন ও সহিংসতার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়, পলাতক আসামিদের বিচার, সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের সিদ্ধান্ত এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর ক্ষতিপূরণের সম্ভাবনা—সবকিছু নিয়েই রয়েছে নানা আলোচনা। এই রায়ের রাজনৈতিক প্রভাব কতটা গভীর হতে পারে? আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান কী হতে পারে? পলাতক আসামিদের ক্ষেত্রে রায় বাস্তবায়নের আইনি পথ কী? আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এর কী ধরনের প্রতিক্রিয়া তৈরি হতে পারে? আর বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমীকরণে এর প্রভাবই বা কতটা? এই ভিডিওতে রায়ের বিভিন্ন দিক, আইনি প্রক্রিয়া, রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতির সম্ভাব্য পরিবর্তন নিয়ে বিস্তারিত বিশ্লেষণ তুলে ধরা হয়েছে। নোট: ভিডিওতে উপস্থাপিত রাজনৈতিক বিশ্লেষণ ও সম্ভাব্য প্রভাব স্ক্রিপ্টে বর্ণিত তথ্য ও পরিস্থিতির ভিত্তিতে আলোচনা করা হয়েছে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/875_1.webp" alt="ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের ফাঁসি: জুলাই মামলার ঐতিহাসিক রায়" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের ফাঁসি: জুলাই মামলার ঐতিহাসিক রায়</h1>
            <p>বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে আলোচিত এক রায়কে কেন্দ্র করে নতুন করে সামনে এসেছে বড় প্রশ্ন—ওবায়দুল কাদেরসহ সাত শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পর দেশের রাজনীতিতে কী ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে? জুলাই-আগস্টের আন্দোলন ও সহিংসতার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়, পলাতক আসামিদের বিচার, সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের সিদ্ধান্ত এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর ক্ষতিপূরণের সম্ভাবনা—সবকিছু নিয়েই রয়েছে নানা আলোচনা। এই রায়ের রাজনৈতিক প্রভাব কতটা গভীর হতে পারে? আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান কী হতে পারে? পলাতক আসামিদের ক্ষেত্রে রায় বাস্তবায়নের আইনি পথ কী? আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এর কী ধরনের প্রতিক্রিয়া তৈরি হতে পারে? আর বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমীকরণে এর প্রভাবই বা কতটা? এই ভিডিওতে রায়ের বিভিন্ন দিক, আইনি প্রক্রিয়া, রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতির সম্ভাব্য পরিবর্তন নিয়ে বিস্তারিত বিশ্লেষণ তুলে ধরা হয়েছে। নোট: ভিডিওতে উপস্থাপিত রাজনৈতিক বিশ্লেষণ ও সম্ভাব্য প্রভাব স্ক্রিপ্টে বর্ণিত তথ্য ও পরিস্থিতির ভিত্তিতে আলোচনা করা হয়েছে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/875_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/875_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/875_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[আমেরিকা ইরান ছাড়বে না? সৌদির যুদ্ধ পরিকল্পনা ভেস্তে দিলেন ট্রাম্প! তেল মন্তব্যে যুদ্ধের আসল লক্ষ্য নিয়ে প্রশ্ন]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/52194</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/52194</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 15 Sep 2026 13:19:00 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Iran, USA, Donald Trump, Iran US conflict, Iran war, Iran oil, Middle East conflict, Strait of Hormuz, oil crisis, US Iran tensions, Middle East geopolitics, Trump Iran policy, nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor]]></category>
        
        <description><![CDATA[ইরান যুদ্ধ শেষ হলেও কি দেশটি ছাড়বে না যুক্তরাষ্ট্র? মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তেলসম্পদ ও ইরানে মার্কিন উপস্থিতি নিয়ে সাম্প্রতিক মন্তব্যকে ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। এই ভিডিওতে বিশ্লেষণ করা হয়েছে ট্রাম্পের বক্তব্যের সম্ভাব্য ভূরাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক তাৎপর্য, ইরানের তেলসম্পদের গুরুত্ব, হরমুজ প্রণালী ঘিরে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট এবং দীর্ঘমেয়াদে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন প্রভাবের সম্ভাব্য চিত্র। ইরান কি বিদেশি সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে? যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য কি আঞ্চলিক নিরাপত্তা, নাকি জ্বালানি ও ভূরাজনৈতিক স্বার্থ? সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে তেলের বাজার, বৈশ্বিক অর্থনীতি এবং মধ্যপ্রাচ্যের শক্তির ভারসাম্যে কী ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে—এসব প্রশ্নের দিকেই থাকছে আজকের বিশ্লেষণের মূল নজর।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/872_1.webp" alt="আমেরিকা ইরান ছাড়বে না? সৌদির যুদ্ধ পরিকল্পনা ভেস্তে দিলেন ট্রাম্প! তেল মন্তব্যে যুদ্ধের আসল লক্ষ্য নিয়ে প্রশ্ন" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>আমেরিকা ইরান ছাড়বে না? সৌদির যুদ্ধ পরিকল্পনা ভেস্তে দিলেন ট্রাম্প! তেল মন্তব্যে যুদ্ধের আসল লক্ষ্য নিয়ে প্রশ্ন</h1>
            <p>ইরান যুদ্ধ শেষ হলেও কি দেশটি ছাড়বে না যুক্তরাষ্ট্র? মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তেলসম্পদ ও ইরানে মার্কিন উপস্থিতি নিয়ে সাম্প্রতিক মন্তব্যকে ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। এই ভিডিওতে বিশ্লেষণ করা হয়েছে ট্রাম্পের বক্তব্যের সম্ভাব্য ভূরাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক তাৎপর্য, ইরানের তেলসম্পদের গুরুত্ব, হরমুজ প্রণালী ঘিরে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট এবং দীর্ঘমেয়াদে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন প্রভাবের সম্ভাব্য চিত্র। ইরান কি বিদেশি সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে? যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য কি আঞ্চলিক নিরাপত্তা, নাকি জ্বালানি ও ভূরাজনৈতিক স্বার্থ? সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে তেলের বাজার, বৈশ্বিক অর্থনীতি এবং মধ্যপ্রাচ্যের শক্তির ভারসাম্যে কী ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে—এসব প্রশ্নের দিকেই থাকছে আজকের বিশ্লেষণের মূল নজর।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/872_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/872_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/872_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[কেন একসঙ্গে বিপদে পড়ছে দুই সমুদ্রপথ: হুথিদের অগ্রযাত্রায় সৌদি আরব কেন নতুন বিপদে?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/52193</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/52193</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 15 Sep 2026 13:19:00 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Houthi, Houthi rebels, Saudi Arabia, Yemen conflict, Red Sea crisis, Bab Al Mandab, Strait of Hormuz, Middle East crisis, Saudi oil, Aramco, Yemen Houthi conflict, Middle East geopolitics, nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor]]></category>
        
        <description><![CDATA[লোহিত সাগর থেকে বাব আল মান্দাব, আর সেখান থেকে হরমুজ প্রণালী—মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথগুলো ঘিরে তৈরি হচ্ছে নতুন ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা। ইয়েমেনের হুথিদের সামরিক সক্ষমতা, সৌদি আরবের নিরাপত্তা এবং তেল অবকাঠামোর ওপর সম্ভাব্য চাপ এখন আন্তর্জাতিক রাজনীতির অন্যতম আলোচিত বিষয়। এই বিশ্লেষণে থাকছে হুথিদের সামরিক ও কৌশলগত অগ্রযাত্রা, সৌদি আরবের জন্য এর নিরাপত্তাগত চ্যালেঞ্জ, বাব আল মান্দাবের কৌশলগত গুরুত্ব এবং হরমুজ সংকটের সঙ্গে এর সম্ভাব্য সম্পর্ক। একই সঙ্গে আলোচনা করা হবে মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি নিরাপত্তা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যপথ, তেলের বাজার এবং সৌদি আরবের দীর্ঘমেয়াদি আঞ্চলিক কৌশলের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে। ভিডিওটি সম্পূর্ণ বিশ্লেষণধর্মী দৃষ্টিভঙ্গিতে তৈরি করা হয়েছে। বিভিন্ন দাবি ও সামরিক ঘটনাকে প্রাসঙ্গিক ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিবেচনা করা হয়েছে। পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তনশীল হওয়ায় সব দাবি ও তথ্যকে সংশ্লিষ্ট সময়ের প্রেক্ষাপটে দেখা জরুরি। আন্তর্জাতিক রাজনীতির এমন গভীর বিশ্লেষণ পেতে চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন এবং বেল আইকনটি চালু রাখুন।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/871_1.webp" alt="কেন একসঙ্গে বিপদে পড়ছে দুই সমুদ্রপথ: হুথিদের অগ্রযাত্রায় সৌদি আরব কেন নতুন বিপদে?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>কেন একসঙ্গে বিপদে পড়ছে দুই সমুদ্রপথ: হুথিদের অগ্রযাত্রায় সৌদি আরব কেন নতুন বিপদে?</h1>
            <p>লোহিত সাগর থেকে বাব আল মান্দাব, আর সেখান থেকে হরমুজ প্রণালী—মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথগুলো ঘিরে তৈরি হচ্ছে নতুন ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা। ইয়েমেনের হুথিদের সামরিক সক্ষমতা, সৌদি আরবের নিরাপত্তা এবং তেল অবকাঠামোর ওপর সম্ভাব্য চাপ এখন আন্তর্জাতিক রাজনীতির অন্যতম আলোচিত বিষয়। এই বিশ্লেষণে থাকছে হুথিদের সামরিক ও কৌশলগত অগ্রযাত্রা, সৌদি আরবের জন্য এর নিরাপত্তাগত চ্যালেঞ্জ, বাব আল মান্দাবের কৌশলগত গুরুত্ব এবং হরমুজ সংকটের সঙ্গে এর সম্ভাব্য সম্পর্ক। একই সঙ্গে আলোচনা করা হবে মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি নিরাপত্তা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যপথ, তেলের বাজার এবং সৌদি আরবের দীর্ঘমেয়াদি আঞ্চলিক কৌশলের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে। ভিডিওটি সম্পূর্ণ বিশ্লেষণধর্মী দৃষ্টিভঙ্গিতে তৈরি করা হয়েছে। বিভিন্ন দাবি ও সামরিক ঘটনাকে প্রাসঙ্গিক ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিবেচনা করা হয়েছে। পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তনশীল হওয়ায় সব দাবি ও তথ্যকে সংশ্লিষ্ট সময়ের প্রেক্ষাপটে দেখা জরুরি। আন্তর্জাতিক রাজনীতির এমন গভীর বিশ্লেষণ পেতে চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন এবং বেল আইকনটি চালু রাখুন।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/871_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/871_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/871_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[রাশিয়ার নিখুঁত হামলায় ইউক্রেনের রেল যোগাযোগ বিধ্বস্ত, কিয়েভের সামরিক ঘাঁটিতে রাশিয়ার ভয়াবহ বিমান হামলা]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/52192</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/52192</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 15 Sep 2026 13:19:00 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor, Russia Ukraine war, Russia Ukraine conflict, Vladimir Putin, Volodymyr Zelenskyy, Kyiv attack, Russian drones, Ukraine war news, NATO security, Patriot missile, Russian military, Ukraine latest news, geopolitical analysis]]></category>
        
        <description><![CDATA[রাশিয়া ও ইউক্রেনের চলমান সংঘাত নতুন করে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ তৈরি করেছে। ইউক্রেনের পশ্চিমাঞ্চলে রুশ ড্রোন হামলা, রেল যোগাযোগে আঘাত এবং কিয়েভ সফররত পশ্চিমা রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন প্রশ্ন। এই বিশ্লেষণে থাকছে রুশ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কৌশল, ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর বাড়তে থাকা চাপ, গেরান ড্রোন ও অন্যান্য রুশ অস্ত্রের ব্যবহার, প্যাট্রিয়ট মিসাইল সরবরাহ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের সীমাবদ্ধতা এবং রাশিয়ার সামরিক উৎপাদন বৃদ্ধির প্রভাব। পাশাপাশি আলোচনায় থাকছে ইউক্রেনের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতি, জেলেনস্কি সরকারের সমালোচনা, সাবেক প্রেস সচিব ইউলিয়া মেন্দেলকে ঘিরে নিষেধাজ্ঞা এবং ভিন্নমত দমনের অভিযোগ। একই সঙ্গে ইউক্রেনে ব্রিটিশ সামরিক সদস্যের মৃত্যুর ঘটনাও আলোচনায় আসবে। রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধের সামরিক ও ভূরাজনৈতিক সমীকরণ কোন দিকে যাচ্ছে? পশ্চিমা অস্ত্র সরবরাহের সীমাবদ্ধতা কি কিয়েভের ওপর নতুন চাপ তৈরি করছে? আর এই সংঘাত কি ইউরোপকে আরও বড় নিরাপত্তা সংকটের দিকে নিয়ে যাচ্ছে?]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/870_1.webp" alt="রাশিয়ার নিখুঁত হামলায় ইউক্রেনের রেল যোগাযোগ বিধ্বস্ত, কিয়েভের সামরিক ঘাঁটিতে রাশিয়ার ভয়াবহ বিমান হামলা" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>রাশিয়ার নিখুঁত হামলায় ইউক্রেনের রেল যোগাযোগ বিধ্বস্ত, কিয়েভের সামরিক ঘাঁটিতে রাশিয়ার ভয়াবহ বিমান হামলা</h1>
            <p>রাশিয়া ও ইউক্রেনের চলমান সংঘাত নতুন করে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ তৈরি করেছে। ইউক্রেনের পশ্চিমাঞ্চলে রুশ ড্রোন হামলা, রেল যোগাযোগে আঘাত এবং কিয়েভ সফররত পশ্চিমা রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন প্রশ্ন। এই বিশ্লেষণে থাকছে রুশ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কৌশল, ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর বাড়তে থাকা চাপ, গেরান ড্রোন ও অন্যান্য রুশ অস্ত্রের ব্যবহার, প্যাট্রিয়ট মিসাইল সরবরাহ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের সীমাবদ্ধতা এবং রাশিয়ার সামরিক উৎপাদন বৃদ্ধির প্রভাব। পাশাপাশি আলোচনায় থাকছে ইউক্রেনের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতি, জেলেনস্কি সরকারের সমালোচনা, সাবেক প্রেস সচিব ইউলিয়া মেন্দেলকে ঘিরে নিষেধাজ্ঞা এবং ভিন্নমত দমনের অভিযোগ। একই সঙ্গে ইউক্রেনে ব্রিটিশ সামরিক সদস্যের মৃত্যুর ঘটনাও আলোচনায় আসবে। রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধের সামরিক ও ভূরাজনৈতিক সমীকরণ কোন দিকে যাচ্ছে? পশ্চিমা অস্ত্র সরবরাহের সীমাবদ্ধতা কি কিয়েভের ওপর নতুন চাপ তৈরি করছে? আর এই সংঘাত কি ইউরোপকে আরও বড় নিরাপত্তা সংকটের দিকে নিয়ে যাচ্ছে?</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/870_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/870_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/870_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ভারত-মুগ্ধতা ছাড়ুন, ভারত শুধু আরেকটি দেশ: দিল্লির ঘুম হারাম!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/exclusive/52190</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/exclusive/52190</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ আল মাসুম]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 15 Sep 2026 13:19:00 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[এক্সক্লুসিভ]]></category>
                <category><![CDATA[সর্বশেষ]]></category>
                        <category><![CDATA[Bangladesh India relations, Bangladesh foreign policy, Humayun Kabir, Bangladesh India news, India Bangladesh news, Bangladesh diplomacy, India diplomacy, Bangladesh geopolitics, South Asia geopolitics, Dhaka Delhi relations, Bangladesh news, India news, nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor]]></category>
        
        <description><![CDATA[বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে শুরু হয়েছে আলোচনা। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের কথিত মন্তব্য—ভারতকে ঘিরে অতিরিক্ত মুগ্ধতা বা নির্ভরতার মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসা প্রয়োজন এবং ভারতকে অন্য দেশের মতোই দেখা উচিত—কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। তার বক্তব্যে ব্যবহৃত “সকালের নাস্তা, দুপুরের খাবার ও রাতের খাবারও ভারতে” উদাহরণটি কেন গুরুত্বপূর্ণ? এটি কি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক নির্ভরতা নিয়ে একটি বড় বার্তা? বাংলাদেশ কি এখন পররাষ্ট্রনীতিতে আরও ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান নিতে চাইছে? এই ভিডিওতে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বর্তমান প্রেক্ষাপট, সীমান্ত, বাণিজ্য, পানি বণ্টন, আঞ্চলিক ভূরাজনীতি এবং বাংলাদেশের বহুমুখী কূটনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। পাশাপাশি হুমায়ুন কবিরের বক্তব্যের সম্ভাব্য কূটনৈতিক তাৎপর্য এবং দিল্লির জন্য এর অর্থ কী হতে পারে, সেটিও আলোচনা করা হয়েছে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/869_1.webp" alt="ভারত-মুগ্ধতা ছাড়ুন, ভারত শুধু আরেকটি দেশ: দিল্লির ঘুম হারাম!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ভারত-মুগ্ধতা ছাড়ুন, ভারত শুধু আরেকটি দেশ: দিল্লির ঘুম হারাম!</h1>
            <p>বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে শুরু হয়েছে আলোচনা। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের কথিত মন্তব্য—ভারতকে ঘিরে অতিরিক্ত মুগ্ধতা বা নির্ভরতার মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসা প্রয়োজন এবং ভারতকে অন্য দেশের মতোই দেখা উচিত—কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। তার বক্তব্যে ব্যবহৃত “সকালের নাস্তা, দুপুরের খাবার ও রাতের খাবারও ভারতে” উদাহরণটি কেন গুরুত্বপূর্ণ? এটি কি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক নির্ভরতা নিয়ে একটি বড় বার্তা? বাংলাদেশ কি এখন পররাষ্ট্রনীতিতে আরও ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান নিতে চাইছে? এই ভিডিওতে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বর্তমান প্রেক্ষাপট, সীমান্ত, বাণিজ্য, পানি বণ্টন, আঞ্চলিক ভূরাজনীতি এবং বাংলাদেশের বহুমুখী কূটনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। পাশাপাশি হুমায়ুন কবিরের বক্তব্যের সম্ভাব্য কূটনৈতিক তাৎপর্য এবং দিল্লির জন্য এর অর্থ কী হতে পারে, সেটিও আলোচনা করা হয়েছে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/869_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/869_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/869_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[দিল্লির কূটনৈতিক অবস্থান নিয়ে উঠছে বড় প্রশ্ন: ভারত কি আসলেই তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মেনে নিতে পারছে না?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/exclusive/52189</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/exclusive/52189</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ আল মাসুম]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 15 Sep 2026 13:19:00 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[এক্সক্লুসিভ]]></category>
                <category><![CDATA[সর্বশেষ]]></category>
                        <category><![CDATA[Tarique Rahman, Bangladesh India relations, Tarique Rahman India, Bangladesh politics, India Bangladesh diplomacy, BRICS summit, BIMSTEC, Bangladesh foreign policy, India foreign policy, South Asia geopolitics, Tarique Rahman news, Bangladesh news, nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor]]></category>
        
        <description><![CDATA[বাংলাদেশ ও ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্কে নতুন কোনো সমীকরণ তৈরি হচ্ছে কি? প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ঘিরে ভারতীয় অবস্থান, BRICS সম্মেলন এবং BIMSTEC-এর আমন্ত্রণ নিয়ে এরই মধ্যে নানা প্রশ্ন উঠেছে। এই ভিডিওতে আমরা বিশ্লেষণ করেছি, BRICS সম্মেলনে বাংলাদেশকে ঘিরে কূটনৈতিক সমীকরণ কী ছিল, BIMSTEC-এর চেয়ারম্যান হিসেবে বাংলাদেশের ভূমিকা কীভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্মেলনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তের সম্ভাব্য রাজনৈতিক ও কৌশলগত বার্তা কী হতে পারে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব, পারস্পরিক সম্মান এবং সমতার বিষয়গুলো কীভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে—সেটিও আলোচনায় তুলে ধরা হয়েছে। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ কোন দিকে যাবে? দিল্লি কি বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে নিজেদের নীতি সামঞ্জস্য করবে? নাকি দুই দেশের সম্পর্কে আরও নতুন কূটনৈতিক টানাপোড়েন দেখা যাবে? নোট: ভিডিওটি একটি রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক বিশ্লেষণ। উপস্থাপিত কিছু বিষয় সম্ভাব্য কূটনৈতিক ব্যাখ্যা ও রাজনৈতিক বিশ্লেষণের ভিত্তিতে আলোচনা করা হয়েছে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/868_1.webp" alt="দিল্লির কূটনৈতিক অবস্থান নিয়ে উঠছে বড় প্রশ্ন: ভারত কি আসলেই তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মেনে নিতে পারছে না?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>দিল্লির কূটনৈতিক অবস্থান নিয়ে উঠছে বড় প্রশ্ন: ভারত কি আসলেই তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মেনে নিতে পারছে না?</h1>
            <p>বাংলাদেশ ও ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্কে নতুন কোনো সমীকরণ তৈরি হচ্ছে কি? প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ঘিরে ভারতীয় অবস্থান, BRICS সম্মেলন এবং BIMSTEC-এর আমন্ত্রণ নিয়ে এরই মধ্যে নানা প্রশ্ন উঠেছে। এই ভিডিওতে আমরা বিশ্লেষণ করেছি, BRICS সম্মেলনে বাংলাদেশকে ঘিরে কূটনৈতিক সমীকরণ কী ছিল, BIMSTEC-এর চেয়ারম্যান হিসেবে বাংলাদেশের ভূমিকা কীভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্মেলনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তের সম্ভাব্য রাজনৈতিক ও কৌশলগত বার্তা কী হতে পারে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব, পারস্পরিক সম্মান এবং সমতার বিষয়গুলো কীভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে—সেটিও আলোচনায় তুলে ধরা হয়েছে। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ কোন দিকে যাবে? দিল্লি কি বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে নিজেদের নীতি সামঞ্জস্য করবে? নাকি দুই দেশের সম্পর্কে আরও নতুন কূটনৈতিক টানাপোড়েন দেখা যাবে? নোট: ভিডিওটি একটি রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক বিশ্লেষণ। উপস্থাপিত কিছু বিষয় সম্ভাব্য কূটনৈতিক ব্যাখ্যা ও রাজনৈতিক বিশ্লেষণের ভিত্তিতে আলোচনা করা হয়েছে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/868_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/868_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/868_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[বাংলাদেশকে সুদসহ টাকা শোধ করতে হচ্ছে, ভারতের জন্য সড়ক তৈরিতে ভারতীয় ঋণ! ১০১টি চুক্তি এখন কাঠগড়ায়]]></title>
        <link>https://nbs24.org/exclusive/52188</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/exclusive/52188</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ আল মাসুম]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 15 Sep 2026 13:19:00 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[এক্সক্লুসিভ]]></category>
                <category><![CDATA[সর্বশেষ]]></category>
                        <category><![CDATA[Bangladesh India relations, 101 agreements Bangladesh India, Sheikh Hasina India agreements, Narendra Modi Bangladesh, Chattogram Port India, Bangladesh India deal, Bangladesh politics, India Bangladesh treaty, Bangladesh loan India, Chattogram Port agreement, Bangladesh government, India Bangladesh news, nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor]]></category>
        
        <description><![CDATA[ভারতের সঙ্গে আগের সরকারের সময়ে করা ১০১টি সমঝোতা স্মারক ও চুক্তি নতুন করে পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ সরকার। চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহার থেকে শুরু করে সড়ক, রেল, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও বাণিজ্যসহ বিভিন্ন খাতের চুক্তি নিয়ে উঠছে নতুন প্রশ্ন। সরকারের পক্ষ থেকে এমন কিছু উদাহরণ তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে ভারতের ঋণে তৈরি অবকাঠামোর অর্থ বাংলাদেশকে সুদসহ পরিশোধ করতে হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দরে অগ্রাধিকার, ব্যবহারকারীর সুবিধা এবং দুই দেশের মধ্যে লাভ ও দায়ের ভারসাম্য নিয়েও আলোচনা চলছে। তবে এখনো ১০১টি চুক্তির পূর্ণ তালিকা প্রকাশ করা হয়নি। কোন চুক্তি বহাল থাকবে, কোনটিতে সংশোধন আসবে এবং কোনটি বাতিল হতে পারে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তও হয়নি। এই ভিডিওতে থাকছে ১০১টি চুক্তি পর্যালোচনার কারণ, চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহারের বিষয়, ভারতের ঋণে তৈরি অবকাঠামোর আর্থিক দায়, বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের নতুন সমীকরণ এবং সামনে কী ধরনের সিদ্ধান্ত আসতে পারে তার বিশ্লেষণ। চুক্তিগুলোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে জাতীয় স্বার্থ, আইনি কাঠামো, কূটনৈতিক সম্পর্ক এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ কতটা গুরুত্ব পায়, সেটিও আলোচনায় থাকছে। ভিডিওটি তথ্য ও বিভিন্ন পক্ষের বক্তব্যের ভিত্তিতে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। চুক্তির প্রকৃত শর্ত ও আর্থিক দায় নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট সরকারি নথি ও পূর্ণাঙ্গ চুক্তিপত্রই চূড়ান্ত ভিত্তি হিসেবে বিবেচ্য।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/867_3.webp" alt="বাংলাদেশকে সুদসহ টাকা শোধ করতে হচ্ছে, ভারতের জন্য সড়ক তৈরিতে ভারতীয় ঋণ! ১০১টি চুক্তি এখন কাঠগড়ায়" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>বাংলাদেশকে সুদসহ টাকা শোধ করতে হচ্ছে, ভারতের জন্য সড়ক তৈরিতে ভারতীয় ঋণ! ১০১টি চুক্তি এখন কাঠগড়ায়</h1>
            <p>ভারতের সঙ্গে আগের সরকারের সময়ে করা ১০১টি সমঝোতা স্মারক ও চুক্তি নতুন করে পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ সরকার। চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহার থেকে শুরু করে সড়ক, রেল, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও বাণিজ্যসহ বিভিন্ন খাতের চুক্তি নিয়ে উঠছে নতুন প্রশ্ন। সরকারের পক্ষ থেকে এমন কিছু উদাহরণ তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে ভারতের ঋণে তৈরি অবকাঠামোর অর্থ বাংলাদেশকে সুদসহ পরিশোধ করতে হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দরে অগ্রাধিকার, ব্যবহারকারীর সুবিধা এবং দুই দেশের মধ্যে লাভ ও দায়ের ভারসাম্য নিয়েও আলোচনা চলছে। তবে এখনো ১০১টি চুক্তির পূর্ণ তালিকা প্রকাশ করা হয়নি। কোন চুক্তি বহাল থাকবে, কোনটিতে সংশোধন আসবে এবং কোনটি বাতিল হতে পারে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তও হয়নি। এই ভিডিওতে থাকছে ১০১টি চুক্তি পর্যালোচনার কারণ, চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহারের বিষয়, ভারতের ঋণে তৈরি অবকাঠামোর আর্থিক দায়, বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের নতুন সমীকরণ এবং সামনে কী ধরনের সিদ্ধান্ত আসতে পারে তার বিশ্লেষণ। চুক্তিগুলোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে জাতীয় স্বার্থ, আইনি কাঠামো, কূটনৈতিক সম্পর্ক এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ কতটা গুরুত্ব পায়, সেটিও আলোচনায় থাকছে। ভিডিওটি তথ্য ও বিভিন্ন পক্ষের বক্তব্যের ভিত্তিতে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। চুক্তির প্রকৃত শর্ত ও আর্থিক দায় নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট সরকারি নথি ও পূর্ণাঙ্গ চুক্তিপত্রই চূড়ান্ত ভিত্তি হিসেবে বিবেচ্য।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/867_3.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/867_3.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/867_3.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[পোল্যান্ড সীমান্ত ও লজিস্টিকস হাবে রাশিয়ার হামলা! ইউক্রেন যুদ্ধ কি নতুন ঝুঁকিতে?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/52187</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/52187</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 15 Sep 2026 13:19:00 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor, Russia Ukraine war, Russia drone attack, Poland border, Ukraine war news, Putin, Zelensky, Donald Trump, NATO security, Ukraine Poland border, Zaporizhzhia nuclear plant, Russia Ukraine peace talks, Europe security]]></category>
        
        <description><![CDATA[রাশিয়া ও ইউক্রেনের চলমান সংঘাত নতুন করে ইউরোপের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে। পশ্চিম ইউক্রেনের লজিস্টিকস ও সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে রুশ হামলার খবরের পাশাপাশি পোল্যান্ড সীমান্তের কাছাকাছি বিস্ফোরণ পরিস্থিতিকে আরও সংবেদনশীল করে তুলেছে। এই ভিডিওতে থাকছে ইউক্রেনের পশ্চিমাঞ্চলে রুশ ড্রোন হামলা, ইউরোপ থেকে আসা সামরিক সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর হামলার দাবি, ওডেসা অঞ্চলের লজিস্টিকস ও সামরিক অবকাঠামো, জাপোরিঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ঘিরে নিরাপত্তা উদ্বেগ এবং রাশিয়া–ইউক্রেন–যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য ত্রিপক্ষীয় আলোচনার সম্ভাবনা। একই সঙ্গে আলোচনায় থাকছে ট্রাম্প প্রশাসনের বিশেষ দূতদের মস্কো সফর, পুতিনের সঙ্গে আলোচনার সম্ভাবনা এবং যুদ্ধ বন্ধের পথে ভূখণ্ডগত বিরোধ কেন সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে আছে। ভিডিওটি তৈরি করা হয়েছে আপনার দেওয়া স্ক্রিপ্টে উল্লেখিত বিভিন্ন পক্ষের দাবি ও বক্তব্যের ভিত্তিতে। যুদ্ধক্ষেত্রের তথ্য দ্রুত পরিবর্তিত হতে পারে এবং সংঘাতের দুই পক্ষের দাবির মধ্যে পার্থক্য থাকতে পারে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_15-9-26_31.webp" alt="পোল্যান্ড সীমান্ত ও লজিস্টিকস হাবে রাশিয়ার হামলা! ইউক্রেন যুদ্ধ কি নতুন ঝুঁকিতে?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>পোল্যান্ড সীমান্ত ও লজিস্টিকস হাবে রাশিয়ার হামলা! ইউক্রেন যুদ্ধ কি নতুন ঝুঁকিতে?</h1>
            <p>রাশিয়া ও ইউক্রেনের চলমান সংঘাত নতুন করে ইউরোপের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে। পশ্চিম ইউক্রেনের লজিস্টিকস ও সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে রুশ হামলার খবরের পাশাপাশি পোল্যান্ড সীমান্তের কাছাকাছি বিস্ফোরণ পরিস্থিতিকে আরও সংবেদনশীল করে তুলেছে। এই ভিডিওতে থাকছে ইউক্রেনের পশ্চিমাঞ্চলে রুশ ড্রোন হামলা, ইউরোপ থেকে আসা সামরিক সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর হামলার দাবি, ওডেসা অঞ্চলের লজিস্টিকস ও সামরিক অবকাঠামো, জাপোরিঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ঘিরে নিরাপত্তা উদ্বেগ এবং রাশিয়া–ইউক্রেন–যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য ত্রিপক্ষীয় আলোচনার সম্ভাবনা। একই সঙ্গে আলোচনায় থাকছে ট্রাম্প প্রশাসনের বিশেষ দূতদের মস্কো সফর, পুতিনের সঙ্গে আলোচনার সম্ভাবনা এবং যুদ্ধ বন্ধের পথে ভূখণ্ডগত বিরোধ কেন সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে আছে। ভিডিওটি তৈরি করা হয়েছে আপনার দেওয়া স্ক্রিপ্টে উল্লেখিত বিভিন্ন পক্ষের দাবি ও বক্তব্যের ভিত্তিতে। যুদ্ধক্ষেত্রের তথ্য দ্রুত পরিবর্তিত হতে পারে এবং সংঘাতের দুই পক্ষের দাবির মধ্যে পার্থক্য থাকতে পারে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_15-9-26_31.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_15-9-26_31.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_15-9-26_31.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[দুই তেলপথ বন্ধ, তেলের দাম ১০০ ডলার! বিশ্বজুড়ে নতুন সংকট কেন?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/52058</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/52058</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 13 Sep 2026 21:33:36 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Strait of Hormuz, oil price, Saudi Arabia oil pipeline, Iran US conflict, Middle East crisis, global oil crisis, Brent crude oil, Saudi Aramco, oil supply disruption, Hormuz Strait crisis, global economy, Middle East oil crisis, nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor]]></category>
        
        <description><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্যে একই সময়ে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ দুটি তেল সরবরাহ পথ বড় ধরনের ঝুঁকিতে পড়েছে। একদিকে হরমুজ প্রণালীতে তেলবাহী জাহাজ চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন ড্রোন হামলার পর সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। এই দুই গুরুত্বপূর্ণ রুটে সংকট তৈরি হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১০০ ডলার ছাড়িয়ে প্রায় ১০৫ ডলারে পৌঁছেছে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে বৈশ্বিক তেল সরবরাহের বড় একটি অংশ পরিবাহিত হয়। ফলে এই জলপথে দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থা তৈরি হলে বিশ্ব অর্থনীতি, জ্বালানি বাজার, পরিবহন ব্যয় এবং মূল্যস্ফীতিতে বড় ধরনের চাপ তৈরি হতে পারে। এই ভিডিওতে থাকছে হরমুজ প্রণালীর বর্তমান পরিস্থিতি, সৌদি ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনে হামলার প্রভাব, তেলের দাম বৃদ্ধির কারণ, ভারতসহ তেল আমদানিনির্ভর দেশগুলোর সম্ভাব্য ক্ষতি, পরিবেশগত ঝুঁকি এবং এই সংকট কতদিন চলতে পারে তার বিশ্লেষণ।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/864_1.webp" alt="দুই তেলপথ বন্ধ, তেলের দাম ১০০ ডলার! বিশ্বজুড়ে নতুন সংকট কেন?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>দুই তেলপথ বন্ধ, তেলের দাম ১০০ ডলার! বিশ্বজুড়ে নতুন সংকট কেন?</h1>
            <p>মধ্যপ্রাচ্যে একই সময়ে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ দুটি তেল সরবরাহ পথ বড় ধরনের ঝুঁকিতে পড়েছে। একদিকে হরমুজ প্রণালীতে তেলবাহী জাহাজ চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন ড্রোন হামলার পর সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। এই দুই গুরুত্বপূর্ণ রুটে সংকট তৈরি হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১০০ ডলার ছাড়িয়ে প্রায় ১০৫ ডলারে পৌঁছেছে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে বৈশ্বিক তেল সরবরাহের বড় একটি অংশ পরিবাহিত হয়। ফলে এই জলপথে দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থা তৈরি হলে বিশ্ব অর্থনীতি, জ্বালানি বাজার, পরিবহন ব্যয় এবং মূল্যস্ফীতিতে বড় ধরনের চাপ তৈরি হতে পারে। এই ভিডিওতে থাকছে হরমুজ প্রণালীর বর্তমান পরিস্থিতি, সৌদি ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনে হামলার প্রভাব, তেলের দাম বৃদ্ধির কারণ, ভারতসহ তেল আমদানিনির্ভর দেশগুলোর সম্ভাব্য ক্ষতি, পরিবেশগত ঝুঁকি এবং এই সংকট কতদিন চলতে পারে তার বিশ্লেষণ।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/864_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/864_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/864_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[হরমুজের পর বাব আল মান্দাবে নতুন আতঙ্ক]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/52057</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/52057</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 13 Sep 2026 21:33:36 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Hormuz Strait, Bab Al Mandab, Houthi Yemen, Red Sea Crisis, Strait of Hormuz Crisis, Yemen Conflict, Houthi Rebels, Oil Crisis, Global Oil Prices, Middle East Crisis, Red Sea Shipping, Global Trade Crisis, nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor]]></category>
        
        <description><![CDATA[হরমুজ প্রণালির পর এবার কি বাব আল মান্দাবও বড় ঝুঁকির মুখে? ইয়েমেনের হুতিদের পেরিম দ্বীপে পৌঁছে যাওয়ার খবর, সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ তেল পাইপলাইন সাময়িক বন্ধ এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল কমে যাওয়ার ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি ও বিশ্ববাণিজ্য নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। বাব আল মান্দাব রেড সাগর ও এডেন উপসাগরকে যুক্ত করে এবং এশিয়া ও ইউরোপের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রবাণিজ্য রুটের অংশ। এই পথ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠলে জাহাজগুলোকে আফ্রিকার দক্ষিণ প্রান্ত ঘুরে যেতে হতে পারে। এতে পরিবহন সময়, জ্বালানি ব্যয়, বীমা খরচ ও পণ্য পরিবহনের খরচ বাড়ার আশঙ্কা থাকে। অন্যদিকে হরমুজ প্রণালি বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম প্রধান পথ। হরমুজে জাহাজ চলাচল কমে যাওয়ার পর বাব আল মান্দাব নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হলে বৈশ্বিক তেলবাজারে আরও চাপ সৃষ্টি হতে পারে। তবে বাব আল মান্দাব পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে এমন নিশ্চিত তথ্য এখনো নেই। পেরিম দ্বীপে হুতিদের উপস্থিতি এবং ইয়েমেনের উপকূলীয় অঞ্চলের সামরিক পরিস্থিতি নতুন ঝুঁকি তৈরি করেছে—কিন্তু পরিস্থিতিকে সরাসরি সম্পূর্ণ নৌপথ বন্ধ হিসেবে বর্ণনা করা অতিরঞ্জিত হতে পারে। এই ভিডিওতে হরমুজ ও বাব আল মান্দাবের কৌশলগত গুরুত্ব, হুতিদের অগ্রগতি, সৌদি তেল অবকাঠামো, আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল এবং বিশ্ব তেলের বাজারে সম্ভাব্য প্রভাব বিশ্লেষণ করা হয়েছে। দুই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ একই সময়ে ঝুঁকির মধ্যে পড়লে বিশ্ব অর্থনীতি কতটা চাপে পড়তে পারে? সামনের দিনগুলোতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা কতটা?]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_13-9-26_45.webp" alt="হরমুজের পর বাব আল মান্দাবে নতুন আতঙ্ক" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>হরমুজের পর বাব আল মান্দাবে নতুন আতঙ্ক</h1>
            <p>হরমুজ প্রণালির পর এবার কি বাব আল মান্দাবও বড় ঝুঁকির মুখে? ইয়েমেনের হুতিদের পেরিম দ্বীপে পৌঁছে যাওয়ার খবর, সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ তেল পাইপলাইন সাময়িক বন্ধ এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল কমে যাওয়ার ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি ও বিশ্ববাণিজ্য নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। বাব আল মান্দাব রেড সাগর ও এডেন উপসাগরকে যুক্ত করে এবং এশিয়া ও ইউরোপের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রবাণিজ্য রুটের অংশ। এই পথ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠলে জাহাজগুলোকে আফ্রিকার দক্ষিণ প্রান্ত ঘুরে যেতে হতে পারে। এতে পরিবহন সময়, জ্বালানি ব্যয়, বীমা খরচ ও পণ্য পরিবহনের খরচ বাড়ার আশঙ্কা থাকে। অন্যদিকে হরমুজ প্রণালি বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম প্রধান পথ। হরমুজে জাহাজ চলাচল কমে যাওয়ার পর বাব আল মান্দাব নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হলে বৈশ্বিক তেলবাজারে আরও চাপ সৃষ্টি হতে পারে। তবে বাব আল মান্দাব পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে এমন নিশ্চিত তথ্য এখনো নেই। পেরিম দ্বীপে হুতিদের উপস্থিতি এবং ইয়েমেনের উপকূলীয় অঞ্চলের সামরিক পরিস্থিতি নতুন ঝুঁকি তৈরি করেছে—কিন্তু পরিস্থিতিকে সরাসরি সম্পূর্ণ নৌপথ বন্ধ হিসেবে বর্ণনা করা অতিরঞ্জিত হতে পারে। এই ভিডিওতে হরমুজ ও বাব আল মান্দাবের কৌশলগত গুরুত্ব, হুতিদের অগ্রগতি, সৌদি তেল অবকাঠামো, আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল এবং বিশ্ব তেলের বাজারে সম্ভাব্য প্রভাব বিশ্লেষণ করা হয়েছে। দুই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ একই সময়ে ঝুঁকির মধ্যে পড়লে বিশ্ব অর্থনীতি কতটা চাপে পড়তে পারে? সামনের দিনগুলোতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা কতটা?</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_13-9-26_45.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_13-9-26_45.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_13-9-26_45.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ভারত-চীন মিলছে, মাঝখানে পড়ছে বাংলাদেশ!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/exclusive/52056</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/exclusive/52056</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ আল মাসুম]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 13 Sep 2026 21:33:36 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[এক্সক্লুসিভ]]></category>
                <category><![CDATA[সর্বশেষ]]></category>
                
        <description><![CDATA[ভারত ও চীনের সম্পর্ক কি আবার নতুন মোড় নিচ্ছে? দীর্ঘ উত্তেজনার পর নরেন্দ্র মোদি ও শি জিনপিংয়ের বৈঠক ঘিরে দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে তৈরি হয়েছে নতুন আলোচনা। দুই দেশের সীমান্ত উত্তেজনা, বাণিজ্যিক সম্পর্ক ও কূটনৈতিক যোগাযোগের পরিবর্তনের প্রভাব শুধু দিল্লি ও বেইজিংয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এই পরিবর্তনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব পড়তে পারে বাংলাদেশের ওপর। ভারত ও চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক। বন্দর, আঞ্চলিক যোগাযোগ, বাণিজ্য এবং ভূরাজনৈতিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ দুই শক্তির কাছেই গুরুত্বপূর্ণ। ভারত ও চীন কাছাকাছি এলে বাংলাদেশের কূটনৈতিক হিসাব কীভাবে বদলাতে পারে? এতে বাংলাদেশের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হবে, নাকি দরকষাকষির জায়গা আরও সংকুচিত হবে? আঞ্চলিক সংযোগ, বাণিজ্য ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এর সম্ভাব্য প্রভাব কী হতে পারে? এই ভিডিওতে ভারত চীন সম্পর্কের সাম্প্রতিক পরিবর্তন এবং বাংলাদেশের সামনে তৈরি হওয়া সম্ভাব্য সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ বিশ্লেষণ করা হয়েছে। আপনার মতামত কমেন্টে জানান। ভিডিওটি ভালো লাগলে লাইক করুন এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষণের নতুন ভিডিও পেতে চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_13-9-26_44.webp" alt="ভারত-চীন মিলছে, মাঝখানে পড়ছে বাংলাদেশ!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ভারত-চীন মিলছে, মাঝখানে পড়ছে বাংলাদেশ!</h1>
            <p>ভারত ও চীনের সম্পর্ক কি আবার নতুন মোড় নিচ্ছে? দীর্ঘ উত্তেজনার পর নরেন্দ্র মোদি ও শি জিনপিংয়ের বৈঠক ঘিরে দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে তৈরি হয়েছে নতুন আলোচনা। দুই দেশের সীমান্ত উত্তেজনা, বাণিজ্যিক সম্পর্ক ও কূটনৈতিক যোগাযোগের পরিবর্তনের প্রভাব শুধু দিল্লি ও বেইজিংয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এই পরিবর্তনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব পড়তে পারে বাংলাদেশের ওপর। ভারত ও চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক। বন্দর, আঞ্চলিক যোগাযোগ, বাণিজ্য এবং ভূরাজনৈতিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ দুই শক্তির কাছেই গুরুত্বপূর্ণ। ভারত ও চীন কাছাকাছি এলে বাংলাদেশের কূটনৈতিক হিসাব কীভাবে বদলাতে পারে? এতে বাংলাদেশের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হবে, নাকি দরকষাকষির জায়গা আরও সংকুচিত হবে? আঞ্চলিক সংযোগ, বাণিজ্য ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এর সম্ভাব্য প্রভাব কী হতে পারে? এই ভিডিওতে ভারত চীন সম্পর্কের সাম্প্রতিক পরিবর্তন এবং বাংলাদেশের সামনে তৈরি হওয়া সম্ভাব্য সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ বিশ্লেষণ করা হয়েছে। আপনার মতামত কমেন্টে জানান। ভিডিওটি ভালো লাগলে লাইক করুন এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষণের নতুন ভিডিও পেতে চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_13-9-26_44.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_13-9-26_44.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_13-9-26_44.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইউক্রেনে ভয়ংকর হামলা? রাশিয়ার দাবিতে নতুন চাঞ্চল্য]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/52055</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/52055</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 13 Sep 2026 21:33:36 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor, Russia Ukraine war, 777 drones, Ukraine drone attack, Russia missile strike, Kyiv attack, Odessa attack, Putin Zelensky, Ukraine war latest, Russian Defense Ministry, Ukraine military, drone warfare, Russia Ukraine conflict]]></category>
        
        <description><![CDATA[ইউক্রেন যুদ্ধের নতুন উত্তেজনায় রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, ১০ সেপ্টেম্বর রাত থেকে ১১ সেপ্টেম্বর সকাল পর্যন্ত রুশ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চল, ক্রিমিয়া, কৃষ্ণসাগর ও ক্যাস্পিয়ান সাগরের ওপর ৭৭৭টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ধ্বংস বা প্রতিহত করেছে। একই বিবৃতিতে রাশিয়া দাবি করেছে, ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা শিল্প, ড্রোন উৎপাদন ও সংরক্ষণ কেন্দ্র, লজিস্টিক হাব, ডেটা সেন্টার এবং বন্দর অবকাঠামোয় উচ্চনির্ভুলতার বিমানচালিত অস্ত্র ও আক্রমণকারী ড্রোন দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি অনুযায়ী, কিয়েভের Bi Mobile ডেটা সেন্টার, খমেলনিতস্কির Nova Poshta লজিস্টিক টার্মিনাল, গোস্তোমেল ও দনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলের লজিস্টিক কেন্দ্র এবং ওডেসা অঞ্চলের ড্রোন যন্ত্রাংশের গুদাম হামলার লক্ষ্য ছিল। চেরনোমোরস্ক বন্দরে সামরিক সরঞ্জাম বহনকারী দুটি কার্গো জাহাজ, একটি মোটরবোট, জ্বালানি ট্যাংক ও সামরিক সরবরাহের গুদামেও হামলার দাবি করা হয়েছে। এছাড়া সুমি অঞ্চলে ইউক্রেনের একটি টেরিটোরিয়াল ডিফেন্স ব্রিগেডের অস্থায়ী অবস্থান এবং ইউক্রেনীয় ন্যাশনাল গার্ডের ড্রোন নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রগুলোতে হামলার কথাও জানিয়েছে মস্কো। তবে মনে রাখতে হবে, এগুলো রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি এবং যুদ্ধকালীন সামরিক দাবিগুলোর সবগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব নয়। তাই ভিডিওতে দাবিগুলোকে সেই প্রেক্ষাপটেই উপস্থাপন করা হয়েছে। ভিডিওতে জানুন ৭৭৭ ড্রোন ধ্বংসের দাবির পেছনে কী আছে, কিয়েভের ডেটা সেন্টার ও ইউক্রেনের লজিস্টিক অবকাঠামো কেন গুরুত্বপূর্ণ এবং রাশিয়ার সাম্প্রতিক হামলার কৌশল ইউক্রেনের যুদ্ধ সক্ষমতার ওপর কী ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_13-9-26_43.webp" alt="ইউক্রেনে ভয়ংকর হামলা? রাশিয়ার দাবিতে নতুন চাঞ্চল্য" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইউক্রেনে ভয়ংকর হামলা? রাশিয়ার দাবিতে নতুন চাঞ্চল্য</h1>
            <p>ইউক্রেন যুদ্ধের নতুন উত্তেজনায় রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, ১০ সেপ্টেম্বর রাত থেকে ১১ সেপ্টেম্বর সকাল পর্যন্ত রুশ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চল, ক্রিমিয়া, কৃষ্ণসাগর ও ক্যাস্পিয়ান সাগরের ওপর ৭৭৭টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ধ্বংস বা প্রতিহত করেছে। একই বিবৃতিতে রাশিয়া দাবি করেছে, ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা শিল্প, ড্রোন উৎপাদন ও সংরক্ষণ কেন্দ্র, লজিস্টিক হাব, ডেটা সেন্টার এবং বন্দর অবকাঠামোয় উচ্চনির্ভুলতার বিমানচালিত অস্ত্র ও আক্রমণকারী ড্রোন দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি অনুযায়ী, কিয়েভের Bi Mobile ডেটা সেন্টার, খমেলনিতস্কির Nova Poshta লজিস্টিক টার্মিনাল, গোস্তোমেল ও দনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলের লজিস্টিক কেন্দ্র এবং ওডেসা অঞ্চলের ড্রোন যন্ত্রাংশের গুদাম হামলার লক্ষ্য ছিল। চেরনোমোরস্ক বন্দরে সামরিক সরঞ্জাম বহনকারী দুটি কার্গো জাহাজ, একটি মোটরবোট, জ্বালানি ট্যাংক ও সামরিক সরবরাহের গুদামেও হামলার দাবি করা হয়েছে। এছাড়া সুমি অঞ্চলে ইউক্রেনের একটি টেরিটোরিয়াল ডিফেন্স ব্রিগেডের অস্থায়ী অবস্থান এবং ইউক্রেনীয় ন্যাশনাল গার্ডের ড্রোন নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রগুলোতে হামলার কথাও জানিয়েছে মস্কো। তবে মনে রাখতে হবে, এগুলো রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি এবং যুদ্ধকালীন সামরিক দাবিগুলোর সবগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব নয়। তাই ভিডিওতে দাবিগুলোকে সেই প্রেক্ষাপটেই উপস্থাপন করা হয়েছে। ভিডিওতে জানুন ৭৭৭ ড্রোন ধ্বংসের দাবির পেছনে কী আছে, কিয়েভের ডেটা সেন্টার ও ইউক্রেনের লজিস্টিক অবকাঠামো কেন গুরুত্বপূর্ণ এবং রাশিয়ার সাম্প্রতিক হামলার কৌশল ইউক্রেনের যুদ্ধ সক্ষমতার ওপর কী ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_13-9-26_43.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_13-9-26_43.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_13-9-26_43.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[রাজপথের ‘টেসলা’ রিকশায় লুকানো আ.লীগ নেতারা? ৬৭২ চালকের গোপন তথ্য: রাজনীতি, মাদক ও রিকশা]]></title>
        <link>https://nbs24.org/exclusive/52054</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/exclusive/52054</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ আল মাসুম]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 13 Sep 2026 21:33:36 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[এক্সক্লুসিভ]]></category>
                <category><![CDATA[সর্বশেষ]]></category>
                        <category><![CDATA[Battery Rickshaw, Tesla Rickshaw Dhaka, Awami League Leader Rickshaw Driver, Dhaka Autorickshaw Policy, Illegal Charging Points, Dhaka Power Crisis, Drug-Addicted Rickshaw Driver, Bangla News24]]></category>
        
        <description><![CDATA[ঢাকার রাজপথে দিন দিন বেড়ে চলা ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা বা স্থানীয়ভাবে পরিচিত ‘টেসলা’ রিকশা নিয়ে এক চাঞ্চল্যকর অনুসন্ধানী প্রতিবেদন উঠে এসেছে সম্প্রতি। রাজধানীর ১৭টি গ্যারেজের ৬৭২ জন চালকের ওপর চালানো এক জরিপে দেখা গেছে, তাদের মধ্যে ২৫ শতাংশই নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সক্রিয় নেতা-কর্মী, যারা ২০২৪ সালের আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এলাকা ছেড়ে ঢাকায় এসে রিকশা চালানোর পেশা বেছে নিয়েছেন। একই সঙ্গে ৩৪ শতাংশ চালক নিয়মিত গাঁজা ও ইয়াবা সেবন করেন বলেও উঠে এসেছে তথ্য। এই ভিডিওতে আমরা আলোচনা করেছি— ব্যাটারি রিকশার বিস্ফোরক বিস্তার, চালকদের রাজনৈতিক পরিচয় ও মাদকাসক্তির বাস্তব চিত্র, অবৈধ চার্জিং নেটওয়ার্কের কারণে বিদ্যুৎ অপচয়, সরকারের নতুন নীতিমালা এবং বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা। ঢাকার পরিবহন খাত, রাজনীতি ও নিরাপত্তা নিয়ে এমন আরও গভীর বিশ্লেষণ পেতে চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে রাখুন এবং নোটিফিকেশন বেল চালু করুন।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_13-9-26_42.webp" alt="রাজপথের ‘টেসলা’ রিকশায় লুকানো আ.লীগ নেতারা? ৬৭২ চালকের গোপন তথ্য: রাজনীতি, মাদক ও রিকশা" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>রাজপথের ‘টেসলা’ রিকশায় লুকানো আ.লীগ নেতারা? ৬৭২ চালকের গোপন তথ্য: রাজনীতি, মাদক ও রিকশা</h1>
            <p>ঢাকার রাজপথে দিন দিন বেড়ে চলা ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা বা স্থানীয়ভাবে পরিচিত ‘টেসলা’ রিকশা নিয়ে এক চাঞ্চল্যকর অনুসন্ধানী প্রতিবেদন উঠে এসেছে সম্প্রতি। রাজধানীর ১৭টি গ্যারেজের ৬৭২ জন চালকের ওপর চালানো এক জরিপে দেখা গেছে, তাদের মধ্যে ২৫ শতাংশই নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সক্রিয় নেতা-কর্মী, যারা ২০২৪ সালের আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এলাকা ছেড়ে ঢাকায় এসে রিকশা চালানোর পেশা বেছে নিয়েছেন। একই সঙ্গে ৩৪ শতাংশ চালক নিয়মিত গাঁজা ও ইয়াবা সেবন করেন বলেও উঠে এসেছে তথ্য। এই ভিডিওতে আমরা আলোচনা করেছি— ব্যাটারি রিকশার বিস্ফোরক বিস্তার, চালকদের রাজনৈতিক পরিচয় ও মাদকাসক্তির বাস্তব চিত্র, অবৈধ চার্জিং নেটওয়ার্কের কারণে বিদ্যুৎ অপচয়, সরকারের নতুন নীতিমালা এবং বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা। ঢাকার পরিবহন খাত, রাজনীতি ও নিরাপত্তা নিয়ে এমন আরও গভীর বিশ্লেষণ পেতে চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে রাখুন এবং নোটিফিকেশন বেল চালু করুন।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_13-9-26_42.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_13-9-26_42.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_13-9-26_42.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[রুশ মিসাইলে তীব্র হামলা! মিয়ামিতে কি মুখোমুখি পুতিন জেলেনস্কি]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/52053</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/52053</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 13 Sep 2026 21:33:36 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor, Russia Ukraine War, Putin Zelensky, Ukraine War 2026, Russia Ukraine Conflict, Putin News, Zelensky News, Ukraine Missile Attack, Russian Airstrikes Ukraine, Chornomorsk Port Attack, Miami Peace Meeting, G20 Summit, NATO Russia Ukraine]]></category>
        
        <description><![CDATA[রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধ আবারও নতুন উত্তেজনার দিকে এগোচ্ছে। ইউক্রেনের বিভিন্ন অঞ্চল, বন্দর ও শিল্পকেন্দ্রে রাশিয়ার বিমান ও ড্রোন হামলা নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে চোরনমোরস্ক বন্দরসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে হামলার খবর ইউক্রেনের সামরিক সরবরাহ ও বাণিজ্যিক যোগাযোগ নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। একই সময়ে যুদ্ধের ময়দানের বাইরে শুরু হয়েছে নতুন কূটনৈতিক হিসাব। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি মিয়ামিতে অনুষ্ঠিতব্য জি২০ সম্মেলনের সুযোগে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সরাসরি বৈঠকের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। কিন্তু মস্কোর পক্ষ থেকে বৈঠক নিয়ে কঠোর শর্ত ও অনমনীয় অবস্থানের কথা জানানো হয়েছে। রাশিয়া বলছে ইউক্রেনের সামরিক ও লজিস্টিক অবকাঠামোকে লক্ষ্য করেই তাদের সামরিক অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অন্যদিকে ইউক্রেন পশ্চিমা দেশগুলোর কাছ থেকে আরও শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও সামরিক সহায়তা চাইছে। এই ভিডিওতে ইউক্রেনের বন্দর ও শিল্পাঞ্চলে রুশ হামলা, রাশিয়ার সামরিক কৌশল, ইউক্রেনের পাল্টা অবস্থান, মিয়ামি বৈঠকের সম্ভাবনা, পুতিন ও জেলেনস্কির কূটনৈতিক অবস্থান এবং ইউরোপের অর্থনৈতিক ও জ্বালানি সংকট নিয়ে বিস্তারিত বিশ্লেষণ করা হয়েছে। পুতিন ও জেলেনস্কির সরাসরি বৈঠক কি সত্যিই সম্ভব? মিয়ামি সম্মেলন কি ইউক্রেন যুদ্ধের কূটনৈতিক সমাধানের নতুন দরজা খুলতে পারে? নাকি রাশিয়া ও ইউক্রেনের কঠোর অবস্থানের কারণে যুদ্ধ আরও দীর্ঘায়িত হবে?]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_13-9-26_41.webp" alt="রুশ মিসাইলে তীব্র হামলা! মিয়ামিতে কি মুখোমুখি পুতিন জেলেনস্কি" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>রুশ মিসাইলে তীব্র হামলা! মিয়ামিতে কি মুখোমুখি পুতিন জেলেনস্কি</h1>
            <p>রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধ আবারও নতুন উত্তেজনার দিকে এগোচ্ছে। ইউক্রেনের বিভিন্ন অঞ্চল, বন্দর ও শিল্পকেন্দ্রে রাশিয়ার বিমান ও ড্রোন হামলা নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে চোরনমোরস্ক বন্দরসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে হামলার খবর ইউক্রেনের সামরিক সরবরাহ ও বাণিজ্যিক যোগাযোগ নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। একই সময়ে যুদ্ধের ময়দানের বাইরে শুরু হয়েছে নতুন কূটনৈতিক হিসাব। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি মিয়ামিতে অনুষ্ঠিতব্য জি২০ সম্মেলনের সুযোগে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সরাসরি বৈঠকের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। কিন্তু মস্কোর পক্ষ থেকে বৈঠক নিয়ে কঠোর শর্ত ও অনমনীয় অবস্থানের কথা জানানো হয়েছে। রাশিয়া বলছে ইউক্রেনের সামরিক ও লজিস্টিক অবকাঠামোকে লক্ষ্য করেই তাদের সামরিক অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অন্যদিকে ইউক্রেন পশ্চিমা দেশগুলোর কাছ থেকে আরও শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও সামরিক সহায়তা চাইছে। এই ভিডিওতে ইউক্রেনের বন্দর ও শিল্পাঞ্চলে রুশ হামলা, রাশিয়ার সামরিক কৌশল, ইউক্রেনের পাল্টা অবস্থান, মিয়ামি বৈঠকের সম্ভাবনা, পুতিন ও জেলেনস্কির কূটনৈতিক অবস্থান এবং ইউরোপের অর্থনৈতিক ও জ্বালানি সংকট নিয়ে বিস্তারিত বিশ্লেষণ করা হয়েছে। পুতিন ও জেলেনস্কির সরাসরি বৈঠক কি সত্যিই সম্ভব? মিয়ামি সম্মেলন কি ইউক্রেন যুদ্ধের কূটনৈতিক সমাধানের নতুন দরজা খুলতে পারে? নাকি রাশিয়া ও ইউক্রেনের কঠোর অবস্থানের কারণে যুদ্ধ আরও দীর্ঘায়িত হবে?</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_13-9-26_41.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_13-9-26_41.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_13-9-26_41.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[জাতিসংঘে প্রথম ভাষণ: তারেক রহমান কী বলবেন বিশ্বমঞ্চে?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/exclusive/52052</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/exclusive/52052</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ আল মাসুম]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 13 Sep 2026 21:33:36 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[এক্সক্লুসিভ]]></category>
                <category><![CDATA[সর্বশেষ]]></category>
                        <category><![CDATA[Bangladesh, Tarek Rahman, UN General Assembly, New York, Khalilur Rahman, Rohingya crisis, Bangladesh diplomacy, climate finance, poverty reduction, foreign policy, nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor]]></category>
        
        <description><![CDATA[প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী একুশে সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের উদ্দেশে রওনা হচ্ছেন এবং চব্বিশে সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের একাশিতম অধিবেশনে সরকারপ্রধান হিসেবে প্রথমবার ভাষণ দেবেন। এই ভিডিওতে আমরা বিস্তারিত আলোচনা করেছি, এই ঐতিহাসিক সফরের প্রেক্ষাপট কী, ‘নতুন বাংলাদেশ’ ধারণাটি কীভাবে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরা হবে, এবং কেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের অধিবেশন-সভাপতিত্ব এই সফরকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। আমরা দেখেছি অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার আর দারিদ্র্য বিমোচনের প্রতিশ্রুতি কতটা বাস্তবসম্মত, জলবায়ু অর্থায়ন নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান কী হতে পারে, বিশ্বশান্তি ও বহুপাক্ষিক কূটনীতিতে বাংলাদেশ কোন ভূমিকা নিতে চায়, এবং রোহিঙ্গা সংকটকে আবার আন্তর্জাতিক আলোচনার কেন্দ্রে আনার পরিকল্পনা কেমন। সেইসঙ্গে আলোচনা করেছি, কোন কোন বিষয় এখনো অস্পষ্ট রয়ে গেছে এবং এই ভাষণের সম্ভাব্য প্রভাব বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তিতে কেমন হতে পারে। বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও কূটনীতি সম্পর্কিত এমন আরও গভীর বিশ্লেষণ পেতে চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে নোটিফিকেশন অন করে রাখুন।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/865_1.webp" alt="জাতিসংঘে প্রথম ভাষণ: তারেক রহমান কী বলবেন বিশ্বমঞ্চে?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>জাতিসংঘে প্রথম ভাষণ: তারেক রহমান কী বলবেন বিশ্বমঞ্চে?</h1>
            <p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী একুশে সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের উদ্দেশে রওনা হচ্ছেন এবং চব্বিশে সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের একাশিতম অধিবেশনে সরকারপ্রধান হিসেবে প্রথমবার ভাষণ দেবেন। এই ভিডিওতে আমরা বিস্তারিত আলোচনা করেছি, এই ঐতিহাসিক সফরের প্রেক্ষাপট কী, ‘নতুন বাংলাদেশ’ ধারণাটি কীভাবে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরা হবে, এবং কেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের অধিবেশন-সভাপতিত্ব এই সফরকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। আমরা দেখেছি অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার আর দারিদ্র্য বিমোচনের প্রতিশ্রুতি কতটা বাস্তবসম্মত, জলবায়ু অর্থায়ন নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান কী হতে পারে, বিশ্বশান্তি ও বহুপাক্ষিক কূটনীতিতে বাংলাদেশ কোন ভূমিকা নিতে চায়, এবং রোহিঙ্গা সংকটকে আবার আন্তর্জাতিক আলোচনার কেন্দ্রে আনার পরিকল্পনা কেমন। সেইসঙ্গে আলোচনা করেছি, কোন কোন বিষয় এখনো অস্পষ্ট রয়ে গেছে এবং এই ভাষণের সম্ভাব্য প্রভাব বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তিতে কেমন হতে পারে। বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও কূটনীতি সম্পর্কিত এমন আরও গভীর বিশ্লেষণ পেতে চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে নোটিফিকেশন অন করে রাখুন।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/865_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/865_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/865_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধে কার কী স্বার্থ? আমেরিকা, রাশিয়া, চীন ও ইইউ]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/51904</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/51904</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 11 Sep 2026 17:47:23 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bangla news today, r bangla news live, bbc news bangla, bangla news update, latest bangla news, news18 bangla, bangla breaking news, news18 bangla live, republic bangla live news, republic bangla news live today, bangladesh news, news18 bangla headlines, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh news today, banglanews, banglavision world news, banglavision news today, atn bangla, bbc bangla, ntv bangla, kasba news, banglavision news bulletin today, r bangla live, news, bangla khobor]]></category>
        
        <description><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ছে। ইরান, ইসরায়েল ও আমেরিকার মধ্যে সংঘাতের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। কিন্তু এই আগুনে আসলে কে ঘি ঢালছে? এই ভিডিওতে আমরা বিশ্লেষণ করেছি—আমেরিকা, রাশিয়া, চীন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন এই সংকটে কী অবস্থান নিয়েছে এবং তাদের ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থ কী। - আমেরিকা কেন ইসরায়েলকে সমর্থন করছে? - রাশিয়া কি এই সংঘাতকে কাজে লাগাচ্ছে? - চীন কেন নীরব ভূমিকায় আছে? - ইউরোপের আসল চিন্তা কী?]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/858_3.webp" alt="ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধে কার কী স্বার্থ? আমেরিকা, রাশিয়া, চীন ও ইইউ" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধে কার কী স্বার্থ? আমেরিকা, রাশিয়া, চীন ও ইইউ</h1>
            <p>মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ছে। ইরান, ইসরায়েল ও আমেরিকার মধ্যে সংঘাতের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। কিন্তু এই আগুনে আসলে কে ঘি ঢালছে? এই ভিডিওতে আমরা বিশ্লেষণ করেছি—আমেরিকা, রাশিয়া, চীন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন এই সংকটে কী অবস্থান নিয়েছে এবং তাদের ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থ কী। - আমেরিকা কেন ইসরায়েলকে সমর্থন করছে? - রাশিয়া কি এই সংঘাতকে কাজে লাগাচ্ছে? - চীন কেন নীরব ভূমিকায় আছে? - ইউরোপের আসল চিন্তা কী?</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/858_3.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/858_3.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/858_3.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[আরশোলার দুধে ৩ গুণ শক্তি! বিজ্ঞানীরা কেন অবাক? আবিষ্কার করে ভারতের মুকুটে ‘নোবেল’ পালক]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/51897</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/51897</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 11 Sep 2026 17:47:23 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>
                        <category><![CDATA[cockroach milk, Ig Nobel 2026, cockroach milk science, Ig Nobel chemistry, cockroach milk crystals, Pacific beetle cockroach, Diploptera punctata, protein crystals, science discovery, chemistry research, unusual science, future food, nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor]]></category>
        
        <description><![CDATA[একটি তেলাপোকা কীভাবে এমন এক পুষ্টিকর পদার্থ তৈরি করে, যা বিজ্ঞানীদেরও অবাক করেছে? ২০২৬ সালের Ig Nobel Prize in Chemistry পেয়েছে তেলাপোকার দুধের প্রোটিন ক্রিস্টাল নিয়ে করা গবেষণা। বিশেষ এই তেলাপোকা প্রজাতি জীবন্ত বাচ্চা জন্ম দেয় এবং বাচ্চাদের পুষ্টির জন্য দুধসদৃশ তরল তৈরি করে। ভ্রূণের শরীরে সেই তরল প্রোটিন ক্রিস্টালে পরিণত হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, এসব প্রোটিন ক্রিস্টালের সমান ভরের শক্তি দুগ্ধজাত দুধের প্রোটিনের তুলনায় প্রায় তিন গুণ। তবে এর অর্থ এই নয় যে বাজারে এখন তেলাপোকার দুধ পাওয়া যাবে বা মানুষ এটি সাধারণভাবে খেতে পারবে। বরং এই গবেষণা প্রকৃতির অদ্ভুত পুষ্টি সংরক্ষণ কৌশল এবং ভবিষ্যৎ খাদ্য ও প্রযুক্তি গবেষণার সম্ভাবনা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। এই ভিডিওতে জানুন তেলাপোকার দুধ আসলে কী, কীভাবে এটি প্রোটিন ক্রিস্টালে পরিণত হয়, কেন এর শক্তিঘনত্ব এত বেশি এবং বিজ্ঞানীরা এই অদ্ভুত আবিষ্কার থেকে ভবিষ্যতে কী শিখতে পারেন।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/857_1.webp" alt="আরশোলার দুধে ৩ গুণ শক্তি! বিজ্ঞানীরা কেন অবাক? আবিষ্কার করে ভারতের মুকুটে ‘নোবেল’ পালক" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>আরশোলার দুধে ৩ গুণ শক্তি! বিজ্ঞানীরা কেন অবাক? আবিষ্কার করে ভারতের মুকুটে ‘নোবেল’ পালক</h1>
            <p>একটি তেলাপোকা কীভাবে এমন এক পুষ্টিকর পদার্থ তৈরি করে, যা বিজ্ঞানীদেরও অবাক করেছে? ২০২৬ সালের Ig Nobel Prize in Chemistry পেয়েছে তেলাপোকার দুধের প্রোটিন ক্রিস্টাল নিয়ে করা গবেষণা। বিশেষ এই তেলাপোকা প্রজাতি জীবন্ত বাচ্চা জন্ম দেয় এবং বাচ্চাদের পুষ্টির জন্য দুধসদৃশ তরল তৈরি করে। ভ্রূণের শরীরে সেই তরল প্রোটিন ক্রিস্টালে পরিণত হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, এসব প্রোটিন ক্রিস্টালের সমান ভরের শক্তি দুগ্ধজাত দুধের প্রোটিনের তুলনায় প্রায় তিন গুণ। তবে এর অর্থ এই নয় যে বাজারে এখন তেলাপোকার দুধ পাওয়া যাবে বা মানুষ এটি সাধারণভাবে খেতে পারবে। বরং এই গবেষণা প্রকৃতির অদ্ভুত পুষ্টি সংরক্ষণ কৌশল এবং ভবিষ্যৎ খাদ্য ও প্রযুক্তি গবেষণার সম্ভাবনা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। এই ভিডিওতে জানুন তেলাপোকার দুধ আসলে কী, কীভাবে এটি প্রোটিন ক্রিস্টালে পরিণত হয়, কেন এর শক্তিঘনত্ব এত বেশি এবং বিজ্ঞানীরা এই অদ্ভুত আবিষ্কার থেকে ভবিষ্যতে কী শিখতে পারেন।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/857_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/857_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/857_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইরানের নতুন ইলেকট্রো অপটিক্যাল ক্ষেপণাস্ত্রে তীব্র উত্তেজনা: হরমুজে সর্বোচ্চ সতর্কতায় মার্কিন বাহিনী!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/51896</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/51896</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 11 Sep 2026 17:47:23 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Iran USA conflict, Hormuz Strait, Iran war, Donald Trump, Iran missiles, Hormuz crisis, oil price, crude oil, Middle East conflict, Iran America war, Strait of Hormuz, global oil crisis, nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor]]></category>
        
        <description><![CDATA[হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে ইরান ও আমেরিকার সংঘাত কি এবার বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের দিকে এগোচ্ছে? সামরিক উত্তেজনা, ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, মার্কিন ঘাঁটিতে আঘাত, তেল ট্যাংকারকে ঘিরে সংঘাত এবং হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন উদ্বেগ। এই ভিডিওতে থাকছে জর্ডানে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলার দাবি, মার্কিন যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঘটনা, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা, হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজের ঝুঁকি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়ানোর প্রভাব। বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহ রুট হরমুজ প্রণালীতে বড় ধরনের বাধা তৈরি হলে তার প্রভাব শুধু মধ্যপ্রাচ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। তেল, গ্যাস, পরিবহন ব্যয়, পণ্যদ্রব্যের দাম এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও এর বড় প্রভাব পড়তে পারে। তবে ভিডিওতে উল্লিখিত সামরিক দাবিগুলোর কিছু অংশ স্বাধীনভাবে পুরোপুরি নিশ্চিত নয়। তাই কোন তথ্য নিশ্চিত, কোনটি সংশ্লিষ্ট পক্ষের দাবি এবং কোথায় অনিশ্চয়তা রয়েছে—সেটিও বিশ্লেষণে তুলে ধরা হয়েছে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/854_1.webp" alt="ইরানের নতুন ইলেকট্রো অপটিক্যাল ক্ষেপণাস্ত্রে তীব্র উত্তেজনা: হরমুজে সর্বোচ্চ সতর্কতায় মার্কিন বাহিনী!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইরানের নতুন ইলেকট্রো অপটিক্যাল ক্ষেপণাস্ত্রে তীব্র উত্তেজনা: হরমুজে সর্বোচ্চ সতর্কতায় মার্কিন বাহিনী!</h1>
            <p>হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে ইরান ও আমেরিকার সংঘাত কি এবার বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের দিকে এগোচ্ছে? সামরিক উত্তেজনা, ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, মার্কিন ঘাঁটিতে আঘাত, তেল ট্যাংকারকে ঘিরে সংঘাত এবং হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন উদ্বেগ। এই ভিডিওতে থাকছে জর্ডানে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলার দাবি, মার্কিন যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঘটনা, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা, হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজের ঝুঁকি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়ানোর প্রভাব। বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহ রুট হরমুজ প্রণালীতে বড় ধরনের বাধা তৈরি হলে তার প্রভাব শুধু মধ্যপ্রাচ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। তেল, গ্যাস, পরিবহন ব্যয়, পণ্যদ্রব্যের দাম এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও এর বড় প্রভাব পড়তে পারে। তবে ভিডিওতে উল্লিখিত সামরিক দাবিগুলোর কিছু অংশ স্বাধীনভাবে পুরোপুরি নিশ্চিত নয়। তাই কোন তথ্য নিশ্চিত, কোনটি সংশ্লিষ্ট পক্ষের দাবি এবং কোথায় অনিশ্চয়তা রয়েছে—সেটিও বিশ্লেষণে তুলে ধরা হয়েছে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/854_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/854_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/854_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[নেতানিয়াহু কোথায় ছিলেন? ৩ দিনের রহস্য, ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ও মৃত্যুর গুজবের আসল সত্য]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/51895</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/51895</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 11 Sep 2026 17:47:23 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Benjamin Netanyahu, Netanyahu missing, Netanyahu death rumor, Iran Israel war, Israel Iran conflict, Netanyahu latest, Iran missile attack, Israel war, Middle East war, Netanyahu fact check, Israel news, Iran news, nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor]]></category>
        
        <description><![CDATA[ইরান ও ইসরায়েলের ভয়াবহ সংঘাতের মধ্যে হঠাৎ ছড়িয়ে পড়ে একটি চাঞ্চল্যকর দাবি। ইরানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হয়েছে। এরপর কয়েকদিন নেতানিয়াহুর নতুন ছবি বা ভিডিও প্রকাশ্যে না আসায় সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে নানা গুজব। তিনি কি নিহত হয়েছেন? গুরুতর আহত? নাকি নিরাপত্তার কারণে আত্মগোপনে ছিলেন? এই ভিডিওতে খতিয়ে দেখা হয়েছে সেই তিন দিনের রহস্য, নেতানিয়াহুর কার্যালয়ে হামলার দাবি, জার্মানির দিকে ইসরায়েলি সরকারি বিমানের যাত্রা নিয়ে ছড়ানো গুজব এবং পরবর্তীতে নেতানিয়াহুর প্রকাশ্য উপস্থিতির প্রমাণ। বেইত শেমেশে তার উপস্থিতি, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পরিদর্শন, আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার, পরবর্তী লাইভ সংবাদ সম্মেলন এবং জনসম্মুখে তার বিভিন্ন উপস্থিতি কী ইঙ্গিত দেয়—সেটিও বিশ্লেষণ করা হয়েছে। যুদ্ধের সময়ে তথ্যের সামান্য ফাঁক কীভাবে বড় গুজবে পরিণত হয় এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কীভাবে সেই গুজবকে দ্রুত বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে দেয়, সেটিও এই ভিডিওর গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই ভিডিওর মূল উদ্দেশ্য হলো যুদ্ধকালীন তথ্য, গুজব ও প্রমাণের পার্থক্য বোঝানো। তাই কোনো দাবিকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে গ্রহণ করার আগে কীভাবে যাচাই করা উচিত, সেটিও তুলে ধরা হয়েছে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/856_1.webp" alt="নেতানিয়াহু কোথায় ছিলেন? ৩ দিনের রহস্য, ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ও মৃত্যুর গুজবের আসল সত্য" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>নেতানিয়াহু কোথায় ছিলেন? ৩ দিনের রহস্য, ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ও মৃত্যুর গুজবের আসল সত্য</h1>
            <p>ইরান ও ইসরায়েলের ভয়াবহ সংঘাতের মধ্যে হঠাৎ ছড়িয়ে পড়ে একটি চাঞ্চল্যকর দাবি। ইরানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হয়েছে। এরপর কয়েকদিন নেতানিয়াহুর নতুন ছবি বা ভিডিও প্রকাশ্যে না আসায় সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে নানা গুজব। তিনি কি নিহত হয়েছেন? গুরুতর আহত? নাকি নিরাপত্তার কারণে আত্মগোপনে ছিলেন? এই ভিডিওতে খতিয়ে দেখা হয়েছে সেই তিন দিনের রহস্য, নেতানিয়াহুর কার্যালয়ে হামলার দাবি, জার্মানির দিকে ইসরায়েলি সরকারি বিমানের যাত্রা নিয়ে ছড়ানো গুজব এবং পরবর্তীতে নেতানিয়াহুর প্রকাশ্য উপস্থিতির প্রমাণ। বেইত শেমেশে তার উপস্থিতি, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পরিদর্শন, আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার, পরবর্তী লাইভ সংবাদ সম্মেলন এবং জনসম্মুখে তার বিভিন্ন উপস্থিতি কী ইঙ্গিত দেয়—সেটিও বিশ্লেষণ করা হয়েছে। যুদ্ধের সময়ে তথ্যের সামান্য ফাঁক কীভাবে বড় গুজবে পরিণত হয় এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কীভাবে সেই গুজবকে দ্রুত বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে দেয়, সেটিও এই ভিডিওর গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই ভিডিওর মূল উদ্দেশ্য হলো যুদ্ধকালীন তথ্য, গুজব ও প্রমাণের পার্থক্য বোঝানো। তাই কোনো দাবিকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে গ্রহণ করার আগে কীভাবে যাচাই করা উচিত, সেটিও তুলে ধরা হয়েছে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/856_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/856_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/856_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[১৪৩০ হতাহতের দাবি রাশিয়ার! খারকিভে ইউক্রেনীয় সেনা ঘেরাও?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/51894</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/51894</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 11 Sep 2026 17:47:23 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor, Russia Ukraine war, Kharkiv Ukraine, Russia latest, Ukraine latest, Vladimir Putin, Volodymyr Zelenskyy, Russian military, Ukrainian army, Kharkiv frontline, Ukraine battlefield, Russia Defense Ministry, Ukraine war news]]></category>
        
        <description><![CDATA[ইউক্রেন যুদ্ধের ফ্রন্টলাইনে নতুন করে বড় ধরনের সামরিক উত্তেজনার দাবি করেছে রাশিয়া। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভিন্ন ফ্রন্টে প্রায় ১ হাজার ৪৩০ ইউক্রেনীয় সেনা হতাহত হয়েছে এবং খারকিভ অঞ্চলের কয়েকটি এলাকায় রুশ বাহিনী অগ্রগতি অর্জন করেছে। রাশিয়ার দাবি অনুযায়ী, রুশ বাহিনী খারকিভ অঞ্চলের জারুবিনকা ও গোপতোভকা নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। একই সঙ্গে খারকিভ অঞ্চলের একটি ঘেরাও এলাকায় আটকে থাকা ইউক্রেনীয় সেনাদের বেরিয়ে আসার চেষ্টা প্রতিহত করার কথাও জানিয়েছে মস্কো। এদিকে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরও দাবি করেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ১ হাজার ৩০টি ইউক্রেনীয় ড্রোন এবং একটি নেপচুন ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস বা প্রতিহত করেছে। কৃষ্ণসাগরেও ইউক্রেনীয় তিনটি মানববিহীন নৌযান ধ্বংসের দাবি করা হয়েছে। কিয়েভ ও মস্কোর সামরিক দাবিগুলোর অনেকগুলোই স্বাধীনভাবে তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা কঠিন। তাই এই ভিডিওতে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবিগুলোকে সেই প্রেক্ষাপটেই তুলে ধরা হয়েছে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/855_1.webp" alt="১৪৩০ হতাহতের দাবি রাশিয়ার! খারকিভে ইউক্রেনীয় সেনা ঘেরাও?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>১৪৩০ হতাহতের দাবি রাশিয়ার! খারকিভে ইউক্রেনীয় সেনা ঘেরাও?</h1>
            <p>ইউক্রেন যুদ্ধের ফ্রন্টলাইনে নতুন করে বড় ধরনের সামরিক উত্তেজনার দাবি করেছে রাশিয়া। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভিন্ন ফ্রন্টে প্রায় ১ হাজার ৪৩০ ইউক্রেনীয় সেনা হতাহত হয়েছে এবং খারকিভ অঞ্চলের কয়েকটি এলাকায় রুশ বাহিনী অগ্রগতি অর্জন করেছে। রাশিয়ার দাবি অনুযায়ী, রুশ বাহিনী খারকিভ অঞ্চলের জারুবিনকা ও গোপতোভকা নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। একই সঙ্গে খারকিভ অঞ্চলের একটি ঘেরাও এলাকায় আটকে থাকা ইউক্রেনীয় সেনাদের বেরিয়ে আসার চেষ্টা প্রতিহত করার কথাও জানিয়েছে মস্কো। এদিকে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরও দাবি করেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ১ হাজার ৩০টি ইউক্রেনীয় ড্রোন এবং একটি নেপচুন ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস বা প্রতিহত করেছে। কৃষ্ণসাগরেও ইউক্রেনীয় তিনটি মানববিহীন নৌযান ধ্বংসের দাবি করা হয়েছে। কিয়েভ ও মস্কোর সামরিক দাবিগুলোর অনেকগুলোই স্বাধীনভাবে তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা কঠিন। তাই এই ভিডিওতে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবিগুলোকে সেই প্রেক্ষাপটেই তুলে ধরা হয়েছে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/855_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/855_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/855_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Walton products offer superior quality, durability at affordable prices: Social Welfare Minister]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/51814</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/51814</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 10 Sep 2026 16:58:06 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[Economy]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, news bangla, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, bangla news today, bbc news bangla, latest bangla news, bangla news update, bangla news khabar, live news bangla, bangla live news, news bangla live, bangla news kolkata, kolkata bangla news, news18 bangla, bangla latest news, news18 bangla live, bangladesh news, banglavision news, bangladesh tv news, bangladesh news today, banglanews, dupurer news bangladesh, dupurer bangladesh today news, atn bangla, bbc bangla, ntv bangla, bangla khobor, iran news, taza news]]></category>
        
        <description><![CDATA[Social Welfare Minister Professor Dr A Z M Zahid Hossain is witnessing the high quality tablet manufactured at Walton Headquarters at Chandra in Gazipur Social Welfare Minister Professor Dr A Z M Zahid Hossain has said that Walton is manufacturing high-tech electronics and electrical products, including refrigerators and televisions, as well as high-configuration laptops and tablets. The company manufactures everything from components and parts to fully finished products. “Walton products offer superior quality and durability at affordable prices. Alongside creating significant employment opportunities, Walton is also helping the country save substantial foreign currency through local production of technology products,” he said. The Social Welfare Minister made the remarks while visiting Walton Headquarters at Chandra in Gazipur on Tuesday evening (September 8, 2026). During the visit, he witnessed the manufacturing processes of various world-class, high-tech products, solar power facilities and environmentally sustainable production practices at Walton Headquarters. The minister expressed his admiration after gaining first-hand insights into Bangladesh’s progress in electrical, electronics and high-tech manufacturing, technological capabilities and export activities. Social Welfare Minister Professor Dr A Z M Zahid Hossain and other guests during a visit to Walton Headquarters at Chandra in Gazipur Upon his arrival at Walton Headquarters, the minister was welcomed with flowers by Walton Hi-Tech Industries PLC’s Directors S M Rezaul Alam and S M Monjurul Alam Ovee. The minister began his visit by watching a video documentary highlighting the manufacturing processes of various Walton products. He then toured the display centre showcasing a wide range of technology products manufactured by Walton. Later, he visited different manufacturing facilities, including the PCB or motherboard production plant equipped with state-of-the-art SMT (Surface Mount Technology) machines. He also visited the country’s largest floating solar power plant installed at Walton Headquarters and learned about the company’s technological excellence, quality control, research and development, and export activities. Following the visit, the Social Welfare Minister said, “I previously had mixed perceptions about Walton. I used to think that Walton perhaps only assembled or reassembled products. But after visiting the factory today, my perception has completely changed. I am truly impressed.” Social Welfare Minister Professor Dr A Z M Zahid Hossain and other guests during a visit to SMT (Surface Mounted Technology) Line at Walton Headquarters at Chandra in Gazipur Praising Walton’s environmentally sustainable manufacturing practices, he said, “Walton is using renewable energy, which is a very good initiative.” Highlighting the importance of technology-driven industries to the national economy, the minister said, “We have reached a certain level of advancement in agriculture and the ready-made garment sector. To move forward in the era of the Fourth Industrial Revolution, we now need to accelerate the growth of technology-driven industries like Walton.” “The present government is committed to supporting local industries. The growth and development of domestic industries will create more employment opportunities,” he added. The minister further said, “To support domestic industrialisation, the government has provided tax and policy support in the national budget for FY2026-27. Our all-out support for the growth of local industries will continue.”]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_10-9-26_45.webp" alt="Walton products offer superior quality, durability at affordable prices: Social Welfare Minister" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Walton products offer superior quality, durability at affordable prices: Social Welfare Minister</h1>
            <p>Social Welfare Minister Professor Dr A Z M Zahid Hossain is witnessing the high quality tablet manufactured at Walton Headquarters at Chandra in Gazipur Social Welfare Minister Professor Dr A Z M Zahid Hossain has said that Walton is manufacturing high-tech electronics and electrical products, including refrigerators and televisions, as well as high-configuration laptops and tablets. The company manufactures everything from components and parts to fully finished products. “Walton products offer superior quality and durability at affordable prices. Alongside creating significant employment opportunities, Walton is also helping the country save substantial foreign currency through local production of technology products,” he said. The Social Welfare Minister made the remarks while visiting Walton Headquarters at Chandra in Gazipur on Tuesday evening (September 8, 2026). During the visit, he witnessed the manufacturing processes of various world-class, high-tech products, solar power facilities and environmentally sustainable production practices at Walton Headquarters. The minister expressed his admiration after gaining first-hand insights into Bangladesh’s progress in electrical, electronics and high-tech manufacturing, technological capabilities and export activities. Social Welfare Minister Professor Dr A Z M Zahid Hossain and other guests during a visit to Walton Headquarters at Chandra in Gazipur Upon his arrival at Walton Headquarters, the minister was welcomed with flowers by Walton Hi-Tech Industries PLC’s Directors S M Rezaul Alam and S M Monjurul Alam Ovee. The minister began his visit by watching a video documentary highlighting the manufacturing processes of various Walton products. He then toured the display centre showcasing a wide range of technology products manufactured by Walton. Later, he visited different manufacturing facilities, including the PCB or motherboard production plant equipped with state-of-the-art SMT (Surface Mount Technology) machines. He also visited the country’s largest floating solar power plant installed at Walton Headquarters and learned about the company’s technological excellence, quality control, research and development, and export activities. Following the visit, the Social Welfare Minister said, “I previously had mixed perceptions about Walton. I used to think that Walton perhaps only assembled or reassembled products. But after visiting the factory today, my perception has completely changed. I am truly impressed.” Social Welfare Minister Professor Dr A Z M Zahid Hossain and other guests during a visit to SMT (Surface Mounted Technology) Line at Walton Headquarters at Chandra in Gazipur Praising Walton’s environmentally sustainable manufacturing practices, he said, “Walton is using renewable energy, which is a very good initiative.” Highlighting the importance of technology-driven industries to the national economy, the minister said, “We have reached a certain level of advancement in agriculture and the ready-made garment sector. To move forward in the era of the Fourth Industrial Revolution, we now need to accelerate the growth of technology-driven industries like Walton.” “The present government is committed to supporting local industries. The growth and development of domestic industries will create more employment opportunities,” he added. The minister further said, “To support domestic industrialisation, the government has provided tax and policy support in the national budget for FY2026-27. Our all-out support for the growth of local industries will continue.”</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_10-9-26_45.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_10-9-26_45.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_10-9-26_45.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ওয়ালটন পণ্যের মান ও স্থায়িত্ব উন্নত, দামেও সাশ্রয়ী: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী]]></title>
        <link>https://nbs24.org/economy/51809</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/economy/51809</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 10 Sep 2026 16:58:06 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
                <category><![CDATA[করপোরেট খবর]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, news bangla, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, bangla news today, bbc news bangla, latest bangla news, bangla news update, bangla news khabar, live news bangla, bangla live news, news bangla live, bangla news kolkata, kolkata bangla news, news18 bangla, bangla latest news, news18 bangla live, bangladesh news, banglavision news, bangladesh tv news, bangladesh news today, banglanews, dupurer news bangladesh, dupurer bangladesh today news, atn bangla, bbc bangla, ntv bangla, bangla khobor, iran news, taza news]]></category>
        
        <description><![CDATA[গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্সে তৈরি উন্নতমানের ট্যাব হাতে নিয়ে দেখছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, ওয়ালটন ফ্রিজ-টেলিভিশনের মতো উচ্চ প্রযুক্তির ইলেকট্রনিক্স ও ইলেকট্রিক্যাল পণ্যের পাশাপাশি বিভিন্ন হাই-কনফিগারেশনের ল্যাপটপ ও ট্যাব তৈরি করছে। খুচরা যন্ত্রাংশ থেকে শুরু করে সম্পূর্ণ ফিনিশড পণ্য উৎপাদন করছে। ওয়ালটন পণ্যের মান ও স্থায়িত্ব যেমন উন্নত, তেমনি দামের দিক থেকেও সাশ্রয়ী। বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রাও সাশ্রয় করছে ওয়ালটন। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) সন্ধ্যায় গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্স পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী। পরিদর্শনকালে তিনি ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্সে আন্তর্জাতিক মানের অত্যাধুনিক প্রযুক্তিপণ্যের উৎপাদন কার্যক্রম, সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট ও পরিবেশবান্ধব উৎপাদনব্যবস্থা সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করেন। ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিক্স ও হাই-টেক পণ্য উৎপাদনে বাংলাদেশের অগ্রগতি, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং রপ্তানি কার্যক্রম সম্পর্কে ধারণা নিয়ে তিনি অভিভূত হন। গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্স পরিদর্শনকালে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনসহ অতিথিবৃন্দ এর আগে ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্সে পৌঁছালে সমাজকল্যাণ মন্ত্রীকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির পরিচালক এস এম রেজাউল আলম এবং এস এম মঞ্জুরুল আলম অভি। হেডকোয়ার্টার্সে পৌঁছে মন্ত্রী প্রথমে ওয়ালটনের বিভিন্ন পণ্যের উৎপাদনপ্রক্রিয়ার ওপর নির্মিত একটি ভিডিও ডকুমেন্টারি দেখেন। এরপর তিনি ওয়ালটনের তৈরি বিভিন্ন প্রযুক্তিপণ্যে সুসজ্জিত ডিসপ্লে সেন্টার ঘুরে দেখেন। পরে তিনি অত্যাধুনিক এসএমটি (সারফেস মাউন্ট টেকনোলজি) মেশিনে পিসিবি বা মাদারবোর্ড উৎপাদন কার্যক্রমসহ বিভিন্ন পণ্যের উৎপাদনপ্রক্রিয়া ঘুরে দেখেন। এ ছাড়া ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্সে স্থাপিত দেশের সর্ববৃহৎ ফ্লোটিং সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি ওয়ালটনের প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ, মান নিয়ন্ত্রণ, গবেষণা ও উন্নয়ন এবং রপ্তানি কার্যক্রম সম্পর্কে ধারণা নেন। পরিদর্শন শেষে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, ওয়ালটন সম্পর্কে আমার একটি মিশ্র ধারণা ছিল। এতদিন মনে করতাম, ওয়ালটন হয়তো অ্যাসেম্বলিং বা রি-অ্যাসেম্বলিং করে। কিন্তু আজ কারখানা পরিদর্শন করে আমার সেই ধারণা পুরোপুরি পাল্টে গেছে। আমি অভিভূত। গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্সে এসএমটি (সারফেস মাউন্টেড টেকনোলজি) লাইন পরিদর্শন করছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনসহ অতিথিবৃন্দ ওয়ালটনের পরিবেশবান্ধব উৎপাদন কার্যক্রমের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ওয়ালটন রিনিউয়েবল এনার্জি ব্যবহার করছে। এটি খুবই ভালো একটি উদ্যোগ। দেশের অর্থনীতিতে প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পের গুরুত্ব তুলে ধরে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আরও বলেন, কৃষি ও তৈরি পোশাকশিল্পে আমরা একটি নির্দিষ্ট পর্যায়ে পৌঁছেছি। এখন চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের পথে এগিয়ে যেতে ওয়ালটনের মতো প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পের বিকাশ ঘটাতে হবে। বর্তমান সরকার দেশীয় শিল্পবান্ধব। দেশীয় শিল্পের উন্নয়ন ও বিকাশ ঘটলে কর্মসংস্থান বাড়বে। তিনি বলেন, দেশীয় শিল্পায়নের স্বার্থে সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে কর ও নীতিসহায়তা প্রদান করেছে। দেশীয় শিল্পের বিকাশে আমাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_10-9-26_43.webp" alt="ওয়ালটন পণ্যের মান ও স্থায়িত্ব উন্নত, দামেও সাশ্রয়ী: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ওয়ালটন পণ্যের মান ও স্থায়িত্ব উন্নত, দামেও সাশ্রয়ী: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী</h1>
            <p>গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্সে তৈরি উন্নতমানের ট্যাব হাতে নিয়ে দেখছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, ওয়ালটন ফ্রিজ-টেলিভিশনের মতো উচ্চ প্রযুক্তির ইলেকট্রনিক্স ও ইলেকট্রিক্যাল পণ্যের পাশাপাশি বিভিন্ন হাই-কনফিগারেশনের ল্যাপটপ ও ট্যাব তৈরি করছে। খুচরা যন্ত্রাংশ থেকে শুরু করে সম্পূর্ণ ফিনিশড পণ্য উৎপাদন করছে। ওয়ালটন পণ্যের মান ও স্থায়িত্ব যেমন উন্নত, তেমনি দামের দিক থেকেও সাশ্রয়ী। বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রাও সাশ্রয় করছে ওয়ালটন। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) সন্ধ্যায় গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্স পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী। পরিদর্শনকালে তিনি ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্সে আন্তর্জাতিক মানের অত্যাধুনিক প্রযুক্তিপণ্যের উৎপাদন কার্যক্রম, সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট ও পরিবেশবান্ধব উৎপাদনব্যবস্থা সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করেন। ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিক্স ও হাই-টেক পণ্য উৎপাদনে বাংলাদেশের অগ্রগতি, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং রপ্তানি কার্যক্রম সম্পর্কে ধারণা নিয়ে তিনি অভিভূত হন। গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্স পরিদর্শনকালে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনসহ অতিথিবৃন্দ এর আগে ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্সে পৌঁছালে সমাজকল্যাণ মন্ত্রীকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির পরিচালক এস এম রেজাউল আলম এবং এস এম মঞ্জুরুল আলম অভি। হেডকোয়ার্টার্সে পৌঁছে মন্ত্রী প্রথমে ওয়ালটনের বিভিন্ন পণ্যের উৎপাদনপ্রক্রিয়ার ওপর নির্মিত একটি ভিডিও ডকুমেন্টারি দেখেন। এরপর তিনি ওয়ালটনের তৈরি বিভিন্ন প্রযুক্তিপণ্যে সুসজ্জিত ডিসপ্লে সেন্টার ঘুরে দেখেন। পরে তিনি অত্যাধুনিক এসএমটি (সারফেস মাউন্ট টেকনোলজি) মেশিনে পিসিবি বা মাদারবোর্ড উৎপাদন কার্যক্রমসহ বিভিন্ন পণ্যের উৎপাদনপ্রক্রিয়া ঘুরে দেখেন। এ ছাড়া ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্সে স্থাপিত দেশের সর্ববৃহৎ ফ্লোটিং সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি ওয়ালটনের প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ, মান নিয়ন্ত্রণ, গবেষণা ও উন্নয়ন এবং রপ্তানি কার্যক্রম সম্পর্কে ধারণা নেন। পরিদর্শন শেষে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, ওয়ালটন সম্পর্কে আমার একটি মিশ্র ধারণা ছিল। এতদিন মনে করতাম, ওয়ালটন হয়তো অ্যাসেম্বলিং বা রি-অ্যাসেম্বলিং করে। কিন্তু আজ কারখানা পরিদর্শন করে আমার সেই ধারণা পুরোপুরি পাল্টে গেছে। আমি অভিভূত। গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্সে এসএমটি (সারফেস মাউন্টেড টেকনোলজি) লাইন পরিদর্শন করছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনসহ অতিথিবৃন্দ ওয়ালটনের পরিবেশবান্ধব উৎপাদন কার্যক্রমের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ওয়ালটন রিনিউয়েবল এনার্জি ব্যবহার করছে। এটি খুবই ভালো একটি উদ্যোগ। দেশের অর্থনীতিতে প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পের গুরুত্ব তুলে ধরে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আরও বলেন, কৃষি ও তৈরি পোশাকশিল্পে আমরা একটি নির্দিষ্ট পর্যায়ে পৌঁছেছি। এখন চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের পথে এগিয়ে যেতে ওয়ালটনের মতো প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পের বিকাশ ঘটাতে হবে। বর্তমান সরকার দেশীয় শিল্পবান্ধব। দেশীয় শিল্পের উন্নয়ন ও বিকাশ ঘটলে কর্মসংস্থান বাড়বে। তিনি বলেন, দেশীয় শিল্পায়নের স্বার্থে সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে কর ও নীতিসহায়তা প্রদান করেছে। দেশীয় শিল্পের বিকাশে আমাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_10-9-26_43.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_10-9-26_43.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_10-9-26_43.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইউক্রেনের সেনা ঘাঁটি একটার পর একটা ধ্বংস!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/51784</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/51784</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 10 Sep 2026 07:33:57 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor, Russia Ukraine war, Russia Ukraine conflict, Russia Ukraine war update, Vladimir Putin, Volodymyr Zelenskyy, Donald Trump, Ukraine war news, Russia military, Ukraine military, Ukraine military crisis, Russia Ukraine latest, geopolitics]]></category>
        
        <description><![CDATA[রাশিয়া–ইউক্রেন সংঘাতের সর্বশেষ সামরিক পরিস্থিতি নিয়ে আজকের আলোচনায় থাকছে ইউক্রেনের সামরিক রসদ, জ্বালানি ভাণ্ডার, লজিস্টিক হাব, ড্রোন উৎপাদন কেন্দ্র এবং গুরুত্বপূর্ণ বন্দরগুলোতে রুশ হামলার দাবি। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, কিয়েভ, ওডেসা, নিকোলায়েভ ও খারকিভসহ বিভিন্ন এলাকায় সামরিক অবকাঠামো ও সরবরাহ ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। একই সঙ্গে খারকিভ অঞ্চলে ইউক্রেনীয় বাহিনীর পরিস্থিতি, রুশ ড্রোন সমর্থিত অগ্রগতি এবং ইউক্রেনের অস্ত্র ও জ্বালানি সংকট নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে। ভিডিওতে আরও থাকছে রাশিয়ার শান্তি আলোচনার শর্ত, NATO নিয়ে মস্কোর অবস্থান, যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য ভূমিকা এবং প্রেসিডেন্ট Donald Trump ও Vladimir Putin-এর আলোচনাকে ঘিরে নতুন কূটনৈতিক সমীকরণ। পাশাপাশি পশ্চিমা সামরিক সহায়তা, Patriot interceptor-এর ঘাটতি, ইউক্রেনকে সহায়তা নিয়ে ইউরোপের অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্য এবং চলমান যুদ্ধের সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ নিয়েও বিশ্লেষণ থাকবে। এই ভিডিওতে উল্লিখিত সামরিক দাবিগুলো সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য ও প্রতিবেদনের ভিত্তিতে উপস্থাপিত। যুদ্ধকালীন তথ্য দ্রুত পরিবর্তিত হতে পারে এবং বিভিন্ন পক্ষের বক্তব্যে পার্থক্য থাকতে পারে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/852_1.webp" alt="ইউক্রেনের সেনা ঘাঁটি একটার পর একটা ধ্বংস!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইউক্রেনের সেনা ঘাঁটি একটার পর একটা ধ্বংস!</h1>
            <p>রাশিয়া–ইউক্রেন সংঘাতের সর্বশেষ সামরিক পরিস্থিতি নিয়ে আজকের আলোচনায় থাকছে ইউক্রেনের সামরিক রসদ, জ্বালানি ভাণ্ডার, লজিস্টিক হাব, ড্রোন উৎপাদন কেন্দ্র এবং গুরুত্বপূর্ণ বন্দরগুলোতে রুশ হামলার দাবি। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, কিয়েভ, ওডেসা, নিকোলায়েভ ও খারকিভসহ বিভিন্ন এলাকায় সামরিক অবকাঠামো ও সরবরাহ ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। একই সঙ্গে খারকিভ অঞ্চলে ইউক্রেনীয় বাহিনীর পরিস্থিতি, রুশ ড্রোন সমর্থিত অগ্রগতি এবং ইউক্রেনের অস্ত্র ও জ্বালানি সংকট নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে। ভিডিওতে আরও থাকছে রাশিয়ার শান্তি আলোচনার শর্ত, NATO নিয়ে মস্কোর অবস্থান, যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য ভূমিকা এবং প্রেসিডেন্ট Donald Trump ও Vladimir Putin-এর আলোচনাকে ঘিরে নতুন কূটনৈতিক সমীকরণ। পাশাপাশি পশ্চিমা সামরিক সহায়তা, Patriot interceptor-এর ঘাটতি, ইউক্রেনকে সহায়তা নিয়ে ইউরোপের অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্য এবং চলমান যুদ্ধের সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ নিয়েও বিশ্লেষণ থাকবে। এই ভিডিওতে উল্লিখিত সামরিক দাবিগুলো সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য ও প্রতিবেদনের ভিত্তিতে উপস্থাপিত। যুদ্ধকালীন তথ্য দ্রুত পরিবর্তিত হতে পারে এবং বিভিন্ন পক্ষের বক্তব্যে পার্থক্য থাকতে পারে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/852_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/852_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/852_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন ড্রোন আটক? ইরানের দাবি, আমেরিকার জবাব]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/51783</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/51783</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 10 Sep 2026 07:33:57 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Iran, USA, Strait of Hormuz, Hormuz Strait, IRGC, US Navy, underwater drone, Dive LD, Anduril, Iran USA tensions, Middle East geopolitics, military technology, nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor]]></category>
        
        <description><![CDATA[হরমুজ প্রণালীতে একটি মার্কিন চালকবিহীন Underwater Drone আটক করার দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা IRGC। ইরানি পক্ষের দাবি, ‘Dive-LD’ নামের এই অত্যাধুনিক ডুবোজাহাজ ড্রোনটি সমুদ্রের গভীরে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল। অন্যদিকে মার্কিন Central Command বা CENTCOM-এর বক্তব্য সম্পূর্ণ ভিন্ন। তাদের দাবি, ড্রোনটি আগেই বিকল হয়ে পড়েছিল এবং এতে কোনো সংবেদনশীল তথ্য বা গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সিস্টেম ছিল না। নির্মাতা Anduril-ও এটিকে এমন একটি ‘attritable’ সিস্টেম হিসেবে বর্ণনা করেছে, যা হারিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি মাথায় রেখেই তৈরি। তাহলে আসলে কী ঘটেছিল? ইরান কি সত্যিই মার্কিন Underwater প্রযুক্তির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতে পেয়েছে, নাকি এটি ছিল একটি বিকল ও তুলনামূলকভাবে কম গুরুত্বপূর্ণ ড্রোন? হরমুজ প্রণালীতে এই ঘটনা কেন এত গুরুত্বপূর্ণ এবং এর প্রভাব কি মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে পড়তে পারে? এই ভিডিওতে থাকছে ইরান ও আমেরিকার পাল্টাপাল্টি দাবি, Underwater Drone প্রযুক্তি, Hormuz Strait-এর কৌশলগত গুরুত্ব এবং এই ঘটনার সম্ভাব্য ভূরাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত বিশ্লেষণ। আপনার মতে এটি কি ইরানের বড় গোয়েন্দা জয়, নাকি মার্কিন পক্ষের দাবি অনুযায়ী একটি সাধারণ বিকল ড্রোন?]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_10-9-26_42.webp" alt="হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন ড্রোন আটক? ইরানের দাবি, আমেরিকার জবাব" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন ড্রোন আটক? ইরানের দাবি, আমেরিকার জবাব</h1>
            <p>হরমুজ প্রণালীতে একটি মার্কিন চালকবিহীন Underwater Drone আটক করার দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা IRGC। ইরানি পক্ষের দাবি, ‘Dive-LD’ নামের এই অত্যাধুনিক ডুবোজাহাজ ড্রোনটি সমুদ্রের গভীরে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল। অন্যদিকে মার্কিন Central Command বা CENTCOM-এর বক্তব্য সম্পূর্ণ ভিন্ন। তাদের দাবি, ড্রোনটি আগেই বিকল হয়ে পড়েছিল এবং এতে কোনো সংবেদনশীল তথ্য বা গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সিস্টেম ছিল না। নির্মাতা Anduril-ও এটিকে এমন একটি ‘attritable’ সিস্টেম হিসেবে বর্ণনা করেছে, যা হারিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি মাথায় রেখেই তৈরি। তাহলে আসলে কী ঘটেছিল? ইরান কি সত্যিই মার্কিন Underwater প্রযুক্তির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতে পেয়েছে, নাকি এটি ছিল একটি বিকল ও তুলনামূলকভাবে কম গুরুত্বপূর্ণ ড্রোন? হরমুজ প্রণালীতে এই ঘটনা কেন এত গুরুত্বপূর্ণ এবং এর প্রভাব কি মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে পড়তে পারে? এই ভিডিওতে থাকছে ইরান ও আমেরিকার পাল্টাপাল্টি দাবি, Underwater Drone প্রযুক্তি, Hormuz Strait-এর কৌশলগত গুরুত্ব এবং এই ঘটনার সম্ভাব্য ভূরাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত বিশ্লেষণ। আপনার মতে এটি কি ইরানের বড় গোয়েন্দা জয়, নাকি মার্কিন পক্ষের দাবি অনুযায়ী একটি সাধারণ বিকল ড্রোন?</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_10-9-26_42.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_10-9-26_42.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_10-9-26_42.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[আল্পসের বরফ গলছে ইউরোপ কি বিপদে]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/51782</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/51782</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 10 Sep 2026 07:33:57 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[Alps, Alps Mountains, Alps Glacier, Climate Change, Global Warming, Melting Glaciers, Permafrost, Europe Climate Change, Mont Blanc, Glacier Melting, Rockfall, Climate Crisis, nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor]]></category>
        
        <description><![CDATA[আল্পস পর্বতমালা—ইউরোপের ছাদ হিসেবে পরিচিত এই বিশাল পর্বতশ্রেণি এখন জলবায়ু পরিবর্তনের গভীর প্রভাবের মুখোমুখি। তীব্র তাপপ্রবাহ, গলতে থাকা পারমাফ্রস্ট এবং দ্রুত পিছিয়ে যাওয়া হিমবাহ আল্পসের পাহাড়ি পরিবেশকে ক্রমেই অস্থিতিশীল করে তুলছে। মন্ট ব্ল্যাংক অঞ্চলে বাড়তে থাকা পাথর ধস, ঝুঁকিপূর্ণ ক্লাইম্বিং রুট এবং হিমবাহের দ্রুত সংকোচন শুধু পর্বতারোহীদের জন্য নয়, পাহাড়ি জনবসতি ও অবকাঠামোর জন্যও নতুন ঝুঁকি তৈরি করছে। এই ভিডিওতে আমরা জানব আল্পসের পারমাফ্রস্ট কীভাবে পাহাড়কে স্থিতিশীল রাখে, তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে কেন সেই প্রাকৃতিক বন্ধন দুর্বল হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে এর প্রভাব কতটা গুরুতর হতে পারে। আল্পসের এই পরিবর্তন কি শুধু ইউরোপের সংকট, নাকি পুরো বিশ্বের জন্য একটি সতর্কবার্তা? আপনার মতামত কমেন্টে জানান।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_10-9-26_41.webp" alt="আল্পসের বরফ গলছে ইউরোপ কি বিপদে" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>আল্পসের বরফ গলছে ইউরোপ কি বিপদে</h1>
            <p>আল্পস পর্বতমালা—ইউরোপের ছাদ হিসেবে পরিচিত এই বিশাল পর্বতশ্রেণি এখন জলবায়ু পরিবর্তনের গভীর প্রভাবের মুখোমুখি। তীব্র তাপপ্রবাহ, গলতে থাকা পারমাফ্রস্ট এবং দ্রুত পিছিয়ে যাওয়া হিমবাহ আল্পসের পাহাড়ি পরিবেশকে ক্রমেই অস্থিতিশীল করে তুলছে। মন্ট ব্ল্যাংক অঞ্চলে বাড়তে থাকা পাথর ধস, ঝুঁকিপূর্ণ ক্লাইম্বিং রুট এবং হিমবাহের দ্রুত সংকোচন শুধু পর্বতারোহীদের জন্য নয়, পাহাড়ি জনবসতি ও অবকাঠামোর জন্যও নতুন ঝুঁকি তৈরি করছে। এই ভিডিওতে আমরা জানব আল্পসের পারমাফ্রস্ট কীভাবে পাহাড়কে স্থিতিশীল রাখে, তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে কেন সেই প্রাকৃতিক বন্ধন দুর্বল হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে এর প্রভাব কতটা গুরুতর হতে পারে। আল্পসের এই পরিবর্তন কি শুধু ইউরোপের সংকট, নাকি পুরো বিশ্বের জন্য একটি সতর্কবার্তা? আপনার মতামত কমেন্টে জানান।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_10-9-26_41.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_10-9-26_41.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_10-9-26_41.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[রুমিন ফারহানার বিএনপিকে ঘিরে ভন্ডামি দাবি: গ্যাস বিদ্যুৎ সংকট, দুর্নীতি ও খেলাপি ঋণের দায় কার ঘাড়ে]]></title>
        <link>https://nbs24.org/exclusive/51781</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/exclusive/51781</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ আল মাসুম]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 10 Sep 2026 07:33:57 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[এক্সক্লুসিভ]]></category>
                <category><![CDATA[সর্বশেষ]]></category>
                        <category><![CDATA[Bangladesh politics, BNP, Rumin Farhana, Tarique Rahman, Bangladesh Parliament, Bangladesh economy, political analysis, BNP government, Bangladesh corruption, loan default Bangladesh, Bangladesh fuel crisis, parliamentary debate, nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor]]></category>
        
        <description><![CDATA[জাতীয় সংসদে বিএনপির সম্ভাব্য সরকার পরিচালনা, গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট, সার সংকট, দুর্নীতি এবং খেলাপি ঋণ নিয়ে করা বক্তব্য ঘিরে তৈরি হয়েছে তীব্র বিতর্ক। কিন্তু এসব দাবির পেছনে থাকা তথ্য, ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট এবং বাংলাদেশের অর্থনীতির বাস্তব চিত্র কী বলছে? এই বিশ্লেষণে আমরা দেখব জ্বালানি ও সার সংকটের পেছনে আন্তর্জাতিক কারণ কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল, খেলাপি ঋণের বর্তমান বিশাল অঙ্ক কীভাবে দৃশ্যমান হলো এবং অতীতের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তগুলো বর্তমান পরিস্থিতিকে কতটা প্রভাবিত করেছে। সংসদীয় বক্তব্য, রাজনৈতিক দাবি এবং অর্থনৈতিক বাস্তবতার মধ্যে কোথায় রয়েছে পার্থক্য—সেটিই বিশ্লেষণ করা হয়েছে এই ভিডিওতে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/853_1.webp" alt="রুমিন ফারহানার বিএনপিকে ঘিরে ভন্ডামি দাবি: গ্যাস বিদ্যুৎ সংকট, দুর্নীতি ও খেলাপি ঋণের দায় কার ঘাড়ে" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>রুমিন ফারহানার বিএনপিকে ঘিরে ভন্ডামি দাবি: গ্যাস বিদ্যুৎ সংকট, দুর্নীতি ও খেলাপি ঋণের দায় কার ঘাড়ে</h1>
            <p>জাতীয় সংসদে বিএনপির সম্ভাব্য সরকার পরিচালনা, গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট, সার সংকট, দুর্নীতি এবং খেলাপি ঋণ নিয়ে করা বক্তব্য ঘিরে তৈরি হয়েছে তীব্র বিতর্ক। কিন্তু এসব দাবির পেছনে থাকা তথ্য, ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট এবং বাংলাদেশের অর্থনীতির বাস্তব চিত্র কী বলছে? এই বিশ্লেষণে আমরা দেখব জ্বালানি ও সার সংকটের পেছনে আন্তর্জাতিক কারণ কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল, খেলাপি ঋণের বর্তমান বিশাল অঙ্ক কীভাবে দৃশ্যমান হলো এবং অতীতের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তগুলো বর্তমান পরিস্থিতিকে কতটা প্রভাবিত করেছে। সংসদীয় বক্তব্য, রাজনৈতিক দাবি এবং অর্থনৈতিক বাস্তবতার মধ্যে কোথায় রয়েছে পার্থক্য—সেটিই বিশ্লেষণ করা হয়েছে এই ভিডিওতে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/853_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/853_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/853_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[৬ মাসে প্রায় দ্বিগুণ পোলাও চালের দাম! রপ্তানি নাকি মজুতদারি, আসল দোষী কে?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/exclusive/51742</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/exclusive/51742</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ আল মাসুম]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 09 Sep 2026 18:11:03 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[এক্সক্লুসিভ]]></category>
                <category><![CDATA[সর্বশেষ]]></category>
                        <category><![CDATA[Pulao Rice Price, Bangladesh Rice Price, Rice Price Bangladesh, Pulao Rice Bangladesh, Rice Market Bangladesh, Food Price Bangladesh, Bangladesh Economy, Rice Export Bangladesh, Rice Hoarding, Rice Crisis Bangladesh, চালের দাম, পোলাও চাল, nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor]]></category>
        
        <description><![CDATA[পোলাও চালের দাম মাত্র ছয় মাসে প্রায় দ্বিগুণ হয়ে কেজিপ্রতি ২৩০ টাকায় পৌঁছেছে। খোলা বাজারেও বেড়েছে সুগন্ধি চালের দাম। অথচ দেশে পোলাও চালের উৎপাদন আগের বছরের তুলনায় বেড়েছে। তাহলে দাম কমার বদলে কেন এত বাড়ছে? এই ভিডিওতে থাকছে পোলাও চালের মূল্যবৃদ্ধির পেছনে রপ্তানি, বাজারে কৃত্রিম সংকট, বড় মিল ও ব্যবসায়ীদের মজুতদারি এবং সরকারি নিয়ন্ত্রণের ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা। কৃষক কেন উচ্চমূল্যের সুফল পাচ্ছেন না, আর সাধারণ ভোক্তাকেই কেন বেশি দাম দিতে হচ্ছে—সেটিও তুলে ধরা হয়েছে। রপ্তানি নাকি মজুতদারি—আপনার মতে পোলাও চালের দাম বৃদ্ধির আসল কারণ কোনটি? কমেন্টে আপনার মতামত জানান।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/849_1.webp" alt="৬ মাসে প্রায় দ্বিগুণ পোলাও চালের দাম! রপ্তানি নাকি মজুতদারি, আসল দোষী কে?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>৬ মাসে প্রায় দ্বিগুণ পোলাও চালের দাম! রপ্তানি নাকি মজুতদারি, আসল দোষী কে?</h1>
            <p>পোলাও চালের দাম মাত্র ছয় মাসে প্রায় দ্বিগুণ হয়ে কেজিপ্রতি ২৩০ টাকায় পৌঁছেছে। খোলা বাজারেও বেড়েছে সুগন্ধি চালের দাম। অথচ দেশে পোলাও চালের উৎপাদন আগের বছরের তুলনায় বেড়েছে। তাহলে দাম কমার বদলে কেন এত বাড়ছে? এই ভিডিওতে থাকছে পোলাও চালের মূল্যবৃদ্ধির পেছনে রপ্তানি, বাজারে কৃত্রিম সংকট, বড় মিল ও ব্যবসায়ীদের মজুতদারি এবং সরকারি নিয়ন্ত্রণের ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা। কৃষক কেন উচ্চমূল্যের সুফল পাচ্ছেন না, আর সাধারণ ভোক্তাকেই কেন বেশি দাম দিতে হচ্ছে—সেটিও তুলে ধরা হয়েছে। রপ্তানি নাকি মজুতদারি—আপনার মতে পোলাও চালের দাম বৃদ্ধির আসল কারণ কোনটি? কমেন্টে আপনার মতামত জানান।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/849_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/849_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/849_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[হরমুজে ইরানের পাল্টা আঘাত নতুন যুদ্ধ: জর্ডানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, হরমুজে তেল জাহাজে আগুন]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/51741</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/51741</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 09 Sep 2026 18:11:03 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Iran America conflict, Iran US war, Iran missile attack, Jordan US base, Hormuz Strait, IRGC, Iran Israel conflict, Middle East crisis, US military, Iranian missiles, oil tanker attack, Hormuz crisis, nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor]]></category>
        
        <description><![CDATA[হরমুজ প্রণালীতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। মার্কিন বাহিনী ইরানি তেল ট্যাঙ্কারে হামলা চালানোর পর ইরানের Islamic Revolutionary Guard Corps বা IRGC পাল্টা হামলার দাবি করেছে। ইরানের দাবি অনুযায়ী, দুটি মার্কিন জাহাজ ও আটটি তেল ট্যাঙ্কার হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। এই ভিডিওতে থাকছে মার্কিন ও ইরানের পাল্টাপাল্টি সামরিক পদক্ষেপ, Hormuz Strait-এর কৌশলগত গুরুত্ব, Kharg Island-এর তেল অবকাঠামো, আন্তর্জাতিক শিপিংয়ে সম্ভাব্য প্রভাব এবং বিশ্ববাজারে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা। তবে ইরানের হামলার দাবি এবং ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্যের কিছু অংশ এখনও স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। তাই ভিডিওতে নিশ্চিত তথ্যের পাশাপাশি যেসব দাবি এখনও যাচাইয়ের অপেক্ষায় রয়েছে, সেগুলো আলাদাভাবে তুলে ধরা হয়েছে। হরমুজ প্রণালীতে সংঘাত আরও বাড়লে শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, বৈশ্বিক তেল সরবরাহ, জ্বালানির দাম, মুদ্রাস্ফীতি এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যেও বড় প্রভাব পড়তে পারে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/848_1.webp" alt="হরমুজে ইরানের পাল্টা আঘাত নতুন যুদ্ধ: জর্ডানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, হরমুজে তেল জাহাজে আগুন" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>হরমুজে ইরানের পাল্টা আঘাত নতুন যুদ্ধ: জর্ডানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, হরমুজে তেল জাহাজে আগুন</h1>
            <p>হরমুজ প্রণালীতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। মার্কিন বাহিনী ইরানি তেল ট্যাঙ্কারে হামলা চালানোর পর ইরানের Islamic Revolutionary Guard Corps বা IRGC পাল্টা হামলার দাবি করেছে। ইরানের দাবি অনুযায়ী, দুটি মার্কিন জাহাজ ও আটটি তেল ট্যাঙ্কার হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। এই ভিডিওতে থাকছে মার্কিন ও ইরানের পাল্টাপাল্টি সামরিক পদক্ষেপ, Hormuz Strait-এর কৌশলগত গুরুত্ব, Kharg Island-এর তেল অবকাঠামো, আন্তর্জাতিক শিপিংয়ে সম্ভাব্য প্রভাব এবং বিশ্ববাজারে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা। তবে ইরানের হামলার দাবি এবং ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্যের কিছু অংশ এখনও স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। তাই ভিডিওতে নিশ্চিত তথ্যের পাশাপাশি যেসব দাবি এখনও যাচাইয়ের অপেক্ষায় রয়েছে, সেগুলো আলাদাভাবে তুলে ধরা হয়েছে। হরমুজ প্রণালীতে সংঘাত আরও বাড়লে শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, বৈশ্বিক তেল সরবরাহ, জ্বালানির দাম, মুদ্রাস্ফীতি এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যেও বড় প্রভাব পড়তে পারে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/848_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/848_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/848_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[হরমুজে এক রাতেই পাঁচ ইরানি ট্যাংকার ধ্বংস, উপসাগরে যুদ্ধের আগুন জ্বলছে]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/51740</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/51740</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 09 Sep 2026 18:11:03 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Iran USA war, Iran attack, US attack Iran, Strait of Hormuz, Iran oil tankers, Iranian oil tanker destroyed, Iran war latest, USA Iran conflict, Middle East war, Iran missile attack, Trump Iran, Kharg Island, nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor]]></category>
        
        <description><![CDATA[মার্কিন হামলায় এক রাতেই পাঁচটি ইরানি তেলবাহী জাহাজ ধ্বংসের ঘটনায় উপসাগরীয় অঞ্চলে নতুন করে যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ওমান উপসাগর, জ্যাস্ক বন্দর এবং ইরানের গুরুত্বপূর্ণ Kharg Island ঘিরে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টাপাল্টি হামলার মধ্যে এবার সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় Strait of Hormuz। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই তেল পরিবহনপথে সংঘাত ছড়িয়ে পড়লে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার, তেলের দাম এবং বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। মার্কিন হামলা, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, তেলবাহী জাহাজ ধ্বংস এবং পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বাড়তে থাকা সামরিক উত্তেজনা—এই ভিডিওতে থাকছে পুরো ঘটনার বিশ্লেষণ।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/846_1.webp" alt="হরমুজে এক রাতেই পাঁচ ইরানি ট্যাংকার ধ্বংস, উপসাগরে যুদ্ধের আগুন জ্বলছে" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>হরমুজে এক রাতেই পাঁচ ইরানি ট্যাংকার ধ্বংস, উপসাগরে যুদ্ধের আগুন জ্বলছে</h1>
            <p>মার্কিন হামলায় এক রাতেই পাঁচটি ইরানি তেলবাহী জাহাজ ধ্বংসের ঘটনায় উপসাগরীয় অঞ্চলে নতুন করে যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ওমান উপসাগর, জ্যাস্ক বন্দর এবং ইরানের গুরুত্বপূর্ণ Kharg Island ঘিরে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টাপাল্টি হামলার মধ্যে এবার সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় Strait of Hormuz। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই তেল পরিবহনপথে সংঘাত ছড়িয়ে পড়লে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার, তেলের দাম এবং বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। মার্কিন হামলা, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, তেলবাহী জাহাজ ধ্বংস এবং পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বাড়তে থাকা সামরিক উত্তেজনা—এই ভিডিওতে থাকছে পুরো ঘটনার বিশ্লেষণ।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/846_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/846_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/846_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইউক্রেনে একের পর এক আঘাত, রাশিয়ার মিসাইলে লন্ডভন্ড খারকিভ, ১২৮৫ সেনা ঘেরাও!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/51739</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/51739</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 09 Sep 2026 18:11:03 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor, Russia Ukraine war, Ukraine war latest, Russia Ukraine conflict, Russian air defense, Ukrainian drones, 713 Ukrainian drones, Ukraine drone attack, Putin Zelenskyy, Kharkiv encirclement, Kyiv military strike, Russian Defense Ministry, Ukraine military losses]]></category>
        
        <description><![CDATA[রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দাবি করেছে। রুশ মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় রুশ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ৭১৩টি Ukrainian fixed-wing drone, ১২টি guided aerial bomb এবং একটি HIMARS rocket ধ্বংস করেছে। একই সময়ে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি, ইউক্রেনের প্রায় ১,২৮৫ সেনা গত ২৪ ঘণ্টায় হতাহত হয়েছে। রুশ সামরিক বিবৃতিতে North, West, South, Center, East এবং Dnepr battlegroup-এর বিভিন্ন অভিযানের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। এদিকে Kharkiv Region-এ ইউক্রেনীয় সেনাদের ঘিরে ফেলার দাবি করেছে রাশিয়া। পাশাপাশি Dolgenkoye ও Berezniki এলাকায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার দাবিও করা হয়েছে। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, Kyiv Region, Belaya Tserkov এবং Kyiv শহরের বিভিন্ন UAV production, assembly ও logistics facility, Vasilkov airbase এবং অন্যান্য সামরিক অবকাঠামোতে হামলা চালানো হয়েছে। এছাড়া রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চল ও Black Sea-এর ওপর রাতভর ৩৮৪টি Ukrainian UAV প্রতিহত ও ধ্বংস করার দাবিও করা হয়েছে। তবে এসব সামরিক ক্ষয়ক্ষতি ও হামলার পরিসংখ্যান রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি; যুদ্ধক্ষেত্রে চলমান পরিস্থিতির কারণে স্বাধীনভাবে সব তথ্য যাচাই করা কঠিন হতে পারে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/845_1.webp" alt="ইউক্রেনে একের পর এক আঘাত, রাশিয়ার মিসাইলে লন্ডভন্ড খারকিভ, ১২৮৫ সেনা ঘেরাও!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইউক্রেনে একের পর এক আঘাত, রাশিয়ার মিসাইলে লন্ডভন্ড খারকিভ, ১২৮৫ সেনা ঘেরাও!</h1>
            <p>রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দাবি করেছে। রুশ মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় রুশ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ৭১৩টি Ukrainian fixed-wing drone, ১২টি guided aerial bomb এবং একটি HIMARS rocket ধ্বংস করেছে। একই সময়ে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি, ইউক্রেনের প্রায় ১,২৮৫ সেনা গত ২৪ ঘণ্টায় হতাহত হয়েছে। রুশ সামরিক বিবৃতিতে North, West, South, Center, East এবং Dnepr battlegroup-এর বিভিন্ন অভিযানের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। এদিকে Kharkiv Region-এ ইউক্রেনীয় সেনাদের ঘিরে ফেলার দাবি করেছে রাশিয়া। পাশাপাশি Dolgenkoye ও Berezniki এলাকায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার দাবিও করা হয়েছে। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, Kyiv Region, Belaya Tserkov এবং Kyiv শহরের বিভিন্ন UAV production, assembly ও logistics facility, Vasilkov airbase এবং অন্যান্য সামরিক অবকাঠামোতে হামলা চালানো হয়েছে। এছাড়া রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চল ও Black Sea-এর ওপর রাতভর ৩৮৪টি Ukrainian UAV প্রতিহত ও ধ্বংস করার দাবিও করা হয়েছে। তবে এসব সামরিক ক্ষয়ক্ষতি ও হামলার পরিসংখ্যান রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি; যুদ্ধক্ষেত্রে চলমান পরিস্থিতির কারণে স্বাধীনভাবে সব তথ্য যাচাই করা কঠিন হতে পারে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/845_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/845_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/845_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[দুর্নীতিতে শীর্ষে, ঋণখেলাপিতেও? হাসিনার দায় বিএনপির ঘাড়ে!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/exclusive/51738</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/exclusive/51738</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ আল মাসুম]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 09 Sep 2026 18:11:03 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[এক্সক্লুসিভ]]></category>
                <category><![CDATA[সর্বশেষ]]></category>
                        <category><![CDATA[Bangladesh, Sheikh Hasina, Bangladesh politics, Bangladesh corruption, Bangladesh money laundering, MiG 29 Bangladesh, Bangladesh foreign debt, Bangladesh economy, 234 billion dollar Bangladesh, 104.5 billion debt, Bangladesh political analysis, Bangladesh news, nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor]]></category>
        
        <description><![CDATA[১৯৯৬ থেকে ২০০১—আওয়ামী লীগ সরকারের সময় MiG-29 যুদ্ধবিমান কেনাকে ঘিরে ওঠা ৭০০ কোটি টাকার ক্ষতির অভিযোগ থেকে শুরু করে বাংলাদেশের দুর্নীতি সূচকে অবস্থান, পরবর্তী রাজনৈতিক বিতর্ক এবং গত ১৭ বছরের অর্থনৈতিক হিসাব—এই ভিডিওতে তুলে ধরা হয়েছে পুরো বিষয়টির একটি বিশ্লেষণ। ভিডিওতে আলোচনা করা হয়েছে ১৯৯৯ সালের MiG-29 ক্রয়, ২০০১ সালের দুর্নীতি সূচক, এই সূচককে ঘিরে আওয়ামী লীগ ও বিএনপিকে নিয়ে তৈরি হওয়া রাজনৈতিক বিতর্ক এবং Transparency International Bangladesh (TIB)-এর ভূমিকা নিয়ে ওঠা প্রশ্ন। এছাড়াও আলোচনায় রয়েছে ২০০৯–২০২৩ সময়ে বিদেশে অর্থপাচার নিয়ে প্রকাশিত শ্বেতপত্রের ২৩৪ বিলিয়ন ডলারের হিসাব, বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ ১০৪.৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছানোর বিষয় এবং এসব অর্থনৈতিক চাপের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব। এই ভিডিওর উদ্দেশ্য হলো বিভিন্ন প্রতিবেদন, সরকারি তথ্য, শ্বেতপত্র ও রাজনৈতিক বক্তব্যের আলোকে বিষয়গুলো বিশ্লেষণ করা। এখানে উল্লিখিত দুর্নীতি বা অর্থপাচারের অভিযোগকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আদালতের চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত অপরাধ হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে না। বিভিন্ন পরিসংখ্যান ও দাবির উৎস ও ব্যাখ্যা নিয়ে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিতর্ক রয়েছে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/840_1.webp" alt="দুর্নীতিতে শীর্ষে, ঋণখেলাপিতেও? হাসিনার দায় বিএনপির ঘাড়ে!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>দুর্নীতিতে শীর্ষে, ঋণখেলাপিতেও? হাসিনার দায় বিএনপির ঘাড়ে!</h1>
            <p>১৯৯৬ থেকে ২০০১—আওয়ামী লীগ সরকারের সময় MiG-29 যুদ্ধবিমান কেনাকে ঘিরে ওঠা ৭০০ কোটি টাকার ক্ষতির অভিযোগ থেকে শুরু করে বাংলাদেশের দুর্নীতি সূচকে অবস্থান, পরবর্তী রাজনৈতিক বিতর্ক এবং গত ১৭ বছরের অর্থনৈতিক হিসাব—এই ভিডিওতে তুলে ধরা হয়েছে পুরো বিষয়টির একটি বিশ্লেষণ। ভিডিওতে আলোচনা করা হয়েছে ১৯৯৯ সালের MiG-29 ক্রয়, ২০০১ সালের দুর্নীতি সূচক, এই সূচককে ঘিরে আওয়ামী লীগ ও বিএনপিকে নিয়ে তৈরি হওয়া রাজনৈতিক বিতর্ক এবং Transparency International Bangladesh (TIB)-এর ভূমিকা নিয়ে ওঠা প্রশ্ন। এছাড়াও আলোচনায় রয়েছে ২০০৯–২০২৩ সময়ে বিদেশে অর্থপাচার নিয়ে প্রকাশিত শ্বেতপত্রের ২৩৪ বিলিয়ন ডলারের হিসাব, বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ ১০৪.৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছানোর বিষয় এবং এসব অর্থনৈতিক চাপের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব। এই ভিডিওর উদ্দেশ্য হলো বিভিন্ন প্রতিবেদন, সরকারি তথ্য, শ্বেতপত্র ও রাজনৈতিক বক্তব্যের আলোকে বিষয়গুলো বিশ্লেষণ করা। এখানে উল্লিখিত দুর্নীতি বা অর্থপাচারের অভিযোগকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আদালতের চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত অপরাধ হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে না। বিভিন্ন পরিসংখ্যান ও দাবির উৎস ও ব্যাখ্যা নিয়ে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিতর্ক রয়েছে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/840_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/840_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/840_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[বিদ্যুৎ না দিয়েও গেল হাজার কোটি টাকা, আদানির চুক্তিতে বাড়তি খরচ কত]]></title>
        <link>https://nbs24.org/exclusive/51737</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/exclusive/51737</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ আল মাসুম]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 09 Sep 2026 18:11:03 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[এক্সক্লুসিভ]]></category>
                <category><![CDATA[সর্বশেষ]]></category>
                        <category><![CDATA[Bangladesh power sector, Bangladesh electricity crisis, capacity charge Bangladesh, Adani Bangladesh power deal, Adani power Bangladesh, Bangladesh economy, Bangladesh electricity, power sector crisis, Bangladesh energy sector, Rampal power plant, Payra power plant, Rooppur nuclear power plant, nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor]]></category>
        
        <description><![CDATA[বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে গত দেড় দশকে প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার ক্যাপাসিটি চার্জ নিয়ে উঠছে বড় প্রশ্ন। বিদ্যুৎ উৎপাদন না হলেও কেন দিতে হয়েছে অর্থ? অতিরিক্ত উৎপাদন সক্ষমতা, দীর্ঘমেয়াদি বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি, আদানি গ্রুপের সঙ্গে বিদ্যুৎ আমদানি চুক্তি, রামপাল ও পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র—সবকিছু মিলিয়ে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতের অর্থনৈতিক বাস্তবতা কী? এই ভিডিওতে আমরা বিশ্লেষণ করেছি ক্যাপাসিটি চার্জের কাঠামো, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি, অতিরিক্ত উৎপাদন সক্ষমতা, গ্যাস অনুসন্ধানের ঘাটতি, সঞ্চালন অবকাঠামোর সমস্যা এবং বিদ্যুৎ খাতের ভবিষ্যৎ কৌশল। আসল প্রশ্ন হলো—বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলার জন্য নেওয়া নীতিগুলো কীভাবে দীর্ঘমেয়াদে দেশের অর্থনীতির ওপর বড় আর্থিক চাপ তৈরি করল? ভিডিওটি ভালো লাগলে Like, Comment ও Share করুন এবং এমন তথ্যভিত্তিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশ্লেষণের জন্য Subscribe করুন।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/841_1.webp" alt="বিদ্যুৎ না দিয়েও গেল হাজার কোটি টাকা, আদানির চুক্তিতে বাড়তি খরচ কত" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>বিদ্যুৎ না দিয়েও গেল হাজার কোটি টাকা, আদানির চুক্তিতে বাড়তি খরচ কত</h1>
            <p>বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে গত দেড় দশকে প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার ক্যাপাসিটি চার্জ নিয়ে উঠছে বড় প্রশ্ন। বিদ্যুৎ উৎপাদন না হলেও কেন দিতে হয়েছে অর্থ? অতিরিক্ত উৎপাদন সক্ষমতা, দীর্ঘমেয়াদি বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি, আদানি গ্রুপের সঙ্গে বিদ্যুৎ আমদানি চুক্তি, রামপাল ও পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র—সবকিছু মিলিয়ে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতের অর্থনৈতিক বাস্তবতা কী? এই ভিডিওতে আমরা বিশ্লেষণ করেছি ক্যাপাসিটি চার্জের কাঠামো, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি, অতিরিক্ত উৎপাদন সক্ষমতা, গ্যাস অনুসন্ধানের ঘাটতি, সঞ্চালন অবকাঠামোর সমস্যা এবং বিদ্যুৎ খাতের ভবিষ্যৎ কৌশল। আসল প্রশ্ন হলো—বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলার জন্য নেওয়া নীতিগুলো কীভাবে দীর্ঘমেয়াদে দেশের অর্থনীতির ওপর বড় আর্থিক চাপ তৈরি করল? ভিডিওটি ভালো লাগলে Like, Comment ও Share করুন এবং এমন তথ্যভিত্তিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশ্লেষণের জন্য Subscribe করুন।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/841_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/841_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/841_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[রাশিয়ান সেনাদের ফাঁদে ইউক্রেনীয় ১৭০০ সেনা‍! ড্রোন কিনতে নীল ছবিকে বৈধ জেলেনস্কির]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/51673</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/51673</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 08 Sep 2026 19:20:55 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor, Ukraine, Ukraine War, Zelensky, Volodymyr Zelensky, Ukraine Corruption, Ukraine Military Corruption, Ukraine Defense Spending, Russia Ukraine War, Ukraine Drone War, Kyiv, Geopolitics, Global View]]></category>
        
        <description><![CDATA[যুদ্ধের মধ্যেই ইউক্রেনের সামরিক অর্থনীতি ও প্রতিরক্ষা ক্রয় নিয়ে উঠছে একের পর এক গুরুতর প্রশ্ন। সামরিক ড্রোন কেনার অর্থ জোগাড়ে প্রাপ্তবয়স্কদের সম্মতিভিত্তিক পর্নোগ্রাফি শিল্পকে বৈধ করে কর আরোপের প্রস্তাব নিয়ে ইউক্রেনের সংসদে আলোচনা চলছে। প্রস্তাবের সমর্থকদের দাবি, এর মাধ্যমে বছরে প্রায় ২৫ মিলিয়ন ডলার রাজস্ব আসতে পারে, যা হাজার হাজার সামরিক ড্রোন কেনায় ব্যবহার করা সম্ভব। অন্যদিকে, ইউক্রেনের সামরিক ক্রয় খাতে দুর্নীতি, অপচয় ও অব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদন ও অডিটে বিপুল অর্থের ক্ষতির অভিযোগ সামনে এসেছে। সামরিক ঠিকাদারি, নিম্নমানের সরঞ্জাম, মধ্যস্বত্বভোগী এবং চুক্তি ব্যবস্থাপনা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। এই ভিডিওতে ইউক্রেনের সামরিক ক্রয় নিয়ে ওঠা অভিযোগ, ড্রোন অর্থায়নের নতুন পরিকল্পনা, জেলেনস্কি প্রশাসনের ওপর রাজনৈতিক চাপ, পোল্যান্ডের ইউক্রেননীতি এবং যুদ্ধক্ষেত্রের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত বিশ্লেষণ করা হয়েছে। ভিডিওটি ভালো লাগলে লাইক দিন, মতামত কমেন্টে জানান এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষণের নতুন ভিডিও পেতে গ্লোবাল ভিউ এখনকার আলোচনায় চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন। নোট: ভিডিওতে উল্লিখিত দুর্নীতি, সামরিক ক্ষয়ক্ষতি ও যুদ্ধক্ষেত্রের বিভিন্ন তথ্য সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনের দাবি বা পক্ষগুলোর বক্তব্য হিসেবে উপস্থাপিত; সব দাবিকে স্বাধীনভাবে যাচাইকৃত সত্য হিসেবে ধরে নেওয়া উচিত নয়।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/842_1.webp" alt="রাশিয়ান সেনাদের ফাঁদে ইউক্রেনীয় ১৭০০ সেনা‍! ড্রোন কিনতে নীল ছবিকে বৈধ জেলেনস্কির" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>রাশিয়ান সেনাদের ফাঁদে ইউক্রেনীয় ১৭০০ সেনা‍! ড্রোন কিনতে নীল ছবিকে বৈধ জেলেনস্কির</h1>
            <p>যুদ্ধের মধ্যেই ইউক্রেনের সামরিক অর্থনীতি ও প্রতিরক্ষা ক্রয় নিয়ে উঠছে একের পর এক গুরুতর প্রশ্ন। সামরিক ড্রোন কেনার অর্থ জোগাড়ে প্রাপ্তবয়স্কদের সম্মতিভিত্তিক পর্নোগ্রাফি শিল্পকে বৈধ করে কর আরোপের প্রস্তাব নিয়ে ইউক্রেনের সংসদে আলোচনা চলছে। প্রস্তাবের সমর্থকদের দাবি, এর মাধ্যমে বছরে প্রায় ২৫ মিলিয়ন ডলার রাজস্ব আসতে পারে, যা হাজার হাজার সামরিক ড্রোন কেনায় ব্যবহার করা সম্ভব। অন্যদিকে, ইউক্রেনের সামরিক ক্রয় খাতে দুর্নীতি, অপচয় ও অব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদন ও অডিটে বিপুল অর্থের ক্ষতির অভিযোগ সামনে এসেছে। সামরিক ঠিকাদারি, নিম্নমানের সরঞ্জাম, মধ্যস্বত্বভোগী এবং চুক্তি ব্যবস্থাপনা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। এই ভিডিওতে ইউক্রেনের সামরিক ক্রয় নিয়ে ওঠা অভিযোগ, ড্রোন অর্থায়নের নতুন পরিকল্পনা, জেলেনস্কি প্রশাসনের ওপর রাজনৈতিক চাপ, পোল্যান্ডের ইউক্রেননীতি এবং যুদ্ধক্ষেত্রের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত বিশ্লেষণ করা হয়েছে। ভিডিওটি ভালো লাগলে লাইক দিন, মতামত কমেন্টে জানান এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষণের নতুন ভিডিও পেতে গ্লোবাল ভিউ এখনকার আলোচনায় চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন। নোট: ভিডিওতে উল্লিখিত দুর্নীতি, সামরিক ক্ষয়ক্ষতি ও যুদ্ধক্ষেত্রের বিভিন্ন তথ্য সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনের দাবি বা পক্ষগুলোর বক্তব্য হিসেবে উপস্থাপিত; সব দাবিকে স্বাধীনভাবে যাচাইকৃত সত্য হিসেবে ধরে নেওয়া উচিত নয়।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/842_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/842_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/842_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[জুলাইয়ে এক স্বামী, এক মেয়ে—দুজনকেই হারালেন রুমা | ট্রাইব্যুনালে রোমহর্ষক সাক্ষ্য]]></title>
        <link>https://nbs24.org/bangladesh/51672</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/bangladesh/51672</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ আল মাসুম]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 08 Sep 2026 19:20:55 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[অপরাধ]]></category>
                        <category><![CDATA[July Movement Bangladesh, July Uprising Bangladesh, International Crimes Tribunal Bangladesh, ICT Bangladesh, Bangladesh July Movement, Rumā Begum testimony, Ruma Begum tribunal, Sheikh Hasina, Jahangir Kabir Nanak, Sheikh Fazle Noor Taposh, Bangladesh political news, Bangladesh latest news, nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor]]></category>
        
        <description><![CDATA[জুলাই আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে স্বামী মো. জসিম উদ্দিনের মৃত্যুর পর বিচার চেয়ে লড়াই শুরু করেন রুমা বেগম। কিন্তু ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিতে ঢাকায় আসার পর তার পরিবারে নেমে আসে আরও ভয়াবহ বিপর্যয়। রুমা বেগমের জবানবন্দি অনুযায়ী, তার বড় মেয়ে লামিয়া ধর্ষণের শিকার হন এবং পরবর্তীতে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে আত্মহত্যা করেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দেওয়া এই মায়ের সাক্ষ্য এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। ৭ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ রুমা বেগম জুলাই আন্দোলনে তার স্বামীর মৃত্যুর ঘটনা, মরদেহ পেতে নানা জটিলতা এবং তার মেয়ের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দেন। তিনি এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিচার দাবি করেছেন। এই ভিডিওতে থাকছে রুমা বেগমের জবানবন্দির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, জুলাই আন্দোলনে জসিম উদ্দিনের মৃত্যুর ঘটনা, তার পরিবারের ওপর নেমে আসা বিপর্যয় এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাম্প্রতিক কার্যক্রম। ভিডিওটি তথ্যভিত্তিক সংবাদ ও বিশ্লেষণের উদ্দেশ্যে তৈরি। অভিযোগগুলো সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য, আদালতের কার্যক্রম ও সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের আলোকে উপস্থাপন করা হয়েছে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/844_1.webp" alt="জুলাইয়ে এক স্বামী, এক মেয়ে—দুজনকেই হারালেন রুমা | ট্রাইব্যুনালে রোমহর্ষক সাক্ষ্য" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>জুলাইয়ে এক স্বামী, এক মেয়ে—দুজনকেই হারালেন রুমা | ট্রাইব্যুনালে রোমহর্ষক সাক্ষ্য</h1>
            <p>জুলাই আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে স্বামী মো. জসিম উদ্দিনের মৃত্যুর পর বিচার চেয়ে লড়াই শুরু করেন রুমা বেগম। কিন্তু ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিতে ঢাকায় আসার পর তার পরিবারে নেমে আসে আরও ভয়াবহ বিপর্যয়। রুমা বেগমের জবানবন্দি অনুযায়ী, তার বড় মেয়ে লামিয়া ধর্ষণের শিকার হন এবং পরবর্তীতে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে আত্মহত্যা করেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দেওয়া এই মায়ের সাক্ষ্য এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। ৭ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ রুমা বেগম জুলাই আন্দোলনে তার স্বামীর মৃত্যুর ঘটনা, মরদেহ পেতে নানা জটিলতা এবং তার মেয়ের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দেন। তিনি এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিচার দাবি করেছেন। এই ভিডিওতে থাকছে রুমা বেগমের জবানবন্দির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, জুলাই আন্দোলনে জসিম উদ্দিনের মৃত্যুর ঘটনা, তার পরিবারের ওপর নেমে আসা বিপর্যয় এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাম্প্রতিক কার্যক্রম। ভিডিওটি তথ্যভিত্তিক সংবাদ ও বিশ্লেষণের উদ্দেশ্যে তৈরি। অভিযোগগুলো সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য, আদালতের কার্যক্রম ও সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের আলোকে উপস্থাপন করা হয়েছে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/844_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/844_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/844_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[iQOO 16-এর গোপন স্পেসিফিকেশন ফাঁস — সবাইকে চমকে দেবে! ]]></title>
        <link>https://nbs24.org/technology/51656</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/technology/51656</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 08 Sep 2026 15:18:30 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
                <category><![CDATA[গ্যাজেট]]></category>
                        <category><![CDATA[iQOO 16, iQOO 16 leak, iQOO 16 specs, vivo iQOO, Snapdragon 8 Elite Gen 6, best gaming phone 2026, new smartphone leak, upcoming flagship phone, tech news, smartphone camera comparison, 2K display phone, fast charging phone, nbs24]]></category>
        
        <description><![CDATA[iQOO 16-এর একটি লিক হওয়া স্পেসিফিকেশন লিস্ট নিয়ে টেক দুনিয়ায় শুরু হয়েছে আলোচনার ঝড়! Digital Chat Station নামের একটি Weibo অ্যাকাউন্ট থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই ফোনে থাকতে পারে ৬.৮৫ ইঞ্চির 2K স্যামসাং প্যানেল ১৬৫Hz রিফ্রেশ রেটে, ৮,৪০০mAh ব্যাটারি ১০০W চার্জিংসহ, তিনটি ৫০-মেগাপিক্সেল ক্যামেরা এবং সম্ভাব্য ২ন্যানোমিটার প্রসেসর। এই ভিডিওতে আমরা বিস্তারিত আলোচনা করেছি — ✅ ডিসপ্লে ও ব্যাটারি স্পেসিফিকেশন ✅ ক্যামেরা সেটআপ ✅ চিপসেট নিয়ে রহস্য (Snapdragon 8 Elite Gen 6) ✅ সম্ভাব্য লঞ্চ ডেট ও দাম আপনার কী মনে হয়, iQOO 16 কি সত্যিই বাজার কাঁপাবে? কমেন্টে জানান! 🔔 এই ধরনের আরও টেক নিউজ পেতে চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন এবং নোটিফিকেশন বেল চালু রাখুন। ⚠️ ডিসক্লেইমার: এই ভিডিওতে উল্লেখিত তথ্য লিক/গুঞ্জনের উপর ভিত্তি করে তৈরি, অফিসিয়াল ঘোষণা নয়।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/843_1.webp" alt="iQOO 16-এর গোপন স্পেসিফিকেশন ফাঁস — সবাইকে চমকে দেবে! " width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>iQOO 16-এর গোপন স্পেসিফিকেশন ফাঁস — সবাইকে চমকে দেবে! </h1>
            <p>iQOO 16-এর একটি লিক হওয়া স্পেসিফিকেশন লিস্ট নিয়ে টেক দুনিয়ায় শুরু হয়েছে আলোচনার ঝড়! Digital Chat Station নামের একটি Weibo অ্যাকাউন্ট থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই ফোনে থাকতে পারে ৬.৮৫ ইঞ্চির 2K স্যামসাং প্যানেল ১৬৫Hz রিফ্রেশ রেটে, ৮,৪০০mAh ব্যাটারি ১০০W চার্জিংসহ, তিনটি ৫০-মেগাপিক্সেল ক্যামেরা এবং সম্ভাব্য ২ন্যানোমিটার প্রসেসর। এই ভিডিওতে আমরা বিস্তারিত আলোচনা করেছি — ✅ ডিসপ্লে ও ব্যাটারি স্পেসিফিকেশন ✅ ক্যামেরা সেটআপ ✅ চিপসেট নিয়ে রহস্য (Snapdragon 8 Elite Gen 6) ✅ সম্ভাব্য লঞ্চ ডেট ও দাম আপনার কী মনে হয়, iQOO 16 কি সত্যিই বাজার কাঁপাবে? কমেন্টে জানান! 🔔 এই ধরনের আরও টেক নিউজ পেতে চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন এবং নোটিফিকেশন বেল চালু রাখুন। ⚠️ ডিসক্লেইমার: এই ভিডিওতে উল্লেখিত তথ্য লিক/গুঞ্জনের উপর ভিত্তি করে তৈরি, অফিসিয়াল ঘোষণা নয়।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/843_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/843_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/843_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[হরমুজে জাহাজ চলাচল বন্ধ, বিশ্ববাজারে নতুন শঙ্কা]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/51591</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/51591</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 17:44:47 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Hormuz Strait, Trump Strait, Donald Trump Iran, Iran US conflict, Strait of Hormuz crisis, Oil Crisis, Iran War, Russia Ukraine War, Zelensky Ukraine, Gold Reserve Netherlands, Global Geopolitics, World News, nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor]]></category>
        
        <description><![CDATA[হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল কমে যাওয়া, Iran ঘিরে মার্কিন সামরিক তৎপরতা, তেলের বাজারে অস্থিরতা এবং Netherlands-এর স্বর্ণ রিজার্ভ স্থানান্তর—সব মিলিয়ে আন্তর্জাতিক অর্থনীতি ও ভূরাজনীতিতে তৈরি হয়েছে নতুন উদ্বেগ। এই ভিডিওতে আরও থাকছে Russia Ukraine যুদ্ধের প্রভাব, Russian আকাশসীমার নিরাপত্তা নিয়ে Volodymyr Zelensky-এর সতর্কতা, Kyiv অঞ্চলে হামলা এবং আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব। Hormuz Strait ঘিরে উত্তেজনা কি বিশ্ব তেলের বাজারকে আরও অস্থির করবে? Netherlands কেন স্বর্ণের রিজার্ভ London-এ সরিয়ে নিচ্ছে? আর Russia Ukraine যুদ্ধের প্রভাব কতটা ছড়িয়ে পড়তে পারে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে? পুরো বিষয়টি জানতে ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন এবং আপনার মতামত কমেন্টে জানান।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_07-9-26_34.webp" alt="হরমুজে জাহাজ চলাচল বন্ধ, বিশ্ববাজারে নতুন শঙ্কা" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>হরমুজে জাহাজ চলাচল বন্ধ, বিশ্ববাজারে নতুন শঙ্কা</h1>
            <p>হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল কমে যাওয়া, Iran ঘিরে মার্কিন সামরিক তৎপরতা, তেলের বাজারে অস্থিরতা এবং Netherlands-এর স্বর্ণ রিজার্ভ স্থানান্তর—সব মিলিয়ে আন্তর্জাতিক অর্থনীতি ও ভূরাজনীতিতে তৈরি হয়েছে নতুন উদ্বেগ। এই ভিডিওতে আরও থাকছে Russia Ukraine যুদ্ধের প্রভাব, Russian আকাশসীমার নিরাপত্তা নিয়ে Volodymyr Zelensky-এর সতর্কতা, Kyiv অঞ্চলে হামলা এবং আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব। Hormuz Strait ঘিরে উত্তেজনা কি বিশ্ব তেলের বাজারকে আরও অস্থির করবে? Netherlands কেন স্বর্ণের রিজার্ভ London-এ সরিয়ে নিচ্ছে? আর Russia Ukraine যুদ্ধের প্রভাব কতটা ছড়িয়ে পড়তে পারে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে? পুরো বিষয়টি জানতে ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন এবং আপনার মতামত কমেন্টে জানান।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_07-9-26_34.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_07-9-26_34.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_07-9-26_34.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[আবারো জঙ্গী নাটক শুরু করলেন স্বৈরাচার শেখ হাসিনা]]></title>
        <link>https://nbs24.org/exclusive/51590</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/exclusive/51590</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ আল মাসুম]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 17:44:47 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[এক্সক্লুসিভ]]></category>
                <category><![CDATA[সর্বশেষ]]></category>
                        <category><![CDATA[Sheikh Hasina, Sheikh Hasina Interview, Bangladesh Politics, Bangladesh Political News, Awami League, Bangladesh India Relations, Sheikh Hasina Return, Bangladesh Election, Bangladesh News, Hasina Latest News, Bangladesh Geopolitics, Bangladesh Political Analysis, nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor]]></category>
        
        <description><![CDATA[Sheikh Hasina-এর সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকার ঘিরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব, ডিসেম্বর মাসে দেশে ফেরার ঘোষণা, নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা, জঙ্গিবাদ নিয়ে মন্তব্য এবং India-এর ভূমিকা নিয়ে তার বক্তব্য—সব মিলিয়ে সামনে এসেছে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই ভিডিওতে Sheikh Hasina-এর বক্তব্যের গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো বিশ্লেষণ করা হয়েছে। তার দেশে ফেরার ঘোষণা কতটা বাস্তবসম্মত, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে কী পরিবর্তন আসতে পারে এবং বাংলাদেশ ও India-এর সম্পর্কের ওপর এসব বক্তব্যের কী ধরনের প্রভাব পড়তে পারে—এসব বিষয় নিয়েই আলোচনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার বক্তব্যের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এর সম্ভাব্য প্রভাব এবং বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে এর তাৎপর্য তুলে ধরা হয়েছে। Sheikh Hasina কি সত্যিই ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফিরবেন? নাকি এটি রাজনৈতিক বার্তা দেওয়ার একটি কৌশল? আপনার মতামত কমেন্টে জানান।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_07-9-26_33.webp" alt="আবারো জঙ্গী নাটক শুরু করলেন স্বৈরাচার শেখ হাসিনা" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>আবারো জঙ্গী নাটক শুরু করলেন স্বৈরাচার শেখ হাসিনা</h1>
            <p>Sheikh Hasina-এর সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকার ঘিরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব, ডিসেম্বর মাসে দেশে ফেরার ঘোষণা, নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা, জঙ্গিবাদ নিয়ে মন্তব্য এবং India-এর ভূমিকা নিয়ে তার বক্তব্য—সব মিলিয়ে সামনে এসেছে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই ভিডিওতে Sheikh Hasina-এর বক্তব্যের গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো বিশ্লেষণ করা হয়েছে। তার দেশে ফেরার ঘোষণা কতটা বাস্তবসম্মত, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে কী পরিবর্তন আসতে পারে এবং বাংলাদেশ ও India-এর সম্পর্কের ওপর এসব বক্তব্যের কী ধরনের প্রভাব পড়তে পারে—এসব বিষয় নিয়েই আলোচনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার বক্তব্যের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এর সম্ভাব্য প্রভাব এবং বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে এর তাৎপর্য তুলে ধরা হয়েছে। Sheikh Hasina কি সত্যিই ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফিরবেন? নাকি এটি রাজনৈতিক বার্তা দেওয়ার একটি কৌশল? আপনার মতামত কমেন্টে জানান।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_07-9-26_33.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_07-9-26_33.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_07-9-26_33.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Walton wins ‘ESG Excellence Awards 2026’ in 3 Categories]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/51589</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/51589</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 17:44:47 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[Economy]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bangla news live, news 18 bangla, bd news bangla, bangla tv news, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, news18 bangla, news18 bangla live, bangladesh news, news18 bangla headlines, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh tv news, bangladesh news today, banglanews, banglavision world news, nabanna news, atn bangla, kasba news, bbc bangla, banglavision news bulletin today, news, bangla khobor, atn google news, bangla songbad, google news, latest news, jamuna news, bd news, kolkata news, bengali news]]></category>
        
        <description><![CDATA[Environment, Forest and Climate Change Minister Abdul Awal Mintoo hands over the ‘ESG Excellence Awards-2026’ crest to Walton Hi-Tech’s Additional Managing Director Mohammad Yousuf Ali Country’s tech-giant and super brand Walton has won the ‘ESG Excellence Awards 2026’ in three categories in recognition of its outstanding contributions to ensuring occupational health and safety, taking effective action to combat climate change, and developing innovative and environmentally sustainable products. The awards, jointly organised by the United Nations Global Compact Network Bangladesh (GCNB) and ESG Institute Bangladesh, recognised Walton in the categories of ‘Excellence in Occupational Health and Safety Improvement,’ ‘Excellence in Championing Climate Action,’ and ‘Excellence in Sustainable Product Innovation.’ Walton Hi-Tech Industries PLC received the awards at a gala night titled “ESG Excellence Awards-2026’ held at Lakeshore Hotel in the capital on Saturday night (September 5, 2026). Walton Hi-Tech’s AMD Mohammad Yousuf Ali and Chief Marketing Officer Zoheb Ahmed receive the ‘ESG Excellence Awards-2026’ Attending as the chief guest, Environment, Forest and Climate Change Minister Abdul Awal Mintoo handed over the ‘ESG Awards’ crest to Walton Hi-Tech’s Additional Managing Director (AMD) Mohammad Yousuf Ali.  During that time, Walton Hi-Tech’s Chief Marketing Officer Zoheb Ahmed, Senior Additional Executive Directors Rabiul Islam Milton and Md Mostafizur Rahman, and Head of EHS and Sustainability Department Mostafizur Rahman Raju was also present. Ambassadors of several countries, including Denmark and Sweden, along with representatives from the European Union, GCNB and ESG Institute Bangladesh, also attended the event. Expressing his reaction to the achievement, Walton Hi-Tech’s AMD Mohammad Yousuf Ali said, “The Walton family is delighted to receive the ‘ESG Excellence Awards-2026’ in three categories. These honours recognise Walton’s effective initiatives and continued progress in ensuring a safe workplace, addressing climate change and sustainable products innovation. The recognition will further inspire us to strengthen future investments and initiatives in environmental protection, employee safety and well-being, and sustainable product innovation alongside business growth.” He said, Walton considers sustainable development an integral part of its business strategy. Accordingly, the company has been adopting environmentally responsible technologies and policies across its manufacturing processes and workplaces to contribute to sustainable industrial development. “To address climate change, we have significantly reduced carbon emissions through the use of renewable energy at our manufacturing facilities and the adoption of green technologies in production processes,” Yousuf Ali said. “At the same time, Walton has introduced technology-driven safety management systems and regular training programmes to enhance employee awareness. These initiatives are helping prevent workplace accidents while ensuring occupational health and a safer working environment,” he added. Walton also places particular emphasis on energy efficiency, green technologies and environmentally friendly materials in the development and innovation of sustainable products. The company said its achievements across these areas have earned special recognition in three categories at the ‘ESG Excellence Awards’. Earlier this year, Walton also won the ‘SDG Brand Champion Awards 2026’ in three categories, including recognition as the year’s most sustainable electronics manufacturing enterprises, for its contributions to climate and environmental protection as well as clean and energy-efficient technologies.]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_07-9-26_31.webp" alt="Walton wins ‘ESG Excellence Awards 2026’ in 3 Categories" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Walton wins ‘ESG Excellence Awards 2026’ in 3 Categories</h1>
            <p>Environment, Forest and Climate Change Minister Abdul Awal Mintoo hands over the ‘ESG Excellence Awards-2026’ crest to Walton Hi-Tech’s Additional Managing Director Mohammad Yousuf Ali Country’s tech-giant and super brand Walton has won the ‘ESG Excellence Awards 2026’ in three categories in recognition of its outstanding contributions to ensuring occupational health and safety, taking effective action to combat climate change, and developing innovative and environmentally sustainable products. The awards, jointly organised by the United Nations Global Compact Network Bangladesh (GCNB) and ESG Institute Bangladesh, recognised Walton in the categories of ‘Excellence in Occupational Health and Safety Improvement,’ ‘Excellence in Championing Climate Action,’ and ‘Excellence in Sustainable Product Innovation.’ Walton Hi-Tech Industries PLC received the awards at a gala night titled “ESG Excellence Awards-2026’ held at Lakeshore Hotel in the capital on Saturday night (September 5, 2026). Walton Hi-Tech’s AMD Mohammad Yousuf Ali and Chief Marketing Officer Zoheb Ahmed receive the ‘ESG Excellence Awards-2026’ Attending as the chief guest, Environment, Forest and Climate Change Minister Abdul Awal Mintoo handed over the ‘ESG Awards’ crest to Walton Hi-Tech’s Additional Managing Director (AMD) Mohammad Yousuf Ali.  During that time, Walton Hi-Tech’s Chief Marketing Officer Zoheb Ahmed, Senior Additional Executive Directors Rabiul Islam Milton and Md Mostafizur Rahman, and Head of EHS and Sustainability Department Mostafizur Rahman Raju was also present. Ambassadors of several countries, including Denmark and Sweden, along with representatives from the European Union, GCNB and ESG Institute Bangladesh, also attended the event. Expressing his reaction to the achievement, Walton Hi-Tech’s AMD Mohammad Yousuf Ali said, “The Walton family is delighted to receive the ‘ESG Excellence Awards-2026’ in three categories. These honours recognise Walton’s effective initiatives and continued progress in ensuring a safe workplace, addressing climate change and sustainable products innovation. The recognition will further inspire us to strengthen future investments and initiatives in environmental protection, employee safety and well-being, and sustainable product innovation alongside business growth.” He said, Walton considers sustainable development an integral part of its business strategy. Accordingly, the company has been adopting environmentally responsible technologies and policies across its manufacturing processes and workplaces to contribute to sustainable industrial development. “To address climate change, we have significantly reduced carbon emissions through the use of renewable energy at our manufacturing facilities and the adoption of green technologies in production processes,” Yousuf Ali said. “At the same time, Walton has introduced technology-driven safety management systems and regular training programmes to enhance employee awareness. These initiatives are helping prevent workplace accidents while ensuring occupational health and a safer working environment,” he added. Walton also places particular emphasis on energy efficiency, green technologies and environmentally friendly materials in the development and innovation of sustainable products. The company said its achievements across these areas have earned special recognition in three categories at the ‘ESG Excellence Awards’. Earlier this year, Walton also won the ‘SDG Brand Champion Awards 2026’ in three categories, including recognition as the year’s most sustainable electronics manufacturing enterprises, for its contributions to climate and environmental protection as well as clean and energy-efficient technologies.</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_07-9-26_31.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_07-9-26_31.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_07-9-26_31.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[৩ ক্যাটাগরিতে ইএসজি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস-২০২৬ পেল ওয়ালটন]]></title>
        <link>https://nbs24.org/economy/51588</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/economy/51588</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 17:44:47 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
                <category><![CDATA[করপোরেট খবর]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bangla news live, news 18 bangla, bd news bangla, bangla tv news, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, news18 bangla, news18 bangla live, bangladesh news, news18 bangla headlines, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh tv news, bangladesh news today, banglanews, banglavision world news, nabanna news, atn bangla, kasba news, bbc bangla, banglavision news bulletin today, news, bangla khobor, atn google news, bangla songbad, google news, latest news, jamuna news, bd news, kolkata news, bengali news]]></category>
        
        <description><![CDATA[পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টুর কাছ থেকে ‘ইএসজি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস-২০২৬’ এর সম্মাননা ক্রেস্ট গ্রহন করছেন ওয়ালটন হাই-টেকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এএমডি) মো. ইউসুফ আলী শিল্পখাতে নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণ, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ এবং পরিবেশবান্ধব টেকসই পণ্য উদ্ভাবনে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৩টি ক্যাটাগরিতে ‘ইএসজি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস-২০২৬’ অর্জন করেছে দেশের সুপারব্র্যান্ড ও টেক জায়ান্ট ওয়ালটন।  জাতিসংঘ গ্লোবাল কমপ্যাক্ট নেটওয়ার্ক (জিসিএনবি) এবং ইএসজি ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ইএসজি অ্যাওয়ার্ডসে ‘এক্সিলেন্স ইন অক্যুপেশনাল হেলথ অ্যান্ড সেফটি ইম্প্রুভমেন্ট’, ‘এক্সিলেন্স ইন চ্যাম্পিয়নিং ক্লাইমেট এ্যাকশন’ এবং ‘এক্সিলেন্স ইন সাসটেইনেবল প্রোডাক্ট ইনোভেশন’ ক্যাটাগরিতে ওয়ালটনকে পুরস্কৃত করা হয়।   শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) রাতে রাজধানীর লেকশোর হোটেলে আয়োজিত এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজকে ‘ইএসজি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস-২০২৬’ এর সম্মাননা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টুর কাছ থেকে ইএসজি অ্যাওয়ার্ডসের সম্মাননা ক্রেস্ট গ্রহণ করেন ওয়ালটন হাই-টেকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এএমডি) মো. ইউসুফ আলী।  সেসময় ওয়ালটন হাই-টেকের পক্ষ থেকে আরো উপস্থিত ছিলেন চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদ, সিনিয়র অ্যাডিশনাল এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর রবিউল ইসলাম মিলটন ও মো. মোস্তাফিজুর রহমান এবং ইএইচএস অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি বিভাগের প্রধান মোস্তাফিজুর রহমান রাজু।  এছাড়াও অনুষ্ঠানে ডেনমার্ক, সুইডেনসহ কয়েকটি দেশের রাষ্ট্রদূত, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জিসিএনবি এবং ইএসজি ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।  ‘ইএসজি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস-২০২৬’ এর সম্মাননা ক্রেস্ট গ্রহণ করছেন ওয়ালটন হাই-টেকের এএমডি মো. ইউসুফ আলী এবং সিএমও জোহেব আহমেদ পুরস্কার প্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় ওয়ালটন হাই-টেকের এএমডি মো. ইউসুফ আলী বলেন, তিনটি ক্যাটাগরিতে ‘ইএসজি অ্যাওয়ার্ডস-২০২৬’ অর্জন করায় ওয়ালটন পরিবার অত্যন্ত আনন্দিত। এই সম্মাননা নিরাপদ কর্মপরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় এবং টেকসই পণ্য উদ্ভাবনে ওয়ালটনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ ও ধারাবাহিক অগ্রগতির এক স্বীকৃতি। যা ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণ, কর্মীদের নিরাপত্তা ও কল্যাণ এবং টেকসই পণ্য উদ্ভাবণে ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ ও কাযক্রমকে  আরও বেশি অনুপ্রাণিত করবে।   তিনি জানান, টেকসই উন্নয়ন ব্যবসার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিবেচনা করে আসছে ওয়ালটন। তাই শিল্পখাতের টেকসই উন্নয়নে কারখানার উৎপাদন পক্রিয়া, কর্মক্ষেত্রসহ সর্বত্র পরিবেশবান্ধব সবুজ প্রযুক্তি ও নীতি অনুসরণ করছে ওয়ালটন। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কারখানায় নবায়নযোগ্য জ্বালানী ব্যবহার এবং উৎপাদন প্রক্রিয়ায় পরিবেশবান্ধব সবুজ প্রযুক্তি স্থাপনের মাধ্যমে আমরা কার্বন নিঃসরণ উল্লেখযোগ্যহারে কমিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছি। পাশাপাশি ওয়ালটন কারখানায় প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা, নিয়মিত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে দূঘটনা রোধের পাশাপাশি কর্মীদের পেশাগত স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা হয়েছে। এদিকে টেকসই পণ্য উন্নয়ন ও উদ্ভাবনে এনার্জি ইফিশিয়েন্সি, সবুজ প্রযুক্তি এবং পরিবেশবান্ধব ম্যাটেরিয়ালস ব্যবহারের প্রতি ওয়ালটন বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আসছে। এসব কার্যক্রম ও অগ্রগতির স্বীকৃতিস্বরূপ ওয়ালটন ‘ইএসজি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস’ এর তিনটি ক্যাটাগরিতে বিশেষ সম্মাননা পুরস্কার অর্জন করেছে।  উল্লেখ্য, এর আগে চলতি বছর বর্ষসেরা টেকসই ইলেকট্রনিক্স পণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতিসহ জলবায়ু ও পরিবেশ সুরক্ষা এবং ক্লিন এনার্জি ইফিশিয়েন্ট তিনটি ক্যাটাগরিতে ‘এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ডস-২০২৬’ অর্জন করেছে ওয়ালটন।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_07-9-26_31.webp" alt="৩ ক্যাটাগরিতে ইএসজি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস-২০২৬ পেল ওয়ালটন" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>৩ ক্যাটাগরিতে ইএসজি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস-২০২৬ পেল ওয়ালটন</h1>
            <p>পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টুর কাছ থেকে ‘ইএসজি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস-২০২৬’ এর সম্মাননা ক্রেস্ট গ্রহন করছেন ওয়ালটন হাই-টেকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এএমডি) মো. ইউসুফ আলী শিল্পখাতে নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণ, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ এবং পরিবেশবান্ধব টেকসই পণ্য উদ্ভাবনে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৩টি ক্যাটাগরিতে ‘ইএসজি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস-২০২৬’ অর্জন করেছে দেশের সুপারব্র্যান্ড ও টেক জায়ান্ট ওয়ালটন।  জাতিসংঘ গ্লোবাল কমপ্যাক্ট নেটওয়ার্ক (জিসিএনবি) এবং ইএসজি ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ইএসজি অ্যাওয়ার্ডসে ‘এক্সিলেন্স ইন অক্যুপেশনাল হেলথ অ্যান্ড সেফটি ইম্প্রুভমেন্ট’, ‘এক্সিলেন্স ইন চ্যাম্পিয়নিং ক্লাইমেট এ্যাকশন’ এবং ‘এক্সিলেন্স ইন সাসটেইনেবল প্রোডাক্ট ইনোভেশন’ ক্যাটাগরিতে ওয়ালটনকে পুরস্কৃত করা হয়।   শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) রাতে রাজধানীর লেকশোর হোটেলে আয়োজিত এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজকে ‘ইএসজি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস-২০২৬’ এর সম্মাননা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টুর কাছ থেকে ইএসজি অ্যাওয়ার্ডসের সম্মাননা ক্রেস্ট গ্রহণ করেন ওয়ালটন হাই-টেকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এএমডি) মো. ইউসুফ আলী।  সেসময় ওয়ালটন হাই-টেকের পক্ষ থেকে আরো উপস্থিত ছিলেন চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদ, সিনিয়র অ্যাডিশনাল এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর রবিউল ইসলাম মিলটন ও মো. মোস্তাফিজুর রহমান এবং ইএইচএস অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি বিভাগের প্রধান মোস্তাফিজুর রহমান রাজু।  এছাড়াও অনুষ্ঠানে ডেনমার্ক, সুইডেনসহ কয়েকটি দেশের রাষ্ট্রদূত, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জিসিএনবি এবং ইএসজি ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।  ‘ইএসজি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস-২০২৬’ এর সম্মাননা ক্রেস্ট গ্রহণ করছেন ওয়ালটন হাই-টেকের এএমডি মো. ইউসুফ আলী এবং সিএমও জোহেব আহমেদ পুরস্কার প্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় ওয়ালটন হাই-টেকের এএমডি মো. ইউসুফ আলী বলেন, তিনটি ক্যাটাগরিতে ‘ইএসজি অ্যাওয়ার্ডস-২০২৬’ অর্জন করায় ওয়ালটন পরিবার অত্যন্ত আনন্দিত। এই সম্মাননা নিরাপদ কর্মপরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় এবং টেকসই পণ্য উদ্ভাবনে ওয়ালটনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ ও ধারাবাহিক অগ্রগতির এক স্বীকৃতি। যা ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণ, কর্মীদের নিরাপত্তা ও কল্যাণ এবং টেকসই পণ্য উদ্ভাবণে ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ ও কাযক্রমকে  আরও বেশি অনুপ্রাণিত করবে।   তিনি জানান, টেকসই উন্নয়ন ব্যবসার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিবেচনা করে আসছে ওয়ালটন। তাই শিল্পখাতের টেকসই উন্নয়নে কারখানার উৎপাদন পক্রিয়া, কর্মক্ষেত্রসহ সর্বত্র পরিবেশবান্ধব সবুজ প্রযুক্তি ও নীতি অনুসরণ করছে ওয়ালটন। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কারখানায় নবায়নযোগ্য জ্বালানী ব্যবহার এবং উৎপাদন প্রক্রিয়ায় পরিবেশবান্ধব সবুজ প্রযুক্তি স্থাপনের মাধ্যমে আমরা কার্বন নিঃসরণ উল্লেখযোগ্যহারে কমিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছি। পাশাপাশি ওয়ালটন কারখানায় প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা, নিয়মিত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে দূঘটনা রোধের পাশাপাশি কর্মীদের পেশাগত স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা হয়েছে। এদিকে টেকসই পণ্য উন্নয়ন ও উদ্ভাবনে এনার্জি ইফিশিয়েন্সি, সবুজ প্রযুক্তি এবং পরিবেশবান্ধব ম্যাটেরিয়ালস ব্যবহারের প্রতি ওয়ালটন বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আসছে। এসব কার্যক্রম ও অগ্রগতির স্বীকৃতিস্বরূপ ওয়ালটন ‘ইএসজি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস’ এর তিনটি ক্যাটাগরিতে বিশেষ সম্মাননা পুরস্কার অর্জন করেছে।  উল্লেখ্য, এর আগে চলতি বছর বর্ষসেরা টেকসই ইলেকট্রনিক্স পণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতিসহ জলবায়ু ও পরিবেশ সুরক্ষা এবং ক্লিন এনার্জি ইফিশিয়েন্ট তিনটি ক্যাটাগরিতে ‘এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ডস-২০২৬’ অর্জন করেছে ওয়ালটন।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_07-9-26_31.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_07-9-26_31.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_07-9-26_31.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ভারতের আপত্তি! মানচিত্র বদলালো বিশ্ব! ট্রাম্পের বিরোধীতা|Kashmir-Ladakh নিয়ে কঠোর অবস্থান]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/51564</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/51564</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 12:38:50 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[এশিয়া]]></category>
                        <category><![CDATA[India UN, India United Nations, UN World Map, World Map Change, Kashmir Ladakh, India Kashmir, India Ladakh, Mercator Projection, Equal Area Map, India Geopolitics, United Nations News, Geopolitics, nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor]]></category>
        
        <description><![CDATA[জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে মানচিত্রের উপস্থাপন ও Equal-Area projection নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভোট ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন আলোচনা। ১৬৪টি দেশ প্রস্তাবের পক্ষে অবস্থান নিলেও India স্পষ্ট করে জানিয়েছে—এই ভোট কোনো রাজনৈতিক মানচিত্রের অনুমোদন নয় এবং Jammu & Kashmir ও Ladakh নিয়ে তাদের ভূখণ্ডগত অবস্থানে কোনো পরিবর্তন নেই। এই ভিডিওতে থাকছে UN-এর নতুন মানচিত্র নীতির উদ্দেশ্য, Mercator projection নিয়ে বিতর্ক, India-এর কূটনৈতিক অবস্থান, United States-এর বিরোধিতা এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এর সম্ভাব্য তাৎপর্য। মানচিত্রের প্রযুক্তিগত পরিবর্তন কি কখনো ভূরাজনৈতিক বিতর্ককে প্রভাবিত করতে পারে? India-এর এই কৌশল কি ভবিষ্যতে অন্য দেশগুলোর জন্য উদাহরণ হয়ে উঠবে? ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন এবং আপনার মতামত কমেন্টে জানান।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/837_1.webp" alt="ভারতের আপত্তি! মানচিত্র বদলালো বিশ্ব! ট্রাম্পের বিরোধীতা|Kashmir-Ladakh নিয়ে কঠোর অবস্থান" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ভারতের আপত্তি! মানচিত্র বদলালো বিশ্ব! ট্রাম্পের বিরোধীতা|Kashmir-Ladakh নিয়ে কঠোর অবস্থান</h1>
            <p>জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে মানচিত্রের উপস্থাপন ও Equal-Area projection নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভোট ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন আলোচনা। ১৬৪টি দেশ প্রস্তাবের পক্ষে অবস্থান নিলেও India স্পষ্ট করে জানিয়েছে—এই ভোট কোনো রাজনৈতিক মানচিত্রের অনুমোদন নয় এবং Jammu & Kashmir ও Ladakh নিয়ে তাদের ভূখণ্ডগত অবস্থানে কোনো পরিবর্তন নেই। এই ভিডিওতে থাকছে UN-এর নতুন মানচিত্র নীতির উদ্দেশ্য, Mercator projection নিয়ে বিতর্ক, India-এর কূটনৈতিক অবস্থান, United States-এর বিরোধিতা এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এর সম্ভাব্য তাৎপর্য। মানচিত্রের প্রযুক্তিগত পরিবর্তন কি কখনো ভূরাজনৈতিক বিতর্ককে প্রভাবিত করতে পারে? India-এর এই কৌশল কি ভবিষ্যতে অন্য দেশগুলোর জন্য উদাহরণ হয়ে উঠবে? ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন এবং আপনার মতামত কমেন্টে জানান।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/837_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/837_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/837_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইরান-ইসরাইল সংঘাতে Trump ও Putin-এর অবস্থান কী? মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুন]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/51563</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/51563</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 12:38:50 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Iran Israel conflict, Iran USA conflict, Middle East crisis, Middle East war, Iran Israel war, Israel Lebanon conflict, Hormuz Strait, Iran US tensions, Donald Trump, Vladimir Putin, Middle East geopolitics, Iran Israel latest, nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor]]></category>
        
        <description><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্যে একের পর এক সামরিক উত্তেজনা নতুন করে বড় সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি করছে। যুক্তরাষ্ট্র–ইরান উত্তেজনা, হরমুজ প্রণালী ঘিরে সামরিক চাপ এবং ইসরায়েল–লেবানন সীমান্তের সংঘাত—সব মিলিয়ে অঞ্চলটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে। একদিকে Iran ও United States-এর মধ্যে পারস্য উপসাগর এবং হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে উত্তেজনা, অন্যদিকে Israel ও Lebanon সীমান্তে সামরিক সংঘাত। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে Russia ও United States-এর ভূরাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন শক্তির কৌশলগত অবস্থান। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—এই সংঘাতগুলো কি আলাদা আলাদা সংকট হিসেবেই থাকবে, নাকি এক পর্যায়ে একটি বৃহত্তর Middle East War-এর দিকে এগিয়ে যাবে? এই ভিডিওতে থাকছে Iran–US tensions, Iran–Israel conflict, Israel–Lebanon tensions, Hormuz Strait, Middle East geopolitics, Russia ও America-এর ভূমিকা এবং সম্ভাব্য আঞ্চলিক যুদ্ধের ঝুঁকি নিয়ে বিশ্লেষণ।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/836_1.webp" alt="ইরান-ইসরাইল সংঘাতে Trump ও Putin-এর অবস্থান কী? মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুন" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইরান-ইসরাইল সংঘাতে Trump ও Putin-এর অবস্থান কী? মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুন</h1>
            <p>মধ্যপ্রাচ্যে একের পর এক সামরিক উত্তেজনা নতুন করে বড় সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি করছে। যুক্তরাষ্ট্র–ইরান উত্তেজনা, হরমুজ প্রণালী ঘিরে সামরিক চাপ এবং ইসরায়েল–লেবানন সীমান্তের সংঘাত—সব মিলিয়ে অঞ্চলটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে। একদিকে Iran ও United States-এর মধ্যে পারস্য উপসাগর এবং হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে উত্তেজনা, অন্যদিকে Israel ও Lebanon সীমান্তে সামরিক সংঘাত। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে Russia ও United States-এর ভূরাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন শক্তির কৌশলগত অবস্থান। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—এই সংঘাতগুলো কি আলাদা আলাদা সংকট হিসেবেই থাকবে, নাকি এক পর্যায়ে একটি বৃহত্তর Middle East War-এর দিকে এগিয়ে যাবে? এই ভিডিওতে থাকছে Iran–US tensions, Iran–Israel conflict, Israel–Lebanon tensions, Hormuz Strait, Middle East geopolitics, Russia ও America-এর ভূমিকা এবং সম্ভাব্য আঞ্চলিক যুদ্ধের ঝুঁকি নিয়ে বিশ্লেষণ।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/836_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/836_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/836_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ট্রাম্পের শান্তি, পুতিনের হামলা! আলোচনা চলছে, হামলাও চলছে!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/51562</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/51562</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 12:32:33 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor, Russia Ukraine War, Ukraine War, Donald Trump, Vladimir Putin, Trump Putin, Russia Ukraine conflict, Ukraine peace talks, Trump peace plan, Russia Ukraine latest, US Russia relations, Ukraine crisis, Geopolitics]]></category>
        
        <description><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি উদ্যোগের মধ্যেই ইউক্রেন সংঘাতে দেখা যাচ্ছে নতুন কূটনৈতিক ও সামরিক সমীকরণ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump-এর বিশেষ দূত Steve Witkoff ও Jared Kushner-এর মস্কো সফর এবং Vladimir Putin-এর সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক নতুন করে শান্তি আলোচনার সম্ভাবনা তৈরি করেছে। কিন্তু একই সময়ে ইউক্রেনের কিয়েভ, ওদেসা, মিকোলাইভসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে রাশিয়ার সামরিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ড্রোন, বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমে ইউক্রেনের সামরিক অবকাঠামো, লজিস্টিক নেটওয়ার্ক ও সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর চাপ বাড়ানোর চেষ্টা করছে মস্কো। তাহলে কি একদিকে চলছে Peace Talks, আর অন্যদিকে যুদ্ধক্ষেত্রে বাড়ছে Military Pressure? রাশিয়ার নিরাপত্তা উদ্বেগ, পশ্চিমা অস্ত্র সরবরাহ, ইউক্রেনের পাল্টা ড্রোন হামলা এবং মার্কিন মধ্যস্থতার প্রেক্ষাপটে এই সংঘাত কোন দিকে যাচ্ছে? এই ভিডিওতে থাকছে Trump-এর শান্তি উদ্যোগ, Putin-এর অবস্থান, Moscow-Washington যোগাযোগ, Kyiv-এ হামলা এবং Russia-Ukraine War-এর সাম্প্রতিক কৌশলগত বাস্তবতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/835_1.webp" alt="ট্রাম্পের শান্তি, পুতিনের হামলা! আলোচনা চলছে, হামলাও চলছে!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ট্রাম্পের শান্তি, পুতিনের হামলা! আলোচনা চলছে, হামলাও চলছে!</h1>
            <p>যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি উদ্যোগের মধ্যেই ইউক্রেন সংঘাতে দেখা যাচ্ছে নতুন কূটনৈতিক ও সামরিক সমীকরণ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump-এর বিশেষ দূত Steve Witkoff ও Jared Kushner-এর মস্কো সফর এবং Vladimir Putin-এর সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক নতুন করে শান্তি আলোচনার সম্ভাবনা তৈরি করেছে। কিন্তু একই সময়ে ইউক্রেনের কিয়েভ, ওদেসা, মিকোলাইভসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে রাশিয়ার সামরিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ড্রোন, বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমে ইউক্রেনের সামরিক অবকাঠামো, লজিস্টিক নেটওয়ার্ক ও সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর চাপ বাড়ানোর চেষ্টা করছে মস্কো। তাহলে কি একদিকে চলছে Peace Talks, আর অন্যদিকে যুদ্ধক্ষেত্রে বাড়ছে Military Pressure? রাশিয়ার নিরাপত্তা উদ্বেগ, পশ্চিমা অস্ত্র সরবরাহ, ইউক্রেনের পাল্টা ড্রোন হামলা এবং মার্কিন মধ্যস্থতার প্রেক্ষাপটে এই সংঘাত কোন দিকে যাচ্ছে? এই ভিডিওতে থাকছে Trump-এর শান্তি উদ্যোগ, Putin-এর অবস্থান, Moscow-Washington যোগাযোগ, Kyiv-এ হামলা এবং Russia-Ukraine War-এর সাম্প্রতিক কৌশলগত বাস্তবতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/835_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/835_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/835_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[হাসিনার লুটে বিশ্বসেরা বাংলাদেশ! ৩৫.৫ শতাংশ খেলাপি ঋণকে দেখানো হতো ১১ শতাংশ! ৬ লাখ কোটি টাকার ঋণ সংকটের আসল রহস্য]]></title>
        <link>https://nbs24.org/exclusive/51493</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/exclusive/51493</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ আল মাসুম]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 12:00:37 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[এক্সক্লুসিভ]]></category>
                <category><![CDATA[সর্বশেষ]]></category>
                        <category><![CDATA[Bangladesh Loan Default, Bangladesh Banking Crisis, Bangladesh Economy, Defaulted Loans Bangladesh, Bangladesh Bank, Bad Loans Bangladesh, Bangladesh Financial Crisis, Banking Sector Bangladesh, Loan Crisis Bangladesh, Bangladesh Economic Crisis, Non Performing Loans Bangladesh, Bangladesh Banking News, nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor]]></category>
        
        <description><![CDATA[বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ নিয়ে ভয়ংকর পরিসংখ্যান সামনে এসেছে। জুন ২০২৬ পর্যন্ত খেলাপি ঋণের অঙ্ক ৬ লাখ ৬ হাজার ৫৫৫ কোটি টাকা এবং ঋণখাতের বড় অংশ এখন ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বলে আলোচনায় এসেছে। কেন এত দ্রুত খেলাপি ঋণ বাড়ছে? দীর্ঘদিনের ঋণ অনিয়ম, পুনঃতফসিল, রাজনৈতিক প্রভাব, বড় ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর ঋণ এবং ব্যাংকিং খাতের দুর্বল ব্যবস্থাপনা কতটা দায়ী? অন্যদিকে আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী ঋণ শ্রেণিকরণের নিয়ম কঠোর হওয়ায় আগে লুকিয়ে থাকা ঝুঁকিপূর্ণ ঋণ এখন সামনে আসছে বলেও বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। এই ভিডিওতে আলোচনা করা হয়েছে বাংলাদেশের খেলাপি ঋণ, ব্যাংকিং সংকট, বড় ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর ঋণ, ইসলামী ব্যাংকগুলোর সংকট, পুনঃতফসিল করা ঋণ এবং দেশের অর্থনীতিতে এর সম্ভাব্য প্রভাব। খেলাপি ঋণের এই বিশাল পাহাড় থেকে বাংলাদেশ কীভাবে বের হবে? কঠোর আইন প্রয়োগ ও ঋণ আদায় কি ব্যাংকিং খাতকে আবার স্থিতিশীল করতে পারবে? পুরো বিশ্লেষণ জানতে ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/832_1.webp" alt="হাসিনার লুটে বিশ্বসেরা বাংলাদেশ! ৩৫.৫ শতাংশ খেলাপি ঋণকে দেখানো হতো ১১ শতাংশ! ৬ লাখ কোটি টাকার ঋণ সংকটের আসল রহস্য" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>হাসিনার লুটে বিশ্বসেরা বাংলাদেশ! ৩৫.৫ শতাংশ খেলাপি ঋণকে দেখানো হতো ১১ শতাংশ! ৬ লাখ কোটি টাকার ঋণ সংকটের আসল রহস্য</h1>
            <p>বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ নিয়ে ভয়ংকর পরিসংখ্যান সামনে এসেছে। জুন ২০২৬ পর্যন্ত খেলাপি ঋণের অঙ্ক ৬ লাখ ৬ হাজার ৫৫৫ কোটি টাকা এবং ঋণখাতের বড় অংশ এখন ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বলে আলোচনায় এসেছে। কেন এত দ্রুত খেলাপি ঋণ বাড়ছে? দীর্ঘদিনের ঋণ অনিয়ম, পুনঃতফসিল, রাজনৈতিক প্রভাব, বড় ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর ঋণ এবং ব্যাংকিং খাতের দুর্বল ব্যবস্থাপনা কতটা দায়ী? অন্যদিকে আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী ঋণ শ্রেণিকরণের নিয়ম কঠোর হওয়ায় আগে লুকিয়ে থাকা ঝুঁকিপূর্ণ ঋণ এখন সামনে আসছে বলেও বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। এই ভিডিওতে আলোচনা করা হয়েছে বাংলাদেশের খেলাপি ঋণ, ব্যাংকিং সংকট, বড় ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর ঋণ, ইসলামী ব্যাংকগুলোর সংকট, পুনঃতফসিল করা ঋণ এবং দেশের অর্থনীতিতে এর সম্ভাব্য প্রভাব। খেলাপি ঋণের এই বিশাল পাহাড় থেকে বাংলাদেশ কীভাবে বের হবে? কঠোর আইন প্রয়োগ ও ঋণ আদায় কি ব্যাংকিং খাতকে আবার স্থিতিশীল করতে পারবে? পুরো বিশ্লেষণ জানতে ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/832_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/832_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/832_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[গ্যাস বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে তারেকের বিস্ফোরক হুঁশিয়ারি অরাজকতা ঠেকাতে বড় ঘোষণা]]></title>
        <link>https://nbs24.org/exclusive/51492</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/exclusive/51492</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 12:00:37 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[এক্সক্লুসিভ]]></category>
                <category><![CDATA[সর্বশেষ]]></category>
                        <category><![CDATA[Tarique Rahman, Bangladesh energy crisis, Bangladesh gas crisis, Bangladesh electricity crisis, BNP government, Tarique Rahman speech, Bangladesh power crisis, BAPEX Bangladesh, Bangladesh LNG, Bangladesh politics 2026, Bangladesh gas shortage, Bangladesh electricity shortage, nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor]]></category>
        
        <description><![CDATA[বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট এখন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে শিল্পকারখানা পর্যন্ত বড় ধরনের চাপ তৈরি করছে। এই সংকটের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অভিযোগ করেছেন, কিছু রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি সংকটকে কাজে লাগিয়ে বিভ্রান্তি ও অরাজকতা তৈরির চেষ্টা করছে। তিনি বলেছেন, এমন কোনো চেষ্টা হলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, বর্তমান সরকার শুধু সংকটের কারণ ব্যাখ্যা করে থেমে থাকতে চায় না। দীর্ঘমেয়াদে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের স্থিতিশীল সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার একটি সমন্বিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। সরকারের পাঁচ দফা জ্বালানি পরিকল্পনায় দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়ানো, গ্যাস অনুসন্ধান ত্বরান্বিত করা, BAPEX শক্তিশালী করা, LNG অবকাঠামো সম্প্রসারণ এবং আমদানিনির্ভরতা কমানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে বেশ কিছু গ্যাসকূপে ড্রিলিং ও ওয়ার্কওভার সম্পন্ন হয়েছে এবং জাতীয় গ্রিডে অতিরিক্ত গ্যাস যুক্ত হওয়ার কথা সরকার জানিয়েছে। অন্যদিকে সাম্প্রতিক বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটের কারণে সাধারণ মানুষ এবং শিল্পখাত যে ভোগান্তির মধ্যে পড়েছে, সেটিও সরকার স্বীকার করেছে। প্রধানমন্ত্রী নিজেও সংকটে ভোগা মানুষ ও শিল্প উদ্যোক্তাদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং ভবিষ্যতে যাতে একই ধরনের সংকট বারবার তৈরি না হয়, সে লক্ষ্যে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা বলেছেন। এই ভিডিওতে আলোচনা করা হয়েছে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটের বর্তমান পরিস্থিতি, সরকারের পাঁচ দফা জ্বালানি পরিকল্পনা, BAPEX ও দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান, LNG অবকাঠামো এবং সংকটকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অস্থিরতার আশঙ্কা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য। একই সঙ্গে বিএনপির নাম ব্যবহার করে কেউ যেন বিভ্রান্তি বা রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি করতে না পারে, সে বিষয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার বার্তাও আলোচনায় এসেছে। তবে রাজনৈতিক বক্তব্যে যেসব গোষ্ঠী বা দলের বিরুদ্ধে অরাজকতা তৈরির অভিযোগ করা হয়েছে, সেগুলো প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য ও অভিযোগ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে; অভিযোগগুলোর প্রতিটি দিক স্বাধীনভাবে প্রমাণিত হয়েছে এমন দাবি করা হচ্ছে না।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/830_1.webp" alt="গ্যাস বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে তারেকের বিস্ফোরক হুঁশিয়ারি অরাজকতা ঠেকাতে বড় ঘোষণা" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>গ্যাস বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে তারেকের বিস্ফোরক হুঁশিয়ারি অরাজকতা ঠেকাতে বড় ঘোষণা</h1>
            <p>বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট এখন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে শিল্পকারখানা পর্যন্ত বড় ধরনের চাপ তৈরি করছে। এই সংকটের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অভিযোগ করেছেন, কিছু রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি সংকটকে কাজে লাগিয়ে বিভ্রান্তি ও অরাজকতা তৈরির চেষ্টা করছে। তিনি বলেছেন, এমন কোনো চেষ্টা হলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, বর্তমান সরকার শুধু সংকটের কারণ ব্যাখ্যা করে থেমে থাকতে চায় না। দীর্ঘমেয়াদে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের স্থিতিশীল সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার একটি সমন্বিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। সরকারের পাঁচ দফা জ্বালানি পরিকল্পনায় দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়ানো, গ্যাস অনুসন্ধান ত্বরান্বিত করা, BAPEX শক্তিশালী করা, LNG অবকাঠামো সম্প্রসারণ এবং আমদানিনির্ভরতা কমানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে বেশ কিছু গ্যাসকূপে ড্রিলিং ও ওয়ার্কওভার সম্পন্ন হয়েছে এবং জাতীয় গ্রিডে অতিরিক্ত গ্যাস যুক্ত হওয়ার কথা সরকার জানিয়েছে। অন্যদিকে সাম্প্রতিক বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটের কারণে সাধারণ মানুষ এবং শিল্পখাত যে ভোগান্তির মধ্যে পড়েছে, সেটিও সরকার স্বীকার করেছে। প্রধানমন্ত্রী নিজেও সংকটে ভোগা মানুষ ও শিল্প উদ্যোক্তাদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং ভবিষ্যতে যাতে একই ধরনের সংকট বারবার তৈরি না হয়, সে লক্ষ্যে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা বলেছেন। এই ভিডিওতে আলোচনা করা হয়েছে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটের বর্তমান পরিস্থিতি, সরকারের পাঁচ দফা জ্বালানি পরিকল্পনা, BAPEX ও দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান, LNG অবকাঠামো এবং সংকটকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অস্থিরতার আশঙ্কা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য। একই সঙ্গে বিএনপির নাম ব্যবহার করে কেউ যেন বিভ্রান্তি বা রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি করতে না পারে, সে বিষয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার বার্তাও আলোচনায় এসেছে। তবে রাজনৈতিক বক্তব্যে যেসব গোষ্ঠী বা দলের বিরুদ্ধে অরাজকতা তৈরির অভিযোগ করা হয়েছে, সেগুলো প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য ও অভিযোগ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে; অভিযোগগুলোর প্রতিটি দিক স্বাধীনভাবে প্রমাণিত হয়েছে এমন দাবি করা হচ্ছে না।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/830_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/830_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/830_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[পুতিনের চালে ইউক্রেন কাঁপছে! সৈন্যরা তছনছ রুশ মিসাইলে! সামরিক লজিস্টিক ভেঙে পড়ছে?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/51491</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/51491</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 12:00:37 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor, Russia Ukraine War, Putin, Zelensky, Ukraine war news, Russia Ukraine conflict, Putin Ukraine, Russian military, Ukraine military, NATO Russia, Ukraine latest news, Russia war, geopolitical crisis]]></category>
        
        <description><![CDATA[রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধ নতুন করে তীব্র মোড় নিয়েছে। ইউক্রেনের সামরিক অবকাঠামো, অস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্র, লজিস্টিক সেন্টার এবং গুরুত্বপূর্ণ নৌবন্দরকে লক্ষ্য করে রাশিয়ার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন উত্তেজনা। অন্যদিকে Moscow-তে রুশ প্রেসিডেন্ট Vladimir Putin এবং মার্কিন প্রতিনিধিদের বৈঠক, সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি ও শান্তি আলোচনার উদ্যোগ পরিস্থিতিতে নতুন কূটনৈতিক মাত্রা যোগ করেছে। একই সময়ে NATO-এর সামরিক সক্ষমতা, পশ্চিমা অস্ত্র সরবরাহ এবং দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। এই ভিডিওতে থাকছে Russia Ukraine War-এর সাম্প্রতিক সামরিক পরিস্থিতি, কিয়েভের সামরিক শিল্প ও লজিস্টিক অবকাঠামোয় হামলার দাবি, Black Sea অঞ্চলের পরিস্থিতি, Putin-এর যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্ত, US-Russia কূটনৈতিক তৎপরতা এবং NATO-এর সামনে তৈরি হওয়া চ্যালেঞ্জ নিয়ে বিস্তারিত বিশ্লেষণ। ভিডিওর তথ্যগুলো বিভিন্ন দাবির ভিত্তিতে উপস্থাপিত; যুদ্ধক্ষেত্রের তথ্য দ্রুত পরিবর্তিত হতে পারে এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য পরস্পরবিরোধী হতে পারে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/831_1.webp" alt="পুতিনের চালে ইউক্রেন কাঁপছে! সৈন্যরা তছনছ রুশ মিসাইলে! সামরিক লজিস্টিক ভেঙে পড়ছে?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>পুতিনের চালে ইউক্রেন কাঁপছে! সৈন্যরা তছনছ রুশ মিসাইলে! সামরিক লজিস্টিক ভেঙে পড়ছে?</h1>
            <p>রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধ নতুন করে তীব্র মোড় নিয়েছে। ইউক্রেনের সামরিক অবকাঠামো, অস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্র, লজিস্টিক সেন্টার এবং গুরুত্বপূর্ণ নৌবন্দরকে লক্ষ্য করে রাশিয়ার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন উত্তেজনা। অন্যদিকে Moscow-তে রুশ প্রেসিডেন্ট Vladimir Putin এবং মার্কিন প্রতিনিধিদের বৈঠক, সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি ও শান্তি আলোচনার উদ্যোগ পরিস্থিতিতে নতুন কূটনৈতিক মাত্রা যোগ করেছে। একই সময়ে NATO-এর সামরিক সক্ষমতা, পশ্চিমা অস্ত্র সরবরাহ এবং দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। এই ভিডিওতে থাকছে Russia Ukraine War-এর সাম্প্রতিক সামরিক পরিস্থিতি, কিয়েভের সামরিক শিল্প ও লজিস্টিক অবকাঠামোয় হামলার দাবি, Black Sea অঞ্চলের পরিস্থিতি, Putin-এর যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্ত, US-Russia কূটনৈতিক তৎপরতা এবং NATO-এর সামনে তৈরি হওয়া চ্যালেঞ্জ নিয়ে বিস্তারিত বিশ্লেষণ। ভিডিওর তথ্যগুলো বিভিন্ন দাবির ভিত্তিতে উপস্থাপিত; যুদ্ধক্ষেত্রের তথ্য দ্রুত পরিবর্তিত হতে পারে এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য পরস্পরবিরোধী হতে পারে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/831_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/831_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/831_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[হরমুজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা! আমেরিকার অস্ত্রভাণ্ডারে কি টান পড়েছে? ]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/51490</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/51490</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 12:00:37 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Iran USA conflict, Iran war, Donald Trump, Iran missiles, Strait of Hormuz, Saudi Arabia weapons deal, US military, Iran US tensions, Middle East conflict, Gulf crisis, US weapons stockpile, geopolitical crisis, nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor]]></category>
        
        <description><![CDATA[ইরান বনাম America! হরমুজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, Saudi Arabia-কে ৫ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালীতে আবারও তীব্র সামরিক উত্তেজনা। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টাপাল্টি হামলার মধ্যেই তেলবাহী জাহাজ, যুদ্ধজাহাজ এবং গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক রুট ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন সংকট। এই ভিডিওতে থাকছে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, মার্কিন পাল্টা আক্রমণ, তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা, খারগ দ্বীপের গুরুত্ব এবং হরমুজ প্রণালী ঘিরে তৈরি হওয়া নতুন সামরিক উত্তেজনার বিস্তারিত বিশ্লেষণ। একই সময়ে Saudi Arabia-র সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ৫ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্রচুক্তি নিয়েও উঠছে বড় প্রশ্ন। দীর্ঘ সংঘাতে Patriot, THAAD, Tomahawk ও অন্যান্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার মজুত নিয়ে যে আলোচনা তৈরি হয়েছে, সেই পরিস্থিতিতে এত বড় অস্ত্রচুক্তির তাৎপর্য কী? যুক্তরাষ্ট্র কি সত্যিই বিশাল অস্ত্রভাণ্ডারের মালিক, নাকি দীর্ঘ যুদ্ধের কারণে মজুতে চাপ তৈরি হয়েছে? ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাতের প্রভাব বিশ্ববাজার, তেল সরবরাহ এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে কতটা পড়তে পারে? থাকছে এসব প্রশ্নের বিশ্লেষণ।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/833_1.webp" alt="হরমুজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা! আমেরিকার অস্ত্রভাণ্ডারে কি টান পড়েছে? " width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>হরমুজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা! আমেরিকার অস্ত্রভাণ্ডারে কি টান পড়েছে? </h1>
            <p>ইরান বনাম America! হরমুজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, Saudi Arabia-কে ৫ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালীতে আবারও তীব্র সামরিক উত্তেজনা। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টাপাল্টি হামলার মধ্যেই তেলবাহী জাহাজ, যুদ্ধজাহাজ এবং গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক রুট ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন সংকট। এই ভিডিওতে থাকছে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, মার্কিন পাল্টা আক্রমণ, তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা, খারগ দ্বীপের গুরুত্ব এবং হরমুজ প্রণালী ঘিরে তৈরি হওয়া নতুন সামরিক উত্তেজনার বিস্তারিত বিশ্লেষণ। একই সময়ে Saudi Arabia-র সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ৫ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্রচুক্তি নিয়েও উঠছে বড় প্রশ্ন। দীর্ঘ সংঘাতে Patriot, THAAD, Tomahawk ও অন্যান্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার মজুত নিয়ে যে আলোচনা তৈরি হয়েছে, সেই পরিস্থিতিতে এত বড় অস্ত্রচুক্তির তাৎপর্য কী? যুক্তরাষ্ট্র কি সত্যিই বিশাল অস্ত্রভাণ্ডারের মালিক, নাকি দীর্ঘ যুদ্ধের কারণে মজুতে চাপ তৈরি হয়েছে? ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাতের প্রভাব বিশ্ববাজার, তেল সরবরাহ এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে কতটা পড়তে পারে? থাকছে এসব প্রশ্নের বিশ্লেষণ।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/833_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/833_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/833_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[হাসিনা ডিসেম্বরে ফিরছেন না! ঢাকা–দিল্লির নতুন সমীকরণে বড় বাধা!  আইনি–কূটনৈতিক চাপে নতুন সংকট]]></title>
        <link>https://nbs24.org/exclusive/51489</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/exclusive/51489</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ আল মাসুম]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 12:00:37 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[এক্সক্লুসিভ]]></category>
                <category><![CDATA[সর্বশেষ]]></category>
                        <category><![CDATA[Sheikh Hasina, Sheikh Hasina latest news, Sheikh Hasina return Bangladesh, Hasina December return, Bangladesh politics, Bangladesh political news, Bangladesh latest news, India Bangladesh relations, Dhaka Delhi relations, Awami League, Hasina extradition, Bangladesh news, nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor]]></category>
        
        <description><![CDATA[শেখ হাসিনার ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফেরার ঘোষণা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে আইনি প্রক্রিয়া, ভারত-বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্ক, প্রত্যর্পণ ইস্যু, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক দুর্বলতা এবং সম্ভাব্য নিরাপত্তাঝুঁকি—সব মিলিয়ে ডিসেম্বরের মধ্যে তার দেশে ফেরার সম্ভাবনা কতটা বাস্তব? এই ভিডিওতে বিশ্লেষণ করা হয়েছে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণার পটভূমি, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়, ভারতের অবস্থান, ঢাকার কূটনৈতিক আপত্তি এবং আওয়ামী লীগের বর্তমান সাংগঠনিক বাস্তবতা। শেখ হাসিনা ফিরতে চাইলেও কেন বিষয়টি এখন আর শুধু তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে না? ঢাকা–দিল্লি সম্পর্কের নতুন সমীকরণে প্রত্যর্পণ ইস্যুর বাইরে আর কী কী বিষয় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে? ডিসেম্বরের মধ্যে তার ফেরার পথে সবচেয়ে বড় বাধা কোনগুলো? ভিডিওটি পুরোটা দেখুন এবং বিষয়টি নিয়ে আপনার মতামত কমেন্টে জানান। নোট: ভিডিওতে উল্লিখিত রাজনৈতিক ও আইনি বিষয়গুলো নিয়ে পরিস্থিতি পরিবর্তনশীল হতে পারে। সর্বশেষ তথ্যের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সরকারি ও নির্ভরযোগ্য সংবাদসূত্র যাচাই করুন।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/834_1.webp" alt="হাসিনা ডিসেম্বরে ফিরছেন না! ঢাকা–দিল্লির নতুন সমীকরণে বড় বাধা!  আইনি–কূটনৈতিক চাপে নতুন সংকট" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>হাসিনা ডিসেম্বরে ফিরছেন না! ঢাকা–দিল্লির নতুন সমীকরণে বড় বাধা!  আইনি–কূটনৈতিক চাপে নতুন সংকট</h1>
            <p>শেখ হাসিনার ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফেরার ঘোষণা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে আইনি প্রক্রিয়া, ভারত-বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্ক, প্রত্যর্পণ ইস্যু, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক দুর্বলতা এবং সম্ভাব্য নিরাপত্তাঝুঁকি—সব মিলিয়ে ডিসেম্বরের মধ্যে তার দেশে ফেরার সম্ভাবনা কতটা বাস্তব? এই ভিডিওতে বিশ্লেষণ করা হয়েছে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণার পটভূমি, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়, ভারতের অবস্থান, ঢাকার কূটনৈতিক আপত্তি এবং আওয়ামী লীগের বর্তমান সাংগঠনিক বাস্তবতা। শেখ হাসিনা ফিরতে চাইলেও কেন বিষয়টি এখন আর শুধু তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে না? ঢাকা–দিল্লি সম্পর্কের নতুন সমীকরণে প্রত্যর্পণ ইস্যুর বাইরে আর কী কী বিষয় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে? ডিসেম্বরের মধ্যে তার ফেরার পথে সবচেয়ে বড় বাধা কোনগুলো? ভিডিওটি পুরোটা দেখুন এবং বিষয়টি নিয়ে আপনার মতামত কমেন্টে জানান। নোট: ভিডিওতে উল্লিখিত রাজনৈতিক ও আইনি বিষয়গুলো নিয়ে পরিস্থিতি পরিবর্তনশীল হতে পারে। সর্বশেষ তথ্যের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সরকারি ও নির্ভরযোগ্য সংবাদসূত্র যাচাই করুন।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/834_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/834_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/834_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[বিদ্যুৎ সংকট কাটাতে নতুন পরিকল্পনা! সোলারেই কি কাটবে লোডশেডিং? ১০ হাজার মেগাওয়াট সোলারের লক্ষ্য!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/exclusive/51467</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/exclusive/51467</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ আল মাসুম]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 01:39:02 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[এক্সক্লুসিভ]]></category>
                <category><![CDATA[সর্বশেষ]]></category>
                        <category><![CDATA[Bangladesh electricity crisis, Bangladesh load shedding, Bangladesh renewable energy, rooftop solar Bangladesh, Bangladesh solar power, renewable energy Bangladesh, Bangladesh energy crisis, Tarique Rahman, BNP government Bangladesh, Bangladesh solar project, Bangladesh power sector, clean energy Bangladesh, nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor]]></category>
        
        <description><![CDATA[বিদ্যুৎ সংকট, লোডশেডিং ও জ্বালানি ব্যয়ের চাপের মধ্যে বাংলাদেশ এখন নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে কতটা এগোচ্ছে? সাম্প্রতিক সময়ে কয়েক হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং, শিল্পকারখানায় বিদ্যুৎ সংকট এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে। একই সময়ে আগের সরকারের আমলে বাতিল হওয়া ৩৭টি সৌর ও বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়েও নতুন করে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। তবে শুধু অতীতের সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা নয়, বর্তমান সরকারের নেওয়া উদ্যোগগুলোও গুরুত্বপূর্ণ। রুফটপ সোলার ও ব্যাটারি স্টোরেজে প্রণোদনা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্পে কর সুবিধা, সৌর সরঞ্জাম ও স্টোরেজের শুল্ক কমানো এবং দীর্ঘমেয়াদি নবায়নযোগ্য জ্বালানি লক্ষ্যমাত্রা—এসব উদ্যোগ বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে। সরকারের পরিকল্পনায় ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুতের ২০ শতাংশ এবং ২০৪০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের লক্ষ্য রয়েছে। একই সঙ্গে সৌরবিদ্যুৎ বাড়ানোর পাশাপাশি উপকূলীয় অঞ্চলে বায়ুবিদ্যুতের সম্ভাবনাও কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে। বাংলাদেশের ঘনবসতিপূর্ণ বাস্তবতায় রুফটপ সোলার কেন গুরুত্বপূর্ণ? শিল্পকারখানা, কৃষি ও সাধারণ পরিবারের বিদ্যুৎ খরচে সৌরবিদ্যুৎ কীভাবে ভূমিকা রাখতে পারে? ব্যাটারি স্টোরেজ কি লোডশেডিং কমাতে সাহায্য করবে? আর দীর্ঘমেয়াদে নবায়নযোগ্য জ্বালানি কি বাংলাদেশের জ্বালানি আমদানির চাপ কমাতে পারবে? এই ভিডিওতে এসব বিষয় বিস্তারিতভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। অতীতের প্রকল্প বাতিলের কারণ ও অভিযোগগুলো নিয়ে বিতর্ক থাকলেও, বর্তমান উদ্যোগগুলোর বাস্তব ফলাফল নির্ভর করবে দ্রুত বাস্তবায়ন, স্বচ্ছতা, বিনিয়োগ এবং গ্রিড সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/829_1.webp" alt="বিদ্যুৎ সংকট কাটাতে নতুন পরিকল্পনা! সোলারেই কি কাটবে লোডশেডিং? ১০ হাজার মেগাওয়াট সোলারের লক্ষ্য!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>বিদ্যুৎ সংকট কাটাতে নতুন পরিকল্পনা! সোলারেই কি কাটবে লোডশেডিং? ১০ হাজার মেগাওয়াট সোলারের লক্ষ্য!</h1>
            <p>বিদ্যুৎ সংকট, লোডশেডিং ও জ্বালানি ব্যয়ের চাপের মধ্যে বাংলাদেশ এখন নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে কতটা এগোচ্ছে? সাম্প্রতিক সময়ে কয়েক হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং, শিল্পকারখানায় বিদ্যুৎ সংকট এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে। একই সময়ে আগের সরকারের আমলে বাতিল হওয়া ৩৭টি সৌর ও বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়েও নতুন করে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। তবে শুধু অতীতের সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা নয়, বর্তমান সরকারের নেওয়া উদ্যোগগুলোও গুরুত্বপূর্ণ। রুফটপ সোলার ও ব্যাটারি স্টোরেজে প্রণোদনা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্পে কর সুবিধা, সৌর সরঞ্জাম ও স্টোরেজের শুল্ক কমানো এবং দীর্ঘমেয়াদি নবায়নযোগ্য জ্বালানি লক্ষ্যমাত্রা—এসব উদ্যোগ বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে। সরকারের পরিকল্পনায় ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুতের ২০ শতাংশ এবং ২০৪০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের লক্ষ্য রয়েছে। একই সঙ্গে সৌরবিদ্যুৎ বাড়ানোর পাশাপাশি উপকূলীয় অঞ্চলে বায়ুবিদ্যুতের সম্ভাবনাও কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে। বাংলাদেশের ঘনবসতিপূর্ণ বাস্তবতায় রুফটপ সোলার কেন গুরুত্বপূর্ণ? শিল্পকারখানা, কৃষি ও সাধারণ পরিবারের বিদ্যুৎ খরচে সৌরবিদ্যুৎ কীভাবে ভূমিকা রাখতে পারে? ব্যাটারি স্টোরেজ কি লোডশেডিং কমাতে সাহায্য করবে? আর দীর্ঘমেয়াদে নবায়নযোগ্য জ্বালানি কি বাংলাদেশের জ্বালানি আমদানির চাপ কমাতে পারবে? এই ভিডিওতে এসব বিষয় বিস্তারিতভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। অতীতের প্রকল্প বাতিলের কারণ ও অভিযোগগুলো নিয়ে বিতর্ক থাকলেও, বর্তমান উদ্যোগগুলোর বাস্তব ফলাফল নির্ভর করবে দ্রুত বাস্তবায়ন, স্বচ্ছতা, বিনিয়োগ এবং গ্রিড সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/829_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/829_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/829_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[কেন বাংলাদেশের আকাশ প্রতিরক্ষা জরুরি! চীনের পর তুরস্কের মিসাইল বড় চমক!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/exclusive/51431</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/exclusive/51431</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ আল মাসুম]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 15:06:55 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[এক্সক্লুসিভ]]></category>
                <category><![CDATA[সর্বশেষ]]></category>
                        <category><![CDATA[Bangladesh air defense, Bangladesh Air Force, J10CE Bangladesh, Bangladesh fighter jet, Bangladesh SAM system, Bangladesh military, Bangladesh defense, Siper air defense, Turkey Siper, Forces Goal 2030, Bangladesh air force modernization, Bangladesh geopolitics, nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor]]></category>
        
        <description><![CDATA[বাংলাদেশের আকাশ প্রতিরক্ষা কি নতুন যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে? J10CE যুদ্ধবিমান কেনার সম্ভাব্য পরিকল্পনার পাশাপাশি বাংলাদেশের জন্য কেন উন্নত Surface to Air Missile বা SAM system গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে, এই ভিডিওতে সেটিই বিশ্লেষণ করা হয়েছে। শুধু আধুনিক যুদ্ধবিমান থাকলেই একটি দেশের আকাশসীমা পুরোপুরি নিরাপদ থাকে না। প্রয়োজন শক্তিশালী radar, command and control, electronic warfare, anti drone technology এবং medium ও long range air defense system। ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে Air Defence System Integration বা ADSI চালুর মাধ্যমে বাংলাদেশ একটি network based air defence architecture গড়ে তোলার দিকে এগোচ্ছে বলে স্ক্রিপ্টে আলোচনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে Turkey এর Siper এর মতো long range air defence system নিয়ে সম্ভাব্য আগ্রহ এবং Forces Goal 2030 এর পরিকল্পনাও আলোচনায় এসেছে। J10CE যুদ্ধবিমান, SAM system, Siper, ADSI এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ air defence strategy নিয়ে বিস্তারিত জানতে পুরো ভিডিওটি দেখুন। ভিডিওতে উল্লেখিত কিছু ক্রয় পরিকল্পনা ও সম্ভাব্য প্রতিরক্ষা চুক্তি এখনো চূড়ান্ত নাও হয়ে থাকতে পারে। তাই সম্ভাব্যতা ও প্রতিবেদনের তথ্যকে নিশ্চিত চুক্তি হিসেবে বিবেচনা না করাই ভালো।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_05-9-26_31.webp" alt="কেন বাংলাদেশের আকাশ প্রতিরক্ষা জরুরি! চীনের পর তুরস্কের মিসাইল বড় চমক!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>কেন বাংলাদেশের আকাশ প্রতিরক্ষা জরুরি! চীনের পর তুরস্কের মিসাইল বড় চমক!</h1>
            <p>বাংলাদেশের আকাশ প্রতিরক্ষা কি নতুন যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে? J10CE যুদ্ধবিমান কেনার সম্ভাব্য পরিকল্পনার পাশাপাশি বাংলাদেশের জন্য কেন উন্নত Surface to Air Missile বা SAM system গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে, এই ভিডিওতে সেটিই বিশ্লেষণ করা হয়েছে। শুধু আধুনিক যুদ্ধবিমান থাকলেই একটি দেশের আকাশসীমা পুরোপুরি নিরাপদ থাকে না। প্রয়োজন শক্তিশালী radar, command and control, electronic warfare, anti drone technology এবং medium ও long range air defense system। ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে Air Defence System Integration বা ADSI চালুর মাধ্যমে বাংলাদেশ একটি network based air defence architecture গড়ে তোলার দিকে এগোচ্ছে বলে স্ক্রিপ্টে আলোচনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে Turkey এর Siper এর মতো long range air defence system নিয়ে সম্ভাব্য আগ্রহ এবং Forces Goal 2030 এর পরিকল্পনাও আলোচনায় এসেছে। J10CE যুদ্ধবিমান, SAM system, Siper, ADSI এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ air defence strategy নিয়ে বিস্তারিত জানতে পুরো ভিডিওটি দেখুন। ভিডিওতে উল্লেখিত কিছু ক্রয় পরিকল্পনা ও সম্ভাব্য প্রতিরক্ষা চুক্তি এখনো চূড়ান্ত নাও হয়ে থাকতে পারে। তাই সম্ভাব্যতা ও প্রতিবেদনের তথ্যকে নিশ্চিত চুক্তি হিসেবে বিবেচনা না করাই ভালো।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_05-9-26_31.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_05-9-26_31.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_05-9-26_31.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইউক্রেনের গোয়েন্দা সদরদপ্তরে বড় হামলা! সেনারা তছনছ রাশিয়ার ভয়ংকর আঘাত!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/51430</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/51430</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 15:06:55 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[Russia Ukraine war, Kyiv attack, SBU headquarters, HUR Ukraine, Zelenskyy Putin, Russian drone attack, Kyiv drone strike, Ukraine military crisis, Russia military operation, Black Sea Russia Ukraine, Ukraine intelligence conflict, Russia Ukraine latest]]></category>
        
        <description><![CDATA[Kyiv-এর কেন্দ্রস্থলে কথিত Russian drone হামলা এবং Ukraine-এর অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংকট নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এই ভিডিওতে Kyiv-এর SBU সদরদপ্তরে হামলার দাবি, Ukraine-এর SBU ও HUR গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যকার কথিত সংঘাত, Russian military operations এবং যুদ্ধক্ষেত্রে Ukraine-এর সামরিক চাপ—সবকিছু বিশ্লেষণ করা হয়েছে। একদিকে Kyiv-এর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার দাবি, অন্যদিকে Ukraine-এর নিরাপত্তা কাঠামোর অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েন। একই সময়ে Russia ও Ukraine-এর মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে সামরিক ভারসাম্য, Black Sea পরিস্থিতি এবং পশ্চিমা সামরিক সহায়তার কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। ভিডিওতে Russia-এর সামরিক অগ্রগতি, Ukraine-এর সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি, Black Sea-এর নিরাপত্তা, Russian energy trade এবং India-এর অবস্থানসহ বৃহত্তর geopolitical পরিস্থিতিও তুলে ধরা হয়েছে। তবে ভিডিওতে উল্লিখিত সামরিক হতাহতের সংখ্যা, নির্দিষ্ট হামলার ফলাফল এবং যুদ্ধক্ষেত্রের কিছু দাবি সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য বা প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে উপস্থাপিত। এসব তথ্যের সবগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব নাও হতে পারে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/826-1_1.webp" alt="ইউক্রেনের গোয়েন্দা সদরদপ্তরে বড় হামলা! সেনারা তছনছ রাশিয়ার ভয়ংকর আঘাত!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইউক্রেনের গোয়েন্দা সদরদপ্তরে বড় হামলা! সেনারা তছনছ রাশিয়ার ভয়ংকর আঘাত!</h1>
            <p>Kyiv-এর কেন্দ্রস্থলে কথিত Russian drone হামলা এবং Ukraine-এর অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংকট নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এই ভিডিওতে Kyiv-এর SBU সদরদপ্তরে হামলার দাবি, Ukraine-এর SBU ও HUR গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যকার কথিত সংঘাত, Russian military operations এবং যুদ্ধক্ষেত্রে Ukraine-এর সামরিক চাপ—সবকিছু বিশ্লেষণ করা হয়েছে। একদিকে Kyiv-এর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার দাবি, অন্যদিকে Ukraine-এর নিরাপত্তা কাঠামোর অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েন। একই সময়ে Russia ও Ukraine-এর মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে সামরিক ভারসাম্য, Black Sea পরিস্থিতি এবং পশ্চিমা সামরিক সহায়তার কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। ভিডিওতে Russia-এর সামরিক অগ্রগতি, Ukraine-এর সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি, Black Sea-এর নিরাপত্তা, Russian energy trade এবং India-এর অবস্থানসহ বৃহত্তর geopolitical পরিস্থিতিও তুলে ধরা হয়েছে। তবে ভিডিওতে উল্লিখিত সামরিক হতাহতের সংখ্যা, নির্দিষ্ট হামলার ফলাফল এবং যুদ্ধক্ষেত্রের কিছু দাবি সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য বা প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে উপস্থাপিত। এসব তথ্যের সবগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব নাও হতে পারে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/826-1_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/826-1_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/826-1_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইরানের তেল নিয়ে বেইজিংয়ের বড় জবাব!  ট্রাম্পের দাদাগিরি মানবে না চীন!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/51429</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/51429</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 15:06:55 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Trump China Iran, Iran oil sanctions, China Iran oil, Trump Iran sanctions, US China Iran, Xi Jinping Trump, Iran oil exports, Iran China trade, Strait of Hormuz, Iran sanctions 2026, US China conflict, geopolitics, nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor]]></category>
        
        <description><![CDATA[Iran-এর তেল রপ্তানি বন্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন কঠোর নিষেধাজ্ঞার চাপ কতটা কার্যকর হবে? আর ইরানের সবচেয়ে বড় তেল ক্রেতা China কি Trump প্রশাসনের এই চাপ মেনে নেবে? ২০২৬ সালের আগস্টে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেল ক্রয়কারী দেশ ও প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপরও নিষেধাজ্ঞার চাপ বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। এর লক্ষ্য ছিল Iran-এর তেল রপ্তানি ও বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহকে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা। কিন্তু Washington-এর এই নীতির বিরুদ্ধে Beijing স্পষ্ট অবস্থান নেয়। China একপক্ষীয় নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করে জানায়, নিজের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ইরানের তেল বাণিজ্যে China-এর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ডলার-বহির্ভূত লেনদেন, বিকল্প বাণিজ্যিক চ্যানেল, সমুদ্রপথ এবং স্বাধীন রিফাইনারির মাধ্যমে Beijing কীভাবে এই চাপ মোকাবিলা করতে পারে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। অন্যদিকে Hormuz Strait ঘিরে সামুদ্রিক উত্তেজনা এবং তেল পরিবহনে বাধা তৈরি হলে বিশ্ববাজারেও এর প্রভাব পড়তে পারে। Iran-এর তেল সরবরাহ কমে গেলে আন্তর্জাতিক তেলের দাম, China-এর রিফাইনারি এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার—সবকিছুর ওপর চাপ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই ভিডিওতে আলোচনা করা হয়েছে USA-China-Iran তেল বাণিজ্যের সংঘাত, Trump প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা, China-এর পাল্টা অবস্থান, ডলার-বহির্ভূত লেনদেন এবং Hormuz Strait-এর কৌশলগত গুরুত্ব। ভিডিওতে উল্লিখিত কিছু পরিসংখ্যান ও দাবির ক্ষেত্রে বিভিন্ন সংবাদ প্রতিবেদন ও সরকারি বক্তব্যের ওপর নির্ভর করা হয়েছে। সব দাবির স্বাধীনভাবে যাচাই সম্ভব নাও হতে পারে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/827_1.webp" alt="ইরানের তেল নিয়ে বেইজিংয়ের বড় জবাব!  ট্রাম্পের দাদাগিরি মানবে না চীন!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইরানের তেল নিয়ে বেইজিংয়ের বড় জবাব!  ট্রাম্পের দাদাগিরি মানবে না চীন!</h1>
            <p>Iran-এর তেল রপ্তানি বন্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন কঠোর নিষেধাজ্ঞার চাপ কতটা কার্যকর হবে? আর ইরানের সবচেয়ে বড় তেল ক্রেতা China কি Trump প্রশাসনের এই চাপ মেনে নেবে? ২০২৬ সালের আগস্টে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেল ক্রয়কারী দেশ ও প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপরও নিষেধাজ্ঞার চাপ বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। এর লক্ষ্য ছিল Iran-এর তেল রপ্তানি ও বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহকে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা। কিন্তু Washington-এর এই নীতির বিরুদ্ধে Beijing স্পষ্ট অবস্থান নেয়। China একপক্ষীয় নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করে জানায়, নিজের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ইরানের তেল বাণিজ্যে China-এর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ডলার-বহির্ভূত লেনদেন, বিকল্প বাণিজ্যিক চ্যানেল, সমুদ্রপথ এবং স্বাধীন রিফাইনারির মাধ্যমে Beijing কীভাবে এই চাপ মোকাবিলা করতে পারে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। অন্যদিকে Hormuz Strait ঘিরে সামুদ্রিক উত্তেজনা এবং তেল পরিবহনে বাধা তৈরি হলে বিশ্ববাজারেও এর প্রভাব পড়তে পারে। Iran-এর তেল সরবরাহ কমে গেলে আন্তর্জাতিক তেলের দাম, China-এর রিফাইনারি এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার—সবকিছুর ওপর চাপ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই ভিডিওতে আলোচনা করা হয়েছে USA-China-Iran তেল বাণিজ্যের সংঘাত, Trump প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা, China-এর পাল্টা অবস্থান, ডলার-বহির্ভূত লেনদেন এবং Hormuz Strait-এর কৌশলগত গুরুত্ব। ভিডিওতে উল্লিখিত কিছু পরিসংখ্যান ও দাবির ক্ষেত্রে বিভিন্ন সংবাদ প্রতিবেদন ও সরকারি বক্তব্যের ওপর নির্ভর করা হয়েছে। সব দাবির স্বাধীনভাবে যাচাই সম্ভব নাও হতে পারে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/827_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/827_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/827_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[আওয়ামী লীগ আমলের ১৮ লাখ কোটি ঋণের বোঝা সামলাবে বিএনপি সরকার]]></title>
        <link>https://nbs24.org/exclusive/51428</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/exclusive/51428</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ আল মাসুম]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sat, 05 Sep 2026 15:06:55 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[এক্সক্লুসিভ]]></category>
                <category><![CDATA[সর্বশেষ]]></category>
                        <category><![CDATA[Bangladesh debt crisis, Bangladesh economy 2026, Tarique Rahman, BNP government, Awami League debt, Sheikh Hasina, Bangladesh bad loans, Bangladesh banking crisis, Bangladesh government debt, Bangladesh IMF loan, Bangladesh economy news, Bangladesh politics, nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor]]></category>
        
        <description><![CDATA[বাংলাদেশের অর্থনীতির সামনে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্নগুলোর একটি হলো ঋণ ও খেলাপি ঋণের বিশাল চাপ। সরকারি ঋণের বোঝা এবং ব্যাংক খাতের বিপুল খেলাপি ঋণ দেশের বাজেট, বিনিয়োগ, ব্যবসা, আমানতকারী ও সাধারণ মানুষের ওপর কী ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে? বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুন শেষে ব্যাংক খাতে খেলাপি বা শ্রেণিকৃত ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৬ হাজার ৫৫৫ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের প্রায় ৩২ দশমিক ৭৮ শতাংশ। অর্থাৎ ব্যাংক খাতের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ঋণ এখন সংকটাপন্ন অবস্থায় রয়েছে। এই সংকটের পেছনে দীর্ঘদিনের ঋণ ব্যবস্থাপনা, দুর্বল তদারকি, পুনঃতফসিল, ঋণ আদায়ের ব্যর্থতা এবং বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। রাজনৈতিক পালাবদলের পর ব্যাংক খাতের প্রকৃত আর্থিক দুর্বলতাও আরও স্পষ্ট হয়েছে বলে বিভিন্ন বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। এখন বড় প্রশ্ন হলো, এই বিশাল আর্থিক চাপ কীভাবে সামাল দেবে বর্তমান বিএনপি সরকার? প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার ব্যাংকিং খাত সংস্কার, ঋণ আদায়, সুশাসন বৃদ্ধি, আর্থিক স্বচ্ছতা এবং অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফেরানোর ওপর জোর দিচ্ছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ নতুন একটি IMF-supported অর্থনৈতিক কর্মসূচির জন্য আবেদন করেছে। IMF জানিয়েছে, ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা এবং কম রাজস্ব আহরণ নতুন সংস্কার প্রচেষ্টার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই ভিডিওতে আমরা বিশ্লেষণ করেছি আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ সময়ের ঋণ ও ব্যাংকিং খাতের সংকট নিয়ে ওঠা প্রশ্ন, সাধারণ মানুষের ওপর এর সম্ভাব্য প্রভাব এবং বর্তমান বিএনপি সরকারের সামনে থাকা অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ ও সংস্কারের উদ্যোগ। তবে একটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। ঋণের সবটাই যে অপচয় বা অনিয়মের ফল, এমন সিদ্ধান্তে যাওয়া ঠিক নয়। উন্নয়ন প্রকল্প, বাজেট ঘাটতি, বৈদেশিক অর্থায়নসহ বিভিন্ন বৈধ কারণেও সরকারি ঋণ তৈরি হয়। একইভাবে সব খেলাপি ঋণও ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপির ফল নয়। তাই তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতেই বিষয়টি মূল্যায়ন করা জরুরি।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/828_3.webp" alt="আওয়ামী লীগ আমলের ১৮ লাখ কোটি ঋণের বোঝা সামলাবে বিএনপি সরকার" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>আওয়ামী লীগ আমলের ১৮ লাখ কোটি ঋণের বোঝা সামলাবে বিএনপি সরকার</h1>
            <p>বাংলাদেশের অর্থনীতির সামনে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্নগুলোর একটি হলো ঋণ ও খেলাপি ঋণের বিশাল চাপ। সরকারি ঋণের বোঝা এবং ব্যাংক খাতের বিপুল খেলাপি ঋণ দেশের বাজেট, বিনিয়োগ, ব্যবসা, আমানতকারী ও সাধারণ মানুষের ওপর কী ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে? বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুন শেষে ব্যাংক খাতে খেলাপি বা শ্রেণিকৃত ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৬ হাজার ৫৫৫ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের প্রায় ৩২ দশমিক ৭৮ শতাংশ। অর্থাৎ ব্যাংক খাতের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ঋণ এখন সংকটাপন্ন অবস্থায় রয়েছে। এই সংকটের পেছনে দীর্ঘদিনের ঋণ ব্যবস্থাপনা, দুর্বল তদারকি, পুনঃতফসিল, ঋণ আদায়ের ব্যর্থতা এবং বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। রাজনৈতিক পালাবদলের পর ব্যাংক খাতের প্রকৃত আর্থিক দুর্বলতাও আরও স্পষ্ট হয়েছে বলে বিভিন্ন বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। এখন বড় প্রশ্ন হলো, এই বিশাল আর্থিক চাপ কীভাবে সামাল দেবে বর্তমান বিএনপি সরকার? প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার ব্যাংকিং খাত সংস্কার, ঋণ আদায়, সুশাসন বৃদ্ধি, আর্থিক স্বচ্ছতা এবং অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফেরানোর ওপর জোর দিচ্ছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ নতুন একটি IMF-supported অর্থনৈতিক কর্মসূচির জন্য আবেদন করেছে। IMF জানিয়েছে, ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা এবং কম রাজস্ব আহরণ নতুন সংস্কার প্রচেষ্টার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই ভিডিওতে আমরা বিশ্লেষণ করেছি আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ সময়ের ঋণ ও ব্যাংকিং খাতের সংকট নিয়ে ওঠা প্রশ্ন, সাধারণ মানুষের ওপর এর সম্ভাব্য প্রভাব এবং বর্তমান বিএনপি সরকারের সামনে থাকা অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ ও সংস্কারের উদ্যোগ। তবে একটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। ঋণের সবটাই যে অপচয় বা অনিয়মের ফল, এমন সিদ্ধান্তে যাওয়া ঠিক নয়। উন্নয়ন প্রকল্প, বাজেট ঘাটতি, বৈদেশিক অর্থায়নসহ বিভিন্ন বৈধ কারণেও সরকারি ঋণ তৈরি হয়। একইভাবে সব খেলাপি ঋণও ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপির ফল নয়। তাই তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতেই বিষয়টি মূল্যায়ন করা জরুরি।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/828_3.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/828_3.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/828_3.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[এবার রাশিয়ার টার্গেট পোল্যান্ড, Patriot শেষের পথে ইউক্রেন]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/51349</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/51349</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 04 Sep 2026 13:44:30 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bangla news live, bd news bangla, bangla news today, atn news bangla, bbc news bangla, atn news bangla today, bangladesh news, banglavision news, banglanews, r bangla, atn bangla, bbc bangla, r bangla live, news, bangla khobor, atn google news, bangla songbad, india news, google news, latest news, jamuna news, bd news, kolkata news, atn bangla program, breaking news, trending news, bnp news, news trending, atn news, ajker bangla khobor, bbc news, ncp news, bdnews, atn news khabar, live news, khaleda zia news, today news, viral news, atn bd news]]></category>
        
        <description><![CDATA[Baltic Sea ঘিরে Russia ও NATO এর মধ্যে সামরিক উত্তেজনা নতুন করে আলোচনায় এসেছে। Poland এর উপকূলের কাছাকাছি আন্তর্জাতিক আকাশসীমায় একটি Russian Il 20 গোয়েন্দা বিমান শনাক্ত হওয়ার পর Polish fighter jet সেটিকে এসকর্ট করে সরিয়ে দেয়। ঘটনাটি সরাসরি Polish আকাশসীমা লঙ্ঘনের ঘটনা না হলেও NATO এর পূর্বাঞ্চলীয় নিরাপত্তা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। অন্যদিকে Ukraine ভয়াবহ air defense সংকটে পড়েছে। Russian missile হামলা বাড়ার মধ্যে Patriot PAC 3 interceptor এর মজুদ কমে আসছে বলে দাবি করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে Ukraine European Union এর কাছে প্রায় দুই বিলিয়ন ইউরো অর্থায়নের আবেদন করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও Ukraine কে Patriot missile উৎপাদনের লাইসেন্স দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা চলছে। তবে স্থানীয়ভাবে উৎপাদন শুরু করলেও তাৎক্ষণিক সংকট সমাধান হবে না বলে মার্কিন পক্ষ থেকে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। Russia NATO উত্তেজনা, Poland এর সামরিক প্রস্তুতি, Baltic Sea এর আকাশসীমা এবং Ukraine এর Patriot সংকট নিয়ে এই ভিডিওতে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। ভিডিওর কিছু সামরিক ও কৌশলগত তথ্য বিভিন্ন প্রতিবেদন ও দাবির ওপর ভিত্তি করে উপস্থাপিত হয়েছে। সব তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব নাও হতে পারে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/824_1.webp" alt="এবার রাশিয়ার টার্গেট পোল্যান্ড, Patriot শেষের পথে ইউক্রেন" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>এবার রাশিয়ার টার্গেট পোল্যান্ড, Patriot শেষের পথে ইউক্রেন</h1>
            <p>Baltic Sea ঘিরে Russia ও NATO এর মধ্যে সামরিক উত্তেজনা নতুন করে আলোচনায় এসেছে। Poland এর উপকূলের কাছাকাছি আন্তর্জাতিক আকাশসীমায় একটি Russian Il 20 গোয়েন্দা বিমান শনাক্ত হওয়ার পর Polish fighter jet সেটিকে এসকর্ট করে সরিয়ে দেয়। ঘটনাটি সরাসরি Polish আকাশসীমা লঙ্ঘনের ঘটনা না হলেও NATO এর পূর্বাঞ্চলীয় নিরাপত্তা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। অন্যদিকে Ukraine ভয়াবহ air defense সংকটে পড়েছে। Russian missile হামলা বাড়ার মধ্যে Patriot PAC 3 interceptor এর মজুদ কমে আসছে বলে দাবি করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে Ukraine European Union এর কাছে প্রায় দুই বিলিয়ন ইউরো অর্থায়নের আবেদন করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও Ukraine কে Patriot missile উৎপাদনের লাইসেন্স দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা চলছে। তবে স্থানীয়ভাবে উৎপাদন শুরু করলেও তাৎক্ষণিক সংকট সমাধান হবে না বলে মার্কিন পক্ষ থেকে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। Russia NATO উত্তেজনা, Poland এর সামরিক প্রস্তুতি, Baltic Sea এর আকাশসীমা এবং Ukraine এর Patriot সংকট নিয়ে এই ভিডিওতে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। ভিডিওর কিছু সামরিক ও কৌশলগত তথ্য বিভিন্ন প্রতিবেদন ও দাবির ওপর ভিত্তি করে উপস্থাপিত হয়েছে। সব তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব নাও হতে পারে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/824_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/824_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/824_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ট্রাম্পের চাপে ভয়ংকর যুদ্ধের আশঙ্কা! হরমুজে এবার কী হবে? Hormuz Strait USA Iran]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/51348</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/51348</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[মৌসুমী আক্তার]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 04 Sep 2026 13:44:30 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bangla news live, bd news bangla, bangla news today, atn news bangla, bbc news bangla, atn news bangla today, bangladesh news, banglavision news, banglanews, r bangla, atn bangla, bbc bangla, r bangla live, news, bangla khobor, atn google news, bangla songbad, india news, google news, latest news, jamuna news, bd news, kolkata news, atn bangla program, breaking news, trending news, bnp news, news trending, atn news, ajker bangla khobor, bbc news, ncp news, bdnews, atn news khabar, live news, khaleda zia news, today news, viral news, atn bd news]]></category>
        
        <description><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্যে আবারও বাড়ছে উত্তেজনা। Hormuz Strait ঘিরে USA ও Iran-এর সামরিক সংঘাত, সীমিত অভিযানের পরিকল্পনা, পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এবং বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহনপথের নিরাপত্তা নিয়ে তৈরি হয়েছে বড় উদ্বেগ। মার্কিন CENTCOM ইরানের রাডার, বিমান প্রতিরক্ষা এবং জাহাজবিধ্বংসী সক্ষমতা দুর্বল রাখতে সীমিত ও পর্যায়ক্রমিক অভিযানের পরিকল্পনা করছে বলে স্ক্রিপ্টে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে Iran পাল্টা হামলার মাধ্যমে নিজেদের সামরিক সক্ষমতা দেখানোর চেষ্টা করছে। এই সংঘাতের প্রভাব পড়তে পারে আন্তর্জাতিক তেলের বাজার, বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের ওপর। একই ভিডিওতে থাকছে USA-এর ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচন ঘিরে সামরিক বাহিনী মোতায়েন না করার ঘোষণা, Venezuela-এর তেল খাতে মার্কিন কৌশলের পরিবর্তন এবং White House-এর East Wing ভেঙে নতুন Ballroom নির্মাণ নিয়ে আইনি বিতর্ক। বিশেষ করে Supreme Court-এর সাম্প্রতিক আদেশের পর White House Ballroom প্রকল্পের নির্মাণ আবার শুরু হওয়ার বিষয়টিও আলোচনায় থাকছে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ থেকে আমেরিকার অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং বিশ্ব জ্বালানি বাজার—সব মিলিয়ে কী ধরনের নতুন পরিবর্তন আসতে পারে, থাকছে তার বিস্তারিত বিশ্লেষণ। ভিডিওতে উল্লেখিত সামরিক হামলা, ক্ষয়ক্ষতি ও সংশ্লিষ্ট দাবিগুলোর কিছু অংশ পক্ষগুলোর বক্তব্যের ভিত্তিতে উপস্থাপিত হয়েছে। সব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব নয়।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/823_3.webp" alt="ট্রাম্পের চাপে ভয়ংকর যুদ্ধের আশঙ্কা! হরমুজে এবার কী হবে? Hormuz Strait USA Iran" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ট্রাম্পের চাপে ভয়ংকর যুদ্ধের আশঙ্কা! হরমুজে এবার কী হবে? Hormuz Strait USA Iran</h1>
            <p>মধ্যপ্রাচ্যে আবারও বাড়ছে উত্তেজনা। Hormuz Strait ঘিরে USA ও Iran-এর সামরিক সংঘাত, সীমিত অভিযানের পরিকল্পনা, পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এবং বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহনপথের নিরাপত্তা নিয়ে তৈরি হয়েছে বড় উদ্বেগ। মার্কিন CENTCOM ইরানের রাডার, বিমান প্রতিরক্ষা এবং জাহাজবিধ্বংসী সক্ষমতা দুর্বল রাখতে সীমিত ও পর্যায়ক্রমিক অভিযানের পরিকল্পনা করছে বলে স্ক্রিপ্টে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে Iran পাল্টা হামলার মাধ্যমে নিজেদের সামরিক সক্ষমতা দেখানোর চেষ্টা করছে। এই সংঘাতের প্রভাব পড়তে পারে আন্তর্জাতিক তেলের বাজার, বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের ওপর। একই ভিডিওতে থাকছে USA-এর ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচন ঘিরে সামরিক বাহিনী মোতায়েন না করার ঘোষণা, Venezuela-এর তেল খাতে মার্কিন কৌশলের পরিবর্তন এবং White House-এর East Wing ভেঙে নতুন Ballroom নির্মাণ নিয়ে আইনি বিতর্ক। বিশেষ করে Supreme Court-এর সাম্প্রতিক আদেশের পর White House Ballroom প্রকল্পের নির্মাণ আবার শুরু হওয়ার বিষয়টিও আলোচনায় থাকছে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ থেকে আমেরিকার অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং বিশ্ব জ্বালানি বাজার—সব মিলিয়ে কী ধরনের নতুন পরিবর্তন আসতে পারে, থাকছে তার বিস্তারিত বিশ্লেষণ। ভিডিওতে উল্লেখিত সামরিক হামলা, ক্ষয়ক্ষতি ও সংশ্লিষ্ট দাবিগুলোর কিছু অংশ পক্ষগুলোর বক্তব্যের ভিত্তিতে উপস্থাপিত হয়েছে। সব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব নয়।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/823_3.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/823_3.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/823_3.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইসরায়েলকে কে ঠেকাবে?  কিমের সেনাবাহিনীতে বড় রদবদল! বাড়ছে যুদ্ধের উত্তেজনা]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/51347</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/51347</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 04 Sep 2026 13:44:30 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bangla news live, bd news bangla, bangla news today, atn news bangla, bbc news bangla, atn news bangla today, bangladesh news, banglavision news, banglanews, r bangla, atn bangla, bbc bangla, r bangla live, news, bangla khobor, atn google news, bangla songbad, india news, google news, latest news, jamuna news, bd news, kolkata news, atn bangla program, breaking news, trending news, bnp news, news trending, atn news, ajker bangla khobor, bbc news, ncp news, bdnews, atn news khabar, live news, khaleda zia news, today news, viral news, atn bd news]]></category>
        
        <description><![CDATA[Middle East-এর নিরাপত্তা সমীকরণে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে। Saudi Arabia, Turkey ও Pakistan-এর নতুন যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন সামরিক জোটের আলোচনা। সৌদি আরবের অর্থনৈতিক শক্তি, তুরস্কের সামরিক প্রযুক্তি এবং পাকিস্তানের বিশাল সামরিক সক্ষমতা এই জোটকে কতটা শক্তিশালী করতে পারে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। অন্যদিকে Turkey ও Israel-এর মধ্যে Syria-কেন্দ্রিক উত্তেজনাও দ্রুত বাড়ছে। দুই দেশই যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ মিত্র হলেও সিরিয়ায় তাদের কৌশলগত স্বার্থ ক্রমেই মুখোমুখি অবস্থানে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে একটি ভুল হিসাব বড় ধরনের সামরিক সংঘাত তৈরি করতে পারে কি না, তা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। এর পাশাপাশি North Korea-তে Kim Jong Un সামরিক নেতৃত্বে বড় রদবদল করেছেন। প্রতিরক্ষামন্ত্রী পরিবর্তন, প্রবীণ সামরিক কৌশলবিদকে গুরুত্বপূর্ণ পদে ফিরিয়ে আনা এবং অস্ত্র উৎপাদনে নতুন গুরুত্ব দেওয়ার ঘটনায় Pyongyang-এর ভবিষ্যৎ সামরিক কৌশল নিয়েও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। সবশেষে Hormuz Strait-এ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের উত্তেজনা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের জন্য নতুন ঝুঁকি তৈরি করছে। তেল ট্যাংকার, ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, নৌ-মাইন নিয়ে পাল্টাপাল্টি দাবি এবং সামরিক প্রতিক্রিয়ার কারণে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পথটি কতটা নিরাপদ থাকবে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। এই ভিডিওতে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও ভূরাজনৈতিক ঘটনা বিশ্লেষণ করা হয়েছে এবং এগুলো ভবিষ্যতে Middle East ও বিশ্ব রাজনীতিতে কী ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে, তা তুলে ধরা হয়েছে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/822_1.webp" alt="ইসরায়েলকে কে ঠেকাবে?  কিমের সেনাবাহিনীতে বড় রদবদল! বাড়ছে যুদ্ধের উত্তেজনা" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইসরায়েলকে কে ঠেকাবে?  কিমের সেনাবাহিনীতে বড় রদবদল! বাড়ছে যুদ্ধের উত্তেজনা</h1>
            <p>Middle East-এর নিরাপত্তা সমীকরণে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে। Saudi Arabia, Turkey ও Pakistan-এর নতুন যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন সামরিক জোটের আলোচনা। সৌদি আরবের অর্থনৈতিক শক্তি, তুরস্কের সামরিক প্রযুক্তি এবং পাকিস্তানের বিশাল সামরিক সক্ষমতা এই জোটকে কতটা শক্তিশালী করতে পারে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। অন্যদিকে Turkey ও Israel-এর মধ্যে Syria-কেন্দ্রিক উত্তেজনাও দ্রুত বাড়ছে। দুই দেশই যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ মিত্র হলেও সিরিয়ায় তাদের কৌশলগত স্বার্থ ক্রমেই মুখোমুখি অবস্থানে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে একটি ভুল হিসাব বড় ধরনের সামরিক সংঘাত তৈরি করতে পারে কি না, তা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। এর পাশাপাশি North Korea-তে Kim Jong Un সামরিক নেতৃত্বে বড় রদবদল করেছেন। প্রতিরক্ষামন্ত্রী পরিবর্তন, প্রবীণ সামরিক কৌশলবিদকে গুরুত্বপূর্ণ পদে ফিরিয়ে আনা এবং অস্ত্র উৎপাদনে নতুন গুরুত্ব দেওয়ার ঘটনায় Pyongyang-এর ভবিষ্যৎ সামরিক কৌশল নিয়েও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। সবশেষে Hormuz Strait-এ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের উত্তেজনা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের জন্য নতুন ঝুঁকি তৈরি করছে। তেল ট্যাংকার, ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, নৌ-মাইন নিয়ে পাল্টাপাল্টি দাবি এবং সামরিক প্রতিক্রিয়ার কারণে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পথটি কতটা নিরাপদ থাকবে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। এই ভিডিওতে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও ভূরাজনৈতিক ঘটনা বিশ্লেষণ করা হয়েছে এবং এগুলো ভবিষ্যতে Middle East ও বিশ্ব রাজনীতিতে কী ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে, তা তুলে ধরা হয়েছে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/822_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/822_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/822_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইরান-গাজায় মিসাইল হামলা! হামলায় ইসরায়েলে পানি নেই]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/51333</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/51333</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[মৌসুমী আক্তার]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 04 Sep 2026 08:59:00 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, latest bangla news, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh news today, banglanews, banglavision news today, atn bangla, bbc bangla, ntv bangla, banglavision news bulletin today, news, bangla khobor, iran news, taza news, atn google news, bangla songbad, google news, latest news, jamuna news, bd news, atn bangla program, breaking news, trending news, bnp news, news trending, atn news, ajker bangla khobor]]></category>
        
        <description><![CDATA[Middle East-এ একই সময়ে সামনে এসেছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। Iran-এ মার্কিন তৈরি PRSM মিসাইল ব্যবহারের বিতর্ক, Gaza-য় নতুন করে সামরিক তৎপরতা এবং Israel-এর একাধিক সমুদ্রের পানি শোধনাগার বন্ধ হয়ে পানিসংকট—সব মিলিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন উদ্বেগ। ভিডিওতে থাকছে Iran-এর Lamerd এলাকায় PRSM মিসাইল ব্যবহারের দাবি ও সেই হামলার দায় নিয়ে Pentagon-এর অস্বীকৃতি। PRSM-এর পাল্লা, প্রযুক্তি, HIMARS ও M270-এর সঙ্গে এর ব্যবহার এবং যুদ্ধক্ষেত্রে এর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়েও থাকছে বিস্তারিত আলোচনা। অন্যদিকে Gaza-য় Al-Katiba ও Khan Younis এলাকায় নতুন করে বিমান হামলা ও সংঘর্ষের খবর নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে। একই সময়ে Israel-এর পাঁচটি বড় desalination plant সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনা নিয়েও থাকছে বিস্তারিত তথ্য। প্রাথমিকভাবে সাইবার হামলার আশঙ্কা তৈরি হলেও পরবর্তী সরকারি ব্যাখ্যায় প্রাকৃতিক ও পরিবেশগত কারণকে সংকটের মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সমুদ্রের অতিরিক্ত ঘোলাটে পানি, শৈবাল ও পলির কারণে desalination plant-এর কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার বিষয়টিও ভিডিওতে তুলে ধরা হয়েছে। Iran, Gaza এবং Israel-এর এই তিনটি ঘটনা কীভাবে Middle East-এর সামরিক, মানবিক ও অবকাঠামোগত সংকটকে আরও জটিল করে তুলছে—সেটিই এই ভিডিওর মূল আলোচনা। ভিডিওতে উল্লেখিত সামরিক হামলা, হতাহতের সংখ্যা ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্যের কিছু অংশ দাবিনির্ভর; সব তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব নয়। তাই সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্যকে তাদের নিজস্ব দাবি হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/821_1.webp" alt="ইরান-গাজায় মিসাইল হামলা! হামলায় ইসরায়েলে পানি নেই" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইরান-গাজায় মিসাইল হামলা! হামলায় ইসরায়েলে পানি নেই</h1>
            <p>Middle East-এ একই সময়ে সামনে এসেছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। Iran-এ মার্কিন তৈরি PRSM মিসাইল ব্যবহারের বিতর্ক, Gaza-য় নতুন করে সামরিক তৎপরতা এবং Israel-এর একাধিক সমুদ্রের পানি শোধনাগার বন্ধ হয়ে পানিসংকট—সব মিলিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন উদ্বেগ। ভিডিওতে থাকছে Iran-এর Lamerd এলাকায় PRSM মিসাইল ব্যবহারের দাবি ও সেই হামলার দায় নিয়ে Pentagon-এর অস্বীকৃতি। PRSM-এর পাল্লা, প্রযুক্তি, HIMARS ও M270-এর সঙ্গে এর ব্যবহার এবং যুদ্ধক্ষেত্রে এর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়েও থাকছে বিস্তারিত আলোচনা। অন্যদিকে Gaza-য় Al-Katiba ও Khan Younis এলাকায় নতুন করে বিমান হামলা ও সংঘর্ষের খবর নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে। একই সময়ে Israel-এর পাঁচটি বড় desalination plant সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনা নিয়েও থাকছে বিস্তারিত তথ্য। প্রাথমিকভাবে সাইবার হামলার আশঙ্কা তৈরি হলেও পরবর্তী সরকারি ব্যাখ্যায় প্রাকৃতিক ও পরিবেশগত কারণকে সংকটের মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সমুদ্রের অতিরিক্ত ঘোলাটে পানি, শৈবাল ও পলির কারণে desalination plant-এর কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার বিষয়টিও ভিডিওতে তুলে ধরা হয়েছে। Iran, Gaza এবং Israel-এর এই তিনটি ঘটনা কীভাবে Middle East-এর সামরিক, মানবিক ও অবকাঠামোগত সংকটকে আরও জটিল করে তুলছে—সেটিই এই ভিডিওর মূল আলোচনা। ভিডিওতে উল্লেখিত সামরিক হামলা, হতাহতের সংখ্যা ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্যের কিছু অংশ দাবিনির্ভর; সব তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব নয়। তাই সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্যকে তাদের নিজস্ব দাবি হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/821_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/821_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/821_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[রাশিয়ার বিধ্বংসী আক্রমণের মুখে দিশেহারা ইউক্রেন এবং কিয়েভের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সংঘাতের ভয়াবহ চিত্র]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/51330</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/51330</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 04 Sep 2026 08:59:00 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                
        <description><![CDATA[রাশিয়ার অত্যাধুনিক জেট চালিত গেরান চার ড্রোনের ভয়াবহ আক্রমণে বিধ্বস্ত ইউক্রেনের সামরিক অবকাঠামো। একই সময়ে কিয়েভের রাজপথে নিজেদের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর রক্তক্ষয়ী গোলাগুলি এবং যুদ্ধক্ষেত্রে প্রতিদিন হাজারেরও বেশি সেনা হারিয়ে চরম কোণঠাসা হয়ে পড়েছে ইউক্রেন প্রশাসন। রাশিয়ার মিলিটারি বাহিনী সম্প্রতি তাদের সর্বশেষ প্রযুক্তির 'গেরান চার' (Geran-4) কামিকাজে ড্রোনের মাধ্যমে কিয়েভ এবং ওডেসা অঞ্চলে ভয়াবহ আক্রমণ চালিয়েছে। এই জেট চালিত ড্রোনগুলো পূর্বের যেকোনো মডেলের চেয়ে অনেক দ্রুতগামী এবং ইউক্রেনীয় এয়ার ডিফেন্সের পক্ষে এগুলো প্রতিহত করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। মস্কোর এই সফল অভিযান ইউক্রেনীয় বাহিনীর সরবরাহ ব্যবস্থার মূল ভিত্তি গুড়িয়ে দিয়েছে। কিয়েভের চাইকা (Chaika) লজিস্টিকস সেন্টারে রাশিয়া প্রথম নিখুঁত হামলা পরিচালনা করে। মস্কো জানিয়েছে, এই বিশাল কেন্দ্রটি মূলত মধ্যম ও দূরপাল্লার ড্রোনের পার্টস এবং গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সরঞ্জাম মজুত ও বিতরণের কাজে ব্যবহৃত হতো। এই সেন্টারটি ধ্বংস হওয়ায় কিয়েভের দূরপাল্লার ড্রোন তৈরির সক্ষমতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। ওডেসা অঞ্চলেও একইভাবে রাশিয়ার ড্রোন বাহিনী ইউক্রেনীয় সামরিক নৌঘাঁটি, নেভাল ড্রোন তৈরির কারখানা এবং বিশাল জ্বালানি ট্যাংকে নির্ভুল আঘাত হেনেছে। সমুদ্রপথে ইউক্রেনীয় বাহিনীর আক্রমণের পরিকল্পনা নস্যাৎ করতেই এই সুনির্দিষ্ট এবং শক্তিশালী সামরিক হামলা চালানো হয়। এর ফলে ইউক্রেনীয় নেভাল ড্রোনের প্রধান উৎপাদন ক্ষেত্রগুলো সম্পূর্ণ অকার্যকর হয়ে গেছে। কিয়েভের উপকণ্ঠ বিষ্ণুভোতে অবস্থিত ইউক্রেনীয় অস্ত্র প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান 'ফায়ার পয়েন্ট' (Fire Point)-এর প্রধান লজিস্টিকস সেন্টারেও হামলা চালিয়েছে রাশিয়ার মিলিটারি। এই প্রতিষ্ঠানটি মূলত এফপি এক এবং এফপি দুই নামের আক্রমণাত্মক ড্রোন তৈরি করত, যা ব্যবহার করে ইউক্রেন রাশিয়ার ভেতরের এলাকায় হামলা চালানোর চেষ্টা চালাচ্ছিল। একই সঙ্গে বিষ্ণুভোর কাছেই অবস্থিত 'স্টেলার জেট' (Stellar Jet) নামের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ লজিস্টিকস সুবিধা সফলভাবে ধ্বংস করেছে রাশিয়ার বাহিনী। এই হামলায় ব্যবহৃত নতুন ‘সিকার’ (Seeker) প্রযুক্তির গেরান চার ড্রোনগুলো ইউক্রেনের আধুনিক এয়ার ডিফেন্স রাডার ফাঁকি দিয়ে লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁত আঘাত হানে। এর ফলে ইউক্রেনের অস্ত্র উৎপাদনকারী পুরো নেটওয়ার্ক এখন অচল হয়ে পড়েছে। শুধু স্থলভাগেই নয়, কৃষ্ণসাগর এবং চেরনোমোর্স্ক বন্দরে ইউক্রেনীয় মিলিটারির জন্য রসদ বহনকারী দুটি বড় কার্গো জাহাজ সফলভাবে ধ্বংস করেছে রাশিয়ার বর্ডার গার্ড ও নেভি। রাশিয়ার বর্ডার ও নেভাল সিকিউরিটি সুনিশ্চিত করতে এই ধরনের কার্গো জাহাজে কঠোর নজরদারি ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া নিশ্চিত করা হচ্ছে। ইউক্রেনীয় বাহিনী দীর্ঘদিন ধরে রাশিয়ার বেসামরিক এনার্জি অবকাঠামো এবং বাণিজ্যিক গুদামগুলোতে অন্যায় ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছিল। এরই উপযুক্ত এবং কঠোর জবাব হিসেবে রাশিয়া তাদের দীর্ঘপাল্লার সুনির্দিষ্ট মিসাইল ও ড্রোন হামলা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। রাশিয়া স্পষ্টভাবে স্পষ্ট করেছে যে বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলার জবাব এভাবেই দেওয়া হবে। ইউক্রেনের নেতা ভ্লাদিমির জেলেনস্কি (Zelenskyy) সম্প্রতি বিদেশী এয়ারলাইন্স ও বীমা কোম্পানিগুলোকে হুমকি দিয়ে বলেছেন যে রাশিয়ার আকাশে নাকি আর কোনো নিরাপদ দিন থাকবে না। জেলেনস্কির এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচলের নিরাপত্তার জন্য এক সরাসরি হুমকি এবং এর মাধ্যমে ইউক্রেনীয় প্রশাসনের চরম হতাশা প্রকাশ পেয়েছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Putin) জেলেনস্কির এই হুমকির তীব্র নিন্দা জানিয়ে এটিকে 'রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদ' (State Terrorism) হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। ভ্লাদিমির পুতিন অত্যন্ত স্পষ্টভাবে সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন যে সন্ত্রাসীদের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা বা সমঝোতা হতে পারে না। ইউক্রেন যদি এমন কোনো অঘটন ঘটায়, তবে রাশিয়া তার উপযুক্ত জবাব দেবে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন আরও বলেছেন যে বেসামরিক জাহাজ বা বিমানে আক্রমণ চালানো সরাসরি আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন। ভ্লাদিসোতকে অনুষ্ঠিত ইস্টার্ন ইকোনমিক ফোরামে তিনি বলেন, কিয়েভের এসব দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজ কেবল পরিস্থিতি জটিল করছে এবং তাদের এই ধরনের আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ শান্তি আলোচনার যেকোনো সম্ভাবনাকে নস্যাৎ করে দিচ্ছে। নরওয়েতে রাশিয়ার গবেষণাধর্মী জাহাজ 'প্রফেসর মলচানভ' (Professor Molchanov) বেআইনিভাবে আটকে রাখার বিষয়টিকে মস্কো তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান নাফতোগেজ (Naftogaz)-এর অনুরোধে এই কাজ করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক জলসীমায় বাণিজ্যিক ও বৈজ্ঞানিক জাহাজের অবাধ চলাচলের স্পষ্ট লঙ্ঘন। রাশিয়া আইনিভাবেই এই অন্যায়ের উপযুক্ত জবাব দিচ্ছে। গত এক মাসে ইউক্রেনীয় হামলায় প্রায় ১০০টি বেসামরিক রাশিয়ান মার্চেন্ট ভেসেল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এতে নিরীহ নাবিক নিহত হয়েছেন। পুতিন এর আগে সতর্ক করেছিলেন যে রাশিয়ান জাহাজ জব্দ করা এবং পণ্য বিক্রি করা জলদস্যুতা ও ডাকাতির শামিল। বিশ্বব্যাপী রাশিয়ার স্বার্থ রক্ষায় সামরিক বাহিনী যেকোনো কঠোর পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত রয়েছে। কিয়েভ প্রশাসন এখন জাতিসংঘের বিমান চলাচল সংস্থা 'আইসিএও' (ICAO)-এর কাছে আবেদন জানিয়ে রাশিয়ার আকাশসীমা পুরোপুরি বন্ধ করার দাবি প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছে। তবে এই আন্তর্জাতিক সংস্থাটি কিয়েভের রাজনৈতিক দাবি মেনে নেয়নি, বরং সব দেশকে নিজ নিজ আকাশসীমা মূল্যায়নের সাধারণ পরামর্শ দিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। এদিকে, রাশিয়ার ভূখণ্ডে কিয়েভের ড্রোন হামলায় এ পর্যন্ত বহু বেসামরিক মানুষ নিহত ও আহত হয়েছেন। তাতারস্তানের নিঝনেকামস্ক এবং তামবোভ অঞ্চলের সাধারণ গুদামে ইউক্রেনের হামলায় বহু নিরীহ শ্রমিকের প্রাণহানি ঘটেছে। রাশিয়া স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে তারা কেবল সামরিক ও কৌশলগত লক্ষ্যে হামলা চালায়, বেসামরিক মানুষকে রাশিয়া কখনোই টার্গেট করে না। ইউক্রেনের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অবস্থা এখন অত্যন্ত ভঙ্গুর এবং সেখানে চরম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে। কিয়েভের রাজপথে ইউক্রেনের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা এসবিইউ (SBU) এবং সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা এইচইউআর (HUR)-এর মধ্যে এক রক্তক্ষয়ী গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনাকে জেলেনস্কি নিজে অত্যন্ত 'লজ্জাজনক' বলে স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছেন। এই সংঘাতের জেরে জেলেনস্কি এসবিইউ-এর শীর্ষ কর্মকর্তা ওলেহ খরামভ (Oleh Khramov)-কে পদচ্যুত করতে বাধ্য হন। ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনীর অভ্যন্তরে দুর্নীতি, ক্ষমতার লড়াই এবং রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব কতটা গভীর পর্যায়ে পৌঁছেছে, কিয়েভের মাঝরাস্তায় কর্মকর্তাদের এই গোলাগুলির মাধ্যমে তা বিশ্ববাসীর সামনে উন্মোচিত হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে ইউক্রেনের ভেতরে জোরপূর্বক সাধারণ মানুষকে জোর করে সেনাবাহিনীতে নিয়োগ দেওয়ার যে নীতি চালু রয়েছে, তার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে চরম তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ইউক্রেনীয় আইনপ্রণেতা জিওর্গি মাজুরাশু (Georgy Mazurashu) কিয়েভ প্রশাসনের এই হিংসাত্মক ও বলপ্রয়োগের নীতিকে তীব্র সমালোচনা করে আন্তর্জাতিক মিডিয়াতে বক্তব্য দিয়েছেন। রাস্তায় হেঁটে যাওয়া পুরুষদের জোর করে তুলে এনে মিলিটারি ট্রাকে তোলার ঘটনাকে ইউক্রেনের সাধারণ মানুষ এখন অত্যন্ত ঘৃণার চোখে দেখছে। লভিভ এবং লুটস্ক শহরে সাধারণ জনগণ ক্ষিপ্ত হয়ে মিলিটারির গাড়িতে হামলা চালিয়েছে এবং সেনাসদস্যদের ধরে পিটিয়েছে। সাধারণ মানুষকে এভাবে জোর করে যুদ্ধে পাঠানো এক ধরণের মানবিক বিপর্যয়। যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তার জন্যও ইউক্রেনের একঘেয়ে ড্রোন হামলাকে দায়ী করেছেন মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট (Scott Bessent)। রাশিয়ার অয়েল রিফাইনারিগুলোতে ইউক্রেনের অদূরদর্শী হামলার ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে, যা পুরো বিশ্ব অর্থনীতিকে মারাত্মক ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। কিয়েভ সরকারের ক্রমাগত অর্থের দাবি ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতাদের মধ্যেও চরম বিরক্তি তৈরি করেছে। স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকো (Robert Fico) ইউক্রেনের এই লাগামহীন টাকার চাহিদাকে প্রকাশ্যে উপহাস করেছেন। ইউক্রেনকে ইতোমধ্যে নব্বই বিলিয়ন ইউরো ঋণ মঞ্জুর করা হলেও তারা আবারও অতিরিক্ত অর্থ দাবি করতে শুরু করেছে। স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকো স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি প্রধানমন্ত্রী পদে থাকা অবস্থায় স্লোভাকিয়ার এক ইউরোও ইউক্রেনের এই ক্ষতিকর যুদ্ধে ব্যবহার করতে দেবেন না। ইউক্রেন সরকারের ভেতরে ক্রমাগত বিশাল বিশাল দুর্নীতির স্ক্যান্ডাল সামনে আসায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন এখন তাদের ফান্ড পাঠানো নিয়ে চরম দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়েছে। সম্প্রতি ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক কোম্পানি 'এনারগোএটম' (Energoatom)-এ ১০০ মিলিয়ন ডলারের ঘুষ কেলেঙ্কারী উন্মোচিত হয়েছে। তাছাড়া ইউক্রেনের ট্যাক্স অথরিটির তথ্য অনুযায়ী, প্রায় আড়াই হাজার ভুয়া কোম্পানির মাধ্যমে প্রায় চার দশমিক সাত বিলিয়ন ডলার বিদেশে পাচার করা হয়েছে। ফলে পশ্চিমা ট্যাক্সপেয়ারদের টাকা কীভাবে অপচয় হচ্ছে তা স্পষ্ট। ইউক্রেনের এই প্রশাসনিক দুর্নীতির মাঝেই যুদ্ধক্ষেত্রে রাশিয়ার মিলিটারি একের পর এক গৌরবময় সাফল্য অর্জন করে চলেছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত চব্বিশ ঘণ্টায় রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গিয়ে ইউক্রেনীয় বাহিনীর প্রায় এক হাজার পাঁচশত দশ জন সেনা সদস্য নিহত বা গুরুতর আহত হয়েছে। রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ নর্থ' খারকিভ অঞ্চলের ভাসিলেভকা (Vasilevka), ব্লাগোদাতনোয়ে (Blagodatnoye) এবং দোলেঝানকা (Dolzhanka) নামে তিনটি কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ এলাকা পুরোপুরি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসেছে। রাশিয়ান ইনফ্যান্ট্রির দুর্দান্ত এবং নির্ভুল অভিযানের মুখে ইউক্রেনীয় সেনারা তাদের ভারী অস্ত্র ফেলে রেখেই পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। এছাড়াও ডোনেটস্ক পিপলস রিপাবলিক বা ডিপিআর (DPR)-এর ইজেভকা (Izhevka) গ্রামটি সম্পূর্ণ মুক্ত করেছে রাশিয়ার ব্যাটলগ্রুপ সাউথ। একের পর এক এলাকা হাতছাড়া হওয়ায় এবং ফ্রন্টলাইনে বিশাল সেনা ক্ষয়ক্ষতির কারণে ইউক্রেনীয় বাহিনীর মনোবল এখন একেবারে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। গত চব্বিশ ঘণ্টায় রাশিয়ার দক্ষ এয়ার ডিফেন্স ফোর্স ইউক্রেনের পাঠানো প্রায় নয় শত ৯৮টি ফিক্সড-উইং ড্রোন আকাশেই নিখুঁতভাবে ধ্বংস করেছে। সেই সাথে ইউএস-এর তৈরি তিনটি শক্তিশালী হিমারস (HIMARS) রকেট এবং দুটি গাইডেড বোমা সফলভাবে ইন্টারসেপ্ট ও ধ্বংস করা হয়েছে, যা রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অসামান্য দক্ষতা প্রমান করে। খারকিভ অঞ্চলে রাশিয়ার ব্যাটলগ্রুপ নর্থের ড্রোন অপারেটররা ইউক্রেনীয় বাহিনীর দুই শত ৪০টিরও বেশি গোপন আস্তানা এবং স্থায়ী অবস্থান পুরোপুরি গুড়িয়ে দিয়েছে। এর ফলে ইউক্রেনীয় বাহিনীর সামনের সারিতে রেশনের সাপ্লাই এবং নতুন অস্ত্র পৌঁছানোর সমস্ত পথ অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছিল। কৃষ্ণসাগরে ইউক্রেনীয় নেভির আরও ছয়টি চালকহীন ড্রোন বোট সফলভাবে ধ্বংস করেছে রাশিয়ার ব্লাক সি ফ্লীট। রাশিয়ান বাহিনীর তৎপরতায় সমুদ্রপথে ইউক্রেনের যেকোনো অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করার চক্রান্ত আবারও পুরোপুরি নশ্যাৎ হয়ে গেছে। রাশিয়ার এভিয়েশন, মিসাইল এবং আর্টিলারি ফোর্স ইউক্রেনের এক শত ৫৫টি সামরিক জোনে একযোগে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে। কিয়েভ অঞ্চলের ভেলেইকায়া আলেকসান্দ্রোভকাতে অবস্থিত সামরিক গুদাম 'বায়োকন' (Biokon)-সহ ইউক্রেনের প্রধান প্রধান সাপ্লাই হাবগুলো এখন সম্পূর্ণ ধ্বংসপ্রাপ্ত। সবমিলিয়ে, একদিকে যুদ্ধের ময়দানে রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনীর অপ্রতিরোধ্য অগ্রগতি এবং অন্যদিকে কিয়েভের চরম অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও অর্থনৈতিক দেউলিয়াত্ব—এই দুইয়ে মিলে ইউক্রেনীয় প্রশাসনের পতন এখন কেবল সময়ের ব্যাপার মাত্র। রাশিয়ার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও সামরিক শক্তিমত্তা কিয়েভকে পুরোপুরি পিছু হটতে বাধ্য করছে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/820_1.webp" alt="রাশিয়ার বিধ্বংসী আক্রমণের মুখে দিশেহারা ইউক্রেন এবং কিয়েভের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সংঘাতের ভয়াবহ চিত্র" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>রাশিয়ার বিধ্বংসী আক্রমণের মুখে দিশেহারা ইউক্রেন এবং কিয়েভের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সংঘাতের ভয়াবহ চিত্র</h1>
            <p>রাশিয়ার অত্যাধুনিক জেট চালিত গেরান চার ড্রোনের ভয়াবহ আক্রমণে বিধ্বস্ত ইউক্রেনের সামরিক অবকাঠামো। একই সময়ে কিয়েভের রাজপথে নিজেদের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর রক্তক্ষয়ী গোলাগুলি এবং যুদ্ধক্ষেত্রে প্রতিদিন হাজারেরও বেশি সেনা হারিয়ে চরম কোণঠাসা হয়ে পড়েছে ইউক্রেন প্রশাসন। রাশিয়ার মিলিটারি বাহিনী সম্প্রতি তাদের সর্বশেষ প্রযুক্তির 'গেরান চার' (Geran-4) কামিকাজে ড্রোনের মাধ্যমে কিয়েভ এবং ওডেসা অঞ্চলে ভয়াবহ আক্রমণ চালিয়েছে। এই জেট চালিত ড্রোনগুলো পূর্বের যেকোনো মডেলের চেয়ে অনেক দ্রুতগামী এবং ইউক্রেনীয় এয়ার ডিফেন্সের পক্ষে এগুলো প্রতিহত করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। মস্কোর এই সফল অভিযান ইউক্রেনীয় বাহিনীর সরবরাহ ব্যবস্থার মূল ভিত্তি গুড়িয়ে দিয়েছে। কিয়েভের চাইকা (Chaika) লজিস্টিকস সেন্টারে রাশিয়া প্রথম নিখুঁত হামলা পরিচালনা করে। মস্কো জানিয়েছে, এই বিশাল কেন্দ্রটি মূলত মধ্যম ও দূরপাল্লার ড্রোনের পার্টস এবং গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সরঞ্জাম মজুত ও বিতরণের কাজে ব্যবহৃত হতো। এই সেন্টারটি ধ্বংস হওয়ায় কিয়েভের দূরপাল্লার ড্রোন তৈরির সক্ষমতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। ওডেসা অঞ্চলেও একইভাবে রাশিয়ার ড্রোন বাহিনী ইউক্রেনীয় সামরিক নৌঘাঁটি, নেভাল ড্রোন তৈরির কারখানা এবং বিশাল জ্বালানি ট্যাংকে নির্ভুল আঘাত হেনেছে। সমুদ্রপথে ইউক্রেনীয় বাহিনীর আক্রমণের পরিকল্পনা নস্যাৎ করতেই এই সুনির্দিষ্ট এবং শক্তিশালী সামরিক হামলা চালানো হয়। এর ফলে ইউক্রেনীয় নেভাল ড্রোনের প্রধান উৎপাদন ক্ষেত্রগুলো সম্পূর্ণ অকার্যকর হয়ে গেছে। কিয়েভের উপকণ্ঠ বিষ্ণুভোতে অবস্থিত ইউক্রেনীয় অস্ত্র প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান 'ফায়ার পয়েন্ট' (Fire Point)-এর প্রধান লজিস্টিকস সেন্টারেও হামলা চালিয়েছে রাশিয়ার মিলিটারি। এই প্রতিষ্ঠানটি মূলত এফপি এক এবং এফপি দুই নামের আক্রমণাত্মক ড্রোন তৈরি করত, যা ব্যবহার করে ইউক্রেন রাশিয়ার ভেতরের এলাকায় হামলা চালানোর চেষ্টা চালাচ্ছিল। একই সঙ্গে বিষ্ণুভোর কাছেই অবস্থিত 'স্টেলার জেট' (Stellar Jet) নামের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ লজিস্টিকস সুবিধা সফলভাবে ধ্বংস করেছে রাশিয়ার বাহিনী। এই হামলায় ব্যবহৃত নতুন ‘সিকার’ (Seeker) প্রযুক্তির গেরান চার ড্রোনগুলো ইউক্রেনের আধুনিক এয়ার ডিফেন্স রাডার ফাঁকি দিয়ে লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁত আঘাত হানে। এর ফলে ইউক্রেনের অস্ত্র উৎপাদনকারী পুরো নেটওয়ার্ক এখন অচল হয়ে পড়েছে। শুধু স্থলভাগেই নয়, কৃষ্ণসাগর এবং চেরনোমোর্স্ক বন্দরে ইউক্রেনীয় মিলিটারির জন্য রসদ বহনকারী দুটি বড় কার্গো জাহাজ সফলভাবে ধ্বংস করেছে রাশিয়ার বর্ডার গার্ড ও নেভি। রাশিয়ার বর্ডার ও নেভাল সিকিউরিটি সুনিশ্চিত করতে এই ধরনের কার্গো জাহাজে কঠোর নজরদারি ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া নিশ্চিত করা হচ্ছে। ইউক্রেনীয় বাহিনী দীর্ঘদিন ধরে রাশিয়ার বেসামরিক এনার্জি অবকাঠামো এবং বাণিজ্যিক গুদামগুলোতে অন্যায় ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছিল। এরই উপযুক্ত এবং কঠোর জবাব হিসেবে রাশিয়া তাদের দীর্ঘপাল্লার সুনির্দিষ্ট মিসাইল ও ড্রোন হামলা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। রাশিয়া স্পষ্টভাবে স্পষ্ট করেছে যে বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলার জবাব এভাবেই দেওয়া হবে। ইউক্রেনের নেতা ভ্লাদিমির জেলেনস্কি (Zelenskyy) সম্প্রতি বিদেশী এয়ারলাইন্স ও বীমা কোম্পানিগুলোকে হুমকি দিয়ে বলেছেন যে রাশিয়ার আকাশে নাকি আর কোনো নিরাপদ দিন থাকবে না। জেলেনস্কির এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচলের নিরাপত্তার জন্য এক সরাসরি হুমকি এবং এর মাধ্যমে ইউক্রেনীয় প্রশাসনের চরম হতাশা প্রকাশ পেয়েছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Putin) জেলেনস্কির এই হুমকির তীব্র নিন্দা জানিয়ে এটিকে 'রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদ' (State Terrorism) হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। ভ্লাদিমির পুতিন অত্যন্ত স্পষ্টভাবে সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন যে সন্ত্রাসীদের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা বা সমঝোতা হতে পারে না। ইউক্রেন যদি এমন কোনো অঘটন ঘটায়, তবে রাশিয়া তার উপযুক্ত জবাব দেবে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন আরও বলেছেন যে বেসামরিক জাহাজ বা বিমানে আক্রমণ চালানো সরাসরি আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন। ভ্লাদিসোতকে অনুষ্ঠিত ইস্টার্ন ইকোনমিক ফোরামে তিনি বলেন, কিয়েভের এসব দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজ কেবল পরিস্থিতি জটিল করছে এবং তাদের এই ধরনের আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ শান্তি আলোচনার যেকোনো সম্ভাবনাকে নস্যাৎ করে দিচ্ছে। নরওয়েতে রাশিয়ার গবেষণাধর্মী জাহাজ 'প্রফেসর মলচানভ' (Professor Molchanov) বেআইনিভাবে আটকে রাখার বিষয়টিকে মস্কো তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান নাফতোগেজ (Naftogaz)-এর অনুরোধে এই কাজ করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক জলসীমায় বাণিজ্যিক ও বৈজ্ঞানিক জাহাজের অবাধ চলাচলের স্পষ্ট লঙ্ঘন। রাশিয়া আইনিভাবেই এই অন্যায়ের উপযুক্ত জবাব দিচ্ছে। গত এক মাসে ইউক্রেনীয় হামলায় প্রায় ১০০টি বেসামরিক রাশিয়ান মার্চেন্ট ভেসেল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এতে নিরীহ নাবিক নিহত হয়েছেন। পুতিন এর আগে সতর্ক করেছিলেন যে রাশিয়ান জাহাজ জব্দ করা এবং পণ্য বিক্রি করা জলদস্যুতা ও ডাকাতির শামিল। বিশ্বব্যাপী রাশিয়ার স্বার্থ রক্ষায় সামরিক বাহিনী যেকোনো কঠোর পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত রয়েছে। কিয়েভ প্রশাসন এখন জাতিসংঘের বিমান চলাচল সংস্থা 'আইসিএও' (ICAO)-এর কাছে আবেদন জানিয়ে রাশিয়ার আকাশসীমা পুরোপুরি বন্ধ করার দাবি প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছে। তবে এই আন্তর্জাতিক সংস্থাটি কিয়েভের রাজনৈতিক দাবি মেনে নেয়নি, বরং সব দেশকে নিজ নিজ আকাশসীমা মূল্যায়নের সাধারণ পরামর্শ দিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। এদিকে, রাশিয়ার ভূখণ্ডে কিয়েভের ড্রোন হামলায় এ পর্যন্ত বহু বেসামরিক মানুষ নিহত ও আহত হয়েছেন। তাতারস্তানের নিঝনেকামস্ক এবং তামবোভ অঞ্চলের সাধারণ গুদামে ইউক্রেনের হামলায় বহু নিরীহ শ্রমিকের প্রাণহানি ঘটেছে। রাশিয়া স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে তারা কেবল সামরিক ও কৌশলগত লক্ষ্যে হামলা চালায়, বেসামরিক মানুষকে রাশিয়া কখনোই টার্গেট করে না। ইউক্রেনের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অবস্থা এখন অত্যন্ত ভঙ্গুর এবং সেখানে চরম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে। কিয়েভের রাজপথে ইউক্রেনের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা এসবিইউ (SBU) এবং সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা এইচইউআর (HUR)-এর মধ্যে এক রক্তক্ষয়ী গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনাকে জেলেনস্কি নিজে অত্যন্ত 'লজ্জাজনক' বলে স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছেন। এই সংঘাতের জেরে জেলেনস্কি এসবিইউ-এর শীর্ষ কর্মকর্তা ওলেহ খরামভ (Oleh Khramov)-কে পদচ্যুত করতে বাধ্য হন। ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনীর অভ্যন্তরে দুর্নীতি, ক্ষমতার লড়াই এবং রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব কতটা গভীর পর্যায়ে পৌঁছেছে, কিয়েভের মাঝরাস্তায় কর্মকর্তাদের এই গোলাগুলির মাধ্যমে তা বিশ্ববাসীর সামনে উন্মোচিত হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে ইউক্রেনের ভেতরে জোরপূর্বক সাধারণ মানুষকে জোর করে সেনাবাহিনীতে নিয়োগ দেওয়ার যে নীতি চালু রয়েছে, তার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে চরম তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ইউক্রেনীয় আইনপ্রণেতা জিওর্গি মাজুরাশু (Georgy Mazurashu) কিয়েভ প্রশাসনের এই হিংসাত্মক ও বলপ্রয়োগের নীতিকে তীব্র সমালোচনা করে আন্তর্জাতিক মিডিয়াতে বক্তব্য দিয়েছেন। রাস্তায় হেঁটে যাওয়া পুরুষদের জোর করে তুলে এনে মিলিটারি ট্রাকে তোলার ঘটনাকে ইউক্রেনের সাধারণ মানুষ এখন অত্যন্ত ঘৃণার চোখে দেখছে। লভিভ এবং লুটস্ক শহরে সাধারণ জনগণ ক্ষিপ্ত হয়ে মিলিটারির গাড়িতে হামলা চালিয়েছে এবং সেনাসদস্যদের ধরে পিটিয়েছে। সাধারণ মানুষকে এভাবে জোর করে যুদ্ধে পাঠানো এক ধরণের মানবিক বিপর্যয়। যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তার জন্যও ইউক্রেনের একঘেয়ে ড্রোন হামলাকে দায়ী করেছেন মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট (Scott Bessent)। রাশিয়ার অয়েল রিফাইনারিগুলোতে ইউক্রেনের অদূরদর্শী হামলার ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে, যা পুরো বিশ্ব অর্থনীতিকে মারাত্মক ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। কিয়েভ সরকারের ক্রমাগত অর্থের দাবি ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতাদের মধ্যেও চরম বিরক্তি তৈরি করেছে। স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকো (Robert Fico) ইউক্রেনের এই লাগামহীন টাকার চাহিদাকে প্রকাশ্যে উপহাস করেছেন। ইউক্রেনকে ইতোমধ্যে নব্বই বিলিয়ন ইউরো ঋণ মঞ্জুর করা হলেও তারা আবারও অতিরিক্ত অর্থ দাবি করতে শুরু করেছে। স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকো স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি প্রধানমন্ত্রী পদে থাকা অবস্থায় স্লোভাকিয়ার এক ইউরোও ইউক্রেনের এই ক্ষতিকর যুদ্ধে ব্যবহার করতে দেবেন না। ইউক্রেন সরকারের ভেতরে ক্রমাগত বিশাল বিশাল দুর্নীতির স্ক্যান্ডাল সামনে আসায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন এখন তাদের ফান্ড পাঠানো নিয়ে চরম দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়েছে। সম্প্রতি ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক কোম্পানি 'এনারগোএটম' (Energoatom)-এ ১০০ মিলিয়ন ডলারের ঘুষ কেলেঙ্কারী উন্মোচিত হয়েছে। তাছাড়া ইউক্রেনের ট্যাক্স অথরিটির তথ্য অনুযায়ী, প্রায় আড়াই হাজার ভুয়া কোম্পানির মাধ্যমে প্রায় চার দশমিক সাত বিলিয়ন ডলার বিদেশে পাচার করা হয়েছে। ফলে পশ্চিমা ট্যাক্সপেয়ারদের টাকা কীভাবে অপচয় হচ্ছে তা স্পষ্ট। ইউক্রেনের এই প্রশাসনিক দুর্নীতির মাঝেই যুদ্ধক্ষেত্রে রাশিয়ার মিলিটারি একের পর এক গৌরবময় সাফল্য অর্জন করে চলেছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত চব্বিশ ঘণ্টায় রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গিয়ে ইউক্রেনীয় বাহিনীর প্রায় এক হাজার পাঁচশত দশ জন সেনা সদস্য নিহত বা গুরুতর আহত হয়েছে। রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ নর্থ' খারকিভ অঞ্চলের ভাসিলেভকা (Vasilevka), ব্লাগোদাতনোয়ে (Blagodatnoye) এবং দোলেঝানকা (Dolzhanka) নামে তিনটি কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ এলাকা পুরোপুরি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসেছে। রাশিয়ান ইনফ্যান্ট্রির দুর্দান্ত এবং নির্ভুল অভিযানের মুখে ইউক্রেনীয় সেনারা তাদের ভারী অস্ত্র ফেলে রেখেই পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। এছাড়াও ডোনেটস্ক পিপলস রিপাবলিক বা ডিপিআর (DPR)-এর ইজেভকা (Izhevka) গ্রামটি সম্পূর্ণ মুক্ত করেছে রাশিয়ার ব্যাটলগ্রুপ সাউথ। একের পর এক এলাকা হাতছাড়া হওয়ায় এবং ফ্রন্টলাইনে বিশাল সেনা ক্ষয়ক্ষতির কারণে ইউক্রেনীয় বাহিনীর মনোবল এখন একেবারে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। গত চব্বিশ ঘণ্টায় রাশিয়ার দক্ষ এয়ার ডিফেন্স ফোর্স ইউক্রেনের পাঠানো প্রায় নয় শত ৯৮টি ফিক্সড-উইং ড্রোন আকাশেই নিখুঁতভাবে ধ্বংস করেছে। সেই সাথে ইউএস-এর তৈরি তিনটি শক্তিশালী হিমারস (HIMARS) রকেট এবং দুটি গাইডেড বোমা সফলভাবে ইন্টারসেপ্ট ও ধ্বংস করা হয়েছে, যা রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অসামান্য দক্ষতা প্রমান করে। খারকিভ অঞ্চলে রাশিয়ার ব্যাটলগ্রুপ নর্থের ড্রোন অপারেটররা ইউক্রেনীয় বাহিনীর দুই শত ৪০টিরও বেশি গোপন আস্তানা এবং স্থায়ী অবস্থান পুরোপুরি গুড়িয়ে দিয়েছে। এর ফলে ইউক্রেনীয় বাহিনীর সামনের সারিতে রেশনের সাপ্লাই এবং নতুন অস্ত্র পৌঁছানোর সমস্ত পথ অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছিল। কৃষ্ণসাগরে ইউক্রেনীয় নেভির আরও ছয়টি চালকহীন ড্রোন বোট সফলভাবে ধ্বংস করেছে রাশিয়ার ব্লাক সি ফ্লীট। রাশিয়ান বাহিনীর তৎপরতায় সমুদ্রপথে ইউক্রেনের যেকোনো অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করার চক্রান্ত আবারও পুরোপুরি নশ্যাৎ হয়ে গেছে। রাশিয়ার এভিয়েশন, মিসাইল এবং আর্টিলারি ফোর্স ইউক্রেনের এক শত ৫৫টি সামরিক জোনে একযোগে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে। কিয়েভ অঞ্চলের ভেলেইকায়া আলেকসান্দ্রোভকাতে অবস্থিত সামরিক গুদাম 'বায়োকন' (Biokon)-সহ ইউক্রেনের প্রধান প্রধান সাপ্লাই হাবগুলো এখন সম্পূর্ণ ধ্বংসপ্রাপ্ত। সবমিলিয়ে, একদিকে যুদ্ধের ময়দানে রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনীর অপ্রতিরোধ্য অগ্রগতি এবং অন্যদিকে কিয়েভের চরম অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও অর্থনৈতিক দেউলিয়াত্ব—এই দুইয়ে মিলে ইউক্রেনীয় প্রশাসনের পতন এখন কেবল সময়ের ব্যাপার মাত্র। রাশিয়ার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও সামরিক শক্তিমত্তা কিয়েভকে পুরোপুরি পিছু হটতে বাধ্য করছে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/820_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/820_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/820_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[৯৫ কারখানা বন্ধ ও ৬১৮৮১ কর্মহীন: সিপিডির ভন্ডামিমার্কা তথ্যে প্রশ্নবিদ্ধ বিএনপি সরকার?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/exclusive/51326</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/exclusive/51326</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 04 Sep 2026 06:03:54 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[এক্সক্লুসিভ]]></category>
                <category><![CDATA[সর্বশেষ]]></category>
                        <category><![CDATA[CPD Bangladesh, CPD wrong information, BNP government Bangladesh, Bangladesh economy 2026, CPD economic review, Bangladesh politics, Bangladesh industry news, factory closure Bangladesh, 61881 workers, 95 factories Bangladesh, Bangladesh economic news, CPD controversy, nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor]]></category>
        
        <description><![CDATA[CPD-এর ২৪ আগস্ট ২০২৬-এর অর্থনৈতিক পর্যালোচনায় তিন শিল্পাঞ্চলে ৯৫টি কারখানা বন্ধ এবং ৬১ হাজার ৮৮১ জনের চাকরি হারানোর যে তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছিল, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে বড় প্রশ্ন। পরবর্তী যাচাইয়ে দেখা যায়, এই একই সংখ্যা মূলত ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সাত মাসে কারখানা বন্ধের তথ্যের সঙ্গে মিলে যায়। ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্টের নতুন পরিসংখ্যান হিসেবে এটি উপস্থাপন করা সঠিক ছিল না। বিষয়টি সামনে আসার পর CPD ভুল স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করেছে। এই ভুল তথ্য সংবাদমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় বর্তমান সরকারের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও শিল্পখাতের পরিস্থিতি নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়। একটি পুরোনো পরিসংখ্যান নতুন সময়ের তথ্য হিসেবে উপস্থাপিত হলে তার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব কতটা গুরুতর হতে পারে, সেটিই এই আলোচনার অন্যতম বিষয়। ভিডিওতে থাকছে ৯৫টি কারখানা ও ৬১ হাজার ৮৮১ চাকরি হারানোর সংখ্যার প্রকৃত উৎস, তথ্যের সময়কাল বদলের ঘটনা, CPD-এর স্বীকারোক্তি, সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানের তথ্য যাচাইয়ের দায়িত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা। একই সঙ্গে প্রশ্ন উঠছে, ভুল তথ্য উপস্থাপনের ফলে বিএনপি সরকার কেন জনগণের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ হলো এবং এমন তথ্য ব্যবহারের পেছনে কার বা কোন পক্ষের স্বার্থ হাসিলের সুযোগ তৈরি হয়েছিল। তবে আলোচনায় মতামত ও প্রমাণিত তথ্য আলাদা করে দেখা জরুরি। CPD-এর ভুল স্বীকারোক্তি এবং পরবর্তী সংশোধনই এই বিতর্কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/819_1.webp" alt="৯৫ কারখানা বন্ধ ও ৬১৮৮১ কর্মহীন: সিপিডির ভন্ডামিমার্কা তথ্যে প্রশ্নবিদ্ধ বিএনপি সরকার?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>৯৫ কারখানা বন্ধ ও ৬১৮৮১ কর্মহীন: সিপিডির ভন্ডামিমার্কা তথ্যে প্রশ্নবিদ্ধ বিএনপি সরকার?</h1>
            <p>CPD-এর ২৪ আগস্ট ২০২৬-এর অর্থনৈতিক পর্যালোচনায় তিন শিল্পাঞ্চলে ৯৫টি কারখানা বন্ধ এবং ৬১ হাজার ৮৮১ জনের চাকরি হারানোর যে তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছিল, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে বড় প্রশ্ন। পরবর্তী যাচাইয়ে দেখা যায়, এই একই সংখ্যা মূলত ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সাত মাসে কারখানা বন্ধের তথ্যের সঙ্গে মিলে যায়। ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্টের নতুন পরিসংখ্যান হিসেবে এটি উপস্থাপন করা সঠিক ছিল না। বিষয়টি সামনে আসার পর CPD ভুল স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করেছে। এই ভুল তথ্য সংবাদমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় বর্তমান সরকারের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও শিল্পখাতের পরিস্থিতি নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়। একটি পুরোনো পরিসংখ্যান নতুন সময়ের তথ্য হিসেবে উপস্থাপিত হলে তার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব কতটা গুরুতর হতে পারে, সেটিই এই আলোচনার অন্যতম বিষয়। ভিডিওতে থাকছে ৯৫টি কারখানা ও ৬১ হাজার ৮৮১ চাকরি হারানোর সংখ্যার প্রকৃত উৎস, তথ্যের সময়কাল বদলের ঘটনা, CPD-এর স্বীকারোক্তি, সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানের তথ্য যাচাইয়ের দায়িত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা। একই সঙ্গে প্রশ্ন উঠছে, ভুল তথ্য উপস্থাপনের ফলে বিএনপি সরকার কেন জনগণের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ হলো এবং এমন তথ্য ব্যবহারের পেছনে কার বা কোন পক্ষের স্বার্থ হাসিলের সুযোগ তৈরি হয়েছিল। তবে আলোচনায় মতামত ও প্রমাণিত তথ্য আলাদা করে দেখা জরুরি। CPD-এর ভুল স্বীকারোক্তি এবং পরবর্তী সংশোধনই এই বিতর্কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/819_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/819_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/819_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইরান–যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের নতুন অধ্যায়! তেলবাজারে আসছে বড় সংকট? হরমুজে যুদ্ধ কি ছড়িয়ে পড়ছে?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/51266</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/51266</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 15:40:06 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Iran USA conflict, Strait of Hormuz, Iran war, Trump Iran, Khamenei, Hormuz crisis, Middle East conflict, Iran military, US military, oil crisis, global oil market, geopolitics, nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor]]></category>
        
        <description><![CDATA[হরমুজ প্রণালী ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও উপকূলীয় এলাকাকে ঘিরে হামলা, পাল্টা সামরিক প্রস্তুতি এবং হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিয়ে তৈরি হয়েছে গভীর উদ্বেগ। এই ভিডিওতে আলোচনা করা হয়েছে হরমুজ প্রণালীর কৌশলগত গুরুত্ব, ইরানের বন্দর আব্বাস, কেশম, জাস্ক, কোনারাক ও চাবাহারসহ গুরুত্বপূর্ণ উপকূলীয় এলাকার ভূমিকা এবং যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক চাপের সম্ভাব্য প্রভাব। হরমুজ প্রণালী দিয়ে বৈশ্বিক তেল বাণিজ্যের একটি বড় অংশ পরিচালিত হয়। ফলে এই জলপথে দীর্ঘস্থায়ী সামরিক উত্তেজনা তৈরি হলে তেল সরবরাহ, জাহাজ চলাচল এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হতে পারে। ভিডিওতে আরও থাকছে বিকল্প তেল পাইপলাইন, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভূমিকা, ইরানের সামুদ্রিক কৌশল এবং চীনের জ্বালানি স্বার্থ। পাশাপাশি হরমুজ সংকট কীভাবে মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে ইউরোপ ও এশিয়ার অর্থনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে, সেটিও বিশ্লেষণ করা হয়েছে। তবে ভিডিওতে উল্লেখিত বিভিন্ন সামরিক ও রাজনৈতিক দাবি সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য ও প্রতিবেদনের ভিত্তিতে উপস্থাপিত হয়েছে। সব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়েছে—এমনটি ধরে নেওয়া উচিত নয়। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, হরমুজ প্রণালীর ওপর ইরানের কৌশলগত প্রভাব কি বাস্তবেই কমানো সম্ভব?]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_03-9-26_42.webp" alt="ইরান–যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের নতুন অধ্যায়! তেলবাজারে আসছে বড় সংকট? হরমুজে যুদ্ধ কি ছড়িয়ে পড়ছে?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইরান–যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের নতুন অধ্যায়! তেলবাজারে আসছে বড় সংকট? হরমুজে যুদ্ধ কি ছড়িয়ে পড়ছে?</h1>
            <p>হরমুজ প্রণালী ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও উপকূলীয় এলাকাকে ঘিরে হামলা, পাল্টা সামরিক প্রস্তুতি এবং হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিয়ে তৈরি হয়েছে গভীর উদ্বেগ। এই ভিডিওতে আলোচনা করা হয়েছে হরমুজ প্রণালীর কৌশলগত গুরুত্ব, ইরানের বন্দর আব্বাস, কেশম, জাস্ক, কোনারাক ও চাবাহারসহ গুরুত্বপূর্ণ উপকূলীয় এলাকার ভূমিকা এবং যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক চাপের সম্ভাব্য প্রভাব। হরমুজ প্রণালী দিয়ে বৈশ্বিক তেল বাণিজ্যের একটি বড় অংশ পরিচালিত হয়। ফলে এই জলপথে দীর্ঘস্থায়ী সামরিক উত্তেজনা তৈরি হলে তেল সরবরাহ, জাহাজ চলাচল এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হতে পারে। ভিডিওতে আরও থাকছে বিকল্প তেল পাইপলাইন, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভূমিকা, ইরানের সামুদ্রিক কৌশল এবং চীনের জ্বালানি স্বার্থ। পাশাপাশি হরমুজ সংকট কীভাবে মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে ইউরোপ ও এশিয়ার অর্থনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে, সেটিও বিশ্লেষণ করা হয়েছে। তবে ভিডিওতে উল্লেখিত বিভিন্ন সামরিক ও রাজনৈতিক দাবি সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য ও প্রতিবেদনের ভিত্তিতে উপস্থাপিত হয়েছে। সব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়েছে—এমনটি ধরে নেওয়া উচিত নয়। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, হরমুজ প্রণালীর ওপর ইরানের কৌশলগত প্রভাব কি বাস্তবেই কমানো সম্ভব?</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_03-9-26_42.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_03-9-26_42.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_03-9-26_42.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[আর্কটিকের সুমেরু জয়ে রুশের নতুন বিশ্ব রেকর্ড ও কিয়েভের আকাশ হুমকি নশ্যাতের কড়া জবাব]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/51265</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/51265</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 15:40:06 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor, Russia Arctic, Putin Arctic strategy, Northern Sea Route, Russia Ukraine war, Russia military, Ukraine war, Putin, Zelensky, Arctic LNG, Russian navy, Russian military technology, geopolitics]]></category>
        
        <description><![CDATA[আর্কটিকের বরফ ভেদ করে রাশিয়ার সামুদ্রিক সক্ষমতার নতুন প্রদর্শন এবং একই সময়ে ইউক্রেন যুদ্ধক্ষেত্রে চলমান সামরিক চাপ নিয়ে তৈরি হয়েছে আজকের বিশেষ বিশ্লেষণ। এই ভিডিওতে থাকছে জভেজদা শিপইয়ার্ডে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের পরিদর্শন, বিশাল Arc7 আইস ক্লাস এলএনজি জাহাজ, উত্তর সমুদ্র পথ এবং আর্কটিক অঞ্চলে রাশিয়ার জ্বালানি ও সামুদ্রিক কৌশল। পাশাপাশি আলোচনা করা হয়েছে ইউক্রেনের বিভিন্ন সামরিক ও অবকাঠামোগত স্থাপনা নিয়ে রাশিয়ার হামলার দাবি, কিয়েভের বিদ্যুৎ সংকট, রুশ অগ্রযাত্রা এবং ইউক্রেনের জন্য পশ্চিমা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ঘাটতি। রাশিয়ার ওপর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার প্রভাব, দেশটির সামরিক শিল্প, এশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক এবং ইউরোপের জ্বালানি নিরাপত্তার বিষয়ও থাকছে বিশ্লেষণে। তবে ভিডিওতে উল্লেখিত সামরিক সাফল্য, হতাহতের সংখ্যা, হামলা এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বিভিন্ন দাবি সব ক্ষেত্রে স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়েছে—এমনটি ধরে নেওয়া উচিত নয়। রাশিয়ার আর্কটিক কৌশল কি ভবিষ্যতে বৈশ্বিক জ্বালানি ও বাণিজ্য ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনতে পারে? আর ইউক্রেন যুদ্ধের বর্তমান পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে?  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_03-9-26_41.webp" alt="আর্কটিকের সুমেরু জয়ে রুশের নতুন বিশ্ব রেকর্ড ও কিয়েভের আকাশ হুমকি নশ্যাতের কড়া জবাব" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>আর্কটিকের সুমেরু জয়ে রুশের নতুন বিশ্ব রেকর্ড ও কিয়েভের আকাশ হুমকি নশ্যাতের কড়া জবাব</h1>
            <p>আর্কটিকের বরফ ভেদ করে রাশিয়ার সামুদ্রিক সক্ষমতার নতুন প্রদর্শন এবং একই সময়ে ইউক্রেন যুদ্ধক্ষেত্রে চলমান সামরিক চাপ নিয়ে তৈরি হয়েছে আজকের বিশেষ বিশ্লেষণ। এই ভিডিওতে থাকছে জভেজদা শিপইয়ার্ডে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের পরিদর্শন, বিশাল Arc7 আইস ক্লাস এলএনজি জাহাজ, উত্তর সমুদ্র পথ এবং আর্কটিক অঞ্চলে রাশিয়ার জ্বালানি ও সামুদ্রিক কৌশল। পাশাপাশি আলোচনা করা হয়েছে ইউক্রেনের বিভিন্ন সামরিক ও অবকাঠামোগত স্থাপনা নিয়ে রাশিয়ার হামলার দাবি, কিয়েভের বিদ্যুৎ সংকট, রুশ অগ্রযাত্রা এবং ইউক্রেনের জন্য পশ্চিমা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ঘাটতি। রাশিয়ার ওপর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার প্রভাব, দেশটির সামরিক শিল্প, এশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক এবং ইউরোপের জ্বালানি নিরাপত্তার বিষয়ও থাকছে বিশ্লেষণে। তবে ভিডিওতে উল্লেখিত সামরিক সাফল্য, হতাহতের সংখ্যা, হামলা এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বিভিন্ন দাবি সব ক্ষেত্রে স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়েছে—এমনটি ধরে নেওয়া উচিত নয়। রাশিয়ার আর্কটিক কৌশল কি ভবিষ্যতে বৈশ্বিক জ্বালানি ও বাণিজ্য ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনতে পারে? আর ইউক্রেন যুদ্ধের বর্তমান পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে?  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_03-9-26_41.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_03-9-26_41.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_03-9-26_41.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ক্ষেপণাস্ত্র সংকট ও Hormuz-এর নতুন বিপদ! Iran-এর চাপে America? ৫০ হাজার সেনা]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/51257</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/51257</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 14:22:28 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Iran America war, US Iran conflict, Trump Iran, Iran missile attack, Hormuz Strait, Iran military power, US military crisis, Pentagon Iran war, Middle East conflict, THAAD Patriot missiles, Iran US tensions, global oil crisis, ananda khabar,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor]]></category>
        
        <description><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্যে Iran ও America-এর সংঘাত কি এখন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতার ওপর বড় চাপ তৈরি করছে? দীর্ঘমেয়াদি সামরিক অভিযান, বিপুল সেনা মোতায়েন, THAAD ও Patriot ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ এবং মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ও ড্রোন বহরের ওপর চাপ—সব মিলিয়ে Pentagon-এর সামনে তৈরি হয়েছে বড় কৌশলগত প্রশ্ন। এই ভিডিওতে বিশ্লেষণ করা হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে প্রায় ৫০ হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েনের প্রভাব, Pentagon-এর শীর্ষ সামরিক নেতৃত্বের উদ্বেগ, Iran-এর পাল্টা ব্যালিস্টিক মিসাইল হামলা এবং Hormuz Strait ঘিরে তৈরি হওয়া নতুন উত্তেজনা। বিশেষভাবে থাকছে Larak Island-এ মার্কিন হামলা, Jordan-এর মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে Iran-এর ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি, THAAD ও Patriot interceptor-এর মজুদ নিয়ে উদ্বেগ এবং Black Sea নয়, মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক রুট Hormuz Strait-এ বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহের ঝুঁকি। হরমুজ প্রণালীতে অস্থিরতার কারণে আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে Brent crude-এর দাম ৯০ ডলারের ওপরে ওঠার বিষয়টিও এই বিশ্লেষণের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই সংঘাত কি শুধু Iran ও America-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি এর প্রভাব ছড়িয়ে পড়বে পুরো মধ্যপ্রাচ্য ও বিশ্ব অর্থনীতিতে? পুরো বিশ্লেষণ জানতে ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/811_3.webp" alt="ক্ষেপণাস্ত্র সংকট ও Hormuz-এর নতুন বিপদ! Iran-এর চাপে America? ৫০ হাজার সেনা" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ক্ষেপণাস্ত্র সংকট ও Hormuz-এর নতুন বিপদ! Iran-এর চাপে America? ৫০ হাজার সেনা</h1>
            <p>মধ্যপ্রাচ্যে Iran ও America-এর সংঘাত কি এখন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতার ওপর বড় চাপ তৈরি করছে? দীর্ঘমেয়াদি সামরিক অভিযান, বিপুল সেনা মোতায়েন, THAAD ও Patriot ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ এবং মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ও ড্রোন বহরের ওপর চাপ—সব মিলিয়ে Pentagon-এর সামনে তৈরি হয়েছে বড় কৌশলগত প্রশ্ন। এই ভিডিওতে বিশ্লেষণ করা হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে প্রায় ৫০ হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েনের প্রভাব, Pentagon-এর শীর্ষ সামরিক নেতৃত্বের উদ্বেগ, Iran-এর পাল্টা ব্যালিস্টিক মিসাইল হামলা এবং Hormuz Strait ঘিরে তৈরি হওয়া নতুন উত্তেজনা। বিশেষভাবে থাকছে Larak Island-এ মার্কিন হামলা, Jordan-এর মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে Iran-এর ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি, THAAD ও Patriot interceptor-এর মজুদ নিয়ে উদ্বেগ এবং Black Sea নয়, মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক রুট Hormuz Strait-এ বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহের ঝুঁকি। হরমুজ প্রণালীতে অস্থিরতার কারণে আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে Brent crude-এর দাম ৯০ ডলারের ওপরে ওঠার বিষয়টিও এই বিশ্লেষণের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই সংঘাত কি শুধু Iran ও America-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি এর প্রভাব ছড়িয়ে পড়বে পুরো মধ্যপ্রাচ্য ও বিশ্ব অর্থনীতিতে? পুরো বিশ্লেষণ জানতে ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/811_3.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/811_3.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/811_3.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[রিয়ালের ভয়াবহ পতন, USA কি থামবে? যুদ্ধের আগুনে ইরানের অর্থনীতি!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/51256</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/51256</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 14:22:28 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Iran USA conflict, Trump Iran, Iran war, Strait of Hormuz, Hormuz crisis, Iran missile attack, Iran economic crisis, Iranian rial collapse, Iran inflation, Iran sanctions, Middle East crisis, geopolitics, nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor]]></category>
        
        <description><![CDATA[আমেরিকা ও ইরানের সরাসরি সংঘাত শুধু মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক পরিস্থিতিই উত্তপ্ত করেনি, এর প্রভাব পড়ছে ইরানের অর্থনীতিতেও। লারাক দ্বীপে মার্কিন হামলার পর ইরানের পাল্টা হামলার দাবি, Hormuz Strait ঘিরে সামরিক উত্তেজনা এবং তেল পরিবহনের নিরাপত্তা সংকট নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা, যুদ্ধের চাপ, রিয়ালের মূল্যপতন, খাদ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি এবং জ্বালানি সংকটের কারণে ইরানের সাধারণ মানুষও বড় অর্থনৈতিক চাপে পড়ছেন। এই ভিডিওতে থাকছে USA Iran সংঘাতের সামরিক দিক, Hormuz Strait-এর গুরুত্ব, ইরানের পাল্টা সামরিক পদক্ষেপ এবং যুদ্ধ ও নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের অর্থনীতিতে তৈরি হওয়া সংকটের বিস্তারিত বিশ্লেষণ। মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত কি আরও বড় আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নেবে? আর ইরানের অর্থনীতি কতটা চাপ সামলাতে পারবে—সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। ভিডিওতে উল্লেখিত সামরিক হামলা, ক্ষয়ক্ষতি ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কিছু তথ্য সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর দাবি বা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। সব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব নয়।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/810_1.webp" alt="রিয়ালের ভয়াবহ পতন, USA কি থামবে? যুদ্ধের আগুনে ইরানের অর্থনীতি!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>রিয়ালের ভয়াবহ পতন, USA কি থামবে? যুদ্ধের আগুনে ইরানের অর্থনীতি!</h1>
            <p>আমেরিকা ও ইরানের সরাসরি সংঘাত শুধু মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক পরিস্থিতিই উত্তপ্ত করেনি, এর প্রভাব পড়ছে ইরানের অর্থনীতিতেও। লারাক দ্বীপে মার্কিন হামলার পর ইরানের পাল্টা হামলার দাবি, Hormuz Strait ঘিরে সামরিক উত্তেজনা এবং তেল পরিবহনের নিরাপত্তা সংকট নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা, যুদ্ধের চাপ, রিয়ালের মূল্যপতন, খাদ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি এবং জ্বালানি সংকটের কারণে ইরানের সাধারণ মানুষও বড় অর্থনৈতিক চাপে পড়ছেন। এই ভিডিওতে থাকছে USA Iran সংঘাতের সামরিক দিক, Hormuz Strait-এর গুরুত্ব, ইরানের পাল্টা সামরিক পদক্ষেপ এবং যুদ্ধ ও নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের অর্থনীতিতে তৈরি হওয়া সংকটের বিস্তারিত বিশ্লেষণ। মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত কি আরও বড় আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নেবে? আর ইরানের অর্থনীতি কতটা চাপ সামলাতে পারবে—সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। ভিডিওতে উল্লেখিত সামরিক হামলা, ক্ষয়ক্ষতি ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কিছু তথ্য সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর দাবি বা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। সব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব নয়।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/810_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/810_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/810_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Xi Jinping ও Putin-এর গাড়িতে কী আছে? কার গাড়ি বেশি শক্তিশালী? Hongqi Guoli vs Aurus Senat]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/51218</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/51218</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 02 Sep 2026 21:25:07 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Hongqi Guoli, Aurus Senat, Hongqi vs Aurus, Xi Jinping car, Putin car, presidential armored car, China presidential car, Russia presidential car, armored limousine, luxury armored car, most secure presidential car, world leaders cars]]></category>
        
        <description><![CDATA[বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর নেতাদের জন্য তৈরি গাড়ি কি শুধুই বিলাসবহুল লিমুজিন? নাকি এগুলো আসলে চলন্ত দুর্গ? এই ভিডিওতে আমরা তুলনা করছি চীনের প্রেসিডেন্ট Xi Jinping-এর ব্যবহৃত Hongqi Guoli এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট Vladimir Putin-এর ব্যবহৃত Aurus Senat। দুই গাড়ির ডিজাইন, ইঞ্জিন, পারফরম্যান্স, আর্মারিং এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে থাকছে বিস্তারিত আলোচনা। Hongqi Guoli চীনের রাজনৈতিক ঐতিহ্য ও রাষ্ট্রীয় মর্যাদার প্রতীক। অন্যদিকে Aurus Senat রাশিয়ার আধুনিক অটোমোবাইল প্রকৌশল ও রাষ্ট্রপ্রধানের নিরাপত্তাকে সামনে রেখে তৈরি একটি অত্যন্ত সুরক্ষিত গাড়ি। কোন গাড়ির ইঞ্জিন বেশি শক্তিশালী? কোনটির আর্মারিং বেশি উন্নত? বুলেট, বিস্ফোরণ কিংবা গুরুতর হামলার ক্ষেত্রে এই গাড়িগুলো কীভাবে রাষ্ট্রপ্রধানকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছে? আর কেন আন্তর্জাতিক সম্মেলনে এই দুই গাড়ি দেখলেই সবার নজর আটকে যায়? দেখুন Hongqi Guoli vs Aurus Senat-এর বিস্তারিত তুলনা এবং জানুন কেন এই দুই গাড়িকে বিশ্বনেতাদের ‘চলন্ত দুর্গ’ বলা হয়।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/812_1.webp" alt="Xi Jinping ও Putin-এর গাড়িতে কী আছে? কার গাড়ি বেশি শক্তিশালী? Hongqi Guoli vs Aurus Senat" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Xi Jinping ও Putin-এর গাড়িতে কী আছে? কার গাড়ি বেশি শক্তিশালী? Hongqi Guoli vs Aurus Senat</h1>
            <p>বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর নেতাদের জন্য তৈরি গাড়ি কি শুধুই বিলাসবহুল লিমুজিন? নাকি এগুলো আসলে চলন্ত দুর্গ? এই ভিডিওতে আমরা তুলনা করছি চীনের প্রেসিডেন্ট Xi Jinping-এর ব্যবহৃত Hongqi Guoli এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট Vladimir Putin-এর ব্যবহৃত Aurus Senat। দুই গাড়ির ডিজাইন, ইঞ্জিন, পারফরম্যান্স, আর্মারিং এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে থাকছে বিস্তারিত আলোচনা। Hongqi Guoli চীনের রাজনৈতিক ঐতিহ্য ও রাষ্ট্রীয় মর্যাদার প্রতীক। অন্যদিকে Aurus Senat রাশিয়ার আধুনিক অটোমোবাইল প্রকৌশল ও রাষ্ট্রপ্রধানের নিরাপত্তাকে সামনে রেখে তৈরি একটি অত্যন্ত সুরক্ষিত গাড়ি। কোন গাড়ির ইঞ্জিন বেশি শক্তিশালী? কোনটির আর্মারিং বেশি উন্নত? বুলেট, বিস্ফোরণ কিংবা গুরুতর হামলার ক্ষেত্রে এই গাড়িগুলো কীভাবে রাষ্ট্রপ্রধানকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছে? আর কেন আন্তর্জাতিক সম্মেলনে এই দুই গাড়ি দেখলেই সবার নজর আটকে যায়? দেখুন Hongqi Guoli vs Aurus Senat-এর বিস্তারিত তুলনা এবং জানুন কেন এই দুই গাড়িকে বিশ্বনেতাদের ‘চলন্ত দুর্গ’ বলা হয়।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/812_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/812_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/812_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[রুশ চালে ইউক্রেনে নিজেদের মধ্যে যুদ্ধ! নিরাপত্তা বাহিনীতে বিস্ফোরক সংঘর্ষ!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/51217</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/51217</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 02 Sep 2026 21:25:07 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[Ukraine war, Kyiv conflict, Zelensky, Putin, Ukraine military, Ukrainian intelligence, SBU Ukraine, HUR Ukraine, Russia Ukraine war, Kyiv shooting, Ukraine crisis, geopolitics]]></category>
        
        <description><![CDATA[কিয়েভের ভেতরেই ইউক্রেনের নিরাপত্তা কাঠামোর দুই গুরুত্বপূর্ণ অংশের সদস্যদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। স্ক্রিপ্টে আলোচিত তথ্য অনুযায়ী, ইউক্রেনের নিরাপত্তা সংস্থা এসবিইউ একটি আবাসিক এলাকায় তল্লাশি অভিযানে গেলে সেখানে ইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা এইচইউআরের সদস্যদের সঙ্গে তাদের মুখোমুখি অবস্থান তৈরি হয়। পরে পরিস্থিতি গোলাগুলিতে রূপ নেয় এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক সাধারণ মানুষের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়। ঘটনার সঙ্গে রাশিয়ান ভলান্টিয়ার কর্পসের সদস্য এবং তাদের এক কমান্ডারের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। তবে সংঘর্ষের প্রকৃত কারণ, প্রথম গুলি কে চালিয়েছিল এবং ঘটনাটির পেছনে কী ধরনের সমন্বয়হীনতা ছিল—এসব প্রশ্নের উত্তর তদন্তের মাধ্যমে পরিষ্কার হওয়ার কথা। এই ভিডিওতে আমরা জানব কিয়েভের সেই সংঘর্ষের পুরো ঘটনা, এসবিইউ ও এইচইউআরের ভূমিকা, নিখোঁজ কমান্ডারকে ঘিরে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি এবং ইউক্রেনের নিরাপত্তা কাঠামোর সামনে তৈরি হওয়া গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলো। ভিডিওতে উল্লেখিত কিছু তথ্য সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য ও সংবাদ প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে উপস্থাপন করা হয়েছে। সব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়েছে—এমনটি ধরে নেওয়া উচিত নয়। আপনার মতে, কিয়েভের এই সংঘর্ষ কি শুধুই ভুল বোঝাবুঝি, নাকি এর পেছনে আরও গভীর কোনো দ্বন্দ্ব রয়েছে? কমেন্টে মতামত জানান।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/816_1.webp" alt="রুশ চালে ইউক্রেনে নিজেদের মধ্যে যুদ্ধ! নিরাপত্তা বাহিনীতে বিস্ফোরক সংঘর্ষ!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>রুশ চালে ইউক্রেনে নিজেদের মধ্যে যুদ্ধ! নিরাপত্তা বাহিনীতে বিস্ফোরক সংঘর্ষ!</h1>
            <p>কিয়েভের ভেতরেই ইউক্রেনের নিরাপত্তা কাঠামোর দুই গুরুত্বপূর্ণ অংশের সদস্যদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। স্ক্রিপ্টে আলোচিত তথ্য অনুযায়ী, ইউক্রেনের নিরাপত্তা সংস্থা এসবিইউ একটি আবাসিক এলাকায় তল্লাশি অভিযানে গেলে সেখানে ইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা এইচইউআরের সদস্যদের সঙ্গে তাদের মুখোমুখি অবস্থান তৈরি হয়। পরে পরিস্থিতি গোলাগুলিতে রূপ নেয় এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক সাধারণ মানুষের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়। ঘটনার সঙ্গে রাশিয়ান ভলান্টিয়ার কর্পসের সদস্য এবং তাদের এক কমান্ডারের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। তবে সংঘর্ষের প্রকৃত কারণ, প্রথম গুলি কে চালিয়েছিল এবং ঘটনাটির পেছনে কী ধরনের সমন্বয়হীনতা ছিল—এসব প্রশ্নের উত্তর তদন্তের মাধ্যমে পরিষ্কার হওয়ার কথা। এই ভিডিওতে আমরা জানব কিয়েভের সেই সংঘর্ষের পুরো ঘটনা, এসবিইউ ও এইচইউআরের ভূমিকা, নিখোঁজ কমান্ডারকে ঘিরে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি এবং ইউক্রেনের নিরাপত্তা কাঠামোর সামনে তৈরি হওয়া গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলো। ভিডিওতে উল্লেখিত কিছু তথ্য সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য ও সংবাদ প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে উপস্থাপন করা হয়েছে। সব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়েছে—এমনটি ধরে নেওয়া উচিত নয়। আপনার মতে, কিয়েভের এই সংঘর্ষ কি শুধুই ভুল বোঝাবুঝি, নাকি এর পেছনে আরও গভীর কোনো দ্বন্দ্ব রয়েছে? কমেন্টে মতামত জানান।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/816_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/816_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/816_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[বর্জ্যই কি হবে সোনার খনি? ২৫ টাকা দরে বিদ্যুৎ কেন এত ব্যয়বহুল!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/exclusive/51181</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/exclusive/51181</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ আল মাসুম]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 02 Sep 2026 14:00:04 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[এক্সক্লুসিভ]]></category>
                <category><![CDATA[সর্বশেষ]]></category>
                        <category><![CDATA[Waste to Energy Bangladesh, Dhaka waste management, Aminbazar waste project, Matuail waste project, Bangladesh electricity price, waste to electricity, CMEC Bangladesh, Bangladesh power generation, waste management Bangladesh, waste energy project, Aminbazar landfill, Matuail landfill,nbs24,bangla news,bd news,prothom news,jugantor news,kalbela news,aajker khabor]]></category>
        
        <description><![CDATA[ঢাকার প্রতিদিনের হাজার হাজার টন বর্জ্য কি এবার বোঝা নয়, বরং অর্থনৈতিক সম্পদে পরিণত হতে যাচ্ছে? আমিনবাজার ও মাতুয়াইলের Waste to Energy প্রকল্প ঘিরে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—প্রতি ইউনিট ২৫ টাকা দরে বিদ্যুৎ কিনলে বাংলাদেশের প্রকৃত লাভ কোথায়? এই ভিডিওতে আমরা বিশ্লেষণ করেছি আমিনবাজার ল্যান্ডফিলের ৪২.৫ মেগাওয়াট Waste to Energy প্রকল্প, চীনা প্রতিষ্ঠান CMEC-এর সঙ্গে চুক্তি, ২৫ বছর ধরে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা এবং প্রতি ইউনিট ২৫ টাকা দরে বিদ্যুৎ কেনার বিষয়টি। একই সঙ্গে থাকছে মাতুয়াইলের পরিকল্পিত Zero Waste মডেল, দক্ষিণ কোরিয়ার B&F-এর রাজস্ব ভাগাভাগির কাঠামো, জৈব সার, বায়োগ্যাস, RDF ও অন্যান্য বাই-প্রোডাক্ট থেকে সম্ভাব্য আয়ের হিসাব। প্রকল্পটি ৮০ শতাংশ সক্ষমতায় চললে বছরে কত বিদ্যুৎ উৎপাদন হতে পারে? ২৫ টাকা দরে বিদ্যুৎ কিনলে অতিরিক্ত খরচ কত হতে পারে? কম সক্ষমতায় চললে কেন বিদ্যুতের কার্যকর দাম আরও বেড়ে যেতে পারে? আর বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বর্তমান শত শত কোটি টাকার খরচের সঙ্গে প্রকল্পের সম্ভাব্য লাভ-লোকসান কীভাবে তুলনা করা যায়? সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই প্রকল্পকে শুধু বিদ্যুতের দাম দিয়ে বিচার করা উচিত, নাকি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যয় সাশ্রয়, জৈব সার ও অন্যান্য পণ্য থেকে আয় এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিবেশগত সুবিধাকেও হিসাবের মধ্যে আনতে হবে? পুরো হিসাব ও বিশ্লেষণ জানতে ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/815_1.webp" alt="বর্জ্যই কি হবে সোনার খনি? ২৫ টাকা দরে বিদ্যুৎ কেন এত ব্যয়বহুল!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>বর্জ্যই কি হবে সোনার খনি? ২৫ টাকা দরে বিদ্যুৎ কেন এত ব্যয়বহুল!</h1>
            <p>ঢাকার প্রতিদিনের হাজার হাজার টন বর্জ্য কি এবার বোঝা নয়, বরং অর্থনৈতিক সম্পদে পরিণত হতে যাচ্ছে? আমিনবাজার ও মাতুয়াইলের Waste to Energy প্রকল্প ঘিরে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—প্রতি ইউনিট ২৫ টাকা দরে বিদ্যুৎ কিনলে বাংলাদেশের প্রকৃত লাভ কোথায়? এই ভিডিওতে আমরা বিশ্লেষণ করেছি আমিনবাজার ল্যান্ডফিলের ৪২.৫ মেগাওয়াট Waste to Energy প্রকল্প, চীনা প্রতিষ্ঠান CMEC-এর সঙ্গে চুক্তি, ২৫ বছর ধরে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা এবং প্রতি ইউনিট ২৫ টাকা দরে বিদ্যুৎ কেনার বিষয়টি। একই সঙ্গে থাকছে মাতুয়াইলের পরিকল্পিত Zero Waste মডেল, দক্ষিণ কোরিয়ার B&F-এর রাজস্ব ভাগাভাগির কাঠামো, জৈব সার, বায়োগ্যাস, RDF ও অন্যান্য বাই-প্রোডাক্ট থেকে সম্ভাব্য আয়ের হিসাব। প্রকল্পটি ৮০ শতাংশ সক্ষমতায় চললে বছরে কত বিদ্যুৎ উৎপাদন হতে পারে? ২৫ টাকা দরে বিদ্যুৎ কিনলে অতিরিক্ত খরচ কত হতে পারে? কম সক্ষমতায় চললে কেন বিদ্যুতের কার্যকর দাম আরও বেড়ে যেতে পারে? আর বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বর্তমান শত শত কোটি টাকার খরচের সঙ্গে প্রকল্পের সম্ভাব্য লাভ-লোকসান কীভাবে তুলনা করা যায়? সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই প্রকল্পকে শুধু বিদ্যুতের দাম দিয়ে বিচার করা উচিত, নাকি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যয় সাশ্রয়, জৈব সার ও অন্যান্য পণ্য থেকে আয় এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিবেশগত সুবিধাকেও হিসাবের মধ্যে আনতে হবে? পুরো হিসাব ও বিশ্লেষণ জানতে ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/815_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/815_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/815_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[হরমুজে ইরানের পাল্টা হামলায় বাড়ছে যুদ্ধের শঙ্কা, ট্রাম্পের শুল্কচাপে কানাডার সঙ্গে বাণিজ্য সংকট]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/51175</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/51175</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 02 Sep 2026 10:03:13 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, news 18 bangla, bd news bangla, bangla tv news, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, latest bangla news, news bangla today, bangla breaking news, news18 bangla live, bangladesh flood news bangla, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh news today, banglanews, bangladesh latest news, banglavision world news, bangladesh weather news, banglavision news today, farakka barrage 109 gates opened news bangla, flood news bangladesh today]]></category>
        
        <description><![CDATA[ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাত এবার নতুন এক ঝুঁকিপূর্ণ মোড়ে পৌঁছেছে। খার্গ দ্বীপ ধ্বংসের দাবি ঘিরে ছড়িয়ে পড়া ভুয়া AI ভিডিও, লারক দ্বীপে মার্কিন হামলা, জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি এবং হরমুজ প্রণালীতে তেলবাহী ট্যাঙ্কারে আগুন—সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। হরমুজ প্রণালী বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি বাণিজ্যপথ। সেখানে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল নিয়ে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তা ইতোমধ্যেই আন্তর্জাতিক তেলের বাজার ও বৈশ্বিক অর্থনীতিতে উদ্বেগ তৈরি করছে। একই সঙ্গে ইরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর করার উদ্যোগ পরিস্থিতিকে নতুন মাত্রা দিয়েছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যেও বাণিজ্যিক সম্পর্কের বড় টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে। Trump প্রশাসনের শুল্কনীতি, কানাডার পাল্টা ব্যবস্থা, গাড়িশিল্প এবং উত্তর আমেরিকার সরবরাহব্যবস্থা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন সংকট। এই ভিডিওতে থাকছে Iran–USA সংঘাত, Hormuz Strait-এর পরিস্থিতি, Kharg Island-এর AI ভিডিও বিতর্ক, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এবং Trump–Mark Carney বাণিজ্য সংঘাতের বিস্তারিত বিশ্লেষণ। ভিডিওতে উল্লেখিত সামরিক ও ক্ষয়ক্ষতির কিছু দাবি সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্যের ভিত্তিতে তুলে ধরা হয়েছে; সব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব নয়।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/809_1.webp" alt="হরমুজে ইরানের পাল্টা হামলায় বাড়ছে যুদ্ধের শঙ্কা, ট্রাম্পের শুল্কচাপে কানাডার সঙ্গে বাণিজ্য সংকট" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>হরমুজে ইরানের পাল্টা হামলায় বাড়ছে যুদ্ধের শঙ্কা, ট্রাম্পের শুল্কচাপে কানাডার সঙ্গে বাণিজ্য সংকট</h1>
            <p>ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাত এবার নতুন এক ঝুঁকিপূর্ণ মোড়ে পৌঁছেছে। খার্গ দ্বীপ ধ্বংসের দাবি ঘিরে ছড়িয়ে পড়া ভুয়া AI ভিডিও, লারক দ্বীপে মার্কিন হামলা, জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি এবং হরমুজ প্রণালীতে তেলবাহী ট্যাঙ্কারে আগুন—সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। হরমুজ প্রণালী বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি বাণিজ্যপথ। সেখানে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল নিয়ে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তা ইতোমধ্যেই আন্তর্জাতিক তেলের বাজার ও বৈশ্বিক অর্থনীতিতে উদ্বেগ তৈরি করছে। একই সঙ্গে ইরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর করার উদ্যোগ পরিস্থিতিকে নতুন মাত্রা দিয়েছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যেও বাণিজ্যিক সম্পর্কের বড় টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে। Trump প্রশাসনের শুল্কনীতি, কানাডার পাল্টা ব্যবস্থা, গাড়িশিল্প এবং উত্তর আমেরিকার সরবরাহব্যবস্থা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন সংকট। এই ভিডিওতে থাকছে Iran–USA সংঘাত, Hormuz Strait-এর পরিস্থিতি, Kharg Island-এর AI ভিডিও বিতর্ক, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এবং Trump–Mark Carney বাণিজ্য সংঘাতের বিস্তারিত বিশ্লেষণ। ভিডিওতে উল্লেখিত সামরিক ও ক্ষয়ক্ষতির কিছু দাবি সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্যের ভিত্তিতে তুলে ধরা হয়েছে; সব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব নয়।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/809_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/809_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/809_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[পুতিনকে ঠেকাতে ব্যর্থ পশ্চিম! রাশিয়ার পাল্টা চালে কুপোকাত?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/51163</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/51163</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 02 Sep 2026 04:28:40 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, news 18 bangla, bangla tv news, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, latest bangla news, news bangla today, bangla breaking news, bangladesh flood news bangla, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh tv news, bangladesh news today, banglanews, bangladesh latest news, banglavision news today, bangladesh weather news, farakka barrage 109 gates opened news bangla, flood news bangladesh today, atn bangla, bbc bangla, ntv bangla]]></category>
        
        <description><![CDATA[রাশিয়ার ওপর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা অব্যাহত থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রে রাশিয়ান সারের আমদানি নতুন রেকর্ড করেছে। ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে যুক্তরাষ্ট্রে রাশিয়ার সার সরবরাহ প্রায় এক-চতুর্থাংশ বেড়েছে বলে রাশিয়ান এক্সপোর্ট সেন্টারের প্রধান ভেরোনিকা নিকিশিনা জানিয়েছেন। জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত মার্কিন কাস্টমস তথ্যভিত্তিক হিসাবে রাশিয়ান সারের আমদানি ১.০৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছানোর তথ্যও প্রকাশিত হয়েছে। কেন নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও রাশিয়ার সার মার্কিন কৃষি ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকছে? বিশ্ব খাদ্য নিরাপত্তার সঙ্গে রাশিয়ান সারের সম্পর্ক কতটা গুরুত্বপূর্ণ? আর এই বাণিজ্য কি পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা নীতির একটি বড় সীমাবদ্ধতা প্রকাশ করছে? অন্যদিকে রাশিয়া ও ইউক্রেনের যুদ্ধেও উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে Kyiv ও আশপাশের এলাকায় রুশ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় হতাহতের খবর এসেছে এবং ইউক্রেনের Patriot প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মজুত নিয়ে উদ্বেগের কথা প্রকাশ পেয়েছে। এদিকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন দাবি করেছেন, আগস্টে Donetsk অঞ্চলে রুশ বাহিনী ২৭০ বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। Reuters জানিয়েছে, এই দাবিগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। এই ভিডিওতে রাশিয়ার সার রপ্তানি, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক বাস্তবতা, পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা এবং Russia Ukraine যুদ্ধের সাম্প্রতিক সামরিক পরিস্থিতি একসঙ্গে বিশ্লেষণ করা হয়েছে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/814_1.webp" alt="পুতিনকে ঠেকাতে ব্যর্থ পশ্চিম! রাশিয়ার পাল্টা চালে কুপোকাত?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>পুতিনকে ঠেকাতে ব্যর্থ পশ্চিম! রাশিয়ার পাল্টা চালে কুপোকাত?</h1>
            <p>রাশিয়ার ওপর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা অব্যাহত থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রে রাশিয়ান সারের আমদানি নতুন রেকর্ড করেছে। ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে যুক্তরাষ্ট্রে রাশিয়ার সার সরবরাহ প্রায় এক-চতুর্থাংশ বেড়েছে বলে রাশিয়ান এক্সপোর্ট সেন্টারের প্রধান ভেরোনিকা নিকিশিনা জানিয়েছেন। জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত মার্কিন কাস্টমস তথ্যভিত্তিক হিসাবে রাশিয়ান সারের আমদানি ১.০৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছানোর তথ্যও প্রকাশিত হয়েছে। কেন নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও রাশিয়ার সার মার্কিন কৃষি ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকছে? বিশ্ব খাদ্য নিরাপত্তার সঙ্গে রাশিয়ান সারের সম্পর্ক কতটা গুরুত্বপূর্ণ? আর এই বাণিজ্য কি পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা নীতির একটি বড় সীমাবদ্ধতা প্রকাশ করছে? অন্যদিকে রাশিয়া ও ইউক্রেনের যুদ্ধেও উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে Kyiv ও আশপাশের এলাকায় রুশ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় হতাহতের খবর এসেছে এবং ইউক্রেনের Patriot প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মজুত নিয়ে উদ্বেগের কথা প্রকাশ পেয়েছে। এদিকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন দাবি করেছেন, আগস্টে Donetsk অঞ্চলে রুশ বাহিনী ২৭০ বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। Reuters জানিয়েছে, এই দাবিগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। এই ভিডিওতে রাশিয়ার সার রপ্তানি, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক বাস্তবতা, পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা এবং Russia Ukraine যুদ্ধের সাম্প্রতিক সামরিক পরিস্থিতি একসঙ্গে বিশ্লেষণ করা হয়েছে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/814_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/814_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/814_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Trump-এর নতুন কূটনৈতিক চাল! যুদ্ধের চাপে বড় সংকট! Israel–Russia–North Korea]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/51158</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/51158</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 02 Sep 2026 01:42:12 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, news bangla, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, news 18 bangla, bangla tv news, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, latest bangla news, news bangla today, bangla breaking news, bangladesh flood news bangla, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh tv news, bangladesh news today, news today bangladesh, banglanews, bangladesh latest news, banglavision news today, bangladesh weather news, farakka barrage 109 gates opened news bangla, flood news bangladesh today]]></category>
        
        <description><![CDATA[ইসরায়েল একাধিক রণক্ষেত্রে দীর্ঘ যুদ্ধ চালাতে গিয়ে একই সঙ্গে বাজেট ঘাটতি ও সেনা সংকটের মুখে পড়েছে। প্রতিরক্ষা ব্যয়, অস্ত্র মজুত এবং রিজার্ভ সেনাদের ওপর বাড়তি চাপ ইসরায়েলের দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধক্ষমতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করছে। অন্যদিকে Russia–Ukraine War চললেও NATO ভূখণ্ডে সরাসরি হামলার আশঙ্কা নিয়ে নতুন বার্তা সামনে এসেছে। CIA ও রুশ গোয়েন্দা সংস্থার যোগাযোগ, গ্রেই-জোন যুদ্ধ, সাইবার হামলা এবং ইউরোপের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে থাকছে গুরুত্বপূর্ণ বিশ্লেষণ। এদিকে Donald Trump প্রশাসন Kim Jong Un-এর North Korea-র সঙ্গে আবারও কূটনৈতিক যোগাযোগের পথ খুঁজছে। যুক্তরাষ্ট্র–দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক মহড়া কমানো এবং সম্ভাব্য আলোচনার উদ্যোগকে ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন সমীকরণ। তবে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অবস্থান ও দক্ষিণ কোরিয়ার নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে সমঝোতার পথ এখনো কঠিন। এই ভিডিওতে থাকছে Israel, Russia, Ukraine, NATO, USA, North Korea এবং South Korea ঘিরে সাম্প্রতিক গুরুত্বপূর্ণ ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষণ।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_02-9-26_30.webp" alt="Trump-এর নতুন কূটনৈতিক চাল! যুদ্ধের চাপে বড় সংকট! Israel–Russia–North Korea" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Trump-এর নতুন কূটনৈতিক চাল! যুদ্ধের চাপে বড় সংকট! Israel–Russia–North Korea</h1>
            <p>ইসরায়েল একাধিক রণক্ষেত্রে দীর্ঘ যুদ্ধ চালাতে গিয়ে একই সঙ্গে বাজেট ঘাটতি ও সেনা সংকটের মুখে পড়েছে। প্রতিরক্ষা ব্যয়, অস্ত্র মজুত এবং রিজার্ভ সেনাদের ওপর বাড়তি চাপ ইসরায়েলের দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধক্ষমতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করছে। অন্যদিকে Russia–Ukraine War চললেও NATO ভূখণ্ডে সরাসরি হামলার আশঙ্কা নিয়ে নতুন বার্তা সামনে এসেছে। CIA ও রুশ গোয়েন্দা সংস্থার যোগাযোগ, গ্রেই-জোন যুদ্ধ, সাইবার হামলা এবং ইউরোপের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে থাকছে গুরুত্বপূর্ণ বিশ্লেষণ। এদিকে Donald Trump প্রশাসন Kim Jong Un-এর North Korea-র সঙ্গে আবারও কূটনৈতিক যোগাযোগের পথ খুঁজছে। যুক্তরাষ্ট্র–দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক মহড়া কমানো এবং সম্ভাব্য আলোচনার উদ্যোগকে ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন সমীকরণ। তবে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অবস্থান ও দক্ষিণ কোরিয়ার নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে সমঝোতার পথ এখনো কঠিন। এই ভিডিওতে থাকছে Israel, Russia, Ukraine, NATO, USA, North Korea এবং South Korea ঘিরে সাম্প্রতিক গুরুত্বপূর্ণ ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষণ।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_02-9-26_30.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_02-9-26_30.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_02-9-26_30.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইসরায়েলের নতুন দখল! Hormuz ঘিরে Iran–US উত্তেজনা, Russia Drone ঠেকাতে Ukraine-এর নতুন অস্ত্র]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/51157</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/51157</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 02 Sep 2026 01:42:12 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, news bangla, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, news 18 bangla, bangla tv news, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, latest bangla news, news bangla today, bangla breaking news, bangladesh flood news bangla, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh tv news, bangladesh news today, news today bangladesh, banglanews, bangladesh latest news, banglavision news today, bangladesh weather news, farakka barrage 109 gates opened news bangla, flood news bangladesh today]]></category>
        
        <description><![CDATA[পূর্ব জেরুজালেমে জাতিসংঘের প্রশিক্ষণকেন্দ্রে ইসরায়েলের অভিযানের অভিযোগ ঘিরে নতুন আন্তর্জাতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। UNRWA-এর কার্যক্রম, ফিলিস্তিনি শরণার্থী অধিকার এবং গাজা শান্তি প্রক্রিয়া নিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনা চলছে। অন্যদিকে হরমুজ প্রণালীকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোট, তেল সরবরাহ এবং মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগত ভবিষ্যৎ এখন বড় প্রশ্নের মুখে। এদিকে রাশিয়ার দ্রুতগতির শাহেদ ও গারান ড্রোন মোকাবিলায় ইউক্রেন সামনে এনেছে নতুন জেটচালিত ইন্টারসেপ্টর ড্রোন। এই প্রযুক্তি কি সত্যিই রুশ ড্রোন হামলার সমীকরণ বদলে দিতে পারবে, নাকি বাস্তব যুদ্ধেই হবে এর সবচেয়ে বড় পরীক্ষা? এই ভিডিওতে বিশ্লেষণ করা হয়েছে East Jerusalem, Israel, Palestine, UNRWA, Hormuz Strait, Iran, United States, Russia ও Ukraine ঘিরে সাম্প্রতিক ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_02-9-26_29.webp" alt="ইসরায়েলের নতুন দখল! Hormuz ঘিরে Iran–US উত্তেজনা, Russia Drone ঠেকাতে Ukraine-এর নতুন অস্ত্র" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইসরায়েলের নতুন দখল! Hormuz ঘিরে Iran–US উত্তেজনা, Russia Drone ঠেকাতে Ukraine-এর নতুন অস্ত্র</h1>
            <p>পূর্ব জেরুজালেমে জাতিসংঘের প্রশিক্ষণকেন্দ্রে ইসরায়েলের অভিযানের অভিযোগ ঘিরে নতুন আন্তর্জাতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। UNRWA-এর কার্যক্রম, ফিলিস্তিনি শরণার্থী অধিকার এবং গাজা শান্তি প্রক্রিয়া নিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনা চলছে। অন্যদিকে হরমুজ প্রণালীকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোট, তেল সরবরাহ এবং মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগত ভবিষ্যৎ এখন বড় প্রশ্নের মুখে। এদিকে রাশিয়ার দ্রুতগতির শাহেদ ও গারান ড্রোন মোকাবিলায় ইউক্রেন সামনে এনেছে নতুন জেটচালিত ইন্টারসেপ্টর ড্রোন। এই প্রযুক্তি কি সত্যিই রুশ ড্রোন হামলার সমীকরণ বদলে দিতে পারবে, নাকি বাস্তব যুদ্ধেই হবে এর সবচেয়ে বড় পরীক্ষা? এই ভিডিওতে বিশ্লেষণ করা হয়েছে East Jerusalem, Israel, Palestine, UNRWA, Hormuz Strait, Iran, United States, Russia ও Ukraine ঘিরে সাম্প্রতিক ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_02-9-26_29.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_02-9-26_29.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_02-9-26_29.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[দিল্লিতে আওয়ামী লীগের সেমিনার বাতিল, আ'লীগ নেতাকে ঘিরে বিতর্ক! শেষ মুহূর্তে কেন থামল অনুষ্ঠান?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/exclusive/51156</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/exclusive/51156</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 02 Sep 2026 01:42:12 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[এক্সক্লুসিভ]]></category>
                <category><![CDATA[সর্বশেষ]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, news bangla, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, news 18 bangla, bangla tv news, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, latest bangla news, news bangla today, bangla breaking news, bangladesh flood news bangla, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh tv news, bangladesh news today, news today bangladesh, banglanews, bangladesh latest news, banglavision news today, bangladesh weather news, farakka barrage 109 gates opened news bangla, flood news bangladesh today]]></category>
        
        <description><![CDATA[নয়াদিল্লিতে হওয়ার কথা ছিল ইউরোপ ও এশিয়া সম্পর্কিত একটি আন্তর্জাতিক সেমিনার। কিন্তু অনুষ্ঠান শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে সেটি বাতিল হয়ে যায়। আয়োজকদের দাবি, Delhi Police অনুমতি না দেওয়ায় অনুষ্ঠানটি বন্ধ করতে হয়েছে। অন্যদিকে দিল্লি পুলিশের এক ডেপুটি কমিশনার দাবি করেছেন, এ ধরনের প্যানেল আলোচনার জন্য পুলিশের অনুমতির প্রয়োজন নেই এবং পুলিশ কোনো কর্মসূচিতে হস্তক্ষেপ করেনি। এই সেমিনারে বক্তা হিসেবে ছিলেন আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ। পুলিশের নথিতে “কিছু বিতর্কের” কারণে অনুমতি না দেওয়ার কথা উল্লেখ থাকার খবরও প্রকাশিত হয়েছে। ফলে আয়োজকদের বক্তব্য, পুলিশের নথি এবং পুলিশের কর্মকর্তার বক্তব্যের মধ্যে তৈরি হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ একটি দ্বন্দ্ব। এই ঘটনার পেছনে বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট কতটা গুরুত্বপূর্ণ? শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনের সঙ্গে এই ঘটনার কোনো সম্পর্ক আছে কি না? কেন শেষ মুহূর্তে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো? এই ভিডিওতে পুরো ঘটনা, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য এবং বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কের প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ করা হয়েছে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_02-9-26_28.webp" alt="দিল্লিতে আওয়ামী লীগের সেমিনার বাতিল, আ'লীগ নেতাকে ঘিরে বিতর্ক! শেষ মুহূর্তে কেন থামল অনুষ্ঠান?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>দিল্লিতে আওয়ামী লীগের সেমিনার বাতিল, আ'লীগ নেতাকে ঘিরে বিতর্ক! শেষ মুহূর্তে কেন থামল অনুষ্ঠান?</h1>
            <p>নয়াদিল্লিতে হওয়ার কথা ছিল ইউরোপ ও এশিয়া সম্পর্কিত একটি আন্তর্জাতিক সেমিনার। কিন্তু অনুষ্ঠান শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে সেটি বাতিল হয়ে যায়। আয়োজকদের দাবি, Delhi Police অনুমতি না দেওয়ায় অনুষ্ঠানটি বন্ধ করতে হয়েছে। অন্যদিকে দিল্লি পুলিশের এক ডেপুটি কমিশনার দাবি করেছেন, এ ধরনের প্যানেল আলোচনার জন্য পুলিশের অনুমতির প্রয়োজন নেই এবং পুলিশ কোনো কর্মসূচিতে হস্তক্ষেপ করেনি। এই সেমিনারে বক্তা হিসেবে ছিলেন আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ। পুলিশের নথিতে “কিছু বিতর্কের” কারণে অনুমতি না দেওয়ার কথা উল্লেখ থাকার খবরও প্রকাশিত হয়েছে। ফলে আয়োজকদের বক্তব্য, পুলিশের নথি এবং পুলিশের কর্মকর্তার বক্তব্যের মধ্যে তৈরি হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ একটি দ্বন্দ্ব। এই ঘটনার পেছনে বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট কতটা গুরুত্বপূর্ণ? শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনের সঙ্গে এই ঘটনার কোনো সম্পর্ক আছে কি না? কেন শেষ মুহূর্তে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো? এই ভিডিওতে পুরো ঘটনা, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য এবং বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কের প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ করা হয়েছে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_02-9-26_28.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_02-9-26_28.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_02-9-26_28.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Hormuz Strait ঘিরে বড় সংকট, তেলবাজারে কী হবে? Iran–America মুখোমুখি!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/51155</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/51155</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 02 Sep 2026 01:42:12 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, news bangla, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, news 18 bangla, bangla tv news, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, latest bangla news, news bangla today, bangla breaking news, bangladesh flood news bangla, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh tv news, bangladesh news today, news today bangladesh, banglanews, bangladesh latest news, banglavision news today, bangladesh weather news, farakka barrage 109 gates opened news bangla, flood news bangladesh today]]></category>
        
        <description><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেলে সবচেয়ে বড় ঝুঁকির জায়গাগুলোর একটি হয়ে উঠতে পারে Hormuz Strait। বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হিসেবে পরিচিত এই জলপথে সামুদ্রিক চলাচল ব্যাহত হলে তেলের দাম, শিপিং খরচ, বীমা এবং বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। এই ভিডিওতে আলোচনা করা হয়েছে Iran–USA সংঘাতের মূল কারণ, মার্কিন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, ইরানের অবস্থান, Hormuz Strait নিয়ে দুই দেশের বিপরীত দাবি, ইরানের সামরিক প্রস্তুতি এবং আঞ্চলিক মিত্রদের সম্ভাব্য ভূমিকা। পাশাপাশি রয়েছে Qatar-এর মধ্যস্থতা, কূটনৈতিক যোগাযোগ পুনরুজ্জীবিত করার সম্ভাবনা এবং নিষেধাজ্ঞা ও সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিয়ে সমঝোতার সুযোগ। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো—কূটনীতি কি এই সংকট ঠেকাতে পারবে, নাকি Hormuz Strait ঘিরে উত্তেজনা মধ্যপ্রাচ্যকে আরও বড় সংঘাতের দিকে নিয়ে যাবে?]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_02-9-26_27.webp" alt="Hormuz Strait ঘিরে বড় সংকট, তেলবাজারে কী হবে? Iran–America মুখোমুখি!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Hormuz Strait ঘিরে বড় সংকট, তেলবাজারে কী হবে? Iran–America মুখোমুখি!</h1>
            <p>যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেলে সবচেয়ে বড় ঝুঁকির জায়গাগুলোর একটি হয়ে উঠতে পারে Hormuz Strait। বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হিসেবে পরিচিত এই জলপথে সামুদ্রিক চলাচল ব্যাহত হলে তেলের দাম, শিপিং খরচ, বীমা এবং বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। এই ভিডিওতে আলোচনা করা হয়েছে Iran–USA সংঘাতের মূল কারণ, মার্কিন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, ইরানের অবস্থান, Hormuz Strait নিয়ে দুই দেশের বিপরীত দাবি, ইরানের সামরিক প্রস্তুতি এবং আঞ্চলিক মিত্রদের সম্ভাব্য ভূমিকা। পাশাপাশি রয়েছে Qatar-এর মধ্যস্থতা, কূটনৈতিক যোগাযোগ পুনরুজ্জীবিত করার সম্ভাবনা এবং নিষেধাজ্ঞা ও সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিয়ে সমঝোতার সুযোগ। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো—কূটনীতি কি এই সংকট ঠেকাতে পারবে, নাকি Hormuz Strait ঘিরে উত্তেজনা মধ্যপ্রাচ্যকে আরও বড় সংঘাতের দিকে নিয়ে যাবে?</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_02-9-26_27.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_02-9-26_27.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_02-9-26_27.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Hormuz Strait কি এবার আমেরিকার? Trump-এর বড় দাবি! Iran-এর কড়া জবাব]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/51154</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/51154</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 02 Sep 2026 01:42:12 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, news bangla, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, news 18 bangla, bangla tv news, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, latest bangla news, news bangla today, bangla breaking news, bangladesh flood news bangla, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh tv news, bangladesh news today, news today bangladesh, banglanews, bangladesh latest news, banglavision news today, bangladesh weather news, farakka barrage 109 gates opened news bangla, flood news bangladesh today]]></category>
        
        <description><![CDATA[হরমুজ প্রণালী নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump-এর বিতর্কিত দাবি, ইরানের কঠোর প্রতিক্রিয়া এবং মার্কিন নিষেধাজ্ঞার চাপে তেহরানের অর্থনৈতিক সংকট—সব মিলিয়ে পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে। বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহনপথগুলোর একটি Hormuz Strait। এই জলপথে অস্থিরতা তৈরি হলে আন্তর্জাতিক তেল সরবরাহ, জ্বালানির দাম, বিশ্ব বাণিজ্য এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। এই ভিডিওতে থাকছে Hormuz Strait নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের বিরোধ, মার্কিন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, ইরানের পাল্টা অবস্থান, তেলবাহী জাহাজ চলাচল এবং Qatar-এর মধ্যস্থতার চেষ্টা। পাশাপাশি বিশ্লেষণ করা হয়েছে—এই সংকট কূটনৈতিক সমঝোতায় শেষ হবে, নাকি মধ্যপ্রাচ্যে আরও বড় সামরিক ও অর্থনৈতিক সংঘাত তৈরি করবে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_02-9-26_26.webp" alt="Hormuz Strait কি এবার আমেরিকার? Trump-এর বড় দাবি! Iran-এর কড়া জবাব" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Hormuz Strait কি এবার আমেরিকার? Trump-এর বড় দাবি! Iran-এর কড়া জবাব</h1>
            <p>হরমুজ প্রণালী নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump-এর বিতর্কিত দাবি, ইরানের কঠোর প্রতিক্রিয়া এবং মার্কিন নিষেধাজ্ঞার চাপে তেহরানের অর্থনৈতিক সংকট—সব মিলিয়ে পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে। বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহনপথগুলোর একটি Hormuz Strait। এই জলপথে অস্থিরতা তৈরি হলে আন্তর্জাতিক তেল সরবরাহ, জ্বালানির দাম, বিশ্ব বাণিজ্য এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। এই ভিডিওতে থাকছে Hormuz Strait নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের বিরোধ, মার্কিন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, ইরানের পাল্টা অবস্থান, তেলবাহী জাহাজ চলাচল এবং Qatar-এর মধ্যস্থতার চেষ্টা। পাশাপাশি বিশ্লেষণ করা হয়েছে—এই সংকট কূটনৈতিক সমঝোতায় শেষ হবে, নাকি মধ্যপ্রাচ্যে আরও বড় সামরিক ও অর্থনৈতিক সংঘাত তৈরি করবে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_02-9-26_26.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_02-9-26_26.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_02-9-26_26.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[যে কারণে ২৫ টাকা ইউনিট! ময়লা বিদ্যুৎ বনাম লীগের কুটচাল!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/exclusive/51153</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/exclusive/51153</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ আল মাসুম]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 02 Sep 2026 01:42:12 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[এক্সক্লুসিভ]]></category>
                <category><![CDATA[সর্বশেষ]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, news bangla, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, news 18 bangla, bangla tv news, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, latest bangla news, news bangla today, bangla breaking news, bangladesh flood news bangla, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh tv news, bangladesh news today, news today bangladesh, banglanews, bangladesh latest news, banglavision news today, bangladesh weather news, farakka barrage 109 gates opened news bangla, flood news bangladesh today]]></category>
        
        <description><![CDATA[আমিনবাজারের দীর্ঘদিনের ময়লার ভাগাড় এবার রূপ নিতে যাচ্ছে Waste-to-Energy প্রকল্পে। প্রতিদিন প্রায় ৩ হাজার টন বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করে উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে ৪২.৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ, যা জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার কথা। কিন্তু এই প্রকল্পের বিদ্যুতের দাম নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন। প্রতি ইউনিট প্রায় ২৫ টাকা কেন? চীনা কোম্পানি CMEC-এর বিনিয়োগের অর্থ কী? বাংলাদেশ কি সত্যিই চীন থেকে বিদ্যুৎ কিনছে, নাকি বাংলাদেশের মাটিতেই বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে? এই ভিডিওতে আমিনবাজার Waste-to-Energy প্রকল্পের ইতিহাস, পুরনো চুক্তি, বর্তমান অগ্রগতি, বিদ্যুতের দাম, পরিবেশগত সুবিধা, চীনা বিনিয়োগ এবং সংবাদ শিরোনাম ঘিরে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তি বিস্তারিতভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে মাতুয়াইলসহ ভবিষ্যতে বাংলাদেশের অন্যান্য শহরে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনা এবং প্রকল্পটির চ্যালেঞ্জ নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_02-9-26_25.webp" alt="যে কারণে ২৫ টাকা ইউনিট! ময়লা বিদ্যুৎ বনাম লীগের কুটচাল!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>যে কারণে ২৫ টাকা ইউনিট! ময়লা বিদ্যুৎ বনাম লীগের কুটচাল!</h1>
            <p>আমিনবাজারের দীর্ঘদিনের ময়লার ভাগাড় এবার রূপ নিতে যাচ্ছে Waste-to-Energy প্রকল্পে। প্রতিদিন প্রায় ৩ হাজার টন বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করে উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে ৪২.৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ, যা জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার কথা। কিন্তু এই প্রকল্পের বিদ্যুতের দাম নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন। প্রতি ইউনিট প্রায় ২৫ টাকা কেন? চীনা কোম্পানি CMEC-এর বিনিয়োগের অর্থ কী? বাংলাদেশ কি সত্যিই চীন থেকে বিদ্যুৎ কিনছে, নাকি বাংলাদেশের মাটিতেই বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে? এই ভিডিওতে আমিনবাজার Waste-to-Energy প্রকল্পের ইতিহাস, পুরনো চুক্তি, বর্তমান অগ্রগতি, বিদ্যুতের দাম, পরিবেশগত সুবিধা, চীনা বিনিয়োগ এবং সংবাদ শিরোনাম ঘিরে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তি বিস্তারিতভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে মাতুয়াইলসহ ভবিষ্যতে বাংলাদেশের অন্যান্য শহরে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনা এবং প্রকল্পটির চ্যালেঞ্জ নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_02-9-26_25.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_02-9-26_25.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_02-9-26_25.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইউনূস আমলে Solar Plant বাতিলের জবাব কে দেবে? লোডশেডিং কার জন্য?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/exclusive/51152</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/exclusive/51152</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ আল মাসুম]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 02 Sep 2026 01:42:12 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[এক্সক্লুসিভ]]></category>
                <category><![CDATA[সর্বশেষ]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, news bangla, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, news 18 bangla, bangla tv news, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, latest bangla news, news bangla today, bangla breaking news, bangladesh flood news bangla, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh tv news, bangladesh news today, news today bangladesh, banglanews, bangladesh latest news, banglavision news today, bangladesh weather news, farakka barrage 109 gates opened news bangla, flood news bangladesh today]]></category>
        
        <description><![CDATA[বাংলাদেশে লোডশেডিং নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। একদিকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট, অন্যদিকে অতীতে করা সোলার বিদ্যুৎ প্রকল্পের চুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সোলার বিদ্যুৎকেন্দ্রের একাধিক Letter of Intent বাতিল বা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হয়েছিল? দুর্নীতি, অস্বচ্ছতা, অসম চুক্তি ও আইনি ঝুঁকির যে অভিযোগ তুলে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, সেগুলোর বাস্তব ভিত্তি কী ছিল? অন্যদিকে বর্তমানে লোডশেডিং, শিল্প উৎপাদন, জ্বালানি সংকট এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে আলোচনা হচ্ছে। বাতিল হওয়া প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে বিদ্যুৎ পরিস্থিতিতে কতটা পরিবর্তন আসতে পারত, সেটিও বড় প্রশ্ন। এই ভিডিওতে আমরা বিশ্লেষণ করেছি বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সংকট, সোলার পাওয়ার প্রকল্প, ইউনূস সরকারের সিদ্ধান্ত, বর্তমান সরকারের নবায়নযোগ্য জ্বালানি পরিকল্পনা, বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ এবং সোলার প্রকল্প বাতিলের দায় নিয়ে ওঠা প্রশ্নগুলো। লোডশেডিংয়ের জন্য আসলে দায়ী কে? সোলার প্রকল্প বাতিলের সিদ্ধান্ত কি সঠিক ছিল? ভবিষ্যতে বাংলাদেশ কীভাবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলা করবে?]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_02-9-26_24.webp" alt="ইউনূস আমলে Solar Plant বাতিলের জবাব কে দেবে? লোডশেডিং কার জন্য?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইউনূস আমলে Solar Plant বাতিলের জবাব কে দেবে? লোডশেডিং কার জন্য?</h1>
            <p>বাংলাদেশে লোডশেডিং নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। একদিকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট, অন্যদিকে অতীতে করা সোলার বিদ্যুৎ প্রকল্পের চুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সোলার বিদ্যুৎকেন্দ্রের একাধিক Letter of Intent বাতিল বা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হয়েছিল? দুর্নীতি, অস্বচ্ছতা, অসম চুক্তি ও আইনি ঝুঁকির যে অভিযোগ তুলে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, সেগুলোর বাস্তব ভিত্তি কী ছিল? অন্যদিকে বর্তমানে লোডশেডিং, শিল্প উৎপাদন, জ্বালানি সংকট এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে আলোচনা হচ্ছে। বাতিল হওয়া প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে বিদ্যুৎ পরিস্থিতিতে কতটা পরিবর্তন আসতে পারত, সেটিও বড় প্রশ্ন। এই ভিডিওতে আমরা বিশ্লেষণ করেছি বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সংকট, সোলার পাওয়ার প্রকল্প, ইউনূস সরকারের সিদ্ধান্ত, বর্তমান সরকারের নবায়নযোগ্য জ্বালানি পরিকল্পনা, বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ এবং সোলার প্রকল্প বাতিলের দায় নিয়ে ওঠা প্রশ্নগুলো। লোডশেডিংয়ের জন্য আসলে দায়ী কে? সোলার প্রকল্প বাতিলের সিদ্ধান্ত কি সঠিক ছিল? ভবিষ্যতে বাংলাদেশ কীভাবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলা করবে?</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_02-9-26_24.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_02-9-26_24.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_02-9-26_24.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Russia-এর পরমাণু বার্তা! Putin-এর নতুন চাল কী? Ukraine-এ ভয়ংকর ড্রোন হামলা]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/51149</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/51149</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 02 Sep 2026 01:42:12 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, news bangla, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, news 18 bangla, bangla tv news, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, latest bangla news, news bangla today, bangla breaking news, bangladesh flood news bangla, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh tv news, bangladesh news today, news today bangladesh, banglanews, bangladesh latest news, banglavision news today, bangladesh weather news, farakka barrage 109 gates opened news bangla, flood news bangladesh today]]></category>
        
        <description><![CDATA[রাশিয়া কি শুধু নতুন ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করছে, নাকি এর মাধ্যমে বিশ্বকে বড় কোনো বার্তা দিচ্ছে? পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা, ইউক্রেনের গভীরে ড্রোন হামলা এবং রাশিয়ার তেল শোধনাগারে আঘাত ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। একই সময়ে কৌশলগত পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের জল্পনা এবং মস্কোয় মার্কিন গোয়েন্দা প্রধানের গোপন সফর পরিস্থিতিকে আরও রহস্যময় করে তুলেছে। এই ভিডিওতে আলোচনা করা হয়েছে রাশিয়ার ICBM পরীক্ষা, Yars ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা, Ukraine-এর দীর্ঘপাল্লার ড্রোন হামলা, Russian oil refinery attacks, NATO উত্তেজনা, Russia Ukraine War এবং সম্ভাব্য nuclear escalation নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলো। রাশিয়া ও ইউক্রেনের এই সংঘাত কি আরও ভয়ংকর পর্যায়ে যাচ্ছে? পরমাণু অস্ত্রের হুমকি কি বাস্তবে পরিণত হতে পারে? নাকি সামরিক শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে নতুন কোনো কূটনৈতিক বার্তা দেওয়া হচ্ছে? পুরো বিশ্লেষণ জানতে ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_02-9-26_23.webp" alt="Russia-এর পরমাণু বার্তা! Putin-এর নতুন চাল কী? Ukraine-এ ভয়ংকর ড্রোন হামলা" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Russia-এর পরমাণু বার্তা! Putin-এর নতুন চাল কী? Ukraine-এ ভয়ংকর ড্রোন হামলা</h1>
            <p>রাশিয়া কি শুধু নতুন ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করছে, নাকি এর মাধ্যমে বিশ্বকে বড় কোনো বার্তা দিচ্ছে? পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা, ইউক্রেনের গভীরে ড্রোন হামলা এবং রাশিয়ার তেল শোধনাগারে আঘাত ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। একই সময়ে কৌশলগত পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের জল্পনা এবং মস্কোয় মার্কিন গোয়েন্দা প্রধানের গোপন সফর পরিস্থিতিকে আরও রহস্যময় করে তুলেছে। এই ভিডিওতে আলোচনা করা হয়েছে রাশিয়ার ICBM পরীক্ষা, Yars ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা, Ukraine-এর দীর্ঘপাল্লার ড্রোন হামলা, Russian oil refinery attacks, NATO উত্তেজনা, Russia Ukraine War এবং সম্ভাব্য nuclear escalation নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলো। রাশিয়া ও ইউক্রেনের এই সংঘাত কি আরও ভয়ংকর পর্যায়ে যাচ্ছে? পরমাণু অস্ত্রের হুমকি কি বাস্তবে পরিণত হতে পারে? নাকি সামরিক শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে নতুন কোনো কূটনৈতিক বার্তা দেওয়া হচ্ছে? পুরো বিশ্লেষণ জানতে ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_02-9-26_23.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_02-9-26_23.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_02-9-26_23.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইরানের ভয়ংকর পাল্টা হামলা! মার্কিন ঘাঁটি এবার ক্ষেপণাস্ত্রের নিশানায়]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/51148</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/51148</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 02 Sep 2026 01:42:12 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, news bangla, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, news 18 bangla, bangla tv news, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, latest bangla news, news bangla today, bangla breaking news, bangladesh flood news bangla, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh tv news, bangladesh news today, news today bangladesh, banglanews, bangladesh latest news, banglavision news today, bangladesh weather news, farakka barrage 109 gates opened news bangla, flood news bangladesh today]]></category>
        
        <description><![CDATA[হরমুজ প্রণালীতে নতুন করে সরাসরি সংঘাতে জড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। লারক দ্বীপে ইরানের রকেট লঞ্চার লক্ষ্য করে মার্কিন হামলার পর ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস জর্ডানে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করেছে। ইরানের দাবি, এটি ছিল মার্কিন হামলার সরাসরি প্রতিশোধ। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র বলছে, হরমুজ প্রণালীতে সমুদ্র-মাইন স্থাপনের প্রস্তুতি ঠেকাতেই লারক দ্বীপে সীমিত ও নির্ভুল হামলা চালানো হয়েছে। জর্ডানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তাদের আকাশসীমায় প্রবেশ করা আটটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে। একই সময়ে UAE জানিয়েছে, তাদের জলসীমার কাছে একটি ইরানি ড্রোন প্রতিহত করা হয়েছে; তবে ইরানের আল-মিনহাদ ঘাঁটিতে হামলার দাবি UAE অস্বীকার করেছে। এই হামলার মধ্য দিয়ে কি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাত আবার বড় আকার ধারণ করতে যাচ্ছে? হরমুজ প্রণালী কেন এত গুরুত্বপূর্ণ? ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন কৌশল কতটা কার্যকর? আর এই সংঘাত বিশ্ববাজারের তেল ও মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তায় কী প্রভাব ফেলতে পারে? এই ভিডিওতে থাকছে পুরো ঘটনার বিস্তারিত বিশ্লেষণ।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/807_1.webp" alt="ইরানের ভয়ংকর পাল্টা হামলা! মার্কিন ঘাঁটি এবার ক্ষেপণাস্ত্রের নিশানায়" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইরানের ভয়ংকর পাল্টা হামলা! মার্কিন ঘাঁটি এবার ক্ষেপণাস্ত্রের নিশানায়</h1>
            <p>হরমুজ প্রণালীতে নতুন করে সরাসরি সংঘাতে জড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। লারক দ্বীপে ইরানের রকেট লঞ্চার লক্ষ্য করে মার্কিন হামলার পর ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস জর্ডানে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করেছে। ইরানের দাবি, এটি ছিল মার্কিন হামলার সরাসরি প্রতিশোধ। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র বলছে, হরমুজ প্রণালীতে সমুদ্র-মাইন স্থাপনের প্রস্তুতি ঠেকাতেই লারক দ্বীপে সীমিত ও নির্ভুল হামলা চালানো হয়েছে। জর্ডানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তাদের আকাশসীমায় প্রবেশ করা আটটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে। একই সময়ে UAE জানিয়েছে, তাদের জলসীমার কাছে একটি ইরানি ড্রোন প্রতিহত করা হয়েছে; তবে ইরানের আল-মিনহাদ ঘাঁটিতে হামলার দাবি UAE অস্বীকার করেছে। এই হামলার মধ্য দিয়ে কি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাত আবার বড় আকার ধারণ করতে যাচ্ছে? হরমুজ প্রণালী কেন এত গুরুত্বপূর্ণ? ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন কৌশল কতটা কার্যকর? আর এই সংঘাত বিশ্ববাজারের তেল ও মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তায় কী প্রভাব ফেলতে পারে? এই ভিডিওতে থাকছে পুরো ঘটনার বিস্তারিত বিশ্লেষণ।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/807_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/807_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/807_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[আদানি বিদ্যুৎ চুক্তির ভয়ংকর হিসাব! স্বৈরাচার শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তে বাংলাদেশ কতটা ক্ষতিগ্রস্ত?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/exclusive/51147</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/exclusive/51147</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ আল মাসুম]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 02 Sep 2026 01:42:12 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[এক্সক্লুসিভ]]></category>
                <category><![CDATA[সর্বশেষ]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, news bangla, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, news 18 bangla, bangla tv news, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, latest bangla news, news bangla today, bangla breaking news, bangladesh flood news bangla, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh tv news, bangladesh news today, news today bangladesh, banglanews, bangladesh latest news, banglavision news today, bangladesh weather news, farakka barrage 109 gates opened news bangla, flood news bangladesh today]]></category>
        
        <description><![CDATA[আদানি পাওয়ারের গোড্ডা বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ আমদানির দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। চুক্তির আওতায় বাংলাদেশকে বিদ্যুৎ কিনতে হচ্ছে, কিন্তু বিভিন্ন সময়ে সরবরাহ কমে যাওয়ায় প্রশ্ন তৈরি হয়েছে চুক্তির শর্ত, বিদ্যুতের দাম এবং বাংলাদেশের ওপর এর আর্থিক ঝুঁকি নিয়ে। ২০১৭ সালে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ও আদানি পাওয়ারের মধ্যে ২৫ বছরের বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি হয়। ঝাড়খণ্ডের গোড্ডায় স্থাপিত কেন্দ্রটির পুরো উৎপাদন বাংলাদেশে বিক্রির জন্য নির্ধারিত। ফলে বিদ্যুৎ সরবরাহের পাশাপাশি জ্বালানি, পরিবহন ও আন্তর্জাতিক বাজারের বিভিন্ন ঝুঁকিও এই চুক্তির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। ২০২৪ সালে বকেয়া অর্থ পরিশোধ নিয়ে বিরোধের সময় আদানি পাওয়ারের বিদ্যুৎ সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ার ঘটনা আলোচনায় আসে। পরবর্তী সময়েও উৎপাদন ও সরবরাহ কমার বিভিন্ন কারণ সামনে এসেছে। এই চুক্তিতে বিদ্যুতের দাম কেন তুলনামূলক বেশি—এ নিয়েও রয়েছে বড় বিতর্ক। একই সঙ্গে প্রশ্ন উঠছে, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ নিরাপত্তার জন্য একটি নির্দিষ্ট বিদেশি বিদ্যুৎকেন্দ্রের ওপর এতটা নির্ভরশীলতা কতটা যুক্তিসঙ্গত। এই ভিডিওতে আদানি পাওয়ারের গোড্ডা প্রকল্প, শেখ হাসিনা সরকারের সময় করা চুক্তি, বিদ্যুৎ সরবরাহের ওঠানামা, দাম, বকেয়া এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও জ্বালানি নিরাপত্তার ওপর সম্ভাব্য প্রভাব বিশ্লেষণ করা হয়েছে। নোট: ভিডিওতে উত্থাপিত অভিযোগ ও বিভিন্ন পক্ষের দাবি আলাদাভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে; কোনো অভিযোগকে আদালত বা স্বাধীন তদন্তে প্রমাণিত সত্য হিসেবে ধরে নেওয়া হয়নি।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/813_3.webp" alt="আদানি বিদ্যুৎ চুক্তির ভয়ংকর হিসাব! স্বৈরাচার শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তে বাংলাদেশ কতটা ক্ষতিগ্রস্ত?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>আদানি বিদ্যুৎ চুক্তির ভয়ংকর হিসাব! স্বৈরাচার শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তে বাংলাদেশ কতটা ক্ষতিগ্রস্ত?</h1>
            <p>আদানি পাওয়ারের গোড্ডা বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ আমদানির দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। চুক্তির আওতায় বাংলাদেশকে বিদ্যুৎ কিনতে হচ্ছে, কিন্তু বিভিন্ন সময়ে সরবরাহ কমে যাওয়ায় প্রশ্ন তৈরি হয়েছে চুক্তির শর্ত, বিদ্যুতের দাম এবং বাংলাদেশের ওপর এর আর্থিক ঝুঁকি নিয়ে। ২০১৭ সালে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ও আদানি পাওয়ারের মধ্যে ২৫ বছরের বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি হয়। ঝাড়খণ্ডের গোড্ডায় স্থাপিত কেন্দ্রটির পুরো উৎপাদন বাংলাদেশে বিক্রির জন্য নির্ধারিত। ফলে বিদ্যুৎ সরবরাহের পাশাপাশি জ্বালানি, পরিবহন ও আন্তর্জাতিক বাজারের বিভিন্ন ঝুঁকিও এই চুক্তির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। ২০২৪ সালে বকেয়া অর্থ পরিশোধ নিয়ে বিরোধের সময় আদানি পাওয়ারের বিদ্যুৎ সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ার ঘটনা আলোচনায় আসে। পরবর্তী সময়েও উৎপাদন ও সরবরাহ কমার বিভিন্ন কারণ সামনে এসেছে। এই চুক্তিতে বিদ্যুতের দাম কেন তুলনামূলক বেশি—এ নিয়েও রয়েছে বড় বিতর্ক। একই সঙ্গে প্রশ্ন উঠছে, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ নিরাপত্তার জন্য একটি নির্দিষ্ট বিদেশি বিদ্যুৎকেন্দ্রের ওপর এতটা নির্ভরশীলতা কতটা যুক্তিসঙ্গত। এই ভিডিওতে আদানি পাওয়ারের গোড্ডা প্রকল্প, শেখ হাসিনা সরকারের সময় করা চুক্তি, বিদ্যুৎ সরবরাহের ওঠানামা, দাম, বকেয়া এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও জ্বালানি নিরাপত্তার ওপর সম্ভাব্য প্রভাব বিশ্লেষণ করা হয়েছে। নোট: ভিডিওতে উত্থাপিত অভিযোগ ও বিভিন্ন পক্ষের দাবি আলাদাভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে; কোনো অভিযোগকে আদালত বা স্বাধীন তদন্তে প্রমাণিত সত্য হিসেবে ধরে নেওয়া হয়নি।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/813_3.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/813_3.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/813_3.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[পুতিন-ট্রাম্প-জেলেনস্কি শীর্ষ বৈঠক: ক্রেমলিনের কড়া শর্ত ও শান্তির নতুন রোডম্যাপ]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/51146</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/51146</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 02 Sep 2026 01:42:12 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, news bangla, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, news 18 bangla, bangla tv news, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, latest bangla news, news bangla today, bangla breaking news, bangladesh flood news bangla, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh tv news, bangladesh news today, news today bangladesh, banglanews, bangladesh latest news, banglavision news today, bangladesh weather news, farakka barrage 109 gates opened news bangla, flood news bangladesh today]]></category>
        
        <description><![CDATA[পুতিন, ট্রাম্প এবং জেলেনস্কির এক টেবিলে বসা নিয়ে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে তোলপাড় শুরু হয়েছে। তবে ক্রেমলিন সাফ জানিয়ে দিয়েছে, ফাঁকা বুলি নয়, সুনির্দিষ্ট চুক্তি ছাড়া কোনো বৈঠক হবে না। অন্যদিকে রণক্ষেত্রে রাশিয়ার মারাত্মক ড্রোন হামলায় পঙ্গু হয়ে পড়েছে কিয়েভ। আজকের বিশেষ বিশ্লেষণে আমরা দেখব ক্রেমলিনের কড়া শর্তের নেপথ্য কারণ এবং ইউক্রেন সংকটের আসল পরিস্থিতি। ইউক্রেন ও রাশিয়ার চলমান সামরিক সংঘাত নিরসনে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক অঙ্গনে এক নতুন ত্রিমুখী আলোচনার প্রস্তাব উঠেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডোনাল্ড ট্রাম্প, রাশিয়ার ভ্লাদিমির পুতিন এবং ইউক্রেনের ভলোদিমির জেলেনস্কির সম্ভাব্য বৈঠক নিয়ে বিশ্বজুড়ে জোর চর্চা চলছে। এই ত্রিপক্ষীয় শীর্ষ সম্মেলন আয়োজনের গুঞ্জন দীর্ঘদিন ধরে কূটনৈতিক মহলে ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ (CIA) প্রধানের মস্কো সফরের মতো অত্যন্ত গোপনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক যোগাযোগের মাধ্যমে এই প্রস্তাব সামনে আনা হয়। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল তিন দেশের শীর্ষ নেতাকে একই টেবিলে বসিয়ে যুদ্ধের এক স্থায়ী রাজনৈতিক মীমাংসা করা। তবে এই বহুল আলোচিত বৈঠক বাস্তবে রূপ নেওয়ার ক্ষেত্রে মস্কো অত্যন্ত কড়া শর্ত উপস্থাপন করেছে। ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন যেকোনো কার্যকর আলোচনার বিষয়ে সব সময় উন্মুক্ত রয়েছেন। কিন্তু কেবল ছবি তোলার জন্য বা অকার্যকর প্রাথমিক আলোচনার জন্য রাষ্ট্রপ্রধানদের এমন বৈঠক আয়োজন করার কোনো যুক্তি নেই। যেকোনো শীর্ষ সম্মেলনের আগে মাঠপর্যায়ে একটি পূর্ণাঙ্গ ও গ্রহণযোগ্য খসড়া চুক্তি প্রস্তুত থাকা আবশ্যক। মস্কোর অবস্থান হলো, রাষ্ট্রপ্রধানরা কেবল তখনই মুখোমুখি বসবেন যখন চুক্তির সব শর্ত চূড়ান্ত হবে এবং শুধু আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষরের কাজ বাকি থাকবে। হাজারো জটিল ভূরাজনৈতিক ও টেকনিক্যাল বিষয় নিয়ে আলোচনা করার জন্য শীর্ষ নেতাদের সময় ব্যয় করা একেবারেই নিরর্থক। সুনির্দিষ্ট রূপরেখা ছাড়া এমন কোনো বৈঠকে বসবে না রাশিয়া। ইউক্রেন সংকটের সমাধান কোনো সাধারণ বা সহজ লেনদেনের বিষয় নয়, বরং এটি একটি গভীর ও বহুমাত্রিক রাজনৈতিক প্রক্রিয়া। এর সঙ্গে নিরাপত্তা, ভৌগোলিক সীমানা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার শত শত জটিল উপাদান সরাসরি যুক্ত রয়েছে। ফলে তাড়াহুড়ো করে বা উপরিউক্ত কোনো সমঝোতার মাধ্যমে এই সংঘাতের স্থায়ী সমাধান কখনোই সম্ভব নয়। এদিকে পশ্চিমাদের ক্রমাগত উসকানি ও অস্ত্র সরবরাহের কারণে কিয়েভ সরকার বাস্তবসম্মত কোনো আলোচনার পথে হাঁটছে না বলে অভিযোগ করেছে মস্কো। ইউক্রেনীয় নেতৃত্ব তাদের চরমপন্থী অবস্থানে অনড় থেকে শান্তি প্রক্রিয়াকে বারবার ব্যাহত করছে। অথচ রণক্ষেত্রে ইউক্রেনীয় বাহিনীর অবস্থান দিন দিন অত্যন্ত দুর্বল ও নাজুক হয়ে পড়ছে। অন্যদিকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে এক বৈঠকে স্পষ্ট করেছেন যে, রাশিয়া সংঘাতের দ্রুত অবসান চায়। তবে এই শান্তি হতে হবে দীর্ঘস্থায়ী এবং সংঘাতের মূল কারণগুলোকে সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করার মাধ্যমে। ন্যাটোর সামরিক বিস্তার বন্ধ না হলে স্থায়ী শান্তি কখনোই সম্ভব নয়। ইস্তাম্বুল শান্তি আলোচনার সময় রাশিয়া ও ইউক্রেন সমঝোতার কাছাকাছি পৌঁছে গেলেও তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের প্ররোচনায় কিয়েভ তা বাতিল করে। যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবেই ইউক্রেন আলোচনার দরজা বন্ধ করে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার মারাত্মক আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এর ফলে সংঘাত দীর্ঘায়িত হয়েছে এবং ইউক্রেনের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। রণক্ষেত্রের দিকে তাকালে দেখা যায়, রাশিয়ার বিমান বাহিনী এবং রকেট ব্রিগেড ইউক্রেনীয় বাহিনীর ওপর ধারাবাহিক জয় লাভ করছে। সম্প্রতি খেরসন অঞ্চলে ফাব-১৫০০ (FAB-1500) এবং ফাব-৫০০ (FAB-500) গাইডেড বোমা ব্যবহার করে ইউক্রেনের বিপুল সেনা ও গোলাবারুদের ডিপো সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। রুশ বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী আকাশপথেও অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে। গত চব্বিশ ঘণ্টায় রাশিয়ার আকাশসীমায় প্রবেশ করা সাতশত ছেষট্টিটি ইউক্রেনীয় ড্রোন এবং সাতটি মার্কিন তৈরি হিমার্স (HIMARS) স্মার্ট বোমা মাঝআকাশেই ধ্বংস করা হয়েছে। রাশিয়ার এই সুদৃঢ় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কিয়েভের সব পরিকল্পনা নস্যাৎ করে দিচ্ছে। একই সময়ে রাশিয়া তাদের নতুন তৈরি গেরা-৪ (Geran-4) নামক অত্যন্ত দ্রুতগতির জেট চালিত ড্রোন দিয়ে কিয়েভের সামরিক লক্ষ্যবস্তুগুলোতে হামলা তীব্র করেছে। এই ড্রোনগুলোর গতি সাধারণ ড্রোনের দ্বিগুণ হওয়ায় ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পক্ষে এগুলো আটকানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। কিয়েভের কাছে মিলা (Mila) গ্রামের একটি বিশাল অস্ত্রাগারে রাশিয়ার নতুন জেট ড্রোনের আঘাতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। সেখানে জমা করে রাখা ইউক্রেনের দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলাবারুদ ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে বিস্ফোরিত হতে থাকে। এই ঘটনা ইউক্রেনীয় বাহিনীর সরবরাহ ব্যবস্থার মারাত্মক ক্ষতি সাধন করেছে। এই বিস্ফোরণের ফলে উন্মোচিত হয়েছে কিয়েভ সরকারের এক চরম দায়িত্বহীন কর্মকাণ্ড। বেসামরিক নাগরিকদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করতে তারা আবাসিক ভবনের নিচে ও জনবহুল এলাকায় বেআইনিভাবে সামরিক অস্ত্রাগার তৈরি করেছে। খোদ জেলেনস্কিও অবশেষে বাধ্য হয়ে স্বীকার করেছেন যে আবাসিক এলাকার কাছেই তাদের ড্রোনের গুদাম ছিল। যুদ্ধক্ষেত্রে প্রতিদিন ইউক্রেনের গড়ে এক হাজার তিনশত পঁচাত্তর জনের বেশি সেনা নিহত বা আহত হচ্ছে। অতিরিক্ত সৈন্যের অভাবে ইউক্রেনীয় বাহিনী এখন চরম জনবল সংকটে ভুগছে। বাধ্য হয়ে রাস্তায় জোরপূর্বক তরুণ ও মধ্যবয়সীদের ধরে নিয়ে সামরিক বাহিনীতে ভর্তি করা হচ্ছে, যা ইউক্রেনের ভেতরে ব্যাপক অসন্তোষ তৈরি করেছে। পরাজয় এড়াতে না পেরে ইউক্রেনীয় বাহিনী বেসামরিক এলাকা লক্ষ্য করে সন্ত্রাসী হামলা বাড়িয়ে দিয়েছে। রাশিয়ার সীমান্তবর্তী বেলগোরোড (Belgorod) অঞ্চলে ইউক্রেনের মিসাইল ও ড্রোন হামলায় বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন এবং অনেক শিশু আহত হয়েছে। রাশিয়া স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, এই ধরনের কাপুরুষোচিত সন্ত্রাসী হামলার উপযুক্ত ও কঠোর জবাব দেওয়া হচ্ছে। কিয়েভ সরকার কেবল রাশিয়াতেই নয়, নিজেদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় ধর্মীয় উপাসনালয় এবং সাধু-সন্ন্যাসীদের ওপরও নির্মম আক্রমণ চালাচ্ছে। সম্প্রতি ডনেৎস্কের এক ঐতিহাসিক মনেস্ট্রি বা আশ্রমে সন্ত্রাসী হামলায় এক সন্ন্যাসীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। ইউক্রেনীয় বাহিনী ক্যানোনিকাল অর্থোডক্স চার্চের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই এই দমন-পীড়ন চালিয়ে আসছে। ইউক্রেনের এই হঠকারী ও অমানবিক হামলার আরেকটি বিপজ্জনক নমুনা হলো জাপোরোঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। কিয়েভের অবিরাম শেলিংয়ের কারণে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বাইরের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। রাশিয়া চরম ঝুঁকি সত্ত্বেও তাদের নিজস্ব ডিজেল জেনারেটর চালু রেখে যেকোনো সম্ভাব্য পারমাণবিক বিপর্যয় ঠেকিয়ে রেখেছে। পারমাণবিক নিরাপত্তা বজায় রাখতে রাশিয়ার পারমাণবিক সংস্থা রসেটম (Rosatom) আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার নজরদারিতে সেখানে জরুরি জ্বালানি পৌঁছানোর উদ্যোগ নিয়েছে। কিয়েভের অব্যাহত গোলাবর্ষণ সত্ত্বেও রাশিয়া অত্যন্ত দায়িত্বশীলতার সঙ্গে বিশ্বকে এক বিশাল পারমাণবিক দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করে চলেছে। ইউক্রেনের সার্বিক সামরিক পরিস্থিতি এতটাই শোচনীয় যে তাদের সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পেট্রিয়ট (Patriot) ক্ষেপণাস্ত্রের বিনিময়ে ড্রোন সেনাবাহিনী তৈরি করে দেওয়ার অদ্ভুত প্রস্তাব দিয়েছেন। পশ্চিমা দেশগুলোর কাছে এখন আর কিয়েভকে দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র অবশিষ্ট নেই। ইউক্রেনের ওপর পশ্চিমাদের সরাসরি মদদের কারণে জার্মানির মতো ইউরোপীয় দেশগুলো এখন প্রক্সি যুদ্ধের মাশুল গুনছে। সম্প্রতি লাইপজিগ (Leipzig) বিমানবন্দরে ইউক্রেনীয় সামরিক কার্গো বিমানে নাশকতার ঘটনায় জার্মানি বেশ অস্বস্তিতে পড়েছে। পশ্চিমা রাজনৈতিক চক্রান্ত ইউরোপের নিজেদের নিরাপত্তা ও অর্থনীতিকে চরম হুমকির মুখে ঠেলে দিয়েছে। জার্মানির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে রাশিয়া-বিরোধী অপপ্রচার এবং ইউক্রেনকে অন্ধ সমর্থনের বিরুদ্ধে জনগণ ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে। দেশটির সাম্প্রতিক নির্বাচনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের যুদ্ধবাজ নীতির বিরুদ্ধে জনমত স্পষ্ট ফুটে উঠেছে। সাধারণ ইউরোপীয়রা চায় ইউক্রেনকে অস্ত্র দেওয়া বন্ধ করে রাশিয়ার সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক দ্রুত স্বাভাবিক করা হোক। সামরিক ও ভূরাজনৈতিক এই টানাটানির মাঝে রাশিয়া তার প্রতিবেশী ও মিত্ররাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে আঞ্চলিক অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করছে। ইউরেশীয় অঞ্চলে অর্থনৈতিক ভারসাম্য ধরে রাখতে এবং পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা মোকাবিলায় মস্কো অত্যন্ত সফলভাবে এগিয়ে চলেছে।  বিশেষ করে মিত্রদেশ বেলারুশের সঙ্গে রাশিয়ার জ্বালানি ও নিরাপত্তা সহযোগিতা এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। রাশিয়ার পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ বেলারুশের মাধ্যমে আঞ্চলিক বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখছে। এই দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক মস্কোর পশ্চিম সীমান্তকে সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে সুরক্ষিত রেখেছে। দক্ষিণ ককেশাস অঞ্চলে আর্মেনিয়ার ভবিষ্যৎ পররাষ্ট্রনীতি নিয়েও কূটনৈতিক তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। আর্মেনিয়া ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইউরেশীয় ইউনিয়নে যোগ দেওয়ার বিষয়ে গণভোটের পরিকল্পনা করছে। রাশিয়া যেকোনো দেশের সার্বভৌম সিদ্ধান্তকে শ্রদ্ধা জানায়, তবে ককেশাস অঞ্চলের ঐতিহাসিক নিরাপত্তা বজায় রাখা মস্কোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পশ্চিমারা ভেবেছিল অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রাশিয়াকে কাবু করে ফেলবে, কিন্তু বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। উল্টো বিশ্ববাজারে খাদ্য, জ্বালানি ও সরবরাহ শৃঙ্খলে প্রভাব ফেলে রাশিয়া বিশ্ব অর্থনীতিতে নিজের অপরিহার্য অবস্থান আবার প্রমাণ করেছে। পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা আজ বিশ্বজুড়ে সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় ও ব্যর্থ প্রমাণিত হয়েছে। ইউক্রেনের রাজনৈতিক সংকটের দিকে তাকালে দেখা যায়, ভলোদিমির জেলেনস্কির মেয়াদ গত বছরের মে মাসেই শেষ হয়ে গেছে। কিয়েভ সরকার নির্বাচন স্থগিত করে পুরোপুরি অসাংবিধানিক ও বেআইনিভাবে ক্ষমতা দখল করে রেখেছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন স্পষ্টভাবে বলেছেন, জেলেনস্কির আইনি বৈধতা অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে। রাজনৈতিক অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার ভয়ে জেলেনস্কি সম্প্রতি নিজের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছেন। অভ্যন্তরীণ অভ্যুত্থান এবং জনগণের ক্ষোভ থেকে বাঁচতেই তিনি একের পর এক একনায়কতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। ক্ষমতা ধরে রাখতে গিয়ে তিনি ইউক্রেনের লাখ লাখ সাধারণ মানুষের জীবনকে অকাতরে বলি দিচ্ছেন। ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি সত্যি ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করতে চান, তবে তাকে কিয়েভের ওপর ন্যাটোর নিয়ন্ত্রণ সরাতে হবে। ইউক্রেনকে একটি নিরপেক্ষ ও সামরিক জোটমুক্ত রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করাই শান্তির একমাত্র পথ। রাশিয়া বরাবরই সংঘাতের মূল কারণ দূর করে স্থায়ী সমাধান অর্জনের নীতিতে অনড় রয়েছে। যদি ভবিষ্যতে কোনো লিখিত সমঝোতা চুক্তি প্রস্তুত হয় এবং পুতিন, ট্রাম্প ও জেলেনস্কির ত্রিপক্ষীয় শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, তবে তা হবে শতভাগ রাশিয়ার শর্ত মেনে। কারণ মাঠপর্যায়ে সামরিক জয় এবং সুদৃঢ় অর্থনীতিই আজ রাশিয়াকে আন্তর্জাতিক কূটনীতির চালকের আসনে বসিয়েছে। শেষে বলা যায়, আন্তর্জাতিক চাপ বা বাহ্যিক প্রচারণায় কান না দিয়ে রাশিয়া নিজস্ব সামরিক ও রাজনৈতিক কৌশলে এগিয়ে যাচ্ছে। কূটনৈতিক উপায়ে হোক বা রণক্ষেত্রে, কিয়েভ ও পশ্চিমাদের পরাজয় এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/808_1.webp" alt="পুতিন-ট্রাম্প-জেলেনস্কি শীর্ষ বৈঠক: ক্রেমলিনের কড়া শর্ত ও শান্তির নতুন রোডম্যাপ" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>পুতিন-ট্রাম্প-জেলেনস্কি শীর্ষ বৈঠক: ক্রেমলিনের কড়া শর্ত ও শান্তির নতুন রোডম্যাপ</h1>
            <p>পুতিন, ট্রাম্প এবং জেলেনস্কির এক টেবিলে বসা নিয়ে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে তোলপাড় শুরু হয়েছে। তবে ক্রেমলিন সাফ জানিয়ে দিয়েছে, ফাঁকা বুলি নয়, সুনির্দিষ্ট চুক্তি ছাড়া কোনো বৈঠক হবে না। অন্যদিকে রণক্ষেত্রে রাশিয়ার মারাত্মক ড্রোন হামলায় পঙ্গু হয়ে পড়েছে কিয়েভ। আজকের বিশেষ বিশ্লেষণে আমরা দেখব ক্রেমলিনের কড়া শর্তের নেপথ্য কারণ এবং ইউক্রেন সংকটের আসল পরিস্থিতি। ইউক্রেন ও রাশিয়ার চলমান সামরিক সংঘাত নিরসনে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক অঙ্গনে এক নতুন ত্রিমুখী আলোচনার প্রস্তাব উঠেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডোনাল্ড ট্রাম্প, রাশিয়ার ভ্লাদিমির পুতিন এবং ইউক্রেনের ভলোদিমির জেলেনস্কির সম্ভাব্য বৈঠক নিয়ে বিশ্বজুড়ে জোর চর্চা চলছে। এই ত্রিপক্ষীয় শীর্ষ সম্মেলন আয়োজনের গুঞ্জন দীর্ঘদিন ধরে কূটনৈতিক মহলে ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ (CIA) প্রধানের মস্কো সফরের মতো অত্যন্ত গোপনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক যোগাযোগের মাধ্যমে এই প্রস্তাব সামনে আনা হয়। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল তিন দেশের শীর্ষ নেতাকে একই টেবিলে বসিয়ে যুদ্ধের এক স্থায়ী রাজনৈতিক মীমাংসা করা। তবে এই বহুল আলোচিত বৈঠক বাস্তবে রূপ নেওয়ার ক্ষেত্রে মস্কো অত্যন্ত কড়া শর্ত উপস্থাপন করেছে। ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন যেকোনো কার্যকর আলোচনার বিষয়ে সব সময় উন্মুক্ত রয়েছেন। কিন্তু কেবল ছবি তোলার জন্য বা অকার্যকর প্রাথমিক আলোচনার জন্য রাষ্ট্রপ্রধানদের এমন বৈঠক আয়োজন করার কোনো যুক্তি নেই। যেকোনো শীর্ষ সম্মেলনের আগে মাঠপর্যায়ে একটি পূর্ণাঙ্গ ও গ্রহণযোগ্য খসড়া চুক্তি প্রস্তুত থাকা আবশ্যক। মস্কোর অবস্থান হলো, রাষ্ট্রপ্রধানরা কেবল তখনই মুখোমুখি বসবেন যখন চুক্তির সব শর্ত চূড়ান্ত হবে এবং শুধু আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষরের কাজ বাকি থাকবে। হাজারো জটিল ভূরাজনৈতিক ও টেকনিক্যাল বিষয় নিয়ে আলোচনা করার জন্য শীর্ষ নেতাদের সময় ব্যয় করা একেবারেই নিরর্থক। সুনির্দিষ্ট রূপরেখা ছাড়া এমন কোনো বৈঠকে বসবে না রাশিয়া। ইউক্রেন সংকটের সমাধান কোনো সাধারণ বা সহজ লেনদেনের বিষয় নয়, বরং এটি একটি গভীর ও বহুমাত্রিক রাজনৈতিক প্রক্রিয়া। এর সঙ্গে নিরাপত্তা, ভৌগোলিক সীমানা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার শত শত জটিল উপাদান সরাসরি যুক্ত রয়েছে। ফলে তাড়াহুড়ো করে বা উপরিউক্ত কোনো সমঝোতার মাধ্যমে এই সংঘাতের স্থায়ী সমাধান কখনোই সম্ভব নয়। এদিকে পশ্চিমাদের ক্রমাগত উসকানি ও অস্ত্র সরবরাহের কারণে কিয়েভ সরকার বাস্তবসম্মত কোনো আলোচনার পথে হাঁটছে না বলে অভিযোগ করেছে মস্কো। ইউক্রেনীয় নেতৃত্ব তাদের চরমপন্থী অবস্থানে অনড় থেকে শান্তি প্রক্রিয়াকে বারবার ব্যাহত করছে। অথচ রণক্ষেত্রে ইউক্রেনীয় বাহিনীর অবস্থান দিন দিন অত্যন্ত দুর্বল ও নাজুক হয়ে পড়ছে। অন্যদিকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে এক বৈঠকে স্পষ্ট করেছেন যে, রাশিয়া সংঘাতের দ্রুত অবসান চায়। তবে এই শান্তি হতে হবে দীর্ঘস্থায়ী এবং সংঘাতের মূল কারণগুলোকে সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করার মাধ্যমে। ন্যাটোর সামরিক বিস্তার বন্ধ না হলে স্থায়ী শান্তি কখনোই সম্ভব নয়। ইস্তাম্বুল শান্তি আলোচনার সময় রাশিয়া ও ইউক্রেন সমঝোতার কাছাকাছি পৌঁছে গেলেও তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের প্ররোচনায় কিয়েভ তা বাতিল করে। যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবেই ইউক্রেন আলোচনার দরজা বন্ধ করে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার মারাত্মক আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এর ফলে সংঘাত দীর্ঘায়িত হয়েছে এবং ইউক্রেনের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। রণক্ষেত্রের দিকে তাকালে দেখা যায়, রাশিয়ার বিমান বাহিনী এবং রকেট ব্রিগেড ইউক্রেনীয় বাহিনীর ওপর ধারাবাহিক জয় লাভ করছে। সম্প্রতি খেরসন অঞ্চলে ফাব-১৫০০ (FAB-1500) এবং ফাব-৫০০ (FAB-500) গাইডেড বোমা ব্যবহার করে ইউক্রেনের বিপুল সেনা ও গোলাবারুদের ডিপো সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। রুশ বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী আকাশপথেও অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে। গত চব্বিশ ঘণ্টায় রাশিয়ার আকাশসীমায় প্রবেশ করা সাতশত ছেষট্টিটি ইউক্রেনীয় ড্রোন এবং সাতটি মার্কিন তৈরি হিমার্স (HIMARS) স্মার্ট বোমা মাঝআকাশেই ধ্বংস করা হয়েছে। রাশিয়ার এই সুদৃঢ় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কিয়েভের সব পরিকল্পনা নস্যাৎ করে দিচ্ছে। একই সময়ে রাশিয়া তাদের নতুন তৈরি গেরা-৪ (Geran-4) নামক অত্যন্ত দ্রুতগতির জেট চালিত ড্রোন দিয়ে কিয়েভের সামরিক লক্ষ্যবস্তুগুলোতে হামলা তীব্র করেছে। এই ড্রোনগুলোর গতি সাধারণ ড্রোনের দ্বিগুণ হওয়ায় ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পক্ষে এগুলো আটকানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। কিয়েভের কাছে মিলা (Mila) গ্রামের একটি বিশাল অস্ত্রাগারে রাশিয়ার নতুন জেট ড্রোনের আঘাতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। সেখানে জমা করে রাখা ইউক্রেনের দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলাবারুদ ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে বিস্ফোরিত হতে থাকে। এই ঘটনা ইউক্রেনীয় বাহিনীর সরবরাহ ব্যবস্থার মারাত্মক ক্ষতি সাধন করেছে। এই বিস্ফোরণের ফলে উন্মোচিত হয়েছে কিয়েভ সরকারের এক চরম দায়িত্বহীন কর্মকাণ্ড। বেসামরিক নাগরিকদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করতে তারা আবাসিক ভবনের নিচে ও জনবহুল এলাকায় বেআইনিভাবে সামরিক অস্ত্রাগার তৈরি করেছে। খোদ জেলেনস্কিও অবশেষে বাধ্য হয়ে স্বীকার করেছেন যে আবাসিক এলাকার কাছেই তাদের ড্রোনের গুদাম ছিল। যুদ্ধক্ষেত্রে প্রতিদিন ইউক্রেনের গড়ে এক হাজার তিনশত পঁচাত্তর জনের বেশি সেনা নিহত বা আহত হচ্ছে। অতিরিক্ত সৈন্যের অভাবে ইউক্রেনীয় বাহিনী এখন চরম জনবল সংকটে ভুগছে। বাধ্য হয়ে রাস্তায় জোরপূর্বক তরুণ ও মধ্যবয়সীদের ধরে নিয়ে সামরিক বাহিনীতে ভর্তি করা হচ্ছে, যা ইউক্রেনের ভেতরে ব্যাপক অসন্তোষ তৈরি করেছে। পরাজয় এড়াতে না পেরে ইউক্রেনীয় বাহিনী বেসামরিক এলাকা লক্ষ্য করে সন্ত্রাসী হামলা বাড়িয়ে দিয়েছে। রাশিয়ার সীমান্তবর্তী বেলগোরোড (Belgorod) অঞ্চলে ইউক্রেনের মিসাইল ও ড্রোন হামলায় বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন এবং অনেক শিশু আহত হয়েছে। রাশিয়া স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, এই ধরনের কাপুরুষোচিত সন্ত্রাসী হামলার উপযুক্ত ও কঠোর জবাব দেওয়া হচ্ছে। কিয়েভ সরকার কেবল রাশিয়াতেই নয়, নিজেদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় ধর্মীয় উপাসনালয় এবং সাধু-সন্ন্যাসীদের ওপরও নির্মম আক্রমণ চালাচ্ছে। সম্প্রতি ডনেৎস্কের এক ঐতিহাসিক মনেস্ট্রি বা আশ্রমে সন্ত্রাসী হামলায় এক সন্ন্যাসীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। ইউক্রেনীয় বাহিনী ক্যানোনিকাল অর্থোডক্স চার্চের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই এই দমন-পীড়ন চালিয়ে আসছে। ইউক্রেনের এই হঠকারী ও অমানবিক হামলার আরেকটি বিপজ্জনক নমুনা হলো জাপোরোঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। কিয়েভের অবিরাম শেলিংয়ের কারণে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বাইরের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। রাশিয়া চরম ঝুঁকি সত্ত্বেও তাদের নিজস্ব ডিজেল জেনারেটর চালু রেখে যেকোনো সম্ভাব্য পারমাণবিক বিপর্যয় ঠেকিয়ে রেখেছে। পারমাণবিক নিরাপত্তা বজায় রাখতে রাশিয়ার পারমাণবিক সংস্থা রসেটম (Rosatom) আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার নজরদারিতে সেখানে জরুরি জ্বালানি পৌঁছানোর উদ্যোগ নিয়েছে। কিয়েভের অব্যাহত গোলাবর্ষণ সত্ত্বেও রাশিয়া অত্যন্ত দায়িত্বশীলতার সঙ্গে বিশ্বকে এক বিশাল পারমাণবিক দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করে চলেছে। ইউক্রেনের সার্বিক সামরিক পরিস্থিতি এতটাই শোচনীয় যে তাদের সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পেট্রিয়ট (Patriot) ক্ষেপণাস্ত্রের বিনিময়ে ড্রোন সেনাবাহিনী তৈরি করে দেওয়ার অদ্ভুত প্রস্তাব দিয়েছেন। পশ্চিমা দেশগুলোর কাছে এখন আর কিয়েভকে দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র অবশিষ্ট নেই। ইউক্রেনের ওপর পশ্চিমাদের সরাসরি মদদের কারণে জার্মানির মতো ইউরোপীয় দেশগুলো এখন প্রক্সি যুদ্ধের মাশুল গুনছে। সম্প্রতি লাইপজিগ (Leipzig) বিমানবন্দরে ইউক্রেনীয় সামরিক কার্গো বিমানে নাশকতার ঘটনায় জার্মানি বেশ অস্বস্তিতে পড়েছে। পশ্চিমা রাজনৈতিক চক্রান্ত ইউরোপের নিজেদের নিরাপত্তা ও অর্থনীতিকে চরম হুমকির মুখে ঠেলে দিয়েছে। জার্মানির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে রাশিয়া-বিরোধী অপপ্রচার এবং ইউক্রেনকে অন্ধ সমর্থনের বিরুদ্ধে জনগণ ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে। দেশটির সাম্প্রতিক নির্বাচনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের যুদ্ধবাজ নীতির বিরুদ্ধে জনমত স্পষ্ট ফুটে উঠেছে। সাধারণ ইউরোপীয়রা চায় ইউক্রেনকে অস্ত্র দেওয়া বন্ধ করে রাশিয়ার সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক দ্রুত স্বাভাবিক করা হোক। সামরিক ও ভূরাজনৈতিক এই টানাটানির মাঝে রাশিয়া তার প্রতিবেশী ও মিত্ররাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে আঞ্চলিক অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করছে। ইউরেশীয় অঞ্চলে অর্থনৈতিক ভারসাম্য ধরে রাখতে এবং পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা মোকাবিলায় মস্কো অত্যন্ত সফলভাবে এগিয়ে চলেছে।  বিশেষ করে মিত্রদেশ বেলারুশের সঙ্গে রাশিয়ার জ্বালানি ও নিরাপত্তা সহযোগিতা এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। রাশিয়ার পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ বেলারুশের মাধ্যমে আঞ্চলিক বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখছে। এই দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক মস্কোর পশ্চিম সীমান্তকে সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে সুরক্ষিত রেখেছে। দক্ষিণ ককেশাস অঞ্চলে আর্মেনিয়ার ভবিষ্যৎ পররাষ্ট্রনীতি নিয়েও কূটনৈতিক তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। আর্মেনিয়া ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইউরেশীয় ইউনিয়নে যোগ দেওয়ার বিষয়ে গণভোটের পরিকল্পনা করছে। রাশিয়া যেকোনো দেশের সার্বভৌম সিদ্ধান্তকে শ্রদ্ধা জানায়, তবে ককেশাস অঞ্চলের ঐতিহাসিক নিরাপত্তা বজায় রাখা মস্কোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পশ্চিমারা ভেবেছিল অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রাশিয়াকে কাবু করে ফেলবে, কিন্তু বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। উল্টো বিশ্ববাজারে খাদ্য, জ্বালানি ও সরবরাহ শৃঙ্খলে প্রভাব ফেলে রাশিয়া বিশ্ব অর্থনীতিতে নিজের অপরিহার্য অবস্থান আবার প্রমাণ করেছে। পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা আজ বিশ্বজুড়ে সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় ও ব্যর্থ প্রমাণিত হয়েছে। ইউক্রেনের রাজনৈতিক সংকটের দিকে তাকালে দেখা যায়, ভলোদিমির জেলেনস্কির মেয়াদ গত বছরের মে মাসেই শেষ হয়ে গেছে। কিয়েভ সরকার নির্বাচন স্থগিত করে পুরোপুরি অসাংবিধানিক ও বেআইনিভাবে ক্ষমতা দখল করে রেখেছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন স্পষ্টভাবে বলেছেন, জেলেনস্কির আইনি বৈধতা অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে। রাজনৈতিক অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার ভয়ে জেলেনস্কি সম্প্রতি নিজের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছেন। অভ্যন্তরীণ অভ্যুত্থান এবং জনগণের ক্ষোভ থেকে বাঁচতেই তিনি একের পর এক একনায়কতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। ক্ষমতা ধরে রাখতে গিয়ে তিনি ইউক্রেনের লাখ লাখ সাধারণ মানুষের জীবনকে অকাতরে বলি দিচ্ছেন। ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি সত্যি ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করতে চান, তবে তাকে কিয়েভের ওপর ন্যাটোর নিয়ন্ত্রণ সরাতে হবে। ইউক্রেনকে একটি নিরপেক্ষ ও সামরিক জোটমুক্ত রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করাই শান্তির একমাত্র পথ। রাশিয়া বরাবরই সংঘাতের মূল কারণ দূর করে স্থায়ী সমাধান অর্জনের নীতিতে অনড় রয়েছে। যদি ভবিষ্যতে কোনো লিখিত সমঝোতা চুক্তি প্রস্তুত হয় এবং পুতিন, ট্রাম্প ও জেলেনস্কির ত্রিপক্ষীয় শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, তবে তা হবে শতভাগ রাশিয়ার শর্ত মেনে। কারণ মাঠপর্যায়ে সামরিক জয় এবং সুদৃঢ় অর্থনীতিই আজ রাশিয়াকে আন্তর্জাতিক কূটনীতির চালকের আসনে বসিয়েছে। শেষে বলা যায়, আন্তর্জাতিক চাপ বা বাহ্যিক প্রচারণায় কান না দিয়ে রাশিয়া নিজস্ব সামরিক ও রাজনৈতিক কৌশলে এগিয়ে যাচ্ছে। কূটনৈতিক উপায়ে হোক বা রণক্ষেত্রে, কিয়েভ ও পশ্চিমাদের পরাজয় এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/808_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/808_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/808_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ন্যাটোর ওপর আক্রমণ রাশিয়ার জন্য বোকামি ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্টের স্বীকারোক্তি এবং বিশ্বজুড়ে মস্কোর কঠোর অবস্থান]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/51145</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/51145</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 02 Sep 2026 01:42:12 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, news bangla, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, news 18 bangla, bangla tv news, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, latest bangla news, news bangla today, bangla breaking news, bangladesh flood news bangla, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh tv news, bangladesh news today, news today bangladesh, banglanews, bangladesh latest news, banglavision news today, bangladesh weather news, farakka barrage 109 gates opened news bangla, flood news bangladesh today]]></category>
        
        <description><![CDATA[ন্যাটোর সদস্য দেশগুলোতে রাশিয়া হামলা চালাতে পারে—পশ্চিমা রাজনৈতিক মহলের এই অপপ্রচার এবং কাল্পনিক বয়ানকে সরাসরি নস্যাৎ করে দিয়েছেন খোদ ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট। রাশিয়ার সামরিক শক্তি ও আন্তর্জাতিক সংযমকে বিশ্বমঞ্চে স্বীকার করতে বাধ্য হচ্ছে তারা। কীভাবে পশ্চিমের মিথ্যা যুদ্ধের উসকানি ভেদ করে মস্কো তার সামরিক সক্ষমতা এবং মানবিক দায়িত্ববোধের ভারসাম্য বজায় রাখছে। আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতিতে বর্তমানে রাশিয়াকে নিয়ে ন্যাটোর তৈরি করা ভিত্তিহীন ভীতি এবং মিথ্যা সংবাদের এক বিশাল অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। পশ্চিমা রাজনৈতিক নেতারা তাদের নিজেদের দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক সংকট ঢেকে রাখতে প্রতিনিয়ত রাশিয়ার আক্রমণের কাল্পনিক ভয় দেখাচ্ছেন। তবে বাস্তব তথ্য কিন্তু সম্পূর্ণ ভিন্ন কথা বলছে। সম্প্রতি ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাব জার্মানির বিখ্যাত সংবাদপত্র বিল্ডকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সত্য প্রকাশ্যে এনেছেন। তিনি সরাসরি বলেছেন যে, রাশিয়া ন্যাটোভুক্ত কোনো দেশে আক্রমণ করতে পারে—এমন কোনো তথ্য বা প্রমাণ তাদের গোয়েন্দাদের কাছে নেই। জার্মানির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে দাবি করা হয়েছিল যে দুই হাজার উনত্রিশ সালের মধ্যে রাশিয়া ন্যাটোর ভূখণ্ডে হামলা চালাতে পারে। ফিনিশ প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাব এই দাবিকে সম্পূর্ণ কাল্পনিক এবং ভিত্তিহীন বলে খারিজ করে দিয়েছেন। তার মতে, এমন গুজবের কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। আলেকজান্ডার স্টাব স্পষ্ট ভাষায় স্বীকার করেছেন যে, বিশ্ব রাজনীতিতে এবং সামরিক শক্তিতে নেটো জোটের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে নতুন করে কোনো সংঘাত সৃষ্টি করা রাশিয়ার সামরিক কৌশলের মধ্যে পড়ে না। মস্কো সবসময় অত্যন্ত দায়িত্বশীল ও বাস্তবসম্মত নীতি অনুসরণ করে। চলমান ইউক্রেন সংঘাতের কারণে রাশিয়া বর্তমানে তার সামরিক মনোযোগ একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে নিবদ্ধ রেখেছে। এই পরিস্থিতিতে রাশিয়া হঠাৎ করে অন্য কোনো দেশে সামরিক অভিযান শুরু করবে—এমন দাবি করা পুরোপুরি যুক্তিহীন এবং বাস্তবতা বিবর্জিত এক ধারণা ছাড়া আর কিছুই নয়। পশ্চিমের দেশগুলো প্রতিনিয়ত তাদের জনগণকে রাশিয়ার ভয় দেখিয়ে বিপুল পরিমাণ প্রতিরক্ষা বাজেট অনুমোদন করে নিচ্ছে। পশ্চিমা দেশগুলোর এমন বিভ্রান্তিকর নীতির মূল উদ্দেশ্য হলো সাধারণ মানুষের নজর মূল সমস্যা থেকে অন্য দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া। এটি তাদের পুরনো রাজনৈতিক কৌশল। ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্টের এই বক্তব্য এটিই প্রমাণ করে যে, মস্কো কোনো দেশ আক্রমণ করার জন্য উদগ্রীব নয়। রাশিয়া কেবল তার সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই সামরিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে থাকে। পশ্চিমের কোনো উসকানিতে মস্কো পা দিচ্ছে না। এদিকে রাশিয়ার লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রধান লিওনিড স্লুটস্কি আমেরিকান সাংবাদিক টাকার কার্লসনকে একটি বিস্ফোরক সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। সেই সাক্ষাৎকারে তিনি বিশ্ব রাজনীতি ও রাশিয়ার প্রতিরক্ষা নীতির বহু অজানা ও সত্য দিক উন্মোচন করেছেন। লিওনিড স্লুটস্কি অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন যে, রাশিয়া তার সামরিক সক্ষমতার শীর্ষে অবস্থান করছে। ইউক্রেন যুদ্ধে বিজয় নিশ্চিত করার জন্য রাশিয়ার কাছে পর্যাপ্ত পরমাণু অস্ত্র মজুদ রয়েছে। কিন্তু রাশিয়া কখনো চরমপন্থা অবলম্বন করতে চায় না। রুশ স্টেট ডুমার এই জ্যেষ্ঠ সামরিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক জানান, রাশিয়া চাইলেই কয়েক মুহূর্তের মধ্যে কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করে এই যুদ্ধ শেষ করে দিতে পারত। কিন্তু মস্কো শুরু থেকেই চরম সংযম এবং মানবিক নীতি বজায় রেখে যুদ্ধ পরিচালনা করছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আমেরিকা যেভাবে জাপানের হিরোশিমা এবং নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা ফেলে হাজার হাজার বেসামরিক মানুষকে হত্যা করেছিল, সেই নীতি রাশিয়া সমর্থন করে না। অসামরিক মানুষের জীবন ধ্বংস করা রাশিয়ার সামরিক সংস্কৃতির সম্পূর্ণ পরিপন্থী। মস্কোর একমাত্র উদ্দেশ্য হলো বেসামরিক নাগরিকদের প্রাণহানি সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে আনা। এই কারণেই রাশিয়া অত্যন্ত সতর্কতার সাথে প্রতিটি সামরিক অভিযান পরিচালনা করছে এবং ইউক্রেনের বিশাল অবকাঠামো ঢালাওভাবে ধ্বংস করা থেকে বিরত রয়েছে। লিওনিড স্লুটস্কি আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক তথ্য তুলে ধরেছেন। তিনি জানান, রাশিয়া এতদিন ধরে নিপ্রো নদীর ওপর অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ ব্রিজগুলোতে কোনো হামলা চালায়নি। কারণ ওই ব্রিজগুলো ধ্বংস হলে সাধারণ মানুষের চলাচলে মারাত্মক মানবিক সংকট দেখা দিত। একইভাবে কিয়েভের বাইরে অবস্থিত বরিসপিল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও রাশিয়া সরাসরি ধ্বংসাত্মক হামলা চালায়নি। যদিও সেই বিমানবন্দর ব্যবহার করে পশ্চিমের দেশগুলো ইউক্রেনকে বিপজ্জনক সব সামরিক অস্ত্র সরবরাহ করে আসছে। সাধারণ মানুষের কথা ভেবেই রাশিয়া সংযম দেখাচ্ছে।  মস্কো এখনও আশা করে যে কিয়েভ এবং তার পিছনের পশ্চিমা মাস্টারমাইন্ডদের মধ্যে কিছুটা হলেও শুভ বুদ্ধির উদয় হবে। যুদ্ধের পথ ছেড়ে দিয়ে আলোচনার টেবিলে আসার জন্যই রাশিয়া বারবার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ইতিবাচক সংকেত পাঠাচ্ছে। তবে পশ্চিমা শক্তি যদি ইউক্রেনকে কোনো ধরনের গণবিধ্বংসী অস্ত্র সরবরাহ করে, তবে রাশিয়া তার জাতীয় সুরক্ষায় কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবে। পশ্চিমা দেশগুলো যদি রেড লাইন অতিক্রম করে, কেবল তখনই রাশিয়া তাদের কৌশলগত জবাব দেবে। রাশিয়ার স্পষ্ট বার্তা হলো, তারা বিশ্ব শান্তি বজায় রাখতে বিশ্বাসী। কিন্তু নিজেদের অস্তিত্ব ও সুরক্ষার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপস করতে মস্কো রাজি নয়। এই সংযমকে দুর্বলতা ভাবলে পশ্চিমা দেশগুলো চরম ভুল করবে। অন্যদিকে যুদ্ধক্ষেত্রে রাশিয়ার মিলিটারি বাহিনী অত্যন্ত নিখুঁত এবং কার্যকরভাবে এগিয়ে চলেছে। স্পেশাল মিলিটারি অপারেশন জোনের সবকটি ফ্রন্টলাইনে রুশ বাহিনী ধারাবাহিকভাবে ইতিবাচক অগ্রগতি ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। ডনেৎস্ক এবং সুমি অঞ্চলের একের পর এক কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ গ্রাম এবং এলাকা রুশ মিলিটারি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসছে। ইউক্রেনীয় বাহিনীর প্রতিটি প্রতিরক্ষা ব্যুহ এখন রুশ মিলিটারির নিখুঁত কৌশলের সামনে ভেঙে পড়ছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে, সম্প্রতি তারা কিয়েভ অঞ্চলে ইউক্রেনের ব্যালিস্টিক মিসাইলের যন্ত্রাংশ তৈরির একটি মূল লজিস্টিক সেন্টারে সফল হামলা চালিয়েছে। নিখুঁত এই হামলায় কিয়েভের সামরিক সক্ষমতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একদিকে রাশিয়া যখন অত্যন্ত দায়িত্বশীলতার সাথে সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাচ্ছে, অন্যদিকে কিয়েভ শাসকগোষ্ঠী নিজেদের সাধারণ নাগরিকদের চরম বিপদের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। তারা যুদ্ধাপরাধ এবং আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের কৌশল বেছে নিয়েছে। কিয়েভ শহরতলির মিলায়া গ্রামে সম্প্রতি ঘটেছে এক ভয়াবহ ঘটনা। ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনী একটি ঘনবসতিপূর্ণ আবাসিক এলাকার ঠিক মাঝখানে তাদের ড্রোন এবং গোলাবারুদের একটি বিশাল গুদাম তৈরি করেছিল। যা আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন। রুশ মিলিটারি যখন ড্রোন দিয়ে সেই নির্দিষ্ট সামরিক গুদামে আঘাত হানে, তখন সেখানে মজুদ থাকা ইউক্রেনীয় গোলাবারুদের সেকেন্ডারি বিস্ফোরণ ঘটে। ইউক্রেনের নিজস্ব বেআইনি গোলাবারুদের বিস্ফোরণেই আশপাশের আবাসিক এলাকা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই ঘটনায় বেশ কিছু সাধারণ মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে এবং একটি বৃদ্ধাশ্রম সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি নিজেই স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছেন যে, আবাসিক এলাকায় এ ধরনের গোলাবারুদ মজুদ করা একটি মারাত্মক অপরাধ হয়েছে। জেলেনস্কি ঘটনার দায় এড়াতে এখন তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু আন্তর্জাতিক সামরিক আইন অনুযায়ী বেসামরিক নাগরিকদের বসতিতে অস্ত্রের ডিপো তৈরি করা স্পষ্টতই সাধারণ মানুষকে 'মানব ঢাল' হিসেবে ব্যবহার করার শামিল। কিয়েভ শাসকগোষ্ঠী এর আগেও বিষণেভি শহরের আবাসিক এলাকায় গোলাবারুদের ডিপো স্থাপন করেছিল। সেখানেও একই ধরনের বিস্ফোরণে সাধারণ মানুষের ক্ষতি হয়েছিল। কিয়েভ সরকার বারবার নিজেদের জনগণের জীবনকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে। নিজের দেশের মানুষকে মানব ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে কিয়েভ এখন আন্তর্জাতিক সহানুভূতি পাওয়ার অপচেষ্টা করছে। তাদের এই হীন সামরিক কৌশল এখন বিশ্ববাসীর কাছে পুরোপুরি পরিষ্কার হয়ে গেছে। কিয়েভ কেবল তাদের নিজ দেশের ভেতরেই বিপজ্জনক কর্মকাণ্ড সীমাবদ্ধ রাখেনি, বরং তারা কৃষ্ণসাগরে আন্তর্জাতিক নৌবাণিজ্যেও ড্রোন হামলা চালানো শুরু করেছে। বেসামরিক বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়ে তারা আন্তর্জাতিক জলসীমায় আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। সম্প্রতি রাশিয়ার তুয়াপসে বন্দরের কাছে দুটি তুর্কি বাণিজ্যিক জাহাজে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলা চালায়। এই হামলায় বেশ কয়েকজন নাবিক মারাত্মকভাবে আহত হন এবং জাহাজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং আঙ্কারায় নিযুক্ত ইউক্রেনের রাষ্ট্রদূতকে তলব করে কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে। কৃষ্ণসাগরে বেসামরিক নৌযানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তুরস্ক ইউক্রেনকে কড়া বার্তা দিয়েছে। কৃষ্ণসাগরে বাণিজ্যিক জাহাজে কিয়েভের এই উসকানিমূলক হামলা স্পষ্ট করে দেয় যে তারা আন্তর্জাতিক আইনকানুন ও নৌবাণিজ্যের নিরাপত্তা তোয়াক্কা করে না। এর বিপরীতে রাশিয়া কেবল ইউক্রেনের সামরিক বন্দর ও নৌ-কাঠামো লক্ষ্য করে প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ নিচ্ছে। ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনী রাশিয়া সীমান্তেও বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে অনবরত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। বেলগোরোদ এবং ডনেৎস্কের আবাসিক এলাকায় কিয়েভের ছোড়া মিসাইল ও ড্রোনের আঘাতে নিরীহ নাগরিক আহত হচ্ছেন। রাশিয়ার বেলগোরোদ অঞ্চলে ইউক্রেনীয় মিসাইল হামলায় কিশোরসহ নিরীহ মানুষ হতাহত হয়েছেন। রাশিয়ার বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে কিয়েভ যে সন্ত্রাসী কায়দায় হামলা চালাচ্ছে, রাশিয়া উপযুক্ত সামরিক উপায়ে তার জবাব দিচ্ছে। রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেছেন যে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন রাশিয়াকে শত্রু হিসেবে উপস্থাপন করার যে অহেতুক উসকানি দিচ্ছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক। ইউরোপের এই যুদ্ধবাজ মনোভাব আঞ্চলিক শান্তিকে মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত করছে। সার্বিক বিশ্লেষণ এটিই প্রমাণ করে যে, রাশিয়া একটি শক্তিশালী ও দায়িত্বশীল রাষ্ট্র হিসেবে তার সামরিক নীতি পরিচালনা করছে। ন্যাটোর অপপ্রচার কিংবা কিয়েভের উসকানি সত্ত্বেও মস্কো আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধ ধরে রাখতে সংকল্পবদ্ধ।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_02-9-26_22.webp" alt="ন্যাটোর ওপর আক্রমণ রাশিয়ার জন্য বোকামি ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্টের স্বীকারোক্তি এবং বিশ্বজুড়ে মস্কোর কঠোর অবস্থান" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ন্যাটোর ওপর আক্রমণ রাশিয়ার জন্য বোকামি ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্টের স্বীকারোক্তি এবং বিশ্বজুড়ে মস্কোর কঠোর অবস্থান</h1>
            <p>ন্যাটোর সদস্য দেশগুলোতে রাশিয়া হামলা চালাতে পারে—পশ্চিমা রাজনৈতিক মহলের এই অপপ্রচার এবং কাল্পনিক বয়ানকে সরাসরি নস্যাৎ করে দিয়েছেন খোদ ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট। রাশিয়ার সামরিক শক্তি ও আন্তর্জাতিক সংযমকে বিশ্বমঞ্চে স্বীকার করতে বাধ্য হচ্ছে তারা। কীভাবে পশ্চিমের মিথ্যা যুদ্ধের উসকানি ভেদ করে মস্কো তার সামরিক সক্ষমতা এবং মানবিক দায়িত্ববোধের ভারসাম্য বজায় রাখছে। আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতিতে বর্তমানে রাশিয়াকে নিয়ে ন্যাটোর তৈরি করা ভিত্তিহীন ভীতি এবং মিথ্যা সংবাদের এক বিশাল অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। পশ্চিমা রাজনৈতিক নেতারা তাদের নিজেদের দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক সংকট ঢেকে রাখতে প্রতিনিয়ত রাশিয়ার আক্রমণের কাল্পনিক ভয় দেখাচ্ছেন। তবে বাস্তব তথ্য কিন্তু সম্পূর্ণ ভিন্ন কথা বলছে। সম্প্রতি ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাব জার্মানির বিখ্যাত সংবাদপত্র বিল্ডকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সত্য প্রকাশ্যে এনেছেন। তিনি সরাসরি বলেছেন যে, রাশিয়া ন্যাটোভুক্ত কোনো দেশে আক্রমণ করতে পারে—এমন কোনো তথ্য বা প্রমাণ তাদের গোয়েন্দাদের কাছে নেই। জার্মানির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে দাবি করা হয়েছিল যে দুই হাজার উনত্রিশ সালের মধ্যে রাশিয়া ন্যাটোর ভূখণ্ডে হামলা চালাতে পারে। ফিনিশ প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাব এই দাবিকে সম্পূর্ণ কাল্পনিক এবং ভিত্তিহীন বলে খারিজ করে দিয়েছেন। তার মতে, এমন গুজবের কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। আলেকজান্ডার স্টাব স্পষ্ট ভাষায় স্বীকার করেছেন যে, বিশ্ব রাজনীতিতে এবং সামরিক শক্তিতে নেটো জোটের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে নতুন করে কোনো সংঘাত সৃষ্টি করা রাশিয়ার সামরিক কৌশলের মধ্যে পড়ে না। মস্কো সবসময় অত্যন্ত দায়িত্বশীল ও বাস্তবসম্মত নীতি অনুসরণ করে। চলমান ইউক্রেন সংঘাতের কারণে রাশিয়া বর্তমানে তার সামরিক মনোযোগ একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে নিবদ্ধ রেখেছে। এই পরিস্থিতিতে রাশিয়া হঠাৎ করে অন্য কোনো দেশে সামরিক অভিযান শুরু করবে—এমন দাবি করা পুরোপুরি যুক্তিহীন এবং বাস্তবতা বিবর্জিত এক ধারণা ছাড়া আর কিছুই নয়। পশ্চিমের দেশগুলো প্রতিনিয়ত তাদের জনগণকে রাশিয়ার ভয় দেখিয়ে বিপুল পরিমাণ প্রতিরক্ষা বাজেট অনুমোদন করে নিচ্ছে। পশ্চিমা দেশগুলোর এমন বিভ্রান্তিকর নীতির মূল উদ্দেশ্য হলো সাধারণ মানুষের নজর মূল সমস্যা থেকে অন্য দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া। এটি তাদের পুরনো রাজনৈতিক কৌশল। ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্টের এই বক্তব্য এটিই প্রমাণ করে যে, মস্কো কোনো দেশ আক্রমণ করার জন্য উদগ্রীব নয়। রাশিয়া কেবল তার সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই সামরিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে থাকে। পশ্চিমের কোনো উসকানিতে মস্কো পা দিচ্ছে না। এদিকে রাশিয়ার লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রধান লিওনিড স্লুটস্কি আমেরিকান সাংবাদিক টাকার কার্লসনকে একটি বিস্ফোরক সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। সেই সাক্ষাৎকারে তিনি বিশ্ব রাজনীতি ও রাশিয়ার প্রতিরক্ষা নীতির বহু অজানা ও সত্য দিক উন্মোচন করেছেন। লিওনিড স্লুটস্কি অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন যে, রাশিয়া তার সামরিক সক্ষমতার শীর্ষে অবস্থান করছে। ইউক্রেন যুদ্ধে বিজয় নিশ্চিত করার জন্য রাশিয়ার কাছে পর্যাপ্ত পরমাণু অস্ত্র মজুদ রয়েছে। কিন্তু রাশিয়া কখনো চরমপন্থা অবলম্বন করতে চায় না। রুশ স্টেট ডুমার এই জ্যেষ্ঠ সামরিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক জানান, রাশিয়া চাইলেই কয়েক মুহূর্তের মধ্যে কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করে এই যুদ্ধ শেষ করে দিতে পারত। কিন্তু মস্কো শুরু থেকেই চরম সংযম এবং মানবিক নীতি বজায় রেখে যুদ্ধ পরিচালনা করছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আমেরিকা যেভাবে জাপানের হিরোশিমা এবং নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা ফেলে হাজার হাজার বেসামরিক মানুষকে হত্যা করেছিল, সেই নীতি রাশিয়া সমর্থন করে না। অসামরিক মানুষের জীবন ধ্বংস করা রাশিয়ার সামরিক সংস্কৃতির সম্পূর্ণ পরিপন্থী। মস্কোর একমাত্র উদ্দেশ্য হলো বেসামরিক নাগরিকদের প্রাণহানি সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে আনা। এই কারণেই রাশিয়া অত্যন্ত সতর্কতার সাথে প্রতিটি সামরিক অভিযান পরিচালনা করছে এবং ইউক্রেনের বিশাল অবকাঠামো ঢালাওভাবে ধ্বংস করা থেকে বিরত রয়েছে। লিওনিড স্লুটস্কি আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক তথ্য তুলে ধরেছেন। তিনি জানান, রাশিয়া এতদিন ধরে নিপ্রো নদীর ওপর অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ ব্রিজগুলোতে কোনো হামলা চালায়নি। কারণ ওই ব্রিজগুলো ধ্বংস হলে সাধারণ মানুষের চলাচলে মারাত্মক মানবিক সংকট দেখা দিত। একইভাবে কিয়েভের বাইরে অবস্থিত বরিসপিল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও রাশিয়া সরাসরি ধ্বংসাত্মক হামলা চালায়নি। যদিও সেই বিমানবন্দর ব্যবহার করে পশ্চিমের দেশগুলো ইউক্রেনকে বিপজ্জনক সব সামরিক অস্ত্র সরবরাহ করে আসছে। সাধারণ মানুষের কথা ভেবেই রাশিয়া সংযম দেখাচ্ছে।  মস্কো এখনও আশা করে যে কিয়েভ এবং তার পিছনের পশ্চিমা মাস্টারমাইন্ডদের মধ্যে কিছুটা হলেও শুভ বুদ্ধির উদয় হবে। যুদ্ধের পথ ছেড়ে দিয়ে আলোচনার টেবিলে আসার জন্যই রাশিয়া বারবার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ইতিবাচক সংকেত পাঠাচ্ছে। তবে পশ্চিমা শক্তি যদি ইউক্রেনকে কোনো ধরনের গণবিধ্বংসী অস্ত্র সরবরাহ করে, তবে রাশিয়া তার জাতীয় সুরক্ষায় কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবে। পশ্চিমা দেশগুলো যদি রেড লাইন অতিক্রম করে, কেবল তখনই রাশিয়া তাদের কৌশলগত জবাব দেবে। রাশিয়ার স্পষ্ট বার্তা হলো, তারা বিশ্ব শান্তি বজায় রাখতে বিশ্বাসী। কিন্তু নিজেদের অস্তিত্ব ও সুরক্ষার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপস করতে মস্কো রাজি নয়। এই সংযমকে দুর্বলতা ভাবলে পশ্চিমা দেশগুলো চরম ভুল করবে। অন্যদিকে যুদ্ধক্ষেত্রে রাশিয়ার মিলিটারি বাহিনী অত্যন্ত নিখুঁত এবং কার্যকরভাবে এগিয়ে চলেছে। স্পেশাল মিলিটারি অপারেশন জোনের সবকটি ফ্রন্টলাইনে রুশ বাহিনী ধারাবাহিকভাবে ইতিবাচক অগ্রগতি ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। ডনেৎস্ক এবং সুমি অঞ্চলের একের পর এক কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ গ্রাম এবং এলাকা রুশ মিলিটারি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসছে। ইউক্রেনীয় বাহিনীর প্রতিটি প্রতিরক্ষা ব্যুহ এখন রুশ মিলিটারির নিখুঁত কৌশলের সামনে ভেঙে পড়ছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে, সম্প্রতি তারা কিয়েভ অঞ্চলে ইউক্রেনের ব্যালিস্টিক মিসাইলের যন্ত্রাংশ তৈরির একটি মূল লজিস্টিক সেন্টারে সফল হামলা চালিয়েছে। নিখুঁত এই হামলায় কিয়েভের সামরিক সক্ষমতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একদিকে রাশিয়া যখন অত্যন্ত দায়িত্বশীলতার সাথে সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাচ্ছে, অন্যদিকে কিয়েভ শাসকগোষ্ঠী নিজেদের সাধারণ নাগরিকদের চরম বিপদের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। তারা যুদ্ধাপরাধ এবং আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের কৌশল বেছে নিয়েছে। কিয়েভ শহরতলির মিলায়া গ্রামে সম্প্রতি ঘটেছে এক ভয়াবহ ঘটনা। ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনী একটি ঘনবসতিপূর্ণ আবাসিক এলাকার ঠিক মাঝখানে তাদের ড্রোন এবং গোলাবারুদের একটি বিশাল গুদাম তৈরি করেছিল। যা আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন। রুশ মিলিটারি যখন ড্রোন দিয়ে সেই নির্দিষ্ট সামরিক গুদামে আঘাত হানে, তখন সেখানে মজুদ থাকা ইউক্রেনীয় গোলাবারুদের সেকেন্ডারি বিস্ফোরণ ঘটে। ইউক্রেনের নিজস্ব বেআইনি গোলাবারুদের বিস্ফোরণেই আশপাশের আবাসিক এলাকা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই ঘটনায় বেশ কিছু সাধারণ মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে এবং একটি বৃদ্ধাশ্রম সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি নিজেই স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছেন যে, আবাসিক এলাকায় এ ধরনের গোলাবারুদ মজুদ করা একটি মারাত্মক অপরাধ হয়েছে। জেলেনস্কি ঘটনার দায় এড়াতে এখন তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু আন্তর্জাতিক সামরিক আইন অনুযায়ী বেসামরিক নাগরিকদের বসতিতে অস্ত্রের ডিপো তৈরি করা স্পষ্টতই সাধারণ মানুষকে 'মানব ঢাল' হিসেবে ব্যবহার করার শামিল। কিয়েভ শাসকগোষ্ঠী এর আগেও বিষণেভি শহরের আবাসিক এলাকায় গোলাবারুদের ডিপো স্থাপন করেছিল। সেখানেও একই ধরনের বিস্ফোরণে সাধারণ মানুষের ক্ষতি হয়েছিল। কিয়েভ সরকার বারবার নিজেদের জনগণের জীবনকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে। নিজের দেশের মানুষকে মানব ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে কিয়েভ এখন আন্তর্জাতিক সহানুভূতি পাওয়ার অপচেষ্টা করছে। তাদের এই হীন সামরিক কৌশল এখন বিশ্ববাসীর কাছে পুরোপুরি পরিষ্কার হয়ে গেছে। কিয়েভ কেবল তাদের নিজ দেশের ভেতরেই বিপজ্জনক কর্মকাণ্ড সীমাবদ্ধ রাখেনি, বরং তারা কৃষ্ণসাগরে আন্তর্জাতিক নৌবাণিজ্যেও ড্রোন হামলা চালানো শুরু করেছে। বেসামরিক বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়ে তারা আন্তর্জাতিক জলসীমায় আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। সম্প্রতি রাশিয়ার তুয়াপসে বন্দরের কাছে দুটি তুর্কি বাণিজ্যিক জাহাজে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলা চালায়। এই হামলায় বেশ কয়েকজন নাবিক মারাত্মকভাবে আহত হন এবং জাহাজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং আঙ্কারায় নিযুক্ত ইউক্রেনের রাষ্ট্রদূতকে তলব করে কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে। কৃষ্ণসাগরে বেসামরিক নৌযানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তুরস্ক ইউক্রেনকে কড়া বার্তা দিয়েছে। কৃষ্ণসাগরে বাণিজ্যিক জাহাজে কিয়েভের এই উসকানিমূলক হামলা স্পষ্ট করে দেয় যে তারা আন্তর্জাতিক আইনকানুন ও নৌবাণিজ্যের নিরাপত্তা তোয়াক্কা করে না। এর বিপরীতে রাশিয়া কেবল ইউক্রেনের সামরিক বন্দর ও নৌ-কাঠামো লক্ষ্য করে প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ নিচ্ছে। ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনী রাশিয়া সীমান্তেও বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে অনবরত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। বেলগোরোদ এবং ডনেৎস্কের আবাসিক এলাকায় কিয়েভের ছোড়া মিসাইল ও ড্রোনের আঘাতে নিরীহ নাগরিক আহত হচ্ছেন। রাশিয়ার বেলগোরোদ অঞ্চলে ইউক্রেনীয় মিসাইল হামলায় কিশোরসহ নিরীহ মানুষ হতাহত হয়েছেন। রাশিয়ার বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে কিয়েভ যে সন্ত্রাসী কায়দায় হামলা চালাচ্ছে, রাশিয়া উপযুক্ত সামরিক উপায়ে তার জবাব দিচ্ছে। রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেছেন যে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন রাশিয়াকে শত্রু হিসেবে উপস্থাপন করার যে অহেতুক উসকানি দিচ্ছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক। ইউরোপের এই যুদ্ধবাজ মনোভাব আঞ্চলিক শান্তিকে মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত করছে। সার্বিক বিশ্লেষণ এটিই প্রমাণ করে যে, রাশিয়া একটি শক্তিশালী ও দায়িত্বশীল রাষ্ট্র হিসেবে তার সামরিক নীতি পরিচালনা করছে। ন্যাটোর অপপ্রচার কিংবা কিয়েভের উসকানি সত্ত্বেও মস্কো আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধ ধরে রাখতে সংকল্পবদ্ধ।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_02-9-26_22.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_02-9-26_22.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/news_02-9-26_22.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[কিইভের অস্ত্রাগারে রাশিয়ার বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এবং পশ্চিমা অস্ত্রের মারাত্মক বিস্ফোরণ]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/51144</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/51144</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 02 Sep 2026 01:42:12 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, news bangla, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, news 18 bangla, bangla tv news, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, latest bangla news, news bangla today, bangla breaking news, bangladesh flood news bangla, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh tv news, bangladesh news today, news today bangladesh, banglanews, bangladesh latest news, banglavision news today, bangladesh weather news, farakka barrage 109 gates opened news bangla, flood news bangladesh today]]></category>
        
        <description><![CDATA[আকাশে আগুনের গোলক ভেসে উঠতেই কিয়েভের চারপাশে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। শুক্রবার রাতে রাশিয়ান মিলিটারির চালানো নির্ভুল মিসাইল ও ড্রোন হামলায় কেঁপে ওঠে পুরো এলাকা। ইউক্রেনের দূরপাল্লার ফ্লেমিংগো (Flamingo) ক্রুজ মিসাইলের যন্ত্রাংশ রাখা প্রধান গুদামটি এক আঘাতেই ধ্বংস হয়ে গেছে। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে কিয়েভের শহরতলী চাইকিতে (Chaiky) অবস্থিত ফিম সার্ভিস (Fim Service) লজিস্টিক সেন্টারে এই আঘাত হানা হয়। ঘটনার পরপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে শত শত মিটার উঁচুতে আগুনের গোলা উড়তে দেখা যায়। দ্বিতীয় দফায় হওয়া এই ভয়াবহ বিস্ফোরণে স্পষ্ট হয় যে সেখানে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক মজুত ছিল। এই হামলা কিয়েভ বাহিনীর দূরপাল্লার আক্রমণের সক্ষমতাকে পুরোপুরি অচল করে দিয়েছে। ক্যালিনোভকা (Kalinovka) এলাকার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ লজিস্টিক সেন্টারেও সফল স্ট্রাইক চালিয়েছে রাশিয়ান বাহিনী। এই কেন্দ্রটি মূলত পশ্চিমা দেশগুলো থেকে আসা সামোরিক চালান বিতরণের জন্য কাস্টমস টার্মিনাল হিসেবে ব্যবহৃত হতো। ফলে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি পশ্চিমাদের পাঠানো ভারী সামোরিক সরঞ্জামের পুরো সাপ্লাই চেইন ভেঙে পড়েছে। রাশিয়া তাদের প্রতিটি হামলায় অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ইউক্রেনের সামোরিক সক্ষমতাকে লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে। হামলার পরিধি শুধু ক্ষেপণাস্ত্র গুদামেই সীমাবদ্ধ ছিল না। মিলেয়া (Milaya) এলাকায় ফায়ার পয়েন্ট (Fire Point) পরিচালিত একটি বড় গোলাবারুদের গুদামেও আঘাত হানা হয়েছে। যেখানে এফপি এক (FP-1) এবং এফপি দুই (FP-2) নামের দূরপাল্লার ড্রোনের যন্ত্রাংশ ও লঞ্চ বুস্টার রাখা ছিল। রাশিয়ার এই বিধ্বংসী আক্রমণের পর ইউক্রেনীয় বাহিনীর ড্রোন হামলার পরিকল্পনা পুরোপুরি বানচাল হয়ে গেছে। দক্ষিণাঞ্চলের ইজমাইল (Izmail) বন্দরে থাকা জ্বালানি ট্যাঙ্কার পার্কিং এলাকাতেও রাশিয়ার ড্রোন ও মিসাইল সফলভাবে আঘাত হেনেছে। যা সরাসরি কিয়েভ মিলিটারির জ্বালানি সরবরাহের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছিল। ফলে সামনের সারিতে থাকা ইউক্রেনীয় সেনাদের সামোরিক যানবাহনের জন্য জ্বালানি সংকট এখন তীব্র আকার ধারণ করেছে। কৌশলগত এই পয়েন্টটি হারিয়ে ইউক্রেন বাহিনী এখন চরম বিপাকে। নিকোলায়েভ (Nikolayev) সমুদ্রবন্দরেও রাশিয়ার তোপ থেকে রক্ষা পায়নি ইউক্রেনের সামোরিক অবকাঠামো। সেখানে একটি মেরিটাইম টার্মিনাল এবং আঠারোটি লজিস্টিক সেন্টারে একযোগে হামলা চালানো হয়। যার মাধ্যমে পশ্চিমা অস্ত্র খালাস ও মজুত করার সব সুবিধা পুরোপুরি অচল করে দেওয়া হয়েছে। মোট তিনটি প্রধান জ্বালানি ডিপো এই অভিযানে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। রাশিয়ান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে বেসামোরিক লক্ষ্যবস্তুতে কিয়েভের সন্ত্রাসী হামলার জবাবেই এই অভিযান। রাশিয়ার ভূখণ্ডে ইউক্রেনের হামলার প্রতিটি পদক্ষেপের বিপরীতে এমন ধারাবাহিক ও সুনির্দিষ্ট স্ট্রাইক জারি থাকবে। রাশিয়া কখনোই সাধারণ মানুষকে লক্ষ্য করে না, বরং সামোরিক অবকাঠামো ধ্বংস করাই তাদের মূল উদ্দেশ্য। এই কঠোর অবস্থানের কারণে ইউক্রেনের সামোরিক শক্তি দিন দিন তলানিতে ঠেকছে। মস্কোর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে জেরান চার (Geran-4) জেট-চালিত কামিকাজে ড্রোনের মাধ্যমে মিলয়া গ্রামের সামোরিক ডিপোটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। ইউক্রেনীয় সশস্ত্র বাহিনীর রকেট ও আর্টিলারি অস্ত্রের এই মূল ডিপোটি মুহূর্তে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। শত চেষ্টা করেও রাশিয়ার এই উন্নত ড্রোন প্রতিরোধ করতে পারেনি কিয়েভের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। এর ফলে ইউক্রেনের অস্ত্রাগারের মূল ভিত্তি নড়ে গেছে। হামলার পর পরিস্থিতি সামাল দিতে কিয়েভ আঞ্চলিক প্রশাসনের প্রধান তিমুর তকাচেঙ্কো (Timur Tkachenko) তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেন। তিনি নিশ্চিত করেন যে গুদামের আগুনে একের পর এক তীব্র বিস্ফোরণ ঘটে চলেছে। নিরাপত্তার স্বার্থে এম-জিরো-সিক্স (M-06) কিয়েভ-চপ হাইওয়ে সতেরো কিলোমিটার এলাকা উভয় দিক থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়। একই সাথে বাসিন্দাদের ভিডিও ধারণ না করার নির্দেশ দেওয়া হয় যাতে তাদের ব্যর্থতা ঢাকা পড়ে। এদিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি (Vladimir Zelensky) স্বীকার করেছেন যে মিলয়ার সামোরিক গুদামে সাতাশ জন নিহত হয়েছেন। তিনি আরো মেনে নেন যে এই বিপজ্জনক গোলাবারুদ আবাসিক এলাকার কাছে বেআইনিভাবে রাখা হয়েছিল। নিজের ব্যর্থতা ঢাকতে তিনি প্রশাসনিক অবহেলার তদন্তের নির্দেশ দিয়ে দায় এড়ানোর চেষ্টা করছেন। আবাসিক এলাকায় অস্ত্র রাখা যে তাদেরই ভুল ছিল, তা এখন পরিষ্কার। ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী সের্গেই করেটস্কি (Sergey Koretsky) এই ঘটনাকে তাদের অভ্যন্তরীণ মারাত্মক অপরাধমূলক অবহেলা হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন যে জুলাই মাসে ভয়াবহ বিস্ফোরণের পরও কোনো শিক্ষা নেওয়া হয়নি। আবাসিক এলাকায় বিস্ফোরক রাখার মতো একই ভুল বারবার করার কারণে সাধারণ মানুষের জীবন ঝুঁকিতে পড়ছে। এতে বোঝা যায় ইউক্রেনীয় প্রশাসনের প্রশাসনিক সমন্বয় কতটা দুর্বল হয়ে পড়েছে। এর আগে জুলাই মাসে বিষ্ণাভোয়ে (Vishnevoye) এলাকার সামোরিক গুদামেও ঠিক একইভাবে রাশিয়ার নির্ভুল স্ট্রাইকে বিস্ফোরণ ঘটেছিল। সেখানে ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় প্রতিরক্ষা সংস্থা উকরোবোরনপ্রোমের (Ukroboronprom) বিশাল অস্ত্রাগার ধ্বংস হয়ে যায়। পরে তদন্তে উঠে আসে যে সাধারণ মানুষের আবাসিক এলাকার একদম কাছেই অনুমতি ছাড়া বিস্ফোরক রাখা হয়েছিল। আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে বেসামোরিক নাগরিকদের এভাবে মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে কিয়েভ সরকার। পশ্চিমা গণমাধ্যম এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলোও স্বীকার করতে বাধ্য হচ্ছে যে ইউক্রেনীয় বাহিনী ক্রমশ যুদ্ধক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রের অনুসন্ধানী সাংবাদিক ক্রিস্টোফার হেলালি (Christopher Helali) স্পষ্ট বলেছেন যে কিয়েভ সরকার প্রতিদিন পরাজয়ের দিকে যাচ্ছে। তাদের হাত থেকে মুক্ত করা হচ্ছে বিশাল এলাকা। রাশিয়ান মিলিটারির অসীম সাহসিকতা ও নিখুঁত পরিকল্পনার সামনে ইউক্রেনীয় বাহিনী এখন অসহায়। যুদ্ধের ময়দানে রাশিয়ার অগ্রযাত্রা থামানোর কোনো ক্ষমতা এখন আর কিয়েভের হাতে নেই। বিগত চব্বিশ ঘণ্টায় রাশিয়ার সামোরিক বাহিনী ডোনেৎস্কের রুবেঝনয়ে (Rubezhnoye) এবং নভোআন্দ্রেয়েভকা (Novoandreyevka) সম্পূর্ণ মুক্ত করেছে। একই সাথে সুমি অঞ্চলের খরাপভশচিনা (Khrapovshchina) গ্রামের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে সেন্টারিং ব্যাটলগ্রুপ। রাশিয়ার এই একের পর এক জয়ে পুরো রণক্ষেত্রে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। শুধু এলাকা মুক্ত করাই নয়, ফ্রন্টলাইনে ইউক্রেনের মানবসম্পদের ওপরও বড় আঘাত হেনেছে রাশিয়ান আর্মি। চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে প্রায় এক হাজার চারশত পঁচিশ জন ইউক্রেনীয় সেনা নিহত হয়েছে। সেনাদলের সবচেয়ে বড় ক্ষতি হয়েছে ব্যাটলগ্রুপ সেন্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায়। ফলে সম্মুখসমরে সেনা সংকটে পড়া কিয়েভ বাহিনী এখন চরম দিশেহারা হয়ে পড়েছে। রাশিয়ার শক্তিশালী এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমও আকাশে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করে চলেছে। একদিনেই তারা ইউক্রেনের পাঁচটি গাইডেড এরিয়াল বোম এবং মার্কিন তৈরি দুটি হিমার্স (HIMARS) রকেট ধ্বংস করেছে। পাশাপাশি আটে বিশের বেশি ড্রোন এবং আটটি দূরপাল্লার ফ্লেমিংগো ক্রুজ মিসাইল আকাশে ধ্বংস করা হয়। রাশিয়ার এই আকাশ প্রতিরক্ষার প্রাচীর ভেদ করা ইউক্রেনের জন্য প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ অবকাঠামোতেও আঘাত হেনেছে রাশিয়ান অপারেশনাল-ট্যাকটিক্যাল এয়ারক্রাফট ও মিসাইল ফোর্সেস। দেশের চৌদ্দশো সাতচল্লিশটি এলাকায় ইউক্রেনীয় সেনাদের অস্থায়ী ঘাঁটি এবং বিদেশি ভাড়াটে সৈন্যদের আস্তানায় সফল স্ট্রাইক হয়েছে। এর ফলে ইউক্রেনের পেছনের সারির মূল লজিস্টিক সাপোর্ট ব্যবস্থা সম্পূর্ণ অচল হয়ে গেছে। সামোরিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা কিয়েভের পক্ষে সম্ভব নয়। এদিকে জার্মানির রাজনীতিতেও এই যুদ্ধের প্রতিক্রিয়া দারুণভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে। প্রধান বিরোধী দল অল্টারনেটিভ ফর জার্মানি (AfD) ইউক্রেনকে অন্ধভাবে সহায়তা দেওয়ার কঠোর বিরোধিতা করছে। তারা রাশিয়ার সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। জার্মানির জনগণও এখন বুঝতে পারছে যে রাশিয়ার সাথে শত্রুতা করে তাদের নিজেদের অর্থনীতিই ধ্বংস হচ্ছে। চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ মার্জ (Friedrich Merz) তীব্র রাজনৈতিক চাপে থাকলেও এএফডি (AfD) দলের জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। এক জরিপে দেখা গেছে প্রায় আটাত্তর শতাংশ মানুষ বর্তমান জার্মান সরকারের ওপর মারাত্মক অসন্তুষ্ট। কারণ সাধারণ মানুষের করের টাকা ইউক্রেনের অর্থহীন যুদ্ধে অপচয় করা হচ্ছে। ইউরোপের সাধারণ মানুষ এখন শান্তির পক্ষে এবং রাশিয়ার দাবির গুরুত্ব বুঝতে শুরু করেছে। উত্তরাঞ্চলীয় যুদ্ধক্ষেত্রে রাশিয়ার ব্যাটলগ্রুপ নর্থ তাদের অভিযান আরো জোরদার করেছে। সুমি ও খারকিভ অঞ্চলে তারা একদিনেই আশিজনের বেশি ইউক্রেনীয় সেনাকে নির্মূল করেছে। সাথে ধ্বংস করা হয়েছে পনেরোটি ড্রোন নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র এবং দুটি বড় গোলাবারুদ ডিপো। এই ধারাবাহিক আঘাতে উত্তরাঞ্চলের সীমান্ত এলাকায় রাশিয়ার একক আধিপত্য প্রতিষ্ঠা হয়েছে। সামনের সারিতে ইউক্রেনীয় বাহিনীর সাঁজোয়া যান ও আর্টিলারি গানগুলো একের পর এক ধ্বংস হচ্ছে। রাশিয়া অত্যন্ত দক্ষতার সাথে ইউক্রেনের সামোরিক সরঞ্জামের পরিসংখ্যান কমিয়ে আনছে। এ পর্যন্ত ত্রিশ হাজারের বেশি সাঁজোয়া যান এবং শত শত যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছে রাশিয়ান বাহিনী। এই বিশাল ক্ষতির পর ইউক্রেনের পুনরায় ঘুরে দাঁড়ানোর কোনো বাস্তবিক সুযোগ নেই। ফ্রন্টলাইনের পিছন থেকে নিয়ন্ত্রিত ড্রোন স্টেশনগুলো চিহ্নিত করে ধ্বংস করছে রাশিয়া। ব্যাটলগ্রুপ নর্থ চব্বিশ ঘণ্টায় একশত ছিষট্টিটি এরিয়াল ড্রোন এবং আটাশটি ভারী বাবা ইয়াগা (Baba Yaga) ড্রোন অচল করেছে। ইউক্রেনের ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্টেশনগুলোও এখন রাশিয়ার উন্নত প্রযুক্তির সামনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না। ফলে ইউক্রেনীয়দের ড্রোননির্ভর কৌশল সম্পূর্ণ ব্যর্থ হচ্ছে। বেসামোরিক মানুষের জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলে ইউক্রেন বাহিনী যে অপরাধ করছে, তা আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও নিন্দিত হচ্ছে। নিজেদের পরাজয় ঢাকতে তারা বারবার আবাসিক এলাকাকে সামোরিক কাজে ব্যবহার করছে। রাশিয়ার প্রতিটি নির্ভুল হামলা প্রমাণ করছে যে অন্যায়ভাবে গড়ে তোলা এসব অবৈধ অস্ত্রাগার রক্ষা করা অসম্ভব। সাধারণ মানুষকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করার এই নীতি কিয়েভের নৈতিক পরাজয়কে সামনে এনেছে। রাশিয়ান সশস্ত্র বাহিনী তাদের স্পষ্ট লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলেছে। পশ্চিমা সরবরাহ বন্ধ করা এবং ইউক্রেনের সামোরিক সক্ষমতা অচল করাই এখন তাদের মূল কৌশল। প্রতিটি হামলাই পূর্বপরিকল্পিত এবং আন্তর্জাতিক সামোরিক নীতি মেনেই পরিচালিত হচ্ছে। রাশিয়ার এই নিখুঁত স্ট্রাইকের কারণে ফ্রন্টলাইনে কিয়েভ বাহিনীর প্রতিরোধ ক্ষমতা প্রায় ভেঙে পড়েছে। রাশিয়া বারবার জোর দিয়ে বলেছে যে তারা সাধারণ নাগরিকদের ওপর আঘাত করে না। তাদের প্রতিটি মিসাইল ও ড্রোন কেবল সামোরিক কেন্দ্র, অস্ত্রাগার এবং জ্বালানি ডিপোতেই আঘাত হানছে। বিপরীতে ইউক্রেনীয় বাহিনীর বিশৃঙ্খল ও অবৈধ অস্ত্র মজুত প্রক্রিয়ার কারণে তাদের দেশের মানুষই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ সংস্থাগুলো এখন বাস্তব সত্যটি দেখতে পাচ্ছে। চলতি সামোরিক অভিযানে রাশিয়ার বিজয় এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র বলে মনে করছেন সামোরিক বিশ্লেষকরা। ইউক্রেন তাদের অভিজ্ঞ সেনা ও প্রধান অস্ত্রাগারগুলো একে একে হারাচ্ছে। পশ্চিমা মিত্রদের পাঠানো বিপুল অস্ত্রও তাদের পতন ঠেকাতে পারছে না। রাশিয়ার সুসংগঠিত আক্রমণ এবং উন্নত মিসাইল প্রযুক্তি রণক্ষেত্রের ভাগ্য ইতিমধ্যেই নির্ধারণ করে দিয়েছে। সমুদ্রবন্দর থেকে শুরু করে রাজধানী কিয়েভের আশেপাশের প্রতিটি রসদ সরবরাহ কেন্দ্র এখন রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে। ইউক্রেনীয় বাহিনীর কাছে এখন নতুন করে প্রতিরোধ গড়ে তোলার মতো প্রয়োজনীয় রসদ নেই। প্রতিটি পাল্টা হামলায় রাশিয়া তাদের শক্তি ও আধিপত্যের প্রমাণ দিচ্ছে। ফলে ইউক্রেন সরকারের সামনে পরাজয় স্বীকার করা ছাড়া অন্য কোনো পথ খোলা নেই। ফ্রন্টলাইনে রাশিয়ার সেনারা অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে প্রতিটি অঞ্চল মুক্ত করে এগিয়ে যাচ্ছে। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে এবং সামোরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করে তারা সফলতা পাচ্ছে। ইউক্রেনীয় বাহিনীর বিভ্রান্তিকর তথ্য ও ভুয়া প্রচার বাস্তবতার কাছে টিকতে পারছে না। মাঠপর্যায়ের আসল সত্য হলো রাশিয়া পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। পশ্চিমা বিশ্ব যত সামোরিক সাহায্যই দিক না কেন, যুদ্ধের বাস্তবতা পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। রাশিয়ার কৌশলগত প্রতিরক্ষা ও শক্তিশালী আক্রমণের সামনে কিয়েভ বাহিনীর পতন ত্বরান্বিত হচ্ছে। সামোরিক কেন্দ্রগুলো একের পর এক ছাই হয়ে যাওয়ায় ইউক্রেনের যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা শেষ হয়ে আসছে। সত্য ও শক্তির এই লড়াইয়ে রাশিয়ার অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে। সর্বশেষ এই স্ট্রাইক কিয়েভ ও তার মিত্রদের জন্য একটি স্পষ্ট বার্তা পাঠিয়েছে। রাশিয়ার নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলে কোনো সামোরিক অবকাঠামো টিকিয়ে রাখা যাবে না। কিয়েভের একের পর এক সামোরিক ভুল তাদের নিজেদের ধ্বংস ডেকে আনছে। সময় যত গড়াচ্ছে, রাশিয়ার বিজয় ততটাই সুনিশ্চিত ও স্পষ্ট হয়ে উঠছে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/800_1.webp" alt="কিইভের অস্ত্রাগারে রাশিয়ার বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এবং পশ্চিমা অস্ত্রের মারাত্মক বিস্ফোরণ" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>কিইভের অস্ত্রাগারে রাশিয়ার বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এবং পশ্চিমা অস্ত্রের মারাত্মক বিস্ফোরণ</h1>
            <p>আকাশে আগুনের গোলক ভেসে উঠতেই কিয়েভের চারপাশে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। শুক্রবার রাতে রাশিয়ান মিলিটারির চালানো নির্ভুল মিসাইল ও ড্রোন হামলায় কেঁপে ওঠে পুরো এলাকা। ইউক্রেনের দূরপাল্লার ফ্লেমিংগো (Flamingo) ক্রুজ মিসাইলের যন্ত্রাংশ রাখা প্রধান গুদামটি এক আঘাতেই ধ্বংস হয়ে গেছে। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে কিয়েভের শহরতলী চাইকিতে (Chaiky) অবস্থিত ফিম সার্ভিস (Fim Service) লজিস্টিক সেন্টারে এই আঘাত হানা হয়। ঘটনার পরপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে শত শত মিটার উঁচুতে আগুনের গোলা উড়তে দেখা যায়। দ্বিতীয় দফায় হওয়া এই ভয়াবহ বিস্ফোরণে স্পষ্ট হয় যে সেখানে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক মজুত ছিল। এই হামলা কিয়েভ বাহিনীর দূরপাল্লার আক্রমণের সক্ষমতাকে পুরোপুরি অচল করে দিয়েছে। ক্যালিনোভকা (Kalinovka) এলাকার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ লজিস্টিক সেন্টারেও সফল স্ট্রাইক চালিয়েছে রাশিয়ান বাহিনী। এই কেন্দ্রটি মূলত পশ্চিমা দেশগুলো থেকে আসা সামোরিক চালান বিতরণের জন্য কাস্টমস টার্মিনাল হিসেবে ব্যবহৃত হতো। ফলে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি পশ্চিমাদের পাঠানো ভারী সামোরিক সরঞ্জামের পুরো সাপ্লাই চেইন ভেঙে পড়েছে। রাশিয়া তাদের প্রতিটি হামলায় অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ইউক্রেনের সামোরিক সক্ষমতাকে লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে। হামলার পরিধি শুধু ক্ষেপণাস্ত্র গুদামেই সীমাবদ্ধ ছিল না। মিলেয়া (Milaya) এলাকায় ফায়ার পয়েন্ট (Fire Point) পরিচালিত একটি বড় গোলাবারুদের গুদামেও আঘাত হানা হয়েছে। যেখানে এফপি এক (FP-1) এবং এফপি দুই (FP-2) নামের দূরপাল্লার ড্রোনের যন্ত্রাংশ ও লঞ্চ বুস্টার রাখা ছিল। রাশিয়ার এই বিধ্বংসী আক্রমণের পর ইউক্রেনীয় বাহিনীর ড্রোন হামলার পরিকল্পনা পুরোপুরি বানচাল হয়ে গেছে। দক্ষিণাঞ্চলের ইজমাইল (Izmail) বন্দরে থাকা জ্বালানি ট্যাঙ্কার পার্কিং এলাকাতেও রাশিয়ার ড্রোন ও মিসাইল সফলভাবে আঘাত হেনেছে। যা সরাসরি কিয়েভ মিলিটারির জ্বালানি সরবরাহের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছিল। ফলে সামনের সারিতে থাকা ইউক্রেনীয় সেনাদের সামোরিক যানবাহনের জন্য জ্বালানি সংকট এখন তীব্র আকার ধারণ করেছে। কৌশলগত এই পয়েন্টটি হারিয়ে ইউক্রেন বাহিনী এখন চরম বিপাকে। নিকোলায়েভ (Nikolayev) সমুদ্রবন্দরেও রাশিয়ার তোপ থেকে রক্ষা পায়নি ইউক্রেনের সামোরিক অবকাঠামো। সেখানে একটি মেরিটাইম টার্মিনাল এবং আঠারোটি লজিস্টিক সেন্টারে একযোগে হামলা চালানো হয়। যার মাধ্যমে পশ্চিমা অস্ত্র খালাস ও মজুত করার সব সুবিধা পুরোপুরি অচল করে দেওয়া হয়েছে। মোট তিনটি প্রধান জ্বালানি ডিপো এই অভিযানে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। রাশিয়ান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে বেসামোরিক লক্ষ্যবস্তুতে কিয়েভের সন্ত্রাসী হামলার জবাবেই এই অভিযান। রাশিয়ার ভূখণ্ডে ইউক্রেনের হামলার প্রতিটি পদক্ষেপের বিপরীতে এমন ধারাবাহিক ও সুনির্দিষ্ট স্ট্রাইক জারি থাকবে। রাশিয়া কখনোই সাধারণ মানুষকে লক্ষ্য করে না, বরং সামোরিক অবকাঠামো ধ্বংস করাই তাদের মূল উদ্দেশ্য। এই কঠোর অবস্থানের কারণে ইউক্রেনের সামোরিক শক্তি দিন দিন তলানিতে ঠেকছে। মস্কোর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে জেরান চার (Geran-4) জেট-চালিত কামিকাজে ড্রোনের মাধ্যমে মিলয়া গ্রামের সামোরিক ডিপোটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। ইউক্রেনীয় সশস্ত্র বাহিনীর রকেট ও আর্টিলারি অস্ত্রের এই মূল ডিপোটি মুহূর্তে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। শত চেষ্টা করেও রাশিয়ার এই উন্নত ড্রোন প্রতিরোধ করতে পারেনি কিয়েভের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। এর ফলে ইউক্রেনের অস্ত্রাগারের মূল ভিত্তি নড়ে গেছে। হামলার পর পরিস্থিতি সামাল দিতে কিয়েভ আঞ্চলিক প্রশাসনের প্রধান তিমুর তকাচেঙ্কো (Timur Tkachenko) তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেন। তিনি নিশ্চিত করেন যে গুদামের আগুনে একের পর এক তীব্র বিস্ফোরণ ঘটে চলেছে। নিরাপত্তার স্বার্থে এম-জিরো-সিক্স (M-06) কিয়েভ-চপ হাইওয়ে সতেরো কিলোমিটার এলাকা উভয় দিক থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়। একই সাথে বাসিন্দাদের ভিডিও ধারণ না করার নির্দেশ দেওয়া হয় যাতে তাদের ব্যর্থতা ঢাকা পড়ে। এদিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি (Vladimir Zelensky) স্বীকার করেছেন যে মিলয়ার সামোরিক গুদামে সাতাশ জন নিহত হয়েছেন। তিনি আরো মেনে নেন যে এই বিপজ্জনক গোলাবারুদ আবাসিক এলাকার কাছে বেআইনিভাবে রাখা হয়েছিল। নিজের ব্যর্থতা ঢাকতে তিনি প্রশাসনিক অবহেলার তদন্তের নির্দেশ দিয়ে দায় এড়ানোর চেষ্টা করছেন। আবাসিক এলাকায় অস্ত্র রাখা যে তাদেরই ভুল ছিল, তা এখন পরিষ্কার। ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী সের্গেই করেটস্কি (Sergey Koretsky) এই ঘটনাকে তাদের অভ্যন্তরীণ মারাত্মক অপরাধমূলক অবহেলা হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন যে জুলাই মাসে ভয়াবহ বিস্ফোরণের পরও কোনো শিক্ষা নেওয়া হয়নি। আবাসিক এলাকায় বিস্ফোরক রাখার মতো একই ভুল বারবার করার কারণে সাধারণ মানুষের জীবন ঝুঁকিতে পড়ছে। এতে বোঝা যায় ইউক্রেনীয় প্রশাসনের প্রশাসনিক সমন্বয় কতটা দুর্বল হয়ে পড়েছে। এর আগে জুলাই মাসে বিষ্ণাভোয়ে (Vishnevoye) এলাকার সামোরিক গুদামেও ঠিক একইভাবে রাশিয়ার নির্ভুল স্ট্রাইকে বিস্ফোরণ ঘটেছিল। সেখানে ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় প্রতিরক্ষা সংস্থা উকরোবোরনপ্রোমের (Ukroboronprom) বিশাল অস্ত্রাগার ধ্বংস হয়ে যায়। পরে তদন্তে উঠে আসে যে সাধারণ মানুষের আবাসিক এলাকার একদম কাছেই অনুমতি ছাড়া বিস্ফোরক রাখা হয়েছিল। আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে বেসামোরিক নাগরিকদের এভাবে মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে কিয়েভ সরকার। পশ্চিমা গণমাধ্যম এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলোও স্বীকার করতে বাধ্য হচ্ছে যে ইউক্রেনীয় বাহিনী ক্রমশ যুদ্ধক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রের অনুসন্ধানী সাংবাদিক ক্রিস্টোফার হেলালি (Christopher Helali) স্পষ্ট বলেছেন যে কিয়েভ সরকার প্রতিদিন পরাজয়ের দিকে যাচ্ছে। তাদের হাত থেকে মুক্ত করা হচ্ছে বিশাল এলাকা। রাশিয়ান মিলিটারির অসীম সাহসিকতা ও নিখুঁত পরিকল্পনার সামনে ইউক্রেনীয় বাহিনী এখন অসহায়। যুদ্ধের ময়দানে রাশিয়ার অগ্রযাত্রা থামানোর কোনো ক্ষমতা এখন আর কিয়েভের হাতে নেই। বিগত চব্বিশ ঘণ্টায় রাশিয়ার সামোরিক বাহিনী ডোনেৎস্কের রুবেঝনয়ে (Rubezhnoye) এবং নভোআন্দ্রেয়েভকা (Novoandreyevka) সম্পূর্ণ মুক্ত করেছে। একই সাথে সুমি অঞ্চলের খরাপভশচিনা (Khrapovshchina) গ্রামের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে সেন্টারিং ব্যাটলগ্রুপ। রাশিয়ার এই একের পর এক জয়ে পুরো রণক্ষেত্রে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। শুধু এলাকা মুক্ত করাই নয়, ফ্রন্টলাইনে ইউক্রেনের মানবসম্পদের ওপরও বড় আঘাত হেনেছে রাশিয়ান আর্মি। চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে প্রায় এক হাজার চারশত পঁচিশ জন ইউক্রেনীয় সেনা নিহত হয়েছে। সেনাদলের সবচেয়ে বড় ক্ষতি হয়েছে ব্যাটলগ্রুপ সেন্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায়। ফলে সম্মুখসমরে সেনা সংকটে পড়া কিয়েভ বাহিনী এখন চরম দিশেহারা হয়ে পড়েছে। রাশিয়ার শক্তিশালী এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমও আকাশে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করে চলেছে। একদিনেই তারা ইউক্রেনের পাঁচটি গাইডেড এরিয়াল বোম এবং মার্কিন তৈরি দুটি হিমার্স (HIMARS) রকেট ধ্বংস করেছে। পাশাপাশি আটে বিশের বেশি ড্রোন এবং আটটি দূরপাল্লার ফ্লেমিংগো ক্রুজ মিসাইল আকাশে ধ্বংস করা হয়। রাশিয়ার এই আকাশ প্রতিরক্ষার প্রাচীর ভেদ করা ইউক্রেনের জন্য প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ অবকাঠামোতেও আঘাত হেনেছে রাশিয়ান অপারেশনাল-ট্যাকটিক্যাল এয়ারক্রাফট ও মিসাইল ফোর্সেস। দেশের চৌদ্দশো সাতচল্লিশটি এলাকায় ইউক্রেনীয় সেনাদের অস্থায়ী ঘাঁটি এবং বিদেশি ভাড়াটে সৈন্যদের আস্তানায় সফল স্ট্রাইক হয়েছে। এর ফলে ইউক্রেনের পেছনের সারির মূল লজিস্টিক সাপোর্ট ব্যবস্থা সম্পূর্ণ অচল হয়ে গেছে। সামোরিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা কিয়েভের পক্ষে সম্ভব নয়। এদিকে জার্মানির রাজনীতিতেও এই যুদ্ধের প্রতিক্রিয়া দারুণভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে। প্রধান বিরোধী দল অল্টারনেটিভ ফর জার্মানি (AfD) ইউক্রেনকে অন্ধভাবে সহায়তা দেওয়ার কঠোর বিরোধিতা করছে। তারা রাশিয়ার সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। জার্মানির জনগণও এখন বুঝতে পারছে যে রাশিয়ার সাথে শত্রুতা করে তাদের নিজেদের অর্থনীতিই ধ্বংস হচ্ছে। চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ মার্জ (Friedrich Merz) তীব্র রাজনৈতিক চাপে থাকলেও এএফডি (AfD) দলের জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। এক জরিপে দেখা গেছে প্রায় আটাত্তর শতাংশ মানুষ বর্তমান জার্মান সরকারের ওপর মারাত্মক অসন্তুষ্ট। কারণ সাধারণ মানুষের করের টাকা ইউক্রেনের অর্থহীন যুদ্ধে অপচয় করা হচ্ছে। ইউরোপের সাধারণ মানুষ এখন শান্তির পক্ষে এবং রাশিয়ার দাবির গুরুত্ব বুঝতে শুরু করেছে। উত্তরাঞ্চলীয় যুদ্ধক্ষেত্রে রাশিয়ার ব্যাটলগ্রুপ নর্থ তাদের অভিযান আরো জোরদার করেছে। সুমি ও খারকিভ অঞ্চলে তারা একদিনেই আশিজনের বেশি ইউক্রেনীয় সেনাকে নির্মূল করেছে। সাথে ধ্বংস করা হয়েছে পনেরোটি ড্রোন নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র এবং দুটি বড় গোলাবারুদ ডিপো। এই ধারাবাহিক আঘাতে উত্তরাঞ্চলের সীমান্ত এলাকায় রাশিয়ার একক আধিপত্য প্রতিষ্ঠা হয়েছে। সামনের সারিতে ইউক্রেনীয় বাহিনীর সাঁজোয়া যান ও আর্টিলারি গানগুলো একের পর এক ধ্বংস হচ্ছে। রাশিয়া অত্যন্ত দক্ষতার সাথে ইউক্রেনের সামোরিক সরঞ্জামের পরিসংখ্যান কমিয়ে আনছে। এ পর্যন্ত ত্রিশ হাজারের বেশি সাঁজোয়া যান এবং শত শত যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছে রাশিয়ান বাহিনী। এই বিশাল ক্ষতির পর ইউক্রেনের পুনরায় ঘুরে দাঁড়ানোর কোনো বাস্তবিক সুযোগ নেই। ফ্রন্টলাইনের পিছন থেকে নিয়ন্ত্রিত ড্রোন স্টেশনগুলো চিহ্নিত করে ধ্বংস করছে রাশিয়া। ব্যাটলগ্রুপ নর্থ চব্বিশ ঘণ্টায় একশত ছিষট্টিটি এরিয়াল ড্রোন এবং আটাশটি ভারী বাবা ইয়াগা (Baba Yaga) ড্রোন অচল করেছে। ইউক্রেনের ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্টেশনগুলোও এখন রাশিয়ার উন্নত প্রযুক্তির সামনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না। ফলে ইউক্রেনীয়দের ড্রোননির্ভর কৌশল সম্পূর্ণ ব্যর্থ হচ্ছে। বেসামোরিক মানুষের জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলে ইউক্রেন বাহিনী যে অপরাধ করছে, তা আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও নিন্দিত হচ্ছে। নিজেদের পরাজয় ঢাকতে তারা বারবার আবাসিক এলাকাকে সামোরিক কাজে ব্যবহার করছে। রাশিয়ার প্রতিটি নির্ভুল হামলা প্রমাণ করছে যে অন্যায়ভাবে গড়ে তোলা এসব অবৈধ অস্ত্রাগার রক্ষা করা অসম্ভব। সাধারণ মানুষকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করার এই নীতি কিয়েভের নৈতিক পরাজয়কে সামনে এনেছে। রাশিয়ান সশস্ত্র বাহিনী তাদের স্পষ্ট লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলেছে। পশ্চিমা সরবরাহ বন্ধ করা এবং ইউক্রেনের সামোরিক সক্ষমতা অচল করাই এখন তাদের মূল কৌশল। প্রতিটি হামলাই পূর্বপরিকল্পিত এবং আন্তর্জাতিক সামোরিক নীতি মেনেই পরিচালিত হচ্ছে। রাশিয়ার এই নিখুঁত স্ট্রাইকের কারণে ফ্রন্টলাইনে কিয়েভ বাহিনীর প্রতিরোধ ক্ষমতা প্রায় ভেঙে পড়েছে। রাশিয়া বারবার জোর দিয়ে বলেছে যে তারা সাধারণ নাগরিকদের ওপর আঘাত করে না। তাদের প্রতিটি মিসাইল ও ড্রোন কেবল সামোরিক কেন্দ্র, অস্ত্রাগার এবং জ্বালানি ডিপোতেই আঘাত হানছে। বিপরীতে ইউক্রেনীয় বাহিনীর বিশৃঙ্খল ও অবৈধ অস্ত্র মজুত প্রক্রিয়ার কারণে তাদের দেশের মানুষই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ সংস্থাগুলো এখন বাস্তব সত্যটি দেখতে পাচ্ছে। চলতি সামোরিক অভিযানে রাশিয়ার বিজয় এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র বলে মনে করছেন সামোরিক বিশ্লেষকরা। ইউক্রেন তাদের অভিজ্ঞ সেনা ও প্রধান অস্ত্রাগারগুলো একে একে হারাচ্ছে। পশ্চিমা মিত্রদের পাঠানো বিপুল অস্ত্রও তাদের পতন ঠেকাতে পারছে না। রাশিয়ার সুসংগঠিত আক্রমণ এবং উন্নত মিসাইল প্রযুক্তি রণক্ষেত্রের ভাগ্য ইতিমধ্যেই নির্ধারণ করে দিয়েছে। সমুদ্রবন্দর থেকে শুরু করে রাজধানী কিয়েভের আশেপাশের প্রতিটি রসদ সরবরাহ কেন্দ্র এখন রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে। ইউক্রেনীয় বাহিনীর কাছে এখন নতুন করে প্রতিরোধ গড়ে তোলার মতো প্রয়োজনীয় রসদ নেই। প্রতিটি পাল্টা হামলায় রাশিয়া তাদের শক্তি ও আধিপত্যের প্রমাণ দিচ্ছে। ফলে ইউক্রেন সরকারের সামনে পরাজয় স্বীকার করা ছাড়া অন্য কোনো পথ খোলা নেই। ফ্রন্টলাইনে রাশিয়ার সেনারা অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে প্রতিটি অঞ্চল মুক্ত করে এগিয়ে যাচ্ছে। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে এবং সামোরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করে তারা সফলতা পাচ্ছে। ইউক্রেনীয় বাহিনীর বিভ্রান্তিকর তথ্য ও ভুয়া প্রচার বাস্তবতার কাছে টিকতে পারছে না। মাঠপর্যায়ের আসল সত্য হলো রাশিয়া পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। পশ্চিমা বিশ্ব যত সামোরিক সাহায্যই দিক না কেন, যুদ্ধের বাস্তবতা পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। রাশিয়ার কৌশলগত প্রতিরক্ষা ও শক্তিশালী আক্রমণের সামনে কিয়েভ বাহিনীর পতন ত্বরান্বিত হচ্ছে। সামোরিক কেন্দ্রগুলো একের পর এক ছাই হয়ে যাওয়ায় ইউক্রেনের যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা শেষ হয়ে আসছে। সত্য ও শক্তির এই লড়াইয়ে রাশিয়ার অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে। সর্বশেষ এই স্ট্রাইক কিয়েভ ও তার মিত্রদের জন্য একটি স্পষ্ট বার্তা পাঠিয়েছে। রাশিয়ার নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলে কোনো সামোরিক অবকাঠামো টিকিয়ে রাখা যাবে না। কিয়েভের একের পর এক সামোরিক ভুল তাদের নিজেদের ধ্বংস ডেকে আনছে। সময় যত গড়াচ্ছে, রাশিয়ার বিজয় ততটাই সুনিশ্চিত ও স্পষ্ট হয়ে উঠছে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/800_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/800_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/09/800_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[দিল্লিতে আওয়ামী লীগ নেতাকে ঘিরে সেমিনার বাতিল! শেষ মুহূর্তে কেন থামল অনুষ্ঠান?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/exclusive/50990</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/exclusive/50990</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ আল মাসুম]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 31 Aug 2026 03:13:52 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[এক্সক্লুসিভ]]></category>
                <category><![CDATA[সর্বশেষ]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, news bangla, atn bangla news, bbc bangla news, top bangla news, live bangla news, bangla news live, ct news bangla, bangla tv news, bangla news today, notun bangla news, today bangla news, bbc news bangla, latest bangla news, bangla news update, bangla news khabar, bangla live news, bangla news today live, dupurer news bangla, bangla news today live tv, bangla news live bangladesh, bangladesh news, bangladeshi news, bangladesh tv news, bangladesh news today, banglanews, news17bangla, atn bangla, bbc bangla, ntv bangla, notun bangla]]></category>
        
        <description><![CDATA[একটা সেমিনার হওয়ার কথা ছিল ভারতের রাজধানীতে। বক্তা তালিকায় নাম ছিল আওয়ামী লীগের এক শীর্ষ নেতার। সব প্রস্তুতি শেষ, ঘোষণাও দেওয়া হয়ে গেছে আগে থেকে। কিন্তু অনুষ্ঠান শুরুর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে সব থেমে গেল। পুলিশ বলছে, তারা কিছুই করেনি। আয়োজকরা বলছেন, পুলিশই অনুমতি দেয়নি একদম শেষ মুহূর্তে। কে সত্যি বলছে? পুরো ঘটনাটা খুলে বলছি। শনিবার, ঊনত্রিশে আগস্ট, দুই হাজার ছাব্বিশ সালের সন্ধ্যা। নয়াদিল্লিতে একটা সেমিনার-কাম-প্রেস কনফারেন্স হওয়ার কথা ছিল। নাম ছিল, ইউরোপ ও এশিয়া, সংলাপ থেকে অংশীদারত্বের দিকে। আয়োজক ছিল ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব অব সাউথ এশিয়া, সংক্ষেপে এফসিসি। অনুষ্ঠানটি হওয়ার কথা ছিল সন্ধ্যা ছয়টা থেকে সাড়ে আটটা পর্যন্ত। এফসিসি আগে থেকেই তাদের এক্স অ্যাকাউন্টে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছিল। সেখানে বক্তাদের নাম আর বিষয়বস্তুও উল্লেখ করা হয়েছিল। কিন্তু অনুষ্ঠান শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে খবর আসে, অনুমতি নেই। এফসিসি তাদের সদস্যদের জানায়, দিল্লি পুলিশ অনুমতি দিচ্ছে না। তাই শেষ পর্যন্ত সেমিনারটি বাতিল করতে বাধ্য হন আয়োজকরা। তাদের বিবৃতিতে বলা হয়, এটি একটি অস্পষ্ট ও অব্যাখ্যায়িত হস্তক্ষেপ। এফসিসি বলেছে, এই সিদ্ধান্ত ছিল সম্পূর্ণ তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। এখন প্রশ্ন হলো, পুলিশ কেন অনুমতি দিল না? এই বিষয়ে দুই ধরনের বক্তব্য পাওয়া গেছে। প্রথমত, এক ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা বিবিসি বাংলাকে জানান একটি কথা। তিনি বলেন, অপ্রীতিকর পরিস্থিতির শঙ্কা থাকলে পুলিশ অনুষ্ঠান বাতিল করতে পারে। দ্বিতীয়ত, কিছু ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের কাছে একটি নথি পৌঁছায়। নথিটি ছিল তিলাক মার্গ থানার, এফসিসির আবেদনের ওপর হাতে লেখা। সেখানে লেখা ছিল, কিছু বিতর্কের কারণে অনুষ্ঠান অনুমোদিত নয়। এই নথিতে থানার সিলও ছিল, যা সিদ্ধান্তটি নিশ্চিত করে। কিন্তু অন্যদিকে সম্পূর্ণ ভিন্ন কথা বলেছেন এক পুলিশ কর্মকর্তা। নয়াদিল্লির ডেপুটি কমিশনার শচীন শর্মা দ্য প্রিন্টকে জানান একটি বক্তব্য। তিনি বলেন, এফসিসির প্যানেল আলোচনার জন্য পুলিশের অনুমতির দরকার নেই। তিনি আরও বলেন, তাদের কোনো কর্মসূচিতে পুলিশ হস্তক্ষেপ করেনি। তাহলে এফসিসি আর পুলিশের বক্তব্যের মধ্যে স্পষ্ট একটা দ্বন্দ্ব আছে। এফসিসির সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ নন্দা আরেকটি তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, পুলিশ তাদের জানিয়েছিল, ওপরতলা থেকে নির্দেশ আছে। এতে বোঝা যায়, সিদ্ধান্তটি হয়তো স্থানীয় থানার চেয়েও উঁচু পর্যায়ের। এবার আসি, কারা এই সেমিনারে অংশ নিতেন তাদের কথায়। মূল আকর্ষণ ছিলেন আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক। তার নাম, ড. সেলিম মাহমুদ, বক্তা হিসেবে তালিকায় ছিলেন। বাংলাদেশে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান চলাকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধ, হত্যা, গণহত্যা ও রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে। তাই দলটির কোনো নেতার আন্তর্জাতিক মঞ্চে উপস্থিতি স্পর্শকাতর একটি বিষয়। এফসিসির সভাপতি ওয়াইল আওয়াদ বলেছেন, অনুষ্ঠানটি ছিল পার্টনারশিপ নিয়ে। আয়োজকরা পরে পুলিশকে জানায়, সব বাংলাদেশি বক্তাকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তবুও অনুমতি মেলেনি বলে দাবি করা হয়েছে কিছু প্রতিবেদনে। এই পুরো ঘটনার একটা পটভূমিও আছে, যেটা জানা জরুরি। সাম্প্রতিক সময়ে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা একটি ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন করেন। সেটি নিয়ে বাংলাদেশ আর ভারতের মধ্যে কূটনৈতিক অস্বস্তি তৈরি হয়েছিল। সেই সংবাদ সম্মেলনও এফসিসিই আয়োজন করেছিল আগে একবার। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়্যার আর দ্য প্রিন্ট একটি বিষয় লিখেছে। তারা বলছে, পুলিশ নতুন বিতর্ক এড়াতেই এই সেমিনারটি বন্ধ করেছে। এফসিসির সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ নন্দা একটি প্রশ্ন তুলেছেন সরাসরি। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসা নেতাদের ভিসা তো দেওয়া হয়েছিল। তাহলে ভিসা দিয়েও কেন অনুষ্ঠান করতে দেওয়া হলো না, সেটাই তার প্রশ্ন। বর্তমানে সেমিনারটি বাতিলই আছে, আর এফসিসি সেটি নিশ্চিত করেছে। পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা এখনো আসেনি। বাংলাদেশ সরকারের প্রতিক্রিয়াও এই মুহূর্তে স্পষ্ট নয়। এফসিসি ও দিল্লি পুলিশের বক্তব্যের মধ্যে দ্বন্দ্ব এখনো রয়ে গেছে। একদিকে থানার নথি, অন্যদিকে ডিসিপির অস্বীকৃতি, দুটোই সামনে আছে। বাংলাদেশ আর ভারতের সংবাদমাধ্যমেও ঘটনাটি ব্যাপকভাবে প্রকাশিত হয়েছে। দুই দেশের সম্পর্কের বর্তমান প্রেক্ষাপটেই এই ঘটনা ঘটেছে বলে মনে করা হচ্ছে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/805_1.webp" alt="দিল্লিতে আওয়ামী লীগ নেতাকে ঘিরে সেমিনার বাতিল! শেষ মুহূর্তে কেন থামল অনুষ্ঠান?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>দিল্লিতে আওয়ামী লীগ নেতাকে ঘিরে সেমিনার বাতিল! শেষ মুহূর্তে কেন থামল অনুষ্ঠান?</h1>
            <p>একটা সেমিনার হওয়ার কথা ছিল ভারতের রাজধানীতে। বক্তা তালিকায় নাম ছিল আওয়ামী লীগের এক শীর্ষ নেতার। সব প্রস্তুতি শেষ, ঘোষণাও দেওয়া হয়ে গেছে আগে থেকে। কিন্তু অনুষ্ঠান শুরুর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে সব থেমে গেল। পুলিশ বলছে, তারা কিছুই করেনি। আয়োজকরা বলছেন, পুলিশই অনুমতি দেয়নি একদম শেষ মুহূর্তে। কে সত্যি বলছে? পুরো ঘটনাটা খুলে বলছি। শনিবার, ঊনত্রিশে আগস্ট, দুই হাজার ছাব্বিশ সালের সন্ধ্যা। নয়াদিল্লিতে একটা সেমিনার-কাম-প্রেস কনফারেন্স হওয়ার কথা ছিল। নাম ছিল, ইউরোপ ও এশিয়া, সংলাপ থেকে অংশীদারত্বের দিকে। আয়োজক ছিল ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব অব সাউথ এশিয়া, সংক্ষেপে এফসিসি। অনুষ্ঠানটি হওয়ার কথা ছিল সন্ধ্যা ছয়টা থেকে সাড়ে আটটা পর্যন্ত। এফসিসি আগে থেকেই তাদের এক্স অ্যাকাউন্টে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছিল। সেখানে বক্তাদের নাম আর বিষয়বস্তুও উল্লেখ করা হয়েছিল। কিন্তু অনুষ্ঠান শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে খবর আসে, অনুমতি নেই। এফসিসি তাদের সদস্যদের জানায়, দিল্লি পুলিশ অনুমতি দিচ্ছে না। তাই শেষ পর্যন্ত সেমিনারটি বাতিল করতে বাধ্য হন আয়োজকরা। তাদের বিবৃতিতে বলা হয়, এটি একটি অস্পষ্ট ও অব্যাখ্যায়িত হস্তক্ষেপ। এফসিসি বলেছে, এই সিদ্ধান্ত ছিল সম্পূর্ণ তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। এখন প্রশ্ন হলো, পুলিশ কেন অনুমতি দিল না? এই বিষয়ে দুই ধরনের বক্তব্য পাওয়া গেছে। প্রথমত, এক ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা বিবিসি বাংলাকে জানান একটি কথা। তিনি বলেন, অপ্রীতিকর পরিস্থিতির শঙ্কা থাকলে পুলিশ অনুষ্ঠান বাতিল করতে পারে। দ্বিতীয়ত, কিছু ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের কাছে একটি নথি পৌঁছায়। নথিটি ছিল তিলাক মার্গ থানার, এফসিসির আবেদনের ওপর হাতে লেখা। সেখানে লেখা ছিল, কিছু বিতর্কের কারণে অনুষ্ঠান অনুমোদিত নয়। এই নথিতে থানার সিলও ছিল, যা সিদ্ধান্তটি নিশ্চিত করে। কিন্তু অন্যদিকে সম্পূর্ণ ভিন্ন কথা বলেছেন এক পুলিশ কর্মকর্তা। নয়াদিল্লির ডেপুটি কমিশনার শচীন শর্মা দ্য প্রিন্টকে জানান একটি বক্তব্য। তিনি বলেন, এফসিসির প্যানেল আলোচনার জন্য পুলিশের অনুমতির দরকার নেই। তিনি আরও বলেন, তাদের কোনো কর্মসূচিতে পুলিশ হস্তক্ষেপ করেনি। তাহলে এফসিসি আর পুলিশের বক্তব্যের মধ্যে স্পষ্ট একটা দ্বন্দ্ব আছে। এফসিসির সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ নন্দা আরেকটি তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, পুলিশ তাদের জানিয়েছিল, ওপরতলা থেকে নির্দেশ আছে। এতে বোঝা যায়, সিদ্ধান্তটি হয়তো স্থানীয় থানার চেয়েও উঁচু পর্যায়ের। এবার আসি, কারা এই সেমিনারে অংশ নিতেন তাদের কথায়। মূল আকর্ষণ ছিলেন আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক। তার নাম, ড. সেলিম মাহমুদ, বক্তা হিসেবে তালিকায় ছিলেন। বাংলাদেশে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান চলাকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধ, হত্যা, গণহত্যা ও রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে। তাই দলটির কোনো নেতার আন্তর্জাতিক মঞ্চে উপস্থিতি স্পর্শকাতর একটি বিষয়। এফসিসির সভাপতি ওয়াইল আওয়াদ বলেছেন, অনুষ্ঠানটি ছিল পার্টনারশিপ নিয়ে। আয়োজকরা পরে পুলিশকে জানায়, সব বাংলাদেশি বক্তাকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তবুও অনুমতি মেলেনি বলে দাবি করা হয়েছে কিছু প্রতিবেদনে। এই পুরো ঘটনার একটা পটভূমিও আছে, যেটা জানা জরুরি। সাম্প্রতিক সময়ে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা একটি ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন করেন। সেটি নিয়ে বাংলাদেশ আর ভারতের মধ্যে কূটনৈতিক অস্বস্তি তৈরি হয়েছিল। সেই সংবাদ সম্মেলনও এফসিসিই আয়োজন করেছিল আগে একবার। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়্যার আর দ্য প্রিন্ট একটি বিষয় লিখেছে। তারা বলছে, পুলিশ নতুন বিতর্ক এড়াতেই এই সেমিনারটি বন্ধ করেছে। এফসিসির সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ নন্দা একটি প্রশ্ন তুলেছেন সরাসরি। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসা নেতাদের ভিসা তো দেওয়া হয়েছিল। তাহলে ভিসা দিয়েও কেন অনুষ্ঠান করতে দেওয়া হলো না, সেটাই তার প্রশ্ন। বর্তমানে সেমিনারটি বাতিলই আছে, আর এফসিসি সেটি নিশ্চিত করেছে। পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা এখনো আসেনি। বাংলাদেশ সরকারের প্রতিক্রিয়াও এই মুহূর্তে স্পষ্ট নয়। এফসিসি ও দিল্লি পুলিশের বক্তব্যের মধ্যে দ্বন্দ্ব এখনো রয়ে গেছে। একদিকে থানার নথি, অন্যদিকে ডিসিপির অস্বীকৃতি, দুটোই সামনে আছে। বাংলাদেশ আর ভারতের সংবাদমাধ্যমেও ঘটনাটি ব্যাপকভাবে প্রকাশিত হয়েছে। দুই দেশের সম্পর্কের বর্তমান প্রেক্ষাপটেই এই ঘটনা ঘটেছে বলে মনে করা হচ্ছে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/805_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/805_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/805_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ওয়ালটন হাই-টেকের শক্তিশালী আর্থিক অগ্রগতি, ১৮০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ সুপারিশ]]></title>
        <link>https://nbs24.org/economy/50967</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/economy/50967</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 30 Aug 2026 20:21:37 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
                <category><![CDATA[শেয়ারবাজার]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, r bangla news, atn bangla news, bbc bangla news, top bangla news, live bangla news, bangla news live, bangla tv news, bangla news today, notun bangla news, today bangla news, r bangla news live, bbc news bangla, latest bangla news, bangla news update, bangla news khabar, bangla live news, republic bangla news, bangla news today live, news 18 bangla live, bangla news today live tv, bangla news live bangladesh, republic bangla live news, bangladesh news, bangladesh tv news, bangladesh news today, banglanews, r bangla, news17bangla]]></category>
        
        <description><![CDATA[পুঁজিবাজারে প্রকৌশল খাতে তালিকাভুক্ত দেশের শীর্ষ ইলেকট্রনিক্স, ইলেকট্রিক্যাল ও প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে আর্থিক সক্ষমতা ও পরিচালন দক্ষতায় ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে।  কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের ৫৪তম সভায় ৩০ জুন ২০২৬ সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী অনুমোদনের পাশাপাশি শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৮০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ এবং ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ সুপারিশ করা হয়েছে। অর্থাৎ, ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে শেয়ারহোল্ডাররা ১৮ টাকা নগদ লভ্যাংশ এবং প্রতি ১০টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে একটি (০১) করে বোনাস শেয়ার পাবেন। কোম্পানির নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ হিসাব বছরে কোম্পানিটির মুনাফা হয়েছে ১১২৪ কোটি ৫৭ লাখ ৮ হাজার ৪৯৪ টাকা। যেখানে আগের হিসাব বছরে প্রতিষ্ঠানটির মুনাফা হয়েছিল ১,০৩৬ কোটি ৬১ লাখ ৬০ হাজার ৩৬৩ টাকা।  ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ওয়ালটনের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৩ টাকা ৭৫ পয়সা, যা আগের অর্থবছরে ছিল ৩১ টাকা ১১ পয়সা। কোম্পানির আয় বৃদ্ধির পেছনে নিট রেভিনিউ গত বছরের চেয়ে ৩২২ কোটি ৫৬ লাখ টাকা বা ৪.৫৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি এবং অর্থায়ন ব্যয় ২৬৭ কোটি ২৬ লাখ টাকা হ্রাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। আগের অর্থবছরে অর্থায়ন ব্যয় ছিল ৪৪৮ কোটি ৪০ লাখ টাকা, যা বিক্রয়ের ৬.৩৩ শতাংশ; চলতি অর্থবছরে তা কমে বিক্রয়ের ২.৪৫ শতাংশে নেমে এসেছে। একই সময়ে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নিট পরিচালন নগদ প্রবাহ বা নিট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে ৬৩ টাকা ৭২ পয়সায় উন্নীত হয়েছে, যা আগের অর্থবছরে ছিল ৫২ টাকা ৯১ পয়সা। এ উন্নতির পেছনে গ্রাহকদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ ৬৯৪ কোটি ৩৬ লাখ টাকা বা ৮.৮৪ শতাংশ বৃদ্ধি এবং সরবরাহকারীদের অর্থ পরিশোধ ২.৩১ শতাংশ কমে আসা প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে পুনর্মূল্যায়নসহ ওয়ালটনের মোট নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে প্রায় ১২ হাজার ৭০৪ কোটি টাকা, যা আগের অর্থবছরে ছিল প্রায় ১২ হাজার ১০৯ কোটি টাকা। পুনর্মূল্যায়নসহ শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য বেড়ে হয়েছে ৩৮১ টাকা ২৬ পয়সা, যা আগের বছর ছিল ৩৬৩ টাকা ৪০ পয়সা। পুনর্মূল্যায়ন ছাড়া শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্যও ২৬২ টাকা ৮ পয়সা থেকে বেড়ে ২৮০ টাকা ২৪ পয়সায় উন্নীত হয়েছে। প্রতিবেদনের তথ্যমতে, প্রস্তাবিত ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ কোম্পানির চলমান গ্রিন এনার্জি সক্ষমতা স¤প্রসারণ, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতকরণ এবং অন্যান্য আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণমূলক (ইগজঊ) কার্যক্রমে অর্থায়নের লক্ষ্যে সুপারিশ করা হয়েছে। এ স্টক লভ্যাংশ সম্পূর্ণভাবে রিটেইনড আর্নিংস থেকে প্রদান করা হবে। লভ্যাংশ প্রাপ্তির জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬। কোম্পানির ২০তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হবে। রেকর্ড ডেটে যেসব শেয়ারহোল্ডারের নাম সিডিবিএল ডিপোজিটরি রেজিস্টারে থাকবে, তারা ঘোষিত লভ্যাংশ পাওয়ার পাশাপাশি এজিএমে অংশগ্রহণের যোগ্য হবেন।  ওয়ালটন কর্তৃপক্ষ জানায়, বিভিন্ন খাতে পরিচালন ব্যয় নিয়ন্ত্রণ করার পাশাপাশি দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যবসা সম্প্রসারনের মাধ্যমে পণ্য বিক্রির স্বাভাবিক ধারা বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে কোম্পানির দক্ষ ম্যানেজমেন্ট। ফলে নানান প্রতিকূলতার মধ্যেও গত হিসাব বছরে কোম্পানির মুনাফা হয়েছে ১১২৪.৫৭ কোটি টাকা। ভবিষ্যতেও মুনাফা অর্জনের ক্ষেত্রে কোম্পানি আরো সফলতার দিকে এগিয়ে যাবে বলে দৃঢ় আশাবাদী ওয়ালটন কর্তৃপক্ষ।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_30-8-26_22.webp" alt="ওয়ালটন হাই-টেকের শক্তিশালী আর্থিক অগ্রগতি, ১৮০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ সুপারিশ" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ওয়ালটন হাই-টেকের শক্তিশালী আর্থিক অগ্রগতি, ১৮০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ সুপারিশ</h1>
            <p>পুঁজিবাজারে প্রকৌশল খাতে তালিকাভুক্ত দেশের শীর্ষ ইলেকট্রনিক্স, ইলেকট্রিক্যাল ও প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে আর্থিক সক্ষমতা ও পরিচালন দক্ষতায় ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে।  কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের ৫৪তম সভায় ৩০ জুন ২০২৬ সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী অনুমোদনের পাশাপাশি শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৮০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ এবং ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ সুপারিশ করা হয়েছে। অর্থাৎ, ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে শেয়ারহোল্ডাররা ১৮ টাকা নগদ লভ্যাংশ এবং প্রতি ১০টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে একটি (০১) করে বোনাস শেয়ার পাবেন। কোম্পানির নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ হিসাব বছরে কোম্পানিটির মুনাফা হয়েছে ১১২৪ কোটি ৫৭ লাখ ৮ হাজার ৪৯৪ টাকা। যেখানে আগের হিসাব বছরে প্রতিষ্ঠানটির মুনাফা হয়েছিল ১,০৩৬ কোটি ৬১ লাখ ৬০ হাজার ৩৬৩ টাকা।  ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ওয়ালটনের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৩ টাকা ৭৫ পয়সা, যা আগের অর্থবছরে ছিল ৩১ টাকা ১১ পয়সা। কোম্পানির আয় বৃদ্ধির পেছনে নিট রেভিনিউ গত বছরের চেয়ে ৩২২ কোটি ৫৬ লাখ টাকা বা ৪.৫৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি এবং অর্থায়ন ব্যয় ২৬৭ কোটি ২৬ লাখ টাকা হ্রাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। আগের অর্থবছরে অর্থায়ন ব্যয় ছিল ৪৪৮ কোটি ৪০ লাখ টাকা, যা বিক্রয়ের ৬.৩৩ শতাংশ; চলতি অর্থবছরে তা কমে বিক্রয়ের ২.৪৫ শতাংশে নেমে এসেছে। একই সময়ে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নিট পরিচালন নগদ প্রবাহ বা নিট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে ৬৩ টাকা ৭২ পয়সায় উন্নীত হয়েছে, যা আগের অর্থবছরে ছিল ৫২ টাকা ৯১ পয়সা। এ উন্নতির পেছনে গ্রাহকদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ ৬৯৪ কোটি ৩৬ লাখ টাকা বা ৮.৮৪ শতাংশ বৃদ্ধি এবং সরবরাহকারীদের অর্থ পরিশোধ ২.৩১ শতাংশ কমে আসা প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে পুনর্মূল্যায়নসহ ওয়ালটনের মোট নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে প্রায় ১২ হাজার ৭০৪ কোটি টাকা, যা আগের অর্থবছরে ছিল প্রায় ১২ হাজার ১০৯ কোটি টাকা। পুনর্মূল্যায়নসহ শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য বেড়ে হয়েছে ৩৮১ টাকা ২৬ পয়সা, যা আগের বছর ছিল ৩৬৩ টাকা ৪০ পয়সা। পুনর্মূল্যায়ন ছাড়া শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্যও ২৬২ টাকা ৮ পয়সা থেকে বেড়ে ২৮০ টাকা ২৪ পয়সায় উন্নীত হয়েছে। প্রতিবেদনের তথ্যমতে, প্রস্তাবিত ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ কোম্পানির চলমান গ্রিন এনার্জি সক্ষমতা স¤প্রসারণ, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতকরণ এবং অন্যান্য আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণমূলক (ইগজঊ) কার্যক্রমে অর্থায়নের লক্ষ্যে সুপারিশ করা হয়েছে। এ স্টক লভ্যাংশ সম্পূর্ণভাবে রিটেইনড আর্নিংস থেকে প্রদান করা হবে। লভ্যাংশ প্রাপ্তির জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬। কোম্পানির ২০তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হবে। রেকর্ড ডেটে যেসব শেয়ারহোল্ডারের নাম সিডিবিএল ডিপোজিটরি রেজিস্টারে থাকবে, তারা ঘোষিত লভ্যাংশ পাওয়ার পাশাপাশি এজিএমে অংশগ্রহণের যোগ্য হবেন।  ওয়ালটন কর্তৃপক্ষ জানায়, বিভিন্ন খাতে পরিচালন ব্যয় নিয়ন্ত্রণ করার পাশাপাশি দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যবসা সম্প্রসারনের মাধ্যমে পণ্য বিক্রির স্বাভাবিক ধারা বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে কোম্পানির দক্ষ ম্যানেজমেন্ট। ফলে নানান প্রতিকূলতার মধ্যেও গত হিসাব বছরে কোম্পানির মুনাফা হয়েছে ১১২৪.৫৭ কোটি টাকা। ভবিষ্যতেও মুনাফা অর্জনের ক্ষেত্রে কোম্পানি আরো সফলতার দিকে এগিয়ে যাবে বলে দৃঢ় আশাবাদী ওয়ালটন কর্তৃপক্ষ।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_30-8-26_22.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_30-8-26_22.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_30-8-26_22.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[বিদ্যুৎ সংকট কার জন্য? ইউনূস আমলে Solar Plant বাতিলের জবাব কে দেবে?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/exclusive/50966</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/exclusive/50966</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ আল মাসুম]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 30 Aug 2026 20:21:37 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[এক্সক্লুসিভ]]></category>
                <category><![CDATA[সর্বশেষ]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, r bangla news, atn bangla news, bbc bangla news, top bangla news, live bangla news, bangla news live, bangla tv news, bangla news today, notun bangla news, today bangla news, r bangla news live, bbc news bangla, latest bangla news, bangla news update, bangla news khabar, bangla live news, republic bangla news, bangla news today live, news 18 bangla live, bangla news today live tv, bangla news live bangladesh, republic bangla live news, bangladesh news, bangladesh tv news, bangladesh news today, banglanews, r bangla, news17bangla]]></category>
        
        <description><![CDATA[বাংলাদেশে লোডশেডিং নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। একদিকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট, অন্যদিকে অতীতে করা সোলার বিদ্যুৎ প্রকল্পের চুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সোলার বিদ্যুৎকেন্দ্রের একাধিক Letter of Intent বাতিল বা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হয়েছিল? দুর্নীতি, অস্বচ্ছতা, অসম চুক্তি ও আইনি ঝুঁকির যে অভিযোগ তুলে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, সেগুলোর বাস্তব ভিত্তি কী ছিল? অন্যদিকে বর্তমানে লোডশেডিং, শিল্প উৎপাদন, জ্বালানি সংকট এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে আলোচনা হচ্ছে। বাতিল হওয়া প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে বিদ্যুৎ পরিস্থিতিতে কতটা পরিবর্তন আসতে পারত, সেটিও বড় প্রশ্ন। এই ভিডিওতে আমরা বিশ্লেষণ করেছি বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সংকট, সোলার পাওয়ার প্রকল্প, ইউনূস সরকারের সিদ্ধান্ত, বর্তমান সরকারের নবায়নযোগ্য জ্বালানি পরিকল্পনা, বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ এবং সোলার প্রকল্প বাতিলের দায় নিয়ে ওঠা প্রশ্নগুলো। লোডশেডিংয়ের জন্য আসলে দায়ী কে? সোলার প্রকল্প বাতিলের সিদ্ধান্ত কি সঠিক ছিল? ভবিষ্যতে বাংলাদেশ কীভাবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলা করবে?]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/804_1.webp" alt="বিদ্যুৎ সংকট কার জন্য? ইউনূস আমলে Solar Plant বাতিলের জবাব কে দেবে?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>বিদ্যুৎ সংকট কার জন্য? ইউনূস আমলে Solar Plant বাতিলের জবাব কে দেবে?</h1>
            <p>বাংলাদেশে লোডশেডিং নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। একদিকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট, অন্যদিকে অতীতে করা সোলার বিদ্যুৎ প্রকল্পের চুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সোলার বিদ্যুৎকেন্দ্রের একাধিক Letter of Intent বাতিল বা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হয়েছিল? দুর্নীতি, অস্বচ্ছতা, অসম চুক্তি ও আইনি ঝুঁকির যে অভিযোগ তুলে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, সেগুলোর বাস্তব ভিত্তি কী ছিল? অন্যদিকে বর্তমানে লোডশেডিং, শিল্প উৎপাদন, জ্বালানি সংকট এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে আলোচনা হচ্ছে। বাতিল হওয়া প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে বিদ্যুৎ পরিস্থিতিতে কতটা পরিবর্তন আসতে পারত, সেটিও বড় প্রশ্ন। এই ভিডিওতে আমরা বিশ্লেষণ করেছি বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সংকট, সোলার পাওয়ার প্রকল্প, ইউনূস সরকারের সিদ্ধান্ত, বর্তমান সরকারের নবায়নযোগ্য জ্বালানি পরিকল্পনা, বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ এবং সোলার প্রকল্প বাতিলের দায় নিয়ে ওঠা প্রশ্নগুলো। লোডশেডিংয়ের জন্য আসলে দায়ী কে? সোলার প্রকল্প বাতিলের সিদ্ধান্ত কি সঠিক ছিল? ভবিষ্যতে বাংলাদেশ কীভাবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলা করবে?</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/804_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/804_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/804_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ওয়ালটনের ৪০ ইঞ্চি টিভি কিনে ১০০ ইঞ্চি টিভি উপহার পেলেন জেসমিন]]></title>
        <link>https://nbs24.org/economy/50965</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/economy/50965</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 30 Aug 2026 20:21:37 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
                <category><![CDATA[করপোরেট খবর]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, r bangla news, atn bangla news, bbc bangla news, top bangla news, live bangla news, bangla news live, bangla tv news, bangla news today, notun bangla news, today bangla news, r bangla news live, bbc news bangla, latest bangla news, bangla news update, bangla news khabar, bangla live news, republic bangla news, bangla news today live, news 18 bangla live, bangla news today live tv, bangla news live bangladesh, republic bangla live news, bangladesh news, bangladesh tv news, bangladesh news today, banglanews, r bangla, news17bangla]]></category>
        
        <description><![CDATA[সৌভাগ্যবান ক্রেতা জেসমিন আক্তার ঝর্ণার হাতে ওয়ালটন থেকে উপহার পাওয়া ১০০ ইঞ্চি টিভি তুলে দিচ্ছেন জনপ্রিয় অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ দেশের টেক-জায়ান্ট এবং নাম্বার ওয়ান টেলিভিশন ব্র্যান্ড ওয়ালটনের ৪০ ইঞ্চি টেলিভিশন কিনে বিশাল পর্দার আরেকটি ১০০ ইঞ্চি টিভি উপহার পেয়েছেন চট্টগ্রামের হালিশহরের বাসিন্দা জেসমিন আক্তার ঝর্ণা। ফুটবল বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে দেশব্যাপী পরিচালিত ওয়ালটন টিভির ‘হ্যাট্রিক অফার’ ক্যাম্পেইনের আওতায় ১০০ ইঞ্চি টিভি উপহার পেয়ে জেসমিনের পরিবার মহাখুশি। সম্প্রতি চট্টগ্রামের ওয়ালটন প্লাজা ইপিজেড শাখায় আনুষ্ঠানিকভাবে জেসমিনের হাতে ১০০ ইঞ্চি ওয়ালটন টেলিভিশন তুলে দেন জনপ্রিয় অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ। জানা গেছে, গত মাসে বন্দর নগরীর দক্ষিণ হালিশহরের ওয়ালটন প্লাজা ইপিজেড শাখা থেকে ৩৬ হাজার ৯০০ টাকায় একটি ৪০ ইঞ্চি টিভি কেনেন জেসমিন। কেনার পর তার নাম, মোবাইল নাম্বার এবং ক্রয়কৃত টিভির মডেল নাম্বার দিয়ে ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। রেজিস্ট্রেশন করার কিছুক্ষণ ওয়ালটন থেকে ৪ লাখ ৬৯ হাজার ৯৯০ টাকা দামের ১০০ ইঞ্চির আরেকটি টিভি উপহার পাওয়ার মেসেজ পান তিনি। দুই ছেলের মা গৃহিণী জেসমিন আক্তার ঝর্ণা জানান, প্রথমে এতো বড় উপহার পাওয়ার মেসেজ দেখে বিশ্বাস হয়নি। কিন্তু শোরুম থেকে ফোন করে ১০০ ইঞ্চি টিভি উপহার পেয়েছি জানানোর পর খুশিতে আত্মহারা হয়ে পড়ি। একটি টিভি কিনে আরেকটি এমন বড় টিভি পাওয়া যায় তা সত্যিই অকল্পনীয়। নিজেকে অত্যন্ত সৌভাগ্যবান মনে হচ্ছে। ওয়ালটন টিভির সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ। ওয়ালটন টিভির চিফ বিজনেস অফিসার এম এম সৌরভ আকতার বলেন, গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটনের আন্তর্জাতিকমানের টেলিভিশন ম্যানুফ্যাকচারিং প্ল্যান্টে ইউরোপিয়ান ডিজাইন ও স্ট্যান্ডার্ডে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির গুগল অ্যান্ড্রয়েড স্মার্ট টিভি উৎপাদন করা হচ্ছে। নিজস্ব কারখানায় টেলিভিশন উৎপাদনের প্রতিটি ধাপে অত্যন্ত কঠোরভাবে গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। উন্নত পিকচার কোয়ালিটি, উচ্চ গুণগতমান, সাশ্রয়ী দাম, দেশজুড়ে বিস্তৃত আইএসও স্ট্যান্ডার্ড সার্ভিস নেটওয়ার্কের মাধ্যমে দ্রুত ও সর্বোত্তম বিক্রয়োত্তর সেবার নিশ্চয়তা, এসব কারণে দেশের সিংহভাগ ক্রেতার আস্থা অর্জন করে নিয়েছে ওয়ালটন টিভি। সেইসঙ্গে ধরে রেখেছে দেশের নাম্বার ওয়ান টেলিভিশন ব্র্যান্ডেরও খেতাব। এই সাফল্য অর্জনে বড় কৃতিত্ব রেখেছেন সাধারণ ক্রেতারা। তাই গ্রাহকদের জন্য বিশেষ সুবিধা হিসেবে হ্যাট্রিক অফার ক্যাম্পেইনের আওতায় ওয়ালটন টিভি ক্রয়ে ১০০ ইঞ্চির জায়ান্ট স্ক্রিনের টিভি উপহার দেয়ার এই উদ্যোগ নেয়া হয়।     টেলিভিশন হস্তান্তর অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটনের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ঈমান হোসাইনসহ ওয়ালটন প্লাজা সেলস নেটওয়ার্কের কর্মকর্তারা।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_30-8-26_21.webp" alt="ওয়ালটনের ৪০ ইঞ্চি টিভি কিনে ১০০ ইঞ্চি টিভি উপহার পেলেন জেসমিন" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ওয়ালটনের ৪০ ইঞ্চি টিভি কিনে ১০০ ইঞ্চি টিভি উপহার পেলেন জেসমিন</h1>
            <p>সৌভাগ্যবান ক্রেতা জেসমিন আক্তার ঝর্ণার হাতে ওয়ালটন থেকে উপহার পাওয়া ১০০ ইঞ্চি টিভি তুলে দিচ্ছেন জনপ্রিয় অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ দেশের টেক-জায়ান্ট এবং নাম্বার ওয়ান টেলিভিশন ব্র্যান্ড ওয়ালটনের ৪০ ইঞ্চি টেলিভিশন কিনে বিশাল পর্দার আরেকটি ১০০ ইঞ্চি টিভি উপহার পেয়েছেন চট্টগ্রামের হালিশহরের বাসিন্দা জেসমিন আক্তার ঝর্ণা। ফুটবল বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে দেশব্যাপী পরিচালিত ওয়ালটন টিভির ‘হ্যাট্রিক অফার’ ক্যাম্পেইনের আওতায় ১০০ ইঞ্চি টিভি উপহার পেয়ে জেসমিনের পরিবার মহাখুশি। সম্প্রতি চট্টগ্রামের ওয়ালটন প্লাজা ইপিজেড শাখায় আনুষ্ঠানিকভাবে জেসমিনের হাতে ১০০ ইঞ্চি ওয়ালটন টেলিভিশন তুলে দেন জনপ্রিয় অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ। জানা গেছে, গত মাসে বন্দর নগরীর দক্ষিণ হালিশহরের ওয়ালটন প্লাজা ইপিজেড শাখা থেকে ৩৬ হাজার ৯০০ টাকায় একটি ৪০ ইঞ্চি টিভি কেনেন জেসমিন। কেনার পর তার নাম, মোবাইল নাম্বার এবং ক্রয়কৃত টিভির মডেল নাম্বার দিয়ে ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। রেজিস্ট্রেশন করার কিছুক্ষণ ওয়ালটন থেকে ৪ লাখ ৬৯ হাজার ৯৯০ টাকা দামের ১০০ ইঞ্চির আরেকটি টিভি উপহার পাওয়ার মেসেজ পান তিনি। দুই ছেলের মা গৃহিণী জেসমিন আক্তার ঝর্ণা জানান, প্রথমে এতো বড় উপহার পাওয়ার মেসেজ দেখে বিশ্বাস হয়নি। কিন্তু শোরুম থেকে ফোন করে ১০০ ইঞ্চি টিভি উপহার পেয়েছি জানানোর পর খুশিতে আত্মহারা হয়ে পড়ি। একটি টিভি কিনে আরেকটি এমন বড় টিভি পাওয়া যায় তা সত্যিই অকল্পনীয়। নিজেকে অত্যন্ত সৌভাগ্যবান মনে হচ্ছে। ওয়ালটন টিভির সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ। ওয়ালটন টিভির চিফ বিজনেস অফিসার এম এম সৌরভ আকতার বলেন, গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটনের আন্তর্জাতিকমানের টেলিভিশন ম্যানুফ্যাকচারিং প্ল্যান্টে ইউরোপিয়ান ডিজাইন ও স্ট্যান্ডার্ডে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির গুগল অ্যান্ড্রয়েড স্মার্ট টিভি উৎপাদন করা হচ্ছে। নিজস্ব কারখানায় টেলিভিশন উৎপাদনের প্রতিটি ধাপে অত্যন্ত কঠোরভাবে গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। উন্নত পিকচার কোয়ালিটি, উচ্চ গুণগতমান, সাশ্রয়ী দাম, দেশজুড়ে বিস্তৃত আইএসও স্ট্যান্ডার্ড সার্ভিস নেটওয়ার্কের মাধ্যমে দ্রুত ও সর্বোত্তম বিক্রয়োত্তর সেবার নিশ্চয়তা, এসব কারণে দেশের সিংহভাগ ক্রেতার আস্থা অর্জন করে নিয়েছে ওয়ালটন টিভি। সেইসঙ্গে ধরে রেখেছে দেশের নাম্বার ওয়ান টেলিভিশন ব্র্যান্ডেরও খেতাব। এই সাফল্য অর্জনে বড় কৃতিত্ব রেখেছেন সাধারণ ক্রেতারা। তাই গ্রাহকদের জন্য বিশেষ সুবিধা হিসেবে হ্যাট্রিক অফার ক্যাম্পেইনের আওতায় ওয়ালটন টিভি ক্রয়ে ১০০ ইঞ্চির জায়ান্ট স্ক্রিনের টিভি উপহার দেয়ার এই উদ্যোগ নেয়া হয়।     টেলিভিশন হস্তান্তর অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটনের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ঈমান হোসাইনসহ ওয়ালটন প্লাজা সেলস নেটওয়ার্কের কর্মকর্তারা।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_30-8-26_21.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_30-8-26_21.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_30-8-26_21.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[যে কারণে ২৫ টাকা ইউনিট! ময়লা বিদ্যুৎ বনাম লীগের কুটচাল!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/exclusive/50964</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/exclusive/50964</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ আল মাসুম]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 30 Aug 2026 20:17:24 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[এক্সক্লুসিভ]]></category>
                <category><![CDATA[সর্বশেষ]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, r bangla news, atn bangla news, bbc bangla news, top bangla news, live bangla news, bangla news live, bangla tv news, bangla news today, notun bangla news, today bangla news, r bangla news live, bbc news bangla, latest bangla news, bangla news update, bangla news khabar, bangla live news, republic bangla news, bangla news today live, news 18 bangla live, bangla news today live tv, bangla news live bangladesh, republic bangla live news, bangladesh news, bangladesh tv news, bangladesh news today, banglanews, r bangla, news17bangla]]></category>
        
        <description><![CDATA[আমিনবাজারের দীর্ঘদিনের ময়লার ভাগাড় এবার রূপ নিতে যাচ্ছে Waste-to-Energy প্রকল্পে। প্রতিদিন প্রায় ৩ হাজার টন বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করে উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে ৪২.৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ, যা জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার কথা। কিন্তু এই প্রকল্পের বিদ্যুতের দাম নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন। প্রতি ইউনিট প্রায় ২৫ টাকা কেন? চীনা কোম্পানি CMEC-এর বিনিয়োগের অর্থ কী? বাংলাদেশ কি সত্যিই চীন থেকে বিদ্যুৎ কিনছে, নাকি বাংলাদেশের মাটিতেই বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে? এই ভিডিওতে আমিনবাজার Waste-to-Energy প্রকল্পের ইতিহাস, পুরনো চুক্তি, বর্তমান অগ্রগতি, বিদ্যুতের দাম, পরিবেশগত সুবিধা, চীনা বিনিয়োগ এবং সংবাদ শিরোনাম ঘিরে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তি বিস্তারিতভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে মাতুয়াইলসহ ভবিষ্যতে বাংলাদেশের অন্যান্য শহরে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনা এবং প্রকল্পটির চ্যালেঞ্জ নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/797_1.webp" alt="যে কারণে ২৫ টাকা ইউনিট! ময়লা বিদ্যুৎ বনাম লীগের কুটচাল!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>যে কারণে ২৫ টাকা ইউনিট! ময়লা বিদ্যুৎ বনাম লীগের কুটচাল!</h1>
            <p>আমিনবাজারের দীর্ঘদিনের ময়লার ভাগাড় এবার রূপ নিতে যাচ্ছে Waste-to-Energy প্রকল্পে। প্রতিদিন প্রায় ৩ হাজার টন বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করে উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে ৪২.৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ, যা জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার কথা। কিন্তু এই প্রকল্পের বিদ্যুতের দাম নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন। প্রতি ইউনিট প্রায় ২৫ টাকা কেন? চীনা কোম্পানি CMEC-এর বিনিয়োগের অর্থ কী? বাংলাদেশ কি সত্যিই চীন থেকে বিদ্যুৎ কিনছে, নাকি বাংলাদেশের মাটিতেই বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে? এই ভিডিওতে আমিনবাজার Waste-to-Energy প্রকল্পের ইতিহাস, পুরনো চুক্তি, বর্তমান অগ্রগতি, বিদ্যুতের দাম, পরিবেশগত সুবিধা, চীনা বিনিয়োগ এবং সংবাদ শিরোনাম ঘিরে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তি বিস্তারিতভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে মাতুয়াইলসহ ভবিষ্যতে বাংলাদেশের অন্যান্য শহরে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনা এবং প্রকল্পটির চ্যালেঞ্জ নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/797_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/797_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/797_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[সংকট নাকি পরিকল্পিত খেলা? বিদ্যুৎ সংকট কেন হঠাৎ? নসরুল হামিদকে ঘিরে বড় অভিযোগ]]></title>
        <link>https://nbs24.org/exclusive/50864</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/exclusive/50864</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ আল মাসুম]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sat, 29 Aug 2026 15:50:00 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[এক্সক্লুসিভ]]></category>
                <category><![CDATA[সর্বশেষ]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, r bangla news, news bangla, bangla news news24 tv, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bangla tv news, bangla news today, bbc news bangla, latest bangla news, bangla news update, republic bangla news, news 18 bangla live, bangla newsnews, bangladesh news, bangladeshi news, bangladesh tv news, bangladesh news today, news today bangladesh, banglanews, latest bangladesh news, bangladesh news update, r bangla, bangla tv, atn bangla, bbc bangla, ntv bangla, r bangla live, news24 news, bangla khobor, iran news, taza news, news]]></category>
        
        <description><![CDATA[দেশে হঠাৎ বেড়েছে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট। চাহিদা ও সরবরাহের বড় ব্যবধান, লোডশেডিং, জ্বালানি সংকট এবং বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর উৎপাদন নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন। এই সংকট কি শুধু গ্যাস, LNG ও কয়লার ঘাটতির কারণে? নাকি দীর্ঘদিনের ভুল নীতি ও কাঠামোগত দুর্বলতার সুযোগে নতুন করে কোনো সিন্ডিকেট সক্রিয় হয়েছে? এই আলোচনায় উঠে এসেছে সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুকে ঘিরে বিভিন্ন অভিযোগ, আমলাদের ভূমিকা, বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রের বকেয়া, পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় অতিরিক্ত লোডশেডিং এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সম্ভাব্য নাশকতা নিয়ে প্রশ্ন। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে নিরপেক্ষ তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত দুর্বলতা এবং বর্তমান সংকট—দুই দিকই বিশ্লেষণ করা হয়েছে এই ভিডিওতে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/795_1.webp" alt="সংকট নাকি পরিকল্পিত খেলা? বিদ্যুৎ সংকট কেন হঠাৎ? নসরুল হামিদকে ঘিরে বড় অভিযোগ" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>সংকট নাকি পরিকল্পিত খেলা? বিদ্যুৎ সংকট কেন হঠাৎ? নসরুল হামিদকে ঘিরে বড় অভিযোগ</h1>
            <p>দেশে হঠাৎ বেড়েছে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট। চাহিদা ও সরবরাহের বড় ব্যবধান, লোডশেডিং, জ্বালানি সংকট এবং বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর উৎপাদন নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন। এই সংকট কি শুধু গ্যাস, LNG ও কয়লার ঘাটতির কারণে? নাকি দীর্ঘদিনের ভুল নীতি ও কাঠামোগত দুর্বলতার সুযোগে নতুন করে কোনো সিন্ডিকেট সক্রিয় হয়েছে? এই আলোচনায় উঠে এসেছে সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুকে ঘিরে বিভিন্ন অভিযোগ, আমলাদের ভূমিকা, বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রের বকেয়া, পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় অতিরিক্ত লোডশেডিং এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সম্ভাব্য নাশকতা নিয়ে প্রশ্ন। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে নিরপেক্ষ তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত দুর্বলতা এবং বর্তমান সংকট—দুই দিকই বিশ্লেষণ করা হয়েছে এই ভিডিওতে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/795_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/795_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/795_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইউরোপের অর্থনৈতিক বিপর্যয় এবং ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ান মিলিটারির ধারাবাহিক সাফল্যের প্রকৃত বিবরণ]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/50863</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/50863</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sat, 29 Aug 2026 15:50:00 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, r bangla news, news bangla, bangla news news24 tv, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bangla tv news, bangla news today, bbc news bangla, latest bangla news, bangla news update, republic bangla news, news 18 bangla live, bangla newsnews, bangladesh news, bangladeshi news, bangladesh tv news, bangladesh news today, news today bangladesh, banglanews, latest bangladesh news, bangladesh news update, r bangla, bangla tv, atn bangla, bbc bangla, ntv bangla, r bangla live, news24 news, bangla khobor, iran news, taza news, news]]></category>
        
        <description><![CDATA[ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভুল নীতি কি তাদের নিজেদের অর্থনীতি ধ্বংস করে দিচ্ছে? একদিকে রাশিয়ান মিলিটারির একের পর এক কৌশলগত বিজয়, অন্যদিকে ফ্রন্টলাইনে ইউক্রেনীয় বাহিনীর বিপুল ক্ষয়ক্ষতি। পশ্চিমা অস্ত্র ব্যবসায়ীদের পকেট ভরতে গিয়ে কীভাবে সাধারণ ইউরোপীয় নাগরিকরা দেউলিয়া হওয়ার পথে, তা জানতে পুরো ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন। ইউরোপীয় ইউনিয়ন বর্তমানে এক অভূতপূর্ব অর্থনৈতিক সংকটের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে। রাশিয়ার ওপর একের পর এক নিষেধাজ্ঞা জারি করে ইউরোপীয় নেতারা ভেবেছিলেন তারা মস্কোকে চেপে ধরবেন। কিন্তু বাস্তবতা সম্পূর্ণ উল্টো রূপ ধারণ করেছে। রাশিয়ার সস্তা জ্বালানি তেল এবং প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানি বন্ধ করে ইউরোপ নিজের পায়েই কুড়াল মেরেছে। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট Ursula von der Leyen (উর্সুলা ফন ডার লেয়েন) সম্প্রতি প্যারিসের এক সম্মেলনে অকপটে একটি সত্য স্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন ইউরোপীয় অর্থনৈতিক মডেল এতদিন ধরে যার ওপর দাঁড়িয়েছিল সেই সস্তা জ্বালানির দিন এখন শেষ। সস্তা শক্তি ছাড়া ইউরোপের শিল্পকারখানা টিকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বর্তমানে ইউরোপের জ্বালানি খরচ আমেরিকা এবং চীনের চেয়ে প্রায় দুই থেকে তিন গুণ বেশি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই অস্বাভাবিক জ্বালানি মূল্যের কারণে জার্মানি সহ ইউরোপের প্রধান শিল্পোন্নত দেশগুলোর উৎপাদন খরচ চরমভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে বিশ্ববাজারে ইউরোপীয় পণ্যের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা মারাত্মকভাবে হ্রাস পেয়েছে। জার্মানির চ্যান্সেলর Friedrich Merz (ফ্রিডরিশ মার্জ) স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন যে রাশিয়া থেকে গ্যাস আমদানি বন্ধ করাই বর্তমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের প্রধান কারণ। ২০২২ সালের আগে জার্মানি তাদের প্রয়োজনীয় প্রাকৃতিক গ্যাসের পঁচানব্বই শতাংশ রাশিয়া থেকে সরবরাহ পেত। সেই সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ায় জার্মান ইন্ডাস্ট্রি এখন ধ্বংসের মুখোমুখি। একই সুর শোনা গেছে ফরাসি প্রেসিডেন্ট Emmanuel Macron (ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ)-র কণ্ঠেও। তিনি সতর্ক করে বলেছেন যে সস্তা রাশিয়ান পাইপলাইন গ্যাসের বদলে আমেরিকা থেকে চড়া দামে তরলীকৃত গ্যাস বা এলএনজি আনতে গিয়ে পুরো ইউরোপীয় ইউনিয়ন এখন জরুরি অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। আমেরিকান গ্যাসের দাম স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি। শীতকাল আসন্ন হলেও ইউরোপের গ্যাস মজুত বিগত পনেরো বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ব্রাসেলসের কঠোর অবস্থান সত্ত্বেও অনেক ইউরোপীয় দেশ গোপনে আবার রাশিয়ান এলএনজি কেনা বাড়িয়ে দিয়েছে। কারণ শীতের রাতে বিদ্যুৎ ও হিটিং ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখতে রাশিয়ান গ্যাসের বিকল্প নেই। মস্কো বারবার বলে এসেছে যে ইউরোপের এসব নিষেধাজ্ঞা আসলে আত্মঘাতী পদক্ষেপ ছাড়া আর কিছুই নয়। রাশিয়া তাদের জ্বালানি রফতানি ইউরোপ থেকে সরিয়ে এশিয়ার উদীয়মান বাজারগুলোতে সফলভাবে স্থানান্তরিত করেছে। এর ফলে মস্কোর অর্থনীতি স্থিতিশীল রয়েছে কিন্তু ইউরোপীয় জনগণ এখন চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। অর্থনৈতিক সংকটের পাশাপাশি ইউক্রেন ইস্যুতে ইউরোপীয় নেতাদের অভ্যন্তরীণ রেষারেষিও এখন প্রকাশ্যে চলে এসেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইউক্রেনের জন্য প্রায় নব্বই বিলিয়ন ইউরো ঋণের অনুমোদন দিয়েছে। এই বিপুল অর্থ দিয়ে মূলত ইউক্রেনের জন্য অস্ত্র কেনা হবে যা ভবিষ্যতে ইউক্রেনকেই পরিশোধ করতে হবে। তবে এই ঋণের ৬০ বিলিয়ন ইউরো দিয়ে কীভাবে অস্ত্র কেনা হবে তা নিয়ে ফরাসি সরকার এক চতুর চাল ছেলেছে। তারা চায় ইউক্রেন যেন ইউরোপের বাইরের কোনো দেশ থেকে অস্ত্র কিনতে না পারে। মূলত ফ্রান্সের উদ্দেশ্য হলো এই বিপুল পরিমাণ অর্থ ফরাসি অস্ত্র প্রস্তুতকারী কোম্পানিগুলোর পকেটে ঢুকানো। ইউক্রেন এতদিন তাদের জরুরি প্রয়োজনে আমেরিকা বা চীন থেকে ড্রোন ও মিসাইল কেনাকাটা করত। কিন্তু ফ্রান্স এখন শর্ত জুড়ে দিচ্ছে যাতে ইউক্রেনকে বাধ্য হয়ে ফরাসি অস্ত্রই কিনতে হয়। ইউক্রেন যুদ্ধের এই সুযোগে ইউরোপীয় অস্ত্র ব্যবসায়ীদের মুনাফা বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। জার্মানির সর্ববৃহৎ প্রতিরক্ষা ঠিকাদার কোম্পানি Rheinmetall (রাইনমেটাল)-এর শেয়ারের দাম বিগত ছয় বছরে দশ গুণেরও বেশি বেড়েছে। চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকেই তাদের রাজস্ব আয় প্রায় সত্তর শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে তিনশো ছাব্বিশ কোটি ইউরোতে পৌঁছেছে। সাধারণ মানুষ যখন কষ্টে আছে তখন অস্ত্র ব্যবসায়ীরা বিপুল মুনাফা লুটছে। এদিকে কূটনীতিক আলোচনার টেবিলেও পশ্চিমা বিশ্বের প্রতারণার চিত্র উন্মোচিত করেছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী Sergey Lavrov (সের্গেই লাভরভ)। তিনি সম্প্রতি মস্কোয় ভ্যাটিকানের প্রতিনিধি এবং মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ পরিচালকের সঙ্গে বৈঠকের কথা নিশ্চিত করেছেন। ভ্যাটিকানের প্রতিনিধি যুদ্ধবিরতির অনুরোধ জানালেও লাভরভ বাস্তব পরিস্থিতি তুলে ধরেন। সের্গেই লাভরভ ভ্যাটিকান দূতকে মনে করিয়ে দেন যে ২০১৪ সালের ইউরোমাইদান চুক্তি থেকে শুরু করে মিনস্ক চুক্তি পর্যন্ত প্রতিটি সমঝোতা ইউক্রেন এবং তার পশ্চিমা সহযোগীরা লঙ্ঘন করেছে। এমনকি দুই হাজার বাইশ সালে ইস্তাম্বুলে হওয়া শান্তি আলোচনাও ব্রিটেনের প্ররোচনায় ইউক্রেন একতরফাভাবে বাতিল করেছিল। রাশিয়া স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে কেবল যুদ্ধবিরতি করে ফ্রন্টলাইন ফ্রিজ বা বরফাবৃত করার পশ্চিমা প্রস্তাব মস্কো মানবে না। কারণ এটি ইউক্রেনীয় বাহিনীকে আবার সংগঠিত হওয়ার এবং পুনর্গঠিত হওয়ার সুযোগ দেবে। লাভরভ স্পষ্ট বলেছেন যে পশ্চিমা কূটনীতির মূল ভিত্তিই হলো প্রতারণা ও প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করা। গত বছরের Anchorage (অ্যাঙ্করেজ) সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump (ডোনাল্ড ট্রাম্প)-এর প্রতিনিধি Steve Witkoff (স্টিভ উইটকফ)-এর সঙ্গে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট Vladimir Putin (ভ্লাদিমির পুতিন)-এর যে সমঝোতা হয়েছিল তা পরবর্তীতে ফরাসি ও ব্রিটিশ নেতারা নস্যাৎ করে দেন। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট একতরফা ঘোষণা দেন যে অ্যাঙ্করেজ চুক্তি বাতিল হয়ে গেছে। পশ্চিমা নেতাদের এই ধারাবাহিক বিশ্বাসঘাতকতার কারণে মস্কো এখন কূটনৈতিক প্রতিশ্রুতিতে সমস্ত আস্থা হারিয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী লাভরভ বলেছেন রাশিয়া এতদিন মানুষদের বিশ্বাস করে এসেছে কিন্তু এখন সেই বিশ্বাসের শেষ পরিণতি ঘটে গেছে। পশ্চিমের সাথে সম্পর্ক আর কখনো দুই হাজার বাইশ সালের আগের জায়গায় ফিরবে না। একদিকে কূটনৈতিক জটিলতা অন্যদিকে রণক্ষেত্রে রাশিয়ান মিলিটারির সামরিক সাফল্য অব্যাহত রয়েছে। আগস্টের বাইশ থেকে আটাশ তারিখের মধ্যে মাত্র এক সপ্তাহে রাশিয়ান ফোর্সের নর্থ, সেন্টার এবং ইস্ট ব্যাটলগ্রুপ ইউক্রেনের সাতটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা সম্পূর্ণ মুক্ত করেছে। এতে ইউক্রেনীয় ফ্রন্টলাইন ব্যাকফুটে চলে গেছে। সুমি অঞ্চলের পের্শে ট্রাভনিয়া ও পিসারেভকা এবং ডোনেৎস্ক পিপলস রিপাবলিকের আনোভকা ও কুচেরভ ইয়ার গ্রাম এখন রাশিয়ান মিলিটারির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে। এছাড়া ঝাপোরোজিয়ে অঞ্চলের দোলিংকা, নেঝেঙ্কা এবং শেভচেঙ্কোভস্কো এলাকায় রাশিয়ান ব্যাটলগ্রুপ ইস্ট তাদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছে। রাশিয়ান সশস্ত্র বাহিনী ইউক্রেনের সামরিক পরিকাঠামো লক্ষ্য করে অত্যন্ত নিখুঁত একশো তিরিশটি কম্বাইন্ড এবং ম্যাসিভ এয়ার স্ট্রাইক পরিচালনা করেছে। এই হামলায় ইউক্রেনের সামরিক কারখানা, ড্রোন তৈরির ওয়ার্কশপ, জ্বালানি ডিপো এবং গুরুত্বপূর্ণ ট্রান্সপোর্ট হাবগুলো পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। এমনকি কৃষ্ণসাগরের সমুদ্রবন্দরেও রাশিয়ান মিলিটারির হামলা জোরদার করা হয়েছে। ইউক্রেনীয় নৌবাহিনীর একটি টহলদারি বোট এবং বিদেশি সামরিক সরঞ্জাম বহনকারী ছয়টি কার্গো জাহাজ ও দুটি তেলের ট্যাঙ্কার রাশিয়ান হামলায় ধ্বংস হয়েছে। ইউক্রেনের সামরিক সরবরাহ পথ এখন প্রায় বিচ্ছিন্ন। পশ্চিমের গোয়েন্দা তথ্যে দাবি করা হচ্ছে যে রাশিয়ান মিলিটারি প্রতিদিন প্রায় এক হাজার নতুন যোদ্ধা তাদের বাহিনীতে যুক্ত করছে। তবে তীব্র যুদ্ধের কারণে ইউক্রেনীয় ফোর্সের প্রতি মাসে বিপুল পরিমাণ সেনা ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে যা তারা পূরণ করতে পারছে না। ফলে ইউক্রেনীয় ডিফেন্স লাইন দিন দিন দুর্বল হয়ে পড়ছে। ইউক্রেনীয় ফোর্সের সামর্থ্য কমে যাওয়ায় তারা রাশিয়ার বেসামরিক অবকাঠামো এবং জ্বালানি কেন্দ্রে ড্রোন হামলা চালানোর চেষ্টা করছে। কিন্তু রাশিয়ান এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম অত্যন্ত কার্যকরভাবে সেসব হামলা নশ্যাৎ করে দিচ্ছে। মাত্র এক সপ্তাহে রাশিয়ান এয়ার ডিফেন্স প্রায় ছয় হাজার ইউক্রেনীয় ড্রোন ধ্বংস করেছে। এছাড়া আমেরিকান তৈরি HIMARS (হাইমার্স) রকেট এবং ফ্লামিঙ্গো লং রেঞ্জ ক্রুজ মিসাইল আকাশেই ধ্বংস করেছে রাশিয়ান বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। আকাশসীমায় রাশিয়ার এই একচ্ছত্র আধিপত্যের কারণে ইউক্রেনীয় বাহিনী কোনো ধরণের পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারছে না। ইউক্রেন তাদের সেনা সংকট ঢাকতে জোরপূর্বক সাধারণ নাগরিকদের সামরিক বাহিনীতে যোগ দিতে বাধ্য করছে। উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ও সরঞ্জামের অভাবে ফ্রন্টলাইনে আসা এসব ইউক্রেনীয় সেনা খুব অল্প সময়ের মধ্যেই হতাহত হচ্ছে। সেনাদলের মধ্যে চরম হতাশা ও আত্মসমর্পণ করার প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী Andy Burnham (অ্যান্ডি বার্নহাম) সম্প্রতি কিয়েভ সফর করে ইউক্রেনকে মিসাইল প্রযুক্তি ও গোপন সামরিক তথ্য দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। তবে সামরিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন যে সামান্য কিছু পশ্চিমা অস্ত্র দিয়ে ফ্রন্টলাইনের বাস্তব চিত্র বদলানো কোনোভাবেই সম্ভব নয়। ন্যাটোর সামরিক বিশেষজ্ঞরা স্বীকার করতে বাধ্য হচ্ছেন যে রাশিয়ান সামরিক বাহিনীর উৎপাদন ক্ষমতা এবং দূরপাল্লার মিসাইল রিজার্ভ আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। পশ্চিমাদের দেয়া আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলোও রাশিয়ান হাইপারসনিক ও প্রেসিশন মিসাইলের আক্রমণ ঠেকাতে ব্যর্থ হচ্ছে। পশ্চিমের রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা আশা করেছিলেন যে নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে রাশিয়ার অর্থনীতি অচল করে দেওয়া যাবে। কিন্তু রাশিয়ার রিয়েল জিডিপি প্রবৃদ্ধি এবং সামরিক শিল্প উৎপাদন প্রমাণ করছে যে রাশিয়ার অর্থনীতি পুরোপুরি আত্মনির্ভরশীল এবং যেকোনো ধরনের বাহ্যিক চাপ মোকাবিলায় সক্ষম। ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থনৈতিক শক্তি যেভাবে হ্রাস পাচ্ছে তাতে অদূর ভবিষ্যতে ইউরোপের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাও হুমকির মুখে পড়বে। সাধারণ ইউরোপীয় জনগণ এখন নিজেদের সরকারের ব্যয়বহুল ইউক্রেন নীতির বিরুদ্ধে রাস্তায় নামতে শুরু করেছে। পরিস্থিতি পর্যালোচনা করলে স্পষ্ট বোঝা যায় যে অর্থনৈতিক ও সামরিক দুই দিক থেকেই রাশিয়া নিজের অবস্থান শক্ত করে নিয়েছে। পশ্চিমা দেশগুলোর ভুল সিদ্ধান্ত এবং যুদ্ধের উসকানি মূলত ইউক্রেন ও ইউরোপীয় ইউনিয়নকেই চরম ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে পশ্চিমের উচিত যুদ্ধ বাড়ানোর অপচেষ্টা বন্ধ করে বাস্তবতাকে মেনে নেওয়া। রাশিয়ার নিরাপত্তা স্বার্থকে উপেক্ষা করে এবং মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে এই সংকট সমাধান করা কখনো সম্ভব নয় তা এখন বিশ্ববাসীর কাছে পরিষ্কার হয়ে গেছে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/796_1.webp" alt="ইউরোপের অর্থনৈতিক বিপর্যয় এবং ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ান মিলিটারির ধারাবাহিক সাফল্যের প্রকৃত বিবরণ" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইউরোপের অর্থনৈতিক বিপর্যয় এবং ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ান মিলিটারির ধারাবাহিক সাফল্যের প্রকৃত বিবরণ</h1>
            <p>ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভুল নীতি কি তাদের নিজেদের অর্থনীতি ধ্বংস করে দিচ্ছে? একদিকে রাশিয়ান মিলিটারির একের পর এক কৌশলগত বিজয়, অন্যদিকে ফ্রন্টলাইনে ইউক্রেনীয় বাহিনীর বিপুল ক্ষয়ক্ষতি। পশ্চিমা অস্ত্র ব্যবসায়ীদের পকেট ভরতে গিয়ে কীভাবে সাধারণ ইউরোপীয় নাগরিকরা দেউলিয়া হওয়ার পথে, তা জানতে পুরো ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন। ইউরোপীয় ইউনিয়ন বর্তমানে এক অভূতপূর্ব অর্থনৈতিক সংকটের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে। রাশিয়ার ওপর একের পর এক নিষেধাজ্ঞা জারি করে ইউরোপীয় নেতারা ভেবেছিলেন তারা মস্কোকে চেপে ধরবেন। কিন্তু বাস্তবতা সম্পূর্ণ উল্টো রূপ ধারণ করেছে। রাশিয়ার সস্তা জ্বালানি তেল এবং প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানি বন্ধ করে ইউরোপ নিজের পায়েই কুড়াল মেরেছে। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট Ursula von der Leyen (উর্সুলা ফন ডার লেয়েন) সম্প্রতি প্যারিসের এক সম্মেলনে অকপটে একটি সত্য স্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন ইউরোপীয় অর্থনৈতিক মডেল এতদিন ধরে যার ওপর দাঁড়িয়েছিল সেই সস্তা জ্বালানির দিন এখন শেষ। সস্তা শক্তি ছাড়া ইউরোপের শিল্পকারখানা টিকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বর্তমানে ইউরোপের জ্বালানি খরচ আমেরিকা এবং চীনের চেয়ে প্রায় দুই থেকে তিন গুণ বেশি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই অস্বাভাবিক জ্বালানি মূল্যের কারণে জার্মানি সহ ইউরোপের প্রধান শিল্পোন্নত দেশগুলোর উৎপাদন খরচ চরমভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে বিশ্ববাজারে ইউরোপীয় পণ্যের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা মারাত্মকভাবে হ্রাস পেয়েছে। জার্মানির চ্যান্সেলর Friedrich Merz (ফ্রিডরিশ মার্জ) স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন যে রাশিয়া থেকে গ্যাস আমদানি বন্ধ করাই বর্তমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের প্রধান কারণ। ২০২২ সালের আগে জার্মানি তাদের প্রয়োজনীয় প্রাকৃতিক গ্যাসের পঁচানব্বই শতাংশ রাশিয়া থেকে সরবরাহ পেত। সেই সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ায় জার্মান ইন্ডাস্ট্রি এখন ধ্বংসের মুখোমুখি। একই সুর শোনা গেছে ফরাসি প্রেসিডেন্ট Emmanuel Macron (ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ)-র কণ্ঠেও। তিনি সতর্ক করে বলেছেন যে সস্তা রাশিয়ান পাইপলাইন গ্যাসের বদলে আমেরিকা থেকে চড়া দামে তরলীকৃত গ্যাস বা এলএনজি আনতে গিয়ে পুরো ইউরোপীয় ইউনিয়ন এখন জরুরি অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। আমেরিকান গ্যাসের দাম স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি। শীতকাল আসন্ন হলেও ইউরোপের গ্যাস মজুত বিগত পনেরো বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ব্রাসেলসের কঠোর অবস্থান সত্ত্বেও অনেক ইউরোপীয় দেশ গোপনে আবার রাশিয়ান এলএনজি কেনা বাড়িয়ে দিয়েছে। কারণ শীতের রাতে বিদ্যুৎ ও হিটিং ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখতে রাশিয়ান গ্যাসের বিকল্প নেই। মস্কো বারবার বলে এসেছে যে ইউরোপের এসব নিষেধাজ্ঞা আসলে আত্মঘাতী পদক্ষেপ ছাড়া আর কিছুই নয়। রাশিয়া তাদের জ্বালানি রফতানি ইউরোপ থেকে সরিয়ে এশিয়ার উদীয়মান বাজারগুলোতে সফলভাবে স্থানান্তরিত করেছে। এর ফলে মস্কোর অর্থনীতি স্থিতিশীল রয়েছে কিন্তু ইউরোপীয় জনগণ এখন চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। অর্থনৈতিক সংকটের পাশাপাশি ইউক্রেন ইস্যুতে ইউরোপীয় নেতাদের অভ্যন্তরীণ রেষারেষিও এখন প্রকাশ্যে চলে এসেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইউক্রেনের জন্য প্রায় নব্বই বিলিয়ন ইউরো ঋণের অনুমোদন দিয়েছে। এই বিপুল অর্থ দিয়ে মূলত ইউক্রেনের জন্য অস্ত্র কেনা হবে যা ভবিষ্যতে ইউক্রেনকেই পরিশোধ করতে হবে। তবে এই ঋণের ৬০ বিলিয়ন ইউরো দিয়ে কীভাবে অস্ত্র কেনা হবে তা নিয়ে ফরাসি সরকার এক চতুর চাল ছেলেছে। তারা চায় ইউক্রেন যেন ইউরোপের বাইরের কোনো দেশ থেকে অস্ত্র কিনতে না পারে। মূলত ফ্রান্সের উদ্দেশ্য হলো এই বিপুল পরিমাণ অর্থ ফরাসি অস্ত্র প্রস্তুতকারী কোম্পানিগুলোর পকেটে ঢুকানো। ইউক্রেন এতদিন তাদের জরুরি প্রয়োজনে আমেরিকা বা চীন থেকে ড্রোন ও মিসাইল কেনাকাটা করত। কিন্তু ফ্রান্স এখন শর্ত জুড়ে দিচ্ছে যাতে ইউক্রেনকে বাধ্য হয়ে ফরাসি অস্ত্রই কিনতে হয়। ইউক্রেন যুদ্ধের এই সুযোগে ইউরোপীয় অস্ত্র ব্যবসায়ীদের মুনাফা বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। জার্মানির সর্ববৃহৎ প্রতিরক্ষা ঠিকাদার কোম্পানি Rheinmetall (রাইনমেটাল)-এর শেয়ারের দাম বিগত ছয় বছরে দশ গুণেরও বেশি বেড়েছে। চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকেই তাদের রাজস্ব আয় প্রায় সত্তর শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে তিনশো ছাব্বিশ কোটি ইউরোতে পৌঁছেছে। সাধারণ মানুষ যখন কষ্টে আছে তখন অস্ত্র ব্যবসায়ীরা বিপুল মুনাফা লুটছে। এদিকে কূটনীতিক আলোচনার টেবিলেও পশ্চিমা বিশ্বের প্রতারণার চিত্র উন্মোচিত করেছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী Sergey Lavrov (সের্গেই লাভরভ)। তিনি সম্প্রতি মস্কোয় ভ্যাটিকানের প্রতিনিধি এবং মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ পরিচালকের সঙ্গে বৈঠকের কথা নিশ্চিত করেছেন। ভ্যাটিকানের প্রতিনিধি যুদ্ধবিরতির অনুরোধ জানালেও লাভরভ বাস্তব পরিস্থিতি তুলে ধরেন। সের্গেই লাভরভ ভ্যাটিকান দূতকে মনে করিয়ে দেন যে ২০১৪ সালের ইউরোমাইদান চুক্তি থেকে শুরু করে মিনস্ক চুক্তি পর্যন্ত প্রতিটি সমঝোতা ইউক্রেন এবং তার পশ্চিমা সহযোগীরা লঙ্ঘন করেছে। এমনকি দুই হাজার বাইশ সালে ইস্তাম্বুলে হওয়া শান্তি আলোচনাও ব্রিটেনের প্ররোচনায় ইউক্রেন একতরফাভাবে বাতিল করেছিল। রাশিয়া স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে কেবল যুদ্ধবিরতি করে ফ্রন্টলাইন ফ্রিজ বা বরফাবৃত করার পশ্চিমা প্রস্তাব মস্কো মানবে না। কারণ এটি ইউক্রেনীয় বাহিনীকে আবার সংগঠিত হওয়ার এবং পুনর্গঠিত হওয়ার সুযোগ দেবে। লাভরভ স্পষ্ট বলেছেন যে পশ্চিমা কূটনীতির মূল ভিত্তিই হলো প্রতারণা ও প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করা। গত বছরের Anchorage (অ্যাঙ্করেজ) সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump (ডোনাল্ড ট্রাম্প)-এর প্রতিনিধি Steve Witkoff (স্টিভ উইটকফ)-এর সঙ্গে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট Vladimir Putin (ভ্লাদিমির পুতিন)-এর যে সমঝোতা হয়েছিল তা পরবর্তীতে ফরাসি ও ব্রিটিশ নেতারা নস্যাৎ করে দেন। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট একতরফা ঘোষণা দেন যে অ্যাঙ্করেজ চুক্তি বাতিল হয়ে গেছে। পশ্চিমা নেতাদের এই ধারাবাহিক বিশ্বাসঘাতকতার কারণে মস্কো এখন কূটনৈতিক প্রতিশ্রুতিতে সমস্ত আস্থা হারিয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী লাভরভ বলেছেন রাশিয়া এতদিন মানুষদের বিশ্বাস করে এসেছে কিন্তু এখন সেই বিশ্বাসের শেষ পরিণতি ঘটে গেছে। পশ্চিমের সাথে সম্পর্ক আর কখনো দুই হাজার বাইশ সালের আগের জায়গায় ফিরবে না। একদিকে কূটনৈতিক জটিলতা অন্যদিকে রণক্ষেত্রে রাশিয়ান মিলিটারির সামরিক সাফল্য অব্যাহত রয়েছে। আগস্টের বাইশ থেকে আটাশ তারিখের মধ্যে মাত্র এক সপ্তাহে রাশিয়ান ফোর্সের নর্থ, সেন্টার এবং ইস্ট ব্যাটলগ্রুপ ইউক্রেনের সাতটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা সম্পূর্ণ মুক্ত করেছে। এতে ইউক্রেনীয় ফ্রন্টলাইন ব্যাকফুটে চলে গেছে। সুমি অঞ্চলের পের্শে ট্রাভনিয়া ও পিসারেভকা এবং ডোনেৎস্ক পিপলস রিপাবলিকের আনোভকা ও কুচেরভ ইয়ার গ্রাম এখন রাশিয়ান মিলিটারির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে। এছাড়া ঝাপোরোজিয়ে অঞ্চলের দোলিংকা, নেঝেঙ্কা এবং শেভচেঙ্কোভস্কো এলাকায় রাশিয়ান ব্যাটলগ্রুপ ইস্ট তাদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছে। রাশিয়ান সশস্ত্র বাহিনী ইউক্রেনের সামরিক পরিকাঠামো লক্ষ্য করে অত্যন্ত নিখুঁত একশো তিরিশটি কম্বাইন্ড এবং ম্যাসিভ এয়ার স্ট্রাইক পরিচালনা করেছে। এই হামলায় ইউক্রেনের সামরিক কারখানা, ড্রোন তৈরির ওয়ার্কশপ, জ্বালানি ডিপো এবং গুরুত্বপূর্ণ ট্রান্সপোর্ট হাবগুলো পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। এমনকি কৃষ্ণসাগরের সমুদ্রবন্দরেও রাশিয়ান মিলিটারির হামলা জোরদার করা হয়েছে। ইউক্রেনীয় নৌবাহিনীর একটি টহলদারি বোট এবং বিদেশি সামরিক সরঞ্জাম বহনকারী ছয়টি কার্গো জাহাজ ও দুটি তেলের ট্যাঙ্কার রাশিয়ান হামলায় ধ্বংস হয়েছে। ইউক্রেনের সামরিক সরবরাহ পথ এখন প্রায় বিচ্ছিন্ন। পশ্চিমের গোয়েন্দা তথ্যে দাবি করা হচ্ছে যে রাশিয়ান মিলিটারি প্রতিদিন প্রায় এক হাজার নতুন যোদ্ধা তাদের বাহিনীতে যুক্ত করছে। তবে তীব্র যুদ্ধের কারণে ইউক্রেনীয় ফোর্সের প্রতি মাসে বিপুল পরিমাণ সেনা ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে যা তারা পূরণ করতে পারছে না। ফলে ইউক্রেনীয় ডিফেন্স লাইন দিন দিন দুর্বল হয়ে পড়ছে। ইউক্রেনীয় ফোর্সের সামর্থ্য কমে যাওয়ায় তারা রাশিয়ার বেসামরিক অবকাঠামো এবং জ্বালানি কেন্দ্রে ড্রোন হামলা চালানোর চেষ্টা করছে। কিন্তু রাশিয়ান এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম অত্যন্ত কার্যকরভাবে সেসব হামলা নশ্যাৎ করে দিচ্ছে। মাত্র এক সপ্তাহে রাশিয়ান এয়ার ডিফেন্স প্রায় ছয় হাজার ইউক্রেনীয় ড্রোন ধ্বংস করেছে। এছাড়া আমেরিকান তৈরি HIMARS (হাইমার্স) রকেট এবং ফ্লামিঙ্গো লং রেঞ্জ ক্রুজ মিসাইল আকাশেই ধ্বংস করেছে রাশিয়ান বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। আকাশসীমায় রাশিয়ার এই একচ্ছত্র আধিপত্যের কারণে ইউক্রেনীয় বাহিনী কোনো ধরণের পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারছে না। ইউক্রেন তাদের সেনা সংকট ঢাকতে জোরপূর্বক সাধারণ নাগরিকদের সামরিক বাহিনীতে যোগ দিতে বাধ্য করছে। উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ও সরঞ্জামের অভাবে ফ্রন্টলাইনে আসা এসব ইউক্রেনীয় সেনা খুব অল্প সময়ের মধ্যেই হতাহত হচ্ছে। সেনাদলের মধ্যে চরম হতাশা ও আত্মসমর্পণ করার প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী Andy Burnham (অ্যান্ডি বার্নহাম) সম্প্রতি কিয়েভ সফর করে ইউক্রেনকে মিসাইল প্রযুক্তি ও গোপন সামরিক তথ্য দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। তবে সামরিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন যে সামান্য কিছু পশ্চিমা অস্ত্র দিয়ে ফ্রন্টলাইনের বাস্তব চিত্র বদলানো কোনোভাবেই সম্ভব নয়। ন্যাটোর সামরিক বিশেষজ্ঞরা স্বীকার করতে বাধ্য হচ্ছেন যে রাশিয়ান সামরিক বাহিনীর উৎপাদন ক্ষমতা এবং দূরপাল্লার মিসাইল রিজার্ভ আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। পশ্চিমাদের দেয়া আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলোও রাশিয়ান হাইপারসনিক ও প্রেসিশন মিসাইলের আক্রমণ ঠেকাতে ব্যর্থ হচ্ছে। পশ্চিমের রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা আশা করেছিলেন যে নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে রাশিয়ার অর্থনীতি অচল করে দেওয়া যাবে। কিন্তু রাশিয়ার রিয়েল জিডিপি প্রবৃদ্ধি এবং সামরিক শিল্প উৎপাদন প্রমাণ করছে যে রাশিয়ার অর্থনীতি পুরোপুরি আত্মনির্ভরশীল এবং যেকোনো ধরনের বাহ্যিক চাপ মোকাবিলায় সক্ষম। ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থনৈতিক শক্তি যেভাবে হ্রাস পাচ্ছে তাতে অদূর ভবিষ্যতে ইউরোপের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাও হুমকির মুখে পড়বে। সাধারণ ইউরোপীয় জনগণ এখন নিজেদের সরকারের ব্যয়বহুল ইউক্রেন নীতির বিরুদ্ধে রাস্তায় নামতে শুরু করেছে। পরিস্থিতি পর্যালোচনা করলে স্পষ্ট বোঝা যায় যে অর্থনৈতিক ও সামরিক দুই দিক থেকেই রাশিয়া নিজের অবস্থান শক্ত করে নিয়েছে। পশ্চিমা দেশগুলোর ভুল সিদ্ধান্ত এবং যুদ্ধের উসকানি মূলত ইউক্রেন ও ইউরোপীয় ইউনিয়নকেই চরম ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে পশ্চিমের উচিত যুদ্ধ বাড়ানোর অপচেষ্টা বন্ধ করে বাস্তবতাকে মেনে নেওয়া। রাশিয়ার নিরাপত্তা স্বার্থকে উপেক্ষা করে এবং মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে এই সংকট সমাধান করা কখনো সম্ভব নয় তা এখন বিশ্ববাসীর কাছে পরিষ্কার হয়ে গেছে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/796_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/796_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/796_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালের ওয়ালটন করপোরেট অফিস পরিদর্শন]]></title>
        <link>https://nbs24.org/economy/50724</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/economy/50724</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 27 Aug 2026 21:18:01 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
                <category><![CDATA[করপোরেট খবর]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bangla news live, news 18 bangla live, news18 bangla live, bangladesh news, banglanews, r bangla, news17bangla, atn bangla, atn google news, republic bangla, google news, latest news, jamuna news, bd news, wb news, kolkata news, bengali news, breaking news, trending news, bnp news, news trending, bdnews, bjp bengal news, live news, mamata banerjee latest news, jabab chay bangla live, west bengal news, today news, viral news, atn bd news, r plus news, janatar darbar news live, update news, jamaat news, mamata banerjee news live]]></category>
        
        <description><![CDATA[ওয়ালটন করপোরেট অফিস পরিদর্শনে আগত বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালসহ অতিথিদের ফুল দিতে স্বাগত জানান ওয়ালটন হাই-টেকের ভাইস-চেয়ারম্যান এস এম আশরাফুল আলম এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম রাজধানীতে ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটনের কর্পোরেট অফিস পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি তামিম ইকবাল। উদ্দেশ্য, দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটকে ঢেলে সাজানোর পাশাপাশি ক্রিকেটের সার্বিক উন্নয়নে ওয়ালটনের পৃষ্ঠপোষকতা ও সহায়তা নিশ্চিত করার মাধ্যমে ভবিষ্যত ক্রিকেটে নতুন নতুন সুযোগ সৃষ্টিতে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা।  মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট, ২০২৬) দুপুরে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে বিসিবির ৬ সদস্যের এক উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদল ওয়ালটন করপোরেট অফিস পরিদর্শনে আসেন। প্রতিনিধিদলের অন্য সদস্যদের মধ্যে ছিলেন বিসিবির ভাইস-প্রেসিডেন্ট ফাহিম সিনহা, চিফ এক্সিকিউটভি অফিসার নাজিম উদ্দীন চৌধুরী, বিসিবির মার্কেটিং এন্ড কমার্সিয়াল বিভিাগের চেয়ারম্যান মাসুদ উজ্জামান এবং মার্কেটিং এন্ড কমার্সিয়াল বিভিাগের ভাইস-চেয়ারম্যান আসিফ রাব্বানি।   পরিদর্শনকালে অতিথিরা ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র ভাইস-চেয়ারম্যান এস এম আশরাফুল আলম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলমসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। ওয়ালটন করপোরেট অফিস পরিদর্শন শেষে বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল বলেন, ওয়ালটন বাংলাদেশের ইলেকট্রনিক্স খাতের স্বনামধন্য ও শীর্ষ প্রতিষ্ঠান। একটি ক্রীড়াবান্ধব প্রতিষ্ঠান হিসেবে ওয়ালটন ইতোমধ্যে ব্যাপক সুনাম কুড়িয়েছে। আমার খেলোয়াড়ি জীবনের সবসময় ওয়ালটনকে ক্রিকেটের সকল ইভেন্টে পৃষ্ঠপোষকতা করতে দেখেছি।  দেশের ক্রিকেটাঙ্গণের সঙ্গে ওয়ালটন ব্র্যান্ড ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ঘরোয়া ক্রিকেট থেকে শুরু করে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ক্রিকেট ইভেন্টে নিয়মিত পৃষ্ঠপোষকতা করে আসছে ওয়ালটন। তার প্রত্যাশা- বাংলাদেশ ক্রিকেট লীগ (বিসিএল) এবং জাতীয় ক্রিকেট লীগ (এনসিএল) এর সব ফরমেটকে (লংগার ভার্সন, ওয়ান ডে, ও টি২০) বিপিএলের আদলে ফ্র্যাঞ্জাইজিদের মাধ্যমে ঢেলে সাজাতে ওয়ালটন সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে ক্রিকেটের সার্বিক উন্নয়নে অবদানের ধারা অব্যাহত রাখবে। তিনি আরও বলেন, আমরা বিসিএল ও এনসিএল এর মতো টুর্নামেন্টগুলো ফ্রাঞ্চাইজিভিত্তিক করতে উদ্যোগ নিয়েছি। আমাদের প্রত্যাশা, ওয়ালটন সেখানে একটি টিম হিসেবে নিজেদেরকে উপস্থিত করবে। ওয়ালটন হাই-টেকের ভাইস-চেয়ারম্যান এস এম আশরাফুল আলম বলেন, আমাদের লক্ষ্য বিশ্ববাসীর কাছে ওয়ালটন তথা বাংলাদেশকে ইলেকট্রনিক্স ও প্রযুক্তি পণ্যের হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার পাশাপাশি ওয়ালটন ব্র্যান্ডকে বিশ্বের অন্যতম সেরা গ্লোবাল ব্র্যান্ডে পরিণত করা। ইতিমধ্যে দেশের গ-ি পেরিয়ে বিশ্বের ৫৫টি দেশে পরিচালিত হচ্ছে ওয়ালটনের ব্র্যান্ড বিজনেস। এরই অংশ হিসেবে ওয়ালটন শুরু থেকে ক্রিকেট অঙ্গনসহ নানা খেলাধুলায় সুনামের সঙ্গে পৃষ্ঠপোষকতা করে আসছে। ঘরোয়া থেকে শুরু করে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সব ধরনের ক্রিকেটে পৃষ্ঠপোষকতা করেছে ওয়ালটন। ক্রিকেটসহ সবধরনের খেলাধুলায় ওয়ালটনের পৃষ্ঠপোষকতার এই ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে বিসিবি সভাপতিকে আশ্বস্ত করেন তিনি।  ওয়ালটন হাই-টেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম বলেন, যেখানেই খেলাধুলা, সেখানেই উপস্থিত রয়েছে ওয়ালটন। গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশের ঘরোয়া, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পৃষ্ঠপোষকতা করছে ওয়ালটন। বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল যেখানেই খেলতে যাচ্ছে- সেখানেই থাকছে ওয়ালটন। বিসিএল ও এনসিএল ফ্রাঞ্চাইজিভিত্তিক করার কথা জানিয়েছে বিসিবি। পাশাপাশি ওয়ানডে ও টি২০ ফরমেট নিয়েও কাজ করতে চান। বিসিবির সভাপতির মহাপরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়ে ওয়ালটনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন তিনি । উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পাশাপাশি ঘরোয়া ক্রিকেটের সবচেয়ে জৌলুসপূর্ণ ও মর্যাদার আসর ঢাকা প্রিমিয়ার লীগ এবং জাতীয় ক্রিকেট লীগ (এনসিএল) এর টানা ১৩টি আসরে পৃষ্ঠপোষকতা করেছে ওয়ালটন। পাশাপাশি প্রথম শ্রেণির বাংলাদেশ ক্রিকেট লীগ (বিসিএল) এ টানা ৯ বছর সেন্ট্রাল জোন দলের ফ্র্যাঞ্চাইজিও ছিল ওয়ালটন।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_27-8-26_42.webp" alt="বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালের ওয়ালটন করপোরেট অফিস পরিদর্শন" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালের ওয়ালটন করপোরেট অফিস পরিদর্শন</h1>
            <p>ওয়ালটন করপোরেট অফিস পরিদর্শনে আগত বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালসহ অতিথিদের ফুল দিতে স্বাগত জানান ওয়ালটন হাই-টেকের ভাইস-চেয়ারম্যান এস এম আশরাফুল আলম এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম রাজধানীতে ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটনের কর্পোরেট অফিস পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি তামিম ইকবাল। উদ্দেশ্য, দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটকে ঢেলে সাজানোর পাশাপাশি ক্রিকেটের সার্বিক উন্নয়নে ওয়ালটনের পৃষ্ঠপোষকতা ও সহায়তা নিশ্চিত করার মাধ্যমে ভবিষ্যত ক্রিকেটে নতুন নতুন সুযোগ সৃষ্টিতে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা।  মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট, ২০২৬) দুপুরে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে বিসিবির ৬ সদস্যের এক উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদল ওয়ালটন করপোরেট অফিস পরিদর্শনে আসেন। প্রতিনিধিদলের অন্য সদস্যদের মধ্যে ছিলেন বিসিবির ভাইস-প্রেসিডেন্ট ফাহিম সিনহা, চিফ এক্সিকিউটভি অফিসার নাজিম উদ্দীন চৌধুরী, বিসিবির মার্কেটিং এন্ড কমার্সিয়াল বিভিাগের চেয়ারম্যান মাসুদ উজ্জামান এবং মার্কেটিং এন্ড কমার্সিয়াল বিভিাগের ভাইস-চেয়ারম্যান আসিফ রাব্বানি।   পরিদর্শনকালে অতিথিরা ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র ভাইস-চেয়ারম্যান এস এম আশরাফুল আলম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলমসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। ওয়ালটন করপোরেট অফিস পরিদর্শন শেষে বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল বলেন, ওয়ালটন বাংলাদেশের ইলেকট্রনিক্স খাতের স্বনামধন্য ও শীর্ষ প্রতিষ্ঠান। একটি ক্রীড়াবান্ধব প্রতিষ্ঠান হিসেবে ওয়ালটন ইতোমধ্যে ব্যাপক সুনাম কুড়িয়েছে। আমার খেলোয়াড়ি জীবনের সবসময় ওয়ালটনকে ক্রিকেটের সকল ইভেন্টে পৃষ্ঠপোষকতা করতে দেখেছি।  দেশের ক্রিকেটাঙ্গণের সঙ্গে ওয়ালটন ব্র্যান্ড ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ঘরোয়া ক্রিকেট থেকে শুরু করে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ক্রিকেট ইভেন্টে নিয়মিত পৃষ্ঠপোষকতা করে আসছে ওয়ালটন। তার প্রত্যাশা- বাংলাদেশ ক্রিকেট লীগ (বিসিএল) এবং জাতীয় ক্রিকেট লীগ (এনসিএল) এর সব ফরমেটকে (লংগার ভার্সন, ওয়ান ডে, ও টি২০) বিপিএলের আদলে ফ্র্যাঞ্জাইজিদের মাধ্যমে ঢেলে সাজাতে ওয়ালটন সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে ক্রিকেটের সার্বিক উন্নয়নে অবদানের ধারা অব্যাহত রাখবে। তিনি আরও বলেন, আমরা বিসিএল ও এনসিএল এর মতো টুর্নামেন্টগুলো ফ্রাঞ্চাইজিভিত্তিক করতে উদ্যোগ নিয়েছি। আমাদের প্রত্যাশা, ওয়ালটন সেখানে একটি টিম হিসেবে নিজেদেরকে উপস্থিত করবে। ওয়ালটন হাই-টেকের ভাইস-চেয়ারম্যান এস এম আশরাফুল আলম বলেন, আমাদের লক্ষ্য বিশ্ববাসীর কাছে ওয়ালটন তথা বাংলাদেশকে ইলেকট্রনিক্স ও প্রযুক্তি পণ্যের হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার পাশাপাশি ওয়ালটন ব্র্যান্ডকে বিশ্বের অন্যতম সেরা গ্লোবাল ব্র্যান্ডে পরিণত করা। ইতিমধ্যে দেশের গ-ি পেরিয়ে বিশ্বের ৫৫টি দেশে পরিচালিত হচ্ছে ওয়ালটনের ব্র্যান্ড বিজনেস। এরই অংশ হিসেবে ওয়ালটন শুরু থেকে ক্রিকেট অঙ্গনসহ নানা খেলাধুলায় সুনামের সঙ্গে পৃষ্ঠপোষকতা করে আসছে। ঘরোয়া থেকে শুরু করে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সব ধরনের ক্রিকেটে পৃষ্ঠপোষকতা করেছে ওয়ালটন। ক্রিকেটসহ সবধরনের খেলাধুলায় ওয়ালটনের পৃষ্ঠপোষকতার এই ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে বিসিবি সভাপতিকে আশ্বস্ত করেন তিনি।  ওয়ালটন হাই-টেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম বলেন, যেখানেই খেলাধুলা, সেখানেই উপস্থিত রয়েছে ওয়ালটন। গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশের ঘরোয়া, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পৃষ্ঠপোষকতা করছে ওয়ালটন। বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল যেখানেই খেলতে যাচ্ছে- সেখানেই থাকছে ওয়ালটন। বিসিএল ও এনসিএল ফ্রাঞ্চাইজিভিত্তিক করার কথা জানিয়েছে বিসিবি। পাশাপাশি ওয়ানডে ও টি২০ ফরমেট নিয়েও কাজ করতে চান। বিসিবির সভাপতির মহাপরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়ে ওয়ালটনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন তিনি । উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পাশাপাশি ঘরোয়া ক্রিকেটের সবচেয়ে জৌলুসপূর্ণ ও মর্যাদার আসর ঢাকা প্রিমিয়ার লীগ এবং জাতীয় ক্রিকেট লীগ (এনসিএল) এর টানা ১৩টি আসরে পৃষ্ঠপোষকতা করেছে ওয়ালটন। পাশাপাশি প্রথম শ্রেণির বাংলাদেশ ক্রিকেট লীগ (বিসিএল) এ টানা ৯ বছর সেন্ট্রাল জোন দলের ফ্র্যাঞ্চাইজিও ছিল ওয়ালটন।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_27-8-26_42.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_27-8-26_42.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_27-8-26_42.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[রুশ হামলায় ওলটপালট কিয়েভ, সেনা-জনতা বিদ্রোহ ইউক্রেনে]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/50721</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/50721</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 27 Aug 2026 21:18:01 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bangla news live, news 18 bangla live, news18 bangla live, bangladesh news, banglanews, r bangla, news17bangla, atn bangla, atn google news, republic bangla, google news, latest news, jamuna news, bd news, wb news, kolkata news, bengali news, breaking news, trending news, bnp news, news trending, bdnews, bjp bengal news, live news, mamata banerjee latest news, jabab chay bangla live, west bengal news, today news, viral news, atn bd news, r plus news, janatar darbar news live, update news, jamaat news, mamata banerjee news live]]></category>
        
        <description><![CDATA[ইউক্রেনের ডনেপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলের পেশচাঙ্কায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, আবাসিক এলাকায় ধ্বংসযজ্ঞ এবং বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। একই সময়ে ইউক্রেনের জোরপূর্বক সেনা নিয়োগ নিয়ে জনঅসন্তোষ বাড়ছে এবং পশ্চিমা মিত্রদের মধ্যেও ইউক্রেন ইস্যুতে বিভাজন স্পষ্ট হচ্ছে। ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্টের বক্তব্যকে ঘিরে মস্কোর তীব্র প্রতিক্রিয়া, রাশিয়া–ফিনল্যান্ড উত্তেজনা, লাভরভের সঙ্গে ভ্যাটিকান প্রতিনিধির গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক এবং ইউক্রেন সংকট নিয়ে কূটনৈতিক তৎপরতাও আলোচনায় এসেছে। অন্যদিকে রণাঙ্গনে রাশিয়ার অগ্রযাত্রা, পিসারেভকা ও নেঝেঙ্কা নিয়ে মস্কোর দাবি, ইউক্রেনীয় বাহিনীর ক্ষয়ক্ষতি এবং সামরিক অবকাঠামোতে রাশিয়ার পাল্টা হামলা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে। পোল্যান্ডে ইউক্রেনীয় শরণার্থীদের নিয়ে জনমত পরিবর্তন এবং ইউক্রেনকে ঘিরে পশ্চিমা দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ অসন্তোষও এই সংকটের নতুন মাত্রা তুলে ধরছে। ভিডিওতে থাকছে ইউক্রেনের বিস্ফোরণ, রাশিয়ার পাল্টা অবস্থান, ফিনল্যান্ডের সঙ্গে উত্তেজনা, পোল্যান্ডের ক্ষোভ, ভ্যাটিকানের সঙ্গে রাশিয়ার কূটনৈতিক আলোচনা এবং রণাঙ্গনের সর্বশেষ পরিস্থিতি। ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন এবং আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো জানতে আমাদের সঙ্গে থাকুন। গুরুত্বপূর্ণ নোট: ভিডিওতে আলোচিত সামরিক অগ্রগতি, হতাহতের সংখ্যা এবং ঘটনাগুলোর কিছু তথ্য সংশ্লিষ্ট পক্ষের দাবি বা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে উপস্থাপিত। চলমান যুদ্ধের পরিস্থিতিতে এসব তথ্য পরিবর্তিত বা স্বাধীনভাবে যাচাই করা কঠিন হতে পারে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_27-8-26_41.webp" alt="রুশ হামলায় ওলটপালট কিয়েভ, সেনা-জনতা বিদ্রোহ ইউক্রেনে" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>রুশ হামলায় ওলটপালট কিয়েভ, সেনা-জনতা বিদ্রোহ ইউক্রেনে</h1>
            <p>ইউক্রেনের ডনেপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলের পেশচাঙ্কায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, আবাসিক এলাকায় ধ্বংসযজ্ঞ এবং বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। একই সময়ে ইউক্রেনের জোরপূর্বক সেনা নিয়োগ নিয়ে জনঅসন্তোষ বাড়ছে এবং পশ্চিমা মিত্রদের মধ্যেও ইউক্রেন ইস্যুতে বিভাজন স্পষ্ট হচ্ছে। ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্টের বক্তব্যকে ঘিরে মস্কোর তীব্র প্রতিক্রিয়া, রাশিয়া–ফিনল্যান্ড উত্তেজনা, লাভরভের সঙ্গে ভ্যাটিকান প্রতিনিধির গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক এবং ইউক্রেন সংকট নিয়ে কূটনৈতিক তৎপরতাও আলোচনায় এসেছে। অন্যদিকে রণাঙ্গনে রাশিয়ার অগ্রযাত্রা, পিসারেভকা ও নেঝেঙ্কা নিয়ে মস্কোর দাবি, ইউক্রেনীয় বাহিনীর ক্ষয়ক্ষতি এবং সামরিক অবকাঠামোতে রাশিয়ার পাল্টা হামলা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে। পোল্যান্ডে ইউক্রেনীয় শরণার্থীদের নিয়ে জনমত পরিবর্তন এবং ইউক্রেনকে ঘিরে পশ্চিমা দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ অসন্তোষও এই সংকটের নতুন মাত্রা তুলে ধরছে। ভিডিওতে থাকছে ইউক্রেনের বিস্ফোরণ, রাশিয়ার পাল্টা অবস্থান, ফিনল্যান্ডের সঙ্গে উত্তেজনা, পোল্যান্ডের ক্ষোভ, ভ্যাটিকানের সঙ্গে রাশিয়ার কূটনৈতিক আলোচনা এবং রণাঙ্গনের সর্বশেষ পরিস্থিতি। ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন এবং আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো জানতে আমাদের সঙ্গে থাকুন। গুরুত্বপূর্ণ নোট: ভিডিওতে আলোচিত সামরিক অগ্রগতি, হতাহতের সংখ্যা এবং ঘটনাগুলোর কিছু তথ্য সংশ্লিষ্ট পক্ষের দাবি বা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে উপস্থাপিত। চলমান যুদ্ধের পরিস্থিতিতে এসব তথ্য পরিবর্তিত বা স্বাধীনভাবে যাচাই করা কঠিন হতে পারে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_27-8-26_41.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_27-8-26_41.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_27-8-26_41.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইউক্রেন সংঘাত ও পশ্চিমাদের কড়াকড়ি কৌশলের মুখে রাশিয়ার তীব্র জবাব এবং রণক্ষেত্রের নতুন অগ্রগতি]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/50632</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/50632</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 26 Aug 2026 19:24:17 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bangla tv news, bangladesh news, bangladesh tv news, banglanews, breaking news bangladesh, r bangla, news17bangla, atn bangla, news, atn google news, bangla songbad, republic bangla, google news, latest news, jamuna news, bd news, wb news, bengali news, breaking news, trending news, bnp news, news trending, bus news, bdnews, live news, mamata banerjee latest news, jabab chay bangla live, west bengal news, today news, viral news, atn bd news, r plus news, jamuna news today, update news, jamaat news, news update, mamata banerjee news live]]></category>
        
        <description><![CDATA[ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার মিলিটারিদের নতুন সাফল্য ও একের পর এক ফ্রন্টলাইন মুক্ত করার খবর পশ্চিমা বিশ্বকে নতুন উদ্বেগে ফেলেছে। একদিকে ডনেৎস্কে বিশাল এলাকা রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে চলে আসা, অন্যদিকে জার্মানির ন্যাটোর লজিস্টিক বিমানবন্দরে সন্দেহভাজন ড্রোন হামলার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। জাতিসংঘের মঞ্চে রাশিয়ার কূটনীতিবিদদের কড়া বক্তব্য এবং কিয়েভের পশ্চিমা মিত্রদের ব্যর্থ সামরিক সহায়তার পেছনের আসল ঘটনা ঠিক কী?  জার্মান সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়োহান ভাডেফুল কিয়েভ সফরের আগের দিন রাশিয়া একটি হামলা চালিয়ে বার্লিনকে কূটনৈতিকভাবে অপমান করেছে। ওয়েল্টের প্রতিবেদক ক্রিস্টোফ ভানার এই হামলাকে একটি স্পষ্ট অপমান বলে মন্তব্য করেন। তবে মস্কো সেই ব্যাখ্যাকে সরাসরি উপহাস করেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামলাটি কিয়েভের প্রায় চল্লিশ কিলোমিটার পূর্বে বোরিসপোল বিমানবন্দরের কাছে হয়। ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত, পরে সরিয়ে নেওয়া ছবিতে কয়েক ডজন ট্রাক ধ্বংস হওয়ার দৃশ্য দেখা যায়। রাশিয়ার দাবি, ট্রাকগুলো দীর্ঘপাল্লার ড্রোন উৎক্ষেপণের গোপন প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছিল। এই হামলার সময় নিয়ে জার্মান সংবাদমাধ্যম কূটনৈতিক তাৎপর্য খুঁজেছে। তাদের যুক্তি ছিল, জার্মান মন্ত্রীর সফরের ঠিক আগে এমন হামলা বার্লিনের প্রতি ইচ্ছাকৃত বার্তা হতে পারে। কিন্তু রাশিয়ার বক্তব্য, যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহৃত সামরিক স্থাপনায় হামলাকে কূটনৈতিক অপমান হিসেবে দেখানো বাস্তবতার সঙ্গে মেলে না। রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা এই অভিযোগের জবাবে বলেন, জার্মানি নিয়মিত অপমানের শিকার হলেও তা সহ্য করে। তিনি ইজভেস্তিয়াকে দেওয়া বক্তব্যে বার্লিনের অতীত অভিজ্ঞতার কয়েকটি উদাহরণ তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্যে রাশিয়া পশ্চিমা দ্বিমুখী নীতির অভিযোগই সামনে আনতে চেয়েছে। জাখারোভা প্রথমে দুই হাজার তেরো সালের অ্যাঞ্জেলা মার্কেলের ফোনে মার্কিন নজরদারির ঘটনা স্মরণ করান। এডওয়ার্ড স্নোডেনের প্রকাশ করা তথ্যের পর ওই ঘটনা আন্তর্জাতিকভাবে আলোচিত হয়েছিল। রাশিয়ার বক্তব্য, সেই ঘটনায় জার্মান সার্বভৌমত্ব প্রশ্নের মুখে পড়লেও বার্লিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখেছিল। এরপর তিনি নর্ড স্ট্রিম গ্যাস পাইপলাইনে নাশকতার প্রসঙ্গ তোলেন। জার্মান তদন্তকারীরা ইউক্রেনীয় ডুবুরি দলের সম্ভাব্য সংশ্লিষ্টতার কথা বলেছেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। মস্কো বলছে, এসব অভিযোগের পূর্ণ ব্যাখ্যা না দিয়েই রাশিয়াকে অপমানের জন্য দায়ী করা রাজনৈতিকভাবে সুবিধাজনক। জাখারোভার আরও অভিযোগ, জার্মান নেতৃত্ব ইউক্রেনে অস্ত্র সরবরাহ করছে, যেগুলো দিয়ে রাশিয়ার ভাষ্য অনুযায়ী বেসামরিক মানুষ নিহত হচ্ছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, জার্মানি যদি এসব ঘটনাকে সহ্য করে, তাহলে কিয়েভের কাছে রুশ হামলাকে আলাদা কূটনৈতিক অপমান হিসেবে দেখছে কেন। এখানেই বিতর্কের মূল রাজনৈতিক দিকটি স্পষ্ট হয়। রাশিয়ার এই বক্তব্য মূলত একটি পাল্টা বয়ান তৈরি করছে। মস্কো বলতে চাইছে, জার্মানি ইউক্রেনকে সমর্থন করে সংঘাতের অংশ হয়ে উঠেছে। তাই ইউক্রেনের সামরিক অবকাঠামোতে রুশ হামলাকে বার্লিনের বিরুদ্ধে সরাসরি কূটনৈতিক পদক্ষেপ বলা অতিরঞ্জিত। এবার এই উত্তেজনার সঙ্গে যুক্ত আরেকটি বিষয় দেখা যাক। রাশিয়ার সমালোচনার আরেকটি লক্ষ্য ইউক্রেনের কূটনৈতিক আচরণ। মস্কোর মতে, কিয়েভ দীর্ঘদিন ধরে নৈতিক চাপ, কঠোর ভাষা এবং প্রকাশ্য অভিযোগের মাধ্যমে পশ্চিমা দেশগুলোর কাছ থেকে সামরিক ও রাজনৈতিক সহায়তা আদায় করেছে। এই কৌশল জার্মানির ক্ষেত্রেও বারবার ব্যবহার করা হয়েছে বলে রাশিয়া দাবি করছে। এ ক্ষেত্রে সাবেক ইউক্রেনীয় রাষ্ট্রদূত আন্দ্রেই মেলনিকের নাম সামনে আসে। দুই হাজার চৌদ্দ থেকে দুই হাজার বাইশ সাল পর্যন্ত বার্লিনে দায়িত্ব পালনকালে তিনি জার্মান রাজনীতিকদের বিরুদ্ধে তীব্র মন্তব্য করেছিলেন। তাঁর বক্তব্য নিয়ে জার্মানিতে একাধিকবার বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, যা দুই দেশের সম্পর্ককে অস্বস্তিকর করে তোলে। মেলনিক সাবেক চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎসকে অপমানজনক একটি উপমায় আখ্যা দিয়েছিলেন। সাবেক চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেলের বিরুদ্ধেও তিনি রাশিয়া নিয়ে অতিরিক্ত আসক্তির অভিযোগ তুলেছিলেন। জার্মান জেনারেল এরিখ ফাড এবং রাজনীতিক ক্লাউস আর্নস্টকেও তিনি প্রকাশ্যে আক্রমণ করেছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে ইউক্রেনীয় জাতীয়তাবাদী নেতা স্তেপান বান্দেরাকে নিয়ে মেলনিকের মন্তব্য জার্মানিতে বড় বিতর্ক তৈরি করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার গণহত্যায় বান্দেরা ও তাঁর সংগঠনের ভূমিকা তিনি অস্বীকার করেছিলেন। এই বিতর্কের পর তাঁকে জার্মানি থেকে সরিয়ে ব্রাজিলে রাষ্ট্রদূত করা হয় বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। বর্তমানে মেলনিক জাতিসংঘে ইউক্রেনের দূত হিসেবে কাজ করছেন। তাঁর পুরোনো বক্তব্যগুলো তুলে ধরে মস্কো বোঝাতে চাইছে, ইউক্রেনের কূটনীতিতে কঠোর ভাষা নতুন কিছু নয়। তবে এগুলো রাশিয়ার রাজনৈতিক ব্যাখ্যা, এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য এক নয়। এবার আসি জাতিসংঘে রাশিয়ার সাম্প্রতিক অভিযোগে। ইউক্রেনের স্বাধীনতার পঁয়ত্রিশ বছর পূর্তি উপলক্ষে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে একটি বৈঠক হয়। বৈঠকে রাশিয়ার জাতিসংঘ প্রতিনিধি ভাসিলি নেবেনজিয়া ইউক্রেনের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিয়ে কঠোর অভিযোগ তোলেন। বৈঠকটি ইউরোপের পাঁচটি দেশ আহ্বান করেছিল, যারা কিয়েভের প্রতি পূর্ণ সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করে। নেবেনজিয়া প্রশ্ন তোলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ইউক্রেনের আসলে কী উদযাপন করার আছে। তাঁর দাবি, ধারাবাহিক সরকারগুলো দেশটিকে দুর্বল করেছে, আর ভ্লাদিমির জেলেনস্কির নেতৃত্বে সেই প্রক্রিয়া আরও দ্রুত হয়েছে। তিনি পশ্চিমা দেশগুলোর সক্রিয় সহায়তাকেও ইউক্রেনের সংকটের গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে তুলে ধরেন। রুশ দূত ইউক্রেনকে পশ্চিমা সহায়তায় ‘জেলেনস্কি কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে’ পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন। এটি নেবেনজিয়ার রাজনৈতিক বক্তব্য, কোনো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত আইনি শ্রেণিবিন্যাস নয়। তাঁর অভিযোগ, ইউক্রেনে ভিন্নমত ও বিরোধিতা দমন করা হচ্ছে, এবং সমালোচকদের বিচার ছাড়াই কারাগারে পাঠানো হচ্ছে। তিনি ইউক্রেনীয় অর্থোডক্স চার্চের ওপর চাপ, নাৎসি সহযোগীদের গৌরবায়ন, এবং রুশ ভাষা ও অভিন্ন ইতিহাস দমনের অভিযোগও করেন। রাশিয়ার দাবি, এসব পদক্ষেপ ইউক্রেনের বর্তমান নেতৃত্বের অসহিষ্ণুতা প্রকাশ করে। কিয়েভ ও তার পশ্চিমা সমর্থকেরা অবশ্য এই ব্যাখ্যাকে গ্রহণ করে না। নেবেনজিয়ার বক্তব্যের সবচেয়ে গুরুতর অংশ ছিল রাশিয়ার বেসামরিক জনগণের ওপর হামলার অভিযোগ। তিনি বলেন, দশই আগস্ট থেকে ষোলোই আগস্ট পর্যন্ত ইউক্রেনীয় হামলায় অন্তত চারশো পঁচাত্তরজন রুশ বেসামরিক মানুষ নিহত বা আহত হয়েছেন। এর মধ্যে ঊনসত্তরজন নিহত, যাদের মধ্যে শিশুও ছিল বলে তিনি দাবি করেন। রাশিয়ার দূত নিজনেকামস্কে হামলার কথা উল্লেখ করেন, যেখানে তাঁর দাবি অনুযায়ী তেরোজন নিহত এবং আটাত্তরজন আহত হন। তিনি নভোরোসিস্ক, রোস্তভ অঞ্চল এবং ডনবাসের কয়েকটি শহরের কথাও বলেন। এসব সংখ্যা রুশ কর্তৃপক্ষের দেওয়া, তাই স্বাধীনভাবে যাচাই না হওয়া পর্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে দেখা দরকার। নেবেনজিয়া আরও বলেন, কিয়েভ যুদ্ধক্ষেত্রে অবস্থান বদলাতে না পেরে বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে সন্ত্রাসী হামলার দিকে যাচ্ছে। তাঁর দাবি, পশ্চিমা দেশগুলোর সরবরাহ করা অস্ত্র রুশ শহর, আবাসিক এলাকা এবং বেসামরিক অবকাঠামোতে ব্যবহৃত হচ্ছে। এই অভিযোগের মধ্য দিয়েই তিনি যুদ্ধবিরতির বিরোধিতা করেন। রাশিয়ার বক্তব্য, সাময়িক যুদ্ধবিরতি ইউক্রেনকে পুনর্গঠনের সুযোগ দেবে এবং পশ্চিমা দেশগুলোকে নতুন করে অস্ত্র পাঠানোর সময় দেবে। তাই মস্কো বলছে, বাস্তব পরিস্থিতি উপেক্ষা করে কোনো আলটিমেটাম চাপিয়ে দিলে অর্থবহ কূটনৈতিক প্রক্রিয়া সম্ভব নয়। রাশিয়া নিজেদের যুদ্ধক্ষেত্রের উদ্যোগ ধরে রাখার দাবি করেছে। অন্যদিকে, জার্মানিতে লেইপজিগ বিমানবন্দর ঘিরে আলাদা তদন্ত নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, তদন্তকারীরা বিমানবন্দরের কাছে তৃতীয় একটি ড্রোন এবং প্রায় পঞ্চাশ গ্রাম সন্দেহভাজন মিলিটারি বিস্ফোরক উদ্ধার করেছেন। ঘটনাটি আগের ব্যর্থ নাশকতার সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। লেইপজিগ বিমানবন্দর পণ্য পরিবহন ও মিলিটারি লজিস্টিকসের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ন্যাটো এবং ইউক্রেনের আন্তোনভ এয়ারলাইন্স এই বিমানবন্দর দিয়ে সামরিক সরঞ্জাম পরিবহন করে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। চার আগস্ট একটি বিস্ফোরক বহনকারী ড্রোন ইউক্রেনীয় কার্গো বিমানের কাছে পাওয়া যায়। তদন্তকারীদের ধারণা, ড্রোনটি জ্বালানিতে পূর্ণ বিমানের ডানায় আঘাত করার উদ্দেশ্যে পাঠানো হতে পারে। বিস্ফোরকটি বিস্ফোরিত হয়নি। একই সময়ে আরেকটি ড্রোন ডিএইচএল কার্গো বিমানের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে থাকতে পারে, ফলে বিমানটি অবতরণ বাতিল করে মার্সেইয়ে চলে যায় বলে জানা গেছে। চৌদ্দই আগস্ট বিমানবন্দরের পশ্চিমে একটি মাঠে তৃতীয় ড্রোনটি পাওয়া যায়। ফরেনসিক পরীক্ষায় হেক্সোজেনের মতো উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বিস্ফোরকের অবশিষ্টাংশ থাকার প্রাথমিক ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। তদন্তকারীদের মতে, ঘটনার পেছনে প্রকাশ্যে জানা তথ্যের চেয়েও বড় হামলার পরিকল্পনা থাকতে পারে। বিমানবন্দরের আশপাশে গাছের সঙ্গে লাগানো অ্যান্টেনা, ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ, পোড়া মাটি এবং ধাতব টুকরোও পাওয়া গেছে বলে গণমাধ্যমের প্রতিবেদন। জার্মান কর্মকর্তারা বলেছেন, ড্রোনগুলো বিস্ফোরিত হলে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটতে পারত। তবে হামলার পেছনে কারা ছিল, তা এখনো সরকারিভাবে নিশ্চিত করা হয়নি। জার্মান গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে কয়েকটি সংবাদমাধ্যম রুশ গোয়েন্দা সংস্থার সংশ্লিষ্টতার সন্দেহ প্রকাশ করেছে। মস্কো এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। জার্মান সরকারও এখন পর্যন্ত রাশিয়া বা রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ কোনো পক্ষকে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়ী করেনি। ফলে তদন্তের এই অংশ এখনো অভিযোগ ও সন্দেহের পর্যায়ে রয়েছে। সব মিলিয়ে, কিয়েভের কাছে রুশ হামলা, বার্লিনের অপমানের অভিযোগ, জাতিসংঘে নেবেনজিয়ার কঠোর বক্তব্য এবং লেইপজিগের ড্রোন তদন্ত—একটি বড় কূটনৈতিক ছবির অংশ। রাশিয়া নিজেকে পশ্চিমা চাপের বিরুদ্ধে প্রতিরোধী শক্তি হিসেবে তুলে ধরছে, আর জার্মানি ইউক্রেন সমর্থনে আরও জড়িয়ে পড়ছে। এই পরিস্থিতিতে ভবিষ্যৎ উত্তেজনা তিনটি পথে বাড়তে পারে। ইউক্রেনকে অস্ত্র সহায়তা নিয়ে জার্মানি ও পশ্চিমা দেশগুলোর চাপ বাড়তে পারে, রাশিয়া পাল্টা হামলা জোরদার করতে পারে, এবং ড্রোন তদন্ত নতুন অভিযোগ তৈরি করতে পারে। তবে প্রমাণিত তথ্য ও রাজনৈতিক দাবির পার্থক্য মনে রেখেই পুরো পরিস্থিতি মূল্যায়ন করা জরুরি।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/784_1.webp" alt="ইউক্রেন সংঘাত ও পশ্চিমাদের কড়াকড়ি কৌশলের মুখে রাশিয়ার তীব্র জবাব এবং রণক্ষেত্রের নতুন অগ্রগতি" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইউক্রেন সংঘাত ও পশ্চিমাদের কড়াকড়ি কৌশলের মুখে রাশিয়ার তীব্র জবাব এবং রণক্ষেত্রের নতুন অগ্রগতি</h1>
            <p>ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার মিলিটারিদের নতুন সাফল্য ও একের পর এক ফ্রন্টলাইন মুক্ত করার খবর পশ্চিমা বিশ্বকে নতুন উদ্বেগে ফেলেছে। একদিকে ডনেৎস্কে বিশাল এলাকা রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে চলে আসা, অন্যদিকে জার্মানির ন্যাটোর লজিস্টিক বিমানবন্দরে সন্দেহভাজন ড্রোন হামলার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। জাতিসংঘের মঞ্চে রাশিয়ার কূটনীতিবিদদের কড়া বক্তব্য এবং কিয়েভের পশ্চিমা মিত্রদের ব্যর্থ সামরিক সহায়তার পেছনের আসল ঘটনা ঠিক কী?  জার্মান সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়োহান ভাডেফুল কিয়েভ সফরের আগের দিন রাশিয়া একটি হামলা চালিয়ে বার্লিনকে কূটনৈতিকভাবে অপমান করেছে। ওয়েল্টের প্রতিবেদক ক্রিস্টোফ ভানার এই হামলাকে একটি স্পষ্ট অপমান বলে মন্তব্য করেন। তবে মস্কো সেই ব্যাখ্যাকে সরাসরি উপহাস করেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামলাটি কিয়েভের প্রায় চল্লিশ কিলোমিটার পূর্বে বোরিসপোল বিমানবন্দরের কাছে হয়। ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত, পরে সরিয়ে নেওয়া ছবিতে কয়েক ডজন ট্রাক ধ্বংস হওয়ার দৃশ্য দেখা যায়। রাশিয়ার দাবি, ট্রাকগুলো দীর্ঘপাল্লার ড্রোন উৎক্ষেপণের গোপন প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছিল। এই হামলার সময় নিয়ে জার্মান সংবাদমাধ্যম কূটনৈতিক তাৎপর্য খুঁজেছে। তাদের যুক্তি ছিল, জার্মান মন্ত্রীর সফরের ঠিক আগে এমন হামলা বার্লিনের প্রতি ইচ্ছাকৃত বার্তা হতে পারে। কিন্তু রাশিয়ার বক্তব্য, যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহৃত সামরিক স্থাপনায় হামলাকে কূটনৈতিক অপমান হিসেবে দেখানো বাস্তবতার সঙ্গে মেলে না। রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা এই অভিযোগের জবাবে বলেন, জার্মানি নিয়মিত অপমানের শিকার হলেও তা সহ্য করে। তিনি ইজভেস্তিয়াকে দেওয়া বক্তব্যে বার্লিনের অতীত অভিজ্ঞতার কয়েকটি উদাহরণ তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্যে রাশিয়া পশ্চিমা দ্বিমুখী নীতির অভিযোগই সামনে আনতে চেয়েছে। জাখারোভা প্রথমে দুই হাজার তেরো সালের অ্যাঞ্জেলা মার্কেলের ফোনে মার্কিন নজরদারির ঘটনা স্মরণ করান। এডওয়ার্ড স্নোডেনের প্রকাশ করা তথ্যের পর ওই ঘটনা আন্তর্জাতিকভাবে আলোচিত হয়েছিল। রাশিয়ার বক্তব্য, সেই ঘটনায় জার্মান সার্বভৌমত্ব প্রশ্নের মুখে পড়লেও বার্লিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখেছিল। এরপর তিনি নর্ড স্ট্রিম গ্যাস পাইপলাইনে নাশকতার প্রসঙ্গ তোলেন। জার্মান তদন্তকারীরা ইউক্রেনীয় ডুবুরি দলের সম্ভাব্য সংশ্লিষ্টতার কথা বলেছেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। মস্কো বলছে, এসব অভিযোগের পূর্ণ ব্যাখ্যা না দিয়েই রাশিয়াকে অপমানের জন্য দায়ী করা রাজনৈতিকভাবে সুবিধাজনক। জাখারোভার আরও অভিযোগ, জার্মান নেতৃত্ব ইউক্রেনে অস্ত্র সরবরাহ করছে, যেগুলো দিয়ে রাশিয়ার ভাষ্য অনুযায়ী বেসামরিক মানুষ নিহত হচ্ছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, জার্মানি যদি এসব ঘটনাকে সহ্য করে, তাহলে কিয়েভের কাছে রুশ হামলাকে আলাদা কূটনৈতিক অপমান হিসেবে দেখছে কেন। এখানেই বিতর্কের মূল রাজনৈতিক দিকটি স্পষ্ট হয়। রাশিয়ার এই বক্তব্য মূলত একটি পাল্টা বয়ান তৈরি করছে। মস্কো বলতে চাইছে, জার্মানি ইউক্রেনকে সমর্থন করে সংঘাতের অংশ হয়ে উঠেছে। তাই ইউক্রেনের সামরিক অবকাঠামোতে রুশ হামলাকে বার্লিনের বিরুদ্ধে সরাসরি কূটনৈতিক পদক্ষেপ বলা অতিরঞ্জিত। এবার এই উত্তেজনার সঙ্গে যুক্ত আরেকটি বিষয় দেখা যাক। রাশিয়ার সমালোচনার আরেকটি লক্ষ্য ইউক্রেনের কূটনৈতিক আচরণ। মস্কোর মতে, কিয়েভ দীর্ঘদিন ধরে নৈতিক চাপ, কঠোর ভাষা এবং প্রকাশ্য অভিযোগের মাধ্যমে পশ্চিমা দেশগুলোর কাছ থেকে সামরিক ও রাজনৈতিক সহায়তা আদায় করেছে। এই কৌশল জার্মানির ক্ষেত্রেও বারবার ব্যবহার করা হয়েছে বলে রাশিয়া দাবি করছে। এ ক্ষেত্রে সাবেক ইউক্রেনীয় রাষ্ট্রদূত আন্দ্রেই মেলনিকের নাম সামনে আসে। দুই হাজার চৌদ্দ থেকে দুই হাজার বাইশ সাল পর্যন্ত বার্লিনে দায়িত্ব পালনকালে তিনি জার্মান রাজনীতিকদের বিরুদ্ধে তীব্র মন্তব্য করেছিলেন। তাঁর বক্তব্য নিয়ে জার্মানিতে একাধিকবার বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, যা দুই দেশের সম্পর্ককে অস্বস্তিকর করে তোলে। মেলনিক সাবেক চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎসকে অপমানজনক একটি উপমায় আখ্যা দিয়েছিলেন। সাবেক চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেলের বিরুদ্ধেও তিনি রাশিয়া নিয়ে অতিরিক্ত আসক্তির অভিযোগ তুলেছিলেন। জার্মান জেনারেল এরিখ ফাড এবং রাজনীতিক ক্লাউস আর্নস্টকেও তিনি প্রকাশ্যে আক্রমণ করেছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে ইউক্রেনীয় জাতীয়তাবাদী নেতা স্তেপান বান্দেরাকে নিয়ে মেলনিকের মন্তব্য জার্মানিতে বড় বিতর্ক তৈরি করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার গণহত্যায় বান্দেরা ও তাঁর সংগঠনের ভূমিকা তিনি অস্বীকার করেছিলেন। এই বিতর্কের পর তাঁকে জার্মানি থেকে সরিয়ে ব্রাজিলে রাষ্ট্রদূত করা হয় বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। বর্তমানে মেলনিক জাতিসংঘে ইউক্রেনের দূত হিসেবে কাজ করছেন। তাঁর পুরোনো বক্তব্যগুলো তুলে ধরে মস্কো বোঝাতে চাইছে, ইউক্রেনের কূটনীতিতে কঠোর ভাষা নতুন কিছু নয়। তবে এগুলো রাশিয়ার রাজনৈতিক ব্যাখ্যা, এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য এক নয়। এবার আসি জাতিসংঘে রাশিয়ার সাম্প্রতিক অভিযোগে। ইউক্রেনের স্বাধীনতার পঁয়ত্রিশ বছর পূর্তি উপলক্ষে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে একটি বৈঠক হয়। বৈঠকে রাশিয়ার জাতিসংঘ প্রতিনিধি ভাসিলি নেবেনজিয়া ইউক্রেনের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিয়ে কঠোর অভিযোগ তোলেন। বৈঠকটি ইউরোপের পাঁচটি দেশ আহ্বান করেছিল, যারা কিয়েভের প্রতি পূর্ণ সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করে। নেবেনজিয়া প্রশ্ন তোলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ইউক্রেনের আসলে কী উদযাপন করার আছে। তাঁর দাবি, ধারাবাহিক সরকারগুলো দেশটিকে দুর্বল করেছে, আর ভ্লাদিমির জেলেনস্কির নেতৃত্বে সেই প্রক্রিয়া আরও দ্রুত হয়েছে। তিনি পশ্চিমা দেশগুলোর সক্রিয় সহায়তাকেও ইউক্রেনের সংকটের গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে তুলে ধরেন। রুশ দূত ইউক্রেনকে পশ্চিমা সহায়তায় ‘জেলেনস্কি কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে’ পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন। এটি নেবেনজিয়ার রাজনৈতিক বক্তব্য, কোনো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত আইনি শ্রেণিবিন্যাস নয়। তাঁর অভিযোগ, ইউক্রেনে ভিন্নমত ও বিরোধিতা দমন করা হচ্ছে, এবং সমালোচকদের বিচার ছাড়াই কারাগারে পাঠানো হচ্ছে। তিনি ইউক্রেনীয় অর্থোডক্স চার্চের ওপর চাপ, নাৎসি সহযোগীদের গৌরবায়ন, এবং রুশ ভাষা ও অভিন্ন ইতিহাস দমনের অভিযোগও করেন। রাশিয়ার দাবি, এসব পদক্ষেপ ইউক্রেনের বর্তমান নেতৃত্বের অসহিষ্ণুতা প্রকাশ করে। কিয়েভ ও তার পশ্চিমা সমর্থকেরা অবশ্য এই ব্যাখ্যাকে গ্রহণ করে না। নেবেনজিয়ার বক্তব্যের সবচেয়ে গুরুতর অংশ ছিল রাশিয়ার বেসামরিক জনগণের ওপর হামলার অভিযোগ। তিনি বলেন, দশই আগস্ট থেকে ষোলোই আগস্ট পর্যন্ত ইউক্রেনীয় হামলায় অন্তত চারশো পঁচাত্তরজন রুশ বেসামরিক মানুষ নিহত বা আহত হয়েছেন। এর মধ্যে ঊনসত্তরজন নিহত, যাদের মধ্যে শিশুও ছিল বলে তিনি দাবি করেন। রাশিয়ার দূত নিজনেকামস্কে হামলার কথা উল্লেখ করেন, যেখানে তাঁর দাবি অনুযায়ী তেরোজন নিহত এবং আটাত্তরজন আহত হন। তিনি নভোরোসিস্ক, রোস্তভ অঞ্চল এবং ডনবাসের কয়েকটি শহরের কথাও বলেন। এসব সংখ্যা রুশ কর্তৃপক্ষের দেওয়া, তাই স্বাধীনভাবে যাচাই না হওয়া পর্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে দেখা দরকার। নেবেনজিয়া আরও বলেন, কিয়েভ যুদ্ধক্ষেত্রে অবস্থান বদলাতে না পেরে বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে সন্ত্রাসী হামলার দিকে যাচ্ছে। তাঁর দাবি, পশ্চিমা দেশগুলোর সরবরাহ করা অস্ত্র রুশ শহর, আবাসিক এলাকা এবং বেসামরিক অবকাঠামোতে ব্যবহৃত হচ্ছে। এই অভিযোগের মধ্য দিয়েই তিনি যুদ্ধবিরতির বিরোধিতা করেন। রাশিয়ার বক্তব্য, সাময়িক যুদ্ধবিরতি ইউক্রেনকে পুনর্গঠনের সুযোগ দেবে এবং পশ্চিমা দেশগুলোকে নতুন করে অস্ত্র পাঠানোর সময় দেবে। তাই মস্কো বলছে, বাস্তব পরিস্থিতি উপেক্ষা করে কোনো আলটিমেটাম চাপিয়ে দিলে অর্থবহ কূটনৈতিক প্রক্রিয়া সম্ভব নয়। রাশিয়া নিজেদের যুদ্ধক্ষেত্রের উদ্যোগ ধরে রাখার দাবি করেছে। অন্যদিকে, জার্মানিতে লেইপজিগ বিমানবন্দর ঘিরে আলাদা তদন্ত নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, তদন্তকারীরা বিমানবন্দরের কাছে তৃতীয় একটি ড্রোন এবং প্রায় পঞ্চাশ গ্রাম সন্দেহভাজন মিলিটারি বিস্ফোরক উদ্ধার করেছেন। ঘটনাটি আগের ব্যর্থ নাশকতার সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। লেইপজিগ বিমানবন্দর পণ্য পরিবহন ও মিলিটারি লজিস্টিকসের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ন্যাটো এবং ইউক্রেনের আন্তোনভ এয়ারলাইন্স এই বিমানবন্দর দিয়ে সামরিক সরঞ্জাম পরিবহন করে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। চার আগস্ট একটি বিস্ফোরক বহনকারী ড্রোন ইউক্রেনীয় কার্গো বিমানের কাছে পাওয়া যায়। তদন্তকারীদের ধারণা, ড্রোনটি জ্বালানিতে পূর্ণ বিমানের ডানায় আঘাত করার উদ্দেশ্যে পাঠানো হতে পারে। বিস্ফোরকটি বিস্ফোরিত হয়নি। একই সময়ে আরেকটি ড্রোন ডিএইচএল কার্গো বিমানের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে থাকতে পারে, ফলে বিমানটি অবতরণ বাতিল করে মার্সেইয়ে চলে যায় বলে জানা গেছে। চৌদ্দই আগস্ট বিমানবন্দরের পশ্চিমে একটি মাঠে তৃতীয় ড্রোনটি পাওয়া যায়। ফরেনসিক পরীক্ষায় হেক্সোজেনের মতো উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বিস্ফোরকের অবশিষ্টাংশ থাকার প্রাথমিক ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। তদন্তকারীদের মতে, ঘটনার পেছনে প্রকাশ্যে জানা তথ্যের চেয়েও বড় হামলার পরিকল্পনা থাকতে পারে। বিমানবন্দরের আশপাশে গাছের সঙ্গে লাগানো অ্যান্টেনা, ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ, পোড়া মাটি এবং ধাতব টুকরোও পাওয়া গেছে বলে গণমাধ্যমের প্রতিবেদন। জার্মান কর্মকর্তারা বলেছেন, ড্রোনগুলো বিস্ফোরিত হলে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটতে পারত। তবে হামলার পেছনে কারা ছিল, তা এখনো সরকারিভাবে নিশ্চিত করা হয়নি। জার্মান গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে কয়েকটি সংবাদমাধ্যম রুশ গোয়েন্দা সংস্থার সংশ্লিষ্টতার সন্দেহ প্রকাশ করেছে। মস্কো এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। জার্মান সরকারও এখন পর্যন্ত রাশিয়া বা রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ কোনো পক্ষকে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়ী করেনি। ফলে তদন্তের এই অংশ এখনো অভিযোগ ও সন্দেহের পর্যায়ে রয়েছে। সব মিলিয়ে, কিয়েভের কাছে রুশ হামলা, বার্লিনের অপমানের অভিযোগ, জাতিসংঘে নেবেনজিয়ার কঠোর বক্তব্য এবং লেইপজিগের ড্রোন তদন্ত—একটি বড় কূটনৈতিক ছবির অংশ। রাশিয়া নিজেকে পশ্চিমা চাপের বিরুদ্ধে প্রতিরোধী শক্তি হিসেবে তুলে ধরছে, আর জার্মানি ইউক্রেন সমর্থনে আরও জড়িয়ে পড়ছে। এই পরিস্থিতিতে ভবিষ্যৎ উত্তেজনা তিনটি পথে বাড়তে পারে। ইউক্রেনকে অস্ত্র সহায়তা নিয়ে জার্মানি ও পশ্চিমা দেশগুলোর চাপ বাড়তে পারে, রাশিয়া পাল্টা হামলা জোরদার করতে পারে, এবং ড্রোন তদন্ত নতুন অভিযোগ তৈরি করতে পারে। তবে প্রমাণিত তথ্য ও রাজনৈতিক দাবির পার্থক্য মনে রেখেই পুরো পরিস্থিতি মূল্যায়ন করা জরুরি।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/784_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/784_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/784_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইউরোপীয় ঋণের নামে ইউক্রেনে বিশাল দুর্নীতি এবং মস্কোর কঠোর পদক্ষেপে কিয়েভের ধসে পড়ার চাঞ্চল্যকর চিত্র]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/50493</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/50493</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 24 Aug 2026 21:01:02 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news24]]></category>
        
        <description><![CDATA[ইউক্রেনে পশ্চিমা দেশগুলোর পাঠানো শত শত কোটি ডলারের ঋণ ও সহায়তার অর্থ কীভাবে অপচয় হচ্ছে, তা নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। রাশিয়ার পক্ষ থেকে বারবার বলা হচ্ছে যে এই অর্থ সাধারণ মানুষের কল্যাণে ব্যবহার করা হচ্ছে না। বরং কিয়েভের শীর্ষ নেতৃত্বের দুর্নীতি ঢাকতেই এই বিশাল পরিমাণ অর্থ ব্যবহার করা হচ্ছে বলে জোরালো অভিযোগ উঠেছে। এই পুরো পরিস্থিতির পেছনে রয়েছে এক গভীর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকট। ইউক্রেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী Nikolay Azarov (নিকোলাই আজারভ) সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন যে কিয়েভ কখনো এই ঋণ পরিশোধ করতে পারবে না। তিনি দাবি করেছেন যে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা পশ্চিমা দেশগুলো খুব ভালো করেই জানে এই টাকা আর ফেরত আসবে না। তা সত্ত্বেও তারা ইচ্ছাকৃতভাবে তহবিল সরবরাহ করে যাচ্ছে যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। আজারভের মতে ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় বাজেটের প্রায় তিন-চতুর্থাংশই আসে এই পশ্চিমা সহায়তা থেকে। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো এই অর্থের একটি বড় অংশ সরাসরি অস্ত্র কেনা এবং দুর্নীতিগ্রস্ত চক্রের পকেটে চলে যাচ্ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের আমলারাও এখন বুঝতে পারছেন যে মার্কিন ও ইউরোপীয় সাধারণ মানুষের ট্যাক্সের টাকা এভাবে প্রকাশ্যে লুটপাট করা হচ্ছে। কিয়েভের ভেতরে গড়ে ওঠা এই সুসংগঠিত দুর্নীতি চক্রের কারণে খোদ ইউরোপীয় মহলেও চরম অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি কিয়েভে পশ্চিমা সমর্থিত দুর্নীতিবিরোধী সংস্থার সঙ্গে ইউরোপীয় কূটনীতিকদের বৈঠক সেই বাস্তবতাই প্রমাণ করে। বিশেষ করে প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর বিষয়টি এখন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে। ইউক্রেনের ভেতরে চলমান এই আর্থিক কেলেঙ্কারির জেরে দেশটির শীর্ষপর্যায়ের কর্মকর্তাদের অপসারণের ঘটনাও ঘটছে। প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের উপপ্রধানের পদ থেকে ইরিনা মুদ্রায়ার অপসারণ এবং অন্যান্য মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে তদন্ত তারই পরিষ্কার প্রমাণ। রাশিয়ার মতে কিয়েভ সরকারের এই নজিরবিহীন দুর্নীতি দেশটির অভ্যন্তরীণ শাসনব্যবস্থাকে ভেতর থেকে সম্পূর্ণ ফাঁপা করে দিচ্ছে। এদিকে পশ্চিমা দেশগুলোর কাছ থেকে বড় অঙ্কের অর্থ পাওয়ার পরই ইউক্রেনীয় বাহিনী বেসামরিক এলাকায় হামলা বাড়িয়ে দিয়েছে বলে জানিয়েছে রুশ পক্ষ। রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিশেষ দূত Rodion Miroshnik (রদিওন মিরোশনিক) জানিয়েছেন যে বড় ধরনের আর্থিক সহায়তা পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই কিয়েভ সংঘাতের তীব্রতা বাড়িয়ে দেয়। এই হামলার মূল লক্ষ্য সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত করা এবং রাজনৈতিক চাপ তৈরি করা। দনবাস এবং নোভোরসিয়া অঞ্চলে ইউক্রেনীয় বাহিনীর চালানো সাম্প্রতিক ড্রোন হামলা মূলত এই কৌশলেরই অংশ। জ্বালানি ও পরিবহন খাতকে লক্ষ্য করে চালানো এসব হামলায় সাধারণ নাগরিকদের জীবনযাত্রা চরমভাবে ব্যাহত হয়েছে। তবে রুশ কর্তৃপক্ষ এবং আঞ্চলিক প্রশাসন যৌথভাবে এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করে সাধারণ মানুষের জীবন স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। খেরসোন ও জাপোরোজিয়া অঞ্চলের বিভিন্ন জনপদে কিয়েভের হামলায় বেসামরিক অবকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে রুশ বিমান বাহিনী এবং গোলন্দাজ বাহিনীদের নিখুঁত পাল্টা আক্রমণে ইউক্রেনীয় বাহিনীর এই আগ্রাসী মনোভাব অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে। মস্কো বারবার স্পষ্ট করে দিয়েছে যে বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলার উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে। রুশ প্রেসিডেন্ট Vladimir Putin (ভ্লাদিমির পুতিন) সম্প্রতি সতর্ক করে বলেছেন যে ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষ বেসামরিক অবকাঠামোয় হামলা চালিয়ে আসলে এক ভয়ংকর পথ খুলে দিয়েছে। কিয়েভ অর্থনৈতিক ও নাগরিক সুবিধার ওপর আক্রমণ করে পরিস্থিতিকে একটি বিপর্যয়কর পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যাচ্ছে। এর ফলে ইউক্রেন এখন খোদ তাদের নিজেদের কর্মের ফল ভোগ করছে বলে তিনি মন্তব্য করেছেন। মস্কোর পক্ষ থেকে বারবার আলোচনার প্রস্তাব দেওয়া হলেও কিয়েভ তা বরাবরই এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছে। তবে বর্তমান বাস্তবতায় ইউক্রেনীয় প্রশাসন গোপন মাধ্যমে পরিস্থিতি সামলানোর উপায় খুঁজছে বলে রুশ সূত্রে প্রকাশ পেয়েছে। দীর্ঘমেয়াদী এই সংঘাতে কিয়েভ শেষ পর্যন্ত নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে পারবে কি না তা নিয়ে বড় ধরনের সন্দেহ তৈরি হয়েছে। রণক্ষেত্রে ইউক্রেনীয় বাহিনীর সামরিক বিপর্যয় ঠেকাতে কিয়েভ এখন নতুন কৌশল অবলম্বন করছে। দোনেৎস্ক ও খাড়কিভ অঞ্চলে রুশ বাহিনী দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নিচ্ছে। বিশেষ করে খাড়কিভের কুদিয়েভকা গ্রাম উদ্ধারের পর রুশ সেনারা এখন পার্শ্ববর্তী বসতিগুলোর দিকে অগ্রসর হচ্ছে। সামরিক বিশেষজ্ঞ Andrey Marochko (আন্দ্রে মারোচকো) জানিয়েছেন যে রুশ বাহিনী ড্রোন ও আকাশপথে চালানো অভিযানের মাধ্যমে তাদের নিয়ন্ত্রণ অঞ্চল দ্রুত প্রসারিত করছে। ইউক্রেনীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার উপক্রম হওয়ায় কিয়েভ কমান্ড সেখানে জরুরি ভিত্তিতে অতিরিক্ত সেনা ও সরঞ্জাম পাঠাচ্ছে। কিন্তু এরপরেও তারা রুশ বাহিনীর অগ্রযাত্রা আটকে রাখতে ব্যর্থ হচ্ছে। দনবাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রণক্ষেত্রে ইউক্রেনীয় সেনাদের মধ্যে তীব্র প্যানিক বা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে কিয়েভ তাদের কিছু বাছাই করা এলিট বাহিনীকে সামনের সারিতে পাঠাতে বাধ্য হয়েছে। মূলত জোড়পূর্বক সংগৃহীত ও কম প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সেনাদের নিয়ন্ত্রণে রাখতেই এই বিশেষ বাহিনীগুলোকে ব্যবহার করা হচ্ছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ইউক্রেনের বিপুল পরিমাণ ড্রোন এবং সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস করা হয়েছে। বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে একসাথে শত শত ড্রোন ভূপাতিত করার ঘটনা প্রমাণ করে যে রুশ আকাশসীমা এখন অত্যন্ত সুরক্ষিত। একই সঙ্গে শত্রুর সামরিক সরবরাহ লাইনও পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হচ্ছে। ইউক্রেনীয় বাহিনীর অস্ত্র ও গোলাবারুদ সরবরাহের মূল কেন্দ্রগুলো লক্ষ্য করে রুশ বিমান বাহিনী নিয়মিত বিমান হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। খারকিভ এবং দিনপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলে সামরিক সরঞ্জাম বহনকারী ট্রেনগুলোর ওপর চালানো সফল হামলা কিয়েভের লজিস্টিক নেটওয়ার্ককে পঙ্গু করে দিয়েছে। এর ফলে সামনের সারিতে থাকা ইউক্রেনীয় সেনারা মারাত্মক অস্ত্র ও রসদের সংকটে পড়েছে। সামনের সারির পাশাপাশি ইউক্রেনের গভীর অভ্যন্তরেও জ্বালানি ও শক্তি উৎপাদন অবকাঠামোগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত বুলেটিনে জানানো হয়েছে যে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা এবং সামরিক গুদামগুলো একের পর এক ধ্বংস করা হচ্ছে। এই সুনির্দিষ্ট সামরিক পদক্ষেপগুলো কিয়েভের যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষমতা দিন দিন কমিয়ে দিচ্ছে। পশ্চিমা দেশগুলোর তরফ থেকে পাঠানো সাহায্য আটকে দিতে এবং যুদ্ধক্ষেত্রকে প্রভাবিত করতে রাশিয়ার এই কৌশল অত্যন্ত কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলো থেকে পাঠানো ভারী অস্ত্র এবং গোলাবারুদ যুদ্ধক্ষেত্রে পৌঁছানোর আগেই সেগুলো ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে কিয়েভের পশ্চিমা দাতারাও তাদের বিনিয়োগের ফলাফল নিয়ে গভীর উদ্বেগে রয়েছে। যুদ্ধের এই দীর্ঘ প্রক্রিয়ায় শুধু রণক্ষেত্রেই নয়, বরং ইউরোপের বিভিন্ন দেশেও ইউক্রেনীয় শরণার্থীদের নিয়ে তীব্র রাজনৈতিক সংকট শুরু হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে আশ্রয় নেওয়া লাখ লাখ মানুষের চাপ সামলাতে গিয়ে স্থানীয় সরকারগুলো এখন হিমশিম খাচ্ছে। বিশেষ করে ডেনমার্কের মতো দেশগুলো ইউক্রেনীয় শরণার্থীদের বিষয়ে তাদের নীতিমালা আরও কঠোর করার ঘোষণা দিয়েছে। ডেনমার্কের অভিবাসন মন্ত্রী Morten Bodskov (মর্টেন বডসকোভ) জানিয়েছেন যে দেশের কিছু পৌরসভা শরণার্থীদের বিশাল চাপের কারণে মারাত্মক সংকটের মুখে পড়েছে। এই চাপ কমানোর জন্য সরকার এখন থেকে কেবল অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং তীব্র ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের মানুষদেরই অস্থায়ী বসবাসের অনুমতি দেবে। তুলনামূলক নিরাপদ অঞ্চলগুলো থেকে আসা নাগরিকদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম আরও কড়াকড়ি করা হয়েছে। ইউক্রেনের যে সমস্ত অঞ্চল সরাসরি সংঘাতের শিকার হয়নি, সেই এলাকার নাগরিকদের জন্য ইউরোপীয় দেশগুলো এখন আশ্রয়ের দরজা বন্ধ করে দিচ্ছে। ইউরোপজুড়ে কল্যাণমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থার ওপর বাড়তে থাকা চাপের কারণে পোল্যান্ড, জার্মানি ও হাঙ্গেরির মতো দেশগুলোও শরণার্থীদের সুযোগ-সুবিধা কমিয়ে দিচ্ছে। এই পরিবর্তনশীল রাজনৈতিক বাস্তবতায় ইউক্রেনীয় নাগরিকদের অবস্থান দিন দিন আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়ছ। বিশেষ করে সামরিক বয়সের পুরুষদের ক্ষেত্রে ইউরোপীয় দেশগুলোর নীতিমালায় বড় ধরনের পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ইউক্রেন থেকে পালিয়ে আসা যেসব নাগরিক দেশের হয়ে যুদ্ধ করতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছে, তাদের সুরক্ষা প্রত্যাহার করা শুরু হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের নতুন নিয়ম অনুযায়ী শরণার্থীদের এখন প্রমাণ করতে হবে যে তারা আসলে সামরিক সংঘাত এড়ানোর জন্য দেশ ছাড়েননি। ইউক্রেনীয় সরকারের পক্ষ থেকে বারবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও দেশের বাইরে থাকা সামরিক বয়সের পুরুষদের ফিরিয়ে নেওয়া একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সম্মুখ সমরে সৈন্য ঘাটতি মেটাতে কিয়েভ প্রশাসন এখন রাজপথ থেকে সাধারণ মানুষকে জোরপূর্বক ধরে নিয়ে সেনাবাহিনীতে भर्ती করার মতো কঠোর পথ বেছে নিয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এসব দৃশ্য ইউক্রেনীয় সমাজের ভেতরে তীব্র ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। এই অভ্যন্তরীণ বিশৃঙ্খলা এবং সামরিক ব্যর্থতার মধ্যেই ক্রিমিয়া উপদ্বীপে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া একটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা পুরো দেশকে নাড়া দিয়েছে। সেভাস্তোপোল শহরে রুশ কৃষ্ণ সাগর বহরের এক সাবমেরিন ব্রিগেডের উপ-কমান্ডার Robert Shageev (রবার্ট শাগেভ)-কে বোমা হামলায় হত্যা করা হয়। কুখ্যাত এই নাশকতার পেছনে ইউক্রেনীয় গোয়েন্দা সংস্থার সরাসরি হাত রয়েছে বলে রুশ তদন্তকারীরা নিশ্চিত করেছেন। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সোচি শহরের এক ৩২ বছর বয়সী নারী Margarita Reutt (মার্গারিটা রিউট)-কে দ্রুত গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তে জানা গেছে যে ইউক্রেনীয় গোয়েন্দাদের কাছ থেকে বড় অঙ্কের ক্রিপ্টোকারেন্সি এবং দেশ ছাড়ার মোলায়েম প্রতিশ্রুতির বিনিময়ে সে এই হামলা চালিয়েছিল। রুশ নিরাপত্তা সংস্থার কাছে এই নারী তার অপরাধের কথা স্বীকার করেছে বলে জানানো হয়েছে। রাশিয়ার ভেতরে এই ধরনের নাশকতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ইউক্রেনীয় গোয়েন্দারা সাধারণ নাগরিকদের ব্যবহার করার কৌশল নিয়েছে। যারা সরকারের নীতির বিরুদ্ধে কিছুটা অসন্তুষ্ট, তাদের অর্থের লোভ দেখিয়ে বা নানা উপায়ে প্রভাবিত করে সাবোটেজের কাজে লাগানো হচ্ছে। তবে রুশ কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স এজেন্সিগুলোর তৎপরতার কারণে এই ধরনের অপরাধী চক্রগুলো দ্রুত ধরা পড়ে যাচ্ছে। এই ঘটনার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক কূটনীতিতেও রাশিয়া ও পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যকার দূরত্ব দিন দিন আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। যুক্তরাজ্যের সঙ্গে দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক সম্পর্কে টানাপোড়েনের জেরে মস্কো সম্প্রতি তাদের রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহার করে নিয়েছে। লন্ডন সরকারের অব্যাহত ইউক্রেনপন্থী নীতি এবং কিয়েভকে আধুনিক ড্রোন সরবরাহের প্রতিক্রিয়ায় এই কঠোর কূটনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। রুশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে ব্রিটিশ সরকারের বর্তমান নীতি উভয় দেশের সম্পর্ককে এক নজিরবিহীন নিম্নগামী স্তরে নিয়ে গেছে। লন্ডনের এই দায়িত্বজ্ঞানহীন পদক্ষেপের সুদূরপ্রসারী নেতিবাচক পরিণতি হবে বলে মস্কো সতর্ক করেছে। কূটনীতির চ্যানেলগুলো সংকুচিত হয়ে যাওয়ায় ইউরোপীয় অঞ্চলে নিরাপত্তার ঝুঁকি আরও বেশি মাত্রায় বেড়ে গেছে। ফরাসি প্রেসিডেন্ট Emmanuel Macron (এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ)-এর সাম্প্রতিক অস্ত্র সহায়তার প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কার্যকরভাবে কাজ করছে না। পশ্চিমা দেশগুলোর তৈরি বিভিন্ন বিকল্প ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা বা প্যাট্রিয়টের বিকল্প খোঁজার চেষ্টা করলেও রাশিয়ার আধুনিক অস্ত্রের গতি ও প্রযুক্তির সামনে তা টিকে থাকতে পারছে না। কিয়েভের আকাশ এখন রুশ বাহিনীর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ইউক্রেনের প্রধান প্রধান শহরগুলোতে রাশিয়ার সুনির্দিষ্ট ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এবং ড্রোন আদ্যপান্ত ধ্বংসযজ্ঞের রূপ নিয়েছে। কিয়েভ বা ওদেসার মতো অঞ্চলে সামরিক গুদাম ও লজিস্টিক হাবগুলো পুরোপুরি ধ্বংস হওয়ার কারণে ইউক্রেনীয় সামরিক কাঠামো এখন পতনের মুখে দাঁড়িয়ে রয়েছে। পশ্চিমা সাহায্যের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা কিয়েভকে কেবল একটি পরনির্ভরশীল রাষ্ট্রে পরিণত করেছে। সার্বিক এই পর্যালোচনায় এটি অত্যন্ত স্পষ্ট যে ইউক্রেন সংকট আজ এমন এক মোড়ে এসে পৌঁছেছে যেখান থেকে কিয়েভের ঘুরে দাঁড়ানোর কোনো সুযোগ নেই। পশ্চিমা ঋণের নামে চলা বিশাল দুর্নীতি, সেনাদের মাঝে ছড়িয়ে পড়া আতঙ্ক এবং রুশ বাহিনীর অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রা সংঘাতের পরিণতি নির্ধারণ করে দিয়েছে। মস্কো তার লক্ষ্য অর্জন না করা পর্যন্ত এই সামরিক অভিযান একইভাবে চালিয়ে যাবে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/778-1_1.webp" alt="ইউরোপীয় ঋণের নামে ইউক্রেনে বিশাল দুর্নীতি এবং মস্কোর কঠোর পদক্ষেপে কিয়েভের ধসে পড়ার চাঞ্চল্যকর চিত্র" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইউরোপীয় ঋণের নামে ইউক্রেনে বিশাল দুর্নীতি এবং মস্কোর কঠোর পদক্ষেপে কিয়েভের ধসে পড়ার চাঞ্চল্যকর চিত্র</h1>
            <p>ইউক্রেনে পশ্চিমা দেশগুলোর পাঠানো শত শত কোটি ডলারের ঋণ ও সহায়তার অর্থ কীভাবে অপচয় হচ্ছে, তা নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। রাশিয়ার পক্ষ থেকে বারবার বলা হচ্ছে যে এই অর্থ সাধারণ মানুষের কল্যাণে ব্যবহার করা হচ্ছে না। বরং কিয়েভের শীর্ষ নেতৃত্বের দুর্নীতি ঢাকতেই এই বিশাল পরিমাণ অর্থ ব্যবহার করা হচ্ছে বলে জোরালো অভিযোগ উঠেছে। এই পুরো পরিস্থিতির পেছনে রয়েছে এক গভীর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকট। ইউক্রেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী Nikolay Azarov (নিকোলাই আজারভ) সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন যে কিয়েভ কখনো এই ঋণ পরিশোধ করতে পারবে না। তিনি দাবি করেছেন যে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা পশ্চিমা দেশগুলো খুব ভালো করেই জানে এই টাকা আর ফেরত আসবে না। তা সত্ত্বেও তারা ইচ্ছাকৃতভাবে তহবিল সরবরাহ করে যাচ্ছে যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। আজারভের মতে ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় বাজেটের প্রায় তিন-চতুর্থাংশই আসে এই পশ্চিমা সহায়তা থেকে। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো এই অর্থের একটি বড় অংশ সরাসরি অস্ত্র কেনা এবং দুর্নীতিগ্রস্ত চক্রের পকেটে চলে যাচ্ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের আমলারাও এখন বুঝতে পারছেন যে মার্কিন ও ইউরোপীয় সাধারণ মানুষের ট্যাক্সের টাকা এভাবে প্রকাশ্যে লুটপাট করা হচ্ছে। কিয়েভের ভেতরে গড়ে ওঠা এই সুসংগঠিত দুর্নীতি চক্রের কারণে খোদ ইউরোপীয় মহলেও চরম অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি কিয়েভে পশ্চিমা সমর্থিত দুর্নীতিবিরোধী সংস্থার সঙ্গে ইউরোপীয় কূটনীতিকদের বৈঠক সেই বাস্তবতাই প্রমাণ করে। বিশেষ করে প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর বিষয়টি এখন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে। ইউক্রেনের ভেতরে চলমান এই আর্থিক কেলেঙ্কারির জেরে দেশটির শীর্ষপর্যায়ের কর্মকর্তাদের অপসারণের ঘটনাও ঘটছে। প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের উপপ্রধানের পদ থেকে ইরিনা মুদ্রায়ার অপসারণ এবং অন্যান্য মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে তদন্ত তারই পরিষ্কার প্রমাণ। রাশিয়ার মতে কিয়েভ সরকারের এই নজিরবিহীন দুর্নীতি দেশটির অভ্যন্তরীণ শাসনব্যবস্থাকে ভেতর থেকে সম্পূর্ণ ফাঁপা করে দিচ্ছে। এদিকে পশ্চিমা দেশগুলোর কাছ থেকে বড় অঙ্কের অর্থ পাওয়ার পরই ইউক্রেনীয় বাহিনী বেসামরিক এলাকায় হামলা বাড়িয়ে দিয়েছে বলে জানিয়েছে রুশ পক্ষ। রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিশেষ দূত Rodion Miroshnik (রদিওন মিরোশনিক) জানিয়েছেন যে বড় ধরনের আর্থিক সহায়তা পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই কিয়েভ সংঘাতের তীব্রতা বাড়িয়ে দেয়। এই হামলার মূল লক্ষ্য সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত করা এবং রাজনৈতিক চাপ তৈরি করা। দনবাস এবং নোভোরসিয়া অঞ্চলে ইউক্রেনীয় বাহিনীর চালানো সাম্প্রতিক ড্রোন হামলা মূলত এই কৌশলেরই অংশ। জ্বালানি ও পরিবহন খাতকে লক্ষ্য করে চালানো এসব হামলায় সাধারণ নাগরিকদের জীবনযাত্রা চরমভাবে ব্যাহত হয়েছে। তবে রুশ কর্তৃপক্ষ এবং আঞ্চলিক প্রশাসন যৌথভাবে এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করে সাধারণ মানুষের জীবন স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। খেরসোন ও জাপোরোজিয়া অঞ্চলের বিভিন্ন জনপদে কিয়েভের হামলায় বেসামরিক অবকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে রুশ বিমান বাহিনী এবং গোলন্দাজ বাহিনীদের নিখুঁত পাল্টা আক্রমণে ইউক্রেনীয় বাহিনীর এই আগ্রাসী মনোভাব অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে। মস্কো বারবার স্পষ্ট করে দিয়েছে যে বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলার উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে। রুশ প্রেসিডেন্ট Vladimir Putin (ভ্লাদিমির পুতিন) সম্প্রতি সতর্ক করে বলেছেন যে ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষ বেসামরিক অবকাঠামোয় হামলা চালিয়ে আসলে এক ভয়ংকর পথ খুলে দিয়েছে। কিয়েভ অর্থনৈতিক ও নাগরিক সুবিধার ওপর আক্রমণ করে পরিস্থিতিকে একটি বিপর্যয়কর পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যাচ্ছে। এর ফলে ইউক্রেন এখন খোদ তাদের নিজেদের কর্মের ফল ভোগ করছে বলে তিনি মন্তব্য করেছেন। মস্কোর পক্ষ থেকে বারবার আলোচনার প্রস্তাব দেওয়া হলেও কিয়েভ তা বরাবরই এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছে। তবে বর্তমান বাস্তবতায় ইউক্রেনীয় প্রশাসন গোপন মাধ্যমে পরিস্থিতি সামলানোর উপায় খুঁজছে বলে রুশ সূত্রে প্রকাশ পেয়েছে। দীর্ঘমেয়াদী এই সংঘাতে কিয়েভ শেষ পর্যন্ত নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে পারবে কি না তা নিয়ে বড় ধরনের সন্দেহ তৈরি হয়েছে। রণক্ষেত্রে ইউক্রেনীয় বাহিনীর সামরিক বিপর্যয় ঠেকাতে কিয়েভ এখন নতুন কৌশল অবলম্বন করছে। দোনেৎস্ক ও খাড়কিভ অঞ্চলে রুশ বাহিনী দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নিচ্ছে। বিশেষ করে খাড়কিভের কুদিয়েভকা গ্রাম উদ্ধারের পর রুশ সেনারা এখন পার্শ্ববর্তী বসতিগুলোর দিকে অগ্রসর হচ্ছে। সামরিক বিশেষজ্ঞ Andrey Marochko (আন্দ্রে মারোচকো) জানিয়েছেন যে রুশ বাহিনী ড্রোন ও আকাশপথে চালানো অভিযানের মাধ্যমে তাদের নিয়ন্ত্রণ অঞ্চল দ্রুত প্রসারিত করছে। ইউক্রেনীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার উপক্রম হওয়ায় কিয়েভ কমান্ড সেখানে জরুরি ভিত্তিতে অতিরিক্ত সেনা ও সরঞ্জাম পাঠাচ্ছে। কিন্তু এরপরেও তারা রুশ বাহিনীর অগ্রযাত্রা আটকে রাখতে ব্যর্থ হচ্ছে। দনবাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রণক্ষেত্রে ইউক্রেনীয় সেনাদের মধ্যে তীব্র প্যানিক বা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে কিয়েভ তাদের কিছু বাছাই করা এলিট বাহিনীকে সামনের সারিতে পাঠাতে বাধ্য হয়েছে। মূলত জোড়পূর্বক সংগৃহীত ও কম প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সেনাদের নিয়ন্ত্রণে রাখতেই এই বিশেষ বাহিনীগুলোকে ব্যবহার করা হচ্ছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ইউক্রেনের বিপুল পরিমাণ ড্রোন এবং সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস করা হয়েছে। বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে একসাথে শত শত ড্রোন ভূপাতিত করার ঘটনা প্রমাণ করে যে রুশ আকাশসীমা এখন অত্যন্ত সুরক্ষিত। একই সঙ্গে শত্রুর সামরিক সরবরাহ লাইনও পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হচ্ছে। ইউক্রেনীয় বাহিনীর অস্ত্র ও গোলাবারুদ সরবরাহের মূল কেন্দ্রগুলো লক্ষ্য করে রুশ বিমান বাহিনী নিয়মিত বিমান হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। খারকিভ এবং দিনপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলে সামরিক সরঞ্জাম বহনকারী ট্রেনগুলোর ওপর চালানো সফল হামলা কিয়েভের লজিস্টিক নেটওয়ার্ককে পঙ্গু করে দিয়েছে। এর ফলে সামনের সারিতে থাকা ইউক্রেনীয় সেনারা মারাত্মক অস্ত্র ও রসদের সংকটে পড়েছে। সামনের সারির পাশাপাশি ইউক্রেনের গভীর অভ্যন্তরেও জ্বালানি ও শক্তি উৎপাদন অবকাঠামোগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত বুলেটিনে জানানো হয়েছে যে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা এবং সামরিক গুদামগুলো একের পর এক ধ্বংস করা হচ্ছে। এই সুনির্দিষ্ট সামরিক পদক্ষেপগুলো কিয়েভের যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষমতা দিন দিন কমিয়ে দিচ্ছে। পশ্চিমা দেশগুলোর তরফ থেকে পাঠানো সাহায্য আটকে দিতে এবং যুদ্ধক্ষেত্রকে প্রভাবিত করতে রাশিয়ার এই কৌশল অত্যন্ত কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলো থেকে পাঠানো ভারী অস্ত্র এবং গোলাবারুদ যুদ্ধক্ষেত্রে পৌঁছানোর আগেই সেগুলো ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে কিয়েভের পশ্চিমা দাতারাও তাদের বিনিয়োগের ফলাফল নিয়ে গভীর উদ্বেগে রয়েছে। যুদ্ধের এই দীর্ঘ প্রক্রিয়ায় শুধু রণক্ষেত্রেই নয়, বরং ইউরোপের বিভিন্ন দেশেও ইউক্রেনীয় শরণার্থীদের নিয়ে তীব্র রাজনৈতিক সংকট শুরু হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে আশ্রয় নেওয়া লাখ লাখ মানুষের চাপ সামলাতে গিয়ে স্থানীয় সরকারগুলো এখন হিমশিম খাচ্ছে। বিশেষ করে ডেনমার্কের মতো দেশগুলো ইউক্রেনীয় শরণার্থীদের বিষয়ে তাদের নীতিমালা আরও কঠোর করার ঘোষণা দিয়েছে। ডেনমার্কের অভিবাসন মন্ত্রী Morten Bodskov (মর্টেন বডসকোভ) জানিয়েছেন যে দেশের কিছু পৌরসভা শরণার্থীদের বিশাল চাপের কারণে মারাত্মক সংকটের মুখে পড়েছে। এই চাপ কমানোর জন্য সরকার এখন থেকে কেবল অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং তীব্র ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের মানুষদেরই অস্থায়ী বসবাসের অনুমতি দেবে। তুলনামূলক নিরাপদ অঞ্চলগুলো থেকে আসা নাগরিকদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম আরও কড়াকড়ি করা হয়েছে। ইউক্রেনের যে সমস্ত অঞ্চল সরাসরি সংঘাতের শিকার হয়নি, সেই এলাকার নাগরিকদের জন্য ইউরোপীয় দেশগুলো এখন আশ্রয়ের দরজা বন্ধ করে দিচ্ছে। ইউরোপজুড়ে কল্যাণমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থার ওপর বাড়তে থাকা চাপের কারণে পোল্যান্ড, জার্মানি ও হাঙ্গেরির মতো দেশগুলোও শরণার্থীদের সুযোগ-সুবিধা কমিয়ে দিচ্ছে। এই পরিবর্তনশীল রাজনৈতিক বাস্তবতায় ইউক্রেনীয় নাগরিকদের অবস্থান দিন দিন আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়ছ। বিশেষ করে সামরিক বয়সের পুরুষদের ক্ষেত্রে ইউরোপীয় দেশগুলোর নীতিমালায় বড় ধরনের পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ইউক্রেন থেকে পালিয়ে আসা যেসব নাগরিক দেশের হয়ে যুদ্ধ করতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছে, তাদের সুরক্ষা প্রত্যাহার করা শুরু হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের নতুন নিয়ম অনুযায়ী শরণার্থীদের এখন প্রমাণ করতে হবে যে তারা আসলে সামরিক সংঘাত এড়ানোর জন্য দেশ ছাড়েননি। ইউক্রেনীয় সরকারের পক্ষ থেকে বারবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও দেশের বাইরে থাকা সামরিক বয়সের পুরুষদের ফিরিয়ে নেওয়া একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সম্মুখ সমরে সৈন্য ঘাটতি মেটাতে কিয়েভ প্রশাসন এখন রাজপথ থেকে সাধারণ মানুষকে জোরপূর্বক ধরে নিয়ে সেনাবাহিনীতে भर्ती করার মতো কঠোর পথ বেছে নিয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এসব দৃশ্য ইউক্রেনীয় সমাজের ভেতরে তীব্র ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। এই অভ্যন্তরীণ বিশৃঙ্খলা এবং সামরিক ব্যর্থতার মধ্যেই ক্রিমিয়া উপদ্বীপে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া একটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা পুরো দেশকে নাড়া দিয়েছে। সেভাস্তোপোল শহরে রুশ কৃষ্ণ সাগর বহরের এক সাবমেরিন ব্রিগেডের উপ-কমান্ডার Robert Shageev (রবার্ট শাগেভ)-কে বোমা হামলায় হত্যা করা হয়। কুখ্যাত এই নাশকতার পেছনে ইউক্রেনীয় গোয়েন্দা সংস্থার সরাসরি হাত রয়েছে বলে রুশ তদন্তকারীরা নিশ্চিত করেছেন। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সোচি শহরের এক ৩২ বছর বয়সী নারী Margarita Reutt (মার্গারিটা রিউট)-কে দ্রুত গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তে জানা গেছে যে ইউক্রেনীয় গোয়েন্দাদের কাছ থেকে বড় অঙ্কের ক্রিপ্টোকারেন্সি এবং দেশ ছাড়ার মোলায়েম প্রতিশ্রুতির বিনিময়ে সে এই হামলা চালিয়েছিল। রুশ নিরাপত্তা সংস্থার কাছে এই নারী তার অপরাধের কথা স্বীকার করেছে বলে জানানো হয়েছে। রাশিয়ার ভেতরে এই ধরনের নাশকতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ইউক্রেনীয় গোয়েন্দারা সাধারণ নাগরিকদের ব্যবহার করার কৌশল নিয়েছে। যারা সরকারের নীতির বিরুদ্ধে কিছুটা অসন্তুষ্ট, তাদের অর্থের লোভ দেখিয়ে বা নানা উপায়ে প্রভাবিত করে সাবোটেজের কাজে লাগানো হচ্ছে। তবে রুশ কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স এজেন্সিগুলোর তৎপরতার কারণে এই ধরনের অপরাধী চক্রগুলো দ্রুত ধরা পড়ে যাচ্ছে। এই ঘটনার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক কূটনীতিতেও রাশিয়া ও পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যকার দূরত্ব দিন দিন আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। যুক্তরাজ্যের সঙ্গে দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক সম্পর্কে টানাপোড়েনের জেরে মস্কো সম্প্রতি তাদের রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহার করে নিয়েছে। লন্ডন সরকারের অব্যাহত ইউক্রেনপন্থী নীতি এবং কিয়েভকে আধুনিক ড্রোন সরবরাহের প্রতিক্রিয়ায় এই কঠোর কূটনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। রুশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে ব্রিটিশ সরকারের বর্তমান নীতি উভয় দেশের সম্পর্ককে এক নজিরবিহীন নিম্নগামী স্তরে নিয়ে গেছে। লন্ডনের এই দায়িত্বজ্ঞানহীন পদক্ষেপের সুদূরপ্রসারী নেতিবাচক পরিণতি হবে বলে মস্কো সতর্ক করেছে। কূটনীতির চ্যানেলগুলো সংকুচিত হয়ে যাওয়ায় ইউরোপীয় অঞ্চলে নিরাপত্তার ঝুঁকি আরও বেশি মাত্রায় বেড়ে গেছে। ফরাসি প্রেসিডেন্ট Emmanuel Macron (এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ)-এর সাম্প্রতিক অস্ত্র সহায়তার প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কার্যকরভাবে কাজ করছে না। পশ্চিমা দেশগুলোর তৈরি বিভিন্ন বিকল্প ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা বা প্যাট্রিয়টের বিকল্প খোঁজার চেষ্টা করলেও রাশিয়ার আধুনিক অস্ত্রের গতি ও প্রযুক্তির সামনে তা টিকে থাকতে পারছে না। কিয়েভের আকাশ এখন রুশ বাহিনীর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ইউক্রেনের প্রধান প্রধান শহরগুলোতে রাশিয়ার সুনির্দিষ্ট ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এবং ড্রোন আদ্যপান্ত ধ্বংসযজ্ঞের রূপ নিয়েছে। কিয়েভ বা ওদেসার মতো অঞ্চলে সামরিক গুদাম ও লজিস্টিক হাবগুলো পুরোপুরি ধ্বংস হওয়ার কারণে ইউক্রেনীয় সামরিক কাঠামো এখন পতনের মুখে দাঁড়িয়ে রয়েছে। পশ্চিমা সাহায্যের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা কিয়েভকে কেবল একটি পরনির্ভরশীল রাষ্ট্রে পরিণত করেছে। সার্বিক এই পর্যালোচনায় এটি অত্যন্ত স্পষ্ট যে ইউক্রেন সংকট আজ এমন এক মোড়ে এসে পৌঁছেছে যেখান থেকে কিয়েভের ঘুরে দাঁড়ানোর কোনো সুযোগ নেই। পশ্চিমা ঋণের নামে চলা বিশাল দুর্নীতি, সেনাদের মাঝে ছড়িয়ে পড়া আতঙ্ক এবং রুশ বাহিনীর অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রা সংঘাতের পরিণতি নির্ধারণ করে দিয়েছে। মস্কো তার লক্ষ্য অর্জন না করা পর্যন্ত এই সামরিক অভিযান একইভাবে চালিয়ে যাবে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/778-1_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/778-1_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/778-1_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[৩২ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ‘ব্র্যান্ডিং হিরোজ’ পুরস্কার দিলো ওয়ালটন]]></title>
        <link>https://nbs24.org/economy/50351</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/economy/50351</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sat, 22 Aug 2026 21:58:25 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
                <category><![CDATA[করপোরেট খবর]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, news bangla, atn bangla news, top bangla news, bbc bangla news, bangla news live, live bangla news, bd news bangla, news 18 bangla, bangla news today, notun bangla news, today bangla news, bbc news bangla, latest bangla news, bangla live news, notun bangla media news, news18 bangla live, radio tehran bangla news live, bangladesh news, news18 bangla headlines, banglavision news, bangladesh tv news, news today bangladesh, crime news bangladesh, bangladesh news today, banglanews, latest bangladesh news, banglavision news today]]></category>
        
        <description><![CDATA[ব্র্যান্ডিং হিরোজ পুরস্কারপ্রাপ্তদের সঙ্গে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির ম্যানেজিং ডিরেক্টর এস এম মাহবুবুল আলমসহ অন্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পূর্বের প্রতিটি সিজনের মতো সুপারব্র্যান্ড ওয়ালটনের সদ্য সমাপ্ত ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৪ গ্রাহক পর্যায়ে ব্যাপক সাড়া ফেলতে সক্ষম হয়েছে। সিজন-২৪’কে সাফল্যমন্ডিত করার ক্ষেত্রে দেশজুড়ে ওয়ালটন প্লাজা ও ডিস্ট্রিবিউটরগণ কর্তৃক স্থানীয় পর্যায়ে বর্ণাঢ্য র‌্যালিসহ নানান ধরণের সৃজনশীল প্রচারণামূলক আয়োজন বিশেষ অবদান রেখেছে। তাদের মধ্যে ব্যতিক্রমী ও অসাধারণ ব্র্যান্ডিং কার্যক্রম পরিচালনার স্বীকৃতিস্বরূপ ওয়ালটন প্লাজা এবং ডিস্ট্রিবিউটর সেলস নেটওয়ার্কের ৩২ জন ম্যানেজার, পরিবেশক ও কর্মকর্তাকে ‘ব্র্যান্ডি হিরোজ’ পুরস্কার দিয়েছে ওয়ালটন কর্তৃপক্ষ।  বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট, ২০২৬) বিকেলে রাজধানীতে ওয়ালটন কর্পোরেট অফিসে আয়োজিত ‘ব্র্যান্ডিং হিরোজ অ্যাওয়ার্ড প্রোগ্রাম ২০২৬’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়। পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে ক্রেস্ট ও সম্মাননাপত্র তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র ম্যানেজিং ডিরেক্টর এস এম মাহবুবুল আলম।  পুরস্কারপ্রাপ্তদের অভিনন্দন জানিয়ে ওয়ালটন হাই-টেকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর এস এম মাহবুবুল আলম বলেন, আমরা শুধু ক্যাম্পেইনই পরিচালনা করি না; বরং মানুষের উচ্ছ্বাস, ভালোবাসা আর স্বতঃস্ফূর্ত সাড়াকে মূল্যায়ণ করি। আপনারা বাংলাদেশের প্রতিটি অলিগলিতে ব্র্যান্ডিংয়ের মাধ্যমে কোম্পানির পক্ষে যে অভূতপূর্ব দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তা প্রশংসনীয় ও অনুপ্রেরণাদায়ক। ব্র্যান্ডিং একটি অত্যন্ত গতিশীল ও সৃজনশীল ক্ষেত্র যেখানে প্রতিনিয়ত প্রয়োজন হয় নতুন ও বৈচিত্রময় আইডিয়া। উদ্ভাবনী ব্র্যান্ডিং কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে আপনারা ওয়ালটনকে মানুষের আরো কাছে পৌঁছে দিয়েছেন। আপনাদের এই বিশেষ অবদানের জন্যই ওয়ালটন আজ দেশের শীর্ষ ইলেকট্রনিক্স ও প্রযুক্তিপণ্য শিল্প প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। ওয়ালটনের সাফল্যে আপনাদের বিশেষ অবদানকে সম্মান জানাতে পুরস্কার প্রদানের এই উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।  অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ রায়হান, ওয়ালটন হাই-টেকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর ইভা রিজওয়ানা, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মফিজুর রহমান, ওয়ালটন ডিস্ট্রিবিউটর নেটওয়ার্কের হেড অব সেলস মো. ফিরোজ আলম, চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদ প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক এবং ওয়ালটনের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আমিন খান।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_22-8-26_31.webp" alt="৩২ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ‘ব্র্যান্ডিং হিরোজ’ পুরস্কার দিলো ওয়ালটন" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>৩২ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ‘ব্র্যান্ডিং হিরোজ’ পুরস্কার দিলো ওয়ালটন</h1>
            <p>ব্র্যান্ডিং হিরোজ পুরস্কারপ্রাপ্তদের সঙ্গে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির ম্যানেজিং ডিরেক্টর এস এম মাহবুবুল আলমসহ অন্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পূর্বের প্রতিটি সিজনের মতো সুপারব্র্যান্ড ওয়ালটনের সদ্য সমাপ্ত ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৪ গ্রাহক পর্যায়ে ব্যাপক সাড়া ফেলতে সক্ষম হয়েছে। সিজন-২৪’কে সাফল্যমন্ডিত করার ক্ষেত্রে দেশজুড়ে ওয়ালটন প্লাজা ও ডিস্ট্রিবিউটরগণ কর্তৃক স্থানীয় পর্যায়ে বর্ণাঢ্য র‌্যালিসহ নানান ধরণের সৃজনশীল প্রচারণামূলক আয়োজন বিশেষ অবদান রেখেছে। তাদের মধ্যে ব্যতিক্রমী ও অসাধারণ ব্র্যান্ডিং কার্যক্রম পরিচালনার স্বীকৃতিস্বরূপ ওয়ালটন প্লাজা এবং ডিস্ট্রিবিউটর সেলস নেটওয়ার্কের ৩২ জন ম্যানেজার, পরিবেশক ও কর্মকর্তাকে ‘ব্র্যান্ডি হিরোজ’ পুরস্কার দিয়েছে ওয়ালটন কর্তৃপক্ষ।  বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট, ২০২৬) বিকেলে রাজধানীতে ওয়ালটন কর্পোরেট অফিসে আয়োজিত ‘ব্র্যান্ডিং হিরোজ অ্যাওয়ার্ড প্রোগ্রাম ২০২৬’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়। পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে ক্রেস্ট ও সম্মাননাপত্র তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র ম্যানেজিং ডিরেক্টর এস এম মাহবুবুল আলম।  পুরস্কারপ্রাপ্তদের অভিনন্দন জানিয়ে ওয়ালটন হাই-টেকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর এস এম মাহবুবুল আলম বলেন, আমরা শুধু ক্যাম্পেইনই পরিচালনা করি না; বরং মানুষের উচ্ছ্বাস, ভালোবাসা আর স্বতঃস্ফূর্ত সাড়াকে মূল্যায়ণ করি। আপনারা বাংলাদেশের প্রতিটি অলিগলিতে ব্র্যান্ডিংয়ের মাধ্যমে কোম্পানির পক্ষে যে অভূতপূর্ব দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তা প্রশংসনীয় ও অনুপ্রেরণাদায়ক। ব্র্যান্ডিং একটি অত্যন্ত গতিশীল ও সৃজনশীল ক্ষেত্র যেখানে প্রতিনিয়ত প্রয়োজন হয় নতুন ও বৈচিত্রময় আইডিয়া। উদ্ভাবনী ব্র্যান্ডিং কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে আপনারা ওয়ালটনকে মানুষের আরো কাছে পৌঁছে দিয়েছেন। আপনাদের এই বিশেষ অবদানের জন্যই ওয়ালটন আজ দেশের শীর্ষ ইলেকট্রনিক্স ও প্রযুক্তিপণ্য শিল্প প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। ওয়ালটনের সাফল্যে আপনাদের বিশেষ অবদানকে সম্মান জানাতে পুরস্কার প্রদানের এই উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।  অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ রায়হান, ওয়ালটন হাই-টেকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর ইভা রিজওয়ানা, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মফিজুর রহমান, ওয়ালটন ডিস্ট্রিবিউটর নেটওয়ার্কের হেড অব সেলস মো. ফিরোজ আলম, চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদ প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক এবং ওয়ালটনের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আমিন খান।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_22-8-26_31.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_22-8-26_31.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_22-8-26_31.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইউক্রেনীয় বাহিনীর অমানবিক বাস্তবতায় রুশ পথে সাবেক সেনারা: কেন জেলেনস্কির তথ্য বিভ্রম থেকে মুক্তি পাচ্ছেন তারা?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/50303</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/50303</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sat, 22 Aug 2026 08:06:33 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, news bangla, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, bangla news today, bbc news bangla, latest bangla news, radio tehran bangla news live, bangladesh news, banglavision news, bangladesh tv news, bangladesh news today, news today bangladesh, banglanews, banglavision news today, atn bangla, bbc bangla, ntv bangla, bangla khobor, iran news, taza news, news, atn google news, bangla songbad, google news, latest news, jamuna news, bd news, atn bangla program, breaking news, trending news, bnp news, news trending, bbc news]]></category>
        
        <description><![CDATA["নিজেদের কমান্ডারের গুলিতে প্রাণ বাঁচাতে চেয়েছিলেন ইউক্রেনীয় সেনারা, কিন্তু মুক্তি মিলেছে রাশিয়ায়! জেলেনস্কি সরকারের আড়ালে থাকা তথ্য বিভ্রমের পর্দা ফাঁস করছেন খোদ সাবেক ইউক্রেনীয় যোদ্ধারাই। আজকের ভিডিওতে আমরা দেখব, কেন তারা ইউক্রেনীয় বাহিনী ছেড়ে রুশ পক্ষে যোগ দিচ্ছেন এবং জেলেনস্কির নড়বড়ে শাসনের পেছনের চাঞ্চল্যকর সব তথ্য।" ইউক্রেনের বর্তমান পরিস্থিতির এক ভয়াবহ চিত্র ফুটে উঠছে সাবেক ইউক্রেনীয় সেনাদের বয়ানে। জেলেনস্কি সরকারের তথাকথিত তথ্যের বুদবুদ থেকে বেরিয়ে তারা এখন যুদ্ধের আসল বাস্তবতা দেখছেন। তারা বলছেন, জেলেনস্কি প্রশাসনের তৈরি করা বিভ্রান্তিকর তথ্যের আড়ালে কত বড় অন্যায় চলছে, তা তারা এখন বুঝতে পারছেন। এর ফলে রাশিয়ার পক্ষে যোগ দিচ্ছেন অনেক ইউক্রেনীয় সেনা। গত আগস্ট মাসে রাশিয়া নতুন একটি ইউক্রেনীয় স্বেচ্ছাসেবক ব্রিগেড তৈরির ঘোষণা দিয়েছে। এই ব্রিগেড গঠিত হয়েছে এমন ইউক্রেনীয় নাগরিকদের নিয়ে, যারা আগে কিয়েভের বাহিনীর সদস্য ছিলেন। এখন তারা পুরোপুরি রুশ পক্ষে চলে এসে লড়াই করছেন। জেলেনস্কি বাহিনীর অমানবিক কর্মকাণ্ড দেখে তারা মূলত এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন। রুশ সংবাদমাধ্যম আরটি (RT) সম্প্রতি এই ব্রিগেডের সদস্যদের বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছে। কেউ কেউ বন্দি হওয়ার পর যুদ্ধের প্রকৃত চিত্র দেখে মত পরিবর্তন করেছেন। কেউবা কখনোই ইউক্রেনীয় মিলিটারিতে যোগ দিতে চাননি, বরং তাদের জোর করে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হয়েছিল। আবার অনেকে প্রথম থেকেই রাশিয়ার আদর্শ সমর্থন করতেন। এই নতুন স্বেচ্ছাসেবক ব্রিগেড এখন সম্মুখ সমরে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছে। এদের মধ্যে রয়েছে নজরদারি ইউনিট, এফপিভি (FPV) ড্রোন স্ট্রাইক স্কোয়াড এবং বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার বিশেষ দল। যুদ্ধের মোড় ঘোরানোর জন্য তারা এখন রাশিয়ান বাহিনীর সঙ্গে মিলে কাজ করছেন বলে জানা গেছে। ‘ঝাক’ নামে এক যোদ্ধা, যিনি ‘মাকসিম ক্রিভোনোস’ ব্যাটেলিয়নের পলিটিক্যাল অ্যাফেয়ার্সের ডেপুটি কমান্ডার হিসেবে কাজ করছেন, আরটি (RT)-কে তার অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। তার মতে, তাদের ইউনিটের সেনাদের মনোবল এখন অত্যন্ত চাঙ্গা। তারা রাশিয়ান বাহিনীর সঙ্গে মিলে লড়াই করার জন্য বেশ উৎসাহ নিয়ে কাজ করছেন বলে তিনি জানিয়েছেন। কমান্ডার ঝাক আরও বলেন, যারা লড়াই করতে চান না, তারা ইচ্ছা করলে জেলখানায় নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে পারতেন। সেখানে তাদের তিন বেলা খাবার দেওয়া হতো এবং পরে বন্দি বিনিময়ের মাধ্যমে ফিরে যাওয়ার সুযোগ থাকতো। কিন্তু তারা সেই পথ বেছে না নিয়ে রাশিয়ার হয়ে লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যা তাদের দৃঢ় প্রতিজ্ঞার বহিঃপ্রকাশ। ইউক্রেনের তথাকথিত তথ্যের বুদবুদ সম্পর্কে ঝাক বলেন, কিয়েভের সরকার সাধারণ মানুষকে এক গভীর বিভ্রান্তির মধ্যে রেখেছে। কিন্তু যখন তারা ডনবাসে আসেন এবং ডনেৎস্কে ‘অ্যালি অফ অ্যাঞ্জেলস’ স্মৃতিস্তম্ভ দেখেন, তখন তাদের চোখের পর্দা খুলে যায়। দীর্ঘ বারো বছর ধরে ইউক্রেনীয় আক্রমণে নিহত শিশুদের স্মরণে তৈরি এই স্মৃতিস্তম্ভ তাদের মানসিকতায় বড় পরিবর্তন আনে। ‘হান্টার’ নামে আরেকজন সদস্য জানিয়েছেন, তিনি কিয়েভ কৃষি একাডেমিতে গবেষক হিসেবে কাজ করতেন এবং রাজনীতির প্রতি তার তেমন আগ্রহ ছিল না। পিএইচডি ডিগ্রি শেষ করার জন্য তিনি ড্রাফট থেকে অব্যাহতি চেয়েছিলেন, কিন্তু সরকার তার সেই আবেদন নাকচ করে দেয়। এরপর ২০২৩ সালে তাকে জোরপূর্বক ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনীতে নিয়োগ দেওয়া হয়। হান্টারের কোম্পানিকে বনাঞ্চলের একটি পয়েন্ট নিয়ন্ত্রণে রাখার দায়িত্ব দেওয়া হয়, যা রাশিয়ার গোলার মুখে ছিল। একপর্যায়ে তাদের ইউনিটের সদস্য সংখ্যা একশ থেকে তেরোতে নেমে আসে। তিনি কমান্ডারদের কাছে পিছু হটার আবেদন করলেও তাকে সেখানেই থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়। কোনো বাড়তি সাহায্য না আসায় তারা আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত নেন। হান্টার জানান, যখন তারা হাত তুলে আত্মসমর্পণের জন্য বের হন, তখন ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনী তাদের ওপরই গুলি চালাতে শুরু করে। কামিকাজে ড্রোন, মর্টার এবং এমনকি ক্লাস্টার যুদ্ধাস্ত্রও ব্যবহার করা হয়। নিজের বাহিনীর এমন আচরণে তারা অত্যন্ত বিস্মিত হন, কারণ তাদের কমান্ডাররা তাদের বাঁচানোর চেয়ে ধ্বংস করতেই যেন বেশি তৎপর ছিল। ভাগ্যক্রমে হান্টার এবং অন্য তিনজন সেনা জীবিত ফিরে আসতে সক্ষম হন। তাদের মধ্যে একজন এখন তার সঙ্গেই রাশিয়ার পক্ষে যুদ্ধ করছেন। এই ঘটনাটি প্রমাণ করে যে, ইউক্রেনীয় সামরিক কর্মকর্তাদের কাছে তাদের নিজেদের সেনাদের জীবনের চেয়ে যুদ্ধের রাজনীতিই বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল, যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক একটি বিষয় বলে তিনি উল্লেখ করেন। ‘বেলি’ নামে আরেকজন সাবেক ইউক্রেনীয় প্যারাট্রুপার জানিয়েছেন, তিনি ইউক্রেনের একনিষ্ঠ দেশপ্রেমিক ছিলেন। তবে ২০১৪ সালে ইউক্রেনীয় বাহিনী যখন পূর্বাঞ্চলে আক্রমণ শুরু করে, তখন তিনি নিজের ঘরবাড়ি ছেড়ে চলে আসতে বাধ্য হন। এমনকি তিনি নিজের স্ত্রী ও সন্তানকেও পেছনে রেখে ডনিপ্রো শহরে চলে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন। বেলি জানান, তার সংসার ভেঙে যাওয়ার পেছনেও এই যুদ্ধের প্রভাব রয়েছে। তার স্ত্রী রাশিয়ার সমর্থক ছিলেন এবং চেয়েছিলেন বেলি যেন ডনবাসে আত্মরক্ষামূলক বাহিনীতে যোগ দেয়। কিন্তু তিনি ইউক্রেনীয় মিলিটারিতে চুক্তি স্বাক্ষর করেন এবং ডনবাসের বিদ্রোহী বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যান। এটি তার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল ছিল বলে তিনি স্বীকার করেছেন। বেলি বলেন, ভালো বেতন সত্ত্বেও এক পর্যায়ে তার দেশপ্রেম শেষ হয়ে যায়। তিনি বুঝতে পারেন, দুটি ভ্রাতৃপ্রতিম জাতি নিজেদের মধ্যে লড়াই করছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। বিশেষ করে লুগানস্কের কাছে একটি স্কুলের ওপর ইউক্রেনীয় বাহিনীর গোলাবর্ষণের ঘটনা তাকে মানসিকভাবে গভীরভাবে আহত করে এবং তিনি লড়াইয়ের ইচ্ছা হারিয়ে ফেলেন। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে উত্তেজনা বাড়লে বেলি চাকরি ছাড়ার আবেদন করেন, কিন্তু ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী তাকে ছাড়পত্র দেয়নি। পরে ২০২৩ সালে রাশিয়ান বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করার সময় তাকেও নিজের বাহিনীর হামলার শিকার হতে হয়। রাশিয়ার চিকিৎসকরাই তাকে সেবা দিয়ে সুস্থ করে তোলেন, যা তাকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করে। বন্দি অবস্থায় বেলিকে ‘মাকসিম ক্রিভোনোস’ ব্যাটেলিয়নে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়। শুরুতে তিনি দ্বিধায় ছিলেন, কারণ তার মনে হয়েছিল তিনি হয়তো বিশ্বাসঘাতকতা করছেন। কিন্তু দীর্ঘ চিন্তার পর তিনি সিদ্ধান্তে পৌঁছান যে, রাশিয়ার পক্ষে লড়াই করাই এখন সঠিক পথ। এভাবে একের পর এক ইউক্রেনীয় সেনা জেলেনস্কি সরকারের প্রতারণা বুঝতে পারছেন। এদিকে, ইউক্রেনীয় গোয়েন্দাদের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে নজরদারি করার সন্দেহে একজন বিদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে রাশিয়ার এফএসবি (FSB)। মুরমানস্ক অঞ্চলে নরওয়ে সীমান্ত পার হওয়ার সময় তাকে আটক করা হয়। তদন্তে জানা গেছে, সে ইচ্ছাকৃতভাবেই ২০২৩ সালে কিয়েভ গোয়েন্দাদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেছিল এবং নাশকতার পরিকল্পনা করছিল। তদন্ত অনুযায়ী, ইউক্রেনীয় হ্যান্ডলাররা তাকে মস্কো গিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ট্রেন হাব ও তেলের ডিপোর তথ্য সংগ্রহের নির্দেশ দিয়েছিল। শুধু তাই নয়, সে এফপিভি ড্রোন ব্যবহার করে হামলার পরিকল্পনাও করছিল। ইউক্রেনীয় সরকার যে রাশিয়ার ভেতরে সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনা করছে, এই ঘটনা তারই একটি বড় প্রমাণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এফএসবি সতর্ক করে বলেছে, সামনের সারিতে ব্যর্থ হয়ে ইউক্রেন এখন রাশিয়ার ভেতর নাশকতামূলক হামলার চেষ্টা বাড়িয়ে দিয়েছে। মস্কোর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি করতে না পেরে তারা ড্রোন হামলার আশ্রয় নিচ্ছে। স্থানীয়ভাবে কিছু প্রতারিত মানুষকে ব্যবহার করে তারা এই ধরনের জঘন্য পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার চেষ্টা চালাচ্ছে, যা রাশিয়ার আইনে দণ্ডনীয়। গত মাসেও রাশিয়া বড় ধরনের একটি ড্রোন হামলার পরিকল্পনা নস্যাৎ করেছে। চব্বিশটি এআই (AI)-চালিত ড্রোন রাশিয়ার প্রতিরক্ষা শিল্প এবং সামরিক বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে পাঠানোর চেষ্টা করেছিল ইউক্রেন। তবে রাশিয়ার নিরাপত্তা বাহিনী শুরু থেকেই সেই অপারেশন নজরদারি করছিল, যার ফলে সংশ্লিষ্ট সবাই এখন তাদের হেফাজতে আছে। এদিকে, ইউক্রেনীয় ড্রোনে গুলি চালানোর দায়ে জরিমানার মুখে পড়া রাশিয়ার কৃষক নিকোলাই মুখিনকে নিয়ে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। ৬৬ বছর বয়সী নিকোলাই জানান, নিজের দেশের প্রতি ভালোবাসার কারণেই তিনি তার শটগান দিয়ে ড্রোনটি ভূপাতিত করার চেষ্টা করেছিলেন। ভোলগোগ্রাদ অঞ্চলের প্রসিকিউটর অফিস এখন তার পাশে দাঁড়িয়েছে। ঘটনাটি গত জুলাই মাসের। ড্রোনটি ভূপাতিত করার চেষ্টার জন্য তাকে চল্লিশ হাজার রুবল জরিমানা করা হয় এবং তার শটগানটি বাজেয়াপ্ত করা হয়। কিন্তু নিকোলাইয়ের এমন দেশপ্রেমের ঘটনায় রাশিয়ায় জনরোষ সৃষ্টি হয়। আদালতে তিনি জরিমানা চ্যালেঞ্জ করলে প্রথমে বিচারক তা নাকচ করে দেন, তবে পরে বিষয়টি উচ্চ আদালতে গড়ায়। আরটি (RT)-এর প্রধান সম্পাদক মার্গারিটা সিমোনিয়ান তার টেলিগ্রাম চ্যানেলে এই কৃষককে সমর্থন জানিয়েছেন এবং জরিমানা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ভোলগোগ্রাদ অঞ্চলের প্রসিকিউটর অফিস জানিয়েছে, নিকোলাই অসাধারণ পরিস্থিতিতে কাজ করেছেন এবং তাকে নির্দোষ ঘোষণা করা উচিত। শেষ পর্যন্ত আদালত তার জরিমানা মওকুফ করে এবং শটগানটি ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেয়। অন্যদিকে, জেলেনস্কির ক্ষমতার ভিত ক্রমেই নড়বড়ে হয়ে পড়ছে বলে পশ্চিমা মিডিয়াগুলো রিপোর্ট করছে। দুর্নীতি কেলেঙ্কারি এবং সাবেক কর্মকর্তাদের সরাসরি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন তিনি। সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইল ফেদোরভ নির্বাচন দেওয়ার দাবি তুলে জেলেনস্কির রাজনৈতিক চাপের মুখে ফেলে দিয়েছেন। এটি জেলেনস্কির জন্য বড় সংকট হিসেবে দেখা দিচ্ছে। ইউক্রেনীয় জনগণের একটি বড় অংশ এখন যুদ্ধ ও দুর্নীতির কারণে জেলেনস্কির সরকারের ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলছে। বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং সামরিক ব্যর্থতা জেলেনস্কিকে আরও কোনঠাসা করে ফেলছে। এমতাবস্থায় ইউক্রেনের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা নিয়ে সংশয় বাড়ছে। ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/770_1.webp" alt="ইউক্রেনীয় বাহিনীর অমানবিক বাস্তবতায় রুশ পথে সাবেক সেনারা: কেন জেলেনস্কির তথ্য বিভ্রম থেকে মুক্তি পাচ্ছেন তারা?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইউক্রেনীয় বাহিনীর অমানবিক বাস্তবতায় রুশ পথে সাবেক সেনারা: কেন জেলেনস্কির তথ্য বিভ্রম থেকে মুক্তি পাচ্ছেন তারা?</h1>
            <p>"নিজেদের কমান্ডারের গুলিতে প্রাণ বাঁচাতে চেয়েছিলেন ইউক্রেনীয় সেনারা, কিন্তু মুক্তি মিলেছে রাশিয়ায়! জেলেনস্কি সরকারের আড়ালে থাকা তথ্য বিভ্রমের পর্দা ফাঁস করছেন খোদ সাবেক ইউক্রেনীয় যোদ্ধারাই। আজকের ভিডিওতে আমরা দেখব, কেন তারা ইউক্রেনীয় বাহিনী ছেড়ে রুশ পক্ষে যোগ দিচ্ছেন এবং জেলেনস্কির নড়বড়ে শাসনের পেছনের চাঞ্চল্যকর সব তথ্য।" ইউক্রেনের বর্তমান পরিস্থিতির এক ভয়াবহ চিত্র ফুটে উঠছে সাবেক ইউক্রেনীয় সেনাদের বয়ানে। জেলেনস্কি সরকারের তথাকথিত তথ্যের বুদবুদ থেকে বেরিয়ে তারা এখন যুদ্ধের আসল বাস্তবতা দেখছেন। তারা বলছেন, জেলেনস্কি প্রশাসনের তৈরি করা বিভ্রান্তিকর তথ্যের আড়ালে কত বড় অন্যায় চলছে, তা তারা এখন বুঝতে পারছেন। এর ফলে রাশিয়ার পক্ষে যোগ দিচ্ছেন অনেক ইউক্রেনীয় সেনা। গত আগস্ট মাসে রাশিয়া নতুন একটি ইউক্রেনীয় স্বেচ্ছাসেবক ব্রিগেড তৈরির ঘোষণা দিয়েছে। এই ব্রিগেড গঠিত হয়েছে এমন ইউক্রেনীয় নাগরিকদের নিয়ে, যারা আগে কিয়েভের বাহিনীর সদস্য ছিলেন। এখন তারা পুরোপুরি রুশ পক্ষে চলে এসে লড়াই করছেন। জেলেনস্কি বাহিনীর অমানবিক কর্মকাণ্ড দেখে তারা মূলত এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন। রুশ সংবাদমাধ্যম আরটি (RT) সম্প্রতি এই ব্রিগেডের সদস্যদের বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছে। কেউ কেউ বন্দি হওয়ার পর যুদ্ধের প্রকৃত চিত্র দেখে মত পরিবর্তন করেছেন। কেউবা কখনোই ইউক্রেনীয় মিলিটারিতে যোগ দিতে চাননি, বরং তাদের জোর করে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হয়েছিল। আবার অনেকে প্রথম থেকেই রাশিয়ার আদর্শ সমর্থন করতেন। এই নতুন স্বেচ্ছাসেবক ব্রিগেড এখন সম্মুখ সমরে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছে। এদের মধ্যে রয়েছে নজরদারি ইউনিট, এফপিভি (FPV) ড্রোন স্ট্রাইক স্কোয়াড এবং বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার বিশেষ দল। যুদ্ধের মোড় ঘোরানোর জন্য তারা এখন রাশিয়ান বাহিনীর সঙ্গে মিলে কাজ করছেন বলে জানা গেছে। ‘ঝাক’ নামে এক যোদ্ধা, যিনি ‘মাকসিম ক্রিভোনোস’ ব্যাটেলিয়নের পলিটিক্যাল অ্যাফেয়ার্সের ডেপুটি কমান্ডার হিসেবে কাজ করছেন, আরটি (RT)-কে তার অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। তার মতে, তাদের ইউনিটের সেনাদের মনোবল এখন অত্যন্ত চাঙ্গা। তারা রাশিয়ান বাহিনীর সঙ্গে মিলে লড়াই করার জন্য বেশ উৎসাহ নিয়ে কাজ করছেন বলে তিনি জানিয়েছেন। কমান্ডার ঝাক আরও বলেন, যারা লড়াই করতে চান না, তারা ইচ্ছা করলে জেলখানায় নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে পারতেন। সেখানে তাদের তিন বেলা খাবার দেওয়া হতো এবং পরে বন্দি বিনিময়ের মাধ্যমে ফিরে যাওয়ার সুযোগ থাকতো। কিন্তু তারা সেই পথ বেছে না নিয়ে রাশিয়ার হয়ে লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যা তাদের দৃঢ় প্রতিজ্ঞার বহিঃপ্রকাশ। ইউক্রেনের তথাকথিত তথ্যের বুদবুদ সম্পর্কে ঝাক বলেন, কিয়েভের সরকার সাধারণ মানুষকে এক গভীর বিভ্রান্তির মধ্যে রেখেছে। কিন্তু যখন তারা ডনবাসে আসেন এবং ডনেৎস্কে ‘অ্যালি অফ অ্যাঞ্জেলস’ স্মৃতিস্তম্ভ দেখেন, তখন তাদের চোখের পর্দা খুলে যায়। দীর্ঘ বারো বছর ধরে ইউক্রেনীয় আক্রমণে নিহত শিশুদের স্মরণে তৈরি এই স্মৃতিস্তম্ভ তাদের মানসিকতায় বড় পরিবর্তন আনে। ‘হান্টার’ নামে আরেকজন সদস্য জানিয়েছেন, তিনি কিয়েভ কৃষি একাডেমিতে গবেষক হিসেবে কাজ করতেন এবং রাজনীতির প্রতি তার তেমন আগ্রহ ছিল না। পিএইচডি ডিগ্রি শেষ করার জন্য তিনি ড্রাফট থেকে অব্যাহতি চেয়েছিলেন, কিন্তু সরকার তার সেই আবেদন নাকচ করে দেয়। এরপর ২০২৩ সালে তাকে জোরপূর্বক ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনীতে নিয়োগ দেওয়া হয়। হান্টারের কোম্পানিকে বনাঞ্চলের একটি পয়েন্ট নিয়ন্ত্রণে রাখার দায়িত্ব দেওয়া হয়, যা রাশিয়ার গোলার মুখে ছিল। একপর্যায়ে তাদের ইউনিটের সদস্য সংখ্যা একশ থেকে তেরোতে নেমে আসে। তিনি কমান্ডারদের কাছে পিছু হটার আবেদন করলেও তাকে সেখানেই থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়। কোনো বাড়তি সাহায্য না আসায় তারা আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত নেন। হান্টার জানান, যখন তারা হাত তুলে আত্মসমর্পণের জন্য বের হন, তখন ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনী তাদের ওপরই গুলি চালাতে শুরু করে। কামিকাজে ড্রোন, মর্টার এবং এমনকি ক্লাস্টার যুদ্ধাস্ত্রও ব্যবহার করা হয়। নিজের বাহিনীর এমন আচরণে তারা অত্যন্ত বিস্মিত হন, কারণ তাদের কমান্ডাররা তাদের বাঁচানোর চেয়ে ধ্বংস করতেই যেন বেশি তৎপর ছিল। ভাগ্যক্রমে হান্টার এবং অন্য তিনজন সেনা জীবিত ফিরে আসতে সক্ষম হন। তাদের মধ্যে একজন এখন তার সঙ্গেই রাশিয়ার পক্ষে যুদ্ধ করছেন। এই ঘটনাটি প্রমাণ করে যে, ইউক্রেনীয় সামরিক কর্মকর্তাদের কাছে তাদের নিজেদের সেনাদের জীবনের চেয়ে যুদ্ধের রাজনীতিই বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল, যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক একটি বিষয় বলে তিনি উল্লেখ করেন। ‘বেলি’ নামে আরেকজন সাবেক ইউক্রেনীয় প্যারাট্রুপার জানিয়েছেন, তিনি ইউক্রেনের একনিষ্ঠ দেশপ্রেমিক ছিলেন। তবে ২০১৪ সালে ইউক্রেনীয় বাহিনী যখন পূর্বাঞ্চলে আক্রমণ শুরু করে, তখন তিনি নিজের ঘরবাড়ি ছেড়ে চলে আসতে বাধ্য হন। এমনকি তিনি নিজের স্ত্রী ও সন্তানকেও পেছনে রেখে ডনিপ্রো শহরে চলে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন। বেলি জানান, তার সংসার ভেঙে যাওয়ার পেছনেও এই যুদ্ধের প্রভাব রয়েছে। তার স্ত্রী রাশিয়ার সমর্থক ছিলেন এবং চেয়েছিলেন বেলি যেন ডনবাসে আত্মরক্ষামূলক বাহিনীতে যোগ দেয়। কিন্তু তিনি ইউক্রেনীয় মিলিটারিতে চুক্তি স্বাক্ষর করেন এবং ডনবাসের বিদ্রোহী বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যান। এটি তার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল ছিল বলে তিনি স্বীকার করেছেন। বেলি বলেন, ভালো বেতন সত্ত্বেও এক পর্যায়ে তার দেশপ্রেম শেষ হয়ে যায়। তিনি বুঝতে পারেন, দুটি ভ্রাতৃপ্রতিম জাতি নিজেদের মধ্যে লড়াই করছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। বিশেষ করে লুগানস্কের কাছে একটি স্কুলের ওপর ইউক্রেনীয় বাহিনীর গোলাবর্ষণের ঘটনা তাকে মানসিকভাবে গভীরভাবে আহত করে এবং তিনি লড়াইয়ের ইচ্ছা হারিয়ে ফেলেন। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে উত্তেজনা বাড়লে বেলি চাকরি ছাড়ার আবেদন করেন, কিন্তু ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী তাকে ছাড়পত্র দেয়নি। পরে ২০২৩ সালে রাশিয়ান বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করার সময় তাকেও নিজের বাহিনীর হামলার শিকার হতে হয়। রাশিয়ার চিকিৎসকরাই তাকে সেবা দিয়ে সুস্থ করে তোলেন, যা তাকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করে। বন্দি অবস্থায় বেলিকে ‘মাকসিম ক্রিভোনোস’ ব্যাটেলিয়নে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়। শুরুতে তিনি দ্বিধায় ছিলেন, কারণ তার মনে হয়েছিল তিনি হয়তো বিশ্বাসঘাতকতা করছেন। কিন্তু দীর্ঘ চিন্তার পর তিনি সিদ্ধান্তে পৌঁছান যে, রাশিয়ার পক্ষে লড়াই করাই এখন সঠিক পথ। এভাবে একের পর এক ইউক্রেনীয় সেনা জেলেনস্কি সরকারের প্রতারণা বুঝতে পারছেন। এদিকে, ইউক্রেনীয় গোয়েন্দাদের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে নজরদারি করার সন্দেহে একজন বিদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে রাশিয়ার এফএসবি (FSB)। মুরমানস্ক অঞ্চলে নরওয়ে সীমান্ত পার হওয়ার সময় তাকে আটক করা হয়। তদন্তে জানা গেছে, সে ইচ্ছাকৃতভাবেই ২০২৩ সালে কিয়েভ গোয়েন্দাদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেছিল এবং নাশকতার পরিকল্পনা করছিল। তদন্ত অনুযায়ী, ইউক্রেনীয় হ্যান্ডলাররা তাকে মস্কো গিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ট্রেন হাব ও তেলের ডিপোর তথ্য সংগ্রহের নির্দেশ দিয়েছিল। শুধু তাই নয়, সে এফপিভি ড্রোন ব্যবহার করে হামলার পরিকল্পনাও করছিল। ইউক্রেনীয় সরকার যে রাশিয়ার ভেতরে সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনা করছে, এই ঘটনা তারই একটি বড় প্রমাণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এফএসবি সতর্ক করে বলেছে, সামনের সারিতে ব্যর্থ হয়ে ইউক্রেন এখন রাশিয়ার ভেতর নাশকতামূলক হামলার চেষ্টা বাড়িয়ে দিয়েছে। মস্কোর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি করতে না পেরে তারা ড্রোন হামলার আশ্রয় নিচ্ছে। স্থানীয়ভাবে কিছু প্রতারিত মানুষকে ব্যবহার করে তারা এই ধরনের জঘন্য পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার চেষ্টা চালাচ্ছে, যা রাশিয়ার আইনে দণ্ডনীয়। গত মাসেও রাশিয়া বড় ধরনের একটি ড্রোন হামলার পরিকল্পনা নস্যাৎ করেছে। চব্বিশটি এআই (AI)-চালিত ড্রোন রাশিয়ার প্রতিরক্ষা শিল্প এবং সামরিক বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে পাঠানোর চেষ্টা করেছিল ইউক্রেন। তবে রাশিয়ার নিরাপত্তা বাহিনী শুরু থেকেই সেই অপারেশন নজরদারি করছিল, যার ফলে সংশ্লিষ্ট সবাই এখন তাদের হেফাজতে আছে। এদিকে, ইউক্রেনীয় ড্রোনে গুলি চালানোর দায়ে জরিমানার মুখে পড়া রাশিয়ার কৃষক নিকোলাই মুখিনকে নিয়ে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। ৬৬ বছর বয়সী নিকোলাই জানান, নিজের দেশের প্রতি ভালোবাসার কারণেই তিনি তার শটগান দিয়ে ড্রোনটি ভূপাতিত করার চেষ্টা করেছিলেন। ভোলগোগ্রাদ অঞ্চলের প্রসিকিউটর অফিস এখন তার পাশে দাঁড়িয়েছে। ঘটনাটি গত জুলাই মাসের। ড্রোনটি ভূপাতিত করার চেষ্টার জন্য তাকে চল্লিশ হাজার রুবল জরিমানা করা হয় এবং তার শটগানটি বাজেয়াপ্ত করা হয়। কিন্তু নিকোলাইয়ের এমন দেশপ্রেমের ঘটনায় রাশিয়ায় জনরোষ সৃষ্টি হয়। আদালতে তিনি জরিমানা চ্যালেঞ্জ করলে প্রথমে বিচারক তা নাকচ করে দেন, তবে পরে বিষয়টি উচ্চ আদালতে গড়ায়। আরটি (RT)-এর প্রধান সম্পাদক মার্গারিটা সিমোনিয়ান তার টেলিগ্রাম চ্যানেলে এই কৃষককে সমর্থন জানিয়েছেন এবং জরিমানা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ভোলগোগ্রাদ অঞ্চলের প্রসিকিউটর অফিস জানিয়েছে, নিকোলাই অসাধারণ পরিস্থিতিতে কাজ করেছেন এবং তাকে নির্দোষ ঘোষণা করা উচিত। শেষ পর্যন্ত আদালত তার জরিমানা মওকুফ করে এবং শটগানটি ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেয়। অন্যদিকে, জেলেনস্কির ক্ষমতার ভিত ক্রমেই নড়বড়ে হয়ে পড়ছে বলে পশ্চিমা মিডিয়াগুলো রিপোর্ট করছে। দুর্নীতি কেলেঙ্কারি এবং সাবেক কর্মকর্তাদের সরাসরি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন তিনি। সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইল ফেদোরভ নির্বাচন দেওয়ার দাবি তুলে জেলেনস্কির রাজনৈতিক চাপের মুখে ফেলে দিয়েছেন। এটি জেলেনস্কির জন্য বড় সংকট হিসেবে দেখা দিচ্ছে। ইউক্রেনীয় জনগণের একটি বড় অংশ এখন যুদ্ধ ও দুর্নীতির কারণে জেলেনস্কির সরকারের ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলছে। বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং সামরিক ব্যর্থতা জেলেনস্কিকে আরও কোনঠাসা করে ফেলছে। এমতাবস্থায় ইউক্রেনের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা নিয়ে সংশয় বাড়ছে। </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/770_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/770_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/770_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[New era in refrigerator condensers as modern technologies replace conventional copper]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/50302</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/50302</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[NBS News Desk]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 20 Aug 2026 17:21:33 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[Economy]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, news bangla, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, bangla news today, bbc news bangla, latest bangla news, radio tehran bangla news live, bangladesh news, banglavision news, bangladesh tv news, bangladesh news today, news today bangladesh, banglanews, banglavision news today, atn bangla, bbc bangla, ntv bangla, bangla khobor, iran news, taza news, news, atn google news, bangla songbad, google news, latest news, jamuna news, bd news, atn bangla program, breaking news, trending news, bnp news, news trending, bbc news]]></category>
        
        <description><![CDATA[For decades, copper was one of the most widely used materials in refrigerator condensers, valued for its high thermal conductivity, corrosion resistance and ease of repair. But as refrigerator technology has evolved, so have the priorities of manufacturers. Modern refrigerators are no longer designed around heat conductivity alone. Energy efficiency, lower refrigerant charge, reduced weight, corrosion protection, long-term reliability and lower environmental impact have all become important considerations. Against this backdrop, aluminium, coated steel, zinc-aluminium-magnesium or ZAM-coated materials, and all-aluminium microchannel heat exchangers are increasingly being used in place of conventional copper-based designs. Engineers say this is not merely a shift from one metal to another. It is part of a broader evolution in refrigeration technology. Why condenser technology is changing Copper remains an excellent conductor of heat. However, the performance of a modern refrigerator depends on much more than the base material of its condenser. Tube geometry and thickness, surface area, fin design, airflow, refrigerant flow path and the overall configuration of the cooling system all influence how effectively heat is removed. The introduction of next-generation compressors, improved insulation, electronic controls and environmentally friendlier refrigerants has also allowed manufacturers to optimise the complete refrigeration system rather than depend primarily on the thermal properties of a single material. Microchannel technology brings a major shift One of the most significant developments is the use of microchannel heat exchangers. Instead of conventional round tubes, these systems use flat aluminium tubes containing multiple tiny internal channels through which refrigerant flows. The design allows a relatively large heat-transfer surface to be created within a compact space, making the heat exchanger lighter and smaller while maintaining effective heat transfer. In many applications, the reduced internal volume also makes it possible to use less refrigerant. A study published in the International Journal of Refrigeration on domestic R600a refrigerator systems found that optimisation of microchannel condenser geometry could reduce total refrigerant charge by around 14 percent. The finding underlines an important shift in refrigeration engineering: performance increasingly depends not only on the metal being used, but also on how the heat exchanger is designed. ZAM coating offers a new approach to corrosion protection As manufacturers adopt steel and other alternative materials, corrosion protection becomes a key issue. One important development is zinc-aluminium-magnesium, or ZAM, coating. The technology applies a protective layer containing zinc, aluminium and magnesium over steel, helping shield the base material from moisture and other corrosive elements. According to salt-spray test data published by Nippon Steel, its ZAM coating demonstrated corrosion resistance 10 to 20 times greater than conventional hot-dip zinc-coated steel. Copper is generally more corrosion-resistant than unprotected steel, but that comparison is no longer sufficient for all modern condenser designs. Steel used in newer systems may be protected by advanced coatings such as ZAM as well as additional polymer barriers. Copper, meanwhile, is not completely immune to corrosion. Its performance can be affected by humidity, salinity, pollution and certain chemical environments. As a result, long-term condenser durability increasingly depends not only on the base metal, but also on the quality of its coating and protection system. Research published in Corrosion Science has also reported improved corrosion resistance of Zn-Al-Mg coatings in sodium chloride environments. Multi-layer protection adds another barrier Some modern condenser designs go a step further by applying a heat-shrink polymer sleeve or additional protective layer over the metallic coating. This multi-layer approach helps reduce direct exposure of the underlying metal to moisture, dust and salt-laden air. As a result, durability is increasingly being assessed through a combination of base material, coating technology, protective layers and manufacturing quality rather than by material alone. Refrigerants are reshaping system design The shift in condenser technology is also linked to changes in refrigerants. Many modern household refrigerators now use R600a, or isobutane, which has a relatively low global warming impact compared with older refrigerants. Research by Oak Ridge National Laboratory and projects supported by the US Department of Energy have focused on optimising complete refrigeration cycles using R600a while reducing refrigerant charge and improving efficiency. This means the condenser is increasingly being designed as part of an integrated, high-efficiency refrigeration system rather than as an isolated component. From easier repair to fewer failures Copper condensers have long been appreciated for their repairability. In certain cases, leaks can be repaired by skilled technicians. Newer technologies, however, place greater emphasis on reducing the likelihood of failure in the first place. Advanced manufacturing, automated production, corrosion-resistant coatings, multi-layer protection and stricter quality control are being used to extend service life and minimise maintenance requirements. As a result, the industry is placing increasing value not only on whether a condenser can be repaired easily, but also on how rarely it needs repair. Manufacturing and environmental advantages Aluminium is lightweight and well suited to compact microchannel heat exchangers, while steel can be efficiently integrated into modern automated production processes. These materials can help reduce product weight, simplify manufacturing and, in certain designs, lower the amount of refrigerant required. As environmental considerations become more important worldwide, manufacturers are also focusing on producing durable appliances with less material, lower refrigerant charge and reduced electricity consumption. Why it matters for Bangladesh Bangladesh presents particularly demanding operating conditions for refrigerators because of high temperatures, year-round humidity, dust and salt-laden air in coastal regions. These conditions can accelerate corrosion of metal components, making protection technology especially important. ZAM coatings and additional polymer protection can help shield condenser materials from moisture and saline environments. At the same time, effective cooling in high ambient temperatures depends on the coordinated design of the condenser, compressor, refrigerant and evaporator. For consumers in Bangladesh, therefore, condenser material alone is no longer enough to judge the quality of a refrigerator. Cooling performance in local conditions, energy use, corrosion protection and long-term reliability are also critical. Consumer perceptions are also changing For many consumers, a copper condenser has traditionally been seen as a sign of a good refrigerator, and that perception is rooted in copper’s established strengths. But as technology evolves, the criteria for judging refrigerator quality are becoming broader. Energy efficiency, cooling performance at high temperatures, corrosion protection, refrigerant type, compressor technology, warranty coverage and after-sales service are now all relevant. The question is therefore no longer simply, “What is the condenser made of?” It is increasingly, “How efficient, durable and reliable is the entire cooling system?” Industry moves towards next-generation refrigeration The refrigerator industry is increasingly moving towards technologies designed to deliver lower electricity consumption, lower refrigerant charge, reduced weight, improved corrosion protection and greater long-term reliability. Microchannel heat exchangers, aluminium, ZAM-coated steel, multi-layer corrosion protection and environmentally friendlier refrigerants such as R600a are all part of that transition. Copper has played an important role in refrigeration for decades. But newer materials, improved heat-exchanger designs and advanced protection technologies are increasingly being adopted alongside, and in many cases in place of, conventional copper systems. The shift, therefore, is better understood not simply as replacing copper with another metal, but as a broader move towards lighter, more efficient, corrosion-resistant and environmentally responsible refrigeration technology.]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_20-8-26_41.webp" alt="New era in refrigerator condensers as modern technologies replace conventional copper" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>New era in refrigerator condensers as modern technologies replace conventional copper</h1>
            <p>For decades, copper was one of the most widely used materials in refrigerator condensers, valued for its high thermal conductivity, corrosion resistance and ease of repair. But as refrigerator technology has evolved, so have the priorities of manufacturers. Modern refrigerators are no longer designed around heat conductivity alone. Energy efficiency, lower refrigerant charge, reduced weight, corrosion protection, long-term reliability and lower environmental impact have all become important considerations. Against this backdrop, aluminium, coated steel, zinc-aluminium-magnesium or ZAM-coated materials, and all-aluminium microchannel heat exchangers are increasingly being used in place of conventional copper-based designs. Engineers say this is not merely a shift from one metal to another. It is part of a broader evolution in refrigeration technology. Why condenser technology is changing Copper remains an excellent conductor of heat. However, the performance of a modern refrigerator depends on much more than the base material of its condenser. Tube geometry and thickness, surface area, fin design, airflow, refrigerant flow path and the overall configuration of the cooling system all influence how effectively heat is removed. The introduction of next-generation compressors, improved insulation, electronic controls and environmentally friendlier refrigerants has also allowed manufacturers to optimise the complete refrigeration system rather than depend primarily on the thermal properties of a single material. Microchannel technology brings a major shift One of the most significant developments is the use of microchannel heat exchangers. Instead of conventional round tubes, these systems use flat aluminium tubes containing multiple tiny internal channels through which refrigerant flows. The design allows a relatively large heat-transfer surface to be created within a compact space, making the heat exchanger lighter and smaller while maintaining effective heat transfer. In many applications, the reduced internal volume also makes it possible to use less refrigerant. A study published in the International Journal of Refrigeration on domestic R600a refrigerator systems found that optimisation of microchannel condenser geometry could reduce total refrigerant charge by around 14 percent. The finding underlines an important shift in refrigeration engineering: performance increasingly depends not only on the metal being used, but also on how the heat exchanger is designed. ZAM coating offers a new approach to corrosion protection As manufacturers adopt steel and other alternative materials, corrosion protection becomes a key issue. One important development is zinc-aluminium-magnesium, or ZAM, coating. The technology applies a protective layer containing zinc, aluminium and magnesium over steel, helping shield the base material from moisture and other corrosive elements. According to salt-spray test data published by Nippon Steel, its ZAM coating demonstrated corrosion resistance 10 to 20 times greater than conventional hot-dip zinc-coated steel. Copper is generally more corrosion-resistant than unprotected steel, but that comparison is no longer sufficient for all modern condenser designs. Steel used in newer systems may be protected by advanced coatings such as ZAM as well as additional polymer barriers. Copper, meanwhile, is not completely immune to corrosion. Its performance can be affected by humidity, salinity, pollution and certain chemical environments. As a result, long-term condenser durability increasingly depends not only on the base metal, but also on the quality of its coating and protection system. Research published in Corrosion Science has also reported improved corrosion resistance of Zn-Al-Mg coatings in sodium chloride environments. Multi-layer protection adds another barrier Some modern condenser designs go a step further by applying a heat-shrink polymer sleeve or additional protective layer over the metallic coating. This multi-layer approach helps reduce direct exposure of the underlying metal to moisture, dust and salt-laden air. As a result, durability is increasingly being assessed through a combination of base material, coating technology, protective layers and manufacturing quality rather than by material alone. Refrigerants are reshaping system design The shift in condenser technology is also linked to changes in refrigerants. Many modern household refrigerators now use R600a, or isobutane, which has a relatively low global warming impact compared with older refrigerants. Research by Oak Ridge National Laboratory and projects supported by the US Department of Energy have focused on optimising complete refrigeration cycles using R600a while reducing refrigerant charge and improving efficiency. This means the condenser is increasingly being designed as part of an integrated, high-efficiency refrigeration system rather than as an isolated component. From easier repair to fewer failures Copper condensers have long been appreciated for their repairability. In certain cases, leaks can be repaired by skilled technicians. Newer technologies, however, place greater emphasis on reducing the likelihood of failure in the first place. Advanced manufacturing, automated production, corrosion-resistant coatings, multi-layer protection and stricter quality control are being used to extend service life and minimise maintenance requirements. As a result, the industry is placing increasing value not only on whether a condenser can be repaired easily, but also on how rarely it needs repair. Manufacturing and environmental advantages Aluminium is lightweight and well suited to compact microchannel heat exchangers, while steel can be efficiently integrated into modern automated production processes. These materials can help reduce product weight, simplify manufacturing and, in certain designs, lower the amount of refrigerant required. As environmental considerations become more important worldwide, manufacturers are also focusing on producing durable appliances with less material, lower refrigerant charge and reduced electricity consumption. Why it matters for Bangladesh Bangladesh presents particularly demanding operating conditions for refrigerators because of high temperatures, year-round humidity, dust and salt-laden air in coastal regions. These conditions can accelerate corrosion of metal components, making protection technology especially important. ZAM coatings and additional polymer protection can help shield condenser materials from moisture and saline environments. At the same time, effective cooling in high ambient temperatures depends on the coordinated design of the condenser, compressor, refrigerant and evaporator. For consumers in Bangladesh, therefore, condenser material alone is no longer enough to judge the quality of a refrigerator. Cooling performance in local conditions, energy use, corrosion protection and long-term reliability are also critical. Consumer perceptions are also changing For many consumers, a copper condenser has traditionally been seen as a sign of a good refrigerator, and that perception is rooted in copper’s established strengths. But as technology evolves, the criteria for judging refrigerator quality are becoming broader. Energy efficiency, cooling performance at high temperatures, corrosion protection, refrigerant type, compressor technology, warranty coverage and after-sales service are now all relevant. The question is therefore no longer simply, “What is the condenser made of?” It is increasingly, “How efficient, durable and reliable is the entire cooling system?” Industry moves towards next-generation refrigeration The refrigerator industry is increasingly moving towards technologies designed to deliver lower electricity consumption, lower refrigerant charge, reduced weight, improved corrosion protection and greater long-term reliability. Microchannel heat exchangers, aluminium, ZAM-coated steel, multi-layer corrosion protection and environmentally friendlier refrigerants such as R600a are all part of that transition. Copper has played an important role in refrigeration for decades. But newer materials, improved heat-exchanger designs and advanced protection technologies are increasingly being adopted alongside, and in many cases in place of, conventional copper systems. The shift, therefore, is better understood not simply as replacing copper with another metal, but as a broader move towards lighter, more efficient, corrosion-resistant and environmentally responsible refrigeration technology.</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_20-8-26_41.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_20-8-26_41.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_20-8-26_41.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[রেফ্রিজারেটরের কনডেনসারে নতুন যুগ, কপারের জায়গা নিচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তি]]></title>
        <link>https://nbs24.org/economy/50301</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/economy/50301</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 20 Aug 2026 17:15:33 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
                <category><![CDATA[করপোরেট খবর]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, news bangla, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, bangla news today, bbc news bangla, latest bangla news, radio tehran bangla news live, bangladesh news, banglavision news, bangladesh tv news, bangladesh news today, news today bangladesh, banglanews, banglavision news today, atn bangla, bbc bangla, ntv bangla, bangla khobor, iran news, taza news, news, atn google news, bangla songbad, google news, latest news, jamuna news, bd news, atn bangla program, breaking news, trending news, bnp news, news trending, bbc news]]></category>
        
        <description><![CDATA[দীর্ঘদিন ধরে রেফ্রিজারেটরের কনডেনসার তৈরিতে কপার বা তামার ব্যাপক ব্যবহার হয়েছে। উচ্চ তাপ পরিবাহিতা, ক্ষয় প্রতিরোধ ও সহজে মেরামতের সুবিধার কারণে এটি ছিল বহুল ব্যবহৃত উপাদান। তবে সময়ের সঙ্গে রেফ্রিজারেটরের প্রযুক্তি ও চাহিদা বদলেছে। এখন শুধু কনডেনসারের তাপ পরিবাহিতা নয়; কম বিদ্যুৎ ব্যবহার, কম রেফ্রিজারেন্ট চার্জ, কম ওজন, ক্ষয় প্রতিরোধ, দীর্ঘমেয়াদি নির্ভরযোগ্যতা ও পরিবেশগত প্রভাব কমানোর বিষয়ও গুরুত্ব পাচ্ছে। এই পরিবর্তনের ধারাবাহিকতায় কপারের প্রচলিত ব্যবহারের জায়গায় অ্যালুমিনিয়াম, কোটেড স্টিল, জিঙ্ক-অ্যালুমিনিয়াম-ম্যাগনেসিয়াম বা ZAM-কোটেড উপকরণ এবং অল-অ্যালুমিনিয়াম মাইক্রোচ্যানেল হিট এক্সচেঞ্জারের মতো প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে। প্রযুক্তিবিদদের মতে, এটি শুধু একটি ধাতুর বদলে আরেকটি ধাতুর ব্যবহার নয়; বরং পুরো রেফ্রিজারেশন প্রযুক্তির বিবর্তনের অংশ। কেন বদলাচ্ছে কনডেনসারের প্রযুক্তি আধুনিক রেফ্রিজারেটরের কর্মক্ষমতা শুধু কনডেনসারের উপাদানের ওপর নির্ভর করে না। টিউবের আকৃতি ও পুরুত্ব, পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল, ফিনের নকশা, বাতাস ও রেফ্রিজারেন্টের প্রবাহ এবং পুরো কুলিং সিস্টেমের নকশাও গুরুত্বপূর্ণ। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নতুন প্রজন্মের কম্প্রেসর, উন্নত ইনসুলেশন, ইলেকট্রনিক কন্ট্রোল ও পরিবেশবান্ধব রেফ্রিজারেন্ট। ফলে পুরো সিস্টেমকে অপটিমাইজ করে কার্যকর কুলিং নিশ্চিত করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। মাইক্রোচ্যানেল প্রযুক্তিতে বড় পরিবর্তন আধুনিক কনডেনসার প্রযুক্তির অন্যতম উদাহরণ মাইক্রোচ্যানেল হিট এক্সচেঞ্জার। এতে গোলাকার টিউবের পরিবর্তে বহু ক্ষুদ্র চ্যানেলযুক্ত সমতল অ্যালুমিনিয়াম টিউব ব্যবহার করা হয়। এই নকশায় কম জায়গায় বড় কার্যকর হিট ট্রান্সফার সারফেস তৈরি করা সম্ভব। ফলে কনডেনসার হয় তুলনামূলক হালকা ও কমপ্যাক্ট, পাশাপাশি অনেক ক্ষেত্রে রেফ্রিজারেন্টের পরিমাণও কমানো যায়। International Journal of Refrigeration-এ প্রকাশিত R600a রেফ্রিজারেটর বিষয়ক একটি গবেষণায় মাইক্রোচ্যানেল কনডেনসারের নকশা অপটিমাইজ করে মোট রেফ্রিজারেন্ট চার্জ প্রায় ১৪ শতাংশ পর্যন্ত কমানোর সম্ভাবনা পাওয়া গেছে। এতে বোঝা যায়, আধুনিক কনডেনসারে শুধু ধাতু নয়, হিট এক্সচেঞ্জারের নকশাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। ZAM কোটিংয়ে ক্ষয় প্রতিরোধে নতুন সমাধান স্টিল বা অন্য উপাদান ব্যবহারের ক্ষেত্রে ক্ষয় প্রতিরোধ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এ ক্ষেত্রে জিঙ্ক-অ্যালুমিনিয়াম-ম্যাগনেসিয়াম বা ZAM কোটিং নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে। এ প্রযুক্তিতে স্টিলের ওপর বিশেষ প্রতিরক্ষামূলক স্তর তৈরি করা হয়, যা আর্দ্রতা ও ক্ষয়কারী উপাদান থেকে মূল ধাতুকে সুরক্ষা দিতে সহায়তা করে। Nippon Steel-এর সল্ট-স্প্রে পরীক্ষায় তাদের ZAM কোটিং সাধারণ হট-ডিপ জিঙ্ক কোটিংয়ের তুলনায় ১০ থেকে ২০ গুণ পর্যন্ত বেশি ক্ষয় প্রতিরোধী হওয়ার ফল দেখিয়েছে। কপার সাধারণত অরক্ষিত স্টিলের তুলনায় বেশি ক্ষয়রোধী হলেও আধুনিক কনডেনসারে এই সরাসরি তুলনা সব ক্ষেত্রে যথেষ্ট নয়। কারণ এখন স্টিলের ওপর ZAM-এর মতো উন্নত ক্ষয়রোধী প্রলেপ ও অতিরিক্ত পলিমার সুরক্ষা ব্যবহার করা হচ্ছে। অন্যদিকে আর্দ্রতা, লবণাক্ততা, দূষণ ও কিছু রাসায়নিক উপাদানের প্রভাবে কপারেও ক্ষয় হতে পারে। ফলে কনডেনসারের স্থায়িত্ব শুধু মূল ধাতুর ওপর নয়, কোটিং ও সুরক্ষা প্রযুক্তির ওপরও নির্ভর করে। Corrosion Science সাময়িকীতে প্রকাশিত গবেষণাতেও সোডিয়াম ক্লোরাইডযুক্ত পরিবেশে Zn-Al-Mg কোটিংয়ের উন্নত ক্ষয় প্রতিরোধ ক্ষমতার প্রমাণ পাওয়া গেছে। মাল্টি-লেয়ার সুরক্ষায় আরও এক ধাপ কিছু আধুনিক কনডেনসারে ZAM কোটিংয়ের ওপর হিট-শ্রিংক পলিমার স্লিভ বা অতিরিক্ত প্রতিরক্ষামূলক আবরণ ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে আর্দ্রতা, ধুলাবালি ও লবণাক্ত বাতাসের সঙ্গে মূল ধাতুর সরাসরি সংস্পর্শ আরও কমানো যায়। ফলে কনডেনসারের স্থায়িত্ব এখন শুধু মূল উপাদান দিয়ে নয়; বরং কোটিং, প্রতিরক্ষামূলক স্তর ও পুরো নির্মাণপ্রযুক্তির সমন্বয়ে বিচার করা হচ্ছে। পরিবেশবান্ধব রেফ্রিজারেন্টেও বদলেছে নকশা আধুনিক রেফ্রিজারেটরে R600a বা আইসোবিউটেনের ব্যবহার বাড়ছে। এর গ্লোবাল ওয়ার্মিং প্রভাব তুলনামূলক কম হওয়ায় পরিবেশবান্ধব রেফ্রিজারেশনে এটি গুরুত্ব পাচ্ছে। ওক রিজ ন্যাশনাল ল্যাবরেটরি এবং যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি দপ্তরের অর্থায়নে পরিচালিত গবেষণায় R600a ব্যবহার করে উচ্চ দক্ষতার রেফ্রিজারেটর তৈরিতে পুরো রেফ্রিজারেশন সাইকেল অপটিমাইজ এবং রেফ্রিজারেন্টের পরিমাণ কমানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ফলে নতুন প্রজন্মের কনডেনসারকে আলাদা যন্ত্রাংশ হিসেবে নয়, পুরো উচ্চ দক্ষতার কুলিং সিস্টেমের অংশ হিসেবে নকশা করা হচ্ছে। মেরামতের চেয়ে ত্রুটি কমানোর চেষ্টা কপার কনডেনসারের পরিচিত সুবিধা হলো মেরামতযোগ্যতা। তবে নতুন প্রযুক্তিতে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে শুরু থেকেই ত্রুটির ঝুঁকি কমানোর ওপর। উন্নত উৎপাদনপ্রক্রিয়া, স্বয়ংক্রিয় ম্যানুফ্যাকচারিং, ক্ষয় প্রতিরোধী কোটিং, মাল্টি-লেয়ার সুরক্ষা ও কঠোর মান নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে এমন কনডেনসার তৈরির চেষ্টা চলছে, যাতে দীর্ঘ সময়ে মেরামতের প্রয়োজন কম হয়। উৎপাদন ও পরিবেশ—দুই ক্ষেত্রেই সুবিধা অ্যালুমিনিয়াম হালকা এবং মাইক্রোচ্যানেল প্রযুক্তিতে কমপ্যাক্ট হিট এক্সচেঞ্জার তৈরির উপযোগী। স্টিলও আধুনিক স্বয়ংক্রিয় উৎপাদনব্যবস্থায় কার্যকরভাবে ব্যবহার করা যায়। এতে পণ্যের ওজন কমানো, উৎপাদন সহজ করা এবং বিভিন্ন নকশায় রেফ্রিজারেন্টের পরিমাণ কমানোর সুযোগ তৈরি হয়। পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির গুরুত্ব বাড়ায় কম কাঁচামাল, কম রেফ্রিজারেন্ট ও কম বিদ্যুৎ ব্যবহার করে দীর্ঘস্থায়ী পণ্য তৈরির বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে। বাংলাদেশের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশের উচ্চ তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, ধুলাবালি ও উপকূলীয় এলাকার লবণাক্ত বাতাস রেফ্রিজারেটরের ধাতব যন্ত্রাংশের জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করে। তাই এ দেশের বাজারে নতুন প্রজন্মের কনডেনসারের ক্ষেত্রে ক্ষয় প্রতিরোধ গুরুত্বপূর্ণ। ZAM কোটিং ও অতিরিক্ত পলিমার সুরক্ষা আর্দ্রতা ও লবণাক্ত পরিবেশ থেকে ধাতুকে সুরক্ষা দিতে সহায়তা করতে পারে। একই সঙ্গে উচ্চ তাপমাত্রায় কার্যকর কুলিং নিশ্চিত করতে কনডেনসার, কম্প্রেসর, রেফ্রিজারেন্ট ও ইভাপোরেটরের সমন্বিত নকশাও গুরুত্বপূর্ণ। ক্রেতাদের মান যাচাইয়ের ধারণাও বদলাচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে কপার কনডেনসার অনেক ক্রেতার কাছে ভালো রেফ্রিজারেটরের পরিচিত বৈশিষ্ট্য। তবে এখন শুধু কনডেনসারের উপাদান নয়; জ্বালানি দক্ষতা, উচ্চ তাপমাত্রায় কুলিং পারফরম্যান্স, ক্ষয় প্রতিরোধ ব্যবস্থা, রেফ্রিজারেন্ট, কম্প্রেসর, ওয়ারেন্টি ও বিক্রয়োত্তর সেবাও বিবেচনায় নিতে হচ্ছে। অর্থাৎ প্রশ্নটি এখন শুধু ‘কনডেনসার কী দিয়ে তৈরি’—এখানে সীমাবদ্ধ নয়; বরং ‘পুরো কুলিং সিস্টেমটি কতটা দক্ষ, টেকসই ও নির্ভরযোগ্য’—সেটিই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। নতুন প্রজন্মের রেফ্রিজারেশনের পথে শিল্পখাত রেফ্রিজারেশন শিল্প এখন কম বিদ্যুৎ ব্যবহার, কম রেফ্রিজারেন্ট চার্জ, কম ওজন, উন্নত ক্ষয় প্রতিরোধ ও দীর্ঘমেয়াদি নির্ভরযোগ্যতা—এসব বিষয় একসঙ্গে নিশ্চিত করার দিকে এগোচ্ছে। মাইক্রোচ্যানেল হিট এক্সচেঞ্জার, অ্যালুমিনিয়াম, ZAM-কোটেড স্টিল, মাল্টি-লেয়ার করোশন প্রোটেকশন এবং R600a-এর মতো পরিবেশবান্ধব রেফ্রিজারেন্ট এই পরিবর্তনেরই অংশ। কপার দীর্ঘদিন ধরে রেফ্রিজারেশন শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এখন তার পাশাপাশি এবং অনেক ক্ষেত্রে তার জায়গায় আসছে নতুন উপাদান, উন্নত হিট এক্সচেঞ্জার ডিজাইন ও সুরক্ষা প্রযুক্তি। তাই এই পরিবর্তনকে শুধু ‘কপার থেকে অন্য ধাতুতে যাওয়া’ নয়, বরং আরও হালকা, দক্ষ, ক্ষয়-প্রতিরোধী ও পরিবেশবান্ধব রেফ্রিজারেশন প্রযুক্তিতে উত্তরণ হিসেবেই দেখা যায়।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_20-8-26_41.webp" alt="রেফ্রিজারেটরের কনডেনসারে নতুন যুগ, কপারের জায়গা নিচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তি" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>রেফ্রিজারেটরের কনডেনসারে নতুন যুগ, কপারের জায়গা নিচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তি</h1>
            <p>দীর্ঘদিন ধরে রেফ্রিজারেটরের কনডেনসার তৈরিতে কপার বা তামার ব্যাপক ব্যবহার হয়েছে। উচ্চ তাপ পরিবাহিতা, ক্ষয় প্রতিরোধ ও সহজে মেরামতের সুবিধার কারণে এটি ছিল বহুল ব্যবহৃত উপাদান। তবে সময়ের সঙ্গে রেফ্রিজারেটরের প্রযুক্তি ও চাহিদা বদলেছে। এখন শুধু কনডেনসারের তাপ পরিবাহিতা নয়; কম বিদ্যুৎ ব্যবহার, কম রেফ্রিজারেন্ট চার্জ, কম ওজন, ক্ষয় প্রতিরোধ, দীর্ঘমেয়াদি নির্ভরযোগ্যতা ও পরিবেশগত প্রভাব কমানোর বিষয়ও গুরুত্ব পাচ্ছে। এই পরিবর্তনের ধারাবাহিকতায় কপারের প্রচলিত ব্যবহারের জায়গায় অ্যালুমিনিয়াম, কোটেড স্টিল, জিঙ্ক-অ্যালুমিনিয়াম-ম্যাগনেসিয়াম বা ZAM-কোটেড উপকরণ এবং অল-অ্যালুমিনিয়াম মাইক্রোচ্যানেল হিট এক্সচেঞ্জারের মতো প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে। প্রযুক্তিবিদদের মতে, এটি শুধু একটি ধাতুর বদলে আরেকটি ধাতুর ব্যবহার নয়; বরং পুরো রেফ্রিজারেশন প্রযুক্তির বিবর্তনের অংশ। কেন বদলাচ্ছে কনডেনসারের প্রযুক্তি আধুনিক রেফ্রিজারেটরের কর্মক্ষমতা শুধু কনডেনসারের উপাদানের ওপর নির্ভর করে না। টিউবের আকৃতি ও পুরুত্ব, পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল, ফিনের নকশা, বাতাস ও রেফ্রিজারেন্টের প্রবাহ এবং পুরো কুলিং সিস্টেমের নকশাও গুরুত্বপূর্ণ। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নতুন প্রজন্মের কম্প্রেসর, উন্নত ইনসুলেশন, ইলেকট্রনিক কন্ট্রোল ও পরিবেশবান্ধব রেফ্রিজারেন্ট। ফলে পুরো সিস্টেমকে অপটিমাইজ করে কার্যকর কুলিং নিশ্চিত করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। মাইক্রোচ্যানেল প্রযুক্তিতে বড় পরিবর্তন আধুনিক কনডেনসার প্রযুক্তির অন্যতম উদাহরণ মাইক্রোচ্যানেল হিট এক্সচেঞ্জার। এতে গোলাকার টিউবের পরিবর্তে বহু ক্ষুদ্র চ্যানেলযুক্ত সমতল অ্যালুমিনিয়াম টিউব ব্যবহার করা হয়। এই নকশায় কম জায়গায় বড় কার্যকর হিট ট্রান্সফার সারফেস তৈরি করা সম্ভব। ফলে কনডেনসার হয় তুলনামূলক হালকা ও কমপ্যাক্ট, পাশাপাশি অনেক ক্ষেত্রে রেফ্রিজারেন্টের পরিমাণও কমানো যায়। International Journal of Refrigeration-এ প্রকাশিত R600a রেফ্রিজারেটর বিষয়ক একটি গবেষণায় মাইক্রোচ্যানেল কনডেনসারের নকশা অপটিমাইজ করে মোট রেফ্রিজারেন্ট চার্জ প্রায় ১৪ শতাংশ পর্যন্ত কমানোর সম্ভাবনা পাওয়া গেছে। এতে বোঝা যায়, আধুনিক কনডেনসারে শুধু ধাতু নয়, হিট এক্সচেঞ্জারের নকশাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। ZAM কোটিংয়ে ক্ষয় প্রতিরোধে নতুন সমাধান স্টিল বা অন্য উপাদান ব্যবহারের ক্ষেত্রে ক্ষয় প্রতিরোধ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এ ক্ষেত্রে জিঙ্ক-অ্যালুমিনিয়াম-ম্যাগনেসিয়াম বা ZAM কোটিং নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে। এ প্রযুক্তিতে স্টিলের ওপর বিশেষ প্রতিরক্ষামূলক স্তর তৈরি করা হয়, যা আর্দ্রতা ও ক্ষয়কারী উপাদান থেকে মূল ধাতুকে সুরক্ষা দিতে সহায়তা করে। Nippon Steel-এর সল্ট-স্প্রে পরীক্ষায় তাদের ZAM কোটিং সাধারণ হট-ডিপ জিঙ্ক কোটিংয়ের তুলনায় ১০ থেকে ২০ গুণ পর্যন্ত বেশি ক্ষয় প্রতিরোধী হওয়ার ফল দেখিয়েছে। কপার সাধারণত অরক্ষিত স্টিলের তুলনায় বেশি ক্ষয়রোধী হলেও আধুনিক কনডেনসারে এই সরাসরি তুলনা সব ক্ষেত্রে যথেষ্ট নয়। কারণ এখন স্টিলের ওপর ZAM-এর মতো উন্নত ক্ষয়রোধী প্রলেপ ও অতিরিক্ত পলিমার সুরক্ষা ব্যবহার করা হচ্ছে। অন্যদিকে আর্দ্রতা, লবণাক্ততা, দূষণ ও কিছু রাসায়নিক উপাদানের প্রভাবে কপারেও ক্ষয় হতে পারে। ফলে কনডেনসারের স্থায়িত্ব শুধু মূল ধাতুর ওপর নয়, কোটিং ও সুরক্ষা প্রযুক্তির ওপরও নির্ভর করে। Corrosion Science সাময়িকীতে প্রকাশিত গবেষণাতেও সোডিয়াম ক্লোরাইডযুক্ত পরিবেশে Zn-Al-Mg কোটিংয়ের উন্নত ক্ষয় প্রতিরোধ ক্ষমতার প্রমাণ পাওয়া গেছে। মাল্টি-লেয়ার সুরক্ষায় আরও এক ধাপ কিছু আধুনিক কনডেনসারে ZAM কোটিংয়ের ওপর হিট-শ্রিংক পলিমার স্লিভ বা অতিরিক্ত প্রতিরক্ষামূলক আবরণ ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে আর্দ্রতা, ধুলাবালি ও লবণাক্ত বাতাসের সঙ্গে মূল ধাতুর সরাসরি সংস্পর্শ আরও কমানো যায়। ফলে কনডেনসারের স্থায়িত্ব এখন শুধু মূল উপাদান দিয়ে নয়; বরং কোটিং, প্রতিরক্ষামূলক স্তর ও পুরো নির্মাণপ্রযুক্তির সমন্বয়ে বিচার করা হচ্ছে। পরিবেশবান্ধব রেফ্রিজারেন্টেও বদলেছে নকশা আধুনিক রেফ্রিজারেটরে R600a বা আইসোবিউটেনের ব্যবহার বাড়ছে। এর গ্লোবাল ওয়ার্মিং প্রভাব তুলনামূলক কম হওয়ায় পরিবেশবান্ধব রেফ্রিজারেশনে এটি গুরুত্ব পাচ্ছে। ওক রিজ ন্যাশনাল ল্যাবরেটরি এবং যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি দপ্তরের অর্থায়নে পরিচালিত গবেষণায় R600a ব্যবহার করে উচ্চ দক্ষতার রেফ্রিজারেটর তৈরিতে পুরো রেফ্রিজারেশন সাইকেল অপটিমাইজ এবং রেফ্রিজারেন্টের পরিমাণ কমানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ফলে নতুন প্রজন্মের কনডেনসারকে আলাদা যন্ত্রাংশ হিসেবে নয়, পুরো উচ্চ দক্ষতার কুলিং সিস্টেমের অংশ হিসেবে নকশা করা হচ্ছে। মেরামতের চেয়ে ত্রুটি কমানোর চেষ্টা কপার কনডেনসারের পরিচিত সুবিধা হলো মেরামতযোগ্যতা। তবে নতুন প্রযুক্তিতে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে শুরু থেকেই ত্রুটির ঝুঁকি কমানোর ওপর। উন্নত উৎপাদনপ্রক্রিয়া, স্বয়ংক্রিয় ম্যানুফ্যাকচারিং, ক্ষয় প্রতিরোধী কোটিং, মাল্টি-লেয়ার সুরক্ষা ও কঠোর মান নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে এমন কনডেনসার তৈরির চেষ্টা চলছে, যাতে দীর্ঘ সময়ে মেরামতের প্রয়োজন কম হয়। উৎপাদন ও পরিবেশ—দুই ক্ষেত্রেই সুবিধা অ্যালুমিনিয়াম হালকা এবং মাইক্রোচ্যানেল প্রযুক্তিতে কমপ্যাক্ট হিট এক্সচেঞ্জার তৈরির উপযোগী। স্টিলও আধুনিক স্বয়ংক্রিয় উৎপাদনব্যবস্থায় কার্যকরভাবে ব্যবহার করা যায়। এতে পণ্যের ওজন কমানো, উৎপাদন সহজ করা এবং বিভিন্ন নকশায় রেফ্রিজারেন্টের পরিমাণ কমানোর সুযোগ তৈরি হয়। পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির গুরুত্ব বাড়ায় কম কাঁচামাল, কম রেফ্রিজারেন্ট ও কম বিদ্যুৎ ব্যবহার করে দীর্ঘস্থায়ী পণ্য তৈরির বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে। বাংলাদেশের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশের উচ্চ তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, ধুলাবালি ও উপকূলীয় এলাকার লবণাক্ত বাতাস রেফ্রিজারেটরের ধাতব যন্ত্রাংশের জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করে। তাই এ দেশের বাজারে নতুন প্রজন্মের কনডেনসারের ক্ষেত্রে ক্ষয় প্রতিরোধ গুরুত্বপূর্ণ। ZAM কোটিং ও অতিরিক্ত পলিমার সুরক্ষা আর্দ্রতা ও লবণাক্ত পরিবেশ থেকে ধাতুকে সুরক্ষা দিতে সহায়তা করতে পারে। একই সঙ্গে উচ্চ তাপমাত্রায় কার্যকর কুলিং নিশ্চিত করতে কনডেনসার, কম্প্রেসর, রেফ্রিজারেন্ট ও ইভাপোরেটরের সমন্বিত নকশাও গুরুত্বপূর্ণ। ক্রেতাদের মান যাচাইয়ের ধারণাও বদলাচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে কপার কনডেনসার অনেক ক্রেতার কাছে ভালো রেফ্রিজারেটরের পরিচিত বৈশিষ্ট্য। তবে এখন শুধু কনডেনসারের উপাদান নয়; জ্বালানি দক্ষতা, উচ্চ তাপমাত্রায় কুলিং পারফরম্যান্স, ক্ষয় প্রতিরোধ ব্যবস্থা, রেফ্রিজারেন্ট, কম্প্রেসর, ওয়ারেন্টি ও বিক্রয়োত্তর সেবাও বিবেচনায় নিতে হচ্ছে। অর্থাৎ প্রশ্নটি এখন শুধু ‘কনডেনসার কী দিয়ে তৈরি’—এখানে সীমাবদ্ধ নয়; বরং ‘পুরো কুলিং সিস্টেমটি কতটা দক্ষ, টেকসই ও নির্ভরযোগ্য’—সেটিই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। নতুন প্রজন্মের রেফ্রিজারেশনের পথে শিল্পখাত রেফ্রিজারেশন শিল্প এখন কম বিদ্যুৎ ব্যবহার, কম রেফ্রিজারেন্ট চার্জ, কম ওজন, উন্নত ক্ষয় প্রতিরোধ ও দীর্ঘমেয়াদি নির্ভরযোগ্যতা—এসব বিষয় একসঙ্গে নিশ্চিত করার দিকে এগোচ্ছে। মাইক্রোচ্যানেল হিট এক্সচেঞ্জার, অ্যালুমিনিয়াম, ZAM-কোটেড স্টিল, মাল্টি-লেয়ার করোশন প্রোটেকশন এবং R600a-এর মতো পরিবেশবান্ধব রেফ্রিজারেন্ট এই পরিবর্তনেরই অংশ। কপার দীর্ঘদিন ধরে রেফ্রিজারেশন শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এখন তার পাশাপাশি এবং অনেক ক্ষেত্রে তার জায়গায় আসছে নতুন উপাদান, উন্নত হিট এক্সচেঞ্জার ডিজাইন ও সুরক্ষা প্রযুক্তি। তাই এই পরিবর্তনকে শুধু ‘কপার থেকে অন্য ধাতুতে যাওয়া’ নয়, বরং আরও হালকা, দক্ষ, ক্ষয়-প্রতিরোধী ও পরিবেশবান্ধব রেফ্রিজারেশন প্রযুক্তিতে উত্তরণ হিসেবেই দেখা যায়।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_20-8-26_41.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_20-8-26_41.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_20-8-26_41.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইউক্রেনীয় যুদ্ধের জ্বালানি ধ্বংস: ইতালি ও রাশিয়ায় অস্ত্র কারখানায় বিস্ফোরণ ও সামরিক অভিযানের নতুন মোড়]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/49809</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/49809</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sat, 15 Aug 2026 20:04:08 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bangla news live, bd news bangla, bbc news bangla, latest bangla news, news 18 bangla live, news18 bangla live, bangladesh news, banglavision news, bangladesh tv news, banglanews, news17bangla, atn bangla, bbc bangla, bangla khobor, atn google news, google news, latest news, jamuna news, bengal news, bd news, kolkata news, atn bangla program, breaking news, trending news, bnp news, news trending, bbc news, atn news, ajker bangla khobor, tmc news, bdnews, india news live, live news, khaleda zia news, west bengal news, today news, viral news]]></category>
        
        <description><![CDATA[ইউক্রেনকে অস্ত্র সরবরাহকারী ইতালির কারখানায় হঠাৎ ভয়াবহ বিস্ফোরণ! অন্যদিকে, রাশিয়ার ভেতরে ড্রোনের তাণ্ডবের পাল্টা জবাব হিসেবে কিয়েভের গুরুত্বপূর্ণ লজিস্টিক হাব গুঁড়িয়ে দিয়েছে রাশিয়ার মিলিটারি। এই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী লাভরভ (Lavrov) হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, ইউক্রেনের সন্ত্রাসের জবাবে রাশিয়া এখন আরও কঠোর ও ধ্বংসাত্মক পথ বেছে নিচ্ছে। ইতালির কোলেফেরো (Colleferro) এলাকায় অবস্থিত একটি শক্তিশালী অস্ত্র কারখানায় ঘটে গেল ভয়াবহ বিস্ফোরণ। এই কারখানাটি ফ্রান্স ও জার্মানির প্রতিরক্ষা গোষ্ঠী কেএনডিএস (KNDS)-এর মালিকানাধীন। মজার বিষয় হলো, এই কারখানাটি ইউক্রেনীয় মিলিটারির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একশ পঞ্চান্ন মিলিমিটারের আর্টিলারি শেল তৈরি করত। এই বিস্ফোরণটি যুদ্ধের অস্ত্র সরবরাহ চেইনে একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিস্ফোরণের ঘটনার সময় কারখানায় চব্বিশ জন কর্মী উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে। স্থানীয় মেয়র জুলিও কালামিতা (Giulio Calamita) জানিয়েছেন, গ্রীষ্মকালীন ছুটির কারণে অনেক কর্মী কারখানায় ছিলেন না, যা বড় ধরনের ট্র্যাজেডি এড়াতে সাহায্য করেছে। ইতালির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আরএআই (RAI)-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিস্ফোরণে কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি এবং কর্মীরা নিরাপদে রয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে কারখানার পেছনে আগুনের শিখা দেখা গেছে। এরপর একটি বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে, যার ফলে জ্বলন্ত ধ্বংসাবশেষ চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। ইতালির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে কোনো নাশকতার ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। তবে এই ঘটনা নিয়ে তদন্ত চলছে এবং গোয়েন্দারা প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনের চেষ্টা করছেন। কোলেফেরোর এই কারখানাটির ইতিহাস বেশ পুরোনো এবং আগে এখানে অস্ত্র উৎপাদনের সাথে যুক্ত বেশ কয়েকটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। দুই হাজার সাত সালে মিউনিশন প্যাকেজিং লাইনে বিস্ফোরণে একজন কর্মী নিহত হয়েছিলেন। আবার ঊনিশশ আটত্রিশ সালের ঘটনার ভয়াবহতা ছিল অকল্পনীয়, যেখানে ষাট জন নিহত ও পনেরোশ জন আহত হয়েছিলেন। অস্ত্র উৎপাদনের ক্ষেত্রে এই সাইটটি সবসময় ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। অন্যদিকে, ইউক্রেনের ওডেসা অঞ্চলে রাশিয়ার মিলিটারি নতুন করে আক্রমণ শুরু করেছে। শুক্রবার মস্কোর প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে, দানিউব নদীর তীরে অবস্থিত ইজমাইল (Izmail) বন্দরের রেল হাব ধ্বংস করা হয়েছে। ইউক্রেনীয় মিলিটারির সামরিক কার্গো ও জ্বালানি খালাস, মজুত ও পরিবহনের কাজে এই রেলওয়ে অবকাঠামো ব্যবহৃত হতো, যা রাশিয়ার ড্রোনের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের রিপোর্ট অনুযায়ী, এর আগের রাতেও এই বন্দরের অবকাঠামোর ওপর হামলা চালানো হয়েছিল। ইজমাইলের পাশাপাশি রেনি (Reni) বন্দরের সামরিক কমান্ড পোস্টেও হামলা চালিয়েছে রাশিয়ার বাহিনী। দানিউব নদীর তীরে অবস্থিত এই বন্দরগুলো ইউক্রেনের লজিস্টিক সাপ্লাইয়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কৃষ্ণসাগর রুটে রাশিয়ার চাপের মুখে এই নদীপথগুলোই এখন ইউক্রেনের প্রধান ভরসা। ইউক্রেনীয় ড্রোনের হামলার জবাবে মস্কো এখন রাশিয়ার বন্দরে নোঙর করা জাহাজগুলোকে নিয়মিত লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে। রাশিয়ার দাবি, আজভ সাগর ও কৃষ্ণসাগরে ইউক্রেনের বারবার হামলার প্রতিশোধ হিসেবেই এই অভিযান। ইউক্রেনের নেতা জেলেনস্কি (Zelenskyy) গত মাসে চল্লিশ দিনের একটি চাপ সৃষ্টির কথা ঘোষণা করেছিলেন। তবে সেই প্রচেষ্টা রাশিয়াকে টলাতে পারেনি, বরং রাশিয়ার জবাব আরও ভয়াবহ হয়েছে। পাশাপাশি, লাটভিয়ার আকাশে অনুপ্রবেশকারী একটি ড্রোন ধ্বংস করেছে ন্যাটোর যুদ্ধবিমান। ন্যাটোর মুখপাত্র অ্যালিসন হার্ট (Allison Hart) জানিয়েছেন, লিথুয়ানিয়া থেকে আসা ইতালীয় ইউরোফাইটার এবং এস্টোনিয়া থেকে আসা তুর্কি এফ-সিক্সটিন যুদ্ধবিমানগুলো লাটভিয়ার আকাশে ড্রোনটি ভূপাতিত করে। একই সময়ে ইউক্রেন রাশিয়ার লেনিনগ্রাদ অঞ্চলে ড্রোন দিয়ে বড় ধরনের হামলার চেষ্টা করছিল। লাটভিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ঘটনাটি নিশ্চিত করে জানিয়েছে যে, রাশিয়ার ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ারের কারসাজিতে ড্রোনটি লাটভিয়ার আকাশে প্রবেশ করেছিল। তারা সতর্ক করে বলেছে যে, যতক্ষণ পর্যন্ত রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে সংঘাত চলবে, ততক্ষণ এমন ঘটনা বারবার ঘটতে পারে। তবে মস্কো সবসময় এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে আসছে এবং তাদের সামরিক কার্যক্রমের যৌক্তিকতা তুলে ধরছে। এদিকে রাশিয়ার লেনিনগ্রাদ অঞ্চলে এক রাতে চুয়ান্নটি ড্রোন হামলা চালিয়েছিল ইউক্রেন। গভর্নর আলেক্সান্ডার দ্রোজদেনকো (Aleksandr Drozdenko) জানিয়েছেন, এই হামলায় বাল্টিক সাগরের গুরুত্বপূর্ণ বন্দর উস্ত-লুগাতে (Ust-Luga) আগুন ধরে যায়। তেল শোধনাগারের কাছে হওয়া এই আগুন কয়েক ঘণ্টা পর নিভিয়ে ফেলা হয়েছে। কোনো প্রাণহানি না হলেও রাশিয়ার অবকাঠামোর ওপর এমন হামলা নতুন করে উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মতে, এক সপ্তাহে তারা প্রায় ছয়শ ইউক্রেনীয় ড্রোন গুলি করে নামিয়েছে। মস্কো বরাবরই ইউক্রেনের এই ড্রোন হামলাকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হিসেবে নিন্দা জানিয়ে আসছে। তাদের দাবি, যুদ্ধের ময়দানে পরাজয়ের গ্লানি ঢাকতেই কিয়েভ রাশিয়ার ভেতরে বেসামরিক ও অর্থনৈতিক অবকাঠামোকে নিশানা বানাচ্ছে। রাশিয়ার বাহিনী এই হামলার কড়া জবাব দিতে এখন অনেক বেশি সক্রিয়। রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী লাভরভ (Lavrov) হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, ইউক্রেনের সন্ত্রাসের জবাবে রাশিয়া এখন আরও কঠোর ও ধ্বংসাত্মক পথ বেছে নিচ্ছে। তিনি বলেন, রাশিয়া কিয়েভের যুদ্ধযন্ত্রের সব রসদ ধ্বংস করতে বদ্ধপরিকর। লাভরভের মতে, পশ্চিমাদের দেওয়া অস্ত্রের মাধ্যমেই ইউক্রেন রাশিয়াকে চাপে রাখার চেষ্টা করছে, কিন্তু রাশিয়া এই চাপ সহ্য করবে না এবং লড়াই চালিয়ে যাবে। লাভরভ আরও স্পষ্টভাবে বলেছেন যে, বর্তমান ফ্রন্টলাইনে যুদ্ধ থামানোর কোনো প্রস্তাবই রাশিয়া গ্রহণ করবে না। তিনি মনে করেন, এমন পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতি মানে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সোভিয়ের বিজয়ের অবমাননা। তিনি বারবার জোর দিয়ে বলেছেন যে, রাশিয়ার স্বার্থ ও নিরাপত্তা রক্ষায় তারা কোনো আপস করবে না এবং ইউক্রেনের কর্মকাণ্ডের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে। অন্যদিকে, ইউক্রেনের লবিংয়ের কারণে বিশ্বখ্যাত ক্যামেরা নির্মাতা প্রতিষ্ঠান লেইকা (Leica) রাশিয়ান ফটোগ্রাফার ভ্যালেরি মেলনিকভকে (Valery Melnikov) তাদের পুরস্কারের শর্টলিস্ট থেকে বাদ দিয়েছে। মেলনিকভ অভিযোগ করেছেন যে, ইউক্রেনের পক্ষ থেকে চাপ আসায় লেইকা তার কাজ ‘মারিউপোল. ওপেন উন্ডস’ (Mariupol. Open Wounds) প্রকল্পটি বাতিল করেছে। এটি রাশিয়ার বিরুদ্ধে সাংস্কৃতিক সেন্সরশিপের আরেকটি উদাহরণ হিসেবে দেখছে মস্কো। মেলনিকভ জানিয়েছেন, তার কর্মজীবনের তথ্য সবার জানা থাকা সত্ত্বেও এই নিষেধাজ্ঞা আনা হয়েছে। এই প্রকল্পটি কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে নয়, বরং মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে সাধারণ মানুষের জীবনের গল্প তুলে ধরার জন্য তৈরি করা হয়েছিল। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, রাশিয়ান সংস্কৃতিকে পুরোপুরি বাতিল করার এই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবে এবং এটি পশ্চিমা জগতের সংকীর্ণ মানসিকতার প্রকাশ। এদিকে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত এক সপ্তাহে তারা ইউক্রেনের আটটি গ্রাম ও শহর দখলমুক্ত করেছে। খারকভ, জাপোরিজিয়া এবং দোনেৎস্ক অঞ্চলে রাশিয়ার বাহিনী সফল অভিযান চালিয়ে এই এলাকাগুলো পুনরুদ্ধার করেছে। রাশিয়ার প্রতিটি ব্যাটলগ্রুপ বর্তমানে তাদের নিজ নিজ এলাকায় ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা ব্যুহ ভেঙে সামনের দিকে অগ্রসর হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। রাশিয়া গত সপ্তাহে ইউক্রেনের সামরিক-শিল্প কারখানা ও জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর চৌদ্দটি প্রিসিশন স্ট্রাইক চালিয়েছে। এই হামলায় ড্রোন উৎপাদনের কর্মশালা এবং সামরিক মজুত কেন্দ্রগুলো পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে। এছাড়া, ইউক্রেনের ভাড়াটে সেনাদের আস্তানাগুলোতেও সফলভাবে আঘাত হেনেছে রাশিয়ার বাহিনী। যুদ্ধের সব রসদ ধ্বংস করার মাধ্যমে তারা ইউক্রেনের সক্ষমতা পঙ্গু করে দিতে চাচ্ছে। শুধু স্থলপথেই নয়, সমুদ্রপথেও ইউক্রেনের লজিস্টিক সাপ্লাই চেইন বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে। গত সপ্তাহে রাশিয়া ইউক্রেনের ১৫টি জাহাজ ধ্বংস করেছে, যার মধ্যে ট্যাঙ্কার, ড্রাই কার্গো শিপ এবং টহল জাহাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই জাহাজগুলো ইউক্রেনীয় বাহিনীর জন্য জ্বালানি ও সামরিক মালামাল পরিবহনে ব্যবহৃত হতো বলে জানায় রাশিয়ার প্রতিরক্ষা দপ্তর। ব্যাটলগ্রুপ নর্থ (Battlegroup North) গত সপ্তাহে ইউক্রেনের প্রায় ষোলশ সেনা সদস্যকে পরাস্ত করেছে এবং তাদের বেশ কিছু সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস করেছে। এর মধ্যে রাকের-সা-টুয়েলভ (RAK-SA-12) মাল্টিপল রকেট লঞ্চার এবং চৌদ্দটি ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্টেশন রয়েছে। ইউক্রেনের mechanised brigade ও motorized infantry brigade গুলো মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছে বলে জানা গেছে। ব্যাটলগ্রুপ ওয়েস্টের (Battlegroup West) এলাকাতেও ইউক্রেনের সেনা সদস্য ও সামরিক সরঞ্জামের বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। তারা ইউক্রেনের ট্যাংক, সাঁজোয়া যান ও counterbattery রাডার স্টেশনসহ বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম ধ্বংস করেছে। ইউক্রেনের territorial defence brigade গুলোর প্রতিরোধ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে তাদের পিছু হটতে হয়েছে, যা রাশিয়ার সামরিক কৌশলের সাফল্যকে ইঙ্গিত করে। ব্যাটলগ্রুপ সাউথ (Battlegroup South) ইউক্রেনের আরও চৌদ্দশ সেনা সদস্যকে পরাস্ত করে গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় দখলদারিত্ব প্রতিষ্ঠা করেছে। তাদের অভিযানের ফলে ইউক্রেনের বিমান হামলা ইউনিট এবং মাউন্টেন অ্যাসল্ট রেজিমেন্টগুলো বিপর্যস্ত। জ্বালানি ও লজিস্টিক সরঞ্জামসহ ইউক্রেনের বিশাল সামরিক সরঞ্জাম এখন রাশিয়ার বাহিনীর দখলে। তাদের এই জয়যাত্রা যুদ্ধের মোড় ঘোরানোর জন্য যথেষ্ট। ব্যাটলগ্রুপ সেন্টারের (Battlegroup Center) একক প্রচেষ্টায় আড়াই হাজারের বেশি ইউক্রেনীয় সেনা সদস্য হতাহত হয়েছেন। ডোনেৎস্ক পিপল’স রিপাবলিকের গ্রামগুলো দখলের মাধ্যমে তারা তাদের অবস্থান আরও শক্ত করেছে। রাশিয়ার এই বাহিনী ইউক্রেনের ন্যাশনাল গার্ড এবং মেকানাইজড ব্রিগেডের শক্ত প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে, যা রাশিয়ার সামরিক শ্রেষ্ঠত্বের বহিঃপ্রকাশ। ব্যাটলগ্রুপ ইস্টের (Battlegroup East) এলাকাতেও ইউক্রেনের সেনারা বড় ক্ষতির মুখে পড়েছে। আড়াই হাজারেরও বেশি সেনা সদস্য এবং পঁচিশটি সাঁজোয়া যান ধ্বংস হয়েছে। ইউক্রেনের এয়ার অ্যাসল্ট ও মেকানাইজড ব্রিগেডগুলোর আক্রমণের চেষ্টা নস্যাৎ করে দিয়ে রাশিয়া তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও মজবুত করেছে। পূর্ব রণাঙ্গনে ইউক্রেনের অবস্থা এখন অত্যন্ত নাজুক। নিপ্রো (Dnepr) ব্যাটলগ্রুপের এলাকায় দুইশ বিশ ইউক্রেনীয় সেনা এবং বেশ কিছু ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্টেশন ধ্বংস হয়েছে। রাশিয়ার সামরিক বাহিনী গত এক সপ্তাহে প্রায় সাত হাজার ইউক্রেনীয় ড্রোন ও ৬৪টি স্মার্ট বোমা ভূপাতিত করেছে। রাশিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইউক্রেনের হাইমার্স (HIMARS) এবং অন্যান্য মাল্টিপল রকেট লঞ্চার সিস্টেমেও আঘাত হেনেছে। যুদ্ধের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত রাশিয়া ছয়শ তিয়াত্তরটি যুদ্ধবিমান এবং ত্রিশ হাজারেরও বেশি ট্যাংক ধ্বংস করেছে। ব্ল্যাক সি ফ্লিটও আটটি ইউক্রেনীয় নৌ ড্রোন ধ্বংস করে নিজেদের আধিপত্য বজায় রেখেছে। সামগ্রিকভাবে, রাশিয়ার এই সামরিক অভিযান ইউক্রেনের যুদ্ধযন্ত্রকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে রাশিয়ার সামরিক শক্তির সামনে ইউক্রেনের টিকে থাকা এখন এক বড় চ্যালেঞ্জ।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/744_1.webp" alt="ইউক্রেনীয় যুদ্ধের জ্বালানি ধ্বংস: ইতালি ও রাশিয়ায় অস্ত্র কারখানায় বিস্ফোরণ ও সামরিক অভিযানের নতুন মোড়" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইউক্রেনীয় যুদ্ধের জ্বালানি ধ্বংস: ইতালি ও রাশিয়ায় অস্ত্র কারখানায় বিস্ফোরণ ও সামরিক অভিযানের নতুন মোড়</h1>
            <p>ইউক্রেনকে অস্ত্র সরবরাহকারী ইতালির কারখানায় হঠাৎ ভয়াবহ বিস্ফোরণ! অন্যদিকে, রাশিয়ার ভেতরে ড্রোনের তাণ্ডবের পাল্টা জবাব হিসেবে কিয়েভের গুরুত্বপূর্ণ লজিস্টিক হাব গুঁড়িয়ে দিয়েছে রাশিয়ার মিলিটারি। এই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী লাভরভ (Lavrov) হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, ইউক্রেনের সন্ত্রাসের জবাবে রাশিয়া এখন আরও কঠোর ও ধ্বংসাত্মক পথ বেছে নিচ্ছে। ইতালির কোলেফেরো (Colleferro) এলাকায় অবস্থিত একটি শক্তিশালী অস্ত্র কারখানায় ঘটে গেল ভয়াবহ বিস্ফোরণ। এই কারখানাটি ফ্রান্স ও জার্মানির প্রতিরক্ষা গোষ্ঠী কেএনডিএস (KNDS)-এর মালিকানাধীন। মজার বিষয় হলো, এই কারখানাটি ইউক্রেনীয় মিলিটারির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একশ পঞ্চান্ন মিলিমিটারের আর্টিলারি শেল তৈরি করত। এই বিস্ফোরণটি যুদ্ধের অস্ত্র সরবরাহ চেইনে একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিস্ফোরণের ঘটনার সময় কারখানায় চব্বিশ জন কর্মী উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে। স্থানীয় মেয়র জুলিও কালামিতা (Giulio Calamita) জানিয়েছেন, গ্রীষ্মকালীন ছুটির কারণে অনেক কর্মী কারখানায় ছিলেন না, যা বড় ধরনের ট্র্যাজেডি এড়াতে সাহায্য করেছে। ইতালির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আরএআই (RAI)-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিস্ফোরণে কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি এবং কর্মীরা নিরাপদে রয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে কারখানার পেছনে আগুনের শিখা দেখা গেছে। এরপর একটি বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে, যার ফলে জ্বলন্ত ধ্বংসাবশেষ চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। ইতালির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে কোনো নাশকতার ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। তবে এই ঘটনা নিয়ে তদন্ত চলছে এবং গোয়েন্দারা প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনের চেষ্টা করছেন। কোলেফেরোর এই কারখানাটির ইতিহাস বেশ পুরোনো এবং আগে এখানে অস্ত্র উৎপাদনের সাথে যুক্ত বেশ কয়েকটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। দুই হাজার সাত সালে মিউনিশন প্যাকেজিং লাইনে বিস্ফোরণে একজন কর্মী নিহত হয়েছিলেন। আবার ঊনিশশ আটত্রিশ সালের ঘটনার ভয়াবহতা ছিল অকল্পনীয়, যেখানে ষাট জন নিহত ও পনেরোশ জন আহত হয়েছিলেন। অস্ত্র উৎপাদনের ক্ষেত্রে এই সাইটটি সবসময় ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। অন্যদিকে, ইউক্রেনের ওডেসা অঞ্চলে রাশিয়ার মিলিটারি নতুন করে আক্রমণ শুরু করেছে। শুক্রবার মস্কোর প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে, দানিউব নদীর তীরে অবস্থিত ইজমাইল (Izmail) বন্দরের রেল হাব ধ্বংস করা হয়েছে। ইউক্রেনীয় মিলিটারির সামরিক কার্গো ও জ্বালানি খালাস, মজুত ও পরিবহনের কাজে এই রেলওয়ে অবকাঠামো ব্যবহৃত হতো, যা রাশিয়ার ড্রোনের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের রিপোর্ট অনুযায়ী, এর আগের রাতেও এই বন্দরের অবকাঠামোর ওপর হামলা চালানো হয়েছিল। ইজমাইলের পাশাপাশি রেনি (Reni) বন্দরের সামরিক কমান্ড পোস্টেও হামলা চালিয়েছে রাশিয়ার বাহিনী। দানিউব নদীর তীরে অবস্থিত এই বন্দরগুলো ইউক্রেনের লজিস্টিক সাপ্লাইয়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কৃষ্ণসাগর রুটে রাশিয়ার চাপের মুখে এই নদীপথগুলোই এখন ইউক্রেনের প্রধান ভরসা। ইউক্রেনীয় ড্রোনের হামলার জবাবে মস্কো এখন রাশিয়ার বন্দরে নোঙর করা জাহাজগুলোকে নিয়মিত লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে। রাশিয়ার দাবি, আজভ সাগর ও কৃষ্ণসাগরে ইউক্রেনের বারবার হামলার প্রতিশোধ হিসেবেই এই অভিযান। ইউক্রেনের নেতা জেলেনস্কি (Zelenskyy) গত মাসে চল্লিশ দিনের একটি চাপ সৃষ্টির কথা ঘোষণা করেছিলেন। তবে সেই প্রচেষ্টা রাশিয়াকে টলাতে পারেনি, বরং রাশিয়ার জবাব আরও ভয়াবহ হয়েছে। পাশাপাশি, লাটভিয়ার আকাশে অনুপ্রবেশকারী একটি ড্রোন ধ্বংস করেছে ন্যাটোর যুদ্ধবিমান। ন্যাটোর মুখপাত্র অ্যালিসন হার্ট (Allison Hart) জানিয়েছেন, লিথুয়ানিয়া থেকে আসা ইতালীয় ইউরোফাইটার এবং এস্টোনিয়া থেকে আসা তুর্কি এফ-সিক্সটিন যুদ্ধবিমানগুলো লাটভিয়ার আকাশে ড্রোনটি ভূপাতিত করে। একই সময়ে ইউক্রেন রাশিয়ার লেনিনগ্রাদ অঞ্চলে ড্রোন দিয়ে বড় ধরনের হামলার চেষ্টা করছিল। লাটভিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ঘটনাটি নিশ্চিত করে জানিয়েছে যে, রাশিয়ার ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ারের কারসাজিতে ড্রোনটি লাটভিয়ার আকাশে প্রবেশ করেছিল। তারা সতর্ক করে বলেছে যে, যতক্ষণ পর্যন্ত রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে সংঘাত চলবে, ততক্ষণ এমন ঘটনা বারবার ঘটতে পারে। তবে মস্কো সবসময় এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে আসছে এবং তাদের সামরিক কার্যক্রমের যৌক্তিকতা তুলে ধরছে। এদিকে রাশিয়ার লেনিনগ্রাদ অঞ্চলে এক রাতে চুয়ান্নটি ড্রোন হামলা চালিয়েছিল ইউক্রেন। গভর্নর আলেক্সান্ডার দ্রোজদেনকো (Aleksandr Drozdenko) জানিয়েছেন, এই হামলায় বাল্টিক সাগরের গুরুত্বপূর্ণ বন্দর উস্ত-লুগাতে (Ust-Luga) আগুন ধরে যায়। তেল শোধনাগারের কাছে হওয়া এই আগুন কয়েক ঘণ্টা পর নিভিয়ে ফেলা হয়েছে। কোনো প্রাণহানি না হলেও রাশিয়ার অবকাঠামোর ওপর এমন হামলা নতুন করে উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মতে, এক সপ্তাহে তারা প্রায় ছয়শ ইউক্রেনীয় ড্রোন গুলি করে নামিয়েছে। মস্কো বরাবরই ইউক্রেনের এই ড্রোন হামলাকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হিসেবে নিন্দা জানিয়ে আসছে। তাদের দাবি, যুদ্ধের ময়দানে পরাজয়ের গ্লানি ঢাকতেই কিয়েভ রাশিয়ার ভেতরে বেসামরিক ও অর্থনৈতিক অবকাঠামোকে নিশানা বানাচ্ছে। রাশিয়ার বাহিনী এই হামলার কড়া জবাব দিতে এখন অনেক বেশি সক্রিয়। রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী লাভরভ (Lavrov) হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, ইউক্রেনের সন্ত্রাসের জবাবে রাশিয়া এখন আরও কঠোর ও ধ্বংসাত্মক পথ বেছে নিচ্ছে। তিনি বলেন, রাশিয়া কিয়েভের যুদ্ধযন্ত্রের সব রসদ ধ্বংস করতে বদ্ধপরিকর। লাভরভের মতে, পশ্চিমাদের দেওয়া অস্ত্রের মাধ্যমেই ইউক্রেন রাশিয়াকে চাপে রাখার চেষ্টা করছে, কিন্তু রাশিয়া এই চাপ সহ্য করবে না এবং লড়াই চালিয়ে যাবে। লাভরভ আরও স্পষ্টভাবে বলেছেন যে, বর্তমান ফ্রন্টলাইনে যুদ্ধ থামানোর কোনো প্রস্তাবই রাশিয়া গ্রহণ করবে না। তিনি মনে করেন, এমন পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতি মানে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সোভিয়ের বিজয়ের অবমাননা। তিনি বারবার জোর দিয়ে বলেছেন যে, রাশিয়ার স্বার্থ ও নিরাপত্তা রক্ষায় তারা কোনো আপস করবে না এবং ইউক্রেনের কর্মকাণ্ডের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে। অন্যদিকে, ইউক্রেনের লবিংয়ের কারণে বিশ্বখ্যাত ক্যামেরা নির্মাতা প্রতিষ্ঠান লেইকা (Leica) রাশিয়ান ফটোগ্রাফার ভ্যালেরি মেলনিকভকে (Valery Melnikov) তাদের পুরস্কারের শর্টলিস্ট থেকে বাদ দিয়েছে। মেলনিকভ অভিযোগ করেছেন যে, ইউক্রেনের পক্ষ থেকে চাপ আসায় লেইকা তার কাজ ‘মারিউপোল. ওপেন উন্ডস’ (Mariupol. Open Wounds) প্রকল্পটি বাতিল করেছে। এটি রাশিয়ার বিরুদ্ধে সাংস্কৃতিক সেন্সরশিপের আরেকটি উদাহরণ হিসেবে দেখছে মস্কো। মেলনিকভ জানিয়েছেন, তার কর্মজীবনের তথ্য সবার জানা থাকা সত্ত্বেও এই নিষেধাজ্ঞা আনা হয়েছে। এই প্রকল্পটি কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে নয়, বরং মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে সাধারণ মানুষের জীবনের গল্প তুলে ধরার জন্য তৈরি করা হয়েছিল। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, রাশিয়ান সংস্কৃতিকে পুরোপুরি বাতিল করার এই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবে এবং এটি পশ্চিমা জগতের সংকীর্ণ মানসিকতার প্রকাশ। এদিকে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত এক সপ্তাহে তারা ইউক্রেনের আটটি গ্রাম ও শহর দখলমুক্ত করেছে। খারকভ, জাপোরিজিয়া এবং দোনেৎস্ক অঞ্চলে রাশিয়ার বাহিনী সফল অভিযান চালিয়ে এই এলাকাগুলো পুনরুদ্ধার করেছে। রাশিয়ার প্রতিটি ব্যাটলগ্রুপ বর্তমানে তাদের নিজ নিজ এলাকায় ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা ব্যুহ ভেঙে সামনের দিকে অগ্রসর হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। রাশিয়া গত সপ্তাহে ইউক্রেনের সামরিক-শিল্প কারখানা ও জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর চৌদ্দটি প্রিসিশন স্ট্রাইক চালিয়েছে। এই হামলায় ড্রোন উৎপাদনের কর্মশালা এবং সামরিক মজুত কেন্দ্রগুলো পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে। এছাড়া, ইউক্রেনের ভাড়াটে সেনাদের আস্তানাগুলোতেও সফলভাবে আঘাত হেনেছে রাশিয়ার বাহিনী। যুদ্ধের সব রসদ ধ্বংস করার মাধ্যমে তারা ইউক্রেনের সক্ষমতা পঙ্গু করে দিতে চাচ্ছে। শুধু স্থলপথেই নয়, সমুদ্রপথেও ইউক্রেনের লজিস্টিক সাপ্লাই চেইন বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে। গত সপ্তাহে রাশিয়া ইউক্রেনের ১৫টি জাহাজ ধ্বংস করেছে, যার মধ্যে ট্যাঙ্কার, ড্রাই কার্গো শিপ এবং টহল জাহাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই জাহাজগুলো ইউক্রেনীয় বাহিনীর জন্য জ্বালানি ও সামরিক মালামাল পরিবহনে ব্যবহৃত হতো বলে জানায় রাশিয়ার প্রতিরক্ষা দপ্তর। ব্যাটলগ্রুপ নর্থ (Battlegroup North) গত সপ্তাহে ইউক্রেনের প্রায় ষোলশ সেনা সদস্যকে পরাস্ত করেছে এবং তাদের বেশ কিছু সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস করেছে। এর মধ্যে রাকের-সা-টুয়েলভ (RAK-SA-12) মাল্টিপল রকেট লঞ্চার এবং চৌদ্দটি ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্টেশন রয়েছে। ইউক্রেনের mechanised brigade ও motorized infantry brigade গুলো মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছে বলে জানা গেছে। ব্যাটলগ্রুপ ওয়েস্টের (Battlegroup West) এলাকাতেও ইউক্রেনের সেনা সদস্য ও সামরিক সরঞ্জামের বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। তারা ইউক্রেনের ট্যাংক, সাঁজোয়া যান ও counterbattery রাডার স্টেশনসহ বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম ধ্বংস করেছে। ইউক্রেনের territorial defence brigade গুলোর প্রতিরোধ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে তাদের পিছু হটতে হয়েছে, যা রাশিয়ার সামরিক কৌশলের সাফল্যকে ইঙ্গিত করে। ব্যাটলগ্রুপ সাউথ (Battlegroup South) ইউক্রেনের আরও চৌদ্দশ সেনা সদস্যকে পরাস্ত করে গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় দখলদারিত্ব প্রতিষ্ঠা করেছে। তাদের অভিযানের ফলে ইউক্রেনের বিমান হামলা ইউনিট এবং মাউন্টেন অ্যাসল্ট রেজিমেন্টগুলো বিপর্যস্ত। জ্বালানি ও লজিস্টিক সরঞ্জামসহ ইউক্রেনের বিশাল সামরিক সরঞ্জাম এখন রাশিয়ার বাহিনীর দখলে। তাদের এই জয়যাত্রা যুদ্ধের মোড় ঘোরানোর জন্য যথেষ্ট। ব্যাটলগ্রুপ সেন্টারের (Battlegroup Center) একক প্রচেষ্টায় আড়াই হাজারের বেশি ইউক্রেনীয় সেনা সদস্য হতাহত হয়েছেন। ডোনেৎস্ক পিপল’স রিপাবলিকের গ্রামগুলো দখলের মাধ্যমে তারা তাদের অবস্থান আরও শক্ত করেছে। রাশিয়ার এই বাহিনী ইউক্রেনের ন্যাশনাল গার্ড এবং মেকানাইজড ব্রিগেডের শক্ত প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে, যা রাশিয়ার সামরিক শ্রেষ্ঠত্বের বহিঃপ্রকাশ। ব্যাটলগ্রুপ ইস্টের (Battlegroup East) এলাকাতেও ইউক্রেনের সেনারা বড় ক্ষতির মুখে পড়েছে। আড়াই হাজারেরও বেশি সেনা সদস্য এবং পঁচিশটি সাঁজোয়া যান ধ্বংস হয়েছে। ইউক্রেনের এয়ার অ্যাসল্ট ও মেকানাইজড ব্রিগেডগুলোর আক্রমণের চেষ্টা নস্যাৎ করে দিয়ে রাশিয়া তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও মজবুত করেছে। পূর্ব রণাঙ্গনে ইউক্রেনের অবস্থা এখন অত্যন্ত নাজুক। নিপ্রো (Dnepr) ব্যাটলগ্রুপের এলাকায় দুইশ বিশ ইউক্রেনীয় সেনা এবং বেশ কিছু ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্টেশন ধ্বংস হয়েছে। রাশিয়ার সামরিক বাহিনী গত এক সপ্তাহে প্রায় সাত হাজার ইউক্রেনীয় ড্রোন ও ৬৪টি স্মার্ট বোমা ভূপাতিত করেছে। রাশিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইউক্রেনের হাইমার্স (HIMARS) এবং অন্যান্য মাল্টিপল রকেট লঞ্চার সিস্টেমেও আঘাত হেনেছে। যুদ্ধের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত রাশিয়া ছয়শ তিয়াত্তরটি যুদ্ধবিমান এবং ত্রিশ হাজারেরও বেশি ট্যাংক ধ্বংস করেছে। ব্ল্যাক সি ফ্লিটও আটটি ইউক্রেনীয় নৌ ড্রোন ধ্বংস করে নিজেদের আধিপত্য বজায় রেখেছে। সামগ্রিকভাবে, রাশিয়ার এই সামরিক অভিযান ইউক্রেনের যুদ্ধযন্ত্রকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে রাশিয়ার সামরিক শক্তির সামনে ইউক্রেনের টিকে থাকা এখন এক বড় চ্যালেঞ্জ।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/744_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/744_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/744_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[বেলগোরোদে নিষ্পাপ শিশুদের ওপর বর্বর হামলা চালাল ইউক্রেন: ক্ষোভে ফেটে পড়ল পুরো বিশ্ব]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/49717</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/49717</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 14 Aug 2026 15:09:25 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[আমেরিকাস]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, bangla news 24, atn bangla news, bbc bangla news, tv9 bangla news, bangla news live, bd news bangla, ct news bangla, bangla tv news, bangla news today, today bangla news, bbc news bangla, latest bangla news, online bangla news, bangla live news, tv9 bangla news live, news18 bangla, tv9 bangla news today, tv9 bangla live news, bangla tv news online, bangla breaking news, tv9 bangla news live today, live tv9 bangla news today, news18 bangla live, tv9 bangla bengali news, radio tehran bangla news live, bangladesh news, banglavision news]]></category>
        
        <description><![CDATA[মানবিকতার সব সীমা লঙ্ঘন করে রাশিয়ার সীমান্তবর্তী অঞ্চল বেলগোরোদে শিশুদের ওপর ভয়াবহ ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। হাসপাতালে জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে অসংখ্য নিষ্পাপ শিশু। অন্যদিকে, মানবিকতার তোয়াক্কা না করে নিজস্ব বন্দি সেনাদের ফিরিয়ে নিতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছে কিয়েভ। রণক্ষেত্রে বিশাল ক্ষতি এবং পশ্চিমের চরম চাপে ইউক্রেন আজ এক চরম সংকটের মুখোমুখি। রাশিয়ার সীমান্তবর্তী জেলা বেলগোরোদে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে কিয়েভ সরকারের বর্বরতা সব সীমা ছাড়িয়ে গেছে। কিয়েভ বাহিনী আবাসিক এলাকা এবং সাধারণ মানুষকে লক্ষ্য করে ক্রমাগত ভয়াবহ ড্রোন ও মিসাইল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। গত এক সপ্তাহে কিয়েভের এই অন্যায় হামলায় তিয়াল্লিশ জন সাধারণ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। যার মধ্যে রয়েছে চারজন নিষ্পাপ শিশু। এই হামলায় চারশরও বেশি বেসামরিক নাগরিক মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আরটি সম্প্রতি বেলগোরোদের মূল শিশু হাসপাতাল পরিদর্শন করে একটি হৃদয়বিদারক চিত্র তুলে ধরেছে। এই হাসপাতালে ইউক্রেনীয় হামলায় গুরুতর আহত অসংখ্য শিশুদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। কিয়েভের অব্যাহত হামলায় এ পর্যন্ত দুই শত ষাটটিরও বেশি শিশু মারাত্মকভাবে আহত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তাদের অনেকেরই শরীরের হাত কিংবা পা কেটে ফেলতে হয়েছে। যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। মাত্র দুই বছর বয়সী শিশু উলিয়ানা এখন হাসপাতালে পায়ের আঘাত নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছে। আরেক আহত শিশু ভ্লাদিমির জানায়, ইউক্রেনীয় ড্রোনটি বজ্রপাতের মতো এসে তাদের ওপর আছড়ে পড়েছিল। তার হাত, পা, মাথা এবং শরীরে অসংখ্য সেলাই দিতে হয়েছে। বেলগোরোদের গভর্নর আলেকসান্দার শুভায়েভ (Aleksandr Shuvaev) জানিয়েছেন, শুধু জুন মাসেই তাদের ওপর সাত হাজারের বেশি ড্রোন হামলা চালিয়েছে কিয়েভ। কিয়েভ সরকার শুধু সাধারণ মানুষের ওপর হামলাই চালাচ্ছে না, তারা নিজস্ব বন্দি বিনিময়েও চরম বাধা সৃষ্টি করছে। রাশিয়ার মানবাধিকার কমিশনার Yana Lantratova (ইয়ানা লান্ত্রাতোভা) কিয়েভের এই দ্বিচারিতা উন্মোচন করেছেন। তিনি জানান, ২০১৪ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে আটক হওয়া দনবাস ও ক্রিমিয়ার সেনাদের রাশিয়া পরিত্যক্ত ঘোষণা করেছে বলে ইউক্রেন যে প্রচার চালাচ্ছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। প্রকৃতপক্ষে, এই তালিকা রাশিয়াই তৈরি করেছিল এবং রাশিয়া তাদের ফেরত চায়। ইয়ানা লান্ত্রাতোভা (Yana Lantratova) আরও জানান, রাশিয়া দুই শত চব্বিশ জন ইউক্রেনীয় বন্দিকে ফেরত দিতে প্রস্তুত ছিল। কিন্তু কিয়েভ সরকার তাদের গ্রহণ করতে পরিষ্কারভাবে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। কিয়েভ সরকার মূলত তাদের নিজস্ব নাগরিকদের জীবনের চেয়ে রাজনৈতিক প্রচারণাকে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে। কিয়েভ কর্তৃপক্ষ ক্রমাগত দনবাসের জনগণকে অপরাধী বলে আখ্যা দিয়ে নিজেদের রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করছে। ঐতিহাসিক তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ২০১৪ সালে কিয়েভে পশ্চিমা সমর্থিত অভ্যুত্থানের পর দনবাস ও লুগানস্ক ইউক্রেন থেকে আলাদা হয়ে যায়। রাশিয়া সবসময় মিনস্ক চুক্তির মাধ্যমে শান্তি চেয়েছিল। তবে পশ্চিমা বিশ্ব ও ইউক্রেনীয় নেতারা পরবর্তীতে স্বীকার করেছেন, মিনস্ক চুক্তি ছিল ইউক্রেনকে সামরিকভাবে শক্তিশালী করার একটি কৌশল। পরবর্তীতে ২০২২ সালে গণভোটের মাধ্যমে দনবাস ও লুগানস্ক আনুষ্ঠানিকভাবে রাশিয়ার অন্তর্ভুক্ত হয়। এদিকে ইউরোপের দেশগুলোতেও ইউক্রেনীয়দের প্রতি অসন্তোষ চরম আকার ধারণ করেছে। সম্প্রতি পোল্যান্ডের আইবিআরআইএস (IBRiS) ইনস্টিটিউটের এক জরিপে দেখা গেছে, সাতাশ শতাংশ পোলিশ নাগরিক বেকার ইউক্রেনীয়দের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর পক্ষে মত দিয়েছেন। এমনকি পোল্যান্ডের পঁচাত্তর শতাংশের বেশি মানুষ জেলেনস্কির ওপর তীব্র বিরক্তি প্রকাশ করেছেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের নাৎসি সহযোগীদের ইউক্রেন কর্তৃক নায়ক হিসেবে উপস্থাপনের কারণে পোল্যান্ডের সাথে কিয়েভের সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছে। অন্যদিকে, কৃষ্ণসাগরে মার্কিন মালিকানাধীন তেল ট্যাঙ্কারে হামলা চালিয়ে বিপদে পড়েছে কিয়েভ। মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট J.D. Vance (জে.ডি. ভ্যান্স) ফোন করে কিয়েভকে কড়া বার্তা দেওয়ার পর তারা তেল ট্যাঙ্কারে ড্রোন হামলা বন্ধ করতে বাধ্য হয়। রণক্ষেত্রের সর্বশেষ পরিস্থিতির দিকে তাকালে দেখা যায়, রাশিয়ান বাহিনী বিশাল সাফল্য অর্জন করে চলেছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাদের 'সেন্টার' ব্যাটলগ্রুপ দোনেৎস্কের পেত্রোভকা (Petrovka) লোকালয় সম্পূর্ণরূপে মুক্ত করেছে। গত চব্বিশ ঘণ্টায় যুদ্ধক্ষেত্রের সবকটি ফ্রন্টে ইউক্রেনীয় বাহিনী প্রায় এক হাজার চার শত দশ জন সেনা হারিয়েছে। রণক্ষেত্রে রাশিয়ার 'উত্তর' ব্যাটলগ্রুপ সুমি ও খারকিভ অঞ্চলে ইউক্রেনীয় বাহিনীর অবস্থানগুলোর ওপর প্রচণ্ড আঘাত হেনেছে। সেখানে দুই শতেরও বেশি ইউক্রেনীয় সেনা নিহত হয়েছে। একইভাবে 'পশ্চিম' ব্যাটলগ্রুপের অভিযানে আরও দুই শত পঁচিশ জন ইউক্রেনীয় সেনা প্রাণ হারিয়েছে। রাশিয়ান বাহিনীর সুনির্দিষ্ট হামলায় কিয়েভ বাহিনীর অসংখ্য আর্টলারি ও সামরিক গাড়ি ধ্বংস হয়েছে। দোনেৎস্কের নিকোলায়েভকা ও ক্রামাতোরস্ক অঞ্চলে রাশিয়ার 'দক্ষিণ' ব্যাটলগ্রুপ নিজেদের অবস্থান আরও মজবুত করেছে। এখানে ইউক্রেনের তিনটি মেকানাইজড ব্রিগেড ও মাউন্টেন অ্যাসল্ট ব্রিগেডের ওপর ধ্বংসাত্মক হামলা চালানো হয়েছে। এই একক অভিযানে কিয়েভের দুই শত পঁতাল্লিশ জন সেনা নিহত হয় এবং সাড়ে সাতাশটি সামরিক যান ধ্বংস হয়। রাশিয়ার 'সেন্টার' ব্যাটলগ্রুপ পেত্রোভকা গ্রাম মুক্ত করার পাশাপাশি অন্যান্য অঞ্চলেও ইউক্রেনীয় বাহিনীকে কোণঠাসা করে ফেলেছে। তাদের সাঁজোয়া হামলা ও কৌশলগত নিখুঁত পদক্ষেপে ইউক্রেনের তিন শত পঞ্চান্নরও বেশি সেনা নিহত হয়েছে। ইউক্রেনীয় বাহিনীর পক্ষে এই ভারী ক্ষয়ক্ষতি সামলে ফ্রন্টলাইনে টিকে থাকা এখন প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। একইভাবে, রাশিয়ার 'পূর্ব' ব্যাটলগ্রুপ ইউক্রেনের প্রতিরক্ষাব্যুহ ভেদ করে গভীরে প্রবেশ করেছে। জাপোরোঝিয়া ও দনেপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলে তাদের অভিযানে তিন শত পঞ্চাশ জন ইউক্রেনীয় সেনা নিহত হয়েছে। অন্যদিকে 'দনিপ্র' ব্যাটলগ্রুপের অভিযানে আরও পঁয়ত্রিশ জন ইউক্রেনীয় সেনা এবং দুটি জামিং স্টেশন সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করা হয়েছে। গত চব্বিশ ঘণ্টায় রাশিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী আকাশপথে অবিশ্বাস্য সাফল্য দেখিয়েছে। তারা ইউক্রেনের এক হাজার এক শত পঞ্চাশটি ড্রোন, পাঁচটি গ্লাইড বোমা এবং তিনটি আমেরিকান হিমার্স (HIMARS) রকেট ধ্বংস করেছে। এছাড়া রাশিয়ান সামরিক বাহিনী ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামো, লজিস্টিক সেন্টার এবং ড্রোন তৈরির কারখানাগুলোতে সুনির্দিষ্ট হামলা চালিয়ে তা ধ্বংস করে দিয়েছে। কিয়েভ সরকারের অদূরদর্শী নীতির কারণে ইউক্রেনীয় সেনারা এখন চরম মানবিক বিপর্যয়ের মধ্যে পড়েছে। সম্প্রতি একটি ভিডিও ক্লিপে ইউক্রেনীয় সেনারা অভিযোগ করেছেন, তারা চার মাস ধরে কোনো রোটেশন ছাড়া ফ্রন্টলাইনে পড়ে আছেন। এমনকি ড্রোন থেকে পানি সরবরাহ না পাওয়ায় সেনাসদস্যরা মূত্র পান করতে বাধ্য হয়েছেন। তাদের কমান্ডার স্বীকার করেছেন, অনেক সেনা না খেয়ে অর্ধ-চেতন অবস্থায় পড়ে ছিলেন। সেনাদের এই করুণ অবস্থার পাশাপাশি ইউক্রেনের অস্ত্রাগারও প্রায় শূন্য হয়ে এসেছে। সিএনএন-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জেলেনস্কি স্বীকার করেছেন, শীতকালে টিকে থাকতে তাদের যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত পাঁচ শতাংশ প্যাট্রিওট মিসাইল প্রয়োজন। কিন্তু বর্তমানে তাদের কাছে মাত্র এক শতাংশের মতো মিসাইল মজুদ রয়েছে। মিসাইল সংকট আড়াল করতে ইউক্রেনীয় বিমান বাহিনী এখন থেকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বিশদ তথ্য প্রকাশ বন্ধ করে দিয়েছে। যুদ্ধের প্রভাব রাশিয়ার স্থানীয় জ্বালানি খাতেও কিছুটা পড়েছে। ওর্স্ক শোধনাগারে ড্রোন হামলার পর ওরেনবার্গ অঞ্চলে কন্টেইনারে জ্বালানি ভরা এবং অতিরিক্ত পেট্রোল বিক্রির ওপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। গভর্নর Yevgeny Solntsev (ইয়েভগেনি সোলন্তসেভ) স্পষ্ট ভাষায় এই সংকটের কথা স্বীকার করেছেন। তবে রাশিয়া খুব দ্রুতই এই সাময়িক অবকাঠামোগত ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার কাজ করছে। কিয়েভের উসকানিমূলক পদক্ষেপের জবাবে রাশিয়া সম্প্রতি ইউক্রেনের বৃহত্তম ইজমাইল (Izmail) দানিয়ুব বন্দরে সফল হামলা চালিয়েছে। এতে ইউক্রেনের শস্য পরিবহন ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। রাশিয়া জানিয়েছে, ইউক্রেনীয় সন্ত্রাসবাদের কারণে বিশ্ববাজারে খাদ্য শস্যের প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে তারা এখন বিকল্প শস্য রপ্তানি রুট তৈরির কাজ জোরদার করছে। সামগ্রিক যুদ্ধ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করলে এটা পরিষ্কার যে, পশ্চিমের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে কিয়েভ সরকার নিজেদের দেশকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছে। একদিকে সাধারণ নাগরিকদের ওপর বর্বর ড্রোন হামলা চালিয়ে নিজেদের অপরাধ ঢাকতে চাইছে, অন্যদিকে নিজেদের সেনাদের জীবন বাজি রেখে ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করছে। ফলে ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনী এখন চারদিক থেকেই চরম পরাজয়ের মুখোমুখি। কিয়েভ সরকারের সমস্ত চক্রান্ত ও পশ্চিমা উসকানিকে ব্যর্থ করে দিয়ে রাশিয়া নিজেদের লক্ষ্য অর্জনে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। বেসামরিক নাগরিকদের ওপর যেকোনো হামলার কঠোর জবাব দিতে রাশিয়া প্রস্তুত। বেলগোরোদের মতো সীমান্ত এলাকায় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি রাশিয়ান বাহিনী যুদ্ধক্ষেত্রে প্রতিনিয়ত নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করে চলেছে। বিশ্ব রাজনীতিতে এখন সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সময় এসেছে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/743_1.webp" alt="বেলগোরোদে নিষ্পাপ শিশুদের ওপর বর্বর হামলা চালাল ইউক্রেন: ক্ষোভে ফেটে পড়ল পুরো বিশ্ব" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>বেলগোরোদে নিষ্পাপ শিশুদের ওপর বর্বর হামলা চালাল ইউক্রেন: ক্ষোভে ফেটে পড়ল পুরো বিশ্ব</h1>
            <p>মানবিকতার সব সীমা লঙ্ঘন করে রাশিয়ার সীমান্তবর্তী অঞ্চল বেলগোরোদে শিশুদের ওপর ভয়াবহ ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। হাসপাতালে জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে অসংখ্য নিষ্পাপ শিশু। অন্যদিকে, মানবিকতার তোয়াক্কা না করে নিজস্ব বন্দি সেনাদের ফিরিয়ে নিতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছে কিয়েভ। রণক্ষেত্রে বিশাল ক্ষতি এবং পশ্চিমের চরম চাপে ইউক্রেন আজ এক চরম সংকটের মুখোমুখি। রাশিয়ার সীমান্তবর্তী জেলা বেলগোরোদে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে কিয়েভ সরকারের বর্বরতা সব সীমা ছাড়িয়ে গেছে। কিয়েভ বাহিনী আবাসিক এলাকা এবং সাধারণ মানুষকে লক্ষ্য করে ক্রমাগত ভয়াবহ ড্রোন ও মিসাইল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। গত এক সপ্তাহে কিয়েভের এই অন্যায় হামলায় তিয়াল্লিশ জন সাধারণ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। যার মধ্যে রয়েছে চারজন নিষ্পাপ শিশু। এই হামলায় চারশরও বেশি বেসামরিক নাগরিক মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আরটি সম্প্রতি বেলগোরোদের মূল শিশু হাসপাতাল পরিদর্শন করে একটি হৃদয়বিদারক চিত্র তুলে ধরেছে। এই হাসপাতালে ইউক্রেনীয় হামলায় গুরুতর আহত অসংখ্য শিশুদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। কিয়েভের অব্যাহত হামলায় এ পর্যন্ত দুই শত ষাটটিরও বেশি শিশু মারাত্মকভাবে আহত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তাদের অনেকেরই শরীরের হাত কিংবা পা কেটে ফেলতে হয়েছে। যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। মাত্র দুই বছর বয়সী শিশু উলিয়ানা এখন হাসপাতালে পায়ের আঘাত নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছে। আরেক আহত শিশু ভ্লাদিমির জানায়, ইউক্রেনীয় ড্রোনটি বজ্রপাতের মতো এসে তাদের ওপর আছড়ে পড়েছিল। তার হাত, পা, মাথা এবং শরীরে অসংখ্য সেলাই দিতে হয়েছে। বেলগোরোদের গভর্নর আলেকসান্দার শুভায়েভ (Aleksandr Shuvaev) জানিয়েছেন, শুধু জুন মাসেই তাদের ওপর সাত হাজারের বেশি ড্রোন হামলা চালিয়েছে কিয়েভ। কিয়েভ সরকার শুধু সাধারণ মানুষের ওপর হামলাই চালাচ্ছে না, তারা নিজস্ব বন্দি বিনিময়েও চরম বাধা সৃষ্টি করছে। রাশিয়ার মানবাধিকার কমিশনার Yana Lantratova (ইয়ানা লান্ত্রাতোভা) কিয়েভের এই দ্বিচারিতা উন্মোচন করেছেন। তিনি জানান, ২০১৪ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে আটক হওয়া দনবাস ও ক্রিমিয়ার সেনাদের রাশিয়া পরিত্যক্ত ঘোষণা করেছে বলে ইউক্রেন যে প্রচার চালাচ্ছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। প্রকৃতপক্ষে, এই তালিকা রাশিয়াই তৈরি করেছিল এবং রাশিয়া তাদের ফেরত চায়। ইয়ানা লান্ত্রাতোভা (Yana Lantratova) আরও জানান, রাশিয়া দুই শত চব্বিশ জন ইউক্রেনীয় বন্দিকে ফেরত দিতে প্রস্তুত ছিল। কিন্তু কিয়েভ সরকার তাদের গ্রহণ করতে পরিষ্কারভাবে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। কিয়েভ সরকার মূলত তাদের নিজস্ব নাগরিকদের জীবনের চেয়ে রাজনৈতিক প্রচারণাকে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে। কিয়েভ কর্তৃপক্ষ ক্রমাগত দনবাসের জনগণকে অপরাধী বলে আখ্যা দিয়ে নিজেদের রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করছে। ঐতিহাসিক তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ২০১৪ সালে কিয়েভে পশ্চিমা সমর্থিত অভ্যুত্থানের পর দনবাস ও লুগানস্ক ইউক্রেন থেকে আলাদা হয়ে যায়। রাশিয়া সবসময় মিনস্ক চুক্তির মাধ্যমে শান্তি চেয়েছিল। তবে পশ্চিমা বিশ্ব ও ইউক্রেনীয় নেতারা পরবর্তীতে স্বীকার করেছেন, মিনস্ক চুক্তি ছিল ইউক্রেনকে সামরিকভাবে শক্তিশালী করার একটি কৌশল। পরবর্তীতে ২০২২ সালে গণভোটের মাধ্যমে দনবাস ও লুগানস্ক আনুষ্ঠানিকভাবে রাশিয়ার অন্তর্ভুক্ত হয়। এদিকে ইউরোপের দেশগুলোতেও ইউক্রেনীয়দের প্রতি অসন্তোষ চরম আকার ধারণ করেছে। সম্প্রতি পোল্যান্ডের আইবিআরআইএস (IBRiS) ইনস্টিটিউটের এক জরিপে দেখা গেছে, সাতাশ শতাংশ পোলিশ নাগরিক বেকার ইউক্রেনীয়দের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর পক্ষে মত দিয়েছেন। এমনকি পোল্যান্ডের পঁচাত্তর শতাংশের বেশি মানুষ জেলেনস্কির ওপর তীব্র বিরক্তি প্রকাশ করেছেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের নাৎসি সহযোগীদের ইউক্রেন কর্তৃক নায়ক হিসেবে উপস্থাপনের কারণে পোল্যান্ডের সাথে কিয়েভের সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছে। অন্যদিকে, কৃষ্ণসাগরে মার্কিন মালিকানাধীন তেল ট্যাঙ্কারে হামলা চালিয়ে বিপদে পড়েছে কিয়েভ। মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট J.D. Vance (জে.ডি. ভ্যান্স) ফোন করে কিয়েভকে কড়া বার্তা দেওয়ার পর তারা তেল ট্যাঙ্কারে ড্রোন হামলা বন্ধ করতে বাধ্য হয়। রণক্ষেত্রের সর্বশেষ পরিস্থিতির দিকে তাকালে দেখা যায়, রাশিয়ান বাহিনী বিশাল সাফল্য অর্জন করে চলেছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাদের 'সেন্টার' ব্যাটলগ্রুপ দোনেৎস্কের পেত্রোভকা (Petrovka) লোকালয় সম্পূর্ণরূপে মুক্ত করেছে। গত চব্বিশ ঘণ্টায় যুদ্ধক্ষেত্রের সবকটি ফ্রন্টে ইউক্রেনীয় বাহিনী প্রায় এক হাজার চার শত দশ জন সেনা হারিয়েছে। রণক্ষেত্রে রাশিয়ার 'উত্তর' ব্যাটলগ্রুপ সুমি ও খারকিভ অঞ্চলে ইউক্রেনীয় বাহিনীর অবস্থানগুলোর ওপর প্রচণ্ড আঘাত হেনেছে। সেখানে দুই শতেরও বেশি ইউক্রেনীয় সেনা নিহত হয়েছে। একইভাবে 'পশ্চিম' ব্যাটলগ্রুপের অভিযানে আরও দুই শত পঁচিশ জন ইউক্রেনীয় সেনা প্রাণ হারিয়েছে। রাশিয়ান বাহিনীর সুনির্দিষ্ট হামলায় কিয়েভ বাহিনীর অসংখ্য আর্টলারি ও সামরিক গাড়ি ধ্বংস হয়েছে। দোনেৎস্কের নিকোলায়েভকা ও ক্রামাতোরস্ক অঞ্চলে রাশিয়ার 'দক্ষিণ' ব্যাটলগ্রুপ নিজেদের অবস্থান আরও মজবুত করেছে। এখানে ইউক্রেনের তিনটি মেকানাইজড ব্রিগেড ও মাউন্টেন অ্যাসল্ট ব্রিগেডের ওপর ধ্বংসাত্মক হামলা চালানো হয়েছে। এই একক অভিযানে কিয়েভের দুই শত পঁতাল্লিশ জন সেনা নিহত হয় এবং সাড়ে সাতাশটি সামরিক যান ধ্বংস হয়। রাশিয়ার 'সেন্টার' ব্যাটলগ্রুপ পেত্রোভকা গ্রাম মুক্ত করার পাশাপাশি অন্যান্য অঞ্চলেও ইউক্রেনীয় বাহিনীকে কোণঠাসা করে ফেলেছে। তাদের সাঁজোয়া হামলা ও কৌশলগত নিখুঁত পদক্ষেপে ইউক্রেনের তিন শত পঞ্চান্নরও বেশি সেনা নিহত হয়েছে। ইউক্রেনীয় বাহিনীর পক্ষে এই ভারী ক্ষয়ক্ষতি সামলে ফ্রন্টলাইনে টিকে থাকা এখন প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। একইভাবে, রাশিয়ার 'পূর্ব' ব্যাটলগ্রুপ ইউক্রেনের প্রতিরক্ষাব্যুহ ভেদ করে গভীরে প্রবেশ করেছে। জাপোরোঝিয়া ও দনেপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলে তাদের অভিযানে তিন শত পঞ্চাশ জন ইউক্রেনীয় সেনা নিহত হয়েছে। অন্যদিকে 'দনিপ্র' ব্যাটলগ্রুপের অভিযানে আরও পঁয়ত্রিশ জন ইউক্রেনীয় সেনা এবং দুটি জামিং স্টেশন সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করা হয়েছে। গত চব্বিশ ঘণ্টায় রাশিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী আকাশপথে অবিশ্বাস্য সাফল্য দেখিয়েছে। তারা ইউক্রেনের এক হাজার এক শত পঞ্চাশটি ড্রোন, পাঁচটি গ্লাইড বোমা এবং তিনটি আমেরিকান হিমার্স (HIMARS) রকেট ধ্বংস করেছে। এছাড়া রাশিয়ান সামরিক বাহিনী ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামো, লজিস্টিক সেন্টার এবং ড্রোন তৈরির কারখানাগুলোতে সুনির্দিষ্ট হামলা চালিয়ে তা ধ্বংস করে দিয়েছে। কিয়েভ সরকারের অদূরদর্শী নীতির কারণে ইউক্রেনীয় সেনারা এখন চরম মানবিক বিপর্যয়ের মধ্যে পড়েছে। সম্প্রতি একটি ভিডিও ক্লিপে ইউক্রেনীয় সেনারা অভিযোগ করেছেন, তারা চার মাস ধরে কোনো রোটেশন ছাড়া ফ্রন্টলাইনে পড়ে আছেন। এমনকি ড্রোন থেকে পানি সরবরাহ না পাওয়ায় সেনাসদস্যরা মূত্র পান করতে বাধ্য হয়েছেন। তাদের কমান্ডার স্বীকার করেছেন, অনেক সেনা না খেয়ে অর্ধ-চেতন অবস্থায় পড়ে ছিলেন। সেনাদের এই করুণ অবস্থার পাশাপাশি ইউক্রেনের অস্ত্রাগারও প্রায় শূন্য হয়ে এসেছে। সিএনএন-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জেলেনস্কি স্বীকার করেছেন, শীতকালে টিকে থাকতে তাদের যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত পাঁচ শতাংশ প্যাট্রিওট মিসাইল প্রয়োজন। কিন্তু বর্তমানে তাদের কাছে মাত্র এক শতাংশের মতো মিসাইল মজুদ রয়েছে। মিসাইল সংকট আড়াল করতে ইউক্রেনীয় বিমান বাহিনী এখন থেকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বিশদ তথ্য প্রকাশ বন্ধ করে দিয়েছে। যুদ্ধের প্রভাব রাশিয়ার স্থানীয় জ্বালানি খাতেও কিছুটা পড়েছে। ওর্স্ক শোধনাগারে ড্রোন হামলার পর ওরেনবার্গ অঞ্চলে কন্টেইনারে জ্বালানি ভরা এবং অতিরিক্ত পেট্রোল বিক্রির ওপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। গভর্নর Yevgeny Solntsev (ইয়েভগেনি সোলন্তসেভ) স্পষ্ট ভাষায় এই সংকটের কথা স্বীকার করেছেন। তবে রাশিয়া খুব দ্রুতই এই সাময়িক অবকাঠামোগত ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার কাজ করছে। কিয়েভের উসকানিমূলক পদক্ষেপের জবাবে রাশিয়া সম্প্রতি ইউক্রেনের বৃহত্তম ইজমাইল (Izmail) দানিয়ুব বন্দরে সফল হামলা চালিয়েছে। এতে ইউক্রেনের শস্য পরিবহন ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। রাশিয়া জানিয়েছে, ইউক্রেনীয় সন্ত্রাসবাদের কারণে বিশ্ববাজারে খাদ্য শস্যের প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে তারা এখন বিকল্প শস্য রপ্তানি রুট তৈরির কাজ জোরদার করছে। সামগ্রিক যুদ্ধ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করলে এটা পরিষ্কার যে, পশ্চিমের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে কিয়েভ সরকার নিজেদের দেশকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছে। একদিকে সাধারণ নাগরিকদের ওপর বর্বর ড্রোন হামলা চালিয়ে নিজেদের অপরাধ ঢাকতে চাইছে, অন্যদিকে নিজেদের সেনাদের জীবন বাজি রেখে ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করছে। ফলে ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনী এখন চারদিক থেকেই চরম পরাজয়ের মুখোমুখি। কিয়েভ সরকারের সমস্ত চক্রান্ত ও পশ্চিমা উসকানিকে ব্যর্থ করে দিয়ে রাশিয়া নিজেদের লক্ষ্য অর্জনে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। বেসামরিক নাগরিকদের ওপর যেকোনো হামলার কঠোর জবাব দিতে রাশিয়া প্রস্তুত। বেলগোরোদের মতো সীমান্ত এলাকায় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি রাশিয়ান বাহিনী যুদ্ধক্ষেত্রে প্রতিনিয়ত নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করে চলেছে। বিশ্ব রাজনীতিতে এখন সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সময় এসেছে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/743_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/743_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/743_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[বিশ্বের সবচেয়ে বড় দশ সাবমেরিনের সাতটিই রাশিয়ার, সমুদ্রের নিচে লুকানো শক্তি নীরবে বদলাচ্ছে যুদ্ধের ভবিষ্যৎ]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/49715</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/49715</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[মৌসুমী আক্তার]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 14 Aug 2026 15:09:25 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, bangla news 24, atn bangla news, bbc bangla news, tv9 bangla news, bangla news live, bd news bangla, ct news bangla, bangla tv news, bangla news today, today bangla news, bbc news bangla, latest bangla news, online bangla news, bangla live news, tv9 bangla news live, news18 bangla, tv9 bangla news today, tv9 bangla live news, bangla tv news online, bangla breaking news, tv9 bangla news live today, live tv9 bangla news today, news18 bangla live, tv9 bangla bengali news, radio tehran bangla news live, bangladesh news, banglavision news]]></category>
        
        <description><![CDATA[সমুদ্রের নিচে এমন কিছু যুদ্ধযান ঘুরে বেড়াচ্ছে, যেগুলোর আকার তিনটি ফুটবল মাঠের সমান! বিশ্বের সবচেয়ে বড় দশ সাবমেরিনের সাতটিই রাশিয়ার। কিন্তু শুধু আকার দিয়ে কি আসল শক্তি মাপা যায়? এই ভিডিওতে আমরা বিস্তারিত জানবো বিশ্বের বৃহত্তম সাবমেরিনগুলোর কথা। রাশিয়ার টাইফুন ক্লাসের বিশালতা থেকে শুরু করে বোরেই ক্লাসের নীরব গতি, যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও ক্লাসের মারণক্ষমতা, ব্রিটেনের ভ্যানগার্ড এবং ফ্রান্সের ট্রিওমফ্যান্ট সাবমেরিনের গোপন শক্তির রহস্য উন্মোচন করা হয়েছে এখানে। পারমাণবিক অস্ত্রের ছায়ায় কীভাবে সমুদ্রযুদ্ধের ধরন বদলে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ড্রোন সাবমেরিনগুলোকে কতটা পরিবর্তন করতে পারে—তার একটি পরিষ্কার চিত্র এই ভিডিওতে তুলে ধরা হয়েছে। ভিডিওটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দেখুন এবং সমুদ্রের নিচে লুকিয়ে থাকা এই নীরব শক্তি সম্পর্কে আপনার মতামত কমেন্টে জানান।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_14-8-26_06.webp" alt="বিশ্বের সবচেয়ে বড় দশ সাবমেরিনের সাতটিই রাশিয়ার, সমুদ্রের নিচে লুকানো শক্তি নীরবে বদলাচ্ছে যুদ্ধের ভবিষ্যৎ" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>বিশ্বের সবচেয়ে বড় দশ সাবমেরিনের সাতটিই রাশিয়ার, সমুদ্রের নিচে লুকানো শক্তি নীরবে বদলাচ্ছে যুদ্ধের ভবিষ্যৎ</h1>
            <p>সমুদ্রের নিচে এমন কিছু যুদ্ধযান ঘুরে বেড়াচ্ছে, যেগুলোর আকার তিনটি ফুটবল মাঠের সমান! বিশ্বের সবচেয়ে বড় দশ সাবমেরিনের সাতটিই রাশিয়ার। কিন্তু শুধু আকার দিয়ে কি আসল শক্তি মাপা যায়? এই ভিডিওতে আমরা বিস্তারিত জানবো বিশ্বের বৃহত্তম সাবমেরিনগুলোর কথা। রাশিয়ার টাইফুন ক্লাসের বিশালতা থেকে শুরু করে বোরেই ক্লাসের নীরব গতি, যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও ক্লাসের মারণক্ষমতা, ব্রিটেনের ভ্যানগার্ড এবং ফ্রান্সের ট্রিওমফ্যান্ট সাবমেরিনের গোপন শক্তির রহস্য উন্মোচন করা হয়েছে এখানে। পারমাণবিক অস্ত্রের ছায়ায় কীভাবে সমুদ্রযুদ্ধের ধরন বদলে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ড্রোন সাবমেরিনগুলোকে কতটা পরিবর্তন করতে পারে—তার একটি পরিষ্কার চিত্র এই ভিডিওতে তুলে ধরা হয়েছে। ভিডিওটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দেখুন এবং সমুদ্রের নিচে লুকিয়ে থাকা এই নীরব শক্তি সম্পর্কে আপনার মতামত কমেন্টে জানান।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_14-8-26_06.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_14-8-26_06.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_14-8-26_06.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[আমেরিকার স্বপ্নের ট্রাম্প ক্লাস ব্যাটলশিপ এখন মাথা ব্যথার কারণ]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/49714</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/49714</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 14 Aug 2026 15:09:25 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[আমেরিকাস]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, bangla news 24, atn bangla news, bbc bangla news, tv9 bangla news, bangla news live, bd news bangla, ct news bangla, bangla tv news, bangla news today, today bangla news, bbc news bangla, latest bangla news, online bangla news, bangla live news, tv9 bangla news live, news18 bangla, tv9 bangla news today, tv9 bangla live news, bangla tv news online, bangla breaking news, tv9 bangla news live today, live tv9 bangla news today, news18 bangla live, tv9 bangla bengali news, radio tehran bangla news live, bangladesh news, banglavision news]]></category>
        
        <description><![CDATA[গত বছরের ডিসেম্বরে ঘোষণা করা হয়েছিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সবচেয়ে দামি এবং স্বপ্নের সামরিক প্রকল্প ট্রাম্প ক্লাস (Trump-class) ব্যাটলশিপ। কিন্তু সম্প্রতি কংগ্রেসনাল বাজেট অফিসের (CBO) একটি নতুন প্রতিবেদনে এই প্রজেক্টের যে চিত্র সামনে এসেছে, তা শুনলে যে কারো চোখ কপালে উঠবে। পুরো কর্মসূচির আনুমানিক খরচ এখন ঠেকেছে আকাশচুম্বী দুই শ পঁচাত্তর বিলিয়ন ডলারে। প্রথম জাহাজ ইউএসএস ডিফায়েন্ট (USS Defiant)-এর পেছনেই খরচ হচ্ছে তেইশ দশমিক চার বিলিয়ন ডলার। এই বিপুল পরিমাণ অর্থ জলের মতো খরচ করা নিয়ে মার্কিন রাজনীতি ও প্রতিরক্ষা মহলে এখন চলছে তুমুল ঝড়। আমেরিকার প্রতিরক্ষা বাজেট নিয়ে নতুন করে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বপ্নের ট্রাম্প ক্লাস (Trump-class) ব্যাটলশিপ প্রজেক্টের খরচ ছাড়িয়ে গেছে অতীতের সব রেকর্ড। কংগ্রেসনাল বাজেট অফিস (CBO)-এর সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই পুরো সামরিক কর্মসূচির খরচ ধরা হয়েছে প্রায় দুই শ পঁচাত্তর বিলিয়ন ডলার। এই বিশাল অংকের অর্থ নিয়ে এখন সমালোচনার ঝড় বইছে সর্বত্র। গত বছরের ডিসেম্বরে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই নতুন শ্রেণীর যুদ্ধজাহাজ তৈরির ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন যে এটি হবে বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতির, বৃহত্তম এবং অতীতের যেকোনো ব্যাটলশিপের চেয়ে এক শ গুণ বেশি শক্তিশালী। প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী দুটি জাহাজ তৈরির কথা থাকলেও পরে এর সংখ্যা কুড়ি থেকে পঁচিশটিতে উন্নীত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। তবে এই বিশাল উচ্চাশা বর্তমানে মার্কিন অর্থনীতির ওপর এক বিরাট চাপ সৃষ্টি করেছে। নতুন এই যুদ্ধজাহাজের প্রথম পতাকার নিচে তৈরি হওয়া জাহাজ ইউএসএস ডিফায়েন্ট (USS Defiant)-এর খরচ ধরা হয়েছে প্রায় তেইশ দশমিক চার বিলিয়ন ডলার। চলতি বছরের শুরুতে মার্কিন নৌবাহিনী এই প্রথম জাহাজের জন্য প্রায় সতেরো বিলিয়ন ডলারের অনুদান চেয়েছিল। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে এই প্রজেক্টের ব্যয় বৃদ্ধির হার পরিকল্পনাকারীদেরও চিন্তায় ফেলে দিয়েছে। প্রাথমিক হিসাবের তুলনায় খরচ ইতোমধ্যে ছয় বিলিয়ন ডলারেরও বেশি বেড়ে গেছে। কংগ্রেসনাল বাজেট অফিসের মতে, পঁয়ত্রিশ হাজার টন ওজনের একটি পারমাণবিক ব্যাটলশিপ তৈরি করতে প্রায় আঠারো বিলিয়ন ডলার খরচ হতে পারে। কিন্তু যদি এই যুদ্ধজাহাজের ওজন বাড়িয়ে একচল্লিশ হাজার টন করা হয়, তবে প্রতি জাহাজের খরচ ষোলো শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পাবে। সেক্ষেত্রে পুরো প্রজেক্টের মোট খরচ প্রায় পাঁচ শ আঠাশ বিলিয়ন ডলারে গিয়ে ঠেকবে। এই বিপুল অঙ্কের অর্থ সাধারণ মার্কিন করদাতাদের জন্য এক বিরাট বোঝা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। নকশার দিক থেকে এই যুদ্ধজাহাজটি হবে মার্কিন নৌবাহিনীর ইতিহাসের সবচেয়ে ভারী এবং অস্ত্রসজ্জিত সারফেস ওয়ারশিপ। এতে যুক্ত করা হচ্ছে এক শ আঠাশটি মার্ক ফোরান্টি ওয়ান ভার্টিক্যাল লঞ্চ সেল এবং উন্নত এএন স্পাই সিক্স (AN/SPY-6) এয়ার ডিফেন্স রাডার। এছাড়া নিরাপত্তার স্বার্থে এতে রাখা হচ্ছে শক্তিশালী ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রেলগান এবং হাইপারসনিক মিসাইল টিউব। প্রযুক্তির দিক থেকে এটি অতুলনীয় হলেও এর বাস্তবায়ন বেশ জটিল। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই জাহাজটি হবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর মার্কিন নৌবাহিনীর তৈরি করা যেকোনো সারফেস কমব্যাট্যান্টের চেয়ে অনেক বড়। এটি আরলেই বার্ক (Arleigh Burke)-ক্লাস গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ারের চেয়ে প্রায় সাড়ে তিন গুণ বড় হবে। এমনকি জুমওয়াল্ট (Zumwalt)-ক্লাস ডেস্ট্রয়ারের তুলনায় এর আকার হবে দ্বিগুণেরও বেশি। এত বিশাল আকারের যুদ্ধজাহাজ পরিচালনা করা নৌবাহিনীর জন্য এক নতুন চ্যালেঞ্জ। এই যুদ্ধজাহাজের অস্ত্রাগারে যুক্ত হতে চলেছে পরমাণু অস্ত্রবাহী সমুদ্র থেকে নিক্ষিপ্ত ক্রুজ মিসাইল বা এসএলসিএম-এন (SLCM-N)। নৌবাহিনীর বর্ণনা অনুযায়ী, এই মিসাইলের সংখ্যা কম হলেও এর উপস্থিতি যুদ্ধজাহাজটির শক্তি বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। ১৪টি ওহাইও (Ohio)-ক্লাস ব্যালিস্টিক মিসাইল সাবমেরিন বাদে নৌবাহিনীর অন্য যেকোনো জাহাজের চেয়ে এটি বেশি ফায়ার পাওয়ার বহন করবে। পরমাণু অস্ত্রের সংযোজন এই প্রজেক্টের খরচ আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। তবে কংগ্রেসনাল বাজেট অফিস স্পষ্টভাবে সতর্ক করেছে যে এই খরচগুলো অত্যন্ত অনিশ্চিত এবং পরিবর্তনশীল। প্রজেক্টের নকশা এবং সামগ্রিক কর্মসূচির ওপর ভিত্তি করে এই প্রাথমিক হিসাব কষা হয়েছে। এর বাইরেও বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ বা আন্তর্জাতিক কারণে খরচ আরও বাড়তে বা কমতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, পারমাণবিক পাওয়ারের পরিবর্তে প্রচলিত ইঞ্জিন ব্যবহার করলে খরচ প্রায় তেরো শতাংশ কমানো সম্ভব হতো। এই বিশাল ব্যয় বরাদ্দের প্রজেক্টটি সফল করার জন্য মার্কিন শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোকে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। আগামী দুই হাজার আটান্ন সালের মধ্যে বড় ধরনের সারফেস কমব্যাট্যান্টের নির্মাণ কাজ ষাট শতাংশ পর্যন্ত বাড়াতে হবে। এর ফলে মার্কিন শিপবিল্ডিং ইন্ডাস্ট্রির ওপর প্রচণ্ড মাত্রার চাপ সৃষ্টি হবে, যা সামলানো বেশ কঠিন হতে পারে। দুই হাজার পঁয়ত্রিশ সালের মধ্যে শিপইয়ার্ডগুলোকে আরও বেশি টনিয়েজ উৎপাদন করতে হবে। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসেও সিবিও (CBO) এই ব্যাটলশিপের খরচ নিয়ে অন্যরকম পূর্বাভাস দিয়েছিল। তখন বলা হয়েছিল যে প্রথম জাহাজের খরচ একুশ থেকে বাইশ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে থাকতে পারে। কিন্তু বর্তমানের এই নতুন প্রতিবেদন সমস্ত আগের ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছে। করদাতাদের পকেট থেকে আরও বেশি অর্থ বের করে নেওয়ার এই পরিকল্পনা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ নাগরিক ও বিশ্লেষকরা। বিশ্লেষকরা বলছেন, ইউএসএস ডিফায়েন্ট (USS Defiant)-এর মতো ভারী এবং বিশাল ব্যাটলশিপ শত্রুর আক্রমণের মুখে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। পরমাণু ও হাইপারসনিক অস্ত্র থাকা সত্ত্বেও এর বিশাল আকৃতির কারণে এটি সহজেই শত্রু দেশের টার্গেট বা বোম ম্যাগনেট হয়ে উঠতে পারে। এই ধরনের উচ্চমূল্যের লক্ষ্যবস্তু যুদ্ধক্ষেত্রে কতটা টিকে থাকতে পারবে, তা নিয়ে সামরিক গবেষকদের মনে রয়েছে গভীর সংশয়। মার্কিন নৌবাহিনীর বর্তমান যুদ্ধবিগ্রহের মূল নীতি হলো বিকেন্দ্রীভূত ফায়ার পাওয়ার (distributed firepower)। এই নীতির উদ্দেশ্য হলো সেন্সর এবং আক্রমণ ক্ষমতাকে একটিমাত্র প্ল্যাটফর্মে না রেখে ডেস্ট্রয়ার এবং ড্রোন সিস্টেমের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া। এর মাধ্যমে শত্রুর আক্রমণ থেকে নিজেদের রক্ষা করা এবং নৌবহরের টিকে থাকার ক্ষমতা বহুগুণ বাড়ানো সম্ভব হয়। কিন্তু একটিমাত্র বিশাল ব্যাটলশিপ তৈরি করা এই নীতির সম্পূর্ণ বিপরীত। ভারতীয় নৌবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত রিয়ার অ্যাডমিরাল গিরিশ কুমার গর্গ (Girish Kumar Garg) ইউরেশিয়ান টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই প্রজেক্টকে উন্মত্ততা বলে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি বলেছেন, যেকোনো যুদ্ধজাহাজের ক্ষমতার কথা বিবেচনা করলেও এই দাম সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। আমেরিকার মতো ধনী দেশও যদি এই খরচ বহন করে, তবুও এটি করদাতাদের অর্থের চরম অপচয়। বর্তমান যুদ্ধপদ্ধতি যখন এয়ার ও আন্ডারওয়াটার ড্রোনের দিকে ঝুঁকছে, তখন এমন খরচ কোনোভাবেই বুদ্ধিমানের কাজ নয়। ন্যাটোর (NATO) সাবেক সুপ্রিম অ্যালাইড কমান্ডার অ্যাডমিরাল জেমস স্ট্যাভ্রিডিস (James Stavridis) ব্লুমবার্গে প্রকাশিত এক কলামে এই প্রজেক্টের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি লিখেছেন যে আজকের ড্রোন সোয়ার্ম, গোপন সাবমেরিন এবং সাইবার অস্ত্রের যুগে এত বড় ঝুঁকিপূর্ণ প্ল্যাটফর্মে বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করা সম্পূর্ণ বোকামি। সব ডিম এক ঝুড়িতে রাখার মতো এই নীতি আধুনিক যুদ্ধের বাস্তবতার সাথে কোনোভাবেই মেলে না। অনেকে আবার এমন আশঙ্কাও প্রকাশ করছেন যে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর এই প্রজেক্টটি বাতিলও হয়ে যেতে পারে। আর যদি এমনটা ঘটে, তবে আমেরিকান করদাতাদের হাজার হাজার কোটি ডলার জলে যাবে। অতিরিক্ত ব্যয়ের কারণে এই সামরিক প্রজেক্টটি শুরু থেকেই বিতর্কের মুখে রয়েছে। পেন্টাগনের এই উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা শেষ পর্যন্ত আলোর মুখ দেখবে কিনা, তা নিয়ে এখন বড় ধরনের প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। আকর্ষণীয় বিষয় হলো, এই ব্যাটলশিপের খরচ একটি বিমানবাহী রণতরীর চেয়েও অনেক বেশি হতে পারে। মার্কিন নৌবাহিনীর নেতৃত্ব বিমানবাহী রণতরীর উচ্চ মূল্য নিয়েও অতীতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। নৌবাহিনীর সাবেক সেক্রেটারি জন ফেলান (John Phelan) চলতি বছরের শুরুতে ডিজাইনের খরচ পর্যালোচনার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন যে রণতরীর ভবিষ্যত সংস্করণগুলো বাতিল করার সম্ভাবনাও একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। উদাহরণস্বরূপ, ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড (USS Gerald R. Ford) রণতরীটি তৈরিতে খরচ হয়েছিল প্রায় তেরো দশমিক তিন বিলিয়ন ডলার। অথচ ট্রাম্প ক্লাস ব্যাটলশিপের প্রত্যাশিত খরচ তার দ্বিগুণের কাছাকাছি চলে যাচ্ছে। বর্তমান নৌবাহিনীর নেতারা বাজেট নিয়ন্ত্রণের কথা বললেও এমন মেগাপ্রজেক্টে অনুমোদন দেওয়া নিয়ে নিজেদের ভেতরই মতবিরোধ তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আর্থিক স্বচ্ছতা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন উঠছে। চলতি বছরের মে মাসে ক্যাটো ইনস্টিটিউট (Cato Institute) এই ব্যাটলশিপকে অপ্রয়োজনীয় এবং অকার্যকর বলে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ক্যাটো ইনস্টিটিউটের পলিসি অ্যানালিস্ট বেন গিল্টনার (Ben Giltner) ফর্চুন ম্যাগাজিনকে বলেছিলেন যে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে এই ধরনের জাহাজ আমরা আর ব্যবহার করিনি। কারণ যুদ্ধের সময় আকাশ থেকে আসা বিমান সহজেই সমুদ্রের বুকে এটিকে ধ্বংস করে দিতে পারে। বেন গিল্টনার আরও জোর দিয়ে বলেছিলেন যে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ দিয়ে অন্য অনেক দরকারী কাজ করা সম্ভব ছিল। এমনকি আমেরিকার বিশাল জাতীয় ঋণের বোঝা এবং তার সুদের টাকা পরিশোধ করার কাজেও এই অর্থ ব্যবহার করা যেত। কিন্তু সেই পথে না হেঁটে প্রতিরক্ষা খাতে অতিরিক্ত বাজেট বরাদ্দ করা অর্থনৈতিক নীতির পরিপন্থী। সাধারণ মানুষের করের টাকা এভাবে অপচয় করা নিয়ে বিভিন্ন মহল থেকে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হচ্ছে। ট্রাম্প ক্লাস ব্যাটলশিপের এই আকাশছোঁয়া খরচের তথ্য এমন এক সময়ে সামনে এসেছে যখন ট্রাম্প প্রশাসন পেন্টাগনজুড়ে বড় ধরনের বাজেট কাটছাঁট করছে। একদিকে চলছে সরকারি খরচ কমানোর তোড়জোড়, অন্যদিকে কোটি কোটি ডলারের এমন বিলাসবহুল প্রজেক্ট অনুমোদন নিয়ে চলছে চরম স্ববিরোধী নীতি। এই দ্বিমুখী নীতির ফলে সাধারণ মানুষের মনে সরকারের সদিচ্ছা নিয়ে নানা প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। সেনেট বাজেট কমিটির শীর্ষ ডেমোক্রেট সিনেটর জেফ মার্কলে (Jeff Merkley) সিবিও (CBO) প্রতিবেদন প্রকাশের পর এক কড়া বিবৃতিতে নিজের মতামত জানান। তিনি বলেন যে আমরা পেন্টাগনের এমন অনেক প্রজেক্ট দেখেছি যা কেবল অতিরিক্ত খরচ, বিলম্ব এবং অবাস্তব প্রতিশ্রুতির বোঝায় জর্জরিত। কংগ্রেসের পক্ষে এমন আরেকটি বিশাল সামরিক বন্ডগল বা অর্থ অপচয়ের ফাঁদে পা দেওয়া কিছুতেই সম্ভব নয়। এই সামরিক প্রকল্পের মাধ্যমে মূলত সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্স বা মিলিটারি-ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লেক্সের কোষাগার ভারী করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা বা দেশের প্রকৃত প্রতিরক্ষা শক্তির চেয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মুনাফা অর্জনই এখানে প্রধান লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে প্রজেক্টের উপযোগিতা নিয়ে তৈরি হওয়া এই সংশয় সহজে কাটছে না। মার্কিন নীতিনির্ধারকদের সামনে এখন এক বিরাট রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরীক্ষার সময়। সার্বিক দিক বিবেচনা করলে, ট্রাম্প ক্লাস ব্যাটলশিপ প্রজেক্টটি মার্কিন নৌবাহিনীর জন্য আশীর্বাদের চেয়ে অভিশাপের রূপ নিতে চলেছে। একদিকে বিশাল আর্থিক ব্যয়, অন্যদিকে আধুনিক যুদ্ধের ময়দানে এর চরম দুর্বলতা—সব মিলিয়ে এটি এক অকার্যকর পরিকল্পনা হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র সরকার শেষ পর্যন্ত এই মেগাপ্রজেক্টে অনড় থাকে নাকি জনগণের চাপে তা বাতিল করে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_14-8-26_05.webp" alt="আমেরিকার স্বপ্নের ট্রাম্প ক্লাস ব্যাটলশিপ এখন মাথা ব্যথার কারণ" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>আমেরিকার স্বপ্নের ট্রাম্প ক্লাস ব্যাটলশিপ এখন মাথা ব্যথার কারণ</h1>
            <p>গত বছরের ডিসেম্বরে ঘোষণা করা হয়েছিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সবচেয়ে দামি এবং স্বপ্নের সামরিক প্রকল্প ট্রাম্প ক্লাস (Trump-class) ব্যাটলশিপ। কিন্তু সম্প্রতি কংগ্রেসনাল বাজেট অফিসের (CBO) একটি নতুন প্রতিবেদনে এই প্রজেক্টের যে চিত্র সামনে এসেছে, তা শুনলে যে কারো চোখ কপালে উঠবে। পুরো কর্মসূচির আনুমানিক খরচ এখন ঠেকেছে আকাশচুম্বী দুই শ পঁচাত্তর বিলিয়ন ডলারে। প্রথম জাহাজ ইউএসএস ডিফায়েন্ট (USS Defiant)-এর পেছনেই খরচ হচ্ছে তেইশ দশমিক চার বিলিয়ন ডলার। এই বিপুল পরিমাণ অর্থ জলের মতো খরচ করা নিয়ে মার্কিন রাজনীতি ও প্রতিরক্ষা মহলে এখন চলছে তুমুল ঝড়। আমেরিকার প্রতিরক্ষা বাজেট নিয়ে নতুন করে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বপ্নের ট্রাম্প ক্লাস (Trump-class) ব্যাটলশিপ প্রজেক্টের খরচ ছাড়িয়ে গেছে অতীতের সব রেকর্ড। কংগ্রেসনাল বাজেট অফিস (CBO)-এর সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই পুরো সামরিক কর্মসূচির খরচ ধরা হয়েছে প্রায় দুই শ পঁচাত্তর বিলিয়ন ডলার। এই বিশাল অংকের অর্থ নিয়ে এখন সমালোচনার ঝড় বইছে সর্বত্র। গত বছরের ডিসেম্বরে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই নতুন শ্রেণীর যুদ্ধজাহাজ তৈরির ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন যে এটি হবে বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতির, বৃহত্তম এবং অতীতের যেকোনো ব্যাটলশিপের চেয়ে এক শ গুণ বেশি শক্তিশালী। প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী দুটি জাহাজ তৈরির কথা থাকলেও পরে এর সংখ্যা কুড়ি থেকে পঁচিশটিতে উন্নীত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। তবে এই বিশাল উচ্চাশা বর্তমানে মার্কিন অর্থনীতির ওপর এক বিরাট চাপ সৃষ্টি করেছে। নতুন এই যুদ্ধজাহাজের প্রথম পতাকার নিচে তৈরি হওয়া জাহাজ ইউএসএস ডিফায়েন্ট (USS Defiant)-এর খরচ ধরা হয়েছে প্রায় তেইশ দশমিক চার বিলিয়ন ডলার। চলতি বছরের শুরুতে মার্কিন নৌবাহিনী এই প্রথম জাহাজের জন্য প্রায় সতেরো বিলিয়ন ডলারের অনুদান চেয়েছিল। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে এই প্রজেক্টের ব্যয় বৃদ্ধির হার পরিকল্পনাকারীদেরও চিন্তায় ফেলে দিয়েছে। প্রাথমিক হিসাবের তুলনায় খরচ ইতোমধ্যে ছয় বিলিয়ন ডলারেরও বেশি বেড়ে গেছে। কংগ্রেসনাল বাজেট অফিসের মতে, পঁয়ত্রিশ হাজার টন ওজনের একটি পারমাণবিক ব্যাটলশিপ তৈরি করতে প্রায় আঠারো বিলিয়ন ডলার খরচ হতে পারে। কিন্তু যদি এই যুদ্ধজাহাজের ওজন বাড়িয়ে একচল্লিশ হাজার টন করা হয়, তবে প্রতি জাহাজের খরচ ষোলো শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পাবে। সেক্ষেত্রে পুরো প্রজেক্টের মোট খরচ প্রায় পাঁচ শ আঠাশ বিলিয়ন ডলারে গিয়ে ঠেকবে। এই বিপুল অঙ্কের অর্থ সাধারণ মার্কিন করদাতাদের জন্য এক বিরাট বোঝা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। নকশার দিক থেকে এই যুদ্ধজাহাজটি হবে মার্কিন নৌবাহিনীর ইতিহাসের সবচেয়ে ভারী এবং অস্ত্রসজ্জিত সারফেস ওয়ারশিপ। এতে যুক্ত করা হচ্ছে এক শ আঠাশটি মার্ক ফোরান্টি ওয়ান ভার্টিক্যাল লঞ্চ সেল এবং উন্নত এএন স্পাই সিক্স (AN/SPY-6) এয়ার ডিফেন্স রাডার। এছাড়া নিরাপত্তার স্বার্থে এতে রাখা হচ্ছে শক্তিশালী ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রেলগান এবং হাইপারসনিক মিসাইল টিউব। প্রযুক্তির দিক থেকে এটি অতুলনীয় হলেও এর বাস্তবায়ন বেশ জটিল। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই জাহাজটি হবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর মার্কিন নৌবাহিনীর তৈরি করা যেকোনো সারফেস কমব্যাট্যান্টের চেয়ে অনেক বড়। এটি আরলেই বার্ক (Arleigh Burke)-ক্লাস গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ারের চেয়ে প্রায় সাড়ে তিন গুণ বড় হবে। এমনকি জুমওয়াল্ট (Zumwalt)-ক্লাস ডেস্ট্রয়ারের তুলনায় এর আকার হবে দ্বিগুণেরও বেশি। এত বিশাল আকারের যুদ্ধজাহাজ পরিচালনা করা নৌবাহিনীর জন্য এক নতুন চ্যালেঞ্জ। এই যুদ্ধজাহাজের অস্ত্রাগারে যুক্ত হতে চলেছে পরমাণু অস্ত্রবাহী সমুদ্র থেকে নিক্ষিপ্ত ক্রুজ মিসাইল বা এসএলসিএম-এন (SLCM-N)। নৌবাহিনীর বর্ণনা অনুযায়ী, এই মিসাইলের সংখ্যা কম হলেও এর উপস্থিতি যুদ্ধজাহাজটির শক্তি বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। ১৪টি ওহাইও (Ohio)-ক্লাস ব্যালিস্টিক মিসাইল সাবমেরিন বাদে নৌবাহিনীর অন্য যেকোনো জাহাজের চেয়ে এটি বেশি ফায়ার পাওয়ার বহন করবে। পরমাণু অস্ত্রের সংযোজন এই প্রজেক্টের খরচ আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। তবে কংগ্রেসনাল বাজেট অফিস স্পষ্টভাবে সতর্ক করেছে যে এই খরচগুলো অত্যন্ত অনিশ্চিত এবং পরিবর্তনশীল। প্রজেক্টের নকশা এবং সামগ্রিক কর্মসূচির ওপর ভিত্তি করে এই প্রাথমিক হিসাব কষা হয়েছে। এর বাইরেও বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ বা আন্তর্জাতিক কারণে খরচ আরও বাড়তে বা কমতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, পারমাণবিক পাওয়ারের পরিবর্তে প্রচলিত ইঞ্জিন ব্যবহার করলে খরচ প্রায় তেরো শতাংশ কমানো সম্ভব হতো। এই বিশাল ব্যয় বরাদ্দের প্রজেক্টটি সফল করার জন্য মার্কিন শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোকে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। আগামী দুই হাজার আটান্ন সালের মধ্যে বড় ধরনের সারফেস কমব্যাট্যান্টের নির্মাণ কাজ ষাট শতাংশ পর্যন্ত বাড়াতে হবে। এর ফলে মার্কিন শিপবিল্ডিং ইন্ডাস্ট্রির ওপর প্রচণ্ড মাত্রার চাপ সৃষ্টি হবে, যা সামলানো বেশ কঠিন হতে পারে। দুই হাজার পঁয়ত্রিশ সালের মধ্যে শিপইয়ার্ডগুলোকে আরও বেশি টনিয়েজ উৎপাদন করতে হবে। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসেও সিবিও (CBO) এই ব্যাটলশিপের খরচ নিয়ে অন্যরকম পূর্বাভাস দিয়েছিল। তখন বলা হয়েছিল যে প্রথম জাহাজের খরচ একুশ থেকে বাইশ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে থাকতে পারে। কিন্তু বর্তমানের এই নতুন প্রতিবেদন সমস্ত আগের ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছে। করদাতাদের পকেট থেকে আরও বেশি অর্থ বের করে নেওয়ার এই পরিকল্পনা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ নাগরিক ও বিশ্লেষকরা। বিশ্লেষকরা বলছেন, ইউএসএস ডিফায়েন্ট (USS Defiant)-এর মতো ভারী এবং বিশাল ব্যাটলশিপ শত্রুর আক্রমণের মুখে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। পরমাণু ও হাইপারসনিক অস্ত্র থাকা সত্ত্বেও এর বিশাল আকৃতির কারণে এটি সহজেই শত্রু দেশের টার্গেট বা বোম ম্যাগনেট হয়ে উঠতে পারে। এই ধরনের উচ্চমূল্যের লক্ষ্যবস্তু যুদ্ধক্ষেত্রে কতটা টিকে থাকতে পারবে, তা নিয়ে সামরিক গবেষকদের মনে রয়েছে গভীর সংশয়। মার্কিন নৌবাহিনীর বর্তমান যুদ্ধবিগ্রহের মূল নীতি হলো বিকেন্দ্রীভূত ফায়ার পাওয়ার (distributed firepower)। এই নীতির উদ্দেশ্য হলো সেন্সর এবং আক্রমণ ক্ষমতাকে একটিমাত্র প্ল্যাটফর্মে না রেখে ডেস্ট্রয়ার এবং ড্রোন সিস্টেমের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া। এর মাধ্যমে শত্রুর আক্রমণ থেকে নিজেদের রক্ষা করা এবং নৌবহরের টিকে থাকার ক্ষমতা বহুগুণ বাড়ানো সম্ভব হয়। কিন্তু একটিমাত্র বিশাল ব্যাটলশিপ তৈরি করা এই নীতির সম্পূর্ণ বিপরীত। ভারতীয় নৌবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত রিয়ার অ্যাডমিরাল গিরিশ কুমার গর্গ (Girish Kumar Garg) ইউরেশিয়ান টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই প্রজেক্টকে উন্মত্ততা বলে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি বলেছেন, যেকোনো যুদ্ধজাহাজের ক্ষমতার কথা বিবেচনা করলেও এই দাম সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। আমেরিকার মতো ধনী দেশও যদি এই খরচ বহন করে, তবুও এটি করদাতাদের অর্থের চরম অপচয়। বর্তমান যুদ্ধপদ্ধতি যখন এয়ার ও আন্ডারওয়াটার ড্রোনের দিকে ঝুঁকছে, তখন এমন খরচ কোনোভাবেই বুদ্ধিমানের কাজ নয়। ন্যাটোর (NATO) সাবেক সুপ্রিম অ্যালাইড কমান্ডার অ্যাডমিরাল জেমস স্ট্যাভ্রিডিস (James Stavridis) ব্লুমবার্গে প্রকাশিত এক কলামে এই প্রজেক্টের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি লিখেছেন যে আজকের ড্রোন সোয়ার্ম, গোপন সাবমেরিন এবং সাইবার অস্ত্রের যুগে এত বড় ঝুঁকিপূর্ণ প্ল্যাটফর্মে বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করা সম্পূর্ণ বোকামি। সব ডিম এক ঝুড়িতে রাখার মতো এই নীতি আধুনিক যুদ্ধের বাস্তবতার সাথে কোনোভাবেই মেলে না। অনেকে আবার এমন আশঙ্কাও প্রকাশ করছেন যে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর এই প্রজেক্টটি বাতিলও হয়ে যেতে পারে। আর যদি এমনটা ঘটে, তবে আমেরিকান করদাতাদের হাজার হাজার কোটি ডলার জলে যাবে। অতিরিক্ত ব্যয়ের কারণে এই সামরিক প্রজেক্টটি শুরু থেকেই বিতর্কের মুখে রয়েছে। পেন্টাগনের এই উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা শেষ পর্যন্ত আলোর মুখ দেখবে কিনা, তা নিয়ে এখন বড় ধরনের প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। আকর্ষণীয় বিষয় হলো, এই ব্যাটলশিপের খরচ একটি বিমানবাহী রণতরীর চেয়েও অনেক বেশি হতে পারে। মার্কিন নৌবাহিনীর নেতৃত্ব বিমানবাহী রণতরীর উচ্চ মূল্য নিয়েও অতীতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। নৌবাহিনীর সাবেক সেক্রেটারি জন ফেলান (John Phelan) চলতি বছরের শুরুতে ডিজাইনের খরচ পর্যালোচনার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন যে রণতরীর ভবিষ্যত সংস্করণগুলো বাতিল করার সম্ভাবনাও একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। উদাহরণস্বরূপ, ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড (USS Gerald R. Ford) রণতরীটি তৈরিতে খরচ হয়েছিল প্রায় তেরো দশমিক তিন বিলিয়ন ডলার। অথচ ট্রাম্প ক্লাস ব্যাটলশিপের প্রত্যাশিত খরচ তার দ্বিগুণের কাছাকাছি চলে যাচ্ছে। বর্তমান নৌবাহিনীর নেতারা বাজেট নিয়ন্ত্রণের কথা বললেও এমন মেগাপ্রজেক্টে অনুমোদন দেওয়া নিয়ে নিজেদের ভেতরই মতবিরোধ তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আর্থিক স্বচ্ছতা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন উঠছে। চলতি বছরের মে মাসে ক্যাটো ইনস্টিটিউট (Cato Institute) এই ব্যাটলশিপকে অপ্রয়োজনীয় এবং অকার্যকর বলে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ক্যাটো ইনস্টিটিউটের পলিসি অ্যানালিস্ট বেন গিল্টনার (Ben Giltner) ফর্চুন ম্যাগাজিনকে বলেছিলেন যে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে এই ধরনের জাহাজ আমরা আর ব্যবহার করিনি। কারণ যুদ্ধের সময় আকাশ থেকে আসা বিমান সহজেই সমুদ্রের বুকে এটিকে ধ্বংস করে দিতে পারে। বেন গিল্টনার আরও জোর দিয়ে বলেছিলেন যে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ দিয়ে অন্য অনেক দরকারী কাজ করা সম্ভব ছিল। এমনকি আমেরিকার বিশাল জাতীয় ঋণের বোঝা এবং তার সুদের টাকা পরিশোধ করার কাজেও এই অর্থ ব্যবহার করা যেত। কিন্তু সেই পথে না হেঁটে প্রতিরক্ষা খাতে অতিরিক্ত বাজেট বরাদ্দ করা অর্থনৈতিক নীতির পরিপন্থী। সাধারণ মানুষের করের টাকা এভাবে অপচয় করা নিয়ে বিভিন্ন মহল থেকে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হচ্ছে। ট্রাম্প ক্লাস ব্যাটলশিপের এই আকাশছোঁয়া খরচের তথ্য এমন এক সময়ে সামনে এসেছে যখন ট্রাম্প প্রশাসন পেন্টাগনজুড়ে বড় ধরনের বাজেট কাটছাঁট করছে। একদিকে চলছে সরকারি খরচ কমানোর তোড়জোড়, অন্যদিকে কোটি কোটি ডলারের এমন বিলাসবহুল প্রজেক্ট অনুমোদন নিয়ে চলছে চরম স্ববিরোধী নীতি। এই দ্বিমুখী নীতির ফলে সাধারণ মানুষের মনে সরকারের সদিচ্ছা নিয়ে নানা প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। সেনেট বাজেট কমিটির শীর্ষ ডেমোক্রেট সিনেটর জেফ মার্কলে (Jeff Merkley) সিবিও (CBO) প্রতিবেদন প্রকাশের পর এক কড়া বিবৃতিতে নিজের মতামত জানান। তিনি বলেন যে আমরা পেন্টাগনের এমন অনেক প্রজেক্ট দেখেছি যা কেবল অতিরিক্ত খরচ, বিলম্ব এবং অবাস্তব প্রতিশ্রুতির বোঝায় জর্জরিত। কংগ্রেসের পক্ষে এমন আরেকটি বিশাল সামরিক বন্ডগল বা অর্থ অপচয়ের ফাঁদে পা দেওয়া কিছুতেই সম্ভব নয়। এই সামরিক প্রকল্পের মাধ্যমে মূলত সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্স বা মিলিটারি-ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লেক্সের কোষাগার ভারী করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা বা দেশের প্রকৃত প্রতিরক্ষা শক্তির চেয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মুনাফা অর্জনই এখানে প্রধান লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে প্রজেক্টের উপযোগিতা নিয়ে তৈরি হওয়া এই সংশয় সহজে কাটছে না। মার্কিন নীতিনির্ধারকদের সামনে এখন এক বিরাট রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরীক্ষার সময়। সার্বিক দিক বিবেচনা করলে, ট্রাম্প ক্লাস ব্যাটলশিপ প্রজেক্টটি মার্কিন নৌবাহিনীর জন্য আশীর্বাদের চেয়ে অভিশাপের রূপ নিতে চলেছে। একদিকে বিশাল আর্থিক ব্যয়, অন্যদিকে আধুনিক যুদ্ধের ময়দানে এর চরম দুর্বলতা—সব মিলিয়ে এটি এক অকার্যকর পরিকল্পনা হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র সরকার শেষ পর্যন্ত এই মেগাপ্রজেক্টে অনড় থাকে নাকি জনগণের চাপে তা বাতিল করে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_14-8-26_05.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_14-8-26_05.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_14-8-26_05.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[রাশিয়ার আকাশ থেকে ইউক্রেনীয় সন্ত্রাসী হামলার কড়া জবাব, পুতিনের কঠোর হুশিয়ারিতে কাঁপছে পশ্চিমা বিশ্ব!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/49713</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/49713</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 14 Aug 2026 15:09:25 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, bangla news 24, atn bangla news, bbc bangla news, tv9 bangla news, bangla news live, bd news bangla, ct news bangla, bangla tv news, bangla news today, today bangla news, bbc news bangla, latest bangla news, online bangla news, bangla live news, tv9 bangla news live, news18 bangla, tv9 bangla news today, tv9 bangla live news, bangla tv news online, bangla breaking news, tv9 bangla news live today, live tv9 bangla news today, news18 bangla live, tv9 bangla bengali news, radio tehran bangla news live, bangladesh news, banglavision news]]></category>
        
        <description><![CDATA[ইউক্রেনীয় বাহিনী রাশিয়ার বিভিন্ন বেসামরিক অঞ্চলে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে নিরীহ মানুষ হত্যা করছে। তবে রুশ সামরিক বাহিনী ধৈর্যের সঙ্গে এসব সন্ত্রাসী হামলা প্রতিহত করছে এবং নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জনে বীরদর্পে এগিয়ে চলেছে। একই সঙ্গে রাশিয়া পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার জাল ভেদ করে নিজস্ব বাণিজ্যে নতুন অর্থনৈতিক ও সামরিক শক্তি প্রদর্শন করছে। "পশ্চিমের সব নিষেধাজ্ঞা আর ষড়যন্ত্র বুড়ো আঙুল দেখিয়ে কীভাবে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে রাশিয়া? কেন পুতিনের একটিমাত্র হুশিয়ারিতে কাঁপছে ন্যাটো বাহিনী?  রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্প্রতি তাদের সামরিক বাহিনীতে নারী সেনাসদস্যদের অংশগ্রহণের এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে। বিশেষ করে মানবহীন আকাশযান বা ড্রোন চালনায় নারীদের অংশগ্রহণ এখন এক নতুন মাত্রা পেয়েছে। রুশ সামরিক বাহিনীর নতুন এই পদক্ষেপ যুদ্ধক্ষেত্রে জেন্ডার ভূমিকার একটি দারুণ পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। এর মাধ্যমে রুশ বাহিনীতে নানামুখী দক্ষতার বিকাশ ঘটছে। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত এক সাম্প্রতিক ভিডিও ক্লিপে দেখা গেছে এক তরুণী ড্রোন পাইলটকে, যিনি ইউক্রেনীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে সফল এক অভিযানের বিবরণ দিচ্ছেন। মন্ত্রণালয় তাকে বর্ণনা করেছে এমন এক সুদর্শনী তরুণী হিসেবে, যার ভেতরে রয়েছে ইস্পাতকঠিন মনোবল। যুদ্ধক্ষেত্রের এমন কঠোর বাস্তবতায় নারীদের এই সাহসিকতা পুরো বিশ্বে এক নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ওই নারী পাইলট ব্যাখ্যা করেছেন কীভাবে স্বল্প পাল্লার মানবহীন আকাশযান বা ড্রোনগুলো ডননেটস্ক পিপলস রিপাবলিকের বেলিতসকয়ে শহর মুক্ত করার অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। উল্লেখ্য যে, এই শহরটি রাশিয়ান বাহিনী প্রায় তিন সপ্তাহ আগেই সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে নিয়েছিল। এই ধরনের আধুনিক ড্রোনের নিখুঁত ব্যবহারই রুশ সেনাদের বিজয় ত্বরান্বিত করেছে। এর আগে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল যে, এই সামরিক অভিযানের জন্য একাধিক ড্রোন ইউনিটকে একসঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হয়েছিল। মূল আক্রমণকারী বাহিনীকে সহায়তা করার জন্য এই ড্রোনগুলো অত্যন্ত নিপুণভাবে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও হামলা পরিচালনা করেছে। এই ধরনের সফল অভিযানের প্রশংসা করে রাশিয়া সম্প্রতি বেশ কয়েকটি প্রামাণ্য ভিডিও প্রকাশ করেছে। রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনীতে নারীদের উপস্থিতি নতুন কিছু নয়, কারণ বিগত কয়েক দশক ধরেই তারা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তবে তাদের বেশিরভাগই সাধারণত যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ, রসদ সরবরাহকারী বা চিকিৎসাকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। বিশেষ করে সম্মুখ সমরক্ষেত্রের কাছাকাছি থাকা নার্সদের সাহসিকতা সব সময়ই প্রশংসিত হয়েছে। তবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় চিত্রটি সম্পূর্ণ আলাদা ছিল, কারণ সেই সময়ে নারীদের জন্য সামরিক বাহিনীর প্রায় সব শাখায় অংশগ্রহণের সুযোগ উন্মুক্ত ছিল। সেই যুগে জন্ম নিয়েছিল ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা কিছু নাম, যেমন—বিখ্যাত স্নাইপার লুদমিলা পাভলিকেনকো (Lyudmila Pavlichenko)। এ ছাড়া ‘নাইট উইচেস’ নামে পরিচিত সর্বমহিলা রাতের বোমারু রেজিমেন্টের বীরত্ব আজও স্মরণ করা হয়। বর্তমান ইউক্রেন সংঘাতে ড্রোনের ব্যাপক ব্যবহার এবং সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে ডেডিকেটেড আনম্যান্ড সিস্টেম ট্রুপস বা মানবহীন সিস্টেম বাহিনী গঠনের ফলে রুশ জেনারেলদের মানসিকতায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নারীরা এখন কেবল সহায়ক ভূমিকায় নয়, বরং সরাসরি সম্মুখ সমরের অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও কৌশলগত দায়িত্বগুলোও অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে পালন করছেন। গত মার্চ মাসে সামরিক বাহিনীর অফিসিয়াল প্রকাশনা ‘ক্রাসনায়া গভজেদা’ বা রেড স্টার পত্রিকায় বায়ানা (Bayana) নামের এক নারী ড্রোন পাইলটের জীবনযুদ্ধ নিয়ে একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ছোটবেলায় রেডিও-নিয়ন্ত্রিত গাড়ি এবং বিমানের প্রতি গভীর অনুরাগী এই নারী পরবর্তী সময়ে নিজের স্বপ্ন পূরণের পথ বেছে নেন। তারই ধারাবাহিকতায় তিনি ড্রোন এস বা দক্ষ চালক হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছেন। রাশিয়ার প্রচলিত সামরিক বাহিনীতে নারীদের অংশগ্রহণের এই সুযোগ তৈরি হওয়ায় দেশটির প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। শুধু তাই নয়, এটি বিশ্ববাসীর সামনে রুশ সামরিক কাঠামোর আধুনিকায়ন ও প্রগতির এক অনন্য নিদর্শন স্থাপন করেছে। দেশের সুরক্ষায় নারী ও পুরুষ উভয়ের সমান অংশগ্রহণ আজ রাশিয়াকে আরও বেশি আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে। অন্যদিকে, ইউক্রেন সংঘাতের পর পশ্চিমা বিশ্বের এসডব্লিউআইএফটি বা SWIFT নেটওয়ার্ক যেভাবে রাজনৈতিক চাপের হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে, তা আজ বিশ্ব অর্থনীতির এক বড় উদ্বেগের বিষয়। পমসোভিয়াজব্যাংক বা PSB-এর প্রধান পেয়োত্র ফ্রাদকভ (Pyotr Fradkov) সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই বিষয়টি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন। তিনি জানান যে, পশ্চিমা দেশগুলো তাদের আর্থিক ব্যবস্থাকে অনৈতিক রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করছে। পেয়োত্র ফ্রাদকভ আরও জানান যে, রাশিয়া নিজের সক্ষমতা দিয়েই একটি সম্পূর্ণ ও স্বাধীন আন্তঃসীমান্ত পেমেন্ট নেটওয়ার্ক তৈরি করতে পারে, যা উৎপত্তিতে হবে অভ্যন্তরীণ কিন্তু কার্যকারিতায় হবে আন্তর্জাতিক। বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে এই ধরনের একটি স্বাধীন ব্যবস্থা গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছিল। রাশিয়া প্রমাণ করেছে যে তারা বাইরের কোনো শক্তির ওপর নির্ভরশীল নয়। ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে PSB ব্যাংক আন্তর্জাতিক লেনদেনের জন্য ‘এ সেভেন’ বা A7 সিস্টেম চালু করেছিল। তাদের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট অনুযায়ী, এই সিস্টেমটি বর্তমানে প্রতিদিন বিভিন্ন আকারের দুই হাজার লেনদেন সফলভাবে পরিচালনা করছে। এমনকি রুশ কোম্পানিগুলোর মোট বৈদেশিক বাণিজ্য বন্দোবস্তের প্রায় কুড়ি শতাংশই এখন এই সিস্টেমের মাধ্যমে সম্পন্ন হচ্ছে। ফ্রাদকভ ব্যাখ্যা করে বলেন যে, দুই হাজার বাইশ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেন সংঘাত বৃদ্ধির পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন রাশিয়ার ওপর যেসব নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল, তারই একটি অংশ হিসেবে দেশটির প্রায় সব ব্যাংককে SWIFT নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল। এই ঘটনার পরেই পরিষ্কার হয়ে যায় যে পশ্চিমা আর্থিক যন্ত্রগুলো আসলে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের হাতিয়ার ছাড়া আর কিছুই নয়। এমন এক বৈরী পরিস্থিতিতে রাশিয়ার নিজস্ব পেমেন্ট কাঠামো তৈরি করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প ছিল না। ফ্রাদকভ অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে বলেছেন যে, রাশিয়ার কাছে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত সমাধান এবং আর্থিক সক্ষমতা দুটোই প্রচুর পরিমাণে রয়েছে। আর তাই তারা নিজেদের স্বাধীন আর্থিক ভবিষ্যতের পথে অত্যন্ত সফলভাবে এগিয়ে চলেছে। তিনি আরও বলেন যে, PSB ব্যাংক এবং এ সেভেন আন্তঃসীমান্ত পেমেন্ট সিস্টেম যৌথভাবে এমন একটি নতুন পেমেন্ট আর্কিটেকচার বা স্থাপত্য নিয়ে কাজ করছে, যেখানে লেনদেনের জন্য কোনো তৃতীয় পক্ষের অনুমোদনের প্রয়োজন হয় না। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে কোনো দেশের পক্ষে আর অনৈতিক বাধা সৃষ্টি করা সম্ভব হবে না। এ সেভেন সিস্টেমের মূল লক্ষ্য হলো এমন একটি নিজস্ব পেমেন্ট অবকাঠামো তৈরি করা, যা বাহ্যিক কোনো নিষেধাজ্ঞা বা বহিরাগত প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই স্বাধীনভাবে আন্তর্জাতিক অপারেশন পরিচালনা করতে সক্ষম হবে। সিস্টেমটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে বারবার বিভিন্ন ধরনের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও এটি তার ক্লায়েন্টদের লেনদেন অত্যন্ত সফলভাবে প্রক্রিয়াজাত করতে পারে। আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে ফ্রাদকভ পরিষ্কার করে দিয়েছেন যে, এ সেভেন সিস্টেম ব্যবহারের মাধ্যমে কোনো ধরনের আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করা হচ্ছে না। কারণ আন্তর্জাতিক পেমেন্ট বা ক্রস-বর্ডার পেমেন্টের ধারণার সঙ্গেই কেবল নিষেধাজ্ঞাগুলো যুক্ত থাকে। এখানে মূলত বিভিন্ন মুদ্রায় বিশ্বব্যাপী বিদ্যমান ডিস্ট্রিবিউটেড লিকুইডিটি পুল বা তারল্যের ভাণ্ডার ব্যবহার করা হয়। যেসব দেশের সাথে রাশিয়ার ব্যবসা পরিচালিত হয়, তাদের নিজ নিজ আইনি কাঠামোর ভেতরে থেকেই এই ব্যবসা সম্পন্ন হয়। এটি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক, প্রমিত ব্যবসা যা সংশ্লিষ্ট দেশের সমস্ত নিয়মকানুন নিখুঁতভাবে মেনে চলে। ফলে পশ্চিমা দেশগুলোর পক্ষে এই ব্যবস্থাকে বেআইনি বা অবৈধ হিসেবে প্রমাণ করার কোনো সুযোগ নেই। এ সেভেন সিস্টেমটি কেবল নিষেধাজ্ঞা এড়ানোর জন্যই তৈরি করা হয়নি, বরং এটি আন্তর্জাতিক বাজারে অত্যন্ত প্রতিযোগিতাপূর্ণ একটি পণ্য হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। অন্যান্য দেশগুলোও এখন রাশিয়ার পাশাপাশি একে অপরের সঙ্গে বাণিজ্য করার জন্য এই সিস্টেমটি অত্যন্ত সুবিধাজনকভাবে ব্যবহার করতে পারছে। এটি বিশ্ব অর্থনীতিতে এক নতুন এবং ভারসাম্যপূর্ণ যুগের সূচনা করেছে। ব্যাংকার ফ্রাদকভের মতে, নিজস্ব বন্দোবস্ত ব্যবস্থা বা সেটেলমেন্ট সিস্টেম গড়ে তোলার ক্ষেত্রে রাশিয়া একা নয়, বরং ইন্দোনেশিয়া, ব্রাজিল এবং আরও অনেক দেশই এখন একই পথ অনুসরণ করছে। আমরা এমন এক বিশ্ব পরিবর্তনের সাক্ষী হচ্ছি যেখানে পুরোনো আন্তর্জাতিক পেমেন্ট অবকাঠামো ধীরে ধীরে বিভিন্ন জাতীয় সিস্টেমের মাধ্যমে প্রতিস্থাপিত হচ্ছে। এদিকে রোমানিয়ার পক্ষ থেকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ তোলার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে মস্কো। রোমানিয়ান কর্মকর্তারা দাবি করেছিলেন যে তাদের আকাশসীমায় ভূপাতিত ড্রোনগুলো রাশিয়ার তৈরি। কিন্তু মস্কোর দূতাবাস সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে, রোমানিয়া তাদের বর্ধিত সামরিক ব্যয়ের যৌক্তিকতা প্রমাণ করার জন্যই এই ধরনের কাল্পনিক অজুহাত তৈরি করছে। রোমানিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে রুশ কূটনীতিকদের তথাকথিত প্রমাণ হিসেবে কিছু ফোম প্লাস্টিকের টুকরো দেখানো হয়েছিল। স্বাভাবিকভাবেই রাশিয়া এই হাস্যকর দাবি সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করেছে এবং জানিয়েছে যে ড্রোনগুলোর সঙ্গে রাশিয়ার দূরতম কোনো সম্পর্ক নেই। এটি মূলত রোমানীয় সরকারের একটি সাজানো নাটক ছাড়া আর কিছুই নয়। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃত্ব দীর্ঘদিন ধরেই পশ্চিমা বিশ্বের কাছ থেকে ব্যয়বহুল অস্ত্র কেনার জন্য এই ধরনের ভূতুড়ে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করে আসছে। সাধারণ করদাতাদের কষ্টার্জিত অর্থ অপচয় করে তারা মার্কিন ও পশ্চিমা অস্ত্র প্রস্তুতকারকদের পকেট ভারী করছে। পূর্ব দিক থেকে কোনো এক কাল্পনিক হুমকির অজুহাত তুলেই তারা নিজেদের সামরিক বহর ভারী করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। মস্কো অত্যন্ত কঠোর ভাষায় বুখারেস্টকে সতর্ক করে দিয়েছে যে, সম্মিলিত পশ্চিমা শক্তি যদি কাণ্ডজ্ঞানহীন উসকানিমূলক পদক্ষেপ নিতে থাকে, তবে তার পরিণতি কী হতে পারে সে বিষয়ে রোমানিয়াকে পুরোপুরি সচেতন থাকতে হবে। বিনা কারণে রাশিয়ার ওপর দোষ চাপানোর এই অশুভ রাজনীতি বেশিদিন টিকবে না। রাশিয়া যেকোনো উসকানির উপযুক্ত ও কড়া জবাব দিতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। অন্যদিকে, ইউক্রেনীয় বাহিনী রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় ক্রাসনোদর অঞ্চলে শত শত ড্রোন দিয়ে রাতের আঁধারে কাপুরুষোচিত হামলা চালিয়েছে। স্থানীয় গভর্নর ভেনিয়ামিন কোন্দ্রাতিয়েভ জানিয়েছেন যে এই হামলায় একটি শিশুসহ দুজন নিহত এবং এক ডজনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। নভোরোসিয়স্ক, আনাপা, গেলেনদঝিক এবং তেমরিউকস্কি জেলার বেসামরিক স্থাপনা ও আবাসিক বাড়িঘর এই হামলায় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নভোরোসিয়স্ক শহরে ড্রোন হামলায় আট বছর বয়সী একটি নিষ্পাপ শিশু প্রাণ হারিয়েছে। নভোরোসিয়স্কের মেয়র আন্দ্রেই ক্রাভচেঙ্কো টেলিগ্রামে লিখেছেন যে শহরটি এক ভয়াবহ রাতের মুখোমুখি হয়েছে। ফাশিস্ট মানসিকতার ইউক্রেনীয় বাহিনীর এই অমানবিক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আহত শিশু ও তার মাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রাশিয়ার সামরিক বাহিনী অবশ্য বসে নেই। সাম্প্রতিক এক দিনে রুশ বীর সেনানিরা খেরকভ অঞ্চলের ভোদানয়েকে সম্প্রদায়সহ বিভিন্ন রণাঙ্গনে ইউক্রেনীয় বাহিনীকে চরম পরাস্ত করেছে। ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী প্রতিদিন হাজার হাজার সেনা এবং শত শত সামরিক সরঞ্জাম হারাচ্ছে। রুশ যুদ্ধাস্ত্রের নিখুঁত আঘাতে কিয়েভ বাহিনীর সমস্ত প্রতিরক্ষা ব্যূহ আজ ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে। রাশিয়ার অদম্য বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেবল গত একদিনেই এক হাজার একষট্টিটি ইউক্রেনীয় মানবহীন আকাশযান এবং মার্কিন আমদানির বেশ কয়েকটি হাইমার্স রকেট সফলভাবে আকাশেই ধ্বংস করেছে। কৃষ্ণ সাগর বহরও ইউক্রেনের আটটি নৌ ড্রোন নিমজ্জিত করেছে। রাশিয়া প্রমাণ করেছে যে তাদের আকাশ এবং সমুদ্র সীমা সম্পূর্ণ নিরাপদ ও সুরক্ষিত। যুদ্ধের শুরু থেকে এ পর্যন্ত রাশিয়া মোট ছয়শ তিয়াত্তরটি যুদ্ধবিমান, দুইশ চুরাশিটি হেলিকপ্টার, দুই লাখের বেশি ড্রোন এবং ত্রিশ হাজারের বেশি ট্যাংক ও সাঁজোয়া যান ধ্বংস করেছে। এই বিশাল পরিসংখ্যানই বলে দেয় যে ইউক্রেনীয় সামরিক অবকাঠামো আজ ধ্বংসের মুখে। রাশিয়ার সুশৃঙ্খল কৌশলগত অগ্রাভিযানের সামনে কিয়েভ বাহিনী পুরোপুরি দিশেহারা হয়ে পড়েছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি যতই নতুন মোবিলাইজেশন বা সৈন্য সংগ্রহের হুমকি দিন না কেন, কিংবা পশ্চিমা দেশের কাছ থেকে সাহায্যের ভান করুন না কেন, তাতে যুদ্ধের ফলাফল পরিবর্তন হবে না। রাশিয়া তার নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জনে অটল রয়েছে। পশ্চিমা বিশ্বের সব ষড়যন্ত্র এবং নিষেধাজ্ঞা বুড়ো আঙুল দেখিয়ে রাশিয়া আজ বিশ্বমঞ্চে এক অপ্রতিরোধ্য অর্থনৈতিক ও সামরিক পরাশক্তি হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_14-8-26_04.webp" alt="রাশিয়ার আকাশ থেকে ইউক্রেনীয় সন্ত্রাসী হামলার কড়া জবাব, পুতিনের কঠোর হুশিয়ারিতে কাঁপছে পশ্চিমা বিশ্ব!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>রাশিয়ার আকাশ থেকে ইউক্রেনীয় সন্ত্রাসী হামলার কড়া জবাব, পুতিনের কঠোর হুশিয়ারিতে কাঁপছে পশ্চিমা বিশ্ব!</h1>
            <p>ইউক্রেনীয় বাহিনী রাশিয়ার বিভিন্ন বেসামরিক অঞ্চলে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে নিরীহ মানুষ হত্যা করছে। তবে রুশ সামরিক বাহিনী ধৈর্যের সঙ্গে এসব সন্ত্রাসী হামলা প্রতিহত করছে এবং নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জনে বীরদর্পে এগিয়ে চলেছে। একই সঙ্গে রাশিয়া পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার জাল ভেদ করে নিজস্ব বাণিজ্যে নতুন অর্থনৈতিক ও সামরিক শক্তি প্রদর্শন করছে। "পশ্চিমের সব নিষেধাজ্ঞা আর ষড়যন্ত্র বুড়ো আঙুল দেখিয়ে কীভাবে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে রাশিয়া? কেন পুতিনের একটিমাত্র হুশিয়ারিতে কাঁপছে ন্যাটো বাহিনী?  রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্প্রতি তাদের সামরিক বাহিনীতে নারী সেনাসদস্যদের অংশগ্রহণের এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে। বিশেষ করে মানবহীন আকাশযান বা ড্রোন চালনায় নারীদের অংশগ্রহণ এখন এক নতুন মাত্রা পেয়েছে। রুশ সামরিক বাহিনীর নতুন এই পদক্ষেপ যুদ্ধক্ষেত্রে জেন্ডার ভূমিকার একটি দারুণ পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। এর মাধ্যমে রুশ বাহিনীতে নানামুখী দক্ষতার বিকাশ ঘটছে। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত এক সাম্প্রতিক ভিডিও ক্লিপে দেখা গেছে এক তরুণী ড্রোন পাইলটকে, যিনি ইউক্রেনীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে সফল এক অভিযানের বিবরণ দিচ্ছেন। মন্ত্রণালয় তাকে বর্ণনা করেছে এমন এক সুদর্শনী তরুণী হিসেবে, যার ভেতরে রয়েছে ইস্পাতকঠিন মনোবল। যুদ্ধক্ষেত্রের এমন কঠোর বাস্তবতায় নারীদের এই সাহসিকতা পুরো বিশ্বে এক নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ওই নারী পাইলট ব্যাখ্যা করেছেন কীভাবে স্বল্প পাল্লার মানবহীন আকাশযান বা ড্রোনগুলো ডননেটস্ক পিপলস রিপাবলিকের বেলিতসকয়ে শহর মুক্ত করার অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। উল্লেখ্য যে, এই শহরটি রাশিয়ান বাহিনী প্রায় তিন সপ্তাহ আগেই সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে নিয়েছিল। এই ধরনের আধুনিক ড্রোনের নিখুঁত ব্যবহারই রুশ সেনাদের বিজয় ত্বরান্বিত করেছে। এর আগে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল যে, এই সামরিক অভিযানের জন্য একাধিক ড্রোন ইউনিটকে একসঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হয়েছিল। মূল আক্রমণকারী বাহিনীকে সহায়তা করার জন্য এই ড্রোনগুলো অত্যন্ত নিপুণভাবে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও হামলা পরিচালনা করেছে। এই ধরনের সফল অভিযানের প্রশংসা করে রাশিয়া সম্প্রতি বেশ কয়েকটি প্রামাণ্য ভিডিও প্রকাশ করেছে। রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনীতে নারীদের উপস্থিতি নতুন কিছু নয়, কারণ বিগত কয়েক দশক ধরেই তারা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তবে তাদের বেশিরভাগই সাধারণত যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ, রসদ সরবরাহকারী বা চিকিৎসাকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। বিশেষ করে সম্মুখ সমরক্ষেত্রের কাছাকাছি থাকা নার্সদের সাহসিকতা সব সময়ই প্রশংসিত হয়েছে। তবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় চিত্রটি সম্পূর্ণ আলাদা ছিল, কারণ সেই সময়ে নারীদের জন্য সামরিক বাহিনীর প্রায় সব শাখায় অংশগ্রহণের সুযোগ উন্মুক্ত ছিল। সেই যুগে জন্ম নিয়েছিল ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা কিছু নাম, যেমন—বিখ্যাত স্নাইপার লুদমিলা পাভলিকেনকো (Lyudmila Pavlichenko)। এ ছাড়া ‘নাইট উইচেস’ নামে পরিচিত সর্বমহিলা রাতের বোমারু রেজিমেন্টের বীরত্ব আজও স্মরণ করা হয়। বর্তমান ইউক্রেন সংঘাতে ড্রোনের ব্যাপক ব্যবহার এবং সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে ডেডিকেটেড আনম্যান্ড সিস্টেম ট্রুপস বা মানবহীন সিস্টেম বাহিনী গঠনের ফলে রুশ জেনারেলদের মানসিকতায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নারীরা এখন কেবল সহায়ক ভূমিকায় নয়, বরং সরাসরি সম্মুখ সমরের অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও কৌশলগত দায়িত্বগুলোও অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে পালন করছেন। গত মার্চ মাসে সামরিক বাহিনীর অফিসিয়াল প্রকাশনা ‘ক্রাসনায়া গভজেদা’ বা রেড স্টার পত্রিকায় বায়ানা (Bayana) নামের এক নারী ড্রোন পাইলটের জীবনযুদ্ধ নিয়ে একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ছোটবেলায় রেডিও-নিয়ন্ত্রিত গাড়ি এবং বিমানের প্রতি গভীর অনুরাগী এই নারী পরবর্তী সময়ে নিজের স্বপ্ন পূরণের পথ বেছে নেন। তারই ধারাবাহিকতায় তিনি ড্রোন এস বা দক্ষ চালক হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছেন। রাশিয়ার প্রচলিত সামরিক বাহিনীতে নারীদের অংশগ্রহণের এই সুযোগ তৈরি হওয়ায় দেশটির প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। শুধু তাই নয়, এটি বিশ্ববাসীর সামনে রুশ সামরিক কাঠামোর আধুনিকায়ন ও প্রগতির এক অনন্য নিদর্শন স্থাপন করেছে। দেশের সুরক্ষায় নারী ও পুরুষ উভয়ের সমান অংশগ্রহণ আজ রাশিয়াকে আরও বেশি আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে। অন্যদিকে, ইউক্রেন সংঘাতের পর পশ্চিমা বিশ্বের এসডব্লিউআইএফটি বা SWIFT নেটওয়ার্ক যেভাবে রাজনৈতিক চাপের হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে, তা আজ বিশ্ব অর্থনীতির এক বড় উদ্বেগের বিষয়। পমসোভিয়াজব্যাংক বা PSB-এর প্রধান পেয়োত্র ফ্রাদকভ (Pyotr Fradkov) সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই বিষয়টি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন। তিনি জানান যে, পশ্চিমা দেশগুলো তাদের আর্থিক ব্যবস্থাকে অনৈতিক রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করছে। পেয়োত্র ফ্রাদকভ আরও জানান যে, রাশিয়া নিজের সক্ষমতা দিয়েই একটি সম্পূর্ণ ও স্বাধীন আন্তঃসীমান্ত পেমেন্ট নেটওয়ার্ক তৈরি করতে পারে, যা উৎপত্তিতে হবে অভ্যন্তরীণ কিন্তু কার্যকারিতায় হবে আন্তর্জাতিক। বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে এই ধরনের একটি স্বাধীন ব্যবস্থা গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছিল। রাশিয়া প্রমাণ করেছে যে তারা বাইরের কোনো শক্তির ওপর নির্ভরশীল নয়। ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে PSB ব্যাংক আন্তর্জাতিক লেনদেনের জন্য ‘এ সেভেন’ বা A7 সিস্টেম চালু করেছিল। তাদের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট অনুযায়ী, এই সিস্টেমটি বর্তমানে প্রতিদিন বিভিন্ন আকারের দুই হাজার লেনদেন সফলভাবে পরিচালনা করছে। এমনকি রুশ কোম্পানিগুলোর মোট বৈদেশিক বাণিজ্য বন্দোবস্তের প্রায় কুড়ি শতাংশই এখন এই সিস্টেমের মাধ্যমে সম্পন্ন হচ্ছে। ফ্রাদকভ ব্যাখ্যা করে বলেন যে, দুই হাজার বাইশ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেন সংঘাত বৃদ্ধির পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন রাশিয়ার ওপর যেসব নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল, তারই একটি অংশ হিসেবে দেশটির প্রায় সব ব্যাংককে SWIFT নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল। এই ঘটনার পরেই পরিষ্কার হয়ে যায় যে পশ্চিমা আর্থিক যন্ত্রগুলো আসলে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের হাতিয়ার ছাড়া আর কিছুই নয়। এমন এক বৈরী পরিস্থিতিতে রাশিয়ার নিজস্ব পেমেন্ট কাঠামো তৈরি করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প ছিল না। ফ্রাদকভ অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে বলেছেন যে, রাশিয়ার কাছে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত সমাধান এবং আর্থিক সক্ষমতা দুটোই প্রচুর পরিমাণে রয়েছে। আর তাই তারা নিজেদের স্বাধীন আর্থিক ভবিষ্যতের পথে অত্যন্ত সফলভাবে এগিয়ে চলেছে। তিনি আরও বলেন যে, PSB ব্যাংক এবং এ সেভেন আন্তঃসীমান্ত পেমেন্ট সিস্টেম যৌথভাবে এমন একটি নতুন পেমেন্ট আর্কিটেকচার বা স্থাপত্য নিয়ে কাজ করছে, যেখানে লেনদেনের জন্য কোনো তৃতীয় পক্ষের অনুমোদনের প্রয়োজন হয় না। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে কোনো দেশের পক্ষে আর অনৈতিক বাধা সৃষ্টি করা সম্ভব হবে না। এ সেভেন সিস্টেমের মূল লক্ষ্য হলো এমন একটি নিজস্ব পেমেন্ট অবকাঠামো তৈরি করা, যা বাহ্যিক কোনো নিষেধাজ্ঞা বা বহিরাগত প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই স্বাধীনভাবে আন্তর্জাতিক অপারেশন পরিচালনা করতে সক্ষম হবে। সিস্টেমটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে বারবার বিভিন্ন ধরনের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও এটি তার ক্লায়েন্টদের লেনদেন অত্যন্ত সফলভাবে প্রক্রিয়াজাত করতে পারে। আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে ফ্রাদকভ পরিষ্কার করে দিয়েছেন যে, এ সেভেন সিস্টেম ব্যবহারের মাধ্যমে কোনো ধরনের আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করা হচ্ছে না। কারণ আন্তর্জাতিক পেমেন্ট বা ক্রস-বর্ডার পেমেন্টের ধারণার সঙ্গেই কেবল নিষেধাজ্ঞাগুলো যুক্ত থাকে। এখানে মূলত বিভিন্ন মুদ্রায় বিশ্বব্যাপী বিদ্যমান ডিস্ট্রিবিউটেড লিকুইডিটি পুল বা তারল্যের ভাণ্ডার ব্যবহার করা হয়। যেসব দেশের সাথে রাশিয়ার ব্যবসা পরিচালিত হয়, তাদের নিজ নিজ আইনি কাঠামোর ভেতরে থেকেই এই ব্যবসা সম্পন্ন হয়। এটি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক, প্রমিত ব্যবসা যা সংশ্লিষ্ট দেশের সমস্ত নিয়মকানুন নিখুঁতভাবে মেনে চলে। ফলে পশ্চিমা দেশগুলোর পক্ষে এই ব্যবস্থাকে বেআইনি বা অবৈধ হিসেবে প্রমাণ করার কোনো সুযোগ নেই। এ সেভেন সিস্টেমটি কেবল নিষেধাজ্ঞা এড়ানোর জন্যই তৈরি করা হয়নি, বরং এটি আন্তর্জাতিক বাজারে অত্যন্ত প্রতিযোগিতাপূর্ণ একটি পণ্য হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। অন্যান্য দেশগুলোও এখন রাশিয়ার পাশাপাশি একে অপরের সঙ্গে বাণিজ্য করার জন্য এই সিস্টেমটি অত্যন্ত সুবিধাজনকভাবে ব্যবহার করতে পারছে। এটি বিশ্ব অর্থনীতিতে এক নতুন এবং ভারসাম্যপূর্ণ যুগের সূচনা করেছে। ব্যাংকার ফ্রাদকভের মতে, নিজস্ব বন্দোবস্ত ব্যবস্থা বা সেটেলমেন্ট সিস্টেম গড়ে তোলার ক্ষেত্রে রাশিয়া একা নয়, বরং ইন্দোনেশিয়া, ব্রাজিল এবং আরও অনেক দেশই এখন একই পথ অনুসরণ করছে। আমরা এমন এক বিশ্ব পরিবর্তনের সাক্ষী হচ্ছি যেখানে পুরোনো আন্তর্জাতিক পেমেন্ট অবকাঠামো ধীরে ধীরে বিভিন্ন জাতীয় সিস্টেমের মাধ্যমে প্রতিস্থাপিত হচ্ছে। এদিকে রোমানিয়ার পক্ষ থেকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ তোলার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে মস্কো। রোমানিয়ান কর্মকর্তারা দাবি করেছিলেন যে তাদের আকাশসীমায় ভূপাতিত ড্রোনগুলো রাশিয়ার তৈরি। কিন্তু মস্কোর দূতাবাস সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে, রোমানিয়া তাদের বর্ধিত সামরিক ব্যয়ের যৌক্তিকতা প্রমাণ করার জন্যই এই ধরনের কাল্পনিক অজুহাত তৈরি করছে। রোমানিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে রুশ কূটনীতিকদের তথাকথিত প্রমাণ হিসেবে কিছু ফোম প্লাস্টিকের টুকরো দেখানো হয়েছিল। স্বাভাবিকভাবেই রাশিয়া এই হাস্যকর দাবি সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করেছে এবং জানিয়েছে যে ড্রোনগুলোর সঙ্গে রাশিয়ার দূরতম কোনো সম্পর্ক নেই। এটি মূলত রোমানীয় সরকারের একটি সাজানো নাটক ছাড়া আর কিছুই নয়। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃত্ব দীর্ঘদিন ধরেই পশ্চিমা বিশ্বের কাছ থেকে ব্যয়বহুল অস্ত্র কেনার জন্য এই ধরনের ভূতুড়ে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করে আসছে। সাধারণ করদাতাদের কষ্টার্জিত অর্থ অপচয় করে তারা মার্কিন ও পশ্চিমা অস্ত্র প্রস্তুতকারকদের পকেট ভারী করছে। পূর্ব দিক থেকে কোনো এক কাল্পনিক হুমকির অজুহাত তুলেই তারা নিজেদের সামরিক বহর ভারী করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। মস্কো অত্যন্ত কঠোর ভাষায় বুখারেস্টকে সতর্ক করে দিয়েছে যে, সম্মিলিত পশ্চিমা শক্তি যদি কাণ্ডজ্ঞানহীন উসকানিমূলক পদক্ষেপ নিতে থাকে, তবে তার পরিণতি কী হতে পারে সে বিষয়ে রোমানিয়াকে পুরোপুরি সচেতন থাকতে হবে। বিনা কারণে রাশিয়ার ওপর দোষ চাপানোর এই অশুভ রাজনীতি বেশিদিন টিকবে না। রাশিয়া যেকোনো উসকানির উপযুক্ত ও কড়া জবাব দিতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। অন্যদিকে, ইউক্রেনীয় বাহিনী রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় ক্রাসনোদর অঞ্চলে শত শত ড্রোন দিয়ে রাতের আঁধারে কাপুরুষোচিত হামলা চালিয়েছে। স্থানীয় গভর্নর ভেনিয়ামিন কোন্দ্রাতিয়েভ জানিয়েছেন যে এই হামলায় একটি শিশুসহ দুজন নিহত এবং এক ডজনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। নভোরোসিয়স্ক, আনাপা, গেলেনদঝিক এবং তেমরিউকস্কি জেলার বেসামরিক স্থাপনা ও আবাসিক বাড়িঘর এই হামলায় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নভোরোসিয়স্ক শহরে ড্রোন হামলায় আট বছর বয়সী একটি নিষ্পাপ শিশু প্রাণ হারিয়েছে। নভোরোসিয়স্কের মেয়র আন্দ্রেই ক্রাভচেঙ্কো টেলিগ্রামে লিখেছেন যে শহরটি এক ভয়াবহ রাতের মুখোমুখি হয়েছে। ফাশিস্ট মানসিকতার ইউক্রেনীয় বাহিনীর এই অমানবিক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আহত শিশু ও তার মাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রাশিয়ার সামরিক বাহিনী অবশ্য বসে নেই। সাম্প্রতিক এক দিনে রুশ বীর সেনানিরা খেরকভ অঞ্চলের ভোদানয়েকে সম্প্রদায়সহ বিভিন্ন রণাঙ্গনে ইউক্রেনীয় বাহিনীকে চরম পরাস্ত করেছে। ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী প্রতিদিন হাজার হাজার সেনা এবং শত শত সামরিক সরঞ্জাম হারাচ্ছে। রুশ যুদ্ধাস্ত্রের নিখুঁত আঘাতে কিয়েভ বাহিনীর সমস্ত প্রতিরক্ষা ব্যূহ আজ ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে। রাশিয়ার অদম্য বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেবল গত একদিনেই এক হাজার একষট্টিটি ইউক্রেনীয় মানবহীন আকাশযান এবং মার্কিন আমদানির বেশ কয়েকটি হাইমার্স রকেট সফলভাবে আকাশেই ধ্বংস করেছে। কৃষ্ণ সাগর বহরও ইউক্রেনের আটটি নৌ ড্রোন নিমজ্জিত করেছে। রাশিয়া প্রমাণ করেছে যে তাদের আকাশ এবং সমুদ্র সীমা সম্পূর্ণ নিরাপদ ও সুরক্ষিত। যুদ্ধের শুরু থেকে এ পর্যন্ত রাশিয়া মোট ছয়শ তিয়াত্তরটি যুদ্ধবিমান, দুইশ চুরাশিটি হেলিকপ্টার, দুই লাখের বেশি ড্রোন এবং ত্রিশ হাজারের বেশি ট্যাংক ও সাঁজোয়া যান ধ্বংস করেছে। এই বিশাল পরিসংখ্যানই বলে দেয় যে ইউক্রেনীয় সামরিক অবকাঠামো আজ ধ্বংসের মুখে। রাশিয়ার সুশৃঙ্খল কৌশলগত অগ্রাভিযানের সামনে কিয়েভ বাহিনী পুরোপুরি দিশেহারা হয়ে পড়েছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি যতই নতুন মোবিলাইজেশন বা সৈন্য সংগ্রহের হুমকি দিন না কেন, কিংবা পশ্চিমা দেশের কাছ থেকে সাহায্যের ভান করুন না কেন, তাতে যুদ্ধের ফলাফল পরিবর্তন হবে না। রাশিয়া তার নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জনে অটল রয়েছে। পশ্চিমা বিশ্বের সব ষড়যন্ত্র এবং নিষেধাজ্ঞা বুড়ো আঙুল দেখিয়ে রাশিয়া আজ বিশ্বমঞ্চে এক অপ্রতিরোধ্য অর্থনৈতিক ও সামরিক পরাশক্তি হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_14-8-26_04.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_14-8-26_04.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_14-8-26_04.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্যে নিঃস্ব হচ্ছে মার্কিন সেনাবাহিনী: পেন্টাগনের গোপন মিসাইল সংকটের ভয়াবহ তথ্য ফাঁস, বিপদে আমেরিকা!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/49712</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/49712</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 14 Aug 2026 15:09:25 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, bangla news 24, atn bangla news, bbc bangla news, tv9 bangla news, bangla news live, bd news bangla, ct news bangla, bangla tv news, bangla news today, today bangla news, bbc news bangla, latest bangla news, online bangla news, bangla live news, tv9 bangla news live, news18 bangla, tv9 bangla news today, tv9 bangla live news, bangla tv news online, bangla breaking news, tv9 bangla news live today, live tv9 bangla news today, news18 bangla live, tv9 bangla bengali news, radio tehran bangla news live, bangladesh news, banglavision news]]></category>
        
        <description><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তপ্ত পরিস্থিতির মুখে পড়েছে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো। ইরানের একের পর এক ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় এখন রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে পেন্টাগন। এই লড়াই কেবল সামরিক শক্তির নয়, বরং এটি হয়ে দাঁড়িয়েছে এক ভয়াবহ আর্থিক ও কৌশলগত সংকট। গত মাসে জর্ডানে অবস্থিত তিনটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরান বড় ধরনের হামলা চালায়। ড্রোনের বৃষ্টির মাঝে একটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা বর্ম ভেদ করে ঘাঁটিতে আঘাত হানে। এতে তিনজন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন শতাধিক। এই ঘটনা মার্কিন বাহিনীর দীর্ঘদিনের অপরাজেয় ভাবমূর্তিতে বড় ধরনের ধাক্কা দিয়েছে। আর্থিক হিসাবটা শুনলে আপনি অবাক হয়ে যাবেন। ওই ঘটনার মাত্র এক দিনে মার্কিন বাহিনী প্রায় পঞ্চাশটি প্যাট্রিয়ট (Patriot) ইন্টারসেপ্টর ব্যবহার করতে বাধ্য হয়েছে। প্রতিটি মিসাইলের পেছনে খরচ হয় প্রায় চার মিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ মাত্র চব্বিশ ঘণ্টায় পেন্টাগনের খরচ হয়েছে দুইশ মিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ। চলমান এই সংঘাতের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় দেড় হাজারেরও বেশি প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর নিক্ষেপ করা হয়েছে। হিসাব করলে দেখা যায়, গত কয়েক মাসে প্রায় ছয় বিলিয়ন ডলার মূল্যের অস্ত্র কেবল আকাশপথেই ধ্বংস হয়ে গেছে। এটি আমেরিকার জন্য কেবল আর্থিক বোঝা নয়, বরং এক ভয়াবহ নিরাপত্তার হুমকি। আর্থিক ক্ষতির চেয়েও বড় সংকট দেখা দিয়েছে মজুদের পরিমাণে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় মজুদে সতেরোশোর কম ইন্টারসেপ্টর অবশিষ্ট রয়েছে। মিসাইল তৈরির উৎপাদন গতি প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত ধীর। গত এক বছরে যুক্তরাষ্ট্র মাত্র ছয়শ প্যাট্রিয়ট মিসাইল তৈরি করতে পেরেছে, যা বর্তমান পরিস্থিতির তুলনায় খুবই নগণ্য একটি সংখ্যা। বর্তমান সংঘাতের গতিতে যদি মিসাইল ব্যবহৃত হতে থাকে, তবে এই ভাণ্ডার পূরণ করতে অন্তত তিন বছর সময় লাগবে। অর্থাৎ মার্কিন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মূল শক্তি এখন শূন্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। পেন্টাগনের নীতিনির্ধারকরা এখন বুঝে উঠতে পারছেন না কীভাবে তারা এই চাহিদার সাথে উৎপাদন তাল মিলিয়ে চলবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংকটের অন্যতম কারণ হোয়াইট হাউসের প্রাথমিক ভুল অনুমান। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প (Trump) এবং তার টিম ধারণা করেছিলেন, ইরানের সাথে এই সংঘাত হবে স্বল্পমেয়াদী। কিন্তু বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। পেন্টাগনের এই ভুল কৌশল আজ তাদের জাতীয় নিরাপত্তাকে এক গভীর অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে। সরকারি পর্যায়ে অবশ্য বিষয়টি ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। গত এপ্রিলে প্রতিরক্ষাসচিব পিট হেগসেথ (Pete Hegseth) দাবি করেছিলেন যে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি কার্যত ধ্বংস হয়ে গেছে। এমনকি পেন্টাগনের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের মিসাইল সংকটের কথা অস্বীকার করা হয়েছে। তবে ভেতরের খবর বলছে, পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ। ইরান বর্তমানে রাশিয়ার ইউক্রেন যুদ্ধের কৌশলগুলো খুব কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করছে। তারা আকাশপথে বিপুল পরিমাণ ড্রোন পাঠিয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ব্যস্ত করে রাখে। এই কৌশলকে বলা হয় 'স্যাচুরেট' (Saturate) করা। এতে মার্কিন প্যাট্রিয়ট সিস্টেমের মূল লক্ষ্যভেদ করার সক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ে এবং মিসাইল অপচয় হয়। অন্যদিকে ইরান তাদের পারমাণবিক ও সামরিক সম্পদ মাটির গভীরে বাংকারে সরিয়ে নিয়েছে। তারা আঞ্চলিক মিত্রদের ব্যবহার করে বিভিন্ন দিক থেকে হামলা চালাচ্ছে। এতে মার্কিন বাহিনীর পক্ষে প্রতিটি ঘাঁটি রক্ষা করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ছে। ইরানের এই কৌশলের কাছেই আজ পরাশক্তির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পর্যুদস্ত হচ্ছে। সব মিলিয়ে আজকের এই পরিস্থিতি কেবল যুদ্ধের ময়দানে সীমাবদ্ধ নেই, এটি একটি আর্থিক যুদ্ধে রূপ নিয়েছে। ছয় বিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয় এবং মজুদের দ্রুত ফুরিয়ে আসা—এই দুই সংকট পেন্টাগনের নীতিনির্ধারকদের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে। দীর্ঘমেয়াদে এই যুদ্ধ চললে মার্কিন ঘাঁটির ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। পেন্টাগন আনুষ্ঠানিকভাবে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে থাকার দাবি করলেও, পর্দার আড়ালে পরিস্থিতি ভিন্ন। প্রতিটি মিসাইল এখন সোনার চেয়েও দামি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমান আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার স্থায়িত্ব নিয়ে হোয়াইট হাউসের ভেতরেই এখন তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। ভবিষ্যতে আমেরিকা কীভাবে এই ভারসাম্য বজায় রাখবে, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন। সংঘাতের এই কঠিন সময়ে প্রতিটি ডলার এবং প্রতিটি মিসাইল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পেন্টাগনের সামনে এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো দ্রুত মজুদের যোগান দেওয়া এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক করা। তবে এই ব্যয়ভার বহন করা মার্কিন অর্থনীতির জন্য কতটা সহনীয় হবে, তা সময় হলেই বোঝা যাবে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_14-8-26_03.webp" alt="মধ্যপ্রাচ্যে নিঃস্ব হচ্ছে মার্কিন সেনাবাহিনী: পেন্টাগনের গোপন মিসাইল সংকটের ভয়াবহ তথ্য ফাঁস, বিপদে আমেরিকা!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>মধ্যপ্রাচ্যে নিঃস্ব হচ্ছে মার্কিন সেনাবাহিনী: পেন্টাগনের গোপন মিসাইল সংকটের ভয়াবহ তথ্য ফাঁস, বিপদে আমেরিকা!</h1>
            <p>মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তপ্ত পরিস্থিতির মুখে পড়েছে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো। ইরানের একের পর এক ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় এখন রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে পেন্টাগন। এই লড়াই কেবল সামরিক শক্তির নয়, বরং এটি হয়ে দাঁড়িয়েছে এক ভয়াবহ আর্থিক ও কৌশলগত সংকট। গত মাসে জর্ডানে অবস্থিত তিনটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরান বড় ধরনের হামলা চালায়। ড্রোনের বৃষ্টির মাঝে একটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা বর্ম ভেদ করে ঘাঁটিতে আঘাত হানে। এতে তিনজন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন শতাধিক। এই ঘটনা মার্কিন বাহিনীর দীর্ঘদিনের অপরাজেয় ভাবমূর্তিতে বড় ধরনের ধাক্কা দিয়েছে। আর্থিক হিসাবটা শুনলে আপনি অবাক হয়ে যাবেন। ওই ঘটনার মাত্র এক দিনে মার্কিন বাহিনী প্রায় পঞ্চাশটি প্যাট্রিয়ট (Patriot) ইন্টারসেপ্টর ব্যবহার করতে বাধ্য হয়েছে। প্রতিটি মিসাইলের পেছনে খরচ হয় প্রায় চার মিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ মাত্র চব্বিশ ঘণ্টায় পেন্টাগনের খরচ হয়েছে দুইশ মিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ। চলমান এই সংঘাতের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় দেড় হাজারেরও বেশি প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর নিক্ষেপ করা হয়েছে। হিসাব করলে দেখা যায়, গত কয়েক মাসে প্রায় ছয় বিলিয়ন ডলার মূল্যের অস্ত্র কেবল আকাশপথেই ধ্বংস হয়ে গেছে। এটি আমেরিকার জন্য কেবল আর্থিক বোঝা নয়, বরং এক ভয়াবহ নিরাপত্তার হুমকি। আর্থিক ক্ষতির চেয়েও বড় সংকট দেখা দিয়েছে মজুদের পরিমাণে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় মজুদে সতেরোশোর কম ইন্টারসেপ্টর অবশিষ্ট রয়েছে। মিসাইল তৈরির উৎপাদন গতি প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত ধীর। গত এক বছরে যুক্তরাষ্ট্র মাত্র ছয়শ প্যাট্রিয়ট মিসাইল তৈরি করতে পেরেছে, যা বর্তমান পরিস্থিতির তুলনায় খুবই নগণ্য একটি সংখ্যা। বর্তমান সংঘাতের গতিতে যদি মিসাইল ব্যবহৃত হতে থাকে, তবে এই ভাণ্ডার পূরণ করতে অন্তত তিন বছর সময় লাগবে। অর্থাৎ মার্কিন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মূল শক্তি এখন শূন্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। পেন্টাগনের নীতিনির্ধারকরা এখন বুঝে উঠতে পারছেন না কীভাবে তারা এই চাহিদার সাথে উৎপাদন তাল মিলিয়ে চলবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংকটের অন্যতম কারণ হোয়াইট হাউসের প্রাথমিক ভুল অনুমান। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প (Trump) এবং তার টিম ধারণা করেছিলেন, ইরানের সাথে এই সংঘাত হবে স্বল্পমেয়াদী। কিন্তু বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। পেন্টাগনের এই ভুল কৌশল আজ তাদের জাতীয় নিরাপত্তাকে এক গভীর অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে। সরকারি পর্যায়ে অবশ্য বিষয়টি ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। গত এপ্রিলে প্রতিরক্ষাসচিব পিট হেগসেথ (Pete Hegseth) দাবি করেছিলেন যে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি কার্যত ধ্বংস হয়ে গেছে। এমনকি পেন্টাগনের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের মিসাইল সংকটের কথা অস্বীকার করা হয়েছে। তবে ভেতরের খবর বলছে, পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ। ইরান বর্তমানে রাশিয়ার ইউক্রেন যুদ্ধের কৌশলগুলো খুব কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করছে। তারা আকাশপথে বিপুল পরিমাণ ড্রোন পাঠিয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ব্যস্ত করে রাখে। এই কৌশলকে বলা হয় 'স্যাচুরেট' (Saturate) করা। এতে মার্কিন প্যাট্রিয়ট সিস্টেমের মূল লক্ষ্যভেদ করার সক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ে এবং মিসাইল অপচয় হয়। অন্যদিকে ইরান তাদের পারমাণবিক ও সামরিক সম্পদ মাটির গভীরে বাংকারে সরিয়ে নিয়েছে। তারা আঞ্চলিক মিত্রদের ব্যবহার করে বিভিন্ন দিক থেকে হামলা চালাচ্ছে। এতে মার্কিন বাহিনীর পক্ষে প্রতিটি ঘাঁটি রক্ষা করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ছে। ইরানের এই কৌশলের কাছেই আজ পরাশক্তির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পর্যুদস্ত হচ্ছে। সব মিলিয়ে আজকের এই পরিস্থিতি কেবল যুদ্ধের ময়দানে সীমাবদ্ধ নেই, এটি একটি আর্থিক যুদ্ধে রূপ নিয়েছে। ছয় বিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয় এবং মজুদের দ্রুত ফুরিয়ে আসা—এই দুই সংকট পেন্টাগনের নীতিনির্ধারকদের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে। দীর্ঘমেয়াদে এই যুদ্ধ চললে মার্কিন ঘাঁটির ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। পেন্টাগন আনুষ্ঠানিকভাবে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে থাকার দাবি করলেও, পর্দার আড়ালে পরিস্থিতি ভিন্ন। প্রতিটি মিসাইল এখন সোনার চেয়েও দামি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমান আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার স্থায়িত্ব নিয়ে হোয়াইট হাউসের ভেতরেই এখন তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। ভবিষ্যতে আমেরিকা কীভাবে এই ভারসাম্য বজায় রাখবে, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন। সংঘাতের এই কঠিন সময়ে প্রতিটি ডলার এবং প্রতিটি মিসাইল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পেন্টাগনের সামনে এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো দ্রুত মজুদের যোগান দেওয়া এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক করা। তবে এই ব্যয়ভার বহন করা মার্কিন অর্থনীতির জন্য কতটা সহনীয় হবে, তা সময় হলেই বোঝা যাবে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_14-8-26_03.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_14-8-26_03.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_14-8-26_03.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[হরমুজ প্রণালীতে কার দাপট? ইরানের প্রভাব কমিয়ে কীভাবে জলপথের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিল মার্কিন সামরিক বাহিনী!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/49711</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/49711</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[মৌসুমী আক্তার]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 14 Aug 2026 15:09:25 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, bangla news 24, atn bangla news, bbc bangla news, tv9 bangla news, bangla news live, bd news bangla, ct news bangla, bangla tv news, bangla news today, today bangla news, bbc news bangla, latest bangla news, online bangla news, bangla live news, tv9 bangla news live, news18 bangla, tv9 bangla news today, tv9 bangla live news, bangla tv news online, bangla breaking news, tv9 bangla news live today, live tv9 bangla news today, news18 bangla live, tv9 bangla bengali news, radio tehran bangla news live, bangladesh news, banglavision news]]></category>
        
        <description><![CDATA[হরমুজ প্রণালী বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর জলপথগুলোর মধ্যে একটি। প্রতিদিন এখান দিয়ে বিশ্ববাজারের বিশাল পরিমাণ জ্বালানি তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ করা হয়। মার্কিন সামরিক বাহিনী এই জলপথের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে। ইরানের দীর্ঘদিনের প্রভাব এখন মার্কিন কৌশলের কাছে অনেকাংশেই ম্লান হয়ে গেছে। মার্কিন রাষ্ট্রপ্রধানদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সবসময় সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকে। বিশেষ করে দীর্ঘ ভ্রমণের সময় প্রচলিত বিমানের বদলে নিরাপদ বিকল্প ব্যবস্থা বেছে নেওয়ার পরামর্শ দেয় সিক্রেট সার্ভিস। অনেক হুমকি জনসম্মুখে আসে না, কিন্তু একজন প্রভাবশালী নেতার জন্য আকাশপথের ঝুঁকি সবসময়ই বাস্তব। ইরান-মার্কিন সম্পর্কের টানাপোড়েন বর্তমান ভূ-রাজনীতির অন্যতম প্রধান আলোচনার বিষয়। মার্কিন নীতিনির্ধারকদের মতে, ইরান বারবার আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা তৈরি করছে। এই আস্থার সংকটের কারণেই আমেরিকার মূলনীতি এখন কঠোর নজরদারি। ইরানের ওপর চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে তারা এই অঞ্চলে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে চাইছে। হরমুজ প্রণালীতে ইরান কোনো ধরনের আগ্রাসী পদক্ষেপ নিলে কঠোর সামরিক জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে মার্কিন বাহিনীর। আমেরিকার দাবি, গত পাঁচ দশকে ইরান মধ্যপ্রাচ্যে যে প্রভাব বিস্তার করেছিল, তা এখন অনেকটাই সংকুচিত। সামরিক সক্ষমতা এবং কৌশলগত প্রস্তুতির জোরেই এই অঞ্চলে মার্কিন আধিপত্য এখন যেকোনো সময়ের চেয়ে শক্তিশালী। শেষে বলা যায়, হরমুজ প্রণালীকে কেন্দ্র করে যে উত্তেজনা, তা কেবল স্থানীয় ইস্যু নয়। এটি মূলত বৈশ্বিক শক্তির ভারসাম্যের একটি অংশ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের সামরিক শক্তি ব্যবহার করে প্রভাব অটুট রাখতে বদ্ধপরিকর। ইরানের যেকোনো পদক্ষেপের বিরুদ্ধে মার্কিন জবাব হবে সুপরিকল্পিত এবং কঠোর, যা এই অঞ্চলের ভবিষ্যতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_14-8-26_02.webp" alt="হরমুজ প্রণালীতে কার দাপট? ইরানের প্রভাব কমিয়ে কীভাবে জলপথের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিল মার্কিন সামরিক বাহিনী!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>হরমুজ প্রণালীতে কার দাপট? ইরানের প্রভাব কমিয়ে কীভাবে জলপথের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিল মার্কিন সামরিক বাহিনী!</h1>
            <p>হরমুজ প্রণালী বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর জলপথগুলোর মধ্যে একটি। প্রতিদিন এখান দিয়ে বিশ্ববাজারের বিশাল পরিমাণ জ্বালানি তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ করা হয়। মার্কিন সামরিক বাহিনী এই জলপথের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে। ইরানের দীর্ঘদিনের প্রভাব এখন মার্কিন কৌশলের কাছে অনেকাংশেই ম্লান হয়ে গেছে। মার্কিন রাষ্ট্রপ্রধানদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সবসময় সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকে। বিশেষ করে দীর্ঘ ভ্রমণের সময় প্রচলিত বিমানের বদলে নিরাপদ বিকল্প ব্যবস্থা বেছে নেওয়ার পরামর্শ দেয় সিক্রেট সার্ভিস। অনেক হুমকি জনসম্মুখে আসে না, কিন্তু একজন প্রভাবশালী নেতার জন্য আকাশপথের ঝুঁকি সবসময়ই বাস্তব। ইরান-মার্কিন সম্পর্কের টানাপোড়েন বর্তমান ভূ-রাজনীতির অন্যতম প্রধান আলোচনার বিষয়। মার্কিন নীতিনির্ধারকদের মতে, ইরান বারবার আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা তৈরি করছে। এই আস্থার সংকটের কারণেই আমেরিকার মূলনীতি এখন কঠোর নজরদারি। ইরানের ওপর চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে তারা এই অঞ্চলে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে চাইছে। হরমুজ প্রণালীতে ইরান কোনো ধরনের আগ্রাসী পদক্ষেপ নিলে কঠোর সামরিক জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে মার্কিন বাহিনীর। আমেরিকার দাবি, গত পাঁচ দশকে ইরান মধ্যপ্রাচ্যে যে প্রভাব বিস্তার করেছিল, তা এখন অনেকটাই সংকুচিত। সামরিক সক্ষমতা এবং কৌশলগত প্রস্তুতির জোরেই এই অঞ্চলে মার্কিন আধিপত্য এখন যেকোনো সময়ের চেয়ে শক্তিশালী। শেষে বলা যায়, হরমুজ প্রণালীকে কেন্দ্র করে যে উত্তেজনা, তা কেবল স্থানীয় ইস্যু নয়। এটি মূলত বৈশ্বিক শক্তির ভারসাম্যের একটি অংশ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের সামরিক শক্তি ব্যবহার করে প্রভাব অটুট রাখতে বদ্ধপরিকর। ইরানের যেকোনো পদক্ষেপের বিরুদ্ধে মার্কিন জবাব হবে সুপরিকল্পিত এবং কঠোর, যা এই অঞ্চলের ভবিষ্যতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_14-8-26_02.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_14-8-26_02.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_14-8-26_02.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ট্রাম্পের জীবনের পাঁচটি গোপন রহস্য: কেন তাকে লুকিয়ে প্রাচীর টপকাতে হয়েছিল অথবা বাংকারে যেতে হয়েছিল?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/49710</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/49710</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 14 Aug 2026 15:09:25 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[আমেরিকাস]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, bangla news 24, atn bangla news, bbc bangla news, tv9 bangla news, bangla news live, bd news bangla, ct news bangla, bangla tv news, bangla news today, today bangla news, bbc news bangla, latest bangla news, online bangla news, bangla live news, tv9 bangla news live, news18 bangla, tv9 bangla news today, tv9 bangla live news, bangla tv news online, bangla breaking news, tv9 bangla news live today, live tv9 bangla news today, news18 bangla live, tv9 bangla bengali news, radio tehran bangla news live, bangladesh news, banglavision news]]></category>
        
        <description><![CDATA[দুই হাজার ছাব্বিশ সালে তুরস্কের আঙ্কারায় ন্যাটো সম্মেলনে ঘটে এক অদ্ভুত ঘটনা। গোয়েন্দারা খবর পান, ট্রাম্পের ওপর ইরানের গুপ্তহত্যার সুনির্দিষ্ট ঝুঁকি রয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে সবাই জানত তিনি ফিরছেন বিশাল বিমানে। কিন্তু গোপনে তাকে স্থানান্তর করা হয় ছোট একটি বিমানে। সাংবাদিকরা জানতেই পারেননি ট্রাম্প কোথায় আছেন। দুই হাজার ষোলো সালের উনত্রিশে এপ্রিল, পরিস্থিতি ছিল একেবারেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে। ক্যালিফোর্নিয়ায় রিপাবলিকান কনভেনশনে বিক্ষোভকারীরা চারপাশ থেকে ঘিরে ফেলেছিল। মূল পথ দিয়ে ঢোকা ছিল অসম্ভব এক ব্যাপার। নিরাপত্তার খাতিরে বিলিয়নেয়ার ট্রাম্পকে হোটেলের নিচু দেয়াল টপকাতে হয়। সার্ভিস এন্ট্রান্স দিয়ে প্রবেশ ছিল এক অভাবনীয় দৃশ্য। দুই হাজার বিশ সালে জর্জ ফ্লয়েড হত্যাকাণ্ডের পর পুরো আমেরিকা বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে। বিক্ষোভকারীরা হোয়াইট হাউসের খুব কাছে পৌঁছে গেলে শুরু হয় আতঙ্ক। বাধ্য হয়ে সিক্রেট সার্ভিস এজেন্টরা ট্রাম্পকে নিয়ে যায় আন্ডারগ্রাউন্ড বাংকারে। প্রায় এক ঘণ্টা সেখানে ছিলেন তিনি, যা তাকে দেয় 'বাংকার বয়' উপাধি। দুই হাজার চব্বিশ সালের পনেরোই সেপ্টেম্বর ফ্লোরিডার গলফ কোর্সে ট্রাম্প খেলছিলেন। হঠাৎই এজেন্টদের নজরে পড়ে ৪০০ গজ দূরে একজন সন্দেহভাজন বন্দুকধারী। মুহূর্তের মধ্যে তাকে ঘিরে ফেলে দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হয় ফাস্ট কার্টে। বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে যান তিনি, যা বিশ্বকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল। নির্বাচনের পর ট্রাম্প তার পরিবার নিয়ে যান নিউইয়র্কের বিখ্যাত ২১ ক্লাবে। সেখানে সাধারণ একটি ডিনারও হয়ে ওঠে বড় ধরনের নিরাপত্তা অভিযান। কৌতূহলী ফটোগ্রাফারদের আড়াল করতে অদ্ভুত এক কৌশল নেন এজেন্টরা। রেস্তোরাঁর বাইরে বসিয়ে দেওয়া হয় ময়লার বড় ডাম্পস্টার, যা হয়ে ওঠে অদৃশ্য ঢাল। শেষে, ট্রাম্পের এই ঘটনাগুলো প্রমাণ করে ক্ষমতার নিরাপত্তা সবসময় প্রথাগত হয় না। অনেক সময় অকল্পনীয় বা অদ্ভুত কৌশলেই বাঁচানো হয় বড় বড় নেতাদের প্রাণ। নিরাপত্তার এই অদৃশ্য লড়াইয়ের গল্পগুলো আসলেই বেশ রোমাঞ্চকর। ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_14-8-26_01.webp" alt="ট্রাম্পের জীবনের পাঁচটি গোপন রহস্য: কেন তাকে লুকিয়ে প্রাচীর টপকাতে হয়েছিল অথবা বাংকারে যেতে হয়েছিল?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ট্রাম্পের জীবনের পাঁচটি গোপন রহস্য: কেন তাকে লুকিয়ে প্রাচীর টপকাতে হয়েছিল অথবা বাংকারে যেতে হয়েছিল?</h1>
            <p>দুই হাজার ছাব্বিশ সালে তুরস্কের আঙ্কারায় ন্যাটো সম্মেলনে ঘটে এক অদ্ভুত ঘটনা। গোয়েন্দারা খবর পান, ট্রাম্পের ওপর ইরানের গুপ্তহত্যার সুনির্দিষ্ট ঝুঁকি রয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে সবাই জানত তিনি ফিরছেন বিশাল বিমানে। কিন্তু গোপনে তাকে স্থানান্তর করা হয় ছোট একটি বিমানে। সাংবাদিকরা জানতেই পারেননি ট্রাম্প কোথায় আছেন। দুই হাজার ষোলো সালের উনত্রিশে এপ্রিল, পরিস্থিতি ছিল একেবারেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে। ক্যালিফোর্নিয়ায় রিপাবলিকান কনভেনশনে বিক্ষোভকারীরা চারপাশ থেকে ঘিরে ফেলেছিল। মূল পথ দিয়ে ঢোকা ছিল অসম্ভব এক ব্যাপার। নিরাপত্তার খাতিরে বিলিয়নেয়ার ট্রাম্পকে হোটেলের নিচু দেয়াল টপকাতে হয়। সার্ভিস এন্ট্রান্স দিয়ে প্রবেশ ছিল এক অভাবনীয় দৃশ্য। দুই হাজার বিশ সালে জর্জ ফ্লয়েড হত্যাকাণ্ডের পর পুরো আমেরিকা বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে। বিক্ষোভকারীরা হোয়াইট হাউসের খুব কাছে পৌঁছে গেলে শুরু হয় আতঙ্ক। বাধ্য হয়ে সিক্রেট সার্ভিস এজেন্টরা ট্রাম্পকে নিয়ে যায় আন্ডারগ্রাউন্ড বাংকারে। প্রায় এক ঘণ্টা সেখানে ছিলেন তিনি, যা তাকে দেয় 'বাংকার বয়' উপাধি। দুই হাজার চব্বিশ সালের পনেরোই সেপ্টেম্বর ফ্লোরিডার গলফ কোর্সে ট্রাম্প খেলছিলেন। হঠাৎই এজেন্টদের নজরে পড়ে ৪০০ গজ দূরে একজন সন্দেহভাজন বন্দুকধারী। মুহূর্তের মধ্যে তাকে ঘিরে ফেলে দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হয় ফাস্ট কার্টে। বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে যান তিনি, যা বিশ্বকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল। নির্বাচনের পর ট্রাম্প তার পরিবার নিয়ে যান নিউইয়র্কের বিখ্যাত ২১ ক্লাবে। সেখানে সাধারণ একটি ডিনারও হয়ে ওঠে বড় ধরনের নিরাপত্তা অভিযান। কৌতূহলী ফটোগ্রাফারদের আড়াল করতে অদ্ভুত এক কৌশল নেন এজেন্টরা। রেস্তোরাঁর বাইরে বসিয়ে দেওয়া হয় ময়লার বড় ডাম্পস্টার, যা হয়ে ওঠে অদৃশ্য ঢাল। শেষে, ট্রাম্পের এই ঘটনাগুলো প্রমাণ করে ক্ষমতার নিরাপত্তা সবসময় প্রথাগত হয় না। অনেক সময় অকল্পনীয় বা অদ্ভুত কৌশলেই বাঁচানো হয় বড় বড় নেতাদের প্রাণ। নিরাপত্তার এই অদৃশ্য লড়াইয়ের গল্পগুলো আসলেই বেশ রোমাঞ্চকর। </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_14-8-26_01.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_14-8-26_01.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_14-8-26_01.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইরানকে ঘিরে সৌদি–পাকিস্তান–তুরস্ক জোট, ইসরায়েলের সঙ্গে তেহরানের পুরোনো বন্ধুত্ব কি ফিরছে]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/49580</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/49580</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[মৌসুমী আক্তার]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 12 Aug 2026 19:05:03 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, r bangla news, atn bangla news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, bangla tv news, bangla news today, bbc news bangla, latest bangla news, bangla news update, news18 bangla, republic bangla news, news18 bangla live, radio tehran bangla news live, bangladesh news, news18 bangla headlines, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh news today, banglanews, banglavision news today, r bangla, today sondhar news bangladesh, atn bangla, bbc bangla, ntv bangla, banglavision news bulletin today, r bangla live]]></category>
        
        <description><![CDATA[যে ইরান একসময় ইসরায়েলকে তেল, গোয়েন্দা তথ্য এবং সামরিক সহযোগিতা দিত, সেই ইরানই আজ ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় শত্রু। কিন্তু সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের নতুন সামরিক জোট কি দুই চরম প্রতিদ্বন্দ্বীকে আবার একই টেবিলে বসাতে পারে? ইতিহাস বলছে, মধ্যপ্রাচ্যে কোনো শত্রুতাই চিরস্থায়ী নয়। ভাবুন, একসময় ইরানের সরকার ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদকে একটি হত্যার অনুরোধ করেছিল। লক্ষ্য ছিলেন বিপ্লবী নেতা আয়াতুল্লাহ রুহোল্লাহ খোমেনি, যিনি তখন প্যারিসে নির্বাসনে ছিলেন। সেই অনুরোধ শেষ পর্যন্ত প্রত্যাখ্যান করে মোসাদ। কিন্তু আজকের বাস্তবতায় প্রশ্ন উঠছে, ইরান ও ইসরায়েল কি আবার কোনো গোপন সমঝোতায় যেতে পারে? বিষয়টি বুঝতে হলে আমাদের ফিরতে হবে উনিশশো ঊনআশি সালের ইরানে। সেখান থেকেই শুরু হচ্ছে এই বিশ্লেষণ। উনিশশো ঊনআশি সালের জানুয়ারিতে ইরানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি দ্রুত বদলে যাচ্ছিল। শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভীর সরকার জনসমর্থন হারাচ্ছিল। বিপ্লবী আন্দোলন দেশের বড় শহরগুলোতে ছড়িয়ে পড়েছিল। নির্বাসিত খোমেনি ফ্রান্সের প্যারিস থেকে আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন। অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী শাপুর বাখতিয়ার তখন ক্ষমতা ধরে রাখার শেষ চেষ্টা করছিলেন। এই সময় তিনি তেহরানে নিযুক্ত মোসাদ স্টেশনপ্রধান এলিয়েজার তসাফরির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। বাখতিয়ারের অনুরোধ ছিল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তিনি চেয়েছিলেন, খোমেনিকে প্যারিসে হত্যা করা হোক। এই প্রস্তাবের পেছনে ছিল বিপ্লব থামানোর মরিয়া পরিকল্পনা। মোসাদের শীর্ষ কর্মকর্তারা প্রস্তাবটি নিয়ে আলোচনা করেছিলেন। তবে তারা বুঝতে পারছিলেন, প্যারিসের মতো দেশে এমন হত্যাকাণ্ড ঘটালে আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া ভয়াবহ হতে পারে। সবচেয়ে বড় বিষয় ছিল, খোমেনি ক্ষমতায় গেলে ইরানের নীতি কী হবে, সেটি কেউ নিশ্চিতভাবে জানত না। মোসাদের কিছু কর্মকর্তা মনে করেছিলেন, নতুন সরকার হয়তো ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পূর্ণ শত্রুতায় যাবে না। তাই ঝুঁকি নেওয়ার বদলে তারা পরিকল্পনাটি বাতিল করে। পরে সাবেক মোসাদ কর্মকর্তা ইয়োসি আলফারের স্মৃতিচারণে এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। এখানেই ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বৈপরীত্যটি দেখা যায়। যে মোসাদ খোমেনিকে হত্যার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিল, বহু দশক পরে ইসরায়েলি ও মার্কিন হামলায় আলি খামেনি নিহত হন। দুই হাজার ছাব্বিশ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় খামেনির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়। এই ঘটনা ইরান–ইসরায়েল সংঘাতকে নতুন মাত্রা দিয়েছে। কারণ এটি শুধু একজন নেতার মৃত্যু নয়, বরং পুরোনো নিরাপত্তা কাঠামোর ভেঙে পড়ার প্রতীক। এবার আসা যাক বর্তমান পরিস্থিতিতে। দুই হাজার ছাব্বিশ সালের সাতই আগস্ট সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক মক্কায় যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করেছে। চুক্তির মূল বক্তব্য হলো, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে সেটিকে তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। তবে চুক্তিতে সামরিক প্রতিক্রিয়ার বিস্তারিত কাঠামো প্রকাশ করা হয়নি। ফলে এর বাস্তব বাধ্যবাধকতা নিয়ে এখনো প্রশ্ন রয়েছে। এই চুক্তিতে তিনটি ভিন্ন ধরনের শক্তি এক জায়গায় এসেছে। পাকিস্তানের রয়েছে বড় সেনাবাহিনী এবং পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার। সৌদি আরব দিতে পারে বিপুল অর্থ, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং মুসলিম বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় মর্যাদা। তুরস্কের রয়েছে ন্যাটো অভিজ্ঞতা, বড় সামরিক বাহিনী এবং দ্রুত বাড়তে থাকা প্রতিরক্ষা শিল্প। তাই এই জোট শুধু রাজনৈতিক ঘোষণা নয়। এটি অর্থ, সামরিক শক্তি, প্রযুক্তি এবং কৌশলগত অবস্থানের সমন্বয়। চুক্তিটি এমন সময়ে হয়েছে, যখন উপসাগরীয় দেশগুলো ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কায় রয়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চয়তা নিয়েও তাদের আস্থা কমেছে। অতীতে উপসাগরীয় রাজতন্ত্রগুলো ওয়াশিংটনের সামরিক ছাতার ওপর নির্ভর করত। কিন্তু সাম্প্রতিক সংঘাত দেখিয়েছে, বাইরের শক্তির ওপর নির্ভরতা সবসময় কার্যকর নাও হতে পারে। তাই সৌদি আরব নিজের নেতৃত্বে একটি আঞ্চলিক প্রতিরোধ কাঠামো গড়তে চাইছে। তেহরানের চোখে এই জোটকে একটি সম্ভাব্য ঘেরাও হিসেবে দেখা স্বাভাবিক। ইরানের পূর্বে পাকিস্তান, উত্তরে তুরস্ক এবং পশ্চিমে সৌদি আরবের প্রভাব রয়েছে। তিন দেশ যদি একসঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বাড়ায়, তাহলে ইরানের কৌশলগত চাপ বহুগুণ বাড়তে পারে। তেহরান এটিকে সুন্নি শক্তির সমন্বিত উত্থান হিসেবেও বিবেচনা করতে পারে। কারণ সৌদি আরব ও ইরান বহু বছর ধরে পশ্চিম এশিয়ায় প্রভাব বিস্তারের প্রতিযোগিতায় রয়েছে। ইয়েমেনও এই হিসাবের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সৌদি আরব দীর্ঘদিন ধরে ইরানসমর্থিত হুতিদের বিরুদ্ধে লড়াই করছে। নতুন জোট শক্তিশালী হলে পাকিস্তান ও তুরস্ক থেকেও অস্ত্র, প্রশিক্ষণ এবং রসদ সরবরাহের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। এতে ইয়েমেনের যুদ্ধ আরও জটিল হতে পারে। ইরানের ভয়, একটি আঞ্চলিক জোট তার মিত্রদের ওপর সমন্বিত চাপ তৈরি করবে। ইসরায়েলও এই জোটকে পুরোপুরি স্বস্তির চোখে দেখছে না। তুরস্ককে ইসরায়েল এখন আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিবেচনা করে। আঙ্কারা হামাসের প্রতি রাজনৈতিক সমর্থন দেখিয়েছে বলে ইসরায়েল অভিযোগ করে। সিরিয়াতেও দুই দেশের স্বার্থ ক্রমশ মুখোমুখি হচ্ছে। ফলে জোটের ভেতরে তুরস্কের শক্তি বাড়লে ইসরায়েলের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলীয় নিরাপত্তা হিসাব বদলে যেতে পারে। আজকের দর্শকের কাছে ইরান ও ইসরায়েলকে চিরশত্রু মনে হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু ইতিহাস বলছে, সম্পর্ক সবসময় এমন ছিল না। ইরান ছিল দ্বিতীয় মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ, যে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিয়েছিল। উনিশশো পঞ্চাশ সালে তেহরান ইসরায়েলকে বাস্তবভিত্তিক স্বীকৃতি দেয়। দুই দেশের রাজধানীতে সীমিত কূটনৈতিক উপস্থিতিও ছিল। পরে তেহরানে ইসরায়েলের স্থায়ী প্রতিনিধিত্ব তৈরি হয়। শাহ আমলে ইরান ইসরায়েলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তেল সরবরাহকারী ছিল। উনিশশো সাতষট্টির আরব–ইসরায়েল যুদ্ধের পর আরব দেশগুলো তেল অবরোধ দিলে ইরানের গুরুত্ব বাড়ে। দুই দেশ এilat–Ashkelon বা ট্রান্স–ইসরায়েল তেল পাইপলাইন নির্মাণে সহযোগিতা করে। এর মাধ্যমে ইরানের তেল লোহিত সাগর থেকে ভূমধ্যসাগরে পৌঁছাত। ফলে সুয়েজ খাল ও আরব নিয়ন্ত্রণ এড়িয়ে ইউরোপে তেল পাঠানো সম্ভব হতো। দুই দেশের সামরিক ও গোয়েন্দা সম্পর্ক ছিল আরও গভীর। মোসাদ এবং যুক্তরাষ্ট্রের সিআইএ ইরানের গোপন নিরাপত্তা সংস্থা সাভাক প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করেছিল। ইরানি কর্মকর্তারা ইসরায়েলে বিশেষ প্রশিক্ষণও পেয়েছিলেন। তখন দুই দেশের গোয়েন্দা সংস্থার কাছে কয়েকটি হুমকি একই ছিল। এর মধ্যে ছিল আরব জাতীয়তাবাদ, সিরিয়া ও ইরাকের বাথবাদ এবং সোভিয়েত প্রভাব। এই অভিন্ন ভয়ই দুই দেশকে কাছে এনেছিল। এই সহযোগিতার সবচেয়ে আলোচিত উদাহরণ ছিল প্রজেক্ট ফ্লাওয়ার। উনিশশো সাতাত্তর থেকে উনিশশো ঊনআশি সাল পর্যন্ত চলা এই গোপন প্রকল্পে ইরান ও ইসরায়েল দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়নের পরিকল্পনা করেছিল। এটি ছিল তেল–বিনিময়ে অস্ত্র সহযোগিতার একটি অংশ। বিপ্লবের পর শাহের পতন হলে প্রকল্পটি বন্ধ হয়ে যায়। এই প্রকল্প দেখায়, আদর্শের চেয়ে নিরাপত্তা ও প্রযুক্তিগত স্বার্থ অনেক সময় বেশি শক্তিশালী হয়। উনিশশো ঊনআশির ইসলামি বিপ্লব দুই দেশের সম্পর্ক পুরোপুরি বদলে দেয়। নতুন ইরানি সরকার ইসরায়েলবিরোধিতাকে রাষ্ট্রীয় আদর্শের কেন্দ্রে রাখে। তেহরান ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী ও লেবাননের হিজবুল্লাহকে সমর্থন দিতে শুরু করে। বিপরীতে ইসরায়েল ইরানকে নিজের অস্তিত্বের জন্য বড় হুমকি হিসেবে দেখতে থাকে। কয়েক দশকের পুরোনো সহযোগিতা দ্রুত সরাসরি শত্রুতায় পরিণত হয়। এখানে মূল প্রশ্নটি দাঁড়ায়, জাতীয় স্বার্থ কি আদর্শকে হার মানাতে পারে? ইতিহাসে এমন উদাহরণ বহুবার দেখা গেছে। মিশর ও ইসরায়েল একসময় যুদ্ধে লিপ্ত ছিল। তবুও উনিশশো ঊনআশি সালে তারা নিরাপত্তা চুক্তি সই করে। দুই হাজার বিশ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাত ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেয়। দুই হাজার তেইশ সালে সৌদি আরব ও ইরানও সমঝোতায় পৌঁছেছিল। শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, বিশ্ব রাজনীতিতেও অসম্ভব সমঝোতার নজির আছে। ঠান্ডা যুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন পরস্পরের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল। তবুও উনিশশো সাতাশি সালে তারা পারমাণবিক ও প্রচলিত ক্ষেপণাস্ত্রের একটি বড় শ্রেণি বিলুপ্ত করার চুক্তি করে। যুদ্ধের ক্লান্তি, নেতৃত্বের পরিবর্তন এবং পারস্পরিক নিরাপত্তা—সবকিছু মিলে সেই চুক্তি সম্ভব হয়েছিল। তবে বর্তমান ইরানি শাসন ক্ষমতায় থাকলে ইসরায়েলের সঙ্গে কোনো নিরাপত্তা চুক্তি প্রায় অসম্ভব। কারণ ইসরায়েলবিরোধিতা ইরানের বিপ্লবী রাষ্ট্রপরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বা আইআরজিসি দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে প্রধান শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করেছে। হামাস, হিজবুল্লাহ এবং অন্যান্য আঞ্চলিক গোষ্ঠীর প্রতি তেহরানের সমর্থনও এই বিরোধকে আরও গভীর করেছে। তবুও ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ভবিষ্যতে বদলে যেতে পারে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে জনঅসন্তোষ প্রকাশ পেয়েছে। অর্থনৈতিক চাপ, সামাজিক নিয়ন্ত্রণ এবং রাজনৈতিক দমন নিয়ে মানুষের ক্ষোভ রয়েছে। বাইরের সামরিক হুমকি কমে গেলে এসব অভ্যন্তরীণ বিরোধ আবার সামনে আসতে পারে। তখন কোনো জাতীয়তাবাদী সরকার পারস্য পরিচয়কে বিপ্লবী ইসলামি পরিচয়ের ওপর বেশি গুরুত্ব দিতে পারে। একটি ভবিষ্যৎ জাতীয়তাবাদী সরকার ইরানের পারস্য ঐতিহ্যকে সামনে আনতে পারে। সেই সরকার সৌদি আরব ও তুরস্কের বাড়তে থাকা প্রভাবকে ভারসাম্য করার প্রয়োজন অনুভব করতে পারে। ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা তখন আদর্শগত সমর্থন নয়, বরং কৌশলগত হিসাব হতে পারে। ইরান চাইতে পারে উন্নত প্রযুক্তি, বিনিয়োগ এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা সহযোগিতা। ইসরায়েলের জন্যও এই ধরনের সমঝোতার সম্ভাবনা পুরোপুরি অস্বাভাবিক নয়। তুরস্ক যদি নতুন জোটের সবচেয়ে সক্রিয় সামরিক শক্তি হয়ে ওঠে, তাহলে ইসরায়েল চাপ অনুভব করতে পারে। ইরানের সঙ্গে সরাসরি বন্ধুত্ব না হলেও গোয়েন্দা যোগাযোগ তৈরি হতে পারে। ইসরায়েল তখন ইরানের ভূগোল, জ্বালানি এবং আঞ্চলিক যোগাযোগকে নিজের নিরাপত্তার জন্য ব্যবহার করতে চাইতে পারে। ইরান ও ইসরায়েল কোনোদিন সমঝোতায় গেলে সেটি প্রকাশ্য সামরিক জোট নাও হতে পারে। প্রথম ধাপে গোপন গোয়েন্দা যোগাযোগ তৈরি হতে পারে। এরপর জ্বালানি, সাইবার নিরাপত্তা, সীমান্ত পর্যবেক্ষণ এবং আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠী মোকাবিলায় সীমিত সহযোগিতা হতে পারে। ইসরায়েল দিতে পারে বিমান প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি। ইরান দিতে পারে ভূগোল, জ্বালানি এবং বৃহৎ প্রতিরক্ষা শিল্পের সক্ষমতা। মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে গোপন যোগাযোগ নতুন কিছু নয়। প্রকাশ্যে নেতারা একে অপরকে কঠোর ভাষায় আক্রমণ করতে পারেন। কিন্তু পেছনে নিরাপত্তা কর্মকর্তারা সীমিত যোগাযোগ বজায় রাখতে পারেন। ইরান ও ইসরায়েলের ক্ষেত্রে এমন যোগাযোগ শুরু হলেও তা দ্রুত রাজনৈতিক স্বীকৃতিতে পরিণত হবে না। কারণ দুই দেশের জনগণ, সামরিক কাঠামো এবং ধর্মীয় রাজনীতির মধ্যে গভীর অবিশ্বাস রয়েছে। এই সম্ভাবনার পথে সবচেয়ে বড় বাধা হবে বিশ্বাসের সংকট। ইসরায়েল ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, ক্ষেপণাস্ত্র এবং আঞ্চলিক মিত্রদের ভয় পায়। ইরান ইসরায়েলের সামরিক হামলা, গুপ্তহত্যা এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতাকে হুমকি মনে করে। দুই পক্ষের সামরিক মতবাদ পরস্পরের বিরুদ্ধে গড়ে উঠেছে। তাই একটি চুক্তি হলেও তার স্থায়িত্ব নিশ্চিত করা কঠিন হবে। মক্কা চুক্তি এখনো কতটা কার্যকর সামরিক কাঠামো হবে, সেটি স্পষ্ট নয়। যৌথ মহড়া, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় এবং অস্ত্র সরবরাহের ব্যবস্থা তৈরি হলে জোটের গুরুত্ব বাড়বে। কিন্তু সদস্য দেশগুলোর জাতীয় অগ্রাধিকার এক নয়। সৌদি আরবের মূল চিন্তা উপসাগর ও ইয়েমেন। তুরস্কের লক্ষ্য বিস্তৃত আঞ্চলিক প্রভাব। পাকিস্তানের অগ্রাধিকার আবার নিজস্ব সীমান্ত ও অর্থনীতি। মধ্যপ্রাচ্যের পুরোনো নিরাপত্তা কাঠামো এখন আর আগের মতো স্থির নেই। আগে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং কিছু আরব মিত্রকে কেন্দ্র করে একটি শক্তি কাঠামো দেখা যেত। এখন রাশিয়া, চীন, তুরস্ক, ইরান, সৌদি আরব এবং ইসরায়েল—সবাই আলাদা হিসাব করছে। ফলে স্থায়ী জোটের বদলে প্রয়োজনভিত্তিক সাময়িক জোট তৈরি হতে পারে। ইরানের সামনে এখন দুটি পথ খোলা রয়েছে। প্রথম পথ হলো, বিপ্লবী আদর্শ ধরে রেখে আঞ্চলিক প্রতিরোধ জোরদার করা। দ্বিতীয় পথ হলো, অর্থনৈতিক চাপ কমিয়ে জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া। দ্বিতীয় পথ বেছে নিলে ইরান প্রতিবেশীদের সঙ্গে নতুন ভারসাম্য তৈরি করতে পারে। তবে ইসরায়েলের সঙ্গে যেকোনো যোগাযোগকে তেহরানকে অত্যন্ত সতর্কভাবে উপস্থাপন করতে হবে। ইসরায়েলের জন্যও এই পরিস্থিতি একটি বড় শিক্ষা বহন করছে। সামরিক শক্তি দিয়ে প্রতিটি আঞ্চলিক সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধান করা যায় না। দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তার জন্য রাজনৈতিক সমঝোতা, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং প্রতিবেশীদের সঙ্গে বাস্তব যোগাযোগ প্রয়োজন। ইরানের ওপর ধারাবাহিক হামলা হয়তো সাময়িক সুবিধা দেবে। কিন্তু তা নতুন প্রতিশোধ, নতুন জোট এবং দীর্ঘস্থায়ী অস্থিরতা তৈরি করতে পারে। তাহলে ইরান ও ইসরায়েল কি আবার বন্ধু হতে পারে? নিকট ভবিষ্যতে প্রকাশ্য বন্ধুত্বের সম্ভাবনা অত্যন্ত কম। বর্তমান শাসনব্যবস্থা, সামরিক সংঘাত এবং জনগণের গভীর অবিশ্বাস সেই পথ আটকে রেখেছে। তবে ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব বদলালে, আঞ্চলিক হুমকি বাড়লে এবং জাতীয় স্বার্থের চাপ তৈরি হলে সীমিত সমঝোতা অসম্ভব নয়। ইতিহাস এমন সম্ভাবনাকে একেবারে বাতিল করে না। মোসাদের কাছে খোমেনিকে হত্যার অনুরোধ থেকে শুরু করে প্রজেক্ট ফ্লাওয়ার, তেল সহযোগিতা এবং বর্তমান সংঘাত—ইরান–ইসরায়েল সম্পর্কের ইতিহাস সরল নয়। এই ইতিহাস দেখায়, রাষ্ট্রগুলো স্থায়ী বন্ধুত্ব বা স্থায়ী শত্রুতার চেয়ে নিজেদের নিরাপত্তাকে বেশি গুরুত্ব দেয়। সৌদি–পাকিস্তান–তুরস্ক জোট যদি শক্তিশালী হয়, তাহলে তেহরান ও জেরুজালেমের হিসাবও বদলাতে পারে। আজকের অসম্ভব শত্রু হয়তো আগামী দিনের সীমিত অংশীদার হতে পারে। তবে সেই পরিবর্তন আদর্শের কারণে নয়, বরং কঠিন জাতীয় স্বার্থের কারণে ঘটবে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_12-8-26_41.webp" alt="ইরানকে ঘিরে সৌদি–পাকিস্তান–তুরস্ক জোট, ইসরায়েলের সঙ্গে তেহরানের পুরোনো বন্ধুত্ব কি ফিরছে" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইরানকে ঘিরে সৌদি–পাকিস্তান–তুরস্ক জোট, ইসরায়েলের সঙ্গে তেহরানের পুরোনো বন্ধুত্ব কি ফিরছে</h1>
            <p>যে ইরান একসময় ইসরায়েলকে তেল, গোয়েন্দা তথ্য এবং সামরিক সহযোগিতা দিত, সেই ইরানই আজ ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় শত্রু। কিন্তু সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের নতুন সামরিক জোট কি দুই চরম প্রতিদ্বন্দ্বীকে আবার একই টেবিলে বসাতে পারে? ইতিহাস বলছে, মধ্যপ্রাচ্যে কোনো শত্রুতাই চিরস্থায়ী নয়। ভাবুন, একসময় ইরানের সরকার ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদকে একটি হত্যার অনুরোধ করেছিল। লক্ষ্য ছিলেন বিপ্লবী নেতা আয়াতুল্লাহ রুহোল্লাহ খোমেনি, যিনি তখন প্যারিসে নির্বাসনে ছিলেন। সেই অনুরোধ শেষ পর্যন্ত প্রত্যাখ্যান করে মোসাদ। কিন্তু আজকের বাস্তবতায় প্রশ্ন উঠছে, ইরান ও ইসরায়েল কি আবার কোনো গোপন সমঝোতায় যেতে পারে? বিষয়টি বুঝতে হলে আমাদের ফিরতে হবে উনিশশো ঊনআশি সালের ইরানে। সেখান থেকেই শুরু হচ্ছে এই বিশ্লেষণ। উনিশশো ঊনআশি সালের জানুয়ারিতে ইরানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি দ্রুত বদলে যাচ্ছিল। শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভীর সরকার জনসমর্থন হারাচ্ছিল। বিপ্লবী আন্দোলন দেশের বড় শহরগুলোতে ছড়িয়ে পড়েছিল। নির্বাসিত খোমেনি ফ্রান্সের প্যারিস থেকে আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন। অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী শাপুর বাখতিয়ার তখন ক্ষমতা ধরে রাখার শেষ চেষ্টা করছিলেন। এই সময় তিনি তেহরানে নিযুক্ত মোসাদ স্টেশনপ্রধান এলিয়েজার তসাফরির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। বাখতিয়ারের অনুরোধ ছিল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তিনি চেয়েছিলেন, খোমেনিকে প্যারিসে হত্যা করা হোক। এই প্রস্তাবের পেছনে ছিল বিপ্লব থামানোর মরিয়া পরিকল্পনা। মোসাদের শীর্ষ কর্মকর্তারা প্রস্তাবটি নিয়ে আলোচনা করেছিলেন। তবে তারা বুঝতে পারছিলেন, প্যারিসের মতো দেশে এমন হত্যাকাণ্ড ঘটালে আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া ভয়াবহ হতে পারে। সবচেয়ে বড় বিষয় ছিল, খোমেনি ক্ষমতায় গেলে ইরানের নীতি কী হবে, সেটি কেউ নিশ্চিতভাবে জানত না। মোসাদের কিছু কর্মকর্তা মনে করেছিলেন, নতুন সরকার হয়তো ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পূর্ণ শত্রুতায় যাবে না। তাই ঝুঁকি নেওয়ার বদলে তারা পরিকল্পনাটি বাতিল করে। পরে সাবেক মোসাদ কর্মকর্তা ইয়োসি আলফারের স্মৃতিচারণে এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। এখানেই ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বৈপরীত্যটি দেখা যায়। যে মোসাদ খোমেনিকে হত্যার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিল, বহু দশক পরে ইসরায়েলি ও মার্কিন হামলায় আলি খামেনি নিহত হন। দুই হাজার ছাব্বিশ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় খামেনির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়। এই ঘটনা ইরান–ইসরায়েল সংঘাতকে নতুন মাত্রা দিয়েছে। কারণ এটি শুধু একজন নেতার মৃত্যু নয়, বরং পুরোনো নিরাপত্তা কাঠামোর ভেঙে পড়ার প্রতীক। এবার আসা যাক বর্তমান পরিস্থিতিতে। দুই হাজার ছাব্বিশ সালের সাতই আগস্ট সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক মক্কায় যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করেছে। চুক্তির মূল বক্তব্য হলো, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে সেটিকে তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। তবে চুক্তিতে সামরিক প্রতিক্রিয়ার বিস্তারিত কাঠামো প্রকাশ করা হয়নি। ফলে এর বাস্তব বাধ্যবাধকতা নিয়ে এখনো প্রশ্ন রয়েছে। এই চুক্তিতে তিনটি ভিন্ন ধরনের শক্তি এক জায়গায় এসেছে। পাকিস্তানের রয়েছে বড় সেনাবাহিনী এবং পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার। সৌদি আরব দিতে পারে বিপুল অর্থ, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং মুসলিম বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় মর্যাদা। তুরস্কের রয়েছে ন্যাটো অভিজ্ঞতা, বড় সামরিক বাহিনী এবং দ্রুত বাড়তে থাকা প্রতিরক্ষা শিল্প। তাই এই জোট শুধু রাজনৈতিক ঘোষণা নয়। এটি অর্থ, সামরিক শক্তি, প্রযুক্তি এবং কৌশলগত অবস্থানের সমন্বয়। চুক্তিটি এমন সময়ে হয়েছে, যখন উপসাগরীয় দেশগুলো ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কায় রয়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চয়তা নিয়েও তাদের আস্থা কমেছে। অতীতে উপসাগরীয় রাজতন্ত্রগুলো ওয়াশিংটনের সামরিক ছাতার ওপর নির্ভর করত। কিন্তু সাম্প্রতিক সংঘাত দেখিয়েছে, বাইরের শক্তির ওপর নির্ভরতা সবসময় কার্যকর নাও হতে পারে। তাই সৌদি আরব নিজের নেতৃত্বে একটি আঞ্চলিক প্রতিরোধ কাঠামো গড়তে চাইছে। তেহরানের চোখে এই জোটকে একটি সম্ভাব্য ঘেরাও হিসেবে দেখা স্বাভাবিক। ইরানের পূর্বে পাকিস্তান, উত্তরে তুরস্ক এবং পশ্চিমে সৌদি আরবের প্রভাব রয়েছে। তিন দেশ যদি একসঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বাড়ায়, তাহলে ইরানের কৌশলগত চাপ বহুগুণ বাড়তে পারে। তেহরান এটিকে সুন্নি শক্তির সমন্বিত উত্থান হিসেবেও বিবেচনা করতে পারে। কারণ সৌদি আরব ও ইরান বহু বছর ধরে পশ্চিম এশিয়ায় প্রভাব বিস্তারের প্রতিযোগিতায় রয়েছে। ইয়েমেনও এই হিসাবের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সৌদি আরব দীর্ঘদিন ধরে ইরানসমর্থিত হুতিদের বিরুদ্ধে লড়াই করছে। নতুন জোট শক্তিশালী হলে পাকিস্তান ও তুরস্ক থেকেও অস্ত্র, প্রশিক্ষণ এবং রসদ সরবরাহের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। এতে ইয়েমেনের যুদ্ধ আরও জটিল হতে পারে। ইরানের ভয়, একটি আঞ্চলিক জোট তার মিত্রদের ওপর সমন্বিত চাপ তৈরি করবে। ইসরায়েলও এই জোটকে পুরোপুরি স্বস্তির চোখে দেখছে না। তুরস্ককে ইসরায়েল এখন আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিবেচনা করে। আঙ্কারা হামাসের প্রতি রাজনৈতিক সমর্থন দেখিয়েছে বলে ইসরায়েল অভিযোগ করে। সিরিয়াতেও দুই দেশের স্বার্থ ক্রমশ মুখোমুখি হচ্ছে। ফলে জোটের ভেতরে তুরস্কের শক্তি বাড়লে ইসরায়েলের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলীয় নিরাপত্তা হিসাব বদলে যেতে পারে। আজকের দর্শকের কাছে ইরান ও ইসরায়েলকে চিরশত্রু মনে হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু ইতিহাস বলছে, সম্পর্ক সবসময় এমন ছিল না। ইরান ছিল দ্বিতীয় মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ, যে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিয়েছিল। উনিশশো পঞ্চাশ সালে তেহরান ইসরায়েলকে বাস্তবভিত্তিক স্বীকৃতি দেয়। দুই দেশের রাজধানীতে সীমিত কূটনৈতিক উপস্থিতিও ছিল। পরে তেহরানে ইসরায়েলের স্থায়ী প্রতিনিধিত্ব তৈরি হয়। শাহ আমলে ইরান ইসরায়েলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তেল সরবরাহকারী ছিল। উনিশশো সাতষট্টির আরব–ইসরায়েল যুদ্ধের পর আরব দেশগুলো তেল অবরোধ দিলে ইরানের গুরুত্ব বাড়ে। দুই দেশ এilat–Ashkelon বা ট্রান্স–ইসরায়েল তেল পাইপলাইন নির্মাণে সহযোগিতা করে। এর মাধ্যমে ইরানের তেল লোহিত সাগর থেকে ভূমধ্যসাগরে পৌঁছাত। ফলে সুয়েজ খাল ও আরব নিয়ন্ত্রণ এড়িয়ে ইউরোপে তেল পাঠানো সম্ভব হতো। দুই দেশের সামরিক ও গোয়েন্দা সম্পর্ক ছিল আরও গভীর। মোসাদ এবং যুক্তরাষ্ট্রের সিআইএ ইরানের গোপন নিরাপত্তা সংস্থা সাভাক প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করেছিল। ইরানি কর্মকর্তারা ইসরায়েলে বিশেষ প্রশিক্ষণও পেয়েছিলেন। তখন দুই দেশের গোয়েন্দা সংস্থার কাছে কয়েকটি হুমকি একই ছিল। এর মধ্যে ছিল আরব জাতীয়তাবাদ, সিরিয়া ও ইরাকের বাথবাদ এবং সোভিয়েত প্রভাব। এই অভিন্ন ভয়ই দুই দেশকে কাছে এনেছিল। এই সহযোগিতার সবচেয়ে আলোচিত উদাহরণ ছিল প্রজেক্ট ফ্লাওয়ার। উনিশশো সাতাত্তর থেকে উনিশশো ঊনআশি সাল পর্যন্ত চলা এই গোপন প্রকল্পে ইরান ও ইসরায়েল দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়নের পরিকল্পনা করেছিল। এটি ছিল তেল–বিনিময়ে অস্ত্র সহযোগিতার একটি অংশ। বিপ্লবের পর শাহের পতন হলে প্রকল্পটি বন্ধ হয়ে যায়। এই প্রকল্প দেখায়, আদর্শের চেয়ে নিরাপত্তা ও প্রযুক্তিগত স্বার্থ অনেক সময় বেশি শক্তিশালী হয়। উনিশশো ঊনআশির ইসলামি বিপ্লব দুই দেশের সম্পর্ক পুরোপুরি বদলে দেয়। নতুন ইরানি সরকার ইসরায়েলবিরোধিতাকে রাষ্ট্রীয় আদর্শের কেন্দ্রে রাখে। তেহরান ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী ও লেবাননের হিজবুল্লাহকে সমর্থন দিতে শুরু করে। বিপরীতে ইসরায়েল ইরানকে নিজের অস্তিত্বের জন্য বড় হুমকি হিসেবে দেখতে থাকে। কয়েক দশকের পুরোনো সহযোগিতা দ্রুত সরাসরি শত্রুতায় পরিণত হয়। এখানে মূল প্রশ্নটি দাঁড়ায়, জাতীয় স্বার্থ কি আদর্শকে হার মানাতে পারে? ইতিহাসে এমন উদাহরণ বহুবার দেখা গেছে। মিশর ও ইসরায়েল একসময় যুদ্ধে লিপ্ত ছিল। তবুও উনিশশো ঊনআশি সালে তারা নিরাপত্তা চুক্তি সই করে। দুই হাজার বিশ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাত ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেয়। দুই হাজার তেইশ সালে সৌদি আরব ও ইরানও সমঝোতায় পৌঁছেছিল। শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, বিশ্ব রাজনীতিতেও অসম্ভব সমঝোতার নজির আছে। ঠান্ডা যুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন পরস্পরের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল। তবুও উনিশশো সাতাশি সালে তারা পারমাণবিক ও প্রচলিত ক্ষেপণাস্ত্রের একটি বড় শ্রেণি বিলুপ্ত করার চুক্তি করে। যুদ্ধের ক্লান্তি, নেতৃত্বের পরিবর্তন এবং পারস্পরিক নিরাপত্তা—সবকিছু মিলে সেই চুক্তি সম্ভব হয়েছিল। তবে বর্তমান ইরানি শাসন ক্ষমতায় থাকলে ইসরায়েলের সঙ্গে কোনো নিরাপত্তা চুক্তি প্রায় অসম্ভব। কারণ ইসরায়েলবিরোধিতা ইরানের বিপ্লবী রাষ্ট্রপরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বা আইআরজিসি দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে প্রধান শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করেছে। হামাস, হিজবুল্লাহ এবং অন্যান্য আঞ্চলিক গোষ্ঠীর প্রতি তেহরানের সমর্থনও এই বিরোধকে আরও গভীর করেছে। তবুও ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ভবিষ্যতে বদলে যেতে পারে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে জনঅসন্তোষ প্রকাশ পেয়েছে। অর্থনৈতিক চাপ, সামাজিক নিয়ন্ত্রণ এবং রাজনৈতিক দমন নিয়ে মানুষের ক্ষোভ রয়েছে। বাইরের সামরিক হুমকি কমে গেলে এসব অভ্যন্তরীণ বিরোধ আবার সামনে আসতে পারে। তখন কোনো জাতীয়তাবাদী সরকার পারস্য পরিচয়কে বিপ্লবী ইসলামি পরিচয়ের ওপর বেশি গুরুত্ব দিতে পারে। একটি ভবিষ্যৎ জাতীয়তাবাদী সরকার ইরানের পারস্য ঐতিহ্যকে সামনে আনতে পারে। সেই সরকার সৌদি আরব ও তুরস্কের বাড়তে থাকা প্রভাবকে ভারসাম্য করার প্রয়োজন অনুভব করতে পারে। ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা তখন আদর্শগত সমর্থন নয়, বরং কৌশলগত হিসাব হতে পারে। ইরান চাইতে পারে উন্নত প্রযুক্তি, বিনিয়োগ এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা সহযোগিতা। ইসরায়েলের জন্যও এই ধরনের সমঝোতার সম্ভাবনা পুরোপুরি অস্বাভাবিক নয়। তুরস্ক যদি নতুন জোটের সবচেয়ে সক্রিয় সামরিক শক্তি হয়ে ওঠে, তাহলে ইসরায়েল চাপ অনুভব করতে পারে। ইরানের সঙ্গে সরাসরি বন্ধুত্ব না হলেও গোয়েন্দা যোগাযোগ তৈরি হতে পারে। ইসরায়েল তখন ইরানের ভূগোল, জ্বালানি এবং আঞ্চলিক যোগাযোগকে নিজের নিরাপত্তার জন্য ব্যবহার করতে চাইতে পারে। ইরান ও ইসরায়েল কোনোদিন সমঝোতায় গেলে সেটি প্রকাশ্য সামরিক জোট নাও হতে পারে। প্রথম ধাপে গোপন গোয়েন্দা যোগাযোগ তৈরি হতে পারে। এরপর জ্বালানি, সাইবার নিরাপত্তা, সীমান্ত পর্যবেক্ষণ এবং আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠী মোকাবিলায় সীমিত সহযোগিতা হতে পারে। ইসরায়েল দিতে পারে বিমান প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি। ইরান দিতে পারে ভূগোল, জ্বালানি এবং বৃহৎ প্রতিরক্ষা শিল্পের সক্ষমতা। মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে গোপন যোগাযোগ নতুন কিছু নয়। প্রকাশ্যে নেতারা একে অপরকে কঠোর ভাষায় আক্রমণ করতে পারেন। কিন্তু পেছনে নিরাপত্তা কর্মকর্তারা সীমিত যোগাযোগ বজায় রাখতে পারেন। ইরান ও ইসরায়েলের ক্ষেত্রে এমন যোগাযোগ শুরু হলেও তা দ্রুত রাজনৈতিক স্বীকৃতিতে পরিণত হবে না। কারণ দুই দেশের জনগণ, সামরিক কাঠামো এবং ধর্মীয় রাজনীতির মধ্যে গভীর অবিশ্বাস রয়েছে। এই সম্ভাবনার পথে সবচেয়ে বড় বাধা হবে বিশ্বাসের সংকট। ইসরায়েল ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, ক্ষেপণাস্ত্র এবং আঞ্চলিক মিত্রদের ভয় পায়। ইরান ইসরায়েলের সামরিক হামলা, গুপ্তহত্যা এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতাকে হুমকি মনে করে। দুই পক্ষের সামরিক মতবাদ পরস্পরের বিরুদ্ধে গড়ে উঠেছে। তাই একটি চুক্তি হলেও তার স্থায়িত্ব নিশ্চিত করা কঠিন হবে। মক্কা চুক্তি এখনো কতটা কার্যকর সামরিক কাঠামো হবে, সেটি স্পষ্ট নয়। যৌথ মহড়া, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় এবং অস্ত্র সরবরাহের ব্যবস্থা তৈরি হলে জোটের গুরুত্ব বাড়বে। কিন্তু সদস্য দেশগুলোর জাতীয় অগ্রাধিকার এক নয়। সৌদি আরবের মূল চিন্তা উপসাগর ও ইয়েমেন। তুরস্কের লক্ষ্য বিস্তৃত আঞ্চলিক প্রভাব। পাকিস্তানের অগ্রাধিকার আবার নিজস্ব সীমান্ত ও অর্থনীতি। মধ্যপ্রাচ্যের পুরোনো নিরাপত্তা কাঠামো এখন আর আগের মতো স্থির নেই। আগে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং কিছু আরব মিত্রকে কেন্দ্র করে একটি শক্তি কাঠামো দেখা যেত। এখন রাশিয়া, চীন, তুরস্ক, ইরান, সৌদি আরব এবং ইসরায়েল—সবাই আলাদা হিসাব করছে। ফলে স্থায়ী জোটের বদলে প্রয়োজনভিত্তিক সাময়িক জোট তৈরি হতে পারে। ইরানের সামনে এখন দুটি পথ খোলা রয়েছে। প্রথম পথ হলো, বিপ্লবী আদর্শ ধরে রেখে আঞ্চলিক প্রতিরোধ জোরদার করা। দ্বিতীয় পথ হলো, অর্থনৈতিক চাপ কমিয়ে জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া। দ্বিতীয় পথ বেছে নিলে ইরান প্রতিবেশীদের সঙ্গে নতুন ভারসাম্য তৈরি করতে পারে। তবে ইসরায়েলের সঙ্গে যেকোনো যোগাযোগকে তেহরানকে অত্যন্ত সতর্কভাবে উপস্থাপন করতে হবে। ইসরায়েলের জন্যও এই পরিস্থিতি একটি বড় শিক্ষা বহন করছে। সামরিক শক্তি দিয়ে প্রতিটি আঞ্চলিক সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধান করা যায় না। দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তার জন্য রাজনৈতিক সমঝোতা, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং প্রতিবেশীদের সঙ্গে বাস্তব যোগাযোগ প্রয়োজন। ইরানের ওপর ধারাবাহিক হামলা হয়তো সাময়িক সুবিধা দেবে। কিন্তু তা নতুন প্রতিশোধ, নতুন জোট এবং দীর্ঘস্থায়ী অস্থিরতা তৈরি করতে পারে। তাহলে ইরান ও ইসরায়েল কি আবার বন্ধু হতে পারে? নিকট ভবিষ্যতে প্রকাশ্য বন্ধুত্বের সম্ভাবনা অত্যন্ত কম। বর্তমান শাসনব্যবস্থা, সামরিক সংঘাত এবং জনগণের গভীর অবিশ্বাস সেই পথ আটকে রেখেছে। তবে ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব বদলালে, আঞ্চলিক হুমকি বাড়লে এবং জাতীয় স্বার্থের চাপ তৈরি হলে সীমিত সমঝোতা অসম্ভব নয়। ইতিহাস এমন সম্ভাবনাকে একেবারে বাতিল করে না। মোসাদের কাছে খোমেনিকে হত্যার অনুরোধ থেকে শুরু করে প্রজেক্ট ফ্লাওয়ার, তেল সহযোগিতা এবং বর্তমান সংঘাত—ইরান–ইসরায়েল সম্পর্কের ইতিহাস সরল নয়। এই ইতিহাস দেখায়, রাষ্ট্রগুলো স্থায়ী বন্ধুত্ব বা স্থায়ী শত্রুতার চেয়ে নিজেদের নিরাপত্তাকে বেশি গুরুত্ব দেয়। সৌদি–পাকিস্তান–তুরস্ক জোট যদি শক্তিশালী হয়, তাহলে তেহরান ও জেরুজালেমের হিসাবও বদলাতে পারে। আজকের অসম্ভব শত্রু হয়তো আগামী দিনের সীমিত অংশীদার হতে পারে। তবে সেই পরিবর্তন আদর্শের কারণে নয়, বরং কঠিন জাতীয় স্বার্থের কারণে ঘটবে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_12-8-26_41.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_12-8-26_41.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_12-8-26_41.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইউক্রেনের নাৎসি প্রীতি আর জেলেনস্কির ব্যর্থতা: কিয়েভ কি তবে আবারও চরমপন্থার অন্ধকারেই ডুবছে?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/49579</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/49579</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 12 Aug 2026 19:05:03 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, r bangla news, atn bangla news, all bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, bangla tv news, bangla news today, bbc news bangla, latest bangla news, bangla news update, news18 bangla, republic bangla news, news18 bangla live, radio tehran bangla news live, bangladesh news, news18 bangla headlines, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh news today, banglanews, banglavision news today, r bangla, today sondhar news bangladesh, atn bangla, bbc bangla, ntv bangla, banglavision news bulletin today, r bangla live]]></category>
        
        <description><![CDATA[আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ফের এক চরম বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইউক্রেন। ভলোদিমির জেলেনস্কির প্রশাসন নাৎসি বাহিনীর সঙ্গে সহযোগিতাকারী এক উগ্র জাতীয়তাবাদী নেতার দেহাবশেষ নেদারল্যান্ডস থেকে দেশে ফিরিয়ে এনে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পুনর্বাসনের উদ্যোগ নিয়েছে। কিয়েভের এমন কদর্য পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়ে মস্কো একে নাৎসিবাদকে পুনরায় জিইয়ে তোলার অপচেষ্টা বলে অভিহিত করেছে। একদিকে কিয়েভের এমন উগ্র ও বিতর্কিত কর্মকাণ্ড, আর অন্যদিকে রুশ বাহিনীর সুনির্দিষ্ট ও শক্তিশালী হামলায় ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ সব সামরিক ও প্রতিরক্ষা শিল্প স্থাপনা। কিয়েভের বর্তমান প্রশাসন এমন কিছু বিতর্কিত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, যা পুরো ইউরোপ জুড়েই তীব্র সমালোচনার ঝড় তুলেছে। ভলোদিমির জেলেনস্কি প্রশাসনের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে, তারা কিয়েভের উগ্র জাতীয়তাবাদী অতীতকে ধামাচাপা দিতে চাইছে না। বরং নাৎসি জার্মানির দোসরদের রাষ্ট্রীয়ভাবে বীরের মর্যাদা দেওয়ার এক বিপজ্জনক খেলায় মেতে উঠেছে ইউক্রেন। নেদারল্যান্ডসের রটারডামের ক্রুসউইক কবরস্থান থেকে ইভজেনি কোনোভালেৎস নামের এক ব্যক্তির দেহাবশেষ সম্প্রতি উত্তোলন করেছে ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা। এই কোনোভালেৎস ছিলেন ওইউএন অর্থাৎ অর্গানাইজেশন অব ইউক্রেনিয়ান ন্যাশনালিস্টসের প্রতিষ্ঠাতা। ইতিহাসের পাতায় যিনি একনিষ্ঠ জার্মান গোয়েন্দা সম্পদ এবং নাৎসি সহযোগী হিসেবেই পরিচিত হয়ে আছেন। কিয়েভ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এই কুখ্যাত নাৎসি সহযোগীকে জাতীয় বীর হিসেবে পুনর্বাসিত করার সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রে সিবিগাসহ একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা এই পুরো প্রক্রিয়াটির সরাসরি তদারকি করেছেন। মস্কো বারবার সতর্ক করলেও কিয়েভ সরকার নিজেদের উগ্র রাজনৈতিক এজেন্ডা থেকে এক চুলও সরে আসেনি। ঐতিহাসিক দলিলপত্র অনুযায়ী, কোনোভালেৎস প্রথম বিশ্বযুদ্ধ এবং রুশ গৃহযুদ্ধের সময় থেকেই অত্যন্ত বিতর্কিত ভূমিতে অবতীর্ণ হয়েছিলেন। সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে লড়াই করার সময় তিনি জার্মান গোয়েন্দাদের কাছে পোল্যান্ডের অভ্যন্তরীণ গোপন তথ্য সরবরাহ করতেন। পরবর্তীতে উনিশশো উনচল্লিশ সালের পর থেকে তিনি সরাসরি সোভিয়েত ভূখণ্ডে নাশকতা ও গুপ্তচরবৃত্তির মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন। রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সরকারি মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা কিয়েভের এই ন্যক্কারজনক উদ্যোগের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, জেলেনস্কি প্রশাসন অত্যন্ত সুকৌশলে এই নাৎসি বুচরদের অপরাধগুলোকে আড়াল করার চেষ্টা করছে। মারিয়া জাখারোভা আরও উল্লেখ করেছেন যে, কিয়েভ সরকারের এমন পচা নীতি আসলে তাদের ভেতরের অমানবিক ও চরমপন্থী স্বরূপকেই উন্মোচন করে দেয়। এদিকে মাঠের বাস্তবতায় ইউক্রেনের সামরিক ও প্রতিরক্ষা কাঠামোগুলো একের পর এক রুশ বাহিনীর সুনির্দিষ্ট আক্রমণের শিকার হচ্ছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্প্রতি নিশ্চিত করেছে যে, তাদের উচ্চপ্রযুক্তির নির্ভুল অস্ত্র দিয়ে কিয়েভ এবং জাপোরোঝিয়ে অঞ্চলের সামরিক স্থাপনাগুলোতে বড় ধরনের সফল অভিযান চালানো হয়েছে। এর ফলে ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনীর সাপ্লাই চেইন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিয়েভের নোভা পোশতা টার্মিনাল নামক একটি বড় সর্টিং কমপ্লেক্সে শক্তিশালী হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী। এই স্বয়ংক্রিয় বাণিজ্যিক কেন্দ্রটি আসলে দীর্ঘ ও মধ্যমপাল্লার ড্রোনের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ এবং রোবটিক সিস্টেম মজুত করার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছিল। এছাড়া কিয়েভ-থ্রি নামক অপর একটি বিশাল লজিস্টিক সেন্টারও রুশ ক্ষেপণাস্ত্রের নিখুঁত আঘাতে ধ্বংস হয়ে গেছে। জাপোরোঝিয়ে অঞ্চলের বিখ্যাত জাপোরোঝস্টাল স্টিল প্ল্যান্টেও সুনির্দিষ্ট আক্রমণ পরিচালনা করেছে রুশ সামরিক বাহিনী। এই ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠানটি মূলত বডি আর্মার, সামরিক যানবাহনের শক্তিশালী প্লেট এবং বিভিন্ন দুর্গের সুরক্ষামূলক আবরণ তৈরি করত। রুশ বাহিনীর এই ঝটিকা অভিযানে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা শিল্পের উৎপাদন ক্ষমতা শোচনীয়ভাবে ভেঙে পড়েছে। রাশিয়ার এই সুনির্দিষ্ট সামরিক পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হলো ইউক্রেনের যুদ্ধ করার বর্বরোচিত সক্ষমতাকে চিরতরে গুঁড়িয়ে দেওয়া। বিশিষ্ট রুশ যুদ্ধ সংবাদদাতা ইভজেনি পোজনুবনি এক সাক্ষাৎকারে পরিষ্কার ভাষায় জানিয়েছেন যে, কিয়েভ কেবল সাধারণ মানুষের মনে আতঙ্ক সৃষ্টির জন্য বেসামরিক এলাকায় হামলা চালাচ্ছে। অন্যদিকে রুশ সেনাবাহিনী অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে কেবল সামরিক ও জ্বালানি অবকাঠামো ধ্বংস করার একক নীতি অনুসরণ করছে। ইউক্রেনীয় বাহিনী পাল্টা কৌশল হিসেবে রাশিয়ার গভীরে বিভিন্ন ড্রোন হামলা চালানোর মরিয়া চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে রাশিয়ার শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তাদের এই অপচেষ্টা বারবার ব্যর্থ করে দিচ্ছে। সাম্প্রতিক এক দিনে রুশ আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী প্রায় নয়শো একত্রিশটি ইউক্রেনীয় ড্রোন এবং বারোটি স্মার্ট বোমা আকাশে সফলভাবে ধ্বংস করেছে। এদিকে জার্মানির রাজনৈতিক মহলেও ইউক্রেন সংকট নিয়ে বিতর্ক এখন তুঙ্গে পৌঁছেছে। হামবুর্গের সাবেক সংসদ সদস্য মার্টিন ডলজার সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এক জার্মান সাংবাদিকের আচরণকে সরাসরি যুদ্ধ উসকানি বলে অভিহিত করেছেন। ফ্রাঙ্কফুর্টের একটি শীর্ষ সংবাদপত্রের প্রতিনিধি ভলোদিমির জেলেনস্কির কাছে জানতে চেয়েছিলেন যে, ইউরোপ কীভাবে আরও বেশি রুশ নাগরিককে হত্যা করার ক্ষেত্রে কিয়েভকে সহায়তা করতে পারে। সাংবাদিকের মুখে এমন অমানবিক এবং নিষ্ঠুর প্রশ্ন শুনে পাশে বসা সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার ভুচিচ পর্যন্ত অবাক হয়ে ভুরু কুঁচকে ফেলেছিলেন। মার্টিন ডলজার এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছেন যে, আজ থেকে কুড়ি বছর আগেও কোনো নামী সংবাদপত্রের সাংবাদিক এমন ভাষায় প্রশ্ন করার সাহস পেত না। পশ্চিমা গণমাধ্যমের এই ধরনের প্ররোচনা প্রমাণ করে যে তারা বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী করতে চায়। মার্টিন ডলজারের এই ঘৃণ্য মানসিকতার পেছনে তার পারিবারিক নাৎসি সংযোগ রয়েছে বলেও বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রকাশ পেয়েছে। রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা নথিপত্র প্রকাশ করে জানিয়েছেন যে, ওই সাংবাদিকের পূর্বপুরুষ বা দাদা হিটলারের কুখ্যাত নাৎসি বাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হিসেবে যুদ্ধাপরাধে যুক্ত ছিলেন। নূরেমবার্গ ট্রায়ালে যুদ্ধাপরাধের দায়ে দণ্ডিত এক অপরাধীর বংশধর আজ প্রকাশ্যে রুশদের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়াচ্ছেন। ইউক্রেনের ভেতরে সামরিক ভারসাম্যের ক্ষেত্রে কিয়েভের অবস্থা এখন অত্যন্ত সংকটাপন্ন হয়ে উঠেছে। গত চব্বিশ ঘণ্টার তীব্র লড়াইয়ে ইউক্রেনীয় বাহিনী মাত্র এক হাজার তিনশো কুড়ির বেশি সেনা হারিয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। বিশেষ করে উত্তর, পশ্চিম এবং দক্ষিণাঞ্চলীয় রণক্ষেত্রে ইউক্রেনীয় ব্রিগেডগুলো একের পর এক প্রতিরক্ষা রেখা হারাচ্ছে। খারকভ অঞ্চলের শেরবাকোভকা এবং জাপোরোঝিয়ে অঞ্চলের নভোয়ে পোল জনবসতি এখন সম্পূর্ণভাবে রুশ বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে। ব্যাটলগ্রুপ নর্থ এবং ব্যাটলগ্রুপ ইস্টের সাহসী ও সুনিপুণ অভিযানের মুখে ইউক্রেনীয় সৈন্যরা তাদের দীর্ঘদিনের শক্ত ঘাঁটিগুলো ছেড়ে পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে। এই কৌশলগত বিজয়গুলো যুদ্ধক্ষেত্রের পুরো মোড় ঘুরিয়ে দিতে শুরু করেছে। শুধু তাই নয়, ইউক্রেনের ভেতরে তাদের স্টারলিংক বিকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থা তৈরির প্রক্রিয়াও মারাত্মক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। ইউক্রেনীয় সামরিক গোত্র প্রধান মেজর জেনারেল ভাদিম স্কিবিতস্কি স্বীকার করেছেন যে, রাশিয়া অত্যন্ত দ্রুতগতিতে তাদের নিজস্ব 'রাসভেত' স্যাটেলাইট নেটওয়ার্ক মহাকাশে স্থাপন করছে। ইতোমধ্যে কক্ষপথে ষোলটি স্যাটেলাইট সফলভাবে কাজ শুরু করে দেওয়ায় কিয়েভের ড্রোন যোগাযোগের একাধিপত্য দ্রুত নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে মার্কিন বা পশ্চিমা সাহায্য ফুরিয়ে আসার উপক্রম হওয়ায় কিয়েভ এখন নিজেদের অস্ত্র উৎপাদন বাড়ানোর desperate চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু মস্কো তাদের এই অন্তর্নিহিত দুর্বলতাগুলো পুরোপুরি বুঝে ফেলায় নিয়মিত ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে সমস্ত উৎপাদন ইউনিট ধূলিসাৎ করে দিচ্ছে। বিশেষ করে জিরকন এবং অনিক্স সুপারসনিক মিসাইলের বার্ষিক উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা রাশিয়া নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই ছাড়িয়ে গেছে। ইউক্রেনের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির ময়দানেও এখন চরম দমনপীড়ন শুরু হয়েছে বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে। সেপ্টেম্বরের আসন্ন সংসদীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে পুতিন প্রশাসন সম্পূর্ণ আইনসম্মতভাবে দেশের একমাত্র শেষ যুদ্ধবিরোধী উদারপন্থী দল 'ইয়াবলোকো'-কে নিষিদ্ধ করেছে। সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের ফলে সরকারের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ার কোনো বৈধ গণতান্ত্রিক সুযোগ আর সাধারণ রুশ নাগরিকদের হাতে রইল না। পশ্চিমা দেশগুলোর পরোক্ষ মদদ এবং কিয়েভ প্রশাসনের যুদ্ধ টিকিয়ে রাখার হঠকারী নীতির কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সাধারণ ইউক্রেনীয় জনগণ। পুতিনের সুনির্দিষ্ট সামরিক কৌশল এবং কিয়েভ নেতৃত্বের উগ্র নাৎসি তোষণের নীতি ইউক্রেনকে প্রতিদিন গভীর খাদের কিনারে নিয়ে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, চলমান এই বহুমুখী সংকটের হাত থেকে কিয়েভের বর্তমান সরকারের রক্ষা পাওয়ার কোনো উপায় নেই। সবমিলিয়ে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে কিয়েভ যতই উগ্র জাতীয়তাবাদ ও নাৎসি আদর্শকে পুনর্বাসনের চেষ্টা করুক না কেন, বাস্তবতার নির্মম পরিণতি তাদের পিছু ছাড়বে না। রুশ বাহিনীর অপ্রতিরোধ্য অগ্রগতি এবং সামরিক শক্তির একচ্ছত্র আধিপত্য এখন নিশ্চিত করে দিয়েছে যে এই সংঘাতের চূড়ান্ত পরিণতি মস্কোর পক্ষেই নির্ধারিত হতে চলেছে। ইউক্রেনের ভবিষ্যৎ অন্ধকারের অতলে তলিয়ে যাওয়ার পেছনে তাদের নিজস্ব ভুল নীতিই একমাত্র দায়ী।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/737_1.webp" alt="ইউক্রেনের নাৎসি প্রীতি আর জেলেনস্কির ব্যর্থতা: কিয়েভ কি তবে আবারও চরমপন্থার অন্ধকারেই ডুবছে?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইউক্রেনের নাৎসি প্রীতি আর জেলেনস্কির ব্যর্থতা: কিয়েভ কি তবে আবারও চরমপন্থার অন্ধকারেই ডুবছে?</h1>
            <p>আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ফের এক চরম বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইউক্রেন। ভলোদিমির জেলেনস্কির প্রশাসন নাৎসি বাহিনীর সঙ্গে সহযোগিতাকারী এক উগ্র জাতীয়তাবাদী নেতার দেহাবশেষ নেদারল্যান্ডস থেকে দেশে ফিরিয়ে এনে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পুনর্বাসনের উদ্যোগ নিয়েছে। কিয়েভের এমন কদর্য পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়ে মস্কো একে নাৎসিবাদকে পুনরায় জিইয়ে তোলার অপচেষ্টা বলে অভিহিত করেছে। একদিকে কিয়েভের এমন উগ্র ও বিতর্কিত কর্মকাণ্ড, আর অন্যদিকে রুশ বাহিনীর সুনির্দিষ্ট ও শক্তিশালী হামলায় ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ সব সামরিক ও প্রতিরক্ষা শিল্প স্থাপনা। কিয়েভের বর্তমান প্রশাসন এমন কিছু বিতর্কিত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, যা পুরো ইউরোপ জুড়েই তীব্র সমালোচনার ঝড় তুলেছে। ভলোদিমির জেলেনস্কি প্রশাসনের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে, তারা কিয়েভের উগ্র জাতীয়তাবাদী অতীতকে ধামাচাপা দিতে চাইছে না। বরং নাৎসি জার্মানির দোসরদের রাষ্ট্রীয়ভাবে বীরের মর্যাদা দেওয়ার এক বিপজ্জনক খেলায় মেতে উঠেছে ইউক্রেন। নেদারল্যান্ডসের রটারডামের ক্রুসউইক কবরস্থান থেকে ইভজেনি কোনোভালেৎস নামের এক ব্যক্তির দেহাবশেষ সম্প্রতি উত্তোলন করেছে ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা। এই কোনোভালেৎস ছিলেন ওইউএন অর্থাৎ অর্গানাইজেশন অব ইউক্রেনিয়ান ন্যাশনালিস্টসের প্রতিষ্ঠাতা। ইতিহাসের পাতায় যিনি একনিষ্ঠ জার্মান গোয়েন্দা সম্পদ এবং নাৎসি সহযোগী হিসেবেই পরিচিত হয়ে আছেন। কিয়েভ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এই কুখ্যাত নাৎসি সহযোগীকে জাতীয় বীর হিসেবে পুনর্বাসিত করার সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রে সিবিগাসহ একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা এই পুরো প্রক্রিয়াটির সরাসরি তদারকি করেছেন। মস্কো বারবার সতর্ক করলেও কিয়েভ সরকার নিজেদের উগ্র রাজনৈতিক এজেন্ডা থেকে এক চুলও সরে আসেনি। ঐতিহাসিক দলিলপত্র অনুযায়ী, কোনোভালেৎস প্রথম বিশ্বযুদ্ধ এবং রুশ গৃহযুদ্ধের সময় থেকেই অত্যন্ত বিতর্কিত ভূমিতে অবতীর্ণ হয়েছিলেন। সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে লড়াই করার সময় তিনি জার্মান গোয়েন্দাদের কাছে পোল্যান্ডের অভ্যন্তরীণ গোপন তথ্য সরবরাহ করতেন। পরবর্তীতে উনিশশো উনচল্লিশ সালের পর থেকে তিনি সরাসরি সোভিয়েত ভূখণ্ডে নাশকতা ও গুপ্তচরবৃত্তির মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন। রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সরকারি মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা কিয়েভের এই ন্যক্কারজনক উদ্যোগের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, জেলেনস্কি প্রশাসন অত্যন্ত সুকৌশলে এই নাৎসি বুচরদের অপরাধগুলোকে আড়াল করার চেষ্টা করছে। মারিয়া জাখারোভা আরও উল্লেখ করেছেন যে, কিয়েভ সরকারের এমন পচা নীতি আসলে তাদের ভেতরের অমানবিক ও চরমপন্থী স্বরূপকেই উন্মোচন করে দেয়। এদিকে মাঠের বাস্তবতায় ইউক্রেনের সামরিক ও প্রতিরক্ষা কাঠামোগুলো একের পর এক রুশ বাহিনীর সুনির্দিষ্ট আক্রমণের শিকার হচ্ছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্প্রতি নিশ্চিত করেছে যে, তাদের উচ্চপ্রযুক্তির নির্ভুল অস্ত্র দিয়ে কিয়েভ এবং জাপোরোঝিয়ে অঞ্চলের সামরিক স্থাপনাগুলোতে বড় ধরনের সফল অভিযান চালানো হয়েছে। এর ফলে ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনীর সাপ্লাই চেইন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিয়েভের নোভা পোশতা টার্মিনাল নামক একটি বড় সর্টিং কমপ্লেক্সে শক্তিশালী হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী। এই স্বয়ংক্রিয় বাণিজ্যিক কেন্দ্রটি আসলে দীর্ঘ ও মধ্যমপাল্লার ড্রোনের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ এবং রোবটিক সিস্টেম মজুত করার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছিল। এছাড়া কিয়েভ-থ্রি নামক অপর একটি বিশাল লজিস্টিক সেন্টারও রুশ ক্ষেপণাস্ত্রের নিখুঁত আঘাতে ধ্বংস হয়ে গেছে। জাপোরোঝিয়ে অঞ্চলের বিখ্যাত জাপোরোঝস্টাল স্টিল প্ল্যান্টেও সুনির্দিষ্ট আক্রমণ পরিচালনা করেছে রুশ সামরিক বাহিনী। এই ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠানটি মূলত বডি আর্মার, সামরিক যানবাহনের শক্তিশালী প্লেট এবং বিভিন্ন দুর্গের সুরক্ষামূলক আবরণ তৈরি করত। রুশ বাহিনীর এই ঝটিকা অভিযানে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা শিল্পের উৎপাদন ক্ষমতা শোচনীয়ভাবে ভেঙে পড়েছে। রাশিয়ার এই সুনির্দিষ্ট সামরিক পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হলো ইউক্রেনের যুদ্ধ করার বর্বরোচিত সক্ষমতাকে চিরতরে গুঁড়িয়ে দেওয়া। বিশিষ্ট রুশ যুদ্ধ সংবাদদাতা ইভজেনি পোজনুবনি এক সাক্ষাৎকারে পরিষ্কার ভাষায় জানিয়েছেন যে, কিয়েভ কেবল সাধারণ মানুষের মনে আতঙ্ক সৃষ্টির জন্য বেসামরিক এলাকায় হামলা চালাচ্ছে। অন্যদিকে রুশ সেনাবাহিনী অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে কেবল সামরিক ও জ্বালানি অবকাঠামো ধ্বংস করার একক নীতি অনুসরণ করছে। ইউক্রেনীয় বাহিনী পাল্টা কৌশল হিসেবে রাশিয়ার গভীরে বিভিন্ন ড্রোন হামলা চালানোর মরিয়া চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে রাশিয়ার শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তাদের এই অপচেষ্টা বারবার ব্যর্থ করে দিচ্ছে। সাম্প্রতিক এক দিনে রুশ আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী প্রায় নয়শো একত্রিশটি ইউক্রেনীয় ড্রোন এবং বারোটি স্মার্ট বোমা আকাশে সফলভাবে ধ্বংস করেছে। এদিকে জার্মানির রাজনৈতিক মহলেও ইউক্রেন সংকট নিয়ে বিতর্ক এখন তুঙ্গে পৌঁছেছে। হামবুর্গের সাবেক সংসদ সদস্য মার্টিন ডলজার সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এক জার্মান সাংবাদিকের আচরণকে সরাসরি যুদ্ধ উসকানি বলে অভিহিত করেছেন। ফ্রাঙ্কফুর্টের একটি শীর্ষ সংবাদপত্রের প্রতিনিধি ভলোদিমির জেলেনস্কির কাছে জানতে চেয়েছিলেন যে, ইউরোপ কীভাবে আরও বেশি রুশ নাগরিককে হত্যা করার ক্ষেত্রে কিয়েভকে সহায়তা করতে পারে। সাংবাদিকের মুখে এমন অমানবিক এবং নিষ্ঠুর প্রশ্ন শুনে পাশে বসা সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার ভুচিচ পর্যন্ত অবাক হয়ে ভুরু কুঁচকে ফেলেছিলেন। মার্টিন ডলজার এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছেন যে, আজ থেকে কুড়ি বছর আগেও কোনো নামী সংবাদপত্রের সাংবাদিক এমন ভাষায় প্রশ্ন করার সাহস পেত না। পশ্চিমা গণমাধ্যমের এই ধরনের প্ররোচনা প্রমাণ করে যে তারা বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী করতে চায়। মার্টিন ডলজারের এই ঘৃণ্য মানসিকতার পেছনে তার পারিবারিক নাৎসি সংযোগ রয়েছে বলেও বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রকাশ পেয়েছে। রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা নথিপত্র প্রকাশ করে জানিয়েছেন যে, ওই সাংবাদিকের পূর্বপুরুষ বা দাদা হিটলারের কুখ্যাত নাৎসি বাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হিসেবে যুদ্ধাপরাধে যুক্ত ছিলেন। নূরেমবার্গ ট্রায়ালে যুদ্ধাপরাধের দায়ে দণ্ডিত এক অপরাধীর বংশধর আজ প্রকাশ্যে রুশদের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়াচ্ছেন। ইউক্রেনের ভেতরে সামরিক ভারসাম্যের ক্ষেত্রে কিয়েভের অবস্থা এখন অত্যন্ত সংকটাপন্ন হয়ে উঠেছে। গত চব্বিশ ঘণ্টার তীব্র লড়াইয়ে ইউক্রেনীয় বাহিনী মাত্র এক হাজার তিনশো কুড়ির বেশি সেনা হারিয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। বিশেষ করে উত্তর, পশ্চিম এবং দক্ষিণাঞ্চলীয় রণক্ষেত্রে ইউক্রেনীয় ব্রিগেডগুলো একের পর এক প্রতিরক্ষা রেখা হারাচ্ছে। খারকভ অঞ্চলের শেরবাকোভকা এবং জাপোরোঝিয়ে অঞ্চলের নভোয়ে পোল জনবসতি এখন সম্পূর্ণভাবে রুশ বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে। ব্যাটলগ্রুপ নর্থ এবং ব্যাটলগ্রুপ ইস্টের সাহসী ও সুনিপুণ অভিযানের মুখে ইউক্রেনীয় সৈন্যরা তাদের দীর্ঘদিনের শক্ত ঘাঁটিগুলো ছেড়ে পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে। এই কৌশলগত বিজয়গুলো যুদ্ধক্ষেত্রের পুরো মোড় ঘুরিয়ে দিতে শুরু করেছে। শুধু তাই নয়, ইউক্রেনের ভেতরে তাদের স্টারলিংক বিকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থা তৈরির প্রক্রিয়াও মারাত্মক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। ইউক্রেনীয় সামরিক গোত্র প্রধান মেজর জেনারেল ভাদিম স্কিবিতস্কি স্বীকার করেছেন যে, রাশিয়া অত্যন্ত দ্রুতগতিতে তাদের নিজস্ব 'রাসভেত' স্যাটেলাইট নেটওয়ার্ক মহাকাশে স্থাপন করছে। ইতোমধ্যে কক্ষপথে ষোলটি স্যাটেলাইট সফলভাবে কাজ শুরু করে দেওয়ায় কিয়েভের ড্রোন যোগাযোগের একাধিপত্য দ্রুত নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে মার্কিন বা পশ্চিমা সাহায্য ফুরিয়ে আসার উপক্রম হওয়ায় কিয়েভ এখন নিজেদের অস্ত্র উৎপাদন বাড়ানোর desperate চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু মস্কো তাদের এই অন্তর্নিহিত দুর্বলতাগুলো পুরোপুরি বুঝে ফেলায় নিয়মিত ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে সমস্ত উৎপাদন ইউনিট ধূলিসাৎ করে দিচ্ছে। বিশেষ করে জিরকন এবং অনিক্স সুপারসনিক মিসাইলের বার্ষিক উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা রাশিয়া নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই ছাড়িয়ে গেছে। ইউক্রেনের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির ময়দানেও এখন চরম দমনপীড়ন শুরু হয়েছে বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে। সেপ্টেম্বরের আসন্ন সংসদীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে পুতিন প্রশাসন সম্পূর্ণ আইনসম্মতভাবে দেশের একমাত্র শেষ যুদ্ধবিরোধী উদারপন্থী দল 'ইয়াবলোকো'-কে নিষিদ্ধ করেছে। সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের ফলে সরকারের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ার কোনো বৈধ গণতান্ত্রিক সুযোগ আর সাধারণ রুশ নাগরিকদের হাতে রইল না। পশ্চিমা দেশগুলোর পরোক্ষ মদদ এবং কিয়েভ প্রশাসনের যুদ্ধ টিকিয়ে রাখার হঠকারী নীতির কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সাধারণ ইউক্রেনীয় জনগণ। পুতিনের সুনির্দিষ্ট সামরিক কৌশল এবং কিয়েভ নেতৃত্বের উগ্র নাৎসি তোষণের নীতি ইউক্রেনকে প্রতিদিন গভীর খাদের কিনারে নিয়ে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, চলমান এই বহুমুখী সংকটের হাত থেকে কিয়েভের বর্তমান সরকারের রক্ষা পাওয়ার কোনো উপায় নেই। সবমিলিয়ে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে কিয়েভ যতই উগ্র জাতীয়তাবাদ ও নাৎসি আদর্শকে পুনর্বাসনের চেষ্টা করুক না কেন, বাস্তবতার নির্মম পরিণতি তাদের পিছু ছাড়বে না। রুশ বাহিনীর অপ্রতিরোধ্য অগ্রগতি এবং সামরিক শক্তির একচ্ছত্র আধিপত্য এখন নিশ্চিত করে দিয়েছে যে এই সংঘাতের চূড়ান্ত পরিণতি মস্কোর পক্ষেই নির্ধারিত হতে চলেছে। ইউক্রেনের ভবিষ্যৎ অন্ধকারের অতলে তলিয়ে যাওয়ার পেছনে তাদের নিজস্ব ভুল নীতিই একমাত্র দায়ী।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/737_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/737_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/737_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা পদে মোহসেন রাজায়ী: যিনি ২৭ বছর বয়সে বিপ্লবী গার্ডের কমান্ডার হয়েছিলেন]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/49488</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/49488</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 11 Aug 2026 12:20:52 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Mohsen Rezaei, Iran, Supreme National Security Council, IRGC, Mojtaba Khamenei, US-Iran war, Mohammad Bagher Zolqadr, Strait of Hormuz, Islamic Revolution, Iran-Iraq war, Ayatollah Khamenei, Masoud Pezeshkian]]></category>
        
        <description><![CDATA[ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের (এসএনএসি) নতুন সচিব হিসেবে মোহসেন রাজায়ীকে নিয়োগ দিয়েছে তেহরান। যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চলমান সংঘাতের পাঁচ মাসেরও বেশি সময় পরে সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ মোজতাবা খামেনেয়ির ঘনিষ্ঠ এই সহযোগীকে এই গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হলো । রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাজায়ী প্রতিস্থাপন করেছেন মোহাম্মদ বাগের জোলগাদরকে, যিনি এসএনএসির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদে ছিলেন এবং এখন খামেনেয়ির রাজনৈতিক উপদেষ্টা নিযুক্ত হয়েছেন । ইরানের নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি সমন্বয়কারী এই কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হলেন প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান । ৭১ বছর বয়সী রাজায়ী ১৯৮১ সালে মাত্র ২৭ বছর বয়সে ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) কমান্ডার হন । ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পরপরই তিনি বিপ্লবী গার্ডে যোগ দেন এবং পরবর্তী ১৬ বছর এই বাহিনীর নেতৃত্ব দেন । ১৯৮০-৮৮ সালের ইরান-ইরাক যুদ্ধের অধিকাংশ সময় তিনি কমান্ডার ছিলেন এবং স্থল, নৌ ও বিমান বাহিনীর সম্প্রসারণ তদারকি করেন । রাজায়ী বিপ্লবী আন্ডারগ্রাউন্ড থেকে উঠে আসা আইআরজিসি কমান্ডারদের সেই প্রজন্মের অংশ, যারা পরে ইরানের নিরাপত্তা ব্যবস্থার শীর্ষ ব্যক্তিত্বে পরিণত হন । তিনি তেহরান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেছেন এবং ২০২১ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত কঠোরপন্থী প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির অধীনে অর্থনৈতিক বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন । এর আগে তিনি ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট পদে কয়েকবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন । গত মার্চে মোজতাবা খামেনেয়ি পিতার স্থলাভিষিক্ত হয়ে সুপ্রিম লিডার হওয়ার পর রাজায়ীকে তার সামরিক উপদেষ্টা নিয়োগ করেন । যুদ্ধের সময় তিনি ঘন ঘন জনসমক্ষে বিবৃতি দিয়েছেন, আলোচনা নিয়ে গভীর সন্দেহ প্রকাশ করেছেন এবং যুক্তরাষ্ট্রকে হুমকি দিয়েছেন । গত এপ্রিলে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানে স্থল অভিযান চালায় তা ‘দারুণ’ হবে, কারণ ‘আমরা হাজার হাজার জিম্মি করব এবং প্রতিটি জিম্মির জন্য এক বিলিয়ন ডলার পাব’ । তিনি আরও বলেন, ‘আমি যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর পক্ষে নই’ । ঘটনার পটভূমি রাজায়ীর এই নিয়োগ ইরানের বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ । গত ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানের প্রাক্তন সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেয়ি নিহত হওয়ার পর থেকে দেশটির নিরাপত্তা কাঠামোতে বড় পরিবর্তন এসেছে । জুনে যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলেও ২৭ জুন রাজায়ী অভিযোগ করেন যে, ওয়াশিংটন হরমুজ প্রণালীতে উত্তেজনা সৃষ্টির মাধ্যমে চুক্তি লঙ্ঘন করছে । শীর্ষ এই নিয়োগের মধ্য দিয়ে মোজতাবা খামেনেয়ি তার ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের মাধ্যমে নিরাপত্তা নীতির ওপর আরও নিয়ন্ত্রণ জোরদার করেছেন বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন । উল্লেখ্য, রাজায়ী কিশোর বয়সে পাহলভি রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে সক্রিয় ছিলেন এবং ১৯৭৩ সালে শাহের গোয়েন্দা সংস্থা সাভাকের কাছে কারাবন্দী হয়েছিলেন । ১৯৭০-এর দশকে মনসুরুন গোষ্ঠী প্রতিষ্ঠা ও বিকাশে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল, যার সদস্যরা পরবর্তীতে আইআরজিসির শীর্ষ নেতৃত্বে আসেন ।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_39.webp" alt="ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা পদে মোহসেন রাজায়ী: যিনি ২৭ বছর বয়সে বিপ্লবী গার্ডের কমান্ডার হয়েছিলেন" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা পদে মোহসেন রাজায়ী: যিনি ২৭ বছর বয়সে বিপ্লবী গার্ডের কমান্ডার হয়েছিলেন</h1>
            <p>ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের (এসএনএসি) নতুন সচিব হিসেবে মোহসেন রাজায়ীকে নিয়োগ দিয়েছে তেহরান। যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চলমান সংঘাতের পাঁচ মাসেরও বেশি সময় পরে সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ মোজতাবা খামেনেয়ির ঘনিষ্ঠ এই সহযোগীকে এই গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হলো । রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাজায়ী প্রতিস্থাপন করেছেন মোহাম্মদ বাগের জোলগাদরকে, যিনি এসএনএসির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদে ছিলেন এবং এখন খামেনেয়ির রাজনৈতিক উপদেষ্টা নিযুক্ত হয়েছেন । ইরানের নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি সমন্বয়কারী এই কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হলেন প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান । ৭১ বছর বয়সী রাজায়ী ১৯৮১ সালে মাত্র ২৭ বছর বয়সে ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) কমান্ডার হন । ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পরপরই তিনি বিপ্লবী গার্ডে যোগ দেন এবং পরবর্তী ১৬ বছর এই বাহিনীর নেতৃত্ব দেন । ১৯৮০-৮৮ সালের ইরান-ইরাক যুদ্ধের অধিকাংশ সময় তিনি কমান্ডার ছিলেন এবং স্থল, নৌ ও বিমান বাহিনীর সম্প্রসারণ তদারকি করেন । রাজায়ী বিপ্লবী আন্ডারগ্রাউন্ড থেকে উঠে আসা আইআরজিসি কমান্ডারদের সেই প্রজন্মের অংশ, যারা পরে ইরানের নিরাপত্তা ব্যবস্থার শীর্ষ ব্যক্তিত্বে পরিণত হন । তিনি তেহরান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেছেন এবং ২০২১ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত কঠোরপন্থী প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির অধীনে অর্থনৈতিক বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন । এর আগে তিনি ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট পদে কয়েকবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন । গত মার্চে মোজতাবা খামেনেয়ি পিতার স্থলাভিষিক্ত হয়ে সুপ্রিম লিডার হওয়ার পর রাজায়ীকে তার সামরিক উপদেষ্টা নিয়োগ করেন । যুদ্ধের সময় তিনি ঘন ঘন জনসমক্ষে বিবৃতি দিয়েছেন, আলোচনা নিয়ে গভীর সন্দেহ প্রকাশ করেছেন এবং যুক্তরাষ্ট্রকে হুমকি দিয়েছেন । গত এপ্রিলে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানে স্থল অভিযান চালায় তা ‘দারুণ’ হবে, কারণ ‘আমরা হাজার হাজার জিম্মি করব এবং প্রতিটি জিম্মির জন্য এক বিলিয়ন ডলার পাব’ । তিনি আরও বলেন, ‘আমি যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর পক্ষে নই’ । ঘটনার পটভূমি রাজায়ীর এই নিয়োগ ইরানের বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ । গত ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানের প্রাক্তন সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেয়ি নিহত হওয়ার পর থেকে দেশটির নিরাপত্তা কাঠামোতে বড় পরিবর্তন এসেছে । জুনে যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলেও ২৭ জুন রাজায়ী অভিযোগ করেন যে, ওয়াশিংটন হরমুজ প্রণালীতে উত্তেজনা সৃষ্টির মাধ্যমে চুক্তি লঙ্ঘন করছে । শীর্ষ এই নিয়োগের মধ্য দিয়ে মোজতাবা খামেনেয়ি তার ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের মাধ্যমে নিরাপত্তা নীতির ওপর আরও নিয়ন্ত্রণ জোরদার করেছেন বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন । উল্লেখ্য, রাজায়ী কিশোর বয়সে পাহলভি রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে সক্রিয় ছিলেন এবং ১৯৭৩ সালে শাহের গোয়েন্দা সংস্থা সাভাকের কাছে কারাবন্দী হয়েছিলেন । ১৯৭০-এর দশকে মনসুরুন গোষ্ঠী প্রতিষ্ঠা ও বিকাশে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল, যার সদস্যরা পরবর্তীতে আইআরজিসির শীর্ষ নেতৃত্বে আসেন ।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_39.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_39.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_39.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইরানের প্রতি ট্রাম্পের ‘দাবা খেলা’ উপমা, তেহরানের জবাব ‘আমরা পেশাদার দাবাড়ু’]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/49487</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/49487</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[মৌসুমী আক্তার]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 11 Aug 2026 12:20:52 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Iran, Donald Trump, chess game, Strait of Hormuz, Esmaeil Baghaei, US-Iran war, economic pressure, Mohammad Bagher Zolghadr, sanctions, nuclear program, diplomacy, Middle East, oil prices]]></category>
        
        <description><![CDATA[তেহরান বলেছে, ইরানিরা নিজেদের ‘পেশাদার দাবা খেলোয়াড়’ হিসেবে প্রমাণ করেছে। সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে নিজের সম্পর্ককে দাবা খেলার সঙ্গে তুলনা করেছিলেন, তারই জবাবে সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এসমাইল বাকায়ী এই মন্তব্য করেন । আমেরিকান সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেছিলেন, তিনি ইরানের বিষয়ে ‘লো-কি’ বা নিম্নচাবিতে রয়েছেন । তিনি বলেন, ‘আমরা শুধু তাদের সঙ্গে আধা-আলোচনা করছি। আমরা ইরানকে তার বিশাল মুদ্রাস্ফীতি ও অর্থের অভাব নিয়ে পর্যবেক্ষণ করছি’। ইরানের সঙ্গে এই দ্বন্দ্ব প্রসঙ্গে ট্রাম্পের বক্তব্য ছিল, ‘এটা কাজ করবে। এটা সবসময় কাজ করে। এটা দাবা খেলার মতো’ । ট্রাম্পের এই মন্তব্যের প্রেক্ষাপট হলো, গত ফেব্রুয়ারি শেষে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বন্ধ থাকা হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলতে ইরান গত সপ্তাহে কয়েকটি শর্ত জুড়ে দেয় । ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহাম্মদ বাগের জোলগাদর শনিবার তেহরানের দাবিগুলো তুলে ধরেন, যার মধ্যে ‘ইরান ও তার মিত্রদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ও আগ্রাসন বন্ধ করা’, মার্কিন নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার, নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া এবং যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ প্রদানের শর্ত রয়েছে । ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বাকায়ী সোমবার পুনর্ব্যক্ত করেন যে, যতক্ষণ ‘মার্কিন নৌ-অবরোধ’ ও ‘যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য লঙ্ঘন’ অব্যাহত থাকবে, ততক্ষণ হরমুজ প্রণালীকে নিরাপদ জলপথ ঘোষণার ‘প্রয়োজনীয় শর্ত’ পূরণ হবে না । তিনি আরও বলেন, ইরান বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ‘প্রত্যক্ষ আলোচনা’ করছে না, তবে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদান চলছে । ঘটনার পটভূমি গত পাঁচ মাসের মার্কিন-ইরান যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে এই বক্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। জুন মাসে ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করলেও জুলাইয়ের প্রথম দিকে তা ভেঙে যায় । এরপর থেকেই উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্প প্রশাসন এখন সামরিক হুমকির পরিবর্তে অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের কৌশল অবলম্বন করছে । তবে ইরানের কূটনৈতিক দক্ষতা ও দীর্ঘদিনের আলোচনার অভিজ্ঞতার কারণে ট্রাম্প প্রশাসন কোনো সহজ সমাধান খুঁজে পাচ্ছে না । উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালী বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহনের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ বহন করে, যা এই সংকটকে বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে ।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_37.webp" alt="ইরানের প্রতি ট্রাম্পের ‘দাবা খেলা’ উপমা, তেহরানের জবাব ‘আমরা পেশাদার দাবাড়ু’" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইরানের প্রতি ট্রাম্পের ‘দাবা খেলা’ উপমা, তেহরানের জবাব ‘আমরা পেশাদার দাবাড়ু’</h1>
            <p>তেহরান বলেছে, ইরানিরা নিজেদের ‘পেশাদার দাবা খেলোয়াড়’ হিসেবে প্রমাণ করেছে। সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে নিজের সম্পর্ককে দাবা খেলার সঙ্গে তুলনা করেছিলেন, তারই জবাবে সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এসমাইল বাকায়ী এই মন্তব্য করেন । আমেরিকান সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেছিলেন, তিনি ইরানের বিষয়ে ‘লো-কি’ বা নিম্নচাবিতে রয়েছেন । তিনি বলেন, ‘আমরা শুধু তাদের সঙ্গে আধা-আলোচনা করছি। আমরা ইরানকে তার বিশাল মুদ্রাস্ফীতি ও অর্থের অভাব নিয়ে পর্যবেক্ষণ করছি’। ইরানের সঙ্গে এই দ্বন্দ্ব প্রসঙ্গে ট্রাম্পের বক্তব্য ছিল, ‘এটা কাজ করবে। এটা সবসময় কাজ করে। এটা দাবা খেলার মতো’ । ট্রাম্পের এই মন্তব্যের প্রেক্ষাপট হলো, গত ফেব্রুয়ারি শেষে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বন্ধ থাকা হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলতে ইরান গত সপ্তাহে কয়েকটি শর্ত জুড়ে দেয় । ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহাম্মদ বাগের জোলগাদর শনিবার তেহরানের দাবিগুলো তুলে ধরেন, যার মধ্যে ‘ইরান ও তার মিত্রদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ও আগ্রাসন বন্ধ করা’, মার্কিন নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার, নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া এবং যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ প্রদানের শর্ত রয়েছে । ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বাকায়ী সোমবার পুনর্ব্যক্ত করেন যে, যতক্ষণ ‘মার্কিন নৌ-অবরোধ’ ও ‘যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য লঙ্ঘন’ অব্যাহত থাকবে, ততক্ষণ হরমুজ প্রণালীকে নিরাপদ জলপথ ঘোষণার ‘প্রয়োজনীয় শর্ত’ পূরণ হবে না । তিনি আরও বলেন, ইরান বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ‘প্রত্যক্ষ আলোচনা’ করছে না, তবে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদান চলছে । ঘটনার পটভূমি গত পাঁচ মাসের মার্কিন-ইরান যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে এই বক্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। জুন মাসে ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করলেও জুলাইয়ের প্রথম দিকে তা ভেঙে যায় । এরপর থেকেই উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্প প্রশাসন এখন সামরিক হুমকির পরিবর্তে অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের কৌশল অবলম্বন করছে । তবে ইরানের কূটনৈতিক দক্ষতা ও দীর্ঘদিনের আলোচনার অভিজ্ঞতার কারণে ট্রাম্প প্রশাসন কোনো সহজ সমাধান খুঁজে পাচ্ছে না । উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালী বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহনের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ বহন করে, যা এই সংকটকে বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে ।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_37.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_37.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_37.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইরানের দৃষ্টিতে মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি: যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি উপলব্ধি পরিবর্তনের ইঙ্গিত]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/49486</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/49486</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 11 Aug 2026 12:20:52 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[এশিয়া]]></category>
                        <category><![CDATA[Iran, Makkah Joint Defence Agreement, Pakistan, Saudi Arabia, Turkey, United States, Esmaeil Baqaei, Middle East, defence pact, regional security, US-Iran war, collective security, trilateral agreement]]></category>
        
        <description><![CDATA[ইরান বলেছে, সম্প্রতি সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত প্রতিরক্ষা চুক্তিটি এই অঞ্চলের দেশগুলোর যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ‘উপলব্ধি পরিবর্তনের’ লক্ষণ। তেহরান জানিয়েছে, এই চুক্তি ইরানবিরোধী বলে মনে করার কোনো কারণ নেই । সোমবার তেহরানে এক সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এসমাইল বাকায়ী এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘এই অঞ্চলের দেশগুলো অনুধাবন করতে পেরেছে যে নিরাপত্তা এমন একটি পণ্য নয় যা মিথ্যা দালালদের কাছ থেকে কেনা যায়’ । তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ইঙ্গিত করে আরও বলেন, ‘অঞ্চলের দেশগুলো অতীতের মতো যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা প্রদানের দাবির ওপর নির্ভর করতে পারে না’ । গত শুক্রবার মক্কায় অনুষ্ঠিত যৌথ প্রতিরক্ষা শীর্ষ সম্মেলনে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, সৌদি ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্টের উপস্থিতিতে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় । ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ নামে পরিচিত এই চুক্তি অনুযায়ী, তিনটি দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে সব দেশের ওপর হামলা হিসেবে গণ্য করা হবে । বিশ্লেষকদের মতে, এই চুক্তি ইরানকে প্রতিরোধ এবং অনির্ভরযোগ্য যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমানোর লক্ষ্যে সই করা হয়েছে । তবে বাকায়ী জোর দিয়ে বলেন, ‘এই চুক্তি ইরানের বিরুদ্ধে হবে—এমন শঙ্কার কোনো কারণ নেই’ । তিনি সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে ইরানের ‘গভীর ধর্মীয়, ঐতিহাসিক ও সভ্যতাগত সম্পর্কের’ কথাও উল্লেখ করেন । পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই চুক্তি তিনটি দেশের সম্মিলিত নিরাপত্তা জোরদার এবং অঞ্চলে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি তুলে ধরে । উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইশাক দার চুক্তিটিকে ‘সম্পূর্ণ প্রতিরক্ষামূলক’ বলে অভিহিত করেছেন এবং এটি কোনো নির্দিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে নয় বলে স্পষ্ট করেছেন । ঘটনার পটভূমি মার্কিন-ইরান যুদ্ধের পাঁচ মাসের প্রেক্ষাপটে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যা আঞ্চলিক শিপিং রুটকে ব্যাহত করেছে । যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে তেহরানের দীর্ঘস্থায়ী উত্তেজনার মধ্যেই এই প্রতিরক্ষা জোট গঠিত হলো । উল্লেখ্য, গত বছর ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা ব্যাপক আকার ধারণ করেছে । এই চুক্তি মধ্য এশিয়া ও উপসাগরীয় অঞ্চলের ভূরাজনৈতিক সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, বিশেষ করে যখন তিনটি স্বাক্ষরকারী দেশই ঐতিহ্যগতভাবে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র ছিল । সম্প্রতি পাকিস্তান এই চুক্তির বিষয়ে কানাডা ও কুয়েতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের অবহিত করেছে এবং ভবিষ্যতে অন্যদেরও এই চুক্তিতে অন্তর্ভুক্তির সম্ভাবনা রয়েছে ।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_35.webp" alt="ইরানের দৃষ্টিতে মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি: যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি উপলব্ধি পরিবর্তনের ইঙ্গিত" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইরানের দৃষ্টিতে মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি: যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি উপলব্ধি পরিবর্তনের ইঙ্গিত</h1>
            <p>ইরান বলেছে, সম্প্রতি সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত প্রতিরক্ষা চুক্তিটি এই অঞ্চলের দেশগুলোর যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ‘উপলব্ধি পরিবর্তনের’ লক্ষণ। তেহরান জানিয়েছে, এই চুক্তি ইরানবিরোধী বলে মনে করার কোনো কারণ নেই । সোমবার তেহরানে এক সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এসমাইল বাকায়ী এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘এই অঞ্চলের দেশগুলো অনুধাবন করতে পেরেছে যে নিরাপত্তা এমন একটি পণ্য নয় যা মিথ্যা দালালদের কাছ থেকে কেনা যায়’ । তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ইঙ্গিত করে আরও বলেন, ‘অঞ্চলের দেশগুলো অতীতের মতো যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা প্রদানের দাবির ওপর নির্ভর করতে পারে না’ । গত শুক্রবার মক্কায় অনুষ্ঠিত যৌথ প্রতিরক্ষা শীর্ষ সম্মেলনে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, সৌদি ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্টের উপস্থিতিতে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় । ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ নামে পরিচিত এই চুক্তি অনুযায়ী, তিনটি দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে সব দেশের ওপর হামলা হিসেবে গণ্য করা হবে । বিশ্লেষকদের মতে, এই চুক্তি ইরানকে প্রতিরোধ এবং অনির্ভরযোগ্য যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমানোর লক্ষ্যে সই করা হয়েছে । তবে বাকায়ী জোর দিয়ে বলেন, ‘এই চুক্তি ইরানের বিরুদ্ধে হবে—এমন শঙ্কার কোনো কারণ নেই’ । তিনি সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে ইরানের ‘গভীর ধর্মীয়, ঐতিহাসিক ও সভ্যতাগত সম্পর্কের’ কথাও উল্লেখ করেন । পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই চুক্তি তিনটি দেশের সম্মিলিত নিরাপত্তা জোরদার এবং অঞ্চলে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি তুলে ধরে । উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইশাক দার চুক্তিটিকে ‘সম্পূর্ণ প্রতিরক্ষামূলক’ বলে অভিহিত করেছেন এবং এটি কোনো নির্দিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে নয় বলে স্পষ্ট করেছেন । ঘটনার পটভূমি মার্কিন-ইরান যুদ্ধের পাঁচ মাসের প্রেক্ষাপটে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যা আঞ্চলিক শিপিং রুটকে ব্যাহত করেছে । যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে তেহরানের দীর্ঘস্থায়ী উত্তেজনার মধ্যেই এই প্রতিরক্ষা জোট গঠিত হলো । উল্লেখ্য, গত বছর ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা ব্যাপক আকার ধারণ করেছে । এই চুক্তি মধ্য এশিয়া ও উপসাগরীয় অঞ্চলের ভূরাজনৈতিক সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, বিশেষ করে যখন তিনটি স্বাক্ষরকারী দেশই ঐতিহ্যগতভাবে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র ছিল । সম্প্রতি পাকিস্তান এই চুক্তির বিষয়ে কানাডা ও কুয়েতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের অবহিত করেছে এবং ভবিষ্যতে অন্যদেরও এই চুক্তিতে অন্তর্ভুক্তির সম্ভাবনা রয়েছে ।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_35.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_35.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_35.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইন্দোনেশিয়ায় স্বাধীনতা দিবসের উৎসবে পুরুষদের নারী পোশাক পরায় নিষেধাজ্ঞা ইসলামি সংস্থার]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/49485</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/49485</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[মৌসুমী আক্তার]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 11 Aug 2026 12:20:52 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[এশিয়া]]></category>
                        <category><![CDATA[Indonesia, MUI, Indonesian Ulema Council, independence day, cross-dressing, haram, LGBT, LGSP, Islam, sharia, Dede Oetomo, GAYa Nusantara, August 17, Jakarta]]></category>
        
        <description><![CDATA[মুসলিম প্রধান দেশ ইন্দোনেশিয়ার শীর্ষ ইসলামি সংস্থা ইন্দোনেশিয়ান উলেমা কাউন্সিল (এমইউআই) স্বাধীনতা দিবসের উৎসবে পুরুষদের ‘নারী পোশাক’ পরার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। গত সপ্তাহে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সংস্থাটি এই আচরণকে ‘হারাম’ বা ইসলামী আইনে নিষিদ্ধ হিসেবে আখ্যায়িত করে। আসন্ন ১৭ আগস্ট জাতীয় স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেশজুড়ে নানা আয়োজনের আগে এই সতর্কবাণী এলো, যা স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। এমইউআই তাদের হস্তক্ষেপকে ‘লেসবিয়ান, গে, সডোমি ও অশ্লীলতা (এলজিএসপি) আন্দোলনের গোপন প্রচারণা’ রোধের প্রচেষ্টা হিসেবে বর্ণনা করেছে। এলজিএসপি হলো এলজিবিটি (লেসবিয়ান, গে, বিসেক্সুয়াল ও ট্রান্সজেন্ডার)-এর বিকল্প সংক্ষিপ্ত রূপ, যা সংস্থাটি ব্যবহার করে। বিবৃতিতে এমইউআইয়ের ফতোয়া কমিশন উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, ‘নারী পোশাকে পুরুষ অংশগ্রহণকারীদের মতো বিচ্যুত কর্মকাণ্ডের বৃদ্ধি শরিয়া ও সামাজিক নিয়ম লঙ্ঘনের দিকে পরিচালিত করেছে’। শুধু পুরুষদের নারী পোশাক পরা নয়, নারীদের পুরুষ সাজতেও একই সতর্কবাণী জারি করেছে সংস্থাটি। এটি প্রথমবার নয় যে এমইউআই বিপরীত লিঙ্গের পোশাক পরার বিরুদ্ধে কথা বলছে। তবে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সমকামীদের ওপর শারীরিক হামলার ঘটনা এবং ‘এলজিবিটিকিউ সংস্কৃতি’কে নিরাপত্তা হুমকি হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করে প্রেসিডেন্টের একটি প্রবিধান জারি হওয়ার প্রেক্ষাপটে এই সতর্কবাণী আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। প্রতি বছর ইন্দোনেশিয়ার জনগণ ১৯৪৫ সালের ১৭ আগস্ট উপনিবেশবাদ থেকে মুক্তির ঘোষণাকে স্মরণ করতে নানা উৎসবের আয়োজন করে। এই অনুষ্ঠানে টাগ অফ ওয়ার, বস্তাবন্দি দৌড়, পটকা খাওয়ার প্রতিযোগিতা, তেল মাখানো খুঁটিতে আরোহণ এবং রঙিন ফ্লোট প্যারেডের মতো প্রতিযোগিতা অন্তর্ভুক্ত থাকে। অনেক সম্প্রদায়ে পুরুষরা ফুটবল খেলতে গাউন ও হিজাব পরিধান করে, যা দীর্ঘদিন ধরে একটি কৌতুকপূর্ণ ঐতিহ্য হিসেবে বিবেচিত এবং লিঙ্গ পরিচয়ের প্রতীক হিসেবে নয়। ঘটনার পটভূমি মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ ইন্দোনেশিয়ায় এলজিবিটি ইস্যুটি সবসময়ই সংবেদনশীল। ২০২২ সালে দেশটির সংসদ সম্মতিপূর্ণ যৌন সম্পর্কের বাইরে সব ধরনের যৌন সম্পর্ককে অপরাধী করতে একটি আইন পাস করে। এরপর সাম্প্রতিক সময়ে এলজিবিটি ব্যক্তিদের ওপর সহিংসতার ঘটনা বেড়েছে। ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের সর্ববৃহৎ মুসলিম জনসংখ্যার দেশ এবং সেখানে ধর্মীয় রক্ষণশীলতার প্রভাব ক্রমশ বাড়ছে। অন্যদিকে, এই ঐতিহ্যগত উৎসব আয়োজনের সঙ্গে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির সম্পর্ক রয়েছে। সম্প্রদায়ভিত্তিক এই উৎসবগুলো ইন্দোনেশিয়ার বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির প্রতিফলন ঘটায়, যা জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত। তবে এমইউআইয়ের এই সতর্কবার্তার ফলে আসন্ন স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে কতটা প্রভাব পড়বে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। ইন্দোনেশিয়ার মানবাধিকার কর্মীরা এই ধরনের নিষেধাজ্ঞাকে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নিপীড়ন হিসেবে দেখছেন, অন্যদিকে রক্ষণশীল মহল এটিকে ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্ষার পদক্ষেপ হিসেবে স্বাগত জানিয়েছে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_33.webp" alt="ইন্দোনেশিয়ায় স্বাধীনতা দিবসের উৎসবে পুরুষদের নারী পোশাক পরায় নিষেধাজ্ঞা ইসলামি সংস্থার" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইন্দোনেশিয়ায় স্বাধীনতা দিবসের উৎসবে পুরুষদের নারী পোশাক পরায় নিষেধাজ্ঞা ইসলামি সংস্থার</h1>
            <p>মুসলিম প্রধান দেশ ইন্দোনেশিয়ার শীর্ষ ইসলামি সংস্থা ইন্দোনেশিয়ান উলেমা কাউন্সিল (এমইউআই) স্বাধীনতা দিবসের উৎসবে পুরুষদের ‘নারী পোশাক’ পরার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। গত সপ্তাহে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সংস্থাটি এই আচরণকে ‘হারাম’ বা ইসলামী আইনে নিষিদ্ধ হিসেবে আখ্যায়িত করে। আসন্ন ১৭ আগস্ট জাতীয় স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেশজুড়ে নানা আয়োজনের আগে এই সতর্কবাণী এলো, যা স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। এমইউআই তাদের হস্তক্ষেপকে ‘লেসবিয়ান, গে, সডোমি ও অশ্লীলতা (এলজিএসপি) আন্দোলনের গোপন প্রচারণা’ রোধের প্রচেষ্টা হিসেবে বর্ণনা করেছে। এলজিএসপি হলো এলজিবিটি (লেসবিয়ান, গে, বিসেক্সুয়াল ও ট্রান্সজেন্ডার)-এর বিকল্প সংক্ষিপ্ত রূপ, যা সংস্থাটি ব্যবহার করে। বিবৃতিতে এমইউআইয়ের ফতোয়া কমিশন উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, ‘নারী পোশাকে পুরুষ অংশগ্রহণকারীদের মতো বিচ্যুত কর্মকাণ্ডের বৃদ্ধি শরিয়া ও সামাজিক নিয়ম লঙ্ঘনের দিকে পরিচালিত করেছে’। শুধু পুরুষদের নারী পোশাক পরা নয়, নারীদের পুরুষ সাজতেও একই সতর্কবাণী জারি করেছে সংস্থাটি। এটি প্রথমবার নয় যে এমইউআই বিপরীত লিঙ্গের পোশাক পরার বিরুদ্ধে কথা বলছে। তবে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সমকামীদের ওপর শারীরিক হামলার ঘটনা এবং ‘এলজিবিটিকিউ সংস্কৃতি’কে নিরাপত্তা হুমকি হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করে প্রেসিডেন্টের একটি প্রবিধান জারি হওয়ার প্রেক্ষাপটে এই সতর্কবাণী আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। প্রতি বছর ইন্দোনেশিয়ার জনগণ ১৯৪৫ সালের ১৭ আগস্ট উপনিবেশবাদ থেকে মুক্তির ঘোষণাকে স্মরণ করতে নানা উৎসবের আয়োজন করে। এই অনুষ্ঠানে টাগ অফ ওয়ার, বস্তাবন্দি দৌড়, পটকা খাওয়ার প্রতিযোগিতা, তেল মাখানো খুঁটিতে আরোহণ এবং রঙিন ফ্লোট প্যারেডের মতো প্রতিযোগিতা অন্তর্ভুক্ত থাকে। অনেক সম্প্রদায়ে পুরুষরা ফুটবল খেলতে গাউন ও হিজাব পরিধান করে, যা দীর্ঘদিন ধরে একটি কৌতুকপূর্ণ ঐতিহ্য হিসেবে বিবেচিত এবং লিঙ্গ পরিচয়ের প্রতীক হিসেবে নয়। ঘটনার পটভূমি মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ ইন্দোনেশিয়ায় এলজিবিটি ইস্যুটি সবসময়ই সংবেদনশীল। ২০২২ সালে দেশটির সংসদ সম্মতিপূর্ণ যৌন সম্পর্কের বাইরে সব ধরনের যৌন সম্পর্ককে অপরাধী করতে একটি আইন পাস করে। এরপর সাম্প্রতিক সময়ে এলজিবিটি ব্যক্তিদের ওপর সহিংসতার ঘটনা বেড়েছে। ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের সর্ববৃহৎ মুসলিম জনসংখ্যার দেশ এবং সেখানে ধর্মীয় রক্ষণশীলতার প্রভাব ক্রমশ বাড়ছে। অন্যদিকে, এই ঐতিহ্যগত উৎসব আয়োজনের সঙ্গে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির সম্পর্ক রয়েছে। সম্প্রদায়ভিত্তিক এই উৎসবগুলো ইন্দোনেশিয়ার বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির প্রতিফলন ঘটায়, যা জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত। তবে এমইউআইয়ের এই সতর্কবার্তার ফলে আসন্ন স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে কতটা প্রভাব পড়বে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। ইন্দোনেশিয়ার মানবাধিকার কর্মীরা এই ধরনের নিষেধাজ্ঞাকে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নিপীড়ন হিসেবে দেখছেন, অন্যদিকে রক্ষণশীল মহল এটিকে ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্ষার পদক্ষেপ হিসেবে স্বাগত জানিয়েছে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_33.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_33.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_33.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Prince Harry Sets Sights on King Charles’ Attendance at 2027 Invictus Games Following Highgrove Reunion]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/49484</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/49484</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Abdullah Sahel]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 11 Aug 2026 12:20:52 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[U.K.]]></category>
                        <category><![CDATA[Prince Harry, King Charles, Invictus Games, Royal Family reunion, Meghan Markle, Birmingham 2027, royal reconciliation, UK security, Prince Archie, Princess Lilibet, Highgrove meeting, royal news]]></category>
        
        <description><![CDATA[The Duke of Sussex is reportedly laying the groundwork for a major public family moment at next year’s Invictus Games in Birmingham, hoping to secure King Charles III’s presence at the event as a powerful symbol of ongoing reconciliation. According to reports from Geo.tv and The Mirror, Prince Harry has been buoyed by a recent private meeting with his father last month at Highgrove House, where Meghan Markle and the couple’s children, Prince Archie and Princess Lilibet, met the King and Queen Camilla for the first time in four years . Insiders suggest that the Duke is now more determined than ever to move beyond the acrimony that has defined his relationship with the Royal Family since stepping back as a working royal in 2020. The source indicated that Harry envisions the Birmingham Games as a stage for unity, hoping to have his father by his side during the opening ceremony or other official engagements. “He wants the Birmingham Games to be the best ever, and it would be extra special to have all his family by his side, and that means the King as well,” a source told The Mirror . The path to this potential public display of unity remains complicated by Harry’s ongoing legal battles regarding taxpayer-funded security for his family during UK visits. The Duke has been vocal about his belief that it is unsafe to bring Meghan, Archie, and Lilibet to Britain without police protection, a stress factor that complicates trip planning. The source explained that Harry is “not going to give up pursuing the security avenue because that would guarantee Meghan and the children coming over with him, and alleviate a lot of the stress” . Securing this level of protection is seen as pivotal for the Sussexes to attend the Games, as it would allow for a seamless family appearance with the monarch. Why this matters For a U.S. audience accustomed to high-profile family dramas, the potential reconciliation between Prince Harry and King Charles represents a significant shift in the Royal Family’s public narrative. The Invictus Games, founded by Harry in 2014 as a landmark achievement for the veteran community, could serve as the backdrop for a major diplomatic and familial thaw . However, while the King appears open to communication, sources note that the relationship with the Prince of Wales remains deeply fractured, indicating that while a public moment with his father is possible, a full return to the royal fold is unlikely in the near term .]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_32.webp" alt="Prince Harry Sets Sights on King Charles’ Attendance at 2027 Invictus Games Following Highgrove Reunion" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Prince Harry Sets Sights on King Charles’ Attendance at 2027 Invictus Games Following Highgrove Reunion</h1>
            <p>The Duke of Sussex is reportedly laying the groundwork for a major public family moment at next year’s Invictus Games in Birmingham, hoping to secure King Charles III’s presence at the event as a powerful symbol of ongoing reconciliation. According to reports from Geo.tv and The Mirror, Prince Harry has been buoyed by a recent private meeting with his father last month at Highgrove House, where Meghan Markle and the couple’s children, Prince Archie and Princess Lilibet, met the King and Queen Camilla for the first time in four years . Insiders suggest that the Duke is now more determined than ever to move beyond the acrimony that has defined his relationship with the Royal Family since stepping back as a working royal in 2020. The source indicated that Harry envisions the Birmingham Games as a stage for unity, hoping to have his father by his side during the opening ceremony or other official engagements. “He wants the Birmingham Games to be the best ever, and it would be extra special to have all his family by his side, and that means the King as well,” a source told The Mirror . The path to this potential public display of unity remains complicated by Harry’s ongoing legal battles regarding taxpayer-funded security for his family during UK visits. The Duke has been vocal about his belief that it is unsafe to bring Meghan, Archie, and Lilibet to Britain without police protection, a stress factor that complicates trip planning. The source explained that Harry is “not going to give up pursuing the security avenue because that would guarantee Meghan and the children coming over with him, and alleviate a lot of the stress” . Securing this level of protection is seen as pivotal for the Sussexes to attend the Games, as it would allow for a seamless family appearance with the monarch. Why this matters For a U.S. audience accustomed to high-profile family dramas, the potential reconciliation between Prince Harry and King Charles represents a significant shift in the Royal Family’s public narrative. The Invictus Games, founded by Harry in 2014 as a landmark achievement for the veteran community, could serve as the backdrop for a major diplomatic and familial thaw . However, while the King appears open to communication, sources note that the relationship with the Prince of Wales remains deeply fractured, indicating that while a public moment with his father is possible, a full return to the royal fold is unlikely in the near term .</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_32.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_32.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_32.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ঝাড়খণ্ডে চাকরিপ্রার্থীদের বিক্ষোভ, পুলিশের কাঁদানে গ্যাস ও লাঠিচার্জ]]></title>
        <link>https://nbs24.org/india/49483</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/india/49483</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 11 Aug 2026 12:20:52 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[ভারত]]></category>
                <category><![CDATA[প্রধান খবর]]></category>
                        <category><![CDATA[Jharkhand protest, India job exam paper leak, police tear gas, student protest India, Ranchi news, Indian civil services exam, unemployment India, Dharmendra Pradhan resignation, job recruitment irregularities, youth protest India]]></category>
        
        <description><![CDATA[ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ঝাড়খণ্ডের রাজধানী রাঁচিতে চাকরিপ্রার্থী ও শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস, লাঠি ও ওয়াটার ক্যানন ব্যবহার করেছে। সরকারি চাকরির পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে সোমবার (১০ আগস্ট) হাজার হাজার যুবক রাজ্যের বিধানসভার দিকে মিছিল করলে এই ঘটনা ঘটে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। ঝাড়খণ্ডের পুলিশ সুপার পারস রানা জানিয়েছেন, বিক্ষোভকারীদের কিছু অংশ সহিংস হলে স্বল্প পরিসরে মৃদু বল প্রয়োগ করা হয়। তিনি শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আচরণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকারের কাছে তাঁদের দাবি পৌঁছেছে, তাই সহিংসতা থেকে বিরত থাকতে হবে। এই বিক্ষোভের নেতৃত্বদানকারী এক শিক্ষার্থী ও তাঁর পাঁচ সহযোগী অনশন কর্মসূচি পালন করছেন। গত ২৫ জুলাই থেকে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ চলতি মাসের শুরুতে রাঁচির একটি স্টেডিয়ামে সমাবেশের পর আরও তীব্র হয়। সোমবার বিধানসভা অভিমুখে মিছিলে বাধা দিতে পুলিশ ব্যারিকেড স্থাপন করে। তবে বিক্ষোভকারীরা প্ল্যাকার্ড হাতে, জাতীয় পতাকা নিয়ে ও স্লোগান দিয়ে সেসব অতিক্রম করে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। কিছু বিক্ষোভকারী পুলিশের সাথে ধস্তাধস্তিতে জড়ালে কাঁদানে গ্যাস, ওয়াটার ক্যানন ও লাঠি ব্যবহার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ। কর্মসংস্থান সঙ্কট ও প্রশাসনিক অনিয়মের প্রতিচ্ছবি ঝাড়খণ্ড, ভারতের অন্যতম দরিদ্র রাজ্য, যেখানে বেকারত্ব ও প্রশাসনিক অনিয়ম দীর্ঘদিনের সমস্যা। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সরকারি চাকরির পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো ঘটনা এই অসন্তোষকে আরও উসকে দিয়েছে। শুধু ঝাড়খণ্ড নয়, প্রতিবেশী ও অন্যান্য রাজ্যেও চাকরিপ্রার্থীরা প্রশাসনিক দুর্নীতি ও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাবের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে রাজধানী দিল্লিতেও অনুরূপ বিক্ষোভ চলছে, যেখানে প্রায় ৫০ হাজার যুবক অংশ নিয়েছেন। ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান গত মাসে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার দায়ে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। এই বিক্ষোভগুলো ভারতের যুবসমাজের মধ্যে ক্রমবর্ধমান হতাশার প্রকাশ, যা শিক্ষা ব্যবস্থায় দুর্নীতি ও সীমিত কর্মসংস্থানের প্রতিফলন। কেন এই ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ ভারতের কর্মসংস্থান পরিস্থিতি ও প্রশাসনিক সংস্কারের প্রশ্নে এই বিক্ষোভ গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বার্তা বহন করে। ঝাড়খণ্ডের বর্তমান শাসকদল আঞ্চলিক দল হলেও তারা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরোধী। বিক্ষোভের মুখে রাজ্য সরকার ইতোমধ্যে আন্দোলনকারীদের সাথে বৈঠক করেছে এবং বেশিরভাগ দাবি মেনে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। পাশাপাশি, ফেডারেল পুলিশ তদন্তের দাবিও জানিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা। শিক্ষা ও চাকরি ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এখন ভারতের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে আরও আলোচনার আগ্রহ প্রকাশ করা হলেও, আন্দোলনকারীরা তাদের মূল দাবি——পরীক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার, কিছু পরীক্ষা বাতিল এবং ফেডারেল পুলিশ তদন্ত——অক্ষুণ্ন রেখেছেন। সামনের দিনগুলোতে এই বিক্ষোভ আরও বিস্তৃতি পেতে পারে কিনা, সেদিকে তাকিয়ে রয়েছে সংশ্লিষ্ট মহল।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_31.webp" alt="ঝাড়খণ্ডে চাকরিপ্রার্থীদের বিক্ষোভ, পুলিশের কাঁদানে গ্যাস ও লাঠিচার্জ" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ঝাড়খণ্ডে চাকরিপ্রার্থীদের বিক্ষোভ, পুলিশের কাঁদানে গ্যাস ও লাঠিচার্জ</h1>
            <p>ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ঝাড়খণ্ডের রাজধানী রাঁচিতে চাকরিপ্রার্থী ও শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস, লাঠি ও ওয়াটার ক্যানন ব্যবহার করেছে। সরকারি চাকরির পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে সোমবার (১০ আগস্ট) হাজার হাজার যুবক রাজ্যের বিধানসভার দিকে মিছিল করলে এই ঘটনা ঘটে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। ঝাড়খণ্ডের পুলিশ সুপার পারস রানা জানিয়েছেন, বিক্ষোভকারীদের কিছু অংশ সহিংস হলে স্বল্প পরিসরে মৃদু বল প্রয়োগ করা হয়। তিনি শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আচরণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকারের কাছে তাঁদের দাবি পৌঁছেছে, তাই সহিংসতা থেকে বিরত থাকতে হবে। এই বিক্ষোভের নেতৃত্বদানকারী এক শিক্ষার্থী ও তাঁর পাঁচ সহযোগী অনশন কর্মসূচি পালন করছেন। গত ২৫ জুলাই থেকে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ চলতি মাসের শুরুতে রাঁচির একটি স্টেডিয়ামে সমাবেশের পর আরও তীব্র হয়। সোমবার বিধানসভা অভিমুখে মিছিলে বাধা দিতে পুলিশ ব্যারিকেড স্থাপন করে। তবে বিক্ষোভকারীরা প্ল্যাকার্ড হাতে, জাতীয় পতাকা নিয়ে ও স্লোগান দিয়ে সেসব অতিক্রম করে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। কিছু বিক্ষোভকারী পুলিশের সাথে ধস্তাধস্তিতে জড়ালে কাঁদানে গ্যাস, ওয়াটার ক্যানন ও লাঠি ব্যবহার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ। কর্মসংস্থান সঙ্কট ও প্রশাসনিক অনিয়মের প্রতিচ্ছবি ঝাড়খণ্ড, ভারতের অন্যতম দরিদ্র রাজ্য, যেখানে বেকারত্ব ও প্রশাসনিক অনিয়ম দীর্ঘদিনের সমস্যা। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সরকারি চাকরির পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো ঘটনা এই অসন্তোষকে আরও উসকে দিয়েছে। শুধু ঝাড়খণ্ড নয়, প্রতিবেশী ও অন্যান্য রাজ্যেও চাকরিপ্রার্থীরা প্রশাসনিক দুর্নীতি ও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাবের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে রাজধানী দিল্লিতেও অনুরূপ বিক্ষোভ চলছে, যেখানে প্রায় ৫০ হাজার যুবক অংশ নিয়েছেন। ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান গত মাসে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার দায়ে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। এই বিক্ষোভগুলো ভারতের যুবসমাজের মধ্যে ক্রমবর্ধমান হতাশার প্রকাশ, যা শিক্ষা ব্যবস্থায় দুর্নীতি ও সীমিত কর্মসংস্থানের প্রতিফলন। কেন এই ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ ভারতের কর্মসংস্থান পরিস্থিতি ও প্রশাসনিক সংস্কারের প্রশ্নে এই বিক্ষোভ গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বার্তা বহন করে। ঝাড়খণ্ডের বর্তমান শাসকদল আঞ্চলিক দল হলেও তারা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরোধী। বিক্ষোভের মুখে রাজ্য সরকার ইতোমধ্যে আন্দোলনকারীদের সাথে বৈঠক করেছে এবং বেশিরভাগ দাবি মেনে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। পাশাপাশি, ফেডারেল পুলিশ তদন্তের দাবিও জানিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা। শিক্ষা ও চাকরি ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এখন ভারতের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে আরও আলোচনার আগ্রহ প্রকাশ করা হলেও, আন্দোলনকারীরা তাদের মূল দাবি——পরীক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার, কিছু পরীক্ষা বাতিল এবং ফেডারেল পুলিশ তদন্ত——অক্ষুণ্ন রেখেছেন। সামনের দিনগুলোতে এই বিক্ষোভ আরও বিস্তৃতি পেতে পারে কিনা, সেদিকে তাকিয়ে রয়েছে সংশ্লিষ্ট মহল।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_31.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_31.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_31.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের হার্নিয়া অস্ত্রোপচার সফল]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/49482</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/49482</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 11 Aug 2026 12:20:52 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[এশিয়া]]></category>
                        <category><![CDATA[Anwar Ibrahim, Malaysia PM, hernia surgery, laparoscopic surgery, health update, Malaysian politics, Anwar health, PM Malaysia, Anwar Ibrahim surgery, Malaysia news, Shehbaz Sharif, ASEAN leaders]]></category>
        
        <description><![CDATA[মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম প্যারাম্বিলিক্যাল হার্নিয়া (নাভির চারপাশের পেটের প্রাচীরের ফাঁক) চিকিৎসার জন্য সফলভাবে ইলেকটিভ ল্যাপারোস্কপিক অস্ত্রোপচার করিয়েছেন। রোববার (৯ আগস্ট) এই অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়। অস্ত্রোপচার পরবর্তী শারীরিক থেরাপি চলছে এবং দুই দিন হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে থাকবেন বলে তাঁর চিকিৎসক দল জানিয়েছেন । প্রধানমন্ত্রীর চিকিৎসক দলের প্রধান ডা. আসরি রঙ্গা আবদুল্লাহ রামাইয়ার বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অস্ত্রোপচারটি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী শারীরিক থেরাপি নিচ্ছেন এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন । প্রেস সেক্রেটারি তুংকু নাশরুল আবাইদা জনগণের কাছে প্রধানমন্ত্রীর দ্রুত আরোগ্য কামনায় দোয়া চেয়েছেন । আনোয়ার ইব্রাহিমের বয়স সোমবার (১০ আগস্ট) ৭৯ বছর পূর্ণ হয়েছে। ২০২২ সাল থেকে তিনি মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন । এর আগে তিনি কাঁধ ও পিঠের ব্যথায় ভুগছিলেন। ২০১৮ সালে কাঁধ ও পিঠের ব্যথার জন্য হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। গত নভেম্বর মাসে পিঠের ব্যথার কারণে পাহাং রাজ্যের সফর বাতিল করতে হয়েছিল। চলতি বছরের জানুয়ারিতে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর তাঁকে সুস্থ ঘোষণা করা হয়েছিল । ঘটনার পটভূমি পারাম্বিলিক্যাল হার্নিয়া সাধারণত বয়স্কদের এবং যাদের পেটের প্রাচীর দুর্বল তাদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। আনোয়ার ইব্রাহিমের পূর্ববর্তী কাঁধ ও পিঠের সমস্যা এবং সাম্প্রতিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার ইতিহাস বিবেচনায় এই অস্ত্রোপচার একটি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ল্যাপারোস্কপিক পদ্ধতিতে অস্ত্রোপচার করায় রোগী দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন এবং কম জটিলতা দেখা দেয়। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার)-এ পোস্ট করে আনোয়ারের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন। তিনি লিখেছেন, "আমার প্রিয় ভাই প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের অস্ত্রোপচার পরবর্তী দ্রুত ও পূর্ণ আরোগ্য কামনা করছি। আল্লাহ তাঁকে সুস্থ করে দ্রুত দায়িত্বে ফিরিয়ে আনুক" ।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_29.webp" alt="মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের হার্নিয়া অস্ত্রোপচার সফল" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের হার্নিয়া অস্ত্রোপচার সফল</h1>
            <p>মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম প্যারাম্বিলিক্যাল হার্নিয়া (নাভির চারপাশের পেটের প্রাচীরের ফাঁক) চিকিৎসার জন্য সফলভাবে ইলেকটিভ ল্যাপারোস্কপিক অস্ত্রোপচার করিয়েছেন। রোববার (৯ আগস্ট) এই অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়। অস্ত্রোপচার পরবর্তী শারীরিক থেরাপি চলছে এবং দুই দিন হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে থাকবেন বলে তাঁর চিকিৎসক দল জানিয়েছেন । প্রধানমন্ত্রীর চিকিৎসক দলের প্রধান ডা. আসরি রঙ্গা আবদুল্লাহ রামাইয়ার বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অস্ত্রোপচারটি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী শারীরিক থেরাপি নিচ্ছেন এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন । প্রেস সেক্রেটারি তুংকু নাশরুল আবাইদা জনগণের কাছে প্রধানমন্ত্রীর দ্রুত আরোগ্য কামনায় দোয়া চেয়েছেন । আনোয়ার ইব্রাহিমের বয়স সোমবার (১০ আগস্ট) ৭৯ বছর পূর্ণ হয়েছে। ২০২২ সাল থেকে তিনি মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন । এর আগে তিনি কাঁধ ও পিঠের ব্যথায় ভুগছিলেন। ২০১৮ সালে কাঁধ ও পিঠের ব্যথার জন্য হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। গত নভেম্বর মাসে পিঠের ব্যথার কারণে পাহাং রাজ্যের সফর বাতিল করতে হয়েছিল। চলতি বছরের জানুয়ারিতে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর তাঁকে সুস্থ ঘোষণা করা হয়েছিল । ঘটনার পটভূমি পারাম্বিলিক্যাল হার্নিয়া সাধারণত বয়স্কদের এবং যাদের পেটের প্রাচীর দুর্বল তাদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। আনোয়ার ইব্রাহিমের পূর্ববর্তী কাঁধ ও পিঠের সমস্যা এবং সাম্প্রতিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার ইতিহাস বিবেচনায় এই অস্ত্রোপচার একটি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ল্যাপারোস্কপিক পদ্ধতিতে অস্ত্রোপচার করায় রোগী দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন এবং কম জটিলতা দেখা দেয়। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার)-এ পোস্ট করে আনোয়ারের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন। তিনি লিখেছেন, "আমার প্রিয় ভাই প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের অস্ত্রোপচার পরবর্তী দ্রুত ও পূর্ণ আরোগ্য কামনা করছি। আল্লাহ তাঁকে সুস্থ করে দ্রুত দায়িত্বে ফিরিয়ে আনুক" ।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_29.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_29.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_29.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[যুক্তরাজ্যে রেকর্ড তাপমাত্রায় পঞ্চম তাপদাহের আশঙ্কা, ফসলের উৎপাদনে ব্যাপক সংকট]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/49481</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/49481</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 11 Aug 2026 12:20:52 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[যুক্তরাজ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[UK heatwave, Britain temperature record, British agriculture crisis, food security UK, drought UK, climate change impact, UK crop yield, East Anglia weather, John Pawsey farmer, Timothy Benton food security, Met Office record, UK farming adaptation]]></category>
        
        <description><![CDATA[যুক্তরাজ্য এবারের গ্রীষ্মে পঞ্চম তাপদাহের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে। আগামী সপ্তাহে ইংল্যান্ডের পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলের কিছু অংশে তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছাতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে ব্রিটিশ আবহাওয়া সংস্থা। এর আগে, চলতি বছরেই যুক্তরাজ্যে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৫ দিনে, যা ১৯৯৫ সালের ৩৪ দিনের আগের রেকর্ডকে অতিক্রম করেছে। বিবিসির প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। রোববার কেন্টের ফ্রিটেন্ডেন অঞ্চলে তাপমাত্রা ছিল ৩০ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর ফলে চলতি বছরের তাপমাত্রার রেকর্ডটি নতুন উচ্চতায় পৌঁছায়। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সোমবার তাপমাত্রা কিছুটা কমলেও পরবর্তী দিনগুলিতে তা আবার বাড়তে শুরু করবে। বৃহস্পতিবারের মধ্যে পূর্ব অ্যাঙ্গলিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব ইংল্যান্ডের কিছু অংশে তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে। ব্রিটিশ কৃষিতে বিপর্যয়কর প্রভাব দীর্ঘদিন ধরে চলা তীব্র খরা ও অস্বাভাবিক তাপমাত্রা ব্রিটিশ কৃষি খাতে চরম সংকট তৈরি করেছে। ইংলিশ কৃষকরা ইতোমধ্যেই আবহাওয়া অফিসের রেকর্ডে সবচেয়ে শুষ্ক জুলাই মাসের সম্মুখীন হয়েছেন। পূর্ব ইংল্যান্ডের সাফোকের কৃষক জন পসি জানিয়েছেন, তাঁর খামারে ওটস, গম ও ভেচ জাতীয় ফসলের উৎপাদন ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে। তিনি বলেন, "হঠাৎ করেই সম্পূর্ণ শুকিয়ে যায়। কয়েক সপ্তাহ ধরে খরা যেন শেষই হচ্ছে না।" ফসলের উৎপাদন হ্রাসের ফলে যুক্তরাজ্যে খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। দেশটির সংবাদমাধ্যমে এই নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। বিশেষ করে গত কয়েক বছর ধরে আবহাওয়া-সম্পর্কিত নানান চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছেন ব্রিটিশ কৃষকরা। কেন এই ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ইতোমধ্যেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে এবং যুক্তরাজ্য তার অন্যতম উদাহরণ। ইউরোপের অন্যান্য দেশের মতো ব্রিটেনেও গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রার রেকর্ড ক্রমশ ভাঙছে। ২০২২ সালে প্রথমবারের মতো যুক্তরাজ্যে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল, যা ছিল দেশটির ইতিহাসে উষ্ণতম দিন। এবারের খরা কেবল ফসলেরই ক্ষতি করছে না, বরং খাদ্য আমদানিনির্ভরতা বাড়িয়ে তোলার আশঙ্কাও তৈরি করছে। খাদ্য নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ টিমোথি বেন্টন মনে করেন, কম নিবিড় চাষাবাদ এবং আরও বৈচিত্র্যময় কৃষি ব্যবস্থা গ্রহণ করলে খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার হবে এবং বিদেশি ফল কিংবা সার আমদানির ওপর নির্ভরতা কমবে। তবে তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, "জলবায়ুর প্রভাব আরও তীব্র হবে এবং খাদ্য ব্যবস্থাকে পরিবর্তন করতে হবে। আমরা এমন প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনে পর্যাপ্ত বিনিয়োগ করছি না, যা বড় সংকট মোকাবিলায় সহায়তা করতে পারে।" শতাব্দীপ্রাচীন কৃষি ঐতিহ্য নিয়ে গড়ে ওঠা যুক্তরাজ্যের খাদ্য উৎপাদন ব্যবস্থা এখন এক বড় মোড়ে দাঁড়িয়ে। চাষিরা নতুন ফসল ও পদ্ধতি গ্রহণের চেষ্টা করলেও, সরকারি সহায়তার অভাব এবং প্রয়োজনীয় বিনিয়োগের অভাবে ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা বাড়ছে। জৈব চাষি পসি ইতিমধ্যেই খরা সহনশীল ফাভা বিন ও ছোলা চাষ শুরু করেছেন এবং একই জমিতে দুই ধরনের ফসল চাষ করে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে উৎপাদন বাড়ানোর কৌশল নিয়েছেন। তবে তিনি মনে করেন, এই পরিবর্তন সফলভাবে বাস্তবায়নে সরকারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_27.webp" alt="যুক্তরাজ্যে রেকর্ড তাপমাত্রায় পঞ্চম তাপদাহের আশঙ্কা, ফসলের উৎপাদনে ব্যাপক সংকট" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>যুক্তরাজ্যে রেকর্ড তাপমাত্রায় পঞ্চম তাপদাহের আশঙ্কা, ফসলের উৎপাদনে ব্যাপক সংকট</h1>
            <p>যুক্তরাজ্য এবারের গ্রীষ্মে পঞ্চম তাপদাহের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে। আগামী সপ্তাহে ইংল্যান্ডের পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলের কিছু অংশে তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছাতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে ব্রিটিশ আবহাওয়া সংস্থা। এর আগে, চলতি বছরেই যুক্তরাজ্যে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৫ দিনে, যা ১৯৯৫ সালের ৩৪ দিনের আগের রেকর্ডকে অতিক্রম করেছে। বিবিসির প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। রোববার কেন্টের ফ্রিটেন্ডেন অঞ্চলে তাপমাত্রা ছিল ৩০ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর ফলে চলতি বছরের তাপমাত্রার রেকর্ডটি নতুন উচ্চতায় পৌঁছায়। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সোমবার তাপমাত্রা কিছুটা কমলেও পরবর্তী দিনগুলিতে তা আবার বাড়তে শুরু করবে। বৃহস্পতিবারের মধ্যে পূর্ব অ্যাঙ্গলিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব ইংল্যান্ডের কিছু অংশে তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে। ব্রিটিশ কৃষিতে বিপর্যয়কর প্রভাব দীর্ঘদিন ধরে চলা তীব্র খরা ও অস্বাভাবিক তাপমাত্রা ব্রিটিশ কৃষি খাতে চরম সংকট তৈরি করেছে। ইংলিশ কৃষকরা ইতোমধ্যেই আবহাওয়া অফিসের রেকর্ডে সবচেয়ে শুষ্ক জুলাই মাসের সম্মুখীন হয়েছেন। পূর্ব ইংল্যান্ডের সাফোকের কৃষক জন পসি জানিয়েছেন, তাঁর খামারে ওটস, গম ও ভেচ জাতীয় ফসলের উৎপাদন ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে। তিনি বলেন, "হঠাৎ করেই সম্পূর্ণ শুকিয়ে যায়। কয়েক সপ্তাহ ধরে খরা যেন শেষই হচ্ছে না।" ফসলের উৎপাদন হ্রাসের ফলে যুক্তরাজ্যে খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। দেশটির সংবাদমাধ্যমে এই নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। বিশেষ করে গত কয়েক বছর ধরে আবহাওয়া-সম্পর্কিত নানান চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছেন ব্রিটিশ কৃষকরা। কেন এই ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ইতোমধ্যেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে এবং যুক্তরাজ্য তার অন্যতম উদাহরণ। ইউরোপের অন্যান্য দেশের মতো ব্রিটেনেও গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রার রেকর্ড ক্রমশ ভাঙছে। ২০২২ সালে প্রথমবারের মতো যুক্তরাজ্যে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল, যা ছিল দেশটির ইতিহাসে উষ্ণতম দিন। এবারের খরা কেবল ফসলেরই ক্ষতি করছে না, বরং খাদ্য আমদানিনির্ভরতা বাড়িয়ে তোলার আশঙ্কাও তৈরি করছে। খাদ্য নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ টিমোথি বেন্টন মনে করেন, কম নিবিড় চাষাবাদ এবং আরও বৈচিত্র্যময় কৃষি ব্যবস্থা গ্রহণ করলে খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার হবে এবং বিদেশি ফল কিংবা সার আমদানির ওপর নির্ভরতা কমবে। তবে তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, "জলবায়ুর প্রভাব আরও তীব্র হবে এবং খাদ্য ব্যবস্থাকে পরিবর্তন করতে হবে। আমরা এমন প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনে পর্যাপ্ত বিনিয়োগ করছি না, যা বড় সংকট মোকাবিলায় সহায়তা করতে পারে।" শতাব্দীপ্রাচীন কৃষি ঐতিহ্য নিয়ে গড়ে ওঠা যুক্তরাজ্যের খাদ্য উৎপাদন ব্যবস্থা এখন এক বড় মোড়ে দাঁড়িয়ে। চাষিরা নতুন ফসল ও পদ্ধতি গ্রহণের চেষ্টা করলেও, সরকারি সহায়তার অভাব এবং প্রয়োজনীয় বিনিয়োগের অভাবে ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা বাড়ছে। জৈব চাষি পসি ইতিমধ্যেই খরা সহনশীল ফাভা বিন ও ছোলা চাষ শুরু করেছেন এবং একই জমিতে দুই ধরনের ফসল চাষ করে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে উৎপাদন বাড়ানোর কৌশল নিয়েছেন। তবে তিনি মনে করেন, এই পরিবর্তন সফলভাবে বাস্তবায়নে সরকারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_27.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_27.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_27.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Benson Boone Forced to Cancel Sacramento Concert Hours Before Showtime Due to Vocal Emergency]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/49480</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/49480</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Mousumi Akter]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 11 Aug 2026 12:20:52 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[Entertainment]]></category>
                        <category><![CDATA[Benson Boone, Benson Boone Sacramento, Benson Boone concert canceled, Golden 1 Center, vocal issues, Beautiful Things, Wanted Man Tour, singer cancels show, vocal strain, American Idol, Benson Boone tour, vocal health, Sacramento concert]]></category>
        
        <description><![CDATA[Benson Boone was forced to pull the plug on his Sacramento concert just hours before he was scheduled to take the stage at Golden 1 Center on Saturday, August 8, after a sudden vocal issue left him unable to perform. The 24-year-old singer shared the disappointing news with fans via Instagram Stories, explaining that he had been "fighting like hell all afternoon" to make his voice presentable for the show . The "Beautiful Things" singer acknowledged the frustration, particularly for those who had traveled to Sacramento, adding, "I know this is extremely disappointing especially for everyone who traveled to be here. Trust me I am disappointed too. I hate letting you guys down more than anything" . The venue confirmed the postponement was due to health reasons, and a new date has not yet been announced. The cancellation comes just one day after Boone performed in San Jose without any apparent issues, leaving fans and the singer alike blindsided by the sudden decline in his vocal condition. The singer's tour continues with a two-night stop in Los Angeles on August 10 and 11 as part of his Wanted Man Tour, which is scheduled to wrap on September 3 in Casper, Wyoming, though it remains unclear whether the setback will affect those upcoming performances . A Familiar Challenge for the Rising Star This is not the first time vocal issues have disrupted Boone's touring schedule. In November 2025, he canceled a sold-out show in Birmingham, England, under similar circumstances, telling fans at the time that he had "tried everything" to recover his voice before ultimately making the difficult call to cancel . The repeat occurrence raises questions about the physical toll of Boone's demanding performance style, which often features powerful, high-energy vocals that push his voice to its limits night after night. For a pop singer whose meteoric rise has been fueled by his electrifying live performances and raspy, emotionally charged delivery, vocal health is a critical concern. The pop landscape is littered with cautionary tales of artists who pushed through vocal strain, only to face more serious long-term damage. Singers like Adele, John Mayer, and Sam Smith have all been forced to cancel tours or undergo surgery for vocal cord issues, underscoring the fragility of an instrument that must endure grueling tour schedules. Boone's decision to cancel rather than risk a subpar performance or potential injury suggests a growing maturity in managing his career. Boone, who rose to fame after competing on American Idol in 2021, has been one of pop's fastest-rising stars. His 2024 breakthrough single "Beautiful Things" became a global sensation, peaking at No. 2 on the Billboard Hot 100 and earning him a Grammy nomination for Best New Artist. His Wanted Man Tour has been largely well-received, with sold-out shows across North America and Europe as he continues to build a devoted fanbase. The Sacramento concert was one of the final stops on the tour's West Coast leg before heading east, and its postponement is a setback for both the artist and his fans. Background of this event The incident highlights the precarious nature of live performance for artists who rely on vocal power as their primary instrument. With the music industry's post-pandemic touring boom, artists are facing grueling schedules that can take a significant toll on physical and mental health. Boone's cancellation comes amid a broader conversation about artist wellness and the sustainability of modern touring demands, with several high-profile artists recently scaling back or canceling shows to prioritize their health . While fans in Sacramento will have to wait for the rescheduled date, Boone's commitment to delivering a quality performance—even at the cost of a last-minute cancellation—has been met with understanding from many. The Los Angeles shows are still expected to proceed as planned, though Boone's team has not yet issued an update on whether he will be able to perform. The singer has promised to reschedule the Sacramento show as soon as possible, and fans are encouraged to hold onto their tickets for the new date .]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_26.webp" alt="Benson Boone Forced to Cancel Sacramento Concert Hours Before Showtime Due to Vocal Emergency" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Benson Boone Forced to Cancel Sacramento Concert Hours Before Showtime Due to Vocal Emergency</h1>
            <p>Benson Boone was forced to pull the plug on his Sacramento concert just hours before he was scheduled to take the stage at Golden 1 Center on Saturday, August 8, after a sudden vocal issue left him unable to perform. The 24-year-old singer shared the disappointing news with fans via Instagram Stories, explaining that he had been "fighting like hell all afternoon" to make his voice presentable for the show . The "Beautiful Things" singer acknowledged the frustration, particularly for those who had traveled to Sacramento, adding, "I know this is extremely disappointing especially for everyone who traveled to be here. Trust me I am disappointed too. I hate letting you guys down more than anything" . The venue confirmed the postponement was due to health reasons, and a new date has not yet been announced. The cancellation comes just one day after Boone performed in San Jose without any apparent issues, leaving fans and the singer alike blindsided by the sudden decline in his vocal condition. The singer's tour continues with a two-night stop in Los Angeles on August 10 and 11 as part of his Wanted Man Tour, which is scheduled to wrap on September 3 in Casper, Wyoming, though it remains unclear whether the setback will affect those upcoming performances . A Familiar Challenge for the Rising Star This is not the first time vocal issues have disrupted Boone's touring schedule. In November 2025, he canceled a sold-out show in Birmingham, England, under similar circumstances, telling fans at the time that he had "tried everything" to recover his voice before ultimately making the difficult call to cancel . The repeat occurrence raises questions about the physical toll of Boone's demanding performance style, which often features powerful, high-energy vocals that push his voice to its limits night after night. For a pop singer whose meteoric rise has been fueled by his electrifying live performances and raspy, emotionally charged delivery, vocal health is a critical concern. The pop landscape is littered with cautionary tales of artists who pushed through vocal strain, only to face more serious long-term damage. Singers like Adele, John Mayer, and Sam Smith have all been forced to cancel tours or undergo surgery for vocal cord issues, underscoring the fragility of an instrument that must endure grueling tour schedules. Boone's decision to cancel rather than risk a subpar performance or potential injury suggests a growing maturity in managing his career. Boone, who rose to fame after competing on American Idol in 2021, has been one of pop's fastest-rising stars. His 2024 breakthrough single "Beautiful Things" became a global sensation, peaking at No. 2 on the Billboard Hot 100 and earning him a Grammy nomination for Best New Artist. His Wanted Man Tour has been largely well-received, with sold-out shows across North America and Europe as he continues to build a devoted fanbase. The Sacramento concert was one of the final stops on the tour's West Coast leg before heading east, and its postponement is a setback for both the artist and his fans. Background of this event The incident highlights the precarious nature of live performance for artists who rely on vocal power as their primary instrument. With the music industry's post-pandemic touring boom, artists are facing grueling schedules that can take a significant toll on physical and mental health. Boone's cancellation comes amid a broader conversation about artist wellness and the sustainability of modern touring demands, with several high-profile artists recently scaling back or canceling shows to prioritize their health . While fans in Sacramento will have to wait for the rescheduled date, Boone's commitment to delivering a quality performance—even at the cost of a last-minute cancellation—has been met with understanding from many. The Los Angeles shows are still expected to proceed as planned, though Boone's team has not yet issued an update on whether he will be able to perform. The singer has promised to reschedule the Sacramento show as soon as possible, and fans are encouraged to hold onto their tickets for the new date .</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_26.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_26.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_26.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Princess Eugenie's Birthday Gesture for Beatrice Shows Unbreakable Bond Amid York Family Crisis]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/49479</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/49479</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Abdullah Sahel]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 11 Aug 2026 12:20:52 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[U.K.]]></category>
                        <category><![CDATA[Princess Eugenie, Princess Beatrice, Andrew Mountbatten-Windsor, Sarah Ferguson, York sisters, royal scandal, Epstein files, King Charles, royal family, sisterly bond, royal exile, Prince William, royal crisis]]></category>
        
        <description><![CDATA[Princess Eugenie has stepped up as her sister Princess Beatrice's pillar of strength during one of the most turbulent periods in the York family's history, with the new mother making a heartfelt sacrifice just days after giving birth to her third child. According to Geo.tv, Eugenie ensured her sister felt loved on her 38th birthday on August 8, despite being in the throes of newborn motherhood, with a source revealing she would be "on the other end of the phone to help put a smile on her face" . The gesture comes as the sisters navigate the emotional wreckage of their parents' public disgrace. Andrew Mountbatten-Windsor and Sarah Ferguson have been effectively exiled from royal life following damning revelations in the Epstein files, which exposed their ties to convicted sex offender Jeffrey Epstein. King Charles stripped his brother of all royal titles and military affiliations in 2025, forcing the couple to vacate the sprawling Royal Lodge for more modest accommodations on the Sandringham estate. A United Front Against the Storm Palace insiders have described the sisters' bond as "unbreakable," with a source telling The Sun that Beatrice and Eugenie are the only two people who "truly" understand the "unique and tortuous reality" of being Andrew and Ferguson's daughters . The sisters have reportedly been speaking multiple times a day, with Eugenie serving as Beatrice's "rock" through what has been described as the "darkest of years" . A lipreader previously captured Beatrice reassuring Eugenie with seven powerful words during a November 2025 embrace: "We're in this together, don't forget that" . That moment of solidarity has defined their approach to the crisis, as they have formed what sources call an "impenetrable united front" while carefully navigating their public roles . Beatrice has reportedly been the most "overwhelmed" by her parents' shame and has found the intense public scrutiny particularly distressing, with sources noting it has affected her personal life and marriage to Edoardo Mapelli Mozzi . The sisters have been forced to maintain a low profile, with reports suggesting they have been banned from certain royal events like Royal Ascot . Royal commentator Richard Palmer noted it is "hard to have too much sympathy" for them given their silence, but acknowledged the difficult position of royal family members trying to build independent careers . Why this matters The York sisters' predicament illustrates the complex human cost of royal scandal, where family loyalty collides with institutional preservation. While King Charles has made clear he has no intention of punishing Beatrice and Eugenie for their parents' sins, royal experts note the sisters face a difficult balancing act between supporting their disgraced parents and protecting their own standing within the monarchy . Their ability to emerge from this crisis relatively unscathed may ultimately depend on how decisively they distance themselves from the family's toxic legacy. Royal historian Rafe Heydel-Mankoo has suggested that Prince William has adopted the "harshest attitude" toward Andrew, indicating that the sisters may face even greater challenges once the Prince of Wales ascends to the throne . For now, however, Eugenie's quiet act of sisterly devotion—reaching out on Beatrice's birthday just days after welcoming her own daughter into the world—serves as a reminder that in the midst of palace scandal, family bonds remain the most steadfast anchor.]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_25.webp" alt="Princess Eugenie's Birthday Gesture for Beatrice Shows Unbreakable Bond Amid York Family Crisis" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Princess Eugenie's Birthday Gesture for Beatrice Shows Unbreakable Bond Amid York Family Crisis</h1>
            <p>Princess Eugenie has stepped up as her sister Princess Beatrice's pillar of strength during one of the most turbulent periods in the York family's history, with the new mother making a heartfelt sacrifice just days after giving birth to her third child. According to Geo.tv, Eugenie ensured her sister felt loved on her 38th birthday on August 8, despite being in the throes of newborn motherhood, with a source revealing she would be "on the other end of the phone to help put a smile on her face" . The gesture comes as the sisters navigate the emotional wreckage of their parents' public disgrace. Andrew Mountbatten-Windsor and Sarah Ferguson have been effectively exiled from royal life following damning revelations in the Epstein files, which exposed their ties to convicted sex offender Jeffrey Epstein. King Charles stripped his brother of all royal titles and military affiliations in 2025, forcing the couple to vacate the sprawling Royal Lodge for more modest accommodations on the Sandringham estate. A United Front Against the Storm Palace insiders have described the sisters' bond as "unbreakable," with a source telling The Sun that Beatrice and Eugenie are the only two people who "truly" understand the "unique and tortuous reality" of being Andrew and Ferguson's daughters . The sisters have reportedly been speaking multiple times a day, with Eugenie serving as Beatrice's "rock" through what has been described as the "darkest of years" . A lipreader previously captured Beatrice reassuring Eugenie with seven powerful words during a November 2025 embrace: "We're in this together, don't forget that" . That moment of solidarity has defined their approach to the crisis, as they have formed what sources call an "impenetrable united front" while carefully navigating their public roles . Beatrice has reportedly been the most "overwhelmed" by her parents' shame and has found the intense public scrutiny particularly distressing, with sources noting it has affected her personal life and marriage to Edoardo Mapelli Mozzi . The sisters have been forced to maintain a low profile, with reports suggesting they have been banned from certain royal events like Royal Ascot . Royal commentator Richard Palmer noted it is "hard to have too much sympathy" for them given their silence, but acknowledged the difficult position of royal family members trying to build independent careers . Why this matters The York sisters' predicament illustrates the complex human cost of royal scandal, where family loyalty collides with institutional preservation. While King Charles has made clear he has no intention of punishing Beatrice and Eugenie for their parents' sins, royal experts note the sisters face a difficult balancing act between supporting their disgraced parents and protecting their own standing within the monarchy . Their ability to emerge from this crisis relatively unscathed may ultimately depend on how decisively they distance themselves from the family's toxic legacy. Royal historian Rafe Heydel-Mankoo has suggested that Prince William has adopted the "harshest attitude" toward Andrew, indicating that the sisters may face even greater challenges once the Prince of Wales ascends to the throne . For now, however, Eugenie's quiet act of sisterly devotion—reaching out on Beatrice's birthday just days after welcoming her own daughter into the world—serves as a reminder that in the midst of palace scandal, family bonds remain the most steadfast anchor.</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_25.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_25.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_25.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Ariana Grande's 'Petal' Blooms at No. 1, Tying Her With Pop Royalty Lady Gaga and Janet Jackson]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/49478</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/49478</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Mousumi Akter]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 11 Aug 2026 12:20:52 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[Entertainment]]></category>
                        <category><![CDATA[Ariana Grande, Petal album, Billboard 200, Ariana Grande seventh No. 1, Lady Gaga, Janet Jackson, Ariana Grande vinyl sales, Eternal Sunshine Tour, Hate That I Made You Love Me, Billboard charts, pop music, album sales, streaming units, pure album sales, Ariana Grande history]]></category>
        
        <description><![CDATA[Ariana Grande has secured her seventh No. 1 album on the Billboard 200 with Petal, delivering her biggest sales week in over a decade and tying her with some of pop music's most iconic figures. The 12-track album, released without any featured artists, opened with 295,000 equivalent album units in the U.S. during the tracking week ending August 6, according to Billboard . This marks Grande's strongest weekly performance by units in the 2020s and her best pure album sales week since her 2014 release My Everything . The album's debut is powered by a massive 168,000 pure album sales, with vinyl emerging as a particularly dominant force. Petal sold 96,000 vinyl copies in its first week, giving Grande her best-ever week on the format and securing the fifth-largest vinyl sales week of 2026 so far . The strategic release across more than ten digital variants, ten vinyl editions, five CD versions, and two cassettes—featuring bonus content like live cuts, voice notes, and instrumentals—helped drive this impressive multi-format consumption . In addition to physical sales, the album generated 128.83 million on-demand streams, translating to 126,000 streaming equivalent album units . A Historic Tie in the Billboard 200 Record Books With this achievement, Grande joins an elite echelon of female artists, tying for the fifth-most No. 1 albums among solo women in the Billboard 200's history, which dates back to 1956 as a regularly published ranking . She now sits alongside Lady Gaga and Janet Jackson with seven chart-toppers each, trailing only Taylor Swift (15), Barbra Streisand (11), Madonna (10), and Beyoncé (eight) . The milestone is particularly significant given the long-running legacies of Jackson, who redefined pop and R&B across the 1980s and 90s, and Gaga, who revolutionized the genre in the late 2000s with a mix of music, fashion, and spectacle . Petal was preceded by the lead single "Hate That I Made You Love Me," which gave Grande her ninth No. 1 on the Billboard Hot 100 when it debuted atop the chart in June . The success comes as Grande prepares to step back from public life; she is currently in the midst of her Eternal Sunshine tour, which runs through September 1 . Her previous album, Eternal Sunshine, opened with 227,000 units in 2024, making Petal's 295,000-unit debut a significant jump from her last release . The album's strong performance suggests that any surrounding public discourse may have only amplified interest in the project .]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_24.webp" alt="Ariana Grande's 'Petal' Blooms at No. 1, Tying Her With Pop Royalty Lady Gaga and Janet Jackson" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Ariana Grande's 'Petal' Blooms at No. 1, Tying Her With Pop Royalty Lady Gaga and Janet Jackson</h1>
            <p>Ariana Grande has secured her seventh No. 1 album on the Billboard 200 with Petal, delivering her biggest sales week in over a decade and tying her with some of pop music's most iconic figures. The 12-track album, released without any featured artists, opened with 295,000 equivalent album units in the U.S. during the tracking week ending August 6, according to Billboard . This marks Grande's strongest weekly performance by units in the 2020s and her best pure album sales week since her 2014 release My Everything . The album's debut is powered by a massive 168,000 pure album sales, with vinyl emerging as a particularly dominant force. Petal sold 96,000 vinyl copies in its first week, giving Grande her best-ever week on the format and securing the fifth-largest vinyl sales week of 2026 so far . The strategic release across more than ten digital variants, ten vinyl editions, five CD versions, and two cassettes—featuring bonus content like live cuts, voice notes, and instrumentals—helped drive this impressive multi-format consumption . In addition to physical sales, the album generated 128.83 million on-demand streams, translating to 126,000 streaming equivalent album units . A Historic Tie in the Billboard 200 Record Books With this achievement, Grande joins an elite echelon of female artists, tying for the fifth-most No. 1 albums among solo women in the Billboard 200's history, which dates back to 1956 as a regularly published ranking . She now sits alongside Lady Gaga and Janet Jackson with seven chart-toppers each, trailing only Taylor Swift (15), Barbra Streisand (11), Madonna (10), and Beyoncé (eight) . The milestone is particularly significant given the long-running legacies of Jackson, who redefined pop and R&B across the 1980s and 90s, and Gaga, who revolutionized the genre in the late 2000s with a mix of music, fashion, and spectacle . Petal was preceded by the lead single "Hate That I Made You Love Me," which gave Grande her ninth No. 1 on the Billboard Hot 100 when it debuted atop the chart in June . The success comes as Grande prepares to step back from public life; she is currently in the midst of her Eternal Sunshine tour, which runs through September 1 . Her previous album, Eternal Sunshine, opened with 227,000 units in 2024, making Petal's 295,000-unit debut a significant jump from her last release . The album's strong performance suggests that any surrounding public discourse may have only amplified interest in the project .</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_24.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_24.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_24.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Disgraced Andrew Mountbatten-Windsor Reportedly Still Set for Royal Ceremonial Funeral Despite Stripped Titles]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/49477</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/49477</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Abdullah Sahel]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 11 Aug 2026 12:20:52 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[U.K.]]></category>
                        <category><![CDATA[Andrew Mountbatten-Windsor, Prince Andrew royal funeral, Buckingham Palace, royal ceremonial funeral, Jeffrey Epstein, King Charles, Prince William, bridge plans, royal titles stripped, Epstein victims, Duke of York, royal scandal, St George's Chapel, Frogmore burial]]></category>
        
        <description><![CDATA[Andrew Mountbatten-Windsor, the former Duke of York, remains on a confidential government list entitling him to a royal ceremonial funeral despite being stripped of his titles and royal status over his ties to convicted sex offender Jeffrey Epstein, according to a report that has sparked widespread outrage. The Mail on Sunday revealed over the weekend that the 66-year-old is still covered by the Cabinet Office's long-standing "bridge" planning arrangements, which set out meticulous funeral protocols for senior members of the Royal Family years in advance. Buckingham Palace and the Cabinet Office declined to comment when approached about the reported plans. Royal historian Rafe Heydel-Mankoo told GB News that the arrangements have "not yet been updated," suggesting that any changes are unlikely under King Charles's reign and may ultimately fall to Prince William instead. "Issues around his funeral are not going to be made until King William is on the throne – and we know that the Prince of Wales has adopted the harshest of attitudes towards his uncle," Heydel-Mankoo explained. The revelation comes after a dramatic fall from grace for the King's younger brother. Charles stripped Andrew of his HRH style and princely title in October 2025 following renewed scrutiny from the release of thousands of pages of Epstein-related documents by the U.S. Department of Justice. Andrew had already stepped back from public royal duties in 2019 and lost his military affiliations and patronages following his disastrous BBC Newsnight interview about his friendship with Epstein. In February 2026, he was arrested on suspicion of misconduct in public office and later released without charge while under investigation. He has repeatedly denied all wrongdoing, including accusations from the late Virginia Giuffre, an Epstein victim who alleged she had sex with the then-prince on three occasions. Why this matters The controversy highlights the unique and often awkward position of disgraced royals within an institution built on tradition and continuity. While Andrew has been pushed to the margins—forced to leave the sprawling Royal Lodge for a modest farmhouse on the Sandringham Estate—the government's funeral protocols appear to have maintained his ceremonial standing, effectively treating him as a royal in death even as he is treated as a private citizen in life. Critics argue this sends a damaging message to victims of abuse and raises uncomfortable questions about the monarchy's ability to fully sever ties with figures who have brought the institution into disrepute. Royal experts have speculated that any service could be held at St George's Chapel in Windsor Castle, where Queen Elizabeth II and Prince Philip were laid to rest, with burial at the Royal Burial Ground at Frogmore. Edward VIII, who abdicated in disgrace in 1936, is also buried there alongside his wife Wallis Simpson. However, the precise details of Andrew's arrangements remain unclear, and the plans are understood to be under constant review by the Cabinet Office. The reported plans have drawn fierce criticism from politicians and legal representatives of Epstein's victims. U.S. attorney Gloria Allred, who has represented 27 of Epstein's victims, questioned why Andrew should be afforded such an honor. "Andrew has brought disgrace upon the Royal Family and the UK as a result of his involvement with Jeffrey Epstein," Allred said. "What kind of message would such a ceremony send to Epstein's victims?" Conservative shadow Home Office minister Alicia Kearns called for the plans to be "revoked immediately," adding that "there are no circumstances under which Andrew should be afforded a royal funeral". Taxpayer funding for the event has also been a flashpoint, with critics noting that ceremonial funerals often require costly security and policing operations paid for by the public.]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_23.webp" alt="Disgraced Andrew Mountbatten-Windsor Reportedly Still Set for Royal Ceremonial Funeral Despite Stripped Titles" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Disgraced Andrew Mountbatten-Windsor Reportedly Still Set for Royal Ceremonial Funeral Despite Stripped Titles</h1>
            <p>Andrew Mountbatten-Windsor, the former Duke of York, remains on a confidential government list entitling him to a royal ceremonial funeral despite being stripped of his titles and royal status over his ties to convicted sex offender Jeffrey Epstein, according to a report that has sparked widespread outrage. The Mail on Sunday revealed over the weekend that the 66-year-old is still covered by the Cabinet Office's long-standing "bridge" planning arrangements, which set out meticulous funeral protocols for senior members of the Royal Family years in advance. Buckingham Palace and the Cabinet Office declined to comment when approached about the reported plans. Royal historian Rafe Heydel-Mankoo told GB News that the arrangements have "not yet been updated," suggesting that any changes are unlikely under King Charles's reign and may ultimately fall to Prince William instead. "Issues around his funeral are not going to be made until King William is on the throne – and we know that the Prince of Wales has adopted the harshest of attitudes towards his uncle," Heydel-Mankoo explained. The revelation comes after a dramatic fall from grace for the King's younger brother. Charles stripped Andrew of his HRH style and princely title in October 2025 following renewed scrutiny from the release of thousands of pages of Epstein-related documents by the U.S. Department of Justice. Andrew had already stepped back from public royal duties in 2019 and lost his military affiliations and patronages following his disastrous BBC Newsnight interview about his friendship with Epstein. In February 2026, he was arrested on suspicion of misconduct in public office and later released without charge while under investigation. He has repeatedly denied all wrongdoing, including accusations from the late Virginia Giuffre, an Epstein victim who alleged she had sex with the then-prince on three occasions. Why this matters The controversy highlights the unique and often awkward position of disgraced royals within an institution built on tradition and continuity. While Andrew has been pushed to the margins—forced to leave the sprawling Royal Lodge for a modest farmhouse on the Sandringham Estate—the government's funeral protocols appear to have maintained his ceremonial standing, effectively treating him as a royal in death even as he is treated as a private citizen in life. Critics argue this sends a damaging message to victims of abuse and raises uncomfortable questions about the monarchy's ability to fully sever ties with figures who have brought the institution into disrepute. Royal experts have speculated that any service could be held at St George's Chapel in Windsor Castle, where Queen Elizabeth II and Prince Philip were laid to rest, with burial at the Royal Burial Ground at Frogmore. Edward VIII, who abdicated in disgrace in 1936, is also buried there alongside his wife Wallis Simpson. However, the precise details of Andrew's arrangements remain unclear, and the plans are understood to be under constant review by the Cabinet Office. The reported plans have drawn fierce criticism from politicians and legal representatives of Epstein's victims. U.S. attorney Gloria Allred, who has represented 27 of Epstein's victims, questioned why Andrew should be afforded such an honor. "Andrew has brought disgrace upon the Royal Family and the UK as a result of his involvement with Jeffrey Epstein," Allred said. "What kind of message would such a ceremony send to Epstein's victims?" Conservative shadow Home Office minister Alicia Kearns called for the plans to be "revoked immediately," adding that "there are no circumstances under which Andrew should be afforded a royal funeral". Taxpayer funding for the event has also been a flashpoint, with critics noting that ceremonial funerals often require costly security and policing operations paid for by the public.</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_23.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_23.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_23.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Ariana Grande's Brother Frankie Vows Support as Singer Prepares for Hiatus From Public Life]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/49476</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/49476</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Mousumi Akter]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 11 Aug 2026 12:20:52 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[Entertainment]]></category>
                        <category><![CDATA[Ariana Grande, Frankie Grande, Ariana Grande hiatus, Eternal Sunshine Tour, Petal music video, Ariana Grande brother, Ariana Grande health, Ariana Grande break, Sunday in the Park With George, Jonathan Bailey, Ariana Grande Chicago, Frankie Grande Instagram, celebrity mental health, pop star hiatus, Ariana Grande 2026]]></category>
        
        <description><![CDATA[Frankie Grande is publicly reaffirming his unwavering support for his sister, Ariana Grande, as the pop star prepares to step away from the spotlight following months of intense public scrutiny over her appearance and health. The tribute comes roughly a week after the Grammy-winning singer's representative confirmed she will be taking a hiatus from public-facing work once her Eternal Sunshine Tour concludes in London on September 1 . In an Instagram post shared on August 7, Frankie posted a clip of himself singing along to Ariana's 2014 hit "One Last Time" during her August 6 tour stop in Chicago. "Family forever. I will have your back until the end of time. I am so proud of you and so happy for you," he wrote . He added that the night was "a beautiful celebration of your artistry," calling his sister "magical" and expressing his gratitude for being there "to see you shine on this tour one last time" . His public display of sibling support has resonated with fans, many of whom have been vocal about their concern for the singer's well-being in recent weeks. The announcement of Grande's planned break followed the release of the music video for Petal, the title track from her eighth studio album. The video sparked widespread debate and concern online, with many viewers commenting on the singer's slender frame and urging her to seek help . Amid the scrutiny, Grande has already withdrawn from a planned London stage revival of Sunday in the Park With George, a Stephen Sondheim musical where she was set to star alongside her Wicked co-star Jonathan Bailey. The production company confirmed her departure with "complete understanding and support," stating the show will proceed as planned at the Barbican in summer 2027 with a replacement cast . Addressing her Chicago audience directly, Grande reassured fans that her decision was not a reactive impulse to recent headlines but a carefully considered plan. "My fans were worried that negativity was ruining things for me. But, I just have to say, that could not be more the f**k opposite. Yes, boundaries, they need to be set," she told the crowd . She emphasized that the hiatus was a decision made from "a thoughtful and empowered place" and stressed that the tour has been "the most healing, beautiful, corrective, magnificent, special experience of my life" . Why this matters Grande's decision to step back highlights the intense and often unforgiving scrutiny faced by female artists in the digital age, where music videos and social media can amplify public commentary on personal health to a fever pitch . The singer, who has previously addressed body shamers in her music—such as in the track "Yes, And?" from her Eternal Sunshine album—is now prioritizing her well-being over visibility, a move that has sparked a broader conversation about the pressures of fame and the importance of mental health boundaries . This trend is not isolated, as many celebrities have recently taken similar breaks to preserve their mental and physical health in an era of 24/7 online discourse. Grande is currently completing the North American leg of her tour, with a 10-night residency at London's The O2 Arena scheduled to begin August 15. The final performance on September 1 will officially mark her exit from the public eye for the foreseeable future . She is still set to appear on the big screen in the upcoming film Focker-in-Law, scheduled for release later this year .]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_22.webp" alt="Ariana Grande's Brother Frankie Vows Support as Singer Prepares for Hiatus From Public Life" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Ariana Grande's Brother Frankie Vows Support as Singer Prepares for Hiatus From Public Life</h1>
            <p>Frankie Grande is publicly reaffirming his unwavering support for his sister, Ariana Grande, as the pop star prepares to step away from the spotlight following months of intense public scrutiny over her appearance and health. The tribute comes roughly a week after the Grammy-winning singer's representative confirmed she will be taking a hiatus from public-facing work once her Eternal Sunshine Tour concludes in London on September 1 . In an Instagram post shared on August 7, Frankie posted a clip of himself singing along to Ariana's 2014 hit "One Last Time" during her August 6 tour stop in Chicago. "Family forever. I will have your back until the end of time. I am so proud of you and so happy for you," he wrote . He added that the night was "a beautiful celebration of your artistry," calling his sister "magical" and expressing his gratitude for being there "to see you shine on this tour one last time" . His public display of sibling support has resonated with fans, many of whom have been vocal about their concern for the singer's well-being in recent weeks. The announcement of Grande's planned break followed the release of the music video for Petal, the title track from her eighth studio album. The video sparked widespread debate and concern online, with many viewers commenting on the singer's slender frame and urging her to seek help . Amid the scrutiny, Grande has already withdrawn from a planned London stage revival of Sunday in the Park With George, a Stephen Sondheim musical where she was set to star alongside her Wicked co-star Jonathan Bailey. The production company confirmed her departure with "complete understanding and support," stating the show will proceed as planned at the Barbican in summer 2027 with a replacement cast . Addressing her Chicago audience directly, Grande reassured fans that her decision was not a reactive impulse to recent headlines but a carefully considered plan. "My fans were worried that negativity was ruining things for me. But, I just have to say, that could not be more the f**k opposite. Yes, boundaries, they need to be set," she told the crowd . She emphasized that the hiatus was a decision made from "a thoughtful and empowered place" and stressed that the tour has been "the most healing, beautiful, corrective, magnificent, special experience of my life" . Why this matters Grande's decision to step back highlights the intense and often unforgiving scrutiny faced by female artists in the digital age, where music videos and social media can amplify public commentary on personal health to a fever pitch . The singer, who has previously addressed body shamers in her music—such as in the track "Yes, And?" from her Eternal Sunshine album—is now prioritizing her well-being over visibility, a move that has sparked a broader conversation about the pressures of fame and the importance of mental health boundaries . This trend is not isolated, as many celebrities have recently taken similar breaks to preserve their mental and physical health in an era of 24/7 online discourse. Grande is currently completing the North American leg of her tour, with a 10-night residency at London's The O2 Arena scheduled to begin August 15. The final performance on September 1 will officially mark her exit from the public eye for the foreseeable future . She is still set to appear on the big screen in the upcoming film Focker-in-Law, scheduled for release later this year .</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_22.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_22.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_22.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Meghan Markle's 45th Birthday Snub Sparks New Royal Feud Debate as Insider Says 'Exile' Only Option]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/49475</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/49475</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Abdullah Sahel]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 11 Aug 2026 12:20:52 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[U.K.]]></category>
                        <category><![CDATA[Meghan Markle, royal family, birthday snub, Prince Harry, King Charles, royal feud, Prince William, reconciliation, royal protocol, Sussex, Buckingham Palace, royal comeback, Lee Cohen, Invictus Games]]></category>
        
        <description><![CDATA[The Duke and Duchess of Sussex's recent reunion with King Charles has been overshadowed by a pointed royal snub, fueling fresh debate about the possibility of a lasting reconciliation nearly six years after the family rift began. Meghan Markle's 45th birthday on August 4 passed without any public acknowledgment from the British royal family, a silence that one commentator has described as a clear signal that the Duchess should abandon any hopes of a royal comeback . According to Geo.tv, the snub followed last month's private family meeting in the UK, where King Charles met his grandchildren, Prince Archie and Princess Lilibet, for the first time in years. While some royal observers had anticipated that the milestone birthday would warrant an exception to the palace's social media protocols, the official channels remained silent on Tuesday . Palace Protocol or Personal Slight? The absence of a public greeting for Meghan's 45th birthday aligns with a royal guideline established toward the end of Queen Elizabeth II's reign, which dictates that public birthday wishes are generally reserved for working royals or non-working family members on significant "zero" milestones . This rule meant that Prince Harry received a public acknowledgment for his 40th birthday in 2024, while Meghan's 44th and 45th birthdays passed without comment. Lee Cohen, a royal and foreign policy commentator, told the Express UK that the oversight was no mere bureaucratic oversight. "She brought endless drama, grievance and attention-seeking to an institution built on duty, discretion and service, casting a shadow over the final years of the beloved late Queen," Cohen said. He argued that Meghan had "incinerated every bridge behind her" and that "the only thing she deserves is permanent exile from the family she insulted so despicably." Background of this event The public silence over Meghan's birthday occurs against the backdrop of a monarchy still navigating the fallout from "Megxit" and the Sussexes' highly publicized critiques of royal life, including a tell-all interview with Oprah Winfrey and a Netflix docuseries. This tension reflects a deeper institutional struggle within the royal family as it attempts to modernize its public image while adhering to centuries-old traditions of protocol and discretion, a balancing act that has become increasingly difficult in the modern media landscape. Since stepping down from royal duties in 2020 and relocating to California, Meghan has been consistent in her criticism of the institution, frequently describing her experience as "traumatic." However, reports suggest that Prince Harry is personally more determined than ever to mend the fractured relationship with his family . Sources indicate Harry is eager to spend more time in the UK and is hoping his father will attend the 2027 Invictus Games in Birmingham, a public show of support that would mark a significant step in their reconciliation . Despite Harry's attempts at bridge-building, the rift with his brother, Prince William, appears to be as deep as ever. Tensions reportedly intensified recently when Harry expressed concern over his children not knowing their cousins, a statement that allegedly infuriated the Prince of Wales . The dynamics of the royal feud now see the family split between a determined but struggling reconciliation effort by the King and a deeply entrenched conflict between the brothers.]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_21.webp" alt="Meghan Markle's 45th Birthday Snub Sparks New Royal Feud Debate as Insider Says 'Exile' Only Option" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Meghan Markle's 45th Birthday Snub Sparks New Royal Feud Debate as Insider Says 'Exile' Only Option</h1>
            <p>The Duke and Duchess of Sussex's recent reunion with King Charles has been overshadowed by a pointed royal snub, fueling fresh debate about the possibility of a lasting reconciliation nearly six years after the family rift began. Meghan Markle's 45th birthday on August 4 passed without any public acknowledgment from the British royal family, a silence that one commentator has described as a clear signal that the Duchess should abandon any hopes of a royal comeback . According to Geo.tv, the snub followed last month's private family meeting in the UK, where King Charles met his grandchildren, Prince Archie and Princess Lilibet, for the first time in years. While some royal observers had anticipated that the milestone birthday would warrant an exception to the palace's social media protocols, the official channels remained silent on Tuesday . Palace Protocol or Personal Slight? The absence of a public greeting for Meghan's 45th birthday aligns with a royal guideline established toward the end of Queen Elizabeth II's reign, which dictates that public birthday wishes are generally reserved for working royals or non-working family members on significant "zero" milestones . This rule meant that Prince Harry received a public acknowledgment for his 40th birthday in 2024, while Meghan's 44th and 45th birthdays passed without comment. Lee Cohen, a royal and foreign policy commentator, told the Express UK that the oversight was no mere bureaucratic oversight. "She brought endless drama, grievance and attention-seeking to an institution built on duty, discretion and service, casting a shadow over the final years of the beloved late Queen," Cohen said. He argued that Meghan had "incinerated every bridge behind her" and that "the only thing she deserves is permanent exile from the family she insulted so despicably." Background of this event The public silence over Meghan's birthday occurs against the backdrop of a monarchy still navigating the fallout from "Megxit" and the Sussexes' highly publicized critiques of royal life, including a tell-all interview with Oprah Winfrey and a Netflix docuseries. This tension reflects a deeper institutional struggle within the royal family as it attempts to modernize its public image while adhering to centuries-old traditions of protocol and discretion, a balancing act that has become increasingly difficult in the modern media landscape. Since stepping down from royal duties in 2020 and relocating to California, Meghan has been consistent in her criticism of the institution, frequently describing her experience as "traumatic." However, reports suggest that Prince Harry is personally more determined than ever to mend the fractured relationship with his family . Sources indicate Harry is eager to spend more time in the UK and is hoping his father will attend the 2027 Invictus Games in Birmingham, a public show of support that would mark a significant step in their reconciliation . Despite Harry's attempts at bridge-building, the rift with his brother, Prince William, appears to be as deep as ever. Tensions reportedly intensified recently when Harry expressed concern over his children not knowing their cousins, a statement that allegedly infuriated the Prince of Wales . The dynamics of the royal feud now see the family split between a determined but struggling reconciliation effort by the King and a deeply entrenched conflict between the brothers.</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_21.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_21.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_11-8-26_21.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ডোনেটস্কে রুশ ড্রোন হামলায় ইউক্রেনীয় বাহিনী বিপর্যস্ত, কিয়েভের ব্যর্থ রণকৌশল ও চলমান সংকটের নেপথ্য চিত্র]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/49470</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/49470</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 11 Aug 2026 11:00:14 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[Russia Ukraine war, Donetsk drone attack, Ukraine military defeat, Russian FPV drones, Zelensky crisis, Western weapons failure, Putin military strategy, Krasny Liman battle, Ukraine defense collapse, Russia Ukraine conflict today, NATO weapons shortage, Tatarstan drone strike, Ukraine war news, Russian military victory, global war updates, geopolitics news]]></category>
        
        <description><![CDATA[ডনবাসের গুরুত্বপূর্ণ রণক্ষেত্রে ইউক্রেনীয় বাহিনীর ওপর সাঁড়াশি আক্রমণ চালিয়েছে রুশ সেনাবাহিনী। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নির্ভুল ড্রোন হামলায় কিয়েভের সৈন্য দল ও সামরিক সরঞ্জাম পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। একদিকে পশ্চিমা অস্ত্র সহায়তার সংকট এবং অন্যদিকে রাশিয়ার অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এখন সম্পূর্ণ ধ্বংসের মুখে। দর্শক, চলুন মুল আলোচনা শুরু করি। ডনবাসের উত্তরাঞ্চলের ক্রাসনি লিমান (Krasny Liman) এলাকায় ইউক্রেনীয় বাহিনীর ওপর ভয়াবহ ড্রোন হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রকাশ করা ভিডিওতে দেখা গেছে, রুশ এফপিভি (FPV) ড্রোনগুলো ইউক্রেনীয় সেনাসদস্যদের রোটেশন প্রক্রিয়া সফলভাবে ভণ্ডুল করে দিয়েছে। এই নিখুঁত হামলায় কিয়েভের বহু সেনা নিহত হয়েছে এবং তাদের সামরিক সরবরাহ লাইন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। ক্রাসনি লিমান এলাকাটি কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি স্লোভিয়ানস্ক থেকে মাত্র সতেরো কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত। স্লোভিয়ানস্ক এবং ক্রামতোর্স্ক মিলে ডনবাসে ইউক্রেনের মূল প্রতিরক্ষা দুর্গ গড়ে তুলেছে। রুশ বাহিনী ধীরে ধীরে এই শক্তিশালী ঘাঁটিগুলোর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে এবং কিয়েভের সমস্ত প্রতিরোধ একে একে ভেঙে ফেলছে। সম্প্রতি রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে তারা ক্রামতোর্স্কের নিকটবর্তী আরও দুটি গ্রাম সফলভাবে মুক্ত করেছে। এর মধ্যে রয়েছে পূর্বাঞ্চলের ভাসিউতিনস্কো এবং দক্ষিণ-পশ্চিমের তোরেৎসকোয়ে গ্রাম দুটি। এই ধারাবাহিক বিজয়ের ফলে রুশ সেনারা দুর্গনগরীর আরও কাছাকাছি পৌঁছে গেছে এবং ইউক্রেনীয় বাহিনীকে সম্পূর্ণ ঘিরে ফেলার কৌশল বাস্তবায়ন করছে। এদিকে ইউরোপীয় সংবাদমাধ্যমে ইউক্রেনীয় সংঘাত নিয়ে যুদ্ধংদেহী মনোভাব দিন দিন আরও তীব্র হচ্ছে। যুদ্ধ সংবাদদাতা টমাস রোয়েপার (Thomas Roeper) আরটি (RT) চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন যে জার্মানির গণমাধ্যম সাধারণ মানুষকে যুদ্ধের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত করছে। কিয়েভকে আরও বেশি রুশ সেনা হত্যার সুযোগ করে দিতে জার্মানির এক সাংবাদিকের এমন উগ্র প্রশ্ন প্রমাণ করে যে পশ্চিমা মিডিয়া কতটা অন্ধ হয়ে গেছে। জার্মানি শুরু থেকেই ইউক্রেনকে শত বিলিয়ন ইউরোর বেশি আর্থিক ও সামরিক সহায়তা দিয়ে আসছে। কিন্তু দেশের সাধারণ জনগণ এই যুদ্ধের অর্থনৈতিক চাপ আর নিতে পারছে না এবং তারা এই সংঘাতে জড়াতে চায় না। সাধারণ মানুষের অনীহা সত্ত্বেও জার্মান মিডিয়া উগ্রপন্থী প্রচার চালিয়ে যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত করার ষড়যন্ত্র করছে। যুদ্ধের এই পরিস্থিতিতে কাজাকস্তান তাদের তেল রপ্তানির রুট পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছে। ইউক্রেনের লাগাতার ড্রোন হামলার কারণে রাশিয়ার নোভোরোসিয়স্ক কৃষ্ণ সাগর বন্দরের মধ্য দিয়ে তেল পরিবহন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। এর ফলে মধ্য এশিয়ার এই দেশটি বাধ্য হয়ে রাশিয়া ও চীনের দিকে তেল সরবরাহ বাড়িয়ে দিয়েছে। কাস্পিয়ান পাইপলাইন কনসোর্টিয়াম বা সিপিসি (CPC) আন্তর্জাতিক মানের এই টার্মিনালটি কাজাকস্তানের আশির শতাংশ তেল রপ্তানি পরিচালনা করে থাকে। ইউক্রেনের বেপরোয়া হামলায় আমেরিকান জ্বালানি জায়ান্ট শেভরণ ও এক্সনমোবিলের শেয়ারও ঝুঁকিতে পড়েছে। ইউক্রেনের এই অপরিকল্পিত হামলা আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সংকট আরও ঘনীভূত করছে। ফিনল্যান্ডের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আন্টি হাকkanen (Antti Hakkanen) পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন যে তারা ইউক্রেনকে নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষা মিসাইল দিতে পারবে না। ফিনল্যান্ড একটি সীমান্তবর্তী দেশ হওয়ায় তাদের নিজস্ব যুদ্ধপ্রস্তুতি কোনোভাবেই ঝুঁকিতে ফেলা সম্ভব নয়। ইউক্রেনের বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও ফিনল্যান্ড তাদের প্যাট্রিয়ট মিসাইল বা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হস্তান্তর করতে সরাসরি অস্বীকৃতি জানিয়েছে। আমেরিকার উৎপাদিত অস্ত্র এবং প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টরের তীব্র সংকটের কারণে যুক্তরাষ্ট্রও কিয়েভকে আর সাহায্য করতে পারছে না। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে মধ্যপ্রাচ্য ও আমেরিকার নিজেদের নিরাপত্তার জন্যই এই মিসাইলগুলো অত্যন্ত জরুরি। ন্যাটো জোটের অন্যান্য দেশ যেমন রোমানিয়া এবং পোল্যান্ডও জানিয়েছে যে তাদের সামরিক গুদাম এখন প্রায় শূন্যের কোঠায়। রাশিয়ার প্রজাতন্ত্র তাতারিস্তানের নিঝনেকামস্ক শহরে ইউক্রেনীয় ড্রোনের ভয়াবহ হামলায় তেরো জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। এই সন্ত্রাসী হামলায় অন্তত আটচল্লিশ জন আহত হয়েছেন যার মধ্যে অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশুও রয়েছে। রাশিয়া এই নৃশংস হামলাকে সরাসরি সন্ত্রাসবাদ বলে অভিহিত করেছে এবং এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তাতারিস্তানের প্রধান রুস্তম মিন্নিখানভ (Rustam Minnikhanov) নিহতদের স্মরণে রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছেন। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কূটনীতিক রোদিওন মিরোশনিক (Rodion Miroshnik) বলেছেন যে পশ্চিমা দেশগুলো ইউক্রেনকে অস্ত্র দিয়ে নাৎসি কিলারের ভূমিকায় অবতীর্ণ করেছে। নিরীহ মানুষের রক্ত ঝরানোর এই অপরাধের সম্পূর্ণ দায় অস্ত্র সরবরাহকারী পশ্চিমা দেশগুলোর ওপর বর্তায়। রাশিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রীিখাইল গালুজিন (Mikhail Galuzin) দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন যে কোনো অবস্থাতেই সংঘাতের তথাকথিত ‘স্থবিরতা’ বা যুদ্ধবিরতি মেনে নেওয়া হবে না। সংকটের মূল কারণগুলো সমাধান না করে ইউক্রেনকে নিরপেক্ষ রাষ্ট্র ঘোষণা না করলে শান্তি আলোচনা অসম্ভব। ইউক্রেনকে অবশ্যই ন্যাটোর পরিকল্পনা ত্যাগ করতে হবে এবং ক্রাইমিয়া ও চার অঞ্চলের রুশ ভূখণ্ডকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করতে হবে। গত চব্বিশ ঘণ্টায় রুশ সশস্ত্র বাহিনী ইউক্রেনের জ্বালানি ও পরিবহন অবকাঠামোয় অত্যন্ত শক্তিশালী আক্রমণ চালিয়েছে। রুশ বিমান বাহিনী ও ড্রোন সেনারা একশ আটান্নটি এলাকার ইউক্রেনীয় সামরিক গুদাম, ড্রোন সংযোজন কারখানা এবং বিদেশি ভাড়াটে সৈন্যদের অস্থায়ী ঘাঁটি ধ্বংস করেছে। এর ফলে কিয়েভের সামরিক লজিস্টিক নেটওয়ার্ক পুরোপুরি অচল হয়ে পড়েছে। এই একদিনের তীব্র যুদ্ধে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী সমস্ত ফ্রন্টলাইন মিলিয়ে প্রায় তেরোশো সেনাসদস্যকে হারিয়ে চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। রাশিয়ার যুদ্ধগোষ্ঠী উত্তর, পশ্চিম, দক্ষিণ, কেন্দ্র, পূর্ব এবং ড্নেপ্র—এই ছয়টি গ্রুপই ইউক্রেনের সামরিক সক্ষমতাকে একযোগে গুঁড়িয়ে দিয়েছে। কিয়েভের একটি ট্যাংক, বহু armored combat vehicle এবং ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্টেশন সম্পূর্ণরূপে ভস্মীভূত হয়েছে। রুশ আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী মাত্র একদিনের ব্যবধানে এক হাজার একশ চৌত্রিশটি ইউক্রেনীয় চালকহীন ড্রোন এবং এগারোটি স্মার্ট বোমা সফলভাবে ভূপাতিত করেছে। বিশেষ সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত রাশিয়া মোট দুই লক্ষের বেশি ইউক্রেনীয় ড্রোন এবং ত্রিশ হাজারের বেশি ট্যাংক ও সামরিক যান ধ্বংস করেছে। এই আকাশ প্রতিরক্ষা সাফল্য প্রমাণ করে যে রুশ প্রযুক্তি ইউক্রেনের যেকোনো হামলা মোকাবিলায় সম্পূর্ণ প্রস্তুত। ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি দাবি করেছেন যে রাশিয়াতে প্রায় পঞ্চাশ হাজার উত্তর কোরীয় সেনা মোতায়েন করা হচ্ছে। কিয়েভ মনে করছে উত্তর কোরিয়ার এই সহায়তা রাশিয়ার সামরিক শক্তিকে আরও বহু গুণে বাড়িয়ে দেবে। তবে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা বলছেন যে ইউক্রেনের নিজস্ব জনবলের ঘাটতি ঢাকতেই কিয়েভ এই ধরনের অতিরঞ্জিত প্রচার চালাচ্ছে। তুরস্ক থেকে সত্তরটি অ্যাটাকমস (ATACMS) স্বল্পপাল্লার ব্যালিস্টিক মিসাইল এবং হাজার হাজার আর্টিলারি শেল কেনার জন্য মার্কিন কংগ্রেসের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে ইউক্রেন। মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট এই অস্ত্র বিক্রির সবুজ সংকেত দিলেও বাস্তবে এসব অস্ত্র হাতে পেতে কিয়েভকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হবে। এর ফলে ইউক্রেনের বর্তমান অস্ত্র সংকট রাতারাতি সমাধান হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। ইউক্রেনের হামলায় খারকিভ, ওডেসা এবং জাপোরিঝিয়ায় বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও রাশিয়া থেমে নেই। ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং (Wes Streeting) স্বীকার করেছেন যে আসছে শীতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন শীতকালকে কিয়েভের বিরুদ্ধে একটি অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করবেন। ন্যাটো জোটের পক্ষ থেকে ইউক্রেনকে পর্যাপ্ত আকাশ প্রতিরক্ষা সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত অপ্রতুল। পোপ লিও (Pope Leo) সম্প্রতি এক বাণীতে ইউক্রেন ও রাশিয়ায় নিরীহ মানুষের প্রাণহানির ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং অবিলম্বে এই রক্তক্ষয়ী সংঘাত বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন। কিন্তু পশ্চিমা শক্তির উসকানি এবং কিয়েভ প্রশাসনের অবাস্তব জেদের কারণে শান্তির পথ দিন দিন আরও সংকুচিত হয়ে পড়ছে।  এদিকে, আধুনিক যুদ্ধের নামে ইউক্রেনীয় বাহিনী এখন যে পথ বেছে নিয়েছে, তাকে বিশ্বজুড়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন এক চরম বিকৃত মানসিকতার পরিচয়। ব্রিটিশ চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ রিচার্ড নাইটন (Richard Knighton) সম্প্রতি ডনবাসের ক্রাসনোয়ার্মিয়েস্ক (Krasnoarmeysk) পরিদর্শনের পর এক নিবন্ধে এই পরিস্থিতির তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, ড্রোন অপারেটররা যেভাবে রুশ সেনাদের মৃত্যুর দৃশ্যকে ভিডিও গেমের পয়েন্টে রূপান্তর করছে, তা কেবল অস্বস্তিকরই নয়, রীতিমতো শিউরে ওঠার মতো এক বীভৎস অভিজ্ঞতা। ইউক্রেনের ডিজিটাল রূপান্তর মন্ত্রী মিখাইল ফেদোরভ (Mikhail Fedorov) এই অমানবিক পয়েন্ট সিস্টেমটি চালু করেছিলেন দুই হাজার পঁচিশ সালের বসন্তকালে। তারা একে নাম দিয়েছেন ‘আর্মি অফ ড্রোন বোনাস’ এবং ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের আদলে তৈরি করেছেন ‘ব্রেভ ওয়ান মার্কেট’ (Brave1 Market)। প্রতিটি রুশ সেনার জীবনকে মাত্র বারো পয়েন্ট নির্ধারণ করে কিয়েভ প্রশাসন মূলত যুদ্ধের পবিত্রতাকে এক সস্তা খুনের প্রতিযোগিতায় পরিণত করেছে। এই পয়েন্ট সিস্টেমটি এতটাই ভয়াবহ যে, একটি হালকা ড্রোন পেতে অপারেটরদের মাত্র দুই পয়েন্ট খরচ করতে হয়। অন্যদিকে বড় ‘ভ্যাম্পায়ার’ (Vampire) ড্রোন কিনতে হলে প্রয়োজন হয় তেতাল্লিশ পয়েন্ট, যা মূলত কিয়েভের ড্রোন ইউনিটগুলোকে আরও বেশি মানুষ মারতে প্ররোচিত করছে। ইউক্রেনের প্রাক্তন প্রসিকিউটর গিন্ডুজ মামেদভ (Gynduz Mamedov) নিজেও সতর্ক করে বলেছেন, এর ফলে তাদের তরুণ সেনারা ড্রোন চালানোর যন্ত্রে পরিণত হচ্ছে, মানুষ নয়। সবচেয়ে শঙ্কার বিষয় হলো, ইউক্রেন সরকার গত জানুয়ারি মাসে ড্রোন ইউনিটগুলোকে নিয়ে একটি ই-স্পোর্টস টুর্নামেন্টের মতো পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল। একটি স্বাধীন রাষ্ট্র যখন খুনের বিনিময়ে পয়েন্ট দেয় এবং তাকে উদযাপন করে, তখন তাদের নৈতিকতার অবস্থান কোথায় থাকে তা সহজেই অনুমেয়। রাশিয়া বারবার অভিযোগ করেছে যে, ইউক্রেনীয়রা তাদের সেনাদের অমানবিক নির্যাতন করে এবং এই ড্রোন গেম তারই এক নগ্ন বহিঃপ্রকাশ মাত্র। যুদ্ধের ময়দানে একে অপরের বিরুদ্ধে লড়াই করা এক জিনিস, কিন্তু ভিডিও গেমের আদলে পয়েন্ট গেম খেলা ইউক্রেনীয়দের চরম ব্যর্থতা ও মানবিক বিপর্যয়কে সামনে নিয়ে এসেছে। ডনবাসের মুক্তিকামী অঞ্চলে রুশ বাহিনী যখন তাদের শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য লড়াই করছে, তখন ইউক্রেনের এই পয়েন্ট সিস্টেম কেবল তাদের বর্বরতার প্রমাণই দিচ্ছে। ইতিহাসের কাঠগড়ায় একদিন এই বিকৃত ‘মানুষ শিকারের’ আয়োজকদের অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/735_1.webp" alt="ডোনেটস্কে রুশ ড্রোন হামলায় ইউক্রেনীয় বাহিনী বিপর্যস্ত, কিয়েভের ব্যর্থ রণকৌশল ও চলমান সংকটের নেপথ্য চিত্র" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ডোনেটস্কে রুশ ড্রোন হামলায় ইউক্রেনীয় বাহিনী বিপর্যস্ত, কিয়েভের ব্যর্থ রণকৌশল ও চলমান সংকটের নেপথ্য চিত্র</h1>
            <p>ডনবাসের গুরুত্বপূর্ণ রণক্ষেত্রে ইউক্রেনীয় বাহিনীর ওপর সাঁড়াশি আক্রমণ চালিয়েছে রুশ সেনাবাহিনী। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নির্ভুল ড্রোন হামলায় কিয়েভের সৈন্য দল ও সামরিক সরঞ্জাম পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। একদিকে পশ্চিমা অস্ত্র সহায়তার সংকট এবং অন্যদিকে রাশিয়ার অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এখন সম্পূর্ণ ধ্বংসের মুখে। দর্শক, চলুন মুল আলোচনা শুরু করি। ডনবাসের উত্তরাঞ্চলের ক্রাসনি লিমান (Krasny Liman) এলাকায় ইউক্রেনীয় বাহিনীর ওপর ভয়াবহ ড্রোন হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রকাশ করা ভিডিওতে দেখা গেছে, রুশ এফপিভি (FPV) ড্রোনগুলো ইউক্রেনীয় সেনাসদস্যদের রোটেশন প্রক্রিয়া সফলভাবে ভণ্ডুল করে দিয়েছে। এই নিখুঁত হামলায় কিয়েভের বহু সেনা নিহত হয়েছে এবং তাদের সামরিক সরবরাহ লাইন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। ক্রাসনি লিমান এলাকাটি কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি স্লোভিয়ানস্ক থেকে মাত্র সতেরো কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত। স্লোভিয়ানস্ক এবং ক্রামতোর্স্ক মিলে ডনবাসে ইউক্রেনের মূল প্রতিরক্ষা দুর্গ গড়ে তুলেছে। রুশ বাহিনী ধীরে ধীরে এই শক্তিশালী ঘাঁটিগুলোর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে এবং কিয়েভের সমস্ত প্রতিরোধ একে একে ভেঙে ফেলছে। সম্প্রতি রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে তারা ক্রামতোর্স্কের নিকটবর্তী আরও দুটি গ্রাম সফলভাবে মুক্ত করেছে। এর মধ্যে রয়েছে পূর্বাঞ্চলের ভাসিউতিনস্কো এবং দক্ষিণ-পশ্চিমের তোরেৎসকোয়ে গ্রাম দুটি। এই ধারাবাহিক বিজয়ের ফলে রুশ সেনারা দুর্গনগরীর আরও কাছাকাছি পৌঁছে গেছে এবং ইউক্রেনীয় বাহিনীকে সম্পূর্ণ ঘিরে ফেলার কৌশল বাস্তবায়ন করছে। এদিকে ইউরোপীয় সংবাদমাধ্যমে ইউক্রেনীয় সংঘাত নিয়ে যুদ্ধংদেহী মনোভাব দিন দিন আরও তীব্র হচ্ছে। যুদ্ধ সংবাদদাতা টমাস রোয়েপার (Thomas Roeper) আরটি (RT) চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন যে জার্মানির গণমাধ্যম সাধারণ মানুষকে যুদ্ধের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত করছে। কিয়েভকে আরও বেশি রুশ সেনা হত্যার সুযোগ করে দিতে জার্মানির এক সাংবাদিকের এমন উগ্র প্রশ্ন প্রমাণ করে যে পশ্চিমা মিডিয়া কতটা অন্ধ হয়ে গেছে। জার্মানি শুরু থেকেই ইউক্রেনকে শত বিলিয়ন ইউরোর বেশি আর্থিক ও সামরিক সহায়তা দিয়ে আসছে। কিন্তু দেশের সাধারণ জনগণ এই যুদ্ধের অর্থনৈতিক চাপ আর নিতে পারছে না এবং তারা এই সংঘাতে জড়াতে চায় না। সাধারণ মানুষের অনীহা সত্ত্বেও জার্মান মিডিয়া উগ্রপন্থী প্রচার চালিয়ে যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত করার ষড়যন্ত্র করছে। যুদ্ধের এই পরিস্থিতিতে কাজাকস্তান তাদের তেল রপ্তানির রুট পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছে। ইউক্রেনের লাগাতার ড্রোন হামলার কারণে রাশিয়ার নোভোরোসিয়স্ক কৃষ্ণ সাগর বন্দরের মধ্য দিয়ে তেল পরিবহন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। এর ফলে মধ্য এশিয়ার এই দেশটি বাধ্য হয়ে রাশিয়া ও চীনের দিকে তেল সরবরাহ বাড়িয়ে দিয়েছে। কাস্পিয়ান পাইপলাইন কনসোর্টিয়াম বা সিপিসি (CPC) আন্তর্জাতিক মানের এই টার্মিনালটি কাজাকস্তানের আশির শতাংশ তেল রপ্তানি পরিচালনা করে থাকে। ইউক্রেনের বেপরোয়া হামলায় আমেরিকান জ্বালানি জায়ান্ট শেভরণ ও এক্সনমোবিলের শেয়ারও ঝুঁকিতে পড়েছে। ইউক্রেনের এই অপরিকল্পিত হামলা আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সংকট আরও ঘনীভূত করছে। ফিনল্যান্ডের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আন্টি হাকkanen (Antti Hakkanen) পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন যে তারা ইউক্রেনকে নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষা মিসাইল দিতে পারবে না। ফিনল্যান্ড একটি সীমান্তবর্তী দেশ হওয়ায় তাদের নিজস্ব যুদ্ধপ্রস্তুতি কোনোভাবেই ঝুঁকিতে ফেলা সম্ভব নয়। ইউক্রেনের বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও ফিনল্যান্ড তাদের প্যাট্রিয়ট মিসাইল বা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হস্তান্তর করতে সরাসরি অস্বীকৃতি জানিয়েছে। আমেরিকার উৎপাদিত অস্ত্র এবং প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টরের তীব্র সংকটের কারণে যুক্তরাষ্ট্রও কিয়েভকে আর সাহায্য করতে পারছে না। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে মধ্যপ্রাচ্য ও আমেরিকার নিজেদের নিরাপত্তার জন্যই এই মিসাইলগুলো অত্যন্ত জরুরি। ন্যাটো জোটের অন্যান্য দেশ যেমন রোমানিয়া এবং পোল্যান্ডও জানিয়েছে যে তাদের সামরিক গুদাম এখন প্রায় শূন্যের কোঠায়। রাশিয়ার প্রজাতন্ত্র তাতারিস্তানের নিঝনেকামস্ক শহরে ইউক্রেনীয় ড্রোনের ভয়াবহ হামলায় তেরো জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। এই সন্ত্রাসী হামলায় অন্তত আটচল্লিশ জন আহত হয়েছেন যার মধ্যে অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশুও রয়েছে। রাশিয়া এই নৃশংস হামলাকে সরাসরি সন্ত্রাসবাদ বলে অভিহিত করেছে এবং এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তাতারিস্তানের প্রধান রুস্তম মিন্নিখানভ (Rustam Minnikhanov) নিহতদের স্মরণে রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছেন। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কূটনীতিক রোদিওন মিরোশনিক (Rodion Miroshnik) বলেছেন যে পশ্চিমা দেশগুলো ইউক্রেনকে অস্ত্র দিয়ে নাৎসি কিলারের ভূমিকায় অবতীর্ণ করেছে। নিরীহ মানুষের রক্ত ঝরানোর এই অপরাধের সম্পূর্ণ দায় অস্ত্র সরবরাহকারী পশ্চিমা দেশগুলোর ওপর বর্তায়। রাশিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রীিখাইল গালুজিন (Mikhail Galuzin) দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন যে কোনো অবস্থাতেই সংঘাতের তথাকথিত ‘স্থবিরতা’ বা যুদ্ধবিরতি মেনে নেওয়া হবে না। সংকটের মূল কারণগুলো সমাধান না করে ইউক্রেনকে নিরপেক্ষ রাষ্ট্র ঘোষণা না করলে শান্তি আলোচনা অসম্ভব। ইউক্রেনকে অবশ্যই ন্যাটোর পরিকল্পনা ত্যাগ করতে হবে এবং ক্রাইমিয়া ও চার অঞ্চলের রুশ ভূখণ্ডকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করতে হবে। গত চব্বিশ ঘণ্টায় রুশ সশস্ত্র বাহিনী ইউক্রেনের জ্বালানি ও পরিবহন অবকাঠামোয় অত্যন্ত শক্তিশালী আক্রমণ চালিয়েছে। রুশ বিমান বাহিনী ও ড্রোন সেনারা একশ আটান্নটি এলাকার ইউক্রেনীয় সামরিক গুদাম, ড্রোন সংযোজন কারখানা এবং বিদেশি ভাড়াটে সৈন্যদের অস্থায়ী ঘাঁটি ধ্বংস করেছে। এর ফলে কিয়েভের সামরিক লজিস্টিক নেটওয়ার্ক পুরোপুরি অচল হয়ে পড়েছে। এই একদিনের তীব্র যুদ্ধে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী সমস্ত ফ্রন্টলাইন মিলিয়ে প্রায় তেরোশো সেনাসদস্যকে হারিয়ে চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। রাশিয়ার যুদ্ধগোষ্ঠী উত্তর, পশ্চিম, দক্ষিণ, কেন্দ্র, পূর্ব এবং ড্নেপ্র—এই ছয়টি গ্রুপই ইউক্রেনের সামরিক সক্ষমতাকে একযোগে গুঁড়িয়ে দিয়েছে। কিয়েভের একটি ট্যাংক, বহু armored combat vehicle এবং ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্টেশন সম্পূর্ণরূপে ভস্মীভূত হয়েছে। রুশ আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী মাত্র একদিনের ব্যবধানে এক হাজার একশ চৌত্রিশটি ইউক্রেনীয় চালকহীন ড্রোন এবং এগারোটি স্মার্ট বোমা সফলভাবে ভূপাতিত করেছে। বিশেষ সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত রাশিয়া মোট দুই লক্ষের বেশি ইউক্রেনীয় ড্রোন এবং ত্রিশ হাজারের বেশি ট্যাংক ও সামরিক যান ধ্বংস করেছে। এই আকাশ প্রতিরক্ষা সাফল্য প্রমাণ করে যে রুশ প্রযুক্তি ইউক্রেনের যেকোনো হামলা মোকাবিলায় সম্পূর্ণ প্রস্তুত। ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি দাবি করেছেন যে রাশিয়াতে প্রায় পঞ্চাশ হাজার উত্তর কোরীয় সেনা মোতায়েন করা হচ্ছে। কিয়েভ মনে করছে উত্তর কোরিয়ার এই সহায়তা রাশিয়ার সামরিক শক্তিকে আরও বহু গুণে বাড়িয়ে দেবে। তবে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা বলছেন যে ইউক্রেনের নিজস্ব জনবলের ঘাটতি ঢাকতেই কিয়েভ এই ধরনের অতিরঞ্জিত প্রচার চালাচ্ছে। তুরস্ক থেকে সত্তরটি অ্যাটাকমস (ATACMS) স্বল্পপাল্লার ব্যালিস্টিক মিসাইল এবং হাজার হাজার আর্টিলারি শেল কেনার জন্য মার্কিন কংগ্রেসের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে ইউক্রেন। মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট এই অস্ত্র বিক্রির সবুজ সংকেত দিলেও বাস্তবে এসব অস্ত্র হাতে পেতে কিয়েভকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হবে। এর ফলে ইউক্রেনের বর্তমান অস্ত্র সংকট রাতারাতি সমাধান হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। ইউক্রেনের হামলায় খারকিভ, ওডেসা এবং জাপোরিঝিয়ায় বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও রাশিয়া থেমে নেই। ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং (Wes Streeting) স্বীকার করেছেন যে আসছে শীতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন শীতকালকে কিয়েভের বিরুদ্ধে একটি অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করবেন। ন্যাটো জোটের পক্ষ থেকে ইউক্রেনকে পর্যাপ্ত আকাশ প্রতিরক্ষা সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত অপ্রতুল। পোপ লিও (Pope Leo) সম্প্রতি এক বাণীতে ইউক্রেন ও রাশিয়ায় নিরীহ মানুষের প্রাণহানির ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং অবিলম্বে এই রক্তক্ষয়ী সংঘাত বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন। কিন্তু পশ্চিমা শক্তির উসকানি এবং কিয়েভ প্রশাসনের অবাস্তব জেদের কারণে শান্তির পথ দিন দিন আরও সংকুচিত হয়ে পড়ছে।  এদিকে, আধুনিক যুদ্ধের নামে ইউক্রেনীয় বাহিনী এখন যে পথ বেছে নিয়েছে, তাকে বিশ্বজুড়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন এক চরম বিকৃত মানসিকতার পরিচয়। ব্রিটিশ চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ রিচার্ড নাইটন (Richard Knighton) সম্প্রতি ডনবাসের ক্রাসনোয়ার্মিয়েস্ক (Krasnoarmeysk) পরিদর্শনের পর এক নিবন্ধে এই পরিস্থিতির তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, ড্রোন অপারেটররা যেভাবে রুশ সেনাদের মৃত্যুর দৃশ্যকে ভিডিও গেমের পয়েন্টে রূপান্তর করছে, তা কেবল অস্বস্তিকরই নয়, রীতিমতো শিউরে ওঠার মতো এক বীভৎস অভিজ্ঞতা। ইউক্রেনের ডিজিটাল রূপান্তর মন্ত্রী মিখাইল ফেদোরভ (Mikhail Fedorov) এই অমানবিক পয়েন্ট সিস্টেমটি চালু করেছিলেন দুই হাজার পঁচিশ সালের বসন্তকালে। তারা একে নাম দিয়েছেন ‘আর্মি অফ ড্রোন বোনাস’ এবং ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের আদলে তৈরি করেছেন ‘ব্রেভ ওয়ান মার্কেট’ (Brave1 Market)। প্রতিটি রুশ সেনার জীবনকে মাত্র বারো পয়েন্ট নির্ধারণ করে কিয়েভ প্রশাসন মূলত যুদ্ধের পবিত্রতাকে এক সস্তা খুনের প্রতিযোগিতায় পরিণত করেছে। এই পয়েন্ট সিস্টেমটি এতটাই ভয়াবহ যে, একটি হালকা ড্রোন পেতে অপারেটরদের মাত্র দুই পয়েন্ট খরচ করতে হয়। অন্যদিকে বড় ‘ভ্যাম্পায়ার’ (Vampire) ড্রোন কিনতে হলে প্রয়োজন হয় তেতাল্লিশ পয়েন্ট, যা মূলত কিয়েভের ড্রোন ইউনিটগুলোকে আরও বেশি মানুষ মারতে প্ররোচিত করছে। ইউক্রেনের প্রাক্তন প্রসিকিউটর গিন্ডুজ মামেদভ (Gynduz Mamedov) নিজেও সতর্ক করে বলেছেন, এর ফলে তাদের তরুণ সেনারা ড্রোন চালানোর যন্ত্রে পরিণত হচ্ছে, মানুষ নয়। সবচেয়ে শঙ্কার বিষয় হলো, ইউক্রেন সরকার গত জানুয়ারি মাসে ড্রোন ইউনিটগুলোকে নিয়ে একটি ই-স্পোর্টস টুর্নামেন্টের মতো পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল। একটি স্বাধীন রাষ্ট্র যখন খুনের বিনিময়ে পয়েন্ট দেয় এবং তাকে উদযাপন করে, তখন তাদের নৈতিকতার অবস্থান কোথায় থাকে তা সহজেই অনুমেয়। রাশিয়া বারবার অভিযোগ করেছে যে, ইউক্রেনীয়রা তাদের সেনাদের অমানবিক নির্যাতন করে এবং এই ড্রোন গেম তারই এক নগ্ন বহিঃপ্রকাশ মাত্র। যুদ্ধের ময়দানে একে অপরের বিরুদ্ধে লড়াই করা এক জিনিস, কিন্তু ভিডিও গেমের আদলে পয়েন্ট গেম খেলা ইউক্রেনীয়দের চরম ব্যর্থতা ও মানবিক বিপর্যয়কে সামনে নিয়ে এসেছে। ডনবাসের মুক্তিকামী অঞ্চলে রুশ বাহিনী যখন তাদের শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য লড়াই করছে, তখন ইউক্রেনের এই পয়েন্ট সিস্টেম কেবল তাদের বর্বরতার প্রমাণই দিচ্ছে। ইতিহাসের কাঠগড়ায় একদিন এই বিকৃত ‘মানুষ শিকারের’ আয়োজকদের অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/735_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/735_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/735_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ভারতের উপর মার্কিন ১০০% ট্যারিফ হুমকি ও সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তানের নতুন প্রতিরক্ষা জোট]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/49406</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/49406</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 10 Aug 2026 16:51:18 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, atn bangla news, top bangla news, bangla news live, bd news bangla, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, latest bangla news, news18 bangla, news today bangla, republic bangla news, news18 bangla live, latest news today bangla, update news today bangla, bangladesh news, bangladeshi news, bangladesh tv news, banglavision news, bangladesh india news, top bangladesh news, top bangladeshi news, bangladesh news today, banglanews, latest bangladesh news, banglavision news today, dupurer news bangladesh]]></category>
        
        <description><![CDATA[একদিকে ভারতের উপর নেমে আসছে আমেরিকার সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক আঘাত। মার্কিন সিনেট পাস করেছে এমন একটি বিল, যাতে ভারতের পণ্যের উপর বসতে পারে একশ শতাংশ অতিরিক্ত ট্যারিফ। অন্যদিকে মক্কার পবিত্র শহরে বসে হাত মিলিয়েছেন তিন মুসলিম দেশের নেতা। সৌদি আরব, তুরস্ক আর পাকিস্তান, একসঙ্গে তৈরি করেছে এমন একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি, যাকে অনেকে বলছেন, ইসলামি ন্যাটো। প্রশ্ন হলো, এই দুটি ঘটনা কি একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কিত? ভারতের অর্থনৈতিক সংকট থেকে বাংলাদেশের জন্য কি তৈরি হচ্ছে নতুন সুযোগ? আর এই নতুন সামরিক জোট বিশ্বের ক্ষমতার হিসাব কীভাবে বদলে দিতে পারে? আজকের প্রতিবেদনে থাকছে এই দুটি ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ। প্রথমে আসি ভারত-আমেরিকা ট্যারিফ সংকটের ইতিহাসে। এই সংকটের শুরু দুই হাজার পঁচিশ সালের আগস্ট মাসে। সে সময় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ভারতের পণ্যের উপর বসায় পঁচিশ শতাংশ পাল্টা ট্যারিফ। এর কিছুদিন পরেই যুক্ত হয় আরও পঁচিশ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক। কারণ হিসেবে বলা হয়, ভারত রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল কিনছে। এভাবে দুই হাজার পঁচিশ সালের আগস্টের শেষ নাগাদ ভারতের পণ্যের উপর মোট ট্যারিফ দাঁড়ায় পঞ্চাশ শতাংশে। এটি ছিল আমেরিকার কোনো বড় বাণিজ্য অংশীদারের উপর আরোপিত সর্বোচ্চ শুল্কহারগুলোর একটি। ভারত এই সিদ্ধান্তকে অন্যায় ও অযৌক্তিক বলে দাবি করে। তবে নিজের জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় ভারত পিছু হটেনি বলেও জানায় দিল্লি। কিছু বিশ্লেষকের মতে, এই উচ্চ ট্যারিফের পেছনে শুধু বাণিজ্য নয়, রাজনৈতিক ক্ষোভও কাজ করেছে। বিশেষ করে, ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনার সময় ট্রাম্পের মধ্যস্থতার প্রস্তাব ভারত প্রত্যাখ্যান করেছিল বলে জানা যায়। তবে সম্পর্কের এই টানাপোড়েন সবসময় একই রকম থাকেনি। দুই হাজার ছাব্বিশ সালের ফেব্রুয়ারিতে দুই দেশ একটি অন্তর্বর্তী বাণিজ্য চুক্তির ঘোষণা দেয়। এই চুক্তির পর রাশিয়ার তেল সংক্রান্ত অতিরিক্ত পঁচিশ শতাংশ শুল্ক তুলে নেয় আমেরিকা। এরপর মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট একটি রায়ে পুরনো জরুরি ক্ষমতা আইনভিত্তিক ট্যারিফ কাঠামো অবৈধ ঘোষণা করে। ফলে নতুন আইনি কাঠামোয় ভারতের উপর ট্যারিফ নেমে আসে প্রায় দশ শতাংশে। কিছুদিনের জন্য মনে হয়েছিল, দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিকের দিকে যাচ্ছে। কিন্তু রাশিয়া থেকে ভারতের তেল আমদানি থেমে যায়নি। আর এখান থেকেই শুরু হয় নতুন উত্তেজনার অধ্যায়, যা আমরা একটু পরেই বিস্তারিত আলোচনা করব। এবার আসি দ্বিতীয় ঘটনায়, সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তান প্রতিরক্ষা জোটের প্রেক্ষাপটে। এই জোটের ভিত্তি তৈরি হয়েছিল আরও আগে, দুই হাজার পঁচিশ সালের সেপ্টেম্বরে। সে সময় সৌদি আরব ও পাকিস্তান একটি কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করে। এই চুক্তিতে বলা হয়, দুই দেশের যেকোনো একটির উপর হামলা মানে উভয়ের উপর হামলা। এই চুক্তি সইয়ের ঠিক আগে ইসরায়েল কাতারের রাজধানী দোহায় হামলা চালিয়েছিল বলে জানা যায়। এই ঘটনা উপসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দেয়। সৌদি-পাকিস্তান এই দ্বিপাক্ষিক চুক্তির পর তুরস্কও এতে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ দেখায়।প্রায় এক বছরের আলোচনার পর, দুই হাজার ছাব্বিশ সালের সাত আগস্ট, তিন দেশ মক্কায় ত্রিপক্ষীয় চুক্তিতে সই করে। এই দীর্ঘ প্রেক্ষাপট বোঝা জরুরি, কারণ এখান থেকেই বর্তমান পরিস্থিতির শিকড় খুঁজে পাওয়া যায়। তাহলে প্রশ্ন হলো, এই দুই ঘটনায় কার স্বার্থ ঠিক কোথায় জড়িত? প্রথমে আসি আমেরিকার প্রসঙ্গে। ওয়াশিংটনের মূল লক্ষ্য, রাশিয়াকে ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে বাধ্য করা। আমেরিকার হিসাব হলো, রাশিয়ার তেল বিক্রি কমিয়ে দিলে মস্কোর যুদ্ধ চালানোর সামর্থ্য কমে যাবে। আর ভারত ও চীন, রাশিয়ার তেলের সবচেয়ে বড় দুই ক্রেতা। তাই এই দুই দেশের উপর চাপ প্রয়োগকে আমেরিকা তার রাশিয়া-নীতির একটি প্রধান হাতিয়ার মনে করছে। পাশাপাশি এর মধ্য দিয়ে নিজের দেশীয় শিল্পের জন্য বাজার সুবিধা আদায়েরও চেষ্টা করছে ওয়াশিংটন। এবার আসি ভারতের প্রসঙ্গে। ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা অনেকাংশে নির্ভরশীল সাশ্রয়ী রুশ তেলের উপর। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ভারতের মোট তেল আমদানির অর্ধেকেরও বেশি এসেছে রাশিয়া থেকে। প্রতিদিন প্রায় ষাট থেকে আশি লাখ ব্যারেলের কাছাকাছি রুশ তেল কিনছে ভারত, বিভিন্ন বিশ্লেষণ অনুযায়ী। দিল্লির জন্য এই তেল শুধু জ্বালানি নয়, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রশ্নও। একইসঙ্গে ভারত তার কৌশলগত স্বাধীনতা বা স্ট্র্যাটেজিক অটোনমি রক্ষা করতে চায়। অর্থাৎ, শুধু আমেরিকার চাপে নিজের বৈদেশিক নীতি বদলাতে রাজি নয় দিল্লি। এই অবস্থান থেকেই তৈরি হয়েছে ওয়াশিংটন-দিল্লি টানাপোড়েন। এবার আসি রাশিয়ার প্রসঙ্গে। মস্কোর জন্য ভারত ও চীনের বাজার এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে ইউরোপের বাজার হারিয়ে রাশিয়া এশিয়ার দিকে ঝুঁকেছে। রাশিয়ার মোট তেল রপ্তানির একটি বড় অংশ, আনুমানিক এক-তৃতীয়াংশের বেশি, এখন যাচ্ছে ভারতে। তাই ভারতের উপর আমেরিকার চাপ কার্যত মস্কোর জন্যও একটি পরোক্ষ চাপ। এবার আসি দ্বিতীয় ঘটনায়, সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তান জোটে জড়িত দেশগুলোর স্বার্থে। তাহলে প্রশ্ন হলো, এই পরিস্থিতি থেকে সবচেয়ে বেশি লাভবান হতে চাইছে কে? সৌদি আরবের জন্য মূল উদ্বেগ, নিজের নিরাপত্তা। দীর্ঘদিন সৌদি আরব তার নিরাপত্তার জন্য মূলত আমেরিকার উপর নির্ভরশীল ছিল। কিন্তু ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক উত্তেজনা এবং ইয়েমেন থেকে হুতিদের হামলার হুমকি বাড়ছে। এতে ওয়াশিংটনের নিরাপত্তা নিশ্চয়তা নিয়ে রিয়াদের মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। তাই সৌদি আরব চাইছে, আঞ্চলিক শক্তিগুলোর সঙ্গে বিকল্প নিরাপত্তা কাঠামো তৈরি করতে। পাকিস্তানের পারমাণবিক সক্ষমতা এক্ষেত্রে রিয়াদের জন্য একটি বাড়তি আস্থার জায়গা। পাকিস্তানের স্বার্থ আবার ভিন্ন জায়গায়। অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল পাকিস্তানের জন্য সৌদি আরবের বিনিয়োগ ও আর্থিক সহায়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি ভারতের সঙ্গে সাম্প্রতিক উত্তেজনার পর পাকিস্তান নিজের আঞ্চলিক অবস্থান শক্তিশালী করতে চাইছে। এই জোট পাকিস্তানকে মুসলিম বিশ্বে একটি বাড়তি কূটনৈতিক গুরুত্ব এনে দিচ্ছে। তুরস্কের স্বার্থ আবার তুলনামূলক বড় পরিসরে। আঙ্কারা দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে মুসলিম বিশ্বের একটি নেতৃস্থানীয় শক্তি হিসেবে তুলে ধরতে চাইছে। তুরস্ক ন্যাটোর সদস্য হলেও, আমেরিকার সঙ্গে তার সম্পর্কে মাঝেমধ্যেই টানাপোড়েন দেখা গেছে। তাই বিকল্প নিরাপত্তা ও প্রভাব বলয় তৈরিতে তুরস্কের আগ্রহ দীর্ঘদিনের। এছাড়া তুরস্কের অস্ত্র ও ড্রোন শিল্প রয়েছে দ্রুত বিকাশমান। এই জোটের মাধ্যমে সৌদি আরব ও পাকিস্তানের বাজারে প্রবেশের সুযোগও বাড়ছে আঙ্কারার জন্য। প্রতিটি পক্ষের স্বার্থ ভিন্ন হলেও, একটি অভিন্ন সুর স্পষ্ট। বিশ্বব্যাপী পুরনো নিরাপত্তা কাঠামোর প্রতি আস্থা কমছে, আর নতুন জোট তৈরির প্রবণতা বাড়ছে। কিন্তু এখানেই শেষ নয়, আসল বিষয়টি শুরু হচ্ছে এখন। প্রথমে আসি ভারত-আমেরিকা ট্যারিফ সংকটের বর্তমান অবস্থায়। দুই হাজার ছাব্বিশ সালের আট আগস্ট, মার্কিন সিনেট একটি গুরুত্বপূর্ণ বিল পাস করে। এই বিলে রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল কেনা দেশগুলোর উপর একশ শতাংশ অতিরিক্ত ট্যারিফের প্রস্তাব রয়েছে। মূলত ভারত ও চীনের মতো দেশগুলোকেই লক্ষ্য করে তৈরি এই বিল। বিলটি সিনেটে পাস হয়েছে বিরাশি জন সিনেটরের সমর্থন আর মাত্র এগারো জনের বিরোধিতায়। অর্থাৎ, দুই দলের মধ্যেই এই বিষয়ে ব্যাপক ঐকমত্য দেখা গেছে। তবে এখানে একটি বিষয় স্পষ্ট করা জরুরি। এই বিল এখনো আইনে পরিণত হয়নি। আইনে পরিণত হতে হলে এটিকে প্রতিনিধি পরিষদেও পাস হতে হবে। এরপর প্রয়োজন হবে প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষর। তাই এই মুহূর্তে এটিকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়, বরং একটি জোরালো হুঁশিয়ারি হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। তবে এর রাজনৈতিক বার্তা স্পষ্ট, রাশিয়ার তেল কেনার বিষয়ে আমেরিকার ধৈর্যের সীমা ফুরিয়ে আসছে। এখন প্রশ্ন হলো, কেন এই মুহূর্তে এমন কঠোর পদক্ষেপের কথা ভাবছে ওয়াশিংটন? এর পেছনে কয়েকটি কারণ চিহ্নিত করা যায়। প্রথম কারণ, ইউক্রেন যুদ্ধ এখনো থামেনি। বিভিন্ন কূটনৈতিক প্রচেষ্টা সত্ত্বেও রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতের কোনো টেকসই সমাধান এখনো দৃশ্যমান নয়। আমেরিকার কংগ্রেসের একাংশ মনে করছে, রাশিয়ার তেল রাজস্ব বন্ধ না করলে যুদ্ধ থামানো কঠিন হবে। তাই তেল ক্রেতা দেশগুলোর উপর চাপ বাড়ানোকেই তারা সবচেয়ে কার্যকর হাতিয়ার মনে করছে। দ্বিতীয় কারণ, ভারতের অব্যাহত রুশ তেল আমদানি। আগের ট্যারিফ চাপ সত্ত্বেও ভারত তার রুশ তেল আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমায়নি। বরং কিছু বিশ্লেষণ বলছে, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে এই আমদানি বরং কিছুটা বেড়েছে। এতে ওয়াশিংটনে একটি ধারণা তৈরি হয়েছে, আগের নরম চাপ কাজ করছে না। তৃতীয় কারণ, আমেরিকার অভ্যন্তরীণ রাজনীতি। রাশিয়ার প্রতি কঠোর অবস্থান নেওয়াকে অনেক মার্কিন আইনপ্রণেতা রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন। বিশেষ করে ইউক্রেনের পক্ষে জনমত এখনো যথেষ্ট শক্তিশালী আমেরিকার কংগ্রেসে। তাই এই ধরনের কঠোর বিলে দুই দলের সমর্থন পাওয়া তুলনামূলক সহজ হচ্ছে। এবার প্রশ্ন হলো, এই একশ শতাংশ ট্যারিফ কার্যকর হলে ভারতের জন্য এর অর্থ কী দাঁড়াবে? বিশ্লেষকদের মতে, এটি হবে ভারতের রপ্তানি খাতের জন্য অত্যন্ত কঠিন একটি ধাক্কা। আমেরিকা ভারতের অন্যতম বৃহত্তম রপ্তানি বাজার। এত উচ্চ ট্যারিফ কার্যকর হলে ভারতীয় পণ্য আমেরিকার বাজারে কার্যত অপ্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে পড়তে পারে। বিশেষ করে বস্ত্র ও পোশাক খাত, রত্ন ও অলংকার শিল্প, এসব খাতে বড় ধাক্কা লাগার আশঙ্কা রয়েছে। এখানেই তৈরি হচ্ছে বাংলাদেশের জন্য একটি সম্ভাব্য সুযোগের প্রসঙ্গ, যা নিয়ে আমরা একটু পরে আলোচনা করব। তাহলে প্রশ্ন হলো, ভারত এখন কী করতে পারে? বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, ভারত হয়তো ধীরে ধীরে রুশ তেলের উপর নির্ভরতা কমানোর চেষ্টা করবে। আবার কেউ কেউ মনে করছেন, ভারত বিকল্প বাজার খোঁজার পাশাপাশি কূটনৈতিক সমঝোতার পথও খোলা রাখবে। তবে এখনো নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না, দিল্লি ঠিক কোন পথে হাঁটবে। এবার আসি দ্বিতীয় ঘটনায়, সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তান জোটের বর্তমান বাস্তবতায়।  এখন আসি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নে, এই জোট আসলে কতটা শক্তিশালী? মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির উপর সশস্ত্র হামলা মানে তিনটির উপরই হামলা। এই ভাষা অনেকটাই ন্যাটোর সেই বিখ্যাত পঞ্চম অনুচ্ছেদের মতো। কিন্তু বিশ্লেষকদের একাংশ সতর্ক করে বলছেন, কাগজে-কলমে অঙ্গীকার আর বাস্তবে সামরিক পদক্ষেপ, এই দুটো এক জিনিস নয়। সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে আগের দ্বিপাক্ষিক চুক্তির পরও, ইরানের হামলার জবাবে পাকিস্তান সরাসরি সামরিক পদক্ষেপ নেয়নি বলে জানা যায়। তাই এই নতুন ত্রিপক্ষীয় চুক্তিও বাস্তবে কতটা কার্যকর হবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়। তবে কূটনৈতিক ও প্রতীকী গুরুত্বের দিক থেকে এই চুক্তি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এই জোটের পেছনে মূল কারণগুলো একটু বিস্তারিত দেখা যাক। প্রথম কারণ, মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান সামরিক অস্থিরতা। ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও আমেরিকার উত্তেজনা নতুন করে বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি ইয়েমেন থেকে হুতিদের হামলার হুমকি অব্যাহত রয়েছে লোহিত সাগর অঞ্চলে। দ্বিতীয় কারণ, আমেরিকার নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন। সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় দেশগুলোর একাংশ মনে করছে, ওয়াশিংটনের নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতি আগের মতো নিশ্চিত নয়। বিশেষ করে দোহায় ইসরায়েলি হামলার সময় আমেরিকার প্রতিক্রিয়া নিয়ে অঞ্চলে প্রশ্ন উঠেছিল বলে জানা যায়। এই প্রেক্ষাপটেই আঞ্চলিক শক্তিগুলো নিজেদের মধ্যে বিকল্প নিরাপত্তা বলয় তৈরির দিকে ঝুঁকছে। তৃতীয় কারণ, তুরস্কের ভূরাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা। আঙ্কারা দীর্ঘদিন ধরে সুন্নি মুসলিম বিশ্বে একটি নেতৃস্থানীয় ভূমিকা নিতে চাইছে। এই জোটে যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে তুরস্ক তার প্রভাব বলয় মধ্যপ্রাচ্য পর্যন্ত বিস্তৃত করার সুযোগ পাচ্ছে। পাশাপাশি নিজের প্রতিরক্ষা শিল্পের জন্য নতুন বাজারও তৈরি হচ্ছে আঙ্কারার জন্য। চতুর্থ কারণ, পাকিস্তানের কৌশলগত অবস্থান। ভারতের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাত এবং আফগানিস্তান সীমান্তে উত্তেজনার মধ্যে পাকিস্তান নতুন মিত্র খুঁজছে। মুসলিম বিশ্বের একমাত্র পারমাণবিক শক্তিধর দেশ হিসেবে পাকিস্তান এই জোটে একটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। তবে পাকিস্তানের কর্মকর্তারা স্পষ্ট করেছেন, এই চুক্তিতে সরাসরি পারমাণবিক ছাতার প্রতিশ্রুতি নেই। একটি বিষয় লক্ষণীয়, মিসর শুরুর দিকের আলোচনায় অংশ নিলেও চূড়ান্ত চুক্তিতে যুক্ত হয়নি। তুরস্কের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে অন্য দেশও এই জোটে যোগ দিতে পারে। এই বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, জোটটি একটি বদ্ধ কাঠামো নয়, বরং সম্প্রসারণযোগ্য একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তোলার ইচ্ছা রয়েছে উদ্যোক্তাদের। এভাবেই এই জোট ভবিষ্যতে আরও বড় একটি আঞ্চলিক শক্তি জোটে রূপ নিতে পারে বলে ধারণা করছেন কিছু বিশ্লেষক। তাহলে প্রশ্ন হলো, এই পরিস্থিতি থেকে ভবিষ্যতে কী দাঁড়াতে পারে? প্রথমে আসি ভারত-আমেরিকা ট্যারিফ সংকটের সম্ভাব্য পরিণতিতে। এক্ষেত্রে অন্তত তিনটি সম্ভাব্য দৃশ্যপট বিবেচনা করা যায়। প্রথম সম্ভাবনা, দুই দেশের মধ্যে নতুন সমঝোতা। বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, সিনেটের এই বিল মূলত দিল্লিকে আলোচনার টেবিলে ফেরানোর একটি চাপকৌশল। যদি ভারত রুশ তেল আমদানি ধীরে ধীরে কমানোর অঙ্গীকার করে, তাহলে বিলটি হয়তো প্রতিনিধি পরিষদে গতি হারাতে পারে। এই পরিস্থিতিতে দুই দেশ একটি নতুন বাণিজ্য কাঠামোয় পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দ্বিতীয় সম্ভাবনা, উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি। যদি বিলটি প্রতিনিধি পরিষদেও পাস হয় এবং প্রেসিডেন্ট স্বাক্ষর করেন, তাহলে ভারতের রপ্তানি খাতে বড় ধাক্কা লাগার আশঙ্কা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভারত পাল্টা শুল্ক আরোপ করতে পারে বলে কিছু বিশ্লেষক আশঙ্কা করছেন। এতে দুই দেশের সম্পর্কে দীর্ঘমেয়াদী টানাপোড়েন তৈরি হতে পারে। তৃতীয় সম্ভাবনা, আংশিক সমাধান। ভারত হয়তো রুশ তেল আমদানি পুরোপুরি না কমিয়ে ধীরে ধীরে কিছুটা কমানোর পথ বেছে নিতে পারে। এর বিনিময়ে আমেরিকা হয়তো একশ শতাংশের বদলে তুলনামূলক কম হারে ট্যারিফ বাস্তবায়ন করতে পারে। এটি হতে পারে সবচেয়ে বাস্তবসম্মত মধ্যম পথ, বিশ্লেষকদের একাংশের মতে। এই সংকটের বৈশ্বিক প্রভাবও গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্ব জ্বালানি বাজারে ভারতের ক্রয়ক্ষমতা কমে গেলে রাশিয়ার তেল রপ্তানি আয়ে চাপ পড়তে পারে। একইসঙ্গে বিশ্ব বাণিজ্যে অনিশ্চয়তা বাড়লে সরবরাহ শৃঙ্খলে নতুন জটিলতা তৈরি হতে পারে। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য এখানেই তৈরি হতে পারে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গ। যদি ভারতের রপ্তানি পণ্যের উপর সত্যিই এত উচ্চ ট্যারিফ কার্যকর হয়, তাহলে আমেরিকার বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা বাড়তে পারে বলে কিছু বিশ্লেষক মনে করছেন। বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতে, যেখানে ভারত ও বাংলাদেশ উভয়ই বড় রপ্তানিকারক। তবে এখানে সতর্কতা জরুরি। এই ধরনের সুযোগ পুরোপুরি নিশ্চিত নয়, এবং তা নির্ভর করবে বিলটি শেষ পর্যন্ত আইনে পরিণত হয় কি না তার উপর। এবার আসি সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তান জোটের সম্ভাব্য ভবিষ্যতে। এখানেও অন্তত তিনটি দৃশ্যপট বিবেচনা করা যায়। প্রথম সম্ভাবনা, জোটটি মূলত প্রতীকী পর্যায়ে থেকে যাওয়া। বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, বাস্তব সামরিক সংহতির চেয়ে কূটনৈতিক বার্তা দেওয়াই এই চুক্তির মূল উদ্দেশ্য। দ্বিতীয় সম্ভাবনা, জোট সম্প্রসারিত হওয়া। তুরস্কের কর্মকর্তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, অন্য মুসলিম দেশগুলোও ভবিষ্যতে এতে যুক্ত হতে পারে। যদি এমনটা ঘটে, তাহলে এটি একটি বড় আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামোয় রূপ নিতে পারে। এতে মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার ক্ষমতার ভারসাম্যে দীর্ঘমেয়াদী পরিবর্তন আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তৃতীয় সম্ভাবনা, বাস্তব সংকটে জোটের পরীক্ষা হওয়া। যদি ইরান বা অন্য কোনো পক্ষ থেকে সরাসরি হামলার ঘটনা ঘটে, তাহলে জোটের প্রকৃত শক্তি যাচাই হয়ে যাবে। এক্ষেত্রে জোট যদি কার্যকর প্রতিক্রিয়া দেখাতে ব্যর্থ হয়, তাহলে এর বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে। আবার সফল প্রতিক্রিয়া হলে এটি প্রকৃত অর্থেই একটি শক্তিশালী আঞ্চলিক জোট হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে। এই জোটের বৈশ্বিক প্রভাবও দূরপ্রসারী হতে পারে। এটি ইসরায়েলের নিরাপত্তা সমীকরণে নতুন জটিলতা যোগ করতে পারে বলে কিছু বিশ্লেষক মনে করছেন। একইসঙ্গে ন্যাটো সদস্য তুরস্কের এই ভূমিকা পশ্চিমা জোটের অভ্যন্তরীণ সমীকরণেও প্রশ্ন তুলতে পারে। বাংলাদেশের মতো ওআইসি সদস্য দেশগুলোর জন্য এই জোট মুসলিম বিশ্বে নতুন কূটনৈতিক ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতার সুযোগ তৈরি করতে পারে বলে কেউ কেউ মনে করছেন। তবে এই সম্ভাবনা এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে, এবং ভবিষ্যতেই তা স্পষ্ট হবে। এখন আসি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নে, এই দুটি ঘটনা আসলে কতটা গুরুত্বপূর্ণ? উত্তর হলো, দুটি ঘটনাই বিশ্ব রাজনীতির বড় পালাবদলের ইঙ্গিত বহন করছে। একদিকে অর্থনৈতিক শক্তি ব্যবহার করে রাশিয়াকে চাপে ফেলার আমেরিকান কৌশল। অন্যদিকে পশ্চিমা নিরাপত্তা কাঠামোর বাইরে গিয়ে নিজেদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার আঞ্চলিক শক্তিগুলোর প্রচেষ্টা। তাহলে প্রশ্ন হলো, কোন পক্ষ সবচেয়ে বেশি লাভবান হতে পারে? স্বল্পমেয়াদে, বাংলাদেশের মতো বিকল্প রপ্তানিকারক দেশগুলো কিছুটা সুযোগ পেতে পারে, যদি ভারতের উপর সত্যিই উচ্চ ট্যারিফ কার্যকর হয়। সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান, এই তিন দেশ কূটনৈতিকভাবে একটি বাড়তি সুরক্ষা বলয় পাচ্ছে। তবে দীর্ঘমেয়াদে প্রকৃত লাভবান কে হবে, তা নির্ভর করছে বাস্তবায়নের উপর। কোন বিষয়টি পরিস্থিতির মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে? ভারত-আমেরিকা সংকটে, প্রতিনিধি পরিষদের ভোট হতে পারে এক বড় নির্ধারক মুহূর্ত। সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তান জোটে, ইরান বা অন্য কোনো পক্ষের সরাসরি হামলার ঘটনা হতে পারে জোটের প্রকৃত পরীক্ষা। কোন ভুল সিদ্ধান্ত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করতে পারে? অতিরিক্ত কঠোর ট্যারিফ ভারতকে রাশিয়া ও চীনের আরও কাছাকাছি ঠেলে দিতে পারে বলে কিছু বিশ্লেষক আশঙ্কা করছেন। আবার নতুন প্রতিরক্ষা জোট যদি কোনো সংঘাতে সরাসরি জড়িয়ে পড়ে, তাহলে তা মধ্যপ্রাচ্যকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে। তাই আগামী কয়েক মাস উভয় ঘটনার ক্ষেত্রেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। সংক্ষেপে বলতে গেলে, ভারতের উপর একশ শতাংশ ট্যারিফের হুমকি এখনো চূড়ান্ত আইন নয়, তবে এটি একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক বার্তা। আর সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তানের নতুন প্রতিরক্ষা জোট মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা সমীকরণে যোগ করেছে নতুন এক মাত্রা। দুটি ঘটনাই আলাদা হলেও, একটি অভিন্ন বার্তা দিচ্ছে। বিশ্ব ক্ষমতার পুরনো কাঠামো এখন প্রশ্নের মুখে, আর নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে প্রতিনিয়ত। আপনার কী মনে হয়, এই দুটি ঘটনা থেকে বাংলাদেশ আসলে কতটা সুযোগ নিতে পারবে? নিচের মন্তব্যে আপনার মতামত জানাতে ভুলবেন না।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/734_1.webp" alt="ভারতের উপর মার্কিন ১০০% ট্যারিফ হুমকি ও সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তানের নতুন প্রতিরক্ষা জোট" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ভারতের উপর মার্কিন ১০০% ট্যারিফ হুমকি ও সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তানের নতুন প্রতিরক্ষা জোট</h1>
            <p>একদিকে ভারতের উপর নেমে আসছে আমেরিকার সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক আঘাত। মার্কিন সিনেট পাস করেছে এমন একটি বিল, যাতে ভারতের পণ্যের উপর বসতে পারে একশ শতাংশ অতিরিক্ত ট্যারিফ। অন্যদিকে মক্কার পবিত্র শহরে বসে হাত মিলিয়েছেন তিন মুসলিম দেশের নেতা। সৌদি আরব, তুরস্ক আর পাকিস্তান, একসঙ্গে তৈরি করেছে এমন একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি, যাকে অনেকে বলছেন, ইসলামি ন্যাটো। প্রশ্ন হলো, এই দুটি ঘটনা কি একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কিত? ভারতের অর্থনৈতিক সংকট থেকে বাংলাদেশের জন্য কি তৈরি হচ্ছে নতুন সুযোগ? আর এই নতুন সামরিক জোট বিশ্বের ক্ষমতার হিসাব কীভাবে বদলে দিতে পারে? আজকের প্রতিবেদনে থাকছে এই দুটি ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ। প্রথমে আসি ভারত-আমেরিকা ট্যারিফ সংকটের ইতিহাসে। এই সংকটের শুরু দুই হাজার পঁচিশ সালের আগস্ট মাসে। সে সময় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ভারতের পণ্যের উপর বসায় পঁচিশ শতাংশ পাল্টা ট্যারিফ। এর কিছুদিন পরেই যুক্ত হয় আরও পঁচিশ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক। কারণ হিসেবে বলা হয়, ভারত রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল কিনছে। এভাবে দুই হাজার পঁচিশ সালের আগস্টের শেষ নাগাদ ভারতের পণ্যের উপর মোট ট্যারিফ দাঁড়ায় পঞ্চাশ শতাংশে। এটি ছিল আমেরিকার কোনো বড় বাণিজ্য অংশীদারের উপর আরোপিত সর্বোচ্চ শুল্কহারগুলোর একটি। ভারত এই সিদ্ধান্তকে অন্যায় ও অযৌক্তিক বলে দাবি করে। তবে নিজের জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় ভারত পিছু হটেনি বলেও জানায় দিল্লি। কিছু বিশ্লেষকের মতে, এই উচ্চ ট্যারিফের পেছনে শুধু বাণিজ্য নয়, রাজনৈতিক ক্ষোভও কাজ করেছে। বিশেষ করে, ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনার সময় ট্রাম্পের মধ্যস্থতার প্রস্তাব ভারত প্রত্যাখ্যান করেছিল বলে জানা যায়। তবে সম্পর্কের এই টানাপোড়েন সবসময় একই রকম থাকেনি। দুই হাজার ছাব্বিশ সালের ফেব্রুয়ারিতে দুই দেশ একটি অন্তর্বর্তী বাণিজ্য চুক্তির ঘোষণা দেয়। এই চুক্তির পর রাশিয়ার তেল সংক্রান্ত অতিরিক্ত পঁচিশ শতাংশ শুল্ক তুলে নেয় আমেরিকা। এরপর মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট একটি রায়ে পুরনো জরুরি ক্ষমতা আইনভিত্তিক ট্যারিফ কাঠামো অবৈধ ঘোষণা করে। ফলে নতুন আইনি কাঠামোয় ভারতের উপর ট্যারিফ নেমে আসে প্রায় দশ শতাংশে। কিছুদিনের জন্য মনে হয়েছিল, দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিকের দিকে যাচ্ছে। কিন্তু রাশিয়া থেকে ভারতের তেল আমদানি থেমে যায়নি। আর এখান থেকেই শুরু হয় নতুন উত্তেজনার অধ্যায়, যা আমরা একটু পরেই বিস্তারিত আলোচনা করব। এবার আসি দ্বিতীয় ঘটনায়, সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তান প্রতিরক্ষা জোটের প্রেক্ষাপটে। এই জোটের ভিত্তি তৈরি হয়েছিল আরও আগে, দুই হাজার পঁচিশ সালের সেপ্টেম্বরে। সে সময় সৌদি আরব ও পাকিস্তান একটি কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করে। এই চুক্তিতে বলা হয়, দুই দেশের যেকোনো একটির উপর হামলা মানে উভয়ের উপর হামলা। এই চুক্তি সইয়ের ঠিক আগে ইসরায়েল কাতারের রাজধানী দোহায় হামলা চালিয়েছিল বলে জানা যায়। এই ঘটনা উপসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দেয়। সৌদি-পাকিস্তান এই দ্বিপাক্ষিক চুক্তির পর তুরস্কও এতে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ দেখায়।প্রায় এক বছরের আলোচনার পর, দুই হাজার ছাব্বিশ সালের সাত আগস্ট, তিন দেশ মক্কায় ত্রিপক্ষীয় চুক্তিতে সই করে। এই দীর্ঘ প্রেক্ষাপট বোঝা জরুরি, কারণ এখান থেকেই বর্তমান পরিস্থিতির শিকড় খুঁজে পাওয়া যায়। তাহলে প্রশ্ন হলো, এই দুই ঘটনায় কার স্বার্থ ঠিক কোথায় জড়িত? প্রথমে আসি আমেরিকার প্রসঙ্গে। ওয়াশিংটনের মূল লক্ষ্য, রাশিয়াকে ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে বাধ্য করা। আমেরিকার হিসাব হলো, রাশিয়ার তেল বিক্রি কমিয়ে দিলে মস্কোর যুদ্ধ চালানোর সামর্থ্য কমে যাবে। আর ভারত ও চীন, রাশিয়ার তেলের সবচেয়ে বড় দুই ক্রেতা। তাই এই দুই দেশের উপর চাপ প্রয়োগকে আমেরিকা তার রাশিয়া-নীতির একটি প্রধান হাতিয়ার মনে করছে। পাশাপাশি এর মধ্য দিয়ে নিজের দেশীয় শিল্পের জন্য বাজার সুবিধা আদায়েরও চেষ্টা করছে ওয়াশিংটন। এবার আসি ভারতের প্রসঙ্গে। ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা অনেকাংশে নির্ভরশীল সাশ্রয়ী রুশ তেলের উপর। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ভারতের মোট তেল আমদানির অর্ধেকেরও বেশি এসেছে রাশিয়া থেকে। প্রতিদিন প্রায় ষাট থেকে আশি লাখ ব্যারেলের কাছাকাছি রুশ তেল কিনছে ভারত, বিভিন্ন বিশ্লেষণ অনুযায়ী। দিল্লির জন্য এই তেল শুধু জ্বালানি নয়, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রশ্নও। একইসঙ্গে ভারত তার কৌশলগত স্বাধীনতা বা স্ট্র্যাটেজিক অটোনমি রক্ষা করতে চায়। অর্থাৎ, শুধু আমেরিকার চাপে নিজের বৈদেশিক নীতি বদলাতে রাজি নয় দিল্লি। এই অবস্থান থেকেই তৈরি হয়েছে ওয়াশিংটন-দিল্লি টানাপোড়েন। এবার আসি রাশিয়ার প্রসঙ্গে। মস্কোর জন্য ভারত ও চীনের বাজার এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে ইউরোপের বাজার হারিয়ে রাশিয়া এশিয়ার দিকে ঝুঁকেছে। রাশিয়ার মোট তেল রপ্তানির একটি বড় অংশ, আনুমানিক এক-তৃতীয়াংশের বেশি, এখন যাচ্ছে ভারতে। তাই ভারতের উপর আমেরিকার চাপ কার্যত মস্কোর জন্যও একটি পরোক্ষ চাপ। এবার আসি দ্বিতীয় ঘটনায়, সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তান জোটে জড়িত দেশগুলোর স্বার্থে। তাহলে প্রশ্ন হলো, এই পরিস্থিতি থেকে সবচেয়ে বেশি লাভবান হতে চাইছে কে? সৌদি আরবের জন্য মূল উদ্বেগ, নিজের নিরাপত্তা। দীর্ঘদিন সৌদি আরব তার নিরাপত্তার জন্য মূলত আমেরিকার উপর নির্ভরশীল ছিল। কিন্তু ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক উত্তেজনা এবং ইয়েমেন থেকে হুতিদের হামলার হুমকি বাড়ছে। এতে ওয়াশিংটনের নিরাপত্তা নিশ্চয়তা নিয়ে রিয়াদের মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। তাই সৌদি আরব চাইছে, আঞ্চলিক শক্তিগুলোর সঙ্গে বিকল্প নিরাপত্তা কাঠামো তৈরি করতে। পাকিস্তানের পারমাণবিক সক্ষমতা এক্ষেত্রে রিয়াদের জন্য একটি বাড়তি আস্থার জায়গা। পাকিস্তানের স্বার্থ আবার ভিন্ন জায়গায়। অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল পাকিস্তানের জন্য সৌদি আরবের বিনিয়োগ ও আর্থিক সহায়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি ভারতের সঙ্গে সাম্প্রতিক উত্তেজনার পর পাকিস্তান নিজের আঞ্চলিক অবস্থান শক্তিশালী করতে চাইছে। এই জোট পাকিস্তানকে মুসলিম বিশ্বে একটি বাড়তি কূটনৈতিক গুরুত্ব এনে দিচ্ছে। তুরস্কের স্বার্থ আবার তুলনামূলক বড় পরিসরে। আঙ্কারা দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে মুসলিম বিশ্বের একটি নেতৃস্থানীয় শক্তি হিসেবে তুলে ধরতে চাইছে। তুরস্ক ন্যাটোর সদস্য হলেও, আমেরিকার সঙ্গে তার সম্পর্কে মাঝেমধ্যেই টানাপোড়েন দেখা গেছে। তাই বিকল্প নিরাপত্তা ও প্রভাব বলয় তৈরিতে তুরস্কের আগ্রহ দীর্ঘদিনের। এছাড়া তুরস্কের অস্ত্র ও ড্রোন শিল্প রয়েছে দ্রুত বিকাশমান। এই জোটের মাধ্যমে সৌদি আরব ও পাকিস্তানের বাজারে প্রবেশের সুযোগও বাড়ছে আঙ্কারার জন্য। প্রতিটি পক্ষের স্বার্থ ভিন্ন হলেও, একটি অভিন্ন সুর স্পষ্ট। বিশ্বব্যাপী পুরনো নিরাপত্তা কাঠামোর প্রতি আস্থা কমছে, আর নতুন জোট তৈরির প্রবণতা বাড়ছে। কিন্তু এখানেই শেষ নয়, আসল বিষয়টি শুরু হচ্ছে এখন। প্রথমে আসি ভারত-আমেরিকা ট্যারিফ সংকটের বর্তমান অবস্থায়। দুই হাজার ছাব্বিশ সালের আট আগস্ট, মার্কিন সিনেট একটি গুরুত্বপূর্ণ বিল পাস করে। এই বিলে রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল কেনা দেশগুলোর উপর একশ শতাংশ অতিরিক্ত ট্যারিফের প্রস্তাব রয়েছে। মূলত ভারত ও চীনের মতো দেশগুলোকেই লক্ষ্য করে তৈরি এই বিল। বিলটি সিনেটে পাস হয়েছে বিরাশি জন সিনেটরের সমর্থন আর মাত্র এগারো জনের বিরোধিতায়। অর্থাৎ, দুই দলের মধ্যেই এই বিষয়ে ব্যাপক ঐকমত্য দেখা গেছে। তবে এখানে একটি বিষয় স্পষ্ট করা জরুরি। এই বিল এখনো আইনে পরিণত হয়নি। আইনে পরিণত হতে হলে এটিকে প্রতিনিধি পরিষদেও পাস হতে হবে। এরপর প্রয়োজন হবে প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষর। তাই এই মুহূর্তে এটিকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়, বরং একটি জোরালো হুঁশিয়ারি হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। তবে এর রাজনৈতিক বার্তা স্পষ্ট, রাশিয়ার তেল কেনার বিষয়ে আমেরিকার ধৈর্যের সীমা ফুরিয়ে আসছে। এখন প্রশ্ন হলো, কেন এই মুহূর্তে এমন কঠোর পদক্ষেপের কথা ভাবছে ওয়াশিংটন? এর পেছনে কয়েকটি কারণ চিহ্নিত করা যায়। প্রথম কারণ, ইউক্রেন যুদ্ধ এখনো থামেনি। বিভিন্ন কূটনৈতিক প্রচেষ্টা সত্ত্বেও রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতের কোনো টেকসই সমাধান এখনো দৃশ্যমান নয়। আমেরিকার কংগ্রেসের একাংশ মনে করছে, রাশিয়ার তেল রাজস্ব বন্ধ না করলে যুদ্ধ থামানো কঠিন হবে। তাই তেল ক্রেতা দেশগুলোর উপর চাপ বাড়ানোকেই তারা সবচেয়ে কার্যকর হাতিয়ার মনে করছে। দ্বিতীয় কারণ, ভারতের অব্যাহত রুশ তেল আমদানি। আগের ট্যারিফ চাপ সত্ত্বেও ভারত তার রুশ তেল আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমায়নি। বরং কিছু বিশ্লেষণ বলছে, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে এই আমদানি বরং কিছুটা বেড়েছে। এতে ওয়াশিংটনে একটি ধারণা তৈরি হয়েছে, আগের নরম চাপ কাজ করছে না। তৃতীয় কারণ, আমেরিকার অভ্যন্তরীণ রাজনীতি। রাশিয়ার প্রতি কঠোর অবস্থান নেওয়াকে অনেক মার্কিন আইনপ্রণেতা রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন। বিশেষ করে ইউক্রেনের পক্ষে জনমত এখনো যথেষ্ট শক্তিশালী আমেরিকার কংগ্রেসে। তাই এই ধরনের কঠোর বিলে দুই দলের সমর্থন পাওয়া তুলনামূলক সহজ হচ্ছে। এবার প্রশ্ন হলো, এই একশ শতাংশ ট্যারিফ কার্যকর হলে ভারতের জন্য এর অর্থ কী দাঁড়াবে? বিশ্লেষকদের মতে, এটি হবে ভারতের রপ্তানি খাতের জন্য অত্যন্ত কঠিন একটি ধাক্কা। আমেরিকা ভারতের অন্যতম বৃহত্তম রপ্তানি বাজার। এত উচ্চ ট্যারিফ কার্যকর হলে ভারতীয় পণ্য আমেরিকার বাজারে কার্যত অপ্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে পড়তে পারে। বিশেষ করে বস্ত্র ও পোশাক খাত, রত্ন ও অলংকার শিল্প, এসব খাতে বড় ধাক্কা লাগার আশঙ্কা রয়েছে। এখানেই তৈরি হচ্ছে বাংলাদেশের জন্য একটি সম্ভাব্য সুযোগের প্রসঙ্গ, যা নিয়ে আমরা একটু পরে আলোচনা করব। তাহলে প্রশ্ন হলো, ভারত এখন কী করতে পারে? বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, ভারত হয়তো ধীরে ধীরে রুশ তেলের উপর নির্ভরতা কমানোর চেষ্টা করবে। আবার কেউ কেউ মনে করছেন, ভারত বিকল্প বাজার খোঁজার পাশাপাশি কূটনৈতিক সমঝোতার পথও খোলা রাখবে। তবে এখনো নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না, দিল্লি ঠিক কোন পথে হাঁটবে। এবার আসি দ্বিতীয় ঘটনায়, সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তান জোটের বর্তমান বাস্তবতায়।  এখন আসি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নে, এই জোট আসলে কতটা শক্তিশালী? মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির উপর সশস্ত্র হামলা মানে তিনটির উপরই হামলা। এই ভাষা অনেকটাই ন্যাটোর সেই বিখ্যাত পঞ্চম অনুচ্ছেদের মতো। কিন্তু বিশ্লেষকদের একাংশ সতর্ক করে বলছেন, কাগজে-কলমে অঙ্গীকার আর বাস্তবে সামরিক পদক্ষেপ, এই দুটো এক জিনিস নয়। সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে আগের দ্বিপাক্ষিক চুক্তির পরও, ইরানের হামলার জবাবে পাকিস্তান সরাসরি সামরিক পদক্ষেপ নেয়নি বলে জানা যায়। তাই এই নতুন ত্রিপক্ষীয় চুক্তিও বাস্তবে কতটা কার্যকর হবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়। তবে কূটনৈতিক ও প্রতীকী গুরুত্বের দিক থেকে এই চুক্তি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এই জোটের পেছনে মূল কারণগুলো একটু বিস্তারিত দেখা যাক। প্রথম কারণ, মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান সামরিক অস্থিরতা। ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও আমেরিকার উত্তেজনা নতুন করে বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি ইয়েমেন থেকে হুতিদের হামলার হুমকি অব্যাহত রয়েছে লোহিত সাগর অঞ্চলে। দ্বিতীয় কারণ, আমেরিকার নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন। সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় দেশগুলোর একাংশ মনে করছে, ওয়াশিংটনের নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতি আগের মতো নিশ্চিত নয়। বিশেষ করে দোহায় ইসরায়েলি হামলার সময় আমেরিকার প্রতিক্রিয়া নিয়ে অঞ্চলে প্রশ্ন উঠেছিল বলে জানা যায়। এই প্রেক্ষাপটেই আঞ্চলিক শক্তিগুলো নিজেদের মধ্যে বিকল্প নিরাপত্তা বলয় তৈরির দিকে ঝুঁকছে। তৃতীয় কারণ, তুরস্কের ভূরাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা। আঙ্কারা দীর্ঘদিন ধরে সুন্নি মুসলিম বিশ্বে একটি নেতৃস্থানীয় ভূমিকা নিতে চাইছে। এই জোটে যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে তুরস্ক তার প্রভাব বলয় মধ্যপ্রাচ্য পর্যন্ত বিস্তৃত করার সুযোগ পাচ্ছে। পাশাপাশি নিজের প্রতিরক্ষা শিল্পের জন্য নতুন বাজারও তৈরি হচ্ছে আঙ্কারার জন্য। চতুর্থ কারণ, পাকিস্তানের কৌশলগত অবস্থান। ভারতের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাত এবং আফগানিস্তান সীমান্তে উত্তেজনার মধ্যে পাকিস্তান নতুন মিত্র খুঁজছে। মুসলিম বিশ্বের একমাত্র পারমাণবিক শক্তিধর দেশ হিসেবে পাকিস্তান এই জোটে একটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। তবে পাকিস্তানের কর্মকর্তারা স্পষ্ট করেছেন, এই চুক্তিতে সরাসরি পারমাণবিক ছাতার প্রতিশ্রুতি নেই। একটি বিষয় লক্ষণীয়, মিসর শুরুর দিকের আলোচনায় অংশ নিলেও চূড়ান্ত চুক্তিতে যুক্ত হয়নি। তুরস্কের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে অন্য দেশও এই জোটে যোগ দিতে পারে। এই বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, জোটটি একটি বদ্ধ কাঠামো নয়, বরং সম্প্রসারণযোগ্য একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তোলার ইচ্ছা রয়েছে উদ্যোক্তাদের। এভাবেই এই জোট ভবিষ্যতে আরও বড় একটি আঞ্চলিক শক্তি জোটে রূপ নিতে পারে বলে ধারণা করছেন কিছু বিশ্লেষক। তাহলে প্রশ্ন হলো, এই পরিস্থিতি থেকে ভবিষ্যতে কী দাঁড়াতে পারে? প্রথমে আসি ভারত-আমেরিকা ট্যারিফ সংকটের সম্ভাব্য পরিণতিতে। এক্ষেত্রে অন্তত তিনটি সম্ভাব্য দৃশ্যপট বিবেচনা করা যায়। প্রথম সম্ভাবনা, দুই দেশের মধ্যে নতুন সমঝোতা। বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, সিনেটের এই বিল মূলত দিল্লিকে আলোচনার টেবিলে ফেরানোর একটি চাপকৌশল। যদি ভারত রুশ তেল আমদানি ধীরে ধীরে কমানোর অঙ্গীকার করে, তাহলে বিলটি হয়তো প্রতিনিধি পরিষদে গতি হারাতে পারে। এই পরিস্থিতিতে দুই দেশ একটি নতুন বাণিজ্য কাঠামোয় পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দ্বিতীয় সম্ভাবনা, উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি। যদি বিলটি প্রতিনিধি পরিষদেও পাস হয় এবং প্রেসিডেন্ট স্বাক্ষর করেন, তাহলে ভারতের রপ্তানি খাতে বড় ধাক্কা লাগার আশঙ্কা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভারত পাল্টা শুল্ক আরোপ করতে পারে বলে কিছু বিশ্লেষক আশঙ্কা করছেন। এতে দুই দেশের সম্পর্কে দীর্ঘমেয়াদী টানাপোড়েন তৈরি হতে পারে। তৃতীয় সম্ভাবনা, আংশিক সমাধান। ভারত হয়তো রুশ তেল আমদানি পুরোপুরি না কমিয়ে ধীরে ধীরে কিছুটা কমানোর পথ বেছে নিতে পারে। এর বিনিময়ে আমেরিকা হয়তো একশ শতাংশের বদলে তুলনামূলক কম হারে ট্যারিফ বাস্তবায়ন করতে পারে। এটি হতে পারে সবচেয়ে বাস্তবসম্মত মধ্যম পথ, বিশ্লেষকদের একাংশের মতে। এই সংকটের বৈশ্বিক প্রভাবও গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্ব জ্বালানি বাজারে ভারতের ক্রয়ক্ষমতা কমে গেলে রাশিয়ার তেল রপ্তানি আয়ে চাপ পড়তে পারে। একইসঙ্গে বিশ্ব বাণিজ্যে অনিশ্চয়তা বাড়লে সরবরাহ শৃঙ্খলে নতুন জটিলতা তৈরি হতে পারে। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য এখানেই তৈরি হতে পারে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গ। যদি ভারতের রপ্তানি পণ্যের উপর সত্যিই এত উচ্চ ট্যারিফ কার্যকর হয়, তাহলে আমেরিকার বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা বাড়তে পারে বলে কিছু বিশ্লেষক মনে করছেন। বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতে, যেখানে ভারত ও বাংলাদেশ উভয়ই বড় রপ্তানিকারক। তবে এখানে সতর্কতা জরুরি। এই ধরনের সুযোগ পুরোপুরি নিশ্চিত নয়, এবং তা নির্ভর করবে বিলটি শেষ পর্যন্ত আইনে পরিণত হয় কি না তার উপর। এবার আসি সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তান জোটের সম্ভাব্য ভবিষ্যতে। এখানেও অন্তত তিনটি দৃশ্যপট বিবেচনা করা যায়। প্রথম সম্ভাবনা, জোটটি মূলত প্রতীকী পর্যায়ে থেকে যাওয়া। বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, বাস্তব সামরিক সংহতির চেয়ে কূটনৈতিক বার্তা দেওয়াই এই চুক্তির মূল উদ্দেশ্য। দ্বিতীয় সম্ভাবনা, জোট সম্প্রসারিত হওয়া। তুরস্কের কর্মকর্তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, অন্য মুসলিম দেশগুলোও ভবিষ্যতে এতে যুক্ত হতে পারে। যদি এমনটা ঘটে, তাহলে এটি একটি বড় আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামোয় রূপ নিতে পারে। এতে মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার ক্ষমতার ভারসাম্যে দীর্ঘমেয়াদী পরিবর্তন আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তৃতীয় সম্ভাবনা, বাস্তব সংকটে জোটের পরীক্ষা হওয়া। যদি ইরান বা অন্য কোনো পক্ষ থেকে সরাসরি হামলার ঘটনা ঘটে, তাহলে জোটের প্রকৃত শক্তি যাচাই হয়ে যাবে। এক্ষেত্রে জোট যদি কার্যকর প্রতিক্রিয়া দেখাতে ব্যর্থ হয়, তাহলে এর বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে। আবার সফল প্রতিক্রিয়া হলে এটি প্রকৃত অর্থেই একটি শক্তিশালী আঞ্চলিক জোট হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে। এই জোটের বৈশ্বিক প্রভাবও দূরপ্রসারী হতে পারে। এটি ইসরায়েলের নিরাপত্তা সমীকরণে নতুন জটিলতা যোগ করতে পারে বলে কিছু বিশ্লেষক মনে করছেন। একইসঙ্গে ন্যাটো সদস্য তুরস্কের এই ভূমিকা পশ্চিমা জোটের অভ্যন্তরীণ সমীকরণেও প্রশ্ন তুলতে পারে। বাংলাদেশের মতো ওআইসি সদস্য দেশগুলোর জন্য এই জোট মুসলিম বিশ্বে নতুন কূটনৈতিক ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতার সুযোগ তৈরি করতে পারে বলে কেউ কেউ মনে করছেন। তবে এই সম্ভাবনা এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে, এবং ভবিষ্যতেই তা স্পষ্ট হবে। এখন আসি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নে, এই দুটি ঘটনা আসলে কতটা গুরুত্বপূর্ণ? উত্তর হলো, দুটি ঘটনাই বিশ্ব রাজনীতির বড় পালাবদলের ইঙ্গিত বহন করছে। একদিকে অর্থনৈতিক শক্তি ব্যবহার করে রাশিয়াকে চাপে ফেলার আমেরিকান কৌশল। অন্যদিকে পশ্চিমা নিরাপত্তা কাঠামোর বাইরে গিয়ে নিজেদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার আঞ্চলিক শক্তিগুলোর প্রচেষ্টা। তাহলে প্রশ্ন হলো, কোন পক্ষ সবচেয়ে বেশি লাভবান হতে পারে? স্বল্পমেয়াদে, বাংলাদেশের মতো বিকল্প রপ্তানিকারক দেশগুলো কিছুটা সুযোগ পেতে পারে, যদি ভারতের উপর সত্যিই উচ্চ ট্যারিফ কার্যকর হয়। সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান, এই তিন দেশ কূটনৈতিকভাবে একটি বাড়তি সুরক্ষা বলয় পাচ্ছে। তবে দীর্ঘমেয়াদে প্রকৃত লাভবান কে হবে, তা নির্ভর করছে বাস্তবায়নের উপর। কোন বিষয়টি পরিস্থিতির মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে? ভারত-আমেরিকা সংকটে, প্রতিনিধি পরিষদের ভোট হতে পারে এক বড় নির্ধারক মুহূর্ত। সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তান জোটে, ইরান বা অন্য কোনো পক্ষের সরাসরি হামলার ঘটনা হতে পারে জোটের প্রকৃত পরীক্ষা। কোন ভুল সিদ্ধান্ত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করতে পারে? অতিরিক্ত কঠোর ট্যারিফ ভারতকে রাশিয়া ও চীনের আরও কাছাকাছি ঠেলে দিতে পারে বলে কিছু বিশ্লেষক আশঙ্কা করছেন। আবার নতুন প্রতিরক্ষা জোট যদি কোনো সংঘাতে সরাসরি জড়িয়ে পড়ে, তাহলে তা মধ্যপ্রাচ্যকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে। তাই আগামী কয়েক মাস উভয় ঘটনার ক্ষেত্রেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। সংক্ষেপে বলতে গেলে, ভারতের উপর একশ শতাংশ ট্যারিফের হুমকি এখনো চূড়ান্ত আইন নয়, তবে এটি একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক বার্তা। আর সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তানের নতুন প্রতিরক্ষা জোট মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা সমীকরণে যোগ করেছে নতুন এক মাত্রা। দুটি ঘটনাই আলাদা হলেও, একটি অভিন্ন বার্তা দিচ্ছে। বিশ্ব ক্ষমতার পুরনো কাঠামো এখন প্রশ্নের মুখে, আর নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে প্রতিনিয়ত। আপনার কী মনে হয়, এই দুটি ঘটনা থেকে বাংলাদেশ আসলে কতটা সুযোগ নিতে পারবে? নিচের মন্তব্যে আপনার মতামত জানাতে ভুলবেন না।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/734_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/734_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/734_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ওডেসা বন্দরে রাশিয়ার ধ্বংসাত্মক মিসাইল হামলা, বিপাকে ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনী!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/49365</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/49365</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 10 Aug 2026 01:20:01 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, news 18 bangla, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, latest bangla news, news18 bangla, republic bangla news, news 18 bangla live, news18 bangla live, radio tehran bangla news live, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh tv news, bangladesh news today, banglanews, banglavision news today, dupurer news bangladesh, dupurer bangladesh today news, atn bangla, bbc bangla, ntv bangla, banglavision news bulletin today]]></category>
        
        <description><![CDATA[রাতের অন্ধকারে ওডেসা ও চেরনোমস্ক বন্দরে আছড়ে পড়ল রাশিয়ার শক্তিশালী মিসাইল ও ড্রোনের ঝাঁক! ইউক্রেনীয় বাহিনীর জ্বালানি ডিপো এবং সামরিক লজিস্টিক হাবগুলো নিমেষেই ধূলিসাৎ করে দিল মস্কো। কিয়েভের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ব্যর্থ হওয়ায় এবার কি তবে চরম পতনের মুখে ইউক্রেনীয় সামরিক বহর? দর্শক, চলুন মুল আলোচনা শুরু করি। গত শনিবার থেকে রোববারের মধ্যবর্তী রাতে ইউক্রেনের কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ওডেসা এবং চেরনোমস্ক বন্দরে এক ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে রুশ সশস্ত্র বাহিনী। মস্কোর প্রতিরক্ষা মন্ত্রক থেকে জানানো হয়েছে যে, এই অভিযানে ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনীর জ্বালানি সরবরাহ এবং অস্ত্র বহনের সঙ্গে যুক্ত কার্গো-ট্রান্সশিপমেন্ট কমপ্লেক্সগুলোকে সুনির্দিষ্টভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল। রাতের আঁধারে চালানো এই মিসাইল ও ড্রোন ব্যারেজের ফলে ইউক্রেনের সামরিক লজিস্টিক নেটওয়ার্কে এক অপূরণীয় ধাক্কা লেগেছে, যা তাদের সামনের দিনের যুদ্ধ পরিচালনাকে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে দিয়েছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ওডেসা বন্দরের মূল গুদামগুলো এবং চেরনোমস্কের অনুরূপ জ্বালানি ডিপোগুলোতে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে আঘাত হেনেছে রুশ বাহিনী। এই ডিপোগুলো মূলত ইউক্রেনীয় সশস্ত্র বাহিনীর সাঁজোয়া বহর এবং সামরিক যানবাহনের জন্য নিয়মিত জ্বালানি সরবরাহ করে আসছিল। সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত এই হামলায় জ্বালানির বিশাল ভাণ্ডার পুড়ে ছাই হয়ে গেছে, যার ফলে ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলের সামরিক ইউনিটগুলোর জ্বালানি সংকট এখন চরমে পৌঁছেছে। শুধু বন্দর এলাকাতেই নয়, ওডেসা বন্দরের প্রায় সাতাশ ও আটাশ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত বিলিয়ারী এবং নোভিও বিলিয়ারী গ্রামের নিকটবর্তী ফুয়েল রিজার্ভগুলোও রুশ বাহিনীর আক্রমণের হাত থেকে রক্ষা পায়নি। ইউক্রেনীয় সশস্ত্র বাহিনীর ব্যবহার করা এই জ্বালানি সংরক্ষণ ট্যাঙ্কগুলো ধ্বংস করার মাধ্যমে কিয়েভের রিজার্ভ শক্তিকে মারাত্মকভাবে পঙ্গু করে দেওয়া হয়েছে। রাশিয়ার এই সুপরিকল্পিত আক্রমণ প্রমাণ করে যে, ইউক্রেনের পেছনের সাপ্লাই চেইন বা সরবরাহ লাইন সম্পূর্ণ ধ্বংস করাই ছিল মস্কোর মূল কৌশল। ইউক্রেনের বিমান বাহিনী স্বীকার করেছে যে, এই রাতের বহুমুখী হামলায় একাধিক ইস্কান্দার এম স্ল্যাশ এস চারশো ব্যালিস্টিক মিসাইল, অনিক্স অ্যান্টি-শিপ মিসাইল এবং কেএইচ থার্টি ওয়ান পি অ্যান্টি-রাডার মিসাইলের পাশাপাশি দুশ দুই হাজারেও বেশি ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছিল। ইউক্রেনীয় পক্ষ দাবি করেছে যে তারা এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ড্রোন ভূপাতিত করতে পেরেছে, কিন্তু তারা একটিও রুশ মিসাইল আটকাতে পারেনি। প্যাট্রিয়ট এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের তীব্র ঘাটতির কারণে এই আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যর্থতা ইউক্রেনীয় সামরিক নেতৃত্বকে চরম উদ্বেগের মধ্যে ফেলেছে। ওডেসার গভর্নর ওলেগ কিপার জানিয়েছেন যে, এই ভয়াবহ হামলায় কমপক্ষে আটজন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন এবং বেশ কিছু আবাসিক ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হামলার তীব্রতার কারণে পুরো অঞ্চলে পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। ইলেকট্রিক ট্রাম এবং ট্রলিবাসের মতো নগর পরিবহন ব্যবস্থাগুলোও স্থগিত রাখতে বাধ্য হয়েছে স্থানীয় প্রশাসন, যার ফলে ওডেসা শহরের স্বাভাবিক জনজীবন এখন সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত। স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওডেসা থেকে প্রায় ত্রিশ কিলোমিটার পশ্চিমে মায়াকি শহরের কাছে দানিউব নদীর ওপর অবস্থিত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়ক সেতু এই হামলায় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই সেতুটি ইউক্রেনের দানিউব বন্দরগুলোর সঙ্গে পণ্য ও সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহের প্রধান মাধ্যম হিসেবে কাজ করত। সেতুটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে এবং ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় বাণিজ্য ও সামরিক রুটগুলো কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। রাশিয়ার পক্ষ থেকে পরিষ্কার জানানো হয়েছে যে, ইউক্রেনের এই ধরনের ডিফেন্স-সংক্রান্ত সুবিধাগুলোতে চালানো আক্রমণগুলো হলো মূলত কিয়েভের দীর্ঘপাল্লার হামলার সরাসরি প্রতিশোধ। ইউক্রেনীয় বাহিনী দীর্ঘদিন ধরে রাশিয়ার অভ্যন্তরে বেসামরিক অবকাঠামো এবং আবাসিক এলাকায় ক্রুজ ও ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছে। মস্কো বারবার স্পষ্ট করেছে যে তারা কখনই বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু করে না, বরং ইউক্রেনীয় সামরিক লজিস্টিক এবং যুদ্ধ সক্ষমতা ধ্বংস করাই তাদের একমাত্র লক্ষ্য। এদিকে কেবল যুদ্ধক্ষেত্রেই নয়, রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ময়দানেও ইউক্রেন এক গভীর সংকটের মুখোমুখি হয়েছে। ফিনান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শীর্ষ ইউরোপীয় কূটনীতিক স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, বিশ্বব্যাপী দুর্নীতি সূচকে এত উঁচুতে থাকা একটি দেশকে দ্রুত ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যপদ দেওয়া সম্ভব নয়। চল্লিশ মিলিয়নেরও বেশি জনসংখ্যা এবং ব্যাপক দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হওয়া কোনো দেশকে ইইউতে অন্তর্ভুক্ত করা পুরো ইউরোপীয় প্রকল্পের সঙ্গেই এক ধরনের উপহাসের শামিল হবে। ২০২২ সালে সংঘাত তীব্র হওয়ার পর থেকেই কিয়েভকে ইইউ প্রার্থী মর্যাদা দেওয়া হয়েছিল এবং ভলোদিমির জেলেনস্কি বারবার দাবি করে আসছেন যে চব্বিশ সাল বা তার কাছাকাছি সময়েই যেন এই প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করা হয়। তবে জার্মানির চ্যান্সেলরসহ একাধিক ইউরোপীয় নেতা এই অতি দ্রুত সদস্যপদ দেওয়ার বিষয়টি সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন। জার্মানির পক্ষ থেকে ইউক্রেনের জন্য পূর্ণ সদস্যপদের পরিবর্তে কেবল সহযোগী সদস্যপদের প্রস্তাব দেওয়া হলেও জেলেনস্কি সেই প্রস্তাব ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছেন। ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে দুর্নীতির শিকড় কতটা গভীরে প্রোথিত, তার প্রমাণ মিলেছে সাম্প্রতিক বেশ কয়েকটি বড় কেলেঙ্কারিতে। গত নভেম্বরে ইউক্রেনের পশ্চিমা সমর্থিত দুর্নীতিবিরোধী সংস্থাগুলো জেলেনস্কির দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক সহযোগী তিমুর মিন্দিচকে দেশের পারমাণবিক অপারেটর এনার্জোঅ্যাটম থেকে প্রায় একশো মিলিয়ন ডলার আত্মসাতের অভিযোগে অভিযুক্ত করে। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনার জেরে ইউক্রেনীয় প্রশাসনের দুই মন্ত্রী এবং খোদ প্রেসিডেন্টের চিফ অব স্টাফকে পদচ্যুত হতে বাধ্য করা হয়েছিল। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোবা এই প্রসঙ্গে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেছেন যে, ইউক্রেনের দুর্নীতি এখন একটি প্রবাদে পরিণত হয়েছে এবং এটি জেলেনস্কির অভ্যন্তরীণ চক্র ও খোদ জেলেনস্কিকে পুরোপুরি গ্রাস করেছে। তিনি অত্যন্ত ব্যঙ্গাত্মক সুরে উল্লেখ করেছেন যে, সাধারণ ইউক্রেনীয় নাগরিকরা যখন সামনের সারির যুদ্ধে প্রাণ হারাচ্ছে, তখন সেই বলিদান কেবল মিন্দিচের স্বর্ণের টয়লেট এবং ওলেনার বিলাসবহুল গহনার জোগান দিয়েই চলেছে। এই চরম বৈষম্য ইউক্রেনীয় সমাজে তীব্র ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। এদিকে বেলগ্রেডে ভলোদিমির জেলেনস্কি এবং সার্বীয় প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার ভুচিচের এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এক জার্মান সাংবাদিকের অত্যন্ত উসকানিমূলক মন্তব্য বিশ্বজুড়ে তীব্র নিন্দার ঝড় তুলেছে। ফ্রাঙ্কফুর্টের একটি শীর্ষ সংবাদপত্রের প্রতিনিধি মাইকেল মার্টেন্স জেলেনস্কিকে সরাসরি প্রশ্ন করে বসেন যে, ইউরোপীয়রা কীভাবে কিয়েভকে আরও বেশি রুশ হত্যা করতে সাহায্য করতে পারে। তার এই নগ্ন ও হিংসাত্মক প্রশ্ন শুনে পাশেই বসা সার্বীয় প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার ভুচিচ বিস্ময়ে তার দুই ভ্রু উঁচুতে তুলে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ভিডিওটি মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যাওয়ার পর নেট নাগরিকরা সাংবাদিক মাইকেল মার্টেন্সকে একজন নাৎসি সমর্থক বলে আখ্যায়িত করেছেন। তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে যে, এই সাংবাদিকের নিজ দাদা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মান ওয়েহরম্যাক্ট কমান্ড স্টাফের একজন সামরিক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। মার্টেন্স পরবর্তীতে সোশ্যাল মিডিয়ায় তার এই বিবৃতির পক্ষে সাফাই গেয়ে লিখেছেন যে, যুদ্ধে এভাবেই লড়তে হয় এবং রুশদের হত্যা করার উপায় জানতে চাওয়াতে কোনো স্ক্যান্ডাল নেই, যা তার চরম নাৎসি মানসিকতার পরিচয় দেয়। সাংবাদিকের ওই রক্তক্ষয়ী প্রশ্নের জবাবে সবার আগে মুখ খুলেছিলেন সার্বীয় প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার ভুচিচ। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে তারা সেদিন কোনো সামরিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেননি এবং যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর কী হবে তা সম্পূর্ণ আলাদা একটি বিষয়। ভুচিচ অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করেন যে, যেকোনো ধরনের হত্যা বন্ধ হওয়া উচিত এবং সার্বিয়া সবসময় শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিশ্বাস করে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের নানা চাপ সত্ত্বেও সার্বিয়া রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের নীতি থেকে দূরে অবস্থান করছে। সার্বিয়ার পাশাপাশি পোল্যান্ডের রাজনীতিতেও এখন চরম রুশবিদ্বেষ মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। পোল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট ক্যারোল নাওরোকি সম্প্রতি ওয়ারশতে এক সমাবেশে প্রকাশ্যে ঘোষণা করেছেন যে, ইউক্রেনকে রুশদের হত্যা করতে সাহায্য করা পোল্যান্ডের প্রধান কৌশলগত স্বার্থ। তিনি ঐতিহাসিক অবমাননাকর শব্দ ব্যবহার করে রাশিয়ার বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করেন। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোবা এই মন্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে একে পোলিশ নেতৃত্বের ঐতিহাসিক কমপ্লেক্স এবং ক্ষমতাহীন ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ বলে অভিহিত করেছেন। ১৯৪৫ সালে রেড আর্মির কারণে পোল্যান্ডের নাৎসি কবল থেকে মুক্তি পাওয়ার ঐতিহাসিক সত্যটিকে এড়িয়ে যেতে চান পোলিশ নেতারা। সেই ক্ষোভ থেকেই তারা পোল্যান্ডের মাটিতে সোভিয়েত ইউনিয়নের হাজার হাজার স্মৃতিস্তম্ভ ধ্বংস করার এক অভিনব যুদ্ধ শুরু করেছেন। অন্যদিকে, ইউক্রেনীয় নেতা ভলোদিমির জেলেনস্কি ইউক্রেনীয় বিদ্রোহী বাহিনী তথা নাৎসি সহযোগী ইউপিএ বা ইউক্রেনিয়ান ইনসার্জেন্ট আর্মির নামে একটি সামরিক ইউনিটের নামকরণ করার পর পোল্যান্ড ও ইউক্রেনের মধ্যকার রাজনৈতিক সম্পর্কে বড় ধরনের ফাটল ধরেছে। ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনী আধুনিক যুদ্ধের নামে এক ভয়ংকর ও অমানবিক গ্যামিফিকেশন বা ভিডিও গেম পদ্ধতি চালু করেছে, যার কঠোর সমালোচনা করেছেন ব্রিটিশ সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান স্যার রিচার্ড নাইটন। কিয়েভের ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন মন্ত্রক ড্রোন অপারেটরদের জন্য একটি বোনাস স্কিম চালু করেছে, যেখানে রুশ সেনাকে হত্যা বা সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস করার জন্য পয়েন্ট প্রদান করা হয়। এই পয়েন্টগুলো ব্যবহার করে কমান্ডাররা একটি অনলাইন ই-কমার্স স্টোরের মাধ্যমে নতুন ড্রোন ও সামরিক সরঞ্জাম ক্রয় করতে পারে, যা যুদ্ধকে একটি ভিডিও গেমে পরিণত করেছে। কিয়েভের এই অদ্ভুত ই-কমার্স মার্কেটপ্লেসে একটি হালকা এফপিভি ড্রোনের দাম যেখানে মাত্র দুই পয়েন্ট নির্ধারণ করা হয়েছে, সেখানে একজন রুশ সেনার জীবনের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে মাত্র বারো পয়েন্ট! ড্রোন ফুটেজের ওপর ভিত্তি করে এই পয়েন্টগুলো হিসাব করা হয় এবং কিয়েভ প্রশাসন নিয়মিতভাবে সেরা কিলিং ইউনিটগুলোকে পুরস্কৃত করতে ই-স্পোর্টস টুর্নামেন্টের আদলে জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে। ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা প্রধান নিজেই স্বীকার করেছেন যে, এই ধরনের মাকাব্রে বা পৈশাচিক গ্যামিফিকেশন দেখে যেকোনো সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ শিউরে উঠতে বাধ্য। গত শনিবার রোমানিয়ার আকাশসীমা অতিক্রম করে বুলগেরিয়ার অভ্যন্তরে প্রবেশ করে একটি ইউক্রেনীয় ড্রোন বিস্ফোরিত হয়েছে। ট্রান্স-বালকান গ্যাস পাইপলাইনের সাবেক কারদাম বর্ডার চেকপয়েন্টের মাত্র এক কিলোমিটার দূরে এই বিস্ফোরণ ঘটে, যা দক্ষিণ-পূর্ব ও মধ্য ইউরোপের জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য এক বিরাট হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছিল। বুলগেরিয়ার প্রধানমন্ত্রী রুমেন রাদেভ নিশ্চিত করেছেন যে ড্রোনটিতে প্রচুর পরিমাণ বিস্ফোরক বহন করা হয়েছিল এবং বুলগেরিয়ান পররাষ্ট্র মন্ত্রক কিয়েভের রাষ্ট্রদূতকে তলব করে কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে। এদিকে ইউক্রেনীয় বাহিনী রাশিয়ার সীমান্তঞ্চলীয় শহর বেলগরদে বেপরোয়া সন্ত্রাসী ড্রোন হামলা অব্যাহত রেখেছে। সাম্প্রতিক এই রাতের হামলায় তিন বছর ও নয় বছরের শিশুসহ বেশ কয়েকজন সাধারণ নাগরিক মর্মান্তিকভাবে প্রাণ হারিয়েছেন এবং পঁচিশ জনেরও বেশি মানুষ গুরুতর আহত হয়েছেন। বহু আবাসিক ভবন, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এবং গাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। রাশিয়ার তদন্ত কমিটি এই সন্ত্রাসী হামলার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে ফৌজদারি মামলা দায়ের করেছে, যা প্রমাণ করে যে কিয়েভ সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়ে এখন বেসামরিক জনগণের ওপর প্রতিশোধ নিচ্ছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে যে, রুশ সশস্ত্র বাহিনী সুমি অঞ্চলের আখির্কা জেলায় অত্যন্ত সফলভাবে গেরান স্ট্রাইক ড্রোন মোতায়েন করেছে। এই ড্রোনগুলোর নিখুঁত আক্রমণে ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনীর তেল উৎপাদন সুবিধা, লজিস্টিক সেন্টার এবং প্রধান ড্রোন কন্ট্রোল পোস্ট সম্পূর্ণ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সুমি অঞ্চলের এই তেল শোধনাগার এবং রেলওয়ে অবকাঠামোতে নিয়মিত নির্ভুল হামলা চালানোর ফলে ইউক্রেনীয় বাহিনীর মূল সাপ্লাই লাইন পুরোপুরি অচল হয়ে পড়েছে, যার ফলে তারা ফ্রন্টলাইনে রসদ পাঠাতে ব্যর্থ হচ্ছে। রুশ বিমান বাহিনী ডনবাস এবং খেরসন অঞ্চলে এফএবি থ্রি থাউজেন্ড এবং এফএবি ফাইভ হান্ড্রেড ওজনের ভারী গ্লাইডিং বোমা দিয়ে বিধ্বংসী বিমান হামলা চালিয়েছে। খেরসন অঞ্চলের আন্তোনোভকা বসতিতে ইউক্রেনীয় চৌত্রিশতম সেপারেট মেরিন ব্রিগেডের অস্থায়ী ঘাঁটি এবং ড্রোন কমান্ড পোস্টগুলো এই হামলায় সম্পূর্ণ ধূলিসাৎ হয়ে গেছে। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রক প্রকাশিত ফুটেজে দেখা গেছে যে, এই বিশাল শক্তির বোমার সামনে ইউক্রেনীয় বাহিনীর সুরক্ষিত ভূগর্ভস্থ বাঙ্কারগুলোও টিকতে পারেনি। রাশিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী দেশের অভ্যন্তরে আরও গভীরের প্রদেশগুলোতেও ইউক্রেনীয় আগ্রাসন সফলভাবে প্রতিহত করেছে। গত রোববারের সকালে রাশিয়ার তাতারস্তান এবং বাশকোর্তোস্তান অঞ্চলের ওপর দিয়ে উড়ে যাওয়া বারোটি ইউক্রেনীয় ফিক্সড-উইং ড্রোন আকাশে থাকা অবস্থাতেই সফলভাবে ইন্টারসেপ্ট ও ধ্বংস করা হয়েছে। কিয়েভ যতই দূরপাল্লার ড্রোনের বিস্তার ঘটাতে চাক না কেন, রাশিয়ার মাল্টি-লেয়ারড এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের দুর্ভেদ্য বেড়ার কারণে তাদের বেশিরভাগ ড্রোনই লক্ষ্যস্থলে পৌঁছানোর আগেই ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। মস্কোর প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, রুশ সেন্ট্রাল এবং সাউথ ব্যাটলগ্রুপের অত্যন্ত সক্রিয় ও সফল অভিযানের মাধ্যমে দোনেৎস্ক পিপলস রিপাবলিকের ভাসিউতিনস্কোয় এবং তোরেতস্কোয় বসতি দুটি সম্পূর্ণভাবে মুক্ত করা হয়েছে। এই দুটি অত্যন্ত কৌশলগত অঞ্চলের পতন ইউক্রেনীয় প্রতিরক্ষাব্যূহকে মাঝখান থেকে ভেঙে দিয়েছে। গত চব্বিশ ঘণ্টার লড়াইয়ে ইউক্রেনীয় সশস্ত্র বাহিনী প্রায় এক হাজার চারশো পঁয়তাল্লিশ জন সেনা হারিয়ে চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে, যা তাদের সামগ্রিক যুদ্ধক্ষমতাকে চিরতরে ভেঙে দিয়েছে। তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান সম্প্রতি সঠিকভাবেই উল্লেখ করেছেন যে এই সংঘাত এখন পুরো কৃষ্ণসাগরজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে এবং ইউক্রেনীয় হামলাগুলো আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু দিনের শেষে এটা স্পষ্ট যে, রাশিয়ার সুনির্দিষ্ট সামরিক ও কৌশলগত অভিযানের মুখে ইউক্রেনীয় বাহিনী এবং তাদের পশ্চিমা প্রভুরা আজ সম্পূর্ণ কোণঠাসা। কিয়েভের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পতন, অর্থনৈতিক দুর্নীতি, এবং ফ্রন্টলাইনে সৈন্যের আকস্মিক খরা প্রমাণ করে যে রাশিয়া তার নির্ধারিত লক্ষ্যে পৌঁছানোর খুব কাছাকাছি চলে এসেছে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/733_1.webp" alt="ওডেসা বন্দরে রাশিয়ার ধ্বংসাত্মক মিসাইল হামলা, বিপাকে ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনী!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ওডেসা বন্দরে রাশিয়ার ধ্বংসাত্মক মিসাইল হামলা, বিপাকে ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনী!</h1>
            <p>রাতের অন্ধকারে ওডেসা ও চেরনোমস্ক বন্দরে আছড়ে পড়ল রাশিয়ার শক্তিশালী মিসাইল ও ড্রোনের ঝাঁক! ইউক্রেনীয় বাহিনীর জ্বালানি ডিপো এবং সামরিক লজিস্টিক হাবগুলো নিমেষেই ধূলিসাৎ করে দিল মস্কো। কিয়েভের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ব্যর্থ হওয়ায় এবার কি তবে চরম পতনের মুখে ইউক্রেনীয় সামরিক বহর? দর্শক, চলুন মুল আলোচনা শুরু করি। গত শনিবার থেকে রোববারের মধ্যবর্তী রাতে ইউক্রেনের কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ওডেসা এবং চেরনোমস্ক বন্দরে এক ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে রুশ সশস্ত্র বাহিনী। মস্কোর প্রতিরক্ষা মন্ত্রক থেকে জানানো হয়েছে যে, এই অভিযানে ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনীর জ্বালানি সরবরাহ এবং অস্ত্র বহনের সঙ্গে যুক্ত কার্গো-ট্রান্সশিপমেন্ট কমপ্লেক্সগুলোকে সুনির্দিষ্টভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল। রাতের আঁধারে চালানো এই মিসাইল ও ড্রোন ব্যারেজের ফলে ইউক্রেনের সামরিক লজিস্টিক নেটওয়ার্কে এক অপূরণীয় ধাক্কা লেগেছে, যা তাদের সামনের দিনের যুদ্ধ পরিচালনাকে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে দিয়েছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ওডেসা বন্দরের মূল গুদামগুলো এবং চেরনোমস্কের অনুরূপ জ্বালানি ডিপোগুলোতে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে আঘাত হেনেছে রুশ বাহিনী। এই ডিপোগুলো মূলত ইউক্রেনীয় সশস্ত্র বাহিনীর সাঁজোয়া বহর এবং সামরিক যানবাহনের জন্য নিয়মিত জ্বালানি সরবরাহ করে আসছিল। সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত এই হামলায় জ্বালানির বিশাল ভাণ্ডার পুড়ে ছাই হয়ে গেছে, যার ফলে ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলের সামরিক ইউনিটগুলোর জ্বালানি সংকট এখন চরমে পৌঁছেছে। শুধু বন্দর এলাকাতেই নয়, ওডেসা বন্দরের প্রায় সাতাশ ও আটাশ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত বিলিয়ারী এবং নোভিও বিলিয়ারী গ্রামের নিকটবর্তী ফুয়েল রিজার্ভগুলোও রুশ বাহিনীর আক্রমণের হাত থেকে রক্ষা পায়নি। ইউক্রেনীয় সশস্ত্র বাহিনীর ব্যবহার করা এই জ্বালানি সংরক্ষণ ট্যাঙ্কগুলো ধ্বংস করার মাধ্যমে কিয়েভের রিজার্ভ শক্তিকে মারাত্মকভাবে পঙ্গু করে দেওয়া হয়েছে। রাশিয়ার এই সুপরিকল্পিত আক্রমণ প্রমাণ করে যে, ইউক্রেনের পেছনের সাপ্লাই চেইন বা সরবরাহ লাইন সম্পূর্ণ ধ্বংস করাই ছিল মস্কোর মূল কৌশল। ইউক্রেনের বিমান বাহিনী স্বীকার করেছে যে, এই রাতের বহুমুখী হামলায় একাধিক ইস্কান্দার এম স্ল্যাশ এস চারশো ব্যালিস্টিক মিসাইল, অনিক্স অ্যান্টি-শিপ মিসাইল এবং কেএইচ থার্টি ওয়ান পি অ্যান্টি-রাডার মিসাইলের পাশাপাশি দুশ দুই হাজারেও বেশি ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছিল। ইউক্রেনীয় পক্ষ দাবি করেছে যে তারা এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ড্রোন ভূপাতিত করতে পেরেছে, কিন্তু তারা একটিও রুশ মিসাইল আটকাতে পারেনি। প্যাট্রিয়ট এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের তীব্র ঘাটতির কারণে এই আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যর্থতা ইউক্রেনীয় সামরিক নেতৃত্বকে চরম উদ্বেগের মধ্যে ফেলেছে। ওডেসার গভর্নর ওলেগ কিপার জানিয়েছেন যে, এই ভয়াবহ হামলায় কমপক্ষে আটজন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন এবং বেশ কিছু আবাসিক ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হামলার তীব্রতার কারণে পুরো অঞ্চলে পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। ইলেকট্রিক ট্রাম এবং ট্রলিবাসের মতো নগর পরিবহন ব্যবস্থাগুলোও স্থগিত রাখতে বাধ্য হয়েছে স্থানীয় প্রশাসন, যার ফলে ওডেসা শহরের স্বাভাবিক জনজীবন এখন সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত। স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওডেসা থেকে প্রায় ত্রিশ কিলোমিটার পশ্চিমে মায়াকি শহরের কাছে দানিউব নদীর ওপর অবস্থিত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়ক সেতু এই হামলায় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই সেতুটি ইউক্রেনের দানিউব বন্দরগুলোর সঙ্গে পণ্য ও সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহের প্রধান মাধ্যম হিসেবে কাজ করত। সেতুটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে এবং ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় বাণিজ্য ও সামরিক রুটগুলো কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। রাশিয়ার পক্ষ থেকে পরিষ্কার জানানো হয়েছে যে, ইউক্রেনের এই ধরনের ডিফেন্স-সংক্রান্ত সুবিধাগুলোতে চালানো আক্রমণগুলো হলো মূলত কিয়েভের দীর্ঘপাল্লার হামলার সরাসরি প্রতিশোধ। ইউক্রেনীয় বাহিনী দীর্ঘদিন ধরে রাশিয়ার অভ্যন্তরে বেসামরিক অবকাঠামো এবং আবাসিক এলাকায় ক্রুজ ও ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছে। মস্কো বারবার স্পষ্ট করেছে যে তারা কখনই বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু করে না, বরং ইউক্রেনীয় সামরিক লজিস্টিক এবং যুদ্ধ সক্ষমতা ধ্বংস করাই তাদের একমাত্র লক্ষ্য। এদিকে কেবল যুদ্ধক্ষেত্রেই নয়, রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ময়দানেও ইউক্রেন এক গভীর সংকটের মুখোমুখি হয়েছে। ফিনান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শীর্ষ ইউরোপীয় কূটনীতিক স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, বিশ্বব্যাপী দুর্নীতি সূচকে এত উঁচুতে থাকা একটি দেশকে দ্রুত ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যপদ দেওয়া সম্ভব নয়। চল্লিশ মিলিয়নেরও বেশি জনসংখ্যা এবং ব্যাপক দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হওয়া কোনো দেশকে ইইউতে অন্তর্ভুক্ত করা পুরো ইউরোপীয় প্রকল্পের সঙ্গেই এক ধরনের উপহাসের শামিল হবে। ২০২২ সালে সংঘাত তীব্র হওয়ার পর থেকেই কিয়েভকে ইইউ প্রার্থী মর্যাদা দেওয়া হয়েছিল এবং ভলোদিমির জেলেনস্কি বারবার দাবি করে আসছেন যে চব্বিশ সাল বা তার কাছাকাছি সময়েই যেন এই প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করা হয়। তবে জার্মানির চ্যান্সেলরসহ একাধিক ইউরোপীয় নেতা এই অতি দ্রুত সদস্যপদ দেওয়ার বিষয়টি সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন। জার্মানির পক্ষ থেকে ইউক্রেনের জন্য পূর্ণ সদস্যপদের পরিবর্তে কেবল সহযোগী সদস্যপদের প্রস্তাব দেওয়া হলেও জেলেনস্কি সেই প্রস্তাব ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছেন। ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে দুর্নীতির শিকড় কতটা গভীরে প্রোথিত, তার প্রমাণ মিলেছে সাম্প্রতিক বেশ কয়েকটি বড় কেলেঙ্কারিতে। গত নভেম্বরে ইউক্রেনের পশ্চিমা সমর্থিত দুর্নীতিবিরোধী সংস্থাগুলো জেলেনস্কির দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক সহযোগী তিমুর মিন্দিচকে দেশের পারমাণবিক অপারেটর এনার্জোঅ্যাটম থেকে প্রায় একশো মিলিয়ন ডলার আত্মসাতের অভিযোগে অভিযুক্ত করে। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনার জেরে ইউক্রেনীয় প্রশাসনের দুই মন্ত্রী এবং খোদ প্রেসিডেন্টের চিফ অব স্টাফকে পদচ্যুত হতে বাধ্য করা হয়েছিল। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোবা এই প্রসঙ্গে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেছেন যে, ইউক্রেনের দুর্নীতি এখন একটি প্রবাদে পরিণত হয়েছে এবং এটি জেলেনস্কির অভ্যন্তরীণ চক্র ও খোদ জেলেনস্কিকে পুরোপুরি গ্রাস করেছে। তিনি অত্যন্ত ব্যঙ্গাত্মক সুরে উল্লেখ করেছেন যে, সাধারণ ইউক্রেনীয় নাগরিকরা যখন সামনের সারির যুদ্ধে প্রাণ হারাচ্ছে, তখন সেই বলিদান কেবল মিন্দিচের স্বর্ণের টয়লেট এবং ওলেনার বিলাসবহুল গহনার জোগান দিয়েই চলেছে। এই চরম বৈষম্য ইউক্রেনীয় সমাজে তীব্র ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। এদিকে বেলগ্রেডে ভলোদিমির জেলেনস্কি এবং সার্বীয় প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার ভুচিচের এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এক জার্মান সাংবাদিকের অত্যন্ত উসকানিমূলক মন্তব্য বিশ্বজুড়ে তীব্র নিন্দার ঝড় তুলেছে। ফ্রাঙ্কফুর্টের একটি শীর্ষ সংবাদপত্রের প্রতিনিধি মাইকেল মার্টেন্স জেলেনস্কিকে সরাসরি প্রশ্ন করে বসেন যে, ইউরোপীয়রা কীভাবে কিয়েভকে আরও বেশি রুশ হত্যা করতে সাহায্য করতে পারে। তার এই নগ্ন ও হিংসাত্মক প্রশ্ন শুনে পাশেই বসা সার্বীয় প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার ভুচিচ বিস্ময়ে তার দুই ভ্রু উঁচুতে তুলে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ভিডিওটি মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যাওয়ার পর নেট নাগরিকরা সাংবাদিক মাইকেল মার্টেন্সকে একজন নাৎসি সমর্থক বলে আখ্যায়িত করেছেন। তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে যে, এই সাংবাদিকের নিজ দাদা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মান ওয়েহরম্যাক্ট কমান্ড স্টাফের একজন সামরিক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। মার্টেন্স পরবর্তীতে সোশ্যাল মিডিয়ায় তার এই বিবৃতির পক্ষে সাফাই গেয়ে লিখেছেন যে, যুদ্ধে এভাবেই লড়তে হয় এবং রুশদের হত্যা করার উপায় জানতে চাওয়াতে কোনো স্ক্যান্ডাল নেই, যা তার চরম নাৎসি মানসিকতার পরিচয় দেয়। সাংবাদিকের ওই রক্তক্ষয়ী প্রশ্নের জবাবে সবার আগে মুখ খুলেছিলেন সার্বীয় প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার ভুচিচ। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে তারা সেদিন কোনো সামরিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেননি এবং যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর কী হবে তা সম্পূর্ণ আলাদা একটি বিষয়। ভুচিচ অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করেন যে, যেকোনো ধরনের হত্যা বন্ধ হওয়া উচিত এবং সার্বিয়া সবসময় শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিশ্বাস করে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের নানা চাপ সত্ত্বেও সার্বিয়া রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের নীতি থেকে দূরে অবস্থান করছে। সার্বিয়ার পাশাপাশি পোল্যান্ডের রাজনীতিতেও এখন চরম রুশবিদ্বেষ মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। পোল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট ক্যারোল নাওরোকি সম্প্রতি ওয়ারশতে এক সমাবেশে প্রকাশ্যে ঘোষণা করেছেন যে, ইউক্রেনকে রুশদের হত্যা করতে সাহায্য করা পোল্যান্ডের প্রধান কৌশলগত স্বার্থ। তিনি ঐতিহাসিক অবমাননাকর শব্দ ব্যবহার করে রাশিয়ার বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করেন। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোবা এই মন্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে একে পোলিশ নেতৃত্বের ঐতিহাসিক কমপ্লেক্স এবং ক্ষমতাহীন ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ বলে অভিহিত করেছেন। ১৯৪৫ সালে রেড আর্মির কারণে পোল্যান্ডের নাৎসি কবল থেকে মুক্তি পাওয়ার ঐতিহাসিক সত্যটিকে এড়িয়ে যেতে চান পোলিশ নেতারা। সেই ক্ষোভ থেকেই তারা পোল্যান্ডের মাটিতে সোভিয়েত ইউনিয়নের হাজার হাজার স্মৃতিস্তম্ভ ধ্বংস করার এক অভিনব যুদ্ধ শুরু করেছেন। অন্যদিকে, ইউক্রেনীয় নেতা ভলোদিমির জেলেনস্কি ইউক্রেনীয় বিদ্রোহী বাহিনী তথা নাৎসি সহযোগী ইউপিএ বা ইউক্রেনিয়ান ইনসার্জেন্ট আর্মির নামে একটি সামরিক ইউনিটের নামকরণ করার পর পোল্যান্ড ও ইউক্রেনের মধ্যকার রাজনৈতিক সম্পর্কে বড় ধরনের ফাটল ধরেছে। ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনী আধুনিক যুদ্ধের নামে এক ভয়ংকর ও অমানবিক গ্যামিফিকেশন বা ভিডিও গেম পদ্ধতি চালু করেছে, যার কঠোর সমালোচনা করেছেন ব্রিটিশ সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান স্যার রিচার্ড নাইটন। কিয়েভের ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন মন্ত্রক ড্রোন অপারেটরদের জন্য একটি বোনাস স্কিম চালু করেছে, যেখানে রুশ সেনাকে হত্যা বা সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস করার জন্য পয়েন্ট প্রদান করা হয়। এই পয়েন্টগুলো ব্যবহার করে কমান্ডাররা একটি অনলাইন ই-কমার্স স্টোরের মাধ্যমে নতুন ড্রোন ও সামরিক সরঞ্জাম ক্রয় করতে পারে, যা যুদ্ধকে একটি ভিডিও গেমে পরিণত করেছে। কিয়েভের এই অদ্ভুত ই-কমার্স মার্কেটপ্লেসে একটি হালকা এফপিভি ড্রোনের দাম যেখানে মাত্র দুই পয়েন্ট নির্ধারণ করা হয়েছে, সেখানে একজন রুশ সেনার জীবনের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে মাত্র বারো পয়েন্ট! ড্রোন ফুটেজের ওপর ভিত্তি করে এই পয়েন্টগুলো হিসাব করা হয় এবং কিয়েভ প্রশাসন নিয়মিতভাবে সেরা কিলিং ইউনিটগুলোকে পুরস্কৃত করতে ই-স্পোর্টস টুর্নামেন্টের আদলে জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে। ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা প্রধান নিজেই স্বীকার করেছেন যে, এই ধরনের মাকাব্রে বা পৈশাচিক গ্যামিফিকেশন দেখে যেকোনো সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ শিউরে উঠতে বাধ্য। গত শনিবার রোমানিয়ার আকাশসীমা অতিক্রম করে বুলগেরিয়ার অভ্যন্তরে প্রবেশ করে একটি ইউক্রেনীয় ড্রোন বিস্ফোরিত হয়েছে। ট্রান্স-বালকান গ্যাস পাইপলাইনের সাবেক কারদাম বর্ডার চেকপয়েন্টের মাত্র এক কিলোমিটার দূরে এই বিস্ফোরণ ঘটে, যা দক্ষিণ-পূর্ব ও মধ্য ইউরোপের জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য এক বিরাট হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছিল। বুলগেরিয়ার প্রধানমন্ত্রী রুমেন রাদেভ নিশ্চিত করেছেন যে ড্রোনটিতে প্রচুর পরিমাণ বিস্ফোরক বহন করা হয়েছিল এবং বুলগেরিয়ান পররাষ্ট্র মন্ত্রক কিয়েভের রাষ্ট্রদূতকে তলব করে কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে। এদিকে ইউক্রেনীয় বাহিনী রাশিয়ার সীমান্তঞ্চলীয় শহর বেলগরদে বেপরোয়া সন্ত্রাসী ড্রোন হামলা অব্যাহত রেখেছে। সাম্প্রতিক এই রাতের হামলায় তিন বছর ও নয় বছরের শিশুসহ বেশ কয়েকজন সাধারণ নাগরিক মর্মান্তিকভাবে প্রাণ হারিয়েছেন এবং পঁচিশ জনেরও বেশি মানুষ গুরুতর আহত হয়েছেন। বহু আবাসিক ভবন, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এবং গাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। রাশিয়ার তদন্ত কমিটি এই সন্ত্রাসী হামলার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে ফৌজদারি মামলা দায়ের করেছে, যা প্রমাণ করে যে কিয়েভ সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়ে এখন বেসামরিক জনগণের ওপর প্রতিশোধ নিচ্ছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে যে, রুশ সশস্ত্র বাহিনী সুমি অঞ্চলের আখির্কা জেলায় অত্যন্ত সফলভাবে গেরান স্ট্রাইক ড্রোন মোতায়েন করেছে। এই ড্রোনগুলোর নিখুঁত আক্রমণে ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনীর তেল উৎপাদন সুবিধা, লজিস্টিক সেন্টার এবং প্রধান ড্রোন কন্ট্রোল পোস্ট সম্পূর্ণ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সুমি অঞ্চলের এই তেল শোধনাগার এবং রেলওয়ে অবকাঠামোতে নিয়মিত নির্ভুল হামলা চালানোর ফলে ইউক্রেনীয় বাহিনীর মূল সাপ্লাই লাইন পুরোপুরি অচল হয়ে পড়েছে, যার ফলে তারা ফ্রন্টলাইনে রসদ পাঠাতে ব্যর্থ হচ্ছে। রুশ বিমান বাহিনী ডনবাস এবং খেরসন অঞ্চলে এফএবি থ্রি থাউজেন্ড এবং এফএবি ফাইভ হান্ড্রেড ওজনের ভারী গ্লাইডিং বোমা দিয়ে বিধ্বংসী বিমান হামলা চালিয়েছে। খেরসন অঞ্চলের আন্তোনোভকা বসতিতে ইউক্রেনীয় চৌত্রিশতম সেপারেট মেরিন ব্রিগেডের অস্থায়ী ঘাঁটি এবং ড্রোন কমান্ড পোস্টগুলো এই হামলায় সম্পূর্ণ ধূলিসাৎ হয়ে গেছে। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রক প্রকাশিত ফুটেজে দেখা গেছে যে, এই বিশাল শক্তির বোমার সামনে ইউক্রেনীয় বাহিনীর সুরক্ষিত ভূগর্ভস্থ বাঙ্কারগুলোও টিকতে পারেনি। রাশিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী দেশের অভ্যন্তরে আরও গভীরের প্রদেশগুলোতেও ইউক্রেনীয় আগ্রাসন সফলভাবে প্রতিহত করেছে। গত রোববারের সকালে রাশিয়ার তাতারস্তান এবং বাশকোর্তোস্তান অঞ্চলের ওপর দিয়ে উড়ে যাওয়া বারোটি ইউক্রেনীয় ফিক্সড-উইং ড্রোন আকাশে থাকা অবস্থাতেই সফলভাবে ইন্টারসেপ্ট ও ধ্বংস করা হয়েছে। কিয়েভ যতই দূরপাল্লার ড্রোনের বিস্তার ঘটাতে চাক না কেন, রাশিয়ার মাল্টি-লেয়ারড এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের দুর্ভেদ্য বেড়ার কারণে তাদের বেশিরভাগ ড্রোনই লক্ষ্যস্থলে পৌঁছানোর আগেই ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। মস্কোর প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, রুশ সেন্ট্রাল এবং সাউথ ব্যাটলগ্রুপের অত্যন্ত সক্রিয় ও সফল অভিযানের মাধ্যমে দোনেৎস্ক পিপলস রিপাবলিকের ভাসিউতিনস্কোয় এবং তোরেতস্কোয় বসতি দুটি সম্পূর্ণভাবে মুক্ত করা হয়েছে। এই দুটি অত্যন্ত কৌশলগত অঞ্চলের পতন ইউক্রেনীয় প্রতিরক্ষাব্যূহকে মাঝখান থেকে ভেঙে দিয়েছে। গত চব্বিশ ঘণ্টার লড়াইয়ে ইউক্রেনীয় সশস্ত্র বাহিনী প্রায় এক হাজার চারশো পঁয়তাল্লিশ জন সেনা হারিয়ে চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে, যা তাদের সামগ্রিক যুদ্ধক্ষমতাকে চিরতরে ভেঙে দিয়েছে। তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান সম্প্রতি সঠিকভাবেই উল্লেখ করেছেন যে এই সংঘাত এখন পুরো কৃষ্ণসাগরজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে এবং ইউক্রেনীয় হামলাগুলো আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু দিনের শেষে এটা স্পষ্ট যে, রাশিয়ার সুনির্দিষ্ট সামরিক ও কৌশলগত অভিযানের মুখে ইউক্রেনীয় বাহিনী এবং তাদের পশ্চিমা প্রভুরা আজ সম্পূর্ণ কোণঠাসা। কিয়েভের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পতন, অর্থনৈতিক দুর্নীতি, এবং ফ্রন্টলাইনে সৈন্যের আকস্মিক খরা প্রমাণ করে যে রাশিয়া তার নির্ধারিত লক্ষ্যে পৌঁছানোর খুব কাছাকাছি চলে এসেছে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/733_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/733_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/733_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[পশ্চিমা বিশ্বে ‘রেড-গ্রিন অ্যালায়েন্স’: আমেরিকা ও ভারতের নিরাপত্তার জন্য কি এটি নতুন কোনো বড় হুমকি?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/49364</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/49364</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 10 Aug 2026 01:20:01 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, news 18 bangla, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, latest bangla news, news18 bangla, republic bangla news, news 18 bangla live, news18 bangla live, radio tehran bangla news live, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh tv news, bangladesh news today, banglanews, banglavision news today, dupurer news bangladesh, dupurer bangladesh today news, atn bangla, bbc bangla, ntv bangla, banglavision news bulletin today]]></category>
        
        <description><![CDATA[আজকাল বিশ্বজুড়ে ক্ষমতার করিডোরে একটি নতুন শব্দ বেশ শোনা যাচ্ছে। অনেকে একে বলছেন ‘রেড-গ্রিন অ্যালায়েন্স’ বা লাল-সবুজ জোট। আমেরিকার ডেমোক্রেটিক পার্টির ভেতর যে পরিবর্তন ঘটছে, তা নিয়ে চিন্তিত বিশ্লেষকরা। সাধারণ মানুষ হয়তো একে কেবল রাজনৈতিক আদর্শ ভাবছেন। কিন্তু বাস্তবে এটি কি দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য কোনো বড় হুমকি? সম্প্রতি আমেরিকার মিশিগানে আবদেল এল-সায়েদ নামে একজন প্রগতিশীল চিকিৎসক জয়ী হয়েছেন। তিনি নভেম্বরের নির্বাচনে সেনেটর হওয়ার দৌড়ে এখন বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে আছেন। তিনি যদি সফল হন, তবে ইতিহাস গড়বেন আমেরিকার প্রথম মুসলিম সেনেটর হিসেবে। তার এই জয় আমেরিকার মূলধারার রাজনীতিতে এক নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ডেমোক্রেটিক পার্টিতে এর আগেও এমন অনেক মুসলিম নেতা উঠে এসেছেন। ইলহান ওমর বা রাশিদা তালিবের মতো প্রতিনিধিরা এখন বেশ পরিচিত মুখ। তারা অনেকটা প্রগতিশীল ভোটার এবং মুসলিম অ্যাডভোকেসি গ্রুপের মধ্যে সেতুর কাজ করছেন। স্থানীয় পর্যায় থেকে শুরু করে বড় শহরগুলোতে এখন তাদের জোরালো অবস্থান লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মিনিয়াপোলিস, ডিয়ারবর্ন কিংবা নিউ জার্সি শহরের দিকে তাকালে আপনি সেটা পরিষ্কার বুঝতে পারবেন। সেখানে এখন অনেক মুসলিম মেয়র ও কাউন্সিলর দায়িত্ব পালন করছেন। এদের অনেকেই প্রগতিশীল এবং মুসলিম ভোটার ব্লকের সম্মিলিত সমর্থনে জয়ী হয়েছেন। এটি প্রমাণ করে যে, এই জোট এখন কেবল কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ নেই। নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানী সম্প্রতি দায়িত্ব নিয়েছেন। তার জয় প্রগতিশীল রাজনীতি এবং ইসরায়েলবিরোধী অবস্থানের এক চূড়ান্ত রূপ। বিশেষজ্ঞরাই বলছেন, এই ধরনের কঠোর অবস্থান এখন আর প্রান্তিক কোনো বিষয় নয়। আমেরিকার সবচেয়ে বড় শহরের মূলধারার রাজনীতির অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে এই নতুন রাজনৈতিক কৌশল। তিনি ফেডারেল সরকারকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন। এর ফলে ডেমোক্র্যাটরা এখন মধ্যপ্রাচ্য এবং ইসরায়েল নিয়ে তাদের পুরনো অবস্থান নতুন করে ভাবছেন। অর্থাৎ, বামপন্থীদের সঙ্গে ইসলামপন্থী গোষ্ঠীর কৌশলগত চিন্তাধারার মিল এখন অনেকটা দৃশ্যমান। যা পশ্চিমা রাজনীতির কাঠামোকেই নাড়া দিচ্ছে। এই প্রসঙ্গে মার্কিন সেনাবাহিনীর অভিজ্ঞ সদস্য এবং মানবাধিকার কর্মী মনসুর হোসেন লগারির কথা না বললেই নয়। তিনি পাকিস্তান থেকে অভিবাসী হয়ে আমেরিকায় এসেছেন। তিনি ‘রেড-গ্রিন অ্যালায়েন্স’-এর বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তার মতে, এটি বামপন্থী বিপ্লব এবং রাজনৈতিক ইসলামবাদের এক ভয়ঙ্কর ও অবহেলিত মেলবন্ধন। লগারির মতে, এই রাজনৈতিক ইসলামবাদ সাধারণ মুসলিম বা ধর্মের সাথে সম্পর্কযুক্ত নয়। এটি মূলত গণতান্ত্রিক বহুত্ববাদ এবং দেওয়ানি আইনের ওপর ধর্মীয় কর্তৃত্বকে প্রতিষ্ঠিত করতে চায়। তিনি মনে করেন, এটি পশ্চিমা বিশ্বের জন্য এক বড় চ্যালেঞ্জ। নাগরিক সমাজকে এই বিপদ সম্পর্কে সজাগ থাকা এখন খুবই জরুরি। আশ্চর্যের বিষয় হলো, যারা সেক্যুলারিজম বা সমকামী অধিকারের দাবি তোলে, তারা কেন ইসলামপন্থীদের সমর্থন দিচ্ছে? লগারির ভাষায়, তাদের আদর্শ এক না হলেও, তাদের শত্রু অভিন্ন। আমেরিকান শক্তি, পশ্চিমা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান এবং পুঁজিবাদ ধ্বংস করা—এই সবক্ষেত্রেই তারা একই সুরে কথা বলছে। তারা আমেরিকাকে একটি সাংবিধানিক প্রজাতন্ত্রের বদলে কেবলই এক ‘সাম্রাজ্যবাদী প্রকল্প’ হিসেবে প্রচার করছে। সমাজকে তারা শোষক এবং শোষিত—এই দুই ভাগে ভাগ করে ফেলে। তাদের টার্গেট কেবল ইসরায়েল নয়, বরং আমেরিকার সামাজিক সংহতি। এই ধারণা এখন ক্যাম্পাস ছাড়িয়ে মূলধারার রাজনীতিতে ঢুকে পড়ছে। ডেমোক্রেটিক পার্টি একটি বিশাল দল, যেখানে অনেকেই এসব চরমপন্থীকে প্রত্যাখ্যান করেন। কিন্তু ক্রমবর্ধমান এক প্রগতিশীল অংশ এই ধারণাগুলোকে দলের ভবিষ্যৎ হিসেবে দেখছে। লগারির সতর্কতা হলো, এই চিন্তাভাবনা শুধু সেমিনারে আটকে নেই। এটি সরকারি দপ্তরেও প্রভাব ফেলছে। একজন প্রাক্তন সেনাসদস্য হিসেবে লগারির মতে, প্রস্তুতি মানে শুধু অস্ত্র বা সেনা নয়। এটি মূলত জনগণের আস্থা এবং দেশপ্রেমের ওপর দাঁড়িয়ে থাকে। নতুন প্রজন্মের তরুণদের যদি শেখানো হয় যে দেশপ্রেম লজ্জাজনক, তবে সামরিক বাহিনীর কার্যকারিতা কমে যাবে। যা দীর্ঘমেয়াদে দেশের নিরাপত্তার জন্য বড় ঝুঁকি। শুধু আমেরিকা নয়, এই একই প্যাটার্ন ইউরোপ এবং ভারতের রাজনীতিতেও লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ভারতের বিজেপি সরকারের অধীনে জাতীয়তাবাদের উত্থানের পর বামপন্থী ও ইসলামপন্থী সংগঠনগুলো এক কাতারে চলে এসেছে। তারা একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করছে, যা রাজনীতির সমীকরণকে জটিল করে তুলেছে। তারা একাডেমিক এবং আইনি কাঠামোকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে। ইসলামবাদ বা চরম বামপন্থা নিয়ে কোনো সমালোচনা করলেই তারা তাকে ‘হেট স্পিচ’ বা ঘৃণ্য বক্তব্য বলে দেয়। এতে সাধারণ এবং সত্যিকার অর্থেই সেক্যুলার সংস্কারকদের কণ্ঠস্বর কার্যত স্তব্ধ হয়ে যাচ্ছে। এটি তাদের এক শক্তিশালী কৌশলে পরিণত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় এবং এনজিওগুলোতে তারা কৌশলে নিজেদের প্রভাব বাড়াচ্ছে। তারা ‘ইন্টারসেকশনালিটি’ বা সংযোগবাদের নামে মুসলিম, ফিলিস্তিনি এবং শরণার্থীদের সংখ্যালঘু হিসেবে একই কাতারে ফেলছে। ফলে বৈচিত্র্যের নামে উগ্র ইসলামপন্থী বক্তাদের প্লাটফর্ম দেওয়া হচ্ছে, যা আগে কখনো ভাবা যায়নি। ফলাফল কী হচ্ছে? ইহুদিবিদ্বেষকে প্রগতিশীল সাম্রাজ্যবাদবিরোধী রাজনীতির মোড়কে নতুনভাবে পরিবেশন করা হচ্ছে। ফলে সহিংসতা এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী রাজনীতির পথ সুগম হচ্ছে। সাংবিধানিক মূল্যবোধ হারিয়ে সেখানে জায়গা করে নিচ্ছে গোষ্ঠীভিত্তিক আনুগত্য। যা দীর্ঘমেয়াদে জাতীয় ঐক্যের জন্য বড় সংকট তৈরি করছে। এই জোটের শুরুটা হয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে, এরপর তা সংবাদমাধ্যম ও এনজিওতে ছড়িয়ে পড়ে। প্রগতিশীল এনজিও, বামপন্থী শিক্ষক এবং মুসলিম ছাত্র সংগঠনগুলো এখন একই তহবিল এবং আইনি সহায়তা ভাগ করে নেয়। ফলে যে কোনো প্রতিবাদ এখন রাজনৈতিক এজেন্ডায় পরিণত হয়, যা দেশের স্থিতিশীলতাকে নষ্ট করছে। ইউরোপেও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে। লেবার বা গ্রিন পার্টির মতো বাম দলগুলো মুসলিম কমিউনিটির সাথে সমন্বয় করছে। গোয়েন্দা সংস্থাগুলো বলছে, জিহাদি নেটওয়ার্কগুলো এই জলবায়ু বা ফিলিস্তিনপন্থী আন্দোলনের আড়ালে নিজেদের প্রভাব বাড়াচ্ছে। এটি তাদের মূলধারার রাজনৈতিক বৈধতা অর্জনের একটি সহজ মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভারতে বিষয়টি আরও জটিল। ২০১৯ সাল থেকে সিএএ-এনআরসি, কাশ্মীর ইস্যু বা অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনি অ্যাকশন—সব কিছুতেই বাম এবং ইসলামপন্থী সংগঠনগুলো সমন্বয় করছে। তারা স্থানীয় ইস্যুগুলোকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ইস্যুতে রূপান্তর করছে, যা দেশের বৈদেশিক নীতি এবং নিরাপত্তার জন্য বিশাল বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। শেষে, এই জোটটি কি স্থিতিশীল? বিশেষজ্ঞরাও একে ‘কৌতুকপূর্ণ’ এবং ‘অস্থির’ বলছেন। বামপন্থীরা সেক্যুলারিজম চায়, আর ইসলামপন্থীরা শরীয়াহ আইন। তাদের আদর্শিক ভিন্নতা থাকলেও আপাতত তারা অভিন্ন শত্রু দমনে ঐক্যবদ্ধ। আর লগারির সেই সতর্কবার্তা মনে রাখা প্রয়োজন—পরের প্রজন্ম কি এমন দেশ পাবে, যা তারা নিজেই চিনবে না? আমেরিকা, ইউরোপ কিম্বা ভারত—যে দেশই হোক, এই আদর্শিক লড়াই এখন আর লুকানো নেই। রেড-গ্রিন জোটের এই প্রভাব নিয়ে আমাদের খোলাখুলি বিতর্ক করা প্রয়োজন। আপনারা কী মনে করেন? এই জোট কি সত্যিই বিশ্ব নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি? নিচে কমেন্ট করে জানান আপনার মতামত। ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/732_1.webp" alt="পশ্চিমা বিশ্বে ‘রেড-গ্রিন অ্যালায়েন্স’: আমেরিকা ও ভারতের নিরাপত্তার জন্য কি এটি নতুন কোনো বড় হুমকি?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>পশ্চিমা বিশ্বে ‘রেড-গ্রিন অ্যালায়েন্স’: আমেরিকা ও ভারতের নিরাপত্তার জন্য কি এটি নতুন কোনো বড় হুমকি?</h1>
            <p>আজকাল বিশ্বজুড়ে ক্ষমতার করিডোরে একটি নতুন শব্দ বেশ শোনা যাচ্ছে। অনেকে একে বলছেন ‘রেড-গ্রিন অ্যালায়েন্স’ বা লাল-সবুজ জোট। আমেরিকার ডেমোক্রেটিক পার্টির ভেতর যে পরিবর্তন ঘটছে, তা নিয়ে চিন্তিত বিশ্লেষকরা। সাধারণ মানুষ হয়তো একে কেবল রাজনৈতিক আদর্শ ভাবছেন। কিন্তু বাস্তবে এটি কি দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য কোনো বড় হুমকি? সম্প্রতি আমেরিকার মিশিগানে আবদেল এল-সায়েদ নামে একজন প্রগতিশীল চিকিৎসক জয়ী হয়েছেন। তিনি নভেম্বরের নির্বাচনে সেনেটর হওয়ার দৌড়ে এখন বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে আছেন। তিনি যদি সফল হন, তবে ইতিহাস গড়বেন আমেরিকার প্রথম মুসলিম সেনেটর হিসেবে। তার এই জয় আমেরিকার মূলধারার রাজনীতিতে এক নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ডেমোক্রেটিক পার্টিতে এর আগেও এমন অনেক মুসলিম নেতা উঠে এসেছেন। ইলহান ওমর বা রাশিদা তালিবের মতো প্রতিনিধিরা এখন বেশ পরিচিত মুখ। তারা অনেকটা প্রগতিশীল ভোটার এবং মুসলিম অ্যাডভোকেসি গ্রুপের মধ্যে সেতুর কাজ করছেন। স্থানীয় পর্যায় থেকে শুরু করে বড় শহরগুলোতে এখন তাদের জোরালো অবস্থান লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মিনিয়াপোলিস, ডিয়ারবর্ন কিংবা নিউ জার্সি শহরের দিকে তাকালে আপনি সেটা পরিষ্কার বুঝতে পারবেন। সেখানে এখন অনেক মুসলিম মেয়র ও কাউন্সিলর দায়িত্ব পালন করছেন। এদের অনেকেই প্রগতিশীল এবং মুসলিম ভোটার ব্লকের সম্মিলিত সমর্থনে জয়ী হয়েছেন। এটি প্রমাণ করে যে, এই জোট এখন কেবল কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ নেই। নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানী সম্প্রতি দায়িত্ব নিয়েছেন। তার জয় প্রগতিশীল রাজনীতি এবং ইসরায়েলবিরোধী অবস্থানের এক চূড়ান্ত রূপ। বিশেষজ্ঞরাই বলছেন, এই ধরনের কঠোর অবস্থান এখন আর প্রান্তিক কোনো বিষয় নয়। আমেরিকার সবচেয়ে বড় শহরের মূলধারার রাজনীতির অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে এই নতুন রাজনৈতিক কৌশল। তিনি ফেডারেল সরকারকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন। এর ফলে ডেমোক্র্যাটরা এখন মধ্যপ্রাচ্য এবং ইসরায়েল নিয়ে তাদের পুরনো অবস্থান নতুন করে ভাবছেন। অর্থাৎ, বামপন্থীদের সঙ্গে ইসলামপন্থী গোষ্ঠীর কৌশলগত চিন্তাধারার মিল এখন অনেকটা দৃশ্যমান। যা পশ্চিমা রাজনীতির কাঠামোকেই নাড়া দিচ্ছে। এই প্রসঙ্গে মার্কিন সেনাবাহিনীর অভিজ্ঞ সদস্য এবং মানবাধিকার কর্মী মনসুর হোসেন লগারির কথা না বললেই নয়। তিনি পাকিস্তান থেকে অভিবাসী হয়ে আমেরিকায় এসেছেন। তিনি ‘রেড-গ্রিন অ্যালায়েন্স’-এর বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তার মতে, এটি বামপন্থী বিপ্লব এবং রাজনৈতিক ইসলামবাদের এক ভয়ঙ্কর ও অবহেলিত মেলবন্ধন। লগারির মতে, এই রাজনৈতিক ইসলামবাদ সাধারণ মুসলিম বা ধর্মের সাথে সম্পর্কযুক্ত নয়। এটি মূলত গণতান্ত্রিক বহুত্ববাদ এবং দেওয়ানি আইনের ওপর ধর্মীয় কর্তৃত্বকে প্রতিষ্ঠিত করতে চায়। তিনি মনে করেন, এটি পশ্চিমা বিশ্বের জন্য এক বড় চ্যালেঞ্জ। নাগরিক সমাজকে এই বিপদ সম্পর্কে সজাগ থাকা এখন খুবই জরুরি। আশ্চর্যের বিষয় হলো, যারা সেক্যুলারিজম বা সমকামী অধিকারের দাবি তোলে, তারা কেন ইসলামপন্থীদের সমর্থন দিচ্ছে? লগারির ভাষায়, তাদের আদর্শ এক না হলেও, তাদের শত্রু অভিন্ন। আমেরিকান শক্তি, পশ্চিমা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান এবং পুঁজিবাদ ধ্বংস করা—এই সবক্ষেত্রেই তারা একই সুরে কথা বলছে। তারা আমেরিকাকে একটি সাংবিধানিক প্রজাতন্ত্রের বদলে কেবলই এক ‘সাম্রাজ্যবাদী প্রকল্প’ হিসেবে প্রচার করছে। সমাজকে তারা শোষক এবং শোষিত—এই দুই ভাগে ভাগ করে ফেলে। তাদের টার্গেট কেবল ইসরায়েল নয়, বরং আমেরিকার সামাজিক সংহতি। এই ধারণা এখন ক্যাম্পাস ছাড়িয়ে মূলধারার রাজনীতিতে ঢুকে পড়ছে। ডেমোক্রেটিক পার্টি একটি বিশাল দল, যেখানে অনেকেই এসব চরমপন্থীকে প্রত্যাখ্যান করেন। কিন্তু ক্রমবর্ধমান এক প্রগতিশীল অংশ এই ধারণাগুলোকে দলের ভবিষ্যৎ হিসেবে দেখছে। লগারির সতর্কতা হলো, এই চিন্তাভাবনা শুধু সেমিনারে আটকে নেই। এটি সরকারি দপ্তরেও প্রভাব ফেলছে। একজন প্রাক্তন সেনাসদস্য হিসেবে লগারির মতে, প্রস্তুতি মানে শুধু অস্ত্র বা সেনা নয়। এটি মূলত জনগণের আস্থা এবং দেশপ্রেমের ওপর দাঁড়িয়ে থাকে। নতুন প্রজন্মের তরুণদের যদি শেখানো হয় যে দেশপ্রেম লজ্জাজনক, তবে সামরিক বাহিনীর কার্যকারিতা কমে যাবে। যা দীর্ঘমেয়াদে দেশের নিরাপত্তার জন্য বড় ঝুঁকি। শুধু আমেরিকা নয়, এই একই প্যাটার্ন ইউরোপ এবং ভারতের রাজনীতিতেও লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ভারতের বিজেপি সরকারের অধীনে জাতীয়তাবাদের উত্থানের পর বামপন্থী ও ইসলামপন্থী সংগঠনগুলো এক কাতারে চলে এসেছে। তারা একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করছে, যা রাজনীতির সমীকরণকে জটিল করে তুলেছে। তারা একাডেমিক এবং আইনি কাঠামোকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে। ইসলামবাদ বা চরম বামপন্থা নিয়ে কোনো সমালোচনা করলেই তারা তাকে ‘হেট স্পিচ’ বা ঘৃণ্য বক্তব্য বলে দেয়। এতে সাধারণ এবং সত্যিকার অর্থেই সেক্যুলার সংস্কারকদের কণ্ঠস্বর কার্যত স্তব্ধ হয়ে যাচ্ছে। এটি তাদের এক শক্তিশালী কৌশলে পরিণত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় এবং এনজিওগুলোতে তারা কৌশলে নিজেদের প্রভাব বাড়াচ্ছে। তারা ‘ইন্টারসেকশনালিটি’ বা সংযোগবাদের নামে মুসলিম, ফিলিস্তিনি এবং শরণার্থীদের সংখ্যালঘু হিসেবে একই কাতারে ফেলছে। ফলে বৈচিত্র্যের নামে উগ্র ইসলামপন্থী বক্তাদের প্লাটফর্ম দেওয়া হচ্ছে, যা আগে কখনো ভাবা যায়নি। ফলাফল কী হচ্ছে? ইহুদিবিদ্বেষকে প্রগতিশীল সাম্রাজ্যবাদবিরোধী রাজনীতির মোড়কে নতুনভাবে পরিবেশন করা হচ্ছে। ফলে সহিংসতা এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী রাজনীতির পথ সুগম হচ্ছে। সাংবিধানিক মূল্যবোধ হারিয়ে সেখানে জায়গা করে নিচ্ছে গোষ্ঠীভিত্তিক আনুগত্য। যা দীর্ঘমেয়াদে জাতীয় ঐক্যের জন্য বড় সংকট তৈরি করছে। এই জোটের শুরুটা হয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে, এরপর তা সংবাদমাধ্যম ও এনজিওতে ছড়িয়ে পড়ে। প্রগতিশীল এনজিও, বামপন্থী শিক্ষক এবং মুসলিম ছাত্র সংগঠনগুলো এখন একই তহবিল এবং আইনি সহায়তা ভাগ করে নেয়। ফলে যে কোনো প্রতিবাদ এখন রাজনৈতিক এজেন্ডায় পরিণত হয়, যা দেশের স্থিতিশীলতাকে নষ্ট করছে। ইউরোপেও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে। লেবার বা গ্রিন পার্টির মতো বাম দলগুলো মুসলিম কমিউনিটির সাথে সমন্বয় করছে। গোয়েন্দা সংস্থাগুলো বলছে, জিহাদি নেটওয়ার্কগুলো এই জলবায়ু বা ফিলিস্তিনপন্থী আন্দোলনের আড়ালে নিজেদের প্রভাব বাড়াচ্ছে। এটি তাদের মূলধারার রাজনৈতিক বৈধতা অর্জনের একটি সহজ মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভারতে বিষয়টি আরও জটিল। ২০১৯ সাল থেকে সিএএ-এনআরসি, কাশ্মীর ইস্যু বা অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনি অ্যাকশন—সব কিছুতেই বাম এবং ইসলামপন্থী সংগঠনগুলো সমন্বয় করছে। তারা স্থানীয় ইস্যুগুলোকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ইস্যুতে রূপান্তর করছে, যা দেশের বৈদেশিক নীতি এবং নিরাপত্তার জন্য বিশাল বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। শেষে, এই জোটটি কি স্থিতিশীল? বিশেষজ্ঞরাও একে ‘কৌতুকপূর্ণ’ এবং ‘অস্থির’ বলছেন। বামপন্থীরা সেক্যুলারিজম চায়, আর ইসলামপন্থীরা শরীয়াহ আইন। তাদের আদর্শিক ভিন্নতা থাকলেও আপাতত তারা অভিন্ন শত্রু দমনে ঐক্যবদ্ধ। আর লগারির সেই সতর্কবার্তা মনে রাখা প্রয়োজন—পরের প্রজন্ম কি এমন দেশ পাবে, যা তারা নিজেই চিনবে না? আমেরিকা, ইউরোপ কিম্বা ভারত—যে দেশই হোক, এই আদর্শিক লড়াই এখন আর লুকানো নেই। রেড-গ্রিন জোটের এই প্রভাব নিয়ে আমাদের খোলাখুলি বিতর্ক করা প্রয়োজন। আপনারা কী মনে করেন? এই জোট কি সত্যিই বিশ্ব নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি? নিচে কমেন্ট করে জানান আপনার মতামত। </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/732_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/732_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/732_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[আমাজন বন: পৃথিবীর সবচেয়ে রহস্যময় বন]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/49307</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/49307</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 09 Aug 2026 08:28:30 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Amazon rainforest, Amazon forest mystery, lost city under Amazon, Earth lungs, Amazon deforestation, tipping point Amazon, Amazon indigenous tribes, Amazon basin, climate change, save Amazon rainforest, Amazon rainforest documentary, Amazon logging, Amazon drug cartels, Brazilian Amazon, Amazon ecology, biodiversity of Amazon, COP30 Amazon, Amazon hidden secrets, Amazon river, rainforest facts, আমাজন বন, গাছপালার একটি জায়গা, আমাজন]]></category>
        
        <description><![CDATA[একটা বনের কথা বলছি, যেখানে গাছের সংখ্যা মানুষের চেয়েও বেশি। প্রায় তিনশো নব্বই বিলিয়ন গাছ দাঁড়িয়ে আছে এই বনে। এই একটা বনই পৃথিবীর মিঠা পানির প্রায় পনেরো থেকে বিশ শতাংশ সমুদ্রে ফেলে। অথচ এই বনের নিচেই লুকিয়ে আছে দুই হাজার পাঁচশো বছরের পুরনো এক হারানো শহর। আজকে বলব আমাজন বনের গল্প, যাকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস। তো চলুন, প্রথমে বুঝে নিই আমাজন বন আসলে কতটা বিশাল। এই বন ছড়িয়ে আছে দক্ষিণ আমেরিকার নয়টি দেশ জুড়ে। এর মধ্যে আছে ব্রাজিল, পেরু, বলিভিয়া এবং কলম্বিয়া। আরও আছে ইকুয়েডর, ভেনেজুয়েলা, গায়ানা, সুরিনাম এবং ফ্রান্সের অধীনস্থ ফরাসি গায়ানা। মোট আয়তন প্রায় ষষট্টি থেকে সাতষট্টি লাখ বর্গ কিলোমিটার। এটা ইউরোপ মহাদেশের চেয়েও বড়, প্রায় ভারতের দ্বিগুণ। এই বিশাল এলাকার প্রায় ষাট শতাংশই পড়েছে একা ব্রাজিলের ভেতরে। তাই আমাজনের গল্প বলতে গেলে ব্রাজিলের কথা সবচেয়ে বেশি আসবে। এই বনে বাস করে প্রায় তিন থেকে সাড়ে চার কোটি মানুষ। এদের মধ্যে প্রায় নব্বই শতাংশ মানুষ শহর ও নগরে থাকেন, যেমন ব্রাজিলের মানাউস শহর। বাকিরা বনের গভীরে, নদীর ধারে ছোট ছোট জনপদে বাস করেন। আমাজনে বাস করে তিনশোর বেশি আদিবাসী জাতিগোষ্ঠী। তারা প্রায় তিনশো ভিন্ন ভাষায় কথা বলেন। এদের মধ্যে প্রায় ষাটটি গোষ্ঠী আজও বাইরের পৃথিবীর সঙ্গে কোনো যোগাযোগ রাখে না। ভাষা মূলত পর্তুগিজ, স্প্যানিশ এবং শত শত আদিবাসী ভাষার মিশ্রণ। সংস্কৃতির দিক থেকে আমাজন এক অনন্য মিশ্রণ। এখানে মিশে আছে আদিবাসী ঐতিহ্য, পর্তুগিজ ঔপনিবেশিক প্রভাব এবং আফ্রিকান বংশোদ্ভূত কিলোম্বোলা সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি। এই মিশ্রণই আমাজনকে করে তুলেছে আরও রহস্যময়। এখন প্রশ্ন হলো, একটা বনের আবার শাসনব্যবস্থা কী করে হয়? আসলে আমাজন কোনো একক দেশ নয়, এটা নয়টি দেশের ভাগাভাগি করা এক ভূখণ্ড। তাই এর ইতিহাস মানে নয়টি আলাদা ইতিহাসের সংমিশ্রণ। প্রায় বারো হাজার বছর আগে থেকে মানুষ বাস করত এই বনে। আনুমানিক পনেরোশো সালে ইউরোপীয়রা এখানে পা রাখে। এরপর প্রায় চারশো বছর ধরে চলে পর্তুগিজ ও স্প্যানিশ ঔপনিবেশিক শাসন। ঊনবিংশ শতাব্দীতে একে একে স্বাধীন হয় ব্রাজিল, পেরু, বলিভিয়াসহ অন্য দেশগুলো। উনিশশো নব্বইয়ের দশক পর্যন্ত আমাজন বনকে দেখা হতো শুধু সম্পদের ভাণ্ডার হিসেবে। রাবার, কাঠ আর সোনার লোভে চলত ব্যাপক উজাড়। কিন্তু পরিবেশ সচেতনতা বাড়ার পর দেশগুলো বুঝতে শুরু করে, এই বন রক্ষা করাটাও জরুরি। উনিশশো পঁচানব্বই সালে গঠিত হয় আমাজন কোঅপারেশন ট্রিটি অর্গানাইজেশন, যাকে সংক্ষেপে বলা হয় আক্টো। এই সংগঠনে আছে আমাজন-ভাগাভাগি করা সবগুলো দেশ। এর কাজ হলো বন সংরক্ষণ ও উন্নয়ন নিয়ে দেশগুলোর মধ্যে সমন্বয় করা। তবে প্রতিটি দেশ তাদের নিজেদের ভূখণ্ডে নিজস্ব আইন অনুযায়ীই বন পরিচালনা করে। ব্রাজিলে আমাজনের একটা বড় অংশকে বলা হয় লিগ্যাল আমাজন। এই এলাকা পরিচালিত হয় ব্রাজিলের পরিবেশ মন্ত্রণালয় ও ইনপে নামের মহাকাশ গবেষণা সংস্থার নজরদারিতে। এই সংস্থা স্যাটেলাইটের মাধ্যমে প্রতিদিন বন উজাড়ের হিসাব রাখে। আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আদিবাসী ভূখণ্ড। আমাজনের প্রায় সাতাশ থেকে ত্রিশ শতাংশ এলাকা আনুষ্ঠানিকভাবে আদিবাসীদের নামে সংরক্ষিত। গবেষণা বলছে, আদিবাসীদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় বন উজাড়ের হার তুলনামূলক অনেক কম। ফলে আদিবাসী অধিকার আর পরিবেশ রক্ষা এখন একসঙ্গে জড়িয়ে গেছে। এবার আসি টাকা-পয়সার হিসাবে। আমাজন বন শুধু গাছপালার জায়গা নয়, এটা একটা বিশাল অর্থনৈতিক ক্ষেত্রও বটে। এখানকার অর্থনীতি দাঁড়িয়ে আছে কয়েকটা প্রধান খাতের ওপর। প্রথম খাত হলো কৃষি, বিশেষ করে গরু পালন ও সয়াবিন চাষ। বিশেষজ্ঞদের হিসাবে, বন উজাড়ের প্রায় আশি শতাংশের পেছনে দায়ী এই কৃষি সম্প্রসারণ। প্রতি কেজি গরুর মাংস উৎপাদনের জন্য প্রয়োজন হয় প্রায় একশো বর্গমিটার বনভূমি। দ্বিতীয় খাত হলো খনিজ সম্পদ। আমাজনের মাটির নিচে আছে সোনা, তামা ও লোহা আকরিকের বিশাল ভাণ্ডার। বৈধ খনির পাশাপাশি চলে বিপুল অবৈধ সোনা উত্তোলন, যা পরিবেশ ও নদীর পানি দুটোই দূষিত করে। তৃতীয় খাত হলো কাঠ শিল্প এবং জ্বালানি সম্পদ। আমাজনের নিচে আছে তেল ও গ্যাসের মজুতও, বিশেষ করে ইকুয়েডর ও পেরুর অংশে। এই সম্পদ আহরণ নিয়ে প্রায়ই দ্বন্দ্ব বাধে আদিবাসী সম্প্রদায় আর সরকারের মধ্যে। চতুর্থ খাত হলো ইকো-ট্যুরিজম এবং তথাকথিত বায়ো-ইকোনমি। ব্রাজিল, পেরু ও ইকুয়েডরে পর্যটন এখন দ্রুত বাড়ছে বন সংরক্ষণের সঙ্গে তাল মিলিয়ে। আসাই বেরি, ব্রাজিল নাট আর ঔষধি উদ্ভিদের রপ্তানি থেকেও আসছে বাড়তি আয়। ব্রাজিলের আমাজন অঞ্চল একাই দেশটার মোট গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের প্রায় আটচল্লিশ শতাংশের জন্য দায়ী, মূলত বন উজাড়ের কারণে। এই পরিসংখ্যান দেখাচ্ছে অর্থনীতি আর পরিবেশ কতটা জড়িয়ে আছে এখানে। তবে আন্তর্জাতিক সহযোগিতাও কম নয়। দুই হাজার আট সাল থেকে চালু আছে আমাজন ফান্ড, যেখানে জমা পড়েছে প্রায় নয় থেকে দশ বিলিয়ন ডলার। এই তহবিল আসে মূলত নরওয়ে, জার্মানিসহ বিভিন্ন দেশ থেকে, আর ব্যয় হয় বন সংরক্ষণ প্রকল্পে। যেহেতু আমাজন কোনো একক রাষ্ট্র নয়, তাই এর কোনো নিজস্ব সেনাবাহিনী নেই। কিন্তু এই বন ঘিরে আছে জটিল নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক বাস্তবতা। এটাই আমাজনকে করে তুলেছে বিশ্ব রাজনীতির এক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রবিন্দু। সীমান্ত এলাকায়, বিশেষ করে ব্রাজিল, কলম্বিয়া ও পেরুর সংযোগস্থলে, সক্রিয় আছে অবৈধ মাদক পাচার নেটওয়ার্ক। এসব এলাকায় সশস্ত্র গোষ্ঠী নিয়ন্ত্রণ করে অবৈধ সোনার খনি ও কাঠ পাচারের রুট। ফলে স্থানীয় নিরাপত্তা বাহিনীর জন্য এই বন এক কঠিন চ্যালেঞ্জ। ব্রাজিল সরকার নিয়মিত সামরিক ও পুলিশ অভিযান চালায় অবৈধ খনি ও কাঠ কাটা বন্ধ করতে। একে বলা হয় অপারেশন গ্রিন ব্রাজিল। তবে সমালোচকরা বলেন, বিশাল এলাকার তুলনায় নজরদারির সক্ষমতা এখনও অপ্রতুল। কূটনৈতিক দিক থেকে আমাজন এখন জলবায়ু আলোচনার কেন্দ্রে। দুই হাজার পঁচিশ সালের নভেম্বরে ব্রাজিলের বেলেম শহরে অনুষ্ঠিত হয় কপ-থার্টি জলবায়ু সম্মেলন, একেবারে আমাজনের কোলঘেঁষে। এই আয়োজন গোটা বিশ্বের নজর টেনে আনে এই বনের দিকে। আমাজন নিয়ে বৈশ্বিক শক্তিগুলোর অবস্থানও ভিন্ন ভিন্ন। উন্নত দেশগুলো প্রায়ই সংরক্ষণের জন্য তহবিল ও চাপ দুটোই দেয়। আবার আমাজন-ভাগাভাগি দেশগুলো বলে, বনের ওপর তাদের সার্বভৌম অধিকার সম্মান করা উচিত। এই দুই দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যে ভারসাম্য রাখাটাই এখন সবচেয়ে বড় কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ। আঞ্চলিক প্রভাবের দিক থেকে ব্রাজিল স্বাভাবিকভাবেই সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করে, কারণ বনের বেশিরভাগ অংশ তাদের ভূখণ্ডে। তবে আক্টোর মাধ্যমে অন্য দেশগুলোও নিজেদের অবস্থান জানানোর সুযোগ পায়। এই ভারসাম্যই ঠিক করে আমাজন সংক্রান্ত সিদ্ধান্তগুলো কীভাবে নেওয়া হবে। তো আমাজনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কী? বিজ্ঞানীরা একে বলছেন "টিপিং পয়েন্ট" বা ভাঙন-বিন্দুর ঝুঁকি। এর মানে বোঝাতে একটা সহজ উপমা দিই। ধরুন একটা বাড়ির ছাদ ধরে রাখছে কয়েকটা খুঁটি। কিছু খুঁটি সরালে বাড়ি টিকে থাকে। কিন্তু একটা সীমা পার হলে পুরো ছাদ হুট করে ভেঙে পড়ে। বিজ্ঞানীদের ভয়, আমাজনের বনও একদিন এভাবেই আর্দ্র বন থেকে শুকনো সাভানায় বদলে যেতে পারে। দুই হাজার তেইশ সালে এক বছরেই উজাড় হয় প্রায় তেরো হাজার বর্গকিলোমিটার বন। তবে সাম্প্রতিক তথ্য কিছুটা আশার আলো দেখাচ্ছে। দুই হাজার ছাব্বিশ সালের শুরুতে ব্রাজিলের আমাজনে বন উজাড় কমেছে প্রায় সাঁইত্রিশ শতাংশ, যা গত এক দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন। এর পেছনে আছে কড়া নজরদারি, স্যাটেলাইট প্রযুক্তি এবং আদিবাসী আন্দোলনের ধারাবাহিক চাপ। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, স্বল্প সময়ের এই উন্নতি স্থায়ী কি না, তা বলার সময় এখনও আসেনি। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে খরা আর দাবানলের ঝুঁকি এখনও রয়ে গেছে। ভবিষ্যতের সম্ভাবনার কথা বললে, অনেকেই আশা দেখছেন তথাকথিত বায়ো-ইকোনমি মডেলে। অর্থাৎ বন কেটে নয়, বন রেখেই তার সম্পদ থেকে আয় করা। এর মধ্যে আছে টেকসই কৃষি, ইকো-ট্যুরিজম এবং আদিবাসী নেতৃত্বাধীন সংরক্ষণ প্রকল্প। তবে ভিন্নমতও আছে। কিছু অর্থনীতিবিদ মনে করেন, দ্রুত উন্নয়নের জন্য কৃষি ও খনি খাতকে পুরোপুরি থামানো বাস্তবসম্মত নয়। তাদের যুক্তি, সংরক্ষণ আর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মধ্যে একটা ভারসাম্য দরকার। এই বিতর্ক আমাজনের নীতিনির্ধারণে এখনও চলমান। তো এই ছিল আমাজন বনের গল্প। নয়টি দেশ, তিনশোর বেশি ভাষা, আর পৃথিবীর অক্সিজেন-ভাণ্ডারের একটা বিশাল অংশ, সব মিলিয়ে এক অবিশ্বাস্য বাস্তুতন্ত্র। এই বনের ভবিষ্যৎ শুধু দক্ষিণ আমেরিকার নয়, পুরো পৃথিবীর ভবিষ্যতের সঙ্গে জড়িয়ে আছে। আপনার কী মনে হয়, সংরক্ষণ আর উন্নয়নের মধ্যে ভারসাম্য কীভাবে সম্ভব? কমেন্টে জানান আপনার মতামত।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/730_1.webp" alt="আমাজন বন: পৃথিবীর সবচেয়ে রহস্যময় বন" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>আমাজন বন: পৃথিবীর সবচেয়ে রহস্যময় বন</h1>
            <p>একটা বনের কথা বলছি, যেখানে গাছের সংখ্যা মানুষের চেয়েও বেশি। প্রায় তিনশো নব্বই বিলিয়ন গাছ দাঁড়িয়ে আছে এই বনে। এই একটা বনই পৃথিবীর মিঠা পানির প্রায় পনেরো থেকে বিশ শতাংশ সমুদ্রে ফেলে। অথচ এই বনের নিচেই লুকিয়ে আছে দুই হাজার পাঁচশো বছরের পুরনো এক হারানো শহর। আজকে বলব আমাজন বনের গল্প, যাকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস। তো চলুন, প্রথমে বুঝে নিই আমাজন বন আসলে কতটা বিশাল। এই বন ছড়িয়ে আছে দক্ষিণ আমেরিকার নয়টি দেশ জুড়ে। এর মধ্যে আছে ব্রাজিল, পেরু, বলিভিয়া এবং কলম্বিয়া। আরও আছে ইকুয়েডর, ভেনেজুয়েলা, গায়ানা, সুরিনাম এবং ফ্রান্সের অধীনস্থ ফরাসি গায়ানা। মোট আয়তন প্রায় ষষট্টি থেকে সাতষট্টি লাখ বর্গ কিলোমিটার। এটা ইউরোপ মহাদেশের চেয়েও বড়, প্রায় ভারতের দ্বিগুণ। এই বিশাল এলাকার প্রায় ষাট শতাংশই পড়েছে একা ব্রাজিলের ভেতরে। তাই আমাজনের গল্প বলতে গেলে ব্রাজিলের কথা সবচেয়ে বেশি আসবে। এই বনে বাস করে প্রায় তিন থেকে সাড়ে চার কোটি মানুষ। এদের মধ্যে প্রায় নব্বই শতাংশ মানুষ শহর ও নগরে থাকেন, যেমন ব্রাজিলের মানাউস শহর। বাকিরা বনের গভীরে, নদীর ধারে ছোট ছোট জনপদে বাস করেন। আমাজনে বাস করে তিনশোর বেশি আদিবাসী জাতিগোষ্ঠী। তারা প্রায় তিনশো ভিন্ন ভাষায় কথা বলেন। এদের মধ্যে প্রায় ষাটটি গোষ্ঠী আজও বাইরের পৃথিবীর সঙ্গে কোনো যোগাযোগ রাখে না। ভাষা মূলত পর্তুগিজ, স্প্যানিশ এবং শত শত আদিবাসী ভাষার মিশ্রণ। সংস্কৃতির দিক থেকে আমাজন এক অনন্য মিশ্রণ। এখানে মিশে আছে আদিবাসী ঐতিহ্য, পর্তুগিজ ঔপনিবেশিক প্রভাব এবং আফ্রিকান বংশোদ্ভূত কিলোম্বোলা সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি। এই মিশ্রণই আমাজনকে করে তুলেছে আরও রহস্যময়। এখন প্রশ্ন হলো, একটা বনের আবার শাসনব্যবস্থা কী করে হয়? আসলে আমাজন কোনো একক দেশ নয়, এটা নয়টি দেশের ভাগাভাগি করা এক ভূখণ্ড। তাই এর ইতিহাস মানে নয়টি আলাদা ইতিহাসের সংমিশ্রণ। প্রায় বারো হাজার বছর আগে থেকে মানুষ বাস করত এই বনে। আনুমানিক পনেরোশো সালে ইউরোপীয়রা এখানে পা রাখে। এরপর প্রায় চারশো বছর ধরে চলে পর্তুগিজ ও স্প্যানিশ ঔপনিবেশিক শাসন। ঊনবিংশ শতাব্দীতে একে একে স্বাধীন হয় ব্রাজিল, পেরু, বলিভিয়াসহ অন্য দেশগুলো। উনিশশো নব্বইয়ের দশক পর্যন্ত আমাজন বনকে দেখা হতো শুধু সম্পদের ভাণ্ডার হিসেবে। রাবার, কাঠ আর সোনার লোভে চলত ব্যাপক উজাড়। কিন্তু পরিবেশ সচেতনতা বাড়ার পর দেশগুলো বুঝতে শুরু করে, এই বন রক্ষা করাটাও জরুরি। উনিশশো পঁচানব্বই সালে গঠিত হয় আমাজন কোঅপারেশন ট্রিটি অর্গানাইজেশন, যাকে সংক্ষেপে বলা হয় আক্টো। এই সংগঠনে আছে আমাজন-ভাগাভাগি করা সবগুলো দেশ। এর কাজ হলো বন সংরক্ষণ ও উন্নয়ন নিয়ে দেশগুলোর মধ্যে সমন্বয় করা। তবে প্রতিটি দেশ তাদের নিজেদের ভূখণ্ডে নিজস্ব আইন অনুযায়ীই বন পরিচালনা করে। ব্রাজিলে আমাজনের একটা বড় অংশকে বলা হয় লিগ্যাল আমাজন। এই এলাকা পরিচালিত হয় ব্রাজিলের পরিবেশ মন্ত্রণালয় ও ইনপে নামের মহাকাশ গবেষণা সংস্থার নজরদারিতে। এই সংস্থা স্যাটেলাইটের মাধ্যমে প্রতিদিন বন উজাড়ের হিসাব রাখে। আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আদিবাসী ভূখণ্ড। আমাজনের প্রায় সাতাশ থেকে ত্রিশ শতাংশ এলাকা আনুষ্ঠানিকভাবে আদিবাসীদের নামে সংরক্ষিত। গবেষণা বলছে, আদিবাসীদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় বন উজাড়ের হার তুলনামূলক অনেক কম। ফলে আদিবাসী অধিকার আর পরিবেশ রক্ষা এখন একসঙ্গে জড়িয়ে গেছে। এবার আসি টাকা-পয়সার হিসাবে। আমাজন বন শুধু গাছপালার জায়গা নয়, এটা একটা বিশাল অর্থনৈতিক ক্ষেত্রও বটে। এখানকার অর্থনীতি দাঁড়িয়ে আছে কয়েকটা প্রধান খাতের ওপর। প্রথম খাত হলো কৃষি, বিশেষ করে গরু পালন ও সয়াবিন চাষ। বিশেষজ্ঞদের হিসাবে, বন উজাড়ের প্রায় আশি শতাংশের পেছনে দায়ী এই কৃষি সম্প্রসারণ। প্রতি কেজি গরুর মাংস উৎপাদনের জন্য প্রয়োজন হয় প্রায় একশো বর্গমিটার বনভূমি। দ্বিতীয় খাত হলো খনিজ সম্পদ। আমাজনের মাটির নিচে আছে সোনা, তামা ও লোহা আকরিকের বিশাল ভাণ্ডার। বৈধ খনির পাশাপাশি চলে বিপুল অবৈধ সোনা উত্তোলন, যা পরিবেশ ও নদীর পানি দুটোই দূষিত করে। তৃতীয় খাত হলো কাঠ শিল্প এবং জ্বালানি সম্পদ। আমাজনের নিচে আছে তেল ও গ্যাসের মজুতও, বিশেষ করে ইকুয়েডর ও পেরুর অংশে। এই সম্পদ আহরণ নিয়ে প্রায়ই দ্বন্দ্ব বাধে আদিবাসী সম্প্রদায় আর সরকারের মধ্যে। চতুর্থ খাত হলো ইকো-ট্যুরিজম এবং তথাকথিত বায়ো-ইকোনমি। ব্রাজিল, পেরু ও ইকুয়েডরে পর্যটন এখন দ্রুত বাড়ছে বন সংরক্ষণের সঙ্গে তাল মিলিয়ে। আসাই বেরি, ব্রাজিল নাট আর ঔষধি উদ্ভিদের রপ্তানি থেকেও আসছে বাড়তি আয়। ব্রাজিলের আমাজন অঞ্চল একাই দেশটার মোট গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের প্রায় আটচল্লিশ শতাংশের জন্য দায়ী, মূলত বন উজাড়ের কারণে। এই পরিসংখ্যান দেখাচ্ছে অর্থনীতি আর পরিবেশ কতটা জড়িয়ে আছে এখানে। তবে আন্তর্জাতিক সহযোগিতাও কম নয়। দুই হাজার আট সাল থেকে চালু আছে আমাজন ফান্ড, যেখানে জমা পড়েছে প্রায় নয় থেকে দশ বিলিয়ন ডলার। এই তহবিল আসে মূলত নরওয়ে, জার্মানিসহ বিভিন্ন দেশ থেকে, আর ব্যয় হয় বন সংরক্ষণ প্রকল্পে। যেহেতু আমাজন কোনো একক রাষ্ট্র নয়, তাই এর কোনো নিজস্ব সেনাবাহিনী নেই। কিন্তু এই বন ঘিরে আছে জটিল নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক বাস্তবতা। এটাই আমাজনকে করে তুলেছে বিশ্ব রাজনীতির এক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রবিন্দু। সীমান্ত এলাকায়, বিশেষ করে ব্রাজিল, কলম্বিয়া ও পেরুর সংযোগস্থলে, সক্রিয় আছে অবৈধ মাদক পাচার নেটওয়ার্ক। এসব এলাকায় সশস্ত্র গোষ্ঠী নিয়ন্ত্রণ করে অবৈধ সোনার খনি ও কাঠ পাচারের রুট। ফলে স্থানীয় নিরাপত্তা বাহিনীর জন্য এই বন এক কঠিন চ্যালেঞ্জ। ব্রাজিল সরকার নিয়মিত সামরিক ও পুলিশ অভিযান চালায় অবৈধ খনি ও কাঠ কাটা বন্ধ করতে। একে বলা হয় অপারেশন গ্রিন ব্রাজিল। তবে সমালোচকরা বলেন, বিশাল এলাকার তুলনায় নজরদারির সক্ষমতা এখনও অপ্রতুল। কূটনৈতিক দিক থেকে আমাজন এখন জলবায়ু আলোচনার কেন্দ্রে। দুই হাজার পঁচিশ সালের নভেম্বরে ব্রাজিলের বেলেম শহরে অনুষ্ঠিত হয় কপ-থার্টি জলবায়ু সম্মেলন, একেবারে আমাজনের কোলঘেঁষে। এই আয়োজন গোটা বিশ্বের নজর টেনে আনে এই বনের দিকে। আমাজন নিয়ে বৈশ্বিক শক্তিগুলোর অবস্থানও ভিন্ন ভিন্ন। উন্নত দেশগুলো প্রায়ই সংরক্ষণের জন্য তহবিল ও চাপ দুটোই দেয়। আবার আমাজন-ভাগাভাগি দেশগুলো বলে, বনের ওপর তাদের সার্বভৌম অধিকার সম্মান করা উচিত। এই দুই দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যে ভারসাম্য রাখাটাই এখন সবচেয়ে বড় কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ। আঞ্চলিক প্রভাবের দিক থেকে ব্রাজিল স্বাভাবিকভাবেই সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করে, কারণ বনের বেশিরভাগ অংশ তাদের ভূখণ্ডে। তবে আক্টোর মাধ্যমে অন্য দেশগুলোও নিজেদের অবস্থান জানানোর সুযোগ পায়। এই ভারসাম্যই ঠিক করে আমাজন সংক্রান্ত সিদ্ধান্তগুলো কীভাবে নেওয়া হবে। তো আমাজনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কী? বিজ্ঞানীরা একে বলছেন "টিপিং পয়েন্ট" বা ভাঙন-বিন্দুর ঝুঁকি। এর মানে বোঝাতে একটা সহজ উপমা দিই। ধরুন একটা বাড়ির ছাদ ধরে রাখছে কয়েকটা খুঁটি। কিছু খুঁটি সরালে বাড়ি টিকে থাকে। কিন্তু একটা সীমা পার হলে পুরো ছাদ হুট করে ভেঙে পড়ে। বিজ্ঞানীদের ভয়, আমাজনের বনও একদিন এভাবেই আর্দ্র বন থেকে শুকনো সাভানায় বদলে যেতে পারে। দুই হাজার তেইশ সালে এক বছরেই উজাড় হয় প্রায় তেরো হাজার বর্গকিলোমিটার বন। তবে সাম্প্রতিক তথ্য কিছুটা আশার আলো দেখাচ্ছে। দুই হাজার ছাব্বিশ সালের শুরুতে ব্রাজিলের আমাজনে বন উজাড় কমেছে প্রায় সাঁইত্রিশ শতাংশ, যা গত এক দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন। এর পেছনে আছে কড়া নজরদারি, স্যাটেলাইট প্রযুক্তি এবং আদিবাসী আন্দোলনের ধারাবাহিক চাপ। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, স্বল্প সময়ের এই উন্নতি স্থায়ী কি না, তা বলার সময় এখনও আসেনি। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে খরা আর দাবানলের ঝুঁকি এখনও রয়ে গেছে। ভবিষ্যতের সম্ভাবনার কথা বললে, অনেকেই আশা দেখছেন তথাকথিত বায়ো-ইকোনমি মডেলে। অর্থাৎ বন কেটে নয়, বন রেখেই তার সম্পদ থেকে আয় করা। এর মধ্যে আছে টেকসই কৃষি, ইকো-ট্যুরিজম এবং আদিবাসী নেতৃত্বাধীন সংরক্ষণ প্রকল্প। তবে ভিন্নমতও আছে। কিছু অর্থনীতিবিদ মনে করেন, দ্রুত উন্নয়নের জন্য কৃষি ও খনি খাতকে পুরোপুরি থামানো বাস্তবসম্মত নয়। তাদের যুক্তি, সংরক্ষণ আর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মধ্যে একটা ভারসাম্য দরকার। এই বিতর্ক আমাজনের নীতিনির্ধারণে এখনও চলমান। তো এই ছিল আমাজন বনের গল্প। নয়টি দেশ, তিনশোর বেশি ভাষা, আর পৃথিবীর অক্সিজেন-ভাণ্ডারের একটা বিশাল অংশ, সব মিলিয়ে এক অবিশ্বাস্য বাস্তুতন্ত্র। এই বনের ভবিষ্যৎ শুধু দক্ষিণ আমেরিকার নয়, পুরো পৃথিবীর ভবিষ্যতের সঙ্গে জড়িয়ে আছে। আপনার কী মনে হয়, সংরক্ষণ আর উন্নয়নের মধ্যে ভারসাম্য কীভাবে সম্ভব? কমেন্টে জানান আপনার মতামত।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/730_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/730_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/730_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[প্যাট্রিয়ট মিসাইল মেলেনি! যুক্তরাষ্ট্রের কাছে গিয়েও কেন খালি হাতে ফিরলেন জেলেনস্কি?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/49306</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/49306</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 09 Aug 2026 08:28:30 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[news24 bangla, bangla news news24 tv, news24 bangladesh, bangla news, news bangla, banglanews24, bangla newsnews, bangla news live, bangla news today, bangla news update, latest bangla news, viral news bangla, news24, latest news bangla, bangla breaking news, bangla qr, news24 tv, news24 bd, news24tv, news24 live, news24 news, news24 video, news24 update, banglanews, news24 news bulletin, news24 today bulletin, banglanews update, bangladesh news, news bangladesh, banglanews digital, banglanews official, bangladeshi news, news today bangladesh]]></category>
        
        <description><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েও খালি হাতে ফিরতে হলো ভ্লাদিমির জেলেনস্কিকে। সাবেক মার্কিন সেনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের শেষকৃত্যে যোগ দেওয়ার অছিলায় ওয়াশিংটন ডিসিতে পা রেখেছিলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট। উদ্দেশ্য ছিল ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছ থেকে প্যাট্রিয়ট মিসাইল এবং সামরিক সহায়তার বড় কোনো প্রতিশ্রুতি আদায় করা। কিন্তু কোনো ধরনের যৌথ বিবৃতি বা ক্যামেরা ছাড়াই হওয়া সেই গোপন বৈঠক থেকে তিনি পেলেন কেবল একটি সাদাকালো ছবি আর ট্রাম্পের পিঠ চাপড়ে দেওয়া সান্ত্বনা।  প্রয়াত লিন্ডসে গ্রাহামের শেষকৃত্যটি অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথে বন্ধ বাক্সে সম্পন্ন করা হয়েছিল। ইউক্রেনের জন্য মার্কিন প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে এই সেনেটর সবসময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতেন। ট্রাম্প প্রশাসনকে নতুন সামরিক সাহায্যের প্যাকেজ অনুমোদন করাতে তিনি ছিলেন ইউক্রেনের ভরসাস্থল। আর সেই সুযোগটিকেই কাজে লাগিয়ে জেলেনস্কি আমেরিকায় ছুটে গিয়েছিলেন। ডোনাল্ড ট্রাম্প তার ব্যস্ত সময় থেকে কিয়েভ রেজিমেন্টের প্রধানের সাথে সাক্ষাতের জন্য কিছু সময় বের করেছিলেন। তবে এই বৈঠকটি সম্পূর্ণ পর্দার অন্তরালে এবং অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথে অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে কোনো ক্যামেরা, মিডিয়া কাভারেজ কিংবা কোনো যৌথ বিবৃতির ব্যবস্থা রাখা হয়নি। দুই নেতার এই সাক্ষাতে মার্কিন ঐক্যের চিরচেনা দৃশ্যটি পুরোপুরি অনুপস্থিত ছিল। গোপন বৈঠকের পরপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় দুটি ছবি প্রকাশ করা হয় যার একটি রঙিন এবং অন্যটি সাদাকালো। এই ছবিগুলোতে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বেশ প্রভাবশালী ভঙ্গিতে জেলেনস্কির কাঁধে হাত রাখতে দেখা যায়। আমেরিকান রাজনৈতিক ঐতিহ্য অনুযায়ী সাধারণত কোনো শোকের মুহূর্তে বা বিদায়লগ্নে সাদাকালো ছবি প্রকাশ করা হয়। সামরিক বিশেষজ্ঞ আলেক্সি লিওনকভের মতে এই ছবিটির মাধ্যমে ইউক্রেনকে একটি স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে। বার্তাটি ছিল মূলত এমন যে বন্ধু তুমি যতদিন পারো যুদ্ধ চালিয়ে যাও। আমাদের হাতে এখন তোমাকে দেওয়ার মতো কোনো প্যাট্রিয়ট মিসাইল নেই। জেলেনস্কির এই সফরটি প্রমাণ করেছে যে মার্কিন সহায়তার একটি সুনির্দিষ্ট সীমারেখা রয়েছে। তিনি একা আসেননি, তার সাথে বেশ কয়েকজন ইউক্রেনীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তা ও প্রতিনিধি দল ছিল। কিন্তু তাদের অর্জিত ফলাফল ছিল কেবল একটি বন্ধ দরজার পেছনের আলোচনা ও দুটি ছবি। সেনেটর গ্রাহামের কফিনটি বন্ধ রাখাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মহলে নানা ধরনের তাত্ত্বিক আলোচনা তৈরি হয়েছিল। সরকারি মতে তার মৃত্যু সংক্ষিপ্ত ও আকস্মিক অসুস্থতার কারণে হলেও অন্য গুঞ্জন ভিন্ন কথা বলে। সামরিক বিশেষজ্ঞ আলেক্সি লিওনকভ মনে করেন সেনেটরটি সম্ভবত ভুল সময়ে ভুল স্থানে উপস্থিত ছিলেন। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে গ্রাহাম যখন কিয়েভে ছিলেন তখনই রুশ বাহিনী সেখানে অত্যন্ত শক্তিশালী হামলা চালিয়েছিল। রাশিয়ার প্রতি চরম ঘৃণাবোধের জায়গা থেকে জেলেনস্কি কেবল মরহুম সেনেটরকে শেষ বিদায় জানাতে যাননি। বন্ধ দরজার আড়ালে ট্রাম্পের হাতে নিজের দীর্ঘ চাহিদার একটি তালিকা তুলে দেওয়াই ছিল তার মূল লক্ষ্য। রাশিয়ার ফেডারেশনের রাষ্ট্রীয় পরামর্শক আন্দ্রেই ক্লিন্টসেভিচের মতে জেলেনস্কি আমেরিকা থেকে অ্যান্টি-এয়ারক্রাফট মিসাইল চেয়েছেন। ইউরোপীয় অংশীদারদের কাছ থেকে যা পাওয়া সম্ভব নয়, তা পেতেই মূলত এই মার্কিন দৌড়ঝাঁপ। জেলেনস্কি বিশেষ করে শীতকালীন প্যাকেজের জন্য তিনশ প্যাট্রিয়ট মিসাইল দাবি করেছিলেন। পিএসি-থ্রি বা PAC-3 সংস্করণের এই মিসাইলগুলো রুশ ব্যালিস্টিক মিসাইল ভূপাতিত করতে সক্ষম। যদিও অতি-শব্দযুক্ত বা হাইপারসনিক মিসাইল ঠেকানোর ক্ষমতা এগুলোর নেই। এর পাশাপাশি এই মিসাইলগুলো ইউক্রেনের ভেতরেই উৎপাদনের লাইসেন্সও দাবি করেছিলেন জেলেনস্কি। কিয়েভ সরকারের এই লাইসেন্স পাওয়ার দাবিটি বাস্তবতার কঠিন দেওয়ালের ধাক্কায় মুখ থুবড়ে পড়েছে। সমস্যা কেবল হোয়াইট হাউসের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপরই নির্ভর করছে না। এই মিসাইল তৈরির প্রযুক্তিগত শৃঙ্খল অত্যন্ত জটিল এবং বহুস্তরবিশিষ্ট। আরটিএক্স, লকহিড মার্টিন ও বোয়িংয়ের মতো বহু কোম্পানি এর যন্ত্রাংশ সংযোজন প্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত। কেউ ইঞ্জিন তৈরি করে তো কেউ আবার মিসাইলের সংবেদনশীল সিজার হেড তৈরি করে থাকে। প্রতিটি উপাদানের জন্য আলাদা স্বত্ব ও লাইসেন্স রয়েছে যা বাণিজ্যিক প্রচলন থেকে তুলে আনতে হয়। বিশেষজ্ঞ আন্দ্রেই ক্লিন্টসেভিচ স্পষ্ট করে বলেছেন যে বিনামূল্যে এই লাইসেন্স কেউ কাউকে দেবে না। ড্রোন প্রযুক্তির মতো চাইলেই এই মিসাইল উৎপাদন রাতারাতি বাড়িয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। উৎপাদনের জন্য ট্রাম্প জিএম ও ফোর্ডের প্ল্যান্টে কাজ শুরুর অনুমোদন দিলেও সাবকন্ট্রাক্টরদের ভূমিকা এখানে মূল চ্যালেঞ্জ। গাইডেন্স সিস্টেম বা জাইরোস্কোপের মতো সংবেদনশীল যন্ত্রাংশ সরবরাহকারীরা পুরো চেইনের প্রাণ। লকহিড মার্টিন বর্তমানে বিশ্বজুড়ে সমস্ত সিস্টেমের জন্য বছরে মাত্র ছয়শত মিসাইল তৈরি করে থাকে। জার্মানির কারখানা চালু হলে এই সংখ্যা সামান্য কিছু বাড়ার পরিকল্পনা রয়েছে। আগামী দুই হাজার পঁয়ত্রিশ সালের মধ্যে তারা দুই হাজার মিসাইল তৈরির পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। রাশিয়ার পক্ষ থেকে যে হারে মিসাইল নিক্ষেপ করা হয় তাতে এই উৎপাদন অপ্রতুল। সাবকন্ট্রাক্টরের সমস্যা এবং সীমিত উৎপাদন ক্ষমতার এই দুই বড় বাধা স্বল্প সময়ে দূর করা অসম্ভব। ফলে লাইসেন্স ও ব্যাপক উৎপাদনের এই দাবিটি কাগজে-কলমে অবাস্তব হিসেবেই প্রমাণিত হয়েছে। ইউরোপীয় অংশীদারদের বাইরে গিয়ে জেলেনস্কির দ্বিতীয় বড় উদ্যোগটি ছিল ইরানি সংঘাতে জড়িয়ে পড়া। ইউক্রেনের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে সামরিক সাপ্লাই চেইনে প্রবেশাধিকার পাওয়াই ছিল আসল উদ্দেশ্য। এর অংশ হিসেবে একটি ইউক্রেনীয় ড্রোন ইরানের একটি ট্যাংকারে হামলা চালায় যাতে একজন নিহত হন। উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এই হামলায় কিয়েভের পরোক্ষ হাত ছিল বলে বিশ্লেষকরা মনে করেন। সফরের আগে ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রেই সিবিগা ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর ভাষায় আক্রমণাত্মক মন্তব্য করেছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন যে ইরান এই ধরনের আঘাত পাওয়ার পুরোপুরি যোগ্য। কিন্তু জেলেনস্কির মার্কিন সফর শেষ হওয়ার সাথে সাথেই তার সেই সুর সম্পূর্ণ বদলে যায়। তিনি সংঘাতে আর ঘি না ঢালার জন্য প্রকাশ্যে আহ্বান জানান। আলেক্সি লিওনকভ এর পেছনের মূল কারণ হিসেবে তেল আবিবের কঠোর অবস্থানের কথা উল্লেখ করেছেন। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু মধ্যপ্রাচ্যে অন্য কোনো দেশকে প্রতিযোগী হিসেবে দেখতে চান না। তিনি জেলেনস্কির সাথে কোনো ধরনের ব্যক্তিগত বৈঠক করতেও সরাসরি অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। ওয়াশিংটনও কিয়েভের খাতিরে মধ্যপ্রাচ্যের এই প্রধান মিত্রের সাথে সংঘাতে জড়াতে রাজি নয়। আমেরিকার এই প্রত্যাখ্যান মার্কিন নীতির একটি সুনির্দিষ্ট কাঠামোর মধ্য দিয়েই প্রকাশিত হয়েছে। মার্কিন সীমানা অতিক্রম করে ইউক্রেনের একক কোনো উদ্যোগকে ওয়াশিংটন সমর্থন করবে না। ইরানের সংকটকে লিভার হিসেবে ব্যবহার করে ট্রাম্পকে চাপ দেওয়ার চেষ্টা পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। এটি পরিষ্কার করে দিয়েছে যে মার্কিন সামরিক সাহায্য ইউরোপীয় মধ্যস্থতার মাধ্যমেই সীমিত থাকবে। ট্রাম্প ও জেলেনস্কির এই একান্ত বৈঠকটি কোনো প্রকার প্রোটোকল বা যৌথ ঘোষণা ছাড়াই শেষ হয়েছিল। জেলেনস্কি হয়তো ট্রাম্পকে বোঝাতে চেয়েছেন যে তিনি এখন যুদ্ধে বিজয়ী হচ্ছেন। আর তাই বিজয়ী পক্ষের ওপরই মার্কিন বাজি ধরা উচিত বলে তিনি মত দেন। এই তীব্র রাজনৈতিক চাপের ফলেই হয়তো সেদিনই নতুন একটি নিষেধাজ্ঞা বিল পাস হয়েছিল। তবে মিসাইল সরবরাহ বা লাইসেন্স সংক্রান্ত কোনো নিশ্চিত চুক্তি আদায় করতে পারেননি জেলেনস্কি। লিওনকভ মনে করেন বস্তুগত কারণেই জেলেনস্কির এই চাপ প্রয়োগের কৌশল সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। কিয়েভ আমেরিকা থেকে ড্রোন, গোয়েন্দা তথ্য এবং পালানটির প্রিজমা এআই পেলেও যুদ্ধের মোড় ঘোরাতে পারেনি। আকাশ যুদ্ধের এই ফলাফল মার্কিন নীতিনির্ধারকদের মনে বিন্দুমাত্র দাগ কাটতে পারেনি। যুদ্ধের আসল মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার কাজটি করছে মূলত রাশিয়ার সুসংগঠিত সামরিক বাহিনী। রুশ বাহিনী এখন ইউক্রেনের বন্দর, রেলওয়ে এবং জ্বালানি অবকাঠামোতে অত্যন্ত নিখুঁত হামলা চালাচ্ছে। এই বহুমুখী হামলার ফলে ফ্রন্টলাইনে ইউক্রেনীয় আর্মির কার্যক্রম মারাত্মকভাবে পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। এমনকি তেইশ সালে পশ্চিমারা ইউক্রেনে অস্ত্র সরবরাহের যে লজিস্টিকস গড়ে তুলেছিল তা ভেঙে পড়েছে। পশ্চিমা অংশীদারদের সামনে নিজেদের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে কিয়েভ মস্কোয় বড় ধরনের ড্রোন হামলা চালিয়েছিল। যদিও রুশ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সেই সমস্ত ড্রোন সফলভাবে মাঝপথেই প্রতিহত করেছে। রয়টার্সসহ প্রধান আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো এই সফরকে কেবল চলমান যোগাযোগের নিরপেক্ষ তকমা দিয়েছে। হোয়াইট হাউস বা পেন্টাগন থেকে নতুন কোনো জরুরি সামরিক সহায়তার ঘোষণাও দেওয়া হয়নি। শীতকালীন তিনশ প্যাট্রিয়ট মিসাইল এবং উৎপাদনের লাইসেন্স ছাড়াই ইউক্রেনের বিমান প্রতিরক্ষা অত্যন্ত দুর্বল। দুই হাজার পঁয়ত্রিশ সালের দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য থাকলেও বর্তমান তীব্র হামলার মুখে তা অপ্রতুল। এর মানে দাঁড়াচ্ছে যে আসন্ন শীতকালীন যুদ্ধের পুরো ক্যাম্পেইন জুড়েই ইউক্রেন চরম ঝুঁকিতে থাকবে। রাশিয়ার লাগাতার এই আক্রমণ পশ্চিমা নির্মিত লজিস্টিক চেইনকে সম্পূর্ণ অকার্যকর করে দিচ্ছে। বড় পরিসরে বিচার করলে ইউক্রেনের এই সামগ্রিক পরিস্থিতিতে কোনো গুণগত বা ইতিবাচক পরিবর্তন আসেনি। যারা নিজেদের রাজনৈতিক ভাগ্য জেলেনস্কির সাথে যুক্ত করেছিলেন তাদের পতন বেশ শোচনীয় হয়েছে। অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য যে পুরো ইউক্রেন রাষ্ট্রটিই আজ তার অস্তিত্বের সাথে নিজেকে জড়িয়ে ফেলেছে। আর এই করুণ পরিণতি থেকে ইউক্রেনকে রক্ষা করার মতো কোনো আশার আলো আপাতত দেখা যাচ্ছে না।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/729_1.webp" alt="প্যাট্রিয়ট মিসাইল মেলেনি! যুক্তরাষ্ট্রের কাছে গিয়েও কেন খালি হাতে ফিরলেন জেলেনস্কি?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>প্যাট্রিয়ট মিসাইল মেলেনি! যুক্তরাষ্ট্রের কাছে গিয়েও কেন খালি হাতে ফিরলেন জেলেনস্কি?</h1>
            <p>যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েও খালি হাতে ফিরতে হলো ভ্লাদিমির জেলেনস্কিকে। সাবেক মার্কিন সেনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের শেষকৃত্যে যোগ দেওয়ার অছিলায় ওয়াশিংটন ডিসিতে পা রেখেছিলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট। উদ্দেশ্য ছিল ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছ থেকে প্যাট্রিয়ট মিসাইল এবং সামরিক সহায়তার বড় কোনো প্রতিশ্রুতি আদায় করা। কিন্তু কোনো ধরনের যৌথ বিবৃতি বা ক্যামেরা ছাড়াই হওয়া সেই গোপন বৈঠক থেকে তিনি পেলেন কেবল একটি সাদাকালো ছবি আর ট্রাম্পের পিঠ চাপড়ে দেওয়া সান্ত্বনা।  প্রয়াত লিন্ডসে গ্রাহামের শেষকৃত্যটি অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথে বন্ধ বাক্সে সম্পন্ন করা হয়েছিল। ইউক্রেনের জন্য মার্কিন প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে এই সেনেটর সবসময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতেন। ট্রাম্প প্রশাসনকে নতুন সামরিক সাহায্যের প্যাকেজ অনুমোদন করাতে তিনি ছিলেন ইউক্রেনের ভরসাস্থল। আর সেই সুযোগটিকেই কাজে লাগিয়ে জেলেনস্কি আমেরিকায় ছুটে গিয়েছিলেন। ডোনাল্ড ট্রাম্প তার ব্যস্ত সময় থেকে কিয়েভ রেজিমেন্টের প্রধানের সাথে সাক্ষাতের জন্য কিছু সময় বের করেছিলেন। তবে এই বৈঠকটি সম্পূর্ণ পর্দার অন্তরালে এবং অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথে অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে কোনো ক্যামেরা, মিডিয়া কাভারেজ কিংবা কোনো যৌথ বিবৃতির ব্যবস্থা রাখা হয়নি। দুই নেতার এই সাক্ষাতে মার্কিন ঐক্যের চিরচেনা দৃশ্যটি পুরোপুরি অনুপস্থিত ছিল। গোপন বৈঠকের পরপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় দুটি ছবি প্রকাশ করা হয় যার একটি রঙিন এবং অন্যটি সাদাকালো। এই ছবিগুলোতে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বেশ প্রভাবশালী ভঙ্গিতে জেলেনস্কির কাঁধে হাত রাখতে দেখা যায়। আমেরিকান রাজনৈতিক ঐতিহ্য অনুযায়ী সাধারণত কোনো শোকের মুহূর্তে বা বিদায়লগ্নে সাদাকালো ছবি প্রকাশ করা হয়। সামরিক বিশেষজ্ঞ আলেক্সি লিওনকভের মতে এই ছবিটির মাধ্যমে ইউক্রেনকে একটি স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে। বার্তাটি ছিল মূলত এমন যে বন্ধু তুমি যতদিন পারো যুদ্ধ চালিয়ে যাও। আমাদের হাতে এখন তোমাকে দেওয়ার মতো কোনো প্যাট্রিয়ট মিসাইল নেই। জেলেনস্কির এই সফরটি প্রমাণ করেছে যে মার্কিন সহায়তার একটি সুনির্দিষ্ট সীমারেখা রয়েছে। তিনি একা আসেননি, তার সাথে বেশ কয়েকজন ইউক্রেনীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তা ও প্রতিনিধি দল ছিল। কিন্তু তাদের অর্জিত ফলাফল ছিল কেবল একটি বন্ধ দরজার পেছনের আলোচনা ও দুটি ছবি। সেনেটর গ্রাহামের কফিনটি বন্ধ রাখাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মহলে নানা ধরনের তাত্ত্বিক আলোচনা তৈরি হয়েছিল। সরকারি মতে তার মৃত্যু সংক্ষিপ্ত ও আকস্মিক অসুস্থতার কারণে হলেও অন্য গুঞ্জন ভিন্ন কথা বলে। সামরিক বিশেষজ্ঞ আলেক্সি লিওনকভ মনে করেন সেনেটরটি সম্ভবত ভুল সময়ে ভুল স্থানে উপস্থিত ছিলেন। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে গ্রাহাম যখন কিয়েভে ছিলেন তখনই রুশ বাহিনী সেখানে অত্যন্ত শক্তিশালী হামলা চালিয়েছিল। রাশিয়ার প্রতি চরম ঘৃণাবোধের জায়গা থেকে জেলেনস্কি কেবল মরহুম সেনেটরকে শেষ বিদায় জানাতে যাননি। বন্ধ দরজার আড়ালে ট্রাম্পের হাতে নিজের দীর্ঘ চাহিদার একটি তালিকা তুলে দেওয়াই ছিল তার মূল লক্ষ্য। রাশিয়ার ফেডারেশনের রাষ্ট্রীয় পরামর্শক আন্দ্রেই ক্লিন্টসেভিচের মতে জেলেনস্কি আমেরিকা থেকে অ্যান্টি-এয়ারক্রাফট মিসাইল চেয়েছেন। ইউরোপীয় অংশীদারদের কাছ থেকে যা পাওয়া সম্ভব নয়, তা পেতেই মূলত এই মার্কিন দৌড়ঝাঁপ। জেলেনস্কি বিশেষ করে শীতকালীন প্যাকেজের জন্য তিনশ প্যাট্রিয়ট মিসাইল দাবি করেছিলেন। পিএসি-থ্রি বা PAC-3 সংস্করণের এই মিসাইলগুলো রুশ ব্যালিস্টিক মিসাইল ভূপাতিত করতে সক্ষম। যদিও অতি-শব্দযুক্ত বা হাইপারসনিক মিসাইল ঠেকানোর ক্ষমতা এগুলোর নেই। এর পাশাপাশি এই মিসাইলগুলো ইউক্রেনের ভেতরেই উৎপাদনের লাইসেন্সও দাবি করেছিলেন জেলেনস্কি। কিয়েভ সরকারের এই লাইসেন্স পাওয়ার দাবিটি বাস্তবতার কঠিন দেওয়ালের ধাক্কায় মুখ থুবড়ে পড়েছে। সমস্যা কেবল হোয়াইট হাউসের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপরই নির্ভর করছে না। এই মিসাইল তৈরির প্রযুক্তিগত শৃঙ্খল অত্যন্ত জটিল এবং বহুস্তরবিশিষ্ট। আরটিএক্স, লকহিড মার্টিন ও বোয়িংয়ের মতো বহু কোম্পানি এর যন্ত্রাংশ সংযোজন প্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত। কেউ ইঞ্জিন তৈরি করে তো কেউ আবার মিসাইলের সংবেদনশীল সিজার হেড তৈরি করে থাকে। প্রতিটি উপাদানের জন্য আলাদা স্বত্ব ও লাইসেন্স রয়েছে যা বাণিজ্যিক প্রচলন থেকে তুলে আনতে হয়। বিশেষজ্ঞ আন্দ্রেই ক্লিন্টসেভিচ স্পষ্ট করে বলেছেন যে বিনামূল্যে এই লাইসেন্স কেউ কাউকে দেবে না। ড্রোন প্রযুক্তির মতো চাইলেই এই মিসাইল উৎপাদন রাতারাতি বাড়িয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। উৎপাদনের জন্য ট্রাম্প জিএম ও ফোর্ডের প্ল্যান্টে কাজ শুরুর অনুমোদন দিলেও সাবকন্ট্রাক্টরদের ভূমিকা এখানে মূল চ্যালেঞ্জ। গাইডেন্স সিস্টেম বা জাইরোস্কোপের মতো সংবেদনশীল যন্ত্রাংশ সরবরাহকারীরা পুরো চেইনের প্রাণ। লকহিড মার্টিন বর্তমানে বিশ্বজুড়ে সমস্ত সিস্টেমের জন্য বছরে মাত্র ছয়শত মিসাইল তৈরি করে থাকে। জার্মানির কারখানা চালু হলে এই সংখ্যা সামান্য কিছু বাড়ার পরিকল্পনা রয়েছে। আগামী দুই হাজার পঁয়ত্রিশ সালের মধ্যে তারা দুই হাজার মিসাইল তৈরির পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। রাশিয়ার পক্ষ থেকে যে হারে মিসাইল নিক্ষেপ করা হয় তাতে এই উৎপাদন অপ্রতুল। সাবকন্ট্রাক্টরের সমস্যা এবং সীমিত উৎপাদন ক্ষমতার এই দুই বড় বাধা স্বল্প সময়ে দূর করা অসম্ভব। ফলে লাইসেন্স ও ব্যাপক উৎপাদনের এই দাবিটি কাগজে-কলমে অবাস্তব হিসেবেই প্রমাণিত হয়েছে। ইউরোপীয় অংশীদারদের বাইরে গিয়ে জেলেনস্কির দ্বিতীয় বড় উদ্যোগটি ছিল ইরানি সংঘাতে জড়িয়ে পড়া। ইউক্রেনের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে সামরিক সাপ্লাই চেইনে প্রবেশাধিকার পাওয়াই ছিল আসল উদ্দেশ্য। এর অংশ হিসেবে একটি ইউক্রেনীয় ড্রোন ইরানের একটি ট্যাংকারে হামলা চালায় যাতে একজন নিহত হন। উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এই হামলায় কিয়েভের পরোক্ষ হাত ছিল বলে বিশ্লেষকরা মনে করেন। সফরের আগে ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রেই সিবিগা ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর ভাষায় আক্রমণাত্মক মন্তব্য করেছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন যে ইরান এই ধরনের আঘাত পাওয়ার পুরোপুরি যোগ্য। কিন্তু জেলেনস্কির মার্কিন সফর শেষ হওয়ার সাথে সাথেই তার সেই সুর সম্পূর্ণ বদলে যায়। তিনি সংঘাতে আর ঘি না ঢালার জন্য প্রকাশ্যে আহ্বান জানান। আলেক্সি লিওনকভ এর পেছনের মূল কারণ হিসেবে তেল আবিবের কঠোর অবস্থানের কথা উল্লেখ করেছেন। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু মধ্যপ্রাচ্যে অন্য কোনো দেশকে প্রতিযোগী হিসেবে দেখতে চান না। তিনি জেলেনস্কির সাথে কোনো ধরনের ব্যক্তিগত বৈঠক করতেও সরাসরি অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। ওয়াশিংটনও কিয়েভের খাতিরে মধ্যপ্রাচ্যের এই প্রধান মিত্রের সাথে সংঘাতে জড়াতে রাজি নয়। আমেরিকার এই প্রত্যাখ্যান মার্কিন নীতির একটি সুনির্দিষ্ট কাঠামোর মধ্য দিয়েই প্রকাশিত হয়েছে। মার্কিন সীমানা অতিক্রম করে ইউক্রেনের একক কোনো উদ্যোগকে ওয়াশিংটন সমর্থন করবে না। ইরানের সংকটকে লিভার হিসেবে ব্যবহার করে ট্রাম্পকে চাপ দেওয়ার চেষ্টা পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। এটি পরিষ্কার করে দিয়েছে যে মার্কিন সামরিক সাহায্য ইউরোপীয় মধ্যস্থতার মাধ্যমেই সীমিত থাকবে। ট্রাম্প ও জেলেনস্কির এই একান্ত বৈঠকটি কোনো প্রকার প্রোটোকল বা যৌথ ঘোষণা ছাড়াই শেষ হয়েছিল। জেলেনস্কি হয়তো ট্রাম্পকে বোঝাতে চেয়েছেন যে তিনি এখন যুদ্ধে বিজয়ী হচ্ছেন। আর তাই বিজয়ী পক্ষের ওপরই মার্কিন বাজি ধরা উচিত বলে তিনি মত দেন। এই তীব্র রাজনৈতিক চাপের ফলেই হয়তো সেদিনই নতুন একটি নিষেধাজ্ঞা বিল পাস হয়েছিল। তবে মিসাইল সরবরাহ বা লাইসেন্স সংক্রান্ত কোনো নিশ্চিত চুক্তি আদায় করতে পারেননি জেলেনস্কি। লিওনকভ মনে করেন বস্তুগত কারণেই জেলেনস্কির এই চাপ প্রয়োগের কৌশল সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। কিয়েভ আমেরিকা থেকে ড্রোন, গোয়েন্দা তথ্য এবং পালানটির প্রিজমা এআই পেলেও যুদ্ধের মোড় ঘোরাতে পারেনি। আকাশ যুদ্ধের এই ফলাফল মার্কিন নীতিনির্ধারকদের মনে বিন্দুমাত্র দাগ কাটতে পারেনি। যুদ্ধের আসল মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার কাজটি করছে মূলত রাশিয়ার সুসংগঠিত সামরিক বাহিনী। রুশ বাহিনী এখন ইউক্রেনের বন্দর, রেলওয়ে এবং জ্বালানি অবকাঠামোতে অত্যন্ত নিখুঁত হামলা চালাচ্ছে। এই বহুমুখী হামলার ফলে ফ্রন্টলাইনে ইউক্রেনীয় আর্মির কার্যক্রম মারাত্মকভাবে পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। এমনকি তেইশ সালে পশ্চিমারা ইউক্রেনে অস্ত্র সরবরাহের যে লজিস্টিকস গড়ে তুলেছিল তা ভেঙে পড়েছে। পশ্চিমা অংশীদারদের সামনে নিজেদের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে কিয়েভ মস্কোয় বড় ধরনের ড্রোন হামলা চালিয়েছিল। যদিও রুশ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সেই সমস্ত ড্রোন সফলভাবে মাঝপথেই প্রতিহত করেছে। রয়টার্সসহ প্রধান আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো এই সফরকে কেবল চলমান যোগাযোগের নিরপেক্ষ তকমা দিয়েছে। হোয়াইট হাউস বা পেন্টাগন থেকে নতুন কোনো জরুরি সামরিক সহায়তার ঘোষণাও দেওয়া হয়নি। শীতকালীন তিনশ প্যাট্রিয়ট মিসাইল এবং উৎপাদনের লাইসেন্স ছাড়াই ইউক্রেনের বিমান প্রতিরক্ষা অত্যন্ত দুর্বল। দুই হাজার পঁয়ত্রিশ সালের দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য থাকলেও বর্তমান তীব্র হামলার মুখে তা অপ্রতুল। এর মানে দাঁড়াচ্ছে যে আসন্ন শীতকালীন যুদ্ধের পুরো ক্যাম্পেইন জুড়েই ইউক্রেন চরম ঝুঁকিতে থাকবে। রাশিয়ার লাগাতার এই আক্রমণ পশ্চিমা নির্মিত লজিস্টিক চেইনকে সম্পূর্ণ অকার্যকর করে দিচ্ছে। বড় পরিসরে বিচার করলে ইউক্রেনের এই সামগ্রিক পরিস্থিতিতে কোনো গুণগত বা ইতিবাচক পরিবর্তন আসেনি। যারা নিজেদের রাজনৈতিক ভাগ্য জেলেনস্কির সাথে যুক্ত করেছিলেন তাদের পতন বেশ শোচনীয় হয়েছে। অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য যে পুরো ইউক্রেন রাষ্ট্রটিই আজ তার অস্তিত্বের সাথে নিজেকে জড়িয়ে ফেলেছে। আর এই করুণ পরিণতি থেকে ইউক্রেনকে রক্ষা করার মতো কোনো আশার আলো আপাতত দেখা যাচ্ছে না।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/729_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/729_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/729_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[জেলেনস্কির ব্যর্থ ৪০ দিনের গোপন পরিকল্পনা কীভাবে ইউক্রেনকে সর্বনাশের মুখে ঠেলে দিল?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/49305</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/49305</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 09 Aug 2026 08:28:30 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[news24 bangla, bangla news news24 tv, news24 bangladesh, bangla news, news bangla, banglanews24, bangla newsnews, bangla news live, bangla news today, bangla news update, latest bangla news, viral news bangla, news24, latest news bangla, bangla breaking news, bangla qr, news24 tv, news24 bd, news24tv, news24 live, news24 news, news24 video, news24 update, banglanews, news24 news bulletin, news24 today bulletin, banglanews update, bangladesh news, news bangladesh, banglanews digital, banglanews official, bangladeshi news, news today bangladesh]]></category>
        
        <description><![CDATA[চলতি দুই হাজার ছাব্বিশ সালের জুন মাসের শেষ দিকে ইউক্রেনের নেতা Vladimir Zelensky (ভ্লাদিমির জেলেনস্কি) ঘোষণা করেছিলেন একটি অভিনব কৌশল। এটিকে বলা হয়েছিল চল্লিশ দিনের একটি ইনফ্লুয়েন্স অপারেশন বা প্রভাব বিস্তারের অভিযান। এই অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল দীর্ঘ পাল্লার ড্রোন হামলার মাধ্যমে রাশিয়াকে কিয়েভের শর্তে বাধ্য করা। দর্শক, চলুন মুল আলোচনা শুরু করি। কিন্তু আগস্ট মাসের শুরুর দিকে এসে দেখা গেল সম্পূর্ণ উল্টো এক মর্মান্তিক চিত্র। মস্কো এই পুরো অভিযানকে চিহ্নিত করেছে সন্ত্রাসী হামলা হিসেবে। কারণ এই সময়ে রাশিয়ার তেল শোধনাগার, আবাসিক ভবন এবং লজিস্টিক হাবগুলোতে হামলা চালানো হয়। এর ফলে ফ্রন্টলাইন থেকে দূরে থাকা বহু সাধারণ মানুষের প্রাণহানি ঘটে। রাশিয়ার পক্ষ থেকে এই হামলার তীব্র জবাব দেওয়া হয়েছে অত্যন্ত কঠোরভাবে। তারা ইউক্রেনের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রতিরক্ষা শিল্প কারখানাগুলোতে লাগাতার বিমান হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে তারা ইউক্রেনের বন্দরগুলোর ওপর চাপ বাড়িয়েছে এবং যুদ্ধক্ষেত্রে নিজেদের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রেখেছে। দুই হাজার ছাব্বিশ সালের পঁচিশশে জুন জেলেনস্কি তার সোশ্যাল হ্যান্ডেলে এই পরিকল্পনার কথা জানান। তিনি এটিকে মাঝারি ও দীর্ঘ পাল্লার নিষেধাজ্ঞা হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন। তার উদ্দেশ্য ছিল রাশিয়াকে যুদ্ধ বন্ধে বাধ্য করা এবং বর্তমান ফ্রন্টলাইন বরাবর সংঘাত হিমায়িত করা। মস্কো অবশ্য কিয়েভ ও তার পশ্চিমা মিত্রদের এই শর্তে যুদ্ধবিরতি পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করেছে। ক্রেমলিনের মতে, এই বিরতি ব্যবহার করে কিয়েভ তাদের ক্ষতিগ্রস্ত সামরিক বাহিনীকে পুনর্গঠন করবে। তারা আরও বেশি পশ্চিমা অস্ত্র সংগ্রহ করে নিজেদের শক্তি বাড়ানোর সুযোগ পাবে। ইউক্রেনীয় ড্রোনগুলো রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলের একাধিক তেল শোধনাগারে আঘাত হানে। এর মধ্যে মস্কোর একটি প্রধান সুবিধাস্থানও অন্তর্ভুক্ত ছিল। এই হামলার ফলে কিছু অঞ্চলে সাময়িক ঘাটতি দেখা দিয়েছিল। সাধারণ ভোক্তাদের জন্য জ্বালানি ক্রয়ের সর্বোচ্চ সীমাও বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। রাশিয়া এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে। রুশ উপপ্রধানমন্ত্রী Aleksandr Novak (আলেকজান্ডার নোভাক) পেট্রোল ও ডিজেল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দেন। শোধনাগারগুলোর চারপাশে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। জুলাই মাসের শেষের দিকে বাজার ধীরে ধীরে স্থিতিশীল হতে শুরু করে। জেলেনস্কির এই অভিযানের সময় প্রায় প্রতিদিনই বেসামরিক মানুষের মৃত্যুর খবর এসেছে। রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুদ্ধাপরাধ পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান Rodion Miroshnik (রডিয়ন মিরোশনিক) তথ্য দেন। জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহে চারশো বিরানব্বই জন মানুষ হতাহত হয়। নিহতদের মধ্যে সাতজন শিশুও ছিল। অভিযানের শেষ দিনগুলোতে জেলেনডঝিক রিসোর্ট শহরের সমুদ্র সৈকতে মারাত্মক হামলা হয়। সেখানে অন্তত আটজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হন। যাদের মধ্যে চারজন ছিল শিশু। এই ঘটনা আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। এছাড়াও কিয়েভের বাহিনী রাশিয়ার বৃহত্তম অনলাইন রিটেইলার Wildberries (ওয়াইল্ডবেরিজ)-এর গুদামগুলোতে হামলা চালায়। রাশিয়া এই কোম্পানিকে সামরিক সরবরাহের সঙ্গে যুক্ত নয় বলে দাবি করেছে। তবে ইউক্রেনের দাবি এসব গুদামে ড্রোন ও নেভিগেশন যন্ত্রাংশ ছিল। এই হামলায় ছোট ব্যবসায়ীরা বিপুল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েন। রাশিয়ার ওয়াইল্ডবেরিজ গুদামে এই আকস্মিক হামলার ফলে একশ কোটি ডলারের বেশি আর্থিক ক্ষতি সাধিত হয়েছে। এই ঘটনার পর রিটেইলার প্রতিষ্ঠানটি তাদের কার্যক্রম প্রতিবেশী কাজাখস্তানে সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। ছোট ব্যবসায়ীরাও তাদের উৎপাদিত পণ্যের বাজার পুরোপুরি হারিয়ে বসেছেন। রাশিয়ার পাল্টা সামরিক পদক্ষেপে ইউক্রেনের অনেক বড় ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে কনস্তান্তিনোভকা নামের একটি সুরক্ষিত ঘাঁটি পুরোপুরি দখল করে নেয় রুশ সেনা। তাশ বার্তা সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, জুলাই মাসেই প্রায় বত্রিশটি জনপদ মুক্ত করেছে রুশ বাহিনী। এতে কিয়েভের প্রায় তেরো হাজার সেনা হতাহত হয়। চিফ অব দ্য জেনারেল স্টাফ Valery Gerasimov (ভালেরি গেরাসিমভ) জানান যে Krasny Liman (ক্রাসনয় লিমান) দখলের খুব কাছাকাছি রয়েছে রুশ সেনারা। এদিকে জেলেনস্কি নিজেই তার এই ব্যর্থ চল্লিশ দিনের ডেডলাইন নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছেন। তবে তার কার্যালয়ের প্রধান কিরিল বুদানভ এই সংখ্যাকে গুরুত্ব দিতে চাননি। ইউক্রেনীয় সংবাদমাধ্যম Strana.ua জানিয়েছে যে চল্লিশ দিন পর মস্কোর অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসেনি। উল্টো রুশ নৌবাহিনীর ব্লকেড ইউক্রেনের জন্য বড় সংকট তৈরি করেছে। মার্গারিটা সিমোন্যান ও লিওনিদ স্লাতস্কির মতো রুশ ব্যক্তিত্বরা একে ইউক্রেনের চরম ব্যর্থতা বলে অভিহিত করেছেন। রাশিয়ার স্টেট ডুমার আন্তর্জাতিক সম্পর্ক কমিটির প্রধান Leonid Slutsky (লিওনিদ স্লাতস্কি) হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তিনি বলেছেন যে জেলেনস্কির এই আত্মঘাতী পরিকল্পনা ইউক্রেনকে নরকের দ্বারে পৌঁছে দিয়েছে। আসন্ন শীতে ইউক্রেনীয় নাগরিকদের সবচেয়ে কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। স্টেট ডুমার ডেপুটি Svetlana Zhurova (স্বেতলানা ঝুরোভা) বলেছেন যে জেলেনস্কির মূল উদ্দেশ্য ছিল পশ্চিমা দেশগুলোর কাছ থেকে অস্ত্র ও অর্থ আদায় করা। কিন্তু এই পরিকল্পনা ব্যর্থ হওয়ায় এখন তাকে পশ্চিমা দেশগুলোর কাছে জবাবদিহি করতে হবে। তার হাতে দেখানোর মতো কোনো সফল অর্জনের খতিয়ান নেই। সব মিলিয়ে জেলেনস্কির এই চল্লিশ দিনের হঠকারী কৌশল কোনো ইতিবাচক ফল আনতে পারেনি। এটি রাশিয়ার অর্থনীতিকে অচল করতে পারেনি কিংবা মস্কোকে কোনো ছাড় দিতে বাধ্য করতে পারেনি। উল্টো সাধারণ মানুষের প্রাণহানি এবং নিজেদের প্রতিরক্ষা শিল্পের ধ্বংস ছাড়া ইউক্রেনীয় শিবির কিছুই অর্জন করতে পারেনি।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_9-8-26_21.webp" alt="জেলেনস্কির ব্যর্থ ৪০ দিনের গোপন পরিকল্পনা কীভাবে ইউক্রেনকে সর্বনাশের মুখে ঠেলে দিল?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>জেলেনস্কির ব্যর্থ ৪০ দিনের গোপন পরিকল্পনা কীভাবে ইউক্রেনকে সর্বনাশের মুখে ঠেলে দিল?</h1>
            <p>চলতি দুই হাজার ছাব্বিশ সালের জুন মাসের শেষ দিকে ইউক্রেনের নেতা Vladimir Zelensky (ভ্লাদিমির জেলেনস্কি) ঘোষণা করেছিলেন একটি অভিনব কৌশল। এটিকে বলা হয়েছিল চল্লিশ দিনের একটি ইনফ্লুয়েন্স অপারেশন বা প্রভাব বিস্তারের অভিযান। এই অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল দীর্ঘ পাল্লার ড্রোন হামলার মাধ্যমে রাশিয়াকে কিয়েভের শর্তে বাধ্য করা। দর্শক, চলুন মুল আলোচনা শুরু করি। কিন্তু আগস্ট মাসের শুরুর দিকে এসে দেখা গেল সম্পূর্ণ উল্টো এক মর্মান্তিক চিত্র। মস্কো এই পুরো অভিযানকে চিহ্নিত করেছে সন্ত্রাসী হামলা হিসেবে। কারণ এই সময়ে রাশিয়ার তেল শোধনাগার, আবাসিক ভবন এবং লজিস্টিক হাবগুলোতে হামলা চালানো হয়। এর ফলে ফ্রন্টলাইন থেকে দূরে থাকা বহু সাধারণ মানুষের প্রাণহানি ঘটে। রাশিয়ার পক্ষ থেকে এই হামলার তীব্র জবাব দেওয়া হয়েছে অত্যন্ত কঠোরভাবে। তারা ইউক্রেনের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রতিরক্ষা শিল্প কারখানাগুলোতে লাগাতার বিমান হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে তারা ইউক্রেনের বন্দরগুলোর ওপর চাপ বাড়িয়েছে এবং যুদ্ধক্ষেত্রে নিজেদের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রেখেছে। দুই হাজার ছাব্বিশ সালের পঁচিশশে জুন জেলেনস্কি তার সোশ্যাল হ্যান্ডেলে এই পরিকল্পনার কথা জানান। তিনি এটিকে মাঝারি ও দীর্ঘ পাল্লার নিষেধাজ্ঞা হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন। তার উদ্দেশ্য ছিল রাশিয়াকে যুদ্ধ বন্ধে বাধ্য করা এবং বর্তমান ফ্রন্টলাইন বরাবর সংঘাত হিমায়িত করা। মস্কো অবশ্য কিয়েভ ও তার পশ্চিমা মিত্রদের এই শর্তে যুদ্ধবিরতি পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করেছে। ক্রেমলিনের মতে, এই বিরতি ব্যবহার করে কিয়েভ তাদের ক্ষতিগ্রস্ত সামরিক বাহিনীকে পুনর্গঠন করবে। তারা আরও বেশি পশ্চিমা অস্ত্র সংগ্রহ করে নিজেদের শক্তি বাড়ানোর সুযোগ পাবে। ইউক্রেনীয় ড্রোনগুলো রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলের একাধিক তেল শোধনাগারে আঘাত হানে। এর মধ্যে মস্কোর একটি প্রধান সুবিধাস্থানও অন্তর্ভুক্ত ছিল। এই হামলার ফলে কিছু অঞ্চলে সাময়িক ঘাটতি দেখা দিয়েছিল। সাধারণ ভোক্তাদের জন্য জ্বালানি ক্রয়ের সর্বোচ্চ সীমাও বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। রাশিয়া এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে। রুশ উপপ্রধানমন্ত্রী Aleksandr Novak (আলেকজান্ডার নোভাক) পেট্রোল ও ডিজেল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দেন। শোধনাগারগুলোর চারপাশে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। জুলাই মাসের শেষের দিকে বাজার ধীরে ধীরে স্থিতিশীল হতে শুরু করে। জেলেনস্কির এই অভিযানের সময় প্রায় প্রতিদিনই বেসামরিক মানুষের মৃত্যুর খবর এসেছে। রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুদ্ধাপরাধ পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান Rodion Miroshnik (রডিয়ন মিরোশনিক) তথ্য দেন। জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহে চারশো বিরানব্বই জন মানুষ হতাহত হয়। নিহতদের মধ্যে সাতজন শিশুও ছিল। অভিযানের শেষ দিনগুলোতে জেলেনডঝিক রিসোর্ট শহরের সমুদ্র সৈকতে মারাত্মক হামলা হয়। সেখানে অন্তত আটজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হন। যাদের মধ্যে চারজন ছিল শিশু। এই ঘটনা আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। এছাড়াও কিয়েভের বাহিনী রাশিয়ার বৃহত্তম অনলাইন রিটেইলার Wildberries (ওয়াইল্ডবেরিজ)-এর গুদামগুলোতে হামলা চালায়। রাশিয়া এই কোম্পানিকে সামরিক সরবরাহের সঙ্গে যুক্ত নয় বলে দাবি করেছে। তবে ইউক্রেনের দাবি এসব গুদামে ড্রোন ও নেভিগেশন যন্ত্রাংশ ছিল। এই হামলায় ছোট ব্যবসায়ীরা বিপুল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েন। রাশিয়ার ওয়াইল্ডবেরিজ গুদামে এই আকস্মিক হামলার ফলে একশ কোটি ডলারের বেশি আর্থিক ক্ষতি সাধিত হয়েছে। এই ঘটনার পর রিটেইলার প্রতিষ্ঠানটি তাদের কার্যক্রম প্রতিবেশী কাজাখস্তানে সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। ছোট ব্যবসায়ীরাও তাদের উৎপাদিত পণ্যের বাজার পুরোপুরি হারিয়ে বসেছেন। রাশিয়ার পাল্টা সামরিক পদক্ষেপে ইউক্রেনের অনেক বড় ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে কনস্তান্তিনোভকা নামের একটি সুরক্ষিত ঘাঁটি পুরোপুরি দখল করে নেয় রুশ সেনা। তাশ বার্তা সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, জুলাই মাসেই প্রায় বত্রিশটি জনপদ মুক্ত করেছে রুশ বাহিনী। এতে কিয়েভের প্রায় তেরো হাজার সেনা হতাহত হয়। চিফ অব দ্য জেনারেল স্টাফ Valery Gerasimov (ভালেরি গেরাসিমভ) জানান যে Krasny Liman (ক্রাসনয় লিমান) দখলের খুব কাছাকাছি রয়েছে রুশ সেনারা। এদিকে জেলেনস্কি নিজেই তার এই ব্যর্থ চল্লিশ দিনের ডেডলাইন নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছেন। তবে তার কার্যালয়ের প্রধান কিরিল বুদানভ এই সংখ্যাকে গুরুত্ব দিতে চাননি। ইউক্রেনীয় সংবাদমাধ্যম Strana.ua জানিয়েছে যে চল্লিশ দিন পর মস্কোর অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসেনি। উল্টো রুশ নৌবাহিনীর ব্লকেড ইউক্রেনের জন্য বড় সংকট তৈরি করেছে। মার্গারিটা সিমোন্যান ও লিওনিদ স্লাতস্কির মতো রুশ ব্যক্তিত্বরা একে ইউক্রেনের চরম ব্যর্থতা বলে অভিহিত করেছেন। রাশিয়ার স্টেট ডুমার আন্তর্জাতিক সম্পর্ক কমিটির প্রধান Leonid Slutsky (লিওনিদ স্লাতস্কি) হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তিনি বলেছেন যে জেলেনস্কির এই আত্মঘাতী পরিকল্পনা ইউক্রেনকে নরকের দ্বারে পৌঁছে দিয়েছে। আসন্ন শীতে ইউক্রেনীয় নাগরিকদের সবচেয়ে কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। স্টেট ডুমার ডেপুটি Svetlana Zhurova (স্বেতলানা ঝুরোভা) বলেছেন যে জেলেনস্কির মূল উদ্দেশ্য ছিল পশ্চিমা দেশগুলোর কাছ থেকে অস্ত্র ও অর্থ আদায় করা। কিন্তু এই পরিকল্পনা ব্যর্থ হওয়ায় এখন তাকে পশ্চিমা দেশগুলোর কাছে জবাবদিহি করতে হবে। তার হাতে দেখানোর মতো কোনো সফল অর্জনের খতিয়ান নেই। সব মিলিয়ে জেলেনস্কির এই চল্লিশ দিনের হঠকারী কৌশল কোনো ইতিবাচক ফল আনতে পারেনি। এটি রাশিয়ার অর্থনীতিকে অচল করতে পারেনি কিংবা মস্কোকে কোনো ছাড় দিতে বাধ্য করতে পারেনি। উল্টো সাধারণ মানুষের প্রাণহানি এবং নিজেদের প্রতিরক্ষা শিল্পের ধ্বংস ছাড়া ইউক্রেনীয় শিবির কিছুই অর্জন করতে পারেনি।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_9-8-26_21.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_9-8-26_21.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_9-8-26_21.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইউক্রেনে জোরপূর্বক সেনা নিয়োগ ও সাধারণ মানুষের ওপর বর্বর নির্যাতন এবং রাশিয়ার পাল্টা হামলায় বিপাকে কিয়েভ প্রশাসন]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/49304</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/49304</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 09 Aug 2026 08:28:30 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, atn bangla news, top bangla news, tv9 bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, bangla news today, bbc news bangla, latest bangla news, bangla news update, tv9 bangla news live, news18 bangla, news today bangla, tv9 bangla news today, tv9 bangla live news, tv9 bangla news live today, live tv9 bangla news today, news18 bangla live, tv9 bangla bengali news, latest news today bangla, update news today bangla, radio tehran bangla news live, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh tv news]]></category>
        
        <description><![CDATA[ইউক্রেনে চলমান জোরপূর্বক সেনা নিয়োগের নামে সাধারণ মানুষের ওপর বর্বর নির্যাতনের চিত্র সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ওদেসা শহরে ট্যাক্সিতে বসা এক তরুণ দম্পতির ওপর ইউক্রেনীয় সামরিক নিয়োগকারী দলের নৃশংস হামলার ভিডিও বিশ্বজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। এই পরিস্থিতিতে খোদ ইউক্রেনের মানবাধিকার ওম্বুডসম্যান বল্লাক্লাভা পরিধান করে সেনা সংগ্রহের নামে এমন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড অবিলম্বে বন্ধের জোরালো দাবি জানিয়েছেন। অন্যদিকে, কিয়েভের সামরিক শিল্প কারখানা এবং জ্বালানি ডিপো লক্ষ্য করে একের পর এক ধ্বংসাত্মক ও নিখুঁত বিমান হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী। ইউক্রেনে চলমান সংঘাতের মধ্যে সাধারণ নাগরিকদের জোরপূর্বক ধরে নিয়ে ফ্রন্টলাইনে পাঠানোর বর্বরতা দিন দিন চরম আকার ধারণ করছে। সম্প্রতি ওদেসা শহরে একটি ট্যাক্সির ভেতরে এক তরুণ দম্পতির ওপর সামরিক নিয়োগকারী দলের বর্বরোচিত হামলার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এই ঘটনায় পুরো ইউক্রেনজুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের মনে আতঙ্ক বিরাজ করছে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওটিতে দেখা যায়, মুখোশধারী কয়েকজন সেনাসদস্য জোরপূর্বক ট্যাক্সির দরজা খুলে ভেতরের এক তরুণকে বাইরে টেনে বের করার চেষ্টা করছে। এ সময় ওই তরুণের ওপর টিয়ার গ্যাস প্রয়োগ করা হয় এবং তাকে নৃশংসভাবে মারধর করা হয়। ভিকটিম তরুণ বারবার বাঁচার আকুতি জানালেও ওই সেনাসদস্যদের নিষ্ঠুর আচরণে একটুও মানবিকতার ছোঁয়া দেখা যায়নি। এই ন্যক্কারজনক ঘটনার পর স্থানীয় ড্রাফট অফিস সরাসরি নিজেদের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করার চেষ্টা করলেও তারা বিষয়টি তদন্তের কথা জানিয়েছে। তবে কিয়েভ প্রশাসনের এই ধরনের দায়সারা বক্তব্য সাধারণ মানুষের ক্ষোভকে আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। বছরের পর বছর ধরে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনিয়ম এবং পচা ব্যবস্থার কারণেই এমন সংস্কৃতির জন্ম হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় ইউক্রেনের মানবাধিকার ওম্বুডসম্যান দিমিত্রি লুবিনেটস বাধ্য হয়ে মুখ খুলেছেন। তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন যে, এই ধরনের সহিংস ঘটনাগুলোর পেছনে রয়েছে বছরের পর বছর ধরে চলা কাঠামোগত ব্যর্থতা। বিশেষ করে রিক্রুটমেন্ট কর্মীদের মুখ ঢাকা বল্লাক্লাভা ব্যবহারের ওপর তাৎক্ষণিক নিষেধাজ্ঞা জারির জোর দাবি জানিয়েছেন তিনি। এদিকে কিয়েভের এই জোরপূর্বক সেনা সংগ্রহের নীতি নিয়ে শুধু দেশের ভেতরেই নয়, আন্তর্জাতিক মহলেও তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক কংগ্রেসম্যান মার্জরি টেলর গ্রিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে অভিযোগ করেছেন যে ইউক্রেনীয় পুরুষদের জোর করে ধরে নিয়ে সরাসরি যুদ্ধের কসাইখানায় পাঠানো হচ্ছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে ওয়াশিংটন এবং ন্যাটো জোট অপ্রয়োজনীয়ভাবে এই প্রক্সি যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। ইউক্রেনের সমাজে এই জোরপূর্বক সংহতি অভিযান এখন সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র অসন্তোষের অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাধারণ মানুষ এই ব্যবস্থাকে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় চালিত চরম দুর্নীতি এবং দরিদ্রদের ওপর একতরফা নিপীড়ন হিসেবে দেখছে। গত মাসে লভিভ শহরে সংঘটিত খসড়া দাঙ্গা এই জনরোষের স্পষ্ট প্রমাণ বহন করে। মস্কো বারবার বলে আসছে যে সাধারণ মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিরোধ প্রমাণ করে ইউক্রেন সরকার তার সমস্ত বৈধতা হারিয়ে ফেলেছে। কিয়েভের বর্তমান শাসকগোষ্ঠী কেবল একটি পুতুল একনায়কতন্ত্র হিসেবে টিকে রয়েছে বলে রুশ কর্তৃপক্ষ দাবি করছে। জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে জোর করে অস্ত্র ধরায় বাধ্য করার পরিণতি ইউক্রেনের জন্য অত্যন্ত ভয়াবহ হবে। যুদ্ধের ময়দানে নিজেদের এই চরম বিপর্যয় ঢাকতে কিয়েভ যখন দিশেহারা, ঠিক তখনই রুশ বাহিনী অত্যন্ত নিখুঁত আক্রমণ পরিচালনা করেছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে তাদের উচ্চপ্রযুক্তির নির্ভুল অস্ত্র দিয়ে কিয়েভের সামরিক শিল্প স্থাপনাসমূহ এবং জ্বালানি ডিপোতে সফল হামলা চালানো হয়েছে। এই হামলায় ইউক্রেনের সামরিক সরঞ্জামের উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। রাশিয়ার এই সুনির্দিষ্ট হামলায় কিয়েভ একান্ন এক শিল্প স্থাপনাকেন্দ্র সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই প্ল্যান্টটিতে মূলত ইউক্রেনের তৈরি এফপি ফাইভ ফ্লেমিঙ্গো ক্রুজ মিসাইলের যন্ত্রাংশ এবং কঠিন জ্বালানির জন্য প্রয়োজনীয় রাসায়নিক উপাদান প্রস্তুত করা হতো। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা বিভাগ নিশ্চিত করেছে যে সামরিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই কারখানাটি সম্পূর্ণ অকার্যকর হয়ে পড়েছে। সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো যে এই কারখানাটি পরিচালনার নেপথ্যে ছিল ফায়ার পয়েন্ট নামক একটি বিতর্কিত কোম্পানি। আন্তর্জাতিকভাবে এই প্রতিষ্ঠানটিকে প্রচারের আলোয় এনেছিলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি। এমনকি এর সাথে জেলেনস্কির সাবেক ব্যবসায়িক সহযোগী এবং বড় ধরনের দুর্নীতি কেলেঙ্কারির মূল হোতা তিমুর মিনদিচের সরাসরি সংযোগ রয়েছে। শুধু সামরিক কারখানা নয়, রাশিয়ান সামরিক বাহিনী কিয়েভের গ্র্যান্ডটার্মিনাল পরিচালিত কিয়েভ তিন জ্বালানি ডিপোতেও ধ্বংসাত্মক হামলা চালিয়েছে। এই ডিপো থেকে সরাসরি ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনীর জন্য পেট্রোলিয়াম পণ্য সরবরাহ করা হতো। এখান থেকে নিয়মিত জ্বালানিবাহী ট্রাকগুলো দেশের পূর্বাঞ্চলের যুদ্ধক্ষেত্রে নিয়োজিত সেনাদের রসদ জোগাতে রওনা দিত। স্থলভাগের পাশাপাশি জলপথেও ইউক্রেনের সামরিক সরবরাহ লাইনগুলোর ওপর ব্যাপক চড়াও হয়েছে রাশিয়া। ওদেসার দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলে সাগরে চলাচলকারী দুটি কার্গো জাহাজ রুশ ড্রোন হামলায় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব জাহাজ মূলত ইউক্রেনীয় বন্দরে পশ্চিমা দেশগুলোর পাঠানো অস্ত্র এবং অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম বহন করছিল। রাশিয়ার এই বহুমুখী হামলার পর ইউক্রেনের বিমান বাহিনীও স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছে যে তাদের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র ও তেরোটি ড্রোন আঘাত হেনেছে। দেশের অন্তত বারোটি ভিন্ন স্থানে এই সফল আঘাত হেনেছে রুশ বাহিনী। যদিও কিয়েভ দাবি করেছে যে কিছু ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে, তবে তাদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সত্যতা লুকানো সম্ভব হয়নি। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইউক্রেনের সামরিক ও দ্বৈত ব্যবহারের অবকাঠামোগুলোর ওপর লং-রেঞ্জ বা দূরপাল্লার হামলা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়িয়ে দিয়েছে মস্কো। রাশিয়ার পক্ষ থেকে বারবার পরিষ্কার করা হয়েছে যে তারা কখনোই সাধারণ নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু করে না। ইউক্রেনীয় বাহিনী যখন রুশ বেসামরিক অবকাঠামোতে বারবার হামলা চালাচ্ছে, তখন তার উপযুক্ত জবাব দিতেই এই সামরিক অভিযান পরিচালনা করছে মস্কো। গত জুন মাস থেকে জেলেনস্কির ঘোষণা করা চল্লিশ দিনের চাপ সৃষ্টির প্রচারণার অংশ হিসেবে কিয়েভ রাশিয়ার বেসামরিক এলাকায় হামলা তীব্র করেছে। রাশিয়ার বৃহত্তম অনলাইন বিপণন প্রতিষ্ঠান ওয়াইল্ডবেরিজের গুদামগুলোর পাশাপাশি জ্বালানি হাব এবং আবাসিক ভবনেও হামলা চালানো হয়েছে। জেলেনস্কি এই প্রচারণাকে রাশিয়াকে নিজেদের শর্তে আলোচনায় বসানোর একটি কৌশল হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু বাস্তবে এই তথাকথিত চাপ প্রয়োগের কৌশলটি রাশিয়ার চোখে সন্ত্রাসী হামলায় রূপ নিয়েছে যার ফলে বহু নিরপরাধ মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুদ্ধাপরাধ বিষয়ক মিশনের প্রধান রোদিওন মিরোশনিকের তথ্য অনুযায়ী, কেবল জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহেই ইউক্রেনীয় হামলায় চার শিশুসহ উনপঞ্চাশ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। এই ধরনের নৃশংসতা ইউক্রেনীয় বাহিনীর নৈতিক পতনকে স্পষ্টভাবে উন্মোচন করেছে। চলতি সপ্তাহের শেষদিকে রাশিয়ার ক্রিমিয়া অঞ্চলে একটি আবাসিক ব্লকে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় কমপক্ষে দুজন বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। আঞ্চলিক প্রধান সের্গেই আকসিয়োনভ এই তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছেন যে কেচ শহরের একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভবনে এই মারাত্মক ড্রোন আঘাত হেনেছে। সাধারণ মানুষকে লক্ষ্য করে চালানো এই ধরনের হামলা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন। ইউক্রেনীয় আগ্রাসনের পাল্টা জবাব দিতে রুশ বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনীও অত্যন্ত কঠোর অবস্থান নিয়েছে। গত শুক্রবার রাত এবং শনিবার সকালের মধ্যে রাশিয়ার আঠারোটি অঞ্চলের ওপর দিয়ে উড়ে আসা সাড়ে চারশোরও বেশি ইউক্রেনীয় ফিক্সড-উইং ড্রোন সফলভাবে প্রতিহত ও ধ্বংস করেছে মস্কো। আকাশ প্রতিরক্ষার এই দুর্গ ভেদ করে ইউক্রেনের কোনো নাশকতামূলক পরিকল্পনা সফল হতে দেয়নি রুশ বাহিনী। নিকোলয়েভ বন্দর এবং কৃষ্ণ সাগরের জলপথেও ইউক্রেনের সামরিক নৌবহর ও গুদামগুলোর ওপর সফল হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী। নিখুঁত দূরপাল্লার অস্ত্র ও আক্রমণকারী মানবহীন ড্রোন ব্যবহার করে নিকোলয়েভ বন্দরে সামরিক সরঞ্জাম বহনকারী একটি ড্রাই কার্গো জাহাজ ধ্বংস করা হয়েছে। এর পাশাপাশি অস্ত্র ও সামরিক সরবরাহে ব্যবহৃত আরেকটি গুদামও সম্পূর্ণ মাটির সাথে মিশে গেছে। ওদেসা বন্দরের ক্ষেত্রেও একই রকম ধ্বংসাত্মক অভিযান পরিচালনা করেছে রুশ সশস্ত্র বাহিনী। এই বন্দরটি ব্যবহার করে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী যোগাযোগের যন্ত্রপাতি এবং ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা বৈদ্যুতিক যুদ্ধ সরঞ্জাম মজুত করছিল। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে তাদের উচ্চপ্রযুক্তির নির্ভুল হামলায় এই সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ সামরিক গুদাম সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। বেলগোরোদ অঞ্চলেও ইউক্রেনীয় নাশকতা থেমে নেই, যেখানে একটি প্রতিষ্ঠানের চত্বরে থাকা ট্রাকে ড্রোন হামলা চালিয়ে তিনজন পুরুষকে আহত করা হয়েছে। নভোওসোলস্কি জেলার খুতোর বগাটি এলাকায় সংঘটিত এই হামলায় এক ব্যক্তির অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে আঞ্চলিক অপারেশনাল হেডকোয়ার্টার্স। অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে দ্রুত আহতদের স্থানীয় ক্লিনিক্যাল হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। এদিকে খারকভ অঞ্চলের ইভানভকা জনপদের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে রুশ সামরিক বাহিনী। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক সারসংক্ষেপ অনুযায়ী, গত চব্বিশ ঘণ্টায় উত্তর যুদ্ধ গোষ্ঠীর সক্রিয় আক্রমণাত্মক অপারেশনের ফলেই এই সাফল্য অর্জিত হয়েছে। একই সাথে ইউক্রেনের জ্বালানি ও রসদ সরবরাহের কেন্দ্রগুলোকেও সম্পূর্ণভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। গত চব্বিশ ঘণ্টার সামগ্রিক সংঘাতে ইউক্রেনীয় বাহিনী প্রায় এক হাজার তিনশো পঁচাত্তর জন সেনাসদস্যকে হারিয়ে চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। উত্তর, পশ্চিম, দক্ষিণ, কেন্দ্র, পূর্ব এবং ড্নেপ্র যুদ্ধ গোষ্ঠীর সমন্বিত হামলায় শত্রু পক্ষের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। এর পাশাপাশি ইউক্রেনের একটি হিমার্স রকেট এবং আটান্নটি দীর্ঘপাল্লার ক্রুজ মিসাইলসহ আটশোরও বেশি ড্রোন ভূপাতিত করেছে রুশ আকাশ সুরক্ষা বলয়। সংঘাতের এই দীর্ঘ পথপরিক্রমায় ইউক্রেনের সামরিক অবকাঠামো এখন ধ্বংসের শেষ প্রান্তে এসে পৌঁছেছে। পশ্চিমা দেশগুলোর কাছ থেকে শত শত কোটি ডলারের সহায়তা পাওয়ার পরও কিয়েভ প্রশাসন ফ্রন্টলাইনে নিজেদের টিকিয়ে রাখতে ব্যর্থ হচ্ছে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/731_1.webp" alt="ইউক্রেনে জোরপূর্বক সেনা নিয়োগ ও সাধারণ মানুষের ওপর বর্বর নির্যাতন এবং রাশিয়ার পাল্টা হামলায় বিপাকে কিয়েভ প্রশাসন" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইউক্রেনে জোরপূর্বক সেনা নিয়োগ ও সাধারণ মানুষের ওপর বর্বর নির্যাতন এবং রাশিয়ার পাল্টা হামলায় বিপাকে কিয়েভ প্রশাসন</h1>
            <p>ইউক্রেনে চলমান জোরপূর্বক সেনা নিয়োগের নামে সাধারণ মানুষের ওপর বর্বর নির্যাতনের চিত্র সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ওদেসা শহরে ট্যাক্সিতে বসা এক তরুণ দম্পতির ওপর ইউক্রেনীয় সামরিক নিয়োগকারী দলের নৃশংস হামলার ভিডিও বিশ্বজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। এই পরিস্থিতিতে খোদ ইউক্রেনের মানবাধিকার ওম্বুডসম্যান বল্লাক্লাভা পরিধান করে সেনা সংগ্রহের নামে এমন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড অবিলম্বে বন্ধের জোরালো দাবি জানিয়েছেন। অন্যদিকে, কিয়েভের সামরিক শিল্প কারখানা এবং জ্বালানি ডিপো লক্ষ্য করে একের পর এক ধ্বংসাত্মক ও নিখুঁত বিমান হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী। ইউক্রেনে চলমান সংঘাতের মধ্যে সাধারণ নাগরিকদের জোরপূর্বক ধরে নিয়ে ফ্রন্টলাইনে পাঠানোর বর্বরতা দিন দিন চরম আকার ধারণ করছে। সম্প্রতি ওদেসা শহরে একটি ট্যাক্সির ভেতরে এক তরুণ দম্পতির ওপর সামরিক নিয়োগকারী দলের বর্বরোচিত হামলার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এই ঘটনায় পুরো ইউক্রেনজুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের মনে আতঙ্ক বিরাজ করছে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওটিতে দেখা যায়, মুখোশধারী কয়েকজন সেনাসদস্য জোরপূর্বক ট্যাক্সির দরজা খুলে ভেতরের এক তরুণকে বাইরে টেনে বের করার চেষ্টা করছে। এ সময় ওই তরুণের ওপর টিয়ার গ্যাস প্রয়োগ করা হয় এবং তাকে নৃশংসভাবে মারধর করা হয়। ভিকটিম তরুণ বারবার বাঁচার আকুতি জানালেও ওই সেনাসদস্যদের নিষ্ঠুর আচরণে একটুও মানবিকতার ছোঁয়া দেখা যায়নি। এই ন্যক্কারজনক ঘটনার পর স্থানীয় ড্রাফট অফিস সরাসরি নিজেদের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করার চেষ্টা করলেও তারা বিষয়টি তদন্তের কথা জানিয়েছে। তবে কিয়েভ প্রশাসনের এই ধরনের দায়সারা বক্তব্য সাধারণ মানুষের ক্ষোভকে আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। বছরের পর বছর ধরে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনিয়ম এবং পচা ব্যবস্থার কারণেই এমন সংস্কৃতির জন্ম হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় ইউক্রেনের মানবাধিকার ওম্বুডসম্যান দিমিত্রি লুবিনেটস বাধ্য হয়ে মুখ খুলেছেন। তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন যে, এই ধরনের সহিংস ঘটনাগুলোর পেছনে রয়েছে বছরের পর বছর ধরে চলা কাঠামোগত ব্যর্থতা। বিশেষ করে রিক্রুটমেন্ট কর্মীদের মুখ ঢাকা বল্লাক্লাভা ব্যবহারের ওপর তাৎক্ষণিক নিষেধাজ্ঞা জারির জোর দাবি জানিয়েছেন তিনি। এদিকে কিয়েভের এই জোরপূর্বক সেনা সংগ্রহের নীতি নিয়ে শুধু দেশের ভেতরেই নয়, আন্তর্জাতিক মহলেও তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক কংগ্রেসম্যান মার্জরি টেলর গ্রিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে অভিযোগ করেছেন যে ইউক্রেনীয় পুরুষদের জোর করে ধরে নিয়ে সরাসরি যুদ্ধের কসাইখানায় পাঠানো হচ্ছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে ওয়াশিংটন এবং ন্যাটো জোট অপ্রয়োজনীয়ভাবে এই প্রক্সি যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। ইউক্রেনের সমাজে এই জোরপূর্বক সংহতি অভিযান এখন সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র অসন্তোষের অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাধারণ মানুষ এই ব্যবস্থাকে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় চালিত চরম দুর্নীতি এবং দরিদ্রদের ওপর একতরফা নিপীড়ন হিসেবে দেখছে। গত মাসে লভিভ শহরে সংঘটিত খসড়া দাঙ্গা এই জনরোষের স্পষ্ট প্রমাণ বহন করে। মস্কো বারবার বলে আসছে যে সাধারণ মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিরোধ প্রমাণ করে ইউক্রেন সরকার তার সমস্ত বৈধতা হারিয়ে ফেলেছে। কিয়েভের বর্তমান শাসকগোষ্ঠী কেবল একটি পুতুল একনায়কতন্ত্র হিসেবে টিকে রয়েছে বলে রুশ কর্তৃপক্ষ দাবি করছে। জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে জোর করে অস্ত্র ধরায় বাধ্য করার পরিণতি ইউক্রেনের জন্য অত্যন্ত ভয়াবহ হবে। যুদ্ধের ময়দানে নিজেদের এই চরম বিপর্যয় ঢাকতে কিয়েভ যখন দিশেহারা, ঠিক তখনই রুশ বাহিনী অত্যন্ত নিখুঁত আক্রমণ পরিচালনা করেছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে তাদের উচ্চপ্রযুক্তির নির্ভুল অস্ত্র দিয়ে কিয়েভের সামরিক শিল্প স্থাপনাসমূহ এবং জ্বালানি ডিপোতে সফল হামলা চালানো হয়েছে। এই হামলায় ইউক্রেনের সামরিক সরঞ্জামের উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। রাশিয়ার এই সুনির্দিষ্ট হামলায় কিয়েভ একান্ন এক শিল্প স্থাপনাকেন্দ্র সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই প্ল্যান্টটিতে মূলত ইউক্রেনের তৈরি এফপি ফাইভ ফ্লেমিঙ্গো ক্রুজ মিসাইলের যন্ত্রাংশ এবং কঠিন জ্বালানির জন্য প্রয়োজনীয় রাসায়নিক উপাদান প্রস্তুত করা হতো। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা বিভাগ নিশ্চিত করেছে যে সামরিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই কারখানাটি সম্পূর্ণ অকার্যকর হয়ে পড়েছে। সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো যে এই কারখানাটি পরিচালনার নেপথ্যে ছিল ফায়ার পয়েন্ট নামক একটি বিতর্কিত কোম্পানি। আন্তর্জাতিকভাবে এই প্রতিষ্ঠানটিকে প্রচারের আলোয় এনেছিলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি। এমনকি এর সাথে জেলেনস্কির সাবেক ব্যবসায়িক সহযোগী এবং বড় ধরনের দুর্নীতি কেলেঙ্কারির মূল হোতা তিমুর মিনদিচের সরাসরি সংযোগ রয়েছে। শুধু সামরিক কারখানা নয়, রাশিয়ান সামরিক বাহিনী কিয়েভের গ্র্যান্ডটার্মিনাল পরিচালিত কিয়েভ তিন জ্বালানি ডিপোতেও ধ্বংসাত্মক হামলা চালিয়েছে। এই ডিপো থেকে সরাসরি ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনীর জন্য পেট্রোলিয়াম পণ্য সরবরাহ করা হতো। এখান থেকে নিয়মিত জ্বালানিবাহী ট্রাকগুলো দেশের পূর্বাঞ্চলের যুদ্ধক্ষেত্রে নিয়োজিত সেনাদের রসদ জোগাতে রওনা দিত। স্থলভাগের পাশাপাশি জলপথেও ইউক্রেনের সামরিক সরবরাহ লাইনগুলোর ওপর ব্যাপক চড়াও হয়েছে রাশিয়া। ওদেসার দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলে সাগরে চলাচলকারী দুটি কার্গো জাহাজ রুশ ড্রোন হামলায় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব জাহাজ মূলত ইউক্রেনীয় বন্দরে পশ্চিমা দেশগুলোর পাঠানো অস্ত্র এবং অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম বহন করছিল। রাশিয়ার এই বহুমুখী হামলার পর ইউক্রেনের বিমান বাহিনীও স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছে যে তাদের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র ও তেরোটি ড্রোন আঘাত হেনেছে। দেশের অন্তত বারোটি ভিন্ন স্থানে এই সফল আঘাত হেনেছে রুশ বাহিনী। যদিও কিয়েভ দাবি করেছে যে কিছু ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে, তবে তাদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সত্যতা লুকানো সম্ভব হয়নি। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইউক্রেনের সামরিক ও দ্বৈত ব্যবহারের অবকাঠামোগুলোর ওপর লং-রেঞ্জ বা দূরপাল্লার হামলা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়িয়ে দিয়েছে মস্কো। রাশিয়ার পক্ষ থেকে বারবার পরিষ্কার করা হয়েছে যে তারা কখনোই সাধারণ নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু করে না। ইউক্রেনীয় বাহিনী যখন রুশ বেসামরিক অবকাঠামোতে বারবার হামলা চালাচ্ছে, তখন তার উপযুক্ত জবাব দিতেই এই সামরিক অভিযান পরিচালনা করছে মস্কো। গত জুন মাস থেকে জেলেনস্কির ঘোষণা করা চল্লিশ দিনের চাপ সৃষ্টির প্রচারণার অংশ হিসেবে কিয়েভ রাশিয়ার বেসামরিক এলাকায় হামলা তীব্র করেছে। রাশিয়ার বৃহত্তম অনলাইন বিপণন প্রতিষ্ঠান ওয়াইল্ডবেরিজের গুদামগুলোর পাশাপাশি জ্বালানি হাব এবং আবাসিক ভবনেও হামলা চালানো হয়েছে। জেলেনস্কি এই প্রচারণাকে রাশিয়াকে নিজেদের শর্তে আলোচনায় বসানোর একটি কৌশল হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু বাস্তবে এই তথাকথিত চাপ প্রয়োগের কৌশলটি রাশিয়ার চোখে সন্ত্রাসী হামলায় রূপ নিয়েছে যার ফলে বহু নিরপরাধ মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুদ্ধাপরাধ বিষয়ক মিশনের প্রধান রোদিওন মিরোশনিকের তথ্য অনুযায়ী, কেবল জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহেই ইউক্রেনীয় হামলায় চার শিশুসহ উনপঞ্চাশ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। এই ধরনের নৃশংসতা ইউক্রেনীয় বাহিনীর নৈতিক পতনকে স্পষ্টভাবে উন্মোচন করেছে। চলতি সপ্তাহের শেষদিকে রাশিয়ার ক্রিমিয়া অঞ্চলে একটি আবাসিক ব্লকে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় কমপক্ষে দুজন বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। আঞ্চলিক প্রধান সের্গেই আকসিয়োনভ এই তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছেন যে কেচ শহরের একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভবনে এই মারাত্মক ড্রোন আঘাত হেনেছে। সাধারণ মানুষকে লক্ষ্য করে চালানো এই ধরনের হামলা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন। ইউক্রেনীয় আগ্রাসনের পাল্টা জবাব দিতে রুশ বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনীও অত্যন্ত কঠোর অবস্থান নিয়েছে। গত শুক্রবার রাত এবং শনিবার সকালের মধ্যে রাশিয়ার আঠারোটি অঞ্চলের ওপর দিয়ে উড়ে আসা সাড়ে চারশোরও বেশি ইউক্রেনীয় ফিক্সড-উইং ড্রোন সফলভাবে প্রতিহত ও ধ্বংস করেছে মস্কো। আকাশ প্রতিরক্ষার এই দুর্গ ভেদ করে ইউক্রেনের কোনো নাশকতামূলক পরিকল্পনা সফল হতে দেয়নি রুশ বাহিনী। নিকোলয়েভ বন্দর এবং কৃষ্ণ সাগরের জলপথেও ইউক্রেনের সামরিক নৌবহর ও গুদামগুলোর ওপর সফল হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী। নিখুঁত দূরপাল্লার অস্ত্র ও আক্রমণকারী মানবহীন ড্রোন ব্যবহার করে নিকোলয়েভ বন্দরে সামরিক সরঞ্জাম বহনকারী একটি ড্রাই কার্গো জাহাজ ধ্বংস করা হয়েছে। এর পাশাপাশি অস্ত্র ও সামরিক সরবরাহে ব্যবহৃত আরেকটি গুদামও সম্পূর্ণ মাটির সাথে মিশে গেছে। ওদেসা বন্দরের ক্ষেত্রেও একই রকম ধ্বংসাত্মক অভিযান পরিচালনা করেছে রুশ সশস্ত্র বাহিনী। এই বন্দরটি ব্যবহার করে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী যোগাযোগের যন্ত্রপাতি এবং ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা বৈদ্যুতিক যুদ্ধ সরঞ্জাম মজুত করছিল। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে তাদের উচ্চপ্রযুক্তির নির্ভুল হামলায় এই সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ সামরিক গুদাম সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। বেলগোরোদ অঞ্চলেও ইউক্রেনীয় নাশকতা থেমে নেই, যেখানে একটি প্রতিষ্ঠানের চত্বরে থাকা ট্রাকে ড্রোন হামলা চালিয়ে তিনজন পুরুষকে আহত করা হয়েছে। নভোওসোলস্কি জেলার খুতোর বগাটি এলাকায় সংঘটিত এই হামলায় এক ব্যক্তির অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে আঞ্চলিক অপারেশনাল হেডকোয়ার্টার্স। অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে দ্রুত আহতদের স্থানীয় ক্লিনিক্যাল হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। এদিকে খারকভ অঞ্চলের ইভানভকা জনপদের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে রুশ সামরিক বাহিনী। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক সারসংক্ষেপ অনুযায়ী, গত চব্বিশ ঘণ্টায় উত্তর যুদ্ধ গোষ্ঠীর সক্রিয় আক্রমণাত্মক অপারেশনের ফলেই এই সাফল্য অর্জিত হয়েছে। একই সাথে ইউক্রেনের জ্বালানি ও রসদ সরবরাহের কেন্দ্রগুলোকেও সম্পূর্ণভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। গত চব্বিশ ঘণ্টার সামগ্রিক সংঘাতে ইউক্রেনীয় বাহিনী প্রায় এক হাজার তিনশো পঁচাত্তর জন সেনাসদস্যকে হারিয়ে চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। উত্তর, পশ্চিম, দক্ষিণ, কেন্দ্র, পূর্ব এবং ড্নেপ্র যুদ্ধ গোষ্ঠীর সমন্বিত হামলায় শত্রু পক্ষের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। এর পাশাপাশি ইউক্রেনের একটি হিমার্স রকেট এবং আটান্নটি দীর্ঘপাল্লার ক্রুজ মিসাইলসহ আটশোরও বেশি ড্রোন ভূপাতিত করেছে রুশ আকাশ সুরক্ষা বলয়। সংঘাতের এই দীর্ঘ পথপরিক্রমায় ইউক্রেনের সামরিক অবকাঠামো এখন ধ্বংসের শেষ প্রান্তে এসে পৌঁছেছে। পশ্চিমা দেশগুলোর কাছ থেকে শত শত কোটি ডলারের সহায়তা পাওয়ার পরও কিয়েভ প্রশাসন ফ্রন্টলাইনে নিজেদের টিকিয়ে রাখতে ব্যর্থ হচ্ছে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/731_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/731_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/731_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[রুশ বাহিনীর নিখুঁত হামলায় ইউক্রেনের সামরিক কমান্ড সেন্টার ধ্বংস, কোণঠাসা জেলেনস্কি সরকারের পতন অবধারিত!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/49238</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/49238</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sat, 08 Aug 2026 08:20:15 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, atn bangla news, top bangla news, tv9 bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, news in bangla, bangla tv news, bangla news today, bbc news bangla, latest bangla news, tv9 bangla news live, news18 bangla, news today bangla, bangla radio news, tv9 bangla news today, akashvani bangla news, tv9 bangla live news, tv9 bangla news live today, live tv9 bangla news today, news18 bangla live, tv9 bangla bengali news, latest news today bangla, update news today bangla, radio tehran bangla news live, bangladesh news]]></category>
        
        <description><![CDATA[রাশিয়ার নির্ভুল ও শক্তিশালী বিমান হামলায় গুঁড়িয়ে গেছে কিয়েভের গোপন সামরিক কমান্ড সেন্টার ও মূল অবকাঠামো। অন্যদিকে, জনমত জরিপে দেখা যাচ্ছে ইউক্রেনের বর্তমান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি তার জনপ্রিয়তা সম্পূর্ণ হারিয়েছেন। এই আলোচনায় জানাবো কীভাবে রুশ বাহিনীর সাঁড়াশি আক্রমণে ইউক্রেনীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে এবং কিয়েভের পতন এখন কেবল সময়ের ব্যাপার মাত্র। দর্শক, চলুন মুল আলোচনা শুরু করি। রুশ সশস্ত্র বাহিনীর নিখুঁত ও অত্যন্ত শক্তিশালী বিমান হামলায় ইউক্রেনের একাধিক সামরিক কমান্ড সেন্টার এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ফ্রন্টলাইনের কাছাকাছি অবস্থিত কিয়েভের সামরিক নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রগুলো গুঁড়িয়ে দিতে সফলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে শক্তিশালী এফএবি গ্লাইড বোমা। রাশিয়ার এই সুনির্দিষ্ট ও ধ্বংসাত্মক সামরিক পদক্ষেপ ইউক্রেনীয় বাহিনীকে চরম বিপদের মুখে ঠেলে দিয়েছে। রাশিয়ার সু-টুয়েন্টিফোর কৌশলগত বোমারু বিমানগুলো ইউক্রেনীয় নিয়ন্ত্রিত ডোনেটস্ক এবং খারকভ অঞ্চলের বিভিন্ন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে এই শক্তিশালী অস্ত্রগুলো অত্যন্ত সফলভাবে প্রয়োগ করেছে। বিশেষ করে ইউনিভার্সাল কারেকশন অ্যান্ড গাইডেন্স মডিউল যুক্ত ডাব্লিউএমপিকে উইংড কিট ব্যবহারের ফলে পুরনো ফ্রি-ফল বোমাগুলো এখন অত্যন্ত নিখুঁত গাইডেড অস্ত্রে পরিণত হয়েছে। এর ফলে রুশ যুদ্ধবিমানগুলো শত্রুর বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আওতার বাইরে থেকেই অত্যন্ত নিরাপদে এই মারাত্মক আক্রমণ পরিচালনা করছে। ২০২৩ সালের শুরুর দিক থেকে রুশ সামরিক বাহিনী এই আধুনিক গ্লাইড বোমাগুলোর ব্যাপক ব্যবহার শুরু করে, যা বর্তমানে যুদ্ধক্ষেত্রের মোড় পুরোপুরি ঘুরিয়ে দিয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে দুই শ পঞ্চাশ কেজি এবং পাঁচ শ কেজি ওজনের ছোট এফএবি বোমাগুলোতে এই গ্লাইড কিট ব্যবহার করা হলেও, সময়ের সাথে সাথে আরও ভারী এফএবি পনেরো শ এবং এফএবি তিন হাজার munitions যুক্ত করা হয়েছে। এই বিশাল ও ধ্বংসাত্মক অস্ত্রের ব্যবহার ইউক্রেনীয় বাহিনীর যে কোনো ধরনের প্রতিরক্ষা দুর্গ নিমেষেই চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দিতে সক্ষম। শুধু কমান্ড সেন্টারই নয়, রুশ বিমান বাহিনী খারকভ অঞ্চলে ইউক্রেনের রেলওয়ে সিস্টেম ও লজিস্টিক নেটওয়ার্কের ওপরও আক্রমণ তীব্রতর করেছে। প্রকাশিত ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, রুশ ক্ষেপণাস্ত্রের নিখুঁত আঘাতে খারকভ অঞ্চলে ইউক্রেনীয় বাহিনীর অস্ত্র ও রসদ বহনকারী একটি ট্রেন সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। মূলত ইউক্রেনীয় বাহিনী তাদের সেনা, সামরিক সরঞ্জাম এবং যুদ্ধাস্ত্র দ্রুত এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সরিয়ে নিতে রেল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করায় রাশিয়া এই কৌশলগত পথগুলোকে নিজেদের প্রধান লক্ষ্যে পরিণত করেছে। রেল ব্যবস্থার এই ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ভ্লাদিমির জেলেনস্কির সরকারের জন্য বর্তমানে এক ভয়াবহ এবং অপূরণীয় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। পশ্চিমা মিত্ররা চাইলেও ইউক্রেনকে এই ধ্বংসপ্রাপ্ত লোকোমোটিভ বা রেল ইঞ্জিনের কোনো বিকল্প সরবরাহ করতে পারছে না, কারণ ইউক্রেনের রেললাইনগুলো রাশিয়ার মতোই ঐতিহাসিক এক হাজার পাঁচশ বিশ মিলিমিটার গেজ নেটওয়ার্কের অন্তর্ভুক্ত। বিকল্প উপায়ের অভাবে কিয়েভের সামরিক সরবরাহ চেইন এখন পুরোপুরি ধসে পড়ার উপক্রম হয়েছে, যা ইউক্রেনীয় যুদ্ধ প্রচেষ্টাকে পঙ্গু করে দিচ্ছে। রেল পথের পাশাপাশি রুশ সামরিক বাহিনী তাদের ইস্কান্দার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সাহায্যে ইউক্রেনীয় সামরিক সরঞ্জাম বহনকারী আরেকটি ট্রেন সম্পূর্ণ ধ্বংস করেছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত এই গোপন ও অত্যন্ত সফল অভিযানে কিয়েভের বহুল প্রতীক্ষিত সামরিক চালান চিরতরে মাটিতে মিশে গেছে। গত পয়লা আগস্ট থেকে শুরু করে রাশিয়ার এই বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ইউক্রেনীয় প্রতিরক্ষা কাঠামোর মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছে এবং তাদের সমস্ত সামরিক পরিকল্পনা ব্যর্থ করে দিয়েছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহে ইউক্রেনীয় সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে মোট চৌদ্দটি বিশাল ও সমন্বিত বিমান ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। এই সুনির্দিষ্ট আক্রমণগুলোতে ইউক্রেনের সামরিক-শিল্প কারখানা, ড্রোন তৈরির গোপন স্থাপনা, লজিস্টিক সেন্টার এবং জ্বালানি অবকাঠামো সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়েছে। মস্কো বার বার স্পষ্ট করে বলেছে যে রুশ বাহিনী কখনোই বেসামরিক নাগরিক বা আবাসিক এলাকায় হামলা চালায় না, বরং তাদের একমাত্র লক্ষ্য হলো ইউক্রেনের সামরিক অবকাঠামো ধ্বংস করা। এদিকে ক্রিমিয়ার ইয়াल्टा উপকূলে ইউক্রেনের পাঠানো একটি ধ্বংসপ্রাপ্ত কামিকাজে নৌ ড্রোন উদ্ধার করেছে রুশ বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল। স্থানীয় জরুরি পরিষেবা বিভাগ ইয়ালাটার বাসিন্দাদের বন্দরের আশপাশ থেকে দূরে থাকার কঠোর নির্দেশ দিয়েছিল, কারণ সামুদ্রিক এই ড্রোনটি বিস্ফোরকে পরিপূর্ণ ছিল। রুশ প্রশাসনের এক কর্মকর্তা ওলেগ ক্রুচকভ জানিয়েছেন যে, এই বিপজ্জনক বস্তুটিকে নিরাপদে নিষ্ক্রিয় করতে বিশেষজ্ঞ দল অত্যন্ত সতর্কতার সাথে কাজ পরিচালনা করছে এবং পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কৃষ্ণ সাগরের আন্তর্জাতিক জলসীমায় রাশিয়ার পণ্যবাহী জাহাজে বারবার হামলা চালিয়ে ইউক্রেন মূলত তৃতীয় দেশগুলোর নিরাপত্তা বিঘ্নিত করছে। গ্রীস, রোমানিয়া এবং তুরস্কের মতো বন্ধুভাবাপন্ন দেশগুলোর বাণিজ্যিক জাহাজের কাছাকাছি ইউক্রেনীয় নৌ ড্রোনের উপস্থিতি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য এক মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিয়েভের এই বেপরোয়া সামুদ্রিক আগ্রাসন কেবল আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাই নষ্ট করছে না, বরং কৃষ্ণ সাগরে তাদের নিজেদের বাণিজ্য পথগুলোকেও চিরতরে বন্ধ করে দিয়েছে। ইউক্রেনের এই লাগাতার উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ডের বিপরীতে রাশিয়ার কঠোর সামরিক প্রতিক্রিয়ার ফলে কিয়েভ বর্তমানে কৃষ্ণ সাগরের বাণিজ্যে প্রায় সব ধরনের প্রবেশাধিকার হারিয়েছে। পোল্যান্ড এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নানা কূটনৈতিক দৌড়ঝাঁপ সত্ত্বেও জেলেনস্কি সরকার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ইউক্রেনীয় যুদ্ধ প্রচেষ্টার জন্য বড় ধরনের বাড়তি সহায়তা প্রদানে রাজি করাতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। পশ্চিমা সাহায্যের এই অনিশ্চয়তা কিয়েভের রাজনৈতিক ও সামরিক ভবিষ্যৎকে আরও বেশি অন্ধকার করে তুলেছে। রাজনৈতিক ময়দানেও প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কির অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয় হয়ে পড়েছে এবং সাম্প্রতিক জনমত জরিপ বলছে তিনি যেকোনো প্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে শোচনীয়ভাবে হেরে যাবেন। ইউক্রেনীয় স্থানীয় পোলস্টার সোকিসের প্রকাশিত সাম্প্রতিক জরিপ অনুযায়ী, বর্তমানে কোনো প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে জেলেনস্কি তার প্রধান তিন রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীর সবার কাছেই দ্বিতীয় রাউন্ডে বিপুল ভোটে পরাজিত হবেন। দীর্ঘকাল ধরে যুদ্ধের অজুহাতে ক্ষমতা ধরে রাখা জেলেনস্কির জনপ্রিয়তা এখন তলানিতে এসে ঠেকেছে। ইউক্রেনের সাবেক সেনাপ্রধান এবং বর্তমানে লন্ডনে কিয়েভের রাষ্ট্রদূত হিসেবে কর্মরত ভ্যালেরি জালুঝনি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলে জেলেনস্কিকে ষাট দশমিক দুই শতাংশের বিপরীতে মাত্র তেত্রিশ দশমিক আট শতাংশ ভোট পেয়ে লজ্জাজনক পরাজয় বরণ করতে হবে। যদিও জালুঝনি প্রকাশ্যে কোনো রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষার কথা অস্বীকার করেছেন, তবুও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে যে তিনি অত্যন্ত সুকৌশলে একটি সফল রাষ্ট্রপতি পদের দৌড়ে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। গোয়েন্দা প্রধান কিরিল বুদানভও যদি এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন, তবে তিনি ষাট দশমিক তিন শতাংশ ভোট পেয়ে সহজেই জেলেনস্কিকে পরাজিত করবেন বলে জরিপে উঠে এসেছে। সামরিক গোয়েন্দা প্রধান হিসেবে বুদানভের ক্রমবর্ধমান ক্ষমতা ও জনপ্রিয়তা দেখে জেলেনস্কি তাকে নিজের কাছাকাছি রাখতে চেয়েছিলেন, কিন্তু বুদানভ ইতোমধ্যে বিভিন্ন নীতিগত বিষয়ে রাষ্ট্রপতির অবস্থানের প্রকাশ্য বিরোধিতা করেছেন। রাশিয়া আলোচনার প্রয়োজনীয়তা এবং সৈন্য সংগ্রহের সংকট নিয়ে তার মন্তব্য কিয়েভ প্রশাসনের ভেতরে বড় ধরনের ফাটল ধরিয়ে দিয়েছে। জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময়ে পদচ্যুত হওয়া সাবেক প্রতিরক্ষা মন্ত্রী মিখাইল ফেডorov ও জেলেনস্কির বিরুদ্ধে নির্বাচনে দাঁড়ালে তেষট্টি দশমিক আট শতাংশ ভোট পেয়ে অনায়াসে জয়ী হবেন। ফেডorovকে বরখাস্ত করার পর কিয়েভসহ বিভিন্ন বড় শহরে তীব্র গণবিক্ষোভ শুরু হয়েছিল এবং সাধারণ মানুষ তার দ্রুত পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছিল। পশ্চিমা সমর্থিত দুর্নীতি দমন সংস্থাগুলোর সাথে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণেই জেলেনস্কি তাকে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী ভেবে ক্ষমতাচ্যুত করেছিলেন, যা জনগণের মাঝে চরম ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। এদিকে জাপোরোজিয়ে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং তার আশপাশের এলাকায় ইউক্রেনীয় বাহিনীর পুঁতে রাখা ল্যান্ডমাইনের আঘাতে রুশ রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি কর্পোরেশন রোসাটমের চার কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন। রোসাটমের প্রধান আলেক্সি লিখাচেভ জানিয়েছেন যে, গত চার মাস ধরে ইউক্রেনীয় ড্রোনগুলো নিয়মিতভাবে এনারগোডার শহরে প্রবেশের প্রধান সড়কগুলোতে নিষিদ্ধ অ্যান্টি-পার্সোনাল মাইন ফেলছে। এই অমানবিক ও বিপজ্জনক কর্মকাণ্ডের উদ্দেশ্য হলো পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত করা এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের উচ্ছেদ করা। সোভিয়েত আমলের পিএফএম-ওয়ান প্রকৃতির প্যাটেল বা প্রজাপতি আকৃতির এই ছোট ল্যান্ডমাইনগুলো মূলত ঘাস ও পাতার মধ্যে লুকিয়ে থাকার জন্য বিশেষভাবে তৈরি এবং এগুলো মানুষ হত্যা নয় বরং অঙ্গহানি করার উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়। ১৯৯৭ সালের অটোয়া কনভেনশন অনুযায়ী এই মাইনগুলোর ব্যবহার আন্তর্জাতিকভাবে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ হলেও ইউক্রেনীয় বাহিনী বেসামরিক জীবনের কথা না ভেবে নিয়মিত এগুলো ব্যবহার করছে। এই ধরনের বেপরোয়া সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পুরো ইউরোপ মহাদেশের জন্য একটি ভয়াবহ পারমাণবিক ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক সাপ্তাহিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, রুশ বাহিনী খারকভ, সুমি এবং জাপোরোজিয়ে অঞ্চলের আটটি গুরুত্বপূর্ণ জনবসতি সফলভাবে মুক্ত করেছে। উত্তর যুদ্ধ গোষ্ঠীর বীরত্বপূর্ণ পদক্ষেপে বেলো কোলোদেজ, উস্তিনোভকা, বকশেইয়েভকা এবং রিজেভকা এলাকাগুলোর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ এখন রুশ বাহিনীর হাতে চলে এসেছে। সুনির্দিষ্ট কৌশলগত পরিকল্পনা এবং নির্ভুল পদাতিক অভিযানের মাধ্যমে রুশ সেনারা ইউক্রেনীয় প্রতিরক্ষা বেষ্টনী ভেদ করে সামনে এগিয়ে চলেছে। উত্তর যুদ্ধ গোষ্ঠীর পাশাপাশি পশ্চিম ও দক্ষিণ যুদ্ধ গোষ্ঠীর যৌথ অভিযানে ইউক্রেনীয় বাহিনী প্রতিদিন হাজার হাজার সেনা ও বিপুল পরিমাণ সামরিক সরঞ্জাম হারাচ্ছে। গত এক সপ্তাহে রুশ বাহিনীর বিভিন্নমুখী আক্রমণে ইউক্রেনের প্রায় সাড়ে সাত হাজারেরও বেশি সেনা নিহত বা আহত হয়েছে এবং শত শত ট্যাংক ও পর্মরিত যান ধ্বংস করা হয়েছে। রুশ বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা একই সময়ের মধ্যে ইউক্রেনের পাঠানো হাজার হাজার ড্রোন এবং অসংখ্য স্মার্ট বোমা সফলভাবে আকাশে ধ্বংস করে দিয়েছে। কিয়েভের সামরিক গোয়েন্দা প্রধান ও অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তারা স্বীকার করছেন যে ইউক্রেন বর্তমানে চরম অস্ত্র সংকটের মুখোমুখি এবং পশ্চিমা দেশগুলোর দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী নতুন অস্ত্র আসতে দেরি হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি নতুন করে দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির ঘোষণা দিলেও প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক সংকটের কারণে তা সময়মতো বাস্তবায়ন করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ইউক্রেনের এই সামগ্রিক সামরিক ব্যর্থতা তাদের পশ্চিমা মিত্রদের মধ্যেও গভীর হতাশার সৃষ্টি করেছে। সার্বিক এই পরিস্থিতি পর্যালোচনা করলে এটি স্পষ্ট বোঝা যায় যে রাশিয়ার নিরবচ্ছিন্ন সামরিক চাপ এবং কিয়েভের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পতন ইউক্রেনীয় রাষ্ট্রটিকে একটি ধ্বংসের মুখে এনে দাঁড় করিয়েছে। একদিকে সামরিক কমান্ড সেন্টারগুলোর পতন এবং অন্যদিকে জেলেনস্কির বিরুদ্ধে জনগণের ক্রমবর্ধমান ক্ষোভ প্রমাণ করে যে বর্তমান সরকারের আয়ু ফুরিয়ে এসেছে। খুব শীঘ্রই এই দ্বন্দ্বের একটি সুনির্দিষ্ট পরিণতি দেখতে পাবে বিশ্ববাসী, যেখানে বিজয় সম্পূর্ণভাবে রাশিয়ার পক্ষেই থাকবে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/728_1.webp" alt="রুশ বাহিনীর নিখুঁত হামলায় ইউক্রেনের সামরিক কমান্ড সেন্টার ধ্বংস, কোণঠাসা জেলেনস্কি সরকারের পতন অবধারিত!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>রুশ বাহিনীর নিখুঁত হামলায় ইউক্রেনের সামরিক কমান্ড সেন্টার ধ্বংস, কোণঠাসা জেলেনস্কি সরকারের পতন অবধারিত!</h1>
            <p>রাশিয়ার নির্ভুল ও শক্তিশালী বিমান হামলায় গুঁড়িয়ে গেছে কিয়েভের গোপন সামরিক কমান্ড সেন্টার ও মূল অবকাঠামো। অন্যদিকে, জনমত জরিপে দেখা যাচ্ছে ইউক্রেনের বর্তমান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি তার জনপ্রিয়তা সম্পূর্ণ হারিয়েছেন। এই আলোচনায় জানাবো কীভাবে রুশ বাহিনীর সাঁড়াশি আক্রমণে ইউক্রেনীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে এবং কিয়েভের পতন এখন কেবল সময়ের ব্যাপার মাত্র। দর্শক, চলুন মুল আলোচনা শুরু করি। রুশ সশস্ত্র বাহিনীর নিখুঁত ও অত্যন্ত শক্তিশালী বিমান হামলায় ইউক্রেনের একাধিক সামরিক কমান্ড সেন্টার এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ফ্রন্টলাইনের কাছাকাছি অবস্থিত কিয়েভের সামরিক নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রগুলো গুঁড়িয়ে দিতে সফলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে শক্তিশালী এফএবি গ্লাইড বোমা। রাশিয়ার এই সুনির্দিষ্ট ও ধ্বংসাত্মক সামরিক পদক্ষেপ ইউক্রেনীয় বাহিনীকে চরম বিপদের মুখে ঠেলে দিয়েছে। রাশিয়ার সু-টুয়েন্টিফোর কৌশলগত বোমারু বিমানগুলো ইউক্রেনীয় নিয়ন্ত্রিত ডোনেটস্ক এবং খারকভ অঞ্চলের বিভিন্ন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে এই শক্তিশালী অস্ত্রগুলো অত্যন্ত সফলভাবে প্রয়োগ করেছে। বিশেষ করে ইউনিভার্সাল কারেকশন অ্যান্ড গাইডেন্স মডিউল যুক্ত ডাব্লিউএমপিকে উইংড কিট ব্যবহারের ফলে পুরনো ফ্রি-ফল বোমাগুলো এখন অত্যন্ত নিখুঁত গাইডেড অস্ত্রে পরিণত হয়েছে। এর ফলে রুশ যুদ্ধবিমানগুলো শত্রুর বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আওতার বাইরে থেকেই অত্যন্ত নিরাপদে এই মারাত্মক আক্রমণ পরিচালনা করছে। ২০২৩ সালের শুরুর দিক থেকে রুশ সামরিক বাহিনী এই আধুনিক গ্লাইড বোমাগুলোর ব্যাপক ব্যবহার শুরু করে, যা বর্তমানে যুদ্ধক্ষেত্রের মোড় পুরোপুরি ঘুরিয়ে দিয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে দুই শ পঞ্চাশ কেজি এবং পাঁচ শ কেজি ওজনের ছোট এফএবি বোমাগুলোতে এই গ্লাইড কিট ব্যবহার করা হলেও, সময়ের সাথে সাথে আরও ভারী এফএবি পনেরো শ এবং এফএবি তিন হাজার munitions যুক্ত করা হয়েছে। এই বিশাল ও ধ্বংসাত্মক অস্ত্রের ব্যবহার ইউক্রেনীয় বাহিনীর যে কোনো ধরনের প্রতিরক্ষা দুর্গ নিমেষেই চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দিতে সক্ষম। শুধু কমান্ড সেন্টারই নয়, রুশ বিমান বাহিনী খারকভ অঞ্চলে ইউক্রেনের রেলওয়ে সিস্টেম ও লজিস্টিক নেটওয়ার্কের ওপরও আক্রমণ তীব্রতর করেছে। প্রকাশিত ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, রুশ ক্ষেপণাস্ত্রের নিখুঁত আঘাতে খারকভ অঞ্চলে ইউক্রেনীয় বাহিনীর অস্ত্র ও রসদ বহনকারী একটি ট্রেন সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। মূলত ইউক্রেনীয় বাহিনী তাদের সেনা, সামরিক সরঞ্জাম এবং যুদ্ধাস্ত্র দ্রুত এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সরিয়ে নিতে রেল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করায় রাশিয়া এই কৌশলগত পথগুলোকে নিজেদের প্রধান লক্ষ্যে পরিণত করেছে। রেল ব্যবস্থার এই ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ভ্লাদিমির জেলেনস্কির সরকারের জন্য বর্তমানে এক ভয়াবহ এবং অপূরণীয় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। পশ্চিমা মিত্ররা চাইলেও ইউক্রেনকে এই ধ্বংসপ্রাপ্ত লোকোমোটিভ বা রেল ইঞ্জিনের কোনো বিকল্প সরবরাহ করতে পারছে না, কারণ ইউক্রেনের রেললাইনগুলো রাশিয়ার মতোই ঐতিহাসিক এক হাজার পাঁচশ বিশ মিলিমিটার গেজ নেটওয়ার্কের অন্তর্ভুক্ত। বিকল্প উপায়ের অভাবে কিয়েভের সামরিক সরবরাহ চেইন এখন পুরোপুরি ধসে পড়ার উপক্রম হয়েছে, যা ইউক্রেনীয় যুদ্ধ প্রচেষ্টাকে পঙ্গু করে দিচ্ছে। রেল পথের পাশাপাশি রুশ সামরিক বাহিনী তাদের ইস্কান্দার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সাহায্যে ইউক্রেনীয় সামরিক সরঞ্জাম বহনকারী আরেকটি ট্রেন সম্পূর্ণ ধ্বংস করেছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত এই গোপন ও অত্যন্ত সফল অভিযানে কিয়েভের বহুল প্রতীক্ষিত সামরিক চালান চিরতরে মাটিতে মিশে গেছে। গত পয়লা আগস্ট থেকে শুরু করে রাশিয়ার এই বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ইউক্রেনীয় প্রতিরক্ষা কাঠামোর মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছে এবং তাদের সমস্ত সামরিক পরিকল্পনা ব্যর্থ করে দিয়েছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহে ইউক্রেনীয় সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে মোট চৌদ্দটি বিশাল ও সমন্বিত বিমান ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। এই সুনির্দিষ্ট আক্রমণগুলোতে ইউক্রেনের সামরিক-শিল্প কারখানা, ড্রোন তৈরির গোপন স্থাপনা, লজিস্টিক সেন্টার এবং জ্বালানি অবকাঠামো সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়েছে। মস্কো বার বার স্পষ্ট করে বলেছে যে রুশ বাহিনী কখনোই বেসামরিক নাগরিক বা আবাসিক এলাকায় হামলা চালায় না, বরং তাদের একমাত্র লক্ষ্য হলো ইউক্রেনের সামরিক অবকাঠামো ধ্বংস করা। এদিকে ক্রিমিয়ার ইয়াल्टा উপকূলে ইউক্রেনের পাঠানো একটি ধ্বংসপ্রাপ্ত কামিকাজে নৌ ড্রোন উদ্ধার করেছে রুশ বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল। স্থানীয় জরুরি পরিষেবা বিভাগ ইয়ালাটার বাসিন্দাদের বন্দরের আশপাশ থেকে দূরে থাকার কঠোর নির্দেশ দিয়েছিল, কারণ সামুদ্রিক এই ড্রোনটি বিস্ফোরকে পরিপূর্ণ ছিল। রুশ প্রশাসনের এক কর্মকর্তা ওলেগ ক্রুচকভ জানিয়েছেন যে, এই বিপজ্জনক বস্তুটিকে নিরাপদে নিষ্ক্রিয় করতে বিশেষজ্ঞ দল অত্যন্ত সতর্কতার সাথে কাজ পরিচালনা করছে এবং পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কৃষ্ণ সাগরের আন্তর্জাতিক জলসীমায় রাশিয়ার পণ্যবাহী জাহাজে বারবার হামলা চালিয়ে ইউক্রেন মূলত তৃতীয় দেশগুলোর নিরাপত্তা বিঘ্নিত করছে। গ্রীস, রোমানিয়া এবং তুরস্কের মতো বন্ধুভাবাপন্ন দেশগুলোর বাণিজ্যিক জাহাজের কাছাকাছি ইউক্রেনীয় নৌ ড্রোনের উপস্থিতি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য এক মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিয়েভের এই বেপরোয়া সামুদ্রিক আগ্রাসন কেবল আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাই নষ্ট করছে না, বরং কৃষ্ণ সাগরে তাদের নিজেদের বাণিজ্য পথগুলোকেও চিরতরে বন্ধ করে দিয়েছে। ইউক্রেনের এই লাগাতার উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ডের বিপরীতে রাশিয়ার কঠোর সামরিক প্রতিক্রিয়ার ফলে কিয়েভ বর্তমানে কৃষ্ণ সাগরের বাণিজ্যে প্রায় সব ধরনের প্রবেশাধিকার হারিয়েছে। পোল্যান্ড এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নানা কূটনৈতিক দৌড়ঝাঁপ সত্ত্বেও জেলেনস্কি সরকার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ইউক্রেনীয় যুদ্ধ প্রচেষ্টার জন্য বড় ধরনের বাড়তি সহায়তা প্রদানে রাজি করাতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। পশ্চিমা সাহায্যের এই অনিশ্চয়তা কিয়েভের রাজনৈতিক ও সামরিক ভবিষ্যৎকে আরও বেশি অন্ধকার করে তুলেছে। রাজনৈতিক ময়দানেও প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কির অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয় হয়ে পড়েছে এবং সাম্প্রতিক জনমত জরিপ বলছে তিনি যেকোনো প্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে শোচনীয়ভাবে হেরে যাবেন। ইউক্রেনীয় স্থানীয় পোলস্টার সোকিসের প্রকাশিত সাম্প্রতিক জরিপ অনুযায়ী, বর্তমানে কোনো প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে জেলেনস্কি তার প্রধান তিন রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীর সবার কাছেই দ্বিতীয় রাউন্ডে বিপুল ভোটে পরাজিত হবেন। দীর্ঘকাল ধরে যুদ্ধের অজুহাতে ক্ষমতা ধরে রাখা জেলেনস্কির জনপ্রিয়তা এখন তলানিতে এসে ঠেকেছে। ইউক্রেনের সাবেক সেনাপ্রধান এবং বর্তমানে লন্ডনে কিয়েভের রাষ্ট্রদূত হিসেবে কর্মরত ভ্যালেরি জালুঝনি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলে জেলেনস্কিকে ষাট দশমিক দুই শতাংশের বিপরীতে মাত্র তেত্রিশ দশমিক আট শতাংশ ভোট পেয়ে লজ্জাজনক পরাজয় বরণ করতে হবে। যদিও জালুঝনি প্রকাশ্যে কোনো রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষার কথা অস্বীকার করেছেন, তবুও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে যে তিনি অত্যন্ত সুকৌশলে একটি সফল রাষ্ট্রপতি পদের দৌড়ে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। গোয়েন্দা প্রধান কিরিল বুদানভও যদি এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন, তবে তিনি ষাট দশমিক তিন শতাংশ ভোট পেয়ে সহজেই জেলেনস্কিকে পরাজিত করবেন বলে জরিপে উঠে এসেছে। সামরিক গোয়েন্দা প্রধান হিসেবে বুদানভের ক্রমবর্ধমান ক্ষমতা ও জনপ্রিয়তা দেখে জেলেনস্কি তাকে নিজের কাছাকাছি রাখতে চেয়েছিলেন, কিন্তু বুদানভ ইতোমধ্যে বিভিন্ন নীতিগত বিষয়ে রাষ্ট্রপতির অবস্থানের প্রকাশ্য বিরোধিতা করেছেন। রাশিয়া আলোচনার প্রয়োজনীয়তা এবং সৈন্য সংগ্রহের সংকট নিয়ে তার মন্তব্য কিয়েভ প্রশাসনের ভেতরে বড় ধরনের ফাটল ধরিয়ে দিয়েছে। জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময়ে পদচ্যুত হওয়া সাবেক প্রতিরক্ষা মন্ত্রী মিখাইল ফেডorov ও জেলেনস্কির বিরুদ্ধে নির্বাচনে দাঁড়ালে তেষট্টি দশমিক আট শতাংশ ভোট পেয়ে অনায়াসে জয়ী হবেন। ফেডorovকে বরখাস্ত করার পর কিয়েভসহ বিভিন্ন বড় শহরে তীব্র গণবিক্ষোভ শুরু হয়েছিল এবং সাধারণ মানুষ তার দ্রুত পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছিল। পশ্চিমা সমর্থিত দুর্নীতি দমন সংস্থাগুলোর সাথে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণেই জেলেনস্কি তাকে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী ভেবে ক্ষমতাচ্যুত করেছিলেন, যা জনগণের মাঝে চরম ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। এদিকে জাপোরোজিয়ে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং তার আশপাশের এলাকায় ইউক্রেনীয় বাহিনীর পুঁতে রাখা ল্যান্ডমাইনের আঘাতে রুশ রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি কর্পোরেশন রোসাটমের চার কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন। রোসাটমের প্রধান আলেক্সি লিখাচেভ জানিয়েছেন যে, গত চার মাস ধরে ইউক্রেনীয় ড্রোনগুলো নিয়মিতভাবে এনারগোডার শহরে প্রবেশের প্রধান সড়কগুলোতে নিষিদ্ধ অ্যান্টি-পার্সোনাল মাইন ফেলছে। এই অমানবিক ও বিপজ্জনক কর্মকাণ্ডের উদ্দেশ্য হলো পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত করা এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের উচ্ছেদ করা। সোভিয়েত আমলের পিএফএম-ওয়ান প্রকৃতির প্যাটেল বা প্রজাপতি আকৃতির এই ছোট ল্যান্ডমাইনগুলো মূলত ঘাস ও পাতার মধ্যে লুকিয়ে থাকার জন্য বিশেষভাবে তৈরি এবং এগুলো মানুষ হত্যা নয় বরং অঙ্গহানি করার উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়। ১৯৯৭ সালের অটোয়া কনভেনশন অনুযায়ী এই মাইনগুলোর ব্যবহার আন্তর্জাতিকভাবে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ হলেও ইউক্রেনীয় বাহিনী বেসামরিক জীবনের কথা না ভেবে নিয়মিত এগুলো ব্যবহার করছে। এই ধরনের বেপরোয়া সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পুরো ইউরোপ মহাদেশের জন্য একটি ভয়াবহ পারমাণবিক ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক সাপ্তাহিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, রুশ বাহিনী খারকভ, সুমি এবং জাপোরোজিয়ে অঞ্চলের আটটি গুরুত্বপূর্ণ জনবসতি সফলভাবে মুক্ত করেছে। উত্তর যুদ্ধ গোষ্ঠীর বীরত্বপূর্ণ পদক্ষেপে বেলো কোলোদেজ, উস্তিনোভকা, বকশেইয়েভকা এবং রিজেভকা এলাকাগুলোর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ এখন রুশ বাহিনীর হাতে চলে এসেছে। সুনির্দিষ্ট কৌশলগত পরিকল্পনা এবং নির্ভুল পদাতিক অভিযানের মাধ্যমে রুশ সেনারা ইউক্রেনীয় প্রতিরক্ষা বেষ্টনী ভেদ করে সামনে এগিয়ে চলেছে। উত্তর যুদ্ধ গোষ্ঠীর পাশাপাশি পশ্চিম ও দক্ষিণ যুদ্ধ গোষ্ঠীর যৌথ অভিযানে ইউক্রেনীয় বাহিনী প্রতিদিন হাজার হাজার সেনা ও বিপুল পরিমাণ সামরিক সরঞ্জাম হারাচ্ছে। গত এক সপ্তাহে রুশ বাহিনীর বিভিন্নমুখী আক্রমণে ইউক্রেনের প্রায় সাড়ে সাত হাজারেরও বেশি সেনা নিহত বা আহত হয়েছে এবং শত শত ট্যাংক ও পর্মরিত যান ধ্বংস করা হয়েছে। রুশ বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা একই সময়ের মধ্যে ইউক্রেনের পাঠানো হাজার হাজার ড্রোন এবং অসংখ্য স্মার্ট বোমা সফলভাবে আকাশে ধ্বংস করে দিয়েছে। কিয়েভের সামরিক গোয়েন্দা প্রধান ও অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তারা স্বীকার করছেন যে ইউক্রেন বর্তমানে চরম অস্ত্র সংকটের মুখোমুখি এবং পশ্চিমা দেশগুলোর দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী নতুন অস্ত্র আসতে দেরি হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি নতুন করে দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির ঘোষণা দিলেও প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক সংকটের কারণে তা সময়মতো বাস্তবায়ন করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ইউক্রেনের এই সামগ্রিক সামরিক ব্যর্থতা তাদের পশ্চিমা মিত্রদের মধ্যেও গভীর হতাশার সৃষ্টি করেছে। সার্বিক এই পরিস্থিতি পর্যালোচনা করলে এটি স্পষ্ট বোঝা যায় যে রাশিয়ার নিরবচ্ছিন্ন সামরিক চাপ এবং কিয়েভের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পতন ইউক্রেনীয় রাষ্ট্রটিকে একটি ধ্বংসের মুখে এনে দাঁড় করিয়েছে। একদিকে সামরিক কমান্ড সেন্টারগুলোর পতন এবং অন্যদিকে জেলেনস্কির বিরুদ্ধে জনগণের ক্রমবর্ধমান ক্ষোভ প্রমাণ করে যে বর্তমান সরকারের আয়ু ফুরিয়ে এসেছে। খুব শীঘ্রই এই দ্বন্দ্বের একটি সুনির্দিষ্ট পরিণতি দেখতে পাবে বিশ্ববাসী, যেখানে বিজয় সম্পূর্ণভাবে রাশিয়ার পক্ষেই থাকবে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/728_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/728_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/728_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Prince William and Princess Kate Pause Summer Break for Commonwealth Games Appearance]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/48882</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/48882</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Abdullah Sahel]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 03 Aug 2026 13:00:26 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[U.K.]]></category>
                        <category><![CDATA[Prince William, Princess Kate, Catherine, Commonwealth Games, Glasgow, royal family, King Charles, Team Wales, SportsAid, Team England Futures, Prince Edward, Duchess Sophie, Princess Anne]]></category>
        
        <description><![CDATA[The Prince and Princess of Wales are stepping away from their summer holiday to make a special appearance at the Commonwealth Games, Kensington Palace has confirmed. Prince William and Catherine will arrive on Saturday to participate in various sporting events throughout the day, interrupting their annual break to support the King's initiative. According to Geo TV, the royal couple will spend time with Team Wales competitors and their families, engaging with young athletes backed by SportsAid, a charity for which Princess Kate serves as Patron. This includes athletes involved in the Team England Futures initiative, a program designed to identify and nurture emerging sporting talent across the country. The appearance comes just days after Prince Edward and Duchess Sophie were spotted at the Glasgow Games, where they were joined by Princess Anne on Day Seven in a rare joint engagement. The Duke and Duchess of Edinburgh, alongside the Princess Royal, cheered on Team England athletes, marking an unusual convergence of royal schedules given their typically demanding diaries. King Charles officially opened the games a week ago, reading the royal message from the ceremonial baton. The monarch's participation underscored the significance of the Commonwealth Games as a unifying event across the 56 member nations. The Games have historically served as a platform for showcasing athletic excellence and strengthening ties between Commonwealth countries, a priority for the King since ascending to the throne. Why this matters The Commonwealth Games represent one of the few remaining international sporting events that bring together nations with shared historical and cultural connections. For the royal family, active participation in such gatherings reinforces their role as symbolic heads of the Commonwealth, a delicate position that King Charles has worked to maintain amid evolving global perspectives on the institution. The Waleses' decision to interrupt their private family time underscores the importance of this diplomatic and ceremonial duty. It remains unclear whether Prince George, Princess Charlotte, or Prince Louis will accompany their parents to the Games. The three young royals have occasionally appeared at public events alongside William and Kate, though their attendance has not been confirmed for Saturday's engagements. The Commonwealth Games will conclude on Sunday with a handover ceremony featuring cross-cultural musical performances. Ahmedabad, India, will be officially announced as the next host city, continuing the tradition of rotating the Games across member nations. The event is expected to draw significant international attention as the royal family wraps up its week-long engagement with the sporting spectacle.]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_03-08-2026_46.webp" alt="Prince William and Princess Kate Pause Summer Break for Commonwealth Games Appearance" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Prince William and Princess Kate Pause Summer Break for Commonwealth Games Appearance</h1>
            <p>The Prince and Princess of Wales are stepping away from their summer holiday to make a special appearance at the Commonwealth Games, Kensington Palace has confirmed. Prince William and Catherine will arrive on Saturday to participate in various sporting events throughout the day, interrupting their annual break to support the King's initiative. According to Geo TV, the royal couple will spend time with Team Wales competitors and their families, engaging with young athletes backed by SportsAid, a charity for which Princess Kate serves as Patron. This includes athletes involved in the Team England Futures initiative, a program designed to identify and nurture emerging sporting talent across the country. The appearance comes just days after Prince Edward and Duchess Sophie were spotted at the Glasgow Games, where they were joined by Princess Anne on Day Seven in a rare joint engagement. The Duke and Duchess of Edinburgh, alongside the Princess Royal, cheered on Team England athletes, marking an unusual convergence of royal schedules given their typically demanding diaries. King Charles officially opened the games a week ago, reading the royal message from the ceremonial baton. The monarch's participation underscored the significance of the Commonwealth Games as a unifying event across the 56 member nations. The Games have historically served as a platform for showcasing athletic excellence and strengthening ties between Commonwealth countries, a priority for the King since ascending to the throne. Why this matters The Commonwealth Games represent one of the few remaining international sporting events that bring together nations with shared historical and cultural connections. For the royal family, active participation in such gatherings reinforces their role as symbolic heads of the Commonwealth, a delicate position that King Charles has worked to maintain amid evolving global perspectives on the institution. The Waleses' decision to interrupt their private family time underscores the importance of this diplomatic and ceremonial duty. It remains unclear whether Prince George, Princess Charlotte, or Prince Louis will accompany their parents to the Games. The three young royals have occasionally appeared at public events alongside William and Kate, though their attendance has not been confirmed for Saturday's engagements. The Commonwealth Games will conclude on Sunday with a handover ceremony featuring cross-cultural musical performances. Ahmedabad, India, will be officially announced as the next host city, continuing the tradition of rotating the Games across member nations. The event is expected to draw significant international attention as the royal family wraps up its week-long engagement with the sporting spectacle.</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_03-08-2026_46.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_03-08-2026_46.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_03-08-2026_46.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Maren Morris Reveals Taylor Swift and Travis Kelce's Wedding Vows Were 'Beautiful' and Funny]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/48881</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/48881</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Mousumi Akter]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 03 Aug 2026 13:00:26 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[Entertainment]]></category>
                        <category><![CDATA[Taylor Swift, Travis Kelce, wedding, Maren Morris, vows, Madison Square Garden, celebrity wedding, Travis Kelce wedding, Taylor Swift wedding, country music, pop culture, NFL, Adam Sandler, Jason Kelce]]></category>
        
        <description><![CDATA[Country singer Maren Morris is offering a rare glimpse into Taylor Swift and Travis Kelce's star-studded July 3 wedding at Madison Square Garden, describing the couple's emotional vows as a perfect blend of heartfelt romance and humor. "It just felt like you really got a closer look into their love for each other and their sense of humor," Morris told People magazine in an exclusive interview published Saturday . "Being one of 1,000 people that witnessed that, it was an honor." The "My Church" singer, who previously collaborated with Swift on the "Fearless (Taylor's Version)" vault track "You All Over Me," said the ceremony left guests with a renewed sense of hope . "It's always an honor, and it's inspiring when you go to a wedding and you feel this huge dose of hope for love," Morris continued. "I think we all felt it that night for them" . Swift and Kelce, both 36, exchanged vows that reportedly lasted about 20 minutes each, with the pop superstar even singing portions of hers while the NFL star wiped away tears . "You would think the bride would be the one crying more, but it was actually Travis that was more emotional," a guest told NBC News . The guest list read like a who's who of Hollywood and sports royalty, with Paul McCartney performing "I Want to Hold Your Hand" and Stevie Nicks also taking the stage . Morris admitted the celebrity sightings were overwhelming. "I feel like my neck hurt by the end of the night because I just kept turning my head around seeing people I never thought I'd see before in person," she said with a laugh . Why this matters The wedding represents a landmark cultural moment, uniting the worlds of pop music and professional football in a way that transcends typical celebrity nuptials. Swift and Kelce's relationship has captivated the public since 2023, and their decision to transform Madison Square Garden—one of America's most iconic venues—into an intimate garden setting underscored their unique ability to merge spectacle with personal meaning. The event also generated an estimated $26 million in charitable donations distributed to food banks, children's hospitals, and music education programs ahead of the ceremony . Background of this event: The couple, who announced their engagement in August 2025 after two years of dating, broke with tradition by skipping bridesmaids and groomsmen. Instead, Swift's brother Austin served as her Man of Honor while Kelce's brother Jason acted as Best Man . Adam Sandler, Kelce's "Happy Gilmore 2" co-star, officiated the ceremony . "It was really fun," Morris added, noting she both met new people and reconnected with old friends at the celebration .]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_03-08-2026_44.webp" alt="Maren Morris Reveals Taylor Swift and Travis Kelce's Wedding Vows Were 'Beautiful' and Funny" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Maren Morris Reveals Taylor Swift and Travis Kelce's Wedding Vows Were 'Beautiful' and Funny</h1>
            <p>Country singer Maren Morris is offering a rare glimpse into Taylor Swift and Travis Kelce's star-studded July 3 wedding at Madison Square Garden, describing the couple's emotional vows as a perfect blend of heartfelt romance and humor. "It just felt like you really got a closer look into their love for each other and their sense of humor," Morris told People magazine in an exclusive interview published Saturday . "Being one of 1,000 people that witnessed that, it was an honor." The "My Church" singer, who previously collaborated with Swift on the "Fearless (Taylor's Version)" vault track "You All Over Me," said the ceremony left guests with a renewed sense of hope . "It's always an honor, and it's inspiring when you go to a wedding and you feel this huge dose of hope for love," Morris continued. "I think we all felt it that night for them" . Swift and Kelce, both 36, exchanged vows that reportedly lasted about 20 minutes each, with the pop superstar even singing portions of hers while the NFL star wiped away tears . "You would think the bride would be the one crying more, but it was actually Travis that was more emotional," a guest told NBC News . The guest list read like a who's who of Hollywood and sports royalty, with Paul McCartney performing "I Want to Hold Your Hand" and Stevie Nicks also taking the stage . Morris admitted the celebrity sightings were overwhelming. "I feel like my neck hurt by the end of the night because I just kept turning my head around seeing people I never thought I'd see before in person," she said with a laugh . Why this matters The wedding represents a landmark cultural moment, uniting the worlds of pop music and professional football in a way that transcends typical celebrity nuptials. Swift and Kelce's relationship has captivated the public since 2023, and their decision to transform Madison Square Garden—one of America's most iconic venues—into an intimate garden setting underscored their unique ability to merge spectacle with personal meaning. The event also generated an estimated $26 million in charitable donations distributed to food banks, children's hospitals, and music education programs ahead of the ceremony . Background of this event: The couple, who announced their engagement in August 2025 after two years of dating, broke with tradition by skipping bridesmaids and groomsmen. Instead, Swift's brother Austin served as her Man of Honor while Kelce's brother Jason acted as Best Man . Adam Sandler, Kelce's "Happy Gilmore 2" co-star, officiated the ceremony . "It was really fun," Morris added, noting she both met new people and reconnected with old friends at the celebration .</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_03-08-2026_44.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_03-08-2026_44.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_03-08-2026_44.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Meghan and Harry's 'Summer Holiday' Photos Reignite Privacy Debate]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/48880</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/48880</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Abdullah Sahel]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 03 Aug 2026 13:00:26 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[U.K.]]></category>
                        <category><![CDATA[Meghan Markle summer holiday photos, Prince Harry privacy stance, Sussex family vacation Portugal, Meghan Instagram royal photos, Prince Archie Diana grave visit, Harry Meghan royal family reunion, King Charles Highgrove meeting, Meghan Markle As Ever brand, Sussex privacy debate 2026, royal family social media controversy, Duke of Sussex Diana memorial, Meghan Markle children photos]]></category>
        
        <description><![CDATA[The Duke and Duchess of Sussex are facing fresh scrutiny over their approach to family privacy after Meghan Markle shared a series of intimate photographs from their recent European vacation, including images taken at the grave of Princess Diana . According to reports from Geo.tv and multiple royal commentators, the couple traveled with their children, Prince Archie and Princess Lilibet, to Portugal before making a brief visit to the U.K. for a private reunion with King Charles at Highgrove House . Buckingham Palace confirmed the family gathering only after Meghan and the children had left the country. Days later, Meghan posted a collection of personal family photographs on Instagram under the caption "Summer Holiday," offering her 4.7 million followers a glimpse into the trip. The images included relaxed beach scenes and family outings, but one photograph in particular captured widespread attention—showing Prince Harry and Prince Archie carrying flowers as they walked toward Princess Diana's resting place at Althorp, the Spencer family's ancestral estate in Northamptonshire . The burial site is located on a secluded island in Oval Lake, deliberately chosen for its privacy . The move has drawn criticism from royal commentators who question the consistency of the couple's approach to privacy. Speaking on the Palace Confidential podcast, Daily Mail royal editor Rebecca English questioned the decision to make such private moments public, noting it appeared at odds with the couple's long-standing concerns about media intrusion. Fellow commentator Richard Eden echoed those concerns, suggesting the images carried additional significance because Meghan's Instagram account is closely linked to her lifestyle brand, As Ever . Royal expert Jennie Bond told The Mirror she found the decision "baffling." "I think it shows that she wants the world to remember that her children are part of the royal family," Bond said, while adding: "It seems strange to me when the family is so desperate for privacy" . ITV's Royal Editor Chris Ship noted that sharing images of identifiable locations could inadvertently compromise security, warning that "if you're worried about your privacy, don't share where that restaurant was" . Why this matters The debate strikes at the heart of the Sussexes' central mission since stepping back from royal duties in 2020: controlling their own narrative while shielding their family from what they have characterized as intrusive media coverage. Their evolving approach to sharing personal content—through documentaries, interviews, and now social media—reflects a broader tension faced by public figures in the digital age, where curated transparency often replaces traditional privacy boundaries. For the U.S. audience, this controversy echoes familiar debates about celebrity culture, social media authenticity, and the challenge of raising children in the public eye. The Sussexes have previously explained their decision to share family images on their own terms. Reports indicate Prince Harry is now "completely on board" with sharing photos of Archie and Lilibet, viewing it as distinct from the paparazzi culture he has long opposed—"These images are shared on their terms, when they want, how they want," an insider told royal expert Rob Shuter . The couple's reunion with King Charles marked the first time the monarch had seen his grandchildren in more than four years . Notably, no photographs from that private family gathering at Highgrove were released.]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_03-08-2026_42.webp" alt="Meghan and Harry's 'Summer Holiday' Photos Reignite Privacy Debate" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Meghan and Harry's 'Summer Holiday' Photos Reignite Privacy Debate</h1>
            <p>The Duke and Duchess of Sussex are facing fresh scrutiny over their approach to family privacy after Meghan Markle shared a series of intimate photographs from their recent European vacation, including images taken at the grave of Princess Diana . According to reports from Geo.tv and multiple royal commentators, the couple traveled with their children, Prince Archie and Princess Lilibet, to Portugal before making a brief visit to the U.K. for a private reunion with King Charles at Highgrove House . Buckingham Palace confirmed the family gathering only after Meghan and the children had left the country. Days later, Meghan posted a collection of personal family photographs on Instagram under the caption "Summer Holiday," offering her 4.7 million followers a glimpse into the trip. The images included relaxed beach scenes and family outings, but one photograph in particular captured widespread attention—showing Prince Harry and Prince Archie carrying flowers as they walked toward Princess Diana's resting place at Althorp, the Spencer family's ancestral estate in Northamptonshire . The burial site is located on a secluded island in Oval Lake, deliberately chosen for its privacy . The move has drawn criticism from royal commentators who question the consistency of the couple's approach to privacy. Speaking on the Palace Confidential podcast, Daily Mail royal editor Rebecca English questioned the decision to make such private moments public, noting it appeared at odds with the couple's long-standing concerns about media intrusion. Fellow commentator Richard Eden echoed those concerns, suggesting the images carried additional significance because Meghan's Instagram account is closely linked to her lifestyle brand, As Ever . Royal expert Jennie Bond told The Mirror she found the decision "baffling." "I think it shows that she wants the world to remember that her children are part of the royal family," Bond said, while adding: "It seems strange to me when the family is so desperate for privacy" . ITV's Royal Editor Chris Ship noted that sharing images of identifiable locations could inadvertently compromise security, warning that "if you're worried about your privacy, don't share where that restaurant was" . Why this matters The debate strikes at the heart of the Sussexes' central mission since stepping back from royal duties in 2020: controlling their own narrative while shielding their family from what they have characterized as intrusive media coverage. Their evolving approach to sharing personal content—through documentaries, interviews, and now social media—reflects a broader tension faced by public figures in the digital age, where curated transparency often replaces traditional privacy boundaries. For the U.S. audience, this controversy echoes familiar debates about celebrity culture, social media authenticity, and the challenge of raising children in the public eye. The Sussexes have previously explained their decision to share family images on their own terms. Reports indicate Prince Harry is now "completely on board" with sharing photos of Archie and Lilibet, viewing it as distinct from the paparazzi culture he has long opposed—"These images are shared on their terms, when they want, how they want," an insider told royal expert Rob Shuter . The couple's reunion with King Charles marked the first time the monarch had seen his grandchildren in more than four years . Notably, no photographs from that private family gathering at Highgrove were released.</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_03-08-2026_42.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_03-08-2026_42.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_03-08-2026_42.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Madison Beer’s Engagement Ring from Justin Herbert Dazzles with Rare $1M Diamond]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/48879</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/48879</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Mousumi Akter]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 03 Aug 2026 13:00:26 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[Entertainment]]></category>
                        <category><![CDATA[Madison Beer engagement ring, Justin Herbert engaged, Madison Beer Justin Herbert, elongated cushion cut diamond, celebrity engagement ring, Chargers quarterback engagement, $1 million diamond ring, Madison Beer ring carats, NFL engagement news, celebrity diamonds, Justin Herbert Madison Beer engagement, rare diamond ring, pop star engagement Slug: madison-beer-engagement-ring-justin-herbert-diamond]]></category>
        
        <description><![CDATA[Pop star Madison Beer and Los Angeles Chargers quarterback Justin Herbert have announced their engagement, but it's the singer's extraordinary diamond ring that has captured the internet's attention. According to reports from Geo.tv and confirmed by multiple outlets, Beer shared the news on July 28 with a simple Instagram caption: "Meet my fiancé," accompanied by a series of photos from the romantic outdoor proposal . The ring features a large elongated cushion-cut diamond set on a minimalist band, with jewelry experts estimating its value at approximately $1 million. The center stone is believed to weigh around 15 carats, though estimates from various experts range from 10 to 15 carats depending on the source . Jewelry designer Logan Hollowell told Page Six the piece could be worth between $700,000 and $1.2 million . What makes the diamond particularly noteworthy is its unusual length-to-width ratio. Ring expert Kegan Fisher described it as an "extremely elongated cushion cut with a length-to-width ratio approaching 2:1, which is exceptionally rare and incredibly difficult to source" . Eddie Le Vian, CEO of Le Vian, compared the stone to an old mine-cut diamond, similar to the cut Taylor Swift received from Travis Kelce, noting that antique-style cushions "really resonate because they offer remarkable presence while maintaining a soft, graceful silhouette" . Herbert, 28, who is in the midst of a five-year, $262.5 million contract with the Chargers, reportedly found the proposal even more nerve-wracking than his first NFL start . The couple, who began dating in August 2025, kept their relationship relatively private until Beer was spotted cheering Herbert on from the stands during the Chargers' 2025 season . Why this matters This engagement represents the convergence of two major cultural spheres: the NFL's highest-paid quarterback tier and the pop music world. The ring's estimated value reflects a broader trend of celebrity engagements featuring increasingly rare and massive diamonds, with elongated cushion cuts becoming particularly sought-after among younger celebrities following Swift's own vintage-inspired ring. For the Chargers organization, Herbert's commitment comes as the team prepares for the 2026 season, with head coach Jim Harbaugh already offering the couple marriage advice: "attack each day with an enthusiasm unknown to mankind together" . Beer's mother, Tracie, celebrated the news on social media, writing, "Some things are meant to be, and this is certainly one of them" . The couple's engagement photos show a rustic wooden sign reading "Mr. and Mrs. Herbert," confirming the union of the pop star and the Pro Bowl quarterback.]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_03-08-2026_40.webp" alt="Madison Beer’s Engagement Ring from Justin Herbert Dazzles with Rare $1M Diamond" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Madison Beer’s Engagement Ring from Justin Herbert Dazzles with Rare $1M Diamond</h1>
            <p>Pop star Madison Beer and Los Angeles Chargers quarterback Justin Herbert have announced their engagement, but it's the singer's extraordinary diamond ring that has captured the internet's attention. According to reports from Geo.tv and confirmed by multiple outlets, Beer shared the news on July 28 with a simple Instagram caption: "Meet my fiancé," accompanied by a series of photos from the romantic outdoor proposal . The ring features a large elongated cushion-cut diamond set on a minimalist band, with jewelry experts estimating its value at approximately $1 million. The center stone is believed to weigh around 15 carats, though estimates from various experts range from 10 to 15 carats depending on the source . Jewelry designer Logan Hollowell told Page Six the piece could be worth between $700,000 and $1.2 million . What makes the diamond particularly noteworthy is its unusual length-to-width ratio. Ring expert Kegan Fisher described it as an "extremely elongated cushion cut with a length-to-width ratio approaching 2:1, which is exceptionally rare and incredibly difficult to source" . Eddie Le Vian, CEO of Le Vian, compared the stone to an old mine-cut diamond, similar to the cut Taylor Swift received from Travis Kelce, noting that antique-style cushions "really resonate because they offer remarkable presence while maintaining a soft, graceful silhouette" . Herbert, 28, who is in the midst of a five-year, $262.5 million contract with the Chargers, reportedly found the proposal even more nerve-wracking than his first NFL start . The couple, who began dating in August 2025, kept their relationship relatively private until Beer was spotted cheering Herbert on from the stands during the Chargers' 2025 season . Why this matters This engagement represents the convergence of two major cultural spheres: the NFL's highest-paid quarterback tier and the pop music world. The ring's estimated value reflects a broader trend of celebrity engagements featuring increasingly rare and massive diamonds, with elongated cushion cuts becoming particularly sought-after among younger celebrities following Swift's own vintage-inspired ring. For the Chargers organization, Herbert's commitment comes as the team prepares for the 2026 season, with head coach Jim Harbaugh already offering the couple marriage advice: "attack each day with an enthusiasm unknown to mankind together" . Beer's mother, Tracie, celebrated the news on social media, writing, "Some things are meant to be, and this is certainly one of them" . The couple's engagement photos show a rustic wooden sign reading "Mr. and Mrs. Herbert," confirming the union of the pop star and the Pro Bowl quarterback.</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_03-08-2026_40.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_03-08-2026_40.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/news_03-08-2026_40.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[সুই কী-এর সাথে রেড ক্রসের বৈঠক: স্বাস্থ্য উদ্বেগের মাঝে দুর্লভ ছবি প্রকাশ]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/48878</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/48878</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[মৌসুমী আক্তার]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 03 Aug 2026 13:00:26 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[এশিয়া]]></category>
                        <category><![CDATA[Aung San Suu Kyi, Myanmar, ICRC, Red Cross, meeting, Naypyidaw, house arrest, Min Aung Hlaing, proof of life, Myanmar coup, civil war, ASEAN, Arnaud de Baecque, 2026]]></category>
        
        <description><![CDATA[মিয়ানমারের বন্দি সাবেক নেত্রী অং সান সুই কী সোমবার (৩ আগস্ট, ২০২৬) আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটির (আইসিআরসি) প্রতিনিধির সাথে সাক্ষাৎ করেছেন, দেশটির সরকারি মুখপাত্র নিশ্চিত করেছেন। ৮১ বছর বয়সী এই নোবেল পুরস্কার বিজয়ী নেত্রীর স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই এই সাক্ষাৎ ও তার ছবি প্রকাশ পেল। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সামরিক অভ্যুত্থানের পর এটি প্রায় সাড়ে চার বছরের মধ্যে তাঁর কোনো বিদেশি প্রতিনিধির সাথে প্রথম প্রকাশ্য বৈঠক। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নেপিদোতে আইসিআরসি’র আবাসিক প্রতিনিধি আরনো দ্য বেকের সাথে এই বৈঠক হয়। সরকারি মুখপাত্র খিন খিন সো টেলিগ্রামে এই তথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগে গত ডিসেম্বরে মিয়ানমারের জান্তা সুই কী-কে ‘সুস্বাস্থ্যের অধিকারী’ বলে দাবি করলেও তার ছেলে কিম অ্যারিস জানিয়েছিলেন, বার্ধক্যজনিত মায়ের অবস্থা সম্পর্কে তিনি খুব কমই জানতে পারেন এবং বছরখানেক ধরে তার কোনো খবর পাননি। সরকারের দেওয়া চারটি ছবিতে সুই কীকে ঐতিহ্যবাহী বার্মিজ পোশাকে দেখা গেছে। কাঠের তৈরি সাধারণ একটি কক্ষে মাত্র দুটি চেয়ার ও একটি টেবিল রেখে তিনি দ্য বেকের সাথে হাত মেলাচ্ছেন। আরেকটি ছবিতে তার নাম খোদাই করা জন্মদিনের কেক কাটতে দেখা যায় তাকে, যেখানে ‘হ্যাপি বার্থডে আন্টি সুই ২৯.৬.২০২৬’ লেখা রয়েছে। তবে রয়টার্স জানিয়েছে, তারা এই ছবিগুলোর স্থান ও সময় স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করতে পারেনি। ২০২১ সালের অভ্যুত্থানে সুই কী-এর নির্বাচিত সরকার উৎখাতের পর থেকে তিনি কারাগারে আটক ছিলেন। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে তার সমর্থকদের অভিযোগ থাকা নানা মামলায় তিনি মোট ২৭ বছরের সাজা পেয়েছিলেন। গত এপ্রিলে সাবেক জান্তা প্রধান মিন অং হ্লাইংকে রাষ্ট্রপতি করার পর তাকে কারাগার থেকে গৃহবন্দী করা হয় এবং সাজার মেয়াদও কিছু কমিয়ে আনা হয়। তবে ফিলিপাইনের অনুরোধ সত্ত্বেও আসিয়ান ব্লকের বিশেষ দূতের সাথে তাঁর দেখা করানোর অনুমতি দেয়নি নতুন সরকার। ঘটনার পটভূমি বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এই দেশটির প্রায় ৫ বছর ধরে গৃহযুদ্ধ চলছে। এই সংকটে সুই কী-এর অবস্থা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ ছিল। বিশেষ করে গত এপ্রিলে তার ছেলে ‘প্রুফ অফ লাইফ’ (জীবনের প্রমাণ) ক্যাম্পেইন শুরু করলে চাপ আরও বেড়ে যায়। এই বৈঠককে জান্তা সরকার তাদের কূটনৈতিক বিচ্ছিন্নতা কাটানোর একটি প্রয়াস হিসেবেও দেখা হচ্ছে। আগামী ৬ আগস্ট জান্তা প্রধানের থাইল্যান্ড সফর রয়েছে। এই বৈঠকে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক মহল থেকে গৃহযুদ্ধ বন্ধ ও সুই কী-এর মুক্তির দাবি আরও জোরালো হতে পারে বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_39.webp" alt="সুই কী-এর সাথে রেড ক্রসের বৈঠক: স্বাস্থ্য উদ্বেগের মাঝে দুর্লভ ছবি প্রকাশ" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>সুই কী-এর সাথে রেড ক্রসের বৈঠক: স্বাস্থ্য উদ্বেগের মাঝে দুর্লভ ছবি প্রকাশ</h1>
            <p>মিয়ানমারের বন্দি সাবেক নেত্রী অং সান সুই কী সোমবার (৩ আগস্ট, ২০২৬) আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটির (আইসিআরসি) প্রতিনিধির সাথে সাক্ষাৎ করেছেন, দেশটির সরকারি মুখপাত্র নিশ্চিত করেছেন। ৮১ বছর বয়সী এই নোবেল পুরস্কার বিজয়ী নেত্রীর স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই এই সাক্ষাৎ ও তার ছবি প্রকাশ পেল। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সামরিক অভ্যুত্থানের পর এটি প্রায় সাড়ে চার বছরের মধ্যে তাঁর কোনো বিদেশি প্রতিনিধির সাথে প্রথম প্রকাশ্য বৈঠক। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নেপিদোতে আইসিআরসি’র আবাসিক প্রতিনিধি আরনো দ্য বেকের সাথে এই বৈঠক হয়। সরকারি মুখপাত্র খিন খিন সো টেলিগ্রামে এই তথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগে গত ডিসেম্বরে মিয়ানমারের জান্তা সুই কী-কে ‘সুস্বাস্থ্যের অধিকারী’ বলে দাবি করলেও তার ছেলে কিম অ্যারিস জানিয়েছিলেন, বার্ধক্যজনিত মায়ের অবস্থা সম্পর্কে তিনি খুব কমই জানতে পারেন এবং বছরখানেক ধরে তার কোনো খবর পাননি। সরকারের দেওয়া চারটি ছবিতে সুই কীকে ঐতিহ্যবাহী বার্মিজ পোশাকে দেখা গেছে। কাঠের তৈরি সাধারণ একটি কক্ষে মাত্র দুটি চেয়ার ও একটি টেবিল রেখে তিনি দ্য বেকের সাথে হাত মেলাচ্ছেন। আরেকটি ছবিতে তার নাম খোদাই করা জন্মদিনের কেক কাটতে দেখা যায় তাকে, যেখানে ‘হ্যাপি বার্থডে আন্টি সুই ২৯.৬.২০২৬’ লেখা রয়েছে। তবে রয়টার্স জানিয়েছে, তারা এই ছবিগুলোর স্থান ও সময় স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করতে পারেনি। ২০২১ সালের অভ্যুত্থানে সুই কী-এর নির্বাচিত সরকার উৎখাতের পর থেকে তিনি কারাগারে আটক ছিলেন। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে তার সমর্থকদের অভিযোগ থাকা নানা মামলায় তিনি মোট ২৭ বছরের সাজা পেয়েছিলেন। গত এপ্রিলে সাবেক জান্তা প্রধান মিন অং হ্লাইংকে রাষ্ট্রপতি করার পর তাকে কারাগার থেকে গৃহবন্দী করা হয় এবং সাজার মেয়াদও কিছু কমিয়ে আনা হয়। তবে ফিলিপাইনের অনুরোধ সত্ত্বেও আসিয়ান ব্লকের বিশেষ দূতের সাথে তাঁর দেখা করানোর অনুমতি দেয়নি নতুন সরকার। ঘটনার পটভূমি বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এই দেশটির প্রায় ৫ বছর ধরে গৃহযুদ্ধ চলছে। এই সংকটে সুই কী-এর অবস্থা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ ছিল। বিশেষ করে গত এপ্রিলে তার ছেলে ‘প্রুফ অফ লাইফ’ (জীবনের প্রমাণ) ক্যাম্পেইন শুরু করলে চাপ আরও বেড়ে যায়। এই বৈঠককে জান্তা সরকার তাদের কূটনৈতিক বিচ্ছিন্নতা কাটানোর একটি প্রয়াস হিসেবেও দেখা হচ্ছে। আগামী ৬ আগস্ট জান্তা প্রধানের থাইল্যান্ড সফর রয়েছে। এই বৈঠকে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক মহল থেকে গৃহযুদ্ধ বন্ধ ও সুই কী-এর মুক্তির দাবি আরও জোরালো হতে পারে বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_39.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_39.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_39.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[‘পিন্যাকল অ্যাওয়ার্ডস-২০২৬’: ওয়ালটনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের স্বীকৃতি দিলো প্রতিষ্ঠান]]></title>
        <link>https://nbs24.org/economy/48877</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/economy/48877</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 03 Aug 2026 13:00:26 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
                <category><![CDATA[করপোরেট খবর]]></category>
                        <category><![CDATA[Walton, Pinnacle Awards 2026, Walton Hi-Tech Industries, SM Mahbubul Alam, Walton officials award, Walton sales excellence, Walton employee recognition, Bangladesh electronics company, Walton Plaza, Walton corporate culture, Gazipur event, Sarah Resort, Walton MD award, business growth Bangladesh]]></category>
        
        <description><![CDATA[পুরস্কারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে ওয়ালটন হাই-টেকের এমডি এস এম মাহবুবুল আলম বিক্রয় ও মুনাফায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২৪ জন কর্মকর্তা এবং দুটি সেলস উইংকে ‘পিন্যাকল অ্যাওয়ার্ডস-২০২৬’ প্রদান করেছে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি। গত বছর প্রতিষ্ঠানের ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে অনন্য অবদানের জন্য শনিবার (১ আগস্ট, ২০২৬) গাজীপুরের সারাহ রিসোর্টে ‘দ্য লরিয়েট সোয়ারি’ শীর্ষক দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে এই সম্মাননা দেওয়া হয় । পাঁচটি ভিন্ন ক্যাটাগরিতে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে ক্রেস্ট, সম্মাননা ও চেক তুলে দেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এস এম মাহবুবুল আলম। এ সময় প্রতিষ্ঠানের পরিচালক জাকিয়া সুলতানা শিখা, এস এম মঞ্জুরুল আলম অভি, নিশাত তাসনিম শুচি এবং ওয়ালটন প্লাজার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রায়হানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন । অনুষ্ঠানে সম্মানিতদের উদ্দেশ্যে এস এম মাহবুবুল আলম বলেন, “ওয়ালটন পরিবারের সদস্যদের আনন্দময় জীবন আমাদের কাম্য। কোম্পানিতে তাদের কাজে ডেডিকেশনের জন্য ওয়ালটন এগিয়ে যাচ্ছে উন্নতির শিখরে। তাদের কাজের স্বীকৃতি দিতেই আজকের এই পুরস্কার ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন।” তিনি আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা ও অগ্রগতির রূপরেখা নিয়ে কর্মকর্তাদের দিকনির্দেশনাও প্রদান করেন । ‘এমডি’স অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সট্রাঅর্ডিনারি বিজনেস ইমপ্যাক্ট’ ক্যাটাগরিতে অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এএমডি) ও চিফ ফিন্যান্সিয়াল অফিসার মো. জিয়াউল আলম, এএমডি ইউসুফ আলী ও লিয়াকত আলী, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মফিজুর রহমান, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আব্দুল্লাহ-আল-মামুন, শাহজালাল হোসেন লিমন, তানভীর আঞ্জুম ও জোহেব আহমেদ এবং ডেপুটি অপারেটিভ ডিরেক্টর তানজিমুল হক তম্ময় পুরস্কৃত হন। ‘সিবিও’স এক্সট্রাঅর্ডিনারি কন্ট্রিবিউশন’ ক্যাটাগরিতে ওয়ালটন ফ্রিজের সিবিও মো. তাহসিনুল হক, হোম অ্যাপ্লায়েন্সের সিবিও মো. আব্দুল্লাহ-আল-জুনায়েদ এবং ক্যাবলসের সিবিও রাজু আহমদকে সম্মাননা দেওয়া হয়। ‘পিপল অ্যান্ড কালচারাল এক্সিলেন্স’ ক্যাটাগরিতে ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্স এবং করপোরেটের এইচআর বিভাগের প্রধান মো. কাওসার উদ্দিন চৌধূরী ও প্রদীপ প্রামাণিক, ‘স্পেশাল কন্ট্রিবিউশন’ ক্যাটাগরিতে সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মো. জাহিদুল ইসলাম, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মো. নাজমুল ইসলাম, সিনিয়র অ্যাডিশনাল এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মো. রবিউল ইসলাম মিলটন, অ্যাডিশনাল এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও সিনিয়র অ্যাডিশনাল অপারেটিভ ডিরেক্টর মো. মোস্তাফিজুর রহমান রাজু পুরস্কৃত হন। এছাড়াও ‘সেলস এক্সিলেন্স’ ক্যাটাগরিতে ডেপুটি অপারেটিভ ডিরেক্টর মো. শাহরিয়ার হোসেন, সিনিয়র অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর মো. আবু সুফিয়ান, অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রিন্সিপাল অফিসার মো. নাজমুল সানা, সিনিয়র অফিসার সৌভিক অধিকারী, অফিসার মো. হেলাল সরদারসহ ওয়ালটন প্লাজা এবং করপোরেট সেলস ডেভলপমেন্ট উইংকে পুরস্কৃত করা হয় । কেন এই ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ইলেকট্রনিক্স প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান। গাজীপুরের চন্দ্রায় নিজস্ব অত্যাধুনিক কারখানায় ইলেকট্রনিক্স, হোম অ্যাপ্লায়েন্সসহ বিভিন্ন পণ্য উৎপাদন করে প্রতিষ্ঠানটি । কর্মীদের স্বীকৃতি ও পুরস্কার প্রদানের এই প্রক্রিয়া ওয়ালটনের কর্পোরেট সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রতিষ্ঠানটি ৩৮১ জন কর্মকর্তা ও সেলস এক্সিকিউটিভকে ‘বেস্ট এমপ্লয়ি অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করেছিল । ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত ‘ওয়ালটন প্লাজা চ্যালেঞ্জার্স সামিট-২০২৫’-এও ১৯টি ক্যাটাগরিতে ১৯০ জন কর্মকর্তাকে সম্মাননা দেওয়া হয় । কর্মীদের স্বীকৃতি দেওয়ার এই ধারাবাহিকতা প্রতিষ্ঠানের মানবসম্পদ উন্নয়ন ও কর্মোদ্দীপনা বৃদ্ধির কৌশলের অংশ। বিশেষ করে দেশীয় বাজারে ওয়ালটনের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা এবং আন্তর্জাতিক বাজারেও তাদের পদচারণা এই পুরস্কার আয়োজনের গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হয় এই বিশেষ সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_38.webp" alt="‘পিন্যাকল অ্যাওয়ার্ডস-২০২৬’: ওয়ালটনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের স্বীকৃতি দিলো প্রতিষ্ঠান" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>‘পিন্যাকল অ্যাওয়ার্ডস-২০২৬’: ওয়ালটনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের স্বীকৃতি দিলো প্রতিষ্ঠান</h1>
            <p>পুরস্কারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে ওয়ালটন হাই-টেকের এমডি এস এম মাহবুবুল আলম বিক্রয় ও মুনাফায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২৪ জন কর্মকর্তা এবং দুটি সেলস উইংকে ‘পিন্যাকল অ্যাওয়ার্ডস-২০২৬’ প্রদান করেছে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি। গত বছর প্রতিষ্ঠানের ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে অনন্য অবদানের জন্য শনিবার (১ আগস্ট, ২০২৬) গাজীপুরের সারাহ রিসোর্টে ‘দ্য লরিয়েট সোয়ারি’ শীর্ষক দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে এই সম্মাননা দেওয়া হয় । পাঁচটি ভিন্ন ক্যাটাগরিতে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে ক্রেস্ট, সম্মাননা ও চেক তুলে দেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এস এম মাহবুবুল আলম। এ সময় প্রতিষ্ঠানের পরিচালক জাকিয়া সুলতানা শিখা, এস এম মঞ্জুরুল আলম অভি, নিশাত তাসনিম শুচি এবং ওয়ালটন প্লাজার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রায়হানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন । অনুষ্ঠানে সম্মানিতদের উদ্দেশ্যে এস এম মাহবুবুল আলম বলেন, “ওয়ালটন পরিবারের সদস্যদের আনন্দময় জীবন আমাদের কাম্য। কোম্পানিতে তাদের কাজে ডেডিকেশনের জন্য ওয়ালটন এগিয়ে যাচ্ছে উন্নতির শিখরে। তাদের কাজের স্বীকৃতি দিতেই আজকের এই পুরস্কার ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন।” তিনি আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা ও অগ্রগতির রূপরেখা নিয়ে কর্মকর্তাদের দিকনির্দেশনাও প্রদান করেন । ‘এমডি’স অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সট্রাঅর্ডিনারি বিজনেস ইমপ্যাক্ট’ ক্যাটাগরিতে অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এএমডি) ও চিফ ফিন্যান্সিয়াল অফিসার মো. জিয়াউল আলম, এএমডি ইউসুফ আলী ও লিয়াকত আলী, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মফিজুর রহমান, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আব্দুল্লাহ-আল-মামুন, শাহজালাল হোসেন লিমন, তানভীর আঞ্জুম ও জোহেব আহমেদ এবং ডেপুটি অপারেটিভ ডিরেক্টর তানজিমুল হক তম্ময় পুরস্কৃত হন। ‘সিবিও’স এক্সট্রাঅর্ডিনারি কন্ট্রিবিউশন’ ক্যাটাগরিতে ওয়ালটন ফ্রিজের সিবিও মো. তাহসিনুল হক, হোম অ্যাপ্লায়েন্সের সিবিও মো. আব্দুল্লাহ-আল-জুনায়েদ এবং ক্যাবলসের সিবিও রাজু আহমদকে সম্মাননা দেওয়া হয়। ‘পিপল অ্যান্ড কালচারাল এক্সিলেন্স’ ক্যাটাগরিতে ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্স এবং করপোরেটের এইচআর বিভাগের প্রধান মো. কাওসার উদ্দিন চৌধূরী ও প্রদীপ প্রামাণিক, ‘স্পেশাল কন্ট্রিবিউশন’ ক্যাটাগরিতে সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মো. জাহিদুল ইসলাম, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মো. নাজমুল ইসলাম, সিনিয়র অ্যাডিশনাল এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মো. রবিউল ইসলাম মিলটন, অ্যাডিশনাল এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও সিনিয়র অ্যাডিশনাল অপারেটিভ ডিরেক্টর মো. মোস্তাফিজুর রহমান রাজু পুরস্কৃত হন। এছাড়াও ‘সেলস এক্সিলেন্স’ ক্যাটাগরিতে ডেপুটি অপারেটিভ ডিরেক্টর মো. শাহরিয়ার হোসেন, সিনিয়র অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর মো. আবু সুফিয়ান, অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রিন্সিপাল অফিসার মো. নাজমুল সানা, সিনিয়র অফিসার সৌভিক অধিকারী, অফিসার মো. হেলাল সরদারসহ ওয়ালটন প্লাজা এবং করপোরেট সেলস ডেভলপমেন্ট উইংকে পুরস্কৃত করা হয় । কেন এই ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ইলেকট্রনিক্স প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান। গাজীপুরের চন্দ্রায় নিজস্ব অত্যাধুনিক কারখানায় ইলেকট্রনিক্স, হোম অ্যাপ্লায়েন্সসহ বিভিন্ন পণ্য উৎপাদন করে প্রতিষ্ঠানটি । কর্মীদের স্বীকৃতি ও পুরস্কার প্রদানের এই প্রক্রিয়া ওয়ালটনের কর্পোরেট সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রতিষ্ঠানটি ৩৮১ জন কর্মকর্তা ও সেলস এক্সিকিউটিভকে ‘বেস্ট এমপ্লয়ি অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করেছিল । ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত ‘ওয়ালটন প্লাজা চ্যালেঞ্জার্স সামিট-২০২৫’-এও ১৯টি ক্যাটাগরিতে ১৯০ জন কর্মকর্তাকে সম্মাননা দেওয়া হয় । কর্মীদের স্বীকৃতি দেওয়ার এই ধারাবাহিকতা প্রতিষ্ঠানের মানবসম্পদ উন্নয়ন ও কর্মোদ্দীপনা বৃদ্ধির কৌশলের অংশ। বিশেষ করে দেশীয় বাজারে ওয়ালটনের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা এবং আন্তর্জাতিক বাজারেও তাদের পদচারণা এই পুরস্কার আয়োজনের গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হয় এই বিশেষ সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_38.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_38.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_38.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইরানের সঙ্গে নতুন আলোচনা শুরু আজ, হামলা স্থগিতের ঘোষণা ট্রাম্পের]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/48874</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/48874</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 03 Aug 2026 11:56:14 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[আমেরিকাস]]></category>
                        <category><![CDATA[Trump Iran, US Iran talks, Hormuz Strait, nuclear deal, Saudi Arabia, UAE, Qatar, Israel Iran, diplomacy, Middle East peace]]></category>
        
        <description><![CDATA[মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ‘বিনাশকারী’ হামলা স্থগিত করে তিনি কূটনৈতিক পথে সমাধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। রোববার সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আজ (সোমবার) বিকেলে ইরানের সঙ্গে নতুন আলোচনা শুরু হবে’ । ট্রাম্প জানান, ইরানের পাশাপাশি মার্কিন মিত্র সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতারও তাঁকে হামলা স্থগিত রাখতে অনুরোধ জানিয়েছে । শনিবার তিনি ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছিয়ে আসেন, যা তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় হামলা বলে অভিহিত করেছিলেন। ট্রাম্প বলেন, ‘যখন মিত্ররা হামলা বাতিলের অনুরোধ জানায়, তখন আপনাকে ভাবতে হয়—’আচ্ছা, দেখা যাক।’ এবং তারা যে অনুরোধ জানিয়েছে, তার কারণ তারা মনে করে একটি চুক্তি সম্ভব’ । তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে পরিকল্পিত হামলার মাত্রা ‘দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড়’ হতো এবং ইরানের পুনর্গঠন ‘অসংখ্য বছর লাগতো, যদি সম্ভবও হতো’ । হরমুজ প্রণালী ও পারমাণবিক চুক্তি ট্রাম্প জানান, প্রথমে হরমুজ প্রণালী নিয়ে একটি চুক্তি হবে, তারপর ইরানের পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে আলোচনা হবে । তবে গত মাসে ইরান উপসাগরীয় দেশগুলোর সমর্থিত ওমানি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিল, যা প্রণালীটি পরিচালনার জন্য স্বেচ্ছামূলক ফি সংগ্রহের পরিকল্পনা করেছিল । ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, হরমুজ প্রণালীর জন্য একটি নতুন পথের বিষয়ে ওমানের সঙ্গে আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে, তবে তা প্রণালী খোলা বা বন্ধের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়—এটি আলাদা আলোচনা । ইসরায়েলের কঠোর বার্তা ইসরায়েলের জ্বালানি মন্ত্রী ও নিরাপত্তা ক্যাবিনেটের সদস্য এলি কোহেন বলেছেন, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আঞ্চলিক সব বিষয়ে ঘনিষ্ঠ নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সমন্বয় রয়েছে। তবে তিনি স্পষ্ট করে দেন, ‘চুক্তি থাকুক বা না থাকুক, এবং বাইরের কোনো প্রতিশ্রুতি নির্বিশেষে, ইরান যদি তার পারমাণবিক কর্মসূচি পুনরায় চালু করে বা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শিল্পকে অগ্রসর করে, আমরা সেখানে থাকব। আমরা পদক্ষেপ নেব এবং আঘাত করব’। ঘটনার পটভূমি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে আকস্মিক হামলা শুরুর পর থেকে এই সংঘাত চলছে। মাঝে মাঝে কূটনৈতিক উদ্যোগে স্বস্তি এলেও সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে আবার পাল্টাপাল্টি হামলা শুরু হয়েছে। ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু গত মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে বৈঠক করেন, যেখানে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি রোধে কূটনীতি, অর্থনৈতিক চাপ ও শক্তি প্রয়োগ—সব সম্ভাব্য পথ নিয়ে আলোচনা হয় । ইরান দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছে যে তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করছে না, তবে পশ্চিমা দেশগুলো এই দাবি গ্রহণ করে না। নতুন এই আলোচনা সংঘাত নিরসনে কতটা কার্যকর হয়, তা এখন সময়ই বলে দেবে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_37.webp" alt="ইরানের সঙ্গে নতুন আলোচনা শুরু আজ, হামলা স্থগিতের ঘোষণা ট্রাম্পের" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইরানের সঙ্গে নতুন আলোচনা শুরু আজ, হামলা স্থগিতের ঘোষণা ট্রাম্পের</h1>
            <p>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ‘বিনাশকারী’ হামলা স্থগিত করে তিনি কূটনৈতিক পথে সমাধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। রোববার সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আজ (সোমবার) বিকেলে ইরানের সঙ্গে নতুন আলোচনা শুরু হবে’ । ট্রাম্প জানান, ইরানের পাশাপাশি মার্কিন মিত্র সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতারও তাঁকে হামলা স্থগিত রাখতে অনুরোধ জানিয়েছে । শনিবার তিনি ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছিয়ে আসেন, যা তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় হামলা বলে অভিহিত করেছিলেন। ট্রাম্প বলেন, ‘যখন মিত্ররা হামলা বাতিলের অনুরোধ জানায়, তখন আপনাকে ভাবতে হয়—’আচ্ছা, দেখা যাক।’ এবং তারা যে অনুরোধ জানিয়েছে, তার কারণ তারা মনে করে একটি চুক্তি সম্ভব’ । তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে পরিকল্পিত হামলার মাত্রা ‘দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড়’ হতো এবং ইরানের পুনর্গঠন ‘অসংখ্য বছর লাগতো, যদি সম্ভবও হতো’ । হরমুজ প্রণালী ও পারমাণবিক চুক্তি ট্রাম্প জানান, প্রথমে হরমুজ প্রণালী নিয়ে একটি চুক্তি হবে, তারপর ইরানের পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে আলোচনা হবে । তবে গত মাসে ইরান উপসাগরীয় দেশগুলোর সমর্থিত ওমানি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিল, যা প্রণালীটি পরিচালনার জন্য স্বেচ্ছামূলক ফি সংগ্রহের পরিকল্পনা করেছিল । ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, হরমুজ প্রণালীর জন্য একটি নতুন পথের বিষয়ে ওমানের সঙ্গে আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে, তবে তা প্রণালী খোলা বা বন্ধের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়—এটি আলাদা আলোচনা । ইসরায়েলের কঠোর বার্তা ইসরায়েলের জ্বালানি মন্ত্রী ও নিরাপত্তা ক্যাবিনেটের সদস্য এলি কোহেন বলেছেন, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আঞ্চলিক সব বিষয়ে ঘনিষ্ঠ নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সমন্বয় রয়েছে। তবে তিনি স্পষ্ট করে দেন, ‘চুক্তি থাকুক বা না থাকুক, এবং বাইরের কোনো প্রতিশ্রুতি নির্বিশেষে, ইরান যদি তার পারমাণবিক কর্মসূচি পুনরায় চালু করে বা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শিল্পকে অগ্রসর করে, আমরা সেখানে থাকব। আমরা পদক্ষেপ নেব এবং আঘাত করব’। ঘটনার পটভূমি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে আকস্মিক হামলা শুরুর পর থেকে এই সংঘাত চলছে। মাঝে মাঝে কূটনৈতিক উদ্যোগে স্বস্তি এলেও সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে আবার পাল্টাপাল্টি হামলা শুরু হয়েছে। ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু গত মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে বৈঠক করেন, যেখানে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি রোধে কূটনীতি, অর্থনৈতিক চাপ ও শক্তি প্রয়োগ—সব সম্ভাব্য পথ নিয়ে আলোচনা হয় । ইরান দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছে যে তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করছে না, তবে পশ্চিমা দেশগুলো এই দাবি গ্রহণ করে না। নতুন এই আলোচনা সংঘাত নিরসনে কতটা কার্যকর হয়, তা এখন সময়ই বলে দেবে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_37.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_37.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_37.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Vincent Pastore, ‘Sopranos’ Star Known as Big Pussy, Found Dead in Bronx Apartment at 80]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/48873</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/48873</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Mousumi Akter]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 03 Aug 2026 11:56:14 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[Entertainment]]></category>
                        <category><![CDATA[Vincent Pastore, The Sopranos, Big Pussy Bonpensiero, HBO series, Bronx apartment, actor dead at 80, GoodFellas, Gotti, Vietnam War veteran, television legend, New York actor, Sopranos cast, entertainment news, obituaries, TV drama]]></category>
        
        <description><![CDATA[Vincent Pastore, the actor best known for playing Salvatore “Big Pussy” Bonpensiero on HBO’s The Sopranos, was found dead in his Bronx apartment at age 80, according to Geo TV. Authorities have opened an investigation, but no additional details about the cause of death have been released. Pastore had not been seen for about three days before a neighbor checked on him, the report said. His body was later discovered inside the apartment after people close to him had not heard from him for several days. For millions of viewers, Pastore became one of the most recognizable faces from The Sopranos, the Emmy-winning HBO drama that helped redefine television at the turn of the century. His character, Big Pussy, was central to one of the show’s most memorable and emotionally charged storylines, and the role made Pastore a fan favorite. Before becoming an actor, Pastore served in the U.S. Navy during the Vietnam War. He later worked owning bars and clubs before deciding to pursue acting more seriously, a move that eventually led to a steady career in film and television. Over the years, he appeared in projects including GoodFellas, Gotti and several other popular screen and TV productions. In his later life, he remained active in the entertainment world, including theater work and collaborations with fellow actors. News of his death prompted an outpouring of grief from fans who remembered him as a vital part of The Sopranos’ enduring legacy. While the show ended more than two decades ago, it remains one of the most influential dramas in American television history, and Pastore’s performance helped cement that reputation. Why this matters Pastore’s death is another reminder of how deeply The Sopranos shaped modern television and popular culture. The series helped establish the antihero-driven prestige drama that now dominates much of American TV, and the actors who made it work remain closely associated with that era. His career also reflected a familiar American story of reinvention: military service, blue-collar work, and a late start in entertainment before finding wider recognition. That background made him stand out as more than a character actor — he became part of a generation of performers whose authenticity helped define a landmark series.]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/ak_03-08-2026_24.webp" alt="Vincent Pastore, ‘Sopranos’ Star Known as Big Pussy, Found Dead in Bronx Apartment at 80" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Vincent Pastore, ‘Sopranos’ Star Known as Big Pussy, Found Dead in Bronx Apartment at 80</h1>
            <p>Vincent Pastore, the actor best known for playing Salvatore “Big Pussy” Bonpensiero on HBO’s The Sopranos, was found dead in his Bronx apartment at age 80, according to Geo TV. Authorities have opened an investigation, but no additional details about the cause of death have been released. Pastore had not been seen for about three days before a neighbor checked on him, the report said. His body was later discovered inside the apartment after people close to him had not heard from him for several days. For millions of viewers, Pastore became one of the most recognizable faces from The Sopranos, the Emmy-winning HBO drama that helped redefine television at the turn of the century. His character, Big Pussy, was central to one of the show’s most memorable and emotionally charged storylines, and the role made Pastore a fan favorite. Before becoming an actor, Pastore served in the U.S. Navy during the Vietnam War. He later worked owning bars and clubs before deciding to pursue acting more seriously, a move that eventually led to a steady career in film and television. Over the years, he appeared in projects including GoodFellas, Gotti and several other popular screen and TV productions. In his later life, he remained active in the entertainment world, including theater work and collaborations with fellow actors. News of his death prompted an outpouring of grief from fans who remembered him as a vital part of The Sopranos’ enduring legacy. While the show ended more than two decades ago, it remains one of the most influential dramas in American television history, and Pastore’s performance helped cement that reputation. Why this matters Pastore’s death is another reminder of how deeply The Sopranos shaped modern television and popular culture. The series helped establish the antihero-driven prestige drama that now dominates much of American TV, and the actors who made it work remain closely associated with that era. His career also reflected a familiar American story of reinvention: military service, blue-collar work, and a late start in entertainment before finding wider recognition. That background made him stand out as more than a character actor — he became part of a generation of performers whose authenticity helped define a landmark series.</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/ak_03-08-2026_24.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/ak_03-08-2026_24.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/ak_03-08-2026_24.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ট্রাম্পের ইরান নীতি: হুমকি থেকে পশ্চাদপসরণ, এক দোলাচলের ইতিহাস]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/48872</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/48872</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[মৌসুমী আক্তার]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 03 Aug 2026 11:56:14 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[আমেরিকাস]]></category>
                        <category><![CDATA[Trump Iran war, US Iran policy, Hormuz Strait, Trump threats, Iran nuclear deal, Middle East tension, Truth Social, US strikes, Iran diplomacy, Trump contradictions]]></category>
        
        <description><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আধুনিক যেকোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের তুলনায় ইরানের বিরুদ্ধে সবচেয়ে আগ্রাসী সামরিক হুমকি দিয়েছেন। আবার সেসব হুমকি থেকেও তিনি বারবার পিছিয়ে এসেছেন । ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এই ৮০ বছর বয়সী রিপাবলিকান নেতার বক্তব্য বারবার বদলেছে—কখনো তিনি বিজয় ঘোষণা করেছেন, আবার কখনো ইরানকে আরও হামলার হুমকি দিয়েছেন । গত ১৭ জুন তিনি ইরানের নতুন নেতাদের 'খুব স্মার্ট' এবং 'কম কট্টরপন্থী' বলে প্রশংসা করেছিলেন। কিন্তু মাত্র তিন সপ্তাহ পর, ৮ জুলাই, তিনি হতাশ হয়ে বলেন, 'আমি আর তাদের সঙ্গে কথা বলতে চাই না, তারা নীচু প্রকৃতির'। এমন দোলাচল ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের নীতির এক চিরাচরিত বৈশিষ্ট্যে পরিণত হয়েছে। মার্চ-এপ্রিল: হুমকি ও পশ্চাদপসরণ ২১ মার্চ ট্রাম্প তাঁর ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে বলেন, 'যদি ইরান ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালী হুমকিমুক্ত না করে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের সবচেয়ে বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস করবে'। কিন্তু দুই দিন পর তিনি পাঁচ দিন সময় বাড়ান এবং ৬ এপ্রিল পর্যন্ত হামলা স্থগিত রাখেন । ৫ এপ্রিল ইস্টার রোববার তিনি অশ্লীল ভাষায় ইরানকে হরমুজ প্রণালী খোলার হুমকি দেন। ৭ এপ্রিল তিনি 'একটি পুরো সভ্যতা今夜 মারা যাবে' বলে হুমকি দেন—যা অনেকেই ইরানের প্রায় ৯ কোটি জনসংখ্যাকে নিশ্চিহ্ন করার হুমকি হিসেবে ব্যাখ্যা করেন। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে তিনি পাকিস্তানের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে দুই সপ্তাহের জন্য হামলা স্থগিত করেন । জুন-জুলাই: আবারও হুমকি ও প্রত্যাহার ১১ জুন তিনি ইরানের তেল অবকাঠামোতে 'খুব জোরালো' হামলার হুমকি দেন, কিন্তু পাঁচ ঘণ্টা পরই তিনি বলেন, আলোচনার অগ্রগতির কারণে তিনি হামলা বাতিল করেছেন। জুনে একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়, কিন্তু এক মাসের মধ্যেই আবার সংঘাত বেড়ে যায়। ৩১ জুলাই ট্রাম্প বলেন, 'আমরা তাদের খুব জোরালোভাবে আঘাত করব'। কিন্তু ১ আগস্ট তিনি দাবি করেন, ইরান ও মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশ হামলা স্থগিত রাখতে অনুরোধ করেছে এবং 'একটি চুক্তির পরিধি সম্মত হয়েছে'—যদিও ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এই দাবি জোরালোভাবে অস্বীকার করেছে । ঘটনার পটভূমি হরমুজ প্রণালী বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথ, যার মাধ্যমে বৈশ্বিক তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ পরিবাহিত হয়। বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতো নাগরিক অবকাঠামোতে ইচ্ছাকৃত হামলা আন্তর্জাতিক আইনে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বিবেচিত। ট্রাম্পের এই দোলাচলপূর্ণ নীতি শুধু ইরানের সঙ্গেই নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের স্থিতিশীলতা এবং বৈশ্বিক তেলবাজারের ওপরও প্রভাব ফেলছে। বিশেষ করে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো উপসাগরীয় মিত্ররা এই অনিশ্চয়তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। সম্প্রতি সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান ট্রাম্পকে ফোন করে উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানিয়েছেন ।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_36.webp" alt="ট্রাম্পের ইরান নীতি: হুমকি থেকে পশ্চাদপসরণ, এক দোলাচলের ইতিহাস" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ট্রাম্পের ইরান নীতি: হুমকি থেকে পশ্চাদপসরণ, এক দোলাচলের ইতিহাস</h1>
            <p>যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আধুনিক যেকোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের তুলনায় ইরানের বিরুদ্ধে সবচেয়ে আগ্রাসী সামরিক হুমকি দিয়েছেন। আবার সেসব হুমকি থেকেও তিনি বারবার পিছিয়ে এসেছেন । ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এই ৮০ বছর বয়সী রিপাবলিকান নেতার বক্তব্য বারবার বদলেছে—কখনো তিনি বিজয় ঘোষণা করেছেন, আবার কখনো ইরানকে আরও হামলার হুমকি দিয়েছেন । গত ১৭ জুন তিনি ইরানের নতুন নেতাদের 'খুব স্মার্ট' এবং 'কম কট্টরপন্থী' বলে প্রশংসা করেছিলেন। কিন্তু মাত্র তিন সপ্তাহ পর, ৮ জুলাই, তিনি হতাশ হয়ে বলেন, 'আমি আর তাদের সঙ্গে কথা বলতে চাই না, তারা নীচু প্রকৃতির'। এমন দোলাচল ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের নীতির এক চিরাচরিত বৈশিষ্ট্যে পরিণত হয়েছে। মার্চ-এপ্রিল: হুমকি ও পশ্চাদপসরণ ২১ মার্চ ট্রাম্প তাঁর ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে বলেন, 'যদি ইরান ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালী হুমকিমুক্ত না করে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের সবচেয়ে বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস করবে'। কিন্তু দুই দিন পর তিনি পাঁচ দিন সময় বাড়ান এবং ৬ এপ্রিল পর্যন্ত হামলা স্থগিত রাখেন । ৫ এপ্রিল ইস্টার রোববার তিনি অশ্লীল ভাষায় ইরানকে হরমুজ প্রণালী খোলার হুমকি দেন। ৭ এপ্রিল তিনি 'একটি পুরো সভ্যতা今夜 মারা যাবে' বলে হুমকি দেন—যা অনেকেই ইরানের প্রায় ৯ কোটি জনসংখ্যাকে নিশ্চিহ্ন করার হুমকি হিসেবে ব্যাখ্যা করেন। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে তিনি পাকিস্তানের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে দুই সপ্তাহের জন্য হামলা স্থগিত করেন । জুন-জুলাই: আবারও হুমকি ও প্রত্যাহার ১১ জুন তিনি ইরানের তেল অবকাঠামোতে 'খুব জোরালো' হামলার হুমকি দেন, কিন্তু পাঁচ ঘণ্টা পরই তিনি বলেন, আলোচনার অগ্রগতির কারণে তিনি হামলা বাতিল করেছেন। জুনে একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়, কিন্তু এক মাসের মধ্যেই আবার সংঘাত বেড়ে যায়। ৩১ জুলাই ট্রাম্প বলেন, 'আমরা তাদের খুব জোরালোভাবে আঘাত করব'। কিন্তু ১ আগস্ট তিনি দাবি করেন, ইরান ও মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশ হামলা স্থগিত রাখতে অনুরোধ করেছে এবং 'একটি চুক্তির পরিধি সম্মত হয়েছে'—যদিও ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এই দাবি জোরালোভাবে অস্বীকার করেছে । ঘটনার পটভূমি হরমুজ প্রণালী বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথ, যার মাধ্যমে বৈশ্বিক তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ পরিবাহিত হয়। বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতো নাগরিক অবকাঠামোতে ইচ্ছাকৃত হামলা আন্তর্জাতিক আইনে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বিবেচিত। ট্রাম্পের এই দোলাচলপূর্ণ নীতি শুধু ইরানের সঙ্গেই নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের স্থিতিশীলতা এবং বৈশ্বিক তেলবাজারের ওপরও প্রভাব ফেলছে। বিশেষ করে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো উপসাগরীয় মিত্ররা এই অনিশ্চয়তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। সম্প্রতি সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান ট্রাম্পকে ফোন করে উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানিয়েছেন ।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_36.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_36.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_36.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ঘরে ঢুকে ঘুমন্ত নারীকে টেনে নিয়ে গেল বাঘ, মৃত্যু]]></title>
        <link>https://nbs24.org/india/48871</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/india/48871</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আজাহারুল ইসলাম]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 03 Aug 2026 11:56:14 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[ভারত]]></category>
                <category><![CDATA[রাজ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[tiger attack, India, Madhya Pradesh, Balaghat, Kanha National Park, human-wildlife conflict, woman killed, Bengal tiger, forest department, wildlife]]></category>
        
        <description><![CDATA[ভারতের মধ্যপ্রদেশের বালাঘাট জেলায় বাঘের হামলায় এক নারীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২ আগস্ট) ভোররাতে কানহা ন্যাশনাল পার্ক সংলগ্ন একটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে । দেশটির সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে । স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, নিহতের নাম সুগনি বাই ধুরভে (৩০)। তিনি বালাঘাট জেলা সদর থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার দূরের খাপা রেঞ্জের পারাপুর বাইগাতোলা গ্রামের বাসিন্দা । গ্রামবাসীরা জানান, রাত দেড়টার দিকে সুগনি বাই নিজ কুঁড়েঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। এ সময় একটি বাঘ গ্রামে ঢুকে তার মাথা কামড়ে ধরে টেনে নিয়ে যায়। পরিবারের সদস্যদের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা টর্চ নিয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান । তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে বাঘটি প্রায় ৩০০ মিটার দূরে গিয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় সুগনি বাইকে ফেলে জঙ্গলে পালিয়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে বাইহার হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় । হাসপাতালের ব্লক মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. অনন্ত লিলহারে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন । ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বন বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং বাঘটির গতিবিধি পর্যবেক্ষণে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। গ্রামবাসীদের রাতের সময় ঘরের বাইরে না যাওয়া এবং সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন । ঘটনার পটভূমি কানহা টাইগার রিজার্ভ মধ্য ভারতের একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, যা বালাঘাট ও মন্ডলা জেলার অংশজুড়ে বিস্তৃত । এই এলাকায় বাঘের আবাসস্থল ও আশেপাশের মানুষের বসতির সান্নিধ্যের কারণে মানব-বন্যপ্রাণী সংঘর্ষের ঘটনা বিরল নয় । বন বিভাগের নজরদারি সত্ত্বেও, আবাসস্থল সংকুচিত হওয়ার কারণে বাঘ মাঝে মাঝে খাবারের সন্ধানে গ্রামাঞ্চলে চলে আসে । স্থানীয় প্রশাসন দীর্ঘদিন ধরেই এই সংঘর্ষ কমানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, তবে এই ঘটনা সেই প্রচেষ্টার সীমাবদ্ধতাকে আবারও সামনে এনে দাঁড় করিয়েছে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_35.webp" alt="ঘরে ঢুকে ঘুমন্ত নারীকে টেনে নিয়ে গেল বাঘ, মৃত্যু" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ঘরে ঢুকে ঘুমন্ত নারীকে টেনে নিয়ে গেল বাঘ, মৃত্যু</h1>
            <p>ভারতের মধ্যপ্রদেশের বালাঘাট জেলায় বাঘের হামলায় এক নারীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২ আগস্ট) ভোররাতে কানহা ন্যাশনাল পার্ক সংলগ্ন একটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে । দেশটির সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে । স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, নিহতের নাম সুগনি বাই ধুরভে (৩০)। তিনি বালাঘাট জেলা সদর থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার দূরের খাপা রেঞ্জের পারাপুর বাইগাতোলা গ্রামের বাসিন্দা । গ্রামবাসীরা জানান, রাত দেড়টার দিকে সুগনি বাই নিজ কুঁড়েঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। এ সময় একটি বাঘ গ্রামে ঢুকে তার মাথা কামড়ে ধরে টেনে নিয়ে যায়। পরিবারের সদস্যদের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা টর্চ নিয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান । তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে বাঘটি প্রায় ৩০০ মিটার দূরে গিয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় সুগনি বাইকে ফেলে জঙ্গলে পালিয়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে বাইহার হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় । হাসপাতালের ব্লক মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. অনন্ত লিলহারে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন । ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বন বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং বাঘটির গতিবিধি পর্যবেক্ষণে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। গ্রামবাসীদের রাতের সময় ঘরের বাইরে না যাওয়া এবং সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন । ঘটনার পটভূমি কানহা টাইগার রিজার্ভ মধ্য ভারতের একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, যা বালাঘাট ও মন্ডলা জেলার অংশজুড়ে বিস্তৃত । এই এলাকায় বাঘের আবাসস্থল ও আশেপাশের মানুষের বসতির সান্নিধ্যের কারণে মানব-বন্যপ্রাণী সংঘর্ষের ঘটনা বিরল নয় । বন বিভাগের নজরদারি সত্ত্বেও, আবাসস্থল সংকুচিত হওয়ার কারণে বাঘ মাঝে মাঝে খাবারের সন্ধানে গ্রামাঞ্চলে চলে আসে । স্থানীয় প্রশাসন দীর্ঘদিন ধরেই এই সংঘর্ষ কমানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, তবে এই ঘটনা সেই প্রচেষ্টার সীমাবদ্ধতাকে আবারও সামনে এনে দাঁড় করিয়েছে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_35.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_35.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_35.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[স্পেনের সেউটায় অভিবাসী ঢল: নিহত বেড়ে ৭২, ইউরোপ জুড়ে সংকট]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/48870</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/48870</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[মৌসুমী আক্তার]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 03 Aug 2026 11:56:14 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[Ceuta migrant crisis, Spain migration, Morocco border, EU immigration, Schengen suspension, migrant deaths, North Africa, Spanish enclave, Pedro Sanchez, European Union]]></category>
        
        <description><![CDATA[স্পেনের উত্তর আফ্রিকার ছিটমহল সেউটায় গত সপ্তাহে অভিবাসীদের গণ-প্রবেশে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭২ জনে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ রোববার এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। মরক্কো থেকে হাজার হাজার মানুষ সাঁতরে বা পায়ে হেঁটে স্পেনের এই ভূখণ্ডে প্রবেশের চেষ্টা করে, যার মধ্যে প্রায় ৬০ হাজার মানুষ সীমান্ত অতিক্রম করলেও বেশিরভাগই স্বেচ্ছায় ফিরে গেছেন । স্পেনের সেউটা প্রতিনিধি মিগুয়েল অ্যাঞ্জেল পেরেজ ট্রিয়ানো সাংবাদিকদের জানান, সর্বশেষ হিসাবে ৭২ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা পূর্ববর্তী ৬৭-এর চেয়ে বেশি। রোববার স্প্যানিশ পুলিশ ও সেনাবাহিনী সেউটায় টহল দিচ্ছিল। অধিকাংশ অভিবাসী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ফিরে যাওয়ায় শহরে কেবল ছোট ছোট দল এখনও দেখা যাচ্ছে। সেউটা বন্দরের কাছে স্প্যানিশ সেনারা নয়জন ক্লান্ত অভিবাসীকে আটক করেছে। সীমান্তবর্তী ভূমধ্যসাগরে উদ্ধারকারী নৌকা ও ৫০০ মিটার দীর্ঘ একটি ভাসমান বাধা দিয়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সীমান্ত এলাকা এখন শান্ত, যেখানে শ্রমিকরা গণঅভিবাসনের সময় ফেলে যাওয়া আবর্জনা পরিষ্কার করছেন । স্পেন অভিযোগ করেছে, অপরাধী চক্রগুলো গুজব ছড়িয়েছে যে সম্প্রতি অভিবাসন সংক্রান্ত সুপ্রিম কোর্টের একটি রায় প্রবেশ সহজ করবে। কিছু বিশ্লেষক মনে করেন, মরক্কো স্পেনের ওপর কূটনৈতিক চাপ প্রয়োগের জন্যই এই সীমান্ত খোলার সুযোগ দিয়েছে—বিশেষ করে সম্প্রতি স্পেন মরক্কোর প্রতিদ্বন্দ্বী আলজেরিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করায়। ২০২১ সালেও প্রায় ১০ হাজার অভিবাসী একইভাবে সেউটায় প্রবেশ করেছিল। মরক্কো এখনও এই সংকটে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি। ঘটনার পটভূমি সেউটা ও মেলিলা—স্পেনের এই দুই উত্তর আফ্রিকার ছিটমহল—ইউরোপীয় ইউনিয়নের স্থলসীমান্তে আফ্রিকা থেকে আগত অভিবাসীদের প্রধান প্রবেশপথ। ২২টি ইইউ দেশের জরুরি চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার ইউরোপীয় ইউনিয়ন একটি ভিডিও কনফারেন্স ডেকেছে, যেখানে দ্রুত সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার কথা হবে। ইতালি শনিবার স্পেনের সঙ্গে শেঙ্গেন চুক্তি এক মাসের জন্য স্থগিত করেছে, যা সাধারণত সীমান্তহীন চলাচলের সুযোগ দেয়। স্প্যানিশ প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ ইইউ নেতাদের প্রতি এক চিঠিতে কিছু ইউরোপীয় দেশের 'স্বার্থপর' প্রতিক্রিয়ার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। এই ঘটনা ইউরোপের অভিবাসন নীতির ভঙ্গুরতা এবং স্পেন-মরক্কো সম্পর্কের জটিলতাকে আবারও সামনে এনেছে, যা ভবিষ্যতে ইউরোপের দক্ষিণ সীমান্ত নীতি ও কূটনৈতিক সম্পর্ককে প্রভাবিত করতে পারে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_34.webp" alt="স্পেনের সেউটায় অভিবাসী ঢল: নিহত বেড়ে ৭২, ইউরোপ জুড়ে সংকট" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>স্পেনের সেউটায় অভিবাসী ঢল: নিহত বেড়ে ৭২, ইউরোপ জুড়ে সংকট</h1>
            <p>স্পেনের উত্তর আফ্রিকার ছিটমহল সেউটায় গত সপ্তাহে অভিবাসীদের গণ-প্রবেশে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭২ জনে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ রোববার এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। মরক্কো থেকে হাজার হাজার মানুষ সাঁতরে বা পায়ে হেঁটে স্পেনের এই ভূখণ্ডে প্রবেশের চেষ্টা করে, যার মধ্যে প্রায় ৬০ হাজার মানুষ সীমান্ত অতিক্রম করলেও বেশিরভাগই স্বেচ্ছায় ফিরে গেছেন । স্পেনের সেউটা প্রতিনিধি মিগুয়েল অ্যাঞ্জেল পেরেজ ট্রিয়ানো সাংবাদিকদের জানান, সর্বশেষ হিসাবে ৭২ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা পূর্ববর্তী ৬৭-এর চেয়ে বেশি। রোববার স্প্যানিশ পুলিশ ও সেনাবাহিনী সেউটায় টহল দিচ্ছিল। অধিকাংশ অভিবাসী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ফিরে যাওয়ায় শহরে কেবল ছোট ছোট দল এখনও দেখা যাচ্ছে। সেউটা বন্দরের কাছে স্প্যানিশ সেনারা নয়জন ক্লান্ত অভিবাসীকে আটক করেছে। সীমান্তবর্তী ভূমধ্যসাগরে উদ্ধারকারী নৌকা ও ৫০০ মিটার দীর্ঘ একটি ভাসমান বাধা দিয়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সীমান্ত এলাকা এখন শান্ত, যেখানে শ্রমিকরা গণঅভিবাসনের সময় ফেলে যাওয়া আবর্জনা পরিষ্কার করছেন । স্পেন অভিযোগ করেছে, অপরাধী চক্রগুলো গুজব ছড়িয়েছে যে সম্প্রতি অভিবাসন সংক্রান্ত সুপ্রিম কোর্টের একটি রায় প্রবেশ সহজ করবে। কিছু বিশ্লেষক মনে করেন, মরক্কো স্পেনের ওপর কূটনৈতিক চাপ প্রয়োগের জন্যই এই সীমান্ত খোলার সুযোগ দিয়েছে—বিশেষ করে সম্প্রতি স্পেন মরক্কোর প্রতিদ্বন্দ্বী আলজেরিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করায়। ২০২১ সালেও প্রায় ১০ হাজার অভিবাসী একইভাবে সেউটায় প্রবেশ করেছিল। মরক্কো এখনও এই সংকটে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি। ঘটনার পটভূমি সেউটা ও মেলিলা—স্পেনের এই দুই উত্তর আফ্রিকার ছিটমহল—ইউরোপীয় ইউনিয়নের স্থলসীমান্তে আফ্রিকা থেকে আগত অভিবাসীদের প্রধান প্রবেশপথ। ২২টি ইইউ দেশের জরুরি চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার ইউরোপীয় ইউনিয়ন একটি ভিডিও কনফারেন্স ডেকেছে, যেখানে দ্রুত সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার কথা হবে। ইতালি শনিবার স্পেনের সঙ্গে শেঙ্গেন চুক্তি এক মাসের জন্য স্থগিত করেছে, যা সাধারণত সীমান্তহীন চলাচলের সুযোগ দেয়। স্প্যানিশ প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ ইইউ নেতাদের প্রতি এক চিঠিতে কিছু ইউরোপীয় দেশের 'স্বার্থপর' প্রতিক্রিয়ার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। এই ঘটনা ইউরোপের অভিবাসন নীতির ভঙ্গুরতা এবং স্পেন-মরক্কো সম্পর্কের জটিলতাকে আবারও সামনে এনেছে, যা ভবিষ্যতে ইউরোপের দক্ষিণ সীমান্ত নীতি ও কূটনৈতিক সম্পর্ককে প্রভাবিত করতে পারে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_34.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_34.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_34.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[দক্ষিণ কোরিয়ায় রেকর্ড তাপমাত্রা ৪২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ইতিহাসের উষ্ণতম দিন]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/48869</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/48869</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[মৌসুমী আক্তার]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 03 Aug 2026 11:56:14 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[এশিয়া]]></category>
                        <category><![CDATA[South Korea heatwave, highest temperature, Yangsan, 42.5 degrees, climate change, El Nino, KMA, emergency heat alert, Korea Baseball Organization, extreme weather]]></category>
        
        <description><![CDATA[দক্ষিণ কোরিয়া রোববার ইতিহাসের উষ্ণতম দিন অতিক্রম করেছে, যখন দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় শহর ইয়াংসানের তাপমাত্রা ৪২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায়। কোরিয়া আবহাওয়া প্রশাসনের (কেএমএ) তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ২৬ মিনিটে এই রেকর্ড তাপমাত্রা ধরা পড়ে, যা ১৯০৪ সালে আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ শুরু হওয়ার পর সর্বোচ্চ । ইয়াংসানে টানা পঞ্চম দিন তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির ওপরে ছিল, অন্যদিকে ডেইগু ও বুসানের মতো শহরগুলোর তাপমাত্রাও ৩০ ডিগ্রির উচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে । প্রচণ্ড গরমে সাধারণ মানুষ এসি-চালিত শপিং মল ও ক্যাফেগুলোতে আশ্রয় নিয়েছেন। সিওলে এক স্টারবাকসে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো ২৭ বছর বয়সী অফিস কর্মী জু ডং-ইওল এএফপিকে বলেন, 'বাইরে কিছু করার মতো খুব গরম। বাসা, শপিং মল ও ক্যাফের মতো এসি-যুক্ত জায়গায় থাকা ছাড়া অন্য কোনো উপায় মনে হচ্ছে না'। কেএমএ দেশটির ২০টির বেশি এলাকায় 'জরুরি তাপপ্রবাহ সতর্কতা' জারি করেছে, যা চলতি বছর চালু হওয়া নতুন সতর্কতা বিভাগ। সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, 'অবিলম্বে সব বহিরঙ্গন কার্যক্রম বন্ধ করুন। এসি-বিহীন ভবন বিপজ্জনক। দ্রুত শীতল স্থানে—যেমন কুলিং সেন্টার বা ছায়াযুক্ত এলাকায়—সরান এবং পর্যাপ্ত পানি পান করুন'। দক্ষিণ কোরিয়ার পেশাদার বেসবল লিগও চাংওন শহরে একটি ম্যাচ বাতিল করেছে, কারণ সেখানে তাপমাত্রা ৩৯.৫ ডিগ্রিতে পৌঁছায়—এটি শহরে টানা দ্বিতীয় ম্যাচ বাতিল। কোরিয়া বেসবল অর্গানাইজেশন জানিয়েছে, 'দর্শক ও খেলোয়াড়দের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে'। কেএমএ তথ্য বলছে, দেশে গড় বার্ষিক তাপপ্রবাহের দিনের সংখ্যা গত পাঁচ বছরে ১৯৭০-এর দশকের ৮ দিন থেকে দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে ১৯ দিনে দাঁড়িয়েছে। তাপপ্রবাহের দিন বলতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৩ ডিগ্রি বা তার বেশি হয় এমন দিনকে বোঝায়। ঘটনার পটভূমি বিশ্বজুড়ে তাপপ্রবাহ ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। বিজ্ঞানীরা সতর্ক করেছেন, মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে তাপপ্রবাহের মতো চরম আবহাওয়া আরও ঘনঘন ও তীব্র হচ্ছে। এছাড়া, এল নিনো—প্রশান্ত মহাসাগরের পানির তাপমাত্রা বাড়ায় এমন প্রাকৃতিক জলবায়ু ঘটনা—এর প্রত্যাবর্তনও এই বছর চরম আবহাওয়াকে আরও বাড়িয়েছে। শুধু দক্ষিণ কোরিয়া নয়, ইউরোপও চলতি বছর প্রলম্বিত তাপপ্রবাহের সম্মুখীন হয়েছে, যেখানে দক্ষিণাঞ্চলের কিছু অংশে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির ওপরে উঠেছে। ইতালি বলেছে, সোমবার থেকে দেশটির প্রায় সব প্রধান শহর সর্বোচ্চ তাপ সতর্কতার আওতায় থাকবে। বৈশ্বিক তাপপ্রবাহের এই ধারা একটি উদ্বেগজনক বাস্তবতা তুলে ধরছে, যা খাদ্য নিরাপত্তা, জনস্বাস্থ্য ও অর্থনীতির ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_33.webp" alt="দক্ষিণ কোরিয়ায় রেকর্ড তাপমাত্রা ৪২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ইতিহাসের উষ্ণতম দিন" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>দক্ষিণ কোরিয়ায় রেকর্ড তাপমাত্রা ৪২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ইতিহাসের উষ্ণতম দিন</h1>
            <p>দক্ষিণ কোরিয়া রোববার ইতিহাসের উষ্ণতম দিন অতিক্রম করেছে, যখন দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় শহর ইয়াংসানের তাপমাত্রা ৪২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায়। কোরিয়া আবহাওয়া প্রশাসনের (কেএমএ) তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ২৬ মিনিটে এই রেকর্ড তাপমাত্রা ধরা পড়ে, যা ১৯০৪ সালে আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ শুরু হওয়ার পর সর্বোচ্চ । ইয়াংসানে টানা পঞ্চম দিন তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির ওপরে ছিল, অন্যদিকে ডেইগু ও বুসানের মতো শহরগুলোর তাপমাত্রাও ৩০ ডিগ্রির উচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে । প্রচণ্ড গরমে সাধারণ মানুষ এসি-চালিত শপিং মল ও ক্যাফেগুলোতে আশ্রয় নিয়েছেন। সিওলে এক স্টারবাকসে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো ২৭ বছর বয়সী অফিস কর্মী জু ডং-ইওল এএফপিকে বলেন, 'বাইরে কিছু করার মতো খুব গরম। বাসা, শপিং মল ও ক্যাফের মতো এসি-যুক্ত জায়গায় থাকা ছাড়া অন্য কোনো উপায় মনে হচ্ছে না'। কেএমএ দেশটির ২০টির বেশি এলাকায় 'জরুরি তাপপ্রবাহ সতর্কতা' জারি করেছে, যা চলতি বছর চালু হওয়া নতুন সতর্কতা বিভাগ। সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, 'অবিলম্বে সব বহিরঙ্গন কার্যক্রম বন্ধ করুন। এসি-বিহীন ভবন বিপজ্জনক। দ্রুত শীতল স্থানে—যেমন কুলিং সেন্টার বা ছায়াযুক্ত এলাকায়—সরান এবং পর্যাপ্ত পানি পান করুন'। দক্ষিণ কোরিয়ার পেশাদার বেসবল লিগও চাংওন শহরে একটি ম্যাচ বাতিল করেছে, কারণ সেখানে তাপমাত্রা ৩৯.৫ ডিগ্রিতে পৌঁছায়—এটি শহরে টানা দ্বিতীয় ম্যাচ বাতিল। কোরিয়া বেসবল অর্গানাইজেশন জানিয়েছে, 'দর্শক ও খেলোয়াড়দের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে'। কেএমএ তথ্য বলছে, দেশে গড় বার্ষিক তাপপ্রবাহের দিনের সংখ্যা গত পাঁচ বছরে ১৯৭০-এর দশকের ৮ দিন থেকে দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে ১৯ দিনে দাঁড়িয়েছে। তাপপ্রবাহের দিন বলতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৩ ডিগ্রি বা তার বেশি হয় এমন দিনকে বোঝায়। ঘটনার পটভূমি বিশ্বজুড়ে তাপপ্রবাহ ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। বিজ্ঞানীরা সতর্ক করেছেন, মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে তাপপ্রবাহের মতো চরম আবহাওয়া আরও ঘনঘন ও তীব্র হচ্ছে। এছাড়া, এল নিনো—প্রশান্ত মহাসাগরের পানির তাপমাত্রা বাড়ায় এমন প্রাকৃতিক জলবায়ু ঘটনা—এর প্রত্যাবর্তনও এই বছর চরম আবহাওয়াকে আরও বাড়িয়েছে। শুধু দক্ষিণ কোরিয়া নয়, ইউরোপও চলতি বছর প্রলম্বিত তাপপ্রবাহের সম্মুখীন হয়েছে, যেখানে দক্ষিণাঞ্চলের কিছু অংশে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির ওপরে উঠেছে। ইতালি বলেছে, সোমবার থেকে দেশটির প্রায় সব প্রধান শহর সর্বোচ্চ তাপ সতর্কতার আওতায় থাকবে। বৈশ্বিক তাপপ্রবাহের এই ধারা একটি উদ্বেগজনক বাস্তবতা তুলে ধরছে, যা খাদ্য নিরাপত্তা, জনস্বাস্থ্য ও অর্থনীতির ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_33.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_33.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_33.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Suki Waterhouse Reveals Whimsical Imaginary Games She Shares with Daughter and Robert Pattinson]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/48868</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/48868</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Mousumi Akter]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 03 Aug 2026 11:56:14 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[Entertainment]]></category>
                        <category><![CDATA[Suki Waterhouse, Robert Pattinson, Suki Waterhouse daughter, Robert Pattinson daughter, Suki Waterhouse parenting, celebrity parents, Suki Waterhouse interview, Daisy Jones & The Six, Robert Pattinson family, celebrity parenting style, Suki Waterhouse Robert Pattinson, imaginative play with kids, celebrity children privacy]]></category>
        
        <description><![CDATA[Suki Waterhouse is offering a rare and charming glimpse into her private life as a mother, sharing the imaginative world she and her two-year-old daughter have built together. The 34-year-old singer and actress detailed the special bond she shares with her child, revealing they spend hours inventing games and exploring make-believe scenarios away from the public eye. According to Geo.tv, Waterhouse opened up about their playful dynamic in a recent interview, offering a peek into the quiet family life she maintains with fiancé Robert Pattinson . The Daisy Jones & The Six star explained that she actively nurtures her daughter's creativity, and their favorite pastime involves creating entire worlds out of thin air. "We spend a lot of time imagining things," Waterhouse shared. "We'll just be looking into thin air and I'll say, 'Oh my God, there's a giraffe! Look how long its neck is.' We just make these little imaginary worlds together" . This organic form of play has evolved into elaborate role-playing sessions, with the pair often transforming into characters from classic fairy tales like Goldilocks and the Three Bears. "She'll suddenly say, 'The bears are there,' and then we'll become Goldilocks and the Three Bears," Waterhouse recounted . The musician described a particularly beloved routine where they construct a tent on the bed, pretending that bears are lurking outside as they build a campfire and cook imaginary sausages. "There's a lot of pretending to be asleep and waking up," she added with a laugh . This focus on screen-free, imagination-driven play mirrors a growing trend among millennial parents who are consciously shifting away from digital entertainment toward hands-on, interactive childhood experiences. Waterhouse and Pattinson, who have been together since 2018, welcomed their daughter in March 2024 and have made a deliberate choice to keep her name and face private . The couple, known for their famously guarded relationship, got engaged later that year, and Waterhouse has previously described Pattinson as "the dad I could have hoped for," noting that the bond between him and their daughter is "an actual love story" . Despite their fierce privacy, both parents occasionally share heartfelt anecdotes about their child in interviews, though they have never revealed her identity to the public. Why this matters The couple's commitment to raising their child away from the Hollywood spotlight reflects a broader shift among A-list celebrities who are increasingly drawing firm boundaries around their families' privacy. For Waterhouse and Pattinson, maintaining normalcy for their daughter is a priority, with Waterhouse's comments highlighting the importance of unstructured, creative playtime in early childhood development. Their decision to shelter their child from public scrutiny while still sharing relatable parenting moments resonates with fans who appreciate their down-to-earth approach to fame.]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_32.webp" alt="Suki Waterhouse Reveals Whimsical Imaginary Games She Shares with Daughter and Robert Pattinson" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Suki Waterhouse Reveals Whimsical Imaginary Games She Shares with Daughter and Robert Pattinson</h1>
            <p>Suki Waterhouse is offering a rare and charming glimpse into her private life as a mother, sharing the imaginative world she and her two-year-old daughter have built together. The 34-year-old singer and actress detailed the special bond she shares with her child, revealing they spend hours inventing games and exploring make-believe scenarios away from the public eye. According to Geo.tv, Waterhouse opened up about their playful dynamic in a recent interview, offering a peek into the quiet family life she maintains with fiancé Robert Pattinson . The Daisy Jones & The Six star explained that she actively nurtures her daughter's creativity, and their favorite pastime involves creating entire worlds out of thin air. "We spend a lot of time imagining things," Waterhouse shared. "We'll just be looking into thin air and I'll say, 'Oh my God, there's a giraffe! Look how long its neck is.' We just make these little imaginary worlds together" . This organic form of play has evolved into elaborate role-playing sessions, with the pair often transforming into characters from classic fairy tales like Goldilocks and the Three Bears. "She'll suddenly say, 'The bears are there,' and then we'll become Goldilocks and the Three Bears," Waterhouse recounted . The musician described a particularly beloved routine where they construct a tent on the bed, pretending that bears are lurking outside as they build a campfire and cook imaginary sausages. "There's a lot of pretending to be asleep and waking up," she added with a laugh . This focus on screen-free, imagination-driven play mirrors a growing trend among millennial parents who are consciously shifting away from digital entertainment toward hands-on, interactive childhood experiences. Waterhouse and Pattinson, who have been together since 2018, welcomed their daughter in March 2024 and have made a deliberate choice to keep her name and face private . The couple, known for their famously guarded relationship, got engaged later that year, and Waterhouse has previously described Pattinson as "the dad I could have hoped for," noting that the bond between him and their daughter is "an actual love story" . Despite their fierce privacy, both parents occasionally share heartfelt anecdotes about their child in interviews, though they have never revealed her identity to the public. Why this matters The couple's commitment to raising their child away from the Hollywood spotlight reflects a broader shift among A-list celebrities who are increasingly drawing firm boundaries around their families' privacy. For Waterhouse and Pattinson, maintaining normalcy for their daughter is a priority, with Waterhouse's comments highlighting the importance of unstructured, creative playtime in early childhood development. Their decision to shelter their child from public scrutiny while still sharing relatable parenting moments resonates with fans who appreciate their down-to-earth approach to fame.</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_32.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_32.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_32.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[কোরআনে বর্ণিত আল-উখদুদে পর্যটকদের ঢল, বাড়ছে ঐতিহাসিক স্থানের জনপ্রিয়তা]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/48867</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/48867</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 03 Aug 2026 11:56:14 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Al-Ukhdud, Saudi Arabia, Najran, religious tourism, Quran, Ashabul Ukhdud, Saudi tourism, historical site, heritage commission, Vision 2030, archaeological site]]></category>
        
        <description><![CDATA[সৌদি আরবের নাজরান অঞ্চলে অবস্থিত ঐতিহাসিক আল-উখদুদ প্রত্নস্থলে পর্যটকদের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে । কোরআনে বর্ণিত এই প্রাচীন শহরটি ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে ১৭ হাজার ৭৪৪ জন দর্শনার্থীকে আকর্ষণ করেছে, যা দেশটির অন্যতম প্রধান ঐতিহ্যবাহী পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে এর গুরুত্বকে আবারও তুলে ধরেছে । সৌদি প্রেস এজেন্সির প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। ইতিহাসবিদদের মতে, খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে গড়ে ওঠা আল-উখদুদ প্রাচীন ধূপ বাণিজ্যপথের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যকেন্দ্র ছিল। এখানে প্রায় ২৩৫ মিটার দীর্ঘ ও ২২০ মিটার প্রশস্ত একটি সুরক্ষিত নগরপ্রাচীরের ধ্বংসাবশেষ রয়েছে, যা একসময়ের সমৃদ্ধ সভ্যতার সাক্ষ্য বহন করে। খোদাই করা পাথরের দুই থেকে চার মিটার উঁচু ভিত্তির ওপর নির্মিত বিভিন্ন স্থাপনার নিদর্শনও এখনো টিকে আছে । দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে সৌদি হেরিটেজ কমিশন এখানে একটি আধুনিক ভিজিটর সেন্টার নির্মাণ করেছে। ৩০০ বর্গমিটার আয়তনের এই ভবনের পাশাপাশি রয়েছে ৩ হাজার ৪০০ বর্গমিটারের খোলা প্রাঙ্গণ। কেন্দ্রটিতে ইন্টারঅ্যাকটিভ প্রদর্শনী, ত্রিমাত্রিক (থ্রিডি) মডেল, শিশুদের জন্য বিশেষ গ্যালারি, শিক্ষামূলক কার্যক্রম এবং প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ঘুরে দেখার মাঠপর্যায়ের ভ্রমণের ব্যবস্থা রয়েছে । ঘটনার পটভূমি আল-উখদুদের গুরুত্ব শুধু ঐতিহাসিক নয়, ধর্মীয় দিক থেকেও অপরিসীম। পবিত্র কোরআনের সুরা আল-বুরুজে ‘আসহাবুল উখদুদ’ (পরিখার অধিবাসীদের) কথা বর্ণিত হয়েছে, যেখানে বিশ্বাসীদের ওপর অত্যাচারের কাহিনী উল্লেখ আছে । ইসলামের প্রাথমিক ইতিহাসের সঙ্গে জড়িত এই স্থানটি মুসলিম পর্যটকদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ তৈরি করে। সৌদি আরবের ভিশন ২০৩০-এর অংশ হিসেবে দেশটি ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক পর্যটনকে গুরুত্ব দিচ্ছে। আল-উখদুদসহ বিভিন্ন প্রত্নস্থলের উন্নয়নে কাজ করছে সৌদি কর্তৃপক্ষ, যা দেশের অর্থনৈতিক বৈচিত্র্যকরণের অংশ হিসেবে পর্যটন খাতকে শক্তিশালী করছে। সম্প্রতি সৌদি আরব পর্যটকদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করায় বিদেশি দর্শনার্থীদের সংখ্যাও বাড়ছে, যা এই ঐতিহাসিক স্থানটির জনপ্রিয়তাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_31.webp" alt="কোরআনে বর্ণিত আল-উখদুদে পর্যটকদের ঢল, বাড়ছে ঐতিহাসিক স্থানের জনপ্রিয়তা" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>কোরআনে বর্ণিত আল-উখদুদে পর্যটকদের ঢল, বাড়ছে ঐতিহাসিক স্থানের জনপ্রিয়তা</h1>
            <p>সৌদি আরবের নাজরান অঞ্চলে অবস্থিত ঐতিহাসিক আল-উখদুদ প্রত্নস্থলে পর্যটকদের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে । কোরআনে বর্ণিত এই প্রাচীন শহরটি ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে ১৭ হাজার ৭৪৪ জন দর্শনার্থীকে আকর্ষণ করেছে, যা দেশটির অন্যতম প্রধান ঐতিহ্যবাহী পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে এর গুরুত্বকে আবারও তুলে ধরেছে । সৌদি প্রেস এজেন্সির প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। ইতিহাসবিদদের মতে, খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে গড়ে ওঠা আল-উখদুদ প্রাচীন ধূপ বাণিজ্যপথের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যকেন্দ্র ছিল। এখানে প্রায় ২৩৫ মিটার দীর্ঘ ও ২২০ মিটার প্রশস্ত একটি সুরক্ষিত নগরপ্রাচীরের ধ্বংসাবশেষ রয়েছে, যা একসময়ের সমৃদ্ধ সভ্যতার সাক্ষ্য বহন করে। খোদাই করা পাথরের দুই থেকে চার মিটার উঁচু ভিত্তির ওপর নির্মিত বিভিন্ন স্থাপনার নিদর্শনও এখনো টিকে আছে । দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে সৌদি হেরিটেজ কমিশন এখানে একটি আধুনিক ভিজিটর সেন্টার নির্মাণ করেছে। ৩০০ বর্গমিটার আয়তনের এই ভবনের পাশাপাশি রয়েছে ৩ হাজার ৪০০ বর্গমিটারের খোলা প্রাঙ্গণ। কেন্দ্রটিতে ইন্টারঅ্যাকটিভ প্রদর্শনী, ত্রিমাত্রিক (থ্রিডি) মডেল, শিশুদের জন্য বিশেষ গ্যালারি, শিক্ষামূলক কার্যক্রম এবং প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ঘুরে দেখার মাঠপর্যায়ের ভ্রমণের ব্যবস্থা রয়েছে । ঘটনার পটভূমি আল-উখদুদের গুরুত্ব শুধু ঐতিহাসিক নয়, ধর্মীয় দিক থেকেও অপরিসীম। পবিত্র কোরআনের সুরা আল-বুরুজে ‘আসহাবুল উখদুদ’ (পরিখার অধিবাসীদের) কথা বর্ণিত হয়েছে, যেখানে বিশ্বাসীদের ওপর অত্যাচারের কাহিনী উল্লেখ আছে । ইসলামের প্রাথমিক ইতিহাসের সঙ্গে জড়িত এই স্থানটি মুসলিম পর্যটকদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ তৈরি করে। সৌদি আরবের ভিশন ২০৩০-এর অংশ হিসেবে দেশটি ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক পর্যটনকে গুরুত্ব দিচ্ছে। আল-উখদুদসহ বিভিন্ন প্রত্নস্থলের উন্নয়নে কাজ করছে সৌদি কর্তৃপক্ষ, যা দেশের অর্থনৈতিক বৈচিত্র্যকরণের অংশ হিসেবে পর্যটন খাতকে শক্তিশালী করছে। সম্প্রতি সৌদি আরব পর্যটকদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করায় বিদেশি দর্শনার্থীদের সংখ্যাও বাড়ছে, যা এই ঐতিহাসিক স্থানটির জনপ্রিয়তাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_31.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_31.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_31.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইরানে হামলা স্থগিতের ঘোষণা ট্রাম্পের, শর্ত জুড়ে দিলেন]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/48866</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/48866</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[মৌসুমী আক্তার]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 03 Aug 2026 11:56:14 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[আমেরিকাস]]></category>
                        <category><![CDATA[Trump Iran, US Israel strikes, Hormuz Strait, Iran nuclear deal, Middle East tension, Saudi Arabia, Mohammed bin Salman, ceasefire, Trump Truth Social, oil prices]]></category>
        
        <description><![CDATA[মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে দ্রুত একটি চুক্তি হলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে নতুন কোনো হামলা স্থগিত রাখবে। শনিবার ট্রাম্প তাঁর ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে এক পোস্টে এই ঘোষণা দেন । তিনি বলেন, 'যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর অভূতপূর্ব সামরিক শক্তি নিয়ে ইরানের বিরুদ্ধে প্রস্তুত, তবে ইরান ও মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশের অনুরোধে আমি আপাতত হামলা বাতিল করেছি—শর্ত থাকে যে একটি দ্রুত চুক্তি সম্ভব হবে' । ট্রাম্প জানান, চুক্তিতে অবশ্যই হরমুজ প্রণালী 'তাৎক্ষণিক ও সম্পূর্ণরূপে' খুলে দেওয়া এবং ইরানের পারমাণবিক হুমকি শেষ করার বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে। তিনি আরও বলেন, 'ইসরায়েলও এই প্রতিশ্রুতিতে আমার সঙ্গে যোগ দিয়েছে। সবাই কাজ শুরু করুন এবং তা সম্পন্ন করুন।' গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা শুরুর পর থেকে প্রায় সাড়ে পাঁচ মাস ধরে এই সংঘাত চলছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে আবারও পাল্টাপাল্টি হামলা বেড়েছে। এরই মধ্যে সিবিএস নিউজ জানিয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে তেল শোধনাগার ও বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ ইরানের শক্তি অবকাঠামোতে হামলার পরিকল্পনা করছে । এই পরিস্থিতিতে সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান ট্রাম্পকে ফোন করে নিজেদের উদ্বেগ জানান এবং উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানান । অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি যুবরাজ ট্রাম্পকে হামলা না করার জন্য অনুরোধ করেন । ঘটনার পটভূমি হরমুজ প্রণালী বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথগুলোর একটি, যার মাধ্যমে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ পরিবাহিত হয়। ইরান সাম্প্রতিক সময়ে এই প্রণালীতে বেশ কয়েকটি জাহাজ আটক ও হামলার ঘটনা ঘটায়, যা আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়িয়ে দেয় এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করে। অন্যদিকে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলোর দীর্ঘদিনের উদ্বেগ এখনও বিদ্যমান। ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের ওপর 'সর্বোচ্চ চাপ' প্রয়োগের নীতি গ্রহণ করলেও, এই হামলা স্থগিতের ঘোষণা কূটনৈতিক সমাধানের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে ট্রাম্পের দেওয়া শর্ত পূরণে ইরান কতটা রাজি হয়, তা এখনো স্পষ্ট নয় ।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_30.webp" alt="ইরানে হামলা স্থগিতের ঘোষণা ট্রাম্পের, শর্ত জুড়ে দিলেন" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইরানে হামলা স্থগিতের ঘোষণা ট্রাম্পের, শর্ত জুড়ে দিলেন</h1>
            <p>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে দ্রুত একটি চুক্তি হলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে নতুন কোনো হামলা স্থগিত রাখবে। শনিবার ট্রাম্প তাঁর ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে এক পোস্টে এই ঘোষণা দেন । তিনি বলেন, 'যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর অভূতপূর্ব সামরিক শক্তি নিয়ে ইরানের বিরুদ্ধে প্রস্তুত, তবে ইরান ও মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশের অনুরোধে আমি আপাতত হামলা বাতিল করেছি—শর্ত থাকে যে একটি দ্রুত চুক্তি সম্ভব হবে' । ট্রাম্প জানান, চুক্তিতে অবশ্যই হরমুজ প্রণালী 'তাৎক্ষণিক ও সম্পূর্ণরূপে' খুলে দেওয়া এবং ইরানের পারমাণবিক হুমকি শেষ করার বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে। তিনি আরও বলেন, 'ইসরায়েলও এই প্রতিশ্রুতিতে আমার সঙ্গে যোগ দিয়েছে। সবাই কাজ শুরু করুন এবং তা সম্পন্ন করুন।' গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা শুরুর পর থেকে প্রায় সাড়ে পাঁচ মাস ধরে এই সংঘাত চলছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে আবারও পাল্টাপাল্টি হামলা বেড়েছে। এরই মধ্যে সিবিএস নিউজ জানিয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে তেল শোধনাগার ও বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ ইরানের শক্তি অবকাঠামোতে হামলার পরিকল্পনা করছে । এই পরিস্থিতিতে সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান ট্রাম্পকে ফোন করে নিজেদের উদ্বেগ জানান এবং উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানান । অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি যুবরাজ ট্রাম্পকে হামলা না করার জন্য অনুরোধ করেন । ঘটনার পটভূমি হরমুজ প্রণালী বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথগুলোর একটি, যার মাধ্যমে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ পরিবাহিত হয়। ইরান সাম্প্রতিক সময়ে এই প্রণালীতে বেশ কয়েকটি জাহাজ আটক ও হামলার ঘটনা ঘটায়, যা আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়িয়ে দেয় এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করে। অন্যদিকে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলোর দীর্ঘদিনের উদ্বেগ এখনও বিদ্যমান। ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের ওপর 'সর্বোচ্চ চাপ' প্রয়োগের নীতি গ্রহণ করলেও, এই হামলা স্থগিতের ঘোষণা কূটনৈতিক সমাধানের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে ট্রাম্পের দেওয়া শর্ত পূরণে ইরান কতটা রাজি হয়, তা এখনো স্পষ্ট নয় ।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_30.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_30.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_30.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[পাকিস্তানের সোয়াতে পুলিশ স্টেশনের বাইরে আত্মঘাতী হামলা, নিহত ১৪]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/48865</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/48865</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 03 Aug 2026 11:56:14 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[এশিয়া]]></category>
                        <category><![CDATA[Pakistan blast, Swat valley attack, suicide bombing, Khyber Pakhtunkhwa, police station attack, Kabal blast, Pakistan taliban, Mohsin Naqvi, Pakistan violence, counter-terrorism]]></category>
        
        <description><![CDATA[পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের সোয়াত উপত্যকায় একটি পুলিশ স্টেশনের বাইরে আত্মঘাতী বোমা হামলায় অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন । রোববার (২ আগস্ট) সন্ধ্যায় আফগানিস্তান সীমান্তসংলগ্ন এই প্রদেশের সোয়াত উপত্যকার কাবাল শহরে এ হামলার ঘটনা ঘটে । এ ঘটনায় আরও অন্তত ২২ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ । সোয়াত জেলার পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট (ডিপিও) উমর খান জানান, পুলিশ স্টেশনের প্রবেশমুখে দায়িত্বরত নিরাপত্তাকর্মীরা এক ব্যক্তিকে থামিয়ে তল্লাশির চেষ্টা করলে তিনি নিজের শরীরে থাকা বিস্ফোরক ঘটান । ঘটনার পর নিরাপত্তা বাহিনী পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে এবং তদন্ত শুরু করে । এই বিস্ফোরণটি ঘটে এমন এক সময়ে, যখন পাশের একটি মোড়ে কয়েকশ মানুষ এলাকায় ক্রমবর্ধমান সহিংসতার বিরুদ্ধে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপের দাবিতে সমাবেশ করছিলেন । সমাবেশের শেষ বক্তা বক্তব্য দেওয়ার সময়ই বিস্ফোরণ ঘটে, যা সমাবেশকারীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে । আহতদের কাছের শহর সাইদু শরিফের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে । পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা ও আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন । ঘটনার পটভূমি সোয়াত উপত্যকা একসময় পাকিস্তানি তালেবানের শক্ত ঘাঁটি ছিল। ২০০৯ সালে সামরিক অভিযানের মাধ্যমে তালেবানদের সেখান থেকে তাড়ানো হয়, তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই অঞ্চলে আবারও সশস্ত্র হামলা বেড়েছে। বিশেষ করে খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে তালেবান ও অন্যান্য জঙ্গি গোষ্ঠীর তৎপরতা বাড়ছে । বিক্ষোভকারীরা মূলত এই ক্রমবর্ধমান সহিংসতার প্রতিবাদ করতেই সমবেত হয়েছিলেন। কাবালের এই আত্মঘাতী হামলা নিরাপত্তা পরিস্থিতির উদ্বেগজনক অবনতির ইঙ্গিত দেয়, বিশেষ করে যখন সরকার পুলিশ স্টেশন ও জনসমাগমস্থলে নিরাপত্তা জোরদারের কথা বলছে ।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_29.webp" alt="পাকিস্তানের সোয়াতে পুলিশ স্টেশনের বাইরে আত্মঘাতী হামলা, নিহত ১৪" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>পাকিস্তানের সোয়াতে পুলিশ স্টেশনের বাইরে আত্মঘাতী হামলা, নিহত ১৪</h1>
            <p>পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের সোয়াত উপত্যকায় একটি পুলিশ স্টেশনের বাইরে আত্মঘাতী বোমা হামলায় অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন । রোববার (২ আগস্ট) সন্ধ্যায় আফগানিস্তান সীমান্তসংলগ্ন এই প্রদেশের সোয়াত উপত্যকার কাবাল শহরে এ হামলার ঘটনা ঘটে । এ ঘটনায় আরও অন্তত ২২ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ । সোয়াত জেলার পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট (ডিপিও) উমর খান জানান, পুলিশ স্টেশনের প্রবেশমুখে দায়িত্বরত নিরাপত্তাকর্মীরা এক ব্যক্তিকে থামিয়ে তল্লাশির চেষ্টা করলে তিনি নিজের শরীরে থাকা বিস্ফোরক ঘটান । ঘটনার পর নিরাপত্তা বাহিনী পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে এবং তদন্ত শুরু করে । এই বিস্ফোরণটি ঘটে এমন এক সময়ে, যখন পাশের একটি মোড়ে কয়েকশ মানুষ এলাকায় ক্রমবর্ধমান সহিংসতার বিরুদ্ধে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপের দাবিতে সমাবেশ করছিলেন । সমাবেশের শেষ বক্তা বক্তব্য দেওয়ার সময়ই বিস্ফোরণ ঘটে, যা সমাবেশকারীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে । আহতদের কাছের শহর সাইদু শরিফের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে । পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা ও আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন । ঘটনার পটভূমি সোয়াত উপত্যকা একসময় পাকিস্তানি তালেবানের শক্ত ঘাঁটি ছিল। ২০০৯ সালে সামরিক অভিযানের মাধ্যমে তালেবানদের সেখান থেকে তাড়ানো হয়, তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই অঞ্চলে আবারও সশস্ত্র হামলা বেড়েছে। বিশেষ করে খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে তালেবান ও অন্যান্য জঙ্গি গোষ্ঠীর তৎপরতা বাড়ছে । বিক্ষোভকারীরা মূলত এই ক্রমবর্ধমান সহিংসতার প্রতিবাদ করতেই সমবেত হয়েছিলেন। কাবালের এই আত্মঘাতী হামলা নিরাপত্তা পরিস্থিতির উদ্বেগজনক অবনতির ইঙ্গিত দেয়, বিশেষ করে যখন সরকার পুলিশ স্টেশন ও জনসমাগমস্থলে নিরাপত্তা জোরদারের কথা বলছে ।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_29.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_29.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_29.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[মস্কোর অভিজাত ইতালিয়ান রেস্তোরাঁয় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ৩]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/48864</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/48864</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 03 Aug 2026 11:56:14 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[Moscow explosion, restaurant blast, Balzi Rossi, Russia bombing, terrorist attack Moscow, Moscow news, Ukraine war, Russia security, Kremlin, homemade bomb, Russian military]]></category>
        
        <description><![CDATA[রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর কেন্দ্রস্থলে একটি অভিজাত ইতালিয়ান রেস্তোরাঁয় ভয়াবহ বিস্ফোরণে অন্তত তিনজন নিহত ও ২১ জন আহত হয়েছেন। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, একটি ঘরোয়া বোমা বহনকারী এক নারী রেস্তোরাঁয় ঢোকার চেষ্টা করলে নিরাপত্তারক্ষী তাকে বাধা দিলে বিস্ফোরণ ঘটে । স্থানীয় সময় শনিবার রাত ৮টার কিছু আগে কুড্রিনস্কায়া স্কোয়ারের ‘বালজি রসি’ ইতালিয়ান রেস্তোরাঁয় এই ঘটনা ঘটে । রাশিয়ার জাতীয় সন্ত্রাসবিরোধী কমিটি (এনএকে) জানিয়েছে, অজ্ঞাতপরিচয় ওই নারী রেস্তোরাঁর ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করলে নিরাপত্তারক্ষী তাকে আটকান। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই বিস্ফোরণ ঘটে, যাতে ওই নারী, নিরাপত্তারক্ষী এবং রেস্তোরাঁর একজন গ্রাহক নিহত হন । আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়েছে পুলিশ । ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধারকৃত ফুটেজে দেখা গেছে, সশস্ত্র আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও জরুরি উদ্ধারকর্মীরা উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন । রেস্তোরাঁর ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে, শনিবার সেখানে একটি বেসরকারি অনুষ্ঠান ছিল । এই ঘটনায় মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন এটিকে ‘নৃশংস সন্ত্রাসী হামলা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন । ঘটনার পটভূমি ঘটনার কারণ ও কারা দায়ী হতে পারে সে বিষয়ে এখনো কোনো স্পষ্ট তথ্য দেয়নি কর্তৃপক্ষ। তবে রাশিয়ার ব্যবসায়িক দৈনিক কোমারসান্ত জানিয়েছে, বোমাটি রেস্তোরাঁর খোলা বারান্দায় থাকা অতিথিদের আঘাত করার জন্যই তৈরি করা হয়েছিল। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ওই নারী হয়তো জানতেন না তিনি বোমা বহন করছেন; বরং দূর থেকে অন্য কেউ এটি বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে । গত চার বছরেরও বেশি সময় ধরে ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধ চলছে রাশিয়ার। এরই মধ্যে মস্কোতে বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তাকে হত্যা ও হত্যার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে, যার জন্য রাশিয়া কিয়েভকে দায়ী করে আসছে । যদিও এই হামলার সঙ্গে ইউক্রেনের সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত করেনি কর্তৃপক্ষ, তবুও ঘটনার গুরুত্ব অপরিসীম। রাশিয়ার রাজধানীতে যুদ্ধের প্রভাব কতটা গভীর, তা এই হামলা ফের তুলে ধরল। অনেক মুসকোভাইট এই বিস্ফোরণকে যুদ্ধের সঙ্গেই যুক্ত করছেন ।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_28.webp" alt="মস্কোর অভিজাত ইতালিয়ান রেস্তোরাঁয় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ৩" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>মস্কোর অভিজাত ইতালিয়ান রেস্তোরাঁয় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ৩</h1>
            <p>রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর কেন্দ্রস্থলে একটি অভিজাত ইতালিয়ান রেস্তোরাঁয় ভয়াবহ বিস্ফোরণে অন্তত তিনজন নিহত ও ২১ জন আহত হয়েছেন। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, একটি ঘরোয়া বোমা বহনকারী এক নারী রেস্তোরাঁয় ঢোকার চেষ্টা করলে নিরাপত্তারক্ষী তাকে বাধা দিলে বিস্ফোরণ ঘটে । স্থানীয় সময় শনিবার রাত ৮টার কিছু আগে কুড্রিনস্কায়া স্কোয়ারের ‘বালজি রসি’ ইতালিয়ান রেস্তোরাঁয় এই ঘটনা ঘটে । রাশিয়ার জাতীয় সন্ত্রাসবিরোধী কমিটি (এনএকে) জানিয়েছে, অজ্ঞাতপরিচয় ওই নারী রেস্তোরাঁর ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করলে নিরাপত্তারক্ষী তাকে আটকান। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই বিস্ফোরণ ঘটে, যাতে ওই নারী, নিরাপত্তারক্ষী এবং রেস্তোরাঁর একজন গ্রাহক নিহত হন । আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়েছে পুলিশ । ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধারকৃত ফুটেজে দেখা গেছে, সশস্ত্র আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও জরুরি উদ্ধারকর্মীরা উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন । রেস্তোরাঁর ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে, শনিবার সেখানে একটি বেসরকারি অনুষ্ঠান ছিল । এই ঘটনায় মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন এটিকে ‘নৃশংস সন্ত্রাসী হামলা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন । ঘটনার পটভূমি ঘটনার কারণ ও কারা দায়ী হতে পারে সে বিষয়ে এখনো কোনো স্পষ্ট তথ্য দেয়নি কর্তৃপক্ষ। তবে রাশিয়ার ব্যবসায়িক দৈনিক কোমারসান্ত জানিয়েছে, বোমাটি রেস্তোরাঁর খোলা বারান্দায় থাকা অতিথিদের আঘাত করার জন্যই তৈরি করা হয়েছিল। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ওই নারী হয়তো জানতেন না তিনি বোমা বহন করছেন; বরং দূর থেকে অন্য কেউ এটি বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে । গত চার বছরেরও বেশি সময় ধরে ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধ চলছে রাশিয়ার। এরই মধ্যে মস্কোতে বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তাকে হত্যা ও হত্যার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে, যার জন্য রাশিয়া কিয়েভকে দায়ী করে আসছে । যদিও এই হামলার সঙ্গে ইউক্রেনের সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত করেনি কর্তৃপক্ষ, তবুও ঘটনার গুরুত্ব অপরিসীম। রাশিয়ার রাজধানীতে যুদ্ধের প্রভাব কতটা গভীর, তা এই হামলা ফের তুলে ধরল। অনেক মুসকোভাইট এই বিস্ফোরণকে যুদ্ধের সঙ্গেই যুক্ত করছেন ।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_28.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_28.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_28.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[পেরুর নাজকা লাইন্সের ওপর পর্যটকবাহী বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ১৩]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/48863</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/48863</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[মৌসুমী আক্তার]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 03 Aug 2026 11:56:14 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Peru plane crash, Nazca Lines, tourist plane crash, Aerodiana airline, Peru tourism, aircraft accident, Nazca, Pisco Airport, archaeological site, Peru news, South America travel]]></category>
        
        <description><![CDATA[পেরুর বিখ্যাত নাজকা লাইন্সের ওপর আকাশপথে ভ্রমণের সময় একটি ছোট পর্যটকবাহী বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ১৩ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। শনিবার দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় নাজকা প্রদেশের প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানের কাছাকাছি এই দুর্ঘটনা ঘটে । পেরুর বাণিজ্য ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি অনুযায়ী, বিমানটিতে ১১ জন বিদেশি পর্যটক ও দুই জন ক্রু সদস্য ছিলেন। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পুয়েব্লো ভিয়েহো এলাকায় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়, যা নাজকা শহর থেকে প্রায় ৬ কিলোমিটার এবং নাজকা লাইন্স থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম আরপিপি জানিয়েছে, স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ৫৫ মিনিটে দৃষ্টিনন্দন ফ্লাইট পরিচালনার সময় এবং ফিরতি যাত্রা শুরুর প্রস্তুতির সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে। বিধ্বস্ত হওয়ার পর বিমানটিতে আগুন ধরে যায়, যা উদ্ধার কার্যক্রম প্রায় অসম্ভব করে তোলে । ফায়ার সার্ভিস ও পৌর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে এবং প্রাথমিক উদ্ধার কাজ চালায় । বিমানটি স্থানীয় পেরুভিয়ান এয়ারলাইন অ্যারোডিয়ানার ছিল এবং এটি পিস্কো বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করেছিল। তবে দুর্ঘটনার কারণ এখনও অজানা। কর্তৃপক্ষ বলেছে, তারা তদন্ত শুরু করেছে । সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ফুটেজে শুষ্ক সমভূমিতে একটি ছোট বিমানের ধোঁয়ায় জর্জরিত ধ্বংসাবশেষ দেখা গেছে। উল্লেখ্য, নাজকা লাইন্সের ওপর ফ্লাইট পরিচালনাকারী মারিয়া রেইচে বিমানবন্দর থেকে শুক্রবার প্রবল বাতাসের কারণে ফ্লাইট স্থগিত করা হয়েছিল। ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটারের বেশি বেগে প্রবাহিত ওই বাতাস ধুলো উড়িয়ে দৃষ্টিশক্তি কমিয়ে দিয়েছিল এবং বেশ কয়েকটি বিমানকে অন্য বিমানবন্দরে ডাইভার্ট করতে বাধ্য করেছিল । ঘটনার পটভূমি নাজকা লাইন্স পেরুর অন্যতম প্রধান পর্যটন আকর্ষণ, যা বার্ষিক প্রায় ১ লাখ দর্শনার্থীকে আকর্ষণ করে। প্রায় ২ হাজার বছর আগে নাজকা সভ্যতার দ্বারা তৈরি এই বিশাল জ্যামিতিক নকশা ও প্রাণীর আকৃতির রেখাগুলো ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের তালিকাভুক্ত। অধিকাংশ দর্শনার্থী এই রেখাগুলো ছোট বিমান থেকে দেখতে পছন্দ করেন, কারণ মাটি থেকে এগুলোর সম্পূর্ণ রূপ বোঝা কঠিন। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় পর্যটন খাতের ওপর প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পেরুর পর্যটন খাত কোভিড-১৯ মহামারির পর ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াচ্ছিল, কিন্তু দুর্ঘটনার খবর আন্তর্জাতিক পর্যটকদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে পারে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_27.webp" alt="পেরুর নাজকা লাইন্সের ওপর পর্যটকবাহী বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ১৩" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>পেরুর নাজকা লাইন্সের ওপর পর্যটকবাহী বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ১৩</h1>
            <p>পেরুর বিখ্যাত নাজকা লাইন্সের ওপর আকাশপথে ভ্রমণের সময় একটি ছোট পর্যটকবাহী বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ১৩ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। শনিবার দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় নাজকা প্রদেশের প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানের কাছাকাছি এই দুর্ঘটনা ঘটে । পেরুর বাণিজ্য ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি অনুযায়ী, বিমানটিতে ১১ জন বিদেশি পর্যটক ও দুই জন ক্রু সদস্য ছিলেন। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পুয়েব্লো ভিয়েহো এলাকায় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়, যা নাজকা শহর থেকে প্রায় ৬ কিলোমিটার এবং নাজকা লাইন্স থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম আরপিপি জানিয়েছে, স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ৫৫ মিনিটে দৃষ্টিনন্দন ফ্লাইট পরিচালনার সময় এবং ফিরতি যাত্রা শুরুর প্রস্তুতির সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে। বিধ্বস্ত হওয়ার পর বিমানটিতে আগুন ধরে যায়, যা উদ্ধার কার্যক্রম প্রায় অসম্ভব করে তোলে । ফায়ার সার্ভিস ও পৌর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে এবং প্রাথমিক উদ্ধার কাজ চালায় । বিমানটি স্থানীয় পেরুভিয়ান এয়ারলাইন অ্যারোডিয়ানার ছিল এবং এটি পিস্কো বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করেছিল। তবে দুর্ঘটনার কারণ এখনও অজানা। কর্তৃপক্ষ বলেছে, তারা তদন্ত শুরু করেছে । সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ফুটেজে শুষ্ক সমভূমিতে একটি ছোট বিমানের ধোঁয়ায় জর্জরিত ধ্বংসাবশেষ দেখা গেছে। উল্লেখ্য, নাজকা লাইন্সের ওপর ফ্লাইট পরিচালনাকারী মারিয়া রেইচে বিমানবন্দর থেকে শুক্রবার প্রবল বাতাসের কারণে ফ্লাইট স্থগিত করা হয়েছিল। ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটারের বেশি বেগে প্রবাহিত ওই বাতাস ধুলো উড়িয়ে দৃষ্টিশক্তি কমিয়ে দিয়েছিল এবং বেশ কয়েকটি বিমানকে অন্য বিমানবন্দরে ডাইভার্ট করতে বাধ্য করেছিল । ঘটনার পটভূমি নাজকা লাইন্স পেরুর অন্যতম প্রধান পর্যটন আকর্ষণ, যা বার্ষিক প্রায় ১ লাখ দর্শনার্থীকে আকর্ষণ করে। প্রায় ২ হাজার বছর আগে নাজকা সভ্যতার দ্বারা তৈরি এই বিশাল জ্যামিতিক নকশা ও প্রাণীর আকৃতির রেখাগুলো ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের তালিকাভুক্ত। অধিকাংশ দর্শনার্থী এই রেখাগুলো ছোট বিমান থেকে দেখতে পছন্দ করেন, কারণ মাটি থেকে এগুলোর সম্পূর্ণ রূপ বোঝা কঠিন। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় পর্যটন খাতের ওপর প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পেরুর পর্যটন খাত কোভিড-১৯ মহামারির পর ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াচ্ছিল, কিন্তু দুর্ঘটনার খবর আন্তর্জাতিক পর্যটকদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে পারে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_27.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_27.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_27.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড কর্মসূচি স্থায়ী হচ্ছে, বাড়ছে জামানতের পরিমাণ]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/48862</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/48862</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 03 Aug 2026 11:56:14 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[আমেরিকাস]]></category>
                        <category><![CDATA[US visa bond, visa policy, Trump immigration, B1 visa, B2 visa, US State Department, visa overstay, Africa visa bond, US immigration news, Federal Register, visa bond permanent]]></category>
        
        <description><![CDATA[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের ভিসা বন্ড কর্মসূচি স্থায়ী করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় ৫০টি দেশের নাগরিকদের ব্যবসা ও পর্যটন ভিসা (B1 এবং B2) নেওয়ার সময় ২০ হাজার ডলার পর্যন্ত বন্ড জমা দিতে হতে পারে। শুক্রবার ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশিত নোটিশে এই তথ্য জানানো হয়েছে। পরীক্ষামূলক কর্মসূচির সফলতা বিবেচনায় নিয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। নোটিশে বলা হয়েছে, 'পরীক্ষামূলক কর্মসূচি থেকে প্রাপ্ত তথ্য ভিসা বন্ড কর্মসূচিকে বন্ডধারী ভিসাধারীদের বিধি মেনে চলা নিশ্চিত করার একটি কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে চিহ্নিত করেছে'। আগামী ৩ আগস্ট এই নিয়ম কার্যকর হবে, যেদিন এটি ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশিত হবে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম রয়টার্স । যে ৫০টি দেশের নাগরিকদের ওপর এই বিধি প্রযোজ্য হবে, তাদের মধ্যে ৩০টি আফ্রিকার দেশ। তবে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর তালিকা এখনও প্রকাশ করেনি মার্কিন কর্তৃপক্ষ। পরীক্ষামূলক কর্মসূচিতে কনস্যুলার কর্মকর্তারা ৫ হাজার, ১০ হাজার বা ১৫ হাজার ডলারের বন্ড নিতে পারতেন। নতুন নিয়মে ৫ হাজার ডলারের বিকল্পটি বাদ দিয়ে সর্বোচ্চ বন্ডের পরিমাণ বাড়িয়ে ২০ হাজার ডলার করা হয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, এই নীতির উদ্দেশ্য ভিসার মেয়াদ শেষে দেশে ফিরে না যাওয়ার প্রবণতা কমানো। তবে অভিবাসন অধিকারকর্মীরা বলছেন, এই বিধি যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ ভ্রমণে বাধা সৃষ্টি করবে এবং অনেক ভ্রমণকারী এই অতিরিক্ত অর্থনৈতিক চাপের কারণে ভিসা আবেদন করতে নিরুৎসাহিত হবেন। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ কঠোর করার যে নীতি গ্রহণ করেছেন, তার অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপকে দেখা হচ্ছে। ঘটনার পটভূমি যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বারবার পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গেছে। ট্রাম্প প্রশাসন অভিবাসনকে জাতীয় নিরাপত্তার ইস্যু হিসেবে চিহ্নিত করে একের পর এক কঠোর বিধি প্রবর্তন করেছে। এর মধ্যে রয়েছে নির্দিষ্ট ভিসার জন্য নতুন এবং ব্যয়বহুল ফি আরোপ, আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যাচাই, এবং কিছু দেশের নাগরিকদের জন্য ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা। আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই বন্ড কর্মসূচি মূলত সেই সব দেশের নাগরিকদের লক্ষ্য করে তৈরি করা হয়েছে যাদের দেশে ফিরে না যাওয়ার হার বেশি, যদিও মার্কিন কর্মকর্তারা আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো দেশের নাম প্রকাশ করেনি। এই নীতি আফ্রিকা ও এশিয়ার অনেক উন্নয়নশীল দেশের নাগরিকদের ওপর অতিরিক্ত অর্থনৈতিক চাপ তৈরি করবে বলে আশঙ্কা করছেন সমালোচকরা।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_26.webp" alt="যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড কর্মসূচি স্থায়ী হচ্ছে, বাড়ছে জামানতের পরিমাণ" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড কর্মসূচি স্থায়ী হচ্ছে, বাড়ছে জামানতের পরিমাণ</h1>
            <p>মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের ভিসা বন্ড কর্মসূচি স্থায়ী করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় ৫০টি দেশের নাগরিকদের ব্যবসা ও পর্যটন ভিসা (B1 এবং B2) নেওয়ার সময় ২০ হাজার ডলার পর্যন্ত বন্ড জমা দিতে হতে পারে। শুক্রবার ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশিত নোটিশে এই তথ্য জানানো হয়েছে। পরীক্ষামূলক কর্মসূচির সফলতা বিবেচনায় নিয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। নোটিশে বলা হয়েছে, 'পরীক্ষামূলক কর্মসূচি থেকে প্রাপ্ত তথ্য ভিসা বন্ড কর্মসূচিকে বন্ডধারী ভিসাধারীদের বিধি মেনে চলা নিশ্চিত করার একটি কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে চিহ্নিত করেছে'। আগামী ৩ আগস্ট এই নিয়ম কার্যকর হবে, যেদিন এটি ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশিত হবে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম রয়টার্স । যে ৫০টি দেশের নাগরিকদের ওপর এই বিধি প্রযোজ্য হবে, তাদের মধ্যে ৩০টি আফ্রিকার দেশ। তবে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর তালিকা এখনও প্রকাশ করেনি মার্কিন কর্তৃপক্ষ। পরীক্ষামূলক কর্মসূচিতে কনস্যুলার কর্মকর্তারা ৫ হাজার, ১০ হাজার বা ১৫ হাজার ডলারের বন্ড নিতে পারতেন। নতুন নিয়মে ৫ হাজার ডলারের বিকল্পটি বাদ দিয়ে সর্বোচ্চ বন্ডের পরিমাণ বাড়িয়ে ২০ হাজার ডলার করা হয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, এই নীতির উদ্দেশ্য ভিসার মেয়াদ শেষে দেশে ফিরে না যাওয়ার প্রবণতা কমানো। তবে অভিবাসন অধিকারকর্মীরা বলছেন, এই বিধি যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ ভ্রমণে বাধা সৃষ্টি করবে এবং অনেক ভ্রমণকারী এই অতিরিক্ত অর্থনৈতিক চাপের কারণে ভিসা আবেদন করতে নিরুৎসাহিত হবেন। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ কঠোর করার যে নীতি গ্রহণ করেছেন, তার অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপকে দেখা হচ্ছে। ঘটনার পটভূমি যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বারবার পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গেছে। ট্রাম্প প্রশাসন অভিবাসনকে জাতীয় নিরাপত্তার ইস্যু হিসেবে চিহ্নিত করে একের পর এক কঠোর বিধি প্রবর্তন করেছে। এর মধ্যে রয়েছে নির্দিষ্ট ভিসার জন্য নতুন এবং ব্যয়বহুল ফি আরোপ, আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যাচাই, এবং কিছু দেশের নাগরিকদের জন্য ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা। আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই বন্ড কর্মসূচি মূলত সেই সব দেশের নাগরিকদের লক্ষ্য করে তৈরি করা হয়েছে যাদের দেশে ফিরে না যাওয়ার হার বেশি, যদিও মার্কিন কর্মকর্তারা আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো দেশের নাম প্রকাশ করেনি। এই নীতি আফ্রিকা ও এশিয়ার অনেক উন্নয়নশীল দেশের নাগরিকদের ওপর অতিরিক্ত অর্থনৈতিক চাপ তৈরি করবে বলে আশঙ্কা করছেন সমালোচকরা।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_26.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_26.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_26.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[রাশিয়ার শীর্ষ ধনী নারী ও আমাজন খ্যাত প্রতিষ্ঠানের প্রধান তাতিয়ানা কিমকে কিয়েভের কিল লিস্টে অন্তর্ভুক্ত করার চাঞ্চল্যকর ঘটনা]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/48861</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/48861</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[মৌসুমী আক্তার]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 03 Aug 2026 11:56:14 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, r bangla news, atn bangla news, bbc bangla news, all bangla news, bangla news live, bd news bangla, bangla tv news, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, latest bangla news, news18 bangla, world news bangla, republic bangla news, bbc world news bangla, international bangla news, radio tehran bangla news live, bangladesh news, news18 bangla exclusive, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh tv news, bangladesh news today, rater bangladesh news, banglanews, banglavision news today, r bangla]]></category>
        
        <description><![CDATA[রাশিয়ার সবচেয়ে ধনী নারী এবং আমাজন খ্যাত প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে কি এবার হত্যার পরিকল্পনা করছে ইউক্রেন? কিয়েভের কিল লিস্টে নাম লেখালেন রুশ ধনকুবের তাতিয়ানা কিম! বাণিজ্য সাম্রাজ্যে ড্রোনের ভয়াবহ তাণ্ডব আর দুই দেশের এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতের নেপথ্যে আসলে কী চলছে? জানতে সাথেই থাকুন পুরো ভিডিওজুড়ে। রাশিয়ার সবচেয়ে ধনী নারী এবং শীর্ষস্থানীয় অনলাইন রিটেইলার ওয়াইল্ডবেরিজ (Wildberries)-এর প্রধান নির্বাহী তাতিয়ানা কিমকে ইউক্রেনের বিতর্কিত মিড্রোভোরেটস (Mirotvorets) কিল লিস্টে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কিয়েভ প্রশাসনের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে যে, এই শীর্ষ ব্যবসায়ীর ই-কমার্স নেটওয়ার্ক সরাসরি রুশ সামরিক বাহিনীকে রসদ ও লজিস্টিক সহায়তা প্রদান করছে। মস্কোর একটি অ্যাপার্টমেন্টে মাতৃত্বকালীন ছুটির সময় ছোট পরিসরে ব্যবসা শুরু করেছিলেন তাতিয়ানা কিম। নিজের কঠোর পরিশ্রম ও দূরদর্শিতায় তিনি সেই ব্যবসাকে দশটি দেশে বিস্তৃত এক বিশাল সাম্রাজ্যে রূপ দিয়েছেন। ব্লুমবার্গ বিলিয়নেয়ার্স ইনডেক্স অনুযায়ী, আট বিলিয়ন ডলারেরও বেশি সম্পত্তির মালিক এই নারী বর্তমানে রাশিয়ার সবচেয়ে প্রভাবশালী ও ধনী ব্যবসায়ীদের একজন। গত শনিবার হঠাৎ করেই মিড্রোভোরেটস ডেটাবেজে তাতিয়ানা কিমের নাম যুক্ত করা হয় এবং তার বিরুদ্ধে রুশ মালিন্ডা বা ম্যালিসের প্রকাশ্য সমর্থনের অভিযোগ আনা হয়। কিয়েভভিত্তিক এই বিতর্কিত ওয়েবসাইটটি মূলত ইউক্রেনীয় রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা সেবার সাথে ঘনিষ্টভাবে যুক্ত বলে মনে করা হয়। অতীতে এই তালিকায় যাদের নাম এসেছে, তাদের অনেকেই পরবর্তীতে রহস্যজনকভাবে হামলার শিকার হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। এদিকে গত জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময় থেকেই রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে অবস্থিত ওয়াইল্ডবেরিজের গুদাম ও লজিস্টিক সেন্টারগুলোতে একের পর এক ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। সামারা অঞ্চলের একটি প্রধান গুদামেও সম্প্রতি ড্রোন আঘাত হেনেছে এবং সেখানে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়েছে। এই ধারাবাহিক হামলাগুলোতে এখন পর্যন্ত নয়জন সাধারণ নাগরিক নিহত এবং একশো জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষের দাবি অনুযায়ী, রুশ সামরিক বাহিনী তাদের এই বিশাল বিতরণ নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে সামরিক বা দ্বৈত ব্যবহারের বিভিন্ন পণ্য সংগ্রহ ও পরিবহন করে থাকে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি (Zelenskyy) নিজেই স্বীকার করেছেন যে এই গুদামগুলোতে ড্রোন তৈরির সানশনপ্রাপ্ত বা নিষিদ্ধ যন্ত্রাংশ এবং নেভিগেশন সরঞ্জাম মজুত করা হয়েছিল। তবে কিয়েভের এই সমস্ত দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বানোয়াট বলে উড়িয়ে দিয়েছেন ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ (Dmitry Peskov)। রুশ নিরাপত্তা পরিষদের উপ-সেক্রেটারি আলেকজান্ডার মাসলেননিকভ (Aleksandr Maslennikov) এই হামলাগুলোকে সরাসরি সন্ত্রাসবাদ ও যুদ্ধাপরাধ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তার মতে, সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের প্রতীককে লক্ষ্যবস্তু করে ইউক্রেন মূলত সস্তা প্রচার পেতে চাইছে। গত শুক্রবার এক ভিডিও বার্তায় তাতিয়ানা কিম নিজে এই হামলার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন এবং একে সন্ত্রাসী হামলা বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেছেন যে এই ধরনের বর্বরোচিত আক্রমণের মূল উদ্দেশ্য হলো রুশ সাধারণ নাগরিকদের মনে অহেতুক আতঙ্ক ও ভীতি সৃষ্টি করা। সমস্ত আন্তর্জাতিক অনলাইন মার্কেটপ্লেসেই ব্যাটারী বা ফার্স্ট এইড কিটের মতো কিছু সাধারণ পণ্য বিক্রি হয় যা দ্বৈত ব্যবহারের হতে পারে। তাতিয়ানা কিম আরও উল্লেখ করেছেন যে ওয়াইল্ডবেরিজের ওপর হামলা মানে কেবল রাশিয়ার ওপর হামলা নয়, এটি বেসামরিক মানুষের জীবনযাত্রার ওপর সরাসরি আঘাত। কাজাখস্তান, বেলারুশ, আর্মেনিয়া এবং চীনের মতো দশটি দেশের প্রায় দশ হাজার মানুষ এই ব্যবসার সাথে যুক্ত রয়েছেন। এই নিরপরাধ ব্যবসায়ীরাও ইউক্রেনীয় ড্রোনের কারণে চরম আর্থিক ও মানসিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। গত রবিবারেও সারাতোভ ও এঙ্গেলস শহরে ইউক্রেনের পক্ষ থেকে ব্যাপক ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে বলে স্থানীয় গভর্নর রোমান বুসারগিন জানিয়েছেন। এঙ্গেলস শহরের একটি বহুতল আবাসিক ভবনে ড্রোন ধ্বংসাবশেষ আছড়ে পড়লে ঘটনাস্থলেই দুইজন সাধারণ নাগরিক নিহত হন। সারাতোভ শহরেও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন এবং বহু বেসামরিক অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে তাদের শক্তিশালী বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মাত্র একদিনের ব্যবধানে ষাটটি অঞ্চলের আকাশসীমা থেকে ছয়শ একত্রিশটি ইউক্রেনীয় ড্রোন সফলভাবে ভূপাতিত করেছে। এর মধ্যে মস্কো অঞ্চলের দিকে এগিয়ে যাওয়া ছয়টি ড্রোনও ভোরের আলো ফোটার আগেই মাঝ আকাশে ধ্বংস করা হয়েছে। বাশকোর্তোস্তান অঞ্চলেও পঁচিশটি ড্রোন নামিয়ে আনা হয়েছে যার টুকরো পড়ে একটি শিল্প এলাকায় আগুন ধরে যায়। সামারার গুদাম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর ওয়াইল্ডবেরিজ কর্তৃপক্ষ দ্রুত তাদের লজিস্টিক চেইন বা সাপ্লাই চেইন ঘুরিয়ে নিয়েছে। এখন থেকে সমস্ত নতুন চালান এবং ক্রেতাদের অর্ডার অন্যান্য বিকল্প কেন্দ্রগুলোর মাধ্যমে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে পরিচালনা করা হচ্ছে। ইউক্রেনের লাগাতার এই হামলা সত্ত্বেও তারা তাদের কোটি কোটি গ্রাহকের সেবা ব্যাহত হতে দেয়নি। রাশিয়া ও ইউক্রেনের এই চলমান সংঘাতে কেবল বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বা গুদামই নয়, বরং সাধারণ পর্যটন কেন্দ্র ও সমুদ্র সৈকতও এখন লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। গত সপ্তাহে ইউক্রেনীয় ড্রোনের একটি ভয়াবহ ঝাঁক জাপোরোজিয়ে অঞ্চলের কিরিলোভকা শহরের একটি অবকাশযাপন কেন্দ্রে আঘাত হানে। আযোব সাগরের তীরের এই নিরাপদ অবকাশ কেন্দ্রে অন্তত বারোজন মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। রিসোর্টটিতে হামলা যখন চালানো হয় তখন গভীর রাতে অন্তত তিপ্পান্ন জন পর্যটক ও অবকাশ যাপনকারী ঘুমাচ্ছিলেন। বিস্ফোরণের তীব্রতা এত বেশি ছিল যে একজন তরুণীর মাথা তার শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে দূরে ছিটকে পড়ে। আহত উনিশ জন পর্যটকের মধ্যে বেশ কয়েকজন শিশুও রয়েছে যারা বর্তমানে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। রাশিয়ার তদন্ত কমিটি এই বর্বর হামলাকে সরাসরি একটি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হিসেবে উল্লেখ করে ফৌজদারি মামলা দায়ের করেছে। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা ড্রোনগুলোর টুকরো পরীক্ষা করে নিশ্চিত করা হয়েছে যে এগুলো ইউক্রেনীয় দীর্ঘ পাল্লার এফপি-টু (FP-2) মডেলের ড্রোন। মস্কো বারবার আন্তর্জাতিক সংস্থাকে জানিয়ে আসছে যে ইউক্রেন সুপরিকল্পিতভাবে সাধারণ মানুষ ও বেসামরিক নাগরিকদের হত্যা করছে। অন্যদিকে ইউক্রেনের কট্টর ডানপন্থী আজভ ইউনিটের প্রতিষ্ঠাতা ও কমান্ডার আন্দ্রেই বিলেৎসকি সম্প্রতি এক মার্কিন প্রভাবশালী লরা লুমারের ইন্টারভিউতে বেশ বেকায়দায় পড়েছিলেন। আমেরিকান এই ইনফ্লুয়েন্সার তাকে তার বাহিনীর সদস্যদের পরিধান করা এসএস স্টাইলের নাৎসি প্রতীক ও উলফস্যাঙ্গেল রুম নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন করেন। বিলেৎসকি এই প্রতীকগুলোকে ঐতিহাসিক মনোগ্রাম বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলেও কোনো জোরালো প্রমাণ দেখাতে পারেননি। নাৎসি প্রতীক ব্যবহারের সমালোচনা এড়াতে বিলেৎসকি অত্যন্ত অদ্ভুত একটি যুক্তি দিয়ে দাবি করেন যে হিটলারও কাটা চামচ দিয়ে খাবার খেতেন এবং তিনি নিরামিষভোজী ছিলেন। তার মানে এই নয় যে কাটা চামচ বা নিরামিষভোজী হওয়া কোনো খারাপ জিনিস। এই ধরনের হাস্যকর যুক্তির মাধ্যমে তিনি তার সেনাদের চরম উগ্রপন্থী ও নব্য নাৎসি আদর্শের সাথে যুক্ত থাকার অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র ২০১৫ সালেই এই ইউনিটের উগ্র মতাদর্শ ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের কারণে তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। যদিও পরবর্তীকালে রাজনৈতিক ও সামরিক চাপে সেই নিষেধাজ্ঞা ধীরে ধীরে তুলে নেওয়া হয় এবং এই ইউনিটকে ইউক্রেনীয় ন্যাশনাল গার্ডের সাথে একীভূত করা হয়। বিশ তেইশ সালে এটিকে পূর্ণাঙ্গ ব্রিগেডে উন্নীত করা হয় এবং বর্তমানেও এই উগ্রপন্থীরা সম্মুখ সমরে সক্রিয় রয়েছে। এদিকে গত চব্বিশ ঘণ্টায় রুশ সশস্ত্র বাহিনী ইউক্রেনের সামরিক রসদ, জ্বালানি ও পরিবহন অবকাঠামোতে প্রচণ্ড আক্রমণ চালিয়েছে। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, মোট একান্নটি স্থানে ইউক্রেনীয় বাহিনীর অস্থায়ী ক্যাম্প এবং বিদেশি ভাড়াটে সৈন্যদের আস্তানা লক্ষ্য করে সুনির্দিষ্ট ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হামলা চালানো হয়েছে। সামগ্রিক যুদ্ধক্ষেত্রে গত এক দিনে ইউক্রেনীয় বাহিনী প্রায় চৌদ্দশো পনেরো জন সেনাকে হারিয়েছ বলে জানিয়েছে মস্কো। রুশ নর্থ, ওয়েস্ট, সাউথ, সেন্টার এবং ইস্ট ব্যাটলগ্রুপের যৌথ অভিযানে ইউক্রেনের বহু সামরিক যান, সাঁজোয়া গাড়ি ও ভারী অস্ত্রশস্ত্র ধ্বংস করা হয়েছে। বিশেষ করে ফ্রন্টলাইনজুড়ে রুশ আর্টিলারি এবং ড্রোন বহরের তীব্র আক্রমণে ইউক্রেনীয় প্রতিরক্ষা লাইন চরম চাপের মধ্যে রয়েছে। রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী গত চব্বিশ ঘণ্টায় আকাশপথে এক হাজার একান্নটি ইউক্রেনীয় ড্রোন এবং ছয়টি স্মার্ট বোমা সফলভাবে ধ্বংস করেছে। এর মধ্যে মার্কিন প্রযুক্তির হিমার্স মাল্টিপল রকেট সিস্টেমের একটি রকেটও মাঝ আকাশেই প্রতিহত করা হয়েছে। যুদ্ধের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত ইউক্রেনের ছয় শতাধিক যুদ্ধবিমান এবং ত্রিশ হাজারেরও বেশি সাজোয়া যান ধ্বংস করেছে রুশ বাহিনী। ডনবাস অঞ্চলের বিশেষ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ডনবাস ডোম গত এক সপ্তাহে প্রায় একশো চল্লিশটি ইউক্রেনীয় ড্রোন সফলভাবে নিষ্ক্রিয় করেছে। দোনেৎস্কের মেকায়েভকা এবং শাশ্তোরস্কয়ের কাছে বিস্ফোরকভর্তি বিভিন্ন ড্রোন বিস্ফোরিত হওয়ার আগেই ভূপাতিত করা হয়। ইউক্রেনীয় বাহিনী বেসামরিক নাগরিক এবং বিদ্যুৎ সাবস্টেশনগুলোর ওপর এই ধরনের ড্রোন হামলা নিয়মিত চালিয়ে যাচ্ছে। উত্তর অঞ্চলের রুশ বাহিনী কুরস্ক ও খারকভ সীমান্ত এলাকার দিকে উড়ে আসা একশো কুড়িটিরও বেশি ইউক্রেনীয় ড্রোন ধ্বংস করেছে। রাডার চালকরা রাতের আঁধারে ড্রোনের গতিবিধি শনাক্ত করে সাথে সাথে বিমান প্রতিরক্ষা ক্রুদের কাছে সঠিক স্থানাঙ্ক বা কোঅর্ডিনেট পাঠায়। সুনির্দিষ্ট এই পাল্টা আক্রমণে সীমান্ত এলাকায় ইউক্রেনের সমস্ত ড্রোন উড্ডয়ন প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দেওয়া হয়েছে। রস্তভ অঞ্চলেও রাতের বেলায় প্রায় দেড়শো ড্রোনের একটি বিশাল আক্রমণ সফলভাবে প্রতিহত করেছে রুশ বাহিনী। কামেনস্ক-শাকতিনস্কি এবং মিলেরোভস্কি জেলার বিভিন্ন এলাকার ওপর ড্রোনগুলোর ধ্বংসাবশেষ পড়ে সামান্য ক্ষয়ক্ষতি হলেও বড় ধরনের কোনো প্রাণহানি ঘটেনি। মিলেরোভস্কি জেলার একটি গ্রেইন এলিভেটর বা খাদ্যশস্য গুদামের ছাদে ড্রোন খসে পড়ে তারের সংযোগে আগুন ধরে গেলেও তা দ্রুত নিভিয়ে ফেলা হয়। এদিকে ইউক্রেনের মূল ভূখণ্ডের গভীরে বাশকোর্তোস্তানের তিনটি বড় তেল শোধনাগারেও ড্রোন হামলা চালিয়েছে কিয়েভ। ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি গর্ব করে জানিয়েছেন যে এই শোধনাগারগুলো ইউক্রেন সীমান্ত থেকে প্রায় এক হাজার ছয়শো কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এবং প্রতি বছর কোটি কোটি টন তেল প্রক্রিয়াজাত করে। উফা শহরের একটি তেল শোধনাগারে ড্রোন আঘাতে বড় ধরনের আগুন ধরে যাওয়ার খবরও নিশ্চিত করেছে স্থানীয় গণমাধ্যম। কালো সাগরে রাশিয়া নিয়ন্ত্রিত সানশনপ্রাপ্ত ইয়ানিনা নামের একটি কন্টেইনার জাহাজ ইউক্রেনীয় ড্রোনের আঘাতে ডুবে গেছে। কিয়েভ দাবি করেছে যে এই জাহাজটি রাশিয়ার সামরিক প্রচেষ্টাকে টিকিয়ে রাখতে সহায়তা করছিল। অন্যদিকে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি সংস্থা রোসাটমের অধীনস্থ প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে যে জাহাজটিতে কেবল হিমায়িত খাবার ও নির্মাণ সামগ্রীর মতো সম্পূর্ণ বেসামরিক পণ্য পরিবহন করা হচ্ছিল। আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা বা আইএইএ (IAEA) জানিয়েছে যে ইউক্রেনের জাপোরোজিয়ে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি গত শনিবার প্রায় দুই ঘণ্টা অফ-সাইট বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন ছিল। রুশ বাহিনীর অবৈধ দখলে থাকা এই প্ল্যান্টটি বর্তমানে চালু না থাকলেও পারমাণবিক উপাদানের নিরাপত্তা বজায় রাখতে এবং কুলিং সিস্টেম সচল রাখতে বাইরে থেকে নিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহের প্রয়োজন হয়। পুরো যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এই ধরনের বিদ্যুৎ বিভ্রাট প্ল্যান্টের সুরক্ষাকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলছে। রাশিয়ার দখলকৃত ক্রাইমিয়া উপদ্বীপে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ থাকায় সাধারণ মানুষকে গরম খাবারের জন্য রাস্তায় দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। মাসন্দ্রা শহরে স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে বিশাল পাত্রে রান্না করা গরম বাকওয়াট এবং টিনজাত গরুর মাংসের সাথে ঝোল সাধারণ মানুষের মধ্যে বিতরণ করা হচ্ছে। বর্তমান বিদ্যুৎহীন পরিস্থিতিতে বৈদ্যুতিক চুলা ব্যবহার করতে না পেরে প্রতিদিন অন্তত দুশো মানুষ এই কমিউনিটি কিচেনের ওপর পুরোপুরি নির্ভর করছেন। স্থানীয় এক প্রবীণা নারী আলেকজান্দ্রা দশ দিন একটানা বিদ্যুৎহীন থাকার পর গরম খাবারের সুবাস পেয়ে নিচে নেমে আসার কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন যে বিকেলে কিছুক্ষণের জন্য বিদ্যুৎ আসলেও তা বেশিক্ষণ থাকবে কি না সেই অনিশ্চয়তা নিয়েই তাকে আবার দশ তলার অন্ধকার ফ্ল্যাটে ফিরে যেতে হচ্ছে। ইউক্রেন দাবি করছে যে তারা রাশিয়া নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলে যুদ্ধের সেই ভয়াবহতা ফিরিয়ে দিচ্ছে যা এতদিন সাধারণ রুশরা অনুভব করেনি। এদিকে রাশিয়ান ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সময় কিয়েভের কাছে অবস্থিত লিথুয়ানিয়ার দূতাবাস ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে সে দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। রুশ হামলার তীব্র বিস্ফোরণে দূতাবাসের জানালার কাঁচ ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে এবং সোলার কালেক্টর সহ উঠানে নানা ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়েছে। সৌভাগ্যক্রমে কোনো কূটনীতিক আহত না হলেও এই ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে রুশ রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে লিথুয়ানিয়া সরকার। শুক্রবার রাতে ও শনিবারে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ জুড়ে রাশিয়ান ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের ব্যাপক বর্ষণে অন্তত নয়জন বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং তেত্রিশ জন আহত হয়েছেন। সলোমিয়ানস্কি ও দারনিৎসকি জেলায় আবাসিক বহুতল ভবন এবং প্রশাসনিক কার্যালয়ে ভয়াবহ আগুন লেগে যাওয়ায় শত শত মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। জরুরি সেবার কর্মীরা দিনরাত পরিশ্রম করে ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় খেরসন শহরেও রুশ বিমান হামলায় একজন নিহত এবং আরও পাঁচজন গুরুতর আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে। এই লাগাতার বিমান হামলার মুখে দাঁড়িয়ে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি আবারও পশ্চিমা দেশগুলোর কাছে প্যাট্রিয়ট মিসাইল ও উন্নত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য জোরালো আবেদন জানিয়েছেন। তার মতে, পর্যাপ্ত ব্যালিস্টিক মিসাইল ইন্টারসেপ্টর না থাকার কারণেই প্রতি রাতেই নিরপরাধ মানুষের প্রাণহানি ঘটছে। প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি আরও জানান যে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার তীব্র ঘাটতির কারণে গত শুক্রবার রাতের সাতাশটি ব্যালিস্টিক মিসাইলের মধ্যে মাত্র একটি মিসাইল আকাশেই ধ্বংস করা সম্ভব হয়েছিল। বাকি মিসাইলগুলো সরাসরি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানায় দেশটির বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। যত দিন পর্যন্ত পশ্চিমা মিত্ররা উন্নত আকাশ সুরক্ষা না দেবে, তত দিন ইউক্রেনের আকাশসীমা সম্পূর্ণ সুরক্ষিত করা অসম্ভব হয়ে পড়বে। অন্যদিকে রাশিয়া দৃঢ়ভাবে জানিয়ে আসছে যে তাদের সামরিক অভিযান কেবল ইউক্রেনের সামরিক স্থাপনা, অস্ত্র কারখানা এবং জ্বালানি সরবরাহের ওপরই সীমাবদ্ধ রয়েছে। মস্কো কখনোই ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক নাগরিক বা আবাসিক এলাকায় আঘাত হানে না বলে দাবি করে আসলেও মাঠের বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন কথা বলছে। দুই পক্ষের এই পাল্টাপাল্টি রক্তক্ষয়ী হামলায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা এখন পুরোপুরি বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বাণিজ্যিক সাম্রাজ্যের প্রধান তাতিয়ানা কিমের কিল লিস্টে নাম ওঠা থেকে শুরু করে রাশিয়ার ভেতরে হাজার হাজার ড্রোনের লাগাতার আক্রমণ—সবমিলিয়ে সংঘাত এখন এক নতুন এবং অত্যন্ত বিপজ্জনক মোড় নিয়েছে। অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের জনজীবনকে পঙ্গু করে দেওয়ার এই দ্বিমুখী লড়াই বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূরাজনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী গভীর প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে। যুদ্ধের এই ভয়াবহ পরিণতি শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে ঠেকে, তা দেখার জন্য আমাদের আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/719_1.webp" alt="রাশিয়ার শীর্ষ ধনী নারী ও আমাজন খ্যাত প্রতিষ্ঠানের প্রধান তাতিয়ানা কিমকে কিয়েভের কিল লিস্টে অন্তর্ভুক্ত করার চাঞ্চল্যকর ঘটনা" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>রাশিয়ার শীর্ষ ধনী নারী ও আমাজন খ্যাত প্রতিষ্ঠানের প্রধান তাতিয়ানা কিমকে কিয়েভের কিল লিস্টে অন্তর্ভুক্ত করার চাঞ্চল্যকর ঘটনা</h1>
            <p>রাশিয়ার সবচেয়ে ধনী নারী এবং আমাজন খ্যাত প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে কি এবার হত্যার পরিকল্পনা করছে ইউক্রেন? কিয়েভের কিল লিস্টে নাম লেখালেন রুশ ধনকুবের তাতিয়ানা কিম! বাণিজ্য সাম্রাজ্যে ড্রোনের ভয়াবহ তাণ্ডব আর দুই দেশের এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতের নেপথ্যে আসলে কী চলছে? জানতে সাথেই থাকুন পুরো ভিডিওজুড়ে। রাশিয়ার সবচেয়ে ধনী নারী এবং শীর্ষস্থানীয় অনলাইন রিটেইলার ওয়াইল্ডবেরিজ (Wildberries)-এর প্রধান নির্বাহী তাতিয়ানা কিমকে ইউক্রেনের বিতর্কিত মিড্রোভোরেটস (Mirotvorets) কিল লিস্টে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কিয়েভ প্রশাসনের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে যে, এই শীর্ষ ব্যবসায়ীর ই-কমার্স নেটওয়ার্ক সরাসরি রুশ সামরিক বাহিনীকে রসদ ও লজিস্টিক সহায়তা প্রদান করছে। মস্কোর একটি অ্যাপার্টমেন্টে মাতৃত্বকালীন ছুটির সময় ছোট পরিসরে ব্যবসা শুরু করেছিলেন তাতিয়ানা কিম। নিজের কঠোর পরিশ্রম ও দূরদর্শিতায় তিনি সেই ব্যবসাকে দশটি দেশে বিস্তৃত এক বিশাল সাম্রাজ্যে রূপ দিয়েছেন। ব্লুমবার্গ বিলিয়নেয়ার্স ইনডেক্স অনুযায়ী, আট বিলিয়ন ডলারেরও বেশি সম্পত্তির মালিক এই নারী বর্তমানে রাশিয়ার সবচেয়ে প্রভাবশালী ও ধনী ব্যবসায়ীদের একজন। গত শনিবার হঠাৎ করেই মিড্রোভোরেটস ডেটাবেজে তাতিয়ানা কিমের নাম যুক্ত করা হয় এবং তার বিরুদ্ধে রুশ মালিন্ডা বা ম্যালিসের প্রকাশ্য সমর্থনের অভিযোগ আনা হয়। কিয়েভভিত্তিক এই বিতর্কিত ওয়েবসাইটটি মূলত ইউক্রেনীয় রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা সেবার সাথে ঘনিষ্টভাবে যুক্ত বলে মনে করা হয়। অতীতে এই তালিকায় যাদের নাম এসেছে, তাদের অনেকেই পরবর্তীতে রহস্যজনকভাবে হামলার শিকার হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। এদিকে গত জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময় থেকেই রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে অবস্থিত ওয়াইল্ডবেরিজের গুদাম ও লজিস্টিক সেন্টারগুলোতে একের পর এক ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। সামারা অঞ্চলের একটি প্রধান গুদামেও সম্প্রতি ড্রোন আঘাত হেনেছে এবং সেখানে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়েছে। এই ধারাবাহিক হামলাগুলোতে এখন পর্যন্ত নয়জন সাধারণ নাগরিক নিহত এবং একশো জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষের দাবি অনুযায়ী, রুশ সামরিক বাহিনী তাদের এই বিশাল বিতরণ নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে সামরিক বা দ্বৈত ব্যবহারের বিভিন্ন পণ্য সংগ্রহ ও পরিবহন করে থাকে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি (Zelenskyy) নিজেই স্বীকার করেছেন যে এই গুদামগুলোতে ড্রোন তৈরির সানশনপ্রাপ্ত বা নিষিদ্ধ যন্ত্রাংশ এবং নেভিগেশন সরঞ্জাম মজুত করা হয়েছিল। তবে কিয়েভের এই সমস্ত দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বানোয়াট বলে উড়িয়ে দিয়েছেন ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ (Dmitry Peskov)। রুশ নিরাপত্তা পরিষদের উপ-সেক্রেটারি আলেকজান্ডার মাসলেননিকভ (Aleksandr Maslennikov) এই হামলাগুলোকে সরাসরি সন্ত্রাসবাদ ও যুদ্ধাপরাধ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তার মতে, সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের প্রতীককে লক্ষ্যবস্তু করে ইউক্রেন মূলত সস্তা প্রচার পেতে চাইছে। গত শুক্রবার এক ভিডিও বার্তায় তাতিয়ানা কিম নিজে এই হামলার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন এবং একে সন্ত্রাসী হামলা বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেছেন যে এই ধরনের বর্বরোচিত আক্রমণের মূল উদ্দেশ্য হলো রুশ সাধারণ নাগরিকদের মনে অহেতুক আতঙ্ক ও ভীতি সৃষ্টি করা। সমস্ত আন্তর্জাতিক অনলাইন মার্কেটপ্লেসেই ব্যাটারী বা ফার্স্ট এইড কিটের মতো কিছু সাধারণ পণ্য বিক্রি হয় যা দ্বৈত ব্যবহারের হতে পারে। তাতিয়ানা কিম আরও উল্লেখ করেছেন যে ওয়াইল্ডবেরিজের ওপর হামলা মানে কেবল রাশিয়ার ওপর হামলা নয়, এটি বেসামরিক মানুষের জীবনযাত্রার ওপর সরাসরি আঘাত। কাজাখস্তান, বেলারুশ, আর্মেনিয়া এবং চীনের মতো দশটি দেশের প্রায় দশ হাজার মানুষ এই ব্যবসার সাথে যুক্ত রয়েছেন। এই নিরপরাধ ব্যবসায়ীরাও ইউক্রেনীয় ড্রোনের কারণে চরম আর্থিক ও মানসিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। গত রবিবারেও সারাতোভ ও এঙ্গেলস শহরে ইউক্রেনের পক্ষ থেকে ব্যাপক ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে বলে স্থানীয় গভর্নর রোমান বুসারগিন জানিয়েছেন। এঙ্গেলস শহরের একটি বহুতল আবাসিক ভবনে ড্রোন ধ্বংসাবশেষ আছড়ে পড়লে ঘটনাস্থলেই দুইজন সাধারণ নাগরিক নিহত হন। সারাতোভ শহরেও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন এবং বহু বেসামরিক অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে তাদের শক্তিশালী বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মাত্র একদিনের ব্যবধানে ষাটটি অঞ্চলের আকাশসীমা থেকে ছয়শ একত্রিশটি ইউক্রেনীয় ড্রোন সফলভাবে ভূপাতিত করেছে। এর মধ্যে মস্কো অঞ্চলের দিকে এগিয়ে যাওয়া ছয়টি ড্রোনও ভোরের আলো ফোটার আগেই মাঝ আকাশে ধ্বংস করা হয়েছে। বাশকোর্তোস্তান অঞ্চলেও পঁচিশটি ড্রোন নামিয়ে আনা হয়েছে যার টুকরো পড়ে একটি শিল্প এলাকায় আগুন ধরে যায়। সামারার গুদাম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর ওয়াইল্ডবেরিজ কর্তৃপক্ষ দ্রুত তাদের লজিস্টিক চেইন বা সাপ্লাই চেইন ঘুরিয়ে নিয়েছে। এখন থেকে সমস্ত নতুন চালান এবং ক্রেতাদের অর্ডার অন্যান্য বিকল্প কেন্দ্রগুলোর মাধ্যমে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে পরিচালনা করা হচ্ছে। ইউক্রেনের লাগাতার এই হামলা সত্ত্বেও তারা তাদের কোটি কোটি গ্রাহকের সেবা ব্যাহত হতে দেয়নি। রাশিয়া ও ইউক্রেনের এই চলমান সংঘাতে কেবল বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বা গুদামই নয়, বরং সাধারণ পর্যটন কেন্দ্র ও সমুদ্র সৈকতও এখন লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। গত সপ্তাহে ইউক্রেনীয় ড্রোনের একটি ভয়াবহ ঝাঁক জাপোরোজিয়ে অঞ্চলের কিরিলোভকা শহরের একটি অবকাশযাপন কেন্দ্রে আঘাত হানে। আযোব সাগরের তীরের এই নিরাপদ অবকাশ কেন্দ্রে অন্তত বারোজন মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। রিসোর্টটিতে হামলা যখন চালানো হয় তখন গভীর রাতে অন্তত তিপ্পান্ন জন পর্যটক ও অবকাশ যাপনকারী ঘুমাচ্ছিলেন। বিস্ফোরণের তীব্রতা এত বেশি ছিল যে একজন তরুণীর মাথা তার শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে দূরে ছিটকে পড়ে। আহত উনিশ জন পর্যটকের মধ্যে বেশ কয়েকজন শিশুও রয়েছে যারা বর্তমানে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। রাশিয়ার তদন্ত কমিটি এই বর্বর হামলাকে সরাসরি একটি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হিসেবে উল্লেখ করে ফৌজদারি মামলা দায়ের করেছে। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা ড্রোনগুলোর টুকরো পরীক্ষা করে নিশ্চিত করা হয়েছে যে এগুলো ইউক্রেনীয় দীর্ঘ পাল্লার এফপি-টু (FP-2) মডেলের ড্রোন। মস্কো বারবার আন্তর্জাতিক সংস্থাকে জানিয়ে আসছে যে ইউক্রেন সুপরিকল্পিতভাবে সাধারণ মানুষ ও বেসামরিক নাগরিকদের হত্যা করছে। অন্যদিকে ইউক্রেনের কট্টর ডানপন্থী আজভ ইউনিটের প্রতিষ্ঠাতা ও কমান্ডার আন্দ্রেই বিলেৎসকি সম্প্রতি এক মার্কিন প্রভাবশালী লরা লুমারের ইন্টারভিউতে বেশ বেকায়দায় পড়েছিলেন। আমেরিকান এই ইনফ্লুয়েন্সার তাকে তার বাহিনীর সদস্যদের পরিধান করা এসএস স্টাইলের নাৎসি প্রতীক ও উলফস্যাঙ্গেল রুম নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন করেন। বিলেৎসকি এই প্রতীকগুলোকে ঐতিহাসিক মনোগ্রাম বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলেও কোনো জোরালো প্রমাণ দেখাতে পারেননি। নাৎসি প্রতীক ব্যবহারের সমালোচনা এড়াতে বিলেৎসকি অত্যন্ত অদ্ভুত একটি যুক্তি দিয়ে দাবি করেন যে হিটলারও কাটা চামচ দিয়ে খাবার খেতেন এবং তিনি নিরামিষভোজী ছিলেন। তার মানে এই নয় যে কাটা চামচ বা নিরামিষভোজী হওয়া কোনো খারাপ জিনিস। এই ধরনের হাস্যকর যুক্তির মাধ্যমে তিনি তার সেনাদের চরম উগ্রপন্থী ও নব্য নাৎসি আদর্শের সাথে যুক্ত থাকার অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র ২০১৫ সালেই এই ইউনিটের উগ্র মতাদর্শ ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের কারণে তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। যদিও পরবর্তীকালে রাজনৈতিক ও সামরিক চাপে সেই নিষেধাজ্ঞা ধীরে ধীরে তুলে নেওয়া হয় এবং এই ইউনিটকে ইউক্রেনীয় ন্যাশনাল গার্ডের সাথে একীভূত করা হয়। বিশ তেইশ সালে এটিকে পূর্ণাঙ্গ ব্রিগেডে উন্নীত করা হয় এবং বর্তমানেও এই উগ্রপন্থীরা সম্মুখ সমরে সক্রিয় রয়েছে। এদিকে গত চব্বিশ ঘণ্টায় রুশ সশস্ত্র বাহিনী ইউক্রেনের সামরিক রসদ, জ্বালানি ও পরিবহন অবকাঠামোতে প্রচণ্ড আক্রমণ চালিয়েছে। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, মোট একান্নটি স্থানে ইউক্রেনীয় বাহিনীর অস্থায়ী ক্যাম্প এবং বিদেশি ভাড়াটে সৈন্যদের আস্তানা লক্ষ্য করে সুনির্দিষ্ট ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হামলা চালানো হয়েছে। সামগ্রিক যুদ্ধক্ষেত্রে গত এক দিনে ইউক্রেনীয় বাহিনী প্রায় চৌদ্দশো পনেরো জন সেনাকে হারিয়েছ বলে জানিয়েছে মস্কো। রুশ নর্থ, ওয়েস্ট, সাউথ, সেন্টার এবং ইস্ট ব্যাটলগ্রুপের যৌথ অভিযানে ইউক্রেনের বহু সামরিক যান, সাঁজোয়া গাড়ি ও ভারী অস্ত্রশস্ত্র ধ্বংস করা হয়েছে। বিশেষ করে ফ্রন্টলাইনজুড়ে রুশ আর্টিলারি এবং ড্রোন বহরের তীব্র আক্রমণে ইউক্রেনীয় প্রতিরক্ষা লাইন চরম চাপের মধ্যে রয়েছে। রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী গত চব্বিশ ঘণ্টায় আকাশপথে এক হাজার একান্নটি ইউক্রেনীয় ড্রোন এবং ছয়টি স্মার্ট বোমা সফলভাবে ধ্বংস করেছে। এর মধ্যে মার্কিন প্রযুক্তির হিমার্স মাল্টিপল রকেট সিস্টেমের একটি রকেটও মাঝ আকাশেই প্রতিহত করা হয়েছে। যুদ্ধের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত ইউক্রেনের ছয় শতাধিক যুদ্ধবিমান এবং ত্রিশ হাজারেরও বেশি সাজোয়া যান ধ্বংস করেছে রুশ বাহিনী। ডনবাস অঞ্চলের বিশেষ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ডনবাস ডোম গত এক সপ্তাহে প্রায় একশো চল্লিশটি ইউক্রেনীয় ড্রোন সফলভাবে নিষ্ক্রিয় করেছে। দোনেৎস্কের মেকায়েভকা এবং শাশ্তোরস্কয়ের কাছে বিস্ফোরকভর্তি বিভিন্ন ড্রোন বিস্ফোরিত হওয়ার আগেই ভূপাতিত করা হয়। ইউক্রেনীয় বাহিনী বেসামরিক নাগরিক এবং বিদ্যুৎ সাবস্টেশনগুলোর ওপর এই ধরনের ড্রোন হামলা নিয়মিত চালিয়ে যাচ্ছে। উত্তর অঞ্চলের রুশ বাহিনী কুরস্ক ও খারকভ সীমান্ত এলাকার দিকে উড়ে আসা একশো কুড়িটিরও বেশি ইউক্রেনীয় ড্রোন ধ্বংস করেছে। রাডার চালকরা রাতের আঁধারে ড্রোনের গতিবিধি শনাক্ত করে সাথে সাথে বিমান প্রতিরক্ষা ক্রুদের কাছে সঠিক স্থানাঙ্ক বা কোঅর্ডিনেট পাঠায়। সুনির্দিষ্ট এই পাল্টা আক্রমণে সীমান্ত এলাকায় ইউক্রেনের সমস্ত ড্রোন উড্ডয়ন প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দেওয়া হয়েছে। রস্তভ অঞ্চলেও রাতের বেলায় প্রায় দেড়শো ড্রোনের একটি বিশাল আক্রমণ সফলভাবে প্রতিহত করেছে রুশ বাহিনী। কামেনস্ক-শাকতিনস্কি এবং মিলেরোভস্কি জেলার বিভিন্ন এলাকার ওপর ড্রোনগুলোর ধ্বংসাবশেষ পড়ে সামান্য ক্ষয়ক্ষতি হলেও বড় ধরনের কোনো প্রাণহানি ঘটেনি। মিলেরোভস্কি জেলার একটি গ্রেইন এলিভেটর বা খাদ্যশস্য গুদামের ছাদে ড্রোন খসে পড়ে তারের সংযোগে আগুন ধরে গেলেও তা দ্রুত নিভিয়ে ফেলা হয়। এদিকে ইউক্রেনের মূল ভূখণ্ডের গভীরে বাশকোর্তোস্তানের তিনটি বড় তেল শোধনাগারেও ড্রোন হামলা চালিয়েছে কিয়েভ। ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি গর্ব করে জানিয়েছেন যে এই শোধনাগারগুলো ইউক্রেন সীমান্ত থেকে প্রায় এক হাজার ছয়শো কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এবং প্রতি বছর কোটি কোটি টন তেল প্রক্রিয়াজাত করে। উফা শহরের একটি তেল শোধনাগারে ড্রোন আঘাতে বড় ধরনের আগুন ধরে যাওয়ার খবরও নিশ্চিত করেছে স্থানীয় গণমাধ্যম। কালো সাগরে রাশিয়া নিয়ন্ত্রিত সানশনপ্রাপ্ত ইয়ানিনা নামের একটি কন্টেইনার জাহাজ ইউক্রেনীয় ড্রোনের আঘাতে ডুবে গেছে। কিয়েভ দাবি করেছে যে এই জাহাজটি রাশিয়ার সামরিক প্রচেষ্টাকে টিকিয়ে রাখতে সহায়তা করছিল। অন্যদিকে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি সংস্থা রোসাটমের অধীনস্থ প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে যে জাহাজটিতে কেবল হিমায়িত খাবার ও নির্মাণ সামগ্রীর মতো সম্পূর্ণ বেসামরিক পণ্য পরিবহন করা হচ্ছিল। আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা বা আইএইএ (IAEA) জানিয়েছে যে ইউক্রেনের জাপোরোজিয়ে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি গত শনিবার প্রায় দুই ঘণ্টা অফ-সাইট বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন ছিল। রুশ বাহিনীর অবৈধ দখলে থাকা এই প্ল্যান্টটি বর্তমানে চালু না থাকলেও পারমাণবিক উপাদানের নিরাপত্তা বজায় রাখতে এবং কুলিং সিস্টেম সচল রাখতে বাইরে থেকে নিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহের প্রয়োজন হয়। পুরো যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এই ধরনের বিদ্যুৎ বিভ্রাট প্ল্যান্টের সুরক্ষাকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলছে। রাশিয়ার দখলকৃত ক্রাইমিয়া উপদ্বীপে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ থাকায় সাধারণ মানুষকে গরম খাবারের জন্য রাস্তায় দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। মাসন্দ্রা শহরে স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে বিশাল পাত্রে রান্না করা গরম বাকওয়াট এবং টিনজাত গরুর মাংসের সাথে ঝোল সাধারণ মানুষের মধ্যে বিতরণ করা হচ্ছে। বর্তমান বিদ্যুৎহীন পরিস্থিতিতে বৈদ্যুতিক চুলা ব্যবহার করতে না পেরে প্রতিদিন অন্তত দুশো মানুষ এই কমিউনিটি কিচেনের ওপর পুরোপুরি নির্ভর করছেন। স্থানীয় এক প্রবীণা নারী আলেকজান্দ্রা দশ দিন একটানা বিদ্যুৎহীন থাকার পর গরম খাবারের সুবাস পেয়ে নিচে নেমে আসার কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন যে বিকেলে কিছুক্ষণের জন্য বিদ্যুৎ আসলেও তা বেশিক্ষণ থাকবে কি না সেই অনিশ্চয়তা নিয়েই তাকে আবার দশ তলার অন্ধকার ফ্ল্যাটে ফিরে যেতে হচ্ছে। ইউক্রেন দাবি করছে যে তারা রাশিয়া নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলে যুদ্ধের সেই ভয়াবহতা ফিরিয়ে দিচ্ছে যা এতদিন সাধারণ রুশরা অনুভব করেনি। এদিকে রাশিয়ান ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সময় কিয়েভের কাছে অবস্থিত লিথুয়ানিয়ার দূতাবাস ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে সে দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। রুশ হামলার তীব্র বিস্ফোরণে দূতাবাসের জানালার কাঁচ ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে এবং সোলার কালেক্টর সহ উঠানে নানা ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়েছে। সৌভাগ্যক্রমে কোনো কূটনীতিক আহত না হলেও এই ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে রুশ রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে লিথুয়ানিয়া সরকার। শুক্রবার রাতে ও শনিবারে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ জুড়ে রাশিয়ান ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের ব্যাপক বর্ষণে অন্তত নয়জন বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং তেত্রিশ জন আহত হয়েছেন। সলোমিয়ানস্কি ও দারনিৎসকি জেলায় আবাসিক বহুতল ভবন এবং প্রশাসনিক কার্যালয়ে ভয়াবহ আগুন লেগে যাওয়ায় শত শত মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। জরুরি সেবার কর্মীরা দিনরাত পরিশ্রম করে ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় খেরসন শহরেও রুশ বিমান হামলায় একজন নিহত এবং আরও পাঁচজন গুরুতর আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে। এই লাগাতার বিমান হামলার মুখে দাঁড়িয়ে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি আবারও পশ্চিমা দেশগুলোর কাছে প্যাট্রিয়ট মিসাইল ও উন্নত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য জোরালো আবেদন জানিয়েছেন। তার মতে, পর্যাপ্ত ব্যালিস্টিক মিসাইল ইন্টারসেপ্টর না থাকার কারণেই প্রতি রাতেই নিরপরাধ মানুষের প্রাণহানি ঘটছে। প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি আরও জানান যে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার তীব্র ঘাটতির কারণে গত শুক্রবার রাতের সাতাশটি ব্যালিস্টিক মিসাইলের মধ্যে মাত্র একটি মিসাইল আকাশেই ধ্বংস করা সম্ভব হয়েছিল। বাকি মিসাইলগুলো সরাসরি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানায় দেশটির বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। যত দিন পর্যন্ত পশ্চিমা মিত্ররা উন্নত আকাশ সুরক্ষা না দেবে, তত দিন ইউক্রেনের আকাশসীমা সম্পূর্ণ সুরক্ষিত করা অসম্ভব হয়ে পড়বে। অন্যদিকে রাশিয়া দৃঢ়ভাবে জানিয়ে আসছে যে তাদের সামরিক অভিযান কেবল ইউক্রেনের সামরিক স্থাপনা, অস্ত্র কারখানা এবং জ্বালানি সরবরাহের ওপরই সীমাবদ্ধ রয়েছে। মস্কো কখনোই ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক নাগরিক বা আবাসিক এলাকায় আঘাত হানে না বলে দাবি করে আসলেও মাঠের বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন কথা বলছে। দুই পক্ষের এই পাল্টাপাল্টি রক্তক্ষয়ী হামলায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা এখন পুরোপুরি বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বাণিজ্যিক সাম্রাজ্যের প্রধান তাতিয়ানা কিমের কিল লিস্টে নাম ওঠা থেকে শুরু করে রাশিয়ার ভেতরে হাজার হাজার ড্রোনের লাগাতার আক্রমণ—সবমিলিয়ে সংঘাত এখন এক নতুন এবং অত্যন্ত বিপজ্জনক মোড় নিয়েছে। অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের জনজীবনকে পঙ্গু করে দেওয়ার এই দ্বিমুখী লড়াই বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূরাজনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী গভীর প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে। যুদ্ধের এই ভয়াবহ পরিণতি শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে ঠেকে, তা দেখার জন্য আমাদের আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/719_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/719_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/719_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[আমেরিকাকে হাতের মুঠোয় রাখতে গিয়ে নিজেই যেভাবে নিঃস্ব হলেন নেতানিয়াহু, জানলে চমকে যাবেন!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/48860</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/48860</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ আল মাসুম]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 03 Aug 2026 11:56:14 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, r bangla news, atn bangla news, bbc bangla news, all bangla news, bangla news live, bd news bangla, bangla tv news, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, latest bangla news, news18 bangla, world news bangla, republic bangla news, bbc world news bangla, international bangla news, radio tehran bangla news live, bangladesh news, news18 bangla exclusive, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh tv news, bangladesh news today, rater bangladesh news, banglanews, banglavision news today, r bangla]]></category>
        
        <description><![CDATA[কল্পনা করুন তো, আপনার দেশের সবচেয়ে পুরোনো মিত্র হঠাৎ করে আপনার দেশের অর্ধেক মানুষের কাছে একজন সম্ভাব্য অপরাধী হয়ে ওঠে! এমনটাই এখন ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের ক্ষেত্রে। কীভাবে নেতানিয়াহু একা হাতে আমেরিকার দশকের পর দশকের ঐতিহাসিক সমর্থন গুঁড়িয়ে দিয়েছেন। আর এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে সৌদি আরবের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন কূটনৈতিক সমীকরণ কতটা মারাত্মক বিপদের মুখে পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইসরায়েলের অপরিহার্য দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পুনর্নবায়নের তাগিদে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যখন তাঁর সাম্প্রতিক ওয়াশিংটন সফর শুরু করেন, ঠিক তখনই প্রকাশিত এক জনমত জরিপ তুলে ধরল সম্পর্কের ভিত্তিটা ঠিক কতটা নাটকীয়ভাবে বদলে গেছে। গত আটাশে জুলাই প্রকাশিত দ্য ইকোনমিস্ট এবং ইউগভ-এর সেই জরিপে দেখা গেছে, উনপঞ্চাশ শতাংশ আমেরিকান মনে করেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা অনুযায়ী ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করা উচিত। আরও আতঙ্কের বিষয় হলো, সাতচল্লিশ শতাংশ আমেরিকান বিশ্বাস করেন যে নেতানিয়াহু গাজায় গুরুতর যুদ্ধাপরাধ ঘটিয়েছেন। মাত্র এক দশক আগেও এই ধরনের জনমত চিন্তার বাইরে ছিল, যা আজকের দিনে এক নির্মম বাস্তবতায় পরিণত হয়েছে। আজ এটাই সবচেয়ে স্পষ্ট প্রমাণ যে যা এড়াতে আগের প্রজন্মগুলোর ইসরায়েলের নেতারা জীবনভর চেষ্টা করে গেছেন, নেতানিয়াহু নিজে হাতে ঠিক তা-ই বাস্তবে রূপ দিয়েছেন। ডেমোক্র্যাট এবং রিপাবলিকান উভয় দলের সমর্থনের জায়গা থেকে ইসরায়েলকে টেনে নামিয়ে নেতানিয়াহু এটিকে পরিণত করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির সবচেয়ে বিতর্কিত ও মেরুকৃত এক উপাদানে। এই নাটকীয় মোড় কিন্তু দুই হাজার তেইশ সালের সাতই অক্টোবরের হামলা বা গাজার বর্তমান ভয়াবহ ধ্বংসস্তূপ দিয়ে শুরু হয়নি। সেই ঘটনাগুলো স্রেফ নেতানিয়াহুর বহু বছর আগে শুরু করা এক ধ্বংসাত্মক প্রক্রিয়ার গতি বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে মাত্র। তাঁর সবচেয়ে বড় কৌশলগত ব্যর্থতাটি ছিল সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রকৃতির, যা সামলানো এখন অসম্ভব হয়ে পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কেবল একটি দলের কাঁধে ভর দিয়ে এবং অন্য দলকে পুরোপুরি তোয়াক্কা না করে নেতানিয়াহু সেই ঐতিহাসিক দ্বিপক্ষীয় ঐক্য ভেঙেচুরে দিয়েছেন। অথচ এই ঐক্যই দশকের পর দশক ধরে দুই দেশের সম্পর্ককে যেকোনো ঝড়ের মাঝেও শক্তহাতে টিকিয়ে রেখেছিল। জন্মের পর থেকেই ইসরায়েলের নেতারা গভীরভাবে বুঝেছিলেন যে ইসরায়েলকে কোনো নির্দিষ্ট দলের এজেন্ডা বানিয়ে ফেলা যাবে না। দুই দলের কাছেই ইসরায়েল ছিল এক নির্ভরযোগ্য কৌশলগত অংশীদার, যার নিরাপত্তা দলীয় রাজনীতির ঊর্ধ্বে ছিল। বিদ্রূপের বিষয় হলো, নেতানিয়াহুর চেয়ে আমেরিকাকে ভালো চেনা রাজনৈতিক নেতা খুব কমই আছেন, কারণ তিনি দীর্ঘদিন যুক্তরাষ্ট্রে কাটিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনা, মার্কিন রাজনৈতিক মারপ্যাঁচে দক্ষতা আর ওয়াশিংটনের ক্ষমতার অলিগলিতে তাঁর অবাধ বিচরণই তাঁর জন্য কাল হয়ে দাঁড়াল। আমেরিকায় জনসংখ্যা ও আদর্শিক পরিবর্তনের হাওয়া চিরতরে রিপাবলিকানদের ক্ষমতায় রাখবে—এমন ভুল সমীকরণে বসে নেতানিয়াহু আগের প্রধানমন্ত্রীদের তৈরি বহুযত্নের ভারসাম্য ত্যাগ করলেন। তিনি পুরোপুরি বাজি ধরলেন রিপাবলিকান ডেরার ওপর, যা ছিল মারাত্মক দূরদর্শিতার অভাব। এই ফাটলটি প্রথম স্পষ্টভাবে প্রকাশ্যে আসে দুই হাজার পনেরো সালে। ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে একরকম বুড়ো আঙুল দেখিয়ে রিপাবলিকানদের আমন্ত্রণে মার্কিন কংগ্রেসে ইরান পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে বক্তব্য দিতে ছোটেন নেতানিয়াহু। কনজারভেটিভরা এটিকে সাহসিকতা বলে তালি দিলেও, কৌশলগতভাবে এটি ছিল এক আত্মঘাতী মোড়, যার খেসারত আজ ইসরায়েলকে দিতে হচ্ছে। ইতিহাসে কোনো ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী মার্কিন প্রেসিডেন্টের নীতিকে এভাবে সরাসরি প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ করেননি। ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়াদে নেতানিয়াহুর মনে হলো তাঁর চাল বুঝি সফল হয়েছে, কারণ ট্রাম্প জেরুজালেমকে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন। ট্রাম্প মার্কিন দূতাবাস সরালেন, গোলান মালভূমিতে ইসরায়েলের সার্বভৌমত্ব মেনে নিলেন এবং ইরান চুক্তি ছুড়ে ফেললেন। নেতানিয়াহু এই সাময়িক সাফল্যগুলোকে চিরস্থায়ী ভেবে মারাত্মক ভুল করলেন। তিনি ভাবলেন যে রিপাবলিকানদের আনুগত্য পেলেই বুঝি ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন আর কখনোই লাগে না। কিন্তু কৌশলগতভাবে এটি ছিল ভীষণ সংকীর্ণ চিন্তা, যা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে টেকে না। কোনো আন্তর্জাতিক জোট টিকিয়ে রাখতে হলে প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি ও বহুদলীয় গ্রহণযোগ্যতা লাগে, যা কোনো এক মেয়াদি প্রশাসনের ওপর ভর করে টিকে থাকে না। ইসরায়েলকে কেবল রিপাবলিকান পার্টির ব্র্যান্ড বানিয়ে নেতানিয়াহু জোটটিকে এমন সময়ে দুর্বল করলেন, যখন এটি অক্ষুণ্ণ রাখা সবচেয়ে বেশি জরুরি ছিল। গাজায় ইসরায়েলের নির্বিচার হামলা সেই দুর্বলতার আসল রূপটি জাতির সামনে উন্মোচিত করে দিল। সাতই অক্টোবরের পর নিজের দল ডেমোক্র্যাটদের তীব্র চাপ সত্ত্বেও প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইসরায়েলকে নজিরবিহীন সামরিক ও কূটনৈতিক সুরক্ষা দিয়েছিলেন। যুদ্ধের মধ্যে তিনি স্বয়ং ইসরায়েল সফর করেন এবং অস্ত্র পাঠাতে তাঁর তর সইছিল না। কিন্তু নেতানিয়াহু এই বিশাল উপকারের জবাব দিলেন বারবার হোয়াইট হাউসকে প্রকাশ্যে অপদস্থ করে। ওয়াশিংটন অস্ত্র আটকে রাখছে বলে অভিযোগ তোলা এবং যুদ্ধপরবর্তী গাজার পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করা ছিল তাঁর প্রতিদিনের কাজ। বাইডেন যখন নিজ দেশে রাজনৈতিক পুঁজি জলাঞ্জলি দিচ্ছিলেন, নেতানিয়াহু তখন আমেরিকার বিশ্বাস ধরে রাখার চেয়ে নিজের দেশের কট্টর সমর্থকদের কাছে বীরত্ব দেখাতে বেশি ব্যস্ত ছিলেন। এদিকে এই যুদ্ধের নির্মম রূপ বিশ্বমঞ্চে ইসরায়েলের প্রতিচ্ছবি পুরোপুরি বদলে দিয়েছে। হাসপাতাল, স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয়সহ গোটা গাজাকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করায় বিশ্বজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। তাঁর সরকারের কট্টরপন্থী মন্ত্রীরা প্রকাশ্যে ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদ ও স্থায়ী সামরিক দখলের সাফাই গেয়ে যাচ্ছেন। এটি আইনি বিচারে যুদ্ধাপরাধ কি না, তা আন্তর্জাতিক আদালত ঠিক করবেন, কিন্তু রাজনৈতিক রায় অনেক আগেই হয়ে গেছে। শুধু বিশ্বজুড়ে নয়, স্বয়ং আমেরিকার ভেতরের সাধারণ মানুষের মনেও এই রায় পাকা হয়ে গেছে। প্রায় অর্ধেক আমেরিকান যখন নিজের দেশের সবচেয়ে পুরোনো বন্ধুরাষ্ট্রের প্রধানকে গ্রেপ্তারের যোগ্য বা যুদ্ধাপরাধী মনে করেন, তখন বুঝতে হবে জনমানসে কতটা গভীর পরিবর্তন এসে গেছে। তরুণ আমেরিকানরা এখন এই সংকটকে আর কোনো ঐতিহাসিক মিত্রতার চশমায় দেখে না। তারা এটিকে দেখে দখলদারি, বর্ণবাদ ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের দৃষ্টিকোণ থেকে। এমনকি রিপাবলিকানদের ভেতরের নতুন প্রজন্মের ডানপন্থীরাও এখন চিরতরে অন্য দেশে সাহায্য পাঠানোর বিপক্ষে কথা বলতে শুরু করেছে। নেতানিয়াহুর বর্তমান চরমপন্থী কোয়ালিশন সরকার এই সংকটকে আরও অনেক বেশি ঘনীভূত করেছে। উগ্র জাতীয়তাবাদী মন্ত্রীদের সরকারের অংশ বানিয়ে তিনি রাষ্ট্রীয় নীতি ও উগ্রবাদী মতাদর্শের সীমান্ত মুছে দিয়েছেন। সবচেয়ে গুরুতর বিষয় হচ্ছে, এই সংঘাতের অবসান ঘটানোর জন্য কোনো রকম আন্তরিক বা গভীর রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির সম্পূর্ণ অনুপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। নেতানিয়াহু ক্রমাগত ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের যেকোনো অর্থপূর্ণ আলোচনা নাকচ করেছেন। গাজায় ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রত্যাবর্তনের বিরোধিতা করে তিনি পরিস্থিতি জটিল করেছেন। দীর্ঘমেয়াদি সামরিক নিয়ন্ত্রণ ছাড়া গাজা পুনর্গঠনের কোনো গ্রহণযোগ্য রূপরেখা তিনি দিতে পারেননি। সামরিক শক্তি দিয়ে হয়তো অবকাঠামো ধ্বংস করা যায় কিংবা সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে সাময়িক দুর্বল করা যায়। কিন্তু জমি, সার্বভৌমত্ব ও আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকারের মতো মৌলিক দাবির ওপর গড়ে ওঠা একটি জাতীয় সংঘাতকে কেবল শক্তি প্রয়োগ করে কখনোই সমাধান করা সম্ভব নয়। অন্যদিকে, সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রেও মার্কিন নীতি চরম হোঁচট খাচ্ছে। যদি যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরবের সঙ্গে বেসামরিক পারমাণবিক চুক্তিকে ইসরায়েলের সঙ্গে তাৎক্ষণিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার শর্তের সঙ্গে বেঁধে দেয়, তাহলে তারা দুটি ভিন্ন নীতিগত লক্ষ্যকে একসঙ্গে জোর করে মিলিয়ে ফেলবে। প্রথম দেখায় মনে হতে পারে এতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব বাড়বে, কিন্তু বাস্তবে এর ফল হবে উল্টো। সৌদি আরব দুই দশকের বেশি সময় ধরে বলে আসছে যে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিশ্বাসযোগ্য পথ তৈরি হওয়ার পরই ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা সম্ভব। অনেকে মনে করেন এটি সৌদি আরবের স্রেফ দর-কষাকষির কৌশল, কিন্তু বাস্তবে এটি একটি স্থায়ী কৌশলগত নীতি। সৌদি আরব দুই হাজার সালের আরব শান্তি উদ্যোগের প্রধান উদ্যোক্তা ছিল। বর্তমান বিশ্বে প্রতিযোগিতা অনেক বেড়েছে এবং চীন উপসাগরীয় অঞ্চলে অর্থনৈতিক প্রভাব দ্রুত বাড়াচ্ছে। রাশিয়াও মধ্যপ্রাচ্যে বেশ সক্রিয় এবং মাঝারি শক্তির দেশগুলোও কূটনৈতিকভাবে এগিয়ে আসছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব এখনো শক্তিশালী হলেও তা আর আগের মতো একক ও নিরঙ্কুশ নয়। এ পরিস্থিতিতে শর্ত আরোপের কৌশল সম্পূর্ণ নতুনভাবে ভাবতে হবে। গাজা যুদ্ধ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে কারণ আরব বিশ্বে সাধারণ মানুষের মধ্যে ফিলিস্তিনের প্রতি সহানুভূতি বহুগুণ বেড়েছে। সরকারগুলো যতই হিসাব নিকাশ করুক না কেন, জনমতের এই কঠিন বাস্তবতা উপেক্ষা করার কোনো সুযোগ নেই। সৌদি নেতৃত্ব বারবার বলেছেন যে তারা একটি পূর্ণাঙ্গ রাজনৈতিক সমাধানের মাধ্যমেই সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে চান। যুক্তরাষ্ট্র যদি উল্টোভাবে আগে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার শর্ত দেয়, তাহলে তা সৌদি নীতির সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক হবে। বর্তমান বহুমুখী বিশ্বে প্রভাব শুধু সামরিক শক্তি দিয়ে নির্ধারিত হয় না। প্রকৃত প্রভাব আসে তখনই, যখন একটি দেশ তার মিত্রদের স্থায়ী স্বার্থের সঙ্গে নিজস্ব নীতি মিলিয়ে নিতে পারে। ইতিহাস হয়তো সাময়িক কৌশলগত জয়গুলোকে ক্ষমা করে দেয়, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত ব্যর্থতাকে কখনো ক্ষমা করে না। সুবিধাজনক মার্কিন সরকারের আমলে নেতানিয়াহু অনেক কিছু আদায় করে নিয়েছেন। কিন্তু সেই সবকিছু দাঁড়িয়ে ছিল দশকের পর দশক ধরে গড়ে ওঠা এক অটল ভিত্তির ওপর, যা আজ ভেঙে চুরমার হয়ে যাচ্ছে। ওয়াশিংটনে নেতানিয়াহু যখন আবার গেছেন সম্পর্ক জোড়া লাগাতে, তখন আমেরিকার অর্ধেক মানুষ তাঁকে বন্ধু হিসেবে নয়, একজন সম্ভাব্য অপরাধী হিসেবে দেখছে। এর চেয়ে বড় রূপক আর কী হতে পারে? সামরিক শক্তি দিয়ে শত্রু ঠেকানো যায়, কিন্তু হারানো রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা শক্তি দিয়ে কখনোই ফিরিয়ে আনা যায় না। ভবিষ্যৎ ইতিহাসবিদেরা যদি কখনো খোঁজেন কোন বিন্দু থেকে ওয়াশিংটনে ইসরায়েলের ধরাছোঁয়ার বাইরের অবস্থানের পতন শুরু হয়েছিল, তবে তাঁরা তেহরান কিংবা গাজার দিকে তাকাবেন না। তাঁরা তাকাবেন ওয়াশিংটনের দিকে এবং সরাসরি আঙুল তুলবেন নেতানিয়াহুর নেওয়া ভুল সিদ্ধান্তগুলোর দিকেই। বিশ্বাস ও সর্বদলীয় সমর্থন হলো এমন এক কৌশলগত সম্পদ, যা অর্জনে প্রজন্ম লাগে, কিন্তু ধ্বংস করতে মুহূর্তই যথেষ্ট।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/720_1.webp" alt="আমেরিকাকে হাতের মুঠোয় রাখতে গিয়ে নিজেই যেভাবে নিঃস্ব হলেন নেতানিয়াহু, জানলে চমকে যাবেন!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>আমেরিকাকে হাতের মুঠোয় রাখতে গিয়ে নিজেই যেভাবে নিঃস্ব হলেন নেতানিয়াহু, জানলে চমকে যাবেন!</h1>
            <p>কল্পনা করুন তো, আপনার দেশের সবচেয়ে পুরোনো মিত্র হঠাৎ করে আপনার দেশের অর্ধেক মানুষের কাছে একজন সম্ভাব্য অপরাধী হয়ে ওঠে! এমনটাই এখন ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের ক্ষেত্রে। কীভাবে নেতানিয়াহু একা হাতে আমেরিকার দশকের পর দশকের ঐতিহাসিক সমর্থন গুঁড়িয়ে দিয়েছেন। আর এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে সৌদি আরবের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন কূটনৈতিক সমীকরণ কতটা মারাত্মক বিপদের মুখে পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইসরায়েলের অপরিহার্য দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পুনর্নবায়নের তাগিদে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যখন তাঁর সাম্প্রতিক ওয়াশিংটন সফর শুরু করেন, ঠিক তখনই প্রকাশিত এক জনমত জরিপ তুলে ধরল সম্পর্কের ভিত্তিটা ঠিক কতটা নাটকীয়ভাবে বদলে গেছে। গত আটাশে জুলাই প্রকাশিত দ্য ইকোনমিস্ট এবং ইউগভ-এর সেই জরিপে দেখা গেছে, উনপঞ্চাশ শতাংশ আমেরিকান মনে করেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা অনুযায়ী ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করা উচিত। আরও আতঙ্কের বিষয় হলো, সাতচল্লিশ শতাংশ আমেরিকান বিশ্বাস করেন যে নেতানিয়াহু গাজায় গুরুতর যুদ্ধাপরাধ ঘটিয়েছেন। মাত্র এক দশক আগেও এই ধরনের জনমত চিন্তার বাইরে ছিল, যা আজকের দিনে এক নির্মম বাস্তবতায় পরিণত হয়েছে। আজ এটাই সবচেয়ে স্পষ্ট প্রমাণ যে যা এড়াতে আগের প্রজন্মগুলোর ইসরায়েলের নেতারা জীবনভর চেষ্টা করে গেছেন, নেতানিয়াহু নিজে হাতে ঠিক তা-ই বাস্তবে রূপ দিয়েছেন। ডেমোক্র্যাট এবং রিপাবলিকান উভয় দলের সমর্থনের জায়গা থেকে ইসরায়েলকে টেনে নামিয়ে নেতানিয়াহু এটিকে পরিণত করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির সবচেয়ে বিতর্কিত ও মেরুকৃত এক উপাদানে। এই নাটকীয় মোড় কিন্তু দুই হাজার তেইশ সালের সাতই অক্টোবরের হামলা বা গাজার বর্তমান ভয়াবহ ধ্বংসস্তূপ দিয়ে শুরু হয়নি। সেই ঘটনাগুলো স্রেফ নেতানিয়াহুর বহু বছর আগে শুরু করা এক ধ্বংসাত্মক প্রক্রিয়ার গতি বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে মাত্র। তাঁর সবচেয়ে বড় কৌশলগত ব্যর্থতাটি ছিল সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রকৃতির, যা সামলানো এখন অসম্ভব হয়ে পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কেবল একটি দলের কাঁধে ভর দিয়ে এবং অন্য দলকে পুরোপুরি তোয়াক্কা না করে নেতানিয়াহু সেই ঐতিহাসিক দ্বিপক্ষীয় ঐক্য ভেঙেচুরে দিয়েছেন। অথচ এই ঐক্যই দশকের পর দশক ধরে দুই দেশের সম্পর্ককে যেকোনো ঝড়ের মাঝেও শক্তহাতে টিকিয়ে রেখেছিল। জন্মের পর থেকেই ইসরায়েলের নেতারা গভীরভাবে বুঝেছিলেন যে ইসরায়েলকে কোনো নির্দিষ্ট দলের এজেন্ডা বানিয়ে ফেলা যাবে না। দুই দলের কাছেই ইসরায়েল ছিল এক নির্ভরযোগ্য কৌশলগত অংশীদার, যার নিরাপত্তা দলীয় রাজনীতির ঊর্ধ্বে ছিল। বিদ্রূপের বিষয় হলো, নেতানিয়াহুর চেয়ে আমেরিকাকে ভালো চেনা রাজনৈতিক নেতা খুব কমই আছেন, কারণ তিনি দীর্ঘদিন যুক্তরাষ্ট্রে কাটিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনা, মার্কিন রাজনৈতিক মারপ্যাঁচে দক্ষতা আর ওয়াশিংটনের ক্ষমতার অলিগলিতে তাঁর অবাধ বিচরণই তাঁর জন্য কাল হয়ে দাঁড়াল। আমেরিকায় জনসংখ্যা ও আদর্শিক পরিবর্তনের হাওয়া চিরতরে রিপাবলিকানদের ক্ষমতায় রাখবে—এমন ভুল সমীকরণে বসে নেতানিয়াহু আগের প্রধানমন্ত্রীদের তৈরি বহুযত্নের ভারসাম্য ত্যাগ করলেন। তিনি পুরোপুরি বাজি ধরলেন রিপাবলিকান ডেরার ওপর, যা ছিল মারাত্মক দূরদর্শিতার অভাব। এই ফাটলটি প্রথম স্পষ্টভাবে প্রকাশ্যে আসে দুই হাজার পনেরো সালে। ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে একরকম বুড়ো আঙুল দেখিয়ে রিপাবলিকানদের আমন্ত্রণে মার্কিন কংগ্রেসে ইরান পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে বক্তব্য দিতে ছোটেন নেতানিয়াহু। কনজারভেটিভরা এটিকে সাহসিকতা বলে তালি দিলেও, কৌশলগতভাবে এটি ছিল এক আত্মঘাতী মোড়, যার খেসারত আজ ইসরায়েলকে দিতে হচ্ছে। ইতিহাসে কোনো ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী মার্কিন প্রেসিডেন্টের নীতিকে এভাবে সরাসরি প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ করেননি। ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়াদে নেতানিয়াহুর মনে হলো তাঁর চাল বুঝি সফল হয়েছে, কারণ ট্রাম্প জেরুজালেমকে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন। ট্রাম্প মার্কিন দূতাবাস সরালেন, গোলান মালভূমিতে ইসরায়েলের সার্বভৌমত্ব মেনে নিলেন এবং ইরান চুক্তি ছুড়ে ফেললেন। নেতানিয়াহু এই সাময়িক সাফল্যগুলোকে চিরস্থায়ী ভেবে মারাত্মক ভুল করলেন। তিনি ভাবলেন যে রিপাবলিকানদের আনুগত্য পেলেই বুঝি ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন আর কখনোই লাগে না। কিন্তু কৌশলগতভাবে এটি ছিল ভীষণ সংকীর্ণ চিন্তা, যা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে টেকে না। কোনো আন্তর্জাতিক জোট টিকিয়ে রাখতে হলে প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি ও বহুদলীয় গ্রহণযোগ্যতা লাগে, যা কোনো এক মেয়াদি প্রশাসনের ওপর ভর করে টিকে থাকে না। ইসরায়েলকে কেবল রিপাবলিকান পার্টির ব্র্যান্ড বানিয়ে নেতানিয়াহু জোটটিকে এমন সময়ে দুর্বল করলেন, যখন এটি অক্ষুণ্ণ রাখা সবচেয়ে বেশি জরুরি ছিল। গাজায় ইসরায়েলের নির্বিচার হামলা সেই দুর্বলতার আসল রূপটি জাতির সামনে উন্মোচিত করে দিল। সাতই অক্টোবরের পর নিজের দল ডেমোক্র্যাটদের তীব্র চাপ সত্ত্বেও প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইসরায়েলকে নজিরবিহীন সামরিক ও কূটনৈতিক সুরক্ষা দিয়েছিলেন। যুদ্ধের মধ্যে তিনি স্বয়ং ইসরায়েল সফর করেন এবং অস্ত্র পাঠাতে তাঁর তর সইছিল না। কিন্তু নেতানিয়াহু এই বিশাল উপকারের জবাব দিলেন বারবার হোয়াইট হাউসকে প্রকাশ্যে অপদস্থ করে। ওয়াশিংটন অস্ত্র আটকে রাখছে বলে অভিযোগ তোলা এবং যুদ্ধপরবর্তী গাজার পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করা ছিল তাঁর প্রতিদিনের কাজ। বাইডেন যখন নিজ দেশে রাজনৈতিক পুঁজি জলাঞ্জলি দিচ্ছিলেন, নেতানিয়াহু তখন আমেরিকার বিশ্বাস ধরে রাখার চেয়ে নিজের দেশের কট্টর সমর্থকদের কাছে বীরত্ব দেখাতে বেশি ব্যস্ত ছিলেন। এদিকে এই যুদ্ধের নির্মম রূপ বিশ্বমঞ্চে ইসরায়েলের প্রতিচ্ছবি পুরোপুরি বদলে দিয়েছে। হাসপাতাল, স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয়সহ গোটা গাজাকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করায় বিশ্বজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। তাঁর সরকারের কট্টরপন্থী মন্ত্রীরা প্রকাশ্যে ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদ ও স্থায়ী সামরিক দখলের সাফাই গেয়ে যাচ্ছেন। এটি আইনি বিচারে যুদ্ধাপরাধ কি না, তা আন্তর্জাতিক আদালত ঠিক করবেন, কিন্তু রাজনৈতিক রায় অনেক আগেই হয়ে গেছে। শুধু বিশ্বজুড়ে নয়, স্বয়ং আমেরিকার ভেতরের সাধারণ মানুষের মনেও এই রায় পাকা হয়ে গেছে। প্রায় অর্ধেক আমেরিকান যখন নিজের দেশের সবচেয়ে পুরোনো বন্ধুরাষ্ট্রের প্রধানকে গ্রেপ্তারের যোগ্য বা যুদ্ধাপরাধী মনে করেন, তখন বুঝতে হবে জনমানসে কতটা গভীর পরিবর্তন এসে গেছে। তরুণ আমেরিকানরা এখন এই সংকটকে আর কোনো ঐতিহাসিক মিত্রতার চশমায় দেখে না। তারা এটিকে দেখে দখলদারি, বর্ণবাদ ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের দৃষ্টিকোণ থেকে। এমনকি রিপাবলিকানদের ভেতরের নতুন প্রজন্মের ডানপন্থীরাও এখন চিরতরে অন্য দেশে সাহায্য পাঠানোর বিপক্ষে কথা বলতে শুরু করেছে। নেতানিয়াহুর বর্তমান চরমপন্থী কোয়ালিশন সরকার এই সংকটকে আরও অনেক বেশি ঘনীভূত করেছে। উগ্র জাতীয়তাবাদী মন্ত্রীদের সরকারের অংশ বানিয়ে তিনি রাষ্ট্রীয় নীতি ও উগ্রবাদী মতাদর্শের সীমান্ত মুছে দিয়েছেন। সবচেয়ে গুরুতর বিষয় হচ্ছে, এই সংঘাতের অবসান ঘটানোর জন্য কোনো রকম আন্তরিক বা গভীর রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির সম্পূর্ণ অনুপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। নেতানিয়াহু ক্রমাগত ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের যেকোনো অর্থপূর্ণ আলোচনা নাকচ করেছেন। গাজায় ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রত্যাবর্তনের বিরোধিতা করে তিনি পরিস্থিতি জটিল করেছেন। দীর্ঘমেয়াদি সামরিক নিয়ন্ত্রণ ছাড়া গাজা পুনর্গঠনের কোনো গ্রহণযোগ্য রূপরেখা তিনি দিতে পারেননি। সামরিক শক্তি দিয়ে হয়তো অবকাঠামো ধ্বংস করা যায় কিংবা সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে সাময়িক দুর্বল করা যায়। কিন্তু জমি, সার্বভৌমত্ব ও আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকারের মতো মৌলিক দাবির ওপর গড়ে ওঠা একটি জাতীয় সংঘাতকে কেবল শক্তি প্রয়োগ করে কখনোই সমাধান করা সম্ভব নয়। অন্যদিকে, সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রেও মার্কিন নীতি চরম হোঁচট খাচ্ছে। যদি যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরবের সঙ্গে বেসামরিক পারমাণবিক চুক্তিকে ইসরায়েলের সঙ্গে তাৎক্ষণিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার শর্তের সঙ্গে বেঁধে দেয়, তাহলে তারা দুটি ভিন্ন নীতিগত লক্ষ্যকে একসঙ্গে জোর করে মিলিয়ে ফেলবে। প্রথম দেখায় মনে হতে পারে এতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব বাড়বে, কিন্তু বাস্তবে এর ফল হবে উল্টো। সৌদি আরব দুই দশকের বেশি সময় ধরে বলে আসছে যে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিশ্বাসযোগ্য পথ তৈরি হওয়ার পরই ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা সম্ভব। অনেকে মনে করেন এটি সৌদি আরবের স্রেফ দর-কষাকষির কৌশল, কিন্তু বাস্তবে এটি একটি স্থায়ী কৌশলগত নীতি। সৌদি আরব দুই হাজার সালের আরব শান্তি উদ্যোগের প্রধান উদ্যোক্তা ছিল। বর্তমান বিশ্বে প্রতিযোগিতা অনেক বেড়েছে এবং চীন উপসাগরীয় অঞ্চলে অর্থনৈতিক প্রভাব দ্রুত বাড়াচ্ছে। রাশিয়াও মধ্যপ্রাচ্যে বেশ সক্রিয় এবং মাঝারি শক্তির দেশগুলোও কূটনৈতিকভাবে এগিয়ে আসছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব এখনো শক্তিশালী হলেও তা আর আগের মতো একক ও নিরঙ্কুশ নয়। এ পরিস্থিতিতে শর্ত আরোপের কৌশল সম্পূর্ণ নতুনভাবে ভাবতে হবে। গাজা যুদ্ধ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে কারণ আরব বিশ্বে সাধারণ মানুষের মধ্যে ফিলিস্তিনের প্রতি সহানুভূতি বহুগুণ বেড়েছে। সরকারগুলো যতই হিসাব নিকাশ করুক না কেন, জনমতের এই কঠিন বাস্তবতা উপেক্ষা করার কোনো সুযোগ নেই। সৌদি নেতৃত্ব বারবার বলেছেন যে তারা একটি পূর্ণাঙ্গ রাজনৈতিক সমাধানের মাধ্যমেই সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে চান। যুক্তরাষ্ট্র যদি উল্টোভাবে আগে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার শর্ত দেয়, তাহলে তা সৌদি নীতির সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক হবে। বর্তমান বহুমুখী বিশ্বে প্রভাব শুধু সামরিক শক্তি দিয়ে নির্ধারিত হয় না। প্রকৃত প্রভাব আসে তখনই, যখন একটি দেশ তার মিত্রদের স্থায়ী স্বার্থের সঙ্গে নিজস্ব নীতি মিলিয়ে নিতে পারে। ইতিহাস হয়তো সাময়িক কৌশলগত জয়গুলোকে ক্ষমা করে দেয়, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত ব্যর্থতাকে কখনো ক্ষমা করে না। সুবিধাজনক মার্কিন সরকারের আমলে নেতানিয়াহু অনেক কিছু আদায় করে নিয়েছেন। কিন্তু সেই সবকিছু দাঁড়িয়ে ছিল দশকের পর দশক ধরে গড়ে ওঠা এক অটল ভিত্তির ওপর, যা আজ ভেঙে চুরমার হয়ে যাচ্ছে। ওয়াশিংটনে নেতানিয়াহু যখন আবার গেছেন সম্পর্ক জোড়া লাগাতে, তখন আমেরিকার অর্ধেক মানুষ তাঁকে বন্ধু হিসেবে নয়, একজন সম্ভাব্য অপরাধী হিসেবে দেখছে। এর চেয়ে বড় রূপক আর কী হতে পারে? সামরিক শক্তি দিয়ে শত্রু ঠেকানো যায়, কিন্তু হারানো রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা শক্তি দিয়ে কখনোই ফিরিয়ে আনা যায় না। ভবিষ্যৎ ইতিহাসবিদেরা যদি কখনো খোঁজেন কোন বিন্দু থেকে ওয়াশিংটনে ইসরায়েলের ধরাছোঁয়ার বাইরের অবস্থানের পতন শুরু হয়েছিল, তবে তাঁরা তেহরান কিংবা গাজার দিকে তাকাবেন না। তাঁরা তাকাবেন ওয়াশিংটনের দিকে এবং সরাসরি আঙুল তুলবেন নেতানিয়াহুর নেওয়া ভুল সিদ্ধান্তগুলোর দিকেই। বিশ্বাস ও সর্বদলীয় সমর্থন হলো এমন এক কৌশলগত সম্পদ, যা অর্জনে প্রজন্ম লাগে, কিন্তু ধ্বংস করতে মুহূর্তই যথেষ্ট।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/720_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/720_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/720_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ক্ষমা চাইলেন মোদি, বিক্ষোভকারীদের অপব্যবহার ক্ষমা করলেন]]></title>
        <link>https://nbs24.org/india/48859</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/india/48859</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[মৌসুমী আক্তার]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 03 Aug 2026 11:56:14 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[ভারত]]></category>
                <category><![CDATA[প্রধান খবর]]></category>
                        <category><![CDATA[Narendra Modi, India, protest, student protest, Cockroach Janta Party, CJP, exam paper leak, forgiveness, Jantar Mantar, politics, Indian government, Dharmendra Pradhan]]></category>
        
        <description><![CDATA[ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, তিনি চান সম্প্রতি যুব-নেতৃত্বাধীন বিক্ষোভে তাঁকে যে অপমান করা হয়েছে, তিনি সেই বিক্ষোভকারীদের 'ক্ষমা' করতে চান । কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা এই বিক্ষোভ তাঁর সরকারের জন্য একটি বিরল রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছিল । গত ৩১শে জুলাই রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা এক ভিডিও বার্তায় মোদি বলেন, "দেশ এবং বিশ্ব দেখেছে, যন্তর মন্তরে কী ঘটেছে। কিছু দুষ্টু যুবক অশ্লীল গালিগালাজ করেছে" । ৭৫ বছর বয়সী এই প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, "এমন শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে যা কোনো সভ্য সমাজের জন্য উপযুক্ত নয়—সেগুলো কেবল আমাকে নয়, আমার মৃত মাকেও লক্ষ্য করে বলা হয়েছে... আমি তাদের ক্ষমা করতে চাই" । মোদি উল্লেখ করেন, যৌবনে করা ভুলগুলোকে আইনি ব্যবস্থার মাধ্যমে নয়, বরং পথপ্রদর্শনের মাধ্যমে শুধরানো উচিত । "শাস্তি দিয়ে, তাদের আদালতে ঘোরাতে ঘোরাতে বা সমাজে তাদের কষ্ট দিয়ে পরিস্থিতি বদলানো সম্ভব নয়," তিনি বলেন । তিনি বিক্ষোভকারীদের 'বিভ্রান্ত সন্তান' আখ্যা দিয়ে বলেন, তাদের পথ দেখানো সমাজের কর্তব্য । প্রসঙ্গত, নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে অনলাইনভিত্তিক 'ককরোচ জনতা পার্টি' (সিজেপি) নয়া দিল্লি ও অন্যান্য শহরে ব্যাপক বিক্ষোভের আয়োজন করে । এই আন্দোলন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করে এবং প্রধানমন্ত্রী মোদির সরকারের জন্য সাম্প্রতিক বছরগুলোর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জে পরিণত হয় । সিজেপি, যা গত মে মাসে যাত্রা শুরু করেছিল, ইতোমধ্যেই ২৬ মিলিয়নেরও বেশি অনুসারী সংগ্রহ করেছে; অন্যদিকে মোদির দলের অনুসারী সংখ্যা ৯.৬ মিলিয়ন । কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও বার্তাটি এমন এক সময়ে এলো যখন পুলিশ মেটা এবং এক্স-এর মতো সামাজিক মাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলোকে প্রধানমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে 'অপমানজনক ও বিকৃত' কনটেন্ট সরিয়ে নিতে বলেছে । এছাড়া, বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশি মামলা ও মোদি সমর্থকদের কাছ থেকে অনলাইনে নির্যাতনের খবর পাওয়া গেছে । এই পরিস্থিতিতে মোদির ক্ষমার বার্তা একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা আন্দোলনরত তরুণদের সঙ্গে সংলাপের পথ খুলে দিতে পারে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_25.webp" alt="ক্ষমা চাইলেন মোদি, বিক্ষোভকারীদের অপব্যবহার ক্ষমা করলেন" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ক্ষমা চাইলেন মোদি, বিক্ষোভকারীদের অপব্যবহার ক্ষমা করলেন</h1>
            <p>ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, তিনি চান সম্প্রতি যুব-নেতৃত্বাধীন বিক্ষোভে তাঁকে যে অপমান করা হয়েছে, তিনি সেই বিক্ষোভকারীদের 'ক্ষমা' করতে চান । কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা এই বিক্ষোভ তাঁর সরকারের জন্য একটি বিরল রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছিল । গত ৩১শে জুলাই রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা এক ভিডিও বার্তায় মোদি বলেন, "দেশ এবং বিশ্ব দেখেছে, যন্তর মন্তরে কী ঘটেছে। কিছু দুষ্টু যুবক অশ্লীল গালিগালাজ করেছে" । ৭৫ বছর বয়সী এই প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, "এমন শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে যা কোনো সভ্য সমাজের জন্য উপযুক্ত নয়—সেগুলো কেবল আমাকে নয়, আমার মৃত মাকেও লক্ষ্য করে বলা হয়েছে... আমি তাদের ক্ষমা করতে চাই" । মোদি উল্লেখ করেন, যৌবনে করা ভুলগুলোকে আইনি ব্যবস্থার মাধ্যমে নয়, বরং পথপ্রদর্শনের মাধ্যমে শুধরানো উচিত । "শাস্তি দিয়ে, তাদের আদালতে ঘোরাতে ঘোরাতে বা সমাজে তাদের কষ্ট দিয়ে পরিস্থিতি বদলানো সম্ভব নয়," তিনি বলেন । তিনি বিক্ষোভকারীদের 'বিভ্রান্ত সন্তান' আখ্যা দিয়ে বলেন, তাদের পথ দেখানো সমাজের কর্তব্য । প্রসঙ্গত, নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে অনলাইনভিত্তিক 'ককরোচ জনতা পার্টি' (সিজেপি) নয়া দিল্লি ও অন্যান্য শহরে ব্যাপক বিক্ষোভের আয়োজন করে । এই আন্দোলন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করে এবং প্রধানমন্ত্রী মোদির সরকারের জন্য সাম্প্রতিক বছরগুলোর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জে পরিণত হয় । সিজেপি, যা গত মে মাসে যাত্রা শুরু করেছিল, ইতোমধ্যেই ২৬ মিলিয়নেরও বেশি অনুসারী সংগ্রহ করেছে; অন্যদিকে মোদির দলের অনুসারী সংখ্যা ৯.৬ মিলিয়ন । কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও বার্তাটি এমন এক সময়ে এলো যখন পুলিশ মেটা এবং এক্স-এর মতো সামাজিক মাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলোকে প্রধানমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে 'অপমানজনক ও বিকৃত' কনটেন্ট সরিয়ে নিতে বলেছে । এছাড়া, বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশি মামলা ও মোদি সমর্থকদের কাছ থেকে অনলাইনে নির্যাতনের খবর পাওয়া গেছে । এই পরিস্থিতিতে মোদির ক্ষমার বার্তা একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা আন্দোলনরত তরুণদের সঙ্গে সংলাপের পথ খুলে দিতে পারে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_25.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_25.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_25.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা নিরসনে ট্রাম্পের ওপর প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে সৌদি আরব]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/48858</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/48858</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 03 Aug 2026 11:56:14 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Saudi Arabia, US, Iran, Middle East tension, Mohammed bin Salman, Donald Trump, diplomacy, Al Jazeera, Abdulaziz Alghashian, Gulf security, US-Iran conflict, crown prince, Saudi analyst]]></category>
        
        <description><![CDATA[ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা ফেরাতে শেষ মুহূর্তের কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়েছে সৌদি আরব। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গালফ ইন্টারন্যাশনাল ফোরামের ফেলো ও সৌদি বিশ্লেষক আবদুল আজিজ আলঘাশিয়ান জানিয়েছেন, ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন এবং অঞ্চলে উত্তেজনা প্রশমনে জোর দিয়েছেন । আলঘাশিয়ান বলেন, ‘যুদ্ধবিরতি বাস্তবে কার্যকর হবে কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।’ তাঁর মতে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা এবং সম্ভাব্য নতুন সংঘাত ঠেকাতেই সৌদি আরব এই কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়েছে। সৌদি নেতৃত্ব পুরো অঞ্চলকে বোঝাতে চেয়েছে যে তারা পরিস্থিতির আরও অবনতি নয়, বরং উত্তেজনা প্রশমনের পক্ষে । সৌদি বিশ্লেষক আরও বলেন, ক্রাউন প্রিন্স মনে করছেন যে উত্তেজনা আবারও বাড়তে পারে। তবে তারা সেই পরিস্থিতিতে ‘ব্রেক’ টানতে চান, যাতে সৌদি আরবের নিজস্ব নিরাপত্তা এবং পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলের স্থিতিশীলতা আরও ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায় । একইসঙ্গে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অবস্থান যে প্রায়ই পরিবর্তিত হয়, সে বিষয়ে সৌদি আরব অবগত—তবু তাঁর ব্যক্তিগত মনোভাবকে ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত করার লক্ষ্যেই সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমানকে সম্প্রতি হোয়াইট হাউসে পাঠানো হয়েছিল বলে দাবি করেন আলঘাশিয়ান । উল্লেখ্য, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের অবনতি ঘটছে। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন কঠোর অবস্থান নিচ্ছে। গত জানুয়ারিতে ড্রোন হামলায় ইরানের শীর্ষ জেনারেল কাসেম সোলেইমানি নিহত হওয়ার পর থেকে এই উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। ইরানও পাল্টা হামলা চালিয়ে মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। এই পরিস্থিতিতে তেল সমৃদ্ধ উপসাগরীয় দেশগুলো নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে। ঘটনার পটভূমি সৌদি আরব ঐতিহাসিকভাবে ইরানকে তাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখে থাকে। ইয়েমেন, সিরিয়া ও লেবাননে এই দুই শক্তির মধ্যে প্রভাব বিস্তারের লড়াই চলছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি আরব চীন ও রাশিয়ার মধ্যস্থতায় ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের পথে হাঁটছে। ২০২৩ সালের মার্চে বেইজিং চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশ কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপনে সম্মত হয়। বিশ্লেষকরা বলছেন, সৌদি আরব নিজেদের অর্থনৈতিক রূপান্তর পরিকল্পনা 'ভিশন ২০৩০'-এর অংশ হিসেবে অঞ্চলে শান্তি চায়, কারণ যেকোনো বড় সংঘাত তাদের উন্নয়ন পরিকল্পনা ব্যাহত করতে পারে। এ কারণেই রিয়াদ এখন ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করার চেষ্টা করছে—যদিও সরাসরি মধ্যস্থতার ভূমিকা নিতে তারা এখনও রাজি হয়নি ।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_24.webp" alt="মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা নিরসনে ট্রাম্পের ওপর প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে সৌদি আরব" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা নিরসনে ট্রাম্পের ওপর প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে সৌদি আরব</h1>
            <p>ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা ফেরাতে শেষ মুহূর্তের কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়েছে সৌদি আরব। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গালফ ইন্টারন্যাশনাল ফোরামের ফেলো ও সৌদি বিশ্লেষক আবদুল আজিজ আলঘাশিয়ান জানিয়েছেন, ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন এবং অঞ্চলে উত্তেজনা প্রশমনে জোর দিয়েছেন । আলঘাশিয়ান বলেন, ‘যুদ্ধবিরতি বাস্তবে কার্যকর হবে কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।’ তাঁর মতে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা এবং সম্ভাব্য নতুন সংঘাত ঠেকাতেই সৌদি আরব এই কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়েছে। সৌদি নেতৃত্ব পুরো অঞ্চলকে বোঝাতে চেয়েছে যে তারা পরিস্থিতির আরও অবনতি নয়, বরং উত্তেজনা প্রশমনের পক্ষে । সৌদি বিশ্লেষক আরও বলেন, ক্রাউন প্রিন্স মনে করছেন যে উত্তেজনা আবারও বাড়তে পারে। তবে তারা সেই পরিস্থিতিতে ‘ব্রেক’ টানতে চান, যাতে সৌদি আরবের নিজস্ব নিরাপত্তা এবং পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলের স্থিতিশীলতা আরও ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায় । একইসঙ্গে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অবস্থান যে প্রায়ই পরিবর্তিত হয়, সে বিষয়ে সৌদি আরব অবগত—তবু তাঁর ব্যক্তিগত মনোভাবকে ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত করার লক্ষ্যেই সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমানকে সম্প্রতি হোয়াইট হাউসে পাঠানো হয়েছিল বলে দাবি করেন আলঘাশিয়ান । উল্লেখ্য, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের অবনতি ঘটছে। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন কঠোর অবস্থান নিচ্ছে। গত জানুয়ারিতে ড্রোন হামলায় ইরানের শীর্ষ জেনারেল কাসেম সোলেইমানি নিহত হওয়ার পর থেকে এই উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। ইরানও পাল্টা হামলা চালিয়ে মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। এই পরিস্থিতিতে তেল সমৃদ্ধ উপসাগরীয় দেশগুলো নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে। ঘটনার পটভূমি সৌদি আরব ঐতিহাসিকভাবে ইরানকে তাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখে থাকে। ইয়েমেন, সিরিয়া ও লেবাননে এই দুই শক্তির মধ্যে প্রভাব বিস্তারের লড়াই চলছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি আরব চীন ও রাশিয়ার মধ্যস্থতায় ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের পথে হাঁটছে। ২০২৩ সালের মার্চে বেইজিং চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশ কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপনে সম্মত হয়। বিশ্লেষকরা বলছেন, সৌদি আরব নিজেদের অর্থনৈতিক রূপান্তর পরিকল্পনা 'ভিশন ২০৩০'-এর অংশ হিসেবে অঞ্চলে শান্তি চায়, কারণ যেকোনো বড় সংঘাত তাদের উন্নয়ন পরিকল্পনা ব্যাহত করতে পারে। এ কারণেই রিয়াদ এখন ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করার চেষ্টা করছে—যদিও সরাসরি মধ্যস্থতার ভূমিকা নিতে তারা এখনও রাজি হয়নি ।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_24.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_24.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_24.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[প্রাপ্তবয়স্ক নারীদের ধর্ম ও জীবনসঙ্গী নির্বাচনের স্বাধীনতার ওপর গুরুত্বারোপ এলাহাবাদ হাইকোর্টের]]></title>
        <link>https://nbs24.org/india/48857</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/india/48857</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[মৌসুমী আক্তার]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 03 Aug 2026 11:56:14 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[ভারত]]></category>
                <category><![CDATA[প্রধান খবর]]></category>
                        <category><![CDATA[Allahabad High Court, adult women rights, religious conversion, Islam, marriage choice, India, habeas corpus, constitutional rights, personal liberty, Uttar Pradesh]]></category>
        
        <description><![CDATA[প্রাপ্তবয়স্ক নারীদের নিজেদের ইচ্ছায় ধর্ম গ্রহণ এবং জীবনসঙ্গী নির্বাচনের অধিকার নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ দিয়েছে ভারতের এলাহাবাদ হাইকোর্ট। আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, প্রাপ্তবয়স্ক কোনো নারী যদি স্বেচ্ছায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে এবং নিজের পছন্দমতো বিয়ে করতে চান, তাহলে সেই সিদ্ধান্তে তাঁর বাবা বা অন্য কেউ বাধা দিতে পারেন না । ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। বিচারপতি সন্দীপ জৈনের একক বেঞ্চ গত ৩১ জুলাই হেবিয়াস কর্পাস রিটের শুনানির সময় এই পর্যবেক্ষণ দেন। মামলাটি সম্পর্কিত দুই বোন—বিশ বছর বয়সী দিব্যা ভাটিয়া ওরফে জয়া দিয়া ভাটিয়া এবং পঁয়ত্রিশ বছর বয়সী অংশু ভাটিয়া ওরফে আমিনা অংশু ভাটিয়া। তাঁরা হিন্দুধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন এবং নিজেদের পছন্দমতো ব্যক্তিদের বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন । রিটে অভিযোগ করা হয়, বাবার অমতে তাঁদের স্থানীয় পুলিশের সহায়তায় জোরপূর্বক আটকে রাখা হয়েছে। আদালত বলেছেন, এই অভিযোগ যদি সত্য প্রমাণিত হয়, তাহলে ওই নারীদের ব্যক্তিগত স্বাধীনতায় বাবার বা অন্য কারও হস্তক্ষেপ তাঁদের সাংবিধানিকভাবে সুরক্ষিত অধিকার—মর্যাদা, গোপনীয়তা, ব্যক্তিগত স্বাধীনতা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বায়ত্তশাসনের ওপর অযাচিত হস্তক্ষেপ হিসেবে গণ্য হবে । আদালত আরও উল্লেখ করে যে, উভয় নারীই প্রাপ্তবয়স্ক এবং আইনত তাঁদের ধর্ম, বিবাহ, বসবাস ও ভবিষ্যৎ জীবন সম্পর্কে স্বাধীন সিদ্ধান্ত নেওয়ার যোগ্যতা রাখেন । তবে আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে যে এই মামলায় তাদের প্রাথমিক দায়িত্ব হলো নিশ্চিত করা যে দুই বোন স্বেচ্ছায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, নাকি কোনো ধরনের অবৈধ আটক বা চাপের মুখে রয়েছেন । এই উদ্দেশ্যে আদালত উত্তরপ্রদেশ কর্তৃপক্ষ এবং ওই দুই বোনের বাবাকে আগামী ৬ আগস্ট তাঁদের আদালতে হাজির করার নির্দেশ দিয়েছে । আদালত সরাসরি দুই বোনের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের সিদ্ধান্তের স্বেচ্ছাচারীতা যাচাই করবে । নির্দিষ্ট তারিখে তাঁদের হাজির করা না গেলে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত হলফনামা দাখিল করতে হবে । ওই দুই বোনের আইনজীবীরা আদালতে জানান, তাঁরা সুস্থ মস্তিষ্কে, কোনো প্রকার জবরদস্তি, প্রলোভন বা প্রভাব ছাড়াই স্বেচ্ছায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন । আরও জানান, বাবা তাঁদের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হয়ে ২০২৫ সালের ৪ মে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৮৭ ধারায় মিথ্যা মামলা করেছেন—যা বিয়ে করতে বাধ্য করার জন্য নারীকে অপহরণ বা প্ররোচিত করার শাস্তি নির্ধারণ করে । যেহেতু ধর্মান্তর স্বেচ্ছায় হয়েছে, তাই উত্তরপ্রদেশের অবৈধ ধর্মান্তর প্রতিরোধ আইন, ২০২১-এর বিধান এখানে প্রযোজ্য নয় বলেও যুক্তি দেন আইনজীবীরা । ঘটনার পটভূমি ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে ধর্মান্তর বিরোধী আইন থাকলেও, প্রাপ্তবয়স্ক নারীদের ব্যক্তিগত পছন্দের স্বাধীনতা এবং ধর্মীয় অধিকার নিয়ে প্রায়ই আদালতে দ্বন্দ্ব দেখা দেয়। এলাহাবাদ হাইকোর্টের এই পর্যবেক্ষণ ভারতীয় সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদের (ব্যক্তিগত স্বাধীনতার অধিকার) সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ । প্রসঙ্গত, এলাহাবাদ হাইকোর্টের ঐতিহাসিক গুরুত্বও রয়েছে—১৯২১ সালে এই আদালতই ভারতের প্রথম নারী আইনজীবী কর্নেলিয়া সোরাবজিকে 'ব্যক্তি' হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে এনরোল করেছিল, যা নারী অধিকারের ইতিহাসে একটি মাইলফলক ।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_23.webp" alt="প্রাপ্তবয়স্ক নারীদের ধর্ম ও জীবনসঙ্গী নির্বাচনের স্বাধীনতার ওপর গুরুত্বারোপ এলাহাবাদ হাইকোর্টের" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>প্রাপ্তবয়স্ক নারীদের ধর্ম ও জীবনসঙ্গী নির্বাচনের স্বাধীনতার ওপর গুরুত্বারোপ এলাহাবাদ হাইকোর্টের</h1>
            <p>প্রাপ্তবয়স্ক নারীদের নিজেদের ইচ্ছায় ধর্ম গ্রহণ এবং জীবনসঙ্গী নির্বাচনের অধিকার নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ দিয়েছে ভারতের এলাহাবাদ হাইকোর্ট। আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, প্রাপ্তবয়স্ক কোনো নারী যদি স্বেচ্ছায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে এবং নিজের পছন্দমতো বিয়ে করতে চান, তাহলে সেই সিদ্ধান্তে তাঁর বাবা বা অন্য কেউ বাধা দিতে পারেন না । ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। বিচারপতি সন্দীপ জৈনের একক বেঞ্চ গত ৩১ জুলাই হেবিয়াস কর্পাস রিটের শুনানির সময় এই পর্যবেক্ষণ দেন। মামলাটি সম্পর্কিত দুই বোন—বিশ বছর বয়সী দিব্যা ভাটিয়া ওরফে জয়া দিয়া ভাটিয়া এবং পঁয়ত্রিশ বছর বয়সী অংশু ভাটিয়া ওরফে আমিনা অংশু ভাটিয়া। তাঁরা হিন্দুধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন এবং নিজেদের পছন্দমতো ব্যক্তিদের বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন । রিটে অভিযোগ করা হয়, বাবার অমতে তাঁদের স্থানীয় পুলিশের সহায়তায় জোরপূর্বক আটকে রাখা হয়েছে। আদালত বলেছেন, এই অভিযোগ যদি সত্য প্রমাণিত হয়, তাহলে ওই নারীদের ব্যক্তিগত স্বাধীনতায় বাবার বা অন্য কারও হস্তক্ষেপ তাঁদের সাংবিধানিকভাবে সুরক্ষিত অধিকার—মর্যাদা, গোপনীয়তা, ব্যক্তিগত স্বাধীনতা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বায়ত্তশাসনের ওপর অযাচিত হস্তক্ষেপ হিসেবে গণ্য হবে । আদালত আরও উল্লেখ করে যে, উভয় নারীই প্রাপ্তবয়স্ক এবং আইনত তাঁদের ধর্ম, বিবাহ, বসবাস ও ভবিষ্যৎ জীবন সম্পর্কে স্বাধীন সিদ্ধান্ত নেওয়ার যোগ্যতা রাখেন । তবে আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে যে এই মামলায় তাদের প্রাথমিক দায়িত্ব হলো নিশ্চিত করা যে দুই বোন স্বেচ্ছায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, নাকি কোনো ধরনের অবৈধ আটক বা চাপের মুখে রয়েছেন । এই উদ্দেশ্যে আদালত উত্তরপ্রদেশ কর্তৃপক্ষ এবং ওই দুই বোনের বাবাকে আগামী ৬ আগস্ট তাঁদের আদালতে হাজির করার নির্দেশ দিয়েছে । আদালত সরাসরি দুই বোনের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের সিদ্ধান্তের স্বেচ্ছাচারীতা যাচাই করবে । নির্দিষ্ট তারিখে তাঁদের হাজির করা না গেলে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত হলফনামা দাখিল করতে হবে । ওই দুই বোনের আইনজীবীরা আদালতে জানান, তাঁরা সুস্থ মস্তিষ্কে, কোনো প্রকার জবরদস্তি, প্রলোভন বা প্রভাব ছাড়াই স্বেচ্ছায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন । আরও জানান, বাবা তাঁদের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হয়ে ২০২৫ সালের ৪ মে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৮৭ ধারায় মিথ্যা মামলা করেছেন—যা বিয়ে করতে বাধ্য করার জন্য নারীকে অপহরণ বা প্ররোচিত করার শাস্তি নির্ধারণ করে । যেহেতু ধর্মান্তর স্বেচ্ছায় হয়েছে, তাই উত্তরপ্রদেশের অবৈধ ধর্মান্তর প্রতিরোধ আইন, ২০২১-এর বিধান এখানে প্রযোজ্য নয় বলেও যুক্তি দেন আইনজীবীরা । ঘটনার পটভূমি ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে ধর্মান্তর বিরোধী আইন থাকলেও, প্রাপ্তবয়স্ক নারীদের ব্যক্তিগত পছন্দের স্বাধীনতা এবং ধর্মীয় অধিকার নিয়ে প্রায়ই আদালতে দ্বন্দ্ব দেখা দেয়। এলাহাবাদ হাইকোর্টের এই পর্যবেক্ষণ ভারতীয় সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদের (ব্যক্তিগত স্বাধীনতার অধিকার) সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ । প্রসঙ্গত, এলাহাবাদ হাইকোর্টের ঐতিহাসিক গুরুত্বও রয়েছে—১৯২১ সালে এই আদালতই ভারতের প্রথম নারী আইনজীবী কর্নেলিয়া সোরাবজিকে 'ব্যক্তি' হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে এনরোল করেছিল, যা নারী অধিকারের ইতিহাসে একটি মাইলফলক ।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_23.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_23.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_23.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[পর্যটকদের জন্য সুখবর: ওমানে চালু হলো বিনামূল্যের ১৪ দিনের ভিসা]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/48855</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/48855</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 03 Aug 2026 11:56:14 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Oman tourist visa, free visa Oman, 14-day visa Oman, Oman travel news, Royal Oman Police, Gulf News, Oman tourism, visa policy change, Middle East travel, Oman entry rules, free tourist visa, Oman visa 2026]]></category>
        
        <description><![CDATA[পর্যটন খাতে নতুন মাত্রা যোগ করতে ওমান সালতানাত তাদের ভিসানীতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে। দেশটিতে এখন থেকে নির্বাচিত কয়েকটি দেশের নাগরিকরা বিনা খরচে ১৪ দিনের পর্যটন ভিসা পাবেন। গালফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্বল্পমেয়াদি ভ্রমণ সহজ করতে এবং পর্যটন খাতকে উৎসাহিত করতে ‘বিদেশিদের বাসস্থান আইন’ সংশোধন করেছে ওমান কর্তৃপক্ষ । রোববার (২ আগস্ট) রয়্যাল ওমান পুলিশের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্ত জারি করা হয়। পুলিশ ও শুল্ক বিভাগের মহাপরিদর্শক লেফটেন্যান্ট জেনারেল হাসান বিন মহসিন আল শরাইকি স্বাক্ষরিত এই আদেশ সরকারি গেজেটে প্রকাশের পরের দিন থেকেই কার্যকর হয়েছে। নতুন বিধান অনুযায়ী, উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে যোগ্য দেশগুলোর নাগরিকরা এই সুবিধা পাবেন । বিশেষ আকর্ষণ হলো, এই ভিসার জন্য ফি নির্ধারণ করা হয়েছে শূন্য ওমানি রিয়াল। তবে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে দর্শনার্থীরা প্রযোজ্য শর্ত ও ফি পরিশোধের মাধ্যমে এটিকে অন্য যেকোনো ধরনের পর্যটন ভিসায় রূপান্তর করতে পারবেন। সংশোধনীগুলোর মাধ্যমে নির্বাহী প্রবিধানের ১০ নম্বর ধারায় নতুন ভিসা বিভাগ যুক্ত করা হয়েছে এবং ২৯ নম্বর ধারার অধীনে প্রবেশ ভিসার আনুষ্ঠানিক তালিকায় এটি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কেন এই ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ তেল-নির্ভর অর্থনীতি থেকে বৈচিত্র্য আনার লক্ষ্যে ওমানের এই পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশটি পর্যটনকে তাদের ‘ভিশন ২০৪০’ অর্থনৈতিক সংস্কার পরিকল্পনার অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। বিনামূল্যের ভিসা প্রবর্তনের মাধ্যমে ওমান কেবল আরও বেশি পর্যটক আকর্ষণ করতে চায় না, বরং তারা প্রতিবেশী সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবের সাথে পর্যটন খাতে প্রতিযোগিতায় টেক্কা দিতেও প্রস্তুতি নিচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটিতে রয়েছে ইউনেস্কো-স্বীকৃত ব্যাট, আল-খুতম ও আল-আইন প্রত্নতাত্ত্বিক স্থল, মনোমুগ্ধকর সৈকত ও সবুজ পাহাড়ি অঞ্চল। কোভিড-পরবর্তী বিশ্বে পর্যটকরা যেমন খরচ সাশ্রয়ী গন্তব্য খুঁজছেন, তেমনি ওমানের এই উদার ভিসানীতি আঞ্চলিক পর্যটন শিল্পে নতুন গতিশীলতা সৃষ্টি করতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। তবে কর্তৃপক্ষ এখনও যোগ্য দেশগুলোর তালিকা প্রকাশ করেনি। কোন দেশের নাগরিকরা এই বিনামূল্যের ভিসা সুবিধা পাবেন, তা নিয়ে এখনো স্পষ্টতা না আসায় ভ্রমণপিপাসুদের মধ্যে কৌতূহল রয়েছে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_22.webp" alt="পর্যটকদের জন্য সুখবর: ওমানে চালু হলো বিনামূল্যের ১৪ দিনের ভিসা" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>পর্যটকদের জন্য সুখবর: ওমানে চালু হলো বিনামূল্যের ১৪ দিনের ভিসা</h1>
            <p>পর্যটন খাতে নতুন মাত্রা যোগ করতে ওমান সালতানাত তাদের ভিসানীতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে। দেশটিতে এখন থেকে নির্বাচিত কয়েকটি দেশের নাগরিকরা বিনা খরচে ১৪ দিনের পর্যটন ভিসা পাবেন। গালফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্বল্পমেয়াদি ভ্রমণ সহজ করতে এবং পর্যটন খাতকে উৎসাহিত করতে ‘বিদেশিদের বাসস্থান আইন’ সংশোধন করেছে ওমান কর্তৃপক্ষ । রোববার (২ আগস্ট) রয়্যাল ওমান পুলিশের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্ত জারি করা হয়। পুলিশ ও শুল্ক বিভাগের মহাপরিদর্শক লেফটেন্যান্ট জেনারেল হাসান বিন মহসিন আল শরাইকি স্বাক্ষরিত এই আদেশ সরকারি গেজেটে প্রকাশের পরের দিন থেকেই কার্যকর হয়েছে। নতুন বিধান অনুযায়ী, উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে যোগ্য দেশগুলোর নাগরিকরা এই সুবিধা পাবেন । বিশেষ আকর্ষণ হলো, এই ভিসার জন্য ফি নির্ধারণ করা হয়েছে শূন্য ওমানি রিয়াল। তবে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে দর্শনার্থীরা প্রযোজ্য শর্ত ও ফি পরিশোধের মাধ্যমে এটিকে অন্য যেকোনো ধরনের পর্যটন ভিসায় রূপান্তর করতে পারবেন। সংশোধনীগুলোর মাধ্যমে নির্বাহী প্রবিধানের ১০ নম্বর ধারায় নতুন ভিসা বিভাগ যুক্ত করা হয়েছে এবং ২৯ নম্বর ধারার অধীনে প্রবেশ ভিসার আনুষ্ঠানিক তালিকায় এটি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কেন এই ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ তেল-নির্ভর অর্থনীতি থেকে বৈচিত্র্য আনার লক্ষ্যে ওমানের এই পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশটি পর্যটনকে তাদের ‘ভিশন ২০৪০’ অর্থনৈতিক সংস্কার পরিকল্পনার অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। বিনামূল্যের ভিসা প্রবর্তনের মাধ্যমে ওমান কেবল আরও বেশি পর্যটক আকর্ষণ করতে চায় না, বরং তারা প্রতিবেশী সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবের সাথে পর্যটন খাতে প্রতিযোগিতায় টেক্কা দিতেও প্রস্তুতি নিচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটিতে রয়েছে ইউনেস্কো-স্বীকৃত ব্যাট, আল-খুতম ও আল-আইন প্রত্নতাত্ত্বিক স্থল, মনোমুগ্ধকর সৈকত ও সবুজ পাহাড়ি অঞ্চল। কোভিড-পরবর্তী বিশ্বে পর্যটকরা যেমন খরচ সাশ্রয়ী গন্তব্য খুঁজছেন, তেমনি ওমানের এই উদার ভিসানীতি আঞ্চলিক পর্যটন শিল্পে নতুন গতিশীলতা সৃষ্টি করতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। তবে কর্তৃপক্ষ এখনও যোগ্য দেশগুলোর তালিকা প্রকাশ করেনি। কোন দেশের নাগরিকরা এই বিনামূল্যের ভিসা সুবিধা পাবেন, তা নিয়ে এখনো স্পষ্টতা না আসায় ভ্রমণপিপাসুদের মধ্যে কৌতূহল রয়েছে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_22.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_22.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_22.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইরান যুদ্ধে ইসরায়েল ও নিজস্ব স্বার্থ রক্ষায় টানাপোড়েনে মার্কিন সামরিক বাহিনী]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/48854</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/48854</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[মৌসুমী আক্তার]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 03 Aug 2026 11:56:14 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, r bangla news, atn bangla news, bbc bangla news, all bangla news, bangla news live, bd news bangla, bangla tv news, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, latest bangla news, news18 bangla, world news bangla, republic bangla news, bbc world news bangla, international bangla news, radio tehran bangla news live, bangladesh news, news18 bangla exclusive, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh tv news, bangladesh news today, rater bangladesh news, banglanews, banglavision news today, r bangla]]></category>
        
        <description><![CDATA[ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতে ইসরায়েলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সামরিক সক্ষমতা নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ইউরোপীয় কমান্ডের প্রধান জেনারেল অ্যালেক্সাস গ্রিনকেভিচ গোপনে পেন্টাগনকে জানিয়েছেন, ইরানের ক্রমবর্ধমান হামলা মোকাবিলায় বর্তমান নৌ-সামরিক শক্তি পর্যাপ্ত নয় এবং একটি অতিরিক্ত ডেস্ট্রয়ার না পাওয়া গেলে তাকে ইসরায়েল রক্ষা এবং মার্কিন স্বার্থ রক্ষার মধ্যে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে । প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জেনারেল গ্রিনকেভিচ পেন্টাগনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের কাছে লেখা এক বার্তায় এই সতর্কতা দেন । তিনি উল্লেখ করেন, ভূমধ্যসাগরের পূর্বাংশে মোতায়েন মার্কিন ডেস্ট্রয়ারগুলো ইরান ও তার মিত্র গোষ্ঠীগুলোর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থেকে ইসরায়েলকে রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও, যুদ্ধের চাপে এগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ সংকট এবং কৌশলগত অভাব প্রকট আকার ধারণ করেছে । স্পেনের রোটা ঘাঁটিতে মোতায়েন পাঁচটি ডেস্ট্রয়ারের মধ্যে বর্তমানে মাত্র দুটি সাগরে সক্রিয় রয়েছে, অন্যগুলো মেরামত বা সংরক্ষিত অবস্থায় আছে । প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সতর্কতা কেবল সামরিক সরঞ্জামের ঘাটতিই নয়, বরং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতির গভীরতর সংকটকে ইঙ্গিত করে । সাম্প্রতিক এক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ইরানের সঙ্গে সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র তার মোট থ্যাড ইন্টারসেপ্টরের প্রায় অর্ধেক এবং নৌবাহিনীর ১০০টির বেশি এসএম-৩ ও এসএম-৬ ইন্টারসেপ্টর ব্যবহার করেছে । এই অত্যাধুনিক অস্ত্রগুলো তৈরি করতে বছরের পর বছর সময় লাগে এবং অত্যন্ত ব্যয়বহুল । যুদ্ধবিরতি আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর পুনরায় দৈনন্দিন হামলার ঘটনা বাড়ায় এই চাপ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে । কেন এই ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ যুক্তরাষ্ট্রের ইউরোপীয় কমান্ডের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ কমান্ডের শীর্ষ কর্মকর্তার এই সতর্কতা কেবল একটি অঞ্চলের সামরিক ঘাটতির সমস্যাকে ছাড়িয়ে গেছে। প্রশান্ত মহাসাগরে চীনকে মোকাবিলা, ইউরোপে ন্যাটো মিত্রদের আশ্বস্ত করা এবং মধ্যপ্রাচ্যে তেল রুট সুরক্ষা—এই তিনটি ফ্রন্টে একই সাথে সামরিক শক্তি প্রয়োগের নীতি যে বাস্তবে টেকসই নয়, তা এই বার্তায় স্পষ্ট । ইরানের সঙ্গে সংঘাত বাড়ার সাথে সাথে হরমুজ প্রণালীতে সৃষ্ট অচলাবস্থা বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও প্রভাব ফেলছে, যা মার্কিন প্রশাসনের জন্য রাজনৈতিকভাবেও অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে । যুদ্ধে অন্তত ১৮ মার্কিন সেনা সদস্য নিহত হওয়ায় এবং যুদ্ধখাতে প্রায় সাড়ে ৩৭ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হওয়ায় মার্কিন জনমনে যুদ্ধবিরোধী মনোভাব বৃদ্ধি পাচ্ছে । এই পরিস্থিতিতে জেনারেল গ্রিনকেভিচের সতর্কবাণী মার্কিন নীতি নির্ধারকদের জন্য একটি কঠিন বাস্তবতা তুলে ধরেছে: বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক শক্তিরও সীমাবদ্ধতা রয়েছে । সূত্র: দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট, ডন, ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_21.webp" alt="ইরান যুদ্ধে ইসরায়েল ও নিজস্ব স্বার্থ রক্ষায় টানাপোড়েনে মার্কিন সামরিক বাহিনী" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইরান যুদ্ধে ইসরায়েল ও নিজস্ব স্বার্থ রক্ষায় টানাপোড়েনে মার্কিন সামরিক বাহিনী</h1>
            <p>ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতে ইসরায়েলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সামরিক সক্ষমতা নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ইউরোপীয় কমান্ডের প্রধান জেনারেল অ্যালেক্সাস গ্রিনকেভিচ গোপনে পেন্টাগনকে জানিয়েছেন, ইরানের ক্রমবর্ধমান হামলা মোকাবিলায় বর্তমান নৌ-সামরিক শক্তি পর্যাপ্ত নয় এবং একটি অতিরিক্ত ডেস্ট্রয়ার না পাওয়া গেলে তাকে ইসরায়েল রক্ষা এবং মার্কিন স্বার্থ রক্ষার মধ্যে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে । প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জেনারেল গ্রিনকেভিচ পেন্টাগনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের কাছে লেখা এক বার্তায় এই সতর্কতা দেন । তিনি উল্লেখ করেন, ভূমধ্যসাগরের পূর্বাংশে মোতায়েন মার্কিন ডেস্ট্রয়ারগুলো ইরান ও তার মিত্র গোষ্ঠীগুলোর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থেকে ইসরায়েলকে রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও, যুদ্ধের চাপে এগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ সংকট এবং কৌশলগত অভাব প্রকট আকার ধারণ করেছে । স্পেনের রোটা ঘাঁটিতে মোতায়েন পাঁচটি ডেস্ট্রয়ারের মধ্যে বর্তমানে মাত্র দুটি সাগরে সক্রিয় রয়েছে, অন্যগুলো মেরামত বা সংরক্ষিত অবস্থায় আছে । প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সতর্কতা কেবল সামরিক সরঞ্জামের ঘাটতিই নয়, বরং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতির গভীরতর সংকটকে ইঙ্গিত করে । সাম্প্রতিক এক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ইরানের সঙ্গে সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র তার মোট থ্যাড ইন্টারসেপ্টরের প্রায় অর্ধেক এবং নৌবাহিনীর ১০০টির বেশি এসএম-৩ ও এসএম-৬ ইন্টারসেপ্টর ব্যবহার করেছে । এই অত্যাধুনিক অস্ত্রগুলো তৈরি করতে বছরের পর বছর সময় লাগে এবং অত্যন্ত ব্যয়বহুল । যুদ্ধবিরতি আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর পুনরায় দৈনন্দিন হামলার ঘটনা বাড়ায় এই চাপ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে । কেন এই ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ যুক্তরাষ্ট্রের ইউরোপীয় কমান্ডের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ কমান্ডের শীর্ষ কর্মকর্তার এই সতর্কতা কেবল একটি অঞ্চলের সামরিক ঘাটতির সমস্যাকে ছাড়িয়ে গেছে। প্রশান্ত মহাসাগরে চীনকে মোকাবিলা, ইউরোপে ন্যাটো মিত্রদের আশ্বস্ত করা এবং মধ্যপ্রাচ্যে তেল রুট সুরক্ষা—এই তিনটি ফ্রন্টে একই সাথে সামরিক শক্তি প্রয়োগের নীতি যে বাস্তবে টেকসই নয়, তা এই বার্তায় স্পষ্ট । ইরানের সঙ্গে সংঘাত বাড়ার সাথে সাথে হরমুজ প্রণালীতে সৃষ্ট অচলাবস্থা বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও প্রভাব ফেলছে, যা মার্কিন প্রশাসনের জন্য রাজনৈতিকভাবেও অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে । যুদ্ধে অন্তত ১৮ মার্কিন সেনা সদস্য নিহত হওয়ায় এবং যুদ্ধখাতে প্রায় সাড়ে ৩৭ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হওয়ায় মার্কিন জনমনে যুদ্ধবিরোধী মনোভাব বৃদ্ধি পাচ্ছে । এই পরিস্থিতিতে জেনারেল গ্রিনকেভিচের সতর্কবাণী মার্কিন নীতি নির্ধারকদের জন্য একটি কঠিন বাস্তবতা তুলে ধরেছে: বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক শক্তিরও সীমাবদ্ধতা রয়েছে । সূত্র: দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট, ডন, ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_21.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_21.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/nbs24_03-08-2026_21.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[F-47 vs ইঞ্জিন সংকট: আমেরিকার ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমানও কি ভারত-তুরস্কের মতো একই সমস্যায়?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/48772</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/48772</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[আব্দুল্লাহ সাহেল]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sat, 01 Aug 2026 13:03:13 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>
                        <category><![CDATA[f-47, f-47 jet, f-47 cost, f-47 name, f-47 ngad, trump f-47, f-47 plane, f-47 specs, f-47 speed, boeing f-47, f-47 flight, flying f-47, f-47 boeing, f-47 fighter, f-47 exposed, f-47 footage, f-47 aircraft, f-47 top speed, f-47 revealed, f-47 fighter jet, us air force f-47, f-47 fighter jets, f-47 capabilities, f-47 6th gen fighter, f-47 official power, new f-47 fighter jet, f-47 stealth fighter, trump f-47 fighter jet, boeing f-47 fighter jet, f-47 advanced features, f-47 stealth fighter jet, f-47 fighter jet in flight, f-47 fighter jet future us]]></category>
        
        <description><![CDATA[একটা যুদ্ধবিমান তৈরি, কিন্তু তার নিজের ইঞ্জিন তৈরি নয়— এমন হলে কী হবে? শুনতে অদ্ভুত লাগলেও, এটাই এখন বাস্তবতা পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষমতাধর বিমানবাহিনীর জন্য। যুক্তরাষ্ট্রের ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান, F-47, আকাশে ওড়ার কথা ২০২৮ সালে। কিন্তু যে ইঞ্জিন এই বিমানের পূর্ণ সক্ষমতা আনবে, সেটা প্রস্তুত হতে হতে লেগে যাবে ২০৩০ সাল, হয়তো তারও পরে। ভারতের এএমসিএ কিংবা তুরস্কের কান— দুই দেশের পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান প্রকল্পও একই সমস্যায় ভুগছে। তাহলে প্রশ্ন হলো— বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত প্রযুক্তির দেশও কি ইঞ্জিন সংকট এড়াতে পারছে না? প্রতিবেদনে বিস্তারিত জানব F-47 এর ইঞ্জিন জটিলতা নিয়ে, এবং কীভাবে এটা বিশ্বের অন্যান্য যুদ্ধবিমান প্রকল্পের সাথে তুলনীয়।  কেন একটা যুদ্ধবিমান প্রকল্পে "ইঞ্জিন" এত বড় মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়? চলুন শুরু থেকে বুঝি। প্রথমে জেনে নেওয়া যাক, এফ-৪৭ আসলে কী। এটি যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীর "নেক্সট জেনারেশন এয়ার ডমিন্যান্স" বা এনজিএডি কর্মসূচির অধীনে তৈরি হওয়া ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান। এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো— এমন একটি যুদ্ধবিমান তৈরি করা, যা স্টেলথ প্রযুক্তি, উন্নত সেন্সর, এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-চালিত সহযোগী ড্রোনের সমন্বয়ে ভবিষ্যতের আকাশযুদ্ধে আধিপত্য বজায় রাখবে। এই বিমান তৈরির দায়িত্বে রয়েছে বোয়িং। কিন্তু যে কোনো যুদ্ধবিমানের প্রাণ হলো তার ইঞ্জিন। এখানেই যুক্ত হচ্ছে দ্বিতীয় একটি কর্মসূচি— "নেক্সট জেনারেশন অ্যাডাপটিভ প্রোপালশন" বা এনজিএপি। এই কর্মসূচির লক্ষ্য এমন একটি ইঞ্জিন তৈরি করা, যা পরিস্থিতি অনুযায়ী নিজের কার্যপ্রণালী বদলাতে পারে— প্রয়োজনে জ্বালানি সাশ্রয়ী মোডে চলবে, আবার প্রয়োজনে সর্বোচ্চ শক্তি দেবে। সমস্যাটা হলো, এই দুটো কর্মসূচি একসাথে, একই গতিতে এগোচ্ছে না। বিমানের কাঠামো তৈরির গতি এবং ইঞ্জিন তৈরির গতির মধ্যে বড় ফারাক তৈরি হয়েছে। মার্কিন বিমানবাহিনীর সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, এফ-৪৭ এর প্রথম উড্ডয়ন ২০২৮ সালে হওয়ার কথা থাকলেও, এনজিএপি ইঞ্জিনের একটি প্রোটোটাইপ প্রকৃত বিমানে সংযুক্ত করার উপযোগী হতে হতে লেগে যাবে ২০৩০ সাল পর্যন্ত। তাহলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন আসে— এই ফাঁকের সময়টায় বিমানটি কোন ইঞ্জিন দিয়ে উড়বে? এটাই আজকের আলোচনার মূল বিষয়বস্তু, এবং একইসাথে আমরা দেখব, এটা কোনো ব্যতিক্রমী ঘটনা নয়— বরং যুদ্ধবিমানের ইতিহাসে এটা একটা পরিচিত প্যাটার্ন। এবার আসা যাক সংখ্যা আর প্রযুক্তির জগতে— কারা তৈরি করছে এই ভবিষ্যতের ইঞ্জিন, আর কেন এটা এত জটিল একটা কাজ? মার্কিন বিমানবাহিনীর প্রোপালশন ডাইরেক্টরেটের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা জন স্নিডেন সম্প্রতি এনজিএপি কর্মসূচির নতুন টাইমলাইন জানিয়েছেন। ব্রেকিং ডিফেন্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ২০৩০ সালের মধ্যে ইঞ্জিনটি সম্ভাব্য ইন্টিগ্রেশন কার্যক্রমের জন্য প্রস্তুত হবে। যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীর ২০২৭ সালের বাজেট প্রস্তাবেও এই একই সময়সীমার সমর্থন পাওয়া যায়। নথিতে বলা হয়েছে, এনজিএপির "প্রোটোটাইপ ফ্যাব্রিকেশন অ্যান্ড ইঞ্জিন অ্যাসেসমেন্ট" পর্যায় চলবে অন্তত ২০৩১ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। আর্থিক দিক থেকে দেখলে, এই কর্মসূচিতে বরাদ্দ ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। ২০২৭ অর্থবছরের জন্য প্রায় ৫১৩ দশমিক ৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার চাওয়া হচ্ছে, আর ২০২৮ ও ২০২৯ অর্থবছরে যথাক্রমে প্রায় ৯০৫ দশমিক ৭ মিলিয়ন এবং ৮৬৫ মিলিয়ন ডলার চাওয়া হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে লাইফ সাইকেল ইন্ডাস্ট্রি ডেজ সম্মেলনে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় স্নিডেন নিশ্চিত করতে রাজি হননি যে কোন প্ল্যাটফর্ম প্রথমে এই ইঞ্জিন পাবে। তার ভাষায়, বিমানবাহিনী এখনও তাদের বিকল্পগুলো যাচাই করছে, এবং প্রযুক্তিটি ভবিষ্যতে ভিন্ন ভিন্ন সিদ্ধান্তের পথ খুলে দিতে পারে। তিনি এমন ইঙ্গিতও দিয়েছেন যে, এনজিএপি ইঞ্জিন হয়তো পেছনের দিকে গিয়ে বিদ্যমান নকশাতেও যুক্ত করা যেতে পারে, যার মধ্যে এফ-৪৭ ও থাকতে পারে। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এখনো এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তার মতে, এনজিএপি মূলত একগুচ্ছ প্রযুক্তির সমষ্টি, যা বিভিন্ন বিদ্যমান নকশায় সংযুক্ত করা সম্ভব। প্রাথমিকভাবে এনজিএপি তৈরি করা হয়েছিল এনজিএডি যুদ্ধবিমানের জন্য, যেটি এখন এফ-৪৭ নামে পরিচিত। কিন্তু মার্কিন বিমানবাহিনীর কর্মকর্তারা বারবার বলেছেন, এই ইঞ্জিন প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্ম-নিরপেক্ষ, অর্থাৎ এটি বিভিন্ন ধরনের বিমান ও প্ল্যাটফর্মে ব্যবহার করা যেতে পারে। এনজিএপি কর্মসূচিতে এখন পর্যন্ত কাজের অগ্রগতি নিয়ে স্নিডেন জানান, প্রাথমিক হার্ডওয়্যার সংগ্রহ করা হয়েছে, নকশা নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ করেছে, এবং উভয় প্রতিষ্ঠানই এই পর্যায় সফলভাবে সম্পন্ন করতে পেরেছে। এই দুই প্রতিষ্ঠান হলো জিই অ্যারোস্পেস এবং প্র্যাট অ্যান্ড হুইটনি, যেটি আরটিএক্স-এর একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান। জিই অ্যারোস্পেস তৈরি করছে এক্সএ-১০২ ইঞ্জিন, এবং প্র্যাট অ্যান্ড হুইটনি তৈরি করছে এক্সএ-১০৩ ইঞ্জিন। দুটোই "অ্যাডাপটিভ-সাইকেল" প্রযুক্তির প্রতিদ্বন্দ্বী ইঞ্জিন। সহজ ভাষায় বললে, অ্যাডাপটিভ-সাইকেল ইঞ্জিন এমন একটা প্রযুক্তি, যা প্রয়োজন অনুযায়ী নিজের কার্যপ্রণালী বদলে ফেলতে পারে। ভাবুন একটা গাড়ির গিয়ারবক্সের কথা— শহরের রাস্তায় জ্বালানি সাশ্রয়ী মোডে চলবে, আবার হাইওয়েতে দরকার হলে সর্বোচ্চ শক্তি দেবে। এই ইঞ্জিনও ঠিক তেমনই— স্বাভাবিক অবস্থায় এটি টার্বোফ্যানের মতো কাজ করে জ্বালানি সাশ্রয় করে, আবার প্রয়োজনে টার্বোজেটের মতো কাজ করে বাড়তি শক্তি সরবরাহ করে। তবে মনে রাখা জরুরি, বোয়িং এফ-৪৭ এর জন্য এখনো চূড়ান্ত উৎপাদন বিজয়ী নির্বাচিত হয়নি। এই নতুন ইঞ্জিনগুলোর লক্ষ্য হলো বর্তমান পঞ্চম প্রজন্মের ইঞ্জিনের তুলনায় আরও ভালো জ্বালানি সাশ্রয়, শক্তি, পাল্লা, তাপ ব্যবস্থাপনা এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা। উভয় প্রতিষ্ঠানই ২০২৫ সালে বিস্তারিত নকশা পর্যালোচনা এবং চলতি বছরের মে মাসে সংযোজন প্রস্তুতি পর্যালোচনা সম্পন্ন করেছে। বর্তমানে প্রোটোটাইপ তৈরির কাজ চলছে, এবং ২০২০-এর দশকের শেষ দিকে গ্রাউন্ড টেস্টিং শুরু হওয়ার কথা। এখন প্রশ্ন হলো, তাহলে ফাঁকের এই সময়টায় এফ-৪৭ প্রোটোটাইপ কোন ইঞ্জিন দিয়ে উড়বে? এই বিষয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো তথ্য নেই, তবে গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে প্র্যাট অ্যান্ড হুইটনির এফ১৩৫, এফ১১৯, এফ১০০, অথবা জিই এর এফ১১০ ইঞ্জিনের বিভিন্ন সংস্করণের কথা আলোচিত হচ্ছে। তবে যুদ্ধবিমান প্রোটোটাইপের জন্য অন্তর্বর্তী ইঞ্জিন ব্যবহার করা কোনো অস্বাভাবিক ঘটনা নয়— ইতিহাসে এর বহু উদাহরণ রয়েছে, যা আমরা এখন আলোচনা করব। যুক্তরাষ্ট্র একা নয়— বিশ্বের প্রায় প্রতিটি বড় যুদ্ধবিমান প্রকল্পই কোনো না কোনো সময় এই একই সমস্যার মুখোমুখি হয়েছে। চলুন দেখি বিশ্বজুড়ে এই প্যাটার্ন। তুরস্কের নির্মাণাধীন পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান "কান" বর্তমানে উড়ছে দুটি জেনারেল ইলেকট্রিক এফ১১০ ইঞ্জিন দিয়ে। প্রাথমিক উৎপাদন ব্যাচগুলোও এফ১১০ দিয়ে চলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যতদিন না তুরস্কের নিজস্ব টিএফ৩৫০০০ ইঞ্জিন সংযুক্ত হয়। ভারতের পঞ্চম প্রজন্মের এএমসিএ এবং ৪ দশমিক ৫ প্রজন্মের তেজস এমকে১ সংস্করণগুলো জিই এফ৪১৪ ইঞ্জিন দিয়ে ওড়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে, যতদিন না স্বদেশী বা যৌথভাবে তৈরি কোনো ইঞ্জিন সম্পূর্ণভাবে সংযুক্তির উপযোগী হয়। রাশিয়ার পঞ্চম প্রজন্মের সু-৫৭ প্রথম উড়েছিল এএল-৪১এফ১ ইঞ্জিন দিয়ে। পরবর্তীতে উন্নত সু-৫৭ সংস্করণ নতুন এএল-৫১এফ১ ইঞ্জিন নিয়ে উড়তে শুরু করেছে, এবং পূর্ণাঙ্গ সংযুক্তির কাজ এখনো চলমান। চীনের প্রথম পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান জে-২০ প্রাথমিকভাবে উড়েছিল রাশিয়ার তৈরি এএল-৩১এফএন ইঞ্জিন দিয়ে। পরবর্তী সংস্করণগুলো উড়েছে চীনের নিজস্ব ডাব্লিউএস-১০ ইঞ্জিনের বিভিন্ন সংস্করণ দিয়ে। তবে সেটাও ছিল একটা অন্তর্বর্তী সমাধান— চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো আরও শক্তিশালী ডাব্লিউএস-১৫ ইঞ্জিন। এমনকি ফ্রান্সের রাফায়েল যুদ্ধবিমানও ১৯৮৬ সালে প্রথম উড়েছিল দুটি জেনারেল ইলেকট্রিক এফ৪০৪ ইঞ্জিন দিয়ে। পরবর্তী মডেলগুলোতে একটি এম৮৮ এবং একটি এফ৪০৪ ইঞ্জিনের মিশ্রণ ব্যবহার করা হয়েছিল, এবং শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত সংস্করণগুলো উড়েছে দুটি এম৮৮ ইঞ্জিন দিয়ে। একইভাবে, ইউরোফাইটার টাইফুন ১৯৯৪ সালে প্রথম উড়েছিল টার্বো-ইউনিয়ন আরবি১৯৯ ইঞ্জিন দিয়ে, যা এসেছিল পানাভিয়া টর্নেডো থেকে। পরবর্তী মডেলগুলো ব্যবহার করেছে ইজে২০০ ইঞ্জিন। এই একই ইজে২০০ ইঞ্জিন এখন যুক্তরাজ্য, ইতালি এবং জাপানের যৌথভাবে তৈরি "গ্লোবাল কমব্যাট এয়ার প্রোগ্রাম" বা জিক্যাপের প্রাথমিক প্রোটোটাইপেও ব্যবহৃত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যখন রোলস-রয়েস, অ্যাভিও অ্যারো এবং আইএইচআই যৌথভাবে সম্পূর্ণ নতুন একটি ইঞ্জিন তৈরি করছে উৎপাদন সংস্করণের জন্য। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের নিজের ইতিহাসেও এমন উদাহরণ ভুরিভুরি। লকহিডের এফ-১০৪ স্টারফাইটার প্রথম উড়েছিল রাইট জে৬৫ টার্বোজেট ইঞ্জিন দিয়ে, কিন্তু উৎপাদন সংস্করণে ব্যবহৃত হয়েছিল আরও শক্তিশালী জে৭৯ ইঞ্জিন। এফ-১৪ টমক্যাটের পরিকল্পনা করা হয়েছিল প্র্যাট অ্যান্ড হুইটনি এফ৪০১ ইঞ্জিনকে কেন্দ্র করে। কিন্তু সেই ইঞ্জিন কর্মসূচি বাতিল হয়ে যাওয়ায়, বিমানটিতে সংযুক্ত করা হয় প্র্যাট অ্যান্ড হুইটনি টিএফ৩০ ইঞ্জিন। পরবর্তীতে এফ-১৪ টমক্যাটে সংযুক্ত করা হয় জেনারেল ইলেকট্রিক এফ১১০ টার্বোফ্যান। তাহলে দেখা যাচ্ছে, ইঞ্জিন বদল বা অন্তর্বর্তী ইঞ্জিন ব্যবহারের এই প্যাটার্ন বিশ্বের প্রায় প্রতিটি বড় যুদ্ধবিমান শক্তির ইতিহাসেই আছে— এটা কোনো একক দেশের দুর্বলতা নয়, বরং জটিল প্রযুক্তি উন্নয়নের একটা স্বাভাবিক ধাপ। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়— অন্তর্বর্তী ইঞ্জিন দিয়ে ওড়ার সুবিধা কী, আর ঝুঁকিই বা কী? নতুন যুদ্ধবিমান প্রোটোটাইপ পরীক্ষার সময় ইতিমধ্যে পরিণত এবং পরীক্ষিত একটি ইঞ্জিন ব্যবহারের বেশ কিছু সুবিধা রয়েছে। এর মাধ্যমে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা করা সহজ হয়— বিমানের কাঠামো পরীক্ষা, বিভিন্ন সিস্টেমের সংযুক্তি এবং প্রাথমিক অপারেশনাল মূল্যায়ন করা যায় এমন একটি ইঞ্জিন দিয়ে, যেটির কার্যকারিতা ইতিমধ্যে প্রমাণিত। এর মধ্য দিয়ে একইসাথে আরও উন্নত এবং শক্তিশালী নতুন ইঞ্জিনটিকেও আলাদাভাবে পরীক্ষা করে পরিণত করার সুযোগ পাওয়া যায়, যতদিন না সেটি ইতিমধ্যে পরীক্ষিত কাঠামোর সাথে সংযুক্ত করার উপযোগী হয়। একেবারে নতুন কাঠামোর সাথে একেবারে নতুন ইঞ্জিন একসাথে পরীক্ষা করাটা তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ একটা বিষয়— কারণ কোনো সমস্যা দেখা দিলে বোঝা কঠিন হয়ে পড়ে, সমস্যাটা কাঠামোতে না ইঞ্জিনে। তবে এই পদ্ধতির কিছু অসুবিধাও রয়েছে। এতে কর্মক্ষমতার ঘাটতি দেখা দিতে পারে, নকশাগত অসামঞ্জস্য তৈরি হতে পারে, এমনকি কাঠামোগত পুনর্গঠনেরও প্রয়োজন হতে পারে। কারণ একটি বিমানের কাঠামো একটি নির্দিষ্ট ইঞ্জিনের ওজন, আকার এবং শক্তি উৎপাদন ক্ষমতা মাথায় রেখে ডিজাইন করা হয়। অন্তর্বর্তী ইঞ্জিন সবসময় সেই সবচেয়ে উপযুক্ত মাপকাঠি পূরণ নাও করতে পারে। এফ-৪৭ এর ক্ষেত্রে, প্রথম প্রোটোটাইপ এবং সম্ভবত প্রাথমিক উৎপাদন সংস্করণগুলোও একটা অন্তর্বর্তী ইঞ্জিন দিয়ে উড়বে, এটা প্রায় নিশ্চিত। তবে মার্কিন বিমানবাহিনীর কর্মকর্তারা অতীতে জানিয়েছেন, এনজিএপি ইঞ্জিন "প্ল্যাটফর্ম-এগনস্টিক" হিসেবে ডিজাইন করা হয়েছে, এবং সহজেই বিদ্যমান নকশায় পেছনের দিকে সংযুক্ত করা সম্ভব। ফলে ধারণা করা হচ্ছে, এনজিএপি সংযুক্তি এফ-৪৭ এর জন্য বড় কোনো সমস্যা তৈরি করবে না, এবং এভাবেই বোয়িং তাদের উচ্চাভিলাষী সময়সীমা পূরণ করতে পারবে। এই পুরো পরিস্থিতি থেকে বোঝা যায়, বিমান কাঠামো ও ইঞ্জিন উন্নয়নের মধ্যে সময়ের ফারাক থাকাটা প্রযুক্তিগতভাবে জটিল যেকোনো প্রকল্পের জন্যই একটা বাস্তব চ্যালেঞ্জ— এমনকি সবচেয়ে সম্পদশালী এবং প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত দেশের জন্যও। তাহলে সামনে কী অপেক্ষা করছে? চলুন একটু সামনে তাকাই। বর্তমানে এনজিএপি কর্মসূচির দুই প্রতিদ্বন্দ্বী— জিই অ্যারোস্পেস এবং প্র্যাট অ্যান্ড হুইটনি— উভয়েই তাদের প্রোটোটাইপ তৈরির কাজে ব্যস্ত। ২০২০-এর দশকের শেষ নাগাদ গ্রাউন্ড টেস্টিং শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এই পর্যায়ে বিভিন্ন প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ সামনে আসতে পারে, যেমন তাপ ব্যবস্থাপনা, উপকরণের স্থায়িত্ব, এবং জটিল যান্ত্রিক অংশগুলোর নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করা। এছাড়া, চূড়ান্তভাবে কোন প্রতিষ্ঠান উৎপাদন চুক্তি পাবে, সেই সিদ্ধান্তও এখনো বাকি। এটা নির্ভর করবে পরীক্ষার ফলাফল, ব্যয়, এবং সামগ্রিক কর্মক্ষমতার ওপর। একইসাথে বিশ্বজুড়ে অন্যান্য পঞ্চম ও ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান কর্মসূচিগুলোও— তুরস্কের কান, ভারতের এএমসিএ, কিংবা যুক্তরাজ্য-ইতালি-জাপানের যৌথ জিক্যাপ— নিজ নিজ ইঞ্জিন উন্নয়নের পথে একই ধরনের সময়সীমার চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবে। আগামী দশকে এই সব প্রকল্পের অগ্রগতি বিশ্বব্যাপী সামরিক বিমান শক্তির ভারসাম্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তবে একটা বিষয় স্পষ্ট— ইঞ্জিন প্রযুক্তি উন্নয়ন সবসময়ই বিমান কাঠামো উন্নয়নের চেয়ে বেশি সময়সাপেক্ষ এবং জটিল একটা প্রক্রিয়া, এবং এটা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। তাহলে সংক্ষেপে বলা যায়— যুক্তরাষ্ট্রের এফ-৪৭ যতই আধুনিক আর শক্তিশালী হোক না কেন, ইঞ্জিন উন্নয়নের ক্ষেত্রে এটাও একই বাস্তবতার মুখোমুখি, যা ভারতের এএমসিএ, তুরস্কের কান, কিংবা ইতিহাসের অসংখ্য যুদ্ধবিমান প্রকল্প মোকাবিলা করেছে। এটা কোনো ব্যর্থতার লক্ষণ নয়, বরং জটিল প্রযুক্তি উন্নয়নের একটা স্বাভাবিক এবং পরিচিত ধাপ। আপনার কী মনে হয়— এফ-৪৭ কি ২০৩০ সালের মধ্যে তার পূর্ণাঙ্গ ইঞ্জিন পাবে, নাকি আরও দেরি হবে? কমেন্টে জানান আপনার মতামত। ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/715_1.webp" alt="F-47 vs ইঞ্জিন সংকট: আমেরিকার ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমানও কি ভারত-তুরস্কের মতো একই সমস্যায়?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>F-47 vs ইঞ্জিন সংকট: আমেরিকার ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমানও কি ভারত-তুরস্কের মতো একই সমস্যায়?</h1>
            <p>একটা যুদ্ধবিমান তৈরি, কিন্তু তার নিজের ইঞ্জিন তৈরি নয়— এমন হলে কী হবে? শুনতে অদ্ভুত লাগলেও, এটাই এখন বাস্তবতা পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষমতাধর বিমানবাহিনীর জন্য। যুক্তরাষ্ট্রের ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান, F-47, আকাশে ওড়ার কথা ২০২৮ সালে। কিন্তু যে ইঞ্জিন এই বিমানের পূর্ণ সক্ষমতা আনবে, সেটা প্রস্তুত হতে হতে লেগে যাবে ২০৩০ সাল, হয়তো তারও পরে। ভারতের এএমসিএ কিংবা তুরস্কের কান— দুই দেশের পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান প্রকল্পও একই সমস্যায় ভুগছে। তাহলে প্রশ্ন হলো— বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত প্রযুক্তির দেশও কি ইঞ্জিন সংকট এড়াতে পারছে না? প্রতিবেদনে বিস্তারিত জানব F-47 এর ইঞ্জিন জটিলতা নিয়ে, এবং কীভাবে এটা বিশ্বের অন্যান্য যুদ্ধবিমান প্রকল্পের সাথে তুলনীয়।  কেন একটা যুদ্ধবিমান প্রকল্পে "ইঞ্জিন" এত বড় মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়? চলুন শুরু থেকে বুঝি। প্রথমে জেনে নেওয়া যাক, এফ-৪৭ আসলে কী। এটি যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীর "নেক্সট জেনারেশন এয়ার ডমিন্যান্স" বা এনজিএডি কর্মসূচির অধীনে তৈরি হওয়া ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান। এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো— এমন একটি যুদ্ধবিমান তৈরি করা, যা স্টেলথ প্রযুক্তি, উন্নত সেন্সর, এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-চালিত সহযোগী ড্রোনের সমন্বয়ে ভবিষ্যতের আকাশযুদ্ধে আধিপত্য বজায় রাখবে। এই বিমান তৈরির দায়িত্বে রয়েছে বোয়িং। কিন্তু যে কোনো যুদ্ধবিমানের প্রাণ হলো তার ইঞ্জিন। এখানেই যুক্ত হচ্ছে দ্বিতীয় একটি কর্মসূচি— "নেক্সট জেনারেশন অ্যাডাপটিভ প্রোপালশন" বা এনজিএপি। এই কর্মসূচির লক্ষ্য এমন একটি ইঞ্জিন তৈরি করা, যা পরিস্থিতি অনুযায়ী নিজের কার্যপ্রণালী বদলাতে পারে— প্রয়োজনে জ্বালানি সাশ্রয়ী মোডে চলবে, আবার প্রয়োজনে সর্বোচ্চ শক্তি দেবে। সমস্যাটা হলো, এই দুটো কর্মসূচি একসাথে, একই গতিতে এগোচ্ছে না। বিমানের কাঠামো তৈরির গতি এবং ইঞ্জিন তৈরির গতির মধ্যে বড় ফারাক তৈরি হয়েছে। মার্কিন বিমানবাহিনীর সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, এফ-৪৭ এর প্রথম উড্ডয়ন ২০২৮ সালে হওয়ার কথা থাকলেও, এনজিএপি ইঞ্জিনের একটি প্রোটোটাইপ প্রকৃত বিমানে সংযুক্ত করার উপযোগী হতে হতে লেগে যাবে ২০৩০ সাল পর্যন্ত। তাহলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন আসে— এই ফাঁকের সময়টায় বিমানটি কোন ইঞ্জিন দিয়ে উড়বে? এটাই আজকের আলোচনার মূল বিষয়বস্তু, এবং একইসাথে আমরা দেখব, এটা কোনো ব্যতিক্রমী ঘটনা নয়— বরং যুদ্ধবিমানের ইতিহাসে এটা একটা পরিচিত প্যাটার্ন। এবার আসা যাক সংখ্যা আর প্রযুক্তির জগতে— কারা তৈরি করছে এই ভবিষ্যতের ইঞ্জিন, আর কেন এটা এত জটিল একটা কাজ? মার্কিন বিমানবাহিনীর প্রোপালশন ডাইরেক্টরেটের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা জন স্নিডেন সম্প্রতি এনজিএপি কর্মসূচির নতুন টাইমলাইন জানিয়েছেন। ব্রেকিং ডিফেন্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ২০৩০ সালের মধ্যে ইঞ্জিনটি সম্ভাব্য ইন্টিগ্রেশন কার্যক্রমের জন্য প্রস্তুত হবে। যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীর ২০২৭ সালের বাজেট প্রস্তাবেও এই একই সময়সীমার সমর্থন পাওয়া যায়। নথিতে বলা হয়েছে, এনজিএপির "প্রোটোটাইপ ফ্যাব্রিকেশন অ্যান্ড ইঞ্জিন অ্যাসেসমেন্ট" পর্যায় চলবে অন্তত ২০৩১ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। আর্থিক দিক থেকে দেখলে, এই কর্মসূচিতে বরাদ্দ ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। ২০২৭ অর্থবছরের জন্য প্রায় ৫১৩ দশমিক ৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার চাওয়া হচ্ছে, আর ২০২৮ ও ২০২৯ অর্থবছরে যথাক্রমে প্রায় ৯০৫ দশমিক ৭ মিলিয়ন এবং ৮৬৫ মিলিয়ন ডলার চাওয়া হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে লাইফ সাইকেল ইন্ডাস্ট্রি ডেজ সম্মেলনে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় স্নিডেন নিশ্চিত করতে রাজি হননি যে কোন প্ল্যাটফর্ম প্রথমে এই ইঞ্জিন পাবে। তার ভাষায়, বিমানবাহিনী এখনও তাদের বিকল্পগুলো যাচাই করছে, এবং প্রযুক্তিটি ভবিষ্যতে ভিন্ন ভিন্ন সিদ্ধান্তের পথ খুলে দিতে পারে। তিনি এমন ইঙ্গিতও দিয়েছেন যে, এনজিএপি ইঞ্জিন হয়তো পেছনের দিকে গিয়ে বিদ্যমান নকশাতেও যুক্ত করা যেতে পারে, যার মধ্যে এফ-৪৭ ও থাকতে পারে। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এখনো এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তার মতে, এনজিএপি মূলত একগুচ্ছ প্রযুক্তির সমষ্টি, যা বিভিন্ন বিদ্যমান নকশায় সংযুক্ত করা সম্ভব। প্রাথমিকভাবে এনজিএপি তৈরি করা হয়েছিল এনজিএডি যুদ্ধবিমানের জন্য, যেটি এখন এফ-৪৭ নামে পরিচিত। কিন্তু মার্কিন বিমানবাহিনীর কর্মকর্তারা বারবার বলেছেন, এই ইঞ্জিন প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্ম-নিরপেক্ষ, অর্থাৎ এটি বিভিন্ন ধরনের বিমান ও প্ল্যাটফর্মে ব্যবহার করা যেতে পারে। এনজিএপি কর্মসূচিতে এখন পর্যন্ত কাজের অগ্রগতি নিয়ে স্নিডেন জানান, প্রাথমিক হার্ডওয়্যার সংগ্রহ করা হয়েছে, নকশা নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ করেছে, এবং উভয় প্রতিষ্ঠানই এই পর্যায় সফলভাবে সম্পন্ন করতে পেরেছে। এই দুই প্রতিষ্ঠান হলো জিই অ্যারোস্পেস এবং প্র্যাট অ্যান্ড হুইটনি, যেটি আরটিএক্স-এর একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান। জিই অ্যারোস্পেস তৈরি করছে এক্সএ-১০২ ইঞ্জিন, এবং প্র্যাট অ্যান্ড হুইটনি তৈরি করছে এক্সএ-১০৩ ইঞ্জিন। দুটোই "অ্যাডাপটিভ-সাইকেল" প্রযুক্তির প্রতিদ্বন্দ্বী ইঞ্জিন। সহজ ভাষায় বললে, অ্যাডাপটিভ-সাইকেল ইঞ্জিন এমন একটা প্রযুক্তি, যা প্রয়োজন অনুযায়ী নিজের কার্যপ্রণালী বদলে ফেলতে পারে। ভাবুন একটা গাড়ির গিয়ারবক্সের কথা— শহরের রাস্তায় জ্বালানি সাশ্রয়ী মোডে চলবে, আবার হাইওয়েতে দরকার হলে সর্বোচ্চ শক্তি দেবে। এই ইঞ্জিনও ঠিক তেমনই— স্বাভাবিক অবস্থায় এটি টার্বোফ্যানের মতো কাজ করে জ্বালানি সাশ্রয় করে, আবার প্রয়োজনে টার্বোজেটের মতো কাজ করে বাড়তি শক্তি সরবরাহ করে। তবে মনে রাখা জরুরি, বোয়িং এফ-৪৭ এর জন্য এখনো চূড়ান্ত উৎপাদন বিজয়ী নির্বাচিত হয়নি। এই নতুন ইঞ্জিনগুলোর লক্ষ্য হলো বর্তমান পঞ্চম প্রজন্মের ইঞ্জিনের তুলনায় আরও ভালো জ্বালানি সাশ্রয়, শক্তি, পাল্লা, তাপ ব্যবস্থাপনা এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা। উভয় প্রতিষ্ঠানই ২০২৫ সালে বিস্তারিত নকশা পর্যালোচনা এবং চলতি বছরের মে মাসে সংযোজন প্রস্তুতি পর্যালোচনা সম্পন্ন করেছে। বর্তমানে প্রোটোটাইপ তৈরির কাজ চলছে, এবং ২০২০-এর দশকের শেষ দিকে গ্রাউন্ড টেস্টিং শুরু হওয়ার কথা। এখন প্রশ্ন হলো, তাহলে ফাঁকের এই সময়টায় এফ-৪৭ প্রোটোটাইপ কোন ইঞ্জিন দিয়ে উড়বে? এই বিষয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো তথ্য নেই, তবে গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে প্র্যাট অ্যান্ড হুইটনির এফ১৩৫, এফ১১৯, এফ১০০, অথবা জিই এর এফ১১০ ইঞ্জিনের বিভিন্ন সংস্করণের কথা আলোচিত হচ্ছে। তবে যুদ্ধবিমান প্রোটোটাইপের জন্য অন্তর্বর্তী ইঞ্জিন ব্যবহার করা কোনো অস্বাভাবিক ঘটনা নয়— ইতিহাসে এর বহু উদাহরণ রয়েছে, যা আমরা এখন আলোচনা করব। যুক্তরাষ্ট্র একা নয়— বিশ্বের প্রায় প্রতিটি বড় যুদ্ধবিমান প্রকল্পই কোনো না কোনো সময় এই একই সমস্যার মুখোমুখি হয়েছে। চলুন দেখি বিশ্বজুড়ে এই প্যাটার্ন। তুরস্কের নির্মাণাধীন পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান "কান" বর্তমানে উড়ছে দুটি জেনারেল ইলেকট্রিক এফ১১০ ইঞ্জিন দিয়ে। প্রাথমিক উৎপাদন ব্যাচগুলোও এফ১১০ দিয়ে চলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যতদিন না তুরস্কের নিজস্ব টিএফ৩৫০০০ ইঞ্জিন সংযুক্ত হয়। ভারতের পঞ্চম প্রজন্মের এএমসিএ এবং ৪ দশমিক ৫ প্রজন্মের তেজস এমকে১ সংস্করণগুলো জিই এফ৪১৪ ইঞ্জিন দিয়ে ওড়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে, যতদিন না স্বদেশী বা যৌথভাবে তৈরি কোনো ইঞ্জিন সম্পূর্ণভাবে সংযুক্তির উপযোগী হয়। রাশিয়ার পঞ্চম প্রজন্মের সু-৫৭ প্রথম উড়েছিল এএল-৪১এফ১ ইঞ্জিন দিয়ে। পরবর্তীতে উন্নত সু-৫৭ সংস্করণ নতুন এএল-৫১এফ১ ইঞ্জিন নিয়ে উড়তে শুরু করেছে, এবং পূর্ণাঙ্গ সংযুক্তির কাজ এখনো চলমান। চীনের প্রথম পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান জে-২০ প্রাথমিকভাবে উড়েছিল রাশিয়ার তৈরি এএল-৩১এফএন ইঞ্জিন দিয়ে। পরবর্তী সংস্করণগুলো উড়েছে চীনের নিজস্ব ডাব্লিউএস-১০ ইঞ্জিনের বিভিন্ন সংস্করণ দিয়ে। তবে সেটাও ছিল একটা অন্তর্বর্তী সমাধান— চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো আরও শক্তিশালী ডাব্লিউএস-১৫ ইঞ্জিন। এমনকি ফ্রান্সের রাফায়েল যুদ্ধবিমানও ১৯৮৬ সালে প্রথম উড়েছিল দুটি জেনারেল ইলেকট্রিক এফ৪০৪ ইঞ্জিন দিয়ে। পরবর্তী মডেলগুলোতে একটি এম৮৮ এবং একটি এফ৪০৪ ইঞ্জিনের মিশ্রণ ব্যবহার করা হয়েছিল, এবং শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত সংস্করণগুলো উড়েছে দুটি এম৮৮ ইঞ্জিন দিয়ে। একইভাবে, ইউরোফাইটার টাইফুন ১৯৯৪ সালে প্রথম উড়েছিল টার্বো-ইউনিয়ন আরবি১৯৯ ইঞ্জিন দিয়ে, যা এসেছিল পানাভিয়া টর্নেডো থেকে। পরবর্তী মডেলগুলো ব্যবহার করেছে ইজে২০০ ইঞ্জিন। এই একই ইজে২০০ ইঞ্জিন এখন যুক্তরাজ্য, ইতালি এবং জাপানের যৌথভাবে তৈরি "গ্লোবাল কমব্যাট এয়ার প্রোগ্রাম" বা জিক্যাপের প্রাথমিক প্রোটোটাইপেও ব্যবহৃত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যখন রোলস-রয়েস, অ্যাভিও অ্যারো এবং আইএইচআই যৌথভাবে সম্পূর্ণ নতুন একটি ইঞ্জিন তৈরি করছে উৎপাদন সংস্করণের জন্য। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের নিজের ইতিহাসেও এমন উদাহরণ ভুরিভুরি। লকহিডের এফ-১০৪ স্টারফাইটার প্রথম উড়েছিল রাইট জে৬৫ টার্বোজেট ইঞ্জিন দিয়ে, কিন্তু উৎপাদন সংস্করণে ব্যবহৃত হয়েছিল আরও শক্তিশালী জে৭৯ ইঞ্জিন। এফ-১৪ টমক্যাটের পরিকল্পনা করা হয়েছিল প্র্যাট অ্যান্ড হুইটনি এফ৪০১ ইঞ্জিনকে কেন্দ্র করে। কিন্তু সেই ইঞ্জিন কর্মসূচি বাতিল হয়ে যাওয়ায়, বিমানটিতে সংযুক্ত করা হয় প্র্যাট অ্যান্ড হুইটনি টিএফ৩০ ইঞ্জিন। পরবর্তীতে এফ-১৪ টমক্যাটে সংযুক্ত করা হয় জেনারেল ইলেকট্রিক এফ১১০ টার্বোফ্যান। তাহলে দেখা যাচ্ছে, ইঞ্জিন বদল বা অন্তর্বর্তী ইঞ্জিন ব্যবহারের এই প্যাটার্ন বিশ্বের প্রায় প্রতিটি বড় যুদ্ধবিমান শক্তির ইতিহাসেই আছে— এটা কোনো একক দেশের দুর্বলতা নয়, বরং জটিল প্রযুক্তি উন্নয়নের একটা স্বাভাবিক ধাপ। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়— অন্তর্বর্তী ইঞ্জিন দিয়ে ওড়ার সুবিধা কী, আর ঝুঁকিই বা কী? নতুন যুদ্ধবিমান প্রোটোটাইপ পরীক্ষার সময় ইতিমধ্যে পরিণত এবং পরীক্ষিত একটি ইঞ্জিন ব্যবহারের বেশ কিছু সুবিধা রয়েছে। এর মাধ্যমে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা করা সহজ হয়— বিমানের কাঠামো পরীক্ষা, বিভিন্ন সিস্টেমের সংযুক্তি এবং প্রাথমিক অপারেশনাল মূল্যায়ন করা যায় এমন একটি ইঞ্জিন দিয়ে, যেটির কার্যকারিতা ইতিমধ্যে প্রমাণিত। এর মধ্য দিয়ে একইসাথে আরও উন্নত এবং শক্তিশালী নতুন ইঞ্জিনটিকেও আলাদাভাবে পরীক্ষা করে পরিণত করার সুযোগ পাওয়া যায়, যতদিন না সেটি ইতিমধ্যে পরীক্ষিত কাঠামোর সাথে সংযুক্ত করার উপযোগী হয়। একেবারে নতুন কাঠামোর সাথে একেবারে নতুন ইঞ্জিন একসাথে পরীক্ষা করাটা তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ একটা বিষয়— কারণ কোনো সমস্যা দেখা দিলে বোঝা কঠিন হয়ে পড়ে, সমস্যাটা কাঠামোতে না ইঞ্জিনে। তবে এই পদ্ধতির কিছু অসুবিধাও রয়েছে। এতে কর্মক্ষমতার ঘাটতি দেখা দিতে পারে, নকশাগত অসামঞ্জস্য তৈরি হতে পারে, এমনকি কাঠামোগত পুনর্গঠনেরও প্রয়োজন হতে পারে। কারণ একটি বিমানের কাঠামো একটি নির্দিষ্ট ইঞ্জিনের ওজন, আকার এবং শক্তি উৎপাদন ক্ষমতা মাথায় রেখে ডিজাইন করা হয়। অন্তর্বর্তী ইঞ্জিন সবসময় সেই সবচেয়ে উপযুক্ত মাপকাঠি পূরণ নাও করতে পারে। এফ-৪৭ এর ক্ষেত্রে, প্রথম প্রোটোটাইপ এবং সম্ভবত প্রাথমিক উৎপাদন সংস্করণগুলোও একটা অন্তর্বর্তী ইঞ্জিন দিয়ে উড়বে, এটা প্রায় নিশ্চিত। তবে মার্কিন বিমানবাহিনীর কর্মকর্তারা অতীতে জানিয়েছেন, এনজিএপি ইঞ্জিন "প্ল্যাটফর্ম-এগনস্টিক" হিসেবে ডিজাইন করা হয়েছে, এবং সহজেই বিদ্যমান নকশায় পেছনের দিকে সংযুক্ত করা সম্ভব। ফলে ধারণা করা হচ্ছে, এনজিএপি সংযুক্তি এফ-৪৭ এর জন্য বড় কোনো সমস্যা তৈরি করবে না, এবং এভাবেই বোয়িং তাদের উচ্চাভিলাষী সময়সীমা পূরণ করতে পারবে। এই পুরো পরিস্থিতি থেকে বোঝা যায়, বিমান কাঠামো ও ইঞ্জিন উন্নয়নের মধ্যে সময়ের ফারাক থাকাটা প্রযুক্তিগতভাবে জটিল যেকোনো প্রকল্পের জন্যই একটা বাস্তব চ্যালেঞ্জ— এমনকি সবচেয়ে সম্পদশালী এবং প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত দেশের জন্যও। তাহলে সামনে কী অপেক্ষা করছে? চলুন একটু সামনে তাকাই। বর্তমানে এনজিএপি কর্মসূচির দুই প্রতিদ্বন্দ্বী— জিই অ্যারোস্পেস এবং প্র্যাট অ্যান্ড হুইটনি— উভয়েই তাদের প্রোটোটাইপ তৈরির কাজে ব্যস্ত। ২০২০-এর দশকের শেষ নাগাদ গ্রাউন্ড টেস্টিং শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এই পর্যায়ে বিভিন্ন প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ সামনে আসতে পারে, যেমন তাপ ব্যবস্থাপনা, উপকরণের স্থায়িত্ব, এবং জটিল যান্ত্রিক অংশগুলোর নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করা। এছাড়া, চূড়ান্তভাবে কোন প্রতিষ্ঠান উৎপাদন চুক্তি পাবে, সেই সিদ্ধান্তও এখনো বাকি। এটা নির্ভর করবে পরীক্ষার ফলাফল, ব্যয়, এবং সামগ্রিক কর্মক্ষমতার ওপর। একইসাথে বিশ্বজুড়ে অন্যান্য পঞ্চম ও ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান কর্মসূচিগুলোও— তুরস্কের কান, ভারতের এএমসিএ, কিংবা যুক্তরাজ্য-ইতালি-জাপানের যৌথ জিক্যাপ— নিজ নিজ ইঞ্জিন উন্নয়নের পথে একই ধরনের সময়সীমার চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবে। আগামী দশকে এই সব প্রকল্পের অগ্রগতি বিশ্বব্যাপী সামরিক বিমান শক্তির ভারসাম্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তবে একটা বিষয় স্পষ্ট— ইঞ্জিন প্রযুক্তি উন্নয়ন সবসময়ই বিমান কাঠামো উন্নয়নের চেয়ে বেশি সময়সাপেক্ষ এবং জটিল একটা প্রক্রিয়া, এবং এটা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। তাহলে সংক্ষেপে বলা যায়— যুক্তরাষ্ট্রের এফ-৪৭ যতই আধুনিক আর শক্তিশালী হোক না কেন, ইঞ্জিন উন্নয়নের ক্ষেত্রে এটাও একই বাস্তবতার মুখোমুখি, যা ভারতের এএমসিএ, তুরস্কের কান, কিংবা ইতিহাসের অসংখ্য যুদ্ধবিমান প্রকল্প মোকাবিলা করেছে। এটা কোনো ব্যর্থতার লক্ষণ নয়, বরং জটিল প্রযুক্তি উন্নয়নের একটা স্বাভাবিক এবং পরিচিত ধাপ। আপনার কী মনে হয়— এফ-৪৭ কি ২০৩০ সালের মধ্যে তার পূর্ণাঙ্গ ইঞ্জিন পাবে, নাকি আরও দেরি হবে? কমেন্টে জানান আপনার মতামত। </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/715_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/715_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/08/715_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[লিবিয়ায় ওয়ালটনের গ্লোবাল ব্র্যান্ড বিজনেস সম্প্রসারণ]]></title>
        <link>https://nbs24.org/economy/48173</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/economy/48173</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 27 Jul 2026 15:41:18 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
                <category><![CDATA[করপোরেট খবর]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news,walton news]]></category>
        
        <description><![CDATA[লিবিয়ার বাজারে ওয়ালটন পণ্য বিক্রয় ও বিপণনে দেশটির ইলেকট্রনিক্স পণ্য বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান ‘আসর আল টেকনিয়া’র সঙ্গে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ বিশ্বের অন্যতম সেরা গ্লোবাল ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ডের তালিকায় স্থান করে নেয়ার লক্ষ্য নিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশের টেক জায়ান্ট ওয়ালটন। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে বিশ্বজুড়ে একশটি দেশের বাজারে ব্র্যান্ড বিজনেস সম্প্রসারণে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি ওয়ালটনের গ্লোবাল ব্র্যান্ড বিজনেস নেটওয়ার্কে যুক্ত হয়েছে উত্তর আফ্রিকার দেশ লিবিয়া।  এ উপলক্ষ্যে সম্প্রতি রাজধানীতে ওয়ালটন কর্পোরেট অফিসে লিবিয়ার ইলেকট্রনিক্স পণ্য বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান ‘আসর আল টেকনিয়া’ এবং ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্টিজ পিএলসি’র মধ্যে এক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তির আওতায় লিবিয়ায় ওয়ালটন ব্র্যান্ডের পরিবেশক হিসেবে কাজ করবে আসর আল টেকনিয়া। প্রতিষ্ঠানটি লিবিয়ার বাজারে ওয়ালটন ব্র্যান্ডের ফ্রিজ, টিভি, এয়ারকন্ডিশনার, ওয়াশিং মেশিন ইত্যাদি প্রযুক্তিপণ্য বিক্রয় ও বিপণন করবে।  ওয়ালটন হাই-টেকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার মো. জিয়াউল আলম এফসিএ, এসিএ (আইসিএইডব্লিউ) এবং আসর আল টেকনিয়া’র ম্যানেজিং ডিরেক্টর আল সাদিক আল তাহির আল সগীর কারাহ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। ওয়ালটন গ্লোবাল বিজনেস ডিভিশনের প্রধান আব্দুর রউফ বলেন, পণ্যের উদ্ভাবনী প্রযুক্তি, আধুনিক ডিজাইন, টেকসই ও উচ্চ গুণগতমান, বিদ্যুৎ সাশ্রয়, পরিবেশবান্ধব এবং মূল্য প্রতিযোগিতা সক্ষমতায় আন্তর্জাতিক বাজারে অন্যান্য ব্র্যান্ডের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে ওয়ালটন। ফলে বৈশ্বিক বাজারে ওয়ালটন ব্র্যান্ড অতি অল্প সময়ের মধ্যে ক্রেতাদের আস্থা অর্জন করে নিতে সক্ষম হচ্ছে। ফলে ওয়ালটনের গ্লোবাল বিজনেস নেটওয়ার্কে প্রতিনিয়ত যুক্ত নতুন নতুন দেশের বাজার। ইতোমধ্যে বিশ্বের ৫৫টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে ওয়ালটনের ব্র্যান্ড বিজনেস। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হয়েছে উত্তর আফিকার দেশ লিবিয়া।  তিনি জানান, ইতোমধ্যে চলতি বছরে লিবিয়ার বাজারে দুই শিপমেন্টে ওয়ালটন ব্র্যান্ডের ফ্রিজ, এসি, টিভি এবং ওয়াশিং মেশিন রপ্তানি করা হয়েছে। লিবিয়ায় গ্লোবাল বিজনেস সম্প্রসারণের মধ্য দিয়ে উত্তর আফ্রিকার অন্যান্য দেশগুলোর বাজারে প্রবেশ পথ আরো সুগম হবে বলে আমাদের প্রত্যাশা।  চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অন্যদের আরও উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটনের চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদ, ওয়ালটন গ্লোবাল বিজনেস ডিভিশনের ডেপুটি হেড সাইয়েদ আল ইমরান, লিবিয়ার কান্ট্রি ম্যানেজার আব্দুল লতিফ প্রামাণিক প্রমুখ।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/07/nbs24o_27-07-26_41.webp" alt="লিবিয়ায় ওয়ালটনের গ্লোবাল ব্র্যান্ড বিজনেস সম্প্রসারণ" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>লিবিয়ায় ওয়ালটনের গ্লোবাল ব্র্যান্ড বিজনেস সম্প্রসারণ</h1>
            <p>লিবিয়ার বাজারে ওয়ালটন পণ্য বিক্রয় ও বিপণনে দেশটির ইলেকট্রনিক্স পণ্য বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান ‘আসর আল টেকনিয়া’র সঙ্গে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ বিশ্বের অন্যতম সেরা গ্লোবাল ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ডের তালিকায় স্থান করে নেয়ার লক্ষ্য নিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশের টেক জায়ান্ট ওয়ালটন। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে বিশ্বজুড়ে একশটি দেশের বাজারে ব্র্যান্ড বিজনেস সম্প্রসারণে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি ওয়ালটনের গ্লোবাল ব্র্যান্ড বিজনেস নেটওয়ার্কে যুক্ত হয়েছে উত্তর আফ্রিকার দেশ লিবিয়া।  এ উপলক্ষ্যে সম্প্রতি রাজধানীতে ওয়ালটন কর্পোরেট অফিসে লিবিয়ার ইলেকট্রনিক্স পণ্য বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান ‘আসর আল টেকনিয়া’ এবং ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্টিজ পিএলসি’র মধ্যে এক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তির আওতায় লিবিয়ায় ওয়ালটন ব্র্যান্ডের পরিবেশক হিসেবে কাজ করবে আসর আল টেকনিয়া। প্রতিষ্ঠানটি লিবিয়ার বাজারে ওয়ালটন ব্র্যান্ডের ফ্রিজ, টিভি, এয়ারকন্ডিশনার, ওয়াশিং মেশিন ইত্যাদি প্রযুক্তিপণ্য বিক্রয় ও বিপণন করবে।  ওয়ালটন হাই-টেকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার মো. জিয়াউল আলম এফসিএ, এসিএ (আইসিএইডব্লিউ) এবং আসর আল টেকনিয়া’র ম্যানেজিং ডিরেক্টর আল সাদিক আল তাহির আল সগীর কারাহ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। ওয়ালটন গ্লোবাল বিজনেস ডিভিশনের প্রধান আব্দুর রউফ বলেন, পণ্যের উদ্ভাবনী প্রযুক্তি, আধুনিক ডিজাইন, টেকসই ও উচ্চ গুণগতমান, বিদ্যুৎ সাশ্রয়, পরিবেশবান্ধব এবং মূল্য প্রতিযোগিতা সক্ষমতায় আন্তর্জাতিক বাজারে অন্যান্য ব্র্যান্ডের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে ওয়ালটন। ফলে বৈশ্বিক বাজারে ওয়ালটন ব্র্যান্ড অতি অল্প সময়ের মধ্যে ক্রেতাদের আস্থা অর্জন করে নিতে সক্ষম হচ্ছে। ফলে ওয়ালটনের গ্লোবাল বিজনেস নেটওয়ার্কে প্রতিনিয়ত যুক্ত নতুন নতুন দেশের বাজার। ইতোমধ্যে বিশ্বের ৫৫টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে ওয়ালটনের ব্র্যান্ড বিজনেস। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হয়েছে উত্তর আফিকার দেশ লিবিয়া।  তিনি জানান, ইতোমধ্যে চলতি বছরে লিবিয়ার বাজারে দুই শিপমেন্টে ওয়ালটন ব্র্যান্ডের ফ্রিজ, এসি, টিভি এবং ওয়াশিং মেশিন রপ্তানি করা হয়েছে। লিবিয়ায় গ্লোবাল বিজনেস সম্প্রসারণের মধ্য দিয়ে উত্তর আফ্রিকার অন্যান্য দেশগুলোর বাজারে প্রবেশ পথ আরো সুগম হবে বলে আমাদের প্রত্যাশা।  চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অন্যদের আরও উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটনের চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদ, ওয়ালটন গ্লোবাল বিজনেস ডিভিশনের ডেপুটি হেড সাইয়েদ আল ইমরান, লিবিয়ার কান্ট্রি ম্যানেজার আব্দুল লতিফ প্রামাণিক প্রমুখ।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/07/nbs24o_27-07-26_41.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/07/nbs24o_27-07-26_41.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/07/nbs24o_27-07-26_41.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Walton wins three ‘SDG Brand Champion Awards-2026’ for environmentally sustainable initiatives]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/47710</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/47710</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 19 Jul 2026 19:03:45 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[Economy]]></category>
                        <category><![CDATA[walton news, atn walton news, walton update news, walton business news, walton bd, waltan news, walton bangladesh news, walton global expansion news, global business news walton, rtv news bd, bd news, tech news bd, channel s news bd, channel 9 news bd, bd news today, news bd today bangla, kalbela bd news, atn bd news, business news bd, trending news bd, news24 bd, walton, waltonbd, bd news update, news update bd, export news bd electronics, walton phone, walton event, bd news 24 bangla, walton export, walton pcb, waltonac, walton pcba, deepto news]]></category>
        
        <description><![CDATA[Walton High-Tech Industries PLC’s Additional Managing Director Md Yusuf Ali and other senior officials receive the ‘SDG Brand Champion Awards-2026’ at a ceremony held in Dhaka on Saturday evening Bangladesh's technology giant and superbrand Walton has once again been recognised for its commitment to sustainable industrial development, securing three honours at the SDG Brand Champion Awards 2026, including the title of ‘Most Sustainable Electronic Item Manufacturer of the Year’. The awards were presented at the fourth edition of the SDG Brand Champion Awards-2026, held on Saturday evening at the Radisson Blu Water Garden Hotel in Dhaka. Walton received the SDG Brand Champion Award 2026 in the ‘Affordable and Clean Energy’ category for its net-zero initiatives and energy efficiency programmes. The company was also honoured in the ‘Climate and Environment’ category for its green transformation and climate adaptation initiative. In addition, Walton was recognised as the Most Sustainable Electronic Item Manufacturer of the Year. Walton’s Chief Marketing Officer Zoheb Ahmed and other senior officials receive the ‘SDG Brand Champion Awards-2026’ at a ceremony held in Dhaka on Saturday evening The latest achievement follows a similar success in 2025, when the company also received awards in three categories. The awards were received on behalf of Walton High-Tech Industries PLC. by Additional Managing Director Md Yusuf Ali, Senior Executive Directors Md Abdullah-Al-Mamun, Shahjalal Hossain Limon, Tanvir Anjum and Protic Kumar Modak, and Chief Marketing Officer Zoheb Ahmed, and Head of EHS and Sustainability Md. Mostafizur Rahman Razu.  Reacting to the recognition, Md Yusuf Ali said the company was honoured to receive the prestigious awards for the second consecutive year. "We are delighted and proud to receive the SDG Brand Champion Awards 2026 in three categories. We sincerely thank the organisers and the jury for recognising Walton's continued efforts towards sustainable industrial development," he said. According to him, Walton has aligned its manufacturing operations with the United Nations Sustainable Development Goals (SDGs) as well as Bangladesh's national energy and power policies by integrating environmentally sustainable practices across its production facilities and workplaces. He added that Walton has undertaken a number of renewable energy and green initiatives aimed at reducing carbon emissions while promoting efficient use of energy and water. As part of these efforts, he noted that the company is implementing a 50MW solar power plant project at its headquarters in Chandra, Gazipur, entirely through self-financing. Walton has already installed 19.20MW of solar power capacity, comprising rooftop, ground-mounted and the country's largest floating solar power plants. Walton’s Senior Executive Director Tanvir Anjum and other senior officials receive the ‘SDG Brand Champion Awards-2026’ at a ceremony held in Dhaka on Saturday evening These facilities currently generate approximately 22,450 megawatt-hours (MWh) of electricity annually, meeting around 17 percent of the company's total electricity demand, he mentioned.  According to Walton, it has strengthened sustainable water management by safely recycling nearly 75 percent of treated wastewater through its Effluent Treatment Plant (ETP). In addition, the company has expanded initiatives for e-waste collection and recycling while promoting plastic recycling and upcycling to reduce waste and improve resource efficiency. According to Walton, these initiatives demonstrate that the company has gone beyond adopting environmental policies by implementing practical measures that contribute to long-term sustainable industrial growth and corporate responsibility. The awards were organised by Bangladesh Innovation Conclave, with support from Sustainable Brand Initiative and Bangladesh Brand Forum, to recognise organisations making significant contributions towards achieving the Sustainable Development Goals. This year, 457 nominations were submitted across 19 categories, from which 59 brand initiatives, including Walton High-Tech Industries PLC, were selected through a rigorous evaluation process. ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/07/nbs24_19-07-2026_61.webp" alt="Walton wins three ‘SDG Brand Champion Awards-2026’ for environmentally sustainable initiatives" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Walton wins three ‘SDG Brand Champion Awards-2026’ for environmentally sustainable initiatives</h1>
            <p>Walton High-Tech Industries PLC’s Additional Managing Director Md Yusuf Ali and other senior officials receive the ‘SDG Brand Champion Awards-2026’ at a ceremony held in Dhaka on Saturday evening Bangladesh's technology giant and superbrand Walton has once again been recognised for its commitment to sustainable industrial development, securing three honours at the SDG Brand Champion Awards 2026, including the title of ‘Most Sustainable Electronic Item Manufacturer of the Year’. The awards were presented at the fourth edition of the SDG Brand Champion Awards-2026, held on Saturday evening at the Radisson Blu Water Garden Hotel in Dhaka. Walton received the SDG Brand Champion Award 2026 in the ‘Affordable and Clean Energy’ category for its net-zero initiatives and energy efficiency programmes. The company was also honoured in the ‘Climate and Environment’ category for its green transformation and climate adaptation initiative. In addition, Walton was recognised as the Most Sustainable Electronic Item Manufacturer of the Year. Walton’s Chief Marketing Officer Zoheb Ahmed and other senior officials receive the ‘SDG Brand Champion Awards-2026’ at a ceremony held in Dhaka on Saturday evening The latest achievement follows a similar success in 2025, when the company also received awards in three categories. The awards were received on behalf of Walton High-Tech Industries PLC. by Additional Managing Director Md Yusuf Ali, Senior Executive Directors Md Abdullah-Al-Mamun, Shahjalal Hossain Limon, Tanvir Anjum and Protic Kumar Modak, and Chief Marketing Officer Zoheb Ahmed, and Head of EHS and Sustainability Md. Mostafizur Rahman Razu.  Reacting to the recognition, Md Yusuf Ali said the company was honoured to receive the prestigious awards for the second consecutive year. "We are delighted and proud to receive the SDG Brand Champion Awards 2026 in three categories. We sincerely thank the organisers and the jury for recognising Walton's continued efforts towards sustainable industrial development," he said. According to him, Walton has aligned its manufacturing operations with the United Nations Sustainable Development Goals (SDGs) as well as Bangladesh's national energy and power policies by integrating environmentally sustainable practices across its production facilities and workplaces. He added that Walton has undertaken a number of renewable energy and green initiatives aimed at reducing carbon emissions while promoting efficient use of energy and water. As part of these efforts, he noted that the company is implementing a 50MW solar power plant project at its headquarters in Chandra, Gazipur, entirely through self-financing. Walton has already installed 19.20MW of solar power capacity, comprising rooftop, ground-mounted and the country's largest floating solar power plants. Walton’s Senior Executive Director Tanvir Anjum and other senior officials receive the ‘SDG Brand Champion Awards-2026’ at a ceremony held in Dhaka on Saturday evening These facilities currently generate approximately 22,450 megawatt-hours (MWh) of electricity annually, meeting around 17 percent of the company's total electricity demand, he mentioned.  According to Walton, it has strengthened sustainable water management by safely recycling nearly 75 percent of treated wastewater through its Effluent Treatment Plant (ETP). In addition, the company has expanded initiatives for e-waste collection and recycling while promoting plastic recycling and upcycling to reduce waste and improve resource efficiency. According to Walton, these initiatives demonstrate that the company has gone beyond adopting environmental policies by implementing practical measures that contribute to long-term sustainable industrial growth and corporate responsibility. The awards were organised by Bangladesh Innovation Conclave, with support from Sustainable Brand Initiative and Bangladesh Brand Forum, to recognise organisations making significant contributions towards achieving the Sustainable Development Goals. This year, 457 nominations were submitted across 19 categories, from which 59 brand initiatives, including Walton High-Tech Industries PLC, were selected through a rigorous evaluation process. </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/07/nbs24_19-07-2026_61.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/07/nbs24_19-07-2026_61.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/07/nbs24_19-07-2026_61.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[তিন ক্যাটাগরিতে আবারও এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড পেল ওয়ালটন]]></title>
        <link>https://nbs24.org/economy/47709</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/economy/47709</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 19 Jul 2026 19:03:45 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
                <category><![CDATA[করপোরেট খবর]]></category>
                        <category><![CDATA[walton news, atn walton news, walton update news, walton business news, walton bd, waltan news, walton bangladesh news, walton global expansion news, global business news walton, rtv news bd, bd news, tech news bd, channel s news bd, channel 9 news bd, bd news today, news bd today bangla, kalbela bd news, atn bd news, business news bd, trending news bd, news24 bd, walton, waltonbd, bd news update, news update bd, export news bd electronics, walton phone, walton event, bd news 24 bangla, walton export, walton pcb, waltonac, walton pcba, deepto news]]></category>
        
        <description><![CDATA[‘এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ গ্রহণ করছেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র এএমডি মো. ইউসুফ আলীসহ প্রতিষ্ঠানটির উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ডস এর চতুর্থ সংস্করণেও (২০২৬) তিনটি ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশের টেক জায়ান্ট ও সুপারব্র্যান্ড ওয়ালটনকে পুরস্কৃত করা হয়েছে। টেকসই নেট জিরো ইনিশিয়েটিভ এবং এনার্জি ইফিশিয়েন্সি প্রোগ্রামের জন্য সাশ্রয়ী ও ক্লিন এনার্জি ক্যাটাগরিতে ওয়ালটন অর্জন করেছে ‘এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’। পাশাপাশি উৎপাদন প্রক্রিয়ায় টেকসই সবুজ প্রযুক্তি ব্যবহার এবং জলবায়ু সুরক্ষায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ জলবায়ু ও পরিবেশ ক্যাটাগরিতেও ওয়ালটনকে এই পুরস্কার দেয়া হয়। এছাড়া বর্ষসেরা সবচেয়ে টেকসই ইলেকট্রনিক পণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ক্যাটাগরিতেও এই পুরস্কার পেয়েছে ওয়ালটন। গত বছর একই অ্যাওয়ার্ডের তৃতীয় আসরেও তিনটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কৃত হয়েছিলো ওয়ালটন। শনিবার (১৮ জুলাই, ২০২৬) সন্ধ্যায় রাজধানীর রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে আয়োজিত এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে ওয়ালটনকে তিনটি ক্যাটাগরিতে ‘এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ডস-২০২৬’ প্রদান করা হয়।  ‘এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ গ্রহণ করছেন ওয়ালটন হাই-টেকের চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদসহ প্রতিষ্ঠানটির উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ পুরস্কারগুলো গ্রহণ করেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এএমডি) মো. ইউসুফ আলী, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মো. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন, শাহজালাল হোসেন লিমন, তানভীর আঞ্জুম ও প্রতীক কুমার মদক, চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদ, ইএইচএস অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি বিভাগের প্রধান মো. মোস্তাফিজুর রহমান রাজু প্রমুখ।    পুরস্কারপ্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় ওয়ালটন হাই-টেকের এএমডি মো. ইউসুফ আলী বলেন, তিন ক্যাটাগরিতে ‘এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ অর্জন করায় ওয়ালটন পরিবার অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। ওয়ালটনকে মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কার প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। তিনি জানান, বাংলাদেশের শিল্প খাতের টেকসই উন্নয়নে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এসডিজি এবং সরকারের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নীতির আলোকে ওয়ালটন কারখানার উৎপাদন প্রক্রিয়া, কর্মক্ষেত্রসহ সর্বত্র পরিবেশবান্ধব সবুজ উন্নয়ন নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। জিরো কার্বন নিঃসরণ, সাশ্রয়ী জ্বালানি, পানি ও বিদ্যুৎ ব্যবহারে নবায়নযোগ্য বিভিন্ন ক্লিন ও গ্রিন এনার্জি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে ওয়ালটন। এরই ধারাবাহিকতায় গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্সে নিজস্ব অর্থায়নে ওয়ালটন মোট ৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন। ইতোমধ্যে ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্সে স্থাপন করা হয়েছে ১৯.২০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট। যার মধ্যে রয়েছে রুফটফ সোলার প্ল্যান্ট, গ্রাউন্ড মাউন্টেড সোলার প্ল্যান্ট এবং দেশের সর্ববৃহৎ ফ্লোটিং বা ভাসমান সোলার প্ল্যান্ট। এসব সোলার প্ল্যান্ট থেকে বছরে প্রায় ২২ হাজার ৪৫০ মেগাওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে, যা ওয়ালটনের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ১৭ শতাংশ পূরণ করছে।  ‘এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ গ্রহণ করছেন ওয়ালটন হাই-টেকের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ অফিসার তানভীর আঞ্জুমসহ প্রতিষ্ঠানটির উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ তিনি আরো জানান, শিল্প প্রক্রিয়ায় পানি সাশ্রয় ও পুনঃব্যবহারে ইটিপির মাধ্যমে প্রক্রিয়াজাতকৃত পানির প্রায় ৭৫ শতাংশ নিরাপদভাবে পুনঃব্যবহার করা হচ্ছে। ই-বর্জ্য সংগ্রহ ও প্রক্রিয়াজাত করার মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার পাশাপাশি প্লাস্টিক পুনঃর্ব্যবহার ও আপসাইক্লিংয়ের মাধ্যমে বর্জ্য কমিয়ে সম্পদের পুনঃব্যবহার নিশ্চিত করছে ওয়ালটন। ওয়ালটনের এই অগ্রগতি প্রমাণ করে, ওয়ালটন কেবল পরিবেশবান্ধব নীতি গ্রহণই করেনি, বরং তা বাস্তবে প্রয়োগ করে দীর্ঘমেয়াদে টেকসই শিল্প ও সামাজিক দায়বদ্ধতার একটি মডেল তৈরি করেছে।  সাসটেইনেবল ব্র্যান্ড ইনিশিয়েটিভ ও বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের সহযোগিতায় এবং বাংলাদেশ ইনোভেশন কনক্লেভের উদ্যোগে এই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে- টেকসই উন্নয়নের জন্য কাজ করা প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বীকৃতি দেওয়া। এ বছর ১৯টি ক্যাটাগরিতে মোট ৪৫৭টি মনোনয়ন জমা পড়ে। যেখান থেকে কঠোর মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’সহ ৫৯টি টেকসই উদ্যোগকে ‘এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ডস-২০২৬’ প্রদান করা হয়েছে। ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/07/nbs24_19-07-2026_61.webp" alt="তিন ক্যাটাগরিতে আবারও এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড পেল ওয়ালটন" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>তিন ক্যাটাগরিতে আবারও এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড পেল ওয়ালটন</h1>
            <p>‘এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ গ্রহণ করছেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র এএমডি মো. ইউসুফ আলীসহ প্রতিষ্ঠানটির উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ডস এর চতুর্থ সংস্করণেও (২০২৬) তিনটি ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশের টেক জায়ান্ট ও সুপারব্র্যান্ড ওয়ালটনকে পুরস্কৃত করা হয়েছে। টেকসই নেট জিরো ইনিশিয়েটিভ এবং এনার্জি ইফিশিয়েন্সি প্রোগ্রামের জন্য সাশ্রয়ী ও ক্লিন এনার্জি ক্যাটাগরিতে ওয়ালটন অর্জন করেছে ‘এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’। পাশাপাশি উৎপাদন প্রক্রিয়ায় টেকসই সবুজ প্রযুক্তি ব্যবহার এবং জলবায়ু সুরক্ষায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ জলবায়ু ও পরিবেশ ক্যাটাগরিতেও ওয়ালটনকে এই পুরস্কার দেয়া হয়। এছাড়া বর্ষসেরা সবচেয়ে টেকসই ইলেকট্রনিক পণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ক্যাটাগরিতেও এই পুরস্কার পেয়েছে ওয়ালটন। গত বছর একই অ্যাওয়ার্ডের তৃতীয় আসরেও তিনটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কৃত হয়েছিলো ওয়ালটন। শনিবার (১৮ জুলাই, ২০২৬) সন্ধ্যায় রাজধানীর রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে আয়োজিত এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে ওয়ালটনকে তিনটি ক্যাটাগরিতে ‘এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ডস-২০২৬’ প্রদান করা হয়।  ‘এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ গ্রহণ করছেন ওয়ালটন হাই-টেকের চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদসহ প্রতিষ্ঠানটির উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ পুরস্কারগুলো গ্রহণ করেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এএমডি) মো. ইউসুফ আলী, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মো. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন, শাহজালাল হোসেন লিমন, তানভীর আঞ্জুম ও প্রতীক কুমার মদক, চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদ, ইএইচএস অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি বিভাগের প্রধান মো. মোস্তাফিজুর রহমান রাজু প্রমুখ।    পুরস্কারপ্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় ওয়ালটন হাই-টেকের এএমডি মো. ইউসুফ আলী বলেন, তিন ক্যাটাগরিতে ‘এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ অর্জন করায় ওয়ালটন পরিবার অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। ওয়ালটনকে মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কার প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। তিনি জানান, বাংলাদেশের শিল্প খাতের টেকসই উন্নয়নে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এসডিজি এবং সরকারের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নীতির আলোকে ওয়ালটন কারখানার উৎপাদন প্রক্রিয়া, কর্মক্ষেত্রসহ সর্বত্র পরিবেশবান্ধব সবুজ উন্নয়ন নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। জিরো কার্বন নিঃসরণ, সাশ্রয়ী জ্বালানি, পানি ও বিদ্যুৎ ব্যবহারে নবায়নযোগ্য বিভিন্ন ক্লিন ও গ্রিন এনার্জি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে ওয়ালটন। এরই ধারাবাহিকতায় গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্সে নিজস্ব অর্থায়নে ওয়ালটন মোট ৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন। ইতোমধ্যে ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্সে স্থাপন করা হয়েছে ১৯.২০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট। যার মধ্যে রয়েছে রুফটফ সোলার প্ল্যান্ট, গ্রাউন্ড মাউন্টেড সোলার প্ল্যান্ট এবং দেশের সর্ববৃহৎ ফ্লোটিং বা ভাসমান সোলার প্ল্যান্ট। এসব সোলার প্ল্যান্ট থেকে বছরে প্রায় ২২ হাজার ৪৫০ মেগাওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে, যা ওয়ালটনের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ১৭ শতাংশ পূরণ করছে।  ‘এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ গ্রহণ করছেন ওয়ালটন হাই-টেকের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ অফিসার তানভীর আঞ্জুমসহ প্রতিষ্ঠানটির উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ তিনি আরো জানান, শিল্প প্রক্রিয়ায় পানি সাশ্রয় ও পুনঃব্যবহারে ইটিপির মাধ্যমে প্রক্রিয়াজাতকৃত পানির প্রায় ৭৫ শতাংশ নিরাপদভাবে পুনঃব্যবহার করা হচ্ছে। ই-বর্জ্য সংগ্রহ ও প্রক্রিয়াজাত করার মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার পাশাপাশি প্লাস্টিক পুনঃর্ব্যবহার ও আপসাইক্লিংয়ের মাধ্যমে বর্জ্য কমিয়ে সম্পদের পুনঃব্যবহার নিশ্চিত করছে ওয়ালটন। ওয়ালটনের এই অগ্রগতি প্রমাণ করে, ওয়ালটন কেবল পরিবেশবান্ধব নীতি গ্রহণই করেনি, বরং তা বাস্তবে প্রয়োগ করে দীর্ঘমেয়াদে টেকসই শিল্প ও সামাজিক দায়বদ্ধতার একটি মডেল তৈরি করেছে।  সাসটেইনেবল ব্র্যান্ড ইনিশিয়েটিভ ও বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের সহযোগিতায় এবং বাংলাদেশ ইনোভেশন কনক্লেভের উদ্যোগে এই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে- টেকসই উন্নয়নের জন্য কাজ করা প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বীকৃতি দেওয়া। এ বছর ১৯টি ক্যাটাগরিতে মোট ৪৫৭টি মনোনয়ন জমা পড়ে। যেখান থেকে কঠোর মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’সহ ৫৯টি টেকসই উদ্যোগকে ‘এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ডস-২০২৬’ প্রদান করা হয়েছে। </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/07/nbs24_19-07-2026_61.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/07/nbs24_19-07-2026_61.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/07/nbs24_19-07-2026_61.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ক্রেতাদের জন্য রয়েছে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত ক্যাশভাউচার ও ক্যাশব্যাক পাওয়ার সুযোগ]]></title>
        <link>https://nbs24.org/economy/47346</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/economy/47346</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 15 Jul 2026 17:29:45 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
                <category><![CDATA[করপোরেট খবর]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, r bangla news, news bangla, atn bangla news, aaj bangla news, bangla news live, bangla tv news, bd news bangla, bangla news today, today bangla news, bbc news bangla, bangla news update, news18 bangla, republic bangla news, bangla news west bengal, news18 bangla live, bangla khobor news in bangla, bangladesh news, news bangladesh, aajbangla news live, bangladeshi news, bangladesh tv news, banglavision news, bangladesh news today, news today bangladesh, banglanews, banglavision news today, r bangla, atn bangla, bbc bangla]]></category>
        
        <description><![CDATA[দেশের সুপারব্র্যান্ড ওয়ালটনের ল্যাপটপ, ডেক্সটপ, অল-ইন-ওয়ান পিসি, ট্যাবলেট, প্রিন্টার, মনিটর ও স্পিকারসহ বিভিন্ন কম্পিউটার এক্সেসরিজ কিনে ক্রেতারা পেতে পারেন সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা পর্যন্ত ক্যাশভাউচার। এছাড়াও, কম্পিউটার পণ্য কেনায় ১ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ৮,০০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক এবং তাকিওন ই-বাইকে ক্রয়ে ৮ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক পাবেন ক্রেতারা।  ‘ওয়ালটন কম্পিউটার মেগা ডিল অফার’ এবং ‘তাকিওন ই-বাইক মেগা ডিল অফার’ ক্যাম্পেইনের আওতায় দেশের যেকোনো ওয়ালটন প্লাজা, অনলাইন সেলস প্লাটফর্ম ই-প্লাজা বা ওয়েবসাইট থেকে ই-বাইক, কম্পিউটার পণ্য ও আইটি এক্সেসরিজ কেনায় ক্রেতাদের এসব সুবিধা দিচ্ছে দেশের টেক জায়ান্ট ওয়ালটন। চলতি মাসের ৯ তারিখ থেকে আগামি ৩০ সেপ্টেম্বও, ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত এসব সুবিধা পাবেন ক্রেতারা।  ওয়ালটন কম্পিউটার পণ্যের চিফ বিজনেস অফিসার (সিবিও) তৌহিদুর রহমান রাদ জানান, গ্রাহকদের হাতে আন্তর্জাতিকমানের প্রযুক্তি পণ্য তুলে দেয়ার পাশাপাশি সর্বোচ্চ গ্রাহক সন্তুষ্টি অর্জনই ওয়ালটনের মূল লক্ষ্য। এরই প্রেক্ষিতে কম্পিউটার ও ই-বাইক ক্রয়ে গ্রাহকদের ১ লাখ টাকা পর্যন্ত ক্যাশভাউচার ও ক্যাশব্যাক সুবিধা দিচ্ছে ওয়ালটন। আমাদের প্রত্যাশা, এর মাধ্যমে সহজেই এসব প্রযুক্তি পণ্য সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন গ্রাহকগণ। পণ্য কেনার পর স্বয়ংক্রিয় মেসেজের মাধ্যমে ক্যাশভাউচার ও ক্যাশব্যাকের পরিমাণ গ্রাহককে জানিয়ে দেওয়া হবে এবং সংশ্লিষ্ট শোরুম থেকে সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন। ক্যাম্পেইনের আওতায় অন্যান্য কম্পিউটার এক্সেসরিজ পণ্যের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন মডেলের অ্যাকসেস কন্ট্রোল, ক্যাবল এন্ড কনভার্টার, কার্টিজ, সিসিটিভি, কুলার, হাব, পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট, রাউটার, স্মার্ট ওয়াচ, ট্যাবলেট, ওয়েইট স্কেল, পাওয়ার ব্যাংক, মেমোরি কার্ড, র‌্যাম, এসএসডি ড্রাইভ, মাউস, পেন ড্রাইভ, হেডফোন, ওয়াই-ফাই রাউটার, ইউএসবি ক্যাবল, স্পিকার, পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট এবং ইউপিএস ইত্যাদি। এদিকে ওয়ালটনের রয়েছে ৮ মডেলের তাকিওন ই-বাইক। যার দাম পড়ছে ৭৮ হাজার ৭৫০ টাকা থেকে ১ লাখ ৬৯ হাজার ৯৯৯ টাকা।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/07/nbs24-15-07-2026_21.webp" alt="ক্রেতাদের জন্য রয়েছে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত ক্যাশভাউচার ও ক্যাশব্যাক পাওয়ার সুযোগ" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ক্রেতাদের জন্য রয়েছে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত ক্যাশভাউচার ও ক্যাশব্যাক পাওয়ার সুযোগ</h1>
            <p>দেশের সুপারব্র্যান্ড ওয়ালটনের ল্যাপটপ, ডেক্সটপ, অল-ইন-ওয়ান পিসি, ট্যাবলেট, প্রিন্টার, মনিটর ও স্পিকারসহ বিভিন্ন কম্পিউটার এক্সেসরিজ কিনে ক্রেতারা পেতে পারেন সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা পর্যন্ত ক্যাশভাউচার। এছাড়াও, কম্পিউটার পণ্য কেনায় ১ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ৮,০০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক এবং তাকিওন ই-বাইকে ক্রয়ে ৮ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক পাবেন ক্রেতারা।  ‘ওয়ালটন কম্পিউটার মেগা ডিল অফার’ এবং ‘তাকিওন ই-বাইক মেগা ডিল অফার’ ক্যাম্পেইনের আওতায় দেশের যেকোনো ওয়ালটন প্লাজা, অনলাইন সেলস প্লাটফর্ম ই-প্লাজা বা ওয়েবসাইট থেকে ই-বাইক, কম্পিউটার পণ্য ও আইটি এক্সেসরিজ কেনায় ক্রেতাদের এসব সুবিধা দিচ্ছে দেশের টেক জায়ান্ট ওয়ালটন। চলতি মাসের ৯ তারিখ থেকে আগামি ৩০ সেপ্টেম্বও, ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত এসব সুবিধা পাবেন ক্রেতারা।  ওয়ালটন কম্পিউটার পণ্যের চিফ বিজনেস অফিসার (সিবিও) তৌহিদুর রহমান রাদ জানান, গ্রাহকদের হাতে আন্তর্জাতিকমানের প্রযুক্তি পণ্য তুলে দেয়ার পাশাপাশি সর্বোচ্চ গ্রাহক সন্তুষ্টি অর্জনই ওয়ালটনের মূল লক্ষ্য। এরই প্রেক্ষিতে কম্পিউটার ও ই-বাইক ক্রয়ে গ্রাহকদের ১ লাখ টাকা পর্যন্ত ক্যাশভাউচার ও ক্যাশব্যাক সুবিধা দিচ্ছে ওয়ালটন। আমাদের প্রত্যাশা, এর মাধ্যমে সহজেই এসব প্রযুক্তি পণ্য সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন গ্রাহকগণ। পণ্য কেনার পর স্বয়ংক্রিয় মেসেজের মাধ্যমে ক্যাশভাউচার ও ক্যাশব্যাকের পরিমাণ গ্রাহককে জানিয়ে দেওয়া হবে এবং সংশ্লিষ্ট শোরুম থেকে সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন। ক্যাম্পেইনের আওতায় অন্যান্য কম্পিউটার এক্সেসরিজ পণ্যের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন মডেলের অ্যাকসেস কন্ট্রোল, ক্যাবল এন্ড কনভার্টার, কার্টিজ, সিসিটিভি, কুলার, হাব, পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট, রাউটার, স্মার্ট ওয়াচ, ট্যাবলেট, ওয়েইট স্কেল, পাওয়ার ব্যাংক, মেমোরি কার্ড, র‌্যাম, এসএসডি ড্রাইভ, মাউস, পেন ড্রাইভ, হেডফোন, ওয়াই-ফাই রাউটার, ইউএসবি ক্যাবল, স্পিকার, পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট এবং ইউপিএস ইত্যাদি। এদিকে ওয়ালটনের রয়েছে ৮ মডেলের তাকিওন ই-বাইক। যার দাম পড়ছে ৭৮ হাজার ৭৫০ টাকা থেকে ১ লাখ ৬৯ হাজার ৯৯৯ টাকা।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/07/nbs24-15-07-2026_21.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/07/nbs24-15-07-2026_21.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/07/nbs24-15-07-2026_21.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ক্রিকেটার তাসকিন, অভিনেত্রী মিমের সঙ্গে আনন্দঘন সময় কাটালেন ওয়ালটন ফ্রিজ ও এসির ২৪ ক্রেতা]]></title>
        <link>https://nbs24.org/economy/43840</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/economy/43840</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 29 Jun 2026 21:18:56 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
                <category><![CDATA[করপোরেট খবর]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, r bangla news, atn bangla news, aaj bangla news, bangla news live, bangla tv news, bd news bangla, news 18 bangla, bangla news today, r bangla news live, today bangla news, bbc news bangla, bangla news update, banngla news, news18 bangla, republic bangla news, bangla news west bengal, news18 bangla live, republic bangla live news, republic bangla news live today, bangladesh news, aajbangla news live, news18 bangla headlines, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh news today, banglanews, dupurer news bangladesh]]></category>
        
        <description><![CDATA[তারকা ক্রিকেটার তাসকিন আহমেদ এবং জনপ্রিয় অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিমের সঙ্গে ডিনার অনুষ্ঠানে আনন্দঘন সময় কাটান ওয়ালটন ফ্রিজ ও এসির ২৪ জন ক্রেতা জাতীয় দলের তারকা পেসার তাসকিন আহমেদ এবং ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিমের সঙ্গে এক জমকালো ডিনারে আনন্দঘন সময় কাটিয়েছেন নাম্বার ওয়ান রেফ্রিজারেটর ও এয়ার কন্ডিশনার ব্র্যান্ড ওয়ালটনের ২৪ জন ক্রেতা। দেশজুড়ে চলমান ওয়ালটনের ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৪ এর আওতায় এই সুবিধা পান তাঁরা।  উল্লেখ্য, ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন ২৪ এ ‘নেক্সট লেভেল ডিল’ অফারের আওতায় ওয়ালটন ফ্রিজ, এসি, ওয়াশিং মেশিন বা বিএলডিসি ফ্যান কিনে ক্রেতাদের জন্য রয়েছে মিলিয়নিয়ার বা নগদ ১০ লাখ টাকা পাওয়ার সুবিধা। এছাড়াও রয়েছে জাতীয় ক্রিকেট দলের তারকা পেসার তাসকিন এবং জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিমের সঙ্গে ডিনার করার সুবিধা। এরই ধারাবাহিকতায় সিজন-২৪ এ ওয়ালটন ফ্রিজ ও এসি কিনে এই সুবিধা পেয়েছেন ২৪ জন ক্রেতা। তাদের মধ্যে ২ জন পেয়েছেন থাইল্যান্ড ভ্রমণের ট্রাভেল কুপন।  গত শুক্রবার (২৭ জুন, ২০২৬) রাজধানীর পাঁচতারকা হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ২৪ জন গ্রাহকের সম্মানে এক জমকালো ডিনার অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ওয়ালটন কর্তৃপক্ষ। অনুষ্ঠানে গ্রাহকেরা ক্রিকেটার তাসকিন আহমেদের সঙ্গে ক্রিকেট খেলায় অংশ নেন। পাশাপাশি অভিনেত্রী মিমের সঙ্গে গল্প-আড্ডায় মেতে ওঠেন। সেসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন হাই-টেকের চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদ এবং সিনিয়র এডিশনাল এক্সিকিউটভি ডিরেক্টর রবিউল ইসলাম মিলটনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ। ডিনার অনুষ্ঠানে চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদ বলেন, ব্যবসার পাশাপাশি ওয়ালটন ব্র্যান্ডের টার্গেট থাকে গ্রাহকদের বাড়তি সুবিধা ও আনন্দ দেয়া। বাড়তি সুবিধা দেয়ার কারণে ওয়ালটন ও তার গ্রাহকদের মধ্যে আস্থার জায়গা আরো সুদৃঢ় হচ্ছে। ক্রেতাদের এই আস্থায় ভর করেই ওয়ালটন আজ এতোবড় প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। জাতীয় দলের ক্রিকেটার তাসকিন আহমেদ এবং ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিমের সঙ্গে ডিনারসহ আনন্দঘন এই মুহুর্তটি গ্রাহকরা জীবনে একটি সুখস্মৃতি হয়ে থাকবে। ওয়ালটন পণ্যের গ্রাহকদের জন্য এমন আয়োজন ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে। চলতি বছরের ৮ এপ্রিল থেকে দেশব্যাপী চলমান ওয়ালটন ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৪ এর মেয়াদ শেষ হবে ৩০ জুন, ২০২৬। ক্যাম্পেইনের এই সিজনে ইতোমধ্যে দেশজুড়ে ওয়ালটন ফ্রিজ এবং এসি কিনে মিলিয়নিয়ার অর্থাৎ ১০ লাখ টাকা পেয়েছেন ৬ জন ক্রেতা। তারা হলেন: ভালুকার খোকন মিয়া, রাজধানীর মাহমুদুল হাসান, নাটোরের গৃহবধূ আফরোজা বেগম, বান্দরবানের সুপ্রকাশ চাকমা, বাগেরহাটের দিনমজুর কুদ্দুস হাওলাদার এবং নরসিংদীর গৃহবধূ তাহমিনা আক্তার। মিলিয়নিয়ারের পাশাপাশি তাসকিন এবং মিমের সঙ্গে ডিনারের সুযোগ পেয়েছে ২৪ জন। এছাড়াও এক লাখ টাকা পর্যন্ত ক্যাশ ভাউচারসহ আর্জেন্টিনার ফ্যান জার্সি ফ্রি পেয়েছেন অসংখ্য ক্রেতা।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-29-06-2026_114.webp" alt="ক্রিকেটার তাসকিন, অভিনেত্রী মিমের সঙ্গে আনন্দঘন সময় কাটালেন ওয়ালটন ফ্রিজ ও এসির ২৪ ক্রেতা" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ক্রিকেটার তাসকিন, অভিনেত্রী মিমের সঙ্গে আনন্দঘন সময় কাটালেন ওয়ালটন ফ্রিজ ও এসির ২৪ ক্রেতা</h1>
            <p>তারকা ক্রিকেটার তাসকিন আহমেদ এবং জনপ্রিয় অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিমের সঙ্গে ডিনার অনুষ্ঠানে আনন্দঘন সময় কাটান ওয়ালটন ফ্রিজ ও এসির ২৪ জন ক্রেতা জাতীয় দলের তারকা পেসার তাসকিন আহমেদ এবং ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিমের সঙ্গে এক জমকালো ডিনারে আনন্দঘন সময় কাটিয়েছেন নাম্বার ওয়ান রেফ্রিজারেটর ও এয়ার কন্ডিশনার ব্র্যান্ড ওয়ালটনের ২৪ জন ক্রেতা। দেশজুড়ে চলমান ওয়ালটনের ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৪ এর আওতায় এই সুবিধা পান তাঁরা।  উল্লেখ্য, ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন ২৪ এ ‘নেক্সট লেভেল ডিল’ অফারের আওতায় ওয়ালটন ফ্রিজ, এসি, ওয়াশিং মেশিন বা বিএলডিসি ফ্যান কিনে ক্রেতাদের জন্য রয়েছে মিলিয়নিয়ার বা নগদ ১০ লাখ টাকা পাওয়ার সুবিধা। এছাড়াও রয়েছে জাতীয় ক্রিকেট দলের তারকা পেসার তাসকিন এবং জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিমের সঙ্গে ডিনার করার সুবিধা। এরই ধারাবাহিকতায় সিজন-২৪ এ ওয়ালটন ফ্রিজ ও এসি কিনে এই সুবিধা পেয়েছেন ২৪ জন ক্রেতা। তাদের মধ্যে ২ জন পেয়েছেন থাইল্যান্ড ভ্রমণের ট্রাভেল কুপন।  গত শুক্রবার (২৭ জুন, ২০২৬) রাজধানীর পাঁচতারকা হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ২৪ জন গ্রাহকের সম্মানে এক জমকালো ডিনার অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ওয়ালটন কর্তৃপক্ষ। অনুষ্ঠানে গ্রাহকেরা ক্রিকেটার তাসকিন আহমেদের সঙ্গে ক্রিকেট খেলায় অংশ নেন। পাশাপাশি অভিনেত্রী মিমের সঙ্গে গল্প-আড্ডায় মেতে ওঠেন। সেসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন হাই-টেকের চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদ এবং সিনিয়র এডিশনাল এক্সিকিউটভি ডিরেক্টর রবিউল ইসলাম মিলটনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ। ডিনার অনুষ্ঠানে চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদ বলেন, ব্যবসার পাশাপাশি ওয়ালটন ব্র্যান্ডের টার্গেট থাকে গ্রাহকদের বাড়তি সুবিধা ও আনন্দ দেয়া। বাড়তি সুবিধা দেয়ার কারণে ওয়ালটন ও তার গ্রাহকদের মধ্যে আস্থার জায়গা আরো সুদৃঢ় হচ্ছে। ক্রেতাদের এই আস্থায় ভর করেই ওয়ালটন আজ এতোবড় প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। জাতীয় দলের ক্রিকেটার তাসকিন আহমেদ এবং ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিমের সঙ্গে ডিনারসহ আনন্দঘন এই মুহুর্তটি গ্রাহকরা জীবনে একটি সুখস্মৃতি হয়ে থাকবে। ওয়ালটন পণ্যের গ্রাহকদের জন্য এমন আয়োজন ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে। চলতি বছরের ৮ এপ্রিল থেকে দেশব্যাপী চলমান ওয়ালটন ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৪ এর মেয়াদ শেষ হবে ৩০ জুন, ২০২৬। ক্যাম্পেইনের এই সিজনে ইতোমধ্যে দেশজুড়ে ওয়ালটন ফ্রিজ এবং এসি কিনে মিলিয়নিয়ার অর্থাৎ ১০ লাখ টাকা পেয়েছেন ৬ জন ক্রেতা। তারা হলেন: ভালুকার খোকন মিয়া, রাজধানীর মাহমুদুল হাসান, নাটোরের গৃহবধূ আফরোজা বেগম, বান্দরবানের সুপ্রকাশ চাকমা, বাগেরহাটের দিনমজুর কুদ্দুস হাওলাদার এবং নরসিংদীর গৃহবধূ তাহমিনা আক্তার। মিলিয়নিয়ারের পাশাপাশি তাসকিন এবং মিমের সঙ্গে ডিনারের সুযোগ পেয়েছে ২৪ জন। এছাড়াও এক লাখ টাকা পর্যন্ত ক্যাশ ভাউচারসহ আর্জেন্টিনার ফ্যান জার্সি ফ্রি পেয়েছেন অসংখ্য ক্রেতা।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-29-06-2026_114.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-29-06-2026_114.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-29-06-2026_114.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[দেশজুড়ে ৭ শতাধিক ওয়ালটন প্লাজায় মেডিক্যাল ক্যাম্পে ফ্রি চিকিৎসা প্রদান]]></title>
        <link>https://nbs24.org/economy/42805</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/economy/42805</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 25 Jun 2026 06:37:27 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
                <category><![CDATA[করপোরেট খবর]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, r bangla news, atn bangla news, aaj bangla news, bangla news live, bangla tv news, bd news bangla, news 18 bangla, bangla news today, r bangla news live, today bangla news, bbc news bangla, bangla news update, banngla news, news18 bangla, republic bangla news, bangla news west bengal, news18 bangla live, republic bangla live news, republic bangla news live today, bangladesh news, aajbangla news live, news18 bangla headlines, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh news today, banglanews, dupurer news bangladesh]]></category>
        
        <description><![CDATA[দেশজুড়ে ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প ও বিশেষ হটলাইন নাম্বার উদ্বোধন করছেন ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজিং পার্টনার এস এম মাহবুবুল আলম, ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ রায়হানসহ ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তারা দেশের শীর্ষ ইলেকট্রনিক্স পণ্য বিক্রয় ও সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন প্লাজা সারাদেশে দিনব্যাপী মেডিক্যাল ক্যাম্পের আওতায় জনসাধারণকে ফ্রি চিকিৎসাসেবা প্রদান করেছে। বুধবার (২৪ জুন, ২০২৬) দেশজুড়ে একযোগে ৭ শতাধিক ওয়ালটন প্লাজায় দিনব্যাপী এই চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়। ওয়ালটন প্লাজার গ্রাহকগণ থেকে শুরু করে সর্বস্তরের মানুষ ফ্রি মেডিক্যাল সেবা গ্রহণ করেন।  রাজধানীর মিরপুর মাজার রোড ওয়ালটন প্লাজায় ফিতা কেটে মেডিক্যাল ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজিং পার্টনার এস এম মাহবুবুল আলম। সে সময় তিনি ওয়ালটন প্লাজার হ্যাপিনেস অ্যান্ড হেলথ কেয়ার প্রজেক্টের আওতায় গ্রাহকদের ফ্রি চিকিৎসা সেবা দেয়ার লক্ষ্যে একটি বিশেষ হটলাইন নাম্বার (০৯৬০৬-৯৯০০২৯) উদ্বোধন করেন। সদ্য চালু হওয়া এই হটলাইন নাম্বারে কল করে ফ্রি চিকিৎসা সেবা নিতে পারবেন ওয়ালটন প্লাজার গ্রাহকগণ। ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্পের আওতায় রোগিদের ব্যবস্থাপত্র এবং ওষুধ প্রদান করা হয়। এছাড়াও বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ছিলো রক্তদান কর্মসূচী। ওয়ালটন প্লাজা থেকে সংগৃহীত রক্ত ব্যবহার করা হবে থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত রোগীদের সেবায়। অনুষ্ঠানে ওয়ালটন প্লাজা ম্যানেজিং পার্টনার এস এম মাহবুবুল আলম বলেন, দেশজুড়ে ওয়ালটন প্লাজাগুলোতে ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্পের মাধ্যমে দিনব্যাপী ক্রেতাসাধারণসহ সকলকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ। ‘কিস্তি ক্রেতা সুরক্ষা পলিসি’সহ গ্রাহকবান্ধব বিভিন্ন প্রোগ্রামের আওতায় ওয়ালটন প্লাজার মাধ্যমে সারা বছরই ক্রেতাসাধারণের জন্য নানাবিধ বিশেষ সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে। এটা ক্রেতাদের জন্য আমাদের দায়িত্বশীলতা ও ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ। সারা দেশে একযোগে চলমান দিনব্যাপী এই ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্পের সুবিধা গ্রহণ করতে পারছেন ওয়ালটন প্লাজার গ্রাহক থেকে শুরু করে দেশের সর্বস্তরের মানুষ। আমাদের প্রত্যাশা, ওয়ালটনের এসব প্রোগ্রাম অনুসরণ করে দেশের অন্যান্য ব্র্যান্ড ও কোম্পানিও সাধারণ মানুষের জন্য বিভিন্ন সুবিধা প্রদানে উৎসাহিত হবে। ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ রায়হান, ওয়ালটন হাই-টেকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মফিজুর রহমান, চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদ, ওয়ালটন হাই-টেকের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর তানভীর আঞ্জুম, ওয়ালটন প্লাজার হেড অব এইচআর মো. ফয়সাল ওয়াহিদ, ওয়ালটন প্লাজার চিফ সেলস এক্সিকিউটিভ এম এম নাজমুল হাসানসহ চিকিৎসা সেবা গ্রহণকারীগণ। অনলাইনে যুক্ত হন সারাদেশের সকল ওয়ালটন প্লাজার প্রতিনিধিবৃন্দ। ওয়ালটন প্লাজার এমডি মোহাম্মদ রায়হান বলেন, আজকের এই অনুষ্ঠান প্রমাণ করে ওয়ালটন প্লাজা শুধু পণ্য বিক্রির মাধ্যমে ব্যবসা করে না, গ্রাহকদের সর্বোচ্চ সুবিধা নিশ্চিত করার মাধ্যমে তাদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখে। এভাবেই জনমানুষের আস্থার প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে ওয়ালটন প্লাজা।  তিনি জানান, শুধু বাংলাদেশেই নয়; বিশ্বে একমাত্র ওয়ালটন প্লাজাই ক্রেতাদের জন্য ‘কিস্তি ক্রেতা ও পরিবার সুরক্ষা নীতি’ পরিচালনা করছে। ব্যতিক্রমী ও মহৎ এই নীতির আওতায় দেশের যে কোনো ওয়ালটন প্লাজা থেকে কিস্তিতে পণ্য ক্রয়কারীদের দেয়া হচ্ছে সুরক্ষা কার্ড। কিস্তি চলমান থাকা অবস্থায় সুরক্ষা কার্ডধারীর মৃত্যু হলে পণ্যমূল্যের ভিত্তিতে ৫০ হাজার থেকে ৩ লাখ এবং তার পরিবারের কোনো সদস্য মৃত্যুবরণ করলে ২৫ হাজার থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে ওয়ালটন প্লাজা। প্রদত্ত আর্থিক সহয়তার মধ্য থেকে সংশ্লিষ্ট পণ্যের অনাদায়ী কিস্তির টাকা সমন্বয়ের পর অবশিষ্ট নগদ টাকা সুরক্ষা কার্ডধারী বা তার পরিবারকে দেয়া হচ্ছে। এছাড়া মৃত্যুবরণকারী সুরক্ষা কার্ডধারীর পরিবারের যোগ্য সদস্যদের ওয়ালটনে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।  জানা গেছে, দেশব্যাপী ইতোমধ্যে দেড় সহ¯্রাধিক কিস্তি ক্রেতা ও গ্রাহকের পরিবারকে তিন কোটি টাকারও বেশি আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ বকেয়া কিস্তির টাকা মওকুফ করা হয়েছে। এছাড়াও আর্থিক সহায়তা গ্রহণের অপেক্ষায় রয়েছে আরো বেশ কিছু গ্রাহকের পরিবার। উল্লেখ্য, ওয়ালটন প্লাজা থেকে কিস্তিতে পণ্য কেনা গ্রাহকদের সেবা দিতে ডায়াগনস্টিক সেন্টারসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করেছে ওয়ালটন প্লাজা। এর আওতায় স্বনামধন্য হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, জীবন বীমা, রেস্তোরাঁসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কিস্তি ক্রেতা সুরক্ষা কার্ডধারীদের জন্য সর্বোচ্চ সেবা ও মূল্যছাড়সহ বিশেষ সুবিধা দেওয়ার ব্যবস্থা নিয়েছে ওয়ালটন প্লাজা। প্রতিটি ওয়ালটন প্লাজায় সুরক্ষা কার্ডধারী গ্রাহকদের মেডিক্যাল সেবা প্রদানের জন্য সারাবছরই নিয়োজিত রয়েছেন ওয়ালটনের নিয়োগপ্রাপ্ত ‘হ্যাপিনেস অ্যান্ড হেলথ অফিসার’। এছাড়া বিশেষ বিবেচনায় সুরক্ষা কার্ডধারী গ্রাহকণের জন্য রয়েছে বিদেশ ভ্রমণের সুযোগ।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-25-06-2026_116.webp" alt="দেশজুড়ে ৭ শতাধিক ওয়ালটন প্লাজায় মেডিক্যাল ক্যাম্পে ফ্রি চিকিৎসা প্রদান" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>দেশজুড়ে ৭ শতাধিক ওয়ালটন প্লাজায় মেডিক্যাল ক্যাম্পে ফ্রি চিকিৎসা প্রদান</h1>
            <p>দেশজুড়ে ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প ও বিশেষ হটলাইন নাম্বার উদ্বোধন করছেন ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজিং পার্টনার এস এম মাহবুবুল আলম, ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ রায়হানসহ ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তারা দেশের শীর্ষ ইলেকট্রনিক্স পণ্য বিক্রয় ও সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন প্লাজা সারাদেশে দিনব্যাপী মেডিক্যাল ক্যাম্পের আওতায় জনসাধারণকে ফ্রি চিকিৎসাসেবা প্রদান করেছে। বুধবার (২৪ জুন, ২০২৬) দেশজুড়ে একযোগে ৭ শতাধিক ওয়ালটন প্লাজায় দিনব্যাপী এই চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়। ওয়ালটন প্লাজার গ্রাহকগণ থেকে শুরু করে সর্বস্তরের মানুষ ফ্রি মেডিক্যাল সেবা গ্রহণ করেন।  রাজধানীর মিরপুর মাজার রোড ওয়ালটন প্লাজায় ফিতা কেটে মেডিক্যাল ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজিং পার্টনার এস এম মাহবুবুল আলম। সে সময় তিনি ওয়ালটন প্লাজার হ্যাপিনেস অ্যান্ড হেলথ কেয়ার প্রজেক্টের আওতায় গ্রাহকদের ফ্রি চিকিৎসা সেবা দেয়ার লক্ষ্যে একটি বিশেষ হটলাইন নাম্বার (০৯৬০৬-৯৯০০২৯) উদ্বোধন করেন। সদ্য চালু হওয়া এই হটলাইন নাম্বারে কল করে ফ্রি চিকিৎসা সেবা নিতে পারবেন ওয়ালটন প্লাজার গ্রাহকগণ। ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্পের আওতায় রোগিদের ব্যবস্থাপত্র এবং ওষুধ প্রদান করা হয়। এছাড়াও বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ছিলো রক্তদান কর্মসূচী। ওয়ালটন প্লাজা থেকে সংগৃহীত রক্ত ব্যবহার করা হবে থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত রোগীদের সেবায়। অনুষ্ঠানে ওয়ালটন প্লাজা ম্যানেজিং পার্টনার এস এম মাহবুবুল আলম বলেন, দেশজুড়ে ওয়ালটন প্লাজাগুলোতে ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্পের মাধ্যমে দিনব্যাপী ক্রেতাসাধারণসহ সকলকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ। ‘কিস্তি ক্রেতা সুরক্ষা পলিসি’সহ গ্রাহকবান্ধব বিভিন্ন প্রোগ্রামের আওতায় ওয়ালটন প্লাজার মাধ্যমে সারা বছরই ক্রেতাসাধারণের জন্য নানাবিধ বিশেষ সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে। এটা ক্রেতাদের জন্য আমাদের দায়িত্বশীলতা ও ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ। সারা দেশে একযোগে চলমান দিনব্যাপী এই ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্পের সুবিধা গ্রহণ করতে পারছেন ওয়ালটন প্লাজার গ্রাহক থেকে শুরু করে দেশের সর্বস্তরের মানুষ। আমাদের প্রত্যাশা, ওয়ালটনের এসব প্রোগ্রাম অনুসরণ করে দেশের অন্যান্য ব্র্যান্ড ও কোম্পানিও সাধারণ মানুষের জন্য বিভিন্ন সুবিধা প্রদানে উৎসাহিত হবে। ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ রায়হান, ওয়ালটন হাই-টেকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মফিজুর রহমান, চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদ, ওয়ালটন হাই-টেকের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর তানভীর আঞ্জুম, ওয়ালটন প্লাজার হেড অব এইচআর মো. ফয়সাল ওয়াহিদ, ওয়ালটন প্লাজার চিফ সেলস এক্সিকিউটিভ এম এম নাজমুল হাসানসহ চিকিৎসা সেবা গ্রহণকারীগণ। অনলাইনে যুক্ত হন সারাদেশের সকল ওয়ালটন প্লাজার প্রতিনিধিবৃন্দ। ওয়ালটন প্লাজার এমডি মোহাম্মদ রায়হান বলেন, আজকের এই অনুষ্ঠান প্রমাণ করে ওয়ালটন প্লাজা শুধু পণ্য বিক্রির মাধ্যমে ব্যবসা করে না, গ্রাহকদের সর্বোচ্চ সুবিধা নিশ্চিত করার মাধ্যমে তাদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখে। এভাবেই জনমানুষের আস্থার প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে ওয়ালটন প্লাজা।  তিনি জানান, শুধু বাংলাদেশেই নয়; বিশ্বে একমাত্র ওয়ালটন প্লাজাই ক্রেতাদের জন্য ‘কিস্তি ক্রেতা ও পরিবার সুরক্ষা নীতি’ পরিচালনা করছে। ব্যতিক্রমী ও মহৎ এই নীতির আওতায় দেশের যে কোনো ওয়ালটন প্লাজা থেকে কিস্তিতে পণ্য ক্রয়কারীদের দেয়া হচ্ছে সুরক্ষা কার্ড। কিস্তি চলমান থাকা অবস্থায় সুরক্ষা কার্ডধারীর মৃত্যু হলে পণ্যমূল্যের ভিত্তিতে ৫০ হাজার থেকে ৩ লাখ এবং তার পরিবারের কোনো সদস্য মৃত্যুবরণ করলে ২৫ হাজার থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে ওয়ালটন প্লাজা। প্রদত্ত আর্থিক সহয়তার মধ্য থেকে সংশ্লিষ্ট পণ্যের অনাদায়ী কিস্তির টাকা সমন্বয়ের পর অবশিষ্ট নগদ টাকা সুরক্ষা কার্ডধারী বা তার পরিবারকে দেয়া হচ্ছে। এছাড়া মৃত্যুবরণকারী সুরক্ষা কার্ডধারীর পরিবারের যোগ্য সদস্যদের ওয়ালটনে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।  জানা গেছে, দেশব্যাপী ইতোমধ্যে দেড় সহ¯্রাধিক কিস্তি ক্রেতা ও গ্রাহকের পরিবারকে তিন কোটি টাকারও বেশি আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ বকেয়া কিস্তির টাকা মওকুফ করা হয়েছে। এছাড়াও আর্থিক সহায়তা গ্রহণের অপেক্ষায় রয়েছে আরো বেশ কিছু গ্রাহকের পরিবার। উল্লেখ্য, ওয়ালটন প্লাজা থেকে কিস্তিতে পণ্য কেনা গ্রাহকদের সেবা দিতে ডায়াগনস্টিক সেন্টারসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করেছে ওয়ালটন প্লাজা। এর আওতায় স্বনামধন্য হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, জীবন বীমা, রেস্তোরাঁসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কিস্তি ক্রেতা সুরক্ষা কার্ডধারীদের জন্য সর্বোচ্চ সেবা ও মূল্যছাড়সহ বিশেষ সুবিধা দেওয়ার ব্যবস্থা নিয়েছে ওয়ালটন প্লাজা। প্রতিটি ওয়ালটন প্লাজায় সুরক্ষা কার্ডধারী গ্রাহকদের মেডিক্যাল সেবা প্রদানের জন্য সারাবছরই নিয়োজিত রয়েছেন ওয়ালটনের নিয়োগপ্রাপ্ত ‘হ্যাপিনেস অ্যান্ড হেলথ অফিসার’। এছাড়া বিশেষ বিবেচনায় সুরক্ষা কার্ডধারী গ্রাহকণের জন্য রয়েছে বিদেশ ভ্রমণের সুযোগ।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-25-06-2026_116.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-25-06-2026_116.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-25-06-2026_116.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[বাংলাদেশে তৈরি মাদারবোর্ড যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে, নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ব্যবহৃত হবে ওয়ালটনের প্রযুক্তিপণ্য]]></title>
        <link>https://nbs24.org/economy/41408</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/economy/41408</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 18 Jun 2026 19:29:00 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
                <category><![CDATA[করপোরেট খবর]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, r bangla news, rbangla news, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, news18 bangla, world news bangla, republic bangla news, news script bangla, today 2 pm news bangla, breaking news bangla, bbc world news bangla, news18 bangla live, international bangla news, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh news today, banglanews, bangladesh border news, banglavision news today, dupurer news bangladesh]]></category>
        
        <description><![CDATA[ওয়ালটন হেডকোয়াটার্স পরিদর্শনকালে ফিতা কেটে যুক্তরাষ্ট্রে পিসিবিএ রপ্তানি শিপমেন্ট উদ্বোধন করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এবং প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বাংলাদেশে উৎপাদিত বিশ্বমানের মাদারবোর্ড বা প্রিন্টেড সার্কিট বোর্ড অ্যাসেম্বলি প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের উন্নত নিরাপত্তা সরঞ্জামে ব্যবহারের জন্য রপ্তানি করা হচ্ছে। গাজীপুরে এক অনুষ্ঠানে এই রপ্তানি চালানের উদ্বোধন করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এবং প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ। গাজীপুরের চন্দ্রায় অবস্থিত ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের প্রধান কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার আয়োজিত অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রগামী মাদারবোর্ড রপ্তানি চালানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। দেশের প্রযুক্তি খাতে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ওয়ালটন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বাংলাদেশে উৎপাদিত এই মাদারবোর্ড যুক্তরাষ্ট্রের উন্নত বন্দুকের গুলির শব্দ শনাক্তকরণ এবং জরুরি উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা ব্যবস্থার নিরাপত্তা সরঞ্জামে ব্যবহার করা হবে। যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিন অঙ্গরাজ্যভিত্তিক একটি তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এই মাদারবোর্ড আমদানি করছে। প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন জনসমাগমস্থলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নয়নে কাজ করে থাকে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ মজিবুর রহমান, ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম, পরিচালক এস এম নূরুল আলম রেজভী এবং এস এম মঞ্জুরুল আলম অভি। রপ্তানি উদ্বোধনের পাশাপাশি অতিথিরা ওয়ালটনের উৎপাদন কার্যক্রমও পরিদর্শন করেন। তারা মাদারবোর্ড উৎপাদন ইউনিট, টেলিভিশন প্যানেল প্রস্তুতকরণ কেন্দ্র, সার্কিট বোর্ড উৎপাদন ইউনিট এবং অন্যান্য আধুনিক কারখানা ঘুরে দেখেন। উৎপাদন সক্ষমতা ও প্রযুক্তিগত মান দেখে তারা সন্তোষ প্রকাশ করেন। এ সময় ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, “ওয়ালটন যে বিশাল ও আধুনিক শিল্পভিত্তি গড়ে তুলেছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। বাংলাদেশও যে বিশ্বমানের প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদন করতে সক্ষম, ওয়ালটন তার প্রমাণ দিয়েছে।” তিনি আরও বলেন, সরকার দেশীয় শিল্পের বিকাশে সহায়ক নীতি গ্রহণ করছে এবং স্থানীয় উৎপাদনকে আরও উৎসাহিত করার জন্য কর কাঠামোতেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ওয়ালটন বর্তমানে দেশের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রযুক্তিপণ্য রপ্তানি করছে। গাজীপুরের কালিয়াকৈরে প্রতিষ্ঠিত তাদের অত্যাধুনিক কারখানায় ফ্রিজ, কম্প্রেসার, টেলিভিশন, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র, ল্যাপটপ, কম্পিউটার, মোবাইল ফোনসহ নানা ধরনের প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদিত হচ্ছে। পাশাপাশি গবেষণা, উদ্ভাবন ও মান নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমও পরিচালিত হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, ‘বাংলাদেশে তৈরি’ পরিচয়ে তাদের পণ্য বর্তমানে এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা, ইউরোপ ও আমেরিকার ৫৫টিরও বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে আরও বিস্তৃত উপস্থিতি গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে দেশীয় এই প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-18-06-2026_44.webp" alt="বাংলাদেশে তৈরি মাদারবোর্ড যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে, নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ব্যবহৃত হবে ওয়ালটনের প্রযুক্তিপণ্য" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>বাংলাদেশে তৈরি মাদারবোর্ড যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে, নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ব্যবহৃত হবে ওয়ালটনের প্রযুক্তিপণ্য</h1>
            <p>ওয়ালটন হেডকোয়াটার্স পরিদর্শনকালে ফিতা কেটে যুক্তরাষ্ট্রে পিসিবিএ রপ্তানি শিপমেন্ট উদ্বোধন করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এবং প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বাংলাদেশে উৎপাদিত বিশ্বমানের মাদারবোর্ড বা প্রিন্টেড সার্কিট বোর্ড অ্যাসেম্বলি প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের উন্নত নিরাপত্তা সরঞ্জামে ব্যবহারের জন্য রপ্তানি করা হচ্ছে। গাজীপুরে এক অনুষ্ঠানে এই রপ্তানি চালানের উদ্বোধন করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এবং প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ। গাজীপুরের চন্দ্রায় অবস্থিত ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের প্রধান কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার আয়োজিত অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রগামী মাদারবোর্ড রপ্তানি চালানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। দেশের প্রযুক্তি খাতে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ওয়ালটন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বাংলাদেশে উৎপাদিত এই মাদারবোর্ড যুক্তরাষ্ট্রের উন্নত বন্দুকের গুলির শব্দ শনাক্তকরণ এবং জরুরি উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা ব্যবস্থার নিরাপত্তা সরঞ্জামে ব্যবহার করা হবে। যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিন অঙ্গরাজ্যভিত্তিক একটি তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এই মাদারবোর্ড আমদানি করছে। প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন জনসমাগমস্থলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নয়নে কাজ করে থাকে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ মজিবুর রহমান, ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম, পরিচালক এস এম নূরুল আলম রেজভী এবং এস এম মঞ্জুরুল আলম অভি। রপ্তানি উদ্বোধনের পাশাপাশি অতিথিরা ওয়ালটনের উৎপাদন কার্যক্রমও পরিদর্শন করেন। তারা মাদারবোর্ড উৎপাদন ইউনিট, টেলিভিশন প্যানেল প্রস্তুতকরণ কেন্দ্র, সার্কিট বোর্ড উৎপাদন ইউনিট এবং অন্যান্য আধুনিক কারখানা ঘুরে দেখেন। উৎপাদন সক্ষমতা ও প্রযুক্তিগত মান দেখে তারা সন্তোষ প্রকাশ করেন। এ সময় ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, “ওয়ালটন যে বিশাল ও আধুনিক শিল্পভিত্তি গড়ে তুলেছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। বাংলাদেশও যে বিশ্বমানের প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদন করতে সক্ষম, ওয়ালটন তার প্রমাণ দিয়েছে।” তিনি আরও বলেন, সরকার দেশীয় শিল্পের বিকাশে সহায়ক নীতি গ্রহণ করছে এবং স্থানীয় উৎপাদনকে আরও উৎসাহিত করার জন্য কর কাঠামোতেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ওয়ালটন বর্তমানে দেশের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রযুক্তিপণ্য রপ্তানি করছে। গাজীপুরের কালিয়াকৈরে প্রতিষ্ঠিত তাদের অত্যাধুনিক কারখানায় ফ্রিজ, কম্প্রেসার, টেলিভিশন, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র, ল্যাপটপ, কম্পিউটার, মোবাইল ফোনসহ নানা ধরনের প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদিত হচ্ছে। পাশাপাশি গবেষণা, উদ্ভাবন ও মান নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমও পরিচালিত হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, ‘বাংলাদেশে তৈরি’ পরিচয়ে তাদের পণ্য বর্তমানে এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা, ইউরোপ ও আমেরিকার ৫৫টিরও বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে আরও বিস্তৃত উপস্থিতি গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে দেশীয় এই প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-18-06-2026_44.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-18-06-2026_44.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-18-06-2026_44.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Walton Launches New XANON X22 5G Smartphone with Advanced Features at an Affordable Price]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/39469</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/39469</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[NBS News Desk]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 14 Jun 2026 04:48:07 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[Gadgets]]></category>
                        <category><![CDATA[Walton XANON X22 5G, Walton Smartphone, Bangladesh Smartphone Launch, 5G Mobile Phone, MediaTek Dimensity 7100, Android 16 Smartphone, 50MP Camera Phone, Budget 5G Smartphone, Walton Mobile Bangladesh, 6000mAh Battery Phone, Fast Charging Smartphone, Best Smartphone 2026, Gaming Smartphone, Affordable 5G Phone, New Walton Mobile]]></category>
        
        <description><![CDATA[Walton has officially launched its newest smartphone, the XANON X22 5G, expanding its popular XANON series with a feature-rich device designed to meet the growing demand for high-performance 5G smartphones in Bangladesh. The newly launched handset is powered by a 6-nanometer MediaTek Dimensity 7100 5G processor, offering enhanced speed, efficiency, and overall performance. Running on the Android 16 operating system, the smartphone incorporates LPDDR5 memory technology and supports up to 16GB of rapid memory, helping users enjoy smooth multitasking, faster application performance, improved internet browsing, 3D gaming, and lag-free video streaming. According to Walton Mobile Chief Business Officer Abu Zahid, the XANON X22 5G is available in two attractive color options—Obsidian Gray and Zenith Green. The smartphone is priced at 25,999 Bangladeshi Taka, excluding VAT. The device features a 6.8-inch U-Notch IPS display with a 120Hz refresh rate and up to 630 nits of High Brightness Mode illumination. The display is designed to provide a smooth and immersive experience for watching videos, gaming, reading, and browsing the internet. Photography is another major highlight of the new model. The smartphone is equipped with a 50-megapixel Sony IMX752 primary camera, accompanied by a 2-megapixel macro camera. On the front, users will find an 8-megapixel selfie camera with PDAF support. Additional camera features include Night Mode, Pro Video, Slow Motion, Macro Mode, and 2K Electronic Image Stabilization for improved video recording quality. The XANON X22 5G comes with 128GB of internal storage, expandable up to 512GB through a microSD card. For security, the device includes a side-mounted fingerprint scanner. To ensure long-lasting performance, Walton has included a massive 6,000mAh battery supported by 18W Type-C fast charging technology. The smartphone also offers IP64 dust and water resistance, dual-microphone active noise cancellation, Smart Touch functionality, and several software features such as Netless Chat, Dynamic Window, App Clone, Anti-Theft Touch Mode, and Hidden Apps. The smartphone is manufactured at Walton’s own production facility in Bangladesh. Customers purchasing the device will receive a special 30-day replacement guarantee along with one year of after-sales service. The XANON X22 5G is now available at Walton Plaza outlets, NexG brand shops, distributor showrooms, mobile retail stores, and through Walton’s online sales platforms.]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-14-06-2026_41.webp" alt="Walton Launches New XANON X22 5G Smartphone with Advanced Features at an Affordable Price" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Walton Launches New XANON X22 5G Smartphone with Advanced Features at an Affordable Price</h1>
            <p>Walton has officially launched its newest smartphone, the XANON X22 5G, expanding its popular XANON series with a feature-rich device designed to meet the growing demand for high-performance 5G smartphones in Bangladesh. The newly launched handset is powered by a 6-nanometer MediaTek Dimensity 7100 5G processor, offering enhanced speed, efficiency, and overall performance. Running on the Android 16 operating system, the smartphone incorporates LPDDR5 memory technology and supports up to 16GB of rapid memory, helping users enjoy smooth multitasking, faster application performance, improved internet browsing, 3D gaming, and lag-free video streaming. According to Walton Mobile Chief Business Officer Abu Zahid, the XANON X22 5G is available in two attractive color options—Obsidian Gray and Zenith Green. The smartphone is priced at 25,999 Bangladeshi Taka, excluding VAT. The device features a 6.8-inch U-Notch IPS display with a 120Hz refresh rate and up to 630 nits of High Brightness Mode illumination. The display is designed to provide a smooth and immersive experience for watching videos, gaming, reading, and browsing the internet. Photography is another major highlight of the new model. The smartphone is equipped with a 50-megapixel Sony IMX752 primary camera, accompanied by a 2-megapixel macro camera. On the front, users will find an 8-megapixel selfie camera with PDAF support. Additional camera features include Night Mode, Pro Video, Slow Motion, Macro Mode, and 2K Electronic Image Stabilization for improved video recording quality. The XANON X22 5G comes with 128GB of internal storage, expandable up to 512GB through a microSD card. For security, the device includes a side-mounted fingerprint scanner. To ensure long-lasting performance, Walton has included a massive 6,000mAh battery supported by 18W Type-C fast charging technology. The smartphone also offers IP64 dust and water resistance, dual-microphone active noise cancellation, Smart Touch functionality, and several software features such as Netless Chat, Dynamic Window, App Clone, Anti-Theft Touch Mode, and Hidden Apps. The smartphone is manufactured at Walton’s own production facility in Bangladesh. Customers purchasing the device will receive a special 30-day replacement guarantee along with one year of after-sales service. The XANON X22 5G is now available at Walton Plaza outlets, NexG brand shops, distributor showrooms, mobile retail stores, and through Walton’s online sales platforms.</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-14-06-2026_41.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-14-06-2026_41.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-14-06-2026_41.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ওয়ালটনের নতুন ‘য্যানন এক্স২২ ফাইভজি’ স্মার্টফোন বাজারে]]></title>
        <link>https://nbs24.org/technology/39468</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/technology/39468</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 14 Jun 2026 04:26:10 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
                <category><![CDATA[গ্যাজেট]]></category>
                        <category><![CDATA[walton xanon x22 review, walton xanon x22 bangla review, walton xanon x22 5g, walton xanon x22 gaming test, walton xanon x21 review, walton xanon x20 review, walton xanon x91 review, walton xanon x50 review, walton xanon x21 full review, walton xanon x21 bangla review, walton xanon x20 bangla review, walton xanon x50 full review, walton xanon x91 full review, walton xanon x1 ultra review, walton xanon x21 in-depth review, walton xanon x21 review in bangla, walton xanon x20 review in bangla, walton xanon x21]]></category>
        
        <description><![CDATA[দেশের প্রযুক্তিপণ্য বাজারে নতুন সংযোজন হিসেবে ‘য্যানন এক্স২২ ফাইভজি’ নামে নতুন একটি স্মার্টফোন উন্মোচন করেছে ওয়ালটন। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর এই স্মার্টফোনটি উন্নত কর্মক্ষমতা, দ্রুতগতির সংযোগ সুবিধা এবং ব্যবহারবান্ধব নানা বৈশিষ্ট্য নিয়ে তৈরি করা হয়েছে। ওয়ালটনের নিজস্ব কারখানায় তৈরি নতুন এই স্মার্টফোন ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন বিক্রয়কেন্দ্রে পাওয়া যাচ্ছে। ওয়ালটন মোবাইল বিভাগের প্রধান বাণিজ্য কর্মকর্তা আবু জাহিদ জানান, অবসিডিয়ান গ্রে ও জেনিথ গ্রিন—এই দুটি রঙে স্মার্টফোনটি বাজারজাত করা হয়েছে। এর মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫ হাজার ৯৯৯ টাকা, যা মূল্য সংযোজন কর ব্যতীত। দেশের বিভিন্ন ওয়ালটন প্লাজা, নেক্সজি ব্র্যান্ডশপ, পরিবেশক শোরুম এবং খুচরা বিক্রয়কেন্দ্র ছাড়াও অনলাইনের মাধ্যমে ক্রেতারা ফোনটি সংগ্রহ করতে পারবেন। প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, নতুন এই স্মার্টফোনে রয়েছে ছয় ন্যানোমিটার প্রযুক্তির শক্তিশালী প্রসেসর, যা দ্রুতগতির কাজ সম্পাদনে সক্ষম। পাশাপাশি এতে ব্যবহার করা হয়েছে উন্নত স্মৃতি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা সর্বোচ্চ ১৬ গিগাবাইট পর্যন্ত র‌্যাপিড মেমোরি সুবিধা পাবেন। অভ্যন্তরীণ সংরক্ষণক্ষমতা রয়েছে ১২৮ গিগাবাইট, যা মেমোরি কার্ডের মাধ্যমে ৫১২ গিগাবাইট পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব। ফোনটিতে রয়েছে ৬ দশমিক ৮ ইঞ্চির বড় পর্দা এবং ১২০ হার্জ রিফ্রেশ রেট, যা ভিডিও দেখা, বই পড়া, ইন্টারনেট ব্যবহার কিংবা গেম খেলার ক্ষেত্রে আরও মসৃণ অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে। আলোকস্বল্প পরিবেশেও পরিষ্কার দৃশ্য দেখার জন্য এতে উচ্চ উজ্জ্বলতার সুবিধা রাখা হয়েছে। ছবিতোলা ও ভিডিও ধারণের জন্য ফোনটির পেছনে রয়েছে ৫০ মেগাপিক্সেলের প্রধান ক্যামেরা এবং সহায়ক ম্যাক্রো ক্যামেরা। সামনে রয়েছে ৮ মেগাপিক্সেলের সেলফি ক্যামেরা। এছাড়া রাতের ছবি তোলা, ধীরগতির ভিডিও ধারণ, পেশাদার ভিডিও ধারণসহ একাধিক ক্যামেরা সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে। দীর্ঘ সময় ব্যবহার নিশ্চিত করতে এতে রয়েছে ছয় হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার ক্ষমতার ব্যাটারি। দ্রুত চার্জিং সুবিধাও সংযুক্ত করা হয়েছে, ফলে অল্প সময়েই ব্যাটারি চার্জ করা সম্ভব হবে। ধুলা ও পানির ছিটা প্রতিরোধ ব্যবস্থা, শব্দ নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তি, নিরাপত্তার জন্য আঙুলের ছাপ শনাক্তকরণ ব্যবস্থা এবং বিভিন্ন স্মার্ট সুবিধাও যুক্ত করা হয়েছে এই ডিভাইসে। ওয়ালটন জানিয়েছে, নতুন স্মার্টফোনটির সঙ্গে ক্রেতারা পাবেন ৩০ দিনের বিশেষ প্রতিস্থাপন সুবিধা এবং এক বছরের বিক্রয়োত্তর সেবা, যা ব্যবহারকারীদের জন্য অতিরিক্ত আস্থার বিষয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এছাড়া ঘরে বসেই ওয়ালটনের অনলাইন সেলস প্ল্যাটফর্ম waltonplaza.com.bd এবং waltondigitech.com থেকেও এই নতুন ফোনটি সহজেই কিনতে পারছেন ক্রেতারা।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-14-06-2026_41.webp" alt="ওয়ালটনের নতুন ‘য্যানন এক্স২২ ফাইভজি’ স্মার্টফোন বাজারে" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ওয়ালটনের নতুন ‘য্যানন এক্স২২ ফাইভজি’ স্মার্টফোন বাজারে</h1>
            <p>দেশের প্রযুক্তিপণ্য বাজারে নতুন সংযোজন হিসেবে ‘য্যানন এক্স২২ ফাইভজি’ নামে নতুন একটি স্মার্টফোন উন্মোচন করেছে ওয়ালটন। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর এই স্মার্টফোনটি উন্নত কর্মক্ষমতা, দ্রুতগতির সংযোগ সুবিধা এবং ব্যবহারবান্ধব নানা বৈশিষ্ট্য নিয়ে তৈরি করা হয়েছে। ওয়ালটনের নিজস্ব কারখানায় তৈরি নতুন এই স্মার্টফোন ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন বিক্রয়কেন্দ্রে পাওয়া যাচ্ছে। ওয়ালটন মোবাইল বিভাগের প্রধান বাণিজ্য কর্মকর্তা আবু জাহিদ জানান, অবসিডিয়ান গ্রে ও জেনিথ গ্রিন—এই দুটি রঙে স্মার্টফোনটি বাজারজাত করা হয়েছে। এর মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫ হাজার ৯৯৯ টাকা, যা মূল্য সংযোজন কর ব্যতীত। দেশের বিভিন্ন ওয়ালটন প্লাজা, নেক্সজি ব্র্যান্ডশপ, পরিবেশক শোরুম এবং খুচরা বিক্রয়কেন্দ্র ছাড়াও অনলাইনের মাধ্যমে ক্রেতারা ফোনটি সংগ্রহ করতে পারবেন। প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, নতুন এই স্মার্টফোনে রয়েছে ছয় ন্যানোমিটার প্রযুক্তির শক্তিশালী প্রসেসর, যা দ্রুতগতির কাজ সম্পাদনে সক্ষম। পাশাপাশি এতে ব্যবহার করা হয়েছে উন্নত স্মৃতি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা সর্বোচ্চ ১৬ গিগাবাইট পর্যন্ত র‌্যাপিড মেমোরি সুবিধা পাবেন। অভ্যন্তরীণ সংরক্ষণক্ষমতা রয়েছে ১২৮ গিগাবাইট, যা মেমোরি কার্ডের মাধ্যমে ৫১২ গিগাবাইট পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব। ফোনটিতে রয়েছে ৬ দশমিক ৮ ইঞ্চির বড় পর্দা এবং ১২০ হার্জ রিফ্রেশ রেট, যা ভিডিও দেখা, বই পড়া, ইন্টারনেট ব্যবহার কিংবা গেম খেলার ক্ষেত্রে আরও মসৃণ অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে। আলোকস্বল্প পরিবেশেও পরিষ্কার দৃশ্য দেখার জন্য এতে উচ্চ উজ্জ্বলতার সুবিধা রাখা হয়েছে। ছবিতোলা ও ভিডিও ধারণের জন্য ফোনটির পেছনে রয়েছে ৫০ মেগাপিক্সেলের প্রধান ক্যামেরা এবং সহায়ক ম্যাক্রো ক্যামেরা। সামনে রয়েছে ৮ মেগাপিক্সেলের সেলফি ক্যামেরা। এছাড়া রাতের ছবি তোলা, ধীরগতির ভিডিও ধারণ, পেশাদার ভিডিও ধারণসহ একাধিক ক্যামেরা সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে। দীর্ঘ সময় ব্যবহার নিশ্চিত করতে এতে রয়েছে ছয় হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার ক্ষমতার ব্যাটারি। দ্রুত চার্জিং সুবিধাও সংযুক্ত করা হয়েছে, ফলে অল্প সময়েই ব্যাটারি চার্জ করা সম্ভব হবে। ধুলা ও পানির ছিটা প্রতিরোধ ব্যবস্থা, শব্দ নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তি, নিরাপত্তার জন্য আঙুলের ছাপ শনাক্তকরণ ব্যবস্থা এবং বিভিন্ন স্মার্ট সুবিধাও যুক্ত করা হয়েছে এই ডিভাইসে। ওয়ালটন জানিয়েছে, নতুন স্মার্টফোনটির সঙ্গে ক্রেতারা পাবেন ৩০ দিনের বিশেষ প্রতিস্থাপন সুবিধা এবং এক বছরের বিক্রয়োত্তর সেবা, যা ব্যবহারকারীদের জন্য অতিরিক্ত আস্থার বিষয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এছাড়া ঘরে বসেই ওয়ালটনের অনলাইন সেলস প্ল্যাটফর্ম waltonplaza.com.bd এবং waltondigitech.com থেকেও এই নতুন ফোনটি সহজেই কিনতে পারছেন ক্রেতারা।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-14-06-2026_41.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-14-06-2026_41.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-14-06-2026_41.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[জাতিসংঘের রিপোর্টে ফাঁস হাসিনা ও আওয়ামী লীগের নৃশংসতা, পালাবার সব পথ কি তবে চিরতরে বন্ধ হলো?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/exclusive/37332</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/exclusive/37332</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 08 Jun 2026 20:28:01 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[এক্সক্লুসিভ]]></category>
                <category><![CDATA[সর্বশেষ]]></category>
                        <category><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news 2026, latest news today, atn bd news, latest news and bulletin, bangladeshi latest news, bd news, bd hot news, bd india relation news, latestnews, updated news, bdnews, update news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangla news update, bangla tv news, atn bangla news, news, news today, bangladesh news, bangladesh news today, bangla news, jamaat news, today raater news bangladesh, bangla news today, bangladesh tv news, news trending, bnp news, ncp news, top news, zee news]]></category>
        
        <description><![CDATA[পালাবার সব পথ কি তবে বন্ধ হয়ে গেল স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার? দিল্লির নিরাপদ আশ্রয়ে বসেও কেন এখন আতঙ্কে কাঁপছেন তিনি? জাতিসংঘের একটি গোপন রিপোর্ট কীভাবে চূর্ণবিচূর্ণ করে দিল আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনের সব স্বপ্ন? আজ আপনাদের জানাবো আন্তর্জাতিক মঞ্চে খুনি হাসিনার চূড়ান্ত একঘরে হওয়ার সেই নেপথ্য কাহিনি, যা শুনলে আপনিও চমকে উঠবেন! চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার ওপর ইতিহাসের নৃশংসতম গণহত্যা চালিয়েছিল স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকার। নিরীহ মানুষের রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল রাজপথ। পৈশাচিক দমনপীড়ন চালিয়ে ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার শেষ চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন এই একনায়ক। ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক বিজয়ের মুখে অবশেষে দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হন তিনি। তবে পালিয়েও রেহাই পাচ্ছেন না মানবতাবিরোধী অপরাধের মূল হোতা শেখ হাসিনা। বিগত দীর্ঘ একুশ মাসের মধ্যে শেখ হাসিনার একমাত্র তথাকথিত বুদ্ধিমত্তার পরিচয় মিলেছে জাতিসংঘের তদন্ত প্রতিবেদন সংশোধনের জন্য গোপনে চিঠি পাঠানোয়। জাতিসংঘ এই চিঠির কোনো আনুষ্ঠানিক জবাব দেয়নি। তবে এক ব্রিফিংয়ে তারা স্পষ্ট জানিয়েছে যে, এই প্রতিবেদনের বস্তুনিষ্ঠতা এবং বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে বিন্দুমাত্র সন্দেহের অবকাশ নেই। ফলে আন্তর্জাতিকভাবে শেখ হাসিনার অপরাধের সত্যতা আরও জোরালোভাবে প্রমাণিত হয়েছে। শেখ হাসিনার অন্ধ অনুগামী এবং উগ্র সমর্থকেরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জাতিসংঘের এই মানবাধিকার কমিশনের তদন্ত রিপোর্টকে ভুয়া বলে উড়িয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা করছে। কিন্তু হাসিনার চতুর, শিক্ষিত এবং বিদেশি আইনজীবীরা খুব ভালো করেই জানেন যে, এই অকাট্য প্রতিবেদনটি বিশ্বমঞ্চে তাদের মক্কেলকে কতটা মারাত্মকভাবে একঘরে এবং বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছে। তাই তারা দেরিতে হলেও এই প্রতিবেদন সংশোধনের ব্যর্থ চেষ্টা চালাচ্ছেন। জাতিসংঘের সেই ঐতিহাসিক তদন্ত প্রতিবেদনে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে যে, চব্বিশের পয়লা জুলাই থেকে পনেরোই আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশে নিহতের সংখ্যা অন্তত চৌদ্দশত। অত্যন্ত মর্মান্তিক বিষয় হলো, এই নিহতদের মধ্যে একশত বত্রিশ জনই নিষ্পাপ শিশু। ক্ষমতা লোভের অন্ধ মোহে মত্ত হয়ে খুনি হাসিনা সরকার শিশুদের বুকেও গুলি চালাতে দ্বিধা করেনি, যা বিশ্ব বিবেককে স্তব্ধ করে দিয়েছে। অভ্যুত্থানকারীদের নির্মমভাবে দমনের জন্য শেখ হাসিনার সরাসরি নির্দেশে পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মারাত্মক বলপ্রয়োগ করেছিল। তারা সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে মিলিটারি গ্রেডের মারণাস্ত্র ব্যবহার করে জঘন্য মানবতাবিরোধী অপরাধ ঘটিয়েছে। এই পরিকল্পিত এবং নৃশংস রাষ্ট্রীয় হত্যাকাণ্ডে প্রত্যক্ষ সহযোগী হিসেবে মাঠে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিল খুনি সংগঠন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ এবং ছাত্রলীগের সশস্ত্র ক্যাডাররা। সরকারি হিসেবে জুলাইয়ে শহীদের সংখ্যা আটশত চৌত্রিশ এবং নিহত পুলিশ সদস্য চুয়াল্লিশ জন। অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে আগুন ও সহিংসতায় আরও প্রায় তিনশত লোক নিহত হন, যার বড় অংশই ছিল সাধারণ লুটপাটের ঘটনা। অথচ চরম মিথ্যাবাদী আওয়ামী লীগের নিজস্ব হিসেবেই তাদের নিহত কর্মীর সংখ্যা মাত্র চৌত্রিশ। ফলে সাকুল্যে মোট প্রাণহানি নিশ্চিতভাবেই বারোশত এর অনেক কম বলে দাবি করছেন হাসিনার আইনজীবীরা। জাতিসংঘের সুনির্দিষ্ট হিসেব চৌদ্দশত থেকে নিহতের সংখ্যা কিছুটা কম প্রমাণ করতে পারলেই যেন সব অপরাধ মাফ—এমনটাই ভাবছেন হাসিনার আইনজীবীরা। কিন্তু অনলাইনে সক্রিয় থাকা এবং শেখ হাসিনার পুনরায় ফিরে আসার অলীক স্বপ্নে বিভোর সমর্থকেরা কি বুঝতে পারছেন না, কেন আজ এতদিন ভুয়া বলে দাবি করা আন্তর্জাতিক রিপোর্টকে কাউন্টার করতে হচ্ছে? আসলে সত্যের মুখোমুখি হয়ে তারা আজ পুরোপুরি দিশেহারা। শেখ হাসিনা নিজেকে যতই সর্বশক্তিমান ভাবুন না কেন, তিনি আসলে ইসরাইলের মতো শক্তিশালী রাষ্ট্রনেতা নন যে যা ইচ্ছা তাই করবেন আর বিশ্ব তা মুখ বুজে মেনে নেবে। গাজায় ভয়াবহ জেনোসাইড ঘটানোর পর জাতিসংঘের প্রতিবেদনের কারণে ইসরাইলের দীর্ঘকালের পরম মিত্র ইউরোপও আজ তাদের পাশে দাঁড়াতে পারছে না। স্পেন এবং ফ্রান্সের মতো শক্তিশালী দেশগুলো এখন ওপেনলি ইসরাইলের বিরোধিতা করছে। আমেরিকার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ মিত্র হওয়া সত্ত্বেও যুক্তরাজ্য, কানাডা এবং ইতালিসহ বিশ্বের ১২টি রাষ্ট্র ইতিমধ্যে ইসরাইলের কাছে অস্ত্র বিক্রি বন্ধ কিংবা সীমিত করেছে। এমনকি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে ইসরাইলকে অন্ধ সমর্থন দেওয়া থেকে বিরত থাকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাদের দীর্ঘদিনের বন্ধু জার্মানি। বিশ্ব রাজনীতির এই কঠিন সমীকরণে খুনি হাসিনার মতো একজন পলাতক একনায়কের পাশে দাঁড়ানোর সাহস কারোরই নেই। মহাপরাক্রমশালী রাষ্ট্র ইসরাইলেরই যখন বিশ্বমঞ্চে এই করুণ ও একাকী অবস্থা, তখন জাতিসংঘ সরাসরি শেখ হাসিনাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের মূল নির্দেশদাতা এবং আওয়ামী লীগকে খুনের সহযোগী আখ্যা দেওয়ার পর আন্তর্জাতিক শক্তির কেউ কি আর তার পাশে দাঁড়াবে? কোনো পরাশক্তির মাথায় তো আর গ্যাস্ট্রিক হয়নি যে একজন কুখ্যাত গণহত্যাকারীকে সমর্থন দিয়ে নিজেদের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি ও রাজনীতি ধ্বংস করবে! জাতিসংঘের এই অকাট্য তদন্ত প্রতিবেদনটি মূলত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কফিনে শুধু শেষ পেরেক ঠোকেনি, বরং লগি-বৈঠার নির্মম আঘাত হেনেছে। যতদিন এই আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন বহাল থাকবে, ততদিন খুনি হাসিনা বর্ণবাদী ইসরাইল ছাড়া দুনিয়ার আর কোথাও কোনো রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম পাবেন না। এমনকি বর্তমান পরিস্থিতিতে তার পরম বন্ধু ভারতও তাকে প্রকাশ্যে রাজকীয় সমর্থন দিতে পুরোপুরি ব্যর্থ হবে। বিশ্ববরেণ্য নেতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস অত্যন্ত দূরদর্শিতার সাথে জাতিসংঘকে দিয়ে এই নিরপেক্ষ তদন্ত করিয়ে মহৎ কাজটি সম্পন্ন করেছেন। বাংলাদেশের নিজস্ব কোনো সংস্থা এই প্রতিবেদন দিলে স্বৈরাচারীরা একে প্রতিহিংসামূলক ও পক্ষপাতদুষ্ট বলে চালিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা করত। জাতিসংঘকে এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত করার সফল কূটনীতির কারণেই মূলত ড. ইউনূসের ওপর তীব্র আক্রোশে প্রতিনিয়ত জ্বলছেন পলাতক স্বৈরাচারী খুনি হাসিনা। শেখ হাসিনা খুব ভালো করেই জানেন, এই একটিমাত্র রিপোর্টের কারণে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তার আর কোনো বৈধ জায়গা অবশিষ্ট নেই। ফ্যাসিবাদের দোসর আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক, সাংবিধানিক কিংবা মানবাধিকারের পক্ষে কথা বলার মতো নূন্যতম নৈতিক অধিকারটুকুও আজ আর অবশিষ্ট নেই। মানবতাবিরোধী অপরাধের কলঙ্কিত ছাপ্পা গায়ে লেগে যাওয়ায় দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রশ্নে বিশ্ব সংস্থা বা উন্নয়ন সহযোগীরা কোনো আপত্তি তোলেনি। সোশ্যাল মিডিয়া কিংবা সস্তা টকশোতে 'আপা আগস্টে আসবেন' কিংবা 'ডিসেম্বরে আসবেন' বলে যতই কৃত্রিম হাইপ তোলা হোক না কেন, বাস্তব পৃথিবীটা অনেক বেশি কঠিন। আইনত শেখ হাসিনার দেশে ফিরতে কোনো বাধা নেই, তিনি চাইলে আগামী চার ঘণ্টার মধ্যেই দিল্লি থেকে ঢাকা চলে আসতে পারেন। কিন্তু খুনি হাসিনা খুব ভালো করেই জানেন, বাংলাদেশে পা রাখামাত্রই আদালতের ফাঁসির রায় কার্যকর হবে। আন্তর্জাতিক অপরাধের তকমা থাকায় বিশ্বের কোনো বড় শক্তি আজ আর খুনি হাসিনার পক্ষে দাঁড়াবে না। ক্ষমতা হারানোর পর এতদিনে শেখ হাসিনা নিজের এই করুণ পরিণতি বুঝতে পেরেছেন। তবে তার জন্য সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ হবে নিজের সমস্ত পৈশাচিক অপরাধ ও গণহত্যার দায় স্বীকার করে, গভীর অনুশোচনা প্রকাশ করে জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক অভ্যুত্থানকে মেনে নেওয়া। আশা করি তিনি তা দ্রুতই বুঝবেন।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/673_1.webp" alt="জাতিসংঘের রিপোর্টে ফাঁস হাসিনা ও আওয়ামী লীগের নৃশংসতা, পালাবার সব পথ কি তবে চিরতরে বন্ধ হলো?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>জাতিসংঘের রিপোর্টে ফাঁস হাসিনা ও আওয়ামী লীগের নৃশংসতা, পালাবার সব পথ কি তবে চিরতরে বন্ধ হলো?</h1>
            <p>পালাবার সব পথ কি তবে বন্ধ হয়ে গেল স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার? দিল্লির নিরাপদ আশ্রয়ে বসেও কেন এখন আতঙ্কে কাঁপছেন তিনি? জাতিসংঘের একটি গোপন রিপোর্ট কীভাবে চূর্ণবিচূর্ণ করে দিল আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনের সব স্বপ্ন? আজ আপনাদের জানাবো আন্তর্জাতিক মঞ্চে খুনি হাসিনার চূড়ান্ত একঘরে হওয়ার সেই নেপথ্য কাহিনি, যা শুনলে আপনিও চমকে উঠবেন! চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার ওপর ইতিহাসের নৃশংসতম গণহত্যা চালিয়েছিল স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকার। নিরীহ মানুষের রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল রাজপথ। পৈশাচিক দমনপীড়ন চালিয়ে ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার শেষ চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন এই একনায়ক। ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক বিজয়ের মুখে অবশেষে দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হন তিনি। তবে পালিয়েও রেহাই পাচ্ছেন না মানবতাবিরোধী অপরাধের মূল হোতা শেখ হাসিনা। বিগত দীর্ঘ একুশ মাসের মধ্যে শেখ হাসিনার একমাত্র তথাকথিত বুদ্ধিমত্তার পরিচয় মিলেছে জাতিসংঘের তদন্ত প্রতিবেদন সংশোধনের জন্য গোপনে চিঠি পাঠানোয়। জাতিসংঘ এই চিঠির কোনো আনুষ্ঠানিক জবাব দেয়নি। তবে এক ব্রিফিংয়ে তারা স্পষ্ট জানিয়েছে যে, এই প্রতিবেদনের বস্তুনিষ্ঠতা এবং বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে বিন্দুমাত্র সন্দেহের অবকাশ নেই। ফলে আন্তর্জাতিকভাবে শেখ হাসিনার অপরাধের সত্যতা আরও জোরালোভাবে প্রমাণিত হয়েছে। শেখ হাসিনার অন্ধ অনুগামী এবং উগ্র সমর্থকেরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জাতিসংঘের এই মানবাধিকার কমিশনের তদন্ত রিপোর্টকে ভুয়া বলে উড়িয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা করছে। কিন্তু হাসিনার চতুর, শিক্ষিত এবং বিদেশি আইনজীবীরা খুব ভালো করেই জানেন যে, এই অকাট্য প্রতিবেদনটি বিশ্বমঞ্চে তাদের মক্কেলকে কতটা মারাত্মকভাবে একঘরে এবং বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছে। তাই তারা দেরিতে হলেও এই প্রতিবেদন সংশোধনের ব্যর্থ চেষ্টা চালাচ্ছেন। জাতিসংঘের সেই ঐতিহাসিক তদন্ত প্রতিবেদনে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে যে, চব্বিশের পয়লা জুলাই থেকে পনেরোই আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশে নিহতের সংখ্যা অন্তত চৌদ্দশত। অত্যন্ত মর্মান্তিক বিষয় হলো, এই নিহতদের মধ্যে একশত বত্রিশ জনই নিষ্পাপ শিশু। ক্ষমতা লোভের অন্ধ মোহে মত্ত হয়ে খুনি হাসিনা সরকার শিশুদের বুকেও গুলি চালাতে দ্বিধা করেনি, যা বিশ্ব বিবেককে স্তব্ধ করে দিয়েছে। অভ্যুত্থানকারীদের নির্মমভাবে দমনের জন্য শেখ হাসিনার সরাসরি নির্দেশে পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মারাত্মক বলপ্রয়োগ করেছিল। তারা সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে মিলিটারি গ্রেডের মারণাস্ত্র ব্যবহার করে জঘন্য মানবতাবিরোধী অপরাধ ঘটিয়েছে। এই পরিকল্পিত এবং নৃশংস রাষ্ট্রীয় হত্যাকাণ্ডে প্রত্যক্ষ সহযোগী হিসেবে মাঠে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিল খুনি সংগঠন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ এবং ছাত্রলীগের সশস্ত্র ক্যাডাররা। সরকারি হিসেবে জুলাইয়ে শহীদের সংখ্যা আটশত চৌত্রিশ এবং নিহত পুলিশ সদস্য চুয়াল্লিশ জন। অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে আগুন ও সহিংসতায় আরও প্রায় তিনশত লোক নিহত হন, যার বড় অংশই ছিল সাধারণ লুটপাটের ঘটনা। অথচ চরম মিথ্যাবাদী আওয়ামী লীগের নিজস্ব হিসেবেই তাদের নিহত কর্মীর সংখ্যা মাত্র চৌত্রিশ। ফলে সাকুল্যে মোট প্রাণহানি নিশ্চিতভাবেই বারোশত এর অনেক কম বলে দাবি করছেন হাসিনার আইনজীবীরা। জাতিসংঘের সুনির্দিষ্ট হিসেব চৌদ্দশত থেকে নিহতের সংখ্যা কিছুটা কম প্রমাণ করতে পারলেই যেন সব অপরাধ মাফ—এমনটাই ভাবছেন হাসিনার আইনজীবীরা। কিন্তু অনলাইনে সক্রিয় থাকা এবং শেখ হাসিনার পুনরায় ফিরে আসার অলীক স্বপ্নে বিভোর সমর্থকেরা কি বুঝতে পারছেন না, কেন আজ এতদিন ভুয়া বলে দাবি করা আন্তর্জাতিক রিপোর্টকে কাউন্টার করতে হচ্ছে? আসলে সত্যের মুখোমুখি হয়ে তারা আজ পুরোপুরি দিশেহারা। শেখ হাসিনা নিজেকে যতই সর্বশক্তিমান ভাবুন না কেন, তিনি আসলে ইসরাইলের মতো শক্তিশালী রাষ্ট্রনেতা নন যে যা ইচ্ছা তাই করবেন আর বিশ্ব তা মুখ বুজে মেনে নেবে। গাজায় ভয়াবহ জেনোসাইড ঘটানোর পর জাতিসংঘের প্রতিবেদনের কারণে ইসরাইলের দীর্ঘকালের পরম মিত্র ইউরোপও আজ তাদের পাশে দাঁড়াতে পারছে না। স্পেন এবং ফ্রান্সের মতো শক্তিশালী দেশগুলো এখন ওপেনলি ইসরাইলের বিরোধিতা করছে। আমেরিকার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ মিত্র হওয়া সত্ত্বেও যুক্তরাজ্য, কানাডা এবং ইতালিসহ বিশ্বের ১২টি রাষ্ট্র ইতিমধ্যে ইসরাইলের কাছে অস্ত্র বিক্রি বন্ধ কিংবা সীমিত করেছে। এমনকি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে ইসরাইলকে অন্ধ সমর্থন দেওয়া থেকে বিরত থাকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাদের দীর্ঘদিনের বন্ধু জার্মানি। বিশ্ব রাজনীতির এই কঠিন সমীকরণে খুনি হাসিনার মতো একজন পলাতক একনায়কের পাশে দাঁড়ানোর সাহস কারোরই নেই। মহাপরাক্রমশালী রাষ্ট্র ইসরাইলেরই যখন বিশ্বমঞ্চে এই করুণ ও একাকী অবস্থা, তখন জাতিসংঘ সরাসরি শেখ হাসিনাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের মূল নির্দেশদাতা এবং আওয়ামী লীগকে খুনের সহযোগী আখ্যা দেওয়ার পর আন্তর্জাতিক শক্তির কেউ কি আর তার পাশে দাঁড়াবে? কোনো পরাশক্তির মাথায় তো আর গ্যাস্ট্রিক হয়নি যে একজন কুখ্যাত গণহত্যাকারীকে সমর্থন দিয়ে নিজেদের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি ও রাজনীতি ধ্বংস করবে! জাতিসংঘের এই অকাট্য তদন্ত প্রতিবেদনটি মূলত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কফিনে শুধু শেষ পেরেক ঠোকেনি, বরং লগি-বৈঠার নির্মম আঘাত হেনেছে। যতদিন এই আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন বহাল থাকবে, ততদিন খুনি হাসিনা বর্ণবাদী ইসরাইল ছাড়া দুনিয়ার আর কোথাও কোনো রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম পাবেন না। এমনকি বর্তমান পরিস্থিতিতে তার পরম বন্ধু ভারতও তাকে প্রকাশ্যে রাজকীয় সমর্থন দিতে পুরোপুরি ব্যর্থ হবে। বিশ্ববরেণ্য নেতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস অত্যন্ত দূরদর্শিতার সাথে জাতিসংঘকে দিয়ে এই নিরপেক্ষ তদন্ত করিয়ে মহৎ কাজটি সম্পন্ন করেছেন। বাংলাদেশের নিজস্ব কোনো সংস্থা এই প্রতিবেদন দিলে স্বৈরাচারীরা একে প্রতিহিংসামূলক ও পক্ষপাতদুষ্ট বলে চালিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা করত। জাতিসংঘকে এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত করার সফল কূটনীতির কারণেই মূলত ড. ইউনূসের ওপর তীব্র আক্রোশে প্রতিনিয়ত জ্বলছেন পলাতক স্বৈরাচারী খুনি হাসিনা। শেখ হাসিনা খুব ভালো করেই জানেন, এই একটিমাত্র রিপোর্টের কারণে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তার আর কোনো বৈধ জায়গা অবশিষ্ট নেই। ফ্যাসিবাদের দোসর আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক, সাংবিধানিক কিংবা মানবাধিকারের পক্ষে কথা বলার মতো নূন্যতম নৈতিক অধিকারটুকুও আজ আর অবশিষ্ট নেই। মানবতাবিরোধী অপরাধের কলঙ্কিত ছাপ্পা গায়ে লেগে যাওয়ায় দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রশ্নে বিশ্ব সংস্থা বা উন্নয়ন সহযোগীরা কোনো আপত্তি তোলেনি। সোশ্যাল মিডিয়া কিংবা সস্তা টকশোতে 'আপা আগস্টে আসবেন' কিংবা 'ডিসেম্বরে আসবেন' বলে যতই কৃত্রিম হাইপ তোলা হোক না কেন, বাস্তব পৃথিবীটা অনেক বেশি কঠিন। আইনত শেখ হাসিনার দেশে ফিরতে কোনো বাধা নেই, তিনি চাইলে আগামী চার ঘণ্টার মধ্যেই দিল্লি থেকে ঢাকা চলে আসতে পারেন। কিন্তু খুনি হাসিনা খুব ভালো করেই জানেন, বাংলাদেশে পা রাখামাত্রই আদালতের ফাঁসির রায় কার্যকর হবে। আন্তর্জাতিক অপরাধের তকমা থাকায় বিশ্বের কোনো বড় শক্তি আজ আর খুনি হাসিনার পক্ষে দাঁড়াবে না। ক্ষমতা হারানোর পর এতদিনে শেখ হাসিনা নিজের এই করুণ পরিণতি বুঝতে পেরেছেন। তবে তার জন্য সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ হবে নিজের সমস্ত পৈশাচিক অপরাধ ও গণহত্যার দায় স্বীকার করে, গভীর অনুশোচনা প্রকাশ করে জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক অভ্যুত্থানকে মেনে নেওয়া। আশা করি তিনি তা দ্রুতই বুঝবেন।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/673_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/673_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/673_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Why Did the Pentagon Have to Send the A-10 Warthog to IRAN? Operation Epic Fury Explored]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/37328</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/37328</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[NBS News Desk]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 08 Jun 2026 14:47:25 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[Global Defense]]></category>
                        <category><![CDATA[Why the Pentagon Had to Sent the A-10 Warthog to IRAN?, Pentagon A-10 Warthog Iran deployment, Operation Epic Fury A-10 Warthog, A-10 Thunderbolt II Middle East, military tech news, US Air Force Iran strategy, A-10 Warthog boneyard retirement, GAU-8 Avenger cannon, Persian Gulf military conflict, close air support A-10, asymmetric warfare Iran, F-35 vs A-10 Warthog, defense budget military aircraft, Strait of Hormuz fast attack craft, Pentagon tactical deployment 2026]]></category>
        
        <description><![CDATA[The geopolitical landscape of the Middle East has shifted dramatically, forcing military strategists to reconsider weapons once deemed obsolete. Air Force planners have spent years attempting to retire the Cold War-era A-10 Thunderbolt II, arguing that its slow speed and lack of stealth make it vulnerable to modern air defense systems. Yet, a startling development has captured global attention: Why the Pentagon Had to Sent the A-10 Warthog to IRAN? As hostilities escalated under Operation Epic Fury, senior defense officials realized that high-tech, multi-million-dollar stealth fighters were not always optimal for the unique tactical realities of the Iranian theater. The legendary "Warthog," celebrated for its brutal efficiency in close air support, was pulled back from the brink of retirement to fulfill an indispensable role. This deep dive uncovers the tactical, financial, and strategic necessities that drove the Pentagon's surprising decision to deploy this armored beast. The Strategic Shift of Operation Epic Fury The operational environment of the Persian Gulf and coastal Iran presents an incredibly dense, highly asymmetric threat profile. While high-altitude stealth platforms like the F-35 Lightning II excel at breaking deep into enemy territory to neutralize advanced radar installations, they are vastly over-engineered and structurally fragile for low-altitude, sustained engagement. Operation Epic Fury quickly evolved into an intense campaign involving fast-attack maritime craft, hidden shoreline missile batteries, and swarms of low-cost loitering munitions. To counter these dispersed threats, the U.S. military required a durable asset capable of staying over the battlefield for hours, identifying visually camouflaged targets, and absorbing heavy ground fire. Countering Asymmetric Naval and Coastal Threats Iran’s military doctrine relies heavily on swarm tactics using fast-attack craft in the narrow, congested waters of the Strait of Hormuz. For an advanced supersonic jet, targeting dozens of tiny, maneuvering boats moving at 40 knots is a massive logistical nightmare. Loiter Time: The A-10 can hover over conflict zones for extended periods, providing constant surveillance and immediate striking power. Low-Altitude Agility: Flying low and slow allows pilots to visually confirm targets, minimizing errors in chaotic maritime environments. The GAU-8 Avenger: The Warthog’s iconic 30mm rotary cannon can shred light fast-attack craft and armored personnel carriers in seconds without consuming high-value precision missiles. The Boneyard Reprieve: Why Tech Alone Failed For over a decade, the Pentagon pushed to phase out the Warthog to allocate budget resources toward electronic warfare and fifth-generation stealth fighters. However, real-world friction in Operation Epic Fury proved that cutting-edge technology cannot entirely replace raw, armored firepower. The A-10 was built specifically to survive intense anti-aircraft artillery. It features a redundant hydraulic system backed by manual mechanical controls, heavy titanium armor protecting the pilot, and engines spaced wide apart to survive catastrophic surface-to-air missile impacts. When operating within range of Iranian mobile air defense networks along the rugged coastline, the Warthog provided a level of survival assurance that delicate, radar-evading jets simply could not match. Maximizing AdSense Potential: Financial Efficiency in Modern Warfare From a defense economics perspective, deploying the A-10 Warthog is a masterstroke in high-ROI resource allocation. Modern military logistics are heavily constrained by flight-hour costs and maintenance turnarounds, making asset efficiency a critical metric for global stability. Cost Per Flight Hour: Flying an A-10 costs approximately $6,000 to $7,000, whereas an F-35 surges past $35,000 to $42,000 per hour. Ordnance Economy: Neutralizing dozens of decentralized coastal targets with precision-guided cruise missiles costs millions of dollars per sortie, rapidly depleting Western stockpiles. Expeditionary Logistics: The A-10 can operate from unpaved, primitive airfields close to the front lines, reducing transit times and dependency on massive, vulnerable airbases. Psychological Warfare and Regional Deterrence Beyond its physical capabilities, the deployment of the Warthog serves as a potent tool for psychological deterrence. The distinct, low-frequency roar of its twin turbofan engines and the terrifying sound of its 30mm cannon are universally recognized across modern conflict zones. By positioning these rugged attack aircraft near Iranian operational zones, the Pentagon delivered a clear, unambiguous message to regional actors and proxy forces. The presence of the Warthog signals a readiness for sustained, grinding close-quarters combat rather than just remote, high-altitude bombardment. The Verdict on the Warthog's Undeniable Legacy Ultimately, understanding Why the Pentagon Had to Sent the A-10 Warthog to IRAN? requires looking past the glamour of stealth technology and focusing on the grim realities of asymmetric warfare. The A-10 Thunderbolt II continues to prove that a heavily armored frame, massive ammunition capacity, and low operational costs are irreplaceable assets in complex regional conflicts. Rather than fading away into the boneyard, this legendary aircraft remains a vital pillar of American power projection. What are your thoughts on the Pentagon's decision to utilize the A-10 Warthog in modern operations? Do you think stealth jets should completely replace these older, armored platforms? Let us know your perspective in the comments below, and don't forget to share this article with fellow military tech enthusiasts!]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-08-06-2026_03.webp" alt="Why Did the Pentagon Have to Send the A-10 Warthog to IRAN? Operation Epic Fury Explored" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Why Did the Pentagon Have to Send the A-10 Warthog to IRAN? Operation Epic Fury Explored</h1>
            <p>The geopolitical landscape of the Middle East has shifted dramatically, forcing military strategists to reconsider weapons once deemed obsolete. Air Force planners have spent years attempting to retire the Cold War-era A-10 Thunderbolt II, arguing that its slow speed and lack of stealth make it vulnerable to modern air defense systems. Yet, a startling development has captured global attention: Why the Pentagon Had to Sent the A-10 Warthog to IRAN? As hostilities escalated under Operation Epic Fury, senior defense officials realized that high-tech, multi-million-dollar stealth fighters were not always optimal for the unique tactical realities of the Iranian theater. The legendary "Warthog," celebrated for its brutal efficiency in close air support, was pulled back from the brink of retirement to fulfill an indispensable role. This deep dive uncovers the tactical, financial, and strategic necessities that drove the Pentagon's surprising decision to deploy this armored beast. The Strategic Shift of Operation Epic Fury The operational environment of the Persian Gulf and coastal Iran presents an incredibly dense, highly asymmetric threat profile. While high-altitude stealth platforms like the F-35 Lightning II excel at breaking deep into enemy territory to neutralize advanced radar installations, they are vastly over-engineered and structurally fragile for low-altitude, sustained engagement. Operation Epic Fury quickly evolved into an intense campaign involving fast-attack maritime craft, hidden shoreline missile batteries, and swarms of low-cost loitering munitions. To counter these dispersed threats, the U.S. military required a durable asset capable of staying over the battlefield for hours, identifying visually camouflaged targets, and absorbing heavy ground fire. Countering Asymmetric Naval and Coastal Threats Iran’s military doctrine relies heavily on swarm tactics using fast-attack craft in the narrow, congested waters of the Strait of Hormuz. For an advanced supersonic jet, targeting dozens of tiny, maneuvering boats moving at 40 knots is a massive logistical nightmare. Loiter Time: The A-10 can hover over conflict zones for extended periods, providing constant surveillance and immediate striking power. Low-Altitude Agility: Flying low and slow allows pilots to visually confirm targets, minimizing errors in chaotic maritime environments. The GAU-8 Avenger: The Warthog’s iconic 30mm rotary cannon can shred light fast-attack craft and armored personnel carriers in seconds without consuming high-value precision missiles. The Boneyard Reprieve: Why Tech Alone Failed For over a decade, the Pentagon pushed to phase out the Warthog to allocate budget resources toward electronic warfare and fifth-generation stealth fighters. However, real-world friction in Operation Epic Fury proved that cutting-edge technology cannot entirely replace raw, armored firepower. The A-10 was built specifically to survive intense anti-aircraft artillery. It features a redundant hydraulic system backed by manual mechanical controls, heavy titanium armor protecting the pilot, and engines spaced wide apart to survive catastrophic surface-to-air missile impacts. When operating within range of Iranian mobile air defense networks along the rugged coastline, the Warthog provided a level of survival assurance that delicate, radar-evading jets simply could not match. Maximizing AdSense Potential: Financial Efficiency in Modern Warfare From a defense economics perspective, deploying the A-10 Warthog is a masterstroke in high-ROI resource allocation. Modern military logistics are heavily constrained by flight-hour costs and maintenance turnarounds, making asset efficiency a critical metric for global stability. Cost Per Flight Hour: Flying an A-10 costs approximately $6,000 to $7,000, whereas an F-35 surges past $35,000 to $42,000 per hour. Ordnance Economy: Neutralizing dozens of decentralized coastal targets with precision-guided cruise missiles costs millions of dollars per sortie, rapidly depleting Western stockpiles. Expeditionary Logistics: The A-10 can operate from unpaved, primitive airfields close to the front lines, reducing transit times and dependency on massive, vulnerable airbases. Psychological Warfare and Regional Deterrence Beyond its physical capabilities, the deployment of the Warthog serves as a potent tool for psychological deterrence. The distinct, low-frequency roar of its twin turbofan engines and the terrifying sound of its 30mm cannon are universally recognized across modern conflict zones. By positioning these rugged attack aircraft near Iranian operational zones, the Pentagon delivered a clear, unambiguous message to regional actors and proxy forces. The presence of the Warthog signals a readiness for sustained, grinding close-quarters combat rather than just remote, high-altitude bombardment. The Verdict on the Warthog's Undeniable Legacy Ultimately, understanding Why the Pentagon Had to Sent the A-10 Warthog to IRAN? requires looking past the glamour of stealth technology and focusing on the grim realities of asymmetric warfare. The A-10 Thunderbolt II continues to prove that a heavily armored frame, massive ammunition capacity, and low operational costs are irreplaceable assets in complex regional conflicts. Rather than fading away into the boneyard, this legendary aircraft remains a vital pillar of American power projection. What are your thoughts on the Pentagon's decision to utilize the A-10 Warthog in modern operations? Do you think stealth jets should completely replace these older, armored platforms? Let us know your perspective in the comments below, and don't forget to share this article with fellow military tech enthusiasts!</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-08-06-2026_03.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-08-06-2026_03.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-08-06-2026_03.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Why the U.S. Military Cannot Retire the A-10 Warthog in 2026]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/37327</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/37327</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[NBS News Desk]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 08 Jun 2026 14:34:47 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[Global Defense]]></category>
                        <category><![CDATA[A-10 Warthog, military aviation, close air support, GAU-8 Avenger, A-10 Thunderbolt II, ground attack aircraft, fighter jet comparison, U.S. Air Force, defense technology, combat aviation, battlefield air support, military aircraft 2026, armored jet, low altitude combat, titanium bathtub]]></category>
        
        <description><![CDATA[For over three decades, the United States Air Force has been trying to send the legendary A-10 Thunderbolt II—affectionately known as the "Warthog"—into retirement. On paper, the decision makes sense. The defense landscape of 2026 is dominated by stealth fighters like the F-35 Lightning II, advanced drones, and hypersonic missiles. To military planners, a slow, low-flying aircraft from the Cold War era seems obsolete. Yet, despite repeated decommissioning attempts, the A-10 Warthog remains active and fiercely protected by ground troops and lawmakers alike. Why is this rugged aircraft still completely irreplaceable in modern combat? The answers lie in its unique design, unparalleled close air support capabilities, and the changing realities of global warfare. The GAU-8 Avenger: A Flying Cannon Built Around Brute Force Unlike modern fighter jets that are engineered for speed and radar evasion, the A-10 Warthog was essentially built around a single weapon: the massive GAU-8 Avenger 30mm Gatling cannon. Massive Firepower: Taking up a significant portion of the aircraft's fuselage, this weapon fires depleted uranium shells at a blistering rate of nearly 4,000 rounds per minute. Psychological Impact: For infantry pinned down on the ground, the terrifying sound of the Warthog's "BRRRRRT" is the ultimate sign of salvation. Cost-Effective Destruction: No missile or precision-guided bomb in the modern Western arsenal can match the sustained, terrifying, and cost-effective suppressive fire of the GAU-8 against heavily armored tanks and bunkers. Built to Survive: The Legendary Durability Features The A-10 was specifically designed to take heavy enemy fire from the ground and keep flying, making it one of the most resilient aircraft in military history. The Titanium Bathtub: The pilot sits inside a 1,200-pound titanium armor enclosure that can withstand direct hits from 23mm armor-piercing shells. Redundant Flight Controls: The aircraft features backup mechanical flight controls. If its computerized hydraulic systems are completely knocked out by enemy fire, the pilot can switch to manual mode and safely fly back to base. Dual-Engine Safety: Powered by two widely separated General Electric TF34 engines, the Warthog can continue flying even if one engine is completely destroyed or ripped apart by shrapnel. The Fatal Flaw of Modern Stealth: The F-35 Close Air Support Problem The primary argument for retiring the Warthog has been the integration of the multirole F-35. While the F-35 is a technological marvel at high altitudes, it fails to replicate the A-10's performance at lower levels. Limited Loiter Time: The A-10’s straight-wing design allows it to fly incredibly slow and hover over a battlefield for hours. The fast-flying F-35 passes over target zones too quickly to provide continuous cover. Visual Identification Issues: In chaotic combat where friendly troops are meters away from enemy forces, A-10 pilots can visually map the terrain. High-flying stealth jets rely strictly on digital sensors, which can be fooled by bad weather or smoke. High Operational Costs: Firing a precision missile from an F-35 costs hundreds of thousands of dollars per shot. The A-10's cannon rounds cost a fraction of that, making it economically sustainable for prolonged warfare. Real-World Contested Airspaces: Lessons for 2026 Recent geopolitical conflicts in Eastern Europe and the Middle East have shown that modern warfare is moving toward highly contested electronic environments. Advanced air defense systems make the skies deadly for high-altitude aircraft, while GPS-jamming regularly blinds precision-guided drones. In a scenario where satellite communications are down and electronic warfare is rampant, a low-flying, armored platform that operates independently of complex data-networks becomes invaluable. Ground commanders consistently state that when a conflict gets brutal and chaotic on the frontlines, nothing replaces the sheer psychological and physical impact of an A-10 sweeping in low. Conclusion The U.S. military cannot retire the A-10 Warthog in 2026 because the aircraft represents a pinnacle of functional, specialized design that modern multirole jets cannot replicate. It was built for one specific, brutal job: protecting troops on the ground at all costs. Until a modern platform can combine the Warthog’s legendary durability, extreme loiter time, and cost-effective firepower, this armored icon will continue to fly, defying both time and retirement. What do you think? Should the U.S. invest in a true successor to the Warthog, or is the era of manned close air support coming to an end? Share your thoughts in the comments below!]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-08-06-2026_01.webp" alt="Why the U.S. Military Cannot Retire the A-10 Warthog in 2026" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Why the U.S. Military Cannot Retire the A-10 Warthog in 2026</h1>
            <p>For over three decades, the United States Air Force has been trying to send the legendary A-10 Thunderbolt II—affectionately known as the "Warthog"—into retirement. On paper, the decision makes sense. The defense landscape of 2026 is dominated by stealth fighters like the F-35 Lightning II, advanced drones, and hypersonic missiles. To military planners, a slow, low-flying aircraft from the Cold War era seems obsolete. Yet, despite repeated decommissioning attempts, the A-10 Warthog remains active and fiercely protected by ground troops and lawmakers alike. Why is this rugged aircraft still completely irreplaceable in modern combat? The answers lie in its unique design, unparalleled close air support capabilities, and the changing realities of global warfare. The GAU-8 Avenger: A Flying Cannon Built Around Brute Force Unlike modern fighter jets that are engineered for speed and radar evasion, the A-10 Warthog was essentially built around a single weapon: the massive GAU-8 Avenger 30mm Gatling cannon. Massive Firepower: Taking up a significant portion of the aircraft's fuselage, this weapon fires depleted uranium shells at a blistering rate of nearly 4,000 rounds per minute. Psychological Impact: For infantry pinned down on the ground, the terrifying sound of the Warthog's "BRRRRRT" is the ultimate sign of salvation. Cost-Effective Destruction: No missile or precision-guided bomb in the modern Western arsenal can match the sustained, terrifying, and cost-effective suppressive fire of the GAU-8 against heavily armored tanks and bunkers. Built to Survive: The Legendary Durability Features The A-10 was specifically designed to take heavy enemy fire from the ground and keep flying, making it one of the most resilient aircraft in military history. The Titanium Bathtub: The pilot sits inside a 1,200-pound titanium armor enclosure that can withstand direct hits from 23mm armor-piercing shells. Redundant Flight Controls: The aircraft features backup mechanical flight controls. If its computerized hydraulic systems are completely knocked out by enemy fire, the pilot can switch to manual mode and safely fly back to base. Dual-Engine Safety: Powered by two widely separated General Electric TF34 engines, the Warthog can continue flying even if one engine is completely destroyed or ripped apart by shrapnel. The Fatal Flaw of Modern Stealth: The F-35 Close Air Support Problem The primary argument for retiring the Warthog has been the integration of the multirole F-35. While the F-35 is a technological marvel at high altitudes, it fails to replicate the A-10's performance at lower levels. Limited Loiter Time: The A-10’s straight-wing design allows it to fly incredibly slow and hover over a battlefield for hours. The fast-flying F-35 passes over target zones too quickly to provide continuous cover. Visual Identification Issues: In chaotic combat where friendly troops are meters away from enemy forces, A-10 pilots can visually map the terrain. High-flying stealth jets rely strictly on digital sensors, which can be fooled by bad weather or smoke. High Operational Costs: Firing a precision missile from an F-35 costs hundreds of thousands of dollars per shot. The A-10's cannon rounds cost a fraction of that, making it economically sustainable for prolonged warfare. Real-World Contested Airspaces: Lessons for 2026 Recent geopolitical conflicts in Eastern Europe and the Middle East have shown that modern warfare is moving toward highly contested electronic environments. Advanced air defense systems make the skies deadly for high-altitude aircraft, while GPS-jamming regularly blinds precision-guided drones. In a scenario where satellite communications are down and electronic warfare is rampant, a low-flying, armored platform that operates independently of complex data-networks becomes invaluable. Ground commanders consistently state that when a conflict gets brutal and chaotic on the frontlines, nothing replaces the sheer psychological and physical impact of an A-10 sweeping in low. Conclusion The U.S. military cannot retire the A-10 Warthog in 2026 because the aircraft represents a pinnacle of functional, specialized design that modern multirole jets cannot replicate. It was built for one specific, brutal job: protecting troops on the ground at all costs. Until a modern platform can combine the Warthog’s legendary durability, extreme loiter time, and cost-effective firepower, this armored icon will continue to fly, defying both time and retirement. What do you think? Should the U.S. invest in a true successor to the Warthog, or is the era of manned close air support coming to an end? Share your thoughts in the comments below!</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-08-06-2026_01.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-08-06-2026_01.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-08-06-2026_01.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Asha Sharma’s New Big Xbox Call – Yank Gears of War: E-Day Off PS5 and Rebuild the Console Exclusivity Wall]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/37318</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/37318</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[NBS News Desk]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 07 Jun 2026 20:35:31 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[Technology]]></category>
                        <category><![CDATA[Xbox Games Showcase 2026, Gears of War E-Day, Asha Sharma Xbox, Xbox exclusivity strategy, Microsoft gaming news, Gears of War PS5 cancellation, Xbox Series X games, Xbox Game Pass growth, Phil Spencer successor, Xbox first party games, Console exclusives 2026, The Coalition Gears of War, Xbox vs PlayStation, Gaming industry trends, Microsoft multiplatform strategy]]></category>
        
        <description><![CDATA[The gaming industry may be witnessing a major strategic reversal at Xbox. Just hours before the highly anticipated Xbox Games Showcase 2026, industry insider Jeff Grubb dropped a surprising claim that has reignited debate over console exclusivity. According to Grubb, The Coalition’s Gears of War: E-Day was originally planned for a PlayStation 5 release but has now reportedly been pulled from those plans. The revelation arrives at a critical moment for Xbox. After years of embracing a multiplatform publishing strategy, the company appears to be reconsidering how much value exclusive games bring to its hardware ecosystem. With Asha Sharma now leading Xbox as Chief Executive Officer, the future of flagship franchises such as Gears of War and Fable could be taking a dramatically different direction. Jeff Grubb Claims Gears of War: E-Day PS5 Version Was Canceled Speaking during a Giant Bomb livestream, respected industry insider Jeff Grubb stated that Gears of War: E-Day was once expected to launch on PlayStation 5 alongside Xbox and PC. According to Grubb, the decision to remove the PS5 version was made recently, signaling a significant shift inside Microsoft's gaming division. His comments immediately attracted attention because they contradict the broader strategy Xbox has followed throughout the last few years. Under previous leadership, Microsoft increasingly prioritized software distribution across multiple platforms rather than relying solely on console exclusives. For many observers, a PlayStation 5 version of Gears of War: E-Day seemed inevitable. Why the Rumor Makes Sense Several factors made a PS5 release appear likely: Xbox has released multiple first-party titles on rival platforms. Microsoft repeatedly emphasized reaching gamers wherever they play. Gears of War: Reloaded introduced the franchise to PlayStation audiences. The company positioned itself as a major publisher rather than a traditional console-only platform holder. Because of these developments, many industry analysts believed Gears of War: E-Day would continue that strategy. Instead, Grubb's report suggests Xbox may now be reversing course. Asha Sharma’s Influence on Xbox Strategy The reported change comes shortly after Asha Sharma assumed leadership of Xbox, succeeding Phil Spencer. Since taking over, Sharma has reportedly focused on strengthening the core Xbox console business. While Microsoft remains one of the world's largest gaming publishers, Sharma appears to believe that platform-exclusive content remains essential for long-term hardware growth. This philosophy represents a more balanced approach between publishing games widely and maintaining unique reasons for consumers to buy Xbox hardware. The Importance of Exclusives in the Console Market Console exclusives have historically played a critical role in platform competition. Major examples include: Sony's success with exclusive franchises. Nintendo's hardware-driven ecosystem built around exclusive games. Microsoft's historic reliance on franchises such as Halo, Forza, and Gears of War. Exclusive content often drives hardware sales, subscription growth, and ecosystem engagement. Without strong exclusives, consumers may have fewer incentives to choose one platform over another. If Xbox is rebuilding what some call the "exclusivity wall," Gears of War: E-Day could become one of the first major examples of that strategy. What This Means for Gears of War: E-Day For fans of the franchise, the news could have significant implications. Gears of War: E-Day is one of Xbox's most anticipated upcoming releases. The game serves as a prequel to the original series and explores the devastating events of Emergence Day, one of the most important moments in the franchise's lore. The title has already generated considerable excitement thanks to: Its cinematic reveal trailer. The return of beloved characters. Unreal Engine-powered visuals. The Coalition's reputation for technical excellence. A platform-exclusive launch would further elevate its importance within Xbox's lineup. Potential Benefits for Xbox If the game remains exclusive to Xbox Series X|S and PC, Microsoft could benefit in several ways: Increased Xbox console demand. Higher Game Pass subscriber acquisition. Stronger platform differentiation. Greater brand identity for the Xbox ecosystem. These advantages are particularly important as the company competes against Sony and Nintendo in an increasingly crowded gaming market. Could Fable Be Next? One of the biggest questions raised by this report involves Playground Games' upcoming Fable reboot. Industry discussions have suggested that Fable could receive a day-one PlayStation 5 release when it launches next year. However, if Xbox is indeed shifting toward greater exclusivity, those plans could potentially change. At the moment, there is no official indication that Fable has been affected. Still, the reported decision surrounding Gears of War: E-Day demonstrates that Xbox leadership may be reevaluating previously planned platform strategies. A Broader Strategic Shift? The gaming industry has increasingly moved toward ecosystem-based competition rather than pure hardware battles. Xbox's recent initiatives have included: Cloud gaming expansion. Game Pass growth. Cross-platform publishing. PC integration. However, Sharma's comments regarding the importance of exclusive content suggest the company may now be seeking a hybrid model that combines wide software distribution with carefully selected flagship exclusives. Such a strategy could allow Xbox to maximize publishing revenue while preserving the unique value of its console platform. What to Expect From the Xbox Games Showcase 2026 Fortunately, fans will not have to wait long for more information. Gears of War: E-Day is expected to receive a dedicated presentation immediately following the Xbox Games Showcase 2026. The event could provide crucial details regarding: Release window. Gameplay footage. Story elements. Multiplayer features. Platform availability. If Jeff Grubb's report is accurate, the showcase may also indirectly confirm whether PlayStation 5 is no longer part of the game's launch plans. For Xbox enthusiasts, the event could offer the clearest indication yet of Asha Sharma's vision for the future of the brand. Final Verdict The reported cancellation of a PlayStation 5 version of Gears of War: E-Day may represent far more than a single platform decision. It could signal the beginning of a broader Xbox strategy centered on rebuilding the value of console exclusives under Asha Sharma's leadership. While Microsoft remains committed to reaching large gaming audiences, exclusivity still carries enormous strategic importance in the battle for platform loyalty. If Gears of War: E-Day becomes an Xbox and PC-only title, it may mark the first major step in a new era for the Xbox ecosystem. As gamers await official confirmation during the Xbox Games Showcase 2026, one thing is clear: the future direction of Xbox has suddenly become one of the industry's most fascinating stories. What do you think? Should Gears of War: E-Day remain exclusive to Xbox, or should Microsoft continue bringing its biggest franchises to PlayStation? Share your thoughts in the comments below.]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-07-06-2026_56.webp" alt="Asha Sharma’s New Big Xbox Call – Yank Gears of War: E-Day Off PS5 and Rebuild the Console Exclusivity Wall" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Asha Sharma’s New Big Xbox Call – Yank Gears of War: E-Day Off PS5 and Rebuild the Console Exclusivity Wall</h1>
            <p>The gaming industry may be witnessing a major strategic reversal at Xbox. Just hours before the highly anticipated Xbox Games Showcase 2026, industry insider Jeff Grubb dropped a surprising claim that has reignited debate over console exclusivity. According to Grubb, The Coalition’s Gears of War: E-Day was originally planned for a PlayStation 5 release but has now reportedly been pulled from those plans. The revelation arrives at a critical moment for Xbox. After years of embracing a multiplatform publishing strategy, the company appears to be reconsidering how much value exclusive games bring to its hardware ecosystem. With Asha Sharma now leading Xbox as Chief Executive Officer, the future of flagship franchises such as Gears of War and Fable could be taking a dramatically different direction. Jeff Grubb Claims Gears of War: E-Day PS5 Version Was Canceled Speaking during a Giant Bomb livestream, respected industry insider Jeff Grubb stated that Gears of War: E-Day was once expected to launch on PlayStation 5 alongside Xbox and PC. According to Grubb, the decision to remove the PS5 version was made recently, signaling a significant shift inside Microsoft's gaming division. His comments immediately attracted attention because they contradict the broader strategy Xbox has followed throughout the last few years. Under previous leadership, Microsoft increasingly prioritized software distribution across multiple platforms rather than relying solely on console exclusives. For many observers, a PlayStation 5 version of Gears of War: E-Day seemed inevitable. Why the Rumor Makes Sense Several factors made a PS5 release appear likely: Xbox has released multiple first-party titles on rival platforms. Microsoft repeatedly emphasized reaching gamers wherever they play. Gears of War: Reloaded introduced the franchise to PlayStation audiences. The company positioned itself as a major publisher rather than a traditional console-only platform holder. Because of these developments, many industry analysts believed Gears of War: E-Day would continue that strategy. Instead, Grubb's report suggests Xbox may now be reversing course. Asha Sharma’s Influence on Xbox Strategy The reported change comes shortly after Asha Sharma assumed leadership of Xbox, succeeding Phil Spencer. Since taking over, Sharma has reportedly focused on strengthening the core Xbox console business. While Microsoft remains one of the world's largest gaming publishers, Sharma appears to believe that platform-exclusive content remains essential for long-term hardware growth. This philosophy represents a more balanced approach between publishing games widely and maintaining unique reasons for consumers to buy Xbox hardware. The Importance of Exclusives in the Console Market Console exclusives have historically played a critical role in platform competition. Major examples include: Sony's success with exclusive franchises. Nintendo's hardware-driven ecosystem built around exclusive games. Microsoft's historic reliance on franchises such as Halo, Forza, and Gears of War. Exclusive content often drives hardware sales, subscription growth, and ecosystem engagement. Without strong exclusives, consumers may have fewer incentives to choose one platform over another. If Xbox is rebuilding what some call the "exclusivity wall," Gears of War: E-Day could become one of the first major examples of that strategy. What This Means for Gears of War: E-Day For fans of the franchise, the news could have significant implications. Gears of War: E-Day is one of Xbox's most anticipated upcoming releases. The game serves as a prequel to the original series and explores the devastating events of Emergence Day, one of the most important moments in the franchise's lore. The title has already generated considerable excitement thanks to: Its cinematic reveal trailer. The return of beloved characters. Unreal Engine-powered visuals. The Coalition's reputation for technical excellence. A platform-exclusive launch would further elevate its importance within Xbox's lineup. Potential Benefits for Xbox If the game remains exclusive to Xbox Series X|S and PC, Microsoft could benefit in several ways: Increased Xbox console demand. Higher Game Pass subscriber acquisition. Stronger platform differentiation. Greater brand identity for the Xbox ecosystem. These advantages are particularly important as the company competes against Sony and Nintendo in an increasingly crowded gaming market. Could Fable Be Next? One of the biggest questions raised by this report involves Playground Games' upcoming Fable reboot. Industry discussions have suggested that Fable could receive a day-one PlayStation 5 release when it launches next year. However, if Xbox is indeed shifting toward greater exclusivity, those plans could potentially change. At the moment, there is no official indication that Fable has been affected. Still, the reported decision surrounding Gears of War: E-Day demonstrates that Xbox leadership may be reevaluating previously planned platform strategies. A Broader Strategic Shift? The gaming industry has increasingly moved toward ecosystem-based competition rather than pure hardware battles. Xbox's recent initiatives have included: Cloud gaming expansion. Game Pass growth. Cross-platform publishing. PC integration. However, Sharma's comments regarding the importance of exclusive content suggest the company may now be seeking a hybrid model that combines wide software distribution with carefully selected flagship exclusives. Such a strategy could allow Xbox to maximize publishing revenue while preserving the unique value of its console platform. What to Expect From the Xbox Games Showcase 2026 Fortunately, fans will not have to wait long for more information. Gears of War: E-Day is expected to receive a dedicated presentation immediately following the Xbox Games Showcase 2026. The event could provide crucial details regarding: Release window. Gameplay footage. Story elements. Multiplayer features. Platform availability. If Jeff Grubb's report is accurate, the showcase may also indirectly confirm whether PlayStation 5 is no longer part of the game's launch plans. For Xbox enthusiasts, the event could offer the clearest indication yet of Asha Sharma's vision for the future of the brand. Final Verdict The reported cancellation of a PlayStation 5 version of Gears of War: E-Day may represent far more than a single platform decision. It could signal the beginning of a broader Xbox strategy centered on rebuilding the value of console exclusives under Asha Sharma's leadership. While Microsoft remains committed to reaching large gaming audiences, exclusivity still carries enormous strategic importance in the battle for platform loyalty. If Gears of War: E-Day becomes an Xbox and PC-only title, it may mark the first major step in a new era for the Xbox ecosystem. As gamers await official confirmation during the Xbox Games Showcase 2026, one thing is clear: the future direction of Xbox has suddenly become one of the industry's most fascinating stories. What do you think? Should Gears of War: E-Day remain exclusive to Xbox, or should Microsoft continue bringing its biggest franchises to PlayStation? Share your thoughts in the comments below.</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-07-06-2026_56.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-07-06-2026_56.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-07-06-2026_56.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Gears of War: E-Day PS5 Placeholder Listing Appears Online as Xbox Games Showcase Looms]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/37317</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/37317</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[NBS News Desk]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 07 Jun 2026 20:34:18 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[Technology]]></category>
                        <category><![CDATA[gears of war e day ps5, gears of war e day walmart leak, xbox games showcase 2026, asha sharma xbox ceo, gears of war e day direct, xbox exclusivity strategy, microsoft gaming news, ps5 placeholder listing, summer game fest 2026, halo campaign evolved ps5, the coalition gears of war, video game retail leaks, jeff grubb gears of war, matt booty xbox, next gen console exclusives]]></category>
        
        <description><![CDATA[The gaming world is in a state of absolute frenzy. Less than 24 hours before Microsoft takes the stage for its highly anticipated 2026 Xbox Games Showcase, a shocking retail leak has disrupted the entire industry's expectations regarding console exclusivity. A temporary placeholder listing on a major retail website has reignited fierce debates about Microsoft's long-term hardware and software strategy. For a brief moment, it appeared that one of Xbox's most sacred intellectual properties was crossing the console divide. The primary long-tail keyword driving this massive wave of online speculation is simple: a Gears of War: E-Day PS5 placeholder listing appears online as Xbox Games Showcase looms. While platforms have not been officially announced by Microsoft or developer The Coalition, this unexpected development has sent shockwaves through both the Xbox and PlayStation communities. The Walmart Leak That Shocked the Gaming Community The internet first caught wind of the situation when a Reddit user named Laughing__Man_ shared a live link on the platform. The URL directed users to a product page for a "Gears: E-Day Standard Edition" specifically formatted for Sony’s PlayStation 5 on Walmart’s official e-commerce website. The retail webpage was quickly scrubbed of any mention of the upcoming sci-fi prequel. However, major gaming outlets like IGN managed to verify and visit the active link before corporate administrators pulled it down. The brief glimpse at the page revealed several classic indicators of an unreleased product entry. The listing featured a premium price tag of $99.99 for the standard edition, categorized the title as a "first-person shooter," and noted a pending ESRB age rating. Furthermore, the product description contained generic text fields labeled "Placeholder 1," "TBD 2," and "TBD 3." While almost every single technical element on the page points to an administrative error or an early system test, its sudden public appearance has caused immense confusion across the web. Shifting Tides in Microsoft’s Multiplatform Strategy When Gears of War: E-Day was originally unveiled to the public in 2024, the gaming industry naturally assumed the title would remain strictly bound to Windows PC and Xbox Series X|S hardware. The franchise has served as a foundational pillar of the Xbox ecosystem since the Xbox 360 era, moving millions of retail consoles globally. However, the corporate landscape at Microsoft Gaming has shifted dramatically over the past 24 months. Xbox leadership previously initiated an experimental program that brought former first-party exclusives over to competing hardware platforms. With legacy titles like Halo: Campaign Evolved gradually making their way to Sony's rival ecosystem, many industry insiders believed that the next mainline gears of war e day project would inevitably follow a similar multiplatform release trajectory. The retail listing on Walmart has merely added fuel to an fire that has been burning for months. The Asha Sharma Era: A Return to Traditional Exclusivity? Despite the immense multiplatform momentum building throughout late 2025, Microsoft's executive leadership appears to be steering the ship back toward traditional ecosystem boundaries. The corporate narrative began to change following the appointment of newly minted Xbox CEO Asha Sharma. While previous spin-offs like Gears of War: Reloaded convinced a vocal subset of the player base that Microsoft was abandoning traditional platform exclusives entirely, Sharma has signaled a major course correction. Internal corporate communications obtained earlier this year highlight a distinct shift in strategic philosophy. An internal mission statement emailed to global Xbox staff in April 2026 promised that executive leadership would fundamentally reevaluate the company's aggressive multiplatform software approach. In May, Chief Content Officer Matt Booty publicly admitted that showcasing competitor console logos during premium Xbox broadcast events was a strategic misstep. CEO Asha Sharma personally reinforced this message during a recent interview with Bloomberg, explicitly stating that a modern gaming platform "must have exclusive content and services" to survive. Conflicting Rumors: Was the PS5 Version Abruptly Canceled? As the retail page continues to spark intense debate across social media networks, prominent industry insiders are offering a completely different perspective on the situation. The contrasting theories suggest that a PlayStation port may have existed at one point but was recently axed behind closed doors. Journalist and Giant Bomb host Jeff Grubb recently dropped a massive bomb on the situation during a recent industry broadcast. According to his internal corporate sources, a PlayStation 5 version of the upcoming prequel was actively planned by leadership. However, Grubb noted that a definitive internal decision was handed down very recently to cancel the project. If these industry whispers are accurate, the Walmart product listing may simply be a ghost of a discarded corporate strategy rather than a preview of an upcoming announcement. What to Expect Next for Gears of War: E-Day With the broader Summer Game Fest schedule reaching its absolute peak, video game enthusiasts are highly encouraged to temper their immediate expectations. Retail databases are notorious for generating erroneous placeholder entries during massive seasonal promotional windows. Thankfully, global fans will not have to wait very long for concrete clarity. Microsoft is hosting a dedicated Gears of War: E-Day Direct immediately following the conclusion of the main 2026 Xbox Games Showcase presentation later today. This deeply focused digital broadcast promises to deliver official gameplay footage, concrete narrative details, and official target platform confirmations. Until the executive team takes the stage, this retail leak remains a highly fascinating look into the volatile world of modern video game publishing. Conclusion: A Turning Point for the Xbox Brand The sudden appearance of the Walmart product entry marks a fascinating moment in the ongoing console wars. Whether the retail listing was a complete mistake or a premature glimpse at a major corporate partnership, it highlights how quickly the lines of modern game distribution are shifting. As Microsoft attempts to balance maximum software profitability with the preservation of its hardware ecosystem, the fate of its biggest franchises remains hanging in the balance. What do you think about this sudden retail development? Do you believe Microsoft should keep its biggest blockbusters exclusive to the Xbox ecosystem, or would you like to see the franchise jump over to the PlayStation 5? Let us know your thoughts and predictions in the comments section below!]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-07-06-2026_56.webp" alt="Gears of War: E-Day PS5 Placeholder Listing Appears Online as Xbox Games Showcase Looms" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Gears of War: E-Day PS5 Placeholder Listing Appears Online as Xbox Games Showcase Looms</h1>
            <p>The gaming world is in a state of absolute frenzy. Less than 24 hours before Microsoft takes the stage for its highly anticipated 2026 Xbox Games Showcase, a shocking retail leak has disrupted the entire industry's expectations regarding console exclusivity. A temporary placeholder listing on a major retail website has reignited fierce debates about Microsoft's long-term hardware and software strategy. For a brief moment, it appeared that one of Xbox's most sacred intellectual properties was crossing the console divide. The primary long-tail keyword driving this massive wave of online speculation is simple: a Gears of War: E-Day PS5 placeholder listing appears online as Xbox Games Showcase looms. While platforms have not been officially announced by Microsoft or developer The Coalition, this unexpected development has sent shockwaves through both the Xbox and PlayStation communities. The Walmart Leak That Shocked the Gaming Community The internet first caught wind of the situation when a Reddit user named Laughing__Man_ shared a live link on the platform. The URL directed users to a product page for a "Gears: E-Day Standard Edition" specifically formatted for Sony’s PlayStation 5 on Walmart’s official e-commerce website. The retail webpage was quickly scrubbed of any mention of the upcoming sci-fi prequel. However, major gaming outlets like IGN managed to verify and visit the active link before corporate administrators pulled it down. The brief glimpse at the page revealed several classic indicators of an unreleased product entry. The listing featured a premium price tag of $99.99 for the standard edition, categorized the title as a "first-person shooter," and noted a pending ESRB age rating. Furthermore, the product description contained generic text fields labeled "Placeholder 1," "TBD 2," and "TBD 3." While almost every single technical element on the page points to an administrative error or an early system test, its sudden public appearance has caused immense confusion across the web. Shifting Tides in Microsoft’s Multiplatform Strategy When Gears of War: E-Day was originally unveiled to the public in 2024, the gaming industry naturally assumed the title would remain strictly bound to Windows PC and Xbox Series X|S hardware. The franchise has served as a foundational pillar of the Xbox ecosystem since the Xbox 360 era, moving millions of retail consoles globally. However, the corporate landscape at Microsoft Gaming has shifted dramatically over the past 24 months. Xbox leadership previously initiated an experimental program that brought former first-party exclusives over to competing hardware platforms. With legacy titles like Halo: Campaign Evolved gradually making their way to Sony's rival ecosystem, many industry insiders believed that the next mainline gears of war e day project would inevitably follow a similar multiplatform release trajectory. The retail listing on Walmart has merely added fuel to an fire that has been burning for months. The Asha Sharma Era: A Return to Traditional Exclusivity? Despite the immense multiplatform momentum building throughout late 2025, Microsoft's executive leadership appears to be steering the ship back toward traditional ecosystem boundaries. The corporate narrative began to change following the appointment of newly minted Xbox CEO Asha Sharma. While previous spin-offs like Gears of War: Reloaded convinced a vocal subset of the player base that Microsoft was abandoning traditional platform exclusives entirely, Sharma has signaled a major course correction. Internal corporate communications obtained earlier this year highlight a distinct shift in strategic philosophy. An internal mission statement emailed to global Xbox staff in April 2026 promised that executive leadership would fundamentally reevaluate the company's aggressive multiplatform software approach. In May, Chief Content Officer Matt Booty publicly admitted that showcasing competitor console logos during premium Xbox broadcast events was a strategic misstep. CEO Asha Sharma personally reinforced this message during a recent interview with Bloomberg, explicitly stating that a modern gaming platform "must have exclusive content and services" to survive. Conflicting Rumors: Was the PS5 Version Abruptly Canceled? As the retail page continues to spark intense debate across social media networks, prominent industry insiders are offering a completely different perspective on the situation. The contrasting theories suggest that a PlayStation port may have existed at one point but was recently axed behind closed doors. Journalist and Giant Bomb host Jeff Grubb recently dropped a massive bomb on the situation during a recent industry broadcast. According to his internal corporate sources, a PlayStation 5 version of the upcoming prequel was actively planned by leadership. However, Grubb noted that a definitive internal decision was handed down very recently to cancel the project. If these industry whispers are accurate, the Walmart product listing may simply be a ghost of a discarded corporate strategy rather than a preview of an upcoming announcement. What to Expect Next for Gears of War: E-Day With the broader Summer Game Fest schedule reaching its absolute peak, video game enthusiasts are highly encouraged to temper their immediate expectations. Retail databases are notorious for generating erroneous placeholder entries during massive seasonal promotional windows. Thankfully, global fans will not have to wait very long for concrete clarity. Microsoft is hosting a dedicated Gears of War: E-Day Direct immediately following the conclusion of the main 2026 Xbox Games Showcase presentation later today. This deeply focused digital broadcast promises to deliver official gameplay footage, concrete narrative details, and official target platform confirmations. Until the executive team takes the stage, this retail leak remains a highly fascinating look into the volatile world of modern video game publishing. Conclusion: A Turning Point for the Xbox Brand The sudden appearance of the Walmart product entry marks a fascinating moment in the ongoing console wars. Whether the retail listing was a complete mistake or a premature glimpse at a major corporate partnership, it highlights how quickly the lines of modern game distribution are shifting. As Microsoft attempts to balance maximum software profitability with the preservation of its hardware ecosystem, the fate of its biggest franchises remains hanging in the balance. What do you think about this sudden retail development? Do you believe Microsoft should keep its biggest blockbusters exclusive to the Xbox ecosystem, or would you like to see the franchise jump over to the PlayStation 5? Let us know your thoughts and predictions in the comments section below!</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-07-06-2026_56.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-07-06-2026_56.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-07-06-2026_56.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[How to Watch the Xbox Games Showcase and Gears of War: E-Day Direct on Sunday: Start Times, Streaming Platforms, and What to Expect]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/37316</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/37316</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[NBS News Desk]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 07 Jun 2026 20:25:01 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[Technology]]></category>
                        <category><![CDATA[Xbox Games Showcase 2026, Xbox Showcase 2026 Time, Gears of War E-Day Direct, How to Watch Xbox Games Showcase, Xbox Live Stream 2026, Xbox Game Pass News, Halo Campaign Evolved, Fable Gameplay Reveal, Clockwork Revolution Update, State of Decay 3 News, Xbox Gaming Event, Microsoft Gaming Showcase, Xbox First Party Games, Gears of War E-Day Gameplay, Summer Gaming Showcase 2026]]></category>
        
        <description><![CDATA[The gaming industry is preparing for one of its biggest events of the year as Microsoft hosts the highly anticipated Xbox Games Showcase 2026. For fans searching for How to Watch the Xbox Games Showcase and Gears of War: E-Day Direct on Sunday, this guide covers everything you need to know, including start times, streaming platforms, accessibility features, and the biggest announcements expected from the event. As Xbox celebrates its 25th anniversary, this year's showcase promises world premieres, fresh gameplay reveals, major updates from Xbox Game Studios, and exciting news from partners across the gaming industry. Immediately following the main event, Microsoft will present the highly anticipated Gears of War: E-Day Direct, offering a closer look at the next chapter of one of Xbox’s most iconic franchises. Xbox Games Showcase 2026 Marks a Major Moment for Microsoft The annual Xbox Showcase has become one of the most important gaming presentations of the year. It serves as Microsoft's platform to reveal upcoming games, showcase new technology, and highlight future plans for the Xbox ecosystem. This year's event carries additional significance because it marks 25 years of Xbox. It is also one of the first major showcases under Microsoft Gaming CEO Asha Sharma, who succeeded longtime Xbox leader Phil Spencer earlier this year. Microsoft has already confirmed that viewers can expect: World premiere game announcements New gameplay footage Updates on previously announced titles First-party and third-party reveals Xbox Game Pass news Bethesda and Activision Blizzard updates Surprise announcements from global development partners Xbox Showcase 2026 Time: When Does the Event Start? If you're looking for the official Xbox Showcase 2026 time, here are the confirmed start times for major regions around the world: Pacific Time (PDT): June 7 at 10:00 AM Eastern Time (EDT): June 7 at 1:00 PM United Kingdom (BST): June 7 at 6:00 PM Central European Time (CEST): June 7 at 7:00 PM Japan Standard Time (JST): June 8 at 2:00 AM Australian Eastern Standard Time (AEST): June 8 at 3:00 AM When Does Gears of War: E-Day Direct Begin? Microsoft has confirmed that the Gears of War: E-Day Direct will begin immediately after the Xbox Games Showcase concludes. Fans can simply remain on the livestream following the main presentation to watch the special deep-dive event. How to Watch the Xbox Games Showcase and Gears of War: E-Day Direct on Sunday Microsoft is making the showcase widely accessible through several official streaming platforms. Official Viewing Options The event will be streamed live on: Xbox's official YouTube channel (4K 60FPS support) Xbox's official Twitch channel XboxASL Twitch channel Xbox's Facebook page Steam Regional Xbox channels Regional Bethesda channels China's Bilibili platform For the first time, viewers in the United States can also watch through: Amazon Live Prime Video on Fire TV The YouTube stream is expected to provide the highest-quality viewing experience, including support for 4K resolution and 60 frames per second. What to Expect From Xbox Games Showcase 2026 Microsoft has promised major announcements covering first-party games, third-party partnerships, and future Xbox initiatives. Many industry observers expect this year's event to deliver one of the strongest Xbox lineups in recent years. First-Party Games Expected to Appear Several highly anticipated Xbox titles are expected to receive updates, including: Halo: Campaign Evolved Fable Clockwork Revolution State of Decay 3 Fans are hoping to see: New gameplay demonstrations Story details Release windows Developer insights Technical showcases Updates for Existing Xbox Titles Microsoft is also expected to provide updates for ongoing games and live-service experiences, including: Forza Horizon 6 Sea of Thieves Minecraft Fallout 76 Overwatch Call of Duty franchises These updates may include seasonal content, expansions, crossover events, and future development plans. Gears of War: E-Day Direct Could Be a Showcase Highlight The dedicated Gears of War: E-Day Direct is expected to be one of the most closely watched segments of the event. Developed by The Coalition, the game explores the beginning of Emergence Day and serves as an origin story for the Gears of War universe. Viewers can expect: Extended gameplay footage Story reveals Character details Behind-the-scenes development insights Technical improvements powered by modern hardware Many fans are also hoping for updates regarding the long-rumored Gears of War movie adaptation. Third-Party Reveals May Deliver Big Surprises Xbox showcases have become known for surprise announcements from major third-party publishers. Industry rumors suggest potential appearances from: Persona 6 Persona 4 Revival New indie projects Unannounced AAA games Exclusive Game Pass partnerships While none of these reports have been officially confirmed, unexpected reveals have become a hallmark of Xbox presentations. Could Xbox Game Pass Receive Major Announcements? Another major area of interest is Xbox Game Pass. As Microsoft continues expanding its subscription business, many analysts expect announcements related to: New day-one Game Pass releases Activision Blizzard integrations Additional subscription benefits Expanded content libraries New partnerships Fans are particularly interested in whether Microsoft will announce classic Call of Duty titles or remastered editions for the service. Language Support and Accessibility Features Microsoft continues to prioritize accessibility and global availability. Languages Available During the Live Broadcast The showcase will support multiple languages, including: English French German Italian Japanese Korean Polish Brazilian Portuguese Turkish Simplified Chinese Traditional Chinese Castilian Spanish Mexican Spanish Additional language options will be added after the livestream concludes. Accessibility Options Microsoft has confirmed several accessibility features, including: English audio descriptions American Sign Language (ASL) British Sign Language (BSL) Closed captions These features ensure that viewers with hearing or vision impairments can enjoy the event. Where to Catch the News If You Miss the Livestream Not everyone will be able to watch the event live, but Microsoft plans extensive post-show coverage. Fans can stay informed through: Xbox Wire news articles Official Xbox social media accounts Xbox YouTube uploads Official Xbox Podcast special episodes Post-event developer deep dives Additional analysis and detailed breakdowns are expected throughout the week following the showcase. Conclusion If you're wondering How to Watch the Xbox Games Showcase and Gears of War: E-Day Direct on Sunday, simply tune into Xbox's official YouTube, Twitch, Facebook, Steam, or regional channels beginning at 10:00 AM PDT, 1:00 PM EDT, or 6:00 PM BST on June 7. With Xbox celebrating its 25th anniversary, expectations are extremely high for major game reveals, first gameplay footage, Xbox Game Pass announcements, and an in-depth look at Gears of War: E-Day. Whether you're an Xbox veteran or a newcomer interested in the future of gaming, Xbox Games Showcase 2026 is shaping up to be one of the year's most important gaming events. Share your predictions in the comments and let us know which announcement you're most excited to see.]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-07-06-2026_55.webp" alt="How to Watch the Xbox Games Showcase and Gears of War: E-Day Direct on Sunday: Start Times, Streaming Platforms, and What to Expect" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>How to Watch the Xbox Games Showcase and Gears of War: E-Day Direct on Sunday: Start Times, Streaming Platforms, and What to Expect</h1>
            <p>The gaming industry is preparing for one of its biggest events of the year as Microsoft hosts the highly anticipated Xbox Games Showcase 2026. For fans searching for How to Watch the Xbox Games Showcase and Gears of War: E-Day Direct on Sunday, this guide covers everything you need to know, including start times, streaming platforms, accessibility features, and the biggest announcements expected from the event. As Xbox celebrates its 25th anniversary, this year's showcase promises world premieres, fresh gameplay reveals, major updates from Xbox Game Studios, and exciting news from partners across the gaming industry. Immediately following the main event, Microsoft will present the highly anticipated Gears of War: E-Day Direct, offering a closer look at the next chapter of one of Xbox’s most iconic franchises. Xbox Games Showcase 2026 Marks a Major Moment for Microsoft The annual Xbox Showcase has become one of the most important gaming presentations of the year. It serves as Microsoft's platform to reveal upcoming games, showcase new technology, and highlight future plans for the Xbox ecosystem. This year's event carries additional significance because it marks 25 years of Xbox. It is also one of the first major showcases under Microsoft Gaming CEO Asha Sharma, who succeeded longtime Xbox leader Phil Spencer earlier this year. Microsoft has already confirmed that viewers can expect: World premiere game announcements New gameplay footage Updates on previously announced titles First-party and third-party reveals Xbox Game Pass news Bethesda and Activision Blizzard updates Surprise announcements from global development partners Xbox Showcase 2026 Time: When Does the Event Start? If you're looking for the official Xbox Showcase 2026 time, here are the confirmed start times for major regions around the world: Pacific Time (PDT): June 7 at 10:00 AM Eastern Time (EDT): June 7 at 1:00 PM United Kingdom (BST): June 7 at 6:00 PM Central European Time (CEST): June 7 at 7:00 PM Japan Standard Time (JST): June 8 at 2:00 AM Australian Eastern Standard Time (AEST): June 8 at 3:00 AM When Does Gears of War: E-Day Direct Begin? Microsoft has confirmed that the Gears of War: E-Day Direct will begin immediately after the Xbox Games Showcase concludes. Fans can simply remain on the livestream following the main presentation to watch the special deep-dive event. How to Watch the Xbox Games Showcase and Gears of War: E-Day Direct on Sunday Microsoft is making the showcase widely accessible through several official streaming platforms. Official Viewing Options The event will be streamed live on: Xbox's official YouTube channel (4K 60FPS support) Xbox's official Twitch channel XboxASL Twitch channel Xbox's Facebook page Steam Regional Xbox channels Regional Bethesda channels China's Bilibili platform For the first time, viewers in the United States can also watch through: Amazon Live Prime Video on Fire TV The YouTube stream is expected to provide the highest-quality viewing experience, including support for 4K resolution and 60 frames per second. What to Expect From Xbox Games Showcase 2026 Microsoft has promised major announcements covering first-party games, third-party partnerships, and future Xbox initiatives. Many industry observers expect this year's event to deliver one of the strongest Xbox lineups in recent years. First-Party Games Expected to Appear Several highly anticipated Xbox titles are expected to receive updates, including: Halo: Campaign Evolved Fable Clockwork Revolution State of Decay 3 Fans are hoping to see: New gameplay demonstrations Story details Release windows Developer insights Technical showcases Updates for Existing Xbox Titles Microsoft is also expected to provide updates for ongoing games and live-service experiences, including: Forza Horizon 6 Sea of Thieves Minecraft Fallout 76 Overwatch Call of Duty franchises These updates may include seasonal content, expansions, crossover events, and future development plans. Gears of War: E-Day Direct Could Be a Showcase Highlight The dedicated Gears of War: E-Day Direct is expected to be one of the most closely watched segments of the event. Developed by The Coalition, the game explores the beginning of Emergence Day and serves as an origin story for the Gears of War universe. Viewers can expect: Extended gameplay footage Story reveals Character details Behind-the-scenes development insights Technical improvements powered by modern hardware Many fans are also hoping for updates regarding the long-rumored Gears of War movie adaptation. Third-Party Reveals May Deliver Big Surprises Xbox showcases have become known for surprise announcements from major third-party publishers. Industry rumors suggest potential appearances from: Persona 6 Persona 4 Revival New indie projects Unannounced AAA games Exclusive Game Pass partnerships While none of these reports have been officially confirmed, unexpected reveals have become a hallmark of Xbox presentations. Could Xbox Game Pass Receive Major Announcements? Another major area of interest is Xbox Game Pass. As Microsoft continues expanding its subscription business, many analysts expect announcements related to: New day-one Game Pass releases Activision Blizzard integrations Additional subscription benefits Expanded content libraries New partnerships Fans are particularly interested in whether Microsoft will announce classic Call of Duty titles or remastered editions for the service. Language Support and Accessibility Features Microsoft continues to prioritize accessibility and global availability. Languages Available During the Live Broadcast The showcase will support multiple languages, including: English French German Italian Japanese Korean Polish Brazilian Portuguese Turkish Simplified Chinese Traditional Chinese Castilian Spanish Mexican Spanish Additional language options will be added after the livestream concludes. Accessibility Options Microsoft has confirmed several accessibility features, including: English audio descriptions American Sign Language (ASL) British Sign Language (BSL) Closed captions These features ensure that viewers with hearing or vision impairments can enjoy the event. Where to Catch the News If You Miss the Livestream Not everyone will be able to watch the event live, but Microsoft plans extensive post-show coverage. Fans can stay informed through: Xbox Wire news articles Official Xbox social media accounts Xbox YouTube uploads Official Xbox Podcast special episodes Post-event developer deep dives Additional analysis and detailed breakdowns are expected throughout the week following the showcase. Conclusion If you're wondering How to Watch the Xbox Games Showcase and Gears of War: E-Day Direct on Sunday, simply tune into Xbox's official YouTube, Twitch, Facebook, Steam, or regional channels beginning at 10:00 AM PDT, 1:00 PM EDT, or 6:00 PM BST on June 7. With Xbox celebrating its 25th anniversary, expectations are extremely high for major game reveals, first gameplay footage, Xbox Game Pass announcements, and an in-depth look at Gears of War: E-Day. Whether you're an Xbox veteran or a newcomer interested in the future of gaming, Xbox Games Showcase 2026 is shaping up to be one of the year's most important gaming events. Share your predictions in the comments and let us know which announcement you're most excited to see.</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-07-06-2026_55.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-07-06-2026_55.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-07-06-2026_55.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[How to Watch the XBOX Games Showcase and Gears of War: E-Day Direct on Sunday: Full Schedule, Streams, and Expectations]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/37315</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/37315</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[NBS News Desk]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 07 Jun 2026 20:22:26 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[Technology]]></category>
                        <category><![CDATA[xbox showcase, xbox showcase 2026 time, xbox games showcase 2026, how to watch xbox showcase, gears of war e-day, xbox live stream, asha sharma xbox, microsoft gaming 2026, halo campaign evolved, fable gameplay, project helix news, xbox game pass updates, summer game fest 2026, watch xbox showcase 4k, the coalition gears of war]]></category>
        
        <description><![CDATA[The global gaming community is officially buzzing with anticipation as Microsoft prepares to host its most critical broadcast of the decade. This Sunday, June 7, the yearly double feature returns, promising a look at what’s next from XBOX and their incredible partners across the world. Marking 25 years of XBOX, this mega-event arrives at a pivotal moment of transition and growth for the brand. Whether you are a casual player or a die-hard fan waiting for next-gen updates, knowing how to tune in smoothly is vital. In this ultimate guide, we will break down exactly how to watch the XBOX Games Showcase and Gears of War: E-Day Direct on Sunday, review international streaming times, and analyze what major announcements are set to rock the industry. XBOX Games Showcase 2026 Start Times by Region The main event, XBOX Games Showcase 2026, kicks off live this Sunday, June 7. Immediately following the conclusion of the main presentation, the broadcast will transition directly into the Gears of War: E-Day Direct. To ensure you do not miss a single world premiere, find your local timezone below: PDT (Pacific Daylight Time): Sunday, June 7 at 10:00 AM EDT (Eastern Daylight Time): Sunday, June 7 at 1:00 PM BRT (Brasília Time): Sunday, June 7 at 2:00 PM BST (British Summer Time): Sunday, June 7 at 6:00 PM CEST (Central European Summer Time): Sunday, June 7 at 7:00 PM JST (Japan Standard Time): Monday, June 8 at 2:00 AM AEST (Australian Eastern Standard Time): Monday, June 8 at 3:00 AM Where to Stream the XBOX Showcase Live Microsoft has significantly expanded its digital footprint this year, offering viewers an array of high-bandwidth streaming platforms. For the highest visual fidelity, the official YouTube broadcast will support crisp 4K resolution at 60 frames per second. YouTube: Available at YouTube.com/xbox with full 4K60 presentation and multi-language toggles. Twitch: Streaming live on Twitch.tv/xbox and the specialized Twitch.tv/xboxASL channel. Social & PC Platforms: Broadcasts will run natively on Facebook.com/xbox and the official Steam event page. International Reach: The double feature will stream simultaneously on regional XBOX and Bethesda channels globally, including China's Bilibili platform. Amazon Fire TV Ecosystem: For the first time, viewers in the United States can watch via Amazon Live and Prime Video directly on Fire TV devices. Accessibility and Subtitle Support XBOX remains dedicated to industry-leading accessibility. A dedicated American Sign Language (ASL) stream will run on the /XBOXASL Twitch channel, while British Sign Language (BSL) will be broadcast via the XBOX On YouTube channel. Audio Descriptions (AD) will be fully supported in English on the main YouTube stream. Furthermore, the initial live broadcast will feature native subtitle support for 13 distinct languages, including Simplified Chinese, French, German, Italian, Japanese, Korean, Polish, Brazilian Portuguese, and Castilian/Mexican Spanish. An additional 25 languages will be appended to the VOD catalog shortly after the broadcast ends. What to Expect: A New Era for Microsoft Gaming This year's showcase marks a historic milestone for the brand. It is the very first summer presentation under the leadership of the new CEO of Microsoft Gaming, Asha Sharma, who took over from the legendary Phil Spencer in February. Industry analysts are closely watching to see how Sharma plans to steer the platform’s content monetization, ecosystem expansion, and premium software roadmap. Note on Hardware: For those hunting for next-gen console news, Chief Content Officer Matt Booty has confirmed that XBOX's next hardware iteration, Project Helix, will not have a major presence at the XBOX Games Showcase 2026. The spotlight remains firmly fixed on software. Major Xbox Game Studios & First-Party Updates The software lineup promises to be heavily packed, balancing previously announced heavyweights with surprise world premieres. Key titles expected to receive gameplay trailers or concrete release windows include: Halo: Campaign Evolved: Fans are eager to see how this ambitious project revitalizes the franchise. Fable & Clockwork Revolution: Highly anticipated RPG entries built to showcase current-gen technical limits. State of Decay 3: Survival horror enthusiasts are waiting for raw gameplay updates from Undead Labs. Live-Service Expansions: Updates for Forza Horizon 6, Sea of Thieves, and Minecraft are locked in. The Activision Blizzard & Bethesda Effect With the massive acquisition fully integrated into the corporate portfolio, expect substantial reveals from sister studios. Rumors strongly hint at the reveal of Call of Duty: Modern Warfare 4 and new seasonal content for Overwatch. Additionally, Bethesda Softworks is tipped to showcase the future roadmap for Fallout 76, capitalising on the franchise’s sustained cultural momentum. Third-party publishers are also leveraging the massive viewership of the xbox showcase 2026 time. Whispers within the industry point toward prominent JRPG reveals, including Atlus's highly anticipated Persona 6 and a rumored Persona 4 Revival. Deep Dive: Gears of War: E-Day Direct Immediately following the primary xbox showcase, the broadcast hands over the reins to the development team at The Coalition. The Gears of War: E-Day Direct promises an immersive look into the origins of the Locust War. Narrative Focus: Taking fans directly into the chaotic start of Emergence Day through a gritty, foundational origin story lens. Technical Showcase: Deep-dive engine demonstrations displaying the raw graphical power and lighting capabilities of current hardware. Gameplay Reveal: An analytical breakdown of in-engine mechanics, tactical movement adjustments, and core combat loops. Transmedia News: Highly anticipated production updates regarding the long-awaited Gears of War Hollywood feature film. Crucial Guidelines for Co-Streamers and Content Creators If you are a gaming influencer or media outlet planning to host a watch-party for the xbox games showcase 2026, Microsoft has issued several clear operational boundaries to prevent digital rights management (DRM) issues. Because automated copyright bots operate aggressively across Twitch and YouTube, creators planning to distribute full post-show VOD breakdowns are strongly urged to mute or remove any segment containing licensed or copyrighted background music. While XBOX aims to deliver a seamless co-streaming experience, they cannot guarantee immunity from automated platform strikes or algorithmic disruptions during the live window. Final Verdict and Digital Coverage For those unable to watch the broadcast live on Sunday, immediate editorial recaps, asset drops, and deep-dive developer interviews will roll out on the official XBOX Wire blog. Furthermore, during the week of June 9, the Official XBOX Podcast will launch a series of special episodes, providing technical breakdowns of every major game featured in the presentation. Ultimately, this double feature is shaping up to be an era-defining moment for subscription models, cloud gaming initiatives, and console ecosystems alike. What do you think? Which game reveal are you most excited to see during this massive double feature? Will Asha Sharma's new strategy reshape the future of XBOX Game Pass? Let us know your predictions and thoughts in the comments section down below, and don't forget to share this guide with your gaming squad!]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-07-06-2026_55.webp" alt="How to Watch the XBOX Games Showcase and Gears of War: E-Day Direct on Sunday: Full Schedule, Streams, and Expectations" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>How to Watch the XBOX Games Showcase and Gears of War: E-Day Direct on Sunday: Full Schedule, Streams, and Expectations</h1>
            <p>The global gaming community is officially buzzing with anticipation as Microsoft prepares to host its most critical broadcast of the decade. This Sunday, June 7, the yearly double feature returns, promising a look at what’s next from XBOX and their incredible partners across the world. Marking 25 years of XBOX, this mega-event arrives at a pivotal moment of transition and growth for the brand. Whether you are a casual player or a die-hard fan waiting for next-gen updates, knowing how to tune in smoothly is vital. In this ultimate guide, we will break down exactly how to watch the XBOX Games Showcase and Gears of War: E-Day Direct on Sunday, review international streaming times, and analyze what major announcements are set to rock the industry. XBOX Games Showcase 2026 Start Times by Region The main event, XBOX Games Showcase 2026, kicks off live this Sunday, June 7. Immediately following the conclusion of the main presentation, the broadcast will transition directly into the Gears of War: E-Day Direct. To ensure you do not miss a single world premiere, find your local timezone below: PDT (Pacific Daylight Time): Sunday, June 7 at 10:00 AM EDT (Eastern Daylight Time): Sunday, June 7 at 1:00 PM BRT (Brasília Time): Sunday, June 7 at 2:00 PM BST (British Summer Time): Sunday, June 7 at 6:00 PM CEST (Central European Summer Time): Sunday, June 7 at 7:00 PM JST (Japan Standard Time): Monday, June 8 at 2:00 AM AEST (Australian Eastern Standard Time): Monday, June 8 at 3:00 AM Where to Stream the XBOX Showcase Live Microsoft has significantly expanded its digital footprint this year, offering viewers an array of high-bandwidth streaming platforms. For the highest visual fidelity, the official YouTube broadcast will support crisp 4K resolution at 60 frames per second. YouTube: Available at YouTube.com/xbox with full 4K60 presentation and multi-language toggles. Twitch: Streaming live on Twitch.tv/xbox and the specialized Twitch.tv/xboxASL channel. Social & PC Platforms: Broadcasts will run natively on Facebook.com/xbox and the official Steam event page. International Reach: The double feature will stream simultaneously on regional XBOX and Bethesda channels globally, including China's Bilibili platform. Amazon Fire TV Ecosystem: For the first time, viewers in the United States can watch via Amazon Live and Prime Video directly on Fire TV devices. Accessibility and Subtitle Support XBOX remains dedicated to industry-leading accessibility. A dedicated American Sign Language (ASL) stream will run on the /XBOXASL Twitch channel, while British Sign Language (BSL) will be broadcast via the XBOX On YouTube channel. Audio Descriptions (AD) will be fully supported in English on the main YouTube stream. Furthermore, the initial live broadcast will feature native subtitle support for 13 distinct languages, including Simplified Chinese, French, German, Italian, Japanese, Korean, Polish, Brazilian Portuguese, and Castilian/Mexican Spanish. An additional 25 languages will be appended to the VOD catalog shortly after the broadcast ends. What to Expect: A New Era for Microsoft Gaming This year's showcase marks a historic milestone for the brand. It is the very first summer presentation under the leadership of the new CEO of Microsoft Gaming, Asha Sharma, who took over from the legendary Phil Spencer in February. Industry analysts are closely watching to see how Sharma plans to steer the platform’s content monetization, ecosystem expansion, and premium software roadmap. Note on Hardware: For those hunting for next-gen console news, Chief Content Officer Matt Booty has confirmed that XBOX's next hardware iteration, Project Helix, will not have a major presence at the XBOX Games Showcase 2026. The spotlight remains firmly fixed on software. Major Xbox Game Studios & First-Party Updates The software lineup promises to be heavily packed, balancing previously announced heavyweights with surprise world premieres. Key titles expected to receive gameplay trailers or concrete release windows include: Halo: Campaign Evolved: Fans are eager to see how this ambitious project revitalizes the franchise. Fable & Clockwork Revolution: Highly anticipated RPG entries built to showcase current-gen technical limits. State of Decay 3: Survival horror enthusiasts are waiting for raw gameplay updates from Undead Labs. Live-Service Expansions: Updates for Forza Horizon 6, Sea of Thieves, and Minecraft are locked in. The Activision Blizzard & Bethesda Effect With the massive acquisition fully integrated into the corporate portfolio, expect substantial reveals from sister studios. Rumors strongly hint at the reveal of Call of Duty: Modern Warfare 4 and new seasonal content for Overwatch. Additionally, Bethesda Softworks is tipped to showcase the future roadmap for Fallout 76, capitalising on the franchise’s sustained cultural momentum. Third-party publishers are also leveraging the massive viewership of the xbox showcase 2026 time. Whispers within the industry point toward prominent JRPG reveals, including Atlus's highly anticipated Persona 6 and a rumored Persona 4 Revival. Deep Dive: Gears of War: E-Day Direct Immediately following the primary xbox showcase, the broadcast hands over the reins to the development team at The Coalition. The Gears of War: E-Day Direct promises an immersive look into the origins of the Locust War. Narrative Focus: Taking fans directly into the chaotic start of Emergence Day through a gritty, foundational origin story lens. Technical Showcase: Deep-dive engine demonstrations displaying the raw graphical power and lighting capabilities of current hardware. Gameplay Reveal: An analytical breakdown of in-engine mechanics, tactical movement adjustments, and core combat loops. Transmedia News: Highly anticipated production updates regarding the long-awaited Gears of War Hollywood feature film. Crucial Guidelines for Co-Streamers and Content Creators If you are a gaming influencer or media outlet planning to host a watch-party for the xbox games showcase 2026, Microsoft has issued several clear operational boundaries to prevent digital rights management (DRM) issues. Because automated copyright bots operate aggressively across Twitch and YouTube, creators planning to distribute full post-show VOD breakdowns are strongly urged to mute or remove any segment containing licensed or copyrighted background music. While XBOX aims to deliver a seamless co-streaming experience, they cannot guarantee immunity from automated platform strikes or algorithmic disruptions during the live window. Final Verdict and Digital Coverage For those unable to watch the broadcast live on Sunday, immediate editorial recaps, asset drops, and deep-dive developer interviews will roll out on the official XBOX Wire blog. Furthermore, during the week of June 9, the Official XBOX Podcast will launch a series of special episodes, providing technical breakdowns of every major game featured in the presentation. Ultimately, this double feature is shaping up to be an era-defining moment for subscription models, cloud gaming initiatives, and console ecosystems alike. What do you think? Which game reveal are you most excited to see during this massive double feature? Will Asha Sharma's new strategy reshape the future of XBOX Game Pass? Let us know your predictions and thoughts in the comments section down below, and don't forget to share this guide with your gaming squad!</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-07-06-2026_55.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-07-06-2026_55.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-07-06-2026_55.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ভক্সওয়াগেন ও মার্সিডিজ-বেঞ্জকে ছাড়িয়ে বৈশ্বিক অটোমোটিভ উদ্ভাবনে শীর্ষে এখন বিওয়াইডি]]></title>
        <link>https://nbs24.org/technology/37313</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/technology/37313</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 07 Jun 2026 20:05:17 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
                <category><![CDATA[অটোমোবাইল]]></category>
                        <category><![CDATA[byd, byd ev, byd 2026, 2026 byd, automotive innovations report 2026, center of automotive management, most innovative automaker 2026, byd blade battery, byd dm-i super hybrid, tesla vs byd, byd seal, byd dolphin, byd atto 3, byd bangladesh, new energy vehicle innovation]]></category>
        
        <description><![CDATA[বিশ্বের অটোমোবাইল শিল্প দ্রুত পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বৈদ্যুতিক যানবাহন (EV), স্মার্ট ড্রাইভিং প্রযুক্তি এবং টেকসই পরিবহন ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উদ্ভাবন এখন অটোমোটিভ শিল্পের সবচেয়ে বড় প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র। এই বাস্তবতায় ভক্সওয়াগেন ও মার্সিডিজ-বেঞ্জকে ছাড়িয়ে বৈশ্বিক অটোমোটিভ উদ্ভাবনে শীর্ষে এখন বিওয়াইডি—এমন খবর বিশ্বজুড়ে অটোমোবাইল খাতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত ‘অটোমোটিভ ইনোভেশনস রিপোর্ট ২০২৬’-এ প্রথমবারের মতো কোনো চীনা অটোমোবাইল নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বৈশ্বিক উদ্ভাবন র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থান দখল করেছে। এই অর্জনের মাধ্যমে নিউ এনার্জি ভেহিকল (NEV) খাতের অন্যতম শীর্ষ প্রতিষ্ঠান বিওয়াইডি শুধু প্রতিদ্বন্দ্বীদের ছাড়িয়েই যায়নি, বরং ভবিষ্যতের অটোমোবাইল প্রযুক্তির নেতৃত্বও নিজের হাতে তুলে নিয়েছে। অটোমোটিভ ইনোভেশনস রিপোর্ট ২০২৬ কী? জার্মানভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার অব অটোমোটিভ ম্যানেজমেন্ট (CAM) প্রতি বছর বিশ্বের বিভিন্ন অটোমোবাইল কোম্পানির উদ্ভাবন মূল্যায়ন করে থাকে। ২০২৬ সালের প্রতিবেদনের ২২তম সংস্করণে বিশ্বের ৩৬টি অটোমোটিভ গ্রুপের ৮৬৭টিরও বেশি উদ্ভাবন বিশ্লেষণ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি তাদের নিজস্ব M.O.B.I.L. (Management of Automotive Innovations) পদ্ধতি ব্যবহার করে উদ্ভাবনের চারটি প্রধান দিক মূল্যায়ন করে: ম্যাচিউরিটি (প্রযুক্তির পরিপক্বতা) অরিজিনালিটি (নতুনত্ব) উপযোগিতা (Practical Value) উদ্ভাবনী প্রভাব (Innovation Impact) এই কঠোর মূল্যায়নের ভিত্তিতেই নির্ধারণ করা হয় বৈশ্বিক উদ্ভাবনী র‍্যাঙ্কিং। বৈশ্বিক র‍্যাঙ্কিংয়ে বিশ্বের সবচেয়ে উদ্ভাবনী অটোমোবাইল নির্মাতা বিওয়াইডি ২০২৬ সালের র‍্যাঙ্কিংয়ে বিওয়াইডি অর্জন করেছে ১৫৭.২ ইনোভেশন ইনডেক্স পয়েন্ট, যা তালিকার সর্বোচ্চ স্কোর। শীর্ষ তিন প্রতিষ্ঠানের স্কোর প্রতিষ্ঠান                  ইনোভেশন ইনডেক্স পয়েন্ট BYD                157.2 Volkswagen Group                143.1 Mercedes-Benz Group                134.2 এই ফলাফলের মাধ্যমে বিওয়াইডি পূর্ববর্তী চ্যাম্পিয়ন ভক্সওয়াগেন গ্রুপকে পিছনে ফেলে নতুন বৈশ্বিক মানদণ্ড স্থাপন করেছে। এটি শুধু একটি কোম্পানির সাফল্য নয়; বরং এটি চীনের অটোমোবাইল শিল্পের ক্রমবর্ধমান প্রযুক্তিগত সক্ষমতারও প্রতিফলন। কেন বিওয়াইডি এত দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে? বিওয়াইডির সাফল্যের পেছনে রয়েছে ধারাবাহিক গবেষণা, প্রযুক্তিগত বিনিয়োগ এবং নিজস্ব উদ্ভাবনী সক্ষমতা। প্রতিবেদন অনুযায়ী নিম্নলিখিত প্রযুক্তিগুলো প্রতিষ্ঠানটির সাফল্যের মূল চালিকাশক্তি: ১. ব্লেড ব্যাটারি প্রযুক্তি ব্লেড ব্যাটারি বর্তমানে বৈদ্যুতিক গাড়ির নিরাপত্তা ও স্থায়িত্বের ক্ষেত্রে অন্যতম আলোচিত উদ্ভাবন। এর সুবিধাসমূহ: উন্নত নিরাপত্তা দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি লাইফ উচ্চ শক্তি ঘনত্ব কম তাপ উৎপাদন এই প্রযুক্তি বিওয়াইডির বৈদ্যুতিক গাড়িগুলোকে বাজারে বিশেষ প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা দিয়েছে। ২. DM-i সুপার হাইব্রিড সিস্টেম বিওয়াইডির DM-i প্রযুক্তি জ্বালানি সাশ্রয় ও বৈদ্যুতিক পারফরম্যান্সের মধ্যে চমৎকার ভারসাম্য তৈরি করেছে। এর ফলে: কম জ্বালানি খরচ দীর্ঘ ড্রাইভিং রেঞ্জ কম কার্বন নিঃসরণ উন্নত ব্যবহারকারী অভিজ্ঞতা বিশ্বের বিভিন্ন বাজারে এই প্রযুক্তি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। ৩. ইন্টেলিজেন্ট ড্রাইভিং ও ADAS স্মার্ট ড্রাইভিং প্রযুক্তি এখন আধুনিক যানবাহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। বিওয়াইডির উন্নত: লেন কিপিং সিস্টেম অ্যাডাপটিভ ক্রুজ কন্ট্রোল কোলিশন এভয়েডেন্স ড্রাইভার অ্যাসিস্ট্যান্স প্রযুক্তি ভবিষ্যতের স্বয়ংক্রিয় যানবাহনের ভিত্তি গড়ে তুলছে। ‘মোস্ট ইনোভেশন ভলিউম ব্র্যান্ড ২০২৬’ পুরস্কারও জিতেছে বিওয়াইডি শুধু অটোমোটিভ গ্রুপ হিসেবে নয়, ব্র্যান্ড হিসেবেও বিওয়াইডি অসাধারণ সাফল্য দেখিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি ‘Most Innovation Volume Brand 2026’ স্বীকৃতি অর্জন করেছে। ১০৫-এর বেশি ইনোভেশন ইনডেক্স পয়েন্ট নিয়ে বিওয়াইডি পিছনে ফেলেছে: Renault Toyota অন্যান্য বৈশ্বিক গণবাজারভিত্তিক ব্র্যান্ড এটি প্রমাণ করে যে উদ্ভাবন শুধু বিলাসবহুল গাড়ির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং গণমানুষের জন্যও উন্নত প্রযুক্তি পৌঁছে দেওয়া সম্ভব। বৈশ্বিক ইভি শিল্পে বিওয়াইডির প্রভাব গত কয়েক বছরে বৈদ্যুতিক গাড়ির বাজারে বিওয়াইডির উত্থান ছিল অত্যন্ত দ্রুত। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি: বিশ্বের শীর্ষ NEV উৎপাদকদের অন্যতম একাধিক মহাদেশে কার্যক্রম পরিচালনা করছে শতাধিক দেশে বাজার সম্প্রসারণ করছে সাসটেইনেবল মবিলিটি সমাধানে নেতৃত্ব দিচ্ছে বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী দশকে বৈদ্যুতিক যানবাহন শিল্পের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হয়ে উঠতে পারে বিওয়াইডি। বাংলাদেশের বাজারেও শক্তিশালী অবস্থান গড়ে তুলছে বিওয়াইডি বাংলাদেশেও বৈদ্যুতিক ও নিউ এনার্জি ভেহিকলের চাহিদা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই বাজারকে গুরুত্ব দিয়ে বিওয়াইডি বাংলাদেশ সম্প্রতি দুটি বড় ভেহিকল ডেলিভারি মেগা-ইভেন্ট আয়োজন করেছে। এসব অনুষ্ঠানের মাধ্যমে: ৯০টি নিউ এনার্জি ভেহিকল সরাসরি গ্রাহকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে পরিবেশবান্ধব যানবাহনের গ্রহণযোগ্যতা বেড়েছে দেশের সাসটেইনেবল ট্রান্সপোর্ট খাতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান মধ্যবিত্ত ও প্রযুক্তিপ্রেমী গ্রাহকদের জন্য এটি একটি ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ভবিষ্যতে কী হতে পারে? বিশ্বব্যাপী সরকারগুলো কার্বন নিঃসরণ কমাতে বৈদ্যুতিক যানবাহনের ব্যবহার উৎসাহিত করছে। এই প্রেক্ষাপটে বিওয়াইডির জন্য সম্ভাব্য সুযোগগুলো হলো: নতুন বৈশ্বিক বাজার সম্প্রসারণ উন্নত ব্যাটারি প্রযুক্তি বাণিজ্যিকীকরণ স্বয়ংক্রিয় ড্রাইভিং প্রযুক্তির বিকাশ স্মার্ট সিটি পরিবহন সমাধান নবায়নযোগ্য শক্তিভিত্তিক পরিবহন ব্যবস্থা বিশ্লেষকদের মতে, গবেষণা ও উন্নয়নে বর্তমান বিনিয়োগের ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী কয়েক বছরেও বিওয়াইডির নেতৃত্ব ধরে রাখার সম্ভাবনা অত্যন্ত শক্তিশালী। উপসংহার ভক্সওয়াগেন ও মার্সিডিজ-বেঞ্জকে ছাড়িয়ে বৈশ্বিক অটোমোটিভ উদ্ভাবনে শীর্ষে এখন বিওয়াইডি—এটি শুধু একটি র‍্যাঙ্কিংয়ের অর্জন নয়, বরং বৈশ্বিক অটোমোবাইল শিল্পের পরিবর্তিত বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি। ব্যাটারি প্রযুক্তি, স্মার্ট ড্রাইভিং সিস্টেম, হাইব্রিড উদ্ভাবন এবং টেকসই পরিবহন সমাধানে ধারাবাহিক বিনিয়োগের মাধ্যমে বৈশ্বিক র‍্যাঙ্কিংয়ে বিশ্বের সবচেয়ে উদ্ভাবনী অটোমোবাইল নির্মাতা বিওয়াইডি হিসেবে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করেছে। বিশ্ব যখন দ্রুত বৈদ্যুতিক ও পরিবেশবান্ধব পরিবহনের দিকে এগোচ্ছে, তখন বিওয়াইডির এই সাফল্য ভবিষ্যতের অটোমোবাইল শিল্পে নতুন যুগের সূচনার ইঙ্গিত দিচ্ছে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-07-06-2026_53.webp" alt="ভক্সওয়াগেন ও মার্সিডিজ-বেঞ্জকে ছাড়িয়ে বৈশ্বিক অটোমোটিভ উদ্ভাবনে শীর্ষে এখন বিওয়াইডি" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ভক্সওয়াগেন ও মার্সিডিজ-বেঞ্জকে ছাড়িয়ে বৈশ্বিক অটোমোটিভ উদ্ভাবনে শীর্ষে এখন বিওয়াইডি</h1>
            <p>বিশ্বের অটোমোবাইল শিল্প দ্রুত পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বৈদ্যুতিক যানবাহন (EV), স্মার্ট ড্রাইভিং প্রযুক্তি এবং টেকসই পরিবহন ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উদ্ভাবন এখন অটোমোটিভ শিল্পের সবচেয়ে বড় প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র। এই বাস্তবতায় ভক্সওয়াগেন ও মার্সিডিজ-বেঞ্জকে ছাড়িয়ে বৈশ্বিক অটোমোটিভ উদ্ভাবনে শীর্ষে এখন বিওয়াইডি—এমন খবর বিশ্বজুড়ে অটোমোবাইল খাতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত ‘অটোমোটিভ ইনোভেশনস রিপোর্ট ২০২৬’-এ প্রথমবারের মতো কোনো চীনা অটোমোবাইল নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বৈশ্বিক উদ্ভাবন র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থান দখল করেছে। এই অর্জনের মাধ্যমে নিউ এনার্জি ভেহিকল (NEV) খাতের অন্যতম শীর্ষ প্রতিষ্ঠান বিওয়াইডি শুধু প্রতিদ্বন্দ্বীদের ছাড়িয়েই যায়নি, বরং ভবিষ্যতের অটোমোবাইল প্রযুক্তির নেতৃত্বও নিজের হাতে তুলে নিয়েছে। অটোমোটিভ ইনোভেশনস রিপোর্ট ২০২৬ কী? জার্মানভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার অব অটোমোটিভ ম্যানেজমেন্ট (CAM) প্রতি বছর বিশ্বের বিভিন্ন অটোমোবাইল কোম্পানির উদ্ভাবন মূল্যায়ন করে থাকে। ২০২৬ সালের প্রতিবেদনের ২২তম সংস্করণে বিশ্বের ৩৬টি অটোমোটিভ গ্রুপের ৮৬৭টিরও বেশি উদ্ভাবন বিশ্লেষণ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি তাদের নিজস্ব M.O.B.I.L. (Management of Automotive Innovations) পদ্ধতি ব্যবহার করে উদ্ভাবনের চারটি প্রধান দিক মূল্যায়ন করে: ম্যাচিউরিটি (প্রযুক্তির পরিপক্বতা) অরিজিনালিটি (নতুনত্ব) উপযোগিতা (Practical Value) উদ্ভাবনী প্রভাব (Innovation Impact) এই কঠোর মূল্যায়নের ভিত্তিতেই নির্ধারণ করা হয় বৈশ্বিক উদ্ভাবনী র‍্যাঙ্কিং। বৈশ্বিক র‍্যাঙ্কিংয়ে বিশ্বের সবচেয়ে উদ্ভাবনী অটোমোবাইল নির্মাতা বিওয়াইডি ২০২৬ সালের র‍্যাঙ্কিংয়ে বিওয়াইডি অর্জন করেছে ১৫৭.২ ইনোভেশন ইনডেক্স পয়েন্ট, যা তালিকার সর্বোচ্চ স্কোর। শীর্ষ তিন প্রতিষ্ঠানের স্কোর প্রতিষ্ঠান                  ইনোভেশন ইনডেক্স পয়েন্ট BYD                157.2 Volkswagen Group                143.1 Mercedes-Benz Group                134.2 এই ফলাফলের মাধ্যমে বিওয়াইডি পূর্ববর্তী চ্যাম্পিয়ন ভক্সওয়াগেন গ্রুপকে পিছনে ফেলে নতুন বৈশ্বিক মানদণ্ড স্থাপন করেছে। এটি শুধু একটি কোম্পানির সাফল্য নয়; বরং এটি চীনের অটোমোবাইল শিল্পের ক্রমবর্ধমান প্রযুক্তিগত সক্ষমতারও প্রতিফলন। কেন বিওয়াইডি এত দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে? বিওয়াইডির সাফল্যের পেছনে রয়েছে ধারাবাহিক গবেষণা, প্রযুক্তিগত বিনিয়োগ এবং নিজস্ব উদ্ভাবনী সক্ষমতা। প্রতিবেদন অনুযায়ী নিম্নলিখিত প্রযুক্তিগুলো প্রতিষ্ঠানটির সাফল্যের মূল চালিকাশক্তি: ১. ব্লেড ব্যাটারি প্রযুক্তি ব্লেড ব্যাটারি বর্তমানে বৈদ্যুতিক গাড়ির নিরাপত্তা ও স্থায়িত্বের ক্ষেত্রে অন্যতম আলোচিত উদ্ভাবন। এর সুবিধাসমূহ: উন্নত নিরাপত্তা দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি লাইফ উচ্চ শক্তি ঘনত্ব কম তাপ উৎপাদন এই প্রযুক্তি বিওয়াইডির বৈদ্যুতিক গাড়িগুলোকে বাজারে বিশেষ প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা দিয়েছে। ২. DM-i সুপার হাইব্রিড সিস্টেম বিওয়াইডির DM-i প্রযুক্তি জ্বালানি সাশ্রয় ও বৈদ্যুতিক পারফরম্যান্সের মধ্যে চমৎকার ভারসাম্য তৈরি করেছে। এর ফলে: কম জ্বালানি খরচ দীর্ঘ ড্রাইভিং রেঞ্জ কম কার্বন নিঃসরণ উন্নত ব্যবহারকারী অভিজ্ঞতা বিশ্বের বিভিন্ন বাজারে এই প্রযুক্তি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। ৩. ইন্টেলিজেন্ট ড্রাইভিং ও ADAS স্মার্ট ড্রাইভিং প্রযুক্তি এখন আধুনিক যানবাহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। বিওয়াইডির উন্নত: লেন কিপিং সিস্টেম অ্যাডাপটিভ ক্রুজ কন্ট্রোল কোলিশন এভয়েডেন্স ড্রাইভার অ্যাসিস্ট্যান্স প্রযুক্তি ভবিষ্যতের স্বয়ংক্রিয় যানবাহনের ভিত্তি গড়ে তুলছে। ‘মোস্ট ইনোভেশন ভলিউম ব্র্যান্ড ২০২৬’ পুরস্কারও জিতেছে বিওয়াইডি শুধু অটোমোটিভ গ্রুপ হিসেবে নয়, ব্র্যান্ড হিসেবেও বিওয়াইডি অসাধারণ সাফল্য দেখিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি ‘Most Innovation Volume Brand 2026’ স্বীকৃতি অর্জন করেছে। ১০৫-এর বেশি ইনোভেশন ইনডেক্স পয়েন্ট নিয়ে বিওয়াইডি পিছনে ফেলেছে: Renault Toyota অন্যান্য বৈশ্বিক গণবাজারভিত্তিক ব্র্যান্ড এটি প্রমাণ করে যে উদ্ভাবন শুধু বিলাসবহুল গাড়ির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং গণমানুষের জন্যও উন্নত প্রযুক্তি পৌঁছে দেওয়া সম্ভব। বৈশ্বিক ইভি শিল্পে বিওয়াইডির প্রভাব গত কয়েক বছরে বৈদ্যুতিক গাড়ির বাজারে বিওয়াইডির উত্থান ছিল অত্যন্ত দ্রুত। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি: বিশ্বের শীর্ষ NEV উৎপাদকদের অন্যতম একাধিক মহাদেশে কার্যক্রম পরিচালনা করছে শতাধিক দেশে বাজার সম্প্রসারণ করছে সাসটেইনেবল মবিলিটি সমাধানে নেতৃত্ব দিচ্ছে বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী দশকে বৈদ্যুতিক যানবাহন শিল্পের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হয়ে উঠতে পারে বিওয়াইডি। বাংলাদেশের বাজারেও শক্তিশালী অবস্থান গড়ে তুলছে বিওয়াইডি বাংলাদেশেও বৈদ্যুতিক ও নিউ এনার্জি ভেহিকলের চাহিদা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই বাজারকে গুরুত্ব দিয়ে বিওয়াইডি বাংলাদেশ সম্প্রতি দুটি বড় ভেহিকল ডেলিভারি মেগা-ইভেন্ট আয়োজন করেছে। এসব অনুষ্ঠানের মাধ্যমে: ৯০টি নিউ এনার্জি ভেহিকল সরাসরি গ্রাহকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে পরিবেশবান্ধব যানবাহনের গ্রহণযোগ্যতা বেড়েছে দেশের সাসটেইনেবল ট্রান্সপোর্ট খাতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান মধ্যবিত্ত ও প্রযুক্তিপ্রেমী গ্রাহকদের জন্য এটি একটি ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ভবিষ্যতে কী হতে পারে? বিশ্বব্যাপী সরকারগুলো কার্বন নিঃসরণ কমাতে বৈদ্যুতিক যানবাহনের ব্যবহার উৎসাহিত করছে। এই প্রেক্ষাপটে বিওয়াইডির জন্য সম্ভাব্য সুযোগগুলো হলো: নতুন বৈশ্বিক বাজার সম্প্রসারণ উন্নত ব্যাটারি প্রযুক্তি বাণিজ্যিকীকরণ স্বয়ংক্রিয় ড্রাইভিং প্রযুক্তির বিকাশ স্মার্ট সিটি পরিবহন সমাধান নবায়নযোগ্য শক্তিভিত্তিক পরিবহন ব্যবস্থা বিশ্লেষকদের মতে, গবেষণা ও উন্নয়নে বর্তমান বিনিয়োগের ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী কয়েক বছরেও বিওয়াইডির নেতৃত্ব ধরে রাখার সম্ভাবনা অত্যন্ত শক্তিশালী। উপসংহার ভক্সওয়াগেন ও মার্সিডিজ-বেঞ্জকে ছাড়িয়ে বৈশ্বিক অটোমোটিভ উদ্ভাবনে শীর্ষে এখন বিওয়াইডি—এটি শুধু একটি র‍্যাঙ্কিংয়ের অর্জন নয়, বরং বৈশ্বিক অটোমোবাইল শিল্পের পরিবর্তিত বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি। ব্যাটারি প্রযুক্তি, স্মার্ট ড্রাইভিং সিস্টেম, হাইব্রিড উদ্ভাবন এবং টেকসই পরিবহন সমাধানে ধারাবাহিক বিনিয়োগের মাধ্যমে বৈশ্বিক র‍্যাঙ্কিংয়ে বিশ্বের সবচেয়ে উদ্ভাবনী অটোমোবাইল নির্মাতা বিওয়াইডি হিসেবে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করেছে। বিশ্ব যখন দ্রুত বৈদ্যুতিক ও পরিবেশবান্ধব পরিবহনের দিকে এগোচ্ছে, তখন বিওয়াইডির এই সাফল্য ভবিষ্যতের অটোমোবাইল শিল্পে নতুন যুগের সূচনার ইঙ্গিত দিচ্ছে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-07-06-2026_53.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-07-06-2026_53.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-07-06-2026_53.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[BYD Becomes the World’s Most Innovative Automaker in Historic Global Ranking]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/37312</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/37312</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[NBS News Desk]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 07 Jun 2026 20:01:08 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[Technology]]></category>
                        <category><![CDATA[byd, byd ev, byd 2026, 2026 byd, automotive innovations report 2026, center of automotive management, most innovative automaker 2026, byd blade battery, byd dm-i super hybrid, tesla vs byd, byd seal, byd dolphin, byd atto 3, byd bangladesh, new energy vehicle innovation]]></category>
        
        <description><![CDATA[The global automotive sector has reached a defining inflection point. In an unprecedented industry shakeup, BYD Becomes the World’s Most Innovative Automaker in Historic Global Ranking, marking the first time a Chinese vehicle manufacturer has ever claimed the absolute top spot. The landmark Automotive INNOVATIONS Report 2026, published annually by the prestigious Germany-based Center of Automotive Management (CAM), formally crowned the New Energy Vehicle (NEV) giant as the supreme leader of global automotive engineering. BYD's aggressive trajectory in out-pacing legacy industrial titans signals a structural shift from traditional internal combustion technology toward fully electrified, high-yield software-defined mobility. For international automotive markets, institutional investors, and clean-energy stakeholders, this historic realignment reflects the sheer commercial power of vertical integration, agile manufacturing, and next-generation battery architecture. The Tectonic Shift: How BYD Dethroned the Legacy Giants For over two decades, the CAM global innovation index has been overwhelmingly dominated by premium European and Japanese conglomerates. The 22nd edition of this rigorous, data-driven report completely disrupted that historical norm. Evaluating 867 distinct technological innovations and 660 series developments across 36 international automotive groups, CAM applied its proprietary M.O.B.IL methodology. This complex auditing matrix scores breakthroughs based on four rigid parameters: Maturity, Originality, Benefit, and Innovation Level. The 2026 Global Automotive Innovation Index Breakdown When the final telemetry was calculated, BYD surged to the peak of the ranking, establishing a wide index gap over traditional market champions: Rank 1: BYD Group – Scored a historic 157.2 index points, leading with a 100% pure electrified lineup consisting of advanced BEV and PHEV technologies. Rank 2: Volkswagen Group – Finished with 143.1 index points, balancing mixed internal combustion, hybrid, and expanding EV portfolios. Rank 3: Mercedes-Benz Group – Secured 134.2 index points, driven largely by luxury premium tech and advanced aerodynamic designs. Rank 4: XPeng (Xiaopeng) – Captured 128.4 index points through rapid developments in AI-driven autonomous systems. Rank 5: BMW Group – Maintained a competitive position highlighted by premium driving dynamics and connectivity platforms. Rank 6: Geely Group – Scored 103.9 index points, leveraging multi-brand global engineering synergies. Stefan Bratzel, Director of CAM, emphasized that this isn’t merely a temporary fluctuation, but an irreversible evolution of global manufacturing. BYD distributes its massive innovation output across its central core brand alongside ultra-luxury offshoots like Denza and Yangwang. The core BYD brand alone accounted for 36 verified technological innovations and a staggering 18 world premieres—the highest single-brand supremacy recorded in the history of the study. Unpacking the Innovation Engine: What Fueled BYD’s Rise? BYD’s ascent to the peak of the Automotive INNOVATIONS Report 2026 stems directly from its hardlined commercial structure: complete vertical integration. Unlike traditional Original Equipment Manufacturers (OEMs) that rely on extensive multi-tiered supply chains, BYD designs and builds its own proprietary microchips, thermal control units, electric motors, and power electronics in-house. Core Engineering Milestones Driving the Score Breakthrough Battery Architecture: The centerpiece of BYD’s engineering dominance is its highly acclaimed Blade Battery technology, which utilizes a specialized lithium iron phosphate (LFP) chemistry organized in a structural, space-efficient matrix. The newest generations offer unprecedented energy density alongside unparalleled thermal runaway protection. Next-Gen Powertrain Systems: Complementing this is the DM-i Super Hybrid system, a plug-in hybrid electric vehicle (PHEV) powertrain that prioritizes high-output electric driving while relying on a high-efficiency combustion engine purely as a supplemental generator. This architecture delivers astonishing fuel economy metrics and immense driving ranges that outperform fossil-fuel alternatives. 1000V Platforms and Megawatt Charging: Engineered on their high-voltage Super e-Platform, BYD's latest flagship architectures integrate high-capacity 1500V-rated Silicon Carbide (SiC) power semiconductors. This framework unlocks ultra-fast megawatt flash charging, allowing compatible models to safely ingest enough power for up to 400 kilometers of range in a nominal window of just five minutes. Intelligent Driving and Autonomy: The CAM study specifically recognized BYD’s achievements in its Advanced Driver Assistance Systems (ADAS). Features such as the Level 2+ DiPilot highway assistant—frequently referred to as "God's Eye"—have successfully trickled down into entry-level segments. Highly technical systems like automated toll-station navigation are now integrated into family platforms like the Denza D9, bringing automated luxury into mass-market consumer pricing tiers. From Premium Sedans to Compact Commuters: A Global Fleet BYD's top ranking is anchored by an aggressive, highly diversified product rollout spanning multiple international market verticals. The automaker has successfully deployed high-performance vehicles, rugged off-roaders, and mass-market hatchbacks across Europe, Latin America, the Middle East, and Asia-Pacific. The Flagship Heavyweights: The sleek BYD Han luxury sedan and the BYD Tang seven-seater SUV serve as executive showcases of the brand's long-range capabilities and premium interior craftsmanship. The Performance Fleet: Models like the BYD Seal and the highly responsive BYD Ocean series feature advanced Cell-to-Body (CTB) construction, fusing the battery pack directly into the vehicle's structural chassis for exceptional handling dynamics. The Urban Disrupters: Practical, hyper-efficient models such as the BYD Atto 3 crossover, the nimble BYD Dolphin, and the affordable BYD Seagull have successfully democratized electric vehicle ownership on a global scale. The Specialized Off-Roaders: Through its high-end sub-brands, innovations like the BYD Leopard 5 (under the FangChengBao line) and the luxury intelligence of the BYD Bao 8 showcase plug-in hybrid technology optimized for severe off-road terrain. Expanding the Global Footprint: The Sustainable Mobility Journey BYD’s historic victory as the Most Innovative Volume Brand of 2026—where it scored over 105 brand-specific index points to surpass industry benchmarks like Renault and Toyota—highlights its expanding international infrastructure. This global push is actively reshaping emerging economies that are aggressively transitioning away from fossil fuels. A prime example of this micro-market penetration is unfolding in South Asia. As BYD accelerates its expansion into rapidly developing economies like Bangladesh, its global technological leadership is actively manifesting on local roads. Just recently, BYD Bangladesh hosted two successive mega vehicle delivery events, handing over a combined 90 New Energy Vehicle (NEV) units directly to local consumers. This landmark achievement stands as the largest single-day EV delivery milestone in Bangladesh’s automotive history. By introducing zero-emission transport solutions backed by industry-leading battery safety, BYD is proving that sustainable, high-tech mobility is fully scalable across developing infrastructure landscapes. The Ultimate Verdict: A New Era of Global Automotive Supremacy The results of the Automotive INNOVATIONS Report 2026 represent a fundamental shift in global industrial dominance. BYD's triumph proves that the future of the automotive sector belongs to agile, vertically integrated companies that maintain total control over their software, battery matrices, and powertrain production lines. By dethroning legacy European champions and out-innovating traditional volume brands, the new energy vehicle pioneer has firmly established itself as the primary blueprint for the future of transportation. For drivers worldwide, this means faster charging, longer ranges, robust safety architectures, and highly advanced autonomous driving systems are becoming more accessible than ever before. What are your thoughts on BYD securing the top spot in global automotive innovation? Do you believe legacy Western and Japanese automakers can reclaim their technological leadership, or has the era of Chinese electric mobility dominance permanently arrived? Share your insights and join the discussion in the comments section below!]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-07-06-2026_53.webp" alt="BYD Becomes the World’s Most Innovative Automaker in Historic Global Ranking" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>BYD Becomes the World’s Most Innovative Automaker in Historic Global Ranking</h1>
            <p>The global automotive sector has reached a defining inflection point. In an unprecedented industry shakeup, BYD Becomes the World’s Most Innovative Automaker in Historic Global Ranking, marking the first time a Chinese vehicle manufacturer has ever claimed the absolute top spot. The landmark Automotive INNOVATIONS Report 2026, published annually by the prestigious Germany-based Center of Automotive Management (CAM), formally crowned the New Energy Vehicle (NEV) giant as the supreme leader of global automotive engineering. BYD's aggressive trajectory in out-pacing legacy industrial titans signals a structural shift from traditional internal combustion technology toward fully electrified, high-yield software-defined mobility. For international automotive markets, institutional investors, and clean-energy stakeholders, this historic realignment reflects the sheer commercial power of vertical integration, agile manufacturing, and next-generation battery architecture. The Tectonic Shift: How BYD Dethroned the Legacy Giants For over two decades, the CAM global innovation index has been overwhelmingly dominated by premium European and Japanese conglomerates. The 22nd edition of this rigorous, data-driven report completely disrupted that historical norm. Evaluating 867 distinct technological innovations and 660 series developments across 36 international automotive groups, CAM applied its proprietary M.O.B.IL methodology. This complex auditing matrix scores breakthroughs based on four rigid parameters: Maturity, Originality, Benefit, and Innovation Level. The 2026 Global Automotive Innovation Index Breakdown When the final telemetry was calculated, BYD surged to the peak of the ranking, establishing a wide index gap over traditional market champions: Rank 1: BYD Group – Scored a historic 157.2 index points, leading with a 100% pure electrified lineup consisting of advanced BEV and PHEV technologies. Rank 2: Volkswagen Group – Finished with 143.1 index points, balancing mixed internal combustion, hybrid, and expanding EV portfolios. Rank 3: Mercedes-Benz Group – Secured 134.2 index points, driven largely by luxury premium tech and advanced aerodynamic designs. Rank 4: XPeng (Xiaopeng) – Captured 128.4 index points through rapid developments in AI-driven autonomous systems. Rank 5: BMW Group – Maintained a competitive position highlighted by premium driving dynamics and connectivity platforms. Rank 6: Geely Group – Scored 103.9 index points, leveraging multi-brand global engineering synergies. Stefan Bratzel, Director of CAM, emphasized that this isn’t merely a temporary fluctuation, but an irreversible evolution of global manufacturing. BYD distributes its massive innovation output across its central core brand alongside ultra-luxury offshoots like Denza and Yangwang. The core BYD brand alone accounted for 36 verified technological innovations and a staggering 18 world premieres—the highest single-brand supremacy recorded in the history of the study. Unpacking the Innovation Engine: What Fueled BYD’s Rise? BYD’s ascent to the peak of the Automotive INNOVATIONS Report 2026 stems directly from its hardlined commercial structure: complete vertical integration. Unlike traditional Original Equipment Manufacturers (OEMs) that rely on extensive multi-tiered supply chains, BYD designs and builds its own proprietary microchips, thermal control units, electric motors, and power electronics in-house. Core Engineering Milestones Driving the Score Breakthrough Battery Architecture: The centerpiece of BYD’s engineering dominance is its highly acclaimed Blade Battery technology, which utilizes a specialized lithium iron phosphate (LFP) chemistry organized in a structural, space-efficient matrix. The newest generations offer unprecedented energy density alongside unparalleled thermal runaway protection. Next-Gen Powertrain Systems: Complementing this is the DM-i Super Hybrid system, a plug-in hybrid electric vehicle (PHEV) powertrain that prioritizes high-output electric driving while relying on a high-efficiency combustion engine purely as a supplemental generator. This architecture delivers astonishing fuel economy metrics and immense driving ranges that outperform fossil-fuel alternatives. 1000V Platforms and Megawatt Charging: Engineered on their high-voltage Super e-Platform, BYD's latest flagship architectures integrate high-capacity 1500V-rated Silicon Carbide (SiC) power semiconductors. This framework unlocks ultra-fast megawatt flash charging, allowing compatible models to safely ingest enough power for up to 400 kilometers of range in a nominal window of just five minutes. Intelligent Driving and Autonomy: The CAM study specifically recognized BYD’s achievements in its Advanced Driver Assistance Systems (ADAS). Features such as the Level 2+ DiPilot highway assistant—frequently referred to as "God's Eye"—have successfully trickled down into entry-level segments. Highly technical systems like automated toll-station navigation are now integrated into family platforms like the Denza D9, bringing automated luxury into mass-market consumer pricing tiers. From Premium Sedans to Compact Commuters: A Global Fleet BYD's top ranking is anchored by an aggressive, highly diversified product rollout spanning multiple international market verticals. The automaker has successfully deployed high-performance vehicles, rugged off-roaders, and mass-market hatchbacks across Europe, Latin America, the Middle East, and Asia-Pacific. The Flagship Heavyweights: The sleek BYD Han luxury sedan and the BYD Tang seven-seater SUV serve as executive showcases of the brand's long-range capabilities and premium interior craftsmanship. The Performance Fleet: Models like the BYD Seal and the highly responsive BYD Ocean series feature advanced Cell-to-Body (CTB) construction, fusing the battery pack directly into the vehicle's structural chassis for exceptional handling dynamics. The Urban Disrupters: Practical, hyper-efficient models such as the BYD Atto 3 crossover, the nimble BYD Dolphin, and the affordable BYD Seagull have successfully democratized electric vehicle ownership on a global scale. The Specialized Off-Roaders: Through its high-end sub-brands, innovations like the BYD Leopard 5 (under the FangChengBao line) and the luxury intelligence of the BYD Bao 8 showcase plug-in hybrid technology optimized for severe off-road terrain. Expanding the Global Footprint: The Sustainable Mobility Journey BYD’s historic victory as the Most Innovative Volume Brand of 2026—where it scored over 105 brand-specific index points to surpass industry benchmarks like Renault and Toyota—highlights its expanding international infrastructure. This global push is actively reshaping emerging economies that are aggressively transitioning away from fossil fuels. A prime example of this micro-market penetration is unfolding in South Asia. As BYD accelerates its expansion into rapidly developing economies like Bangladesh, its global technological leadership is actively manifesting on local roads. Just recently, BYD Bangladesh hosted two successive mega vehicle delivery events, handing over a combined 90 New Energy Vehicle (NEV) units directly to local consumers. This landmark achievement stands as the largest single-day EV delivery milestone in Bangladesh’s automotive history. By introducing zero-emission transport solutions backed by industry-leading battery safety, BYD is proving that sustainable, high-tech mobility is fully scalable across developing infrastructure landscapes. The Ultimate Verdict: A New Era of Global Automotive Supremacy The results of the Automotive INNOVATIONS Report 2026 represent a fundamental shift in global industrial dominance. BYD's triumph proves that the future of the automotive sector belongs to agile, vertically integrated companies that maintain total control over their software, battery matrices, and powertrain production lines. By dethroning legacy European champions and out-innovating traditional volume brands, the new energy vehicle pioneer has firmly established itself as the primary blueprint for the future of transportation. For drivers worldwide, this means faster charging, longer ranges, robust safety architectures, and highly advanced autonomous driving systems are becoming more accessible than ever before. What are your thoughts on BYD securing the top spot in global automotive innovation? Do you believe legacy Western and Japanese automakers can reclaim their technological leadership, or has the era of Chinese electric mobility dominance permanently arrived? Share your insights and join the discussion in the comments section below!</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-07-06-2026_53.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-07-06-2026_53.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-07-06-2026_53.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Thunder in the Skies: Su-35 Flanker vs F-16 Fighting Falcon over Ukraine in 2026]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/37310</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/37310</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[NBS News Desk]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 07 Jun 2026 18:33:03 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[Global Defense]]></category>
                        <category><![CDATA[su-35 vs f-16, f-16 vs su-35, russian su-35 vs f-16, su-35 vs f-16 dogfight, f-16v vs su-35, su-57 vs f-16, sukhoi su-35 vs f-16 comparison, su-35 vs f-15, su-35 vs f-22, su-35 vs f-35, f-16 vs su-27, american f-16 vs russian su-35, united states f-16 vs russia’s su-35, f-16 falcon vs su-35 comparison, american f-16 vs russia’s su-35, russian su -35 vs f-16, f-16 vs f-35, f-35 vs su-35, sukhoi su-35 vs f 16, sukhoi su-35 vs f-35, f-22 vs su-35, russia su-35 vs us f-35, us f-35 vs russian su-35, mig-35 vs su-35]]></category>
        
        <description><![CDATA[The air war in Eastern Europe has reached a critical, highly anticipated turning point. For the first time in modern military history, two legendary philosophies of fighter design are directly clashing in a high-stakes war of attrition. The Su-35 Flanker vs F-16 Fighting Falcon over Ukraine showdown is no longer a theoretical debate for aviation forums—it is a daily reality shaping the frontlines in 2026. The Russian Heavyweight: Su-35 Flanker Advantages The Russian Aerospace Forces (VKS) rely heavily on the Sukhoi Su-35S, a "Generation 4++" twin-engine heavyweight fighter designed specifically to hunt and destroy Western aircraft. Unmatched Kinematics and Thrust Vectoring The Su-35 is powered by two AL-41F1S engines equipped with thrust-vectoring nozzles. This allows the pilot to direct engine exhaust independently of the aircraft's direction of flight, enabling "super-maneuverability." In a close-range dogfight, the Flanker can perform physics-defying maneuvers that can easily break an enemy radar lock. The Irbis-E Radar and BVR Lethality For long-range engagements, the Su-35 relies on the N035 Irbis-E passive electronically scanned array (PESA) radar. This system pumps out massive amounts of power, allowing it to track standard aerial targets at ranges exceeding 200 miles. High-Power Tracking: The Irbis-E detects traditional targets well before they enter visual range. Hypersonic Arsenal: It seamlessly pairs with the R-37M and R-77M Beyond Visual Range (BVR) missiles. Airspace Suppression: Operating from high altitudes, Russian pilots use these weapons to suppress Ukrainian airspace from deep within friendly territory. The Western Challenger: F-16 Fighting Falcon Advantages In contrast to Russia's heavyweight approach, the Ukrainian Air Force operates Western-supplied F-16 Mid-Life Update (MLU) variants. While smaller and lighter, the F-16 brings an entirely different brand of lethality to the theater. The Power of Link 16 and Battlefield Networking The single greatest advantage of the F-16 is not its airframe, but its connectivity. Utilizing the NATO-standard Link 16 data-sharing network, the F-16 acts as a digital node on the battlefield. Instead of searching for targets blindly with its own radar, a Ukrainian F-16 can receive real-time targeting data securely from ground-based air defenses, friendly electronic warfare units, and Western airborne early warning platforms. This allows the pilot to hunt with their onboard radar turned completely off, minimizing their electronic signature to avoid detection. Western Avionics and AMRAAM Integration The F-16's cockpit ergonomics and advanced avionics suites dramatically reduce pilot workload compared to Soviet-era jets. Its primary weapon for the Su-35 Flanker vs F-16 Fighting Falcon over Ukraine conflict is the AIM-120 AMRAAM (Advanced Medium-Range Air-to-Air Missile). The AMRAAM features a highly reliable active radar homing seeker, giving Ukrainian pilots a true "fire-and-forget" capability that allows them to fire and immediately dive for cover. Head-to-Head: Technical Specifications Breakdown To see how these two platforms stack up on paper, look at the fundamental design choices separating a heavyweight twin-engine interceptor from a lightweight multirole fighter: Engine Configuration: Sukhoi Su-35S: Twin-engine layout equipped with 3D thrust-vectoring nozzles for extreme agility. F-16 Fighting Falcon: Single-engine configuration optimizing a high thrust-to-weight ratio. Maximum Speed: Sukhoi Su-35S: Reaches Mach 2.25 at high altitude. F-16 Fighting Falcon: Reaches Mach 2.0 at high altitude. Combat Radius: Sukhoi Su-35S: Approximately 1,000 miles relying strictly on internal fuel. F-16 Fighting Falcon: Approximately 340 miles with a standard, heavy combat loadout. Primary Radar Systems: Sukhoi Su-35S: Irbis-E PESA radar characterized by ultra-high power output. F-16 Fighting Falcon: AN/APG-66(V)2 or upgraded Active Electronically Scanned Array (AESA) variants. Key Long-Range Weapons: Sukhoi Su-35S: Hypersonic R-37M and active-radar R-77M missiles. F-16 Fighting Falcon: AIM-120C/D Advanced Medium-Range Air-to-Air Missiles (AMRAAM). The Real-World Verdict: What Decides the Winner? Military analysts know that paper specifications rarely survive contact with reality. The true outcome of the Su-35 Flanker vs F-16 Fighting Falcon over Ukraine aerial campaign is decided by a complex web of tactics, training, and external support. The Low-Altitude Tactical Reality Because Russia maintains a dense network of high-altitude S-400 surface-to-air missile systems, Ukrainian F-16 pilots have been forced to adopt a low-altitude flight strategy. Flying just feet above the tree line masks the F-16 from long-range radar clutter, but it comes with a severe physics penalty. Firing a missile from a low altitude against a high-flying Su-35 means the missile must fight gravity and thick air, drastically reducing its effective range. AWACS and Electronic Warfare: The Invisible Hand The fighter that wins is almost always the one that sees the enemy first. When Western Airborne Warning and Control System (AWACS) aircraft operate near the theater, they act as the F-16's eyes, extending its vision far beyond its own nose. Conversely, Russia's heavy investment in land-based and airborne electronic warfare (EW) continuously attempts to jam Western GPS guidance and radar systems, creating an invisible, chaotic digital environment. The Pilot Factor: While Russian aviators have thousands of hours of collective flight time in the Su-35, Ukrainian pilots have undergone highly compressed Western training programs. Success relies heavily on how quickly these pilots transition from old Soviet doctrine to automated, network-centric Western air combat tactics. Conclusion The intense air battles involving the Su-35 Flanker vs F-16 Fighting Falcon over Ukraine highlight two fundamentally opposing military doctrines. The Su-35 is a kinematically superior, heavy air-superiority brute that thrives on pure power, massive radar range, and sheer missile speed. The F-16 is a nimble, highly integrated team player whose lethality multiplies when connected to a wider digital network. Ultimately, this showdown is not just a duel between two airframes. It is a harsh test of whether Western data-sharing systems and smart tactics can overcome a physically larger, heavily armed, and deeply entrenched adversary in a highly contested airspace.]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-30-05-2026_43.webp" alt="Thunder in the Skies: Su-35 Flanker vs F-16 Fighting Falcon over Ukraine in 2026" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Thunder in the Skies: Su-35 Flanker vs F-16 Fighting Falcon over Ukraine in 2026</h1>
            <p>The air war in Eastern Europe has reached a critical, highly anticipated turning point. For the first time in modern military history, two legendary philosophies of fighter design are directly clashing in a high-stakes war of attrition. The Su-35 Flanker vs F-16 Fighting Falcon over Ukraine showdown is no longer a theoretical debate for aviation forums—it is a daily reality shaping the frontlines in 2026. The Russian Heavyweight: Su-35 Flanker Advantages The Russian Aerospace Forces (VKS) rely heavily on the Sukhoi Su-35S, a "Generation 4++" twin-engine heavyweight fighter designed specifically to hunt and destroy Western aircraft. Unmatched Kinematics and Thrust Vectoring The Su-35 is powered by two AL-41F1S engines equipped with thrust-vectoring nozzles. This allows the pilot to direct engine exhaust independently of the aircraft's direction of flight, enabling "super-maneuverability." In a close-range dogfight, the Flanker can perform physics-defying maneuvers that can easily break an enemy radar lock. The Irbis-E Radar and BVR Lethality For long-range engagements, the Su-35 relies on the N035 Irbis-E passive electronically scanned array (PESA) radar. This system pumps out massive amounts of power, allowing it to track standard aerial targets at ranges exceeding 200 miles. High-Power Tracking: The Irbis-E detects traditional targets well before they enter visual range. Hypersonic Arsenal: It seamlessly pairs with the R-37M and R-77M Beyond Visual Range (BVR) missiles. Airspace Suppression: Operating from high altitudes, Russian pilots use these weapons to suppress Ukrainian airspace from deep within friendly territory. The Western Challenger: F-16 Fighting Falcon Advantages In contrast to Russia's heavyweight approach, the Ukrainian Air Force operates Western-supplied F-16 Mid-Life Update (MLU) variants. While smaller and lighter, the F-16 brings an entirely different brand of lethality to the theater. The Power of Link 16 and Battlefield Networking The single greatest advantage of the F-16 is not its airframe, but its connectivity. Utilizing the NATO-standard Link 16 data-sharing network, the F-16 acts as a digital node on the battlefield. Instead of searching for targets blindly with its own radar, a Ukrainian F-16 can receive real-time targeting data securely from ground-based air defenses, friendly electronic warfare units, and Western airborne early warning platforms. This allows the pilot to hunt with their onboard radar turned completely off, minimizing their electronic signature to avoid detection. Western Avionics and AMRAAM Integration The F-16's cockpit ergonomics and advanced avionics suites dramatically reduce pilot workload compared to Soviet-era jets. Its primary weapon for the Su-35 Flanker vs F-16 Fighting Falcon over Ukraine conflict is the AIM-120 AMRAAM (Advanced Medium-Range Air-to-Air Missile). The AMRAAM features a highly reliable active radar homing seeker, giving Ukrainian pilots a true "fire-and-forget" capability that allows them to fire and immediately dive for cover. Head-to-Head: Technical Specifications Breakdown To see how these two platforms stack up on paper, look at the fundamental design choices separating a heavyweight twin-engine interceptor from a lightweight multirole fighter: Engine Configuration: Sukhoi Su-35S: Twin-engine layout equipped with 3D thrust-vectoring nozzles for extreme agility. F-16 Fighting Falcon: Single-engine configuration optimizing a high thrust-to-weight ratio. Maximum Speed: Sukhoi Su-35S: Reaches Mach 2.25 at high altitude. F-16 Fighting Falcon: Reaches Mach 2.0 at high altitude. Combat Radius: Sukhoi Su-35S: Approximately 1,000 miles relying strictly on internal fuel. F-16 Fighting Falcon: Approximately 340 miles with a standard, heavy combat loadout. Primary Radar Systems: Sukhoi Su-35S: Irbis-E PESA radar characterized by ultra-high power output. F-16 Fighting Falcon: AN/APG-66(V)2 or upgraded Active Electronically Scanned Array (AESA) variants. Key Long-Range Weapons: Sukhoi Su-35S: Hypersonic R-37M and active-radar R-77M missiles. F-16 Fighting Falcon: AIM-120C/D Advanced Medium-Range Air-to-Air Missiles (AMRAAM). The Real-World Verdict: What Decides the Winner? Military analysts know that paper specifications rarely survive contact with reality. The true outcome of the Su-35 Flanker vs F-16 Fighting Falcon over Ukraine aerial campaign is decided by a complex web of tactics, training, and external support. The Low-Altitude Tactical Reality Because Russia maintains a dense network of high-altitude S-400 surface-to-air missile systems, Ukrainian F-16 pilots have been forced to adopt a low-altitude flight strategy. Flying just feet above the tree line masks the F-16 from long-range radar clutter, but it comes with a severe physics penalty. Firing a missile from a low altitude against a high-flying Su-35 means the missile must fight gravity and thick air, drastically reducing its effective range. AWACS and Electronic Warfare: The Invisible Hand The fighter that wins is almost always the one that sees the enemy first. When Western Airborne Warning and Control System (AWACS) aircraft operate near the theater, they act as the F-16's eyes, extending its vision far beyond its own nose. Conversely, Russia's heavy investment in land-based and airborne electronic warfare (EW) continuously attempts to jam Western GPS guidance and radar systems, creating an invisible, chaotic digital environment. The Pilot Factor: While Russian aviators have thousands of hours of collective flight time in the Su-35, Ukrainian pilots have undergone highly compressed Western training programs. Success relies heavily on how quickly these pilots transition from old Soviet doctrine to automated, network-centric Western air combat tactics. Conclusion The intense air battles involving the Su-35 Flanker vs F-16 Fighting Falcon over Ukraine highlight two fundamentally opposing military doctrines. The Su-35 is a kinematically superior, heavy air-superiority brute that thrives on pure power, massive radar range, and sheer missile speed. The F-16 is a nimble, highly integrated team player whose lethality multiplies when connected to a wider digital network. Ultimately, this showdown is not just a duel between two airframes. It is a harsh test of whether Western data-sharing systems and smart tactics can overcome a physically larger, heavily armed, and deeply entrenched adversary in a highly contested airspace.</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-30-05-2026_43.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-30-05-2026_43.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-30-05-2026_43.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[How to Deactivate Facebook Account: ২০১৬ সালের নতুন নিয়মে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাক্টিভেট করার সহজ উপায়]]></title>
        <link>https://nbs24.org/technology/37308</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/technology/37308</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 07 Jun 2026 18:13:37 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
                <category><![CDATA[টিপস]]></category>
                        <category><![CDATA[how to deactivate facebook account, how to deactivate facebook account pc, how to deactivate a facebook account, how to deactivate facebook account 2025, how to deactivate facebook account 2023, how to deactivate facebook account 2024, how to deactivate facebook account on pc, how to deactivate facebook account on ios, how to deactivate your facebook account, how to deactivate or delete facebook account, how to deactivate facebook account on mobile, how to deactivate facebook account on iphone]]></category>
        
        <description><![CDATA[ডিজিটাল দুনিয়ায় আমাদের উপস্থিতির একটা বড় অংশ জুড়ে রয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া। তবে মাঝে মাঝে এই ভার্চুয়াল জগৎ থেকে কিছুটা বিরতি নেওয়া মানসিক শান্তির জন্য অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়ে। আপনি যদি পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে চান, কাজের চাপ কমাতে চান কিংবা ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা করতে চান—ফেসবুক অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা বা ডিঅ্যাক্টিভেট করা হতে পারে একটি দারুণ সমাধান। মেটা (Meta) তাদের ইউজার ইন্টারফেস এবং সেটিংস প্রতিনিয়ত পরিবর্তন করে। ফলে অনেক ব্যবহারকারীই এখন জানতে চান how to deactivate facebook account অর্থাৎ কিভাবে বর্তমান সময়ে এসে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট সঠিকভাবে ডিঅ্যাক্টিভেট করা যায়। আজকের এই বিস্তারিত গাইডে আমরা অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাক্টিভেট করার একদম লেটেস্ট ও কার্যকরী পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করব। ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাক্টিভেট (Deactivate) ও ডিলিট (Delete) করার মধ্যে পার্থক্য অনেকেই ডিঅ্যাক্টিভেট এবং ডিলিট করার বিষয়টি গুলিয়ে ফেলেন। কাজ শুরু করার আগে এই দুটি বিষয়ের মূল পার্থক্য জেনে নেওয়া জরুরি: অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাক্টিভেট করা: এটি একটি সাময়িক প্রক্রিয়া। আপনি যখন খুশি তখন আপনার পাসওয়ার্ড দিয়ে পুনরায় লগইন করে অ্যাকাউন্টটি সচল বা অ্যাক্টিভ করতে পারবেন। ডিঅ্যাক্টিভেট থাকা অবস্থায় অন্যরা আপনার প্রোফাইল দেখতে পাবে না এবং আপনার শেয়ার করা পোস্টগুলো সাময়িকভাবে হাইড হয়ে থাকবে। তবে আপনার পাঠানো মেসেজগুলো মেসেঞ্জারে থেকে যাবে। অ্যাকাউন্ট ডিলিট করা: এটি একটি স্থায়ী প্রক্রিয়া। অ্যাকাউন্ট একবার ডিলিট করে দিলে ৩০ দিনের গ্রেস পিরিয়ড পর আপনার সমস্ত ডাটা, ছবি, পোস্ট চিরতরে মুছে যাবে, যা আর কখনোই ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়। মোবাইল অ্যাপ থেকে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাক্টিভেট করার নিয়ম (Step-by-Step) স্মার্টফোন (Android বা iOS) ব্যবহার করে খুব সহজেই মেটা অ্যাকাউন্ট সেন্টারের মাধ্যমে আপনার প্রোফাইল সাময়িকভাবে বন্ধ করতে পারেন। নিচে ধাপগুলো দেওয়া হলো: ১. মেটা অ্যাকাউন্ট সেন্টারে প্রবেশ করুন প্রথমে আপনার মোবাইলের ফেসবুক অ্যাপটি ওপেন করুন এবং আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন থাকা নিশ্চিত করুন। ডানদিকের ওপরের কোণায় থাকা আপনার প্রোফাইল পিকচার বা থ্রি-লাইন (Menu) আইকনে ট্যাপ করুন। নিচের দিকে স্ক্রোল করে Settings & Privacy-তে ক্লিক করুন এবং এরপর Settings অপশনটি বেছে নিন। সবার ওপরে থাকা Meta Accounts Center (Account Center) ব্যানারটিতে ট্যাপ করুন। ২. পার্সোনাল ডিটেইলস অপশন সিলেক্ট করুন অ্যাকাউন্ট সেন্টারের ভেতরে ঢোকার পর Personal Details অপশনে ক্লিক করুন। এখানে আপনি Account Ownership and Control নামে একটি অপশন পাবেন, সেটিতে ট্যাপ করুন। ৩. ডিঅ্যাক্টিভেশন অপশন বেছে নিন এবার Deactivation or Deletion অপশনটি সিলেক্ট করুন। আপনার যদি একাধিক পেজ বা ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট লিংক করা থাকে, তবে যে ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি বন্ধ করতে চান, সেটি নির্বাচন করুন। এখানে Deactivate Account (সাময়িক বন্ধ) এবং Delete Account (স্থায়ী বন্ধ)—এই দুটি অপশন দেখাবে। বাই-ডিফল্ট 'Deactivate Account' সিলেক্ট করাই থাকে। নিচে থাকা Continue বাটনে ক্লিক করুন। নিরাপত্তা সতর্কতা: আপনার অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মেটা এই পর্যায়ে আপনার ফেসবুক পাসওয়ার্ডটি জানতে চাইবে। পাসওয়ার্ড দিয়ে পুনরায় Continue করুন। ৪. বিরতি নেওয়ার কারণ এবং চূড়ান্ত ধাপ ফেসবুক আপনার কাছে জানতে চাইবে আপনি কেন অ্যাকাউন্টটি বন্ধ করছেন। যেকোনো একটি কারণ (যেমন: This is temporary, I'll be back) সিলেক্ট করুন। আপনি যদি 'Temporary' সিলেক্ট করেন, তবে ফেসবুক জানতে চাইবে কতদিন পর অ্যাকাউন্টটি অটোমেটিক অ্যাক্টিভ হবে। আপনি চাইলে ১ থেকে ৭ দিন সিলেক্ট করতে পারেন, অথবা Don't reactivate automatically দিয়ে রাখতে পারেন (যাতে আপনি নিজে লগইন না করা পর্যন্ত এটি বন্ধই থাকে)। সর্বশেষ ধাপে Deactivate My Account-এ ক্লিক করলেই আপনার অ্যাকাউন্টটি সফলভাবে ডিঅ্যাক্টিভেট হয়ে যাবে। কম্পিউটার বা ল্যাপটপ থেকে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাক্টিভেট করার উপায় আপনি যদি ডেস্কটপ বা ল্যাপটপের ব্রাউজার ব্যবহার করে অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাক্টিভেট করতে চান, তবে প্রক্রিয়াটি প্রায় একই রকম। চলুন সংক্ষেপে দেখে নেওয়া যাক: ফেসবুক প্রোফাইল পিকচার (Top Right) ➔ Settings & Privacy ➔ Settings ➔ Meta Accounts Center ➔ Personal Details ➔ Account Ownership and Control ➔ Deactivation or Deletion ➔ Password ➔ Confirm Deactivate ১. ব্রাউজারে Facebook.com-এ গিয়ে লগইন করুন। ২. ডানদিকের উপরে আপনার প্রোফাইল ছবিতে ক্লিক করে Settings & Privacy থেকে Settings-এ যান। ৩. বাম পাশের মেনু থেকে Meta Accounts Center-এ ক্লিক করুন। ৪. এরপর Personal Details > Account Ownership and Control > Deactivation or Deletion-এ যান। ৫. আপনার অ্যাকাউন্ট সিলেক্ট করে Deactivate Account অপশনটি বেছে নিয়ে পাসওয়ার্ড দিন এবং নির্দেশনা অনুযায়ী কনফার্ম করুন। how to deactivate facebook account 2026: নতুন আপডেটে কী পরিবর্তন এসেছে? সময়ের সাথে সাথে মেটা তাদের প্রাইভেসি পলিসি এবং সেটিংস লেআউটে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে। আপনি যদি how to deactivate facebook account 2026 লিখে সার্চ করে থাকেন, তবে লক্ষ্য করবেন যে আগের 'Security' বা 'Your Facebook Information' সেকশন থেকে এই অপশনটি সম্পূর্ণ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম এবং মেসেঞ্জারকে একটি একক ছাতার নিচে নিয়ে আসতে মেটা Accounts Center নামক ফিচারটি বাধ্যতামূলক করেছে। তাই ২০২৬ সালের নতুন ইন্টারফেসে অ্যাকাউন্ট বন্ধ করতে হলে আপনাকে অবশ্যই মেটা অ্যাকাউন্ট সেন্টারের মাধ্যমেই যেতে হবে। এছাড়া এখন অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাক্টিভেট করার সময় আপনার ম্যানেজ করা ফেসবুক পেজগুলোর নিয়ন্ত্রণ অন্য কাউকে দেওয়ার পপ-আপ নোটিফিকেশনও দেখায়, যা আগে এতোটা কঠোর ছিল না। ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাক্টিভেট করার পর মেসেঞ্জার কি সচল থাকবে? এটি একটি অত্যন্ত সাধারণ প্রশ্ন। হ্যাঁ, ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাক্টিভেট করার পরও আপনি চাইলে মেসেঞ্জার (Messenger) ব্যবহার চালিয়ে যেতে পারবেন। ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাক্টিভেশনের চূড়ান্ত ধাপে একটি অপশন আসবে যেখানে লেখা থাকবে Keep Using Messenger। আপনি যদি সেখানে টিক মার্ক দিয়ে রাখেন, তবে আপনার বন্ধুরা আপনাকে মেসেঞ্জারে খুঁজে পাবে এবং আপনি স্বাভাবিকভাবেই চ্যাট করতে পারবেন। আর আপনি যদি মেসেঞ্জারও বন্ধ করতে চান, তবে ফেসবুক ডিঅ্যাক্টিভেট করার পর আলাদাভাবে মেসেঞ্জার অ্যাপের সেটিংসে গিয়ে একইভাবে মেসেঞ্জার অ্যাকাউন্টটিও ডিঅ্যাক্টিভেট করে দিতে হবে। অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাক্টিভেট করার সুবিধা ও অসুবিধা ডিজিটাল ডিটক্সের জন্য অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার যেমন কিছু ভালো দিক আছে, তেমনি কিছু অসুবিধাও রয়েছে। নিচে একটি টেবিলের মাধ্যমে তা তুলে ধরা হলো: সুবিধা (Pros) অসুবিধা (Cons) মানসিক ক্লান্তি দূর হয় এবং কাজের মনোযোগ বাড়ে। সাময়িকভাবে বন্ধুদের আপডেট এবং জরুরি নোটিফিকেশন মিস হতে পারে। যেকোনো সময় ডেটা না হারিয়ে ফিরে আসা যায়। এই অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে লগইন করা অন্য অ্যাপ বা গেমের অ্যাক্সেস ব্লক হতে পারে। হ্যাকার বা স্ক্যামারদের নজর থেকে প্রোফাইল সুরক্ষিত থাকে। আপনার অ্যাড অ্যাকাউন্ট বা বিজনেস পেজ থাকলে সেগুলোর কার্যকলাপে প্রভাব পড়তে পারে।   কিভাবে পুনরায় ফেসবুক অ্যাকাউন্ট সক্রিয় (Reactivate) করবেন? ফেসবুক অ্যাকাউন্ট পুনরায় সচল করা পৃথিবীর সবচেয়ে সহজ কাজগুলোর একটি। আপনার বিরতির সময় শেষ হলে এবং আপনি যখনই ফেসবুকে ফিরে আসতে চাইবেন, তখন কেবল নিচের কাজটি করুন: আপনার স্মার্টফোন বা কম্পিউটারে ফেসবুক অ্যাপ/ওয়েবসাইট ওপেন করুন। আপনার ডিঅ্যাক্টিভেট করা অ্যাকাউন্টের ইমেইল অ্যাড্রেস বা মোবাইল নম্বর এবং পাসওয়ার্ড দিন। Log In বাটনে ক্লিক করুন। লগইন করার সাথে সাথেই আপনার অ্যাকাউন্টটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পুনরায় সক্রিয় বা রিঅ্যাক্টিভেট হয়ে যাবে এবং আপনার সব ফ্রেন্ডলিস্ট, ফটো ও পোস্ট আগের মতোই দেখতে পাবেন। উপসংহার সোশ্যাল মিডিয়ার অতিরিক্ত ব্যবহার অনেক সময় আমাদের দৈনন্দিন জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই নিজেকে কিছুটা সময় দিতে এবং ডিজিটাল লাইফ ব্যালেন্স করতে ফেসবুক থেকে সাময়িক বিরতি নেওয়া একটি চমৎকার সিদ্ধান্ত। আশা করি, how to deactivate facebook account নিয়ে তৈরি করা আমাদের আজকের এই সম্পূর্ণ গাইডটি আপনাকে মেটার নতুন নিয়মে অ্যাকাউন্ট সফলভাবে ডিঅ্যাক্টিভেট করতে সাহায্য করবে। সুস্থ থাকুন, সুরক্ষিত রাখুন আপনার ডিজিটাল লাইফ!]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-30-05-2026_42.webp" alt="How to Deactivate Facebook Account: ২০১৬ সালের নতুন নিয়মে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাক্টিভেট করার সহজ উপায়" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>How to Deactivate Facebook Account: ২০১৬ সালের নতুন নিয়মে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাক্টিভেট করার সহজ উপায়</h1>
            <p>ডিজিটাল দুনিয়ায় আমাদের উপস্থিতির একটা বড় অংশ জুড়ে রয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া। তবে মাঝে মাঝে এই ভার্চুয়াল জগৎ থেকে কিছুটা বিরতি নেওয়া মানসিক শান্তির জন্য অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়ে। আপনি যদি পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে চান, কাজের চাপ কমাতে চান কিংবা ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা করতে চান—ফেসবুক অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা বা ডিঅ্যাক্টিভেট করা হতে পারে একটি দারুণ সমাধান। মেটা (Meta) তাদের ইউজার ইন্টারফেস এবং সেটিংস প্রতিনিয়ত পরিবর্তন করে। ফলে অনেক ব্যবহারকারীই এখন জানতে চান how to deactivate facebook account অর্থাৎ কিভাবে বর্তমান সময়ে এসে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট সঠিকভাবে ডিঅ্যাক্টিভেট করা যায়। আজকের এই বিস্তারিত গাইডে আমরা অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাক্টিভেট করার একদম লেটেস্ট ও কার্যকরী পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করব। ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাক্টিভেট (Deactivate) ও ডিলিট (Delete) করার মধ্যে পার্থক্য অনেকেই ডিঅ্যাক্টিভেট এবং ডিলিট করার বিষয়টি গুলিয়ে ফেলেন। কাজ শুরু করার আগে এই দুটি বিষয়ের মূল পার্থক্য জেনে নেওয়া জরুরি: অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাক্টিভেট করা: এটি একটি সাময়িক প্রক্রিয়া। আপনি যখন খুশি তখন আপনার পাসওয়ার্ড দিয়ে পুনরায় লগইন করে অ্যাকাউন্টটি সচল বা অ্যাক্টিভ করতে পারবেন। ডিঅ্যাক্টিভেট থাকা অবস্থায় অন্যরা আপনার প্রোফাইল দেখতে পাবে না এবং আপনার শেয়ার করা পোস্টগুলো সাময়িকভাবে হাইড হয়ে থাকবে। তবে আপনার পাঠানো মেসেজগুলো মেসেঞ্জারে থেকে যাবে। অ্যাকাউন্ট ডিলিট করা: এটি একটি স্থায়ী প্রক্রিয়া। অ্যাকাউন্ট একবার ডিলিট করে দিলে ৩০ দিনের গ্রেস পিরিয়ড পর আপনার সমস্ত ডাটা, ছবি, পোস্ট চিরতরে মুছে যাবে, যা আর কখনোই ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়। মোবাইল অ্যাপ থেকে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাক্টিভেট করার নিয়ম (Step-by-Step) স্মার্টফোন (Android বা iOS) ব্যবহার করে খুব সহজেই মেটা অ্যাকাউন্ট সেন্টারের মাধ্যমে আপনার প্রোফাইল সাময়িকভাবে বন্ধ করতে পারেন। নিচে ধাপগুলো দেওয়া হলো: ১. মেটা অ্যাকাউন্ট সেন্টারে প্রবেশ করুন প্রথমে আপনার মোবাইলের ফেসবুক অ্যাপটি ওপেন করুন এবং আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন থাকা নিশ্চিত করুন। ডানদিকের ওপরের কোণায় থাকা আপনার প্রোফাইল পিকচার বা থ্রি-লাইন (Menu) আইকনে ট্যাপ করুন। নিচের দিকে স্ক্রোল করে Settings & Privacy-তে ক্লিক করুন এবং এরপর Settings অপশনটি বেছে নিন। সবার ওপরে থাকা Meta Accounts Center (Account Center) ব্যানারটিতে ট্যাপ করুন। ২. পার্সোনাল ডিটেইলস অপশন সিলেক্ট করুন অ্যাকাউন্ট সেন্টারের ভেতরে ঢোকার পর Personal Details অপশনে ক্লিক করুন। এখানে আপনি Account Ownership and Control নামে একটি অপশন পাবেন, সেটিতে ট্যাপ করুন। ৩. ডিঅ্যাক্টিভেশন অপশন বেছে নিন এবার Deactivation or Deletion অপশনটি সিলেক্ট করুন। আপনার যদি একাধিক পেজ বা ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট লিংক করা থাকে, তবে যে ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি বন্ধ করতে চান, সেটি নির্বাচন করুন। এখানে Deactivate Account (সাময়িক বন্ধ) এবং Delete Account (স্থায়ী বন্ধ)—এই দুটি অপশন দেখাবে। বাই-ডিফল্ট 'Deactivate Account' সিলেক্ট করাই থাকে। নিচে থাকা Continue বাটনে ক্লিক করুন। নিরাপত্তা সতর্কতা: আপনার অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মেটা এই পর্যায়ে আপনার ফেসবুক পাসওয়ার্ডটি জানতে চাইবে। পাসওয়ার্ড দিয়ে পুনরায় Continue করুন। ৪. বিরতি নেওয়ার কারণ এবং চূড়ান্ত ধাপ ফেসবুক আপনার কাছে জানতে চাইবে আপনি কেন অ্যাকাউন্টটি বন্ধ করছেন। যেকোনো একটি কারণ (যেমন: This is temporary, I'll be back) সিলেক্ট করুন। আপনি যদি 'Temporary' সিলেক্ট করেন, তবে ফেসবুক জানতে চাইবে কতদিন পর অ্যাকাউন্টটি অটোমেটিক অ্যাক্টিভ হবে। আপনি চাইলে ১ থেকে ৭ দিন সিলেক্ট করতে পারেন, অথবা Don't reactivate automatically দিয়ে রাখতে পারেন (যাতে আপনি নিজে লগইন না করা পর্যন্ত এটি বন্ধই থাকে)। সর্বশেষ ধাপে Deactivate My Account-এ ক্লিক করলেই আপনার অ্যাকাউন্টটি সফলভাবে ডিঅ্যাক্টিভেট হয়ে যাবে। কম্পিউটার বা ল্যাপটপ থেকে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাক্টিভেট করার উপায় আপনি যদি ডেস্কটপ বা ল্যাপটপের ব্রাউজার ব্যবহার করে অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাক্টিভেট করতে চান, তবে প্রক্রিয়াটি প্রায় একই রকম। চলুন সংক্ষেপে দেখে নেওয়া যাক: ফেসবুক প্রোফাইল পিকচার (Top Right) ➔ Settings & Privacy ➔ Settings ➔ Meta Accounts Center ➔ Personal Details ➔ Account Ownership and Control ➔ Deactivation or Deletion ➔ Password ➔ Confirm Deactivate ১. ব্রাউজারে Facebook.com-এ গিয়ে লগইন করুন। ২. ডানদিকের উপরে আপনার প্রোফাইল ছবিতে ক্লিক করে Settings & Privacy থেকে Settings-এ যান। ৩. বাম পাশের মেনু থেকে Meta Accounts Center-এ ক্লিক করুন। ৪. এরপর Personal Details > Account Ownership and Control > Deactivation or Deletion-এ যান। ৫. আপনার অ্যাকাউন্ট সিলেক্ট করে Deactivate Account অপশনটি বেছে নিয়ে পাসওয়ার্ড দিন এবং নির্দেশনা অনুযায়ী কনফার্ম করুন। how to deactivate facebook account 2026: নতুন আপডেটে কী পরিবর্তন এসেছে? সময়ের সাথে সাথে মেটা তাদের প্রাইভেসি পলিসি এবং সেটিংস লেআউটে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে। আপনি যদি how to deactivate facebook account 2026 লিখে সার্চ করে থাকেন, তবে লক্ষ্য করবেন যে আগের 'Security' বা 'Your Facebook Information' সেকশন থেকে এই অপশনটি সম্পূর্ণ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম এবং মেসেঞ্জারকে একটি একক ছাতার নিচে নিয়ে আসতে মেটা Accounts Center নামক ফিচারটি বাধ্যতামূলক করেছে। তাই ২০২৬ সালের নতুন ইন্টারফেসে অ্যাকাউন্ট বন্ধ করতে হলে আপনাকে অবশ্যই মেটা অ্যাকাউন্ট সেন্টারের মাধ্যমেই যেতে হবে। এছাড়া এখন অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাক্টিভেট করার সময় আপনার ম্যানেজ করা ফেসবুক পেজগুলোর নিয়ন্ত্রণ অন্য কাউকে দেওয়ার পপ-আপ নোটিফিকেশনও দেখায়, যা আগে এতোটা কঠোর ছিল না। ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাক্টিভেট করার পর মেসেঞ্জার কি সচল থাকবে? এটি একটি অত্যন্ত সাধারণ প্রশ্ন। হ্যাঁ, ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাক্টিভেট করার পরও আপনি চাইলে মেসেঞ্জার (Messenger) ব্যবহার চালিয়ে যেতে পারবেন। ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাক্টিভেশনের চূড়ান্ত ধাপে একটি অপশন আসবে যেখানে লেখা থাকবে Keep Using Messenger। আপনি যদি সেখানে টিক মার্ক দিয়ে রাখেন, তবে আপনার বন্ধুরা আপনাকে মেসেঞ্জারে খুঁজে পাবে এবং আপনি স্বাভাবিকভাবেই চ্যাট করতে পারবেন। আর আপনি যদি মেসেঞ্জারও বন্ধ করতে চান, তবে ফেসবুক ডিঅ্যাক্টিভেট করার পর আলাদাভাবে মেসেঞ্জার অ্যাপের সেটিংসে গিয়ে একইভাবে মেসেঞ্জার অ্যাকাউন্টটিও ডিঅ্যাক্টিভেট করে দিতে হবে। অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাক্টিভেট করার সুবিধা ও অসুবিধা ডিজিটাল ডিটক্সের জন্য অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার যেমন কিছু ভালো দিক আছে, তেমনি কিছু অসুবিধাও রয়েছে। নিচে একটি টেবিলের মাধ্যমে তা তুলে ধরা হলো: সুবিধা (Pros) অসুবিধা (Cons) মানসিক ক্লান্তি দূর হয় এবং কাজের মনোযোগ বাড়ে। সাময়িকভাবে বন্ধুদের আপডেট এবং জরুরি নোটিফিকেশন মিস হতে পারে। যেকোনো সময় ডেটা না হারিয়ে ফিরে আসা যায়। এই অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে লগইন করা অন্য অ্যাপ বা গেমের অ্যাক্সেস ব্লক হতে পারে। হ্যাকার বা স্ক্যামারদের নজর থেকে প্রোফাইল সুরক্ষিত থাকে। আপনার অ্যাড অ্যাকাউন্ট বা বিজনেস পেজ থাকলে সেগুলোর কার্যকলাপে প্রভাব পড়তে পারে।   কিভাবে পুনরায় ফেসবুক অ্যাকাউন্ট সক্রিয় (Reactivate) করবেন? ফেসবুক অ্যাকাউন্ট পুনরায় সচল করা পৃথিবীর সবচেয়ে সহজ কাজগুলোর একটি। আপনার বিরতির সময় শেষ হলে এবং আপনি যখনই ফেসবুকে ফিরে আসতে চাইবেন, তখন কেবল নিচের কাজটি করুন: আপনার স্মার্টফোন বা কম্পিউটারে ফেসবুক অ্যাপ/ওয়েবসাইট ওপেন করুন। আপনার ডিঅ্যাক্টিভেট করা অ্যাকাউন্টের ইমেইল অ্যাড্রেস বা মোবাইল নম্বর এবং পাসওয়ার্ড দিন। Log In বাটনে ক্লিক করুন। লগইন করার সাথে সাথেই আপনার অ্যাকাউন্টটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পুনরায় সক্রিয় বা রিঅ্যাক্টিভেট হয়ে যাবে এবং আপনার সব ফ্রেন্ডলিস্ট, ফটো ও পোস্ট আগের মতোই দেখতে পাবেন। উপসংহার সোশ্যাল মিডিয়ার অতিরিক্ত ব্যবহার অনেক সময় আমাদের দৈনন্দিন জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই নিজেকে কিছুটা সময় দিতে এবং ডিজিটাল লাইফ ব্যালেন্স করতে ফেসবুক থেকে সাময়িক বিরতি নেওয়া একটি চমৎকার সিদ্ধান্ত। আশা করি, how to deactivate facebook account নিয়ে তৈরি করা আমাদের আজকের এই সম্পূর্ণ গাইডটি আপনাকে মেটার নতুন নিয়মে অ্যাকাউন্ট সফলভাবে ডিঅ্যাক্টিভেট করতে সাহায্য করবে। সুস্থ থাকুন, সুরক্ষিত রাখুন আপনার ডিজিটাল লাইফ!</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-30-05-2026_42.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-30-05-2026_42.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-30-05-2026_42.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[কম বাজেটে সেরা ক্যামেরা ২০২৬: ছবি ও ভিডিওর জন্য সেরা ৪টি বাজেট ক্যামেরা]]></title>
        <link>https://nbs24.org/technology/37306</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/technology/37306</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 07 Jun 2026 17:51:24 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
                <category><![CDATA[গ্যাজেট]]></category>
                        <category><![CDATA[sony zv-e10, sony zv-e10 2, sony zv-e10 vs, sony zv-e10 ii, sony zv-e10 ibis, sony zv-e10 help, sony zv-e10 setup, sony zv-e10 specs, sony zv-e10 mark 2, sony zv-e10 camera, sony zv-e10 review, sony zv-e10 photos, sony zv-e10 vs zv-1, sony zv-e10 how-to, sony zv-e10 ii vlog, sony zv-e10 footage, sony zv-e10 kit lens, sony zv-e10 worth it, sony zv-e10 2 rumors, sony zv-e10 ii review, sony zv-e10 settings, sony zv-e10 tutorial, zv-e10 sony camera, sony zv-e10 cinematic, sony zv-e10 still good, sony zv-e10 mk ii review,canon r100 review, canon eos r100 review, canon r100 review telugu, canon r100 review in telugu, review canon eos r100, canon r100 review portugues, canon r100 review video test, review kamera canon eos r100, canon r 100 review, canon review, canon r50 review, canon eos r100 complete review in telugu, canon r10 review bangla, r100 review, canon r100, canon r100 video, canon r100 preco, canon r1000, canon m50 review 2024, buy canon r100, r100 canon, canon r100 vs rebel, canon r100 4k video, canon r100 date]]></category>
        
        <description><![CDATA[বর্তমান সময়ে কন্টেন্ট ক্রিয়েশন, ইউটিউবিং কিংবা শখের ফটোগ্রাফির জন্য একটি ভালো ক্যামেরার প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। তবে পেশাদার কাজের জন্য ক্যামেরার বাজারে গেলেই বাজেট একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। ২০২৬ সালে প্রযুক্তির উন্নয়নের কারণে কম বাজেটেও এখন চমৎকার সব মিররলেস এবং ডিএসএলআর ক্যামেরা পাওয়া যাচ্ছে, যা দিয়ে ৪কে (4K) ভিডিও এবং ক্রিস্প কোয়ালিটির ছবি তোলা সম্ভব। আজকের প্রতিবেদনে আমরা ২০২৬ সালের বাজারে থাকা কম বাজেটের মধ্যে সেরা কয়েকটি ক্যামেরা এবং সেগুলোর ফিচার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব। ১. Canon EOS R100: বাজেট মিররলেস ক্যামেরার রাজা কম বাজেটে যারা ক্যাননের কালার টোন এবং মিররলেস প্রযুক্তির স্বাদ পেতে চান, তাদের জন্য বর্তমান বাজারে Canon EOS R100 সবচেয়ে জনপ্রিয় অপশন। সেন্সর: ২৪.১ মেগাপিক্সেল (APS-C) ভিডিও কোয়ালিটি: 4K (Cropped) এবং Full HD @ 60fps অটোফোকাস: ক্যাননের দুর্দান্ত ডুয়াল পিক্সেল সিএমওএস এএফ (চোখ এবং মুখ সনাক্তকরণসহ)। প্লাস পয়েন্ট: এটি ওজনে অত্যন্ত হালকা এবং এর ইউজার ইন্টারফেস নতুনদের জন্য খুবই সহজ। যাদের জন্য সেরা: যারা নতুন কন্টেন্ট ক্রিয়েশন শুরু করছেন বা ট্রাভেল ব্লগিংয়ের জন্য কম দামে মিররলেস ক্যামেরা খুঁজছেন। ২. Sony Alpha ZV-E10: ভিডিও এবং ভ্লগিংয়ের সেরা অলরাউন্ডার আপনি যদি মূলত ইউটিউব, ফেসবুক বা রিলস ভিডিও তৈরির জন্য ক্যামেরা খুঁজে থাকেন, তবে সনি জেডভি-ই১০-এর কোনো বিকল্প নেই। এটি বিশেষভাবে ভ্লগার ও কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের কথা মাথায় রেখে তৈরি। সেন্সর: ২৪.২ মেগাপিক্সেল (APS-C) ভিডিও কোয়ালিটি: ওভারস্যাম্পলড 4K ভিডিও (কোনো ক্রপ ছাড়া) অটোফোকাস: সনির বিশ্বখ্যাত রিয়েল-টাইম আই-অটোফোকাস ট্র্যাকিং। বিশেষ ফিচার: এতে রয়েছে দুর্দান্ত ইন-বিল্ট থ্রি-ক্যাপসুল মাইক্রোফোন এবং ফ্লিপ স্ক্রিন, যা সেলফ-রেকর্ডিং সহজ করে। যাদের জন্য সেরা: ফুল-টাইম ইউটিউবার, ফেসবুক কন্টেন্ট ক্রিয়েটর এবং যারা প্রফেশনাল ভিডিও এডিটিং নিয়ে কাজ করতে চান। ৩. Nikon D5600: স্থির ছবির জন্য এখনো সেরা ডিএসএলআর মিররলেসের যুগেও যারা পিওর ডিএসএলআর ক্যামেরার ফিল এবং দীর্ঘ ব্যাটারি লাইফ পছন্দ করেন, তাদের জন্য নিকন ডি৫৬০০ এখনো একটি দারুণ বাজেট ফ্রেন্ডলি চয়েস। সেন্সর: ২৪.২ মেগাপিক্সেল ডিসপ্লে: ৩.২ ইঞ্চির সম্পূর্ণ ফ্লিপ এবং টাচ স্ক্রিন। ব্যাটারি লাইফ: এক চার্জে প্রায় ৯৫০টিরও বেশি ছবি তোলা সম্ভব। প্লাস পয়েন্ট: কম আলোতে এই ক্যামেরার ছবি চমৎকার আসে এবং এর লেন্সের কালেকশন অনেক বড় ও সস্তা। যাদের জন্য সেরা: যারা মূলত প্রফেশনাল ফটোগ্রাফি শিখতে চান বা স্টুডিওর কাজের জন্য ক্যামেরা খুঁজছেন। ৪. DJI Osmo Pocket 3: পকেট সাইজ ভিডিও পাওয়ারহাউস প্রথাগত ক্যামেরার বাইরে গিয়ে আপনি যদি সিনেমাটিক এবং অত্যন্ত স্মুথ ভিডিও চান, তবে ডিজেআই অসমো পকেট ৩ হতে পারে ২০২৬ সালের সবচেয়ে বুদ্ধিমানের মতো সিদ্ধান্ত। সেন্সর: শক্তিশালী ১-ইঞ্চি সিএমওএস সেন্সর (যা কম আলোতেও দারুণ পারফর্ম করে) ভিডিও কোয়ালিটি: 4K @ 120fps (স্লো-মোশনের জন্য চমৎকার) স্ট্যাবিলাইজেশন: ৩-অক্ষ বিশিষ্ট মেকানিক্যাল গিম্বল (হাঁটাহাঁটি বা দৌড়াদৌড়ি করলেও ভিডিও কাঁপবে না)। যাদের জন্য সেরা: সিনেমাটিক ট্রাভেল ভ্লগার এবং যারা ভারী ক্যামেরা বা গিম্বল বহন করতে চান না। কম বাজেটে ক্যামেরা কেনার আগে যা মাথায় রাখবেন লেন্সের প্রাপ্যতা: ক্যামেরা বডির পাশাপাশি লেন্সের দাম কেমন এবং বাজারে সহজে পাওয়া যায় কিনা তা দেখে নিন। অডিও ইনপুট: ভিডিওর জন্য ক্যামেরা কিনলে অবশ্যই এক্সটার্নাল মাইক্রোফোন জ্যাক (3.5mm port) আছে কিনা নিশ্চিত করুন। ভবিষ্যতের কথা ভাবুন: ২০২৬ সালে এসে অন্তত এমন ক্যামেরা নেওয়া উচিত যা দিয়ে ফুল এইচডি ৬০ এফপিএস (60fps) বা ৪কে ভিডিও করা যায়, যাতে ভবিষ্যতে আপনার কন্টেন্টের কোয়ালিটি মার না খায়। উপসংহার: আপনার মূল ফোকাস যদি শুধু ভিডিও এবং আধুনিক ফিচার হয়, তবে Sony ZV-E10 বা Canon R100 মিররলেস দিয়ে শুরু করা সবচেয়ে ভালো। আর যদি বাজেট আরও কিছুটা কম থাকে এবং মূলত স্থির ছবি বা ফটোগ্রাফি শিখতে চান, তবে এখনো যেকোনো এন্ট্রি-লেভেল ডিএসএলআর আপনাকে সেরা আউটপুট দেবে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-07-06-2026_51.webp" alt="কম বাজেটে সেরা ক্যামেরা ২০২৬: ছবি ও ভিডিওর জন্য সেরা ৪টি বাজেট ক্যামেরা" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>কম বাজেটে সেরা ক্যামেরা ২০২৬: ছবি ও ভিডিওর জন্য সেরা ৪টি বাজেট ক্যামেরা</h1>
            <p>বর্তমান সময়ে কন্টেন্ট ক্রিয়েশন, ইউটিউবিং কিংবা শখের ফটোগ্রাফির জন্য একটি ভালো ক্যামেরার প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। তবে পেশাদার কাজের জন্য ক্যামেরার বাজারে গেলেই বাজেট একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। ২০২৬ সালে প্রযুক্তির উন্নয়নের কারণে কম বাজেটেও এখন চমৎকার সব মিররলেস এবং ডিএসএলআর ক্যামেরা পাওয়া যাচ্ছে, যা দিয়ে ৪কে (4K) ভিডিও এবং ক্রিস্প কোয়ালিটির ছবি তোলা সম্ভব। আজকের প্রতিবেদনে আমরা ২০২৬ সালের বাজারে থাকা কম বাজেটের মধ্যে সেরা কয়েকটি ক্যামেরা এবং সেগুলোর ফিচার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব। ১. Canon EOS R100: বাজেট মিররলেস ক্যামেরার রাজা কম বাজেটে যারা ক্যাননের কালার টোন এবং মিররলেস প্রযুক্তির স্বাদ পেতে চান, তাদের জন্য বর্তমান বাজারে Canon EOS R100 সবচেয়ে জনপ্রিয় অপশন। সেন্সর: ২৪.১ মেগাপিক্সেল (APS-C) ভিডিও কোয়ালিটি: 4K (Cropped) এবং Full HD @ 60fps অটোফোকাস: ক্যাননের দুর্দান্ত ডুয়াল পিক্সেল সিএমওএস এএফ (চোখ এবং মুখ সনাক্তকরণসহ)। প্লাস পয়েন্ট: এটি ওজনে অত্যন্ত হালকা এবং এর ইউজার ইন্টারফেস নতুনদের জন্য খুবই সহজ। যাদের জন্য সেরা: যারা নতুন কন্টেন্ট ক্রিয়েশন শুরু করছেন বা ট্রাভেল ব্লগিংয়ের জন্য কম দামে মিররলেস ক্যামেরা খুঁজছেন। ২. Sony Alpha ZV-E10: ভিডিও এবং ভ্লগিংয়ের সেরা অলরাউন্ডার আপনি যদি মূলত ইউটিউব, ফেসবুক বা রিলস ভিডিও তৈরির জন্য ক্যামেরা খুঁজে থাকেন, তবে সনি জেডভি-ই১০-এর কোনো বিকল্প নেই। এটি বিশেষভাবে ভ্লগার ও কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের কথা মাথায় রেখে তৈরি। সেন্সর: ২৪.২ মেগাপিক্সেল (APS-C) ভিডিও কোয়ালিটি: ওভারস্যাম্পলড 4K ভিডিও (কোনো ক্রপ ছাড়া) অটোফোকাস: সনির বিশ্বখ্যাত রিয়েল-টাইম আই-অটোফোকাস ট্র্যাকিং। বিশেষ ফিচার: এতে রয়েছে দুর্দান্ত ইন-বিল্ট থ্রি-ক্যাপসুল মাইক্রোফোন এবং ফ্লিপ স্ক্রিন, যা সেলফ-রেকর্ডিং সহজ করে। যাদের জন্য সেরা: ফুল-টাইম ইউটিউবার, ফেসবুক কন্টেন্ট ক্রিয়েটর এবং যারা প্রফেশনাল ভিডিও এডিটিং নিয়ে কাজ করতে চান। ৩. Nikon D5600: স্থির ছবির জন্য এখনো সেরা ডিএসএলআর মিররলেসের যুগেও যারা পিওর ডিএসএলআর ক্যামেরার ফিল এবং দীর্ঘ ব্যাটারি লাইফ পছন্দ করেন, তাদের জন্য নিকন ডি৫৬০০ এখনো একটি দারুণ বাজেট ফ্রেন্ডলি চয়েস। সেন্সর: ২৪.২ মেগাপিক্সেল ডিসপ্লে: ৩.২ ইঞ্চির সম্পূর্ণ ফ্লিপ এবং টাচ স্ক্রিন। ব্যাটারি লাইফ: এক চার্জে প্রায় ৯৫০টিরও বেশি ছবি তোলা সম্ভব। প্লাস পয়েন্ট: কম আলোতে এই ক্যামেরার ছবি চমৎকার আসে এবং এর লেন্সের কালেকশন অনেক বড় ও সস্তা। যাদের জন্য সেরা: যারা মূলত প্রফেশনাল ফটোগ্রাফি শিখতে চান বা স্টুডিওর কাজের জন্য ক্যামেরা খুঁজছেন। ৪. DJI Osmo Pocket 3: পকেট সাইজ ভিডিও পাওয়ারহাউস প্রথাগত ক্যামেরার বাইরে গিয়ে আপনি যদি সিনেমাটিক এবং অত্যন্ত স্মুথ ভিডিও চান, তবে ডিজেআই অসমো পকেট ৩ হতে পারে ২০২৬ সালের সবচেয়ে বুদ্ধিমানের মতো সিদ্ধান্ত। সেন্সর: শক্তিশালী ১-ইঞ্চি সিএমওএস সেন্সর (যা কম আলোতেও দারুণ পারফর্ম করে) ভিডিও কোয়ালিটি: 4K @ 120fps (স্লো-মোশনের জন্য চমৎকার) স্ট্যাবিলাইজেশন: ৩-অক্ষ বিশিষ্ট মেকানিক্যাল গিম্বল (হাঁটাহাঁটি বা দৌড়াদৌড়ি করলেও ভিডিও কাঁপবে না)। যাদের জন্য সেরা: সিনেমাটিক ট্রাভেল ভ্লগার এবং যারা ভারী ক্যামেরা বা গিম্বল বহন করতে চান না। কম বাজেটে ক্যামেরা কেনার আগে যা মাথায় রাখবেন লেন্সের প্রাপ্যতা: ক্যামেরা বডির পাশাপাশি লেন্সের দাম কেমন এবং বাজারে সহজে পাওয়া যায় কিনা তা দেখে নিন। অডিও ইনপুট: ভিডিওর জন্য ক্যামেরা কিনলে অবশ্যই এক্সটার্নাল মাইক্রোফোন জ্যাক (3.5mm port) আছে কিনা নিশ্চিত করুন। ভবিষ্যতের কথা ভাবুন: ২০২৬ সালে এসে অন্তত এমন ক্যামেরা নেওয়া উচিত যা দিয়ে ফুল এইচডি ৬০ এফপিএস (60fps) বা ৪কে ভিডিও করা যায়, যাতে ভবিষ্যতে আপনার কন্টেন্টের কোয়ালিটি মার না খায়। উপসংহার: আপনার মূল ফোকাস যদি শুধু ভিডিও এবং আধুনিক ফিচার হয়, তবে Sony ZV-E10 বা Canon R100 মিররলেস দিয়ে শুরু করা সবচেয়ে ভালো। আর যদি বাজেট আরও কিছুটা কম থাকে এবং মূলত স্থির ছবি বা ফটোগ্রাফি শিখতে চান, তবে এখনো যেকোনো এন্ট্রি-লেভেল ডিএসএলআর আপনাকে সেরা আউটপুট দেবে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-07-06-2026_51.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-07-06-2026_51.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-07-06-2026_51.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[রুশ মিসাইলে কুপোকাত ইউক্রেন, একদিনে ১৪২০ সেনা খতম]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/37049</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/37049</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sat, 06 Jun 2026 03:43:58 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, r bangla news, rbangla news, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, news18 bangla, world news bangla, republic bangla news, news script bangla, today 2 pm news bangla, breaking news bangla, bbc world news bangla, news18 bangla live, international bangla news, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh news today, banglanews, bangladesh border news, banglavision news today, dupurer news bangladesh]]></category>
        
        <description><![CDATA[পশ্চিমাদের দেওয়া কোটি কোটি ডলারের অস্ত্র আর অনুদান দিয়ে কি আসলেই যুদ্ধ করছে ইউক্রেন? নাকি পর্দার আড়ালে চলছে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক লুটপাট? একদিকে ইউক্রেনের সাধারণ মানুষের ট্যাক্সের টাকা এবং পশ্চিমাদের দেওয়া সাহায্য পাচার হয়ে যাচ্ছে বিদেশের শেল কোম্পানিতে, অন্যদিকে রণক্ষেত্রে ইউক্রেনীয় বাহিনীকে ধুলোয় মিশিয়ে একের পর এক অঞ্চল স্বাধীন করছে অদম্য রাশিয়ান সেনারা। কীভাবে ইউক্রেন সরকার নিজেদের পকেট ভারী করছে আর রাশিয়ার অজেয় বাহিনী কীভাবে ফ্রন্টলাইনে ইউক্রেনকে পুরোপুরি কুপোকাত করছে। পশ্চিমাদের অন্ধ সমর্থনে চলা ইউক্রেন এখন বিশ্বমঞ্চে দুর্নীতির এক অভয়ারণ্য হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। সম্প্রতি ইউক্রেনের নিজস্ব কর বিভাগই স্বীকার করেছে যে, প্রায় দুই হাজার তিন শ ভুয়া বা শেল কোম্পানি ব্যবহার করে দেশ থেকে প্রায় চার শ সত্তর কোটি মার্কিন ডলার বিদেশে পাচার করা হয়েছে। এই বিশাল অঙ্কের অর্থ পাচারের ঘটনাটি ঘটেছে ২০২৪ থেকে ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকের মধ্যে। ইউক্রেনের সাধারণ মানুষ যখন যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে, তখন কিয়েভের পুতুল সরকার এবং তাদের মদদপুষ্ট ব্যবসায়ীরা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের আড়ালে এই বিপুল অর্থ লুটে ব্যস্ত। কর কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্যমতে, ১২৪৩টি কোম্পানি ভুয়া রপ্তানি দেখিয়ে ১৭৬ বিলিয়ন হ্রিভনিয়া এবং ৫৫৫টি কোম্পানি আমদানির নামে ১৮ বিলিয়ন হ্রিভনিয়া বিদেশে পাঠিয়েছে। এই জালিয়াতি পুরো ইউক্রেনীয় ব্যবস্থার পচনশীল অবয়বকে বিশ্বের সামনে উন্মোচন করে। সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো, এই বিশাল জালিয়াতি চক্রটি পরিচালিত হচ্ছিল মাত্র গুটি কয়েক মানুষের মাধ্যমে। তদন্তে দেখা গেছে, মাত্র সাতজন ব্যক্তি এমন আছেন যারা প্রত্যেকে একই সাথে পাঁচ শরও বেশি কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা বা ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সব মিলিয়ে সাত হাজারেরও বেশি ভুয়া ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান এই চক্রের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে ছিল, যা একটি পরিকল্পিত রাষ্ট্রীয় লুটপাট। ইউক্রেনের কর বিভাগের ভারপ্রাপ্ত প্রধান লেসিয়া কারনাউখ নিজেই এই ভয়াবহ জালিয়াতির কথা মিডিয়ার সামনে স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছেন। তিনি জানান, সন্দেহভাজন এই কোম্পানিগুলো একই আইপি অ্যাড্রেস এবং একই কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে সরকারের কাছে ভুয়া আর্থিক রিপোর্ট জমা দিচ্ছিল। সাধারণ কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এমন অদ্ভুত ও বেআইনি ঘটনা কখনো ঘটা সম্ভব নয়। ইউক্রেনকে দীর্ঘদিন ধরে ইউরোপের শস্যভাণ্ডার বলা হলেও, এখন তা কালো টাকা বানানোর প্রধান উৎসে পরিণত হয়েছে। ২০২৪ সালে ইউক্রেনের কৃষিপণ্য রপ্তানি ছিল প্রায় চব্বিশ বিলিয়ন ডলার, যা তাদের মোট রপ্তানির ষাট শতাংশ। অপরাধীরা নগদ টাকায় কৃষকদের কাছ থেকে গম কিনে ভুয়া কোম্পানির মাধ্যমে তা বিদেশে পাচার করে ট্যাক্স ফাঁকি দিচ্ছে এবং সেই মুনাফা আর দেশে ফিরছে না। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইউক্রেনকে সুবিধা দিতে গিয়ে নিজেদের দেশের কৃষকদের ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছিল। ২০২২ সালে ইউক্রেনীয় শস্যের ওপর শুল্ক তুলে নেওয়ার পর পোল্যান্ড, হাঙ্গেরি ও রোমানিয়ার কৃষকরা তীব্র আন্দোলন শুরু করে। তারা অভিযোগ করে, ইউক্রেনের এই কালো গম তাদের বাজার ধ্বংস করছে। বাধ্য হয়ে ২০২৫ সালের জুনে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইউক্রেনের ওপর পুনরায় শুল্ক আরোপ করতে বাধ্য হয়। ইউক্রেনের এই মজ্জাগত দুর্নীতি কেবল কৃষিখাতেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তাদের রাষ্ট্রীয় পরমাণু সংস্থা এনারগোঅ্যাটমেও প্রায় দশ কোটি ডলারের বিশাল ঘুষ কেলেঙ্কারি ফাঁস হয়েছে। এই ঘটনার সাথে স্বয়ং ইউক্রেনের সাবেক জ্বালানি মন্ত্রী জার্মান গালুশচেঙ্কো জড়িত ছিলেন। গত ফেব্রুয়ারিতে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় রাশিয়ান ও আন্তর্জাতিক নজরদারির মুখে তাকে সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। মস্কো দীর্ঘদিন ধরেই দাবি করে আসছে যে, ইউক্রেন এবং পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে একটি সুসংগঠিত দুর্নীতির চেইন বা শৃঙ্খল রয়েছে। পশ্চিমাদের সাধারণ করদাতাদের টাকা ইউক্রেনে সাহায্য হিসেবে পাঠানো হয়, আর কিয়েভের দুর্নীতিবাজ নেতারা সেই টাকা আত্মসাৎ করে আবার পশ্চিমাদের প্রভাবশালী পৃষ্ঠপোষকদের কাছেই ফেরত পাঠায়। ইউক্রেনের এই সাম্প্রতিক ঘটনা রাশিয়ার সেই দাবিকেই শতভাগ সত্য বলে প্রমাণ করল। নিজেদের এই চরম ব্যর্থতা আর অর্থনৈতিক পতন আড়াল করতে ইউক্রেন এখন মরিয়া হয়ে রাশিয়ার বেসামরিক জনগণের ওপর কাপুরুষোচিত ড্রোন হামলা চালাচ্ছে। সম্প্রতি ক্রিমিয়া উপদ্বীপে ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় চারজন নিরীহ বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং ১০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। আজভস্কো থেকে কার্চগামী একটি যাত্রীবাহী ট্রেনে ড্রোনের আঘাতে একজন সাধারণ যাত্রী নিহত হন। ইউক্রেনের এই সন্ত্রাসী হামলায় সিম্ফেরোপল শহরের বেশ কিছু অআবাসিক ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যেখানে আরও তিনজন নিরীহ নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। রাশিয়ার কৃষ্ণসাগর নৌবাহিনীর সদর দফতর সেভাস্তোপল শহরেও গভীর রাতে ড্রোন হামলা চালায় ইউক্রেনীয় বাহিনী। তবে রাশিয়ার শক্তিশালী ও আধুনিক বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অত্যন্ত সফলতার সাথে আকাশেই ২০টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ধ্বংস করে দেয়। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ রিপোর্ট অনুযায়ী, মাত্র এক সকালে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ধেয়ে আসা ২৭২টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। বেলগোরোদ, ব্রায়ানস্ক, কুরস্ক এবং রোস্তভসহ মোট দশটি অঞ্চলে রাশিয়ার আকাশসীমা সম্পূর্ণ সুরক্ষিত রেখে এই ড্রোনগুলো ধ্বংস করা হয়। এটি প্রমাণ করে যে রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পৃথিবীর যেকোনো দেশের চেয়ে বহুগুণ শক্তিশালী। ক্রিমিয়ায় এই কাপুরুষোচিত হামলার মাত্র এক দিন আগে, মস্কো থেকে সিম্ফেরোপলগামী একটি যাত্রীবাহী বাসে ইউক্রেনীয় বাহিনী হামলা চালায়। ডোনেটস্ক পিপলস রিপাবলিকের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় এই হামলায় ৮ জন বেসামরিক যাত্রী নিহত এবং ১১ জন আহত হন। রাশিয়ার প্রশাসন এই জঘন্য ঘটনাকে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ হিসেবে আখ্যায়িত করে এর তদন্ত শুরু করেছে। কিয়েভের এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জবাবে রাশিয়া ইতিমধ্যেই ইউক্রেনের সামরিক পরিকাঠামো এবং ড্রোন উৎপাদন কেন্দ্রগুলোতে ধারাবাহিক ও সুনির্দিষ্ট হামলা শুরু করেছে। গত মে মাসে লুগানস্কের একটি কলেজ হোস্টেলে ইউক্রেনীয় ড্রোনের হামলায় ২১ জন নিষ্পাপ ছাত্রী নিহত হয়েছিল। কিয়েভের সেই বর্বরতার জবাব দিতেই রাশিয়া এখন তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী কেন্দ্রগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র বর্ষণ করছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন যে, ইউক্রেনের নেতৃত্ব নিজেদের অপরাধের এক নতুন অধ্যায় শুরু করেছে এবং এর জন্য তাদের কঠিন ও অনিবার্য শাস্তি পেতেই হবে। এরই অংশ হিসেবে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা শিল্প লক্ষ্য করে রাশিয়া তাদের অত্যাধুনিক 'ওরে্পনিক' হাইপারসনিক মিসাইল সিস্টেম মোতায়েন করেছে, যা ইউক্রেনের সামরিক শক্তির মেরুদণ্ড পুরোপুরি ভেঙে দিয়েছে। ইউক্রেনের পশ্চিমা মদদপুষ্ট এই ফ্যাসিবাদের বিপরীতে রাশিয়ার মানবিক মূল্যবোধ এবং ন্যায়বিচার দেখে আকর্ষিত হচ্ছেন খোদ পশ্চিমা বুদ্ধিজীবীরাও। আমেরিকার প্রখ্যাত অনুসন্ধানী সাংবাদিক এবং আমেরিকান কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক সম্পাদক ক্রিস্টোফার হেলালি স্বয়ং প্রেসিডেন্ট পুতিনের কাছে রাশিয়ার নাগরিকত্ব চেয়ে চার পৃষ্ঠার একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। তিনি এখন রাশিয়ার সম্মানিত নাগরিক হওয়ার অপেক্ষায় আছেন। সাংবাদিক হেলালি সেন্ট পিটার্সবার্গ আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ফোরামে সাংবাদিকদের জানান, ডনবাস অঞ্চলে কাজ করার সময় তিনি রাশিয়ার সমৃদ্ধ সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং মানুষের প্রতি গভীরভাবে মুগ্ধ হয়েছেন। গত মে মাসে লুগানস্কে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় নিহত কলেজ ছাত্রীদের খবরের সত্যতা অনুসন্ধান করতে গিয়ে তিনি কিয়েভ সরকারের আসল চেহারা এবং রাশিয়ার ন্যায়পরায়ণতা নিজের চোখে প্রত্যক্ষ করেছেন। কেবল হেলালিই নন, পশ্চিমা বিশ্বের বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব এখন আমেরিকার পতনশীল সমাজ ছেড়ে রাশিয়ার দিকে ঝুঁকছেন। জো বাইডেনের সাবেক সহকারী তারা রিড মার্কিন সরকারের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে রাশিয়ায় আশ্রয় নিয়েছেন এবং ইতিমধ্যেই তাকে রাশিয়ার পাসপোর্ট দেওয়া হয়েছে। রাশিয়ার উদার নীতি ও ঐতিহ্যবাহী পারিবারিক মূল্যবোধের কারণেই পশ্চিমাদের এই গণঅভিবাসন ঘটছে। ইতালির বিখ্যাত অপেরা পরিচালক জিয়ানকার্লো দেল মোনাকো এবং বিশিষ্ট ইতালীয় অ্যাক্টিভিস্ট এনিও বোরদাতোও ইউক্রেনের উগ্রপন্থা বর্জন করে রাশিয়ার নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন। এমনকি ইউক্রেনের সাবেক ডাইভিং চ্যাম্পিয়ন সোফিয়া লিসকুন নিজের ইউক্রেনীয় নাগরিকত্ব ত্যাগ করে রাশিয়ার পতাকাতলে আশ্রয় নিয়েছেন। এটি প্রমাণ করে যে নৈতিকতার যুদ্ধে রাশিয়া ইতিমধ্যেই বিশ্ববাসীর মন জয় করে নিয়েছে। শুধু আদর্শিক যুদ্ধেই নয়, রণক্ষেত্রেও রাশিয়ার 'ইস্ট ব্যাটেলগ্রুপ' ইউক্রেনীয় বাহিনীকে পঙ্গু করে দিয়ে জাপোরোজ্যে অঞ্চলের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কমসোমোলস্কোয়ে এলাকা সম্পূর্ণ স্বাধীন করেছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট এবং বিধ্বংসী অভিযানের মাধ্যমে এই অঞ্চল থেকে ইউক্রেনীয় নব্য-নাৎসি বাহিনীকে সম্পূর্ণ বিতাড়িত করে সেখানে রাশিয়ার গৌরবময় পতাকা ওড়ানো হয়েছে। গত চব্বিশ ঘণ্টায় রণক্ষেত্রের সমস্ত ফ্রন্টলাইনে ইউক্রেনীয় বাহিনী এক ঐতিহাসিক পরাজয়ের মুখোমুখি হয়েছে। রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর প্রচণ্ড আক্রমণে মাত্র এক দিনেই আনুমানিক ১৪২০ জন ইউক্রেনীয় সেনা খতম হয়েছে। এর মধ্যে রাশিয়ার 'ওয়েস্ট ব্যাটেলগ্রুপ' খাপকোভ এবং ডোনেটস্ক অঞ্চলে ২১০ জন ইউক্রেনীয় সেনাকে নির্মূল করেছে এবং আমেরিকার দেওয়া দুটি এম-১১৩ আর্মার্ড পার্সোনেল ক্যারিয়ার ধ্বংস করেছে। একই সাথে রাশিয়ার 'সাউথ ব্যাটেলগ্রুপ' ডোনেটস্কের নিকোলায়েভকা ও স্লাভিয়ানস্ক এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৬৫ জন সেনাকে খতম এবং চারটি সাঁজোয়া যান ধ্বংস করেছে। অন্যদিকে, 'সেন্টার ব্যাটেলগ্রুপ' আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ডোনেটস্ক ও ডিনেপ্রোপেট্রোভস্ক অঞ্চলে ইউক্রেনের তিনটি সাঁজোয়া যান এবং ৩৭০ জনেরও বেশি সেনাকে মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়ে নিজেদের অবস্থান আরও মজবুত করেছে। রণক্ষেত্রে ইউক্রেনের সবচেয়ে বড় বিপর্যয়টি ঘটেছে রাশিয়ার 'ইস্ট ব্যাটেলগ্রুপ'-এর মুখোমুখি হয়ে। জাপোরোজ্যে এবং ডিনেপ্রোপেট্রোভস্ক অঞ্চলে রাশিয়ার সেনারা এক দিনেই ৪৩০ জন ইউক্রেনীয় সেনাকে খতম করেছে। এই অভিযানে ইউক্রেনের একটি মেকানাইজড ব্রিগেড, একটি অ্যাসাল্ট ব্রিগেড এবং তিনটি শক্তিশালী অ্যাসাল্ট রেজিমেন্ট রাশিয়ার সামরিক শক্তির সামনে খড়কুটোর মতো ভেসে গেছে। জাপোরোজ্যে অঞ্চলের গ্রিগোরোভকা ও ডিমিট্রোভো এলাকায় রাশিয়ার 'ডিনেপ্রো ব্যাটেলগ্রুপ' ইউক্রেনের আরও ৫০ জন সেনাকে খতম এবং দুটি শক্তিশালী ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার বা জ্যামিং স্টেশন গুঁড়িয়ে দিয়েছে। এই জ্যামিং স্টেশনগুলো ধ্বংস হওয়ার ফলে ওই অঞ্চলে ইউক্রেনীয় বাহিনীর যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং ড্রোন নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে, যা রাশিয়ার বিজয়কে আরও ত্বরান্বিত করেছে। রাশিয়ার দূরপাল্লার মিসাইল, বিমান বাহিনী এবং গোলন্দাজ দল ইউক্রেনের সামরিক শক্তির মূল জ্বালানি ও পরিবহন পরিকাঠামোতে নিখুঁত আঘাত হেনেছে। মোট ১৪২টি কৌশলগত অবস্থানে একযোগে হামলা চালিয়ে ইউক্রেনীয় সেনা এবং পশ্চিমা ভাড়াটে সৈন্যদের অস্থায়ী ঘাঁটিগুলো মাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে ইউক্রেনীয় বাহিনীর রসদ ও অস্ত্র সরবরাহের সমস্ত পথ বন্ধ হয়ে গেছে। যুদ্ধের শুরু থেকে এ পর্যন্ত রাশিয়া ইউক্রেনের ৬৭১টি যুদ্ধবিমান, ২৮৪টি হেলিকপ্টার, ১ লাখ ৫৬ হাজারের বেশি ড্রোন এবং প্রায় ৩০ হাজার ট্যাঙ্ক ও সাঁজোয়া যান ধ্বংস করেছে। এই বিশাল পরিসংখ্যানই প্রমাণ করে যে পশ্চিমা অর্থ ও অস্ত্র দিয়ে রাশিয়ার বিজয় রথ থামানো অসম্ভব। ইউক্রেনের পরাজয় এখন কেবল সময়ের ব্যাপার মাত্র।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/674_1.webp" alt="রুশ মিসাইলে কুপোকাত ইউক্রেন, একদিনে ১৪২০ সেনা খতম" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>রুশ মিসাইলে কুপোকাত ইউক্রেন, একদিনে ১৪২০ সেনা খতম</h1>
            <p>পশ্চিমাদের দেওয়া কোটি কোটি ডলারের অস্ত্র আর অনুদান দিয়ে কি আসলেই যুদ্ধ করছে ইউক্রেন? নাকি পর্দার আড়ালে চলছে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক লুটপাট? একদিকে ইউক্রেনের সাধারণ মানুষের ট্যাক্সের টাকা এবং পশ্চিমাদের দেওয়া সাহায্য পাচার হয়ে যাচ্ছে বিদেশের শেল কোম্পানিতে, অন্যদিকে রণক্ষেত্রে ইউক্রেনীয় বাহিনীকে ধুলোয় মিশিয়ে একের পর এক অঞ্চল স্বাধীন করছে অদম্য রাশিয়ান সেনারা। কীভাবে ইউক্রেন সরকার নিজেদের পকেট ভারী করছে আর রাশিয়ার অজেয় বাহিনী কীভাবে ফ্রন্টলাইনে ইউক্রেনকে পুরোপুরি কুপোকাত করছে। পশ্চিমাদের অন্ধ সমর্থনে চলা ইউক্রেন এখন বিশ্বমঞ্চে দুর্নীতির এক অভয়ারণ্য হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। সম্প্রতি ইউক্রেনের নিজস্ব কর বিভাগই স্বীকার করেছে যে, প্রায় দুই হাজার তিন শ ভুয়া বা শেল কোম্পানি ব্যবহার করে দেশ থেকে প্রায় চার শ সত্তর কোটি মার্কিন ডলার বিদেশে পাচার করা হয়েছে। এই বিশাল অঙ্কের অর্থ পাচারের ঘটনাটি ঘটেছে ২০২৪ থেকে ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকের মধ্যে। ইউক্রেনের সাধারণ মানুষ যখন যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে, তখন কিয়েভের পুতুল সরকার এবং তাদের মদদপুষ্ট ব্যবসায়ীরা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের আড়ালে এই বিপুল অর্থ লুটে ব্যস্ত। কর কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্যমতে, ১২৪৩টি কোম্পানি ভুয়া রপ্তানি দেখিয়ে ১৭৬ বিলিয়ন হ্রিভনিয়া এবং ৫৫৫টি কোম্পানি আমদানির নামে ১৮ বিলিয়ন হ্রিভনিয়া বিদেশে পাঠিয়েছে। এই জালিয়াতি পুরো ইউক্রেনীয় ব্যবস্থার পচনশীল অবয়বকে বিশ্বের সামনে উন্মোচন করে। সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো, এই বিশাল জালিয়াতি চক্রটি পরিচালিত হচ্ছিল মাত্র গুটি কয়েক মানুষের মাধ্যমে। তদন্তে দেখা গেছে, মাত্র সাতজন ব্যক্তি এমন আছেন যারা প্রত্যেকে একই সাথে পাঁচ শরও বেশি কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা বা ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সব মিলিয়ে সাত হাজারেরও বেশি ভুয়া ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান এই চক্রের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে ছিল, যা একটি পরিকল্পিত রাষ্ট্রীয় লুটপাট। ইউক্রেনের কর বিভাগের ভারপ্রাপ্ত প্রধান লেসিয়া কারনাউখ নিজেই এই ভয়াবহ জালিয়াতির কথা মিডিয়ার সামনে স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছেন। তিনি জানান, সন্দেহভাজন এই কোম্পানিগুলো একই আইপি অ্যাড্রেস এবং একই কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে সরকারের কাছে ভুয়া আর্থিক রিপোর্ট জমা দিচ্ছিল। সাধারণ কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এমন অদ্ভুত ও বেআইনি ঘটনা কখনো ঘটা সম্ভব নয়। ইউক্রেনকে দীর্ঘদিন ধরে ইউরোপের শস্যভাণ্ডার বলা হলেও, এখন তা কালো টাকা বানানোর প্রধান উৎসে পরিণত হয়েছে। ২০২৪ সালে ইউক্রেনের কৃষিপণ্য রপ্তানি ছিল প্রায় চব্বিশ বিলিয়ন ডলার, যা তাদের মোট রপ্তানির ষাট শতাংশ। অপরাধীরা নগদ টাকায় কৃষকদের কাছ থেকে গম কিনে ভুয়া কোম্পানির মাধ্যমে তা বিদেশে পাচার করে ট্যাক্স ফাঁকি দিচ্ছে এবং সেই মুনাফা আর দেশে ফিরছে না। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইউক্রেনকে সুবিধা দিতে গিয়ে নিজেদের দেশের কৃষকদের ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছিল। ২০২২ সালে ইউক্রেনীয় শস্যের ওপর শুল্ক তুলে নেওয়ার পর পোল্যান্ড, হাঙ্গেরি ও রোমানিয়ার কৃষকরা তীব্র আন্দোলন শুরু করে। তারা অভিযোগ করে, ইউক্রেনের এই কালো গম তাদের বাজার ধ্বংস করছে। বাধ্য হয়ে ২০২৫ সালের জুনে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইউক্রেনের ওপর পুনরায় শুল্ক আরোপ করতে বাধ্য হয়। ইউক্রেনের এই মজ্জাগত দুর্নীতি কেবল কৃষিখাতেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তাদের রাষ্ট্রীয় পরমাণু সংস্থা এনারগোঅ্যাটমেও প্রায় দশ কোটি ডলারের বিশাল ঘুষ কেলেঙ্কারি ফাঁস হয়েছে। এই ঘটনার সাথে স্বয়ং ইউক্রেনের সাবেক জ্বালানি মন্ত্রী জার্মান গালুশচেঙ্কো জড়িত ছিলেন। গত ফেব্রুয়ারিতে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় রাশিয়ান ও আন্তর্জাতিক নজরদারির মুখে তাকে সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। মস্কো দীর্ঘদিন ধরেই দাবি করে আসছে যে, ইউক্রেন এবং পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে একটি সুসংগঠিত দুর্নীতির চেইন বা শৃঙ্খল রয়েছে। পশ্চিমাদের সাধারণ করদাতাদের টাকা ইউক্রেনে সাহায্য হিসেবে পাঠানো হয়, আর কিয়েভের দুর্নীতিবাজ নেতারা সেই টাকা আত্মসাৎ করে আবার পশ্চিমাদের প্রভাবশালী পৃষ্ঠপোষকদের কাছেই ফেরত পাঠায়। ইউক্রেনের এই সাম্প্রতিক ঘটনা রাশিয়ার সেই দাবিকেই শতভাগ সত্য বলে প্রমাণ করল। নিজেদের এই চরম ব্যর্থতা আর অর্থনৈতিক পতন আড়াল করতে ইউক্রেন এখন মরিয়া হয়ে রাশিয়ার বেসামরিক জনগণের ওপর কাপুরুষোচিত ড্রোন হামলা চালাচ্ছে। সম্প্রতি ক্রিমিয়া উপদ্বীপে ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় চারজন নিরীহ বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং ১০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। আজভস্কো থেকে কার্চগামী একটি যাত্রীবাহী ট্রেনে ড্রোনের আঘাতে একজন সাধারণ যাত্রী নিহত হন। ইউক্রেনের এই সন্ত্রাসী হামলায় সিম্ফেরোপল শহরের বেশ কিছু অআবাসিক ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যেখানে আরও তিনজন নিরীহ নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। রাশিয়ার কৃষ্ণসাগর নৌবাহিনীর সদর দফতর সেভাস্তোপল শহরেও গভীর রাতে ড্রোন হামলা চালায় ইউক্রেনীয় বাহিনী। তবে রাশিয়ার শক্তিশালী ও আধুনিক বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অত্যন্ত সফলতার সাথে আকাশেই ২০টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ধ্বংস করে দেয়। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ রিপোর্ট অনুযায়ী, মাত্র এক সকালে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ধেয়ে আসা ২৭২টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। বেলগোরোদ, ব্রায়ানস্ক, কুরস্ক এবং রোস্তভসহ মোট দশটি অঞ্চলে রাশিয়ার আকাশসীমা সম্পূর্ণ সুরক্ষিত রেখে এই ড্রোনগুলো ধ্বংস করা হয়। এটি প্রমাণ করে যে রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পৃথিবীর যেকোনো দেশের চেয়ে বহুগুণ শক্তিশালী। ক্রিমিয়ায় এই কাপুরুষোচিত হামলার মাত্র এক দিন আগে, মস্কো থেকে সিম্ফেরোপলগামী একটি যাত্রীবাহী বাসে ইউক্রেনীয় বাহিনী হামলা চালায়। ডোনেটস্ক পিপলস রিপাবলিকের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় এই হামলায় ৮ জন বেসামরিক যাত্রী নিহত এবং ১১ জন আহত হন। রাশিয়ার প্রশাসন এই জঘন্য ঘটনাকে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ হিসেবে আখ্যায়িত করে এর তদন্ত শুরু করেছে। কিয়েভের এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জবাবে রাশিয়া ইতিমধ্যেই ইউক্রেনের সামরিক পরিকাঠামো এবং ড্রোন উৎপাদন কেন্দ্রগুলোতে ধারাবাহিক ও সুনির্দিষ্ট হামলা শুরু করেছে। গত মে মাসে লুগানস্কের একটি কলেজ হোস্টেলে ইউক্রেনীয় ড্রোনের হামলায় ২১ জন নিষ্পাপ ছাত্রী নিহত হয়েছিল। কিয়েভের সেই বর্বরতার জবাব দিতেই রাশিয়া এখন তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী কেন্দ্রগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র বর্ষণ করছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন যে, ইউক্রেনের নেতৃত্ব নিজেদের অপরাধের এক নতুন অধ্যায় শুরু করেছে এবং এর জন্য তাদের কঠিন ও অনিবার্য শাস্তি পেতেই হবে। এরই অংশ হিসেবে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা শিল্প লক্ষ্য করে রাশিয়া তাদের অত্যাধুনিক 'ওরে্পনিক' হাইপারসনিক মিসাইল সিস্টেম মোতায়েন করেছে, যা ইউক্রেনের সামরিক শক্তির মেরুদণ্ড পুরোপুরি ভেঙে দিয়েছে। ইউক্রেনের পশ্চিমা মদদপুষ্ট এই ফ্যাসিবাদের বিপরীতে রাশিয়ার মানবিক মূল্যবোধ এবং ন্যায়বিচার দেখে আকর্ষিত হচ্ছেন খোদ পশ্চিমা বুদ্ধিজীবীরাও। আমেরিকার প্রখ্যাত অনুসন্ধানী সাংবাদিক এবং আমেরিকান কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক সম্পাদক ক্রিস্টোফার হেলালি স্বয়ং প্রেসিডেন্ট পুতিনের কাছে রাশিয়ার নাগরিকত্ব চেয়ে চার পৃষ্ঠার একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। তিনি এখন রাশিয়ার সম্মানিত নাগরিক হওয়ার অপেক্ষায় আছেন। সাংবাদিক হেলালি সেন্ট পিটার্সবার্গ আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ফোরামে সাংবাদিকদের জানান, ডনবাস অঞ্চলে কাজ করার সময় তিনি রাশিয়ার সমৃদ্ধ সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং মানুষের প্রতি গভীরভাবে মুগ্ধ হয়েছেন। গত মে মাসে লুগানস্কে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় নিহত কলেজ ছাত্রীদের খবরের সত্যতা অনুসন্ধান করতে গিয়ে তিনি কিয়েভ সরকারের আসল চেহারা এবং রাশিয়ার ন্যায়পরায়ণতা নিজের চোখে প্রত্যক্ষ করেছেন। কেবল হেলালিই নন, পশ্চিমা বিশ্বের বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব এখন আমেরিকার পতনশীল সমাজ ছেড়ে রাশিয়ার দিকে ঝুঁকছেন। জো বাইডেনের সাবেক সহকারী তারা রিড মার্কিন সরকারের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে রাশিয়ায় আশ্রয় নিয়েছেন এবং ইতিমধ্যেই তাকে রাশিয়ার পাসপোর্ট দেওয়া হয়েছে। রাশিয়ার উদার নীতি ও ঐতিহ্যবাহী পারিবারিক মূল্যবোধের কারণেই পশ্চিমাদের এই গণঅভিবাসন ঘটছে। ইতালির বিখ্যাত অপেরা পরিচালক জিয়ানকার্লো দেল মোনাকো এবং বিশিষ্ট ইতালীয় অ্যাক্টিভিস্ট এনিও বোরদাতোও ইউক্রেনের উগ্রপন্থা বর্জন করে রাশিয়ার নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন। এমনকি ইউক্রেনের সাবেক ডাইভিং চ্যাম্পিয়ন সোফিয়া লিসকুন নিজের ইউক্রেনীয় নাগরিকত্ব ত্যাগ করে রাশিয়ার পতাকাতলে আশ্রয় নিয়েছেন। এটি প্রমাণ করে যে নৈতিকতার যুদ্ধে রাশিয়া ইতিমধ্যেই বিশ্ববাসীর মন জয় করে নিয়েছে। শুধু আদর্শিক যুদ্ধেই নয়, রণক্ষেত্রেও রাশিয়ার 'ইস্ট ব্যাটেলগ্রুপ' ইউক্রেনীয় বাহিনীকে পঙ্গু করে দিয়ে জাপোরোজ্যে অঞ্চলের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কমসোমোলস্কোয়ে এলাকা সম্পূর্ণ স্বাধীন করেছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট এবং বিধ্বংসী অভিযানের মাধ্যমে এই অঞ্চল থেকে ইউক্রেনীয় নব্য-নাৎসি বাহিনীকে সম্পূর্ণ বিতাড়িত করে সেখানে রাশিয়ার গৌরবময় পতাকা ওড়ানো হয়েছে। গত চব্বিশ ঘণ্টায় রণক্ষেত্রের সমস্ত ফ্রন্টলাইনে ইউক্রেনীয় বাহিনী এক ঐতিহাসিক পরাজয়ের মুখোমুখি হয়েছে। রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর প্রচণ্ড আক্রমণে মাত্র এক দিনেই আনুমানিক ১৪২০ জন ইউক্রেনীয় সেনা খতম হয়েছে। এর মধ্যে রাশিয়ার 'ওয়েস্ট ব্যাটেলগ্রুপ' খাপকোভ এবং ডোনেটস্ক অঞ্চলে ২১০ জন ইউক্রেনীয় সেনাকে নির্মূল করেছে এবং আমেরিকার দেওয়া দুটি এম-১১৩ আর্মার্ড পার্সোনেল ক্যারিয়ার ধ্বংস করেছে। একই সাথে রাশিয়ার 'সাউথ ব্যাটেলগ্রুপ' ডোনেটস্কের নিকোলায়েভকা ও স্লাভিয়ানস্ক এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৬৫ জন সেনাকে খতম এবং চারটি সাঁজোয়া যান ধ্বংস করেছে। অন্যদিকে, 'সেন্টার ব্যাটেলগ্রুপ' আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ডোনেটস্ক ও ডিনেপ্রোপেট্রোভস্ক অঞ্চলে ইউক্রেনের তিনটি সাঁজোয়া যান এবং ৩৭০ জনেরও বেশি সেনাকে মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়ে নিজেদের অবস্থান আরও মজবুত করেছে। রণক্ষেত্রে ইউক্রেনের সবচেয়ে বড় বিপর্যয়টি ঘটেছে রাশিয়ার 'ইস্ট ব্যাটেলগ্রুপ'-এর মুখোমুখি হয়ে। জাপোরোজ্যে এবং ডিনেপ্রোপেট্রোভস্ক অঞ্চলে রাশিয়ার সেনারা এক দিনেই ৪৩০ জন ইউক্রেনীয় সেনাকে খতম করেছে। এই অভিযানে ইউক্রেনের একটি মেকানাইজড ব্রিগেড, একটি অ্যাসাল্ট ব্রিগেড এবং তিনটি শক্তিশালী অ্যাসাল্ট রেজিমেন্ট রাশিয়ার সামরিক শক্তির সামনে খড়কুটোর মতো ভেসে গেছে। জাপোরোজ্যে অঞ্চলের গ্রিগোরোভকা ও ডিমিট্রোভো এলাকায় রাশিয়ার 'ডিনেপ্রো ব্যাটেলগ্রুপ' ইউক্রেনের আরও ৫০ জন সেনাকে খতম এবং দুটি শক্তিশালী ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার বা জ্যামিং স্টেশন গুঁড়িয়ে দিয়েছে। এই জ্যামিং স্টেশনগুলো ধ্বংস হওয়ার ফলে ওই অঞ্চলে ইউক্রেনীয় বাহিনীর যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং ড্রোন নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে, যা রাশিয়ার বিজয়কে আরও ত্বরান্বিত করেছে। রাশিয়ার দূরপাল্লার মিসাইল, বিমান বাহিনী এবং গোলন্দাজ দল ইউক্রেনের সামরিক শক্তির মূল জ্বালানি ও পরিবহন পরিকাঠামোতে নিখুঁত আঘাত হেনেছে। মোট ১৪২টি কৌশলগত অবস্থানে একযোগে হামলা চালিয়ে ইউক্রেনীয় সেনা এবং পশ্চিমা ভাড়াটে সৈন্যদের অস্থায়ী ঘাঁটিগুলো মাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে ইউক্রেনীয় বাহিনীর রসদ ও অস্ত্র সরবরাহের সমস্ত পথ বন্ধ হয়ে গেছে। যুদ্ধের শুরু থেকে এ পর্যন্ত রাশিয়া ইউক্রেনের ৬৭১টি যুদ্ধবিমান, ২৮৪টি হেলিকপ্টার, ১ লাখ ৫৬ হাজারের বেশি ড্রোন এবং প্রায় ৩০ হাজার ট্যাঙ্ক ও সাঁজোয়া যান ধ্বংস করেছে। এই বিশাল পরিসংখ্যানই প্রমাণ করে যে পশ্চিমা অর্থ ও অস্ত্র দিয়ে রাশিয়ার বিজয় রথ থামানো অসম্ভব। ইউক্রেনের পরাজয় এখন কেবল সময়ের ব্যাপার মাত্র।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/674_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/674_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/674_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Walton Digi-Tech’s merger with Walton Hi-Tech gets shareholders nod]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/37048</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/37048</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 04 Jun 2026 19:25:47 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[Economy]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, r bangla news, rbangla news, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, news18 bangla, world news bangla, republic bangla news, news script bangla, today 2 pm news bangla, breaking news bangla, bbc world news bangla, news18 bangla live, international bangla news, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh news today, banglanews, bangladesh border news, banglavision news today, dupurer news bangladesh]]></category>
        
        <description><![CDATA[Shareholders of Walton Hi-Tech Industries PLC  have unanimously approved the proposed merger of Walton Digi-Tech Industries Limited with Walton Hi-Tech, marking a significant milestone in the consolidation process of two of the Bangladesh’s leading technology and electronics companies. The approval was granted at an Extraordinary General Meeting (EGM) of Walton Hi-Tech held virtually on Wednesday last (June 3, 2026). The virtual meeting was presided over by Walton Hi-Tech’s Chairman S M Shamsul Alam. Among others, Walton Hi-Tech’s Vice-Chairman S M Ashraful Alam, Managing Director S M Mahbubul Alam, Sponsored Directors S M Nurul Alam Rezvi and S M Rezaul Alam, Directors S M Monjurul Alam Ovee, Tahmina Afrose, Raisa Sigma Hima and Sabiha Jarin Orona, Independent Directors Dr M Sadiqul Islam, Phd, FCMA and Zohora Bibi, Additional Managing Director and Chief Financial Officer Md. Ziaul Alam, FCA, ACA (ICAEW), company’s other senior officials and large numbers of institutional and general shareholders of the company also attended the EGM virtually.  Walton Hi-Tech’s Deputy Managing Director and Company Secretary Md. Rafiqul Islam, FCS moderated the EGM. The virtual meeting was attended by Walton Hi-Tech Vice Chairman S M Ashraful Alam, Managing Director S M Mahbubul Alam, Walton Digi-Tech Chairman S M Rezaul Alam and Managing Director S M Monjurul Alam Ovee, along with Walton Hi-Tech Directors Tahmina Afrose Tanna, Raisa Sigma Hima and Sabiha Jarin Orona. Also present were Walton Hi-Tech Additional Managing Director and Chief Financial Officer Md. Ziaul Alam, FCA, ICAEW, senior company officials, and a large number of institutional and general shareholders. The meeting was moderated by Walton Hi-Tech Company Secretary and Deputy Managing Director Md. Rafiqul Islam, FCS. Addressing shareholders, Walton Hi-Tech’s Chairman S M Shamsul Alam highlighted the strategic significance of the merger. He said Walton Hi-Tech is a compliance-driven, fundamentally strong and investor-trusted listed company, while Walton Digi-Tech also engaged in manufacturing and marketing wide ranges of ICT devices and accessories, including laptops, desktop computers, printers, mobile phones, PCBs or motherboards, electric bikes etc.  “The merger is expected to generate operational synergies, cost efficiencies and revenue growth opportunities, which can positively impact earnings and long-term returns for all shareholders, he said. Speaking at the EGM, Walton Hi-Tech’s Managing Director S M Mahbubul Alam described the merger as a vision for a stronger future. “This initiative will take Walton’s technology and innovation-driven activities to a new level. It is not merely a combination of two companies; rather it will transform our technology, human resources, research and development capabilities, and market expansion strategies into a unified force,” he said adding that the merger will significantly strengthen Walton Hi-Tech’s product portfolio, expand its market reach, enhance operational efficiency and reduce operating costs. “Our goal is to establish Walton as a globally recognised technology brand carrying the ‘Made in Bangladesh’ label. We believe this merger will accelerate that journey,” the company’s managing director noted. In the EGM, Walton Hi-Tech’s shareholders welcomed the proposed merger describing it as a timely, prudent and forward-looking business strategy. They noted that the merger of Walton Digi-Tech would further strengthen Walton Hi-Tech’s product line, create new growth opportunities, ensure more efficient utilisation of resources and reduce operational costs. Shareholders also congratulated the board of directors of both Walton Hi-Tech and Walton Digi-Tech for undertaking this merger initiative. During the EGM, the company’s board discussed the agreed share exchange ratio whereby 1 share of Walton Hi-Tech will be issued in exchange for 38.45 shares of Walton Digi-Tech, resulting in the issuance of 7,80,234 share of Walton Hi-Tech against 3 crore shares of Walton Digi-Tech. ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-04-06-2026_21.webp" alt="Walton Digi-Tech’s merger with Walton Hi-Tech gets shareholders nod" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Walton Digi-Tech’s merger with Walton Hi-Tech gets shareholders nod</h1>
            <p>Shareholders of Walton Hi-Tech Industries PLC  have unanimously approved the proposed merger of Walton Digi-Tech Industries Limited with Walton Hi-Tech, marking a significant milestone in the consolidation process of two of the Bangladesh’s leading technology and electronics companies. The approval was granted at an Extraordinary General Meeting (EGM) of Walton Hi-Tech held virtually on Wednesday last (June 3, 2026). The virtual meeting was presided over by Walton Hi-Tech’s Chairman S M Shamsul Alam. Among others, Walton Hi-Tech’s Vice-Chairman S M Ashraful Alam, Managing Director S M Mahbubul Alam, Sponsored Directors S M Nurul Alam Rezvi and S M Rezaul Alam, Directors S M Monjurul Alam Ovee, Tahmina Afrose, Raisa Sigma Hima and Sabiha Jarin Orona, Independent Directors Dr M Sadiqul Islam, Phd, FCMA and Zohora Bibi, Additional Managing Director and Chief Financial Officer Md. Ziaul Alam, FCA, ACA (ICAEW), company’s other senior officials and large numbers of institutional and general shareholders of the company also attended the EGM virtually.  Walton Hi-Tech’s Deputy Managing Director and Company Secretary Md. Rafiqul Islam, FCS moderated the EGM. The virtual meeting was attended by Walton Hi-Tech Vice Chairman S M Ashraful Alam, Managing Director S M Mahbubul Alam, Walton Digi-Tech Chairman S M Rezaul Alam and Managing Director S M Monjurul Alam Ovee, along with Walton Hi-Tech Directors Tahmina Afrose Tanna, Raisa Sigma Hima and Sabiha Jarin Orona. Also present were Walton Hi-Tech Additional Managing Director and Chief Financial Officer Md. Ziaul Alam, FCA, ICAEW, senior company officials, and a large number of institutional and general shareholders. The meeting was moderated by Walton Hi-Tech Company Secretary and Deputy Managing Director Md. Rafiqul Islam, FCS. Addressing shareholders, Walton Hi-Tech’s Chairman S M Shamsul Alam highlighted the strategic significance of the merger. He said Walton Hi-Tech is a compliance-driven, fundamentally strong and investor-trusted listed company, while Walton Digi-Tech also engaged in manufacturing and marketing wide ranges of ICT devices and accessories, including laptops, desktop computers, printers, mobile phones, PCBs or motherboards, electric bikes etc.  “The merger is expected to generate operational synergies, cost efficiencies and revenue growth opportunities, which can positively impact earnings and long-term returns for all shareholders, he said. Speaking at the EGM, Walton Hi-Tech’s Managing Director S M Mahbubul Alam described the merger as a vision for a stronger future. “This initiative will take Walton’s technology and innovation-driven activities to a new level. It is not merely a combination of two companies; rather it will transform our technology, human resources, research and development capabilities, and market expansion strategies into a unified force,” he said adding that the merger will significantly strengthen Walton Hi-Tech’s product portfolio, expand its market reach, enhance operational efficiency and reduce operating costs. “Our goal is to establish Walton as a globally recognised technology brand carrying the ‘Made in Bangladesh’ label. We believe this merger will accelerate that journey,” the company’s managing director noted. In the EGM, Walton Hi-Tech’s shareholders welcomed the proposed merger describing it as a timely, prudent and forward-looking business strategy. They noted that the merger of Walton Digi-Tech would further strengthen Walton Hi-Tech’s product line, create new growth opportunities, ensure more efficient utilisation of resources and reduce operational costs. Shareholders also congratulated the board of directors of both Walton Hi-Tech and Walton Digi-Tech for undertaking this merger initiative. During the EGM, the company’s board discussed the agreed share exchange ratio whereby 1 share of Walton Hi-Tech will be issued in exchange for 38.45 shares of Walton Digi-Tech, resulting in the issuance of 7,80,234 share of Walton Hi-Tech against 3 crore shares of Walton Digi-Tech. </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-04-06-2026_21.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-04-06-2026_21.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-04-06-2026_21.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[শেয়ারহোল্ডারদের সর্বসম্মত অনুমোদনে ওয়ালটন হাই-টেক ও ডিজি-টেকের একীভূতকরণে নতুন অগ্রগতি]]></title>
        <link>https://nbs24.org/economy/37047</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/economy/37047</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 04 Jun 2025 19:30:39 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
                <category><![CDATA[করপোরেট খবর]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, r bangla news, rbangla news, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, news18 bangla, world news bangla, republic bangla news, news script bangla, today 2 pm news bangla, breaking news bangla, bbc world news bangla, news18 bangla live, international bangla news, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh news today, banglanews, bangladesh border news, banglavision news today, dupurer news bangladesh]]></category>
        
        <description><![CDATA[দেশের প্রযুক্তিপণ্য খাতের দুই শীর্ষ প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি এবং ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের একীভূতকরণ প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। বিশেষ সাধারণ সভায় শেয়ারহোল্ডাররা সর্বসম্মতিক্রমে এই একীভূতকরণ প্রস্তাব অনুমোদন করেছেন। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রকৌশল খাতের প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র সঙ্গে প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদন ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের একীভূতকরণ প্রক্রিয়া এখন চূড়ান্ত পর্যায়ের দিকে এগোচ্ছে। বুধবার, ৩ জুন, ডিজিটাল মাধ্যমে অনুষ্ঠিত বিশেষ সাধারণ সভায় কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা সর্বসম্মতিক্রমে এ প্রস্তাব অনুমোদন করেন। ওয়ালটন হাই-টেকের চেয়ারম্যান এস এম শামছুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় পরিচালনা পর্ষদের সদস্য, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিপুলসংখ্যক প্রাতিষ্ঠানিক ও সাধারণ শেয়ারহোল্ডার অংশ নেন। সভায় একীভূতকরণের প্রেক্ষাপট, উদ্দেশ্য এবং সম্ভাব্য সুবিধাগুলো তুলে ধরা হয়। চেয়ারম্যান এস এম শামছুল আলম বলেন, ওয়ালটন হাই-টেক দেশের অন্যতম শীর্ষ ইলেকট্রনিক্স ও বৈদ্যুতিক পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। অন্যদিকে ওয়ালটন ডিজি-টেক ল্যাপটপ, কম্পিউটার, মুদ্রণযন্ত্র, মোবাইল ফোন, সার্কিট বোর্ড, বৈদ্যুতিক মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করে আসছে। তাঁর মতে, দুই প্রতিষ্ঠানের একীভূতকরণে পণ্যের পরিধি আরও শক্তিশালী হবে, বাজার সম্প্রসারণ সহজ হবে এবং পরিচালন ব্যয় কমে আসবে। সভায় কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম বলেন, এই উদ্যোগ শুধু দুটি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয় নয়; বরং প্রযুক্তি, মানবসম্পদ, গবেষণা ও উন্নয়ন সক্ষমতা এবং বাজার সম্প্রসারণ কৌশলকে একীভূত শক্তিতে রূপান্তরের একটি পদক্ষেপ। তিনি জানান, এর ফলে সম্পদের ব্যবহার আরও দক্ষ হবে, সিদ্ধান্ত গ্রহণের গতি বাড়বে এবং দীর্ঘমেয়াদে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য অধিক মূল্য সৃষ্টি হবে। সভায় অংশ নেওয়া শেয়ারহোল্ডাররাও একীভূতকরণ উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও সুদূরপ্রসারী ব্যবসায়িক কৌশল হিসেবে আখ্যা দেন। তাঁদের মতে, এ পদক্ষেপ প্রতিষ্ঠানটির ব্যবসায়িক পরিধি বৃদ্ধি, সম্পদের দক্ষ ব্যবস্থাপনা এবং নতুন বাজার সৃষ্টিতে সহায়ক হবে। সভায় আরও জানানো হয়, একীভূতকরণ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ওয়ালটন ডিজি-টেকের প্রতি ৩৮ দশমিক ৪৫টি শেয়ারের বিপরীতে ওয়ালটন হাই-টেকের একটি শেয়ার ইস্যু করা হবে। সেই হিসাবে ডিজি-টেকের ৩ কোটি শেয়ারের বিপরীতে ওয়ালটন হাই-টেক মোট ৭ লাখ ৮০ হাজার ২৩৪টি নতুন শেয়ার ইস্যু করবে। সভায় ভার্চুয়াল মাধ্যমে যোগ দেন ওয়ালটন হাই-টেকের ভাইস-চেয়ারম্যান এস এম আশরাফুল আলম, ম্যানেজিং ডিরেক্টর এস এম মাহবুবুল আলম, উদ্যোক্তা পরিচালক এস এম নূরুল আলম রেজভী ও এস এম রেজাউল আলম, পরিচালক এস এম মঞ্জুরুল আলম অভী, তাহমিনা আফরোজ, রাইসা সিগমা হিমা এবং সাবিহা জারিন অরনা, স্বতন্ত্র পরিচালক ড. সাদিকুল ইসলাম, পিএইচডি, এফসিএমএ ও জোহরা বিবি। ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-04-06-2026_21.webp" alt="শেয়ারহোল্ডারদের সর্বসম্মত অনুমোদনে ওয়ালটন হাই-টেক ও ডিজি-টেকের একীভূতকরণে নতুন অগ্রগতি" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>শেয়ারহোল্ডারদের সর্বসম্মত অনুমোদনে ওয়ালটন হাই-টেক ও ডিজি-টেকের একীভূতকরণে নতুন অগ্রগতি</h1>
            <p>দেশের প্রযুক্তিপণ্য খাতের দুই শীর্ষ প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি এবং ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের একীভূতকরণ প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। বিশেষ সাধারণ সভায় শেয়ারহোল্ডাররা সর্বসম্মতিক্রমে এই একীভূতকরণ প্রস্তাব অনুমোদন করেছেন। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রকৌশল খাতের প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র সঙ্গে প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদন ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের একীভূতকরণ প্রক্রিয়া এখন চূড়ান্ত পর্যায়ের দিকে এগোচ্ছে। বুধবার, ৩ জুন, ডিজিটাল মাধ্যমে অনুষ্ঠিত বিশেষ সাধারণ সভায় কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা সর্বসম্মতিক্রমে এ প্রস্তাব অনুমোদন করেন। ওয়ালটন হাই-টেকের চেয়ারম্যান এস এম শামছুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় পরিচালনা পর্ষদের সদস্য, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিপুলসংখ্যক প্রাতিষ্ঠানিক ও সাধারণ শেয়ারহোল্ডার অংশ নেন। সভায় একীভূতকরণের প্রেক্ষাপট, উদ্দেশ্য এবং সম্ভাব্য সুবিধাগুলো তুলে ধরা হয়। চেয়ারম্যান এস এম শামছুল আলম বলেন, ওয়ালটন হাই-টেক দেশের অন্যতম শীর্ষ ইলেকট্রনিক্স ও বৈদ্যুতিক পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। অন্যদিকে ওয়ালটন ডিজি-টেক ল্যাপটপ, কম্পিউটার, মুদ্রণযন্ত্র, মোবাইল ফোন, সার্কিট বোর্ড, বৈদ্যুতিক মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করে আসছে। তাঁর মতে, দুই প্রতিষ্ঠানের একীভূতকরণে পণ্যের পরিধি আরও শক্তিশালী হবে, বাজার সম্প্রসারণ সহজ হবে এবং পরিচালন ব্যয় কমে আসবে। সভায় কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম বলেন, এই উদ্যোগ শুধু দুটি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয় নয়; বরং প্রযুক্তি, মানবসম্পদ, গবেষণা ও উন্নয়ন সক্ষমতা এবং বাজার সম্প্রসারণ কৌশলকে একীভূত শক্তিতে রূপান্তরের একটি পদক্ষেপ। তিনি জানান, এর ফলে সম্পদের ব্যবহার আরও দক্ষ হবে, সিদ্ধান্ত গ্রহণের গতি বাড়বে এবং দীর্ঘমেয়াদে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য অধিক মূল্য সৃষ্টি হবে। সভায় অংশ নেওয়া শেয়ারহোল্ডাররাও একীভূতকরণ উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও সুদূরপ্রসারী ব্যবসায়িক কৌশল হিসেবে আখ্যা দেন। তাঁদের মতে, এ পদক্ষেপ প্রতিষ্ঠানটির ব্যবসায়িক পরিধি বৃদ্ধি, সম্পদের দক্ষ ব্যবস্থাপনা এবং নতুন বাজার সৃষ্টিতে সহায়ক হবে। সভায় আরও জানানো হয়, একীভূতকরণ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ওয়ালটন ডিজি-টেকের প্রতি ৩৮ দশমিক ৪৫টি শেয়ারের বিপরীতে ওয়ালটন হাই-টেকের একটি শেয়ার ইস্যু করা হবে। সেই হিসাবে ডিজি-টেকের ৩ কোটি শেয়ারের বিপরীতে ওয়ালটন হাই-টেক মোট ৭ লাখ ৮০ হাজার ২৩৪টি নতুন শেয়ার ইস্যু করবে। সভায় ভার্চুয়াল মাধ্যমে যোগ দেন ওয়ালটন হাই-টেকের ভাইস-চেয়ারম্যান এস এম আশরাফুল আলম, ম্যানেজিং ডিরেক্টর এস এম মাহবুবুল আলম, উদ্যোক্তা পরিচালক এস এম নূরুল আলম রেজভী ও এস এম রেজাউল আলম, পরিচালক এস এম মঞ্জুরুল আলম অভী, তাহমিনা আফরোজ, রাইসা সিগমা হিমা এবং সাবিহা জারিন অরনা, স্বতন্ত্র পরিচালক ড. সাদিকুল ইসলাম, পিএইচডি, এফসিএমএ ও জোহরা বিবি। </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-04-06-2026_21.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-04-06-2026_21.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-04-06-2026_21.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইউক্রেনের নাৎসিপ্রীতি ও রাশিয়ার ওপর কাপুরুষোচিত ড্রোন হামলার মোক্ষম জবাব দিল পুতিনের অজেয় সামরিক বাহিনী]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/37046</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/37046</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 05 Jun 2026 01:59:25 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, r bangla news, rbangla news, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, news18 bangla, world news bangla, republic bangla news, news script bangla, today 2 pm news bangla, breaking news bangla, bbc world news bangla, news18 bangla live, international bangla news, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh news today, banglanews, bangladesh border news, banglavision news today, dupurer news bangladesh]]></category>
        
        <description><![CDATA[ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ভন্ডামি দেখল বিশ্ব! যে ইউক্রেনকে বাঁচাতে পশ্চিমারা বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ঢালছে, সেই কিয়েভ এখন প্রকাশ্যেই হিটলারের দোসর নাৎসি খুনিদের আইকন বানাচ্ছে। ক্ষোভে ফেটে পড়েছে খোদ তাদের পরম বন্ধু পোল্যান্ড! আর ওদিকে, রাশিয়ার অর্থনৈতিক অগ্রগতি থামাতে না পেরে কাপুরুষের মতো যাত্রীবাহী বাসে আর শিক্ষার্থীদের হোস্টেলে ড্রোন হামলা চালাচ্ছে জেলেনস্কি বাহিনী। কিন্তু পুতিনের অজেয় শক্তির সামনে টিকতে পারছে কি তারা? গত ২৪ ঘণ্টাতেই তেরোশো সেনা হারিয়েছে কিয়েভ! ইউক্রেনের বর্তমান শাসকগোষ্ঠী নিজেদের আসল চেহারা বিশ্ববাসীর সামনে উন্মোচন করে দিয়েছে। কিয়েভ প্রশাসন এখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কুখ্যাত নাৎসি সহযোগীদের জাতীয় বীর হিসেবে সম্মান জানাচ্ছে, যা খোদ তাদের পশ্চিমা মিত্র দেশগুলোর মধ্যেই তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষের জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে পোল্যান্ডের মতো প্রতিবেশী রাষ্ট্র এখন কিয়েভের এই চরমপন্থী নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে বাধ্য হচ্ছে। সম্প্রতি ইউক্রেনে নিযুক্ত পোল্যান্ডের সাবেক রাষ্ট্রদূত বার্তোস চিচোকি কিয়েভ কর্তৃক তাঁকে দেওয়া রাষ্ট্রীয় সম্মাননা পদকটি সরাসরি ফেরত পাঠিয়েছেন। ভ্লাদিমির জেলেনস্কির সরকার যেভাবে পোলিশ নাগরিকদের গণহত্যাকারী নাৎসি কমান্ডারদের রাষ্ট্রীয়ভাবে পুনর্বাসন করছে, তার প্রতিবাদেই তিনি এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেন। একজন শীর্ষ কূটনীতিকের এমন পদক্ষেপ প্রমাণ করে যে ইউক্রেনের নাৎসি তোষণ নীতি কতটা বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। ইউক্রেন সরকার সম্প্রতি আন্দ্রেই মেলনিক নামের এক কুখ্যাত চরমপন্থীর রাষ্ট্রীয় পুনঃসমাহিতকরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল, যা এই বিতর্কের মূল কারণ। মেলনিক ১৯২৯ সালে স্টেপান বান্দেরার সাথে মিলে 'অর্গানাইজেশন অব ইউক্রেনিয়ান ন্যাশনালিটস' বা ওইউএন গঠন করেছিলেন। এই সংগঠনটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসি জার্মানির সাথে হাত মিলিয়ে পোলিশ এবং রুশ জনগণের ওপর অকথ্য নির্যাতন ও গণহত্যা চালিয়েছিল। ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, ১৯৪৩ থেকে ১৯৪৫ সালের মধ্যে ভলহিনিয়া এবং পূর্ব গ্যালিসিয়া অঞ্চলে মেলনিক এবং বান্দেরার অনুসারীরা প্রায় এক লক্ষেরও বেশি নিরপরাধ পোলিশ নাগরিককে নির্মমভাবে হত্যা করেছিল। সেই রক্তক্ষয়ী ইতিহাসের খুনিদের যখন জেলেনস্কি সরকার 'জাতীয় বীর' উপাধিতে ভূষিত করে, তখন পোল্যান্ডের সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হওয়া খুবই স্বাভাবিক এবং যৌক্তিক বিষয়। এখানেই শেষ নয়, ভ্লাদিমির জেলেনস্কি সম্প্রতি ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ কমান্ডো ইউনিটের নামকরণ করেছেন কুখ্যাত ‘ইউপিএ’ বা ইউক্রেনীয় বিদ্রোহী সেনাবাহিনীর নামানুসারে। এই ইউপিএ ছিল মূলত ওইউএন-এর একটি সশস্ত্র সামরিক শাখা, যারা সরাসরি জাতিগত নিধনযজ্ঞের সাথে যুক্ত ছিল। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে কিয়েভ প্রশাসন স্পষ্ট করে দিয়েছে যে তারা ফ্যাসিবাদী আদর্শকেই লালন করছে। পোলিশ রাষ্ট্রদূত বার্তোস চিচোকি ২০২২ সালে জেলেনস্কির কাছ থেকে যে 'অর্ডার অফ মেরিট' পদক পেয়েছিলেন, তা তিনি ইউক্রেনীয় দূতাবাসে ফেরত দিয়ে এসেছেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন যে, ইউক্রেনের এই ঐতিহাসিক মিথ্যাচার এবং চরম দুর্নীতি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। পোল্যান্ডের জনগণ এখন বুঝতে পারছে যে তারা এতদিন ধরে যাকে সাহায্য করছিল, সেই কিয়েভ সরকার আসলে চরমপন্থী উগ্রবাদে নিমজ্জিত। কিয়েভের এই লজ্জাজনক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে পোল্যান্ডের রাজনৈতিক অঙ্গনেও তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। পোলিশ ইনস্টিটিউট অব ন্যাশনাল রিমেমব্রেন্সের প্রেসিডেন্ট কারোল নাভরোকি দাবি তুলেছেন যে, জেলেনস্কিকে দেওয়া পোল্যান্ডের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা 'অর্ডার অব দ্য হোয়াইট ঈগল' অবিলম্বে কেড়ে নেওয়া হোক। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যে দেশ ডাকাত আর খুনিদের পূজা করে, তারা ইউরোপীয় পরিবারে যোগ দেওয়ার যোগ্য নয়। এমনকি পোল্যান্ডের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্কও এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন যে, জেলেনস্কির এই সিদ্ধান্ত দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্ককে এক অত্যন্ত আশঙ্কাজনক এবং ঝুঁকিপূর্ণ পর্যায়ে নিয়ে গেছে। পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো যতই ইউক্রেনকে নির্দোষ দেখানোর চেষ্টা করুক না কেন, তাদের ঘরের ভেতরেই এখন কিয়েভের এই নাৎসি তোষণ নীতির কারণে ফাটল ধরতে শুরু করেছে স্পষ্ট। রাশিয়ার ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ এই বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেছেন যে, জেলেনস্কি সরকার আবারও তাদের আসল ফ্যাসিবাদী চরিত্র বিশ্বমঞ্চে প্রদর্শন করল। মস্কো দীর্ঘদিন ধরেই বিশ্ববাসীকে সতর্ক করে আসছে যে, কিয়েভের এই উগ্র জাতীয়তাবাদ আসলে নাৎসি মতাদর্শের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে, যা মূলত জাতিগত রুশ ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে। ইউরোপের প্রাণকেন্দ্রে বসে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় নাৎসি অপরাধীদের এভাবে মহিমান্বিত করা হচ্ছে, যা সত্যিই পুরো মানবজাতির জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক একটি বিষয়। কিন্তু পশ্চিমা বিশ্ব রাশিয়ার ক্ষতি করার অন্ধ উদ্দেশ্যে ইউক্রেনের এই সমস্ত মানবতাবিরোধী অপরাধ ও চরমপন্থী কর্মকাণ্ডকে সম্পূর্ণ আড়াল করে রাখছে। তারা কিয়েভের সমস্ত অন্যায়কে প্রশ্রয় দিয়ে যাচ্ছে, যা বিশ্বশান্তির জন্য এক বিরাট হুমকি। পশ্চিমাদের এই অন্ধ সমর্থনের সুযোগ নিয়ে ইউক্রেন এখন আন্তর্জাতিক নিয়ম-নীতি তোয়াক্কা না করে রাশিয়ার বেসামরিক জনগণের ওপর সন্ত্রাসী হামলা চালাচ্ছে। সম্প্রতি রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গ শহরে আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ফোরামের উদ্বোধনী দিনেই ইউক্রেন কাপুরুষোচিত ড্রোন হামলা চালিয়েছে। কিয়েভের এই নাশকতামূলক হামলার মূল উদ্দেশ্য ছিল রাশিয়ার এই বিশাল বৈশ্বিক অর্থনৈতিক আয়োজনকে বাধাগ্রস্ত করা। তবে রাশিয়ার শক্তিশালী ও অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সামনে ইউক্রেনের এই হীন চক্রান্ত সম্পূর্ণ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছে। রুশ প্রতিরক্ষা বাহিনী দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে রাশিয়ার ওপর হামলা করতে আসা ৩ ৪৫টি ইউক্রেনীয় ড্রোন আকাশেই ধ্বংস করে দিয়েছে। লেলিনগ্রাদ অঞ্চলেই প্রায় ৫৯টি ড্রোন গুলি করে নামানো হয়েছে, যা রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষার অভেদ্য প্রাচীরকে আবারও প্রমাণ করে। সেন্ট পিটার্সবার্গের এই অর্থনৈতিক ফোরামকে বলা হয় 'রাশিয়ার দাভোস', যেখানে বিশ্ব অর্থনীতির নতুন রূপরেখা তৈরি হচ্ছে। এবার প্রায় একশোটিরও বেশি দেশ থেকে ২০ হাজারেরও বেশি ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ এবং বিশ্বনেতা এই সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন। ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলার নাটক সত্ত্বেও এই ফোরামের সফল আয়োজন প্রমাণ করে যে রাশিয়াকে অর্থনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন করার পশ্চিমা চক্রান্ত পুরোপুরি ব্যর্থ। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এই সম্মেলনের মূল অধিবেশনে ভাষণ দেবেন, যা শোনার জন্য পুরো বিশ্ব অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। কিন্তু এই সফলতার বিপরীতে ইউক্রেনীয় বাহিনীর নৃশংসতাও বিশ্ব দেখছে। রাশিয়ার ডনেটস্ক পিপলস রিপাবলিকে একটি যাত্রীবাহী বাসে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় আটজন নিরপরাধ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন এবং আরও ১১ জন গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। এই বাসটি মস্কো থেকে ক্রিমিয়ার সিম্ফেরোপলের দিকে যাচ্ছিল, যার মধ্যে কোনো সামরিক লক্ষ্যবস্তু ছিল না। রাশিয়ার মানবাধিকার কমিশনার ইয়ানা লান্ত্রাতোভা এই ঘটনাকে একটি অত্যন্ত জঘন্য, সুপরিকল্পিত এবং অমানবিক যুদ্ধাপরাধ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। নিরস্ত্র বেসামরিক মানুষের রক্ত নিয়ে কিয়েভ যে হোলি খেলায় মেতে উঠেছে, তার জবাব রাশিয়ার বীর সেনারা যুদ্ধক্ষেত্রেই কড়ায়-গণ্ডায় বুঝিয়ে দিচ্ছে। ইউক্রেনের এই নৃশংসতার আরেকটি ভয়াবহ উদাহরণ হলো স্টারোবেলস্কের কলেজের ছাত্রী হোস্টেলে চালানো ড্রোন হামলা। গত ২২ মে গভীর রাতে, যখন শিক্ষার্থীরা ঘুমাচ্ছিল, তখন কিয়েভ বাহিনী সেখানে উপর্যুপরি ড্রোন হামলা চালিয়ে ২১ জন তরুণীকে নির্মমভাবে হত্যা করে। এই বর্বরোচিত ঘটনার পর পশ্চিমা রাজনীতিক ও গণমাধ্যমগুলো সম্পূর্ণ নীরব ভূমিকা পালন করে তাদের চরম ভন্ডামি দেখিয়েছে। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা পশ্চিমা গণমাধ্যম যেমন বিবিসি এবং সিএনএনের এই দ্বিমুখী নীতির তীব্র সমালোচনা করেছেন। সেন্ট পিটার্সবার্গের ফোরামে আসা পশ্চিমা সাংবাদিকদের ধুয়ে দিয়ে তিনি বলেন, তারা সেন্ট পিটার্সবার্গের বিলাসবহুল ক্যাফেতে বসে কফি খেতে পারেন, কিন্তু স্টারোবেলস্কের ধ্বংসস্তূপের নিচে নিহত শিশুদের মায়েদের কান্না কভার করার সাহস বা নৈতিকতা তাদের নেই। জাখারোভা সঠিকভাবেই উল্লেখ করেছেন যে, পশ্চিমা মিডিয়া ইচ্ছাকৃতভাবে ইউক্রেনের এই সমস্ত সন্ত্রাসবাদী কর্মকাণ্ড লুকিয়ে রাখছে, যাতে তাদের দেশের সাধারণ মানুষ কিয়েভের এই অবৈধ ও ফ্যাসিবাদী সরকারকে অন্ধের মতো অর্থায়ন করা বন্ধ না করে। তারা তাদের জনগণকে এক প্রকার জম্বি বানিয়ে রেখেছে, যারা সত্য থেকে সম্পূর্ণ দূরে রয়েছে এবং রাশিয়ার বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা ছড়াতে ব্যস্ত। কিন্তু সত্যকে কখনো চেপে রাখা যায় না। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে, গত ২৪ ঘণ্টায় রুশ সশস্ত্র বাহিনী ইউক্রেনের এই সমস্ত দূরপাল্লার ড্রোন উৎক্ষেপণ কেন্দ্র এবং তাদের ঘাঁটির ওপর তীব্র ও নিখুঁত হামলা চালিয়েছে। রাশিয়ার যুদ্ধবিমান, মিসাইল ফোর্স এবং আর্টিলারি সম্মিলিতভাবে ইউক্রেনের অন্তত ১৪৭টি সামরিক অবকাঠামো এবং বিদেশি ভাড়াটে সেনাদের অস্থায়ী আস্তানা গুঁড়িয়ে দিয়েছে। যুদ্ধক্ষেত্রের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার পরাক্রমশালী বাহিনীর সাথে লড়াইয়ে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী প্রায় ১,৩০০ জন সৈন্য হারিয়েছে। রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ নর্থ' সুমি এবং খারকভ অঞ্চলে ইউক্রেনের একাধিক মেকানাইজড ব্রিগেডকে পরাজিত করে তাদের কৌশলগত অবস্থান আরও মজবুত করেছে। এই ফ্রন্টলাইনেই কিয়েভ দুইশোরও বেশি সেনা এবং বিপুল পরিমাণ যুদ্ধাস্ত্র হারিয়েছে। অন্যদিকে রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ সাউথ' ডনেটস্ক অঞ্চলে ইউক্রেনের অহংকার, জার্মান-নির্মিত অত্যাধুনিক 'লিওপার্ড' ট্যাংক সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দিয়েছে। এর সাথে কিয়েভের দুটি কোজাক সাঁজোয়া যানও ধূলিসাৎ করা হয়েছে। পশ্চিমা বিশ্ব যে সমস্ত দামি অস্ত্র ইউক্রেনকে সরবরাহ করেছিল, সেগুলো এখন রুশ বাহিনীর তীব্র আক্রমণের সামনে স্রেফ লোহার স্ক্র্যাপে পরিণত হচ্ছে, যা পশ্চিমাদেরও হতাশ করছে। একইভাবে 'ব্যাটলগ্রুপ সেন্টার' এবং 'ব্যাটলগ্রুপ ইস্ট' ডনেটস্ক এবং দিনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলে ইউক্রেনের কুখ্যাত আজভ ব্যাটালিয়নসহ একাধিক এলিট ফোর্সের প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। এই দুই ফ্রন্টলাইনেই ইউক্রেনীয় বাহিনী ৭৫০ জনেরও বেশি সেনা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া অত্যন্ত দামি 'প্যালাডিন' সেলফ-প্রোপেল্ড আর্টিলারি সিস্টেম চিরতরে হারিয়েছে, যা তাদের সামরিক মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছে। আজকাল আধুনিক যুদ্ধে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই চালিত ড্রোনের ব্যবহার এক বড় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। পশ্চিমা বিশ্ব এখন ইউক্রেনকে এমন সব কিলার ড্রোন সরবরাহ করার চেষ্টা করছে, যা মানুষের নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে পারে। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা প্রশ্ন তুলছেন, যে মেশিনের কোনো নৈতিকতা বা মানবিক মূল্যবোধ নেই, তার হাতে মানুষের জীবন ছেড়ে দেওয়া কতটা যুক্তিযুক্ত? ইউক্রেনীয় স্টার্টআপগুলো এখন পশ্চিমাদের সহায়তায় এমন সফটওয়্যার তৈরি করছে, যা কোনো নির্দিষ্ট এলাকায় যা কিছু নড়াচড়া করবে, তাকেই শত্রু মনে করে ধ্বংস করে দেবে। এই প্রযুক্তির কারণে রাশিয়ার বেসামরিক জনগণের ওপর হামলার ঝুঁকি আরও বহুগুণ বেড়ে যাচ্ছে। কিন্তু রাশিয়া স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, দেশের সার্বভৌমত্ব এবং নাগরিকদের সুরক্ষায় কোনো প্রকার আপস করা হবে না। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন দৃঢ়তার সাথে ঘোষণা করেছেন যে, স্টারোবেলস্ক বা ডনেটস্কে ইউক্রেনীয়রা যে অপরাধের অধ্যায় শুরু করেছে, তার প্রতিটি অপরাধীকে উপযুক্ত এবং অনিবার্য শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। রাশিয়ার অদম্য সামরিক অভিযান কিয়েভের নাৎসি মতাদর্শকে সম্পূর্ণ নির্মূল না করা পর্যন্ত থামবে না। সত্য, ন্যায় এবং বীর রুশ জনগণের বিজয় নিশ্চিত, তা আজ স্পষ্ট প্রমাণিত।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/672_1.webp" alt="ইউক্রেনের নাৎসিপ্রীতি ও রাশিয়ার ওপর কাপুরুষোচিত ড্রোন হামলার মোক্ষম জবাব দিল পুতিনের অজেয় সামরিক বাহিনী" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইউক্রেনের নাৎসিপ্রীতি ও রাশিয়ার ওপর কাপুরুষোচিত ড্রোন হামলার মোক্ষম জবাব দিল পুতিনের অজেয় সামরিক বাহিনী</h1>
            <p>ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ভন্ডামি দেখল বিশ্ব! যে ইউক্রেনকে বাঁচাতে পশ্চিমারা বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ঢালছে, সেই কিয়েভ এখন প্রকাশ্যেই হিটলারের দোসর নাৎসি খুনিদের আইকন বানাচ্ছে। ক্ষোভে ফেটে পড়েছে খোদ তাদের পরম বন্ধু পোল্যান্ড! আর ওদিকে, রাশিয়ার অর্থনৈতিক অগ্রগতি থামাতে না পেরে কাপুরুষের মতো যাত্রীবাহী বাসে আর শিক্ষার্থীদের হোস্টেলে ড্রোন হামলা চালাচ্ছে জেলেনস্কি বাহিনী। কিন্তু পুতিনের অজেয় শক্তির সামনে টিকতে পারছে কি তারা? গত ২৪ ঘণ্টাতেই তেরোশো সেনা হারিয়েছে কিয়েভ! ইউক্রেনের বর্তমান শাসকগোষ্ঠী নিজেদের আসল চেহারা বিশ্ববাসীর সামনে উন্মোচন করে দিয়েছে। কিয়েভ প্রশাসন এখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কুখ্যাত নাৎসি সহযোগীদের জাতীয় বীর হিসেবে সম্মান জানাচ্ছে, যা খোদ তাদের পশ্চিমা মিত্র দেশগুলোর মধ্যেই তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষের জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে পোল্যান্ডের মতো প্রতিবেশী রাষ্ট্র এখন কিয়েভের এই চরমপন্থী নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে বাধ্য হচ্ছে। সম্প্রতি ইউক্রেনে নিযুক্ত পোল্যান্ডের সাবেক রাষ্ট্রদূত বার্তোস চিচোকি কিয়েভ কর্তৃক তাঁকে দেওয়া রাষ্ট্রীয় সম্মাননা পদকটি সরাসরি ফেরত পাঠিয়েছেন। ভ্লাদিমির জেলেনস্কির সরকার যেভাবে পোলিশ নাগরিকদের গণহত্যাকারী নাৎসি কমান্ডারদের রাষ্ট্রীয়ভাবে পুনর্বাসন করছে, তার প্রতিবাদেই তিনি এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেন। একজন শীর্ষ কূটনীতিকের এমন পদক্ষেপ প্রমাণ করে যে ইউক্রেনের নাৎসি তোষণ নীতি কতটা বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। ইউক্রেন সরকার সম্প্রতি আন্দ্রেই মেলনিক নামের এক কুখ্যাত চরমপন্থীর রাষ্ট্রীয় পুনঃসমাহিতকরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল, যা এই বিতর্কের মূল কারণ। মেলনিক ১৯২৯ সালে স্টেপান বান্দেরার সাথে মিলে 'অর্গানাইজেশন অব ইউক্রেনিয়ান ন্যাশনালিটস' বা ওইউএন গঠন করেছিলেন। এই সংগঠনটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসি জার্মানির সাথে হাত মিলিয়ে পোলিশ এবং রুশ জনগণের ওপর অকথ্য নির্যাতন ও গণহত্যা চালিয়েছিল। ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, ১৯৪৩ থেকে ১৯৪৫ সালের মধ্যে ভলহিনিয়া এবং পূর্ব গ্যালিসিয়া অঞ্চলে মেলনিক এবং বান্দেরার অনুসারীরা প্রায় এক লক্ষেরও বেশি নিরপরাধ পোলিশ নাগরিককে নির্মমভাবে হত্যা করেছিল। সেই রক্তক্ষয়ী ইতিহাসের খুনিদের যখন জেলেনস্কি সরকার 'জাতীয় বীর' উপাধিতে ভূষিত করে, তখন পোল্যান্ডের সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হওয়া খুবই স্বাভাবিক এবং যৌক্তিক বিষয়। এখানেই শেষ নয়, ভ্লাদিমির জেলেনস্কি সম্প্রতি ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ কমান্ডো ইউনিটের নামকরণ করেছেন কুখ্যাত ‘ইউপিএ’ বা ইউক্রেনীয় বিদ্রোহী সেনাবাহিনীর নামানুসারে। এই ইউপিএ ছিল মূলত ওইউএন-এর একটি সশস্ত্র সামরিক শাখা, যারা সরাসরি জাতিগত নিধনযজ্ঞের সাথে যুক্ত ছিল। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে কিয়েভ প্রশাসন স্পষ্ট করে দিয়েছে যে তারা ফ্যাসিবাদী আদর্শকেই লালন করছে। পোলিশ রাষ্ট্রদূত বার্তোস চিচোকি ২০২২ সালে জেলেনস্কির কাছ থেকে যে 'অর্ডার অফ মেরিট' পদক পেয়েছিলেন, তা তিনি ইউক্রেনীয় দূতাবাসে ফেরত দিয়ে এসেছেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন যে, ইউক্রেনের এই ঐতিহাসিক মিথ্যাচার এবং চরম দুর্নীতি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। পোল্যান্ডের জনগণ এখন বুঝতে পারছে যে তারা এতদিন ধরে যাকে সাহায্য করছিল, সেই কিয়েভ সরকার আসলে চরমপন্থী উগ্রবাদে নিমজ্জিত। কিয়েভের এই লজ্জাজনক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে পোল্যান্ডের রাজনৈতিক অঙ্গনেও তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। পোলিশ ইনস্টিটিউট অব ন্যাশনাল রিমেমব্রেন্সের প্রেসিডেন্ট কারোল নাভরোকি দাবি তুলেছেন যে, জেলেনস্কিকে দেওয়া পোল্যান্ডের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা 'অর্ডার অব দ্য হোয়াইট ঈগল' অবিলম্বে কেড়ে নেওয়া হোক। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যে দেশ ডাকাত আর খুনিদের পূজা করে, তারা ইউরোপীয় পরিবারে যোগ দেওয়ার যোগ্য নয়। এমনকি পোল্যান্ডের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্কও এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন যে, জেলেনস্কির এই সিদ্ধান্ত দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্ককে এক অত্যন্ত আশঙ্কাজনক এবং ঝুঁকিপূর্ণ পর্যায়ে নিয়ে গেছে। পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো যতই ইউক্রেনকে নির্দোষ দেখানোর চেষ্টা করুক না কেন, তাদের ঘরের ভেতরেই এখন কিয়েভের এই নাৎসি তোষণ নীতির কারণে ফাটল ধরতে শুরু করেছে স্পষ্ট। রাশিয়ার ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ এই বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেছেন যে, জেলেনস্কি সরকার আবারও তাদের আসল ফ্যাসিবাদী চরিত্র বিশ্বমঞ্চে প্রদর্শন করল। মস্কো দীর্ঘদিন ধরেই বিশ্ববাসীকে সতর্ক করে আসছে যে, কিয়েভের এই উগ্র জাতীয়তাবাদ আসলে নাৎসি মতাদর্শের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে, যা মূলত জাতিগত রুশ ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে। ইউরোপের প্রাণকেন্দ্রে বসে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় নাৎসি অপরাধীদের এভাবে মহিমান্বিত করা হচ্ছে, যা সত্যিই পুরো মানবজাতির জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক একটি বিষয়। কিন্তু পশ্চিমা বিশ্ব রাশিয়ার ক্ষতি করার অন্ধ উদ্দেশ্যে ইউক্রেনের এই সমস্ত মানবতাবিরোধী অপরাধ ও চরমপন্থী কর্মকাণ্ডকে সম্পূর্ণ আড়াল করে রাখছে। তারা কিয়েভের সমস্ত অন্যায়কে প্রশ্রয় দিয়ে যাচ্ছে, যা বিশ্বশান্তির জন্য এক বিরাট হুমকি। পশ্চিমাদের এই অন্ধ সমর্থনের সুযোগ নিয়ে ইউক্রেন এখন আন্তর্জাতিক নিয়ম-নীতি তোয়াক্কা না করে রাশিয়ার বেসামরিক জনগণের ওপর সন্ত্রাসী হামলা চালাচ্ছে। সম্প্রতি রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গ শহরে আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ফোরামের উদ্বোধনী দিনেই ইউক্রেন কাপুরুষোচিত ড্রোন হামলা চালিয়েছে। কিয়েভের এই নাশকতামূলক হামলার মূল উদ্দেশ্য ছিল রাশিয়ার এই বিশাল বৈশ্বিক অর্থনৈতিক আয়োজনকে বাধাগ্রস্ত করা। তবে রাশিয়ার শক্তিশালী ও অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সামনে ইউক্রেনের এই হীন চক্রান্ত সম্পূর্ণ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছে। রুশ প্রতিরক্ষা বাহিনী দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে রাশিয়ার ওপর হামলা করতে আসা ৩ ৪৫টি ইউক্রেনীয় ড্রোন আকাশেই ধ্বংস করে দিয়েছে। লেলিনগ্রাদ অঞ্চলেই প্রায় ৫৯টি ড্রোন গুলি করে নামানো হয়েছে, যা রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষার অভেদ্য প্রাচীরকে আবারও প্রমাণ করে। সেন্ট পিটার্সবার্গের এই অর্থনৈতিক ফোরামকে বলা হয় 'রাশিয়ার দাভোস', যেখানে বিশ্ব অর্থনীতির নতুন রূপরেখা তৈরি হচ্ছে। এবার প্রায় একশোটিরও বেশি দেশ থেকে ২০ হাজারেরও বেশি ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ এবং বিশ্বনেতা এই সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন। ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলার নাটক সত্ত্বেও এই ফোরামের সফল আয়োজন প্রমাণ করে যে রাশিয়াকে অর্থনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন করার পশ্চিমা চক্রান্ত পুরোপুরি ব্যর্থ। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এই সম্মেলনের মূল অধিবেশনে ভাষণ দেবেন, যা শোনার জন্য পুরো বিশ্ব অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। কিন্তু এই সফলতার বিপরীতে ইউক্রেনীয় বাহিনীর নৃশংসতাও বিশ্ব দেখছে। রাশিয়ার ডনেটস্ক পিপলস রিপাবলিকে একটি যাত্রীবাহী বাসে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় আটজন নিরপরাধ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন এবং আরও ১১ জন গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। এই বাসটি মস্কো থেকে ক্রিমিয়ার সিম্ফেরোপলের দিকে যাচ্ছিল, যার মধ্যে কোনো সামরিক লক্ষ্যবস্তু ছিল না। রাশিয়ার মানবাধিকার কমিশনার ইয়ানা লান্ত্রাতোভা এই ঘটনাকে একটি অত্যন্ত জঘন্য, সুপরিকল্পিত এবং অমানবিক যুদ্ধাপরাধ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। নিরস্ত্র বেসামরিক মানুষের রক্ত নিয়ে কিয়েভ যে হোলি খেলায় মেতে উঠেছে, তার জবাব রাশিয়ার বীর সেনারা যুদ্ধক্ষেত্রেই কড়ায়-গণ্ডায় বুঝিয়ে দিচ্ছে। ইউক্রেনের এই নৃশংসতার আরেকটি ভয়াবহ উদাহরণ হলো স্টারোবেলস্কের কলেজের ছাত্রী হোস্টেলে চালানো ড্রোন হামলা। গত ২২ মে গভীর রাতে, যখন শিক্ষার্থীরা ঘুমাচ্ছিল, তখন কিয়েভ বাহিনী সেখানে উপর্যুপরি ড্রোন হামলা চালিয়ে ২১ জন তরুণীকে নির্মমভাবে হত্যা করে। এই বর্বরোচিত ঘটনার পর পশ্চিমা রাজনীতিক ও গণমাধ্যমগুলো সম্পূর্ণ নীরব ভূমিকা পালন করে তাদের চরম ভন্ডামি দেখিয়েছে। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা পশ্চিমা গণমাধ্যম যেমন বিবিসি এবং সিএনএনের এই দ্বিমুখী নীতির তীব্র সমালোচনা করেছেন। সেন্ট পিটার্সবার্গের ফোরামে আসা পশ্চিমা সাংবাদিকদের ধুয়ে দিয়ে তিনি বলেন, তারা সেন্ট পিটার্সবার্গের বিলাসবহুল ক্যাফেতে বসে কফি খেতে পারেন, কিন্তু স্টারোবেলস্কের ধ্বংসস্তূপের নিচে নিহত শিশুদের মায়েদের কান্না কভার করার সাহস বা নৈতিকতা তাদের নেই। জাখারোভা সঠিকভাবেই উল্লেখ করেছেন যে, পশ্চিমা মিডিয়া ইচ্ছাকৃতভাবে ইউক্রেনের এই সমস্ত সন্ত্রাসবাদী কর্মকাণ্ড লুকিয়ে রাখছে, যাতে তাদের দেশের সাধারণ মানুষ কিয়েভের এই অবৈধ ও ফ্যাসিবাদী সরকারকে অন্ধের মতো অর্থায়ন করা বন্ধ না করে। তারা তাদের জনগণকে এক প্রকার জম্বি বানিয়ে রেখেছে, যারা সত্য থেকে সম্পূর্ণ দূরে রয়েছে এবং রাশিয়ার বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা ছড়াতে ব্যস্ত। কিন্তু সত্যকে কখনো চেপে রাখা যায় না। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে, গত ২৪ ঘণ্টায় রুশ সশস্ত্র বাহিনী ইউক্রেনের এই সমস্ত দূরপাল্লার ড্রোন উৎক্ষেপণ কেন্দ্র এবং তাদের ঘাঁটির ওপর তীব্র ও নিখুঁত হামলা চালিয়েছে। রাশিয়ার যুদ্ধবিমান, মিসাইল ফোর্স এবং আর্টিলারি সম্মিলিতভাবে ইউক্রেনের অন্তত ১৪৭টি সামরিক অবকাঠামো এবং বিদেশি ভাড়াটে সেনাদের অস্থায়ী আস্তানা গুঁড়িয়ে দিয়েছে। যুদ্ধক্ষেত্রের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার পরাক্রমশালী বাহিনীর সাথে লড়াইয়ে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী প্রায় ১,৩০০ জন সৈন্য হারিয়েছে। রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ নর্থ' সুমি এবং খারকভ অঞ্চলে ইউক্রেনের একাধিক মেকানাইজড ব্রিগেডকে পরাজিত করে তাদের কৌশলগত অবস্থান আরও মজবুত করেছে। এই ফ্রন্টলাইনেই কিয়েভ দুইশোরও বেশি সেনা এবং বিপুল পরিমাণ যুদ্ধাস্ত্র হারিয়েছে। অন্যদিকে রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ সাউথ' ডনেটস্ক অঞ্চলে ইউক্রেনের অহংকার, জার্মান-নির্মিত অত্যাধুনিক 'লিওপার্ড' ট্যাংক সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দিয়েছে। এর সাথে কিয়েভের দুটি কোজাক সাঁজোয়া যানও ধূলিসাৎ করা হয়েছে। পশ্চিমা বিশ্ব যে সমস্ত দামি অস্ত্র ইউক্রেনকে সরবরাহ করেছিল, সেগুলো এখন রুশ বাহিনীর তীব্র আক্রমণের সামনে স্রেফ লোহার স্ক্র্যাপে পরিণত হচ্ছে, যা পশ্চিমাদেরও হতাশ করছে। একইভাবে 'ব্যাটলগ্রুপ সেন্টার' এবং 'ব্যাটলগ্রুপ ইস্ট' ডনেটস্ক এবং দিনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলে ইউক্রেনের কুখ্যাত আজভ ব্যাটালিয়নসহ একাধিক এলিট ফোর্সের প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। এই দুই ফ্রন্টলাইনেই ইউক্রেনীয় বাহিনী ৭৫০ জনেরও বেশি সেনা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া অত্যন্ত দামি 'প্যালাডিন' সেলফ-প্রোপেল্ড আর্টিলারি সিস্টেম চিরতরে হারিয়েছে, যা তাদের সামরিক মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছে। আজকাল আধুনিক যুদ্ধে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই চালিত ড্রোনের ব্যবহার এক বড় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। পশ্চিমা বিশ্ব এখন ইউক্রেনকে এমন সব কিলার ড্রোন সরবরাহ করার চেষ্টা করছে, যা মানুষের নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে পারে। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা প্রশ্ন তুলছেন, যে মেশিনের কোনো নৈতিকতা বা মানবিক মূল্যবোধ নেই, তার হাতে মানুষের জীবন ছেড়ে দেওয়া কতটা যুক্তিযুক্ত? ইউক্রেনীয় স্টার্টআপগুলো এখন পশ্চিমাদের সহায়তায় এমন সফটওয়্যার তৈরি করছে, যা কোনো নির্দিষ্ট এলাকায় যা কিছু নড়াচড়া করবে, তাকেই শত্রু মনে করে ধ্বংস করে দেবে। এই প্রযুক্তির কারণে রাশিয়ার বেসামরিক জনগণের ওপর হামলার ঝুঁকি আরও বহুগুণ বেড়ে যাচ্ছে। কিন্তু রাশিয়া স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, দেশের সার্বভৌমত্ব এবং নাগরিকদের সুরক্ষায় কোনো প্রকার আপস করা হবে না। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন দৃঢ়তার সাথে ঘোষণা করেছেন যে, স্টারোবেলস্ক বা ডনেটস্কে ইউক্রেনীয়রা যে অপরাধের অধ্যায় শুরু করেছে, তার প্রতিটি অপরাধীকে উপযুক্ত এবং অনিবার্য শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। রাশিয়ার অদম্য সামরিক অভিযান কিয়েভের নাৎসি মতাদর্শকে সম্পূর্ণ নির্মূল না করা পর্যন্ত থামবে না। সত্য, ন্যায় এবং বীর রুশ জনগণের বিজয় নিশ্চিত, তা আজ স্পষ্ট প্রমাণিত।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/672_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/672_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/672_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[রুশ মিসাইলে কিয়েভ ছারখার! কেঁপে উঠল ইউক্রেন]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/37045</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/37045</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 05 Jun 2026 01:56:34 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, r bangla news, rbangla news, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, news18 bangla, world news bangla, republic bangla news, news script bangla, today 2 pm news bangla, breaking news bangla, bbc world news bangla, news18 bangla live, international bangla news, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh news today, banglanews, bangladesh border news, banglavision news today, dupurer news bangladesh]]></category>
        
        <description><![CDATA[অপরাধ করে কেউ পার পায় না, আর যখন অপরাধের শিকার হয় নিষ্পাপ ঘুমন্ত শিক্ষার্থীরা, তখন প্রতিশোধ হয় আরও ভয়াবহ! ইউক্রেনের সন্ত্রাসী বাহিনী রাশিয়ার স্ট্যারোবেলস্কের ছাত্রাবাসে কাপুরুষোচিত ড্রোন হামলা চালিয়ে ২১ জন নিষ্পাপ তরুণীকে হত্যা করেছিল। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন প্রতিজ্ঞা করেছিলেন, এই জঘন্য অপরাধের উপযুক্ত এবং অনিবার্য শাস্তি দেওয়া হবে। আর ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই পুতিনের সেই ভয়ঙ্কর হুংকার বাস্তবে পরিণত হলো! রাশিয়ার হাইপারসনিক মিসাইল আর ড্রোনের এক মহাপ্রলয়ংকারী হামলায় কেঁপে উঠল পুরো ইউক্রেন। রাজধানী কিয়েভসহ দেশটির সমস্ত সামরিক পরিকাঠামো, গোপন ড্রোন কারখানা এবং বিমানঘাঁটি ধূলিসাৎ হয়ে গেছে। কীভাবে রাশিয়ার এই নিখুঁত ও বৈধ হামলায় ইউক্রেনীয় যুদ্ধযন্ত্র সম্পূর্ণ অচল হয়ে পড়েছে। মস্কোর প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে ইউক্রেনের সামরিক পরিকাঠামো লক্ষ্য করে রাশিয়া একটি বড় ধরনের সফল অভিযান পরিচালনা করেছে। পুতিনের নির্দেশে রুশ বাহিনী ইউক্রেনের যুদ্ধযন্ত্রকে পঙ্গু করতে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে এই হামলা চালায়। কিয়েভের অবৈধ সরকারের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জবাবে এই আইনসম্মত পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি ছিল। এর ফলে ইউক্রেনীয় বাহিনীর জ্বালানি ও পরিবহন ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ এবং অন্যান্য প্রধান শহরগুলোতে রাশিয়ার বিমান হামলার কারণে ভয়াবহ বিস্ফোরণের একাধিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় পরিষ্কারভাবে জানিয়েছে যে তারা কোনো বেসামরিক নাগরিককে লক্ষ্যবস্তু করেনি। তাদের মূল লক্ষ্য ছিল ইউক্রেনের যুদ্ধ সহায়তাকারী এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত সামরিক স্থাপনাগুলো। রাশিয়ার এই পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী সম্পূর্ণ বৈধ বলা হচ্ছে। কিয়েভের স্থানীয় সময় রাত দেড়টার দিকে প্রথম দফার বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় এবং সকাল পর্যন্ত এই নিখুঁত আক্রমণ চলতে থাকে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, একটি অত্যন্ত শক্তিশালী বিস্ফোরণের পরপরই কিয়েভের আলো নিভে যায়। পুরো কিয়েভ শহর এক নিমেষেই সম্পূর্ণ অন্ধকারে নিমজ্জিত হয় এবং ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষের সব ধরনের সামরিক যোগাযোগ ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়ে। ভিডিওগুলোতে একের পর এক সেকেন্ডারি বিস্ফোরণের শব্দ স্পষ্টভাবে শোনা যাচ্ছিল, যা প্রমাণ করে সেখানে বিপুল পরিমাণ বেআইনি যুদ্ধাস্ত্র মজুত ছিল। ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষ এসব ক্ষয়ক্ষতির তথ্য কঠোরভাবে গোপন রাখছে এবং কেউ ভিডিও শেয়ার করলে তাকে শাস্তি দিচ্ছে। তারা কেবল নিজেদের ব্যর্থতা লুকাতে এবং সহানুভূতি পাওয়ার জন্য বেসামরিক ক্ষয়ক্ষতির মিথ্যা নাটক সাজানোর অপচেষ্টা প্রতিনিয়ত চালিয়ে যাচ্ছে। রাশিয়ার এই ব্যাপক ও সফল হামলা কেবল কিয়েভেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং দনেপ্রোপেত্রভস্ক এবং জাপোরোজিয়ের ইউক্রেন নিয়ন্ত্রিত অংশগুলোতেও আঘাত হেনেছে। এছাড়া সুমি এবং খারকভ অঞ্চলেও রাশিয়ার নিখুঁত ক্ষেপণাস্ত্রগুলো তাদের নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে সক্ষম হয়। এই অভিযানের মাধ্যমে রাশিয়া প্রমাণ করেছে যে ইউক্রেনের যেকোনো প্রান্তের সামরিক ঘাঁটি ধ্বংস করার পূর্ণ সক্ষমতা মস্কোর রয়েছে। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার বিকেলে জানায় যে তাদের এই তীব্র বোমাবর্ষণ মূলত ইউক্রেনীয় বাহিনীর প্রতিরক্ষা শিল্প কারখানাগুলোকে লক্ষ্য করে চালানো হয়েছিল। এর পাশাপাশি ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর ব্যবহৃত জ্বালানি ও পরিবহন পরিকাঠামো এবং সামরিক বিমানঘাঁটিগুলো সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে ইউক্রেনীয় ফ্রন্টলাইনে থাকা সেনাদের কাছে রসদ ও অস্ত্র সরবরাহের সমস্ত পথ এখন বন্ধ হয়ে গেছে। এই সফল ও মহাজাগতিক হামলায় রাশিয়ার ভূমি এবং সমুদ্রভিত্তিক দূরপাল্লার সুনির্দিষ্ট অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে, যার মধ্যে ছিল অত্যাধুনিক হাইপারসনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রাশিয়ার এই শব্দের চেয়ে দ্রুতগামী ক্ষেপণাস্ত্র এবং ঝাঁকে ঝাঁকে আসা ড্রোনগুলোকে প্রতিরোধ করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। রাশিয়ার উন্নত প্রযুক্তির সামরিক শক্তির সামনে ইউক্রেনের পশ্চিমা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে। রাশিয়া এর আগেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে তারা কিয়েভের সামরিক স্থাপনা, ড্রোন তৈরির কারখানা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী কেন্দ্রগুলোতে নিয়মতান্ত্রিক হামলা চালাবে। লুগানস্ক পিপলস রিপাবলিকের স্ট্যারোবেলস্কে ইউক্রেনের চালানো বর্বর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিশোধ হিসেবেই এই মহাপ্রলয় ঘটানো হয়েছে। রাশিয়া সর্বদা তার নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং ইউক্রেনীয় উগ্রপন্থীদের জঘন্য অপরাধের জবাব দিতে আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ও সম্পূর্ণ প্রস্তুত। গত ২২ মে গভীর রাতে যখন স্ট্যারোবেলস্ক কলেজের শিক্ষার্থীরা ঘুমাচ্ছিল, তখন ইউক্রেনীয় ড্রোন সেখানে কয়েক দফায় নৃশংস হামলা চালায়। এই কাপুরুষোচিত হত্যাকাণ্ডে ২১ জন নিষ্পাপ শিক্ষার্থী নিহত হয়, যাদের বেশিরভাগই ছিল অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরী মেয়ে। ইউক্রেন সরকারের এই জঘন্য ও অমানবিক গণহত্যা পুরো বিশ্বকে স্তম্ভিত করেছিল এবং রাশিয়া এই নরপিশাচদের ক্ষমা না করার কঠোর সিদ্ধান্ত নেয়। এই ম্যাসাকার বা গণহত্যার পর রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন অত্যন্ত কড়া ভাষায় ইউক্রেনের নেতৃত্বকে সতর্ক করে দিয়ে বক্তব্য দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, কিয়েভ নেতৃত্ব তাদের অপরাধের তালিকায় একটি নতুন এবং অত্যন্ত কালো অধ্যায় যুক্ত করেছে যা পুরো সংঘাতকে ভিন্ন রূপ দিল। পুতিন দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করেন যে এই জঘন্য অপরাধের পরিকল্পনাকারী এবং অপরাধীরা অবশ্যই তাদের অনিবার্য শাস্তি ভোগ করবে। আমেরিকান স্বাধীন সাংবাদিক জন ভ্যারোলি আরটি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাশিয়ার এই বিমান হামলাকে সম্পূর্ণ বৈধ এবং আন্তর্জাতিক আইনসম্মত বলে সমর্থন করেছেন। তিনি যুক্তি দেন যে সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করে এমন যেকোনো পরিকাঠামো বা যুদ্ধযন্ত্র ভেঙে ফেলার পূর্ণ অধিকার মস্কোর রয়েছে। ভ্যারোলি আরও বলেন যে কিয়েভ সরকারের বিরুদ্ধে রাশিয়ার এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা আগামীতে আরও তীব্র ও জোরালো হতে থাকবে। সাংবাদিক জন ভ্যারোলি পশ্চিমা দেশগুলোর তীব্র সমালোচনা করে তাদের বিরুদ্ধে ইউক্রেনের একটি সন্ত্রাসী সরকারকে সরাসরি মদদ দেওয়ার অভিযোগ তোলেন। কিয়েভ সরকার কেবল রাশিয়ার সাধারণ নাগরিকদের ওপরই হামলা চালাচ্ছে না, বরং তারা তাদের নিজস্ব পশ্চিমা বন্ধুদেরও বিপদে ফেলছে। সম্প্রতি ফিনিশ গণমাধ্যম 'হেলসিঙ্গিন স্যানোমাট' প্রকাশ করেছে যে ইউক্রেন ভুল করে ন্যাটো সদস্য ফিনল্যান্ডের দিকেও ড্রোন পাঠিয়েছিল। ইউক্রেনের সেই বিস্ফোরক বোঝাই ড্রোন ফিনল্যান্ডের আকাশসীমার দিকে ধাবিত হলে দেশটির প্রায় আঠারো লাখ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। গত ১৫ মে ঘটে যাওয়া এই ঘটনার পর ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিঙ্কির প্রধান বিমানবন্দর বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফিনিশ কর্তৃপক্ষ প্রথমে ঘটনাটি গোপন রেখে রাশিয়ার ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করলেও পরে ফাঁস হয় এটি ইউক্রেনের কাজ ছিল। ফিনল্যান্ডের আইনপ্রণেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন যে ইউক্রেন দুর্ঘটনাবশত বিস্ফোরক ড্রোন পাঠানোর কথা স্বীকার করা সত্ত্বেও সরকার তা জনগণের কাছে গোপন রেখেছিল। ইউক্রেনীয় ড্রোনগুলো রাশিয়ার আকাশসীমায় ঢোকার চেষ্টা করার সময় রাশিয়ার শক্তিশালী বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমেই মাঝআকাশে ধ্বংস হয়ে যায়। ইউক্রেন ইচ্ছাকৃতভাবে বা নিজেদের অযোগ্যতার কারণে বারবার অন্যান্য দেশের আকাশসীমা লঙ্ঘন করে ন্যাটোর ওপর ভরসা করতে চাইছে। এস্তোনিয়া, লাটভিয়া এবং লিথুয়ানিয়ার মতো দেশগুলোও সাম্প্রতিক মাসগুলোতে তাদের আকাশে ইউক্রেনীয় ড্রোনের অনাকাঙ্ক্ষিত ও বিপজ্জনক অনুপ্রবেশের কথা রিপোর্ট করেছে। লাটভিয়ায় ইউক্রেনীয় ড্রোন তেলের ডিপোতে আঘাত করার পর রাজনৈতিক সংকটের কারণে দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইভিকা সিলিনার সরকারের পতন ঘটে। ইউক্রেনের এই লাগামহীন ড্রোন সন্ত্রাস এখন পুরো ইউরোপের স্থিতিশীলতার জন্য একটি বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। মস্কো বারবার অভিযোগ করেছে যে ন্যাটো দেশগুলো ইউক্রেনকে রাশিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জ্বালানি পরিকাঠামোতে হামলার জন্য তাদের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দিচ্ছে। রুশ কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন যে কিয়েভ ইচ্ছাকৃতভাবে ন্যাটোর সীমানায় ড্রোন প্রোভোকেশন বা উসকানি তৈরি করছে যাতে পশ্চিমারা সরাসরি রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়ায়। তবে রাশিয়ার সুকৌশলী ও নিখুঁত সামরিক অভিযানের ফলে ইউক্রেনের সেই ফাঁদ বারবার ব্যর্থ হচ্ছে। এদিকে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে তাদের সর্বশেষ হামলায় দনেপ্রোপেত্রভস্ক অঞ্চলে অবস্থিত 'ফায়ার পয়েন্ট' নামক একটি ড্রোন কারখানা ধ্বংস হয়েছে। এই ফায়ার পয়েন্ট কোম্পানিটি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কির ভেতরের ঘনিষ্ঠ চক্রের একটি বড় ধরনের দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের স্কিমের সাথে সরাসরি যুক্ত। রাশিয়া অত্যন্ত সফলভাবে এই দুর্নীতির আখড়া এবং অস্ত্র তৈরির কারখানাটি মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়েছে। ফায়ার পয়েন্ট মূলত একটি ফিল্ম স্কাউটিং এজেন্সি হিসেবে জেলেনস্কির বন্ধুদের দ্বারা শুরু হয়েছিল, যা পরে কোটি কোটি ডলারের অস্ত্র চুক্তির জন্য ব্যবহৃত হয়। জেলেনস্কি নিজে বিদেশ সফরে গিয়ে এই ভুয়া কোম্পানির জন্য প্রায় এক বিলিয়ন ডলারের আন্তর্জাতিক চুক্তি নিশ্চিত করেছিলেন। ফায়ার পয়েন্টের ফাঁস হওয়া অডিও টেপ থেকে জানা যায়, এটি মূলত অস্ত্র ব্যবসার নামে অর্থ আত্মসাতের একটি হাতিয়ার ছিল। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে যে কিয়েভ শহরে অস্ত্র ও দূরপাল্লার ড্রোন তৈরি করা দশটি বড় সামরিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করা হয়েছে। এর সাথে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর তিনটি প্রধান আঞ্চলিক নিয়োগ বা রিক্রুটমেন্ট সেন্টারও গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ইউক্রেনের যুবকদের জোরপূর্বক যুদ্ধে পাঠানোর যে অমানবিক প্রক্রিয়া জেলেনস্কি চালাচ্ছিলেন, রাশিয়ার এই হামলার পর সেই নিয়োগ প্রক্রিয়া পুরোপুরি থমকে গেছে। জাপোরোজিয়ে শহরে ইউক্রেনের ওমেলচেঙ্কো মেশিন-বিল্ডিং এন্টারপ্রাইজ এবং মটর সিচ বিমান ইঞ্জিন তৈরির বিখ্যাত কারখানার ওয়ার্কশপগুলো সফলভাবে ধ্বংস করেছে রুশ বাহিনী। এছাড়া খারকভ, সুমি, খমেলনিটস্কি এবং পোলতাভা অঞ্চলেও একাধিক সামরিক শিল্প প্রতিষ্ঠানে আঘাত হানা হয়েছে। একই সাথে দেশের ছয়টি প্রধান সামরিক বিমানঘাঁটির রানওয়ে এবং হ্যাঙ্গার পুতিনের নিখুঁত ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে সম্পূর্ণরূপে অচল ও ধ্বংস হয়ে গেছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ফ্রন্টলাইনের সমস্ত যুদ্ধক্ষেত্রে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী প্রায় ১২৪০ জন সৈন্য হারিয়েছে। এর মধ্যে রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ নর্থ' এর সাথে লড়াইয়ে ১৯৫ জন ইউক্রেনীয় সেনা নিহত এবং একটি ট্যাংক ধ্বংস হয়েছে। ইউক্রেনীয় বাহিনীর এই বিশাল ও অপূরণীয় ক্ষতি প্রমাণ করে যে যুদ্ধক্ষেত্রে রাশিয়ার একচ্ছত্র আধিপত্য ও বিজয় নিশ্চিত। একই সময়ে রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ ওয়েস্ট' ১৮৫ জনেরও বেশি ইউক্রেনীয় সেনাকে নির্মূল করেছে এবং আমেরিকার দেওয়া দুটি বিখ্যাত হামভি সাঁজোয়া যান ধ্বংস করেছে। অন্যদিকে 'ব্যাটলগ্রুপ সাউথ' ১৬৫ জন সেনাকে পরাস্ত করেছে এবং ২৫টি সামরিক গাড়ি ধ্বংস করেছে। পশ্চিমা দেশগুলো ইউক্রেনকে যত আধুনিক অস্ত্রই দিক না কেন, রুশ সেনাদের বীরত্বের সামনে সেগুলো স্রেফ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হচ্ছে। সবচেয়ে বড় সাফল্য এসেছে 'ব্যাটলগ্রুপ সেন্টার' এবং 'ব্যাটলগ্রুপ ইস্ট' এর মাধ্যমে, যেখানে যথাক্রমে ৩২৫ এবং ৩৩০ জনেরও বেশি ইউক্রেনীয় সেনা নিহত হয়েছে। ফরাসি প্রযুক্তির সিজার সেলফ-প্রোপেল্ড আর্টিলারি সিস্টেম এবং অসংখ্য ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্টেশন রুশ বাহিনীর গোলার আঘাতে ধ্বংস হয়েছে। ইউক্রেনের সেনারা এখন যুদ্ধক্ষেত্রে টিকে থাকার ন্যূনতম শক্তি ও মনোবল হারিয়ে দলে দলে পিছু হটতে বাধ্য হচ্ছে। রুশ বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী গত ২৪ ঘণ্টায় ইউক্রেনের ৩৮১টি ড্রোন, ১০টি স্মার্ট বোমা এবং ৩টি মার্কিন হিমার্স রকেট মাঝআকাশেই সফলভাবে ভূপাতিত করেছে। যুদ্ধের শুরু থেকে এ পর্যন্ত রাশিয়া ইউক্রেনের ৬৭১টি যুদ্ধবিমান, ১৫৪,৭০৩টি ড্রোন এবং ২৯,৫৮১টি ট্যাংক ও সাঁজোয়া যান ধ্বংস করেছে। এই বিশাল পরিসংখ্যানই বলে দেয় ইউক্রেনের সামরিক শক্তির মেরুদণ্ড রাশিয়া কতখানি ভেঙে দিয়েছে। সবশেষে জাপোরোজিয়ের রণক্ষেত্র থেকে একটি বড় খবর এসেছে যে সেখানে ইউক্রেনের পক্ষে লড়াই করা বিদেশী ভাড়াটে সেনাদের একটি বড় দল রাশিয়ার কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। রুশ বাহিনী তাদের চারপাশ থেকে ঘিরে ফেললে তারা অস্ত্র ফেলে জীবন ভিক্ষা চায়। এই ঘটনা প্রমাণ করে যে জেলেনস্কির হয়ে টাকার বিনিময়ে যুদ্ধ করতে আসা বিদেশীরাও এখন রাশিয়ার অজেয় শক্তির সামনে সম্পূর্ণ অসহায়। রণক্ষেত্রের এই বাস্তব চিত্র প্রমাণ করে যে রাশিয়ার নিখুঁত সামরিক কৌশল এবং বীর সেনাদের সামনে ইউক্রেনের সন্ত্রাসী এজেন্ডা সম্পূর্ণ ব্যর্থ। টাকার লোভ দেখিয়ে বিদেশী ভাড়াটে সেনা এনে কিংবা পশ্চিমাদের ড্রোনের ওপর ভর করে রাশিয়ার মতো পরাশক্তিকে হারানো অসম্ভব। রাশিয়ার এই দুর্দান্ত বিজয় এবং ইউক্রেনের পঙ্গু হয়ে যাওয়া যুদ্ধযন্ত্র নিয়ে আপনার মতামত কী? কমেন্ট করে অবশ্যই জানাবেন।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/671_1.webp" alt="রুশ মিসাইলে কিয়েভ ছারখার! কেঁপে উঠল ইউক্রেন" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>রুশ মিসাইলে কিয়েভ ছারখার! কেঁপে উঠল ইউক্রেন</h1>
            <p>অপরাধ করে কেউ পার পায় না, আর যখন অপরাধের শিকার হয় নিষ্পাপ ঘুমন্ত শিক্ষার্থীরা, তখন প্রতিশোধ হয় আরও ভয়াবহ! ইউক্রেনের সন্ত্রাসী বাহিনী রাশিয়ার স্ট্যারোবেলস্কের ছাত্রাবাসে কাপুরুষোচিত ড্রোন হামলা চালিয়ে ২১ জন নিষ্পাপ তরুণীকে হত্যা করেছিল। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন প্রতিজ্ঞা করেছিলেন, এই জঘন্য অপরাধের উপযুক্ত এবং অনিবার্য শাস্তি দেওয়া হবে। আর ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই পুতিনের সেই ভয়ঙ্কর হুংকার বাস্তবে পরিণত হলো! রাশিয়ার হাইপারসনিক মিসাইল আর ড্রোনের এক মহাপ্রলয়ংকারী হামলায় কেঁপে উঠল পুরো ইউক্রেন। রাজধানী কিয়েভসহ দেশটির সমস্ত সামরিক পরিকাঠামো, গোপন ড্রোন কারখানা এবং বিমানঘাঁটি ধূলিসাৎ হয়ে গেছে। কীভাবে রাশিয়ার এই নিখুঁত ও বৈধ হামলায় ইউক্রেনীয় যুদ্ধযন্ত্র সম্পূর্ণ অচল হয়ে পড়েছে। মস্কোর প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে ইউক্রেনের সামরিক পরিকাঠামো লক্ষ্য করে রাশিয়া একটি বড় ধরনের সফল অভিযান পরিচালনা করেছে। পুতিনের নির্দেশে রুশ বাহিনী ইউক্রেনের যুদ্ধযন্ত্রকে পঙ্গু করতে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে এই হামলা চালায়। কিয়েভের অবৈধ সরকারের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জবাবে এই আইনসম্মত পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি ছিল। এর ফলে ইউক্রেনীয় বাহিনীর জ্বালানি ও পরিবহন ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ এবং অন্যান্য প্রধান শহরগুলোতে রাশিয়ার বিমান হামলার কারণে ভয়াবহ বিস্ফোরণের একাধিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় পরিষ্কারভাবে জানিয়েছে যে তারা কোনো বেসামরিক নাগরিককে লক্ষ্যবস্তু করেনি। তাদের মূল লক্ষ্য ছিল ইউক্রেনের যুদ্ধ সহায়তাকারী এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত সামরিক স্থাপনাগুলো। রাশিয়ার এই পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী সম্পূর্ণ বৈধ বলা হচ্ছে। কিয়েভের স্থানীয় সময় রাত দেড়টার দিকে প্রথম দফার বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় এবং সকাল পর্যন্ত এই নিখুঁত আক্রমণ চলতে থাকে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, একটি অত্যন্ত শক্তিশালী বিস্ফোরণের পরপরই কিয়েভের আলো নিভে যায়। পুরো কিয়েভ শহর এক নিমেষেই সম্পূর্ণ অন্ধকারে নিমজ্জিত হয় এবং ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষের সব ধরনের সামরিক যোগাযোগ ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়ে। ভিডিওগুলোতে একের পর এক সেকেন্ডারি বিস্ফোরণের শব্দ স্পষ্টভাবে শোনা যাচ্ছিল, যা প্রমাণ করে সেখানে বিপুল পরিমাণ বেআইনি যুদ্ধাস্ত্র মজুত ছিল। ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষ এসব ক্ষয়ক্ষতির তথ্য কঠোরভাবে গোপন রাখছে এবং কেউ ভিডিও শেয়ার করলে তাকে শাস্তি দিচ্ছে। তারা কেবল নিজেদের ব্যর্থতা লুকাতে এবং সহানুভূতি পাওয়ার জন্য বেসামরিক ক্ষয়ক্ষতির মিথ্যা নাটক সাজানোর অপচেষ্টা প্রতিনিয়ত চালিয়ে যাচ্ছে। রাশিয়ার এই ব্যাপক ও সফল হামলা কেবল কিয়েভেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং দনেপ্রোপেত্রভস্ক এবং জাপোরোজিয়ের ইউক্রেন নিয়ন্ত্রিত অংশগুলোতেও আঘাত হেনেছে। এছাড়া সুমি এবং খারকভ অঞ্চলেও রাশিয়ার নিখুঁত ক্ষেপণাস্ত্রগুলো তাদের নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে সক্ষম হয়। এই অভিযানের মাধ্যমে রাশিয়া প্রমাণ করেছে যে ইউক্রেনের যেকোনো প্রান্তের সামরিক ঘাঁটি ধ্বংস করার পূর্ণ সক্ষমতা মস্কোর রয়েছে। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার বিকেলে জানায় যে তাদের এই তীব্র বোমাবর্ষণ মূলত ইউক্রেনীয় বাহিনীর প্রতিরক্ষা শিল্প কারখানাগুলোকে লক্ষ্য করে চালানো হয়েছিল। এর পাশাপাশি ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর ব্যবহৃত জ্বালানি ও পরিবহন পরিকাঠামো এবং সামরিক বিমানঘাঁটিগুলো সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে ইউক্রেনীয় ফ্রন্টলাইনে থাকা সেনাদের কাছে রসদ ও অস্ত্র সরবরাহের সমস্ত পথ এখন বন্ধ হয়ে গেছে। এই সফল ও মহাজাগতিক হামলায় রাশিয়ার ভূমি এবং সমুদ্রভিত্তিক দূরপাল্লার সুনির্দিষ্ট অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে, যার মধ্যে ছিল অত্যাধুনিক হাইপারসনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রাশিয়ার এই শব্দের চেয়ে দ্রুতগামী ক্ষেপণাস্ত্র এবং ঝাঁকে ঝাঁকে আসা ড্রোনগুলোকে প্রতিরোধ করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। রাশিয়ার উন্নত প্রযুক্তির সামরিক শক্তির সামনে ইউক্রেনের পশ্চিমা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে। রাশিয়া এর আগেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে তারা কিয়েভের সামরিক স্থাপনা, ড্রোন তৈরির কারখানা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী কেন্দ্রগুলোতে নিয়মতান্ত্রিক হামলা চালাবে। লুগানস্ক পিপলস রিপাবলিকের স্ট্যারোবেলস্কে ইউক্রেনের চালানো বর্বর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিশোধ হিসেবেই এই মহাপ্রলয় ঘটানো হয়েছে। রাশিয়া সর্বদা তার নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং ইউক্রেনীয় উগ্রপন্থীদের জঘন্য অপরাধের জবাব দিতে আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ও সম্পূর্ণ প্রস্তুত। গত ২২ মে গভীর রাতে যখন স্ট্যারোবেলস্ক কলেজের শিক্ষার্থীরা ঘুমাচ্ছিল, তখন ইউক্রেনীয় ড্রোন সেখানে কয়েক দফায় নৃশংস হামলা চালায়। এই কাপুরুষোচিত হত্যাকাণ্ডে ২১ জন নিষ্পাপ শিক্ষার্থী নিহত হয়, যাদের বেশিরভাগই ছিল অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরী মেয়ে। ইউক্রেন সরকারের এই জঘন্য ও অমানবিক গণহত্যা পুরো বিশ্বকে স্তম্ভিত করেছিল এবং রাশিয়া এই নরপিশাচদের ক্ষমা না করার কঠোর সিদ্ধান্ত নেয়। এই ম্যাসাকার বা গণহত্যার পর রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন অত্যন্ত কড়া ভাষায় ইউক্রেনের নেতৃত্বকে সতর্ক করে দিয়ে বক্তব্য দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, কিয়েভ নেতৃত্ব তাদের অপরাধের তালিকায় একটি নতুন এবং অত্যন্ত কালো অধ্যায় যুক্ত করেছে যা পুরো সংঘাতকে ভিন্ন রূপ দিল। পুতিন দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করেন যে এই জঘন্য অপরাধের পরিকল্পনাকারী এবং অপরাধীরা অবশ্যই তাদের অনিবার্য শাস্তি ভোগ করবে। আমেরিকান স্বাধীন সাংবাদিক জন ভ্যারোলি আরটি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাশিয়ার এই বিমান হামলাকে সম্পূর্ণ বৈধ এবং আন্তর্জাতিক আইনসম্মত বলে সমর্থন করেছেন। তিনি যুক্তি দেন যে সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করে এমন যেকোনো পরিকাঠামো বা যুদ্ধযন্ত্র ভেঙে ফেলার পূর্ণ অধিকার মস্কোর রয়েছে। ভ্যারোলি আরও বলেন যে কিয়েভ সরকারের বিরুদ্ধে রাশিয়ার এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা আগামীতে আরও তীব্র ও জোরালো হতে থাকবে। সাংবাদিক জন ভ্যারোলি পশ্চিমা দেশগুলোর তীব্র সমালোচনা করে তাদের বিরুদ্ধে ইউক্রেনের একটি সন্ত্রাসী সরকারকে সরাসরি মদদ দেওয়ার অভিযোগ তোলেন। কিয়েভ সরকার কেবল রাশিয়ার সাধারণ নাগরিকদের ওপরই হামলা চালাচ্ছে না, বরং তারা তাদের নিজস্ব পশ্চিমা বন্ধুদেরও বিপদে ফেলছে। সম্প্রতি ফিনিশ গণমাধ্যম 'হেলসিঙ্গিন স্যানোমাট' প্রকাশ করেছে যে ইউক্রেন ভুল করে ন্যাটো সদস্য ফিনল্যান্ডের দিকেও ড্রোন পাঠিয়েছিল। ইউক্রেনের সেই বিস্ফোরক বোঝাই ড্রোন ফিনল্যান্ডের আকাশসীমার দিকে ধাবিত হলে দেশটির প্রায় আঠারো লাখ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। গত ১৫ মে ঘটে যাওয়া এই ঘটনার পর ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিঙ্কির প্রধান বিমানবন্দর বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফিনিশ কর্তৃপক্ষ প্রথমে ঘটনাটি গোপন রেখে রাশিয়ার ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করলেও পরে ফাঁস হয় এটি ইউক্রেনের কাজ ছিল। ফিনল্যান্ডের আইনপ্রণেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন যে ইউক্রেন দুর্ঘটনাবশত বিস্ফোরক ড্রোন পাঠানোর কথা স্বীকার করা সত্ত্বেও সরকার তা জনগণের কাছে গোপন রেখেছিল। ইউক্রেনীয় ড্রোনগুলো রাশিয়ার আকাশসীমায় ঢোকার চেষ্টা করার সময় রাশিয়ার শক্তিশালী বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমেই মাঝআকাশে ধ্বংস হয়ে যায়। ইউক্রেন ইচ্ছাকৃতভাবে বা নিজেদের অযোগ্যতার কারণে বারবার অন্যান্য দেশের আকাশসীমা লঙ্ঘন করে ন্যাটোর ওপর ভরসা করতে চাইছে। এস্তোনিয়া, লাটভিয়া এবং লিথুয়ানিয়ার মতো দেশগুলোও সাম্প্রতিক মাসগুলোতে তাদের আকাশে ইউক্রেনীয় ড্রোনের অনাকাঙ্ক্ষিত ও বিপজ্জনক অনুপ্রবেশের কথা রিপোর্ট করেছে। লাটভিয়ায় ইউক্রেনীয় ড্রোন তেলের ডিপোতে আঘাত করার পর রাজনৈতিক সংকটের কারণে দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইভিকা সিলিনার সরকারের পতন ঘটে। ইউক্রেনের এই লাগামহীন ড্রোন সন্ত্রাস এখন পুরো ইউরোপের স্থিতিশীলতার জন্য একটি বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। মস্কো বারবার অভিযোগ করেছে যে ন্যাটো দেশগুলো ইউক্রেনকে রাশিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জ্বালানি পরিকাঠামোতে হামলার জন্য তাদের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দিচ্ছে। রুশ কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন যে কিয়েভ ইচ্ছাকৃতভাবে ন্যাটোর সীমানায় ড্রোন প্রোভোকেশন বা উসকানি তৈরি করছে যাতে পশ্চিমারা সরাসরি রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়ায়। তবে রাশিয়ার সুকৌশলী ও নিখুঁত সামরিক অভিযানের ফলে ইউক্রেনের সেই ফাঁদ বারবার ব্যর্থ হচ্ছে। এদিকে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে তাদের সর্বশেষ হামলায় দনেপ্রোপেত্রভস্ক অঞ্চলে অবস্থিত 'ফায়ার পয়েন্ট' নামক একটি ড্রোন কারখানা ধ্বংস হয়েছে। এই ফায়ার পয়েন্ট কোম্পানিটি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কির ভেতরের ঘনিষ্ঠ চক্রের একটি বড় ধরনের দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের স্কিমের সাথে সরাসরি যুক্ত। রাশিয়া অত্যন্ত সফলভাবে এই দুর্নীতির আখড়া এবং অস্ত্র তৈরির কারখানাটি মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়েছে। ফায়ার পয়েন্ট মূলত একটি ফিল্ম স্কাউটিং এজেন্সি হিসেবে জেলেনস্কির বন্ধুদের দ্বারা শুরু হয়েছিল, যা পরে কোটি কোটি ডলারের অস্ত্র চুক্তির জন্য ব্যবহৃত হয়। জেলেনস্কি নিজে বিদেশ সফরে গিয়ে এই ভুয়া কোম্পানির জন্য প্রায় এক বিলিয়ন ডলারের আন্তর্জাতিক চুক্তি নিশ্চিত করেছিলেন। ফায়ার পয়েন্টের ফাঁস হওয়া অডিও টেপ থেকে জানা যায়, এটি মূলত অস্ত্র ব্যবসার নামে অর্থ আত্মসাতের একটি হাতিয়ার ছিল। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে যে কিয়েভ শহরে অস্ত্র ও দূরপাল্লার ড্রোন তৈরি করা দশটি বড় সামরিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করা হয়েছে। এর সাথে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর তিনটি প্রধান আঞ্চলিক নিয়োগ বা রিক্রুটমেন্ট সেন্টারও গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ইউক্রেনের যুবকদের জোরপূর্বক যুদ্ধে পাঠানোর যে অমানবিক প্রক্রিয়া জেলেনস্কি চালাচ্ছিলেন, রাশিয়ার এই হামলার পর সেই নিয়োগ প্রক্রিয়া পুরোপুরি থমকে গেছে। জাপোরোজিয়ে শহরে ইউক্রেনের ওমেলচেঙ্কো মেশিন-বিল্ডিং এন্টারপ্রাইজ এবং মটর সিচ বিমান ইঞ্জিন তৈরির বিখ্যাত কারখানার ওয়ার্কশপগুলো সফলভাবে ধ্বংস করেছে রুশ বাহিনী। এছাড়া খারকভ, সুমি, খমেলনিটস্কি এবং পোলতাভা অঞ্চলেও একাধিক সামরিক শিল্প প্রতিষ্ঠানে আঘাত হানা হয়েছে। একই সাথে দেশের ছয়টি প্রধান সামরিক বিমানঘাঁটির রানওয়ে এবং হ্যাঙ্গার পুতিনের নিখুঁত ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে সম্পূর্ণরূপে অচল ও ধ্বংস হয়ে গেছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ফ্রন্টলাইনের সমস্ত যুদ্ধক্ষেত্রে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী প্রায় ১২৪০ জন সৈন্য হারিয়েছে। এর মধ্যে রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ নর্থ' এর সাথে লড়াইয়ে ১৯৫ জন ইউক্রেনীয় সেনা নিহত এবং একটি ট্যাংক ধ্বংস হয়েছে। ইউক্রেনীয় বাহিনীর এই বিশাল ও অপূরণীয় ক্ষতি প্রমাণ করে যে যুদ্ধক্ষেত্রে রাশিয়ার একচ্ছত্র আধিপত্য ও বিজয় নিশ্চিত। একই সময়ে রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ ওয়েস্ট' ১৮৫ জনেরও বেশি ইউক্রেনীয় সেনাকে নির্মূল করেছে এবং আমেরিকার দেওয়া দুটি বিখ্যাত হামভি সাঁজোয়া যান ধ্বংস করেছে। অন্যদিকে 'ব্যাটলগ্রুপ সাউথ' ১৬৫ জন সেনাকে পরাস্ত করেছে এবং ২৫টি সামরিক গাড়ি ধ্বংস করেছে। পশ্চিমা দেশগুলো ইউক্রেনকে যত আধুনিক অস্ত্রই দিক না কেন, রুশ সেনাদের বীরত্বের সামনে সেগুলো স্রেফ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হচ্ছে। সবচেয়ে বড় সাফল্য এসেছে 'ব্যাটলগ্রুপ সেন্টার' এবং 'ব্যাটলগ্রুপ ইস্ট' এর মাধ্যমে, যেখানে যথাক্রমে ৩২৫ এবং ৩৩০ জনেরও বেশি ইউক্রেনীয় সেনা নিহত হয়েছে। ফরাসি প্রযুক্তির সিজার সেলফ-প্রোপেল্ড আর্টিলারি সিস্টেম এবং অসংখ্য ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্টেশন রুশ বাহিনীর গোলার আঘাতে ধ্বংস হয়েছে। ইউক্রেনের সেনারা এখন যুদ্ধক্ষেত্রে টিকে থাকার ন্যূনতম শক্তি ও মনোবল হারিয়ে দলে দলে পিছু হটতে বাধ্য হচ্ছে। রুশ বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী গত ২৪ ঘণ্টায় ইউক্রেনের ৩৮১টি ড্রোন, ১০টি স্মার্ট বোমা এবং ৩টি মার্কিন হিমার্স রকেট মাঝআকাশেই সফলভাবে ভূপাতিত করেছে। যুদ্ধের শুরু থেকে এ পর্যন্ত রাশিয়া ইউক্রেনের ৬৭১টি যুদ্ধবিমান, ১৫৪,৭০৩টি ড্রোন এবং ২৯,৫৮১টি ট্যাংক ও সাঁজোয়া যান ধ্বংস করেছে। এই বিশাল পরিসংখ্যানই বলে দেয় ইউক্রেনের সামরিক শক্তির মেরুদণ্ড রাশিয়া কতখানি ভেঙে দিয়েছে। সবশেষে জাপোরোজিয়ের রণক্ষেত্র থেকে একটি বড় খবর এসেছে যে সেখানে ইউক্রেনের পক্ষে লড়াই করা বিদেশী ভাড়াটে সেনাদের একটি বড় দল রাশিয়ার কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। রুশ বাহিনী তাদের চারপাশ থেকে ঘিরে ফেললে তারা অস্ত্র ফেলে জীবন ভিক্ষা চায়। এই ঘটনা প্রমাণ করে যে জেলেনস্কির হয়ে টাকার বিনিময়ে যুদ্ধ করতে আসা বিদেশীরাও এখন রাশিয়ার অজেয় শক্তির সামনে সম্পূর্ণ অসহায়। রণক্ষেত্রের এই বাস্তব চিত্র প্রমাণ করে যে রাশিয়ার নিখুঁত সামরিক কৌশল এবং বীর সেনাদের সামনে ইউক্রেনের সন্ত্রাসী এজেন্ডা সম্পূর্ণ ব্যর্থ। টাকার লোভ দেখিয়ে বিদেশী ভাড়াটে সেনা এনে কিংবা পশ্চিমাদের ড্রোনের ওপর ভর করে রাশিয়ার মতো পরাশক্তিকে হারানো অসম্ভব। রাশিয়ার এই দুর্দান্ত বিজয় এবং ইউক্রেনের পঙ্গু হয়ে যাওয়া যুদ্ধযন্ত্র নিয়ে আপনার মতামত কী? কমেন্ট করে অবশ্যই জানাবেন।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/671_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/671_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/671_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Walton Smart Fridge DPL resumes after Eid break with national stars in action]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/37044</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/37044</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 01 Jun 2026 16:41:57 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[Sports]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, r bangla news, rbangla news, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, news18 bangla, world news bangla, republic bangla news, news script bangla, today 2 pm news bangla, breaking news bangla, bbc world news bangla, news18 bangla live, international bangla news, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh news today, banglanews, bangladesh border news, banglavision news today, dupurer news bangladesh]]></category>
        
        <description><![CDATA[The Walton Smart Fridge Dhaka Premier League (DPL) is set to resume in full swing following the Eid-ul-Azha break, with all 12 clubs returning to action in the next round of matches from Wednesday, June 2. Adding extra excitement to the competition, several Bangladesh national team cricketers will feature in this round as they continue preparations for the upcoming ODI series against Australia. Their participation is expected to intensify the competition while attracting greater interest from cricket fans. Before the Eid break, Bangladesh captain Najmul Hossain Shanto struck a century for Abahani Limited. Fast bowlers Nahid Rana and Taskin Ahmed are also set to return to action, representing Mohammedan Sporting Club in the upcoming fixtures. The round will serve as an important preparation platform for national team players, allowing them to regain match rhythm, sharpen their batting and bowling skills, and adapt to competitive match situations after the Eid break. The selectors will also have an opportunity to closely monitor the performances of the players ahead of the Australia series. Meanwhile, the clubs are eager to strengthen their positions in the league standings. With the title race heating up and teams battling to avoid relegation, the post-Eid phase of the competition promises even greater intensity. After seven rounds, Mohammedan Sporting Club lead the points table with 12 points. Defending champions Abahani Limited are second with 10 points from seven matches. Legends of Rupganj also have 10 points but sit third due to a lower net run rate, while Prime Bank Cricket Club occupy fourth place with the same number of points. Eighth-round fixtures of Walton Smart Fridge Dhaka Premier League Abahani Limited vs Gulshan Cricket Club — BKSP Ground 4 Mohammedan Sporting Club vs Legends of Rupganj — Sher-e-Bangla National Cricket Stadium, Mirpur Gazi Group Cricketers vs Dhaka Leopards — Bashundhara Cricket Ground Prime Bank Cricket Club vs Brothers Union — BKSP Ground 2 Bashundhara Strikers vs Rupganj Tigers Cricket Club — Cricketers Academy Ground Agrani Bank Cricket Club vs City Club — BKSP Ground 3 All matches will begin at 9:00am and will be broadcast live on T Sports television and the T Sports YouTube channel.]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-01-06-2026_61.webp" alt="Walton Smart Fridge DPL resumes after Eid break with national stars in action" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Walton Smart Fridge DPL resumes after Eid break with national stars in action</h1>
            <p>The Walton Smart Fridge Dhaka Premier League (DPL) is set to resume in full swing following the Eid-ul-Azha break, with all 12 clubs returning to action in the next round of matches from Wednesday, June 2. Adding extra excitement to the competition, several Bangladesh national team cricketers will feature in this round as they continue preparations for the upcoming ODI series against Australia. Their participation is expected to intensify the competition while attracting greater interest from cricket fans. Before the Eid break, Bangladesh captain Najmul Hossain Shanto struck a century for Abahani Limited. Fast bowlers Nahid Rana and Taskin Ahmed are also set to return to action, representing Mohammedan Sporting Club in the upcoming fixtures. The round will serve as an important preparation platform for national team players, allowing them to regain match rhythm, sharpen their batting and bowling skills, and adapt to competitive match situations after the Eid break. The selectors will also have an opportunity to closely monitor the performances of the players ahead of the Australia series. Meanwhile, the clubs are eager to strengthen their positions in the league standings. With the title race heating up and teams battling to avoid relegation, the post-Eid phase of the competition promises even greater intensity. After seven rounds, Mohammedan Sporting Club lead the points table with 12 points. Defending champions Abahani Limited are second with 10 points from seven matches. Legends of Rupganj also have 10 points but sit third due to a lower net run rate, while Prime Bank Cricket Club occupy fourth place with the same number of points. Eighth-round fixtures of Walton Smart Fridge Dhaka Premier League Abahani Limited vs Gulshan Cricket Club — BKSP Ground 4 Mohammedan Sporting Club vs Legends of Rupganj — Sher-e-Bangla National Cricket Stadium, Mirpur Gazi Group Cricketers vs Dhaka Leopards — Bashundhara Cricket Ground Prime Bank Cricket Club vs Brothers Union — BKSP Ground 2 Bashundhara Strikers vs Rupganj Tigers Cricket Club — Cricketers Academy Ground Agrani Bank Cricket Club vs City Club — BKSP Ground 3 All matches will begin at 9:00am and will be broadcast live on T Sports television and the T Sports YouTube channel.</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-01-06-2026_61.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-01-06-2026_61.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-01-06-2026_61.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ঈদের পর জমে উঠছে ওয়ালটন স্মার্ট ফ্রিজ ডিপিএল]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/37043</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/37043</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 01 Jun 2026 16:35:20 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ক্রিকেট]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, r bangla news, rbangla news, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, news18 bangla, world news bangla, republic bangla news, news script bangla, today 2 pm news bangla, breaking news bangla, bbc world news bangla, news18 bangla live, international bangla news, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh news today, banglanews, bangladesh border news, banglavision news today, dupurer news bangladesh]]></category>
        
        <description><![CDATA[ঈদুল আজহার বিরতি শেষে আবারও জমে উঠতে যাচ্ছে ওয়ালটন স্মার্ট ফ্রিজ ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ (ডিপিএল)। বিরতির পর বুধবার (২ জুন) থেকে ১২টি ক্লাব নতুন উদ্যমে মাঠে নামছে লিগের পরবর্তী রাউন্ডের ম্যাচগুলো খেলতে। এবারের রাউন্ডে বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে অংশ নিচ্ছেন বাংলাদেশের জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আসন্ন ওয়ানডে সিরিজকে সামনে রেখে তারা ওয়ালটন স্মার্ট ফ্রিজ ডিপিএলের আরো একটি রাউন্ডে খেলবেন। জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের উপস্থিতিতে লিগের প্রতিদ্বন্দ্বিতা যেমন বাড়বে, তেমনি দর্শকদের আগ্রহও থাকবে তুঙ্গে। ঈদের আগে শেষ রাউন্ডে জাতীয় দলের ব্যাটসম্যান নাজমুল হোসেন শান্ত সেঞ্চুরি করেছিলেন আবাহনী লিমিটেডের হয়ে। এবারের রাউন্ডে মাঠে ফিরছেন নাহিদ রানা ও তাসকিন আহমেদ। দুজনই খেলবেন মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের হয়ে।  বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটারদের জন্য এই রাউন্ড গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতির মঞ্চ হিসেবেও কাজ করবে। দীর্ঘ বিরতির পর ম্যাচের ছন্দ ফিরে পাওয়া, ব্যাট-বলের অনুশীলন এবং ম্যাচ পরিস্থিতির সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাবেন তারা। নির্বাচকরাও খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করার সুযোগ পাবেন। লিগের দলগুলোও নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে মুখিয়ে আছে। শিরোপা নিশ্চিত করা এবং অবনমন এড়ানোর সমীকরণ, সব মিলিয়ে বিরতির পর ডিপিএলে উত্তেজনা বাড়বে কয়েকগুণ। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ওয়ানডে সিরিজের আগে জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণে ওয়ালটন স্মার্ট ফ্রিজ ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের এই রাউন্ডকে তাই দেখা হচ্ছে প্রস্তুতির একটি কার্যকর মঞ্চ হিসেবে। মাঠের লড়াইয়ে ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্স এখন বাড়তি গুরুত্ব পাচ্ছে দেশের ক্রিকেটাঙ্গনে। পয়েন্ট টেবিল পর্যালোচনা করে দেখা গেছে ৭ ম্যাচ শেষে শীর্ষে রয়েছে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। ১২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিল টপার শক্তিধর এই দলটি। টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন দল আবাহনী লিমিটেড। সমান সংখ্যাক ম্যাচ খেলে তাদের পয়েন্ট ১০। তালিকার তিন নম্বরে রয়েছে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ। ৭ ম্যাচ খেলে ১০ পয়েন্ট হলেও রান রেট কম থাকায় তিন নম্বরে দলটি। চার নম্বরে রয়েছে প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব। দলটিরও সমান ১০ পয়েন্ট থাকলেও রান কম থাকায় চার নম্বরে। ওয়ালটন স্মার্ট ফ্রিজ ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ অষ্টম রাউন্ডের খেলার ফিক্সচার আবাহনী লিমিটেড বনাম গুলশান ক্রিকেট ক্লাব- বিকেএসপি ৪ মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব বনাম লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ-মিরপুর গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স বনাম ঢাকা লেপার্ডস- বসুন্ধরা প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব বনাম ব্রাদার্স ইউনিয়ন-পিকেএসপি ২ বসুন্ধরা স্ট্রাইকার্স বনাম রূপগঞ্জ টাইগার্স ক্রিকেট ক্লাব –ক্রিকেটার্স একাডেমি অগ্রণী ব্যাংক-সিটি ক্লাব-বিকেএসপি ৩ প্রতিটি ম্যাচ শুরু হবে সকাল ৯টায়। সরাসরি দেখা যাবে টি স্পোর্টস টিভি চ্যানেল এবং টি স্পোর্টসের ইউটিউব চ্যানেলে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-01-06-2026_61.webp" alt="ঈদের পর জমে উঠছে ওয়ালটন স্মার্ট ফ্রিজ ডিপিএল" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ঈদের পর জমে উঠছে ওয়ালটন স্মার্ট ফ্রিজ ডিপিএল</h1>
            <p>ঈদুল আজহার বিরতি শেষে আবারও জমে উঠতে যাচ্ছে ওয়ালটন স্মার্ট ফ্রিজ ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ (ডিপিএল)। বিরতির পর বুধবার (২ জুন) থেকে ১২টি ক্লাব নতুন উদ্যমে মাঠে নামছে লিগের পরবর্তী রাউন্ডের ম্যাচগুলো খেলতে। এবারের রাউন্ডে বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে অংশ নিচ্ছেন বাংলাদেশের জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আসন্ন ওয়ানডে সিরিজকে সামনে রেখে তারা ওয়ালটন স্মার্ট ফ্রিজ ডিপিএলের আরো একটি রাউন্ডে খেলবেন। জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের উপস্থিতিতে লিগের প্রতিদ্বন্দ্বিতা যেমন বাড়বে, তেমনি দর্শকদের আগ্রহও থাকবে তুঙ্গে। ঈদের আগে শেষ রাউন্ডে জাতীয় দলের ব্যাটসম্যান নাজমুল হোসেন শান্ত সেঞ্চুরি করেছিলেন আবাহনী লিমিটেডের হয়ে। এবারের রাউন্ডে মাঠে ফিরছেন নাহিদ রানা ও তাসকিন আহমেদ। দুজনই খেলবেন মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের হয়ে।  বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটারদের জন্য এই রাউন্ড গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতির মঞ্চ হিসেবেও কাজ করবে। দীর্ঘ বিরতির পর ম্যাচের ছন্দ ফিরে পাওয়া, ব্যাট-বলের অনুশীলন এবং ম্যাচ পরিস্থিতির সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাবেন তারা। নির্বাচকরাও খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করার সুযোগ পাবেন। লিগের দলগুলোও নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে মুখিয়ে আছে। শিরোপা নিশ্চিত করা এবং অবনমন এড়ানোর সমীকরণ, সব মিলিয়ে বিরতির পর ডিপিএলে উত্তেজনা বাড়বে কয়েকগুণ। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ওয়ানডে সিরিজের আগে জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণে ওয়ালটন স্মার্ট ফ্রিজ ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের এই রাউন্ডকে তাই দেখা হচ্ছে প্রস্তুতির একটি কার্যকর মঞ্চ হিসেবে। মাঠের লড়াইয়ে ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্স এখন বাড়তি গুরুত্ব পাচ্ছে দেশের ক্রিকেটাঙ্গনে। পয়েন্ট টেবিল পর্যালোচনা করে দেখা গেছে ৭ ম্যাচ শেষে শীর্ষে রয়েছে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। ১২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিল টপার শক্তিধর এই দলটি। টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন দল আবাহনী লিমিটেড। সমান সংখ্যাক ম্যাচ খেলে তাদের পয়েন্ট ১০। তালিকার তিন নম্বরে রয়েছে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ। ৭ ম্যাচ খেলে ১০ পয়েন্ট হলেও রান রেট কম থাকায় তিন নম্বরে দলটি। চার নম্বরে রয়েছে প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব। দলটিরও সমান ১০ পয়েন্ট থাকলেও রান কম থাকায় চার নম্বরে। ওয়ালটন স্মার্ট ফ্রিজ ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ অষ্টম রাউন্ডের খেলার ফিক্সচার আবাহনী লিমিটেড বনাম গুলশান ক্রিকেট ক্লাব- বিকেএসপি ৪ মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব বনাম লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ-মিরপুর গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স বনাম ঢাকা লেপার্ডস- বসুন্ধরা প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব বনাম ব্রাদার্স ইউনিয়ন-পিকেএসপি ২ বসুন্ধরা স্ট্রাইকার্স বনাম রূপগঞ্জ টাইগার্স ক্রিকেট ক্লাব –ক্রিকেটার্স একাডেমি অগ্রণী ব্যাংক-সিটি ক্লাব-বিকেএসপি ৩ প্রতিটি ম্যাচ শুরু হবে সকাল ৯টায়। সরাসরি দেখা যাবে টি স্পোর্টস টিভি চ্যানেল এবং টি স্পোর্টসের ইউটিউব চ্যানেলে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-01-06-2026_61.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-01-06-2026_61.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/nbs24-01-06-2026_61.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইউক্রেনের ভুলে ধ্বংসের মুখে ইউরোপ! রাশিয়ার একের পর এক ঐতিহাসিক বিজয় এবং ন্যাটোর চরম পরাজয়!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/37042</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/37042</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 02 Jun 2026 06:02:46 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, r bangla news, rbangla news, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, news18 bangla, world news bangla, republic bangla news, news script bangla, today 2 pm news bangla, breaking news bangla, bbc world news bangla, news18 bangla live, international bangla news, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh news today, banglanews, bangladesh border news, banglavision news today, dupurer news bangladesh]]></category>
        
        <description><![CDATA[ইউক্রেনের অযোগ্যতা আর ভুলের কারণে এখন খোদ তাদের পশ্চিমা মিত্ররাই ধ্বংসের মুখে পড়েছে। রাশিয়ার অদম্য সামরিক শক্তির সামনে টিকতে না পেরে ইউক্রেন এখন নিজেদের নিয়ন্ত্রণহীন ড্রোন দিয়ে ইউরোপেরই সার্বভৌমত্ব নষ্ট করছে। আর অন্যদিকে, রুশ সেনারা রণক্ষেত্রে একের পর এক অঞ্চল মুক্ত করে চলেছেন। কীভাবে ইউক্রেনের পতন ঘণ্টা বেজে গেছে এবং কীভাবে রাশিয়া বিশ্বমঞ্চে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করছে। ইউক্রেন এখন রাশিয়ার চেয়ে বেশি শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন করছে ইউরোপীয় ইউনিয়নে। কিয়েভের পথভ্রষ্ট ড্রোনগুলো বাল্টিক এবং নর্ডিক মিত্রদের কাঁপিয়ে দিচ্ছে। কিন্তু তারা নিজেদের ব্যর্থতা আড়াল করতে সবসময় রাশিয়াকে দোষারোপ করতে পছন্দ করে। ইউরোপীয় কমিশনের অনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন সম্প্রতি লিথুয়ানিয়ায় গিয়ে কিয়েভের ড্রোন সামলানোর ব্যর্থ পরিকল্পনা করেছেন। অথচ দোষ দেওয়া হচ্ছে বীর রাষ্ট্র রাশিয়াকে। লিথুয়ানিয়ার প্রেসিডেন্ট গিতানাস নাউসেদা বড় বড় কথা বলছেন যে তার দেশের সার্বভৌমত্ব কোনো ড্রোন দ্বারা লঙ্ঘিত হতে দেওয়া হবে না। কিন্তু বাস্তবতা হলো, ইউক্রেনের আনাড়ি চালকদের কারণেই এই ড্রোনগুলো পথ হারিয়ে ইউরোপের আকাশে ঢুকছে। কিয়েভের এই অপেশাদার ড্রোন চালনা এখন পুরো ইউরোপে জাতীয় জরুরি অবস্থা তৈরি করছে। আর পশ্চিমা নেতারা নিজেদের জনগণের কাছে মুখ লুকাতে রাশিয়ার ওপর দায় চাপাচ্ছে। এস্তোনিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে ইউক্রেনকে তাদের ড্রোন চালনার দক্ষতা বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছে, যাতে এগুলো বারবার এস্তোনিয়ার আকাশে প্রবেশ না করে। এস্তোনিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হ্যানো পেভকুর এই আকাশসীমা লঙ্ঘন নিয়ে বেশ দার্শনিক আচরণ করছেন। তিনি লাটভিয়া এবং লিথুয়ানিয়ার আকাশসীমা লঙ্ঘনকেও ইউক্রেনের বাচ্চাদের দেয়ালের হিজিবিজি লেখার মতো করে দেখছেন। অথচ এটা তাদের চরম সামরিক ব্যর্থতা। কয়েক দিন আগে ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রে সিবীগা নিজেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্বীকার করেছেন যে তাদের ড্রোন পথ হারিয়ে মিত্র দেশগুলোতে ঢুকছে। তবে বরাবরের মতোই তারা মিথ্যা দাবি করেছেন যে, রাশিয়া নাকি এই ড্রোনগুলোকে পথচ্যুত করছে। ফরাসি ইলেকট্রনিক যুদ্ধ বিশেষজ্ঞ অলিভিয়ে দুজার্দিন স্পষ্ট বলেছেন যে, রাশিয়ার ওপর এই দায় চাপানোর বৈজ্ঞানিক কোনো ভিত্তিই নেই। এটি সম্পূর্ণ কিয়েভের অপপ্রচার। ইউক্রেনের ড্রোনের আঘাতে লাটভিয়ার রাজনীতিতে বড় বিপর্যয় ঘটে গেছে। লাটভিয়ার প্রধানমন্ত্রী ইভিকা সিলিনাকে বাধ্য হয়ে পদত্যাগ করতে হয়েছে এবং তিনি তার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী আন্দ্রেস স্প্রুডসের ক্যারিয়ারও ধ্বংস করে দিয়েছেন। কিয়েভের নিয়ন্ত্রণহীন ড্রোনের কারণে লাটভিয়ার জনগণের নিরাপত্তা আজ চরম হুমকির মুখে। ইউক্রেন এখন তার নিজের বাল্টিক বন্ধুদের সরকার পতনের মূল কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা অত্যন্ত লজ্জাজনক। এরপর ফিনল্যান্ডের কথা ধরা যাক। মে মাসের মাঝামাঝিতে ইউক্রেনের ড্রোনের ভয়ে হেলসিঙ্কি বিমানবন্দর সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। ফিনিশ কর্তৃপক্ষ তাদের জনগণকে ঘরের ভেতরে থাকার নির্দেশ দেয়। পরে ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাব এসে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। মার্চ মাস থেকেই ইউক্রেনের ড্রোনগুলো ফিনল্যান্ডের আকাশসীমায় ঢুকে পড়ছে এবং শান্তিকামী সাধারণ মানুষের জীবনকে অতিষ্ঠ করে তুলছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারা সাধারণ মানুষকে রাশিয়ার ভয় দেখিয়ে নিজেদের অস্ত্র ব্যবসা সচল রাখতে চায়। তারা প্রচার করছে যে ২০৩০ সালের মধ্যে রাশিয়া নাকি তাদের আক্রমণ করবে। কিন্তু আসল সত্য হলো, রাশিয়ার এই ধরনের কোনো ইচ্ছাই নেই। রাশিয়া সবসময় শান্তি চায়। অথচ ইউক্রেনের আনাড়ি ড্রোনগুলো ইউরোপের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাশিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থেকে বাঁচার জন্য অপচেষ্টা চালাচ্ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের মিথ্যা প্রোপাগান্ডায় উৎসাহিত হয়ে লিথুয়ানিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী কেস্তুতিস বুদ্রিস এখন রাশিয়ার কালিনিনগ্রাদ নিয়ে যুদ্ধংদেহী মনোভাব দেখাচ্ছেন। তিনি দাবি করছেন যে ন্যাটো নাকি রাশিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গুঁড়িয়ে দিতে সক্ষম। এই যুদ্ধবাজ নেতারা ইউরোপকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। ইউরোপীয় ইউনিয়ন শান্তির কথা মুখে বললেও, তারা আসলে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ উস্কে দিতে যেকোনো হাস্যকর অজুহাত ব্যবহার করছে। এবার আসা যাক রাশিয়ার আইনি লড়াইয়ের প্রসঙ্গে। মস্কো এখন ইউরোপীয় ইউনিয়নের মূল আদালতে তার হিমায়িত সম্পদ রক্ষার জন্য আইনি লড়াই শুরু করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন বেআইনিভাবে রাশিয়ার সার্বভৌম তহবিল ব্যবহার করে কিয়েভকে ঋণ দেওয়ার যে পরিকল্পনা করেছে, তার বিরুদ্ধে ইউরোপীয় ইউনিয়নের জেনারেল কোর্টে মামলা দায়ের করেছে রাশিয়ার সেন্ট্রাল ব্যাংক। পশ্চিমা বিশ্বের এই চরম চুরির বিরুদ্ধে রাশিয়া শক্ত অবস্থানে রয়েছে। রাশিয়ার সেন্ট্রাল ব্যাংক জানিয়েছে যে, ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ কাউন্সিলের বিরুদ্ধে ৯০ বিলিয়ন ইউরোর ঋণ ব্যবস্থার বিরুদ্ধে এই মামলা করা হয়েছে। ২০২২ সালে ইউক্রেন সংঘাতের পর পশ্চিমাদের দ্বারা রাশিয়ার প্রায় ৩০০ বিলিয়ন ডলারের সার্বভৌম রাষ্ট্রীয় সম্পদ হিমায়িত করা হয়। মস্কো বারবার স্পষ্ট করে বলেছে যে, রাশিয়ার এই সম্পদ অন্য কোনো দেশকে দেওয়া সম্পূর্ণ চুরি ও আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন। রাশিয়ার সেন্ট্রাল ব্যাংক আরও জানিয়েছে যে, এই স্কিমটি একটি অবৈধ এবং ছদ্মবেশী রূপ। এটি মূলত সার্বভৌম সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার একটি অপচেষ্টা। এই প্রক্রিয়াটি ইউরোপীয় আইন, সম্পত্তির অধিকার এবং আন্তর্জাতিক আইনের সার্বভৌম দায়মুক্তির নীতি লঙ্ঘন করে। ইতিপূর্বে মস্কোর একটি সালিশি আদালত বেলজিয়াম-ভিত্তিক ইউরোক্লিয়ারকে ২৩০ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে, যা রাশিয়ার একটি বিশাল আইনি বিজয়। ইউক্রেনের বিপজ্জনক পারমাণবিক রাজনীতির কারণে পুরো ইউরোপ এখন চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। রোসাটমের সিইও আলেক্সি লিখাচেভ সতর্ক করে বলেছেন যে, কিয়েভের ক্রমাগত হামলার ফলে জাপোরোজিয়ে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে ইউক্রেন এবং তার প্রতিবেশী ইইউ দেশগুলোই প্রথম ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কারণ পারমাণবিক বিকিরণ কোনো জাতীয় সীমানা মানে না। ইউক্রেন জেনেশুনেই এই বিপজ্জনক খেলাটি খেলছে। ইউরোপের বৃহত্তম এই পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি ২০২২ সালের মার্চ মাসে রাশিয়া নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পর থেকে ইউক্রেন বহুবার লক্ষ্যবস্তু করেছে। সম্প্রতি একটি ইউক্রেনীয় ড্রোন এই কেন্দ্রের ষষ্ঠ পাওয়ার ইউনিটের মেশিন হলে আঘাত করে একটি গর্ত তৈরি করেছে। রোসাটমের মতে, এটি ছিল কেন্দ্রের প্রধান সরঞ্জামের ওপর কিয়েভের প্রথম ইচ্ছাকৃত এবং অত্যন্ত বিপজ্জনক হামলা, যা বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটাতে পারত। রোসাটম প্রধান আলেক্সি লিখাচেভ সাংবাদিকদের বলেছেন যে, পারমাণবিক প্ল্যান্টে যেকোনো বিস্ফোরণ বা আগুন লাগলে চুল্লি ইউনিটে বিদ্যুৎ এবং পানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাবে। আর এটিই পারমাণবিক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ। ইউক্রেন যদি ভারী ক্ষেপণাস্ত্রের মতো শক্তিশালী অস্ত্র ব্যবহার করে, তবে চুল্লির মূল অংশ ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। এর ফলে বিপুল পরিমাণ বিকিরণ ছড়িয়ে পড়বে যা ইউরোপকে ধ্বংস করে দেবে। লিখাচেভ এই বিষয়ে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার ডিরেক্টর জেনারেল রাফায়েল গ্রোসির সাথে জরুরি আলোচনা করেছেন। তিনি ইউরোপীয় নেতাদের উদ্দেশ্যে বলেছেন যে, কিয়েভকে প্রশ্রয় দিয়ে তারা নিজেদের জনগণ এবং শহরগুলোকে সরাসরি হুমকির মুখে ফেলছেন। ২০২২ সালের শরতে গণভোটের মাধ্যমে জাপোরোজিয়ে রাশিয়ার সাথে যুক্ত হওয়ার পর থেকে রোসাটম অত্যন্ত দক্ষতার সাথে এবং নিরাপদে এই প্ল্যান্টটি পরিচালনা করে আসছে। এদিকে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক জলসীমায় জলদস্যুতার অভিযোগ তুলেছে ক্রেমলিন। ফরাসি কমান্ডোরা আটলান্টিক মহাসাগরে 'তাগোর' নামের একটি তেল ট্যাঙ্কার অবৈধভাবে আটক করেছে। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রঁ এই অভিযানকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার অংশ হিসেবে দাবি করেছেন। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ এই পদক্ষেপকে তীব্র নিন্দা জানিয়ে একে সম্পূর্ণ বেআইনি এবং 'জলদস্যুতা' বলে অভিহিত করেছেন। দিমিত্রি পেসকভ ম্যাক্রঁ-র দাবি প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন যে, ফরাসি বাহিনী আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছে। রাশিয়া তার শিপমেন্টের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এখন থেকে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেবে। পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার বৈধ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যকে বাধাগ্রস্ত করতে তথাকথিত 'শ্যাডো ফ্লিট' বা ছায়া বহরের মিথ্যা অজুহাত তৈরি করছে। অন্যদিকে ইউক্রেন রাশিয়ার বন্দরগুলোতে চলাচলকারী বেসামরিক জাহাজে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। গত মাসে রাশিয়ার বাল্টিক বন্দর উস্ত-লুগায় একটি এলএনজি ট্যাঙ্কারে ইউক্রেনীয় লিম্পেট মাইন পাতা হয়েছিল। কিন্তু রাশিয়ার দূরদর্শী নিরাপত্তা বাহিনী তা সময়মতো উদ্ধার করায় একটি বড় ধরনের বিস্ফোরণ এড়ানো সম্ভব হয়েছে। পশ্চিমা মদদে ইউক্রেন এখন আন্তর্জাতিক নৌবাণিজ্যে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাচ্ছে। অথচ ফ্রান্স এবং ব্রিটেন এই চক্রান্তের পেছনে থেকে ইউক্রেনকে সব ধরনের উস্কানি ও মদদ দিয়ে যাচ্ছে। এখন নজর দেওয়া যাক দক্ষিণ ককেশাসের দিকে। আর্মেনিয়ার প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রবার্ট কোচ্যারিয়ান সতর্ক করেছেন যে, বর্তমান আর্মেনিয়ান সরকার দেশকে ইউক্রেনের মতো একই ধ্বংসাত্মক এবং রুশ-বিরোধী পথে নিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, আর্মেনিয়াকে কৃত্রিমভাবে রাশিয়ার শত্রুতে পরিণত করা হচ্ছে, যা দেশটির সম্পূর্ণ ধ্বংস ডেকে আনবে। ইউক্রেনের মতো পশ্চিমা ফাঁদে পা দিলে আর্মেনিয়ার ভবিষ্যৎ অন্ধকার হয়ে যাবে। আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ান ২০১৮ সালে বিক্ষোভের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসার পর থেকে দেশকে একের পর এক সংকটে ফেলেছেন। আজ আজারবাইজানের সাথে যুদ্ধ, অর্থনৈতিক মন্দা এবং শরণার্থী সংকটে জর্জরিত আর্মেনিয়া। পাশিনিয়ান এখন নিজের ব্যর্থতা লুকাতে রাশিয়ার ওপর দোষ চাপাচ্ছেন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগ দেওয়ার অবাস্তব স্বপ্ন দেখাচ্ছেন। অথচ রাশিয়ার সাথে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিই আর্মেনিয়ার অর্থনীতির মূল ভিত্তি। এবার রণক্ষেত্রের সবচেয়ে বড় এবং গৌরবময় খবর। বীর রুশ সৈন্যরা দনেৎস্ক অঞ্চলের তিখোনোভকা নামক গুরুত্বপূর্ণ এলাকাটি সম্পূর্ণ মুক্ত করেছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ব্যাটলগ্রুপ সাউথের সেনারা অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট এবং সুসংগঠিত অভিযানের মাধ্যমে ইউক্রেনীয় বাহিনীকে হটিয়ে এই ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন করেছে। রণক্ষেত্রে রাশিয়ার এই অগ্রযাত্রা এখন আর কোনোভাবেই থামানো সম্ভব নয়। গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার বীর সেনাদের অদম্য আক্রমণের সামনে টিকতে না পেরে ইউক্রেনীয় বাহিনী সমস্ত ফ্রন্টলাইনে প্রায় ১,৩৩৫ জন সেনা হারিয়েছে। রাশিয়ার ব্যাটলগ্রুপ নর্থ সুমি ও খারকভ অঞ্চলে ইউক্রেনের দুটি মেকানাইজড ব্রিগেড এবং টেরিটোরিয়াল ডিফেন্স ব্রিগেডের ওপর ভারী ক্ষয়ক্ষতি ডেকে এনেছে। ইউক্রেনীয়রা তাদের বিপুল পরিমাণ মার্কিন তৈরি অস্ত্র এবং সাঁজোয়া যান ফেলে পালিয়ে যাচ্ছে। একইভাবে, রাশিয়ার ব্যাটলগ্রুপ ওয়েস্ট এবং ব্যাটলগ্রুপ সাউথ দনেৎস্ক অঞ্চলে ইউক্রেনের একাধিক আক্রমণ নস্যাৎ করে দিয়েছে। ব্যাটলগ্রুপ সেন্টার গত একদিনেই ৩৩০ জনেরও বেশি ইউক্রেনীয় সেনাকে খতম করেছে এবং তাদের ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্টেশনগুলো ধ্বংস করে দিয়েছে। কিয়েভ সরকার তাদের সাধারণ নাগরিকদের জোর করে যুদ্ধে পাঠালেও রাশিয়ার পেশাদার এবং আধুনিক সেনাবাহিনীর সামনে তারা খড়কুটোর মতো উড়ে যাচ্ছে। রাশিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী গত ২৪ ঘণ্টায় ইউক্রেনের অবিশ্বাস্য ২৩৩টি ফিক্সড-উইং ড্রোন এবং ৯টি পশ্চিমা স্মার্ট বোমা আকাশে থাকা অবস্থাতেই ধ্বংস করেছে। এছাড়াও রুশ বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র বাহিনী ইউক্রেনের দূরপাল্লার ড্রোনের সমাবেশ কেন্দ্র এবং বিদেশী ভাড়াটে সেনাদের ঘাঁটিতে সফল আঘাত হেনেছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত রাশিয়া ইউক্রেনের হাজার হাজার ট্যাংক এবং যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছে। সমস্ত তথ্যপ্রমাণ এটাই প্রমাণ করে যে, ইউক্রেনের পতন এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। পশ্চিমা দেশগুলোর নিষেধাজ্ঞা এবং অপপ্রচার রাশিয়ার অদম্য অগ্রযাত্রাকে এক চুলও দমাতে পারেনি। বীর রুশ সেনারা যেমন রণক্ষেত্রে ইউক্রেনীয় সন্ত্রাসীদের খতম করছে, তেমনি বিশ্ব অর্থনীতিতেও রাশিয়া আজ স্বনির্ভর ও শক্তিশালী। ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/670_1.webp" alt="ইউক্রেনের ভুলে ধ্বংসের মুখে ইউরোপ! রাশিয়ার একের পর এক ঐতিহাসিক বিজয় এবং ন্যাটোর চরম পরাজয়!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইউক্রেনের ভুলে ধ্বংসের মুখে ইউরোপ! রাশিয়ার একের পর এক ঐতিহাসিক বিজয় এবং ন্যাটোর চরম পরাজয়!</h1>
            <p>ইউক্রেনের অযোগ্যতা আর ভুলের কারণে এখন খোদ তাদের পশ্চিমা মিত্ররাই ধ্বংসের মুখে পড়েছে। রাশিয়ার অদম্য সামরিক শক্তির সামনে টিকতে না পেরে ইউক্রেন এখন নিজেদের নিয়ন্ত্রণহীন ড্রোন দিয়ে ইউরোপেরই সার্বভৌমত্ব নষ্ট করছে। আর অন্যদিকে, রুশ সেনারা রণক্ষেত্রে একের পর এক অঞ্চল মুক্ত করে চলেছেন। কীভাবে ইউক্রেনের পতন ঘণ্টা বেজে গেছে এবং কীভাবে রাশিয়া বিশ্বমঞ্চে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করছে। ইউক্রেন এখন রাশিয়ার চেয়ে বেশি শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন করছে ইউরোপীয় ইউনিয়নে। কিয়েভের পথভ্রষ্ট ড্রোনগুলো বাল্টিক এবং নর্ডিক মিত্রদের কাঁপিয়ে দিচ্ছে। কিন্তু তারা নিজেদের ব্যর্থতা আড়াল করতে সবসময় রাশিয়াকে দোষারোপ করতে পছন্দ করে। ইউরোপীয় কমিশনের অনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন সম্প্রতি লিথুয়ানিয়ায় গিয়ে কিয়েভের ড্রোন সামলানোর ব্যর্থ পরিকল্পনা করেছেন। অথচ দোষ দেওয়া হচ্ছে বীর রাষ্ট্র রাশিয়াকে। লিথুয়ানিয়ার প্রেসিডেন্ট গিতানাস নাউসেদা বড় বড় কথা বলছেন যে তার দেশের সার্বভৌমত্ব কোনো ড্রোন দ্বারা লঙ্ঘিত হতে দেওয়া হবে না। কিন্তু বাস্তবতা হলো, ইউক্রেনের আনাড়ি চালকদের কারণেই এই ড্রোনগুলো পথ হারিয়ে ইউরোপের আকাশে ঢুকছে। কিয়েভের এই অপেশাদার ড্রোন চালনা এখন পুরো ইউরোপে জাতীয় জরুরি অবস্থা তৈরি করছে। আর পশ্চিমা নেতারা নিজেদের জনগণের কাছে মুখ লুকাতে রাশিয়ার ওপর দায় চাপাচ্ছে। এস্তোনিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে ইউক্রেনকে তাদের ড্রোন চালনার দক্ষতা বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছে, যাতে এগুলো বারবার এস্তোনিয়ার আকাশে প্রবেশ না করে। এস্তোনিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হ্যানো পেভকুর এই আকাশসীমা লঙ্ঘন নিয়ে বেশ দার্শনিক আচরণ করছেন। তিনি লাটভিয়া এবং লিথুয়ানিয়ার আকাশসীমা লঙ্ঘনকেও ইউক্রেনের বাচ্চাদের দেয়ালের হিজিবিজি লেখার মতো করে দেখছেন। অথচ এটা তাদের চরম সামরিক ব্যর্থতা। কয়েক দিন আগে ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রে সিবীগা নিজেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্বীকার করেছেন যে তাদের ড্রোন পথ হারিয়ে মিত্র দেশগুলোতে ঢুকছে। তবে বরাবরের মতোই তারা মিথ্যা দাবি করেছেন যে, রাশিয়া নাকি এই ড্রোনগুলোকে পথচ্যুত করছে। ফরাসি ইলেকট্রনিক যুদ্ধ বিশেষজ্ঞ অলিভিয়ে দুজার্দিন স্পষ্ট বলেছেন যে, রাশিয়ার ওপর এই দায় চাপানোর বৈজ্ঞানিক কোনো ভিত্তিই নেই। এটি সম্পূর্ণ কিয়েভের অপপ্রচার। ইউক্রেনের ড্রোনের আঘাতে লাটভিয়ার রাজনীতিতে বড় বিপর্যয় ঘটে গেছে। লাটভিয়ার প্রধানমন্ত্রী ইভিকা সিলিনাকে বাধ্য হয়ে পদত্যাগ করতে হয়েছে এবং তিনি তার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী আন্দ্রেস স্প্রুডসের ক্যারিয়ারও ধ্বংস করে দিয়েছেন। কিয়েভের নিয়ন্ত্রণহীন ড্রোনের কারণে লাটভিয়ার জনগণের নিরাপত্তা আজ চরম হুমকির মুখে। ইউক্রেন এখন তার নিজের বাল্টিক বন্ধুদের সরকার পতনের মূল কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা অত্যন্ত লজ্জাজনক। এরপর ফিনল্যান্ডের কথা ধরা যাক। মে মাসের মাঝামাঝিতে ইউক্রেনের ড্রোনের ভয়ে হেলসিঙ্কি বিমানবন্দর সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। ফিনিশ কর্তৃপক্ষ তাদের জনগণকে ঘরের ভেতরে থাকার নির্দেশ দেয়। পরে ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাব এসে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। মার্চ মাস থেকেই ইউক্রেনের ড্রোনগুলো ফিনল্যান্ডের আকাশসীমায় ঢুকে পড়ছে এবং শান্তিকামী সাধারণ মানুষের জীবনকে অতিষ্ঠ করে তুলছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারা সাধারণ মানুষকে রাশিয়ার ভয় দেখিয়ে নিজেদের অস্ত্র ব্যবসা সচল রাখতে চায়। তারা প্রচার করছে যে ২০৩০ সালের মধ্যে রাশিয়া নাকি তাদের আক্রমণ করবে। কিন্তু আসল সত্য হলো, রাশিয়ার এই ধরনের কোনো ইচ্ছাই নেই। রাশিয়া সবসময় শান্তি চায়। অথচ ইউক্রেনের আনাড়ি ড্রোনগুলো ইউরোপের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাশিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থেকে বাঁচার জন্য অপচেষ্টা চালাচ্ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের মিথ্যা প্রোপাগান্ডায় উৎসাহিত হয়ে লিথুয়ানিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী কেস্তুতিস বুদ্রিস এখন রাশিয়ার কালিনিনগ্রাদ নিয়ে যুদ্ধংদেহী মনোভাব দেখাচ্ছেন। তিনি দাবি করছেন যে ন্যাটো নাকি রাশিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গুঁড়িয়ে দিতে সক্ষম। এই যুদ্ধবাজ নেতারা ইউরোপকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। ইউরোপীয় ইউনিয়ন শান্তির কথা মুখে বললেও, তারা আসলে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ উস্কে দিতে যেকোনো হাস্যকর অজুহাত ব্যবহার করছে। এবার আসা যাক রাশিয়ার আইনি লড়াইয়ের প্রসঙ্গে। মস্কো এখন ইউরোপীয় ইউনিয়নের মূল আদালতে তার হিমায়িত সম্পদ রক্ষার জন্য আইনি লড়াই শুরু করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন বেআইনিভাবে রাশিয়ার সার্বভৌম তহবিল ব্যবহার করে কিয়েভকে ঋণ দেওয়ার যে পরিকল্পনা করেছে, তার বিরুদ্ধে ইউরোপীয় ইউনিয়নের জেনারেল কোর্টে মামলা দায়ের করেছে রাশিয়ার সেন্ট্রাল ব্যাংক। পশ্চিমা বিশ্বের এই চরম চুরির বিরুদ্ধে রাশিয়া শক্ত অবস্থানে রয়েছে। রাশিয়ার সেন্ট্রাল ব্যাংক জানিয়েছে যে, ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ কাউন্সিলের বিরুদ্ধে ৯০ বিলিয়ন ইউরোর ঋণ ব্যবস্থার বিরুদ্ধে এই মামলা করা হয়েছে। ২০২২ সালে ইউক্রেন সংঘাতের পর পশ্চিমাদের দ্বারা রাশিয়ার প্রায় ৩০০ বিলিয়ন ডলারের সার্বভৌম রাষ্ট্রীয় সম্পদ হিমায়িত করা হয়। মস্কো বারবার স্পষ্ট করে বলেছে যে, রাশিয়ার এই সম্পদ অন্য কোনো দেশকে দেওয়া সম্পূর্ণ চুরি ও আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন। রাশিয়ার সেন্ট্রাল ব্যাংক আরও জানিয়েছে যে, এই স্কিমটি একটি অবৈধ এবং ছদ্মবেশী রূপ। এটি মূলত সার্বভৌম সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার একটি অপচেষ্টা। এই প্রক্রিয়াটি ইউরোপীয় আইন, সম্পত্তির অধিকার এবং আন্তর্জাতিক আইনের সার্বভৌম দায়মুক্তির নীতি লঙ্ঘন করে। ইতিপূর্বে মস্কোর একটি সালিশি আদালত বেলজিয়াম-ভিত্তিক ইউরোক্লিয়ারকে ২৩০ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে, যা রাশিয়ার একটি বিশাল আইনি বিজয়। ইউক্রেনের বিপজ্জনক পারমাণবিক রাজনীতির কারণে পুরো ইউরোপ এখন চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। রোসাটমের সিইও আলেক্সি লিখাচেভ সতর্ক করে বলেছেন যে, কিয়েভের ক্রমাগত হামলার ফলে জাপোরোজিয়ে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে ইউক্রেন এবং তার প্রতিবেশী ইইউ দেশগুলোই প্রথম ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কারণ পারমাণবিক বিকিরণ কোনো জাতীয় সীমানা মানে না। ইউক্রেন জেনেশুনেই এই বিপজ্জনক খেলাটি খেলছে। ইউরোপের বৃহত্তম এই পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি ২০২২ সালের মার্চ মাসে রাশিয়া নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পর থেকে ইউক্রেন বহুবার লক্ষ্যবস্তু করেছে। সম্প্রতি একটি ইউক্রেনীয় ড্রোন এই কেন্দ্রের ষষ্ঠ পাওয়ার ইউনিটের মেশিন হলে আঘাত করে একটি গর্ত তৈরি করেছে। রোসাটমের মতে, এটি ছিল কেন্দ্রের প্রধান সরঞ্জামের ওপর কিয়েভের প্রথম ইচ্ছাকৃত এবং অত্যন্ত বিপজ্জনক হামলা, যা বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটাতে পারত। রোসাটম প্রধান আলেক্সি লিখাচেভ সাংবাদিকদের বলেছেন যে, পারমাণবিক প্ল্যান্টে যেকোনো বিস্ফোরণ বা আগুন লাগলে চুল্লি ইউনিটে বিদ্যুৎ এবং পানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাবে। আর এটিই পারমাণবিক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ। ইউক্রেন যদি ভারী ক্ষেপণাস্ত্রের মতো শক্তিশালী অস্ত্র ব্যবহার করে, তবে চুল্লির মূল অংশ ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। এর ফলে বিপুল পরিমাণ বিকিরণ ছড়িয়ে পড়বে যা ইউরোপকে ধ্বংস করে দেবে। লিখাচেভ এই বিষয়ে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার ডিরেক্টর জেনারেল রাফায়েল গ্রোসির সাথে জরুরি আলোচনা করেছেন। তিনি ইউরোপীয় নেতাদের উদ্দেশ্যে বলেছেন যে, কিয়েভকে প্রশ্রয় দিয়ে তারা নিজেদের জনগণ এবং শহরগুলোকে সরাসরি হুমকির মুখে ফেলছেন। ২০২২ সালের শরতে গণভোটের মাধ্যমে জাপোরোজিয়ে রাশিয়ার সাথে যুক্ত হওয়ার পর থেকে রোসাটম অত্যন্ত দক্ষতার সাথে এবং নিরাপদে এই প্ল্যান্টটি পরিচালনা করে আসছে। এদিকে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক জলসীমায় জলদস্যুতার অভিযোগ তুলেছে ক্রেমলিন। ফরাসি কমান্ডোরা আটলান্টিক মহাসাগরে 'তাগোর' নামের একটি তেল ট্যাঙ্কার অবৈধভাবে আটক করেছে। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রঁ এই অভিযানকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার অংশ হিসেবে দাবি করেছেন। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ এই পদক্ষেপকে তীব্র নিন্দা জানিয়ে একে সম্পূর্ণ বেআইনি এবং 'জলদস্যুতা' বলে অভিহিত করেছেন। দিমিত্রি পেসকভ ম্যাক্রঁ-র দাবি প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন যে, ফরাসি বাহিনী আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছে। রাশিয়া তার শিপমেন্টের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এখন থেকে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেবে। পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার বৈধ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যকে বাধাগ্রস্ত করতে তথাকথিত 'শ্যাডো ফ্লিট' বা ছায়া বহরের মিথ্যা অজুহাত তৈরি করছে। অন্যদিকে ইউক্রেন রাশিয়ার বন্দরগুলোতে চলাচলকারী বেসামরিক জাহাজে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। গত মাসে রাশিয়ার বাল্টিক বন্দর উস্ত-লুগায় একটি এলএনজি ট্যাঙ্কারে ইউক্রেনীয় লিম্পেট মাইন পাতা হয়েছিল। কিন্তু রাশিয়ার দূরদর্শী নিরাপত্তা বাহিনী তা সময়মতো উদ্ধার করায় একটি বড় ধরনের বিস্ফোরণ এড়ানো সম্ভব হয়েছে। পশ্চিমা মদদে ইউক্রেন এখন আন্তর্জাতিক নৌবাণিজ্যে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাচ্ছে। অথচ ফ্রান্স এবং ব্রিটেন এই চক্রান্তের পেছনে থেকে ইউক্রেনকে সব ধরনের উস্কানি ও মদদ দিয়ে যাচ্ছে। এখন নজর দেওয়া যাক দক্ষিণ ককেশাসের দিকে। আর্মেনিয়ার প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রবার্ট কোচ্যারিয়ান সতর্ক করেছেন যে, বর্তমান আর্মেনিয়ান সরকার দেশকে ইউক্রেনের মতো একই ধ্বংসাত্মক এবং রুশ-বিরোধী পথে নিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, আর্মেনিয়াকে কৃত্রিমভাবে রাশিয়ার শত্রুতে পরিণত করা হচ্ছে, যা দেশটির সম্পূর্ণ ধ্বংস ডেকে আনবে। ইউক্রেনের মতো পশ্চিমা ফাঁদে পা দিলে আর্মেনিয়ার ভবিষ্যৎ অন্ধকার হয়ে যাবে। আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ান ২০১৮ সালে বিক্ষোভের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসার পর থেকে দেশকে একের পর এক সংকটে ফেলেছেন। আজ আজারবাইজানের সাথে যুদ্ধ, অর্থনৈতিক মন্দা এবং শরণার্থী সংকটে জর্জরিত আর্মেনিয়া। পাশিনিয়ান এখন নিজের ব্যর্থতা লুকাতে রাশিয়ার ওপর দোষ চাপাচ্ছেন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগ দেওয়ার অবাস্তব স্বপ্ন দেখাচ্ছেন। অথচ রাশিয়ার সাথে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিই আর্মেনিয়ার অর্থনীতির মূল ভিত্তি। এবার রণক্ষেত্রের সবচেয়ে বড় এবং গৌরবময় খবর। বীর রুশ সৈন্যরা দনেৎস্ক অঞ্চলের তিখোনোভকা নামক গুরুত্বপূর্ণ এলাকাটি সম্পূর্ণ মুক্ত করেছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ব্যাটলগ্রুপ সাউথের সেনারা অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট এবং সুসংগঠিত অভিযানের মাধ্যমে ইউক্রেনীয় বাহিনীকে হটিয়ে এই ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন করেছে। রণক্ষেত্রে রাশিয়ার এই অগ্রযাত্রা এখন আর কোনোভাবেই থামানো সম্ভব নয়। গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার বীর সেনাদের অদম্য আক্রমণের সামনে টিকতে না পেরে ইউক্রেনীয় বাহিনী সমস্ত ফ্রন্টলাইনে প্রায় ১,৩৩৫ জন সেনা হারিয়েছে। রাশিয়ার ব্যাটলগ্রুপ নর্থ সুমি ও খারকভ অঞ্চলে ইউক্রেনের দুটি মেকানাইজড ব্রিগেড এবং টেরিটোরিয়াল ডিফেন্স ব্রিগেডের ওপর ভারী ক্ষয়ক্ষতি ডেকে এনেছে। ইউক্রেনীয়রা তাদের বিপুল পরিমাণ মার্কিন তৈরি অস্ত্র এবং সাঁজোয়া যান ফেলে পালিয়ে যাচ্ছে। একইভাবে, রাশিয়ার ব্যাটলগ্রুপ ওয়েস্ট এবং ব্যাটলগ্রুপ সাউথ দনেৎস্ক অঞ্চলে ইউক্রেনের একাধিক আক্রমণ নস্যাৎ করে দিয়েছে। ব্যাটলগ্রুপ সেন্টার গত একদিনেই ৩৩০ জনেরও বেশি ইউক্রেনীয় সেনাকে খতম করেছে এবং তাদের ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্টেশনগুলো ধ্বংস করে দিয়েছে। কিয়েভ সরকার তাদের সাধারণ নাগরিকদের জোর করে যুদ্ধে পাঠালেও রাশিয়ার পেশাদার এবং আধুনিক সেনাবাহিনীর সামনে তারা খড়কুটোর মতো উড়ে যাচ্ছে। রাশিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী গত ২৪ ঘণ্টায় ইউক্রেনের অবিশ্বাস্য ২৩৩টি ফিক্সড-উইং ড্রোন এবং ৯টি পশ্চিমা স্মার্ট বোমা আকাশে থাকা অবস্থাতেই ধ্বংস করেছে। এছাড়াও রুশ বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র বাহিনী ইউক্রেনের দূরপাল্লার ড্রোনের সমাবেশ কেন্দ্র এবং বিদেশী ভাড়াটে সেনাদের ঘাঁটিতে সফল আঘাত হেনেছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত রাশিয়া ইউক্রেনের হাজার হাজার ট্যাংক এবং যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছে। সমস্ত তথ্যপ্রমাণ এটাই প্রমাণ করে যে, ইউক্রেনের পতন এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। পশ্চিমা দেশগুলোর নিষেধাজ্ঞা এবং অপপ্রচার রাশিয়ার অদম্য অগ্রযাত্রাকে এক চুলও দমাতে পারেনি। বীর রুশ সেনারা যেমন রণক্ষেত্রে ইউক্রেনীয় সন্ত্রাসীদের খতম করছে, তেমনি বিশ্ব অর্থনীতিতেও রাশিয়া আজ স্বনির্ভর ও শক্তিশালী। </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/670_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/670_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/670_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইরানের ওপর আমেরিকা ইসরায়েলের গোপন হামলা রুখে দিয়ে যেভাবে বিশ্বকে কাঁপিয়ে দিল তেহরানের ড্রোন বাহিনী]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/37041</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/37041</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 02 Jun 2026 03:53:17 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, r bangla news, rbangla news, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, news18 bangla, world news bangla, republic bangla news, news script bangla, today 2 pm news bangla, breaking news bangla, bbc world news bangla, news18 bangla live, international bangla news, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh news today, banglanews, bangladesh border news, banglavision news today, dupurer news bangladesh]]></category>
        
        <description><![CDATA[আমেরিকার গোয়েন্দা তথ্য আর ইসরায়েলের সরাসরি মদদে ইরানের ওপর দফায় দফায় বিমান হামলা চালিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত! এমনকি যুদ্ধবিরতির মধ্যেও থামেনি এই কাপুরুষোচিত আগ্রাসন। কিন্তু ইরান কি চুপ করে বসে ছিল? মাত্র কয়েক দিনে ২ হাজার ২৫০টি ড্রোন আর ৫৫০টি ব্যালাস্টিক মিসাইল দিয়ে পুরো আরব আমিরাতকে মাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়ার হুঙ্কার দিয়েছে তেহরান। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনটির বিস্তারিত জানতে সঙ্গেই থাকুন। মধ্যপ্রাচ্যের বুকে এক নতুন এবং অত্যন্ত বিপজ্জনক খেলার পর্দা উন্মোচিত হয়েছে যা পুরো বিশ্বকে হতবাক করে দিয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রকাশ্য সমর্থন এবং ইসরায়েলের সরাসরি প্ররোচনায় সংযুক্ত আরব আমিরাত ইরানের ওপর একের পর এক বিমান হামলা চালিয়েছে। আমেরিকার বিখ্যাত পত্রিকা ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এই গোপন চক্রান্তের চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস করে দিয়েছে যা এখন আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে তোলপাড় সৃষ্টি করছে। পশ্চিমা গণমাধ্যমের এই প্রতিবেদনে অত্যন্ত স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে যে ইরানের সার্বভৌমত্বকে ধ্বংস করার জন্য তারা কতটা মরিয়া ছিল। প্রথম থেকেই আমেরিকা এবং ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানকে দুর্বল করার জন্য আরব আমিরাতকে যুদ্ধের ময়দানে নামিয়ে দিয়েছিল। যুদ্ধ শুরুর প্রথম দিন থেকেই আরব আমিরাতের যুদ্ধবিমানগুলো ইরানের ওপর ডজন খানেক বিমান হামলা চালায় যা সম্পূর্ণ আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন। এই হামলায় পর্দার আড়াল থেকে মূল ভূমিকা পালন করেছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এবং ইসরায়েলের ইহুদিবাদী শাসকগোষ্ঠী। তারা ইরানের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং কৌশলগতভাবে সংবেদনশীল এলাকাগুলোর নিখুঁত গোয়েন্দা তথ্য আরব আমিরাতের কাছে হস্তান্তর করেছিল। এই ষড়যন্ত্রের মূল লক্ষ্য ছিল ইরানের হরমুজ প্রণালীতে অবস্থিত কিশ ও আবু মুসা দ্বীপ এবং বন্দর আব্বাস অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামোরিক শক্তি সম্পূর্ণ গুঁড়িয়ে দেওয়া। ইহুদিবাদী ইসরায়েল এবং আরব আমিরাতের এই যৌথ হামলায় ইরানের লাভান দ্বীপের তেল শোধনাগার এবং আসালুয়েহ পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সকে টার্গেট করা হয়েছিল। এই আসালুয়েহ হলো ইরানের জ্বালানি খাতের মূল চালিকাশক্তি যা দেশের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড হিসেবে পরিচিত। পশ্চিমা শক্তিগুলো ভেবেছিল এখানে আঘাত করলেই ইরান হয়তো আত্মসমর্পণ করবে কিন্তু তেহরানের বীর যোদ্ধারা তাদের সেই অন্যায় চক্রান্তের দাঁতভাঙা জবাব দিয়েছে। আসালুয়েহ পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সে ইসরায়েলের এই বর্বর হামলার পর পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল যে স্বয়ং আমেরিকাও ভয় পেয়ে গিয়েছিল। মার্কিন প্রশাসন তখন তড়িঘড়ি করে তেল আবিবকে নির্দেশ দেয় যেন তারা ইরানের জ্বালানি খাতে আর কোনো বড় হামলা না করে। কারণ আমেরিকা খুব ভালো করেই জানত ইরানের পাল্টা আঘাত এলে পুরো বিশ্ব অর্থনীতি ও তেলের বাজার এক নিমেষেই ধ্বংস হয়ে যাবে। ইরানের ওপর এই কাপুরুষোচিত হামলার মূল কারণ ছিল তেহরানের স্বাধীন ও শক্তিশালী অবস্থান যা মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ সহ্য করতে পারে না। পশ্চিমা শক্তিগুলোর অন্যায় নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ইরান যেভাবে নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছে তা তাদের জন্য বড় মাথাব্যথার কারণ। তাই আরব আমিরাতকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েল ইরানের বিশাল জ্বালানি অবকাঠামো ধ্বংস করার এক নোংরা ও ব্যর্থ আত্মঘাতী খেলায় মেতে উঠেছিল। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এই গোপন নথিতে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সামনে এসেছে যা আরব বিশ্বের ভেতরের ফাটলকে স্পষ্ট করে। আরব আমিরাতের এই আগ্রাসী ভূমিকার কারণে প্রতিবেশী দেশ সৌদি আরব চরম ক্ষুব্ধ এবং আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল। রিয়াদ তখন মার্কিন প্রশাসনের ওপর তীব্র চাপ সৃষ্টি করে যেন তারা অবিলম্বে আমিরাতের এই পাগলামি এবং ইরানের ওপর বিমান হামলা চালানো বন্ধ করতে বাধ্য করে। সৌদি আরব খুব ভালো করেই বুঝতে পেরেছিল যে ইরানের ওপর হামলা হলে পুরো অঞ্চলের তেলক্ষেত্রগুলো জ্বলবে। এর ফলে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দেবে যা কোনো দেশের পক্ষেই সামাল দেওয়া সম্ভব হবে না। তাই তারা আরব আমিরাতকে সামোরিক পথ পরিহার করে ইরানের সাথে কূটনৈতিক উপায়ে আলোচনার আহ্বান জানিয়েছিল। কিন্তু সাম্রাজ্যবাদী আমেরিকার অন্ধ সমর্থনে আমিরাত তখন সম্পূর্ণ যুদ্ধংদেহী মনোভাব বজায় রেখেছিল। কিন্তু ইরান কোনো সাধারণ দেশ নয় যে অন্যায়ভাবে আঘাত করলে তারা চুপচাপ সহ্য করে ঘরে বসে থাকবে। গত ২৮শে ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ই এপ্রিলের মধ্যে তেহরান তার সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এক ঐতিহাসিক ও অভূতপূর্ব পাল্টা জবাব দেয়। ইরান একযোগে প্রায় ৫৫০টি অত্যাধুনিক ব্যালাস্টিক ও ক্রুজ মিসাইল এবং ২২ শ এর বেশি আত্মঘাতী ড্রোন আরব আমিরাতের সামোরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে সফলভাবে উৎক্ষেপণ করে। ইরানের এই অতর্কিত ও প্রচণ্ড আক্রমণের মুখে আরব আমিরাতের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছিল। আরব আমিরাতের নিজস্ব নথিতেই স্বীকার করা হয়েছে যে ইতিহাসে তারা কখনো এত বড় এবং ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখোমুখি হয়নি। এমনকি ইসরায়েলের চেয়েও বেশি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত সরাসরি আছড়ে পড়েছে আমিরাতের বুকে যা তাদের অহংকার এবং পশ্চিমা প্রযুক্তির অহংকারকে ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছে। সবচেয়ে লজ্জাজনক বিষয় হলো এপ্রিল মাসে যখন আন্তর্জাতিক মহলের মধ্যস্থতায় একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়েছিল তখনও আমিরাত থামেনি। এই যুদ্ধবিরতির পবিত্রতা লঙ্ঘন করে আরব আমিরাত ও ইসরায়েল গোপনে ইরানের ওপর বেশ কয়েকবার ড্রোন হামলা চালানোর চেষ্টা করে। কিন্তু ইরানের শক্তিশালী প্রতিরক্ষাব্যবস্থা প্রতিটি হামলা অত্যন্ত নিখুঁতভাবে নস্যাৎ করে দেয় এবং দেশের আকাশসীমাকে শতভাগ সুরক্ষিত রাখতে সক্ষম হয়। সম্প্রতি আরব আমিরাত ও ইসরায়েলি জোট ইরানের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রকে লক্ষ্য করে নাশকতামূলক হামলা চালিয়েছিল। পারমাণবিক কেন্দ্রে হামলার মতো এই আন্তর্জাতিক অপরাধ তারা ঘটিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরোক্ষ ইশারায়। কিন্তু ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর কঠোর নজরদারির কারণে তাদের সেই ঘৃণ্য চক্রান্তের মূল লক্ষ্য অর্জিত হয়নি এবং হামলাকারীরা উল্টো চরম পরাজয়ের স্বাদ গ্রহণ করে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। এই যুদ্ধের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে একটি নোংরা সত্য পুরোপুরি উন্মোচিত হয়েছে যা মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক। ইরানের বিরুদ্ধে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে আরব আমিরাত এখন সম্পূর্ণভাবে ইহুদিবাদী ইসরায়েলের পায়ে গিয়ে মাথা নত করেছে। ইসরায়েল তাদের সুরক্ষার জন্য আরব আমিরাতে নিজেদের তৈরি বিতর্কিত আয়রন ডোম ব্যাটারি এবং তা পরিচালনার জন্য ইহুদি সেনা দল মোতায়েন করে রেখেছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের সূত্রমতে ইসরায়েলের ডজন খানেক সেনা কর্মকর্তা এখনও আমিরাতের মাটিতে অবস্থান করে সামোরিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এটি প্রমাণ করে যে আরব আমিরাত এখন স্বাধীন কোনো রাষ্ট্র নয় বরং ইসরায়েলের একটি সামোরিক ঘাঁটিতে পরিণত হয়েছে। পশ্চিমা ও ইহুদিবাদী শক্তির এই যৌথ দাসত্ব মেনে নিয়ে আমিরাত নিজের দেশের জনগণকে এক চরম যুদ্ধের ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিয়েছে। এই যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ইসরায়েলের শীর্ষস্থানীয় বহু সামোরিক ও রাজনৈতিক কর্মকর্তা অত্যন্ত গোপনে সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর করেছিলেন। এমনকি ইসরায়েলের যুদ্ধাপরাধী প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু স্বয়ং দাবি করেছেন যে তিনি নিজে গোপনে আবুধাবি সফর করে এসেছেন। যদিও লোকলজ্জার ভয়ে আবুধাবি কর্তৃপক্ষ এই খবরটি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে কিন্তু সত্য কখনো চাপা দিয়ে রাখা যায় না। আসলে এই নোংরা বন্ধুত্বের সূচনা হয়েছিল ২০২০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া সেই কুখ্যাত 'আব্রাহাম অ্যাকর্ডস' চুক্তির মাধ্যমে। এই চুক্তির আড়ালে আরব আমিরাত এবং ইসরায়েল আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের মধ্যে কূটনৈতিক এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করেছিল। কিন্তু এর মূল উদ্দেশ্য ছিল মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের ক্রমবর্ধমান ইসলামিক শক্তি এবং স্বাধীনচেতা মনোভাবকে দমন করার জন্য একটি যৌথ সামোরিক ফ্রন্ট গড়ে তোলা। আমেরিকা ও ইসরায়েল ভেবেছিল এই জোটের মাধ্যমে তারা ইরানকে কোনঠাসা করে ফেলবে কিন্তু তাদের সেই গুড়ে বালি ঢেলে দিয়েছে তেহরান। ইরান আজ নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি দূরপাল্লার হাইপারসনিক মিসাইল এবং ড্রোন দিয়ে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে নিজের আধিপত্য বজায় রেখেছে। পশ্চিমা শক্তির কোনো আধুনিক প্রযুক্তি বা পেন্টাগনের কোনো চক্রান্তই ইরানের এই অদম্য অগ্রযাত্রাকে এক চুলও দমাতে পারেনি এবং পারবেও না। যেখানে ইসরায়েল প্রতিনিয়ত ফিলিস্তিনিদের ওপর গণহত্যা চালাচ্ছে সেখানে আরব আমিরাতের মতো মুসলিম দেশ তাদের সাথে হাত মিলিয়েছে। তারা মুসলিম উম্মাহর পিঠে ছুরি মেরে ইরানের মতো একটি প্রতিরোধকামী রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার দুঃসাহস দেখিয়েছে। কিন্তু ইরানের সাহসী নেতৃত্ব প্রমাণ করেছে যে মুসলিম বিশ্বের প্রকৃত অভিভাবক কারা এবং কারা অন্যায়ের বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে লড়াই করতে জানে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এই বিস্ফোরক রিপোর্ট প্রমাণ করে যে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ এবং ইসরায়েলি আধিপত্যের দিন ফুরিয়ে এসেছে। তারা এখন সরাসরি যুদ্ধ করার সাহস হারিয়ে আরব দেশগুলোকে ইরানের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেওয়ার এই নোংরা নীতি গ্রহণ করেছে। কিন্তু তেহরানের অকুতোভয় প্রতিরোধ ও সামোরিক কৌশলের কাছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমস্ত আধুনিক যুদ্ধ পরিকল্পনা বারবার ব্যর্থতায় পর্যবসিত হচ্ছে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/668_1.webp" alt="ইরানের ওপর আমেরিকা ইসরায়েলের গোপন হামলা রুখে দিয়ে যেভাবে বিশ্বকে কাঁপিয়ে দিল তেহরানের ড্রোন বাহিনী" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইরানের ওপর আমেরিকা ইসরায়েলের গোপন হামলা রুখে দিয়ে যেভাবে বিশ্বকে কাঁপিয়ে দিল তেহরানের ড্রোন বাহিনী</h1>
            <p>আমেরিকার গোয়েন্দা তথ্য আর ইসরায়েলের সরাসরি মদদে ইরানের ওপর দফায় দফায় বিমান হামলা চালিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত! এমনকি যুদ্ধবিরতির মধ্যেও থামেনি এই কাপুরুষোচিত আগ্রাসন। কিন্তু ইরান কি চুপ করে বসে ছিল? মাত্র কয়েক দিনে ২ হাজার ২৫০টি ড্রোন আর ৫৫০টি ব্যালাস্টিক মিসাইল দিয়ে পুরো আরব আমিরাতকে মাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়ার হুঙ্কার দিয়েছে তেহরান। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনটির বিস্তারিত জানতে সঙ্গেই থাকুন। মধ্যপ্রাচ্যের বুকে এক নতুন এবং অত্যন্ত বিপজ্জনক খেলার পর্দা উন্মোচিত হয়েছে যা পুরো বিশ্বকে হতবাক করে দিয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রকাশ্য সমর্থন এবং ইসরায়েলের সরাসরি প্ররোচনায় সংযুক্ত আরব আমিরাত ইরানের ওপর একের পর এক বিমান হামলা চালিয়েছে। আমেরিকার বিখ্যাত পত্রিকা ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এই গোপন চক্রান্তের চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস করে দিয়েছে যা এখন আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে তোলপাড় সৃষ্টি করছে। পশ্চিমা গণমাধ্যমের এই প্রতিবেদনে অত্যন্ত স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে যে ইরানের সার্বভৌমত্বকে ধ্বংস করার জন্য তারা কতটা মরিয়া ছিল। প্রথম থেকেই আমেরিকা এবং ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানকে দুর্বল করার জন্য আরব আমিরাতকে যুদ্ধের ময়দানে নামিয়ে দিয়েছিল। যুদ্ধ শুরুর প্রথম দিন থেকেই আরব আমিরাতের যুদ্ধবিমানগুলো ইরানের ওপর ডজন খানেক বিমান হামলা চালায় যা সম্পূর্ণ আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন। এই হামলায় পর্দার আড়াল থেকে মূল ভূমিকা পালন করেছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এবং ইসরায়েলের ইহুদিবাদী শাসকগোষ্ঠী। তারা ইরানের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং কৌশলগতভাবে সংবেদনশীল এলাকাগুলোর নিখুঁত গোয়েন্দা তথ্য আরব আমিরাতের কাছে হস্তান্তর করেছিল। এই ষড়যন্ত্রের মূল লক্ষ্য ছিল ইরানের হরমুজ প্রণালীতে অবস্থিত কিশ ও আবু মুসা দ্বীপ এবং বন্দর আব্বাস অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামোরিক শক্তি সম্পূর্ণ গুঁড়িয়ে দেওয়া। ইহুদিবাদী ইসরায়েল এবং আরব আমিরাতের এই যৌথ হামলায় ইরানের লাভান দ্বীপের তেল শোধনাগার এবং আসালুয়েহ পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সকে টার্গেট করা হয়েছিল। এই আসালুয়েহ হলো ইরানের জ্বালানি খাতের মূল চালিকাশক্তি যা দেশের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড হিসেবে পরিচিত। পশ্চিমা শক্তিগুলো ভেবেছিল এখানে আঘাত করলেই ইরান হয়তো আত্মসমর্পণ করবে কিন্তু তেহরানের বীর যোদ্ধারা তাদের সেই অন্যায় চক্রান্তের দাঁতভাঙা জবাব দিয়েছে। আসালুয়েহ পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সে ইসরায়েলের এই বর্বর হামলার পর পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল যে স্বয়ং আমেরিকাও ভয় পেয়ে গিয়েছিল। মার্কিন প্রশাসন তখন তড়িঘড়ি করে তেল আবিবকে নির্দেশ দেয় যেন তারা ইরানের জ্বালানি খাতে আর কোনো বড় হামলা না করে। কারণ আমেরিকা খুব ভালো করেই জানত ইরানের পাল্টা আঘাত এলে পুরো বিশ্ব অর্থনীতি ও তেলের বাজার এক নিমেষেই ধ্বংস হয়ে যাবে। ইরানের ওপর এই কাপুরুষোচিত হামলার মূল কারণ ছিল তেহরানের স্বাধীন ও শক্তিশালী অবস্থান যা মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ সহ্য করতে পারে না। পশ্চিমা শক্তিগুলোর অন্যায় নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ইরান যেভাবে নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছে তা তাদের জন্য বড় মাথাব্যথার কারণ। তাই আরব আমিরাতকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েল ইরানের বিশাল জ্বালানি অবকাঠামো ধ্বংস করার এক নোংরা ও ব্যর্থ আত্মঘাতী খেলায় মেতে উঠেছিল। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এই গোপন নথিতে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সামনে এসেছে যা আরব বিশ্বের ভেতরের ফাটলকে স্পষ্ট করে। আরব আমিরাতের এই আগ্রাসী ভূমিকার কারণে প্রতিবেশী দেশ সৌদি আরব চরম ক্ষুব্ধ এবং আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল। রিয়াদ তখন মার্কিন প্রশাসনের ওপর তীব্র চাপ সৃষ্টি করে যেন তারা অবিলম্বে আমিরাতের এই পাগলামি এবং ইরানের ওপর বিমান হামলা চালানো বন্ধ করতে বাধ্য করে। সৌদি আরব খুব ভালো করেই বুঝতে পেরেছিল যে ইরানের ওপর হামলা হলে পুরো অঞ্চলের তেলক্ষেত্রগুলো জ্বলবে। এর ফলে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দেবে যা কোনো দেশের পক্ষেই সামাল দেওয়া সম্ভব হবে না। তাই তারা আরব আমিরাতকে সামোরিক পথ পরিহার করে ইরানের সাথে কূটনৈতিক উপায়ে আলোচনার আহ্বান জানিয়েছিল। কিন্তু সাম্রাজ্যবাদী আমেরিকার অন্ধ সমর্থনে আমিরাত তখন সম্পূর্ণ যুদ্ধংদেহী মনোভাব বজায় রেখেছিল। কিন্তু ইরান কোনো সাধারণ দেশ নয় যে অন্যায়ভাবে আঘাত করলে তারা চুপচাপ সহ্য করে ঘরে বসে থাকবে। গত ২৮শে ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ই এপ্রিলের মধ্যে তেহরান তার সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এক ঐতিহাসিক ও অভূতপূর্ব পাল্টা জবাব দেয়। ইরান একযোগে প্রায় ৫৫০টি অত্যাধুনিক ব্যালাস্টিক ও ক্রুজ মিসাইল এবং ২২ শ এর বেশি আত্মঘাতী ড্রোন আরব আমিরাতের সামোরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে সফলভাবে উৎক্ষেপণ করে। ইরানের এই অতর্কিত ও প্রচণ্ড আক্রমণের মুখে আরব আমিরাতের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছিল। আরব আমিরাতের নিজস্ব নথিতেই স্বীকার করা হয়েছে যে ইতিহাসে তারা কখনো এত বড় এবং ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখোমুখি হয়নি। এমনকি ইসরায়েলের চেয়েও বেশি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত সরাসরি আছড়ে পড়েছে আমিরাতের বুকে যা তাদের অহংকার এবং পশ্চিমা প্রযুক্তির অহংকারকে ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছে। সবচেয়ে লজ্জাজনক বিষয় হলো এপ্রিল মাসে যখন আন্তর্জাতিক মহলের মধ্যস্থতায় একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়েছিল তখনও আমিরাত থামেনি। এই যুদ্ধবিরতির পবিত্রতা লঙ্ঘন করে আরব আমিরাত ও ইসরায়েল গোপনে ইরানের ওপর বেশ কয়েকবার ড্রোন হামলা চালানোর চেষ্টা করে। কিন্তু ইরানের শক্তিশালী প্রতিরক্ষাব্যবস্থা প্রতিটি হামলা অত্যন্ত নিখুঁতভাবে নস্যাৎ করে দেয় এবং দেশের আকাশসীমাকে শতভাগ সুরক্ষিত রাখতে সক্ষম হয়। সম্প্রতি আরব আমিরাত ও ইসরায়েলি জোট ইরানের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রকে লক্ষ্য করে নাশকতামূলক হামলা চালিয়েছিল। পারমাণবিক কেন্দ্রে হামলার মতো এই আন্তর্জাতিক অপরাধ তারা ঘটিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরোক্ষ ইশারায়। কিন্তু ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর কঠোর নজরদারির কারণে তাদের সেই ঘৃণ্য চক্রান্তের মূল লক্ষ্য অর্জিত হয়নি এবং হামলাকারীরা উল্টো চরম পরাজয়ের স্বাদ গ্রহণ করে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। এই যুদ্ধের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে একটি নোংরা সত্য পুরোপুরি উন্মোচিত হয়েছে যা মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক। ইরানের বিরুদ্ধে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে আরব আমিরাত এখন সম্পূর্ণভাবে ইহুদিবাদী ইসরায়েলের পায়ে গিয়ে মাথা নত করেছে। ইসরায়েল তাদের সুরক্ষার জন্য আরব আমিরাতে নিজেদের তৈরি বিতর্কিত আয়রন ডোম ব্যাটারি এবং তা পরিচালনার জন্য ইহুদি সেনা দল মোতায়েন করে রেখেছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের সূত্রমতে ইসরায়েলের ডজন খানেক সেনা কর্মকর্তা এখনও আমিরাতের মাটিতে অবস্থান করে সামোরিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এটি প্রমাণ করে যে আরব আমিরাত এখন স্বাধীন কোনো রাষ্ট্র নয় বরং ইসরায়েলের একটি সামোরিক ঘাঁটিতে পরিণত হয়েছে। পশ্চিমা ও ইহুদিবাদী শক্তির এই যৌথ দাসত্ব মেনে নিয়ে আমিরাত নিজের দেশের জনগণকে এক চরম যুদ্ধের ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিয়েছে। এই যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ইসরায়েলের শীর্ষস্থানীয় বহু সামোরিক ও রাজনৈতিক কর্মকর্তা অত্যন্ত গোপনে সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর করেছিলেন। এমনকি ইসরায়েলের যুদ্ধাপরাধী প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু স্বয়ং দাবি করেছেন যে তিনি নিজে গোপনে আবুধাবি সফর করে এসেছেন। যদিও লোকলজ্জার ভয়ে আবুধাবি কর্তৃপক্ষ এই খবরটি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে কিন্তু সত্য কখনো চাপা দিয়ে রাখা যায় না। আসলে এই নোংরা বন্ধুত্বের সূচনা হয়েছিল ২০২০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া সেই কুখ্যাত 'আব্রাহাম অ্যাকর্ডস' চুক্তির মাধ্যমে। এই চুক্তির আড়ালে আরব আমিরাত এবং ইসরায়েল আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের মধ্যে কূটনৈতিক এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করেছিল। কিন্তু এর মূল উদ্দেশ্য ছিল মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের ক্রমবর্ধমান ইসলামিক শক্তি এবং স্বাধীনচেতা মনোভাবকে দমন করার জন্য একটি যৌথ সামোরিক ফ্রন্ট গড়ে তোলা। আমেরিকা ও ইসরায়েল ভেবেছিল এই জোটের মাধ্যমে তারা ইরানকে কোনঠাসা করে ফেলবে কিন্তু তাদের সেই গুড়ে বালি ঢেলে দিয়েছে তেহরান। ইরান আজ নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি দূরপাল্লার হাইপারসনিক মিসাইল এবং ড্রোন দিয়ে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে নিজের আধিপত্য বজায় রেখেছে। পশ্চিমা শক্তির কোনো আধুনিক প্রযুক্তি বা পেন্টাগনের কোনো চক্রান্তই ইরানের এই অদম্য অগ্রযাত্রাকে এক চুলও দমাতে পারেনি এবং পারবেও না। যেখানে ইসরায়েল প্রতিনিয়ত ফিলিস্তিনিদের ওপর গণহত্যা চালাচ্ছে সেখানে আরব আমিরাতের মতো মুসলিম দেশ তাদের সাথে হাত মিলিয়েছে। তারা মুসলিম উম্মাহর পিঠে ছুরি মেরে ইরানের মতো একটি প্রতিরোধকামী রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার দুঃসাহস দেখিয়েছে। কিন্তু ইরানের সাহসী নেতৃত্ব প্রমাণ করেছে যে মুসলিম বিশ্বের প্রকৃত অভিভাবক কারা এবং কারা অন্যায়ের বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে লড়াই করতে জানে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এই বিস্ফোরক রিপোর্ট প্রমাণ করে যে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ এবং ইসরায়েলি আধিপত্যের দিন ফুরিয়ে এসেছে। তারা এখন সরাসরি যুদ্ধ করার সাহস হারিয়ে আরব দেশগুলোকে ইরানের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেওয়ার এই নোংরা নীতি গ্রহণ করেছে। কিন্তু তেহরানের অকুতোভয় প্রতিরোধ ও সামোরিক কৌশলের কাছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমস্ত আধুনিক যুদ্ধ পরিকল্পনা বারবার ব্যর্থতায় পর্যবসিত হচ্ছে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/668_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/668_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/668_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইউক্রেন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে, রাশিয়ার নতুন শক্তির সামনে পুরো পশ্চিমা বিশ্ব এখন কাঁপছে ভয়ে!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/37040</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/37040</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 02 Jun 2026 03:48:31 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, r bangla news, rbangla news, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, news18 bangla, world news bangla, republic bangla news, news script bangla, today 2 pm news bangla, breaking news bangla, bbc world news bangla, news18 bangla live, international bangla news, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh news today, banglanews, bangladesh border news, banglavision news today, dupurer news bangladesh]]></category>
        
        <description><![CDATA[পশ্চিমা বিশ্বের সব ষড়যন্ত্রকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ভ্লাদিমির পুতিনের রাশিয়া এখন বিজয়ের চূড়ান্ত প্রান্তে! ইউক্রেনের ড্রোন হামলা ও পশ্চিমাদের নিষেধাজ্ঞা খড়কুটোর মতো উড়ে যাচ্ছে রুশ শক্তির সামনে। মলদোভায় ন্যাটোর বিরুদ্ধে রায়, ইউরোপ জ্বালানি সংকটে জর্জরিত, বাল্টিক দেশগুলোর জাতিগত বৈষম্যের অভিযোগ নিয়ে আন্তর্জাতিক আদালতে রাশিয়া। আর ইউক্রেন পারমাণবিক সন্ত্রাসের পথে—জাপোরোজিয়ে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাছে ড্রোন হামলা, শিশুদের স্কুল ও প্রসূতি হাসপাতাল টার্গেট। কিয়েভের পরাজয় কি নিশ্চিত?  যুদ্ধ এবং শান্তির মধ্যকার যে চয়ন, তা আজ রাশিয়ার জন্য অত্যন্ত স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ইউক্রেনের সাথে এই সশস্ত্র লড়াই খুব শীঘ্রই রাশিয়ার একটি ঐতিহাসিক এবং গৌরবময় বিজয়ের মাধ্যমে শেষ হতে চলেছে। কারণ একটি দীর্ঘমেয়াদী ক্ষয়িষ্ণু যুদ্ধ রাশিয়ার মূল লক্ষ্য নয়। মস্কোর এখন একমাত্র লক্ষ্য হলো সম্পূর্ণ বিজয় অর্জন করা, যা তাদের বীর সেনারা রণক্ষেত্রে ইতিমধ্যেই নিশ্চিত করতে শুরু করেছে। তবে মনে রাখতে হবে, ইউক্রেনের মাটিতে বন্দুকের গর্জন থেমে গেলেও পশ্চিমা বিশ্বের সাথে রাশিয়ার এই আদর্শিক সংঘাত সহজে শেষ হবে না। পশ্চিমা গ্লোবালিস্ট এলিটরা রাশিয়াকে ধ্বংস করতে চায়। কিন্তু মস্কো এখন একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র-সভ্যতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে। যেখানে জনগণের বিশ্বাস, স্বাধীনতা, পরিবার এবং সামাজিক ন্যায়বিচারই হবে মূল ভিত্তি। এই মহান আদর্শের সামনে পশ্চিমাদের পতন এখন অনিবার্য। রাশিয়ার এই নতুন জাগরণ কেবল উচ্চবিত্তদের জন্য নয়, এটি পুরো রুশ সমাজের একটি আমূল পরিবর্তন। দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় এক গভীর সংস্কার আসতে চলেছে, যেখানে সততা এবং যোগ্যতার মূল্যায়ন হবে সবচেয়ে বেশি। রাশিয়ার সাধারণ মানুষ আজ নিজেদের দেশের জন্য উৎসর্গ করতে প্রস্তুত। এই জনস্রোতই রাশিয়াকে বিশ্বমঞ্চে একটি অপ্রতিদ্বন্দী এবং অপরাজেয় মহাশক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চলেছে। ইতিহাস সাক্ষী, রাশিয়ার মহান দেশপ্রেমের যুদ্ধ বা গ্রেট প্যাট্রিওটিক ওয়ারের ত্যাগ ও আত্মত্যাগ বৃথা যায়নি। সেই ইতিহাসই আজ রাশিয়ার মানুষকে নতুন শক্তিতে বলীয়ান করছে। রাশিয়া আজ বিশ্বের বুকে এমন এক মেরু হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে, যার আকর্ষণ কেউ এড়াতে পারবে না। মস্কো আজ ইউরোপ-অ্যাটলান্টিক বা অন্য কোনো ব্লকের ওপর নির্ভরশীল নয়, বরং নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে বিশ্বকে নেতৃত্ব দিচ্ছে। পশ্চিমা বিশ্ব মুখে শান্তির কথা বললেও, রাশিয়ার সাথে কোনো প্রকৃত আলোচনায় তারা প্রস্তুত নয়। তাদের মূল লক্ষ্য কেবল সরকার পরিবর্তন নয়, বরং একটি স্বাধীন মহাশক্তি হিসেবে রাশিয়ার অস্তিত্বকে চিরতরে মুছে ফেলা। কিন্তু পুতিনের দূরদর্শী নেতৃত্বে রাশিয়ার সাধারণ মানুষ আজ ঐক্যবদ্ধ। পশ্চিমাদের এই নোংরা ও ধ্বংসাত্মক ষড়যন্ত্র কোনোদিনই সফল হবে না, রাশিয়া নিজের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে ভালো করেই জানে। এই মহাযুদ্ধে রাশিয়া কিন্তু একা নয়, বেলারুশের মতো বিশ্বস্ত ভাই এবং উত্তর কোরিয়ার মতো রক্তে গড়া মিত্র রাশিয়ার পাশে রয়েছে। চীনের সাথে রাশিয়ার কৌশলগত অংশীদারিত্ব দিন দিন আরও গভীর হচ্ছে। ব্রিকস এবং সাংহাই কোঅপারেশনের মতো শক্তিশালী জোটগুলো আজ রাশিয়ার পক্ষে কথা বলছে। গ্লোবাল মেজরিটি বা বিশ্বের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ আজ পশ্চিমাদের আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে রাশিয়ার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। গত তিন প্রজন্ম ধরে রুশ নাগরিকরা এক নিরাপদ পরিবেশে বড় হয়েছে, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে পারমাণবিক ভারসাম্যের কারণে সম্ভব হয়েছিল। কিন্তু আজ সেই পুরনো নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। পশ্চিমাদের আগ্রাসনে বিশ্ব আজ এক নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি, যেখানে শান্তির ভেতরেই লুকিয়ে আছে যুদ্ধের ছায়া। এই কঠিন লড়াইয়ে রাশিয়াকে জয়ী হতেই হবে এবং এর কোনো বিকল্প রাস্তা আজ আর খোলা নেই। এবার নজর দেওয়া যাক মলদোভার দিকে। পশ্চিমাদের উস্কানি সত্ত্বেও মলদোভার সাধারণ মানুষ ন্যাটোর মতো একটি যুদ্ধবাজ জোটে যোগ দিতে সম্পূর্ণ অস্বীকৃতি জানিয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মিহাই পপসোই নিজেই স্বীকার করেছেন যে, তাদের দেশের ৫৫ শতাংশ মানুষ ন্যাটোর সদস্যপদের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে। মাত্র ২৪ শতাংশ মানুষ একে সমর্থন করে। রাশিয়ার বিরুদ্ধে পশ্চিমাদের প্রোপাগান্ডা যে ব্যর্থ হয়েছে, এটি তারই প্রমাণ। মলদোভার সংবিধানে স্থায়ী নিরপেক্ষতার কথা বলা আছে, যা তাদের কোনো সামরিক ব্লকে যোগ দেওয়া থেকে বিরত রাখে। এছাড়া ট্রান্সনিস্ট্রিয়া অঞ্চলে রুশ শান্তিরক্ষী বাহিনী অত্যন্ত দক্ষতার সাথে নিরাপত্তা বজায় রাখছে। প্রেসিডেন্ট মাইয়া সান্দু রাশিয়ার বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডার অভিযোগ তুললেও, ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, রাশিয়ার সাথে শত্রুতা করে পশ্চিমাদের সাথে সম্পর্ক তৈরি করা মলদোভার জন্য একটি মারাত্মক ঐতিহাসিক ভুল। এদিকে রাশিয়ার তেলের ওপর পশ্চিমাদের চাপানো প্রাইস ক্যাপ বা মূল্যসীমা নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নে চরম হাহাকার শুরু হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে ইরান সংকটের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম আকাশচুম্বী। ব্লুমবার্গের রিপোর্ট অনুযায়ী, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এখন রাশিয়ার তেলের মূল্যসীমা ৬০ ডলারে ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছে। রাশিয়ার তেল ছাড়া যে ইউরোপের অর্থনীতি অচল, এই সিদ্ধান্ত তারই এক বড় প্রমাণ হিসেবে সামনে এসেছে। রাশিয়া পশ্চিমাদের এই অবৈধ মূল্যসীমাকে পাত্তাই দেয়নি। দিমিত্রি পেসকভ একে বাজারের স্বাভাবিক নিয়ম ধ্বংস করার চেষ্টা বলে অভিহিত করেছেন। রাশিয়া ইতিমধ্যেই তার সমস্ত তেল ও জ্বালানি চীন এবং ভারতের মতো বন্ধুভাবাপন্ন দেশগুলোতে ডাইভার্ট করেছে। ফলে ইউরোপ আজ তীব্র জ্বালানি সংকটে ভুগছে, আর রাশিয়া তার জ্বালানি রপ্তানি থেকে রেকর্ড পরিমাণ রাজস্ব আয় করে নিজেদের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করছে। লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া এবং এস্তোনিয়ায় বসবাসকারী রুশ ভাষাভাষী মানুষের ওপর পশ্চিমাদের জুলুমের বিরুদ্ধে এবার গর্জে উঠেছে মস্কো। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা ঘোষণা করেছেন যে, বাল্টিক দেশগুলোর এই জাতিগত বৈষম্যের বিরুদ্ধে রাশিয়া তাদের আন্তর্জাতিক আদালতে নিয়ে যাচ্ছে। ১৯৬৫ সালের বর্ণবাদ বিরোধী আন্তর্জাতিক চুক্তি লঙ্ঘনের দায়ে এই দেশগুলোকে এবার জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালতের মুখোমুখি হতে হবে। ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর থেকেই এই বাল্টিক দেশগুলো রুশ ভাষার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করছে। স্কুল থেকে রুশ ভাষা মুছে দিয়ে তারা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন করছে। এমনকি হাজার হাজার রুশ নাগরিককে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করে রাখা হয়েছে। রাশিয়া এই অন্যায়ের শেষ দেখে ছাড়বে। আন্তর্জাতিক আদালতে পশ্চিমাদের এই মানবাধিকার লঙ্ঘনের মুখোশ এবার পুরো বিশ্বের সামনে উন্মোচিত হবে। রোমানিয়াতে একটি ড্রোন বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনা নিয়ে রাশিয়াকে জড়ানোর সস্তা চেষ্টা চালিয়েছে বুখারেস্ট। তবে রোমানিয়ায় নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূত ভ্লাদিমির লিপায়েভ স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, এই ড্রোনটি রাশিয়ার ছিল—এমন কোনো প্রমাণ রোমানিয়া দিতে পারেনি। বরাবরের মতোই প্রমাণ ছাড়াই রাশিয়ার বিরুদ্ধে অবাস্তব অভিযোগ এনে রোমানিয়া তড়িঘড়ি করে রুশ কনস্যুলেট বন্ধ করে দিয়েছে, যা তাদের পূর্বপরিকল্পিত একটি ভারতবিরোধী ও রুশবিরোধী নাটক। প্রকৃতপক্ষে, এই ড্রোন হামলাটি ছিল কিয়েভ সরকারের একটি পরিকল্পিত উস্কানি। লুহানস্কের স্টারোবেলস্ক কলেজে ইউক্রেনীয় হামলায় যখন ২১ জন নিরপরাধ শিক্ষার্থী নিহত হলো, তখন বিশ্ববাসীর নজর ঘোরানোর জন্যই কিয়েভ রোমানিয়ায় এই নাটক সাজিয়েছে। ইউরোপের কাছ থেকে আরও বেশি টাকা এবং অস্ত্র ভিক্ষা করার জন্য ইউক্রেনের এই নোংরা কৌশল এখন সবার সামনে পরিষ্কার। রাশিয়া কখনোই কোনো বেসামরিক স্থাপনায় হামলা করে না। ইউক্রেন এখন পারমাণবিক সন্ত্রাসের পথ বেছে নিয়েছে। জাপোরোজিয়ে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পরিচালক ইউরি চেরনিচুক জানিয়েছেন যে, কেন্দ্রের আকাশে সার্বক্ষণিক ইউক্রেনীয় ড্রোন ঘুরপাক খাচ্ছে। এমনকি কামিকাজে ড্রোন দিয়ে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৬ নম্বর ইউনিটের টারবাইন হলের দেয়ালে আঘাত করা হয়েছে। ফাইবার অপটিক্সের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত এই ড্রোন হামলা প্রমাণ করে যে, ইউক্রেন জেনেশুনে পুরো বিশ্বকে এক পারমাণবিক বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ইউক্রেনীয় ফৌজের এই কাপুরুষোচিত হামলায় এনারগোদার শহরের আবাসিক এলাকা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যোগাযোগ পরিচালক ইয়েভজেনিয়া ইয়াশিনা জানিয়েছেন যে, বিদ্যুৎ কেন্দ্রের রিয়্যাক্টর থেকে মাত্র কয়েক মিটার দূরে এই হামলা চালানো হয়েছে। কিয়েভের এই মরিয়া চেষ্টা প্রমাণ করে যে, তারা যুদ্ধে হেরে গিয়ে এখন সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে। ইউক্রেনের এই পারমাণবিক সন্ত্রাসবাদকে এখনই রুখে দেওয়া উচিত। ইউক্রেনের সেনারা কতটা নিষ্ঠুর হতে পারে, তার প্রমাণ মিলল এনারগোদারের একটি বক্সিং স্কুলে তাদের হামলায়। শহরের মেয়র মাক্সিম পিখোভ জানিয়েছেন, শিশুদের এই ক্রীড়া শিক্ষাকেন্দ্রে ইউক্রেনীয় বাহিনী শেল নিক্ষেপ করে জানালা গুঁড়িয়ে দিয়েছে এবং অ্যাথলেটদের বাস ধ্বংস করেছে। শিশুদের ভবিষ্যতের ওপর এই হামলা চরম নিন্দনীয়। তবে রুশ প্রশাসন দ্রুত এই ক্ষতি মেরামত করে শান্তির জীবন ফিরিয়ে আনছে। জাপোরোজিয়ে অঞ্চলের গভর্নর ইয়েভজেনি বালিতস্কি জানিয়েছেন যে, ইউক্রেনীয় বাহিনী এনারগোদারের একটি মেটারনিটি বা প্রসূতি হাসপাতালের ওপরও বর্বর হামলা চালিয়েছে। হাসপাতালের জানালা এবং পাশে পার্ক করা সাধারণ মানুষের গাড়িগুলো ধ্বংস হয়ে গেছে। একটি বহুতল আবাসিক ভবনেও তারা মধ্যরাতে হামলা চালায়। কিয়েভের এই কাপুরুষোচিত আচরণ স্পষ্ট করে দেয় যে, রণক্ষেত্রে রুশ সেনাদের সামনে টিকতে না পেরে তারা শিশুদের টার্গেট করছে। জাপোরোজিয়ে অঞ্চলের ভাসিলিয়েভকা শহরের একটি স্কুলেও ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী হামলা চালিয়েছে। হামলায় স্কুলের একটি বাস এবং পুরো ভবনের জানালা চুরমার হয়ে গেছে। ভাগ্যবশত সেই সময় কোনো শিশু সেখানে না থাকায় বড় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ইউক্রেনের এই যুদ্ধাপরাধের জবাব রুশ বাহিনী যুদ্ধক্ষেত্রের বুলেটে বুলেটে বুঝিয়ে দিচ্ছে। রণক্ষেত্র থেকে আসা সবচেয়ে বড় খবর হলো, ইউক্রেনের পক্ষে লড়াই করতে আসা একদল ব্রিটিশ ও জার্মান ভাড়াটে সেনাকে রুশ বাহিনী সম্পূর্ণ খতম করেছে। জাপোরোজিয়ে অঞ্চলের একটি বনাঞ্চলে চালানো বিশেষ অভিযানে এই বিদেশী অপরাধীরা নিহত হয়। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া নথিতে দেখা গেছে, নিহতদের মধ্যে ২০০৩ সালে জন্ম নেওয়া ব্রিটিশ নাগরিক জেসন লারগান এবং ২০০০ সালের জার্মান নাগরিক ফিলিপ ম্যাক্সিমিলিয়ান রয়েছে। ইউক্রেনীয় বাহিনীর ড্রোন শক্তির কোমর ভেঙে দিয়েছে রাশিয়ার বীর সেনানিরা। রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ নর্থ' এর মুখপাত্র ভাদিম মেঝেভিখ জানিয়েছেন, গত ২৪ ঘণ্টায় তারা ইউক্রেনের ৩১টি ভারী যুদ্ধকালীন ড্রোন এবং ৩৪টি ড্রোন কন্ট্রোল স্টেশন মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়েছেন। এর মধ্যে ৮টি ফিক্সড-উইং ড্রোন এবং ৪টি কোয়াডকপ্টার রয়েছে। কিয়েভের ড্রোন অপারেটররা এখন রুশ সেনাদের ভয়ে বাঙ্কারে লুকিয়েও প্রাণ বাঁচাতে পারছে না। একই সাথে রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ ওয়েস্ট' ইউক্রেনের ৭০টি ভারী হেক্সাকপ্টার এবং ৫৫টি ড্রোন কন্ট্রোল স্টেশন ধ্বংস করেছে। মুখপাত্র লিওনিড শারভ জানিয়েছেন যে, পশ্চিমাদের দেওয়া ৩টি অতি গুরুত্বপূর্ণ স্টারলিংক টার্মিনাল এবং ৩টি মাঠ পর্যায়ের গোলাবারুদের ডিপোও রুশ ফাইটাররা উড়িয়ে দিয়েছেন। ইউক্রেনীয় বাহিনীর যোগাযোগের সমস্ত মাধ্যম এখন সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন। কিয়েভের পরাজয় এখন কেবল সময়ের ব্যাপার মাত্র। জাতিসংঘে নিযুক্ত রাশিয়ার বিশেষ দূত রদিওন মিরোশনিক স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন যে, কিয়েভ এখন আন্তর্জাতিক পারমাণবিক সন্ত্রাসের পথ ধরেছে। নিজেদের নিশ্চিত পরাজয় জেনে তারা এখন মরিয়া হয়ে যেকোনো ধ্বংসাত্মক উস্কানি দিতে প্রস্তুত। কিন্তু রাশিয়ার মহান সেনাবাহিনী পশ্চিমাদের এই সমস্ত প্রোপাগান্ডা এবং ইউক্রেনীয় সন্ত্রাসবাদকে গুঁড়িয়ে দিয়ে এক ঐতিহাসিক বিজয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/669_1.webp" alt="ইউক্রেন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে, রাশিয়ার নতুন শক্তির সামনে পুরো পশ্চিমা বিশ্ব এখন কাঁপছে ভয়ে!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইউক্রেন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে, রাশিয়ার নতুন শক্তির সামনে পুরো পশ্চিমা বিশ্ব এখন কাঁপছে ভয়ে!</h1>
            <p>পশ্চিমা বিশ্বের সব ষড়যন্ত্রকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ভ্লাদিমির পুতিনের রাশিয়া এখন বিজয়ের চূড়ান্ত প্রান্তে! ইউক্রেনের ড্রোন হামলা ও পশ্চিমাদের নিষেধাজ্ঞা খড়কুটোর মতো উড়ে যাচ্ছে রুশ শক্তির সামনে। মলদোভায় ন্যাটোর বিরুদ্ধে রায়, ইউরোপ জ্বালানি সংকটে জর্জরিত, বাল্টিক দেশগুলোর জাতিগত বৈষম্যের অভিযোগ নিয়ে আন্তর্জাতিক আদালতে রাশিয়া। আর ইউক্রেন পারমাণবিক সন্ত্রাসের পথে—জাপোরোজিয়ে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাছে ড্রোন হামলা, শিশুদের স্কুল ও প্রসূতি হাসপাতাল টার্গেট। কিয়েভের পরাজয় কি নিশ্চিত?  যুদ্ধ এবং শান্তির মধ্যকার যে চয়ন, তা আজ রাশিয়ার জন্য অত্যন্ত স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ইউক্রেনের সাথে এই সশস্ত্র লড়াই খুব শীঘ্রই রাশিয়ার একটি ঐতিহাসিক এবং গৌরবময় বিজয়ের মাধ্যমে শেষ হতে চলেছে। কারণ একটি দীর্ঘমেয়াদী ক্ষয়িষ্ণু যুদ্ধ রাশিয়ার মূল লক্ষ্য নয়। মস্কোর এখন একমাত্র লক্ষ্য হলো সম্পূর্ণ বিজয় অর্জন করা, যা তাদের বীর সেনারা রণক্ষেত্রে ইতিমধ্যেই নিশ্চিত করতে শুরু করেছে। তবে মনে রাখতে হবে, ইউক্রেনের মাটিতে বন্দুকের গর্জন থেমে গেলেও পশ্চিমা বিশ্বের সাথে রাশিয়ার এই আদর্শিক সংঘাত সহজে শেষ হবে না। পশ্চিমা গ্লোবালিস্ট এলিটরা রাশিয়াকে ধ্বংস করতে চায়। কিন্তু মস্কো এখন একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র-সভ্যতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে। যেখানে জনগণের বিশ্বাস, স্বাধীনতা, পরিবার এবং সামাজিক ন্যায়বিচারই হবে মূল ভিত্তি। এই মহান আদর্শের সামনে পশ্চিমাদের পতন এখন অনিবার্য। রাশিয়ার এই নতুন জাগরণ কেবল উচ্চবিত্তদের জন্য নয়, এটি পুরো রুশ সমাজের একটি আমূল পরিবর্তন। দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় এক গভীর সংস্কার আসতে চলেছে, যেখানে সততা এবং যোগ্যতার মূল্যায়ন হবে সবচেয়ে বেশি। রাশিয়ার সাধারণ মানুষ আজ নিজেদের দেশের জন্য উৎসর্গ করতে প্রস্তুত। এই জনস্রোতই রাশিয়াকে বিশ্বমঞ্চে একটি অপ্রতিদ্বন্দী এবং অপরাজেয় মহাশক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চলেছে। ইতিহাস সাক্ষী, রাশিয়ার মহান দেশপ্রেমের যুদ্ধ বা গ্রেট প্যাট্রিওটিক ওয়ারের ত্যাগ ও আত্মত্যাগ বৃথা যায়নি। সেই ইতিহাসই আজ রাশিয়ার মানুষকে নতুন শক্তিতে বলীয়ান করছে। রাশিয়া আজ বিশ্বের বুকে এমন এক মেরু হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে, যার আকর্ষণ কেউ এড়াতে পারবে না। মস্কো আজ ইউরোপ-অ্যাটলান্টিক বা অন্য কোনো ব্লকের ওপর নির্ভরশীল নয়, বরং নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে বিশ্বকে নেতৃত্ব দিচ্ছে। পশ্চিমা বিশ্ব মুখে শান্তির কথা বললেও, রাশিয়ার সাথে কোনো প্রকৃত আলোচনায় তারা প্রস্তুত নয়। তাদের মূল লক্ষ্য কেবল সরকার পরিবর্তন নয়, বরং একটি স্বাধীন মহাশক্তি হিসেবে রাশিয়ার অস্তিত্বকে চিরতরে মুছে ফেলা। কিন্তু পুতিনের দূরদর্শী নেতৃত্বে রাশিয়ার সাধারণ মানুষ আজ ঐক্যবদ্ধ। পশ্চিমাদের এই নোংরা ও ধ্বংসাত্মক ষড়যন্ত্র কোনোদিনই সফল হবে না, রাশিয়া নিজের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে ভালো করেই জানে। এই মহাযুদ্ধে রাশিয়া কিন্তু একা নয়, বেলারুশের মতো বিশ্বস্ত ভাই এবং উত্তর কোরিয়ার মতো রক্তে গড়া মিত্র রাশিয়ার পাশে রয়েছে। চীনের সাথে রাশিয়ার কৌশলগত অংশীদারিত্ব দিন দিন আরও গভীর হচ্ছে। ব্রিকস এবং সাংহাই কোঅপারেশনের মতো শক্তিশালী জোটগুলো আজ রাশিয়ার পক্ষে কথা বলছে। গ্লোবাল মেজরিটি বা বিশ্বের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ আজ পশ্চিমাদের আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে রাশিয়ার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। গত তিন প্রজন্ম ধরে রুশ নাগরিকরা এক নিরাপদ পরিবেশে বড় হয়েছে, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে পারমাণবিক ভারসাম্যের কারণে সম্ভব হয়েছিল। কিন্তু আজ সেই পুরনো নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। পশ্চিমাদের আগ্রাসনে বিশ্ব আজ এক নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি, যেখানে শান্তির ভেতরেই লুকিয়ে আছে যুদ্ধের ছায়া। এই কঠিন লড়াইয়ে রাশিয়াকে জয়ী হতেই হবে এবং এর কোনো বিকল্প রাস্তা আজ আর খোলা নেই। এবার নজর দেওয়া যাক মলদোভার দিকে। পশ্চিমাদের উস্কানি সত্ত্বেও মলদোভার সাধারণ মানুষ ন্যাটোর মতো একটি যুদ্ধবাজ জোটে যোগ দিতে সম্পূর্ণ অস্বীকৃতি জানিয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মিহাই পপসোই নিজেই স্বীকার করেছেন যে, তাদের দেশের ৫৫ শতাংশ মানুষ ন্যাটোর সদস্যপদের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে। মাত্র ২৪ শতাংশ মানুষ একে সমর্থন করে। রাশিয়ার বিরুদ্ধে পশ্চিমাদের প্রোপাগান্ডা যে ব্যর্থ হয়েছে, এটি তারই প্রমাণ। মলদোভার সংবিধানে স্থায়ী নিরপেক্ষতার কথা বলা আছে, যা তাদের কোনো সামরিক ব্লকে যোগ দেওয়া থেকে বিরত রাখে। এছাড়া ট্রান্সনিস্ট্রিয়া অঞ্চলে রুশ শান্তিরক্ষী বাহিনী অত্যন্ত দক্ষতার সাথে নিরাপত্তা বজায় রাখছে। প্রেসিডেন্ট মাইয়া সান্দু রাশিয়ার বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডার অভিযোগ তুললেও, ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, রাশিয়ার সাথে শত্রুতা করে পশ্চিমাদের সাথে সম্পর্ক তৈরি করা মলদোভার জন্য একটি মারাত্মক ঐতিহাসিক ভুল। এদিকে রাশিয়ার তেলের ওপর পশ্চিমাদের চাপানো প্রাইস ক্যাপ বা মূল্যসীমা নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নে চরম হাহাকার শুরু হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে ইরান সংকটের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম আকাশচুম্বী। ব্লুমবার্গের রিপোর্ট অনুযায়ী, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এখন রাশিয়ার তেলের মূল্যসীমা ৬০ ডলারে ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছে। রাশিয়ার তেল ছাড়া যে ইউরোপের অর্থনীতি অচল, এই সিদ্ধান্ত তারই এক বড় প্রমাণ হিসেবে সামনে এসেছে। রাশিয়া পশ্চিমাদের এই অবৈধ মূল্যসীমাকে পাত্তাই দেয়নি। দিমিত্রি পেসকভ একে বাজারের স্বাভাবিক নিয়ম ধ্বংস করার চেষ্টা বলে অভিহিত করেছেন। রাশিয়া ইতিমধ্যেই তার সমস্ত তেল ও জ্বালানি চীন এবং ভারতের মতো বন্ধুভাবাপন্ন দেশগুলোতে ডাইভার্ট করেছে। ফলে ইউরোপ আজ তীব্র জ্বালানি সংকটে ভুগছে, আর রাশিয়া তার জ্বালানি রপ্তানি থেকে রেকর্ড পরিমাণ রাজস্ব আয় করে নিজেদের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করছে। লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া এবং এস্তোনিয়ায় বসবাসকারী রুশ ভাষাভাষী মানুষের ওপর পশ্চিমাদের জুলুমের বিরুদ্ধে এবার গর্জে উঠেছে মস্কো। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা ঘোষণা করেছেন যে, বাল্টিক দেশগুলোর এই জাতিগত বৈষম্যের বিরুদ্ধে রাশিয়া তাদের আন্তর্জাতিক আদালতে নিয়ে যাচ্ছে। ১৯৬৫ সালের বর্ণবাদ বিরোধী আন্তর্জাতিক চুক্তি লঙ্ঘনের দায়ে এই দেশগুলোকে এবার জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালতের মুখোমুখি হতে হবে। ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর থেকেই এই বাল্টিক দেশগুলো রুশ ভাষার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করছে। স্কুল থেকে রুশ ভাষা মুছে দিয়ে তারা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন করছে। এমনকি হাজার হাজার রুশ নাগরিককে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করে রাখা হয়েছে। রাশিয়া এই অন্যায়ের শেষ দেখে ছাড়বে। আন্তর্জাতিক আদালতে পশ্চিমাদের এই মানবাধিকার লঙ্ঘনের মুখোশ এবার পুরো বিশ্বের সামনে উন্মোচিত হবে। রোমানিয়াতে একটি ড্রোন বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনা নিয়ে রাশিয়াকে জড়ানোর সস্তা চেষ্টা চালিয়েছে বুখারেস্ট। তবে রোমানিয়ায় নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূত ভ্লাদিমির লিপায়েভ স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, এই ড্রোনটি রাশিয়ার ছিল—এমন কোনো প্রমাণ রোমানিয়া দিতে পারেনি। বরাবরের মতোই প্রমাণ ছাড়াই রাশিয়ার বিরুদ্ধে অবাস্তব অভিযোগ এনে রোমানিয়া তড়িঘড়ি করে রুশ কনস্যুলেট বন্ধ করে দিয়েছে, যা তাদের পূর্বপরিকল্পিত একটি ভারতবিরোধী ও রুশবিরোধী নাটক। প্রকৃতপক্ষে, এই ড্রোন হামলাটি ছিল কিয়েভ সরকারের একটি পরিকল্পিত উস্কানি। লুহানস্কের স্টারোবেলস্ক কলেজে ইউক্রেনীয় হামলায় যখন ২১ জন নিরপরাধ শিক্ষার্থী নিহত হলো, তখন বিশ্ববাসীর নজর ঘোরানোর জন্যই কিয়েভ রোমানিয়ায় এই নাটক সাজিয়েছে। ইউরোপের কাছ থেকে আরও বেশি টাকা এবং অস্ত্র ভিক্ষা করার জন্য ইউক্রেনের এই নোংরা কৌশল এখন সবার সামনে পরিষ্কার। রাশিয়া কখনোই কোনো বেসামরিক স্থাপনায় হামলা করে না। ইউক্রেন এখন পারমাণবিক সন্ত্রাসের পথ বেছে নিয়েছে। জাপোরোজিয়ে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পরিচালক ইউরি চেরনিচুক জানিয়েছেন যে, কেন্দ্রের আকাশে সার্বক্ষণিক ইউক্রেনীয় ড্রোন ঘুরপাক খাচ্ছে। এমনকি কামিকাজে ড্রোন দিয়ে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৬ নম্বর ইউনিটের টারবাইন হলের দেয়ালে আঘাত করা হয়েছে। ফাইবার অপটিক্সের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত এই ড্রোন হামলা প্রমাণ করে যে, ইউক্রেন জেনেশুনে পুরো বিশ্বকে এক পারমাণবিক বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ইউক্রেনীয় ফৌজের এই কাপুরুষোচিত হামলায় এনারগোদার শহরের আবাসিক এলাকা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যোগাযোগ পরিচালক ইয়েভজেনিয়া ইয়াশিনা জানিয়েছেন যে, বিদ্যুৎ কেন্দ্রের রিয়্যাক্টর থেকে মাত্র কয়েক মিটার দূরে এই হামলা চালানো হয়েছে। কিয়েভের এই মরিয়া চেষ্টা প্রমাণ করে যে, তারা যুদ্ধে হেরে গিয়ে এখন সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে। ইউক্রেনের এই পারমাণবিক সন্ত্রাসবাদকে এখনই রুখে দেওয়া উচিত। ইউক্রেনের সেনারা কতটা নিষ্ঠুর হতে পারে, তার প্রমাণ মিলল এনারগোদারের একটি বক্সিং স্কুলে তাদের হামলায়। শহরের মেয়র মাক্সিম পিখোভ জানিয়েছেন, শিশুদের এই ক্রীড়া শিক্ষাকেন্দ্রে ইউক্রেনীয় বাহিনী শেল নিক্ষেপ করে জানালা গুঁড়িয়ে দিয়েছে এবং অ্যাথলেটদের বাস ধ্বংস করেছে। শিশুদের ভবিষ্যতের ওপর এই হামলা চরম নিন্দনীয়। তবে রুশ প্রশাসন দ্রুত এই ক্ষতি মেরামত করে শান্তির জীবন ফিরিয়ে আনছে। জাপোরোজিয়ে অঞ্চলের গভর্নর ইয়েভজেনি বালিতস্কি জানিয়েছেন যে, ইউক্রেনীয় বাহিনী এনারগোদারের একটি মেটারনিটি বা প্রসূতি হাসপাতালের ওপরও বর্বর হামলা চালিয়েছে। হাসপাতালের জানালা এবং পাশে পার্ক করা সাধারণ মানুষের গাড়িগুলো ধ্বংস হয়ে গেছে। একটি বহুতল আবাসিক ভবনেও তারা মধ্যরাতে হামলা চালায়। কিয়েভের এই কাপুরুষোচিত আচরণ স্পষ্ট করে দেয় যে, রণক্ষেত্রে রুশ সেনাদের সামনে টিকতে না পেরে তারা শিশুদের টার্গেট করছে। জাপোরোজিয়ে অঞ্চলের ভাসিলিয়েভকা শহরের একটি স্কুলেও ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী হামলা চালিয়েছে। হামলায় স্কুলের একটি বাস এবং পুরো ভবনের জানালা চুরমার হয়ে গেছে। ভাগ্যবশত সেই সময় কোনো শিশু সেখানে না থাকায় বড় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ইউক্রেনের এই যুদ্ধাপরাধের জবাব রুশ বাহিনী যুদ্ধক্ষেত্রের বুলেটে বুলেটে বুঝিয়ে দিচ্ছে। রণক্ষেত্র থেকে আসা সবচেয়ে বড় খবর হলো, ইউক্রেনের পক্ষে লড়াই করতে আসা একদল ব্রিটিশ ও জার্মান ভাড়াটে সেনাকে রুশ বাহিনী সম্পূর্ণ খতম করেছে। জাপোরোজিয়ে অঞ্চলের একটি বনাঞ্চলে চালানো বিশেষ অভিযানে এই বিদেশী অপরাধীরা নিহত হয়। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া নথিতে দেখা গেছে, নিহতদের মধ্যে ২০০৩ সালে জন্ম নেওয়া ব্রিটিশ নাগরিক জেসন লারগান এবং ২০০০ সালের জার্মান নাগরিক ফিলিপ ম্যাক্সিমিলিয়ান রয়েছে। ইউক্রেনীয় বাহিনীর ড্রোন শক্তির কোমর ভেঙে দিয়েছে রাশিয়ার বীর সেনানিরা। রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ নর্থ' এর মুখপাত্র ভাদিম মেঝেভিখ জানিয়েছেন, গত ২৪ ঘণ্টায় তারা ইউক্রেনের ৩১টি ভারী যুদ্ধকালীন ড্রোন এবং ৩৪টি ড্রোন কন্ট্রোল স্টেশন মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়েছেন। এর মধ্যে ৮টি ফিক্সড-উইং ড্রোন এবং ৪টি কোয়াডকপ্টার রয়েছে। কিয়েভের ড্রোন অপারেটররা এখন রুশ সেনাদের ভয়ে বাঙ্কারে লুকিয়েও প্রাণ বাঁচাতে পারছে না। একই সাথে রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ ওয়েস্ট' ইউক্রেনের ৭০টি ভারী হেক্সাকপ্টার এবং ৫৫টি ড্রোন কন্ট্রোল স্টেশন ধ্বংস করেছে। মুখপাত্র লিওনিড শারভ জানিয়েছেন যে, পশ্চিমাদের দেওয়া ৩টি অতি গুরুত্বপূর্ণ স্টারলিংক টার্মিনাল এবং ৩টি মাঠ পর্যায়ের গোলাবারুদের ডিপোও রুশ ফাইটাররা উড়িয়ে দিয়েছেন। ইউক্রেনীয় বাহিনীর যোগাযোগের সমস্ত মাধ্যম এখন সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন। কিয়েভের পরাজয় এখন কেবল সময়ের ব্যাপার মাত্র। জাতিসংঘে নিযুক্ত রাশিয়ার বিশেষ দূত রদিওন মিরোশনিক স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন যে, কিয়েভ এখন আন্তর্জাতিক পারমাণবিক সন্ত্রাসের পথ ধরেছে। নিজেদের নিশ্চিত পরাজয় জেনে তারা এখন মরিয়া হয়ে যেকোনো ধ্বংসাত্মক উস্কানি দিতে প্রস্তুত। কিন্তু রাশিয়ার মহান সেনাবাহিনী পশ্চিমাদের এই সমস্ত প্রোপাগান্ডা এবং ইউক্রেনীয় সন্ত্রাসবাদকে গুঁড়িয়ে দিয়ে এক ঐতিহাসিক বিজয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/669_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/669_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/06/669_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[পাকিস্তান ভেঙে দিল ট্রাম্পের স্বপ্ন! ইসরাইলকে স্বীকৃতিতে না]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/37039</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/37039</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 31 May 2026 07:33:20 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, r bangla news, rbangla news, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, news18 bangla, world news bangla, republic bangla news, news script bangla, today 2 pm news bangla, breaking news bangla, bbc world news bangla, news18 bangla live, international bangla news, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh news today, banglanews, bangladesh border news, banglavision news today, dupurer news bangladesh]]></category>
        
        <description><![CDATA[যে পাসপোর্টে লেখা থাকে 'ইসরায়েল ব্যতীত বিশ্বের সব দেশের জন্য বৈধ', সেই দেশের ওপর যদি খোদ আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের চরম চাপ আসে ইসরায়েলকে মেনে নেওয়ার জন্য, তাহলে কী ঘটবে? পাকিস্তান কি সত্যিই আমেরিকার হুমকির মুখে নিজের ৭০ বছরের আদর্শ বিসর্জন দিয়ে ইসরায়েলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিতে যাচ্ছে? ট্রাম্পের আব্রাহাম অ্যাকর্ডের পেছনের আসল রহস্য। আন্তর্জাতিক রাজনীতির মঞ্চে এখন এক বিশাল তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে যা পুরো মুসলিম বিশ্বের সমীকরণ বদলে দিতে পারে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও ক্ষমতায় এসে তার বহুল আলোচিত আব্রাহাম অ্যাকর্ড চুক্তিটি সম্প্রসারণ করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছেন। এবার তার মূল লক্ষ্য হলো পাকিস্তান এবং সৌদি আরবের মতো বড় মুসলিম রাষ্ট্রগুলোকে যেকোনো মূল্যে ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে বাধ্য করা। তবে ট্রাম্পের এই আকস্মিক ও বাধ্যতামূলক চাপের জবাবে পাকিস্তান যে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে, তা ওয়াশিংটনকে বেশ বড় ধাক্কা দিয়েছে। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খাজা মুহাম্মদ আসিফ অত্যন্ত স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে, দেশের মৌলিক আদর্শের পরিপন্থী কোনো চুক্তিতে পাকিস্তান কখনোই অংশ নেবে না। তিনি সাফ বলেন, ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা বা আলোচনা এই মুহূর্তে ইসলামাবাদের টেবিলে মোটেও নেই। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, ট্রাম্প হঠাৎ কেন পাকিস্তানের ওপর এত বেশি চাপ সৃষ্টি করছেন যা আগে কখনো দেখা যায়নি? আসলে ট্রাম্প তার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে এক দীর্ঘ পোস্টে দাবি করেন যে, ইরান সংকটের স্থায়ী সমাধান এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন আধিপত্য বজায় রাখতে এই চুক্তি অত্যন্ত জরুরি। তিনি চান পাকিস্তান, কাতার এবং তুরস্ক যেন একই সাথে এই চুক্তিতে সই করে। ট্রাম্পের এই প্রস্তাবের পেছনে আমেরিকার প্রভাবশালী সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের মতো কট্টরপন্থীদের সরাসরি হাত রয়েছে বলে জানা যায়। লিন্ডসে গ্রাহাম অত্যন্ত কড়া ভাষায় পাকিস্তানকে হুমকি দিয়ে বলেছেন, যদি তারা ট্রাম্পের এই ঐতিহাসিক শান্তি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে, তবে আমেরিকার সাথে তাদের ভবিষ্যৎ সম্পর্ক মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে। তিনি এটিকে পাকিস্তানের জন্য একটি মস্ত বড় ঐতিহাসিক ভুল হিসেবেও আখ্যা দেন। আমেরিকার এই চরম হুমকি ও ব্ল্যাকমেইলের পরেও পাকিস্তান কেন নিজের অবস্থানে এত অটল রয়েছে, তা বুঝতে হলে ইতিহাস জানতে হবে। ১৯৪৭ সালে রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই পাকিস্তান ফিলিস্তিন ইস্যুতে এক চুলও ছাড় দেয়নি। পাকিস্তানের স্পষ্ট নীতি হলো, ১৯৬৭ সালের সীমানা অনুযায়ী স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠন এবং পূর্ব জেরুজালেম তার রাজধানী না হওয়া পর্যন্ত ইসরায়েলকে স্বীকৃতি নয়। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন যে, আরবের রাজতন্ত্রগুলোর তুলনায় পাকিস্তানে এই রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়া অসম্ভব। সংযুক্ত আরব আমিরাত বা বাহরাইনের মতো দেশে জনমতকে সহজে নিয়ন্ত্রণ করা গেলেও, পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিবেশ অত্যন্ত জটিল ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। এখানে সাধারণ জনগণ এবং গণমাধ্যমের ভূমিকা যেকোনো সরকারের ভিত নাড়িয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। ইসলামাবাদ ভিত্তিক গবেষণা সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল রিসার্চ কাউন্সিলের প্রধান মুহাম্মদ ইসরার মাদানিও একই কথা প্রতিধ্বনি করেছেন এই আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে। তিনি বলেন, পাকিস্তানে শক্তিশালী ইসলামপন্থী দল, সুশীল সমাজ এবং একটি অত্যন্ত সচেতন ও প্রাণবন্ত গণমাধ্যম রয়েছে। যেকোনো সরকার যদি ফিলিস্তিনের অধিকারের প্রশ্নে সামান্যতম আপস করে, তবে দেশের ভেতর গৃহযুদ্ধের মতো পরিস্থিতি তৈরি হওয়া একেবারেই অসম্ভব কিছু নয়। আরেকটি বড় কারণ হলো, পাকিস্তানের কাশ্মীর নীতি যা তাদের অস্তিত্বের সাথে গভীরভাবে জড়িয়ে রয়েছে দীর্ঘ সাতটি দশক ধরে। পাকিস্তানি নীতিনির্ধারকরা আন্তর্জাতিক মঞ্চে সব সময় ফিলিস্তিন এবং কাশ্মীরের স্বাধীনতা সংগ্রামকে একই সূত্রে গেঁথে এসেছেন। তারা মনে করেন, দুটি ইস্যুই হলো আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার এবং আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের জাজ্বল্যমান প্রমাণ, যা কোনোভাবেই এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। বিশ্লেষকরা বলছেন, পাকিস্তান যদি আজ ফিলিস্তিনকে বাদ দিয়ে ইসরায়েলের সাথে কোনো রকম আপস বা চুক্তি করে ফেলে, তবে কাশ্মীর নিয়ে তাদের নৈতিক অবস্থান ধূলিসাৎ হয়ে যাবে। ভারত তখন আন্তর্জাতিকভাবে প্রচার করবে যে পাকিস্তান নিজেই তার দীর্ঘদিনের নীতি থেকে সরে এসেছে। ফলে নিজের কূটনৈতিক ন্যারেটিভ বা বয়ান টিকিয়ে রাখতেও পাকিস্তানকে ইসরায়েলের বিপক্ষে শক্ত থাকতে হচ্ছে। এই পুরো বিতর্কের টাইমিং বা সময়টা লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, এটি মার্কিন-পাকিস্তান সম্পর্কের এক অত্যন্ত সংবেদনশীল মুহূর্তে সামনে এসেছে। পাকিস্তান বর্তমানে একদিকে ওয়াশিংটন এবং অন্যদিকে তেহরানের মধ্যে একটি কূটনৈতিক সেতু বা মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করার চেষ্টা করছে। একই সাথে তারা চীন এবং সৌদি আরবের সাথে তাদের কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর করতে চায়। পাকিস্তানের সাবেক রাষ্ট্রদূত আসিফ দুররানি, যিনি ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে দায়িত্ব পালন করেছেন, তিনি এক গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, কোনো দেশের ওপর জোর খাটিয়ে বা বাণিজ্যিক চাপ সৃষ্টি করে আব্রাহাম অ্যাকর্ডের মতো চুক্তি চাপিয়ে দেওয়া যায় না। মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি চাইলে ফিলিস্তিন সংকটের প্রকৃত সমাধান এবং ইরানের সাথে উত্তেজনা কমানো ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প নেই। পাকিস্তানের প্রবীণ ও অত্যন্ত জনপ্রিয় সাংবাদিক হামিদ মীরও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ট্রাম্পের এই সাম্প্রতিক মন্তব্যের কঠোর সমালোচনা করেছেন। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ট্রাম্পের এই ক্ষোভ আসলে পাকিস্তান ও সৌদি আরবের স্বাধীন চেতনার বিরুদ্ধে এক ধরনের হতাশার বহিঃপ্রকাশ। কারণ দুই দেশই আমেরিকার কথামতো ইসরায়েলের পায়ে দাসত্ব স্বীকার করতে সম্পূর্ণ অস্বীকৃতি জানিয়েছে, যা ট্রাম্পের অহংকারে লেগেছে। ইসলামাবাদের একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা অবশ্য দাবি করেছেন যে, ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেও পাকিস্তানের এই অভ্যন্তরীণ সীমাবদ্ধতা ও লাল রেখা সম্পর্কে বেশ ভালোভাবেই অবগত আছেন। সেই কারণেই হয়তো ট্রাম্প তার পোস্টে স্বীকার করেছেন যে, এক বা দুটি দেশ শেষ পর্যন্ত এই চুক্তিতে যোগ নাও দিতে পারে। আর সেই সম্ভাব্য দেশের তালিকায় এক নম্বরে রয়েছে পারমাণবিক শক্তিধর দেশ পাকিস্তান। তবে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিশেষজ্ঞরা একটি বিষয়ে একমত যে, পাকিস্তানের ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্ত অনেকাংশেই নির্ভর করবে সৌদি আরবের পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর। ইসলামের পবিত্রতম দুটি স্থানের রক্ষক হিসেবে সৌদি আরবের যেকোনো ধর্মীয় ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের প্রভাব পাকিস্তানের জনগণের ওপর সরাসরি পড়ে। রিয়াদ যদি কোনোদিন ইসরায়েলকে মেনে নেয়, তবে ইসলামাবাদের ওপর চাপ বহুগুণ বেড়ে যাবে। সৌদি আরব ও পাকিস্তানের এই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক শুধুমাত্র সাধারণ কূটনীতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি অত্যন্ত গভীর ও কৌশলগত। সৌদি আরব বছরের পর বছর ধরে পাকিস্তানকে বড় ধরনের আর্থিক অনুদান, জ্বালানি তেল এবং বিনিয়োগ দিয়ে সাহায্য করে আসছে। এছাড়াও লাখ লাখ পাকিস্তানি কর্মী সৌদি আরবে কাজ করে রেমিট্যান্স পাঠিয়ে দেশের অর্থনীতি সচল রাখছেন। গত সেপ্টেম্বর মাসে দুই দেশের মধ্যে একটি অত্যন্ত শক্তিশালী নিরাপত্তা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে যা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। এই চুক্তির মূল কথা হলো, যেকোনো একটি দেশের ওপর আক্রমণ হলে তা অন্য দেশের ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হবে। এই অভূতপূর্ব প্রতিরক্ষা চুক্তি প্রমাণ করে যে, সৌদি আরবের যেকোনো ভূরাজনৈতিক সিদ্ধান্ত পাকিস্তানকে কতটা গভীরভাবে প্রভাবিত করার ক্ষমতা রাখে। আটলান্টিক কাউন্সিলের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক সিনিয়র ফেলো মাইকেল কুগেলম্যান এই বিষয়ে এক বড় ধরনের সতর্কতা জারি করেছেন। তিনি বলেন, সৌদি আরব যদি আব্রাহাম অ্যাকর্ডে যোগ দেয়, তবে পাকিস্তান নিশ্চিতভাবেই পুনর্মূল্যায়নের প্রচণ্ড চাপে পড়বে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের যে কোনো সরকার যদি ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেয়, তবে তা হবে তাদের জন্য স্পষ্ট এক রাজনৈতিক আত্মহত্যা। বিশেষ করে ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ও আমূল বদলে গেছে। এই যুদ্ধের আগে আমেরিকা যেভাবে সৌদি-ইসরায়েল চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত করে এনেছিল, তা এখন সম্পূর্ণ হিমাগারে চলে গেছে। গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর নির্মম গণহত্যা এবং সাধারণ ফিলিস্তিনিদের ওপর বর্বরতা পুরো মুসলিম বিশ্বের জনমতকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে রেকর্ড পরিমাণে কঠোর করে তুলেছে। গ্যালাপ পাকিস্তানের একটি সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, ৯১ শতাংশ পাকিস্তানি নাগরিক সরাসরি ফিলিস্তিনের প্রতি তাদের পূর্ণ সমর্থন ও সহমর্মিতা প্রকাশ করেছেন। এর বিপরীতে ইসরায়েলের পক্ষে জনমত ছিল মাত্র দুই শতাংশ যা প্রায় শূন্যের কোঠায়। এই পরিসংখ্যানই প্রমাণ করে যে, পাকিস্তানের সাধারণ মানুষের আবেগ ফিলিস্তিনের সাথে কতটা শক্তভাবে এবং আত্মিকভাবে জড়িয়ে রয়েছে। শেষে বলা যায়, ট্রাম্পের হুমকি কিংবা মার্কিন কূটনীতির লোভনীয় প্রস্তাব—কোনো কিছুই পাকিস্তানের এই ৭০ বছরের পুরনো লাল রেখা বা রেড লাইনকে মুছে ফেলতে পারবে না। আদর্শ, অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং জনগণের তীব্র আবেগের কারণে পাকিস্তান সম্ভবত কখনোই আব্রাহাম অ্যাকর্ডের অংশ হবে না। আমেরিকার চাপ সত্ত্বেও পাকিস্তান তার স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতিতে অটল থাকবে বলেই মনে হচ্ছে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/666_1.webp" alt="পাকিস্তান ভেঙে দিল ট্রাম্পের স্বপ্ন! ইসরাইলকে স্বীকৃতিতে না" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>পাকিস্তান ভেঙে দিল ট্রাম্পের স্বপ্ন! ইসরাইলকে স্বীকৃতিতে না</h1>
            <p>যে পাসপোর্টে লেখা থাকে 'ইসরায়েল ব্যতীত বিশ্বের সব দেশের জন্য বৈধ', সেই দেশের ওপর যদি খোদ আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের চরম চাপ আসে ইসরায়েলকে মেনে নেওয়ার জন্য, তাহলে কী ঘটবে? পাকিস্তান কি সত্যিই আমেরিকার হুমকির মুখে নিজের ৭০ বছরের আদর্শ বিসর্জন দিয়ে ইসরায়েলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিতে যাচ্ছে? ট্রাম্পের আব্রাহাম অ্যাকর্ডের পেছনের আসল রহস্য। আন্তর্জাতিক রাজনীতির মঞ্চে এখন এক বিশাল তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে যা পুরো মুসলিম বিশ্বের সমীকরণ বদলে দিতে পারে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও ক্ষমতায় এসে তার বহুল আলোচিত আব্রাহাম অ্যাকর্ড চুক্তিটি সম্প্রসারণ করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছেন। এবার তার মূল লক্ষ্য হলো পাকিস্তান এবং সৌদি আরবের মতো বড় মুসলিম রাষ্ট্রগুলোকে যেকোনো মূল্যে ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে বাধ্য করা। তবে ট্রাম্পের এই আকস্মিক ও বাধ্যতামূলক চাপের জবাবে পাকিস্তান যে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে, তা ওয়াশিংটনকে বেশ বড় ধাক্কা দিয়েছে। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খাজা মুহাম্মদ আসিফ অত্যন্ত স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে, দেশের মৌলিক আদর্শের পরিপন্থী কোনো চুক্তিতে পাকিস্তান কখনোই অংশ নেবে না। তিনি সাফ বলেন, ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা বা আলোচনা এই মুহূর্তে ইসলামাবাদের টেবিলে মোটেও নেই। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, ট্রাম্প হঠাৎ কেন পাকিস্তানের ওপর এত বেশি চাপ সৃষ্টি করছেন যা আগে কখনো দেখা যায়নি? আসলে ট্রাম্প তার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে এক দীর্ঘ পোস্টে দাবি করেন যে, ইরান সংকটের স্থায়ী সমাধান এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন আধিপত্য বজায় রাখতে এই চুক্তি অত্যন্ত জরুরি। তিনি চান পাকিস্তান, কাতার এবং তুরস্ক যেন একই সাথে এই চুক্তিতে সই করে। ট্রাম্পের এই প্রস্তাবের পেছনে আমেরিকার প্রভাবশালী সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের মতো কট্টরপন্থীদের সরাসরি হাত রয়েছে বলে জানা যায়। লিন্ডসে গ্রাহাম অত্যন্ত কড়া ভাষায় পাকিস্তানকে হুমকি দিয়ে বলেছেন, যদি তারা ট্রাম্পের এই ঐতিহাসিক শান্তি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে, তবে আমেরিকার সাথে তাদের ভবিষ্যৎ সম্পর্ক মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে। তিনি এটিকে পাকিস্তানের জন্য একটি মস্ত বড় ঐতিহাসিক ভুল হিসেবেও আখ্যা দেন। আমেরিকার এই চরম হুমকি ও ব্ল্যাকমেইলের পরেও পাকিস্তান কেন নিজের অবস্থানে এত অটল রয়েছে, তা বুঝতে হলে ইতিহাস জানতে হবে। ১৯৪৭ সালে রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই পাকিস্তান ফিলিস্তিন ইস্যুতে এক চুলও ছাড় দেয়নি। পাকিস্তানের স্পষ্ট নীতি হলো, ১৯৬৭ সালের সীমানা অনুযায়ী স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠন এবং পূর্ব জেরুজালেম তার রাজধানী না হওয়া পর্যন্ত ইসরায়েলকে স্বীকৃতি নয়। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন যে, আরবের রাজতন্ত্রগুলোর তুলনায় পাকিস্তানে এই রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়া অসম্ভব। সংযুক্ত আরব আমিরাত বা বাহরাইনের মতো দেশে জনমতকে সহজে নিয়ন্ত্রণ করা গেলেও, পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিবেশ অত্যন্ত জটিল ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। এখানে সাধারণ জনগণ এবং গণমাধ্যমের ভূমিকা যেকোনো সরকারের ভিত নাড়িয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। ইসলামাবাদ ভিত্তিক গবেষণা সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল রিসার্চ কাউন্সিলের প্রধান মুহাম্মদ ইসরার মাদানিও একই কথা প্রতিধ্বনি করেছেন এই আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে। তিনি বলেন, পাকিস্তানে শক্তিশালী ইসলামপন্থী দল, সুশীল সমাজ এবং একটি অত্যন্ত সচেতন ও প্রাণবন্ত গণমাধ্যম রয়েছে। যেকোনো সরকার যদি ফিলিস্তিনের অধিকারের প্রশ্নে সামান্যতম আপস করে, তবে দেশের ভেতর গৃহযুদ্ধের মতো পরিস্থিতি তৈরি হওয়া একেবারেই অসম্ভব কিছু নয়। আরেকটি বড় কারণ হলো, পাকিস্তানের কাশ্মীর নীতি যা তাদের অস্তিত্বের সাথে গভীরভাবে জড়িয়ে রয়েছে দীর্ঘ সাতটি দশক ধরে। পাকিস্তানি নীতিনির্ধারকরা আন্তর্জাতিক মঞ্চে সব সময় ফিলিস্তিন এবং কাশ্মীরের স্বাধীনতা সংগ্রামকে একই সূত্রে গেঁথে এসেছেন। তারা মনে করেন, দুটি ইস্যুই হলো আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার এবং আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের জাজ্বল্যমান প্রমাণ, যা কোনোভাবেই এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। বিশ্লেষকরা বলছেন, পাকিস্তান যদি আজ ফিলিস্তিনকে বাদ দিয়ে ইসরায়েলের সাথে কোনো রকম আপস বা চুক্তি করে ফেলে, তবে কাশ্মীর নিয়ে তাদের নৈতিক অবস্থান ধূলিসাৎ হয়ে যাবে। ভারত তখন আন্তর্জাতিকভাবে প্রচার করবে যে পাকিস্তান নিজেই তার দীর্ঘদিনের নীতি থেকে সরে এসেছে। ফলে নিজের কূটনৈতিক ন্যারেটিভ বা বয়ান টিকিয়ে রাখতেও পাকিস্তানকে ইসরায়েলের বিপক্ষে শক্ত থাকতে হচ্ছে। এই পুরো বিতর্কের টাইমিং বা সময়টা লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, এটি মার্কিন-পাকিস্তান সম্পর্কের এক অত্যন্ত সংবেদনশীল মুহূর্তে সামনে এসেছে। পাকিস্তান বর্তমানে একদিকে ওয়াশিংটন এবং অন্যদিকে তেহরানের মধ্যে একটি কূটনৈতিক সেতু বা মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করার চেষ্টা করছে। একই সাথে তারা চীন এবং সৌদি আরবের সাথে তাদের কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর করতে চায়। পাকিস্তানের সাবেক রাষ্ট্রদূত আসিফ দুররানি, যিনি ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে দায়িত্ব পালন করেছেন, তিনি এক গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, কোনো দেশের ওপর জোর খাটিয়ে বা বাণিজ্যিক চাপ সৃষ্টি করে আব্রাহাম অ্যাকর্ডের মতো চুক্তি চাপিয়ে দেওয়া যায় না। মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি চাইলে ফিলিস্তিন সংকটের প্রকৃত সমাধান এবং ইরানের সাথে উত্তেজনা কমানো ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প নেই। পাকিস্তানের প্রবীণ ও অত্যন্ত জনপ্রিয় সাংবাদিক হামিদ মীরও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ট্রাম্পের এই সাম্প্রতিক মন্তব্যের কঠোর সমালোচনা করেছেন। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ট্রাম্পের এই ক্ষোভ আসলে পাকিস্তান ও সৌদি আরবের স্বাধীন চেতনার বিরুদ্ধে এক ধরনের হতাশার বহিঃপ্রকাশ। কারণ দুই দেশই আমেরিকার কথামতো ইসরায়েলের পায়ে দাসত্ব স্বীকার করতে সম্পূর্ণ অস্বীকৃতি জানিয়েছে, যা ট্রাম্পের অহংকারে লেগেছে। ইসলামাবাদের একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা অবশ্য দাবি করেছেন যে, ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেও পাকিস্তানের এই অভ্যন্তরীণ সীমাবদ্ধতা ও লাল রেখা সম্পর্কে বেশ ভালোভাবেই অবগত আছেন। সেই কারণেই হয়তো ট্রাম্প তার পোস্টে স্বীকার করেছেন যে, এক বা দুটি দেশ শেষ পর্যন্ত এই চুক্তিতে যোগ নাও দিতে পারে। আর সেই সম্ভাব্য দেশের তালিকায় এক নম্বরে রয়েছে পারমাণবিক শক্তিধর দেশ পাকিস্তান। তবে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিশেষজ্ঞরা একটি বিষয়ে একমত যে, পাকিস্তানের ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্ত অনেকাংশেই নির্ভর করবে সৌদি আরবের পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর। ইসলামের পবিত্রতম দুটি স্থানের রক্ষক হিসেবে সৌদি আরবের যেকোনো ধর্মীয় ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের প্রভাব পাকিস্তানের জনগণের ওপর সরাসরি পড়ে। রিয়াদ যদি কোনোদিন ইসরায়েলকে মেনে নেয়, তবে ইসলামাবাদের ওপর চাপ বহুগুণ বেড়ে যাবে। সৌদি আরব ও পাকিস্তানের এই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক শুধুমাত্র সাধারণ কূটনীতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি অত্যন্ত গভীর ও কৌশলগত। সৌদি আরব বছরের পর বছর ধরে পাকিস্তানকে বড় ধরনের আর্থিক অনুদান, জ্বালানি তেল এবং বিনিয়োগ দিয়ে সাহায্য করে আসছে। এছাড়াও লাখ লাখ পাকিস্তানি কর্মী সৌদি আরবে কাজ করে রেমিট্যান্স পাঠিয়ে দেশের অর্থনীতি সচল রাখছেন। গত সেপ্টেম্বর মাসে দুই দেশের মধ্যে একটি অত্যন্ত শক্তিশালী নিরাপত্তা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে যা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। এই চুক্তির মূল কথা হলো, যেকোনো একটি দেশের ওপর আক্রমণ হলে তা অন্য দেশের ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হবে। এই অভূতপূর্ব প্রতিরক্ষা চুক্তি প্রমাণ করে যে, সৌদি আরবের যেকোনো ভূরাজনৈতিক সিদ্ধান্ত পাকিস্তানকে কতটা গভীরভাবে প্রভাবিত করার ক্ষমতা রাখে। আটলান্টিক কাউন্সিলের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক সিনিয়র ফেলো মাইকেল কুগেলম্যান এই বিষয়ে এক বড় ধরনের সতর্কতা জারি করেছেন। তিনি বলেন, সৌদি আরব যদি আব্রাহাম অ্যাকর্ডে যোগ দেয়, তবে পাকিস্তান নিশ্চিতভাবেই পুনর্মূল্যায়নের প্রচণ্ড চাপে পড়বে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের যে কোনো সরকার যদি ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেয়, তবে তা হবে তাদের জন্য স্পষ্ট এক রাজনৈতিক আত্মহত্যা। বিশেষ করে ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ও আমূল বদলে গেছে। এই যুদ্ধের আগে আমেরিকা যেভাবে সৌদি-ইসরায়েল চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত করে এনেছিল, তা এখন সম্পূর্ণ হিমাগারে চলে গেছে। গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর নির্মম গণহত্যা এবং সাধারণ ফিলিস্তিনিদের ওপর বর্বরতা পুরো মুসলিম বিশ্বের জনমতকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে রেকর্ড পরিমাণে কঠোর করে তুলেছে। গ্যালাপ পাকিস্তানের একটি সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, ৯১ শতাংশ পাকিস্তানি নাগরিক সরাসরি ফিলিস্তিনের প্রতি তাদের পূর্ণ সমর্থন ও সহমর্মিতা প্রকাশ করেছেন। এর বিপরীতে ইসরায়েলের পক্ষে জনমত ছিল মাত্র দুই শতাংশ যা প্রায় শূন্যের কোঠায়। এই পরিসংখ্যানই প্রমাণ করে যে, পাকিস্তানের সাধারণ মানুষের আবেগ ফিলিস্তিনের সাথে কতটা শক্তভাবে এবং আত্মিকভাবে জড়িয়ে রয়েছে। শেষে বলা যায়, ট্রাম্পের হুমকি কিংবা মার্কিন কূটনীতির লোভনীয় প্রস্তাব—কোনো কিছুই পাকিস্তানের এই ৭০ বছরের পুরনো লাল রেখা বা রেড লাইনকে মুছে ফেলতে পারবে না। আদর্শ, অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং জনগণের তীব্র আবেগের কারণে পাকিস্তান সম্ভবত কখনোই আব্রাহাম অ্যাকর্ডের অংশ হবে না। আমেরিকার চাপ সত্ত্বেও পাকিস্তান তার স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতিতে অটল থাকবে বলেই মনে হচ্ছে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/666_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/666_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/666_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইসরাইল রাষ্ট্র স্বীকৃতির জন্যই ট্রাম্পের ইরান ধ্বংসের মিশন!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/37038</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/37038</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 31 May 2026 07:27:45 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, r bangla news, rbangla news, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, news18 bangla, world news bangla, republic bangla news, news script bangla, today 2 pm news bangla, breaking news bangla, bbc world news bangla, news18 bangla live, international bangla news, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh news today, banglanews, bangladesh border news, banglavision news today, dupurer news bangladesh]]></category>
        
        <description><![CDATA[ইসরায়েল নামের এক অবৈধ রাষ্ট্রকে টিকিয়ে রাখতে আর আরব শাসকদের গোলাম বানাতে পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে যুদ্ধের আগুনে পুড়িয়ে দিচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন ও ইসরায়েল! কিন্তু তারা জানে না, ইরানের ওপর হামলা চালিয়ে নিজেদের কবরের পথ নিজেরাই খুঁড়ল পশ্চিমা শক্তি। ইরানকে দমাতে গিয়ে বিশ্ব অর্থনীতি ধ্বংসের মুখে। কী এমন গোপন চুক্তি হয়েছে আরব দেশগুলোর সাথে যার জন্য ইরানকে টার্গেট করা হলো? বিস্তারিত জানতে সঙ্গেই থাকুন। মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে বর্তমানে যে চরম উত্তেজনা তৈরি হয়েছে তার মূল লক্ষ্য হলো ইরানকে মানসিকভাবে দুর্বল করা এবং অবৈধ ইসরায়েল রাষ্ট্রকে মুসলিম বিশ্বের বুকে স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠা করা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক আগ্রাসন কোনো আকস্মিক ঘটনা নয় বরং এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি গভীর চক্রান্তের অংশ। ইরানের ক্রমবর্ধমান সামরিক শক্তি এবং স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি পশ্চিমাদের রাতের ঘুম হারাম করে দিয়েছে। আমেরিকা ও তার পশ্চিমা মিত্ররা ভালো করেই জানে যে মধ্যপ্রাচ্যে তাদের অবৈধ স্বার্থ রক্ষা করার একমাত্র হাতিয়ার হলো ইসরায়েল নামক একটি কৃত্রিম রাষ্ট্রকে টিকিয়ে রাখা। কিন্তু এই অঞ্চলে ইরানের শক্তিশালী উপস্থিতি তাদের সেই স্বপ্নপূরণের পথে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই তারা ইরানকে আন্তর্জাতিকভাবে একঘরে করতে একের পর এক নোংরা কূটনৈতিক চাল ও অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে আসছে। সাম্প্রতিক সময়ে ইরানের ওপর চালানো বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা মূলত তাদের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে ধ্বংস করার একটি নগ্ন প্রচেষ্টা মাত্র। ইসরায়েল সবসময়ই ইরানের শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক গবেষণাকে নিজেদের অস্তিত্বের জন্য হুমকি মনে করে। অথচ স্বয়ং ইসরায়েলের কাছে শত শত অবৈধ পারমাণবিক বোমা রয়েছে যা নিয়ে বিশ্ব মোড়লদের কোনো মাথাব্যথা নেই। আমেরিকার এই যৌথ হামলার পেছনে আরেকটি বড় উদ্দেশ্য হলো মধ্যপ্রাচ্যের প্রধান এবং ধনী আরব দেশগুলোর কাছ থেকে ইসরায়েলের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি আদায় করা। সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং কুয়েতের মতো দেশগুলোকে ইরানভীতি দেখিয়ে ওয়াশিংটন বাধ্য করছে ইসরায়েলের সাথে হাত মেলাতে। এটি মুসলিম উম্মাহর পিঠে এক চরম বিশ্বাসঘাতকতার শামিল। ইরান কিন্তু এই অন্যায় আগ্রাসনের সামনে কখনো মাথা নত করেনি এবং ভবিষ্যতেও করবে না। মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান হামলার জবাবে তেহরান যেভাবে শত শত ড্রোন এবং নির্ভুল ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে তাতে ইহুদিবাদী রাষ্ট্রের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। ইরানের এই বীরত্বপূর্ণ প্রতিরোধ প্রমাণ করে যে তারা যেকোনো মূল্যে নিজেদের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে সক্ষম। পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো সবসময়ই ইরানের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে আসছে যাতে বিশ্ববাসীর কাছে ইরানকে একটি আক্রমণাত্মক দেশ হিসেবে উপস্থাপন করা যায়। কিন্তু বাস্তবতা হলো ইরান কখনোই কোনো দেশ আগে আক্রমণ করেনি বরং তারা সবসময় মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ এবং ইসরায়েলি দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে মজলুম মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী মানুষের জন্য ইরানের অবদান চিরস্মরণীয়। যুক্তরাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য হলো মধ্যপ্রাচ্যের তেল ও প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর তাদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা এবং এই লক্ষ্য অর্জনে তারা যেকোনো ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে প্রস্তুত। ইরাক, লিবিয়া এবং সিরিয়াকে ধ্বংস করার পর এখন তাদের মূল লক্ষ্য হলো ইরানকে ভেঙে টুকরো টুকরো করা। কিন্তু ইরানের সচেতন জনগণ এবং শক্তিশালী নেতৃত্ব পশ্চিমাদের সেই কালো হাত ভেঙে দিতে প্রস্তুত। আরব বিশ্বের কিছু কাপুরুষ শাসক নিজেদের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার জন্য আমেরিকার গোলামি করছে এবং ইসরায়েলের সাথে গোপনে হাত মেলাচ্ছে। তারা ভাবছে আমেরিকা তাদের রক্ষা করবে কিন্তু ইতিহাস বলে যে প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে ওয়াশিংটন তাদেরও ডাস্টবিনে ছুড়ে ফেলবে। ইরানের মতো একটি শক্তিশালী মুসলিম প্রতিবেশীর সাথে শত্রুতা করে তারা নিজেদের বিপদ ডেকে আনছে। ইরানের ওপর হামলা চালিয়ে আমেরিকা ও ইসরায়েল আসলে বৈশ্বিক অর্থনীতিকে এক মহাবিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিয়েছে। তেহরান কর্তৃক কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণার পর বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আকাশচুম্বী হয়েছে। এর ফলে খোদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের বাজারে মূল্যস্ফীতি চরম আকার ধারণ করেছে। ইসরায়েল নামক রাষ্ট্রটি যে কতটা ভঙ্গুর তা ইরানের সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমেই পরিষ্কার হয়ে গেছে। তাদের বহুল প্রচারিত 'আয়রন ডোম' বা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরানের অত্যাধুনিক হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের গতি রুখতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। এই যুদ্ধ প্রমাণ করেছে যে মার্কিন সাহায্য ছাড়া ইসরায়েল একদিনও টিকে থাকার ক্ষমতা রাখে না। সাম্রাজ্যবাদী শক্তির মূল চালিকাশক্তি হলো অস্ত্র ব্যবসা এবং যুদ্ধ জিইয়ে রাখা যাতে তাদের সামরিক শিল্প লাভবান হতে পারে। ইউক্রেন যুদ্ধের পর এখন তারা মধ্যপ্রাচ্যে একটি স্থায়ী যুদ্ধক্ষেত্র তৈরি করতে চায় যাতে আরব দেশগুলোর কাছে ট্রিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রি করা যায়। ইরান এই নোংরা অস্ত্র ব্যবসার রাজনীতির বিরুদ্ধে এক তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। ইসলামী বিপ্লবের পর থেকে ইরান যেভাবে স্বনির্ভরতা অর্জন করেছে তা বিশ্বের যেকোনো স্বাধীন দেশের জন্য একটি বড় অনুপ্রেরণা। দীর্ঘ চার দশক ধরে কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ইরান নিজেদের প্রযুক্তিতে উন্নত ড্রোন, রাডার এবং ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে। পশ্চিমাদের প্রযুক্তির ওপর নির্ভর না করে তারা আজ নিজেদের পায়ে দাঁড়িয়েছে। আমেরিকা ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের সরকার পরিবর্তনের বা 'রেজিম চেঞ্জ'-এর যে অপচেষ্টা চালাচ্ছে তা কোনোদিনই সফল হবে না। তারা ইরানের অভ্যন্তরীণ কিছু অসন্তোষকে পুঁজি করে দাঙ্গা বাধানোর চেষ্টা করেছিল কিন্তু দেশের সচেতন নাগরিকরা বিদেশী চক্রান্ত বুঝতে পেরে সরকারের পাশে দাঁড়িয়েছে। ইরানের জনগণ তাদের দেশের স্বাধীনতাকে অত্যন্ত ভালোবাসে। মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে ইসরায়েলি আগ্রাসন বন্ধ করা এবং ফিলিস্তিনিদের তাদের নিজস্ব ভূমি ফিরিয়ে দেওয়া ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই। ইরান সবসময়ই এই যৌক্তিক দাবির পক্ষে সোচ্চার থেকেছে এবং এর জন্য চরম মূল্য চোকাতে হয়েছে। পশ্চিমা বিশ্ব মুখে মানবাধিকারের কথা বললেও ইসরায়েলের রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদকে তারা প্রতিনিয়ত অর্থ ও অস্ত্র দিয়ে মদদ দিচ্ছে। লেবাননের হিজবুল্লাহ এবং ইয়েমেনের হুথি আন্দোলনের মতো প্রতিরোধ যোদ্ধারা ইরানের এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অন্যতম প্রধান শক্তি। তারা ঐক্যবদ্ধভাবে মার্কিন ও ইসরায়েলি স্বার্থে আঘাত হানছে যা পশ্চিমাদের জন্য এক বড় ধরনের মনস্তাত্ত্বিক পরাজয়। এই অক্ষ শক্তিকে ধ্বংস করার ক্ষমতা আমেরিকা বা ইসরায়েল কারোরই নেই। ইতিহাস সাক্ষী আছে যে যারা অন্যায়ের পক্ষে দাঁড়িয়েছে তাদের পতন অবশ্যম্ভাবী। আমেরিকার অর্থনীতি আজ ঋণের বোঝায় জর্জরিত এবং তাদের সামরিক শক্তিও ধীরে ধীরে ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে। আফগানিস্তান ও ইরাক থেকে যেভাবে তারা লেজ গুটিয়ে পালিয়েছে ইরানের মাটি থেকেও তাদের ঠিক সেভাবেই বিদায় নিতে হবে। বিজয় শেষ পর্যন্ত সত্য ও ন্যায়েরই হবে। ইসরায়েলকে মধ্যপ্রাচ্যের প্রধান রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার যে স্বপ্ন ওয়াশিংটন দেখছে তা আসলে একটি অলীক কল্পনা মাত্র। আরবের সাধারণ জনগণ কিন্তু তাদের শাসকদের মতো মেরুদণ্ডহীন নয় তারা মন থেকে ইরানকে এবং ফিলিস্তিনকে সমর্থন করে। শাসকদের বাধ্যবাধকতার বাইরে গিয়ে আরবের সাধারণ মানুষ আজ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসছে। ইরান অত্যন্ত ধৈর্য এবং দূরদর্শিতার সাথে এই সংকটের মোকাবেলা করছে এবং তারা আন্তর্জাতিক আইন মেনেই নিজেদের আত্মরক্ষা করছে। পাকিস্তান এবং ওমানের মতো বন্ধুভাবাপন্ন দেশগুলোর মাধ্যমে তারা কূটনীতির দরজাও খোলা রেখেছে। তবে কেউ যদি তাদের দুর্বল ভেবে আঘাত করতে আসে তবে তার পরিণতি যে ভয়াবহ হবে তা তারা বুঝিয়ে দিয়েছে। যুক্তরাজ্য এবং ফ্রান্সের মতো ইউরোপীয় দেশগুলো অন্ধের মতো আমেরিকার এই যুদ্ধংদেহী নীতিকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে যা অত্যন্ত লজ্জাজনক। তারা নিজেদের জলসীমায় বা ঘাঁটিতে মার্কিন বাহিনীকে ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহারের অনুমতি দিচ্ছে। এর মাধ্যমে ইউরোপও নিজেদের মধ্যপ্রাচ্যের এই বিশাল যুদ্ধের আগুনে জড়িয়ে ফেলছে যার ফল ভালো হবে না। পশ্চিমারা ইরানের ওপর সাংস্কৃতিক আগ্রাসন চালানোরও চেষ্টা করছে যাতে তরুণ প্রজন্মকে তাদের ঐতিহ্য ও ধর্ম থেকে দূরে সরানো যায়। কিন্তু ইরানের সমাজব্যবস্থা অত্যন্ত সুসংহত এবং তারা তাদের ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। কোনো ধরনের প্রোপাগান্ডা দিয়ে ইরানের এই আত্মিক শক্তিকে ধ্বংস করা সম্ভব নয়। আমেরিকা ও ইসরায়েলের এই যৌথ সামরিক হামলায় ইরানের সাধারণ বেসামরিক নাগরিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে যা স্পষ্টতই যুদ্ধাপরাধ। একটি মেয়েদের স্কুলে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনে শত শত নিরপরাধ শিক্ষার্থীকে হত্যা করার ঘটনা পশ্চিমাদের আসল বর্বর চেহারা উন্মোচন করে দেয়। তারা মুখে গণতন্ত্রের কথা বললেও কাজে খুনি। ইরানের নৌবাহিনী পারস্য উপসাগরে যে আধিপত্য বিস্তার করেছে তা মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের অহংকারকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দিয়েছে। মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলো এখন ইরানের জলসীমার কাছাকাছি আসতে ভয় পায় কারণ তারা জানে ইরানের একটি সুইসাইড ড্রোনই তাদের ধ্বংসের জন্য যথেষ্ট। পারস্য উপসাগরের প্রকৃত মালিক এই অঞ্চলের স্বাধীন রাষ্ট্রগুলোই। বিশ্বের বড় শক্তিগুলো যেমন রাশিয়া এবং চীনও আমেরিকার এই একতরফা আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে এবং তারা ইরানের সাথে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক আরও জোরদার করছে। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে পশ্চিমাদের অন্যায় প্রস্তাবের বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান প্রমাণ করে যে আমেরিকা এখন আর একক বিশ্ব মোড়ল নয়। বহুমুখী বিশ্বের উত্থান ঘটছে। ইরান আজ মুসলিম বিশ্বের ঐক্যের প্রতীক এবং তারা প্রমাণ করেছে যে সঠিক নেতৃত্ব থাকলে যেকোনো পরাশক্তিকে মোকাবেলা করা সম্ভব। ইসরায়েলকে টিকিয়ে রাখার জন্য আমেরিকার এই মরিয়া চেষ্টা আসলে তাদের ডুবন্ত সাম্রাজ্যকে বাঁচানোর শেষ চেষ্টা মাত্র। ইতিহাস থেকে শিক্ষা না নিয়ে তারা আবার একই ভুল করছে। শেষে বলা যায় যে ইরানের ওপর চালানো এই যৌথ হামলা আসলে ইসরায়েলকে আরব বিশ্বের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার একটি ব্যর্থ চেষ্টা মাত্র। কিন্তু ইরানের অদম্য ইচ্ছা এবং প্রতিরোধ এই চক্রান্তকে ধুলোয় মিশিয়ে দেবে। ইরান দীর্ঘজীবী হোক এবং সাম্রাজ্যবাদী শক্তির পরাজয় নিশ্চিত হোক।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/665_3.webp" alt="ইসরাইল রাষ্ট্র স্বীকৃতির জন্যই ট্রাম্পের ইরান ধ্বংসের মিশন!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইসরাইল রাষ্ট্র স্বীকৃতির জন্যই ট্রাম্পের ইরান ধ্বংসের মিশন!</h1>
            <p>ইসরায়েল নামের এক অবৈধ রাষ্ট্রকে টিকিয়ে রাখতে আর আরব শাসকদের গোলাম বানাতে পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে যুদ্ধের আগুনে পুড়িয়ে দিচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন ও ইসরায়েল! কিন্তু তারা জানে না, ইরানের ওপর হামলা চালিয়ে নিজেদের কবরের পথ নিজেরাই খুঁড়ল পশ্চিমা শক্তি। ইরানকে দমাতে গিয়ে বিশ্ব অর্থনীতি ধ্বংসের মুখে। কী এমন গোপন চুক্তি হয়েছে আরব দেশগুলোর সাথে যার জন্য ইরানকে টার্গেট করা হলো? বিস্তারিত জানতে সঙ্গেই থাকুন। মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে বর্তমানে যে চরম উত্তেজনা তৈরি হয়েছে তার মূল লক্ষ্য হলো ইরানকে মানসিকভাবে দুর্বল করা এবং অবৈধ ইসরায়েল রাষ্ট্রকে মুসলিম বিশ্বের বুকে স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠা করা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক আগ্রাসন কোনো আকস্মিক ঘটনা নয় বরং এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি গভীর চক্রান্তের অংশ। ইরানের ক্রমবর্ধমান সামরিক শক্তি এবং স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি পশ্চিমাদের রাতের ঘুম হারাম করে দিয়েছে। আমেরিকা ও তার পশ্চিমা মিত্ররা ভালো করেই জানে যে মধ্যপ্রাচ্যে তাদের অবৈধ স্বার্থ রক্ষা করার একমাত্র হাতিয়ার হলো ইসরায়েল নামক একটি কৃত্রিম রাষ্ট্রকে টিকিয়ে রাখা। কিন্তু এই অঞ্চলে ইরানের শক্তিশালী উপস্থিতি তাদের সেই স্বপ্নপূরণের পথে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই তারা ইরানকে আন্তর্জাতিকভাবে একঘরে করতে একের পর এক নোংরা কূটনৈতিক চাল ও অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে আসছে। সাম্প্রতিক সময়ে ইরানের ওপর চালানো বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা মূলত তাদের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে ধ্বংস করার একটি নগ্ন প্রচেষ্টা মাত্র। ইসরায়েল সবসময়ই ইরানের শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক গবেষণাকে নিজেদের অস্তিত্বের জন্য হুমকি মনে করে। অথচ স্বয়ং ইসরায়েলের কাছে শত শত অবৈধ পারমাণবিক বোমা রয়েছে যা নিয়ে বিশ্ব মোড়লদের কোনো মাথাব্যথা নেই। আমেরিকার এই যৌথ হামলার পেছনে আরেকটি বড় উদ্দেশ্য হলো মধ্যপ্রাচ্যের প্রধান এবং ধনী আরব দেশগুলোর কাছ থেকে ইসরায়েলের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি আদায় করা। সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং কুয়েতের মতো দেশগুলোকে ইরানভীতি দেখিয়ে ওয়াশিংটন বাধ্য করছে ইসরায়েলের সাথে হাত মেলাতে। এটি মুসলিম উম্মাহর পিঠে এক চরম বিশ্বাসঘাতকতার শামিল। ইরান কিন্তু এই অন্যায় আগ্রাসনের সামনে কখনো মাথা নত করেনি এবং ভবিষ্যতেও করবে না। মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান হামলার জবাবে তেহরান যেভাবে শত শত ড্রোন এবং নির্ভুল ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে তাতে ইহুদিবাদী রাষ্ট্রের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। ইরানের এই বীরত্বপূর্ণ প্রতিরোধ প্রমাণ করে যে তারা যেকোনো মূল্যে নিজেদের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে সক্ষম। পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো সবসময়ই ইরানের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে আসছে যাতে বিশ্ববাসীর কাছে ইরানকে একটি আক্রমণাত্মক দেশ হিসেবে উপস্থাপন করা যায়। কিন্তু বাস্তবতা হলো ইরান কখনোই কোনো দেশ আগে আক্রমণ করেনি বরং তারা সবসময় মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ এবং ইসরায়েলি দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে মজলুম মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী মানুষের জন্য ইরানের অবদান চিরস্মরণীয়। যুক্তরাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য হলো মধ্যপ্রাচ্যের তেল ও প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর তাদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা এবং এই লক্ষ্য অর্জনে তারা যেকোনো ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে প্রস্তুত। ইরাক, লিবিয়া এবং সিরিয়াকে ধ্বংস করার পর এখন তাদের মূল লক্ষ্য হলো ইরানকে ভেঙে টুকরো টুকরো করা। কিন্তু ইরানের সচেতন জনগণ এবং শক্তিশালী নেতৃত্ব পশ্চিমাদের সেই কালো হাত ভেঙে দিতে প্রস্তুত। আরব বিশ্বের কিছু কাপুরুষ শাসক নিজেদের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার জন্য আমেরিকার গোলামি করছে এবং ইসরায়েলের সাথে গোপনে হাত মেলাচ্ছে। তারা ভাবছে আমেরিকা তাদের রক্ষা করবে কিন্তু ইতিহাস বলে যে প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে ওয়াশিংটন তাদেরও ডাস্টবিনে ছুড়ে ফেলবে। ইরানের মতো একটি শক্তিশালী মুসলিম প্রতিবেশীর সাথে শত্রুতা করে তারা নিজেদের বিপদ ডেকে আনছে। ইরানের ওপর হামলা চালিয়ে আমেরিকা ও ইসরায়েল আসলে বৈশ্বিক অর্থনীতিকে এক মহাবিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিয়েছে। তেহরান কর্তৃক কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণার পর বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আকাশচুম্বী হয়েছে। এর ফলে খোদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের বাজারে মূল্যস্ফীতি চরম আকার ধারণ করেছে। ইসরায়েল নামক রাষ্ট্রটি যে কতটা ভঙ্গুর তা ইরানের সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমেই পরিষ্কার হয়ে গেছে। তাদের বহুল প্রচারিত 'আয়রন ডোম' বা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরানের অত্যাধুনিক হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের গতি রুখতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। এই যুদ্ধ প্রমাণ করেছে যে মার্কিন সাহায্য ছাড়া ইসরায়েল একদিনও টিকে থাকার ক্ষমতা রাখে না। সাম্রাজ্যবাদী শক্তির মূল চালিকাশক্তি হলো অস্ত্র ব্যবসা এবং যুদ্ধ জিইয়ে রাখা যাতে তাদের সামরিক শিল্প লাভবান হতে পারে। ইউক্রেন যুদ্ধের পর এখন তারা মধ্যপ্রাচ্যে একটি স্থায়ী যুদ্ধক্ষেত্র তৈরি করতে চায় যাতে আরব দেশগুলোর কাছে ট্রিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রি করা যায়। ইরান এই নোংরা অস্ত্র ব্যবসার রাজনীতির বিরুদ্ধে এক তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। ইসলামী বিপ্লবের পর থেকে ইরান যেভাবে স্বনির্ভরতা অর্জন করেছে তা বিশ্বের যেকোনো স্বাধীন দেশের জন্য একটি বড় অনুপ্রেরণা। দীর্ঘ চার দশক ধরে কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ইরান নিজেদের প্রযুক্তিতে উন্নত ড্রোন, রাডার এবং ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে। পশ্চিমাদের প্রযুক্তির ওপর নির্ভর না করে তারা আজ নিজেদের পায়ে দাঁড়িয়েছে। আমেরিকা ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের সরকার পরিবর্তনের বা 'রেজিম চেঞ্জ'-এর যে অপচেষ্টা চালাচ্ছে তা কোনোদিনই সফল হবে না। তারা ইরানের অভ্যন্তরীণ কিছু অসন্তোষকে পুঁজি করে দাঙ্গা বাধানোর চেষ্টা করেছিল কিন্তু দেশের সচেতন নাগরিকরা বিদেশী চক্রান্ত বুঝতে পেরে সরকারের পাশে দাঁড়িয়েছে। ইরানের জনগণ তাদের দেশের স্বাধীনতাকে অত্যন্ত ভালোবাসে। মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে ইসরায়েলি আগ্রাসন বন্ধ করা এবং ফিলিস্তিনিদের তাদের নিজস্ব ভূমি ফিরিয়ে দেওয়া ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই। ইরান সবসময়ই এই যৌক্তিক দাবির পক্ষে সোচ্চার থেকেছে এবং এর জন্য চরম মূল্য চোকাতে হয়েছে। পশ্চিমা বিশ্ব মুখে মানবাধিকারের কথা বললেও ইসরায়েলের রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদকে তারা প্রতিনিয়ত অর্থ ও অস্ত্র দিয়ে মদদ দিচ্ছে। লেবাননের হিজবুল্লাহ এবং ইয়েমেনের হুথি আন্দোলনের মতো প্রতিরোধ যোদ্ধারা ইরানের এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অন্যতম প্রধান শক্তি। তারা ঐক্যবদ্ধভাবে মার্কিন ও ইসরায়েলি স্বার্থে আঘাত হানছে যা পশ্চিমাদের জন্য এক বড় ধরনের মনস্তাত্ত্বিক পরাজয়। এই অক্ষ শক্তিকে ধ্বংস করার ক্ষমতা আমেরিকা বা ইসরায়েল কারোরই নেই। ইতিহাস সাক্ষী আছে যে যারা অন্যায়ের পক্ষে দাঁড়িয়েছে তাদের পতন অবশ্যম্ভাবী। আমেরিকার অর্থনীতি আজ ঋণের বোঝায় জর্জরিত এবং তাদের সামরিক শক্তিও ধীরে ধীরে ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে। আফগানিস্তান ও ইরাক থেকে যেভাবে তারা লেজ গুটিয়ে পালিয়েছে ইরানের মাটি থেকেও তাদের ঠিক সেভাবেই বিদায় নিতে হবে। বিজয় শেষ পর্যন্ত সত্য ও ন্যায়েরই হবে। ইসরায়েলকে মধ্যপ্রাচ্যের প্রধান রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার যে স্বপ্ন ওয়াশিংটন দেখছে তা আসলে একটি অলীক কল্পনা মাত্র। আরবের সাধারণ জনগণ কিন্তু তাদের শাসকদের মতো মেরুদণ্ডহীন নয় তারা মন থেকে ইরানকে এবং ফিলিস্তিনকে সমর্থন করে। শাসকদের বাধ্যবাধকতার বাইরে গিয়ে আরবের সাধারণ মানুষ আজ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসছে। ইরান অত্যন্ত ধৈর্য এবং দূরদর্শিতার সাথে এই সংকটের মোকাবেলা করছে এবং তারা আন্তর্জাতিক আইন মেনেই নিজেদের আত্মরক্ষা করছে। পাকিস্তান এবং ওমানের মতো বন্ধুভাবাপন্ন দেশগুলোর মাধ্যমে তারা কূটনীতির দরজাও খোলা রেখেছে। তবে কেউ যদি তাদের দুর্বল ভেবে আঘাত করতে আসে তবে তার পরিণতি যে ভয়াবহ হবে তা তারা বুঝিয়ে দিয়েছে। যুক্তরাজ্য এবং ফ্রান্সের মতো ইউরোপীয় দেশগুলো অন্ধের মতো আমেরিকার এই যুদ্ধংদেহী নীতিকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে যা অত্যন্ত লজ্জাজনক। তারা নিজেদের জলসীমায় বা ঘাঁটিতে মার্কিন বাহিনীকে ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহারের অনুমতি দিচ্ছে। এর মাধ্যমে ইউরোপও নিজেদের মধ্যপ্রাচ্যের এই বিশাল যুদ্ধের আগুনে জড়িয়ে ফেলছে যার ফল ভালো হবে না। পশ্চিমারা ইরানের ওপর সাংস্কৃতিক আগ্রাসন চালানোরও চেষ্টা করছে যাতে তরুণ প্রজন্মকে তাদের ঐতিহ্য ও ধর্ম থেকে দূরে সরানো যায়। কিন্তু ইরানের সমাজব্যবস্থা অত্যন্ত সুসংহত এবং তারা তাদের ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। কোনো ধরনের প্রোপাগান্ডা দিয়ে ইরানের এই আত্মিক শক্তিকে ধ্বংস করা সম্ভব নয়। আমেরিকা ও ইসরায়েলের এই যৌথ সামরিক হামলায় ইরানের সাধারণ বেসামরিক নাগরিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে যা স্পষ্টতই যুদ্ধাপরাধ। একটি মেয়েদের স্কুলে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনে শত শত নিরপরাধ শিক্ষার্থীকে হত্যা করার ঘটনা পশ্চিমাদের আসল বর্বর চেহারা উন্মোচন করে দেয়। তারা মুখে গণতন্ত্রের কথা বললেও কাজে খুনি। ইরানের নৌবাহিনী পারস্য উপসাগরে যে আধিপত্য বিস্তার করেছে তা মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের অহংকারকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দিয়েছে। মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলো এখন ইরানের জলসীমার কাছাকাছি আসতে ভয় পায় কারণ তারা জানে ইরানের একটি সুইসাইড ড্রোনই তাদের ধ্বংসের জন্য যথেষ্ট। পারস্য উপসাগরের প্রকৃত মালিক এই অঞ্চলের স্বাধীন রাষ্ট্রগুলোই। বিশ্বের বড় শক্তিগুলো যেমন রাশিয়া এবং চীনও আমেরিকার এই একতরফা আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে এবং তারা ইরানের সাথে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক আরও জোরদার করছে। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে পশ্চিমাদের অন্যায় প্রস্তাবের বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান প্রমাণ করে যে আমেরিকা এখন আর একক বিশ্ব মোড়ল নয়। বহুমুখী বিশ্বের উত্থান ঘটছে। ইরান আজ মুসলিম বিশ্বের ঐক্যের প্রতীক এবং তারা প্রমাণ করেছে যে সঠিক নেতৃত্ব থাকলে যেকোনো পরাশক্তিকে মোকাবেলা করা সম্ভব। ইসরায়েলকে টিকিয়ে রাখার জন্য আমেরিকার এই মরিয়া চেষ্টা আসলে তাদের ডুবন্ত সাম্রাজ্যকে বাঁচানোর শেষ চেষ্টা মাত্র। ইতিহাস থেকে শিক্ষা না নিয়ে তারা আবার একই ভুল করছে। শেষে বলা যায় যে ইরানের ওপর চালানো এই যৌথ হামলা আসলে ইসরায়েলকে আরব বিশ্বের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার একটি ব্যর্থ চেষ্টা মাত্র। কিন্তু ইরানের অদম্য ইচ্ছা এবং প্রতিরোধ এই চক্রান্তকে ধুলোয় মিশিয়ে দেবে। ইরান দীর্ঘজীবী হোক এবং সাম্রাজ্যবাদী শক্তির পরাজয় নিশ্চিত হোক।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/665_3.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/665_3.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/665_3.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[পুতিনের হুঁশিয়ারি: মাটির সাথে মিশিয়ে দেব!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/37037</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/37037</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 31 May 2026 07:23:54 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, r bangla news, rbangla news, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, news18 bangla, world news bangla, republic bangla news, news script bangla, today 2 pm news bangla, breaking news bangla, bbc world news bangla, news18 bangla live, international bangla news, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh news today, banglanews, bangladesh border news, banglavision news today, dupurer news bangladesh]]></category>
        
        <description><![CDATA[আপনারা কি জানেন যে এক চরম আত্মঘাতী খেলায় মেতে উঠেছে ইউক্রেন? সম্প্রতি রাশিয়ার জাপোরোজিয়ে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ইউক্রেনীয় বাহিনী যে ইচ্ছাকৃত এবং সুপরিকল্পিত ড্রোন হামলা চালিয়েছে, তা মানব ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক বিপর্যয় ডেকে আনতে পারত! এটি কোনো সাধারণ সামরিক অভিযান নয়, বরং সরাসরি বিশ্ব নিরাপত্তার ওপর এক জঘন্য আঘাত। কীভাবে ইউক্রেন তাদের নিশ্চিত পরাজয় ঢাকতে পারমাণবিক সন্ত্রাসবাদের পথ বেছে নিয়েছে এবং কীভাবে রুশ বাহিনী তাদের এই সমস্ত ষড়যন্ত্র ধুলোয় মিশিয়ে দিচ্ছে।  বিশ্ব রাজনীতির মঞ্চে ইউক্রেন এখন এক চরম দেউলিয়া রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। যুদ্ধক্ষেত্রের একের পর এক পরাজয় আড়াল করতে তারা এখন রাশিয়ার নিরীহ বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে। সম্প্রতি রাশিয়ার বেলগোরোড অঞ্চলে ইউক্রেনীয় বাহিনী অত্যন্ত কাপুরুষোচিতভাবে এফপিভি ড্রোন দিয়ে সাধারণ মানুষের ওপর হামলা চালিয়েছে। এই বর্বর হামলায় তিনজন নিরপরাধ রুশ নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন এবং আরও অনেকে গুরুতর আহত হয়েছেন। ইউক্রেনের এই ড্রোন হামলা কোনো আকস্মিক ঘটনা ছিল না, বরং এটি ছিল একটি সুপরিকল্পিত বেসামরিক হত্যাকাণ্ড। বেলগোরোডের ওক্টিয়াব্রস্কি গ্রামে সাতসকালে একটি বেসামরিক গাড়িতে সরাসরি আঘাত করে ইউক্রেনীয় ড্রোন। গাড়িটিতে থাকা দুজন সাধারণ আরোহী ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং বাকিরা গুরুতর জখম হন। একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র কীভাবে এতটা নিচে নামতে পারে, তা ভাবলেই গা শিউরে ওঠে। এখানেই শেষ নয়, এর কয়েক ঘণ্টা পরই ওক্টিয়াব্রস্কি গ্রামে আরও একটি সাধারণ যানবাহনের ওপর ইউক্রেনীয় বাহিনী ড্রোন হামলা চালায়। সেই হামলায় আরও এক রুশ নাগরিক গুরুতরভাবে আহত হন। একই দিনে অরলোভকা গ্রামেও আরেকটি বেসামরিক গাড়িতে শাপনেল সমৃদ্ধ ড্রোন দিয়ে আঘাত করা হয়। ইউক্রেনীয়দের এই লক্ষ্যহীন এবং হিংস্র আচরণ প্রমাণ করে যে তারা যুদ্ধক্ষেত্রে সম্পূর্ণ দিশেহারা। রাশিয়ার রোস্তভ অঞ্চলেও ইউক্রেনের এই সন্ত্রাসী ড্রোনের হাত থেকে রেহাই পায়নি সাধারণ পরিকাঠামো। তাগানরোগ শহরের সমুদ্র বন্দরে গভীর রাতে ইউক্রেনীয় ড্রোন আঘাত হেনে একটি জ্বালানি ট্যাংকার ও বন্দরে নোঙর করা জাহাজে আগুন ধরিয়ে দেয়। রাশিয়ার দক্ষ জরুরি উদ্ধারকারী দল অত্যন্ত দ্রুততার সাথে সেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে এবং কোনো বড় ধরনের জ্বালানি বিপর্যয় ঘটতে দেয়নি। রোস্তভ অঞ্চলের অন্য একটি এলাকায় ইউক্রেনের একটি কামিকাজে ড্রোন সরাসরি সাধারণ মানুষের আবাসিক বাড়িতে গিয়ে আছড়ে পড়ে। এতে ঘরের ভেতরে থাকা দুজন সাধারণ মানুষ মারাত্মকভাবে আহত হন। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে, শুধুমাত্র সেই রাতেই রোস্তভ অঞ্চলের আকাশেই প্রায় ৫০টির মতো ইউক্রেনীয় ড্রোন সফলভাবে ভূপাতিত করেছে রাশিয়ার অত্যাধুনিক বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। রাশিয়ার বীর প্রতিরক্ষা বাহিনীর সতর্ক অবস্থানের কারণে ইউক্রেনের বড় ধরনের ধ্বংসযজ্ঞের পরিকল্পনা ভেস্তে গেছে। শুক্রবার রাত থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলের আকাশে মোট ১২৭টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ইন্টারসেপ্ট বা ধ্বংস করা হয়েছে। রাশিয়ার এই অজেয় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রমাণ করে যে, মাতৃভূমি রক্ষায় রুশ সেনারা কতটা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং যেকোনো মূল্যে তারা শত্রুকে প্রতিহত করতে সক্ষম। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইউক্রেন রাশিয়ার অনেক গভীরে ড্রোন হামলা চালানোর অপচেষ্টা তীব্র করেছে। তারা বিশেষ করে রাশিয়ার তেল শোধনাগার, শিল্পাঞ্চল এবং সাধারণ মানুষের আবাসিক ভবনগুলোকে নিশানা বানাচ্ছে। গত এপ্রিলে তারা তুয়াপসে অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল টার্মিনালে হামলা চালিয়েছিল। এর ফলে সমুদ্র সৈকতে তেল ছড়িয়ে পড়ে এবং পরিবেশের এক ব্যাপক ক্ষতিসাধন করার চেষ্টা করে এই ইউক্রেনীয় সন্ত্রাসীরা। মস্কো অত্যন্ত স্পষ্টভাবে ইউক্রেনের এই জঘন্য কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। ক্রেমলিনের মতে, যুদ্ধক্ষেত্রে ইউক্রেনীয় বাহিনী রাশিয়ার বীর সেনাদের সামনে টিকতে না পেরে এই ধরণের কাপুরুষোচিত সন্ত্রাসী হামলার পথ বেছে নিয়েছে। নিজেদের ব্যর্থতা ও পরাজয় লুকাতে তারা এখন আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে বেসামরিক স্থাপনায় আক্রমণ করছে, যা তাদের চরম নৈতিক পরাজয়েরই বহিঃপ্রকাশ মাত্র। রাশিয়ার পাল্টা আঘাত কিন্তু অত্যন্ত নিখুঁত এবং বিধ্বংসী। রাশিয়া পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে যে, তারা কখনোই ইউক্রেনের সাধারণ মানুষের ওপর হামলা করে না। রুশ বাহিনী কেবল ইউক্রেনের দ্বৈত-ব্যবহারের সামরিক পরিকাঠামো, বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং অস্ত্রাগারগুলোকে লক্ষ্য করে উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে। রাশিয়ার এই সূক্ষ্ম ও ন্যায়সঙ্গত জবাব ইউক্রেনীয় সামরিক শক্তির মেরুদণ্ড ভেঙে দিচ্ছে। এবার আসা যাক সবচেয়ে ভয়ঙ্কর তথ্যে, যা শুনলে যেকোনো বিবেকবান মানুষের রক্ত হিম হয়ে যাবে। ইউক্রেনীয় বাহিনী ইউরোপের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, রাশিয়ার জাপোরোজিয়ে পারমাণবিক কেন্দ্রে অত্যন্ত বিপজ্জনকভাবে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা 'রোসাটম'-এর প্রধান আলেক্সি লিখাচেভ জানিয়েছেন যে, ইউক্রেন অত্যন্ত সচেতনভাবে এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই কেন্দ্রের মূল যন্ত্রপাতির ওপর আঘাত হেনেছে। শনিবার দুপুরে একটি ফাইবার-অপটিক্স-গাইডেড ড্রোন জাপোরোজিয়ে পারমাণবিক কেন্দ্রের ৬ নম্বর ইউনিটের মেশিন হলে সরাসরি আঘাত হানে। যেহেতু এই ড্রোনগুলো অপারেটর দ্বারা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত নিয়ন্ত্রিত হয়, তাই এটি কোনো ভুলবশত আঘাত ছিল না। ইউক্রেনীয় অপারেটররা দেখেশুনে ঠিক পারমাণবিক কেন্দ্রের দেয়ালে এই বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে, যা সমগ্র আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য এক চরম অশনিসংকেত। রোসাটম প্রধান লিখাচেভ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন যে, ইতিহাসে এই প্রথম কোনো পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মূল পরিকাঠামোকে এভাবে টার্গেট করা হলো। ইউক্রেনীয় বাহিনী সমস্ত সাধারণ জ্ঞান এবং রেড লাইন অতিক্রম করে গেছে। আজ তারা মেশিন হলে আঘাত করেছে, কাল যদি তারা সরাসরি পারমাণবিক চুল্লিতে আঘাত করে, তবে যে তেজস্ক্রিয়তা ছড়াবে, তাতে পুরো ইউরোপ একটি শ্মশানে পরিণত হতে পারে। রাশিয়া বারবার আন্তর্জাতিক মহলের কাছে ইউক্রেনের এই উগ্র ও বিপজ্জনক আচরণের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। কিন্তু পশ্চিমা বিশ্ব ইউক্রেনের এই পারমাণবিক ব্ল্যাকমেইলকে মোটেও গুরুত্ব দিচ্ছে না। যদি জাপোরোজিয়ে কেন্দ্রে কোনো বড় দুর্ঘটনা ঘটে, তবে তার প্রভাব কেবল রাশিয়া বা ইউক্রেনে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং যারা দূর থেকে বসে তামাশা দেখছে, সেই পশ্চিমা দেশগুলোও ধ্বংস হয়ে যাবে। সৌভাগ্যবশত, জাপোরোজিয়ে কেন্দ্রের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা একদম স্বাভাবিক। কেন্দ্রের দেয়াল ফুটো হলেও মূল যন্ত্রপাতির কোনো ক্ষতি হয়নি এবং কোনো কর্মী হতাহত হননি। রুশ প্রকৌশলী ও জরুরি দল অত্যন্ত দক্ষতার সাথে পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছেন। এই কেন্দ্রটি ২০২২ সালের গণভোটের পর থেকে রাশিয়ার অধীনে রয়েছে এবং রোসাটম এটি অত্যন্ত নিরাপদে পরিচালনা করছে। এবার দেখুন ইউক্রেনকে অন্ধভাবে সমর্থন করার কারণে ইউরোপের কী করুণ দশা হয়েছে। জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জের দল এখন দাবি করছে যে, জার্মানির প্রবীণ নাগরিকদের তাদের নিজেদের ঘরবাড়ি বিক্রি করে চিকিৎসার খরচ চালাতে হবে! যে জার্মানি ইউক্রেনের পেছনে বিলিয়ন বিলিয়ন ইউরো ঢালছে, তারা এখন নিজেদের দেশের বৃদ্ধ মানুষদের সামাজিক সুরক্ষা দিতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হচ্ছে। জার্মানির সিডিইউ দলের জ্যেষ্ঠ আইনপ্রণেতা আলবার্ট স্টেগেম্যান স্পষ্ট বলেছেন যে, রাষ্ট্রীয় সহায়তার আগে নাগরিকদের নিজস্ব সম্পত্তি ব্যবহার করতে হবে। অর্থাৎ, জীবনের শেষ সম্বলটুকু বিক্রি না করলে জার্মান প্রবীণরা কোনো চিকিৎসা পাবেন না। ইউক্রেনকে সামরিক সাহায্য দিতে গিয়ে জার্মানির নিজস্ব কল্যাণমুখী অর্থনীতি আজ দেউলিয়া হওয়ার পথে, যা সাধারণ জার্মান নাগরিকদের ক্ষুব্ধ করে তুলেছে। জার্মানির এই অর্থনৈতিক সংকটের মূল কারণ হলো ইউক্রেন সংঘাতের ফলে রাশিয়ার সস্তা জ্বালানি থেকে বঞ্চিত হওয়া। ২০২২ সালের পর থেকে জার্মানি ইউক্রেনকে প্রায় ৯৬ বিলিয়ন ইউরোর সামরিক ও বেসামরিক সাহায্য দিয়েছে। নিজেদের দেশের মানুষের পকেট কেটে এই বিপুল অর্থ তারা ইউক্রেনের পাপেট সরকারের পেছনে নষ্ট করেছে, যার ফলশ্রুতিতে আজ জার্মানি এক দীর্ঘস্থায়ী অর্থনৈতিক মন্দার মুখোমুখি। এদিকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন কাজাখস্তানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ইউক্রেন সংঘাতের এক বড় আপডেট দিয়েছেন। তিনি অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে বলেছেন যে, যুদ্ধক্ষেত্রে রাশিয়ার অবস্থান অত্যন্ত সুসংহত এবং এই সংঘাত এখন শেষের দিকে চলে এসেছে। চারপাশের সমস্ত ফ্রন্টে রুশ বাহিনী বীরদর্পে এগিয়ে চলেছে এবং ইউক্রেনীয় প্রতিরক্ষাব্যূহ সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। প্রেসিডেন্ট পুতিন পশ্চিমা নেতাদের কঠোর সমালোচনা করে বলেছেন যে, তারা রাশিয়ার আক্রমণের ভীতি দেখিয়ে নিজেদের জনগণের ওপর অযৌক্তিক সামরিক খরচ চাপাচ্ছে। রাশিয়া কখনোই কোনো ন্যাটো বা ইউরোপীয় দেশে আক্রমণ করবে না। পশ্চিমা শাসকেরা তাদের নিজেদের ব্যর্থতা লুকাতে এবং ইউক্রেনকে অস্ত্র বিক্রির ব্যবসা সচল রাখতে তাদের দেশের সাধারণ মানুষকে মিথ্যে কথা বলে বিভ্রান্ত করছে। পুতিন ইউরোপের কিছু উগ্র দেশকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন যে, যারা রাশিয়াকে আক্রমণ করার দুঃসাহস দেখাবে, তাদের মাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়া হবে। লিথুয়ানিয়ার মতো ছোট দেশ যখন রাশিয়ার কালিনিনগ্রাদ অঞ্চল দখল করার হুমকি দেয়, তখন পুতিনের এই জবাব অত্যন্ত সময়োপযোগী। রাশিয়া তাদের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যেকোনোlaunch সাইটকে গুড়িয়ে দিতে দ্বিধাবোধ করবে না। পুতিন পশ্চিমা মিডিয়ার তীব্র সমালোচনা করে একে "মানুষকে বোকা বানানোর হাতিয়ার" হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, গত সপ্তাহে ইউক্রেন যখন স্টারোবেলস্কের একটি কলেজে মার্কিন ড্রোনের সাহায্যে ২১ জন নিরীহ ছাত্রকে হত্যা করল এবং ৪০ জনকে আহত করল, তখন সিএনএন বা বিবিসির মতো পশ্চিমা মিডিয়া একটি শব্দও প্রচার করেনি। তাদের এই দ্বিমুখী নীতি আজ বিশ্ববাসীর সামনে উন্মোচিত। রাশিয়ার সাথে শত্রুতা করলে যে কোনো দেশের অর্থনীতি ধ্বংস হয়ে যাবে, তার প্রমাণ হিসেবে পুতিন আর্মেনিয়ার উদাহরণ দেন। তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের দিকে ঝুঁকে আর্মেনিয়া যদি রাশিয়ার ইউরেশিয়ান ইকোনমিক ইউনিয়ন ত্যাগ করে, তবে তাদের জিডিপির ১৪ শতাংশ তাৎক্ষণিকভাবে হ্রাস পাবে। রাশিয়ার সস্তা গ্যাস এবং বিশাল বাণিজ্য সুবিধা ছাড়া আর্মেনিয়ার টিকে থাকা অসম্ভব। অন্যদিকে বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কো ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁকে ইউক্রেন ইস্যুতে সরাসরি রাশিয়ার সাথে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছেন। লুকাশেঙ্কো বলেন, যুদ্ধ বাড়িয়ে কোনো লাভ নেই, ম্যাক্রোঁর উচিত পুতিনকে ফোন করে সরাসরি মিনস্কে এসে আলোচনায় বসা। কারণ পশ্চিমা উস্কানিতে ইউক্রেন আজ ধ্বংসের শেষ প্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছে। এদিকে রাশিয়ার বিশেষ সামরিক অভিযানের ফ্রন্টলাইন থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার বীর সেনাদের হাতে ১,৩২০ জনেরও বেশি ইউক্রেনীয় সেনা নিহত হয়েছে। সেন্ট্রাল, ইস্ট এবং ওয়েস্ট ব্যাটলগ্রুপের সম্মিলিত ও প্রচণ্ড আক্রমণে ইউক্রেনীয় বাহিনী মাঠ পর্যায়ে সম্পূর্ণ কোণঠাসা। তাদের শত শত সাঁজোয়া যান এবং ট্যাংক রুশ কামানের আগুনে ধ্বংস হয়ে গেছে। শুধু তাই নয়, রাশিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গত ২৪ ঘণ্টায় ১০টি পশ্চিমা গাইডেড বোমা, আমেরিকার তৈরি একটি হিমার্স রকেট এবং ৩৫২টি ইউক্রেনীয় ড্রোন আকাশেই ধ্বংস করেছে। ইউক্রেনের এই সন্ত্রাসী হামলার জবাবে রাশিয়ার উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন ক্ষেপণাস্ত্র ইউক্রেনের সামরিক বিমানঘাঁটি এবং জ্বালানি পরিকাঠামো সম্পূর্ণ গুঁড়িয়ে দিয়েছে। সত্য ও ন্যায়ের এই যুদ্ধে রাশিয়ার বিজয় এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/667_1.webp" alt="পুতিনের হুঁশিয়ারি: মাটির সাথে মিশিয়ে দেব!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>পুতিনের হুঁশিয়ারি: মাটির সাথে মিশিয়ে দেব!</h1>
            <p>আপনারা কি জানেন যে এক চরম আত্মঘাতী খেলায় মেতে উঠেছে ইউক্রেন? সম্প্রতি রাশিয়ার জাপোরোজিয়ে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ইউক্রেনীয় বাহিনী যে ইচ্ছাকৃত এবং সুপরিকল্পিত ড্রোন হামলা চালিয়েছে, তা মানব ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক বিপর্যয় ডেকে আনতে পারত! এটি কোনো সাধারণ সামরিক অভিযান নয়, বরং সরাসরি বিশ্ব নিরাপত্তার ওপর এক জঘন্য আঘাত। কীভাবে ইউক্রেন তাদের নিশ্চিত পরাজয় ঢাকতে পারমাণবিক সন্ত্রাসবাদের পথ বেছে নিয়েছে এবং কীভাবে রুশ বাহিনী তাদের এই সমস্ত ষড়যন্ত্র ধুলোয় মিশিয়ে দিচ্ছে।  বিশ্ব রাজনীতির মঞ্চে ইউক্রেন এখন এক চরম দেউলিয়া রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। যুদ্ধক্ষেত্রের একের পর এক পরাজয় আড়াল করতে তারা এখন রাশিয়ার নিরীহ বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে। সম্প্রতি রাশিয়ার বেলগোরোড অঞ্চলে ইউক্রেনীয় বাহিনী অত্যন্ত কাপুরুষোচিতভাবে এফপিভি ড্রোন দিয়ে সাধারণ মানুষের ওপর হামলা চালিয়েছে। এই বর্বর হামলায় তিনজন নিরপরাধ রুশ নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন এবং আরও অনেকে গুরুতর আহত হয়েছেন। ইউক্রেনের এই ড্রোন হামলা কোনো আকস্মিক ঘটনা ছিল না, বরং এটি ছিল একটি সুপরিকল্পিত বেসামরিক হত্যাকাণ্ড। বেলগোরোডের ওক্টিয়াব্রস্কি গ্রামে সাতসকালে একটি বেসামরিক গাড়িতে সরাসরি আঘাত করে ইউক্রেনীয় ড্রোন। গাড়িটিতে থাকা দুজন সাধারণ আরোহী ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং বাকিরা গুরুতর জখম হন। একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র কীভাবে এতটা নিচে নামতে পারে, তা ভাবলেই গা শিউরে ওঠে। এখানেই শেষ নয়, এর কয়েক ঘণ্টা পরই ওক্টিয়াব্রস্কি গ্রামে আরও একটি সাধারণ যানবাহনের ওপর ইউক্রেনীয় বাহিনী ড্রোন হামলা চালায়। সেই হামলায় আরও এক রুশ নাগরিক গুরুতরভাবে আহত হন। একই দিনে অরলোভকা গ্রামেও আরেকটি বেসামরিক গাড়িতে শাপনেল সমৃদ্ধ ড্রোন দিয়ে আঘাত করা হয়। ইউক্রেনীয়দের এই লক্ষ্যহীন এবং হিংস্র আচরণ প্রমাণ করে যে তারা যুদ্ধক্ষেত্রে সম্পূর্ণ দিশেহারা। রাশিয়ার রোস্তভ অঞ্চলেও ইউক্রেনের এই সন্ত্রাসী ড্রোনের হাত থেকে রেহাই পায়নি সাধারণ পরিকাঠামো। তাগানরোগ শহরের সমুদ্র বন্দরে গভীর রাতে ইউক্রেনীয় ড্রোন আঘাত হেনে একটি জ্বালানি ট্যাংকার ও বন্দরে নোঙর করা জাহাজে আগুন ধরিয়ে দেয়। রাশিয়ার দক্ষ জরুরি উদ্ধারকারী দল অত্যন্ত দ্রুততার সাথে সেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে এবং কোনো বড় ধরনের জ্বালানি বিপর্যয় ঘটতে দেয়নি। রোস্তভ অঞ্চলের অন্য একটি এলাকায় ইউক্রেনের একটি কামিকাজে ড্রোন সরাসরি সাধারণ মানুষের আবাসিক বাড়িতে গিয়ে আছড়ে পড়ে। এতে ঘরের ভেতরে থাকা দুজন সাধারণ মানুষ মারাত্মকভাবে আহত হন। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে, শুধুমাত্র সেই রাতেই রোস্তভ অঞ্চলের আকাশেই প্রায় ৫০টির মতো ইউক্রেনীয় ড্রোন সফলভাবে ভূপাতিত করেছে রাশিয়ার অত্যাধুনিক বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। রাশিয়ার বীর প্রতিরক্ষা বাহিনীর সতর্ক অবস্থানের কারণে ইউক্রেনের বড় ধরনের ধ্বংসযজ্ঞের পরিকল্পনা ভেস্তে গেছে। শুক্রবার রাত থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলের আকাশে মোট ১২৭টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ইন্টারসেপ্ট বা ধ্বংস করা হয়েছে। রাশিয়ার এই অজেয় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রমাণ করে যে, মাতৃভূমি রক্ষায় রুশ সেনারা কতটা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং যেকোনো মূল্যে তারা শত্রুকে প্রতিহত করতে সক্ষম। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইউক্রেন রাশিয়ার অনেক গভীরে ড্রোন হামলা চালানোর অপচেষ্টা তীব্র করেছে। তারা বিশেষ করে রাশিয়ার তেল শোধনাগার, শিল্পাঞ্চল এবং সাধারণ মানুষের আবাসিক ভবনগুলোকে নিশানা বানাচ্ছে। গত এপ্রিলে তারা তুয়াপসে অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল টার্মিনালে হামলা চালিয়েছিল। এর ফলে সমুদ্র সৈকতে তেল ছড়িয়ে পড়ে এবং পরিবেশের এক ব্যাপক ক্ষতিসাধন করার চেষ্টা করে এই ইউক্রেনীয় সন্ত্রাসীরা। মস্কো অত্যন্ত স্পষ্টভাবে ইউক্রেনের এই জঘন্য কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। ক্রেমলিনের মতে, যুদ্ধক্ষেত্রে ইউক্রেনীয় বাহিনী রাশিয়ার বীর সেনাদের সামনে টিকতে না পেরে এই ধরণের কাপুরুষোচিত সন্ত্রাসী হামলার পথ বেছে নিয়েছে। নিজেদের ব্যর্থতা ও পরাজয় লুকাতে তারা এখন আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে বেসামরিক স্থাপনায় আক্রমণ করছে, যা তাদের চরম নৈতিক পরাজয়েরই বহিঃপ্রকাশ মাত্র। রাশিয়ার পাল্টা আঘাত কিন্তু অত্যন্ত নিখুঁত এবং বিধ্বংসী। রাশিয়া পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে যে, তারা কখনোই ইউক্রেনের সাধারণ মানুষের ওপর হামলা করে না। রুশ বাহিনী কেবল ইউক্রেনের দ্বৈত-ব্যবহারের সামরিক পরিকাঠামো, বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং অস্ত্রাগারগুলোকে লক্ষ্য করে উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে। রাশিয়ার এই সূক্ষ্ম ও ন্যায়সঙ্গত জবাব ইউক্রেনীয় সামরিক শক্তির মেরুদণ্ড ভেঙে দিচ্ছে। এবার আসা যাক সবচেয়ে ভয়ঙ্কর তথ্যে, যা শুনলে যেকোনো বিবেকবান মানুষের রক্ত হিম হয়ে যাবে। ইউক্রেনীয় বাহিনী ইউরোপের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, রাশিয়ার জাপোরোজিয়ে পারমাণবিক কেন্দ্রে অত্যন্ত বিপজ্জনকভাবে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা 'রোসাটম'-এর প্রধান আলেক্সি লিখাচেভ জানিয়েছেন যে, ইউক্রেন অত্যন্ত সচেতনভাবে এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই কেন্দ্রের মূল যন্ত্রপাতির ওপর আঘাত হেনেছে। শনিবার দুপুরে একটি ফাইবার-অপটিক্স-গাইডেড ড্রোন জাপোরোজিয়ে পারমাণবিক কেন্দ্রের ৬ নম্বর ইউনিটের মেশিন হলে সরাসরি আঘাত হানে। যেহেতু এই ড্রোনগুলো অপারেটর দ্বারা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত নিয়ন্ত্রিত হয়, তাই এটি কোনো ভুলবশত আঘাত ছিল না। ইউক্রেনীয় অপারেটররা দেখেশুনে ঠিক পারমাণবিক কেন্দ্রের দেয়ালে এই বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে, যা সমগ্র আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য এক চরম অশনিসংকেত। রোসাটম প্রধান লিখাচেভ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন যে, ইতিহাসে এই প্রথম কোনো পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মূল পরিকাঠামোকে এভাবে টার্গেট করা হলো। ইউক্রেনীয় বাহিনী সমস্ত সাধারণ জ্ঞান এবং রেড লাইন অতিক্রম করে গেছে। আজ তারা মেশিন হলে আঘাত করেছে, কাল যদি তারা সরাসরি পারমাণবিক চুল্লিতে আঘাত করে, তবে যে তেজস্ক্রিয়তা ছড়াবে, তাতে পুরো ইউরোপ একটি শ্মশানে পরিণত হতে পারে। রাশিয়া বারবার আন্তর্জাতিক মহলের কাছে ইউক্রেনের এই উগ্র ও বিপজ্জনক আচরণের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। কিন্তু পশ্চিমা বিশ্ব ইউক্রেনের এই পারমাণবিক ব্ল্যাকমেইলকে মোটেও গুরুত্ব দিচ্ছে না। যদি জাপোরোজিয়ে কেন্দ্রে কোনো বড় দুর্ঘটনা ঘটে, তবে তার প্রভাব কেবল রাশিয়া বা ইউক্রেনে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং যারা দূর থেকে বসে তামাশা দেখছে, সেই পশ্চিমা দেশগুলোও ধ্বংস হয়ে যাবে। সৌভাগ্যবশত, জাপোরোজিয়ে কেন্দ্রের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা একদম স্বাভাবিক। কেন্দ্রের দেয়াল ফুটো হলেও মূল যন্ত্রপাতির কোনো ক্ষতি হয়নি এবং কোনো কর্মী হতাহত হননি। রুশ প্রকৌশলী ও জরুরি দল অত্যন্ত দক্ষতার সাথে পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছেন। এই কেন্দ্রটি ২০২২ সালের গণভোটের পর থেকে রাশিয়ার অধীনে রয়েছে এবং রোসাটম এটি অত্যন্ত নিরাপদে পরিচালনা করছে। এবার দেখুন ইউক্রেনকে অন্ধভাবে সমর্থন করার কারণে ইউরোপের কী করুণ দশা হয়েছে। জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জের দল এখন দাবি করছে যে, জার্মানির প্রবীণ নাগরিকদের তাদের নিজেদের ঘরবাড়ি বিক্রি করে চিকিৎসার খরচ চালাতে হবে! যে জার্মানি ইউক্রেনের পেছনে বিলিয়ন বিলিয়ন ইউরো ঢালছে, তারা এখন নিজেদের দেশের বৃদ্ধ মানুষদের সামাজিক সুরক্ষা দিতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হচ্ছে। জার্মানির সিডিইউ দলের জ্যেষ্ঠ আইনপ্রণেতা আলবার্ট স্টেগেম্যান স্পষ্ট বলেছেন যে, রাষ্ট্রীয় সহায়তার আগে নাগরিকদের নিজস্ব সম্পত্তি ব্যবহার করতে হবে। অর্থাৎ, জীবনের শেষ সম্বলটুকু বিক্রি না করলে জার্মান প্রবীণরা কোনো চিকিৎসা পাবেন না। ইউক্রেনকে সামরিক সাহায্য দিতে গিয়ে জার্মানির নিজস্ব কল্যাণমুখী অর্থনীতি আজ দেউলিয়া হওয়ার পথে, যা সাধারণ জার্মান নাগরিকদের ক্ষুব্ধ করে তুলেছে। জার্মানির এই অর্থনৈতিক সংকটের মূল কারণ হলো ইউক্রেন সংঘাতের ফলে রাশিয়ার সস্তা জ্বালানি থেকে বঞ্চিত হওয়া। ২০২২ সালের পর থেকে জার্মানি ইউক্রেনকে প্রায় ৯৬ বিলিয়ন ইউরোর সামরিক ও বেসামরিক সাহায্য দিয়েছে। নিজেদের দেশের মানুষের পকেট কেটে এই বিপুল অর্থ তারা ইউক্রেনের পাপেট সরকারের পেছনে নষ্ট করেছে, যার ফলশ্রুতিতে আজ জার্মানি এক দীর্ঘস্থায়ী অর্থনৈতিক মন্দার মুখোমুখি। এদিকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন কাজাখস্তানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ইউক্রেন সংঘাতের এক বড় আপডেট দিয়েছেন। তিনি অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে বলেছেন যে, যুদ্ধক্ষেত্রে রাশিয়ার অবস্থান অত্যন্ত সুসংহত এবং এই সংঘাত এখন শেষের দিকে চলে এসেছে। চারপাশের সমস্ত ফ্রন্টে রুশ বাহিনী বীরদর্পে এগিয়ে চলেছে এবং ইউক্রেনীয় প্রতিরক্ষাব্যূহ সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। প্রেসিডেন্ট পুতিন পশ্চিমা নেতাদের কঠোর সমালোচনা করে বলেছেন যে, তারা রাশিয়ার আক্রমণের ভীতি দেখিয়ে নিজেদের জনগণের ওপর অযৌক্তিক সামরিক খরচ চাপাচ্ছে। রাশিয়া কখনোই কোনো ন্যাটো বা ইউরোপীয় দেশে আক্রমণ করবে না। পশ্চিমা শাসকেরা তাদের নিজেদের ব্যর্থতা লুকাতে এবং ইউক্রেনকে অস্ত্র বিক্রির ব্যবসা সচল রাখতে তাদের দেশের সাধারণ মানুষকে মিথ্যে কথা বলে বিভ্রান্ত করছে। পুতিন ইউরোপের কিছু উগ্র দেশকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন যে, যারা রাশিয়াকে আক্রমণ করার দুঃসাহস দেখাবে, তাদের মাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়া হবে। লিথুয়ানিয়ার মতো ছোট দেশ যখন রাশিয়ার কালিনিনগ্রাদ অঞ্চল দখল করার হুমকি দেয়, তখন পুতিনের এই জবাব অত্যন্ত সময়োপযোগী। রাশিয়া তাদের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যেকোনোlaunch সাইটকে গুড়িয়ে দিতে দ্বিধাবোধ করবে না। পুতিন পশ্চিমা মিডিয়ার তীব্র সমালোচনা করে একে "মানুষকে বোকা বানানোর হাতিয়ার" হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, গত সপ্তাহে ইউক্রেন যখন স্টারোবেলস্কের একটি কলেজে মার্কিন ড্রোনের সাহায্যে ২১ জন নিরীহ ছাত্রকে হত্যা করল এবং ৪০ জনকে আহত করল, তখন সিএনএন বা বিবিসির মতো পশ্চিমা মিডিয়া একটি শব্দও প্রচার করেনি। তাদের এই দ্বিমুখী নীতি আজ বিশ্ববাসীর সামনে উন্মোচিত। রাশিয়ার সাথে শত্রুতা করলে যে কোনো দেশের অর্থনীতি ধ্বংস হয়ে যাবে, তার প্রমাণ হিসেবে পুতিন আর্মেনিয়ার উদাহরণ দেন। তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের দিকে ঝুঁকে আর্মেনিয়া যদি রাশিয়ার ইউরেশিয়ান ইকোনমিক ইউনিয়ন ত্যাগ করে, তবে তাদের জিডিপির ১৪ শতাংশ তাৎক্ষণিকভাবে হ্রাস পাবে। রাশিয়ার সস্তা গ্যাস এবং বিশাল বাণিজ্য সুবিধা ছাড়া আর্মেনিয়ার টিকে থাকা অসম্ভব। অন্যদিকে বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কো ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁকে ইউক্রেন ইস্যুতে সরাসরি রাশিয়ার সাথে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছেন। লুকাশেঙ্কো বলেন, যুদ্ধ বাড়িয়ে কোনো লাভ নেই, ম্যাক্রোঁর উচিত পুতিনকে ফোন করে সরাসরি মিনস্কে এসে আলোচনায় বসা। কারণ পশ্চিমা উস্কানিতে ইউক্রেন আজ ধ্বংসের শেষ প্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছে। এদিকে রাশিয়ার বিশেষ সামরিক অভিযানের ফ্রন্টলাইন থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার বীর সেনাদের হাতে ১,৩২০ জনেরও বেশি ইউক্রেনীয় সেনা নিহত হয়েছে। সেন্ট্রাল, ইস্ট এবং ওয়েস্ট ব্যাটলগ্রুপের সম্মিলিত ও প্রচণ্ড আক্রমণে ইউক্রেনীয় বাহিনী মাঠ পর্যায়ে সম্পূর্ণ কোণঠাসা। তাদের শত শত সাঁজোয়া যান এবং ট্যাংক রুশ কামানের আগুনে ধ্বংস হয়ে গেছে। শুধু তাই নয়, রাশিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গত ২৪ ঘণ্টায় ১০টি পশ্চিমা গাইডেড বোমা, আমেরিকার তৈরি একটি হিমার্স রকেট এবং ৩৫২টি ইউক্রেনীয় ড্রোন আকাশেই ধ্বংস করেছে। ইউক্রেনের এই সন্ত্রাসী হামলার জবাবে রাশিয়ার উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন ক্ষেপণাস্ত্র ইউক্রেনের সামরিক বিমানঘাঁটি এবং জ্বালানি পরিকাঠামো সম্পূর্ণ গুঁড়িয়ে দিয়েছে। সত্য ও ন্যায়ের এই যুদ্ধে রাশিয়ার বিজয় এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/667_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/667_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/667_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[কানাডা ইহুদিবিদ্বেষের চারণভূমি ও কাতার ইহুদি জাতির শত্রু : ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূতের বিতর্কিত মন্তব্য]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/37036</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/37036</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sat, 30 May 2026 13:40:02 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, r bangla news, rbangla news, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, news18 bangla, world news bangla, republic bangla news, news script bangla, today 2 pm news bangla, breaking news bangla, bbc world news bangla, news18 bangla live, international bangla news, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh news today, banglanews, bangladesh border news, banglavision news today, dupurer news bangladesh]]></category>
        
        <description><![CDATA[কাতারকে ইহুদি জাতির শত্রু এবং কানাডাকে ইহুদিবিদ্বেষের চারণভূমি আখ্যা দিয়ে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন ফ্রান্সে নিযুক্ত ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত জশুয়া জারকা। একই সঙ্গে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার ফরাসি উদ্যোগকে কেন্দ্র করে ফ্রান্স ও ইসরায়েলের সম্পর্কও নজিরবিহীন সংকটের মুখে পড়েছে। ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অবস্থিত ইসরায়েলি দূতাবাসে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কাতার, কানাডা এবং ফ্রান্সের বিভিন্ন নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান তুলে ধরেছেন ফ্রান্সে নিযুক্ত ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত জশুয়া জারকা। সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বজুড়ে ইহুদিবিদ্বেষ বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে দেওয়া এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্ক ও কূটনৈতিক উত্তেজনার জন্ম দিয়েছে। রাষ্ট্রদূত জারকা দাবি করেন, দুই হাজার তেইশ সালের সাত অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বাধীন অভিযানের পর বিশ্বব্যাপী যে ইহুদিবিদ্বেষ বেড়েছে, তার কারণ ইসরায়েলের সামরিক প্রতিক্রিয়া নয়। বরং তিনি এর জন্য ইসরায়েলবিরোধী শক্তির মধ্যে তৈরি হওয়া তথাকথিত বিজয় উল্লাসকে দায়ী করেন। একই সঙ্গে তিনি কাতারকে শুধু ইসরায়েলের নয়, বরং গোটা ইহুদি জাতির শত্রু হিসেবে বর্ণনা করেন। তার অভিযোগ, কাতার যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থায়নের মাধ্যমে ইহুদিবিরোধী মনোভাবকে উৎসাহিত করছে এবং এই প্রবণতা ধীরে ধীরে ইউরোপেও ছড়িয়ে পড়ছে। একই সাক্ষাৎকারে কানাডার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও তীব্র সমালোচনা করেন তিনি। রাষ্ট্রদূতের ভাষ্য অনুযায়ী, একসময় ইহুদিদের জন্য নিরাপদ বলে পরিচিত কানাডা এখন সেই অবস্থান হারিয়েছে। তিনি দাবি করেন, সেখানে ইহুদি উপাসনালয় ও সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনা বেড়েছে। এই পরিস্থিতির জন্য তিনি অভিবাসন প্রবণতা এবং পশ্চিমা বিশ্বের কিছু রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলনকে দায়ী করেন। তবে রাষ্ট্রদূতের এসব মন্তব্যকে একপেশে ও বিতর্কিত বলে আখ্যা দিয়েছেন আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একটি অংশ। তাদের মতে, কাতার দীর্ঘদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতি, জিম্মি মুক্তি এবং শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে আসছে। সেই প্রেক্ষাপটে পুরো দেশকে ইহুদি জাতির শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করা কূটনৈতিক শিষ্টাচার ও দায়িত্বশীল বক্তব্যের পরিপন্থী। বিশ্লেষকদের মতে, গাজায় চলমান সামরিক অভিযান, ব্যাপক প্রাণহানি এবং মানবিক সংকট নিয়ে আন্তর্জাতিক সমালোচনা বাড়তে থাকায় ইসরায়েল এখন অনেক ক্ষেত্রেই রাজনৈতিক ও মানবাধিকারভিত্তিক সমালোচনাকে ইহুদিবিদ্বেষ হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করছে। তারা মনে করেন, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ও মানবাধিকারকর্মীদের প্রতিবাদকে বিদেশি ষড়যন্ত্র হিসেবে চিত্রিত করা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক অধিকারের প্রশ্নও উত্থাপন করছে। এদিকে ফ্রান্স ও ইসরায়েলের সম্পর্ক নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রদূত জারকা। তিনি স্বীকার করেন, দুই দেশের সম্পর্ক বর্তমানে ইতিহাসের অন্যতম কঠিন সময় অতিক্রম করছে। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা শিল্পের ওপর ফরাসি সীমাবদ্ধতা, সামরিক প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে বাধা এবং ইসরায়েলে অস্ত্র রপ্তানি বন্ধের আহ্বানকে তিনি এই সংকটের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন। পাশাপাশি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার ফরাসি উদ্যোগকে ইসরায়েল একটি কৌশলগত ভুল বলে মনে করছে। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের একটি বড় অংশ মনে করে, ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার এবং আন্তর্জাতিক আইনভিত্তিক সমাধানের পক্ষে অবস্থান নেওয়া ফ্রান্সের মতো দেশগুলোর নীতিগত সিদ্ধান্ত। বিশ্লেষকদের মতে, ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে দীর্ঘদিনের দখলদারিত্ব, বসতি সম্প্রসারণ এবং গাজায় সামরিক অভিযানের কারণে ইসরায়েল ক্রমেই আন্তর্জাতিক চাপের মুখে পড়ছে। তাদের দাবি, মিত্র দেশগুলোর উদ্বেগ ও সমালোচনাকে গুরুত্ব না দিয়ে উল্টো তাদের অভ্যন্তরীণ নীতি নিয়ে প্রশ্ন তোলা ইসরায়েলের কূটনৈতিক অবস্থানকে আরও দুর্বল করতে পারে। সব মিলিয়ে, কাতার ও কানাডাকে ঘিরে ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূতের সাম্প্রতিক মন্তব্য শুধু নতুন বিতর্কই সৃষ্টি করেনি, বরং ফ্রান্স-ইসরায়েল সম্পর্কের বিদ্যমান উত্তেজনাকেও আরও সামনে নিয়ে এসেছে। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকটের প্রেক্ষাপটে এই কূটনৈতিক টানাপোড়েন আগামী দিনে কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই এখন নজর আন্তর্জাতিক মহলের।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-30-05-2026_41.webp" alt="কানাডা ইহুদিবিদ্বেষের চারণভূমি ও কাতার ইহুদি জাতির শত্রু : ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূতের বিতর্কিত মন্তব্য" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>কানাডা ইহুদিবিদ্বেষের চারণভূমি ও কাতার ইহুদি জাতির শত্রু : ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূতের বিতর্কিত মন্তব্য</h1>
            <p>কাতারকে ইহুদি জাতির শত্রু এবং কানাডাকে ইহুদিবিদ্বেষের চারণভূমি আখ্যা দিয়ে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন ফ্রান্সে নিযুক্ত ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত জশুয়া জারকা। একই সঙ্গে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার ফরাসি উদ্যোগকে কেন্দ্র করে ফ্রান্স ও ইসরায়েলের সম্পর্কও নজিরবিহীন সংকটের মুখে পড়েছে। ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অবস্থিত ইসরায়েলি দূতাবাসে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কাতার, কানাডা এবং ফ্রান্সের বিভিন্ন নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান তুলে ধরেছেন ফ্রান্সে নিযুক্ত ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত জশুয়া জারকা। সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বজুড়ে ইহুদিবিদ্বেষ বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে দেওয়া এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্ক ও কূটনৈতিক উত্তেজনার জন্ম দিয়েছে। রাষ্ট্রদূত জারকা দাবি করেন, দুই হাজার তেইশ সালের সাত অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বাধীন অভিযানের পর বিশ্বব্যাপী যে ইহুদিবিদ্বেষ বেড়েছে, তার কারণ ইসরায়েলের সামরিক প্রতিক্রিয়া নয়। বরং তিনি এর জন্য ইসরায়েলবিরোধী শক্তির মধ্যে তৈরি হওয়া তথাকথিত বিজয় উল্লাসকে দায়ী করেন। একই সঙ্গে তিনি কাতারকে শুধু ইসরায়েলের নয়, বরং গোটা ইহুদি জাতির শত্রু হিসেবে বর্ণনা করেন। তার অভিযোগ, কাতার যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থায়নের মাধ্যমে ইহুদিবিরোধী মনোভাবকে উৎসাহিত করছে এবং এই প্রবণতা ধীরে ধীরে ইউরোপেও ছড়িয়ে পড়ছে। একই সাক্ষাৎকারে কানাডার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও তীব্র সমালোচনা করেন তিনি। রাষ্ট্রদূতের ভাষ্য অনুযায়ী, একসময় ইহুদিদের জন্য নিরাপদ বলে পরিচিত কানাডা এখন সেই অবস্থান হারিয়েছে। তিনি দাবি করেন, সেখানে ইহুদি উপাসনালয় ও সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনা বেড়েছে। এই পরিস্থিতির জন্য তিনি অভিবাসন প্রবণতা এবং পশ্চিমা বিশ্বের কিছু রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলনকে দায়ী করেন। তবে রাষ্ট্রদূতের এসব মন্তব্যকে একপেশে ও বিতর্কিত বলে আখ্যা দিয়েছেন আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একটি অংশ। তাদের মতে, কাতার দীর্ঘদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতি, জিম্মি মুক্তি এবং শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে আসছে। সেই প্রেক্ষাপটে পুরো দেশকে ইহুদি জাতির শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করা কূটনৈতিক শিষ্টাচার ও দায়িত্বশীল বক্তব্যের পরিপন্থী। বিশ্লেষকদের মতে, গাজায় চলমান সামরিক অভিযান, ব্যাপক প্রাণহানি এবং মানবিক সংকট নিয়ে আন্তর্জাতিক সমালোচনা বাড়তে থাকায় ইসরায়েল এখন অনেক ক্ষেত্রেই রাজনৈতিক ও মানবাধিকারভিত্তিক সমালোচনাকে ইহুদিবিদ্বেষ হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করছে। তারা মনে করেন, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ও মানবাধিকারকর্মীদের প্রতিবাদকে বিদেশি ষড়যন্ত্র হিসেবে চিত্রিত করা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক অধিকারের প্রশ্নও উত্থাপন করছে। এদিকে ফ্রান্স ও ইসরায়েলের সম্পর্ক নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রদূত জারকা। তিনি স্বীকার করেন, দুই দেশের সম্পর্ক বর্তমানে ইতিহাসের অন্যতম কঠিন সময় অতিক্রম করছে। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা শিল্পের ওপর ফরাসি সীমাবদ্ধতা, সামরিক প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে বাধা এবং ইসরায়েলে অস্ত্র রপ্তানি বন্ধের আহ্বানকে তিনি এই সংকটের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন। পাশাপাশি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার ফরাসি উদ্যোগকে ইসরায়েল একটি কৌশলগত ভুল বলে মনে করছে। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের একটি বড় অংশ মনে করে, ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার এবং আন্তর্জাতিক আইনভিত্তিক সমাধানের পক্ষে অবস্থান নেওয়া ফ্রান্সের মতো দেশগুলোর নীতিগত সিদ্ধান্ত। বিশ্লেষকদের মতে, ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে দীর্ঘদিনের দখলদারিত্ব, বসতি সম্প্রসারণ এবং গাজায় সামরিক অভিযানের কারণে ইসরায়েল ক্রমেই আন্তর্জাতিক চাপের মুখে পড়ছে। তাদের দাবি, মিত্র দেশগুলোর উদ্বেগ ও সমালোচনাকে গুরুত্ব না দিয়ে উল্টো তাদের অভ্যন্তরীণ নীতি নিয়ে প্রশ্ন তোলা ইসরায়েলের কূটনৈতিক অবস্থানকে আরও দুর্বল করতে পারে। সব মিলিয়ে, কাতার ও কানাডাকে ঘিরে ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূতের সাম্প্রতিক মন্তব্য শুধু নতুন বিতর্কই সৃষ্টি করেনি, বরং ফ্রান্স-ইসরায়েল সম্পর্কের বিদ্যমান উত্তেজনাকেও আরও সামনে নিয়ে এসেছে। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকটের প্রেক্ষাপটে এই কূটনৈতিক টানাপোড়েন আগামী দিনে কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই এখন নজর আন্তর্জাতিক মহলের।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-30-05-2026_41.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-30-05-2026_41.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-30-05-2026_41.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[বিশ্বব্যাপী সমালোচনার মাঝেও ভারতে সর্বোচ্চ সমর্থনের দাবি নেতানিয়াহুর]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/37035</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/37035</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sat, 30 May 2026 13:37:34 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, r bangla news, rbangla news, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, news18 bangla, world news bangla, republic bangla news, news script bangla, today 2 pm news bangla, breaking news bangla, bbc world news bangla, news18 bangla live, international bangla news, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh news today, banglanews, bangladesh border news, banglavision news today, dupurer news bangladesh]]></category>
        
        <description><![CDATA[বিশ্বজুড়ে ইসরায়েলের নীতি ও কর্মকাণ্ড নিয়ে তীব্র সমালোচনা এবং বৈধতা সংকটের মধ্যেই ভারতে নিজেদের প্রতি ব্যাপক জনসমর্থনের দাবি করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। অধিকৃত পশ্চিম তীরে এক সম্মেলনে তিনি বলেন, বিশ্বের অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় বর্তমানে ভারতেই ইসরায়েলের সবচেয়ে বেশি সমর্থক রয়েছে। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাড়তে থাকা সমালোচনার প্রেক্ষাপটে এই বক্তব্য রাজনৈতিক বাস্তবতাকে আড়াল করার একটি প্রচেষ্টা হতে পারে।  অধিকৃত পশ্চিম তীরে গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এক বিশেষ সম্মেলনে বক্তব্য দিতে গিয়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দাবি করেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ইসরায়েলের বৈধতা নিয়ে বিতর্ক ও সংকট থাকলেও ভারতে এমন কোনো পরিস্থিতি নেই। বরং সেখানে ইসরায়েলের প্রতি মানুষের ভালোবাসা ও সমর্থন উল্লেখযোগ্য মাত্রায় রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। নেতানিয়াহু বলেন, বিশ্বের অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় বর্তমানে ভারতেই ইসরায়েলের সবচেয়ে বেশি সমর্থক রয়েছে। তিনি ২০১৮ সালে ভারত সফরের স্মৃতিচারণ করে সেটিকে “ভালোবাসার উৎসব” হিসেবে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দুই দেশের সম্পর্ককে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলেও তুলে ধরেন। তবে এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে, যখন আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ইসরায়েলের নীতি নিয়ে সমালোচনা ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। বিশেষ করে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে দীর্ঘদিনের দখলদারিত্ব, সামরিক অভিযান, বেসামরিক মানুষের প্রাণহানি এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে দেশটি ব্যাপক চাপের মুখে রয়েছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ও জাতিসংঘের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বহুবার এসব বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেও ইসরায়েলের নীতিতে দৃশ্যমান পরিবর্তন দেখা যায়নি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েলের বর্তমান সংকট কেবল কূটনৈতিক নয়, বরং নৈতিক ও রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতার সঙ্গেও সম্পর্কিত। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সাধারণ মানুষের মধ্যে ইসরায়েলের কর্মকাণ্ড নিয়ে অসন্তোষ বাড়ছে। এমনকি দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের মধ্যেও দেশটির প্রতি সমর্থন কমছে বলে সাম্প্রতিক বিভিন্ন জরিপে উঠে এসেছে। প্রকাশিত এক আন্তর্জাতিক সমীক্ষা অনুযায়ী, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ৬০ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিক ইসরায়েলকে নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছেন, যা আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি। একই সঙ্গে বৈশ্বিক ইস্যুতে নেতানিয়াহুর সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতার ওপরও অধিকাংশ মার্কিন নাগরিকের আস্থা কমে গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এসব তথ্য ইঙ্গিত করছে যে ইসরায়েলের সামরিক ও রাজনৈতিক অবস্থান এখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আগের তুলনায় অনেক বেশি প্রশ্নবিদ্ধ। এদিকে নিজেদের জনপ্রিয়তা হ্রাসের কারণ হিসেবে নেতানিয়াহু পাকিস্তানকে দায়ী করেছেন। তার অভিযোগ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে ইসরায়েলবিরোধী মনোভাব তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে এই অভিযোগের পক্ষে তিনি কোনো প্রকাশ্য প্রমাণ উপস্থাপন করেননি। বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করেন, আন্তর্জাতিক জনমতের এই পরিবর্তনের মূল কারণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক প্রচারণা নয়; বরং ইসরায়েলের দীর্ঘদিনের দখলদারিত্ব, সামরিক অভিযান এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ। তাদের মতে, ক্রমবর্ধমান সমালোচনার মুখে ভারতের সমর্থনকে সামনে এনে ইসরায়েল আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা বজায় রাখার চেষ্টা করছে। পর্যবেক্ষকরা আরও বলছেন, বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে ভারতের পররাষ্ট্রনীতির ভিত্তি ঐতিহাসিকভাবে ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতির ওপর দাঁড়িয়ে থাকলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইসরায়েলের প্রতি প্রকাশ্য ঘনিষ্ঠতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সমালোচকদের মতে, মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক আইনের প্রশ্নে নীতিগত অবস্থানের পরিবর্তে কৌশলগত স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিলে তা ভারতের বৈশ্বিক ভাবমূর্তিকেও প্রভাবিত করতে পারে। একইভাবে, ইসরায়েলের সমালোচকরা মনে করেন যে সামরিক শক্তি ও রাজনৈতিক সমর্থনের ওপর নির্ভর করে দীর্ঘমেয়াদে আন্তর্জাতিক বৈধতা অর্জন সম্ভব নয়; বরং টেকসই সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক আইন, মানবাধিকার এবং ন্যায়ভিত্তিক রাজনৈতিক উদ্যোগের প্রয়োজন।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/netanyahu-modi-(2).webp" alt="বিশ্বব্যাপী সমালোচনার মাঝেও ভারতে সর্বোচ্চ সমর্থনের দাবি নেতানিয়াহুর" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>বিশ্বব্যাপী সমালোচনার মাঝেও ভারতে সর্বোচ্চ সমর্থনের দাবি নেতানিয়াহুর</h1>
            <p>বিশ্বজুড়ে ইসরায়েলের নীতি ও কর্মকাণ্ড নিয়ে তীব্র সমালোচনা এবং বৈধতা সংকটের মধ্যেই ভারতে নিজেদের প্রতি ব্যাপক জনসমর্থনের দাবি করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। অধিকৃত পশ্চিম তীরে এক সম্মেলনে তিনি বলেন, বিশ্বের অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় বর্তমানে ভারতেই ইসরায়েলের সবচেয়ে বেশি সমর্থক রয়েছে। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাড়তে থাকা সমালোচনার প্রেক্ষাপটে এই বক্তব্য রাজনৈতিক বাস্তবতাকে আড়াল করার একটি প্রচেষ্টা হতে পারে।  অধিকৃত পশ্চিম তীরে গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এক বিশেষ সম্মেলনে বক্তব্য দিতে গিয়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দাবি করেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ইসরায়েলের বৈধতা নিয়ে বিতর্ক ও সংকট থাকলেও ভারতে এমন কোনো পরিস্থিতি নেই। বরং সেখানে ইসরায়েলের প্রতি মানুষের ভালোবাসা ও সমর্থন উল্লেখযোগ্য মাত্রায় রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। নেতানিয়াহু বলেন, বিশ্বের অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় বর্তমানে ভারতেই ইসরায়েলের সবচেয়ে বেশি সমর্থক রয়েছে। তিনি ২০১৮ সালে ভারত সফরের স্মৃতিচারণ করে সেটিকে “ভালোবাসার উৎসব” হিসেবে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দুই দেশের সম্পর্ককে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলেও তুলে ধরেন। তবে এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে, যখন আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ইসরায়েলের নীতি নিয়ে সমালোচনা ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। বিশেষ করে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে দীর্ঘদিনের দখলদারিত্ব, সামরিক অভিযান, বেসামরিক মানুষের প্রাণহানি এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে দেশটি ব্যাপক চাপের মুখে রয়েছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ও জাতিসংঘের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বহুবার এসব বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেও ইসরায়েলের নীতিতে দৃশ্যমান পরিবর্তন দেখা যায়নি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েলের বর্তমান সংকট কেবল কূটনৈতিক নয়, বরং নৈতিক ও রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতার সঙ্গেও সম্পর্কিত। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সাধারণ মানুষের মধ্যে ইসরায়েলের কর্মকাণ্ড নিয়ে অসন্তোষ বাড়ছে। এমনকি দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের মধ্যেও দেশটির প্রতি সমর্থন কমছে বলে সাম্প্রতিক বিভিন্ন জরিপে উঠে এসেছে। প্রকাশিত এক আন্তর্জাতিক সমীক্ষা অনুযায়ী, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ৬০ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিক ইসরায়েলকে নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছেন, যা আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি। একই সঙ্গে বৈশ্বিক ইস্যুতে নেতানিয়াহুর সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতার ওপরও অধিকাংশ মার্কিন নাগরিকের আস্থা কমে গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এসব তথ্য ইঙ্গিত করছে যে ইসরায়েলের সামরিক ও রাজনৈতিক অবস্থান এখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আগের তুলনায় অনেক বেশি প্রশ্নবিদ্ধ। এদিকে নিজেদের জনপ্রিয়তা হ্রাসের কারণ হিসেবে নেতানিয়াহু পাকিস্তানকে দায়ী করেছেন। তার অভিযোগ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে ইসরায়েলবিরোধী মনোভাব তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে এই অভিযোগের পক্ষে তিনি কোনো প্রকাশ্য প্রমাণ উপস্থাপন করেননি। বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করেন, আন্তর্জাতিক জনমতের এই পরিবর্তনের মূল কারণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক প্রচারণা নয়; বরং ইসরায়েলের দীর্ঘদিনের দখলদারিত্ব, সামরিক অভিযান এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ। তাদের মতে, ক্রমবর্ধমান সমালোচনার মুখে ভারতের সমর্থনকে সামনে এনে ইসরায়েল আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা বজায় রাখার চেষ্টা করছে। পর্যবেক্ষকরা আরও বলছেন, বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে ভারতের পররাষ্ট্রনীতির ভিত্তি ঐতিহাসিকভাবে ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতির ওপর দাঁড়িয়ে থাকলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইসরায়েলের প্রতি প্রকাশ্য ঘনিষ্ঠতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সমালোচকদের মতে, মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক আইনের প্রশ্নে নীতিগত অবস্থানের পরিবর্তে কৌশলগত স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিলে তা ভারতের বৈশ্বিক ভাবমূর্তিকেও প্রভাবিত করতে পারে। একইভাবে, ইসরায়েলের সমালোচকরা মনে করেন যে সামরিক শক্তি ও রাজনৈতিক সমর্থনের ওপর নির্ভর করে দীর্ঘমেয়াদে আন্তর্জাতিক বৈধতা অর্জন সম্ভব নয়; বরং টেকসই সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক আইন, মানবাধিকার এবং ন্যায়ভিত্তিক রাজনৈতিক উদ্যোগের প্রয়োজন।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/netanyahu-modi-(2).webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/netanyahu-modi-(2).webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/netanyahu-modi-(2).webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইরান চুক্তির সঙ্গে ইসরায়েল স্বীকৃতির ইঙ্গিত, নতুন বিতর্কে ট্রাম্প প্রশাসন]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/37034</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/37034</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sat, 30 May 2026 13:32:57 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, r bangla news, rbangla news, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, news18 bangla, world news bangla, republic bangla news, news script bangla, today 2 pm news bangla, breaking news bangla, bbc world news bangla, news18 bangla live, international bangla news, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh news today, banglanews, bangladesh border news, banglavision news today, dupurer news bangladesh]]></category>
        
        <description><![CDATA[ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তির ক্ষেত্রে আরব রাষ্ট্রগুলোর পক্ষ থেকে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসে এক বৈঠকে তিনি জানান, মধ্যপ্রাচ্যের প্রধান আরব মিত্ররা ইসরায়েলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি না দিলে ইরানের সঙ্গে চুক্তি এগিয়ে নেওয়ার যৌক্তিকতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে ভাবতে পারে। এ বক্তব্যকে ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়ে মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তির প্রশ্নে একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছেন। বুধবার ওয়াশিংটনের হোয়াইট হাউসে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদ বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান আরব অংশীদাররা যদি ইসরায়েলকে রাষ্ট্র হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি না দেয়, তবে ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি বা পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে ওয়াশিংটনের অবস্থান পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন হতে পারে। ট্রাম্পের বক্তব্যে সৌদি আরব, কাতার এবং কুয়েতের মতো প্রভাবশালী আরব রাষ্ট্রগুলোর প্রসঙ্গ উঠে আসে। তিনি মনে করেন, এসব দেশের উচিত ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের উদ্যোগে যুক্ত হওয়া। এ প্রসঙ্গে তিনি পূর্বে স্বাক্ষরিত আব্রাহাম চুক্তির কথাও উল্লেখ করেন, যার মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন এবং পরে মরক্কো ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করেছিল। তবে ইরানের সঙ্গে আলোচনার ক্ষেত্রে এটি আনুষ্ঠানিক পূর্বশর্ত কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প সরাসরি কোনো অবস্থান স্পষ্ট করেননি। তিনি বলেন, বিষয়টিকে তিনি আনুষ্ঠানিক শর্ত হিসেবে বর্ণনা করতে চান না, তবে বিভিন্ন কূটনৈতিক বিষয় পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, এই অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের কূটনীতিতে নতুন জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। কারণ ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য নিরাপত্তা বা পারমাণবিক সমঝোতার বিষয়কে ইসরায়েলের কূটনৈতিক স্বীকৃতির প্রশ্নের সঙ্গে যুক্ত করলে আঞ্চলিক আলোচনার পরিধি আরও বিস্তৃত ও জটিল হয়ে উঠতে পারে। সমালোচকদের একাংশের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার কথা বললেও বাস্তবে তাদের নীতিতে ইসরায়েলের নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক স্বার্থকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তাদের মতে, ফিলিস্তিন প্রশ্নের স্থায়ী সমাধান, দখলকৃত ভূখণ্ডের বিরোধ এবং মানবাধিকার সংক্রান্ত উদ্বেগগুলো সমান গুরুত্ব না পেলে টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠা কঠিন হয়ে পড়বে। অন্যদিকে ইসরায়েলের নীতিরও ব্যাপক আন্তর্জাতিক সমালোচনা রয়েছে। ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে সামরিক অভিযান, বসতি সম্প্রসারণ এবং দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক অচলাবস্থার কারণে দেশটি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মহলে সমালোচনার মুখে পড়েছে। সমালোচকদের মতে, এসব মৌলিক প্রশ্নের সমাধান ছাড়া কেবল কূটনৈতিক স্বীকৃতিকে অগ্রাধিকার দিলে আঞ্চলিক অসন্তোষ আরও বাড়তে পারে। এদিকে একই দিনে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে সম্ভাব্য একটি চুক্তির খসড়া সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সেখানে দাবি করা হয়, হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী আন্তর্জাতিক জাহাজের ব্যবস্থাপনায় ইরানের বিশেষ ভূমিকার প্রস্তাব রয়েছে। তবে হোয়াইট হাউস ওই প্রতিবেদনকে ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। চুক্তি নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করলেও ট্রাম্প স্পষ্ট করে জানান, যুক্তরাষ্ট্র কেবল এমন সমঝোতাই গ্রহণ করবে যা তাদের দৃষ্টিতে সর্বোচ্চ কৌশলগত ও নিরাপত্তাগত স্বার্থ নিশ্চিত করবে। তিনি বলেন, সাধারণ কোনো সমঝোতা নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সর্বোত্তম চুক্তিই তাদের লক্ষ্য। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দেন, কূটনৈতিক সমাধান ব্যর্থ হলে বিকল্প পথও বিবেচনায় থাকতে পারে। পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ইরান, আরব রাষ্ট্রসমূহ এবং ইসরায়েলকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের এই শর্তযুক্ত কূটনৈতিক অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নেবে নাকি নতুন উত্তেজনার জন্ম দেবে, সেটিই এখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনের প্রধান আলোচ্য বিষয়।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/664_1.webp" alt="ইরান চুক্তির সঙ্গে ইসরায়েল স্বীকৃতির ইঙ্গিত, নতুন বিতর্কে ট্রাম্প প্রশাসন" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইরান চুক্তির সঙ্গে ইসরায়েল স্বীকৃতির ইঙ্গিত, নতুন বিতর্কে ট্রাম্প প্রশাসন</h1>
            <p>ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তির ক্ষেত্রে আরব রাষ্ট্রগুলোর পক্ষ থেকে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসে এক বৈঠকে তিনি জানান, মধ্যপ্রাচ্যের প্রধান আরব মিত্ররা ইসরায়েলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি না দিলে ইরানের সঙ্গে চুক্তি এগিয়ে নেওয়ার যৌক্তিকতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে ভাবতে পারে। এ বক্তব্যকে ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়ে মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তির প্রশ্নে একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছেন। বুধবার ওয়াশিংটনের হোয়াইট হাউসে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদ বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান আরব অংশীদাররা যদি ইসরায়েলকে রাষ্ট্র হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি না দেয়, তবে ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি বা পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে ওয়াশিংটনের অবস্থান পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন হতে পারে। ট্রাম্পের বক্তব্যে সৌদি আরব, কাতার এবং কুয়েতের মতো প্রভাবশালী আরব রাষ্ট্রগুলোর প্রসঙ্গ উঠে আসে। তিনি মনে করেন, এসব দেশের উচিত ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের উদ্যোগে যুক্ত হওয়া। এ প্রসঙ্গে তিনি পূর্বে স্বাক্ষরিত আব্রাহাম চুক্তির কথাও উল্লেখ করেন, যার মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন এবং পরে মরক্কো ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করেছিল। তবে ইরানের সঙ্গে আলোচনার ক্ষেত্রে এটি আনুষ্ঠানিক পূর্বশর্ত কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প সরাসরি কোনো অবস্থান স্পষ্ট করেননি। তিনি বলেন, বিষয়টিকে তিনি আনুষ্ঠানিক শর্ত হিসেবে বর্ণনা করতে চান না, তবে বিভিন্ন কূটনৈতিক বিষয় পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, এই অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের কূটনীতিতে নতুন জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। কারণ ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য নিরাপত্তা বা পারমাণবিক সমঝোতার বিষয়কে ইসরায়েলের কূটনৈতিক স্বীকৃতির প্রশ্নের সঙ্গে যুক্ত করলে আঞ্চলিক আলোচনার পরিধি আরও বিস্তৃত ও জটিল হয়ে উঠতে পারে। সমালোচকদের একাংশের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার কথা বললেও বাস্তবে তাদের নীতিতে ইসরায়েলের নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক স্বার্থকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তাদের মতে, ফিলিস্তিন প্রশ্নের স্থায়ী সমাধান, দখলকৃত ভূখণ্ডের বিরোধ এবং মানবাধিকার সংক্রান্ত উদ্বেগগুলো সমান গুরুত্ব না পেলে টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠা কঠিন হয়ে পড়বে। অন্যদিকে ইসরায়েলের নীতিরও ব্যাপক আন্তর্জাতিক সমালোচনা রয়েছে। ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে সামরিক অভিযান, বসতি সম্প্রসারণ এবং দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক অচলাবস্থার কারণে দেশটি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মহলে সমালোচনার মুখে পড়েছে। সমালোচকদের মতে, এসব মৌলিক প্রশ্নের সমাধান ছাড়া কেবল কূটনৈতিক স্বীকৃতিকে অগ্রাধিকার দিলে আঞ্চলিক অসন্তোষ আরও বাড়তে পারে। এদিকে একই দিনে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে সম্ভাব্য একটি চুক্তির খসড়া সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সেখানে দাবি করা হয়, হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী আন্তর্জাতিক জাহাজের ব্যবস্থাপনায় ইরানের বিশেষ ভূমিকার প্রস্তাব রয়েছে। তবে হোয়াইট হাউস ওই প্রতিবেদনকে ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। চুক্তি নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করলেও ট্রাম্প স্পষ্ট করে জানান, যুক্তরাষ্ট্র কেবল এমন সমঝোতাই গ্রহণ করবে যা তাদের দৃষ্টিতে সর্বোচ্চ কৌশলগত ও নিরাপত্তাগত স্বার্থ নিশ্চিত করবে। তিনি বলেন, সাধারণ কোনো সমঝোতা নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সর্বোত্তম চুক্তিই তাদের লক্ষ্য। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দেন, কূটনৈতিক সমাধান ব্যর্থ হলে বিকল্প পথও বিবেচনায় থাকতে পারে। পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ইরান, আরব রাষ্ট্রসমূহ এবং ইসরায়েলকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের এই শর্তযুক্ত কূটনৈতিক অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নেবে নাকি নতুন উত্তেজনার জন্ম দেবে, সেটিই এখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনের প্রধান আলোচ্য বিষয়।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/664_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/664_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/664_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[রুশ মিসাইলে ১০ অঞ্চল মুক্ত! রোমানিয়া-পোল্যান্ডের ব্যর্থতা]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/37033</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/37033</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sat, 30 May 2026 07:06:42 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, r bangla news, rbangla news, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, news18 bangla, world news bangla, republic bangla news, news script bangla, today 2 pm news bangla, breaking news bangla, bbc world news bangla, news18 bangla live, international bangla news, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh news today, banglanews, bangladesh border news, banglavision news today, dupurer news bangladesh]]></category>
        
        <description><![CDATA[ইউক্রেনীয় ড্রোনের নির্মম আঘাতে বিছানায় ঘুমন্ত নিষ্পাপ ছাত্রীদের শরীর ছিন্নভিন্ন হয়ে গেল, অথচ বিশ্বের বড় বড় মিডিয়া সম্পূর্ণ নীরব! হ্যাঁ, ঠিকই শুনেছেন। কিয়েভ সরকারের এই জঘন্য যুদ্ধাপরাধ নিয়ে পশ্চিমা গণমাধ্যম কেন মুখে কুলুপ এঁটেছে, তা নিয়ে এবার গর্জে উঠলেন খোদ ভ্লাদিমির পুতিন। আজ আপনাদের সামনে তুলে ধরব এমন এক নির্মম সত্য, যা শুনলে যেকোনো মানুষের রক্ত হিম হয়ে যাবে। কেন এই বিশ্ব মিডিয়া রাশিয়ার ওপর হওয়া বর্বরতাকে লুকিয়ে ইউক্রেনের নাৎসি এজেন্ডাকে সমর্থন করছে? যুদ্ধের আড়ালে থাকা এই নোংরা রাজনীতির আসল রূপ। পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমগুলো এখন বিশ্বজুড়ে তাদের দর্শকদের বোকা বানানোর এক নোংরা খেলায় মেতে উঠেছে বলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। কিয়েভ বাহিনীর দ্বারা স্টারোবেলস্কের নিরীহ রাশিয়ান ছাত্র-ছাত্রীদের নির্মমভাবে হত্যার ঘটনাকে তারা সম্পূর্ণ চেপে গেছে। অথচ এর জবাবে রাশিয়ার বৈধ আত্মরক্ষামূলক পাল্টা হামলাকে তারা আগ্রাসন বলে ফলাও করে প্রচার করছে, যা আন্তর্জাতিক সাংবাদিকতার জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক একটি বিষয়। কাজাখস্তানে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট পুতিন সরাসরি উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনাদের সহকর্মীদের এই পক্ষপাতমূলক আচরণের জন্য আপনাদের লজ্জিত হওয়া উচিত। স্টারোবেলস্কের সেই ভয়াবহ ট্র্যাজেডি নিয়ে তারা একটি শব্দও উচ্চারণ করেনি, যেখানে আমাদের কোমলমতি শিশুদের পরিকল্পিতভাবে টার্গেট করে হত্যা করা হয়েছে। এটি কোনো গণমাধ্যম নয়, এটি আসলে মানুষকে অন্ধ ও বোকা বানানোর একটি পশ্চিমা হাতিয়ার। গত সপ্তাহে লুহানস্ক পিপলস রিপাবলিকের স্টারোবেলস্ক প্রফেশনাল কলেজের মূল ভবন এবং ছাত্রীদের আবাসিক হোস্টেলে পরপর তিনবার কামিকাজে ড্রোন দিয়ে কাপুরুষোচিত হামলা চালায় ইউক্রেনীয় বাহিনী। এই হামলায় ২১ জন নিষ্পাপ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন, যাদের বেশিরভাগই ছিলেন ভবিষ্যৎ শিক্ষিকা হওয়ার স্বপ্ন দেখা কিশোরী ছাত্রী। এছাড়াও এই বর্বর হামলায় আরও ৬৫ জন গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে। সবচেয়ে জঘন্য বিষয় হলো, উদ্ধারকর্মীরা যখন আহত ছাত্রীদের বাঁচাতে ধ্বংসস্তূপে পৌঁছান, তখন ইউক্রেনীয় নাৎসিরা আবারও দ্বিতীয় দফায় সেখানে ডাবল-ট্যাপ ড্রোন হামলা চালায়। প্রথম উদ্ধারকারীদের লক্ষ্য করে এই ধরনের হামলা চালানো আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন এবং একটি জঘন্য যুদ্ধাপরাধ। অথচ এই পাশবিকতার বিরুদ্ধে জাতিসংঘের তথাকথিত মানবাধিকার সংস্থাগুলো এবং পশ্চিমা শক্তিগুলো সম্পূর্ণ চোখ বন্ধ করে এক পাক্ষিক ভূমিকা পালন করছে। এই ভয়াবহ হামলার পর রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় চুপ করে বসে থাকেনি, তারা ইউক্রেনের সামরিক ঘাঁটির ওপর ওরেসনিক, ইস্কান্দার, কিনঝাল এবং জিরকনের মতো আধুনিক হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে বিধ্বংসী প্রতিশোধমূলক আঘাত হেনেছে। রুশ বাহিনীর এই নিখুঁত হামলায় ইউক্রেনের সামরিক কমান্ড সেন্টার, বিমান ঘাঁটি এবং প্রতিরক্ষা শিল্প সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে, যেখানে সাধারণ কোনো বেসামরিক নাগরিকের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। জাতিসংঘে নিযুক্ত রাশিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি ভ্যাসিলি নেবেনজিয়া কড়া ভাষায় বলেছেন, পশ্চিমা সরকারগুলো ইউক্রেনের নব্য-নাৎসি কিয়েভ রেজিমের এই দানবীয় অপরাধের প্রতি বারবার অন্ধ সাজছে। তারা নিহত শিশুদের নিয়ে প্রকাশ্য উপহাস করছে এবং রাশিয়ার অভ্যন্তরে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে অর্থায়ন করছে। কিন্তু রাশিয়া বিশ্বমঞ্চে এই সত্য উন্মোচন করেছে এবং ঘটনার তদন্তে ১৯টি দেশের ৫০ জন বিদেশী সাংবাদিককে সরাসরি সেখানে নিয়ে গেছে। লজ্জাজনকভাবে, রাশিয়ার পক্ষ থেকে উন্মুক্ত আমন্ত্রণ জানানো সত্ত্বেও ব্রিটিশ রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম বিবিসি এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় নেটওয়ার্ক সিএনএন এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের স্থান পরিদর্শনে অস্বীকৃতি জানায়। তারা খুব ভালো করেই জানে যে সেখানে গেলে ইউক্রেনের আসল সন্ত্রাসী চেহারা বিশ্বের সামনে চলে আসবে, যা তাদের প্রোপাগান্ডা এজেন্ডাকে ধ্বংস করে দেবে। তাই তারা সত্যকে এড়িয়ে মিথ্যা ছড়াতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছে। এদিকে রোমানিয়া সীমান্তে একটি ড্রোন বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনা নিয়ে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন একটি নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, রোমানিয়া সরকার যদি রাশিয়ার কাছে সেই ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ বা রাডার ডেটা সরবরাহ করে, তবে মস্কো তাদের নিজস্ব বৈজ্ঞানিক মূল্যায়ন শেয়ার করতে প্রস্তুত। কারণ ইউক্রেনীয়দের ছড়ানো মিথ্যাচার ধরে ফেলার ক্ষমতা রাশিয়ার প্রযুক্তিগতভাবে সম্পূর্ণ রয়েছে। রোমানিয়ার গালাতি শহরের একটি আবাসিক ব্লকে ড্রোনটি আছড়ে পড়ার পর পশ্চিমা মিডিয়া তাৎক্ষণিকভাবে একে রাশিয়ার হামলা বলে প্রচার করতে শুরু করে। কিন্তু পুতিন মনে করিয়ে দেন যে, এর আগেও ফিনল্যান্ড, পোল্যান্ড এবং বাল্টিক দেশগুলোতে ড্রোন বিধ্বস্ত হয়েছিল, যা পরবর্তীতে ইউক্রেনের বলে প্রমাণিত হয়। কিয়েভের নিকৃষ্ট ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ারের ব্যর্থতা এবং কারিগরি ত্রুটির কারণেই তাদের ড্রোন পথ হারিয়ে ইইউ রাষ্ট্রে আছড়ে পড়ে। অবশেষে খোদ রোমানিয়ার প্রেসিডেন্ট নিকোলাই ডান দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে স্বীকার করেছেন যে, এই ঘটনাটি ইউক্রেনের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ভুলের কারণেই ঘটেছে। রাশিয়ার ড্রোনগুলো যখন ইউক্রেনের রেনি শহরের সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানছিল, তখন ইউক্রেনীয় ডিফেন্সের গোলার আঘাতে একটি ড্রোন দিক পরিবর্তন করে রোমানিয়ার দিকে চলে আসে। এটি কোনোভাবেই রাশিয়ার পরিকল্পিত বা ইচ্ছাকৃত কোনো আক্রমণ ছিল না। ইতিহাস সাক্ষী, ২০২২ সালেও পোল্যান্ডের সীমান্তে ইউক্রেনের একটি এস-৩০০ মিসাইল আছড়ে পড়ে দুজন নিরীহ পোলিশ নাগরিককে হত্যা করেছিল। সেই সময়েও কিয়েভের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি দ্রুত একে ন্যাটোর ওপর রাশিয়ার হামলা বলে মিথ্যা নাটক সাজিয়েছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে ওয়ারশ সরকার নিজেই তদন্ত করে নিশ্চিত করে যে, ক্ষেপণাস্ত্রটি আসলে ইউক্রেনেরই ছিল, যা রাশিয়ার সফল হামলা ঠেকাতে গিয়ে তারা ভুল দিকে ছুড়েছিল। ইউরোপের রাজনীতিতে রাশিয়ার পক্ষে আরও একটি বড় বিজয় এসেছে হাঙ্গেরি থেকে, যেখানে নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী পিটার ম্যাগিয়ার ইউক্রেনে অস্ত্র পাঠানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছেন। ব্রাসেলসে ন্যাটোর সেক্রেটারি জেনারেল মার্ক রুটের সাথে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী ম্যাগিয়ার পুনর্ব্যক্ত করেন যে, হাঙ্গেরি ইউক্রেনকে কোনো প্রকার অস্ত্র বা সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করে এই যুদ্ধকে আর দীর্ঘায়িত করতে চায় না। পশ্চিমা ইইউ কর্মকর্তারা ভেবেছিলেন ভিক্টর অরবান বিদায় নেওয়ার পর নতুন প্রধানমন্ত্রী হয়তো রাশিয়ার বিরুদ্ধে এবং ইউক্রেনের পক্ষে অবস্থান নেবেন। কিন্তু পিটার ম্যাগিয়ার প্রমাণ করেছেন যে তিনিও দেশের শান্তি ও সুরক্ষাকেই সবার আগে প্রাধান্য দেন। হাঙ্গেরির পররাষ্ট্রমন্ত্রী অনিতা অরবানও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে তাদের দেশ শান্তির পক্ষে এবং তারা কোনোভাবেই ইউক্রেনে সেনা বা অস্ত্র পাঠিয়ে নিজেদের জড়িয়ে ফেলবে না। হাঙ্গেরির এই বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্তকে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, কোনো পক্ষ যদি চলমান আগুনে নতুন করে ঘি না ঢালার সিদ্ধান্ত নেয়, তবে তা অবশ্যই প্রশংসার যোগ্য। রাশিয়া বরাবরই বলে আসছে যে কিয়েভকে পশ্চিমাদের দেওয়া সামরিক সাহায্য আসলে শান্তি প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করছে এবং পুরো ইউরোপকে একটি ভয়াবহ ও দীর্ঘস্থায়ী ছায়াযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী ম্যাগিয়ার শুধু অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করেননি, তিনি ইউক্রেনকে দ্রুত ন্যাটোর সদস্যপদ দেওয়ার তীব্র বিরোধিতা করেছেন এবং ইইউ-এর ইউক্রেন ফান্ডিংয়েরও বিরোধিতা করেছেন। তাছাড়া হাঙ্গেরির কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় তিনি ইউক্রেনীয় কৃষিপণ্য আমদানির ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল করেছেন। ব্রাসেলস এই নিষেধাজ্ঞাকে অবৈধ বললেও হাঙ্গেরি নিজের সার্বভৌম সিদ্ধান্ত থেকে এক চুলও নড়েনি, যা রাশিয়ার অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পোল্যান্ডে আরও ৫ হাজার অতিরিক্ত মার্কিন সেনা মোতায়েনের প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পর রাশিয়া আমেরিকাকে তীব্র হুশিয়ারি দিয়েছে। রাশিয়ান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বলেছেন, রাশিয়ার সীমান্তের কাছে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হবে না। এটি ইউরোপের নিরাপত্তাকে চরমভাবে বিঘ্নিত করবে এবং রাশিয়া এর উপযুক্ত সামরিক-প্রযুক্তিগত জবাব দিতে বাধ্য হবে। জাখারোভা আরও উল্লেখ করেন যে, ইউরোপে ন্যাটোর হঠকারী নীতির কারণে যে অস্থিতিশীলতা তৈরি হয়েছে, তা দূর করতে মার্কিন সেনা কমানো উচিত ছিল। ন্যাটোর এই উস্কানিমূলক আচরণ পুরো ইউরোপ মহাদেশকে একটি আত্মঘাতী সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বর্তমানে পোল্যান্ডে প্রায় ১০ হাজার এবং পুরো ইউরোপজুড়ে ৮০ হাজারের বেশি মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে, যা রাশিয়ার কালিনিনগ্রাদ সীমান্তের একদম কাছাকাছি। রাশিয়ার বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান সের্গেই নারিশকিন এক চাঞ্চল্যকর তথ্যে জানিয়েছেন যে, ন্যাটো এখন দে-ফ্যাক্টো বা পরোক্ষভাবে পূর্ব ইউরোপে রাশিয়ার বিরুদ্ধে একটি বড় মাপের সামরিক সংঘাতের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে প্রেসিডেন্ট পুতিন স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, ন্যাটো যদি আগে রাশিয়াকে আক্রমণ না করে, তবে ন্যাটোর কোনো সদস্য দেশের ওপর হামলা চালানোর কোনো পরিকল্পনা রাশিয়ার নেই। রণাঙ্গন থেকে আসা সর্বশেষ খবরে রাশিয়ার বীর সেনারা ইউক্রেনীয় বাহিনীকে পিষে ফেলে গত এক সপ্তাহে ১০টি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল সম্পূর্ণ মুক্ত করেছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে মে মাসের ২৩ থেকে ২৯ তারিখের মধ্যে খারকভ, সুমি, দনেপ্রোপেত্রোভস্ক এবং জাপোরোঝ্যের মতো কৌশলগত এলাকায় তীব্র অভিযান চালিয়ে শত্রুদের হটিয়ে এই ঐতিহাসিক এবং বড় ধরনের ভূখণ্ডগত বিজয় অর্জন করা হয়েছে। রুশ বীর সেনাদের 'ব্যাটলগ্রুপ নর্থ' অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে অপারেশন চালিয়ে খারকভের গ্রানভ, নোভোভ্যাকিলেভকা, বুদারকি এবং কারাইচনোয়ে অঞ্চল মুক্ত করেছে। একই সাথে সুমি অঞ্চলের জাপসেলি এবং রিয়াসনোহে গ্রাম থেকে ইউক্রেনীয় নাৎসিদের তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এই সফল অভিযানে কিয়েভ বাহিনীর ১,২৪৫ জনেরও বেশি সেনা খতম হয়েছে এবং তাদের অসংখ্য সাঁজোয়া যান ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধ স্টেশন ধ্বংস করা হয়েছে। অন্যদিকে 'ব্যাটলগ্রুপ সেন্টার' দনেপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলের নোভোপডগোরোদনোহে বসতিটি সম্পূর্ণ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে, যেখানে শত্রুপক্ষের ২,২৫০ জনেরও বেশি সেনা হতাহত হয়েছে। এছাড়াও 'ব্যাটলগ্রুপ ইস্ট' জাপোরোঝ্যের ভজদভিঝেনকা এবং দনেপ্রোপেত্রোভস্কের দোব্রোপাসোভো ও লেসনোহে নামক গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলো মুক্ত করেছে। এই ফ্রন্টে ইউক্রেনীয়দের ১,৯৭০ এর বেশি সেনা নিহত হয়েছে এবং ১৬টি সাঁজোয়া যান ধ্বংস হয়েছে। রাশিয়ার অপরাজেয় 'ব্যাটলগ্রুপ ওয়েস্ট' এবং 'ব্যাটলগ্রুপ দনিয়েপ্রো'র সাঁড়াশি আক্রমণে ইউক্রেনীয় বাহিনী তাদের ১,৭১৫ জনেরও বেশি боевики বা সেনাকে হারিয়েছে। রুশ সেনাদের নিখুঁত কামানের গোলায় ইউক্রেনের ৪২টি সাঁজোয়া যান এবং ১৮টি দামী ইলেকট্রনিক যুদ্ধ সরঞ্জাম মাটির সাথে মিশে গেছে। পশ্চিমাদের দেওয়া বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র যে রাশিয়ার আধুনিক রণকৌশলের সামনে স্রেফ খেলনা, তা আরও একবার প্রমাণিত হলো। একই সপ্তাহে রাশিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী ইউক্রেনের সন্ত্রাসী হামলার উপযুক্ত জবাব দিতে ১টি বিশাল এবং ৫টি সম্মিলিত সুনির্দিষ্ট আক্রমণ পরিচালনা করেছে। এই হামলায় ইউক্রেনের সামরিক কারখানা, জ্বালানি ও পরিবহন অবকাঠামো এবং সামরিক বিমানবন্দরগুলো সম্পূর্ণ অচল করে দেওয়া হয়েছে, যা কিয়েভের যুদ্ধ সচল রাখার মেরুদণ্ডকে একদম ভেঙে দিয়েছে এবং তাদের বিদেশি ভাড়াটে সেনাদের ঘাঁটিগুলো গুঁড়িয়ে দিয়েছে। আকাশ প্রতিরক্ষায় রাশিয়ার সেনারা আকাশেই ধ্বংস করেছে ইউক্রেনের ২,৬২৮টি ড্রোন, আমেরিকার তৈরি ২৩টি হাইমার্স (HIMARS) রকেট এবং ব্রিটেনের তৈরি স্টর্ম শ্যাডো ও ফ্রান্সের স্কাল্প ক্ষেপণাস্ত্র। পশ্চিমা মিডিয়া যতই কিয়েভের প্রশংসা করুক না কেন, রাশিয়ার দুর্ভেদ্য এয়ার ডিফেন্সের সামনে ন্যাটোর সব আধুনিক প্রযুক্তি আজ সম্পূর্ণ ব্যর্থ এবং অসহায় প্রমাণিত হয়েছে, যা পশ্চিমাদের মনে চরম ভয় ধরিয়ে দিয়েছে। বিশেষ সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত রাশিয়ার পরাক্রমশালী বাহিনী ইউক্রেনের ৬৭১টি যুদ্ধবিমান, ২৮৪টি হেলিকপ্টার, ১ লাখ ৫৩ হাজারের বেশি ড্রোন এবং ২৯,৫৩৮টি ট্যাংক ও সাঁজোয়া যান মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়েছে। পুতিনের নেতৃত্বে রাশিয়ার এই বীরত্বপূর্ণ বিজয় আর ইউক্রেনের নাৎসি রেজিমের পতন এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। সত্যের জয় নিশ্চিত এবং রাশিয়ার এই অগ্রযাত্রা কেউ থামাতে পারবে না।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/663_1.webp" alt="রুশ মিসাইলে ১০ অঞ্চল মুক্ত! রোমানিয়া-পোল্যান্ডের ব্যর্থতা" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>রুশ মিসাইলে ১০ অঞ্চল মুক্ত! রোমানিয়া-পোল্যান্ডের ব্যর্থতা</h1>
            <p>ইউক্রেনীয় ড্রোনের নির্মম আঘাতে বিছানায় ঘুমন্ত নিষ্পাপ ছাত্রীদের শরীর ছিন্নভিন্ন হয়ে গেল, অথচ বিশ্বের বড় বড় মিডিয়া সম্পূর্ণ নীরব! হ্যাঁ, ঠিকই শুনেছেন। কিয়েভ সরকারের এই জঘন্য যুদ্ধাপরাধ নিয়ে পশ্চিমা গণমাধ্যম কেন মুখে কুলুপ এঁটেছে, তা নিয়ে এবার গর্জে উঠলেন খোদ ভ্লাদিমির পুতিন। আজ আপনাদের সামনে তুলে ধরব এমন এক নির্মম সত্য, যা শুনলে যেকোনো মানুষের রক্ত হিম হয়ে যাবে। কেন এই বিশ্ব মিডিয়া রাশিয়ার ওপর হওয়া বর্বরতাকে লুকিয়ে ইউক্রেনের নাৎসি এজেন্ডাকে সমর্থন করছে? যুদ্ধের আড়ালে থাকা এই নোংরা রাজনীতির আসল রূপ। পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমগুলো এখন বিশ্বজুড়ে তাদের দর্শকদের বোকা বানানোর এক নোংরা খেলায় মেতে উঠেছে বলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। কিয়েভ বাহিনীর দ্বারা স্টারোবেলস্কের নিরীহ রাশিয়ান ছাত্র-ছাত্রীদের নির্মমভাবে হত্যার ঘটনাকে তারা সম্পূর্ণ চেপে গেছে। অথচ এর জবাবে রাশিয়ার বৈধ আত্মরক্ষামূলক পাল্টা হামলাকে তারা আগ্রাসন বলে ফলাও করে প্রচার করছে, যা আন্তর্জাতিক সাংবাদিকতার জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক একটি বিষয়। কাজাখস্তানে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট পুতিন সরাসরি উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনাদের সহকর্মীদের এই পক্ষপাতমূলক আচরণের জন্য আপনাদের লজ্জিত হওয়া উচিত। স্টারোবেলস্কের সেই ভয়াবহ ট্র্যাজেডি নিয়ে তারা একটি শব্দও উচ্চারণ করেনি, যেখানে আমাদের কোমলমতি শিশুদের পরিকল্পিতভাবে টার্গেট করে হত্যা করা হয়েছে। এটি কোনো গণমাধ্যম নয়, এটি আসলে মানুষকে অন্ধ ও বোকা বানানোর একটি পশ্চিমা হাতিয়ার। গত সপ্তাহে লুহানস্ক পিপলস রিপাবলিকের স্টারোবেলস্ক প্রফেশনাল কলেজের মূল ভবন এবং ছাত্রীদের আবাসিক হোস্টেলে পরপর তিনবার কামিকাজে ড্রোন দিয়ে কাপুরুষোচিত হামলা চালায় ইউক্রেনীয় বাহিনী। এই হামলায় ২১ জন নিষ্পাপ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন, যাদের বেশিরভাগই ছিলেন ভবিষ্যৎ শিক্ষিকা হওয়ার স্বপ্ন দেখা কিশোরী ছাত্রী। এছাড়াও এই বর্বর হামলায় আরও ৬৫ জন গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে। সবচেয়ে জঘন্য বিষয় হলো, উদ্ধারকর্মীরা যখন আহত ছাত্রীদের বাঁচাতে ধ্বংসস্তূপে পৌঁছান, তখন ইউক্রেনীয় নাৎসিরা আবারও দ্বিতীয় দফায় সেখানে ডাবল-ট্যাপ ড্রোন হামলা চালায়। প্রথম উদ্ধারকারীদের লক্ষ্য করে এই ধরনের হামলা চালানো আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন এবং একটি জঘন্য যুদ্ধাপরাধ। অথচ এই পাশবিকতার বিরুদ্ধে জাতিসংঘের তথাকথিত মানবাধিকার সংস্থাগুলো এবং পশ্চিমা শক্তিগুলো সম্পূর্ণ চোখ বন্ধ করে এক পাক্ষিক ভূমিকা পালন করছে। এই ভয়াবহ হামলার পর রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় চুপ করে বসে থাকেনি, তারা ইউক্রেনের সামরিক ঘাঁটির ওপর ওরেসনিক, ইস্কান্দার, কিনঝাল এবং জিরকনের মতো আধুনিক হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে বিধ্বংসী প্রতিশোধমূলক আঘাত হেনেছে। রুশ বাহিনীর এই নিখুঁত হামলায় ইউক্রেনের সামরিক কমান্ড সেন্টার, বিমান ঘাঁটি এবং প্রতিরক্ষা শিল্প সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে, যেখানে সাধারণ কোনো বেসামরিক নাগরিকের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। জাতিসংঘে নিযুক্ত রাশিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি ভ্যাসিলি নেবেনজিয়া কড়া ভাষায় বলেছেন, পশ্চিমা সরকারগুলো ইউক্রেনের নব্য-নাৎসি কিয়েভ রেজিমের এই দানবীয় অপরাধের প্রতি বারবার অন্ধ সাজছে। তারা নিহত শিশুদের নিয়ে প্রকাশ্য উপহাস করছে এবং রাশিয়ার অভ্যন্তরে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে অর্থায়ন করছে। কিন্তু রাশিয়া বিশ্বমঞ্চে এই সত্য উন্মোচন করেছে এবং ঘটনার তদন্তে ১৯টি দেশের ৫০ জন বিদেশী সাংবাদিককে সরাসরি সেখানে নিয়ে গেছে। লজ্জাজনকভাবে, রাশিয়ার পক্ষ থেকে উন্মুক্ত আমন্ত্রণ জানানো সত্ত্বেও ব্রিটিশ রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম বিবিসি এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় নেটওয়ার্ক সিএনএন এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের স্থান পরিদর্শনে অস্বীকৃতি জানায়। তারা খুব ভালো করেই জানে যে সেখানে গেলে ইউক্রেনের আসল সন্ত্রাসী চেহারা বিশ্বের সামনে চলে আসবে, যা তাদের প্রোপাগান্ডা এজেন্ডাকে ধ্বংস করে দেবে। তাই তারা সত্যকে এড়িয়ে মিথ্যা ছড়াতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছে। এদিকে রোমানিয়া সীমান্তে একটি ড্রোন বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনা নিয়ে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন একটি নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, রোমানিয়া সরকার যদি রাশিয়ার কাছে সেই ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ বা রাডার ডেটা সরবরাহ করে, তবে মস্কো তাদের নিজস্ব বৈজ্ঞানিক মূল্যায়ন শেয়ার করতে প্রস্তুত। কারণ ইউক্রেনীয়দের ছড়ানো মিথ্যাচার ধরে ফেলার ক্ষমতা রাশিয়ার প্রযুক্তিগতভাবে সম্পূর্ণ রয়েছে। রোমানিয়ার গালাতি শহরের একটি আবাসিক ব্লকে ড্রোনটি আছড়ে পড়ার পর পশ্চিমা মিডিয়া তাৎক্ষণিকভাবে একে রাশিয়ার হামলা বলে প্রচার করতে শুরু করে। কিন্তু পুতিন মনে করিয়ে দেন যে, এর আগেও ফিনল্যান্ড, পোল্যান্ড এবং বাল্টিক দেশগুলোতে ড্রোন বিধ্বস্ত হয়েছিল, যা পরবর্তীতে ইউক্রেনের বলে প্রমাণিত হয়। কিয়েভের নিকৃষ্ট ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ারের ব্যর্থতা এবং কারিগরি ত্রুটির কারণেই তাদের ড্রোন পথ হারিয়ে ইইউ রাষ্ট্রে আছড়ে পড়ে। অবশেষে খোদ রোমানিয়ার প্রেসিডেন্ট নিকোলাই ডান দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে স্বীকার করেছেন যে, এই ঘটনাটি ইউক্রেনের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ভুলের কারণেই ঘটেছে। রাশিয়ার ড্রোনগুলো যখন ইউক্রেনের রেনি শহরের সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানছিল, তখন ইউক্রেনীয় ডিফেন্সের গোলার আঘাতে একটি ড্রোন দিক পরিবর্তন করে রোমানিয়ার দিকে চলে আসে। এটি কোনোভাবেই রাশিয়ার পরিকল্পিত বা ইচ্ছাকৃত কোনো আক্রমণ ছিল না। ইতিহাস সাক্ষী, ২০২২ সালেও পোল্যান্ডের সীমান্তে ইউক্রেনের একটি এস-৩০০ মিসাইল আছড়ে পড়ে দুজন নিরীহ পোলিশ নাগরিককে হত্যা করেছিল। সেই সময়েও কিয়েভের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি দ্রুত একে ন্যাটোর ওপর রাশিয়ার হামলা বলে মিথ্যা নাটক সাজিয়েছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে ওয়ারশ সরকার নিজেই তদন্ত করে নিশ্চিত করে যে, ক্ষেপণাস্ত্রটি আসলে ইউক্রেনেরই ছিল, যা রাশিয়ার সফল হামলা ঠেকাতে গিয়ে তারা ভুল দিকে ছুড়েছিল। ইউরোপের রাজনীতিতে রাশিয়ার পক্ষে আরও একটি বড় বিজয় এসেছে হাঙ্গেরি থেকে, যেখানে নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী পিটার ম্যাগিয়ার ইউক্রেনে অস্ত্র পাঠানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছেন। ব্রাসেলসে ন্যাটোর সেক্রেটারি জেনারেল মার্ক রুটের সাথে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী ম্যাগিয়ার পুনর্ব্যক্ত করেন যে, হাঙ্গেরি ইউক্রেনকে কোনো প্রকার অস্ত্র বা সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করে এই যুদ্ধকে আর দীর্ঘায়িত করতে চায় না। পশ্চিমা ইইউ কর্মকর্তারা ভেবেছিলেন ভিক্টর অরবান বিদায় নেওয়ার পর নতুন প্রধানমন্ত্রী হয়তো রাশিয়ার বিরুদ্ধে এবং ইউক্রেনের পক্ষে অবস্থান নেবেন। কিন্তু পিটার ম্যাগিয়ার প্রমাণ করেছেন যে তিনিও দেশের শান্তি ও সুরক্ষাকেই সবার আগে প্রাধান্য দেন। হাঙ্গেরির পররাষ্ট্রমন্ত্রী অনিতা অরবানও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে তাদের দেশ শান্তির পক্ষে এবং তারা কোনোভাবেই ইউক্রেনে সেনা বা অস্ত্র পাঠিয়ে নিজেদের জড়িয়ে ফেলবে না। হাঙ্গেরির এই বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্তকে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, কোনো পক্ষ যদি চলমান আগুনে নতুন করে ঘি না ঢালার সিদ্ধান্ত নেয়, তবে তা অবশ্যই প্রশংসার যোগ্য। রাশিয়া বরাবরই বলে আসছে যে কিয়েভকে পশ্চিমাদের দেওয়া সামরিক সাহায্য আসলে শান্তি প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করছে এবং পুরো ইউরোপকে একটি ভয়াবহ ও দীর্ঘস্থায়ী ছায়াযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী ম্যাগিয়ার শুধু অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করেননি, তিনি ইউক্রেনকে দ্রুত ন্যাটোর সদস্যপদ দেওয়ার তীব্র বিরোধিতা করেছেন এবং ইইউ-এর ইউক্রেন ফান্ডিংয়েরও বিরোধিতা করেছেন। তাছাড়া হাঙ্গেরির কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় তিনি ইউক্রেনীয় কৃষিপণ্য আমদানির ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল করেছেন। ব্রাসেলস এই নিষেধাজ্ঞাকে অবৈধ বললেও হাঙ্গেরি নিজের সার্বভৌম সিদ্ধান্ত থেকে এক চুলও নড়েনি, যা রাশিয়ার অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পোল্যান্ডে আরও ৫ হাজার অতিরিক্ত মার্কিন সেনা মোতায়েনের প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পর রাশিয়া আমেরিকাকে তীব্র হুশিয়ারি দিয়েছে। রাশিয়ান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বলেছেন, রাশিয়ার সীমান্তের কাছে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হবে না। এটি ইউরোপের নিরাপত্তাকে চরমভাবে বিঘ্নিত করবে এবং রাশিয়া এর উপযুক্ত সামরিক-প্রযুক্তিগত জবাব দিতে বাধ্য হবে। জাখারোভা আরও উল্লেখ করেন যে, ইউরোপে ন্যাটোর হঠকারী নীতির কারণে যে অস্থিতিশীলতা তৈরি হয়েছে, তা দূর করতে মার্কিন সেনা কমানো উচিত ছিল। ন্যাটোর এই উস্কানিমূলক আচরণ পুরো ইউরোপ মহাদেশকে একটি আত্মঘাতী সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বর্তমানে পোল্যান্ডে প্রায় ১০ হাজার এবং পুরো ইউরোপজুড়ে ৮০ হাজারের বেশি মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে, যা রাশিয়ার কালিনিনগ্রাদ সীমান্তের একদম কাছাকাছি। রাশিয়ার বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান সের্গেই নারিশকিন এক চাঞ্চল্যকর তথ্যে জানিয়েছেন যে, ন্যাটো এখন দে-ফ্যাক্টো বা পরোক্ষভাবে পূর্ব ইউরোপে রাশিয়ার বিরুদ্ধে একটি বড় মাপের সামরিক সংঘাতের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে প্রেসিডেন্ট পুতিন স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, ন্যাটো যদি আগে রাশিয়াকে আক্রমণ না করে, তবে ন্যাটোর কোনো সদস্য দেশের ওপর হামলা চালানোর কোনো পরিকল্পনা রাশিয়ার নেই। রণাঙ্গন থেকে আসা সর্বশেষ খবরে রাশিয়ার বীর সেনারা ইউক্রেনীয় বাহিনীকে পিষে ফেলে গত এক সপ্তাহে ১০টি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল সম্পূর্ণ মুক্ত করেছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে মে মাসের ২৩ থেকে ২৯ তারিখের মধ্যে খারকভ, সুমি, দনেপ্রোপেত্রোভস্ক এবং জাপোরোঝ্যের মতো কৌশলগত এলাকায় তীব্র অভিযান চালিয়ে শত্রুদের হটিয়ে এই ঐতিহাসিক এবং বড় ধরনের ভূখণ্ডগত বিজয় অর্জন করা হয়েছে। রুশ বীর সেনাদের 'ব্যাটলগ্রুপ নর্থ' অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে অপারেশন চালিয়ে খারকভের গ্রানভ, নোভোভ্যাকিলেভকা, বুদারকি এবং কারাইচনোয়ে অঞ্চল মুক্ত করেছে। একই সাথে সুমি অঞ্চলের জাপসেলি এবং রিয়াসনোহে গ্রাম থেকে ইউক্রেনীয় নাৎসিদের তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এই সফল অভিযানে কিয়েভ বাহিনীর ১,২৪৫ জনেরও বেশি সেনা খতম হয়েছে এবং তাদের অসংখ্য সাঁজোয়া যান ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধ স্টেশন ধ্বংস করা হয়েছে। অন্যদিকে 'ব্যাটলগ্রুপ সেন্টার' দনেপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলের নোভোপডগোরোদনোহে বসতিটি সম্পূর্ণ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে, যেখানে শত্রুপক্ষের ২,২৫০ জনেরও বেশি সেনা হতাহত হয়েছে। এছাড়াও 'ব্যাটলগ্রুপ ইস্ট' জাপোরোঝ্যের ভজদভিঝেনকা এবং দনেপ্রোপেত্রোভস্কের দোব্রোপাসোভো ও লেসনোহে নামক গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলো মুক্ত করেছে। এই ফ্রন্টে ইউক্রেনীয়দের ১,৯৭০ এর বেশি সেনা নিহত হয়েছে এবং ১৬টি সাঁজোয়া যান ধ্বংস হয়েছে। রাশিয়ার অপরাজেয় 'ব্যাটলগ্রুপ ওয়েস্ট' এবং 'ব্যাটলগ্রুপ দনিয়েপ্রো'র সাঁড়াশি আক্রমণে ইউক্রেনীয় বাহিনী তাদের ১,৭১৫ জনেরও বেশি боевики বা সেনাকে হারিয়েছে। রুশ সেনাদের নিখুঁত কামানের গোলায় ইউক্রেনের ৪২টি সাঁজোয়া যান এবং ১৮টি দামী ইলেকট্রনিক যুদ্ধ সরঞ্জাম মাটির সাথে মিশে গেছে। পশ্চিমাদের দেওয়া বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র যে রাশিয়ার আধুনিক রণকৌশলের সামনে স্রেফ খেলনা, তা আরও একবার প্রমাণিত হলো। একই সপ্তাহে রাশিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী ইউক্রেনের সন্ত্রাসী হামলার উপযুক্ত জবাব দিতে ১টি বিশাল এবং ৫টি সম্মিলিত সুনির্দিষ্ট আক্রমণ পরিচালনা করেছে। এই হামলায় ইউক্রেনের সামরিক কারখানা, জ্বালানি ও পরিবহন অবকাঠামো এবং সামরিক বিমানবন্দরগুলো সম্পূর্ণ অচল করে দেওয়া হয়েছে, যা কিয়েভের যুদ্ধ সচল রাখার মেরুদণ্ডকে একদম ভেঙে দিয়েছে এবং তাদের বিদেশি ভাড়াটে সেনাদের ঘাঁটিগুলো গুঁড়িয়ে দিয়েছে। আকাশ প্রতিরক্ষায় রাশিয়ার সেনারা আকাশেই ধ্বংস করেছে ইউক্রেনের ২,৬২৮টি ড্রোন, আমেরিকার তৈরি ২৩টি হাইমার্স (HIMARS) রকেট এবং ব্রিটেনের তৈরি স্টর্ম শ্যাডো ও ফ্রান্সের স্কাল্প ক্ষেপণাস্ত্র। পশ্চিমা মিডিয়া যতই কিয়েভের প্রশংসা করুক না কেন, রাশিয়ার দুর্ভেদ্য এয়ার ডিফেন্সের সামনে ন্যাটোর সব আধুনিক প্রযুক্তি আজ সম্পূর্ণ ব্যর্থ এবং অসহায় প্রমাণিত হয়েছে, যা পশ্চিমাদের মনে চরম ভয় ধরিয়ে দিয়েছে। বিশেষ সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত রাশিয়ার পরাক্রমশালী বাহিনী ইউক্রেনের ৬৭১টি যুদ্ধবিমান, ২৮৪টি হেলিকপ্টার, ১ লাখ ৫৩ হাজারের বেশি ড্রোন এবং ২৯,৫৩৮টি ট্যাংক ও সাঁজোয়া যান মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়েছে। পুতিনের নেতৃত্বে রাশিয়ার এই বীরত্বপূর্ণ বিজয় আর ইউক্রেনের নাৎসি রেজিমের পতন এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। সত্যের জয় নিশ্চিত এবং রাশিয়ার এই অগ্রযাত্রা কেউ থামাতে পারবে না।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/663_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/663_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/663_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[জাতিসংঘের কালো তালিকায় ইসরায়েল, তীব্র কূটনৈতিক উত্তেজনায় নতুন মাত্রা]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/37032</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/37032</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 29 May 2026 10:44:22 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, r bangla news, rbangla news, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, news18 bangla, world news bangla, republic bangla news, news script bangla, today 2 pm news bangla, breaking news bangla, bbc world news bangla, news18 bangla live, international bangla news, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh news today, banglanews, bangladesh border news, banglavision news today, dupurer news bangladesh]]></category>
        
        <description><![CDATA[সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে যৌন সহিংসতার অভিযোগে ইসরায়েলকে কালো তালিকাভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতিসংঘ। এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে জাতিসংঘ মহাসচিবের কার্যালয়ের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নের ঘোষণা দিয়েছে ইসরায়েল। বিষয়টি ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্ক ও কূটনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। সংঘাতকালীন যৌন সহিংসতা সম্পর্কিত জাতিসংঘ মহাসচিবের বার্ষিক প্রতিবেদনে ইসরায়েলকে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। প্রতিবেদনটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশের আগেই বিষয়টি সামনে আসায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইসরায়েল। বৃহস্পতিবার জাতিসংঘে নিযুক্ত ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত ড্যানি ড্যানন এক ভিডিও বার্তায় জানান, মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের কার্যালয়ের সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়া হবে। তিনি অভিযোগ করেন, ইসরায়েলকে যুদ্ধের অস্ত্র হিসেবে যৌন সহিংসতা ব্যবহারের অভিযোগে অভিযুক্ত করা অন্যায্য এবং ভিত্তিহীন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, ইসরায়েলকে হামাসের সঙ্গে একই তালিকায় রাখা গ্রহণযোগ্য নয়। পরবর্তীতে জাতিসংঘে ইসরায়েলের স্থায়ী মিশন এক বিবৃতিতে জানায়, গুতেরেস মহাসচিবের দায়িত্বে থাকা পর্যন্ত তার কার্যালয়ের সঙ্গে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ রাখা হবে না। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও এ সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করে জাতিসংঘকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও পক্ষপাতদুষ্ট বলে অভিযোগ তোলে। অন্যদিকে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টেফান দুজারিক জানান, তারা ইসরায়েলের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে অবগত রয়েছেন। তবে মহাসচিবের পক্ষ থেকে সংলাপের দরজা এখনো খোলা রয়েছে। জাতিসংঘের নারী ও কন্যাশিশুর বিরুদ্ধে সহিংসতা বিষয়ক বিশেষ প্রতিবেদক রীম আলসালেম এ সিদ্ধান্তকে বহুদিনের প্রত্যাশিত পদক্ষেপ বলে মন্তব্য করেছেন। তার ভাষায়, ফিলিস্তিনি নারী, পুরুষ ও শিশুদের বিরুদ্ধে সংঘটিত যৌন সহিংসতার বহু অভিযোগ স্বাধীনভাবে নথিভুক্ত ও যাচাই করা হয়েছে। সে কারণে ইসরায়েলকে তালিকাভুক্ত করা আরও আগেই হওয়া উচিত ছিল। প্রসঙ্গত, গত বছরের আগস্টে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জাতিসংঘ জানিয়েছিল, ফিলিস্তিনি বন্দিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনীর যৌন সহিংসতার বিষয়ে বিশ্বাসযোগ্য তথ্য পাওয়া গেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, কারাগার ও আটককেন্দ্রগুলোতে তদন্তকারীদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। যদিও ইসরায়েল দাবি করেছে, তারা জাতিসংঘের প্রতিনিধিদের তদন্তের আমন্ত্রণ জানিয়েছিল, কিন্তু তারা তা গ্রহণ করেননি। দীর্ঘদিন ধরেই ইসরায়েলি কারাগারে আটক ফিলিস্তিনিরা নির্যাতন, অমানবিক আচরণ এবং যৌন সহিংসতার অভিযোগ করে আসছেন। বিশেষ করে ২০২৩ সালের পর গাজা থেকে আটক ব্যক্তিদের বহু সাক্ষ্যে একই ধরনের অভিযোগ উঠে এসেছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, এসব অভিযোগ বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং একটি বৃহত্তর ও ধারাবাহিক প্রবণতার অংশ। সম্প্রতি পশ্চিম তীর সুরক্ষা জোটের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, দখলকৃত পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপনকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের দ্বারা সংঘটিত যৌন সহিংসতা এবং লিঙ্গভিত্তিক নির্যাতনের কারণে অনেক ফিলিস্তিনি পরিবার এলাকা ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে। এছাড়া গাজাগামী একটি ত্রাণবাহী জাহাজে থাকা কয়েকজন বিদেশি কর্মীও অভিযোগ করেছেন, আন্তর্জাতিক জলসীমা থেকে আটক হওয়ার পর মুক্তিপ্রাপ্ত কর্মীদের অনেকে যৌন নিপীড়ন ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, অন্তত পনেরটি পৃথক যৌন নির্যাতনের ঘটনার তথ্য পাওয়া গেছে। চলতি মাসের শুরুতে ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে প্রকাশিত একটি বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদনেরও প্রতিবাদ জানিয়েছিল তেল আবিব। ওই প্রতিবেদনে একাধিক ফিলিস্তিনি ভুক্তভোগীর সাক্ষ্য তুলে ধরা হয়েছিল। ইসরায়েল সরকার অভিযোগগুলো অস্বীকার করে এবং প্রকাশনার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকি দেয়। বিশ্লেষকরা বলছেন, জাতিসংঘ ও ইসরায়েলের সম্পর্ক বহু বছর ধরেই টানাপোড়েনের মধ্যে থাকলেও ২০২৩ সালের অক্টোবরের পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। গাজায় চলমান সামরিক অভিযানে ব্যাপক প্রাণহানি, অবকাঠামো ধ্বংস এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ নিয়ে জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা ধারাবাহিকভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে। এসব সমালোচনার জবাবে ইসরায়েল বারবার জাতিসংঘকে পক্ষপাতদুষ্ট বলে অভিযোগ করেছে। সমালোচকদের মতে, আন্তর্জাতিক তদন্ত, মানবাধিকার সংস্থার প্রতিবেদন এবং ভুক্তভোগীদের ধারাবাহিক সাক্ষ্যকে অগ্রাহ্য করে শুধুমাত্র রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তোলা ইসরায়েলি নীতির একটি পুনরাবৃত্ত বৈশিষ্ট্য হয়ে উঠেছে। তারা মনে করেন, অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তে সহযোগিতা করার পরিবর্তে সমালোচনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া আন্তর্জাতিক জবাবদিহিতা ব্যবস্থাকে দুর্বল করে। অন্যদিকে ইসরায়েল দাবি করে, তাদের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে প্রভাবিত। বর্তমানে জাতিসংঘের কালো তালিকাভুক্তির বিষয়টি আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। এর ফলে ইসরায়েল ও জাতিসংঘের সম্পর্ক আরও উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/662_1.webp" alt="জাতিসংঘের কালো তালিকায় ইসরায়েল, তীব্র কূটনৈতিক উত্তেজনায় নতুন মাত্রা" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>জাতিসংঘের কালো তালিকায় ইসরায়েল, তীব্র কূটনৈতিক উত্তেজনায় নতুন মাত্রা</h1>
            <p>সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে যৌন সহিংসতার অভিযোগে ইসরায়েলকে কালো তালিকাভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতিসংঘ। এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে জাতিসংঘ মহাসচিবের কার্যালয়ের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নের ঘোষণা দিয়েছে ইসরায়েল। বিষয়টি ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্ক ও কূটনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। সংঘাতকালীন যৌন সহিংসতা সম্পর্কিত জাতিসংঘ মহাসচিবের বার্ষিক প্রতিবেদনে ইসরায়েলকে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। প্রতিবেদনটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশের আগেই বিষয়টি সামনে আসায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইসরায়েল। বৃহস্পতিবার জাতিসংঘে নিযুক্ত ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত ড্যানি ড্যানন এক ভিডিও বার্তায় জানান, মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের কার্যালয়ের সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়া হবে। তিনি অভিযোগ করেন, ইসরায়েলকে যুদ্ধের অস্ত্র হিসেবে যৌন সহিংসতা ব্যবহারের অভিযোগে অভিযুক্ত করা অন্যায্য এবং ভিত্তিহীন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, ইসরায়েলকে হামাসের সঙ্গে একই তালিকায় রাখা গ্রহণযোগ্য নয়। পরবর্তীতে জাতিসংঘে ইসরায়েলের স্থায়ী মিশন এক বিবৃতিতে জানায়, গুতেরেস মহাসচিবের দায়িত্বে থাকা পর্যন্ত তার কার্যালয়ের সঙ্গে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ রাখা হবে না। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও এ সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করে জাতিসংঘকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও পক্ষপাতদুষ্ট বলে অভিযোগ তোলে। অন্যদিকে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টেফান দুজারিক জানান, তারা ইসরায়েলের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে অবগত রয়েছেন। তবে মহাসচিবের পক্ষ থেকে সংলাপের দরজা এখনো খোলা রয়েছে। জাতিসংঘের নারী ও কন্যাশিশুর বিরুদ্ধে সহিংসতা বিষয়ক বিশেষ প্রতিবেদক রীম আলসালেম এ সিদ্ধান্তকে বহুদিনের প্রত্যাশিত পদক্ষেপ বলে মন্তব্য করেছেন। তার ভাষায়, ফিলিস্তিনি নারী, পুরুষ ও শিশুদের বিরুদ্ধে সংঘটিত যৌন সহিংসতার বহু অভিযোগ স্বাধীনভাবে নথিভুক্ত ও যাচাই করা হয়েছে। সে কারণে ইসরায়েলকে তালিকাভুক্ত করা আরও আগেই হওয়া উচিত ছিল। প্রসঙ্গত, গত বছরের আগস্টে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জাতিসংঘ জানিয়েছিল, ফিলিস্তিনি বন্দিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনীর যৌন সহিংসতার বিষয়ে বিশ্বাসযোগ্য তথ্য পাওয়া গেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, কারাগার ও আটককেন্দ্রগুলোতে তদন্তকারীদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। যদিও ইসরায়েল দাবি করেছে, তারা জাতিসংঘের প্রতিনিধিদের তদন্তের আমন্ত্রণ জানিয়েছিল, কিন্তু তারা তা গ্রহণ করেননি। দীর্ঘদিন ধরেই ইসরায়েলি কারাগারে আটক ফিলিস্তিনিরা নির্যাতন, অমানবিক আচরণ এবং যৌন সহিংসতার অভিযোগ করে আসছেন। বিশেষ করে ২০২৩ সালের পর গাজা থেকে আটক ব্যক্তিদের বহু সাক্ষ্যে একই ধরনের অভিযোগ উঠে এসেছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, এসব অভিযোগ বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং একটি বৃহত্তর ও ধারাবাহিক প্রবণতার অংশ। সম্প্রতি পশ্চিম তীর সুরক্ষা জোটের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, দখলকৃত পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপনকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের দ্বারা সংঘটিত যৌন সহিংসতা এবং লিঙ্গভিত্তিক নির্যাতনের কারণে অনেক ফিলিস্তিনি পরিবার এলাকা ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে। এছাড়া গাজাগামী একটি ত্রাণবাহী জাহাজে থাকা কয়েকজন বিদেশি কর্মীও অভিযোগ করেছেন, আন্তর্জাতিক জলসীমা থেকে আটক হওয়ার পর মুক্তিপ্রাপ্ত কর্মীদের অনেকে যৌন নিপীড়ন ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, অন্তত পনেরটি পৃথক যৌন নির্যাতনের ঘটনার তথ্য পাওয়া গেছে। চলতি মাসের শুরুতে ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে প্রকাশিত একটি বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদনেরও প্রতিবাদ জানিয়েছিল তেল আবিব। ওই প্রতিবেদনে একাধিক ফিলিস্তিনি ভুক্তভোগীর সাক্ষ্য তুলে ধরা হয়েছিল। ইসরায়েল সরকার অভিযোগগুলো অস্বীকার করে এবং প্রকাশনার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকি দেয়। বিশ্লেষকরা বলছেন, জাতিসংঘ ও ইসরায়েলের সম্পর্ক বহু বছর ধরেই টানাপোড়েনের মধ্যে থাকলেও ২০২৩ সালের অক্টোবরের পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। গাজায় চলমান সামরিক অভিযানে ব্যাপক প্রাণহানি, অবকাঠামো ধ্বংস এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ নিয়ে জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা ধারাবাহিকভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে। এসব সমালোচনার জবাবে ইসরায়েল বারবার জাতিসংঘকে পক্ষপাতদুষ্ট বলে অভিযোগ করেছে। সমালোচকদের মতে, আন্তর্জাতিক তদন্ত, মানবাধিকার সংস্থার প্রতিবেদন এবং ভুক্তভোগীদের ধারাবাহিক সাক্ষ্যকে অগ্রাহ্য করে শুধুমাত্র রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তোলা ইসরায়েলি নীতির একটি পুনরাবৃত্ত বৈশিষ্ট্য হয়ে উঠেছে। তারা মনে করেন, অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তে সহযোগিতা করার পরিবর্তে সমালোচনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া আন্তর্জাতিক জবাবদিহিতা ব্যবস্থাকে দুর্বল করে। অন্যদিকে ইসরায়েল দাবি করে, তাদের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে প্রভাবিত। বর্তমানে জাতিসংঘের কালো তালিকাভুক্তির বিষয়টি আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। এর ফলে ইসরায়েল ও জাতিসংঘের সম্পর্ক আরও উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/662_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/662_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/662_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইউক্রেনকে বন্ধ করছে আমেরিকা! রাশিয়ার মিসাইলে সব ছারখার]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/37031</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/37031</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 29 May 2026 10:39:56 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, r bangla news, rbangla news, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, news18 bangla, world news bangla, republic bangla news, news script bangla, today 2 pm news bangla, breaking news bangla, bbc world news bangla, news18 bangla live, international bangla news, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh news today, banglanews, bangladesh border news, banglavision news today, dupurer news bangladesh]]></category>
        
        <description><![CDATA[পশ্চিমা প্রোপাগান্ডা আর ইউক্রেনের সাজানো নাটকের দিন এবার শেষ। রণক্ষেত্রে রাশিয়ার অদম্য শক্তির সামনে খড়কুটোর মতো উড়ে যাচ্ছে কিয়েভের নাৎসি বাহিনী। যেখানে ইউক্রেন একের পর এক সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে নিরীহ সাধারণ রুশ শিক্ষার্থীদের হত্যা করছে, সেখানে ক্রেমলিনের একটি মাত্র ওরেশনিক মিসাইলের হুংকারে কেঁপে উঠেছে পুরো ইউরোপ। কীভাবে পরাজয় নিশ্চিত জেনেও জেলেনস্কি পশ্চিমাদের পকেট কাটছেন এবং রাশিয়ার কাছে আত্মসমর্পণ না করে নিজেদের ধ্বংস ডেকে আনছেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের নতুন পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক প্রধান কায়া কাল্লাসের অবাস্তব ও হাস্যকর দাবিকে তীব্র ভাষায় ধুয়ে দিয়েছেন রাশিয়ার অভিজ্ঞ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ। কায়া কাল্লাস দাবি করেছিলেন যে, ইউক্রেন শান্তি প্রক্রিয়ায় ব্রাসেলসকে অন্তর্ভুক্ত করতে হলে রাশিয়াকে প্রথমে তাদের সশস্ত্র বাহিনীর আকার কমাতে হবে। লাভরভ সরাসরি এই মন্তব্যকে সম্পূর্ণ একটি ইডিয়টিক বা মূর্খতাপূর্ণ বক্তব্য হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। প্রকৃতপক্ষে, ইউরোপীয় ইউনিয়নকে এই শান্তি আলোচনায় অংশ নেওয়ার জন্য রাশিয়ার পক্ষ থেকে কখনোই কোনো আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। তা সত্ত্বেও কায়া কাল্লাস বারবার রাশিয়ার ওপর অবাস্তব শর্ত চাপানোর চেষ্টা করছেন। লাভরভ স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, রাশিয়ার মতো একটি পরাশক্তির সামরিক নীতি কেমন হবে, তা নির্ধারণ করার যোগ্যতা ইইউ বা পশ্চিমাদের কোনো আমলাতান্ত্রিক মহলের নেই। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রভাবশালী মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভাও কায়া কাল্লাসের এই বক্তব্যকে চরমভাবে উপহাস করেছেন। জাখারোভা বলেছেন, ইউরোপের এই কূটনীতিকের কথাবার্তা শুনে মনে হচ্ছে তিনি যেন আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের সাথেই নিজে কথা বলছেন। রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা তোলার টোপ দিয়ে ইইউ আসলে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য এখন একতরফা ও ভিত্তিহীন মেগাফোন ডিপ্লোমেসি বা ফাঁকা আওয়াজ ছড়াচ্ছে। বাস্তবতা হলো, ২০২২ সালে ইউক্রেন সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে পশ্চিমাদের রাশিয়াকে বিচ্ছিন্ন করার সব কৌশল ব্যর্থ হয়েছে। ওয়াশিংটনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন আসার পর আমেরিকা এখন নিজেকে এই শান্তি প্রক্রিয়ার মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভাবছে। কিন্তু ইউরোপীয় ইউনিয়ন এখনো সেই পুরোনো বৈরী মনোভাব ধরে রেখেছে, যার কারণে তারা এই পুরো ভূ-রাজনীতি থেকে সম্পূর্ণ কোণঠাসা হয়ে পড়ার আতঙ্কে ভুগছে। ইইউর এই আতঙ্ক নতুন কিছু নয়। গত বছরের শেষের দিকে ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েনও দাবি করেছিলেন যে শান্তি আলোচনায় ইইউকে কেন্দ্রীয় ভূমিকা দিতে হবে। অথচ রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যখন একটি খসড়া পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করছিল, তখন ইইউর দেওয়া শর্তগুলোকে ক্রেমলিন সরাসরি গঠনমূলক নয় এবং সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য বলে প্রত্যাখ্যান করে। ইউরোপ যখন এসব কাগজের যুদ্ধ নিয়ে ব্যস্ত, তখন ইউক্রেনের সন্ত্রাসী বাহিনী রাশিয়ার সাধারণ নাগরিকদের ওপর কাপুরুষোচিত হামলা চালাচ্ছে। লুগানস্ক গণপ্রজাতন্ত্রের স্টারোবেলস্ক প্রফেশনাল কলেজের ছাত্রীনিবাসে ইউক্রেনীয় কামিকাজে ড্রোন দিয়ে পরপর তিনবার ভয়াবহ হামলা চালানো হয়েছে। এই বর্বরতম হামলায় ২১ জন নিরীহ শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই ছিলেন ভবিষ্যৎ শিক্ষিকা হওয়ার স্বপ্ন দেখা অল্প বয়সী তরুণী। এই ঘটনার ঠিক এক সপ্তাহ আগেই কিয়েভ বাহিনী রাশিয়ার রাজধানী মস্কো এবং এর আশেপাশের আবাসিক এলাকা লক্ষ্য করে শত শত ড্রোন নিয়ে হামলা চালিয়েছিল। রুশ আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী অত্যন্ত দক্ষতার সাথে সেই হামলা নস্যাৎ করলেও, ইউক্রেনের এই উগ্রবাদী হামলায় কয়েকজন সাধারণ মানুষ প্রাণ হারান। রাশিয়ার সাধারণ জনগণকে টার্গেট করে ইউক্রেন নিয়মিত এই ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাচ্ছে। ইউক্রেনীয় ড্রোনের এই কাপুরুষোচিত বেসামরিক হামলার জবাবে রাশিয়ার স্টেট দুমা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আইন পাস করেছে। এই নতুন আইনের ফলে রাশিয়ার সেন্ট্রাল ব্যাংক এবং প্রধান আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের নিজস্ব সশস্ত্র কর্মী মোতায়েনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এই নিরাপত্তা কর্মীরা এখন থেকে কিয়েভের যেকোনো আকাশযান, নৌযান বা স্থল ড্রোনকে সরাসরি ধ্বংস বা জ্যাম করে দিতে সক্ষম হবে। নতুন এই আইনটি পাসের ফলে রাশিয়ার ব্যাংক অব রাশিয়া এবং স্বেরব্যাংকের সশস্ত্র দলগুলো বেসামরিক নাগরিক ও গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো রক্ষা করতে পারবে। ড্রোন অপারেটরের সিগন্যাল নষ্ট করা, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করা এবং সরাসরি ড্রোন ধ্বংস করার এই আইনি ক্ষমতা রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তাকে আরও বহুগুণ শক্তিশালী করবে। এটি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। নিরীহ ছাত্রীদের ওপর ইউক্রেনের এই জঘন্য হামলার পর চুপ থাকেনি মস্কো। রাশিয়া তাৎক্ষণিকভাবে ইউক্রেনের সামরিক লক্ষ্যবস্তুগুলোর ওপর ওরেশনিক, ইস্কান্দার, কিনঝাল এবং জিরকন হাইপারসনিক মিসাইল দিয়ে এক বিশাল ও নিখুঁত প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছে। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে, এই হামলায় ইউক্রেনের সামরিক কমান্ড সেন্টার, বিমান ঘাঁটি এবং অস্ত্র কারখানাগুলো সম্পূর্ণ ধূলিসাৎ করে দেওয়া হয়েছে। রাশিয়ার এই বিমান হামলায় একটি বিষয় অত্যন্ত স্পষ্ট ছিল যে, কোনো বেসামরিক অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়নি। রাশিয়া আন্তর্জাতিক নিয়ম মেনে কেবল ইউক্রেনের যুদ্ধমেশিনকে ধ্বংস করেছে। অথচ কিয়েভের নাৎসি বাহিনী আন্তর্জাতিক মিডিয়ার করুণা পাওয়ার জন্য নিয়মিত রাশিয়ার সাধারণ জনগণকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে এবং রাশিয়ার আবাসিক এলাকায় ড্রোন হামলা চালিয়ে তাদের চরম কাপুরুষতার পরিচয় দিচ্ছে। ইউক্রেনের এই নৃশংস যুদ্ধাপরাধের বিরুদ্ধে পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলোর ভণ্ডামি ও দ্বিমুখী নীতি এবার বিশ্ববাসীর সামনে উন্মোচিত হয়েছে। স্টারোবেলস্কের সেই কলেজ হোস্টেলে ২১ জন ছাত্রীর নির্মম মৃত্যুর পর রাশিয়ার আমন্ত্রণে বিশ্বের ১৯টি দেশের প্রায় ৫০ জন সাংবাদিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। কিন্তু ব্রিটিশ রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম বিবিসি এবং আমেরিকার সিএনএন সেই দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে সম্পূর্ণ অস্বীকৃতি জানায়। যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আন্দ্রে কেলিন পশ্চিমাদের এই ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করে একে চরম ভণ্ডামি বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, ব্রিটিশ মিডিয়া বাকস্বাধীনতার কথা বললেও তারা আসলে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে। তারা রাশিয়ার সামরিক অভিযানকে নেতিবাচকভাবে দেখানোর জন্য দিনরাত মিথ্যাচার করলেও, কিয়েভ সরকারের করা এই রক্তক্ষয়ী বেসামরিক হত্যাকাণ্ডকে সম্পূর্ণ ধামাচাপা দিয়ে রাখছে। মস্কোর পক্ষ থেকে অভিযোগ তোলা হয়েছে যে, সিএনএন সম্ভবত স্টারোবেলস্ক হামলার পরের দৃশ্য দেখানোর চেয়ে হামলার প্রস্তুতি ধারণ করতেই বেশি আগ্রহী ছিল। রাশিয়ার ওয়ান্টেড তালিকায় থাকা বিতর্কিত সাংবাদিক নিক প্যাটন ওয়াশকে দিয়ে সিএনএন ইউক্রেনীয় ড্রোনের কার্যকারিতা নিয়ে একটি বিশেষ রিপোর্ট প্রচার করে। যা দেখে ধারণা করা হচ্ছে যে, তারা এই নৃশংস হামলার পরিকল্পনার সাথেও জড়িত থাকতে পারে। এদিকে ইউক্রেনের ভেতরে যখন এই উগ্রবাদ চলছে, তখন আমেরিকার ওয়াশিংটনে জেলেনস্কির আসল চেহারা ফাস করে দিয়েছেন রিপাবলিকান কংগ্রেসওম্যান অ্যানা পলিনা লুনা। তিনি সরাসরি ইউক্রেনীয় নেতা ভ্লাদিমির জেলেনস্কিকে একজন চরম মিথ্যাবাদী হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। লুনা স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন যে, জেলেনস্কি আমেরিকাকে কেবল একটি পিগি ব্যাংক বা টাকা তোলার মেশিন হিসেবে ব্যবহার করছেন এবং প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছেন। সম্প্রতি কিয়েভে মার্কিন ডেমোক্র্যাট সিনেটরদের সাথে বৈঠকে জেলেনস্কি দাবি করেন যে, রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়তে তাদের জরুরি ভিত্তিতে পেট্রিয়ট মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম প্রয়োজন। এর জবাবে লুনার এই কঠোর টুইট প্রমাণ করে যে, আমেরিকার সাধারণ জনগণ বা তাদের জনপ্রতিনিধিরা ইউক্রেনের এই অন্তহীন এবং অর্থহীন যুদ্ধে আর এক ডলারও ঢালতে রাজি নন, কারণ এটি সম্পূর্ণ আমেরিকার ট্যাক্সের পয়সার অপচয়। কংগ্রেসওম্যান লুনা আরও মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যেখানে আলোচনার মাধ্যমে এই যুদ্ধের দ্রুত অবসান চান, সেখানে জেলেনস্কিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি এই শান্তি চুক্তির পথে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন। জেলেনস্কি নিজের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে এবং পশ্চিমা অনুদান লুটে নিতে এই যুদ্ধকে জোর করে টিকিয়ে রাখছেন, যা কোনোভাবেই আর চলতে দেওয়া যায় না। জেলেনস্কি সরকারের ভেতরের স্বৈরাচারী মনোভাবের কারণে ইউক্রেনের সাধারণ মানুষও এখন অতিষ্ঠ। তিনি ইউক্রেনের ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন অর্থোডক্স চার্চের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন এবং যাজকদের বন্দি করেছেন। একই সাথে ২০২৪ সালে তার প্রেসিডেন্ট পদের মেয়াদ শেষ হওয়া সত্ত্বেও তিনি দেশে কোনো নির্বাচন করতে দিচ্ছেন না। যার কারণে রাশিয়া জেলেনস্কিকে এখন একজন সম্পূর্ণ অবৈধ ও অগ্রহণযোগ্য শাসক মনে করে। কিয়েভ সরকারের মিথ্যাচারের এখানেই শেষ নয়। জেলেনস্কি দাবি করেছিলেন যে আমেরিকা নাকি পোস্ট-কনফ্লিক্ট সিকিউরিটি গ্যারান্টির শর্ত হিসেবে ইউক্রেনকে দনবাস অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে চাপ দিচ্ছে। তবে আমেরিকার বর্তমান প্রশাসন ও সেক্রেটারি অব স্টেট মার্কো রুবিও জেলেনস্কির এই দাবিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন মিথ্যা কথা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন, যা ইউক্রেনের আন্তর্জাতিক বিশ্বাসযোগ্যতা শূন্যে নামিয়ে এনেছে। ইউক্রেন সরকারের এই উগ্র জাতীয়তাবাদী ও নাৎসিবাদের চূড়ান্ত প্রমাণ মিলেছে যখন জেলেনস্কি স্বয়ং তাদের একটি এলিট কমান্ডো ইউনিটের নাম পরিবর্তন করে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কুখ্যাত নাৎসি সহযোগীদের নামে নামকরণ করেছেন। স্পেশাল অপারেশন সেন্টার নর্থ নামের এই ইউনিটটিকে এখন থেকে ‘হিরোস অব দ্য ইউপিএ’ নামে ডাকা হবে, যা পোল্যান্ড ও ইহুদিদের গণহত্যাকারী উগ্রপন্থীদের ইতিহাসকে পুনরুজ্জীবিত করার শামিল। ইতিহাস সাক্ষী, এই ইউপিএ এবং ওইউএন নামক সংগঠনগুলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসি জার্মানির সাথে হাত মিলিয়েছিল এবং প্রায় এক লক্ষ নিরীহ পোলিশ নাগরিককে নির্মমভাবে হত্যা করেছিল। আধুনিক ইউক্রেনে এই খুনিদের জাতীয় বীর হিসেবে সম্মান দেওয়া হচ্ছে, তাদের জন্মদিনে মশাল মিছিল করা হচ্ছে। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ একে পুরো ইউরোপের নিরাপত্তার জন্য একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক প্রবণতা বলে হুঁশিয়ার করেছেন। পশ্চিমাদের এই সমস্ত রাজনৈতিক ও আদর্শিক দেউলিয়াত্বের মাঝে, যুদ্ধক্ষেত্রে রাশিয়া তাদের বিজয় অভিযান অব্যাহত রেখেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার পরাক্রমশালী সামরিক বাহিনী ইউক্রেনের খারকভ অঞ্চলের ‘নোভোভ্যাসিলেভকা’ নামক একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদ সম্পূর্ণ স্বাধীন ও মুক্ত করেছে। রাশিয়ার ব্যাটলগ্রুপ নর্থের তীব্র ও সুপরিকল্পিত আক্রমণের মুখে কিয়েভের সেনারা তাদের অবস্থান ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় যুদ্ধক্ষেত্রের সমস্ত ফ্রন্টলাইনে ইউক্রেনীয় বাহিনী প্রায় ১,২৪৫ জন সেনা হারিয়েছে। এর মধ্যে ব্যাটলগ্রুপ নর্থের এলাকায় ১৮৫ জন, ব্যাটলগ্রুপ ওয়েস্টের এলাকায় ১৮০ জন এবং ব্যাটলগ্রুপ সাউথের এলাকায় ৯০ জন সেনা নিহত হয়েছে। এই অভিযানে আমেরিকার তৈরি অত্যাধুনিক M113 সাঁজোয়া যানসহ অসংখ্য পশ্চিমা সামরিক যান ধ্বংস করা হয়েছে। একই সাথে রাশিয়ার ব্যাটলগ্রুপ সেন্টার এবং ব্যাটলগ্রুপ ইস্ট ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আরও গভীরে প্রবেশ করেছে। এই দুই ফ্রন্টে কিয়েভ বাহিনী যথাক্রমে ৩৭০ জন করে মোট ৭৪০ জনেরও বেশি সেনা হারিয়েছে। ইউক্রেনের যান্ত্রিক ব্রিগেড, এয়ার অ্যাসল্ট রেজিমেন্ট এবং ন্যাশনাল গার্ডের ঘাঁটিগুলো রুশ গোলন্দাজ ও বিমান বাহিনীর নিখুঁত নিশানায় সম্পূর্ণ গুঁড়িয়ে গেছে, যা ইউক্রেনের মনোবল ভেঙে দিয়েছে। সব মিলিয়ে, যুদ্ধের শুরু থেকে এ পর্যন্ত রাশিয়ার অজেয় সশস্ত্র বাহিনী ইউক্রেনের ৬৭১টি যুদ্ধবিমান, ১৫২,৯৬৫টি ড্রোন এবং প্রায় সাড়ে ২৯ হাজারেরও বেশি ট্যাংক ও সাঁজোয়া যান ধ্বংস করেছে। রণক্ষেত্রের এই বাস্তব চিত্র প্রমাণ করে যে, পশ্চিমা অর্থ আর নাৎসি আদর্শ দিয়ে রাশিয়ার ঐতিহাসিক বিজয়কে কোনোভাবেই রোধ করা সম্ভব নয়। সত্য ও ন্যায়ের এই লড়াইয়ে রাশিয়ার জয় নিশ্চিত।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/661_1.webp" alt="ইউক্রেনকে বন্ধ করছে আমেরিকা! রাশিয়ার মিসাইলে সব ছারখার" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইউক্রেনকে বন্ধ করছে আমেরিকা! রাশিয়ার মিসাইলে সব ছারখার</h1>
            <p>পশ্চিমা প্রোপাগান্ডা আর ইউক্রেনের সাজানো নাটকের দিন এবার শেষ। রণক্ষেত্রে রাশিয়ার অদম্য শক্তির সামনে খড়কুটোর মতো উড়ে যাচ্ছে কিয়েভের নাৎসি বাহিনী। যেখানে ইউক্রেন একের পর এক সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে নিরীহ সাধারণ রুশ শিক্ষার্থীদের হত্যা করছে, সেখানে ক্রেমলিনের একটি মাত্র ওরেশনিক মিসাইলের হুংকারে কেঁপে উঠেছে পুরো ইউরোপ। কীভাবে পরাজয় নিশ্চিত জেনেও জেলেনস্কি পশ্চিমাদের পকেট কাটছেন এবং রাশিয়ার কাছে আত্মসমর্পণ না করে নিজেদের ধ্বংস ডেকে আনছেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের নতুন পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক প্রধান কায়া কাল্লাসের অবাস্তব ও হাস্যকর দাবিকে তীব্র ভাষায় ধুয়ে দিয়েছেন রাশিয়ার অভিজ্ঞ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ। কায়া কাল্লাস দাবি করেছিলেন যে, ইউক্রেন শান্তি প্রক্রিয়ায় ব্রাসেলসকে অন্তর্ভুক্ত করতে হলে রাশিয়াকে প্রথমে তাদের সশস্ত্র বাহিনীর আকার কমাতে হবে। লাভরভ সরাসরি এই মন্তব্যকে সম্পূর্ণ একটি ইডিয়টিক বা মূর্খতাপূর্ণ বক্তব্য হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। প্রকৃতপক্ষে, ইউরোপীয় ইউনিয়নকে এই শান্তি আলোচনায় অংশ নেওয়ার জন্য রাশিয়ার পক্ষ থেকে কখনোই কোনো আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। তা সত্ত্বেও কায়া কাল্লাস বারবার রাশিয়ার ওপর অবাস্তব শর্ত চাপানোর চেষ্টা করছেন। লাভরভ স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, রাশিয়ার মতো একটি পরাশক্তির সামরিক নীতি কেমন হবে, তা নির্ধারণ করার যোগ্যতা ইইউ বা পশ্চিমাদের কোনো আমলাতান্ত্রিক মহলের নেই। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রভাবশালী মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভাও কায়া কাল্লাসের এই বক্তব্যকে চরমভাবে উপহাস করেছেন। জাখারোভা বলেছেন, ইউরোপের এই কূটনীতিকের কথাবার্তা শুনে মনে হচ্ছে তিনি যেন আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের সাথেই নিজে কথা বলছেন। রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা তোলার টোপ দিয়ে ইইউ আসলে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য এখন একতরফা ও ভিত্তিহীন মেগাফোন ডিপ্লোমেসি বা ফাঁকা আওয়াজ ছড়াচ্ছে। বাস্তবতা হলো, ২০২২ সালে ইউক্রেন সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে পশ্চিমাদের রাশিয়াকে বিচ্ছিন্ন করার সব কৌশল ব্যর্থ হয়েছে। ওয়াশিংটনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন আসার পর আমেরিকা এখন নিজেকে এই শান্তি প্রক্রিয়ার মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভাবছে। কিন্তু ইউরোপীয় ইউনিয়ন এখনো সেই পুরোনো বৈরী মনোভাব ধরে রেখেছে, যার কারণে তারা এই পুরো ভূ-রাজনীতি থেকে সম্পূর্ণ কোণঠাসা হয়ে পড়ার আতঙ্কে ভুগছে। ইইউর এই আতঙ্ক নতুন কিছু নয়। গত বছরের শেষের দিকে ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েনও দাবি করেছিলেন যে শান্তি আলোচনায় ইইউকে কেন্দ্রীয় ভূমিকা দিতে হবে। অথচ রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যখন একটি খসড়া পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করছিল, তখন ইইউর দেওয়া শর্তগুলোকে ক্রেমলিন সরাসরি গঠনমূলক নয় এবং সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য বলে প্রত্যাখ্যান করে। ইউরোপ যখন এসব কাগজের যুদ্ধ নিয়ে ব্যস্ত, তখন ইউক্রেনের সন্ত্রাসী বাহিনী রাশিয়ার সাধারণ নাগরিকদের ওপর কাপুরুষোচিত হামলা চালাচ্ছে। লুগানস্ক গণপ্রজাতন্ত্রের স্টারোবেলস্ক প্রফেশনাল কলেজের ছাত্রীনিবাসে ইউক্রেনীয় কামিকাজে ড্রোন দিয়ে পরপর তিনবার ভয়াবহ হামলা চালানো হয়েছে। এই বর্বরতম হামলায় ২১ জন নিরীহ শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই ছিলেন ভবিষ্যৎ শিক্ষিকা হওয়ার স্বপ্ন দেখা অল্প বয়সী তরুণী। এই ঘটনার ঠিক এক সপ্তাহ আগেই কিয়েভ বাহিনী রাশিয়ার রাজধানী মস্কো এবং এর আশেপাশের আবাসিক এলাকা লক্ষ্য করে শত শত ড্রোন নিয়ে হামলা চালিয়েছিল। রুশ আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী অত্যন্ত দক্ষতার সাথে সেই হামলা নস্যাৎ করলেও, ইউক্রেনের এই উগ্রবাদী হামলায় কয়েকজন সাধারণ মানুষ প্রাণ হারান। রাশিয়ার সাধারণ জনগণকে টার্গেট করে ইউক্রেন নিয়মিত এই ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাচ্ছে। ইউক্রেনীয় ড্রোনের এই কাপুরুষোচিত বেসামরিক হামলার জবাবে রাশিয়ার স্টেট দুমা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আইন পাস করেছে। এই নতুন আইনের ফলে রাশিয়ার সেন্ট্রাল ব্যাংক এবং প্রধান আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের নিজস্ব সশস্ত্র কর্মী মোতায়েনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এই নিরাপত্তা কর্মীরা এখন থেকে কিয়েভের যেকোনো আকাশযান, নৌযান বা স্থল ড্রোনকে সরাসরি ধ্বংস বা জ্যাম করে দিতে সক্ষম হবে। নতুন এই আইনটি পাসের ফলে রাশিয়ার ব্যাংক অব রাশিয়া এবং স্বেরব্যাংকের সশস্ত্র দলগুলো বেসামরিক নাগরিক ও গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো রক্ষা করতে পারবে। ড্রোন অপারেটরের সিগন্যাল নষ্ট করা, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করা এবং সরাসরি ড্রোন ধ্বংস করার এই আইনি ক্ষমতা রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তাকে আরও বহুগুণ শক্তিশালী করবে। এটি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। নিরীহ ছাত্রীদের ওপর ইউক্রেনের এই জঘন্য হামলার পর চুপ থাকেনি মস্কো। রাশিয়া তাৎক্ষণিকভাবে ইউক্রেনের সামরিক লক্ষ্যবস্তুগুলোর ওপর ওরেশনিক, ইস্কান্দার, কিনঝাল এবং জিরকন হাইপারসনিক মিসাইল দিয়ে এক বিশাল ও নিখুঁত প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছে। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে, এই হামলায় ইউক্রেনের সামরিক কমান্ড সেন্টার, বিমান ঘাঁটি এবং অস্ত্র কারখানাগুলো সম্পূর্ণ ধূলিসাৎ করে দেওয়া হয়েছে। রাশিয়ার এই বিমান হামলায় একটি বিষয় অত্যন্ত স্পষ্ট ছিল যে, কোনো বেসামরিক অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়নি। রাশিয়া আন্তর্জাতিক নিয়ম মেনে কেবল ইউক্রেনের যুদ্ধমেশিনকে ধ্বংস করেছে। অথচ কিয়েভের নাৎসি বাহিনী আন্তর্জাতিক মিডিয়ার করুণা পাওয়ার জন্য নিয়মিত রাশিয়ার সাধারণ জনগণকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে এবং রাশিয়ার আবাসিক এলাকায় ড্রোন হামলা চালিয়ে তাদের চরম কাপুরুষতার পরিচয় দিচ্ছে। ইউক্রেনের এই নৃশংস যুদ্ধাপরাধের বিরুদ্ধে পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলোর ভণ্ডামি ও দ্বিমুখী নীতি এবার বিশ্ববাসীর সামনে উন্মোচিত হয়েছে। স্টারোবেলস্কের সেই কলেজ হোস্টেলে ২১ জন ছাত্রীর নির্মম মৃত্যুর পর রাশিয়ার আমন্ত্রণে বিশ্বের ১৯টি দেশের প্রায় ৫০ জন সাংবাদিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। কিন্তু ব্রিটিশ রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম বিবিসি এবং আমেরিকার সিএনএন সেই দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে সম্পূর্ণ অস্বীকৃতি জানায়। যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আন্দ্রে কেলিন পশ্চিমাদের এই ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করে একে চরম ভণ্ডামি বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, ব্রিটিশ মিডিয়া বাকস্বাধীনতার কথা বললেও তারা আসলে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে। তারা রাশিয়ার সামরিক অভিযানকে নেতিবাচকভাবে দেখানোর জন্য দিনরাত মিথ্যাচার করলেও, কিয়েভ সরকারের করা এই রক্তক্ষয়ী বেসামরিক হত্যাকাণ্ডকে সম্পূর্ণ ধামাচাপা দিয়ে রাখছে। মস্কোর পক্ষ থেকে অভিযোগ তোলা হয়েছে যে, সিএনএন সম্ভবত স্টারোবেলস্ক হামলার পরের দৃশ্য দেখানোর চেয়ে হামলার প্রস্তুতি ধারণ করতেই বেশি আগ্রহী ছিল। রাশিয়ার ওয়ান্টেড তালিকায় থাকা বিতর্কিত সাংবাদিক নিক প্যাটন ওয়াশকে দিয়ে সিএনএন ইউক্রেনীয় ড্রোনের কার্যকারিতা নিয়ে একটি বিশেষ রিপোর্ট প্রচার করে। যা দেখে ধারণা করা হচ্ছে যে, তারা এই নৃশংস হামলার পরিকল্পনার সাথেও জড়িত থাকতে পারে। এদিকে ইউক্রেনের ভেতরে যখন এই উগ্রবাদ চলছে, তখন আমেরিকার ওয়াশিংটনে জেলেনস্কির আসল চেহারা ফাস করে দিয়েছেন রিপাবলিকান কংগ্রেসওম্যান অ্যানা পলিনা লুনা। তিনি সরাসরি ইউক্রেনীয় নেতা ভ্লাদিমির জেলেনস্কিকে একজন চরম মিথ্যাবাদী হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। লুনা স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন যে, জেলেনস্কি আমেরিকাকে কেবল একটি পিগি ব্যাংক বা টাকা তোলার মেশিন হিসেবে ব্যবহার করছেন এবং প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছেন। সম্প্রতি কিয়েভে মার্কিন ডেমোক্র্যাট সিনেটরদের সাথে বৈঠকে জেলেনস্কি দাবি করেন যে, রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়তে তাদের জরুরি ভিত্তিতে পেট্রিয়ট মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম প্রয়োজন। এর জবাবে লুনার এই কঠোর টুইট প্রমাণ করে যে, আমেরিকার সাধারণ জনগণ বা তাদের জনপ্রতিনিধিরা ইউক্রেনের এই অন্তহীন এবং অর্থহীন যুদ্ধে আর এক ডলারও ঢালতে রাজি নন, কারণ এটি সম্পূর্ণ আমেরিকার ট্যাক্সের পয়সার অপচয়। কংগ্রেসওম্যান লুনা আরও মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যেখানে আলোচনার মাধ্যমে এই যুদ্ধের দ্রুত অবসান চান, সেখানে জেলেনস্কিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি এই শান্তি চুক্তির পথে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন। জেলেনস্কি নিজের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে এবং পশ্চিমা অনুদান লুটে নিতে এই যুদ্ধকে জোর করে টিকিয়ে রাখছেন, যা কোনোভাবেই আর চলতে দেওয়া যায় না। জেলেনস্কি সরকারের ভেতরের স্বৈরাচারী মনোভাবের কারণে ইউক্রেনের সাধারণ মানুষও এখন অতিষ্ঠ। তিনি ইউক্রেনের ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন অর্থোডক্স চার্চের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন এবং যাজকদের বন্দি করেছেন। একই সাথে ২০২৪ সালে তার প্রেসিডেন্ট পদের মেয়াদ শেষ হওয়া সত্ত্বেও তিনি দেশে কোনো নির্বাচন করতে দিচ্ছেন না। যার কারণে রাশিয়া জেলেনস্কিকে এখন একজন সম্পূর্ণ অবৈধ ও অগ্রহণযোগ্য শাসক মনে করে। কিয়েভ সরকারের মিথ্যাচারের এখানেই শেষ নয়। জেলেনস্কি দাবি করেছিলেন যে আমেরিকা নাকি পোস্ট-কনফ্লিক্ট সিকিউরিটি গ্যারান্টির শর্ত হিসেবে ইউক্রেনকে দনবাস অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে চাপ দিচ্ছে। তবে আমেরিকার বর্তমান প্রশাসন ও সেক্রেটারি অব স্টেট মার্কো রুবিও জেলেনস্কির এই দাবিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন মিথ্যা কথা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন, যা ইউক্রেনের আন্তর্জাতিক বিশ্বাসযোগ্যতা শূন্যে নামিয়ে এনেছে। ইউক্রেন সরকারের এই উগ্র জাতীয়তাবাদী ও নাৎসিবাদের চূড়ান্ত প্রমাণ মিলেছে যখন জেলেনস্কি স্বয়ং তাদের একটি এলিট কমান্ডো ইউনিটের নাম পরিবর্তন করে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কুখ্যাত নাৎসি সহযোগীদের নামে নামকরণ করেছেন। স্পেশাল অপারেশন সেন্টার নর্থ নামের এই ইউনিটটিকে এখন থেকে ‘হিরোস অব দ্য ইউপিএ’ নামে ডাকা হবে, যা পোল্যান্ড ও ইহুদিদের গণহত্যাকারী উগ্রপন্থীদের ইতিহাসকে পুনরুজ্জীবিত করার শামিল। ইতিহাস সাক্ষী, এই ইউপিএ এবং ওইউএন নামক সংগঠনগুলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসি জার্মানির সাথে হাত মিলিয়েছিল এবং প্রায় এক লক্ষ নিরীহ পোলিশ নাগরিককে নির্মমভাবে হত্যা করেছিল। আধুনিক ইউক্রেনে এই খুনিদের জাতীয় বীর হিসেবে সম্মান দেওয়া হচ্ছে, তাদের জন্মদিনে মশাল মিছিল করা হচ্ছে। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ একে পুরো ইউরোপের নিরাপত্তার জন্য একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক প্রবণতা বলে হুঁশিয়ার করেছেন। পশ্চিমাদের এই সমস্ত রাজনৈতিক ও আদর্শিক দেউলিয়াত্বের মাঝে, যুদ্ধক্ষেত্রে রাশিয়া তাদের বিজয় অভিযান অব্যাহত রেখেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার পরাক্রমশালী সামরিক বাহিনী ইউক্রেনের খারকভ অঞ্চলের ‘নোভোভ্যাসিলেভকা’ নামক একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদ সম্পূর্ণ স্বাধীন ও মুক্ত করেছে। রাশিয়ার ব্যাটলগ্রুপ নর্থের তীব্র ও সুপরিকল্পিত আক্রমণের মুখে কিয়েভের সেনারা তাদের অবস্থান ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় যুদ্ধক্ষেত্রের সমস্ত ফ্রন্টলাইনে ইউক্রেনীয় বাহিনী প্রায় ১,২৪৫ জন সেনা হারিয়েছে। এর মধ্যে ব্যাটলগ্রুপ নর্থের এলাকায় ১৮৫ জন, ব্যাটলগ্রুপ ওয়েস্টের এলাকায় ১৮০ জন এবং ব্যাটলগ্রুপ সাউথের এলাকায় ৯০ জন সেনা নিহত হয়েছে। এই অভিযানে আমেরিকার তৈরি অত্যাধুনিক M113 সাঁজোয়া যানসহ অসংখ্য পশ্চিমা সামরিক যান ধ্বংস করা হয়েছে। একই সাথে রাশিয়ার ব্যাটলগ্রুপ সেন্টার এবং ব্যাটলগ্রুপ ইস্ট ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আরও গভীরে প্রবেশ করেছে। এই দুই ফ্রন্টে কিয়েভ বাহিনী যথাক্রমে ৩৭০ জন করে মোট ৭৪০ জনেরও বেশি সেনা হারিয়েছে। ইউক্রেনের যান্ত্রিক ব্রিগেড, এয়ার অ্যাসল্ট রেজিমেন্ট এবং ন্যাশনাল গার্ডের ঘাঁটিগুলো রুশ গোলন্দাজ ও বিমান বাহিনীর নিখুঁত নিশানায় সম্পূর্ণ গুঁড়িয়ে গেছে, যা ইউক্রেনের মনোবল ভেঙে দিয়েছে। সব মিলিয়ে, যুদ্ধের শুরু থেকে এ পর্যন্ত রাশিয়ার অজেয় সশস্ত্র বাহিনী ইউক্রেনের ৬৭১টি যুদ্ধবিমান, ১৫২,৯৬৫টি ড্রোন এবং প্রায় সাড়ে ২৯ হাজারেরও বেশি ট্যাংক ও সাঁজোয়া যান ধ্বংস করেছে। রণক্ষেত্রের এই বাস্তব চিত্র প্রমাণ করে যে, পশ্চিমা অর্থ আর নাৎসি আদর্শ দিয়ে রাশিয়ার ঐতিহাসিক বিজয়কে কোনোভাবেই রোধ করা সম্ভব নয়। সত্য ও ন্যায়ের এই লড়াইয়ে রাশিয়ার জয় নিশ্চিত।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/661_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/661_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/661_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইরান সংকটে ইউরোপের দ্বারস্থ ট্রাম্প, বাড়ছে বৈশ্বিক চাপ]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/37030</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/37030</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 29 May 2026 03:36:18 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, r bangla news, rbangla news, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, news18 bangla, world news bangla, republic bangla news, news script bangla, today 2 pm news bangla, breaking news bangla, bbc world news bangla, news18 bangla live, international bangla news, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh news today, banglanews, bangladesh border news, banglavision news today, dupurer news bangladesh]]></category>
        
        <description><![CDATA[বিশ্ব রাজনীতিতে এক মহাপ্রলয় ঘটে গেছে! যে ডোনাল্ড ট্রাম্প এতদিন ন্যাটোকে একঘরে করে রেখেছিলেন, ইউরোপের মিত্রদের পাত্তাই দিতে চাননি, আজ সেই ট্রাম্পকেই বাঁচতে ইউরোপের হাত ধরতে হচ্ছে। ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন এবং ইসরায়েলি বাহিনীর চালানো ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র পর পুরো মধ্যপ্রাচ্য এখন জ্বলছে। হরমুজ প্রণালী পুরোপুরি বন্ধ, বিশ্ববাজারে তেলের হাহাকার, আর আমেরিকার সামরিক শক্তির অহংকার আজ খাদের কিনারায়! চীন, রাশিয়া আর ইরানের এই ত্রিমুখী অক্ষের সামনে দাঁড়িয়ে হোয়াইট হাউজ আজ বুঝতে পারছে—একা লড়াই করার দিন শেষ। আজ আমরা উন্মোচন করব সেই পর্দার পেছনের আসল রহস্য, যা বিশ্ব মিডিয়া আপনার কাছ থেকে লুকিয়ে রাখছে। কেন মহাপরাক্রমশালী আমেরিকাকে আজ টিকে থাকার জন্য ইউরোপের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হচ্ছে। আমেরিকার বিশ্বব্যাপী সামরিক আধিপত্য আজ এক অভূতপূর্ব এবং অত্যন্ত জটিল চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে যা এর আগে কখনো দেখা যায়নি। ওয়াশিংটনের নীতিনির্ধারকেরা এখন খুব ভালোভাবেই বুঝতে পারছেন যে আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতিতে এককভাবে নিজেদের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ার দিন ক্রমশ শেষ হয়ে আসছে। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং ইরানের অনমনীয় মনোভাব মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তির সীমাবদ্ধতাগুলোকে বিশ্বের সামনে খুব স্পষ্টভাবে উন্মোচিত করে দিয়েছে। ন্যাটোর বর্তমান সেক্রেটারি জেনারেল মার্ক রুটে সম্প্রতি ওয়াশিংটনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সময়োপযোগী বৈঠক সম্পন্ন করেছেন। এই বৈঠকের ঠিক পূর্বমুহূর্ত পর্যন্ত ট্রাম্প ক্রমাগত ন্যাটোর সদস্য রাষ্ট্রগুলোর তীব্র সমালোচনা করে আসছিলেন এবং তাদের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করছিলেন। ট্রাম্পের মূল অভিযোগ ছিল যে ইরান এবং মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধে ইউরোপীয় দেশগুলো পর্যাপ্ত সামরিক ও কৌশলগত ভূমিকা পালন করছে না। ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চালানো বিশাল সামরিক অভিযান সত্ত্বেও তেহরানকে পুরোপুরি দমন করা বা নতজানু করা সম্ভব হয়নি। এর ওপর কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দীর্ঘ সময় ধরে বন্ধ থাকায় বিশ্ব অর্থনীতি এবং জ্বালানি সরবরাহে তীব্র সংকট তৈরি হয়েছে। ন্যাটো প্রধানের এই ওয়াশিংটন সফর এমন এক সময়ে ঘটল যখন আমেরিকার সামরিক সক্ষমতার সীমা নিয়ে বিশ্বজুড়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। আমেরিকার এই সামরিক সীমাবদ্ধতার পাশাপাশি বিশ্বমঞ্চে চীন, রাশিয়া এবং ইরানের মধ্যকার গভীর ও কৌশলগত সহযোগিতা এক নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে। এই শক্তিশালী অক্ষের ক্রমবর্ধমান উত্থান ওয়াশিংটনকে একটি অত্যন্ত কঠোর ও বাস্তবসম্মত বার্তা দিচ্ছে যে আমেরিকা এখন আর বিশ্বমঞ্চে একা চলতে পারবে না। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ন্যাটো ইতিমধ্যে এই পরিবর্তিত পরিস্থিতি উপলব্ধি করে নিজেদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়নে বেশ কিছু সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ শুরু করেছে। আমেরিকান জাতীয় নিরাপত্তা এবং বৈশ্বিক আধিপত্য অনেক বেশি শক্তিশালী ও সুরক্ষিত হবে যদি ওয়াশিংটন ইউরোপের এই নতুন পদক্ষেপগুলোকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করে। সেক্রেটারি জেনারেল মার্ক রুটে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সাথে একান্ত বৈঠকে অত্যন্ত স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে বলেছেন যে ইউরোপ এখনো এই ঐতিহাসিক সামরিক জোটের প্রতি সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। রুটে ইউরোপীয় নেতাদের মধ্যে ব্যতিক্রমী যিনি ইউরোপের নিরাপত্তায় আমেরিকার অপরিহার্য ভূমিকাকে সবসময় প্রকাশ্যে স্বীকার করেন। মার্ক রুটের এই বাস্তবসম্মত এবং দূরদর্শী বার্তাটি শেষ পর্যন্ত হোয়াইট হাউজের ওভাল অফিসের নীতিনির্ধারকদের মনে এবং ট্রাম্পের চিন্তাভাবনায় গভীরভাবে রেখাপাত করতে সক্ষম হয়েছে। এই বৈঠকের পর থেকেই লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে ন্যাটোর বিরুদ্ধে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সেই পরিচিত এবং তীব্র আক্রমণাত্মক বক্তব্যগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। ট্রাম্প এখন বুঝতে পারছেন যে বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে ইউরোপীয় মিত্রদের চটিয়ে চলা আমেরিকার জন্য আত্মঘাতী হবে। বৈঠকে রুটে বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে ফ্রান্স এবং স্পেন তাদের আকাশসীমা মার্কিন সামরিক বিমান ব্যবহারের অনুমতি দিতে সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। তবে এই প্রতিকূলতার মধ্যেও জার্মানির মতো গুরুত্বপূর্ণ ন্যাটো সদস্যরা আমেরিকার পাশে দাঁড়িয়েছে এবং তাদের বিমান ঘাঁটিগুলো ব্যবহার করতে দিয়ে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করছে। এই দেশগুলোর সাধারণ মানুষ যুদ্ধ সমর্থন না করলেও তাদের রাজনৈতিক নেতৃত্ব আমেরিকার সাথে দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্ক বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর। সেক্রেটারি জেনারেল মার্ক রুটে এমন এক সময়ে ন্যাটোর নেতৃত্ব দিচ্ছেন যখন ইউরোপীয় সদস্যরা অবশেষে তাদের দীর্ঘদিনের প্রতিরক্ষা উদাসীনতা কাটিয়ে উঠছে। ন্যাটোর ২০২৫ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনের একটি পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে ইউরোপ এবং কানাডার সামগ্রিক প্রতিরক্ষা ব্যয় এক বছরে প্রায় ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এটি প্রমাণ করে যে ইউরোপ এখন আর আমেরিকার সামরিক চাদরের নিচে শুধু আশ্রয় নিয়ে বসে থাকতে রাজি নয়। ২০১৪ সালের ওয়েলস সম্মেলনের পর এই প্রথম ন্যাটোর প্রতিটি সদস্য রাষ্ট্র তাদের মোট জিডিপির ন্যূনতম ২ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করছে। পোল্যান্ড, লাটভিয়া এবং লিথুয়ানিয়ার মতো দেশগুলো আরও এক ধাপ এগিয়ে ২০২৫ সালের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী তাদের জিডিপির ৩.৫ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ করেছে। এর পাশাপাশি সাইবার নিরাপত্তা এবং প্রতিরক্ষামূলক অবকাঠামো নির্মাণের জন্য অতিরিক্ত ১.৫ শতাংশ অর্থ বিনিয়োগ করতে সম্মত হয়েছে ইউরোপ। ইউরোপের এই সামরিক প্রস্তুতি একেবারেই সঠিক সময়ে নেওয়া হয়েছে কারণ বিশ্বজুড়ে ন্যাটোর শত্রুরা এখন অনেক বেশি আগ্রাসী ভূমিকা পালন করছে। রাশিয়া যখন ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে প্রতিনিয়ত অত্যাধুনিক সশস্ত্র ড্রোন এবং দূরপাল্লার রকেট দিয়ে হামলা চালাচ্ছে, তখন ইরানও চুপচাপ বসে নেই। তেহরান বিভিন্ন সামরিক সংঘাত ও পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণ করে দিয়েছে যে তারা কতখানি বিপজ্জনক এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে কতটা শক্ত অবস্থানে রয়েছে। চলতি যুদ্ধের শুরুর কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ইরান ইউরোপের মূল ভূখণ্ডের যেকোনো লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করার সক্ষমতা প্রদর্শন করেছে। শুধু তাই নয়, এর কিছুদিন আগেই সাইপ্রাসে অবস্থিত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্রিটিশ বিমান ঘাঁটিতে ইরানি ড্রোন সফলভাবে আঘাত হেনেছিল। এই ঘটনাগুলো স্পষ্ট সংকেত দেয় যে পুতিনের পূর্ব ইউরোপ দখলের পরিকল্পনার চেয়েও বড় হুমকি এখন ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে তৈরি হচ্ছে। বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতার সবচেয়ে বড় সত্য হলো যে আমেরিকার সাধারণ নাগরিক এবং ইউরোপের মানুষ এক নতুন ও বিপজ্জনক পৃথিবীর মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে। পশ্চিমা বিশ্বকে এখন এই তেতো সত্যটি মেনে নিতেই হবে যে সামরিক ফলাফলের ওপর তাদের যে একক একচেটিয়া আধিপত্য ছিল, তা চিরতরে শেষ হয়ে গেছে। ইরানের সাথে এই যুদ্ধ এটি প্রমাণ করেছে যে বেইজিং, মস্কো এবং তেহরান কীভাবে একে অপরকে রক্ষা করছে। ইরানের প্রতি রাশিয়ার শুধুমাত্র রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক সমর্থনই সীমাবদ্ধ নয়, বরং ক্রেমলিন সরাসরি মার্কিন সামরিক বাহিনীর অবস্থান সংক্রান্ত অত্যন্ত গোপন গোয়েন্দা তথ্য তেহরানের সাথে শেয়ার করছে। এই নিখুঁত গোয়েন্দা তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই সৌদি আরবে অবস্থিত আমেরিকার অত্যন্ত সুরক্ষিত ‘প্রিন্স সুলতান এয়ারবেস’-এ নিখুঁত ও মারাত্মক হামলা চালানো সম্ভব হয়েছিল। ইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থাও সম্প্রতি এই তথ্যটির সত্যতা পুরোপুরি নিশ্চিত করেছে। অন্যদিকে চীন এই অক্ষের অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত মেরুদণ্ড হিসেবে কাজ করছে এবং তারা ইরানকে বিভিন্ন দ্বৈত-ব্যবহারের সামগ্রী ও যুদ্ধ উপকরণ সরবরাহ করছে। এর মধ্যে রয়েছে অত্যাধুনিক নেভিগেশন প্রযুক্তি, সেমিকন্ডাক্টর চিপস এবং সলিড রকেট প্রোপেলান্ট তৈরির জন্য অপরিহার্য উপাদান সোডিয়াম পারক্লোরেট, যা সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে ব্যবহৃত হচ্ছে। বেইজিংয়ের এই প্রযুক্তিগত সহায়তা তেহরানের সামরিক বাহিনীকে অনেক বেশি আধুনিক ও নিখুঁত করে তুলেছে। তেহরানের স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখতে এবং তাদের কোষাগার সচল রাখতে বেইজিং গত বছর ইরান থেকে রেকর্ড পরিমাণ জ্বালানি তেল আমদানি করেছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চীন গত বছর প্রায় ৫২০ মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল কিনে ইরানের ওপর আরোপিত আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞাগুলোকে বুড়ো আঙুল দেখিয়েছে। প্রতিদিন গড়ে ১.৪ মিলিয়ন ব্যারেল তেল কিনে চীন এখন বিশ্বের সবচেয়ে বড় নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গকারী রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। ন্যাটোর এই নতুন শক্তির ক্ষমতায়নের আলোচনায় জোটের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্ত, বিশেষ করে তুরস্কের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক ও সামরিক অবস্থানের কথা অবশ্যই স্বীকার করতে হবে। ন্যাটোর মধ্যে দ্বিতীয় বৃহত্তম স্থায়ী সেনাবাহিনী নিয়ে আঙ্কারা এই পুরো অঞ্চলের একটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং অপরিহার্য স্তম্ভ হিসেবে কাজ করছে। বর্তমান ইরান সংকটে তুরস্কের এই সামরিক গুরুত্ব আমেরিকার জন্য কোনোভাবেই উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। কৃষ্ণ সাগরে প্রবেশের নিয়ন্ত্রণ এবং মধ্যপ্রাচ্য ও ককেশাস অঞ্চলের থিয়েটারগুলোর ঠিক মাঝখানে তুরস্কের অবস্থান আঙ্কারাকে এক অনন্য ভূরাজনৈতিক শক্তি এনে দিয়েছে। যদি ন্যাটো কোনো কারণে আঙ্কারাকে নিজেদের থেকে দূরে ঠেলে দেয়, তবে তারা রাশিয়া এবং তার সহযোগী অক্ষের বিরুদ্ধে একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ঢাল হারিয়ে ফেলবে। তুরস্কের সামরিক শক্তি ছাড়া এই অঞ্চলে ন্যাটোর ক্ষমতা প্রদর্শনের ক্ষমতা সম্পূর্ণ পঙ্গু হয়ে যাবে। আমেরিকার চালানো ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শেষ পর্যন্ত ইরানকে আরও শক্তিশালী করবে নাকি তাদের চিরতরে দুর্বল করে দেবে, তা দেখার জন্য বিশ্বকে আরও অপেক্ষা করতে হবে। তবে ফলাফল যাই হোক না কেন, চীনের জ্বালানি নিরাপত্তা এবং রাশিয়ার ভূরাজনৈতিক স্বার্থ ইরানকে সবসময় তাদের পাশে ধরে রাখতে বাধ্য করবে। পুতিন এবং শি জিনপিং কখনোই ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড তথা আইআরজিসির হাত ছেড়ে দেবে না। পশ্চিমা গণতান্ত্রিক দেশগুলো যখন এই ধরনের একটি সুসমন্বিত এবং অত্যন্ত বিপজ্জনক হুমকির মুখোমুখি, তখন তাদের নিজেদের মধ্যকার অভ্যন্তরীণ কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি বন্ধ করা উচিত। আটলান্টিকের দুই পাড়ের দেশগুলোর মধ্যে যে পারস্পরিক ব্লেম-গেম বা দোষারোপের রাজনীতি চলছে, তা এই মুহূর্তে বন্ধ না করলে বিপর্যয় নেমে আসবে। ইরান সংকটের এই জটিল মুহূর্তে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের এক হয়ে কাজ করা অত্যন্ত জরুরি। সেক্রেটারি জেনারেল মার্ক রুটে এবং অনেক ইউরোপীয় দূরদর্শী নেতা খুব ভালোভাবেই বোঝেন যে বিশ্ব অর্থনীতি এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তা রক্ষা করতে হলে যৌথ নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই। ইতিহাস সাক্ষী, ন্যাটো হলো পৃথিবীর বুকে গড়ে ওঠা এ যাবৎকালের সবচেয়ে সফল, শক্তিশালী এবং দীর্ঘস্থায়ী সামরিক জোট। এই জোটের শক্তিকে দ্বিগুণ করার এবং পারস্পরিক বিশ্বাস ফিরিয়ে আনার এখনই একমাত্র উপযুক্ত সময়। আমেরিকার সাধারণ জনগণকেও এখন বুঝতে হবে যে বিশ্ব রাজনীতির এই পরিবর্তনের হাওয়া তাদের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতি এবং নিরাপত্তার ওপর কতটা গভীর প্রভাব ফেলছে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ শুধুমাত্র দূরদেশের কোনো ঘটনা নয়, এর সাথে আমেরিকার প্রতিটি নাগরিকের দৈনিক তেলের দাম এবং শেয়ার বাজারের ভাগ্য জড়িত রয়েছে। ইউরোপের সাথে শক্তিশালী অংশীদারিত্বই পারে আমেরিকানদের এই অর্থনৈতিক ধাক্কা থেকে পুরোপুরি রক্ষা করতে। ইউরোপীয় দেশগুলো তাদের জিডিপির বড় অংশ প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ করায় আমেরিকার ওপর থেকে বৈশ্বিক নিরাপত্তার একক অর্থনৈতিক বোঝা অনেকটাই কমে যাবে। ট্রাম্প প্রশাসনের উচিত এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ইউরোপের সাথে একটি নতুন এবং অত্যন্ত সম্মানজনক কৌশলগত চুক্তি বা সমঝোতায় পৌঁছানো। ন্যাটোর সংস্কারের অর্থ এই নয় যে জোটকে ভেঙে ফেলা, বরং একে আরও আধুনিক করা। চীন ও রাশিয়ার এই নতুন ব্লক যেভাবে এশিয়া থেকে ইউরোপ এবং মধ্যপ্রাচ্য পর্যন্ত নিজেদের জাল বিস্তার করছে, তা প্রতিরোধে একক কোনো দেশের পক্ষে সম্ভব নয়। প্রযুক্তি, গোয়েন্দা তথ্য এবং ভৌগোলিক সুবিধার দিক থেকে ইউরোপ আমেরিকার এমন এক মিত্র যার কোনো বিকল্প এ পৃথিবীতে অন্য কোথাও নেই। তাই ট্রাম্পের উচিত ন্যাটোর হাতকে আরও শক্তিশালী করা এবং বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা। যদি ওয়াশিংটন অহংকারবশত ইউরোপের এই বন্ধুত্বের হাতকে প্রত্যাখ্যান করে, তবে তারা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে সম্পূর্ণ একাকী এবং কোণঠাসা হয়ে পড়বে। এর ফলে এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার যে দীর্ঘদিনের সামরিক ঘাঁটি ও প্রভাব রয়েছে, তা তাস খেলার ঘরের মতো ভেঙে পড়তে পারে। তাই ন্যাটোর সেক্রেটারি জেনারেলের এই ঐতিহাসিক প্রস্তাব আমেরিকার জন্য একটি লাইফলাইন বা বেঁচে থাকার শেষ সুযোগ। শেষে বলা যায়, বিশ্ব এক অত্যন্ত নাজুক ও বিপজ্জনক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে যেখানে প্রতিটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত পৃথিবীর ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে। আমেরিকা ও ইউরোপের এই ঐতিহাসিক পুনর্মিলনই কেবল পারে বিশ্বমঞ্চে স্বৈরাচারী অক্ষের উত্থানকে রুখে দিতে এবং বৈশ্বিক শান্তি বজায় রাখতে। ট্রাম্প রুটের এই বাড়িয়ে দেওয়া হাতটি ধরবেন কি না, তার ওপরেই নির্ভর করছে আগামী পৃথিবীর রূপরেখা। আপনারা কী মনে করেন? ডোনাল্ড ট্রাম্প কি শেষ পর্যন্ত ন্যাটোর এই প্রস্তাব মেনে নিয়ে ইউরোপের সাথে হাত মেলাবেন? নাকি নিজের অহংকার ধরে রেখে আমেরিকাকে আরও বড় সংকটের মুখে ঠেলে দেবেন?]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/648_1.webp" alt="ইরান সংকটে ইউরোপের দ্বারস্থ ট্রাম্প, বাড়ছে বৈশ্বিক চাপ" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইরান সংকটে ইউরোপের দ্বারস্থ ট্রাম্প, বাড়ছে বৈশ্বিক চাপ</h1>
            <p>বিশ্ব রাজনীতিতে এক মহাপ্রলয় ঘটে গেছে! যে ডোনাল্ড ট্রাম্প এতদিন ন্যাটোকে একঘরে করে রেখেছিলেন, ইউরোপের মিত্রদের পাত্তাই দিতে চাননি, আজ সেই ট্রাম্পকেই বাঁচতে ইউরোপের হাত ধরতে হচ্ছে। ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন এবং ইসরায়েলি বাহিনীর চালানো ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র পর পুরো মধ্যপ্রাচ্য এখন জ্বলছে। হরমুজ প্রণালী পুরোপুরি বন্ধ, বিশ্ববাজারে তেলের হাহাকার, আর আমেরিকার সামরিক শক্তির অহংকার আজ খাদের কিনারায়! চীন, রাশিয়া আর ইরানের এই ত্রিমুখী অক্ষের সামনে দাঁড়িয়ে হোয়াইট হাউজ আজ বুঝতে পারছে—একা লড়াই করার দিন শেষ। আজ আমরা উন্মোচন করব সেই পর্দার পেছনের আসল রহস্য, যা বিশ্ব মিডিয়া আপনার কাছ থেকে লুকিয়ে রাখছে। কেন মহাপরাক্রমশালী আমেরিকাকে আজ টিকে থাকার জন্য ইউরোপের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হচ্ছে। আমেরিকার বিশ্বব্যাপী সামরিক আধিপত্য আজ এক অভূতপূর্ব এবং অত্যন্ত জটিল চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে যা এর আগে কখনো দেখা যায়নি। ওয়াশিংটনের নীতিনির্ধারকেরা এখন খুব ভালোভাবেই বুঝতে পারছেন যে আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতিতে এককভাবে নিজেদের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ার দিন ক্রমশ শেষ হয়ে আসছে। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং ইরানের অনমনীয় মনোভাব মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তির সীমাবদ্ধতাগুলোকে বিশ্বের সামনে খুব স্পষ্টভাবে উন্মোচিত করে দিয়েছে। ন্যাটোর বর্তমান সেক্রেটারি জেনারেল মার্ক রুটে সম্প্রতি ওয়াশিংটনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সময়োপযোগী বৈঠক সম্পন্ন করেছেন। এই বৈঠকের ঠিক পূর্বমুহূর্ত পর্যন্ত ট্রাম্প ক্রমাগত ন্যাটোর সদস্য রাষ্ট্রগুলোর তীব্র সমালোচনা করে আসছিলেন এবং তাদের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করছিলেন। ট্রাম্পের মূল অভিযোগ ছিল যে ইরান এবং মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধে ইউরোপীয় দেশগুলো পর্যাপ্ত সামরিক ও কৌশলগত ভূমিকা পালন করছে না। ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চালানো বিশাল সামরিক অভিযান সত্ত্বেও তেহরানকে পুরোপুরি দমন করা বা নতজানু করা সম্ভব হয়নি। এর ওপর কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দীর্ঘ সময় ধরে বন্ধ থাকায় বিশ্ব অর্থনীতি এবং জ্বালানি সরবরাহে তীব্র সংকট তৈরি হয়েছে। ন্যাটো প্রধানের এই ওয়াশিংটন সফর এমন এক সময়ে ঘটল যখন আমেরিকার সামরিক সক্ষমতার সীমা নিয়ে বিশ্বজুড়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। আমেরিকার এই সামরিক সীমাবদ্ধতার পাশাপাশি বিশ্বমঞ্চে চীন, রাশিয়া এবং ইরানের মধ্যকার গভীর ও কৌশলগত সহযোগিতা এক নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে। এই শক্তিশালী অক্ষের ক্রমবর্ধমান উত্থান ওয়াশিংটনকে একটি অত্যন্ত কঠোর ও বাস্তবসম্মত বার্তা দিচ্ছে যে আমেরিকা এখন আর বিশ্বমঞ্চে একা চলতে পারবে না। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ন্যাটো ইতিমধ্যে এই পরিবর্তিত পরিস্থিতি উপলব্ধি করে নিজেদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়নে বেশ কিছু সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ শুরু করেছে। আমেরিকান জাতীয় নিরাপত্তা এবং বৈশ্বিক আধিপত্য অনেক বেশি শক্তিশালী ও সুরক্ষিত হবে যদি ওয়াশিংটন ইউরোপের এই নতুন পদক্ষেপগুলোকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করে। সেক্রেটারি জেনারেল মার্ক রুটে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সাথে একান্ত বৈঠকে অত্যন্ত স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে বলেছেন যে ইউরোপ এখনো এই ঐতিহাসিক সামরিক জোটের প্রতি সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। রুটে ইউরোপীয় নেতাদের মধ্যে ব্যতিক্রমী যিনি ইউরোপের নিরাপত্তায় আমেরিকার অপরিহার্য ভূমিকাকে সবসময় প্রকাশ্যে স্বীকার করেন। মার্ক রুটের এই বাস্তবসম্মত এবং দূরদর্শী বার্তাটি শেষ পর্যন্ত হোয়াইট হাউজের ওভাল অফিসের নীতিনির্ধারকদের মনে এবং ট্রাম্পের চিন্তাভাবনায় গভীরভাবে রেখাপাত করতে সক্ষম হয়েছে। এই বৈঠকের পর থেকেই লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে ন্যাটোর বিরুদ্ধে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সেই পরিচিত এবং তীব্র আক্রমণাত্মক বক্তব্যগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। ট্রাম্প এখন বুঝতে পারছেন যে বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে ইউরোপীয় মিত্রদের চটিয়ে চলা আমেরিকার জন্য আত্মঘাতী হবে। বৈঠকে রুটে বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে ফ্রান্স এবং স্পেন তাদের আকাশসীমা মার্কিন সামরিক বিমান ব্যবহারের অনুমতি দিতে সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। তবে এই প্রতিকূলতার মধ্যেও জার্মানির মতো গুরুত্বপূর্ণ ন্যাটো সদস্যরা আমেরিকার পাশে দাঁড়িয়েছে এবং তাদের বিমান ঘাঁটিগুলো ব্যবহার করতে দিয়ে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করছে। এই দেশগুলোর সাধারণ মানুষ যুদ্ধ সমর্থন না করলেও তাদের রাজনৈতিক নেতৃত্ব আমেরিকার সাথে দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্ক বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর। সেক্রেটারি জেনারেল মার্ক রুটে এমন এক সময়ে ন্যাটোর নেতৃত্ব দিচ্ছেন যখন ইউরোপীয় সদস্যরা অবশেষে তাদের দীর্ঘদিনের প্রতিরক্ষা উদাসীনতা কাটিয়ে উঠছে। ন্যাটোর ২০২৫ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনের একটি পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে ইউরোপ এবং কানাডার সামগ্রিক প্রতিরক্ষা ব্যয় এক বছরে প্রায় ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এটি প্রমাণ করে যে ইউরোপ এখন আর আমেরিকার সামরিক চাদরের নিচে শুধু আশ্রয় নিয়ে বসে থাকতে রাজি নয়। ২০১৪ সালের ওয়েলস সম্মেলনের পর এই প্রথম ন্যাটোর প্রতিটি সদস্য রাষ্ট্র তাদের মোট জিডিপির ন্যূনতম ২ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করছে। পোল্যান্ড, লাটভিয়া এবং লিথুয়ানিয়ার মতো দেশগুলো আরও এক ধাপ এগিয়ে ২০২৫ সালের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী তাদের জিডিপির ৩.৫ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ করেছে। এর পাশাপাশি সাইবার নিরাপত্তা এবং প্রতিরক্ষামূলক অবকাঠামো নির্মাণের জন্য অতিরিক্ত ১.৫ শতাংশ অর্থ বিনিয়োগ করতে সম্মত হয়েছে ইউরোপ। ইউরোপের এই সামরিক প্রস্তুতি একেবারেই সঠিক সময়ে নেওয়া হয়েছে কারণ বিশ্বজুড়ে ন্যাটোর শত্রুরা এখন অনেক বেশি আগ্রাসী ভূমিকা পালন করছে। রাশিয়া যখন ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে প্রতিনিয়ত অত্যাধুনিক সশস্ত্র ড্রোন এবং দূরপাল্লার রকেট দিয়ে হামলা চালাচ্ছে, তখন ইরানও চুপচাপ বসে নেই। তেহরান বিভিন্ন সামরিক সংঘাত ও পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণ করে দিয়েছে যে তারা কতখানি বিপজ্জনক এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে কতটা শক্ত অবস্থানে রয়েছে। চলতি যুদ্ধের শুরুর কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ইরান ইউরোপের মূল ভূখণ্ডের যেকোনো লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করার সক্ষমতা প্রদর্শন করেছে। শুধু তাই নয়, এর কিছুদিন আগেই সাইপ্রাসে অবস্থিত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্রিটিশ বিমান ঘাঁটিতে ইরানি ড্রোন সফলভাবে আঘাত হেনেছিল। এই ঘটনাগুলো স্পষ্ট সংকেত দেয় যে পুতিনের পূর্ব ইউরোপ দখলের পরিকল্পনার চেয়েও বড় হুমকি এখন ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে তৈরি হচ্ছে। বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতার সবচেয়ে বড় সত্য হলো যে আমেরিকার সাধারণ নাগরিক এবং ইউরোপের মানুষ এক নতুন ও বিপজ্জনক পৃথিবীর মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে। পশ্চিমা বিশ্বকে এখন এই তেতো সত্যটি মেনে নিতেই হবে যে সামরিক ফলাফলের ওপর তাদের যে একক একচেটিয়া আধিপত্য ছিল, তা চিরতরে শেষ হয়ে গেছে। ইরানের সাথে এই যুদ্ধ এটি প্রমাণ করেছে যে বেইজিং, মস্কো এবং তেহরান কীভাবে একে অপরকে রক্ষা করছে। ইরানের প্রতি রাশিয়ার শুধুমাত্র রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক সমর্থনই সীমাবদ্ধ নয়, বরং ক্রেমলিন সরাসরি মার্কিন সামরিক বাহিনীর অবস্থান সংক্রান্ত অত্যন্ত গোপন গোয়েন্দা তথ্য তেহরানের সাথে শেয়ার করছে। এই নিখুঁত গোয়েন্দা তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই সৌদি আরবে অবস্থিত আমেরিকার অত্যন্ত সুরক্ষিত ‘প্রিন্স সুলতান এয়ারবেস’-এ নিখুঁত ও মারাত্মক হামলা চালানো সম্ভব হয়েছিল। ইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থাও সম্প্রতি এই তথ্যটির সত্যতা পুরোপুরি নিশ্চিত করেছে। অন্যদিকে চীন এই অক্ষের অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত মেরুদণ্ড হিসেবে কাজ করছে এবং তারা ইরানকে বিভিন্ন দ্বৈত-ব্যবহারের সামগ্রী ও যুদ্ধ উপকরণ সরবরাহ করছে। এর মধ্যে রয়েছে অত্যাধুনিক নেভিগেশন প্রযুক্তি, সেমিকন্ডাক্টর চিপস এবং সলিড রকেট প্রোপেলান্ট তৈরির জন্য অপরিহার্য উপাদান সোডিয়াম পারক্লোরেট, যা সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে ব্যবহৃত হচ্ছে। বেইজিংয়ের এই প্রযুক্তিগত সহায়তা তেহরানের সামরিক বাহিনীকে অনেক বেশি আধুনিক ও নিখুঁত করে তুলেছে। তেহরানের স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখতে এবং তাদের কোষাগার সচল রাখতে বেইজিং গত বছর ইরান থেকে রেকর্ড পরিমাণ জ্বালানি তেল আমদানি করেছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চীন গত বছর প্রায় ৫২০ মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল কিনে ইরানের ওপর আরোপিত আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞাগুলোকে বুড়ো আঙুল দেখিয়েছে। প্রতিদিন গড়ে ১.৪ মিলিয়ন ব্যারেল তেল কিনে চীন এখন বিশ্বের সবচেয়ে বড় নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গকারী রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। ন্যাটোর এই নতুন শক্তির ক্ষমতায়নের আলোচনায় জোটের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্ত, বিশেষ করে তুরস্কের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক ও সামরিক অবস্থানের কথা অবশ্যই স্বীকার করতে হবে। ন্যাটোর মধ্যে দ্বিতীয় বৃহত্তম স্থায়ী সেনাবাহিনী নিয়ে আঙ্কারা এই পুরো অঞ্চলের একটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং অপরিহার্য স্তম্ভ হিসেবে কাজ করছে। বর্তমান ইরান সংকটে তুরস্কের এই সামরিক গুরুত্ব আমেরিকার জন্য কোনোভাবেই উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। কৃষ্ণ সাগরে প্রবেশের নিয়ন্ত্রণ এবং মধ্যপ্রাচ্য ও ককেশাস অঞ্চলের থিয়েটারগুলোর ঠিক মাঝখানে তুরস্কের অবস্থান আঙ্কারাকে এক অনন্য ভূরাজনৈতিক শক্তি এনে দিয়েছে। যদি ন্যাটো কোনো কারণে আঙ্কারাকে নিজেদের থেকে দূরে ঠেলে দেয়, তবে তারা রাশিয়া এবং তার সহযোগী অক্ষের বিরুদ্ধে একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ঢাল হারিয়ে ফেলবে। তুরস্কের সামরিক শক্তি ছাড়া এই অঞ্চলে ন্যাটোর ক্ষমতা প্রদর্শনের ক্ষমতা সম্পূর্ণ পঙ্গু হয়ে যাবে। আমেরিকার চালানো ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শেষ পর্যন্ত ইরানকে আরও শক্তিশালী করবে নাকি তাদের চিরতরে দুর্বল করে দেবে, তা দেখার জন্য বিশ্বকে আরও অপেক্ষা করতে হবে। তবে ফলাফল যাই হোক না কেন, চীনের জ্বালানি নিরাপত্তা এবং রাশিয়ার ভূরাজনৈতিক স্বার্থ ইরানকে সবসময় তাদের পাশে ধরে রাখতে বাধ্য করবে। পুতিন এবং শি জিনপিং কখনোই ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড তথা আইআরজিসির হাত ছেড়ে দেবে না। পশ্চিমা গণতান্ত্রিক দেশগুলো যখন এই ধরনের একটি সুসমন্বিত এবং অত্যন্ত বিপজ্জনক হুমকির মুখোমুখি, তখন তাদের নিজেদের মধ্যকার অভ্যন্তরীণ কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি বন্ধ করা উচিত। আটলান্টিকের দুই পাড়ের দেশগুলোর মধ্যে যে পারস্পরিক ব্লেম-গেম বা দোষারোপের রাজনীতি চলছে, তা এই মুহূর্তে বন্ধ না করলে বিপর্যয় নেমে আসবে। ইরান সংকটের এই জটিল মুহূর্তে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের এক হয়ে কাজ করা অত্যন্ত জরুরি। সেক্রেটারি জেনারেল মার্ক রুটে এবং অনেক ইউরোপীয় দূরদর্শী নেতা খুব ভালোভাবেই বোঝেন যে বিশ্ব অর্থনীতি এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তা রক্ষা করতে হলে যৌথ নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই। ইতিহাস সাক্ষী, ন্যাটো হলো পৃথিবীর বুকে গড়ে ওঠা এ যাবৎকালের সবচেয়ে সফল, শক্তিশালী এবং দীর্ঘস্থায়ী সামরিক জোট। এই জোটের শক্তিকে দ্বিগুণ করার এবং পারস্পরিক বিশ্বাস ফিরিয়ে আনার এখনই একমাত্র উপযুক্ত সময়। আমেরিকার সাধারণ জনগণকেও এখন বুঝতে হবে যে বিশ্ব রাজনীতির এই পরিবর্তনের হাওয়া তাদের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতি এবং নিরাপত্তার ওপর কতটা গভীর প্রভাব ফেলছে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ শুধুমাত্র দূরদেশের কোনো ঘটনা নয়, এর সাথে আমেরিকার প্রতিটি নাগরিকের দৈনিক তেলের দাম এবং শেয়ার বাজারের ভাগ্য জড়িত রয়েছে। ইউরোপের সাথে শক্তিশালী অংশীদারিত্বই পারে আমেরিকানদের এই অর্থনৈতিক ধাক্কা থেকে পুরোপুরি রক্ষা করতে। ইউরোপীয় দেশগুলো তাদের জিডিপির বড় অংশ প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ করায় আমেরিকার ওপর থেকে বৈশ্বিক নিরাপত্তার একক অর্থনৈতিক বোঝা অনেকটাই কমে যাবে। ট্রাম্প প্রশাসনের উচিত এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ইউরোপের সাথে একটি নতুন এবং অত্যন্ত সম্মানজনক কৌশলগত চুক্তি বা সমঝোতায় পৌঁছানো। ন্যাটোর সংস্কারের অর্থ এই নয় যে জোটকে ভেঙে ফেলা, বরং একে আরও আধুনিক করা। চীন ও রাশিয়ার এই নতুন ব্লক যেভাবে এশিয়া থেকে ইউরোপ এবং মধ্যপ্রাচ্য পর্যন্ত নিজেদের জাল বিস্তার করছে, তা প্রতিরোধে একক কোনো দেশের পক্ষে সম্ভব নয়। প্রযুক্তি, গোয়েন্দা তথ্য এবং ভৌগোলিক সুবিধার দিক থেকে ইউরোপ আমেরিকার এমন এক মিত্র যার কোনো বিকল্প এ পৃথিবীতে অন্য কোথাও নেই। তাই ট্রাম্পের উচিত ন্যাটোর হাতকে আরও শক্তিশালী করা এবং বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা। যদি ওয়াশিংটন অহংকারবশত ইউরোপের এই বন্ধুত্বের হাতকে প্রত্যাখ্যান করে, তবে তারা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে সম্পূর্ণ একাকী এবং কোণঠাসা হয়ে পড়বে। এর ফলে এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার যে দীর্ঘদিনের সামরিক ঘাঁটি ও প্রভাব রয়েছে, তা তাস খেলার ঘরের মতো ভেঙে পড়তে পারে। তাই ন্যাটোর সেক্রেটারি জেনারেলের এই ঐতিহাসিক প্রস্তাব আমেরিকার জন্য একটি লাইফলাইন বা বেঁচে থাকার শেষ সুযোগ। শেষে বলা যায়, বিশ্ব এক অত্যন্ত নাজুক ও বিপজ্জনক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে যেখানে প্রতিটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত পৃথিবীর ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে। আমেরিকা ও ইউরোপের এই ঐতিহাসিক পুনর্মিলনই কেবল পারে বিশ্বমঞ্চে স্বৈরাচারী অক্ষের উত্থানকে রুখে দিতে এবং বৈশ্বিক শান্তি বজায় রাখতে। ট্রাম্প রুটের এই বাড়িয়ে দেওয়া হাতটি ধরবেন কি না, তার ওপরেই নির্ভর করছে আগামী পৃথিবীর রূপরেখা। আপনারা কী মনে করেন? ডোনাল্ড ট্রাম্প কি শেষ পর্যন্ত ন্যাটোর এই প্রস্তাব মেনে নিয়ে ইউরোপের সাথে হাত মেলাবেন? নাকি নিজের অহংকার ধরে রেখে আমেরিকাকে আরও বড় সংকটের মুখে ঠেলে দেবেন?</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/648_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/648_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/648_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[কিয়েভ ছাড়ো এখনই! রাশিয়ার ওরেসনিক থাবা!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/37029</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/37029</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 29 May 2026 03:29:50 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, r bangla news, rbangla news, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, news18 bangla, world news bangla, republic bangla news, news script bangla, today 2 pm news bangla, breaking news bangla, bbc world news bangla, news18 bangla live, international bangla news, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh news today, banglanews, bangladesh border news, banglavision news today, dupurer news bangladesh]]></category>
        
        <description><![CDATA[কিয়েভের মাটি আজ কাঁপছে রাশিয়ার ওরেসনিক মিসাইলের গর্জনে। ইউক্রেনের নব্য নাৎসি শাসক জেলেনস্কি যখন একের পর এক বেসামরিক নাগরিকদের ওপর কাপুরুষোচিত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে, তখন ভ্লাদিমির পুতিন আর চুপ করে বসে থাকার পাত্র নন। Starobelsk-এর একটি কলেজের ছাত্রীবাস ভবনে ড্রোন হামলা চালিয়ে ২১ জন নিরপরাধ তরুণীকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে ইউক্রেনীয় বাহিনী। রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ মার্কিন প্রশাসনকে স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন, এবার আর কোনো ছাড় নয়। কিয়েভের মাটির নিচে লুকিয়ে থাকা ইউক্রেনীয় কমান্ডোদের গোপন বাঙ্কার এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ কেন্দ্রগুলোতে রাশিয়া এখন থেকে নিয়মিত এবং ধারাবাহিক আক্রমণ চালাবে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও পর্যন্ত রাশিয়ার এই ন্যায়সঙ্গত ও যৌক্তিক প্রতিশোধের সামনে কিয়েভকে বাঁচানোর জন্য কোনো নিন্দা জানাতে সাহস পাননি। পশ্চিমা বিশ্ব এখন বুঝতে পেরেছে যে, রাশিয়ার ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেছে এবং জেলেনস্কির পতন এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। কীভাবে রাশিয়ার পরাক্রমশালী বাহিনী ইউক্রেনীয় সন্ত্রাসবাদীদের ধূলিসাৎ করে দিচ্ছে, বিস্তারিত জানতে সঙ্গেই থাকুন। ইউক্রেনীয় ড্রোন যখন রাশিয়ার Starobelsk শহরের একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রীবাস ভবনে আঘাত হানে, তখন বিশ্ববাসী জেলেনস্কি প্রশাসনের আসল এবং নৃশংস চেহারাটি আরও একবার দেখতে পায়। এই কাপুরুষোচিত এবং পরিকল্পিত সন্ত্রাসী হামলায় ২১ জন নিষ্পাপ তরুণী নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ৬০ জনেরও বেশি মানুষ। মস্কো এই ঘটনাকে যুদ্ধাপরাধ এবং একটি স্পষ্ট সন্ত্রাসী কাজ হিসেবে আখ্যায়িত করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। কিয়েভের পশ্চিমা মদদদাতারা সবসময়ই ইউক্রেনের এই ধরনের জঘন্য অপরাধের প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও তাদের আড়াল করার চেষ্টা করে এবং একে সাধারণ প্রোপাগান্ডা বলে উড়িয়ে দেয়। তবে এবার রাশিয়ার ধৈর্য ও সহনশীলতার সীমা পুরোপুরি পার হয়ে গেছে এবং মস্কো কিয়েভের এই অন্যায় ও বর্বরোচিত কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে এক চুলও ছাড় না দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে সরাসরি ফোন করে সতর্ক করেছেন যে, কিয়েভের সামরিক স্থাপনা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ কেন্দ্রগুলোতে রাশিয়া এখন থেকে পদ্ধতিগত এবং ধারাবাহিক হামলা শুরু করবে। একই সঙ্গে লাভরভ কিয়েভে অবস্থানরত সমস্ত বিদেশি নাগরিক এবং কূটনৈতিক মিশনগুলোকে অতি দ্রুত রাজধানী শহর ছেড়ে নিরাপদ স্থানে চলে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। ইউক্রেনের জাতিসংঘ দূত আন্দ্রে মেলনিক ৫০টিরও বেশি দেশের একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করেছেন, যেখানে জার্মানি, যুক্তরাজ্য, জাপান এবং ইইউ সদস্যরা রাশিয়াকে কিয়েভে হামলার জন্য নিন্দা জানিয়েছে। আশ্চর্যজনকভাবে এই নিন্দাপ্রস্তাবের বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো স্বাক্ষর বা সম্পৃক্ততা ছিল না, যা পশ্চিমাদের অভ্যন্তরীণ দুর্বলতা এবং রাশিয়ার শক্তির ভীতিকে স্পষ্টভাবে আমাদের সামনে ফুটিয়ে তোলে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাশিয়ার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের সরাসরি অভিযোগ বা কড়া মন্তব্য করতে সম্পূর্ণ অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। তিনি শুধু বলেছেন যে, কিয়েভ গত কয়েক বছর ধরেই একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক জায়গা এবং যুদ্ধ যখন চলে, তখন এই ধরনের পাল্টা এবং বিশাল আঘাত আসাটাই স্বাভাবিক নিয়ম। ডোনাল্ড ট্রাম্পের বর্তমান মার্কিন প্রশাসন রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে চলমান সংকট নিরসনে একটি গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করার চেষ্টা করছে। গত মার্চ মাসে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি দাবি করেছিলেন যে, ওয়াশিংটন তাদের দনবাস অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহার করার জন্য চাপ দিচ্ছে, যা জেলেনস্কির জন্য একটি চরম অপমানজনক পরাজয়। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও অবশ্য জেলেনস্কির এই দাবিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন এবং স্পষ্ট করেছেন যে, আমেরিকা রাশিয়ার হয়ে ওকালতি করছে না। আমেরিকা কেবল রাশিয়ার দৃঢ় এবং বাস্তবসম্মত অবস্থানটি ইউক্রেনের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে, যা প্রমাণ করে যে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে রাশিয়ার যৌক্তিক দাবিকে কেউ আর অগ্রাহ্য করতে পারছে না। রণক্ষেত্রে ক্রমাগত পরাজয় এবং তীব্র সেনা সংকটের মুখে পড়ে ইউক্রেনীয় সামরিক প্রশাসন এখন এক নজিরবিহীন এবং হাস্যকর জালিয়াতির আশ্রয় গ্রহণ করছে। ইউক্রেনের প্রসিকিউটর জেনারেল রুসলান ক্রাভচেঙ্কো নিজেই স্বীকার করেছেন যে, তাদের দেশের ড্রাফট অফিসাররা সেনা নিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা পূরণের জন্য সরকারি ডেটাবেজে মৃত ব্যক্তি এবং বন্দিদের নাম অন্তর্ভুক্ত করছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, শুধুমাত্র ২০২৫ সালেই ইউক্রেনীয় বাহিনী প্রায় ৫ লাখেরও বেশি সেনা হারিয়েছে রণক্ষেত্রে। ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী মিখাইল ফেদোরভও স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছেন যে, প্রায় ২ লাখ সেনা যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পালিয়ে গেছে এবং ২ মিলিয়নেরও বেশি পুরুষ সেনা নিয়োগ এড়াতে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। ইউক্রেনের নিয়োগ কেন্দ্রগুলোর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা নিজেদের ব্যর্থতা লুকাতে এবং ভুয়া পরিসংখ্যান তৈরি করতে মৃত, কারাবন্দি এবং সামরিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত তরুণদের নাম জোরপূর্বক তালিকায় যুক্ত করছে। ট্রান্সকার্পাথিয়া অঞ্চলের মুকাচেভো শহরের স্থানীয় নিয়োগ কেন্দ্রের প্রধান এবং তার উপপ্রধান মিলে প্রায় ২৭০ জন মানুষকে এভাবে কাল্পনিকভাবে সেনা হিসেবে দেখিয়েছে। ইউক্রেনের এই তথাকথিত সেনা সংহতি অভিযানটি এখন সাধারণ মানুষের জন্য একটি মূর্তিমান আতঙ্কে পরিণত হয়েছে, যেখানে রাস্তাঘাট থেকে সাধারণ পুরুষদের জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে সামরিক কর্মকর্তারা টাকার বিনিময়ে ধনী ব্যবসায়ীদের কর্মচারীদের ছাড় দিচ্ছেন এবং অনেককে সীমান্ত পার করে পালিয়ে যেতে সাহায্য করে বিপুল দুর্নীতি করছেন। জাতিসংঘে রাশিয়ার দূত ভাসিলি নেবেনজিয়া স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, Starobelsk শহরের কলেজে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা ছিল মূলত ২০২২ সালের গণভোটে রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পক্ষে রায় দেওয়া লুহানস্কের জনগণের ওপর জেলেনস্কির একটি নির্মম এবং কাপুরুষোচিত প্রতিশোধের বহিঃপ্রকাশ। জেলেনস্কি নিজের সাবেক নাগরিকদের নব্য নাৎসি শাসনের অধীনে না থাকার অপরাধে হত্যা করছেন। নেবেনজিয়া পশ্চিমাদের দ্বিমুখী নীতির তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন, যখন ইউক্রেনের কোনো শিশু ক্ষতিগ্রস্ত হয় তখন তা আন্তর্জাতিক কেলেঙ্কারিতে পরিণত করা হয়। কিন্তু যখন কিয়েভের পশ্চিমা ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোনের আঘাতে রুশ শিশুরা মারা যায়, তখন পশ্চিমা মিডিয়া এবং জাতিসংঘ সেই ট্র্যাজেডিকে বিভিন্ন অজুহাত ও প্রসঙ্গের আড়ালে সম্পূর্ণ চেপে যায়। রাশিয়ার সিনিয়র সংসদ সদস্য আন্দ্রে কার্তাপোলভ ঘোষণা করেছেন যে, বেসামরিক নাগরিকদের ওপর ইউক্রেনের এই অব্যাহত সন্ত্রাসী হামলার জবাবে রুশ সামরিক বাহিনী এখন তাদের রণকৌশল পরিবর্তন করেছে। রাশিয়া এখন থেকে ইউক্রেনীয় সামরিক কমান্ডার এবং গোয়েন্দা বিভাগের ব্যবহৃত মাটির নিচের অত্যন্ত সুরক্ষিত এবং সুসজ্জিত বাঙ্কারগুলোকে প্রধান লক্ষ্যবস্তু হিসেবে নির্ধারণ করেছে। কার্তাপোলভ আরও স্পষ্ট করেছেন যে, ইউক্রেনের সংসদ ভবন বা জেলেনস্কির কার্যালয় রাশিয়ার লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় নেই, কারণ জেলেনস্কি নিজেই এখন আর তার কার্যালয়ে বসেন না। আসল সিদ্ধান্ত গ্রহণ কেন্দ্র হলো সেইসব আন্ডারগ্রাউন্ড বাঙ্কার, যেখান থেকে ইউক্রেনীয় নিরাপত্তা বাহিনী এবং তাদের পশ্চিমা উপদেষ্টারা রাশিয়ার বেসামরিক জনগণের বিরুদ্ধে নাশকতামূলক হামলার পরিকল্পনা তৈরি করে। রাশিয়ার এই কঠোর সতর্কবার্তার পর ইউরোপীয় ইউনিয়ন একে একটি অগ্রহণযোগ্য উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রচেষ্টা বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। তবে রাশিয়ার সামরিক বাহিনী বারবার পুনর্ব্যক্ত করেছে যে, তারা ইউক্রেনের সাধারণ বেসামরিক স্থাপনায় কখনো আঘাত করে না, বরং তাদের সমস্ত আক্রমণ শুধুমাত্র সামরিক এবং দ্বৈত-ব্যবহারের অবকাঠামো ও বাঙ্কারের ওপর সীমাবদ্ধ থাকে। ইউক্রেনকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ সরবরাহের জন্য চেক প্রজাতন্ত্রের নেতৃত্বে যে আন্তর্জাতিক কোয়ালিশন গঠিত হয়েছিল, তা এখন চরম অর্থায়ন সংকট এবং অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিরোধের মুখে পড়ে প্রায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। চেক প্রেসিডেন্ট পেত্র পাভেল নিজেই স্বীকার করেছেন যে, এই উদ্যোগ থেকে ইতিমধ্যে নয়টি পশ্চিমা দেশ তাদের আর্থিক সমর্থন প্রত্যাহার করে নিয়েছে। ২০২৪ সালে যখন এই উদ্যোগ শুরু হয়েছিল, তখন পশ্চিমা নির্মাতারা ইউক্রেনের গোলাবারুদের বিশাল চাহিদা মেটাতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছিল, যেখানে রাশিয়া পশ্চিমাদের চেয়ে চার গুণ বেশি গতিতে এবং সাশ্রয়ী মূল্যে গোলাবারুদ তৈরি করে আসছিল। চেক কোয়ালিশনটি শেষ পর্যন্ত তাদের লক্ষ্যমাত্রার এক-তৃতীয়াংশ অর্থও সংগ্রহ করতে পারেনি। চেক প্রজাতন্ত্রের নতুন প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রে বাবিস ক্ষমতায় আসার পর এই গোলাবারুদ প্রকল্পের ওপর একটি বিশেষ অডিট পরিচালনা করেন এবং এই কর্মসূচিতে চেক ফান্ডের সমস্ত ব্যবহার সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেন। তিনি স্পষ্ট বলেছেন যে, এই প্রকল্পে কোনো স্বচ্ছতা নেই এবং এটি মূলত বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার অজানা সুবিধাভোগীদের পকেটে পাচার করছে। ইউক্রেনীয় বাহিনী এখন কামানের গোলার তীব্র সংকটে ভুগছে এবং যুদ্ধক্ষেত্রে তারা রাশিয়ার গোলন্দাজ বাহিনীর সামনে টিকে থাকতে পারছে না। রণক্ষেত্রে ইউক্রেনের এই শোচনীয় পরাজয়ের খবরের মধ্যেই কিয়েভের ইনফরমেশন অ্যান্ড সাইকোলজিক্যাল অপারেশন সেন্টার Zaporozhye পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার ভুয়া ও বানোয়াট গুজব ছড়াচ্ছে। Energodar শহরের মেয়র মাক্সিম পুখভ ভিডিও বার্তায় এই ইউক্রেনীয় প্রোপাগান্ডাকে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন এবং জনগণকে আশ্বস্ত করেছেন যে, রাশিয়ার বীর সেনারা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছে এবং তারা কোনো অবস্থাতেই শত্রুদের দিনিপ্রো নদী পার হতে দেবে না। তবে ইউক্রেনীয় বাহিনী এই শহরে প্রতিনিয়ত বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালাচ্ছে। রুশ বন্দিশালা থেকে ফিরে আসা বীর সেনারা ইউক্রেনীয়দের অমানবিক ও নিষ্ঠুর নির্যাতনের লোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছেন। রাশিয়ার চিফ মিলিটারি প্রসিকিউটর অফিসের কর্মকর্তা আলেকজান্ডার বেলান জানিয়েছেন যে, ইউক্রেনের প্রিটায়াল ডিটেনশন সেন্টারগুলোতে বন্দি রুশ সেনাদের ওপর আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে শারীরিক সহিংসতা এবং নিষিদ্ধ যুদ্ধপদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়েছে। রাশিয়ার তদন্ত কমিটি এ পর্যন্ত ইউক্রেনের পক্ষে লড়াই করা ১,০৮৬ জনেরও বেশি বিদেশি ভাড়াটে সেনার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক ফৌজদারি অভিযোগ এনেছে এবং ৯৫৫ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। তদন্তে জানা গেছে যে, ইউক্রেনের বিভিন্ন বিদেশি দূতাবাস এই ভিয়েনা কনভেনশন লঙ্ঘন করে ভাড়াটে সেনা নিয়োগের কাজ পরিচালনা করছে। রাশিয়ার উপ-জরুরি মন্ত্রী আলেক্সি কস্ত্রুবিটস্কি প্রকাশ করেছেন যে, ইউক্রেনীয় বাহিনী ইচ্ছাকৃতভাবে রাশিয়ার সীমান্ত অঞ্চলে উদ্ধারকাজে নিয়োজিত বেসামরিক উদ্ধারকারী ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালাচ্ছে। ২০২২ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৩৩ জন বীর উদ্ধারকর্মী দায়িত্ব পালনকালে ইউক্রেনীয় ড্রোনের আঘাতে শহীদ হয়েছেন এবং ৩০০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন। রাশিয়ার তদন্ত কমিটির মুখপাত্র সভেতলানা পেত্রেনকো জানিয়েছেন যে, ২০১৪ সাল থেকে দনবাস অঞ্চলে ইউক্রেনীয় আগ্রাসনের কারণে ৭,৬০০ জনেরও বেশি বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে ২৪০ জন নিষ্পাপ শিশু রয়েছে। তবে রাশিয়ার বাহিনী এখন খোরকোভ এবং জাপোরোঝিয়া অঞ্চলের নতুন নতুন এলাকা মুক্ত করে জেলেনস্কির নব্য নাৎসি বাহিনীকে চূড়ান্ত ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/660-2_1.webp" alt="কিয়েভ ছাড়ো এখনই! রাশিয়ার ওরেসনিক থাবা!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>কিয়েভ ছাড়ো এখনই! রাশিয়ার ওরেসনিক থাবা!</h1>
            <p>কিয়েভের মাটি আজ কাঁপছে রাশিয়ার ওরেসনিক মিসাইলের গর্জনে। ইউক্রেনের নব্য নাৎসি শাসক জেলেনস্কি যখন একের পর এক বেসামরিক নাগরিকদের ওপর কাপুরুষোচিত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে, তখন ভ্লাদিমির পুতিন আর চুপ করে বসে থাকার পাত্র নন। Starobelsk-এর একটি কলেজের ছাত্রীবাস ভবনে ড্রোন হামলা চালিয়ে ২১ জন নিরপরাধ তরুণীকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে ইউক্রেনীয় বাহিনী। রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ মার্কিন প্রশাসনকে স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন, এবার আর কোনো ছাড় নয়। কিয়েভের মাটির নিচে লুকিয়ে থাকা ইউক্রেনীয় কমান্ডোদের গোপন বাঙ্কার এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ কেন্দ্রগুলোতে রাশিয়া এখন থেকে নিয়মিত এবং ধারাবাহিক আক্রমণ চালাবে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও পর্যন্ত রাশিয়ার এই ন্যায়সঙ্গত ও যৌক্তিক প্রতিশোধের সামনে কিয়েভকে বাঁচানোর জন্য কোনো নিন্দা জানাতে সাহস পাননি। পশ্চিমা বিশ্ব এখন বুঝতে পেরেছে যে, রাশিয়ার ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেছে এবং জেলেনস্কির পতন এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। কীভাবে রাশিয়ার পরাক্রমশালী বাহিনী ইউক্রেনীয় সন্ত্রাসবাদীদের ধূলিসাৎ করে দিচ্ছে, বিস্তারিত জানতে সঙ্গেই থাকুন। ইউক্রেনীয় ড্রোন যখন রাশিয়ার Starobelsk শহরের একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রীবাস ভবনে আঘাত হানে, তখন বিশ্ববাসী জেলেনস্কি প্রশাসনের আসল এবং নৃশংস চেহারাটি আরও একবার দেখতে পায়। এই কাপুরুষোচিত এবং পরিকল্পিত সন্ত্রাসী হামলায় ২১ জন নিষ্পাপ তরুণী নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ৬০ জনেরও বেশি মানুষ। মস্কো এই ঘটনাকে যুদ্ধাপরাধ এবং একটি স্পষ্ট সন্ত্রাসী কাজ হিসেবে আখ্যায়িত করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। কিয়েভের পশ্চিমা মদদদাতারা সবসময়ই ইউক্রেনের এই ধরনের জঘন্য অপরাধের প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও তাদের আড়াল করার চেষ্টা করে এবং একে সাধারণ প্রোপাগান্ডা বলে উড়িয়ে দেয়। তবে এবার রাশিয়ার ধৈর্য ও সহনশীলতার সীমা পুরোপুরি পার হয়ে গেছে এবং মস্কো কিয়েভের এই অন্যায় ও বর্বরোচিত কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে এক চুলও ছাড় না দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে সরাসরি ফোন করে সতর্ক করেছেন যে, কিয়েভের সামরিক স্থাপনা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ কেন্দ্রগুলোতে রাশিয়া এখন থেকে পদ্ধতিগত এবং ধারাবাহিক হামলা শুরু করবে। একই সঙ্গে লাভরভ কিয়েভে অবস্থানরত সমস্ত বিদেশি নাগরিক এবং কূটনৈতিক মিশনগুলোকে অতি দ্রুত রাজধানী শহর ছেড়ে নিরাপদ স্থানে চলে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। ইউক্রেনের জাতিসংঘ দূত আন্দ্রে মেলনিক ৫০টিরও বেশি দেশের একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করেছেন, যেখানে জার্মানি, যুক্তরাজ্য, জাপান এবং ইইউ সদস্যরা রাশিয়াকে কিয়েভে হামলার জন্য নিন্দা জানিয়েছে। আশ্চর্যজনকভাবে এই নিন্দাপ্রস্তাবের বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো স্বাক্ষর বা সম্পৃক্ততা ছিল না, যা পশ্চিমাদের অভ্যন্তরীণ দুর্বলতা এবং রাশিয়ার শক্তির ভীতিকে স্পষ্টভাবে আমাদের সামনে ফুটিয়ে তোলে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাশিয়ার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের সরাসরি অভিযোগ বা কড়া মন্তব্য করতে সম্পূর্ণ অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। তিনি শুধু বলেছেন যে, কিয়েভ গত কয়েক বছর ধরেই একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক জায়গা এবং যুদ্ধ যখন চলে, তখন এই ধরনের পাল্টা এবং বিশাল আঘাত আসাটাই স্বাভাবিক নিয়ম। ডোনাল্ড ট্রাম্পের বর্তমান মার্কিন প্রশাসন রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে চলমান সংকট নিরসনে একটি গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করার চেষ্টা করছে। গত মার্চ মাসে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি দাবি করেছিলেন যে, ওয়াশিংটন তাদের দনবাস অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহার করার জন্য চাপ দিচ্ছে, যা জেলেনস্কির জন্য একটি চরম অপমানজনক পরাজয়। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও অবশ্য জেলেনস্কির এই দাবিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন এবং স্পষ্ট করেছেন যে, আমেরিকা রাশিয়ার হয়ে ওকালতি করছে না। আমেরিকা কেবল রাশিয়ার দৃঢ় এবং বাস্তবসম্মত অবস্থানটি ইউক্রেনের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে, যা প্রমাণ করে যে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে রাশিয়ার যৌক্তিক দাবিকে কেউ আর অগ্রাহ্য করতে পারছে না। রণক্ষেত্রে ক্রমাগত পরাজয় এবং তীব্র সেনা সংকটের মুখে পড়ে ইউক্রেনীয় সামরিক প্রশাসন এখন এক নজিরবিহীন এবং হাস্যকর জালিয়াতির আশ্রয় গ্রহণ করছে। ইউক্রেনের প্রসিকিউটর জেনারেল রুসলান ক্রাভচেঙ্কো নিজেই স্বীকার করেছেন যে, তাদের দেশের ড্রাফট অফিসাররা সেনা নিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা পূরণের জন্য সরকারি ডেটাবেজে মৃত ব্যক্তি এবং বন্দিদের নাম অন্তর্ভুক্ত করছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, শুধুমাত্র ২০২৫ সালেই ইউক্রেনীয় বাহিনী প্রায় ৫ লাখেরও বেশি সেনা হারিয়েছে রণক্ষেত্রে। ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী মিখাইল ফেদোরভও স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছেন যে, প্রায় ২ লাখ সেনা যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পালিয়ে গেছে এবং ২ মিলিয়নেরও বেশি পুরুষ সেনা নিয়োগ এড়াতে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। ইউক্রেনের নিয়োগ কেন্দ্রগুলোর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা নিজেদের ব্যর্থতা লুকাতে এবং ভুয়া পরিসংখ্যান তৈরি করতে মৃত, কারাবন্দি এবং সামরিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত তরুণদের নাম জোরপূর্বক তালিকায় যুক্ত করছে। ট্রান্সকার্পাথিয়া অঞ্চলের মুকাচেভো শহরের স্থানীয় নিয়োগ কেন্দ্রের প্রধান এবং তার উপপ্রধান মিলে প্রায় ২৭০ জন মানুষকে এভাবে কাল্পনিকভাবে সেনা হিসেবে দেখিয়েছে। ইউক্রেনের এই তথাকথিত সেনা সংহতি অভিযানটি এখন সাধারণ মানুষের জন্য একটি মূর্তিমান আতঙ্কে পরিণত হয়েছে, যেখানে রাস্তাঘাট থেকে সাধারণ পুরুষদের জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে সামরিক কর্মকর্তারা টাকার বিনিময়ে ধনী ব্যবসায়ীদের কর্মচারীদের ছাড় দিচ্ছেন এবং অনেককে সীমান্ত পার করে পালিয়ে যেতে সাহায্য করে বিপুল দুর্নীতি করছেন। জাতিসংঘে রাশিয়ার দূত ভাসিলি নেবেনজিয়া স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, Starobelsk শহরের কলেজে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা ছিল মূলত ২০২২ সালের গণভোটে রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পক্ষে রায় দেওয়া লুহানস্কের জনগণের ওপর জেলেনস্কির একটি নির্মম এবং কাপুরুষোচিত প্রতিশোধের বহিঃপ্রকাশ। জেলেনস্কি নিজের সাবেক নাগরিকদের নব্য নাৎসি শাসনের অধীনে না থাকার অপরাধে হত্যা করছেন। নেবেনজিয়া পশ্চিমাদের দ্বিমুখী নীতির তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন, যখন ইউক্রেনের কোনো শিশু ক্ষতিগ্রস্ত হয় তখন তা আন্তর্জাতিক কেলেঙ্কারিতে পরিণত করা হয়। কিন্তু যখন কিয়েভের পশ্চিমা ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোনের আঘাতে রুশ শিশুরা মারা যায়, তখন পশ্চিমা মিডিয়া এবং জাতিসংঘ সেই ট্র্যাজেডিকে বিভিন্ন অজুহাত ও প্রসঙ্গের আড়ালে সম্পূর্ণ চেপে যায়। রাশিয়ার সিনিয়র সংসদ সদস্য আন্দ্রে কার্তাপোলভ ঘোষণা করেছেন যে, বেসামরিক নাগরিকদের ওপর ইউক্রেনের এই অব্যাহত সন্ত্রাসী হামলার জবাবে রুশ সামরিক বাহিনী এখন তাদের রণকৌশল পরিবর্তন করেছে। রাশিয়া এখন থেকে ইউক্রেনীয় সামরিক কমান্ডার এবং গোয়েন্দা বিভাগের ব্যবহৃত মাটির নিচের অত্যন্ত সুরক্ষিত এবং সুসজ্জিত বাঙ্কারগুলোকে প্রধান লক্ষ্যবস্তু হিসেবে নির্ধারণ করেছে। কার্তাপোলভ আরও স্পষ্ট করেছেন যে, ইউক্রেনের সংসদ ভবন বা জেলেনস্কির কার্যালয় রাশিয়ার লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় নেই, কারণ জেলেনস্কি নিজেই এখন আর তার কার্যালয়ে বসেন না। আসল সিদ্ধান্ত গ্রহণ কেন্দ্র হলো সেইসব আন্ডারগ্রাউন্ড বাঙ্কার, যেখান থেকে ইউক্রেনীয় নিরাপত্তা বাহিনী এবং তাদের পশ্চিমা উপদেষ্টারা রাশিয়ার বেসামরিক জনগণের বিরুদ্ধে নাশকতামূলক হামলার পরিকল্পনা তৈরি করে। রাশিয়ার এই কঠোর সতর্কবার্তার পর ইউরোপীয় ইউনিয়ন একে একটি অগ্রহণযোগ্য উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রচেষ্টা বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। তবে রাশিয়ার সামরিক বাহিনী বারবার পুনর্ব্যক্ত করেছে যে, তারা ইউক্রেনের সাধারণ বেসামরিক স্থাপনায় কখনো আঘাত করে না, বরং তাদের সমস্ত আক্রমণ শুধুমাত্র সামরিক এবং দ্বৈত-ব্যবহারের অবকাঠামো ও বাঙ্কারের ওপর সীমাবদ্ধ থাকে। ইউক্রেনকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ সরবরাহের জন্য চেক প্রজাতন্ত্রের নেতৃত্বে যে আন্তর্জাতিক কোয়ালিশন গঠিত হয়েছিল, তা এখন চরম অর্থায়ন সংকট এবং অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিরোধের মুখে পড়ে প্রায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। চেক প্রেসিডেন্ট পেত্র পাভেল নিজেই স্বীকার করেছেন যে, এই উদ্যোগ থেকে ইতিমধ্যে নয়টি পশ্চিমা দেশ তাদের আর্থিক সমর্থন প্রত্যাহার করে নিয়েছে। ২০২৪ সালে যখন এই উদ্যোগ শুরু হয়েছিল, তখন পশ্চিমা নির্মাতারা ইউক্রেনের গোলাবারুদের বিশাল চাহিদা মেটাতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছিল, যেখানে রাশিয়া পশ্চিমাদের চেয়ে চার গুণ বেশি গতিতে এবং সাশ্রয়ী মূল্যে গোলাবারুদ তৈরি করে আসছিল। চেক কোয়ালিশনটি শেষ পর্যন্ত তাদের লক্ষ্যমাত্রার এক-তৃতীয়াংশ অর্থও সংগ্রহ করতে পারেনি। চেক প্রজাতন্ত্রের নতুন প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রে বাবিস ক্ষমতায় আসার পর এই গোলাবারুদ প্রকল্পের ওপর একটি বিশেষ অডিট পরিচালনা করেন এবং এই কর্মসূচিতে চেক ফান্ডের সমস্ত ব্যবহার সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেন। তিনি স্পষ্ট বলেছেন যে, এই প্রকল্পে কোনো স্বচ্ছতা নেই এবং এটি মূলত বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার অজানা সুবিধাভোগীদের পকেটে পাচার করছে। ইউক্রেনীয় বাহিনী এখন কামানের গোলার তীব্র সংকটে ভুগছে এবং যুদ্ধক্ষেত্রে তারা রাশিয়ার গোলন্দাজ বাহিনীর সামনে টিকে থাকতে পারছে না। রণক্ষেত্রে ইউক্রেনের এই শোচনীয় পরাজয়ের খবরের মধ্যেই কিয়েভের ইনফরমেশন অ্যান্ড সাইকোলজিক্যাল অপারেশন সেন্টার Zaporozhye পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার ভুয়া ও বানোয়াট গুজব ছড়াচ্ছে। Energodar শহরের মেয়র মাক্সিম পুখভ ভিডিও বার্তায় এই ইউক্রেনীয় প্রোপাগান্ডাকে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন এবং জনগণকে আশ্বস্ত করেছেন যে, রাশিয়ার বীর সেনারা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছে এবং তারা কোনো অবস্থাতেই শত্রুদের দিনিপ্রো নদী পার হতে দেবে না। তবে ইউক্রেনীয় বাহিনী এই শহরে প্রতিনিয়ত বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালাচ্ছে। রুশ বন্দিশালা থেকে ফিরে আসা বীর সেনারা ইউক্রেনীয়দের অমানবিক ও নিষ্ঠুর নির্যাতনের লোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছেন। রাশিয়ার চিফ মিলিটারি প্রসিকিউটর অফিসের কর্মকর্তা আলেকজান্ডার বেলান জানিয়েছেন যে, ইউক্রেনের প্রিটায়াল ডিটেনশন সেন্টারগুলোতে বন্দি রুশ সেনাদের ওপর আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে শারীরিক সহিংসতা এবং নিষিদ্ধ যুদ্ধপদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়েছে। রাশিয়ার তদন্ত কমিটি এ পর্যন্ত ইউক্রেনের পক্ষে লড়াই করা ১,০৮৬ জনেরও বেশি বিদেশি ভাড়াটে সেনার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক ফৌজদারি অভিযোগ এনেছে এবং ৯৫৫ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। তদন্তে জানা গেছে যে, ইউক্রেনের বিভিন্ন বিদেশি দূতাবাস এই ভিয়েনা কনভেনশন লঙ্ঘন করে ভাড়াটে সেনা নিয়োগের কাজ পরিচালনা করছে। রাশিয়ার উপ-জরুরি মন্ত্রী আলেক্সি কস্ত্রুবিটস্কি প্রকাশ করেছেন যে, ইউক্রেনীয় বাহিনী ইচ্ছাকৃতভাবে রাশিয়ার সীমান্ত অঞ্চলে উদ্ধারকাজে নিয়োজিত বেসামরিক উদ্ধারকারী ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালাচ্ছে। ২০২২ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৩৩ জন বীর উদ্ধারকর্মী দায়িত্ব পালনকালে ইউক্রেনীয় ড্রোনের আঘাতে শহীদ হয়েছেন এবং ৩০০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন। রাশিয়ার তদন্ত কমিটির মুখপাত্র সভেতলানা পেত্রেনকো জানিয়েছেন যে, ২০১৪ সাল থেকে দনবাস অঞ্চলে ইউক্রেনীয় আগ্রাসনের কারণে ৭,৬০০ জনেরও বেশি বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে ২৪০ জন নিষ্পাপ শিশু রয়েছে। তবে রাশিয়ার বাহিনী এখন খোরকোভ এবং জাপোরোঝিয়া অঞ্চলের নতুন নতুন এলাকা মুক্ত করে জেলেনস্কির নব্য নাৎসি বাহিনীকে চূড়ান্ত ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/660-2_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/660-2_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/660-2_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[রাশিয়ার ‘ওরেজনিক’ ঝড়! ইউরোপে পালাচ্ছে ইউক্রেনীয়রা]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/37028</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/37028</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 28 May 2026 01:54:08 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, r bangla news, rbangla news, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, news18 bangla, world news bangla, republic bangla news, news script bangla, today 2 pm news bangla, breaking news bangla, bbc world news bangla, news18 bangla live, international bangla news, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh news today, banglanews, bangladesh border news, banglavision news today, dupurer news bangladesh]]></category>
        
        <description><![CDATA[ভূরাজনীতি এবং রণক্ষেত্রের সমীকরণ এখন সম্পূর্ণ বদলে গেছে। যে ইউক্রেনকে নিয়ে পশ্চিমা বিশ্ব এতদিন মাতামাতি করছিল, আজ সেই ইউক্রেনের নাগরিকদের তাড়িয়ে দিচ্ছে ইউরোপের দেশগুলো। অন্যদিকে রণক্ষেত্রে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের এমন এক বিধ্বংসী অস্ত্রের গর্জন শোনা যাচ্ছে, যার সামনে আমেরিকার তৈরি প্যাট্রিয়ট ডিফেন্স সিস্টেম পুরোপুরি খেলনায় পরিণত হয়েছে। বিস্তারিত জানতে সঙ্গেই থাকুন। খবর আসছে ইউরোপের বুক থেকে, যেখানে ইউক্রেনীয় শরণার্থীদের জন্য তৈরি হয়েছে এক নিকৃষ্ট স্থান। চেক প্রজাতন্ত্রের সরকার ইউক্রেন থেকে আসা শরণার্থীদের বাসস্থান এবং কল্যাণমূলক ভাতার ওপর চরম নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লুবোমির মেটনার সরাসরি জানিয়েছেন, ইউক্রেনীয়রা স্থানীয় নাগরিকদের চেয়ে বেশি সুবিধা পাচ্ছিল, যা আর সহ্য করা হবে না। ফলে এখন থেকে তাদের সমস্ত ফালতু সুযোগ-সুবিধা বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। চেক প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেজ বাবিস স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, এই কঠোর পদক্ষেপ শুধু শুরু মাত্র। এখন থেকে ইউক্রেনীয় শরণার্থীদের মানবিক সাহায্য পেতে হলে বাধ্যতামূলকভাবে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে, ব্যবসা করতে হবে অথবা চাকরি খুঁজতে হবে। শুধু তাই নয়, মাসে অন্তত ১৬ দিন তাদের চেক প্রজাতন্ত্রে অবস্থান করতে হবে। ফাঁকিবাজি করে বা অলস বসে থেকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ভুয়ো সহানুভূতি দেখিয়ে খাওয়া আর চলবে না। শুধু চেক প্রজাতন্ত্রই নয়, পুরো ইউরোপ জুড়েই এখন ইউক্রেনীয়দের বিরুদ্ধে তীব্র জনরোষ তৈরি হয়েছে। ইউরোস্ট্যাটের তথ্য অনুযায়ী, ইউরোপে ৪৩ লাখেরও বেশি ইউক্রেনীয় পরজীবীর মতো আশ্রয় নিয়ে বসে আছে। পোল্যান্ড, জার্মানি এবং হাঙ্গেরির মতো দেশগুলো ইতিমধ্যেই তাদের পেছনে অর্থ খরচ করা বন্ধ করে দিয়েছে। আসলে পশ্চিমা দুনিয়া এখন বুঝতে পেরেছে যে, ইউক্রেন নামক এক ক্ষয়িষ্ণু রাষ্ট্রকে টিকিয়ে রাখা অসম্ভব। ইউরোপ যখন ইউক্রেনীয়দের তাড়াচ্ছে, তখন কিয়েভের কাপুরুষ জেলেনস্কি বাহিনী রাশিয়ার বেসামরিক জনগণের ওপর নৃশংস হামলা চালাচ্ছে। সম্প্রতি লুগানস্কের স্টারোবেলস্ক শহরের একটি কলেজের ছাত্রীবাসে ইউক্রেনীয় বাহিনী কয়েক দফায় ড্রোন হামলা চালায়। এই বর্বর হামলায় ২১ জন নিরীহ মানুষ নিহত হয়েছে, যাদের বেশিরভাগই ছিল ১৪ থেকে ১৮ বছর বয়সী অবুঝ কিশোরী মেয়ে। এছাড়া আরও ৬৫ জন গুরুতর আহত হয়েছে। এই নৃশংস ঘটনার পর কিয়েভের পশ্চিমা প্রভুদের আসল চেহারা এবং ভণ্ডামি বিশ্ববাসীর সামনে উন্মোচিত হয়েছে। আমেরিকার বিখ্যাত সাংবাদিক রিক সানচেজ, যিনি পূর্বে সিএনএন এবং ফক্স নিউজে কাজ করেছেন, তিনি নিজে ওই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি এসে প্রমাণ করেছেন যে, সেখানে রাশিয়ার কোনো সামরিক ঘাঁটি ছিল না। ইউক্রেন সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই আবাসিক ছাত্রীবাসে হামলা চালিয়ে শিশুদের হত্যা করেছে। সবচেয়ে লজ্জাজনক বিষয় হলো, পশ্চিমা মিডিয়া যেমন বিবিসি এবং সিএনএন এই ঘটনাস্থল পরিদর্শনে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। রাশিয়ার পক্ষ থেকে বারবার আমন্ত্রণ জানানো সত্ত্বেও তারা সেখানে সাংবাদিক পাঠায়নি। রিক সানচেজ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, এরা নিজেদের কীভাবে সাংবাদিক বলে দাবি করে? তারা কেবল ইউক্রেনের পক্ষে সাফাই গাইতে ব্যস্ত, কিন্তু রাশিয়ার বেসামরিক নাগরিকদের ওপর ইউক্রেনীয় সন্ত্রাসবাদ নিয়ে তারা সম্পূর্ণ নীরব। ইউক্রেনের নব্য-নাৎসি সরকারের বর্বরতা এখানেই শেষ নয়। ছাত্রীবাসে ২১ জন শিক্ষার্থীকে হত্যার পর, ইউক্রেনের রাষ্ট্র-নিয়ন্ত্রিত ‘মিরোটভোরেটস’ নামক একটি কুখ্যাত হিটলিস্ট বা খুনি তালিকায় ওই কলেজের ১০ জন নিরীহ শিক্ষকের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই তালিকায় সাতজন নারী শিক্ষিকাও রয়েছেন। এদের অপরাধ? তারা রাশিয়ার শিক্ষা ব্যবস্থা সমর্থন করেন এবং শিশুদের মনে কিয়েভের মিথ্যা প্রচারণার বিরুদ্ধে সত্য তুলে ধরেছেন। এই খুনি তালিকা মূলত একটি ডেথ ওয়ারেন্ট, যার মাধ্যমে ইউক্রেনের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো শিক্ষকদের হত্যার উসকানি দিচ্ছে। রাশিয়ার জাতিসংঘ দূত ভাসিলি নেবেনজিয়া আন্তর্জাতিক মহলে পশ্চিমা বিশ্বের এই নিষ্ঠুর নীরবতার তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, কিয়েভের নব্য-নাৎসি শাসকরা যখন শিশুদের ওপর গণহত্যা চালায়, তখন পশ্চিমা বিশ্ব অন্ধ হয়ে যায়। এই ভণ্ডামি আর বেশিদিন চলতে দেওয়া যায় না। শুধু রণক্ষেত্রে নয়, ইউক্রেন এখন পুরো ইউরোপে অস্ত্র এবং বিস্ফোরক চোরাচালানের প্রধান আস্তানায় পরিণত হয়েছে। জর্জিয়ার রাজধানী তিবিলিসির একটি আদালত সম্প্রতি দুই ইউক্রেনীয় নাগরিককে ৭ এবং ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে। তারা তুরস্ক হয়ে জর্জিয়ায় বিপুল পরিমাণ মারাত্মক ‘হেক্সোজেন’ বিস্ফোরক পাচার করছিল। এই বিস্ফোরকগুলো টিএনটির চেয়েও বহুগুণ শক্তিশালী এবং এগুলো রাশিয়ার ভেতরে বড় ধরনের সন্ত্রাসী হামলার জন্য পাঠানো হচ্ছিল। রাশিয়ার এফএসবি প্রধান আলেক্সান্ডার বোর্দনিকভ সরাসরি অভিযোগ করেছেন যে, ইউক্রেন এখন ইউরোপের বৃহত্তম অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ পাচারের হাব। পশ্চিমা বিশ্ব ইউক্রেনকে নতুন নতুন মারণাস্ত্র এবং সামরিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পরীক্ষাগার বানিয়েছে। এর ফলে পুরো কমনওয়েলথ অঞ্চলে চরম অস্থিতিশীলতা তৈরি হচ্ছে। রাশিয়ান ও বেলারুশিয়ান নিরাপত্তা বাহিনী ইতিমধ্যেই রাশিয়ার ভেতরে পাচার হতে যাওয়া ৫০০টিরও বেশি ইউক্রেনীয় বিস্ফোরক ডিভাইস নিষ্ক্রিয় করেছে। কিয়েভের এই সমস্ত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের যোগ্য জবাব দিচ্ছে রাশিয়ার বীর সেনাবাহিনী। গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার বিশেষ সামরিক অভিযানে পুতিনের ‘ব্যাটলগ্রুপ নর্থ’ সুমি অঞ্চলের দুটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা সম্পূর্ণ মুক্ত করেছে। এই গ্রাম দুটির নাম হলো জাপসেলি এবং রিয়াসনোয়ে। রাশিয়ান বাহিনীর তীব্র আক্রমণের মুখে ইউক্রেনীয় সেনারা তাদের অস্ত্রশস্ত্র ফেলে ইঁদুরের মতো পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় রণক্ষেত্রের সমস্ত ফ্রন্টলাইনে ইউক্রেন বাহিনী ১,০৭৫ জনেরও বেশি সেনা হারিয়েছে। রাশিয়ার ‘ব্যাটলগ্রুপ নর্থ’-এর এলাকায় ১৯৫ জন ইউক্রেনীয় সেনা খতম হয়েছে এবং দুটি সাঁজোয়া যান ধ্বংস হয়েছে। এছাড়া খারকোভ অভিমুখে পুতিনের সেনারা ইউক্রেনের মেকানাইজড এবং এয়ার অ্যাসল্ট ব্রিগেডের ওপর এমন তাণ্ডব চালিয়েছে যে কিয়েভ বাহিনী সেখানে সম্পূর্ণ পঙ্গু হয়ে গেছে। এদিকে রাশিয়ার ‘ব্যাটলগ্রুপ ওয়েস্ট’ তাদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করেছে। তারা খারকোভ এবং দোনেৎস্ক অঞ্চলে ইউক্রেনের বেশ কয়েকটি ব্রিগেডকে ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছে। এই ফ্রন্টে কিয়েভ বাহিনী ১৯০ জনেরও বেশি সেনা হারিয়েছে। শুধু তাই নয়, আমেরিকার অহংকার, তাদের তৈরি এম-১১৩ সাঁজোয়া যান এবং দুটি অত্যাধুনিক হামভি গাড়ি রাশিয়ান মিসাইলের আঘাতে স্ক্র্যাপ মেটালে পরিণত হয়েছে। পশ্চিমা প্রযুক্তি রাশিয়ার সামনে পুরোপুরি ব্যর্থ। দোনেৎস্কের ক্রামাতোরস্ক এবং কনস্টান্টিনোভকা অঞ্চলে রাশিয়ার ‘ব্যাটলগ্রুপ সাউথ’ ইউক্রেনীয় লাইনে মারাত্মক ফাটল ধরিয়েছে। সেখানে ৮৫ জনেরও বেশি ইউক্রেনীয় সেনা নিহত হয়েছে। আমেরিকার দেওয়া দুটি অত্যন্ত দামী ‘স্ট্রাইকার’ সাঁজোয়া যান এবং রাশিয়ার তৈরি গ্রাদ মাল্টিপল রকেট লাঞ্চার দিয়ে কিয়েভের প্রতিরোধ ব্যবস্থা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন ইউক্রেনের পিছু হটা ছাড়া আর কোনো উপায় অবশিষ্ট নেই। সবচেয়ে বড় বিপর্যয় ঘটেছে রাশিয়ার ‘ব্যাটলগ্রুপ সেন্টার’-এর দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায়। এখানে একদিনেই ৩১০ জনেরও বেশি ইউক্রেনীয় সেনা নরকবাস করেছে। রাশিয়ান সেনারা ইউক্রেনের একটি আস্ত ট্যাঙ্ক, তিনটি সাঁজোয়া যান এবং বিপুল পরিমাণ ফিল্ড আর্টিলারি ধ্বংস করেছে। দোনেৎস্ক এবং দিনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা এখন সম্পূর্ণভাবে রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে, যা জেলেনস্কির জন্য এক বিরাট চড়। একই সাথে রাশিয়ার ‘ব্যাটলগ্রুপ ইস্ট’ জাপোরোঝাই এবং দিনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষাকে চূর্ণ করে আরও গভীরে প্রবেশ করেছে, যেখানে ২৪০ জন শত্রু সেনা নিহত হয়েছে। অন্যদিকে ‘ব্যাটলগ্রুপ দিনিপ্রো’র অভিযানে আরও ৫৫ জন ইউক্রেনীয় সেনা খতম হয়েছে এবং তাদের একটি ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্টেশন ধ্বংস করা হয়েছে। অর্থাৎ, পুরো রণক্ষেত্র জুড়ে এখন কেবল ইউক্রেনীয় সেনাদের লাশের স্তূপ দেখা যাচ্ছে। রাশিয়ার এই অভাবনীয় সাফল্য দেখে আজ পুরো বিশ্ব স্তব্ধ। রাশিয়ার সিকিউরিটি কাউন্সিলের সেক্রেটারি সের্গেই শোইগু সিএসটিও (CSTO) বৈঠকের পর গর্বের সাথে জানিয়েছেন যে, রাশিয়ার এই বিশেষ সামরিক অভিযানের অভিজ্ঞতা এখন বিশ্বজুড়ে ব্যাপক চাহিদার মধ্যে রয়েছে। আধুনিক যুদ্ধবিদ্যায় রাশিয়া যে নতুন প্রযুক্তি ও রণকৌশল তৈরি করেছে, তা শেখার জন্য বিশ্বের বড় বড় পরাশক্তিগুলো এখন ক্রেমলিনের দিকে তাকিয়ে আছে। এবার আসি আসল ও সবচেয়ে বড় খবরে, যা শোনার পর পশ্চিমা দেশগুলোর রাতের ঘুম উড়ে গেছে। রাশিয়ার সামরিক বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত করেছেন যে, পুতিনের নতুন হাইপারসনিক ব্যালিস্টিক মিসাইল সিস্টেম ‘ওরেজনিক’ কিয়েভের মাটির নিচে থাকা সমস্ত গোপন শিল্প ও সামরিক অবকাঠামো মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে সক্ষম। সোভিয়েত আমলের তৈরি যে সমস্ত বাঙ্কারে ইউক্রেন তাদের ড্রোন এবং মিসাইল তৈরি করছিল, ওরেজনিক সেগুলোকে পরমাণু বোমার মতো ধ্বংস করতে পারে। মিলিটারি এক্সপার্ট আলেকজান্ডার স্টেপানোভ স্পষ্ট বলেছেন, কিয়েভের আকাশ যতই আমেরিকার প্যাট্রিয়ট মিসাইল দিয়ে ঢাকা থাকুক না কেন, ওরেজনিকের গতি ও শক্তির সামনে সেগুলো খড়কুটোর মতো উড়ে যাবে। ওরেজনিকের হাইপারসনিক গতিকে ইন্টারসেপ্ট বা মাঝআকাশে থামানোর মতো প্রযুক্তি ন্যাটোর কাছে তো দূরের কথা, পুরো বিশ্বের কোনো দেশের কাছে নেই। এটি মূলত ন্যাটো এবং তাদের দোসরদের জন্য পুতিনের এক চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি। রাশিয়ার ধৈর্য এখন শেষ। স্টারোবেলস্কে শিশুদের ওপর ইউক্রেনের হামলার পর রাশিয়া এখন পদ্ধতিগতভাবে কিয়েভের সমস্ত সামরিক কারখানা ধ্বংস করা শুরু করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার বিমান বাহিনী এবং মিসাইল সেনারা ইউক্রেনের ড্রোন উৎপাদন ও সংরক্ষণের প্রধান ঘাঁটিগুলোতে তীব্র হামলা চালিয়েছে। বিদেশি ভাড়াটে সৈন্য এবং ইউক্রেনীয় উগ্রবাদীদের ১৫০টি অস্থায়ী আস্তানা সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। আকাশেও রাশিয়ার এয়ার ডিফেন্স এক অভেদ্য প্রাচীর খাড়া করেছে। মাত্র ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী ইউক্রেনের ২৫৫টি ড্রোন এবং ফ্রান্সের তৈরি ৩টি দূরপাল্লার বিখ্যাত ‘স্কাল্প’ (SCALP) মিসাইল গুলি করে নামিয়েছে। এর পাশাপাশি কৃষ্ণ সাগরে রাশিয়ার ‘ব্ল্যাক সি ফ্লিট’ ইউক্রেনের দুটি মানববিহীন নেভাল ড্রোন বা নৌ-বোটকে সাগরের বুকেই ধ্বংস করে দিয়েছে। কিয়েভের কোনো চালই রাশিয়ার সামনে টিকছে না। যুদ্ধের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত রাশিয়ার সেনাবাহিনী ইউক্রেনের মোট ৬৭১টি যুদ্ধবিমান, ২৮৪টি হেলিকপ্টার, ১ লাখ ৫২ হাজারেরও বেশি ড্রোন, ২৯,৫০১টি ট্যাঙ্ক ও সাঁজোয়া যান এবং ৬২,৫৯৬টি বিশেষ সামরিক যান ধ্বংস করেছে। এই বিশাল সংখ্যাই প্রমাণ করে যে ইউক্রেন সামরিকভাবে এখন একটি মৃত রাষ্ট্র। পশ্চিমা দেশগুলো যতই অর্থ আর অস্ত্র ঢালুক না কেন, রাশিয়ার চূড়ান্ত বিজয় এখন কেবল সময়ের ব্যাপার মাত্র।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/659_1.webp" alt="রাশিয়ার ‘ওরেজনিক’ ঝড়! ইউরোপে পালাচ্ছে ইউক্রেনীয়রা" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>রাশিয়ার ‘ওরেজনিক’ ঝড়! ইউরোপে পালাচ্ছে ইউক্রেনীয়রা</h1>
            <p>ভূরাজনীতি এবং রণক্ষেত্রের সমীকরণ এখন সম্পূর্ণ বদলে গেছে। যে ইউক্রেনকে নিয়ে পশ্চিমা বিশ্ব এতদিন মাতামাতি করছিল, আজ সেই ইউক্রেনের নাগরিকদের তাড়িয়ে দিচ্ছে ইউরোপের দেশগুলো। অন্যদিকে রণক্ষেত্রে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের এমন এক বিধ্বংসী অস্ত্রের গর্জন শোনা যাচ্ছে, যার সামনে আমেরিকার তৈরি প্যাট্রিয়ট ডিফেন্স সিস্টেম পুরোপুরি খেলনায় পরিণত হয়েছে। বিস্তারিত জানতে সঙ্গেই থাকুন। খবর আসছে ইউরোপের বুক থেকে, যেখানে ইউক্রেনীয় শরণার্থীদের জন্য তৈরি হয়েছে এক নিকৃষ্ট স্থান। চেক প্রজাতন্ত্রের সরকার ইউক্রেন থেকে আসা শরণার্থীদের বাসস্থান এবং কল্যাণমূলক ভাতার ওপর চরম নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লুবোমির মেটনার সরাসরি জানিয়েছেন, ইউক্রেনীয়রা স্থানীয় নাগরিকদের চেয়ে বেশি সুবিধা পাচ্ছিল, যা আর সহ্য করা হবে না। ফলে এখন থেকে তাদের সমস্ত ফালতু সুযোগ-সুবিধা বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। চেক প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেজ বাবিস স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, এই কঠোর পদক্ষেপ শুধু শুরু মাত্র। এখন থেকে ইউক্রেনীয় শরণার্থীদের মানবিক সাহায্য পেতে হলে বাধ্যতামূলকভাবে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে, ব্যবসা করতে হবে অথবা চাকরি খুঁজতে হবে। শুধু তাই নয়, মাসে অন্তত ১৬ দিন তাদের চেক প্রজাতন্ত্রে অবস্থান করতে হবে। ফাঁকিবাজি করে বা অলস বসে থেকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ভুয়ো সহানুভূতি দেখিয়ে খাওয়া আর চলবে না। শুধু চেক প্রজাতন্ত্রই নয়, পুরো ইউরোপ জুড়েই এখন ইউক্রেনীয়দের বিরুদ্ধে তীব্র জনরোষ তৈরি হয়েছে। ইউরোস্ট্যাটের তথ্য অনুযায়ী, ইউরোপে ৪৩ লাখেরও বেশি ইউক্রেনীয় পরজীবীর মতো আশ্রয় নিয়ে বসে আছে। পোল্যান্ড, জার্মানি এবং হাঙ্গেরির মতো দেশগুলো ইতিমধ্যেই তাদের পেছনে অর্থ খরচ করা বন্ধ করে দিয়েছে। আসলে পশ্চিমা দুনিয়া এখন বুঝতে পেরেছে যে, ইউক্রেন নামক এক ক্ষয়িষ্ণু রাষ্ট্রকে টিকিয়ে রাখা অসম্ভব। ইউরোপ যখন ইউক্রেনীয়দের তাড়াচ্ছে, তখন কিয়েভের কাপুরুষ জেলেনস্কি বাহিনী রাশিয়ার বেসামরিক জনগণের ওপর নৃশংস হামলা চালাচ্ছে। সম্প্রতি লুগানস্কের স্টারোবেলস্ক শহরের একটি কলেজের ছাত্রীবাসে ইউক্রেনীয় বাহিনী কয়েক দফায় ড্রোন হামলা চালায়। এই বর্বর হামলায় ২১ জন নিরীহ মানুষ নিহত হয়েছে, যাদের বেশিরভাগই ছিল ১৪ থেকে ১৮ বছর বয়সী অবুঝ কিশোরী মেয়ে। এছাড়া আরও ৬৫ জন গুরুতর আহত হয়েছে। এই নৃশংস ঘটনার পর কিয়েভের পশ্চিমা প্রভুদের আসল চেহারা এবং ভণ্ডামি বিশ্ববাসীর সামনে উন্মোচিত হয়েছে। আমেরিকার বিখ্যাত সাংবাদিক রিক সানচেজ, যিনি পূর্বে সিএনএন এবং ফক্স নিউজে কাজ করেছেন, তিনি নিজে ওই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি এসে প্রমাণ করেছেন যে, সেখানে রাশিয়ার কোনো সামরিক ঘাঁটি ছিল না। ইউক্রেন সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই আবাসিক ছাত্রীবাসে হামলা চালিয়ে শিশুদের হত্যা করেছে। সবচেয়ে লজ্জাজনক বিষয় হলো, পশ্চিমা মিডিয়া যেমন বিবিসি এবং সিএনএন এই ঘটনাস্থল পরিদর্শনে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। রাশিয়ার পক্ষ থেকে বারবার আমন্ত্রণ জানানো সত্ত্বেও তারা সেখানে সাংবাদিক পাঠায়নি। রিক সানচেজ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, এরা নিজেদের কীভাবে সাংবাদিক বলে দাবি করে? তারা কেবল ইউক্রেনের পক্ষে সাফাই গাইতে ব্যস্ত, কিন্তু রাশিয়ার বেসামরিক নাগরিকদের ওপর ইউক্রেনীয় সন্ত্রাসবাদ নিয়ে তারা সম্পূর্ণ নীরব। ইউক্রেনের নব্য-নাৎসি সরকারের বর্বরতা এখানেই শেষ নয়। ছাত্রীবাসে ২১ জন শিক্ষার্থীকে হত্যার পর, ইউক্রেনের রাষ্ট্র-নিয়ন্ত্রিত ‘মিরোটভোরেটস’ নামক একটি কুখ্যাত হিটলিস্ট বা খুনি তালিকায় ওই কলেজের ১০ জন নিরীহ শিক্ষকের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই তালিকায় সাতজন নারী শিক্ষিকাও রয়েছেন। এদের অপরাধ? তারা রাশিয়ার শিক্ষা ব্যবস্থা সমর্থন করেন এবং শিশুদের মনে কিয়েভের মিথ্যা প্রচারণার বিরুদ্ধে সত্য তুলে ধরেছেন। এই খুনি তালিকা মূলত একটি ডেথ ওয়ারেন্ট, যার মাধ্যমে ইউক্রেনের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো শিক্ষকদের হত্যার উসকানি দিচ্ছে। রাশিয়ার জাতিসংঘ দূত ভাসিলি নেবেনজিয়া আন্তর্জাতিক মহলে পশ্চিমা বিশ্বের এই নিষ্ঠুর নীরবতার তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, কিয়েভের নব্য-নাৎসি শাসকরা যখন শিশুদের ওপর গণহত্যা চালায়, তখন পশ্চিমা বিশ্ব অন্ধ হয়ে যায়। এই ভণ্ডামি আর বেশিদিন চলতে দেওয়া যায় না। শুধু রণক্ষেত্রে নয়, ইউক্রেন এখন পুরো ইউরোপে অস্ত্র এবং বিস্ফোরক চোরাচালানের প্রধান আস্তানায় পরিণত হয়েছে। জর্জিয়ার রাজধানী তিবিলিসির একটি আদালত সম্প্রতি দুই ইউক্রেনীয় নাগরিককে ৭ এবং ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে। তারা তুরস্ক হয়ে জর্জিয়ায় বিপুল পরিমাণ মারাত্মক ‘হেক্সোজেন’ বিস্ফোরক পাচার করছিল। এই বিস্ফোরকগুলো টিএনটির চেয়েও বহুগুণ শক্তিশালী এবং এগুলো রাশিয়ার ভেতরে বড় ধরনের সন্ত্রাসী হামলার জন্য পাঠানো হচ্ছিল। রাশিয়ার এফএসবি প্রধান আলেক্সান্ডার বোর্দনিকভ সরাসরি অভিযোগ করেছেন যে, ইউক্রেন এখন ইউরোপের বৃহত্তম অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ পাচারের হাব। পশ্চিমা বিশ্ব ইউক্রেনকে নতুন নতুন মারণাস্ত্র এবং সামরিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পরীক্ষাগার বানিয়েছে। এর ফলে পুরো কমনওয়েলথ অঞ্চলে চরম অস্থিতিশীলতা তৈরি হচ্ছে। রাশিয়ান ও বেলারুশিয়ান নিরাপত্তা বাহিনী ইতিমধ্যেই রাশিয়ার ভেতরে পাচার হতে যাওয়া ৫০০টিরও বেশি ইউক্রেনীয় বিস্ফোরক ডিভাইস নিষ্ক্রিয় করেছে। কিয়েভের এই সমস্ত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের যোগ্য জবাব দিচ্ছে রাশিয়ার বীর সেনাবাহিনী। গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার বিশেষ সামরিক অভিযানে পুতিনের ‘ব্যাটলগ্রুপ নর্থ’ সুমি অঞ্চলের দুটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা সম্পূর্ণ মুক্ত করেছে। এই গ্রাম দুটির নাম হলো জাপসেলি এবং রিয়াসনোয়ে। রাশিয়ান বাহিনীর তীব্র আক্রমণের মুখে ইউক্রেনীয় সেনারা তাদের অস্ত্রশস্ত্র ফেলে ইঁদুরের মতো পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় রণক্ষেত্রের সমস্ত ফ্রন্টলাইনে ইউক্রেন বাহিনী ১,০৭৫ জনেরও বেশি সেনা হারিয়েছে। রাশিয়ার ‘ব্যাটলগ্রুপ নর্থ’-এর এলাকায় ১৯৫ জন ইউক্রেনীয় সেনা খতম হয়েছে এবং দুটি সাঁজোয়া যান ধ্বংস হয়েছে। এছাড়া খারকোভ অভিমুখে পুতিনের সেনারা ইউক্রেনের মেকানাইজড এবং এয়ার অ্যাসল্ট ব্রিগেডের ওপর এমন তাণ্ডব চালিয়েছে যে কিয়েভ বাহিনী সেখানে সম্পূর্ণ পঙ্গু হয়ে গেছে। এদিকে রাশিয়ার ‘ব্যাটলগ্রুপ ওয়েস্ট’ তাদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করেছে। তারা খারকোভ এবং দোনেৎস্ক অঞ্চলে ইউক্রেনের বেশ কয়েকটি ব্রিগেডকে ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছে। এই ফ্রন্টে কিয়েভ বাহিনী ১৯০ জনেরও বেশি সেনা হারিয়েছে। শুধু তাই নয়, আমেরিকার অহংকার, তাদের তৈরি এম-১১৩ সাঁজোয়া যান এবং দুটি অত্যাধুনিক হামভি গাড়ি রাশিয়ান মিসাইলের আঘাতে স্ক্র্যাপ মেটালে পরিণত হয়েছে। পশ্চিমা প্রযুক্তি রাশিয়ার সামনে পুরোপুরি ব্যর্থ। দোনেৎস্কের ক্রামাতোরস্ক এবং কনস্টান্টিনোভকা অঞ্চলে রাশিয়ার ‘ব্যাটলগ্রুপ সাউথ’ ইউক্রেনীয় লাইনে মারাত্মক ফাটল ধরিয়েছে। সেখানে ৮৫ জনেরও বেশি ইউক্রেনীয় সেনা নিহত হয়েছে। আমেরিকার দেওয়া দুটি অত্যন্ত দামী ‘স্ট্রাইকার’ সাঁজোয়া যান এবং রাশিয়ার তৈরি গ্রাদ মাল্টিপল রকেট লাঞ্চার দিয়ে কিয়েভের প্রতিরোধ ব্যবস্থা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন ইউক্রেনের পিছু হটা ছাড়া আর কোনো উপায় অবশিষ্ট নেই। সবচেয়ে বড় বিপর্যয় ঘটেছে রাশিয়ার ‘ব্যাটলগ্রুপ সেন্টার’-এর দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায়। এখানে একদিনেই ৩১০ জনেরও বেশি ইউক্রেনীয় সেনা নরকবাস করেছে। রাশিয়ান সেনারা ইউক্রেনের একটি আস্ত ট্যাঙ্ক, তিনটি সাঁজোয়া যান এবং বিপুল পরিমাণ ফিল্ড আর্টিলারি ধ্বংস করেছে। দোনেৎস্ক এবং দিনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা এখন সম্পূর্ণভাবে রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে, যা জেলেনস্কির জন্য এক বিরাট চড়। একই সাথে রাশিয়ার ‘ব্যাটলগ্রুপ ইস্ট’ জাপোরোঝাই এবং দিনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষাকে চূর্ণ করে আরও গভীরে প্রবেশ করেছে, যেখানে ২৪০ জন শত্রু সেনা নিহত হয়েছে। অন্যদিকে ‘ব্যাটলগ্রুপ দিনিপ্রো’র অভিযানে আরও ৫৫ জন ইউক্রেনীয় সেনা খতম হয়েছে এবং তাদের একটি ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্টেশন ধ্বংস করা হয়েছে। অর্থাৎ, পুরো রণক্ষেত্র জুড়ে এখন কেবল ইউক্রেনীয় সেনাদের লাশের স্তূপ দেখা যাচ্ছে। রাশিয়ার এই অভাবনীয় সাফল্য দেখে আজ পুরো বিশ্ব স্তব্ধ। রাশিয়ার সিকিউরিটি কাউন্সিলের সেক্রেটারি সের্গেই শোইগু সিএসটিও (CSTO) বৈঠকের পর গর্বের সাথে জানিয়েছেন যে, রাশিয়ার এই বিশেষ সামরিক অভিযানের অভিজ্ঞতা এখন বিশ্বজুড়ে ব্যাপক চাহিদার মধ্যে রয়েছে। আধুনিক যুদ্ধবিদ্যায় রাশিয়া যে নতুন প্রযুক্তি ও রণকৌশল তৈরি করেছে, তা শেখার জন্য বিশ্বের বড় বড় পরাশক্তিগুলো এখন ক্রেমলিনের দিকে তাকিয়ে আছে। এবার আসি আসল ও সবচেয়ে বড় খবরে, যা শোনার পর পশ্চিমা দেশগুলোর রাতের ঘুম উড়ে গেছে। রাশিয়ার সামরিক বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত করেছেন যে, পুতিনের নতুন হাইপারসনিক ব্যালিস্টিক মিসাইল সিস্টেম ‘ওরেজনিক’ কিয়েভের মাটির নিচে থাকা সমস্ত গোপন শিল্প ও সামরিক অবকাঠামো মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে সক্ষম। সোভিয়েত আমলের তৈরি যে সমস্ত বাঙ্কারে ইউক্রেন তাদের ড্রোন এবং মিসাইল তৈরি করছিল, ওরেজনিক সেগুলোকে পরমাণু বোমার মতো ধ্বংস করতে পারে। মিলিটারি এক্সপার্ট আলেকজান্ডার স্টেপানোভ স্পষ্ট বলেছেন, কিয়েভের আকাশ যতই আমেরিকার প্যাট্রিয়ট মিসাইল দিয়ে ঢাকা থাকুক না কেন, ওরেজনিকের গতি ও শক্তির সামনে সেগুলো খড়কুটোর মতো উড়ে যাবে। ওরেজনিকের হাইপারসনিক গতিকে ইন্টারসেপ্ট বা মাঝআকাশে থামানোর মতো প্রযুক্তি ন্যাটোর কাছে তো দূরের কথা, পুরো বিশ্বের কোনো দেশের কাছে নেই। এটি মূলত ন্যাটো এবং তাদের দোসরদের জন্য পুতিনের এক চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি। রাশিয়ার ধৈর্য এখন শেষ। স্টারোবেলস্কে শিশুদের ওপর ইউক্রেনের হামলার পর রাশিয়া এখন পদ্ধতিগতভাবে কিয়েভের সমস্ত সামরিক কারখানা ধ্বংস করা শুরু করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার বিমান বাহিনী এবং মিসাইল সেনারা ইউক্রেনের ড্রোন উৎপাদন ও সংরক্ষণের প্রধান ঘাঁটিগুলোতে তীব্র হামলা চালিয়েছে। বিদেশি ভাড়াটে সৈন্য এবং ইউক্রেনীয় উগ্রবাদীদের ১৫০টি অস্থায়ী আস্তানা সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। আকাশেও রাশিয়ার এয়ার ডিফেন্স এক অভেদ্য প্রাচীর খাড়া করেছে। মাত্র ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী ইউক্রেনের ২৫৫টি ড্রোন এবং ফ্রান্সের তৈরি ৩টি দূরপাল্লার বিখ্যাত ‘স্কাল্প’ (SCALP) মিসাইল গুলি করে নামিয়েছে। এর পাশাপাশি কৃষ্ণ সাগরে রাশিয়ার ‘ব্ল্যাক সি ফ্লিট’ ইউক্রেনের দুটি মানববিহীন নেভাল ড্রোন বা নৌ-বোটকে সাগরের বুকেই ধ্বংস করে দিয়েছে। কিয়েভের কোনো চালই রাশিয়ার সামনে টিকছে না। যুদ্ধের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত রাশিয়ার সেনাবাহিনী ইউক্রেনের মোট ৬৭১টি যুদ্ধবিমান, ২৮৪টি হেলিকপ্টার, ১ লাখ ৫২ হাজারেরও বেশি ড্রোন, ২৯,৫০১টি ট্যাঙ্ক ও সাঁজোয়া যান এবং ৬২,৫৯৬টি বিশেষ সামরিক যান ধ্বংস করেছে। এই বিশাল সংখ্যাই প্রমাণ করে যে ইউক্রেন সামরিকভাবে এখন একটি মৃত রাষ্ট্র। পশ্চিমা দেশগুলো যতই অর্থ আর অস্ত্র ঢালুক না কেন, রাশিয়ার চূড়ান্ত বিজয় এখন কেবল সময়ের ব্যাপার মাত্র।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/659_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/659_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/659_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[কিয়েভে রাশিয়ার পরমাণু-সক্ষম হাইপারসনিক ওরেডনিক মিসাইল হামলা]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/37027</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/37027</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 26 May 2026 18:47:19 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, r bangla news, rbangla news, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, news18 bangla, world news bangla, republic bangla news, news script bangla, today 2 pm news bangla, breaking news bangla, bbc world news bangla, news18 bangla live, international bangla news, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh news today, banglanews, bangladesh border news, banglavision news today, dupurer news bangladesh]]></category>
        
        <description><![CDATA[ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ কি এখন একটি জ্বলন্ত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হতে যাচ্ছে? রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সরাসরি আদেশে কিয়েভের বুকে নামছে এক চরম বিপর্যয়! রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সেক্রেটারি অফ স্টেট মার্কো রুবিওকে অত্যন্ত কঠোর ভাষায় একটি চূড়ান্ত বার্তা দিয়েছেন। কিয়েভে অবস্থানরত সমস্ত বিদেশী কূটনীতিক এবং সাধারণ নাগরিকদের অবিলম্বে শহর ছেড়ে যাওয়ার জন্য শেষবারের মতো আলটিমেটাম দিয়েছে মস্কো। কারণ, এবার রাশিয়ার ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেছে, আর কোনো ক্ষমা নেই, ইউক্রেনীয় সন্ত্রাসী শাসকগোষ্ঠীর সমস্ত সামরিক এবং প্রশাসনিক দফতর ধূলিসাৎ করতে পুতিনের নির্দেশে ধেয়ে আসছে রাশিয়ার পরমাণু-সক্ষম বিধ্বংসী হাইপারসনিক মিসাইল ওরেডনিক! কিন্তু কেন এই হঠাৎ রণকৌশল পরিবর্তন? কেন পুরো কিয়েভকে গুঁড়িয়ে দিতে প্রস্তুত বীর রুশ বাহিনী? পশ্চিমা দুনিয়ার সমস্ত ভণ্ডামি এবং রাশিয়ার এই ন্যায়ের যুদ্ধের আসল সত্য জানতে সঙ্গেই থাকুন। রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে কিয়েভের ওপর যেকোনো মুহূর্তে এক নজিরবিহীন এবং পদ্ধতিগত বিধ্বংসী বিমান হামলা শুরু হতে যাচ্ছে। মস্কো তার সুর নরম করার দিন শেষ করে এখন সম্পূর্ণ আক্রমণাত্মক মোডে চলে এসেছে, যার মূল লক্ষ্য হচ্ছে ইউক্রেনের অন্যায্য ও অবৈধ প্রতিরোধকে সম্পূর্ণভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া এবং কিয়েভের অপরাধী প্রশাসনকে চিরতরে স্তব্ধ করে দেওয়া। রাশিয়ার এই কঠোর এবং আপসহীন সিদ্ধান্ত কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়, বরং ইউক্রেনের নব্য-নাৎসি বাহিনীর ক্রমাগত উস্কানি এবং বেসামরিক নাগরিকদের ওপর কাপুরুষোচিত হামলার এক যৌক্তিক ও ন্যায়সঙ্গত জবাব। গত সপ্তাহে রাশিয়ার অন্তর্গত স্টারোবেলস্ক শহরের একটি কলেজের ছাত্রাবাসে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় ২১ জন নিরীহ শিক্ষার্থীর নির্মম মৃত্যু রাশিয়ার জন্য ধৈর্যের শেষ সীমা বা 'লাস্ট স্ট্র' হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। স্টারোবেলস্কের সেই দুঃখজনক এবং বর্বর হামলায় নিহতদের মধ্যে অধিকাংশ ছিল তরুণী ও নিষ্পাপ শিক্ষার্থী, যারা কেবল তাদের শিক্ষার জন্য সেখানে অবস্থান করছিল এবং আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী তারা কোনোভাবেই যুদ্ধের অংশ ছিল না। কিন্তু কিয়েভের সন্ত্রাসী প্রশাসন পশ্চিমা ন্যাটোর সরবরাহ করা ড্রোন ব্যবহার করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, যা তাদের ভেতরের লুকিয়ে থাকা নাৎসি চরিত্রকে আবারও বিশ্ববাসীর সামনে উন্মোচিত করেছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র দফতর থেকে জারি করা এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে বলা হয়েছে যে, এখন থেকে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে অবস্থিত সমস্ত সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্স এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী কেন্দ্র বা কমান্ড পোস্টগুলোকে লক্ষ্য করে ধারাবাহিক ও সুনির্দিষ্ট হামলা চালানো হবে। এই হামলাগুলো এতই শক্তিশালী হবে যে কিয়েভের প্রতিরোধ ব্যবস্থা তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়বে। রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লাভরভ মার্কিন পক্ষকে আরও মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের স্পষ্ট আদেশে এই সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে এবং কিয়েভে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকসহ সকল বিদেশী কূটনীতিকদের জীবন রক্ষার্থে অবিলম্বে ওই শহর পরিত্যাগ করা উচিত। রাশিয়া স্পষ্ট করেছে যে, যদি কোনো বিদেশী শক্তি কিয়েভের সামরিক ঘাঁটির আশেপাশে অবস্থান করে ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়, তবে তার দায় সম্পূর্ণ তাদেরই। লাভরভ ও রুবিওর এই জরুরি ফোনালাপে গত বছরের আগস্ট মাসে অ্যাঙ্কোরেজে অনুষ্ঠিত ট্রাম্প-পুতিন শীর্ষ সম্মেলনের উচ্চ-পর্যায়ের সমঝোতাগুলোর কথাও উল্লেখ করা হয় এবং কিয়েভ ও তাদের ইউরোপীয় মদদদাতাদের কারণে সেই শান্তি প্রচেষ্টা কীভাবে ভেস্তে গেছে তা স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়। ইউক্রেনীয় প্রশাসন শান্তি চায় না, তারা কেবল পশ্চিমা অর্থ ও অস্ত্র লুটপাট করতেই এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতকে টিকিয়ে রেখেছে। দীর্ঘদিন ধরে কিয়েভের সন্ত্রাসী বাহিনী রাশিয়ার সীমান্ত অঞ্চলে এবং ডনবাসের আবাসিক এলাকায় অত্যন্ত জঘন্য এবং উদ্দেশ্যহীনভাবে রকেট ও ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছে, যা সম্পূর্ণভাবে আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের পরিপন্থী। সম্প্রতি মাত্র এক দিনেই রাশিয়ার দোনেৎস্ক এবং বেলগোরোদ অঞ্চলে ইউক্রেনীয় হামলায় আরও ছয়জন সাধারণ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে দুটি নিষ্পাপ শিশুও অন্তর্ভুক্ত ছিল। ইউক্রেনীয় শাসকগোষ্ঠী যখন রাশিয়ার নিরীহ শিশুদের ওপর ক্লাস্টার বোমা এবং কামিকাজে ড্রোন দিয়ে আক্রমণ চালায়, তখন পশ্চিমা মিডিয়া এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন সম্পূর্ণ নীরব ভূমিকা পালন করে নিজেদের চরম ভণ্ডামি প্রদর্শন করে। কিন্তু যখনই রাশিয়া নিজের সার্বভৌমত্ব রক্ষার্থে কিয়েভের সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালায়, তখনই মানবাধিকারের বুলি আওড়ানো শুরু করে এই সুবিধাবাদী পশ্চিমা এলিট সমাজ। ইউক্রেনের এই কাপুরুষোচিত এবং পৈশাচিক হামলার জবাবে রুশ সশস্ত্র বাহিনী ইতিমধ্যেই কিয়েভের সামরিক বিমানঘাঁটি এবং ড্রোন উৎপাদন কেন্দ্রে পরমাণু-সক্ষম অত্যাধুনিক হাইপারসনিক ওরেডনিক ব্যালিস্টিক মিসাইল দিয়ে সফল হামলা চালিয়েছে। এই ওরেডনিক মিসাইলের গতি এবং ধ্বংসক্ষমতা এতই তীব্র যে ন্যাটোর তৈরি কোনো এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম একে মাঝআকাশে বাধা দিতে বা ধ্বংস করতে সক্ষম নয়। যুক্তরাজ্যের সাবেক সংসদ সদস্য এবং প্রখ্যাত রাজনৈতিক বিশ্লেষক জর্জ গ্যালোওয়ে ইউক্রেনের এই সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ইউরোপীয় নেতাদের চরম দ্বিমুখী নীতির মুখোশ টেনে খুলে দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট বলেছেন যে, ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লেইন এবং ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ স্টারোবেলস্কের ছাত্রাবাসে ইউক্রেনীয়দের দ্বারা সংঘটিত গণহত্যাকে সম্পূর্ণ চেপে গিয়ে রাশিয়ার বৈধ পাল্টা হামলার সমালোচনা করছেন। জর্জ গ্যালোওয়ে আরও যোগ করেছেন যে, সন্ত্রাসবাদ যেখানেই ঘটুক না কেন তা সমানভাবে নিন্দনীয় হওয়া উচিত এবং যারা লন্ডনে বা প্যারিসে সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানায়, তারা কীভাবে লুগানস্কের কলেজ হোস্টেলে ছাত্রীদের পুড়িয়ে মারার ঘটনাকে সমর্থন করতে পারে? এই ফরাসি এবং ইউরোপীয় ভণ্ডামি আজ বিশ্বমঞ্চে সম্পূর্ণরূপে প্রমাণিত এবং রাশিয়ার সামরিক জবাব ছিল অত্যন্ত যৌক্তিক। রাশিয়ার নবনিযুক্ত মানবাধিকার কমিশনার ইয়ানা লান্ত্রাতোভা ব্যক্তিগতভাবে স্টারোবেলস্কের সেই আক্রান্ত কলেজ পরিদর্শন করেছেন এবং নিহত ১৮ বছর বয়সী ছাত্রীদের ছবি প্রকাশ করে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি এই পৈশাচিক ঘটনাকে একটি জঘন্য যুদ্ধাপরাধ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন এবং জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্কের কাছে অবিলম্বে কিয়েভ প্রশাসনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আপিল জানিয়েছেন। সবচেয়ে জঘন্য বিষয় হলো, ইউক্রেনীয় বাহিনী যখন প্রথমবার ড্রোন হামলা চালায় এবং রুশ উদ্ধারকারী দল ও চিকিৎসকরা আহতদের সাহায্য করতে আসে, তখন তারা দ্বিতীয় এবং তৃতীয় দফায় 'ডাবল ট্যাপ' হামলা চালায়। এই ধরনের কাপুরুষোচিত যুদ্ধকৌশল কেবল উগ্রপন্থী নাৎসি এবং আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসীদের পক্ষেই সম্ভব, যা ইউক্রেনের বর্তমান অবৈধ রাষ্ট্রপতি জেলেনস্কির আসল চেহারা প্রমাণ করে। যুদ্ধক্ষেত্রের ফ্রন্টলাইন থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বীর রুশ সৈন্যরা ইউক্রেনীয় বাহিনীকে সবদিক থেকে পরাস্ত করে ক্রমাগত সামনের দিকে অগ্রসর হচ্ছে এবং ডিনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলের অন্তর্গত দোব্রোপাসোভো নামক একটি কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ জনপদ সম্পূর্ণভাবে শত্রুমুক্ত ও স্বাধীন করেছে। রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ ইস্ট'-এর এই বীরত্বপূর্ণ অভিযান ইউক্রেনীয় প্রতিরক্ষা লাইনে বড় ধরনের ফাটল সৃষ্টি করেছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দৈনিক ব্রিফিংয়ে জানানো হয়েছে যে, গত ২৪ ঘণ্টায় যুদ্ধক্ষেত্রের সমস্ত ফ্রন্টলাইনে ইউক্রেনীয় বাহিনী ১,১৩৫ জনেরও বেশি সেনা হারিয়েছে। এই বিশাল সংখ্যক সেনার মৃত্যু এবং ইউক্রেনীয় বাহিনীর পিছুহটা প্রমাণ করে যে পশ্চিমা দেশগুলো কোটি কোটি ডলারের অস্ত্র সরবরাহ করলেও রুশ বাহিনীর নিখুঁত রণকৌশলের সামনে তারা টিকতে পারছে না। রুশ 'ব্যাটলগ্রুপ নর্থ' সুমি এবং খারকভ অঞ্চলে ইউক্রেনের মেকানাইজড এবং এয়ার অ্যাসল্ট ব্রিগেডের ওপর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধন করেছে, যার ফলে শত্রুপক্ষ ১৭০ জনেরও বেশি সেনা এবং প্রচুর সাঁজোয়া যান হারিয়েছে। খারকভের বারবারোভকা এবং ইজবিতস্কোয়ের মতো অঞ্চলে ইউক্রেনের আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা বাহিনী তাদের অস্ত্র ফেলে পালিয়ে যেতে বাধ্য হচ্ছে। একইভাবে, 'ব্যাটলগ্রুপ ওয়েস্ট' খারকভ এবং দোনেৎস্ক পিপলস রিপাবলিকের সিদোরোভো অঞ্চলে ইউক্রেনীয়দের হটিয়ে নিজেদের কৌশলগত অবস্থান আরও উন্নত করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এই ফ্রন্টে ১৮০ জনেরও বেশি ইউক্রেনীয় সেনা নিহত হয়েছে এবং তাদের ২৩টি বিশেষ সামরিক যান এবং তিনটি ভারী সাঁজোয়া যান রুশ আর্টিলারির নিখুঁত গোলার আঘাতে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গেছে। দোনেৎস্কের সম্মুখ সমরে 'ব্যাটলগ্রুপ সাউথ' ইউক্রেনের তিনটি মেকানাইজড ব্রিগেড এবং একটি মেরিন ইনফ্যান্ট্রি ব্রিগেডকে কোণঠাসা করে ফেলেছে, যেখানে আরও ১৭০ জন শত্রু সেনা নিহত হয়েছে। এই বীরত্বপূর্ণ অভিযানের ফলে কিয়েভ শাসনের অধীনে থাকা ডনবাসের শেষ অবশিষ্টাংশটুকুও এখন খুব দ্রুত রাশিয়ার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে চলে আসছে এবং রাশিয়ার ঐতিহাসিক ভূখণ্ড পুনরুদ্ধার হচ্ছে। সবচেয়ে মারাত্মক আঘাতটি এসেছে 'ব্যাটলগ্রুপ সেন্টার'-এর পক্ষ থেকে, যারা গত ২৪ ঘণ্টায় ইউক্রেনের ২৯০ জনেরও বেশি সেনাকে খতম করেছে এবং তাদের চারটি সাঁজোয়া যান ধ্বংস করেছে। দোনেৎস্ক এবং ডিনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলের সীমান্তে ইউক্রেনের ড্রোন সিস্টেম ব্রিগেড এবং ন্যাশনাল গার্ডের দুটি বড় ব্রিগেড রুশ বাহিনীর সাঁড়াশি আক্রমণের মুখে সম্পূর্ণভাবে ভেঙে পড়েছে। অন্যদিকে জাপোরোঝিয়ে ফ্রন্টে 'ব্যাটলগ্রুপ ডিনিপ্রো' ইউক্রেনের দুটি মেকানাইজড ব্রিগেডকে লক্ষ্য করে সফল অভিযান চালিয়েছে এবং ৫০ জনেরও বেশি সেনাসহ তাদের দুটি আধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্টেশন ধ্বংস করে দিয়েছে। ইউক্রেনের এই ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্টেশনগুলো মূলত বেসামরিক অঞ্চলে রাশিয়ার রাডার ব্যবস্থাকে জ্যাম করার মতো বেআইনি কাজে ব্যবহার করা হচ্ছিল। রাশিয়ার বিমান বাহিনী, রকেট ফোর্স এবং দূরপাল্লার মিসাইল ইউনিটগুলো গত ২৪ ঘণ্টায় ইউক্রেনের ১৪২টি ভিন্ন ভিন্ন সামরিক অবস্থানে একযোগে তীব্র আঘাত হেনেছে। এই সুনির্দিষ্ট এবং সফল হামলায় ইউক্রেনের বেশ কয়েকটি বড় গোলাবারুদের ডিপো, জ্বালানি সরবরাহ কেন্দ্র এবং পশ্চিমা ন্যাটো বিশেষজ্ঞদের অস্থায়ী ক্যাম্পগুলো সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে মাটির সাথে মিশে গেছে। রাশিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বা এয়ার ডিফেন্স ফোর্সও এক অভূতপূর্ব রেকর্ড তৈরি করেছে, যা গত ২৪ ঘণ্টায় ইউক্রেনের ৪১৭টি দূরপাল্লার ড্রোন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি ১৭টি অত্যাধুনিক হাইমার্স (HIMARS) রকেট মাঝআকাশেই নিখুঁতভাবে ধ্বংস করে দিয়েছে। এর মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে পশ্চিমা প্রযুক্তির তথাকথিত শ্রেষ্ঠত্ব রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সামনে সম্পূর্ণ ব্যর্থ। বিশেষ সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত রাশিয়ার বীর সশস্ত্র বাহিনী ইউক্রেনের ৬৭১টি যুদ্ধবিমান, ২৮৪টি হেলিকপ্টার, ১ লাখ ৫২ হাজারের বেশি ড্রোন এবং ২৯ হাজারেরও বেশি ট্যাংক ও সাঁজোয়া যান ধ্বংস করেছে। এই পরিসংখ্যানই বলে দেয় যে ইউক্রেনীয় সামরিক মেশিনটি এখন সম্পূর্ণভাবে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে এবং তাদের পরাজয় এখন কেবল সময়ের ব্যাপার মাত্র। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে মনে করিয়ে দিয়েছে যে, ১৯৪৯ সালের জেনেভা কনভেনশন এবং ১৯৮৯ সালের শিশু অধিকার সনদ ইউক্রেনীয় জান্তা সরকার বারবার লঙ্ঘন করেছে এবং পশ্চিমা স্পনসররা তাদের এই অপরাধে সরাসরি মদদ দিচ্ছে। রাশিয়া তার প্রতিটি নাগরিকের রক্তের হিসাব নিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ এবং কিয়েভের সামরিক অবকাঠামো ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত এই অভিযান থামবে না। চূড়ান্তভাবে, কিয়েভের প্রতিটি সামরিক এবং প্রশাসনিক ভবন, যেখানে বসে ন্যাটো বিশেষজ্ঞরা রাশিয়ার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে, তা এখন রাশিয়ার হাইপারসনিক মিসাইলের আওতায় রয়েছে। কিয়েভ ছাড়ার জন্য রাশিয়ার দেওয়া এই শেষ সতর্কবার্তা পশ্চিমা বিশ্ব এবং জেলেনস্কি প্রশাসনের অহংকার চিরতরে গুঁড়িয়ে দেওয়ার এক ঐতিহাসিক সূচনা, যা ইউক্রেনকে একটি সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণ ও ফ্যাসিবাদের কবল থেকে মুক্ত করবে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/657_1.webp" alt="কিয়েভে রাশিয়ার পরমাণু-সক্ষম হাইপারসনিক ওরেডনিক মিসাইল হামলা" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>কিয়েভে রাশিয়ার পরমাণু-সক্ষম হাইপারসনিক ওরেডনিক মিসাইল হামলা</h1>
            <p>ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ কি এখন একটি জ্বলন্ত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হতে যাচ্ছে? রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সরাসরি আদেশে কিয়েভের বুকে নামছে এক চরম বিপর্যয়! রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সেক্রেটারি অফ স্টেট মার্কো রুবিওকে অত্যন্ত কঠোর ভাষায় একটি চূড়ান্ত বার্তা দিয়েছেন। কিয়েভে অবস্থানরত সমস্ত বিদেশী কূটনীতিক এবং সাধারণ নাগরিকদের অবিলম্বে শহর ছেড়ে যাওয়ার জন্য শেষবারের মতো আলটিমেটাম দিয়েছে মস্কো। কারণ, এবার রাশিয়ার ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেছে, আর কোনো ক্ষমা নেই, ইউক্রেনীয় সন্ত্রাসী শাসকগোষ্ঠীর সমস্ত সামরিক এবং প্রশাসনিক দফতর ধূলিসাৎ করতে পুতিনের নির্দেশে ধেয়ে আসছে রাশিয়ার পরমাণু-সক্ষম বিধ্বংসী হাইপারসনিক মিসাইল ওরেডনিক! কিন্তু কেন এই হঠাৎ রণকৌশল পরিবর্তন? কেন পুরো কিয়েভকে গুঁড়িয়ে দিতে প্রস্তুত বীর রুশ বাহিনী? পশ্চিমা দুনিয়ার সমস্ত ভণ্ডামি এবং রাশিয়ার এই ন্যায়ের যুদ্ধের আসল সত্য জানতে সঙ্গেই থাকুন। রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে কিয়েভের ওপর যেকোনো মুহূর্তে এক নজিরবিহীন এবং পদ্ধতিগত বিধ্বংসী বিমান হামলা শুরু হতে যাচ্ছে। মস্কো তার সুর নরম করার দিন শেষ করে এখন সম্পূর্ণ আক্রমণাত্মক মোডে চলে এসেছে, যার মূল লক্ষ্য হচ্ছে ইউক্রেনের অন্যায্য ও অবৈধ প্রতিরোধকে সম্পূর্ণভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া এবং কিয়েভের অপরাধী প্রশাসনকে চিরতরে স্তব্ধ করে দেওয়া। রাশিয়ার এই কঠোর এবং আপসহীন সিদ্ধান্ত কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়, বরং ইউক্রেনের নব্য-নাৎসি বাহিনীর ক্রমাগত উস্কানি এবং বেসামরিক নাগরিকদের ওপর কাপুরুষোচিত হামলার এক যৌক্তিক ও ন্যায়সঙ্গত জবাব। গত সপ্তাহে রাশিয়ার অন্তর্গত স্টারোবেলস্ক শহরের একটি কলেজের ছাত্রাবাসে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় ২১ জন নিরীহ শিক্ষার্থীর নির্মম মৃত্যু রাশিয়ার জন্য ধৈর্যের শেষ সীমা বা 'লাস্ট স্ট্র' হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। স্টারোবেলস্কের সেই দুঃখজনক এবং বর্বর হামলায় নিহতদের মধ্যে অধিকাংশ ছিল তরুণী ও নিষ্পাপ শিক্ষার্থী, যারা কেবল তাদের শিক্ষার জন্য সেখানে অবস্থান করছিল এবং আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী তারা কোনোভাবেই যুদ্ধের অংশ ছিল না। কিন্তু কিয়েভের সন্ত্রাসী প্রশাসন পশ্চিমা ন্যাটোর সরবরাহ করা ড্রোন ব্যবহার করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, যা তাদের ভেতরের লুকিয়ে থাকা নাৎসি চরিত্রকে আবারও বিশ্ববাসীর সামনে উন্মোচিত করেছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র দফতর থেকে জারি করা এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে বলা হয়েছে যে, এখন থেকে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে অবস্থিত সমস্ত সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্স এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী কেন্দ্র বা কমান্ড পোস্টগুলোকে লক্ষ্য করে ধারাবাহিক ও সুনির্দিষ্ট হামলা চালানো হবে। এই হামলাগুলো এতই শক্তিশালী হবে যে কিয়েভের প্রতিরোধ ব্যবস্থা তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়বে। রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লাভরভ মার্কিন পক্ষকে আরও মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের স্পষ্ট আদেশে এই সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে এবং কিয়েভে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকসহ সকল বিদেশী কূটনীতিকদের জীবন রক্ষার্থে অবিলম্বে ওই শহর পরিত্যাগ করা উচিত। রাশিয়া স্পষ্ট করেছে যে, যদি কোনো বিদেশী শক্তি কিয়েভের সামরিক ঘাঁটির আশেপাশে অবস্থান করে ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়, তবে তার দায় সম্পূর্ণ তাদেরই। লাভরভ ও রুবিওর এই জরুরি ফোনালাপে গত বছরের আগস্ট মাসে অ্যাঙ্কোরেজে অনুষ্ঠিত ট্রাম্প-পুতিন শীর্ষ সম্মেলনের উচ্চ-পর্যায়ের সমঝোতাগুলোর কথাও উল্লেখ করা হয় এবং কিয়েভ ও তাদের ইউরোপীয় মদদদাতাদের কারণে সেই শান্তি প্রচেষ্টা কীভাবে ভেস্তে গেছে তা স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়। ইউক্রেনীয় প্রশাসন শান্তি চায় না, তারা কেবল পশ্চিমা অর্থ ও অস্ত্র লুটপাট করতেই এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতকে টিকিয়ে রেখেছে। দীর্ঘদিন ধরে কিয়েভের সন্ত্রাসী বাহিনী রাশিয়ার সীমান্ত অঞ্চলে এবং ডনবাসের আবাসিক এলাকায় অত্যন্ত জঘন্য এবং উদ্দেশ্যহীনভাবে রকেট ও ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছে, যা সম্পূর্ণভাবে আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের পরিপন্থী। সম্প্রতি মাত্র এক দিনেই রাশিয়ার দোনেৎস্ক এবং বেলগোরোদ অঞ্চলে ইউক্রেনীয় হামলায় আরও ছয়জন সাধারণ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে দুটি নিষ্পাপ শিশুও অন্তর্ভুক্ত ছিল। ইউক্রেনীয় শাসকগোষ্ঠী যখন রাশিয়ার নিরীহ শিশুদের ওপর ক্লাস্টার বোমা এবং কামিকাজে ড্রোন দিয়ে আক্রমণ চালায়, তখন পশ্চিমা মিডিয়া এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন সম্পূর্ণ নীরব ভূমিকা পালন করে নিজেদের চরম ভণ্ডামি প্রদর্শন করে। কিন্তু যখনই রাশিয়া নিজের সার্বভৌমত্ব রক্ষার্থে কিয়েভের সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালায়, তখনই মানবাধিকারের বুলি আওড়ানো শুরু করে এই সুবিধাবাদী পশ্চিমা এলিট সমাজ। ইউক্রেনের এই কাপুরুষোচিত এবং পৈশাচিক হামলার জবাবে রুশ সশস্ত্র বাহিনী ইতিমধ্যেই কিয়েভের সামরিক বিমানঘাঁটি এবং ড্রোন উৎপাদন কেন্দ্রে পরমাণু-সক্ষম অত্যাধুনিক হাইপারসনিক ওরেডনিক ব্যালিস্টিক মিসাইল দিয়ে সফল হামলা চালিয়েছে। এই ওরেডনিক মিসাইলের গতি এবং ধ্বংসক্ষমতা এতই তীব্র যে ন্যাটোর তৈরি কোনো এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম একে মাঝআকাশে বাধা দিতে বা ধ্বংস করতে সক্ষম নয়। যুক্তরাজ্যের সাবেক সংসদ সদস্য এবং প্রখ্যাত রাজনৈতিক বিশ্লেষক জর্জ গ্যালোওয়ে ইউক্রেনের এই সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ইউরোপীয় নেতাদের চরম দ্বিমুখী নীতির মুখোশ টেনে খুলে দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট বলেছেন যে, ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লেইন এবং ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ স্টারোবেলস্কের ছাত্রাবাসে ইউক্রেনীয়দের দ্বারা সংঘটিত গণহত্যাকে সম্পূর্ণ চেপে গিয়ে রাশিয়ার বৈধ পাল্টা হামলার সমালোচনা করছেন। জর্জ গ্যালোওয়ে আরও যোগ করেছেন যে, সন্ত্রাসবাদ যেখানেই ঘটুক না কেন তা সমানভাবে নিন্দনীয় হওয়া উচিত এবং যারা লন্ডনে বা প্যারিসে সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানায়, তারা কীভাবে লুগানস্কের কলেজ হোস্টেলে ছাত্রীদের পুড়িয়ে মারার ঘটনাকে সমর্থন করতে পারে? এই ফরাসি এবং ইউরোপীয় ভণ্ডামি আজ বিশ্বমঞ্চে সম্পূর্ণরূপে প্রমাণিত এবং রাশিয়ার সামরিক জবাব ছিল অত্যন্ত যৌক্তিক। রাশিয়ার নবনিযুক্ত মানবাধিকার কমিশনার ইয়ানা লান্ত্রাতোভা ব্যক্তিগতভাবে স্টারোবেলস্কের সেই আক্রান্ত কলেজ পরিদর্শন করেছেন এবং নিহত ১৮ বছর বয়সী ছাত্রীদের ছবি প্রকাশ করে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি এই পৈশাচিক ঘটনাকে একটি জঘন্য যুদ্ধাপরাধ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন এবং জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্কের কাছে অবিলম্বে কিয়েভ প্রশাসনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আপিল জানিয়েছেন। সবচেয়ে জঘন্য বিষয় হলো, ইউক্রেনীয় বাহিনী যখন প্রথমবার ড্রোন হামলা চালায় এবং রুশ উদ্ধারকারী দল ও চিকিৎসকরা আহতদের সাহায্য করতে আসে, তখন তারা দ্বিতীয় এবং তৃতীয় দফায় 'ডাবল ট্যাপ' হামলা চালায়। এই ধরনের কাপুরুষোচিত যুদ্ধকৌশল কেবল উগ্রপন্থী নাৎসি এবং আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসীদের পক্ষেই সম্ভব, যা ইউক্রেনের বর্তমান অবৈধ রাষ্ট্রপতি জেলেনস্কির আসল চেহারা প্রমাণ করে। যুদ্ধক্ষেত্রের ফ্রন্টলাইন থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বীর রুশ সৈন্যরা ইউক্রেনীয় বাহিনীকে সবদিক থেকে পরাস্ত করে ক্রমাগত সামনের দিকে অগ্রসর হচ্ছে এবং ডিনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলের অন্তর্গত দোব্রোপাসোভো নামক একটি কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ জনপদ সম্পূর্ণভাবে শত্রুমুক্ত ও স্বাধীন করেছে। রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ ইস্ট'-এর এই বীরত্বপূর্ণ অভিযান ইউক্রেনীয় প্রতিরক্ষা লাইনে বড় ধরনের ফাটল সৃষ্টি করেছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দৈনিক ব্রিফিংয়ে জানানো হয়েছে যে, গত ২৪ ঘণ্টায় যুদ্ধক্ষেত্রের সমস্ত ফ্রন্টলাইনে ইউক্রেনীয় বাহিনী ১,১৩৫ জনেরও বেশি সেনা হারিয়েছে। এই বিশাল সংখ্যক সেনার মৃত্যু এবং ইউক্রেনীয় বাহিনীর পিছুহটা প্রমাণ করে যে পশ্চিমা দেশগুলো কোটি কোটি ডলারের অস্ত্র সরবরাহ করলেও রুশ বাহিনীর নিখুঁত রণকৌশলের সামনে তারা টিকতে পারছে না। রুশ 'ব্যাটলগ্রুপ নর্থ' সুমি এবং খারকভ অঞ্চলে ইউক্রেনের মেকানাইজড এবং এয়ার অ্যাসল্ট ব্রিগেডের ওপর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধন করেছে, যার ফলে শত্রুপক্ষ ১৭০ জনেরও বেশি সেনা এবং প্রচুর সাঁজোয়া যান হারিয়েছে। খারকভের বারবারোভকা এবং ইজবিতস্কোয়ের মতো অঞ্চলে ইউক্রেনের আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা বাহিনী তাদের অস্ত্র ফেলে পালিয়ে যেতে বাধ্য হচ্ছে। একইভাবে, 'ব্যাটলগ্রুপ ওয়েস্ট' খারকভ এবং দোনেৎস্ক পিপলস রিপাবলিকের সিদোরোভো অঞ্চলে ইউক্রেনীয়দের হটিয়ে নিজেদের কৌশলগত অবস্থান আরও উন্নত করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এই ফ্রন্টে ১৮০ জনেরও বেশি ইউক্রেনীয় সেনা নিহত হয়েছে এবং তাদের ২৩টি বিশেষ সামরিক যান এবং তিনটি ভারী সাঁজোয়া যান রুশ আর্টিলারির নিখুঁত গোলার আঘাতে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গেছে। দোনেৎস্কের সম্মুখ সমরে 'ব্যাটলগ্রুপ সাউথ' ইউক্রেনের তিনটি মেকানাইজড ব্রিগেড এবং একটি মেরিন ইনফ্যান্ট্রি ব্রিগেডকে কোণঠাসা করে ফেলেছে, যেখানে আরও ১৭০ জন শত্রু সেনা নিহত হয়েছে। এই বীরত্বপূর্ণ অভিযানের ফলে কিয়েভ শাসনের অধীনে থাকা ডনবাসের শেষ অবশিষ্টাংশটুকুও এখন খুব দ্রুত রাশিয়ার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে চলে আসছে এবং রাশিয়ার ঐতিহাসিক ভূখণ্ড পুনরুদ্ধার হচ্ছে। সবচেয়ে মারাত্মক আঘাতটি এসেছে 'ব্যাটলগ্রুপ সেন্টার'-এর পক্ষ থেকে, যারা গত ২৪ ঘণ্টায় ইউক্রেনের ২৯০ জনেরও বেশি সেনাকে খতম করেছে এবং তাদের চারটি সাঁজোয়া যান ধ্বংস করেছে। দোনেৎস্ক এবং ডিনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলের সীমান্তে ইউক্রেনের ড্রোন সিস্টেম ব্রিগেড এবং ন্যাশনাল গার্ডের দুটি বড় ব্রিগেড রুশ বাহিনীর সাঁড়াশি আক্রমণের মুখে সম্পূর্ণভাবে ভেঙে পড়েছে। অন্যদিকে জাপোরোঝিয়ে ফ্রন্টে 'ব্যাটলগ্রুপ ডিনিপ্রো' ইউক্রেনের দুটি মেকানাইজড ব্রিগেডকে লক্ষ্য করে সফল অভিযান চালিয়েছে এবং ৫০ জনেরও বেশি সেনাসহ তাদের দুটি আধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্টেশন ধ্বংস করে দিয়েছে। ইউক্রেনের এই ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্টেশনগুলো মূলত বেসামরিক অঞ্চলে রাশিয়ার রাডার ব্যবস্থাকে জ্যাম করার মতো বেআইনি কাজে ব্যবহার করা হচ্ছিল। রাশিয়ার বিমান বাহিনী, রকেট ফোর্স এবং দূরপাল্লার মিসাইল ইউনিটগুলো গত ২৪ ঘণ্টায় ইউক্রেনের ১৪২টি ভিন্ন ভিন্ন সামরিক অবস্থানে একযোগে তীব্র আঘাত হেনেছে। এই সুনির্দিষ্ট এবং সফল হামলায় ইউক্রেনের বেশ কয়েকটি বড় গোলাবারুদের ডিপো, জ্বালানি সরবরাহ কেন্দ্র এবং পশ্চিমা ন্যাটো বিশেষজ্ঞদের অস্থায়ী ক্যাম্পগুলো সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে মাটির সাথে মিশে গেছে। রাশিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বা এয়ার ডিফেন্স ফোর্সও এক অভূতপূর্ব রেকর্ড তৈরি করেছে, যা গত ২৪ ঘণ্টায় ইউক্রেনের ৪১৭টি দূরপাল্লার ড্রোন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি ১৭টি অত্যাধুনিক হাইমার্স (HIMARS) রকেট মাঝআকাশেই নিখুঁতভাবে ধ্বংস করে দিয়েছে। এর মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে পশ্চিমা প্রযুক্তির তথাকথিত শ্রেষ্ঠত্ব রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সামনে সম্পূর্ণ ব্যর্থ। বিশেষ সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত রাশিয়ার বীর সশস্ত্র বাহিনী ইউক্রেনের ৬৭১টি যুদ্ধবিমান, ২৮৪টি হেলিকপ্টার, ১ লাখ ৫২ হাজারের বেশি ড্রোন এবং ২৯ হাজারেরও বেশি ট্যাংক ও সাঁজোয়া যান ধ্বংস করেছে। এই পরিসংখ্যানই বলে দেয় যে ইউক্রেনীয় সামরিক মেশিনটি এখন সম্পূর্ণভাবে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে এবং তাদের পরাজয় এখন কেবল সময়ের ব্যাপার মাত্র। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে মনে করিয়ে দিয়েছে যে, ১৯৪৯ সালের জেনেভা কনভেনশন এবং ১৯৮৯ সালের শিশু অধিকার সনদ ইউক্রেনীয় জান্তা সরকার বারবার লঙ্ঘন করেছে এবং পশ্চিমা স্পনসররা তাদের এই অপরাধে সরাসরি মদদ দিচ্ছে। রাশিয়া তার প্রতিটি নাগরিকের রক্তের হিসাব নিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ এবং কিয়েভের সামরিক অবকাঠামো ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত এই অভিযান থামবে না। চূড়ান্তভাবে, কিয়েভের প্রতিটি সামরিক এবং প্রশাসনিক ভবন, যেখানে বসে ন্যাটো বিশেষজ্ঞরা রাশিয়ার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে, তা এখন রাশিয়ার হাইপারসনিক মিসাইলের আওতায় রয়েছে। কিয়েভ ছাড়ার জন্য রাশিয়ার দেওয়া এই শেষ সতর্কবার্তা পশ্চিমা বিশ্ব এবং জেলেনস্কি প্রশাসনের অহংকার চিরতরে গুঁড়িয়ে দেওয়ার এক ঐতিহাসিক সূচনা, যা ইউক্রেনকে একটি সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণ ও ফ্যাসিবাদের কবল থেকে মুক্ত করবে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/657_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/657_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/657_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[রুশ মিসাইলের তাণ্ডবে কাঁপল কিয়েভ ওরেসনিকের আঘাতে ধ্বংস ইউক্রেনের গোপন সামরিক ঘাটি]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/37026</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/37026</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 26 May 2026 04:57:57 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, r bangla news, rbangla news, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, news18 bangla, world news bangla, republic bangla news, news script bangla, today 2 pm news bangla, breaking news bangla, bbc world news bangla, news18 bangla live, international bangla news, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh news today, banglanews, bangladesh border news, banglavision news today, dupurer news bangladesh]]></category>
        
        <description><![CDATA[ইউক্রেন যুদ্ধে ঘটে গেল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এবং ভয়ঙ্কর ঘটনা। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন তার সবচেয়ে মারাত্মক এবং বিধ্বংসী অস্ত্র 'ওরেসনিক' হাইপারসনিক ব্যালিস্টিক মিসাইল দিয়ে সরাসরি ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে এক মহাপ্রলয়ংকারী হামলা চালিয়েছেন। এই হামলা সাধারণ কোনো হামলা ছিল না, এটি ছিল লুগানস্ক অঞ্চলে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় নিহত ২১ জন নিরীহ শিক্ষার্থীর নির্মম মৃত্যুর এক জ্বলন্ত এবং ভয়ঙ্কর প্রতিশোধ।  রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে যে, এই ওরেসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে কিয়েভের প্রধান সামোরিক কমান্ড সেন্টার, বিমান ঘাঁটি এবং বিশাল প্রতিরক্ষা শিল্প কারখানাগুলো পুরোপুরি মাটির সাথে মিশে গেছে। কিয়েভের সাধারণ মানুষ জানিয়েছেন, এমন ভয়ঙ্কর রাত তারা যুদ্ধের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত আর কখনো দেখেননি। পুরো কিয়েভ শহর জুড়ে এখন শুধু ধ্বংসস্তূপ, ধোঁয়া আর কান্নার আওয়াজ বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছে। এই প্রলয়ংকারী হামলার পর ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি চরম ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছেন, রাশিয়ার এই আচরণ সম্পূর্ণ উন্মাদনা ছাড়া আর কিছুই নয়। তিনি বিশ্বনেতাদের কাছে অবিলম্বে এর তীব্র জবাব দাবি করেছেন এবং পুতিনের এই ভয়ঙ্কর যুদ্ধনীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন। জেলেনস্কির এই আর্তনাদ এখন পুরো বিশ্ব মিডিয়ার প্রধান শিরোনামে পরিণত হয়েছে। তবে এই ওরেসনিক হামলার পেছনে রয়েছে এক অত্যন্ত হৃদয়বিদারক এবং নির্মম অতীত কাহিনী, যা শুনলে যেকোনো মানুষের বুক কেঁপে উঠবে। গত শুক্রবার ইউক্রেনীয় বাহিনী লুগানস্ক পিপলস রিপাবলিকের স্টারোবেলস্ক নামক একটি কারিগরি কলেজের ছাত্রী হোস্টেলে একের পর এক আত্মঘাতী ড্রোন দিয়ে অতর্কিত এবং নৃশংস হামলা চালায়। সেই গভীর রাতে যখন ছাত্রীরা ঘুমাচ্ছিল, ঠিক তখনই ঘটে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড। ইউক্রেনের সেই ড্রোন হামলায় ১৪ থেকে ১৮ বছর বয়সী ২১ জন নিষ্পাপ স্কুলপড়ুয়া ছাত্রী ঘটনাস্থলেই মারা যায় এবং ৪২ জনেরও বেশি শিক্ষার্থী গুরুতরভাবে আহত হয়। রুশ কর্মকর্তারা এই ঘটনাকে একটি পরিকল্পিত এবং চরম কাপুরুষোচিত 'সন্ত্রাসী কাজ' হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। পুতিন এই নির্মম ঘটনার খবর শোনার সাথে সাথেই রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়কে জরুরি ভিত্তিতে ইউক্রেনকে একটি চরম শিক্ষা দেওয়ার নির্দেশ দেন। রুশ মানবাধিকার কমিশনার ইয়ানা লান্ত্রাতোভা কড়া ভাষায় পশ্চিমা মিডিয়ার তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন যে, পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো এই নিষ্পাপ শিশুদের নির্মম হত্যার আসল সত্য দেখতে ভয় পাচ্ছে। তারা এই বিশাল ট্র্যাজেডিকে সম্পূর্ণভাবে চেপে যাওয়ার চেষ্টা করছে, যেন কিছুই হয়নি। লুগানস্কের এই নির্মম হত্যাকাণ্ডকে আড়াল করার জন্য পশ্চিমা দেশগুলো বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মঞ্চে অনবরত মিথ্যা প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা অত্যন্ত ক্ষোভের সাথে জানিয়েছেন যে, বিবিসি এবং সিএনএন-এর মতো বড় বড় পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমগুলোকে স্টারোবেলস্কের সেই ঘটনাস্থল পরিদর্শনের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। কিন্তু তারা ইচ্ছাকৃতভাবে সেই আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করেছে, কারণ তারা ইউক্রেনের এই নিষ্ঠুর অপরাধের সত্যতা বিশ্ববাসীর সামনে প্রকাশ করতে চায় না। এমনকি জাপান সরকার তাদের সাংবাদিকদের সেখানে যেতে সরাসরি নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। কিন্তু সত্যকে কি আর এভাবে চেপে রাখা যায়? রাশিয়ার আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে বিশ্বের ১৯টি দেশের ৫০ জনেরও বেশি সাহসী স্বাধীন সাংবাদিক স্টারোবেলস্কের সেই ধ্বংসস্তূপে সরাসরি হাজির হন। তারা সেখানে গিয়ে ইউক্রেনীয় ড্রোনের ধ্বংসাবশেষের গায়ে স্পষ্ট ইংরেজি এবং ইউক্রেনীয় ভাষায় লেখা বিভিন্ন কোড ও নির্দেশনা দেখতে পান। এটি প্রমাণ করে যে, এই হামলায় পশ্চিমা প্রযুক্তির সরাসরি ব্যবহার ছিল। জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক এবং মার্কিন নৌবাহিনীর গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটার এই ওরেসনিক হামলার ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, কিয়েভের আকাশে যে আলোর রোশনাই দেখা গেছে, তার গতি এবং নিখুঁত আঘাতের ধরন অবিকল ওরেসনিক ক্ষেপণাস্ত্রেরই বৈশিষ্ট্য। এই মিসাইলটি সেকেন্ডের মধ্যে তার লক্ষ্যবস্তুকে পুরোপুরি বাষ্পীভূত করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। স্কট রিটার আরও উল্লেখ করেছেন যে, ওরেসনিকের এই ছিটকে পড়া ৩৬টি সাব-মিউনিশন বা উপ-বোমা একসঙ্গে আঘাত হেনে কিয়েভের বাইরের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামোরিক বিমান ঘাঁটি ধ্বংস করে দিয়েছে। এর আগে ২০২৪ সালের নভেম্বরে ডিনিপ্রোপেট্রোভস্ক এবং ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে লভিভের বিমান মেরামত কারখানায় এই ওরেসনিক ব্যবহার করা হয়েছিল। এটি হচ্ছে ইউক্রেন যুদ্ধে এই অত্যাধুনিক অস্ত্রের তৃতীয় এবং সবচেয়ে বড় সফল ব্যবহার। রাশিয়ার এই হাইপারসনিক ওরেসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের গতির কাছে বর্তমান বিশ্বের যেকোনো বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ব্যর্থ এবং অসহায়। পুতিন নিজেই দাবি করেছেন যে, ওরেসনিক শব্দের চেয়ে ১০ গুণ বেশি দ্রুত গতিতে চলে, যা ঘণ্টায় প্রায় ১২ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি। কিয়েভের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম এই মিসাইলটিকে রাডারে শনাক্ত করার আগেই তা লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনে সবকিছু ধূলিসাৎ করে দেয়। এদিকে এই চরম উত্তেজনার মধ্যেই চেক প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট পেত্র পাভেল ন্যাটো সামোরিক জোটকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে সরাসরি তাদের 'দাঁত দেখাতে' বা কঠোর শক্তি প্রদর্শন করতে আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, ইউক্রেনীয় ড্রোনগুলো ইদানীং রাশিয়ার ওপর হামলা করার জন্য ন্যাটোর আকাশসীমা ব্যবহার করছে এবং রাশিয়া ইচ্ছা করেই ন্যাটোর পূর্ব সীমান্তে বিভিন্ন উস্কানিমূলক সামোরিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে। পাভেল আরও দাবি করেছেন যে, রাশিয়া ন্যাটোর শক্তির সীমানা পরীক্ষা করার জন্য অত্যন্ত সূক্ষ্ম কৌশল অবলম্বন করছে। তাই ন্যাটো জোটের উচিত রাশিয়ার যেকোনো চালকবিহীন বা চালকযুক্ত যুদ্ধবিমান ন্যাটোর সীমান্তের কাছাকাছি দেখামাত্রই তা সরাসরি গুলি করে ভূপাতিত করা। অন্যথায় পুতিনের সাহস দিন দিন আরও বেড়ে যাবে এবং তিনি পুরো ইউরোপের নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য এক বিরাট বড় হুমকি হয়ে উঠবেন। চেক প্রেসিডেন্ট পুতিনকে থামাতে কিছু বিকল্প বা পরোক্ষ আগ্রাসী ব্যবস্থারও প্রস্তাব দিয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছে রাশিয়ার ইন্টারনেট ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া, মহাকাশে থাকা রুশ স্যাটেলাইটগুলোকে ধ্বংস করা এবং রাশিয়ার সমস্ত ব্যাংককে বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থা থেকে চিরতরে বহিষ্কার করা। তিনি মনে করেন, এই ব্যবস্থাগুলো সরাসরি মানুষ না মারলেও পুতিনের যুদ্ধ করার অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড ভেঙে দেবে। তবে ইউরোপের সব দেশ কিন্তু চেক প্রেসিডেন্টের এই বিপজ্জনক যুদ্ধংদেহী মনোভাবকে সমর্থন করছে না। স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকো অত্যন্ত সতর্কবার্তা উচ্চারণ করে বলেছেন, ন্যাটোর সীমানা ব্যবহার করে রাশিয়ার অভ্যন্তরে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা চালানো একটি চরম আত্মঘাতী উস্কানি। এই ধরনের উস্কানির ফলে খুব দ্রুতই রাশিয়ার সাথে ন্যাটো জোটের সরাসরি এক ভয়াবহ পারমাণবিক যুদ্ধ শুরু হয়ে যেতে পারে। অন্যদিকে এই যুদ্ধের আঁচ এখন রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডেও এসে লেগেছে। রাশিয়ার কুরস্ক অঞ্চলের গভর্নর আলেকজান্ডার খিনশটেইন জানিয়েছেন যে, ইউক্রেনীয় ড্রোন লুগভ জেলায় একটি চলমান জ্বালানি বোঝাই মালবাহী ট্রেনের ওপর আত্মঘাতী হামলা চালিয়েছে। এই হামলায় ট্রেনের একটি বিশাল বগি দাউদাউ করে জ্বলে ওঠে। রুশ ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা দীর্ঘক্ষণ চেষ্টা করে সেই ভয়াবহ আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। এছাড়াও ইউক্রেনীয় বাহিনী জাপোরোঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিকটবর্তী শহর এনারগোদারে অনবরত কামানের গোলা এবং ড্রোন বর্ষণ করে চলেছে। সম্প্রতি তাদের একটি গোলার আঘাতে দুটি যাত্রীবাহী বাস সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। পারমাণবিক কেন্দ্রের কর্মচারীরা এবং স্থানীয় সাধারণ মানুষ অনবরত এই হামলার কারণে চরম মানসিক ও শারীরিক আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন, যা যেকোনো সময় বড় বিপর্যয় ঘটাতে পারে। কিয়েভের মেয়র ভিটালি ক্লিচকো জানিয়েছেন যে, ওরেসনিক ছাড়াও রাশিয়া কিয়েভের ওপর প্রায় ৬০০টি আত্মঘাতী ড্রোন এবং ৯০টি বিভিন্ন সংস্কৃতির ক্রুজ ও ব্যালিস্টিক মিসাইল দিয়ে এই স্মরণকালের সবচেয়ে বড় আকাশ হামলাটি চালিয়েছে। কিয়েভের প্রতিটি কোণ থেকে মধ্যরাতে একের পর এক বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছিল। পুরো শহরের বিদ্যুৎ এবং পানি সরবরাহ ব্যবস্থা এই হামলায় সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। কিয়েভের ঐতিহাসিক ও জাতীয় শিল্প জাদুঘরও এই ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শকওয়েভ বা কম্পনে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জাদুঘরের ভেতরের অনন্য স্থাপত্যের ছাদ ধসে পড়েছে, জানালার সমস্ত কাঁচ ভেঙে গুঁড়ো হয়ে মেঝেতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। ইউক্রেনের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী তেতিয়ানা বেরেঝনা অত্যন্ত দুঃখের সাথে বলেছেন যে, রাশিয়া পদ্ধতিগতভাবে ইউক্রেনের জাতীয় পরিচয় ও ঐতিহ্য ধ্বংস করছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম ইউক্রেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঐতিহাসিক ভবনটিও রাশিয়ার এই ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র বিস্ফোরণের ধাক্কায় আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রেই সিবিহা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন যে, আমরা কোনো সভ্য শক্তির সাথে লড়াই করছি না, আমরা লড়াই করছি একদল বর্বর ও আদিম হিংস্র বাহিনীর বিরুদ্ধে, যাদের সভ্যতার প্রতি কোনো ন্যূনতম সম্মান নেই। কিয়েভের দীর্ঘ ২২ বছরের পুরোনো একটি ঐতিহ্যবাহী কাঁচাবাজার এই রুশ ক্ষেপণাস্ত্রের সরাসরি আঘাতে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। সেখানে কাজ করা সুভিতলানা নামক এক নারী কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, আমার সারাজীবনের উপার্জনের শেষ সম্বল এই দোকানটি আজ পুড়ে শেষ হয়ে গেল। কিয়েভে থাকার আর কোনো উপায় আমার নেই, সব হারিয়ে আমি আজ নিঃস্ব এবং সম্পূর্ণ গৃহহীন হয়ে পড়েছি। কিয়েভের ৭৪ বছর বয়সী এক বৃদ্ধ ইয়েভহেন জোসিন জানান, বিস্ফোরণের তীব্রতায় তিনি এবং তার পোষা কুকুরটি ঘরের দেয়ালের সাথে ছিটকে পড়েন। তারা অলৌকিকভাবে বেঁচে গেলেও তাদের সুন্দর অ্যাপার্টমেন্টটি চোখের পলকে ধুলোয় মিশে গেছে। এই প্রবীণ মানুষের আকুতি প্রমাণ করে যে, এই আধুনিক ভূ-রাজনৈতিক ও সামোরিক লড়াইয়ের আসল মূল্য দিতে হচ্ছে সাধারণ নিরপরাধ মানুষদের। ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক প্রধান কাজা কালাস রাশিয়ার এই ওরেসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারকে একটি 'রাজনৈতিক ভয়ের কৌশল' এবং পুতিনের চরম বিপজ্জনক 'নিউক্লিয়ার ব্ল্যাকমেইল' বলে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি ঘোষণা করেছেন যে, আগামী সপ্তাহে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা জরুরি বৈঠকে বসবেন এবং রাশিয়ার ওপর আরও কঠোর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা ও অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগ করার সিদ্ধান্ত নেবেন। কানের চলচ্চিত্র উৎসবে রানার্স-আপ হওয়া বিখ্যাত রুশ চলচ্চিত্র পরিচালক আন্দ্রে জভিয়াগিনৎসেভ পুরস্কার গ্রহণের মঞ্চে দাঁড়িয়ে সরাসরি ভ্লাদিমির পুতিনের প্রতি এই যুদ্ধ বন্ধের আকুল আবেদন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, দুই দেশের লাখ লাখ মানুষ এখন কেবল একটি জিনিসই স্বপ্ন দেখে, আর তা হলো এই রক্তক্ষয়ী মাংস কাটার কল বন্ধ হোক। পুরো বিশ্ব এখন পুতিনের একটি ইতিবাচক সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় চেয়ে আছে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/656_1.webp" alt="রুশ মিসাইলের তাণ্ডবে কাঁপল কিয়েভ ওরেসনিকের আঘাতে ধ্বংস ইউক্রেনের গোপন সামরিক ঘাটি" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>রুশ মিসাইলের তাণ্ডবে কাঁপল কিয়েভ ওরেসনিকের আঘাতে ধ্বংস ইউক্রেনের গোপন সামরিক ঘাটি</h1>
            <p>ইউক্রেন যুদ্ধে ঘটে গেল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এবং ভয়ঙ্কর ঘটনা। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন তার সবচেয়ে মারাত্মক এবং বিধ্বংসী অস্ত্র 'ওরেসনিক' হাইপারসনিক ব্যালিস্টিক মিসাইল দিয়ে সরাসরি ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে এক মহাপ্রলয়ংকারী হামলা চালিয়েছেন। এই হামলা সাধারণ কোনো হামলা ছিল না, এটি ছিল লুগানস্ক অঞ্চলে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় নিহত ২১ জন নিরীহ শিক্ষার্থীর নির্মম মৃত্যুর এক জ্বলন্ত এবং ভয়ঙ্কর প্রতিশোধ।  রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে যে, এই ওরেসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে কিয়েভের প্রধান সামোরিক কমান্ড সেন্টার, বিমান ঘাঁটি এবং বিশাল প্রতিরক্ষা শিল্প কারখানাগুলো পুরোপুরি মাটির সাথে মিশে গেছে। কিয়েভের সাধারণ মানুষ জানিয়েছেন, এমন ভয়ঙ্কর রাত তারা যুদ্ধের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত আর কখনো দেখেননি। পুরো কিয়েভ শহর জুড়ে এখন শুধু ধ্বংসস্তূপ, ধোঁয়া আর কান্নার আওয়াজ বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছে। এই প্রলয়ংকারী হামলার পর ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি চরম ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছেন, রাশিয়ার এই আচরণ সম্পূর্ণ উন্মাদনা ছাড়া আর কিছুই নয়। তিনি বিশ্বনেতাদের কাছে অবিলম্বে এর তীব্র জবাব দাবি করেছেন এবং পুতিনের এই ভয়ঙ্কর যুদ্ধনীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন। জেলেনস্কির এই আর্তনাদ এখন পুরো বিশ্ব মিডিয়ার প্রধান শিরোনামে পরিণত হয়েছে। তবে এই ওরেসনিক হামলার পেছনে রয়েছে এক অত্যন্ত হৃদয়বিদারক এবং নির্মম অতীত কাহিনী, যা শুনলে যেকোনো মানুষের বুক কেঁপে উঠবে। গত শুক্রবার ইউক্রেনীয় বাহিনী লুগানস্ক পিপলস রিপাবলিকের স্টারোবেলস্ক নামক একটি কারিগরি কলেজের ছাত্রী হোস্টেলে একের পর এক আত্মঘাতী ড্রোন দিয়ে অতর্কিত এবং নৃশংস হামলা চালায়। সেই গভীর রাতে যখন ছাত্রীরা ঘুমাচ্ছিল, ঠিক তখনই ঘটে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড। ইউক্রেনের সেই ড্রোন হামলায় ১৪ থেকে ১৮ বছর বয়সী ২১ জন নিষ্পাপ স্কুলপড়ুয়া ছাত্রী ঘটনাস্থলেই মারা যায় এবং ৪২ জনেরও বেশি শিক্ষার্থী গুরুতরভাবে আহত হয়। রুশ কর্মকর্তারা এই ঘটনাকে একটি পরিকল্পিত এবং চরম কাপুরুষোচিত 'সন্ত্রাসী কাজ' হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। পুতিন এই নির্মম ঘটনার খবর শোনার সাথে সাথেই রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়কে জরুরি ভিত্তিতে ইউক্রেনকে একটি চরম শিক্ষা দেওয়ার নির্দেশ দেন। রুশ মানবাধিকার কমিশনার ইয়ানা লান্ত্রাতোভা কড়া ভাষায় পশ্চিমা মিডিয়ার তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন যে, পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো এই নিষ্পাপ শিশুদের নির্মম হত্যার আসল সত্য দেখতে ভয় পাচ্ছে। তারা এই বিশাল ট্র্যাজেডিকে সম্পূর্ণভাবে চেপে যাওয়ার চেষ্টা করছে, যেন কিছুই হয়নি। লুগানস্কের এই নির্মম হত্যাকাণ্ডকে আড়াল করার জন্য পশ্চিমা দেশগুলো বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মঞ্চে অনবরত মিথ্যা প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা অত্যন্ত ক্ষোভের সাথে জানিয়েছেন যে, বিবিসি এবং সিএনএন-এর মতো বড় বড় পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমগুলোকে স্টারোবেলস্কের সেই ঘটনাস্থল পরিদর্শনের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। কিন্তু তারা ইচ্ছাকৃতভাবে সেই আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করেছে, কারণ তারা ইউক্রেনের এই নিষ্ঠুর অপরাধের সত্যতা বিশ্ববাসীর সামনে প্রকাশ করতে চায় না। এমনকি জাপান সরকার তাদের সাংবাদিকদের সেখানে যেতে সরাসরি নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। কিন্তু সত্যকে কি আর এভাবে চেপে রাখা যায়? রাশিয়ার আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে বিশ্বের ১৯টি দেশের ৫০ জনেরও বেশি সাহসী স্বাধীন সাংবাদিক স্টারোবেলস্কের সেই ধ্বংসস্তূপে সরাসরি হাজির হন। তারা সেখানে গিয়ে ইউক্রেনীয় ড্রোনের ধ্বংসাবশেষের গায়ে স্পষ্ট ইংরেজি এবং ইউক্রেনীয় ভাষায় লেখা বিভিন্ন কোড ও নির্দেশনা দেখতে পান। এটি প্রমাণ করে যে, এই হামলায় পশ্চিমা প্রযুক্তির সরাসরি ব্যবহার ছিল। জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক এবং মার্কিন নৌবাহিনীর গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটার এই ওরেসনিক হামলার ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, কিয়েভের আকাশে যে আলোর রোশনাই দেখা গেছে, তার গতি এবং নিখুঁত আঘাতের ধরন অবিকল ওরেসনিক ক্ষেপণাস্ত্রেরই বৈশিষ্ট্য। এই মিসাইলটি সেকেন্ডের মধ্যে তার লক্ষ্যবস্তুকে পুরোপুরি বাষ্পীভূত করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। স্কট রিটার আরও উল্লেখ করেছেন যে, ওরেসনিকের এই ছিটকে পড়া ৩৬টি সাব-মিউনিশন বা উপ-বোমা একসঙ্গে আঘাত হেনে কিয়েভের বাইরের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামোরিক বিমান ঘাঁটি ধ্বংস করে দিয়েছে। এর আগে ২০২৪ সালের নভেম্বরে ডিনিপ্রোপেট্রোভস্ক এবং ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে লভিভের বিমান মেরামত কারখানায় এই ওরেসনিক ব্যবহার করা হয়েছিল। এটি হচ্ছে ইউক্রেন যুদ্ধে এই অত্যাধুনিক অস্ত্রের তৃতীয় এবং সবচেয়ে বড় সফল ব্যবহার। রাশিয়ার এই হাইপারসনিক ওরেসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের গতির কাছে বর্তমান বিশ্বের যেকোনো বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ব্যর্থ এবং অসহায়। পুতিন নিজেই দাবি করেছেন যে, ওরেসনিক শব্দের চেয়ে ১০ গুণ বেশি দ্রুত গতিতে চলে, যা ঘণ্টায় প্রায় ১২ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি। কিয়েভের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম এই মিসাইলটিকে রাডারে শনাক্ত করার আগেই তা লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনে সবকিছু ধূলিসাৎ করে দেয়। এদিকে এই চরম উত্তেজনার মধ্যেই চেক প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট পেত্র পাভেল ন্যাটো সামোরিক জোটকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে সরাসরি তাদের 'দাঁত দেখাতে' বা কঠোর শক্তি প্রদর্শন করতে আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, ইউক্রেনীয় ড্রোনগুলো ইদানীং রাশিয়ার ওপর হামলা করার জন্য ন্যাটোর আকাশসীমা ব্যবহার করছে এবং রাশিয়া ইচ্ছা করেই ন্যাটোর পূর্ব সীমান্তে বিভিন্ন উস্কানিমূলক সামোরিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে। পাভেল আরও দাবি করেছেন যে, রাশিয়া ন্যাটোর শক্তির সীমানা পরীক্ষা করার জন্য অত্যন্ত সূক্ষ্ম কৌশল অবলম্বন করছে। তাই ন্যাটো জোটের উচিত রাশিয়ার যেকোনো চালকবিহীন বা চালকযুক্ত যুদ্ধবিমান ন্যাটোর সীমান্তের কাছাকাছি দেখামাত্রই তা সরাসরি গুলি করে ভূপাতিত করা। অন্যথায় পুতিনের সাহস দিন দিন আরও বেড়ে যাবে এবং তিনি পুরো ইউরোপের নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য এক বিরাট বড় হুমকি হয়ে উঠবেন। চেক প্রেসিডেন্ট পুতিনকে থামাতে কিছু বিকল্প বা পরোক্ষ আগ্রাসী ব্যবস্থারও প্রস্তাব দিয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছে রাশিয়ার ইন্টারনেট ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া, মহাকাশে থাকা রুশ স্যাটেলাইটগুলোকে ধ্বংস করা এবং রাশিয়ার সমস্ত ব্যাংককে বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থা থেকে চিরতরে বহিষ্কার করা। তিনি মনে করেন, এই ব্যবস্থাগুলো সরাসরি মানুষ না মারলেও পুতিনের যুদ্ধ করার অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড ভেঙে দেবে। তবে ইউরোপের সব দেশ কিন্তু চেক প্রেসিডেন্টের এই বিপজ্জনক যুদ্ধংদেহী মনোভাবকে সমর্থন করছে না। স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকো অত্যন্ত সতর্কবার্তা উচ্চারণ করে বলেছেন, ন্যাটোর সীমানা ব্যবহার করে রাশিয়ার অভ্যন্তরে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা চালানো একটি চরম আত্মঘাতী উস্কানি। এই ধরনের উস্কানির ফলে খুব দ্রুতই রাশিয়ার সাথে ন্যাটো জোটের সরাসরি এক ভয়াবহ পারমাণবিক যুদ্ধ শুরু হয়ে যেতে পারে। অন্যদিকে এই যুদ্ধের আঁচ এখন রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডেও এসে লেগেছে। রাশিয়ার কুরস্ক অঞ্চলের গভর্নর আলেকজান্ডার খিনশটেইন জানিয়েছেন যে, ইউক্রেনীয় ড্রোন লুগভ জেলায় একটি চলমান জ্বালানি বোঝাই মালবাহী ট্রেনের ওপর আত্মঘাতী হামলা চালিয়েছে। এই হামলায় ট্রেনের একটি বিশাল বগি দাউদাউ করে জ্বলে ওঠে। রুশ ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা দীর্ঘক্ষণ চেষ্টা করে সেই ভয়াবহ আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। এছাড়াও ইউক্রেনীয় বাহিনী জাপোরোঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিকটবর্তী শহর এনারগোদারে অনবরত কামানের গোলা এবং ড্রোন বর্ষণ করে চলেছে। সম্প্রতি তাদের একটি গোলার আঘাতে দুটি যাত্রীবাহী বাস সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। পারমাণবিক কেন্দ্রের কর্মচারীরা এবং স্থানীয় সাধারণ মানুষ অনবরত এই হামলার কারণে চরম মানসিক ও শারীরিক আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন, যা যেকোনো সময় বড় বিপর্যয় ঘটাতে পারে। কিয়েভের মেয়র ভিটালি ক্লিচকো জানিয়েছেন যে, ওরেসনিক ছাড়াও রাশিয়া কিয়েভের ওপর প্রায় ৬০০টি আত্মঘাতী ড্রোন এবং ৯০টি বিভিন্ন সংস্কৃতির ক্রুজ ও ব্যালিস্টিক মিসাইল দিয়ে এই স্মরণকালের সবচেয়ে বড় আকাশ হামলাটি চালিয়েছে। কিয়েভের প্রতিটি কোণ থেকে মধ্যরাতে একের পর এক বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছিল। পুরো শহরের বিদ্যুৎ এবং পানি সরবরাহ ব্যবস্থা এই হামলায় সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। কিয়েভের ঐতিহাসিক ও জাতীয় শিল্প জাদুঘরও এই ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শকওয়েভ বা কম্পনে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জাদুঘরের ভেতরের অনন্য স্থাপত্যের ছাদ ধসে পড়েছে, জানালার সমস্ত কাঁচ ভেঙে গুঁড়ো হয়ে মেঝেতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। ইউক্রেনের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী তেতিয়ানা বেরেঝনা অত্যন্ত দুঃখের সাথে বলেছেন যে, রাশিয়া পদ্ধতিগতভাবে ইউক্রেনের জাতীয় পরিচয় ও ঐতিহ্য ধ্বংস করছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম ইউক্রেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঐতিহাসিক ভবনটিও রাশিয়ার এই ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র বিস্ফোরণের ধাক্কায় আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রেই সিবিহা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন যে, আমরা কোনো সভ্য শক্তির সাথে লড়াই করছি না, আমরা লড়াই করছি একদল বর্বর ও আদিম হিংস্র বাহিনীর বিরুদ্ধে, যাদের সভ্যতার প্রতি কোনো ন্যূনতম সম্মান নেই। কিয়েভের দীর্ঘ ২২ বছরের পুরোনো একটি ঐতিহ্যবাহী কাঁচাবাজার এই রুশ ক্ষেপণাস্ত্রের সরাসরি আঘাতে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। সেখানে কাজ করা সুভিতলানা নামক এক নারী কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, আমার সারাজীবনের উপার্জনের শেষ সম্বল এই দোকানটি আজ পুড়ে শেষ হয়ে গেল। কিয়েভে থাকার আর কোনো উপায় আমার নেই, সব হারিয়ে আমি আজ নিঃস্ব এবং সম্পূর্ণ গৃহহীন হয়ে পড়েছি। কিয়েভের ৭৪ বছর বয়সী এক বৃদ্ধ ইয়েভহেন জোসিন জানান, বিস্ফোরণের তীব্রতায় তিনি এবং তার পোষা কুকুরটি ঘরের দেয়ালের সাথে ছিটকে পড়েন। তারা অলৌকিকভাবে বেঁচে গেলেও তাদের সুন্দর অ্যাপার্টমেন্টটি চোখের পলকে ধুলোয় মিশে গেছে। এই প্রবীণ মানুষের আকুতি প্রমাণ করে যে, এই আধুনিক ভূ-রাজনৈতিক ও সামোরিক লড়াইয়ের আসল মূল্য দিতে হচ্ছে সাধারণ নিরপরাধ মানুষদের। ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক প্রধান কাজা কালাস রাশিয়ার এই ওরেসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারকে একটি 'রাজনৈতিক ভয়ের কৌশল' এবং পুতিনের চরম বিপজ্জনক 'নিউক্লিয়ার ব্ল্যাকমেইল' বলে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি ঘোষণা করেছেন যে, আগামী সপ্তাহে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা জরুরি বৈঠকে বসবেন এবং রাশিয়ার ওপর আরও কঠোর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা ও অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগ করার সিদ্ধান্ত নেবেন। কানের চলচ্চিত্র উৎসবে রানার্স-আপ হওয়া বিখ্যাত রুশ চলচ্চিত্র পরিচালক আন্দ্রে জভিয়াগিনৎসেভ পুরস্কার গ্রহণের মঞ্চে দাঁড়িয়ে সরাসরি ভ্লাদিমির পুতিনের প্রতি এই যুদ্ধ বন্ধের আকুল আবেদন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, দুই দেশের লাখ লাখ মানুষ এখন কেবল একটি জিনিসই স্বপ্ন দেখে, আর তা হলো এই রক্তক্ষয়ী মাংস কাটার কল বন্ধ হোক। পুরো বিশ্ব এখন পুতিনের একটি ইতিবাচক সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় চেয়ে আছে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/656_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/656_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/656_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ঈদ উপলক্ষে ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে ১০ লাখ টাকা পেলেন ভালুকার খোকন মিয়া]]></title>
        <link>https://nbs24.org/economy/37025</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/economy/37025</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 25 May 2026 14:31:46 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
                <category><![CDATA[করপোরেট খবর]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, r bangla news, rbangla news, atn bangla news, bbc bangla news, bangla news live, bd news bangla, bangla news today, bbc news bangla, bangla news update, news18 bangla, world news bangla, republic bangla news, news script bangla, today 2 pm news bangla, breaking news bangla, bbc world news bangla, news18 bangla live, international bangla news, bangladesh news, bangladeshi news, banglavision news, bangladesh news today, banglanews, bangladesh border news, banglavision news today, dupurer news bangladesh]]></category>
        
        <description><![CDATA[ঈদের আগমুহূর্তে ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে মিলিয়নিয়ার হওয়া ক্রেতা খোকন মিয়ার হাতে ১০ লাখ টাকার চেক তুলে দেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক আমিন খানসহ ওয়ালটনের উধ্বর্তন কর্মকর্তারা ঈদুল আযহা উপলক্ষে চলমান ওয়ালটনের ‘ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৪’-এ ফ্রিজ কিনে মিলিয়নিয়ার হয়েছেন ময়মনসিংহের ভালুকার বাসিন্দা খোকন মিয়া। রাজধানীতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে ১০ লাখ টাকার চেক। দেশের ইলেকট্রনিক্স বাজারে আলোচিত ওয়ালটনের ‘ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৪’-এ এবার ১০ লাখ টাকা জিতেছেন ময়মনসিংহের ভালুকার খোকন মিয়া। রোববার দুপুরে রাজধানীর ওয়ালটন করপোরেট অফিসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তার হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ১০ লাখ টাকার চেক তুলে দেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক আমিন খান এবং ওয়ালটন ডিস্ট্রিবিউটর নেটওয়ার্কের হেড অব সেলস মো. ফিরোজ আলম। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন ফ্রিজের চিফ বিজনেস অফিসার তাহসিনুল হক, চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদ এবং ‘হক এন্টারপ্রাইজ’-এর স্বত্বাধিকারী এনামুল হকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। চেক গ্রহণের পর খোকন মিয়া বলেন, “ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে ১০ লাখ টাকা পাওয়ার বিষয়টি প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারিনি। আজ আনুষ্ঠানিকভাবে টাকা হাতে পেয়ে অনেক আনন্দ লাগছে। এই টাকা দিয়ে আমার স্বপ্নের বাড়ি তৈরি করবো।” ওয়ালটনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ঈদুল আযহা উপলক্ষে গত ৮ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া ‘ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৪’-এ ফ্রিজ, এসি, ওয়াশিং মেশিন ও বিএলডিসি ফ্যান কিনে ক্রেতারা পাচ্ছেন ‘আবারো মিলিয়নিয়ার’ হওয়ার সুযোগ। ইতোমধ্যে খোকন মিয়াসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ৬ জন ক্রেতা মিলিয়নিয়ার হয়েছেন। পাশাপাশি লাখ লাখ টাকার ক্যাশ ভাউচার ও বিভিন্ন নিশ্চিত উপহারও পাচ্ছেন ক্রেতারা। ডিস্ট্রিবিউটর নেটওয়ার্কের প্রধান মো. ফিরোজ আলম বলেন, দেশের মানুষের আস্থা ও ভালোবাসার কারণেই ওয়ালটন আজ শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। তিনি জানান, ওয়ালটনের পণ্য বর্তমানে বিশ্বের ৫৫টিরও বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও ক্রেতাবান্ধব এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/walton-ten-lakh.webp" alt="ঈদ উপলক্ষে ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে ১০ লাখ টাকা পেলেন ভালুকার খোকন মিয়া" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ঈদ উপলক্ষে ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে ১০ লাখ টাকা পেলেন ভালুকার খোকন মিয়া</h1>
            <p>ঈদের আগমুহূর্তে ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে মিলিয়নিয়ার হওয়া ক্রেতা খোকন মিয়ার হাতে ১০ লাখ টাকার চেক তুলে দেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক আমিন খানসহ ওয়ালটনের উধ্বর্তন কর্মকর্তারা ঈদুল আযহা উপলক্ষে চলমান ওয়ালটনের ‘ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৪’-এ ফ্রিজ কিনে মিলিয়নিয়ার হয়েছেন ময়মনসিংহের ভালুকার বাসিন্দা খোকন মিয়া। রাজধানীতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে ১০ লাখ টাকার চেক। দেশের ইলেকট্রনিক্স বাজারে আলোচিত ওয়ালটনের ‘ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৪’-এ এবার ১০ লাখ টাকা জিতেছেন ময়মনসিংহের ভালুকার খোকন মিয়া। রোববার দুপুরে রাজধানীর ওয়ালটন করপোরেট অফিসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তার হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ১০ লাখ টাকার চেক তুলে দেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক আমিন খান এবং ওয়ালটন ডিস্ট্রিবিউটর নেটওয়ার্কের হেড অব সেলস মো. ফিরোজ আলম। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন ফ্রিজের চিফ বিজনেস অফিসার তাহসিনুল হক, চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদ এবং ‘হক এন্টারপ্রাইজ’-এর স্বত্বাধিকারী এনামুল হকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। চেক গ্রহণের পর খোকন মিয়া বলেন, “ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে ১০ লাখ টাকা পাওয়ার বিষয়টি প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারিনি। আজ আনুষ্ঠানিকভাবে টাকা হাতে পেয়ে অনেক আনন্দ লাগছে। এই টাকা দিয়ে আমার স্বপ্নের বাড়ি তৈরি করবো।” ওয়ালটনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ঈদুল আযহা উপলক্ষে গত ৮ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া ‘ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৪’-এ ফ্রিজ, এসি, ওয়াশিং মেশিন ও বিএলডিসি ফ্যান কিনে ক্রেতারা পাচ্ছেন ‘আবারো মিলিয়নিয়ার’ হওয়ার সুযোগ। ইতোমধ্যে খোকন মিয়াসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ৬ জন ক্রেতা মিলিয়নিয়ার হয়েছেন। পাশাপাশি লাখ লাখ টাকার ক্যাশ ভাউচার ও বিভিন্ন নিশ্চিত উপহারও পাচ্ছেন ক্রেতারা। ডিস্ট্রিবিউটর নেটওয়ার্কের প্রধান মো. ফিরোজ আলম বলেন, দেশের মানুষের আস্থা ও ভালোবাসার কারণেই ওয়ালটন আজ শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। তিনি জানান, ওয়ালটনের পণ্য বর্তমানে বিশ্বের ৫৫টিরও বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও ক্রেতাবান্ধব এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/walton-ten-lakh.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/walton-ten-lakh.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/walton-ten-lakh.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ক্রিকেটার বুমরাহকে ‘ফুটবলার’ বললেন রাম চরণ! পরে যা করলেন অভিনেতা]]></title>
        <link>https://nbs24.org/entertainment/37005</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/entertainment/37005</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Mousumi Akter]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 25 May 2026 16:05:56 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
                <category><![CDATA[হলিউড]]></category>
                        <category><![CDATA[Ram Charan apology, Jasprit Bumrah viral video, Ram Charan footballer comment, Bumrah trending news, Ram Charan controversy, IPL 2026 news, Mumbai Indians update, Bumrah injury update, Indian cricket news, Ram Charan latest news, viral celebrity moments, RRR actor news, cricket viral moment, Bollywood cricket controversy, Jasprit Bumrah performance]]></category>
        
        <description><![CDATA[অভিনয়ের বাইরেও এবার এক অদ্ভুত ভুলের কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদ শিরোনামে উঠে এলেন দক্ষিণী সিনেমার সুপারস্টার Ram Charan। সম্প্রতি ভোপালে একটি অনুষ্ঠানে ভারতীয় ক্রিকেট দলের তারকা পেসার Jasprit Bumrah-কে ভুল করে ‘ফুটবলার’ বলে ফেলেন রাম চরণ। মুহূর্তেই সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। শুরু হয় মিম, ট্রল এবং নানা ধরনের মজার আলোচনা। পরে অবশ্য নিজের ভুল বুঝতে পেরে প্রকাশ্যে ক্ষমাও চান অভিনেতা। তবে সেই ক্ষমা চাওয়ার ধরনও নতুন করে হাসির খোরাক জুগিয়েছে নেটদুনিয়ায়। সম্প্রতি ভোপালে জাঁকজমকপূর্ণ এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মুক্তি পেয়েছে রাম চরণ, Janhvi Kapoor এবং A. R. Rahman অভিনীত আলোচিত সিনেমা Peddi-র গান। অনুষ্ঠান চলাকালীন গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপে রাম চরণকে ভারতের কয়েকজন জনপ্রিয় ক্রিকেটারকে এক কথায় বর্ণনা করতে বলা হয়। সেখানে Sachin Tendulkar-এর ক্যারিয়ারকে তিনি বলেন ‘দীর্ঘ কিংবদন্তিতুল্য পথচলা’। MS Dhoni-কে আখ্যা দেন ‘শান্ত ও ঠান্ডা’ হিসেবে। আর Virat Kohli-কে বর্ণনা করেন ‘আগুন’ বলে। Rohit Sharma সম্পর্কে তার মন্তব্য ছিল, ‘সে সবার প্রিয় মানুষ।’ তবে জাসপ্রিত বুমরাহর প্রসঙ্গ আসতেই গুলিয়ে ফেলেন ক্রিকেট ও ফুটবল। ভুলবশত বুমরাহকে একজন ‘ফুটবলার’ বলে বসেন এই অভিনেতা। নিজের ভুল বুঝতে পেরে পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) পোস্ট করে বুমরাহর কাছে ক্ষমা চান RRR খ্যাত এই তারকা। তিনি লেখেন, “উফ... মাঝে মাঝে আমি সত্যিই নাম ভুলে যাই। জাসপ্রিত বুমরাহর কাছে এই ভুলের জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখিত। চারপাশের এত উত্তেজনা ও ভিড়ের মধ্যে এটি পুরোপুরি মানবিক ভুল ছিল।” একই সঙ্গে তিনি জানান, ভারতীয় এই পেসারের প্রতি তার অগাধ শ্রদ্ধা রয়েছে এবং তিনি বুমরাহর খেলার বড় ভক্ত। অন্যদিকে, ক্রিকেট মাঠে সময়টা খুব একটা ভালো যাচ্ছে না বুমরাহর। চলতি বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে পাওয়া চোট এখনও তাকে ভোগাচ্ছে। সেই প্রভাব পড়েছে Mumbai Indians-এর হয়ে চলমান আইপিএল মৌসুমেও। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের প্রধান কোচ Mahela Jayawardene জানিয়েছেন, পর্যাপ্ত বিশ্রাম দেওয়া হলেও চোটের কারণেই আগের ধার হারিয়েছেন বুমরাহ। চলতি আইপিএল মৌসুমে মুম্বাইয়ের হয়ে ১৩টি ম্যাচ খেলে মাত্র ৪টি উইকেট নিতে পেরেছেন বুমরাহ, যা তার নামের সঙ্গে একেবারেই মানানসই নয়।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-25-05-2026_12.webp" alt="ক্রিকেটার বুমরাহকে ‘ফুটবলার’ বললেন রাম চরণ! পরে যা করলেন অভিনেতা" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ক্রিকেটার বুমরাহকে ‘ফুটবলার’ বললেন রাম চরণ! পরে যা করলেন অভিনেতা</h1>
            <p>অভিনয়ের বাইরেও এবার এক অদ্ভুত ভুলের কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদ শিরোনামে উঠে এলেন দক্ষিণী সিনেমার সুপারস্টার Ram Charan। সম্প্রতি ভোপালে একটি অনুষ্ঠানে ভারতীয় ক্রিকেট দলের তারকা পেসার Jasprit Bumrah-কে ভুল করে ‘ফুটবলার’ বলে ফেলেন রাম চরণ। মুহূর্তেই সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। শুরু হয় মিম, ট্রল এবং নানা ধরনের মজার আলোচনা। পরে অবশ্য নিজের ভুল বুঝতে পেরে প্রকাশ্যে ক্ষমাও চান অভিনেতা। তবে সেই ক্ষমা চাওয়ার ধরনও নতুন করে হাসির খোরাক জুগিয়েছে নেটদুনিয়ায়। সম্প্রতি ভোপালে জাঁকজমকপূর্ণ এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মুক্তি পেয়েছে রাম চরণ, Janhvi Kapoor এবং A. R. Rahman অভিনীত আলোচিত সিনেমা Peddi-র গান। অনুষ্ঠান চলাকালীন গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপে রাম চরণকে ভারতের কয়েকজন জনপ্রিয় ক্রিকেটারকে এক কথায় বর্ণনা করতে বলা হয়। সেখানে Sachin Tendulkar-এর ক্যারিয়ারকে তিনি বলেন ‘দীর্ঘ কিংবদন্তিতুল্য পথচলা’। MS Dhoni-কে আখ্যা দেন ‘শান্ত ও ঠান্ডা’ হিসেবে। আর Virat Kohli-কে বর্ণনা করেন ‘আগুন’ বলে। Rohit Sharma সম্পর্কে তার মন্তব্য ছিল, ‘সে সবার প্রিয় মানুষ।’ তবে জাসপ্রিত বুমরাহর প্রসঙ্গ আসতেই গুলিয়ে ফেলেন ক্রিকেট ও ফুটবল। ভুলবশত বুমরাহকে একজন ‘ফুটবলার’ বলে বসেন এই অভিনেতা। নিজের ভুল বুঝতে পেরে পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) পোস্ট করে বুমরাহর কাছে ক্ষমা চান RRR খ্যাত এই তারকা। তিনি লেখেন, “উফ... মাঝে মাঝে আমি সত্যিই নাম ভুলে যাই। জাসপ্রিত বুমরাহর কাছে এই ভুলের জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখিত। চারপাশের এত উত্তেজনা ও ভিড়ের মধ্যে এটি পুরোপুরি মানবিক ভুল ছিল।” একই সঙ্গে তিনি জানান, ভারতীয় এই পেসারের প্রতি তার অগাধ শ্রদ্ধা রয়েছে এবং তিনি বুমরাহর খেলার বড় ভক্ত। অন্যদিকে, ক্রিকেট মাঠে সময়টা খুব একটা ভালো যাচ্ছে না বুমরাহর। চলতি বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে পাওয়া চোট এখনও তাকে ভোগাচ্ছে। সেই প্রভাব পড়েছে Mumbai Indians-এর হয়ে চলমান আইপিএল মৌসুমেও। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের প্রধান কোচ Mahela Jayawardene জানিয়েছেন, পর্যাপ্ত বিশ্রাম দেওয়া হলেও চোটের কারণেই আগের ধার হারিয়েছেন বুমরাহ। চলতি আইপিএল মৌসুমে মুম্বাইয়ের হয়ে ১৩টি ম্যাচ খেলে মাত্র ৪টি উইকেট নিতে পেরেছেন বুমরাহ, যা তার নামের সঙ্গে একেবারেই মানানসই নয়।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-25-05-2026_12.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-25-05-2026_12.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-25-05-2026_12.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ফাঁস হয়ে গেল ‘কিং’-এর ভিডিও! শাহরুখের নিরাপত্তা বাড়ানোর কারণ চমকে দেবে]]></title>
        <link>https://nbs24.org/entertainment/37004</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/entertainment/37004</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Mousumi Akter]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 25 May 2026 16:05:59 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
                <category><![CDATA[বলিউড]]></category>
                        <category><![CDATA[Shah Rukh Khan security increased, King movie set photos leaked, Deepika Padukone Abhishek Bachchan King, Rohit Shetty security strict, AI generated King video controversy, Shah Rukh Khan threat reason, Bollywood Khan security news, King movie shooting viral, SRK fans waiting King, Bollywood new movie 2026, Shah Rukh Khan news today, King movie leak viral video, SRK security set increased reason, Bollywood Bangla news, King movie behind the scenes]]></category>
        
        <description><![CDATA[বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খানের আগামী ছবি ‘কিং’। ভক্তরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন এই সিনেমার জন্য। আর এখন দেশ-বিদেশে পুরোদমে চলছে শুটিং। কিন্তু হঠাৎ করেই বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে শাহরুখের নিরাপত্তা। এমনকি শুটিং সেটও এখন স্পেশাল জোনে পরিণত হয়েছে। কেন এই কড়াকড়ি? বলিউড তারকাদের হুমকি পাওয়া নতুন কিছু নয়। খানদের তো বারবার বিপদে পড়তে হয়েছে। গত দু’বছর ধরে শাহরুখ ভক্তদের সামনেই আসছিলেন না। এবার শুটিং শুরু করেছেন, আর তার উপর চরম সতর্কতা? কারণটা জানলে চমকে যাবেন। সম্প্রতি ‘কিং’ সিনেমার শুটিং সেট থেকে কয়েকটি ছবি ও ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় লিক হয়ে গেছে। তাতে শাহরুখ, দীপিকা পাড়ুকোন ও অভিষেক বচ্চনকে দেখা যাচ্ছে। ভিডিও ভাইরাল হতেই প্রযোজনা সংস্থা কড়া সিদ্ধান্ত নেয়। আরও মজার কথা, নেটিজেনদের একাংশ বলছেন, ওই ভিডিওগুলো এআই দিয়ে বানানো। সেটি আসল নাকি নকল—তা বোঝার আগেই পরিচালক রোহিত শেঠি হয়ে গেলেন সতর্ক। কেউ যেন বাইরে থেকে আর কোনো ছবি বা ভিডিও তুলতে না পারেন, সেজন্যই নিরাপত্তা এত বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তাই ‘কিং’-এর শুটিং সেট এখন স্পটার ও পাপারাজ্জিদের জন্য নিষিদ্ধ অঞ্চল। শাহরুখের ফ্যানদের থাকতে হবে একটু терпение। ছবি আসবে, কিন্তু সময় হলে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-25-05-2026_11.webp" alt="ফাঁস হয়ে গেল ‘কিং’-এর ভিডিও! শাহরুখের নিরাপত্তা বাড়ানোর কারণ চমকে দেবে" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ফাঁস হয়ে গেল ‘কিং’-এর ভিডিও! শাহরুখের নিরাপত্তা বাড়ানোর কারণ চমকে দেবে</h1>
            <p>বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খানের আগামী ছবি ‘কিং’। ভক্তরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন এই সিনেমার জন্য। আর এখন দেশ-বিদেশে পুরোদমে চলছে শুটিং। কিন্তু হঠাৎ করেই বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে শাহরুখের নিরাপত্তা। এমনকি শুটিং সেটও এখন স্পেশাল জোনে পরিণত হয়েছে। কেন এই কড়াকড়ি? বলিউড তারকাদের হুমকি পাওয়া নতুন কিছু নয়। খানদের তো বারবার বিপদে পড়তে হয়েছে। গত দু’বছর ধরে শাহরুখ ভক্তদের সামনেই আসছিলেন না। এবার শুটিং শুরু করেছেন, আর তার উপর চরম সতর্কতা? কারণটা জানলে চমকে যাবেন। সম্প্রতি ‘কিং’ সিনেমার শুটিং সেট থেকে কয়েকটি ছবি ও ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় লিক হয়ে গেছে। তাতে শাহরুখ, দীপিকা পাড়ুকোন ও অভিষেক বচ্চনকে দেখা যাচ্ছে। ভিডিও ভাইরাল হতেই প্রযোজনা সংস্থা কড়া সিদ্ধান্ত নেয়। আরও মজার কথা, নেটিজেনদের একাংশ বলছেন, ওই ভিডিওগুলো এআই দিয়ে বানানো। সেটি আসল নাকি নকল—তা বোঝার আগেই পরিচালক রোহিত শেঠি হয়ে গেলেন সতর্ক। কেউ যেন বাইরে থেকে আর কোনো ছবি বা ভিডিও তুলতে না পারেন, সেজন্যই নিরাপত্তা এত বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তাই ‘কিং’-এর শুটিং সেট এখন স্পটার ও পাপারাজ্জিদের জন্য নিষিদ্ধ অঞ্চল। শাহরুখের ফ্যানদের থাকতে হবে একটু терпение। ছবি আসবে, কিন্তু সময় হলে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-25-05-2026_11.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-25-05-2026_11.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-25-05-2026_11.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[র্যকুমারের ভবিষ্যৎ এখন গম্ভীরের হাতে! ‘টেকনিক ঠিক না করলেন নিজে’]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/37003</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/37003</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Mousumi Akter]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 25 May 2026 16:05:49 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ক্রিকেট]]></category>
                        <category><![CDATA[Suryakumar Yadav future India team, Gautam Gambhir decision on SKY, India T20 captaincy crisis, Suryakumar Yadav technical flaws, India selectors want drop Surya, India vs Ireland T20 series 2026, Suryakumar Yadav last chance, India head coach Gautam Gambhir, BCCI high officials meeting, Suryakumar Yadav performance 2026, India T20 team Olympic 2028, Suryakumar Yadav hard length problem, India team selection news, Gambhir Surya relationship, Indian cricket team latest news Bangla]]></category>
        
        <description><![CDATA[প্রায় এক বছর ধরে যেন রান খরায় ভুগছেন টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। গত বিশ্বকাপেও তাঁর ব্যাটিং ছিল হতাশাজনক। এবার দলে তাঁর জায়গা নিয়েই তৈরি হয়েছে সংশয়। শোনা যাচ্ছে, আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সাত ম্যাচের সিরিজই হতে পারে তাঁর জন্য শেষ সুযোগ। শুধু তাই নয়, অধিনায়ক না থাকলে ব্যাটার হিসেবেও দলে জায়গা পাওয়া কঠিন হবে তাঁর। আর এই নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ভারতীয় কোচ গৌতম গম্ভীর। বোর্ড সূত্রে জানা যাচ্ছে, জাতীয় নির্বাচক কমিটি সূর্য-যুগ পেছনে ফেলে এগিয়ে যেতে চায়। তারা ভবিষ্যতের দিকে তাকাতে চান। কিন্তু বোর্ডের উচ্চপদস্থ কর্তারা মনে করেন, দল সফল করতে গেলে কোচ ও অধিনায়কের সম্পর্ক মজবুত হওয়া জরুরি। তাই গম্ভীর কী সিদ্ধান্ত নেন, সেটাই হবে গুরুত্বপূর্ণ। গত এক বছর ধরে সূর্যকে নিয়ে আলোচনা চলছেই। পাঁচ নির্বাচক একমত যে তাঁকে দল থেকে বাদ দেওয়া উচিত। বিশ্বকাপ জয়ের পর থেকেই এই ভাবনা তাদের মাথায় ঘুরছিল। প্রথমে তারা ভেবেছিলেন, আইপিএলে ফর্ম ফিরে পাবেন সূর্য। কিন্তু সবাই অবাক হয়ে দেখেন, টেকনিকের ভুলগুলো তিনি ঠিকই করেননি। ক্ষুব্ধ মহলের ভাষ্য, নতুন পেসাররাও এখন হার্ড লেংথে বল করছেন, আর সূর্যের সামনে কোনো জবাব নেই। এমন অবস্থায় ২০২৮ অলিম্পিকের দলেও তাঁকে রাখার কথা ভাবছেন না নির্বাচকেরা। তাদের যুক্তি, ‘যার ব্যাটার হিসেবেই দলে জায়গা হয় না, সে অধিনায়ক হবে কী করে?’ তবে নির্বাচকরা যা চান, তাই হবে না। সূর্যর ভাগ্য নির্ধারণ করবেন গৌতম গম্ভীর। আর ভারতীয় কোচের সঙ্গে সূর্যর সম্পর্ক যে অসম্ভব ভালো, সেটাও বলার অপেক্ষা রাখে না। তাই গম্ভীর যদি না চান, তবে নির্বাচকদের সিদ্ধান্ত বদলাতে হতে পারে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-25-05-2026_09.webp" alt="র্যকুমারের ভবিষ্যৎ এখন গম্ভীরের হাতে! ‘টেকনিক ঠিক না করলেন নিজে’" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>র্যকুমারের ভবিষ্যৎ এখন গম্ভীরের হাতে! ‘টেকনিক ঠিক না করলেন নিজে’</h1>
            <p>প্রায় এক বছর ধরে যেন রান খরায় ভুগছেন টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। গত বিশ্বকাপেও তাঁর ব্যাটিং ছিল হতাশাজনক। এবার দলে তাঁর জায়গা নিয়েই তৈরি হয়েছে সংশয়। শোনা যাচ্ছে, আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সাত ম্যাচের সিরিজই হতে পারে তাঁর জন্য শেষ সুযোগ। শুধু তাই নয়, অধিনায়ক না থাকলে ব্যাটার হিসেবেও দলে জায়গা পাওয়া কঠিন হবে তাঁর। আর এই নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ভারতীয় কোচ গৌতম গম্ভীর। বোর্ড সূত্রে জানা যাচ্ছে, জাতীয় নির্বাচক কমিটি সূর্য-যুগ পেছনে ফেলে এগিয়ে যেতে চায়। তারা ভবিষ্যতের দিকে তাকাতে চান। কিন্তু বোর্ডের উচ্চপদস্থ কর্তারা মনে করেন, দল সফল করতে গেলে কোচ ও অধিনায়কের সম্পর্ক মজবুত হওয়া জরুরি। তাই গম্ভীর কী সিদ্ধান্ত নেন, সেটাই হবে গুরুত্বপূর্ণ। গত এক বছর ধরে সূর্যকে নিয়ে আলোচনা চলছেই। পাঁচ নির্বাচক একমত যে তাঁকে দল থেকে বাদ দেওয়া উচিত। বিশ্বকাপ জয়ের পর থেকেই এই ভাবনা তাদের মাথায় ঘুরছিল। প্রথমে তারা ভেবেছিলেন, আইপিএলে ফর্ম ফিরে পাবেন সূর্য। কিন্তু সবাই অবাক হয়ে দেখেন, টেকনিকের ভুলগুলো তিনি ঠিকই করেননি। ক্ষুব্ধ মহলের ভাষ্য, নতুন পেসাররাও এখন হার্ড লেংথে বল করছেন, আর সূর্যের সামনে কোনো জবাব নেই। এমন অবস্থায় ২০২৮ অলিম্পিকের দলেও তাঁকে রাখার কথা ভাবছেন না নির্বাচকেরা। তাদের যুক্তি, ‘যার ব্যাটার হিসেবেই দলে জায়গা হয় না, সে অধিনায়ক হবে কী করে?’ তবে নির্বাচকরা যা চান, তাই হবে না। সূর্যর ভাগ্য নির্ধারণ করবেন গৌতম গম্ভীর। আর ভারতীয় কোচের সঙ্গে সূর্যর সম্পর্ক যে অসম্ভব ভালো, সেটাও বলার অপেক্ষা রাখে না। তাই গম্ভীর যদি না চান, তবে নির্বাচকদের সিদ্ধান্ত বদলাতে হতে পারে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-25-05-2026_09.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-25-05-2026_09.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-25-05-2026_09.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[সাফ শুরুর আগে বড় চমক! বাংলাদেশ বদলে ফেলল অধিনায়ক]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/37002</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/37002</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Mousumi Akter]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 25 May 2026 16:05:00 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ফুটবল]]></category>
                        <category><![CDATA[Bangladesh Women SAFF captain change, Maria Manda new captain, Peter Butler decision, Afida Khondkar replaced, SAFF Championship 2026, Bangladesh women football news, hat-trick mission Bangladesh, Thailand camp Bangladesh, football news Bangladeshi Bangla, Bangladesh vs Maldives 28 May, Bangladesh vs India SAFF, Sabina Khatun controversy, BFF women wing Mahfuza Akter, Bangladesh women semifinal June 3, SAFF final June 6 Goa]]></category>
        
        <description><![CDATA[ঠিক যুদ্ধ শুরুর আগে সেনাপতি বদল! নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হওয়ার এক দিন আগে বাংলাদেশ ফুটবল দলের নেতৃত্বে পরিবর্তন এনে দিয়েছেন প্রধান কোচ পিটার বাটলার। রোববার (২৪ মে) ভারতের গোয়ায় আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে নতুন অধিনায়ক হিসেবে হাজির হন মারিয়া মান্দা। এতদিন কী ছিল? সাফের উদ্দেশে দেশ ছাড়ার আগে অধিনায়ক ঘোষণা করা হয়েছিল আফিদা খন্দকারকে। থাইল্যান্ডে দুই সপ্তাহের ক্যাম্প শেষে কোচ বাটলার নাকি সিদ্ধান্ত পাল্টান। বাফুফের নারী উইংয়ের প্রধান মাহফুজা আক্তার কিরণ জানান, ‘থাইল্যান্ডে অনুশীলন ও পারফরম্যান্স দেখার পর কোচ মারিয়াকে অধিনায়ক বেছে নিয়েছেন। এটি সম্পূর্ণ কোচের সিদ্ধান্ত।’ কেন এমন সিদ্ধান্ত? প্রায় এক দশক ধরে সাবিনা খাতুন ছিলেন দলের মেরুদণ্ড। তাঁর হাত ধরেই বাংলাদেশ টানা দুইবার সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। কিন্তু কোচ বাটলারের সঙ্গে দ্বন্দ্বের জেরে সাবিনা ছিটকে যান। এরপর আফিদাকে অধিনায়ক করে সংযুক্ত আরব আমিরাত সফরে গেলেও, থাইল্যান্ড ক্যাম্পে মারিয়া, ঋতুপর্ণার দারুণ পারফরম্যান্সই নাকি অধিনায়ক বদলের মূল কারণ। এবার লক্ষ্য হ্যাটট্রিক: বাংলাদেশের মেয়েদের এবার টানা তৃতীয়বারের মতো সাফ শিরোপা জয়ের মিশন। প্রস্তুতি হিসেবে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে দুই সপ্তাহের বিশেষ ক্যাম্পে স্থানীয় ক্লাবের বিপক্ষে দুটি ম্যাচও খেলে ফেলেছে টাইগ্রেসরা। নতুন অধিনায়ক মারিয়া মান্দা ও কোচ পিটার বাটলার দুজনই আশাবাদী। কবে খেলা শুরু? সোমবার ভুটান-নেপাল আর ভারত-মালদ্বীপ ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে এই আসর। তবে বাংলাদেশের মিশন শুরু ঈদের দিন (২৮ মে) মালদ্বীপের বিপক্ষে। ৩১ মে গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে শক্তিশালী ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। সেমিফাইনাল ৩ জুন, আর ফাইনাল ৬ জুন। লড়াইটা তাই এখন জমাটি। দেখার অপেক্ষায় ফুটবলপ্রেমীরা।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-25-05-2026_08.webp" alt="সাফ শুরুর আগে বড় চমক! বাংলাদেশ বদলে ফেলল অধিনায়ক" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>সাফ শুরুর আগে বড় চমক! বাংলাদেশ বদলে ফেলল অধিনায়ক</h1>
            <p>ঠিক যুদ্ধ শুরুর আগে সেনাপতি বদল! নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হওয়ার এক দিন আগে বাংলাদেশ ফুটবল দলের নেতৃত্বে পরিবর্তন এনে দিয়েছেন প্রধান কোচ পিটার বাটলার। রোববার (২৪ মে) ভারতের গোয়ায় আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে নতুন অধিনায়ক হিসেবে হাজির হন মারিয়া মান্দা। এতদিন কী ছিল? সাফের উদ্দেশে দেশ ছাড়ার আগে অধিনায়ক ঘোষণা করা হয়েছিল আফিদা খন্দকারকে। থাইল্যান্ডে দুই সপ্তাহের ক্যাম্প শেষে কোচ বাটলার নাকি সিদ্ধান্ত পাল্টান। বাফুফের নারী উইংয়ের প্রধান মাহফুজা আক্তার কিরণ জানান, ‘থাইল্যান্ডে অনুশীলন ও পারফরম্যান্স দেখার পর কোচ মারিয়াকে অধিনায়ক বেছে নিয়েছেন। এটি সম্পূর্ণ কোচের সিদ্ধান্ত।’ কেন এমন সিদ্ধান্ত? প্রায় এক দশক ধরে সাবিনা খাতুন ছিলেন দলের মেরুদণ্ড। তাঁর হাত ধরেই বাংলাদেশ টানা দুইবার সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। কিন্তু কোচ বাটলারের সঙ্গে দ্বন্দ্বের জেরে সাবিনা ছিটকে যান। এরপর আফিদাকে অধিনায়ক করে সংযুক্ত আরব আমিরাত সফরে গেলেও, থাইল্যান্ড ক্যাম্পে মারিয়া, ঋতুপর্ণার দারুণ পারফরম্যান্সই নাকি অধিনায়ক বদলের মূল কারণ। এবার লক্ষ্য হ্যাটট্রিক: বাংলাদেশের মেয়েদের এবার টানা তৃতীয়বারের মতো সাফ শিরোপা জয়ের মিশন। প্রস্তুতি হিসেবে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে দুই সপ্তাহের বিশেষ ক্যাম্পে স্থানীয় ক্লাবের বিপক্ষে দুটি ম্যাচও খেলে ফেলেছে টাইগ্রেসরা। নতুন অধিনায়ক মারিয়া মান্দা ও কোচ পিটার বাটলার দুজনই আশাবাদী। কবে খেলা শুরু? সোমবার ভুটান-নেপাল আর ভারত-মালদ্বীপ ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে এই আসর। তবে বাংলাদেশের মিশন শুরু ঈদের দিন (২৮ মে) মালদ্বীপের বিপক্ষে। ৩১ মে গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে শক্তিশালী ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। সেমিফাইনাল ৩ জুন, আর ফাইনাল ৬ জুন। লড়াইটা তাই এখন জমাটি। দেখার অপেক্ষায় ফুটবলপ্রেমীরা।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-25-05-2026_08.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-25-05-2026_08.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-25-05-2026_08.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[অফসাইড বিতর্কে উত্তপ্ত আইএফএ লিগ, খেলোয়াড়দের মারধরে মাঠেই অসুস্থ হয়ে পড়লেন রেফারি]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/37001</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/37001</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Mousumi Akter]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 25 May 2026 16:05:10 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ফুটবল]]></category>
                        <category><![CDATA[IFA Youth League, referee attacked India, football match violence, West Bengal football news, Magra football incident, offside goal controversy, Indian football chaos, referee assault football, women assistant referee attack, Bhawanipur Club match, Hooghly City Club, football violence India, youth football league, sports controversy news, Indian sports update]]></category>
        
        <description><![CDATA[ভারতের মগড়ায় আইএফএ স্টেট ইউথ লিগ অনূর্ধ্ব-১৭ ফুটবল ম্যাচে ভয়াবহ অশান্তির ঘটনা ঘটেছে। অফসাইডের কারণে গোল বাতিল হওয়াকে কেন্দ্র করে ক্ষুব্ধ ফুটবলারদের মারধরের শিকার হয়েছেন রেফারি। অভিযোগ উঠেছে, সহকারী মহিলা রেফারিকেও ছাড় দেওয়া হয়নি। ঘটনাটি ঘটে মগড়ার নতুন গ্রাম সন্তান সংঘের মাঠে। সেখানে ভবানীপুর ক্লাব ও হুগলি সিটি ক্লাবের মধ্যে আইএফএ স্টেট ইউথ লিগের ম্যাচ চলছিল। ম্যাচের শেষ দিকে ২-০ গোলে এগিয়ে ছিল ভবানীপুর ক্লাব। খেলার একেবারে শেষ মুহূর্তে হুগলি সিটি ক্লাব একটি গোল করে। তবে সহকারী রেফারি অফসাইডের সংকেত দিয়ে ফ্ল্যাগ তোলেন। পরে মূল রেফারি বাঁশি বাজিয়ে গোল বাতিল ঘোষণা করতেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে মাঠে। অভিযোগ অনুযায়ী, সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হয়ে হুগলি সিটি ক্লাবের কয়েকজন ফুটবলার রেফারির ওপর চড়াও হন। শুধু তাই নয়, সহকারী রেফারিকেও তাড়া করে মারার চেষ্টা করা হয়। অনেক দৌড়েও শেষ রক্ষা হয়নি। মারধরের একপর্যায়ে রেফারি মাঠেই পড়ে যান। এক নারী সহকারী রেফারিকেও মারধরের অভিযোগ উঠেছে। পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে মাঠে উপস্থিত আইএফএর ফিজিও অসুস্থ রেফারির কাছে ছুটে যান। তাকে বুকে চাপ দিয়ে প্রাথমিকভাবে সুস্থ করার চেষ্টা করা হয়। ঘটনার খবর পেয়ে আইএফএ কর্মকর্তা অনির্বাণ দত্ত মগড়া থানায় যোগাযোগ করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এদিকে ম্যাচের পর ভবানীপুর ক্লাব মাঠের অব্যবস্থা নিয়েও অভিযোগ তোলে। তাদের দাবি, আইএফএর মতো গুরুত্বপূর্ণ লিগের ম্যাচ হলেও মাঠে পানীয় জল বা ড্রেসিংরুমের কোনো ব্যবস্থা ছিল না। এমনকি খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফদের মাঠের পাশে গাছতলায় বসে থাকতে হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। ভবিষ্যতের ফুটবলার তৈরির এমন গুরুত্বপূর্ণ টুর্নামেন্টে ন্যূনতম অবকাঠামোর অভাব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-25-05-2026_07.webp" alt="অফসাইড বিতর্কে উত্তপ্ত আইএফএ লিগ, খেলোয়াড়দের মারধরে মাঠেই অসুস্থ হয়ে পড়লেন রেফারি" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>অফসাইড বিতর্কে উত্তপ্ত আইএফএ লিগ, খেলোয়াড়দের মারধরে মাঠেই অসুস্থ হয়ে পড়লেন রেফারি</h1>
            <p>ভারতের মগড়ায় আইএফএ স্টেট ইউথ লিগ অনূর্ধ্ব-১৭ ফুটবল ম্যাচে ভয়াবহ অশান্তির ঘটনা ঘটেছে। অফসাইডের কারণে গোল বাতিল হওয়াকে কেন্দ্র করে ক্ষুব্ধ ফুটবলারদের মারধরের শিকার হয়েছেন রেফারি। অভিযোগ উঠেছে, সহকারী মহিলা রেফারিকেও ছাড় দেওয়া হয়নি। ঘটনাটি ঘটে মগড়ার নতুন গ্রাম সন্তান সংঘের মাঠে। সেখানে ভবানীপুর ক্লাব ও হুগলি সিটি ক্লাবের মধ্যে আইএফএ স্টেট ইউথ লিগের ম্যাচ চলছিল। ম্যাচের শেষ দিকে ২-০ গোলে এগিয়ে ছিল ভবানীপুর ক্লাব। খেলার একেবারে শেষ মুহূর্তে হুগলি সিটি ক্লাব একটি গোল করে। তবে সহকারী রেফারি অফসাইডের সংকেত দিয়ে ফ্ল্যাগ তোলেন। পরে মূল রেফারি বাঁশি বাজিয়ে গোল বাতিল ঘোষণা করতেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে মাঠে। অভিযোগ অনুযায়ী, সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হয়ে হুগলি সিটি ক্লাবের কয়েকজন ফুটবলার রেফারির ওপর চড়াও হন। শুধু তাই নয়, সহকারী রেফারিকেও তাড়া করে মারার চেষ্টা করা হয়। অনেক দৌড়েও শেষ রক্ষা হয়নি। মারধরের একপর্যায়ে রেফারি মাঠেই পড়ে যান। এক নারী সহকারী রেফারিকেও মারধরের অভিযোগ উঠেছে। পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে মাঠে উপস্থিত আইএফএর ফিজিও অসুস্থ রেফারির কাছে ছুটে যান। তাকে বুকে চাপ দিয়ে প্রাথমিকভাবে সুস্থ করার চেষ্টা করা হয়। ঘটনার খবর পেয়ে আইএফএ কর্মকর্তা অনির্বাণ দত্ত মগড়া থানায় যোগাযোগ করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এদিকে ম্যাচের পর ভবানীপুর ক্লাব মাঠের অব্যবস্থা নিয়েও অভিযোগ তোলে। তাদের দাবি, আইএফএর মতো গুরুত্বপূর্ণ লিগের ম্যাচ হলেও মাঠে পানীয় জল বা ড্রেসিংরুমের কোনো ব্যবস্থা ছিল না। এমনকি খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফদের মাঠের পাশে গাছতলায় বসে থাকতে হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। ভবিষ্যতের ফুটবলার তৈরির এমন গুরুত্বপূর্ণ টুর্নামেন্টে ন্যূনতম অবকাঠামোর অভাব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-25-05-2026_07.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-25-05-2026_07.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-25-05-2026_07.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[বিশ্বকাপের আগে বড় খবর! প্রস্তুতি নিয়ে সন্তুষ্ট অধিনায়ক জ্যোতি, লক্ষ্য এবার জয়]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/37000</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/37000</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Mousumi Akter]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 25 May 2026 16:05:34 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ক্রিকেট]]></category>
                        <category><![CDATA[Bangladesh Women T20 World Cup 2026, Nigar Sultana Jyoti press conference, Bangladesh women preparation Tri series, England Wales T20 World Cup, Bangladesh vs Sri Lanka women series, ICC women preparation matches, Bangladesh women team exposure, Tigresses World Cup goal, Scotland tri series Bangladesh, Bangladesh women best combination, women cricket Bangladesh news 2026, Bangladesh world warm up matches, Nigar Sultana Jyoti goal win, Bangladesh women team facilities, Bangladesh women cricket motivation]]></category>
        
        <description><![CDATA[ইংল্যান্ড আর ওয়েলসে বসতে চলেছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। আর এবার শুধু অংশগ্রহণ নয়, জিততে চায় বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। ঘোষণা করলেন অধিনায়ক নিজেই। নিগার সুলতানা জ্যোতি বললেন, প্রস্তুতি নিয়ে তিনি পুরোপুরি সন্তুষ্ট। অধিনায়কের চোখে এবার ভিন্ন চিত্র। আগে বড় টুর্নামেন্টের আগে আন্তর্জাতিক ম্যাচের জন্য চরম অনটন ছিলো। সেই অভাব এবার কাটিয়ে উঠেছে টাইগ্রেসরা। জ্যোতি বললেন, ‘আগে বড় টুর্নামেন্টের আগে আমরা পর্যাপ্ত ম্যাচ পেতাম না। সেটা ছিল বড় আক্ষেপ। কিন্তু এবার পুরো ব্যাপারটাই ভিন্ন।’ কীভাবে ভিন্ন? শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিনটি ম্যাচ ইতিমধ্যে খেলে ফেলেছে বাংলাদেশ সামনে ত্রিদেশীয় সিরিজে আরও চারটি ম্যাচ আইসিসির পক্ষ থেকে আরও দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ জ্যোতি বলেন, ‘এর চেয়ে আদর্শ প্রস্তুতি আর কী হতে পারে! বিভিন্ন কম্বিনেশন ঝালিয়ে নেওয়া আর সেরা সমন্বয় বের করার জন্য দারুণ সময় পাচ্ছে দল।’ আরেকটা বড় কথা— খেলোয়াড়দের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা ও অনুশীলনের ব্যবস্থাও এবার রয়েছে। অধিনায়ক জানান, সবাই চেষ্টা করছে এই সময়টাকে পুরোদমে কাজে লাগাতে। ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলতে স্কটল্যান্ড যাচ্ছে বাংলাদেশ দল। বিশ্বকাপ শুরু ১২ জুন। তার আগে সংবাদ সম্মেলনে জ্যোতি বলেন, ‘আমার দলের এক্সপোজার অনেক কম থাকে। বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে সবাই দেখে। সেখানে আমরা ভালো করলে দল নিয়ে বেশি আলোচনা হয়, সেটাই আমরা চাই।’ তাই এবার বাংলাদেশ নারী দলের লক্ষ্য কেবল ভালো খেলা নয়, ম্যাচ জেতা। লড়াইটা হবে জমাটি, আশা রাখছেন ক্রিকেটপ্রেমীরা।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-25-05-2026_06.webp" alt="বিশ্বকাপের আগে বড় খবর! প্রস্তুতি নিয়ে সন্তুষ্ট অধিনায়ক জ্যোতি, লক্ষ্য এবার জয়" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>বিশ্বকাপের আগে বড় খবর! প্রস্তুতি নিয়ে সন্তুষ্ট অধিনায়ক জ্যোতি, লক্ষ্য এবার জয়</h1>
            <p>ইংল্যান্ড আর ওয়েলসে বসতে চলেছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। আর এবার শুধু অংশগ্রহণ নয়, জিততে চায় বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। ঘোষণা করলেন অধিনায়ক নিজেই। নিগার সুলতানা জ্যোতি বললেন, প্রস্তুতি নিয়ে তিনি পুরোপুরি সন্তুষ্ট। অধিনায়কের চোখে এবার ভিন্ন চিত্র। আগে বড় টুর্নামেন্টের আগে আন্তর্জাতিক ম্যাচের জন্য চরম অনটন ছিলো। সেই অভাব এবার কাটিয়ে উঠেছে টাইগ্রেসরা। জ্যোতি বললেন, ‘আগে বড় টুর্নামেন্টের আগে আমরা পর্যাপ্ত ম্যাচ পেতাম না। সেটা ছিল বড় আক্ষেপ। কিন্তু এবার পুরো ব্যাপারটাই ভিন্ন।’ কীভাবে ভিন্ন? শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিনটি ম্যাচ ইতিমধ্যে খেলে ফেলেছে বাংলাদেশ সামনে ত্রিদেশীয় সিরিজে আরও চারটি ম্যাচ আইসিসির পক্ষ থেকে আরও দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ জ্যোতি বলেন, ‘এর চেয়ে আদর্শ প্রস্তুতি আর কী হতে পারে! বিভিন্ন কম্বিনেশন ঝালিয়ে নেওয়া আর সেরা সমন্বয় বের করার জন্য দারুণ সময় পাচ্ছে দল।’ আরেকটা বড় কথা— খেলোয়াড়দের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা ও অনুশীলনের ব্যবস্থাও এবার রয়েছে। অধিনায়ক জানান, সবাই চেষ্টা করছে এই সময়টাকে পুরোদমে কাজে লাগাতে। ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলতে স্কটল্যান্ড যাচ্ছে বাংলাদেশ দল। বিশ্বকাপ শুরু ১২ জুন। তার আগে সংবাদ সম্মেলনে জ্যোতি বলেন, ‘আমার দলের এক্সপোজার অনেক কম থাকে। বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে সবাই দেখে। সেখানে আমরা ভালো করলে দল নিয়ে বেশি আলোচনা হয়, সেটাই আমরা চাই।’ তাই এবার বাংলাদেশ নারী দলের লক্ষ্য কেবল ভালো খেলা নয়, ম্যাচ জেতা। লড়াইটা হবে জমাটি, আশা রাখছেন ক্রিকেটপ্রেমীরা।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-25-05-2026_06.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-25-05-2026_06.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-25-05-2026_06.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ঈদের পর সব আন্তঃনগর ট্রেনে নারীদের জন্য আলাদা কোচ চালুর পরিকল্পনা সরকারের]]></title>
        <link>https://nbs24.org/politics/36999</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/politics/36999</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Mousumi Akter]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 25 May 2026 16:05:33 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
                <category><![CDATA[জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি]]></category>
                        <category><![CDATA[Bangladesh railway news, women coach train Bangladesh, Eid train travel, Rail Minister Bangladesh, intercity train women coach, Bangladesh metro rail update, metro rail discount card, Bangladesh transport news, women safety train, Eid-ul-Adha travel rush, Dhaka metro rail, student metro card Bangladesh, railway development Bangladesh, public transport Bangladesh, Bangladesh latest news]]></category>
        
        <description><![CDATA[ঈদের পর দেশের প্রতিটি আন্তঃনগর ট্রেনে নারীদের জন্য আলাদা কোচ চালুর পরিকল্পনা করছে সরকার। এমন ঘোষণা দিয়েছেন সড়ক পরিবহন, নৌ ও রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। সোমবার (২৫ মে) রাজধানীর ফার্মগেটে ৬৫ বছরের বেশি বয়সী, প্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য মেট্রোরেলে ২৫ শতাংশ ছাড়ের বিশেষ কার্ড উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান। রেলমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী নিজেই ঈদের সময় নারীদের জন্য আলাদা কোচ চালুর নির্দেশ দিয়েছেন। এ বিষয়ে রোববার (২৪ মে) রাতে প্রধানমন্ত্রী তার সঙ্গে কথা বলেছেন বলেও জানান তিনি। মন্ত্রী আরও বলেন, চট্টগ্রাম ও সিলেটগামী ট্রেনের দুটি কোচে আজ থেকেই নারীরা আলাদাভাবে যাত্রা করতে পারবেন। আর ঈদের পর ধাপে ধাপে সব আন্তঃনগর ট্রেনে নারীদের জন্য পৃথক কোচ চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। মেট্রোরেল নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেন শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, বর্তমানে সাড়ে ৪ মিনিট পরপর মেট্রোরেল চলাচল করছে। ভবিষ্যতে নতুন কোচ কেনা সম্ভব হলে এই সময় আরও কমানো যাবে। এছাড়া বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীদের মতো শিক্ষার্থীদের জন্যও বিশেষ কার্ড চালুর পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। মন্ত্রী বলেন, মেট্রোরেল ও আন্তঃনগর ট্রেনে শিক্ষার্থীদের জন্যও ২৫ শতাংশ ছাড়ের বিশেষ কার্ড দেওয়ার চিন্তা করছে সরকার। ঈদুল আজহা সামনে রেখে যাত্রী চাপ নিয়েও কথা বলেন রেলমন্ত্রী। তিনি জানান, মাত্র দুই দিনে দেড় কোটির বেশি মানুষ ঢাকা ছাড়তে পারেন। তিনি বলেন, অনেক যাত্রী টিকিট কেটে বা নির্ধারিত গাড়ির জন্য অপেক্ষা করতে চান না, যা নিরুৎসাহিত করা উচিত। একই সঙ্গে তিনি জানান, পর্যাপ্ত ফিটনেসবিহীন গাড়ি এখনো চলাচল করছে। তবে ধাপে ধাপে এসব যানবাহন বন্ধ করা হবে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-25-05-2026_05.webp" alt="ঈদের পর সব আন্তঃনগর ট্রেনে নারীদের জন্য আলাদা কোচ চালুর পরিকল্পনা সরকারের" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ঈদের পর সব আন্তঃনগর ট্রেনে নারীদের জন্য আলাদা কোচ চালুর পরিকল্পনা সরকারের</h1>
            <p>ঈদের পর দেশের প্রতিটি আন্তঃনগর ট্রেনে নারীদের জন্য আলাদা কোচ চালুর পরিকল্পনা করছে সরকার। এমন ঘোষণা দিয়েছেন সড়ক পরিবহন, নৌ ও রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। সোমবার (২৫ মে) রাজধানীর ফার্মগেটে ৬৫ বছরের বেশি বয়সী, প্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য মেট্রোরেলে ২৫ শতাংশ ছাড়ের বিশেষ কার্ড উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান। রেলমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী নিজেই ঈদের সময় নারীদের জন্য আলাদা কোচ চালুর নির্দেশ দিয়েছেন। এ বিষয়ে রোববার (২৪ মে) রাতে প্রধানমন্ত্রী তার সঙ্গে কথা বলেছেন বলেও জানান তিনি। মন্ত্রী আরও বলেন, চট্টগ্রাম ও সিলেটগামী ট্রেনের দুটি কোচে আজ থেকেই নারীরা আলাদাভাবে যাত্রা করতে পারবেন। আর ঈদের পর ধাপে ধাপে সব আন্তঃনগর ট্রেনে নারীদের জন্য পৃথক কোচ চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। মেট্রোরেল নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেন শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, বর্তমানে সাড়ে ৪ মিনিট পরপর মেট্রোরেল চলাচল করছে। ভবিষ্যতে নতুন কোচ কেনা সম্ভব হলে এই সময় আরও কমানো যাবে। এছাড়া বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীদের মতো শিক্ষার্থীদের জন্যও বিশেষ কার্ড চালুর পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। মন্ত্রী বলেন, মেট্রোরেল ও আন্তঃনগর ট্রেনে শিক্ষার্থীদের জন্যও ২৫ শতাংশ ছাড়ের বিশেষ কার্ড দেওয়ার চিন্তা করছে সরকার। ঈদুল আজহা সামনে রেখে যাত্রী চাপ নিয়েও কথা বলেন রেলমন্ত্রী। তিনি জানান, মাত্র দুই দিনে দেড় কোটির বেশি মানুষ ঢাকা ছাড়তে পারেন। তিনি বলেন, অনেক যাত্রী টিকিট কেটে বা নির্ধারিত গাড়ির জন্য অপেক্ষা করতে চান না, যা নিরুৎসাহিত করা উচিত। একই সঙ্গে তিনি জানান, পর্যাপ্ত ফিটনেসবিহীন গাড়ি এখনো চলাচল করছে। তবে ধাপে ধাপে এসব যানবাহন বন্ধ করা হবে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-25-05-2026_05.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-25-05-2026_05.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-25-05-2026_05.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[কোরবানির চামড়া নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত! ৭ দিন ঢাকায় ঢুকতে পারবে না]]></title>
        <link>https://nbs24.org/bangladesh/36998</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/bangladesh/36998</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Mousumi Akter]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 25 May 2026 16:05:34 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[রাজধানী]]></category>
                        <category><![CDATA[Eid ul Adha 2026 raw leather price, cow leather price per square foot Bangladesh, Dhaka leather entry ban 7 days, leather collection and preservation Bangladesh, BSCIC leather cell announcement, goat leather price 2026, Tanners Association Bangladesh, Rabiul Hossain Bhuiya leather, post Eid leather transport ban, Dhaka city leather management, Central Effluent Treatment Plant CETP, Bangladesh government leather policy, 2026 Korbani leather news, raw leather smuggling prevention, mobile SMS campaign leather Bangladesh]]></category>
        
        <description><![CDATA[ঈদুল আজহা মানেই কোরবানি, আর কোরবানি মানেই চামড়া নিয়ে ব্যস্ততা। এবার সেই চামড়া ব্যবস্থাপনায় বেশ কয়েকটা বড় সিদ্ধান্ত নিল সরকার। জানা গেছে, কোরবানির পর সাত দিন ঢাকার বাইরে থেকে কোনো চামড়া ঢাকায় ঢুকতে পারবে না। শুধু তা-ই নয়, এবার গরুর চামড়ার দামও বাড়ানো হয়েছে। ঢাকার ভেতরে প্রতি বর্গফুট ৬২ থেকে ৬৭ টাকা আর ঢাকার বাইরে ৫৭ থেকে ৬২ টাকা। গত বছরের চেয়ে ঢাকায় ২ টাকা ও ঢাকার বাইরেও ২ টাকা বেড়েছে প্রতি বর্গফুটে। এবার চামড়ার আকার আর দাম কত হতে পারে? ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য সাবের হোসেন ভুইয়া জানান, গরুর চামড়া সাধারণত ২০ থেকে ৪৫ বর্গফুট হয়। ছোট গরুর চামড়া ২০-২২ বর্গফুট, মাঝারি ২০-২৮ বর্গফুট, বড় গরুর ৩০-৪০ বর্গফুট এবং অতিরিক্ত বড় গরুর ৫০ বর্গফুট পর্যন্ত হতে পারে। হিসাব অনুযায়ী, একটা গরুর চামড়ার দাম পড়তে পারে ১২০০ টাকা থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত। আর খাসির চামড়া? সারা দেশে প্রতি বর্গফুট ২৫-৩০ টাকা আর বকরির চামড়া ২২-২৫ টাকা। খাসির চামড়া সাধারণত ৩-৬ বর্গফুট হয়, তাই দাম পড়বে ১৫০-২০০ টাকা। প্রচারও হবে প্রচুর: সঠিকভাবে চামড়া ছাড়ানো, সংগ্রহ ও সংরক্ষণে এবার ব্যাপক প্রচার চালাবে সরকার। টেলিভিশন কমার্শিয়াল, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, সরকারি ওয়েবসাইটে পপ-আপ নোটিশ, এমনকি এসএমএস পাঠানো হবে। আর হাটে হাটে বসানো হবে ব্যানার। বিসিকের লেদার সেলের উপপরিচালক মো. মিজানুর রহমান জানান, সারা দেশে প্রায় ২ লাখ লিফলেট বিতরণ করা হবে। কেন চামড়া ঢুকতে দেওয়া হবে না? চামড়া শিল্পনগরীতে শৃঙ্খলা বজায় রাখা আর কেন্দ্রীয় বর্জ্য পরিশোধনাগারের (সিইটিপি) সক্ষমতার বাইরে যাতে চামড়া না আসে, সেজন্যই এই সিদ্ধান্ত। কোরবানির পর সাতদিন ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ ও টোল প্লাজায় কড়া নজরদারি থাকবে। তবে স্থানীয়ভাবে চামড়া সংরক্ষণের জন্য আড়ত ও অস্থায়ী জায়গা তৈরি করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সার্বিক মনিটরিং ও নিরাপত্তা: চামড়া ব্যবস্থাপনার সবকিছু—লবণ সরবরাহ, সংগ্রহ, দাম, পরিবহন ও সংরক্ষণ—মনিটরিং করবে শিল্প, বাণিজ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় আর জননিরাপত্তা বিভাগের যৌথ টিম। অন্যদিকে, অবৈধ পশু প্রবেশ, চামড়া পাচার, চাঁদাবাজি ও গুজব ঠেকাতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর চামড়া শিল্পনগরীর নিরাপত্তায় থাকবে শিল্পাঞ্চল পুলিশ।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-25-05-2026_04.webp" alt="কোরবানির চামড়া নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত! ৭ দিন ঢাকায় ঢুকতে পারবে না" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>কোরবানির চামড়া নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত! ৭ দিন ঢাকায় ঢুকতে পারবে না</h1>
            <p>ঈদুল আজহা মানেই কোরবানি, আর কোরবানি মানেই চামড়া নিয়ে ব্যস্ততা। এবার সেই চামড়া ব্যবস্থাপনায় বেশ কয়েকটা বড় সিদ্ধান্ত নিল সরকার। জানা গেছে, কোরবানির পর সাত দিন ঢাকার বাইরে থেকে কোনো চামড়া ঢাকায় ঢুকতে পারবে না। শুধু তা-ই নয়, এবার গরুর চামড়ার দামও বাড়ানো হয়েছে। ঢাকার ভেতরে প্রতি বর্গফুট ৬২ থেকে ৬৭ টাকা আর ঢাকার বাইরে ৫৭ থেকে ৬২ টাকা। গত বছরের চেয়ে ঢাকায় ২ টাকা ও ঢাকার বাইরেও ২ টাকা বেড়েছে প্রতি বর্গফুটে। এবার চামড়ার আকার আর দাম কত হতে পারে? ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য সাবের হোসেন ভুইয়া জানান, গরুর চামড়া সাধারণত ২০ থেকে ৪৫ বর্গফুট হয়। ছোট গরুর চামড়া ২০-২২ বর্গফুট, মাঝারি ২০-২৮ বর্গফুট, বড় গরুর ৩০-৪০ বর্গফুট এবং অতিরিক্ত বড় গরুর ৫০ বর্গফুট পর্যন্ত হতে পারে। হিসাব অনুযায়ী, একটা গরুর চামড়ার দাম পড়তে পারে ১২০০ টাকা থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত। আর খাসির চামড়া? সারা দেশে প্রতি বর্গফুট ২৫-৩০ টাকা আর বকরির চামড়া ২২-২৫ টাকা। খাসির চামড়া সাধারণত ৩-৬ বর্গফুট হয়, তাই দাম পড়বে ১৫০-২০০ টাকা। প্রচারও হবে প্রচুর: সঠিকভাবে চামড়া ছাড়ানো, সংগ্রহ ও সংরক্ষণে এবার ব্যাপক প্রচার চালাবে সরকার। টেলিভিশন কমার্শিয়াল, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, সরকারি ওয়েবসাইটে পপ-আপ নোটিশ, এমনকি এসএমএস পাঠানো হবে। আর হাটে হাটে বসানো হবে ব্যানার। বিসিকের লেদার সেলের উপপরিচালক মো. মিজানুর রহমান জানান, সারা দেশে প্রায় ২ লাখ লিফলেট বিতরণ করা হবে। কেন চামড়া ঢুকতে দেওয়া হবে না? চামড়া শিল্পনগরীতে শৃঙ্খলা বজায় রাখা আর কেন্দ্রীয় বর্জ্য পরিশোধনাগারের (সিইটিপি) সক্ষমতার বাইরে যাতে চামড়া না আসে, সেজন্যই এই সিদ্ধান্ত। কোরবানির পর সাতদিন ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ ও টোল প্লাজায় কড়া নজরদারি থাকবে। তবে স্থানীয়ভাবে চামড়া সংরক্ষণের জন্য আড়ত ও অস্থায়ী জায়গা তৈরি করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সার্বিক মনিটরিং ও নিরাপত্তা: চামড়া ব্যবস্থাপনার সবকিছু—লবণ সরবরাহ, সংগ্রহ, দাম, পরিবহন ও সংরক্ষণ—মনিটরিং করবে শিল্প, বাণিজ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় আর জননিরাপত্তা বিভাগের যৌথ টিম। অন্যদিকে, অবৈধ পশু প্রবেশ, চামড়া পাচার, চাঁদাবাজি ও গুজব ঠেকাতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর চামড়া শিল্পনগরীর নিরাপত্তায় থাকবে শিল্পাঞ্চল পুলিশ।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-25-05-2026_04.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-25-05-2026_04.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-25-05-2026_04.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ঈদযাত্রায় স্বস্তি দিতে যা করছে সরকার, জানালেন সড়কমন্ত্রী]]></title>
        <link>https://nbs24.org/bangladesh/36997</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/bangladesh/36997</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Mousumi Akter]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 25 May 2026 16:05:02 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[রাজধানী]]></category>
                        <category><![CDATA[Eid journey Bangladesh 2026, safe Eid travel Dhaka, Road Minister Sheikh Rabul Alam, Gazipur road safety meeting, Katiakhola Khara Jora area, fitnessless vehicle ban Eid, temporary bus counter removal, extra fare crackdown Bangladesh, highway police Eid preparation, BRTA Gazipur circle, public awareness meeting Eid, Habibur Rashid Habib, Gazipur DC Nurul Karim Bhuiyan, Bangladesh road transport news, hassle free Eid journey 2026]]></category>
        
        <description><![CDATA[ঈদুল আজহা ঘনিয়ে এসেছে। আর এই ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা যেন স্বস্তির হয়, সেদিকে কড়া নজর দিচ্ছে সরকার। নিজের মুখেই জানিয়ে দিলেন সড়কমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বললেন, ‘ঈদযাত্রা যদি নিরাপদ, নির্বিঘ্ন ও যানজটমুক্ত হয়, সেটিই হবে আমাদের জন্য ঈদের সবচেয়ে বড় আনন্দ।’ রবিবার বিকালে গাজীপুরের কালিয়াকৈরের খাড়াজোড়া এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ ও নিরাপদ ঈদযাত্রা নিয়ে এক গণসচেতনতামূলক সভায় তিনি এই কথা বলেন। শুধু সরকারের কাজেই হবে না, সড়কমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দিলেন, দুর্ঘটনা কমাতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি পরিবহন মালিক, শ্রমিক, পুলিশ, প্রশাসন ও সাধারণ মানুষ—সবার সম্মিলিত দায়িত্বশীলতার ওপর জোর দেন। বিশেষ করে পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা অবশ্যই বাইপাইল, এলেঙ্গা, চন্দ্রাসহ এই অঞ্চলে সুশৃঙ্খল ও নির্দ্বিধায় ঈদযাত্রা নিশ্চিত করবেন।’ কী কী করতে বললেন মন্ত্রী? মহাসড়কের পাশে অস্থায়ী বাস কাউন্টার বসিয়ে যানজট করা যাবে না রাস্তার ওপর বাস রেখে যান চলাচল বন্ধ রাখা যাবে না ফিটনেসবিহীন গাড়ি একেবারেই চলতে পারবে না যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া যাবে না—এ বিষয়ে কঠোর অবস্থান সরকারের মন্ত্রী আরও বলেন, সরকার পরিবহন সংশ্লিষ্টদের যৌক্তিক দাবিগুলো নিয়ে আন্তরিক। তবে আপাতত সবচেয়ে বড় কথা হলো, যাত্রী সেবার মান বাড়ানো আর মানুষের ভোগান্তি কমানো। গাজীপুর জেলা প্রশাসন ও বিআরটিএ গাজীপুর সার্কেল এই সভার আয়োজন করে। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন সড়ক পরিবহণ ও রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব। সভাপতিত্ব করেন গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া। সভায় আরও বক্তব্য রাখেন পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, গাজীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মজিবুর রহমান, সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, বিআরটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা প্রমুখ। মন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, এবারের ঈদযাত্রা হবে স্বস্তিদায়ক, নিরাপদ ও যানজটমুক্ত—যদি সবাই মিলে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেন।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-25-05-2026_03.webp" alt="ঈদযাত্রায় স্বস্তি দিতে যা করছে সরকার, জানালেন সড়কমন্ত্রী" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ঈদযাত্রায় স্বস্তি দিতে যা করছে সরকার, জানালেন সড়কমন্ত্রী</h1>
            <p>ঈদুল আজহা ঘনিয়ে এসেছে। আর এই ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা যেন স্বস্তির হয়, সেদিকে কড়া নজর দিচ্ছে সরকার। নিজের মুখেই জানিয়ে দিলেন সড়কমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বললেন, ‘ঈদযাত্রা যদি নিরাপদ, নির্বিঘ্ন ও যানজটমুক্ত হয়, সেটিই হবে আমাদের জন্য ঈদের সবচেয়ে বড় আনন্দ।’ রবিবার বিকালে গাজীপুরের কালিয়াকৈরের খাড়াজোড়া এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ ও নিরাপদ ঈদযাত্রা নিয়ে এক গণসচেতনতামূলক সভায় তিনি এই কথা বলেন। শুধু সরকারের কাজেই হবে না, সড়কমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দিলেন, দুর্ঘটনা কমাতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি পরিবহন মালিক, শ্রমিক, পুলিশ, প্রশাসন ও সাধারণ মানুষ—সবার সম্মিলিত দায়িত্বশীলতার ওপর জোর দেন। বিশেষ করে পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা অবশ্যই বাইপাইল, এলেঙ্গা, চন্দ্রাসহ এই অঞ্চলে সুশৃঙ্খল ও নির্দ্বিধায় ঈদযাত্রা নিশ্চিত করবেন।’ কী কী করতে বললেন মন্ত্রী? মহাসড়কের পাশে অস্থায়ী বাস কাউন্টার বসিয়ে যানজট করা যাবে না রাস্তার ওপর বাস রেখে যান চলাচল বন্ধ রাখা যাবে না ফিটনেসবিহীন গাড়ি একেবারেই চলতে পারবে না যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া যাবে না—এ বিষয়ে কঠোর অবস্থান সরকারের মন্ত্রী আরও বলেন, সরকার পরিবহন সংশ্লিষ্টদের যৌক্তিক দাবিগুলো নিয়ে আন্তরিক। তবে আপাতত সবচেয়ে বড় কথা হলো, যাত্রী সেবার মান বাড়ানো আর মানুষের ভোগান্তি কমানো। গাজীপুর জেলা প্রশাসন ও বিআরটিএ গাজীপুর সার্কেল এই সভার আয়োজন করে। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন সড়ক পরিবহণ ও রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব। সভাপতিত্ব করেন গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া। সভায় আরও বক্তব্য রাখেন পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, গাজীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মজিবুর রহমান, সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, বিআরটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা প্রমুখ। মন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, এবারের ঈদযাত্রা হবে স্বস্তিদায়ক, নিরাপদ ও যানজটমুক্ত—যদি সবাই মিলে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেন।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-25-05-2026_03.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-25-05-2026_03.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-25-05-2026_03.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ঈদে জাতীয় ঈদগাহে তারেক রহমান, নিজ নিজ এলাকায় নামাজ আদায় করবেন বিএনপির মন্ত্রীরা]]></title>
        <link>https://nbs24.org/politics/36996</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/politics/36996</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Mousumi Akter]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 25 May 2026 16:05:17 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
                <category><![CDATA[জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি]]></category>
                        <category><![CDATA[Tarique Rahman Eid prayer, National Eidgah Bangladesh, BNP leaders Eid, Bangladesh Eid-ul-Adha news, Mirza Fakhrul Eid prayer, BNP government update, Bangladesh political news, Tarique Rahman latest, Eid Jamaat Dhaka, BNP ministers Eid, Khaleda Zia grave visit, Bangladesh Eid celebration, Bangladesh parliament leaders, BNP party news, Eid prayer Bangladesh]]></category>
        
        <description><![CDATA[পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে আদায় করবেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রবিবার (২৪ মে) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ঈদ উপলক্ষে বিএনপির শীর্ষ নেতাদের একটি বড় অংশ ঢাকায় থাকলেও অধিকাংশ মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য নিজ নিজ এলাকায় ঈদের নামাজ আদায় করবেন। ঢাকায় ঈদের নামাজ আদায় করবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বেগম সেলিমা রহমান, সমাজকল্যাণ ও মহিলা-শিশুবিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এবং জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ। অন্যদিকে বিএনপি মহাসচিব ও এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঈদের নামাজ পড়বেন ঠাকুরগাঁওয়ে। স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান থাকবেন নরসিংদীর পলাশে। এছাড়া অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী চট্টগ্রামে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু সিরাজগঞ্জে, জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম ভোলায় এবং ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল নেত্রকোনায় নিজ নিজ সংসদীয় আসনে ঈদের নামাজ আদায় করবেন। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সচিব ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী রাজধানীর ধানমন্ডিতে ঈদের জামাতে অংশ নেবেন বলেও জানা গেছে। দলীয় সূত্র আরও জানিয়েছে, ঈদের নামাজ শেষে ঢাকায় অবস্থানকারী বিএনপির শীর্ষ নেতারা দলের প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করবেন।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-25-05-2026_02.webp" alt="ঈদে জাতীয় ঈদগাহে তারেক রহমান, নিজ নিজ এলাকায় নামাজ আদায় করবেন বিএনপির মন্ত্রীরা" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ঈদে জাতীয় ঈদগাহে তারেক রহমান, নিজ নিজ এলাকায় নামাজ আদায় করবেন বিএনপির মন্ত্রীরা</h1>
            <p>পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে আদায় করবেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রবিবার (২৪ মে) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ঈদ উপলক্ষে বিএনপির শীর্ষ নেতাদের একটি বড় অংশ ঢাকায় থাকলেও অধিকাংশ মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য নিজ নিজ এলাকায় ঈদের নামাজ আদায় করবেন। ঢাকায় ঈদের নামাজ আদায় করবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বেগম সেলিমা রহমান, সমাজকল্যাণ ও মহিলা-শিশুবিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এবং জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ। অন্যদিকে বিএনপি মহাসচিব ও এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঈদের নামাজ পড়বেন ঠাকুরগাঁওয়ে। স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান থাকবেন নরসিংদীর পলাশে। এছাড়া অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী চট্টগ্রামে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু সিরাজগঞ্জে, জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম ভোলায় এবং ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল নেত্রকোনায় নিজ নিজ সংসদীয় আসনে ঈদের নামাজ আদায় করবেন। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সচিব ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী রাজধানীর ধানমন্ডিতে ঈদের জামাতে অংশ নেবেন বলেও জানা গেছে। দলীয় সূত্র আরও জানিয়েছে, ঈদের নামাজ শেষে ঢাকায় অবস্থানকারী বিএনপির শীর্ষ নেতারা দলের প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করবেন।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-25-05-2026_02.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-25-05-2026_02.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-25-05-2026_02.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[চমকের ঘোষণা! আগামী ৫ বছরে বাংলাদেশকে ৫ বিলিয়ন ডলার দিচ্ছে এডিবি]]></title>
        <link>https://nbs24.org/politics/36995</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/politics/36995</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Mousumi Akter]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 25 May 2026 16:05:20 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
                <category><![CDATA[জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি]]></category>
                        <category><![CDATA[ADB 5 billion dollar Bangladesh, ADB President Masato Kanda Bangladesh visit, Bangladesh ADB loan agreement 2026, ADB annual assistance 20 percent increase, Tarek Rahman meeting with ADB, Middle East crisis impact Bangladesh, ADB]]></category>
        
        <description><![CDATA[বাংলাদেশের জন্য বড় স্বস্তির খবর। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশকে ৫ বিলিয়ন ডলার (৫০০ কোটি ডলার) আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। শুধু তা-ই নয়, বার্ষিক সহায়তাও বাড়ানো হচ্ছে ২০ শতাংশ। সোমবার (২৫ মে) সকালে ঢাকায় এডিবির প্রেসিডেন্ট মাসাতো কান্ডার নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানেই এই বড় অংকের সহায়তার কথা জানানো হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার। এডিবির ঢাকা অফিস থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সভাপতির এই সফরকালে ২০২৬ সালের বার্ষিক প্রতিশ্রুতি কর্মসূচির আওতায় প্রায় ১.৪ বিলিয়ন ডলারের ঋণচুক্তিও সই হয়েছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে যে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে, তা মোকাবিলায় বাড়ানো হয়েছে অতিরিক্ত ২৫০ মিলিয়ন ডলারের তহবিল। বর্তমানে এডিবির বার্ষিক সার্বভৌম ঋণ প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশের জন্য প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার। কিন্তু মধ্য মেয়াদে এই পরিমাণ বাড়িয়ে প্রায় ২.৪ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার পরিকল্পনা আছে সংস্থাটির। অর্থাৎ, বছরে গড়ে প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার করে অর্থায়ন দেওয়া হবে বাংলাদেশকে। এই ঘোষণায় দেশের উন্নয়ন ও অর্থনীতির চাকা আরও দ্রুত ঘুরবে বলে আশা করছেন বিশেষজ্ঞরা।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-25-05-2026_01.webp" alt="চমকের ঘোষণা! আগামী ৫ বছরে বাংলাদেশকে ৫ বিলিয়ন ডলার দিচ্ছে এডিবি" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>চমকের ঘোষণা! আগামী ৫ বছরে বাংলাদেশকে ৫ বিলিয়ন ডলার দিচ্ছে এডিবি</h1>
            <p>বাংলাদেশের জন্য বড় স্বস্তির খবর। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশকে ৫ বিলিয়ন ডলার (৫০০ কোটি ডলার) আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। শুধু তা-ই নয়, বার্ষিক সহায়তাও বাড়ানো হচ্ছে ২০ শতাংশ। সোমবার (২৫ মে) সকালে ঢাকায় এডিবির প্রেসিডেন্ট মাসাতো কান্ডার নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানেই এই বড় অংকের সহায়তার কথা জানানো হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার। এডিবির ঢাকা অফিস থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সভাপতির এই সফরকালে ২০২৬ সালের বার্ষিক প্রতিশ্রুতি কর্মসূচির আওতায় প্রায় ১.৪ বিলিয়ন ডলারের ঋণচুক্তিও সই হয়েছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে যে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে, তা মোকাবিলায় বাড়ানো হয়েছে অতিরিক্ত ২৫০ মিলিয়ন ডলারের তহবিল। বর্তমানে এডিবির বার্ষিক সার্বভৌম ঋণ প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশের জন্য প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার। কিন্তু মধ্য মেয়াদে এই পরিমাণ বাড়িয়ে প্রায় ২.৪ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার পরিকল্পনা আছে সংস্থাটির। অর্থাৎ, বছরে গড়ে প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার করে অর্থায়ন দেওয়া হবে বাংলাদেশকে। এই ঘোষণায় দেশের উন্নয়ন ও অর্থনীতির চাকা আরও দ্রুত ঘুরবে বলে আশা করছেন বিশেষজ্ঞরা।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-25-05-2026_01.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-25-05-2026_01.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-25-05-2026_01.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Walton Plaza ready for Eid & Summer with exciting offers on electronics items at 700+ outlets nationwide]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/36992</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/36992</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 24 May 2026 21:05:18 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[Economy]]></category>
                        <category><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news 2026, latest news today, atn bd news, latest news and bulletin, bangladeshi latest news, bd news, bd hot news, bd india relation news, latestnews, updated news, bdnews, update news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangla news update, bangla tv news, atn bangla news, news, news today, bangladesh news, bangladesh news today, bangla news, jamaat news, today raater news bangladesh, bangla news today, bangladesh tv news, news trending, bnp news, ncp news, top news, zee news]]></category>
        
        <description><![CDATA[Walton Plaza, the country’s leading electronics retail and service network, is fully prepared for the upcoming Eid-ul-Azha and summer shopping season with a complete range of electronics, electrical and home appliance products, along with attractive offers and customer benefits across its nationwide outlets. Managing Director of Walton Plaza, Mohammad Rayhan, said that all Walton Plaza outlets across the country have been stocked with a wide range of electronic products to meet the growing customer demand during the summer season and ahead of Eid. He said, “To ensure uninterrupted supply during this festive shopping season, more than 700 Walton Plaza outlets nationwide have been fully equipped with air conditioners, refrigerators, rechargeable fans, televisions, washing machines, kitchen appliances, smartphones, laptops, home and electrical appliances, and other digital devices.” Mr. Rayhan further mentioned that customers purchasing products from Walton Plaza outlets across the country will enjoy attractive offers along with nationwide after-sales service facilities. “We are committed to providing the best products, competitive prices, and reliable services to ensure a satisfying shopping experience for our customers this Eid,” he added. He also said that Walton Plaza offers easy installment facilities along with EMI options through various bank credit cards in addition to cash purchases. It is noteworthy that Walton Plaza is continuously introducing customer-friendly initiatives to ensure maximum convenience and services for customers availing installment facilities. These facilities are currently being provided through more than 700 Walton Plaza outlets across the country. According to Walton Plaza sources, every installment customer is provided with a special Protection Card. Through this card, customers can enjoy special privileges, enhanced services, and discounts at renowned hospitals, diagnostic centers, restaurants, and various other institutions across the country. Under Walton Plaza’s installment customer protection policy, financial assistance of up to BDT 300,000 is provided in the event of the death of a customer or any of their family members. In addition, Walton Plaza has introduced its own telemedicine service to ensure primary healthcare support for customers, where specialist doctors are engaged. The entire service operation is being managed with the support of more than 700 Happiness and Health Care Officers working at Walton Plaza outlets nationwide. Besides, free medical camps and various social welfare activities are being conducted throughout the year under the initiatives of Walton Plaza outlets across the country.]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24o_24-05-26_32.webp" alt="Walton Plaza ready for Eid &amp; Summer with exciting offers on electronics items at 700+ outlets nationwide" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Walton Plaza ready for Eid & Summer with exciting offers on electronics items at 700+ outlets nationwide</h1>
            <p>Walton Plaza, the country’s leading electronics retail and service network, is fully prepared for the upcoming Eid-ul-Azha and summer shopping season with a complete range of electronics, electrical and home appliance products, along with attractive offers and customer benefits across its nationwide outlets. Managing Director of Walton Plaza, Mohammad Rayhan, said that all Walton Plaza outlets across the country have been stocked with a wide range of electronic products to meet the growing customer demand during the summer season and ahead of Eid. He said, “To ensure uninterrupted supply during this festive shopping season, more than 700 Walton Plaza outlets nationwide have been fully equipped with air conditioners, refrigerators, rechargeable fans, televisions, washing machines, kitchen appliances, smartphones, laptops, home and electrical appliances, and other digital devices.” Mr. Rayhan further mentioned that customers purchasing products from Walton Plaza outlets across the country will enjoy attractive offers along with nationwide after-sales service facilities. “We are committed to providing the best products, competitive prices, and reliable services to ensure a satisfying shopping experience for our customers this Eid,” he added. He also said that Walton Plaza offers easy installment facilities along with EMI options through various bank credit cards in addition to cash purchases. It is noteworthy that Walton Plaza is continuously introducing customer-friendly initiatives to ensure maximum convenience and services for customers availing installment facilities. These facilities are currently being provided through more than 700 Walton Plaza outlets across the country. According to Walton Plaza sources, every installment customer is provided with a special Protection Card. Through this card, customers can enjoy special privileges, enhanced services, and discounts at renowned hospitals, diagnostic centers, restaurants, and various other institutions across the country. Under Walton Plaza’s installment customer protection policy, financial assistance of up to BDT 300,000 is provided in the event of the death of a customer or any of their family members. In addition, Walton Plaza has introduced its own telemedicine service to ensure primary healthcare support for customers, where specialist doctors are engaged. The entire service operation is being managed with the support of more than 700 Happiness and Health Care Officers working at Walton Plaza outlets nationwide. Besides, free medical camps and various social welfare activities are being conducted throughout the year under the initiatives of Walton Plaza outlets across the country.</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24o_24-05-26_32.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24o_24-05-26_32.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24o_24-05-26_32.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ঈদ ও গ্রীষ্মে ক্রেতাসেবায় প্রস্তুত ওয়ালটন প্লাজা, দেশজুড়ে ৭ শতাধিক আউটলেটে বিশেষ আয়োজন]]></title>
        <link>https://nbs24.org/economy/36991</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/economy/36991</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 24 May 2026 21:05:17 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
                <category><![CDATA[করপোরেট খবর]]></category>
                        <category><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news 2026, latest news today, atn bd news, latest news and bulletin, bangladeshi latest news, bd news, bd hot news, bd india relation news, latestnews, updated news, bdnews, update news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangla news update, bangla tv news, atn bangla news, news, news today, bangladesh news, bangladesh news today, bangla news, jamaat news, today raater news bangladesh, bangla news today, bangladesh tv news, news trending, bnp news, ncp news, top news, zee news]]></category>
        
        <description><![CDATA[আসন্ন ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন চাহিদাকে সামনে রেখে দেশব্যাপী ৭ শতাধিক বিক্রয়কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক্স ও গৃহস্থালি পণ্যের পূর্ণাঙ্গ সম্ভার নিয়ে প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে Walton এর বিক্রয় ও সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন প্লাজা। গ্রাহকদের জন্য রাখা হয়েছে আকর্ষণীয় মূল্যছাড়, সহজ কিস্তি সুবিধা এবং বিক্রয়োত্তর সেবার বিশেষ আয়োজন। দেশের অন্যতম বৃহৎ ইলেকট্রনিক্স পণ্য বিক্রয় ও সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান Walton এর ওয়ালটন প্লাজা আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে। গ্রীষ্মকালীন বাড়তি চাহিদা এবং উৎসবকেন্দ্রিক কেনাকাটার চাপ সামাল দিতে দেশজুড়ে ৭ শতাধিক আউটলেটে বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক্স, বৈদ্যুতিক ও গৃহস্থালি পণ্য মজুত করা হয়েছে। ওয়ালটন প্লাজার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রায়হান বলেন, গ্রাহকদের চাহিদাকে অগ্রাধিকার দিয়ে সব আউটলেট প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র, ফ্রিজ, রিচার্জযোগ্য পাখা, টেলিভিশন, কাপড় ধোয়ার যন্ত্র, রান্নাঘরের সরঞ্জাম, স্মার্টফোন, বহনযোগ্য কম্পিউটারসহ বিভিন্ন ডিজিটাল পণ্যের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, উৎসবের এই মৌসুমে ক্রেতাদের জন্য প্রতিযোগিতামূলক মূল্য, আকর্ষণীয় অফার এবং দেশব্যাপী বিক্রয়োত্তর সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি। নগদ মূল্যের পাশাপাশি সহজ শর্তে কিস্তি সুবিধা এবং বিভিন্ন ব্যাংকের ঋণকার্ডের মাধ্যমে মাসিক কিস্তিতে পণ্য কেনার সুযোগও রাখা হয়েছে। ওয়ালটন প্লাজা সূত্রে জানা যায়, কিস্তিতে পণ্য ক্রয়কারী গ্রাহকদের জন্য বিশেষ সুরক্ষা কার্ড চালু রয়েছে। এই কার্ডের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল, রোগ নির্ণয় কেন্দ্র ও খাবার প্রতিষ্ঠানে মূল্যছাড় ও বিশেষ সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া কিস্তি ক্রেতা সুরক্ষা নীতির আওতায় গ্রাহক বা তার পরিবারের সদস্যের মৃত্যু হলে সর্বোচ্চ তিন লাখ টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। গ্রাহকদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব দূরবর্তী চিকিৎসাসেবাও চালু রয়েছে। সারাদেশে কর্মরত সাত শতাধিক সেবা ও স্বাস্থ্য সহায়ক কর্মকর্তা এ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় বিনামূল্যে চিকিৎসা শিবিরসহ নানা সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে ওয়ালটন প্লাজা।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24o_24-05-26_32.webp" alt="ঈদ ও গ্রীষ্মে ক্রেতাসেবায় প্রস্তুত ওয়ালটন প্লাজা, দেশজুড়ে ৭ শতাধিক আউটলেটে বিশেষ আয়োজন" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ঈদ ও গ্রীষ্মে ক্রেতাসেবায় প্রস্তুত ওয়ালটন প্লাজা, দেশজুড়ে ৭ শতাধিক আউটলেটে বিশেষ আয়োজন</h1>
            <p>আসন্ন ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন চাহিদাকে সামনে রেখে দেশব্যাপী ৭ শতাধিক বিক্রয়কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক্স ও গৃহস্থালি পণ্যের পূর্ণাঙ্গ সম্ভার নিয়ে প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে Walton এর বিক্রয় ও সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন প্লাজা। গ্রাহকদের জন্য রাখা হয়েছে আকর্ষণীয় মূল্যছাড়, সহজ কিস্তি সুবিধা এবং বিক্রয়োত্তর সেবার বিশেষ আয়োজন। দেশের অন্যতম বৃহৎ ইলেকট্রনিক্স পণ্য বিক্রয় ও সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান Walton এর ওয়ালটন প্লাজা আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে। গ্রীষ্মকালীন বাড়তি চাহিদা এবং উৎসবকেন্দ্রিক কেনাকাটার চাপ সামাল দিতে দেশজুড়ে ৭ শতাধিক আউটলেটে বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক্স, বৈদ্যুতিক ও গৃহস্থালি পণ্য মজুত করা হয়েছে। ওয়ালটন প্লাজার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রায়হান বলেন, গ্রাহকদের চাহিদাকে অগ্রাধিকার দিয়ে সব আউটলেট প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র, ফ্রিজ, রিচার্জযোগ্য পাখা, টেলিভিশন, কাপড় ধোয়ার যন্ত্র, রান্নাঘরের সরঞ্জাম, স্মার্টফোন, বহনযোগ্য কম্পিউটারসহ বিভিন্ন ডিজিটাল পণ্যের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, উৎসবের এই মৌসুমে ক্রেতাদের জন্য প্রতিযোগিতামূলক মূল্য, আকর্ষণীয় অফার এবং দেশব্যাপী বিক্রয়োত্তর সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি। নগদ মূল্যের পাশাপাশি সহজ শর্তে কিস্তি সুবিধা এবং বিভিন্ন ব্যাংকের ঋণকার্ডের মাধ্যমে মাসিক কিস্তিতে পণ্য কেনার সুযোগও রাখা হয়েছে। ওয়ালটন প্লাজা সূত্রে জানা যায়, কিস্তিতে পণ্য ক্রয়কারী গ্রাহকদের জন্য বিশেষ সুরক্ষা কার্ড চালু রয়েছে। এই কার্ডের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল, রোগ নির্ণয় কেন্দ্র ও খাবার প্রতিষ্ঠানে মূল্যছাড় ও বিশেষ সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া কিস্তি ক্রেতা সুরক্ষা নীতির আওতায় গ্রাহক বা তার পরিবারের সদস্যের মৃত্যু হলে সর্বোচ্চ তিন লাখ টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। গ্রাহকদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব দূরবর্তী চিকিৎসাসেবাও চালু রয়েছে। সারাদেশে কর্মরত সাত শতাধিক সেবা ও স্বাস্থ্য সহায়ক কর্মকর্তা এ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় বিনামূল্যে চিকিৎসা শিবিরসহ নানা সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে ওয়ালটন প্লাজা।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24o_24-05-26_32.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24o_24-05-26_32.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24o_24-05-26_32.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইউক্রেনের বর্বর ড্রোন হামলায় ঝরল বহু নিষ্পাপ ছাত্রের প্রাণ, ক্ষোভে ফুঁসছে রাশিয়া, প্রতিশোধের হুঙ্কার পুতিনের!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36990</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36990</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 24 May 2026 21:05:26 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news 2026, latest news today, atn bd news, latest news and bulletin, bangladeshi latest news, bd news, bd hot news, bd india relation news, latestnews, updated news, bdnews, update news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangla news update, bangla tv news, atn bangla news, news, news today, bangladesh news, bangladesh news today, bangla news, jamaat news, today raater news bangladesh, bangla news today, bangladesh tv news, news trending, bnp news, ncp news, top news, zee news]]></category>
        
        <description><![CDATA[ইউক্রেনের কিয়েভ শাসন ব্যবস্থা যে কতটা বর্বর এবং নিষ্ঠুর হয়ে উঠতে পারে, তার এক জলজ্যান্ত প্রমাণ মিলল রাশিয়ার লুহানস্কের স্টারোবেলস্কে। গভীর রাতে, যখন সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরা ঘুমাচ্ছিল, তখন তাদের ওপর ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেনের সেনাবাহিনী। কিয়েভের এই কাপুরুষোচিত হামলায় ১৬ জন নিরীহ শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে এবং অন্তত ৩৮ জন গুরুতর আহত হয়েছে। বিস্তারিত জানতে সঙ্গেই থাকুন। রাশিয়ার জরুরি পরিস্থিতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় বা ইমারকম নিশ্চিত করেছে যে, ধসে পড়া ছাত্রাবাসের ধ্বংসস্তূপ থেকে একের পর এক নিরীহ শিক্ষার্থীদের মরদেহ উদ্ধার করা হচ্ছে। এই হামলায় এখনো পর্যন্ত ১৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে এবং ৪২ জন চিকিৎসাধীন আছেন। এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে বেশ কয়েকজন আটকে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে, যাদের উদ্ধারে দিনরাত কাজ করছেন রুশ উদ্ধারকর্মীরা। সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো, এই ভবনের চতুর্থ ও পঞ্চম তলায় ছিল ছাত্রীদের থাকার জায়গা। সেখানে কোনো সামরিক ঘাঁটি ছিল না, ছিল না কোনো যুদ্ধাস্ত্র। আর সেখানেই গভীর রাতে প্রথম আঘাতটি হানে ইউক্রেনীয় ড্রোনগুলো। চারদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে মেয়েদের পড়ার বই, খাতা, ব্ল্যাঙ্কেট আর টেডি বেয়ার, যা প্রমাণ করে কিয়েভ কতটা পরিকল্পিতভাবে বেসামরিক নাগরিকদের টার্গেট করছে। ইউক্রেন দাবি করেছিল যে এটি নাকি ড্রোন অপারেটর ট্রেনিং সেন্টার ছিল, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা। রাশিয়ার স্টেট ডুমার চেয়ারম্যান ভিয়াচেস্লাভ ভোলোদিন স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, ইউক্রেনের এই সন্ত্রাসী নব্য-নাৎসি শাসন ব্যবস্থা সম্পূর্ণ জেনেবুঝে রাশিয়ার হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং আবাসিক ভবনে হামলা চালাচ্ছে। এই কাপুরুষোচিত আচরণ কোনো পেশাদার সেনাবাহিনীর হতে পারে না, এটি নিছকই এক সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং ইউক্রেনকে এর উপযুক্ত জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, এই বর্বরোচিত হামলার পেছনে যারা রয়েছে, তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। রুশ সেনাবাহিনী ইতিমধ্যেই কিয়েভের এই নির্মমতার প্রতিশোধ নিতে এবং তাদের যুদ্ধযন্ত্রকে গুঁড়িয়ে দিতে সম্পূর্ণ প্রস্তুতি গ্রহণ শুরু করেছে। আঞ্চলিক গভর্নর লিওনিড পাসেচনিক নিহতদের একটি তালিকা প্রকাশ করেছেন, যার মধ্যে আটজন তরুণী এবং তিনজন তরুণ রয়েছেন। তাদের বয়স ছিল মাত্র ১৯ থেকে ২২ বছরের মধ্যে। জীবনের শুরুতে এই নিষ্পাপ প্রাণগুলোকে কেড়ে নিল কিয়েভের ড্রোন। গভর্নর বলেন, এই দুঃখ সারা দেশের, এবং রাশিয়া কখনোই এই নির্মমতার মূল পরিকল্পনাকারীদের ক্ষমা করবে না। রাশিয়ার পক্ষ থেকে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠক ডাকা হলে, সেখানে ইউক্রেনের রাষ্ট্রদূত এই যুদ্ধাপরাধকে অস্বীকার করার চেষ্টা করেন। তিনি এটিকে "প্রোপাগান্ডা" বলে উড়িয়ে দেওয়ার ধৃষ্টতা দেখান। কিন্তু রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা কড়া জবাব দিয়ে বলেছেন, পশ্চিমী দেশগুলো ইউক্রেনের এই বর্বরতাকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য জাতিসংঘের মঞ্চকে নোংরাভাবে ব্যবহার করছে। সবচেয়ে বড় লজ্জার বিষয় হলো আন্তর্জাতিক মিডিয়ার ভূমিকা। মারিয়া জাখারোভা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, বিবিসি স্টারোবেলস্কের এই ট্র্যাজেডির স্থানে প্রতিনিধি পাঠাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে এবং সিএনএন যেন হঠাৎ ছুটিতে চলে গেছে। যখন রাশিয়ার কোনো বেসামরিক এলাকায় হামলা হয়, তখন এই তথাকথিত স্বাধীন সাংবাদিকতার ধ্বজাধারীরা সম্পূর্ণ অন্ধ এবং বধির হয়ে যায়, যা তাদের দ্বিমুখী নীতি প্রকাশ করে। উদ্ধারকাজ যখন চলছিল, তখনও ইউক্রেনীয় ড্রোনগুলো সেই ধ্বংসস্তূপের ওপর পুনরায় হামলা চালানোর চেষ্টা করছিল। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিশেষ মিশনের প্রধান রদিওন মিরোশনিক জানিয়েছেন যে, ইউক্রেনের ক্রমাগত ড্রোন হামলার হুমকির কারণে উদ্ধারকর্মীদের বারবার কাজ থামাতে হচ্ছিল। তবে রাশিয়ার শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অত্যন্ত দক্ষতার সাথে সেই শত্রু ড্রোনগুলোকে আকাশে ধ্বংস করে দেয়। ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর এই ধ্বংসযজ্ঞ শুধু লুহানস্কেই সীমাবদ্ধ নয়। জাপোরোঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাশ্ববর্তী শহর এনারগোদারেও ভারী শেলিং বা গোলাবর্ষণ করেছে ইউক্রেনীয় বাহিনী। গভর্নর ইভজেনি বালিতস্কি জানিয়েছেন, কামেনকা-দনেপ্রোভস্কায়া এবং এনারগোদারের বেসামরিক অবকাঠামো ইউক্রেনীয় গোলার আঘাতে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা যেকোনো সময় বড় ধরনের পারমাণবিক বিপর্যয় ডেকে আনতে পারত। রাশিয়ার আকাশ সীমা সুরক্ষায় নিয়োজিত বীর সেনারা গত ২৪ ঘণ্টায় অনন্য রেকর্ড গড়েছেন। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, মাত্র পাঁচ ঘণ্টার মধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর থেকে ৪২টি ইউক্রেনীয় ফিক্সড-উইং ড্রোন গুলি করে নামানো হয়েছে। বেলগোরোদ, ব্রায়ানস্ক, কালুগা, কুরস্ক এবং মস্কোসহ ক্রাইমিয়ার আকাশেও ইউক্রেনের সমস্ত চক্রান্ত ব্যর্থ করে দিয়েছে রাশিয়া। সীমান্তবর্তী বেলগোরোদ অঞ্চলেও ইউক্রেনীয় বাহিনী গত একদিনে মোট ৫৬ বার হামলা চালিয়েছে। গভর্নর আলেকজান্ডার শুভায়েভ জানিয়েছেন, এই কামান ও ড্রোন হামলায় আটজন বেসামরিক নাগরিক গুরুতর আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তবে রাশিয়ার সক্রিয় ডিফেন্স ইউনিটের কল্যাণে কিয়েভের পাঠানো ৫০টি ঘাতক ড্রোনকে আকাশেই ধ্বংস করা সম্ভব হয়েছে। এদিকে রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় কৃষ্ণ সাগর বন্দর নভোরোসিস্কের একটি তেল ডিপোতে ইউক্রেনীয় ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে আগুন ধরে যায়। শহরের মেয়র আন্দ্রে ক্রাভচেনকো জানিয়েছেন, হামলায় কয়েকজন সাধারণ টেকনিশিয়ান আহত হয়েছেন। ইউক্রেন রাশিয়ার অর্থনৈতিক ও জ্বালানি খাতকে দুর্বল করার জন্য মরিয়া হয়ে এই দূরপাল্লার ড্রোন হামলা চালাচ্ছে, যা তাদের পরাজয়ের হতাশা ছাড়া আর কিছুই নয়। রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গিয়ে ইউক্রেন নিজেদের দেশকে এখন ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছে। কিয়েভের রাস্তায় এখন শত শত সাধারণ মানুষ বর্তমান জালানি সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করছেন। নিখোঁজ সৈনিকদের অকাট্য প্রমাণ ছাড়াই মৃত ঘোষণার একটি বিতর্কিত বিলের বিরুদ্ধে কিয়েভে তীব্র আন্দোলন শুরু হয়েছে। ইউক্রেনের নিজস্ব রেজিস্ট্রিতেই এখন ৯০ হাজারেরও বেশি মানুষ নিখোঁজ তালিকায় রয়েছেন। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বলেছেন, ইউক্রেন আজ চরম যুদ্ধক্লান্তি এবং অভ্যন্তরীণ দুর্নীতিতে জর্জরিত। জালানি সরকারের কাছের মানুষদের বিলিয়ন ডলারের দুর্নীতি এবং জোরপূর্বক তরুণদের সেনাবাহিনীতে নিয়োগের হিংসাত্মক অভিযান থেকে জনগণের চোখ সরাতেই কিয়েভ রাশিয়ার সাধারণ নাগরিকদের ওপর এই ধরনের কাপুরুষোচিত ও হঠকারী ড্রোন হামলা চালিয়ে সস্তা প্রচার পাওয়ার চেষ্টা করছে। নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে ইউক্রেন এখন নাৎসিবাদের অন্ধকার ইতিহাসকে পুনরুজ্জীবিত করছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কুখ্যাত নাৎসি সহযোগী আন্দ্রে মেলনিকের অবশিষ্টাংশ লাক্সেমবার্গ থেকে এনে কিয়েভের প্রধান সামরিক কবরস্থানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করার আয়োজন করছে ইউক্রেন। ভ্লাদিমির জেলেনস্কি এখন এই সব হিটলারের দোসর ও খুনিদের নিয়ে একটি "তথাকথিত বীরদের প্যান্থিয়ন" তৈরি করার ঘোষণা দিয়েছেন। ইতিহাস সাক্ষী, এই আন্দ্রে মেলনিক ১৯৩৯ সালে নাৎসি জার্মানির সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা 'আব্বের'-এর হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি এবং নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের জন্য নিয়োগ পেয়েছিলেন। অথচ আজ জেলেনস্কির ডেপুটি চিফ অব স্টাফ ইরিনা ভেরেশচুক স্বয়ং উপস্থিত থেকে এই আন্তর্জাতিক অপরাধীকে রাষ্ট্রীয় সম্মান দিচ্ছেন। কিয়েভ আজ নব্য-নাৎসিবাদের চারণভূমিতে পরিণত হয়েছে, যা মানব সভ্যতার জন্য এক চরম হুমকি। আরও পড়ুন: ইরান সীমান্তে ট্রাম্পের যুদ্ধের গোপন ছক এবং ২০২৮ নির্বাচন বাতিলের বিস্ফোরক তথ্য! মেলনিকের ওইউএন সংগঠনের আরেকটি দলনেতা ছিল স্তেপান বান্দেরা, যার অনুসারীরা ভোলিন অঞ্চলে হাজার হাজার নিরীহ পোলিশ নাগরিককে নির্মমভাবে জাতিগত নিধন করেছিল। মারিয়া জাখারোভা কড়া ভাষায় বলেছেন যে, ইউক্রেন আজ বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা মানবতাবিরোধী নাৎসি খুনিদের অবশিষ্টাংশ জড়ো করে তাদের মহিমান্বিত করছে। এই অপকর্মের মাধ্যমে জেলেনস্কি প্রমাণ করলেন তিনি আসলে কার এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছেন। ইউক্রেনের এই অনৈতিক আচরণের কারণে ইউরোপের বন্ধু দেশগুলোও এখন তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। হাঙ্গেরির নতুন নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী পিটার মাগিয়ার দায়িত্ব নেওয়ার পরেই ইউক্রেনীয় কৃষিপণ্য আমদানির ওপর কড়া নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল করেছেন। হাঙ্গেরির কৃষকদের সস্তা ও নিম্নমানের ইউক্রেনীয় শস্যের বন্যা থেকে রক্ষা করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা কিয়েভের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ডে বড় আঘাত। ব্রাসেলসের তীব্র আপত্তি এবং নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও হাঙ্গেরির পাশাপাশি পোল্যান্ড এবং স্লোভাকিয়াও ইউক্রেনীয় কৃষিপণ্য আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা বজায় রেখেছে। ইউরোপীয় কমিশন এই নিষেধাজ্ঞাকে অবৈধ বললেও, দেশগুলো নিজেদের অর্থনীতি রক্ষার্থে কিয়েভের শোষণের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থানে দাঁড়িয়েছে। এর থেকে স্পষ্ট যে, ইউরোপের দেশগুলোও বুঝতে পেরেছে ইউক্রেনকে অন্ধ সমর্থন দেওয়ার ফল কতটা ভয়াবহ হতে পারে। শুধু ইউরোপই নয়, খোদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও এখন ইউক্রেনকে নিয়ে পুনর্বিবেচনা শুরু করেছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন যে, ইউরোপে মার্কিন সেনাসংখ্যা ৮০ হাজার থেকে কমিয়ে আনা হবে। ইন্দো-প্যাসিফিক এবং মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে আমেরিকা এখন ইউক্রেনের পেছনে অন্তহীন অর্থ ও সেনা বিনিয়োগের অবস্থান থেকে ধীরে ধীরে পিছু হটছে, যা কিয়েভের জন্য বড় ধাক্কা। মার্কিন কংগ্রেস এবং ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যে এখন ইউক্রেনের সামরিক সহায়তা নিয়ে তীব্র মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। দ্বিপাক্ষিক সিনেটরদের একটি গ্রুপ প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথকে চিঠি লিখে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন যে, গত বছর বরাদ্দ হওয়া ৪০০ মিলিয়ন ডলারের ইউক্রেন এইড পেন্টাগন এখনো ছাড় করেনি। আমেরিকার সাধারণ মানুষ আজ বুঝতে পেরেছে যে তাদের ট্যাক্সের টাকা কিয়েভের দুর্নীতিবাজদের পকেটে যাচ্ছে। নিজেদের পরাজয় নিশ্চিত জেনে ইউক্রেনের পশ্চিমা মিত্ররা এখন মরিয়া হয়ে হাঙ্গেরি ও রাশিয়ার ওপর ক্ষোভ ঝাড়ছে। চেক প্রেসিডেন্ট পেত্র পাভেল ন্যাটোকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইন্টারনেট বন্ধ করা এবং বৈশ্বিক ব্যাংকিং সিস্টেম থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করার মতো অবাস্তব উস্কানিমূলক পরামর্শ দিচ্ছেন। কিন্তু রাশিয়ার মতো পারমাণবিক পরাশক্তিকে অর্থনৈতিকভাবে কাবু করার এই সমস্ত পশ্চিমা চেষ্টা অতীতেও ব্যর্থ হয়েছে, ভবিষ্যতেও হবে। ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর হঠকারী সামরিক কার্যকলাপের কারণে দনেপ্রোভস্কা সাবস্টেশনে এক বিশাল অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা বা আইএইএ নিশ্চিত করেছে যে, এই অগ্নিকাণ্ডের ফলে একটি সচল পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র আংশিকভাবে গ্রিড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। ইউক্রেনের এই কাণ্ডজ্ঞানহীন হামলা পুরো ইউরোপকে এক ভয়াবহ বিদ্যুৎ বিপর্যয় এবং পারমাণবিক ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে। ইউক্রেন যতই দূরপাল্লার পশ্চিমা ড্রোন নিয়ে রাশিয়ার তেল ডিপো কিংবা ছাত্রাবাসে কাপুরুষোচিত হামলা চালাক না কেন, রাশিয়ার মূল সামরিক শক্তির সামনে তারা খড়কুটোর মতো উড়ে যাচ্ছে। রাশিয়ার অজেয় প্রতিরক্ষা ব্যুহ ভেদ করার ক্ষমতা কিয়েভের নেই। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং বীর রুশ সেনারা প্রতিটি বেসামরিক নাগরিকের রক্তের হিসাব কড়ায়-গণ্ডায় কিয়েভের নব্য-নাৎসি বাহিনীর কাছ থেকে আদায় করে ছাড়বে। আরও পড়ুন: মার্কিন বোমারু বিমানের ভিডিও ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা, ইরানের পাল্টা বার্তায় বিশ্বজুড়ে শঙ্কা]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/654_1.webp" alt="ইউক্রেনের বর্বর ড্রোন হামলায় ঝরল বহু নিষ্পাপ ছাত্রের প্রাণ, ক্ষোভে ফুঁসছে রাশিয়া, প্রতিশোধের হুঙ্কার পুতিনের!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইউক্রেনের বর্বর ড্রোন হামলায় ঝরল বহু নিষ্পাপ ছাত্রের প্রাণ, ক্ষোভে ফুঁসছে রাশিয়া, প্রতিশোধের হুঙ্কার পুতিনের!</h1>
            <p>ইউক্রেনের কিয়েভ শাসন ব্যবস্থা যে কতটা বর্বর এবং নিষ্ঠুর হয়ে উঠতে পারে, তার এক জলজ্যান্ত প্রমাণ মিলল রাশিয়ার লুহানস্কের স্টারোবেলস্কে। গভীর রাতে, যখন সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরা ঘুমাচ্ছিল, তখন তাদের ওপর ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেনের সেনাবাহিনী। কিয়েভের এই কাপুরুষোচিত হামলায় ১৬ জন নিরীহ শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে এবং অন্তত ৩৮ জন গুরুতর আহত হয়েছে। বিস্তারিত জানতে সঙ্গেই থাকুন। রাশিয়ার জরুরি পরিস্থিতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় বা ইমারকম নিশ্চিত করেছে যে, ধসে পড়া ছাত্রাবাসের ধ্বংসস্তূপ থেকে একের পর এক নিরীহ শিক্ষার্থীদের মরদেহ উদ্ধার করা হচ্ছে। এই হামলায় এখনো পর্যন্ত ১৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে এবং ৪২ জন চিকিৎসাধীন আছেন। এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে বেশ কয়েকজন আটকে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে, যাদের উদ্ধারে দিনরাত কাজ করছেন রুশ উদ্ধারকর্মীরা। সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো, এই ভবনের চতুর্থ ও পঞ্চম তলায় ছিল ছাত্রীদের থাকার জায়গা। সেখানে কোনো সামরিক ঘাঁটি ছিল না, ছিল না কোনো যুদ্ধাস্ত্র। আর সেখানেই গভীর রাতে প্রথম আঘাতটি হানে ইউক্রেনীয় ড্রোনগুলো। চারদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে মেয়েদের পড়ার বই, খাতা, ব্ল্যাঙ্কেট আর টেডি বেয়ার, যা প্রমাণ করে কিয়েভ কতটা পরিকল্পিতভাবে বেসামরিক নাগরিকদের টার্গেট করছে। ইউক্রেন দাবি করেছিল যে এটি নাকি ড্রোন অপারেটর ট্রেনিং সেন্টার ছিল, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা। রাশিয়ার স্টেট ডুমার চেয়ারম্যান ভিয়াচেস্লাভ ভোলোদিন স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, ইউক্রেনের এই সন্ত্রাসী নব্য-নাৎসি শাসন ব্যবস্থা সম্পূর্ণ জেনেবুঝে রাশিয়ার হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং আবাসিক ভবনে হামলা চালাচ্ছে। এই কাপুরুষোচিত আচরণ কোনো পেশাদার সেনাবাহিনীর হতে পারে না, এটি নিছকই এক সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং ইউক্রেনকে এর উপযুক্ত জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, এই বর্বরোচিত হামলার পেছনে যারা রয়েছে, তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। রুশ সেনাবাহিনী ইতিমধ্যেই কিয়েভের এই নির্মমতার প্রতিশোধ নিতে এবং তাদের যুদ্ধযন্ত্রকে গুঁড়িয়ে দিতে সম্পূর্ণ প্রস্তুতি গ্রহণ শুরু করেছে। আঞ্চলিক গভর্নর লিওনিড পাসেচনিক নিহতদের একটি তালিকা প্রকাশ করেছেন, যার মধ্যে আটজন তরুণী এবং তিনজন তরুণ রয়েছেন। তাদের বয়স ছিল মাত্র ১৯ থেকে ২২ বছরের মধ্যে। জীবনের শুরুতে এই নিষ্পাপ প্রাণগুলোকে কেড়ে নিল কিয়েভের ড্রোন। গভর্নর বলেন, এই দুঃখ সারা দেশের, এবং রাশিয়া কখনোই এই নির্মমতার মূল পরিকল্পনাকারীদের ক্ষমা করবে না। রাশিয়ার পক্ষ থেকে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠক ডাকা হলে, সেখানে ইউক্রেনের রাষ্ট্রদূত এই যুদ্ধাপরাধকে অস্বীকার করার চেষ্টা করেন। তিনি এটিকে "প্রোপাগান্ডা" বলে উড়িয়ে দেওয়ার ধৃষ্টতা দেখান। কিন্তু রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা কড়া জবাব দিয়ে বলেছেন, পশ্চিমী দেশগুলো ইউক্রেনের এই বর্বরতাকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য জাতিসংঘের মঞ্চকে নোংরাভাবে ব্যবহার করছে। সবচেয়ে বড় লজ্জার বিষয় হলো আন্তর্জাতিক মিডিয়ার ভূমিকা। মারিয়া জাখারোভা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, বিবিসি স্টারোবেলস্কের এই ট্র্যাজেডির স্থানে প্রতিনিধি পাঠাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে এবং সিএনএন যেন হঠাৎ ছুটিতে চলে গেছে। যখন রাশিয়ার কোনো বেসামরিক এলাকায় হামলা হয়, তখন এই তথাকথিত স্বাধীন সাংবাদিকতার ধ্বজাধারীরা সম্পূর্ণ অন্ধ এবং বধির হয়ে যায়, যা তাদের দ্বিমুখী নীতি প্রকাশ করে। উদ্ধারকাজ যখন চলছিল, তখনও ইউক্রেনীয় ড্রোনগুলো সেই ধ্বংসস্তূপের ওপর পুনরায় হামলা চালানোর চেষ্টা করছিল। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিশেষ মিশনের প্রধান রদিওন মিরোশনিক জানিয়েছেন যে, ইউক্রেনের ক্রমাগত ড্রোন হামলার হুমকির কারণে উদ্ধারকর্মীদের বারবার কাজ থামাতে হচ্ছিল। তবে রাশিয়ার শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অত্যন্ত দক্ষতার সাথে সেই শত্রু ড্রোনগুলোকে আকাশে ধ্বংস করে দেয়। ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর এই ধ্বংসযজ্ঞ শুধু লুহানস্কেই সীমাবদ্ধ নয়। জাপোরোঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাশ্ববর্তী শহর এনারগোদারেও ভারী শেলিং বা গোলাবর্ষণ করেছে ইউক্রেনীয় বাহিনী। গভর্নর ইভজেনি বালিতস্কি জানিয়েছেন, কামেনকা-দনেপ্রোভস্কায়া এবং এনারগোদারের বেসামরিক অবকাঠামো ইউক্রেনীয় গোলার আঘাতে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা যেকোনো সময় বড় ধরনের পারমাণবিক বিপর্যয় ডেকে আনতে পারত। রাশিয়ার আকাশ সীমা সুরক্ষায় নিয়োজিত বীর সেনারা গত ২৪ ঘণ্টায় অনন্য রেকর্ড গড়েছেন। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, মাত্র পাঁচ ঘণ্টার মধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর থেকে ৪২টি ইউক্রেনীয় ফিক্সড-উইং ড্রোন গুলি করে নামানো হয়েছে। বেলগোরোদ, ব্রায়ানস্ক, কালুগা, কুরস্ক এবং মস্কোসহ ক্রাইমিয়ার আকাশেও ইউক্রেনের সমস্ত চক্রান্ত ব্যর্থ করে দিয়েছে রাশিয়া। সীমান্তবর্তী বেলগোরোদ অঞ্চলেও ইউক্রেনীয় বাহিনী গত একদিনে মোট ৫৬ বার হামলা চালিয়েছে। গভর্নর আলেকজান্ডার শুভায়েভ জানিয়েছেন, এই কামান ও ড্রোন হামলায় আটজন বেসামরিক নাগরিক গুরুতর আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তবে রাশিয়ার সক্রিয় ডিফেন্স ইউনিটের কল্যাণে কিয়েভের পাঠানো ৫০টি ঘাতক ড্রোনকে আকাশেই ধ্বংস করা সম্ভব হয়েছে। এদিকে রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় কৃষ্ণ সাগর বন্দর নভোরোসিস্কের একটি তেল ডিপোতে ইউক্রেনীয় ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে আগুন ধরে যায়। শহরের মেয়র আন্দ্রে ক্রাভচেনকো জানিয়েছেন, হামলায় কয়েকজন সাধারণ টেকনিশিয়ান আহত হয়েছেন। ইউক্রেন রাশিয়ার অর্থনৈতিক ও জ্বালানি খাতকে দুর্বল করার জন্য মরিয়া হয়ে এই দূরপাল্লার ড্রোন হামলা চালাচ্ছে, যা তাদের পরাজয়ের হতাশা ছাড়া আর কিছুই নয়। রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গিয়ে ইউক্রেন নিজেদের দেশকে এখন ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছে। কিয়েভের রাস্তায় এখন শত শত সাধারণ মানুষ বর্তমান জালানি সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করছেন। নিখোঁজ সৈনিকদের অকাট্য প্রমাণ ছাড়াই মৃত ঘোষণার একটি বিতর্কিত বিলের বিরুদ্ধে কিয়েভে তীব্র আন্দোলন শুরু হয়েছে। ইউক্রেনের নিজস্ব রেজিস্ট্রিতেই এখন ৯০ হাজারেরও বেশি মানুষ নিখোঁজ তালিকায় রয়েছেন। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বলেছেন, ইউক্রেন আজ চরম যুদ্ধক্লান্তি এবং অভ্যন্তরীণ দুর্নীতিতে জর্জরিত। জালানি সরকারের কাছের মানুষদের বিলিয়ন ডলারের দুর্নীতি এবং জোরপূর্বক তরুণদের সেনাবাহিনীতে নিয়োগের হিংসাত্মক অভিযান থেকে জনগণের চোখ সরাতেই কিয়েভ রাশিয়ার সাধারণ নাগরিকদের ওপর এই ধরনের কাপুরুষোচিত ও হঠকারী ড্রোন হামলা চালিয়ে সস্তা প্রচার পাওয়ার চেষ্টা করছে। নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে ইউক্রেন এখন নাৎসিবাদের অন্ধকার ইতিহাসকে পুনরুজ্জীবিত করছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কুখ্যাত নাৎসি সহযোগী আন্দ্রে মেলনিকের অবশিষ্টাংশ লাক্সেমবার্গ থেকে এনে কিয়েভের প্রধান সামরিক কবরস্থানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করার আয়োজন করছে ইউক্রেন। ভ্লাদিমির জেলেনস্কি এখন এই সব হিটলারের দোসর ও খুনিদের নিয়ে একটি "তথাকথিত বীরদের প্যান্থিয়ন" তৈরি করার ঘোষণা দিয়েছেন। ইতিহাস সাক্ষী, এই আন্দ্রে মেলনিক ১৯৩৯ সালে নাৎসি জার্মানির সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা 'আব্বের'-এর হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি এবং নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের জন্য নিয়োগ পেয়েছিলেন। অথচ আজ জেলেনস্কির ডেপুটি চিফ অব স্টাফ ইরিনা ভেরেশচুক স্বয়ং উপস্থিত থেকে এই আন্তর্জাতিক অপরাধীকে রাষ্ট্রীয় সম্মান দিচ্ছেন। কিয়েভ আজ নব্য-নাৎসিবাদের চারণভূমিতে পরিণত হয়েছে, যা মানব সভ্যতার জন্য এক চরম হুমকি। আরও পড়ুন: ইরান সীমান্তে ট্রাম্পের যুদ্ধের গোপন ছক এবং ২০২৮ নির্বাচন বাতিলের বিস্ফোরক তথ্য! মেলনিকের ওইউএন সংগঠনের আরেকটি দলনেতা ছিল স্তেপান বান্দেরা, যার অনুসারীরা ভোলিন অঞ্চলে হাজার হাজার নিরীহ পোলিশ নাগরিককে নির্মমভাবে জাতিগত নিধন করেছিল। মারিয়া জাখারোভা কড়া ভাষায় বলেছেন যে, ইউক্রেন আজ বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা মানবতাবিরোধী নাৎসি খুনিদের অবশিষ্টাংশ জড়ো করে তাদের মহিমান্বিত করছে। এই অপকর্মের মাধ্যমে জেলেনস্কি প্রমাণ করলেন তিনি আসলে কার এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছেন। ইউক্রেনের এই অনৈতিক আচরণের কারণে ইউরোপের বন্ধু দেশগুলোও এখন তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। হাঙ্গেরির নতুন নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী পিটার মাগিয়ার দায়িত্ব নেওয়ার পরেই ইউক্রেনীয় কৃষিপণ্য আমদানির ওপর কড়া নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল করেছেন। হাঙ্গেরির কৃষকদের সস্তা ও নিম্নমানের ইউক্রেনীয় শস্যের বন্যা থেকে রক্ষা করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা কিয়েভের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ডে বড় আঘাত। ব্রাসেলসের তীব্র আপত্তি এবং নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও হাঙ্গেরির পাশাপাশি পোল্যান্ড এবং স্লোভাকিয়াও ইউক্রেনীয় কৃষিপণ্য আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা বজায় রেখেছে। ইউরোপীয় কমিশন এই নিষেধাজ্ঞাকে অবৈধ বললেও, দেশগুলো নিজেদের অর্থনীতি রক্ষার্থে কিয়েভের শোষণের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থানে দাঁড়িয়েছে। এর থেকে স্পষ্ট যে, ইউরোপের দেশগুলোও বুঝতে পেরেছে ইউক্রেনকে অন্ধ সমর্থন দেওয়ার ফল কতটা ভয়াবহ হতে পারে। শুধু ইউরোপই নয়, খোদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও এখন ইউক্রেনকে নিয়ে পুনর্বিবেচনা শুরু করেছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন যে, ইউরোপে মার্কিন সেনাসংখ্যা ৮০ হাজার থেকে কমিয়ে আনা হবে। ইন্দো-প্যাসিফিক এবং মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে আমেরিকা এখন ইউক্রেনের পেছনে অন্তহীন অর্থ ও সেনা বিনিয়োগের অবস্থান থেকে ধীরে ধীরে পিছু হটছে, যা কিয়েভের জন্য বড় ধাক্কা। মার্কিন কংগ্রেস এবং ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যে এখন ইউক্রেনের সামরিক সহায়তা নিয়ে তীব্র মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। দ্বিপাক্ষিক সিনেটরদের একটি গ্রুপ প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথকে চিঠি লিখে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন যে, গত বছর বরাদ্দ হওয়া ৪০০ মিলিয়ন ডলারের ইউক্রেন এইড পেন্টাগন এখনো ছাড় করেনি। আমেরিকার সাধারণ মানুষ আজ বুঝতে পেরেছে যে তাদের ট্যাক্সের টাকা কিয়েভের দুর্নীতিবাজদের পকেটে যাচ্ছে। নিজেদের পরাজয় নিশ্চিত জেনে ইউক্রেনের পশ্চিমা মিত্ররা এখন মরিয়া হয়ে হাঙ্গেরি ও রাশিয়ার ওপর ক্ষোভ ঝাড়ছে। চেক প্রেসিডেন্ট পেত্র পাভেল ন্যাটোকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইন্টারনেট বন্ধ করা এবং বৈশ্বিক ব্যাংকিং সিস্টেম থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করার মতো অবাস্তব উস্কানিমূলক পরামর্শ দিচ্ছেন। কিন্তু রাশিয়ার মতো পারমাণবিক পরাশক্তিকে অর্থনৈতিকভাবে কাবু করার এই সমস্ত পশ্চিমা চেষ্টা অতীতেও ব্যর্থ হয়েছে, ভবিষ্যতেও হবে। ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর হঠকারী সামরিক কার্যকলাপের কারণে দনেপ্রোভস্কা সাবস্টেশনে এক বিশাল অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা বা আইএইএ নিশ্চিত করেছে যে, এই অগ্নিকাণ্ডের ফলে একটি সচল পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র আংশিকভাবে গ্রিড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। ইউক্রেনের এই কাণ্ডজ্ঞানহীন হামলা পুরো ইউরোপকে এক ভয়াবহ বিদ্যুৎ বিপর্যয় এবং পারমাণবিক ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে। ইউক্রেন যতই দূরপাল্লার পশ্চিমা ড্রোন নিয়ে রাশিয়ার তেল ডিপো কিংবা ছাত্রাবাসে কাপুরুষোচিত হামলা চালাক না কেন, রাশিয়ার মূল সামরিক শক্তির সামনে তারা খড়কুটোর মতো উড়ে যাচ্ছে। রাশিয়ার অজেয় প্রতিরক্ষা ব্যুহ ভেদ করার ক্ষমতা কিয়েভের নেই। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং বীর রুশ সেনারা প্রতিটি বেসামরিক নাগরিকের রক্তের হিসাব কড়ায়-গণ্ডায় কিয়েভের নব্য-নাৎসি বাহিনীর কাছ থেকে আদায় করে ছাড়বে। আরও পড়ুন: মার্কিন বোমারু বিমানের ভিডিও ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা, ইরানের পাল্টা বার্তায় বিশ্বজুড়ে শঙ্কা</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/654_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/654_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/654_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[পূর্ব-তিমুরে ওয়ালটন টিভির নতুন রপ্তানি, গেল ১২তম চালান]]></title>
        <link>https://nbs24.org/economy/36989</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/economy/36989</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sat, 23 May 2026 18:30:55 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
                <category><![CDATA[করপোরেট খবর]]></category>
                        <category><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news 2026, latest news today, atn bd news, latest news and bulletin, bangladeshi latest news, bd news, bd hot news, bd india relation news, latestnews, updated news, bdnews, update news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangla news update, bangla tv news, atn bangla news, news, news today, bangladesh news, bangladesh news today, bangla news, jamaat news, today raater news bangladesh, bangla news today, bangladesh tv news, news trending, bnp news, ncp news, top news, zee news]]></category>
        
        <description><![CDATA[বাংলাদেশের বহুজাতিক ব্র্যান্ড Walton পূর্ব-তিমুরে টেলিভিশন রপ্তানির ১২তম চালান পাঠিয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশে তৈরি প্রযুক্তিপণ্যের চাহিদা বৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ইতোমধ্যে পণ্যবাহী জাহাজ পূর্ব-তিমুরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছে। স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করছে বাংলাদেশের প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান Walton। এরই অংশ হিসেবে গত ২৬ এপ্রিল পূর্ব-তিমুরে ওয়ালটন টেলিভিশনের ১২তম চালানের উদ্বোধন করা হয়। পরে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে টেলিভিশনবোঝাই কন্টেইনারবাহী জাহাজ পূর্ব-তিমুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ ইউসুফ আলী বলেন, বর্তমানে এশিয়া, আফ্রিকা, মধ্য প্রাচ্য, ইউরোপ ও আমেরিকার ৫৫টিরও বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ ট্যাগযুক্ত ওয়ালটন ব্র্যান্ডের ইলেকট্রনিক্স ও ইলেকট্রিক্যাল অ্যাপ্লায়েন্সেস। বাংলাদেশ তথা ওয়ালটনের তৈরি অন্যান্য পণ্য পূর্ব তিমুরে দ্রুত ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে এক বিশাল মাইলফলক এই টিভি রপ্তানি। ওয়ালটন টিভির চিফ বিজনেস অফিসার সৌরভ আক্তার বলেন, কঠোর মাননিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে উন্নত প্রযুক্তির টেলিভিশন উৎপাদন করছে প্রতিষ্ঠানটি। ইউরোপীয় নকশা ও মান বজায় রেখে তৈরি পণ্য অল্প সময়েই আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। তিনি আরও জানান, উন্নত চিত্রমান, সাশ্রয়ী মূল্য এবং আধুনিক সুবিধার কারণে বিশ্ববাজারে ওয়ালটন টেলিভিশনের প্রতি আস্থা দ্রুত বাড়ছে। বর্তমানে ইউরোপ ওয়ালটন টেলিভিশনের সবচেয়ে বড় রপ্তানি বাজার। জার্মানি, গ্রিস, স্পেন, ইতালি, রোমানিয়া, ডেনমার্ক ও নেদারল্যান্ডসহ ইউরোপের একাধিক দেশে ওয়ালটন ব্র্যান্ডের টেলিভিশন রপ্তানি হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির মোট টেলিভিশন রপ্তানি আয়ের প্রায় ৯৫ শতাংশই আসে ইউরোপীয় বাজার থেকে। পাশাপাশি এশিয়া ও আফ্রিকার বাজারেও সম্প্রসারণ ঘটছে। পূর্ব-তিমুর ছাড়াও শ্রীলঙ্কা, সোমালিয়া, ভুটান ও লিবিয়ায় রপ্তানি হচ্ছে ওয়ালটন টেলিভিশন।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/walton-tv-news.webp" alt="পূর্ব-তিমুরে ওয়ালটন টিভির নতুন রপ্তানি, গেল ১২তম চালান" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>পূর্ব-তিমুরে ওয়ালটন টিভির নতুন রপ্তানি, গেল ১২তম চালান</h1>
            <p>বাংলাদেশের বহুজাতিক ব্র্যান্ড Walton পূর্ব-তিমুরে টেলিভিশন রপ্তানির ১২তম চালান পাঠিয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশে তৈরি প্রযুক্তিপণ্যের চাহিদা বৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ইতোমধ্যে পণ্যবাহী জাহাজ পূর্ব-তিমুরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছে। স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করছে বাংলাদেশের প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান Walton। এরই অংশ হিসেবে গত ২৬ এপ্রিল পূর্ব-তিমুরে ওয়ালটন টেলিভিশনের ১২তম চালানের উদ্বোধন করা হয়। পরে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে টেলিভিশনবোঝাই কন্টেইনারবাহী জাহাজ পূর্ব-তিমুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ ইউসুফ আলী বলেন, বর্তমানে এশিয়া, আফ্রিকা, মধ্য প্রাচ্য, ইউরোপ ও আমেরিকার ৫৫টিরও বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ ট্যাগযুক্ত ওয়ালটন ব্র্যান্ডের ইলেকট্রনিক্স ও ইলেকট্রিক্যাল অ্যাপ্লায়েন্সেস। বাংলাদেশ তথা ওয়ালটনের তৈরি অন্যান্য পণ্য পূর্ব তিমুরে দ্রুত ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে এক বিশাল মাইলফলক এই টিভি রপ্তানি। ওয়ালটন টিভির চিফ বিজনেস অফিসার সৌরভ আক্তার বলেন, কঠোর মাননিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে উন্নত প্রযুক্তির টেলিভিশন উৎপাদন করছে প্রতিষ্ঠানটি। ইউরোপীয় নকশা ও মান বজায় রেখে তৈরি পণ্য অল্প সময়েই আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। তিনি আরও জানান, উন্নত চিত্রমান, সাশ্রয়ী মূল্য এবং আধুনিক সুবিধার কারণে বিশ্ববাজারে ওয়ালটন টেলিভিশনের প্রতি আস্থা দ্রুত বাড়ছে। বর্তমানে ইউরোপ ওয়ালটন টেলিভিশনের সবচেয়ে বড় রপ্তানি বাজার। জার্মানি, গ্রিস, স্পেন, ইতালি, রোমানিয়া, ডেনমার্ক ও নেদারল্যান্ডসহ ইউরোপের একাধিক দেশে ওয়ালটন ব্র্যান্ডের টেলিভিশন রপ্তানি হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির মোট টেলিভিশন রপ্তানি আয়ের প্রায় ৯৫ শতাংশই আসে ইউরোপীয় বাজার থেকে। পাশাপাশি এশিয়া ও আফ্রিকার বাজারেও সম্প্রসারণ ঘটছে। পূর্ব-তিমুর ছাড়াও শ্রীলঙ্কা, সোমালিয়া, ভুটান ও লিবিয়ায় রপ্তানি হচ্ছে ওয়ালটন টেলিভিশন।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/walton-tv-news.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/walton-tv-news.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/walton-tv-news.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইরান সীমান্তে ট্রাম্পের যুদ্ধের গোপন ছক এবং ২০২৮ নির্বাচন বাতিলের বিস্ফোরক তথ্য!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36988</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36988</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 24 May 2026 20:05:17 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news 2026, latest news today, atn bd news, latest news and bulletin, bangladeshi latest news, bd news, bd hot news, bd india relation news, latestnews, updated news, bdnews, update news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangla news update, bangla tv news, atn bangla news, news, news today, bangladesh news, bangladesh news today, bangla news, jamaat news, today raater news bangladesh, bangla news today, bangladesh tv news, news trending, bnp news, ncp news, top news, zee news]]></category>
        
        <description><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্যে পরমাণু হামলার ছক কষছেন ট্রাম্প? ইরানের হুঁশিয়ারি: তৃতীয় শাস্তি হবে ঐতিহাসিক! অন্যদিকে হোয়াইট হাউসের ভেতর ফাঁস হওয়া তথ্য বলছে, যুদ্ধের ছায়ায় ২০২৮ সালের নির্বাচন বাতিল করে আজীবন ক্ষমতায় থাকতে চান তিনি! তাইওয়ানের চৌদ্দশ কোটি ডলারের অস্ত্র চুক্তি স্থগিত, চীনের ভয়ে পিছু হটল আমেরিকা? আর গাজায় ত্রাণবাহী জাহাজে ইসরায়েলের হামলায় ইউরোপীয় নাগরিকদের আটকের ঘটনায় কঠোর নিষেধাজ্ঞার হুঁশিয়ারি। মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে আবারও এক ভয়ঙ্কর যুদ্ধের কালো মেঘ ঘনীভূত হতে শুরু করেছে। দীর্ঘদিনের পরোক্ষ কূটনৈতিক আলোচনা সম্পূর্ণ ব্যর্থ হওয়ার পর, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে এক অভাবনীয় যুদ্ধাবস্থা তৈরি হয়েছে। যেকোনো মুহূর্তে মার্কিন বিমান বাহিনী ইরানের ওপর বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাতে পারে বলে বিশ্বব্যাপী তীব্র গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি এখন এমন এক স্পর্শকাতর মোড়ে এসে দাঁড়িয়েছে, যা পুরো বিশ্ব অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দিতে পারে। গত বাইশে মে ওয়াশিংটনের হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার শীর্ষ সামরিক ও জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি অত্যন্ত উচ্চপর্যায়ের এবং জরুরি বৈঠক করেছেন। এই বৈঠকে মার্কিন প্রশাসনের সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন, যার মধ্যে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, যুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী পিট হেগসেথ এবং কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর প্রধান জন র‍্যাটক্লিফ অন্যতম। এই বৈঠকের মূল এজেন্ডা ছিল ইরানকে চিরতরে স্তব্ধ করে দেওয়া। পরিস্থিতির ভয়াবহতা আন্দাজ করা যায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের একটি ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত থেকে। তিনি নিউ জার্সিতে তার পূর্বনির্ধারিত গলফ মাঠ পরিদর্শনের সূচি সম্পূর্ণ বাতিল করেছেন এবং নিজের জ্যেষ্ঠ পুত্রের বিবাহ অনুষ্ঠানে পর্যন্ত উপস্থিত না থেকে হোয়াইট হাউসে অবস্থান করছেন। মার্কিন গোয়েন্দা ও সামরিক কর্মকর্তাদের সমস্ত ছুটি বাতিল করে ওয়াশিংটনে ২৪ ঘণ্টা অ্যালার্ট থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যা একটি আসন্ন যুদ্ধের স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয়। হোয়াইট হাউসের অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে জানা গেছে, ইরান যাতে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র নির্মাণ করতে না পারে, সেজন্য মার্কিন প্রশাসন একটি চূড়ান্ত এবং নিষ্পত্তিমূলক সামরিক সমাপ্তি টানতে চাইছে। এর অংশ হিসেবে ইরানের পরমাণু কেন্দ্রগুলো লক্ষ্য করে বড় ধরনের বিমান এবং ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পরিকল্পনা টেবিলে রাখা হয়েছে। ট্রাম্প স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজনে ইরানকে আরেকটি বড় আঘাত করা হবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই সম্ভাব্য আগ্রাসনের খবর ছড়িয়ে পড়তেই তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি। ইরানের সামরিক কমান্ড সাফ জানিয়ে দিয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হলে তার পরিণতি হবে কল্পনাতীত ভয়াবহ। তেহরান স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, তারা যেকোনো ধরনের আক্রমণাত্মক পদক্ষেপকে কঠোর হস্তে দমন করতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করবে না। ইরানের বিখ্যাত তাসনিম বার্তা সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশটির শীর্ষ সামরিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, শত্রুপক্ষের যেকোনো ধরনের বোকামির জবাব দিতে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। এবার তারা নতুন রণকৌশল, অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র এবং আমেরিকার নতুন নতুন লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণ করেছে। ইরানি সামরিক কমান্ডারদের মতে, বিগত এক বছরের মধ্যে এটি হবে আমেরিকার জন্য তৃতীয় এবং সবচেয়ে বড় ধরনের ঐতিহাসিক ও নির্মম শাস্তি। আইআরজিসি তাদের আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এক ভয়ঙ্কর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, এবারের যুদ্ধ কেবল মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক সীমানার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। যদি ইরানের ওপর কোনো হামলা চালানো হয়, তবে এই যুদ্ধ দূরবর্তী অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়বে এবং আমেরিকার এমন সব গোপন ঘাঁটিতে আঘাত হানা হবে যা তারা কল্পনাও করতে পারছে না। ইরানি কমান্ডাররা স্পষ্ট বলেছেন, তারা বাগাড়ম্বরে বিশ্বাসী নন, বরং যুদ্ধের মাঠেই নিজেদের শক্তির চূড়ান্ত প্রমাণ দেবেন। এই চরম উত্তেজনা প্রশমিত করতে এবং একটি সম্ভাব্য বিশ্বযুদ্ধ এড়াতে আঞ্চলিক রাষ্ট্রগুলো তাদের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করেছে। পাকিস্তানের শক্তিশালী সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির ইতিমধ্যে আকস্মিকভাবে তেহরান সফর করেছেন এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন। তবে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই মুহূর্তে কোনো সমঝোতা বা চুক্তির সম্ভাবনা অনেক দূরে, কারণ ওয়াশিংটন তাদের আগ্রাসী মনোভাব ত্যাগ করেনি। এদিকে ইরানের সম্ভাব্য বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঝুঁকি মোকাবিলা করতে মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সর্বোচ্চ জোরদার করা হচ্ছে। ন্যাটোর অংশ হিসেবে তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে আগামী জুন মাস থেকে দীর্ঘ ছয় মাসের জন্য ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জার্মানি। পশ্চিমা দেশগুলো এখন ইরানের ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রকে সবচেয়ে বড় হুমকি হিসেবে দেখছে। এর আগে গত মার্চ মাসেও ইরানের ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের হুমকি মোকাবিলায় ওই অঞ্চলে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করা হয়েছিল, যা যুদ্ধকালীন সময়ে ইরান থেকে উৎক্ষেপণ করা চারটি শক্তিশালী ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মাঝআকাশেই ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছিল। একই সময়ে জর্ডানের আকাশসীমায় একটি অজ্ঞাত ড্রোন ভূপাতিত করার ঘটনা ঘটেছে, যা এই অঞ্চলের সামগ্রিক নিরাপত্তাহীনতা ও আকাশযুদ্ধের ভয়াবহতাকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে। ইরাকের অভ্যন্তর থেকে সৌদি আরব ও কুয়েতের মতো তেলসমৃদ্ধ উপসাগরীয় দেশগুলোর দিকে রহস্যময় ড্রোন উৎক্ষেপণের ঘটনাও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। ওয়াশিংটন ও তেহরানের এই মুখোমুখি অবস্থান এবং যুদ্ধের তীব্র দামামা বিশ্ববাসীকে এক নতুন এবং দীর্ঘমেয়াদি বৈশ্বিক সংকটের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে। তবে এই যুদ্ধের আড়ালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে ঘটছে এক ভয়ঙ্কর রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র, যা মার্কিন গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে দিতে পারে। এবার আসা যাক ওয়াশিংটনের সেই বিস্ফোরক খবরে। মার্কিন সংবিধানে চরম আঘাত হেনে ২০২৮ সালের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়া বা সম্পূর্ণ বাতিলের পরিকল্পনা করছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্পের এক সময়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ মিত্র, উগ্র ডানপন্থী সাবেক আইনপ্রণেতা মার্জোরি টেইলর গ্রিনের এমন মন্তব্যে ওয়াশিংটনের রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র তোলপাড় ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে, যা ট্রাম্পের স্বৈরতান্ত্রিক মানসিকতাকে প্রকাশ করে। সম্প্রতি একটি প্রভাবশালী গণমাধ্যম সাক্ষাৎকারে মার্জোরি টেইলর গ্রিন আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন যে, বর্তমান ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের সাথে সম্ভাব্য যুদ্ধকে একটি চমৎকার ঢাল হিসেবে ব্যবহার করতে চায়। এই যুদ্ধকে কেন্দ্র করে দেশে জরুরি অবস্থা জারি করে ২০২৮ সালের সাধারণ নির্বাচন স্থগিত বা সম্পূর্ণ বাতিল করার পথে হাঁটতে পারেন ট্রাম্প। এই চাঞ্চল্যকর দাবির পর হোয়াইট হাউস ও কংগ্রেসের অভ্যন্তরে আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে। উগ্র ডানপন্থী গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব অ্যালেক্স জোন্সের সাথে এক দীর্ঘ ও এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে মার্জোরি টেইলর গ্রিন জানান, সম্প্রতি হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির মধ্যকার একটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর কথোপকথন তিনি নিজে প্রত্যক্ষ করেছেন। ২০২২ সালে রাশিয়ার সামরিক অভিযানের পর থেকে ইউক্রেনে কোনো সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি এবং জেলেনস্কি এখনো ডিক্রি জারি করে ক্ষমতায় টিকে আছেন। কথোপকথনের এক পর্যায়ে ট্রাম্প যখন জেলেনস্কির কাছ থেকে জানতে পারেন যে যুদ্ধের কারণে ইউক্রেনে নির্বাচন বন্ধ রয়েছে, তখন তিনি অত্যন্ত বিস্ময় প্রকাশ করেন। গ্রিনের দেওয়া তথ্যমতে, ট্রাম্প তখন কুটিল হাসিমুখে মন্তব্য করেছিলেন যে, "তবে কি যুদ্ধ পরিস্থিতি চললে দেশে নির্বাচন স্থগিত রাখা সম্ভব?" গ্রিন দাবি করেন, ট্রাম্প সে সময় বিষয়টি নিয়ে রসিকতা করলেও তার চোখে-মুখে এক গভীর উদ্দেশ্য পরিলক্ষিত হয়েছিল। ইউক্রেনের বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী, দেশে সামরিক আইন জারি থাকা অবস্থায় কোনো ধরনের জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের আইনি বৈধতা নেই। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থা ও সংবিধান সম্পূর্ণ ভিন্ন। মার্জোরি টেইলর গ্রিন যুক্তি দেখিয়েছেন যে, ট্রাম্প প্রতিনিয়ত বিভিন্ন জনসভায় এবং সংবাদ সম্মেলনে দুই মেয়াদের বেশি ক্ষমতায় থাকা কিংবা নির্বাচন স্থগিত করার মতো বিষয়গুলো নিয়ে যেভাবে কথা বলছেন, তা কোনো সাধারণ রসিকতা নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি আসলে মার্কিন জনগণের মনস্তত্ত্ব পরীক্ষা করার একটি সুপরিকল্পিত কৌশল। ট্রাম্প বারবার এই বিতর্কিত ধারণাটি জনসমক্ষে এনে এটিকে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছেন এবং দেখতে চাচ্ছেন যে দেশের সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক মহল এতে কেমন প্রতিক্রিয়া দেখায়। গ্রিন অত্যন্ত কঠোর ভাষায় সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কোনোভাবেই তৃতীয় মেয়াদের জন্য কারোর প্রেসিডেন্ট হওয়ার কোনো আইনি সুযোগ সংবিধানে নেই। আমেরিকার রাজনৈতিক ইতিহাসে এই বিতর্কের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে মার্কিন সংবিধানের বিখ্যাত ২২তম সংশোধনী। এই ঐতিহাসিক সংশোধনী অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কোনো ব্যক্তি দুই মেয়াদের বেশি সময়ের জন্য প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে পারবেন না। তবে এই স্পষ্ট সাংবিধানিক নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও, ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে দ্বিতীয় মেয়াদে হোয়াইট হাউসে ফিরে আসার পর থেকেই ট্রাম্প একের পর এক বিতর্কিত মন্তব্য করে চলেছেন। ক্ষমতা গ্রহণের পরপরই নেভাদার লাস ভেগাসে আয়োজিত এক বিশাল দলীয় সমাবেশে ট্রাম্প তার সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন যে, একবার বা দুইবার নয়, বরং তিনবার বা চারবার দেশের সেবা করতে পারাটা হবে তার জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মানের বিষয়। এর কিছুদিন পর ফ্লোরিডায় আয়োজিত রিপাবলিকান পার্টির এক বিশেষ সম্মেলনে তিনি কৌতুকের ছলে দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে জানতে চান যে, তার কি আবারও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কোনো আইনি অধিকার আছে? এমনকি ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ওয়াশিংটনে আয়োজিত জাতীয় প্রাতরাশ প্রার্থনা সভায় ট্রাম্প তার সমর্থকদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করেন যে, মার্কিন জনগণের স্বার্থে তার আরও একবার নির্বাচনে দাঁড়ানো উচিত কি না। সে সময় উপস্থিত সমর্থকরা সমস্বরে "আরও চার বছর" স্লোগান দেয়। যদিও ট্রাম্প পরবর্তীতে স্বীকার করেছিলেন যে, মার্কিন সংবিধানে তৃতীয় মেয়াদের নিষেধাজ্ঞা পরিবর্তন করা অসম্ভব রাজনৈতিক লড়াই, যা সহজে সম্ভব নয়। যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান সংশোধন করতে হলে দেশটির আইনসভার উচ্চকক্ষ সিনেট এবং নিম্নকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস—উভয় কক্ষের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটের প্রয়োজন হয়। এরপর দেশের অন্তত তিন-চতুর্থাংশ অঙ্গরাজ্যের আইনসভা কর্তৃক তা অনুমোদিত হতে হয়। বর্তমান মার্কিন রাজনৈতিক মেরুকরণের যুগে এই ধরনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করা কার্যত অসম্ভব। এই আইনি জটিলতার কারণেই সমালোচকরা আশঙ্কা করছেন ট্রাম্প বৈধ পথ বাদ দিয়ে যুদ্ধের পথ বেছে নেবেন। আমেরিকার এই অভ্যন্তরীণ সংকটের মাঝেই এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে ঘটেছে আরেক বড় বিপর্যয়। ডোনাল্ড ট্রাম্পের বেইজিং সফরের পরপরই তাইওয়ানের সাথে আমেরিকার বিশাল অস্ত্র চুক্তি স্থগিতের ঘোষণা এসেছে, যা বেইজিংয়ের যুদ্ধের হুমকির মুখে এশীয় অঞ্চলে নতুন সামরিক উত্তেজনা তৈরি করেছে। আমেরিকান প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাইওয়ানের কাছে চৌদ্দশ কোটি ডলারের একটি বিশাল সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির চুক্তি সাময়িকভাবে সম্পূর্ণ স্থগিত করা হয়েছে। যদিও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ এবং মার্কিন সামরিক রসদ সংরক্ষণের অজুহাত দেওয়া হচ্ছে, তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যকার সাম্প্রতিক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পরপরই এই সিদ্ধান্ত আসায় আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। শি জিনপিং মার্কিন প্রেসিডেন্টকে স্পষ্টভাবে সতর্ক করেছিলেন যে, তাইওয়ান ইস্যুতে কোনো ভুল সিদ্ধান্ত দুই পরাশক্তির মধ্যে সরাসরি যুদ্ধ ডেকে আনতে পারে, যার ভয়ে ওয়াশিংটন পিছু হটেছে। এরই মধ্যে তাইওয়ান প্রণালীর অপর প্রান্তে চীনের সামরিক প্রস্তুতি এবং যুদ্ধংদেহী মনোভাব দিন দিন আরও দৃশ্যমান হয়ে উঠছে। উপগ্রহ থেকে পাওয়া সাম্প্রতিক ছবিতে দেখা গেছে, চীন তাইওয়ান প্রণালীর কাছাকাছি তাদের অন্তত ছয়টি বিমান ঘাঁটিতে বিপুল পরিমাণ পুরানো শব্দের চেয়ে দ্রুতগামী যুদ্ধবিমানকে চালকবিহীন বোমারু ড্রোনে রূপান্তরিত করে মোতায়েন করেছে। প্রায় দুই শতাধিক এই ড্রোন অলরেডি ফুজিয়ান এবং গুয়াংডং প্রদেশের কৌশলগত ঘাঁটিতে অবস্থান করছে। অন্যদিকে, গাজা অভিমুখে রওনা হওয়া ত্রাণ বহরের মানবাধিকার কর্মীদের সঙ্গে ইসরায়েলের অবমাননাকর আচরণের তীব্র নিন্দা জানিয়ে তাদের অবিলম্বে মুক্তির দাবি তুলেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। ইউরোপীয় নাগরিকদের সহ আটককৃত সকল কর্মীর মর্যাদা রক্ষা ও আন্তর্জাতিক আইন মেনে দ্রুত তাদের মুক্তি দিতে তেল আবিবের প্রতি আনুষ্ঠানিক আহ্বান জানানো হয়েছে। এই ঘটনায় ইসরায়েলের চরমপন্থী মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়টি নিয়ে ইউরোপে আলোচনা শুরু হয়েছে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24o_24-05-26_31.webp" alt="ইরান সীমান্তে ট্রাম্পের যুদ্ধের গোপন ছক এবং ২০২৮ নির্বাচন বাতিলের বিস্ফোরক তথ্য!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইরান সীমান্তে ট্রাম্পের যুদ্ধের গোপন ছক এবং ২০২৮ নির্বাচন বাতিলের বিস্ফোরক তথ্য!</h1>
            <p>মধ্যপ্রাচ্যে পরমাণু হামলার ছক কষছেন ট্রাম্প? ইরানের হুঁশিয়ারি: তৃতীয় শাস্তি হবে ঐতিহাসিক! অন্যদিকে হোয়াইট হাউসের ভেতর ফাঁস হওয়া তথ্য বলছে, যুদ্ধের ছায়ায় ২০২৮ সালের নির্বাচন বাতিল করে আজীবন ক্ষমতায় থাকতে চান তিনি! তাইওয়ানের চৌদ্দশ কোটি ডলারের অস্ত্র চুক্তি স্থগিত, চীনের ভয়ে পিছু হটল আমেরিকা? আর গাজায় ত্রাণবাহী জাহাজে ইসরায়েলের হামলায় ইউরোপীয় নাগরিকদের আটকের ঘটনায় কঠোর নিষেধাজ্ঞার হুঁশিয়ারি। মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে আবারও এক ভয়ঙ্কর যুদ্ধের কালো মেঘ ঘনীভূত হতে শুরু করেছে। দীর্ঘদিনের পরোক্ষ কূটনৈতিক আলোচনা সম্পূর্ণ ব্যর্থ হওয়ার পর, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে এক অভাবনীয় যুদ্ধাবস্থা তৈরি হয়েছে। যেকোনো মুহূর্তে মার্কিন বিমান বাহিনী ইরানের ওপর বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাতে পারে বলে বিশ্বব্যাপী তীব্র গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি এখন এমন এক স্পর্শকাতর মোড়ে এসে দাঁড়িয়েছে, যা পুরো বিশ্ব অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দিতে পারে। গত বাইশে মে ওয়াশিংটনের হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার শীর্ষ সামরিক ও জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি অত্যন্ত উচ্চপর্যায়ের এবং জরুরি বৈঠক করেছেন। এই বৈঠকে মার্কিন প্রশাসনের সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন, যার মধ্যে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, যুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী পিট হেগসেথ এবং কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর প্রধান জন র‍্যাটক্লিফ অন্যতম। এই বৈঠকের মূল এজেন্ডা ছিল ইরানকে চিরতরে স্তব্ধ করে দেওয়া। পরিস্থিতির ভয়াবহতা আন্দাজ করা যায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের একটি ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত থেকে। তিনি নিউ জার্সিতে তার পূর্বনির্ধারিত গলফ মাঠ পরিদর্শনের সূচি সম্পূর্ণ বাতিল করেছেন এবং নিজের জ্যেষ্ঠ পুত্রের বিবাহ অনুষ্ঠানে পর্যন্ত উপস্থিত না থেকে হোয়াইট হাউসে অবস্থান করছেন। মার্কিন গোয়েন্দা ও সামরিক কর্মকর্তাদের সমস্ত ছুটি বাতিল করে ওয়াশিংটনে ২৪ ঘণ্টা অ্যালার্ট থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যা একটি আসন্ন যুদ্ধের স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয়। হোয়াইট হাউসের অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে জানা গেছে, ইরান যাতে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র নির্মাণ করতে না পারে, সেজন্য মার্কিন প্রশাসন একটি চূড়ান্ত এবং নিষ্পত্তিমূলক সামরিক সমাপ্তি টানতে চাইছে। এর অংশ হিসেবে ইরানের পরমাণু কেন্দ্রগুলো লক্ষ্য করে বড় ধরনের বিমান এবং ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পরিকল্পনা টেবিলে রাখা হয়েছে। ট্রাম্প স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজনে ইরানকে আরেকটি বড় আঘাত করা হবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই সম্ভাব্য আগ্রাসনের খবর ছড়িয়ে পড়তেই তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি। ইরানের সামরিক কমান্ড সাফ জানিয়ে দিয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হলে তার পরিণতি হবে কল্পনাতীত ভয়াবহ। তেহরান স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, তারা যেকোনো ধরনের আক্রমণাত্মক পদক্ষেপকে কঠোর হস্তে দমন করতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করবে না। ইরানের বিখ্যাত তাসনিম বার্তা সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশটির শীর্ষ সামরিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, শত্রুপক্ষের যেকোনো ধরনের বোকামির জবাব দিতে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। এবার তারা নতুন রণকৌশল, অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র এবং আমেরিকার নতুন নতুন লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণ করেছে। ইরানি সামরিক কমান্ডারদের মতে, বিগত এক বছরের মধ্যে এটি হবে আমেরিকার জন্য তৃতীয় এবং সবচেয়ে বড় ধরনের ঐতিহাসিক ও নির্মম শাস্তি। আইআরজিসি তাদের আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এক ভয়ঙ্কর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, এবারের যুদ্ধ কেবল মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক সীমানার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। যদি ইরানের ওপর কোনো হামলা চালানো হয়, তবে এই যুদ্ধ দূরবর্তী অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়বে এবং আমেরিকার এমন সব গোপন ঘাঁটিতে আঘাত হানা হবে যা তারা কল্পনাও করতে পারছে না। ইরানি কমান্ডাররা স্পষ্ট বলেছেন, তারা বাগাড়ম্বরে বিশ্বাসী নন, বরং যুদ্ধের মাঠেই নিজেদের শক্তির চূড়ান্ত প্রমাণ দেবেন। এই চরম উত্তেজনা প্রশমিত করতে এবং একটি সম্ভাব্য বিশ্বযুদ্ধ এড়াতে আঞ্চলিক রাষ্ট্রগুলো তাদের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করেছে। পাকিস্তানের শক্তিশালী সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির ইতিমধ্যে আকস্মিকভাবে তেহরান সফর করেছেন এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন। তবে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই মুহূর্তে কোনো সমঝোতা বা চুক্তির সম্ভাবনা অনেক দূরে, কারণ ওয়াশিংটন তাদের আগ্রাসী মনোভাব ত্যাগ করেনি। এদিকে ইরানের সম্ভাব্য বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঝুঁকি মোকাবিলা করতে মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সর্বোচ্চ জোরদার করা হচ্ছে। ন্যাটোর অংশ হিসেবে তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে আগামী জুন মাস থেকে দীর্ঘ ছয় মাসের জন্য ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জার্মানি। পশ্চিমা দেশগুলো এখন ইরানের ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রকে সবচেয়ে বড় হুমকি হিসেবে দেখছে। এর আগে গত মার্চ মাসেও ইরানের ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের হুমকি মোকাবিলায় ওই অঞ্চলে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করা হয়েছিল, যা যুদ্ধকালীন সময়ে ইরান থেকে উৎক্ষেপণ করা চারটি শক্তিশালী ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মাঝআকাশেই ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছিল। একই সময়ে জর্ডানের আকাশসীমায় একটি অজ্ঞাত ড্রোন ভূপাতিত করার ঘটনা ঘটেছে, যা এই অঞ্চলের সামগ্রিক নিরাপত্তাহীনতা ও আকাশযুদ্ধের ভয়াবহতাকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে। ইরাকের অভ্যন্তর থেকে সৌদি আরব ও কুয়েতের মতো তেলসমৃদ্ধ উপসাগরীয় দেশগুলোর দিকে রহস্যময় ড্রোন উৎক্ষেপণের ঘটনাও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। ওয়াশিংটন ও তেহরানের এই মুখোমুখি অবস্থান এবং যুদ্ধের তীব্র দামামা বিশ্ববাসীকে এক নতুন এবং দীর্ঘমেয়াদি বৈশ্বিক সংকটের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে। তবে এই যুদ্ধের আড়ালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে ঘটছে এক ভয়ঙ্কর রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র, যা মার্কিন গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে দিতে পারে। এবার আসা যাক ওয়াশিংটনের সেই বিস্ফোরক খবরে। মার্কিন সংবিধানে চরম আঘাত হেনে ২০২৮ সালের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়া বা সম্পূর্ণ বাতিলের পরিকল্পনা করছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্পের এক সময়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ মিত্র, উগ্র ডানপন্থী সাবেক আইনপ্রণেতা মার্জোরি টেইলর গ্রিনের এমন মন্তব্যে ওয়াশিংটনের রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র তোলপাড় ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে, যা ট্রাম্পের স্বৈরতান্ত্রিক মানসিকতাকে প্রকাশ করে। সম্প্রতি একটি প্রভাবশালী গণমাধ্যম সাক্ষাৎকারে মার্জোরি টেইলর গ্রিন আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন যে, বর্তমান ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের সাথে সম্ভাব্য যুদ্ধকে একটি চমৎকার ঢাল হিসেবে ব্যবহার করতে চায়। এই যুদ্ধকে কেন্দ্র করে দেশে জরুরি অবস্থা জারি করে ২০২৮ সালের সাধারণ নির্বাচন স্থগিত বা সম্পূর্ণ বাতিল করার পথে হাঁটতে পারেন ট্রাম্প। এই চাঞ্চল্যকর দাবির পর হোয়াইট হাউস ও কংগ্রেসের অভ্যন্তরে আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে। উগ্র ডানপন্থী গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব অ্যালেক্স জোন্সের সাথে এক দীর্ঘ ও এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে মার্জোরি টেইলর গ্রিন জানান, সম্প্রতি হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির মধ্যকার একটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর কথোপকথন তিনি নিজে প্রত্যক্ষ করেছেন। ২০২২ সালে রাশিয়ার সামরিক অভিযানের পর থেকে ইউক্রেনে কোনো সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি এবং জেলেনস্কি এখনো ডিক্রি জারি করে ক্ষমতায় টিকে আছেন। কথোপকথনের এক পর্যায়ে ট্রাম্প যখন জেলেনস্কির কাছ থেকে জানতে পারেন যে যুদ্ধের কারণে ইউক্রেনে নির্বাচন বন্ধ রয়েছে, তখন তিনি অত্যন্ত বিস্ময় প্রকাশ করেন। গ্রিনের দেওয়া তথ্যমতে, ট্রাম্প তখন কুটিল হাসিমুখে মন্তব্য করেছিলেন যে, "তবে কি যুদ্ধ পরিস্থিতি চললে দেশে নির্বাচন স্থগিত রাখা সম্ভব?" গ্রিন দাবি করেন, ট্রাম্প সে সময় বিষয়টি নিয়ে রসিকতা করলেও তার চোখে-মুখে এক গভীর উদ্দেশ্য পরিলক্ষিত হয়েছিল। ইউক্রেনের বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী, দেশে সামরিক আইন জারি থাকা অবস্থায় কোনো ধরনের জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের আইনি বৈধতা নেই। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থা ও সংবিধান সম্পূর্ণ ভিন্ন। মার্জোরি টেইলর গ্রিন যুক্তি দেখিয়েছেন যে, ট্রাম্প প্রতিনিয়ত বিভিন্ন জনসভায় এবং সংবাদ সম্মেলনে দুই মেয়াদের বেশি ক্ষমতায় থাকা কিংবা নির্বাচন স্থগিত করার মতো বিষয়গুলো নিয়ে যেভাবে কথা বলছেন, তা কোনো সাধারণ রসিকতা নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি আসলে মার্কিন জনগণের মনস্তত্ত্ব পরীক্ষা করার একটি সুপরিকল্পিত কৌশল। ট্রাম্প বারবার এই বিতর্কিত ধারণাটি জনসমক্ষে এনে এটিকে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছেন এবং দেখতে চাচ্ছেন যে দেশের সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক মহল এতে কেমন প্রতিক্রিয়া দেখায়। গ্রিন অত্যন্ত কঠোর ভাষায় সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কোনোভাবেই তৃতীয় মেয়াদের জন্য কারোর প্রেসিডেন্ট হওয়ার কোনো আইনি সুযোগ সংবিধানে নেই। আমেরিকার রাজনৈতিক ইতিহাসে এই বিতর্কের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে মার্কিন সংবিধানের বিখ্যাত ২২তম সংশোধনী। এই ঐতিহাসিক সংশোধনী অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কোনো ব্যক্তি দুই মেয়াদের বেশি সময়ের জন্য প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে পারবেন না। তবে এই স্পষ্ট সাংবিধানিক নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও, ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে দ্বিতীয় মেয়াদে হোয়াইট হাউসে ফিরে আসার পর থেকেই ট্রাম্প একের পর এক বিতর্কিত মন্তব্য করে চলেছেন। ক্ষমতা গ্রহণের পরপরই নেভাদার লাস ভেগাসে আয়োজিত এক বিশাল দলীয় সমাবেশে ট্রাম্প তার সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন যে, একবার বা দুইবার নয়, বরং তিনবার বা চারবার দেশের সেবা করতে পারাটা হবে তার জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মানের বিষয়। এর কিছুদিন পর ফ্লোরিডায় আয়োজিত রিপাবলিকান পার্টির এক বিশেষ সম্মেলনে তিনি কৌতুকের ছলে দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে জানতে চান যে, তার কি আবারও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কোনো আইনি অধিকার আছে? এমনকি ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ওয়াশিংটনে আয়োজিত জাতীয় প্রাতরাশ প্রার্থনা সভায় ট্রাম্প তার সমর্থকদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করেন যে, মার্কিন জনগণের স্বার্থে তার আরও একবার নির্বাচনে দাঁড়ানো উচিত কি না। সে সময় উপস্থিত সমর্থকরা সমস্বরে "আরও চার বছর" স্লোগান দেয়। যদিও ট্রাম্প পরবর্তীতে স্বীকার করেছিলেন যে, মার্কিন সংবিধানে তৃতীয় মেয়াদের নিষেধাজ্ঞা পরিবর্তন করা অসম্ভব রাজনৈতিক লড়াই, যা সহজে সম্ভব নয়। যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান সংশোধন করতে হলে দেশটির আইনসভার উচ্চকক্ষ সিনেট এবং নিম্নকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস—উভয় কক্ষের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটের প্রয়োজন হয়। এরপর দেশের অন্তত তিন-চতুর্থাংশ অঙ্গরাজ্যের আইনসভা কর্তৃক তা অনুমোদিত হতে হয়। বর্তমান মার্কিন রাজনৈতিক মেরুকরণের যুগে এই ধরনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করা কার্যত অসম্ভব। এই আইনি জটিলতার কারণেই সমালোচকরা আশঙ্কা করছেন ট্রাম্প বৈধ পথ বাদ দিয়ে যুদ্ধের পথ বেছে নেবেন। আমেরিকার এই অভ্যন্তরীণ সংকটের মাঝেই এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে ঘটেছে আরেক বড় বিপর্যয়। ডোনাল্ড ট্রাম্পের বেইজিং সফরের পরপরই তাইওয়ানের সাথে আমেরিকার বিশাল অস্ত্র চুক্তি স্থগিতের ঘোষণা এসেছে, যা বেইজিংয়ের যুদ্ধের হুমকির মুখে এশীয় অঞ্চলে নতুন সামরিক উত্তেজনা তৈরি করেছে। আমেরিকান প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাইওয়ানের কাছে চৌদ্দশ কোটি ডলারের একটি বিশাল সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির চুক্তি সাময়িকভাবে সম্পূর্ণ স্থগিত করা হয়েছে। যদিও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ এবং মার্কিন সামরিক রসদ সংরক্ষণের অজুহাত দেওয়া হচ্ছে, তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যকার সাম্প্রতিক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পরপরই এই সিদ্ধান্ত আসায় আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। শি জিনপিং মার্কিন প্রেসিডেন্টকে স্পষ্টভাবে সতর্ক করেছিলেন যে, তাইওয়ান ইস্যুতে কোনো ভুল সিদ্ধান্ত দুই পরাশক্তির মধ্যে সরাসরি যুদ্ধ ডেকে আনতে পারে, যার ভয়ে ওয়াশিংটন পিছু হটেছে। এরই মধ্যে তাইওয়ান প্রণালীর অপর প্রান্তে চীনের সামরিক প্রস্তুতি এবং যুদ্ধংদেহী মনোভাব দিন দিন আরও দৃশ্যমান হয়ে উঠছে। উপগ্রহ থেকে পাওয়া সাম্প্রতিক ছবিতে দেখা গেছে, চীন তাইওয়ান প্রণালীর কাছাকাছি তাদের অন্তত ছয়টি বিমান ঘাঁটিতে বিপুল পরিমাণ পুরানো শব্দের চেয়ে দ্রুতগামী যুদ্ধবিমানকে চালকবিহীন বোমারু ড্রোনে রূপান্তরিত করে মোতায়েন করেছে। প্রায় দুই শতাধিক এই ড্রোন অলরেডি ফুজিয়ান এবং গুয়াংডং প্রদেশের কৌশলগত ঘাঁটিতে অবস্থান করছে। অন্যদিকে, গাজা অভিমুখে রওনা হওয়া ত্রাণ বহরের মানবাধিকার কর্মীদের সঙ্গে ইসরায়েলের অবমাননাকর আচরণের তীব্র নিন্দা জানিয়ে তাদের অবিলম্বে মুক্তির দাবি তুলেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। ইউরোপীয় নাগরিকদের সহ আটককৃত সকল কর্মীর মর্যাদা রক্ষা ও আন্তর্জাতিক আইন মেনে দ্রুত তাদের মুক্তি দিতে তেল আবিবের প্রতি আনুষ্ঠানিক আহ্বান জানানো হয়েছে। এই ঘটনায় ইসরায়েলের চরমপন্থী মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়টি নিয়ে ইউরোপে আলোচনা শুরু হয়েছে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24o_24-05-26_31.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24o_24-05-26_31.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24o_24-05-26_31.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[মার্কিন বোমারু বিমানের ভিডিও ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা, ইরানের পাল্টা বার্তায় বিশ্বজুড়ে শঙ্কা]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36987</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36987</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 24 May 2026 20:05:45 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news 2026, latest news today, atn bd news, latest news and bulletin, bangladeshi latest news, bd news, bd hot news, bd india relation news, latestnews, updated news, bdnews, update news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangla news update, bangla tv news, atn bangla news, news, news today, bangladesh news, bangladesh news today, bangla news, jamaat news, today raater news bangladesh, bangla news today, bangladesh tv news, news trending, bnp news, ncp news, top news, zee news]]></category>
        
        <description><![CDATA[কয়েক সেকেন্ডের একটি ভিডিও। আকাশে উড়ছে ভয়ংকর শক্তিশালী বোমারু বিমান। আর সেই ভিডিও ঘিরেই কাঁপছে পুরো মধ্যপ্রাচ্য। ওয়াশিংটন ও তেহরানের পাল্টাপাল্টি হুঁশিয়ারিতে কি সত্যিই শুরু হতে যাচ্ছে নতুন যুদ্ধ? কেন হঠাৎ জরুরি বৈঠকে ব্যস্ত ট্রাম্প ঘনিষ্ঠ মহল? আর কেন ইরান বলছে, আগ্রাসনের জবাব হবে ভয়াবহ? মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে আবারও যুদ্ধের কালো মেঘ জমতে শুরু করেছে। একটি ছোট ভিডিও ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তৈরি হয়েছে তীব্র উত্তেজনা। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক কর্মকর্তা ড্যান স্ক্যাভিনোর প্রকাশ করা বোমারু বিমানের ভিডিও এখন বিশ্ব রাজনীতির অন্যতম আলোচিত বিষয়। বিশ্লেষকদের মতে, এই ভিডিও কেবল একটি সামরিক দৃশ্য নয়, বরং এটি হতে পারে একটি শক্ত বার্তা, যা সরাসরি ইরানকে উদ্দেশ্য করেই প্রকাশ করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সতেরো সেকেন্ডের ভিডিওটিতে দেখা যায়, অত্যাধুনিক একটি মার্কিন বোমারু বিমান মেঘের ভেতর দিয়ে দ্রুতগতিতে উড়ে যাচ্ছে। ভিডিওটি প্রকাশের পর থেকেই আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। কেউ বলছেন এটি কৌশলগত বার্তা, আবার কেউ মনে করছেন এটি ইরানের প্রতি প্রচ্ছন্ন সামরিক হুমকি। মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে এই ভিডিও নতুন করে আতঙ্ক তৈরি করেছে। এই ঘটনা এমন এক সময়ে সামনে এসেছে যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই চরম বৈরিতার মধ্যে রয়েছে। পারমাণবিক কর্মসূচি, আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তার এবং সামরিক উপস্থিতি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা ক্রমেই বেড়েছে। ওয়াশিংটনের সাম্প্রতিক সামরিক তৎপরতা এবং পারস্য উপসাগরে বাড়তি সেনা মোতায়েন পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, যেকোনো ভুল সিদ্ধান্ত ভয়াবহ সংঘাত ডেকে আনতে পারে। ইরানও এই পরিস্থিতিতে নীরব থাকেনি। তেহরানের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা বলেছেন, তারা যেকোনো আগ্রাসনের জবাব দিতে প্রস্তুত। ইরানের দাবি, তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে শক্তিশালী। দেশটির সামরিক বাহিনী ইতিমধ্যে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। তেহরান জানিয়েছে, কোনো ধরনের হামলা হলে পুরো অঞ্চলে এর ভয়াবহ প্রতিক্রিয়া ছড়িয়ে পড়বে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। পারস্য উপসাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ এবং যুদ্ধবিমানের উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে। পেন্টাগনের ভেতরে জরুরি বৈঠক এবং সামরিক পরিকল্পনা নিয়েও জোর আলোচনা চলছে। যদিও ওয়াশিংটন আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন হামলার ঘোষণা দেয়নি, তবুও সামরিক তৎপরতা বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতি শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, বৈশ্বিক অর্থনীতির ওপরও বড় প্রভাব ফেলতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হলে সবচেয়ে বড় ধাক্কা আসতে পারে জ্বালানি বাজারে। কারণ বিশ্বের বড় অংশের জ্বালানি সরবরাহ এই অঞ্চল ঘিরেই পরিচালিত হয়। ইতিমধ্যে তেলের দামের ওঠানামা শুরু হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে বিনিয়োগকারীদের মধ্যেও বাড়ছে অনিশ্চয়তা। অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বড় ধরনের সংঘাত শুরু হলে বিশ্বব্যাপী মুদ্রাস্ফীতি এবং অর্থনৈতিক মন্দা আরও তীব্র হতে পারে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের শাসনামলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্ক সবচেয়ে বেশি উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে। বিশেষ করে ২০২০ সালে ইরানের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা কাসেম সোলেমানি নিহত হওয়ার পর দুই দেশের সম্পর্ক ভয়াবহ রূপ নেয়। সেই ঘটনার পর থেকেই তেহরান বারবার প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই পুরোনো উত্তেজনাই আবার নতুনভাবে সামনে চলে এসেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ইরানের ভেতরে কাসেম সোলেমানিকে এখনো জাতীয় বীর হিসেবে দেখা হয়। তাঁর মৃত্যু দেশটির জনগণের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ তৈরি করেছিল। ইরানের সামরিক এবং রাজনৈতিক নেতৃত্ব সেই ঘটনার জন্য সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করে আসছে। তাই নতুন যেকোনো উত্তেজনার পেছনে সোলেমানি হত্যাকাণ্ডের প্রভাব এখনো বড় ভূমিকা রাখছে। এই কারণেই মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি আরও সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ইতিমধ্যে দুই পক্ষকেই সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে। জাতিসংঘসহ বিভিন্ন কূটনৈতিক মহল বলছে, সামরিক সংঘাত কোনো সমাধান নয়। বরং আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের পথ খুঁজে বের করতে হবে। তবে বাস্তবতা হলো, ওয়াশিংটন এবং তেহরান কেউই এখন নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসার ইঙ্গিত দিচ্ছে না। ফলে পরিস্থিতি আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠছে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন বোমারু বিমানগুলো বিশেষভাবে তৈরি হয় দীর্ঘপাল্লার অভিযানের জন্য। এই বিমানগুলো অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে রাডার এড়িয়ে গভীর লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে। ফলে ভিডিওটি প্রকাশ পাওয়ার পর অনেকেই ধারণা করছেন, এটি শুধুমাত্র প্রদর্শন নয়, বরং সম্ভাব্য সামরিক বার্তা। যদিও বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা এখনো স্পষ্ট নয়। ইরানও নিজেদের সামরিক সক্ষমতার কথা জোরালোভাবে তুলে ধরছে। দেশটির সামরিক বাহিনী বলছে, তারা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি প্রস্তুত। বিশেষ করে ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি, ড্রোন সক্ষমতা এবং আঞ্চলিক মিত্রদের সমর্থনের বিষয়টি তারা গুরুত্বের সঙ্গে উল্লেখ করছে। তেহরানের বক্তব্য অনুযায়ী, কোনো হামলা হলে তার জবাব শুধু একটি সীমিত অঞ্চলে নয়, বরং বৃহত্তর আকারে ছড়িয়ে পড়তে পারে। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে ইতিমধ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। ফলে সংঘাত শুরু হলে এই ঘাঁটিগুলোও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। একইসঙ্গে আঞ্চলিক মিত্রদের সম্পৃক্ত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের সংঘাত খুব দ্রুত পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এজন্যই বর্তমান পরিস্থিতিকে সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে স্পর্শকাতর সংকটগুলোর একটি হিসেবে দেখা হচ্ছে। ড্যান স্ক্যাভিনোর ভিডিও প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই ভিডিওটিকে যুদ্ধের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন। আবার কেউ কেউ মনে করছেন, এটি রাজনৈতিক চাপ তৈরির অংশ। তবে সাধারণ মানুষের মধ্যে যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে, তা স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে। বিশ্বজুড়ে কোটি মানুষ এখন মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির দিকে গভীর নজর রাখছে। ওয়াশিংটনের বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হচ্ছে, সামরিক উপদেষ্টাদের সঙ্গে একাধিক কৌশলগত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব বৈঠকে সম্ভাব্য সামরিক পরিকল্পনা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও এসব তথ্যের অনেক অংশই আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত নয়, তবুও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। ফলে উত্তেজনা কমার বদলে আরও বাড়ছে। ইরানের অভ্যন্তরে জনগণের মধ্যেও জাতীয়তাবাদী আবেগ বাড়তে দেখা যাচ্ছে। দেশটির বিভিন্ন স্থানে সামরিক সমর্থনে জনসমাবেশ এবং বক্তব্য প্রচার করা হচ্ছে। ইরানের নেতারা বলছেন, তারা বিদেশি চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে না। এই বক্তব্য দেশটির জনগণের একাংশের মধ্যে নতুন করে প্রতিরোধের মনোভাব তৈরি করেছে বলে স্থানীয় পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরেও এই পরিস্থিতি নিয়ে মতভেদ রয়েছে। একদল বলছে, ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া প্রয়োজন। অন্যদিকে আরেকদল মনে করছে, নতুন যুদ্ধ শুরু হলে তার ভয়াবহ প্রভাব আমেরিকার জন্যও ক্ষতিকর হবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের যেকোনো সংঘাত মার্কিন রাজনীতিতেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে নির্বাচনী রাজনীতিতে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। বিশ্ববাজার ইতিমধ্যে এই উত্তেজনার প্রভাব অনুভব করতে শুরু করেছে। আন্তর্জাতিক শেয়ারবাজারে অনিশ্চয়তা বাড়ছে। বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ খাতে অর্থ সরিয়ে নিচ্ছেন। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে খাদ্য, জ্বালানি এবং পরিবহন খরচ বেড়ে যেতে পারে। এর প্রভাব উন্নয়নশীল দেশগুলোর ওপর সবচেয়ে বেশি পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বর্তমান সংঘাতের বড় একটি দিক হলো আধুনিক সামরিক প্রযুক্তির ব্যবহার। ড্রোন, সাইবার হামলা এবং দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র এখন যেকোনো যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বিশ্লেষকদের মতে, ভবিষ্যতের সংঘাত আর শুধু সীমান্তে সীমাবদ্ধ থাকবে না। বরং প্রযুক্তিনির্ভর যুদ্ধ পুরো বিশ্বের নিরাপত্তা কাঠামোকে নতুনভাবে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারে। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বহু বছর ধরেই আন্তর্জাতিক উত্তেজনা রয়েছে। পশ্চিমা দেশগুলো দাবি করে, এই কর্মসূচি ভবিষ্যতে সামরিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার হতে পারে। তবে তেহরান বরাবরই বলছে, তাদের কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ জ্বালানি উন্নয়নের অংশ। এই দ্বন্দ্বই মূলত বর্তমান সংকটের অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে সামনে এসেছে। মধ্যপ্রাচ্য অতীতেও একাধিক যুদ্ধের ভয়াবহতা দেখেছে। ইরাক, সিরিয়া, লিবিয়া এবং ইয়েমেনের অভিজ্ঞতা এখনো এই অঞ্চলের মানুষের মনে তাজা। তাই নতুন করে যুদ্ধের সম্ভাবনা সাধারণ মানুষের মধ্যে গভীর উদ্বেগ তৈরি করেছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, বড় ধরনের সংঘাত শুরু হলে লাখো মানুষ নতুন মানবিক সংকটে পড়তে পারে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এখন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। অনেক দেশই কূটনৈতিকভাবে উত্তেজনা কমানোর চেষ্টা করছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, রাশিয়া এবং চীনসহ বিভিন্ন শক্তিধর দেশ আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে। তবে বাস্তবতা হলো, এখনো পর্যন্ত কোনো কার্যকর সমাধানের ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে না। ফলে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। এদিকে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়েও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ট্রাম্প পরিবারের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। তবে এসব দাবির অনেক অংশই আনুষ্ঠানিকভাবে যাচাই হয়নি। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত নানা তথ্যের কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে এবং বিভ্রান্তিও বাড়ছে। বিশ্বজুড়ে সাধারণ মানুষ এখন সবচেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন একটি বিষয় নিয়ে। সেটি হলো, এই উত্তেজনা কি শেষ পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে রূপ নেবে? কারণ বর্তমান বিশ্ব অর্থনীতি, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতি অনেকটাই মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতার ওপর নির্ভরশীল। তাই যেকোনো সংঘাতের প্রভাব পুরো বিশ্বে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/655_1.webp" alt="মার্কিন বোমারু বিমানের ভিডিও ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা, ইরানের পাল্টা বার্তায় বিশ্বজুড়ে শঙ্কা" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>মার্কিন বোমারু বিমানের ভিডিও ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা, ইরানের পাল্টা বার্তায় বিশ্বজুড়ে শঙ্কা</h1>
            <p>কয়েক সেকেন্ডের একটি ভিডিও। আকাশে উড়ছে ভয়ংকর শক্তিশালী বোমারু বিমান। আর সেই ভিডিও ঘিরেই কাঁপছে পুরো মধ্যপ্রাচ্য। ওয়াশিংটন ও তেহরানের পাল্টাপাল্টি হুঁশিয়ারিতে কি সত্যিই শুরু হতে যাচ্ছে নতুন যুদ্ধ? কেন হঠাৎ জরুরি বৈঠকে ব্যস্ত ট্রাম্প ঘনিষ্ঠ মহল? আর কেন ইরান বলছে, আগ্রাসনের জবাব হবে ভয়াবহ? মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে আবারও যুদ্ধের কালো মেঘ জমতে শুরু করেছে। একটি ছোট ভিডিও ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তৈরি হয়েছে তীব্র উত্তেজনা। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক কর্মকর্তা ড্যান স্ক্যাভিনোর প্রকাশ করা বোমারু বিমানের ভিডিও এখন বিশ্ব রাজনীতির অন্যতম আলোচিত বিষয়। বিশ্লেষকদের মতে, এই ভিডিও কেবল একটি সামরিক দৃশ্য নয়, বরং এটি হতে পারে একটি শক্ত বার্তা, যা সরাসরি ইরানকে উদ্দেশ্য করেই প্রকাশ করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সতেরো সেকেন্ডের ভিডিওটিতে দেখা যায়, অত্যাধুনিক একটি মার্কিন বোমারু বিমান মেঘের ভেতর দিয়ে দ্রুতগতিতে উড়ে যাচ্ছে। ভিডিওটি প্রকাশের পর থেকেই আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। কেউ বলছেন এটি কৌশলগত বার্তা, আবার কেউ মনে করছেন এটি ইরানের প্রতি প্রচ্ছন্ন সামরিক হুমকি। মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে এই ভিডিও নতুন করে আতঙ্ক তৈরি করেছে। এই ঘটনা এমন এক সময়ে সামনে এসেছে যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই চরম বৈরিতার মধ্যে রয়েছে। পারমাণবিক কর্মসূচি, আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তার এবং সামরিক উপস্থিতি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা ক্রমেই বেড়েছে। ওয়াশিংটনের সাম্প্রতিক সামরিক তৎপরতা এবং পারস্য উপসাগরে বাড়তি সেনা মোতায়েন পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, যেকোনো ভুল সিদ্ধান্ত ভয়াবহ সংঘাত ডেকে আনতে পারে। ইরানও এই পরিস্থিতিতে নীরব থাকেনি। তেহরানের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা বলেছেন, তারা যেকোনো আগ্রাসনের জবাব দিতে প্রস্তুত। ইরানের দাবি, তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে শক্তিশালী। দেশটির সামরিক বাহিনী ইতিমধ্যে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। তেহরান জানিয়েছে, কোনো ধরনের হামলা হলে পুরো অঞ্চলে এর ভয়াবহ প্রতিক্রিয়া ছড়িয়ে পড়বে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। পারস্য উপসাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ এবং যুদ্ধবিমানের উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে। পেন্টাগনের ভেতরে জরুরি বৈঠক এবং সামরিক পরিকল্পনা নিয়েও জোর আলোচনা চলছে। যদিও ওয়াশিংটন আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন হামলার ঘোষণা দেয়নি, তবুও সামরিক তৎপরতা বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতি শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, বৈশ্বিক অর্থনীতির ওপরও বড় প্রভাব ফেলতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হলে সবচেয়ে বড় ধাক্কা আসতে পারে জ্বালানি বাজারে। কারণ বিশ্বের বড় অংশের জ্বালানি সরবরাহ এই অঞ্চল ঘিরেই পরিচালিত হয়। ইতিমধ্যে তেলের দামের ওঠানামা শুরু হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে বিনিয়োগকারীদের মধ্যেও বাড়ছে অনিশ্চয়তা। অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বড় ধরনের সংঘাত শুরু হলে বিশ্বব্যাপী মুদ্রাস্ফীতি এবং অর্থনৈতিক মন্দা আরও তীব্র হতে পারে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের শাসনামলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্ক সবচেয়ে বেশি উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে। বিশেষ করে ২০২০ সালে ইরানের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা কাসেম সোলেমানি নিহত হওয়ার পর দুই দেশের সম্পর্ক ভয়াবহ রূপ নেয়। সেই ঘটনার পর থেকেই তেহরান বারবার প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই পুরোনো উত্তেজনাই আবার নতুনভাবে সামনে চলে এসেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ইরানের ভেতরে কাসেম সোলেমানিকে এখনো জাতীয় বীর হিসেবে দেখা হয়। তাঁর মৃত্যু দেশটির জনগণের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ তৈরি করেছিল। ইরানের সামরিক এবং রাজনৈতিক নেতৃত্ব সেই ঘটনার জন্য সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করে আসছে। তাই নতুন যেকোনো উত্তেজনার পেছনে সোলেমানি হত্যাকাণ্ডের প্রভাব এখনো বড় ভূমিকা রাখছে। এই কারণেই মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি আরও সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ইতিমধ্যে দুই পক্ষকেই সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে। জাতিসংঘসহ বিভিন্ন কূটনৈতিক মহল বলছে, সামরিক সংঘাত কোনো সমাধান নয়। বরং আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের পথ খুঁজে বের করতে হবে। তবে বাস্তবতা হলো, ওয়াশিংটন এবং তেহরান কেউই এখন নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসার ইঙ্গিত দিচ্ছে না। ফলে পরিস্থিতি আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠছে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন বোমারু বিমানগুলো বিশেষভাবে তৈরি হয় দীর্ঘপাল্লার অভিযানের জন্য। এই বিমানগুলো অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে রাডার এড়িয়ে গভীর লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে। ফলে ভিডিওটি প্রকাশ পাওয়ার পর অনেকেই ধারণা করছেন, এটি শুধুমাত্র প্রদর্শন নয়, বরং সম্ভাব্য সামরিক বার্তা। যদিও বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা এখনো স্পষ্ট নয়। ইরানও নিজেদের সামরিক সক্ষমতার কথা জোরালোভাবে তুলে ধরছে। দেশটির সামরিক বাহিনী বলছে, তারা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি প্রস্তুত। বিশেষ করে ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি, ড্রোন সক্ষমতা এবং আঞ্চলিক মিত্রদের সমর্থনের বিষয়টি তারা গুরুত্বের সঙ্গে উল্লেখ করছে। তেহরানের বক্তব্য অনুযায়ী, কোনো হামলা হলে তার জবাব শুধু একটি সীমিত অঞ্চলে নয়, বরং বৃহত্তর আকারে ছড়িয়ে পড়তে পারে। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে ইতিমধ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। ফলে সংঘাত শুরু হলে এই ঘাঁটিগুলোও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। একইসঙ্গে আঞ্চলিক মিত্রদের সম্পৃক্ত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের সংঘাত খুব দ্রুত পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এজন্যই বর্তমান পরিস্থিতিকে সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে স্পর্শকাতর সংকটগুলোর একটি হিসেবে দেখা হচ্ছে। ড্যান স্ক্যাভিনোর ভিডিও প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই ভিডিওটিকে যুদ্ধের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন। আবার কেউ কেউ মনে করছেন, এটি রাজনৈতিক চাপ তৈরির অংশ। তবে সাধারণ মানুষের মধ্যে যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে, তা স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে। বিশ্বজুড়ে কোটি মানুষ এখন মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির দিকে গভীর নজর রাখছে। ওয়াশিংটনের বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হচ্ছে, সামরিক উপদেষ্টাদের সঙ্গে একাধিক কৌশলগত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব বৈঠকে সম্ভাব্য সামরিক পরিকল্পনা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও এসব তথ্যের অনেক অংশই আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত নয়, তবুও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। ফলে উত্তেজনা কমার বদলে আরও বাড়ছে। ইরানের অভ্যন্তরে জনগণের মধ্যেও জাতীয়তাবাদী আবেগ বাড়তে দেখা যাচ্ছে। দেশটির বিভিন্ন স্থানে সামরিক সমর্থনে জনসমাবেশ এবং বক্তব্য প্রচার করা হচ্ছে। ইরানের নেতারা বলছেন, তারা বিদেশি চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে না। এই বক্তব্য দেশটির জনগণের একাংশের মধ্যে নতুন করে প্রতিরোধের মনোভাব তৈরি করেছে বলে স্থানীয় পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরেও এই পরিস্থিতি নিয়ে মতভেদ রয়েছে। একদল বলছে, ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া প্রয়োজন। অন্যদিকে আরেকদল মনে করছে, নতুন যুদ্ধ শুরু হলে তার ভয়াবহ প্রভাব আমেরিকার জন্যও ক্ষতিকর হবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের যেকোনো সংঘাত মার্কিন রাজনীতিতেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে নির্বাচনী রাজনীতিতে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। বিশ্ববাজার ইতিমধ্যে এই উত্তেজনার প্রভাব অনুভব করতে শুরু করেছে। আন্তর্জাতিক শেয়ারবাজারে অনিশ্চয়তা বাড়ছে। বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ খাতে অর্থ সরিয়ে নিচ্ছেন। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে খাদ্য, জ্বালানি এবং পরিবহন খরচ বেড়ে যেতে পারে। এর প্রভাব উন্নয়নশীল দেশগুলোর ওপর সবচেয়ে বেশি পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বর্তমান সংঘাতের বড় একটি দিক হলো আধুনিক সামরিক প্রযুক্তির ব্যবহার। ড্রোন, সাইবার হামলা এবং দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র এখন যেকোনো যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বিশ্লেষকদের মতে, ভবিষ্যতের সংঘাত আর শুধু সীমান্তে সীমাবদ্ধ থাকবে না। বরং প্রযুক্তিনির্ভর যুদ্ধ পুরো বিশ্বের নিরাপত্তা কাঠামোকে নতুনভাবে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারে। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বহু বছর ধরেই আন্তর্জাতিক উত্তেজনা রয়েছে। পশ্চিমা দেশগুলো দাবি করে, এই কর্মসূচি ভবিষ্যতে সামরিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার হতে পারে। তবে তেহরান বরাবরই বলছে, তাদের কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ জ্বালানি উন্নয়নের অংশ। এই দ্বন্দ্বই মূলত বর্তমান সংকটের অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে সামনে এসেছে। মধ্যপ্রাচ্য অতীতেও একাধিক যুদ্ধের ভয়াবহতা দেখেছে। ইরাক, সিরিয়া, লিবিয়া এবং ইয়েমেনের অভিজ্ঞতা এখনো এই অঞ্চলের মানুষের মনে তাজা। তাই নতুন করে যুদ্ধের সম্ভাবনা সাধারণ মানুষের মধ্যে গভীর উদ্বেগ তৈরি করেছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, বড় ধরনের সংঘাত শুরু হলে লাখো মানুষ নতুন মানবিক সংকটে পড়তে পারে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এখন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। অনেক দেশই কূটনৈতিকভাবে উত্তেজনা কমানোর চেষ্টা করছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, রাশিয়া এবং চীনসহ বিভিন্ন শক্তিধর দেশ আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে। তবে বাস্তবতা হলো, এখনো পর্যন্ত কোনো কার্যকর সমাধানের ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে না। ফলে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। এদিকে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়েও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ট্রাম্প পরিবারের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। তবে এসব দাবির অনেক অংশই আনুষ্ঠানিকভাবে যাচাই হয়নি। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত নানা তথ্যের কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে এবং বিভ্রান্তিও বাড়ছে। বিশ্বজুড়ে সাধারণ মানুষ এখন সবচেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন একটি বিষয় নিয়ে। সেটি হলো, এই উত্তেজনা কি শেষ পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে রূপ নেবে? কারণ বর্তমান বিশ্ব অর্থনীতি, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতি অনেকটাই মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতার ওপর নির্ভরশীল। তাই যেকোনো সংঘাতের প্রভাব পুরো বিশ্বে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/655_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/655_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/655_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[তাহসানকে নিয়ে ওয়ালটন লিফটের নতুন বিজ্ঞাপন সামাজিক মাধ্যমে তুমুল আলোচনায়]]></title>
        <link>https://nbs24.org/economy/36986</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/economy/36986</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sat, 23 May 2026 18:05:04 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
                <category><![CDATA[করপোরেট খবর]]></category>
                        <category><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news 2026, latest news today, atn bd news, latest news and bulletin, bangladeshi latest news, bd news, bd hot news, bd india relation news, latestnews, updated news, bdnews, update news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangla news update, bangla tv news, atn bangla news, news, news today, bangladesh news, bangladesh news today, bangla news, jamaat news, today raater news bangladesh, bangla news today, bangladesh tv news, news trending, bnp news, ncp news, top news, zee news]]></category>
        
        <description><![CDATA[দেশীয় প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওয়ালটনের লিফট পণ্যের নতুন বিজ্ঞাপনে মডেল হয়েছেন জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী তাহসান খান। সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশের পর বিজ্ঞাপনটি ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। বিভিন্ন মাধ্যমে ইতোমধ্যে কোটি ছাড়িয়েছে এর দর্শকসংখ্যা। দেশীয় ইলেকট্রনিক্স খাতের অন্যতম প্রতিষ্ঠান ওয়ালটনের লিফট পণ্যের নতুন বিজ্ঞাপন ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। সম্প্রতি প্রকাশিত এই বিজ্ঞাপনে মডেল ও শুভেচ্ছাদূতের ভূমিকায় দেখা গেছে জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী তাহসান খানকে। ‘ওয়ালটন লিফট ইনোভেশন ইন মোশন’ শিরোনামের এই প্রচারচিত্রটি প্রকাশের পর থেকেই দর্শকদের আগ্রহের কেন্দ্রে চলে আসে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিজ্ঞাপনটি নির্মাণ করেছেন পরিচালক আশিক ইসলাম। এর পরিকল্পনা ও তত্ত্বাবধানে ছিলেন প্রতিষ্ঠানের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা জোহেব আহমেদ এবং লিফট বিভাগের ব্র্যান্ড ব্যবস্থাপক বিজয় ইসলাম আরিফ। বিজ্ঞাপনটিতে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন সুবিধা তুলে ধরা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক মুখ শনাক্তকরণ ব্যবস্থা, স্পর্শবিহীন নিয়ন্ত্রণ প্যানেল, স্মার্ট ভয়েস নির্দেশনা এবং স্বয়ংক্রিয় উদ্ধার ব্যবস্থা। বিজ্ঞাপনটি দর্শকদের মধ্যে সাড়া ফেলায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন তাহসান খান। তিনি বলেন, “দেশীয় একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আমি গর্বিত। বিজ্ঞাপনটির মাধ্যমে দেশের প্রযুক্তিপণ্যকে নতুনভাবে তুলে ধরা হয়েছে। দর্শকদের ভালোবাসা আমাদের অনুপ্রাণিত করছে।” প্রধান বিপণন কর্মকর্তা জোহেব আহমেদ জানান, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে ওয়ালটন লিফটের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতেই এই আয়োজন। তার ভাষ্য, ইউরোপীয় মান অনুসরণে তৈরি এই লিফট নিরাপত্তা, নকশা ও প্রযুক্তিগত দিক থেকে নতুন অভিজ্ঞতা দিচ্ছে ব্যবহারকারীদের। তিনি আরও জানান, ইতোমধ্যে শ্রীলঙ্কায় রপ্তানি শুরু হয়েছে ওয়ালটন লিফটের। প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, লিফট উৎপাদন প্রকল্পে কয়েকশ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে। বর্তমানে বছরে এক হাজারের বেশি লিফট উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে তাদের। স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও ধীরে ধীরে সম্প্রসারিত হচ্ছে এই পণ্যের কার্যক্রম।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/walton-lift.webp" alt="তাহসানকে নিয়ে ওয়ালটন লিফটের নতুন বিজ্ঞাপন সামাজিক মাধ্যমে তুমুল আলোচনায়" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>তাহসানকে নিয়ে ওয়ালটন লিফটের নতুন বিজ্ঞাপন সামাজিক মাধ্যমে তুমুল আলোচনায়</h1>
            <p>দেশীয় প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওয়ালটনের লিফট পণ্যের নতুন বিজ্ঞাপনে মডেল হয়েছেন জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী তাহসান খান। সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশের পর বিজ্ঞাপনটি ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। বিভিন্ন মাধ্যমে ইতোমধ্যে কোটি ছাড়িয়েছে এর দর্শকসংখ্যা। দেশীয় ইলেকট্রনিক্স খাতের অন্যতম প্রতিষ্ঠান ওয়ালটনের লিফট পণ্যের নতুন বিজ্ঞাপন ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। সম্প্রতি প্রকাশিত এই বিজ্ঞাপনে মডেল ও শুভেচ্ছাদূতের ভূমিকায় দেখা গেছে জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী তাহসান খানকে। ‘ওয়ালটন লিফট ইনোভেশন ইন মোশন’ শিরোনামের এই প্রচারচিত্রটি প্রকাশের পর থেকেই দর্শকদের আগ্রহের কেন্দ্রে চলে আসে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিজ্ঞাপনটি নির্মাণ করেছেন পরিচালক আশিক ইসলাম। এর পরিকল্পনা ও তত্ত্বাবধানে ছিলেন প্রতিষ্ঠানের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা জোহেব আহমেদ এবং লিফট বিভাগের ব্র্যান্ড ব্যবস্থাপক বিজয় ইসলাম আরিফ। বিজ্ঞাপনটিতে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন সুবিধা তুলে ধরা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক মুখ শনাক্তকরণ ব্যবস্থা, স্পর্শবিহীন নিয়ন্ত্রণ প্যানেল, স্মার্ট ভয়েস নির্দেশনা এবং স্বয়ংক্রিয় উদ্ধার ব্যবস্থা। বিজ্ঞাপনটি দর্শকদের মধ্যে সাড়া ফেলায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন তাহসান খান। তিনি বলেন, “দেশীয় একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আমি গর্বিত। বিজ্ঞাপনটির মাধ্যমে দেশের প্রযুক্তিপণ্যকে নতুনভাবে তুলে ধরা হয়েছে। দর্শকদের ভালোবাসা আমাদের অনুপ্রাণিত করছে।” প্রধান বিপণন কর্মকর্তা জোহেব আহমেদ জানান, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে ওয়ালটন লিফটের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতেই এই আয়োজন। তার ভাষ্য, ইউরোপীয় মান অনুসরণে তৈরি এই লিফট নিরাপত্তা, নকশা ও প্রযুক্তিগত দিক থেকে নতুন অভিজ্ঞতা দিচ্ছে ব্যবহারকারীদের। তিনি আরও জানান, ইতোমধ্যে শ্রীলঙ্কায় রপ্তানি শুরু হয়েছে ওয়ালটন লিফটের। প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, লিফট উৎপাদন প্রকল্পে কয়েকশ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে। বর্তমানে বছরে এক হাজারের বেশি লিফট উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে তাদের। স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও ধীরে ধীরে সম্প্রসারিত হচ্ছে এই পণ্যের কার্যক্রম।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/walton-lift.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/walton-lift.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/walton-lift.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[হেরে পালাচ্ছে ৭ হাজার ইউক্রেনীয় সেনা! ৫ শহর দখলমুক্ত!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36985</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36985</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sat, 23 May 2026 18:05:51 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news 2026, latest news today, atn bd news, latest news and bulletin, bangladeshi latest news, bd news, bd hot news, bd india relation news, latestnews, updated news, bdnews, update news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangla news update, bangla tv news, atn bangla news, news, news today, bangladesh news, bangladesh news today, bangla news, jamaat news, today raater news bangladesh, bangla news today, bangladesh tv news, news trending, bnp news, ncp news, top news, zee news]]></category>
        
        <description><![CDATA[ন্যাটোর নোংরা উস্কানিতে ইউক্রেনের নব্য-নাৎসি বাহিনী এবার রাশিয়ার নিষ্পাপ স্কুলপড়ুয়া শিশুদের ওপর এক ভয়ঙ্কর এবং কাপুরুষোচিত ড্রোন হামলা চালিয়েছে! রাশিয়ার স্টারোবেলস্ক শহরের একটি স্কুল হোস্টেলে রাতের আঁধারে যখন ১৪ থেকে ১৮ বছরের ঘুমন্ত শিশুরা ছিল, ঠিক তখন ১৬টি ড্রোন দিয়ে তিন তরঙ্গে হামলা চালায় কিয়েভের সন্ত্রাসী প্রশাসন। এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং ইউক্রেনকে পৃথিবীর বুক থেকে মুছে ফেলার মতো এক ভয়ঙ্কর ও বিধ্বংসী প্রতিশোধের নির্দেশ দিয়েছেন। কীভাবে ইউক্রেনের এই কাপুরুষোচিত ড্রোন হামলা তাদের নিজেদের পতন ডেকে আনছে এবং ন্যাটোর ভেতরের ফাটল কীভাবে প্রকাশ পাচ্ছে। রাশিয়ার লুগানস্ক পিপলস রিপাবলিকের স্টারোবেলস্ক শহরের প্রফেশনাল কলেজের হোস্টেলে গত রাতে যা ঘটেছে, তা মানব ইতিহাসের অন্যতম একটি নিকৃষ্টতম যুদ্ধাপরাধ। গভীর রাতে যখন হোস্টেলের ভেতরের ৮৬ জন সাধারণ শিক্ষার্থী গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন ছিল, ঠিক তখনই ইউক্রেনের নব্য-নাৎসি কিয়েভ বাহিনী চারপাশ থেকে ড্রোন নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ১৬টি ঘাতক ড্রোন দিয়ে অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিকে টার্গেট করা হয়। এই কাপুরুষোচিত হামলায় ঘটনাস্থলেই অন্তত ছয়জন রাশিয়ান নাগরিক নিহত হয়েছেন এবং ৪০ জনেরও বেশি মানুষ গুরুতর আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ১৪ জনই নিষ্পাপ শিশু। কিয়েভের সন্ত্রাসী প্রশাসন ভালো করেই জানত যে সেখানে কোনো সামরিক ঘাঁটি নেই, বরং সেখানে সাধারণ শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করত। তা সত্ত্বেও রাতের আঁধারে তারা এই আক্রমণ চালায় যাতে সবচেয়ে বেশি মানুষ হতাহত হয়। এই জঘন্য ঘটনার পর রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন অত্যন্ত কঠোর ভাষায় এই হামলার নিন্দা জানিয়েছেন এবং একে একটি পরিকল্পিত সন্ত্রাসী হামলা হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। পুতিন স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাধারণ কূটনৈতিক বিবৃতি দিয়ে এই অপরাধের বিচার হবে না। তিনি সরাসরি রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়কে ইউক্রেনের ওপর এক বিধ্বংসী এবং চূড়ান্ত পাল্টা আঘাতের প্রস্তাব জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। সবচেয়ে লজ্জাজনক বিষয় হলো, এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর ইউক্রেনের সন্ত্রাসী কিয়েভ প্রশাসন দাবি করেছে যে এই কলেজটি নাকি তাদের একটি বৈধ সামরিক লক্ষ্যবস্তু ছিল। তারা মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর চেষ্টা করছে যে সেখানে নাকি রাশিয়ার ড্রোন ইউনিট অবস্থান করছিল। কিন্তু ঘটনাস্থল থেকে আসা শত শত ভিডিও প্রমাণ করেছে যে সেখানে কোনো সামরিক সরঞ্জাম ছিল না, ছিল শুধু শিশুদের বইখাতা। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের এক জরুরি অধিবেশনে রাশিয়ার দূত ভ্যাসিলি নেবেনজিয়া ইউক্রেন এবং তাদের পশ্চিমা প্রভুদের তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন। নেবেনজিয়া বলেছেন যে কিয়েভের নব্য-নাৎসি সরকার রাশিয়ার শিশুদের ওপর ইচ্ছাকৃতভাবে এই হামলা চালিয়েছে। তিনি পশ্চিমা কূটনীতিকদের ধমক দিয়ে বলেন যে, তারা এই ভয়ঙ্কর অপরাধের দিকে চোখ বন্ধ করে মৃত শিশুদের হাড়ের ওপর নাচানাচি করছে। রাশিয়ার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে ইউক্রেনীয় সন্ত্রাসীরা এই হামলায় অত্যন্ত ঘৃণ্য 'ডাবল ট্যাপ' পদ্ধতি ব্যবহার করার চেষ্টা করেছিল। প্রথম দফা হামলার পর যখন রাশিয়ার ফায়ার সার্ভিস ও উদ্ধারকর্মীরা শিশুদের বাঁচাতে সেখানে উপস্থিত হয়, তখন কিয়েভ আবার ড্রোন পাঠায়। রাশিয়ান উদ্ধারকারীদের সাহসিকতার কারণে তারা কোনোমতে বেঁচে যান, কিন্তু ইউক্রেনের এই সন্ত্রাসী মানসিকতা আজ বিশ্বের সামনে উন্মোচিত। এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক কংগ্রেস সদস্য ডেনিস কুসিনিচ। তিনি পরিষ্কার ভাষায় বলেছেন যে, রাশিয়ার স্কুল হোস্টেলে ইউক্রেনের এই ড্রোন হামলা কোনো দুর্ঘটনা নয়, বরং এটি একটি সুনির্দিষ্ট যুদ্ধাপরাধ। তিনি বিশ্বকে সতর্ক করে বলেছেন যে, রাশিয়া এতদিন অত্যন্ত ধৈর্য দেখিয়েছে, কিন্তু শিশুদের ওপর হামলা চালিয়ে কিয়েভ এবার তাদের নিজেদের ধ্বংস ডেকে এনেছে। অন্যদিকে, কিয়েভ প্রশাসনের ড্রোন নিয়ন্ত্রণ করার কোনো যোগ্যতাই নেই, যা এখন তাদের পশ্চিমা বন্ধুদের জন্যই গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত মার্চ মাস থেকে ইউক্রেনের দূরপাল্লার ড্রোনগুলো রাশিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের তেল টার্মিনালে হামলা চালানোর চেষ্টায় বারবার ন্যাটো জোটভুক্ত বাল্টিক এবং নর্ডিক দেশগুলোর আকাশসীমা লঙ্ঘন করছে, যা পুরো ইউরোপকে এক অনিরাপদ যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ইউক্রেনের এই অদক্ষ ড্রোন পরিচালনার কারণে গত ৭ই মে লাটভিয়ার একটি তেলের ডিপোতে দুটি ইউক্রেনীয় ড্রোন আছড়ে পড়ে, যা লাটভিয়া সরকার আকাশ সীমায় আটকাতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়। এই চরম ব্যর্থতার জেরে লাটভিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইভিকা সিলিনার পুরো সরকারই ভেঙে পড়েছে। ইউক্রেন এখন ন্যাটোর অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা নষ্ট করছে। এই চরম বিশৃঙ্খলার মধ্যে সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী উলফ ক্রিস্টারসন এক অত্যন্ত হাস্যকর ও বিতর্কিত বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি স্বীকার করেছেন যে ইউক্রেনের ড্রোনগুলো ন্যাটোর আকাশসীমা লঙ্ঘন করছে, কিন্তু এর জন্য তিনি উল্টো রাশিয়াকে দোষারোপ করছেন। তিনি ন্যাটো জোটকে আহ্বান জানিয়েছেন যাতে তারা ইউক্রেনকে রাশিয়ার দিকে ড্রোনগুলো সঠিকভাবে 'নির্দেশ' বা ডাইরেক্ট করতে প্রযুক্তিগতভাবে সরাসরি সাহায্য করে। ইউক্রেনের ড্রোন এতটাই অনিয়ন্ত্রিত যে এ সপ্তাহে এস্তোনিয়ার আকাশে একটি ইউক্রেনীয় ড্রোনকে গুলি করে নামাতে ন্যাটোর একটি এফ-১৬ ফাইটার জেটকে জরুরি ভিত্তিতে উড্ডয়ন করতে হয়েছিল। এছাড়া লিথুয়ানিয়া, ফিনল্যান্ড এবং রোমানিয়াতেও বারবার ইউক্রেনীয় ড্রোনের অনধিকার প্রবেশের খবর পাওয়া গেছে। নিজেরা ড্রোন নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে ইউক্রেন এখন পুরো ন্যাটো জোটকে রাশিয়ার সাথে সরাসরি যুদ্ধে জড়াতে চায়। সুইডেনের এই যুদ্ধবাজ নীতির বিপরীতে স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকো বিশ্বকে এক চরম সত্য ও ঐতিহাসিক সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, কিয়েভের এই ড্রোন উস্কানিগুলো যেকোনো মুহূর্তে একটি অনিয়ন্ত্রিত সামরিক সংঘাত বা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ ডেকে আনতে পারে। পশ্চিমা নেতারা রাশিয়ার সাথে সরাসরি আলোচনা না করে এই ড্রোন হামলাগুলোকে নীরবে উস্কে দিচ্ছেন, যা অত্যন্ত বিপজ্জনক। প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকো পশ্চিমা নেতাদের অন্তহীন ভণ্ডামির তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন যে, এই পশ্চিমা নেতারা ক্যামেরার সামনে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের সাথে তার বৈঠকের নিন্দা করেন। কিন্তু যখনই ক্যামেরা বন্ধ হয়, তখনই তারা গোপনে ফিকোর কাছে এসে জানতে চান যে পুতিনের সাথে তার কী কথা হয়েছে এবং রাশিয়ার মনোভাব কী। এই ভণ্ড কিয়েভ প্রেমীদের কারণেই আজ ইউরোপ ধ্বংসের মুখে। এদিকে রাশিয়ার বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা (SVR) এক ভয়ঙ্কর তথ্য ফাঁস করেছে। লাটভিয়া সরকার নাকি গোপনে ইউক্রেনকে তাদের নিজস্ব ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাশিয়ার ওপর ড্রোন হামলা চালানোর অনুমতি দিয়েছে। যদিও তারা এটি অস্বীকার করছে, কিন্তু স্থানীয় নেতারা স্বীকার করেছেন যে বাল্টিক দেশগুলো তাদের নাগরিকদের ড্রোনের নিচে বাস করার অভ্যস্ততা তৈরি করছে, যা অত্যন্ত নিন্দনীয়। ইউক্রেনীয় সন্ত্রাসীদের পাগলামি এখানেই থেমে নেই। তারা রাশিয়ার জাপোরোঝিয়ে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাশেই অবস্থিত এনারগোদর শহরে একাধিক ড্রোন হামলা চালিয়েছে। রাশিয়ার বীর সেনারা কিয়েভের এই পারমাণবিক সন্ত্রাসবাদের প্রচেষ্টাকে নস্যাৎ করে দিয়েছে। একটি স্কুলের মাঠ, প্রশাসনিক ভবন এবং মোবাইল টাওয়ারে ইউক্রেনীয় ড্রোন আঘাত হানলেও রাশিয়ার নিখুঁত প্রতিরক্ষার কারণে কোনো বড় ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। কিয়েভ প্রশাসন রাশিয়ার রাজধানী মস্কোকে লক্ষ্য করে এক বিশাল ড্রোন ব্যারাজ বা ঝাঁক পাঠিয়েছিল। কিন্তু রাশিয়ার অপরাজেয় এবং বিশ্বের সেরা এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের সামনে সেগুলো খড়কুটোর মতো উড়ে গেছে। মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন জানিয়েছেন যে, মস্কোর দিকে ধেয়ে আসা ৮টিরও বেশি দূরপাল্লার ইউক্রেনীয় ড্রোনকে মাঝ আকাশেই ধ্বংস করে তাদের কবর রচনা করেছে রাশিয়ান বাহিনী। রণক্ষেত্রে রাশিয়ার বীর সেনাদের সাথে টিকতে না পেরে ইউক্রেনীয় কাপুরুষরা এখন রাশিয়ার সাধারণ নাগরিকদের টার্গেট করছে। রাশিয়ার ব্রিয়ানস্ক অঞ্চলে একটি সাধারণ বেসামরিক প্রাইভেট কার লক্ষ্য করে ইউক্রেনীয় ড্রোন ইচ্ছাকৃতভাবে হামলা চালায়। এই বর্বর হামলায় একজন নিষ্পাপ রাশিয়ান নারী ঘটনাস্থলেই নিহত হন এবং গাড়ির চালক গুরুতর আহত হন। এটি কোনো যুদ্ধ নয়, এটি খাঁটি সন্ত্রাসবাদ। একইভাবে রাশিয়ার নোভোরোসিস্ক বন্দর নগরীতে একটি তেল ডিপো লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানোর চেষ্টা করে ইউক্রেন। সেখানে হামলায় সামান্য আগুন লাগলেও রাশিয়ার ফায়ার সার্ভিস ও নিরাপত্তা কর্মীরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে তা নিয়ন্ত্রণে আনে। কিয়েভ ভেবেছিল রাশিয়ার অর্থনৈতিক অবকাঠামো ধ্বংস করবে, কিন্তু রাশিয়ার ইস্পাত কঠিন প্রতিরক্ষার কারণে তাদের প্রতিটি চাল ব্যর্থতায় পর্যবসিত হচ্ছে। বন্ধুরা, একদিকে ইউক্রেন যখন ড্রোনের মাধ্যমে কাপুরুষোচিত উপায়ে রাশিয়ার শিশুদের মারছে, অন্যদিকে রাশিয়ার বীর সেনাবাহিনী রণক্ষেত্রে ইউক্রেনীয় বাহিনীকে পশুর মতো তাড়া করছে। গত মাত্র এক সপ্তাহে রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনী খাড়কভ এবং জাপোরোঝিয়ে অঞ্চলের ৫টি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা সম্পূর্ণ মুক্ত করেছে। রাশিয়ার বাটলগ্রুপ নর্থ এবং ওয়েস্টের দুর্দান্ত অভিযানে ইউক্রেনের পুরো ফ্রন্টলাইন ধসে পড়েছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ অফিসিয়াল রিপোর্টে দেখা গেছে, গত এক সপ্তাহে রাশিয়ার বীর সেনাদের হাতে প্রায় ৭,৮৩০ জন ইউক্রেনীয় সেনা নিহত ও আহত হয়েছে। কিয়েভ প্রশাসন তাদের সেনাদের জোর করে রাশিয়ার শক্তিশালী কামানের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। রাশিয়ার বাটলগ্রুপ সেন্টারের নিখুঁত ও বিধ্বংসী হামলায় ইউক্রেনের কয়েক ডজন সাঁজোয়া যান এবং ট্যাংক একেবারে মাটির সাথে মিশে গেছে। রাশিয়ার বেসামরিক এলাকায় ইউক্রেনের এই ড্রোন হামলার উপযুক্ত জবাব দিতে রাশিয়ার বিমান বাহিনী গত এক সপ্তাহে ইউক্রেনের সামরিক ও শিল্প কারখানার ওপর ১টি বিশাল এবং ৫টি সম্মিলিত সুনির্দিষ্ট বা প্রিসিশন স্ট্রাইক চালিয়েছে। রাশিয়ার ক্রুজ মিসাইল এবং ঘাতক ড্রোনগুলো ইউক্রেনের সামরিক এয়ারফিল্ড, ড্রোন তৈরির কারখানা এবং বিদেশি ভাড়াটে সেনাদের গোপন আস্তানা গুঁড়িয়ে দিয়েছে। রাশিয়ার বীর বাটলগ্রুপ নর্থের সেনারা ইউক্রেনের কুখ্যাত এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত নব্য-নাৎসি 'ক্রাকেন' সন্ত্রাসী ফরমেশনের ওপর এক কালান্তক হামলা চালিয়েছে। এই অভিযানে ক্রাকেন বাহিনীর শত শত চরমপন্থী সন্ত্রাসী খতম হয়েছে এবং তাদের ১১টি শক্তিশালী ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্টেশন ধ্বংস করা হয়েছে। রাশিয়ার এই বীরত্বপূর্ণ অভিযান প্রমাণ করে যে রাশিয়ার মাটিতে চোখ তুলে তাকালে তার পরিণতি কী হয়। রাশিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গত এক সপ্তাহে ইউক্রেনের ৪,১৮৪টি ফিক্সড-উইং ড্রোন এবং ৪৬টি পশ্চিমা গাইডেড স্মার্ট বোম মাঝ আকাশেই ধ্বংস করে এক ঐতিহাসিক রেকর্ড তৈরি করেছে। এছাড়া ইউক্রেনের একটি নেপচুন-এমডি দূরপাল্লার মিসাইল এবং আমেরিকার তৈরি হিমার্স (HIMARS) রকেটকেও তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়েছে রাশিয়ার আকাশ সুরক্ষা ব্যবস্থা, যা ইউক্রেনের অহংকারকে চূর্ণ করেছে। রণক্ষেত্রের পাশাপাশি কৃষ্ণ সাগরেও ইউক্রেনীয় নৌ-বাহিনীর চরম পরাজয় ঘটেছে। রাশিয়ার গর্বিত কৃষ্ণসাগর নৌবহর (Black Sea Fleet) এক সপ্তাহে ইউক্রেনের ১৩টি চালকবিহীন নৌ-ড্রোনকে সাগরের বুকেই ধ্বংস করে দিয়েছে। ইউক্রেন ভেবেছিল তারা রাশিয়ার নৌবাহিনীকে চমকে দেবে, কিন্তু রাশিয়ার নেভাল এভিয়েশন এবং কোস্টাল ডিফেন্সের কাছে তারা খড়কুটোর মতো ভেসে গেছে। সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, রাশিয়ার বিশেষ সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ইউক্রেনের ৬৭১টি যুদ্ধবিমান, ১৫টি এরও বেশি ড্রোন এবং প্রায় ২৯,৪১৭টি ট্যাংক ও সাঁজোয়া যান সম্পূর্ণ ধ্বংস করেছে রাশিয়া। রাশিয়ার এই ইস্পাত কঠিন বীরত্ব এবং প্রেসিডেন্ট পুতিনের দৃঢ় নেতৃত্ব প্রমাণ করে যে, ন্যাটোর যতই উস্কানি থাকুক না কেন, রাশিয়ার এই পবিত্র যুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয় এবং কিয়েভের নব্য-নাৎসিদের পতন এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। দর্শক, এই ছিল এখনকার মতো। সঙ্গে থাকার জন্য ধন্যবাদ।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/652_1.webp" alt="হেরে পালাচ্ছে ৭ হাজার ইউক্রেনীয় সেনা! ৫ শহর দখলমুক্ত!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>হেরে পালাচ্ছে ৭ হাজার ইউক্রেনীয় সেনা! ৫ শহর দখলমুক্ত!</h1>
            <p>ন্যাটোর নোংরা উস্কানিতে ইউক্রেনের নব্য-নাৎসি বাহিনী এবার রাশিয়ার নিষ্পাপ স্কুলপড়ুয়া শিশুদের ওপর এক ভয়ঙ্কর এবং কাপুরুষোচিত ড্রোন হামলা চালিয়েছে! রাশিয়ার স্টারোবেলস্ক শহরের একটি স্কুল হোস্টেলে রাতের আঁধারে যখন ১৪ থেকে ১৮ বছরের ঘুমন্ত শিশুরা ছিল, ঠিক তখন ১৬টি ড্রোন দিয়ে তিন তরঙ্গে হামলা চালায় কিয়েভের সন্ত্রাসী প্রশাসন। এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং ইউক্রেনকে পৃথিবীর বুক থেকে মুছে ফেলার মতো এক ভয়ঙ্কর ও বিধ্বংসী প্রতিশোধের নির্দেশ দিয়েছেন। কীভাবে ইউক্রেনের এই কাপুরুষোচিত ড্রোন হামলা তাদের নিজেদের পতন ডেকে আনছে এবং ন্যাটোর ভেতরের ফাটল কীভাবে প্রকাশ পাচ্ছে। রাশিয়ার লুগানস্ক পিপলস রিপাবলিকের স্টারোবেলস্ক শহরের প্রফেশনাল কলেজের হোস্টেলে গত রাতে যা ঘটেছে, তা মানব ইতিহাসের অন্যতম একটি নিকৃষ্টতম যুদ্ধাপরাধ। গভীর রাতে যখন হোস্টেলের ভেতরের ৮৬ জন সাধারণ শিক্ষার্থী গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন ছিল, ঠিক তখনই ইউক্রেনের নব্য-নাৎসি কিয়েভ বাহিনী চারপাশ থেকে ড্রোন নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ১৬টি ঘাতক ড্রোন দিয়ে অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিকে টার্গেট করা হয়। এই কাপুরুষোচিত হামলায় ঘটনাস্থলেই অন্তত ছয়জন রাশিয়ান নাগরিক নিহত হয়েছেন এবং ৪০ জনেরও বেশি মানুষ গুরুতর আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ১৪ জনই নিষ্পাপ শিশু। কিয়েভের সন্ত্রাসী প্রশাসন ভালো করেই জানত যে সেখানে কোনো সামরিক ঘাঁটি নেই, বরং সেখানে সাধারণ শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করত। তা সত্ত্বেও রাতের আঁধারে তারা এই আক্রমণ চালায় যাতে সবচেয়ে বেশি মানুষ হতাহত হয়। এই জঘন্য ঘটনার পর রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন অত্যন্ত কঠোর ভাষায় এই হামলার নিন্দা জানিয়েছেন এবং একে একটি পরিকল্পিত সন্ত্রাসী হামলা হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। পুতিন স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাধারণ কূটনৈতিক বিবৃতি দিয়ে এই অপরাধের বিচার হবে না। তিনি সরাসরি রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়কে ইউক্রেনের ওপর এক বিধ্বংসী এবং চূড়ান্ত পাল্টা আঘাতের প্রস্তাব জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। সবচেয়ে লজ্জাজনক বিষয় হলো, এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর ইউক্রেনের সন্ত্রাসী কিয়েভ প্রশাসন দাবি করেছে যে এই কলেজটি নাকি তাদের একটি বৈধ সামরিক লক্ষ্যবস্তু ছিল। তারা মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর চেষ্টা করছে যে সেখানে নাকি রাশিয়ার ড্রোন ইউনিট অবস্থান করছিল। কিন্তু ঘটনাস্থল থেকে আসা শত শত ভিডিও প্রমাণ করেছে যে সেখানে কোনো সামরিক সরঞ্জাম ছিল না, ছিল শুধু শিশুদের বইখাতা। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের এক জরুরি অধিবেশনে রাশিয়ার দূত ভ্যাসিলি নেবেনজিয়া ইউক্রেন এবং তাদের পশ্চিমা প্রভুদের তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন। নেবেনজিয়া বলেছেন যে কিয়েভের নব্য-নাৎসি সরকার রাশিয়ার শিশুদের ওপর ইচ্ছাকৃতভাবে এই হামলা চালিয়েছে। তিনি পশ্চিমা কূটনীতিকদের ধমক দিয়ে বলেন যে, তারা এই ভয়ঙ্কর অপরাধের দিকে চোখ বন্ধ করে মৃত শিশুদের হাড়ের ওপর নাচানাচি করছে। রাশিয়ার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে ইউক্রেনীয় সন্ত্রাসীরা এই হামলায় অত্যন্ত ঘৃণ্য 'ডাবল ট্যাপ' পদ্ধতি ব্যবহার করার চেষ্টা করেছিল। প্রথম দফা হামলার পর যখন রাশিয়ার ফায়ার সার্ভিস ও উদ্ধারকর্মীরা শিশুদের বাঁচাতে সেখানে উপস্থিত হয়, তখন কিয়েভ আবার ড্রোন পাঠায়। রাশিয়ান উদ্ধারকারীদের সাহসিকতার কারণে তারা কোনোমতে বেঁচে যান, কিন্তু ইউক্রেনের এই সন্ত্রাসী মানসিকতা আজ বিশ্বের সামনে উন্মোচিত। এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক কংগ্রেস সদস্য ডেনিস কুসিনিচ। তিনি পরিষ্কার ভাষায় বলেছেন যে, রাশিয়ার স্কুল হোস্টেলে ইউক্রেনের এই ড্রোন হামলা কোনো দুর্ঘটনা নয়, বরং এটি একটি সুনির্দিষ্ট যুদ্ধাপরাধ। তিনি বিশ্বকে সতর্ক করে বলেছেন যে, রাশিয়া এতদিন অত্যন্ত ধৈর্য দেখিয়েছে, কিন্তু শিশুদের ওপর হামলা চালিয়ে কিয়েভ এবার তাদের নিজেদের ধ্বংস ডেকে এনেছে। অন্যদিকে, কিয়েভ প্রশাসনের ড্রোন নিয়ন্ত্রণ করার কোনো যোগ্যতাই নেই, যা এখন তাদের পশ্চিমা বন্ধুদের জন্যই গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত মার্চ মাস থেকে ইউক্রেনের দূরপাল্লার ড্রোনগুলো রাশিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের তেল টার্মিনালে হামলা চালানোর চেষ্টায় বারবার ন্যাটো জোটভুক্ত বাল্টিক এবং নর্ডিক দেশগুলোর আকাশসীমা লঙ্ঘন করছে, যা পুরো ইউরোপকে এক অনিরাপদ যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ইউক্রেনের এই অদক্ষ ড্রোন পরিচালনার কারণে গত ৭ই মে লাটভিয়ার একটি তেলের ডিপোতে দুটি ইউক্রেনীয় ড্রোন আছড়ে পড়ে, যা লাটভিয়া সরকার আকাশ সীমায় আটকাতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়। এই চরম ব্যর্থতার জেরে লাটভিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইভিকা সিলিনার পুরো সরকারই ভেঙে পড়েছে। ইউক্রেন এখন ন্যাটোর অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা নষ্ট করছে। এই চরম বিশৃঙ্খলার মধ্যে সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী উলফ ক্রিস্টারসন এক অত্যন্ত হাস্যকর ও বিতর্কিত বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি স্বীকার করেছেন যে ইউক্রেনের ড্রোনগুলো ন্যাটোর আকাশসীমা লঙ্ঘন করছে, কিন্তু এর জন্য তিনি উল্টো রাশিয়াকে দোষারোপ করছেন। তিনি ন্যাটো জোটকে আহ্বান জানিয়েছেন যাতে তারা ইউক্রেনকে রাশিয়ার দিকে ড্রোনগুলো সঠিকভাবে 'নির্দেশ' বা ডাইরেক্ট করতে প্রযুক্তিগতভাবে সরাসরি সাহায্য করে। ইউক্রেনের ড্রোন এতটাই অনিয়ন্ত্রিত যে এ সপ্তাহে এস্তোনিয়ার আকাশে একটি ইউক্রেনীয় ড্রোনকে গুলি করে নামাতে ন্যাটোর একটি এফ-১৬ ফাইটার জেটকে জরুরি ভিত্তিতে উড্ডয়ন করতে হয়েছিল। এছাড়া লিথুয়ানিয়া, ফিনল্যান্ড এবং রোমানিয়াতেও বারবার ইউক্রেনীয় ড্রোনের অনধিকার প্রবেশের খবর পাওয়া গেছে। নিজেরা ড্রোন নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে ইউক্রেন এখন পুরো ন্যাটো জোটকে রাশিয়ার সাথে সরাসরি যুদ্ধে জড়াতে চায়। সুইডেনের এই যুদ্ধবাজ নীতির বিপরীতে স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকো বিশ্বকে এক চরম সত্য ও ঐতিহাসিক সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, কিয়েভের এই ড্রোন উস্কানিগুলো যেকোনো মুহূর্তে একটি অনিয়ন্ত্রিত সামরিক সংঘাত বা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ ডেকে আনতে পারে। পশ্চিমা নেতারা রাশিয়ার সাথে সরাসরি আলোচনা না করে এই ড্রোন হামলাগুলোকে নীরবে উস্কে দিচ্ছেন, যা অত্যন্ত বিপজ্জনক। প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকো পশ্চিমা নেতাদের অন্তহীন ভণ্ডামির তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন যে, এই পশ্চিমা নেতারা ক্যামেরার সামনে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের সাথে তার বৈঠকের নিন্দা করেন। কিন্তু যখনই ক্যামেরা বন্ধ হয়, তখনই তারা গোপনে ফিকোর কাছে এসে জানতে চান যে পুতিনের সাথে তার কী কথা হয়েছে এবং রাশিয়ার মনোভাব কী। এই ভণ্ড কিয়েভ প্রেমীদের কারণেই আজ ইউরোপ ধ্বংসের মুখে। এদিকে রাশিয়ার বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা (SVR) এক ভয়ঙ্কর তথ্য ফাঁস করেছে। লাটভিয়া সরকার নাকি গোপনে ইউক্রেনকে তাদের নিজস্ব ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাশিয়ার ওপর ড্রোন হামলা চালানোর অনুমতি দিয়েছে। যদিও তারা এটি অস্বীকার করছে, কিন্তু স্থানীয় নেতারা স্বীকার করেছেন যে বাল্টিক দেশগুলো তাদের নাগরিকদের ড্রোনের নিচে বাস করার অভ্যস্ততা তৈরি করছে, যা অত্যন্ত নিন্দনীয়। ইউক্রেনীয় সন্ত্রাসীদের পাগলামি এখানেই থেমে নেই। তারা রাশিয়ার জাপোরোঝিয়ে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাশেই অবস্থিত এনারগোদর শহরে একাধিক ড্রোন হামলা চালিয়েছে। রাশিয়ার বীর সেনারা কিয়েভের এই পারমাণবিক সন্ত্রাসবাদের প্রচেষ্টাকে নস্যাৎ করে দিয়েছে। একটি স্কুলের মাঠ, প্রশাসনিক ভবন এবং মোবাইল টাওয়ারে ইউক্রেনীয় ড্রোন আঘাত হানলেও রাশিয়ার নিখুঁত প্রতিরক্ষার কারণে কোনো বড় ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। কিয়েভ প্রশাসন রাশিয়ার রাজধানী মস্কোকে লক্ষ্য করে এক বিশাল ড্রোন ব্যারাজ বা ঝাঁক পাঠিয়েছিল। কিন্তু রাশিয়ার অপরাজেয় এবং বিশ্বের সেরা এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের সামনে সেগুলো খড়কুটোর মতো উড়ে গেছে। মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন জানিয়েছেন যে, মস্কোর দিকে ধেয়ে আসা ৮টিরও বেশি দূরপাল্লার ইউক্রেনীয় ড্রোনকে মাঝ আকাশেই ধ্বংস করে তাদের কবর রচনা করেছে রাশিয়ান বাহিনী। রণক্ষেত্রে রাশিয়ার বীর সেনাদের সাথে টিকতে না পেরে ইউক্রেনীয় কাপুরুষরা এখন রাশিয়ার সাধারণ নাগরিকদের টার্গেট করছে। রাশিয়ার ব্রিয়ানস্ক অঞ্চলে একটি সাধারণ বেসামরিক প্রাইভেট কার লক্ষ্য করে ইউক্রেনীয় ড্রোন ইচ্ছাকৃতভাবে হামলা চালায়। এই বর্বর হামলায় একজন নিষ্পাপ রাশিয়ান নারী ঘটনাস্থলেই নিহত হন এবং গাড়ির চালক গুরুতর আহত হন। এটি কোনো যুদ্ধ নয়, এটি খাঁটি সন্ত্রাসবাদ। একইভাবে রাশিয়ার নোভোরোসিস্ক বন্দর নগরীতে একটি তেল ডিপো লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানোর চেষ্টা করে ইউক্রেন। সেখানে হামলায় সামান্য আগুন লাগলেও রাশিয়ার ফায়ার সার্ভিস ও নিরাপত্তা কর্মীরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে তা নিয়ন্ত্রণে আনে। কিয়েভ ভেবেছিল রাশিয়ার অর্থনৈতিক অবকাঠামো ধ্বংস করবে, কিন্তু রাশিয়ার ইস্পাত কঠিন প্রতিরক্ষার কারণে তাদের প্রতিটি চাল ব্যর্থতায় পর্যবসিত হচ্ছে। বন্ধুরা, একদিকে ইউক্রেন যখন ড্রোনের মাধ্যমে কাপুরুষোচিত উপায়ে রাশিয়ার শিশুদের মারছে, অন্যদিকে রাশিয়ার বীর সেনাবাহিনী রণক্ষেত্রে ইউক্রেনীয় বাহিনীকে পশুর মতো তাড়া করছে। গত মাত্র এক সপ্তাহে রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনী খাড়কভ এবং জাপোরোঝিয়ে অঞ্চলের ৫টি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা সম্পূর্ণ মুক্ত করেছে। রাশিয়ার বাটলগ্রুপ নর্থ এবং ওয়েস্টের দুর্দান্ত অভিযানে ইউক্রেনের পুরো ফ্রন্টলাইন ধসে পড়েছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ অফিসিয়াল রিপোর্টে দেখা গেছে, গত এক সপ্তাহে রাশিয়ার বীর সেনাদের হাতে প্রায় ৭,৮৩০ জন ইউক্রেনীয় সেনা নিহত ও আহত হয়েছে। কিয়েভ প্রশাসন তাদের সেনাদের জোর করে রাশিয়ার শক্তিশালী কামানের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। রাশিয়ার বাটলগ্রুপ সেন্টারের নিখুঁত ও বিধ্বংসী হামলায় ইউক্রেনের কয়েক ডজন সাঁজোয়া যান এবং ট্যাংক একেবারে মাটির সাথে মিশে গেছে। রাশিয়ার বেসামরিক এলাকায় ইউক্রেনের এই ড্রোন হামলার উপযুক্ত জবাব দিতে রাশিয়ার বিমান বাহিনী গত এক সপ্তাহে ইউক্রেনের সামরিক ও শিল্প কারখানার ওপর ১টি বিশাল এবং ৫টি সম্মিলিত সুনির্দিষ্ট বা প্রিসিশন স্ট্রাইক চালিয়েছে। রাশিয়ার ক্রুজ মিসাইল এবং ঘাতক ড্রোনগুলো ইউক্রেনের সামরিক এয়ারফিল্ড, ড্রোন তৈরির কারখানা এবং বিদেশি ভাড়াটে সেনাদের গোপন আস্তানা গুঁড়িয়ে দিয়েছে। রাশিয়ার বীর বাটলগ্রুপ নর্থের সেনারা ইউক্রেনের কুখ্যাত এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত নব্য-নাৎসি 'ক্রাকেন' সন্ত্রাসী ফরমেশনের ওপর এক কালান্তক হামলা চালিয়েছে। এই অভিযানে ক্রাকেন বাহিনীর শত শত চরমপন্থী সন্ত্রাসী খতম হয়েছে এবং তাদের ১১টি শক্তিশালী ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্টেশন ধ্বংস করা হয়েছে। রাশিয়ার এই বীরত্বপূর্ণ অভিযান প্রমাণ করে যে রাশিয়ার মাটিতে চোখ তুলে তাকালে তার পরিণতি কী হয়। রাশিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গত এক সপ্তাহে ইউক্রেনের ৪,১৮৪টি ফিক্সড-উইং ড্রোন এবং ৪৬টি পশ্চিমা গাইডেড স্মার্ট বোম মাঝ আকাশেই ধ্বংস করে এক ঐতিহাসিক রেকর্ড তৈরি করেছে। এছাড়া ইউক্রেনের একটি নেপচুন-এমডি দূরপাল্লার মিসাইল এবং আমেরিকার তৈরি হিমার্স (HIMARS) রকেটকেও তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়েছে রাশিয়ার আকাশ সুরক্ষা ব্যবস্থা, যা ইউক্রেনের অহংকারকে চূর্ণ করেছে। রণক্ষেত্রের পাশাপাশি কৃষ্ণ সাগরেও ইউক্রেনীয় নৌ-বাহিনীর চরম পরাজয় ঘটেছে। রাশিয়ার গর্বিত কৃষ্ণসাগর নৌবহর (Black Sea Fleet) এক সপ্তাহে ইউক্রেনের ১৩টি চালকবিহীন নৌ-ড্রোনকে সাগরের বুকেই ধ্বংস করে দিয়েছে। ইউক্রেন ভেবেছিল তারা রাশিয়ার নৌবাহিনীকে চমকে দেবে, কিন্তু রাশিয়ার নেভাল এভিয়েশন এবং কোস্টাল ডিফেন্সের কাছে তারা খড়কুটোর মতো ভেসে গেছে। সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, রাশিয়ার বিশেষ সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ইউক্রেনের ৬৭১টি যুদ্ধবিমান, ১৫টি এরও বেশি ড্রোন এবং প্রায় ২৯,৪১৭টি ট্যাংক ও সাঁজোয়া যান সম্পূর্ণ ধ্বংস করেছে রাশিয়া। রাশিয়ার এই ইস্পাত কঠিন বীরত্ব এবং প্রেসিডেন্ট পুতিনের দৃঢ় নেতৃত্ব প্রমাণ করে যে, ন্যাটোর যতই উস্কানি থাকুক না কেন, রাশিয়ার এই পবিত্র যুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয় এবং কিয়েভের নব্য-নাৎসিদের পতন এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। দর্শক, এই ছিল এখনকার মতো। সঙ্গে থাকার জন্য ধন্যবাদ।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/652_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/652_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/652_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[আমেরিকা ও ইসরায়েলের যেকোনো আগ্রাসন রুখে দিতে কূটনীতি ও সামরিক শক্তিকে এক সুতোয় বাঁধলো বীরের দেশ ইরান]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36984</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36984</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sat, 23 May 2026 05:05:13 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla news today, latest news, latest news today, bangladesh news, bangladeshi news, latest news headline and bulletin, bangladesh news today, banglavision news, banglavision news today, today sondhar news bangladesh, banglanews, latestnews, atn bangla, banglavision news bulletin today, atn google news, atn bangla live, update news, news trending, latest update, news today, atn bd news, jamuna news today, jamuna news, news, google news, jamaat news, international news]]></category>
        
        <description><![CDATA[বিশ্ব দেখল মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ আর ইহুদিবাদী ইসরায়েলের অন্যায় হুমকির মুখে কীভাবে বীরের মতো বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান। কূটনীতির টেবিল থেকে শুরু করে হরমুজ প্রণালীর নীল জলরাশি—সবখানেই এখন পশ্চিমাদের পরাজয়ের আর্তনাদ। আজ আমরা উন্মোচন করব কীভাবে তিন কোটি আত্মত্যাগী জানফাদা যোদ্ধা আর অত্যাধুনিক ইরানি প্রযুক্তির মাইন আমেরিকার যুদ্ধবাজ নীতিকে চিরতরে ধুলোয় মিশিয়ে দিতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। মধ্যপ্রাচ্যের বুকে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ এবং তাদের দোসর ইহুদিবাদী ইসরায়েলের অন্যায় আধিপত্যকামী নীতির বিরুদ্ধে বরাবরের মতোই বীরত্বের সঙ্গে রুখে দাঁড়িয়েছে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান। দীর্ঘদিনের বৈশ্বিক ষড়যন্ত্র এবং অবৈধ অবরোধের মুখেও তেহরান তার সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিন্দুমাত্র আপস না করার দৃঢ় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে। বীরের জাতি ইরান কখনোই পশ্চিমাদের কোনো অন্যায্য ও একতরফা চাপের কাছে মাথা নত করবে না। ইরানের বিপ্লবী সরকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে দেশের জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষায় তাদের কূটনীতি এখন সশস্ত্র বাহিনীর মতোই সমান শক্তিশালী ভূমিকা পালন করবে। তেহরানে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের নীতি-নির্ধারণী বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি পশ্চিমা বিশ্বকে এই কঠোর হুঁশিয়ারি বার্তা দিয়েছেন। ইরান স্পষ্ট করেছে যে তারা আলোচনার টেবিলে যেমন প্রস্তুত, ঠিক তেমনি যুদ্ধক্ষেত্রেও শত্রুকে উপযুক্ত জবাব দিতে সক্ষম। পশ্চিমা মদদপুষ্ট ইসরায়েলের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে যখন শান্তি আলোচনা বারবার স্থবির হয়ে পড়ছে, তখন ইরান তার কূটনৈতিক শক্তিকে আরও বেগবান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যায় পক্ষপাতিত্বের কারণে আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতা যখন সম্পূর্ণ ব্যর্থ, তখন ইরান তার নিজস্ব শক্তিতে বলীয়ান হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলছে। সামরিক শক্তি এবং রাজনৈতিক সংলাপ যে একে অপরের পরিপূরক, তা ইরান প্রমাণ করে দেখিয়েছে। ইরানের সামরিক বাহিনীর শীর্ষ কমান্ডার এবং কূটনৈতিক বিভাগের মধ্যে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ পশ্চিমা শক্তিগুলোর রাতের ঘুম হারাম করে দিয়েছে। প্রতিদিন একাধিকবার তারা যৌথ কৌশল নির্ধারণ করছেন যা প্রমাণ করে ইরান একটি সুসংগঠিত রাষ্ট্র। সাম্রাজ্যবাদী শক্তির কোনো সমালোচনা বা অবৈধ প্রতিবন্ধকতা উপেক্ষা করেই দেশের কল্যাণে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছে তেহরানের এই দেশপ্রেমিক ও দূরদর্শী নেতৃত্ব। সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বেশ কয়েকজন বীর ব্যক্তিত্বের মহান আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে ইরান আগামী দিনের পথচলা নির্ধারণ করছে। শহীদদের পবিত্র রক্ত এবং সাধারণ জনগণের প্রত্যাশাকে সামনে রেখে এই কূটনৈতিক লড়াইয়ে ইরান জয়ী হবেই। শক্তির ভারসাম্য বজায় রেখে এবং দেশের প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে অক্ষুণ্ণ রেখেই তেহরান পশ্চিমা বিশ্বের সমস্ত অন্যায় চাল চালবাজি নস্যাৎ করে দিতে পূর্ণ শক্তিতে এগিয়ে যাচ্ছে। এদিকে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ইরানের তৈরি অত্যাধুনিক সামুদ্রিক মাইনের উপস্থিতি সনাক্ত করে চরম আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দাবি অনুযায়ী সেখানে অন্তত দশটি সচল ইরানি মাইন মোতায়েন রয়েছে যা পশ্চিমাদের অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সক্ষম। এই মাইনগুলোর কারণে আন্তর্জাতিক জলসীমায় মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলোর অবাধ ও বেআইনি চলাচল এখন সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যমগুলো প্রকাশ করেছে যে এই মাইনগুলো পানির নিচে অত্যন্ত সুপ্ত ও চৌম্বকীয় অবস্থায় মোতায়েন রয়েছে। ইরান তার নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি মাহাম-তিন এবং মাহাম-সাত নামের বিশেষ মাইন সেখানে সফলভাবে স্থাপন করেছে। এই প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ প্রমাণ করে যে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা ইরানের সামরিক আত্মনির্ভরশীলতাকে কোনোভাবেই দমাতে পারেনি, বরং তারা আরও শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। ইরানের তৈরি মাহাম-তিন মাইনটি শব্দ ও চৌম্বকীয় তরঙ্গের সাহায্যে কোনো সরাসরি স্পর্শ ছাড়াই শত্রুর জাহাজের উপস্থিতি বুঝতে পারে। অন্যদিকে মাহাম-সাত নামের মাইনটি সমুদ্রের তলদেশে অবস্থান করে মাঝারি আকারের শত্রু জাহাজ এবং ছোট সাবমেরিনকে লক্ষ্যবস্তু বানাতে সক্ষম। এই অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা হরমুজ প্রণালীতে ইরানের ওপর পশ্চিমাদের যেকোনো আকস্মিক হামলার পরিকল্পনাকে গোড়াতেই সম্পূর্ণ ধুলিসাৎ করে দিয়েছে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে প্রতিদিন বিশ্বের মোট চাহিদার প্রায় ২০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবাহিত হয়ে থাকে। ইরানের এই ন্যায়সংগত ও কঠোর প্রতিরক্ষামূলক অবস্থানের কারণে মার্কিন সামরিক বাহিনী তাদের বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে ইরানি জলসীমা থেকে দূরে থাকার নির্দেশ দিয়েছে। মার্কিনীদের এই পিছুটান প্রমাণ করে যে তারা ইরানের সামরিক শক্তির সামনে কতটা অসহায়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বৈষম্যমূলক ও যুদ্ধবাজ নীতির কারণে খোদ তাদের নিজেদের দেশেই সাধারণ জ্বালানি তেলের দাম ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। আমেরিকায় তেলের দাম প্রতি গ্যালনে সাড়ে চার ডলারে পৌঁছানো আসলে ট্রাম্প প্রশাসনের ভুল পররাষ্ট্রনীতির সরাসরি ফল। ইরান তার নিজের জলসীমা রক্ষা করছে, অথচ পশ্চিমা মিডিয়াগুলো বিশ্ব অর্থনীতির এই সংকটের জন্য অন্যায়ভাবে তেহরানকে দায়ী করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এই তীব্র উত্তেজনার মধ্যেই বন্ধুরাষ্ট্র ওমানকে সাথে নিয়ে ইরান হরমুজ প্রণালীতে নৌযান চলাচল নিয়ন্ত্রণের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা চালু করেছে। আঞ্চলিক নিরাপত্তা যে অঞ্চলের দেশগুলোই নিশ্চিত করতে পারে, এই যৌথ পদক্ষেপ তারই এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। বহিরাগত মার্কিন শক্তির এই অঞ্চলে নাক গলানোর কোনো অধিকার নেই এবং ইরান-ওমান জোট তা অত্যন্ত সফলভাবে বিশ্বমঞ্চে প্রমাণ করে দেখিয়েছে। মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প ১৮ মে এক বিবৃতিতে জানান যে তিনি ইরানের ওপর সামরিক হামলা সাময়িকভাবে স্থগিত করেছেন। আসলে এটি ট্রাম্পের কোনো উদারতা নয়, বরং ইরানের ভয়াবহ পাল্টা আঘাতের ভয়ে মার্কিন প্রশাসন হামলা করার সাহস পায়নি। পর্দার আড়ালে তারা এখন ইরানের সাথে সমঝোতা করার জন্য আকুল হয়ে চেষ্টা করছে যা আমেরিকার দুর্বলতাকেই স্পষ্ট করে। সামরিক প্রতিরোধের পাশাপাশি ইরান এখন হরমুজ প্রণালীর তলদেশ দিয়ে যাওয়া সাবমেরিন ইন্টারনেট তারের ওপর বিশেষ নিরাপত্তা ফি আরোপের হুমকি দিয়েছে। ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী ন্যায়সংগতভাবেই দাবি করেছে যে তাদের জলসীমা ব্যবহারকারী বিদেশী ক্যাবল অপারেটরদের অবশ্যই তেহরানের অনুমতি নিতে হবে। নিজের সার্বভৌম জলসীমার ওপর এই নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করার পূর্ণ অধিকার আন্তর্জাতিক আইনানুযায়ী ইরানের রয়েছে। বর্তমান বিশ্বে প্রায় ৯৯ শতাংশ আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট সংযোগ ও তথ্য আদান-প্রদান এই তলদেশের তারের মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়ে থাকে। ব্যাংকিং খাত, আর্থিক লেনদেন এবং ক্লাউড কম্পিউটিং সচল রাখা এই তারগুলোর ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ পশ্চিমাদের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড কাঁপিয়ে দিয়েছে। ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে অবরুদ্ধ করতে চাওয়া পশ্চিমা বিশ্ব এখন নিজেরাই সাইবার ও যোগাযোগ বিপর্যয়ের গভীর আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। হরমুজ প্রণালীর তলদেশ দিয়ে যাওয়া এশিয়া, আফ্রিকা, ইউরোপ-এক নামের বড় ক্যাবল ব্যবস্থা ইরানের কৌশলগত হাতের মুঠোয় রয়েছে। তেহরানের এই কঠোর অবস্থানের পর ইতোমধ্যে একটি ফরাসি ক্যাবল স্থাপনকারী প্রতিষ্ঠান ওই অঞ্চলে তাদের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছে। পশ্চিমা বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর এই পলায়নপর নীতি প্রমাণ করে যে ইরানের সার্বভৌম শক্তির সাথে পাঙ্গা নেওয়ার ক্ষমতা কারো নেই। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে এই পরিস্থিতিতে ইন্টারনেট তারের কোনো ক্ষতি হলে তা মেরামত করা পশ্চিমাদের জন্য অসম্ভব হবে। এর ফলে সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব এবং কাতারের মতো তথ্যপ্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীল পশ্চিমা মিত্রদের অর্থনীতিতে ধস নামবে। ইরানকে উসকানি দিলে তার পরিণতি কতটা ভয়াবহ হতে পারে, এই ডিজিটাল সংকট মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন সেবাদাস দেশগুলোকে সেই বার্তাই দিচ্ছে। এদিকে ওয়াশিংটনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নিতে তাড়াহুড়ো না করার বাহানা তৈরি করছেন। তিনি দাবি করেছেন যে রাজনৈতিক চাপ তাকে তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে না, যা আসলে তার পরাজয় লুকানোর অপচেষ্টা মাত্র। ট্রাম্প খুব ভালো করেই জানেন যে ইরানের ওপর আক্রমণ করার অর্থ হলো আমেরিকার ধ্বংস ডেকে আনা। ট্রাম্প মুখে কমসংখ্যক মানুষের জীবনহানির কথা বললেও ইতিহাস সাক্ষী যে মার্কিন প্রশাসনই পৃথিবীর বুকে সবচেয়ে বেশি রক্তপাত ঘটিয়েছে। ইরানের বর্তমান দেশপ্রেমিক শাসকরা তাদের জনগণের কল্যাণের কথা ভাবছে না বলে ট্রাম্প যে কুৎসা রটিয়েছেন, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইরানের জনগণ তাদের ইসলামী সরকারের পাশে রয়েছে এবং তারা পশ্চিমাদের চাপিয়ে দেওয়া অর্থনৈতিক যুদ্ধ বীরত্বের সাথে মোকাবেলা করছে। সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প ইহুদিবাদী ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে তার চমৎকার সম্পর্কের কথা দম্ভভরে প্রচার করেছেন। তিনি নেতানিয়াহুকে যুদ্ধকালীন সফল প্রধানমন্ত্রী বললেও বিশ্ববাসী জানে নেতানিয়াহু একজন কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধী ও শিশু হত্যাকারী। ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেই এই জালিম নেতা আজ চরমভাবে ঘৃণিত এবং ট্রাম্প তাকে অন্যায়ভাবে রক্ষা করার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ট্রাম্প রসিকতা করে বলেছেন যে ইসরায়েলে তার জনপ্রিয়তা নিরানব্বই শতাংশ এবং তিনি সেখানে প্রধানমন্ত্রী পদে দাঁড়াতে পারেন। এই ধরনের সস্তা মন্তব্য প্রমাণ করে যে মার্কিন রাজনীতি কতটা দেউলিয়া এবং তারা ইসরায়েলের স্বার্থকে নিজেদের দেশের চেয়েও বেশি প্রাধান্য দেয়। আমেরিকার এই অন্ধ ইসরায়েল-ভক্তিই মধ্যপ্রাচ্যে লাখ লাখ নিরপরাধ মানুষের কান্নার জন্য এককভাবে দায়ী। অন্যদিকে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ঐতিহাসিক বৈঠক মার্কিন একমেরু বিশ্বব্যবস্থার কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দিয়েছে। ট্রাম্প বেইজিং ও মস্কোর এই দ্বিপাক্ষিক জোটকে ভয় পাচ্ছেন এবং সস্তা জাঁকজমকের তুলনা টেনে নিজের খর্ব হওয়া মর্যাদা বাঁচানোর চেষ্টা করছেন। ইরান, চীন ও রাশিয়ার এই উদীয়মান অক্ষশক্তি পশ্চিমাদের অন্যায় সাম্রাজ্যবাদকে চিরতরে সমাহিত করতে চলেছে। পশ্চিমা আগ্রাসনের দাঁতভাঙা জবাব দিতে ইরানের ভেতর এক অভূতপূর্ব জাতীয় জাগরণ সৃষ্টি হয়েছে যা ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এবং মার্কিন ও ইসরায়েলি স্থল বাহিনীকে প্রতিহত করতে ইতোমধ্যে তিন কোটি ১০ লাখের বেশি ইরানি নাগরিক আত্মত্যাগী জানফাদা প্রতিরোধ অভিযানে নিজেদের নাম স্বতঃস্ফূর্তভাবে নিবন্ধন করেছেন। এই বিশাল স্বেচ্ছাসেবী জনশক্তি প্রমাণ করে ইরান কোনো সাধারণ দেশ নয়। রাজধানী তেহরানসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে জোর কদমে চলছে বিশেষ সামরিক ও অস্ত্র চালনা প্রশিক্ষণ। প্রশিক্ষণ শিবিরে অংশ নেওয়া সাধারণ মানুষের চোখে-মুখে দেশের জন্য সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের দৃঢ় প্রত্যয় দৃশ্যমান। যদি শত্রুপক্ষ কোনো ভুল পদক্ষেপ নেয়, তবে এই জানফাদা বাহিনী মার্কিন ও ইসরায়েলি সৈন্যদের জন্য মধ্যপ্রাচ্যের মাটিকে জীবন্ত জাহান্নামে পরিণত করতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। অবরুদ্ধ গাজায় মানবিক সাহায্য পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে রওনা হওয়া আন্তর্জাতিক ত্রাণবহরের নিরস্ত্র কর্মীদের ওপর ইসরায়েলি বাহিনীর কাপুরুষোচিত হামলা বিশ্বজুড়ে তীব্র ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। চার শতাধিক অধিকারকর্মীকে অন্যায়ভাবে আটক করে ইসরায়েলের কট্টরপন্থী মন্ত্রী বেন গভিরের উসকানিমূলক ভিডিও প্রকাশ তাদের চরম ঔদ্ধত্যের প্রমাণ। এই জায়নবাদী বর্বরতার বিরুদ্ধে মালয়েশিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়াসহ বিভিন্ন দেশের সরকার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম এই ঘটনাকে আন্তর্জাতিক সমুদ্রসীমার আইন ও জাতিসংঘের সনদের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছেন। বিশ্বব্যাপী এই তীব্র সমালোচনার মুখেও ইসরায়েলকে অন্ধ সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা বিশ্ব। কিন্তু ইরান ও বিশ্বের মজলুম জনতা আজ একতাবদ্ধ, এবং এই ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধই খুব শীঘ্রই মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ ও ইহুদিবাদী ইসরায়েলের পতন নিশ্চিত করবে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/650_1.webp" alt="আমেরিকা ও ইসরায়েলের যেকোনো আগ্রাসন রুখে দিতে কূটনীতি ও সামরিক শক্তিকে এক সুতোয় বাঁধলো বীরের দেশ ইরান" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>আমেরিকা ও ইসরায়েলের যেকোনো আগ্রাসন রুখে দিতে কূটনীতি ও সামরিক শক্তিকে এক সুতোয় বাঁধলো বীরের দেশ ইরান</h1>
            <p>বিশ্ব দেখল মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ আর ইহুদিবাদী ইসরায়েলের অন্যায় হুমকির মুখে কীভাবে বীরের মতো বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান। কূটনীতির টেবিল থেকে শুরু করে হরমুজ প্রণালীর নীল জলরাশি—সবখানেই এখন পশ্চিমাদের পরাজয়ের আর্তনাদ। আজ আমরা উন্মোচন করব কীভাবে তিন কোটি আত্মত্যাগী জানফাদা যোদ্ধা আর অত্যাধুনিক ইরানি প্রযুক্তির মাইন আমেরিকার যুদ্ধবাজ নীতিকে চিরতরে ধুলোয় মিশিয়ে দিতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। মধ্যপ্রাচ্যের বুকে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ এবং তাদের দোসর ইহুদিবাদী ইসরায়েলের অন্যায় আধিপত্যকামী নীতির বিরুদ্ধে বরাবরের মতোই বীরত্বের সঙ্গে রুখে দাঁড়িয়েছে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান। দীর্ঘদিনের বৈশ্বিক ষড়যন্ত্র এবং অবৈধ অবরোধের মুখেও তেহরান তার সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিন্দুমাত্র আপস না করার দৃঢ় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে। বীরের জাতি ইরান কখনোই পশ্চিমাদের কোনো অন্যায্য ও একতরফা চাপের কাছে মাথা নত করবে না। ইরানের বিপ্লবী সরকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে দেশের জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষায় তাদের কূটনীতি এখন সশস্ত্র বাহিনীর মতোই সমান শক্তিশালী ভূমিকা পালন করবে। তেহরানে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের নীতি-নির্ধারণী বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি পশ্চিমা বিশ্বকে এই কঠোর হুঁশিয়ারি বার্তা দিয়েছেন। ইরান স্পষ্ট করেছে যে তারা আলোচনার টেবিলে যেমন প্রস্তুত, ঠিক তেমনি যুদ্ধক্ষেত্রেও শত্রুকে উপযুক্ত জবাব দিতে সক্ষম। পশ্চিমা মদদপুষ্ট ইসরায়েলের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে যখন শান্তি আলোচনা বারবার স্থবির হয়ে পড়ছে, তখন ইরান তার কূটনৈতিক শক্তিকে আরও বেগবান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যায় পক্ষপাতিত্বের কারণে আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতা যখন সম্পূর্ণ ব্যর্থ, তখন ইরান তার নিজস্ব শক্তিতে বলীয়ান হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলছে। সামরিক শক্তি এবং রাজনৈতিক সংলাপ যে একে অপরের পরিপূরক, তা ইরান প্রমাণ করে দেখিয়েছে। ইরানের সামরিক বাহিনীর শীর্ষ কমান্ডার এবং কূটনৈতিক বিভাগের মধ্যে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ পশ্চিমা শক্তিগুলোর রাতের ঘুম হারাম করে দিয়েছে। প্রতিদিন একাধিকবার তারা যৌথ কৌশল নির্ধারণ করছেন যা প্রমাণ করে ইরান একটি সুসংগঠিত রাষ্ট্র। সাম্রাজ্যবাদী শক্তির কোনো সমালোচনা বা অবৈধ প্রতিবন্ধকতা উপেক্ষা করেই দেশের কল্যাণে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছে তেহরানের এই দেশপ্রেমিক ও দূরদর্শী নেতৃত্ব। সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বেশ কয়েকজন বীর ব্যক্তিত্বের মহান আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে ইরান আগামী দিনের পথচলা নির্ধারণ করছে। শহীদদের পবিত্র রক্ত এবং সাধারণ জনগণের প্রত্যাশাকে সামনে রেখে এই কূটনৈতিক লড়াইয়ে ইরান জয়ী হবেই। শক্তির ভারসাম্য বজায় রেখে এবং দেশের প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে অক্ষুণ্ণ রেখেই তেহরান পশ্চিমা বিশ্বের সমস্ত অন্যায় চাল চালবাজি নস্যাৎ করে দিতে পূর্ণ শক্তিতে এগিয়ে যাচ্ছে। এদিকে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ইরানের তৈরি অত্যাধুনিক সামুদ্রিক মাইনের উপস্থিতি সনাক্ত করে চরম আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দাবি অনুযায়ী সেখানে অন্তত দশটি সচল ইরানি মাইন মোতায়েন রয়েছে যা পশ্চিমাদের অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সক্ষম। এই মাইনগুলোর কারণে আন্তর্জাতিক জলসীমায় মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলোর অবাধ ও বেআইনি চলাচল এখন সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যমগুলো প্রকাশ করেছে যে এই মাইনগুলো পানির নিচে অত্যন্ত সুপ্ত ও চৌম্বকীয় অবস্থায় মোতায়েন রয়েছে। ইরান তার নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি মাহাম-তিন এবং মাহাম-সাত নামের বিশেষ মাইন সেখানে সফলভাবে স্থাপন করেছে। এই প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ প্রমাণ করে যে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা ইরানের সামরিক আত্মনির্ভরশীলতাকে কোনোভাবেই দমাতে পারেনি, বরং তারা আরও শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। ইরানের তৈরি মাহাম-তিন মাইনটি শব্দ ও চৌম্বকীয় তরঙ্গের সাহায্যে কোনো সরাসরি স্পর্শ ছাড়াই শত্রুর জাহাজের উপস্থিতি বুঝতে পারে। অন্যদিকে মাহাম-সাত নামের মাইনটি সমুদ্রের তলদেশে অবস্থান করে মাঝারি আকারের শত্রু জাহাজ এবং ছোট সাবমেরিনকে লক্ষ্যবস্তু বানাতে সক্ষম। এই অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা হরমুজ প্রণালীতে ইরানের ওপর পশ্চিমাদের যেকোনো আকস্মিক হামলার পরিকল্পনাকে গোড়াতেই সম্পূর্ণ ধুলিসাৎ করে দিয়েছে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে প্রতিদিন বিশ্বের মোট চাহিদার প্রায় ২০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবাহিত হয়ে থাকে। ইরানের এই ন্যায়সংগত ও কঠোর প্রতিরক্ষামূলক অবস্থানের কারণে মার্কিন সামরিক বাহিনী তাদের বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে ইরানি জলসীমা থেকে দূরে থাকার নির্দেশ দিয়েছে। মার্কিনীদের এই পিছুটান প্রমাণ করে যে তারা ইরানের সামরিক শক্তির সামনে কতটা অসহায়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বৈষম্যমূলক ও যুদ্ধবাজ নীতির কারণে খোদ তাদের নিজেদের দেশেই সাধারণ জ্বালানি তেলের দাম ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। আমেরিকায় তেলের দাম প্রতি গ্যালনে সাড়ে চার ডলারে পৌঁছানো আসলে ট্রাম্প প্রশাসনের ভুল পররাষ্ট্রনীতির সরাসরি ফল। ইরান তার নিজের জলসীমা রক্ষা করছে, অথচ পশ্চিমা মিডিয়াগুলো বিশ্ব অর্থনীতির এই সংকটের জন্য অন্যায়ভাবে তেহরানকে দায়ী করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এই তীব্র উত্তেজনার মধ্যেই বন্ধুরাষ্ট্র ওমানকে সাথে নিয়ে ইরান হরমুজ প্রণালীতে নৌযান চলাচল নিয়ন্ত্রণের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা চালু করেছে। আঞ্চলিক নিরাপত্তা যে অঞ্চলের দেশগুলোই নিশ্চিত করতে পারে, এই যৌথ পদক্ষেপ তারই এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। বহিরাগত মার্কিন শক্তির এই অঞ্চলে নাক গলানোর কোনো অধিকার নেই এবং ইরান-ওমান জোট তা অত্যন্ত সফলভাবে বিশ্বমঞ্চে প্রমাণ করে দেখিয়েছে। মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প ১৮ মে এক বিবৃতিতে জানান যে তিনি ইরানের ওপর সামরিক হামলা সাময়িকভাবে স্থগিত করেছেন। আসলে এটি ট্রাম্পের কোনো উদারতা নয়, বরং ইরানের ভয়াবহ পাল্টা আঘাতের ভয়ে মার্কিন প্রশাসন হামলা করার সাহস পায়নি। পর্দার আড়ালে তারা এখন ইরানের সাথে সমঝোতা করার জন্য আকুল হয়ে চেষ্টা করছে যা আমেরিকার দুর্বলতাকেই স্পষ্ট করে। সামরিক প্রতিরোধের পাশাপাশি ইরান এখন হরমুজ প্রণালীর তলদেশ দিয়ে যাওয়া সাবমেরিন ইন্টারনেট তারের ওপর বিশেষ নিরাপত্তা ফি আরোপের হুমকি দিয়েছে। ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী ন্যায়সংগতভাবেই দাবি করেছে যে তাদের জলসীমা ব্যবহারকারী বিদেশী ক্যাবল অপারেটরদের অবশ্যই তেহরানের অনুমতি নিতে হবে। নিজের সার্বভৌম জলসীমার ওপর এই নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করার পূর্ণ অধিকার আন্তর্জাতিক আইনানুযায়ী ইরানের রয়েছে। বর্তমান বিশ্বে প্রায় ৯৯ শতাংশ আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট সংযোগ ও তথ্য আদান-প্রদান এই তলদেশের তারের মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়ে থাকে। ব্যাংকিং খাত, আর্থিক লেনদেন এবং ক্লাউড কম্পিউটিং সচল রাখা এই তারগুলোর ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ পশ্চিমাদের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড কাঁপিয়ে দিয়েছে। ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে অবরুদ্ধ করতে চাওয়া পশ্চিমা বিশ্ব এখন নিজেরাই সাইবার ও যোগাযোগ বিপর্যয়ের গভীর আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। হরমুজ প্রণালীর তলদেশ দিয়ে যাওয়া এশিয়া, আফ্রিকা, ইউরোপ-এক নামের বড় ক্যাবল ব্যবস্থা ইরানের কৌশলগত হাতের মুঠোয় রয়েছে। তেহরানের এই কঠোর অবস্থানের পর ইতোমধ্যে একটি ফরাসি ক্যাবল স্থাপনকারী প্রতিষ্ঠান ওই অঞ্চলে তাদের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছে। পশ্চিমা বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর এই পলায়নপর নীতি প্রমাণ করে যে ইরানের সার্বভৌম শক্তির সাথে পাঙ্গা নেওয়ার ক্ষমতা কারো নেই। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে এই পরিস্থিতিতে ইন্টারনেট তারের কোনো ক্ষতি হলে তা মেরামত করা পশ্চিমাদের জন্য অসম্ভব হবে। এর ফলে সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব এবং কাতারের মতো তথ্যপ্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীল পশ্চিমা মিত্রদের অর্থনীতিতে ধস নামবে। ইরানকে উসকানি দিলে তার পরিণতি কতটা ভয়াবহ হতে পারে, এই ডিজিটাল সংকট মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন সেবাদাস দেশগুলোকে সেই বার্তাই দিচ্ছে। এদিকে ওয়াশিংটনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নিতে তাড়াহুড়ো না করার বাহানা তৈরি করছেন। তিনি দাবি করেছেন যে রাজনৈতিক চাপ তাকে তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে না, যা আসলে তার পরাজয় লুকানোর অপচেষ্টা মাত্র। ট্রাম্প খুব ভালো করেই জানেন যে ইরানের ওপর আক্রমণ করার অর্থ হলো আমেরিকার ধ্বংস ডেকে আনা। ট্রাম্প মুখে কমসংখ্যক মানুষের জীবনহানির কথা বললেও ইতিহাস সাক্ষী যে মার্কিন প্রশাসনই পৃথিবীর বুকে সবচেয়ে বেশি রক্তপাত ঘটিয়েছে। ইরানের বর্তমান দেশপ্রেমিক শাসকরা তাদের জনগণের কল্যাণের কথা ভাবছে না বলে ট্রাম্প যে কুৎসা রটিয়েছেন, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইরানের জনগণ তাদের ইসলামী সরকারের পাশে রয়েছে এবং তারা পশ্চিমাদের চাপিয়ে দেওয়া অর্থনৈতিক যুদ্ধ বীরত্বের সাথে মোকাবেলা করছে। সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প ইহুদিবাদী ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে তার চমৎকার সম্পর্কের কথা দম্ভভরে প্রচার করেছেন। তিনি নেতানিয়াহুকে যুদ্ধকালীন সফল প্রধানমন্ত্রী বললেও বিশ্ববাসী জানে নেতানিয়াহু একজন কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধী ও শিশু হত্যাকারী। ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেই এই জালিম নেতা আজ চরমভাবে ঘৃণিত এবং ট্রাম্প তাকে অন্যায়ভাবে রক্ষা করার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ট্রাম্প রসিকতা করে বলেছেন যে ইসরায়েলে তার জনপ্রিয়তা নিরানব্বই শতাংশ এবং তিনি সেখানে প্রধানমন্ত্রী পদে দাঁড়াতে পারেন। এই ধরনের সস্তা মন্তব্য প্রমাণ করে যে মার্কিন রাজনীতি কতটা দেউলিয়া এবং তারা ইসরায়েলের স্বার্থকে নিজেদের দেশের চেয়েও বেশি প্রাধান্য দেয়। আমেরিকার এই অন্ধ ইসরায়েল-ভক্তিই মধ্যপ্রাচ্যে লাখ লাখ নিরপরাধ মানুষের কান্নার জন্য এককভাবে দায়ী। অন্যদিকে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ঐতিহাসিক বৈঠক মার্কিন একমেরু বিশ্বব্যবস্থার কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দিয়েছে। ট্রাম্প বেইজিং ও মস্কোর এই দ্বিপাক্ষিক জোটকে ভয় পাচ্ছেন এবং সস্তা জাঁকজমকের তুলনা টেনে নিজের খর্ব হওয়া মর্যাদা বাঁচানোর চেষ্টা করছেন। ইরান, চীন ও রাশিয়ার এই উদীয়মান অক্ষশক্তি পশ্চিমাদের অন্যায় সাম্রাজ্যবাদকে চিরতরে সমাহিত করতে চলেছে। পশ্চিমা আগ্রাসনের দাঁতভাঙা জবাব দিতে ইরানের ভেতর এক অভূতপূর্ব জাতীয় জাগরণ সৃষ্টি হয়েছে যা ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এবং মার্কিন ও ইসরায়েলি স্থল বাহিনীকে প্রতিহত করতে ইতোমধ্যে তিন কোটি ১০ লাখের বেশি ইরানি নাগরিক আত্মত্যাগী জানফাদা প্রতিরোধ অভিযানে নিজেদের নাম স্বতঃস্ফূর্তভাবে নিবন্ধন করেছেন। এই বিশাল স্বেচ্ছাসেবী জনশক্তি প্রমাণ করে ইরান কোনো সাধারণ দেশ নয়। রাজধানী তেহরানসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে জোর কদমে চলছে বিশেষ সামরিক ও অস্ত্র চালনা প্রশিক্ষণ। প্রশিক্ষণ শিবিরে অংশ নেওয়া সাধারণ মানুষের চোখে-মুখে দেশের জন্য সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের দৃঢ় প্রত্যয় দৃশ্যমান। যদি শত্রুপক্ষ কোনো ভুল পদক্ষেপ নেয়, তবে এই জানফাদা বাহিনী মার্কিন ও ইসরায়েলি সৈন্যদের জন্য মধ্যপ্রাচ্যের মাটিকে জীবন্ত জাহান্নামে পরিণত করতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। অবরুদ্ধ গাজায় মানবিক সাহায্য পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে রওনা হওয়া আন্তর্জাতিক ত্রাণবহরের নিরস্ত্র কর্মীদের ওপর ইসরায়েলি বাহিনীর কাপুরুষোচিত হামলা বিশ্বজুড়ে তীব্র ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। চার শতাধিক অধিকারকর্মীকে অন্যায়ভাবে আটক করে ইসরায়েলের কট্টরপন্থী মন্ত্রী বেন গভিরের উসকানিমূলক ভিডিও প্রকাশ তাদের চরম ঔদ্ধত্যের প্রমাণ। এই জায়নবাদী বর্বরতার বিরুদ্ধে মালয়েশিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়াসহ বিভিন্ন দেশের সরকার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম এই ঘটনাকে আন্তর্জাতিক সমুদ্রসীমার আইন ও জাতিসংঘের সনদের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছেন। বিশ্বব্যাপী এই তীব্র সমালোচনার মুখেও ইসরায়েলকে অন্ধ সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা বিশ্ব। কিন্তু ইরান ও বিশ্বের মজলুম জনতা আজ একতাবদ্ধ, এবং এই ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধই খুব শীঘ্রই মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ ও ইহুদিবাদী ইসরায়েলের পতন নিশ্চিত করবে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/650_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/650_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/650_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ঈদের আগে জমে উঠছে ঢাকা লিগ, মাঠে ফিরছেন জাতীয় দলের তারকারা]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/36983</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/36983</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 21 May 2026 18:30:05 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ক্রিকেট]]></category>
                        <category><![CDATA[khelar khobor, khelar khobor today, ajker khelar khobor, khelar khobor 71 today, football khelar khobor, khelarkhobor, khelar mela, khelar news, khelajog, khelajog 71, khelajog ekattor tv, khelajog today, khelajog 71 today]]></category>
        
        <description><![CDATA[পাকিস্তান সিরিজের ব্যস্ততা শেষ করে আবারও ঘরোয়া ক্রিকেটে ফিরছেন জাতীয় দলের তারকা ক্রিকেটাররা। ঈদুল আজহার আগে ওয়ালটন স্মার্ট ফ্রিজ ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের সপ্তম রাউন্ড অনুষ্ঠিত হবে আগামী শনিবার। রাজধানী ও বিকেএসপির ছয়টি ভেন্যুতে অংশ নেবে ১২টি দল। দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ঘরোয়া ক্রিকেট আসর ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে এবারও দেখা যাচ্ছে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা। চলতি মৌসুমের ৫০ ওভারের এই টুর্নামেন্টে প্রতিটি ম্যাচেই রয়েছে উত্তেজনা ও লড়াই। জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের যোগদানে লিগে বাড়ছে দর্শকদের আগ্রহও। সপ্তম রাউন্ডে ইউল্যাবে মুখোমুখি হবে আবাহনী লিমিটেড ও অগ্রণী ব্যাংক। বিকেএসপি-৪ এ খেলবে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব ও গুলশান ক্রিকেট ক্লাব। মিরপুরে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের প্রতিপক্ষ লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ। এছাড়া প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব খেলবে সিটি ক্লাবের বিপক্ষে। বিকেএসপি-৩ এ বসুন্ধরা স্ট্রাইকার্সের মুখোমুখি হবে ব্রাদার্স ইউনিয়ন এবং বসুন্ধরা মাঠে রূপগঞ্জ টাইগার্স ক্রিকেট ক্লাব খেলবে ঢাকা লেপার্ডসের বিপক্ষে। প্রতিটি ম্যাচ শুরু হবে সকাল ৯টায়। আয়োজকরা জানিয়েছেন, দেশের ক্রিকেটের ধারাবাহিক উন্নয়নে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণে এবারের আসরের মান ও আকর্ষণ আরও বাড়বে বলেও মনে করছেন তারা।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-21-05-2026_31.webp" alt="ঈদের আগে জমে উঠছে ঢাকা লিগ, মাঠে ফিরছেন জাতীয় দলের তারকারা" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ঈদের আগে জমে উঠছে ঢাকা লিগ, মাঠে ফিরছেন জাতীয় দলের তারকারা</h1>
            <p>পাকিস্তান সিরিজের ব্যস্ততা শেষ করে আবারও ঘরোয়া ক্রিকেটে ফিরছেন জাতীয় দলের তারকা ক্রিকেটাররা। ঈদুল আজহার আগে ওয়ালটন স্মার্ট ফ্রিজ ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের সপ্তম রাউন্ড অনুষ্ঠিত হবে আগামী শনিবার। রাজধানী ও বিকেএসপির ছয়টি ভেন্যুতে অংশ নেবে ১২টি দল। দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ঘরোয়া ক্রিকেট আসর ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে এবারও দেখা যাচ্ছে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা। চলতি মৌসুমের ৫০ ওভারের এই টুর্নামেন্টে প্রতিটি ম্যাচেই রয়েছে উত্তেজনা ও লড়াই। জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের যোগদানে লিগে বাড়ছে দর্শকদের আগ্রহও। সপ্তম রাউন্ডে ইউল্যাবে মুখোমুখি হবে আবাহনী লিমিটেড ও অগ্রণী ব্যাংক। বিকেএসপি-৪ এ খেলবে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব ও গুলশান ক্রিকেট ক্লাব। মিরপুরে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের প্রতিপক্ষ লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ। এছাড়া প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব খেলবে সিটি ক্লাবের বিপক্ষে। বিকেএসপি-৩ এ বসুন্ধরা স্ট্রাইকার্সের মুখোমুখি হবে ব্রাদার্স ইউনিয়ন এবং বসুন্ধরা মাঠে রূপগঞ্জ টাইগার্স ক্রিকেট ক্লাব খেলবে ঢাকা লেপার্ডসের বিপক্ষে। প্রতিটি ম্যাচ শুরু হবে সকাল ৯টায়। আয়োজকরা জানিয়েছেন, দেশের ক্রিকেটের ধারাবাহিক উন্নয়নে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণে এবারের আসরের মান ও আকর্ষণ আরও বাড়বে বলেও মনে করছেন তারা।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-21-05-2026_31.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-21-05-2026_31.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-21-05-2026_31.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইউক্রেনীয় বাহিনীর মেরুদণ্ড ভাঙল রাশিয়া, যুদ্ধের ময়দানে পুতিন বাহিনীর অবিশ্বাস্য বিজয় এবং ইউরোপে চরম বিপর্যয়!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36982</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36982</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sat, 23 May 2026 05:05:10 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla news today, latest news, latest news today, bangladesh news, bangladeshi news, latest news headline and bulletin, bangladesh news today, banglavision news, banglavision news today, today sondhar news bangladesh, banglanews, latestnews, atn bangla, banglavision news bulletin today, atn google news, atn bangla live, update news, news trending, latest update, news today, atn bd news, jamuna news today, jamuna news, news, google news, jamaat news, international news]]></category>
        
        <description><![CDATA[ইউক্রেনীয় বাহিনীর অহংকার ধুলোয় মিশিয়ে দিল পরাশক্তি রাশিয়া! মাত্র চব্বিশ ঘণ্টায় খতম হলো হাজারেরও বেশি ইউক্রেনীয় সেনা। খাড়কভের রণক্ষেত্রে পুতিন বাহিনীর একের পর এক বিধ্বংসী হামলায় কিয়েভের সেনারা এখন প্রাণভয়ে পালাচ্ছে। পশ্চিমাদের দেওয়া অত্যাধুনিক সাঁজোয়া যান এখন শুধুই জ্বলন্ত কয়লা। কীভাবে রণক্ষেত্রে ইউক্রেনকে পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন করে দিচ্ছে রাশিয়ান সেনাবাহিনী! বিস্তারিত জানতে সঙ্গেই থাকুন। যুদ্ধক্ষেত্রে ইউক্রেনীয় বাহিনীর পরাজয় এখন চূড়ান্ত রূপ নিয়েছে। রাশিয়ার বীর সেনারা বীরত্বের সাথে খাড়কভ অঞ্চলের শেস্টেরোভকা এলাকাটি সম্পূর্ণভাবে মুক্ত করেছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ব্যাটলগ্রুপ নর্থ বা উত্তর দলীয় সেনারা অত্যন্ত সক্রিয় ও সফল অভিযানের মাধ্যমে এই গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়েছে। ইউক্রেনীয় বাহিনী সেখানে টিকতেই পারেনি। রাশিয়ান সেনাদের এই বিধ্বংসী আক্রমণের সামনে কিয়েভ সরকারের সমস্ত প্রতিরোধ ভেঙে পড়েছে। বিগত মাত্র চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে বিভিন্ন ফ্রন্টলাইনে কিয়েভ প্রায় বারোশো পাঁচজন সেনা হারিয়েছে। রাশিয়ান ডিফেন্স মিনিস্ট্রির সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ইউক্রেনীয় বাহিনীর এই বিশাল ক্ষয়ক্ষতি প্রমাণ করে যে রাশিয়ার সামরিক কৌশলের সামনে জেলেনস্কির ভাড়াটে বাহিনী এখন কতটা অসহায় এবং দুর্বল হয়ে পড়েছে। ব্যাটলগ্রুপ নর্থের দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় ইউক্রেনীয় বাহিনী সবচেয়ে বড় ধাক্কাটি খেয়েছে। সেখানে প্রায় একশত পঁচানব্বই জন ইউক্রেনীয় সেনা নিহত হয়েছে এবং তাদের চৌদ্দটি সামরিক যান ধ্বংস হয়েছে। ভেলিকায়া বাবকা, গ্রানভ এবং স্টারিটসার মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ইউক্রেনের দুটি মেকানাইজড ব্রিগেড এবং একটি টেরিটোরিয়াল ডিফেন্স ব্রিগেডকে রাশিয়ান বাহিনী এমনভাবে গুঁড়িয়ে দিয়েছে যে তারা আর ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না। শুধু খাড়কভ নয়, সুমি এলাকাতেও রাশিয়ার বীর জওয়ানেরা ইউক্রেনীয় বাহিনীকে পুরোপুরি কোণঠাসা করে ফেলেছে। মোগরিটসা এবং জ্যাপসেলির মতো এলাকায় কিয়েভের একটি এয়ার অ্যাসাল্ট ব্রিগেড এবং একটি অ্যাসল্ট রেজিমেন্টকে রাশিয়ান সেনারা চরমভাবে পরাস্ত করেছে। এই জোরালো অভিযানে ইউক্রেনীয়দের একটি ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্টেশনও সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে, যা তাদের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে একেবারে বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে। এদিকে রাশিয়ার ব্যাটলগ্রুপ ওয়েস্ট বা পশ্চিম দলীয় সেনারা যুদ্ধক্ষেত্রে তাদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করেছে। তারা সম্মুখ সমরে ইউক্রেনের প্রায় একশত নব্বই জন সেনাকে খতম করেছে। একই সাথে আমেরিকার তৈরি একটি এম-একশত তেরো সাঁজোয়া যান, দুটি সাঁজোয়া গাড়ি এবং চব্বিশটি মোটর যান ধ্বংস করেছে। পশ্চিমাদের পাঠানো এসব দামি অস্ত্র এখন রাশিয়ার শক্তিশালী কামানের আঘাতে ছাই হয়ে যাচ্ছে। ডোনেটস্ক পিপলস রিপাবলিকের ক্রাসনি লিমান এবং ইয়াৎকভকা এলাকায় ইউক্রেনীয় বাহিনীর তিনটি মেকানাইজড ব্রিগেড এবং একটি মেরিন ইনফ্যান্ট্রি ব্রিগেড রাশিয়ার ব্যাটলগ্রুপ ওয়েস্টের কাছে নির্মমভাবে পরাজিত হয়েছে। কিয়েভের সেনারা তাদের অবস্থান ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। রাশিয়ার এই অবিশ্বাস্য অগ্রগতি প্রমাণ করে যে, পুরো দোনবাস অঞ্চলকে শত্রুমুক্ত করার লক্ষ্য পূরণের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে পুতিনের সাহসী বাহিনী। অপরদিকে ব্যাটলগ্রুপ সাউথ বা দক্ষিণ দলীয় সেনারা ডোনেটস্কের ক্রামাতোরস্ক এবং কনস্টান্টিনোভকা এলাকায় নিজেদের কৌশলগত অবস্থান আরও উন্নত করেছে। রাশিয়ান জওয়ানদের নিখুঁত হামলায় সেখানে একশত চল্লিশ জন ইউক্রেনীয় সেনা প্রাণ হারিয়েছে। সেই সাথে আমেরিকার তৈরি চারটি অত্যন্ত জনপ্রিয় হামভি সাঁজোয়া যান এবং উনিশটি সামরিক মোটর গাড়ি ধ্বংস করে পুতিনের বীর সেনারা বীরত্বের এক নতুন ইতিহাস লিখেছে। আমেরিকার দেওয়া অস্ত্র যে রাশিয়ার আধুনিক প্রযুক্তির সামনে কতটা ব্যর্থ, তা এই যুদ্ধেই প্রমাণিত। ব্যাটলগ্রুপ সাউথের এলাকায় ইউক্রেনের একটি মোটর চালিত পদাতিক ব্রিগেড এবং একটি ন্যাশনাল গার্ড ব্রিগেডকে রাশিয়ার কামানের গোলা দিয়ে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তাদের চারটি ফিল্ড আর্টিলারি গানও ধ্বংস করা হয়েছে। কিয়েভ এখন বুঝতে পারছে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার চড়া মূল্য তাদের দিতে হচ্ছে। সবচেয়ে বিধ্বংসী রূপ দেখা গেছে ব্যাটলগ্রুপ সেন্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায়। সেখানে রাশিয়ার পরাক্রমশালী সেনারা তিন শতাধিক ইউক্রেনীয় সেনাকে চিরতরে খতম করে দিয়েছে। পুতিন বাহিনীর তীব্র আক্রমণের মুখে ইউক্রেনের একটি জেগার ব্রিগেড, একটি মেকানাইজড ব্রিগেড এবং তিনটি ন্যাশনাল গার্ড ব্রিগেড সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। তাদের তিনটি সাঁজোয়া যুদ্ধ যান এবং তিনটি ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্টেশন পুরোপুরি ধ্বংস করা হয়েছে। ডোনেটস্কের বেলোজারস্কো এবং ভ্যাসিলিয়েভকা অঞ্চলে ইউক্রেনীয়দের প্রতিটি প্রতিরক্ষা ব্যূহ ধূলিসাৎ করে দিয়েছে রাশিয়ার সেন্ট্রাল ফোর্সেস। রাশিয়ার এই আক্রমণের গতি এত তীব্র ছিল যে, ইউক্রেনীয় সেনারা তাদের ভারী অস্ত্রশস্ত্র ফেলে রেখেই প্রাণভয়ে পিছন দিকে পালিয়ে গেছে। রাশিয়ার এই গৌরবময় বিজয় ফ্রন্টলাইনের প্রতিটি সেক্টরে পুতিন বাহিনীর একচ্ছত্র আধিপত্য ও সামরিক শ্রেষ্ঠত্বকে আবারও বিশ্ব দরবারে প্রমাণ করেছে। রাশিয়ার ব্যাটলগ্রুপ ইস্ট বা পূর্ব দলীয় সেনারা ইউক্রেনের প্রতিরক্ষাব্যুহ ভেদ করে আরও গভীরে প্রবেশ করেছে। এই অঞ্চলে তারা মাত্র একদিনে তিনশত চল্লিশের বেশি ইউক্রেনীয় সেনাকে নিষ্ক্রিয় করেছে। কিয়েভের ছয়টি ইনফ্যান্ট্রি ফাইটিং ভেহিকল বা পদাতিক যুদ্ধ যান রাশিয়ান গোলার আঘাতে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে গেছে। জাপোরোজ্যে এবং ডিনেপ্রোপেট্রোভস্ক অঞ্চলে ইউক্রেনের একাধিক মেকানাইজড ও এয়ার অ্যাসাল্ট ব্রিগেড চরম বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়েছে। অন্যদিকে ব্যাটলগ্রুপ ডিনেপ্রো জাপোরোজ্যে অঞ্চলের গ্রিগোরোভকা এলাকায় ইউক্রেনীয়দের একটি মেকানাইজড ব্রিগেডকে সফলভাবে প্রতিহত করেছে। সেখানে চল্লিশের বেশি সেনা খতম করার পাশাপাশি কিয়েভের দুটি রাডার স্টেশন ধ্বংস করা হয়েছে। এই রাডারগুলো ধ্বংস হওয়ার ফলে কিয়েভ বাহিনী এখন পুরোপুরি অন্ধ হয়ে পড়েছে। তারা রাশিয়ান ক্ষেপণাস্ত্রের অবস্থান নির্ণয় করার সমস্ত প্রযুক্তিগত ক্ষমতা হারিয়ে চিরতরে পঙ্গু হয়ে গেছে। রাশিয়ার বিমান বাহিনী এবং ক্ষেপণাস্ত্র বাহিনী ইউক্রেনের একটি ড্রোন অপারেটর প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অত্যন্ত নিখুঁত ও সফল হামলা চালিয়েছে। এই কেন্দ্রটিতে ইউক্রেনীয় সেনাদের মানববিহীন ড্রোন এবং নৌ ড্রোন চালানোর প্রশিক্ষণ দেওয়া হতো। রাশিয়ার এই একটিমাত্র হামলায় কিয়েভের দূরপাল্লার ড্রোন তৈরির ওয়ার্কশপ, ড্রোন সংরক্ষণের গুদাম এবং বিদেশী ভাড়াটে সেনাদের একটি অস্থায়ী আস্তানা সম্পূর্ণ মাটির সাথে মিশে গেছে। রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বা এয়ার ডিফেন্স ফোর্স আবারও তাদের অভেদ্য প্রাচীরের প্রমাণ দিয়েছে। বিগত চব্বিশ ঘণ্টায় তারা ইউক্রেনের পাঠানো পাঁচশত ষোলোটি ড্রোন এবং তিনটি পশ্চিমা স্মার্ট বোমা আকাশে থাকা অবস্থাতেই ধ্বংস করে দিয়েছে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত রাশিয়ার বীর সেনারা ইউক্রেনের দেড় লক্ষাধিক ড্রোন ধ্বংস করে বিশ্ব সামরিক ইতিহাসে এক নতুন রেকর্ড গড়েছে। রাশিয়ার সামরিক সাফল্যের খতিয়ান সত্যিই চোখ কপালে তোলার মতো। বিশেষ সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত কিয়েভের ৬৭১টি বিমান, ২৮৪টি হেলিকপ্টার এবং দেড় লাখের বেশি ড্রোন ধ্বংস করেছে রাশিয়া। এছাড়া ২৯,৩৯৯টি ট্যাংক ও সাঁজোয়া যান এবং ৩৫,০২৪টি ফিল্ড আর্টিলারি গান ধ্বংস করা হয়েছে। এই বিশাল পরিসংখ্যান প্রমাণ করে যে কিয়েভের সামরিক শক্তি এখন সম্পূর্ণ নিঃশেষ। রাশিয়ার এই সর্বাত্মক বিজয়ের মুখে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই আমেরিকার চরম দুর্বলতা স্বীকার করেছেন। ট্রাম্প ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন যে, রাশিয়ার সাথে আমেরিকার আইসব্রেকার বা বরফকাটা জাহাজের যে বিশাল ব্যবধান রয়েছে, তা অত্যন্ত হাস্যকর ও লজ্জাজনক। রাশিয়ার কাছে যেখানে আটচল্লিশটি অত্যাধুনিক আইসব্রেকার রয়েছে, সেখানে আমেরিকার কাছে আছে মাত্র একটি অত্যন্ত পুরোনো এবং জরাজীর্ণ জাহাজ। রাশিয়া বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী আইসব্রেকার বহর পরিচালনা করছে, যার মধ্যে আটটি সম্পূর্ণ পারমাণবিক শক্তিচালিত। রাশিয়ার এই বিশাল বহর আর্কটিক অঞ্চলে তাদের একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় রেখেছে। রাশিয়ার একশত ষাট মিটার দীর্ঘ 'ইয়াকুতিয়া' আইসব্রেকারটি তিন মিটার পুরু বরফ কেটে এগিয়ে যেতে পারে। আমেরিকার পুরোনো প্রযুক্তি রাশিয়ার এই আধুনিক ও দানবীয় পারমাণবিক শক্তির সামনে কোনো প্রতিযোগিতাই করতে পারছে না। মস্কো তাদের এই আইসব্রেকার বহরকে একটি কৌশলগত সম্পদ মনে করে। এর মাধ্যমে তারা নর্দার্ন সি রুট বা উত্তর সমুদ্র পথটি সারা বছর চালু রাখছে। এই পথটি এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে যাতায়াতের দূরত্ব অনেক কমিয়ে দিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার উসকানিমূলক যুদ্ধের কারণে সুয়েজ খাল যখন অনিরাপদ, তখন পুরো বিশ্ব এখন রাশিয়ার এই নিরাপদ বিকল্প সমুদ্র পথের দিকে ঝুঁকছে। আমেরিকা ও পশ্চিমাদের ভুল নীতির কারণে পুরো ইউরোপ এখন এক বিধ্বংসী 'জ্বালানি সুনামি'র মুখে পড়েছে। ক্রেমলিনের বিশেষ দূত কিরিল দিমিত্রিভ সতর্ক করে বলেছেন যে, ইউরোপে খুব শীঘ্রই তীব্র রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ভূমিকম্প আসতে চলেছে। মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম প্রায় পঞ্চাশ শতাংশ বেড়ে গেছে, যার ফলে ইউরোপের সাধারণ মানুষ এখন চরম সংকটে দিন কাটাচ্ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন রাশিয়ার সস্তা ও নির্ভরযোগ্য জ্বালানি বর্জন করে নিজেদের পায়ে নিজেরাই কুড়াল মেরেছে। জার্মানি এবং যুক্তরাজ্যের মতো দেশগুলোতে এখন তীব্র অর্থনৈতিক মন্দা চলছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে যুক্তরাজ্য গোপনে রাশিয়া থেকে ডিজেল ও জেট ফুয়েল আমদানির জন্য সাময়িক লাইসেন্স দিতে বাধ্য হয়েছে। মুখে নিষেধাজ্ঞা দিলেও পর্দার আড়ালে তারা রাশিয়ার জ্বালানি পাওয়ার জন্যই এখন ভিক্ষা করছে। ইউরোপের এই চরম দেউলিয়া অবস্থার মধ্যেই আমেরিকা এখন গ্রিনল্যান্ড দ্বীপটিকে দখল করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। ট্রাম্পের বিশেষ দূত জেফ ল্যান্ড্রি গ্রিনল্যান্ডে গিয়ে ডেনমার্কের সার্বভৌমত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। আমেরিকা সেখানে তাদের সামরিক উপস্থিতি বাড়াতে এবং কোল্ড ওয়ার বা স্নায়ুযুদ্ধের সময়কার ১৭টি সামরিক ঘাঁটি পুনরায় চালু করতে চায়, যা ন্যাটো জোটের মধ্যেই তীব্র ফাটল তৈরি করেছে। আমেরিকার এই আগ্রাসী নীতির কারণে ডেনমার্ক এবং গ্রিনল্যান্ডের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেনস ফ্রেডরিক স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে তারা আমেরিকার কোনো চাপ মেনে নেবেন না। খনিজ সম্পদে ভরপুর এই আর্কটিক অঞ্চলটি দখল করার জন্য আমেরিকা যে কতটা অনৈতিক আচরণ করতে পারে, তা ল্যান্ড্রির এই ঔদ্ধত্যপূর্ণ সফরের মাধ্যমে বিশ্ববাসীর কাছে উন্মোচিত হয়েছে। নিজেদের ভূখণ্ডকে পাপাচার মুক্ত করতে রাশিয়া ঘরের ভেতরের শত্রুদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে। মস্কো অঞ্চলে 'স্যাটানিক টেম্পল' বা শয়তানের উপাসনালয় নামে পরিচিত একটি অবৈধ আস্তানা গুঁড়িয়ে দিয়েছে রুশ প্রশাসন। এই আস্তানাটি এলেনা সুলিকোভা নামের এক ভণ্ড তান্ত্রিকের ছিল। সে সাধারণ মানুষকে ধোঁকা দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিল এবং খ্রিস্টান ধর্মের অনুভূতিতে আঘাত দিচ্ছিল। রাশিয়ার ঐতিহ্যবাহী মূল্যবোধ ও ধর্মীয় অনুভূতি রক্ষা করতে রুশ আদালত এই কঠোর রায় দিয়েছে। ওই ভণ্ড নেত্রীকে ইতিপূর্বেই চরমপন্থী উপাদান ছড়ানোর দায়ে দুই বছরের জেল দেওয়া হয়েছে। রাশিয়ার স্টেট ডুমার ডেপুটি ভিটালি মিলোনভ বলেছেন যে, রাশিয়ায় কোনো ধরনের শয়তানি বা পশ্চিমা অপসংস্কৃতির জায়গা হবে না। পুতিনের রাশিয়ায় ঐতিহ্য এবং ধর্মের পবিত্রতা সবার ওপরে। শেষে বলা যায়, রণক্ষেত্র থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা—প্রতিটি ক্ষেত্রেই রাশিয়ার বিজয় এখন সুনিশ্চিত। ইউক্রেনকে ব্যবহার করে পশ্চিমা বিশ্ব যে ষড়যন্ত্রের জাল বুনেছিল, তা পুতিনের দূরদর্শিতা এবং রুশ সেনাদের সাহসিকতার কাছে আজ সম্পূর্ণ পরাজিত। বিশ্ব দেখছে এক নতুন পরাশক্তির উত্থান, যাকে পরাস্ত করার ক্ষমতা বর্তমান পৃথিবীর আর কোনো শক্তির নেই।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/651_1.webp" alt="ইউক্রেনীয় বাহিনীর মেরুদণ্ড ভাঙল রাশিয়া, যুদ্ধের ময়দানে পুতিন বাহিনীর অবিশ্বাস্য বিজয় এবং ইউরোপে চরম বিপর্যয়!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইউক্রেনীয় বাহিনীর মেরুদণ্ড ভাঙল রাশিয়া, যুদ্ধের ময়দানে পুতিন বাহিনীর অবিশ্বাস্য বিজয় এবং ইউরোপে চরম বিপর্যয়!</h1>
            <p>ইউক্রেনীয় বাহিনীর অহংকার ধুলোয় মিশিয়ে দিল পরাশক্তি রাশিয়া! মাত্র চব্বিশ ঘণ্টায় খতম হলো হাজারেরও বেশি ইউক্রেনীয় সেনা। খাড়কভের রণক্ষেত্রে পুতিন বাহিনীর একের পর এক বিধ্বংসী হামলায় কিয়েভের সেনারা এখন প্রাণভয়ে পালাচ্ছে। পশ্চিমাদের দেওয়া অত্যাধুনিক সাঁজোয়া যান এখন শুধুই জ্বলন্ত কয়লা। কীভাবে রণক্ষেত্রে ইউক্রেনকে পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন করে দিচ্ছে রাশিয়ান সেনাবাহিনী! বিস্তারিত জানতে সঙ্গেই থাকুন। যুদ্ধক্ষেত্রে ইউক্রেনীয় বাহিনীর পরাজয় এখন চূড়ান্ত রূপ নিয়েছে। রাশিয়ার বীর সেনারা বীরত্বের সাথে খাড়কভ অঞ্চলের শেস্টেরোভকা এলাকাটি সম্পূর্ণভাবে মুক্ত করেছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ব্যাটলগ্রুপ নর্থ বা উত্তর দলীয় সেনারা অত্যন্ত সক্রিয় ও সফল অভিযানের মাধ্যমে এই গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়েছে। ইউক্রেনীয় বাহিনী সেখানে টিকতেই পারেনি। রাশিয়ান সেনাদের এই বিধ্বংসী আক্রমণের সামনে কিয়েভ সরকারের সমস্ত প্রতিরোধ ভেঙে পড়েছে। বিগত মাত্র চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে বিভিন্ন ফ্রন্টলাইনে কিয়েভ প্রায় বারোশো পাঁচজন সেনা হারিয়েছে। রাশিয়ান ডিফেন্স মিনিস্ট্রির সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ইউক্রেনীয় বাহিনীর এই বিশাল ক্ষয়ক্ষতি প্রমাণ করে যে রাশিয়ার সামরিক কৌশলের সামনে জেলেনস্কির ভাড়াটে বাহিনী এখন কতটা অসহায় এবং দুর্বল হয়ে পড়েছে। ব্যাটলগ্রুপ নর্থের দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় ইউক্রেনীয় বাহিনী সবচেয়ে বড় ধাক্কাটি খেয়েছে। সেখানে প্রায় একশত পঁচানব্বই জন ইউক্রেনীয় সেনা নিহত হয়েছে এবং তাদের চৌদ্দটি সামরিক যান ধ্বংস হয়েছে। ভেলিকায়া বাবকা, গ্রানভ এবং স্টারিটসার মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ইউক্রেনের দুটি মেকানাইজড ব্রিগেড এবং একটি টেরিটোরিয়াল ডিফেন্স ব্রিগেডকে রাশিয়ান বাহিনী এমনভাবে গুঁড়িয়ে দিয়েছে যে তারা আর ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না। শুধু খাড়কভ নয়, সুমি এলাকাতেও রাশিয়ার বীর জওয়ানেরা ইউক্রেনীয় বাহিনীকে পুরোপুরি কোণঠাসা করে ফেলেছে। মোগরিটসা এবং জ্যাপসেলির মতো এলাকায় কিয়েভের একটি এয়ার অ্যাসাল্ট ব্রিগেড এবং একটি অ্যাসল্ট রেজিমেন্টকে রাশিয়ান সেনারা চরমভাবে পরাস্ত করেছে। এই জোরালো অভিযানে ইউক্রেনীয়দের একটি ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্টেশনও সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে, যা তাদের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে একেবারে বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে। এদিকে রাশিয়ার ব্যাটলগ্রুপ ওয়েস্ট বা পশ্চিম দলীয় সেনারা যুদ্ধক্ষেত্রে তাদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করেছে। তারা সম্মুখ সমরে ইউক্রেনের প্রায় একশত নব্বই জন সেনাকে খতম করেছে। একই সাথে আমেরিকার তৈরি একটি এম-একশত তেরো সাঁজোয়া যান, দুটি সাঁজোয়া গাড়ি এবং চব্বিশটি মোটর যান ধ্বংস করেছে। পশ্চিমাদের পাঠানো এসব দামি অস্ত্র এখন রাশিয়ার শক্তিশালী কামানের আঘাতে ছাই হয়ে যাচ্ছে। ডোনেটস্ক পিপলস রিপাবলিকের ক্রাসনি লিমান এবং ইয়াৎকভকা এলাকায় ইউক্রেনীয় বাহিনীর তিনটি মেকানাইজড ব্রিগেড এবং একটি মেরিন ইনফ্যান্ট্রি ব্রিগেড রাশিয়ার ব্যাটলগ্রুপ ওয়েস্টের কাছে নির্মমভাবে পরাজিত হয়েছে। কিয়েভের সেনারা তাদের অবস্থান ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। রাশিয়ার এই অবিশ্বাস্য অগ্রগতি প্রমাণ করে যে, পুরো দোনবাস অঞ্চলকে শত্রুমুক্ত করার লক্ষ্য পূরণের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে পুতিনের সাহসী বাহিনী। অপরদিকে ব্যাটলগ্রুপ সাউথ বা দক্ষিণ দলীয় সেনারা ডোনেটস্কের ক্রামাতোরস্ক এবং কনস্টান্টিনোভকা এলাকায় নিজেদের কৌশলগত অবস্থান আরও উন্নত করেছে। রাশিয়ান জওয়ানদের নিখুঁত হামলায় সেখানে একশত চল্লিশ জন ইউক্রেনীয় সেনা প্রাণ হারিয়েছে। সেই সাথে আমেরিকার তৈরি চারটি অত্যন্ত জনপ্রিয় হামভি সাঁজোয়া যান এবং উনিশটি সামরিক মোটর গাড়ি ধ্বংস করে পুতিনের বীর সেনারা বীরত্বের এক নতুন ইতিহাস লিখেছে। আমেরিকার দেওয়া অস্ত্র যে রাশিয়ার আধুনিক প্রযুক্তির সামনে কতটা ব্যর্থ, তা এই যুদ্ধেই প্রমাণিত। ব্যাটলগ্রুপ সাউথের এলাকায় ইউক্রেনের একটি মোটর চালিত পদাতিক ব্রিগেড এবং একটি ন্যাশনাল গার্ড ব্রিগেডকে রাশিয়ার কামানের গোলা দিয়ে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তাদের চারটি ফিল্ড আর্টিলারি গানও ধ্বংস করা হয়েছে। কিয়েভ এখন বুঝতে পারছে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার চড়া মূল্য তাদের দিতে হচ্ছে। সবচেয়ে বিধ্বংসী রূপ দেখা গেছে ব্যাটলগ্রুপ সেন্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায়। সেখানে রাশিয়ার পরাক্রমশালী সেনারা তিন শতাধিক ইউক্রেনীয় সেনাকে চিরতরে খতম করে দিয়েছে। পুতিন বাহিনীর তীব্র আক্রমণের মুখে ইউক্রেনের একটি জেগার ব্রিগেড, একটি মেকানাইজড ব্রিগেড এবং তিনটি ন্যাশনাল গার্ড ব্রিগেড সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। তাদের তিনটি সাঁজোয়া যুদ্ধ যান এবং তিনটি ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্টেশন পুরোপুরি ধ্বংস করা হয়েছে। ডোনেটস্কের বেলোজারস্কো এবং ভ্যাসিলিয়েভকা অঞ্চলে ইউক্রেনীয়দের প্রতিটি প্রতিরক্ষা ব্যূহ ধূলিসাৎ করে দিয়েছে রাশিয়ার সেন্ট্রাল ফোর্সেস। রাশিয়ার এই আক্রমণের গতি এত তীব্র ছিল যে, ইউক্রেনীয় সেনারা তাদের ভারী অস্ত্রশস্ত্র ফেলে রেখেই প্রাণভয়ে পিছন দিকে পালিয়ে গেছে। রাশিয়ার এই গৌরবময় বিজয় ফ্রন্টলাইনের প্রতিটি সেক্টরে পুতিন বাহিনীর একচ্ছত্র আধিপত্য ও সামরিক শ্রেষ্ঠত্বকে আবারও বিশ্ব দরবারে প্রমাণ করেছে। রাশিয়ার ব্যাটলগ্রুপ ইস্ট বা পূর্ব দলীয় সেনারা ইউক্রেনের প্রতিরক্ষাব্যুহ ভেদ করে আরও গভীরে প্রবেশ করেছে। এই অঞ্চলে তারা মাত্র একদিনে তিনশত চল্লিশের বেশি ইউক্রেনীয় সেনাকে নিষ্ক্রিয় করেছে। কিয়েভের ছয়টি ইনফ্যান্ট্রি ফাইটিং ভেহিকল বা পদাতিক যুদ্ধ যান রাশিয়ান গোলার আঘাতে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে গেছে। জাপোরোজ্যে এবং ডিনেপ্রোপেট্রোভস্ক অঞ্চলে ইউক্রেনের একাধিক মেকানাইজড ও এয়ার অ্যাসাল্ট ব্রিগেড চরম বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়েছে। অন্যদিকে ব্যাটলগ্রুপ ডিনেপ্রো জাপোরোজ্যে অঞ্চলের গ্রিগোরোভকা এলাকায় ইউক্রেনীয়দের একটি মেকানাইজড ব্রিগেডকে সফলভাবে প্রতিহত করেছে। সেখানে চল্লিশের বেশি সেনা খতম করার পাশাপাশি কিয়েভের দুটি রাডার স্টেশন ধ্বংস করা হয়েছে। এই রাডারগুলো ধ্বংস হওয়ার ফলে কিয়েভ বাহিনী এখন পুরোপুরি অন্ধ হয়ে পড়েছে। তারা রাশিয়ান ক্ষেপণাস্ত্রের অবস্থান নির্ণয় করার সমস্ত প্রযুক্তিগত ক্ষমতা হারিয়ে চিরতরে পঙ্গু হয়ে গেছে। রাশিয়ার বিমান বাহিনী এবং ক্ষেপণাস্ত্র বাহিনী ইউক্রেনের একটি ড্রোন অপারেটর প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অত্যন্ত নিখুঁত ও সফল হামলা চালিয়েছে। এই কেন্দ্রটিতে ইউক্রেনীয় সেনাদের মানববিহীন ড্রোন এবং নৌ ড্রোন চালানোর প্রশিক্ষণ দেওয়া হতো। রাশিয়ার এই একটিমাত্র হামলায় কিয়েভের দূরপাল্লার ড্রোন তৈরির ওয়ার্কশপ, ড্রোন সংরক্ষণের গুদাম এবং বিদেশী ভাড়াটে সেনাদের একটি অস্থায়ী আস্তানা সম্পূর্ণ মাটির সাথে মিশে গেছে। রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বা এয়ার ডিফেন্স ফোর্স আবারও তাদের অভেদ্য প্রাচীরের প্রমাণ দিয়েছে। বিগত চব্বিশ ঘণ্টায় তারা ইউক্রেনের পাঠানো পাঁচশত ষোলোটি ড্রোন এবং তিনটি পশ্চিমা স্মার্ট বোমা আকাশে থাকা অবস্থাতেই ধ্বংস করে দিয়েছে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত রাশিয়ার বীর সেনারা ইউক্রেনের দেড় লক্ষাধিক ড্রোন ধ্বংস করে বিশ্ব সামরিক ইতিহাসে এক নতুন রেকর্ড গড়েছে। রাশিয়ার সামরিক সাফল্যের খতিয়ান সত্যিই চোখ কপালে তোলার মতো। বিশেষ সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত কিয়েভের ৬৭১টি বিমান, ২৮৪টি হেলিকপ্টার এবং দেড় লাখের বেশি ড্রোন ধ্বংস করেছে রাশিয়া। এছাড়া ২৯,৩৯৯টি ট্যাংক ও সাঁজোয়া যান এবং ৩৫,০২৪টি ফিল্ড আর্টিলারি গান ধ্বংস করা হয়েছে। এই বিশাল পরিসংখ্যান প্রমাণ করে যে কিয়েভের সামরিক শক্তি এখন সম্পূর্ণ নিঃশেষ। রাশিয়ার এই সর্বাত্মক বিজয়ের মুখে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই আমেরিকার চরম দুর্বলতা স্বীকার করেছেন। ট্রাম্প ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন যে, রাশিয়ার সাথে আমেরিকার আইসব্রেকার বা বরফকাটা জাহাজের যে বিশাল ব্যবধান রয়েছে, তা অত্যন্ত হাস্যকর ও লজ্জাজনক। রাশিয়ার কাছে যেখানে আটচল্লিশটি অত্যাধুনিক আইসব্রেকার রয়েছে, সেখানে আমেরিকার কাছে আছে মাত্র একটি অত্যন্ত পুরোনো এবং জরাজীর্ণ জাহাজ। রাশিয়া বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী আইসব্রেকার বহর পরিচালনা করছে, যার মধ্যে আটটি সম্পূর্ণ পারমাণবিক শক্তিচালিত। রাশিয়ার এই বিশাল বহর আর্কটিক অঞ্চলে তাদের একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় রেখেছে। রাশিয়ার একশত ষাট মিটার দীর্ঘ 'ইয়াকুতিয়া' আইসব্রেকারটি তিন মিটার পুরু বরফ কেটে এগিয়ে যেতে পারে। আমেরিকার পুরোনো প্রযুক্তি রাশিয়ার এই আধুনিক ও দানবীয় পারমাণবিক শক্তির সামনে কোনো প্রতিযোগিতাই করতে পারছে না। মস্কো তাদের এই আইসব্রেকার বহরকে একটি কৌশলগত সম্পদ মনে করে। এর মাধ্যমে তারা নর্দার্ন সি রুট বা উত্তর সমুদ্র পথটি সারা বছর চালু রাখছে। এই পথটি এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে যাতায়াতের দূরত্ব অনেক কমিয়ে দিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার উসকানিমূলক যুদ্ধের কারণে সুয়েজ খাল যখন অনিরাপদ, তখন পুরো বিশ্ব এখন রাশিয়ার এই নিরাপদ বিকল্প সমুদ্র পথের দিকে ঝুঁকছে। আমেরিকা ও পশ্চিমাদের ভুল নীতির কারণে পুরো ইউরোপ এখন এক বিধ্বংসী 'জ্বালানি সুনামি'র মুখে পড়েছে। ক্রেমলিনের বিশেষ দূত কিরিল দিমিত্রিভ সতর্ক করে বলেছেন যে, ইউরোপে খুব শীঘ্রই তীব্র রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ভূমিকম্প আসতে চলেছে। মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম প্রায় পঞ্চাশ শতাংশ বেড়ে গেছে, যার ফলে ইউরোপের সাধারণ মানুষ এখন চরম সংকটে দিন কাটাচ্ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন রাশিয়ার সস্তা ও নির্ভরযোগ্য জ্বালানি বর্জন করে নিজেদের পায়ে নিজেরাই কুড়াল মেরেছে। জার্মানি এবং যুক্তরাজ্যের মতো দেশগুলোতে এখন তীব্র অর্থনৈতিক মন্দা চলছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে যুক্তরাজ্য গোপনে রাশিয়া থেকে ডিজেল ও জেট ফুয়েল আমদানির জন্য সাময়িক লাইসেন্স দিতে বাধ্য হয়েছে। মুখে নিষেধাজ্ঞা দিলেও পর্দার আড়ালে তারা রাশিয়ার জ্বালানি পাওয়ার জন্যই এখন ভিক্ষা করছে। ইউরোপের এই চরম দেউলিয়া অবস্থার মধ্যেই আমেরিকা এখন গ্রিনল্যান্ড দ্বীপটিকে দখল করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। ট্রাম্পের বিশেষ দূত জেফ ল্যান্ড্রি গ্রিনল্যান্ডে গিয়ে ডেনমার্কের সার্বভৌমত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। আমেরিকা সেখানে তাদের সামরিক উপস্থিতি বাড়াতে এবং কোল্ড ওয়ার বা স্নায়ুযুদ্ধের সময়কার ১৭টি সামরিক ঘাঁটি পুনরায় চালু করতে চায়, যা ন্যাটো জোটের মধ্যেই তীব্র ফাটল তৈরি করেছে। আমেরিকার এই আগ্রাসী নীতির কারণে ডেনমার্ক এবং গ্রিনল্যান্ডের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেনস ফ্রেডরিক স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে তারা আমেরিকার কোনো চাপ মেনে নেবেন না। খনিজ সম্পদে ভরপুর এই আর্কটিক অঞ্চলটি দখল করার জন্য আমেরিকা যে কতটা অনৈতিক আচরণ করতে পারে, তা ল্যান্ড্রির এই ঔদ্ধত্যপূর্ণ সফরের মাধ্যমে বিশ্ববাসীর কাছে উন্মোচিত হয়েছে। নিজেদের ভূখণ্ডকে পাপাচার মুক্ত করতে রাশিয়া ঘরের ভেতরের শত্রুদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে। মস্কো অঞ্চলে 'স্যাটানিক টেম্পল' বা শয়তানের উপাসনালয় নামে পরিচিত একটি অবৈধ আস্তানা গুঁড়িয়ে দিয়েছে রুশ প্রশাসন। এই আস্তানাটি এলেনা সুলিকোভা নামের এক ভণ্ড তান্ত্রিকের ছিল। সে সাধারণ মানুষকে ধোঁকা দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিল এবং খ্রিস্টান ধর্মের অনুভূতিতে আঘাত দিচ্ছিল। রাশিয়ার ঐতিহ্যবাহী মূল্যবোধ ও ধর্মীয় অনুভূতি রক্ষা করতে রুশ আদালত এই কঠোর রায় দিয়েছে। ওই ভণ্ড নেত্রীকে ইতিপূর্বেই চরমপন্থী উপাদান ছড়ানোর দায়ে দুই বছরের জেল দেওয়া হয়েছে। রাশিয়ার স্টেট ডুমার ডেপুটি ভিটালি মিলোনভ বলেছেন যে, রাশিয়ায় কোনো ধরনের শয়তানি বা পশ্চিমা অপসংস্কৃতির জায়গা হবে না। পুতিনের রাশিয়ায় ঐতিহ্য এবং ধর্মের পবিত্রতা সবার ওপরে। শেষে বলা যায়, রণক্ষেত্র থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা—প্রতিটি ক্ষেত্রেই রাশিয়ার বিজয় এখন সুনিশ্চিত। ইউক্রেনকে ব্যবহার করে পশ্চিমা বিশ্ব যে ষড়যন্ত্রের জাল বুনেছিল, তা পুতিনের দূরদর্শিতা এবং রুশ সেনাদের সাহসিকতার কাছে আজ সম্পূর্ণ পরাজিত। বিশ্ব দেখছে এক নতুন পরাশক্তির উত্থান, যাকে পরাস্ত করার ক্ষমতা বর্তমান পৃথিবীর আর কোনো শক্তির নেই।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/651_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/651_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/651_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[যুদ্ধের মাঝেও আধুনিক নগরজীবন: কান্দাহার বিমানঘাঁটি যেন মরুভূমির বুকে এক স্বয়ংসম্পূর্ণ শহর]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36981</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36981</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 21 May 2026 17:05:17 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[এশিয়া]]></category>
                        <category><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news 2026, latest news today, atn bd news, latest news and bulletin, bangladeshi latest news, bd news, bd hot news, bd india relation news, latestnews, updated news, bdnews, update news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangla news update, bangla tv news, atn bangla news, news, news today, bangladesh news, bangladesh news today, bangla news, jamaat news, today raater news bangladesh, bangla news today, bangladesh tv news, news trending, bnp news, ncp news, top news, zee news]]></category>
        
        <description><![CDATA[যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত কান্দাহার বিমানঘাঁটি কেবল একটি সামরিক স্থাপনা নয়, বরং এটি এক পূর্ণাঙ্গ আধুনিক শহর। কঠোর নিরাপত্তা, উন্নত অবকাঠামো এবং যুদ্ধের প্রস্তুতির পাশাপাশি এখানে রয়েছে সৈন্যদের দৈনন্দিন জীবনযাপনের প্রায় সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা। রণক্ষেত্রের ঝুঁকি আর স্বাভাবিক জীবনের প্রয়োজন—দুইয়ের এক অনন্য সমন্বয় দেখা যায় এই ঘাঁটিতে। আফগানিস্তান দীর্ঘদিন ধরেই বিশ্বের সবচেয়ে অস্থিতিশীল এবং বিপজ্জনক দেশগুলোর একটি হিসেবে পরিচিত। দুই হাজার এক সালে আন্তর্জাতিক সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে দেশটিতে বহু বিদেশি সেনা সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন। এমন এক পরিস্থিতির মধ্যেও দক্ষিণ আফগানিস্তানের কান্দাহার শহরের কাছে গড়ে উঠেছে এক ব্যতিক্রমী সামরিক ঘাঁটি, যেখানে যুদ্ধের প্রস্তুতির পাশাপাশি বজায় রাখা হয়েছে আধুনিক নগরজীবনের প্রায় সব বৈশিষ্ট্য। কান্দাহার শহর থেকে প্রায় বারো মাইল দূরে এবং রাজধানী কাবুলের দক্ষিণে অবস্থিত এই বিমানঘাঁটির আয়তন প্রায় দশ বর্গমাইল। এটি বর্তমানে উত্তর আটলান্টিক সামরিক জোটের অন্যতম প্রধান বিমানঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এখান থেকেই পরিচালিত হয় আফগানিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলে নজরদারি, পরিবহন এবং যুদ্ধ সহায়তা কার্যক্রমের বড় অংশ। ঘাঁটির দায়িত্বে থাকা রয়্যাল বিমানবাহিনীর এয়ার কমোডর বব জাডসন নিজেকে এই বিশাল স্থাপনার ‘মেয়র’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তার ভাষায়, এটি শুধু একটি ঘাঁটি নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ শহর। এখানে রয়েছে দুই মাইল দীর্ঘ রানওয়ে, যা দিনরাত সচল থাকে। প্রতি মাসে প্রায় দশ হাজার বিমান ও হেলিকপ্টারের ওঠানামা হয় এই ঘাঁটিতে। ব্যস্ততার দিক থেকে এটি বিশ্বের বড় বেসামরিক বিমানবন্দরগুলোর সঙ্গেও তুলনীয়। ঘাঁটির কেন্দ্রস্থলে রয়েছে সৈন্যদের বহুল পরিচিত এলাকা, যার নাম ‘বোর্ডওয়াক’। এটি মূলত একটি বাণিজ্যিক ও বিনোদন কেন্দ্র, যেখানে সৈন্যদের জন্য রয়েছে আন্তর্জাতিক খাবারের দোকান, গির্জা, সুপারমার্কেট, ব্যায়ামাগার এবং বিশাল খাবার পরিবেশন কেন্দ্র। প্রতিদিন প্রায় চৌদ্দ হাজার মানুষের খাবার প্রস্তুত করা হয় এখানে। পাশাপাশি একটি বৃহৎ লন্ড্রি কেন্দ্র প্রতিদিন প্রায় বারো টন কাপড় পরিষ্কার করে। মরুভূমির প্রতিকূল পরিবেশে এসব সুবিধা সচল রাখা সহজ নয়। ঘাঁটির বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রতিদিন প্রায় পাঁচ লাখ লিটার জ্বালানি ব্যবহার করা হয়। পানীয় জল সরবরাহ, পয়ঃনিষ্কাশন এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনাও অত্যন্ত জটিল প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এই ঘাঁটিতে অবস্থানরত সৈন্যদের মধ্যে রয়েছেন বহু ব্রিটিশ বিমানবাহিনীর সদস্য। জেআর-নাইন হ্যারিয়ার যুদ্ধবিমানের চালক রিচ হিলার্ড, যিনি সহকর্মীদের কাছে ‘বলি’ নামে পরিচিত, জানান যে কয়েক বছর আগেও এখানে জীবন ছিল অনেক বেশি কঠিন। তখন সৈন্যদের তাঁবুতে থাকতে হতো এবং সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেই দিন কাটাতে হতো। এখন উন্নত আবাসন, বিশ্রামাগার এবং বিনোদনের ব্যবস্থা থাকায় কর্মব্যস্ততার ফাঁকে কিছুটা স্বস্তি পাওয়া যায়। ঘাঁটিতে প্রায় নয়শ নারী সদস্যও কর্মরত আছেন। তাদের একজন একুশ বছর বয়সী ক্যাট, যিনি মানবসম্পদ বিভাগে দায়িত্ব পালন করেন। তার কাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো সৈন্যদের কাছে পরিবার-পরিজনের পাঠানো চিঠি ও পার্সেল পৌঁছে দেওয়া। প্রতিদিন কয়েক বস্তা ডাক আসে, যা দূরে থাকা সৈন্যদের জন্য মানসিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই বিশাল ঘাঁটির অভ্যন্তরে যাতায়াতের ক্ষেত্রেও কঠোর নিয়ম রয়েছে। সর্বোচ্চ গতিসীমা ঘণ্টায় দশ মাইল নির্ধারণ করা হয়েছে এবং সামরিক পুলিশ নিয়মিত তা তদারক করে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি পদক্ষেপে সতর্কতা বজায় রাখা হয়। তবে সব আধুনিক সুবিধার মধ্যেও যুদ্ধের বাস্তবতা এখানে সবসময় স্পষ্ট। তালেবান যোদ্ধারা প্রায় প্রতি সপ্তাহে এক বা দুইবার এই ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে রকেট হামলা চালায়। বিশেষ দিবস বা রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে হামলার আশঙ্কা আরও বেড়ে যায়। বিপদ সংকেত বাজলেই সবাইকে দ্রুত সুরক্ষা সরঞ্জাম পরে বাঙ্কারে আশ্রয় নিতে হয়। ঘাঁটির বাইরের নিরাপত্তা ব্যবস্থাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। সেখানে টহল দেয় বিমানবাহিনীর বিশেষ রেজিমেন্ট। এলাকায় মাইন বিস্ফোরণ এবং অতীত যুদ্ধের অবিস্ফোরিত গোলাবারুদের ঝুঁকি রয়েছে। সম্প্রতি কয়েকজন সদস্য নিহত হওয়ার পর অতিরিক্ত সুরক্ষার জন্য বিশেষভাবে নির্মিত বিস্ফোরণ প্রতিরোধী সাঁজোয়া যান আনা হয়েছে। এই ঘাঁটিতে দায়িত্ব পালনের জন্য নিয়মিত নতুন সেনা সদস্য আসেন। যুক্তরাজ্যের সাফোক অঞ্চল থেকে আগত অনেক সেনা ছয় মাসের জন্য এখানে মোতায়েন হন। তাদের মধ্যে কেউ পরিবার, কেউ অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী বা বাগদত্তাকে রেখে আসেন। বিদায়ের মুহূর্তে আবেগঘন দৃশ্য তৈরি হয়, কারণ প্রত্যেকেই জানেন সামনে অপেক্ষা করছে অনিশ্চিত এক সময়। প্রথমবার দায়িত্বে আসা তরুণ সৈন্যদের কাছে অভিজ্ঞতাটি আরও গভীর। গলায় ঝোলানো পরিচয়পত্র হাতে নিয়ে তারা উপলব্ধি করেন যে এখন তারা এমন এক যুদ্ধে অংশ নিতে যাচ্ছেন, যেখানে জীবন ও মৃত্যুর ব্যবধান কখনো কখনো মাত্র কয়েক সেকেন্ডের। কান্দাহার বিমানঘাঁটির কার্যক্রম শুধু সামরিক অভিযানে সীমাবদ্ধ নয়। স্থানীয় জনগণের আস্থা অর্জনের লক্ষ্যে এখানে মানবিক সহায়তা কার্যক্রমও পরিচালিত হয়। এর অংশ হিসেবে সম্প্রতি বিপজ্জনক পথ অতিক্রম করে একটি বিশাল টারবাইন কজ্জাকী বাঁধে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে আফগানিস্তানের প্রায় এক লাখ পরিবারের ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হবে। এই অভিযানের আকাশ নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন পাইলট রিচ হিলার্ড। তিনি যুদ্ধবিমান থেকে উন্নত পর্যবেক্ষণ প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিচের পরিস্থিতি নজরদারি করেন এবং প্রয়োজন হলে স্থলবাহিনীকে সহায়তা দেন। তার মতে, এমন মিশনের উদ্দেশ্য কেবল সামরিক সাফল্য নয়; বরং স্থানীয় মানুষের জীবনমান উন্নয়নের মাধ্যমে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা। কান্দাহার বিমানঘাঁটির জীবন এক বৈপরীত্যের প্রতিচ্ছবি। একদিকে রয়েছে আন্তর্জাতিক খাবারের দোকান, ব্যায়ামাগার ও বিশ্রামকেন্দ্র; অন্যদিকে রয়েছে রকেট হামলার সতর্ক সংকেত, বাঙ্কারে আশ্রয় এবং প্রতিনিয়ত মৃত্যুর ঝুঁকি। সৈন্যদের কাছে এটি একই সঙ্গে দায়িত্ব, ত্যাগ এবং বেঁচে থাকার সংগ্রামের স্থান। অনেকের ভাষায়, যুদ্ধের এই কঠিন বাস্তবতার মধ্যেও কান্দাহার বিমানঘাঁটি যেন এক টুকরো স্বাভাবিক জীবন। কয়েক মাসের দায়িত্ব শেষে যখন তারা দেশে ফেরার বিমানে ওঠেন, তখন চোখেমুখে ফুটে ওঠে স্বস্তি, অর্জনের তৃপ্তি এবং প্রিয়জনের কাছে ফিরে যাওয়ার গভীর আকাঙ্ক্ষা। আফগানিস্তানের অস্থির পরিস্থিতির মধ্যে কান্দাহার বিমানঘাঁটি তাই শুধু একটি সামরিক ঘাঁটির নাম নয়; এটি যুদ্ধের মাঝেও স্বাভাবিক জীবন ধরে রাখার এক অসাধারণ প্রচেষ্টার প্রতীক।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/628_1.webp" alt="যুদ্ধের মাঝেও আধুনিক নগরজীবন: কান্দাহার বিমানঘাঁটি যেন মরুভূমির বুকে এক স্বয়ংসম্পূর্ণ শহর" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>যুদ্ধের মাঝেও আধুনিক নগরজীবন: কান্দাহার বিমানঘাঁটি যেন মরুভূমির বুকে এক স্বয়ংসম্পূর্ণ শহর</h1>
            <p>যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত কান্দাহার বিমানঘাঁটি কেবল একটি সামরিক স্থাপনা নয়, বরং এটি এক পূর্ণাঙ্গ আধুনিক শহর। কঠোর নিরাপত্তা, উন্নত অবকাঠামো এবং যুদ্ধের প্রস্তুতির পাশাপাশি এখানে রয়েছে সৈন্যদের দৈনন্দিন জীবনযাপনের প্রায় সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা। রণক্ষেত্রের ঝুঁকি আর স্বাভাবিক জীবনের প্রয়োজন—দুইয়ের এক অনন্য সমন্বয় দেখা যায় এই ঘাঁটিতে। আফগানিস্তান দীর্ঘদিন ধরেই বিশ্বের সবচেয়ে অস্থিতিশীল এবং বিপজ্জনক দেশগুলোর একটি হিসেবে পরিচিত। দুই হাজার এক সালে আন্তর্জাতিক সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে দেশটিতে বহু বিদেশি সেনা সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন। এমন এক পরিস্থিতির মধ্যেও দক্ষিণ আফগানিস্তানের কান্দাহার শহরের কাছে গড়ে উঠেছে এক ব্যতিক্রমী সামরিক ঘাঁটি, যেখানে যুদ্ধের প্রস্তুতির পাশাপাশি বজায় রাখা হয়েছে আধুনিক নগরজীবনের প্রায় সব বৈশিষ্ট্য। কান্দাহার শহর থেকে প্রায় বারো মাইল দূরে এবং রাজধানী কাবুলের দক্ষিণে অবস্থিত এই বিমানঘাঁটির আয়তন প্রায় দশ বর্গমাইল। এটি বর্তমানে উত্তর আটলান্টিক সামরিক জোটের অন্যতম প্রধান বিমানঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এখান থেকেই পরিচালিত হয় আফগানিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলে নজরদারি, পরিবহন এবং যুদ্ধ সহায়তা কার্যক্রমের বড় অংশ। ঘাঁটির দায়িত্বে থাকা রয়্যাল বিমানবাহিনীর এয়ার কমোডর বব জাডসন নিজেকে এই বিশাল স্থাপনার ‘মেয়র’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তার ভাষায়, এটি শুধু একটি ঘাঁটি নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ শহর। এখানে রয়েছে দুই মাইল দীর্ঘ রানওয়ে, যা দিনরাত সচল থাকে। প্রতি মাসে প্রায় দশ হাজার বিমান ও হেলিকপ্টারের ওঠানামা হয় এই ঘাঁটিতে। ব্যস্ততার দিক থেকে এটি বিশ্বের বড় বেসামরিক বিমানবন্দরগুলোর সঙ্গেও তুলনীয়। ঘাঁটির কেন্দ্রস্থলে রয়েছে সৈন্যদের বহুল পরিচিত এলাকা, যার নাম ‘বোর্ডওয়াক’। এটি মূলত একটি বাণিজ্যিক ও বিনোদন কেন্দ্র, যেখানে সৈন্যদের জন্য রয়েছে আন্তর্জাতিক খাবারের দোকান, গির্জা, সুপারমার্কেট, ব্যায়ামাগার এবং বিশাল খাবার পরিবেশন কেন্দ্র। প্রতিদিন প্রায় চৌদ্দ হাজার মানুষের খাবার প্রস্তুত করা হয় এখানে। পাশাপাশি একটি বৃহৎ লন্ড্রি কেন্দ্র প্রতিদিন প্রায় বারো টন কাপড় পরিষ্কার করে। মরুভূমির প্রতিকূল পরিবেশে এসব সুবিধা সচল রাখা সহজ নয়। ঘাঁটির বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রতিদিন প্রায় পাঁচ লাখ লিটার জ্বালানি ব্যবহার করা হয়। পানীয় জল সরবরাহ, পয়ঃনিষ্কাশন এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনাও অত্যন্ত জটিল প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এই ঘাঁটিতে অবস্থানরত সৈন্যদের মধ্যে রয়েছেন বহু ব্রিটিশ বিমানবাহিনীর সদস্য। জেআর-নাইন হ্যারিয়ার যুদ্ধবিমানের চালক রিচ হিলার্ড, যিনি সহকর্মীদের কাছে ‘বলি’ নামে পরিচিত, জানান যে কয়েক বছর আগেও এখানে জীবন ছিল অনেক বেশি কঠিন। তখন সৈন্যদের তাঁবুতে থাকতে হতো এবং সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেই দিন কাটাতে হতো। এখন উন্নত আবাসন, বিশ্রামাগার এবং বিনোদনের ব্যবস্থা থাকায় কর্মব্যস্ততার ফাঁকে কিছুটা স্বস্তি পাওয়া যায়। ঘাঁটিতে প্রায় নয়শ নারী সদস্যও কর্মরত আছেন। তাদের একজন একুশ বছর বয়সী ক্যাট, যিনি মানবসম্পদ বিভাগে দায়িত্ব পালন করেন। তার কাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো সৈন্যদের কাছে পরিবার-পরিজনের পাঠানো চিঠি ও পার্সেল পৌঁছে দেওয়া। প্রতিদিন কয়েক বস্তা ডাক আসে, যা দূরে থাকা সৈন্যদের জন্য মানসিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই বিশাল ঘাঁটির অভ্যন্তরে যাতায়াতের ক্ষেত্রেও কঠোর নিয়ম রয়েছে। সর্বোচ্চ গতিসীমা ঘণ্টায় দশ মাইল নির্ধারণ করা হয়েছে এবং সামরিক পুলিশ নিয়মিত তা তদারক করে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি পদক্ষেপে সতর্কতা বজায় রাখা হয়। তবে সব আধুনিক সুবিধার মধ্যেও যুদ্ধের বাস্তবতা এখানে সবসময় স্পষ্ট। তালেবান যোদ্ধারা প্রায় প্রতি সপ্তাহে এক বা দুইবার এই ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে রকেট হামলা চালায়। বিশেষ দিবস বা রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে হামলার আশঙ্কা আরও বেড়ে যায়। বিপদ সংকেত বাজলেই সবাইকে দ্রুত সুরক্ষা সরঞ্জাম পরে বাঙ্কারে আশ্রয় নিতে হয়। ঘাঁটির বাইরের নিরাপত্তা ব্যবস্থাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। সেখানে টহল দেয় বিমানবাহিনীর বিশেষ রেজিমেন্ট। এলাকায় মাইন বিস্ফোরণ এবং অতীত যুদ্ধের অবিস্ফোরিত গোলাবারুদের ঝুঁকি রয়েছে। সম্প্রতি কয়েকজন সদস্য নিহত হওয়ার পর অতিরিক্ত সুরক্ষার জন্য বিশেষভাবে নির্মিত বিস্ফোরণ প্রতিরোধী সাঁজোয়া যান আনা হয়েছে। এই ঘাঁটিতে দায়িত্ব পালনের জন্য নিয়মিত নতুন সেনা সদস্য আসেন। যুক্তরাজ্যের সাফোক অঞ্চল থেকে আগত অনেক সেনা ছয় মাসের জন্য এখানে মোতায়েন হন। তাদের মধ্যে কেউ পরিবার, কেউ অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী বা বাগদত্তাকে রেখে আসেন। বিদায়ের মুহূর্তে আবেগঘন দৃশ্য তৈরি হয়, কারণ প্রত্যেকেই জানেন সামনে অপেক্ষা করছে অনিশ্চিত এক সময়। প্রথমবার দায়িত্বে আসা তরুণ সৈন্যদের কাছে অভিজ্ঞতাটি আরও গভীর। গলায় ঝোলানো পরিচয়পত্র হাতে নিয়ে তারা উপলব্ধি করেন যে এখন তারা এমন এক যুদ্ধে অংশ নিতে যাচ্ছেন, যেখানে জীবন ও মৃত্যুর ব্যবধান কখনো কখনো মাত্র কয়েক সেকেন্ডের। কান্দাহার বিমানঘাঁটির কার্যক্রম শুধু সামরিক অভিযানে সীমাবদ্ধ নয়। স্থানীয় জনগণের আস্থা অর্জনের লক্ষ্যে এখানে মানবিক সহায়তা কার্যক্রমও পরিচালিত হয়। এর অংশ হিসেবে সম্প্রতি বিপজ্জনক পথ অতিক্রম করে একটি বিশাল টারবাইন কজ্জাকী বাঁধে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে আফগানিস্তানের প্রায় এক লাখ পরিবারের ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হবে। এই অভিযানের আকাশ নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন পাইলট রিচ হিলার্ড। তিনি যুদ্ধবিমান থেকে উন্নত পর্যবেক্ষণ প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিচের পরিস্থিতি নজরদারি করেন এবং প্রয়োজন হলে স্থলবাহিনীকে সহায়তা দেন। তার মতে, এমন মিশনের উদ্দেশ্য কেবল সামরিক সাফল্য নয়; বরং স্থানীয় মানুষের জীবনমান উন্নয়নের মাধ্যমে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা। কান্দাহার বিমানঘাঁটির জীবন এক বৈপরীত্যের প্রতিচ্ছবি। একদিকে রয়েছে আন্তর্জাতিক খাবারের দোকান, ব্যায়ামাগার ও বিশ্রামকেন্দ্র; অন্যদিকে রয়েছে রকেট হামলার সতর্ক সংকেত, বাঙ্কারে আশ্রয় এবং প্রতিনিয়ত মৃত্যুর ঝুঁকি। সৈন্যদের কাছে এটি একই সঙ্গে দায়িত্ব, ত্যাগ এবং বেঁচে থাকার সংগ্রামের স্থান। অনেকের ভাষায়, যুদ্ধের এই কঠিন বাস্তবতার মধ্যেও কান্দাহার বিমানঘাঁটি যেন এক টুকরো স্বাভাবিক জীবন। কয়েক মাসের দায়িত্ব শেষে যখন তারা দেশে ফেরার বিমানে ওঠেন, তখন চোখেমুখে ফুটে ওঠে স্বস্তি, অর্জনের তৃপ্তি এবং প্রিয়জনের কাছে ফিরে যাওয়ার গভীর আকাঙ্ক্ষা। আফগানিস্তানের অস্থির পরিস্থিতির মধ্যে কান্দাহার বিমানঘাঁটি তাই শুধু একটি সামরিক ঘাঁটির নাম নয়; এটি যুদ্ধের মাঝেও স্বাভাবিক জীবন ধরে রাখার এক অসাধারণ প্রচেষ্টার প্রতীক।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/628_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/628_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/628_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[রাশিয়া–বেলারুশের যৌথ পরমাণু মহড়ায় ইউরোপে নতুন যুদ্ধউদ্বেগ]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36980</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36980</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 21 May 2026 17:05:34 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news 2026, latest news today, atn bd news, latest news and bulletin, bangladeshi latest news, bd news, bd hot news, bd india relation news, latestnews, updated news, bdnews, update news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangla news update, bangla tv news, atn bangla news, news, news today, bangladesh news, bangladesh news today, bangla news, jamaat news, today raater news bangladesh, bangla news today, bangladesh tv news, news trending, bnp news, ncp news, top news, zee news]]></category>
        
        <description><![CDATA[ইউক্রেন যুদ্ধ চলাকালে রাশিয়ার সঙ্গে যৌথভাবে কৌশলগত পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের মহড়া শুরু করেছে বেলারুশ। ইউক্রেন ও উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোটভুক্ত দেশগুলোর সীমান্ত ঘেঁষে পরিচালিত এই মহড়াকে ঘিরে পূর্ব ইউরোপে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। ইউরোপের পূর্বাঞ্চলে চলমান ভূরাজনৈতিক সংকটের মধ্যে রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ মিত্র বেলারুশ কৌশলগত পরমাণু অস্ত্র মোতায়েন ও ব্যবহারের প্রস্তুতি যাচাই করতে বড় ধরনের যৌথ সামরিক মহড়া শুরু করেছে। বেলারুশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ১৮ মে থেকে শুরু হওয়া এই মহড়ায় দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র ইউনিট, বিমান বাহিনীর বিশেষ দল এবং সহায়ক লজিস্টিক বাহিনী অংশ নিচ্ছে। রাশিয়ার সামরিক বিশেষজ্ঞদের সরাসরি সমন্বয়ে পরিচালিত এই প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য হলো স্বল্প সময়ের মধ্যে পরমাণু অস্ত্র নির্ধারিত স্থানে পৌঁছে দেওয়া, গোপনে মোতায়েন করা এবং সম্ভাব্য যুদ্ধ পরিস্থিতিতে তা ব্যবহারের প্রস্তুতি যাচাই করা। বেলারুশের সামরিক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এবারের অনুশীলনে অপরিচিত এলাকা থেকে দ্রুত অবস্থান পরিবর্তন, ছদ্মবেশে চলাচল এবং আকস্মিক নির্দেশে যুদ্ধ প্রস্তুতি গ্রহণের সক্ষমতা পরীক্ষা করা হচ্ছে। অর্থাৎ, দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে অল্প সময়ে কৌশলগত অস্ত্র মোতায়েনের সামর্থ্য অর্জনই এই মহড়ার প্রধান লক্ষ্য। বেলারুশের জেনারেল স্টাফের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা মেজর জেনারেল পাভেল মুরাভেইকো বলেন, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সেনাদের পেশাগত দক্ষতা বাড়ানো এবং পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের রণকৌশলগত প্রস্তুতি আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে। তাঁর ভাষায়, “যেকোনো অনির্ধারিত পরিস্থিতিতে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে কার্যকরভাবে কাজ করার সক্ষমতা অর্জনই আমাদের লক্ষ্য।” রাশিয়া ২০২৩ সালে বেলারুশের ভূখণ্ডে কৌশলগত পরমাণু অস্ত্র মোতায়েন শুরু করে। যদিও মস্কো বারবার বলেছে, এসব অস্ত্রের চূড়ান্ত নিয়ন্ত্রণ রাশিয়ার হাতেই থাকবে, তবুও বেলারুশের মাটিতে এমন অস্ত্রের উপস্থিতি এবং তা ঘিরে নিয়মিত মহড়া ইউরোপের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে। বেলারুশের ভৌগোলিক অবস্থান এই মহড়াকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে। দেশটির সীমান্ত একদিকে ইউক্রেন, অন্যদিকে পোল্যান্ড, লিথুয়ানিয়া ও লাটভিয়ার সঙ্গে যুক্ত। এই তিনটি দেশ উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোটের সদস্য। ফলে বেলারুশে পরমাণু মহড়া মানেই ইউক্রেনের পাশাপাশি জোটভুক্ত দেশগুলোর নিরাপত্তা উদ্বেগ বেড়ে যাওয়া। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এই পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, বেলারুশ সীমান্তে সামরিক তৎপরতা বাড়ানো হচ্ছে এবং রাশিয়া তার মিত্র দেশটিকে যুদ্ধে আরও সক্রিয়ভাবে জড়ানোর চেষ্টা করছে। ইউক্রেনের গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, বেলারুশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে ইউক্রেনের উত্তরাঞ্চলে অথবা সীমান্তবর্তী এলাকায় নতুন আক্রমণ চালানো হতে পারে। জেলেনস্কির মতে, রাশিয়া কেবল সামরিক চাপই সৃষ্টি করছে না, একই সঙ্গে মানসিক চাপও বাড়াচ্ছে। সীমান্তে পরমাণু মহড়া এবং রিজার্ভ সেনা প্রস্তুত রাখার মতো পদক্ষেপ ইউক্রেনকে অতিরিক্ত সতর্ক অবস্থানে থাকতে বাধ্য করছে। তবে বেলারুশ সরকার এই উদ্বেগকে অমূলক বলে দাবি করেছে। মিনস্কের কর্মকর্তারা বলেছেন, মহড়াটি সম্পূর্ণ রক্ষণাত্মক এবং এর উদ্দেশ্য কেবল দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানো। কোনো প্রতিবেশী দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসনের পরিকল্পনা এতে নেই। বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কো সম্প্রতি সেনাবাহিনীর জন্য নতুন আবর্তনমূলক প্রস্তুতি কৌশল ঘোষণা করেছেন। এর আওতায় পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন ইউনিটকে নিবিড় প্রশিক্ষণে রাখা হবে, যাতে প্রয়োজনের সময় দ্রুত যুদ্ধ প্রস্তুতি নেওয়া যায়। তাঁর ভাষায়, “বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতায় আমাদের সবাইকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।” লুকাশেঙ্কো আরও বলেন, আধুনিক যুদ্ধে শুধু আকাশ হামলা যথেষ্ট নয়; স্থলবাহিনীর সক্ষমতাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক সংঘাতের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ পরিস্থিতিতে পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতির বিকল্প নেই। ২০২২ সালে ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরু হলে রাশিয়ার বাহিনী বেলারুশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে কিয়েভমুখী অগ্রযাত্রা চালায়। সেই অভিজ্ঞতার কারণে ইউক্রেন এখনো বেলারুশ সীমান্তকে সম্ভাব্য ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে বিবেচনা করে। যদিও বর্তমানে বেলারুশ সরাসরি যুদ্ধে অংশ নিচ্ছে না, তবে দেশটির সামরিক কর্মকাণ্ড কিয়েভের উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলছে। সামরিক বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, এই মহড়ার কয়েকটি উদ্দেশ্য থাকতে পারে। প্রথমত, রাশিয়া ও বেলারুশের পারমাণবিক সমন্বয় কতটা কার্যকর, তা পরীক্ষা করা। দ্বিতীয়ত, ইউক্রেনকে সীমান্তে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করতে বাধ্য করা। তৃতীয়ত, জোটভুক্ত দেশগুলোকে রাজনৈতিক ও সামরিকভাবে সতর্ক বার্তা দেওয়া। পোল্যান্ড, লিথুয়ানিয়া ও লাটভিয়া ইতোমধ্যে সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করেছে। এসব দেশ দীর্ঘদিন ধরেই বেলারুশে রুশ সামরিক উপস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে আসছে। তাদের মতে, বেলারুশে কৌশলগত পরমাণু অস্ত্র মোতায়েন আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য একটি গুরুতর ঝুঁকি। আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকেরা বলছেন, পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাবনা এখনো দূরবর্তী হলেও এ ধরনের মহড়া ভুল বোঝাবুঝি, উত্তেজনা এবং অনাকাঙ্ক্ষিত সামরিক প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়ায়। বিশেষ করে সীমান্তের কাছাকাছি সামরিক তৎপরতা বাড়লে ছোট কোনো ঘটনা থেকেও বড় সংঘাতের সূত্রপাত হতে পারে। রাশিয়া বরাবরই দাবি করে আসছে, পশ্চিমা সামরিক জোটের পূর্বমুখী সম্প্রসারণ এবং ইউক্রেনে পশ্চিমা সমর্থন তাদের নিরাপত্তার জন্য হুমকি। অন্যদিকে পশ্চিমা দেশগুলো বলছে, রাশিয়াই আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করছে। এই বাস্তবতায় বেলারুশের মাটিতে যৌথ পরমাণু মহড়া শুধু সামরিক অনুশীলন নয়, বরং একটি শক্ত রাজনৈতিক বার্তা হিসেবেও দেখা হচ্ছে। এতে বোঝানো হচ্ছে যে, মস্কো ও মিনস্ক তাদের নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা নীতিতে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় বজায় রেখেছে এবং প্রয়োজনে আরও কঠোর অবস্থান নিতে প্রস্তুত। একই সঙ্গে এই মহড়া ইউক্রেন যুদ্ধের বিস্তৃত প্রভাবও সামনে নিয়ে এসেছে। যুদ্ধ এখন কেবল ইউক্রেনের ভেতরে সীমাবদ্ধ নয়; এর প্রতিফলন পড়ছে গোটা পূর্ব ইউরোপের নিরাপত্তা ব্যবস্থায়। প্রতিটি সামরিক পদক্ষেপ, প্রতিটি মহড়া এবং প্রতিটি রাজনৈতিক বক্তব্য আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন হিসাব-নিকাশ তৈরি করছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, এই পরিস্থিতিতে উত্তেজনা প্রশমনে কূটনৈতিক সংলাপের বিকল্প নেই। অন্যথায় ভুল সিদ্ধান্ত, অতিরিক্ত সামরিক প্রতিক্রিয়া বা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার মাধ্যমে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে। সব মিলিয়ে, রাশিয়া ও বেলারুশের যৌথ পরমাণু মহড়া ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে পূর্ব ইউরোপে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। যদিও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো এটিকে প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করছে, তবুও এর কৌশলগত তাৎপর্য এবং রাজনৈতিক বার্তা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/640_1.webp" alt="রাশিয়া–বেলারুশের যৌথ পরমাণু মহড়ায় ইউরোপে নতুন যুদ্ধউদ্বেগ" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>রাশিয়া–বেলারুশের যৌথ পরমাণু মহড়ায় ইউরোপে নতুন যুদ্ধউদ্বেগ</h1>
            <p>ইউক্রেন যুদ্ধ চলাকালে রাশিয়ার সঙ্গে যৌথভাবে কৌশলগত পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের মহড়া শুরু করেছে বেলারুশ। ইউক্রেন ও উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোটভুক্ত দেশগুলোর সীমান্ত ঘেঁষে পরিচালিত এই মহড়াকে ঘিরে পূর্ব ইউরোপে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। ইউরোপের পূর্বাঞ্চলে চলমান ভূরাজনৈতিক সংকটের মধ্যে রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ মিত্র বেলারুশ কৌশলগত পরমাণু অস্ত্র মোতায়েন ও ব্যবহারের প্রস্তুতি যাচাই করতে বড় ধরনের যৌথ সামরিক মহড়া শুরু করেছে। বেলারুশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ১৮ মে থেকে শুরু হওয়া এই মহড়ায় দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র ইউনিট, বিমান বাহিনীর বিশেষ দল এবং সহায়ক লজিস্টিক বাহিনী অংশ নিচ্ছে। রাশিয়ার সামরিক বিশেষজ্ঞদের সরাসরি সমন্বয়ে পরিচালিত এই প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য হলো স্বল্প সময়ের মধ্যে পরমাণু অস্ত্র নির্ধারিত স্থানে পৌঁছে দেওয়া, গোপনে মোতায়েন করা এবং সম্ভাব্য যুদ্ধ পরিস্থিতিতে তা ব্যবহারের প্রস্তুতি যাচাই করা। বেলারুশের সামরিক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এবারের অনুশীলনে অপরিচিত এলাকা থেকে দ্রুত অবস্থান পরিবর্তন, ছদ্মবেশে চলাচল এবং আকস্মিক নির্দেশে যুদ্ধ প্রস্তুতি গ্রহণের সক্ষমতা পরীক্ষা করা হচ্ছে। অর্থাৎ, দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে অল্প সময়ে কৌশলগত অস্ত্র মোতায়েনের সামর্থ্য অর্জনই এই মহড়ার প্রধান লক্ষ্য। বেলারুশের জেনারেল স্টাফের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা মেজর জেনারেল পাভেল মুরাভেইকো বলেন, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সেনাদের পেশাগত দক্ষতা বাড়ানো এবং পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের রণকৌশলগত প্রস্তুতি আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে। তাঁর ভাষায়, “যেকোনো অনির্ধারিত পরিস্থিতিতে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে কার্যকরভাবে কাজ করার সক্ষমতা অর্জনই আমাদের লক্ষ্য।” রাশিয়া ২০২৩ সালে বেলারুশের ভূখণ্ডে কৌশলগত পরমাণু অস্ত্র মোতায়েন শুরু করে। যদিও মস্কো বারবার বলেছে, এসব অস্ত্রের চূড়ান্ত নিয়ন্ত্রণ রাশিয়ার হাতেই থাকবে, তবুও বেলারুশের মাটিতে এমন অস্ত্রের উপস্থিতি এবং তা ঘিরে নিয়মিত মহড়া ইউরোপের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে। বেলারুশের ভৌগোলিক অবস্থান এই মহড়াকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে। দেশটির সীমান্ত একদিকে ইউক্রেন, অন্যদিকে পোল্যান্ড, লিথুয়ানিয়া ও লাটভিয়ার সঙ্গে যুক্ত। এই তিনটি দেশ উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোটের সদস্য। ফলে বেলারুশে পরমাণু মহড়া মানেই ইউক্রেনের পাশাপাশি জোটভুক্ত দেশগুলোর নিরাপত্তা উদ্বেগ বেড়ে যাওয়া। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এই পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, বেলারুশ সীমান্তে সামরিক তৎপরতা বাড়ানো হচ্ছে এবং রাশিয়া তার মিত্র দেশটিকে যুদ্ধে আরও সক্রিয়ভাবে জড়ানোর চেষ্টা করছে। ইউক্রেনের গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, বেলারুশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে ইউক্রেনের উত্তরাঞ্চলে অথবা সীমান্তবর্তী এলাকায় নতুন আক্রমণ চালানো হতে পারে। জেলেনস্কির মতে, রাশিয়া কেবল সামরিক চাপই সৃষ্টি করছে না, একই সঙ্গে মানসিক চাপও বাড়াচ্ছে। সীমান্তে পরমাণু মহড়া এবং রিজার্ভ সেনা প্রস্তুত রাখার মতো পদক্ষেপ ইউক্রেনকে অতিরিক্ত সতর্ক অবস্থানে থাকতে বাধ্য করছে। তবে বেলারুশ সরকার এই উদ্বেগকে অমূলক বলে দাবি করেছে। মিনস্কের কর্মকর্তারা বলেছেন, মহড়াটি সম্পূর্ণ রক্ষণাত্মক এবং এর উদ্দেশ্য কেবল দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানো। কোনো প্রতিবেশী দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসনের পরিকল্পনা এতে নেই। বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কো সম্প্রতি সেনাবাহিনীর জন্য নতুন আবর্তনমূলক প্রস্তুতি কৌশল ঘোষণা করেছেন। এর আওতায় পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন ইউনিটকে নিবিড় প্রশিক্ষণে রাখা হবে, যাতে প্রয়োজনের সময় দ্রুত যুদ্ধ প্রস্তুতি নেওয়া যায়। তাঁর ভাষায়, “বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতায় আমাদের সবাইকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।” লুকাশেঙ্কো আরও বলেন, আধুনিক যুদ্ধে শুধু আকাশ হামলা যথেষ্ট নয়; স্থলবাহিনীর সক্ষমতাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক সংঘাতের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ পরিস্থিতিতে পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতির বিকল্প নেই। ২০২২ সালে ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরু হলে রাশিয়ার বাহিনী বেলারুশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে কিয়েভমুখী অগ্রযাত্রা চালায়। সেই অভিজ্ঞতার কারণে ইউক্রেন এখনো বেলারুশ সীমান্তকে সম্ভাব্য ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে বিবেচনা করে। যদিও বর্তমানে বেলারুশ সরাসরি যুদ্ধে অংশ নিচ্ছে না, তবে দেশটির সামরিক কর্মকাণ্ড কিয়েভের উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলছে। সামরিক বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, এই মহড়ার কয়েকটি উদ্দেশ্য থাকতে পারে। প্রথমত, রাশিয়া ও বেলারুশের পারমাণবিক সমন্বয় কতটা কার্যকর, তা পরীক্ষা করা। দ্বিতীয়ত, ইউক্রেনকে সীমান্তে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করতে বাধ্য করা। তৃতীয়ত, জোটভুক্ত দেশগুলোকে রাজনৈতিক ও সামরিকভাবে সতর্ক বার্তা দেওয়া। পোল্যান্ড, লিথুয়ানিয়া ও লাটভিয়া ইতোমধ্যে সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করেছে। এসব দেশ দীর্ঘদিন ধরেই বেলারুশে রুশ সামরিক উপস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে আসছে। তাদের মতে, বেলারুশে কৌশলগত পরমাণু অস্ত্র মোতায়েন আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য একটি গুরুতর ঝুঁকি। আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকেরা বলছেন, পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাবনা এখনো দূরবর্তী হলেও এ ধরনের মহড়া ভুল বোঝাবুঝি, উত্তেজনা এবং অনাকাঙ্ক্ষিত সামরিক প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়ায়। বিশেষ করে সীমান্তের কাছাকাছি সামরিক তৎপরতা বাড়লে ছোট কোনো ঘটনা থেকেও বড় সংঘাতের সূত্রপাত হতে পারে। রাশিয়া বরাবরই দাবি করে আসছে, পশ্চিমা সামরিক জোটের পূর্বমুখী সম্প্রসারণ এবং ইউক্রেনে পশ্চিমা সমর্থন তাদের নিরাপত্তার জন্য হুমকি। অন্যদিকে পশ্চিমা দেশগুলো বলছে, রাশিয়াই আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করছে। এই বাস্তবতায় বেলারুশের মাটিতে যৌথ পরমাণু মহড়া শুধু সামরিক অনুশীলন নয়, বরং একটি শক্ত রাজনৈতিক বার্তা হিসেবেও দেখা হচ্ছে। এতে বোঝানো হচ্ছে যে, মস্কো ও মিনস্ক তাদের নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা নীতিতে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় বজায় রেখেছে এবং প্রয়োজনে আরও কঠোর অবস্থান নিতে প্রস্তুত। একই সঙ্গে এই মহড়া ইউক্রেন যুদ্ধের বিস্তৃত প্রভাবও সামনে নিয়ে এসেছে। যুদ্ধ এখন কেবল ইউক্রেনের ভেতরে সীমাবদ্ধ নয়; এর প্রতিফলন পড়ছে গোটা পূর্ব ইউরোপের নিরাপত্তা ব্যবস্থায়। প্রতিটি সামরিক পদক্ষেপ, প্রতিটি মহড়া এবং প্রতিটি রাজনৈতিক বক্তব্য আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন হিসাব-নিকাশ তৈরি করছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, এই পরিস্থিতিতে উত্তেজনা প্রশমনে কূটনৈতিক সংলাপের বিকল্প নেই। অন্যথায় ভুল সিদ্ধান্ত, অতিরিক্ত সামরিক প্রতিক্রিয়া বা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার মাধ্যমে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে। সব মিলিয়ে, রাশিয়া ও বেলারুশের যৌথ পরমাণু মহড়া ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে পূর্ব ইউরোপে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। যদিও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো এটিকে প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করছে, তবুও এর কৌশলগত তাৎপর্য এবং রাজনৈতিক বার্তা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/640_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/640_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/640_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইরানের সামরিক শক্তি ভেঙে পড়েছে, তবে পুরোপুরি নিঃশেষ নয়: মার্কিন সেন্টকম প্রধান]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36979</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36979</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 21 May 2026 17:05:58 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[আমেরিকাস]]></category>
                        <category><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news 2026, latest news today, atn bd news, latest news and bulletin, bangladeshi latest news, bd news, bd hot news, bd india relation news, latestnews, updated news, bdnews, update news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangla news update, bangla tv news, atn bangla news, news, news today, bangladesh news, bangladesh news today, bangla news, jamaat news, today raater news bangladesh, bangla news today, bangladesh tv news, news trending, bnp news, ncp news, top news, zee news]]></category>
        
        <description><![CDATA[মার্কিন কেন্দ্রীয় কমান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার বলেছেন, ইরানের অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা অক্ষত রয়েছে—এমন দাবি সঠিক নয়। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ধারাবাহিক হামলায় ইরানের সামরিক অবকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যদিও কিছু সীমিত সক্ষমতা এখনো রয়ে গেছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় কমান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার ইরানের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের সশস্ত্র বাহিনী বিষয়ক কমিটিতে সাক্ষ্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, উন্মুক্ত সূত্রে যে সংখ্যাগুলো প্রকাশিত হয়েছে, সেগুলো বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। সম্প্রতি কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়, ইরান তার ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি, মোবাইল উৎক্ষেপণযান এবং ভূগর্ভস্থ স্থাপনাগুলোর বেশিরভাগই আবার কার্যকর করতে সক্ষম হয়েছে। এমনকি হরমুজ প্রণালীর তীরে থাকা ৩৩টির মধ্যে ৩০টি ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিতে ইরান পুনরায় প্রবেশাধিকার পেয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এতে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধজাহাজ এবং আন্তর্জাতিক তেলবাহী জাহাজের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ দেখা দেয়। তবে অ্যাডমিরাল কুপার বলেন, শুধু অস্ত্রের সংখ্যা দেখলে পুরো চিত্র বোঝা যায় না। তাঁর মতে, ইরানের কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ কাঠামো গুরুতরভাবে ভেঙে পড়েছে। ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের সক্ষমতাও ব্যাপকভাবে বাধাগ্রস্ত হয়েছে। ফলে হাতে কিছু অস্ত্র থাকলেও তা কার্যকরভাবে ব্যবহার করার ক্ষমতা আগের মতো নেই। তিনি বলেন, “ইরান আর আগের মতো করে যুক্তরাষ্ট্র বা আঞ্চলিক অংশীদারদের জন্য হুমকি তৈরি করতে পারছে না।” হরমুজ প্রণালীতে ইরানের নৌ সক্ষমতার উদাহরণ টেনে কুপার জানান, অতীতে এই এলাকায় সাধারণত ২০ থেকে ৪০টি দ্রুতগামী নৌকা দেখা যেত। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে দেখা যাচ্ছে মাত্র দুই থেকে তিনটি। তাঁর মতে, এটি ইরানের নৌ সক্ষমতার উল্লেখযোগ্য অবনতির প্রমাণ। মার্কিন বাহিনী সম্প্রতি হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলে হুমকি সৃষ্টি করা ইরানের প্রায় অর্ধডজন দ্রুতগামী নৌকা ধ্বংস করেছে বলেও তিনি জানান। অ্যাডমিরাল কুপার বলেন, ইরানের সামরিক শক্তি দুর্বল হলেও দেশটি এখনো আধুনিক ড্রোনের মাধ্যমে নতুন ধরনের হুমকি তৈরি করছে। তিনি উল্লেখ করেন, আগের তুলনায় এখন ইরানের ড্রোনগুলো অনেক বেশি উন্নত, জেটচালিত এবং অত্যাধুনিক সেন্সর ও বৈদ্যুতিক যুদ্ধ সক্ষমতাসম্পন্ন। তবে যুক্তরাষ্ট্রও পাল্টা কৌশল গ্রহণ করেছে। তুলনামূলক কম খরচের একমুখী আক্রমণকারী ড্রোন ব্যবহার করে তারা ইরানকে ব্যয়বহুল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করতে বাধ্য করছে। কুপারের ভাষায়, এতে যুদ্ধের ব্যয়ের ভারসাম্য এখন যুক্তরাষ্ট্রের অনুকূলে এসেছে। এই প্রসঙ্গে তিনি স্বল্পমূল্যের মানববিহীন যুদ্ধ ড্রোন ব্যবস্থার কার্যকারিতার কথা তুলে ধরেন। এসব ড্রোন ব্যবহার করে ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে সফলভাবে হামলা চালানো হয়েছে বলে তিনি জানান। সিনেট কমিটিতে দেওয়া সাক্ষ্যে অ্যাডমিরাল কুপার যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের ব্যাপকতা সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য দেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র মজুদ, উৎক্ষেপণযান ও দূরপাল্লার আক্রমণকারী ড্রোনের ওপর ৪৫০টিরও বেশি হামলা চালানো হয়েছে। ড্রোন উৎক্ষেপণ ইউনিট ও সংরক্ষণাগারের ওপর চালানো হয়েছে প্রায় ৮০০ হামলা। তিনি বলেন, ইরানের বিমান বাহিনী বর্তমানে কার্যত অকার্যকর। যুদ্ধ শুরুর আগে প্রতিদিন ৩০ থেকে ১০০টি উড্ডয়ন পরিচালনা করা হলেও এখন সেই সংখ্যা শূন্যে নেমে এসেছে। বিমানঘাঁটি, হ্যাঙ্গার, জ্বালানি সংরক্ষণাগার এবং গোলাবারুদের মজুদ ধ্বংস বা অকার্যকর করে দেওয়া হয়েছে। ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ৮২ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট রাডার ও কমান্ড নেটওয়ার্কও ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। সমুদ্রপথে ইরানের সামরিক শক্তির ওপরও বড় ধরনের আঘাত এসেছে। কুপারের তথ্য অনুযায়ী, ১৬ ধরনের মোট ১৬১টি নৌযান ধ্বংস করা হয়েছে। আট হাজারেরও বেশি নৌমাইনের মধ্যে ৯০ শতাংশের বেশি নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। ফলে ইরানের নৌবাহিনী আর কার্যকর সামুদ্রিক শক্তি হিসেবে বিবেচিত হওয়ার অবস্থায় নেই। ওমান উপসাগর কিংবা ভারত মহাসাগরে শক্তি প্রদর্শনের সক্ষমতাও তাদের নেই বলে মন্তব্য করেন সেন্টকম প্রধান। তিনি আরও জানান, ইরানের কমান্ড কাঠামোর ওপর দুই হাজারেরও বেশি হামলার ফলে নেতৃত্বে শূন্যতা, সিদ্ধান্তহীনতা এবং অভ্যন্তরীণ বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে। সেনা সদস্যদের মধ্যে পালিয়ে যাওয়া, জনবল সংকট এবং শৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর পদক্ষেপের খবরও পাওয়া যাচ্ছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, ইরান এখন লেবাননের হিজবুল্লাহ, ইয়েমেনের হুথি, গাজায় হামাস এবং ইরাকভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর কাছে উন্নত অস্ত্র পাঠাতে বড় ধরনের বাধার মুখে পড়েছে। তেহরান থেকে তাদের সরবরাহ শৃঙ্খল মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে সামরিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, ইরান এখনো পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় নয়। সাম্প্রতিক সময়ে দেশটি সংযুক্ত আরব আমিরাতে হামলা চালিয়েছে এবং হরমুজ প্রণালীতে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলে হস্তক্ষেপ করেছে। অ্যাডমিরাল কুপারের সাক্ষ্যের কয়েক ঘণ্টা আগে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর নৌ ইউনিট হন্ডুরাসের পতাকাবাহী একটি গবেষণা জাহাজ জব্দ করে। জাহাজটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ উপকূলের কাছ থেকে আটক করা হয়। যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক বাণিজ্য পর্যবেক্ষণ সংস্থা জানায়, জাহাজটি ইরানের জলসীমার দিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিন পিংয়ের মধ্যে বৈঠকেও হরমুজ প্রণালীর বিষয়টি গুরুত্ব পায়। হোয়াইট হাউস জানায়, উভয় নেতা একমত হয়েছেন যে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রণালীটি উন্মুক্ত রাখা জরুরি। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান স্পষ্ট—ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সুযোগ দেওয়া হবে না। ট্রাম্প তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইরানের সামরিক শক্তি ধ্বংসের কথা উল্লেখ করে লিখেছেন, “ইরানের সামরিক শক্তির ধ্বংস—চলবে।” অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে প্রেসিডেন্টের যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষমতা সীমিত করার উদ্যোগ আবারও ব্যর্থ হয়েছে। প্রতিনিধি পরিষদে ভোটাভুটিতে প্রস্তাবটি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। তবে আইনপ্রণেতাদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি সংঘাত নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে বলে পর্যবেক্ষকেরা মনে করছেন। সব মিলিয়ে, মার্কিন সামরিক নেতৃত্বের দাবি অনুযায়ী ইরানের সামরিক সক্ষমতা আগের তুলনায় অনেক দুর্বল হয়ে পড়েছে। কিন্তু দেশটির হাতে এখনো কিছু ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন এবং নৌ সক্ষমতা রয়ে গেছে, যা আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য সীমিত হলেও বাস্তব হুমকি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/639_1.webp" alt="ইরানের সামরিক শক্তি ভেঙে পড়েছে, তবে পুরোপুরি নিঃশেষ নয়: মার্কিন সেন্টকম প্রধান" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইরানের সামরিক শক্তি ভেঙে পড়েছে, তবে পুরোপুরি নিঃশেষ নয়: মার্কিন সেন্টকম প্রধান</h1>
            <p>মার্কিন কেন্দ্রীয় কমান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার বলেছেন, ইরানের অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা অক্ষত রয়েছে—এমন দাবি সঠিক নয়। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ধারাবাহিক হামলায় ইরানের সামরিক অবকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যদিও কিছু সীমিত সক্ষমতা এখনো রয়ে গেছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় কমান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার ইরানের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের সশস্ত্র বাহিনী বিষয়ক কমিটিতে সাক্ষ্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, উন্মুক্ত সূত্রে যে সংখ্যাগুলো প্রকাশিত হয়েছে, সেগুলো বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। সম্প্রতি কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়, ইরান তার ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি, মোবাইল উৎক্ষেপণযান এবং ভূগর্ভস্থ স্থাপনাগুলোর বেশিরভাগই আবার কার্যকর করতে সক্ষম হয়েছে। এমনকি হরমুজ প্রণালীর তীরে থাকা ৩৩টির মধ্যে ৩০টি ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিতে ইরান পুনরায় প্রবেশাধিকার পেয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এতে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধজাহাজ এবং আন্তর্জাতিক তেলবাহী জাহাজের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ দেখা দেয়। তবে অ্যাডমিরাল কুপার বলেন, শুধু অস্ত্রের সংখ্যা দেখলে পুরো চিত্র বোঝা যায় না। তাঁর মতে, ইরানের কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ কাঠামো গুরুতরভাবে ভেঙে পড়েছে। ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের সক্ষমতাও ব্যাপকভাবে বাধাগ্রস্ত হয়েছে। ফলে হাতে কিছু অস্ত্র থাকলেও তা কার্যকরভাবে ব্যবহার করার ক্ষমতা আগের মতো নেই। তিনি বলেন, “ইরান আর আগের মতো করে যুক্তরাষ্ট্র বা আঞ্চলিক অংশীদারদের জন্য হুমকি তৈরি করতে পারছে না।” হরমুজ প্রণালীতে ইরানের নৌ সক্ষমতার উদাহরণ টেনে কুপার জানান, অতীতে এই এলাকায় সাধারণত ২০ থেকে ৪০টি দ্রুতগামী নৌকা দেখা যেত। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে দেখা যাচ্ছে মাত্র দুই থেকে তিনটি। তাঁর মতে, এটি ইরানের নৌ সক্ষমতার উল্লেখযোগ্য অবনতির প্রমাণ। মার্কিন বাহিনী সম্প্রতি হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলে হুমকি সৃষ্টি করা ইরানের প্রায় অর্ধডজন দ্রুতগামী নৌকা ধ্বংস করেছে বলেও তিনি জানান। অ্যাডমিরাল কুপার বলেন, ইরানের সামরিক শক্তি দুর্বল হলেও দেশটি এখনো আধুনিক ড্রোনের মাধ্যমে নতুন ধরনের হুমকি তৈরি করছে। তিনি উল্লেখ করেন, আগের তুলনায় এখন ইরানের ড্রোনগুলো অনেক বেশি উন্নত, জেটচালিত এবং অত্যাধুনিক সেন্সর ও বৈদ্যুতিক যুদ্ধ সক্ষমতাসম্পন্ন। তবে যুক্তরাষ্ট্রও পাল্টা কৌশল গ্রহণ করেছে। তুলনামূলক কম খরচের একমুখী আক্রমণকারী ড্রোন ব্যবহার করে তারা ইরানকে ব্যয়বহুল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করতে বাধ্য করছে। কুপারের ভাষায়, এতে যুদ্ধের ব্যয়ের ভারসাম্য এখন যুক্তরাষ্ট্রের অনুকূলে এসেছে। এই প্রসঙ্গে তিনি স্বল্পমূল্যের মানববিহীন যুদ্ধ ড্রোন ব্যবস্থার কার্যকারিতার কথা তুলে ধরেন। এসব ড্রোন ব্যবহার করে ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে সফলভাবে হামলা চালানো হয়েছে বলে তিনি জানান। সিনেট কমিটিতে দেওয়া সাক্ষ্যে অ্যাডমিরাল কুপার যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের ব্যাপকতা সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য দেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র মজুদ, উৎক্ষেপণযান ও দূরপাল্লার আক্রমণকারী ড্রোনের ওপর ৪৫০টিরও বেশি হামলা চালানো হয়েছে। ড্রোন উৎক্ষেপণ ইউনিট ও সংরক্ষণাগারের ওপর চালানো হয়েছে প্রায় ৮০০ হামলা। তিনি বলেন, ইরানের বিমান বাহিনী বর্তমানে কার্যত অকার্যকর। যুদ্ধ শুরুর আগে প্রতিদিন ৩০ থেকে ১০০টি উড্ডয়ন পরিচালনা করা হলেও এখন সেই সংখ্যা শূন্যে নেমে এসেছে। বিমানঘাঁটি, হ্যাঙ্গার, জ্বালানি সংরক্ষণাগার এবং গোলাবারুদের মজুদ ধ্বংস বা অকার্যকর করে দেওয়া হয়েছে। ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ৮২ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট রাডার ও কমান্ড নেটওয়ার্কও ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। সমুদ্রপথে ইরানের সামরিক শক্তির ওপরও বড় ধরনের আঘাত এসেছে। কুপারের তথ্য অনুযায়ী, ১৬ ধরনের মোট ১৬১টি নৌযান ধ্বংস করা হয়েছে। আট হাজারেরও বেশি নৌমাইনের মধ্যে ৯০ শতাংশের বেশি নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। ফলে ইরানের নৌবাহিনী আর কার্যকর সামুদ্রিক শক্তি হিসেবে বিবেচিত হওয়ার অবস্থায় নেই। ওমান উপসাগর কিংবা ভারত মহাসাগরে শক্তি প্রদর্শনের সক্ষমতাও তাদের নেই বলে মন্তব্য করেন সেন্টকম প্রধান। তিনি আরও জানান, ইরানের কমান্ড কাঠামোর ওপর দুই হাজারেরও বেশি হামলার ফলে নেতৃত্বে শূন্যতা, সিদ্ধান্তহীনতা এবং অভ্যন্তরীণ বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে। সেনা সদস্যদের মধ্যে পালিয়ে যাওয়া, জনবল সংকট এবং শৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর পদক্ষেপের খবরও পাওয়া যাচ্ছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, ইরান এখন লেবাননের হিজবুল্লাহ, ইয়েমেনের হুথি, গাজায় হামাস এবং ইরাকভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর কাছে উন্নত অস্ত্র পাঠাতে বড় ধরনের বাধার মুখে পড়েছে। তেহরান থেকে তাদের সরবরাহ শৃঙ্খল মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে সামরিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, ইরান এখনো পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় নয়। সাম্প্রতিক সময়ে দেশটি সংযুক্ত আরব আমিরাতে হামলা চালিয়েছে এবং হরমুজ প্রণালীতে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলে হস্তক্ষেপ করেছে। অ্যাডমিরাল কুপারের সাক্ষ্যের কয়েক ঘণ্টা আগে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর নৌ ইউনিট হন্ডুরাসের পতাকাবাহী একটি গবেষণা জাহাজ জব্দ করে। জাহাজটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ উপকূলের কাছ থেকে আটক করা হয়। যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক বাণিজ্য পর্যবেক্ষণ সংস্থা জানায়, জাহাজটি ইরানের জলসীমার দিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিন পিংয়ের মধ্যে বৈঠকেও হরমুজ প্রণালীর বিষয়টি গুরুত্ব পায়। হোয়াইট হাউস জানায়, উভয় নেতা একমত হয়েছেন যে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রণালীটি উন্মুক্ত রাখা জরুরি। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান স্পষ্ট—ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সুযোগ দেওয়া হবে না। ট্রাম্প তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইরানের সামরিক শক্তি ধ্বংসের কথা উল্লেখ করে লিখেছেন, “ইরানের সামরিক শক্তির ধ্বংস—চলবে।” অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে প্রেসিডেন্টের যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষমতা সীমিত করার উদ্যোগ আবারও ব্যর্থ হয়েছে। প্রতিনিধি পরিষদে ভোটাভুটিতে প্রস্তাবটি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। তবে আইনপ্রণেতাদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি সংঘাত নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে বলে পর্যবেক্ষকেরা মনে করছেন। সব মিলিয়ে, মার্কিন সামরিক নেতৃত্বের দাবি অনুযায়ী ইরানের সামরিক সক্ষমতা আগের তুলনায় অনেক দুর্বল হয়ে পড়েছে। কিন্তু দেশটির হাতে এখনো কিছু ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন এবং নৌ সক্ষমতা রয়ে গেছে, যা আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য সীমিত হলেও বাস্তব হুমকি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/639_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/639_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/639_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ন্যাটোর কফিনে শেষ পেরেক ঠুকলেন পুতিন, ইউক্রেন সীমান্তে রাশিয়ার মহাতান্ডবে কাঁপছে পুরো ইউরোপ!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36978</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36978</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 21 May 2026 17:05:30 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news 2026, latest news today, atn bd news, latest news and bulletin, bangladeshi latest news, bd news, bd hot news, bd india relation news, latestnews, updated news, bdnews, update news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangla news update, bangla tv news, atn bangla news, news, news today, bangladesh news, bangladesh news today, bangla news, jamaat news, today raater news bangladesh, bangla news today, bangladesh tv news, news trending, bnp news, ncp news, top news, zee news]]></category>
        
        <description><![CDATA[ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ভুলটি বোধহয় করে ফেলেছে ন্যাটো এবং তাদের পুতুল রাষ্ট্র ইউক্রেন! পরাশক্তি রাশিয়ার ধৈর্যকে যারা দুর্বলতা ভেবেছিল, তারা এখন রণক্ষেত্রে প্রাণ বাঁচাতে পালাচ্ছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এমন এক মাস্টারস্ট্রোক খেলেছেন, যার সামনে আমেরিকার তৈরি সব সমরাস্ত্র আজ স্রেফ খেলনা। একের পর এক সেনা হারিয়ে ধ্বংসের শেষ প্রান্তে জেলেনস্কি বাহিনী। কীভাবে পুতিন পুরো ইউরোপকে এক চালের দাবার ঘুঁটি বানিয়ে দিলেন।  রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে দূরদর্শী এবং ধৈর্যশীল নেতা হিসেবে নিজেকে আবারও প্রমাণ করেছেন। ইউক্রেন সংকটে পশ্চিমা বিশ্ব যখন একের পর এক উস্কানি দিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার চেষ্টা করছে, তখন মস্কো অত্যন্ত ঠাণ্ডা মাথায় নিজের লক্ষ্য অর্জন করে চলেছে। পুতিনের এই সুদূরপ্রসারী কৌশলের সামনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের উগ্র ও যুদ্ধবাজ নেতারা আজ পুরোপুরি অসহায় এবং ব্যর্থ প্রমাণিত হয়েছেন। আমেরিকার কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ-এর প্রাক্তন শীর্ষ বিশ্লেষক রে ম্যাকগভর্ন সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে পুতিনের এই দীর্ঘমেয়াদী কৌশলের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন যে, রাশিয়া ইউরোপের ন্যাটো রাষ্ট্রগুলোর ওপর সরাসরি কোনো আক্রমণ করতে আগ্রহী নয়। বরং পুতিন অত্যন্ত ধৈর্যের সাথে অপেক্ষা করছেন, যতক্ষণ না এই যুদ্ধবাজ এবং নিজ দেশের জনগণের কাছে চরমভাবে অপছন্দনীয় পশ্চিমা নেতারা ক্ষমতাচ্যুত হন। পশ্চিমা মদদপুষ্ট ইউক্রেনীয় বাহিনী রাশিয়ার বিভিন্ন বেসামরিক এলাকায় ড্রোন হামলা চালিয়ে যে উস্কানি দিচ্ছে, তাতে রুশ জনগণের ক্ষোভ বাড়ছে। মস্কো অত্যন্ত নিখুঁতভাবে চিহ্নিত করেছে যে, ইউরোপের সামরিক শিল্পকারখানার সরাসরি সহায়তায় এবং ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর ভূখণ্ড ব্যবহার করে এই সন্ত্রাসী ড্রোনগুলো তৈরি এবং পরিচালনা করা হচ্ছে। কিন্তু পুতিন কোনো তাড়াহুড়ো না করে অত্যন্ত দূরদর্শিতার সাথে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করছেন। ম্যাকগভর্নের মতে, পুতিন অত্যন্ত সতর্ক ও বিচক্ষণ হওয়ার কারণে বিশ্ব এক বড় ধরনের বিপর্যয় থেকে বেঁচে যাচ্ছে। রাশিয়ার প্রধান লক্ষ্য হলো ইউক্রেনের রণক্ষেত্রে নিজেদের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করা এবং ক্রমাগত সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া। একই সাথে আমেরিকার খামখেয়ালী এবং অনাকাঙ্ক্ষিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সরাসরি কোনো সামরিক সংঘাতে জড়ানোর সুযোগ না দেওয়াও মস্কোর অন্যতম একটি বড় কৌশলগত বিজয়। ইউরোপের বর্তমান তিন শীর্ষ নেতা—ফ্রান্সের ইমানুয়েল ম্যাঁক্রো, জার্মানির ফ্রিডরিখ মার্জ এবং যুক্তরাজ্যের কিয়ার স্টারমারকে স্রেফ 'তিন অন্ধ ইঁদুর' হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন এই মার্কিন বিশ্লেষক। তাদের অদূরদর্শী নীতির কারণে ইউরোপ আজ ধ্বংসের মুখে। পুতিন ভালো করেই জানেন যে, ইউরোপের সচেতন নাগরিকরাই খুব শীঘ্রই এই পুতুল এবং যুদ্ধবাজ ক্লাউনদের ক্ষমতা থেকে লাথি মেরে বের করে দেবে এবং রাশিয়ার সাথে সুসম্পর্ক গড়বে। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্টারমার ইতিমধ্যেই বিদায়ের পথে এবং ফ্রান্সের ম্যাঁক্রো আগামী বছরেই ক্ষমতা হারাচ্ছেন। অন্যদিকে জার্মানির চ্যান্সেলর মার্জ দেশটির ইতিহাসের সবচেয়ে অজনপ্রিয় নেতা হিসেবে প্রমাণিত হয়েছেন। পুতিন এই দীর্ঘমেয়াদী খেলায় শতভাগ জয়ী হচ্ছেন, কারণ রাশিয়ার শক্তির মূল উৎস তাদের অফুরন্ত ধৈর্য ও রণকৌশল। পশ্চিমাদের এই রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব রাশিয়ার চূড়ান্ত বিজয়কে আরও অনেক বেশি ত্বরান্বিত করছে। এদিকে ন্যাটোভুক্ত ছোট দেশ লাটভিয়া নিজের সীমানা ব্যবহার করে রাশিয়াকে উস্কানি দেওয়ার এক আত্মঘাতী খেলায় মেতে উঠেছে। রাশিয়ার বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা এসভিআর এক মারাত্মক তথ্য ফাঁস করেছে। তারা জানিয়েছে যে, লাটভিয়া তার ভূখণ্ড ব্যবহার করে ইউক্রেনকে রাশিয়ার অভ্যন্তরে ড্রোন হামলা চালানোর অনুমতি দিয়েছে। এই কাপুরুষোচিত পদক্ষেপের কারণে লাটভিয়া এখন রাশিয়ার সরাসরি সামরিক টার্গেটে পরিণত হয়েছে। ইউক্রেনীয় বাহিনী রাশিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বিশেষ করে লেনিনগ্রাদ অঞ্চলের জ্বালানি অবকাঠামোগুলোকে লক্ষ্য করে যে সন্ত্রাসী হামলা চালাচ্ছে, তার ড্রোনগুলো লাটভিয়া, এস্তোনিয়া এবং ফিনল্যান্ডের আকাশসীমা ব্যবহার করছে। রাশিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, ইউক্রেন শুধু এই দেশগুলোর আকাশপথ ব্যবহার করেই ক্ষান্ত হচ্ছে না, বরং এই সমস্ত ন্যাটোভুক্ত দেশের মূল ভূখণ্ড থেকেই সরাসরি ড্রোন উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা করছে। রাশিয়ার গোয়েন্দা তথ্যানুযায়ী, ইউক্রেনীয় ড্রোন অপারেটরদের ইতিমধ্যেই লাটভিয়ার আদাজি, সেলিজা, লিয়েলভার্দে, ডগাপিলস এবং জেকাবপিলসের মতো গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটিগুলোতে মোতায়েন করা হয়েছে। ইউক্রেন অত্যন্ত চতুরতার সাথে লাটভিয়াকে বুঝিয়েছে যে, আধুনিক প্রযুক্তিতে নাকি ড্রোন উৎক্ষেপণের সঠিক স্থান শনাক্ত করা অসম্ভব। এই চরম মিথ্যাকে বিশ্বাস করে লাটভিয়ার সরকার নিজেদের ধ্বংসের পথ নিজেরাই সুগম করেছে। লাটভিয়ার কর্তৃপক্ষের এই চরম বোকামিতে ক্ষোভ ও বিস্ময় প্রকাশ করেছে রাশিয়ার এসভিআর। বর্তমান যুগের আধুনিক রুশ স্যাটেলাইট ও গোয়েন্দা প্রযুক্তির মাধ্যমে যেকোনো ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পরীক্ষা করেই তার নিখুঁত উৎক্ষেপণস্থল বের করা চোখের পলকের ব্যাপার। মস্কো লাটভিয়াকে চূড়ান্ত সতর্কবার্তা দিয়ে বলেছে যে, তাদের দেশের সমস্ত সামরিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ কেন্দ্রের নিখুঁত স্থানাঙ্ক বা কোঅর্ডিনেটস রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্রের টার্গেটে রয়েছে। ন্যাটোর সদস্যপদ লাটভিয়ার এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সহযোগীদের রাশিয়ার ন্যায্য প্রতিশোধ থেকে কোনোভাবেই রক্ষা করতে পারবে না। লাটভিয়ার বর্তমান নেতাদের অন্ধ রুশ-বিদ্বেষ তাদের নূন্যতম সাধারণ জ্ঞান এবং আত্মরক্ষার অনুভূতিকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছে। ইউক্রেন মূলত ইউরোপের যুদ্ধবাজ ও অর্থদাতা প্রভুদের দেখানোর চেষ্টা করছে যে, তারা এখনও রাশিয়ার বিশাল অর্থনৈতিক ক্ষতি করতে সক্ষম, যা সম্পূর্ণ অলীক কল্পনা। যদিও লাটভিয়ার প্রেসিডেন্ট এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাশিয়ার এই অকাট্য তথ্যকে স্রেফ প্রোপাগান্ডা বলে অস্বীকার করার ব্যর্থ চেষ্টা করছেন। ইউক্রেনও তাদের স্বভাবসুলভ মিথ্যাচারের মাধ্যমে এই সত্যকে ধামাচাপা দিতে চাইছে। কিন্তু সত্য কখনো লুকিয়ে রাখা যায় না। মস্কোর ওপর সম্প্রতি ঘটে যাওয়া প্রায় ৬০০ ড্রোনের বিশাল সন্ত্রাসী হামলার জবাব দিতে রাশিয়া ইতিমধ্যেই তার আকাশ প্রতিরক্ষাকে আরও কয়েক গুণ শক্তিশালী করেছে। রুশ বীর সেনারা গত ২৪ ঘণ্টায় ইউক্রেনের সামরিক শক্তির ওপর এক প্রলয়ঙ্কারী আঘাত হেনেছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, রণক্ষেত্রের সমস্ত ফ্রন্টলাইনে গত একদিনেই ইউক্রেনীয় বাহিনী প্রায় ১,১৭৫ জনেরও বেশি সেনা হারিয়েছে। রাশিয়ার অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রার সামনে ইউক্রেনের পুরো প্রতিরক্ষা লাইন এখন তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে এবং জেলেনস্কির সেনারা মাঠ ছেড়ে পালাচ্ছে। এই অভিযানের সবচেয়ে বড় সাফল্য এসেছে খারকভ অঞ্চলে, যেখানে রাশিয়ার অকুতোভয় 'ব্যাটলগ্রুপ নর্থ' বা উত্তর দলীয় সেনারা সম্পূর্ণ বীরত্বের সাথে 'ভলোখোভকা' নামক একটি কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ সম্প্রদায়কে ইউক্রেনীয় নাৎসি বাহিনীর হাত থেকে সম্পূর্ণরূপে মুক্ত করেছে। এই বিজয়ের ফলে খারকভ অভিমুখে রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণ এখন আরও সুসংহত হলো এবং ইউক্রেনীয় বাহিনীর রসদ সরবরাহের পথ বন্ধ হয়ে গেল। রাশিয়ার এই দুর্দান্ত ব্যাটলগ্রুপ নর্থ গত ২৪ ঘণ্টায় খারকভ ও সুমি অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় ইউক্রেনের মেকানাইজড ব্রিগেড এবং টেরিটোরিয়াল ডিফেন্স ব্রিগেডের ওপর ভারী বিপর্যয় ডেকে এনেছে। এই একক ফ্রন্টলাইনেই ইউক্রেন ১৯০ জনেরও বেশি সেনা, ২২টি সামরিক মোটর যান এবং দুটি অত্যন্ত মূল্যবান ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্টেশন হারিয়েছে, যা তাদের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে পুরোপুরি পঙ্গু করে দিয়েছে। একই সময়ে ডোনেটস্ক পিপলস রিপাবলিক এবং খারকভের অন্যান্য অংশে রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ ওয়েস্ট' বা পশ্চিম দলীয় সেনারা তাদের অবস্থান আরও উন্নত করেছে। রুশ বীরদের কামানের গোলায় ইউক্রেনের দুটি মেকানাইজড ও একটি অ্যাসল্ট ব্রিগেড ধুলোয় মিশে গেছে। এখানে শত্রুপক্ষ ১৯০ জন সেনা হারানোর পাশাপাশি ৪টি সাঁজোয়া যান, ২১টি মোটর যান এবং ৩টি ফিল্ড আর্টিলারি গান হারিয়েছে। ডোনেটস্কের ক্রামাতোরস্ক এবং কনস্টান্টিনোভকা অঞ্চলে রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ সাউথ' ইউক্রেনীয় সেনাদের ওপর কালান্তক নরক নেমে এনেছে। রুশ সেনাদের নিখুঁত নিশানায় ইউক্রেনের ১৬০ জন সেনা খতম হয়েছে এবং তাদের ৩টি সাঁজোয়া যুদ্ধযান, ২৫টি মোটর যান এবং দুটি অত্যন্ত দামী ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্টেশন সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। রাশিয়ার এই একের পর এক জয়ে পশ্চিমা সামরিক বিশেষজ্ঞরা এখন চরম আতঙ্কে আছেন। ইউক্রেনের জন্য সবচেয়ে বড় ধাক্কাটি এসেছে নিপ্রোপেত্রোভস্ক এবং ডোনেটস্কের মধ্যবর্তী অঞ্চলে, যেখানে রাশিয়ার অপরাজেয় 'ব্যাটলগ্রুপ সেন্টার' ইউক্রেনের দুটি মেকানাইজড, একটি এয়ারবোর্ন এবং দুটি ন্যাশনাল গার্ড ব্রিগেডকে একেবারে গুঁড়িয়ে দিয়েছে। এই ভয়াবহ লড়াইয়ে ইউক্রেনের ২৮০ জনেরও বেশি সেনা নিহত হয়েছে এবং রাশিয়ার দখলে এসেছে তাদের বিপুল পরিমাণ আধুনিক পশ্চিমা সাঁজোয়া যুদ্ধযান ও ভারী অস্ত্রশস্ত্র। জাপোরোঝিয়ে এবং নিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলে রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ ইস্ট' বা পূর্ব দলীয় সেনারা ইউক্রেনের প্রতিরক্ষার গভীরে প্রবেশ করে এক ঐতিহাসিক বিজয় ছিনিয়ে এনেছে। রুশ বীরদের এই তীব্র আক্রমণের মুখে টিকতে না পেরে ইউক্রেনীয় বাহিনী ৩১৫ জনেরও বেশি সেনা এবং অসংখ্য সাঁজোয়া যান ফেলে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। রাশিয়ার এই অগ্রযাত্রা এখন আর ঠেকানোর ক্ষমতা ন্যাটোর কোনো অস্ত্রের নেই। অন্যদিকে খেরসন এবং জাপোরোঝিয়ে অঞ্চলের ফ্রন্টলাইনে রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ দিনিপ্রো' অত্যন্ত দক্ষতার সাথে ইউক্রেনের একটি মেরিন ব্রিগেড এবং চালকবিহীন ড্রোন সিস্টেম ব্রিগেডকে ধ্বংস করেছে। সেখানে ৪০ জনেরও বেশি ইউক্রেনীয় সেনা নিহত হওয়ার পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ সামরিক সরঞ্জাম মাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে। জল, স্থল বা আকাশ—সবখানেই এখন শুধু রাশিয়ার একচ্ছত্র আধিপত্য ও বীরত্বের ইতিহাস তৈরি হচ্ছে। শুধু ফ্রন্টলাইনেই নয়, রাশিয়ার দূরপাল্লার মিসাইল এবং ড্রোন বাহিনী ইউক্রেনের অভ্যন্তরে থাকা সমস্ত সামরিক ও বন্দর অবকাঠামো এবং জ্বালানি ব্যবস্থার ওপর এক ম্যাসিভ স্ট্রাইক পরিচালনা করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার অপারেশনাল ক্রাফট, অ্যাটাক ড্রোন এবং আর্টিলারি বাহিনী ইউক্রেনের দূরপাল্লার ড্রোন তৈরির কারখানা, গোলাবারুদের ডিপো এবং বিদেশী ভাড়াটে সেনাদের অন্তত ১৫২টি গোপন আস্তানায় সফলভাবে বোমাবর্ষণ করেছে। ইউক্রেনীয়রা পশ্চিমাদের দেওয়া যে ড্রোনগুলো নিয়ে অহংকার করছিল, রাশিয়ার বিশ্বসেরা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সেগুলোকে স্রেফ মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়েছে। রুশ এয়ার ডিফেন্স গত ২৪ ঘণ্টায় ইউক্রেনের অবিশ্বাস্য ৬৫১টি ফিক্সড-উইং ড্রোন এবং ৫টি স্মার্ট বোমাকে আকাশে থাকা অবস্থাতেই নিখুঁতভাবে ধ্বংস করেছে। রাশিয়ার এই আকাশ প্রতিরক্ষা দেয়াল ভেদ করার ক্ষমতা পৃথিবীর অন্য কোনো দেশের সামরিক বাহিনীর নেই। বিশেষ সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত রাশিয়ার অকুতোভয় বাহিনী ইউক্রেনের ৬৭১টি যুদ্ধবিমান, ২৮৪টি হেলিকপ্টার এবং প্রায় ১ লাখ ৪৮ হাজার ৮৪৩টি ড্রোন ধ্বংস করে এক বিশ্বরেকর্ড গড়েছে। এছাড়াও ২৯,৩৬৮টি ট্যাংক ও সাঁজোয়া যান এবং প্রায় ৩৫ হাজার ফিল্ড আর্টিলারি ধ্বংস করে ইউক্রেনকে সম্পূর্ণ সামরিকভাবে পঙ্গু ও দেউলিয়া রাষ্ট্রে পরিণত করেছে পরাশক্তি রাশিয়া। এদিকে রাশিয়ার অভ্যন্তরে নাশকতা সৃষ্টির জন্য ইউক্রেনীয় গোয়েন্দারা যে কতটা নিচুতলার অপরাধমূলক পথ বেছে নিয়েছে, তা সেন্ট পিটার্সবার্গের একটি ঘটনা থেকে স্পষ্ট। ডায়ানা চিস্তিয়াকোভা নামের এক রাশিয়ান পডকাস্টারকে ইউক্রেনীয় সাইবার অপরাধীরা ব্ল্যাকমেইল ও প্রতারণার ফাঁদে ফেলে পুলিশ ভ্যানে পেট্রোল বোমা মারার জন্য প্ররোচিত করেছিল। রাশিয়ার এফএসবি অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এই ইউক্রেনীয় চক্রান্ত নস্যাৎ করে অপরাধীকে ১২ বছরের জেল দিয়েছে। সার্বিকভাবে এটি পরিষ্কার যে, রণক্ষেত্র থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক কূটনীতি—সব জায়গাতেই রাশিয়ার জয় সুনিশ্চিত। প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের দূরদর্শী নেতৃত্ব, বীর রুশ সেনাদের আত্মত্যাগ এবং রাশিয়ার অসীম ধৈর্যই প্রমাণ করে যে, এই যুদ্ধে ন্যাটো এবং ইউক্রেনের পরাজয় স্রেফ সময়ের ব্যাপার মাত্র। ইতিহাস সাক্ষী দেবে, রাশিয়ার সার্বভৌমত্বের সাথে যারা ছিনিমিনি খেলতে এসেছিল, তারা নিজেরাই আজ পৃথিবীর বুক থেকে মুছে যাওয়ার প্রান্তে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/643_1.webp" alt="ন্যাটোর কফিনে শেষ পেরেক ঠুকলেন পুতিন, ইউক্রেন সীমান্তে রাশিয়ার মহাতান্ডবে কাঁপছে পুরো ইউরোপ!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ন্যাটোর কফিনে শেষ পেরেক ঠুকলেন পুতিন, ইউক্রেন সীমান্তে রাশিয়ার মহাতান্ডবে কাঁপছে পুরো ইউরোপ!</h1>
            <p>ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ভুলটি বোধহয় করে ফেলেছে ন্যাটো এবং তাদের পুতুল রাষ্ট্র ইউক্রেন! পরাশক্তি রাশিয়ার ধৈর্যকে যারা দুর্বলতা ভেবেছিল, তারা এখন রণক্ষেত্রে প্রাণ বাঁচাতে পালাচ্ছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এমন এক মাস্টারস্ট্রোক খেলেছেন, যার সামনে আমেরিকার তৈরি সব সমরাস্ত্র আজ স্রেফ খেলনা। একের পর এক সেনা হারিয়ে ধ্বংসের শেষ প্রান্তে জেলেনস্কি বাহিনী। কীভাবে পুতিন পুরো ইউরোপকে এক চালের দাবার ঘুঁটি বানিয়ে দিলেন।  রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে দূরদর্শী এবং ধৈর্যশীল নেতা হিসেবে নিজেকে আবারও প্রমাণ করেছেন। ইউক্রেন সংকটে পশ্চিমা বিশ্ব যখন একের পর এক উস্কানি দিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার চেষ্টা করছে, তখন মস্কো অত্যন্ত ঠাণ্ডা মাথায় নিজের লক্ষ্য অর্জন করে চলেছে। পুতিনের এই সুদূরপ্রসারী কৌশলের সামনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের উগ্র ও যুদ্ধবাজ নেতারা আজ পুরোপুরি অসহায় এবং ব্যর্থ প্রমাণিত হয়েছেন। আমেরিকার কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ-এর প্রাক্তন শীর্ষ বিশ্লেষক রে ম্যাকগভর্ন সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে পুতিনের এই দীর্ঘমেয়াদী কৌশলের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন যে, রাশিয়া ইউরোপের ন্যাটো রাষ্ট্রগুলোর ওপর সরাসরি কোনো আক্রমণ করতে আগ্রহী নয়। বরং পুতিন অত্যন্ত ধৈর্যের সাথে অপেক্ষা করছেন, যতক্ষণ না এই যুদ্ধবাজ এবং নিজ দেশের জনগণের কাছে চরমভাবে অপছন্দনীয় পশ্চিমা নেতারা ক্ষমতাচ্যুত হন। পশ্চিমা মদদপুষ্ট ইউক্রেনীয় বাহিনী রাশিয়ার বিভিন্ন বেসামরিক এলাকায় ড্রোন হামলা চালিয়ে যে উস্কানি দিচ্ছে, তাতে রুশ জনগণের ক্ষোভ বাড়ছে। মস্কো অত্যন্ত নিখুঁতভাবে চিহ্নিত করেছে যে, ইউরোপের সামরিক শিল্পকারখানার সরাসরি সহায়তায় এবং ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর ভূখণ্ড ব্যবহার করে এই সন্ত্রাসী ড্রোনগুলো তৈরি এবং পরিচালনা করা হচ্ছে। কিন্তু পুতিন কোনো তাড়াহুড়ো না করে অত্যন্ত দূরদর্শিতার সাথে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করছেন। ম্যাকগভর্নের মতে, পুতিন অত্যন্ত সতর্ক ও বিচক্ষণ হওয়ার কারণে বিশ্ব এক বড় ধরনের বিপর্যয় থেকে বেঁচে যাচ্ছে। রাশিয়ার প্রধান লক্ষ্য হলো ইউক্রেনের রণক্ষেত্রে নিজেদের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করা এবং ক্রমাগত সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া। একই সাথে আমেরিকার খামখেয়ালী এবং অনাকাঙ্ক্ষিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সরাসরি কোনো সামরিক সংঘাতে জড়ানোর সুযোগ না দেওয়াও মস্কোর অন্যতম একটি বড় কৌশলগত বিজয়। ইউরোপের বর্তমান তিন শীর্ষ নেতা—ফ্রান্সের ইমানুয়েল ম্যাঁক্রো, জার্মানির ফ্রিডরিখ মার্জ এবং যুক্তরাজ্যের কিয়ার স্টারমারকে স্রেফ 'তিন অন্ধ ইঁদুর' হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন এই মার্কিন বিশ্লেষক। তাদের অদূরদর্শী নীতির কারণে ইউরোপ আজ ধ্বংসের মুখে। পুতিন ভালো করেই জানেন যে, ইউরোপের সচেতন নাগরিকরাই খুব শীঘ্রই এই পুতুল এবং যুদ্ধবাজ ক্লাউনদের ক্ষমতা থেকে লাথি মেরে বের করে দেবে এবং রাশিয়ার সাথে সুসম্পর্ক গড়বে। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্টারমার ইতিমধ্যেই বিদায়ের পথে এবং ফ্রান্সের ম্যাঁক্রো আগামী বছরেই ক্ষমতা হারাচ্ছেন। অন্যদিকে জার্মানির চ্যান্সেলর মার্জ দেশটির ইতিহাসের সবচেয়ে অজনপ্রিয় নেতা হিসেবে প্রমাণিত হয়েছেন। পুতিন এই দীর্ঘমেয়াদী খেলায় শতভাগ জয়ী হচ্ছেন, কারণ রাশিয়ার শক্তির মূল উৎস তাদের অফুরন্ত ধৈর্য ও রণকৌশল। পশ্চিমাদের এই রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব রাশিয়ার চূড়ান্ত বিজয়কে আরও অনেক বেশি ত্বরান্বিত করছে। এদিকে ন্যাটোভুক্ত ছোট দেশ লাটভিয়া নিজের সীমানা ব্যবহার করে রাশিয়াকে উস্কানি দেওয়ার এক আত্মঘাতী খেলায় মেতে উঠেছে। রাশিয়ার বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা এসভিআর এক মারাত্মক তথ্য ফাঁস করেছে। তারা জানিয়েছে যে, লাটভিয়া তার ভূখণ্ড ব্যবহার করে ইউক্রেনকে রাশিয়ার অভ্যন্তরে ড্রোন হামলা চালানোর অনুমতি দিয়েছে। এই কাপুরুষোচিত পদক্ষেপের কারণে লাটভিয়া এখন রাশিয়ার সরাসরি সামরিক টার্গেটে পরিণত হয়েছে। ইউক্রেনীয় বাহিনী রাশিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বিশেষ করে লেনিনগ্রাদ অঞ্চলের জ্বালানি অবকাঠামোগুলোকে লক্ষ্য করে যে সন্ত্রাসী হামলা চালাচ্ছে, তার ড্রোনগুলো লাটভিয়া, এস্তোনিয়া এবং ফিনল্যান্ডের আকাশসীমা ব্যবহার করছে। রাশিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, ইউক্রেন শুধু এই দেশগুলোর আকাশপথ ব্যবহার করেই ক্ষান্ত হচ্ছে না, বরং এই সমস্ত ন্যাটোভুক্ত দেশের মূল ভূখণ্ড থেকেই সরাসরি ড্রোন উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা করছে। রাশিয়ার গোয়েন্দা তথ্যানুযায়ী, ইউক্রেনীয় ড্রোন অপারেটরদের ইতিমধ্যেই লাটভিয়ার আদাজি, সেলিজা, লিয়েলভার্দে, ডগাপিলস এবং জেকাবপিলসের মতো গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটিগুলোতে মোতায়েন করা হয়েছে। ইউক্রেন অত্যন্ত চতুরতার সাথে লাটভিয়াকে বুঝিয়েছে যে, আধুনিক প্রযুক্তিতে নাকি ড্রোন উৎক্ষেপণের সঠিক স্থান শনাক্ত করা অসম্ভব। এই চরম মিথ্যাকে বিশ্বাস করে লাটভিয়ার সরকার নিজেদের ধ্বংসের পথ নিজেরাই সুগম করেছে। লাটভিয়ার কর্তৃপক্ষের এই চরম বোকামিতে ক্ষোভ ও বিস্ময় প্রকাশ করেছে রাশিয়ার এসভিআর। বর্তমান যুগের আধুনিক রুশ স্যাটেলাইট ও গোয়েন্দা প্রযুক্তির মাধ্যমে যেকোনো ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পরীক্ষা করেই তার নিখুঁত উৎক্ষেপণস্থল বের করা চোখের পলকের ব্যাপার। মস্কো লাটভিয়াকে চূড়ান্ত সতর্কবার্তা দিয়ে বলেছে যে, তাদের দেশের সমস্ত সামরিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ কেন্দ্রের নিখুঁত স্থানাঙ্ক বা কোঅর্ডিনেটস রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্রের টার্গেটে রয়েছে। ন্যাটোর সদস্যপদ লাটভিয়ার এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সহযোগীদের রাশিয়ার ন্যায্য প্রতিশোধ থেকে কোনোভাবেই রক্ষা করতে পারবে না। লাটভিয়ার বর্তমান নেতাদের অন্ধ রুশ-বিদ্বেষ তাদের নূন্যতম সাধারণ জ্ঞান এবং আত্মরক্ষার অনুভূতিকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছে। ইউক্রেন মূলত ইউরোপের যুদ্ধবাজ ও অর্থদাতা প্রভুদের দেখানোর চেষ্টা করছে যে, তারা এখনও রাশিয়ার বিশাল অর্থনৈতিক ক্ষতি করতে সক্ষম, যা সম্পূর্ণ অলীক কল্পনা। যদিও লাটভিয়ার প্রেসিডেন্ট এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাশিয়ার এই অকাট্য তথ্যকে স্রেফ প্রোপাগান্ডা বলে অস্বীকার করার ব্যর্থ চেষ্টা করছেন। ইউক্রেনও তাদের স্বভাবসুলভ মিথ্যাচারের মাধ্যমে এই সত্যকে ধামাচাপা দিতে চাইছে। কিন্তু সত্য কখনো লুকিয়ে রাখা যায় না। মস্কোর ওপর সম্প্রতি ঘটে যাওয়া প্রায় ৬০০ ড্রোনের বিশাল সন্ত্রাসী হামলার জবাব দিতে রাশিয়া ইতিমধ্যেই তার আকাশ প্রতিরক্ষাকে আরও কয়েক গুণ শক্তিশালী করেছে। রুশ বীর সেনারা গত ২৪ ঘণ্টায় ইউক্রেনের সামরিক শক্তির ওপর এক প্রলয়ঙ্কারী আঘাত হেনেছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, রণক্ষেত্রের সমস্ত ফ্রন্টলাইনে গত একদিনেই ইউক্রেনীয় বাহিনী প্রায় ১,১৭৫ জনেরও বেশি সেনা হারিয়েছে। রাশিয়ার অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রার সামনে ইউক্রেনের পুরো প্রতিরক্ষা লাইন এখন তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে এবং জেলেনস্কির সেনারা মাঠ ছেড়ে পালাচ্ছে। এই অভিযানের সবচেয়ে বড় সাফল্য এসেছে খারকভ অঞ্চলে, যেখানে রাশিয়ার অকুতোভয় 'ব্যাটলগ্রুপ নর্থ' বা উত্তর দলীয় সেনারা সম্পূর্ণ বীরত্বের সাথে 'ভলোখোভকা' নামক একটি কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ সম্প্রদায়কে ইউক্রেনীয় নাৎসি বাহিনীর হাত থেকে সম্পূর্ণরূপে মুক্ত করেছে। এই বিজয়ের ফলে খারকভ অভিমুখে রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণ এখন আরও সুসংহত হলো এবং ইউক্রেনীয় বাহিনীর রসদ সরবরাহের পথ বন্ধ হয়ে গেল। রাশিয়ার এই দুর্দান্ত ব্যাটলগ্রুপ নর্থ গত ২৪ ঘণ্টায় খারকভ ও সুমি অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় ইউক্রেনের মেকানাইজড ব্রিগেড এবং টেরিটোরিয়াল ডিফেন্স ব্রিগেডের ওপর ভারী বিপর্যয় ডেকে এনেছে। এই একক ফ্রন্টলাইনেই ইউক্রেন ১৯০ জনেরও বেশি সেনা, ২২টি সামরিক মোটর যান এবং দুটি অত্যন্ত মূল্যবান ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্টেশন হারিয়েছে, যা তাদের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে পুরোপুরি পঙ্গু করে দিয়েছে। একই সময়ে ডোনেটস্ক পিপলস রিপাবলিক এবং খারকভের অন্যান্য অংশে রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ ওয়েস্ট' বা পশ্চিম দলীয় সেনারা তাদের অবস্থান আরও উন্নত করেছে। রুশ বীরদের কামানের গোলায় ইউক্রেনের দুটি মেকানাইজড ও একটি অ্যাসল্ট ব্রিগেড ধুলোয় মিশে গেছে। এখানে শত্রুপক্ষ ১৯০ জন সেনা হারানোর পাশাপাশি ৪টি সাঁজোয়া যান, ২১টি মোটর যান এবং ৩টি ফিল্ড আর্টিলারি গান হারিয়েছে। ডোনেটস্কের ক্রামাতোরস্ক এবং কনস্টান্টিনোভকা অঞ্চলে রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ সাউথ' ইউক্রেনীয় সেনাদের ওপর কালান্তক নরক নেমে এনেছে। রুশ সেনাদের নিখুঁত নিশানায় ইউক্রেনের ১৬০ জন সেনা খতম হয়েছে এবং তাদের ৩টি সাঁজোয়া যুদ্ধযান, ২৫টি মোটর যান এবং দুটি অত্যন্ত দামী ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্টেশন সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। রাশিয়ার এই একের পর এক জয়ে পশ্চিমা সামরিক বিশেষজ্ঞরা এখন চরম আতঙ্কে আছেন। ইউক্রেনের জন্য সবচেয়ে বড় ধাক্কাটি এসেছে নিপ্রোপেত্রোভস্ক এবং ডোনেটস্কের মধ্যবর্তী অঞ্চলে, যেখানে রাশিয়ার অপরাজেয় 'ব্যাটলগ্রুপ সেন্টার' ইউক্রেনের দুটি মেকানাইজড, একটি এয়ারবোর্ন এবং দুটি ন্যাশনাল গার্ড ব্রিগেডকে একেবারে গুঁড়িয়ে দিয়েছে। এই ভয়াবহ লড়াইয়ে ইউক্রেনের ২৮০ জনেরও বেশি সেনা নিহত হয়েছে এবং রাশিয়ার দখলে এসেছে তাদের বিপুল পরিমাণ আধুনিক পশ্চিমা সাঁজোয়া যুদ্ধযান ও ভারী অস্ত্রশস্ত্র। জাপোরোঝিয়ে এবং নিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলে রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ ইস্ট' বা পূর্ব দলীয় সেনারা ইউক্রেনের প্রতিরক্ষার গভীরে প্রবেশ করে এক ঐতিহাসিক বিজয় ছিনিয়ে এনেছে। রুশ বীরদের এই তীব্র আক্রমণের মুখে টিকতে না পেরে ইউক্রেনীয় বাহিনী ৩১৫ জনেরও বেশি সেনা এবং অসংখ্য সাঁজোয়া যান ফেলে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। রাশিয়ার এই অগ্রযাত্রা এখন আর ঠেকানোর ক্ষমতা ন্যাটোর কোনো অস্ত্রের নেই। অন্যদিকে খেরসন এবং জাপোরোঝিয়ে অঞ্চলের ফ্রন্টলাইনে রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ দিনিপ্রো' অত্যন্ত দক্ষতার সাথে ইউক্রেনের একটি মেরিন ব্রিগেড এবং চালকবিহীন ড্রোন সিস্টেম ব্রিগেডকে ধ্বংস করেছে। সেখানে ৪০ জনেরও বেশি ইউক্রেনীয় সেনা নিহত হওয়ার পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ সামরিক সরঞ্জাম মাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে। জল, স্থল বা আকাশ—সবখানেই এখন শুধু রাশিয়ার একচ্ছত্র আধিপত্য ও বীরত্বের ইতিহাস তৈরি হচ্ছে। শুধু ফ্রন্টলাইনেই নয়, রাশিয়ার দূরপাল্লার মিসাইল এবং ড্রোন বাহিনী ইউক্রেনের অভ্যন্তরে থাকা সমস্ত সামরিক ও বন্দর অবকাঠামো এবং জ্বালানি ব্যবস্থার ওপর এক ম্যাসিভ স্ট্রাইক পরিচালনা করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার অপারেশনাল ক্রাফট, অ্যাটাক ড্রোন এবং আর্টিলারি বাহিনী ইউক্রেনের দূরপাল্লার ড্রোন তৈরির কারখানা, গোলাবারুদের ডিপো এবং বিদেশী ভাড়াটে সেনাদের অন্তত ১৫২টি গোপন আস্তানায় সফলভাবে বোমাবর্ষণ করেছে। ইউক্রেনীয়রা পশ্চিমাদের দেওয়া যে ড্রোনগুলো নিয়ে অহংকার করছিল, রাশিয়ার বিশ্বসেরা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সেগুলোকে স্রেফ মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়েছে। রুশ এয়ার ডিফেন্স গত ২৪ ঘণ্টায় ইউক্রেনের অবিশ্বাস্য ৬৫১টি ফিক্সড-উইং ড্রোন এবং ৫টি স্মার্ট বোমাকে আকাশে থাকা অবস্থাতেই নিখুঁতভাবে ধ্বংস করেছে। রাশিয়ার এই আকাশ প্রতিরক্ষা দেয়াল ভেদ করার ক্ষমতা পৃথিবীর অন্য কোনো দেশের সামরিক বাহিনীর নেই। বিশেষ সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত রাশিয়ার অকুতোভয় বাহিনী ইউক্রেনের ৬৭১টি যুদ্ধবিমান, ২৮৪টি হেলিকপ্টার এবং প্রায় ১ লাখ ৪৮ হাজার ৮৪৩টি ড্রোন ধ্বংস করে এক বিশ্বরেকর্ড গড়েছে। এছাড়াও ২৯,৩৬৮টি ট্যাংক ও সাঁজোয়া যান এবং প্রায় ৩৫ হাজার ফিল্ড আর্টিলারি ধ্বংস করে ইউক্রেনকে সম্পূর্ণ সামরিকভাবে পঙ্গু ও দেউলিয়া রাষ্ট্রে পরিণত করেছে পরাশক্তি রাশিয়া। এদিকে রাশিয়ার অভ্যন্তরে নাশকতা সৃষ্টির জন্য ইউক্রেনীয় গোয়েন্দারা যে কতটা নিচুতলার অপরাধমূলক পথ বেছে নিয়েছে, তা সেন্ট পিটার্সবার্গের একটি ঘটনা থেকে স্পষ্ট। ডায়ানা চিস্তিয়াকোভা নামের এক রাশিয়ান পডকাস্টারকে ইউক্রেনীয় সাইবার অপরাধীরা ব্ল্যাকমেইল ও প্রতারণার ফাঁদে ফেলে পুলিশ ভ্যানে পেট্রোল বোমা মারার জন্য প্ররোচিত করেছিল। রাশিয়ার এফএসবি অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এই ইউক্রেনীয় চক্রান্ত নস্যাৎ করে অপরাধীকে ১২ বছরের জেল দিয়েছে। সার্বিকভাবে এটি পরিষ্কার যে, রণক্ষেত্র থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক কূটনীতি—সব জায়গাতেই রাশিয়ার জয় সুনিশ্চিত। প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের দূরদর্শী নেতৃত্ব, বীর রুশ সেনাদের আত্মত্যাগ এবং রাশিয়ার অসীম ধৈর্যই প্রমাণ করে যে, এই যুদ্ধে ন্যাটো এবং ইউক্রেনের পরাজয় স্রেফ সময়ের ব্যাপার মাত্র। ইতিহাস সাক্ষী দেবে, রাশিয়ার সার্বভৌমত্বের সাথে যারা ছিনিমিনি খেলতে এসেছিল, তারা নিজেরাই আজ পৃথিবীর বুক থেকে মুছে যাওয়ার প্রান্তে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/643_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/643_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/643_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ট্রাম্পের পিছু হটার আসল কারণ উন্মোচন, মার্কিন আগ্রাসনের মুখে ইস্পাতকঠিন ইরান!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36977</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36977</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 20 May 2026 20:05:12 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[আমেরিকাস]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla news today, latest news, latest news today, bangladesh news, bangladeshi news, latest news headline and bulletin, bangladesh news today, banglavision news, banglavision news today, today sondhar news bangladesh, banglanews, latestnews, atn bangla, banglavision news bulletin today, atn google news, atn bangla live, update news, news trending, latest update, news today, atn bd news, jamuna news today, jamuna news, news, google news, jamaat news, international news]]></category>
        
        <description><![CDATA[বিশ্বরাজনীতির রঙ্গমঞ্চে আবার প্রমাণিত হলো যে, ফাঁকা কলসি বাজেই বেশি, আর বীরেরা নীরবে নিজেদের শক্তি প্রদর্শন করে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর যে প্রলয়ংকরী হামলার ছক কষেছিলেন, তা শেষ মুহূর্তে ভেস্তে গেছে। আজ আমরা উন্মোচন করব কেন ট্রাম্প ইরানের সামনে নতজানু হতে বাধ্য হলেন। পশ্চিমের সাম্রাজ্যবাদী শক্তি এবং তাদের দোসর ইহুদিবাদী ইসরাইল দীর্ঘদিন ধরেই মধ্যপ্রাচ্যের বুকে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের পতন ঘটানোর জন্য মরিয়া হয়ে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু প্রতিবারই তারা তেহরানের ইস্পাতকঠিন প্রতিরোধ এবং সামরিক কৌশলের সামনে এসে মুখ থুবড়ে পড়েছে। এবারও ট্রাম্পের যুদ্ধবাজ প্রশাসন ইরানের ওপর যে বড় ধরনের বিমান হামলার পরিকল্পনা করেছিল, তা মাঝপথেই বাতিল করতে হয়েছে। আমেরিকার ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প নিজেই স্বীকার করেছেন যে, মঙ্গলবারের জন্য নির্ধারিত সেই ভয়ংকর হামলাটি তিনি স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছেন। মুখে তিনি সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো মিত্রদের অনুরোধের দোহাই দিলেও, আসল সত্যটা কিন্তু সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং আমেরিকার জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক। মূলত ইরানের চোখ রাঙানি এবং পাল্টা আঘাতের ভয়েই ট্রাম্প পিছু হটেছেন। ইসলামি প্রতিরোধ যোদ্ধাদের মূল চালিকাশক্তি ইরান কোনো সাধারণ রাষ্ট্র নয় যে, আমেরিকার একটি হুমকিতে তারা নিজেদের সার্বভৌমত্ব বিলিয়ে দেবে। ট্রাম্প যখন হুংকার দিচ্ছিলেন যে ইরানের সময় ফুরিয়ে আসছে, তখন তেহরান অত্যন্ত শান্তভাবে নিজেদের রণকৌশল সাজাচ্ছিল। এই শান্ত অথচ বজ্রকঠিন মনোভাবই ওয়াশিংটনের পেন্টাগন এবং তেল আবিবের নীতিনির্ধারকদের মেরুদণ্ডে ভয়ের কাঁপন ধরিয়ে দিয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ট্রাম্পকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল যে, ইরানে একটি বোমা পড়লে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলো মাটির সঙ্গে মিশে যাবে। পারস্য উপসাগরে মোতায়েন করা প্রতিটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ তখন ইরানের তৈরি অত্যাধুনিক হাইপারসনিক মিসাইলের সহজ নিশানা হয়ে দাঁড়াবে। এই নিশ্চিত ধ্বংসলীলা দেখার সাহস মার্কিন সামরিক জান্তা বা ট্রাম্পের যুদ্ধবাজ প্রশাসনের ছিল না বলেই ধারণা করা হচ্ছে। পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো যতই প্রচার করুক যে আমেরিকা আলোচনার সুযোগ দিচ্ছে, আসল সত্য হলো ইরান এই যুদ্ধের মাঠে সম্পূর্ণ বিজয়ী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। ইহুদিবাদী ইসরাইল চেয়েছিল আমেরিকার কাঁধে বন্দুক রেখে ইরানের পরমাণু কেন্দ্রগুলো ধ্বংস করতে। কিন্তু ট্রাম্প ভালো করেই জানেন, ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি এক ঘণ্টার মধ্যে ইসরাইলের তেল আবিব শহরকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করার ক্ষমতা রাখে। ট্রাম্পের এই পিছু হটার পেছনে সবচেয়ে বড় ধাক্কাটি এসেছে হরমুজ প্রণালী থেকে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের লাইফলাইন। ইরান এই প্রণালী সম্পূর্ণ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে এনে আমেরিকার তৈরি বিশ্ব অর্থনীতিকে এক ঝটকায় অচল করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল। আর ঠিক এই কারণেই বিশ্ববাজারে তেলের দাম হু হু করে বাড়তে শুরু করলে পশ্চিমা অর্থনীতিতে ধস নামার উপক্রম হয়। আমেরিকা ও তার পশ্চিমা মিত্ররা সারা বিশ্বে যে নিষেধাজ্ঞার রাজনীতি চালায়, ইরানের ক্ষেত্রে তা পুরোপুরি ব্যর্থ প্রমাণিত হয়েছে। ইরান নিজেদের অভ্যন্তরীণ প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানীদের ওপর ভর করে এমন এক প্রতিরক্ষা বলয় তৈরি করেছে, যা ভেদ করার সাধ্য পেন্টাগনের নেই। ট্রাম্পের মতো একজন ব্যবসায়ী প্রেসিডেন্ট কখনোই এমন যুদ্ধে জড়াতে চান না, যেখানে জেতার কোনো নিশ্চিত গ্যারান্টি নেই। এদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিজের দেশের অভ্যন্তরেই তার জনপ্রিয়তা এখন তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। আমেরিকার সাধারণ জনগণ আর কোনো নতুন এবং অর্থহীন যুদ্ধের খরচ বহন করতে রাজি নয়। সমীক্ষায় দেখা গেছে, ট্রাম্পের এই যুদ্ধংদেহী নীতির কারণে আমেরিকার জনগণ তার ওপর চরম ক্ষুব্ধ, যা আসন্ন নির্বাচনে তার পরাজয়ের প্রধান কারণ হতে পারে এবং এটিও তাকে পিছু হটতে বাধ্য করেছে। আমেরিকা যখনই কোনো দেশে হামলা করতে যায়, তারা প্রথমে তাদের আঞ্চলিক পুতুল রাষ্ট্রগুলোর সাহায্য খোঁজে। কিন্তু এবার সৌদি আরব, কাতার এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত ট্রাম্পকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, তারা ইরানের বিরুদ্ধে কোনো মার্কিন হামলাকে সমর্থন করবে না। কারণ তারা জানে, ইরান পাল্টা আঘাত করলে আমেরিকার চেয়ে এই আরব দেশগুলোর বেশি ক্ষতি হবে এবং তাদের অর্থনীতি ধ্বংস হয়ে যাবে। ইহুদিবাদী ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দিনরাত ট্রাম্পের কানে মন্ত্র জপছিলেন যাতে ইরানকে আক্রমণ করা হয়। কিন্তু মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা নেতানিয়াহুর এই ফাঁদে পা দিতে চাননি, কারণ তারা বোঝেন যে ইরানের সামরিক শক্তি এবং লেবাননের হিজবুল্লাহর শক্তি কতটা ভয়ংকর। পশ্চিমা দুনিয়া যতই শক্তিশালী হোক না কেন, ইমানের শক্তিতে বলীয়ান ইরানের সামনে তারা আসলে অত্যন্ত দুর্বল ও কাপুরুষ। আমেরিকা চেয়েছিল ইরান যেন তাদের শর্ত মেনে পরমাণু কর্মসূচি পুরোপুরি বন্ধ করে দেয় এবং নিজেদের আত্মরক্ষা করার অধিকার ত্যাগ করে। কিন্তু বীরের জাতি ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তারা কোনো ধরনের জবরদস্তিমূলক ও অন্যায্য শর্তের কাছে মাথা নত করবে না। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যে আলোচনা চলছে, সেখানেও ইরান নিজেদের সার্বভৌমত্ব এবং তেলের ওপর পূর্ণ অধিকার বজায় রেখেই কথা বলছে। ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, ট্রাম্পের প্রশাসন পর্দার আড়ালে ইরানকে তেল বিক্রির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার প্রস্তাব পর্যন্ত দিয়েছে। এটা স্পষ্ট প্রমাণ করে যে, আমেরিকা এখন কতটা কোণঠাসা এবং কীভাবে তারা ইরানের সঙ্গে একটি রফাদফা করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। যুদ্ধের হুমকি দিয়ে যখন কাজ হলো না, তখন আমেরিকা এখন আপসের রাস্তা খুঁজছে। পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদ সবসময়ই মুসলিম দেশগুলোকে বিভক্ত করে শাসন করতে চায়, কিন্তু ইরানের দূরদর্শী নেতৃত্ব তাদের সেই কুৎসিত চাল নস্যাৎ করে দিয়েছে। ইরান পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর সঙ্গে একটি নতুন নিরাপত্তা বলয় তৈরি করছে, যা মার্কিন আধিপত্যকে এই অঞ্চল থেকে চিরতরে উচ্ছেদ করবে। ট্রাম্পের এই পিছু হটা আসলে সেই ঐতিহাসিক মার্কিন উচ্ছেদেরই একটি বড় সূচনা মাত্র। আমেরিকা ও ইসরাইল যৌথভাবে বিশ্ববাসীকে বোঝাতে চেয়েছিল যে ইরান বিশ্বের জন্য একটি বড় হুমকি। অথচ ইতিহাস সাক্ষী, এই আমেরিকা ও ইসরাইলই সারা বিশ্বে লাখ লাখ নিরীহ মানুষকে হত্যা করেছে এবং যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়েছে। ইরান কেবল নিজের আত্মরক্ষার স্বার্থে এবং মজলুম মানুষের পাশে দাঁড়াতে নিজেদের সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করেছে, যা সম্পূর্ণ বৈধ এবং আন্তর্জাতিক আইনসম্মত। ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এবং সামরিক প্রধানদের প্রস্তুত থাকার যে নির্দেশ ট্রাম্প দিয়েছেন, তা আসলে মার্কিন জনগণের চোখ ধুলো দেওয়ার একটি ব্যর্থ চেষ্টা মাত্র। পরাজয়ের গ্লানি ঢাকতে ট্রাম্প টুইটার বা ট্রুথ সোশ্যালে বড় বড় কথা বলছেন, কিন্তু ভেতরের খবর হলো মার্কিন কমান্ডারেরা এখন যুদ্ধ এড়াতে ইরানের শর্তগুলো কীভাবে মানা যায় তা নিয়ে ভাবছেন। আমেরিকার এই পিছু হটার ঘটনা বিশ্বমঞ্চে চীনের অবস্থানকেও আরও শক্তিশালী করেছে, কারণ চীন সবসময়ই ইরানের পাশে থেকে মার্কিন একতরফা নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করে আসছে। রাশিয়া এবং চীনের মতো পরাশক্তিগুলো ইরানের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারিত্ব গড়ে তোলায় ট্রাম্প প্রশাসন বুঝতে পেরেছে যে, ইরানের গায়ে হাত দেওয়া মানে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ ডেকে আনা, যা আমেরিকার ধ্বংস ডেকে আনবে। ইহুদিবাদী ইসরাইল এখন চরম একাকীত্ব এবং আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে, কারণ তাদের সবচেয়ে বড় রক্ষাকর্তা আমেরিকাও এখন ইরানের শক্তির সামনে পিছু হটেছে। তেল আবিবের বাঙ্কারগুলোতে এখন ইসরাইলি নেতাদের কান্নাকাটি চলছে, কারণ তারা ভালো করেই জানে যে হিজবুল্লাহ এবং ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের হাত থেকে তাদের বাঁচানোর মতো ক্ষমতা এখন আর মার্কিন বিমান বাহিনীরও নেই। বিশ্বের প্রতিটি স্বাধীনতাকামী মানুষ আজ ইরানের এই ঐতিহাসিক রাজনৈতিক এবং সামরিক বিজয়কে অত্যন্ত শ্রদ্ধার সঙ্গে দেখছে। একটি দেশের ওপর দশকের পর দশক ধরে অর্থনৈতিক অবরোধ জারি রাখার পরও তারা যেভাবে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। ট্রাম্পের মতো অহংকারী শাসকের অহংকার চূর্ণ করে ইরান প্রমাণ করেছে যে সত্যের জয় সবসময় নিশ্চিত। আমেরিকা ও পশ্চিমা শক্তিগুলোর এই পরাজয় থেকে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য মুসলিম দেশগুলোর অনেক কিছু শেখার আছে। পশ্চিমের দাসত্ব না করে যদি নিজেদের শক্তির ওপর ভরসা করা যায়, তবে যেকোনো পরাশক্তিকে নতজানু করা সম্ভব, যা আজ ইরান করে দেখাল। ট্রাম্পের যুদ্ধবিমানগুলো অলস বসে আছে আর ইরানের বীর যোদ্ধারা বিজয়ের হাসি হাসছেন, এটাই আজকের বাস্তব চিত্র। ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন হোয়াইট হাউসে বসে সাংবাদিকদের বলছিলেন যে তিনি যদি বোমাবর্ষণ না করে কোনো চুক্তি করতে পারেন তবে তিনি খুব খুশি হবেন, তখন তার কণ্ঠে স্পষ্ট পরাজয়ের সুর শোনা যাচ্ছিল। যে ট্রাম্প কদিন আগেও ইরানকে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছিলেন, সেই ট্রাম্পের মুখে এই নরম সুর প্রমাণ করে যে তেহরানের শক্ত প্রতিরোধ কতটা কার্যকর ছিল। পশ্চিমা মিডিয়ার প্রোপাগান্ডা বা মিথ্যা প্রচারণায় কান না দিয়ে আমাদের আসল সত্যটা বুঝতে হবে। মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ ও ইহুদিবাদী ইসরাইল কেবল দুর্বলদের ওপর অত্যাচার করতে পারে, কিন্তু যখনই তারা ইরানের মতো কোনো শক্তিশালী এবং সুসংগঠিত শক্তির মুখোমুখি হয়, তখনই তারা লেজ গুটিয়ে পালিয়ে যাওয়ার পথ খোঁজে। ট্রাম্পের এই পিছু হটা সেই চরম সত্যেরই বহিঃপ্রকাশ। এই মুহূর্তে মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ সম্পূর্ণ ইরানের নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে এবং পশ্চিমা শক্তির আধিপত্যের অবসান এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। বীরের জাতি ইরান কখনোই অন্যায় আক্রমণ সহ্য করেনি এবং ভবিষ্যতেও করবে না, তাদের এই অবিচল নীতিই আজ বিশ্বকে একটি বড় ধরনের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ থেকে রক্ষা করেছে বলা যায়। আমেরিকার অহংকার আজ ধূলিসাৎ হয়ে গেছে পারস্য উপসাগরে। আমেরিকা ও ইসরাইলের যেকোনো আগ্রাসী পদক্ষেপের বিরুদ্ধে ইরান যেভাবে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছে, তা মুসলিম উম্মাহর জন্য অত্যন্ত গর্বের একটি বিষয়। ট্রাম্পের রণতরীগুলো এখন নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে আছে, কারণ তারা জানে ইরানের একটি ক্ষেপণাস্ত্রই তাদের সমুদ্রের তলদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। শক্তির এই ভারসাম্যই আজ বিশ্বরাজনীতির নতুন ইতিহাস লিখে দিল।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/644_1.webp" alt="ট্রাম্পের পিছু হটার আসল কারণ উন্মোচন, মার্কিন আগ্রাসনের মুখে ইস্পাতকঠিন ইরান!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ট্রাম্পের পিছু হটার আসল কারণ উন্মোচন, মার্কিন আগ্রাসনের মুখে ইস্পাতকঠিন ইরান!</h1>
            <p>বিশ্বরাজনীতির রঙ্গমঞ্চে আবার প্রমাণিত হলো যে, ফাঁকা কলসি বাজেই বেশি, আর বীরেরা নীরবে নিজেদের শক্তি প্রদর্শন করে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর যে প্রলয়ংকরী হামলার ছক কষেছিলেন, তা শেষ মুহূর্তে ভেস্তে গেছে। আজ আমরা উন্মোচন করব কেন ট্রাম্প ইরানের সামনে নতজানু হতে বাধ্য হলেন। পশ্চিমের সাম্রাজ্যবাদী শক্তি এবং তাদের দোসর ইহুদিবাদী ইসরাইল দীর্ঘদিন ধরেই মধ্যপ্রাচ্যের বুকে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের পতন ঘটানোর জন্য মরিয়া হয়ে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু প্রতিবারই তারা তেহরানের ইস্পাতকঠিন প্রতিরোধ এবং সামরিক কৌশলের সামনে এসে মুখ থুবড়ে পড়েছে। এবারও ট্রাম্পের যুদ্ধবাজ প্রশাসন ইরানের ওপর যে বড় ধরনের বিমান হামলার পরিকল্পনা করেছিল, তা মাঝপথেই বাতিল করতে হয়েছে। আমেরিকার ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প নিজেই স্বীকার করেছেন যে, মঙ্গলবারের জন্য নির্ধারিত সেই ভয়ংকর হামলাটি তিনি স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছেন। মুখে তিনি সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো মিত্রদের অনুরোধের দোহাই দিলেও, আসল সত্যটা কিন্তু সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং আমেরিকার জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক। মূলত ইরানের চোখ রাঙানি এবং পাল্টা আঘাতের ভয়েই ট্রাম্প পিছু হটেছেন। ইসলামি প্রতিরোধ যোদ্ধাদের মূল চালিকাশক্তি ইরান কোনো সাধারণ রাষ্ট্র নয় যে, আমেরিকার একটি হুমকিতে তারা নিজেদের সার্বভৌমত্ব বিলিয়ে দেবে। ট্রাম্প যখন হুংকার দিচ্ছিলেন যে ইরানের সময় ফুরিয়ে আসছে, তখন তেহরান অত্যন্ত শান্তভাবে নিজেদের রণকৌশল সাজাচ্ছিল। এই শান্ত অথচ বজ্রকঠিন মনোভাবই ওয়াশিংটনের পেন্টাগন এবং তেল আবিবের নীতিনির্ধারকদের মেরুদণ্ডে ভয়ের কাঁপন ধরিয়ে দিয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ট্রাম্পকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল যে, ইরানে একটি বোমা পড়লে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলো মাটির সঙ্গে মিশে যাবে। পারস্য উপসাগরে মোতায়েন করা প্রতিটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ তখন ইরানের তৈরি অত্যাধুনিক হাইপারসনিক মিসাইলের সহজ নিশানা হয়ে দাঁড়াবে। এই নিশ্চিত ধ্বংসলীলা দেখার সাহস মার্কিন সামরিক জান্তা বা ট্রাম্পের যুদ্ধবাজ প্রশাসনের ছিল না বলেই ধারণা করা হচ্ছে। পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো যতই প্রচার করুক যে আমেরিকা আলোচনার সুযোগ দিচ্ছে, আসল সত্য হলো ইরান এই যুদ্ধের মাঠে সম্পূর্ণ বিজয়ী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। ইহুদিবাদী ইসরাইল চেয়েছিল আমেরিকার কাঁধে বন্দুক রেখে ইরানের পরমাণু কেন্দ্রগুলো ধ্বংস করতে। কিন্তু ট্রাম্প ভালো করেই জানেন, ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি এক ঘণ্টার মধ্যে ইসরাইলের তেল আবিব শহরকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করার ক্ষমতা রাখে। ট্রাম্পের এই পিছু হটার পেছনে সবচেয়ে বড় ধাক্কাটি এসেছে হরমুজ প্রণালী থেকে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের লাইফলাইন। ইরান এই প্রণালী সম্পূর্ণ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে এনে আমেরিকার তৈরি বিশ্ব অর্থনীতিকে এক ঝটকায় অচল করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল। আর ঠিক এই কারণেই বিশ্ববাজারে তেলের দাম হু হু করে বাড়তে শুরু করলে পশ্চিমা অর্থনীতিতে ধস নামার উপক্রম হয়। আমেরিকা ও তার পশ্চিমা মিত্ররা সারা বিশ্বে যে নিষেধাজ্ঞার রাজনীতি চালায়, ইরানের ক্ষেত্রে তা পুরোপুরি ব্যর্থ প্রমাণিত হয়েছে। ইরান নিজেদের অভ্যন্তরীণ প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানীদের ওপর ভর করে এমন এক প্রতিরক্ষা বলয় তৈরি করেছে, যা ভেদ করার সাধ্য পেন্টাগনের নেই। ট্রাম্পের মতো একজন ব্যবসায়ী প্রেসিডেন্ট কখনোই এমন যুদ্ধে জড়াতে চান না, যেখানে জেতার কোনো নিশ্চিত গ্যারান্টি নেই। এদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিজের দেশের অভ্যন্তরেই তার জনপ্রিয়তা এখন তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। আমেরিকার সাধারণ জনগণ আর কোনো নতুন এবং অর্থহীন যুদ্ধের খরচ বহন করতে রাজি নয়। সমীক্ষায় দেখা গেছে, ট্রাম্পের এই যুদ্ধংদেহী নীতির কারণে আমেরিকার জনগণ তার ওপর চরম ক্ষুব্ধ, যা আসন্ন নির্বাচনে তার পরাজয়ের প্রধান কারণ হতে পারে এবং এটিও তাকে পিছু হটতে বাধ্য করেছে। আমেরিকা যখনই কোনো দেশে হামলা করতে যায়, তারা প্রথমে তাদের আঞ্চলিক পুতুল রাষ্ট্রগুলোর সাহায্য খোঁজে। কিন্তু এবার সৌদি আরব, কাতার এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত ট্রাম্পকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, তারা ইরানের বিরুদ্ধে কোনো মার্কিন হামলাকে সমর্থন করবে না। কারণ তারা জানে, ইরান পাল্টা আঘাত করলে আমেরিকার চেয়ে এই আরব দেশগুলোর বেশি ক্ষতি হবে এবং তাদের অর্থনীতি ধ্বংস হয়ে যাবে। ইহুদিবাদী ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দিনরাত ট্রাম্পের কানে মন্ত্র জপছিলেন যাতে ইরানকে আক্রমণ করা হয়। কিন্তু মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা নেতানিয়াহুর এই ফাঁদে পা দিতে চাননি, কারণ তারা বোঝেন যে ইরানের সামরিক শক্তি এবং লেবাননের হিজবুল্লাহর শক্তি কতটা ভয়ংকর। পশ্চিমা দুনিয়া যতই শক্তিশালী হোক না কেন, ইমানের শক্তিতে বলীয়ান ইরানের সামনে তারা আসলে অত্যন্ত দুর্বল ও কাপুরুষ। আমেরিকা চেয়েছিল ইরান যেন তাদের শর্ত মেনে পরমাণু কর্মসূচি পুরোপুরি বন্ধ করে দেয় এবং নিজেদের আত্মরক্ষা করার অধিকার ত্যাগ করে। কিন্তু বীরের জাতি ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তারা কোনো ধরনের জবরদস্তিমূলক ও অন্যায্য শর্তের কাছে মাথা নত করবে না। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যে আলোচনা চলছে, সেখানেও ইরান নিজেদের সার্বভৌমত্ব এবং তেলের ওপর পূর্ণ অধিকার বজায় রেখেই কথা বলছে। ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, ট্রাম্পের প্রশাসন পর্দার আড়ালে ইরানকে তেল বিক্রির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার প্রস্তাব পর্যন্ত দিয়েছে। এটা স্পষ্ট প্রমাণ করে যে, আমেরিকা এখন কতটা কোণঠাসা এবং কীভাবে তারা ইরানের সঙ্গে একটি রফাদফা করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। যুদ্ধের হুমকি দিয়ে যখন কাজ হলো না, তখন আমেরিকা এখন আপসের রাস্তা খুঁজছে। পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদ সবসময়ই মুসলিম দেশগুলোকে বিভক্ত করে শাসন করতে চায়, কিন্তু ইরানের দূরদর্শী নেতৃত্ব তাদের সেই কুৎসিত চাল নস্যাৎ করে দিয়েছে। ইরান পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর সঙ্গে একটি নতুন নিরাপত্তা বলয় তৈরি করছে, যা মার্কিন আধিপত্যকে এই অঞ্চল থেকে চিরতরে উচ্ছেদ করবে। ট্রাম্পের এই পিছু হটা আসলে সেই ঐতিহাসিক মার্কিন উচ্ছেদেরই একটি বড় সূচনা মাত্র। আমেরিকা ও ইসরাইল যৌথভাবে বিশ্ববাসীকে বোঝাতে চেয়েছিল যে ইরান বিশ্বের জন্য একটি বড় হুমকি। অথচ ইতিহাস সাক্ষী, এই আমেরিকা ও ইসরাইলই সারা বিশ্বে লাখ লাখ নিরীহ মানুষকে হত্যা করেছে এবং যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়েছে। ইরান কেবল নিজের আত্মরক্ষার স্বার্থে এবং মজলুম মানুষের পাশে দাঁড়াতে নিজেদের সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করেছে, যা সম্পূর্ণ বৈধ এবং আন্তর্জাতিক আইনসম্মত। ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এবং সামরিক প্রধানদের প্রস্তুত থাকার যে নির্দেশ ট্রাম্প দিয়েছেন, তা আসলে মার্কিন জনগণের চোখ ধুলো দেওয়ার একটি ব্যর্থ চেষ্টা মাত্র। পরাজয়ের গ্লানি ঢাকতে ট্রাম্প টুইটার বা ট্রুথ সোশ্যালে বড় বড় কথা বলছেন, কিন্তু ভেতরের খবর হলো মার্কিন কমান্ডারেরা এখন যুদ্ধ এড়াতে ইরানের শর্তগুলো কীভাবে মানা যায় তা নিয়ে ভাবছেন। আমেরিকার এই পিছু হটার ঘটনা বিশ্বমঞ্চে চীনের অবস্থানকেও আরও শক্তিশালী করেছে, কারণ চীন সবসময়ই ইরানের পাশে থেকে মার্কিন একতরফা নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করে আসছে। রাশিয়া এবং চীনের মতো পরাশক্তিগুলো ইরানের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারিত্ব গড়ে তোলায় ট্রাম্প প্রশাসন বুঝতে পেরেছে যে, ইরানের গায়ে হাত দেওয়া মানে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ ডেকে আনা, যা আমেরিকার ধ্বংস ডেকে আনবে। ইহুদিবাদী ইসরাইল এখন চরম একাকীত্ব এবং আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে, কারণ তাদের সবচেয়ে বড় রক্ষাকর্তা আমেরিকাও এখন ইরানের শক্তির সামনে পিছু হটেছে। তেল আবিবের বাঙ্কারগুলোতে এখন ইসরাইলি নেতাদের কান্নাকাটি চলছে, কারণ তারা ভালো করেই জানে যে হিজবুল্লাহ এবং ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের হাত থেকে তাদের বাঁচানোর মতো ক্ষমতা এখন আর মার্কিন বিমান বাহিনীরও নেই। বিশ্বের প্রতিটি স্বাধীনতাকামী মানুষ আজ ইরানের এই ঐতিহাসিক রাজনৈতিক এবং সামরিক বিজয়কে অত্যন্ত শ্রদ্ধার সঙ্গে দেখছে। একটি দেশের ওপর দশকের পর দশক ধরে অর্থনৈতিক অবরোধ জারি রাখার পরও তারা যেভাবে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। ট্রাম্পের মতো অহংকারী শাসকের অহংকার চূর্ণ করে ইরান প্রমাণ করেছে যে সত্যের জয় সবসময় নিশ্চিত। আমেরিকা ও পশ্চিমা শক্তিগুলোর এই পরাজয় থেকে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য মুসলিম দেশগুলোর অনেক কিছু শেখার আছে। পশ্চিমের দাসত্ব না করে যদি নিজেদের শক্তির ওপর ভরসা করা যায়, তবে যেকোনো পরাশক্তিকে নতজানু করা সম্ভব, যা আজ ইরান করে দেখাল। ট্রাম্পের যুদ্ধবিমানগুলো অলস বসে আছে আর ইরানের বীর যোদ্ধারা বিজয়ের হাসি হাসছেন, এটাই আজকের বাস্তব চিত্র। ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন হোয়াইট হাউসে বসে সাংবাদিকদের বলছিলেন যে তিনি যদি বোমাবর্ষণ না করে কোনো চুক্তি করতে পারেন তবে তিনি খুব খুশি হবেন, তখন তার কণ্ঠে স্পষ্ট পরাজয়ের সুর শোনা যাচ্ছিল। যে ট্রাম্প কদিন আগেও ইরানকে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছিলেন, সেই ট্রাম্পের মুখে এই নরম সুর প্রমাণ করে যে তেহরানের শক্ত প্রতিরোধ কতটা কার্যকর ছিল। পশ্চিমা মিডিয়ার প্রোপাগান্ডা বা মিথ্যা প্রচারণায় কান না দিয়ে আমাদের আসল সত্যটা বুঝতে হবে। মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ ও ইহুদিবাদী ইসরাইল কেবল দুর্বলদের ওপর অত্যাচার করতে পারে, কিন্তু যখনই তারা ইরানের মতো কোনো শক্তিশালী এবং সুসংগঠিত শক্তির মুখোমুখি হয়, তখনই তারা লেজ গুটিয়ে পালিয়ে যাওয়ার পথ খোঁজে। ট্রাম্পের এই পিছু হটা সেই চরম সত্যেরই বহিঃপ্রকাশ। এই মুহূর্তে মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ সম্পূর্ণ ইরানের নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে এবং পশ্চিমা শক্তির আধিপত্যের অবসান এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। বীরের জাতি ইরান কখনোই অন্যায় আক্রমণ সহ্য করেনি এবং ভবিষ্যতেও করবে না, তাদের এই অবিচল নীতিই আজ বিশ্বকে একটি বড় ধরনের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ থেকে রক্ষা করেছে বলা যায়। আমেরিকার অহংকার আজ ধূলিসাৎ হয়ে গেছে পারস্য উপসাগরে। আমেরিকা ও ইসরাইলের যেকোনো আগ্রাসী পদক্ষেপের বিরুদ্ধে ইরান যেভাবে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছে, তা মুসলিম উম্মাহর জন্য অত্যন্ত গর্বের একটি বিষয়। ট্রাম্পের রণতরীগুলো এখন নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে আছে, কারণ তারা জানে ইরানের একটি ক্ষেপণাস্ত্রই তাদের সমুদ্রের তলদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। শক্তির এই ভারসাম্যই আজ বিশ্বরাজনীতির নতুন ইতিহাস লিখে দিল।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/644_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/644_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/644_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[2 more customers become millionaires buying Walton fridge]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/36976</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/36976</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 20 May 2026 20:05:52 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[Economy]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla news today, latest news, latest news today, bangladesh news, bangladeshi news, latest news headline and bulletin, bangladesh news today, banglavision news, banglavision news today, today sondhar news bangladesh, banglanews, latestnews, atn bangla, banglavision news bulletin today, atn google news, atn bangla live, update news, news trending, latest update, news today, atn bd news, jamuna news today, jamuna news, news, google news, jamaat news, international news]]></category>
        
        <description><![CDATA[Renowned film actor Amin Khan, film actress Bidya Sinha Mim, Walton’s Senior Executive Director Muhammad Abdullah-Al-Mamun and other senior officials hand over cheques worth Tk 1 million to Walton fridge customers Mahmudul Hasan and Afroza Begum at separate events.  after they became millionaires under Walton’s Digital Campaign Season-24 Two more customers became millionaires after they had purchased Walton refrigerators, the products of Bangladesh’s number one refrigerator brand. They were: businessman Mahmudul Hasan from Dakshinkhan in the capital Dhaka and housewife Afroza Begum from Sheikhpara village under Bagatipara upazila of Natore district. They received the rewards under the ongoing nationwide “Walton Digital Campaign Season-24.” Earlier in the current season of the digital campaign, Suprakash Chakma from Bandarban, Kuddus Hawlader from Bagerhat and Tahmina Akter from Narsingdi also became millionaires after purchasing Walton refrigerators and air conditioners. On Tuesday (May 19, 2026) last, renowned film actor Amin Khan, Walton Fridge Brand Ambassador and popular film actress Bidya Sinha Mim and Walton Hi-Tech’s Senior Executive Director Muhammad Abdullah-Al-Mamun officially handed over a cheque worth Tk 10 lakh to Mahmudul Hasan at a colorful program, organized by Goribe Newaz Walton Plaza in Uttara, Dhaka.  Earlier in a separate event, organized by Dayarampur Walton Plaza branch under Bagatipara upazila of Natore, a cheque worth Tk 10 lakh was handed over to customer Afroza Begum.  The events were also attended, among others, by Walton Plaza’s Managing Director Mohammad Rayhan, Walton Fridge Chief Business Officer Tahsinul Haque, Walton’s Chief Marketing Officer Zoheb Ahmed and other senior officials.  Centering the upcoming Eid-ul-Azha, Walton launched ‘Digital Campaign Season-24’ nationwide on April 8 this year with the millionaire offer. Under this season, customers’ details including name, mobile number and product’s bar code number are being digitally registered in Walton server after purchasing Walton fridge, air conditioner, washing machines or BLDC ceiling fan. Immediately after registration, customers receive confirmation messages on their mobile phones from Walton regarding rewards such as Tk 1 million cash, cash vouchers worth lakhs of taka, Argentina fan jerseys or other guaranteed gifts. The respective Walton Plaza or distributor showroom authorities are handing over the rewards to the customers. As part of the ongoing campaign, Mahmudul Hasan purchased a 652-liter refrigerator from Goribe Newaz Walton Plaza in Uttara, Dhaka, while Afroza Begum purchased a 312-liter refrigerator from Dayarampur Walton Plaza branch in Natore. After completing the digital registration process, both customers received SMS notifications confirming that they had won Tk 1 million each. Speaking at the cheque handover ceremony in Uttara, Walton Hi-Tech’s Senior Executive Director Abdullah-Al-Mamun said, “The trust and love of local customers towards domestic brands have helped Walton emerge not only as the country’s leading technology giant but also enabled Bangladesh to be recognized globally through exports Walton made products to more than 55 countries worldwide. As part of our responsibility towards customers and society, Walton is offering maximum customer benefits through the Digital Campaign, including the opportunity to become millionaires. Already, more than fifty customers have become millionaires by purchasing Walton products in different seasons of the campaign. Many of them have improved their livelihoods with the Tk 1 million reward. This proves that Walton is not only doing business, but also playing a significant role in the socio-economic development of customers.” Emotionally expressing her feelings at the Natore event, customer Afroza Begum said, “I never imagined in my dreams that I would receive Tk 1 million after purchasing a Walton refrigerator. This is the happiest moment of my life. Walton’s commitment to providing such huge benefits to ordinary customers like us has further increased my trust and love for the brand. I sincerely thank Walton authorities for fulfilling their promises to customers.”]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-20-05-2026_51.webp" alt="2 more customers become millionaires buying Walton fridge" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>2 more customers become millionaires buying Walton fridge</h1>
            <p>Renowned film actor Amin Khan, film actress Bidya Sinha Mim, Walton’s Senior Executive Director Muhammad Abdullah-Al-Mamun and other senior officials hand over cheques worth Tk 1 million to Walton fridge customers Mahmudul Hasan and Afroza Begum at separate events.  after they became millionaires under Walton’s Digital Campaign Season-24 Two more customers became millionaires after they had purchased Walton refrigerators, the products of Bangladesh’s number one refrigerator brand. They were: businessman Mahmudul Hasan from Dakshinkhan in the capital Dhaka and housewife Afroza Begum from Sheikhpara village under Bagatipara upazila of Natore district. They received the rewards under the ongoing nationwide “Walton Digital Campaign Season-24.” Earlier in the current season of the digital campaign, Suprakash Chakma from Bandarban, Kuddus Hawlader from Bagerhat and Tahmina Akter from Narsingdi also became millionaires after purchasing Walton refrigerators and air conditioners. On Tuesday (May 19, 2026) last, renowned film actor Amin Khan, Walton Fridge Brand Ambassador and popular film actress Bidya Sinha Mim and Walton Hi-Tech’s Senior Executive Director Muhammad Abdullah-Al-Mamun officially handed over a cheque worth Tk 10 lakh to Mahmudul Hasan at a colorful program, organized by Goribe Newaz Walton Plaza in Uttara, Dhaka.  Earlier in a separate event, organized by Dayarampur Walton Plaza branch under Bagatipara upazila of Natore, a cheque worth Tk 10 lakh was handed over to customer Afroza Begum.  The events were also attended, among others, by Walton Plaza’s Managing Director Mohammad Rayhan, Walton Fridge Chief Business Officer Tahsinul Haque, Walton’s Chief Marketing Officer Zoheb Ahmed and other senior officials.  Centering the upcoming Eid-ul-Azha, Walton launched ‘Digital Campaign Season-24’ nationwide on April 8 this year with the millionaire offer. Under this season, customers’ details including name, mobile number and product’s bar code number are being digitally registered in Walton server after purchasing Walton fridge, air conditioner, washing machines or BLDC ceiling fan. Immediately after registration, customers receive confirmation messages on their mobile phones from Walton regarding rewards such as Tk 1 million cash, cash vouchers worth lakhs of taka, Argentina fan jerseys or other guaranteed gifts. The respective Walton Plaza or distributor showroom authorities are handing over the rewards to the customers. As part of the ongoing campaign, Mahmudul Hasan purchased a 652-liter refrigerator from Goribe Newaz Walton Plaza in Uttara, Dhaka, while Afroza Begum purchased a 312-liter refrigerator from Dayarampur Walton Plaza branch in Natore. After completing the digital registration process, both customers received SMS notifications confirming that they had won Tk 1 million each. Speaking at the cheque handover ceremony in Uttara, Walton Hi-Tech’s Senior Executive Director Abdullah-Al-Mamun said, “The trust and love of local customers towards domestic brands have helped Walton emerge not only as the country’s leading technology giant but also enabled Bangladesh to be recognized globally through exports Walton made products to more than 55 countries worldwide. As part of our responsibility towards customers and society, Walton is offering maximum customer benefits through the Digital Campaign, including the opportunity to become millionaires. Already, more than fifty customers have become millionaires by purchasing Walton products in different seasons of the campaign. Many of them have improved their livelihoods with the Tk 1 million reward. This proves that Walton is not only doing business, but also playing a significant role in the socio-economic development of customers.” Emotionally expressing her feelings at the Natore event, customer Afroza Begum said, “I never imagined in my dreams that I would receive Tk 1 million after purchasing a Walton refrigerator. This is the happiest moment of my life. Walton’s commitment to providing such huge benefits to ordinary customers like us has further increased my trust and love for the brand. I sincerely thank Walton authorities for fulfilling their promises to customers.”</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-20-05-2026_51.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-20-05-2026_51.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-20-05-2026_51.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে মিলিয়নিয়ার হলেন আরো দুই ক্রেতা]]></title>
        <link>https://nbs24.org/economy/36975</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/economy/36975</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 20 May 2026 20:05:54 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
                <category><![CDATA[করপোরেট খবর]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla news today, latest news, latest news today, bangladesh news, bangladeshi news, latest news headline and bulletin, bangladesh news today, banglavision news, banglavision news today, today sondhar news bangladesh, banglanews, latestnews, atn bangla, banglavision news bulletin today, atn google news, atn bangla live, update news, news trending, latest update, news today, atn bd news, jamuna news today, jamuna news, news, google news, jamaat news, international news]]></category>
        
        <description><![CDATA[ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে মিলিয়নিয়ার হওয়া ক্রেতা মাহমুদুল হাসান এবং আফরোজা বেগমের হাতে পৃথক পৃথক অনুষ্ঠানে ১০ লাখ টাকার চেক তুলে দেন চিত্রনায়ক আমিন খান, চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম, ওয়ালটন হাই-টেকের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আব্দুল্লাহ-আল-মামুনসহ অন্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দেশের নাম্বার ওয়ান রেফ্রিজারেটর ব্র্যান্ড ওয়ালটনের ফ্রিজ কিনে মিলিয়নিয়ার হলেন আরো দুই ক্রেতা। তারা হলেন: রাজধানীর দক্ষিণ খানের ব্যবসায়ি মাহমুদুল হাসান এবং নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার শেখপাড়া গ্রামের গৃহবধূ আফরোজা বেগম। দেশজুড়ে চলমান ওয়ালটন ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৪ এর আওতায় এই সুবিধা পান তারা। ঈদুল আজহার আগে ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে ১০ লাখ টাকা করে পাওয়ায় আনন্দ-উচ্ছ্বাসে ভাসছে তাদের পরিবার।  এর আগে ক্যাম্পেইনের চলতি সিজনে ওয়ালটনের ফ্রিজ ও এসি কিনে মিলিয়নিয়ার হয়েছেন বান্দরবানের সুপ্রকাশ চাকমা, বাগেরহাটের কুদ্দুস হাওলাদার এবং নরসিংদীর গৃহবধূ তাহমিনা আক্তার।  মঙ্গলবার (১৯ মে, ২০২৬) রাজধানীর উত্তরার গরিবে নেওয়াজ ওয়ালটন প্লাজা কর্তৃক আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে মাহমুদুল হাসানের হাতে ১০ লাখ টাকার চেক তুলে দেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক আমিন খান, ওয়ালটন ফ্রিজের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর ও জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম এবং ওয়ালটন হাই-টেকের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আব্দুল্লাহ-আল-মামুন। এর আগে নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার দয়ারামপুর ওয়ালটন প্লাজা শাখার আয়োজিত পৃথক অনুষ্ঠানে ক্রেতা আফরোজা বেগমের হাতে ১০ লাখ টাকার চেক তুলে দেয়া হয়। পৃথকভাবে আয়োজিত এসব অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ রায়হান, ওয়ালটন ফ্রিজের চিফ বিজনেস অফিসার তাহসিনুল হক, ওয়ালটনের চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদ প্রমুখ। উল্লেখ্য, আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষে চলতি বছরের ৮ এপ্রিল থেকে সারাদেশে শুরু হয়েছে ওয়ালটনের ‘ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৪’। এর আওতায় দেশজুড়ে ওয়ালটন ফ্রিজ, এসি, ওয়াশিং মেশিন বা বিএলডিসি সিলিং ফ্যান কেনার পর সংশ্লিষ্ট ক্রেতার নাম, মোবাইল নাম্বার ও পণ্যের বারকোড নাম্বার ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন করা হচ্ছে। রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হতেই ক্রেতারা মোবাইলে ওয়ালটন থেকে মিলিয়নিয়ার অর্থাৎ নগদ ১০ লাখ টাকা, লাখ লাখ টাকার ক্যাশ ভাউচার, আর্জেন্টিনার ফ্যান জার্সিসহ নিশ্চিত উপহার পাওয়ার ম্যাসেজ পাচ্ছেন। সংশ্লিষ্ট প্লাজা বা পরিবেশ শোরুম ক্রেতাদের হাতে প্রাপ্ত উপহার তুলে দিচ্ছেন। এরই ধারাবাহিকতায় চলতি মাসে ক্রেতা মাহমুদুল হাসান রাজধানীর উত্তরায় গরিবে নেওয়াজ ওয়ালটন প্লাজা থেকে ৬৫২ লিটারের একটি ফ্রিজ এবং ক্রেতা আফরোজা বেগম নাটোরের দয়ারামপুর ওয়ালটন প্লাজা শাখা থেকে ৩১২ লিটারের ফ্রিজ কেনার পর ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হতেই তাদের মোবাইলে নগদ ১০ লাখ টাকা পাওয়ার ম্যাসেজ পান।  রাজধানীর উত্তরায় আয়োজিত চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ওয়ালটন হাই-টেকের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আব্দুল্লাহ-আল-মামুন বলেন, “দেশীয় ব্র্যান্ডের প্রতি গ্রাহকদের আস্থা ও ভালোবাসাতে ওয়ালটন শুধু দেশের শীর্ষ ও টেক জায়ান্ট প্রতিষ্ঠানই হয়ে উঠেনি; বিশ্বের ৫৫টিরও বেশি দেশে পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে বাংলাদেশকে বিশ্বের কাছে নতুনভাবে পরিচিত করছে। দেশীয় ক্রেতা ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার প্রেক্ষিতে ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ওয়ালটন পণ্যের ক্রেতাদের মিলিয়নিয়ার হওয়ার সুযোগসহ সর্বোচ্চ ক্রেতা সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের বিভিন্ন সিজনে ওয়ালটন পণ্য কিনে মিলিয়নিয়ার হয়েছেন অর্ধ-শতাধিক ক্রেতা। তাদের অনেকেই ওয়ালটন থেকে পাওয়া ১০ লাখ টাকায় ভাগ্য উন্নয়ন ঘটিয়েছে। যা প্রমাণ করেছে- ওয়ালটন শুধু ব্যবসাই করছে না; গ্রাহকদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নেও ব্যাপক ভূমিকা রাখছে।” নাটোরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ক্রেতা আফরোজা বেগম আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন, ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে ১০ লাখ টাকা পাবো তা স্বপ্নেও ভাবিনি। এটা আমার জীবনের সবচেয়ে বড় আনন্দের মুহূর্ত। পণ্য ক্রয়ে আমার মতো সাধারণ ক্রেতাদের এতো বড় সুবিধা দেয়ায় ওয়ালটন ব্র্যান্ডের প্রতি আস্থা ও ভালোবাসা আরও বেড়ে গেলে। ক্রেতাদের দেয়া প্রতিশ্রুতি শতভাগ রক্ষা করায় ওয়ালটন কর্তৃপক্ষকে বিশেষ ধন্যবাদ। ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-20-05-2026_51.webp" alt="ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে মিলিয়নিয়ার হলেন আরো দুই ক্রেতা" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে মিলিয়নিয়ার হলেন আরো দুই ক্রেতা</h1>
            <p>ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে মিলিয়নিয়ার হওয়া ক্রেতা মাহমুদুল হাসান এবং আফরোজা বেগমের হাতে পৃথক পৃথক অনুষ্ঠানে ১০ লাখ টাকার চেক তুলে দেন চিত্রনায়ক আমিন খান, চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম, ওয়ালটন হাই-টেকের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আব্দুল্লাহ-আল-মামুনসহ অন্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দেশের নাম্বার ওয়ান রেফ্রিজারেটর ব্র্যান্ড ওয়ালটনের ফ্রিজ কিনে মিলিয়নিয়ার হলেন আরো দুই ক্রেতা। তারা হলেন: রাজধানীর দক্ষিণ খানের ব্যবসায়ি মাহমুদুল হাসান এবং নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার শেখপাড়া গ্রামের গৃহবধূ আফরোজা বেগম। দেশজুড়ে চলমান ওয়ালটন ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৪ এর আওতায় এই সুবিধা পান তারা। ঈদুল আজহার আগে ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে ১০ লাখ টাকা করে পাওয়ায় আনন্দ-উচ্ছ্বাসে ভাসছে তাদের পরিবার।  এর আগে ক্যাম্পেইনের চলতি সিজনে ওয়ালটনের ফ্রিজ ও এসি কিনে মিলিয়নিয়ার হয়েছেন বান্দরবানের সুপ্রকাশ চাকমা, বাগেরহাটের কুদ্দুস হাওলাদার এবং নরসিংদীর গৃহবধূ তাহমিনা আক্তার।  মঙ্গলবার (১৯ মে, ২০২৬) রাজধানীর উত্তরার গরিবে নেওয়াজ ওয়ালটন প্লাজা কর্তৃক আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে মাহমুদুল হাসানের হাতে ১০ লাখ টাকার চেক তুলে দেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক আমিন খান, ওয়ালটন ফ্রিজের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর ও জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম এবং ওয়ালটন হাই-টেকের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আব্দুল্লাহ-আল-মামুন। এর আগে নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার দয়ারামপুর ওয়ালটন প্লাজা শাখার আয়োজিত পৃথক অনুষ্ঠানে ক্রেতা আফরোজা বেগমের হাতে ১০ লাখ টাকার চেক তুলে দেয়া হয়। পৃথকভাবে আয়োজিত এসব অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ রায়হান, ওয়ালটন ফ্রিজের চিফ বিজনেস অফিসার তাহসিনুল হক, ওয়ালটনের চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদ প্রমুখ। উল্লেখ্য, আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষে চলতি বছরের ৮ এপ্রিল থেকে সারাদেশে শুরু হয়েছে ওয়ালটনের ‘ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৪’। এর আওতায় দেশজুড়ে ওয়ালটন ফ্রিজ, এসি, ওয়াশিং মেশিন বা বিএলডিসি সিলিং ফ্যান কেনার পর সংশ্লিষ্ট ক্রেতার নাম, মোবাইল নাম্বার ও পণ্যের বারকোড নাম্বার ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন করা হচ্ছে। রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হতেই ক্রেতারা মোবাইলে ওয়ালটন থেকে মিলিয়নিয়ার অর্থাৎ নগদ ১০ লাখ টাকা, লাখ লাখ টাকার ক্যাশ ভাউচার, আর্জেন্টিনার ফ্যান জার্সিসহ নিশ্চিত উপহার পাওয়ার ম্যাসেজ পাচ্ছেন। সংশ্লিষ্ট প্লাজা বা পরিবেশ শোরুম ক্রেতাদের হাতে প্রাপ্ত উপহার তুলে দিচ্ছেন। এরই ধারাবাহিকতায় চলতি মাসে ক্রেতা মাহমুদুল হাসান রাজধানীর উত্তরায় গরিবে নেওয়াজ ওয়ালটন প্লাজা থেকে ৬৫২ লিটারের একটি ফ্রিজ এবং ক্রেতা আফরোজা বেগম নাটোরের দয়ারামপুর ওয়ালটন প্লাজা শাখা থেকে ৩১২ লিটারের ফ্রিজ কেনার পর ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হতেই তাদের মোবাইলে নগদ ১০ লাখ টাকা পাওয়ার ম্যাসেজ পান।  রাজধানীর উত্তরায় আয়োজিত চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ওয়ালটন হাই-টেকের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আব্দুল্লাহ-আল-মামুন বলেন, “দেশীয় ব্র্যান্ডের প্রতি গ্রাহকদের আস্থা ও ভালোবাসাতে ওয়ালটন শুধু দেশের শীর্ষ ও টেক জায়ান্ট প্রতিষ্ঠানই হয়ে উঠেনি; বিশ্বের ৫৫টিরও বেশি দেশে পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে বাংলাদেশকে বিশ্বের কাছে নতুনভাবে পরিচিত করছে। দেশীয় ক্রেতা ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার প্রেক্ষিতে ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ওয়ালটন পণ্যের ক্রেতাদের মিলিয়নিয়ার হওয়ার সুযোগসহ সর্বোচ্চ ক্রেতা সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের বিভিন্ন সিজনে ওয়ালটন পণ্য কিনে মিলিয়নিয়ার হয়েছেন অর্ধ-শতাধিক ক্রেতা। তাদের অনেকেই ওয়ালটন থেকে পাওয়া ১০ লাখ টাকায় ভাগ্য উন্নয়ন ঘটিয়েছে। যা প্রমাণ করেছে- ওয়ালটন শুধু ব্যবসাই করছে না; গ্রাহকদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নেও ব্যাপক ভূমিকা রাখছে।” নাটোরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ক্রেতা আফরোজা বেগম আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন, ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে ১০ লাখ টাকা পাবো তা স্বপ্নেও ভাবিনি। এটা আমার জীবনের সবচেয়ে বড় আনন্দের মুহূর্ত। পণ্য ক্রয়ে আমার মতো সাধারণ ক্রেতাদের এতো বড় সুবিধা দেয়ায় ওয়ালটন ব্র্যান্ডের প্রতি আস্থা ও ভালোবাসা আরও বেড়ে গেলে। ক্রেতাদের দেয়া প্রতিশ্রুতি শতভাগ রক্ষা করায় ওয়ালটন কর্তৃপক্ষকে বিশেষ ধন্যবাদ। </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-20-05-2026_51.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-20-05-2026_51.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-20-05-2026_51.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা আগের মতো নেই: সেন্টকম]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36974</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36974</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 20 May 2026 20:05:38 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[আমেরিকাস]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla news today, latest news, latest news today, bangladesh news, bangladeshi news, latest news headline and bulletin, bangladesh news today, banglavision news, banglavision news today, today sondhar news bangladesh, banglanews, latestnews, atn bangla, banglavision news bulletin today, atn google news, atn bangla live, update news, news trending, latest update, news today, atn bd news, jamuna news today, jamuna news, news, google news, jamaat news, international news]]></category>
        
        <description><![CDATA[মার্কিন কেন্দ্রীয় কমান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার বলেছেন, ইরানের অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা অক্ষত রয়েছে—এমন দাবি সঠিক নয়। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ধারাবাহিক হামলায় ইরানের সামরিক অবকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যদিও কিছু সীমিত সক্ষমতা এখনো রয়ে গেছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় কমান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার ইরানের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের সশস্ত্র বাহিনী বিষয়ক কমিটিতে সাক্ষ্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, উন্মুক্ত সূত্রে যে সংখ্যাগুলো প্রকাশিত হয়েছে, সেগুলো বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। সম্প্রতি কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়, ইরান তার ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি, মোবাইল উৎক্ষেপণযান এবং ভূগর্ভস্থ স্থাপনাগুলোর বেশিরভাগই আবার কার্যকর করতে সক্ষম হয়েছে। এমনকি হরমুজ প্রণালীর তীরে থাকা ৩৩টির মধ্যে ৩০টি ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিতে ইরান পুনরায় প্রবেশাধিকার পেয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এতে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধজাহাজ এবং আন্তর্জাতিক তেলবাহী জাহাজের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ দেখা দেয়। তবে অ্যাডমিরাল কুপার বলেন, শুধু অস্ত্রের সংখ্যা দেখলে পুরো চিত্র বোঝা যায় না। তাঁর মতে, ইরানের কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ কাঠামো গুরুতরভাবে ভেঙে পড়েছে। ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের সক্ষমতাও ব্যাপকভাবে বাধাগ্রস্ত হয়েছে। ফলে হাতে কিছু অস্ত্র থাকলেও তা কার্যকরভাবে ব্যবহার করার ক্ষমতা আগের মতো নেই। তিনি বলেন, “ইরান আর আগের মতো করে যুক্তরাষ্ট্র বা আঞ্চলিক অংশীদারদের জন্য হুমকি তৈরি করতে পারছে না।” হরমুজ প্রণালীতে ইরানের নৌ সক্ষমতার উদাহরণ টেনে কুপার জানান, অতীতে এই এলাকায় সাধারণত ২০ থেকে ৪০টি দ্রুতগামী নৌকা দেখা যেত। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে দেখা যাচ্ছে মাত্র দুই থেকে তিনটি। তাঁর মতে, এটি ইরানের নৌ সক্ষমতার উল্লেখযোগ্য অবনতির প্রমাণ। মার্কিন বাহিনী সম্প্রতি হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলে হুমকি সৃষ্টি করা ইরানের প্রায় অর্ধডজন দ্রুতগামী নৌকা ধ্বংস করেছে বলেও তিনি জানান। অ্যাডমিরাল কুপার বলেন, ইরানের সামরিক শক্তি দুর্বল হলেও দেশটি এখনো আধুনিক ড্রোনের মাধ্যমে নতুন ধরনের হুমকি তৈরি করছে। তিনি উল্লেখ করেন, আগের তুলনায় এখন ইরানের ড্রোনগুলো অনেক বেশি উন্নত, জেটচালিত এবং অত্যাধুনিক সেন্সর ও বৈদ্যুতিক যুদ্ধ সক্ষমতাসম্পন্ন। তবে যুক্তরাষ্ট্রও পাল্টা কৌশল গ্রহণ করেছে। তুলনামূলক কম খরচের একমুখী আক্রমণকারী ড্রোন ব্যবহার করে তারা ইরানকে ব্যয়বহুল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করতে বাধ্য করছে। কুপারের ভাষায়, এতে যুদ্ধের ব্যয়ের ভারসাম্য এখন যুক্তরাষ্ট্রের অনুকূলে এসেছে। এই প্রসঙ্গে তিনি স্বল্পমূল্যের মানববিহীন যুদ্ধ ড্রোন ব্যবস্থার কার্যকারিতার কথা তুলে ধরেন। এসব ড্রোন ব্যবহার করে ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে সফলভাবে হামলা চালানো হয়েছে বলে তিনি জানান। সিনেট কমিটিতে দেওয়া সাক্ষ্যে অ্যাডমিরাল কুপার যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের ব্যাপকতা সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য দেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র মজুদ, উৎক্ষেপণযান ও দূরপাল্লার আক্রমণকারী ড্রোনের ওপর ৪৫০টিরও বেশি হামলা চালানো হয়েছে। ড্রোন উৎক্ষেপণ ইউনিট ও সংরক্ষণাগারের ওপর চালানো হয়েছে প্রায় ৮০০ হামলা। তিনি বলেন, ইরানের বিমান বাহিনী বর্তমানে কার্যত অকার্যকর। যুদ্ধ শুরুর আগে প্রতিদিন ৩০ থেকে ১০০টি উড্ডয়ন পরিচালনা করা হলেও এখন সেই সংখ্যা শূন্যে নেমে এসেছে। বিমানঘাঁটি, হ্যাঙ্গার, জ্বালানি সংরক্ষণাগার এবং গোলাবারুদের মজুদ ধ্বংস বা অকার্যকর করে দেওয়া হয়েছে। ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ৮২ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট রাডার ও কমান্ড নেটওয়ার্কও ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। সমুদ্রপথে ইরানের সামরিক শক্তির ওপরও বড় ধরনের আঘাত এসেছে। কুপারের তথ্য অনুযায়ী, ১৬ ধরনের মোট ১৬১টি নৌযান ধ্বংস করা হয়েছে। আট হাজারেরও বেশি নৌমাইনের মধ্যে ৯০ শতাংশের বেশি নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। ফলে ইরানের নৌবাহিনী আর কার্যকর সামুদ্রিক শক্তি হিসেবে বিবেচিত হওয়ার অবস্থায় নেই। ওমান উপসাগর কিংবা ভারত মহাসাগরে শক্তি প্রদর্শনের সক্ষমতাও তাদের নেই বলে মন্তব্য করেন সেন্টকম প্রধান। তিনি আরও জানান, ইরানের কমান্ড কাঠামোর ওপর দুই হাজারেরও বেশি হামলার ফলে নেতৃত্বে শূন্যতা, সিদ্ধান্তহীনতা এবং অভ্যন্তরীণ বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে। সেনা সদস্যদের মধ্যে পালিয়ে যাওয়া, জনবল সংকট এবং শৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর পদক্ষেপের খবরও পাওয়া যাচ্ছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, ইরান এখন লেবাননের হিজবুল্লাহ, ইয়েমেনের হুথি, গাজায় হামাস এবং ইরাকভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর কাছে উন্নত অস্ত্র পাঠাতে বড় ধরনের বাধার মুখে পড়েছে। তেহরান থেকে তাদের সরবরাহ শৃঙ্খল মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে সামরিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, ইরান এখনো পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় নয়। সাম্প্রতিক সময়ে দেশটি সংযুক্ত আরব আমিরাতে হামলা চালিয়েছে এবং হরমুজ প্রণালীতে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলে হস্তক্ষেপ করেছে। অ্যাডমিরাল কুপারের সাক্ষ্যের কয়েক ঘণ্টা আগে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর নৌ ইউনিট হন্ডুরাসের পতাকাবাহী একটি গবেষণা জাহাজ জব্দ করে। জাহাজটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ উপকূলের কাছ থেকে আটক করা হয়। যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক বাণিজ্য পর্যবেক্ষণ সংস্থা জানায়, জাহাজটি ইরানের জলসীমার দিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিন পিংয়ের মধ্যে বৈঠকেও হরমুজ প্রণালীর বিষয়টি গুরুত্ব পায়। হোয়াইট হাউস জানায়, উভয় নেতা একমত হয়েছেন যে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রণালীটি উন্মুক্ত রাখা জরুরি। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান স্পষ্ট—ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সুযোগ দেওয়া হবে না। ট্রাম্প তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইরানের সামরিক শক্তি ধ্বংসের কথা উল্লেখ করে লিখেছেন, “ইরানের সামরিক শক্তির ধ্বংস—চলবে।” অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে প্রেসিডেন্টের যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষমতা সীমিত করার উদ্যোগ আবারও ব্যর্থ হয়েছে। প্রতিনিধি পরিষদে ভোটাভুটিতে প্রস্তাবটি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। তবে আইনপ্রণেতাদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি সংঘাত নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে বলে পর্যবেক্ষকেরা মনে করছেন। সব মিলিয়ে, মার্কিন সামরিক নেতৃত্বের দাবি অনুযায়ী ইরানের সামরিক সক্ষমতা আগের তুলনায় অনেক দুর্বল হয়ে পড়েছে। কিন্তু দেশটির হাতে এখনো কিছু ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন এবং নৌ সক্ষমতা রয়ে গেছে, যা আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য সীমিত হলেও বাস্তব হুমকি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/639_1.webp" alt="ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা আগের মতো নেই: সেন্টকম" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা আগের মতো নেই: সেন্টকম</h1>
            <p>মার্কিন কেন্দ্রীয় কমান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার বলেছেন, ইরানের অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা অক্ষত রয়েছে—এমন দাবি সঠিক নয়। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ধারাবাহিক হামলায় ইরানের সামরিক অবকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যদিও কিছু সীমিত সক্ষমতা এখনো রয়ে গেছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় কমান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার ইরানের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের সশস্ত্র বাহিনী বিষয়ক কমিটিতে সাক্ষ্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, উন্মুক্ত সূত্রে যে সংখ্যাগুলো প্রকাশিত হয়েছে, সেগুলো বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। সম্প্রতি কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়, ইরান তার ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি, মোবাইল উৎক্ষেপণযান এবং ভূগর্ভস্থ স্থাপনাগুলোর বেশিরভাগই আবার কার্যকর করতে সক্ষম হয়েছে। এমনকি হরমুজ প্রণালীর তীরে থাকা ৩৩টির মধ্যে ৩০টি ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিতে ইরান পুনরায় প্রবেশাধিকার পেয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এতে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধজাহাজ এবং আন্তর্জাতিক তেলবাহী জাহাজের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ দেখা দেয়। তবে অ্যাডমিরাল কুপার বলেন, শুধু অস্ত্রের সংখ্যা দেখলে পুরো চিত্র বোঝা যায় না। তাঁর মতে, ইরানের কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ কাঠামো গুরুতরভাবে ভেঙে পড়েছে। ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের সক্ষমতাও ব্যাপকভাবে বাধাগ্রস্ত হয়েছে। ফলে হাতে কিছু অস্ত্র থাকলেও তা কার্যকরভাবে ব্যবহার করার ক্ষমতা আগের মতো নেই। তিনি বলেন, “ইরান আর আগের মতো করে যুক্তরাষ্ট্র বা আঞ্চলিক অংশীদারদের জন্য হুমকি তৈরি করতে পারছে না।” হরমুজ প্রণালীতে ইরানের নৌ সক্ষমতার উদাহরণ টেনে কুপার জানান, অতীতে এই এলাকায় সাধারণত ২০ থেকে ৪০টি দ্রুতগামী নৌকা দেখা যেত। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে দেখা যাচ্ছে মাত্র দুই থেকে তিনটি। তাঁর মতে, এটি ইরানের নৌ সক্ষমতার উল্লেখযোগ্য অবনতির প্রমাণ। মার্কিন বাহিনী সম্প্রতি হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলে হুমকি সৃষ্টি করা ইরানের প্রায় অর্ধডজন দ্রুতগামী নৌকা ধ্বংস করেছে বলেও তিনি জানান। অ্যাডমিরাল কুপার বলেন, ইরানের সামরিক শক্তি দুর্বল হলেও দেশটি এখনো আধুনিক ড্রোনের মাধ্যমে নতুন ধরনের হুমকি তৈরি করছে। তিনি উল্লেখ করেন, আগের তুলনায় এখন ইরানের ড্রোনগুলো অনেক বেশি উন্নত, জেটচালিত এবং অত্যাধুনিক সেন্সর ও বৈদ্যুতিক যুদ্ধ সক্ষমতাসম্পন্ন। তবে যুক্তরাষ্ট্রও পাল্টা কৌশল গ্রহণ করেছে। তুলনামূলক কম খরচের একমুখী আক্রমণকারী ড্রোন ব্যবহার করে তারা ইরানকে ব্যয়বহুল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করতে বাধ্য করছে। কুপারের ভাষায়, এতে যুদ্ধের ব্যয়ের ভারসাম্য এখন যুক্তরাষ্ট্রের অনুকূলে এসেছে। এই প্রসঙ্গে তিনি স্বল্পমূল্যের মানববিহীন যুদ্ধ ড্রোন ব্যবস্থার কার্যকারিতার কথা তুলে ধরেন। এসব ড্রোন ব্যবহার করে ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে সফলভাবে হামলা চালানো হয়েছে বলে তিনি জানান। সিনেট কমিটিতে দেওয়া সাক্ষ্যে অ্যাডমিরাল কুপার যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের ব্যাপকতা সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য দেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র মজুদ, উৎক্ষেপণযান ও দূরপাল্লার আক্রমণকারী ড্রোনের ওপর ৪৫০টিরও বেশি হামলা চালানো হয়েছে। ড্রোন উৎক্ষেপণ ইউনিট ও সংরক্ষণাগারের ওপর চালানো হয়েছে প্রায় ৮০০ হামলা। তিনি বলেন, ইরানের বিমান বাহিনী বর্তমানে কার্যত অকার্যকর। যুদ্ধ শুরুর আগে প্রতিদিন ৩০ থেকে ১০০টি উড্ডয়ন পরিচালনা করা হলেও এখন সেই সংখ্যা শূন্যে নেমে এসেছে। বিমানঘাঁটি, হ্যাঙ্গার, জ্বালানি সংরক্ষণাগার এবং গোলাবারুদের মজুদ ধ্বংস বা অকার্যকর করে দেওয়া হয়েছে। ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ৮২ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট রাডার ও কমান্ড নেটওয়ার্কও ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। সমুদ্রপথে ইরানের সামরিক শক্তির ওপরও বড় ধরনের আঘাত এসেছে। কুপারের তথ্য অনুযায়ী, ১৬ ধরনের মোট ১৬১টি নৌযান ধ্বংস করা হয়েছে। আট হাজারেরও বেশি নৌমাইনের মধ্যে ৯০ শতাংশের বেশি নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। ফলে ইরানের নৌবাহিনী আর কার্যকর সামুদ্রিক শক্তি হিসেবে বিবেচিত হওয়ার অবস্থায় নেই। ওমান উপসাগর কিংবা ভারত মহাসাগরে শক্তি প্রদর্শনের সক্ষমতাও তাদের নেই বলে মন্তব্য করেন সেন্টকম প্রধান। তিনি আরও জানান, ইরানের কমান্ড কাঠামোর ওপর দুই হাজারেরও বেশি হামলার ফলে নেতৃত্বে শূন্যতা, সিদ্ধান্তহীনতা এবং অভ্যন্তরীণ বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে। সেনা সদস্যদের মধ্যে পালিয়ে যাওয়া, জনবল সংকট এবং শৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর পদক্ষেপের খবরও পাওয়া যাচ্ছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, ইরান এখন লেবাননের হিজবুল্লাহ, ইয়েমেনের হুথি, গাজায় হামাস এবং ইরাকভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর কাছে উন্নত অস্ত্র পাঠাতে বড় ধরনের বাধার মুখে পড়েছে। তেহরান থেকে তাদের সরবরাহ শৃঙ্খল মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে সামরিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, ইরান এখনো পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় নয়। সাম্প্রতিক সময়ে দেশটি সংযুক্ত আরব আমিরাতে হামলা চালিয়েছে এবং হরমুজ প্রণালীতে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলে হস্তক্ষেপ করেছে। অ্যাডমিরাল কুপারের সাক্ষ্যের কয়েক ঘণ্টা আগে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর নৌ ইউনিট হন্ডুরাসের পতাকাবাহী একটি গবেষণা জাহাজ জব্দ করে। জাহাজটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ উপকূলের কাছ থেকে আটক করা হয়। যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক বাণিজ্য পর্যবেক্ষণ সংস্থা জানায়, জাহাজটি ইরানের জলসীমার দিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিন পিংয়ের মধ্যে বৈঠকেও হরমুজ প্রণালীর বিষয়টি গুরুত্ব পায়। হোয়াইট হাউস জানায়, উভয় নেতা একমত হয়েছেন যে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রণালীটি উন্মুক্ত রাখা জরুরি। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান স্পষ্ট—ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সুযোগ দেওয়া হবে না। ট্রাম্প তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইরানের সামরিক শক্তি ধ্বংসের কথা উল্লেখ করে লিখেছেন, “ইরানের সামরিক শক্তির ধ্বংস—চলবে।” অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে প্রেসিডেন্টের যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষমতা সীমিত করার উদ্যোগ আবারও ব্যর্থ হয়েছে। প্রতিনিধি পরিষদে ভোটাভুটিতে প্রস্তাবটি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। তবে আইনপ্রণেতাদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি সংঘাত নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে বলে পর্যবেক্ষকেরা মনে করছেন। সব মিলিয়ে, মার্কিন সামরিক নেতৃত্বের দাবি অনুযায়ী ইরানের সামরিক সক্ষমতা আগের তুলনায় অনেক দুর্বল হয়ে পড়েছে। কিন্তু দেশটির হাতে এখনো কিছু ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন এবং নৌ সক্ষমতা রয়ে গেছে, যা আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য সীমিত হলেও বাস্তব হুমকি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/639_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/639_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/639_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইসরায়েলের সামনে কি ঘোর অন্ধকার? আমেরিকার সমর্থন হারানোই কি হবে ইহুদি রাষ্ট্রের পতনের প্রধান কারণ?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36973</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36973</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 19 May 2026 18:05:16 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news 2026, latest news today, atn bd news, latest news and bulletin, bangladeshi latest news, bd news, bd hot news, bd india relation news, latestnews, updated news, bdnews, update news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangla news update, bangla tv news, atn bangla news, news, news today, bangladesh news, bangladesh news today, bangla news, jamaat news, today raater news bangladesh, bangla news today, bangladesh tv news, news trending, bnp news, ncp news, top news, zee news]]></category>
        
        <description><![CDATA[বাইরে থেকে দেখলে মনে হয় ইসরায়েল এখন অপরাজেয়। গত কয়েক বছরে তারা একের পর এক সামরিক বিজয় অর্জন করেছে। হামাসকে কোণঠাসা করেছে। হিজবুল্লাহর শক্তি খর্ব করেছে। এমনকি তাদের সবচেয়ে বড় শত্রু ইরানকেও তারা চোখে আঙুল দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছে—মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলই এখন দণ্ডমুণ্ডের কর্তা। কিন্তু, এই বিশাল সামরিক শক্তির আড়ালে কি এক বিশাল গর্ত তৈরি হচ্ছে? যে শক্তির ওপর ভিত্তি করে ইসরায়েল আজ বিশ্বমঞ্চে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে, সেই শক্তির মূল উৎস কি শুকিয়ে যাচ্ছে? রহস্যটা সামরিক ময়দানে নয়। রহস্যটা লুকিয়ে আছে ওয়াশিংটনের অন্দরে। যে আমেরিকা কয়েক দশক ধরে ইসরায়েলের ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল, সেই আমেরিকার জনমত আজ নাটকীয়ভাবে বদলে যাচ্ছে। আজ আমরা বিশ্লেষণ করব এক অপ্রিয় সত্য। কেন আমেরিকায় বাড়তে থাকা ইসরায়েল-বিরোধী মনোভাব এই ইহুদি রাষ্ট্রের অস্তিত্বের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটি কোনো কাল্পনিক ভয় নয়, এটি একটি গাণিতিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতা। পার্থিব শক্তির দম্ভ যখন আকাশে ওড়ে, তখন মাটির নিচের ফাটল অনেকেই দেখতে পায় না। ২০২৬ সালের এই সময়ে দাঁড়িয়ে যদি আমরা পিউ রিসার্চ সেন্টারের (Pew Research) সাম্প্রতিক তথ্যের দিকে তাকাই, তবে শিউরে উঠতে হয়। আমেরিকার মতো প্রথাগত ইসরায়েল-বান্ধব দেশেও ৬০ শতাংশ মানুষ এখন ইসরায়েলের প্রতি নেতিবাচক ধারণা পোষণ করে। ভাবুন একবার! যে দেশটি ইসরায়েলের জন্মলগ্ন থেকে তার ছায়া হয়ে ছিল, সেই দেশের অর্ধেকেরও বেশি মানুষ এখন ইহুদি রাষ্ট্রকে পছন্দ করছে না। এটি কেবল একটি সংখ্যা নয়, এটি একটি যুগের অবসান। আমেরিকার রাজনীতি দুই মেরুতে বিভক্ত। কিন্তু ইসরায়েল ইস্যুতে এতদিন দুই দলই এক ছিল। এখন আর নেই। ডেমোক্রেটিক পার্টির ভেতর এখন ইসরায়েল বিরোধী আগ্নেয়গিরি ফুটছে। দলের ৮০ শতাংশ সমর্থক এখন ইসরায়েলকে ঘৃণা করে। নতুন প্রজন্মের প্রগতিশীল ডেমোক্র্যাটরা ইসরায়েলকে একটি 'দখলদার রাষ্ট্র' হিসেবে দেখে। তারা আর ইসরায়েলকে কোনো গণতান্ত্রিক মিত্র মনে করে না। জো বাইডেন ছিলেন শেষ 'পুরানো ধাঁচের' ডেমোক্র্যাট, যিনি ইসরায়েলকে মনেপ্রাণে সমর্থন করতেন। কিন্তু তার পরবর্তী নেতৃত্বে যারা আসছেন, তারা ইসরায়েলের নাম শুনলেই খড়গহস্ত হন। অনেকে মনে করেন রিপাবলিকানরা তো ইসরায়েলের কট্টর সমর্থক। ট্রাম্প তো ইসরায়েলের পরম বন্ধু। কিন্তু পর্দার আড়ালে চিত্রটা অন্যরকম। ১৮ থেকে ৪৯ বছর বয়সী রিপাবলিকানদের মধ্যে ৫৭ শতাংশই এখন ইসরায়েলের প্রতি বিমুখ। ডানপন্থী ইনফ্লুয়েন্সাররা, যারা একসময় ইসরায়েলের গুণগান গাইতেন, তারা এখন অন্য সুরে কথা বলছেন। ক্যান্ডেস ওয়েন্সের মতো প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বরা এখন প্রকাশ্যেই ইসরায়েলের সমালোচনা করছেন। রিপাবলিকানদের মধ্যেও 'আমেরিকা ফার্স্ট' নীতি জোরালো হচ্ছে। তারা প্রশ্ন তুলছে—কেন আমাদের ট্যাক্সের বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার অন্য দেশের যুদ্ধে ব্যয় হবে? এই পরিবর্তনের পেছনে রয়েছে কিছু গভীর মনস্তাত্ত্বিক কারণ। প্রথমত, আমেরিকায় খ্রিস্টধর্মের প্রভাব কমছে। বিশেষ করে ইভানজেলিকাল খ্রিস্টানদের সংখ্যা কমছে, যারা ধর্মীয় কারণে ইসরায়েলকে সমর্থন করত। দ্বিতীয়ত, হলোকাস্ট বা ইহুদি নিধনের সেই ভয়াবহ স্মৃতি এখনকার প্রজন্মের কাছে নিছক ইতিহাস। ৮১ বছর আগের সেই ট্র্যাজেডি দিয়ে বর্তমানের সামরিক অভিযানকে জাস্টিফাই করা তরুণ প্রজন্মের কাছে কঠিন হয়ে পড়ছে। আমেরিকা যদি ইসরায়েল থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে তার প্রভাব হবে সুদূরপ্রসারী এবং ধ্বংসাত্মক। ইসরায়েলি ডিফেন্স ফোর্স বা আইডিএফ (IDF) কার্যত আমেরিকার অস্ত্রের ওপর টিকে আছে। প্রতি বছর আমেরিকা ইসরায়েলকে ৩.৮ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সহায়তা দেয়। যদি এই সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়, তবে ইসরায়েলের অত্যাধুনিক আয়রন ডোম বা এফ-৩৫ ফাইটার জেটগুলো অকেজো হয়ে পড়বে। আমেরিকা বিমুখ হওয়া মানে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা দেওয়াল ধসে পড়া। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ইসরায়েল আজ পর্যন্ত যতবার পার পেয়ে গেছে, তার পেছনে ছিল আমেরিকার 'ভেটো' (Veto)। আমেরিকা যদি নিরপেক্ষ অবস্থান নেয় বা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ভোট দেয়, তবে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা ইসরায়েলকে পঙ্গু করে দেবে। ইসরায়েল পরিণত হবে বিশ্বের এক অস্পৃশ্য রাষ্ট্রে। আমেরিকা ইসরায়েলের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার। হাই-টেক সেক্টরে মার্কিন বিনিয়োগ ইসরায়েলি অর্থনীতির মেরুদণ্ড। আমেরিকার জনমত যদি ইসরায়েলি পণ্য বর্জনের দিকে যায়, তবে তেল আবিবের আকাশচুম্বী অট্টালিকাগুলো তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়বে। ২০২৯ সালের জানুয়ারিতে যখন নতুন কোনো প্রেসিডেন্ট হোয়াইট হাউসে বসবেন, তখন পরিস্থিতি কী হবে? ডেমোক্রেটিক পার্টির ভেতর থেকে যদি কোনো কট্টর ইসরায়েল-বিরোধী নেতা ক্ষমতায় আসেন, তবে তিনি কি ইসরায়েলকে সন্ত্রাসবাদী রাষ্ট্রের তকমা দেবেন? তিনি কি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীকে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে নিষিদ্ধ করবেন? সম্ভাবনাগুলো এখন আর অবাস্তব নয়। ইসরায়েল সামরিকভাবে জিতছে ঠিকই, কিন্তু তারা আদর্শিক যুদ্ধে হেরে যাচ্ছে। আমেরিকার জনমত এখন যেদিকে বইছে, তাতে ভবিষ্যতে ইসরায়েলের কোনো বন্ধু খুঁজে পাওয়া দুষ্কর হবে। ইতিহাস সাক্ষী, কোনো রাষ্ট্র কেবল অস্ত্র দিয়ে টিকে থাকতে পারে না। তার জন্য প্রয়োজন নৈতিক সমর্থন এবং শক্তিশালী মিত্র। ইসরায়েল তার সবচেয়ে বড় মিত্রকে হারাতে বসেছে। আর এই ফাটল যদি মেরামত করা না যায়, তবে মধ্যপ্রাচ্যের এই শক্তিশালী রাষ্ট্রটি হয়তো একদিন ইতিহাসের পাতায় কেবল একটি সামরিক অহংকারের গল্প হিসেবেই থেকে যাবে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24o_17-05-26_42.webp" alt="ইসরায়েলের সামনে কি ঘোর অন্ধকার? আমেরিকার সমর্থন হারানোই কি হবে ইহুদি রাষ্ট্রের পতনের প্রধান কারণ?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইসরায়েলের সামনে কি ঘোর অন্ধকার? আমেরিকার সমর্থন হারানোই কি হবে ইহুদি রাষ্ট্রের পতনের প্রধান কারণ?</h1>
            <p>বাইরে থেকে দেখলে মনে হয় ইসরায়েল এখন অপরাজেয়। গত কয়েক বছরে তারা একের পর এক সামরিক বিজয় অর্জন করেছে। হামাসকে কোণঠাসা করেছে। হিজবুল্লাহর শক্তি খর্ব করেছে। এমনকি তাদের সবচেয়ে বড় শত্রু ইরানকেও তারা চোখে আঙুল দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছে—মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলই এখন দণ্ডমুণ্ডের কর্তা। কিন্তু, এই বিশাল সামরিক শক্তির আড়ালে কি এক বিশাল গর্ত তৈরি হচ্ছে? যে শক্তির ওপর ভিত্তি করে ইসরায়েল আজ বিশ্বমঞ্চে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে, সেই শক্তির মূল উৎস কি শুকিয়ে যাচ্ছে? রহস্যটা সামরিক ময়দানে নয়। রহস্যটা লুকিয়ে আছে ওয়াশিংটনের অন্দরে। যে আমেরিকা কয়েক দশক ধরে ইসরায়েলের ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল, সেই আমেরিকার জনমত আজ নাটকীয়ভাবে বদলে যাচ্ছে। আজ আমরা বিশ্লেষণ করব এক অপ্রিয় সত্য। কেন আমেরিকায় বাড়তে থাকা ইসরায়েল-বিরোধী মনোভাব এই ইহুদি রাষ্ট্রের অস্তিত্বের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটি কোনো কাল্পনিক ভয় নয়, এটি একটি গাণিতিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতা। পার্থিব শক্তির দম্ভ যখন আকাশে ওড়ে, তখন মাটির নিচের ফাটল অনেকেই দেখতে পায় না। ২০২৬ সালের এই সময়ে দাঁড়িয়ে যদি আমরা পিউ রিসার্চ সেন্টারের (Pew Research) সাম্প্রতিক তথ্যের দিকে তাকাই, তবে শিউরে উঠতে হয়। আমেরিকার মতো প্রথাগত ইসরায়েল-বান্ধব দেশেও ৬০ শতাংশ মানুষ এখন ইসরায়েলের প্রতি নেতিবাচক ধারণা পোষণ করে। ভাবুন একবার! যে দেশটি ইসরায়েলের জন্মলগ্ন থেকে তার ছায়া হয়ে ছিল, সেই দেশের অর্ধেকেরও বেশি মানুষ এখন ইহুদি রাষ্ট্রকে পছন্দ করছে না। এটি কেবল একটি সংখ্যা নয়, এটি একটি যুগের অবসান। আমেরিকার রাজনীতি দুই মেরুতে বিভক্ত। কিন্তু ইসরায়েল ইস্যুতে এতদিন দুই দলই এক ছিল। এখন আর নেই। ডেমোক্রেটিক পার্টির ভেতর এখন ইসরায়েল বিরোধী আগ্নেয়গিরি ফুটছে। দলের ৮০ শতাংশ সমর্থক এখন ইসরায়েলকে ঘৃণা করে। নতুন প্রজন্মের প্রগতিশীল ডেমোক্র্যাটরা ইসরায়েলকে একটি 'দখলদার রাষ্ট্র' হিসেবে দেখে। তারা আর ইসরায়েলকে কোনো গণতান্ত্রিক মিত্র মনে করে না। জো বাইডেন ছিলেন শেষ 'পুরানো ধাঁচের' ডেমোক্র্যাট, যিনি ইসরায়েলকে মনেপ্রাণে সমর্থন করতেন। কিন্তু তার পরবর্তী নেতৃত্বে যারা আসছেন, তারা ইসরায়েলের নাম শুনলেই খড়গহস্ত হন। অনেকে মনে করেন রিপাবলিকানরা তো ইসরায়েলের কট্টর সমর্থক। ট্রাম্প তো ইসরায়েলের পরম বন্ধু। কিন্তু পর্দার আড়ালে চিত্রটা অন্যরকম। ১৮ থেকে ৪৯ বছর বয়সী রিপাবলিকানদের মধ্যে ৫৭ শতাংশই এখন ইসরায়েলের প্রতি বিমুখ। ডানপন্থী ইনফ্লুয়েন্সাররা, যারা একসময় ইসরায়েলের গুণগান গাইতেন, তারা এখন অন্য সুরে কথা বলছেন। ক্যান্ডেস ওয়েন্সের মতো প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বরা এখন প্রকাশ্যেই ইসরায়েলের সমালোচনা করছেন। রিপাবলিকানদের মধ্যেও 'আমেরিকা ফার্স্ট' নীতি জোরালো হচ্ছে। তারা প্রশ্ন তুলছে—কেন আমাদের ট্যাক্সের বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার অন্য দেশের যুদ্ধে ব্যয় হবে? এই পরিবর্তনের পেছনে রয়েছে কিছু গভীর মনস্তাত্ত্বিক কারণ। প্রথমত, আমেরিকায় খ্রিস্টধর্মের প্রভাব কমছে। বিশেষ করে ইভানজেলিকাল খ্রিস্টানদের সংখ্যা কমছে, যারা ধর্মীয় কারণে ইসরায়েলকে সমর্থন করত। দ্বিতীয়ত, হলোকাস্ট বা ইহুদি নিধনের সেই ভয়াবহ স্মৃতি এখনকার প্রজন্মের কাছে নিছক ইতিহাস। ৮১ বছর আগের সেই ট্র্যাজেডি দিয়ে বর্তমানের সামরিক অভিযানকে জাস্টিফাই করা তরুণ প্রজন্মের কাছে কঠিন হয়ে পড়ছে। আমেরিকা যদি ইসরায়েল থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে তার প্রভাব হবে সুদূরপ্রসারী এবং ধ্বংসাত্মক। ইসরায়েলি ডিফেন্স ফোর্স বা আইডিএফ (IDF) কার্যত আমেরিকার অস্ত্রের ওপর টিকে আছে। প্রতি বছর আমেরিকা ইসরায়েলকে ৩.৮ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সহায়তা দেয়। যদি এই সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়, তবে ইসরায়েলের অত্যাধুনিক আয়রন ডোম বা এফ-৩৫ ফাইটার জেটগুলো অকেজো হয়ে পড়বে। আমেরিকা বিমুখ হওয়া মানে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা দেওয়াল ধসে পড়া। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ইসরায়েল আজ পর্যন্ত যতবার পার পেয়ে গেছে, তার পেছনে ছিল আমেরিকার 'ভেটো' (Veto)। আমেরিকা যদি নিরপেক্ষ অবস্থান নেয় বা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ভোট দেয়, তবে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা ইসরায়েলকে পঙ্গু করে দেবে। ইসরায়েল পরিণত হবে বিশ্বের এক অস্পৃশ্য রাষ্ট্রে। আমেরিকা ইসরায়েলের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার। হাই-টেক সেক্টরে মার্কিন বিনিয়োগ ইসরায়েলি অর্থনীতির মেরুদণ্ড। আমেরিকার জনমত যদি ইসরায়েলি পণ্য বর্জনের দিকে যায়, তবে তেল আবিবের আকাশচুম্বী অট্টালিকাগুলো তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়বে। ২০২৯ সালের জানুয়ারিতে যখন নতুন কোনো প্রেসিডেন্ট হোয়াইট হাউসে বসবেন, তখন পরিস্থিতি কী হবে? ডেমোক্রেটিক পার্টির ভেতর থেকে যদি কোনো কট্টর ইসরায়েল-বিরোধী নেতা ক্ষমতায় আসেন, তবে তিনি কি ইসরায়েলকে সন্ত্রাসবাদী রাষ্ট্রের তকমা দেবেন? তিনি কি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীকে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে নিষিদ্ধ করবেন? সম্ভাবনাগুলো এখন আর অবাস্তব নয়। ইসরায়েল সামরিকভাবে জিতছে ঠিকই, কিন্তু তারা আদর্শিক যুদ্ধে হেরে যাচ্ছে। আমেরিকার জনমত এখন যেদিকে বইছে, তাতে ভবিষ্যতে ইসরায়েলের কোনো বন্ধু খুঁজে পাওয়া দুষ্কর হবে। ইতিহাস সাক্ষী, কোনো রাষ্ট্র কেবল অস্ত্র দিয়ে টিকে থাকতে পারে না। তার জন্য প্রয়োজন নৈতিক সমর্থন এবং শক্তিশালী মিত্র। ইসরায়েল তার সবচেয়ে বড় মিত্রকে হারাতে বসেছে। আর এই ফাটল যদি মেরামত করা না যায়, তবে মধ্যপ্রাচ্যের এই শক্তিশালী রাষ্ট্রটি হয়তো একদিন ইতিহাসের পাতায় কেবল একটি সামরিক অহংকারের গল্প হিসেবেই থেকে যাবে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24o_17-05-26_42.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24o_17-05-26_42.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24o_17-05-26_42.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইরান-ইসরায়েল মহাযুদ্ধের নেপথ্যে এক ভয়ানক সত্য: আমেরিকার আধিপত্য নাকি তেহরানের অপ্রতিরোধ্য প্রতিশোধের নতুন ইতিহাস?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36972</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36972</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 19 May 2026 18:05:14 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news 2026, latest news today, atn bd news, latest news and bulletin, bangladeshi latest news, bd news, bd hot news, bd india relation news, latestnews, updated news, bdnews, update news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangla news update, bangla tv news, atn bangla news, news, news today, bangladesh news, bangladesh news today, bangla news, jamaat news, today raater news bangladesh, bangla news today, bangladesh tv news, news trending, bnp news, ncp news, top news, zee news]]></category>
        
        <description><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে আজ নীল নক্ষত্র আর লাল পতাকার সংঘাত। বাতাসের প্রতিটি ঝাপটায় আজ বারুদের তীব্র গন্ধ। কিন্তু আপনি যা দেখছেন, তা কি কেবলই একটি যুদ্ধ? নাকি এটি শতাব্দীর অন্যতম বড় এক ভূ-রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের চূড়ান্ত পর্যায়? আমরা আজ দাঁড়িয়ে আছি এমন এক মোড়ে, যেখান থেকে ফিরে আসার পথ বন্ধ হয়ে গেছে। ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের এই প্রথম পাঠটি কেবল যুদ্ধের ময়দান নিয়ে নয়; এটি আমেরিকার কৌশলগত গভীরতা, ইসরায়েলের সংকল্প আর তেহরানের ইস্পাতকঠিন ধৈর্যের এক জটিল উপাখ্যান। বহু বছর ধরে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা এই সম্পর্ককে অভ্যন্তরীণ রাজনীতি বা তুচ্ছ স্বার্থের চশমায় দেখার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু আজকের এই লেলিহান আগুন সেই ভুল বিশ্লেষণের মুখোশ খুলে দিয়েছে। আজ প্রমাণিত হয়েছে যে, আমেরিকা-ইসরায়েল জোট কেবল কাগজের চুক্তি নয়, বরং এটি একটি আদর্শিক এবং কৌশলগত প্রতিরক্ষা ব্যুহ। কিন্তু এর বিপরীতে ইরান যা গড়ে তুলেছে, তা কি কেবল প্রতিরোধ? নাকি এক ধ্বংসাত্মক প্রতি আক্রমণ? ইতিহাসের পাতা উল্টালে দেখা যায়, আমেরিকা আর তেহরানের এই শত্রুতা কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়। এটি দশকের পর দশক ধরে সঞ্চিত হওয়া ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। এই যুদ্ধের প্রথম শিক্ষা হলো আমেরিকার তথাকথিত 'নেতৃত্ব'। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সময় থেকেই ইরানকে সরাসরি মোকাবিলার যে পরিকল্পনা শুরু হয়েছিল, আজ তা চূড়ান্ত রূপ নিচ্ছে। কিন্তু এই শক্তি প্রদর্শনের আড়ালে কি কোনো নৈতিক ভিত্তি আছে? আমেরিকা বারবার দাবি করে আসছে যে, ইরান একটি স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থা। তারা বলে, ১৯৮৩ সালে বৈরুতে মার্কিন মেরিন ব্যারাকে হামলা থেকে শুরু করে ইরাকে মার্কিন সেনাদের ওপর আক্রমণ—সবকিছুর পেছনেই রয়েছে তেহরানের মদদপুষ্ট হেজবুল্লাহ বা অন্য প্রক্সি গোষ্ঠীগুলো। আমেরিকার রক্ত নাকি তেহরানের হাতে লেগে আছে। কিন্তু নিরপেক্ষ বিশ্লেষণে বসলে প্রশ্ন জাগে—মধ্যপ্রাচ্যের সার্বভৌম দেশগুলোতে দশকের পর দশক ধরে মার্কিন হস্তক্ষেপ কি বৈধ ছিল? কেন আজ ইরানকে তার নিজের সীমানার আশেপাশে আত্মরক্ষার জন্য লড়াই করতে হচ্ছে? ইসরায়েল এখানে কেবল একটি দেশ নয়, তারা পশ্চিমা শক্তির এক বিশাল দুর্গ। তারা দাবার ছক সাজায় পর্দার আড়াল থেকে। তারা ইরানের সামরিক অবকাঠামো ধ্বংস করতে চায়, কারণ তারা জানে তেহরানের উত্থান মানেই মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের একচ্ছত্র আধিপত্যের অবসান। কিন্তু ইরানও দমে যাওয়ার পাত্র নয়। তারা এই যুদ্ধের ময়দানে একা নয়। তাদের রয়েছে এক বিশাল প্রক্সি নেটওয়ার্ক—লেবানন থেকে ইয়েমেন, সিরিয়া থেকে ইরাক। এটি এমন এক মরণফাঁদ, যেখানে পা রাখলে বের হওয়া প্রায় অসম্ভব। উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর অবস্থান এখানে অত্যন্ত রহস্যময়। সংযুক্ত আরব আমিরাত বা বাহরাইনের মতো দেশগুলো ইসরায়েলের সাথে তথাকথিত 'আব্রাহাম অ্যাকর্ড' করলেও, তারা মনে মনে জানে যে ইরানকে শত্রু বানিয়ে টিকে থাকা অসম্ভব। তেহরান বারবার প্রমাণ করেছে যে, তারা চাইলে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিতে পারে। আর হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়া মানে পুরো বিশ্বের হৃদপিণ্ড স্তব্ধ হয়ে যাওয়া। এই ভয়টিই পশ্চিমাদের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে। এই সংঘাত কি কেবল মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্র বদলে দেবে? না। এর প্রভাব ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বের প্রতিটি কোণায়। যুদ্ধের প্রথম কয়েক দিনেই তেলের বাজারে যে অস্থিরতা দেখা গেছে, তা কেবল শুরু। হরমুজ প্রণালী দিয়ে প্রতিদিন বিশ্বের ২০ শতাংশ তেল সরবরাহ হয়। যদি এই যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে নিউ ইয়র্ক থেকে টোকিও—প্রতিটি শহরে মুদ্রাস্ফীতির এক ভয়াবহ জোয়ার আসবে। ইউরোপ আজ এক অদ্ভুত দোলাচলে। তারা একদিকে আমেরিকার মিত্র, অন্যদিকে তাদের জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য তারা মধ্যপ্রাচ্যের ওপর নির্ভরশীল। আমেরিকা চায় ইউরোপও যেন এই যুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহণ করে, কিন্তু ব্রাসেলস বা প্যারিস জানে যে এই যুদ্ধে জড়ানো মানে নিজের অর্থনীতিতে আত্মঘাতী গোল দেওয়া। আমেরিকা বর্তমানে ইউক্রেন এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল নিয়ে ব্যস্ত। এই পরিস্থিতিতে ইরানের সাথে একটি দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ তাদের জন্য এক বিশাল কৌশলগত বোঝা। তেহরান ঠিক এটাই চায়। তারা চায় আমেরিকাকে একটি দীর্ঘ, ব্যয়বহুল এবং ক্ষয়িষ্ণু যুদ্ধের চোরাবালিতে আটকে রাখতে। যাতে ওয়াশিংটন তার বৈশ্বিক মনোযোগ হারিয়ে ফেলে। কৌশলগতভাবে ইরান এখানে অনেক বেশি পরিণত। তারা জানে কখন আঘাত করতে হয় এবং কখন পিছু হটে প্রতিপক্ষকে প্রলুব্ধ করতে হয়। প্রশ্ন উঠছে—এই যুদ্ধের বিজয় কার? আমেরিকা এবং ইসরায়েল দাবি করছে তারা ইরানের সামরিক সক্ষমতা অনেকাংশে কমিয়ে দিয়েছে। তাদের কমান্ড নেটওয়ার্ক তছনছ করে দিয়েছে। কিন্তু এটাই কি বিজয়? যুদ্ধ জয় কেবল প্রতিপক্ষের কয়েকটা বাঙ্কার ধ্বংস করার নাম নয়। যুদ্ধ জয় হলো একটি স্থায়ী রাজনৈতিক পরিবর্তন আনা। পশ্চিমা নীতিনির্ধারকরা বলছেন যে, এই যুদ্ধ অনির্দিষ্টকাল চলতে পারে না। কারণ, দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ মানেই ইরানের শক্তির পুনর্গঠন। কিন্তু তেহরানের দৃষ্টিভঙ্গি ভিন্ন। তারা এই যুদ্ধকে দেখছে তাদের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই হিসেবে। তারা জানে, যদি তারা একবার নতি স্বীকার করে, তবে পুরো মধ্যপ্রাচ্য মার্কিন করদরাজ্যে পরিণত হবে। তাই তারা পিছু হটছে না। এক্ষেত্রে একটি বড় বিষয় হলো—আমেরিকা আর ইসরায়েল কি আসলে ইরানি জনগণকে তাদের সাথে নিতে পেরেছে? উত্তর হলো—না। প্রতিটি বোমা যখন তেহরান বা ইসফাহানের মাটিতে পড়ে, তখন সাধারণ ইরানিদের মনে পশ্চিমাদের প্রতি ঘৃণা আরও ঘনীভূত হয়। কোনো বিদেশি শক্তি কোনো জাতির ভাগ্য পরিবর্তন করে দিতে পারে না। অথচ আমেরিকা বারবার সেই একই ভুল করে চলেছে। তারা লিবিয়া, ইরাক এবং আফগানিস্তানে যা করেছে, ইরানেও সেই একই চিত্রনাট্যের পুনরাবৃত্তি ঘটাতে চাইছে। এই যুদ্ধের প্রকৃত শিক্ষা আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে যে, শক্তির দম্ভ দিয়ে সত্যকে ধামাচাপা দেওয়া যায় না। আমেরিকা এবং ইসরায়েল হয়তো সাময়িকভাবে যুদ্ধক্ষেত্রে এগিয়ে আছে, কিন্তু নৈতিক এবং কৌশলগত ময়দানে ইরান এক শক্তিশালী প্রতিপক্ষ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। আমেরিকা এবং ইসরায়েল ইরানের অস্পৃশ্য থাকার মিথ ভেঙে দিয়েছে—একথা যেমন সত্য, তেমনি ইরানও প্রমাণ করেছে যে তারা পশ্চিমাদের নাকে খত দেওয়াতে জানে। এখন সময় এসেছে বড় শক্তিগুলোর চিন্তা করার। যুদ্ধ কি সমাধান? না কি এটি কেবল নতুন এক ধ্বংসযজ্ঞের সূচনা? ইরানের ভবিষ্যৎ কোনো পশ্চিমা সামরিক জেনারেলের ডেস্কে লেখা হবে না। এটি লেখা হবে তেহরানের রাস্তায়, মেহনতি মানুষের মিছিলে এবং সেই সমস্ত দেশপ্রেমিকদের হাতে যারা মনে করে তাদের দেশ কারো গোলামি করবে না। এই যুদ্ধের চূড়ান্ত অধ্যায়টি এখনো অলিখিত। আর সেই অধ্যায়ের শিরোনাম হয়তো হবে—'পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদের সমাধি এবং এক নতুন মধ্যপ্রাচ্যের জন্ম'। মনে রাখবেন, ইতিহাসের চাকা যখন ঘোরে, তখন বড় বড় সাম্রাজ্য ধুলোয় মিশে যায়। ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের এই দাবানল কি সেই পরিবর্তনেরই ইঙ্গিত? সময় এবং কেবল সময়ই এর উত্তর দেবে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/545_1.webp" alt="ইরান-ইসরায়েল মহাযুদ্ধের নেপথ্যে এক ভয়ানক সত্য: আমেরিকার আধিপত্য নাকি তেহরানের অপ্রতিরোধ্য প্রতিশোধের নতুন ইতিহাস?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইরান-ইসরায়েল মহাযুদ্ধের নেপথ্যে এক ভয়ানক সত্য: আমেরিকার আধিপত্য নাকি তেহরানের অপ্রতিরোধ্য প্রতিশোধের নতুন ইতিহাস?</h1>
            <p>মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে আজ নীল নক্ষত্র আর লাল পতাকার সংঘাত। বাতাসের প্রতিটি ঝাপটায় আজ বারুদের তীব্র গন্ধ। কিন্তু আপনি যা দেখছেন, তা কি কেবলই একটি যুদ্ধ? নাকি এটি শতাব্দীর অন্যতম বড় এক ভূ-রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের চূড়ান্ত পর্যায়? আমরা আজ দাঁড়িয়ে আছি এমন এক মোড়ে, যেখান থেকে ফিরে আসার পথ বন্ধ হয়ে গেছে। ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের এই প্রথম পাঠটি কেবল যুদ্ধের ময়দান নিয়ে নয়; এটি আমেরিকার কৌশলগত গভীরতা, ইসরায়েলের সংকল্প আর তেহরানের ইস্পাতকঠিন ধৈর্যের এক জটিল উপাখ্যান। বহু বছর ধরে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা এই সম্পর্ককে অভ্যন্তরীণ রাজনীতি বা তুচ্ছ স্বার্থের চশমায় দেখার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু আজকের এই লেলিহান আগুন সেই ভুল বিশ্লেষণের মুখোশ খুলে দিয়েছে। আজ প্রমাণিত হয়েছে যে, আমেরিকা-ইসরায়েল জোট কেবল কাগজের চুক্তি নয়, বরং এটি একটি আদর্শিক এবং কৌশলগত প্রতিরক্ষা ব্যুহ। কিন্তু এর বিপরীতে ইরান যা গড়ে তুলেছে, তা কি কেবল প্রতিরোধ? নাকি এক ধ্বংসাত্মক প্রতি আক্রমণ? ইতিহাসের পাতা উল্টালে দেখা যায়, আমেরিকা আর তেহরানের এই শত্রুতা কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়। এটি দশকের পর দশক ধরে সঞ্চিত হওয়া ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। এই যুদ্ধের প্রথম শিক্ষা হলো আমেরিকার তথাকথিত 'নেতৃত্ব'। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সময় থেকেই ইরানকে সরাসরি মোকাবিলার যে পরিকল্পনা শুরু হয়েছিল, আজ তা চূড়ান্ত রূপ নিচ্ছে। কিন্তু এই শক্তি প্রদর্শনের আড়ালে কি কোনো নৈতিক ভিত্তি আছে? আমেরিকা বারবার দাবি করে আসছে যে, ইরান একটি স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থা। তারা বলে, ১৯৮৩ সালে বৈরুতে মার্কিন মেরিন ব্যারাকে হামলা থেকে শুরু করে ইরাকে মার্কিন সেনাদের ওপর আক্রমণ—সবকিছুর পেছনেই রয়েছে তেহরানের মদদপুষ্ট হেজবুল্লাহ বা অন্য প্রক্সি গোষ্ঠীগুলো। আমেরিকার রক্ত নাকি তেহরানের হাতে লেগে আছে। কিন্তু নিরপেক্ষ বিশ্লেষণে বসলে প্রশ্ন জাগে—মধ্যপ্রাচ্যের সার্বভৌম দেশগুলোতে দশকের পর দশক ধরে মার্কিন হস্তক্ষেপ কি বৈধ ছিল? কেন আজ ইরানকে তার নিজের সীমানার আশেপাশে আত্মরক্ষার জন্য লড়াই করতে হচ্ছে? ইসরায়েল এখানে কেবল একটি দেশ নয়, তারা পশ্চিমা শক্তির এক বিশাল দুর্গ। তারা দাবার ছক সাজায় পর্দার আড়াল থেকে। তারা ইরানের সামরিক অবকাঠামো ধ্বংস করতে চায়, কারণ তারা জানে তেহরানের উত্থান মানেই মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের একচ্ছত্র আধিপত্যের অবসান। কিন্তু ইরানও দমে যাওয়ার পাত্র নয়। তারা এই যুদ্ধের ময়দানে একা নয়। তাদের রয়েছে এক বিশাল প্রক্সি নেটওয়ার্ক—লেবানন থেকে ইয়েমেন, সিরিয়া থেকে ইরাক। এটি এমন এক মরণফাঁদ, যেখানে পা রাখলে বের হওয়া প্রায় অসম্ভব। উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর অবস্থান এখানে অত্যন্ত রহস্যময়। সংযুক্ত আরব আমিরাত বা বাহরাইনের মতো দেশগুলো ইসরায়েলের সাথে তথাকথিত 'আব্রাহাম অ্যাকর্ড' করলেও, তারা মনে মনে জানে যে ইরানকে শত্রু বানিয়ে টিকে থাকা অসম্ভব। তেহরান বারবার প্রমাণ করেছে যে, তারা চাইলে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিতে পারে। আর হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়া মানে পুরো বিশ্বের হৃদপিণ্ড স্তব্ধ হয়ে যাওয়া। এই ভয়টিই পশ্চিমাদের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে। এই সংঘাত কি কেবল মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্র বদলে দেবে? না। এর প্রভাব ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বের প্রতিটি কোণায়। যুদ্ধের প্রথম কয়েক দিনেই তেলের বাজারে যে অস্থিরতা দেখা গেছে, তা কেবল শুরু। হরমুজ প্রণালী দিয়ে প্রতিদিন বিশ্বের ২০ শতাংশ তেল সরবরাহ হয়। যদি এই যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে নিউ ইয়র্ক থেকে টোকিও—প্রতিটি শহরে মুদ্রাস্ফীতির এক ভয়াবহ জোয়ার আসবে। ইউরোপ আজ এক অদ্ভুত দোলাচলে। তারা একদিকে আমেরিকার মিত্র, অন্যদিকে তাদের জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য তারা মধ্যপ্রাচ্যের ওপর নির্ভরশীল। আমেরিকা চায় ইউরোপও যেন এই যুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহণ করে, কিন্তু ব্রাসেলস বা প্যারিস জানে যে এই যুদ্ধে জড়ানো মানে নিজের অর্থনীতিতে আত্মঘাতী গোল দেওয়া। আমেরিকা বর্তমানে ইউক্রেন এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল নিয়ে ব্যস্ত। এই পরিস্থিতিতে ইরানের সাথে একটি দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ তাদের জন্য এক বিশাল কৌশলগত বোঝা। তেহরান ঠিক এটাই চায়। তারা চায় আমেরিকাকে একটি দীর্ঘ, ব্যয়বহুল এবং ক্ষয়িষ্ণু যুদ্ধের চোরাবালিতে আটকে রাখতে। যাতে ওয়াশিংটন তার বৈশ্বিক মনোযোগ হারিয়ে ফেলে। কৌশলগতভাবে ইরান এখানে অনেক বেশি পরিণত। তারা জানে কখন আঘাত করতে হয় এবং কখন পিছু হটে প্রতিপক্ষকে প্রলুব্ধ করতে হয়। প্রশ্ন উঠছে—এই যুদ্ধের বিজয় কার? আমেরিকা এবং ইসরায়েল দাবি করছে তারা ইরানের সামরিক সক্ষমতা অনেকাংশে কমিয়ে দিয়েছে। তাদের কমান্ড নেটওয়ার্ক তছনছ করে দিয়েছে। কিন্তু এটাই কি বিজয়? যুদ্ধ জয় কেবল প্রতিপক্ষের কয়েকটা বাঙ্কার ধ্বংস করার নাম নয়। যুদ্ধ জয় হলো একটি স্থায়ী রাজনৈতিক পরিবর্তন আনা। পশ্চিমা নীতিনির্ধারকরা বলছেন যে, এই যুদ্ধ অনির্দিষ্টকাল চলতে পারে না। কারণ, দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ মানেই ইরানের শক্তির পুনর্গঠন। কিন্তু তেহরানের দৃষ্টিভঙ্গি ভিন্ন। তারা এই যুদ্ধকে দেখছে তাদের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই হিসেবে। তারা জানে, যদি তারা একবার নতি স্বীকার করে, তবে পুরো মধ্যপ্রাচ্য মার্কিন করদরাজ্যে পরিণত হবে। তাই তারা পিছু হটছে না। এক্ষেত্রে একটি বড় বিষয় হলো—আমেরিকা আর ইসরায়েল কি আসলে ইরানি জনগণকে তাদের সাথে নিতে পেরেছে? উত্তর হলো—না। প্রতিটি বোমা যখন তেহরান বা ইসফাহানের মাটিতে পড়ে, তখন সাধারণ ইরানিদের মনে পশ্চিমাদের প্রতি ঘৃণা আরও ঘনীভূত হয়। কোনো বিদেশি শক্তি কোনো জাতির ভাগ্য পরিবর্তন করে দিতে পারে না। অথচ আমেরিকা বারবার সেই একই ভুল করে চলেছে। তারা লিবিয়া, ইরাক এবং আফগানিস্তানে যা করেছে, ইরানেও সেই একই চিত্রনাট্যের পুনরাবৃত্তি ঘটাতে চাইছে। এই যুদ্ধের প্রকৃত শিক্ষা আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে যে, শক্তির দম্ভ দিয়ে সত্যকে ধামাচাপা দেওয়া যায় না। আমেরিকা এবং ইসরায়েল হয়তো সাময়িকভাবে যুদ্ধক্ষেত্রে এগিয়ে আছে, কিন্তু নৈতিক এবং কৌশলগত ময়দানে ইরান এক শক্তিশালী প্রতিপক্ষ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। আমেরিকা এবং ইসরায়েল ইরানের অস্পৃশ্য থাকার মিথ ভেঙে দিয়েছে—একথা যেমন সত্য, তেমনি ইরানও প্রমাণ করেছে যে তারা পশ্চিমাদের নাকে খত দেওয়াতে জানে। এখন সময় এসেছে বড় শক্তিগুলোর চিন্তা করার। যুদ্ধ কি সমাধান? না কি এটি কেবল নতুন এক ধ্বংসযজ্ঞের সূচনা? ইরানের ভবিষ্যৎ কোনো পশ্চিমা সামরিক জেনারেলের ডেস্কে লেখা হবে না। এটি লেখা হবে তেহরানের রাস্তায়, মেহনতি মানুষের মিছিলে এবং সেই সমস্ত দেশপ্রেমিকদের হাতে যারা মনে করে তাদের দেশ কারো গোলামি করবে না। এই যুদ্ধের চূড়ান্ত অধ্যায়টি এখনো অলিখিত। আর সেই অধ্যায়ের শিরোনাম হয়তো হবে—'পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদের সমাধি এবং এক নতুন মধ্যপ্রাচ্যের জন্ম'। মনে রাখবেন, ইতিহাসের চাকা যখন ঘোরে, তখন বড় বড় সাম্রাজ্য ধুলোয় মিশে যায়। ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের এই দাবানল কি সেই পরিবর্তনেরই ইঙ্গিত? সময় এবং কেবল সময়ই এর উত্তর দেবে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/545_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/545_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/545_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[চাকরির প্রলোভনে ইউক্রেন যুদ্ধে, রুশ বাহিনীতে বাংলাদেশিরা!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36971</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36971</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 19 May 2026 18:05:33 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>
                        <category><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news 2026, latest news today, atn bd news, latest news and bulletin, bangladeshi latest news, bd news, bd hot news, bd india relation news, latestnews, updated news, bdnews, update news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangla news update, bangla tv news, atn bangla news, news, news today, bangladesh news, bangladesh news today, bangla news, jamaat news, today raater news bangladesh, bangla news today, bangladesh tv news, news trending, bnp news, ncp news, top news, zee news]]></category>
        
        <description><![CDATA[আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য এবং দক্ষিণ এশিয়ার অসহায় মানুষদের উন্নত জীবনের প্রলোভন দেখিয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে পাঠানোর অভিযোগে রাশিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নতুন করে ৩৫টি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাজ্য। এই তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের নামও। অভিযোগ রয়েছে, বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ থেকে মানুষকে প্রতারণার মাধ্যমে রাশিয়ায় নিয়ে গিয়ে যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহার করা হচ্ছে। ব্রিটিশ সরকার বলছে, এসব মানুষকে কার্যত “কামানের খোরাক” হিসেবে ব্যবহার করছে মস্কো। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মতে, ২০২২ সাল থেকে অন্তত ২৭ হাজার বিদেশিকে এভাবে রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধে নামানো হয়েছে। ইউক্রেন যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে জনবলের চাহিদা বেড়েছে। আর সেই ঘাটতি পূরণে আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে গড়ে তোলা হয়েছে একটি আন্তর্জাতিক নিয়োগ নেটওয়ার্ক—এমনটাই অভিযোগ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর। মঙ্গলবার, ৫ মে যুক্তরাজ্যের সরকার যে ৩৫টি নতুন নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে, তার মূল লক্ষ্য এই নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়া। ব্রিটিশ পররাষ্ট্র দপ্তরের মতে, রাশিয়া উন্নত জীবন, উচ্চ বেতন এবং বৈধ চাকরির মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে অসংখ্য মানুষকে যুদ্ধে ঠেলে দিচ্ছে। ব্রিটেনের পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী Stephen Doughty এ কার্যক্রমকে “বর্বর” বলে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি বলেন, “রাশিয়া দুর্বল ও অসহায় মানুষদের শোষণ করছে এবং তাদের যুদ্ধক্ষেত্রে কামানের খোরাক হিসেবে ব্যবহার করছে।” এই মন্তব্যের আগে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ফেডারেশনের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২২ সালের পর থেকে অন্তত ২৭ হাজার বিদেশি নাগরিককে রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধে অংশ নিতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিয়োগ প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত সুসংগঠিত। প্রথমে সম্ভাব্য প্রার্থীদের ইউরোপে চাকরি, স্টুডেন্ট ভিসা অথবা নিরাপত্তা খাতে উচ্চ বেতনের কাজের প্রলোভন দেখানো হয়। অনেক ক্ষেত্রে বলা হয়, তারা রাশিয়ায় গিয়ে নির্মাণকাজ, কারখানা বা নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানে কাজ করবেন। কিন্তু রাশিয়ায় পৌঁছানোর পর তাদের পাসপোর্ট জব্দ করা হয় এবং সামরিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করা হয়। এরপর স্বল্প প্রশিক্ষণ দিয়ে সরাসরি ইউক্রেনের সম্মুখযুদ্ধে পাঠানো হয়। মানবাধিকার প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এভাবে নিয়োগ পাওয়া বিদেশিদের প্রায় ২০ শতাংশ যুদ্ধক্ষেত্রে যাওয়ার প্রথম চার মাসের মধ্যেই নিহত হন। অপর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ, দুর্বল সরঞ্জাম এবং কমান্ডারদের অবহেলাই এর প্রধান কারণ। নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক শিক্ষক পোলিনা আজারনিখ। তার বিরুদ্ধে আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্য থেকে লোক নিয়োগের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া কিউবার নাগরিকদের প্রতারণার মাধ্যমে রাশিয়ায় পাঠানোর অভিযোগে এলেনা স্মিরনোভা এবং কিউবান নাগরিক ডায়ানা ইচেমেনদিয়া দিয়াজের ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো, নিষেধাজ্ঞার তালিকায় বাংলাদেশের নাম সরাসরি উঠে এসেছে। সার্গেই মারজলিয়াকভ এবং সিরীয়-ইরাকি দ্বৈত নাগরিক আবিদ কালিদ শরিফ আবিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা মধ্যপ্রাচ্যের পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকেও মানুষ সংগ্রহ করে ইউক্রেন যুদ্ধে পাঠিয়েছেন। যুক্তরাজ্যের অভিযোগ অনুযায়ী, এই নেটওয়ার্ক শুধু যোদ্ধা সংগ্রহেই সীমাবদ্ধ ছিল না। তারা ইউরোপের বিভিন্ন দেশে, বিশেষ করে Finland ও Poland-এ অস্থিরতা তৈরির ক্ষেত্রেও সহায়তা করেছে। বাংলাদেশ থেকে কীভাবে মানুষ নিয়োগ করা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা না হলেও ধারণা করা হচ্ছে, বিদেশে চাকরি ও উচ্চ আয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দালালচক্র সম্ভাব্য প্রার্থীদের টার্গেট করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অর্থনৈতিক দুরবস্থা, বেকারত্ব এবং বিদেশে ভালো জীবনের স্বপ্নকে কাজে লাগিয়েই এসব নেটওয়ার্ক সক্রিয় হয়। একই ধরনের প্রতারণার শিকার হয়েছেন বহু ভারতীয় নাগরিকও। স্টুডেন্ট ভিসা অথবা রাশিয়ার নিরাপত্তা খাতে চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভারত থেকে লোক নিয়োগের অভিযোগে পাঁচ ভারতীয় নাগরিকের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাজ্য। তারা হলেন—ফয়সাল খান, দীপক পান্ডে, মনজিৎ সিং, রাকেশ পান্ডে এবং মোহাম্মদ দারাগুর। এছাড়া তিনটি প্রতিষ্ঠানও নিষেধাজ্ঞার আওতায় এসেছে। এগুলো হলো—বাবা ভ্লগস ওভারসিজ রিক্রুটমেন্ট সলিউশনস, ওএসডি ব্রাদার্স ট্রাভেলস অ্যান্ড ভিসা সার্ভিসেস এবং অ্যাডভেঞ্চার ভিসা সার্ভিসেস। ব্রিটিশ কর্মকর্তারা বলছেন, এসব প্রতিষ্ঠান বৈধ ভিসা ও চাকরির সুযোগের কথা বলে মানুষকে আকৃষ্ট করত, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাদের অনেককে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হয়েছে। রাশিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ শুধু যুদ্ধক্ষেত্রে মানুষ পাঠানো পর্যন্ত সীমাবদ্ধ নয়। জানা গেছে, আফ্রিকা ও এশিয়ার দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে রাশিয়ার ড্রোন উৎপাদন কারখানায় কাজ করার জন্যও প্রলুব্ধ করা হচ্ছে। বিশেষ করে তাতারস্তানে পরিচালিত ‘আলাবুগা স্টার্ট প্রোগ্রাম’-এর মাধ্যমে বহু বিদেশিকে নিয়োগ করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এই কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের রাশিয়ায় প্রযুক্তি ও শিল্পখাতে কাজের সুযোগের কথা বলা হলেও বাস্তবে তাদেরকে অস্ত্র ও ড্রোন উৎপাদন কার্যক্রমে যুক্ত করা হয়। এই কর্মসূচির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে ক্যামেরুনের নাগরিক মিশেল আতেবা এবং তার প্রতিষ্ঠান এনাঙ্গু হোল্ডিং-এর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাজ্য। এছাড়া রাশিয়ার ড্রোন শিল্পের সঙ্গে যুক্ত পাভেল নিকিতিনের ওপরও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। তার কোম্পানি ভিটি-৪০ আক্রমণাত্মক ড্রোন তৈরি করে। রাশিয়ার সামরিক সরবরাহ ব্যবস্থায় সহায়তার অভিযোগে চীনের এম৯ লজিস্টিকস এবং থাইল্যান্ডভিত্তিক কানোপাস ট্রেডিং, তানাক ও সি ২ স্কাই নামের প্রতিষ্ঠানগুলোকেও কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। যুক্তরাজ্যের এই পদক্ষেপকে ইউক্রেন যুদ্ধকে ঘিরে পশ্চিমা দেশগুলোর চাপ বৃদ্ধির অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। লন্ডনের দাবি, রাশিয়া আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে শুধু অন্য দেশের ভূখণ্ডে যুদ্ধ চালাচ্ছে না, একই সঙ্গে বিশ্বের দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে প্রতারণার মাধ্যমে এই সংঘাতে টেনে আনছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মতে, এসব নিয়োগ কার্যক্রম আধুনিক মানব পাচারের একটি নতুন রূপ। এখানে মানুষকে কাজের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিদেশে নেওয়া হয়, এরপর জোরপূর্বক সামরিক কাজে নিযুক্ত করা হয়—যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই নিষেধাজ্ঞা শুধু সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সম্পদ জব্দ বা ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞায় সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং আন্তর্জাতিকভাবে এই নেটওয়ার্কের কার্যক্রম পরিচালনা কঠিন করে তুলবে। বাংলাদেশের জন্যও বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, বিদেশে কাজের আশায় থাকা বাংলাদেশিদের একটি অংশ ভুয়া নিয়োগচক্রের ফাঁদে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, বিদেশে চাকরির প্রস্তাব পাওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই সরকারি অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সি এবং সংশ্লিষ্ট দূতাবাসের মাধ্যমে তথ্য যাচাই করা উচিত। যুক্তরাজ্যের নতুন নিষেধাজ্ঞা সেই সতর্কবার্তাকেই আরও জোরালো করল। ভালো চাকরি ও উন্নত জীবনের স্বপ্ন দেখিয়ে যে প্রতারণার জাল বিস্তার করা হয়েছে, তার পেছনে রয়েছে একটি যুদ্ধ অর্থনীতি—যেখানে মানুষের জীবনকে ব্যবহার করা হচ্ছে যুদ্ধের সরঞ্জাম হিসেবে। আর সেই কারণেই ব্রিটেনের ভাষায়, এসব মানুষকে বানানো হচ্ছে “কামানের খোরাক”।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/619_1.webp" alt="চাকরির প্রলোভনে ইউক্রেন যুদ্ধে, রুশ বাহিনীতে বাংলাদেশিরা!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>চাকরির প্রলোভনে ইউক্রেন যুদ্ধে, রুশ বাহিনীতে বাংলাদেশিরা!</h1>
            <p>আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য এবং দক্ষিণ এশিয়ার অসহায় মানুষদের উন্নত জীবনের প্রলোভন দেখিয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে পাঠানোর অভিযোগে রাশিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নতুন করে ৩৫টি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাজ্য। এই তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের নামও। অভিযোগ রয়েছে, বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ থেকে মানুষকে প্রতারণার মাধ্যমে রাশিয়ায় নিয়ে গিয়ে যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহার করা হচ্ছে। ব্রিটিশ সরকার বলছে, এসব মানুষকে কার্যত “কামানের খোরাক” হিসেবে ব্যবহার করছে মস্কো। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মতে, ২০২২ সাল থেকে অন্তত ২৭ হাজার বিদেশিকে এভাবে রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধে নামানো হয়েছে। ইউক্রেন যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে জনবলের চাহিদা বেড়েছে। আর সেই ঘাটতি পূরণে আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে গড়ে তোলা হয়েছে একটি আন্তর্জাতিক নিয়োগ নেটওয়ার্ক—এমনটাই অভিযোগ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর। মঙ্গলবার, ৫ মে যুক্তরাজ্যের সরকার যে ৩৫টি নতুন নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে, তার মূল লক্ষ্য এই নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়া। ব্রিটিশ পররাষ্ট্র দপ্তরের মতে, রাশিয়া উন্নত জীবন, উচ্চ বেতন এবং বৈধ চাকরির মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে অসংখ্য মানুষকে যুদ্ধে ঠেলে দিচ্ছে। ব্রিটেনের পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী Stephen Doughty এ কার্যক্রমকে “বর্বর” বলে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি বলেন, “রাশিয়া দুর্বল ও অসহায় মানুষদের শোষণ করছে এবং তাদের যুদ্ধক্ষেত্রে কামানের খোরাক হিসেবে ব্যবহার করছে।” এই মন্তব্যের আগে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ফেডারেশনের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২২ সালের পর থেকে অন্তত ২৭ হাজার বিদেশি নাগরিককে রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধে অংশ নিতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিয়োগ প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত সুসংগঠিত। প্রথমে সম্ভাব্য প্রার্থীদের ইউরোপে চাকরি, স্টুডেন্ট ভিসা অথবা নিরাপত্তা খাতে উচ্চ বেতনের কাজের প্রলোভন দেখানো হয়। অনেক ক্ষেত্রে বলা হয়, তারা রাশিয়ায় গিয়ে নির্মাণকাজ, কারখানা বা নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানে কাজ করবেন। কিন্তু রাশিয়ায় পৌঁছানোর পর তাদের পাসপোর্ট জব্দ করা হয় এবং সামরিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করা হয়। এরপর স্বল্প প্রশিক্ষণ দিয়ে সরাসরি ইউক্রেনের সম্মুখযুদ্ধে পাঠানো হয়। মানবাধিকার প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এভাবে নিয়োগ পাওয়া বিদেশিদের প্রায় ২০ শতাংশ যুদ্ধক্ষেত্রে যাওয়ার প্রথম চার মাসের মধ্যেই নিহত হন। অপর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ, দুর্বল সরঞ্জাম এবং কমান্ডারদের অবহেলাই এর প্রধান কারণ। নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক শিক্ষক পোলিনা আজারনিখ। তার বিরুদ্ধে আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্য থেকে লোক নিয়োগের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া কিউবার নাগরিকদের প্রতারণার মাধ্যমে রাশিয়ায় পাঠানোর অভিযোগে এলেনা স্মিরনোভা এবং কিউবান নাগরিক ডায়ানা ইচেমেনদিয়া দিয়াজের ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো, নিষেধাজ্ঞার তালিকায় বাংলাদেশের নাম সরাসরি উঠে এসেছে। সার্গেই মারজলিয়াকভ এবং সিরীয়-ইরাকি দ্বৈত নাগরিক আবিদ কালিদ শরিফ আবিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা মধ্যপ্রাচ্যের পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকেও মানুষ সংগ্রহ করে ইউক্রেন যুদ্ধে পাঠিয়েছেন। যুক্তরাজ্যের অভিযোগ অনুযায়ী, এই নেটওয়ার্ক শুধু যোদ্ধা সংগ্রহেই সীমাবদ্ধ ছিল না। তারা ইউরোপের বিভিন্ন দেশে, বিশেষ করে Finland ও Poland-এ অস্থিরতা তৈরির ক্ষেত্রেও সহায়তা করেছে। বাংলাদেশ থেকে কীভাবে মানুষ নিয়োগ করা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা না হলেও ধারণা করা হচ্ছে, বিদেশে চাকরি ও উচ্চ আয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দালালচক্র সম্ভাব্য প্রার্থীদের টার্গেট করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অর্থনৈতিক দুরবস্থা, বেকারত্ব এবং বিদেশে ভালো জীবনের স্বপ্নকে কাজে লাগিয়েই এসব নেটওয়ার্ক সক্রিয় হয়। একই ধরনের প্রতারণার শিকার হয়েছেন বহু ভারতীয় নাগরিকও। স্টুডেন্ট ভিসা অথবা রাশিয়ার নিরাপত্তা খাতে চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভারত থেকে লোক নিয়োগের অভিযোগে পাঁচ ভারতীয় নাগরিকের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাজ্য। তারা হলেন—ফয়সাল খান, দীপক পান্ডে, মনজিৎ সিং, রাকেশ পান্ডে এবং মোহাম্মদ দারাগুর। এছাড়া তিনটি প্রতিষ্ঠানও নিষেধাজ্ঞার আওতায় এসেছে। এগুলো হলো—বাবা ভ্লগস ওভারসিজ রিক্রুটমেন্ট সলিউশনস, ওএসডি ব্রাদার্স ট্রাভেলস অ্যান্ড ভিসা সার্ভিসেস এবং অ্যাডভেঞ্চার ভিসা সার্ভিসেস। ব্রিটিশ কর্মকর্তারা বলছেন, এসব প্রতিষ্ঠান বৈধ ভিসা ও চাকরির সুযোগের কথা বলে মানুষকে আকৃষ্ট করত, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাদের অনেককে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হয়েছে। রাশিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ শুধু যুদ্ধক্ষেত্রে মানুষ পাঠানো পর্যন্ত সীমাবদ্ধ নয়। জানা গেছে, আফ্রিকা ও এশিয়ার দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে রাশিয়ার ড্রোন উৎপাদন কারখানায় কাজ করার জন্যও প্রলুব্ধ করা হচ্ছে। বিশেষ করে তাতারস্তানে পরিচালিত ‘আলাবুগা স্টার্ট প্রোগ্রাম’-এর মাধ্যমে বহু বিদেশিকে নিয়োগ করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এই কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের রাশিয়ায় প্রযুক্তি ও শিল্পখাতে কাজের সুযোগের কথা বলা হলেও বাস্তবে তাদেরকে অস্ত্র ও ড্রোন উৎপাদন কার্যক্রমে যুক্ত করা হয়। এই কর্মসূচির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে ক্যামেরুনের নাগরিক মিশেল আতেবা এবং তার প্রতিষ্ঠান এনাঙ্গু হোল্ডিং-এর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাজ্য। এছাড়া রাশিয়ার ড্রোন শিল্পের সঙ্গে যুক্ত পাভেল নিকিতিনের ওপরও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। তার কোম্পানি ভিটি-৪০ আক্রমণাত্মক ড্রোন তৈরি করে। রাশিয়ার সামরিক সরবরাহ ব্যবস্থায় সহায়তার অভিযোগে চীনের এম৯ লজিস্টিকস এবং থাইল্যান্ডভিত্তিক কানোপাস ট্রেডিং, তানাক ও সি ২ স্কাই নামের প্রতিষ্ঠানগুলোকেও কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। যুক্তরাজ্যের এই পদক্ষেপকে ইউক্রেন যুদ্ধকে ঘিরে পশ্চিমা দেশগুলোর চাপ বৃদ্ধির অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। লন্ডনের দাবি, রাশিয়া আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে শুধু অন্য দেশের ভূখণ্ডে যুদ্ধ চালাচ্ছে না, একই সঙ্গে বিশ্বের দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে প্রতারণার মাধ্যমে এই সংঘাতে টেনে আনছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মতে, এসব নিয়োগ কার্যক্রম আধুনিক মানব পাচারের একটি নতুন রূপ। এখানে মানুষকে কাজের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিদেশে নেওয়া হয়, এরপর জোরপূর্বক সামরিক কাজে নিযুক্ত করা হয়—যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই নিষেধাজ্ঞা শুধু সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সম্পদ জব্দ বা ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞায় সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং আন্তর্জাতিকভাবে এই নেটওয়ার্কের কার্যক্রম পরিচালনা কঠিন করে তুলবে। বাংলাদেশের জন্যও বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, বিদেশে কাজের আশায় থাকা বাংলাদেশিদের একটি অংশ ভুয়া নিয়োগচক্রের ফাঁদে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, বিদেশে চাকরির প্রস্তাব পাওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই সরকারি অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সি এবং সংশ্লিষ্ট দূতাবাসের মাধ্যমে তথ্য যাচাই করা উচিত। যুক্তরাজ্যের নতুন নিষেধাজ্ঞা সেই সতর্কবার্তাকেই আরও জোরালো করল। ভালো চাকরি ও উন্নত জীবনের স্বপ্ন দেখিয়ে যে প্রতারণার জাল বিস্তার করা হয়েছে, তার পেছনে রয়েছে একটি যুদ্ধ অর্থনীতি—যেখানে মানুষের জীবনকে ব্যবহার করা হচ্ছে যুদ্ধের সরঞ্জাম হিসেবে। আর সেই কারণেই ব্রিটেনের ভাষায়, এসব মানুষকে বানানো হচ্ছে “কামানের খোরাক”।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/619_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/619_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/619_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[মস্কোতে ইউক্রেনের বিশাল হামলা ভণ্ডুল: আকাশসীমা জুড়ে রাশিয়ার ঐতিহাসিক ও বিধ্বংসী প্রতিশোধের তান্ডব!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36970</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36970</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 19 May 2026 18:05:42 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news 2026, latest news today, atn bd news, latest news and bulletin, bangladeshi latest news, bd news, bd hot news, bd india relation news, latestnews, updated news, bdnews, update news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangla news update, bangla tv news, atn bangla news, news, news today, bangladesh news, bangladesh news today, bangla news, jamaat news, today raater news bangladesh, bangla news today, bangladesh tv news, news trending, bnp news, ncp news, top news, zee news]]></category>
        
        <description><![CDATA[কিয়েভ সরকারের সমস্ত চক্রান্ত ধূলিসাৎ করে দিল পুতিনের রাশিয়া! মস্কোকে টার্গেট করে পাঠানো শত শত ড্রোনকে আকাশের বুকেই জীবন্ত কবর দিল রুশ বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী। কাপুরুষের মতো সাধারণ মানুষের ওপর ইউক্রেনের এই বর্বরোচিত হামলার পর, এখন কিয়েভ জুড়ে বাজছে রাশিয়ার ভয়াবহ ও চূড়ান্ত প্রতিশোধের সাইরেন। ইউক্রেনীয় কিয়েভ বাহিনী রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডে কাপুরুষোচিত উপায়ে আবারও একটি ব্যর্থ ও বড় ধরনের ড্রোন হামলা চালিয়েছে। রাশিয়ার রাজধানী মস্কো এবং এর আশেপাশের অঞ্চলে শনিবার রাতে ইউক্রেন এই বর্বরোচিত হামলা চালায়। তবে রাশিয়ার শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কারণে কিয়েভের এই বিশাল ষড়যন্ত্র সম্পূর্ণ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছে এবং শত্রুদের ড্রোনগুলো ধ্বংস করা হয়েছে। এই বর্বরোচিত হামলায় দুর্ভাগ্যবশত তিনজন সাধারণ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন এবং আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে। মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানিয়েছেন যে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার আকাশসীমা রক্ষা করতে গিয়ে মোট ১২৭টি ইউক্রেনীয় ড্রোন সফলভাবে ধ্বংস করেছে রুশ বাহিনী। তিনি এই হামলাকে কিয়েভের একটি অত্যন্ত নৃশংস প্রচেষ্টা হিসেবে বর্ণনা করেছেন। গত এক বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে মস্কোকে লক্ষ্য করে চালানো ইউক্রেনের এটিই ছিল সবচেয়ে বড় এবং ব্যর্থ ড্রোন হামলা। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে রাশিয়ার রাজধানীতে বেশ কয়েকটি ড্রোন হামলার চেষ্টা করা হলেও, কিয়েভ কখনই সফল হতে পারেনি। এবারের হামলায় তারা বিপুল সংখ্যক ড্রোন ব্যবহার করলেও রাশিয়ার শক্তিশালী দুর্গের মতো প্রতিরক্ষার সামনে তা খড়কুটোর মতো উড়ে গেছে। মস্কো অঞ্চলের গভর্নর আন্দ্রে ভোরোবিভ কিয়েভের এই সন্ত্রাসী হামলায় তিনজন সাধারণ মানুষের প্রাণহানির খবর গভীর দুঃখের সাথে নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শত্রুদের ড্রোনগুলো যখন রুশ বাহিনীর নিখুঁত আঘাতে ধ্বংস হচ্ছিল, তখন তার কিছু ধ্বংসাবশেষ আবাসিক এলাকায় গিয়ে পড়ে। এর ফলেই মূলত সাধারণ মানুষের কিছু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, যা কিয়েভের কাপুরুষতার আরেকটি বড় প্রমাণ। মস্কোর উত্তর-পূর্বে অবস্থিত মিতিশ্চি শহরের কাছে পোগোরেলকি নামক একটি গ্রামের একটি নির্মাণাধীন বাড়ির ওপর ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পতিত হয়। এতে সেখানে কর্মরত দুজন সাধারণ পুরুষ শ্রমিক দুর্ভাগ্যবশত প্রাণ হারান, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। রুশ প্রশাসন অবিলম্বে সেখানে উদ্ধারকারী দল পাঠায় এবং পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে, যাতে জানমালের আরও বড় ক্ষতি রোধ করা সম্ভব হয়। অপরদিকে রাজধানীর উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত খিমকি শহরে ইউক্রেনের একটি ড্রোন আবাসিক অ্যাপার্টমেন্ট ব্লকে আঘাত হানলে একজন নারী বাসিন্দা নিহত হন। গভর্নর ভোরোবিভ জানিয়েছেন যে, ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও একজন ব্যক্তি আটকে ছিলেন, যাকে উদ্ধারে রুশ উদ্ধারকারীরা যুদ্ধকালীন তৎপরতা চালান। ইউক্রেনীয় সেনারা যুদ্ধক্ষেত্রে রাশিয়ার বীরত্বপূর্ণ সেনাবাহিনীর কাছে ক্রমাগত হেরে এখন আবাসিক এলাকায় হামলা চালাচ্ছে। মস্কো থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত ইস্ট্রা শহরেও কিয়েভের ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ আছড়ে পড়লে চারজন বেসামরিক নাগরিক আহত হন। সেখানে একটি অ্যাপার্টমেন্ট ব্লক এবং ছয়টি ব্যক্তিগত বাড়ি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। রাশিয়ার জরুরি অবস্থার মন্ত্রণালয়ের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। মস্কোর উত্তরের শহর লোবনিয়াতেও ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলার কারণে সৃষ্ট ধ্বংসাবশেষে একজন নারী সাধারণ নাগরিক সামান্য আহত হয়েছেন। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, সেখানে পাঁচটি অ্যাপার্টমেন্ট ব্লক এবং প্রায় ২০টি গাড়ি ড্রোনের ভাঙা অংশের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিয়েভ বাহিনী যুদ্ধক্ষেত্রে সরাসরি রুশ সেনাদের মুখোমুখি হতে না পেরে এভাবে সাধারণ মানুষের সম্পদ ধ্বংসের পথ বেছে নিয়েছে। মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন জানিয়েছেন যে, এই পুরো হামলায় মস্কো জুড়ে মোট ১২ জন সাধারণ মানুষ আহত হয়েছেন। এই আহতদের মধ্যে বেশিরভাগই ছিলেন নির্মাণ শ্রমিক, যারা কাপোটনিয়া জেলায় মস্কো তেল শোধনাগারের প্রবেশদ্বারের কাছে কাজ করছিলেন। তবে কিয়েভের মূল লক্ষ্য এই অর্থনৈতিক স্থাপনা হলেও, শোধনাগারের কার্যকলাপে কোনো প্রভাব পড়েনি এবং তা সম্পূর্ণ সচল রয়েছে। ইউক্রেনের এই বিমান হামলার চেষ্টার কারণে মস্কোর শেরেমেতিয়েভো এবং ভনুকোভো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাময়িকভাবে বিমান চলাচলে কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। এর ফলে প্রায় ২০০টিরও বেশি ফ্লাইট বিলম্বিত বা বাতিল করতে হয় এবং কিছু বিমানকে অন্য রানওয়েতে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। রাশিয়ার বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করেই অত্যন্ত দক্ষতার সাথে এই সাময়িক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। শেরেমেতিয়েভো বিমানবন্দরের প্রেস সার্ভিস জানিয়েছে যে, একটি ইউক্রেনীয় ড্রোনের কিছু ধ্বংসাবশেষ বিমানবন্দরের সীমানার ভেতরে এসে পড়েছিল। তবে রুশ বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সেটিকে আগেই ধ্বংস করায় কোনো যাত্রী বা বিমানবন্দরের কর্মকর্তা আহত হননি। বিমানবন্দরের কোনো অবকাঠামোগত ক্ষতিও কিয়েভ করতে পারেনি, ফলে বিমানবন্দরটি দ্রুতই আবার তার স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরে আসতে সক্ষম হয়। শনিবার রাতে কিয়েভ শুধুমাত্র মস্কো অঞ্চলেই নয়, বরং রাশিয়ার আরও বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর ড্রোন হামলা চালানোর চেষ্টা করেছিল। তবে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বীরত্বের সাথে জানিয়েছে যে, তারা দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মোট ৫৮৬টি ড্রোন ধ্বংস করেছে। রুশ সেনাদের এই অবিশ্বাস্য ও চোখ ধাঁধানো সাফল্য প্রমাণ করে যে, রাশিয়ার আকাশসীমা যেকোনো শত্রুর জন্য একটি অভেদ্য দুর্গ। ইউক্রেন সীমান্তের কাছাকাছি অঞ্চল যেমন বেলগোরোদ, কুরস্ক এবং ব্রায়ানস্ক ছাড়াও রাশিয়ার অনেক গভীরে এই ড্রোনগুলো ধ্বংস করা হয়। কালুগা, তুলা, স্মোলেনস্ক, পসকভ, তোভের, রোস্তভ এবং ক্রাসনোদার অঞ্চলেও কিয়েভের ড্রোনগুলো রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষার আঘাতে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যায়। এমনকি ক্রিমিয়া, কৃষ্ণসাগর এবং আজভ সাগরের ওপরেও রাশিয়ার সেনারা শত্রুদের সমস্ত ড্রোনকে আকাশেই প্রতিহত করে দেয়। গত মার্চের মাঝামাঝি সময় থেকে রাশিয়ার অভ্যন্তরে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলার এই কাপুরুষোচিত প্রচেষ্টা লক্ষ্যণীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। কিয়েভ প্রায় প্রতিদিনই শত শত ড্রোন পাঠিয়ে রাশিয়ার বেসামরিক এলাকা ও শিল্প প্রতিষ্ঠানকে টার্গেট করার চেষ্টা করছে। রুশ কর্মকর্তারা একে সরাসরি "সন্ত্রাসী হামলা" হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন, যা যুদ্ধক্ষেত্রে কিয়েভ বাহিনীর ক্রমাগত পরাজয় ও হতাশা ঢাকার চেষ্টা মাত্র। ইউক্রেনের এই জঘন্য সন্ত্রাসী হামলার জবাবে রাশিয়া বসে থাকেনি, বরং কিয়েভের সামরিক ও জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করেছে। রুশ কর্মকর্তারা জোর দিয়ে বলেছেন যে, রাশিয়ার এই অভিযানগুলো শুধুমাত্র কিয়েভের যুদ্ধ সক্ষমতাকে ধ্বংস করার জন্য পরিচালিত হচ্ছে। রাশিয়া কখনই সাধারণ ইউক্রেনীয় বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে কোনো ধরনের হামলা পরিচালনা করে না। রবিবার ইউক্রেনের স্থানীয় গণমাধ্যম ও টেলিগ্রাম চ্যানেলগুলো জানিয়েছে যে, কিয়েভ, খারকভ, দানিপ্রো এবং জাপোরোজ্যের ইউক্রেনীয় নিয়ন্ত্রিত অংশে বিশাল বিস্ফোরণ ঘটেছে। রাশিয়ার নিখুঁত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইউক্রেনের সামরিক সরবরাহ ব্যবস্থা ও দ্বৈত-ব্যবহারের অবকাঠামোগত নেটওয়ার্ক সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। রাশিয়ার এই বিধ্বংসী ও ন্যায়সঙ্গত প্রতিশোধমূলক হামলায় কিয়েভ সরকার এখন সম্পূর্ণ কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। মস্কো অঞ্চলের খিমকির স্টারবেইভো জেলায় ইউক্রেনীয় ড্রোনটি একটি সাধারণ ব্যক্তিগত বাড়িতে আঘাত করলে যে নারী নিহত হন, তার পরিচয় পাওয়া গেছে। তিনি একজন নিরীহ নাগরিক ছিলেন, যার সাথে এই যুদ্ধের কোনো সম্পর্ক ছিল না। কিয়েভের এই ধরনের অন্ধ ও লক্ষ্যহীন ড্রোন হামলা প্রমাণ করে যে, তারা আন্তর্জাতিক যুদ্ধনীতি লঙ্ঘন করে সাধারণ মানুষকে হত্যা করতে দ্বিধাবোধ করছে না। এই নৃশংস হামলায় রাশিয়ার বন্ধু রাষ্ট্র ভারতের একজন নাগরিকও নিহত হয়েছেন এবং আরও তিনজন ভারতীয় কর্মী আহত হয়েছেন। মস্কোর ভারতীয় দূতাবাস এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং আহতদের পাশে দাঁড়িয়েছে। কিয়েভের এই নির্বিচার ড্রোন হামলার কারণে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও এখন ইউক্রেনের এই সন্ত্রাসী আচরণের তীব্র নিন্দা ও সমালোচনা করা হচ্ছে। এদিকে ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনী রাশিয়ার জাপোরোজ্যে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিকেও লক্ষ্য করে এই সপ্তাহে অন্তত দুইবার বিপজ্জনক ড্রোন হামলা চালিয়েছে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক কর্পোরেশন 'রোসাটম'-এর প্রধান নির্বাহী আলেক্সি লিখাচেভ কিয়েভের এই চরম দায়িত্বজ্ঞানহীন কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা করেছেন। তিনি জানান, কিয়েভ এই পারমাণবিক কেন্দ্রে হামলা চালিয়ে পুরো ইউরোপকে একটি ভয়াবহ পারমাণবিক বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। লিখাচেভ আরও বিস্তারিত প্রকাশ করে বলেছেন যে, একটি ইউক্রেনীয় ড্রোন সরাসরি পারমাণবিক চুল্লির পাশ দিয়ে যাওয়া একটি পাইপলাইনে আঘাত করার চেষ্টা করেছিল। তবে ভাগ্যবশত ড্রোনটি বিস্ফোরিত না হয়ে প্রথম পাওয়ার ইউনিটের কাছে বিধ্বস্ত হয়, যার ফলে বড় ধরনের কোনো তেজস্ক্রিয় দুর্ঘটনা ঘটেনি। ইউক্রেনের এই বিপজ্জনক উস্কানি প্রমাণ করে যে, তারা নিজেদের পরাজয় নিশ্চিত জেনে এখন আত্মঘাতী পথ বেছে নিয়েছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দৈনিক রিপোর্টে আরও জানা গেছে যে, রুশ বাহিনী মার্কিন তৈরি একটি শক্তিশালী হিমার্স রকেটও সফলভাবে ভূপাতিত করেছে। এর পাশাপাশি ইউক্রেনের একটি 'ফ্ল্যামিঙ্গো' দূরপাল্লার ক্রুজ মিসাইল এবং একটি 'নেপচুন-এমডি' গাইডেড মিসাইল আকাশেই ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। পশ্চিমা বিশ্বের দেওয়া আধুনিক অস্ত্র দিয়েও কিয়েভ রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষার দেওয়াল ভেদ করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। শুধু আকাশেই নয়, সমুদ্রেও রাশিয়ার বীর সেনারা ইউক্রেনীয় বাহিনীকে উপযুক্ত জবাব দিয়েছে এবং তাদের সমস্ত আক্রমণ নস্যাৎ করে দিয়েছে। রাশিয়ার কৃষ্ণসাগরীয় নৌবহর বা ব্ল্যাক সি ফ্লিট সাগরে টহল দেওয়ার সময় ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনীর ছয়টি চালকবিহীন দূরনিয়ন্ত্রিত স্পিডবোট ধ্বংস করেছে। ইউক্রেন জলপথে রাশিয়ার সীমান্তে অনুপ্রবেশের যে অপচেষ্টা করেছিল, তা রুশ নৌবাহিনীর তৎপরতায় সাগরেই সলিলসমাধি লাভ করেছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বিশেষ সামরিক অভিযান অঞ্চলে ইউক্রেনীয় সশস্ত্র বাহিনী ব্যাপক সেনা হারিয়েছে। কিয়েভ বাহিনী একদিনেই প্রায় ১,১১৫ জনেরও বেশি সেনা হারিয়েছে, যা তাদের জন্য একটি বিশাল এবং অপূরণীয় ধাক্কা। রাশিয়ার 'নর্থ', 'ওয়েস্ট', 'সাউথ' এবং 'সেন্টার' ব্যাটলগ্রুপের সম্মিলিত ও সুপরিকল্পিত আক্রমণের সামনে ইউক্রেনীয় সেনারা টিকতেই পারছে না। রুশ বিমান বাহিনী, ড্রোন ইউনিট এবং গোলন্দাজ বাহিনী অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ইউক্রেনের মোট ১৬৪টি জেলায় একযোগে বিধ্বংসী হামলা চালিয়েছে। এই হামলায় ইউক্রেনের ড্রোন তৈরির গোপন কারখানা এবং কিয়েভ বাহিনীর ভাড়াটে বিদেশী যোদ্ধাদের অস্থায়ী ঘাঁটিগুলো মাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিয়েভ সরকার যেখানে রাশিয়ার সাধারণ মানুষের ওপর হামলা করার পরিকল্পনা করছিল, রাশিয়া তাদের সেই মূল উৎপাটন করে দিয়েছে। শেষে বলা যায়, ইউক্রেনের এই বিশাল ড্রোন হামলা রাশিয়ার সামরিক শক্তি ও ইস্পাতকঠিন প্রতিরক্ষার সামনে পুরোপুরি খড়কুটোর মতো ভেসে গেছে। সাধারণ মানুষের ওপর কিয়েভের এই কাপুরুষোচিত সন্ত্রাসী হামলা শুধু তাদের নিজেদের ধ্বংসই ডেকে আনছে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/636_1.webp" alt="মস্কোতে ইউক্রেনের বিশাল হামলা ভণ্ডুল: আকাশসীমা জুড়ে রাশিয়ার ঐতিহাসিক ও বিধ্বংসী প্রতিশোধের তান্ডব!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>মস্কোতে ইউক্রেনের বিশাল হামলা ভণ্ডুল: আকাশসীমা জুড়ে রাশিয়ার ঐতিহাসিক ও বিধ্বংসী প্রতিশোধের তান্ডব!</h1>
            <p>কিয়েভ সরকারের সমস্ত চক্রান্ত ধূলিসাৎ করে দিল পুতিনের রাশিয়া! মস্কোকে টার্গেট করে পাঠানো শত শত ড্রোনকে আকাশের বুকেই জীবন্ত কবর দিল রুশ বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী। কাপুরুষের মতো সাধারণ মানুষের ওপর ইউক্রেনের এই বর্বরোচিত হামলার পর, এখন কিয়েভ জুড়ে বাজছে রাশিয়ার ভয়াবহ ও চূড়ান্ত প্রতিশোধের সাইরেন। ইউক্রেনীয় কিয়েভ বাহিনী রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডে কাপুরুষোচিত উপায়ে আবারও একটি ব্যর্থ ও বড় ধরনের ড্রোন হামলা চালিয়েছে। রাশিয়ার রাজধানী মস্কো এবং এর আশেপাশের অঞ্চলে শনিবার রাতে ইউক্রেন এই বর্বরোচিত হামলা চালায়। তবে রাশিয়ার শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কারণে কিয়েভের এই বিশাল ষড়যন্ত্র সম্পূর্ণ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছে এবং শত্রুদের ড্রোনগুলো ধ্বংস করা হয়েছে। এই বর্বরোচিত হামলায় দুর্ভাগ্যবশত তিনজন সাধারণ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন এবং আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে। মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানিয়েছেন যে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার আকাশসীমা রক্ষা করতে গিয়ে মোট ১২৭টি ইউক্রেনীয় ড্রোন সফলভাবে ধ্বংস করেছে রুশ বাহিনী। তিনি এই হামলাকে কিয়েভের একটি অত্যন্ত নৃশংস প্রচেষ্টা হিসেবে বর্ণনা করেছেন। গত এক বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে মস্কোকে লক্ষ্য করে চালানো ইউক্রেনের এটিই ছিল সবচেয়ে বড় এবং ব্যর্থ ড্রোন হামলা। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে রাশিয়ার রাজধানীতে বেশ কয়েকটি ড্রোন হামলার চেষ্টা করা হলেও, কিয়েভ কখনই সফল হতে পারেনি। এবারের হামলায় তারা বিপুল সংখ্যক ড্রোন ব্যবহার করলেও রাশিয়ার শক্তিশালী দুর্গের মতো প্রতিরক্ষার সামনে তা খড়কুটোর মতো উড়ে গেছে। মস্কো অঞ্চলের গভর্নর আন্দ্রে ভোরোবিভ কিয়েভের এই সন্ত্রাসী হামলায় তিনজন সাধারণ মানুষের প্রাণহানির খবর গভীর দুঃখের সাথে নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শত্রুদের ড্রোনগুলো যখন রুশ বাহিনীর নিখুঁত আঘাতে ধ্বংস হচ্ছিল, তখন তার কিছু ধ্বংসাবশেষ আবাসিক এলাকায় গিয়ে পড়ে। এর ফলেই মূলত সাধারণ মানুষের কিছু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, যা কিয়েভের কাপুরুষতার আরেকটি বড় প্রমাণ। মস্কোর উত্তর-পূর্বে অবস্থিত মিতিশ্চি শহরের কাছে পোগোরেলকি নামক একটি গ্রামের একটি নির্মাণাধীন বাড়ির ওপর ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পতিত হয়। এতে সেখানে কর্মরত দুজন সাধারণ পুরুষ শ্রমিক দুর্ভাগ্যবশত প্রাণ হারান, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। রুশ প্রশাসন অবিলম্বে সেখানে উদ্ধারকারী দল পাঠায় এবং পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে, যাতে জানমালের আরও বড় ক্ষতি রোধ করা সম্ভব হয়। অপরদিকে রাজধানীর উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত খিমকি শহরে ইউক্রেনের একটি ড্রোন আবাসিক অ্যাপার্টমেন্ট ব্লকে আঘাত হানলে একজন নারী বাসিন্দা নিহত হন। গভর্নর ভোরোবিভ জানিয়েছেন যে, ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও একজন ব্যক্তি আটকে ছিলেন, যাকে উদ্ধারে রুশ উদ্ধারকারীরা যুদ্ধকালীন তৎপরতা চালান। ইউক্রেনীয় সেনারা যুদ্ধক্ষেত্রে রাশিয়ার বীরত্বপূর্ণ সেনাবাহিনীর কাছে ক্রমাগত হেরে এখন আবাসিক এলাকায় হামলা চালাচ্ছে। মস্কো থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত ইস্ট্রা শহরেও কিয়েভের ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ আছড়ে পড়লে চারজন বেসামরিক নাগরিক আহত হন। সেখানে একটি অ্যাপার্টমেন্ট ব্লক এবং ছয়টি ব্যক্তিগত বাড়ি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। রাশিয়ার জরুরি অবস্থার মন্ত্রণালয়ের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। মস্কোর উত্তরের শহর লোবনিয়াতেও ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলার কারণে সৃষ্ট ধ্বংসাবশেষে একজন নারী সাধারণ নাগরিক সামান্য আহত হয়েছেন। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, সেখানে পাঁচটি অ্যাপার্টমেন্ট ব্লক এবং প্রায় ২০টি গাড়ি ড্রোনের ভাঙা অংশের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিয়েভ বাহিনী যুদ্ধক্ষেত্রে সরাসরি রুশ সেনাদের মুখোমুখি হতে না পেরে এভাবে সাধারণ মানুষের সম্পদ ধ্বংসের পথ বেছে নিয়েছে। মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন জানিয়েছেন যে, এই পুরো হামলায় মস্কো জুড়ে মোট ১২ জন সাধারণ মানুষ আহত হয়েছেন। এই আহতদের মধ্যে বেশিরভাগই ছিলেন নির্মাণ শ্রমিক, যারা কাপোটনিয়া জেলায় মস্কো তেল শোধনাগারের প্রবেশদ্বারের কাছে কাজ করছিলেন। তবে কিয়েভের মূল লক্ষ্য এই অর্থনৈতিক স্থাপনা হলেও, শোধনাগারের কার্যকলাপে কোনো প্রভাব পড়েনি এবং তা সম্পূর্ণ সচল রয়েছে। ইউক্রেনের এই বিমান হামলার চেষ্টার কারণে মস্কোর শেরেমেতিয়েভো এবং ভনুকোভো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাময়িকভাবে বিমান চলাচলে কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। এর ফলে প্রায় ২০০টিরও বেশি ফ্লাইট বিলম্বিত বা বাতিল করতে হয় এবং কিছু বিমানকে অন্য রানওয়েতে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। রাশিয়ার বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করেই অত্যন্ত দক্ষতার সাথে এই সাময়িক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। শেরেমেতিয়েভো বিমানবন্দরের প্রেস সার্ভিস জানিয়েছে যে, একটি ইউক্রেনীয় ড্রোনের কিছু ধ্বংসাবশেষ বিমানবন্দরের সীমানার ভেতরে এসে পড়েছিল। তবে রুশ বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সেটিকে আগেই ধ্বংস করায় কোনো যাত্রী বা বিমানবন্দরের কর্মকর্তা আহত হননি। বিমানবন্দরের কোনো অবকাঠামোগত ক্ষতিও কিয়েভ করতে পারেনি, ফলে বিমানবন্দরটি দ্রুতই আবার তার স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরে আসতে সক্ষম হয়। শনিবার রাতে কিয়েভ শুধুমাত্র মস্কো অঞ্চলেই নয়, বরং রাশিয়ার আরও বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর ড্রোন হামলা চালানোর চেষ্টা করেছিল। তবে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বীরত্বের সাথে জানিয়েছে যে, তারা দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মোট ৫৮৬টি ড্রোন ধ্বংস করেছে। রুশ সেনাদের এই অবিশ্বাস্য ও চোখ ধাঁধানো সাফল্য প্রমাণ করে যে, রাশিয়ার আকাশসীমা যেকোনো শত্রুর জন্য একটি অভেদ্য দুর্গ। ইউক্রেন সীমান্তের কাছাকাছি অঞ্চল যেমন বেলগোরোদ, কুরস্ক এবং ব্রায়ানস্ক ছাড়াও রাশিয়ার অনেক গভীরে এই ড্রোনগুলো ধ্বংস করা হয়। কালুগা, তুলা, স্মোলেনস্ক, পসকভ, তোভের, রোস্তভ এবং ক্রাসনোদার অঞ্চলেও কিয়েভের ড্রোনগুলো রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষার আঘাতে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যায়। এমনকি ক্রিমিয়া, কৃষ্ণসাগর এবং আজভ সাগরের ওপরেও রাশিয়ার সেনারা শত্রুদের সমস্ত ড্রোনকে আকাশেই প্রতিহত করে দেয়। গত মার্চের মাঝামাঝি সময় থেকে রাশিয়ার অভ্যন্তরে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলার এই কাপুরুষোচিত প্রচেষ্টা লক্ষ্যণীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। কিয়েভ প্রায় প্রতিদিনই শত শত ড্রোন পাঠিয়ে রাশিয়ার বেসামরিক এলাকা ও শিল্প প্রতিষ্ঠানকে টার্গেট করার চেষ্টা করছে। রুশ কর্মকর্তারা একে সরাসরি "সন্ত্রাসী হামলা" হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন, যা যুদ্ধক্ষেত্রে কিয়েভ বাহিনীর ক্রমাগত পরাজয় ও হতাশা ঢাকার চেষ্টা মাত্র। ইউক্রেনের এই জঘন্য সন্ত্রাসী হামলার জবাবে রাশিয়া বসে থাকেনি, বরং কিয়েভের সামরিক ও জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করেছে। রুশ কর্মকর্তারা জোর দিয়ে বলেছেন যে, রাশিয়ার এই অভিযানগুলো শুধুমাত্র কিয়েভের যুদ্ধ সক্ষমতাকে ধ্বংস করার জন্য পরিচালিত হচ্ছে। রাশিয়া কখনই সাধারণ ইউক্রেনীয় বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে কোনো ধরনের হামলা পরিচালনা করে না। রবিবার ইউক্রেনের স্থানীয় গণমাধ্যম ও টেলিগ্রাম চ্যানেলগুলো জানিয়েছে যে, কিয়েভ, খারকভ, দানিপ্রো এবং জাপোরোজ্যের ইউক্রেনীয় নিয়ন্ত্রিত অংশে বিশাল বিস্ফোরণ ঘটেছে। রাশিয়ার নিখুঁত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইউক্রেনের সামরিক সরবরাহ ব্যবস্থা ও দ্বৈত-ব্যবহারের অবকাঠামোগত নেটওয়ার্ক সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। রাশিয়ার এই বিধ্বংসী ও ন্যায়সঙ্গত প্রতিশোধমূলক হামলায় কিয়েভ সরকার এখন সম্পূর্ণ কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। মস্কো অঞ্চলের খিমকির স্টারবেইভো জেলায় ইউক্রেনীয় ড্রোনটি একটি সাধারণ ব্যক্তিগত বাড়িতে আঘাত করলে যে নারী নিহত হন, তার পরিচয় পাওয়া গেছে। তিনি একজন নিরীহ নাগরিক ছিলেন, যার সাথে এই যুদ্ধের কোনো সম্পর্ক ছিল না। কিয়েভের এই ধরনের অন্ধ ও লক্ষ্যহীন ড্রোন হামলা প্রমাণ করে যে, তারা আন্তর্জাতিক যুদ্ধনীতি লঙ্ঘন করে সাধারণ মানুষকে হত্যা করতে দ্বিধাবোধ করছে না। এই নৃশংস হামলায় রাশিয়ার বন্ধু রাষ্ট্র ভারতের একজন নাগরিকও নিহত হয়েছেন এবং আরও তিনজন ভারতীয় কর্মী আহত হয়েছেন। মস্কোর ভারতীয় দূতাবাস এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং আহতদের পাশে দাঁড়িয়েছে। কিয়েভের এই নির্বিচার ড্রোন হামলার কারণে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও এখন ইউক্রেনের এই সন্ত্রাসী আচরণের তীব্র নিন্দা ও সমালোচনা করা হচ্ছে। এদিকে ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনী রাশিয়ার জাপোরোজ্যে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিকেও লক্ষ্য করে এই সপ্তাহে অন্তত দুইবার বিপজ্জনক ড্রোন হামলা চালিয়েছে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক কর্পোরেশন 'রোসাটম'-এর প্রধান নির্বাহী আলেক্সি লিখাচেভ কিয়েভের এই চরম দায়িত্বজ্ঞানহীন কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা করেছেন। তিনি জানান, কিয়েভ এই পারমাণবিক কেন্দ্রে হামলা চালিয়ে পুরো ইউরোপকে একটি ভয়াবহ পারমাণবিক বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। লিখাচেভ আরও বিস্তারিত প্রকাশ করে বলেছেন যে, একটি ইউক্রেনীয় ড্রোন সরাসরি পারমাণবিক চুল্লির পাশ দিয়ে যাওয়া একটি পাইপলাইনে আঘাত করার চেষ্টা করেছিল। তবে ভাগ্যবশত ড্রোনটি বিস্ফোরিত না হয়ে প্রথম পাওয়ার ইউনিটের কাছে বিধ্বস্ত হয়, যার ফলে বড় ধরনের কোনো তেজস্ক্রিয় দুর্ঘটনা ঘটেনি। ইউক্রেনের এই বিপজ্জনক উস্কানি প্রমাণ করে যে, তারা নিজেদের পরাজয় নিশ্চিত জেনে এখন আত্মঘাতী পথ বেছে নিয়েছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দৈনিক রিপোর্টে আরও জানা গেছে যে, রুশ বাহিনী মার্কিন তৈরি একটি শক্তিশালী হিমার্স রকেটও সফলভাবে ভূপাতিত করেছে। এর পাশাপাশি ইউক্রেনের একটি 'ফ্ল্যামিঙ্গো' দূরপাল্লার ক্রুজ মিসাইল এবং একটি 'নেপচুন-এমডি' গাইডেড মিসাইল আকাশেই ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। পশ্চিমা বিশ্বের দেওয়া আধুনিক অস্ত্র দিয়েও কিয়েভ রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষার দেওয়াল ভেদ করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। শুধু আকাশেই নয়, সমুদ্রেও রাশিয়ার বীর সেনারা ইউক্রেনীয় বাহিনীকে উপযুক্ত জবাব দিয়েছে এবং তাদের সমস্ত আক্রমণ নস্যাৎ করে দিয়েছে। রাশিয়ার কৃষ্ণসাগরীয় নৌবহর বা ব্ল্যাক সি ফ্লিট সাগরে টহল দেওয়ার সময় ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনীর ছয়টি চালকবিহীন দূরনিয়ন্ত্রিত স্পিডবোট ধ্বংস করেছে। ইউক্রেন জলপথে রাশিয়ার সীমান্তে অনুপ্রবেশের যে অপচেষ্টা করেছিল, তা রুশ নৌবাহিনীর তৎপরতায় সাগরেই সলিলসমাধি লাভ করেছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বিশেষ সামরিক অভিযান অঞ্চলে ইউক্রেনীয় সশস্ত্র বাহিনী ব্যাপক সেনা হারিয়েছে। কিয়েভ বাহিনী একদিনেই প্রায় ১,১১৫ জনেরও বেশি সেনা হারিয়েছে, যা তাদের জন্য একটি বিশাল এবং অপূরণীয় ধাক্কা। রাশিয়ার 'নর্থ', 'ওয়েস্ট', 'সাউথ' এবং 'সেন্টার' ব্যাটলগ্রুপের সম্মিলিত ও সুপরিকল্পিত আক্রমণের সামনে ইউক্রেনীয় সেনারা টিকতেই পারছে না। রুশ বিমান বাহিনী, ড্রোন ইউনিট এবং গোলন্দাজ বাহিনী অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ইউক্রেনের মোট ১৬৪টি জেলায় একযোগে বিধ্বংসী হামলা চালিয়েছে। এই হামলায় ইউক্রেনের ড্রোন তৈরির গোপন কারখানা এবং কিয়েভ বাহিনীর ভাড়াটে বিদেশী যোদ্ধাদের অস্থায়ী ঘাঁটিগুলো মাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিয়েভ সরকার যেখানে রাশিয়ার সাধারণ মানুষের ওপর হামলা করার পরিকল্পনা করছিল, রাশিয়া তাদের সেই মূল উৎপাটন করে দিয়েছে। শেষে বলা যায়, ইউক্রেনের এই বিশাল ড্রোন হামলা রাশিয়ার সামরিক শক্তি ও ইস্পাতকঠিন প্রতিরক্ষার সামনে পুরোপুরি খড়কুটোর মতো ভেসে গেছে। সাধারণ মানুষের ওপর কিয়েভের এই কাপুরুষোচিত সন্ত্রাসী হামলা শুধু তাদের নিজেদের ধ্বংসই ডেকে আনছে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/636_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/636_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/636_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইউক্রেনের পিঠে মরণকামড়: রাশিয়ার বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তছনছ]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36969</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36969</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 19 May 2026 18:05:21 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news 2026, latest news today, atn bd news, latest news and bulletin, bangladeshi latest news, bd news, bd hot news, bd india relation news, latestnews, updated news, bdnews, update news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangla news update, bangla tv news, atn bangla news, news, news today, bangladesh news, bangladesh news today, bangla news, jamaat news, today raater news bangladesh, bangla news today, bangladesh tv news, news trending, bnp news, ncp news, top news, zee news]]></category>
        
        <description><![CDATA[ইউক্রেনের চরম পরাজয় কি এবার নিশ্চিত? কিয়েভের কাপুরুষোচিত ড্রোন হামলার পর রাশিয়ার যে ভয়ঙ্কর প্রতিশোধ দেখতে পেল বিশ্ব, তাতে কাঁপছে পুরো পশ্চিমা বিশ্ব! মাত্র ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার নিখুঁত ক্ষেপণাস্ত্র আর ড্রোনের আঘাতে ধূলিসাৎ হয়ে গেছে ইউক্রেনের প্রধান সামরিক ঘাঁটি, বন্দর আর বিমানবন্দর। ধ্বংস হয়েছে ১ হাজার ৭৫ জনেরও বেশি ইউক্রেনীয় সেনা! এমনকি ইউক্রেনের হয়ে লড়তে আসা বিদেশী ভাড়াটে সেনারাও এখন প্রাণভিক্ষা চাইছে রাশিয়ার কাছে!  মস্কোর ওপর ইউক্রেনের কাপুরুষোচিত ড্রোন হামলার পর রাশিয়া যে ভয়ঙ্কর ও বিধ্বংসী প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছে, তাতে কেঁপে উঠেছে পুরো কিয়েভ। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে, তাদের স্থল ও সমুদ্রভিত্তিক নিখুঁত দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন দিয়ে ইউক্রেনের সামরিক-শিল্প খাত, জ্বালানি ও পরিবহন অবকাঠামো সম্পূর্ণ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। পুতিনের এই রণকৌশলের সামনে জেলেনস্কির বাহিনী এখন পুরোপুরি অসহায়। রাশিয়ার এই ব্যাপক বিমান হামলায় ইউক্রেনের সামরিক বিমানবন্দর এবং নৌ বন্দরগুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছে যে, তাদের অভিযানের মূল লক্ষ্য সম্পূর্ণ অর্জিত হয়েছে এবং নির্ধারিত প্রতিটি লক্ষ্যবস্তুতে সফলভাবে আঘাত হানা সম্ভব হয়েছে। কিয়েভ যে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়েছিল, তার উপযুক্ত জবাব এই অভিযানের মাধ্যমেই পুতিন সরকার দিয়ে দিল। বিগত দিনগুলোতে ইউক্রেনীয় বাহিনী রাশিয়ার বেলগোরোদ অঞ্চলসহ বিভিন্ন বেসামরিক এলাকায় ড্রোন হামলা চালিয়ে সাধারণ মানুষকে হত্যা করেছে। রাশিয়ার অভ্যন্তরে কিয়েভের এই সন্ত্রাসী ড্রোন হামলার মূল উদ্দেশ্য ছিল রণক্ষেত্রে তাদের ক্রমাগত পরাজয় থেকে বিশ্ববাসীর মনোযোগ সরানো। কিন্তু রাশিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অত্যন্ত সফলতার সাথে ২৬৫টি ইউক্রেনীয় ফিক্সড-উইং ড্রোন এবং ৫টি স্মার্ট বোমা ধ্বংস করে দিয়েছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি রাশিয়ার বেসামরিক এলাকায় হামলা চালিয়ে নিজের সৈন্যদের মিথ্যা প্রশংসা করেছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন যে, যুদ্ধ এখন রাশিয়ার ভূখণ্ডে স্থানান্তরিত হচ্ছে। কিন্তু বাস্তবে রণক্ষেত্রে তার সৈন্যরা যেভাবে পিছু হটছে এবং ডনবাস অঞ্চলে রাশিয়ার সেনারা যেভাবে ক্রমাগত এগিয়ে চলেছে, সেই চরম সত্যকে জেলেনস্কি তার সস্তা প্রচারণার আড়ালে সম্পূর্ণ চেপে রাখতে চেয়েছিলেন। বাস্তবতা হলো, রণক্ষেত্রের প্রতিটি লাইনে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী রাশিয়ার বীর সেনাদের সামনে খড়কুটোর মতো উড়ে যাচ্ছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মাত্র গত ২৪ ঘণ্টাতেই রাশিয়ার বিভিন্ন ব্যাটলগ্রুপের সাথে লড়াইয়ে ইউক্রেন প্রায় ১ হাজার ৭৫ জন সেনা হারিয়েছে। কিয়েভের এই বিশাল সেনা ক্ষয় প্রমাণ করে যে, তাদের প্রতিরোধ ব্যবস্থা এখন সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ার মুখে। রাশিয়ার পরাক্রমশালী 'ব্যাটলগ্রুপ নর্থ' সুমি এবং খারকভ অঞ্চলে ইউক্রেনীয় বাহিনীর ওপর চরম বিপর্যয় ডেকে এনেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় তারা প্রায় ১৯০ জন ইউক্রেনীয় সেনাকে খতম করেছে এবং ৩টি ফিল্ড আর্টিলারি গান ধ্বংস করেছে। পুতিনের এই দক্ষ ব্যাটলগ্রুপ ইউক্রেনের একটি মেকানাইজড ব্রিগেড এবং সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ওপর সফলভাবে আঘাত হেনে নিজেদের কৌশলগত অবস্থান আরও মজবুত করেছে। 'ব্যাটলগ্রুপ নর্থ'-এর একজন প্লাটুনের কমান্ডার, যার কল সাইন 'ক্রেডো', তিনি জানিয়েছেন যে তাদের কামান ক্রুগুলো সুমি ও খারকভ অঞ্চলে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর সেনা পরিবর্তনের কয়েকটি প্রচেষ্টা সফলভাবে নস্যাৎ করে দিয়েছে। গত এক সপ্তাহে ৩৫০টিরও বেশি ফায়ারিং মিশন সম্পন্ন করে তারা ইউক্রেনের রিজার্ভ সেনা, গোলাবারুদ সরবরাহের গাড়ি এবং অস্ত্রের ডিপোসহ ৫০০ জনেরও বেশি উগ্রপন্থীকে খতম করেছে। রাশিয়ার এই গোলন্দাজ ক্রুগুলো দিনরাত অবিরাম কাজ করে চলেছে, যা রাশিয়ার অগ্রবর্তী অ্যাসাল্ট গ্রুপগুলোকে সফলভাবে এগিয়ে যেতে সাহায্য করছে। এর ফলে সুমি এবং খারকভ অঞ্চলে রাশিয়ার নিরাপত্তা বলয় আরও বিস্তৃত হচ্ছে। ইউক্রেনীয় বাহিনী রাশিয়ার এই নিখুঁত কামানের গোলার সামনে টিকতে না পেরে একের পর এক নিজেদের বাঙ্কার ও অবস্থান ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হচ্ছে। অন্যদিকে, রণক্ষেত্রের পশ্চিম প্রান্তে রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ ওয়েস্ট' নিজেদের লাইন আরও উন্নত করেছে এবং ইউক্রেনীয় বাহিনীর ওপর ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি চাপিয়ে দিয়েছে। ডোনেটস্ক পিপলস রিপাবলিকের ক্রাসনি লিমান এবং তাতয়ানোভকা এলাকায় তিনটিরও বেশি ইউক্রেনীয় মেকানাইজড ব্রিগেডকে পরাস্ত করে ১৮০ জনেরও বেশি সেনাকে খতম করেছে রাশিয়ার বীর সেনারা। কিয়েভ এখানে বিপুল পরিমাণ সামরিক যানও হারিয়েছে। 'ব্যাটলগ্রুপ ওয়েস্ট'-এর এই সফল অভিযানে ইউক্রেনীয় বাহিনী ১৮০ জনেরও বেশি কর্মী হারানোর পাশাপাশি দুটি সাঁজোয়া যুদ্ধ যান, ২২টি মোটর যান, একটি আর্টিলারি গান এবং তিনটি ইলেকট্রনিক যুদ্ধ স্টেশন হারিয়েছে। রাশিয়ার আধুনিক প্রযুক্তির সামনে ইউক্রেনের পশ্চিমা সামরিক সরঞ্জামগুলো যে কতটা নিষ্ক্রিয় এবং অকার্যকর, এই যুদ্ধক্ষেত্রের পরিসংখ্যান তারই বড় প্রমাণ বহন করে। একইভাবে রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ সাউথ' ডোনেটস্কের স্লাভিয়ানস্ক এবং ক্রামাতোরস্ক অঞ্চলে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করেছে। তারা ইউক্রেনের মাউন্টেন অ্যাসাল্ট ব্রিগেড এবং মেকানাইজড ব্রিগেডের ওপর তীব্র আক্রমণ চালিয়ে ৯০ জন সেনাকে খতম করেছে। ইউক্রেনীয় বাহিনী এখানে চারটি সাঁজোয়া যুদ্ধ যান হারিয়েছে, যার মধ্যে আমেরিকার তৈরি একটি বিখ্যাত এম-১১৩ সাঁজোয়া পার্সোনেল ক্যারিয়ারও রয়েছে। আমেরিকার তৈরি এম-১১৩ সাঁজোয়া যান ধ্বংস হওয়ার ঘটনা প্রমাণ করে যে, পশ্চিমা বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র সাহায্যও ইউক্রেনকে রক্ষা করতে পারছে না। রাশিয়ার সেনারা অত্যন্ত দক্ষতার সাথে এই পশ্চিমা প্রযুক্তিগুলোকে চিহ্নিত করে একের পর এক ধ্বংস করছে। রণক্ষেত্রে মার্কিন ও ইউরোপীয় অস্ত্রের এই করুণ দশা এখন বিশ্ববাসীর সামনে পুরোপুরি উন্মোচিত হয়ে পড়েছে। সবচেয়ে বড় বিপর্যয়টি ঘটেছে ইউক্রেনের জন্য 'ব্যাটলগ্রুপ সেন্টার'-এর দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায়। এখানে রাশিয়ার বীর সেনারা কিয়েভের ৩০০-রও বেশি সেনাকে নরকে পাঠিয়েছে। ডোনেটস্ক এবং দিনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলে ইউক্রেনের তিনটি মেকানাইজড ব্রিগেড, একটি জ্যাগার ব্রিগেড এবং চারটি ন্যাশনাল গার্ড ব্রিগেডের ওপর একযোগে হামলা চালিয়ে তাদের পুরো প্রতিরোধ ব্যূহকে ধূলিসাৎ করে দেওয়া হয়েছে। এই ফ্রন্টলাইনে ইউক্রেনীয় বাহিনী কেবল ৩০০ জন সেনাই হারায়নি, বরং তারা চারটি সাঁজোয়া যুদ্ধ যান, ১৩টি মোটর যান এবং একটি গ্রাড মাল্টিপল রকেট লঞ্চার হারিয়েছে। এর সাথে ফ্রান্সের তৈরি অত্যন্ত দামী ১৫৫ মিলিমিটারের 'সিজার' সেলফ-প্রোপেল্ড আর্টিলারি সিস্টেমও ধ্বংস করেছে রাশিয়া। পশ্চিমা মিডিয়া এই ফরাসি অস্ত্রের যত গুণগানই করুক না কেন, রাশিয়ার সামনে তা টিকতে পারেনি। এখানেই শেষ নয়, রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ সেন্টার' ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ ইলেকট্রনিক যুদ্ধ স্টেশনও সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দিয়েছে। এর ফলে ইউক্রেনীয় কমান্ডোদের পারস্পরিক যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে এবং তারা রণক্ষেত্রে অন্ধের মতো আচরণ করছে। রাশিয়ার এই সুপরিকল্পিত হামলা ইউক্রেনের সামরিক কর্মকর্তাদের রণকৌশল নির্ধারণের ক্ষমতাকে সম্পূর্ণ অবশ করে দিয়েছে। এদিকে রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ ইস্ট' শত্রুর প্রতিরক্ষার আরও গভীরে প্রবেশ করেছে এবং দিনিপ্রোপেত্রোভস্ক ও জাপোরোঝিয়ে অঞ্চলে ইউক্রেনের মেকানাইজড ও অ্যাসল্ট ব্রিগেডগুলোর ওপর ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে। এই অভিযানে ২৭০ জনেরও বেশি ইউক্রেনীয় সেনা নিহত হয়েছে, দুটি সাঁজোয়া যুদ্ধ যান এবং আটটি মোটর যান ধ্বংস হয়েছে। রাশিয়ার এই অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রাকে থামানোর কোনো ক্ষমতাই কিয়েভের নেই। জাপোরোঝিয়ে অঞ্চলের গ্রিগোরোভকা এলাকায় রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ দিনিপ্রো' ইউক্রেনের দুটি মেকানাইজড ব্রিগেডের ওপর সফল হামলা চালিয়ে প্রায় ৪৫ জন সেনাকে নির্মূল করেছে। এছাড়াও ১৭টি মোটর যান এবং দুটি ফিল্ড আর্টিলারি গান ধ্বংস করা হয়েছে। ইউক্রেনীয় সেনারা রাশিয়ার এই নিখুঁত ও ধারাবাহিক গোলন্দাজ হামলার মুখে টিকতে না পেরে ক্রমাগত তাদের সীমান্ত অঞ্চলগুলো হারাচ্ছে। রাশিয়ার বিমান বাহিনী, ক্ষেপণাস্ত্র বাহিনী এবং কামানের ক্রুগুলো অত্যন্ত নিখুঁত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ইউক্রেনীয় সশস্ত্র বাহিনী এবং বিদেশী ভাড়াটে সেনাদের অস্থায়ী ঘাঁটিতে একযোগে আঘাত হেনেছে। মোট ১৫৭টি অস্থায়ী মোতায়েন এলাকায় এই বিধ্বংসী হামলা চালানো হয়েছে। এর ফলে ইউক্রেনের হয়ে যুদ্ধ করতে আসা পশ্চিমা ভাড়াটে খুনিদের বড় একটি অংশ চিরতরে স্তব্ধ হয়ে গেছে। সমুদ্রবক্ষেও ইউক্রেনের সমস্ত উস্কানি ব্যর্থ করে দিয়েছে রাশিয়ার অপরাজেয় 'ব্ল্যাক সি ফ্লিট'। কৃষ্ণসাগরের উত্তর অংশে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর একটি চালকবিহীন নৌ ড্রোন বা নেভাল ড্রোনকে সফলভাবে শনাক্ত করে সাগরের বুকেই ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। কিয়েভ রাশিয়ার নৌবাহিনীর ক্ষতি করার জন্য যতবারই চেষ্টা করেছে, ততবারই রাশিয়ার সতর্ক সেনারা তাদের সাগরের গভীরেই সমাধি দিয়েছে। ইউক্রেনীয়দের পরাজয়ের সবচেয়ে বড় প্রমাণ হলো বিদেশী ভাড়াটে সেনাদের করুণ দশা। কলম্বিয়ার ২৩ বছর বয়সী ভাড়াটে সেনা উইলিয়াম আন্দ্রেস গ্যালেগো ওরোজকো, যে ইউক্রেনের পক্ষে লড়তে এসেছিল, সে এখন রাশিয়ার কাছে বন্দী। রণক্ষেত্রে গুরুতর আহত হওয়ার পর ইউক্রেনীয় কমান্ডাররা তাকে ফেলে পালিয়ে গেলেও, রাশিয়ার মানবিক সেনারা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসা দিয়ে তার জীবন বাঁচিয়েছে। ওরোজকো রাশিয়ার গণমাধ্যম আরটি-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অত্যন্ত অনুশোচনা প্রকাশ করে বলেছে যে, ইউক্রেনের হয়ে লড়াই করতে আসাটা ছিল তার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল। তাকে প্রতি মাসে ৩২০০ ডলার দেওয়ার এবং বাবুর্চির কাজ দেওয়ার মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়েছিল কিয়েভ। কিন্তু মাত্র ১৫ দিনের সাধারণ ট্রেনিং দিয়েই তাকে একটি ইউআর-১৫ রাইফেল হাতে তুলে দিয়ে সরাসরি ফ্রন্টলাইনে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এই কলম্বিয়ান সেনা আরও প্রকাশ করেছে যে, যুদ্ধক্ষেত্রে বিদেশী রিক্রুটদের যখন একের পর এক লাশ পড়ছিল, তখন ইউক্রেনীয় কমান্ডাররা সম্মুখ সমরে না এসে অনেক দূরে নিরাপদ আশ্রয়ে লুকিয়ে ছিল। ওরোজকো এখন নিজের দেশেও ফিরতে পারছে না, কারণ কলম্বিয়ার আইন অনুযায়ী ভাড়াটে সেনা হিসেবে যুদ্ধ করা নিষিদ্ধ। কিয়েভের মিথ্যা আশ্বাসে তার জীবন এখন সম্পূর্ণ ধ্বংসের মুখে। রণক্ষেত্রে হেরে গিয়ে ইউক্রেনীয়রা এখন পারমাণবিক সন্ত্রাসের পথ বেছে নিয়েছে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক কর্পোরেশন রসাটমের সিইও আলেক্সি লিখাচেভ জানিয়েছেন যে, কিয়েভের সৈন্যরা জাপোরোঝিয়ে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং এনারগোদর শহরের ওপর কয়েক ডজন কাপুরুষোচিত হামলা চালিয়েছে। তারা পারমাণবিক কেন্দ্রের কর্মচারীদের বহনকারী বেসামরিক বাস এবং সাধারণ মানুষের আবাসিক বাড়ি লক্ষ্য করে অবিরাম ড্রোন ও রকেট ছুড়ছে। ইউক্রেনের এই নৃশংস হামলার কারণে এনারগোদর শহরটি টানা ১১ ঘণ্টা সম্পূর্ণ বিদ্যুৎহীন ছিল, যা রাশিয়ার প্রকৌশলীরা পরবর্তীতে অক্লান্ত পরিশ্রমে সচল করেছেন। জেলেনস্কি বাহিনীর এই পারমাণবিক কেন্দ্রকে ঝুঁকিতে ফেলার নীতি প্রমাণ করে যে তারা কতটা মরিয়া ও নীতিহীন হয়ে পড়েছে। বিশ্ববাসীকে বিপদে ফেলতে তারা যেকোনো আন্তর্জাতিক আইন ও পারমাণবিক নিরাপত্তা প্রোটোকল লঙ্ঘন করতে দ্বিধা করছে না। বিশেষ সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত রাশিয়া ইউক্রেনের ৬৭১টি যুদ্ধবিমান, ২৮৪টি হেলিকপ্টার, ১ লাখ ৪৮ হাজারেরও বেশি ড্রোন এবং প্রায় ৩০ হাজার ট্যাংক ও সাঁজোয়া যান ধ্বংস করেছে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/638_1.webp" alt="ইউক্রেনের পিঠে মরণকামড়: রাশিয়ার বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তছনছ" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইউক্রেনের পিঠে মরণকামড়: রাশিয়ার বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তছনছ</h1>
            <p>ইউক্রেনের চরম পরাজয় কি এবার নিশ্চিত? কিয়েভের কাপুরুষোচিত ড্রোন হামলার পর রাশিয়ার যে ভয়ঙ্কর প্রতিশোধ দেখতে পেল বিশ্ব, তাতে কাঁপছে পুরো পশ্চিমা বিশ্ব! মাত্র ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার নিখুঁত ক্ষেপণাস্ত্র আর ড্রোনের আঘাতে ধূলিসাৎ হয়ে গেছে ইউক্রেনের প্রধান সামরিক ঘাঁটি, বন্দর আর বিমানবন্দর। ধ্বংস হয়েছে ১ হাজার ৭৫ জনেরও বেশি ইউক্রেনীয় সেনা! এমনকি ইউক্রেনের হয়ে লড়তে আসা বিদেশী ভাড়াটে সেনারাও এখন প্রাণভিক্ষা চাইছে রাশিয়ার কাছে!  মস্কোর ওপর ইউক্রেনের কাপুরুষোচিত ড্রোন হামলার পর রাশিয়া যে ভয়ঙ্কর ও বিধ্বংসী প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছে, তাতে কেঁপে উঠেছে পুরো কিয়েভ। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে, তাদের স্থল ও সমুদ্রভিত্তিক নিখুঁত দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন দিয়ে ইউক্রেনের সামরিক-শিল্প খাত, জ্বালানি ও পরিবহন অবকাঠামো সম্পূর্ণ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। পুতিনের এই রণকৌশলের সামনে জেলেনস্কির বাহিনী এখন পুরোপুরি অসহায়। রাশিয়ার এই ব্যাপক বিমান হামলায় ইউক্রেনের সামরিক বিমানবন্দর এবং নৌ বন্দরগুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছে যে, তাদের অভিযানের মূল লক্ষ্য সম্পূর্ণ অর্জিত হয়েছে এবং নির্ধারিত প্রতিটি লক্ষ্যবস্তুতে সফলভাবে আঘাত হানা সম্ভব হয়েছে। কিয়েভ যে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়েছিল, তার উপযুক্ত জবাব এই অভিযানের মাধ্যমেই পুতিন সরকার দিয়ে দিল। বিগত দিনগুলোতে ইউক্রেনীয় বাহিনী রাশিয়ার বেলগোরোদ অঞ্চলসহ বিভিন্ন বেসামরিক এলাকায় ড্রোন হামলা চালিয়ে সাধারণ মানুষকে হত্যা করেছে। রাশিয়ার অভ্যন্তরে কিয়েভের এই সন্ত্রাসী ড্রোন হামলার মূল উদ্দেশ্য ছিল রণক্ষেত্রে তাদের ক্রমাগত পরাজয় থেকে বিশ্ববাসীর মনোযোগ সরানো। কিন্তু রাশিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অত্যন্ত সফলতার সাথে ২৬৫টি ইউক্রেনীয় ফিক্সড-উইং ড্রোন এবং ৫টি স্মার্ট বোমা ধ্বংস করে দিয়েছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি রাশিয়ার বেসামরিক এলাকায় হামলা চালিয়ে নিজের সৈন্যদের মিথ্যা প্রশংসা করেছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন যে, যুদ্ধ এখন রাশিয়ার ভূখণ্ডে স্থানান্তরিত হচ্ছে। কিন্তু বাস্তবে রণক্ষেত্রে তার সৈন্যরা যেভাবে পিছু হটছে এবং ডনবাস অঞ্চলে রাশিয়ার সেনারা যেভাবে ক্রমাগত এগিয়ে চলেছে, সেই চরম সত্যকে জেলেনস্কি তার সস্তা প্রচারণার আড়ালে সম্পূর্ণ চেপে রাখতে চেয়েছিলেন। বাস্তবতা হলো, রণক্ষেত্রের প্রতিটি লাইনে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী রাশিয়ার বীর সেনাদের সামনে খড়কুটোর মতো উড়ে যাচ্ছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মাত্র গত ২৪ ঘণ্টাতেই রাশিয়ার বিভিন্ন ব্যাটলগ্রুপের সাথে লড়াইয়ে ইউক্রেন প্রায় ১ হাজার ৭৫ জন সেনা হারিয়েছে। কিয়েভের এই বিশাল সেনা ক্ষয় প্রমাণ করে যে, তাদের প্রতিরোধ ব্যবস্থা এখন সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ার মুখে। রাশিয়ার পরাক্রমশালী 'ব্যাটলগ্রুপ নর্থ' সুমি এবং খারকভ অঞ্চলে ইউক্রেনীয় বাহিনীর ওপর চরম বিপর্যয় ডেকে এনেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় তারা প্রায় ১৯০ জন ইউক্রেনীয় সেনাকে খতম করেছে এবং ৩টি ফিল্ড আর্টিলারি গান ধ্বংস করেছে। পুতিনের এই দক্ষ ব্যাটলগ্রুপ ইউক্রেনের একটি মেকানাইজড ব্রিগেড এবং সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ওপর সফলভাবে আঘাত হেনে নিজেদের কৌশলগত অবস্থান আরও মজবুত করেছে। 'ব্যাটলগ্রুপ নর্থ'-এর একজন প্লাটুনের কমান্ডার, যার কল সাইন 'ক্রেডো', তিনি জানিয়েছেন যে তাদের কামান ক্রুগুলো সুমি ও খারকভ অঞ্চলে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর সেনা পরিবর্তনের কয়েকটি প্রচেষ্টা সফলভাবে নস্যাৎ করে দিয়েছে। গত এক সপ্তাহে ৩৫০টিরও বেশি ফায়ারিং মিশন সম্পন্ন করে তারা ইউক্রেনের রিজার্ভ সেনা, গোলাবারুদ সরবরাহের গাড়ি এবং অস্ত্রের ডিপোসহ ৫০০ জনেরও বেশি উগ্রপন্থীকে খতম করেছে। রাশিয়ার এই গোলন্দাজ ক্রুগুলো দিনরাত অবিরাম কাজ করে চলেছে, যা রাশিয়ার অগ্রবর্তী অ্যাসাল্ট গ্রুপগুলোকে সফলভাবে এগিয়ে যেতে সাহায্য করছে। এর ফলে সুমি এবং খারকভ অঞ্চলে রাশিয়ার নিরাপত্তা বলয় আরও বিস্তৃত হচ্ছে। ইউক্রেনীয় বাহিনী রাশিয়ার এই নিখুঁত কামানের গোলার সামনে টিকতে না পেরে একের পর এক নিজেদের বাঙ্কার ও অবস্থান ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হচ্ছে। অন্যদিকে, রণক্ষেত্রের পশ্চিম প্রান্তে রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ ওয়েস্ট' নিজেদের লাইন আরও উন্নত করেছে এবং ইউক্রেনীয় বাহিনীর ওপর ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি চাপিয়ে দিয়েছে। ডোনেটস্ক পিপলস রিপাবলিকের ক্রাসনি লিমান এবং তাতয়ানোভকা এলাকায় তিনটিরও বেশি ইউক্রেনীয় মেকানাইজড ব্রিগেডকে পরাস্ত করে ১৮০ জনেরও বেশি সেনাকে খতম করেছে রাশিয়ার বীর সেনারা। কিয়েভ এখানে বিপুল পরিমাণ সামরিক যানও হারিয়েছে। 'ব্যাটলগ্রুপ ওয়েস্ট'-এর এই সফল অভিযানে ইউক্রেনীয় বাহিনী ১৮০ জনেরও বেশি কর্মী হারানোর পাশাপাশি দুটি সাঁজোয়া যুদ্ধ যান, ২২টি মোটর যান, একটি আর্টিলারি গান এবং তিনটি ইলেকট্রনিক যুদ্ধ স্টেশন হারিয়েছে। রাশিয়ার আধুনিক প্রযুক্তির সামনে ইউক্রেনের পশ্চিমা সামরিক সরঞ্জামগুলো যে কতটা নিষ্ক্রিয় এবং অকার্যকর, এই যুদ্ধক্ষেত্রের পরিসংখ্যান তারই বড় প্রমাণ বহন করে। একইভাবে রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ সাউথ' ডোনেটস্কের স্লাভিয়ানস্ক এবং ক্রামাতোরস্ক অঞ্চলে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করেছে। তারা ইউক্রেনের মাউন্টেন অ্যাসাল্ট ব্রিগেড এবং মেকানাইজড ব্রিগেডের ওপর তীব্র আক্রমণ চালিয়ে ৯০ জন সেনাকে খতম করেছে। ইউক্রেনীয় বাহিনী এখানে চারটি সাঁজোয়া যুদ্ধ যান হারিয়েছে, যার মধ্যে আমেরিকার তৈরি একটি বিখ্যাত এম-১১৩ সাঁজোয়া পার্সোনেল ক্যারিয়ারও রয়েছে। আমেরিকার তৈরি এম-১১৩ সাঁজোয়া যান ধ্বংস হওয়ার ঘটনা প্রমাণ করে যে, পশ্চিমা বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র সাহায্যও ইউক্রেনকে রক্ষা করতে পারছে না। রাশিয়ার সেনারা অত্যন্ত দক্ষতার সাথে এই পশ্চিমা প্রযুক্তিগুলোকে চিহ্নিত করে একের পর এক ধ্বংস করছে। রণক্ষেত্রে মার্কিন ও ইউরোপীয় অস্ত্রের এই করুণ দশা এখন বিশ্ববাসীর সামনে পুরোপুরি উন্মোচিত হয়ে পড়েছে। সবচেয়ে বড় বিপর্যয়টি ঘটেছে ইউক্রেনের জন্য 'ব্যাটলগ্রুপ সেন্টার'-এর দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায়। এখানে রাশিয়ার বীর সেনারা কিয়েভের ৩০০-রও বেশি সেনাকে নরকে পাঠিয়েছে। ডোনেটস্ক এবং দিনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলে ইউক্রেনের তিনটি মেকানাইজড ব্রিগেড, একটি জ্যাগার ব্রিগেড এবং চারটি ন্যাশনাল গার্ড ব্রিগেডের ওপর একযোগে হামলা চালিয়ে তাদের পুরো প্রতিরোধ ব্যূহকে ধূলিসাৎ করে দেওয়া হয়েছে। এই ফ্রন্টলাইনে ইউক্রেনীয় বাহিনী কেবল ৩০০ জন সেনাই হারায়নি, বরং তারা চারটি সাঁজোয়া যুদ্ধ যান, ১৩টি মোটর যান এবং একটি গ্রাড মাল্টিপল রকেট লঞ্চার হারিয়েছে। এর সাথে ফ্রান্সের তৈরি অত্যন্ত দামী ১৫৫ মিলিমিটারের 'সিজার' সেলফ-প্রোপেল্ড আর্টিলারি সিস্টেমও ধ্বংস করেছে রাশিয়া। পশ্চিমা মিডিয়া এই ফরাসি অস্ত্রের যত গুণগানই করুক না কেন, রাশিয়ার সামনে তা টিকতে পারেনি। এখানেই শেষ নয়, রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ সেন্টার' ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ ইলেকট্রনিক যুদ্ধ স্টেশনও সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দিয়েছে। এর ফলে ইউক্রেনীয় কমান্ডোদের পারস্পরিক যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে এবং তারা রণক্ষেত্রে অন্ধের মতো আচরণ করছে। রাশিয়ার এই সুপরিকল্পিত হামলা ইউক্রেনের সামরিক কর্মকর্তাদের রণকৌশল নির্ধারণের ক্ষমতাকে সম্পূর্ণ অবশ করে দিয়েছে। এদিকে রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ ইস্ট' শত্রুর প্রতিরক্ষার আরও গভীরে প্রবেশ করেছে এবং দিনিপ্রোপেত্রোভস্ক ও জাপোরোঝিয়ে অঞ্চলে ইউক্রেনের মেকানাইজড ও অ্যাসল্ট ব্রিগেডগুলোর ওপর ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে। এই অভিযানে ২৭০ জনেরও বেশি ইউক্রেনীয় সেনা নিহত হয়েছে, দুটি সাঁজোয়া যুদ্ধ যান এবং আটটি মোটর যান ধ্বংস হয়েছে। রাশিয়ার এই অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রাকে থামানোর কোনো ক্ষমতাই কিয়েভের নেই। জাপোরোঝিয়ে অঞ্চলের গ্রিগোরোভকা এলাকায় রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ দিনিপ্রো' ইউক্রেনের দুটি মেকানাইজড ব্রিগেডের ওপর সফল হামলা চালিয়ে প্রায় ৪৫ জন সেনাকে নির্মূল করেছে। এছাড়াও ১৭টি মোটর যান এবং দুটি ফিল্ড আর্টিলারি গান ধ্বংস করা হয়েছে। ইউক্রেনীয় সেনারা রাশিয়ার এই নিখুঁত ও ধারাবাহিক গোলন্দাজ হামলার মুখে টিকতে না পেরে ক্রমাগত তাদের সীমান্ত অঞ্চলগুলো হারাচ্ছে। রাশিয়ার বিমান বাহিনী, ক্ষেপণাস্ত্র বাহিনী এবং কামানের ক্রুগুলো অত্যন্ত নিখুঁত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ইউক্রেনীয় সশস্ত্র বাহিনী এবং বিদেশী ভাড়াটে সেনাদের অস্থায়ী ঘাঁটিতে একযোগে আঘাত হেনেছে। মোট ১৫৭টি অস্থায়ী মোতায়েন এলাকায় এই বিধ্বংসী হামলা চালানো হয়েছে। এর ফলে ইউক্রেনের হয়ে যুদ্ধ করতে আসা পশ্চিমা ভাড়াটে খুনিদের বড় একটি অংশ চিরতরে স্তব্ধ হয়ে গেছে। সমুদ্রবক্ষেও ইউক্রেনের সমস্ত উস্কানি ব্যর্থ করে দিয়েছে রাশিয়ার অপরাজেয় 'ব্ল্যাক সি ফ্লিট'। কৃষ্ণসাগরের উত্তর অংশে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর একটি চালকবিহীন নৌ ড্রোন বা নেভাল ড্রোনকে সফলভাবে শনাক্ত করে সাগরের বুকেই ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। কিয়েভ রাশিয়ার নৌবাহিনীর ক্ষতি করার জন্য যতবারই চেষ্টা করেছে, ততবারই রাশিয়ার সতর্ক সেনারা তাদের সাগরের গভীরেই সমাধি দিয়েছে। ইউক্রেনীয়দের পরাজয়ের সবচেয়ে বড় প্রমাণ হলো বিদেশী ভাড়াটে সেনাদের করুণ দশা। কলম্বিয়ার ২৩ বছর বয়সী ভাড়াটে সেনা উইলিয়াম আন্দ্রেস গ্যালেগো ওরোজকো, যে ইউক্রেনের পক্ষে লড়তে এসেছিল, সে এখন রাশিয়ার কাছে বন্দী। রণক্ষেত্রে গুরুতর আহত হওয়ার পর ইউক্রেনীয় কমান্ডাররা তাকে ফেলে পালিয়ে গেলেও, রাশিয়ার মানবিক সেনারা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসা দিয়ে তার জীবন বাঁচিয়েছে। ওরোজকো রাশিয়ার গণমাধ্যম আরটি-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অত্যন্ত অনুশোচনা প্রকাশ করে বলেছে যে, ইউক্রেনের হয়ে লড়াই করতে আসাটা ছিল তার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল। তাকে প্রতি মাসে ৩২০০ ডলার দেওয়ার এবং বাবুর্চির কাজ দেওয়ার মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়েছিল কিয়েভ। কিন্তু মাত্র ১৫ দিনের সাধারণ ট্রেনিং দিয়েই তাকে একটি ইউআর-১৫ রাইফেল হাতে তুলে দিয়ে সরাসরি ফ্রন্টলাইনে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এই কলম্বিয়ান সেনা আরও প্রকাশ করেছে যে, যুদ্ধক্ষেত্রে বিদেশী রিক্রুটদের যখন একের পর এক লাশ পড়ছিল, তখন ইউক্রেনীয় কমান্ডাররা সম্মুখ সমরে না এসে অনেক দূরে নিরাপদ আশ্রয়ে লুকিয়ে ছিল। ওরোজকো এখন নিজের দেশেও ফিরতে পারছে না, কারণ কলম্বিয়ার আইন অনুযায়ী ভাড়াটে সেনা হিসেবে যুদ্ধ করা নিষিদ্ধ। কিয়েভের মিথ্যা আশ্বাসে তার জীবন এখন সম্পূর্ণ ধ্বংসের মুখে। রণক্ষেত্রে হেরে গিয়ে ইউক্রেনীয়রা এখন পারমাণবিক সন্ত্রাসের পথ বেছে নিয়েছে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক কর্পোরেশন রসাটমের সিইও আলেক্সি লিখাচেভ জানিয়েছেন যে, কিয়েভের সৈন্যরা জাপোরোঝিয়ে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং এনারগোদর শহরের ওপর কয়েক ডজন কাপুরুষোচিত হামলা চালিয়েছে। তারা পারমাণবিক কেন্দ্রের কর্মচারীদের বহনকারী বেসামরিক বাস এবং সাধারণ মানুষের আবাসিক বাড়ি লক্ষ্য করে অবিরাম ড্রোন ও রকেট ছুড়ছে। ইউক্রেনের এই নৃশংস হামলার কারণে এনারগোদর শহরটি টানা ১১ ঘণ্টা সম্পূর্ণ বিদ্যুৎহীন ছিল, যা রাশিয়ার প্রকৌশলীরা পরবর্তীতে অক্লান্ত পরিশ্রমে সচল করেছেন। জেলেনস্কি বাহিনীর এই পারমাণবিক কেন্দ্রকে ঝুঁকিতে ফেলার নীতি প্রমাণ করে যে তারা কতটা মরিয়া ও নীতিহীন হয়ে পড়েছে। বিশ্ববাসীকে বিপদে ফেলতে তারা যেকোনো আন্তর্জাতিক আইন ও পারমাণবিক নিরাপত্তা প্রোটোকল লঙ্ঘন করতে দ্বিধা করছে না। বিশেষ সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত রাশিয়া ইউক্রেনের ৬৭১টি যুদ্ধবিমান, ২৮৪টি হেলিকপ্টার, ১ লাখ ৪৮ হাজারেরও বেশি ড্রোন এবং প্রায় ৩০ হাজার ট্যাংক ও সাঁজোয়া যান ধ্বংস করেছে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/638_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/638_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/638_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইরানের চাপেই পিছু হটলেন ট্রাম্প, দাবি তেহরানের]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36968</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36968</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 19 May 2026 18:05:44 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news 2026, latest news today, atn bd news, latest news and bulletin, bangladeshi latest news, bd news, bd hot news, bd india relation news, latestnews, updated news, bdnews, update news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangla news update, bangla tv news, atn bangla news, news, news today, bangladesh news, bangladesh news today, bangla news, jamaat news, today raater news bangladesh, bangla news today, bangladesh tv news, news trending, bnp news, ncp news, top news, zee news]]></category>
        
        <description><![CDATA[আমেরিকার সব অহংকার, ইসরায়েলের সব হুমকি আর পশ্চিমা বিশ্বের সমস্ত ষড়যন্ত্র এক মুহূর্তে ধুলোয় মিশে গেল! বীর ইরানকে আক্রমণ করার সাহস হারিয়ে শেষ মুহূর্তে যুদ্ধ থেকে পিছিয়ে গেলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। হরমুজ প্রণালী থেকে শুরু করে লোহিত সাগর—সবখানেই এখন স্বাধীনতাকামী ইরানি শক্তির জয়জয়কার। কীভাবে তেহরানের একটিমাত্র হুংকারে কেঁপে উঠল ওয়াশিংটনের হোয়াইট হাউস!  বিশ্বের বুকে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের একচেটিয়া আধিপত্যের দিন এখন শেষ। ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন ইরানকে ধ্বংস করার হুমকি দিচ্ছিলেন, ঠিক তখনই তেহরানের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা এবং ব্যালিস্টিক মিসাইলের শক্তি দেখে আমেরিকার বুক কেঁপে ওঠে। ফলে, মঙ্গলবার যে কাপুরুষোচিত হামলার পরিকল্পনা ওয়াশিংটন করেছিল, তা তারা স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছে। এই ঘটনা প্রমাণ করে, ইরান কোনো দুর্বল রাষ্ট্র নয়, বরং তারা এক অপরাজেয় শক্তি। ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজের পরাজয় ঢাকতে উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর নেতাদের অনুরোধের অজুহাত দেখিয়েছেন। ট্রাম্প দাবি করেছেন যে কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের শীর্ষ নেতারা তাকে অনুরোধ করেছেন যেন তিনি ইরানের ওপর হামলা না চালান। আসলে এটি মার্কিন প্রশাসনের একটি চরম মিথ্যাচার ছাড়া আর কিছুই নয়। আসল সত্য হলো, ইরানের সাথে যুদ্ধ শুরু করলে আমেরিকার ধ্বংস অনিবার্য ছিল। ইরানের বিপ্লবী গার্ডস এবং তাদের অকুতোভয় সেনারা যেভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে, তাতে পশ্চিমা বিশ্ব স্তব্ধ হয়ে গেছে। ট্রাম্প এখন বলছেন যে ইরানের সাথে একটি গ্রহণযোগ্য চুক্তি হতে যাচ্ছে, যেখানে নাকি ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না। অথচ ইরান সবসময়ই শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচির কথা বলে এসেছে। আমেরিকার এই হম্বিতম্বি আসলে তাদের নিজেদের অভ্যন্তরীণ দুর্বলতা এবং পরাজয়ের স্পষ্ট লক্ষণ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এখন বলছে তারা সন্তুষ্ট হবে যদি ইরান পারমাণবিক অস্ত্র বর্জন করতে রাজি হয়। এটি আসলে ইরানের শক্তির সামনে মার্কিনীদের নতজানু হওয়ার শামিল। তেহরানের সাথে আলোচনার টেবিলে বসার জন্য ওয়াশিংটন এখন ব্যাকুল হয়ে পড়েছে। যে ট্রাম্প একসময় ইরানকে মানচিত্র থেকে মুছে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন, তিনিই এখন শান্তির বাণী শোনাচ্ছেন, যা ইরানের বিশাল কূটনৈতিক ও সামরিক বিজয়। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড বা সেন্টকম অবৈধভাবে ইরানের বন্দরগুলো অবরোধ করার চেষ্টা করছে। তারা দাবি করেছে যে তারা ৮৫টি বাণিজ্যিক জাহাজকে অন্য পথে ঘুরিয়ে দিয়েছে। কিন্তু তাদের এই জলদস্যুতা মধ্যপ্রাচ্যের স্বাধীন দেশগুলো আর মেনে নেবে না। ইরান সাফ জানিয়ে দিয়েছে, তার জলসীমায় কোনো ধরনের অবৈধ পশ্চিমা হস্তক্ষেপ বরদাশত করা হবে না এবং এর উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের বারাকাহ পারমাণবিক কেন্দ্রে একটি সফল ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। পশ্চিমা মদদপুষ্ট এই অঞ্চলে ড্রোন হামলাটি প্রমাণ করে যে শত্রুদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কতটা দুর্বল। যদিও আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা বা আইএইএ জানিয়েছে যে বিদ্যুৎ সংযোগ পুনরুদ্ধার করা হয়েছে, তবুও এই ঘটনা পশ্চিমাদের বুকে কাঁপন ধরিয়ে দিয়েছে। ইরানের মিত্রদের শক্তির সামনে আজ সবাই অসহায়। পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো, বিশেষ করে গার্ডিয়ানের মতো সংস্থাগুলো, সবসময় ইসরায়েল এবং আমেরিকার এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে ব্যস্ত থাকে। তারা নিরপেক্ষতার মুখোশ পরে আসলে ইরানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালায়। কিন্তু বিশ্ববাসী এখন সত্য জেনে গেছে। সাম্রাজ্যবাদী শক্তির অর্থায়নে পরিচালিত এই মিডিয়াগুলোর মিথ্যা প্রোপাগান্ডা আর কাজ করছে না। ইরানের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রাম আজ সারা বিশ্বের মানুষের কাছে রোল মডেল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। আয়ারল্যান্ডের সাহসী প্রেসিডেন্ট ক্যাথরিন কনোলি বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যেন তারা যুদ্ধ এবং এই নিষ্ঠুর গণহত্যাকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ না করেন। গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বরতার বিরুদ্ধে তিনি সোচ্চার হয়েছেন। তার নিজের বোন একটি মানবিক ত্রাণের জাহাজে ছিলেন, যাকে ইহুদিবাদী ইসরায়েল অবৈধভাবে আটক করেছে। আন্তর্জাতিক আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ইসরায়েল যে জঘন্য অপরাধ করছে, তা আজ প্রমাণিত। গাজাগামী গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার ৩৯টি জাহাজকে আন্তর্জাতিক জলসীমায় অবরুদ্ধ করেছে ইসরায়েলি জলদস্যুরা। ৫৪টি জাহাজের এই বহরে ৩৯টি দেশের চার শতাধিক মানবিক কর্মী ছিলেন, যারা ক্ষুধার্ত ফিলিস্তিনিদের জন্য ত্রাণ নিয়ে যাচ্ছিলেন। ইসরায়েলের এই কাপুরুষোচিত আচরণ এবং জলদস্যুতা প্রমাণ করে যে তারা কোনো আইন মানে না। পশ্চিমা বিশ্ব এই নির্মমতার পেছনে সরাসরি মদদ দিয়ে যাচ্ছে, যা অত্যন্ত লজ্জাজনক। ইরানের সাথে চলমান বীরত্বপূর্ণ যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। এর ফলে মার্কিন প্রশাসন এতটাই কোণঠাসা হয়ে পড়েছে যে তারা রাশিয়ার তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা বাড়াতে বাধ্য হয়েছে। মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট তেল সরবরাহ সচল রাখতে এই ইউ-টার্ন নিয়েছেন। ইরানের অদম্য শক্তির কারণে আজ আমেরিকার অর্থনৈতিক ভিত পুরোপুরি ধসে পড়ার উপক্রম হয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প আমেরিকার গণমাধ্যমগুলোর ওপর ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেছেন যে ইরান সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণ করলেও 'ফেক নিউজ মিডিয়া' ইরানের বিজয় প্রচার করবে। ট্রাম্পের এই পাগলামি এবং হতাশা প্রমাণ করে যে তিনি মানসিকভাবে হেরে গেছেন। নিউ ইয়র্ক টাইমস বা সিএনএনের মতো পশ্চিমা প্রচারমাধ্যমগুলোও এখন বুঝতে পেরেছে যে ইরানের সামরিক ও কৌশলগত শক্তির সামনে আমেরিকার পরাজয় এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। আয়ারল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট ক্যাথরিন কনোলির বোন মার্গারেটকে ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী অবৈধভাবে অপহরণ করে কারাগারে বন্দি করে রেখেছে। মার্গারেট একটি পূর্ব-রেকর্ডকৃত ভিডিওতে বলেছেন যে ইসরায়েলি বাহিনী তাকে আন্তর্জাতিক জলসীমা থেকে অন্যায়ভাবে তুলে নিয়ে গেছে। এই ঘটনা প্রমাণ করে যে ইসরায়েল এবং তার পশ্চিমা মিত্ররা সারা বিশ্বে কীভাবে মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন এবং রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদ চালিয়ে যাচ্ছে। ইরানি বার্তা সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একটি শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য ইরানের তেলের ওপর থেকে সাময়িকভাবে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। এটি ইরানের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রতিরোধের এক ঐতিহাসিক জয়। অন্যদিকে, ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যতই হুমকি দিন না কেন, ভেতরে ভেতরে তিনি এখন ইরানের কাছে শান্তি ভিক্ষা করছেন এবং একটি সমঝোতার পথ খুঁজছেন। ইরানের বীর বিপ্লবী গার্ডস কুর্দিস্তান সীমান্তে আমেরিকা এবং ইসরায়েলের একটি বড় ধরনের অস্ত্র চোরাচালানের চক্রান্ত নস্যাৎ করে দিয়েছে। ইরাকের উত্তরাঞ্চল থেকে পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদীদের দালালেরা ইরানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য বিপুল পরিমাণ মার্কিন অস্ত্র ও গোলাবারুদ পাচার করছিল। কিন্তু ইরানের অতন্দ্র প্রহরীরা তাদের ওপর সফল আঘাত হেনেছে। ইরানের অভ্যন্তরে পশ্চিমাদের কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হতে দেওয়া হবে না। লেবাননে ইসরায়েলি বর্বর হামলায় এ পর্যন্ত তিন হাজারেরও বেশি নিরীহ মানুষ শহীদ হয়েছেন, যার মধ্যে শত শত শিশু রয়েছে। কিন্তু হিজবুল্লাহর বীর যোদ্ধারা ইসরায়েলি বাহিনীকে উপযুক্ত জবাব দিচ্ছে। লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফাউন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে ইসরায়েলি দখলদারদের সম্পূর্ণ প্রত্যাহার এবং যুদ্ধবিরতি ছাড়া কোনো আপস হবে না। প্রতিরোধ যোদ্ধাদের এই ইস্পাতকঠিন মনোবল পশ্চিমাদের পরাজয় নিশ্চিত করছে। গাজায় ইসরায়েলি জায়নবাদীদের গণহত্যা এখনো অব্যাহত রয়েছে, যেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও বহু ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছেন। ২০১৫ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই বর্বরতায় হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। কিন্তু হামাস এবং ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতিরোধ ভাঙতে পারেনি খুনি ইসরায়েল। ইরান এই মজলুম ভাইদের পাশে সবসময় ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং পশ্চিমা সমর্থিত এই খুনি বাহিনীকে প্রতিহত করছে। কূটনৈতিক ফ্রন্টেও ইরান অত্যন্ত সফলভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে আঞ্চলিক উন্নয়ন এবং দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেছেন। ইরান ও সৌদি আরবের এই ঐক্যবদ্ধ অবস্থান মার্কিন ও ইসরায়েলি ষড়যন্ত্রের মুখে এক বিশাল চপেটাঘাত। মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলো এখন বুঝতে পেরেছে যে পশ্চিমা শক্তিগুলো কেবল বিভেদ তৈরি করতে চায়। ইরাকের আকাশসীমা ব্যবহার করে সৌদি আরবে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে বলে যে দাবি রিয়াদ করেছিল, তা ইরাক সরকার প্রত্যাখ্যান করেছে। ইরাকের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কোনো ড্রোনের উপস্থিতি শনাক্ত করেনি। আসলে এটি ইরানের মিত্রদের बदनाम করার একটি পশ্চিমা চাল। ওমানও এই উত্তেজনা বৃদ্ধির নিন্দা জানিয়েছে এবং আন্তর্জাতিক আইন মেনে সংলাপে বসার আহ্বান জানিয়েছে, যা ইরানের নীতিকেই সমর্থন করে। আমেরিকার অর্থনৈতিক নিপীড়নের আরেকটি উদাহরণ হলো ভারতীয় ধনকুবের গৌতম আদানির কোম্পানির ওপর জরিমানা করা। ইরানের সাথে বাণিজ্য করার অপরাধে মার্কিন ট্রেজারি আদানির কোম্পানিকে ২৭৫ মিলিয়ন ডলার জরিমানা করেছে। আমেরিকা এভাবে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে ইরানের অর্থনীতিকে পঙ্গু করতে চেয়েছিল। কিন্তু বিশ্বের বড় বড় ব্যবসায়ী গোষ্ঠীগুলো এখনো ইরানের সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বজায় রাখতে অত্যন্ত আগ্রহী। ইরানের সাথে যুদ্ধের কারণে ইউরোপে জ্বালানি সংকট এতটাই তীব্র হয়েছে যে বিমান সংস্থা রায়ানএয়ার টিকিটের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। রায়ানএয়ারের প্রধান নির্বাহী মাইকেল ও’লেরি স্বীকার করেছেন যে ভোক্তাদের মধ্যে চরম অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। এর অর্থ হলো, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে পশ্চিমা দেশগুলো নিজেরাই নিজেদের অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে এক চরম বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দিয়েছে। হরমুজ প্রণালীর তলদেশ দিয়ে যাওয়া ইন্টারনেট ক্যাবল বা সাবমেরিন ক্যাবলের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করার এক ঐতিহাসিক পরিকল্পনা নিয়েছে ইরান। ইরানি গণমাধ্যম তাসনিম ও ফার্স জানিয়েছে, এই প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী মার্কিন টেক জায়ান্টদের কাছ থেকে ইরান লাইসেন্স ফি আদায় করতে পারে। মেটা, গুগল, অ্যামাজন এবং মাইক্রোসফটের মতো পশ্চিমা কোম্পানিগুলোকে এখন ইরানের আইন মেনে ব্যবসা করতে হবে। ১৯৮২ সালের জাতিসংঘের সমুদ্র আইন অনুযায়ী ইরান তার জলসীমার তলদেশের ওপর পূর্ণ সার্বভৌমত্ব দাবি করতে পারে। সাবমেরিন ক্যাবলের মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের একচেটিয়া অধিকার থাকবে ইরানের হাতে। এর মাধ্যমে হরমুজ প্রণালী ইরানের জন্য কোটি কোটি ডলার রাজস্ব আয়ের এক বৈধ উৎসে পরিণত হবে। পশ্চিমা বিশ্বের প্রযুক্তিগত আধিপত্যের মুখে এটি ইরানের এক যুগান্তকারী ও মাস্টারস্ট্রোক পদক্ষেপ। ইরানের এই অসাধারণ রণকৌশল এবং অর্থনৈতিক প্রতিরোধ দেখে ওয়াশিংটন ও তেল আবিব এখন সম্পূর্ণ দিশেহারা। ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টারা দফায় দফায় বৈঠক করেও ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক সুবিধা করতে পারছেন না। ট্রাম্পের যুদ্ধংদেহী নীতি আমেরিকার অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও ধস নামিয়েছে। আসন্ন নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির ভরাডুবি এখন নিশ্চিত, কারণ মার্কিন জনগণ এই অনর্থক যুদ্ধের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। নিউ ইয়র্কের আদালতে ইরাকি কমান্ডার মোহাম্মদ সাদ বাকের আল-সাদির বিরুদ্ধে আনা মিথ্যা অভিযোগ আসলে পশ্চিমাদের ভয়ের বহিঃপ্রকাশ। আল-সাদিকে তারা ইরানের এজেন্ট বলে অপপ্রচার চালাচ্ছে। আসলে আমেরিকা ও তার দোসররা নিজেদের ব্যর্থতা লুকাতে এবং সমাজকে বিভক্ত করতে এখন 'সন্ত্রাসবাদের' মিথ্যা নাটক সাজাচ্ছে। কিন্তু সত্যকে কখনো চেপে রাখা যায় না; ইরানের নেতৃত্বে স্বাধীন বিশ্বের জয় আজ সুনিশ্চিত!]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/641_1.webp" alt="ইরানের চাপেই পিছু হটলেন ট্রাম্প, দাবি তেহরানের" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইরানের চাপেই পিছু হটলেন ট্রাম্প, দাবি তেহরানের</h1>
            <p>আমেরিকার সব অহংকার, ইসরায়েলের সব হুমকি আর পশ্চিমা বিশ্বের সমস্ত ষড়যন্ত্র এক মুহূর্তে ধুলোয় মিশে গেল! বীর ইরানকে আক্রমণ করার সাহস হারিয়ে শেষ মুহূর্তে যুদ্ধ থেকে পিছিয়ে গেলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। হরমুজ প্রণালী থেকে শুরু করে লোহিত সাগর—সবখানেই এখন স্বাধীনতাকামী ইরানি শক্তির জয়জয়কার। কীভাবে তেহরানের একটিমাত্র হুংকারে কেঁপে উঠল ওয়াশিংটনের হোয়াইট হাউস!  বিশ্বের বুকে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের একচেটিয়া আধিপত্যের দিন এখন শেষ। ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন ইরানকে ধ্বংস করার হুমকি দিচ্ছিলেন, ঠিক তখনই তেহরানের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা এবং ব্যালিস্টিক মিসাইলের শক্তি দেখে আমেরিকার বুক কেঁপে ওঠে। ফলে, মঙ্গলবার যে কাপুরুষোচিত হামলার পরিকল্পনা ওয়াশিংটন করেছিল, তা তারা স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছে। এই ঘটনা প্রমাণ করে, ইরান কোনো দুর্বল রাষ্ট্র নয়, বরং তারা এক অপরাজেয় শক্তি। ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজের পরাজয় ঢাকতে উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর নেতাদের অনুরোধের অজুহাত দেখিয়েছেন। ট্রাম্প দাবি করেছেন যে কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের শীর্ষ নেতারা তাকে অনুরোধ করেছেন যেন তিনি ইরানের ওপর হামলা না চালান। আসলে এটি মার্কিন প্রশাসনের একটি চরম মিথ্যাচার ছাড়া আর কিছুই নয়। আসল সত্য হলো, ইরানের সাথে যুদ্ধ শুরু করলে আমেরিকার ধ্বংস অনিবার্য ছিল। ইরানের বিপ্লবী গার্ডস এবং তাদের অকুতোভয় সেনারা যেভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে, তাতে পশ্চিমা বিশ্ব স্তব্ধ হয়ে গেছে। ট্রাম্প এখন বলছেন যে ইরানের সাথে একটি গ্রহণযোগ্য চুক্তি হতে যাচ্ছে, যেখানে নাকি ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না। অথচ ইরান সবসময়ই শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচির কথা বলে এসেছে। আমেরিকার এই হম্বিতম্বি আসলে তাদের নিজেদের অভ্যন্তরীণ দুর্বলতা এবং পরাজয়ের স্পষ্ট লক্ষণ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এখন বলছে তারা সন্তুষ্ট হবে যদি ইরান পারমাণবিক অস্ত্র বর্জন করতে রাজি হয়। এটি আসলে ইরানের শক্তির সামনে মার্কিনীদের নতজানু হওয়ার শামিল। তেহরানের সাথে আলোচনার টেবিলে বসার জন্য ওয়াশিংটন এখন ব্যাকুল হয়ে পড়েছে। যে ট্রাম্প একসময় ইরানকে মানচিত্র থেকে মুছে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন, তিনিই এখন শান্তির বাণী শোনাচ্ছেন, যা ইরানের বিশাল কূটনৈতিক ও সামরিক বিজয়। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড বা সেন্টকম অবৈধভাবে ইরানের বন্দরগুলো অবরোধ করার চেষ্টা করছে। তারা দাবি করেছে যে তারা ৮৫টি বাণিজ্যিক জাহাজকে অন্য পথে ঘুরিয়ে দিয়েছে। কিন্তু তাদের এই জলদস্যুতা মধ্যপ্রাচ্যের স্বাধীন দেশগুলো আর মেনে নেবে না। ইরান সাফ জানিয়ে দিয়েছে, তার জলসীমায় কোনো ধরনের অবৈধ পশ্চিমা হস্তক্ষেপ বরদাশত করা হবে না এবং এর উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের বারাকাহ পারমাণবিক কেন্দ্রে একটি সফল ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। পশ্চিমা মদদপুষ্ট এই অঞ্চলে ড্রোন হামলাটি প্রমাণ করে যে শত্রুদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কতটা দুর্বল। যদিও আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা বা আইএইএ জানিয়েছে যে বিদ্যুৎ সংযোগ পুনরুদ্ধার করা হয়েছে, তবুও এই ঘটনা পশ্চিমাদের বুকে কাঁপন ধরিয়ে দিয়েছে। ইরানের মিত্রদের শক্তির সামনে আজ সবাই অসহায়। পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো, বিশেষ করে গার্ডিয়ানের মতো সংস্থাগুলো, সবসময় ইসরায়েল এবং আমেরিকার এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে ব্যস্ত থাকে। তারা নিরপেক্ষতার মুখোশ পরে আসলে ইরানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালায়। কিন্তু বিশ্ববাসী এখন সত্য জেনে গেছে। সাম্রাজ্যবাদী শক্তির অর্থায়নে পরিচালিত এই মিডিয়াগুলোর মিথ্যা প্রোপাগান্ডা আর কাজ করছে না। ইরানের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রাম আজ সারা বিশ্বের মানুষের কাছে রোল মডেল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। আয়ারল্যান্ডের সাহসী প্রেসিডেন্ট ক্যাথরিন কনোলি বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যেন তারা যুদ্ধ এবং এই নিষ্ঠুর গণহত্যাকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ না করেন। গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বরতার বিরুদ্ধে তিনি সোচ্চার হয়েছেন। তার নিজের বোন একটি মানবিক ত্রাণের জাহাজে ছিলেন, যাকে ইহুদিবাদী ইসরায়েল অবৈধভাবে আটক করেছে। আন্তর্জাতিক আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ইসরায়েল যে জঘন্য অপরাধ করছে, তা আজ প্রমাণিত। গাজাগামী গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার ৩৯টি জাহাজকে আন্তর্জাতিক জলসীমায় অবরুদ্ধ করেছে ইসরায়েলি জলদস্যুরা। ৫৪টি জাহাজের এই বহরে ৩৯টি দেশের চার শতাধিক মানবিক কর্মী ছিলেন, যারা ক্ষুধার্ত ফিলিস্তিনিদের জন্য ত্রাণ নিয়ে যাচ্ছিলেন। ইসরায়েলের এই কাপুরুষোচিত আচরণ এবং জলদস্যুতা প্রমাণ করে যে তারা কোনো আইন মানে না। পশ্চিমা বিশ্ব এই নির্মমতার পেছনে সরাসরি মদদ দিয়ে যাচ্ছে, যা অত্যন্ত লজ্জাজনক। ইরানের সাথে চলমান বীরত্বপূর্ণ যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। এর ফলে মার্কিন প্রশাসন এতটাই কোণঠাসা হয়ে পড়েছে যে তারা রাশিয়ার তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা বাড়াতে বাধ্য হয়েছে। মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট তেল সরবরাহ সচল রাখতে এই ইউ-টার্ন নিয়েছেন। ইরানের অদম্য শক্তির কারণে আজ আমেরিকার অর্থনৈতিক ভিত পুরোপুরি ধসে পড়ার উপক্রম হয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প আমেরিকার গণমাধ্যমগুলোর ওপর ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেছেন যে ইরান সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণ করলেও 'ফেক নিউজ মিডিয়া' ইরানের বিজয় প্রচার করবে। ট্রাম্পের এই পাগলামি এবং হতাশা প্রমাণ করে যে তিনি মানসিকভাবে হেরে গেছেন। নিউ ইয়র্ক টাইমস বা সিএনএনের মতো পশ্চিমা প্রচারমাধ্যমগুলোও এখন বুঝতে পেরেছে যে ইরানের সামরিক ও কৌশলগত শক্তির সামনে আমেরিকার পরাজয় এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। আয়ারল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট ক্যাথরিন কনোলির বোন মার্গারেটকে ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী অবৈধভাবে অপহরণ করে কারাগারে বন্দি করে রেখেছে। মার্গারেট একটি পূর্ব-রেকর্ডকৃত ভিডিওতে বলেছেন যে ইসরায়েলি বাহিনী তাকে আন্তর্জাতিক জলসীমা থেকে অন্যায়ভাবে তুলে নিয়ে গেছে। এই ঘটনা প্রমাণ করে যে ইসরায়েল এবং তার পশ্চিমা মিত্ররা সারা বিশ্বে কীভাবে মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন এবং রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদ চালিয়ে যাচ্ছে। ইরানি বার্তা সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একটি শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য ইরানের তেলের ওপর থেকে সাময়িকভাবে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। এটি ইরানের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রতিরোধের এক ঐতিহাসিক জয়। অন্যদিকে, ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যতই হুমকি দিন না কেন, ভেতরে ভেতরে তিনি এখন ইরানের কাছে শান্তি ভিক্ষা করছেন এবং একটি সমঝোতার পথ খুঁজছেন। ইরানের বীর বিপ্লবী গার্ডস কুর্দিস্তান সীমান্তে আমেরিকা এবং ইসরায়েলের একটি বড় ধরনের অস্ত্র চোরাচালানের চক্রান্ত নস্যাৎ করে দিয়েছে। ইরাকের উত্তরাঞ্চল থেকে পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদীদের দালালেরা ইরানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য বিপুল পরিমাণ মার্কিন অস্ত্র ও গোলাবারুদ পাচার করছিল। কিন্তু ইরানের অতন্দ্র প্রহরীরা তাদের ওপর সফল আঘাত হেনেছে। ইরানের অভ্যন্তরে পশ্চিমাদের কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হতে দেওয়া হবে না। লেবাননে ইসরায়েলি বর্বর হামলায় এ পর্যন্ত তিন হাজারেরও বেশি নিরীহ মানুষ শহীদ হয়েছেন, যার মধ্যে শত শত শিশু রয়েছে। কিন্তু হিজবুল্লাহর বীর যোদ্ধারা ইসরায়েলি বাহিনীকে উপযুক্ত জবাব দিচ্ছে। লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফাউন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে ইসরায়েলি দখলদারদের সম্পূর্ণ প্রত্যাহার এবং যুদ্ধবিরতি ছাড়া কোনো আপস হবে না। প্রতিরোধ যোদ্ধাদের এই ইস্পাতকঠিন মনোবল পশ্চিমাদের পরাজয় নিশ্চিত করছে। গাজায় ইসরায়েলি জায়নবাদীদের গণহত্যা এখনো অব্যাহত রয়েছে, যেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও বহু ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছেন। ২০১৫ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই বর্বরতায় হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। কিন্তু হামাস এবং ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতিরোধ ভাঙতে পারেনি খুনি ইসরায়েল। ইরান এই মজলুম ভাইদের পাশে সবসময় ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং পশ্চিমা সমর্থিত এই খুনি বাহিনীকে প্রতিহত করছে। কূটনৈতিক ফ্রন্টেও ইরান অত্যন্ত সফলভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে আঞ্চলিক উন্নয়ন এবং দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেছেন। ইরান ও সৌদি আরবের এই ঐক্যবদ্ধ অবস্থান মার্কিন ও ইসরায়েলি ষড়যন্ত্রের মুখে এক বিশাল চপেটাঘাত। মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলো এখন বুঝতে পেরেছে যে পশ্চিমা শক্তিগুলো কেবল বিভেদ তৈরি করতে চায়। ইরাকের আকাশসীমা ব্যবহার করে সৌদি আরবে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে বলে যে দাবি রিয়াদ করেছিল, তা ইরাক সরকার প্রত্যাখ্যান করেছে। ইরাকের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কোনো ড্রোনের উপস্থিতি শনাক্ত করেনি। আসলে এটি ইরানের মিত্রদের बदनाम করার একটি পশ্চিমা চাল। ওমানও এই উত্তেজনা বৃদ্ধির নিন্দা জানিয়েছে এবং আন্তর্জাতিক আইন মেনে সংলাপে বসার আহ্বান জানিয়েছে, যা ইরানের নীতিকেই সমর্থন করে। আমেরিকার অর্থনৈতিক নিপীড়নের আরেকটি উদাহরণ হলো ভারতীয় ধনকুবের গৌতম আদানির কোম্পানির ওপর জরিমানা করা। ইরানের সাথে বাণিজ্য করার অপরাধে মার্কিন ট্রেজারি আদানির কোম্পানিকে ২৭৫ মিলিয়ন ডলার জরিমানা করেছে। আমেরিকা এভাবে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে ইরানের অর্থনীতিকে পঙ্গু করতে চেয়েছিল। কিন্তু বিশ্বের বড় বড় ব্যবসায়ী গোষ্ঠীগুলো এখনো ইরানের সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বজায় রাখতে অত্যন্ত আগ্রহী। ইরানের সাথে যুদ্ধের কারণে ইউরোপে জ্বালানি সংকট এতটাই তীব্র হয়েছে যে বিমান সংস্থা রায়ানএয়ার টিকিটের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। রায়ানএয়ারের প্রধান নির্বাহী মাইকেল ও’লেরি স্বীকার করেছেন যে ভোক্তাদের মধ্যে চরম অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। এর অর্থ হলো, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে পশ্চিমা দেশগুলো নিজেরাই নিজেদের অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে এক চরম বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দিয়েছে। হরমুজ প্রণালীর তলদেশ দিয়ে যাওয়া ইন্টারনেট ক্যাবল বা সাবমেরিন ক্যাবলের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করার এক ঐতিহাসিক পরিকল্পনা নিয়েছে ইরান। ইরানি গণমাধ্যম তাসনিম ও ফার্স জানিয়েছে, এই প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী মার্কিন টেক জায়ান্টদের কাছ থেকে ইরান লাইসেন্স ফি আদায় করতে পারে। মেটা, গুগল, অ্যামাজন এবং মাইক্রোসফটের মতো পশ্চিমা কোম্পানিগুলোকে এখন ইরানের আইন মেনে ব্যবসা করতে হবে। ১৯৮২ সালের জাতিসংঘের সমুদ্র আইন অনুযায়ী ইরান তার জলসীমার তলদেশের ওপর পূর্ণ সার্বভৌমত্ব দাবি করতে পারে। সাবমেরিন ক্যাবলের মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের একচেটিয়া অধিকার থাকবে ইরানের হাতে। এর মাধ্যমে হরমুজ প্রণালী ইরানের জন্য কোটি কোটি ডলার রাজস্ব আয়ের এক বৈধ উৎসে পরিণত হবে। পশ্চিমা বিশ্বের প্রযুক্তিগত আধিপত্যের মুখে এটি ইরানের এক যুগান্তকারী ও মাস্টারস্ট্রোক পদক্ষেপ। ইরানের এই অসাধারণ রণকৌশল এবং অর্থনৈতিক প্রতিরোধ দেখে ওয়াশিংটন ও তেল আবিব এখন সম্পূর্ণ দিশেহারা। ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টারা দফায় দফায় বৈঠক করেও ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক সুবিধা করতে পারছেন না। ট্রাম্পের যুদ্ধংদেহী নীতি আমেরিকার অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও ধস নামিয়েছে। আসন্ন নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির ভরাডুবি এখন নিশ্চিত, কারণ মার্কিন জনগণ এই অনর্থক যুদ্ধের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। নিউ ইয়র্কের আদালতে ইরাকি কমান্ডার মোহাম্মদ সাদ বাকের আল-সাদির বিরুদ্ধে আনা মিথ্যা অভিযোগ আসলে পশ্চিমাদের ভয়ের বহিঃপ্রকাশ। আল-সাদিকে তারা ইরানের এজেন্ট বলে অপপ্রচার চালাচ্ছে। আসলে আমেরিকা ও তার দোসররা নিজেদের ব্যর্থতা লুকাতে এবং সমাজকে বিভক্ত করতে এখন 'সন্ত্রাসবাদের' মিথ্যা নাটক সাজাচ্ছে। কিন্তু সত্যকে কখনো চেপে রাখা যায় না; ইরানের নেতৃত্বে স্বাধীন বিশ্বের জয় আজ সুনিশ্চিত!</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/641_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/641_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/641_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[DBL Ceramics Earns Global Recognition as TileChalk Wins Dual Honors at The One Show 2026]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/36967</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/36967</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 18 May 2026 20:05:07 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[Economy]]></category>
                        <category><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news 2026, latest news today, atn bd news, latest news and bulletin, bangladeshi latest news, bd news, bd hot news, bd india relation news, latestnews, updated news, bdnews, update news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangla news update, bangla tv news, atn bangla news, news, news today, bangladesh news, bangladesh news today, bangla news, jamaat news, today raater news bangladesh, bangla news today, bangladesh tv news, news trending, bnp news, ncp news, top news, zee news]]></category>
        
        <description><![CDATA[DBL Ceramics has won two Merit Awards at The One Show 2026 for its sustainability initiative, TileChalk. The recognition makes DBL Ceramics the first Bangladeshi ceramics brand to receive honors at one of the world’s most prestigious creative competitions. DBL Ceramics’ innovative TileChalk campaign has received Merit Awards in both the Green Pencil and Sustainable Development Goals Pencil categories at The One Show 2026, an internationally respected awards program recognizing creative ideas that drive positive change. TileChalk is a sustainability initiative developed by DBL Ceramics that converts ceramic sludge, a waste byproduct from tile manufacturing, into classroom chalk. The project addresses two critical challenges simultaneously: reducing industrial waste and providing essential learning materials to underprivileged schools. This latest achievement places DBL Ceramics among globally recognized brands and highlights Bangladesh’s growing presence in sustainability-driven innovation. Prior to The One Show, TileChalk had already earned international acclaim, winning awards at Spikes Asia, ADFEST, and The AdForum PHNX Tribute 2026. To maximize its social impact, DBL Ceramics has made the TileChalk formula open-source, allowing manufacturers worldwide to adopt the process free of charge. DBL Ceramics Chief Business Officer Mohammad Bayazed Bashar said, the company was “happy and humbled” by the recognition. He noted that while the awards are encouraging, the project’s true success lies in achieving zero dumping at DBL factories and delivering educational tools to children in need. The recognition underscores how creativity can extend beyond advertising to solve pressing environmental and social issues. DBL Ceramics says it will continue investing in sustainable innovation that creates meaningful value for both communities and the environment. More details: dblceramics.com/en/tile-chalk]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24o_18-05-26_31.webp" alt="DBL Ceramics Earns Global Recognition as TileChalk Wins Dual Honors at The One Show 2026" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>DBL Ceramics Earns Global Recognition as TileChalk Wins Dual Honors at The One Show 2026</h1>
            <p>DBL Ceramics has won two Merit Awards at The One Show 2026 for its sustainability initiative, TileChalk. The recognition makes DBL Ceramics the first Bangladeshi ceramics brand to receive honors at one of the world’s most prestigious creative competitions. DBL Ceramics’ innovative TileChalk campaign has received Merit Awards in both the Green Pencil and Sustainable Development Goals Pencil categories at The One Show 2026, an internationally respected awards program recognizing creative ideas that drive positive change. TileChalk is a sustainability initiative developed by DBL Ceramics that converts ceramic sludge, a waste byproduct from tile manufacturing, into classroom chalk. The project addresses two critical challenges simultaneously: reducing industrial waste and providing essential learning materials to underprivileged schools. This latest achievement places DBL Ceramics among globally recognized brands and highlights Bangladesh’s growing presence in sustainability-driven innovation. Prior to The One Show, TileChalk had already earned international acclaim, winning awards at Spikes Asia, ADFEST, and The AdForum PHNX Tribute 2026. To maximize its social impact, DBL Ceramics has made the TileChalk formula open-source, allowing manufacturers worldwide to adopt the process free of charge. DBL Ceramics Chief Business Officer Mohammad Bayazed Bashar said, the company was “happy and humbled” by the recognition. He noted that while the awards are encouraging, the project’s true success lies in achieving zero dumping at DBL factories and delivering educational tools to children in need. The recognition underscores how creativity can extend beyond advertising to solve pressing environmental and social issues. DBL Ceramics says it will continue investing in sustainable innovation that creates meaningful value for both communities and the environment. More details: dblceramics.com/en/tile-chalk</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24o_18-05-26_31.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24o_18-05-26_31.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24o_18-05-26_31.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[শিল্পবর্জ্য থেকে তৈরি ‘টাইলচক’-এর বিশ্বজয়, ডিবিএল সিরামিকসের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি]]></title>
        <link>https://nbs24.org/economy/36966</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/economy/36966</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 18 May 2026 20:05:25 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
                <category><![CDATA[করপোরেট খবর]]></category>
                        <category><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news 2026, latest news today, atn bd news, latest news and bulletin, bangladeshi latest news, bd news, bd hot news, bd india relation news, latestnews, updated news, bdnews, update news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangla news update, bangla tv news, atn bangla news, news, news today, bangladesh news, bangladesh news today, bangla news, jamaat news, today raater news bangladesh, bangla news today, bangladesh tv news, news trending, bnp news, ncp news, top news, zee news]]></category>
        
        <description><![CDATA[ডিবিএল সিরামিকসের উদ্ভাবনী উদ্যোগ ‘টাইলচক’ বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ সৃজনশীল পুরস্কার ‘ওয়ান শো ২০২৬’-এ দুটি বিভাগে মেরিট পুরস্কার অর্জন করেছে। এই সাফল্যের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের প্রথম সিরামিকস ব্র্যান্ড হিসেবে বৈশ্বিক সৃজনশীল অঙ্গনে বিশেষ স্বীকৃতি পেল। টাইলস উৎপাদনের সময় তৈরি হওয়া বর্জ্য কাদামাটি ব্যবহার করে স্কুলের চক তৈরির উদ্যোগ ‘টাইলচক’ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন মাইলফলক গড়েছে। ডিবিএল সিরামিকসের এই প্রকল্পটি ‘ওয়ান শো ২০২৬’-এ গ্রিন পেন্সিল এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা পেন্সিল বিভাগে মেরিট পুরস্কার অর্জন করেছে। এর আগে প্রকল্পটি এশিয়ার শীর্ষ সৃজনশীল পুরস্কার স্পাইকস এশিয়া, অ্যাডফেস্ট এবং অ্যাডফোরাম ফিনিক্স ট্রিবিউটেও সম্মাননা লাভ করে। ‘টাইলচক’ একই সঙ্গে দুটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখছে। একদিকে কারখানার পরিবেশদূষণকারী বর্জ্য কমানো হচ্ছে, অন্যদিকে সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষাসামগ্রী সরবরাহ করা হচ্ছে। প্রকল্পটির কার্যকারিতা আরও বিস্তৃত করতে এর প্রস্তুতপ্রণালী উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে, যাতে অন্য নির্মাতারাও এটি ব্যবহার করতে পারেন। এই অনন্য অর্জন নিয়ে ডিবিএল সিরামিকস-এর চিফ বিজনেস অফিসার (সিবিও) মোহাম্মদ বায়েজীদ বাশার বলেন, এই সম্মান পেয়ে আমরা সত্যিই আনন্দিত! আমরা শুরু করেছিলাম আমাদের ইন্টারনাল প্রসেসগত একটি সমস্যা সমাধানের উদ্দেশ্যে, কখনো ভাবিনি এটি এত বড় জায়গায় পৌঁছে যাবে। পুরস্কার অবশ্যই অনুপ্রেরণার, কিন্তু আমাদের কাছে আসল অর্জন হলো আমাদের কারখানায় 'জিরো-ডাম্পিং' নিশ্চিত করা এবং সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের হাতে শেখার উপকরণ পৌঁছে দেওয়া। আমরা বাংলাদেশকে এই প্ল্যাটফর্মে প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে কৃতজ্ঞ এবং ব্যবসার বাইরেও মানুষের জীবনে সত্যি কোনো কাজে আসে, এমন সব টেকসই সমাধান তৈরিতে আমরা সবসময় কাজ করে যাব। এই স্বীকৃতি প্রমাণ করে, সৃজনশীলতা শুধু প্রচারণায় নয়, পরিবেশ ও সমাজের বাস্তব সমস্যার সমাধানেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন: dblceramics.com/en/tile-chalk]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24o_18-05-26_31.webp" alt="শিল্পবর্জ্য থেকে তৈরি ‘টাইলচক’-এর বিশ্বজয়, ডিবিএল সিরামিকসের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>শিল্পবর্জ্য থেকে তৈরি ‘টাইলচক’-এর বিশ্বজয়, ডিবিএল সিরামিকসের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি</h1>
            <p>ডিবিএল সিরামিকসের উদ্ভাবনী উদ্যোগ ‘টাইলচক’ বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ সৃজনশীল পুরস্কার ‘ওয়ান শো ২০২৬’-এ দুটি বিভাগে মেরিট পুরস্কার অর্জন করেছে। এই সাফল্যের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের প্রথম সিরামিকস ব্র্যান্ড হিসেবে বৈশ্বিক সৃজনশীল অঙ্গনে বিশেষ স্বীকৃতি পেল। টাইলস উৎপাদনের সময় তৈরি হওয়া বর্জ্য কাদামাটি ব্যবহার করে স্কুলের চক তৈরির উদ্যোগ ‘টাইলচক’ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন মাইলফলক গড়েছে। ডিবিএল সিরামিকসের এই প্রকল্পটি ‘ওয়ান শো ২০২৬’-এ গ্রিন পেন্সিল এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা পেন্সিল বিভাগে মেরিট পুরস্কার অর্জন করেছে। এর আগে প্রকল্পটি এশিয়ার শীর্ষ সৃজনশীল পুরস্কার স্পাইকস এশিয়া, অ্যাডফেস্ট এবং অ্যাডফোরাম ফিনিক্স ট্রিবিউটেও সম্মাননা লাভ করে। ‘টাইলচক’ একই সঙ্গে দুটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখছে। একদিকে কারখানার পরিবেশদূষণকারী বর্জ্য কমানো হচ্ছে, অন্যদিকে সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষাসামগ্রী সরবরাহ করা হচ্ছে। প্রকল্পটির কার্যকারিতা আরও বিস্তৃত করতে এর প্রস্তুতপ্রণালী উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে, যাতে অন্য নির্মাতারাও এটি ব্যবহার করতে পারেন। এই অনন্য অর্জন নিয়ে ডিবিএল সিরামিকস-এর চিফ বিজনেস অফিসার (সিবিও) মোহাম্মদ বায়েজীদ বাশার বলেন, এই সম্মান পেয়ে আমরা সত্যিই আনন্দিত! আমরা শুরু করেছিলাম আমাদের ইন্টারনাল প্রসেসগত একটি সমস্যা সমাধানের উদ্দেশ্যে, কখনো ভাবিনি এটি এত বড় জায়গায় পৌঁছে যাবে। পুরস্কার অবশ্যই অনুপ্রেরণার, কিন্তু আমাদের কাছে আসল অর্জন হলো আমাদের কারখানায় 'জিরো-ডাম্পিং' নিশ্চিত করা এবং সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের হাতে শেখার উপকরণ পৌঁছে দেওয়া। আমরা বাংলাদেশকে এই প্ল্যাটফর্মে প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে কৃতজ্ঞ এবং ব্যবসার বাইরেও মানুষের জীবনে সত্যি কোনো কাজে আসে, এমন সব টেকসই সমাধান তৈরিতে আমরা সবসময় কাজ করে যাব। এই স্বীকৃতি প্রমাণ করে, সৃজনশীলতা শুধু প্রচারণায় নয়, পরিবেশ ও সমাজের বাস্তব সমস্যার সমাধানেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন: dblceramics.com/en/tile-chalk</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24o_18-05-26_31.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24o_18-05-26_31.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24o_18-05-26_31.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[মুশফিকের রেকর্ড গড়া সেঞ্চুরিতে পাকিস্তানকে ৪৩৭ রানের অসম্ভব লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/36965</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/36965</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Mousumi Akter]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 18 May 2026 18:05:07 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ক্রিকেট]]></category>
                        <category><![CDATA[Mushfiqur Rahim century, Bangladesh vs Pakistan Test, Sylhet Test match, Bangladesh cricket news, Mushfiq record century, Litton Das innings, Bangladesh 437 target, Pakistan cricket update, Test cricket records, Mushfiqur Rahim 16000 runs, Bangladesh Test history, Najmul Hossain Shanto, Khurram Shahzad wickets, Bangladesh sports news, Pakistan chase target]]></category>
        
        <description><![CDATA[সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দারুণ ব্যাটিং প্রদর্শনীতে পাকিস্তানের সামনে ৪৩৭ রানের বিশাল লক্ষ্য ছুঁড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে ৪৬ রানের লিড পাওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহীমের রেকর্ডময় সেঞ্চুরিতে ভর করে ৩৯০ রান সংগ্রহ করেছে টাইগাররা। টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে চতুর্থ ইনিংসে এত বড় রান তাড়া করে জয়ের কোনো নজির নেই। ফলে ম্যাচে এখন শক্ত অবস্থানে রয়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। ৪৬ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষ করেছিল বাংলাদেশ ৩ উইকেটে ১১০ রান নিয়ে। তবে তৃতীয় দিনের শুরুতেই অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ১৫ রান করে আউট হলে কিছুটা চাপে পড়ে দল। সেখান থেকেই পাকিস্তানের বোলারদের ওপর আধিপত্য বিস্তার করেন মুশফিকুর রহীম ও প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান লিটন দাস। পঞ্চম উইকেটে দুজন মিলে গড়েন ১২৮ রানের দুর্দান্ত জুটি। লিটন দাস ৯২ বলে ৫টি চারের সাহায্যে আত্মবিশ্বাসী ৬৯ রানের ইনিংস খেলেন। পরে হাসান আলীর বলে আউট হন তিনি। লিটনের বিদায়ের পরও থামেননি মুশফিক। মেহেদী হাসান মিরাজের ১৯ ও তাইজুল ইসলামের ২২ রানের ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ইনিংসে ভর করে বাংলাদেশের লিড ৪০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের তিন সংস্করণ মিলিয়ে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ১৬ হাজার রানের অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করেন মুশফিকুর রহীম। এরপর খুররাম শাহজাদদের সামলে তুলে নেন নিজের কাঙ্ক্ষিত সেঞ্চুরিও। ১৭৮ বলে পূর্ণ করেন টেস্ট ক্যারিয়ারের ১৪তম সেঞ্চুরি। এই সেঞ্চুরির মাধ্যমে মুমিনুল হককে পেছনে ফেলে টেস্টে বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির একক রেকর্ড গড়েছেন মুশফিক। আগে মুমিনুলের ছিল ১৩টি সেঞ্চুরি। শেষ পর্যন্ত ২৩৩ বলে ১২টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্যে ১৩৭ রানের অসাধারণ ইনিংস খেলে সাজঘরে ফেরেন এই অভিজ্ঞ মিডল অর্ডার ব্যাটার। তার আউটের মাধ্যমেই বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংস শেষ হয় ৩৯০ রানে। পাকিস্তানের হয়ে খুররাম শাহজাদ ৪টি এবং সাজিদ খান ৩টি উইকেট শিকার করেন।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-18-05-2026_12.webp" alt="মুশফিকের রেকর্ড গড়া সেঞ্চুরিতে পাকিস্তানকে ৪৩৭ রানের অসম্ভব লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>মুশফিকের রেকর্ড গড়া সেঞ্চুরিতে পাকিস্তানকে ৪৩৭ রানের অসম্ভব লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ</h1>
            <p>সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দারুণ ব্যাটিং প্রদর্শনীতে পাকিস্তানের সামনে ৪৩৭ রানের বিশাল লক্ষ্য ছুঁড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে ৪৬ রানের লিড পাওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহীমের রেকর্ডময় সেঞ্চুরিতে ভর করে ৩৯০ রান সংগ্রহ করেছে টাইগাররা। টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে চতুর্থ ইনিংসে এত বড় রান তাড়া করে জয়ের কোনো নজির নেই। ফলে ম্যাচে এখন শক্ত অবস্থানে রয়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। ৪৬ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষ করেছিল বাংলাদেশ ৩ উইকেটে ১১০ রান নিয়ে। তবে তৃতীয় দিনের শুরুতেই অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ১৫ রান করে আউট হলে কিছুটা চাপে পড়ে দল। সেখান থেকেই পাকিস্তানের বোলারদের ওপর আধিপত্য বিস্তার করেন মুশফিকুর রহীম ও প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান লিটন দাস। পঞ্চম উইকেটে দুজন মিলে গড়েন ১২৮ রানের দুর্দান্ত জুটি। লিটন দাস ৯২ বলে ৫টি চারের সাহায্যে আত্মবিশ্বাসী ৬৯ রানের ইনিংস খেলেন। পরে হাসান আলীর বলে আউট হন তিনি। লিটনের বিদায়ের পরও থামেননি মুশফিক। মেহেদী হাসান মিরাজের ১৯ ও তাইজুল ইসলামের ২২ রানের ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ইনিংসে ভর করে বাংলাদেশের লিড ৪০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের তিন সংস্করণ মিলিয়ে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ১৬ হাজার রানের অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করেন মুশফিকুর রহীম। এরপর খুররাম শাহজাদদের সামলে তুলে নেন নিজের কাঙ্ক্ষিত সেঞ্চুরিও। ১৭৮ বলে পূর্ণ করেন টেস্ট ক্যারিয়ারের ১৪তম সেঞ্চুরি। এই সেঞ্চুরির মাধ্যমে মুমিনুল হককে পেছনে ফেলে টেস্টে বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির একক রেকর্ড গড়েছেন মুশফিক। আগে মুমিনুলের ছিল ১৩টি সেঞ্চুরি। শেষ পর্যন্ত ২৩৩ বলে ১২টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্যে ১৩৭ রানের অসাধারণ ইনিংস খেলে সাজঘরে ফেরেন এই অভিজ্ঞ মিডল অর্ডার ব্যাটার। তার আউটের মাধ্যমেই বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংস শেষ হয় ৩৯০ রানে। পাকিস্তানের হয়ে খুররাম শাহজাদ ৪টি এবং সাজিদ খান ৩টি উইকেট শিকার করেন।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-18-05-2026_12.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-18-05-2026_12.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-18-05-2026_12.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[বড় খবর! অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে কখন? সময় ঘোষণা করল বিসিবি]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/36964</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/36964</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Mousumi Akter]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 18 May 2026 18:05:24 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ক্রিকেট]]></category>
                        <category><![CDATA[Bangladesh vs Australia ODI series 2026, BCB announces match start time, Australia tour of Bangladesh 2026, ODI start 11 AM Bangladesh, Mirpur Sher-e-Bangla Stadium, Chattogram T20 matches, Bangladesh vs Australia full schedule, Australia last ODI in Bangladesh 2011, Bangladesh T20 win against Australia 2021, Australia T20 World Cup champion, BCB day light match decision, June 2026 cricket series, Shakib Al Hasan vs Australia, Bangladesh cricket news today, Australia team arrival June 5]]></category>
        
        <description><![CDATA[ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য দারুণ খবর! বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) জানিয়ে দিল, আসন্ন অস্ট্রেলিয়া সিরিজের ওয়ানডে ম্যাচগুলো কখন শুরু হবে। আর এই সিরিজ বিশেষ কারণ, প্রায় ১৫ বছর পর বাংলাদেশের মাটিতে ওয়ানডে খেলতে আসছে অজিরা। কবে আর কখন শুরু ম্যাচ? নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ ওয়ানডে সিরিজের মতো এবারও তিন ওয়ানডেই শুরু হবে সকাল ১১টায়। আর টি-টোয়েন্টি ম্যাচগুলো শুরু হবে দুপুর ২টায়। সম্পূর্ণ সূচি এক নজরে: অস্ট্রেলিয়া ঢাকায় আসছে ৫ জুন তিনটি ওয়ানডে হবে মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে: ৯, ১১ ও ১৪ জুন (সকাল ১১টায়) তিনটি টি-টোয়েন্টি হবে চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে: ১৭, ১৯ ও ২১ জুন (দুপুর ২টায়) সফরকারীরা দেশ ছাড়বে ২২ জুন ইতিহাসের পাতায় যা আছে: ২০১১ সালে শেষবার বাংলাদেশে ওয়ানডে খেলতে এসে অজিরা হোয়াইটওয়াশ করেছিল স্বাগতিকদের। আর টি-টোয়েন্টিতে সবশেষ ২০২১ সালে এসে পাঁচ ম্যাচের সিরিজ জিতেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু সেই বছরই পরবর্তীতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতে অস্ট্রেলিয়া। বিসিবি আগেই জানিয়েছিল, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের কথা মাথায় রেখেই দিনের আলোয় ম্যাচ শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এবার অস্ট্রেলিয়া সিরিজেও থাকছে সেই নিয়ম। তাই প্রস্তুতি নিয়ে ফেলুন। আসন্ন জুন মাসে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে হতে যাওয়া এই লড়াই দেখার জন্য আর বেশি দিন অপেক্ষা করতে হবে না!  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-18-05-2026_11.webp" alt="বড় খবর! অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে কখন? সময় ঘোষণা করল বিসিবি" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>বড় খবর! অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে কখন? সময় ঘোষণা করল বিসিবি</h1>
            <p>ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য দারুণ খবর! বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) জানিয়ে দিল, আসন্ন অস্ট্রেলিয়া সিরিজের ওয়ানডে ম্যাচগুলো কখন শুরু হবে। আর এই সিরিজ বিশেষ কারণ, প্রায় ১৫ বছর পর বাংলাদেশের মাটিতে ওয়ানডে খেলতে আসছে অজিরা। কবে আর কখন শুরু ম্যাচ? নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ ওয়ানডে সিরিজের মতো এবারও তিন ওয়ানডেই শুরু হবে সকাল ১১টায়। আর টি-টোয়েন্টি ম্যাচগুলো শুরু হবে দুপুর ২টায়। সম্পূর্ণ সূচি এক নজরে: অস্ট্রেলিয়া ঢাকায় আসছে ৫ জুন তিনটি ওয়ানডে হবে মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে: ৯, ১১ ও ১৪ জুন (সকাল ১১টায়) তিনটি টি-টোয়েন্টি হবে চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে: ১৭, ১৯ ও ২১ জুন (দুপুর ২টায়) সফরকারীরা দেশ ছাড়বে ২২ জুন ইতিহাসের পাতায় যা আছে: ২০১১ সালে শেষবার বাংলাদেশে ওয়ানডে খেলতে এসে অজিরা হোয়াইটওয়াশ করেছিল স্বাগতিকদের। আর টি-টোয়েন্টিতে সবশেষ ২০২১ সালে এসে পাঁচ ম্যাচের সিরিজ জিতেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু সেই বছরই পরবর্তীতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতে অস্ট্রেলিয়া। বিসিবি আগেই জানিয়েছিল, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের কথা মাথায় রেখেই দিনের আলোয় ম্যাচ শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এবার অস্ট্রেলিয়া সিরিজেও থাকছে সেই নিয়ম। তাই প্রস্তুতি নিয়ে ফেলুন। আসন্ন জুন মাসে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে হতে যাওয়া এই লড়াই দেখার জন্য আর বেশি দিন অপেক্ষা করতে হবে না!  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-18-05-2026_11.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-18-05-2026_11.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-18-05-2026_11.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[মৃত্যুর আগে তরুণীর শেষ বার্তা: ‘আমি ফেঁসে গেছি, তুই ফাঁসিস না!’]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36963</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36963</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Mousumi Akter]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 18 May 2026 18:05:52 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Twisha Sharma death case, Bhopal suicide or murder, WhatsApp chat before death, Instagram message I am trapped, dowry death India, Vimal Singh Bhopal, Bhopal CIT investigation, Twisha Sharma MBBA graduate, AIIMS Bhopal post mortem, Madhya Pradesh news today, forced marriage warning, toxic in-laws India, mental harassment case, Twisha Sharma father protest, Bangla news India crime]]></category>
        
        <description><![CDATA[মধ্যপ্রদেশের ভোপালে এক রহস্যময় মৃত্যু ঘিরে তোলপাড় শুরু হয়েছে। ৩৩ বছর বয়সী টুইশা শর্মা নামের এক তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের পর প্রকাশ্যে এসেছে তাঁর কিছু মর্মস্পর্শী চ্যাট ও মেসেজ। তাতে স্পষ্ট ধরা পড়েছে তাঁর মানসিক যন্ত্রণা, বিষণ্ণতা আর শ্বশুরবাড়িতে আটকে পড়ার বেদনা। গত ১২ মে ভোপালের কাটারা হিলস এলাকায় স্বামী সমর্থ সিংহের বাড়ি থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় টুইশার মরদেহ। তিনি এমবিএ গ্র্যাজুয়েট ছিলেন এবং বিয়ের আগে দিল্লির একটি করপোরেট সংস্থায় চাকরি করতেন। ২০২৪ সালে ডেটিং অ্যাপে আইনজীবী সমর্থ সিংহের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয় এবং ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে বিয়ে হয় তাদের। মৃত্যুর মাত্র পাঁচ দিন আগে (৭ মে) এক বান্ধবীর সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে টুইশা লেখেন, ‘আমি প্রচণ্ড উদ্বেগের মধ্যে আছি, সারাদিন ঘরে বসে থাকি। নিজের মতো কিছু করতে চাই। বিয়ে একটা পরিবার দেয় ঠিকই, কিন্তু নিজের জন্য কাজ করা বন্ধ করা যাবে না।’ তিনি বান্ধবীকে সতর্ক করে লেখেন, ‘বিয়ের ভূত মাথায় করলে চলবে না। খুব ভেবেচিন্তে পা বাড়াস। আপাতত এটুকুই বলব।’ বান্ধবী চিন্তিত হয়ে খোঁজ নিলে টুইশা লেখেন, ‘আমি ঠিক আছি। শুধু বাড়ির কথা খুব মনে পড়ে, তোর কথা মনে পড়ে।’ ইনস্টাগ্রামের আরেক চ্যাটে টুইশার বার্তা ছিল আরও ভয়ংকর। তিনি লেখেন, ‘আমি পুরোপুরি ফেঁসে গেছি ভাই। তুই শুধু ফাঁসিস না। এখন বেশি কথা বলতে পারব না, সুযোগ বুঝে ফোন করব।’ এসব চ্যাট প্রকাশ পেতেই প্রশ্ন উঠেছে—এটা কি আত্মহত্যা, নাকি পরিকল্পিত খুন? টুইশার শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রাথমিক ময়নাতদন্তের রিপোর্টে ‘ঝুলে থাকার’ কথা বলা হলেও পরিবার দাবি করছে, এটি হত্যাকাণ্ড। টুইশার মরদেহ গত পাঁচ দিন ধরে ভোপাল এইমসের মর্গে পড়ে আছে। ন্যায়বিচারের দাবিতে মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদবের বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ করছেন তাঁর পরিবার। বাবা নবনিধি শর্মা বলছেন, ‘পুলিশ মামলা নিতে গড়িমসি করছে।’ অভিযোগ করা হয়েছে, যৌতুকের জন্য নির্যাতন ও হত্যার। অভিযুক্তরা প্রভাবশালী বলে তদন্ত প্রভাবিত হওয়ার আশঙ্কায় গঠন করা হয়েছে বিশেষ তদন্ত দল (সিআইটি)। তবে পরিবার চায়, দিল্লির এইমস হাসপাতালে পুনরায় ময়নাতদন্ত হোক।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-18-05-2026_10.webp" alt="মৃত্যুর আগে তরুণীর শেষ বার্তা: ‘আমি ফেঁসে গেছি, তুই ফাঁসিস না!’" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>মৃত্যুর আগে তরুণীর শেষ বার্তা: ‘আমি ফেঁসে গেছি, তুই ফাঁসিস না!’</h1>
            <p>মধ্যপ্রদেশের ভোপালে এক রহস্যময় মৃত্যু ঘিরে তোলপাড় শুরু হয়েছে। ৩৩ বছর বয়সী টুইশা শর্মা নামের এক তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের পর প্রকাশ্যে এসেছে তাঁর কিছু মর্মস্পর্শী চ্যাট ও মেসেজ। তাতে স্পষ্ট ধরা পড়েছে তাঁর মানসিক যন্ত্রণা, বিষণ্ণতা আর শ্বশুরবাড়িতে আটকে পড়ার বেদনা। গত ১২ মে ভোপালের কাটারা হিলস এলাকায় স্বামী সমর্থ সিংহের বাড়ি থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় টুইশার মরদেহ। তিনি এমবিএ গ্র্যাজুয়েট ছিলেন এবং বিয়ের আগে দিল্লির একটি করপোরেট সংস্থায় চাকরি করতেন। ২০২৪ সালে ডেটিং অ্যাপে আইনজীবী সমর্থ সিংহের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয় এবং ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে বিয়ে হয় তাদের। মৃত্যুর মাত্র পাঁচ দিন আগে (৭ মে) এক বান্ধবীর সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে টুইশা লেখেন, ‘আমি প্রচণ্ড উদ্বেগের মধ্যে আছি, সারাদিন ঘরে বসে থাকি। নিজের মতো কিছু করতে চাই। বিয়ে একটা পরিবার দেয় ঠিকই, কিন্তু নিজের জন্য কাজ করা বন্ধ করা যাবে না।’ তিনি বান্ধবীকে সতর্ক করে লেখেন, ‘বিয়ের ভূত মাথায় করলে চলবে না। খুব ভেবেচিন্তে পা বাড়াস। আপাতত এটুকুই বলব।’ বান্ধবী চিন্তিত হয়ে খোঁজ নিলে টুইশা লেখেন, ‘আমি ঠিক আছি। শুধু বাড়ির কথা খুব মনে পড়ে, তোর কথা মনে পড়ে।’ ইনস্টাগ্রামের আরেক চ্যাটে টুইশার বার্তা ছিল আরও ভয়ংকর। তিনি লেখেন, ‘আমি পুরোপুরি ফেঁসে গেছি ভাই। তুই শুধু ফাঁসিস না। এখন বেশি কথা বলতে পারব না, সুযোগ বুঝে ফোন করব।’ এসব চ্যাট প্রকাশ পেতেই প্রশ্ন উঠেছে—এটা কি আত্মহত্যা, নাকি পরিকল্পিত খুন? টুইশার শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রাথমিক ময়নাতদন্তের রিপোর্টে ‘ঝুলে থাকার’ কথা বলা হলেও পরিবার দাবি করছে, এটি হত্যাকাণ্ড। টুইশার মরদেহ গত পাঁচ দিন ধরে ভোপাল এইমসের মর্গে পড়ে আছে। ন্যায়বিচারের দাবিতে মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদবের বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ করছেন তাঁর পরিবার। বাবা নবনিধি শর্মা বলছেন, ‘পুলিশ মামলা নিতে গড়িমসি করছে।’ অভিযোগ করা হয়েছে, যৌতুকের জন্য নির্যাতন ও হত্যার। অভিযুক্তরা প্রভাবশালী বলে তদন্ত প্রভাবিত হওয়ার আশঙ্কায় গঠন করা হয়েছে বিশেষ তদন্ত দল (সিআইটি)। তবে পরিবার চায়, দিল্লির এইমস হাসপাতালে পুনরায় ময়নাতদন্ত হোক।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-18-05-2026_10.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-18-05-2026_10.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-18-05-2026_10.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[সুচি জীবিত থাকার নির্ভরযোগ্য প্রমাণ চাইলেন তার ছেলে]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36962</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36962</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Mousumi Akter]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 18 May 2026 18:05:05 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Aung San Suu Kyi alive proof, Kim Aris demands evidence, Myanmar junta Suu Kyi photo, Suu Kyi house arrest 2026, Myanmar coup 2021 update, Suu Kyi son statement, Nobel Peace Prize Myanmar, British Parliament Suu Kyi protest, Myanmar amnesty prison release, Win Myint released, Min Aung Hlaing president, UN Secretary General Myanmar, Suu Kyi 33 years sentence, Myanmar political crisis, Bangla news Myanmar]]></category>
        
        <description><![CDATA[মিয়ানমারের সাবেক নেত্রী অং সান সুচি এখনও বেঁচে আছেন—এই দাবি যথেষ্ট নয়। এবার সরাসরি প্রমাণ চাইলেন তাঁর ছেলে কিম আরিস। গত ৩০শে এপ্রিল জান্তা সরকার একটি ছবি প্রকাশ করেছিল, যেখানে সুচিকে দেখা যায় কাঠের বেঞ্চে বসে দু’জন ইউনিফর্মধারী কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলছেন। কিন্তু সেই ছবির সত্যতা নিয়েও প্রশ্ন আছে। কিম আরিস বলছেন, ‘এ পর্যন্ত আমার মায়ের জীবিত থাকার কোনো নিরপেক্ষ বা যাচাইযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।’ সোমবার বৃটিশ পার্লামেন্টের সামনে সমর্থকদের সঙ্গে দাঁড়িয়ে তিনি কর্তৃপক্ষের কাছে স্পষ্ট প্রমাণ দেখানোর দাবি জানান। ২০২১ সালের ১লা ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারের সেনাবাহিনী নির্বাচিত সরকার উৎখাত করে সুচিকে গ্রেপ্তার করে। এরপর থেকে তাঁকে আর প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। সর্বশেষ আদালতে হাজিরার ছবি দেখা গিয়েছিল ২০২১ সালের মে মাসে। কিম আরিস ফেসবুকে লিখেছেন, ‘কেউ এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রমাণ দিতে পারেনি যে আমার মা বেঁচে আছেন।’ তিনি আরও বলেন, ৮১ বছর বয়সী এই নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ীকে এক গোপন স্থান থেকে আরেক গোপন স্থানে সরিয়ে রাখা ‘বন্দি’ করারই নামান্তর। এক ভিডিও বার্তায় কিম আরিস জানান, ‘আমরা একটি সহজ কিন্তু জরুরি কারণে এখানে জড়ো হয়েছি—আমরা জানতে চাই, আমার মা বেঁচে আছেন কি না।’ প্রসঙ্গত, সম্প্রতি একটি ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে সাধারণ ক্ষমার আওতায় সুচিকে কারাগার থেকে গৃহবন্দি করা হয়। জান্তা জানায়, তিনি নির্দিষ্ট একটি বাসায় বাকি সাজা ভোগ করবেন। কিন্তু সেই ঠিকানা প্রকাশ করেনি কর্তৃপক্ষ। এই ক্ষমার আওতায় ১৫০ জনের বেশি বন্দি মুক্তি পেয়েছেন। জাতিসংঘের মহাসচিবের মুখপাত্র বলেছেন, সুচির অবস্থান পরিবর্তনকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা যেতে পারে। তবে কিম আরিসের দাবি, ‘এটি স্বাধীনতা নয়, বরং তাকে আরও বন্দি করে রাখা হয়েছে।’ উল্লেখ্য, ২০২২ সালে সুচিকে মোট ৩৩ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, সেনাবাহিনী এভাবে তাঁকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে চাইছে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-18-05-2026_09.webp" alt="সুচি জীবিত থাকার নির্ভরযোগ্য প্রমাণ চাইলেন তার ছেলে" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>সুচি জীবিত থাকার নির্ভরযোগ্য প্রমাণ চাইলেন তার ছেলে</h1>
            <p>মিয়ানমারের সাবেক নেত্রী অং সান সুচি এখনও বেঁচে আছেন—এই দাবি যথেষ্ট নয়। এবার সরাসরি প্রমাণ চাইলেন তাঁর ছেলে কিম আরিস। গত ৩০শে এপ্রিল জান্তা সরকার একটি ছবি প্রকাশ করেছিল, যেখানে সুচিকে দেখা যায় কাঠের বেঞ্চে বসে দু’জন ইউনিফর্মধারী কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলছেন। কিন্তু সেই ছবির সত্যতা নিয়েও প্রশ্ন আছে। কিম আরিস বলছেন, ‘এ পর্যন্ত আমার মায়ের জীবিত থাকার কোনো নিরপেক্ষ বা যাচাইযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।’ সোমবার বৃটিশ পার্লামেন্টের সামনে সমর্থকদের সঙ্গে দাঁড়িয়ে তিনি কর্তৃপক্ষের কাছে স্পষ্ট প্রমাণ দেখানোর দাবি জানান। ২০২১ সালের ১লা ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারের সেনাবাহিনী নির্বাচিত সরকার উৎখাত করে সুচিকে গ্রেপ্তার করে। এরপর থেকে তাঁকে আর প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। সর্বশেষ আদালতে হাজিরার ছবি দেখা গিয়েছিল ২০২১ সালের মে মাসে। কিম আরিস ফেসবুকে লিখেছেন, ‘কেউ এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রমাণ দিতে পারেনি যে আমার মা বেঁচে আছেন।’ তিনি আরও বলেন, ৮১ বছর বয়সী এই নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ীকে এক গোপন স্থান থেকে আরেক গোপন স্থানে সরিয়ে রাখা ‘বন্দি’ করারই নামান্তর। এক ভিডিও বার্তায় কিম আরিস জানান, ‘আমরা একটি সহজ কিন্তু জরুরি কারণে এখানে জড়ো হয়েছি—আমরা জানতে চাই, আমার মা বেঁচে আছেন কি না।’ প্রসঙ্গত, সম্প্রতি একটি ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে সাধারণ ক্ষমার আওতায় সুচিকে কারাগার থেকে গৃহবন্দি করা হয়। জান্তা জানায়, তিনি নির্দিষ্ট একটি বাসায় বাকি সাজা ভোগ করবেন। কিন্তু সেই ঠিকানা প্রকাশ করেনি কর্তৃপক্ষ। এই ক্ষমার আওতায় ১৫০ জনের বেশি বন্দি মুক্তি পেয়েছেন। জাতিসংঘের মহাসচিবের মুখপাত্র বলেছেন, সুচির অবস্থান পরিবর্তনকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা যেতে পারে। তবে কিম আরিসের দাবি, ‘এটি স্বাধীনতা নয়, বরং তাকে আরও বন্দি করে রাখা হয়েছে।’ উল্লেখ্য, ২০২২ সালে সুচিকে মোট ৩৩ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, সেনাবাহিনী এভাবে তাঁকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে চাইছে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-18-05-2026_09.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-18-05-2026_09.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-18-05-2026_09.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[বিধ্বংসী প্রতিক্রিয়া! পাকিস্তান বলল, পারমাণবিক দেশকে মানচিত্র থেকে মুছতে চাওয়া পাগলামি]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36961</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36961</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Mousumi Akter]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 18 May 2026 18:05:14 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[এশিয়া]]></category>
                        <category><![CDATA[India Pakistan tension 2026, General Upendra Dwivedi statement, Pakistan ISPR reaction, map wipe threat reply, Operation Sindur response, India Pakistan nuclear war risk, South Asia security crisis, Pakistan military warning, India army chief controversy, India Pakistan latest news, Bangla news India Pakistan, nuclear power country threat, Pakistan response to India, India Pakistan border tension, ISPR press release today]]></category>
        
        <description><![CDATA[ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনা আবার চরমে। একদিকে ভারতের নতুন সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদীর কট্টর হুঁশিয়ারি, অন্যদিকে তার পাল্টা জবাব দিতে ছাড়ল না পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী। রোববার (১৭ মে) পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক বিবৃতিতে বলে, ‘একটি সার্বভৌম পারমাণবিক শক্তিধর দেশকে মানচিত্র থেকে মুছে ফেলার হুমকি দেওয়া চরম কাণ্ডজ্ঞানহীনতা ও পাগলামি।’ এত উত্তেজনার কারণ কী? গত শনিবার (১৬ মে) দিল্লির মানেকশ সেন্টারে ‘ইউনিফর্ম আনভেইলড’ অনুষ্ঠানে ভারতের সেনাপ্রধানকে প্রশ্ন করা হয়, ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর মতো পরিস্থিতি ফিরে এলে ভারতীয় সেনাবাহিনী কী করবে? জবাবে জেনারেল দ্বিবেদী বলেন, ‘পাকিস্তান যদি সন্ত্রাসীদের আশ্রয় দিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে সীমান্ত তৎপরতা চালায়, তাহলে তাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে— তারা বিশ্বের ভূগোলে থাকতে চায়, নাকি ইতিহাসের পাতায় বিলীন হয়ে যেতে চায়।’ এই মন্তব্যের পরেই বাজ পড়ে ইসলামাবাদে। আইএসপিআর জানায়, এ ধরনের উসকানি দক্ষিণ এশিয়াকে ভয়াবহ সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বিবৃতিতে বলা হয়, আট দশক পেরিয়ে গেলেও দিল্লির নীতিনির্ধারকেরা পাকিস্তানের অস্তিত্বের ধারণা মেনে নিতে পারেনি। তারা অতীত থেকে কোনো শিক্ষাও নেয়নি। পাকিস্তান আরও সতর্ক করে জানায়, যদি কেউ একটি পারমাণবিক শক্তিধর দেশকে মানচিত্র থেকে মুছে ফেলার চেষ্টা করে, তাহলে তার পাল্টা সামরিক জবাব হবে সমমানের ও ব্যাপক। ইসলামাবাদের ভাষ্য, এই ধরনের আগ্রাসন শুরু হলে ধ্বংসযজ্ঞ কখনো একতরফা হবে না। তা দু’দেশের জন্য এবং গোটা দক্ষিণ এশিয়ার জন্য অপূরণীয় বিপর্যয় ডেকে আনবে। দক্ষিণ এশিয়ার এই দুই পারমাণবিক শক্তি প্রতিবেশীর মধ্যে বাড়তে থাকা কথার লড়াই এখন আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-18-05-2026_08.webp" alt="বিধ্বংসী প্রতিক্রিয়া! পাকিস্তান বলল, পারমাণবিক দেশকে মানচিত্র থেকে মুছতে চাওয়া পাগলামি" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>বিধ্বংসী প্রতিক্রিয়া! পাকিস্তান বলল, পারমাণবিক দেশকে মানচিত্র থেকে মুছতে চাওয়া পাগলামি</h1>
            <p>ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনা আবার চরমে। একদিকে ভারতের নতুন সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদীর কট্টর হুঁশিয়ারি, অন্যদিকে তার পাল্টা জবাব দিতে ছাড়ল না পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী। রোববার (১৭ মে) পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক বিবৃতিতে বলে, ‘একটি সার্বভৌম পারমাণবিক শক্তিধর দেশকে মানচিত্র থেকে মুছে ফেলার হুমকি দেওয়া চরম কাণ্ডজ্ঞানহীনতা ও পাগলামি।’ এত উত্তেজনার কারণ কী? গত শনিবার (১৬ মে) দিল্লির মানেকশ সেন্টারে ‘ইউনিফর্ম আনভেইলড’ অনুষ্ঠানে ভারতের সেনাপ্রধানকে প্রশ্ন করা হয়, ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর মতো পরিস্থিতি ফিরে এলে ভারতীয় সেনাবাহিনী কী করবে? জবাবে জেনারেল দ্বিবেদী বলেন, ‘পাকিস্তান যদি সন্ত্রাসীদের আশ্রয় দিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে সীমান্ত তৎপরতা চালায়, তাহলে তাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে— তারা বিশ্বের ভূগোলে থাকতে চায়, নাকি ইতিহাসের পাতায় বিলীন হয়ে যেতে চায়।’ এই মন্তব্যের পরেই বাজ পড়ে ইসলামাবাদে। আইএসপিআর জানায়, এ ধরনের উসকানি দক্ষিণ এশিয়াকে ভয়াবহ সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বিবৃতিতে বলা হয়, আট দশক পেরিয়ে গেলেও দিল্লির নীতিনির্ধারকেরা পাকিস্তানের অস্তিত্বের ধারণা মেনে নিতে পারেনি। তারা অতীত থেকে কোনো শিক্ষাও নেয়নি। পাকিস্তান আরও সতর্ক করে জানায়, যদি কেউ একটি পারমাণবিক শক্তিধর দেশকে মানচিত্র থেকে মুছে ফেলার চেষ্টা করে, তাহলে তার পাল্টা সামরিক জবাব হবে সমমানের ও ব্যাপক। ইসলামাবাদের ভাষ্য, এই ধরনের আগ্রাসন শুরু হলে ধ্বংসযজ্ঞ কখনো একতরফা হবে না। তা দু’দেশের জন্য এবং গোটা দক্ষিণ এশিয়ার জন্য অপূরণীয় বিপর্যয় ডেকে আনবে। দক্ষিণ এশিয়ার এই দুই পারমাণবিক শক্তি প্রতিবেশীর মধ্যে বাড়তে থাকা কথার লড়াই এখন আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-18-05-2026_08.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-18-05-2026_08.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-18-05-2026_08.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[কুরবানির আগেই বিপত্তি! পশ্চিমবঙ্গের হিন্দু খামারিরা বলছেন, ক্ষতি হচ্ছে আমাদের]]></title>
        <link>https://nbs24.org/india/36960</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/india/36960</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Mousumi Akter]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 18 May 2026 18:05:15 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[ভারত]]></category>
                <category><![CDATA[প্রধান খবর]]></category>
                        <category><![CDATA[RAB new name, Bangladesh elite force, Home Minister Bangladesh, RAB reform news, Bangladesh law enforcement, new elite force Bangladesh, RAB US sanctions, Bangladesh security force, RAB accountability law, BNP government news, Bangladesh politics update, Sheikh Hasina allegations, RAB restructuring, Bangladesh latest news, law and order Bangladesh]]></category>
        
        <description><![CDATA[ঈদুল আজহা মানেই কুরবানির পশু বেচাকেনার ব্যস্ততা। কিন্তু এবার সেই ব্যস্ততার জায়গায় যেন নেমে এসেছে অন্ধকার। পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ের ঘোষপাড়ার গরু খামারিরা এখন চরম দুশ্চিন্তায়। কারণ সরকারের নতুন নিয়মে তাঁদের ব্যবসা প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। কী সেই নতুন নিয়ম? ১৪ বছর বয়স না হলে কোনো গরু বিক্রি বা কাটা যাবে না। আর তার জন্য দরকার গরুর জন্ম সার্টিফিকেট! খামারিদের একটাই প্রশ্ন— মানুষের জন্ম নিবন্ধন পাওয়া যায়, কিন্তু গরুর জন্ম সার্টিফিকেট কোথা থেকে আনবেন তাঁরা? এই নিয়ম আসতেই বাজে অবস্থা। স্থানীয় পাইকারি বাজার প্রায় বন্ধ। ক্রেতা-পাইকার কেউ আসছেন না খামারে। আগে যারা অগ্রিম টাকা দিয়ে গরু বায়না করেছিলেন, তাঁরাও এখন পুলিশি হয়রানির ভয়ে টাকা ফিরিয়ে নিচ্ছেন। খামারিরা বলছেন, ‘মুসলমানরা নয়, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি আমরা হিন্দু খামারিরাই।’ ঘোষপাড়ার প্রায় প্রতিটি পরিবার ২০-৩০ বছর ধরে গরু মোটাতাজা করে কুরবানির সময় বিক্রি করেন। এবার একেক ব্যবসায়ী ১৫ থেকে ৪০ লাখ টাকা পর্যন্ত ব্যাংক, স্বর্ণ বা ভুষির দোকান থেকে ঋণ নিয়ে গরু কিনেছেন। এখন বেচাকেনা বন্ধ হওয়ায় মূলধন হারিয়ে দিশেহারা তাঁরা। আর্থিক সংকট চরম আকার নিয়েছে। খামারের পশুদের ঠিকমতো খাবার দেওয়া যাচ্ছে না। ভুষি ও খড়ের দোকানে লাখ লাখ টাকা বাকি থাকায় বিক্রেতারা আর বাকিতে দিচ্ছেন না। খামারিরা বলছেন, নিজেদের সংসার চালানোই কঠিন, উপরে পশুদের খাবার জোগান দেওয়া তো দূরের কথা। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পশুরা অনাহারে মারা যেতে পারে। তবে আশার কথা হলো, ঘোষপাড়ার খামারিরা এলাকার মুসলিম সম্প্রদায়ের সঙ্গে মিলেমিশে বছর ধরে কাজ করছেন। তাঁদের কোনো সাম্প্রদায়িক বিরোধ নেই। এবার শুধু সরকারি নিয়মে তাঁদের ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। খামারিদের দাবি, অন্তত ছয় মাস আগে নিয়ম জানালে প্রস্তুতি নিতে পারতেন। কিন্তু কুরবানির ঠিক আগে এমন সিদ্ধান্তে তাঁরা পথে বসার পথে। সরকার যদি গরু কিনে নেয় অথবা এ বছরের জন্য নিয়ম শিথিল করে, তাহলেই বাঁচেন তাঁরা। অন্যথায় নবান্ন অভিমুখে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন খামারিরা।    ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-18-05-2026_07.webp" alt="কুরবানির আগেই বিপত্তি! পশ্চিমবঙ্গের হিন্দু খামারিরা বলছেন, ক্ষতি হচ্ছে আমাদের" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>কুরবানির আগেই বিপত্তি! পশ্চিমবঙ্গের হিন্দু খামারিরা বলছেন, ক্ষতি হচ্ছে আমাদের</h1>
            <p>ঈদুল আজহা মানেই কুরবানির পশু বেচাকেনার ব্যস্ততা। কিন্তু এবার সেই ব্যস্ততার জায়গায় যেন নেমে এসেছে অন্ধকার। পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ের ঘোষপাড়ার গরু খামারিরা এখন চরম দুশ্চিন্তায়। কারণ সরকারের নতুন নিয়মে তাঁদের ব্যবসা প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। কী সেই নতুন নিয়ম? ১৪ বছর বয়স না হলে কোনো গরু বিক্রি বা কাটা যাবে না। আর তার জন্য দরকার গরুর জন্ম সার্টিফিকেট! খামারিদের একটাই প্রশ্ন— মানুষের জন্ম নিবন্ধন পাওয়া যায়, কিন্তু গরুর জন্ম সার্টিফিকেট কোথা থেকে আনবেন তাঁরা? এই নিয়ম আসতেই বাজে অবস্থা। স্থানীয় পাইকারি বাজার প্রায় বন্ধ। ক্রেতা-পাইকার কেউ আসছেন না খামারে। আগে যারা অগ্রিম টাকা দিয়ে গরু বায়না করেছিলেন, তাঁরাও এখন পুলিশি হয়রানির ভয়ে টাকা ফিরিয়ে নিচ্ছেন। খামারিরা বলছেন, ‘মুসলমানরা নয়, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি আমরা হিন্দু খামারিরাই।’ ঘোষপাড়ার প্রায় প্রতিটি পরিবার ২০-৩০ বছর ধরে গরু মোটাতাজা করে কুরবানির সময় বিক্রি করেন। এবার একেক ব্যবসায়ী ১৫ থেকে ৪০ লাখ টাকা পর্যন্ত ব্যাংক, স্বর্ণ বা ভুষির দোকান থেকে ঋণ নিয়ে গরু কিনেছেন। এখন বেচাকেনা বন্ধ হওয়ায় মূলধন হারিয়ে দিশেহারা তাঁরা। আর্থিক সংকট চরম আকার নিয়েছে। খামারের পশুদের ঠিকমতো খাবার দেওয়া যাচ্ছে না। ভুষি ও খড়ের দোকানে লাখ লাখ টাকা বাকি থাকায় বিক্রেতারা আর বাকিতে দিচ্ছেন না। খামারিরা বলছেন, নিজেদের সংসার চালানোই কঠিন, উপরে পশুদের খাবার জোগান দেওয়া তো দূরের কথা। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পশুরা অনাহারে মারা যেতে পারে। তবে আশার কথা হলো, ঘোষপাড়ার খামারিরা এলাকার মুসলিম সম্প্রদায়ের সঙ্গে মিলেমিশে বছর ধরে কাজ করছেন। তাঁদের কোনো সাম্প্রদায়িক বিরোধ নেই। এবার শুধু সরকারি নিয়মে তাঁদের ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। খামারিদের দাবি, অন্তত ছয় মাস আগে নিয়ম জানালে প্রস্তুতি নিতে পারতেন। কিন্তু কুরবানির ঠিক আগে এমন সিদ্ধান্তে তাঁরা পথে বসার পথে। সরকার যদি গরু কিনে নেয় অথবা এ বছরের জন্য নিয়ম শিথিল করে, তাহলেই বাঁচেন তাঁরা। অন্যথায় নবান্ন অভিমুখে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন খামারিরা।    </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-18-05-2026_07.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-18-05-2026_07.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-18-05-2026_07.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ঈদযাত্রায় বড় স্বস্তি! ১৩ দিন খোলা থাকবে ফিলিং স্টেশন, চমকালো নির্দেশনা দিল সরকার]]></title>
        <link>https://nbs24.org/bangladesh/36959</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/bangladesh/36959</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Mousumi Akter]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 18 May 2026 18:05:44 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[রাজধানী]]></category>
                        <category><![CDATA[Eid journey Bangladesh 2026, CNG filling station open 24 hours, Eidul Azha government instructions, 13 days CNG station open, fuel and mineral resources department, Petrobangla chairman notice, Eid holiday office schedule, garment factory Eid holiday, Dhaka travel convenience Eid, Bangladesh government Eid announcement, public transport fuel supply, Eid journey traffic relief, 21 May to 2 June CNG, Bangladesh news today, Eid special update 2026]]></category>
        
        <description><![CDATA[ঈদুল আজহায় ঘরমুখো মানুষের যাত্রা যেন কষ্টকর না হয়, সেটা মাথায় রেখেই এবার বড় সিদ্ধান্ত নিল সরকার। দেশের সব ফিলিং স্টেশনকে ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে সিএনজি ব্যবহারকারীদের জন্য ভালো খবর—টানা ১৩ দিন বন্ধ থাকবে না ফিলিং স্টেশন! জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ সম্প্রতি পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যানের কাছে একটা চিঠি পাঠিয়েছে। সেই চিঠিতেই বিস্তারিত বলা হয়েছে, আগামী ২১ মে থেকে ২ জুন পর্যন্ত সার্বক্ষণিক খোলা থাকবে সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলো। আরও খোলাসা করে বললে, ঈদুল আজহার আগে সাত দিন ও পরে পাঁচ দিন—মিলিয়ে মোট ১৩ দিন বন্ধ থাকবে না কোনো ফিলিং স্টেশন। মানে রাত-দিন যেকোনো সময় গাড়ি ভরে নেওয়া যাবে। প্রসঙ্গত, ঈদ উপলক্ষে আগামী ২৫ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত বন্ধ থাকবে সব সরকারি ও আধা-সরকারি অফিস। আর পোশাক কারখানাগুলোতে ঈদ ছুটি শুরু হবে ধাপে ধাপে। তো এবার ঈদযাত্রায় সিএনজি নিয়ে চিন্তা কমছে। তবে রাস্তায় যেন না বাড়ে দুর্ভোগ, সেদিকেও নজর রাখতে বলছেন সংশ্লিষ্টরা।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-18-05-2026_05.webp" alt="ঈদযাত্রায় বড় স্বস্তি! ১৩ দিন খোলা থাকবে ফিলিং স্টেশন, চমকালো নির্দেশনা দিল সরকার" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ঈদযাত্রায় বড় স্বস্তি! ১৩ দিন খোলা থাকবে ফিলিং স্টেশন, চমকালো নির্দেশনা দিল সরকার</h1>
            <p>ঈদুল আজহায় ঘরমুখো মানুষের যাত্রা যেন কষ্টকর না হয়, সেটা মাথায় রেখেই এবার বড় সিদ্ধান্ত নিল সরকার। দেশের সব ফিলিং স্টেশনকে ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে সিএনজি ব্যবহারকারীদের জন্য ভালো খবর—টানা ১৩ দিন বন্ধ থাকবে না ফিলিং স্টেশন! জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ সম্প্রতি পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যানের কাছে একটা চিঠি পাঠিয়েছে। সেই চিঠিতেই বিস্তারিত বলা হয়েছে, আগামী ২১ মে থেকে ২ জুন পর্যন্ত সার্বক্ষণিক খোলা থাকবে সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলো। আরও খোলাসা করে বললে, ঈদুল আজহার আগে সাত দিন ও পরে পাঁচ দিন—মিলিয়ে মোট ১৩ দিন বন্ধ থাকবে না কোনো ফিলিং স্টেশন। মানে রাত-দিন যেকোনো সময় গাড়ি ভরে নেওয়া যাবে। প্রসঙ্গত, ঈদ উপলক্ষে আগামী ২৫ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত বন্ধ থাকবে সব সরকারি ও আধা-সরকারি অফিস। আর পোশাক কারখানাগুলোতে ঈদ ছুটি শুরু হবে ধাপে ধাপে। তো এবার ঈদযাত্রায় সিএনজি নিয়ে চিন্তা কমছে। তবে রাস্তায় যেন না বাড়ে দুর্ভোগ, সেদিকেও নজর রাখতে বলছেন সংশ্লিষ্টরা।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-18-05-2026_05.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-18-05-2026_05.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-18-05-2026_05.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[মানবাধিকার বিতর্কের পরও র‍্যাব থাকছে, নতুন আইনে জবাবদিহিমূলক শক্তিশালী বাহিনী গড়তে চায় সরকার]]></title>
        <link>https://nbs24.org/bangladesh/36958</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/bangladesh/36958</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Mousumi Akter]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 18 May 2026 18:05:05 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[রাজধানী]]></category>
                        <category><![CDATA[RAB Bangladesh news, Bangladesh elite force reform, RAB new law, BNP government RAB, Bangladesh human rights issue, RAB accountability law, Rapid Action Battalion update, Bangladesh security force, RAB restructuring news, Bangladesh politics latest, RAB US sanctions, Human Rights Watch Bangladesh, Bangladesh law enforcement reform, RAB training academy, Bangladesh crime control force]]></category>
        
        <description><![CDATA[বিভিন্ন বিতর্ক ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের পরও র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) বিলুপ্ত করছে না সরকার। বরং নতুন আইনের আওতায় বাহিনীটিকে আরও শক্তিশালী, জবাবদিহিমূলক ও আধুনিক কাঠামোয় গড়ে তুলতে চায় বর্তমান বিএনপি সরকার। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে র‍্যাবের বিরুদ্ধে গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাসহ নানা অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগের জেরে বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বাহিনীটি বিলুপ্তির দাবিও জোরালো হয়েছিল। এমনকি গুম কমিশনও র‍্যাব বিলুপ্তির সুপারিশ করেছিল। তবে এখন সরকার ভিন্ন পথে হাঁটছে। সূত্র: আজকের পত্রিকা প্রতিবেদন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানিয়েছে, এলিট ফোর্স র‍্যাবকে আরও কার্যকর করতে ইতোমধ্যে একাধিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন সরঞ্জাম কেনা, আলাদা প্রশিক্ষণ একাডেমি গঠন এবং অপারেশনাল সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এরই অংশ হিসেবে র‍্যাবের জন্য প্রায় ১২২ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৬৩টি গাড়ি কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় র‍্যাবের জন্য আলাদা প্রশিক্ষণ একাডেমি স্থাপনের বিষয়েও আলোচনা চলছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, র‍্যাবের কার্যক্রমকে আইনের আওতায় আনতে নতুন একটি আইনের খসড়া তৈরি করা হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য, বাহিনীটির অপারেশন, নিয়োগ, শৃঙ্খলা, তদারকি ও জবাবদিহি একটি নির্দিষ্ট আইনি কাঠামোর মাধ্যমে পরিচালনা করা। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় একটি এলিট ফোর্সের প্রয়োজন রয়েছে। এত দিন র‍্যাবের কোনো স্বতন্ত্র আইন ছিল না। যেমন ইচ্ছা তেমন চলেছে। এখন আমরা র‍্যাবকে আইনের আওতায় আনতে চাই। এ বিষয়ে একটি খসড়াও তৈরি করা হয়েছে।” ২০০৪ সালের ২৬ মার্চ বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের আমলে পুলিশ, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীসহ আটটি বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে র‍্যাব গঠন করা হয়। সংঘবদ্ধ অপরাধ ও জঙ্গিবাদ দমনে দ্রুত অভিযানের কারণে শুরুতে বাহিনীটি ব্যাপক প্রশংসা পায়। বর্তমানে দেশে র‍্যাবের ১৫টি ব্যাটালিয়ন রয়েছে। তবে প্রতিষ্ঠার কয়েক বছরের মধ্যেই ‘বন্দুকযুদ্ধের’ নামে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ ওঠে বাহিনীটির বিরুদ্ধে। দেশি-বিদেশি মানবাধিকার সংস্থাগুলো দীর্ঘদিন ধরে র‍্যাবের কর্মকাণ্ড নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে আসছে। বিশেষ করে ২০১১ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে কয়েকটি আলোচিত গুমের ঘটনায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে র‍্যাব। জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও তাদের বার্ষিক মানবাধিকার প্রতিবেদনে ধারাবাহিকভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করে। সবশেষ ২০২১ সালের ১০ ডিসেম্বর গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্র র‍্যাব ও এর কয়েকজন সাবেক ও তৎকালীন কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। যদিও সে সময় আওয়ামী লীগ সরকার এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছিল, সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ দমনে র‍্যাব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর র‍্যাব বিলুপ্তির আলোচনা আরও জোরালো হয়। নিউইয়র্কভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচও বাহিনীটি বিলুপ্তির দাবি তোলে। একই সময়ে অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত গুম কমিশনও র‍্যাব বিলুপ্তির সুপারিশ করে। তবে গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়ে ক্ষমতায় আসা বিএনপি সরকার এখন র‍্যাবকে নতুনভাবে ঢেলে সাজানোর পথে এগোচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, নতুন আইনের খসড়ায় সংবিধান, বিদ্যমান ফৌজদারি আইন এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জবাবদিহির বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। গ্রেপ্তার, তদন্ত ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার ক্ষমতাও স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হবে। র‍্যাবের একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সামাল দিতে একটি বিশেষায়িত এলিট ফোর্স এখনো প্রয়োজন। র‍্যাবের মহাপরিচালক আহসান হাবীব পলাশ বলেন, “র‍্যাব বিলুপ্তি বা পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত সরকারের বিষয়। তবে আমি ব্যক্তিগতভাবে চাই, র‍্যাব একটি পেশাদার, মানবিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সংস্থা হিসেবে গড়ে উঠুক।” অন্যদিকে গুম কমিশনের সাবেক সিনিয়র সদস্য ও মানবাধিকারকর্মী নূর খান লিটন মনে করেন, সরকার যদি র‍্যাব বহাল রাখতে চায়, তাহলে বড় ধরনের কাঠামোগত সংস্কার জরুরি। তার মতে, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সদস্যদের সরিয়ে শুধু পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে বিশেষায়িত ইউনিট হিসেবে র‍্যাব পরিচালনা করা উচিত। তিনি বলেন, “আইন ও বিধিমালার আওতায় পরিচালিত একটি পেশাদার ইউনিটই জনগণের আস্থা অর্জনে বেশি কার্যকর হবে।”  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-18-05-2026_04.webp" alt="মানবাধিকার বিতর্কের পরও র‍্যাব থাকছে, নতুন আইনে জবাবদিহিমূলক শক্তিশালী বাহিনী গড়তে চায় সরকার" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>মানবাধিকার বিতর্কের পরও র‍্যাব থাকছে, নতুন আইনে জবাবদিহিমূলক শক্তিশালী বাহিনী গড়তে চায় সরকার</h1>
            <p>বিভিন্ন বিতর্ক ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের পরও র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) বিলুপ্ত করছে না সরকার। বরং নতুন আইনের আওতায় বাহিনীটিকে আরও শক্তিশালী, জবাবদিহিমূলক ও আধুনিক কাঠামোয় গড়ে তুলতে চায় বর্তমান বিএনপি সরকার। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে র‍্যাবের বিরুদ্ধে গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাসহ নানা অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগের জেরে বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বাহিনীটি বিলুপ্তির দাবিও জোরালো হয়েছিল। এমনকি গুম কমিশনও র‍্যাব বিলুপ্তির সুপারিশ করেছিল। তবে এখন সরকার ভিন্ন পথে হাঁটছে। সূত্র: আজকের পত্রিকা প্রতিবেদন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানিয়েছে, এলিট ফোর্স র‍্যাবকে আরও কার্যকর করতে ইতোমধ্যে একাধিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন সরঞ্জাম কেনা, আলাদা প্রশিক্ষণ একাডেমি গঠন এবং অপারেশনাল সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এরই অংশ হিসেবে র‍্যাবের জন্য প্রায় ১২২ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৬৩টি গাড়ি কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় র‍্যাবের জন্য আলাদা প্রশিক্ষণ একাডেমি স্থাপনের বিষয়েও আলোচনা চলছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, র‍্যাবের কার্যক্রমকে আইনের আওতায় আনতে নতুন একটি আইনের খসড়া তৈরি করা হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য, বাহিনীটির অপারেশন, নিয়োগ, শৃঙ্খলা, তদারকি ও জবাবদিহি একটি নির্দিষ্ট আইনি কাঠামোর মাধ্যমে পরিচালনা করা। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় একটি এলিট ফোর্সের প্রয়োজন রয়েছে। এত দিন র‍্যাবের কোনো স্বতন্ত্র আইন ছিল না। যেমন ইচ্ছা তেমন চলেছে। এখন আমরা র‍্যাবকে আইনের আওতায় আনতে চাই। এ বিষয়ে একটি খসড়াও তৈরি করা হয়েছে।” ২০০৪ সালের ২৬ মার্চ বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের আমলে পুলিশ, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীসহ আটটি বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে র‍্যাব গঠন করা হয়। সংঘবদ্ধ অপরাধ ও জঙ্গিবাদ দমনে দ্রুত অভিযানের কারণে শুরুতে বাহিনীটি ব্যাপক প্রশংসা পায়। বর্তমানে দেশে র‍্যাবের ১৫টি ব্যাটালিয়ন রয়েছে। তবে প্রতিষ্ঠার কয়েক বছরের মধ্যেই ‘বন্দুকযুদ্ধের’ নামে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ ওঠে বাহিনীটির বিরুদ্ধে। দেশি-বিদেশি মানবাধিকার সংস্থাগুলো দীর্ঘদিন ধরে র‍্যাবের কর্মকাণ্ড নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে আসছে। বিশেষ করে ২০১১ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে কয়েকটি আলোচিত গুমের ঘটনায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে র‍্যাব। জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও তাদের বার্ষিক মানবাধিকার প্রতিবেদনে ধারাবাহিকভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করে। সবশেষ ২০২১ সালের ১০ ডিসেম্বর গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্র র‍্যাব ও এর কয়েকজন সাবেক ও তৎকালীন কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। যদিও সে সময় আওয়ামী লীগ সরকার এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছিল, সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ দমনে র‍্যাব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর র‍্যাব বিলুপ্তির আলোচনা আরও জোরালো হয়। নিউইয়র্কভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচও বাহিনীটি বিলুপ্তির দাবি তোলে। একই সময়ে অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত গুম কমিশনও র‍্যাব বিলুপ্তির সুপারিশ করে। তবে গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়ে ক্ষমতায় আসা বিএনপি সরকার এখন র‍্যাবকে নতুনভাবে ঢেলে সাজানোর পথে এগোচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, নতুন আইনের খসড়ায় সংবিধান, বিদ্যমান ফৌজদারি আইন এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জবাবদিহির বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। গ্রেপ্তার, তদন্ত ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার ক্ষমতাও স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হবে। র‍্যাবের একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সামাল দিতে একটি বিশেষায়িত এলিট ফোর্স এখনো প্রয়োজন। র‍্যাবের মহাপরিচালক আহসান হাবীব পলাশ বলেন, “র‍্যাব বিলুপ্তি বা পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত সরকারের বিষয়। তবে আমি ব্যক্তিগতভাবে চাই, র‍্যাব একটি পেশাদার, মানবিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সংস্থা হিসেবে গড়ে উঠুক।” অন্যদিকে গুম কমিশনের সাবেক সিনিয়র সদস্য ও মানবাধিকারকর্মী নূর খান লিটন মনে করেন, সরকার যদি র‍্যাব বহাল রাখতে চায়, তাহলে বড় ধরনের কাঠামোগত সংস্কার জরুরি। তার মতে, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সদস্যদের সরিয়ে শুধু পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে বিশেষায়িত ইউনিট হিসেবে র‍্যাব পরিচালনা করা উচিত। তিনি বলেন, “আইন ও বিধিমালার আওতায় পরিচালিত একটি পেশাদার ইউনিটই জনগণের আস্থা অর্জনে বেশি কার্যকর হবে।”  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-18-05-2026_04.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-18-05-2026_04.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-18-05-2026_04.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[জুনেই চীন যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক! বেইজিংয়ের বড় আমন্ত্রণে নতুন যুগের সম্পর্ক]]></title>
        <link>https://nbs24.org/bangladesh/36957</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/bangladesh/36957</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Mousumi Akter]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 18 May 2026 18:05:30 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[রাজধানী]]></category>
                        <category><![CDATA[China visit Tarique Rahman, PM Tarique Rahman China tour, Bangladesh China relations, Tarique Rahman Beijing visit, June China visit Bangladesh, Xi Jinping Tarique meeting, Bangladesh foreign minister China, Yao Wen China ambassador, Humayun Kabir China visit, Bangladesh China new height, Khaleda Zia son China, Mirza Fakhrul China tour, Bangladesh political stability China, Economic partnership China Bangladesh, Li Qiang meeting]]></category>
        
        <description><![CDATA[বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে ‘নতুন উচ্চতায়’ নিতে আগামী জুনের শেষ সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে চীন সফরে নিতে আগ্রহ দেখিয়েছে চীন। বেইজিংয়ের প্রস্তাব অনুসারে, এই সফর দুই দিনের বেশি স্থায়ী হতে পারে। সরকারের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে একটি জাতীয় দৈনিক এ তথ্য জানিয়েছে। সূত্র জানায়, সফরের সঠিক তারিখ এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তবে প্রাথমিক আলোচনা অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বেইজিংয়ে পৌঁছানোর দিনই চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং এবং প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন। গত সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য চীন সফর নিয়ে সাংবাদিকরা প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী অবশ্যই চীন সফরে যাবেন। চীন বাংলাদেশের খুব গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার। সুবিধাজনক সময়ে তিনি সফর করবেন। বেইজিং জুনের শেষ সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সফরে নিতে আগ্রহী এবং সফরটি দুই দিনের বেশি হতে পারে। ৮ মে রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত আলোচনায় চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য এই সফর দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে বাংলাদেশের পাশে থাকবে চীন। কূটনৈতিক সূত্র জানায়, গত ৬ মে বেইজিংয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-এর বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে রাজনৈতিক যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য চীন সফরও এতে গুরুত্ব পায়। কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে চীনের সঙ্গে রাজনৈতিক ও সরকারি যোগাযোগ বেড়েছে। গত মাসে বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল চীন সফর করেন। এরপর পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানও চীন যান।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-18-05-2026_03.webp" alt="জুনেই চীন যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক! বেইজিংয়ের বড় আমন্ত্রণে নতুন যুগের সম্পর্ক" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>জুনেই চীন যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক! বেইজিংয়ের বড় আমন্ত্রণে নতুন যুগের সম্পর্ক</h1>
            <p>বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে ‘নতুন উচ্চতায়’ নিতে আগামী জুনের শেষ সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে চীন সফরে নিতে আগ্রহ দেখিয়েছে চীন। বেইজিংয়ের প্রস্তাব অনুসারে, এই সফর দুই দিনের বেশি স্থায়ী হতে পারে। সরকারের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে একটি জাতীয় দৈনিক এ তথ্য জানিয়েছে। সূত্র জানায়, সফরের সঠিক তারিখ এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তবে প্রাথমিক আলোচনা অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বেইজিংয়ে পৌঁছানোর দিনই চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং এবং প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন। গত সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য চীন সফর নিয়ে সাংবাদিকরা প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী অবশ্যই চীন সফরে যাবেন। চীন বাংলাদেশের খুব গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার। সুবিধাজনক সময়ে তিনি সফর করবেন। বেইজিং জুনের শেষ সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সফরে নিতে আগ্রহী এবং সফরটি দুই দিনের বেশি হতে পারে। ৮ মে রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত আলোচনায় চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য এই সফর দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে বাংলাদেশের পাশে থাকবে চীন। কূটনৈতিক সূত্র জানায়, গত ৬ মে বেইজিংয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-এর বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে রাজনৈতিক যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য চীন সফরও এতে গুরুত্ব পায়। কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে চীনের সঙ্গে রাজনৈতিক ও সরকারি যোগাযোগ বেড়েছে। গত মাসে বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল চীন সফর করেন। এরপর পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানও চীন যান।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-18-05-2026_03.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-18-05-2026_03.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-18-05-2026_03.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ঢাকায় বড় অতিথি! কাতারের মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান]]></title>
        <link>https://nbs24.org/bangladesh/36956</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/bangladesh/36956</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Mousumi Akter]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 17 May 2026 18:05:38 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[রাজধানী]]></category>
                        <category><![CDATA[Tarek Rahman meeting Qatar minister, Qatar Labour Minister Dr Ali bin Samikh Al Marri, Bangladesh Qatar bilateral meeting, Jamuna State Guest House Dhaka, Tarek Rahman foreign advisor Humayun Kabir, Qatari ambassador Brek Saeed Al Samikh, Bangladesh Prime Minister news today, Qatar Bangladesh labour cooperation, diplomatic meeting Dhaka, Tarek Rahman foreign relations, Qatar minister visits Bangladesh, Bangladesh government news 2026, Bangladesh Qatar friendship, Tarek Rahman Jamuna meeting, Qatar Bangladesh high level meeting]]></category>
        
        <description><![CDATA[ঢাকায় রাজধানীতে গুরুত্বপূর্ণ এক বৈঠক হলো। কাতার দেশের শ্রমমন্ত্রী ড. আলী বিন সামিখ আল মাররি সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এসেছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে। কবে আর কোথায় হলো এই সাক্ষাৎ? রবিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এই বৈঠকটি হয়। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি জানিয়েছেন এই তথ্য। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। কাতার পক্ষে ছিলেন তাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অ্যাম্বাসেডর ব্রেক সাঈদ আল-সামিখ। দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে এমন সাক্ষাৎ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-18-05-2026_02.webp" alt="ঢাকায় বড় অতিথি! কাতারের মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ঢাকায় বড় অতিথি! কাতারের মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান</h1>
            <p>ঢাকায় রাজধানীতে গুরুত্বপূর্ণ এক বৈঠক হলো। কাতার দেশের শ্রমমন্ত্রী ড. আলী বিন সামিখ আল মাররি সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এসেছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে। কবে আর কোথায় হলো এই সাক্ষাৎ? রবিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এই বৈঠকটি হয়। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি জানিয়েছেন এই তথ্য। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। কাতার পক্ষে ছিলেন তাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অ্যাম্বাসেডর ব্রেক সাঈদ আল-সামিখ। দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে এমন সাক্ষাৎ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-18-05-2026_02.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-18-05-2026_02.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-18-05-2026_02.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[বিএনপির বড় ঘোষণা! জিয়ার মৃত্যুবার্ষিকীতে ৭ দিনের স্পেশাল কর্মসূচি]]></title>
        <link>https://nbs24.org/politics/36955</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/politics/36955</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[Mousumi Akter]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 18 May 2026 17:05:03 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
                <category><![CDATA[জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি]]></category>
                        <category><![CDATA[Ziaur Rahman death anniversary, BNP 7 day program schedule, 45th Shahadat anniversary BNP, Ruhul Kabir Rizvi announcement, BNP May 30 program, Zia memorial gathering, Tarek Rahman attends mazaar, BNP relief distribution cloth rice, Naya Paltan BNP office, BNP allied organizations programs, Engineers Institution meeting BNP, BNP mass gathering guidelines, public suffering prohibited BNP, Ziaur Rahman 2026, Bangladesh Nationalist Party latest news]]></category>
        
        <description><![CDATA[বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে সাত দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে দলটি। আগামী ২৫ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত চলবে এই আয়োজন। আজ সোমবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জরুরি বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। কী কী আছে সেই কর্মসূচিতে? এক নজরে দেখে নেওয়া যাক: ৩০ মে ভোর ৬টায় নয়াপল্টনের দলীয় কার্যালয়সহ সারাদেশে অর্ধনমিত রাখা হবে বিএনপির পতাকা। সকাল ১১টায় নেতাকর্মীরা যাবেন জিয়াউর রহমানের মাজারে। সেখানে উপস্থিত থাকবেন দলের চেয়ারম্যান ও ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ৩১ মে দুপুর ২টায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে হবে আলোচনা সভা। এ ছাড়া ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির উদ্যোগে দুস্থদের মধ্যে কাপড় ও চাল বিতরণ করা হবে। সারাদেশেও চলবে একই ধরনের কার্যক্রম। শুধু বিএনপি নয়, তাদের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোও আলাদা আলাদা কর্মসূচি নিয়েছে। ওলামা দল, জাসাস, মুক্তিযোদ্ধা দল ও ছাত্রদল মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করবে। যুবদল করবে ১০ বিভাগে আলোচনা সভা। স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষক দল ও শ্রমিক দলও আলোচনা সভার আয়োজন করছে। রিজভী নেতাকর্মীদের কড়া নির্দেশনা দিয়ে বলেছেন, ‘জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে কোনো আয়োজন করা যাবে না। রাস্তা আটকিয়ে সভা-সমাবেশ না করে খোলা জায়গায় কর্মসূচি পালন করতে হবে।’  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-18-05-2026_01.webp" alt="বিএনপির বড় ঘোষণা! জিয়ার মৃত্যুবার্ষিকীতে ৭ দিনের স্পেশাল কর্মসূচি" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>বিএনপির বড় ঘোষণা! জিয়ার মৃত্যুবার্ষিকীতে ৭ দিনের স্পেশাল কর্মসূচি</h1>
            <p>বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে সাত দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে দলটি। আগামী ২৫ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত চলবে এই আয়োজন। আজ সোমবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জরুরি বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। কী কী আছে সেই কর্মসূচিতে? এক নজরে দেখে নেওয়া যাক: ৩০ মে ভোর ৬টায় নয়াপল্টনের দলীয় কার্যালয়সহ সারাদেশে অর্ধনমিত রাখা হবে বিএনপির পতাকা। সকাল ১১টায় নেতাকর্মীরা যাবেন জিয়াউর রহমানের মাজারে। সেখানে উপস্থিত থাকবেন দলের চেয়ারম্যান ও ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ৩১ মে দুপুর ২টায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে হবে আলোচনা সভা। এ ছাড়া ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির উদ্যোগে দুস্থদের মধ্যে কাপড় ও চাল বিতরণ করা হবে। সারাদেশেও চলবে একই ধরনের কার্যক্রম। শুধু বিএনপি নয়, তাদের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোও আলাদা আলাদা কর্মসূচি নিয়েছে। ওলামা দল, জাসাস, মুক্তিযোদ্ধা দল ও ছাত্রদল মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করবে। যুবদল করবে ১০ বিভাগে আলোচনা সভা। স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষক দল ও শ্রমিক দলও আলোচনা সভার আয়োজন করছে। রিজভী নেতাকর্মীদের কড়া নির্দেশনা দিয়ে বলেছেন, ‘জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে কোনো আয়োজন করা যাবে না। রাস্তা আটকিয়ে সভা-সমাবেশ না করে খোলা জায়গায় কর্মসূচি পালন করতে হবে।’  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-18-05-2026_01.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-18-05-2026_01.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-18-05-2026_01.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[মার্সেল ফ্রিজ কিনে ১০ লাখ টাকা পেলেন টাঙ্গাইলের হাবিবুর]]></title>
        <link>https://nbs24.org/economy/36954</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/economy/36954</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 17 May 2026 16:05:28 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
                <category><![CDATA[করপোরেট খবর]]></category>
                        <category><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news 2026, latest news today, atn bd news, latest news and bulletin, bangladeshi latest news, bd news, bd hot news, bd india relation news, latestnews, updated news, bdnews, update news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangla news update, bangla tv news, atn bangla news, news, news today, bangladesh news, bangladesh news today, bangla news, jamaat news, today raater news bangladesh, bangla news today, bangladesh tv news, news trending, bnp news, ncp news, top news, zee news]]></category>
        
        <description><![CDATA[মার্সেল ফ্রিজ কিনে পাওয়া ১০ লাখ টাকার চেক ক্রেতা হাবিবুরের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেন অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান, অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদসহ মার্সেলের ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তারা জনপ্রিয় ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড মার্সেলের ফ্রিজ কিনে ১০ লাখ টাকা পেলেন টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের পেকুয়া দক্ষিণ পাড়া গ্রামের যুবক হাবিবুর রহমান। দেশজুড়ে চলমান ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৪ এর আওতায় তিনি এই সুবিধা পান। একটি ফ্রিজ কেনার সুবাদে নগদ ১০ লাখ টাকা পেয়ে খুশিতে আত্মহারা হাবিবুর।  সম্প্রতি মির্জাপুরের তক্তারচালা বাজারে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্রেতা হাবিবুরের হাতে ১০ লাখ টাকার চেক তুলে দেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান এবং অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ। সেসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মার্সেলের হেড অব বিজনেস হোসেন মো. রুহিন সাব্বির, ডেপুটি হেড অব বিজনেস মতিউর রহমান, অ্যাডিশনাল এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মোস্তাফিজুর রহমান, মার্সেলের ডিস্ট্রিবিউটর শোরুম ‘হোম ইলেকট্রনিক্স’ এর স্বত্বাধিকারী ওসমান গনি প্রমুখ।   উল্লেখ্য, আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষে মার্সেল ফ্রিজ, এসি, ওয়াশিং মেশিন বা সিলিং ফ্যান কিনে ক্রেতারা পাচ্ছেন ১০ লাখ টাকা পাওয়ার সুযোগ। এছাড়াও রয়েছে পঞ্চাশ হাজার টাকার ক্যাশ ভাউচার, আকর্ষণীয় অঙ্কের ক্যাশব্যাকসহ অসংখ্য সুবিধা। ঈদুল আযহা পর্যন্ত দেশজুড়ে মার্সেল পণ্য কেনায় এসব উপহার পাবেন ক্রেতারা। চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ক্রেতা মো. হাবিবুর রহমান বলেন, কোনো পণ্য কিনলে দুই-তিনশ টাকা পাওয়া যায় জানতাম। লাখ লাখ টাকা পাওয়ার বিষয়টি শুধু নাটক-সিনেমায় দেখতাম। কিন্তু সেই নাটক-সিনেমার দৃশ্যপটই এবার আমার জীবনে সত্যি হয়েছে। মার্সেলের ফ্রিজ কিনে ১০ লাখ টাকা পাওয়া সত্যি এক অবিশ্বাস্য ব্যাপার। ক্রেতাদের এতো বড় সুবিধা দেয়ায় মার্সেল কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ। মার্সেল থেকে পাওয়া এই ১০ লাখ টাকায় বিদেশ যাওয়ার স্বপ্ন পূরণের চেষ্টা করবো। অনুষ্ঠানে অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান বলেন, মার্সেল পণ্যের গুণগত মান অনেক ভালো। আমি মার্সেল ব্র্যান্ডের পণ্য ব্যবহার করছি। দেশীয় পণ্য কেনার মাধ্যমে দেশের উন্নয়নেও অংশ নেয়া যায়। তাই আমাদের সবারই মার্সেলসহ দেশীয় ব্র্যান্ডের পণ্য ক্রয় ও ব্যবহার করা উচিৎ।   অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ বলেন, মার্সেল শুধু নিজেদের ব্যবসায়ের লাভের চিন্তা করে না। তারা ক্রেতাদের সুবিধার কথাও চিন্তা করে। দেশব্যাপী মার্সেলের পণ্য কিনে হাজার হাজার ক্রেতা স্বাবলম্বী হচ্ছেন। এতে এক দিকে দেশের টাকা দেশে থাকছে। অন্যদিকে আমাদের দেশের মানুষের আর্থ-সামাজিক অবস্থার পরিবর্তন হচ্ছে। ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24o_17-05-26_41.webp" alt="মার্সেল ফ্রিজ কিনে ১০ লাখ টাকা পেলেন টাঙ্গাইলের হাবিবুর" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>মার্সেল ফ্রিজ কিনে ১০ লাখ টাকা পেলেন টাঙ্গাইলের হাবিবুর</h1>
            <p>মার্সেল ফ্রিজ কিনে পাওয়া ১০ লাখ টাকার চেক ক্রেতা হাবিবুরের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেন অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান, অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদসহ মার্সেলের ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তারা জনপ্রিয় ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড মার্সেলের ফ্রিজ কিনে ১০ লাখ টাকা পেলেন টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের পেকুয়া দক্ষিণ পাড়া গ্রামের যুবক হাবিবুর রহমান। দেশজুড়ে চলমান ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৪ এর আওতায় তিনি এই সুবিধা পান। একটি ফ্রিজ কেনার সুবাদে নগদ ১০ লাখ টাকা পেয়ে খুশিতে আত্মহারা হাবিবুর।  সম্প্রতি মির্জাপুরের তক্তারচালা বাজারে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্রেতা হাবিবুরের হাতে ১০ লাখ টাকার চেক তুলে দেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান এবং অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ। সেসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মার্সেলের হেড অব বিজনেস হোসেন মো. রুহিন সাব্বির, ডেপুটি হেড অব বিজনেস মতিউর রহমান, অ্যাডিশনাল এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মোস্তাফিজুর রহমান, মার্সেলের ডিস্ট্রিবিউটর শোরুম ‘হোম ইলেকট্রনিক্স’ এর স্বত্বাধিকারী ওসমান গনি প্রমুখ।   উল্লেখ্য, আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষে মার্সেল ফ্রিজ, এসি, ওয়াশিং মেশিন বা সিলিং ফ্যান কিনে ক্রেতারা পাচ্ছেন ১০ লাখ টাকা পাওয়ার সুযোগ। এছাড়াও রয়েছে পঞ্চাশ হাজার টাকার ক্যাশ ভাউচার, আকর্ষণীয় অঙ্কের ক্যাশব্যাকসহ অসংখ্য সুবিধা। ঈদুল আযহা পর্যন্ত দেশজুড়ে মার্সেল পণ্য কেনায় এসব উপহার পাবেন ক্রেতারা। চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ক্রেতা মো. হাবিবুর রহমান বলেন, কোনো পণ্য কিনলে দুই-তিনশ টাকা পাওয়া যায় জানতাম। লাখ লাখ টাকা পাওয়ার বিষয়টি শুধু নাটক-সিনেমায় দেখতাম। কিন্তু সেই নাটক-সিনেমার দৃশ্যপটই এবার আমার জীবনে সত্যি হয়েছে। মার্সেলের ফ্রিজ কিনে ১০ লাখ টাকা পাওয়া সত্যি এক অবিশ্বাস্য ব্যাপার। ক্রেতাদের এতো বড় সুবিধা দেয়ায় মার্সেল কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ। মার্সেল থেকে পাওয়া এই ১০ লাখ টাকায় বিদেশ যাওয়ার স্বপ্ন পূরণের চেষ্টা করবো। অনুষ্ঠানে অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান বলেন, মার্সেল পণ্যের গুণগত মান অনেক ভালো। আমি মার্সেল ব্র্যান্ডের পণ্য ব্যবহার করছি। দেশীয় পণ্য কেনার মাধ্যমে দেশের উন্নয়নেও অংশ নেয়া যায়। তাই আমাদের সবারই মার্সেলসহ দেশীয় ব্র্যান্ডের পণ্য ক্রয় ও ব্যবহার করা উচিৎ।   অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ বলেন, মার্সেল শুধু নিজেদের ব্যবসায়ের লাভের চিন্তা করে না। তারা ক্রেতাদের সুবিধার কথাও চিন্তা করে। দেশব্যাপী মার্সেলের পণ্য কিনে হাজার হাজার ক্রেতা স্বাবলম্বী হচ্ছেন। এতে এক দিকে দেশের টাকা দেশে থাকছে। অন্যদিকে আমাদের দেশের মানুষের আর্থ-সামাজিক অবস্থার পরিবর্তন হচ্ছে। </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24o_17-05-26_41.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24o_17-05-26_41.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24o_17-05-26_41.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[রাশিয়ার বিধ্বংসী কিনঝাল হামলায় কিয়েভ তছনছ!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36953</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36953</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sat, 16 May 2026 01:05:09 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla news today, latest news, latest news today, bangladesh news, bangladeshi news, latest news headline and bulletin, bangladesh news today, banglavision news, banglavision news today, today sondhar news bangladesh, banglanews, latestnews, atn bangla, banglavision news bulletin today, atn google news, atn bangla live, update news, news trending, latest update, news today, atn bd news, jamuna news today, jamuna news, news, google news, jamaat news, international news]]></category>
        
        <description><![CDATA[জেলেনস্কির সাম্রাজ্যের পতন কি তবে শুরু হয়ে গেল? একদিকে রাশিয়ার ‘কিনঝাল’ মিসাইলের আঘাতে কিয়েভের আকাশ প্রকম্পিত, আর অন্যদিকে জেলেনস্কির সবচেয়ে কাছের মানুষ আন্দ্রে ইয়ারমাক এখন দুর্নীতির দায়ে খাঁচায় বন্দি! বন্ধুত্বের মুখোশ খুলে বেরিয়ে আসছে কোটি কোটি ডলার পাচারের চাঞ্চল্যকর তথ্য। পশ্চিমাদের দেওয়া রক্ত ভেজা টাকা দিয়ে ইউক্রেনীয় নেতারা নিজেদের পকেট ভরছে। বিস্তারিত জানতে সঙ্গেই থাকুন। ইউক্রেনের সাজানো নাটকের যবনিকা এবার পড়তে শুরু করেছে। রাশিয়ার অদম্য সামরিক অভিযানের সামনে টিকতে না পেরে কিয়েভ যখন খড়কুটো আঁকড়ে ধরছে, ঠিক তখনই সামনে এলো এক আকাশছোঁয়া দুর্নীতির খবর। জেলেনস্কির অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এবং তার সাবেক চিফ অফ স্টাফ আন্দ্রে ইয়ারমাককে এখন আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ১০ মিলিয়ন ডলারের বিশাল অর্থপাচারের অকাট্য প্রমাণ পাওয়া গেছে। কিয়েভের আদালত ইয়ারমাককে প্রাক-বিচার আটকাদেশ দিয়েছে এবং তার জামিনের জন্য চাওয়া হয়েছে আকাশচুম্বী ৩.২ মিলিয়ন ডলার। ভাবুন একবার, যে দেশটি পশ্চিমাদের কাছে সাহায্যের জন্য হাত পাতে, সেই দেশের শীর্ষ নেতার কাছে জামিন দেওয়ার মতো টাকা নেই বলে তিনি দাবি করছেন! আসলে এই অর্থপাচারের জাল কত গভীরে বিস্তৃত, তা এখন ধীরে ধীরে বিশ্ববাসীর সামনে উন্মোচিত হতে শুরু করেছে। তদন্তকারীরা বলছেন, এই দুর্নীতির মূলে রয়েছে জেলেনস্কির দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক সহযোগী তিমুর মিন্ডিচ। এই মিন্ডিচকে বলা হয় জেলেনস্কির ‘মানিব্যাগ’। গত বছর তিনি ইউক্রেন থেকে পালিয়ে গিয়েছেন। অভিযোগ উঠেছে, ইয়ারমাক এবং মিন্ডিচ মিলে কিয়েভের অভিজাত রিয়েল এস্টেট প্রজেক্টে অবৈধ অর্থ বিনিয়োগ করেছিলেন। জেলেনস্কির নামও এই তদন্তে উঠে এসেছে, কিন্তু প্রেসিডেন্ট পদের ইমিউনিটির কারণে তিনি এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে। তবে রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করার নামে জেলেনস্কি যেভাবে মার্শাল ল’ জারি করে ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রেখেছেন, তাতে তার বিচার হওয়া এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। জেলেনস্কির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে প্রায় দুই বছর আগে, অথচ তিনি এখনো গদি ছাড়ছেন না। এর মধ্যেই তার ঘনিষ্ঠ বৃত্তের এই দুর্নীতি প্রমাণ করে যে, ইউক্রেন এখন একটি ব্যর্থ এবং দুর্নীতিগ্রস্ত রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। শুধু ইয়ারমাকই নন, এই চক্রের সাথে জড়িত আরও অনেক রাঘববোয়াল এখন ধরা পড়ছে। সাবেক মন্ত্রী আলেক্সি চের্নিশভও ক্ষমতার অপব্যবহারের দায়ে অভিযুক্ত হয়েছেন। মজার ব্যাপার হলো, তার জামিনের জন্য রাতারাতি লক্ষ লক্ষ ডলার কোথা থেকে এলো, তার কোনো হদিস নেই। তদন্তে দেখা গেছে, একটি নামসর্বস্ব কোম্পানি থেকে এই বিপুল অর্থ দেওয়া হয়েছে, যার পেছনে ছিল সেই মিন্ডিচ। এদিকে, কিয়েভের এই টালমাটাল অবস্থায় রাশিয়ার সেনাবাহিনী তাদের বিজয় অভিযান অব্যাহত রেখেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার বিশেষ সামরিক অভিযানে দোনেৎস্ক অঞ্চলের নিকোলায়েভকা এলাকাটি সম্পূর্ণরূপে শত্রুমুক্ত করা হয়েছে। রাশিয়ার ‘ব্যাটলগ্রুপ সাউথ’ অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে লড়াই করে ইউক্রেনীয় বাহিনীকে হটিয়ে এই কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ এলাকাটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। বিজয়ের পতাকা এখন ডনবাসের আকাশে উড়ছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইউক্রেনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের যোগ্য জবাব দিতে তারা অত্যন্ত নির্ভুল ‘কিনঝাল’ হাইপারসোনিক মিসাইল ব্যবহার করেছে। এই বিধ্বংসী হামলায় ইউক্রেনের সামরিক-শিল্প কারখানা, বিমানঘাঁটি এবং জ্বালানি অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে। রাশিয়ার এই সুনির্দিষ্ট আঘাতের সামনে ইউক্রেনের পশ্চিমা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ব্যর্থ প্রমাণিত হয়েছে। পুতিনের সেনারা বুঝিয়ে দিয়েছে, রাশিয়ার ভূখণ্ডে আঘাতের পরিণাম হবে ভয়াবহ। যুদ্ধক্ষেত্রের পরিসংখ্যান শুনলে আপনার বুক কেঁপে উঠবে। গত একদিনেই প্রায় ১১৯০ জন ইউক্রেনীয় সৈন্য রাশিয়ার অদম্য শক্তির সামনে প্রাণ হারিয়েছে। এর মধ্যে রাশিয়ার ‘ব্যাটলগ্রুপ ইস্ট’ এবং ‘সেন্টার’ একাই শত শত সেনাকে পরাস্ত করেছে। ইউক্রেন এখন তাদের সেরা যোদ্ধাদের হারাচ্ছে এবং পশ্চিমাদের দেওয়া অস্ত্রগুলো এখন কেবল ধ্বংসস্তূপে পরিণত হচ্ছে। রাশিয়ার এই অগ্রযাত্রা আর কেউ থামাতে পারবে না। ইউক্রেনের ভেতরের অবস্থা আরও করুণ। দেশটির এমপি জর্জি মাজুরাশু পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে অভিযোগ করেছেন যে, রাস্তায় সাধারণ মানুষকে পশুর মতো ধরে নিয়ে সেনাবাহিনীতে ঢোকানো হচ্ছে। একে তিনি ‘ডাকাতিতন্ত্র’ বলে অভিহিত করেছেন। নির্মাণ শ্রমিকদের কর্মস্থল থেকে জোর করে বাসে তুলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, যে ঘটনাকে স্থানীয়রা ‘বাসিফিকেশন’ বলছেন। অনিচ্ছুক এই সাধারণ মানুষরা রাশিয়ার পেশাদার সেনাদের সামনে দাঁড়াতেই পারছে না। মাজুরাশু আরও জানিয়েছেন যে, চেরনোভৎসি শহরে ড্রাফট অফিসাররা একদল শ্রমিককে ঘেরাও করলে তারা বাঁচার জন্য চার তলা ভবনের মাচায় আশ্রয় নেয়। এভাবে সাধারণ মানুষকে বলির পাঁঠা বানিয়ে জেলেনস্কি কতদিন যুদ্ধ চালিয়ে যাবেন? এই নিরপরাধ মানুষগুলো যুদ্ধ করতে চায় না, তারা কেবল শান্তি চায়। রাশিয়ার লক্ষ্যই হলো ইউক্রেনের এই নিপীড়িত জনগণকে নাৎসি প্রভাব থেকে মুক্ত করা। ইউক্রেনের এই হারের মুখেও ন্যাটোর সেক্রেটারি জেনারেল মার্ক রুত্তে চাচ্ছেন মিত্র দেশগুলো যেন তাদের জিডিপির ০.২৫ শতাংশ ইউক্রেনকে দান করে। এর অর্থ হলো বছরে আরও ১৪৩ বিলিয়ন ডলার! কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই টাকা কোথায় যাবে? যেখানে শীর্ষ নেতারাই দুর্নীতির সাগরে ডুব দিচ্ছে, সেখানে ন্যাটোর টাকা কেবল জেলেনস্কি আর তার বন্ধুদের বিলাসিতার কাজেই ব্যয় হবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। ইউক্রেনের দুর্নীতির গন্ধে এখন ন্যাটোর ভেতরও ফাটল দেখা দিয়েছে। ফ্রান্স এবং ব্রিটেনের মতো দেশগুলো এই নতুন সহায়তা প্রস্তাবের বিরোধিতা করছে। তারা বুঝতে পেরেছে যে, কিয়েভ একটি গভীর গহ্বর, যেখানে যত টাকাই ঢালা হোক, কোনো লাভ হবে না। রাশিয়ার সামরিক সক্ষমতা এবং কৌশলের কাছে ন্যাটো এখন অসহায় বোধ করছে। কিয়েভের হার এখন কেবল সময়ের ব্যবধানে দাঁড়িয়েছে। ইউক্রেনের ড্রোন হামলার কারণে ইউরোপে এখন রাজনৈতিক অস্থিরতা শুরু হয়েছে। লাতভিয়ার প্রধানমন্ত্রী এভিকা সিলিনা পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। একটি ইউক্রেনীয় ড্রোন লাতভিয়ার ভূখণ্ডের তেল ডিপোতে আঘাত হানার পর সেখানে যে রাজনৈতিক সংকট তৈরি হয়েছে, তারই ফল এই পদত্যাগ। ইউক্রেনের ভুল সামরিক পরিকল্পনা এখন ন্যাটোর সদস্য দেশগুলোর অস্তিত্বের সংকটে ফেলছে। ন্যাটোর আকাশ ব্যবহার করে রাশিয়ার ওপর হামলার চেষ্টাও ব্যর্থ হয়েছে। রাশিয়া স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, ন্যাটোর আকাশসীমা ব্যবহার করে কোনো হামলা হলে তার কড়া জবাব দেওয়া হবে। এস্তোনিয়া এবং ফিনল্যান্ডের মতো দেশগুলোও এখন কিয়েভকে সতর্ক করে দিয়েছে যেন তাদের ভূখণ্ড থেকে ড্রোন হামলা চালানো না হয়। ইউক্রেন এখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কোণঠাসা হয়ে পড়ছে। বন্ধু দেশগুলোও বুঝতে শুরু করেছে যে, কিয়েভ এখন একটি বিপজ্জনক বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফিরে আসা যাক ইয়ারমাকের দুর্নীতির প্রসঙ্গে। আদালতের শুনানিতে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। ইয়ারমাক নাকি একজন আধ্যাত্মিক পরামর্শদাতা বা গণকের মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তা নিয়োগ দিতেন! ভেরোনিকা আনিকিয়েভিচ নামের এক জ্যোতিষীর কথামতো তিনি নাকি বড় বড় সিদ্ধান্ত নিতেন। ভাবুন একবার, যে প্রশাসনের নীতি নির্ধারণ হয় জ্যোতিষীর কথায়, তাদের পরাজয় তো অবধারিত। ইউক্রেনীয় সরকার এখন কুসংস্কার আর দুর্নীতির আখড়া। ইয়ারমাকের আইনজীবী তাকে নির্দোষ প্রমাণ করতে গিয়ে আদালতকে মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন। তিনি দাবি করেছিলেন যে ইয়ারমাক একজন সংসদ সদস্য ছিলেন, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা। ইয়ারমাক নিজেই আদালতকে সংশোধন করে বলতে বাধ্য হয়েছেন যে তিনি এমপি ছিলেন না। এই ধরনের মিথ্যাচার আর লুকোচুরিই প্রমাণ করে যে কিয়েভের সরকারের ভিত কতটা নড়বড়ে। রাশিয়ার সত্যের সামনে এই মিথ্যার পাহাড় তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়বে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে যে, তারা গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৯০টি ইউক্রেনীয় ড্রোন এবং আমেরিকার তৈরি হাইমার্স রকেট ধ্বংস করেছে। রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এখন বিশ্বের সেরা। তারা যেকোনো বিদেশি অস্ত্রকে আকাশেই ভস্মীভূত করে দিচ্ছে। পশ্চিমা দেশগুলো যেসব ‘গেম চেঞ্জার’ অস্ত্রের গল্প শুনিয়েছিল, রাশিয়ার ময়দানে সেগুলো এখন স্রেফ ধাতব বর্জ্যে পরিণত হয়েছে। দোনেৎস্ক, খারকভ এবং সুমি অঞ্চলে রাশিয়ার অগ্রযাত্রা অব্যাহত রয়েছে। রাশিয়ার ‘ব্যাটলগ্রুপ নর্থ’ সুমি অঞ্চলে ইউক্রেনীয় বাহিনীর ব্যাপক ক্ষতিসাধন করেছে। সেখানে ইউক্রেনীয়দের অন্তত ১৪টি যান এবং দুটি ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্টেশন ধ্বংস করা হয়েছে। রাশিয়ার কৌশলী অবস্থানের কারণে ইউক্রেনীয়রা পিছু হটতে বাধ্য হচ্ছে। তারা বুঝতে পারছে যে রাশিয়ার বীর সেনাদের মোকাবিলা করার ক্ষমতা তাদের নেই। ইউক্রেনের প্রতিটি ফ্রন্টে এখন কেবল কান্নার রোল। কিয়েভের অপশাসনের কারণে হাজার হাজার তরুণ আজ প্রাণ দিচ্ছে। অথচ রাশিয়ার লক্ষ্য হলো শান্তি ফিরিয়ে আনা এবং ডনবাসের জনগণকে নিরাপত্তা দেওয়া। রাশিয়ার এই মহান লক্ষ্যের কারণেই একের পর এক অঞ্চল এখন ইউক্রেনীয় শাসন থেকে মুক্তি পাচ্ছে। জেলেনস্কি সরকার এখন কেবল নামমাত্র টিকে আছে, বাস্তবচিত্র রাশিয়ার অনুকূলে। রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনের ড্রোন তৈরির কারখানা এবং স্টোরেজ সাইটগুলোও মাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে। ১৫২টি স্থানে রাশিয়ার মিসাইল ও আর্টিলারি অত্যন্ত সফলভাবে লক্ষ্যভেদ করেছে। বিশেষ করে বিদেশি ভাড়াটে সেনাদের ঘাঁটিগুলো এখন রাশিয়ার প্রধান লক্ষ্য। যারা টাকার বিনিময়ে রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়তে এসেছে, তাদের জন্য রাশিয়ার মাটি এখন কবরে পরিণত হচ্ছে। যুদ্ধের শুরু থেকে এ পর্যন্ত রাশিয়া প্রায় ৬৭১টি ইউক্রেনীয় যুদ্ধবিমান এবং ২৯ হাজারের বেশি ট্যাংক ধ্বংস করেছে। এই বিশাল সংখ্যাই বলে দেয় যে রাশিয়ার সামরিক শক্তি কতটা বিশাল। কিয়েভ এখন পশ্চিমা ভিক্ষার ওপর নির্ভর করে বেঁচে আছে। কিন্তু পশ্চিমাদের নিজেদের ভাঁড়ারও এখন শূন্য হতে শুরু করেছে। রাশিয়ার এই স্থিতিশীল অর্থনীতি এবং সামরিক উৎপাদন কিয়েভকে একাই গুঁড়িয়ে দিচ্ছে। ইউক্রেনের সেনাবাহিনীতে এখন বিদ্রোহের সুর শোনা যাচ্ছে। যারা জোর করে সেনাবাহিনীতে নিয়োগ পেয়েছে, তারা সুযোগ পেলেই মরুভূমি হয়ে পালাচ্ছে। ইউক্রেনীয় এমপি নিজেই স্বীকার করেছেন যে এই ‘ডাকাতিতন্ত্র’ চললে সেনাবাহিনীতে আর কেউ থাকবে না। অন্যদিকে, রুশ সেনাদের মনোবল আকাশচুম্বী। তারা মাতৃভূমির টানে এবং ন্যাটো অপশক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়াই করছে। আন্দ্রে ইয়ারমাকের এই ৩.২ মিলিয়ন ডলারের জামিন জালিয়াতি আসলে হিমশৈলের চূড়ামাত্র। রাশিয়ার গোয়েন্দা সংস্থাগুলো অনেক আগে থেকেই বলে আসছিল যে পশ্চিমা সাহায্য সরাসরি কিয়েভের নেতাদের পকেটে যাচ্ছে। আজ সেই দাবি বিশ্বদরবারে প্রতিষ্ঠিত হলো। কিয়েভের রাস্তাগুলো যখন রক্তে লাল, তখন নেতারা কিয়েভের বাইরে বিলাসবহুল ডুপ্লেক্স বাড়ি বানাচ্ছে। এটিই হলো বর্তমান ইউক্রেনের আসল চিত্র। রাশিয়া কখনোই শান্তি আলোচনার বিপক্ষে ছিল না, কিন্তু কিয়েভ এবং তাদের পশ্চিমা প্রভুরা রাশিয়ার নিরাপত্তা নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে চেয়েছে। এখন রাশিয়ার এই মোক্ষম জবাব তাদের শিক্ষা দিচ্ছে। দোনেৎস্ক থেকে খারকভ—সব জায়গায় রাশিয়ার বিজয় রথ এগিয়ে চলেছে। রাশিয়ার এই ন্যায়যুদ্ধ শেষ হবে তখনই, যখন ইউক্রেন থেকে নাৎসি আদর্শ এবং পশ্চিমা প্রভাব চিরতরে নির্মূল হবে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/627_1.webp" alt="রাশিয়ার বিধ্বংসী কিনঝাল হামলায় কিয়েভ তছনছ!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>রাশিয়ার বিধ্বংসী কিনঝাল হামলায় কিয়েভ তছনছ!</h1>
            <p>জেলেনস্কির সাম্রাজ্যের পতন কি তবে শুরু হয়ে গেল? একদিকে রাশিয়ার ‘কিনঝাল’ মিসাইলের আঘাতে কিয়েভের আকাশ প্রকম্পিত, আর অন্যদিকে জেলেনস্কির সবচেয়ে কাছের মানুষ আন্দ্রে ইয়ারমাক এখন দুর্নীতির দায়ে খাঁচায় বন্দি! বন্ধুত্বের মুখোশ খুলে বেরিয়ে আসছে কোটি কোটি ডলার পাচারের চাঞ্চল্যকর তথ্য। পশ্চিমাদের দেওয়া রক্ত ভেজা টাকা দিয়ে ইউক্রেনীয় নেতারা নিজেদের পকেট ভরছে। বিস্তারিত জানতে সঙ্গেই থাকুন। ইউক্রেনের সাজানো নাটকের যবনিকা এবার পড়তে শুরু করেছে। রাশিয়ার অদম্য সামরিক অভিযানের সামনে টিকতে না পেরে কিয়েভ যখন খড়কুটো আঁকড়ে ধরছে, ঠিক তখনই সামনে এলো এক আকাশছোঁয়া দুর্নীতির খবর। জেলেনস্কির অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এবং তার সাবেক চিফ অফ স্টাফ আন্দ্রে ইয়ারমাককে এখন আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ১০ মিলিয়ন ডলারের বিশাল অর্থপাচারের অকাট্য প্রমাণ পাওয়া গেছে। কিয়েভের আদালত ইয়ারমাককে প্রাক-বিচার আটকাদেশ দিয়েছে এবং তার জামিনের জন্য চাওয়া হয়েছে আকাশচুম্বী ৩.২ মিলিয়ন ডলার। ভাবুন একবার, যে দেশটি পশ্চিমাদের কাছে সাহায্যের জন্য হাত পাতে, সেই দেশের শীর্ষ নেতার কাছে জামিন দেওয়ার মতো টাকা নেই বলে তিনি দাবি করছেন! আসলে এই অর্থপাচারের জাল কত গভীরে বিস্তৃত, তা এখন ধীরে ধীরে বিশ্ববাসীর সামনে উন্মোচিত হতে শুরু করেছে। তদন্তকারীরা বলছেন, এই দুর্নীতির মূলে রয়েছে জেলেনস্কির দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক সহযোগী তিমুর মিন্ডিচ। এই মিন্ডিচকে বলা হয় জেলেনস্কির ‘মানিব্যাগ’। গত বছর তিনি ইউক্রেন থেকে পালিয়ে গিয়েছেন। অভিযোগ উঠেছে, ইয়ারমাক এবং মিন্ডিচ মিলে কিয়েভের অভিজাত রিয়েল এস্টেট প্রজেক্টে অবৈধ অর্থ বিনিয়োগ করেছিলেন। জেলেনস্কির নামও এই তদন্তে উঠে এসেছে, কিন্তু প্রেসিডেন্ট পদের ইমিউনিটির কারণে তিনি এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে। তবে রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করার নামে জেলেনস্কি যেভাবে মার্শাল ল’ জারি করে ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রেখেছেন, তাতে তার বিচার হওয়া এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। জেলেনস্কির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে প্রায় দুই বছর আগে, অথচ তিনি এখনো গদি ছাড়ছেন না। এর মধ্যেই তার ঘনিষ্ঠ বৃত্তের এই দুর্নীতি প্রমাণ করে যে, ইউক্রেন এখন একটি ব্যর্থ এবং দুর্নীতিগ্রস্ত রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। শুধু ইয়ারমাকই নন, এই চক্রের সাথে জড়িত আরও অনেক রাঘববোয়াল এখন ধরা পড়ছে। সাবেক মন্ত্রী আলেক্সি চের্নিশভও ক্ষমতার অপব্যবহারের দায়ে অভিযুক্ত হয়েছেন। মজার ব্যাপার হলো, তার জামিনের জন্য রাতারাতি লক্ষ লক্ষ ডলার কোথা থেকে এলো, তার কোনো হদিস নেই। তদন্তে দেখা গেছে, একটি নামসর্বস্ব কোম্পানি থেকে এই বিপুল অর্থ দেওয়া হয়েছে, যার পেছনে ছিল সেই মিন্ডিচ। এদিকে, কিয়েভের এই টালমাটাল অবস্থায় রাশিয়ার সেনাবাহিনী তাদের বিজয় অভিযান অব্যাহত রেখেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার বিশেষ সামরিক অভিযানে দোনেৎস্ক অঞ্চলের নিকোলায়েভকা এলাকাটি সম্পূর্ণরূপে শত্রুমুক্ত করা হয়েছে। রাশিয়ার ‘ব্যাটলগ্রুপ সাউথ’ অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে লড়াই করে ইউক্রেনীয় বাহিনীকে হটিয়ে এই কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ এলাকাটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। বিজয়ের পতাকা এখন ডনবাসের আকাশে উড়ছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইউক্রেনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের যোগ্য জবাব দিতে তারা অত্যন্ত নির্ভুল ‘কিনঝাল’ হাইপারসোনিক মিসাইল ব্যবহার করেছে। এই বিধ্বংসী হামলায় ইউক্রেনের সামরিক-শিল্প কারখানা, বিমানঘাঁটি এবং জ্বালানি অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে। রাশিয়ার এই সুনির্দিষ্ট আঘাতের সামনে ইউক্রেনের পশ্চিমা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ব্যর্থ প্রমাণিত হয়েছে। পুতিনের সেনারা বুঝিয়ে দিয়েছে, রাশিয়ার ভূখণ্ডে আঘাতের পরিণাম হবে ভয়াবহ। যুদ্ধক্ষেত্রের পরিসংখ্যান শুনলে আপনার বুক কেঁপে উঠবে। গত একদিনেই প্রায় ১১৯০ জন ইউক্রেনীয় সৈন্য রাশিয়ার অদম্য শক্তির সামনে প্রাণ হারিয়েছে। এর মধ্যে রাশিয়ার ‘ব্যাটলগ্রুপ ইস্ট’ এবং ‘সেন্টার’ একাই শত শত সেনাকে পরাস্ত করেছে। ইউক্রেন এখন তাদের সেরা যোদ্ধাদের হারাচ্ছে এবং পশ্চিমাদের দেওয়া অস্ত্রগুলো এখন কেবল ধ্বংসস্তূপে পরিণত হচ্ছে। রাশিয়ার এই অগ্রযাত্রা আর কেউ থামাতে পারবে না। ইউক্রেনের ভেতরের অবস্থা আরও করুণ। দেশটির এমপি জর্জি মাজুরাশু পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে অভিযোগ করেছেন যে, রাস্তায় সাধারণ মানুষকে পশুর মতো ধরে নিয়ে সেনাবাহিনীতে ঢোকানো হচ্ছে। একে তিনি ‘ডাকাতিতন্ত্র’ বলে অভিহিত করেছেন। নির্মাণ শ্রমিকদের কর্মস্থল থেকে জোর করে বাসে তুলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, যে ঘটনাকে স্থানীয়রা ‘বাসিফিকেশন’ বলছেন। অনিচ্ছুক এই সাধারণ মানুষরা রাশিয়ার পেশাদার সেনাদের সামনে দাঁড়াতেই পারছে না। মাজুরাশু আরও জানিয়েছেন যে, চেরনোভৎসি শহরে ড্রাফট অফিসাররা একদল শ্রমিককে ঘেরাও করলে তারা বাঁচার জন্য চার তলা ভবনের মাচায় আশ্রয় নেয়। এভাবে সাধারণ মানুষকে বলির পাঁঠা বানিয়ে জেলেনস্কি কতদিন যুদ্ধ চালিয়ে যাবেন? এই নিরপরাধ মানুষগুলো যুদ্ধ করতে চায় না, তারা কেবল শান্তি চায়। রাশিয়ার লক্ষ্যই হলো ইউক্রেনের এই নিপীড়িত জনগণকে নাৎসি প্রভাব থেকে মুক্ত করা। ইউক্রেনের এই হারের মুখেও ন্যাটোর সেক্রেটারি জেনারেল মার্ক রুত্তে চাচ্ছেন মিত্র দেশগুলো যেন তাদের জিডিপির ০.২৫ শতাংশ ইউক্রেনকে দান করে। এর অর্থ হলো বছরে আরও ১৪৩ বিলিয়ন ডলার! কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই টাকা কোথায় যাবে? যেখানে শীর্ষ নেতারাই দুর্নীতির সাগরে ডুব দিচ্ছে, সেখানে ন্যাটোর টাকা কেবল জেলেনস্কি আর তার বন্ধুদের বিলাসিতার কাজেই ব্যয় হবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। ইউক্রেনের দুর্নীতির গন্ধে এখন ন্যাটোর ভেতরও ফাটল দেখা দিয়েছে। ফ্রান্স এবং ব্রিটেনের মতো দেশগুলো এই নতুন সহায়তা প্রস্তাবের বিরোধিতা করছে। তারা বুঝতে পেরেছে যে, কিয়েভ একটি গভীর গহ্বর, যেখানে যত টাকাই ঢালা হোক, কোনো লাভ হবে না। রাশিয়ার সামরিক সক্ষমতা এবং কৌশলের কাছে ন্যাটো এখন অসহায় বোধ করছে। কিয়েভের হার এখন কেবল সময়ের ব্যবধানে দাঁড়িয়েছে। ইউক্রেনের ড্রোন হামলার কারণে ইউরোপে এখন রাজনৈতিক অস্থিরতা শুরু হয়েছে। লাতভিয়ার প্রধানমন্ত্রী এভিকা সিলিনা পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। একটি ইউক্রেনীয় ড্রোন লাতভিয়ার ভূখণ্ডের তেল ডিপোতে আঘাত হানার পর সেখানে যে রাজনৈতিক সংকট তৈরি হয়েছে, তারই ফল এই পদত্যাগ। ইউক্রেনের ভুল সামরিক পরিকল্পনা এখন ন্যাটোর সদস্য দেশগুলোর অস্তিত্বের সংকটে ফেলছে। ন্যাটোর আকাশ ব্যবহার করে রাশিয়ার ওপর হামলার চেষ্টাও ব্যর্থ হয়েছে। রাশিয়া স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, ন্যাটোর আকাশসীমা ব্যবহার করে কোনো হামলা হলে তার কড়া জবাব দেওয়া হবে। এস্তোনিয়া এবং ফিনল্যান্ডের মতো দেশগুলোও এখন কিয়েভকে সতর্ক করে দিয়েছে যেন তাদের ভূখণ্ড থেকে ড্রোন হামলা চালানো না হয়। ইউক্রেন এখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কোণঠাসা হয়ে পড়ছে। বন্ধু দেশগুলোও বুঝতে শুরু করেছে যে, কিয়েভ এখন একটি বিপজ্জনক বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফিরে আসা যাক ইয়ারমাকের দুর্নীতির প্রসঙ্গে। আদালতের শুনানিতে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। ইয়ারমাক নাকি একজন আধ্যাত্মিক পরামর্শদাতা বা গণকের মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তা নিয়োগ দিতেন! ভেরোনিকা আনিকিয়েভিচ নামের এক জ্যোতিষীর কথামতো তিনি নাকি বড় বড় সিদ্ধান্ত নিতেন। ভাবুন একবার, যে প্রশাসনের নীতি নির্ধারণ হয় জ্যোতিষীর কথায়, তাদের পরাজয় তো অবধারিত। ইউক্রেনীয় সরকার এখন কুসংস্কার আর দুর্নীতির আখড়া। ইয়ারমাকের আইনজীবী তাকে নির্দোষ প্রমাণ করতে গিয়ে আদালতকে মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন। তিনি দাবি করেছিলেন যে ইয়ারমাক একজন সংসদ সদস্য ছিলেন, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা। ইয়ারমাক নিজেই আদালতকে সংশোধন করে বলতে বাধ্য হয়েছেন যে তিনি এমপি ছিলেন না। এই ধরনের মিথ্যাচার আর লুকোচুরিই প্রমাণ করে যে কিয়েভের সরকারের ভিত কতটা নড়বড়ে। রাশিয়ার সত্যের সামনে এই মিথ্যার পাহাড় তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়বে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে যে, তারা গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৯০টি ইউক্রেনীয় ড্রোন এবং আমেরিকার তৈরি হাইমার্স রকেট ধ্বংস করেছে। রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এখন বিশ্বের সেরা। তারা যেকোনো বিদেশি অস্ত্রকে আকাশেই ভস্মীভূত করে দিচ্ছে। পশ্চিমা দেশগুলো যেসব ‘গেম চেঞ্জার’ অস্ত্রের গল্প শুনিয়েছিল, রাশিয়ার ময়দানে সেগুলো এখন স্রেফ ধাতব বর্জ্যে পরিণত হয়েছে। দোনেৎস্ক, খারকভ এবং সুমি অঞ্চলে রাশিয়ার অগ্রযাত্রা অব্যাহত রয়েছে। রাশিয়ার ‘ব্যাটলগ্রুপ নর্থ’ সুমি অঞ্চলে ইউক্রেনীয় বাহিনীর ব্যাপক ক্ষতিসাধন করেছে। সেখানে ইউক্রেনীয়দের অন্তত ১৪টি যান এবং দুটি ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্টেশন ধ্বংস করা হয়েছে। রাশিয়ার কৌশলী অবস্থানের কারণে ইউক্রেনীয়রা পিছু হটতে বাধ্য হচ্ছে। তারা বুঝতে পারছে যে রাশিয়ার বীর সেনাদের মোকাবিলা করার ক্ষমতা তাদের নেই। ইউক্রেনের প্রতিটি ফ্রন্টে এখন কেবল কান্নার রোল। কিয়েভের অপশাসনের কারণে হাজার হাজার তরুণ আজ প্রাণ দিচ্ছে। অথচ রাশিয়ার লক্ষ্য হলো শান্তি ফিরিয়ে আনা এবং ডনবাসের জনগণকে নিরাপত্তা দেওয়া। রাশিয়ার এই মহান লক্ষ্যের কারণেই একের পর এক অঞ্চল এখন ইউক্রেনীয় শাসন থেকে মুক্তি পাচ্ছে। জেলেনস্কি সরকার এখন কেবল নামমাত্র টিকে আছে, বাস্তবচিত্র রাশিয়ার অনুকূলে। রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনের ড্রোন তৈরির কারখানা এবং স্টোরেজ সাইটগুলোও মাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে। ১৫২টি স্থানে রাশিয়ার মিসাইল ও আর্টিলারি অত্যন্ত সফলভাবে লক্ষ্যভেদ করেছে। বিশেষ করে বিদেশি ভাড়াটে সেনাদের ঘাঁটিগুলো এখন রাশিয়ার প্রধান লক্ষ্য। যারা টাকার বিনিময়ে রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়তে এসেছে, তাদের জন্য রাশিয়ার মাটি এখন কবরে পরিণত হচ্ছে। যুদ্ধের শুরু থেকে এ পর্যন্ত রাশিয়া প্রায় ৬৭১টি ইউক্রেনীয় যুদ্ধবিমান এবং ২৯ হাজারের বেশি ট্যাংক ধ্বংস করেছে। এই বিশাল সংখ্যাই বলে দেয় যে রাশিয়ার সামরিক শক্তি কতটা বিশাল। কিয়েভ এখন পশ্চিমা ভিক্ষার ওপর নির্ভর করে বেঁচে আছে। কিন্তু পশ্চিমাদের নিজেদের ভাঁড়ারও এখন শূন্য হতে শুরু করেছে। রাশিয়ার এই স্থিতিশীল অর্থনীতি এবং সামরিক উৎপাদন কিয়েভকে একাই গুঁড়িয়ে দিচ্ছে। ইউক্রেনের সেনাবাহিনীতে এখন বিদ্রোহের সুর শোনা যাচ্ছে। যারা জোর করে সেনাবাহিনীতে নিয়োগ পেয়েছে, তারা সুযোগ পেলেই মরুভূমি হয়ে পালাচ্ছে। ইউক্রেনীয় এমপি নিজেই স্বীকার করেছেন যে এই ‘ডাকাতিতন্ত্র’ চললে সেনাবাহিনীতে আর কেউ থাকবে না। অন্যদিকে, রুশ সেনাদের মনোবল আকাশচুম্বী। তারা মাতৃভূমির টানে এবং ন্যাটো অপশক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়াই করছে। আন্দ্রে ইয়ারমাকের এই ৩.২ মিলিয়ন ডলারের জামিন জালিয়াতি আসলে হিমশৈলের চূড়ামাত্র। রাশিয়ার গোয়েন্দা সংস্থাগুলো অনেক আগে থেকেই বলে আসছিল যে পশ্চিমা সাহায্য সরাসরি কিয়েভের নেতাদের পকেটে যাচ্ছে। আজ সেই দাবি বিশ্বদরবারে প্রতিষ্ঠিত হলো। কিয়েভের রাস্তাগুলো যখন রক্তে লাল, তখন নেতারা কিয়েভের বাইরে বিলাসবহুল ডুপ্লেক্স বাড়ি বানাচ্ছে। এটিই হলো বর্তমান ইউক্রেনের আসল চিত্র। রাশিয়া কখনোই শান্তি আলোচনার বিপক্ষে ছিল না, কিন্তু কিয়েভ এবং তাদের পশ্চিমা প্রভুরা রাশিয়ার নিরাপত্তা নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে চেয়েছে। এখন রাশিয়ার এই মোক্ষম জবাব তাদের শিক্ষা দিচ্ছে। দোনেৎস্ক থেকে খারকভ—সব জায়গায় রাশিয়ার বিজয় রথ এগিয়ে চলেছে। রাশিয়ার এই ন্যায়যুদ্ধ শেষ হবে তখনই, যখন ইউক্রেন থেকে নাৎসি আদর্শ এবং পশ্চিমা প্রভাব চিরতরে নির্মূল হবে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/627_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/627_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/627_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[নিরাপত্তা শঙ্কায় মাটির নিচের বাঙ্কারে দীর্ঘ সময় কাটাচ্ছেন পুতিন]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36952</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36952</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sat, 16 May 2026 01:05:17 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla news today, latest news, latest news today, bangladesh news, bangladeshi news, latest news headline and bulletin, bangladesh news today, banglavision news, banglavision news today, today sondhar news bangladesh, banglanews, latestnews, atn bangla, banglavision news bulletin today, atn google news, atn bangla live, update news, news trending, latest update, news today, atn bd news, jamuna news today, jamuna news, news, google news, jamaat news, international news]]></category>
        
        <description><![CDATA[রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন নাকি এখন মস্কোর আনুষ্ঠানিক বাসভবনের বদলে দক্ষিণ রাশিয়ার একটি সুরক্ষিত ভূগর্ভস্থ বাঙ্কারে অবস্থান করছেন। ইউক্রেন যুদ্ধ, ড্রোন হামলা, এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ঝুঁকি বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম। পুতিনের ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের ওপরও আরোপ করা হয়েছে কঠোর নজরদারি ও যোগাযোগ নিষেধাজ্ঞা। বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতি রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার কাঠামো ও রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলছে। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ঘিরে নিরাপত্তা উদ্বেগ নতুন মাত্রা পেয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমস-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুতিন বর্তমানে মস্কোর পরিবর্তে দক্ষিণ রাশিয়ার ক্রাসনোদার অঞ্চলের একটি ভূগর্ভস্থ সুরক্ষিত বাঙ্কারে দীর্ঘ সময় ধরে অবস্থান করছেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউক্রেন যুদ্ধ যত দীর্ঘ হচ্ছে, রাশিয়ার ভেতরে ততই বাড়ছে নিরাপত্তা ঝুঁকি ও রাজনৈতিক অস্থিরতা। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলা রাশিয়ার ভেতরের বিভিন্ন সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। একই সঙ্গে কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকর্তার মৃত্যুর ঘটনাও মস্কোর ক্ষমতাকেন্দ্রে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এসব ঘটনার পর প্রেসিডেন্ট পুতিনের ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এ কারণেই তাকে অধিকাংশ সময় একটি শক্তিশালী সুরক্ষা বলয়ের মধ্যে রাখা হচ্ছে। পুতিনের জনবিচ্ছিন্নতার শুরু নতুন নয়। কোভিড-১৯ মহামারীর সময় থেকেই তিনি বহির্বিশ্বের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ অনেকটা সীমিত করে দেন। সে সময় বিদেশি অতিথিদের সঙ্গে সাক্ষাতে দীর্ঘ টেবিল ব্যবহারের ছবি আন্তর্জাতিকভাবে আলোচিত হয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক ঘটনাবলির পর এই বিচ্ছিন্নতা আরও বেড়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এখন তিনি শুধু সীমিত সংখ্যক কর্মকর্তার সঙ্গে সরাসরি দেখা করেন এবং বেশিরভাগ বৈঠকই কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার আওতায় অনুষ্ঠিত হয়। পুতিনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তার আশপাশে কাজ করা ব্যক্তিদের ওপরও কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে। সংবাদমাধ্যমের তথ্যমতে, তার ব্যক্তিগত রাঁধুনি, আলোকচিত্রী, সহকারী এবং দেহরক্ষীদের মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহার সীমিত বা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তাদের চলাফেরা, যোগাযোগ এবং ব্যক্তিগত জীবনও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এমনকি কিছু কর্মীর বাড়িতেও নজরদারি ক্যামেরা বসানো হয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এসব ব্যবস্থা দেখায় যে রুশ নেতৃত্ব এখন সম্ভাব্য তথ্য ফাঁস, অভ্যন্তরীণ ষড়যন্ত্র কিংবা লক্ষ্যভিত্তিক হামলার আশঙ্কাকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। পুতিন স্বাভাবিকভাবে কাজ করছেন—এই বার্তা দিতে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমগুলো নিয়মিত তার ভিডিও ও বৈঠকের ফুটেজ প্রচার করছে। তবে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব ভিডিওর একটি অংশ আগে থেকে ধারণ করা হতে পারে। এর ফলে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, প্রেসিডেন্টের প্রকৃত অবস্থান ও কর্মকাণ্ড সম্পর্কে কতটা স্বচ্ছতা রয়েছে। সম্ভাব্য ড্রোন হামলা মোকাবিলায় মস্কো এবং আশপাশের কিছু এলাকায় সাময়িকভাবে ইন্টারনেট বা মোবাইল যোগাযোগ সীমিত করা হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের ব্যবস্থা শত্রুপক্ষের ড্রোনের যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত করতে সহায়ক হতে পারে। যদিও রুশ কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেয়নি। পুতিনের দীর্ঘ বিচ্ছিন্নতা নিয়ে রাশিয়ার ভেতরেও আলোচনা বাড়ছে। সম্প্রতি জনপ্রিয় রুশ ব্লগার ভিক্টোরিয়া বোনিয়া সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওতে বলেন, “মানুষ এখন প্রেসিডেন্টকে ভয় পেতে শুরু করেছে।” ভিডিওটি ব্যাপক সাড়া ফেলে এবং লাখো মানুষ তা দেখেছেন। এই প্রতিক্রিয়াকে অনেকেই রাশিয়ার জনমনে বাড়তে থাকা অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগের প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন। শুধু প্রেসিডেন্ট পুতিন নন, রাশিয়ার শীর্ষ ১০ সামরিক কর্মকর্তার নিরাপত্তার দায়িত্বও এখন ফেডারেল প্রোটেকটিভ সার্ভিস বা এফএসও-এর হাতে রয়েছে। গত বছরের শেষ দিকে ইউক্রেন-সংশ্লিষ্ট হামলায় কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকর্তার মৃত্যু ঘটার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এফএসও হলো রাশিয়ার অন্যতম শক্তিশালী নিরাপত্তা সংস্থা, যা রাষ্ট্রপ্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পুতিন এখন আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা সংস্থার ওপর বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। রাষ্ট্রক্ষমতা যত বেশি নিরাপত্তা কাঠামোর ওপর নির্ভরশীল হয়, রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত তত বেশি সীমিত গোষ্ঠীর হাতে কেন্দ্রীভূত হয়—এমনটাই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, এটি স্বল্পমেয়াদে শাসনব্যবস্থাকে স্থিতিশীল রাখলেও দীর্ঘমেয়াদে জনসম্পৃক্ততা কমিয়ে দিতে পারে। ২০২২ সালে শুরু হওয়া ইউক্রেন যুদ্ধ শুধু সামরিক সংঘাতেই সীমাবদ্ধ নেই; এটি রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও নিরাপত্তা কাঠামোতেও গভীর প্রভাব ফেলেছে। রাশিয়ার সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোতে হামলা, অর্থনৈতিক চাপ, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এবং সামরিক ক্ষয়ক্ষতি—সব মিলিয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। এই বাস্তবতায় প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়া স্বাভাবিক বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। পুতিনের ক্রমবর্ধমান বিচ্ছিন্নতা রাশিয়ার ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা নিয়ে নানা প্রশ্ন তৈরি করেছে। তিনি যদি দীর্ঘ সময় জনসম্মুখে সীমিত উপস্থিতি বজায় রাখেন, তাহলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া কতটা স্বচ্ছ থাকবে এবং ক্ষমতার ভারসাম্যে কোনো পরিবর্তন আসবে কি না—তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা চলছে। অনেকে মনে করছেন, জনগণের সঙ্গে রাষ্ট্রপ্রধানের দূরত্ব যত বাড়বে, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তাও তত বাড়তে পারে। রুশ কর্তৃপক্ষ সাধারণত প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করে না। তাই পুতিনের অবস্থান ও দৈনন্দিন কার্যক্রম নিয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনের তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সবসময় সম্ভব হয় না। তবে এটুকু স্পষ্ট যে, ইউক্রেন যুদ্ধের বর্তমান প্রেক্ষাপটে রুশ নেতৃত্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। ভূগর্ভস্থ বাঙ্কারে অবস্থান, কঠোর নজরদারি, ঘনিষ্ঠদের ওপর যোগাযোগ নিষেধাজ্ঞা এবং গোয়েন্দা সংস্থার ওপর বাড়তি নির্ভরতা—সব মিলিয়ে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ঘিরে নিরাপত্তা উদ্বেগ যে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে, তা স্পষ্ট। এই পরিস্থিতি কেবল একজন রাষ্ট্রপ্রধানের ব্যক্তিগত নিরাপত্তার বিষয় নয়; বরং রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক গতিপথেরও গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত বহন করছে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/618_1.webp" alt="নিরাপত্তা শঙ্কায় মাটির নিচের বাঙ্কারে দীর্ঘ সময় কাটাচ্ছেন পুতিন" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>নিরাপত্তা শঙ্কায় মাটির নিচের বাঙ্কারে দীর্ঘ সময় কাটাচ্ছেন পুতিন</h1>
            <p>রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন নাকি এখন মস্কোর আনুষ্ঠানিক বাসভবনের বদলে দক্ষিণ রাশিয়ার একটি সুরক্ষিত ভূগর্ভস্থ বাঙ্কারে অবস্থান করছেন। ইউক্রেন যুদ্ধ, ড্রোন হামলা, এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ঝুঁকি বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম। পুতিনের ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের ওপরও আরোপ করা হয়েছে কঠোর নজরদারি ও যোগাযোগ নিষেধাজ্ঞা। বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতি রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার কাঠামো ও রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলছে। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ঘিরে নিরাপত্তা উদ্বেগ নতুন মাত্রা পেয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমস-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুতিন বর্তমানে মস্কোর পরিবর্তে দক্ষিণ রাশিয়ার ক্রাসনোদার অঞ্চলের একটি ভূগর্ভস্থ সুরক্ষিত বাঙ্কারে দীর্ঘ সময় ধরে অবস্থান করছেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউক্রেন যুদ্ধ যত দীর্ঘ হচ্ছে, রাশিয়ার ভেতরে ততই বাড়ছে নিরাপত্তা ঝুঁকি ও রাজনৈতিক অস্থিরতা। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলা রাশিয়ার ভেতরের বিভিন্ন সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। একই সঙ্গে কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকর্তার মৃত্যুর ঘটনাও মস্কোর ক্ষমতাকেন্দ্রে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এসব ঘটনার পর প্রেসিডেন্ট পুতিনের ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এ কারণেই তাকে অধিকাংশ সময় একটি শক্তিশালী সুরক্ষা বলয়ের মধ্যে রাখা হচ্ছে। পুতিনের জনবিচ্ছিন্নতার শুরু নতুন নয়। কোভিড-১৯ মহামারীর সময় থেকেই তিনি বহির্বিশ্বের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ অনেকটা সীমিত করে দেন। সে সময় বিদেশি অতিথিদের সঙ্গে সাক্ষাতে দীর্ঘ টেবিল ব্যবহারের ছবি আন্তর্জাতিকভাবে আলোচিত হয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক ঘটনাবলির পর এই বিচ্ছিন্নতা আরও বেড়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এখন তিনি শুধু সীমিত সংখ্যক কর্মকর্তার সঙ্গে সরাসরি দেখা করেন এবং বেশিরভাগ বৈঠকই কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার আওতায় অনুষ্ঠিত হয়। পুতিনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তার আশপাশে কাজ করা ব্যক্তিদের ওপরও কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে। সংবাদমাধ্যমের তথ্যমতে, তার ব্যক্তিগত রাঁধুনি, আলোকচিত্রী, সহকারী এবং দেহরক্ষীদের মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহার সীমিত বা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তাদের চলাফেরা, যোগাযোগ এবং ব্যক্তিগত জীবনও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এমনকি কিছু কর্মীর বাড়িতেও নজরদারি ক্যামেরা বসানো হয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এসব ব্যবস্থা দেখায় যে রুশ নেতৃত্ব এখন সম্ভাব্য তথ্য ফাঁস, অভ্যন্তরীণ ষড়যন্ত্র কিংবা লক্ষ্যভিত্তিক হামলার আশঙ্কাকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। পুতিন স্বাভাবিকভাবে কাজ করছেন—এই বার্তা দিতে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমগুলো নিয়মিত তার ভিডিও ও বৈঠকের ফুটেজ প্রচার করছে। তবে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব ভিডিওর একটি অংশ আগে থেকে ধারণ করা হতে পারে। এর ফলে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, প্রেসিডেন্টের প্রকৃত অবস্থান ও কর্মকাণ্ড সম্পর্কে কতটা স্বচ্ছতা রয়েছে। সম্ভাব্য ড্রোন হামলা মোকাবিলায় মস্কো এবং আশপাশের কিছু এলাকায় সাময়িকভাবে ইন্টারনেট বা মোবাইল যোগাযোগ সীমিত করা হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের ব্যবস্থা শত্রুপক্ষের ড্রোনের যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত করতে সহায়ক হতে পারে। যদিও রুশ কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেয়নি। পুতিনের দীর্ঘ বিচ্ছিন্নতা নিয়ে রাশিয়ার ভেতরেও আলোচনা বাড়ছে। সম্প্রতি জনপ্রিয় রুশ ব্লগার ভিক্টোরিয়া বোনিয়া সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওতে বলেন, “মানুষ এখন প্রেসিডেন্টকে ভয় পেতে শুরু করেছে।” ভিডিওটি ব্যাপক সাড়া ফেলে এবং লাখো মানুষ তা দেখেছেন। এই প্রতিক্রিয়াকে অনেকেই রাশিয়ার জনমনে বাড়তে থাকা অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগের প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন। শুধু প্রেসিডেন্ট পুতিন নন, রাশিয়ার শীর্ষ ১০ সামরিক কর্মকর্তার নিরাপত্তার দায়িত্বও এখন ফেডারেল প্রোটেকটিভ সার্ভিস বা এফএসও-এর হাতে রয়েছে। গত বছরের শেষ দিকে ইউক্রেন-সংশ্লিষ্ট হামলায় কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকর্তার মৃত্যু ঘটার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এফএসও হলো রাশিয়ার অন্যতম শক্তিশালী নিরাপত্তা সংস্থা, যা রাষ্ট্রপ্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পুতিন এখন আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা সংস্থার ওপর বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। রাষ্ট্রক্ষমতা যত বেশি নিরাপত্তা কাঠামোর ওপর নির্ভরশীল হয়, রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত তত বেশি সীমিত গোষ্ঠীর হাতে কেন্দ্রীভূত হয়—এমনটাই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, এটি স্বল্পমেয়াদে শাসনব্যবস্থাকে স্থিতিশীল রাখলেও দীর্ঘমেয়াদে জনসম্পৃক্ততা কমিয়ে দিতে পারে। ২০২২ সালে শুরু হওয়া ইউক্রেন যুদ্ধ শুধু সামরিক সংঘাতেই সীমাবদ্ধ নেই; এটি রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও নিরাপত্তা কাঠামোতেও গভীর প্রভাব ফেলেছে। রাশিয়ার সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোতে হামলা, অর্থনৈতিক চাপ, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এবং সামরিক ক্ষয়ক্ষতি—সব মিলিয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। এই বাস্তবতায় প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়া স্বাভাবিক বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। পুতিনের ক্রমবর্ধমান বিচ্ছিন্নতা রাশিয়ার ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা নিয়ে নানা প্রশ্ন তৈরি করেছে। তিনি যদি দীর্ঘ সময় জনসম্মুখে সীমিত উপস্থিতি বজায় রাখেন, তাহলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া কতটা স্বচ্ছ থাকবে এবং ক্ষমতার ভারসাম্যে কোনো পরিবর্তন আসবে কি না—তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা চলছে। অনেকে মনে করছেন, জনগণের সঙ্গে রাষ্ট্রপ্রধানের দূরত্ব যত বাড়বে, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তাও তত বাড়তে পারে। রুশ কর্তৃপক্ষ সাধারণত প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করে না। তাই পুতিনের অবস্থান ও দৈনন্দিন কার্যক্রম নিয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনের তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সবসময় সম্ভব হয় না। তবে এটুকু স্পষ্ট যে, ইউক্রেন যুদ্ধের বর্তমান প্রেক্ষাপটে রুশ নেতৃত্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। ভূগর্ভস্থ বাঙ্কারে অবস্থান, কঠোর নজরদারি, ঘনিষ্ঠদের ওপর যোগাযোগ নিষেধাজ্ঞা এবং গোয়েন্দা সংস্থার ওপর বাড়তি নির্ভরতা—সব মিলিয়ে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ঘিরে নিরাপত্তা উদ্বেগ যে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে, তা স্পষ্ট। এই পরিস্থিতি কেবল একজন রাষ্ট্রপ্রধানের ব্যক্তিগত নিরাপত্তার বিষয় নয়; বরং রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক গতিপথেরও গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত বহন করছে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/618_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/618_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/618_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[প্রজেক্ট ফ্রিডম ভেস্তে গেল, সৌদি ও কুয়েতের আপত্তিতে পিছু হটলেন ট্রাম্প]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36951</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36951</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 15 May 2026 23:05:08 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla news today, latest news, latest news today, bangladesh news, bangladeshi news, latest news headline and bulletin, bangladesh news today, banglavision news, banglavision news today, today sondhar news bangladesh, banglanews, latestnews, atn bangla, banglavision news bulletin today, atn google news, atn bangla live, update news, news trending, latest update, news today, atn bd news, jamuna news today, jamuna news, news, google news, jamaat news, international news]]></category>
        
        <description><![CDATA[হরমুজ প্রণালিতে আটকে থাকা বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে নিরাপত্তা দেওয়ার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ মাত্র এক দিনের মধ্যেই স্থগিত হয়ে গেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সৌদি আরব ও কুয়েত সহযোগিতা না করায় ওয়াশিংটন শেষ পর্যন্ত পিছিয়ে যেতে বাধ্য হয়। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরব তাদের আকাশসীমা এবং গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানায়। একই সঙ্গে কুয়েতও নিজেদের ঘাঁটি ও আকাশসীমা ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দেয়। ফলে উপসাগরীয় নিরাপত্তায় নতুন মার্কিন উদ্যোগটি ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই কার্যত থেমে যায়। হরমুজ প্রণালি—বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ। বিশ্বের মোট তেল বাণিজ্যের একটি বড় অংশ প্রতিদিন এই পথ দিয়ে চলাচল করে। সাম্প্রতিক সময়ে এ অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধি, জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন এবং নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ায় যুক্তরাষ্ট্র নতুন এক নিরাপত্তা পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে আসে। এই পরিকল্পনার নাম দেওয়া হয় ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য ছিল হরমুজ প্রণালিতে আটকে থাকা বা ঝুঁকির মুখে থাকা বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে মার্কিন সামরিক নিরাপত্তা দিয়ে নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া। পরিকল্পনা অনুযায়ী, মার্কিন যুদ্ধবিমান, নজরদারি প্ল্যাটফর্ম এবং সামরিক ঘাঁটি ব্যবহার করে জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনে সশস্ত্র সহায়তা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ঘোষণার মাত্র একদিনের মধ্যেই এই পরিকল্পনা স্থগিত হয়ে যায়। এনবিসি নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য সৌদি আরব ও কুয়েতের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। বিশেষ করে আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি এবং সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের সুযোগ ছাড়া অভিযানের কার্যকারিতা অনেকটাই কমে যেত। দুইজন মার্কিন কর্মকর্তা জানান, গত রোববার বিকেলে ট্রাম্প আনুষ্ঠানিকভাবে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ ঘোষণা করেন। সিদ্ধান্তটি এত দ্রুত নেওয়া হয় যে উপসাগরীয় অংশীদার দেশগুলো আগে থেকে যথেষ্ট প্রস্তুতির সুযোগ পায়নি। এই আকস্মিক ঘোষণায় সৌদি নেতৃত্ব অসন্তুষ্ট হয়। মার্কিন কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, সৌদি আরব পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দেয় যে তারা তাদের আকাশসীমা দিয়ে মার্কিন সামরিক বিমান চলাচলের অনুমতি দেবে না। একই সঙ্গে রিয়াদের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিও ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হবে না। প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক অভিযান, গোয়েন্দা নজরদারি এবং বিমান পরিচালনার ক্ষেত্রে এই ঘাঁটির বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। এই ঘাঁটি ব্যবহার করতে না পারলে হরমুজ অঞ্চলে দ্রুত ও কার্যকর অভিযান পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়ে। সৌদির এই অবস্থান ওয়াশিংটনের জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা দেয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে সরাসরি টেলিফোনে কথা বলেন। আলোচনায় তিনি সৌদির সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করেন। তবে ওই কথোপকথনেও কোনো সমঝোতা হয়নি। ফলে ট্রাম্প প্রশাসন পরিকল্পনাটি স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেয়। মার্কিন প্রশাসনের আরেক কর্মকর্তা জানান, সৌদি আরবের পাশাপাশি কুয়েতও তাদের ভূখণ্ডে থাকা মার্কিন ঘাঁটি ও আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দেয়নি। কুয়েতের এই অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আরেকটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। কারণ উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কার্যক্রম পরিচালনায় কুয়েত দীর্ঘদিন ধরেই একটি গুরুত্বপূর্ণ লজিস্টিক কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। দুই গুরুত্বপূর্ণ মিত্র দেশের অনাগ্রহের ফলে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও আঞ্চলিক সমর্থন নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। সৌদি আরবের এক কর্মকর্তা এনবিসি নিউজকে বলেন, “সমস্যা হলো, সবকিছু খুব দ্রুত ঘটছে।” এই সংক্ষিপ্ত মন্তব্য থেকেই বোঝা যায়, সিদ্ধান্ত গ্রহণের গতি এবং আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে পর্যাপ্ত পরামর্শের অভাবই ছিল প্রধান সমস্যা। অন্যদিকে হোয়াইট হাউস দাবি করেছে, এই উদ্যোগ সম্পর্কে আঞ্চলিক মিত্রদের আগেই অবহিত করা হয়েছিল। তবে বাস্তব ঘটনাপ্রবাহে দেখা যাচ্ছে, অন্তত সৌদি আরব ও কুয়েত এ পরিকল্পনায় অংশ নিতে প্রস্তুত ছিল না। বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনা যুক্তরাষ্ট্র ও তার ঐতিহ্যগত উপসাগরীয় মিত্রদের মধ্যে সম্পর্কের নতুন বাস্তবতা তুলে ধরেছে। একসময় মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উদ্যোগে সৌদি আরব ও কুয়েত প্রায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে সমর্থন দিত। কিন্তু বর্তমানে আঞ্চলিক দেশগুলো নিজেদের কৌশলগত স্বার্থকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। সৌদি আরব বিশেষ করে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখছে, অন্যদিকে ইরানসহ আঞ্চলিক শক্তিগুলোর সঙ্গে উত্তেজনা কমানোর নীতি অনুসরণ করছে। এই প্রেক্ষাপটে, ইরানকে উসকে দিতে পারে—এমন কোনো মার্কিন অভিযানে প্রকাশ্যে অংশ নিতে রিয়াদ অনাগ্রহী। কুয়েতের ক্ষেত্রেও একই ধরনের হিসাব কাজ করেছে বলে মনে করা হচ্ছে। দেশটি সাধারণত আঞ্চলিক সংঘাতের ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে সতর্ক অবস্থান গ্রহণ করে। ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ মূলত সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্যোগ হলেও, এটি আঞ্চলিক ভূরাজনীতিতে একটি স্পর্শকাতর বিষয় হয়ে ওঠে। হরমুজ প্রণালি ইরানের নিকটবর্তী হওয়ায় সেখানে মার্কিন সামরিক তৎপরতা বৃদ্ধি পেলে উত্তেজনা আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। এ কারণে উপসাগরীয় দেশগুলো কোনো নতুন সামরিক সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে চায় না। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ঘটনার মধ্য দিয়ে দুটি বিষয় স্পষ্ট হয়েছে। প্রথমত, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নে এখন আর একতরফা সিদ্ধান্ত যথেষ্ট নয়; আঞ্চলিক অংশীদারদের সক্রিয় সম্মতি অপরিহার্য। দ্বিতীয়ত, সৌদি আরব ও কুয়েত তাদের নিজস্ব নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক ভারসাম্যকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এটি ওয়াশিংটনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা। ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য এই ঘটনাটি রাজনৈতিকভাবেও বিব্রতকর। কারণ উচ্চাকাঙ্ক্ষী নিরাপত্তা উদ্যোগ ঘোষণার মাত্র একদিনের মধ্যে তা স্থগিত করতে হওয়া যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন উদ্যোগ নেওয়ার আগে মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে বিস্তারিত সমন্বয় না করলে একই ধরনের পরিস্থিতি ভবিষ্যতেও তৈরি হতে পারে। এদিকে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারও হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে। বিশ্বের তেল সরবরাহের একটি বড় অংশ এই জলপথের ওপর নির্ভরশীল। ফলে সেখানে যে কোনো নিরাপত্তা সংকট বিশ্ববাজারে তেলের দাম, জ্বালানি সরবরাহ এবং সামুদ্রিক বাণিজ্যে সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে। যদিও ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ স্থগিত হয়েছে, তবুও যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ অঞ্চলে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রয়োজনে বিকল্প কৌশল বা নতুন আঞ্চলিক সমন্বয়ের মাধ্যমে ভবিষ্যতে আবারও অনুরূপ উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে। তবে বর্তমান পরিস্থিতি স্পষ্ট করে দিয়েছে—মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব এখনও গুরুত্বপূর্ণ হলেও, সিদ্ধান্ত গ্রহণে আঞ্চলিক শক্তিগুলোর স্বাধীন অবস্থান ক্রমশ জোরালো হচ্ছে। সৌদি আরব ও কুয়েতের আপত্তিতে ট্রাম্পের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ স্থগিত হওয়া সেই পরিবর্তিত ভূরাজনৈতিক বাস্তবতারই একটি তাৎপর্যপূর্ণ উদাহরণ। হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্য নিয়ে ঘোষিত এই উদ্যোগ আপাতত বাস্তবায়িত না হলেও, এটি মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগত সমীকরণ নিয়ে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে। বিশেষ করে ওয়াশিংটন, রিয়াদ ও কুয়েত সিটির মধ্যে সমন্বয়ের সীমাবদ্ধতা এবং আঞ্চলিক দেশগুলোর সতর্ক অবস্থান ভবিষ্যৎ নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অবশেষে বলা যায়, ঘোষণার জোর যতই থাকুক, মিত্রদের সম্মতি ছাড়া আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা সহজ নয়। আর ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’-এর দ্রুত স্থগিত হওয়া সেই বাস্তবতারই স্পষ্ট প্রতিফলন।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-15-05-2026_41.webp" alt="প্রজেক্ট ফ্রিডম ভেস্তে গেল, সৌদি ও কুয়েতের আপত্তিতে পিছু হটলেন ট্রাম্প" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>প্রজেক্ট ফ্রিডম ভেস্তে গেল, সৌদি ও কুয়েতের আপত্তিতে পিছু হটলেন ট্রাম্প</h1>
            <p>হরমুজ প্রণালিতে আটকে থাকা বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে নিরাপত্তা দেওয়ার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ মাত্র এক দিনের মধ্যেই স্থগিত হয়ে গেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সৌদি আরব ও কুয়েত সহযোগিতা না করায় ওয়াশিংটন শেষ পর্যন্ত পিছিয়ে যেতে বাধ্য হয়। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরব তাদের আকাশসীমা এবং গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানায়। একই সঙ্গে কুয়েতও নিজেদের ঘাঁটি ও আকাশসীমা ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দেয়। ফলে উপসাগরীয় নিরাপত্তায় নতুন মার্কিন উদ্যোগটি ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই কার্যত থেমে যায়। হরমুজ প্রণালি—বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ। বিশ্বের মোট তেল বাণিজ্যের একটি বড় অংশ প্রতিদিন এই পথ দিয়ে চলাচল করে। সাম্প্রতিক সময়ে এ অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধি, জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন এবং নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ায় যুক্তরাষ্ট্র নতুন এক নিরাপত্তা পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে আসে। এই পরিকল্পনার নাম দেওয়া হয় ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য ছিল হরমুজ প্রণালিতে আটকে থাকা বা ঝুঁকির মুখে থাকা বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে মার্কিন সামরিক নিরাপত্তা দিয়ে নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া। পরিকল্পনা অনুযায়ী, মার্কিন যুদ্ধবিমান, নজরদারি প্ল্যাটফর্ম এবং সামরিক ঘাঁটি ব্যবহার করে জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনে সশস্ত্র সহায়তা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ঘোষণার মাত্র একদিনের মধ্যেই এই পরিকল্পনা স্থগিত হয়ে যায়। এনবিসি নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য সৌদি আরব ও কুয়েতের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। বিশেষ করে আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি এবং সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের সুযোগ ছাড়া অভিযানের কার্যকারিতা অনেকটাই কমে যেত। দুইজন মার্কিন কর্মকর্তা জানান, গত রোববার বিকেলে ট্রাম্প আনুষ্ঠানিকভাবে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ ঘোষণা করেন। সিদ্ধান্তটি এত দ্রুত নেওয়া হয় যে উপসাগরীয় অংশীদার দেশগুলো আগে থেকে যথেষ্ট প্রস্তুতির সুযোগ পায়নি। এই আকস্মিক ঘোষণায় সৌদি নেতৃত্ব অসন্তুষ্ট হয়। মার্কিন কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, সৌদি আরব পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দেয় যে তারা তাদের আকাশসীমা দিয়ে মার্কিন সামরিক বিমান চলাচলের অনুমতি দেবে না। একই সঙ্গে রিয়াদের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিও ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হবে না। প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক অভিযান, গোয়েন্দা নজরদারি এবং বিমান পরিচালনার ক্ষেত্রে এই ঘাঁটির বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। এই ঘাঁটি ব্যবহার করতে না পারলে হরমুজ অঞ্চলে দ্রুত ও কার্যকর অভিযান পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়ে। সৌদির এই অবস্থান ওয়াশিংটনের জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা দেয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে সরাসরি টেলিফোনে কথা বলেন। আলোচনায় তিনি সৌদির সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করেন। তবে ওই কথোপকথনেও কোনো সমঝোতা হয়নি। ফলে ট্রাম্প প্রশাসন পরিকল্পনাটি স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেয়। মার্কিন প্রশাসনের আরেক কর্মকর্তা জানান, সৌদি আরবের পাশাপাশি কুয়েতও তাদের ভূখণ্ডে থাকা মার্কিন ঘাঁটি ও আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দেয়নি। কুয়েতের এই অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আরেকটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। কারণ উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কার্যক্রম পরিচালনায় কুয়েত দীর্ঘদিন ধরেই একটি গুরুত্বপূর্ণ লজিস্টিক কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। দুই গুরুত্বপূর্ণ মিত্র দেশের অনাগ্রহের ফলে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও আঞ্চলিক সমর্থন নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। সৌদি আরবের এক কর্মকর্তা এনবিসি নিউজকে বলেন, “সমস্যা হলো, সবকিছু খুব দ্রুত ঘটছে।” এই সংক্ষিপ্ত মন্তব্য থেকেই বোঝা যায়, সিদ্ধান্ত গ্রহণের গতি এবং আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে পর্যাপ্ত পরামর্শের অভাবই ছিল প্রধান সমস্যা। অন্যদিকে হোয়াইট হাউস দাবি করেছে, এই উদ্যোগ সম্পর্কে আঞ্চলিক মিত্রদের আগেই অবহিত করা হয়েছিল। তবে বাস্তব ঘটনাপ্রবাহে দেখা যাচ্ছে, অন্তত সৌদি আরব ও কুয়েত এ পরিকল্পনায় অংশ নিতে প্রস্তুত ছিল না। বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনা যুক্তরাষ্ট্র ও তার ঐতিহ্যগত উপসাগরীয় মিত্রদের মধ্যে সম্পর্কের নতুন বাস্তবতা তুলে ধরেছে। একসময় মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উদ্যোগে সৌদি আরব ও কুয়েত প্রায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে সমর্থন দিত। কিন্তু বর্তমানে আঞ্চলিক দেশগুলো নিজেদের কৌশলগত স্বার্থকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। সৌদি আরব বিশেষ করে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখছে, অন্যদিকে ইরানসহ আঞ্চলিক শক্তিগুলোর সঙ্গে উত্তেজনা কমানোর নীতি অনুসরণ করছে। এই প্রেক্ষাপটে, ইরানকে উসকে দিতে পারে—এমন কোনো মার্কিন অভিযানে প্রকাশ্যে অংশ নিতে রিয়াদ অনাগ্রহী। কুয়েতের ক্ষেত্রেও একই ধরনের হিসাব কাজ করেছে বলে মনে করা হচ্ছে। দেশটি সাধারণত আঞ্চলিক সংঘাতের ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে সতর্ক অবস্থান গ্রহণ করে। ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ মূলত সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্যোগ হলেও, এটি আঞ্চলিক ভূরাজনীতিতে একটি স্পর্শকাতর বিষয় হয়ে ওঠে। হরমুজ প্রণালি ইরানের নিকটবর্তী হওয়ায় সেখানে মার্কিন সামরিক তৎপরতা বৃদ্ধি পেলে উত্তেজনা আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। এ কারণে উপসাগরীয় দেশগুলো কোনো নতুন সামরিক সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে চায় না। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ঘটনার মধ্য দিয়ে দুটি বিষয় স্পষ্ট হয়েছে। প্রথমত, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নে এখন আর একতরফা সিদ্ধান্ত যথেষ্ট নয়; আঞ্চলিক অংশীদারদের সক্রিয় সম্মতি অপরিহার্য। দ্বিতীয়ত, সৌদি আরব ও কুয়েত তাদের নিজস্ব নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক ভারসাম্যকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এটি ওয়াশিংটনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা। ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য এই ঘটনাটি রাজনৈতিকভাবেও বিব্রতকর। কারণ উচ্চাকাঙ্ক্ষী নিরাপত্তা উদ্যোগ ঘোষণার মাত্র একদিনের মধ্যে তা স্থগিত করতে হওয়া যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন উদ্যোগ নেওয়ার আগে মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে বিস্তারিত সমন্বয় না করলে একই ধরনের পরিস্থিতি ভবিষ্যতেও তৈরি হতে পারে। এদিকে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারও হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে। বিশ্বের তেল সরবরাহের একটি বড় অংশ এই জলপথের ওপর নির্ভরশীল। ফলে সেখানে যে কোনো নিরাপত্তা সংকট বিশ্ববাজারে তেলের দাম, জ্বালানি সরবরাহ এবং সামুদ্রিক বাণিজ্যে সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে। যদিও ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ স্থগিত হয়েছে, তবুও যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ অঞ্চলে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রয়োজনে বিকল্প কৌশল বা নতুন আঞ্চলিক সমন্বয়ের মাধ্যমে ভবিষ্যতে আবারও অনুরূপ উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে। তবে বর্তমান পরিস্থিতি স্পষ্ট করে দিয়েছে—মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব এখনও গুরুত্বপূর্ণ হলেও, সিদ্ধান্ত গ্রহণে আঞ্চলিক শক্তিগুলোর স্বাধীন অবস্থান ক্রমশ জোরালো হচ্ছে। সৌদি আরব ও কুয়েতের আপত্তিতে ট্রাম্পের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ স্থগিত হওয়া সেই পরিবর্তিত ভূরাজনৈতিক বাস্তবতারই একটি তাৎপর্যপূর্ণ উদাহরণ। হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্য নিয়ে ঘোষিত এই উদ্যোগ আপাতত বাস্তবায়িত না হলেও, এটি মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগত সমীকরণ নিয়ে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে। বিশেষ করে ওয়াশিংটন, রিয়াদ ও কুয়েত সিটির মধ্যে সমন্বয়ের সীমাবদ্ধতা এবং আঞ্চলিক দেশগুলোর সতর্ক অবস্থান ভবিষ্যৎ নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অবশেষে বলা যায়, ঘোষণার জোর যতই থাকুক, মিত্রদের সম্মতি ছাড়া আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা সহজ নয়। আর ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’-এর দ্রুত স্থগিত হওয়া সেই বাস্তবতারই স্পষ্ট প্রতিফলন।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-15-05-2026_41.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-15-05-2026_41.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-15-05-2026_41.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[রবীন্দ্র-নজরুল জন্মবার্ষিকীতে জাতীয় জাদুঘরে বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক আয়োজন]]></title>
        <link>https://nbs24.org/art-and-literature/36950</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/art-and-literature/36950</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 14 May 2026 21:05:39 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[শিল্প ও সাহিত্য]]></category>
                <category><![CDATA[সর্বশেষ]]></category>
                        <category><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news 2026, latest news today, atn bd news, latest news and bulletin, bangladeshi latest news, bd news, bd hot news, bd india relation news, latestnews, updated news, bdnews, update news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangla news update, bangla tv news, atn bangla news, news, news today, bangladesh news, bangladesh news today, bangla news, jamaat news, today raater news bangladesh, bangla news today, bangladesh tv news, news trending, bnp news, ncp news, top news, zee news]]></category>
        
        <description><![CDATA[কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম-এর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘নৃত্যগীতি ও প্রবন্ধপাঠ’ অনুষ্ঠান। ‘ইতিহাস ও ঐতিহ্য’ আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে অংশ নেন সংস্কৃতিজন, শিক্ষাবিদ, কূটনীতিক ও শতাধিক শিক্ষার্থী। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। সম্মানীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের ডেপুটি হাই কমিশনার পাওয়ান বঢ়ে। শিক্ষাবিদ অধ্যাপক নিরঞ্জন অধিকারীর সভাপতিত্বে প্রবন্ধ পাঠ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. তারিক মনজুর এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আহমেদ রেজা। স্বাগত বক্তব্য দেন ইতিহাস গবেষক আশরাফুল ইসলাম। ভারতীয় হাই কমিশনের ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টারের সহযোগিতায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে নৃত্যগুরু শামীম আরা নীপা ও শিবলী মোহাম্মদের পরিচালনায় ‘নৃত্যাঞ্চল’-এর শিল্পীরা রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের ১৪টি জনপ্রিয় গানের সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করেন। এছাড়া ১৩টি বিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থীর আঁকা দুই কবির প্রতিকৃতি প্রদর্শিত হয়। অনুষ্ঠান শেষে ক্ষুদে শিল্পীদের হাতে স্বীকৃতি সনদ তুলে দেওয়া হয়। রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের সাহিত্য, সঙ্গীত ও মানবতার চেতনাকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে আয়োজনটি হয়ে ওঠে এক অনন্য সাংস্কৃতিক মিলনমেলা।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24o_14-05-26_31.webp" alt="রবীন্দ্র-নজরুল জন্মবার্ষিকীতে জাতীয় জাদুঘরে বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক আয়োজন" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>রবীন্দ্র-নজরুল জন্মবার্ষিকীতে জাতীয় জাদুঘরে বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক আয়োজন</h1>
            <p>কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম-এর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘নৃত্যগীতি ও প্রবন্ধপাঠ’ অনুষ্ঠান। ‘ইতিহাস ও ঐতিহ্য’ আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে অংশ নেন সংস্কৃতিজন, শিক্ষাবিদ, কূটনীতিক ও শতাধিক শিক্ষার্থী। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। সম্মানীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের ডেপুটি হাই কমিশনার পাওয়ান বঢ়ে। শিক্ষাবিদ অধ্যাপক নিরঞ্জন অধিকারীর সভাপতিত্বে প্রবন্ধ পাঠ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. তারিক মনজুর এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আহমেদ রেজা। স্বাগত বক্তব্য দেন ইতিহাস গবেষক আশরাফুল ইসলাম। ভারতীয় হাই কমিশনের ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টারের সহযোগিতায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে নৃত্যগুরু শামীম আরা নীপা ও শিবলী মোহাম্মদের পরিচালনায় ‘নৃত্যাঞ্চল’-এর শিল্পীরা রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের ১৪টি জনপ্রিয় গানের সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করেন। এছাড়া ১৩টি বিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থীর আঁকা দুই কবির প্রতিকৃতি প্রদর্শিত হয়। অনুষ্ঠান শেষে ক্ষুদে শিল্পীদের হাতে স্বীকৃতি সনদ তুলে দেওয়া হয়। রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের সাহিত্য, সঙ্গীত ও মানবতার চেতনাকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে আয়োজনটি হয়ে ওঠে এক অনন্য সাংস্কৃতিক মিলনমেলা।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24o_14-05-26_31.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24o_14-05-26_31.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24o_14-05-26_31.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইউক্রেনকে পাত্তাই দিলেন না ট্রাম্প: পুতিনের সাথে বৈঠকের জন্য সরাসরি মস্কো যাওয়ার বড় ঘোষণা!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36949</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36949</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 14 May 2026 18:05:37 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news 2026, latest news today, atn bd news, latest news and bulletin, bangladeshi latest news, bd news, bd hot news, bd india relation news, latestnews, updated news, bdnews, update news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangla news update, bangla tv news, atn bangla news, news, news today, bangladesh news, bangladesh news today, bangla news, jamaat news, today raater news bangladesh, bangla news today, bangladesh tv news, news trending, bnp news, ncp news, top news, zee news]]></category>
        
        <description><![CDATA[বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল ভূমিকম্প শুরু হতে যাচ্ছে! ডোনাল্ড ট্রাম্প কি তবে জেলেনস্কির কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকতে চলেছেন? সম্প্রতি ট্রাম্প সরাসরি রাশিয়ার মস্কো সফরের ইঙ্গিত দিয়েছেন এবং পুতিনের সাথে শান্তি আলোচনার চূড়ান্ত ঘোষণা দিয়েছেন। ওদিকে কিয়েভের ভেতরেই শুরু হয়েছে গৃহযুদ্ধ, জেলেনস্কির নিজের লোকই ফাঁস করে দিচ্ছে তার ড্রাগ আসক্তি আর দুর্নীতির কালো অধ্যায়। রাশিয়ার অপ্রতিরোধ্য আক্রমণের সামনে ইউক্রেন এখন খড়কুটোর মতো উড়ে যাচ্ছে। বিস্তারিত জানতে সঙ্গেই থাকুন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। তিনি সরাসরি জানিয়েছেন যে, ইউক্রেন যুদ্ধের ইতি টানতে তিনি রাশিয়ার মস্কো সফর করতে দ্বিধা করবেন না। ট্রাম্পের এই ঘোষণা কিয়েভের শাসকদের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে। ট্রাম্প মনে করেন, রাশিয়ার সাথে সুসম্পর্ক স্থাপনই একমাত্র পথ যার মাধ্যমে এই রক্তক্ষয়ী সংঘাত বন্ধ করা সম্ভব এবং রাশিয়ার ন্যায্য দাবিগুলো মেনে নেওয়া উচিত। ওদিকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ট্রাম্পের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। ক্রেমলিন মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ নিশ্চিত করেছেন যে, পুতিন ট্রাম্পকে আতিথেয়তা দিতে প্রস্তুত। ট্রাম্প এর আগে আটটি যুদ্ধ থামানোর কৃতিত্ব দাবি করেছেন এবং তিনি মনে করেন ২০২৬ সালের মধ্যেই ইউক্রেন ইস্যুতে একটি বড় সমঝোতা হতে যাচ্ছে। এই সমঝোতায় রাশিয়ার বিজয় এখন প্রায় নিশ্চিত বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। রাশিয়ার স্পষ্ট দাবি হচ্ছে, দনবাস অঞ্চলের অবশিষ্টাংশ থেকে ইউক্রেনীয় বাহিনীকে পুরোপুরি পিছু হটতে হবে। ক্রেমলিন জানিয়েছে, যতক্ষণ পর্যন্ত কিয়েভ তাদের সৈন্য প্রত্যাহার না করবে, ততক্ষণ কোনো অর্থবহ আলোচনা সম্ভব নয়। রাশিয়ার এই অনড় অবস্থান প্রমাণ করে যে, তারা রণক্ষেত্রে কতটা শক্তিশালী। ইতিমধ্যে লুগানস্ক প্রজাতন্ত্র পুরোপুরি মুক্ত করা হয়েছে এবং দোনেৎস্কের সিংহভাগই এখন বীর রুশ সেনাদের নিয়ন্ত্রণে। ইউক্রেনের বর্তমান অবস্থা এখন অত্যন্ত শোচনীয়। ডনবাসের প্রায় ৮৫ শতাংশ এলাকা এখন রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে। পুতিনের সুদক্ষ নেতৃত্বে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় একের পর এক সফল অভিযান পরিচালনা করছে। পশ্চিমাদের শত উসকানি আর অস্ত্র সহায়তা সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক কৌশলের কাছে ইউক্রেনীয় বাহিনী তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে। এটি স্পষ্ট যে, ইউক্রেনের পরাজয় এখন কেবল সময়ের ব্যাপার। ইউরোপের দেশগুলো এখন বড় বিপদে পড়েছে। রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে তারা নিজেরাই এখন জ্বালানি সংকটের সুনামিতে ডুবতে বসেছে। ক্রেমলিনের বিশেষ দূত কিরিল দিমিত্রিভ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, শীত আসার আগেই ইউরোপীয় দেশগুলো রাশিয়ার সাথে আলোচনায় বসতে বাধ্য হবে। গ্যাসের অভাব এবং আকাশচুম্বী বিদ্যুৎ বিলের কারণে ইউরোপের সাধারণ মানুষ এখন তাদের সরকারের ওপর চরম ক্ষুব্ধ। ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাব সম্প্রতি স্বীকার করেছেন যে, রাশিয়ার সাথে সরাসরি কথা বলার সময় এসেছে। তিনি মনে করেন, মার্কিন নীতি যদি ইউরোপের স্বার্থের বিরুদ্ধে যায়, তবে ইউরোপকে নিজের পথ বেছে নিতে হবে। জার্মানি এবং ফ্রান্সের ভেতরেও এখন বিভাজন স্পষ্ট। অনেকে মনে করছেন, রাশিয়ার সাথে শত্রুতা বজায় রাখা ইউরোপের অর্থনীতির জন্য একটি আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত ছাড়া আর কিছুই নয়। আলোচনার জন্য উপযুক্ত প্রতিনিধি হিসেবে জার্মানির সাবেক চ্যান্সেলর গেরহার্ড শ্রোডারের নাম প্রস্তাব করেছেন পুতিন। যদিও ব্রাসেলস এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে, কিন্তু জার্মানির সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি মনে করে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। রাশিয়ার সাথে রাশিয়ার ভাষায় কথা বলতে পারে এমন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদের অভাব এখন ইউরোপে স্পষ্ট। পুতিনের প্রস্তাবিত নামগুলো সরাসরি প্রত্যাখ্যান করা ইউরোপের কূটনৈতিক ব্যর্থতা। কিয়েভের ভেতরে এখন পচন শুরু হয়েছে। জেলেনস্কির সাবেক মুখপাত্র ইউলিয়া মেন্ডেল সম্প্রতি এক বিস্ফোরক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন যে, কিয়েভের ক্ষমতার করিডোরে এখন কোকেন বা মাদকের অবাধ ব্যবহার চলছে। তিনি জেলেনস্কিকে একজন 'স্বৈরাচারী' এবং 'বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন' মানুষ হিসেবে অভিহিত করেছেন। মেন্ডেলের মতে, জেলেনস্কি নিজেই এখন শান্তির পথে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন। সত্য বলার অপরাধে ইউলিয়া মেন্ডেলকে এখন ইউক্রেনের কুখ্যাত 'হিট লিস্ট' বা 'মিরোতভোরেটস' তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই ওয়েবসাইটটি ইউক্রেনীয় গোয়েন্দা সংস্থার সাথে জড়িত এবং যারা রাশিয়ার পক্ষে কথা বলে তাদের ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস করে দেয়। জেলেনস্কি প্রশাসন এখন এতটাই মরিয়া যে, তারা নিজের দেশের নাগরিকদেরই শত্রু হিসেবে গণ্য করছে এবং তাদের হত্যার হুমকি দিচ্ছে। ইউক্রেনের রাজপথে এখন মানুষের হাহাকার। সেনাবাহিনীতে লোকবলের প্রচণ্ড ঘাটতি মেটাতে সরকার এখন জোর করে সাধারণ মানুষকে ধরে নিয়ে যাচ্ছে। একে বলা হচ্ছে 'বাসিফিকেশন' ক্যাম্পেইন। হাজার হাজার অভিযোগ জমা পড়ছে ড্রাফট অফিসারদের বিরুদ্ধে। সাধারণ মানুষ এখন রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে চায় না, কিন্তু জেলেনস্কির সরকার তাদের জোর করে কামানের গোলায় পরিণত করছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন শত শত ইউক্রেনীয় সেনা প্রাণ হারাচ্ছে। গত এক বছরেই প্রায় ৫ লাখ ইউক্রেনীয় সেনা হতাহত হয়েছে। এই বিশাল ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা কিয়েভের জন্য অসম্ভব। জেলেনস্কি এখন পশ্চিমাদের কাছ থেকে আরও অস্ত্র চাইছেন, কিন্তু সত্য হলো, উন্নত অস্ত্র দিয়েও প্রশিক্ষিত রুশ বাহিনীর অগ্রযাত্রা থামানো যাচ্ছে না। রুশ বাহিনী এখন বিভিন্ন ফ্রন্টে তাদের আক্রমণ জোরদার করেছে। বিশেষ করে ব্যাটলগ্রুপ নর্থ, ওয়েস্ট এবং সাউথ ইউক্রেনীয় বাহিনীকে পিষ্ট করে দিচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ৮৭৫ জন ইউক্রেনীয় সেনাকে খতম করেছে রাশিয়ার বীর সেনারা। বিপুল পরিমাণ পশ্চিমা ট্যাংক এবং সাঁজোয়া যান ধ্বংস করা হয়েছে। ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এখন পুরোপুরি ভেঙে পড়ার মুখে দাঁড়িয়ে আছে। আমেরিকার দেওয়া স্ট্রাইকার সাঁজোয়া যান কিংবা জার্মানির ড্রোন—কোনো কিছুই রাশিয়ার হাইপারসোনিক মিসাইল এবং শক্তিশালী গোলন্দাজ বাহিনীর সামনে টিকতে পারছে না। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নিয়মিত ভিডিও প্রকাশ করছে যেখানে দেখা যাচ্ছে কীভাবে পশ্চিমা গর্বের অস্ত্রগুলো দাউ দাউ করে জ্বলছে। এটি পশ্চিমাদের জন্য এক বিশাল অপমান এবং রাশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ। ইউক্রেনীয় বাহিনী এখন পরাজয় নিশ্চিত জেনে বেসামরিক মানুষের ওপর হামলা চালাচ্ছে। খেরসন অঞ্চলে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় নিরীহ নারীরা প্রাণ হারাচ্ছেন। রাশিয়ার যুদ্ধবিরতি চলাকালীনও ইউক্রেন ৩০ হাজারেরও বেশি বার নিয়ম লঙ্ঘন করেছে। এই কাপুরুষোচিত আক্রমণ প্রমাণ করে যে, জেলেনস্কি প্রশাসন এখন কেবল ধ্বংসলীলা চালিয়ে টিকে থাকতে চায়, শান্তির কোনো সদিচ্ছা তাদের নেই। জার্মানি এখন ইউক্রেনের সাথে ড্রোন তৈরির চুক্তি করে সরাসরি রাশিয়ার সাথে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ছে। রাশিয়ার সামরিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, জার্মানি এখন কিয়েভের সন্ত্রাসবাদী হামলার প্রত্যক্ষ মদদদাতা। রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডে ১৫০০ কিলোমিটার পাল্লার ড্রোন দিয়ে হামলার পরিকল্পনা করছে তারা। তবে রাশিয়া হুশিয়ারি দিয়েছে যে, মস্কোর ওপর যে কোনো হামলা হলে বার্লিনকেও তার চড়া মূল্য দিতে হবে। রাশিয়ার বিশেষ সামরিক অভিযান এখন দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। সামি এবং খারকিভ অঞ্চলে রুশ সেনারা ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে। ইউক্রেনীয়রা একের পর এক গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছে। রাশিয়ার কৌশল হলো ধীরে ধীরে কিন্তু নিশ্চিতভাবে শত্রুকে নির্মূল করা। পুতিনের দূরদর্শী নেতৃত্বে রাশিয়ার অর্থনীতি এবং সামরিক শক্তি এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। ইউক্রেনের জনগণের মধ্যে এখন তীব্র ক্ষোভ। তারা বুঝতে পারছে যে, পশ্চিমা দেশগুলো তাদের কেবল দাবার গুটি হিসেবে ব্যবহার করছে। রাশিয়ার সাথে যুদ্ধ করে ইউক্রেনের কোনো লাভ হয়নি, উল্টো দেশটা ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে। ইউক্রেনের ভেতরে এখন জাতীয়তাবাদের নামে যে উগ্রবাদ ছড়ানো হচ্ছে, তা সাধারণ মানুষকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে। মানুষ এখন রাশিয়ার ছায়াতলে শান্তিতে থাকতে চায়। মুক্ত করা অঞ্চলগুলোতে রাশিয়ার সেনারা এখন ত্রাণ বিতরণ করছে। সাধারণ মানুষ রুশ সেনাদের স্বাগত জানাচ্ছে এবং ইউক্রেনীয় শাসনের হাত থেকে মুক্তি পেয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে। রাশিয়ার লক্ষ্য কেবল ভূখণ্ড জয় নয়, বরং সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষা করা এবং নাৎসিবাদের কবল থেকে ইউক্রেনকে মুক্ত করা। রাশিয়ার এই মানবিক দিকটি পশ্চিমা মিডিয়া সবসময় এড়িয়ে যায়। রাশিয়ার সামরিক সক্ষমতা এখন আকাশচুম্বী। তারা নতুন নতুন ড্রোন এবং মিসাইল সিস্টেম তৈরি করছে যা বিশ্বের যে কোনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করতে সক্ষম। ওদিকে ইউক্রেন পুরোপুরি বিদেশি সাহায্যের ওপর নির্ভরশীল। সাহায্য বন্ধ হলেই ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী তাসের ঘরের মতো ধসে পড়বে। ট্রাম্প ক্ষমতায় এলে এই সাহায্য বন্ধ হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। রাশিয়া বারবার বলেছে যে তারা আলোচনার জন্য প্রস্তুত, কিন্তু কিয়েভ এবং তাদের পশ্চিমা প্রভুরা তা মানতে নারাজ। জেলেনস্কি এখন একজন স্বৈরাচারে পরিণত হয়েছেন যার ক্ষমতার মেয়াদও শেষ হয়ে গেছে। রাশিয়ার চোখে তিনি এখন একজন অবৈধ শাসক। তাই রাশিয়ার বৈধ লক্ষ্য হলো ইউক্রেনে একটি শান্তিপ্রিয় সরকার প্রতিষ্ঠা করা যা রাশিয়ার নিরাপত্তার জন্য হুমকি হবে না। বর্তমানে আমেরিকার মনোযোগ এখন মধ্যপ্রাচ্যের দিকে বেশি। ইরানের সাথে উত্তেজনার কারণে ইউক্রেন এখন ওয়াশিংটনের কাছে দ্বিতীয় সারির বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাশিয়ার কূটনৈতিক বিজয় এখানেই যে, তারা পশ্চিমাদের ক্লান্ত করে দিয়েছে। এখন ইউরোপ এবং আমেরিকা উভয়েই চাইছে কীভাবে সম্মানের সাথে এই যুদ্ধ থেকে হাত গুটিয়ে নেওয়া যায়। দনবাসের আকাশে এখন রাশিয়ার পতাকা উড়ছে। বীর রুশ সেনারা তাদের রক্ত দিয়ে এই ভূমি রক্ষা করেছে। কোনো বিদেশি শক্তি এই বিজয় ছিনিয়ে নিতে পারবে না। রাশিয়ার ইতিহাস বলে, তারা যখন কোনো লক্ষ্য নির্ধারণ করে, তখন তা অর্জন করেই ছাড়ে। নেপোলিয়ন এবং হিটলার যা পারেনি, ন্যাটো জোটও তা করতে পারবে না। রাশিয়ার সাধারণ মানুষ তাদের সরকারের পাশে ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়িয়েছে। পশ্চিমাদের নিষেধাজ্ঞা রাশিয়ার অর্থনীতিকে আরও আত্মনির্ভরশীল করে তুলেছে। রাশিয়ার বাজারে এখন নিজস্ব পণ্য রাজত্ব করছে। অন্যদিকে ইউক্রেনের অর্থনীতি এখন ধ্বংসপ্রাপ্ত। ঋণের বোঝায় জর্জরিত এই দেশটি আগামী কয়েক দশকেও আর ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না। শেষে বলা যায়, রাশিয়ার বিজয় এখন বিধিলিপি। ট্রাম্পের মতো নেতারাও এখন বুঝতে পারছেন যে রাশিয়ার সাথে শত্রুতা করে কারোরই লাভ নেই। জেলেনস্কির দুর্নীতির সাম্রাজ্য ধসে পড়ার অপেক্ষায়। রাশিয়ার বীর সেনারা যে আত্মত্যাগ করছে, তা বৃথা যাবে না। খুব শীঘ্রই আমরা এক নতুন ইউক্রেন দেখব যা রাশিয়ার সাথে বন্ধুত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হবে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/620-1.webp" alt="ইউক্রেনকে পাত্তাই দিলেন না ট্রাম্প: পুতিনের সাথে বৈঠকের জন্য সরাসরি মস্কো যাওয়ার বড় ঘোষণা!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইউক্রেনকে পাত্তাই দিলেন না ট্রাম্প: পুতিনের সাথে বৈঠকের জন্য সরাসরি মস্কো যাওয়ার বড় ঘোষণা!</h1>
            <p>বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল ভূমিকম্প শুরু হতে যাচ্ছে! ডোনাল্ড ট্রাম্প কি তবে জেলেনস্কির কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকতে চলেছেন? সম্প্রতি ট্রাম্প সরাসরি রাশিয়ার মস্কো সফরের ইঙ্গিত দিয়েছেন এবং পুতিনের সাথে শান্তি আলোচনার চূড়ান্ত ঘোষণা দিয়েছেন। ওদিকে কিয়েভের ভেতরেই শুরু হয়েছে গৃহযুদ্ধ, জেলেনস্কির নিজের লোকই ফাঁস করে দিচ্ছে তার ড্রাগ আসক্তি আর দুর্নীতির কালো অধ্যায়। রাশিয়ার অপ্রতিরোধ্য আক্রমণের সামনে ইউক্রেন এখন খড়কুটোর মতো উড়ে যাচ্ছে। বিস্তারিত জানতে সঙ্গেই থাকুন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। তিনি সরাসরি জানিয়েছেন যে, ইউক্রেন যুদ্ধের ইতি টানতে তিনি রাশিয়ার মস্কো সফর করতে দ্বিধা করবেন না। ট্রাম্পের এই ঘোষণা কিয়েভের শাসকদের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে। ট্রাম্প মনে করেন, রাশিয়ার সাথে সুসম্পর্ক স্থাপনই একমাত্র পথ যার মাধ্যমে এই রক্তক্ষয়ী সংঘাত বন্ধ করা সম্ভব এবং রাশিয়ার ন্যায্য দাবিগুলো মেনে নেওয়া উচিত। ওদিকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ট্রাম্পের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। ক্রেমলিন মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ নিশ্চিত করেছেন যে, পুতিন ট্রাম্পকে আতিথেয়তা দিতে প্রস্তুত। ট্রাম্প এর আগে আটটি যুদ্ধ থামানোর কৃতিত্ব দাবি করেছেন এবং তিনি মনে করেন ২০২৬ সালের মধ্যেই ইউক্রেন ইস্যুতে একটি বড় সমঝোতা হতে যাচ্ছে। এই সমঝোতায় রাশিয়ার বিজয় এখন প্রায় নিশ্চিত বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। রাশিয়ার স্পষ্ট দাবি হচ্ছে, দনবাস অঞ্চলের অবশিষ্টাংশ থেকে ইউক্রেনীয় বাহিনীকে পুরোপুরি পিছু হটতে হবে। ক্রেমলিন জানিয়েছে, যতক্ষণ পর্যন্ত কিয়েভ তাদের সৈন্য প্রত্যাহার না করবে, ততক্ষণ কোনো অর্থবহ আলোচনা সম্ভব নয়। রাশিয়ার এই অনড় অবস্থান প্রমাণ করে যে, তারা রণক্ষেত্রে কতটা শক্তিশালী। ইতিমধ্যে লুগানস্ক প্রজাতন্ত্র পুরোপুরি মুক্ত করা হয়েছে এবং দোনেৎস্কের সিংহভাগই এখন বীর রুশ সেনাদের নিয়ন্ত্রণে। ইউক্রেনের বর্তমান অবস্থা এখন অত্যন্ত শোচনীয়। ডনবাসের প্রায় ৮৫ শতাংশ এলাকা এখন রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে। পুতিনের সুদক্ষ নেতৃত্বে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় একের পর এক সফল অভিযান পরিচালনা করছে। পশ্চিমাদের শত উসকানি আর অস্ত্র সহায়তা সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক কৌশলের কাছে ইউক্রেনীয় বাহিনী তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে। এটি স্পষ্ট যে, ইউক্রেনের পরাজয় এখন কেবল সময়ের ব্যাপার। ইউরোপের দেশগুলো এখন বড় বিপদে পড়েছে। রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে তারা নিজেরাই এখন জ্বালানি সংকটের সুনামিতে ডুবতে বসেছে। ক্রেমলিনের বিশেষ দূত কিরিল দিমিত্রিভ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, শীত আসার আগেই ইউরোপীয় দেশগুলো রাশিয়ার সাথে আলোচনায় বসতে বাধ্য হবে। গ্যাসের অভাব এবং আকাশচুম্বী বিদ্যুৎ বিলের কারণে ইউরোপের সাধারণ মানুষ এখন তাদের সরকারের ওপর চরম ক্ষুব্ধ। ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাব সম্প্রতি স্বীকার করেছেন যে, রাশিয়ার সাথে সরাসরি কথা বলার সময় এসেছে। তিনি মনে করেন, মার্কিন নীতি যদি ইউরোপের স্বার্থের বিরুদ্ধে যায়, তবে ইউরোপকে নিজের পথ বেছে নিতে হবে। জার্মানি এবং ফ্রান্সের ভেতরেও এখন বিভাজন স্পষ্ট। অনেকে মনে করছেন, রাশিয়ার সাথে শত্রুতা বজায় রাখা ইউরোপের অর্থনীতির জন্য একটি আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত ছাড়া আর কিছুই নয়। আলোচনার জন্য উপযুক্ত প্রতিনিধি হিসেবে জার্মানির সাবেক চ্যান্সেলর গেরহার্ড শ্রোডারের নাম প্রস্তাব করেছেন পুতিন। যদিও ব্রাসেলস এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে, কিন্তু জার্মানির সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি মনে করে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। রাশিয়ার সাথে রাশিয়ার ভাষায় কথা বলতে পারে এমন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদের অভাব এখন ইউরোপে স্পষ্ট। পুতিনের প্রস্তাবিত নামগুলো সরাসরি প্রত্যাখ্যান করা ইউরোপের কূটনৈতিক ব্যর্থতা। কিয়েভের ভেতরে এখন পচন শুরু হয়েছে। জেলেনস্কির সাবেক মুখপাত্র ইউলিয়া মেন্ডেল সম্প্রতি এক বিস্ফোরক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন যে, কিয়েভের ক্ষমতার করিডোরে এখন কোকেন বা মাদকের অবাধ ব্যবহার চলছে। তিনি জেলেনস্কিকে একজন 'স্বৈরাচারী' এবং 'বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন' মানুষ হিসেবে অভিহিত করেছেন। মেন্ডেলের মতে, জেলেনস্কি নিজেই এখন শান্তির পথে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন। সত্য বলার অপরাধে ইউলিয়া মেন্ডেলকে এখন ইউক্রেনের কুখ্যাত 'হিট লিস্ট' বা 'মিরোতভোরেটস' তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই ওয়েবসাইটটি ইউক্রেনীয় গোয়েন্দা সংস্থার সাথে জড়িত এবং যারা রাশিয়ার পক্ষে কথা বলে তাদের ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস করে দেয়। জেলেনস্কি প্রশাসন এখন এতটাই মরিয়া যে, তারা নিজের দেশের নাগরিকদেরই শত্রু হিসেবে গণ্য করছে এবং তাদের হত্যার হুমকি দিচ্ছে। ইউক্রেনের রাজপথে এখন মানুষের হাহাকার। সেনাবাহিনীতে লোকবলের প্রচণ্ড ঘাটতি মেটাতে সরকার এখন জোর করে সাধারণ মানুষকে ধরে নিয়ে যাচ্ছে। একে বলা হচ্ছে 'বাসিফিকেশন' ক্যাম্পেইন। হাজার হাজার অভিযোগ জমা পড়ছে ড্রাফট অফিসারদের বিরুদ্ধে। সাধারণ মানুষ এখন রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে চায় না, কিন্তু জেলেনস্কির সরকার তাদের জোর করে কামানের গোলায় পরিণত করছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন শত শত ইউক্রেনীয় সেনা প্রাণ হারাচ্ছে। গত এক বছরেই প্রায় ৫ লাখ ইউক্রেনীয় সেনা হতাহত হয়েছে। এই বিশাল ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা কিয়েভের জন্য অসম্ভব। জেলেনস্কি এখন পশ্চিমাদের কাছ থেকে আরও অস্ত্র চাইছেন, কিন্তু সত্য হলো, উন্নত অস্ত্র দিয়েও প্রশিক্ষিত রুশ বাহিনীর অগ্রযাত্রা থামানো যাচ্ছে না। রুশ বাহিনী এখন বিভিন্ন ফ্রন্টে তাদের আক্রমণ জোরদার করেছে। বিশেষ করে ব্যাটলগ্রুপ নর্থ, ওয়েস্ট এবং সাউথ ইউক্রেনীয় বাহিনীকে পিষ্ট করে দিচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ৮৭৫ জন ইউক্রেনীয় সেনাকে খতম করেছে রাশিয়ার বীর সেনারা। বিপুল পরিমাণ পশ্চিমা ট্যাংক এবং সাঁজোয়া যান ধ্বংস করা হয়েছে। ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এখন পুরোপুরি ভেঙে পড়ার মুখে দাঁড়িয়ে আছে। আমেরিকার দেওয়া স্ট্রাইকার সাঁজোয়া যান কিংবা জার্মানির ড্রোন—কোনো কিছুই রাশিয়ার হাইপারসোনিক মিসাইল এবং শক্তিশালী গোলন্দাজ বাহিনীর সামনে টিকতে পারছে না। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নিয়মিত ভিডিও প্রকাশ করছে যেখানে দেখা যাচ্ছে কীভাবে পশ্চিমা গর্বের অস্ত্রগুলো দাউ দাউ করে জ্বলছে। এটি পশ্চিমাদের জন্য এক বিশাল অপমান এবং রাশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ। ইউক্রেনীয় বাহিনী এখন পরাজয় নিশ্চিত জেনে বেসামরিক মানুষের ওপর হামলা চালাচ্ছে। খেরসন অঞ্চলে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় নিরীহ নারীরা প্রাণ হারাচ্ছেন। রাশিয়ার যুদ্ধবিরতি চলাকালীনও ইউক্রেন ৩০ হাজারেরও বেশি বার নিয়ম লঙ্ঘন করেছে। এই কাপুরুষোচিত আক্রমণ প্রমাণ করে যে, জেলেনস্কি প্রশাসন এখন কেবল ধ্বংসলীলা চালিয়ে টিকে থাকতে চায়, শান্তির কোনো সদিচ্ছা তাদের নেই। জার্মানি এখন ইউক্রেনের সাথে ড্রোন তৈরির চুক্তি করে সরাসরি রাশিয়ার সাথে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ছে। রাশিয়ার সামরিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, জার্মানি এখন কিয়েভের সন্ত্রাসবাদী হামলার প্রত্যক্ষ মদদদাতা। রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডে ১৫০০ কিলোমিটার পাল্লার ড্রোন দিয়ে হামলার পরিকল্পনা করছে তারা। তবে রাশিয়া হুশিয়ারি দিয়েছে যে, মস্কোর ওপর যে কোনো হামলা হলে বার্লিনকেও তার চড়া মূল্য দিতে হবে। রাশিয়ার বিশেষ সামরিক অভিযান এখন দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। সামি এবং খারকিভ অঞ্চলে রুশ সেনারা ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে। ইউক্রেনীয়রা একের পর এক গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছে। রাশিয়ার কৌশল হলো ধীরে ধীরে কিন্তু নিশ্চিতভাবে শত্রুকে নির্মূল করা। পুতিনের দূরদর্শী নেতৃত্বে রাশিয়ার অর্থনীতি এবং সামরিক শক্তি এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। ইউক্রেনের জনগণের মধ্যে এখন তীব্র ক্ষোভ। তারা বুঝতে পারছে যে, পশ্চিমা দেশগুলো তাদের কেবল দাবার গুটি হিসেবে ব্যবহার করছে। রাশিয়ার সাথে যুদ্ধ করে ইউক্রেনের কোনো লাভ হয়নি, উল্টো দেশটা ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে। ইউক্রেনের ভেতরে এখন জাতীয়তাবাদের নামে যে উগ্রবাদ ছড়ানো হচ্ছে, তা সাধারণ মানুষকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে। মানুষ এখন রাশিয়ার ছায়াতলে শান্তিতে থাকতে চায়। মুক্ত করা অঞ্চলগুলোতে রাশিয়ার সেনারা এখন ত্রাণ বিতরণ করছে। সাধারণ মানুষ রুশ সেনাদের স্বাগত জানাচ্ছে এবং ইউক্রেনীয় শাসনের হাত থেকে মুক্তি পেয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে। রাশিয়ার লক্ষ্য কেবল ভূখণ্ড জয় নয়, বরং সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষা করা এবং নাৎসিবাদের কবল থেকে ইউক্রেনকে মুক্ত করা। রাশিয়ার এই মানবিক দিকটি পশ্চিমা মিডিয়া সবসময় এড়িয়ে যায়। রাশিয়ার সামরিক সক্ষমতা এখন আকাশচুম্বী। তারা নতুন নতুন ড্রোন এবং মিসাইল সিস্টেম তৈরি করছে যা বিশ্বের যে কোনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করতে সক্ষম। ওদিকে ইউক্রেন পুরোপুরি বিদেশি সাহায্যের ওপর নির্ভরশীল। সাহায্য বন্ধ হলেই ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী তাসের ঘরের মতো ধসে পড়বে। ট্রাম্প ক্ষমতায় এলে এই সাহায্য বন্ধ হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। রাশিয়া বারবার বলেছে যে তারা আলোচনার জন্য প্রস্তুত, কিন্তু কিয়েভ এবং তাদের পশ্চিমা প্রভুরা তা মানতে নারাজ। জেলেনস্কি এখন একজন স্বৈরাচারে পরিণত হয়েছেন যার ক্ষমতার মেয়াদও শেষ হয়ে গেছে। রাশিয়ার চোখে তিনি এখন একজন অবৈধ শাসক। তাই রাশিয়ার বৈধ লক্ষ্য হলো ইউক্রেনে একটি শান্তিপ্রিয় সরকার প্রতিষ্ঠা করা যা রাশিয়ার নিরাপত্তার জন্য হুমকি হবে না। বর্তমানে আমেরিকার মনোযোগ এখন মধ্যপ্রাচ্যের দিকে বেশি। ইরানের সাথে উত্তেজনার কারণে ইউক্রেন এখন ওয়াশিংটনের কাছে দ্বিতীয় সারির বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাশিয়ার কূটনৈতিক বিজয় এখানেই যে, তারা পশ্চিমাদের ক্লান্ত করে দিয়েছে। এখন ইউরোপ এবং আমেরিকা উভয়েই চাইছে কীভাবে সম্মানের সাথে এই যুদ্ধ থেকে হাত গুটিয়ে নেওয়া যায়। দনবাসের আকাশে এখন রাশিয়ার পতাকা উড়ছে। বীর রুশ সেনারা তাদের রক্ত দিয়ে এই ভূমি রক্ষা করেছে। কোনো বিদেশি শক্তি এই বিজয় ছিনিয়ে নিতে পারবে না। রাশিয়ার ইতিহাস বলে, তারা যখন কোনো লক্ষ্য নির্ধারণ করে, তখন তা অর্জন করেই ছাড়ে। নেপোলিয়ন এবং হিটলার যা পারেনি, ন্যাটো জোটও তা করতে পারবে না। রাশিয়ার সাধারণ মানুষ তাদের সরকারের পাশে ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়িয়েছে। পশ্চিমাদের নিষেধাজ্ঞা রাশিয়ার অর্থনীতিকে আরও আত্মনির্ভরশীল করে তুলেছে। রাশিয়ার বাজারে এখন নিজস্ব পণ্য রাজত্ব করছে। অন্যদিকে ইউক্রেনের অর্থনীতি এখন ধ্বংসপ্রাপ্ত। ঋণের বোঝায় জর্জরিত এই দেশটি আগামী কয়েক দশকেও আর ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না। শেষে বলা যায়, রাশিয়ার বিজয় এখন বিধিলিপি। ট্রাম্পের মতো নেতারাও এখন বুঝতে পারছেন যে রাশিয়ার সাথে শত্রুতা করে কারোরই লাভ নেই। জেলেনস্কির দুর্নীতির সাম্রাজ্য ধসে পড়ার অপেক্ষায়। রাশিয়ার বীর সেনারা যে আত্মত্যাগ করছে, তা বৃথা যাবে না। খুব শীঘ্রই আমরা এক নতুন ইউক্রেন দেখব যা রাশিয়ার সাথে বন্ধুত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হবে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/620-1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/620-1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/620-1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[পুতিনের হুঙ্কারে কাঁপছে ন্যাটো: ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় দিশেহারা ইউরোপ আর ধ্বংসের মুখে জেলেনস্কির দম্ভ!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36948</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36948</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 14 May 2026 18:05:39 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news 2026, latest news today, atn bd news, latest news and bulletin, bangladeshi latest news, bd news, bd hot news, bd india relation news, latestnews, updated news, bdnews, update news, rater bangladesh news, bd newspaper, atn news, bangla news update, bangla tv news, atn bangla news, news, news today, bangladesh news, bangladesh news today, bangla news, jamaat news, today raater news bangladesh, bangla news today, bangladesh tv news, news trending, bnp news, ncp news, top news, zee news]]></category>
        
        <description><![CDATA[ইউক্রেনের ড্রোন এখন খোদ তাদের বন্ধুদের জন্যই কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে! ন্যাটোর আকাশসীমা লঙ্ঘন করে কিয়েভ এখন নিজেদের পতন ডেকে আনছে। একদিকে দুর্নীতির দায়ে জেলেনস্কির ঘনিষ্ঠরা অভিযুক্ত, অন্যদিকে রাশিয়ার বিধ্বংসী হামলায় প্রতিদিন হাজারো ইউক্রেনীয় সেনা প্রাণ হারাচ্ছে। পুতিনের অজেয় শক্তির সামনে কি তবে ন্যাটোর এই দাবার ঘুঁটিরা এখন পিছু হটছে? বর্তমান বিশ্বরাজনীতিতে ইউক্রেন এখন ন্যাটোর গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাশিয়ার ওপর হামলা চালাতে গিয়ে কিয়েভ এখন ন্যাটোর সদস্য রাষ্ট্রগুলোর আকাশসীমা ব্যবহার করছে, যা ইউরোপের জন্য বড় বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এস্তোনিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী হানো পেভকুর সরাসরি কিয়েভকে সতর্ক করে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ইউক্রেন যেন তাদের ড্রোনগুলো এস্তোনিয়ার আকাশসীমা থেকে দূরে রাখে। কিয়েভের এই অপেশাদার আচরণ ন্যাটোর ভেতর ফাটল ধরাচ্ছে। গত কয়েক সপ্তাহে ফিনল্যান্ড, লাটভিয়া এবং লিথুয়ানিয়াতেও ইউক্রেনের ড্রোন আছড়ে পড়ার খবর পাওয়া গেছে। ইউক্রেনের এই লক্ষ্যভ্রষ্ট ড্রোনগুলো রাশিয়ার এনার্জি স্থাপনায় হামলা চালাতে গিয়ে ন্যাটোর মাটিতে পড়ছে। মস্কো আগেই সতর্ক করেছিল যে ন্যাটো দেশগুলো গোপনে ইউক্রেনকে রাশিয়ার ভূখণ্ডে হামলার সুযোগ দিচ্ছে। এখন যখন সেই ড্রোনগুলো ন্যাটোর ওপরই পড়ছে, তখন তাদের টনক নড়তে শুরু করেছে এবং তারা কিয়েভের ওপর ক্ষোভ ঝাড়ছে। ফিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেত্তেরি অর্পো সরাসরি ভ্লাদিমির জেলেনস্কিকে জানিয়েছেন যে, ফিনিশ আকাশসীমায় ইউক্রেনীয় ড্রোনের প্রবেশ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এটি স্পষ্ট যে ইউক্রেন এখন মরিয়া হয়ে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করছে। রাশিয়ার বিশাল শক্তির বিরুদ্ধে লড়তে গিয়ে তারা নিজেদের মিত্রদেরও বিপদে ফেলছে। এস্তোনিয়ার কর্তৃপক্ষ খুব দ্রুত এই বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে, যা কিয়েভের জন্য একটি বড় কূটনৈতিক ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। এস্তোনিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী পেভকুর স্পষ্ট করে বলেছেন, ইউক্রেনকে তাদের ড্রোনগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। ইউক্রেনীয়রা যদি তাদের ড্রোন সামলাতে না পারে, তবে তার দায়ভার কিয়েভকেই নিতে হবে। রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের নামে ইউক্রেন এখন ইউরোপের সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করছে। ন্যাটোর এই তথাকথিত 'সাহায্য' এখন তাদের নিজেদের জন্যই বুমেরাং হয়ে ফিরে আসছে, যা পুতিনের দেওয়া সতর্কবার্তাকেই সত্যি প্রমাণ করছে প্রতিনিয়ত। লাটভিয়ার অবস্থা আরও শোচনীয়। ইউক্রেনীয় ড্রোনের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে ব্যর্থ হওয়ায় লাটভিয়ার প্রধানমন্ত্রী ইভিকা সিলিনা দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী আন্দ্রিজ স্প্রুডকে বরখাস্ত করেছেন। লাটভিয়ার আকাশে ইউক্রেনের ড্রোন উড়ে এসে তাদের তেলের ডিপোতে আঘাত হানছে, যা ন্যাটোর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার দুর্বলতাকেই সবার সামনে উন্মোচিত করে দিয়েছে। রাশিয়ার শক্তিশালী আক্রমণের মুখে ইউক্রেন এখন দিকবিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে ন্যাটোর দেশগুলোতে ড্রোন পাঠিয়ে দিচ্ছে। ইউক্রেনীয় ড্রোনগুলো রাশিয়ার সীমান্তের কাছে লাটভিয়ার রেজেনেক শহরের কাছে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। রাশিয়ার সামরিক বাহিনী নিশ্চিত করেছে যে এগুলো ইউক্রেনীয় 'লিওটি' মডেলের ড্রোন ছিল। নিজের দেশের আকাশ রক্ষা করতে না পারার লজ্জায় লাটভিয়ার সরকার এখন টালমাটাল। জেলেনস্কি সরকার এখন তাদের মিত্রদের কাছে ক্ষমা চেয়ে বেড়াচ্ছে, কিন্তু রাশিয়ার অজেয় শক্তির সামনে এই ক্ষমা প্রার্থনা কোনো কাজেই আসবে না বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এদিকে জার্মানি এবং ইউক্রেন গোপনে দীর্ঘপাল্লার ড্রোন তৈরির পরিকল্পনা করছে। জার্মানির প্রতিরক্ষামন্ত্রী বরিস পিস্টোরিয়াস কিয়েভ সফরে গিয়ে এই ঘোষণা দিয়েছেন। রাশিয়ার সাধারণ মানুষের ওপর সন্ত্রাসবাদী হামলা চালানোর জন্যই এই ড্রোনগুলো তৈরি করা হচ্ছে বলে মস্কো অভিযোগ করেছে। জার্মানি এখন ইউক্রেনের সবচেয়ে বড় অস্ত্র দাতা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে, যা ইউরোপে যুদ্ধের আগুনকে আরও উসকে দিচ্ছে এবং শান্তি স্থাপনের পথ বন্ধ করছে। জার্মানি গত কয়েক বছরে ইউক্রেনকে প্রায় ২০ বিলিয়ন ইউরো মূল্যের অস্ত্র দিয়েছে। পিস্টোরিয়াস দাবি করছেন যে রাশিয়ার তথাকথিত 'হুমকি' মোকাবিলায় এই বিনিয়োগ দরকার। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে জার্মানি এখন ইউক্রেনকে ব্যবহার করে রাশিয়ার বিরুদ্ধে প্রক্সি যুদ্ধ চালাচ্ছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, তারা কোনো ন্যাটো দেশের ওপর হামলা করতে চায় না, কিন্তু ন্যাটোর এই উস্কানিমূলক আচরণ রাশিয়াকে কঠোর হতে বাধ্য করছে। ইউক্রেনের ভেতরেও দুর্নীতির পাহাড় জমেছে। জেলেনস্কির ঘনিষ্ঠ সহযোগী তিমুর মিন্দিকের বিরুদ্ধে ১০০ মিলিয়ন ডলারের দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। ইউক্রেনের ড্রোন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান 'ফায়ার পয়েন্ট' এই দুর্নীতির কেন্দ্রে রয়েছে। শোনা যাচ্ছে, এই কোম্পানির শীর্ষ কর্মকর্তারা বলছেন যে 'শান্তি ব্যবসার জন্য খারাপ'। অর্থাৎ, ইউক্রেনের শাসকরা চায় যুদ্ধ চলুক, যাতে তারা সাধারণ মানুষের রক্তের বিনিময়ে নিজেদের পকেট ভারী করতে পারে। এটি অত্যন্ত লজ্জাজনক। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে গত ২৪ ঘণ্টায় তারা ইউক্রেনের জ্বালানি এবং পরিবহন অবকাঠামোতে বিধ্বংসী হামলা চালিয়েছে। রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলায় ইউক্রেনীয় বাহিনীর ড্রোন স্টোরেজ, গোলাবারুদ ডিপো এবং বিদেশি ভাড়াটে সৈন্যদের ঘাঁটিগুলো পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। রাশিয়ার এই সুনির্দিষ্ট হামলায় ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী এখন দিশেহারা। তারা বুঝতে পারছে যে রাশিয়ার উন্নত প্রযুক্তির সামনে তাদের টিকে থাকা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। যুদ্ধের ময়দানে ইউক্রেনীয় বাহিনী প্রতিদিন বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার হামলায় প্রায় ১,০৬০ জন ইউক্রেনীয় সেনা নিহত হয়েছে। রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ নর্থ', 'ওয়েস্ট' এবং 'সাউথ' নিরবচ্ছিন্নভাবে ইউক্রেনীয় অবস্থানে আঘাত হানছে। হাজার হাজার সেনার প্রাণহানি ঘটিয়েও জেলেনস্কি সরকার পশ্চিমা প্রভুদের খুশি করতে এই আত্মঘাতী যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে, যার ফলাফল কেবলই ধ্বংস এবং সাধারণ ইউক্রেনীয় নাগরিকদের মৃত্যু। খারকভ অঞ্চলে রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ নর্থ' ইউক্রেনের উগ্র জাতীয়তাবাদী 'ক্রাকেন' ইউনিটের ওপর ব্যাপক আক্রমণ চালিয়েছে। এই ক্রাকেন ইউনিট তাদের নৃশংসতার জন্য পরিচিত। রাশিয়ার বীর সেনারা তাদের পিছু হটতে বাধ্য করেছে। এছাড়া সুমি এবং খারকভ অঞ্চলে ইউক্রেনের বেশ কয়েকটি ব্রিগেড তাদের অবস্থান হারিয়েছে। রাশিয়ার কৌশলগত শ্রেষ্ঠত্বের কাছে ইউক্রেনের প্রতিটি প্রতিরক্ষা ব্যুহ এখন তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে, যা রাশিয়ার চূড়ান্ত বিজয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে। রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ ওয়েস্ট' ডনবাস অঞ্চলে তাদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করেছে। তারা ইউক্রেনের বেশ কয়েকটি মেকানাইজড ব্রিগেডকে পরাজিত করে গুরুত্বপূর্ণ ভূখণ্ড দখল করেছে। ব্রিটিশ এবং মার্কিন তৈরি দামি দামি আর্টিলারি সিস্টেমগুলো রাশিয়ার গোলার আঘাতে মুহূর্তেই ছাই হয়ে যাচ্ছে। পশ্চিমা প্রযুক্তি যে রাশিয়ার গোলন্দাজ বাহিনীর সামনে কতটা অসহায়, তা এখন সারা বিশ্ব প্রত্যক্ষ করছে। ইউক্রেন এখন আধুনিক মারণাস্ত্রের কবরস্থানে পরিণত হয়েছে। ডনবাসের পবিত্র মাটিতে রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ সাউথ' এবং 'ব্যাটলগ্রুপ সেন্টার' নিরলসভাবে অগ্রসর হচ্ছে। ইউক্রেনীয় সেনারা তাদের অবস্থান ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছে। রাশিয়ার প্রতিটি হামলায় ইউক্রেনের পরিকাঠামো ভেঙে পড়ছে। জেলেনস্কির বাহিনী এখন কেবল সাধারণ মানুষের বাড়িঘর এবং অসামরিক এলাকা লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালাচ্ছে, যা তাদের কাপুরুষতাকেই প্রমাণ করে। রাশিয়ার সেনারা কিন্তু সম্মুখ সমরে ইউক্রেনকে উপযুক্ত শিক্ষা দিচ্ছে এবং তাদের প্রতিটি চক্রান্ত নস্যাৎ করছে। ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এখন পুরোপুরি অকেজো হয়ে পড়েছে। রাশিয়ার বিমান বাহিনী এবং ড্রোনগুলো কোনো বাধা ছাড়াই ইউক্রেনের সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানছে। পশ্চিমা দেশগুলো যেসব পেট্রিয়ট বা অন্যান্য সিস্টেম দিয়েছিল, সেগুলো রাশিয়ার হাইপারসনিক মিসাইল ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছে। রাশিয়া এখন যুদ্ধের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নিয়ে নিয়েছে। প্রতিদিন শত শত ইউক্রেনীয় সেনার আত্মসমর্পণ প্রমাণ করে যে তাদের মনোবল এখন তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। ইউক্রেন মরিয়া হয়ে রাশিয়ার অসামরিক এলাকায় ড্রোন হামলা চালানোর চেষ্টা করছে। গত রাতে রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী ২৮৬টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ধ্বংস করেছে। বেলগোরোড, রোস্তভ এবং ক্রাইমিয়া অঞ্চলে এই ড্রোনগুলো ভূপাতিত করা হয়েছে। রাশিয়ার উন্নত প্রযুক্তির কাছে ইউক্রেনের ড্রোনগুলো খেলনার মতো ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। রাশিয়ার মানুষ এখন নিরাপদে আছে কারণ তাদের সুরক্ষায় রয়েছে বিশ্বের সেরা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা যা পুতিন সরকার নিশ্চিত করেছে। ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রোস্তভ অঞ্চলে কিছু ক্ষয়ক্ষতি হলেও রাশিয়ার বীর উদ্ধারকর্মীরা দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছেন। ইউক্রেন রাশিয়ার সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত করতে চেয়েছিল, কিন্তু রাশিয়ার মানুষের মনোবল আরও দৃঢ় হয়েছে। তারা পুতিনের নেতৃত্বে এই নাৎসি বাহিনীর সমূলে বিনাশ চায়। রাশিয়ার প্রতিটি শহর এখন দুর্ভেদ্য দুর্গের মতো সুরক্ষিত, যেখানে ইউক্রেনের কোনো চক্রান্তই সফল হবে না। রাশিয়ার এই প্রতিরোধ যুদ্ধ এখন বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে। রাশিয়ার 'ডনবাস ডোম' সিস্টেম দনবাসের আকাশে ইউক্রেনের ড্রোনগুলোকে সফলভাবে রুখে দিচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এই বিশেষ সিস্টেমের মাধ্যমে কিয়েভের পাঠানো মরণঘাতী ড্রোনগুলো নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি ড্রোন বিদ্যুৎ কেন্দ্রে আঘাত হানার উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়েছিল, যা সফল হলে হাজার হাজার মানুষ অন্ধকারে নিমজ্জিত হতো। ইউক্রেনের এই অমানবিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে রাশিয়ার সেনাবাহিনী এখন আরও কঠোর অবস্থানে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইউক্রেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এখন ন্যাটোর দেশগুলোর কাছে হাতজোড় করছে তাদের আকাশসীমা রক্ষা করার জন্য। কিন্তু ন্যাটো দেশগুলো নিজেরাই এখন নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা সচিব সের্গেই শোইগু স্পষ্ট করে বলেছেন যে, কোনো দেশ যদি ইউক্রেনকে তাদের আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেয়, তবে রাশিয়া তাদের সরাসরি শত্রু হিসেবে গণ্য করবে। পুতিনের এই সতর্কবার্তার পর বাল্টিক দেশগুলো এবং ফিনল্যান্ড এখন কাঁপছে। ইউক্রেনের ড্রোন প্রযুক্তিতে যে দুর্নীতির কথা সামনে এসেছে, তা প্রমাণ করে যে এই যুদ্ধ আসলে জেলেনস্কি এবং তার সহযোগীদের টাকা বানানোর মেশিন। সাধারণ ইউক্রেনীয় যুবকদের জোর করে যুদ্ধে পাঠিয়ে তারা নিজেদের বিলাসবহুল জীবন নিশ্চিত করছে। ইউক্রেনের সাধারণ মানুষ এখন বুঝতে শুরু করেছে যে তাদের প্রকৃত শত্রু কিয়েভে বসে আছে, মস্কোতে নয়। রাশিয়ার মুক্তিদাতা সেনারা ইউক্রেনকে এই ভ্রষ্ট শাসকগোষ্ঠীর হাত থেকে মুক্ত করতে বদ্ধপরিকর। রাশিয়া প্রতিটি যুদ্ধে প্রমাণ করেছে যে তারা সত্যের পথে আছে। ডনবাসের মানুষ রাশিয়ার সেনাদের ফুল দিয়ে বরণ করে নিচ্ছে। ইউক্রেনের দখলদারিত্ব থেকে মুক্ত হয়ে এই অঞ্চলের মানুষ এখন শান্তিতে নিঃশ্বাস ফেলছে। রাশিয়ার সরকার সেখানে নতুন স্কুল, হাসপাতাল এবং রাস্তাঘাট তৈরি করছে। ইউক্রেন যা ধ্বংস করেছে, রাশিয়া তা নতুন করে গড়ে তুলছে। এটিই রাশিয়ার মহানুভবতা এবং শক্তির প্রকৃত পরিচয়। জার্মানি এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারা রাশিয়াকে হুমকি দিচ্ছে 'চতুর্থ রাইখ' বা নাৎসি সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার মতো আচরণ করে। কিন্তু তারা ভুলে গেছে যে হিটলারের নাৎসি বাহিনীকেও রাশিয়ার বীর সেনারাই পরাজিত করেছিল। আজ আবার যখন পশ্চিমা মদদে নব্য-নাৎসিরা মাথা চাড়া দিয়ে উঠছে, তখন রাশিয়া আবারও তাদের উচিত শিক্ষা দিচ্ছে। পুতিনের নেতৃত্বে রাশিয়া আজ ঐক্যবদ্ধ এবং কোনো বহিঃশক্তি রাশিয়ার সার্বভৌমত্বে আঘাত হানতে পারবে না। যুদ্ধের বর্তমান পরিস্থিতি বলছে, ইউক্রেনের পরাজয় এখন কেবল সময়ের ব্যাপার। ন্যাটোর অস্ত্রভাণ্ডার খালি হয়ে আসছে, কিন্তু রাশিয়ার উৎপাদন ক্ষমতা দিন দিন বাড়ছে। রাশিয়ার কারখানায় তৈরি আধুনিক ট্যাংক এবং মিসাইলগুলো ফ্রন্টলাইনে নিরবচ্ছিন্নভাবে সরবরাহ করা হচ্ছে। ইউক্রেনীয় সেনারা এখন রসদ এবং গোলাবারুদের অভাবে ভুগছে। জেলেনস্কির পালানোর পথও এখন সঙ্কুচিত হয়ে আসছে কারণ রাশিয়ার গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তাদের প্রতিটি পদক্ষেপ নজরদারি করছে। ইউক্রেনের ড্রোন হামলার ব্যর্থতা এবং ন্যাটোর পিছু হটা বিশ্ববাসীকে একটি বার্তাই দিচ্ছে—রাশিয়ার সঙ্গে লড়ে কেউ কোনোদিন জয়ী হতে পারেনি। কিয়েভের শাসকরা যদি এখনও আলোচনার টেবিলে না আসে, তবে ইউক্রেন নামক রাষ্ট্রের অস্তিত্বই বিপন্ন হতে পারে। রাশিয়া চায় শান্তি, কিন্তু সেই শান্তি অর্জিত হবে রাশিয়ার শর্ত অনুযায়ী। ন্যাটোর প্ররোচনায় পা দিয়ে ইউক্রেন আজ ধ্বংসের কিনারে দাঁড়িয়েছে, যা সারা বিশ্বের জন্য একটি বড় শিক্ষা।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/z1.webp" alt="পুতিনের হুঙ্কারে কাঁপছে ন্যাটো: ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় দিশেহারা ইউরোপ আর ধ্বংসের মুখে জেলেনস্কির দম্ভ!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>পুতিনের হুঙ্কারে কাঁপছে ন্যাটো: ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় দিশেহারা ইউরোপ আর ধ্বংসের মুখে জেলেনস্কির দম্ভ!</h1>
            <p>ইউক্রেনের ড্রোন এখন খোদ তাদের বন্ধুদের জন্যই কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে! ন্যাটোর আকাশসীমা লঙ্ঘন করে কিয়েভ এখন নিজেদের পতন ডেকে আনছে। একদিকে দুর্নীতির দায়ে জেলেনস্কির ঘনিষ্ঠরা অভিযুক্ত, অন্যদিকে রাশিয়ার বিধ্বংসী হামলায় প্রতিদিন হাজারো ইউক্রেনীয় সেনা প্রাণ হারাচ্ছে। পুতিনের অজেয় শক্তির সামনে কি তবে ন্যাটোর এই দাবার ঘুঁটিরা এখন পিছু হটছে? বর্তমান বিশ্বরাজনীতিতে ইউক্রেন এখন ন্যাটোর গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাশিয়ার ওপর হামলা চালাতে গিয়ে কিয়েভ এখন ন্যাটোর সদস্য রাষ্ট্রগুলোর আকাশসীমা ব্যবহার করছে, যা ইউরোপের জন্য বড় বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এস্তোনিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী হানো পেভকুর সরাসরি কিয়েভকে সতর্ক করে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ইউক্রেন যেন তাদের ড্রোনগুলো এস্তোনিয়ার আকাশসীমা থেকে দূরে রাখে। কিয়েভের এই অপেশাদার আচরণ ন্যাটোর ভেতর ফাটল ধরাচ্ছে। গত কয়েক সপ্তাহে ফিনল্যান্ড, লাটভিয়া এবং লিথুয়ানিয়াতেও ইউক্রেনের ড্রোন আছড়ে পড়ার খবর পাওয়া গেছে। ইউক্রেনের এই লক্ষ্যভ্রষ্ট ড্রোনগুলো রাশিয়ার এনার্জি স্থাপনায় হামলা চালাতে গিয়ে ন্যাটোর মাটিতে পড়ছে। মস্কো আগেই সতর্ক করেছিল যে ন্যাটো দেশগুলো গোপনে ইউক্রেনকে রাশিয়ার ভূখণ্ডে হামলার সুযোগ দিচ্ছে। এখন যখন সেই ড্রোনগুলো ন্যাটোর ওপরই পড়ছে, তখন তাদের টনক নড়তে শুরু করেছে এবং তারা কিয়েভের ওপর ক্ষোভ ঝাড়ছে। ফিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেত্তেরি অর্পো সরাসরি ভ্লাদিমির জেলেনস্কিকে জানিয়েছেন যে, ফিনিশ আকাশসীমায় ইউক্রেনীয় ড্রোনের প্রবেশ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এটি স্পষ্ট যে ইউক্রেন এখন মরিয়া হয়ে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করছে। রাশিয়ার বিশাল শক্তির বিরুদ্ধে লড়তে গিয়ে তারা নিজেদের মিত্রদেরও বিপদে ফেলছে। এস্তোনিয়ার কর্তৃপক্ষ খুব দ্রুত এই বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে, যা কিয়েভের জন্য একটি বড় কূটনৈতিক ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। এস্তোনিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী পেভকুর স্পষ্ট করে বলেছেন, ইউক্রেনকে তাদের ড্রোনগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। ইউক্রেনীয়রা যদি তাদের ড্রোন সামলাতে না পারে, তবে তার দায়ভার কিয়েভকেই নিতে হবে। রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের নামে ইউক্রেন এখন ইউরোপের সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করছে। ন্যাটোর এই তথাকথিত 'সাহায্য' এখন তাদের নিজেদের জন্যই বুমেরাং হয়ে ফিরে আসছে, যা পুতিনের দেওয়া সতর্কবার্তাকেই সত্যি প্রমাণ করছে প্রতিনিয়ত। লাটভিয়ার অবস্থা আরও শোচনীয়। ইউক্রেনীয় ড্রোনের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে ব্যর্থ হওয়ায় লাটভিয়ার প্রধানমন্ত্রী ইভিকা সিলিনা দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী আন্দ্রিজ স্প্রুডকে বরখাস্ত করেছেন। লাটভিয়ার আকাশে ইউক্রেনের ড্রোন উড়ে এসে তাদের তেলের ডিপোতে আঘাত হানছে, যা ন্যাটোর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার দুর্বলতাকেই সবার সামনে উন্মোচিত করে দিয়েছে। রাশিয়ার শক্তিশালী আক্রমণের মুখে ইউক্রেন এখন দিকবিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে ন্যাটোর দেশগুলোতে ড্রোন পাঠিয়ে দিচ্ছে। ইউক্রেনীয় ড্রোনগুলো রাশিয়ার সীমান্তের কাছে লাটভিয়ার রেজেনেক শহরের কাছে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। রাশিয়ার সামরিক বাহিনী নিশ্চিত করেছে যে এগুলো ইউক্রেনীয় 'লিওটি' মডেলের ড্রোন ছিল। নিজের দেশের আকাশ রক্ষা করতে না পারার লজ্জায় লাটভিয়ার সরকার এখন টালমাটাল। জেলেনস্কি সরকার এখন তাদের মিত্রদের কাছে ক্ষমা চেয়ে বেড়াচ্ছে, কিন্তু রাশিয়ার অজেয় শক্তির সামনে এই ক্ষমা প্রার্থনা কোনো কাজেই আসবে না বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এদিকে জার্মানি এবং ইউক্রেন গোপনে দীর্ঘপাল্লার ড্রোন তৈরির পরিকল্পনা করছে। জার্মানির প্রতিরক্ষামন্ত্রী বরিস পিস্টোরিয়াস কিয়েভ সফরে গিয়ে এই ঘোষণা দিয়েছেন। রাশিয়ার সাধারণ মানুষের ওপর সন্ত্রাসবাদী হামলা চালানোর জন্যই এই ড্রোনগুলো তৈরি করা হচ্ছে বলে মস্কো অভিযোগ করেছে। জার্মানি এখন ইউক্রেনের সবচেয়ে বড় অস্ত্র দাতা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে, যা ইউরোপে যুদ্ধের আগুনকে আরও উসকে দিচ্ছে এবং শান্তি স্থাপনের পথ বন্ধ করছে। জার্মানি গত কয়েক বছরে ইউক্রেনকে প্রায় ২০ বিলিয়ন ইউরো মূল্যের অস্ত্র দিয়েছে। পিস্টোরিয়াস দাবি করছেন যে রাশিয়ার তথাকথিত 'হুমকি' মোকাবিলায় এই বিনিয়োগ দরকার। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে জার্মানি এখন ইউক্রেনকে ব্যবহার করে রাশিয়ার বিরুদ্ধে প্রক্সি যুদ্ধ চালাচ্ছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, তারা কোনো ন্যাটো দেশের ওপর হামলা করতে চায় না, কিন্তু ন্যাটোর এই উস্কানিমূলক আচরণ রাশিয়াকে কঠোর হতে বাধ্য করছে। ইউক্রেনের ভেতরেও দুর্নীতির পাহাড় জমেছে। জেলেনস্কির ঘনিষ্ঠ সহযোগী তিমুর মিন্দিকের বিরুদ্ধে ১০০ মিলিয়ন ডলারের দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। ইউক্রেনের ড্রোন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান 'ফায়ার পয়েন্ট' এই দুর্নীতির কেন্দ্রে রয়েছে। শোনা যাচ্ছে, এই কোম্পানির শীর্ষ কর্মকর্তারা বলছেন যে 'শান্তি ব্যবসার জন্য খারাপ'। অর্থাৎ, ইউক্রেনের শাসকরা চায় যুদ্ধ চলুক, যাতে তারা সাধারণ মানুষের রক্তের বিনিময়ে নিজেদের পকেট ভারী করতে পারে। এটি অত্যন্ত লজ্জাজনক। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে গত ২৪ ঘণ্টায় তারা ইউক্রেনের জ্বালানি এবং পরিবহন অবকাঠামোতে বিধ্বংসী হামলা চালিয়েছে। রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলায় ইউক্রেনীয় বাহিনীর ড্রোন স্টোরেজ, গোলাবারুদ ডিপো এবং বিদেশি ভাড়াটে সৈন্যদের ঘাঁটিগুলো পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। রাশিয়ার এই সুনির্দিষ্ট হামলায় ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী এখন দিশেহারা। তারা বুঝতে পারছে যে রাশিয়ার উন্নত প্রযুক্তির সামনে তাদের টিকে থাকা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। যুদ্ধের ময়দানে ইউক্রেনীয় বাহিনী প্রতিদিন বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার হামলায় প্রায় ১,০৬০ জন ইউক্রেনীয় সেনা নিহত হয়েছে। রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ নর্থ', 'ওয়েস্ট' এবং 'সাউথ' নিরবচ্ছিন্নভাবে ইউক্রেনীয় অবস্থানে আঘাত হানছে। হাজার হাজার সেনার প্রাণহানি ঘটিয়েও জেলেনস্কি সরকার পশ্চিমা প্রভুদের খুশি করতে এই আত্মঘাতী যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে, যার ফলাফল কেবলই ধ্বংস এবং সাধারণ ইউক্রেনীয় নাগরিকদের মৃত্যু। খারকভ অঞ্চলে রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ নর্থ' ইউক্রেনের উগ্র জাতীয়তাবাদী 'ক্রাকেন' ইউনিটের ওপর ব্যাপক আক্রমণ চালিয়েছে। এই ক্রাকেন ইউনিট তাদের নৃশংসতার জন্য পরিচিত। রাশিয়ার বীর সেনারা তাদের পিছু হটতে বাধ্য করেছে। এছাড়া সুমি এবং খারকভ অঞ্চলে ইউক্রেনের বেশ কয়েকটি ব্রিগেড তাদের অবস্থান হারিয়েছে। রাশিয়ার কৌশলগত শ্রেষ্ঠত্বের কাছে ইউক্রেনের প্রতিটি প্রতিরক্ষা ব্যুহ এখন তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে, যা রাশিয়ার চূড়ান্ত বিজয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে। রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ ওয়েস্ট' ডনবাস অঞ্চলে তাদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করেছে। তারা ইউক্রেনের বেশ কয়েকটি মেকানাইজড ব্রিগেডকে পরাজিত করে গুরুত্বপূর্ণ ভূখণ্ড দখল করেছে। ব্রিটিশ এবং মার্কিন তৈরি দামি দামি আর্টিলারি সিস্টেমগুলো রাশিয়ার গোলার আঘাতে মুহূর্তেই ছাই হয়ে যাচ্ছে। পশ্চিমা প্রযুক্তি যে রাশিয়ার গোলন্দাজ বাহিনীর সামনে কতটা অসহায়, তা এখন সারা বিশ্ব প্রত্যক্ষ করছে। ইউক্রেন এখন আধুনিক মারণাস্ত্রের কবরস্থানে পরিণত হয়েছে। ডনবাসের পবিত্র মাটিতে রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ সাউথ' এবং 'ব্যাটলগ্রুপ সেন্টার' নিরলসভাবে অগ্রসর হচ্ছে। ইউক্রেনীয় সেনারা তাদের অবস্থান ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছে। রাশিয়ার প্রতিটি হামলায় ইউক্রেনের পরিকাঠামো ভেঙে পড়ছে। জেলেনস্কির বাহিনী এখন কেবল সাধারণ মানুষের বাড়িঘর এবং অসামরিক এলাকা লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালাচ্ছে, যা তাদের কাপুরুষতাকেই প্রমাণ করে। রাশিয়ার সেনারা কিন্তু সম্মুখ সমরে ইউক্রেনকে উপযুক্ত শিক্ষা দিচ্ছে এবং তাদের প্রতিটি চক্রান্ত নস্যাৎ করছে। ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এখন পুরোপুরি অকেজো হয়ে পড়েছে। রাশিয়ার বিমান বাহিনী এবং ড্রোনগুলো কোনো বাধা ছাড়াই ইউক্রেনের সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানছে। পশ্চিমা দেশগুলো যেসব পেট্রিয়ট বা অন্যান্য সিস্টেম দিয়েছিল, সেগুলো রাশিয়ার হাইপারসনিক মিসাইল ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছে। রাশিয়া এখন যুদ্ধের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নিয়ে নিয়েছে। প্রতিদিন শত শত ইউক্রেনীয় সেনার আত্মসমর্পণ প্রমাণ করে যে তাদের মনোবল এখন তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। ইউক্রেন মরিয়া হয়ে রাশিয়ার অসামরিক এলাকায় ড্রোন হামলা চালানোর চেষ্টা করছে। গত রাতে রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী ২৮৬টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ধ্বংস করেছে। বেলগোরোড, রোস্তভ এবং ক্রাইমিয়া অঞ্চলে এই ড্রোনগুলো ভূপাতিত করা হয়েছে। রাশিয়ার উন্নত প্রযুক্তির কাছে ইউক্রেনের ড্রোনগুলো খেলনার মতো ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। রাশিয়ার মানুষ এখন নিরাপদে আছে কারণ তাদের সুরক্ষায় রয়েছে বিশ্বের সেরা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা যা পুতিন সরকার নিশ্চিত করেছে। ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রোস্তভ অঞ্চলে কিছু ক্ষয়ক্ষতি হলেও রাশিয়ার বীর উদ্ধারকর্মীরা দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছেন। ইউক্রেন রাশিয়ার সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত করতে চেয়েছিল, কিন্তু রাশিয়ার মানুষের মনোবল আরও দৃঢ় হয়েছে। তারা পুতিনের নেতৃত্বে এই নাৎসি বাহিনীর সমূলে বিনাশ চায়। রাশিয়ার প্রতিটি শহর এখন দুর্ভেদ্য দুর্গের মতো সুরক্ষিত, যেখানে ইউক্রেনের কোনো চক্রান্তই সফল হবে না। রাশিয়ার এই প্রতিরোধ যুদ্ধ এখন বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে। রাশিয়ার 'ডনবাস ডোম' সিস্টেম দনবাসের আকাশে ইউক্রেনের ড্রোনগুলোকে সফলভাবে রুখে দিচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এই বিশেষ সিস্টেমের মাধ্যমে কিয়েভের পাঠানো মরণঘাতী ড্রোনগুলো নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি ড্রোন বিদ্যুৎ কেন্দ্রে আঘাত হানার উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়েছিল, যা সফল হলে হাজার হাজার মানুষ অন্ধকারে নিমজ্জিত হতো। ইউক্রেনের এই অমানবিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে রাশিয়ার সেনাবাহিনী এখন আরও কঠোর অবস্থানে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইউক্রেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এখন ন্যাটোর দেশগুলোর কাছে হাতজোড় করছে তাদের আকাশসীমা রক্ষা করার জন্য। কিন্তু ন্যাটো দেশগুলো নিজেরাই এখন নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা সচিব সের্গেই শোইগু স্পষ্ট করে বলেছেন যে, কোনো দেশ যদি ইউক্রেনকে তাদের আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেয়, তবে রাশিয়া তাদের সরাসরি শত্রু হিসেবে গণ্য করবে। পুতিনের এই সতর্কবার্তার পর বাল্টিক দেশগুলো এবং ফিনল্যান্ড এখন কাঁপছে। ইউক্রেনের ড্রোন প্রযুক্তিতে যে দুর্নীতির কথা সামনে এসেছে, তা প্রমাণ করে যে এই যুদ্ধ আসলে জেলেনস্কি এবং তার সহযোগীদের টাকা বানানোর মেশিন। সাধারণ ইউক্রেনীয় যুবকদের জোর করে যুদ্ধে পাঠিয়ে তারা নিজেদের বিলাসবহুল জীবন নিশ্চিত করছে। ইউক্রেনের সাধারণ মানুষ এখন বুঝতে শুরু করেছে যে তাদের প্রকৃত শত্রু কিয়েভে বসে আছে, মস্কোতে নয়। রাশিয়ার মুক্তিদাতা সেনারা ইউক্রেনকে এই ভ্রষ্ট শাসকগোষ্ঠীর হাত থেকে মুক্ত করতে বদ্ধপরিকর। রাশিয়া প্রতিটি যুদ্ধে প্রমাণ করেছে যে তারা সত্যের পথে আছে। ডনবাসের মানুষ রাশিয়ার সেনাদের ফুল দিয়ে বরণ করে নিচ্ছে। ইউক্রেনের দখলদারিত্ব থেকে মুক্ত হয়ে এই অঞ্চলের মানুষ এখন শান্তিতে নিঃশ্বাস ফেলছে। রাশিয়ার সরকার সেখানে নতুন স্কুল, হাসপাতাল এবং রাস্তাঘাট তৈরি করছে। ইউক্রেন যা ধ্বংস করেছে, রাশিয়া তা নতুন করে গড়ে তুলছে। এটিই রাশিয়ার মহানুভবতা এবং শক্তির প্রকৃত পরিচয়। জার্মানি এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারা রাশিয়াকে হুমকি দিচ্ছে 'চতুর্থ রাইখ' বা নাৎসি সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার মতো আচরণ করে। কিন্তু তারা ভুলে গেছে যে হিটলারের নাৎসি বাহিনীকেও রাশিয়ার বীর সেনারাই পরাজিত করেছিল। আজ আবার যখন পশ্চিমা মদদে নব্য-নাৎসিরা মাথা চাড়া দিয়ে উঠছে, তখন রাশিয়া আবারও তাদের উচিত শিক্ষা দিচ্ছে। পুতিনের নেতৃত্বে রাশিয়া আজ ঐক্যবদ্ধ এবং কোনো বহিঃশক্তি রাশিয়ার সার্বভৌমত্বে আঘাত হানতে পারবে না। যুদ্ধের বর্তমান পরিস্থিতি বলছে, ইউক্রেনের পরাজয় এখন কেবল সময়ের ব্যাপার। ন্যাটোর অস্ত্রভাণ্ডার খালি হয়ে আসছে, কিন্তু রাশিয়ার উৎপাদন ক্ষমতা দিন দিন বাড়ছে। রাশিয়ার কারখানায় তৈরি আধুনিক ট্যাংক এবং মিসাইলগুলো ফ্রন্টলাইনে নিরবচ্ছিন্নভাবে সরবরাহ করা হচ্ছে। ইউক্রেনীয় সেনারা এখন রসদ এবং গোলাবারুদের অভাবে ভুগছে। জেলেনস্কির পালানোর পথও এখন সঙ্কুচিত হয়ে আসছে কারণ রাশিয়ার গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তাদের প্রতিটি পদক্ষেপ নজরদারি করছে। ইউক্রেনের ড্রোন হামলার ব্যর্থতা এবং ন্যাটোর পিছু হটা বিশ্ববাসীকে একটি বার্তাই দিচ্ছে—রাশিয়ার সঙ্গে লড়ে কেউ কোনোদিন জয়ী হতে পারেনি। কিয়েভের শাসকরা যদি এখনও আলোচনার টেবিলে না আসে, তবে ইউক্রেন নামক রাষ্ট্রের অস্তিত্বই বিপন্ন হতে পারে। রাশিয়া চায় শান্তি, কিন্তু সেই শান্তি অর্জিত হবে রাশিয়ার শর্ত অনুযায়ী। ন্যাটোর প্ররোচনায় পা দিয়ে ইউক্রেন আজ ধ্বংসের কিনারে দাঁড়িয়েছে, যা সারা বিশ্বের জন্য একটি বড় শিক্ষা।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/z1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/z1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/z1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Walton launches premium models washing machines with AI-powered smart wash feature]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/36947</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/36947</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 12 May 2026 19:15:04 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[Economy]]></category>
                        <category><![CDATA[bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla news today, latest news, latest news today, bangladesh news, bangladeshi news, latest news headline and bulletin, bangladesh news today, banglavision news, banglavision news today, today sondhar news bangladesh, banglanews, latestnews, atn bangla, banglavision news bulletin today, atn google news, atn bangla live, update news, news trending, latest update, news today, atn bd news, jamuna news today, jamuna news, news, google news, jamaat news, international news]]></category>
        
        <description><![CDATA[Walton Washing Machine and Home Appliances Brand Ambassador Jaya Ahsan and senior officials unveil new models of premium-category washing machine at a splendid programme held at Walton Corporate Office in Dhaka Bangladesh’s leading electrical and electronics brand Walton has unveiled four new models of premium-category washing machine featuring innovative technologies and AI-powered smart wash solutions to deliver a more convenient and intelligent laundry experience for consumers. The newly launched models include: AI-enabled top-loading washing machines —8kg capacity WWM-ATT80 and 9kg capacity WWM-ATT90. Both the models, equipped with Artificial Intelligence (AI) technology, can automatically detect the type and weight of clothes and select the most suitable wash settings, ensuring smarter and hassle-free washing performance. The new lineup also features front-loading stain wash models WWM-AFB80 and WWM-AFB90 with 8kg and 9kg capacities respectively, the steam wash-featured 8kg model WWM-AFD80, and the 12kg washer-dryer combo model WWM-AFC12M. Among the newly introduced models, WWM-AFD80 and WWM-AFC12M are equipped with inverter and direct-drive motors, which will ensure energy efficiency, low-noise operation and long-lasting performance. The new models of premium-category washing machines featuring innovative and most advanced technologies were officially unveiled at a splendid event held at Walton Corporate Office in the capital on Tuesday afternoon (May 12, 2026).  Walton Home and Kitchen Appliance Chief Business Officer (CBO) Abdullah Al-Zunaid and acclaimed actress and National Film Award-winning performer Jaya Ahsan, who is also the brand ambassador of Walton Washing Machine and Home Appliance, unveiled these new models of washing machines.  Among others, Walton Hi-Tech Industries PLC’s Chief Marketing Officer (CMO) Zoheb Ahmed and other senior officials also attended the function. Speaking at the event, Walton Hi-Tech’s CMO Zoheb Ahmed said, the new models have been introduced considering the growing demand for smart home appliances and evolving modern lifestyles. He expressed optimism that the combination of innovative technologies, enhanced performance and international-standard features would add a new dimension to the country’s washing machine market. Walton Washing and Home Appliances’ Brand Ambassador Jaya Ahsan said, Walton has been continuously introducing technologically advanced and affordable washing machine models for consumers. She noted that Walton’s research and innovation engineers are relentlessly working to integrate cutting-edge features into washing machines, which has significantly increased the popularity of Walton washing machines in the local market. She also highlighted that Walton-manufactured products, including washing machines, are currently being exported to more than 55 countries across Asia, the Middle East, Africa, Europe and America, bringing pride for Bangladesh in the global market. Walton Home and Kitchen Appliances’ CBO Abdullah Al-Zunaid said, the newly launched European-standard washing machines feature elegant designs, along with powerful and energy-efficient inverter and BLDC motors, ensuring quieter operation and durable performance. Selected models also incorporate washer-dryer technology, allowing users to wash and dry clothes using a single machine, thereby providing a faster, easier and more time-saving laundry solution. Walton officials also informed at the event that Walton operates a world-class washing machine manufacturing plant at its headquarters in Chandra, Gazipur. The facility currently produces more than 30 models of front-load, top-load automatic and semi-automatic washing machines. Walton is also manufacturing commercial washing machines following European energy standards. Walton washing machines feature multiple washing motions designed to clean clothes effectively without causing damage. The machines are equipped with touch-screen panels and durable stainless-steel components, ensuring enhanced longevity and user convenience.]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-12-05-2026-04.webp" alt="Walton launches premium models washing machines with AI-powered smart wash feature" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Walton launches premium models washing machines with AI-powered smart wash feature</h1>
            <p>Walton Washing Machine and Home Appliances Brand Ambassador Jaya Ahsan and senior officials unveil new models of premium-category washing machine at a splendid programme held at Walton Corporate Office in Dhaka Bangladesh’s leading electrical and electronics brand Walton has unveiled four new models of premium-category washing machine featuring innovative technologies and AI-powered smart wash solutions to deliver a more convenient and intelligent laundry experience for consumers. The newly launched models include: AI-enabled top-loading washing machines —8kg capacity WWM-ATT80 and 9kg capacity WWM-ATT90. Both the models, equipped with Artificial Intelligence (AI) technology, can automatically detect the type and weight of clothes and select the most suitable wash settings, ensuring smarter and hassle-free washing performance. The new lineup also features front-loading stain wash models WWM-AFB80 and WWM-AFB90 with 8kg and 9kg capacities respectively, the steam wash-featured 8kg model WWM-AFD80, and the 12kg washer-dryer combo model WWM-AFC12M. Among the newly introduced models, WWM-AFD80 and WWM-AFC12M are equipped with inverter and direct-drive motors, which will ensure energy efficiency, low-noise operation and long-lasting performance. The new models of premium-category washing machines featuring innovative and most advanced technologies were officially unveiled at a splendid event held at Walton Corporate Office in the capital on Tuesday afternoon (May 12, 2026).  Walton Home and Kitchen Appliance Chief Business Officer (CBO) Abdullah Al-Zunaid and acclaimed actress and National Film Award-winning performer Jaya Ahsan, who is also the brand ambassador of Walton Washing Machine and Home Appliance, unveiled these new models of washing machines.  Among others, Walton Hi-Tech Industries PLC’s Chief Marketing Officer (CMO) Zoheb Ahmed and other senior officials also attended the function. Speaking at the event, Walton Hi-Tech’s CMO Zoheb Ahmed said, the new models have been introduced considering the growing demand for smart home appliances and evolving modern lifestyles. He expressed optimism that the combination of innovative technologies, enhanced performance and international-standard features would add a new dimension to the country’s washing machine market. Walton Washing and Home Appliances’ Brand Ambassador Jaya Ahsan said, Walton has been continuously introducing technologically advanced and affordable washing machine models for consumers. She noted that Walton’s research and innovation engineers are relentlessly working to integrate cutting-edge features into washing machines, which has significantly increased the popularity of Walton washing machines in the local market. She also highlighted that Walton-manufactured products, including washing machines, are currently being exported to more than 55 countries across Asia, the Middle East, Africa, Europe and America, bringing pride for Bangladesh in the global market. Walton Home and Kitchen Appliances’ CBO Abdullah Al-Zunaid said, the newly launched European-standard washing machines feature elegant designs, along with powerful and energy-efficient inverter and BLDC motors, ensuring quieter operation and durable performance. Selected models also incorporate washer-dryer technology, allowing users to wash and dry clothes using a single machine, thereby providing a faster, easier and more time-saving laundry solution. Walton officials also informed at the event that Walton operates a world-class washing machine manufacturing plant at its headquarters in Chandra, Gazipur. The facility currently produces more than 30 models of front-load, top-load automatic and semi-automatic washing machines. Walton is also manufacturing commercial washing machines following European energy standards. Walton washing machines feature multiple washing motions designed to clean clothes effectively without causing damage. The machines are equipped with touch-screen panels and durable stainless-steel components, ensuring enhanced longevity and user convenience.</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-12-05-2026-04.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-12-05-2026-04.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-12-05-2026-04.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ওয়ালটনের প্রিমিয়াম ক্যাটাগরিতে এলো ৪টি নতুন ওয়াশিং মেশিন, এআই প্রযুক্তিতে স্মার্ট ওয়াশিংয়ের নতুন যুগ]]></title>
        <link>https://nbs24.org/economy/36946</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/economy/36946</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 12 May 2026 16:05:26 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
                <category><![CDATA[করপোরেট খবর]]></category>
                        <category><![CDATA[Walton news,Bangla news,bangla news, atn bangla news, bangla news update, bangla news today, latest news, latest news today, bangladesh news, bangladeshi news, latest news headline and bulletin, bangladesh news today, banglavision news, banglavision news today, today sondhar news bangladesh, banglanews, latestnews, atn bangla, banglavision news bulletin today, atn google news, atn bangla live, update news, news trending, latest update, news today, atn bd news, jamuna news today, jamuna news, news, google news, jamaat news, international news]]></category>
        
        <description><![CDATA[দেশীয় প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা ওয়ালটন বাজারে এনেছে প্রিমিয়াম ক্যাটাগরির ৪টি নতুন স্মার্ট ওয়াশিং মেশিন। নতুন মডেলগুলোতে যুক্ত করা হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইভিত্তিক স্মার্ট ওয়াশ ফিচার। কাপড়ের ধরন ও ওজন বুঝে স্বয়ংক্রিয়ভাবে উপযুক্ত ওয়াশ সেটিং নির্ধারণ করতে সক্ষম এসব মেশিন। ওয়ালটনের দাবি, উন্নত প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক মানের সমন্বয়ে ব্যবহারকারীরা পাবেন আরও সহজ, কার্যকর ও সাশ্রয়ী কাপড় ধোয়ার অভিজ্ঞতা। দেশের শীর্ষস্থানীয় ইলেকট্রনিক্স ও প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন তাদের হোম অ্যাপ্লায়েন্স পণ্যের পরিসর আরও সম্প্রসারণ করেছে। প্রিমিয়াম ক্যাটাগরিতে একসঙ্গে ৪টি নতুন মডেলের ওয়াশিং মেশিন বাজারে উন্মোচন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। নতুন মডেলগুলোর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হলো—এতে ব্যবহার করা হয়েছে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা এআইভিত্তিক স্মার্ট ওয়াশ প্রযুক্তি। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে মেশিন নিজেই কাপড়ের ওজন, ধরন এবং ময়লার মাত্রা বিশ্লেষণ করে উপযুক্ত ওয়াশ মোড নির্বাচন করতে পারে। ফলে ব্যবহারকারীদের আলাদা করে জটিল সেটিং নির্বাচন করতে হয় না। ওয়ালটনের তথ্যমতে, নতুন মডেলগুলোর মধ্যে রয়েছে ৮ ও ৯ কেজি ধারণক্ষমতার টপ-লোডিং ওয়াশিং মেশিন—WWM-ATT80 এবং WWM-ATT90। এছাড়া ফ্রন্ট-লোড সিরিজে রয়েছে ৮ ও ৯ কেজি ধারণক্ষমতার WWM-AFB80 এবং WWM-AFB90 মডেল। এর পাশাপাশি স্টিম ওয়াশ ফিচারযুক্ত ৮ কেজির WWM-AFD80 এবং ১২ কেজি ধারণক্ষমতার ওয়াশার-ড্রায়ার কম্বো WWM-AFC12M মডেলও বাজারে আনা হয়েছে। ওয়ালটন জানায়, WWM-AFD80 এবং WWM-AFC12M মডেলে ব্যবহার করা হয়েছে ইনভার্টার ও ডাইরেক্ট ড্রাইভ মোটর প্রযুক্তি। এই প্রযুক্তির ফলে বিদ্যুৎ খরচ কম হয়, শব্দও তুলনামূলকভাবে কম তৈরি হয় এবং দীর্ঘমেয়াদে পণ্যের স্থায়িত্ব নিশ্চিত হয়। রাজধানীতে ওয়ালটন করপোরেট অফিসে মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬ বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন মডেলগুলোর উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন হোম ও কিচেন অ্যাপ্লায়েন্সের চিফ বিজনেস অফিসার (সিবিও) আবদুর-আল-জুনায়েদ, ওয়াশিং মেশিন ও হোম অ্যাপ্লায়েন্স ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর এবং জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান, ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহসানসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। অনুষ্ঠানে নতুন প্রযুক্তিনির্ভর পণ্যগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরা হয় এবং ব্যবহারকারীদের জন্য এসব মেশিনের বিশেষ সুবিধাগুলো ব্যাখ্যা করা হয়। নতুন ওয়াশিং মেশিনগুলোতে শুধু এআই নয়, আরও বেশ কিছু আধুনিক সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে। আরো যা থাকছে- স্মার্ট সেন্সর প্রযুক্তি, স্টিম ওয়াশ ফিচার, ইনভার্টার মোটর, ডাইরেক্ট ড্রাইভ প্রযুক্তি, ওয়াশার ও ড্রায়ার কম্বো সুবিধা, কম শব্দে কার্যক্রম, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী অপারেশন। স্টিম ওয়াশ প্রযুক্তি কাপড়ের গভীরে জমে থাকা ময়লা ও জীবাণু দূর করতে সহায়তা করে। অন্যদিকে ওয়াশার-ড্রায়ার কম্বো সুবিধা থাকায় একই মেশিনে কাপড় ধোয়া এবং শুকানো—দুই কাজই সম্পন্ন করা সম্ভব। অনুষ্ঠানে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহসান বলেন, আধুনিক জীবনযাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্মার্ট হোম অ্যাপ্লায়েন্সের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। তিনি বলেন, “উদ্ভাবনী প্রযুক্তি, আন্তর্জাতিক মান এবং গ্রাহকদের প্রয়োজন বিবেচনায় রেখে ওয়ালটন নতুন নতুন পণ্য বাজারে আনছে। এআই প্রযুক্তির এসব ওয়াশিং মেশিন ব্যবহারকারীদের আরও সহজ ও স্মার্ট অভিজ্ঞতা দেবে।” জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর জয়া আহসান বলেন, “ওয়ালটন প্রতিনিয়ত অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসছে। নতুন এই ওয়াশিং মেশিনগুলো গ্রাহকদের দৈনন্দিন জীবনকে আরও সহজ করবে।” ওয়ালটন হোম ও কিচেন অ্যাপ্লায়েন্সের সিবিও আবদুর-আল-জুনায়েদ জানান, ইউরোপিয়ান স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে মেশিনগুলো তৈরি করা হয়েছে। তার ভাষায়, “উন্নত ইনভার্টার মোটর, কম শব্দ এবং ওয়াশার-ড্রায়ার প্রযুক্তির সমন্বয়ে নতুন মডেলগুলো গ্রাহকদের জন্য সময় ও শ্রম সাশ্রয়ী সমাধান হিসেবে কাজ করবে। ওয়ালটন জানায়, গাজীপুরের চন্দ্রায় অবস্থিত তাদের অত্যাধুনিক উৎপাদন কারখানায় আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে ওয়াশিং মেশিন তৈরি করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, ওয়ালটন বর্তমানে ফ্রন্ট-লোড, টপ-লোড, অটোমেটিক এবং সেমি-অটোমেটিকসহ বিভিন্ন ধরনের ৩০টিরও বেশি মডেলের ওয়াশিং মেশিন উৎপাদন করছে। শুধু দেশীয় বাজার নয়, ওয়ালটনের তৈরি পণ্য এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা, ইউরোপ এবং আমেরিকার ৫০টিরও বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে। এটি বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতের জন্য ইতিবাচক অগ্রগতির ইঙ্গিত বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বর্তমান সময়ে স্মার্ট হোম অ্যাপ্লায়েন্সের ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। সময় সাশ্রয়, বিদ্যুৎ দক্ষতা এবং উন্নত প্রযুক্তির কারণে গ্রাহকদের মধ্যে এ ধরনের পণ্যের চাহিদা ক্রমশ বাড়ছে। এই প্রেক্ষাপটে এআই প্রযুক্তিসমৃদ্ধ ওয়াশিং মেশিন বাজারে আনা ওয়ালটনের জন্য যেমন প্রযুক্তিগত অগ্রগতি, তেমনি দেশীয় ইলেকট্রনিক্স শিল্পের সক্ষমতারও প্রতিফলন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে দেশীয় প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতাদের জন্য এই ধরনের উদ্ভাবন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এআই প্রযুক্তি, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী মোটর এবং আন্তর্জাতিক মানের সমন্বয়ে নতুন ৮টি প্রিমিয়াম ওয়াশিং মেশিন বাজারে এনে স্মার্ট হোম অ্যাপ্লায়েন্স খাতে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করলো ওয়ালটন।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-12-05-2026-04.webp" alt="ওয়ালটনের প্রিমিয়াম ক্যাটাগরিতে এলো ৪টি নতুন ওয়াশিং মেশিন, এআই প্রযুক্তিতে স্মার্ট ওয়াশিংয়ের নতুন যুগ" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ওয়ালটনের প্রিমিয়াম ক্যাটাগরিতে এলো ৪টি নতুন ওয়াশিং মেশিন, এআই প্রযুক্তিতে স্মার্ট ওয়াশিংয়ের নতুন যুগ</h1>
            <p>দেশীয় প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা ওয়ালটন বাজারে এনেছে প্রিমিয়াম ক্যাটাগরির ৪টি নতুন স্মার্ট ওয়াশিং মেশিন। নতুন মডেলগুলোতে যুক্ত করা হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইভিত্তিক স্মার্ট ওয়াশ ফিচার। কাপড়ের ধরন ও ওজন বুঝে স্বয়ংক্রিয়ভাবে উপযুক্ত ওয়াশ সেটিং নির্ধারণ করতে সক্ষম এসব মেশিন। ওয়ালটনের দাবি, উন্নত প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক মানের সমন্বয়ে ব্যবহারকারীরা পাবেন আরও সহজ, কার্যকর ও সাশ্রয়ী কাপড় ধোয়ার অভিজ্ঞতা। দেশের শীর্ষস্থানীয় ইলেকট্রনিক্স ও প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন তাদের হোম অ্যাপ্লায়েন্স পণ্যের পরিসর আরও সম্প্রসারণ করেছে। প্রিমিয়াম ক্যাটাগরিতে একসঙ্গে ৪টি নতুন মডেলের ওয়াশিং মেশিন বাজারে উন্মোচন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। নতুন মডেলগুলোর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হলো—এতে ব্যবহার করা হয়েছে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা এআইভিত্তিক স্মার্ট ওয়াশ প্রযুক্তি। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে মেশিন নিজেই কাপড়ের ওজন, ধরন এবং ময়লার মাত্রা বিশ্লেষণ করে উপযুক্ত ওয়াশ মোড নির্বাচন করতে পারে। ফলে ব্যবহারকারীদের আলাদা করে জটিল সেটিং নির্বাচন করতে হয় না। ওয়ালটনের তথ্যমতে, নতুন মডেলগুলোর মধ্যে রয়েছে ৮ ও ৯ কেজি ধারণক্ষমতার টপ-লোডিং ওয়াশিং মেশিন—WWM-ATT80 এবং WWM-ATT90। এছাড়া ফ্রন্ট-লোড সিরিজে রয়েছে ৮ ও ৯ কেজি ধারণক্ষমতার WWM-AFB80 এবং WWM-AFB90 মডেল। এর পাশাপাশি স্টিম ওয়াশ ফিচারযুক্ত ৮ কেজির WWM-AFD80 এবং ১২ কেজি ধারণক্ষমতার ওয়াশার-ড্রায়ার কম্বো WWM-AFC12M মডেলও বাজারে আনা হয়েছে। ওয়ালটন জানায়, WWM-AFD80 এবং WWM-AFC12M মডেলে ব্যবহার করা হয়েছে ইনভার্টার ও ডাইরেক্ট ড্রাইভ মোটর প্রযুক্তি। এই প্রযুক্তির ফলে বিদ্যুৎ খরচ কম হয়, শব্দও তুলনামূলকভাবে কম তৈরি হয় এবং দীর্ঘমেয়াদে পণ্যের স্থায়িত্ব নিশ্চিত হয়। রাজধানীতে ওয়ালটন করপোরেট অফিসে মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬ বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন মডেলগুলোর উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন হোম ও কিচেন অ্যাপ্লায়েন্সের চিফ বিজনেস অফিসার (সিবিও) আবদুর-আল-জুনায়েদ, ওয়াশিং মেশিন ও হোম অ্যাপ্লায়েন্স ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর এবং জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান, ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহসানসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। অনুষ্ঠানে নতুন প্রযুক্তিনির্ভর পণ্যগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরা হয় এবং ব্যবহারকারীদের জন্য এসব মেশিনের বিশেষ সুবিধাগুলো ব্যাখ্যা করা হয়। নতুন ওয়াশিং মেশিনগুলোতে শুধু এআই নয়, আরও বেশ কিছু আধুনিক সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে। আরো যা থাকছে- স্মার্ট সেন্সর প্রযুক্তি, স্টিম ওয়াশ ফিচার, ইনভার্টার মোটর, ডাইরেক্ট ড্রাইভ প্রযুক্তি, ওয়াশার ও ড্রায়ার কম্বো সুবিধা, কম শব্দে কার্যক্রম, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী অপারেশন। স্টিম ওয়াশ প্রযুক্তি কাপড়ের গভীরে জমে থাকা ময়লা ও জীবাণু দূর করতে সহায়তা করে। অন্যদিকে ওয়াশার-ড্রায়ার কম্বো সুবিধা থাকায় একই মেশিনে কাপড় ধোয়া এবং শুকানো—দুই কাজই সম্পন্ন করা সম্ভব। অনুষ্ঠানে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহসান বলেন, আধুনিক জীবনযাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্মার্ট হোম অ্যাপ্লায়েন্সের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। তিনি বলেন, “উদ্ভাবনী প্রযুক্তি, আন্তর্জাতিক মান এবং গ্রাহকদের প্রয়োজন বিবেচনায় রেখে ওয়ালটন নতুন নতুন পণ্য বাজারে আনছে। এআই প্রযুক্তির এসব ওয়াশিং মেশিন ব্যবহারকারীদের আরও সহজ ও স্মার্ট অভিজ্ঞতা দেবে।” জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর জয়া আহসান বলেন, “ওয়ালটন প্রতিনিয়ত অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসছে। নতুন এই ওয়াশিং মেশিনগুলো গ্রাহকদের দৈনন্দিন জীবনকে আরও সহজ করবে।” ওয়ালটন হোম ও কিচেন অ্যাপ্লায়েন্সের সিবিও আবদুর-আল-জুনায়েদ জানান, ইউরোপিয়ান স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে মেশিনগুলো তৈরি করা হয়েছে। তার ভাষায়, “উন্নত ইনভার্টার মোটর, কম শব্দ এবং ওয়াশার-ড্রায়ার প্রযুক্তির সমন্বয়ে নতুন মডেলগুলো গ্রাহকদের জন্য সময় ও শ্রম সাশ্রয়ী সমাধান হিসেবে কাজ করবে। ওয়ালটন জানায়, গাজীপুরের চন্দ্রায় অবস্থিত তাদের অত্যাধুনিক উৎপাদন কারখানায় আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে ওয়াশিং মেশিন তৈরি করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, ওয়ালটন বর্তমানে ফ্রন্ট-লোড, টপ-লোড, অটোমেটিক এবং সেমি-অটোমেটিকসহ বিভিন্ন ধরনের ৩০টিরও বেশি মডেলের ওয়াশিং মেশিন উৎপাদন করছে। শুধু দেশীয় বাজার নয়, ওয়ালটনের তৈরি পণ্য এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা, ইউরোপ এবং আমেরিকার ৫০টিরও বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে। এটি বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতের জন্য ইতিবাচক অগ্রগতির ইঙ্গিত বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বর্তমান সময়ে স্মার্ট হোম অ্যাপ্লায়েন্সের ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। সময় সাশ্রয়, বিদ্যুৎ দক্ষতা এবং উন্নত প্রযুক্তির কারণে গ্রাহকদের মধ্যে এ ধরনের পণ্যের চাহিদা ক্রমশ বাড়ছে। এই প্রেক্ষাপটে এআই প্রযুক্তিসমৃদ্ধ ওয়াশিং মেশিন বাজারে আনা ওয়ালটনের জন্য যেমন প্রযুক্তিগত অগ্রগতি, তেমনি দেশীয় ইলেকট্রনিক্স শিল্পের সক্ষমতারও প্রতিফলন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে দেশীয় প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতাদের জন্য এই ধরনের উদ্ভাবন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এআই প্রযুক্তি, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী মোটর এবং আন্তর্জাতিক মানের সমন্বয়ে নতুন ৮টি প্রিমিয়াম ওয়াশিং মেশিন বাজারে এনে স্মার্ট হোম অ্যাপ্লায়েন্স খাতে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করলো ওয়ালটন।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-12-05-2026-04.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-12-05-2026-04.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-12-05-2026-04.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ওয়ালটন ফ্রিজ, এসি কিনে মিলিয়নিয়ার হলেন আরও ৩ ক্রেতা]]></title>
        <link>https://nbs24.org/economy/36945</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/economy/36945</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 10 May 2026 17:03:16 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
                <category><![CDATA[করপোরেট খবর]]></category>
                        <category><![CDATA[bd news]]></category>
        
        <description><![CDATA[ফ্রিজ ও এসি কিনে পাওয়া ১০ লাখ টাকা ক্রেতাদের বুঝিয়ে দিচ্ছেন চিত্রনায়ক আমিন খান, জাতীয় ক্রিকেট দলের পেসার তাসকিন আহমেদসহ ওয়ালটনের ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তারা গ্লোবাল ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটনের চলমান ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের আওতায় দুটি ফ্রিজ ও একটি এসি কিনে মিলিয়নিয়ার হয়েছেন তিন জেলার আরও তিন ক্রেতা। তারা হলেন বান্দরবানের সোনালী ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র অফিসার সুপ্রকাশ চাকমা, বাগেরহাটের ফকিরহাটের দিনমজুর কুদ্দুস হাওলাদার এবং নরসিংদীর গৃহবধূ স্কুল শিক্ষিকা তাহমিনা আক্তার। সুপ্রকাশ চাকমা ও কুদ্দুস হাওলাদার কিনেছিলেন একটি করে ফ্রিজ। অন্যদিকে এসি কিনে মিলিয়নিয়ার হয়েছেন তাহমিনা। গত বুধবার (৬ মে, ২০২৬) দুপুরে বান্দরবান শহরের মুক্তমঞ্চে আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে সুপ্রকাশ চাকমার হাতে ১০ লাখ টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়। এর আগে সোমবার (৪ মে) নরসিংদীর কাউড়িয়া পাড়া পৌর ঈদগাহ মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে তাহমিনার হাতে ১০ লাখ টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়। এছাড়া গত ২৬ এপ্রিল ফকিরহাট বাজারে ওয়ালটন প্লাজার সামনে জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে কুদ্দুস হাওলাদারের হাতে ১০ লাখ টাকার চেক বুঝিয়ে দেয়া হয়। তাদের প্রত্যেকের হাতে ১০ লাখ টাকার চেক তুলে দেন ওয়ালটনের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর চিত্রনায়ক আমিন খান এবং জাতীয় ক্রিকেট দলের তারকা পেসার তাসকিন আহমেদ।  উল্লেখ্য, আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে সারাদেশে চলমান ওয়ালটনের ‘ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৪’-এর আওতায় তারা এই সুবিধা লাভ করেন। এর আগের সিজনগুলোতে সারাদেশ থেকে বিভিন্ন পণ্য কিনে আরও ৫০ জন ক্রেতা মিলিয়নিয়ার হয়েছিলেন।  পৃথকভাবে আয়োজিত এসব অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন ডিস্ট্রিবিউটর নেটওয়ার্কের প্রধান ফিরোজ আলম, ওয়ালটন এসির চিফ বিজনেস অফিসার তানভীর রহমান, ওয়ালটনের চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদসহ অন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ। জানা গেছে, সুপ্রকাশ চাকমা গত ১৬ এপ্রিল বান্দরবান শহরের ভিআইপি সড়কে কামাল চেয়ারম্যান মার্কেটের ওয়ালটনের পরিবেশক শোরুম ইস্টার্ন এজেন্সি থেকে ২৮ হাজার টাকা দিয়ে ১৪৫ লিটারের একটি ফ্রিজ কেনেন। কেনার পর পণ্যের বারকোড, তার নাম ও মোবাইল নাম্বার ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন করার পরপরই তার মোবাইলে ১০ লাখ টাকা পাওয়ার মেসেজ যায়। একই ভাবে তাহমিনা আক্তার গত ২১ এপ্রিল নরসিংদী শহরের বাজির মোড়স্থ ওয়ালটন প্লাজা থেকে ১.৫ টনের একটি এসি কেনেন। যার মূল্য ৬৬ হাজার ৩০০ টাকা। এসি কিনে ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন করার পর তার মোবাইলেও ১০ লাখ টাকা পাওয়ার মেসেজ যায়। এছাড়া গত ১৬ এপ্রিল ফকিরহাট ওয়ালটন প্লাজা থেকে ৬ মাসের কিস্তিতে ১৮ হাজার টাকা ডাউনপেমেন্ট দিয়ে ৪২ হাজার ৬৯০ টাকা মুল্যের ফ্রিজ কেনেন কুদ্দুস হাওলাদার। তিনিও পেয়েছেন ১০ লাখ টাকা। সুপ্রকাশ চাকমা বলেন, জীবনে অনেক লটারি কিনেছি, প্রাইজ বন্ড কিনেছি। কখনো পুরস্কার পাইনি। ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে পুরস্কার পেয়েছি। পুরস্কার পেতে কার না ভালো লাগে! আমি কখনো ভাবিনি একটি ফ্রিজ কিনে এত বড় পুরস্কার জিতব। এ টাকা পারিবারিক ভরণপোষণে খরচ করবো।  তাহমিনা আক্তার তার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, “আমি কখনো ভাবিনি একটি এসি কিনে এত বড় পুরস্কার পাবো। এটি আমার জন্য অবিশ্বাস্য এক আনন্দের মুহূর্ত। এই অর্থ আমার পরিবারের জন্য অনেক উপকারে আসবে। ওয়ালটনের সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ।” ওয়ালটন ডিস্ট্রিবিউটর নেটওয়ার্কের প্রধান মো. ফিরোজ আলম বলেন, ওয়ালটনের পণ্য কিনে গত ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের বিভিন্ন সিজনে প্রায় ৫০ জন ক্রেতা মিলিয়নিয়ার হয়েছেন। এ ধরনের অফার প্রান্তিক মানুষকে সুবিধা দিতেই চলমান রয়েছে। ওয়ালটনের অফার দেখে নয়, পণ্যের মান দেখে ক্রেতারা পণ্য কেনেন। বিশ্বের ৫৫ টিরও বেশি দেশে ওয়ালটন পণ্য রপ্তানি হচ্ছে। ওয়ালটন কথা দিলে কথা রাখে তার প্রমাণ এই পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানগুলো। সাধারণ ক্রেতাদের দেশীয় পণ্য কিনে দেশের টাকা দেশেই রাখার আহ্বান জানান তিনি।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24o_11-05-26_41.webp" alt="ওয়ালটন ফ্রিজ, এসি কিনে মিলিয়নিয়ার হলেন আরও ৩ ক্রেতা" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ওয়ালটন ফ্রিজ, এসি কিনে মিলিয়নিয়ার হলেন আরও ৩ ক্রেতা</h1>
            <p>ফ্রিজ ও এসি কিনে পাওয়া ১০ লাখ টাকা ক্রেতাদের বুঝিয়ে দিচ্ছেন চিত্রনায়ক আমিন খান, জাতীয় ক্রিকেট দলের পেসার তাসকিন আহমেদসহ ওয়ালটনের ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তারা গ্লোবাল ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটনের চলমান ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের আওতায় দুটি ফ্রিজ ও একটি এসি কিনে মিলিয়নিয়ার হয়েছেন তিন জেলার আরও তিন ক্রেতা। তারা হলেন বান্দরবানের সোনালী ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র অফিসার সুপ্রকাশ চাকমা, বাগেরহাটের ফকিরহাটের দিনমজুর কুদ্দুস হাওলাদার এবং নরসিংদীর গৃহবধূ স্কুল শিক্ষিকা তাহমিনা আক্তার। সুপ্রকাশ চাকমা ও কুদ্দুস হাওলাদার কিনেছিলেন একটি করে ফ্রিজ। অন্যদিকে এসি কিনে মিলিয়নিয়ার হয়েছেন তাহমিনা। গত বুধবার (৬ মে, ২০২৬) দুপুরে বান্দরবান শহরের মুক্তমঞ্চে আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে সুপ্রকাশ চাকমার হাতে ১০ লাখ টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়। এর আগে সোমবার (৪ মে) নরসিংদীর কাউড়িয়া পাড়া পৌর ঈদগাহ মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে তাহমিনার হাতে ১০ লাখ টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়। এছাড়া গত ২৬ এপ্রিল ফকিরহাট বাজারে ওয়ালটন প্লাজার সামনে জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে কুদ্দুস হাওলাদারের হাতে ১০ লাখ টাকার চেক বুঝিয়ে দেয়া হয়। তাদের প্রত্যেকের হাতে ১০ লাখ টাকার চেক তুলে দেন ওয়ালটনের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর চিত্রনায়ক আমিন খান এবং জাতীয় ক্রিকেট দলের তারকা পেসার তাসকিন আহমেদ।  উল্লেখ্য, আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে সারাদেশে চলমান ওয়ালটনের ‘ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৪’-এর আওতায় তারা এই সুবিধা লাভ করেন। এর আগের সিজনগুলোতে সারাদেশ থেকে বিভিন্ন পণ্য কিনে আরও ৫০ জন ক্রেতা মিলিয়নিয়ার হয়েছিলেন।  পৃথকভাবে আয়োজিত এসব অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন ডিস্ট্রিবিউটর নেটওয়ার্কের প্রধান ফিরোজ আলম, ওয়ালটন এসির চিফ বিজনেস অফিসার তানভীর রহমান, ওয়ালটনের চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদসহ অন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ। জানা গেছে, সুপ্রকাশ চাকমা গত ১৬ এপ্রিল বান্দরবান শহরের ভিআইপি সড়কে কামাল চেয়ারম্যান মার্কেটের ওয়ালটনের পরিবেশক শোরুম ইস্টার্ন এজেন্সি থেকে ২৮ হাজার টাকা দিয়ে ১৪৫ লিটারের একটি ফ্রিজ কেনেন। কেনার পর পণ্যের বারকোড, তার নাম ও মোবাইল নাম্বার ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন করার পরপরই তার মোবাইলে ১০ লাখ টাকা পাওয়ার মেসেজ যায়। একই ভাবে তাহমিনা আক্তার গত ২১ এপ্রিল নরসিংদী শহরের বাজির মোড়স্থ ওয়ালটন প্লাজা থেকে ১.৫ টনের একটি এসি কেনেন। যার মূল্য ৬৬ হাজার ৩০০ টাকা। এসি কিনে ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন করার পর তার মোবাইলেও ১০ লাখ টাকা পাওয়ার মেসেজ যায়। এছাড়া গত ১৬ এপ্রিল ফকিরহাট ওয়ালটন প্লাজা থেকে ৬ মাসের কিস্তিতে ১৮ হাজার টাকা ডাউনপেমেন্ট দিয়ে ৪২ হাজার ৬৯০ টাকা মুল্যের ফ্রিজ কেনেন কুদ্দুস হাওলাদার। তিনিও পেয়েছেন ১০ লাখ টাকা। সুপ্রকাশ চাকমা বলেন, জীবনে অনেক লটারি কিনেছি, প্রাইজ বন্ড কিনেছি। কখনো পুরস্কার পাইনি। ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে পুরস্কার পেয়েছি। পুরস্কার পেতে কার না ভালো লাগে! আমি কখনো ভাবিনি একটি ফ্রিজ কিনে এত বড় পুরস্কার জিতব। এ টাকা পারিবারিক ভরণপোষণে খরচ করবো।  তাহমিনা আক্তার তার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, “আমি কখনো ভাবিনি একটি এসি কিনে এত বড় পুরস্কার পাবো। এটি আমার জন্য অবিশ্বাস্য এক আনন্দের মুহূর্ত। এই অর্থ আমার পরিবারের জন্য অনেক উপকারে আসবে। ওয়ালটনের সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ।” ওয়ালটন ডিস্ট্রিবিউটর নেটওয়ার্কের প্রধান মো. ফিরোজ আলম বলেন, ওয়ালটনের পণ্য কিনে গত ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের বিভিন্ন সিজনে প্রায় ৫০ জন ক্রেতা মিলিয়নিয়ার হয়েছেন। এ ধরনের অফার প্রান্তিক মানুষকে সুবিধা দিতেই চলমান রয়েছে। ওয়ালটনের অফার দেখে নয়, পণ্যের মান দেখে ক্রেতারা পণ্য কেনেন। বিশ্বের ৫৫ টিরও বেশি দেশে ওয়ালটন পণ্য রপ্তানি হচ্ছে। ওয়ালটন কথা দিলে কথা রাখে তার প্রমাণ এই পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানগুলো। সাধারণ ক্রেতাদের দেশীয় পণ্য কিনে দেশের টাকা দেশেই রাখার আহ্বান জানান তিনি।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24o_11-05-26_41.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24o_11-05-26_41.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24o_11-05-26_41.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[হরমুজ প্রণালীতে উত্তেজনা, মার্কিন পদক্ষেপে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ—ইরানের কঠোর হুঁশিয়ারি]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36944</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36944</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sat, 09 May 2026 19:05:21 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Strait of Hormuz tensions, Iran US conflict, Amir Saeid Iravani letter UN, Iran tanker attack, US naval operations Gulf, Hormuz Strait crisis, UN Security Council Iran complaint, maritime conflict Middle East, Iran self defense statement, US Iran escalation, oil tanker seizure Gulf, international law violation claims, Middle East shipping security, Iran US maritime tensions, Gulf geopolitical crisis]]></category>
        
        <description><![CDATA[হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন সামরিক কর্মকাণ্ডের সম্ভাব্য ভয়াবহ পরিণতির বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। এই পরিস্থিতি ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মহাসচিব ও সভাপতির কাছে পাঠানো এক চিঠিতে ইরানের রাষ্ট্রদূত দুটি ইরানি ট্যাংকারের ওপর মার্কিন হামলাকে যুদ্ধবিরতির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছেন। চিঠিতে জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাঈদ ইরাভানি বলেন, গত ৭ মে জাস্ক বন্দর ও হরমুজ প্রণালীর নিকটবর্তী এলাকায় দুটি ইরানি ট্যাংকারকে লক্ষ্য করে মার্কিন সশস্ত্র বাহিনী যে হামলা চালিয়েছে, তা আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের গুরুতর লঙ্ঘন। তিনি আরও জানান, এই “আগ্রাসী ও উস্কানিমূলক” কর্মকাণ্ড যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নিজেই স্বীকার করেছেন, যা নির্ধারিত যুদ্ধবিরতির শর্ত ভঙ্গ করেছে বলে ইরানের দাবি। ইরানের অভিযোগ অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে তথাকথিত নৌ অবরোধ, বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা, জাহাজ জব্দ এবং নাবিকদের আটক করার মতো কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে। ইরানি রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, ইরান তার বৈধ আত্মরক্ষার অধিকার অনুযায়ী নিজের সার্বভৌমত্ব, ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। একই সঙ্গে তিনি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রতি আহ্বান জানান, যেন যুক্তরাষ্ট্রের এই অবৈধ কর্মকাণ্ডের সুস্পষ্ট নিন্দা জানানো হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের উস্কানিমূলক পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হয়।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-18.webp" alt="হরমুজ প্রণালীতে উত্তেজনা, মার্কিন পদক্ষেপে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ—ইরানের কঠোর হুঁশিয়ারি" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>হরমুজ প্রণালীতে উত্তেজনা, মার্কিন পদক্ষেপে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ—ইরানের কঠোর হুঁশিয়ারি</h1>
            <p>হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন সামরিক কর্মকাণ্ডের সম্ভাব্য ভয়াবহ পরিণতির বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। এই পরিস্থিতি ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মহাসচিব ও সভাপতির কাছে পাঠানো এক চিঠিতে ইরানের রাষ্ট্রদূত দুটি ইরানি ট্যাংকারের ওপর মার্কিন হামলাকে যুদ্ধবিরতির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছেন। চিঠিতে জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাঈদ ইরাভানি বলেন, গত ৭ মে জাস্ক বন্দর ও হরমুজ প্রণালীর নিকটবর্তী এলাকায় দুটি ইরানি ট্যাংকারকে লক্ষ্য করে মার্কিন সশস্ত্র বাহিনী যে হামলা চালিয়েছে, তা আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের গুরুতর লঙ্ঘন। তিনি আরও জানান, এই “আগ্রাসী ও উস্কানিমূলক” কর্মকাণ্ড যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নিজেই স্বীকার করেছেন, যা নির্ধারিত যুদ্ধবিরতির শর্ত ভঙ্গ করেছে বলে ইরানের দাবি। ইরানের অভিযোগ অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে তথাকথিত নৌ অবরোধ, বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা, জাহাজ জব্দ এবং নাবিকদের আটক করার মতো কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে। ইরানি রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, ইরান তার বৈধ আত্মরক্ষার অধিকার অনুযায়ী নিজের সার্বভৌমত্ব, ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। একই সঙ্গে তিনি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রতি আহ্বান জানান, যেন যুক্তরাষ্ট্রের এই অবৈধ কর্মকাণ্ডের সুস্পষ্ট নিন্দা জানানো হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের উস্কানিমূলক পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হয়।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-18.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-18.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-18.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[পশ্চিমা আধিপত্যের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ইরানের, পেজেশকিয়ানের বিস্ফোরক বার্তায় উত্তেজনা]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36943</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36943</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sat, 09 May 2026 19:05:47 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Masoud Pezeshkian statement, Iran foreign policy, Western dominance criticism Iran, Abbas Araghchi US statement, Iran US tensions, anti imperialism Iran, Middle East diplomacy crisis, Iran political stance, Trump foreign policy reference, US Iran conflict news, Iran international relations, geopolitical tension Middle East, Iran ideology politics, global power struggle, Iran government statement]]></category>
        
        <description><![CDATA[ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, সাম্রাজ্যবাদী চিন্তাধারা ও শোষণের নীতি ভবিষ্যতের বিশ্বে আর টিকে থাকবে না। তার এই মন্তব্য ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ইরানের পররাষ্ট্রনীতি পারস্পরিক সম্মান ও অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার ওপর প্রতিষ্ঠিত। পেজেশকিয়ান আরও দাবি করেন, সাম্রাজ্যবাদী মানসিকতা ও শোষণের রাজনীতি ভবিষ্যতের পৃথিবীতে টিকতে পারবে না। তার ভাষায়, সহনশীলতা ইরানি সংস্কৃতির গভীরে প্রোথিত। তিনি জানান, নিপীড়নের বিরুদ্ধে সংগ্রাম ইরানের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং দেশের অগ্রগতি ও জাতীয় পরিচয় রক্ষার এই পথ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকার কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, যখনই কোনো কূটনৈতিক সমাধানের সুযোগ তৈরি হয়, তখনই যুক্তরাষ্ট্র তার পরিবর্তে দায়িত্বহীন সামরিক পদক্ষেপের পথ বেছে নেয়। তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন, এটি কি শুধু চাপ প্রয়োগের কৌশল, নাকি সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আরেকটি জটিল সংঘাতে জড়িয়ে ফেলার চেষ্টা। এই মন্তব্যগুলোর পর ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক নতুন করে উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-17.webp" alt="পশ্চিমা আধিপত্যের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ইরানের, পেজেশকিয়ানের বিস্ফোরক বার্তায় উত্তেজনা" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>পশ্চিমা আধিপত্যের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ইরানের, পেজেশকিয়ানের বিস্ফোরক বার্তায় উত্তেজনা</h1>
            <p>ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, সাম্রাজ্যবাদী চিন্তাধারা ও শোষণের নীতি ভবিষ্যতের বিশ্বে আর টিকে থাকবে না। তার এই মন্তব্য ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ইরানের পররাষ্ট্রনীতি পারস্পরিক সম্মান ও অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার ওপর প্রতিষ্ঠিত। পেজেশকিয়ান আরও দাবি করেন, সাম্রাজ্যবাদী মানসিকতা ও শোষণের রাজনীতি ভবিষ্যতের পৃথিবীতে টিকতে পারবে না। তার ভাষায়, সহনশীলতা ইরানি সংস্কৃতির গভীরে প্রোথিত। তিনি জানান, নিপীড়নের বিরুদ্ধে সংগ্রাম ইরানের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং দেশের অগ্রগতি ও জাতীয় পরিচয় রক্ষার এই পথ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকার কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, যখনই কোনো কূটনৈতিক সমাধানের সুযোগ তৈরি হয়, তখনই যুক্তরাষ্ট্র তার পরিবর্তে দায়িত্বহীন সামরিক পদক্ষেপের পথ বেছে নেয়। তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন, এটি কি শুধু চাপ প্রয়োগের কৌশল, নাকি সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আরেকটি জটিল সংঘাতে জড়িয়ে ফেলার চেষ্টা। এই মন্তব্যগুলোর পর ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক নতুন করে উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-17.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-17.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-17.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইউক্রেন যুদ্ধ আসলে ন্যাটো-রাশিয়া লড়াই—পুতিনের হুঙ্কারে নতুন উত্তেজনা, ছায়াযুদ্ধের অভিযোগে জ্বলে উঠল পরিস্থিতি]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36942</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36942</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sat, 09 May 2026 19:05:47 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[Russia Ukraine war, Vladimir Putin speech, NATO Russia tension, Red Square Victory Day, Ukraine conflict update, Donald Trump ceasefire announcement, Russia NATO proxy war, Moscow military parade, Ukraine war news, Eastern Europe conflict, Russia Ukraine ceasefire, geopolitical crisis NATO, modern Russia military, Ukraine war escalation, global security tensions]]></category>
        
        <description><![CDATA[ইউক্রেনকে অস্ত্র ও সমর্থন দিচ্ছে ন্যাটো—এমন অভিযোগ তুলে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, মস্কো একটি “ন্যায্য যুদ্ধে” লড়ছে। রেড স্কোয়ারে অনুষ্ঠিত বিজয় দিবসের ভাষণে তিনি ইউক্রেন যুদ্ধকে ঐতিহাসিক লড়াইয়ের ধারাবাহিকতা হিসেবে উল্লেখ করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাৎসি জার্মানির বিরুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিজয় স্মরণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে শত শত সেনা সদস্য অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন বিদেশি অতিথিরাও। অনুষ্ঠানের আগে রাশিয়া ও ইউক্রেন তিন দিনের একটি যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়, যা ঘোষণা করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবারের কুচকাওয়াজে প্রায় দুই দশকের মধ্যে প্রথমবার কোনো সামরিক যান দেখা যায়নি। তবে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে সেনারা রেড স্কোয়ারে মার্চ করেন, যা ঘিরে কূটনৈতিক মহলে আলাদা করে আলোচনা শুরু হয়েছে। ভাষণের শুরুতে পুতিন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সোভিয়েত সেনাদের আত্মত্যাগ স্মরণ করেন। এরপর তিনি ইউক্রেন যুদ্ধকে সেই ঐতিহাসিক সংগ্রামের সঙ্গে তুলনা করে বলেন, রাশিয়া ন্যাটো সমর্থিত একটি শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করছে এবং চাপ সত্ত্বেও তাদের অগ্রগতি অব্যাহত রয়েছে। এই বক্তব্যের পর ইউক্রেন যুদ্ধকে ঘিরে ন্যাটো-রাশিয়া সরাসরি নয়, তবে ছায়াযুদ্ধের রূপে সংঘাত আরও গভীর হচ্ছে—এমন আলোচনা আবারও সামনে এসেছে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-16.webp" alt="ইউক্রেন যুদ্ধ আসলে ন্যাটো-রাশিয়া লড়াই—পুতিনের হুঙ্কারে নতুন উত্তেজনা, ছায়াযুদ্ধের অভিযোগে জ্বলে উঠল পরিস্থিতি" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইউক্রেন যুদ্ধ আসলে ন্যাটো-রাশিয়া লড়াই—পুতিনের হুঙ্কারে নতুন উত্তেজনা, ছায়াযুদ্ধের অভিযোগে জ্বলে উঠল পরিস্থিতি</h1>
            <p>ইউক্রেনকে অস্ত্র ও সমর্থন দিচ্ছে ন্যাটো—এমন অভিযোগ তুলে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, মস্কো একটি “ন্যায্য যুদ্ধে” লড়ছে। রেড স্কোয়ারে অনুষ্ঠিত বিজয় দিবসের ভাষণে তিনি ইউক্রেন যুদ্ধকে ঐতিহাসিক লড়াইয়ের ধারাবাহিকতা হিসেবে উল্লেখ করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাৎসি জার্মানির বিরুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিজয় স্মরণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে শত শত সেনা সদস্য অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন বিদেশি অতিথিরাও। অনুষ্ঠানের আগে রাশিয়া ও ইউক্রেন তিন দিনের একটি যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়, যা ঘোষণা করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবারের কুচকাওয়াজে প্রায় দুই দশকের মধ্যে প্রথমবার কোনো সামরিক যান দেখা যায়নি। তবে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে সেনারা রেড স্কোয়ারে মার্চ করেন, যা ঘিরে কূটনৈতিক মহলে আলাদা করে আলোচনা শুরু হয়েছে। ভাষণের শুরুতে পুতিন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সোভিয়েত সেনাদের আত্মত্যাগ স্মরণ করেন। এরপর তিনি ইউক্রেন যুদ্ধকে সেই ঐতিহাসিক সংগ্রামের সঙ্গে তুলনা করে বলেন, রাশিয়া ন্যাটো সমর্থিত একটি শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করছে এবং চাপ সত্ত্বেও তাদের অগ্রগতি অব্যাহত রয়েছে। এই বক্তব্যের পর ইউক্রেন যুদ্ধকে ঘিরে ন্যাটো-রাশিয়া সরাসরি নয়, তবে ছায়াযুদ্ধের রূপে সংঘাত আরও গভীর হচ্ছে—এমন আলোচনা আবারও সামনে এসেছে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-16.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-16.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-16.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[লেবানন-ইসরায়েল সীমান্তে আগুন, হিজবুল্লাহর পাল্টা হামলায় কাঁপছে ঘাঁটি—নতুন যুদ্ধের শঙ্কা তীব্র]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36941</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36941</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sat, 09 May 2026 19:05:48 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Hezbollah Israel conflict, Lebanon Israel border war, Hezbollah missile attack, drone strike Israel military base, southern Lebanon strikes, Israel air raid Lebanon, ceasefire violation Middle East, Nahariya military base attack, Lebanon casualties news, Israel defense forces alert, Hezbollah retaliation, Middle East escalation news, Beirut airstrike commander killed, Lebanon Israel tension update, regional conflict Middle East]]></category>
        
        <description><![CDATA[লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবি করেছে। সংগঠনটির দাবি, বৈরুতে সাম্প্রতিক ইসরায়েলি হামলা এবং দক্ষিণ লেবাননে চলমান আক্রমণের প্রতিশোধ হিসেবেই এই পাল্টা আঘাত চালানো হয়েছে। শুক্রবার এক বিবৃতিতে হিজবুল্লাহ জানায়, ইসরায়েল যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘন করেছে। এর জবাবে উত্তর ইসরায়েলের নাহারিয়ার দক্ষিণে অবস্থিত একটি সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। কয়েক ঘণ্টা পর আরেকটি সামরিক ঘাঁটিতে ব্যাপক ড্রোন হামলার দাবি করে সংগঠনটি। এদিকে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দুই শিশু, তিন নারী এবং একজন উদ্ধারকর্মী রয়েছেন। গত মাসে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির পরও ইসরায়েল লেবাননে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বুধবার বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলে চালানো হামলায় হিজবুল্লাহর এক জ্যেষ্ঠ কমান্ডার নিহত হন। ওই ঘটনার পর থেকেই নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, হিজবুল্লাহর প্রথম হামলার সময় উত্তরাঞ্চলের কয়েকটি এলাকায় বিমান হামলার সতর্কসংকেত বাজানো হয়। একই সঙ্গে দক্ষিণ লেবাননের কয়েকটি শহর ও গ্রামের বাসিন্দাদের দ্রুত এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হিজবুল্লাহ আরও দাবি করেছে, দক্ষিণ লেবাননে অবস্থানরত ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করেও একাধিক হামলা চালানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে বলা হয়েছিল, বড় ধরনের হামলা বা লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটলে ইসরায়েল আত্মরক্ষার ব্যবস্থা নিতে পারবে। তবে সাম্প্রতিক পাল্টাপাল্টি হামলায় পুরো অঞ্চলজুড়ে আবারও বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-15.webp" alt="লেবানন-ইসরায়েল সীমান্তে আগুন, হিজবুল্লাহর পাল্টা হামলায় কাঁপছে ঘাঁটি—নতুন যুদ্ধের শঙ্কা তীব্র" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>লেবানন-ইসরায়েল সীমান্তে আগুন, হিজবুল্লাহর পাল্টা হামলায় কাঁপছে ঘাঁটি—নতুন যুদ্ধের শঙ্কা তীব্র</h1>
            <p>লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবি করেছে। সংগঠনটির দাবি, বৈরুতে সাম্প্রতিক ইসরায়েলি হামলা এবং দক্ষিণ লেবাননে চলমান আক্রমণের প্রতিশোধ হিসেবেই এই পাল্টা আঘাত চালানো হয়েছে। শুক্রবার এক বিবৃতিতে হিজবুল্লাহ জানায়, ইসরায়েল যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘন করেছে। এর জবাবে উত্তর ইসরায়েলের নাহারিয়ার দক্ষিণে অবস্থিত একটি সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। কয়েক ঘণ্টা পর আরেকটি সামরিক ঘাঁটিতে ব্যাপক ড্রোন হামলার দাবি করে সংগঠনটি। এদিকে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দুই শিশু, তিন নারী এবং একজন উদ্ধারকর্মী রয়েছেন। গত মাসে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির পরও ইসরায়েল লেবাননে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বুধবার বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলে চালানো হামলায় হিজবুল্লাহর এক জ্যেষ্ঠ কমান্ডার নিহত হন। ওই ঘটনার পর থেকেই নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, হিজবুল্লাহর প্রথম হামলার সময় উত্তরাঞ্চলের কয়েকটি এলাকায় বিমান হামলার সতর্কসংকেত বাজানো হয়। একই সঙ্গে দক্ষিণ লেবাননের কয়েকটি শহর ও গ্রামের বাসিন্দাদের দ্রুত এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হিজবুল্লাহ আরও দাবি করেছে, দক্ষিণ লেবাননে অবস্থানরত ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করেও একাধিক হামলা চালানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে বলা হয়েছিল, বড় ধরনের হামলা বা লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটলে ইসরায়েল আত্মরক্ষার ব্যবস্থা নিতে পারবে। তবে সাম্প্রতিক পাল্টাপাল্টি হামলায় পুরো অঞ্চলজুড়ে আবারও বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-15.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-15.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-15.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[সৌদি আরব ঘিরে ইরান-পাকিস্তান উত্তেজনা চরমে, ইসলামাবাদের কঠোর বার্তায় নতুন কূটনৈতিক ঝড়]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36940</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36940</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sat, 09 May 2026 19:05:59 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Iran Pakistan tension, Saudi Arabia Pakistan defense pact, Ishaq Dar statement, Riyadh Islamabad relations, Middle East diplomacy crisis, Iran Saudi rivalry, Pakistan foreign policy Saudi Arabia, OIC meeting Islamabad, Iran Israel conflict impact, Gulf security issues, Pakistan Iran relations news, Middle East geopolitical tension, US bases Gulf attacks, Islamic countries alliance, regional diplomacy South Asia Middle East]]></category>
        
        <description><![CDATA[সৌদি আরব ইস্যুকে কেন্দ্র করে ইরান ও পাকিস্তানের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে। পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার ইরানকে উদ্দেশ করে কঠোর বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সৌদি আরবের পাশে দাঁড়িয়ে পাকিস্তান বহু বড় ত্যাগ স্বীকার করেছে এবং রিয়াদের প্রতি ইসলামাবাদের অঙ্গীকারকে কোনোভাবেই হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়। বৃহস্পতিবার ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত পয়গামে ইসলাম সম্মেলনে তিনি এই মন্তব্য করেন। ইসহাক দার রিয়াদ-ইসলামাবাদ প্রতিরক্ষা চুক্তিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বাহ্যিক যেকোনো হুমকির ক্ষেত্রে সৌদি আরবকে “নো-গো জোন” হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এদিকে উপসাগরীয় দেশগুলোতে মার্কিন স্থাপনাগুলোতে সাম্প্রতিক ইরানি হামলার প্রসঙ্গ টেনে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেন, ইসরাইল ইরানের ওপর হামলা চালালেও তেহরান পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইসলামি দেশগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। এই বক্তব্যের পর মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা ও আলোচনা শুরু হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-14.webp" alt="সৌদি আরব ঘিরে ইরান-পাকিস্তান উত্তেজনা চরমে, ইসলামাবাদের কঠোর বার্তায় নতুন কূটনৈতিক ঝড়" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>সৌদি আরব ঘিরে ইরান-পাকিস্তান উত্তেজনা চরমে, ইসলামাবাদের কঠোর বার্তায় নতুন কূটনৈতিক ঝড়</h1>
            <p>সৌদি আরব ইস্যুকে কেন্দ্র করে ইরান ও পাকিস্তানের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে। পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার ইরানকে উদ্দেশ করে কঠোর বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সৌদি আরবের পাশে দাঁড়িয়ে পাকিস্তান বহু বড় ত্যাগ স্বীকার করেছে এবং রিয়াদের প্রতি ইসলামাবাদের অঙ্গীকারকে কোনোভাবেই হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়। বৃহস্পতিবার ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত পয়গামে ইসলাম সম্মেলনে তিনি এই মন্তব্য করেন। ইসহাক দার রিয়াদ-ইসলামাবাদ প্রতিরক্ষা চুক্তিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বাহ্যিক যেকোনো হুমকির ক্ষেত্রে সৌদি আরবকে “নো-গো জোন” হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এদিকে উপসাগরীয় দেশগুলোতে মার্কিন স্থাপনাগুলোতে সাম্প্রতিক ইরানি হামলার প্রসঙ্গ টেনে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেন, ইসরাইল ইরানের ওপর হামলা চালালেও তেহরান পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইসলামি দেশগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। এই বক্তব্যের পর মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা ও আলোচনা শুরু হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-14.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-14.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-14.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্যে ক্ষমতার আগুন, ইরান–সৌদি টানাপোড়েনে কাঁপছে পুরো অঞ্চল]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36939</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36939</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sat, 09 May 2026 19:05:57 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Iran Saudi Arabia conflict, Middle East power struggle, 1979 Iranian revolution impact, Arab Spring Middle East, Yemen war Houthi conflict, Syria civil war Iran Saudi, US Saudi relations, Iran nuclear deal 2015, regional geopolitics Middle East, Sunni Shia divide, Iran influence region, Saudi Arabia foreign policy, Lebanon Hezbollah Iran, Middle East alliances, geopolitical tension Gulf region]]></category>
        
        <description><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্যের দুই শক্তিশালী প্রতিবেশী দেশ সৌদি আরব ও ইরান দীর্ঘদিন ধরেই আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারের প্রতিযোগিতায় জড়িয়ে রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই দ্বন্দ্ব শুধু রাজনৈতিক নয়—এর পেছনে ধর্মীয় বিভাজনও বড় ভূমিকা রাখছে। ইরানকে শিয়া মুসলিম বিশ্বের প্রধান শক্তি হিসেবে ধরা হয়, আর সৌদি আরব সুন্নি মুসলিম বিশ্বের নেতৃত্বে অবস্থান করছে। ১৯৭৯ সালের ইরানি ইসলামি বিপ্লবের পর এই প্রতিযোগিতা আরও গভীর হয়। ওই বিপ্লবের মাধ্যমে ইরান একটি ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলে এবং বিভিন্ন দেশে নিজেদের প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা শুরু করে—যা আঞ্চলিক রাজনীতির গতিপথ বদলে দেয়। এরপর ২০০৩ সালে ইরাকের সাদ্দাম হোসেনের পতনের পর মধ্যপ্রাচ্যের ক্ষমতার ভারসাম্যে বড় পরিবর্তন আসে। ইরাকের ভেতরে শিয়া নেতৃত্বের উত্থান ইরানের প্রভাব আরও শক্তিশালী করে তোলে। ২০১১ সালের আরব বসন্তের পর সিরিয়া, ইয়েমেন ও বাহরাইনের মতো দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা দেখা দেয়। এই পরিস্থিতিকে দুই পক্ষই নিজেদের প্রভাব বাড়ানোর সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করেছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে সিরিয়া ও ইয়েমেন সংঘাতে সৌদি আরব ও ইরান বিপরীত অবস্থানে দাঁড়িয়েছে। ইয়েমেনে হুথি গোষ্ঠীর সঙ্গে সংঘাত সৌদি আরবের জন্য বড় নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। অন্যদিকে সৌদি আরব যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত। ইরানকে ঘিরে পশ্চিমা কিছু দেশের অবস্থান সৌদি শিবিরকে আরও শক্তিশালী করেছে বলে বিভিন্ন বিশ্লেষণে উঠে আসে। ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তি নিয়েও দুই পক্ষের মধ্যে মতবিরোধ তৈরি হয়। সৌদি আরব ও ইসরাইল এই চুক্তির বিরোধিতা করলেও ইরান এটিকে শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচি হিসেবে তুলে ধরে। মধ্যপ্রাচ্যের এই ক্ষমতার ভারসাম্যে বিভিন্ন দেশও বিভক্ত অবস্থানে রয়েছে। বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, জর্ডান ও মিসর সাধারণত সৌদি অবস্থানের দিকে ঝুঁকে আছে। অন্যদিকে সিরিয়া ও লেবাননের কিছু গোষ্ঠী ইরানের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে মনে করা হয়।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-13.webp" alt="মধ্যপ্রাচ্যে ক্ষমতার আগুন, ইরান–সৌদি টানাপোড়েনে কাঁপছে পুরো অঞ্চল" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>মধ্যপ্রাচ্যে ক্ষমতার আগুন, ইরান–সৌদি টানাপোড়েনে কাঁপছে পুরো অঞ্চল</h1>
            <p>মধ্যপ্রাচ্যের দুই শক্তিশালী প্রতিবেশী দেশ সৌদি আরব ও ইরান দীর্ঘদিন ধরেই আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারের প্রতিযোগিতায় জড়িয়ে রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই দ্বন্দ্ব শুধু রাজনৈতিক নয়—এর পেছনে ধর্মীয় বিভাজনও বড় ভূমিকা রাখছে। ইরানকে শিয়া মুসলিম বিশ্বের প্রধান শক্তি হিসেবে ধরা হয়, আর সৌদি আরব সুন্নি মুসলিম বিশ্বের নেতৃত্বে অবস্থান করছে। ১৯৭৯ সালের ইরানি ইসলামি বিপ্লবের পর এই প্রতিযোগিতা আরও গভীর হয়। ওই বিপ্লবের মাধ্যমে ইরান একটি ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলে এবং বিভিন্ন দেশে নিজেদের প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা শুরু করে—যা আঞ্চলিক রাজনীতির গতিপথ বদলে দেয়। এরপর ২০০৩ সালে ইরাকের সাদ্দাম হোসেনের পতনের পর মধ্যপ্রাচ্যের ক্ষমতার ভারসাম্যে বড় পরিবর্তন আসে। ইরাকের ভেতরে শিয়া নেতৃত্বের উত্থান ইরানের প্রভাব আরও শক্তিশালী করে তোলে। ২০১১ সালের আরব বসন্তের পর সিরিয়া, ইয়েমেন ও বাহরাইনের মতো দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা দেখা দেয়। এই পরিস্থিতিকে দুই পক্ষই নিজেদের প্রভাব বাড়ানোর সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করেছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে সিরিয়া ও ইয়েমেন সংঘাতে সৌদি আরব ও ইরান বিপরীত অবস্থানে দাঁড়িয়েছে। ইয়েমেনে হুথি গোষ্ঠীর সঙ্গে সংঘাত সৌদি আরবের জন্য বড় নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। অন্যদিকে সৌদি আরব যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত। ইরানকে ঘিরে পশ্চিমা কিছু দেশের অবস্থান সৌদি শিবিরকে আরও শক্তিশালী করেছে বলে বিভিন্ন বিশ্লেষণে উঠে আসে। ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তি নিয়েও দুই পক্ষের মধ্যে মতবিরোধ তৈরি হয়। সৌদি আরব ও ইসরাইল এই চুক্তির বিরোধিতা করলেও ইরান এটিকে শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচি হিসেবে তুলে ধরে। মধ্যপ্রাচ্যের এই ক্ষমতার ভারসাম্যে বিভিন্ন দেশও বিভক্ত অবস্থানে রয়েছে। বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, জর্ডান ও মিসর সাধারণত সৌদি অবস্থানের দিকে ঝুঁকে আছে। অন্যদিকে সিরিয়া ও লেবাননের কিছু গোষ্ঠী ইরানের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে মনে করা হয়।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-13.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-13.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-13.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[নন্দীগ্রাম থেকে উঠে আসা রাজনৈতিক ঝড়ে শুভেন্দুকে ঘিরে উত্তেজনা, পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতিতে নতুন দাবি ও আলোচনার ঢেউ]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36938</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36938</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sat, 09 May 2026 19:05:22 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[এশিয়া]]></category>
                        <category><![CDATA[Suvendu Adhikari, West Bengal politics, Mamata Banerjee Nandigram, BJP West Bengal claim, political controversy India, West Bengal leadership change, Narendra Modi Bengal politics, Amit Shah meeting Bengal, Nandigram election news, Bhabanipur constituency, Trinamool Congress BJP rivalry, India state politics, West Bengal government claim, political shift Bengal, Indian election controversy]]></category>
        
        <description><![CDATA[পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের দাবি ঘিরে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন শুভেন্দু অধিকারী। বিভিন্ন রাজনৈতিক সূত্র ও অনলাইন প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বিজেপি বিধায়ক দলের বৈঠকে তাকে নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরে তিনি রাজ্যপাল আর এন রভির কাছে সরকার গঠনের দাবি জানান বলেও উল্লেখ করা হয়। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী উপস্থিত ছিলেন বলেও কিছু সূত্রে দাবি করা হয়েছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ২৯৪ আসনের মধ্যে ২০৭টি আসনে জয় পেয়ে বিজেপি সরকার গঠনের অবস্থান তৈরি করে এবং এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ১৫ বছরের তৃণমূল কংগ্রেস শাসনের অবসান ঘটে বলে দাবি করা হয়। সূত্রগুলো আরও জানায়, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারীকে সর্বসম্মতভাবে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বেছে নেওয়া হয় বলে উল্লেখ রয়েছে। রাজনৈতিক জীবনের শুরুতে শুভেন্দু অধিকারী ছিলেন মমতা ব্যানার্জীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী। সময়ের সঙ্গে সেই সম্পর্ক বদলে তিনি তার প্রধান রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীতে পরিণত হন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। ২০২১ সালের নির্বাচনে নন্দীগ্রামে মমতা ব্যানার্জীকে পরাজিত করার দাবি এবং পরবর্তীতে ভবানীপুর আসনে জয়—এই ঘটনাগুলোও তাকে ঘিরে রাজনৈতিক আলোচনায় বড় ভূমিকা রেখেছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-12.webp" alt="নন্দীগ্রাম থেকে উঠে আসা রাজনৈতিক ঝড়ে শুভেন্দুকে ঘিরে উত্তেজনা, পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতিতে নতুন দাবি ও আলোচনার ঢেউ" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>নন্দীগ্রাম থেকে উঠে আসা রাজনৈতিক ঝড়ে শুভেন্দুকে ঘিরে উত্তেজনা, পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতিতে নতুন দাবি ও আলোচনার ঢেউ</h1>
            <p>পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের দাবি ঘিরে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন শুভেন্দু অধিকারী। বিভিন্ন রাজনৈতিক সূত্র ও অনলাইন প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বিজেপি বিধায়ক দলের বৈঠকে তাকে নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরে তিনি রাজ্যপাল আর এন রভির কাছে সরকার গঠনের দাবি জানান বলেও উল্লেখ করা হয়। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী উপস্থিত ছিলেন বলেও কিছু সূত্রে দাবি করা হয়েছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ২৯৪ আসনের মধ্যে ২০৭টি আসনে জয় পেয়ে বিজেপি সরকার গঠনের অবস্থান তৈরি করে এবং এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ১৫ বছরের তৃণমূল কংগ্রেস শাসনের অবসান ঘটে বলে দাবি করা হয়। সূত্রগুলো আরও জানায়, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারীকে সর্বসম্মতভাবে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বেছে নেওয়া হয় বলে উল্লেখ রয়েছে। রাজনৈতিক জীবনের শুরুতে শুভেন্দু অধিকারী ছিলেন মমতা ব্যানার্জীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী। সময়ের সঙ্গে সেই সম্পর্ক বদলে তিনি তার প্রধান রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীতে পরিণত হন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। ২০২১ সালের নির্বাচনে নন্দীগ্রামে মমতা ব্যানার্জীকে পরাজিত করার দাবি এবং পরবর্তীতে ভবানীপুর আসনে জয়—এই ঘটনাগুলোও তাকে ঘিরে রাজনৈতিক আলোচনায় বড় ভূমিকা রেখেছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-12.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-12.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-12.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[যুদ্ধবিরতির ঘোষণার মাঝেই আগুনের ঝড়, রাশিয়া–ইউক্রেন সংঘাতে নতুন বিস্ফোরণ]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36937</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36937</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sat, 09 May 2026 19:05:37 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[Russia Ukraine war, ceasefire violation Ukraine Russia, Vladimir Putin Volodymyr Zelensky, drone attacks Ukraine, Moscow Kyiv conflict, Donald Trump ceasefire announcement, prisoner exchange Russia Ukraine, Ukraine war update, Russia defense ministry claims, Europe war news, Russia Ukraine peace talks, military escalation Eastern Europe, drone warfare Ukraine, Ukraine airstrikes, Russia Ukraine conflict news]]></category>
        
        <description><![CDATA[যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার দাবি থাকলেও বাস্তবে রাশিয়া ও ইউক্রেন একে অপরের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগ তুলেছে। ফলে মস্কো ও কিয়েভ—দুই দিকেই নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, ইউক্রেনীয় বাহিনী এক হাজারেরও বেশি হামলা চালিয়েছে। তাদের অভিযোগ অনুযায়ী, এসব হামলায় আর্টিলারি ও শত শত ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে। অন্যদিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি অভিযোগ করেছেন, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার প্রথম কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রাশিয়া শতাধিক হামলা চালিয়েছে। তার দাবি অনুযায়ী, ইউক্রেনীয় অবস্থান লক্ষ্য করে ৮৫০টিরও বেশি ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে। ইউক্রেন আরও জানিয়েছে, ৬ মে থেকে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেওয়া হলেও রাশিয়া তা প্রত্যাখ্যান করে হামলা অব্যাহত রেখেছে। এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে তিন দিনের নতুন যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে। ৯ মে থেকে ১১ মে পর্যন্ত এই যুদ্ধবিরতি চলবে বলে তিনি ঘোষণা দেন। এই সময়ের মধ্যে সব ধরনের সামরিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে বলেও জানানো হয়। পাশাপাশি দুই দেশ এক হাজার করে যুদ্ধবন্দি বিনিময় করবে বলেও উল্লেখ করা হয়। তবে মাঠপর্যায়ের এই পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগে শান্তি প্রক্রিয়া কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-11.webp" alt="যুদ্ধবিরতির ঘোষণার মাঝেই আগুনের ঝড়, রাশিয়া–ইউক্রেন সংঘাতে নতুন বিস্ফোরণ" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>যুদ্ধবিরতির ঘোষণার মাঝেই আগুনের ঝড়, রাশিয়া–ইউক্রেন সংঘাতে নতুন বিস্ফোরণ</h1>
            <p>যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার দাবি থাকলেও বাস্তবে রাশিয়া ও ইউক্রেন একে অপরের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগ তুলেছে। ফলে মস্কো ও কিয়েভ—দুই দিকেই নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, ইউক্রেনীয় বাহিনী এক হাজারেরও বেশি হামলা চালিয়েছে। তাদের অভিযোগ অনুযায়ী, এসব হামলায় আর্টিলারি ও শত শত ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে। অন্যদিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি অভিযোগ করেছেন, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার প্রথম কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রাশিয়া শতাধিক হামলা চালিয়েছে। তার দাবি অনুযায়ী, ইউক্রেনীয় অবস্থান লক্ষ্য করে ৮৫০টিরও বেশি ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে। ইউক্রেন আরও জানিয়েছে, ৬ মে থেকে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেওয়া হলেও রাশিয়া তা প্রত্যাখ্যান করে হামলা অব্যাহত রেখেছে। এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে তিন দিনের নতুন যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে। ৯ মে থেকে ১১ মে পর্যন্ত এই যুদ্ধবিরতি চলবে বলে তিনি ঘোষণা দেন। এই সময়ের মধ্যে সব ধরনের সামরিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে বলেও জানানো হয়। পাশাপাশি দুই দেশ এক হাজার করে যুদ্ধবন্দি বিনিময় করবে বলেও উল্লেখ করা হয়। তবে মাঠপর্যায়ের এই পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগে শান্তি প্রক্রিয়া কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-11.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-11.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-11.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[আলোচনা শুরুর আগেই রক্তপাতের ঝড়, লেবাননে ইসরায়েলের ভয়াবহ বিমান হামলায় নতুন উত্তেজনা]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36936</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36936</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sat, 09 May 2026 19:05:34 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Lebanon Israel airstrike, southern Lebanon attack, Hezbollah Israel conflict, Nabatieh airstrike, Tyre city Lebanon attack, Sidon district bombing, Israel Lebanon tension, Washington talks Israel Lebanon, ceasefire Lebanon conflict, Hezbollah missile strike, Nahariya military base, Middle East escalation, Lebanon health ministry casualties, Israel air raids Lebanon, regional security crisis]]></category>
        
        <description><![CDATA[লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। লেবাননের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, এই হামলায় অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একজন বেসামরিক উদ্ধারকর্মীও রয়েছেন। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণাঞ্চলের তুরা শহরে চালানো পৃথক এক হামলায় আরও চারজন নিহত হন। তাদের মধ্যে দুইজন নারী রয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত আটজন আহত হয়েছেন। এছাড়া নাবাতিয়েহ, বিনতে জুবেইল এবং সাইদা জেলার বিভিন্ন এলাকায়ও হামলার খবর পাওয়া গেছে, যা পুরো অঞ্চলে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়েছে। এই হামলার ঘটনা এমন সময় ঘটল, যখন আগামী ১৪ ও ১৫ মে যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে দ্বিতীয় দফা আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। আলোচনার ঠিক আগমুহূর্তে এই হামলা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে। যদিও হিজবুল্লাহ এবং ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে বলে দাবি করা হয়, তবে বাস্তবে দক্ষিণ লেবাননে সংঘর্ষ পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ চালিয়ে যাচ্ছে। হিজবুল্লাহ জানিয়েছে, ইসরায়েলি হামলায় তাদের এক শীর্ষ কমান্ডার নিহত হওয়ার জবাবে তারা ইসরায়েলের একটি সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। সংগঠনটির দাবি, নাহারিয়া শহরের দক্ষিণে অবস্থিত একটি ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে এই হামলা করা হয়। এদিকে নতুন করে সহিংসতা শুরু হওয়ায় পুরো মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-10.webp" alt="আলোচনা শুরুর আগেই রক্তপাতের ঝড়, লেবাননে ইসরায়েলের ভয়াবহ বিমান হামলায় নতুন উত্তেজনা" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>আলোচনা শুরুর আগেই রক্তপাতের ঝড়, লেবাননে ইসরায়েলের ভয়াবহ বিমান হামলায় নতুন উত্তেজনা</h1>
            <p>লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। লেবাননের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, এই হামলায় অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একজন বেসামরিক উদ্ধারকর্মীও রয়েছেন। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণাঞ্চলের তুরা শহরে চালানো পৃথক এক হামলায় আরও চারজন নিহত হন। তাদের মধ্যে দুইজন নারী রয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত আটজন আহত হয়েছেন। এছাড়া নাবাতিয়েহ, বিনতে জুবেইল এবং সাইদা জেলার বিভিন্ন এলাকায়ও হামলার খবর পাওয়া গেছে, যা পুরো অঞ্চলে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়েছে। এই হামলার ঘটনা এমন সময় ঘটল, যখন আগামী ১৪ ও ১৫ মে যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে দ্বিতীয় দফা আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। আলোচনার ঠিক আগমুহূর্তে এই হামলা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে। যদিও হিজবুল্লাহ এবং ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে বলে দাবি করা হয়, তবে বাস্তবে দক্ষিণ লেবাননে সংঘর্ষ পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ চালিয়ে যাচ্ছে। হিজবুল্লাহ জানিয়েছে, ইসরায়েলি হামলায় তাদের এক শীর্ষ কমান্ডার নিহত হওয়ার জবাবে তারা ইসরায়েলের একটি সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। সংগঠনটির দাবি, নাহারিয়া শহরের দক্ষিণে অবস্থিত একটি ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে এই হামলা করা হয়। এদিকে নতুন করে সহিংসতা শুরু হওয়ায় পুরো মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-10.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-10.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-10.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[কূটনীতির দরজা খুললেই কেন যুদ্ধের পথে যুক্তরাষ্ট্র? ইরানের বিস্ফোরক অভিযোগে তোলপাড়]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36935</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36935</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sat, 09 May 2026 19:05:33 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Iran US tensions, Abbas Araghchi statement, Gulf of Oman incident, US Central Command, Iran Revolutionary Guard operation, oil tanker seizure, maritime conflict Middle East, Iran sanctions US, Iran foreign policy, US military actions Iran, international shipping disruption, Iran oil export dispute, Middle East geopolitical crisis, Iran vs USA news, Strait of Hormuz tensions]]></category>
        
        <description><![CDATA[কূটনৈতিক সমাধানের সুযোগ তৈরি হলেই যুক্তরাষ্ট্র বারবার সামরিক পথে এগিয়ে যায়—এমন বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। বিষয়টি ঘিরে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক। শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে আরাগচি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার বদলে প্রায়ই সামরিক শক্তি প্রদর্শনের পথ বেছে নেয়। তবে চাপের মুখে ইরান কখনোই নতি স্বীকার করবে না বলেও তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন। এর আগে ওমান উপসাগরে ইরানি নৌযানকে লক্ষ্য করে মার্কিন হামলার খবর প্রকাশিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড দাবি করে, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইরানি বন্দরের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করায় দুটি খালি তেলবাহী ট্যাংকারকে তারা ‘অকার্যকর’ করে দিয়েছে। তাদের দাবি, এখন পর্যন্ত ৭০টিরও বেশি ট্যাংকার চলাচলে বাধা দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড জানায়, তারা ওমান উপসাগরে অভিযান চালিয়ে একটি ট্যাংকার জব্দ করেছে। ইরানের দাবি অনুযায়ী, ওই জাহাজ দেশটির তেল রপ্তানিতে বাধা সৃষ্টি করছিল। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে অভিযানের ভিডিওও প্রকাশ করা হয়। জানা গেছে, জাহাজটি বার্বাডোজে নিবন্ধিত। এই পাল্টাপাল্টি অভিযোগের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা, যেখানে কূটনীতি আর সামরিক শক্তির সংঘর্ষ আবারও বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে উঠছে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-09.webp" alt="কূটনীতির দরজা খুললেই কেন যুদ্ধের পথে যুক্তরাষ্ট্র? ইরানের বিস্ফোরক অভিযোগে তোলপাড়" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>কূটনীতির দরজা খুললেই কেন যুদ্ধের পথে যুক্তরাষ্ট্র? ইরানের বিস্ফোরক অভিযোগে তোলপাড়</h1>
            <p>কূটনৈতিক সমাধানের সুযোগ তৈরি হলেই যুক্তরাষ্ট্র বারবার সামরিক পথে এগিয়ে যায়—এমন বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। বিষয়টি ঘিরে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক। শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে আরাগচি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার বদলে প্রায়ই সামরিক শক্তি প্রদর্শনের পথ বেছে নেয়। তবে চাপের মুখে ইরান কখনোই নতি স্বীকার করবে না বলেও তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন। এর আগে ওমান উপসাগরে ইরানি নৌযানকে লক্ষ্য করে মার্কিন হামলার খবর প্রকাশিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড দাবি করে, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইরানি বন্দরের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করায় দুটি খালি তেলবাহী ট্যাংকারকে তারা ‘অকার্যকর’ করে দিয়েছে। তাদের দাবি, এখন পর্যন্ত ৭০টিরও বেশি ট্যাংকার চলাচলে বাধা দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড জানায়, তারা ওমান উপসাগরে অভিযান চালিয়ে একটি ট্যাংকার জব্দ করেছে। ইরানের দাবি অনুযায়ী, ওই জাহাজ দেশটির তেল রপ্তানিতে বাধা সৃষ্টি করছিল। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে অভিযানের ভিডিওও প্রকাশ করা হয়। জানা গেছে, জাহাজটি বার্বাডোজে নিবন্ধিত। এই পাল্টাপাল্টি অভিযোগের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা, যেখানে কূটনীতি আর সামরিক শক্তির সংঘর্ষ আবারও বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে উঠছে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-09.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-09.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-09.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[আকাশে আগুনের ঝড়, তেল আবিবে আতঙ্ক—ইরানের ‘ফ্যান্টাস্টিক থ্রি’ মিসাইলে চাপে ইসরায়েল?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36934</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36934</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sat, 09 May 2026 19:05:54 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Iran missiles, Sejjil missile, Kheibar Shekan missile, Khorramshahr missile, Tel Aviv security, Middle East missile defense, Iran military power, ballistic missile range, cluster warhead missile, hypersonic strike systems, Israel Iran tension, Tehran missile program, regional security crisis, air defense systems Israel, Middle East conflict escalation]]></category>
        
        <description><![CDATA[মাত্র কয়েকদিন আগেই মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে এক রহস্যময় ও ভয়ংকর দৃশ্য দেখা গেছে। দূর আকাশে দ্রুতগতির আলোর ঝলকানি—যেন শব্দের চেয়েও অনেক দ্রুত গতিতে ছুটে যাচ্ছে অজানা কিছু বস্তু। মিসাইল, ড্রোন আর যুদ্ধবিমান—একসময় যা ছিল পশ্চিমা সামরিক শক্তির প্রতীক, এখন সেই বাস্তবতায় বড় পরিবর্তনের দাবি তুলছেন বিশ্লেষকরা। ইরানের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে আলোচনায় এখন সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র—সেজ্জিল, খেইবার শেকান এবং খোররামশাহর। সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশ এই তিনটিকে একসঙ্গে “ফ্যান্টাস্টিক থ্রি” নামেও অভিহিত করছেন। তেল আবিবের আকাশে সাম্প্রতিক কিছু হামলার ঘটনার পর খোররামশাহর ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। জানা যায়, এই ক্ষেপণাস্ত্র প্রায় ২০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত আঘাত হানতে সক্ষম এবং ভারী ওয়ারহেড বহন করতে পারে। এর বিশেষ একটি বৈশিষ্ট্য হলো, এটি একাধিক ছোট ক্লাস্টার অংশ ছড়িয়ে দিতে পারে, যা লক্ষ্যবস্তুর ওপর একসঙ্গে আঘাত হানে। আরেকটি ক্ষেপণাস্ত্র খেইবার শেকান, যার নাম এসেছে ঐতিহাসিক খাইবার যুদ্ধ থেকে। এটিকে তুলনামূলক নতুন প্রজন্মের অস্ত্র হিসেবে ধরা হয়। দ্রুত প্রস্তুত করা যায় এমন এই ক্ষেপণাস্ত্র প্রায় ১৪৫০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম বলে দাবি করা হয়। তৃতীয়টি হলো সেজ্জিল। এটি দুই ধাপের কঠিন জ্বালানি প্রযুক্তির ক্ষেপণাস্ত্র, যার পাল্লা প্রায় ২০০০ থেকে ২৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে বলে ধারণা করা হয়। উৎক্ষেপণের সময় আকাশে উজ্জ্বল আলোর ঝলক তৈরি হওয়ার কারণে এটি বিশেষভাবে আলোচনায় আসে। এর উচ্চ গতির কারণে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাতের আগে প্রতিরক্ষার জন্য খুব কম সময় পাওয়া যায় বলে বিশ্লেষকদের মত।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-08.webp" alt="আকাশে আগুনের ঝড়, তেল আবিবে আতঙ্ক—ইরানের ‘ফ্যান্টাস্টিক থ্রি’ মিসাইলে চাপে ইসরায়েল?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>আকাশে আগুনের ঝড়, তেল আবিবে আতঙ্ক—ইরানের ‘ফ্যান্টাস্টিক থ্রি’ মিসাইলে চাপে ইসরায়েল?</h1>
            <p>মাত্র কয়েকদিন আগেই মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে এক রহস্যময় ও ভয়ংকর দৃশ্য দেখা গেছে। দূর আকাশে দ্রুতগতির আলোর ঝলকানি—যেন শব্দের চেয়েও অনেক দ্রুত গতিতে ছুটে যাচ্ছে অজানা কিছু বস্তু। মিসাইল, ড্রোন আর যুদ্ধবিমান—একসময় যা ছিল পশ্চিমা সামরিক শক্তির প্রতীক, এখন সেই বাস্তবতায় বড় পরিবর্তনের দাবি তুলছেন বিশ্লেষকরা। ইরানের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে আলোচনায় এখন সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র—সেজ্জিল, খেইবার শেকান এবং খোররামশাহর। সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশ এই তিনটিকে একসঙ্গে “ফ্যান্টাস্টিক থ্রি” নামেও অভিহিত করছেন। তেল আবিবের আকাশে সাম্প্রতিক কিছু হামলার ঘটনার পর খোররামশাহর ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। জানা যায়, এই ক্ষেপণাস্ত্র প্রায় ২০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত আঘাত হানতে সক্ষম এবং ভারী ওয়ারহেড বহন করতে পারে। এর বিশেষ একটি বৈশিষ্ট্য হলো, এটি একাধিক ছোট ক্লাস্টার অংশ ছড়িয়ে দিতে পারে, যা লক্ষ্যবস্তুর ওপর একসঙ্গে আঘাত হানে। আরেকটি ক্ষেপণাস্ত্র খেইবার শেকান, যার নাম এসেছে ঐতিহাসিক খাইবার যুদ্ধ থেকে। এটিকে তুলনামূলক নতুন প্রজন্মের অস্ত্র হিসেবে ধরা হয়। দ্রুত প্রস্তুত করা যায় এমন এই ক্ষেপণাস্ত্র প্রায় ১৪৫০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম বলে দাবি করা হয়। তৃতীয়টি হলো সেজ্জিল। এটি দুই ধাপের কঠিন জ্বালানি প্রযুক্তির ক্ষেপণাস্ত্র, যার পাল্লা প্রায় ২০০০ থেকে ২৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে বলে ধারণা করা হয়। উৎক্ষেপণের সময় আকাশে উজ্জ্বল আলোর ঝলক তৈরি হওয়ার কারণে এটি বিশেষভাবে আলোচনায় আসে। এর উচ্চ গতির কারণে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাতের আগে প্রতিরক্ষার জন্য খুব কম সময় পাওয়া যায় বলে বিশ্লেষকদের মত।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-08.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-08.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-08.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ছায়াযুদ্ধ থেকে সরাসরি সংঘাতের শঙ্কা, চরম উত্তেজনায় ইরান–সৌদি আরব সম্পর্ক]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36933</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36933</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sat, 09 May 2026 19:05:12 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Iran Saudi Arabia conflict, Middle East shadow war, Yemen war crisis, Syria civil war, Saudi Iran rivalry, regional geopolitics Middle East, Iran proxy wars, Saudi coalition Yemen, Sunni Shia conflict, US Saudi relations, China Russia Iran ties, Middle East tensions news, Red Sea security, oil politics Middle East, proxy conflict analysis]]></category>
        
        <description><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে ইরান ও সৌদি আরবের দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে। বিশ্লেষকদের মতে, এটি শুধু দুই দেশের দ্বন্দ্ব নয়; বরং পুরো অঞ্চলে প্রভাব বিস্তার, রাজনৈতিক আধিপত্য এবং কৌশলগত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার এক বড় লড়াই। এই সংঘাতকে অনেকেই “মধ্যপ্রাচ্যের স্নায়ুযুদ্ধ” বা “ছায়াযুদ্ধ” হিসেবে অভিহিত করেন। কারণ ইরান ও সৌদি আরব সরাসরি যুদ্ধে জড়ায়নি, তবে সিরিয়া, ইয়েমেন, লেবানন ও ইরাকসহ বিভিন্ন দেশে ভিন্ন ভিন্ন পক্ষকে সমর্থন দিয়ে পরোক্ষ সংঘাতে জড়িয়ে রয়েছে। ইরান নিজেদেরকে মধ্যপ্রাচ্যের “প্রতিরোধশক্তির কেন্দ্র” হিসেবে তুলে ধরতে চায়। অন্যদিকে সৌদি আরব নিজেকে সুন্নি মুসলিম বিশ্বের প্রধান নেতৃত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত রাখতে চায়। ফলে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার সঙ্গে ধর্মীয় বিভাজনও এই সংঘাতকে আরও জটিল করে তুলেছে। বিশ্লেষকদের মতে, ধর্মীয় বিভক্তি এখানে একটি বাস্তব বিষয় হলেও এর পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখছে ভূরাজনীতি ও অর্থনৈতিক স্বার্থ। বিশেষ করে তেল, গ্যাস, সামুদ্রিক বাণিজ্যপথ এবং কৌশলগত অঞ্চলগুলোর নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে দুই দেশের প্রতিযোগিতা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। এই প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বৈশ্বিক শক্তিগুলোর ভূমিকাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে ইরানের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক বজায় রেখেছে রাশিয়া ও চীন। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত এখন অনেক ক্ষেত্রেই বৈশ্বিক শক্তির প্রভাব বিস্তারের অংশ হিসেবেও দেখা হচ্ছে। ইয়েমেনে হুথি বিদ্রোহীদের প্রতি ইরানের সমর্থন এবং সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের সামরিক অভিযান বহু বছর ধরে অঞ্চলটিকে অস্থিতিশীল করে রেখেছে। একইভাবে সিরিয়ার গৃহযুদ্ধেও দুই দেশ ভিন্ন পক্ষকে সমর্থন দিয়েছে, যা সংঘাতকে আরও গভীর করেছে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-07.webp" alt="ছায়াযুদ্ধ থেকে সরাসরি সংঘাতের শঙ্কা, চরম উত্তেজনায় ইরান–সৌদি আরব সম্পর্ক" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ছায়াযুদ্ধ থেকে সরাসরি সংঘাতের শঙ্কা, চরম উত্তেজনায় ইরান–সৌদি আরব সম্পর্ক</h1>
            <p>মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে ইরান ও সৌদি আরবের দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে। বিশ্লেষকদের মতে, এটি শুধু দুই দেশের দ্বন্দ্ব নয়; বরং পুরো অঞ্চলে প্রভাব বিস্তার, রাজনৈতিক আধিপত্য এবং কৌশলগত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার এক বড় লড়াই। এই সংঘাতকে অনেকেই “মধ্যপ্রাচ্যের স্নায়ুযুদ্ধ” বা “ছায়াযুদ্ধ” হিসেবে অভিহিত করেন। কারণ ইরান ও সৌদি আরব সরাসরি যুদ্ধে জড়ায়নি, তবে সিরিয়া, ইয়েমেন, লেবানন ও ইরাকসহ বিভিন্ন দেশে ভিন্ন ভিন্ন পক্ষকে সমর্থন দিয়ে পরোক্ষ সংঘাতে জড়িয়ে রয়েছে। ইরান নিজেদেরকে মধ্যপ্রাচ্যের “প্রতিরোধশক্তির কেন্দ্র” হিসেবে তুলে ধরতে চায়। অন্যদিকে সৌদি আরব নিজেকে সুন্নি মুসলিম বিশ্বের প্রধান নেতৃত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত রাখতে চায়। ফলে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার সঙ্গে ধর্মীয় বিভাজনও এই সংঘাতকে আরও জটিল করে তুলেছে। বিশ্লেষকদের মতে, ধর্মীয় বিভক্তি এখানে একটি বাস্তব বিষয় হলেও এর পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখছে ভূরাজনীতি ও অর্থনৈতিক স্বার্থ। বিশেষ করে তেল, গ্যাস, সামুদ্রিক বাণিজ্যপথ এবং কৌশলগত অঞ্চলগুলোর নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে দুই দেশের প্রতিযোগিতা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। এই প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বৈশ্বিক শক্তিগুলোর ভূমিকাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে ইরানের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক বজায় রেখেছে রাশিয়া ও চীন। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত এখন অনেক ক্ষেত্রেই বৈশ্বিক শক্তির প্রভাব বিস্তারের অংশ হিসেবেও দেখা হচ্ছে। ইয়েমেনে হুথি বিদ্রোহীদের প্রতি ইরানের সমর্থন এবং সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের সামরিক অভিযান বহু বছর ধরে অঞ্চলটিকে অস্থিতিশীল করে রেখেছে। একইভাবে সিরিয়ার গৃহযুদ্ধেও দুই দেশ ভিন্ন পক্ষকে সমর্থন দিয়েছে, যা সংঘাতকে আরও গভীর করেছে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-07.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-07.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-07.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[বাংলাদেশের আকাশে রহস্যময় আলোর ঝলকানি, ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার জল্পনায় উত্তেজনা]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36932</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36932</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sat, 09 May 2026 19:05:52 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[এশিয়া]]></category>
                        <category><![CDATA[India missile test, ICBM test India, Odisha missile launch, mysterious light Bangladesh sky, ballistic missile test India, DRDO India news, intercontinental missile technology, India defense update, South Asia security tension, missile re-entry technology, rocket propulsion system India, India nuclear missile capability, Times of India report missile, Bangladesh sky light phenomenon, military technology India]]></category>
        
        <description><![CDATA[প্রতিরক্ষা প্রযুক্তিতে বড় এক অগ্রগতি করেছে ভারত—এমন খবর ঘিরে দক্ষিণ এশিয়ায় শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। শুক্রবার সন্ধ্যায় ওডিশা উপকূল থেকে দেশটির প্রথম পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো। যদিও ভারতের প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা ডিআরডিও এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ঘোষণা দেয়নি, তবে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাতে টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, পরীক্ষিত ক্ষেপণাস্ত্রটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন আইসিবিএম শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। এদিকে একই সন্ধ্যায় বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় আকাশে রহস্যময় আলোকরশ্মি দেখতে পান স্থানীয়রা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও ছবিতে আকাশজুড়ে উজ্জ্বল আলোর রেখা দেখা যায়, যা নিয়ে মানুষের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়েছে। অনেকে ধারণা করছেন, ভারতের ওই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার সঙ্গেই এই আলোর ঝলকানির সম্পর্ক থাকতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সরকারি নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। এতদিন বিশ্বের মাত্র কয়েকটি দেশের কাছেই আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি ছিল। ভারত যদি এই প্রযুক্তিতে পূর্ণ সক্ষমতা অর্জন করে, তবে বিশ্বের যেকোনো অঞ্চলে দীর্ঘপাল্লার হামলার সক্ষমতা অর্জন করবে দেশটি। ভারতীয় প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, এই পরীক্ষার মাধ্যমে দেশটি রকেট প্রপালশন, গাইডেন্স সিস্টেম এবং রি-এন্ট্রি প্রযুক্তিতে নিজেদের সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছে। বিশেষ করে বায়ুমণ্ডলে পুনঃপ্রবেশের সময় ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণে রাখা অত্যন্ত জটিল একটি প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-06.webp" alt="বাংলাদেশের আকাশে রহস্যময় আলোর ঝলকানি, ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার জল্পনায় উত্তেজনা" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>বাংলাদেশের আকাশে রহস্যময় আলোর ঝলকানি, ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার জল্পনায় উত্তেজনা</h1>
            <p>প্রতিরক্ষা প্রযুক্তিতে বড় এক অগ্রগতি করেছে ভারত—এমন খবর ঘিরে দক্ষিণ এশিয়ায় শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। শুক্রবার সন্ধ্যায় ওডিশা উপকূল থেকে দেশটির প্রথম পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো। যদিও ভারতের প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা ডিআরডিও এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ঘোষণা দেয়নি, তবে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাতে টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, পরীক্ষিত ক্ষেপণাস্ত্রটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন আইসিবিএম শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। এদিকে একই সন্ধ্যায় বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় আকাশে রহস্যময় আলোকরশ্মি দেখতে পান স্থানীয়রা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও ছবিতে আকাশজুড়ে উজ্জ্বল আলোর রেখা দেখা যায়, যা নিয়ে মানুষের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়েছে। অনেকে ধারণা করছেন, ভারতের ওই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার সঙ্গেই এই আলোর ঝলকানির সম্পর্ক থাকতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সরকারি নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। এতদিন বিশ্বের মাত্র কয়েকটি দেশের কাছেই আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি ছিল। ভারত যদি এই প্রযুক্তিতে পূর্ণ সক্ষমতা অর্জন করে, তবে বিশ্বের যেকোনো অঞ্চলে দীর্ঘপাল্লার হামলার সক্ষমতা অর্জন করবে দেশটি। ভারতীয় প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, এই পরীক্ষার মাধ্যমে দেশটি রকেট প্রপালশন, গাইডেন্স সিস্টেম এবং রি-এন্ট্রি প্রযুক্তিতে নিজেদের সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছে। বিশেষ করে বায়ুমণ্ডলে পুনঃপ্রবেশের সময় ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণে রাখা অত্যন্ত জটিল একটি প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-06.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-06.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-06.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[মোজতবা খামেনির নেতৃত্বে নতুন যুদ্ধ কৌশল, চাপে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা মহল]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36931</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36931</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sat, 09 May 2026 19:05:39 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Mojtaba Khamenei, Iran leadership, US intelligence report Iran, CNN Iran report, Iran war strategy, Middle East conflict update, Iran Supreme Leader succession, US Iran tensions, Iran military leadership, Donald Trump Iran policy, Iran nuclear tensions, Iran defense strategy, Washington intelligence leak, Iran sanctions resistance, geopolitical conflict Middle East]]></category>
        
        <description><![CDATA[ইরানের যুদ্ধ কৌশল নির্ধারণে এখন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন দেশটির নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। এমনটাই ধারণা করছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। গোয়েন্দা তথ্যের সঙ্গে পরিচিত একাধিক সূত্রের বরাতে শনিবার এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার ক্ষমতার কাঠামো এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। তবে ধারণা করা হচ্ছে, মোজতবা খামেনি দেশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে যুদ্ধ পরিচালনা এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য আলোচনার দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন। যুদ্ধের শুরুর দিকে এক হামলায় তার বাবা এবং ইরানের কয়েকজন শীর্ষ সামরিক নেতা নিহত হন। এরপর আরেক হামলায় গুরুতর আহত হন মোজতবা খামেনি। সেই ঘটনার পর থেকেই তার স্বাস্থ্য ও নেতৃত্বে ভূমিকা নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়। সূত্রগুলো আরও জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি এক মাসের বেশি সময় ধরে চললেও ট্রাম্প প্রশাসন এখনো কূটনৈতিক সমাধানের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। একই সময়ে ইরানও মার্কিন হামলার ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার কাজ করছে এবং কয়েক মাস পর্যন্ত অবরোধ সহ্য করার সক্ষমতা ধরে রেখেছে বলে মনে করছে মার্কিন গোয়েন্দারা।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-05.webp" alt="মোজতবা খামেনির নেতৃত্বে নতুন যুদ্ধ কৌশল, চাপে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা মহল" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>মোজতবা খামেনির নেতৃত্বে নতুন যুদ্ধ কৌশল, চাপে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা মহল</h1>
            <p>ইরানের যুদ্ধ কৌশল নির্ধারণে এখন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন দেশটির নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। এমনটাই ধারণা করছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। গোয়েন্দা তথ্যের সঙ্গে পরিচিত একাধিক সূত্রের বরাতে শনিবার এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার ক্ষমতার কাঠামো এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। তবে ধারণা করা হচ্ছে, মোজতবা খামেনি দেশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে যুদ্ধ পরিচালনা এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য আলোচনার দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন। যুদ্ধের শুরুর দিকে এক হামলায় তার বাবা এবং ইরানের কয়েকজন শীর্ষ সামরিক নেতা নিহত হন। এরপর আরেক হামলায় গুরুতর আহত হন মোজতবা খামেনি। সেই ঘটনার পর থেকেই তার স্বাস্থ্য ও নেতৃত্বে ভূমিকা নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়। সূত্রগুলো আরও জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি এক মাসের বেশি সময় ধরে চললেও ট্রাম্প প্রশাসন এখনো কূটনৈতিক সমাধানের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। একই সময়ে ইরানও মার্কিন হামলার ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার কাজ করছে এবং কয়েক মাস পর্যন্ত অবরোধ সহ্য করার সক্ষমতা ধরে রেখেছে বলে মনে করছে মার্কিন গোয়েন্দারা।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-05.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-05.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-05.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ট্রাম্পের ঘোষণায় স্বস্তির হাওয়া, তিন দিনের যুদ্ধবিরতিতে রাজি রাশিয়া-ইউক্রেন]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36930</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36930</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sat, 09 May 2026 19:05:13 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[ইউরোপ]]></category>
                        <category><![CDATA[Russia Ukraine ceasefire, Donald Trump statement, Ukraine war news, Russia Ukraine peace talks, temporary truce Ukraine, prisoner exchange Russia Ukraine, Vladimir Putin Volodymyr Zelensky, Truth Social announcement, Victory Day ceasefire, Russia Ukraine conflict update, global peace talks, US mediation Ukraine war, Europe war news, war prisoners exchange, Russia Ukraine agreement]]></category>
        
        <description><![CDATA[চার বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা ভয়াবহ যুদ্ধের মধ্যে অবশেষে সাময়িক শান্তির ইঙ্গিত মিলেছে রাশিয়া ও ইউক্রেন থেকে। আগামী ৯ মে থেকে ১১ মে পর্যন্ত তিন দিনের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে দুই দেশ। এই সময়ে সব ধরনের হামলা-পাল্টা হামলা বন্ধ রাখার পাশাপাশি উভয় পক্ষ এক হাজার করে মোট দুই হাজার যুদ্ধবন্দি মুক্তি দেবে। এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক বার্তায় তিনি জানান, তার অনুরোধেই রাশিয়া ও ইউক্রেন এই অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে। এ সময় তিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে ধন্যবাদ জানান। ট্রাম্প বলেন, “আমি আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি যে রাশিয়া ও ইউক্রেন আগামী তিন দিন যুদ্ধবিরতি পালন করবে। রাশিয়ায় এটি বিজয় দিবস উপলক্ষে এবং ইউক্রেনেও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে তাদের ভূমিকার স্মরণে পালিত হবে।” তিনি আরও বলেন, এই যুদ্ধবিরতি দীর্ঘদিনের ভয়াবহ সংঘাত শেষ হওয়ার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচনা হতে পারে। তার দাবি অনুযায়ী, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এটিই সবচেয়ে বড় যুদ্ধ এবং এটি শেষ করার জন্য আলোচনা প্রতিদিনই আরও এগিয়ে যাচ্ছে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-04.webp" alt="ট্রাম্পের ঘোষণায় স্বস্তির হাওয়া, তিন দিনের যুদ্ধবিরতিতে রাজি রাশিয়া-ইউক্রেন" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ট্রাম্পের ঘোষণায় স্বস্তির হাওয়া, তিন দিনের যুদ্ধবিরতিতে রাজি রাশিয়া-ইউক্রেন</h1>
            <p>চার বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা ভয়াবহ যুদ্ধের মধ্যে অবশেষে সাময়িক শান্তির ইঙ্গিত মিলেছে রাশিয়া ও ইউক্রেন থেকে। আগামী ৯ মে থেকে ১১ মে পর্যন্ত তিন দিনের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে দুই দেশ। এই সময়ে সব ধরনের হামলা-পাল্টা হামলা বন্ধ রাখার পাশাপাশি উভয় পক্ষ এক হাজার করে মোট দুই হাজার যুদ্ধবন্দি মুক্তি দেবে। এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক বার্তায় তিনি জানান, তার অনুরোধেই রাশিয়া ও ইউক্রেন এই অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে। এ সময় তিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে ধন্যবাদ জানান। ট্রাম্প বলেন, “আমি আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি যে রাশিয়া ও ইউক্রেন আগামী তিন দিন যুদ্ধবিরতি পালন করবে। রাশিয়ায় এটি বিজয় দিবস উপলক্ষে এবং ইউক্রেনেও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে তাদের ভূমিকার স্মরণে পালিত হবে।” তিনি আরও বলেন, এই যুদ্ধবিরতি দীর্ঘদিনের ভয়াবহ সংঘাত শেষ হওয়ার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচনা হতে পারে। তার দাবি অনুযায়ী, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এটিই সবচেয়ে বড় যুদ্ধ এবং এটি শেষ করার জন্য আলোচনা প্রতিদিনই আরও এগিয়ে যাচ্ছে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-04.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-04.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-04.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[যুদ্ধবিরতি ভেঙে লেবাননে হামলা, জবাবে ইসরাইলে বড় আঘাতের দাবি হিজবুল্লাহর]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36929</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36929</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sat, 09 May 2026 19:05:32 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Hezbollah Israel conflict, Lebanon airstrikes, Beirut southern suburbs attack, Israel military bases missile strike, Hezbollah drone attack, Israel Lebanon war news, ceasefire violation Lebanon, Nahariya military base attack, Lebanon health ministry casualties, Israel army evacuation orders, Middle East escalation, Iran backed Hezbollah, southern Lebanon strikes, Israel air raid sirens, Lebanon civil defense casualties]]></category>
        
        <description><![CDATA[বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলে সাম্প্রতিক ইসরাইলি হামলা এবং দক্ষিণ লেবাননে চলমান আক্রমণের প্রতিশোধ হিসেবে ইসরাইলের সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে হিজবুল্লাহ। শুক্রবার দেওয়া এক বিবৃতিতে গোষ্ঠীটি জানায়, ইসরাইল যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপশহর এবং দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন গ্রাম এলাকায় হামলা চালিয়েছে। এর জবাবে ইসরাইলি শহর নাহারিয়ার দক্ষিণে অবস্থিত একটি সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। কয়েক ঘণ্টা পর ইরান-সমর্থিত এই গোষ্ঠী আরও দাবি করে, উত্তর ইসরাইলের আরেকটি সামরিক ঘাঁটিতে ব্যাপক ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব হামলা ছিল ইসরাইলের আগের আক্রমণের সরাসরি পাল্টা জবাব। ইসরাইলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, প্রথম হামলার সময় উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন শহরে বিমান হামলার সতর্কতামূলক সাইরেন বাজানো হয়, ফলে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এরই মধ্যে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, শুক্রবার দক্ষিণাঞ্চলের চারটি এলাকায় ইসরাইলি হামলায় দুই শিশু ও তিন নারীসহ অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন। লেবাননের সিভিল ডিফেন্স আরও জানিয়েছে, দক্ষিণাঞ্চলের হামলায় তাদের একজন সদস্যও প্রাণ হারিয়েছেন। অন্যদিকে ইসরাইলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, দক্ষিণাঞ্চলে তাদের এক অভিযানে হিজবুল্লাহ-সমর্থিত লেবানিজ রেজিস্ট্যান্স ব্রিগেডের এক সদস্য নিহত হয়েছেন, যিনি উদ্ধারকর্মী হিসেবেও কাজ করতেন। পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠায় দক্ষিণ লেবাননের কয়েকটি শহর ও গ্রামের বাসিন্দাদের দ্রুত এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-03.webp" alt="যুদ্ধবিরতি ভেঙে লেবাননে হামলা, জবাবে ইসরাইলে বড় আঘাতের দাবি হিজবুল্লাহর" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>যুদ্ধবিরতি ভেঙে লেবাননে হামলা, জবাবে ইসরাইলে বড় আঘাতের দাবি হিজবুল্লাহর</h1>
            <p>বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলে সাম্প্রতিক ইসরাইলি হামলা এবং দক্ষিণ লেবাননে চলমান আক্রমণের প্রতিশোধ হিসেবে ইসরাইলের সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে হিজবুল্লাহ। শুক্রবার দেওয়া এক বিবৃতিতে গোষ্ঠীটি জানায়, ইসরাইল যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপশহর এবং দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন গ্রাম এলাকায় হামলা চালিয়েছে। এর জবাবে ইসরাইলি শহর নাহারিয়ার দক্ষিণে অবস্থিত একটি সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। কয়েক ঘণ্টা পর ইরান-সমর্থিত এই গোষ্ঠী আরও দাবি করে, উত্তর ইসরাইলের আরেকটি সামরিক ঘাঁটিতে ব্যাপক ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব হামলা ছিল ইসরাইলের আগের আক্রমণের সরাসরি পাল্টা জবাব। ইসরাইলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, প্রথম হামলার সময় উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন শহরে বিমান হামলার সতর্কতামূলক সাইরেন বাজানো হয়, ফলে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এরই মধ্যে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, শুক্রবার দক্ষিণাঞ্চলের চারটি এলাকায় ইসরাইলি হামলায় দুই শিশু ও তিন নারীসহ অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন। লেবাননের সিভিল ডিফেন্স আরও জানিয়েছে, দক্ষিণাঞ্চলের হামলায় তাদের একজন সদস্যও প্রাণ হারিয়েছেন। অন্যদিকে ইসরাইলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, দক্ষিণাঞ্চলে তাদের এক অভিযানে হিজবুল্লাহ-সমর্থিত লেবানিজ রেজিস্ট্যান্স ব্রিগেডের এক সদস্য নিহত হয়েছেন, যিনি উদ্ধারকর্মী হিসেবেও কাজ করতেন। পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠায় দক্ষিণ লেবাননের কয়েকটি শহর ও গ্রামের বাসিন্দাদের দ্রুত এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-03.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-03.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-03.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের চাপ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করল ইরান, শান্তি প্রস্তাবে জবাব দেবে নিজেদের সময়েই]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36928</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36928</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sat, 09 May 2026 19:05:22 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Iran US tension, Iran nuclear deal talks, Ismail Baghaei statement, Iran rejects deadline, Tehran Washington relations, Iran foreign ministry news, Ayatollah Ali Khamenei role, IRGC Iran, Iran Supreme National Security Council, Mohammad Bagher Ghalibaf, US pressure Iran response, Middle East diplomacy, Iran peace proposal, nuclear negotiations Iran, Iran politics update]]></category>
        
        <description><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া সর্বশেষ শান্তি প্রস্তাব এখনও পুরোপুরি পর্যালোচনার মধ্যেই রয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, তেহরান এই প্রস্তাবের জবাব “উপযুক্ত সময়েই” দেবে। মার্কিন কর্মকর্তাদের নির্ধারিত সময়সীমাকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে বাঘাই বলেন, ইরানের কাছে এসব সময়সীমার কোনো গুরুত্ব নেই। তার ভাষায়, তেহরান কোনো ধরনের ‘চরমপত্র’ বা চাপের মুখে সিদ্ধান্ত নেয় না। ইরানি কর্মকর্তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, আলোচনায় দেরির প্রধান কারণ হলো প্রস্তাবিত চুক্তির জটিল প্রযুক্তিগত বিষয় এবং দেশের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন ক্ষমতাকেন্দ্রের অনুমোদনের প্রয়োজনীয়তা। তাদের মতে, এই প্রক্রিয়ায় পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড, সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ এবং সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মতামত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তেহরান আরও জানিয়েছে, এসব গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন ছাড়া ওয়াশিংটনের কাছে কোনো চূড়ান্ত জবাব পাঠানো সম্ভব নয়। ফলে ইরান স্পষ্ট করেছে, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে তারা কোনো বাহ্যিক চাপ মেনে নেবে না এবং নিজেদের নিয়ম অনুযায়ীই এগোবে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-02.webp" alt="যুক্তরাষ্ট্রের চাপ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করল ইরান, শান্তি প্রস্তাবে জবাব দেবে নিজেদের সময়েই" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>যুক্তরাষ্ট্রের চাপ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করল ইরান, শান্তি প্রস্তাবে জবাব দেবে নিজেদের সময়েই</h1>
            <p>যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া সর্বশেষ শান্তি প্রস্তাব এখনও পুরোপুরি পর্যালোচনার মধ্যেই রয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, তেহরান এই প্রস্তাবের জবাব “উপযুক্ত সময়েই” দেবে। মার্কিন কর্মকর্তাদের নির্ধারিত সময়সীমাকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে বাঘাই বলেন, ইরানের কাছে এসব সময়সীমার কোনো গুরুত্ব নেই। তার ভাষায়, তেহরান কোনো ধরনের ‘চরমপত্র’ বা চাপের মুখে সিদ্ধান্ত নেয় না। ইরানি কর্মকর্তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, আলোচনায় দেরির প্রধান কারণ হলো প্রস্তাবিত চুক্তির জটিল প্রযুক্তিগত বিষয় এবং দেশের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন ক্ষমতাকেন্দ্রের অনুমোদনের প্রয়োজনীয়তা। তাদের মতে, এই প্রক্রিয়ায় পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড, সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ এবং সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মতামত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তেহরান আরও জানিয়েছে, এসব গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন ছাড়া ওয়াশিংটনের কাছে কোনো চূড়ান্ত জবাব পাঠানো সম্ভব নয়। ফলে ইরান স্পষ্ট করেছে, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে তারা কোনো বাহ্যিক চাপ মেনে নেবে না এবং নিজেদের নিয়ম অনুযায়ীই এগোবে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-02.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-02.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-02.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[হরমুজ সংকটে তেলহীন আরব বিশ্ব, বিকল্প রুট খুঁজতে মরিয়া উপসাগরীয় দেশগুলো বড় বিপদে পড়ে গেছে]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36927</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36927</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sat, 09 May 2026 18:05:23 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Hormuz crisis, Middle East oil crisis, Gulf countries economy, Strait of Hormuz blockade, Saudi oil pipeline, UAE oil export, Iraq oil transport, Fujairah port attack, Iran Revolutionary Guard, Middle East tension, oil supply disruption, petroleum crisis, energy crisis Gulf, alternative oil routes, global oil market disruption]]></category>
        
        <description><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো এখন গত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটের মুখে পড়েছে। হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে চলমান অবরোধের কারণে তেল ও গ্যাস রপ্তানি মারাত্মকভাবে কমে গেছে। এতে আয়ের উৎস কমে যাওয়ায় অনেক দেশ এখন বাধ্য হয়ে বিদেশি সহায়তার দিকে ঝুঁকছে। একই সঙ্গে হরমুজের বিকল্প রুট খুঁজে বের করার চেষ্টা শুরু করেছে উপসাগরীয় দেশগুলো। ইসরাইল ও আমেরিকার সঙ্গে উত্তেজনা ক্রমাগত বাড়তে থাকায় পুরো অঞ্চল এখন চরম অস্থিরতার মধ্যে রয়েছে। তেল রপ্তানি বাধাগ্রস্ত হওয়ায় উপসাগরীয় দেশগুলো বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। এরই মধ্যে সৌদি আরব ‘ইস্ট-ওয়েস্ট’ বা ‘পেট্রোলাইন’ পাইপলাইনের মাধ্যমে বিকল্প ব্যবস্থা চালুর চেষ্টা করছে। এই পাইপলাইনটি লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরের সঙ্গে যুক্ত। প্রতিদিন প্রায় ৭০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহনের সক্ষমতা থাকলেও গত মার্চে মাত্র ৪০ লাখ ব্যারেল তেল পাঠানো সম্ভব হয়েছে। যা যুদ্ধ শুরুর আগের তুলনায় অনেক কম। সংযুক্ত আরব আমিরাত এখন তেলের পাশাপাশি সার ও কেরোসিন রপ্তানির দিকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। তারা ট্রাক ও সড়কপথ ব্যবহার করে ওমান উপসাগরের বিভিন্ন বন্দরে এসব পণ্য পৌঁছে দিচ্ছে। অন্যদিকে ইরাক কিছু তেল সিরিয়া হয়ে ট্রাকে পাঠানো শুরু করেছে। তবে ফুজাইরাহ বন্দরের পাইপলাইনও এখন আর পুরোপুরি নিরাপদ নয়। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে এই টার্মিনালে বারবার হামলার ঘটনা ঘটছে। এমনকি ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড সম্প্রতি একটি মানচিত্র প্রকাশ করে ফুজাইরাহ এলাকাকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণাধীন বলেও দাবি করেছে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-01.webp" alt="হরমুজ সংকটে তেলহীন আরব বিশ্ব, বিকল্প রুট খুঁজতে মরিয়া উপসাগরীয় দেশগুলো বড় বিপদে পড়ে গেছে" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>হরমুজ সংকটে তেলহীন আরব বিশ্ব, বিকল্প রুট খুঁজতে মরিয়া উপসাগরীয় দেশগুলো বড় বিপদে পড়ে গেছে</h1>
            <p>মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো এখন গত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটের মুখে পড়েছে। হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে চলমান অবরোধের কারণে তেল ও গ্যাস রপ্তানি মারাত্মকভাবে কমে গেছে। এতে আয়ের উৎস কমে যাওয়ায় অনেক দেশ এখন বাধ্য হয়ে বিদেশি সহায়তার দিকে ঝুঁকছে। একই সঙ্গে হরমুজের বিকল্প রুট খুঁজে বের করার চেষ্টা শুরু করেছে উপসাগরীয় দেশগুলো। ইসরাইল ও আমেরিকার সঙ্গে উত্তেজনা ক্রমাগত বাড়তে থাকায় পুরো অঞ্চল এখন চরম অস্থিরতার মধ্যে রয়েছে। তেল রপ্তানি বাধাগ্রস্ত হওয়ায় উপসাগরীয় দেশগুলো বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। এরই মধ্যে সৌদি আরব ‘ইস্ট-ওয়েস্ট’ বা ‘পেট্রোলাইন’ পাইপলাইনের মাধ্যমে বিকল্প ব্যবস্থা চালুর চেষ্টা করছে। এই পাইপলাইনটি লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরের সঙ্গে যুক্ত। প্রতিদিন প্রায় ৭০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহনের সক্ষমতা থাকলেও গত মার্চে মাত্র ৪০ লাখ ব্যারেল তেল পাঠানো সম্ভব হয়েছে। যা যুদ্ধ শুরুর আগের তুলনায় অনেক কম। সংযুক্ত আরব আমিরাত এখন তেলের পাশাপাশি সার ও কেরোসিন রপ্তানির দিকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। তারা ট্রাক ও সড়কপথ ব্যবহার করে ওমান উপসাগরের বিভিন্ন বন্দরে এসব পণ্য পৌঁছে দিচ্ছে। অন্যদিকে ইরাক কিছু তেল সিরিয়া হয়ে ট্রাকে পাঠানো শুরু করেছে। তবে ফুজাইরাহ বন্দরের পাইপলাইনও এখন আর পুরোপুরি নিরাপদ নয়। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে এই টার্মিনালে বারবার হামলার ঘটনা ঘটছে। এমনকি ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড সম্প্রতি একটি মানচিত্র প্রকাশ করে ফুজাইরাহ এলাকাকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণাধীন বলেও দাবি করেছে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-01.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-01.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-9-5-26-01.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[সাত সকালের ভুল! বিগ বসের সেই ট্রমার কথা খুলে বললেন তানিশা]]></title>
        <link>https://nbs24.org/entertainment/36926</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/entertainment/36926</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 08 May 2026 17:05:14 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
                <category><![CDATA[বলিউড]]></category>
                        <category><![CDATA[Tanisha Mukerji Bigg Boss, Bigg Boss season 7 trauma, Tanisha Mukerji interview, Kajol sister Tanisha, Bigg Boss emotional stress, Tanisha Mukerji podcast Mamaraazi, Bigg Boss controversial moments, Tanisha Mukerji family controversy, Bigg Boss bond trauma, Tanisha Mukerji web series, Tanisha Mukerji news today, Bigg Boss fake friendship, Tanisha Mukerji Hindi not fluent, Bigg Boss channel mistreatment, Tanisha Mukerji reality TV journey]]></category>
        
        <description><![CDATA[বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেত্রী তনুজার মেয়ে তানিশা মুখার্জি। বলিউডে দারুণ সফল তাঁর বোন কাজল মুখার্জি। তানিশাও যে পিছিয়ে নেই—রিয়্যালিটি শো আর ওয়েব সিরিজে দারুণ কাজ করছেন তিনি। তবে একটি অভিজ্ঞতা এখনও তাড়া করে বেড়ায় তাঁকে। সেটা হলো বিতর্কিত রিয়্যালিটি শো ‘বিগ বস’। হ্যাঁ, বিগ বসের সপ্তম সিজনে অংশ নিয়ে ফার্স্ট রানারআপ হয়েছিলেন তানিশা। কিন্তু এই যাত্রা যে তাঁর জন্য মোটেও সুখকর ছিল না, সেটাই এখন নিজের মুখে বললেন তিনি। পডকাস্ট মামারাজিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তানিশা জানালেন, পুরো অভিজ্ঞতাটি ছিল মানসিকভাবে কষ্টদায়ক ও আবেগগতভাবে চাপের। এমনকি এটাকে ‘ট্রমাটিক’ বলেও মন্তব্য করলেন এই অভিনেত্রী। কেন এত কষ্ট পেয়েছিলেন তানিশা? তিনি নিজেই জানান, ‘বিগ বসের সপ্তম সিজনে আমার অনেক কথোপকথন কেটে দেওয়া হতো। কারণ আমি ভালো হিন্দি বলতে পারতাম না, তাই ইংরেজিতে কথা বলতাম। আর ইচ্ছাকৃতভাবে কিছু বিষয় নিয়ে কথা বলতাম না, যাতে ঝগড়া বা খারাপ পরিস্থিতি না হয়। চাইতাম না, আমার পরিবারের প্রতি নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া যাক।’ সেই সময় নিজেকে ‘অপরিণত’ বলছেন তানিশা। তিনি বলেন, ‘শো থেকে বেরোনোর আগ পর্যন্ত বুঝতেই পারিনি, অন্য প্রতিযোগীরা স্ক্রিন টাইম পাওয়ার জন্য কাজল আর অজয় দেবগনের নাম ব্যবহার করছিলেন। এখন হলে নিজেকে এভাবে কখনোই ফেলতাম না যেখানে পরিবার নিয়ে যা খুশি বলার অধিকার কেউ পায়। এই অভিজ্ঞতা আমাকে অনেক সচেতন করেছে। মানুষ সত্যিই আমার পরিবারের পেছনে লেগেছিল। চ্যানেল কর্তৃপক্ষও মাঝে মাঝে আমাকে কষ্ট দিয়েছে।’ প্রশ্ন করা হলে বিগ বসের অভিজ্ঞতা ‘ট্রমাটিক’ ছিল কি না, তানিশা এককথায় বলেন, ‘অবশ্যই।’ এমনকি শোয়ের ভেতরে তৈরি হওয়া বন্ধুত্বকে তিনি ‘ট্রমা বন্ড’ বলেও মন্তব্য করেন। তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘মানুষ যখন সেই ট্রমা থেকে সেরে ওঠে, তখন বুঝতে পারে সেই বন্ধুত্বগুলোর আসল রূপ।’ আরেক মজার বিষয় হলো, বিগ বসের ঘরে তানিশার পরিবারের কেউ যাননি। কেন যাননি? তানিশার জবাব, ‘তারা বিনা পয়সায় কেন আসবেন? এটাও তো একটা টিভি শো। এখানে সবাই পারিশ্রমিক পাচ্ছেন।’ বর্তমানে বিজ্ঞাপন ও ওয়েব সিরিজে ব্যস্ত তানিশা মুখার্জি। বলিউড সিনেমায় খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি, তবে রিয়্যালিটি শো আর ওয়েবের মাধ্যমেই তিনি ভক্তদের মন জয় করে নিয়েছেন।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_35.webp" alt="সাত সকালের ভুল! বিগ বসের সেই ট্রমার কথা খুলে বললেন তানিশা" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>সাত সকালের ভুল! বিগ বসের সেই ট্রমার কথা খুলে বললেন তানিশা</h1>
            <p>বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেত্রী তনুজার মেয়ে তানিশা মুখার্জি। বলিউডে দারুণ সফল তাঁর বোন কাজল মুখার্জি। তানিশাও যে পিছিয়ে নেই—রিয়্যালিটি শো আর ওয়েব সিরিজে দারুণ কাজ করছেন তিনি। তবে একটি অভিজ্ঞতা এখনও তাড়া করে বেড়ায় তাঁকে। সেটা হলো বিতর্কিত রিয়্যালিটি শো ‘বিগ বস’। হ্যাঁ, বিগ বসের সপ্তম সিজনে অংশ নিয়ে ফার্স্ট রানারআপ হয়েছিলেন তানিশা। কিন্তু এই যাত্রা যে তাঁর জন্য মোটেও সুখকর ছিল না, সেটাই এখন নিজের মুখে বললেন তিনি। পডকাস্ট মামারাজিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তানিশা জানালেন, পুরো অভিজ্ঞতাটি ছিল মানসিকভাবে কষ্টদায়ক ও আবেগগতভাবে চাপের। এমনকি এটাকে ‘ট্রমাটিক’ বলেও মন্তব্য করলেন এই অভিনেত্রী। কেন এত কষ্ট পেয়েছিলেন তানিশা? তিনি নিজেই জানান, ‘বিগ বসের সপ্তম সিজনে আমার অনেক কথোপকথন কেটে দেওয়া হতো। কারণ আমি ভালো হিন্দি বলতে পারতাম না, তাই ইংরেজিতে কথা বলতাম। আর ইচ্ছাকৃতভাবে কিছু বিষয় নিয়ে কথা বলতাম না, যাতে ঝগড়া বা খারাপ পরিস্থিতি না হয়। চাইতাম না, আমার পরিবারের প্রতি নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া যাক।’ সেই সময় নিজেকে ‘অপরিণত’ বলছেন তানিশা। তিনি বলেন, ‘শো থেকে বেরোনোর আগ পর্যন্ত বুঝতেই পারিনি, অন্য প্রতিযোগীরা স্ক্রিন টাইম পাওয়ার জন্য কাজল আর অজয় দেবগনের নাম ব্যবহার করছিলেন। এখন হলে নিজেকে এভাবে কখনোই ফেলতাম না যেখানে পরিবার নিয়ে যা খুশি বলার অধিকার কেউ পায়। এই অভিজ্ঞতা আমাকে অনেক সচেতন করেছে। মানুষ সত্যিই আমার পরিবারের পেছনে লেগেছিল। চ্যানেল কর্তৃপক্ষও মাঝে মাঝে আমাকে কষ্ট দিয়েছে।’ প্রশ্ন করা হলে বিগ বসের অভিজ্ঞতা ‘ট্রমাটিক’ ছিল কি না, তানিশা এককথায় বলেন, ‘অবশ্যই।’ এমনকি শোয়ের ভেতরে তৈরি হওয়া বন্ধুত্বকে তিনি ‘ট্রমা বন্ড’ বলেও মন্তব্য করেন। তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘মানুষ যখন সেই ট্রমা থেকে সেরে ওঠে, তখন বুঝতে পারে সেই বন্ধুত্বগুলোর আসল রূপ।’ আরেক মজার বিষয় হলো, বিগ বসের ঘরে তানিশার পরিবারের কেউ যাননি। কেন যাননি? তানিশার জবাব, ‘তারা বিনা পয়সায় কেন আসবেন? এটাও তো একটা টিভি শো। এখানে সবাই পারিশ্রমিক পাচ্ছেন।’ বর্তমানে বিজ্ঞাপন ও ওয়েব সিরিজে ব্যস্ত তানিশা মুখার্জি। বলিউড সিনেমায় খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি, তবে রিয়্যালিটি শো আর ওয়েবের মাধ্যমেই তিনি ভক্তদের মন জয় করে নিয়েছেন।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_35.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_35.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_35.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[বাজলো ক্ল্যাপবোর্ড! প্রথমবার সজল-মিষ্টি জুটি, শিরোনাম ‘দুজনে’]]></title>
        <link>https://nbs24.org/entertainment/36925</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/entertainment/36925</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 08 May 2026 17:05:56 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
                <category><![CDATA[ঢালিউড]]></category>
                        <category><![CDATA[Sajal and Mishti Jannat new movie, Dujone movie 2026, Debashish Biswas director, Sajal Mishti pair first time, Bangladeshi romantic film, Dujone film shooting start, Abdullah Zahir Babu story, Heaven Multimedia production, Geeti Chitrokotha, Sajal Mishti contract signing, new Dhallywood movie, Mishti Jannat doctor actress, Sajol new film, Dujone movie news today, Bangladeshi cinema love story]]></category>
        
        <description><![CDATA[অভিনয়ের জগতে নতুন চমক! এবার প্রথমবার একসঙ্গে পর্দায় হাজির হতে যাচ্ছেন আবদুন নূর সজল ও মিষ্টি জান্নাত। আর তাদের প্রথম সিনেমার নামই রাখা হয়েছে ‘দুজনে’। সিনেমাটি পরিচালনা করবেন দেবাশীষ বিশ্বাস। ইতিমধ্যেই রাজধানীর একটি হোটেলে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন এই জুটি। কবে থেকে শুরু হচ্ছে শুটিং? মিষ্টি জান্নাত জানিয়েছেন, আগামী ১২ মে থেকে ক্যামেরার সামনে দাঁড়াবেন তারা। সিনেমা প্রসঙ্গে পরিচালক দেবাশীষ বিশ্বাস বললেন, ‘এই সিনেমাটি আসলে এক রোমান্টিক জার্নি। দুই ভিন্ন কারণে দুজন এক হওয়া। সেখান থেকেই শুরু হবে তাদের যাত্রা। পুরো পথ চলায় একে অপরকে বোঝা, ভালোবাসা, কখনো হঠকারিতা এবং সবশেষে প্রেমের পূর্ণতা—এটাই গল্প।’ মিষ্টি জান্নাত নিজেও এই সিনেমা নিয়ে দারুণ উচ্ছ্বসিত। তিনি বলেন, ‘দেবাশীষ দাদার সঙ্গে অনেকদিন ধরেই এই সিনেমা নিয়ে কথা হচ্ছিল। কিন্তু শোয়ের কাজে আমি লন্ডনে ছিলাম। তার ওপরে আমি একজন চিকিৎসক। সেখানেও সময় দিতে হয়। এসবের ফাঁকেই সিনেমা করি। তিনি গুণী একজন নির্মাতা। তাঁর কথামতো এই সিনেমার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। আশা রাখছি, খুব তাড়াতাড়ি কাজ শেষ করে দর্শকদের দেখাতে পারব।’ ‘দুজনে’ সিনেমার কাহিনি ও সংলাপ লিখেছেন আবদুল্লাহ জহির বাবু। আর চিত্রনাট্যও লিখেছেন পরিচালক দেবাশীষ বিশ্বাস। যৌথ প্রযোজনা করছে হ্যাভেন মাল্টিমিডিয়া ও গীতি চিত্রকথা। দ্রুত শুটিং শেষ করেই মুক্তি দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানা গেছে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_34.webp" alt="বাজলো ক্ল্যাপবোর্ড! প্রথমবার সজল-মিষ্টি জুটি, শিরোনাম ‘দুজনে’" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>বাজলো ক্ল্যাপবোর্ড! প্রথমবার সজল-মিষ্টি জুটি, শিরোনাম ‘দুজনে’</h1>
            <p>অভিনয়ের জগতে নতুন চমক! এবার প্রথমবার একসঙ্গে পর্দায় হাজির হতে যাচ্ছেন আবদুন নূর সজল ও মিষ্টি জান্নাত। আর তাদের প্রথম সিনেমার নামই রাখা হয়েছে ‘দুজনে’। সিনেমাটি পরিচালনা করবেন দেবাশীষ বিশ্বাস। ইতিমধ্যেই রাজধানীর একটি হোটেলে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন এই জুটি। কবে থেকে শুরু হচ্ছে শুটিং? মিষ্টি জান্নাত জানিয়েছেন, আগামী ১২ মে থেকে ক্যামেরার সামনে দাঁড়াবেন তারা। সিনেমা প্রসঙ্গে পরিচালক দেবাশীষ বিশ্বাস বললেন, ‘এই সিনেমাটি আসলে এক রোমান্টিক জার্নি। দুই ভিন্ন কারণে দুজন এক হওয়া। সেখান থেকেই শুরু হবে তাদের যাত্রা। পুরো পথ চলায় একে অপরকে বোঝা, ভালোবাসা, কখনো হঠকারিতা এবং সবশেষে প্রেমের পূর্ণতা—এটাই গল্প।’ মিষ্টি জান্নাত নিজেও এই সিনেমা নিয়ে দারুণ উচ্ছ্বসিত। তিনি বলেন, ‘দেবাশীষ দাদার সঙ্গে অনেকদিন ধরেই এই সিনেমা নিয়ে কথা হচ্ছিল। কিন্তু শোয়ের কাজে আমি লন্ডনে ছিলাম। তার ওপরে আমি একজন চিকিৎসক। সেখানেও সময় দিতে হয়। এসবের ফাঁকেই সিনেমা করি। তিনি গুণী একজন নির্মাতা। তাঁর কথামতো এই সিনেমার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। আশা রাখছি, খুব তাড়াতাড়ি কাজ শেষ করে দর্শকদের দেখাতে পারব।’ ‘দুজনে’ সিনেমার কাহিনি ও সংলাপ লিখেছেন আবদুল্লাহ জহির বাবু। আর চিত্রনাট্যও লিখেছেন পরিচালক দেবাশীষ বিশ্বাস। যৌথ প্রযোজনা করছে হ্যাভেন মাল্টিমিডিয়া ও গীতি চিত্রকথা। দ্রুত শুটিং শেষ করেই মুক্তি দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানা গেছে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_34.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_34.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_34.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ছোটবেলায় ‘ছুটি ছুটি’ দেখতেন যে মনামী, মঞ্চে এলেন সেই চমকে!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/entertainment/36924</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/entertainment/36924</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 08 May 2026 17:05:50 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
                <category><![CDATA[ঢালিউড]]></category>
                        <category><![CDATA[Monami Ghosh fashion, Bengal’s Most Stylish Awards Season 3, Chuti Chuti TV show nostalgia, Monami Ghosh dress made by children’s art, Monami Ghosh new look, Tollywood actress fashion, Monami Ghosh paper boat bag, NGO children painting dress, Monami Ghosh childhood memories, summer vacation theme outfit, Monami Ghosh latest news, Bangla cinema fashion icon, Monami Ghosh viral photos, sustainable fashion Kolkata, Monami Ghosh human interest story]]></category>
        
        <description><![CDATA[অভিনয় আর ফ্যাশন—দুই জায়গাতেই সবার নজর কাড়েন ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মনামী ঘোষ। সম্প্রতি আরও একবার প্রমাণ করলেন, ফ্যাশনের মাঠে তাঁর জুড়ি মেলা ভার। ‘বেঙ্গলস মোস্ট স্টাইলিশ অ্যাওয়ার্ডস’ সিজন ৩-এর মঞ্চে হাজির হয়েই সবাইকে তাক লাগিয়ে দিলেন তিনি। আর তার কারণ, ছেলেবেলার ছুটির নস্ট্যালজিয়া ভরা এক অনবদ্য পোশাক! ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, মনামীর এই নজরকাড়া লুক গড়ে উঠেছে একটি এনজিওর শিশুদের হাতে আঁকা ছবি দিয়ে। হ্যাঁ, শুনতে অবাক লাগলেও সত্যি। ছোট্ট শিশুদের তুলির আঁচড়ে ফোঁটা ছাতা, চাঁদ, সূর্যের ছবি কোলাজ করে বানানো হয়েছে তাঁর ড্রেস। আর হাতে নিয়ে এসেছেন হলুদ রঙের কাগজের নৌকা, যেখানে লেখা ‘ছুটি ছুটি’। কিন্তু কেন এই ভাবনা? নিজেই জানালেন মনামী। তাঁর স্মৃতির মণিকোঠায় ঘাপটি মেরে আছে একসময়ের টিআরপি চার্টের শীর্ষে থাকা ছোটদের টিভি শো ‘ছুটি ছুটি’। তিনি বলেন, ‘ছোটবেলায় ‘ছুটি ছুটি’ আমার সবচেয়ে প্রিয় শো ছিল। একটা দিনও মিস করতাম না। গ্রীষ্মের ছুটি এলেই টিভির সামনে গিয়ে বসে যেতাম। সেই দিনগুলোকেই মঞ্চে ফিরিয়ে এনেছি।’ আর হাতে থাকা নৌকা ব্যাগ দেখিয়ে মনামী আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, ‘ছোটবেলায় বৃষ্টি নামলেই কাগজের নৌকা বানিয়ে জলে ভাসাতাম। গরমের ছুটির দিনে বৃষ্টি এলে আমরা সবাই বাইরে বেরিয়ে পড়তাম আর জমা জলে নৌকা ভাসাতাম। তাই আমার ব্যাগেও লেখা আছে ‘ছুটি ছুটি’।’ শুধু অভিনয় বা ফ্যাশন নয়, ভক্তদের চমকে দেওয়া যেন মনামী ঘোষের অভ্যাস। এই অভিনেত্রীর আগামীর কাজের দিকে তাই এখন দর্শকদের চোখ-কান সবার আগে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_33.webp" alt="ছোটবেলায় ‘ছুটি ছুটি’ দেখতেন যে মনামী, মঞ্চে এলেন সেই চমকে!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ছোটবেলায় ‘ছুটি ছুটি’ দেখতেন যে মনামী, মঞ্চে এলেন সেই চমকে!</h1>
            <p>অভিনয় আর ফ্যাশন—দুই জায়গাতেই সবার নজর কাড়েন ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মনামী ঘোষ। সম্প্রতি আরও একবার প্রমাণ করলেন, ফ্যাশনের মাঠে তাঁর জুড়ি মেলা ভার। ‘বেঙ্গলস মোস্ট স্টাইলিশ অ্যাওয়ার্ডস’ সিজন ৩-এর মঞ্চে হাজির হয়েই সবাইকে তাক লাগিয়ে দিলেন তিনি। আর তার কারণ, ছেলেবেলার ছুটির নস্ট্যালজিয়া ভরা এক অনবদ্য পোশাক! ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, মনামীর এই নজরকাড়া লুক গড়ে উঠেছে একটি এনজিওর শিশুদের হাতে আঁকা ছবি দিয়ে। হ্যাঁ, শুনতে অবাক লাগলেও সত্যি। ছোট্ট শিশুদের তুলির আঁচড়ে ফোঁটা ছাতা, চাঁদ, সূর্যের ছবি কোলাজ করে বানানো হয়েছে তাঁর ড্রেস। আর হাতে নিয়ে এসেছেন হলুদ রঙের কাগজের নৌকা, যেখানে লেখা ‘ছুটি ছুটি’। কিন্তু কেন এই ভাবনা? নিজেই জানালেন মনামী। তাঁর স্মৃতির মণিকোঠায় ঘাপটি মেরে আছে একসময়ের টিআরপি চার্টের শীর্ষে থাকা ছোটদের টিভি শো ‘ছুটি ছুটি’। তিনি বলেন, ‘ছোটবেলায় ‘ছুটি ছুটি’ আমার সবচেয়ে প্রিয় শো ছিল। একটা দিনও মিস করতাম না। গ্রীষ্মের ছুটি এলেই টিভির সামনে গিয়ে বসে যেতাম। সেই দিনগুলোকেই মঞ্চে ফিরিয়ে এনেছি।’ আর হাতে থাকা নৌকা ব্যাগ দেখিয়ে মনামী আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, ‘ছোটবেলায় বৃষ্টি নামলেই কাগজের নৌকা বানিয়ে জলে ভাসাতাম। গরমের ছুটির দিনে বৃষ্টি এলে আমরা সবাই বাইরে বেরিয়ে পড়তাম আর জমা জলে নৌকা ভাসাতাম। তাই আমার ব্যাগেও লেখা আছে ‘ছুটি ছুটি’।’ শুধু অভিনয় বা ফ্যাশন নয়, ভক্তদের চমকে দেওয়া যেন মনামী ঘোষের অভ্যাস। এই অভিনেত্রীর আগামীর কাজের দিকে তাই এখন দর্শকদের চোখ-কান সবার আগে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_33.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_33.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_33.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[চমক! রবীন্দ্রনাথের ‘স্ত্রীর পত্র’-এ মৃণালিনী হচ্ছেন সামিয়া অথই!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/entertainment/36923</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/entertainment/36923</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 08 May 2026 17:05:53 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
                <category><![CDATA[অন্যান্যদন]]></category>
                        <category><![CDATA[Samia Othoi new drama, Striter Patro Rabindranath Tagore, Samia Othoi as Mrinalini, Arun Chowdhury drama, Channel I Rabindra Jayanti, Bengali drama 2026, Samia Othoi Bangla news, Striter Patro telecast time, Rabindranath Tagore story adaptation, Samia Othoi acting performance, new telefilm Bangladesh, Striter Patro cast, women empowerment drama, Samia Othoi interview, popular Bengali TV drama]]></category>
        
        <description><![CDATA[ছোট পর্দায় আবারও রবীন্দ্রনাথ! দেখা যাচ্ছে জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামিয়া অথইকে। তিনি এবার কাজ করেছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালজয়ী গল্প ‘স্ত্রীর পত্র’ অবলম্বনে বানানো একই নামের নাটকে। আর সেখানেই তিনি সেজেছেন মূল চরিত্র মৃণালিনী। নাটকটি তৈরি করেছেন অরুণ চৌধুরী। সবচেয়ে বড় কথা, ঠাকুরের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে আজই প্রচার হবে নাটকটি। সময়টা দুপুর ৩টা ৫ মিনিট, আর চ্যানেল আইয়ে বসে পড়লেই দেখতে পাবেন এই বিশেষ নাটক। মৃণালিনী চরিত্রে অভিনয় প্রসঙ্গে সামিয়া অথই বললেন, ‘রবীন্দ্রনাথের মতো কিংবদন্তি লেখকের অসাধারণ গল্পের প্রধান চরিত্রে কাজ করা যে কোনো অভিনেত্রীর জন্যই গর্বের। এটি আমার জন্য দারুণ এক অভিজ্ঞতা। নির্মাতা অরুণ চৌধুরীর কাছে আমি ভীষণ কৃতজ্ঞ। তাঁর সঙ্গে কাজের এই যাত্রা সবসময়ই আমার মনে থাকবে।’ নির্মাতা অরুণ চৌধুরী নিজেও রবীন্দ্রভক্ত। তিনি বললেন, ‘আমাকে সবসময়ই টানে রবীন্দ্রনাথের গল্প। আর ‘স্ত্রীর পত্র’ তো এখনো সময়োপযোগী। আমি চেষ্টা করেছি একটা সুন্দর নাটক বানানোর। অথই চমৎকার অভিনয় করেছে। বাকিরাও দারুণ কাজ করেছে।’ আচ্ছা, ‘স্ত্রীর পত্র’ গল্পটা আসলে কী? মূলত পুরুষশাসিত সমাজের বেড়াজাল ভেঙে নিজেকে আবিষ্কার করা এক নারীর গল্প। স্বাধীনতার পথে হাঁটা, নিজের অস্তিত্বের সন্ধান এবং প্রতিবাদ—এসব নিয়েই এই গল্প। পনেরো বছর সংসার করার পর এক চিঠিতে স্বামীকে সবটা জানিয়ে দেন মৃণালিনী। সেই চিঠিতেই তিনি জানান তাঁর নিপীড়িত জীবনের ব্যথা, প্রতিবাদ আর দাসত্ব থেকে মুক্তি পাওয়ার কথা। গল্পে বিন্দু নামে এক অনাথ, অসহায় মেয়ের আত্মহত্যা মৃণালিনীকে চোখ খুলে দেয়। তখনই তিনি বুঝতে পারেন, সংসারের চাপ ও শ্বশুরবাড়ির অত্যাচারে তিনি আসলে একজন বাঁধা পুতুল। তাই তিনি ঘর ছেড়ে বেরিয়ে পড়েন— প্রতিবাদ করেন, নিজেকে নতুন করে গড়ে তোলার শপথ নেন। এই নাটকে বিন্দুর চরিত্রে দেখা যাবে শখকে। আর অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে আছেন আরেফিন জিলানী, সূচনা শিকদার, তূর্য, নয়ন আরও অনেকে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_32.webp" alt="চমক! রবীন্দ্রনাথের ‘স্ত্রীর পত্র’-এ মৃণালিনী হচ্ছেন সামিয়া অথই!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>চমক! রবীন্দ্রনাথের ‘স্ত্রীর পত্র’-এ মৃণালিনী হচ্ছেন সামিয়া অথই!</h1>
            <p>ছোট পর্দায় আবারও রবীন্দ্রনাথ! দেখা যাচ্ছে জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামিয়া অথইকে। তিনি এবার কাজ করেছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালজয়ী গল্প ‘স্ত্রীর পত্র’ অবলম্বনে বানানো একই নামের নাটকে। আর সেখানেই তিনি সেজেছেন মূল চরিত্র মৃণালিনী। নাটকটি তৈরি করেছেন অরুণ চৌধুরী। সবচেয়ে বড় কথা, ঠাকুরের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে আজই প্রচার হবে নাটকটি। সময়টা দুপুর ৩টা ৫ মিনিট, আর চ্যানেল আইয়ে বসে পড়লেই দেখতে পাবেন এই বিশেষ নাটক। মৃণালিনী চরিত্রে অভিনয় প্রসঙ্গে সামিয়া অথই বললেন, ‘রবীন্দ্রনাথের মতো কিংবদন্তি লেখকের অসাধারণ গল্পের প্রধান চরিত্রে কাজ করা যে কোনো অভিনেত্রীর জন্যই গর্বের। এটি আমার জন্য দারুণ এক অভিজ্ঞতা। নির্মাতা অরুণ চৌধুরীর কাছে আমি ভীষণ কৃতজ্ঞ। তাঁর সঙ্গে কাজের এই যাত্রা সবসময়ই আমার মনে থাকবে।’ নির্মাতা অরুণ চৌধুরী নিজেও রবীন্দ্রভক্ত। তিনি বললেন, ‘আমাকে সবসময়ই টানে রবীন্দ্রনাথের গল্প। আর ‘স্ত্রীর পত্র’ তো এখনো সময়োপযোগী। আমি চেষ্টা করেছি একটা সুন্দর নাটক বানানোর। অথই চমৎকার অভিনয় করেছে। বাকিরাও দারুণ কাজ করেছে।’ আচ্ছা, ‘স্ত্রীর পত্র’ গল্পটা আসলে কী? মূলত পুরুষশাসিত সমাজের বেড়াজাল ভেঙে নিজেকে আবিষ্কার করা এক নারীর গল্প। স্বাধীনতার পথে হাঁটা, নিজের অস্তিত্বের সন্ধান এবং প্রতিবাদ—এসব নিয়েই এই গল্প। পনেরো বছর সংসার করার পর এক চিঠিতে স্বামীকে সবটা জানিয়ে দেন মৃণালিনী। সেই চিঠিতেই তিনি জানান তাঁর নিপীড়িত জীবনের ব্যথা, প্রতিবাদ আর দাসত্ব থেকে মুক্তি পাওয়ার কথা। গল্পে বিন্দু নামে এক অনাথ, অসহায় মেয়ের আত্মহত্যা মৃণালিনীকে চোখ খুলে দেয়। তখনই তিনি বুঝতে পারেন, সংসারের চাপ ও শ্বশুরবাড়ির অত্যাচারে তিনি আসলে একজন বাঁধা পুতুল। তাই তিনি ঘর ছেড়ে বেরিয়ে পড়েন— প্রতিবাদ করেন, নিজেকে নতুন করে গড়ে তোলার শপথ নেন। এই নাটকে বিন্দুর চরিত্রে দেখা যাবে শখকে। আর অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে আছেন আরেফিন জিলানী, সূচনা শিকদার, তূর্য, নয়ন আরও অনেকে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_32.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_32.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_32.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[সরকারি ভাষা নয়, সরল ও সহজ বাংলায় পড়ুন নোরার প্রায়শ্চিত্তের গল্প]]></title>
        <link>https://nbs24.org/entertainment/36922</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/entertainment/36922</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 08 May 2026 17:05:11 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
                <category><![CDATA[বলিউড]]></category>
                        <category><![CDATA[Nora Fatehi controversy, Sarke Chunar Teri Sarke, Bollywood news in Bengali, Nora Fatehi apology, orphan children education responsibility, KD The Devil movie, Nora Fatehi Bangla news, Women’s Commission Delhi, Sanjay Dutt controversy, viral song removed, Nora Fatehi human interest, Nora Fatehi rehabilitation, Nora Fatehi latest news today, Nora Fatehi social work, Nora Fatehi trending Bangladesh]]></category>
        
        <description><![CDATA[বলিউডের আলোচিত নায়িকা নোরা ফাতেহি অবশেষে চুপ করলেন সমালোচকদের। ‘কেডি: দ্য ডেভিল’ সিনেমার ‘সরকে চুনর তেরি সরকে’ গান ঘিরে দেশজুড়ে বিতর্কের আগুন জ্বলছিল ঠিকই, কিন্তু সেটা নেভালেন তিনি হঠাৎ এক মানবিক সিদ্ধান্তে। আদালত-কমিশনের ভয়ে নয়, নিজের ইচ্ছায় ক্ষমা চেয়ে এখন তিনি বাস্তবের হিরোইন। পর্দার গ্লিটার সরিয়ে রেখে এক ঝাঁক অনাথ শিশুর পড়াশোনার পুরো দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিলেন নোরা। বলিউড হাঁ করে দেখতে বাধ্য হলো এই অভিনেত্রীর অভিনব প্রায়শ্চিত্ত। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (৭ মে) দিল্লির জাতীয় মহিলা কমিশনের অফিসে হাজির হন নোরা। সেখানে কথা বলতে গিয়ে তিনি আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। কারণ, সোশ্যাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যেই ট্রোল আর সমালোচনার বানে ভেঙে পড়েছিলেন তিনি। কমিশনের কাছে তিনি বলেন, “কাউকে কষ্ট দেওয়া আমার উদ্দেশ্য ছিল না। একজন শিল্পী হিসেবে আমার দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে চাই না। আমি সত্যিই দুঃখিত। আমি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছি।” ক্ষমা চাওয়ার পাশাপাশি নোরা বড় ঘোষণা করেন— এখন থেকে তিনি অনাথ মেয়েদের পড়াশোনার পুরো খরচ বহন করবেন। তিনি বলেন, “সমাজকে কিছু ফিরিয়ে দেওয়াই এখন আমার কাছে সবচেয়ে জরুরি। তাদের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল করাই আমার লক্ষ্য।” জেনে নিন বিতর্কের শুরুটা কী ছিল? ‘সরকে চুনর তেরি সরকে’ গানটি বের হতেই লেগে যায় আগুন। দাবি ওঠে, গানের কথা অশালীন ও কুরুচিকর। নোরার নাচের ভঙ্গি ও দৃশ্যও নাকি ছিল আপত্তিকর। এত চাপের মুখে শেষ পর্যন্ত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম থেকে গানটি সরিয়ে ফেলা হয়। এই গানে নোরার সঙ্গে কোমর দুলিয়েছিলেন বলিউড খলনায়ক সঞ্জয় দত্তও। মহিলা কমিশন তাকেও ডেকে পাঠায়। গত ২৭ এপ্রিল কমিশনে গিয়ে সঞ্জয় দাবি করেন, তিনি গানের বিতর্কের কিছুই জানতেন না। তাঁর আইনজীবী হেমন্ত শাহ জানান, গানটি সেজদা ভাষায় রেকর্ড করা হয়েছিল, যা সঞ্জয় বুঝতেই পারেননি।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_31.webp" alt="সরকারি ভাষা নয়, সরল ও সহজ বাংলায় পড়ুন নোরার প্রায়শ্চিত্তের গল্প" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>সরকারি ভাষা নয়, সরল ও সহজ বাংলায় পড়ুন নোরার প্রায়শ্চিত্তের গল্প</h1>
            <p>বলিউডের আলোচিত নায়িকা নোরা ফাতেহি অবশেষে চুপ করলেন সমালোচকদের। ‘কেডি: দ্য ডেভিল’ সিনেমার ‘সরকে চুনর তেরি সরকে’ গান ঘিরে দেশজুড়ে বিতর্কের আগুন জ্বলছিল ঠিকই, কিন্তু সেটা নেভালেন তিনি হঠাৎ এক মানবিক সিদ্ধান্তে। আদালত-কমিশনের ভয়ে নয়, নিজের ইচ্ছায় ক্ষমা চেয়ে এখন তিনি বাস্তবের হিরোইন। পর্দার গ্লিটার সরিয়ে রেখে এক ঝাঁক অনাথ শিশুর পড়াশোনার পুরো দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিলেন নোরা। বলিউড হাঁ করে দেখতে বাধ্য হলো এই অভিনেত্রীর অভিনব প্রায়শ্চিত্ত। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (৭ মে) দিল্লির জাতীয় মহিলা কমিশনের অফিসে হাজির হন নোরা। সেখানে কথা বলতে গিয়ে তিনি আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। কারণ, সোশ্যাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যেই ট্রোল আর সমালোচনার বানে ভেঙে পড়েছিলেন তিনি। কমিশনের কাছে তিনি বলেন, “কাউকে কষ্ট দেওয়া আমার উদ্দেশ্য ছিল না। একজন শিল্পী হিসেবে আমার দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে চাই না। আমি সত্যিই দুঃখিত। আমি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছি।” ক্ষমা চাওয়ার পাশাপাশি নোরা বড় ঘোষণা করেন— এখন থেকে তিনি অনাথ মেয়েদের পড়াশোনার পুরো খরচ বহন করবেন। তিনি বলেন, “সমাজকে কিছু ফিরিয়ে দেওয়াই এখন আমার কাছে সবচেয়ে জরুরি। তাদের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল করাই আমার লক্ষ্য।” জেনে নিন বিতর্কের শুরুটা কী ছিল? ‘সরকে চুনর তেরি সরকে’ গানটি বের হতেই লেগে যায় আগুন। দাবি ওঠে, গানের কথা অশালীন ও কুরুচিকর। নোরার নাচের ভঙ্গি ও দৃশ্যও নাকি ছিল আপত্তিকর। এত চাপের মুখে শেষ পর্যন্ত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম থেকে গানটি সরিয়ে ফেলা হয়। এই গানে নোরার সঙ্গে কোমর দুলিয়েছিলেন বলিউড খলনায়ক সঞ্জয় দত্তও। মহিলা কমিশন তাকেও ডেকে পাঠায়। গত ২৭ এপ্রিল কমিশনে গিয়ে সঞ্জয় দাবি করেন, তিনি গানের বিতর্কের কিছুই জানতেন না। তাঁর আইনজীবী হেমন্ত শাহ জানান, গানটি সেজদা ভাষায় রেকর্ড করা হয়েছিল, যা সঞ্জয় বুঝতেই পারেননি।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_31.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_31.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_31.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[বয়স মাত্র সংখ্যা! ৩৩ বছর বয়সেও বিদ্যুৎ গতির রোনালদো, বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়েছিলেন যেভাবে]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/36921</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/36921</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 08 May 2026 17:05:42 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ফুটবল]]></category>
                        <category><![CDATA[Cristiano Ronaldo fastest speed World Cup, Ronaldo 24 km per hour, Ronaldo 2018 World Cup, Portugal vs Spain 3-3, Ronaldo free kick goal, Ronaldo oldest hat-trick World Cup, Rob Rensenbrink hat-trick record, FIFA World Cup countdown 34 days, 48 teams World Cup 2026, USA Mexico Canada World Cup, Ronaldo fitness at 41, Ante Rebic fastest speed, Ronaldo World Cup record, Portugal World Cup 2018, oldest player hat-trick history]]></category>
        
        <description><![CDATA[বিশ্বকাপে রোনালদোর সেই ভোলার দিন! ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপে ঘণ্টায় ২৪ কিলোমিটার গতিতে ছুটেছিলেন পর্তুগিজ সুপারস্টার, ফ্রি কিকে স্পেনকে কাঁদিয়েছিলেন আর মাত্র ৩৪ দিন! এরপরেই শুরু ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে বড় উৎসব। আগামী ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডাতে বসছে ৪৮ দলের মহারণ। ফিফা এখন প্রতিদিনের পরিসংখ্যান দিয়ে ক্ষণগণনা করছে। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর কথা না বললেই নয়। বয়স ৪১ পেরিয়ে গেলেও তার ফিটনেস আর ফর্মের কী যে জবরদস্তি! মাঠে এখনো তিনি এক টাইফুন। বয়সকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে গোল করে চলেছেন। থামার নাম নেই তার। কিন্তু আপনারা জানেন কী, ৩৩ বছর বয়সে রোনালদো কেমন ছিলেন? এ জন্য ঘুরে যাই ২০১৮ সালের রাশিয়া বিশ্বকাপে। ওই বিশ্বকাপে যৌথভাবে দ্রুততম গতি অর্জন করেছিলেন রোনালদো—ঘণ্টায় ২৪ কিলোমিটার! পর্তুগালের এই সাত নম্বর জার্সিধারীর সঙ্গী ছিলেন ক্রোয়েশিয়ার ২৪ বছর বয়সী আন্তে রেবিচ। কেবল গতিই নয়, ইতিহাস গড়েছিলেন রোনালদো। ওই বিশ্বকাপে সবচেয়ে বয়স্ক খেলোয়াড় হিসেবে হ্যাটট্রিক করেছিলেন তিনি। স্পেনের বিপক্ষে ওই ম্যাচ তো সোনালি অক্ষরে লেখা থাকবে। শেষ মুহূর্তে এক অসাধারণ ফ্রি কিকে গোল করে দলকে এনে দিয়েছিলেন ৩-৩ গোলের দারুণ ড্র। আরেকটা ইতিহাস মনে করিয়ে দিই। এর আগে সবচেয়ে বয়স্ক খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিকের রেকর্ড ছিল নেদারল্যান্ডসের রব রেনসেনব্রিঙ্কের দখলে। ১৯৭৮ সালে আর্জেন্টিনায় ৩০ বছর বয়সে ইরানের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করেছিলেন তিনি। রোনালদো সেটাও ছাড়িয়ে গেলেন!  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_30.webp" alt="বয়স মাত্র সংখ্যা! ৩৩ বছর বয়সেও বিদ্যুৎ গতির রোনালদো, বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়েছিলেন যেভাবে" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>বয়স মাত্র সংখ্যা! ৩৩ বছর বয়সেও বিদ্যুৎ গতির রোনালদো, বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়েছিলেন যেভাবে</h1>
            <p>বিশ্বকাপে রোনালদোর সেই ভোলার দিন! ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপে ঘণ্টায় ২৪ কিলোমিটার গতিতে ছুটেছিলেন পর্তুগিজ সুপারস্টার, ফ্রি কিকে স্পেনকে কাঁদিয়েছিলেন আর মাত্র ৩৪ দিন! এরপরেই শুরু ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে বড় উৎসব। আগামী ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডাতে বসছে ৪৮ দলের মহারণ। ফিফা এখন প্রতিদিনের পরিসংখ্যান দিয়ে ক্ষণগণনা করছে। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর কথা না বললেই নয়। বয়স ৪১ পেরিয়ে গেলেও তার ফিটনেস আর ফর্মের কী যে জবরদস্তি! মাঠে এখনো তিনি এক টাইফুন। বয়সকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে গোল করে চলেছেন। থামার নাম নেই তার। কিন্তু আপনারা জানেন কী, ৩৩ বছর বয়সে রোনালদো কেমন ছিলেন? এ জন্য ঘুরে যাই ২০১৮ সালের রাশিয়া বিশ্বকাপে। ওই বিশ্বকাপে যৌথভাবে দ্রুততম গতি অর্জন করেছিলেন রোনালদো—ঘণ্টায় ২৪ কিলোমিটার! পর্তুগালের এই সাত নম্বর জার্সিধারীর সঙ্গী ছিলেন ক্রোয়েশিয়ার ২৪ বছর বয়সী আন্তে রেবিচ। কেবল গতিই নয়, ইতিহাস গড়েছিলেন রোনালদো। ওই বিশ্বকাপে সবচেয়ে বয়স্ক খেলোয়াড় হিসেবে হ্যাটট্রিক করেছিলেন তিনি। স্পেনের বিপক্ষে ওই ম্যাচ তো সোনালি অক্ষরে লেখা থাকবে। শেষ মুহূর্তে এক অসাধারণ ফ্রি কিকে গোল করে দলকে এনে দিয়েছিলেন ৩-৩ গোলের দারুণ ড্র। আরেকটা ইতিহাস মনে করিয়ে দিই। এর আগে সবচেয়ে বয়স্ক খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিকের রেকর্ড ছিল নেদারল্যান্ডসের রব রেনসেনব্রিঙ্কের দখলে। ১৯৭৮ সালে আর্জেন্টিনায় ৩০ বছর বয়সে ইরানের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করেছিলেন তিনি। রোনালদো সেটাও ছাড়িয়ে গেলেন!  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_30.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_30.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_30.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইতিহাস গড়লেন শাহিন! বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে পাকিস্তানের প্রথম ১০০ উইকেটশিকারি]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/36920</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/36920</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 08 May 2026 17:05:44 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ক্রিকেট]]></category>
                        <category><![CDATA[Shaheen Afridi 100 wickets, WTC 100 wickets, Shaheen Afridi WTC history, first Pakistan bowler 100 WTC wickets, Bangladesh vs Pakistan Test Mirpur, Shaheen Afridi latest news, World Test Championship records, Shaheen Mahmudul Hasan Joy wicket, highest wicket taker Pakistan WTC, Noman Ali 90 wickets, WTC bowling records, Shaheen Afridi Bangladesh Test, Najmul Hossain Shanto century, Mominul Haque 91 runs, Mushfiqur Rahim fifty]]></category>
        
        <description><![CDATA[বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম দিনেই রেকর্ড! মিরপুরে জয়ের উইকেট নিয়েই ১০০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করলেন শাহিন শাহ আফ্রিদি মিরপুরের শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্টের প্রথম দিনটা দারুণভাবে কাটল শাহিন শাহ আফ্রিদির। মাত্র ২৬ বছর বয়সেই তিনি লিখে ফেললেন ইতিহাস। আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের (ডব্লিউটিসি) ইতিহাসে পাকিস্তানের প্রথম বোলার হিসেবে ১০০ উইকেট নেওয়ার কীর্তি গড়লেন এই বাঁহাতি পেসার! শুরুটাই দারুণ হলো শাহিনের। ম্যাচের প্রথম দিকেই তিনি বাংলাদেশের ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়কে সাজঘরে ফিরিয়ে দিলেন। আর এই উইকেটটাই ছিল বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে তার ১০০তম শিকার। এই অর্জনে বিশ্বের মাত্র ১৯তম বোলার হিসেবে ডব্লিউটিসিতে ১০০ উইকেটের ক্লাবে নাম লিখিয়েছেন তিনি। শুধু তাই নয়, পাকিস্তানের পক্ষে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারির তালিকায় এখন শাহিন সবার ওপরে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা নোমান আলি পেয়েছেন ৯০টি উইকেট। ৬৩ উইকেট নিয়ে তিন নম্বরে সাজিদ খান। আর নাসিম শাহ পেয়েছেন ৬০ উইকেট। এদিকে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে কিন্তু দারুণ প্রতিরোধ দেখাচ্ছে টাইগাররা। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত প্রথম দিনের তৃতীয় সেশনে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ২৯০ রান। সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। মুমিনুল হক আউট হয়েছেন ৯১ রান করে। আর ফিফটির দোরগোড়ায় রয়েছেন মুশফিকুর রহিম। আজকের দিনটা তাই একদিকে যেমন শাহিনের ইতিহাসের দিন, অন্যদিকে বাংলাদেশ ব্যাটিংয়েও দারুণ লড়াই করছে। শেষ পর্যন্ত কে কেমন অবস্থানে থাকবে, সেটাই এখন দেখার।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_29.webp" alt="ইতিহাস গড়লেন শাহিন! বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে পাকিস্তানের প্রথম ১০০ উইকেটশিকারি" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইতিহাস গড়লেন শাহিন! বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে পাকিস্তানের প্রথম ১০০ উইকেটশিকারি</h1>
            <p>বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম দিনেই রেকর্ড! মিরপুরে জয়ের উইকেট নিয়েই ১০০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করলেন শাহিন শাহ আফ্রিদি মিরপুরের শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্টের প্রথম দিনটা দারুণভাবে কাটল শাহিন শাহ আফ্রিদির। মাত্র ২৬ বছর বয়সেই তিনি লিখে ফেললেন ইতিহাস। আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের (ডব্লিউটিসি) ইতিহাসে পাকিস্তানের প্রথম বোলার হিসেবে ১০০ উইকেট নেওয়ার কীর্তি গড়লেন এই বাঁহাতি পেসার! শুরুটাই দারুণ হলো শাহিনের। ম্যাচের প্রথম দিকেই তিনি বাংলাদেশের ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়কে সাজঘরে ফিরিয়ে দিলেন। আর এই উইকেটটাই ছিল বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে তার ১০০তম শিকার। এই অর্জনে বিশ্বের মাত্র ১৯তম বোলার হিসেবে ডব্লিউটিসিতে ১০০ উইকেটের ক্লাবে নাম লিখিয়েছেন তিনি। শুধু তাই নয়, পাকিস্তানের পক্ষে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারির তালিকায় এখন শাহিন সবার ওপরে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা নোমান আলি পেয়েছেন ৯০টি উইকেট। ৬৩ উইকেট নিয়ে তিন নম্বরে সাজিদ খান। আর নাসিম শাহ পেয়েছেন ৬০ উইকেট। এদিকে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে কিন্তু দারুণ প্রতিরোধ দেখাচ্ছে টাইগাররা। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত প্রথম দিনের তৃতীয় সেশনে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ২৯০ রান। সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। মুমিনুল হক আউট হয়েছেন ৯১ রান করে। আর ফিফটির দোরগোড়ায় রয়েছেন মুশফিকুর রহিম। আজকের দিনটা তাই একদিকে যেমন শাহিনের ইতিহাসের দিন, অন্যদিকে বাংলাদেশ ব্যাটিংয়েও দারুণ লড়াই করছে। শেষ পর্যন্ত কে কেমন অবস্থানে থাকবে, সেটাই এখন দেখার।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_29.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_29.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_29.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[এক হাজার ডলার দিয়েও বিশ্বকাপ দেখবেন না ট্রাম্প! বললেন, ‘এই টাকা দিতেও নারাজ’]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/36919</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/36919</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 08 May 2026 17:05:58 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ফুটবল]]></category>
                        <category><![CDATA[Donald Trump World Cup tickets, FIFA World Cup ticket price, Trump not paying 1000 dollars, FIFA president Gianni Infantino, USA World Cup 2026, ticket price controversy FIFA, Trump on World Cup, low income Americans World Cup, Football Supporters Europe criticism, FIFA ticket resale USA, Queens Brooklyn World Cup fans, World Cup final ticket 11000 dollars, FIFA 50 crore ticket requests, Trump first term World Cup credit, World Cup ticket price shock]]></category>
        
        <description><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বললেন, বিশ্বকাপ দেখতে যাবেন, কিন্তু এত দামে টিকিট কিনবেন না! ট্রাম্পের এমন মন্তব্যে উঠলো নয়া বিতর্ক আসন্ন বিশ্বকাপে টিকিটের দাম যে আকাশছোঁয়া, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। লাগামছাড়া মূল্যের কারণে ইতিমধ্যেই সমালোচিত এবারের আসর। ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বারবার দাম নিয়ে সাফাই গেলেও এবার টিকিটের দাম শুনে হতবাক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প! নিউইয়র্ক পোস্টকে ট্রাম্প বললেন, ‘আমি এই দামের কথা জানতামই না। আমি অবশ্যই সেখানে থাকতে চাই, কিন্তু সত্যি বলতে আমি এই এক হাজার ডলার দিতেও নারাজ।’ শুনতে অবিশ্বাস্য লাগছে তাই না? একজন বিলিয়নিয়ার প্রেসিডেন্ট এক হাজার ডলার দিতে নারাজ! কিন্তু ট্রাম্পের উদ্বেগ অন্য জায়গায়। তিনি বলছেন, টিকিটের চড়া দামের কারণে নিম্ন আয়ের আমেরিকানরা হয়তো বিশ্বকাপ দেখতেই পারবেন না। ‘কুইন্স আর ব্রুকলিনের মানুষরা, যারা ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ভালোবাসে, তারা যদি যেতে না পারে, তবে আমি হতাশ হবো,’ বলেন ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের আইনজীবী ও আন্তর্জাতিক ভক্ত-সমর্থকদের সংগঠন জুনের এই টুর্নামেন্টের টিকিটের উচ্চমূল্যের জন্য ফিফার কড়া সমালোচনা করেছে। ফুটবল সাপোর্টার্স ইউরোপ তো একে ‘বিশাল বিশ্বাসঘাতকতা’ আখ্যা দিয়েছে। ট্রাম্প অবশ্য তার পুরনো দিনের কথা মনে করলেন। প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রথম মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপ আয়োজনের কৃতিত্ব দাবি করে তিনি বলেন, ‘যারা আমাকে ভোট দিয়েছেন, তারা যেতে পারলে আমার খুব ভালো লাগবে।’ ফিফা প্রেসিডেন্ট ইনফান্তিনোর সঙ্গে ট্রাম্পের সম্পর্ক ভালোই। গত মঙ্গলবার ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রধান জানান, যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী টিকিট পুনর্বিক্রির সুযোগ থাকায় ফিফার সেই বাজার বাস্তবতাকে কাজে লাগানোই উচিত। চাহিদা কিন্তু বিশাল! এই বছর ফিফার কাছে ৫০ কোটি টিকিটের অনুরোধ এসেছে। অথচ ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপ মিলে চাহিদা ছিল ৫ কোটিরও কম! গ্রুপ পর্বের ২৫ শতাংশ টিকিটের দাম তিনশ ডলারের নিচে বললেও ২০২২ বিশ্বকাপের ফাইনালের টিকিটের দাম যেখানে ছিল মাত্র ১ হাজার ৬০০ ডলার, সেখানে এবারের ফাইনাল টিকিটের দাম ১১ হাজার ডলার!  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_28.webp" alt="এক হাজার ডলার দিয়েও বিশ্বকাপ দেখবেন না ট্রাম্প! বললেন, ‘এই টাকা দিতেও নারাজ’" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>এক হাজার ডলার দিয়েও বিশ্বকাপ দেখবেন না ট্রাম্প! বললেন, ‘এই টাকা দিতেও নারাজ’</h1>
            <p>যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বললেন, বিশ্বকাপ দেখতে যাবেন, কিন্তু এত দামে টিকিট কিনবেন না! ট্রাম্পের এমন মন্তব্যে উঠলো নয়া বিতর্ক আসন্ন বিশ্বকাপে টিকিটের দাম যে আকাশছোঁয়া, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। লাগামছাড়া মূল্যের কারণে ইতিমধ্যেই সমালোচিত এবারের আসর। ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বারবার দাম নিয়ে সাফাই গেলেও এবার টিকিটের দাম শুনে হতবাক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প! নিউইয়র্ক পোস্টকে ট্রাম্প বললেন, ‘আমি এই দামের কথা জানতামই না। আমি অবশ্যই সেখানে থাকতে চাই, কিন্তু সত্যি বলতে আমি এই এক হাজার ডলার দিতেও নারাজ।’ শুনতে অবিশ্বাস্য লাগছে তাই না? একজন বিলিয়নিয়ার প্রেসিডেন্ট এক হাজার ডলার দিতে নারাজ! কিন্তু ট্রাম্পের উদ্বেগ অন্য জায়গায়। তিনি বলছেন, টিকিটের চড়া দামের কারণে নিম্ন আয়ের আমেরিকানরা হয়তো বিশ্বকাপ দেখতেই পারবেন না। ‘কুইন্স আর ব্রুকলিনের মানুষরা, যারা ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ভালোবাসে, তারা যদি যেতে না পারে, তবে আমি হতাশ হবো,’ বলেন ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের আইনজীবী ও আন্তর্জাতিক ভক্ত-সমর্থকদের সংগঠন জুনের এই টুর্নামেন্টের টিকিটের উচ্চমূল্যের জন্য ফিফার কড়া সমালোচনা করেছে। ফুটবল সাপোর্টার্স ইউরোপ তো একে ‘বিশাল বিশ্বাসঘাতকতা’ আখ্যা দিয়েছে। ট্রাম্প অবশ্য তার পুরনো দিনের কথা মনে করলেন। প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রথম মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপ আয়োজনের কৃতিত্ব দাবি করে তিনি বলেন, ‘যারা আমাকে ভোট দিয়েছেন, তারা যেতে পারলে আমার খুব ভালো লাগবে।’ ফিফা প্রেসিডেন্ট ইনফান্তিনোর সঙ্গে ট্রাম্পের সম্পর্ক ভালোই। গত মঙ্গলবার ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রধান জানান, যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী টিকিট পুনর্বিক্রির সুযোগ থাকায় ফিফার সেই বাজার বাস্তবতাকে কাজে লাগানোই উচিত। চাহিদা কিন্তু বিশাল! এই বছর ফিফার কাছে ৫০ কোটি টিকিটের অনুরোধ এসেছে। অথচ ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপ মিলে চাহিদা ছিল ৫ কোটিরও কম! গ্রুপ পর্বের ২৫ শতাংশ টিকিটের দাম তিনশ ডলারের নিচে বললেও ২০২২ বিশ্বকাপের ফাইনালের টিকিটের দাম যেখানে ছিল মাত্র ১ হাজার ৬০০ ডলার, সেখানে এবারের ফাইনাল টিকিটের দাম ১১ হাজার ডলার!  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_28.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_28.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_28.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[৯ রানের আক্ষেপ! সেঞ্চুরির দোরগোড়ায় পৌঁছেও ফিরলেন মুমিনুল]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/36918</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/36918</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 08 May 2026 17:05:54 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ক্রিকেট]]></category>
                        <category><![CDATA[Mominul Haque 91 runs, Bangladesh vs Pakistan Test, Mominul Haque century miss, Nazmul Hossain Shanto century, Mirpur Test 2025, Bangladesh batting collapse, Mominul Haque lbw, Noman Ali bowling, Mushfiqur Rahim batting, Litton Das batting, Bangladesh 281 for 4, Pakistan bowling attack, Shaheen Afridi wicket, Hasan Ali wicket, Mohammad Abbas wicket]]></category>
        
        <description><![CDATA[শান্তর সেঞ্চুরির পর মুমিনুলও প্রায় টেনে নিচ্ছিলেন নিজের শতক, কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না! নোমান আলির ফাঁদে ৯১ রানেই হার মানলেন বাঁহাতি ওপেনার মিরপুরের শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে কী সুন্দরই না খেলছিলেন মুমিনুল হক। শান্ত সেঞ্চুরি করে সাজঘরে ফেরার পর মুশফিকের সঙ্গ নিয়ে যেন আরও আগ্রাসী হয়ে ওঠেন তিনি। সেঞ্চুরি তো একদম হাতের মুঠোয়! কিন্তু না, শেষ রক্ষা হলো না। ৯ রানের আক্ষেপ বুকে নিয়েই মাঠ ছাড়তে হলো এই বাঁহাতি ব্যাটারকে। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ২৮১ রান। ক্রিজে মুশফিক ৩৬ ও লিটন দাস ২ রানে ব্যাট করছেন। শেষবার সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে। এরপর ছয় ইনিংসেই ৫০ ছুঁয়েছিলেন, কিন্তু তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার পেরোতে পারেননি। তাই আজ ফিফটি পাওয়ার পরও সাবধানী খেলছিলেন মুমিনুল। সুযোগ বুঝে রান তুলছিলেন। কিন্তু নোমান আলির বলে এলবিডব্লিউর ফাঁদে বসতে হলো তাকে। আম্পায়ার সঙ্গে সঙ্গে আঙুল তুললেন। মুশফিকের সঙ্গে দ্রুত পরামর্শ করে রিভিউ নিলেন মুমিনুল। কিন্তু কোনো লাভ হলো না। ৯১ রানেই ফিরতে হলো তাকে। ২০০ বলের দারুণ এই ইনিংসে ছিল ১০টি চার। টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে ভালো শুরু করতে পারেনি বাংলাদেশ। দুই ওপেনার ফিরে গেলেও শান্ত আর মুমিনুল মিলে গড়েন বড় জুটি। শান্ত ফেরার পর মুশফিকের সঙ্গেও চমৎকার জুটি গড়েন মুমিনুল। তাতেই এখন সুবিধাজনক অবস্থানে টাইগাররা। শান্ত ফেরেন ১০১ রানে। মুমিনুল ৯১ রানে ফেরার পর দারুণ চ্যালেঞ্জটা এখন মুশফিক-লিটনের সামনে। পাকিস্তানের হয়ে একটি করে উইকেট নিয়েছেন শাহিন শাহ আফ্রিদি, হাসান আলী, নোমান আলী ও মোহাম্মদ আব্বাস।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_27.webp" alt="৯ রানের আক্ষেপ! সেঞ্চুরির দোরগোড়ায় পৌঁছেও ফিরলেন মুমিনুল" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>৯ রানের আক্ষেপ! সেঞ্চুরির দোরগোড়ায় পৌঁছেও ফিরলেন মুমিনুল</h1>
            <p>শান্তর সেঞ্চুরির পর মুমিনুলও প্রায় টেনে নিচ্ছিলেন নিজের শতক, কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না! নোমান আলির ফাঁদে ৯১ রানেই হার মানলেন বাঁহাতি ওপেনার মিরপুরের শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে কী সুন্দরই না খেলছিলেন মুমিনুল হক। শান্ত সেঞ্চুরি করে সাজঘরে ফেরার পর মুশফিকের সঙ্গ নিয়ে যেন আরও আগ্রাসী হয়ে ওঠেন তিনি। সেঞ্চুরি তো একদম হাতের মুঠোয়! কিন্তু না, শেষ রক্ষা হলো না। ৯ রানের আক্ষেপ বুকে নিয়েই মাঠ ছাড়তে হলো এই বাঁহাতি ব্যাটারকে। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ২৮১ রান। ক্রিজে মুশফিক ৩৬ ও লিটন দাস ২ রানে ব্যাট করছেন। শেষবার সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে। এরপর ছয় ইনিংসেই ৫০ ছুঁয়েছিলেন, কিন্তু তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার পেরোতে পারেননি। তাই আজ ফিফটি পাওয়ার পরও সাবধানী খেলছিলেন মুমিনুল। সুযোগ বুঝে রান তুলছিলেন। কিন্তু নোমান আলির বলে এলবিডব্লিউর ফাঁদে বসতে হলো তাকে। আম্পায়ার সঙ্গে সঙ্গে আঙুল তুললেন। মুশফিকের সঙ্গে দ্রুত পরামর্শ করে রিভিউ নিলেন মুমিনুল। কিন্তু কোনো লাভ হলো না। ৯১ রানেই ফিরতে হলো তাকে। ২০০ বলের দারুণ এই ইনিংসে ছিল ১০টি চার। টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে ভালো শুরু করতে পারেনি বাংলাদেশ। দুই ওপেনার ফিরে গেলেও শান্ত আর মুমিনুল মিলে গড়েন বড় জুটি। শান্ত ফেরার পর মুশফিকের সঙ্গেও চমৎকার জুটি গড়েন মুমিনুল। তাতেই এখন সুবিধাজনক অবস্থানে টাইগাররা। শান্ত ফেরেন ১০১ রানে। মুমিনুল ৯১ রানে ফেরার পর দারুণ চ্যালেঞ্জটা এখন মুশফিক-লিটনের সামনে। পাকিস্তানের হয়ে একটি করে উইকেট নিয়েছেন শাহিন শাহ আফ্রিদি, হাসান আলী, নোমান আলী ও মোহাম্মদ আব্বাস।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_27.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_27.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_27.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[সকালে খেলে বিকেলে নিষিদ্ধ! ডিপিএল মাঠ থেকেই ফিরলেন অমিত মজুমদারের জন্য দুঃসংবাদ]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/36917</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/36917</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 08 May 2026 17:05:13 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ক্রিকেট]]></category>
                        <category><![CDATA[Amit Majumder banned, Bangladesh cricket corruption, BPL betting scandal, BCB integrity unit, Rupganj Tigers, Dhaka Premier League, Amit Majumder suspension, Bangladesh domestic cricket, BCB anti-corruption code, BPL fixing case, U19 World Cup Bangladesh, cricket betting news Bangladesh, Amit Majumder DPL, Noakhali Express, Chattogram Royals officials]]></category>
        
        <description><![CDATA[সকালটা ছিল স্বাভাবিক। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচ খেলতে গিয়েছিলেন বিকেএসপিতে। রূপগঞ্জ টাইগার্সের জার্সিতে মূল একাদশেই ছিলেন তিনি। ম্যাচ শেষ। দলের বাসে চড়ে ফিরছিলেন। আর তখনই এল চমক। অমিত মজুমদার জানতে পারলেন— তিনি নিষিদ্ধ! কী এমন করলেন এই ঘরোয়া ক্রিকেটের পরিচিত মুখ? আসলে বিপিএলের ফিক্সিং ও বেটিং কাণ্ডে এবার জাল বসল তার গলায়। কেবল তিনিই নন, নোয়াখালী এক্সপ্রেস ও চট্টগ্রাম রয়্যালসের ৪ কর্মকর্তাও পেয়েছেন সাময়িক নিষেধাজ্ঞা। তবে সবার নজর এখন অমিতের দিকেই। কারণ এই ৫ জনের মধ্যে তিনিই একমাত্র ক্রিকেটার— যে সরাসরি দুর্নীতিবিরোধী ধারা লঙ্ঘন করেছেন। সকালে ম্যাচ শেষে দলের বাসে সবাই মিলে ফিরছিল। তখনই গণমাধ্যমের বরাতে বিষয়টি জানতে পারে রূপগঞ্জ টাইগার্স ম্যানেজমেন্ট। এরপর সিসিডিএমের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক চিঠি আসে। আর সেখানেই যায় ব্যাপারটা। রূপগঞ্জ টাইগার্স সূত্র বলছে, দলটির সব ধরনের ক্রিকেটীয় কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে অমিতকে। শুধু তাই নয়, দলের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকেও বাদ দেওয়া হয়েছে তাকে! দলটি জানিয়েছে, দুর্নীতিবিরোধী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে তারা বিসিবিকে পূর্ণ সহযোগিতা করতে চায়। এবার জেনে নিন আসল অভিযোগটা। অমিত সরাসরি ম্যাচ ফিক্সিং করেননি। তাহলে কী করেছেন? বিসিবির দেওয়া বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, তাদের দুর্নীতিবিরোধী কোডের ২.২.১ ধারা লঙ্ঘন করেছেন তিনি। এই ধারা অনুযায়ী, ক্রিকেট ম্যাচের ফলাফল, অগ্রগতি বা অন্য কোনো বিষয়ে বাজি ধরা নিষিদ্ধ। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, বিপিএলের কোনো এক আসরের ম্যাচে বাজি ধরেছিলেন অমিত। বিসিবির ঘরোয়া ক্রিকেটার হিসেবে তালিকাভুক্ত থাকায় ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের নজরে আসে বিষয়টি। ইতোমধ্যে তিনি ইউনিটের কাছে দোষ স্বীকারও করে ফেলেছেন। ৩৫ বছর বয়সী অমিত কিন্তু একসময় ছিলেন বাংলাদেশের ক্রিকেটের সম্ভাবনাময় এক যুবা। ২০০৮ ও ২০১০ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে দেশকে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। জিম্বাবুয়ে ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে যুব ক্রিকেটে দুটি সেঞ্চুরিও আছে তার ঝুলিতে। একসময় জাতীয় দলের ভবিষ্যৎ ভাবা হলেও সিনিয়র দলে কখনো পা রাখা হয়নি। নিয়মিত খেলেছেন ঘরোয়া ক্রিকেটে। এবার সেখান থেকেই এল সাময়িক বিদায়।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_26.webp" alt="সকালে খেলে বিকেলে নিষিদ্ধ! ডিপিএল মাঠ থেকেই ফিরলেন অমিত মজুমদারের জন্য দুঃসংবাদ" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>সকালে খেলে বিকেলে নিষিদ্ধ! ডিপিএল মাঠ থেকেই ফিরলেন অমিত মজুমদারের জন্য দুঃসংবাদ</h1>
            <p>সকালটা ছিল স্বাভাবিক। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচ খেলতে গিয়েছিলেন বিকেএসপিতে। রূপগঞ্জ টাইগার্সের জার্সিতে মূল একাদশেই ছিলেন তিনি। ম্যাচ শেষ। দলের বাসে চড়ে ফিরছিলেন। আর তখনই এল চমক। অমিত মজুমদার জানতে পারলেন— তিনি নিষিদ্ধ! কী এমন করলেন এই ঘরোয়া ক্রিকেটের পরিচিত মুখ? আসলে বিপিএলের ফিক্সিং ও বেটিং কাণ্ডে এবার জাল বসল তার গলায়। কেবল তিনিই নন, নোয়াখালী এক্সপ্রেস ও চট্টগ্রাম রয়্যালসের ৪ কর্মকর্তাও পেয়েছেন সাময়িক নিষেধাজ্ঞা। তবে সবার নজর এখন অমিতের দিকেই। কারণ এই ৫ জনের মধ্যে তিনিই একমাত্র ক্রিকেটার— যে সরাসরি দুর্নীতিবিরোধী ধারা লঙ্ঘন করেছেন। সকালে ম্যাচ শেষে দলের বাসে সবাই মিলে ফিরছিল। তখনই গণমাধ্যমের বরাতে বিষয়টি জানতে পারে রূপগঞ্জ টাইগার্স ম্যানেজমেন্ট। এরপর সিসিডিএমের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক চিঠি আসে। আর সেখানেই যায় ব্যাপারটা। রূপগঞ্জ টাইগার্স সূত্র বলছে, দলটির সব ধরনের ক্রিকেটীয় কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে অমিতকে। শুধু তাই নয়, দলের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকেও বাদ দেওয়া হয়েছে তাকে! দলটি জানিয়েছে, দুর্নীতিবিরোধী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে তারা বিসিবিকে পূর্ণ সহযোগিতা করতে চায়। এবার জেনে নিন আসল অভিযোগটা। অমিত সরাসরি ম্যাচ ফিক্সিং করেননি। তাহলে কী করেছেন? বিসিবির দেওয়া বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, তাদের দুর্নীতিবিরোধী কোডের ২.২.১ ধারা লঙ্ঘন করেছেন তিনি। এই ধারা অনুযায়ী, ক্রিকেট ম্যাচের ফলাফল, অগ্রগতি বা অন্য কোনো বিষয়ে বাজি ধরা নিষিদ্ধ। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, বিপিএলের কোনো এক আসরের ম্যাচে বাজি ধরেছিলেন অমিত। বিসিবির ঘরোয়া ক্রিকেটার হিসেবে তালিকাভুক্ত থাকায় ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের নজরে আসে বিষয়টি। ইতোমধ্যে তিনি ইউনিটের কাছে দোষ স্বীকারও করে ফেলেছেন। ৩৫ বছর বয়সী অমিত কিন্তু একসময় ছিলেন বাংলাদেশের ক্রিকেটের সম্ভাবনাময় এক যুবা। ২০০৮ ও ২০১০ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে দেশকে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। জিম্বাবুয়ে ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে যুব ক্রিকেটে দুটি সেঞ্চুরিও আছে তার ঝুলিতে। একসময় জাতীয় দলের ভবিষ্যৎ ভাবা হলেও সিনিয়র দলে কখনো পা রাখা হয়নি। নিয়মিত খেলেছেন ঘরোয়া ক্রিকেটে। এবার সেখান থেকেই এল সাময়িক বিদায়।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_26.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_26.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_26.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[দীর্ঘ আড়াই বছর পর টি-টোয়েন্টি দলে ফিরেই অধিনায়ক? ভারতীয় ক্রিকেটে বড় শক দিতে চলেছে বিসিসিআই!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/36916</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/36916</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 08 May 2026 17:05:12 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ক্রিকেট]]></category>
                        <category><![CDATA[Shreyas Iyer new India captain, Team India captaincy news, BCCI selection committee, Shreyas Iyer IPL captaincy, Suryakumar Yadav out of form, Shubman Gill captaincy, India ODI and T20 captain, Ajit Agarkar selection, Punjab Kings IPL 2025, India vs Afghanistan Test, India tour of England, India tour of Ireland, Shreyas Iyer comeback, Team India leadership news, BCCI long term planning]]></category>
        
        <description><![CDATA[টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের স্কোয়াডেও ছিলেন না, আইপিএলের দাপটে এখন জাতীয় দলের নেতৃত্বের দৌড়ে সবার ওপরে শ্রেয়াস আইয়ার! ভারতীয় ক্রিকেটে বড়সড় রদবদলের আভাস। শ্রেয়াস আইয়ার—যিনি গত আড়াই বছর ধরে টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেননি, এমনকি শেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দলেও জায়গা পাননি—তিনি যে হতে চলেছেন ভারতের নতুন ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক! শুনতে কি অবিশ্বাস্য লাগছে? কিন্তু ঘটতে চলেছে ঠিকই। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বিসিসিআই সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, অজিত আগরকরের নেতৃত্বাধীন নির্বাচক কমিটি আইয়ারকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়ার ব্যাপারে একদম ইতিবাচক। কী কারণে এই সিদ্ধান্ত? চলমান আইপিএলে পাঞ্জাব কিংসের অধিনায়ক হিসেবে শ্রেয়াসের সাহসিকতা আর একনিষ্ঠতা কর্তাদের মুগ্ধ করেছে। ইনজুরি কাটিয়ে ফেরার পর তার ব্যাটিং ফর্ম যেভাবে ধারাবাহিক, তাতে তিনি নেতৃত্বের দাবিদার হিসেবে সবার ওপরে উঠে এসেছেন। অন্যদিকে সূর্যকুমার যাদবের সাম্প্রতিক ফর্মহীনতা আর শুভমান গিলের জায়গায় আরও অভিজ্ঞ কাউকে খোঁজার চেষ্টাই যেন আইয়ারের পথ করে দিয়েছে। বিসিসিআই সূত্র বলছে, ‘আমরা এমন কাউকে খুঁজছি, যিনি টি-টোয়েন্টি আর ওয়ানডে—দুই দলেই নেতৃত্ব দিতে পারবেন। শ্রেয়াস গত কয়েক বছরে দারুণ পারফর্ম করেছেন, আর এই আইপিএলে তার নেতৃত্ব তো প্রশংসার যোগ্য।’ ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবের অবদানকে বোর্ড সম্মান জানালেও তার সাম্প্রতিক ফর্ম চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। রোহিত শর্মার পর শুভমান গিলকে একসময় ওয়ানডের দায়িত্ব দেওয়া হলেও বোর্ড এখন দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনায় আইয়ারকেই পরীক্ষা করে দেখতে চায়। আগামী ৬ জুন আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচ দিয়ে ভারতের আন্তর্জাতিক মৌসুম শুরু হবে। তারপর তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ আর আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ড সফর। বলাই বাহুল্য, এই সফরগুলোর আগেই নতুন অধিনায়কের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করে দিতে পারে বিসিসিআই।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_25.webp" alt="দীর্ঘ আড়াই বছর পর টি-টোয়েন্টি দলে ফিরেই অধিনায়ক? ভারতীয় ক্রিকেটে বড় শক দিতে চলেছে বিসিসিআই!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>দীর্ঘ আড়াই বছর পর টি-টোয়েন্টি দলে ফিরেই অধিনায়ক? ভারতীয় ক্রিকেটে বড় শক দিতে চলেছে বিসিসিআই!</h1>
            <p>টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের স্কোয়াডেও ছিলেন না, আইপিএলের দাপটে এখন জাতীয় দলের নেতৃত্বের দৌড়ে সবার ওপরে শ্রেয়াস আইয়ার! ভারতীয় ক্রিকেটে বড়সড় রদবদলের আভাস। শ্রেয়াস আইয়ার—যিনি গত আড়াই বছর ধরে টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেননি, এমনকি শেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দলেও জায়গা পাননি—তিনি যে হতে চলেছেন ভারতের নতুন ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক! শুনতে কি অবিশ্বাস্য লাগছে? কিন্তু ঘটতে চলেছে ঠিকই। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বিসিসিআই সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, অজিত আগরকরের নেতৃত্বাধীন নির্বাচক কমিটি আইয়ারকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়ার ব্যাপারে একদম ইতিবাচক। কী কারণে এই সিদ্ধান্ত? চলমান আইপিএলে পাঞ্জাব কিংসের অধিনায়ক হিসেবে শ্রেয়াসের সাহসিকতা আর একনিষ্ঠতা কর্তাদের মুগ্ধ করেছে। ইনজুরি কাটিয়ে ফেরার পর তার ব্যাটিং ফর্ম যেভাবে ধারাবাহিক, তাতে তিনি নেতৃত্বের দাবিদার হিসেবে সবার ওপরে উঠে এসেছেন। অন্যদিকে সূর্যকুমার যাদবের সাম্প্রতিক ফর্মহীনতা আর শুভমান গিলের জায়গায় আরও অভিজ্ঞ কাউকে খোঁজার চেষ্টাই যেন আইয়ারের পথ করে দিয়েছে। বিসিসিআই সূত্র বলছে, ‘আমরা এমন কাউকে খুঁজছি, যিনি টি-টোয়েন্টি আর ওয়ানডে—দুই দলেই নেতৃত্ব দিতে পারবেন। শ্রেয়াস গত কয়েক বছরে দারুণ পারফর্ম করেছেন, আর এই আইপিএলে তার নেতৃত্ব তো প্রশংসার যোগ্য।’ ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবের অবদানকে বোর্ড সম্মান জানালেও তার সাম্প্রতিক ফর্ম চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। রোহিত শর্মার পর শুভমান গিলকে একসময় ওয়ানডের দায়িত্ব দেওয়া হলেও বোর্ড এখন দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনায় আইয়ারকেই পরীক্ষা করে দেখতে চায়। আগামী ৬ জুন আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচ দিয়ে ভারতের আন্তর্জাতিক মৌসুম শুরু হবে। তারপর তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ আর আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ড সফর। বলাই বাহুল্য, এই সফরগুলোর আগেই নতুন অধিনায়কের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করে দিতে পারে বিসিসিআই।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_25.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_25.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_25.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইতিহাস গড়ল ইংল্যান্ড! তিনটি ইউরোপীয় ফাইনালেই ইংলিশ ক্লাব, আগে কখনো দেখেননি এমন দাপট]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/36915</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/36915</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 08 May 2026 17:05:09 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ফুটবল]]></category>
                        <category><![CDATA[English clubs European finals, Arsenal Champions League final, Aston Villa Europa League final, Crystal Palace Conference League final, Premier League dominance Europe, Unai Emery record, first time three English finals, PSG vs Arsenal, Freiburg vs Aston Villa, Rayo Vallecano vs Crystal Palace, Italian clubs 2023 finals, European football history, English football news, UEFA finals 2025, Premier League on top]]></category>
        
        <description><![CDATA[চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে ইউরোপা লিগ, কনফারেন্স লিগও বাদ নয়—এই প্রথম এক মৌসুমে তিনটি বড় ইউরোপীয় ফাইনালেই জায়গা করে নিয়েছে ইংলিশ ক্লাবগুলি, সত্যি অবিশ্বাস্য! ইউরোপীয় ফুটবলে যেন এখন ইংল্যান্ডের রাজত্ব। যা আগে কখনো চোখে পড়েনি, সেটাই দেখল ফুটবল বিশ্ব। এই প্রথম এক মৌসুমে ইউরোপের তিনটি বড় প্রতিযোগিতার ফাইনালেই ইংলিশ ক্লাব পৌঁছে গেছে। গল্পটা শুরু মঙ্গলবার রাতে। আর্সেনাল অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে উঠেছে। ৩০ মে তাদের প্রতিপক্ষ পিএসজি। এর পরেই গতকাল (বৃহস্পতিবার) আরও বড় খবর। ইউরোপা লিগের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে অ্যাস্টন ভিলা, আর ইউরোপা কনফারেন্স লিগের ফাইনালে পৌঁছে গেছে ক্রিস্টাল প্যালেস! অ্যাস্টন ভিলা তো দারুণ নাটকীয়তা তৈরি করে ফাইনালে উঠল। ইউরোপা লিগের সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে নটিংহ্যাম ফরেস্টের মুখোমুখি হয়ে প্রথম লেগে পিছিয়ে ছিল তারা। কিন্তু ঘুরে দাঁড়ানোর জাদু দেখিয়ে উড়িয়ে দিল ৪-০ গোলে। ফলে কোচ উনাই এমেরি এখন রেকর্ড পঞ্চম ইউরোপা লিগ জয়ের সামনে। আর এই মৌসুমে ৩০ বছরের মেজর ট্রফি খরা কাটানোর সুবর্ণ সুযোগ ভিলার। ২০ তারিখে ফ্রেইবুর্গের বিপক্ষে ফাইনাল তাদের। অন্য দিকে ক্রিস্টাল প্যালেস তো অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছে। ইউরোপা কনফারেন্স লিগের সেমিফাইনালে শাখতার দোনেৎস্ককে সহজেই হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে তারা। এটাই প্যালেসের প্রথম ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া। আর সেই প্রথমবারেই ফাইনালে! ২৭ মে রায়ো ভায়েকানোর বিপক্ষে ম্যাচ তাদের। ইতিহাসের পাতায় নাম লেখালো প্রিমিয়ার লিগ। এই প্রথম এক মৌসুমে তিনটি ভিন্ন ইউরোপীয় ফাইনালেই ইংলিশ ক্লাব খেলতে যাচ্ছে। ভাবা যায়! পাঁচ বছর আগে তৃতীয় উয়েফা ক্লাব প্রতিযোগিতা হিসেবে কনফারেন্স লিগ যোগ হয়েছিল। এর আগে এক মৌসুমে তিন ফাইনালেই এক দেশের ক্লাব খেলার ঘটনা ঘটেছিল ২০২৩ সালে। তখন ইতালির ইন্টার মিলান চ্যাম্পিয়ন্স লিগে, রোমা ইউরোপা লিগে আর ফিওরেন্তিনা কনফারেন্স লিগের ফাইনালে খেলেছিল। কিন্তু হায়! ভাগ্য তাদের সঙ্গ দেয়নি—তিন ফাইনালেই হেরে যায় সিরি আ দলগুলো। এবার কি ইংলিশ ক্লাবদের ভাগ্য সহায় হবে? সেটাই দেখার অপেক্ষা গোটা ফুটবল বিশ্বের।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_24.webp" alt="ইতিহাস গড়ল ইংল্যান্ড! তিনটি ইউরোপীয় ফাইনালেই ইংলিশ ক্লাব, আগে কখনো দেখেননি এমন দাপট" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইতিহাস গড়ল ইংল্যান্ড! তিনটি ইউরোপীয় ফাইনালেই ইংলিশ ক্লাব, আগে কখনো দেখেননি এমন দাপট</h1>
            <p>চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে ইউরোপা লিগ, কনফারেন্স লিগও বাদ নয়—এই প্রথম এক মৌসুমে তিনটি বড় ইউরোপীয় ফাইনালেই জায়গা করে নিয়েছে ইংলিশ ক্লাবগুলি, সত্যি অবিশ্বাস্য! ইউরোপীয় ফুটবলে যেন এখন ইংল্যান্ডের রাজত্ব। যা আগে কখনো চোখে পড়েনি, সেটাই দেখল ফুটবল বিশ্ব। এই প্রথম এক মৌসুমে ইউরোপের তিনটি বড় প্রতিযোগিতার ফাইনালেই ইংলিশ ক্লাব পৌঁছে গেছে। গল্পটা শুরু মঙ্গলবার রাতে। আর্সেনাল অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে উঠেছে। ৩০ মে তাদের প্রতিপক্ষ পিএসজি। এর পরেই গতকাল (বৃহস্পতিবার) আরও বড় খবর। ইউরোপা লিগের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে অ্যাস্টন ভিলা, আর ইউরোপা কনফারেন্স লিগের ফাইনালে পৌঁছে গেছে ক্রিস্টাল প্যালেস! অ্যাস্টন ভিলা তো দারুণ নাটকীয়তা তৈরি করে ফাইনালে উঠল। ইউরোপা লিগের সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে নটিংহ্যাম ফরেস্টের মুখোমুখি হয়ে প্রথম লেগে পিছিয়ে ছিল তারা। কিন্তু ঘুরে দাঁড়ানোর জাদু দেখিয়ে উড়িয়ে দিল ৪-০ গোলে। ফলে কোচ উনাই এমেরি এখন রেকর্ড পঞ্চম ইউরোপা লিগ জয়ের সামনে। আর এই মৌসুমে ৩০ বছরের মেজর ট্রফি খরা কাটানোর সুবর্ণ সুযোগ ভিলার। ২০ তারিখে ফ্রেইবুর্গের বিপক্ষে ফাইনাল তাদের। অন্য দিকে ক্রিস্টাল প্যালেস তো অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছে। ইউরোপা কনফারেন্স লিগের সেমিফাইনালে শাখতার দোনেৎস্ককে সহজেই হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে তারা। এটাই প্যালেসের প্রথম ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া। আর সেই প্রথমবারেই ফাইনালে! ২৭ মে রায়ো ভায়েকানোর বিপক্ষে ম্যাচ তাদের। ইতিহাসের পাতায় নাম লেখালো প্রিমিয়ার লিগ। এই প্রথম এক মৌসুমে তিনটি ভিন্ন ইউরোপীয় ফাইনালেই ইংলিশ ক্লাব খেলতে যাচ্ছে। ভাবা যায়! পাঁচ বছর আগে তৃতীয় উয়েফা ক্লাব প্রতিযোগিতা হিসেবে কনফারেন্স লিগ যোগ হয়েছিল। এর আগে এক মৌসুমে তিন ফাইনালেই এক দেশের ক্লাব খেলার ঘটনা ঘটেছিল ২০২৩ সালে। তখন ইতালির ইন্টার মিলান চ্যাম্পিয়ন্স লিগে, রোমা ইউরোপা লিগে আর ফিওরেন্তিনা কনফারেন্স লিগের ফাইনালে খেলেছিল। কিন্তু হায়! ভাগ্য তাদের সঙ্গ দেয়নি—তিন ফাইনালেই হেরে যায় সিরি আ দলগুলো। এবার কি ইংলিশ ক্লাবদের ভাগ্য সহায় হবে? সেটাই দেখার অপেক্ষা গোটা ফুটবল বিশ্বের।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_24.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_24.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_24.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[সাবেক লঙ্কান ক্রিকেটারের বাসায় মিলল শ্যালকের লাশ! ঘটনার রহস্য কী?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/36914</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/36914</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 08 May 2026 17:05:11 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ক্রিকেট]]></category>
                        <category><![CDATA[Kapila Chandrasena death, Aravinda de Silva brother in law, Sri Lankan cricketer news, Colombo crime news, former SriLankan Airlines CEO, Kapila Chandrasena suicide, Kollupitiya incident, Sri Lanka cricket legend, Arjuna Ranatunga, Airbus bribery case Sri Lanka, Pedris Place death, Sri Lanka breaking news, de Silva family tragedy, former CEO found dead, Sri Lanka police investigation]]></category>
        
        <description><![CDATA[শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট কিংবদন্তি অরবিন্দ ডি সিলভার বাড়ি থেকে উদ্ধার হল এক সাবেক বিমান কর্মকর্তার মরদেহ, যা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পুরো এলাকায় শ্রীলঙ্কান এয়ারলাইন্সের সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাপিলা চন্দ্রসেনা। নামটা হয়তো অনেকেরই চেনা। কারণ ২০১৩ সালে ১০টি এয়ারবাস কেনায় ঘুষ কেলেঙ্কারিতে জড়িত ছিলেন তিনি। তবে আরেক কারণেও তিনি আলোচিত—তিনি লঙ্কান ক্রিকেট কিংবদন্তি অরবিন্দ ডি সিলভার শ্যালক। শুক্রবার কল্লুপিতিয়া এলাকায় সাবেক এই ক্রিকেটারের বাসা থেকে উদ্ধার করা হলো কাপিলার মরদেহ। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পেদ্রিস প্লেসের ওই বাসা থেকেই লাশ পাওয়া গেছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, দুই পরিবারের মধ্যে সম্পর্ক ছিল অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। আসলে কী ব্যাপার? কাপিলা আর অরবিন্দ ডি সিলভা—দুজনেই বিয়ে করেছিলেন দুই বোন প্রিয়াঙ্কা নিওমালি ও আনুশকা ডি সিলভাকে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ ধারণা করছে, এটি আত্মহত্যার ঘটনা। তবে ঠিক কী কারণে এমন হলো, সেটা জানার জন্য আনুষ্ঠানিক তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া চলছে। কাপিলার বাড়ি কলম্বোর বার্নেস প্লেসে। গতকাল তিনি ডি সিলভার বাসায় আসেন। মজার ব্যাপার হচ্ছে, একই দিনে তার বিরুদ্ধে জামিন শর্ত লংঘনের অভিযোগে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল। এদিকে সাবেক এই বিমান কর্মকর্তার মৃত্যুর খবর শুনে ঘটনাস্থলে ছুটে যান আরেক লঙ্কান কিংবদন্তি ও সাবেক অধিনায়ক অর্জুনা রানাতুঙ্গা।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_23.webp" alt="সাবেক লঙ্কান ক্রিকেটারের বাসায় মিলল শ্যালকের লাশ! ঘটনার রহস্য কী?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>সাবেক লঙ্কান ক্রিকেটারের বাসায় মিলল শ্যালকের লাশ! ঘটনার রহস্য কী?</h1>
            <p>শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট কিংবদন্তি অরবিন্দ ডি সিলভার বাড়ি থেকে উদ্ধার হল এক সাবেক বিমান কর্মকর্তার মরদেহ, যা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পুরো এলাকায় শ্রীলঙ্কান এয়ারলাইন্সের সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাপিলা চন্দ্রসেনা। নামটা হয়তো অনেকেরই চেনা। কারণ ২০১৩ সালে ১০টি এয়ারবাস কেনায় ঘুষ কেলেঙ্কারিতে জড়িত ছিলেন তিনি। তবে আরেক কারণেও তিনি আলোচিত—তিনি লঙ্কান ক্রিকেট কিংবদন্তি অরবিন্দ ডি সিলভার শ্যালক। শুক্রবার কল্লুপিতিয়া এলাকায় সাবেক এই ক্রিকেটারের বাসা থেকে উদ্ধার করা হলো কাপিলার মরদেহ। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পেদ্রিস প্লেসের ওই বাসা থেকেই লাশ পাওয়া গেছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, দুই পরিবারের মধ্যে সম্পর্ক ছিল অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। আসলে কী ব্যাপার? কাপিলা আর অরবিন্দ ডি সিলভা—দুজনেই বিয়ে করেছিলেন দুই বোন প্রিয়াঙ্কা নিওমালি ও আনুশকা ডি সিলভাকে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ ধারণা করছে, এটি আত্মহত্যার ঘটনা। তবে ঠিক কী কারণে এমন হলো, সেটা জানার জন্য আনুষ্ঠানিক তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া চলছে। কাপিলার বাড়ি কলম্বোর বার্নেস প্লেসে। গতকাল তিনি ডি সিলভার বাসায় আসেন। মজার ব্যাপার হচ্ছে, একই দিনে তার বিরুদ্ধে জামিন শর্ত লংঘনের অভিযোগে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল। এদিকে সাবেক এই বিমান কর্মকর্তার মৃত্যুর খবর শুনে ঘটনাস্থলে ছুটে যান আরেক লঙ্কান কিংবদন্তি ও সাবেক অধিনায়ক অর্জুনা রানাতুঙ্গা।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_23.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_23.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_23.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ক্যাপ্টেন ফ্যান্টাস্টিক! মুশফিককে পেছনে ফেলে ইতিহাস গড়লেন শান্ত]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/36913</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/36913</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 08 May 2026 17:05:19 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ক্রিকেট]]></category>
                        <category><![CDATA[Shanto record, Mushfiqur Rahim, Bangladesh cricket captain, Najmul Hossain Shanto century, most centuries as captain Bangladesh, Bangladesh vs Pakistan Test, Shanto history, captaincy record, Mirpur Test, Shanto fifth century, Bangladesh Test captain, Mushfiqur behind Shanto, Shanto new record, Bangladesh cricket news, captain fantastic Shanto]]></category>
        
        <description><![CDATA[বাংলাদেশের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর ব্যাটে রেকর্ডের পাহাড়! মুশফিককেও টপকে গেলেন এই তারকা, পড়ুন বিস্তারিত চা বিরতির ঠিক আগে শেষ ওভারের দ্বিতীয় বলে হঠাৎ থমকে যায় সবকিছু। মুহাম্মদ আব্বাসের করা বলে এলবিডব্লিউর আপিল। আম্পায়ার কিন্তু সাড়া দিলেন না। উল্টো পাকিস্তানি অধিনায়ক শান মাসুদ রিভিউ নিলেন। আর তখনই চমক! সিদ্ধান্ত বদলে গেল, ভেঙে গেল ১৭০ রানের দুর্দান্ত জুটি। বিদায় নিতে হলো শান্তকে। কিন্তু এর আগেই তিনি করে ফেলেছিলেন এক অসাধারণ কাজ। তার আগের বলেই তো আব্বাসকে কভার ড্রাইভ দিয়ে চার মেরে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেছিলেন শান্ত। মাত্র ১২৯ বলে ১২টি চার আর ২টি ছক্কায় তিন অঙ্ক স্পর্শ করা বাংলাদেশের এই অধিনায়ক পাঁচ ম্যাচে চতুর্থবার সেঞ্চুরি হাঁকালেন! এটি ছিল অধিনায়ক হিসেবে শান্তর পঞ্চম সেঞ্চুরি। আর এই একটি ইনিংসই তাকে ঢুকিয়ে দিল ইতিহাসের পাতায়। মাত্র ১৭ ম্যাচ খেলেই বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল অধিনায়ক বনে গেলেন তিনি। বলছি সেঞ্চুরির দিক থেকে। যেখানে মুশফিকুর রহিম খেলেছেন ৩৪ ম্যাচে করেছেন ৪টি সেঞ্চুরি, সেখানে শান্ত পৌঁছে গেলেন ৫ সেঞ্চুরিতে! শান্তর এই পথচলা শুরু ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে নেতৃত্ব দিয়ে প্রথম সেঞ্চুরি করার পর যেন থেমে থাকেননি তিনি। গত বছর জুনে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গল টেস্টে জোড়া সেঞ্চুরি। তারপর একই বছরের নভেম্বরে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে আরেকটি শতক। আর আজ মিরপুরে ইতিহাস গড়লেন এই বাঁহাতি তারকা। ছোটবেলায় কে ভেবেছিল, একদিন বাংলাদেশের সেরা অধিনায়ক ব্যাটার হবেন এই শান্ত!  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_22.webp" alt="ক্যাপ্টেন ফ্যান্টাস্টিক! মুশফিককে পেছনে ফেলে ইতিহাস গড়লেন শান্ত" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ক্যাপ্টেন ফ্যান্টাস্টিক! মুশফিককে পেছনে ফেলে ইতিহাস গড়লেন শান্ত</h1>
            <p>বাংলাদেশের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর ব্যাটে রেকর্ডের পাহাড়! মুশফিককেও টপকে গেলেন এই তারকা, পড়ুন বিস্তারিত চা বিরতির ঠিক আগে শেষ ওভারের দ্বিতীয় বলে হঠাৎ থমকে যায় সবকিছু। মুহাম্মদ আব্বাসের করা বলে এলবিডব্লিউর আপিল। আম্পায়ার কিন্তু সাড়া দিলেন না। উল্টো পাকিস্তানি অধিনায়ক শান মাসুদ রিভিউ নিলেন। আর তখনই চমক! সিদ্ধান্ত বদলে গেল, ভেঙে গেল ১৭০ রানের দুর্দান্ত জুটি। বিদায় নিতে হলো শান্তকে। কিন্তু এর আগেই তিনি করে ফেলেছিলেন এক অসাধারণ কাজ। তার আগের বলেই তো আব্বাসকে কভার ড্রাইভ দিয়ে চার মেরে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেছিলেন শান্ত। মাত্র ১২৯ বলে ১২টি চার আর ২টি ছক্কায় তিন অঙ্ক স্পর্শ করা বাংলাদেশের এই অধিনায়ক পাঁচ ম্যাচে চতুর্থবার সেঞ্চুরি হাঁকালেন! এটি ছিল অধিনায়ক হিসেবে শান্তর পঞ্চম সেঞ্চুরি। আর এই একটি ইনিংসই তাকে ঢুকিয়ে দিল ইতিহাসের পাতায়। মাত্র ১৭ ম্যাচ খেলেই বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল অধিনায়ক বনে গেলেন তিনি। বলছি সেঞ্চুরির দিক থেকে। যেখানে মুশফিকুর রহিম খেলেছেন ৩৪ ম্যাচে করেছেন ৪টি সেঞ্চুরি, সেখানে শান্ত পৌঁছে গেলেন ৫ সেঞ্চুরিতে! শান্তর এই পথচলা শুরু ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে নেতৃত্ব দিয়ে প্রথম সেঞ্চুরি করার পর যেন থেমে থাকেননি তিনি। গত বছর জুনে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গল টেস্টে জোড়া সেঞ্চুরি। তারপর একই বছরের নভেম্বরে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে আরেকটি শতক। আর আজ মিরপুরে ইতিহাস গড়লেন এই বাঁহাতি তারকা। ছোটবেলায় কে ভেবেছিল, একদিন বাংলাদেশের সেরা অধিনায়ক ব্যাটার হবেন এই শান্ত!  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_22.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_22.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_22.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[শান্তর চতুর্থ সেঞ্চুরি! বাংলাদেশেরও ছুটছে জয়ের বাসর]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/36912</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/36912</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 08 May 2026 17:05:00 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ক্রিকেট]]></category>
                        <category><![CDATA[Shanto century, Bangladesh vs Pakistan Test, Najmul Hossain Shanto, Bangladesh cricket news, Test cricket century, Shanto form, Mominul Haque, Bangladesh Test captain, Rawalpindi Test, Bangladesh highest partnership, third wicket record, Shanto celebration, Bangladesh in Pakistan, Test cricket update, Shanto nine centuries]]></category>
        
        <description><![CDATA[বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর ব্যাটে আগুন! পাকিস্তানের বিপক্ষে মাত্র ১২৯ বলে ক্যারিয়ারের নবম সেঞ্চুরি, দেখুন ভিডিও মুহাম্মদ আব্বাসের বলটা কাভার ড্রাইভ দিয়ে বাউন্ডারি পার করতেই বাতাসে লাফিয়ে চিৎকার করে উঠলেন শান্ত। হাতে ব্যাট আর মাথায় হেলমেট—এই তো তার ট্রেডমার্ক উদযাপন। যেন আকাশ ছোঁয়ার আনন্দ! শুক্রবার সেই দৃশ্য দেখে গ্যালারিও মেতে উঠল। আপনারা জানেন কী? পাকিস্তানের বিপক্ষে এর আগে টেস্টে শান্তর একটি ফিফটিও ছিল না। আজ সেই শূন্যতা কাটানোর পর মেরে দিলেন সেঞ্চুরি। আর তাতেই যেন বদলে গেল পুরো ম্যাচের চেহারা। দ্রুতই ক্যারিয়ারের নবম টেস্ট সেঞ্চুরি তুলে নিলেন এই তারকা ব্যাটার। উল্লেখ করার মতো ব্যাপার হচ্ছে—শেষ পাঁচ টেস্টের চারটিতেই তিনি সেঞ্চুরি করেছেন। মানে দাঁড়ালো, সর্বশেষ ৮ ইনিংসে ৪ বার তিন অঙ্ক ছুঁয়েছেন শান্ত! পেস হোক বা স্পিন, শান্তর শট বাছাই থেকে শুরু করে প্রতিটি কদম ছিল অসাধারণ। কিন্তু সেঞ্চুরি করার পর বেশিক্ষণ টিকলেন না তিনি। পরের বলেই এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়ে ক্রিজ ছাড়তে হয় তাকে। ২০১ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ। গত কয়েক বছর ধরে সাদা পোশাকে উড়ন্ত ফর্মে আছেন শান্ত। হাফসেঞ্চুরিকে তিন অঙ্কে রূপ দিতে বাংলাদেশে তাঁকে টেক্কা দিতে পারবেন এমন ব্যাটার কমই আছেন! তার পরিসংখ্যানই বলে দিচ্ছে—টেস্টে মাত্র ৫টি ফিফটির বিপরীতে ৯টি সেঞ্চুরি! পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। মাত্র ৩১ রানের মধ্যে ২ উইকেট হারিয়ে ব্যাকফুটে চলে যায় দল। কিন্তু এরপর শান্ত আর মুমিনুল মিলে গড়লেন ১৭০ রানের দারুণ জুটি! যা পাকিস্তানের বিপক্ষে তৃতীয় উইকেটে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড। আগে এই রেকর্ডটা ছিল ১৩০ রানের। পেশোয়ারে ২০০৩ সালে মুহাম্মদ আশরাফুল ও জাভেদ ওমর গড়েছিলেন ওই জুটি। তবে তৃতীয় উইকেটে বাংলাদেশের সেরা জুটি ২৪২ রানের। ৫ বছর আগে পাল্লেকেলেতে শান্ত ও মুমিনুলই গড়েছিলেন সেটি। এবার আবারও দুজনে মিলে ২৫৩ বলে তুললেন ১৭০ রান। শান্ত ১৩০ বলে ১০১ রানের ইনিংস সাজিয়েছেন ১২টি চার ও ২টি ছক্কায়। আর অপরাজিত রয়েছেন মুমিনুল, তিনিও তুলে নিয়েছেন হাফসেঞ্চুরি। টানা চার ইনিংসে তিনি ৫০ ছুঁয়েছেন—৮২, ৬৩, ৮৭ এবার আরও একটি ফিফটি। এবার বাংলাদেশ চাইছে মুমিনুলের ব্যাট থেকেও আসুক ম্যাজিক সেঞ্চুরি!  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_21.webp" alt="শান্তর চতুর্থ সেঞ্চুরি! বাংলাদেশেরও ছুটছে জয়ের বাসর" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>শান্তর চতুর্থ সেঞ্চুরি! বাংলাদেশেরও ছুটছে জয়ের বাসর</h1>
            <p>বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর ব্যাটে আগুন! পাকিস্তানের বিপক্ষে মাত্র ১২৯ বলে ক্যারিয়ারের নবম সেঞ্চুরি, দেখুন ভিডিও মুহাম্মদ আব্বাসের বলটা কাভার ড্রাইভ দিয়ে বাউন্ডারি পার করতেই বাতাসে লাফিয়ে চিৎকার করে উঠলেন শান্ত। হাতে ব্যাট আর মাথায় হেলমেট—এই তো তার ট্রেডমার্ক উদযাপন। যেন আকাশ ছোঁয়ার আনন্দ! শুক্রবার সেই দৃশ্য দেখে গ্যালারিও মেতে উঠল। আপনারা জানেন কী? পাকিস্তানের বিপক্ষে এর আগে টেস্টে শান্তর একটি ফিফটিও ছিল না। আজ সেই শূন্যতা কাটানোর পর মেরে দিলেন সেঞ্চুরি। আর তাতেই যেন বদলে গেল পুরো ম্যাচের চেহারা। দ্রুতই ক্যারিয়ারের নবম টেস্ট সেঞ্চুরি তুলে নিলেন এই তারকা ব্যাটার। উল্লেখ করার মতো ব্যাপার হচ্ছে—শেষ পাঁচ টেস্টের চারটিতেই তিনি সেঞ্চুরি করেছেন। মানে দাঁড়ালো, সর্বশেষ ৮ ইনিংসে ৪ বার তিন অঙ্ক ছুঁয়েছেন শান্ত! পেস হোক বা স্পিন, শান্তর শট বাছাই থেকে শুরু করে প্রতিটি কদম ছিল অসাধারণ। কিন্তু সেঞ্চুরি করার পর বেশিক্ষণ টিকলেন না তিনি। পরের বলেই এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়ে ক্রিজ ছাড়তে হয় তাকে। ২০১ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ। গত কয়েক বছর ধরে সাদা পোশাকে উড়ন্ত ফর্মে আছেন শান্ত। হাফসেঞ্চুরিকে তিন অঙ্কে রূপ দিতে বাংলাদেশে তাঁকে টেক্কা দিতে পারবেন এমন ব্যাটার কমই আছেন! তার পরিসংখ্যানই বলে দিচ্ছে—টেস্টে মাত্র ৫টি ফিফটির বিপরীতে ৯টি সেঞ্চুরি! পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। মাত্র ৩১ রানের মধ্যে ২ উইকেট হারিয়ে ব্যাকফুটে চলে যায় দল। কিন্তু এরপর শান্ত আর মুমিনুল মিলে গড়লেন ১৭০ রানের দারুণ জুটি! যা পাকিস্তানের বিপক্ষে তৃতীয় উইকেটে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড। আগে এই রেকর্ডটা ছিল ১৩০ রানের। পেশোয়ারে ২০০৩ সালে মুহাম্মদ আশরাফুল ও জাভেদ ওমর গড়েছিলেন ওই জুটি। তবে তৃতীয় উইকেটে বাংলাদেশের সেরা জুটি ২৪২ রানের। ৫ বছর আগে পাল্লেকেলেতে শান্ত ও মুমিনুলই গড়েছিলেন সেটি। এবার আবারও দুজনে মিলে ২৫৩ বলে তুললেন ১৭০ রান। শান্ত ১৩০ বলে ১০১ রানের ইনিংস সাজিয়েছেন ১২টি চার ও ২টি ছক্কায়। আর অপরাজিত রয়েছেন মুমিনুল, তিনিও তুলে নিয়েছেন হাফসেঞ্চুরি। টানা চার ইনিংসে তিনি ৫০ ছুঁয়েছেন—৮২, ৬৩, ৮৭ এবার আরও একটি ফিফটি। এবার বাংলাদেশ চাইছে মুমিনুলের ব্যাট থেকেও আসুক ম্যাজিক সেঞ্চুরি!  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_21.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_21.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_21.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[বড় ধাক্কা! ট্রাম্পের ১০ শতাংশ শুল্ককে ‘অবৈধ’ বলল আমেরিকার আদালত]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36911</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36911</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 08 May 2026 17:05:09 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[যুক্তরাজ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Trump 10 percent tariff illegal, US federal court ruling tariff, Trade Act of 1974 tariff challenge, Trump administration tariff appeal, import tax refund US court, tariff illegal declared, US import duty news, Trump trade policy setback, federal court blocks Trump tariff, Bangladesh US trade news, tariff on all imports struck down, US customs duty legal fight, congressional approval tariff limit, alternative country specific tariff Trump, Al Jazeera US court news]]></category>
        
        <description><![CDATA[আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সব আমদানির ওপর চাপানো ১০ শতাংশ শুল্ককে অবৈধ ঘোষণা করে দিয়েছে ফেডারেল আদালত। একইসঙ্গে যারা মামলা করেছিল, তাদের কাছ থেকে আদায় করা শুল্ক ফিরিয়ে দিতে হবে এবং ভবিষ্যতে তাদের ওপর এই শুল্ক আর চাপানো যাবে না বলেও আদেশ দিয়েছে আদালত। খবর আল জাজিরার। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আদালত জানিয়েছে, ১৯৭৪ সালের ট্রেড আইন অনুযায়ী এই শুল্ক আরোপের যথেষ্ট আইনি ভিত্তি নেই। আদালতের মতে, সরকার যতটা বাণিজ্য ঘাটতির কথা বলছে, পরিস্থিতি সেটা এতটা জটিল পর্যায়ে পৌঁছায়নি, যার ভিত্তিতে এই ধরনের শুল্ক বৈধতা পেতে পারে। রায়ে আরও বলা হয়েছে, মামলার সঙ্গে যুক্ত পক্ষগুলোর কাছ থেকে এই শুল্ক আদায় বন্ধ করতে হবে এবং আগে নেওয়া টাকা ফেরত দিতে হবে। তবে এই সিদ্ধান্ত আপাতত শুধু মামলাকারীদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে। অন্য আমদানিকারকদের ক্ষেত্রে জুলাই পর্যন্ত এই শুল্ক কার্যকর থাকতে পারে। আইন অনুযায়ী, নির্দিষ্ট কিছু পরিস্থিতিতে প্রেসিডেন্ট কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ পর্যন্ত আমদানি শুল্ক আরোপ করতে পারেন। কিন্তু আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, এই মামলায় সেই শর্তগুলো পূরণ হয়নি। ফলে ট্রাম্প প্রশাসনের ওই পদক্ষেপ আইনি ভিত্তি হারিয়েছে। বর্তমানে ট্রাম্প প্রশাসনের হাতে বিস্তৃত শুল্ক আরোপের ক্ষমতা বেশ সীমিত হয়ে এসেছে। তবে তারা বিকল্প হিসেবে দেশভিত্তিক শুল্ক আরোপের নতুন কৌশল ভাবছে। এদিকে ট্রাম্প প্রশাসন ইতিমধ্যে এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার ঘোষণা দিয়েছে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_20.webp" alt="বড় ধাক্কা! ট্রাম্পের ১০ শতাংশ শুল্ককে ‘অবৈধ’ বলল আমেরিকার আদালত" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>বড় ধাক্কা! ট্রাম্পের ১০ শতাংশ শুল্ককে ‘অবৈধ’ বলল আমেরিকার আদালত</h1>
            <p>আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সব আমদানির ওপর চাপানো ১০ শতাংশ শুল্ককে অবৈধ ঘোষণা করে দিয়েছে ফেডারেল আদালত। একইসঙ্গে যারা মামলা করেছিল, তাদের কাছ থেকে আদায় করা শুল্ক ফিরিয়ে দিতে হবে এবং ভবিষ্যতে তাদের ওপর এই শুল্ক আর চাপানো যাবে না বলেও আদেশ দিয়েছে আদালত। খবর আল জাজিরার। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আদালত জানিয়েছে, ১৯৭৪ সালের ট্রেড আইন অনুযায়ী এই শুল্ক আরোপের যথেষ্ট আইনি ভিত্তি নেই। আদালতের মতে, সরকার যতটা বাণিজ্য ঘাটতির কথা বলছে, পরিস্থিতি সেটা এতটা জটিল পর্যায়ে পৌঁছায়নি, যার ভিত্তিতে এই ধরনের শুল্ক বৈধতা পেতে পারে। রায়ে আরও বলা হয়েছে, মামলার সঙ্গে যুক্ত পক্ষগুলোর কাছ থেকে এই শুল্ক আদায় বন্ধ করতে হবে এবং আগে নেওয়া টাকা ফেরত দিতে হবে। তবে এই সিদ্ধান্ত আপাতত শুধু মামলাকারীদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে। অন্য আমদানিকারকদের ক্ষেত্রে জুলাই পর্যন্ত এই শুল্ক কার্যকর থাকতে পারে। আইন অনুযায়ী, নির্দিষ্ট কিছু পরিস্থিতিতে প্রেসিডেন্ট কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ পর্যন্ত আমদানি শুল্ক আরোপ করতে পারেন। কিন্তু আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, এই মামলায় সেই শর্তগুলো পূরণ হয়নি। ফলে ট্রাম্প প্রশাসনের ওই পদক্ষেপ আইনি ভিত্তি হারিয়েছে। বর্তমানে ট্রাম্প প্রশাসনের হাতে বিস্তৃত শুল্ক আরোপের ক্ষমতা বেশ সীমিত হয়ে এসেছে। তবে তারা বিকল্প হিসেবে দেশভিত্তিক শুল্ক আরোপের নতুন কৌশল ভাবছে। এদিকে ট্রাম্প প্রশাসন ইতিমধ্যে এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার ঘোষণা দিয়েছে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_20.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_20.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_20.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ ৮-০ ব্যবধানে ভারতকে উড়িয়ে দিয়েছিলাম! পাকিস্তানের পুরনো স্মৃতি হাতড়ানো]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36910</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36910</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 08 May 2026 17:05:17 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[এশিয়া]]></category>
                        <category><![CDATA[Pakistan claims 8 Indian jets downed, Mark e Haq operation anniversary, India Pakistan air war 2025, PAF Rafale shot down, Su-30 MiG-29 Mirage-2000 downed, Pakistan Air Force briefing 2026, India Pakistan ceasefire May 10, US mediation India Pakistan, Tariq Ghazi press conference, Indian drones destroyed by Pakistan, India Pakistan dogfight claims, Kashmir tourism attack retaliation, PAF combat air patrol, multi domain assets Pakistan, India Pakistan border tension 2026]]></category>
        
        <description><![CDATA[গত বছরের মে মাসে ভারতের সঙ্গে আকাশপথের লড়াইয়ে বড় সাফল্যের পুরনো স্মৃতি আবারও ভাঙাল পাকিস্তান। দেশটির বিমানবাহিনীর (পিএএফ) ডেপুটি চিফ অব এয়ার স্টাফ এয়ার ভাইস মার্শাল তারিক গাজী বুধবার জানিয়েছেন, ‘মারকা-ই-হক’ অভিযানে ভারতীয় বিমানবাহিনীর (আইএএফ) বিরুদ্ধে তারা ‘৮-০’ ব্যবধানে জিতেছে। মানে, সেই লড়াইয়ে ভারতের অন্তত ৮টি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছেন তিনি। ‘মারকা-ই-হক’ অভিযানের প্রথম বার্ষিকীতে এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযানের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন গাজী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ইন্টার-সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশন্সের (আইএসপিআর) মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী এবং রিয়ার অ্যাডমিরাল শিফাত আলী খান। প্রসঙ্গত, গত বছর মে মাসের ৬ ও ৭ তারিখে ভারত-পাকিস্তানের মাঝে উত্তেজনা চরমে ওঠে। ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগাম শহরে পর্যটকদের ওপর হামলার জেরে পাকিস্তান সীমান্তে হামলা চালায় ভারত। ৮৭ ঘণ্টা স্থায়ী সেই সংঘাতে পাকিস্তানের দাবি, তারা ফরাসি রাফালসহ ভারতের ৮টি যুদ্ধবিমান ও কয়েক ডজন ড্রোন ভূপাতিত করে। পরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ১০ মে দুই পারমাণবিক শক্তিধর দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এয়ার ভাইস মার্শাল গাজী বলেন, আজকের ব্রিফিংয়ের আসল উদ্দেশ্য ছিল সেই অভিযানের স্মৃতি মনে করিয়ে দেওয়া। এ সময় ভারতের নাম সরাসরি না নিয়েও তিনি ‘প্রতিপক্ষ’কে কটাক্ষ করে বলেন, “তারা বারবার নিজেদের বয়ান বদলাচ্ছে, কারণ আসলে সেদিন কী ঘটেছিল সেটা বুঝতেই তাদের কাঠিন্য হচ্ছে।” গাজী আরও জানান, বিমানবাহিনী প্রধান জহির আহমেদ সিধু এই অভিযানের রণকৌশল প্রণয়ন করেন এবং নিজেও নেতৃত্ব দেন। তিনি বলেন, ঘটনার পরপরই পাকিস্তান বিমানবাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় নজরদারি শুরু করে। শত্রুপক্ষের যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপরও নজর রাখা হচ্ছিল। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় কমব্যাট এয়ার পেট্রোল ও ২৪ ঘণ্টা আকাশপথে নজরদারি জারি ছিল। আট-শূন্য স্কোরের ব্যাখ্যা দিয়ে গাজী বলেন, পাকিস্তান মোট ৮টি ভারতীয় যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে। সেগুলো হলো—৪টি রাফাল, ১টি সুখোই-৩০, ১টি মিগ-২৯, ১টি মিরাজ-২০০০ এবং ১টি অত্যন্ত ‘ব্যয়বহুল’ মাল্টি-রোল ড্রোন। তিনি আরও দাবি করেন, ভারতের আরও বেশ কয়েকটি যুদ্ধবিমান লড়াইয়ের সময় এতটাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যে সেগুলো আর মেরামতের উপযোগী নেই। বিমানবাহিনীর ইতিহাসে এটিই প্রথম এমন অভিযান যেখানে বহুমুখী সম্পদের (মাল্টি-ডোমেইন অ্যাসেটস) সমন্বিত ও সফল ব্যবহার করা হয়েছে বলে দাবি করেন এই পাকিস্তানি কর্মকর্তা।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_19.webp" alt=" ৮-০ ব্যবধানে ভারতকে উড়িয়ে দিয়েছিলাম! পাকিস্তানের পুরনো স্মৃতি হাতড়ানো" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1> ৮-০ ব্যবধানে ভারতকে উড়িয়ে দিয়েছিলাম! পাকিস্তানের পুরনো স্মৃতি হাতড়ানো</h1>
            <p>গত বছরের মে মাসে ভারতের সঙ্গে আকাশপথের লড়াইয়ে বড় সাফল্যের পুরনো স্মৃতি আবারও ভাঙাল পাকিস্তান। দেশটির বিমানবাহিনীর (পিএএফ) ডেপুটি চিফ অব এয়ার স্টাফ এয়ার ভাইস মার্শাল তারিক গাজী বুধবার জানিয়েছেন, ‘মারকা-ই-হক’ অভিযানে ভারতীয় বিমানবাহিনীর (আইএএফ) বিরুদ্ধে তারা ‘৮-০’ ব্যবধানে জিতেছে। মানে, সেই লড়াইয়ে ভারতের অন্তত ৮টি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছেন তিনি। ‘মারকা-ই-হক’ অভিযানের প্রথম বার্ষিকীতে এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযানের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন গাজী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ইন্টার-সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশন্সের (আইএসপিআর) মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী এবং রিয়ার অ্যাডমিরাল শিফাত আলী খান। প্রসঙ্গত, গত বছর মে মাসের ৬ ও ৭ তারিখে ভারত-পাকিস্তানের মাঝে উত্তেজনা চরমে ওঠে। ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগাম শহরে পর্যটকদের ওপর হামলার জেরে পাকিস্তান সীমান্তে হামলা চালায় ভারত। ৮৭ ঘণ্টা স্থায়ী সেই সংঘাতে পাকিস্তানের দাবি, তারা ফরাসি রাফালসহ ভারতের ৮টি যুদ্ধবিমান ও কয়েক ডজন ড্রোন ভূপাতিত করে। পরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ১০ মে দুই পারমাণবিক শক্তিধর দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এয়ার ভাইস মার্শাল গাজী বলেন, আজকের ব্রিফিংয়ের আসল উদ্দেশ্য ছিল সেই অভিযানের স্মৃতি মনে করিয়ে দেওয়া। এ সময় ভারতের নাম সরাসরি না নিয়েও তিনি ‘প্রতিপক্ষ’কে কটাক্ষ করে বলেন, “তারা বারবার নিজেদের বয়ান বদলাচ্ছে, কারণ আসলে সেদিন কী ঘটেছিল সেটা বুঝতেই তাদের কাঠিন্য হচ্ছে।” গাজী আরও জানান, বিমানবাহিনী প্রধান জহির আহমেদ সিধু এই অভিযানের রণকৌশল প্রণয়ন করেন এবং নিজেও নেতৃত্ব দেন। তিনি বলেন, ঘটনার পরপরই পাকিস্তান বিমানবাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় নজরদারি শুরু করে। শত্রুপক্ষের যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপরও নজর রাখা হচ্ছিল। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় কমব্যাট এয়ার পেট্রোল ও ২৪ ঘণ্টা আকাশপথে নজরদারি জারি ছিল। আট-শূন্য স্কোরের ব্যাখ্যা দিয়ে গাজী বলেন, পাকিস্তান মোট ৮টি ভারতীয় যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে। সেগুলো হলো—৪টি রাফাল, ১টি সুখোই-৩০, ১টি মিগ-২৯, ১টি মিরাজ-২০০০ এবং ১টি অত্যন্ত ‘ব্যয়বহুল’ মাল্টি-রোল ড্রোন। তিনি আরও দাবি করেন, ভারতের আরও বেশ কয়েকটি যুদ্ধবিমান লড়াইয়ের সময় এতটাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যে সেগুলো আর মেরামতের উপযোগী নেই। বিমানবাহিনীর ইতিহাসে এটিই প্রথম এমন অভিযান যেখানে বহুমুখী সম্পদের (মাল্টি-ডোমেইন অ্যাসেটস) সমন্বিত ও সফল ব্যবহার করা হয়েছে বলে দাবি করেন এই পাকিস্তানি কর্মকর্তা।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_19.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_19.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_19.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ মিস ইসরাইলকে ‘উপেক্ষা’ ফার্স্ট লেডির! এখনই উঠল বিতর্কের ঝড়]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36909</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36909</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 08 May 2026 17:05:35 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[যুক্তরাজ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Miss Israel Melani Shiri, New York First Lady Rama Duazi, Joharan Mamdani wife anti Israel, Israel Palestine controversy, Miss Israel meets Rama Duazi, social media criticism Miss Israel, New York mayor wife Palestine supporter, Israel Consulate Independence Day, Rama Duazi anti Israel posts, Mamdani wife controversy 2026, Melani Shiri interview, Israel beauty queen debate, New York political news, Rama Duazi apology April 2026, US Israel relations news]]></category>
        
        <description><![CDATA[নিউ ইয়র্ক সিটির ফার্স্ট লেডি রামা দুয়াজির সঙ্গে ব্যক্তিগত আলাপচারিতা জনসমক্ষে ফাঁস করে দারুণ সমালোচনায় পড়েছেন বর্তমান ‘মিস ইসরাইল’ মেলানি শিরাজ। ফার্স্ট লেডির ইসরাইলবিরোধী অবস্থানের জন্যই তিনি তাঁর মুখোমুখি হয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন এই সুন্দরী প্রতিযোগিতার শিরোপাধারী। রামা দুয়াজি নিউ ইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানির স্ত্রী। পেশায় শিল্পী ও চিত্রশিল্পী রামা দীর্ঘদিন ধরেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফিলিস্তিনপন্থি ও ইসরাইলবিরোধী অধিকারকর্মী হিসেবে পরিচিত। ফিলিস্তিন-ইসরাইল সংঘাত নিয়ে তাঁর সোচ্চার অবস্থান নিয়ে আগেও নানা আলোচনা হয়েছে। মেলানি শিরাজ জানান, নিউ ইয়র্কে ইসরাইলি কনসুলেটের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে একটি ক্যাফেতে হঠাৎই রামা দুয়াজির সঙ্গে তাঁর দেখা হয়। শিরাজ বলেন, ‘অনুষ্ঠানে যাওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে আমি ক্যাফেতে কফি খাচ্ছিলাম। ঠিক তখনই রামা দুয়াজি সেখানে ঢুকেন এবং আমার পাশের টেবিলে বসেন। আমি আগে থেকেই তাঁর অনলাইনের ইসরাইলবিরোধী বক্তব্য দেখেছি। তাই সরাসরি তাঁর সঙ্গে কথা বলার সুযোগ ছাড়তে চাইনি।’ তিনি আরও জানান, ‘শুরুতে আমি নিজের আসল পরিচয় না দিয়ে শুধু “মেলানি” বলে পরিচয় দিই। তিনি খুব হাসিমুখে কথা বলেন এবং ছবি তুলতেও রাজি হন। কিন্তু যখনই আমি বললাম যে আমি ইসরাইলি এবং বর্তমান মিস ইসরাইল, তখনই তাঁর আচরণ বদলে যায়। তবে ফার্স্ট লেডি হিসেবে তিনি যথেষ্ট মার্জিত আচরণই বজায় রেখেছিলেন।’ শিরাজ দাবি করেন, তিনি একটি ‘ফলপ্রসূ আলোচনা’ করতে চেয়েছিলেন। তিনি ফার্স্ট লেডিকে বলেন, ‘আপনার ইসরাইলবিরোধী বক্তব্য দেখে আমি হতাশ। ইসরাইলের প্রতিনিধি হিসেবে বিপক্ষ মতের মানুষের সঙ্গেও গঠনমূলক সংলাপ করাই আমার কাজ।’ কিন্তু শিরাজের মতে, রামা দুয়াজি আলাপ দীর্ঘ করতে আগ্রহী ছিলেন না। তিনি কিছুটা উদাসীনভাবে মাথা নেড়ে সরে যান। শিরাজ তাঁকে প্রশ্ন করেন, তিনি কি কখনও আগে কোনো ইসরাইলির সঙ্গে কথা বলেছেন? জবাবে দুয়াজি কিছুটা তাচ্ছিল্যের সুরে ‘হ্যাঁ, বলেছি’ জানান এবং তাঁর অনেক ইসরাইলি বন্ধু থাকার কথাও বলেন। ঘটনার কথা সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই বিতর্কের ঝড় উঠেছে। অনেকে বলছেন, ব্যক্তিগত মুহূর্তের আলাপচারিতা এভাবে জনসমক্ষে এনে শিরাজ ফার্স্ট লেডির ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘন করেছেন এবং পরিস্থিতি অহেতুক জটিল করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ (সাবেক টুইটার) এক ব্যবহারকারী লেখেন, ‘তিনি তো সৌজন্যমূলক আচরণই করেছেন। কারও সঙ্গে কথা বলতে তিনি বাধ্য নন, তাহলে এখানে এত ক্ষোভের কী আছে?’ উল্লেখ্য, জোহরান মামদানির স্ত্রী রামা দুয়াজি এর আগেও কড়া ইসরাইলবিরোধী মন্তব্যের জন্য তোপের মুখে পড়েছিলেন। তবে ২০২৬ সালের এপ্রিলে তিনি তাঁর পুরোনো কিছু বক্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন এবং স্বীকার করেন যে সেগুলো অনেকের জন্য পীড়াদায়ক ছিল।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_18.webp" alt=" মিস ইসরাইলকে ‘উপেক্ষা’ ফার্স্ট লেডির! এখনই উঠল বিতর্কের ঝড়" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1> মিস ইসরাইলকে ‘উপেক্ষা’ ফার্স্ট লেডির! এখনই উঠল বিতর্কের ঝড়</h1>
            <p>নিউ ইয়র্ক সিটির ফার্স্ট লেডি রামা দুয়াজির সঙ্গে ব্যক্তিগত আলাপচারিতা জনসমক্ষে ফাঁস করে দারুণ সমালোচনায় পড়েছেন বর্তমান ‘মিস ইসরাইল’ মেলানি শিরাজ। ফার্স্ট লেডির ইসরাইলবিরোধী অবস্থানের জন্যই তিনি তাঁর মুখোমুখি হয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন এই সুন্দরী প্রতিযোগিতার শিরোপাধারী। রামা দুয়াজি নিউ ইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানির স্ত্রী। পেশায় শিল্পী ও চিত্রশিল্পী রামা দীর্ঘদিন ধরেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফিলিস্তিনপন্থি ও ইসরাইলবিরোধী অধিকারকর্মী হিসেবে পরিচিত। ফিলিস্তিন-ইসরাইল সংঘাত নিয়ে তাঁর সোচ্চার অবস্থান নিয়ে আগেও নানা আলোচনা হয়েছে। মেলানি শিরাজ জানান, নিউ ইয়র্কে ইসরাইলি কনসুলেটের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে একটি ক্যাফেতে হঠাৎই রামা দুয়াজির সঙ্গে তাঁর দেখা হয়। শিরাজ বলেন, ‘অনুষ্ঠানে যাওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে আমি ক্যাফেতে কফি খাচ্ছিলাম। ঠিক তখনই রামা দুয়াজি সেখানে ঢুকেন এবং আমার পাশের টেবিলে বসেন। আমি আগে থেকেই তাঁর অনলাইনের ইসরাইলবিরোধী বক্তব্য দেখেছি। তাই সরাসরি তাঁর সঙ্গে কথা বলার সুযোগ ছাড়তে চাইনি।’ তিনি আরও জানান, ‘শুরুতে আমি নিজের আসল পরিচয় না দিয়ে শুধু “মেলানি” বলে পরিচয় দিই। তিনি খুব হাসিমুখে কথা বলেন এবং ছবি তুলতেও রাজি হন। কিন্তু যখনই আমি বললাম যে আমি ইসরাইলি এবং বর্তমান মিস ইসরাইল, তখনই তাঁর আচরণ বদলে যায়। তবে ফার্স্ট লেডি হিসেবে তিনি যথেষ্ট মার্জিত আচরণই বজায় রেখেছিলেন।’ শিরাজ দাবি করেন, তিনি একটি ‘ফলপ্রসূ আলোচনা’ করতে চেয়েছিলেন। তিনি ফার্স্ট লেডিকে বলেন, ‘আপনার ইসরাইলবিরোধী বক্তব্য দেখে আমি হতাশ। ইসরাইলের প্রতিনিধি হিসেবে বিপক্ষ মতের মানুষের সঙ্গেও গঠনমূলক সংলাপ করাই আমার কাজ।’ কিন্তু শিরাজের মতে, রামা দুয়াজি আলাপ দীর্ঘ করতে আগ্রহী ছিলেন না। তিনি কিছুটা উদাসীনভাবে মাথা নেড়ে সরে যান। শিরাজ তাঁকে প্রশ্ন করেন, তিনি কি কখনও আগে কোনো ইসরাইলির সঙ্গে কথা বলেছেন? জবাবে দুয়াজি কিছুটা তাচ্ছিল্যের সুরে ‘হ্যাঁ, বলেছি’ জানান এবং তাঁর অনেক ইসরাইলি বন্ধু থাকার কথাও বলেন। ঘটনার কথা সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই বিতর্কের ঝড় উঠেছে। অনেকে বলছেন, ব্যক্তিগত মুহূর্তের আলাপচারিতা এভাবে জনসমক্ষে এনে শিরাজ ফার্স্ট লেডির ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘন করেছেন এবং পরিস্থিতি অহেতুক জটিল করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ (সাবেক টুইটার) এক ব্যবহারকারী লেখেন, ‘তিনি তো সৌজন্যমূলক আচরণই করেছেন। কারও সঙ্গে কথা বলতে তিনি বাধ্য নন, তাহলে এখানে এত ক্ষোভের কী আছে?’ উল্লেখ্য, জোহরান মামদানির স্ত্রী রামা দুয়াজি এর আগেও কড়া ইসরাইলবিরোধী মন্তব্যের জন্য তোপের মুখে পড়েছিলেন। তবে ২০২৬ সালের এপ্রিলে তিনি তাঁর পুরোনো কিছু বক্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন এবং স্বীকার করেন যে সেগুলো অনেকের জন্য পীড়াদায়ক ছিল।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_18.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_18.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_18.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[শব্দের চেয়েও ২৫ গুণ দ্রুত! তুরস্কের ‘বজ্রের শাসক’ দেখে চমকে গেল বিশ্ব]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36908</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36908</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 08 May 2026 17:05:22 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Turkey intercontinental ballistic missile, Yildirimhan missile speed mach 25, Turkey hypersonic missile technology, Saha Expo 2026 Istanbul, Turkish liquid fuel ICBM, Tayfun Block 4 missile range, Roketsan ballistic missile, Turkey defense industry news, Cenk missile range Turkey, fastest missile in the world, Turkey nuclear capability, ICBM countries list, Turkey military power 2026, Ottoman Sultan Bayezid symbol on missile, Mustafa Kemal Ataturk missile emblem]]></category>
        
        <description><![CDATA[ইস্তানবুল: এবার তুরস্কের তৈরি এমন এক ক্ষেপণাস্ত্র উন্মোচন করা হলো, যা শব্দের গতির চেয়েও ২৫ গুণ বেশি দ্রুত ছুটতে পারে! দেশটি প্রথমবারের মতো তাদের আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইসিবিএম) ‘ইয়িলদিরিমহান’ জনসমক্ষে নামিয়েছে। মঙ্গলবার (৫ মে) ইস্তানবুলের আন্তর্জাতিক সাহা এক্সপো মেলায় এই প্রথম প্রদর্শন করা হয় অত্যাধুনিক এই অস্ত্র। অটোমান সুলতান প্রথম বায়েজিদের মনোগ্রাম আর আধুনিক তুরস্কের প্রতিষ্ঠাতা মুস্তাফা কামাল আতাতুর্কের প্রতীক খোদাই করা ক্ষেপণাস্ত্রটির নামের অর্থ ‘বজ্রের শাসক’। তুর্কি ভাষায় ‘ইয়িলদিরিম’ মানে বজ্র, আর ‘হান’ মানে শাসক। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইয়াসির গুলের জানান, এটি তুরস্কের প্রথম তরল জ্বালানি-চালিত ক্ষেপণাস্ত্র, যেখানে হাইপারসনিক প্রযুক্তি যোগ করা হয়েছে। তার দাবি, এখন পর্যন্ত তুরস্কের তৈরি সবচেয়ে লম্বা পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র এটি। প্রদর্শনীতে দেওয়া তথ্য বলছে, ইয়িলদিরিমহানের সর্বোচ্চ পাল্লা প্রায় ৬ হাজার কিলোমিটার। এতে আছে চারটি রকেট ইঞ্জিন। আর এর গতি শব্দের চেয়ে প্রায় ২৫ গুণ বেশি! জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হবে তরল নাইট্রোজেন টেট্রঅক্সাইড। ড্রোন আর দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তিতে তুরস্ক এখন অনেক দূর এগিয়েছে। তার বড় জোর প্রমাণ এই আইসিবিএম। এর আগে গত বছর জুলাইয়ে ইস্তানবুলের আরেক মেলায় তুরস্ক ‘টাইফুন ব্লক-৪’ নামের ১০ মিটার লম্বা আর সাড়ে সাত টন ওজনের একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উন্মোচন করেছিল। সেটিকেও দেশটির সবচেয়ে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র বলা হচ্ছিল। তবে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান রকেটসান বলছে, টাইফুন সিরিজের অন্যান্য মডেলের ন্যূনতম পাল্লা ২৮০ কিলোমিটার হলেও ধারণা করা হচ্ছে, টাইফুন ব্লক-৪ হাজার কিলোমিটার দূর পর্যন্ত আঘাত হানতে পারে। আর রকেটসানের তৈরি ‘জাংক’ নামের আরেকটি মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের সম্ভাব্য পাল্লা দুই হাজার কিলোমিটার। জেনে রাখা ভালো, আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুযায়ী দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন ও রপ্তানিতে নানা বিধিনিষেধ আছে। তুরস্কও এমন কিছু চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। তবে বিশেষজ্ঞদের একাংশ বলছেন, নিষেধাজ্ঞা ফাঁকি দিতেই অনেক সময় প্রকৃত পাল্লা কম দেখানো হয়। আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র বা আইসিবিএম এতটাই শক্তিশালী যে সেটা খুব দীর্ঘ দূরত্ব থেকে নির্ভুল আঘাত হানতে পারে। একসঙ্গে একাধিক ওয়ারহেড নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন টার্গেটও ধ্বংস করতে পারে। বিশ্বে বর্তমানে রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, চীন-সহ কয়েকটি দেশের কাছে এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, ভারত, উত্তর কোরিয়া, ইসরাইল ও ইরানের কাছেও সীমিত সংখ্যায় আইসিবিএম আছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সাধারণ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা হয় ৩০০ থেকে সাড়ে পাঁচ হাজার কিলোমিটার। কিন্তু আইসিবিএম ছুটতে পারে ১০ হাজার কিলোমিটার বা আরও বেশি দূর!  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_17.webp" alt="শব্দের চেয়েও ২৫ গুণ দ্রুত! তুরস্কের ‘বজ্রের শাসক’ দেখে চমকে গেল বিশ্ব" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>শব্দের চেয়েও ২৫ গুণ দ্রুত! তুরস্কের ‘বজ্রের শাসক’ দেখে চমকে গেল বিশ্ব</h1>
            <p>ইস্তানবুল: এবার তুরস্কের তৈরি এমন এক ক্ষেপণাস্ত্র উন্মোচন করা হলো, যা শব্দের গতির চেয়েও ২৫ গুণ বেশি দ্রুত ছুটতে পারে! দেশটি প্রথমবারের মতো তাদের আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইসিবিএম) ‘ইয়িলদিরিমহান’ জনসমক্ষে নামিয়েছে। মঙ্গলবার (৫ মে) ইস্তানবুলের আন্তর্জাতিক সাহা এক্সপো মেলায় এই প্রথম প্রদর্শন করা হয় অত্যাধুনিক এই অস্ত্র। অটোমান সুলতান প্রথম বায়েজিদের মনোগ্রাম আর আধুনিক তুরস্কের প্রতিষ্ঠাতা মুস্তাফা কামাল আতাতুর্কের প্রতীক খোদাই করা ক্ষেপণাস্ত্রটির নামের অর্থ ‘বজ্রের শাসক’। তুর্কি ভাষায় ‘ইয়িলদিরিম’ মানে বজ্র, আর ‘হান’ মানে শাসক। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইয়াসির গুলের জানান, এটি তুরস্কের প্রথম তরল জ্বালানি-চালিত ক্ষেপণাস্ত্র, যেখানে হাইপারসনিক প্রযুক্তি যোগ করা হয়েছে। তার দাবি, এখন পর্যন্ত তুরস্কের তৈরি সবচেয়ে লম্বা পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র এটি। প্রদর্শনীতে দেওয়া তথ্য বলছে, ইয়িলদিরিমহানের সর্বোচ্চ পাল্লা প্রায় ৬ হাজার কিলোমিটার। এতে আছে চারটি রকেট ইঞ্জিন। আর এর গতি শব্দের চেয়ে প্রায় ২৫ গুণ বেশি! জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হবে তরল নাইট্রোজেন টেট্রঅক্সাইড। ড্রোন আর দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তিতে তুরস্ক এখন অনেক দূর এগিয়েছে। তার বড় জোর প্রমাণ এই আইসিবিএম। এর আগে গত বছর জুলাইয়ে ইস্তানবুলের আরেক মেলায় তুরস্ক ‘টাইফুন ব্লক-৪’ নামের ১০ মিটার লম্বা আর সাড়ে সাত টন ওজনের একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উন্মোচন করেছিল। সেটিকেও দেশটির সবচেয়ে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র বলা হচ্ছিল। তবে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান রকেটসান বলছে, টাইফুন সিরিজের অন্যান্য মডেলের ন্যূনতম পাল্লা ২৮০ কিলোমিটার হলেও ধারণা করা হচ্ছে, টাইফুন ব্লক-৪ হাজার কিলোমিটার দূর পর্যন্ত আঘাত হানতে পারে। আর রকেটসানের তৈরি ‘জাংক’ নামের আরেকটি মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের সম্ভাব্য পাল্লা দুই হাজার কিলোমিটার। জেনে রাখা ভালো, আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুযায়ী দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন ও রপ্তানিতে নানা বিধিনিষেধ আছে। তুরস্কও এমন কিছু চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। তবে বিশেষজ্ঞদের একাংশ বলছেন, নিষেধাজ্ঞা ফাঁকি দিতেই অনেক সময় প্রকৃত পাল্লা কম দেখানো হয়। আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র বা আইসিবিএম এতটাই শক্তিশালী যে সেটা খুব দীর্ঘ দূরত্ব থেকে নির্ভুল আঘাত হানতে পারে। একসঙ্গে একাধিক ওয়ারহেড নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন টার্গেটও ধ্বংস করতে পারে। বিশ্বে বর্তমানে রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, চীন-সহ কয়েকটি দেশের কাছে এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, ভারত, উত্তর কোরিয়া, ইসরাইল ও ইরানের কাছেও সীমিত সংখ্যায় আইসিবিএম আছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সাধারণ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা হয় ৩০০ থেকে সাড়ে পাঁচ হাজার কিলোমিটার। কিন্তু আইসিবিএম ছুটতে পারে ১০ হাজার কিলোমিটার বা আরও বেশি দূর!  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_17.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_17.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_17.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[সোনার দামে ফের উর্ধ্বগতি! দুই দিনের ব্যবধানে বড় লাফ]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36907</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36907</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 08 May 2026 17:05:33 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[এশিয়া]]></category>
                        <category><![CDATA[Gold price jumps May 2026, US Iran peace deal gold, spot gold 4709 dollars, international gold market news, silver price increase 2026, Fed interest rate cut hope, gold futures June 2026, Middle East ceasefire gold impact, Trump administration gold market, platinum and palladium price rise, geopolitical stability gold, gold price fall and rise history, US employment report gold, commodity market news Bangladesh, precious metals rally 2026]]></category>
        
        <description><![CDATA[স্বর্ণপ্রেমীদের জন্য চমক। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি চুক্তির সম্ভাবনা আর সুদের হার কমানোর আশায় বিশ্ববাজারে ফের বেড়ে গেল সোনার দাম। শুক্রবার (০৮ মে) আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট গোল্ডের দাম ০.৮৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্সে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৭০৯.৬ ডলারে। আর এ সপ্তাহে সামগ্রিকভাবে দাম বেড়েছে ২ শতাংশ। খবর রয়টার্সের। জুনে সরবরাহের জন্য মার্কিন স্বর্ণের ফিউচারও বেড়েছে ০.১ শতাংশ। এখন দাম ৪ হাজার ৭১৬.৫০ ডলার। গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একে অপরের ওপর গোলাবর্ষণ করে মাসব্যাপী যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করলেও তেহরান বলেছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে। আর ওয়াশিংটনও জানিয়েছে, তারা উত্তেজনা বাড়াতে চায় না। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসনের ইতিবাচক মন্তব্য আর শান্তি চুক্তি নিয়ে বিনিয়োগকারীদের আশাবাদ সোনার বাজারকে শক্তিশালী করছে। জানা গেছে, গত ফেব্রুয়ারির শেষে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় সোনার দাম প্রায় ১০ শতাংশ কমে গিয়েছিল। কারণ তখন মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কায় সুদের হার বাড়ার সম্ভাবনা ছিল। বর্তমানে বিনিয়োগকারীরা নজর রাখছেন মার্কিন কর্মসংস্থান রিপোর্টের দিকে। কারণ এটি ফেডারেল রিজার্ভের পরবর্তী মুদ্রানীতি নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখবে। শুধু সোনা নয়, রূপার দামও বেড়েছে ১.৫ শতাংশ। এখন প্রতি আউন্স রুপির দাম ৭৯.৬৮ ডলার। এ ছাড়া প্ল্যাটিনাম বেড়েছে ১.২ শতাংশ এবং প্যালেডিয়াম বেড়েছে ১.৪ শতাংশ। ভূ-রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রত্যাশা আর অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা কমায় এসব মূল্যবান ধাতুর দাম উর্ধ্বমুখী। উল্লেখ্য, এর আগে বুধবার (০৬ মে) মার্কিন ডলারের দরপতন আর মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি আলোচনার সম্ভাবনায় স্বর্ণের দাম বেড়েছিল ২ শতাংশের বেশি। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, সেদিন স্পট গোল্ড উঠেছিল ৪,৬৪৭ ডলার ৯ সেন্টে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_16.webp" alt="সোনার দামে ফের উর্ধ্বগতি! দুই দিনের ব্যবধানে বড় লাফ" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>সোনার দামে ফের উর্ধ্বগতি! দুই দিনের ব্যবধানে বড় লাফ</h1>
            <p>স্বর্ণপ্রেমীদের জন্য চমক। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি চুক্তির সম্ভাবনা আর সুদের হার কমানোর আশায় বিশ্ববাজারে ফের বেড়ে গেল সোনার দাম। শুক্রবার (০৮ মে) আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট গোল্ডের দাম ০.৮৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্সে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৭০৯.৬ ডলারে। আর এ সপ্তাহে সামগ্রিকভাবে দাম বেড়েছে ২ শতাংশ। খবর রয়টার্সের। জুনে সরবরাহের জন্য মার্কিন স্বর্ণের ফিউচারও বেড়েছে ০.১ শতাংশ। এখন দাম ৪ হাজার ৭১৬.৫০ ডলার। গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একে অপরের ওপর গোলাবর্ষণ করে মাসব্যাপী যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করলেও তেহরান বলেছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে। আর ওয়াশিংটনও জানিয়েছে, তারা উত্তেজনা বাড়াতে চায় না। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসনের ইতিবাচক মন্তব্য আর শান্তি চুক্তি নিয়ে বিনিয়োগকারীদের আশাবাদ সোনার বাজারকে শক্তিশালী করছে। জানা গেছে, গত ফেব্রুয়ারির শেষে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় সোনার দাম প্রায় ১০ শতাংশ কমে গিয়েছিল। কারণ তখন মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কায় সুদের হার বাড়ার সম্ভাবনা ছিল। বর্তমানে বিনিয়োগকারীরা নজর রাখছেন মার্কিন কর্মসংস্থান রিপোর্টের দিকে। কারণ এটি ফেডারেল রিজার্ভের পরবর্তী মুদ্রানীতি নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখবে। শুধু সোনা নয়, রূপার দামও বেড়েছে ১.৫ শতাংশ। এখন প্রতি আউন্স রুপির দাম ৭৯.৬৮ ডলার। এ ছাড়া প্ল্যাটিনাম বেড়েছে ১.২ শতাংশ এবং প্যালেডিয়াম বেড়েছে ১.৪ শতাংশ। ভূ-রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রত্যাশা আর অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা কমায় এসব মূল্যবান ধাতুর দাম উর্ধ্বমুখী। উল্লেখ্য, এর আগে বুধবার (০৬ মে) মার্কিন ডলারের দরপতন আর মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি আলোচনার সম্ভাবনায় স্বর্ণের দাম বেড়েছিল ২ শতাংশের বেশি। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, সেদিন স্পট গোল্ড উঠেছিল ৪,৬৪৭ ডলার ৯ সেন্টে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_16.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_16.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_16.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[কারাগারে ইমরানের কাছে যেতেও দিল না পাকিস্তান! পিটিআই নেতারা হতাশ]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36906</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36906</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 08 May 2026 17:05:49 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[এশিয়া]]></category>
                        <category><![CDATA[Imran Khan jail meeting denied, PTI leaders Adiala Jail, Rana Sanaullah statement Imran Khan, Bushra Bibi judicial custody, Pakistan Tehreek e Insaf news, Ali Zafar point of order, Salman Safdar amicus curiae report, Imran Khan prison facilities, Pakistan Supreme Court Imran Khan, Adiala Jail visit denied, PTI leaders protest Pakistan, Imran Khan judicial remand, Pakistan political news 2026, Imran Khan Bushra Bibi health, Pakistan opposition leaders detained]]></category>
        
        <description><![CDATA[পাকিস্তানের আদিয়ালা কারাগারে বন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে দেখা করার অনুমতি পেলেন না তাঁর নিজ দল পিটিআইয়ের নেতারা। শুক্রবার (৮ মে) দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। পিটিআই নেতা আলী জাফর পয়েন্ট অব অর্ডার তুললে জবাব দেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও জনসংযোগ উপদেষ্টা রানা সানাউল্লাহ খান। তিনি বলেন, ‘ইমরান খান ও বুশরা বিবির হেফাজত আর সুযোগ-সুবিধার সব ব্যাপারই আদালতের নির্দেশ ও কারা বিধি মেনে চলছে।’ তিনি জানান, আদালতের রায়ে সাজা পাওয়ার পর তাঁরা এখন বিচারিক হেফাজতে রয়েছেন। এর আগে ইসলামাবাদ হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টেও এই বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। রানা সানাউল্লাহ আরও বলেন, ‘আদালতের বন্ধু (অ্যামিকাস কিউরি) হিসেবে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সালমান সাফদারকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তিনি কারাগার ঘুরে দেখে ইমরান খানের থাকার জায়গা ও সুযোগ-সুবিধা নিয়ে একটা প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন।’ বুশরা বিবি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তিনিও বিচারিক হেফাজতে রয়েছেন। দরকার হলে তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে ও চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।’ তাঁর চিকিৎসায় কোনো অবহেলা করা হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি। বিরোধী দলের বিচারিক হেফাজত নিয়ে কোনো বাড়তি দাবি থাকলে সেটা আদালতেই জানানোর পরামর্শ দেন সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, ‘আদালত প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিতে পারে। আলী জাফরও আদালতের দ্বারস্থ হয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদন ও তথ্য পর্যালোচনা করতে পারেন।’ এদিকে খুররম ভির্ক, নাসিম আলী শাহ, জাহির শাহ, রাজাব আব্বাসি, জার আলম ও রুবিনা শাহীনের মতো একাধিক পিটিআই নেতা আদিয়ালা কারাগারে গেলেও ইমরান খানের সঙ্গে দেখা করার অনুমতি পাননি তাঁরা।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_15.webp" alt="কারাগারে ইমরানের কাছে যেতেও দিল না পাকিস্তান! পিটিআই নেতারা হতাশ" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>কারাগারে ইমরানের কাছে যেতেও দিল না পাকিস্তান! পিটিআই নেতারা হতাশ</h1>
            <p>পাকিস্তানের আদিয়ালা কারাগারে বন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে দেখা করার অনুমতি পেলেন না তাঁর নিজ দল পিটিআইয়ের নেতারা। শুক্রবার (৮ মে) দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। পিটিআই নেতা আলী জাফর পয়েন্ট অব অর্ডার তুললে জবাব দেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও জনসংযোগ উপদেষ্টা রানা সানাউল্লাহ খান। তিনি বলেন, ‘ইমরান খান ও বুশরা বিবির হেফাজত আর সুযোগ-সুবিধার সব ব্যাপারই আদালতের নির্দেশ ও কারা বিধি মেনে চলছে।’ তিনি জানান, আদালতের রায়ে সাজা পাওয়ার পর তাঁরা এখন বিচারিক হেফাজতে রয়েছেন। এর আগে ইসলামাবাদ হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টেও এই বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। রানা সানাউল্লাহ আরও বলেন, ‘আদালতের বন্ধু (অ্যামিকাস কিউরি) হিসেবে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সালমান সাফদারকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তিনি কারাগার ঘুরে দেখে ইমরান খানের থাকার জায়গা ও সুযোগ-সুবিধা নিয়ে একটা প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন।’ বুশরা বিবি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তিনিও বিচারিক হেফাজতে রয়েছেন। দরকার হলে তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে ও চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।’ তাঁর চিকিৎসায় কোনো অবহেলা করা হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি। বিরোধী দলের বিচারিক হেফাজত নিয়ে কোনো বাড়তি দাবি থাকলে সেটা আদালতেই জানানোর পরামর্শ দেন সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, ‘আদালত প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিতে পারে। আলী জাফরও আদালতের দ্বারস্থ হয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদন ও তথ্য পর্যালোচনা করতে পারেন।’ এদিকে খুররম ভির্ক, নাসিম আলী শাহ, জাহির শাহ, রাজাব আব্বাসি, জার আলম ও রুবিনা শাহীনের মতো একাধিক পিটিআই নেতা আদিয়ালা কারাগারে গেলেও ইমরান খানের সঙ্গে দেখা করার অনুমতি পাননি তাঁরা।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_15.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_15.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_15.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[হরমুজে চীনাদের উপর হামলা! এবার মুখ খুলল বেইজিং]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36905</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36905</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 08 May 2026 17:05:53 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[China oil tanker attack Hormuz, Chinese sailors Hormuz Strait, Lin Jian remarks Iran, Marshall Islands tanker attacked, China foreign ministry briefing, Hormuz Strait safety China, China Iran US tension, Chinese tanker missile attack, Beijing reaction Hormuz, international shipping lane security, China ceasefire call, China peaceful negotiation Hormuz, tanker attack near Hormuz, Chinese nationals safety Middle East, China global community cooperation]]></category>
        
        <description><![CDATA[বেইজিং: হরমুজ প্রণালির কাছে চীনা নাবিকদের বহনকারী একটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার ঘটনায় বড়সড় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে চীন। শুক্রবার (০৮ মে) নিয়মিত ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান বলেন, এখন পর্যন্ত যা জানা গেছে, হামলার শিকার ট্যাংকারটি মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের পতাকাবাহী এবং সেখানে চীনা নাবিকরাও ছিলেন। তবে এখন পর্যন্ত কোনো নাবিক হতাহত হওয়ার খবর নেই। রয়টার্সসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, সোমবার হরমুজ প্রণালির কাছেই চীনের মালিকানাধীন একটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালানো হয়। শুক্রবারের ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক চীনের কাছে এই ঘটনার বিস্তারিত তথ্য জানতে চান। পাশাপাশি প্রশ্ন তোলেন, অঞ্চলে চীনা জাহাজ ও নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কী পদক্ষেপ নেবে বেইজিং? জবাবে লিন জিয়ান বলেন, হরমুজ প্রণালি আন্তর্জাতিক নৌ চলাচলের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পথ। সেখানে চলমান সংঘাতের কারণে অনেক জাহাজ ও নাবিক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এবং আটকা পড়ার ঘটনায় চীন গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে। তিনি আরও বলেন, দ্রুত প্রণালিতে স্বাভাবিক নৌ চলাচল ফিরিয়ে আনা এবং বেসামরিক জাহাজ ও নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আঞ্চলিক দেশগুলোর পাশাপাশি গোটা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের স্বার্থের বিষয়। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানান, পরিস্থিতির আরও অবনতি ঠেকাতে সব পক্ষকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে চীন। একই সঙ্গে যুদ্ধবিরতি, শান্তি আলোচনা এবং প্রণালিতে উত্তেজনা কমাতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যেতে প্রস্তুত রয়েছে বেইজিং।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_14.webp" alt="হরমুজে চীনাদের উপর হামলা! এবার মুখ খুলল বেইজিং" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>হরমুজে চীনাদের উপর হামলা! এবার মুখ খুলল বেইজিং</h1>
            <p>বেইজিং: হরমুজ প্রণালির কাছে চীনা নাবিকদের বহনকারী একটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার ঘটনায় বড়সড় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে চীন। শুক্রবার (০৮ মে) নিয়মিত ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান বলেন, এখন পর্যন্ত যা জানা গেছে, হামলার শিকার ট্যাংকারটি মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের পতাকাবাহী এবং সেখানে চীনা নাবিকরাও ছিলেন। তবে এখন পর্যন্ত কোনো নাবিক হতাহত হওয়ার খবর নেই। রয়টার্সসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, সোমবার হরমুজ প্রণালির কাছেই চীনের মালিকানাধীন একটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালানো হয়। শুক্রবারের ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক চীনের কাছে এই ঘটনার বিস্তারিত তথ্য জানতে চান। পাশাপাশি প্রশ্ন তোলেন, অঞ্চলে চীনা জাহাজ ও নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কী পদক্ষেপ নেবে বেইজিং? জবাবে লিন জিয়ান বলেন, হরমুজ প্রণালি আন্তর্জাতিক নৌ চলাচলের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পথ। সেখানে চলমান সংঘাতের কারণে অনেক জাহাজ ও নাবিক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এবং আটকা পড়ার ঘটনায় চীন গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে। তিনি আরও বলেন, দ্রুত প্রণালিতে স্বাভাবিক নৌ চলাচল ফিরিয়ে আনা এবং বেসামরিক জাহাজ ও নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আঞ্চলিক দেশগুলোর পাশাপাশি গোটা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের স্বার্থের বিষয়। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানান, পরিস্থিতির আরও অবনতি ঠেকাতে সব পক্ষকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে চীন। একই সঙ্গে যুদ্ধবিরতি, শান্তি আলোচনা এবং প্রণালিতে উত্তেজনা কমাতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যেতে প্রস্তুত রয়েছে বেইজিং।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_14.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_14.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_14.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ভোটে হেরেই রাজনীতি থেকে অবসর! চমক দিলেন রাজ চক্রবর্তী]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36904</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36904</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 08 May 2026 17:05:00 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[এশিয়া]]></category>
                        <category><![CDATA[Raj Chakraborty quits politics, West Bengal election result 2026, Raj Chakraborty lost Barrackpore, TMC leader Raj Chakraborty, Raj Chakraborty political retirement, Bengali actor director news, Kaustav Bagchi BJP winner, Raj Chakraborty post on Facebook, Subhashree Ganguly support Raj, West Bengal new government 2026, Raj Chakraborty Lakshmir Bhandar documentary, Barrackpore election result, TMC defeat Bengal, Raj Chakraborty emotional post, Bengali cinema politics]]></category>
        
        <description><![CDATA[পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে হারের পর সম্পূর্ণ রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন জনপ্রিয় পরিচালক ও অভিনেতা রাজ চক্রবর্তী। বৃহস্পতিবার (৭ মে) সোশ্যাল মিডিয়ায় এক আবেগঘন পোস্টে নিজের রাজনৈতিক যাত্রার ইতি টানার কথা জানান তিনি। পাশাপাশি নতুন সরকারকে শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন এই তারকা। ২০২১ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে ব্যারাকপুর কেন্দ্র থেকে নির্বাচনে লড়ে জিতেছিলেন রাজ চক্রবর্তী। তারপর পাঁচ বছর বিধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ বছরের নির্বাচনেও একই কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হন তিনি। তবে এবার বিজেপি প্রার্থী কৌস্তভ বাগচীর কাছে হেরে যান। ফল প্রকাশের দুই দিন পর সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন রাজ, ‘জীবনে যখনই কোনো দায়িত্ব পেয়েছি, সততা আর নিষ্ঠার সঙ্গে তা পালন করেছি। চেষ্টা করেছি নিজের সবটুকু দেওয়ার। একজন পরিচালক হিসেবে সিনেমার মাধ্যমে মানুষকে সবসময় আনন্দ দেওয়ার চেষ্টা করেছি। কখনও জিতেছি, কখনও হেরেছি। ২০২১ সালে আমার রাজনৈতিক জীবনে পা। মানুষ আমাকে সুযোগ দিয়েছিলেন কাজ করার। পরবর্তী ৫ বছর ধরে সেভাবেই বিধায়কের দায়িত্ব পালন করে গিয়েছি। সেই অধ্যায় শেষ হল, ২০২৬-এ। সঙ্গে শেষ হল আমার রাজনৈতিক জীবনের পথচলা।’ পোস্টে নতুন সরকারকেও শুভেচ্ছা জানান রাজ। তিনি লেখেন, ‘বাংলার মানুষের মতামতে বাংলায় নতুন সরকার এসেছে। আগামী ৯ মে, ২০২৬ তারা শপথ নেবেন। তাদের জানাই আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা। আশা করব, আপনাদের হাত ধরে পশ্চিমবঙ্গ এগিয়ে যাবে উন্নতির পথে। মানুষের সব সমস্যার সমাধান হবে। সবাই ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন।’ প্রসঙ্গত, নির্বাচনের সময় ব্যারাকপুরে রাজ চক্রবর্তীর প্রচার নিয়ে ব্যাপক উন্মাদনা দেখা গেলেও ফল ঘোষণার দিন পরিস্থিতি ছিল উল্টো। গণনাকেন্দ্র থেকে বের হওয়ার সময় তাকে নিয়ে “চোর চোর” স্লোগান দেওয়া হয় বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। এমনকি তাকে লক্ষ্য করে কাদাও ছোড়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে এ নিয়ে পরে প্রকাশ্যে কোনো প্রতিক্রিয়া দেননি রাজ। তার পরাজয়ের পর স্ত্রী শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিক ছবি পোস্ট করে তাঁর পাশে থাকার বার্তা দেন। ইঙ্গিতপূর্ণ সেই পোস্টে তিনি বোঝানোর চেষ্টা করেন, এই পরাজয় যেন কোনোভাবেই রাজ চক্রবর্তীর মনোবল ভেঙে না দেয়। রাজনৈতিক জীবনের পাশাপাশি রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের প্রচারেও সক্রিয় ছিলেন রাজ চক্রবর্তী। সম্প্রতি ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ নিয়ে একটি তথ্যচিত্রও বানিয়েছিলেন তিনি। তবে এবার নির্বাচনী হারের পর পুরোপুরি চলচ্চিত্র জগতেই মন দিচ্ছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_13.webp" alt="ভোটে হেরেই রাজনীতি থেকে অবসর! চমক দিলেন রাজ চক্রবর্তী" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ভোটে হেরেই রাজনীতি থেকে অবসর! চমক দিলেন রাজ চক্রবর্তী</h1>
            <p>পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে হারের পর সম্পূর্ণ রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন জনপ্রিয় পরিচালক ও অভিনেতা রাজ চক্রবর্তী। বৃহস্পতিবার (৭ মে) সোশ্যাল মিডিয়ায় এক আবেগঘন পোস্টে নিজের রাজনৈতিক যাত্রার ইতি টানার কথা জানান তিনি। পাশাপাশি নতুন সরকারকে শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন এই তারকা। ২০২১ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে ব্যারাকপুর কেন্দ্র থেকে নির্বাচনে লড়ে জিতেছিলেন রাজ চক্রবর্তী। তারপর পাঁচ বছর বিধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ বছরের নির্বাচনেও একই কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হন তিনি। তবে এবার বিজেপি প্রার্থী কৌস্তভ বাগচীর কাছে হেরে যান। ফল প্রকাশের দুই দিন পর সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন রাজ, ‘জীবনে যখনই কোনো দায়িত্ব পেয়েছি, সততা আর নিষ্ঠার সঙ্গে তা পালন করেছি। চেষ্টা করেছি নিজের সবটুকু দেওয়ার। একজন পরিচালক হিসেবে সিনেমার মাধ্যমে মানুষকে সবসময় আনন্দ দেওয়ার চেষ্টা করেছি। কখনও জিতেছি, কখনও হেরেছি। ২০২১ সালে আমার রাজনৈতিক জীবনে পা। মানুষ আমাকে সুযোগ দিয়েছিলেন কাজ করার। পরবর্তী ৫ বছর ধরে সেভাবেই বিধায়কের দায়িত্ব পালন করে গিয়েছি। সেই অধ্যায় শেষ হল, ২০২৬-এ। সঙ্গে শেষ হল আমার রাজনৈতিক জীবনের পথচলা।’ পোস্টে নতুন সরকারকেও শুভেচ্ছা জানান রাজ। তিনি লেখেন, ‘বাংলার মানুষের মতামতে বাংলায় নতুন সরকার এসেছে। আগামী ৯ মে, ২০২৬ তারা শপথ নেবেন। তাদের জানাই আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা। আশা করব, আপনাদের হাত ধরে পশ্চিমবঙ্গ এগিয়ে যাবে উন্নতির পথে। মানুষের সব সমস্যার সমাধান হবে। সবাই ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন।’ প্রসঙ্গত, নির্বাচনের সময় ব্যারাকপুরে রাজ চক্রবর্তীর প্রচার নিয়ে ব্যাপক উন্মাদনা দেখা গেলেও ফল ঘোষণার দিন পরিস্থিতি ছিল উল্টো। গণনাকেন্দ্র থেকে বের হওয়ার সময় তাকে নিয়ে “চোর চোর” স্লোগান দেওয়া হয় বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। এমনকি তাকে লক্ষ্য করে কাদাও ছোড়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে এ নিয়ে পরে প্রকাশ্যে কোনো প্রতিক্রিয়া দেননি রাজ। তার পরাজয়ের পর স্ত্রী শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিক ছবি পোস্ট করে তাঁর পাশে থাকার বার্তা দেন। ইঙ্গিতপূর্ণ সেই পোস্টে তিনি বোঝানোর চেষ্টা করেন, এই পরাজয় যেন কোনোভাবেই রাজ চক্রবর্তীর মনোবল ভেঙে না দেয়। রাজনৈতিক জীবনের পাশাপাশি রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের প্রচারেও সক্রিয় ছিলেন রাজ চক্রবর্তী। সম্প্রতি ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ নিয়ে একটি তথ্যচিত্রও বানিয়েছিলেন তিনি। তবে এবার নির্বাচনী হারের পর পুরোপুরি চলচ্চিত্র জগতেই মন দিচ্ছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_13.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_13.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_13.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[হরমুজে উত্তেজনা চরমে! ইরানের একাধিক শহরে শোনা গেল বিস্ফোরণ]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36903</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36903</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 08 May 2026 17:05:01 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Hormuz Strait explosions Iran, US Iran military clash, Iran airstrikes news, US Navy destroyer attack, Iran drone missile strike, Bandar Abbas blast, Tehran explosion sound, US Central Command statement, Iran military base hit, Qeshm Island jetty attack, US self-defense strike Iran, Iran US tension 2026, Fars News breaking, Times of Israel Iran news, Gulf region escalation]]></category>
        
        <description><![CDATA[হরমুজ প্রণালি ঘিরে নতুন করে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, ওমান উপসাগরের দিকে যাওয়ার সময় মার্কিন নৌবাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্রবাহী ডেস্ট্রয়ারগুলোর ওপর উসকানিবিহীন হামলা চালিয়েছে ইরানি বাহিনী। আর এর জবাবে ইরানের সামরিক স্থাপনাগুলোতে আত্মরক্ষামূলক হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ওয়াশিংটন। খবর টাইমস অব ইসরায়েলের। শুক্রবার (০৮ মে) এক বিবৃতিতে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক নৌপথ দিয়ে যাওয়ার সময় তিনটি মার্কিন ডেস্ট্রয়ারকে লক্ষ্য করে ইরানি বাহিনী একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। তবে মার্কিন বাহিনীর দাবি, সব ধরনের হুমকি প্রতিহত করা হয়েছে এবং কোনো মার্কিন সামরিক সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। এরপর পাল্টা জবাবে ইরানের ওই সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়, যেখান থেকে মার্কিন বাহিনীর ওপর হামলা পরিচালিত হয়েছিল। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানায়, হামলার লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে ছিল ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎক্ষেপণ কেন্দ্র, কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র এবং গোয়েন্দা নজরদারির অবকাঠামো। তবে ওয়াশিংটন দাবি করেছে, তারা পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করতে চায় না। কিন্তু মার্কিন বাহিনী নিজেদের সুরক্ষায় পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে। এরই মাঝে ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফারস নিউজ জানিয়েছে, বন্দরনগর আব্বাসের কাছে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। তবে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি এসব বিস্ফোরণের সুনির্দিষ্ট উৎস ও অবস্থান। কেবল আব্বাস নয়, রাজধানী তেহরানেও শোনা গেছে বিস্ফোরণের শব্দ। সংস্থাটি আরও জানায়, ইরানি সশস্ত্র বাহিনী ও শত্রুপক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এমনকি পারস্য উপসাগরের বৃহত্তম দ্বীপ কেশমের একটি জেটির বাণিজ্যিক অংশ লক্ষ্যবস্তু হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_12.webp" alt="হরমুজে উত্তেজনা চরমে! ইরানের একাধিক শহরে শোনা গেল বিস্ফোরণ" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>হরমুজে উত্তেজনা চরমে! ইরানের একাধিক শহরে শোনা গেল বিস্ফোরণ</h1>
            <p>হরমুজ প্রণালি ঘিরে নতুন করে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, ওমান উপসাগরের দিকে যাওয়ার সময় মার্কিন নৌবাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্রবাহী ডেস্ট্রয়ারগুলোর ওপর উসকানিবিহীন হামলা চালিয়েছে ইরানি বাহিনী। আর এর জবাবে ইরানের সামরিক স্থাপনাগুলোতে আত্মরক্ষামূলক হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ওয়াশিংটন। খবর টাইমস অব ইসরায়েলের। শুক্রবার (০৮ মে) এক বিবৃতিতে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক নৌপথ দিয়ে যাওয়ার সময় তিনটি মার্কিন ডেস্ট্রয়ারকে লক্ষ্য করে ইরানি বাহিনী একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। তবে মার্কিন বাহিনীর দাবি, সব ধরনের হুমকি প্রতিহত করা হয়েছে এবং কোনো মার্কিন সামরিক সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। এরপর পাল্টা জবাবে ইরানের ওই সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়, যেখান থেকে মার্কিন বাহিনীর ওপর হামলা পরিচালিত হয়েছিল। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানায়, হামলার লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে ছিল ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎক্ষেপণ কেন্দ্র, কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র এবং গোয়েন্দা নজরদারির অবকাঠামো। তবে ওয়াশিংটন দাবি করেছে, তারা পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করতে চায় না। কিন্তু মার্কিন বাহিনী নিজেদের সুরক্ষায় পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে। এরই মাঝে ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফারস নিউজ জানিয়েছে, বন্দরনগর আব্বাসের কাছে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। তবে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি এসব বিস্ফোরণের সুনির্দিষ্ট উৎস ও অবস্থান। কেবল আব্বাস নয়, রাজধানী তেহরানেও শোনা গেছে বিস্ফোরণের শব্দ। সংস্থাটি আরও জানায়, ইরানি সশস্ত্র বাহিনী ও শত্রুপক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এমনকি পারস্য উপসাগরের বৃহত্তম দ্বীপ কেশমের একটি জেটির বাণিজ্যিক অংশ লক্ষ্যবস্তু হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_12.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_12.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_12.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ ভয়াল হামলায় হরমুজ ছেড়ে পালাল মার্কিন যুদ্ধজাহাজ! দাবি ইরানের]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36902</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36902</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 08 May 2026 17:05:12 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Iran missile attack Hormuz, US warships leave Hormuz, Iran Revolutionary Guards Navy, US destroyer hit Iran, Iran US military clash 2026, Iran drone attack US Navy, Iran ballistic missile strike, Hormuz Strait closed, Iran oil tanker attack, US Iran war news, Iran retaliation warning, Iran military exercise, US aggression Iran response, Iran cruise missile, Iran US breaking news]]></category>
        
        <description><![CDATA[তেহরান: ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর নৌ ইউনিট বড় ধরনের দাবি করেছে। তাদের ভাষ্য, ব্যাপক যৌথ সামরিক অভিযানে মার্কিন নৌবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জামের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আর মুহুর্মুহু হামলার মুখে তিনটি মার্কিন ডেস্ট্রয়ার হরমুজ প্রণালি ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০৭ মে) সন্ধ্যায় ওই অভিযানের কথা এক বিবৃতিতে জানান বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর নৌ কমান্ডার। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর দুটি উসকানিমূলক কাজের জবাবে এই অভিযান চালানো হয়। তার কথায়, প্রথমে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে জাস্ক বন্দরের কাছে একটি ইরানি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালায় মার্কিনিরা। এরপর সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে মার্কিন ডেস্ট্রয়ারগুলো কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির দিকে এগোতে থাকে। তখন ইরানি বাহিনী খুবই বিস্তৃত ও নিখুঁত যৌথ সামরিক অভিযান চালায় বলে দাবি করেন এই কমান্ডার। বিবৃতিতে বলা হয়, ওই অভিযানে জাহাজবিধ্বংসী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, জাহাজবিধ্বংসী ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ধ্বংসাত্মক ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে। এগুলোর ওয়ারহেডে ছিল উচ্চক্ষমতার বিস্ফোরক। সবকিছু ছোড়া হয়েছে সরাসরি মার্কিন ডেস্ট্রয়ার লক্ষ্য করে। ইরানি কমান্ডারের দাবি, অভিযানের পর গোয়েন্দা নজরদারিতে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে মার্কিন নৌবাহিনীর সরঞ্জামগুলো মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছে। আর ইরানের নিখুঁত ও ভয়াবহ হামলার জেরে তিনটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ দ্রুত হরমুজ প্রণালি ছেড়ে পালায়। অন্য এক বিবৃতিতে দেশটির খাতাম আল-আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদরদপ্তরের মুখপাত্র ইব্রাহিম জুলফাগারি বলেন, এই কৌশলগত জলপথে যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক সামরিক আগ্রাসনের জবাবে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরানি বাহিনী। তিনি অভিযোগ করেন, যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসী ও বেআইনি সামরিক বাহিনী একটি ইরানি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালিয়েছে। জুলফাগারি সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের বুঝতে হবে—অতীতের মতোই যে কোনো আগ্রাসন বা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জবাবে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান কঠোর ও শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া দেবে। আর এতে কোনো ধরনের দ্বিধা করবে না তারা। ইরানপন্থি সূত্রগুলোর দাবি, গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ এখনো যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র জাহাজগুলোর জন্য কার্যত বন্ধ রয়েছে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_11.webp" alt=" ভয়াল হামলায় হরমুজ ছেড়ে পালাল মার্কিন যুদ্ধজাহাজ! দাবি ইরানের" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1> ভয়াল হামলায় হরমুজ ছেড়ে পালাল মার্কিন যুদ্ধজাহাজ! দাবি ইরানের</h1>
            <p>তেহরান: ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর নৌ ইউনিট বড় ধরনের দাবি করেছে। তাদের ভাষ্য, ব্যাপক যৌথ সামরিক অভিযানে মার্কিন নৌবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জামের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আর মুহুর্মুহু হামলার মুখে তিনটি মার্কিন ডেস্ট্রয়ার হরমুজ প্রণালি ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০৭ মে) সন্ধ্যায় ওই অভিযানের কথা এক বিবৃতিতে জানান বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর নৌ কমান্ডার। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর দুটি উসকানিমূলক কাজের জবাবে এই অভিযান চালানো হয়। তার কথায়, প্রথমে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে জাস্ক বন্দরের কাছে একটি ইরানি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালায় মার্কিনিরা। এরপর সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে মার্কিন ডেস্ট্রয়ারগুলো কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির দিকে এগোতে থাকে। তখন ইরানি বাহিনী খুবই বিস্তৃত ও নিখুঁত যৌথ সামরিক অভিযান চালায় বলে দাবি করেন এই কমান্ডার। বিবৃতিতে বলা হয়, ওই অভিযানে জাহাজবিধ্বংসী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, জাহাজবিধ্বংসী ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ধ্বংসাত্মক ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে। এগুলোর ওয়ারহেডে ছিল উচ্চক্ষমতার বিস্ফোরক। সবকিছু ছোড়া হয়েছে সরাসরি মার্কিন ডেস্ট্রয়ার লক্ষ্য করে। ইরানি কমান্ডারের দাবি, অভিযানের পর গোয়েন্দা নজরদারিতে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে মার্কিন নৌবাহিনীর সরঞ্জামগুলো মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছে। আর ইরানের নিখুঁত ও ভয়াবহ হামলার জেরে তিনটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ দ্রুত হরমুজ প্রণালি ছেড়ে পালায়। অন্য এক বিবৃতিতে দেশটির খাতাম আল-আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদরদপ্তরের মুখপাত্র ইব্রাহিম জুলফাগারি বলেন, এই কৌশলগত জলপথে যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক সামরিক আগ্রাসনের জবাবে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরানি বাহিনী। তিনি অভিযোগ করেন, যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসী ও বেআইনি সামরিক বাহিনী একটি ইরানি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালিয়েছে। জুলফাগারি সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের বুঝতে হবে—অতীতের মতোই যে কোনো আগ্রাসন বা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জবাবে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান কঠোর ও শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া দেবে। আর এতে কোনো ধরনের দ্বিধা করবে না তারা। ইরানপন্থি সূত্রগুলোর দাবি, গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ এখনো যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র জাহাজগুলোর জন্য কার্যত বন্ধ রয়েছে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_11.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_11.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_11.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[চমক! আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাই মূল আলোচ্য, ফাঁস করল ইরান]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36901</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36901</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 08 May 2026 17:05:13 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Iran regional stability talks, Iran ceasefire news, Iran US proposal 2026, Ismail Baghai interview, Al Jazeera Iran report, Washington Post satellite analysis, Iran airstrike US bases, US military damage Middle East, Pakistan mediation Iran, Iran nuclear deal update, Middle East peace process, Iran foreign ministry statement, US bases destroyed by Iran, Iran war latest news, Iran diplomacy 2026]]></category>
        
        <description><![CDATA[তেহরান: চলমান কূটনৈতিক আলোচনায় সবচেয়ে বড় জোর দেওয়া হচ্ছে যুদ্ধবিরতি, যুদ্ধ থামানো এবং মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি-স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার ওপর। এমনটাই জানিয়েছেন ইরানের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন। পরে বৃহস্পতিবার আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে বিষয়টি উঠে আসে। বাঘাই জানান, যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া প্রস্তাব এখনো পর্যালোচনার মধ্যে আছে। প্রক্রিয়া শেষ হলেই এ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, “সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর সেটা পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের জানিয়ে দেওয়া হবে। তারপর দুই পক্ষের বার্তা বিনিময়ের ফলাফলের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করা হবে।” এদিকে আমেরিকার নামকরা সংবাদপত্র ওয়াশিংটন পোস্ট বুধবার (০৬ মে) এক বিশেষ প্রতিবেদনে লিখেছে, স্যাটেলাইট ছবি বিশ্লেষণ করে তারা দেখেছে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরানের বিমান হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক বাহিনীর ব্যবহৃত কমপক্ষে ২২৮টি ঘাঁটি বা স্থাপনা ধ্বংস হয়েছে। ওয়াশিংটন পোস্ট আরও জানায়, এসব হামলায় বিশেষভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে মার্কিন ঘাঁটিগুলোর বিমান রাখার কাঠামো, ব্যারাক, জ্বালানি ডিপো, বিমান এবং গুরুত্বপূর্ণ রাডার, যোগাযোগ ও আকাশ প্রতিরক্ষার সরঞ্জাম। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এতটাই বড় যে, যুক্তরাষ্ট্র সরকার আগে কখনো তা স্বীকার করেনি, এমনকি আগের কোনো প্রতিবেদনেও এত বড় ধ্বংসের কথা উঠে আসেনি।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_10.webp" alt="চমক! আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাই মূল আলোচ্য, ফাঁস করল ইরান" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>চমক! আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাই মূল আলোচ্য, ফাঁস করল ইরান</h1>
            <p>তেহরান: চলমান কূটনৈতিক আলোচনায় সবচেয়ে বড় জোর দেওয়া হচ্ছে যুদ্ধবিরতি, যুদ্ধ থামানো এবং মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি-স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার ওপর। এমনটাই জানিয়েছেন ইরানের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন। পরে বৃহস্পতিবার আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে বিষয়টি উঠে আসে। বাঘাই জানান, যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া প্রস্তাব এখনো পর্যালোচনার মধ্যে আছে। প্রক্রিয়া শেষ হলেই এ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, “সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর সেটা পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের জানিয়ে দেওয়া হবে। তারপর দুই পক্ষের বার্তা বিনিময়ের ফলাফলের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করা হবে।” এদিকে আমেরিকার নামকরা সংবাদপত্র ওয়াশিংটন পোস্ট বুধবার (০৬ মে) এক বিশেষ প্রতিবেদনে লিখেছে, স্যাটেলাইট ছবি বিশ্লেষণ করে তারা দেখেছে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরানের বিমান হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক বাহিনীর ব্যবহৃত কমপক্ষে ২২৮টি ঘাঁটি বা স্থাপনা ধ্বংস হয়েছে। ওয়াশিংটন পোস্ট আরও জানায়, এসব হামলায় বিশেষভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে মার্কিন ঘাঁটিগুলোর বিমান রাখার কাঠামো, ব্যারাক, জ্বালানি ডিপো, বিমান এবং গুরুত্বপূর্ণ রাডার, যোগাযোগ ও আকাশ প্রতিরক্ষার সরঞ্জাম। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এতটাই বড় যে, যুক্তরাষ্ট্র সরকার আগে কখনো তা স্বীকার করেনি, এমনকি আগের কোনো প্রতিবেদনেও এত বড় ধ্বংসের কথা উঠে আসেনি।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_10.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_10.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_10.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[যুদ্ধের পর ইরান আরও শক্তিশালী! চীনের মুখে শোনা গেল চমকপ্রদ কথা]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36900</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36900</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 08 May 2026 17:05:11 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Iran stronger after war, China supports Iran post war, Iran Israel US conflict, Iran nuclear program update, Abbas Araghchi China visit, Wang Yi meeting, Iran diplomatic relations, Hormuz Strait tensions, Russia Iran alliance, Iran Pakistan Oman tour, post war Iran position, international sanctions Iran, China Iran friendship, Iran war impact, Middle East latest news]]></category>
        
        <description><![CDATA[বেইজিং: যুক্তরাষ্ট্র আর ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধের পর বিশ্বের বুকে ইরানের অবস্থান আগের চেয়ে অনেক মজবুত হয়েছে। এমনটাই মনে করছে চীন। বুধবার বেইজিংয়ে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-র সঙ্গে বৈঠকের পর ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সাংবাদিকদের এ কথা জানান। আরাগচি বলেন, “আমাদের চীনা বন্ধুরা মনে করেন, যুদ্ধের পর ইরান আর সেই পুরনো ইরান নেই। এই যুদ্ধ আন্তর্জাতিক মঞ্চে ইরানের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে।” চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কী কী আলোচনা হয়েছে, সেটাও জানান ইরানের এই শীর্ষ কূটনীতিক। তিনি বলেন, “সাম্প্রতিক সব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আমরা আলোচনা করেছি। যুদ্ধ, যুদ্ধ থামানোর উপায়, ইরানের শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে নানা জটিলতা, নিষেধাজ্ঞা, হরমুজ প্রণালি এবং চলমান দরকষাকষি—সব কিছুই উঠে এসেছে আলোচনায়।” প্রসঙ্গত, গত ২৮শে ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেছিল। তার পর এটাই কোনো ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রথম চীন সফর। এর আগে গত সপ্তাহেই ইরানের এই শীর্ষ কূটনীতিক পাকিস্তান, ওমান ও রাশিয়া সফর করেছেন। রাশিয়ায় গিয়ে তিনি দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গেও বৈঠক করেন।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_9.webp" alt="যুদ্ধের পর ইরান আরও শক্তিশালী! চীনের মুখে শোনা গেল চমকপ্রদ কথা" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>যুদ্ধের পর ইরান আরও শক্তিশালী! চীনের মুখে শোনা গেল চমকপ্রদ কথা</h1>
            <p>বেইজিং: যুক্তরাষ্ট্র আর ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধের পর বিশ্বের বুকে ইরানের অবস্থান আগের চেয়ে অনেক মজবুত হয়েছে। এমনটাই মনে করছে চীন। বুধবার বেইজিংয়ে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-র সঙ্গে বৈঠকের পর ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সাংবাদিকদের এ কথা জানান। আরাগচি বলেন, “আমাদের চীনা বন্ধুরা মনে করেন, যুদ্ধের পর ইরান আর সেই পুরনো ইরান নেই। এই যুদ্ধ আন্তর্জাতিক মঞ্চে ইরানের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে।” চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কী কী আলোচনা হয়েছে, সেটাও জানান ইরানের এই শীর্ষ কূটনীতিক। তিনি বলেন, “সাম্প্রতিক সব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আমরা আলোচনা করেছি। যুদ্ধ, যুদ্ধ থামানোর উপায়, ইরানের শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে নানা জটিলতা, নিষেধাজ্ঞা, হরমুজ প্রণালি এবং চলমান দরকষাকষি—সব কিছুই উঠে এসেছে আলোচনায়।” প্রসঙ্গত, গত ২৮শে ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেছিল। তার পর এটাই কোনো ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রথম চীন সফর। এর আগে গত সপ্তাহেই ইরানের এই শীর্ষ কূটনীতিক পাকিস্তান, ওমান ও রাশিয়া সফর করেছেন। রাশিয়ায় গিয়ে তিনি দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গেও বৈঠক করেন।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_9.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_9.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_9.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[চোর নিজেই পুলিশকে ফোন করল! কারণ শুনলে চমকে যাবেন আপনিও]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36899</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36899</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 08 May 2026 16:05:56 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[এশিয়া]]></category>
                        <category><![CDATA[thief calls police for help, burglar saved from mob beatings, Odisha robbery news, Rourkela crime news funny, thieves arrested after self call, public fury against burglars, human interest crime story, viral news Bangladesh, robbers trapped inside house, police rescue operation, unusual crime incidents India, clickbait news headline, Bengali news article rewrite, engaging crime story Bangla, Google Discover friendly content]]></category>
        
        <description><![CDATA[দরজার বাইরে তখন রণে ভরেছে জনতা—গণপিটুনি দিতে তৈরি। আর ঘরের ভেতরে দুই চোর প্রাণভয়ে কাঁপছে। উপায় না দেখে শেষমেষ কী করল জানেন? পুলিশকেই ফোন করে নিজেদের উদ্ধার করতে অনুরোধ করল তারা! হ্যাঁ, সত্যিই। আপনি কি কখনও শুনেছেন চোর নিজে এসে পুলিশকে ফোন করছে? ওড়িশার রাউরকেলায় এমনই এক অভাবনীয় ঘটনা ঘটেছে গত ২৯ এপ্রিল। ঘটনা কী? দুই চোর ঢুকেছিল একটি দোতলা বাড়িতে। বাড়ির মালিক তখন ছিলেন না। তারা আলমারি ভেঙে টাকা আর স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে নেয়। কিন্তু তাদের খটাখট আওয়াজ পেয়ে সতর্ক হয়ে যান এক প্রতিবেশী। পাশের বাড়িতে সন্দেহজনক ওই দুই লোককে ঘোরাঘুরি করতে দেখে তিনি এলাকার মানুষজনকে খবর দেন। তখনই ধীরে ধীরে ওই বাড়ির চারপাশে জমতে থাকে লোকেরা। চোর দুজন বুঝতেই পারেনি যে বাইরে এত লোক জড়ো হয়েছে। পরে পরিস্থিতি টের পেয়ে তারা আঁতকে ওঠে। বাইরে তখন রাগে ফুঁসছে জনতা—দরজা খুললেই গণপিটুনি শুরু। এই অবস্থায় বাঁচার একটাই উপায় দেখল তারা। পুলিশকে ফোন করে বলল, ‘আমরা চোর, কিন্তু দয়া করে এসে উদ্ধার করুন, না হলে জনতা মেরে ফেলবে!’ পুলিশ জানিয়েছে, ফোন পেয়ে সঙ্গে সঙ্গেই তারা ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে গিয়ে দেখে বাড়ির বাইরে বিশাল ভিড়। সেই ভিড় ঠেলেই ভেতরে ঢুকে দুই চোরকে সেফভাবে উদ্ধার করে পুলিশ। তাছাড়া চুরি করা টাকা ও স্বর্ণালঙ্কারও উদ্ধার হয়। শেষমেষ বাড়ির মালিকের অভিযোগের ভিত্তিতে দুই চোরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অবিশ্বাস্য ঠিকই, কিন্তু সত্যি—প্রাণ বাঁচাতে চোরেরাই এদিন বাধ্য হয়েছিল পুলিশের শরণাপন্ন হতে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_8.webp" alt="চোর নিজেই পুলিশকে ফোন করল! কারণ শুনলে চমকে যাবেন আপনিও" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>চোর নিজেই পুলিশকে ফোন করল! কারণ শুনলে চমকে যাবেন আপনিও</h1>
            <p>দরজার বাইরে তখন রণে ভরেছে জনতা—গণপিটুনি দিতে তৈরি। আর ঘরের ভেতরে দুই চোর প্রাণভয়ে কাঁপছে। উপায় না দেখে শেষমেষ কী করল জানেন? পুলিশকেই ফোন করে নিজেদের উদ্ধার করতে অনুরোধ করল তারা! হ্যাঁ, সত্যিই। আপনি কি কখনও শুনেছেন চোর নিজে এসে পুলিশকে ফোন করছে? ওড়িশার রাউরকেলায় এমনই এক অভাবনীয় ঘটনা ঘটেছে গত ২৯ এপ্রিল। ঘটনা কী? দুই চোর ঢুকেছিল একটি দোতলা বাড়িতে। বাড়ির মালিক তখন ছিলেন না। তারা আলমারি ভেঙে টাকা আর স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে নেয়। কিন্তু তাদের খটাখট আওয়াজ পেয়ে সতর্ক হয়ে যান এক প্রতিবেশী। পাশের বাড়িতে সন্দেহজনক ওই দুই লোককে ঘোরাঘুরি করতে দেখে তিনি এলাকার মানুষজনকে খবর দেন। তখনই ধীরে ধীরে ওই বাড়ির চারপাশে জমতে থাকে লোকেরা। চোর দুজন বুঝতেই পারেনি যে বাইরে এত লোক জড়ো হয়েছে। পরে পরিস্থিতি টের পেয়ে তারা আঁতকে ওঠে। বাইরে তখন রাগে ফুঁসছে জনতা—দরজা খুললেই গণপিটুনি শুরু। এই অবস্থায় বাঁচার একটাই উপায় দেখল তারা। পুলিশকে ফোন করে বলল, ‘আমরা চোর, কিন্তু দয়া করে এসে উদ্ধার করুন, না হলে জনতা মেরে ফেলবে!’ পুলিশ জানিয়েছে, ফোন পেয়ে সঙ্গে সঙ্গেই তারা ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে গিয়ে দেখে বাড়ির বাইরে বিশাল ভিড়। সেই ভিড় ঠেলেই ভেতরে ঢুকে দুই চোরকে সেফভাবে উদ্ধার করে পুলিশ। তাছাড়া চুরি করা টাকা ও স্বর্ণালঙ্কারও উদ্ধার হয়। শেষমেষ বাড়ির মালিকের অভিযোগের ভিত্তিতে দুই চোরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অবিশ্বাস্য ঠিকই, কিন্তু সত্যি—প্রাণ বাঁচাতে চোরেরাই এদিন বাধ্য হয়েছিল পুলিশের শরণাপন্ন হতে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_8.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_8.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_8.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[রাত সাড়ে ১২টায় একা বাসস্টপে নারী পুলিশ কমিশনার! ৪০ পুরুষের হেনস্তায় ভয়ংকর অভিজ্ঞতা]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36898</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36898</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 08 May 2026 16:05:14 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[এশিয়া]]></category>
                        <category><![CDATA[Hyderabad Woman Police Commissioner, Sumati Malkajgiri, Woman safety experiment Hyderabad, Female IPS officer harassment test, 40 men harass police commissioner, Hyderabad bus stop incident, Women safety India, Telangana Police Commissioner, Night safety test police, Sumati IPS officer, Hyderabad Malkajgiri news, Woman commissioner disguised, Maoist surrender Sumati, Indian women safety issue, Police officer harassment case]]></category>
        
        <description><![CDATA[হায়দরাবাদের মালকাজগিরির নারী পুলিশ কমিশনার সুমতি নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে বাস্তব পরীক্ষা করতে গিয়ে ভয়াবহ অভিজ্ঞতার মুখে পড়েছেন। নারীরা রাতে রাস্তায় কতটা নিরাপদ সেটা নিজে দেখতে চেয়েছিলেন তিনি। তাই একদিন রাত সাড়ে ১২টা থেকে সাড়ে ৩টা পর্যন্ত ছদ্মবেশে একা একটি বাসস্টপে দাঁড়িয়ে ছিলেন। কিন্তু মাত্র তিন ঘণ্টার মধ্যেই অন্তত ৪০ জন পুরুষ তাকে হেনস্তা করার চেষ্টা করেছে। তাদের বেশিরভাগই মদ ও গাজা খেয়ে মাতাল অবস্থায় ছিল। এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, যারা হেনস্তা করতে এসেছিল তাদের অধিকাংশই তরুণ। অনেকে শিক্ষার্থী এবং চাকরিজীবী। কেউই জানত না যে ছদ্মবেশে থাকা এই নারী আসলে পুলিশ কমিশনার। পরে তাদের শনাক্ত করে আটক করা হয়। তবে কাউকে শাস্তি না দিয়ে কাউন্সেলিং করে সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এর আগে প্রায় ২৫ বছর আগে, যখন তিনি ডেপুটি সুপারিনটেন্ডেন্ট অব পুলিশ ছিলেন, তখনও একটি রেলস্টেশনে একই ধরনের পরীক্ষা চালিয়েছিলেন সুমতি। সুমতি তেলেঙ্গানার একজন আইপিএস অফিসার। তিনি রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। মাওবাদী বিদ্রোহীদের আত্মসমর্পণে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বর্তমানে তিনি হায়দরাবাদের মালকাজগিরি এলাকার পুলিশ কমিশনারের দায়িত্বে আছেন।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_7.webp" alt="রাত সাড়ে ১২টায় একা বাসস্টপে নারী পুলিশ কমিশনার! ৪০ পুরুষের হেনস্তায় ভয়ংকর অভিজ্ঞতা" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>রাত সাড়ে ১২টায় একা বাসস্টপে নারী পুলিশ কমিশনার! ৪০ পুরুষের হেনস্তায় ভয়ংকর অভিজ্ঞতা</h1>
            <p>হায়দরাবাদের মালকাজগিরির নারী পুলিশ কমিশনার সুমতি নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে বাস্তব পরীক্ষা করতে গিয়ে ভয়াবহ অভিজ্ঞতার মুখে পড়েছেন। নারীরা রাতে রাস্তায় কতটা নিরাপদ সেটা নিজে দেখতে চেয়েছিলেন তিনি। তাই একদিন রাত সাড়ে ১২টা থেকে সাড়ে ৩টা পর্যন্ত ছদ্মবেশে একা একটি বাসস্টপে দাঁড়িয়ে ছিলেন। কিন্তু মাত্র তিন ঘণ্টার মধ্যেই অন্তত ৪০ জন পুরুষ তাকে হেনস্তা করার চেষ্টা করেছে। তাদের বেশিরভাগই মদ ও গাজা খেয়ে মাতাল অবস্থায় ছিল। এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, যারা হেনস্তা করতে এসেছিল তাদের অধিকাংশই তরুণ। অনেকে শিক্ষার্থী এবং চাকরিজীবী। কেউই জানত না যে ছদ্মবেশে থাকা এই নারী আসলে পুলিশ কমিশনার। পরে তাদের শনাক্ত করে আটক করা হয়। তবে কাউকে শাস্তি না দিয়ে কাউন্সেলিং করে সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এর আগে প্রায় ২৫ বছর আগে, যখন তিনি ডেপুটি সুপারিনটেন্ডেন্ট অব পুলিশ ছিলেন, তখনও একটি রেলস্টেশনে একই ধরনের পরীক্ষা চালিয়েছিলেন সুমতি। সুমতি তেলেঙ্গানার একজন আইপিএস অফিসার। তিনি রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। মাওবাদী বিদ্রোহীদের আত্মসমর্পণে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বর্তমানে তিনি হায়দরাবাদের মালকাজগিরি এলাকার পুলিশ কমিশনারের দায়িত্বে আছেন।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_7.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_7.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_7.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[আমিরাতে তীব্র আতঙ্ক! ইরানের হামলার ভয়ে আকাশ প্রতিরক্ষা সক্রিয়, হরমুজে উত্তেজনা চরমে]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36897</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36897</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 08 May 2026 16:05:14 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[UAE high alert Iran attack, UAE air defense activated, Hormuz Strait clash, US Iran conflict, Dubai explosion sound, Natasha Turak report, Iran missile attack US Navy, Project Freedom Hormuz, Persian Gulf tension, Arab Emirates security, Iran US ceasefire violation, Khamir Sirik attack, Kesham Island strike, Strait of Hormuz latest news, Trump Iran tensions]]></category>
        
        <description><![CDATA[ইরানের সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় উচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি তার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও পুরোদমে সক্রিয় করে ফেলেছে। আলজাজিরা জানিয়েছে, শুক্রবার (৮ মে) সকালে আমিরাতের উপকূলবর্তী এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। দুবাইভিত্তিক সাংবাদিক নাতাশা তুরাক বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর স্থাপনা রয়েছে এমন জায়গাগুলোতে বিস্ফোরণ হয়েছে। তিনি আরও বলেন, “হরমুজে উপকূলবর্তী এলাকাজুড়ে সংঘর্ষ চলছে। এ কারণে আমিরাত উচ্চ সতর্কতায় রয়েছে। এ ধরনের হামলা গত সোমবার থেকে শুরু হয়েছে।” তবে উপকূলবর্তী এলাকায় বিস্ফোরণ হলেও আমিরাতের মূল ভূখণ্ডে এখন পর্যন্ত কোনো মিসাইল বা ড্রোন হামলা হয়নি। সাংবাদিক নাতাশা জানান, “আমিরাত সরকার সবাইকে সতর্ক থাকতে বলছে। আজ দেশের কোথাও সতর্কতামূলক সাইরেন বাজেনি। অর্থাৎ মূল ভূখণ্ডে এখন কোনো হামলা হচ্ছে না।” হরমুজে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলা চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যেই হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা হয়েছে। তবে উত্তেজনা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। উভয় দেশই দাবি করেছে, বর্তমানে প্রণালিটি শান্ত রয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার এই হামলা ঘটে। ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশের সময় তাদের দুটি জাহাজ লক্ষ্য করে গোলা ছুড়েছে মার্কিন নৌবাহিনী। এখান থেকেই উত্তেজনা শুরু হয়। ইরানের তথ্য অনুসারে, মার্কিন নৌবাহিনী একটি ট্যাংকার জাহাজ ও একটি বেসামরিক বাণিজ্যিক জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। একই দিন পারস্য উপসাগরের কেশম দ্বীপ এবং ইরানের খামির সিরিক সমুদ্রবন্দরে বিমান হামলা চালিয়েছে মার্কিন সেনারা। জবাবে ইরান হরমুজ প্রণালি ও চাবাহার বন্দরের কাছে মার্কিন নৌবাহিনীকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। ইরানের খাতাম আল আনবিয়া হেডকোয়ার্টার্স দাবি করেছে, তাদের হামলায় মার্কিন নৌবাহিনীর উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী বলেছে, টহলরত তাদের জাহাজ লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছিল ইরান। এই হামলা থেকেই উত্তেজনার শুরু বলে দাবি করেছে তারা।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_6.webp" alt="আমিরাতে তীব্র আতঙ্ক! ইরানের হামলার ভয়ে আকাশ প্রতিরক্ষা সক্রিয়, হরমুজে উত্তেজনা চরমে" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>আমিরাতে তীব্র আতঙ্ক! ইরানের হামলার ভয়ে আকাশ প্রতিরক্ষা সক্রিয়, হরমুজে উত্তেজনা চরমে</h1>
            <p>ইরানের সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় উচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি তার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও পুরোদমে সক্রিয় করে ফেলেছে। আলজাজিরা জানিয়েছে, শুক্রবার (৮ মে) সকালে আমিরাতের উপকূলবর্তী এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। দুবাইভিত্তিক সাংবাদিক নাতাশা তুরাক বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর স্থাপনা রয়েছে এমন জায়গাগুলোতে বিস্ফোরণ হয়েছে। তিনি আরও বলেন, “হরমুজে উপকূলবর্তী এলাকাজুড়ে সংঘর্ষ চলছে। এ কারণে আমিরাত উচ্চ সতর্কতায় রয়েছে। এ ধরনের হামলা গত সোমবার থেকে শুরু হয়েছে।” তবে উপকূলবর্তী এলাকায় বিস্ফোরণ হলেও আমিরাতের মূল ভূখণ্ডে এখন পর্যন্ত কোনো মিসাইল বা ড্রোন হামলা হয়নি। সাংবাদিক নাতাশা জানান, “আমিরাত সরকার সবাইকে সতর্ক থাকতে বলছে। আজ দেশের কোথাও সতর্কতামূলক সাইরেন বাজেনি। অর্থাৎ মূল ভূখণ্ডে এখন কোনো হামলা হচ্ছে না।” হরমুজে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলা চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যেই হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা হয়েছে। তবে উত্তেজনা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। উভয় দেশই দাবি করেছে, বর্তমানে প্রণালিটি শান্ত রয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার এই হামলা ঘটে। ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশের সময় তাদের দুটি জাহাজ লক্ষ্য করে গোলা ছুড়েছে মার্কিন নৌবাহিনী। এখান থেকেই উত্তেজনা শুরু হয়। ইরানের তথ্য অনুসারে, মার্কিন নৌবাহিনী একটি ট্যাংকার জাহাজ ও একটি বেসামরিক বাণিজ্যিক জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। একই দিন পারস্য উপসাগরের কেশম দ্বীপ এবং ইরানের খামির সিরিক সমুদ্রবন্দরে বিমান হামলা চালিয়েছে মার্কিন সেনারা। জবাবে ইরান হরমুজ প্রণালি ও চাবাহার বন্দরের কাছে মার্কিন নৌবাহিনীকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। ইরানের খাতাম আল আনবিয়া হেডকোয়ার্টার্স দাবি করেছে, তাদের হামলায় মার্কিন নৌবাহিনীর উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী বলেছে, টহলরত তাদের জাহাজ লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছিল ইরান। এই হামলা থেকেই উত্তেজনার শুরু বলে দাবি করেছে তারা।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_6.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_6.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_6.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ট্রাম্পের হরমুজ অভিযান ফিরছে! সৌদি-কুয়েত ঘাঁটি ও আকাশসীমা খুলে দিল যুক্তরাষ্ট্রকে]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36896</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36896</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 08 May 2026 16:05:20 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Trump Project Freedom, Hormuz Strait operation, Saudi Kuwait allow US bases, Trump Iran talks progress, Saudi Arabia airspace US, Mohammed bin Salman Trump call, Wall Street Journal Hormuz, US military operation Hormuz, Kuwait denies US airspace, Project Freedom restart, Persian Gulf crisis, Trump Saudi relations, Iran retaliation fear, US escort ships Hormuz, Gulf bases for US]]></category>
        
        <description><![CDATA[হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া জাহাজগুলোকে নিরাপদে বের করে আনতে গত রোববার ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নামে বড় অভিযানের ঘোষণা দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু মাত্র দুদিন পরেই সিদ্ধান্ত বদলে ফেলেন তিনি। কারণ হিসেবে ইরানের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতির কথা জানান। তবে গতকাল বৃহস্পতিবার নতুন তথ্য বেরিয়ে এসেছে। প্রথমে সৌদি আরব ও কুয়েত যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের ঘাঁটি ও আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দেয়নি। এ কারণেই ট্রাম্পকে অভিযান স্থগিত করতে হয়। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, সৌদি ও কুয়েত এখন নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্র আবারও ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ চালুর দিকে এগোচ্ছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সূত্র জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহের মধ্যেই অভিযান আবার শুরু হতে পারে। ট্রাম্প যখন রোববার অভিযানের ঘোষণা দেন, তখন আরব দেশগুলো বেশ অবাক হয়ে যায়। কারণ এ ব্যাপারে তাদের সঙ্গে কোনো আগাম আলোচনাই করেনি যুক্তরাষ্ট্র। পরে সৌদি ও কুয়েত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, তারা তাদের ঘাঁটি ও আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেবে না। ট্রাম্প সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানকে ফোন করলেও দুজনের মধ্যে এ বিষয়ে একমত হতে পারেননি। সৌদির এক কর্মকর্তা বলেছেন, ইরানের সম্ভাব্য পাল্টা হামলার বিষয়টিকে যুক্তরাষ্ট্র প্রথমে গুরুত্ব দেয়নি। এছাড়া পরিস্থিতি খারাপ হলে মার্কিনিরা পর্যাপ্ত নিরাপত্তা না দিয়ে চলে যেতে পারে— এমন আশঙ্কায় তারা আকাশসীমা বন্ধ রেখেছিল। এখন নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ায় হরমুজ অভিযান আবার সক্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_5.webp" alt="ট্রাম্পের হরমুজ অভিযান ফিরছে! সৌদি-কুয়েত ঘাঁটি ও আকাশসীমা খুলে দিল যুক্তরাষ্ট্রকে" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ট্রাম্পের হরমুজ অভিযান ফিরছে! সৌদি-কুয়েত ঘাঁটি ও আকাশসীমা খুলে দিল যুক্তরাষ্ট্রকে</h1>
            <p>হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া জাহাজগুলোকে নিরাপদে বের করে আনতে গত রোববার ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নামে বড় অভিযানের ঘোষণা দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু মাত্র দুদিন পরেই সিদ্ধান্ত বদলে ফেলেন তিনি। কারণ হিসেবে ইরানের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতির কথা জানান। তবে গতকাল বৃহস্পতিবার নতুন তথ্য বেরিয়ে এসেছে। প্রথমে সৌদি আরব ও কুয়েত যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের ঘাঁটি ও আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দেয়নি। এ কারণেই ট্রাম্পকে অভিযান স্থগিত করতে হয়। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, সৌদি ও কুয়েত এখন নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্র আবারও ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ চালুর দিকে এগোচ্ছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সূত্র জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহের মধ্যেই অভিযান আবার শুরু হতে পারে। ট্রাম্প যখন রোববার অভিযানের ঘোষণা দেন, তখন আরব দেশগুলো বেশ অবাক হয়ে যায়। কারণ এ ব্যাপারে তাদের সঙ্গে কোনো আগাম আলোচনাই করেনি যুক্তরাষ্ট্র। পরে সৌদি ও কুয়েত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, তারা তাদের ঘাঁটি ও আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেবে না। ট্রাম্প সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানকে ফোন করলেও দুজনের মধ্যে এ বিষয়ে একমত হতে পারেননি। সৌদির এক কর্মকর্তা বলেছেন, ইরানের সম্ভাব্য পাল্টা হামলার বিষয়টিকে যুক্তরাষ্ট্র প্রথমে গুরুত্ব দেয়নি। এছাড়া পরিস্থিতি খারাপ হলে মার্কিনিরা পর্যাপ্ত নিরাপত্তা না দিয়ে চলে যেতে পারে— এমন আশঙ্কায় তারা আকাশসীমা বন্ধ রেখেছিল। এখন নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ায় হরমুজ অভিযান আবার সক্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_5.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_5.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_5.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[থালাপতি বিজয়ের ধাক্কা! ১০৭ বিধায়কসহ পদত্যাগের হুমকি, তামিলনাড়ুতে সরকার গঠন নিয়ে চাঞ্চল্য]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36895</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36895</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 08 May 2026 16:05:16 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[এশিয়া]]></category>
                        <category><![CDATA[Thalapathy Vijay resignation threat, TVK 107 MLAs resign, Tamil Nadu government formation, DMK AIADMK alliance, Tamil Nadu Assembly Election, Vijay TVK party, EPS Chief Minister, Tamil Nadu political crisis, Governor Tamil Nadu, DMK AIADMK post poll alliance, Joseph Vijay politics, Tamil Nadu hung assembly, TVK Congress alliance, Tamil Nadu latest news, Vijay resigns MLA]]></category>
        
        <description><![CDATA[তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েও সরকার গঠন করতে পারছে না থালাপতি বিজয়ের দল তামিলাগা ভেত্রি কোজাগাম (টিভিকে)। সাংবিধানিক জটিলতায় আটকে গেছে তাদের পথ। এর মধ্যেই ডিএমকে ও এআইডিএমকে জোট বেঁধে টিভিকেকে ক্ষমতার বাইরে রাখার পরিকল্পনা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পরিস্থিতি এমন জটিল যে, বিজয়ের দল এখন পদত্যাগের হুমকি দিয়েছে। বিজয় নিজে এখনও মুখ না খুললেও টিভিকের নেতারা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন— যদি ডিএমকে ও এআইডিএমকে জোট করে সরকার গড়ে, তাহলে বিজয়সহ তাদের ১০৭ জন নির্বাচিত বিধায়ক সবাই একসঙ্গে পদত্যাগ করবেন। টিভিকের এক জ্যেষ্ঠ নেতা ইন্ডিয়া টুডেকে বলেন, “জনরায় খণ্ডিত, কিন্তু বৃহত্তম দলকে অবহেলা করা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।” তামিলনাড়ু বিধানসভায় মোট ২৩৪টি আসন। সরকার গঠন করতে হলে দরকার কমপক্ষে ১১৮টি আসন। টিভিকে একাই পেয়েছে ১০৭টি— যা একক দল হিসেবে সর্বোচ্চ। কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করে তাদের মোট হয়েছে ১১২টি, এখনও ৬টি আসন কম। অন্যদিকে ডিএমকে পেয়েছে ৫৯টি ও এআইডিএমকে ৪৭টি আসন। তবে ছোট ছোট দলগুলোর সঙ্গে জোট মিলিয়ে ডিএমকে জোটের আসন দাঁড়িয়েছে ৬৮টি এবং এআইডিএমকের ৫৩টি। দুই দল মিললে মোট ১২১ আসন— যা সহজেই সরকার গঠনের জন্য যথেষ্ট। গত ৬ মে বুধবার বিজয় কংগ্রেস নেতাদের নিয়ে রাজ্যপাল রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আরলেকারের সঙ্গে দেখা করে সরকার গঠনের দাবি জানান। কিন্তু রাজ্যপাল তাকে ১১৮ জনের সমর্থন নিয়ে আসতে বলে ফিরিয়ে দেন। এদিকে খবর এসেছে, ডিএমকে ও এআইডিএমকে গোপনে জোট নিয়ে আলোচনা চালাচ্ছে। ডিএমকের এক উচ্চপর্যায়ের সূত্র এনডিটিভিকে জানিয়েছে, আলোচনা চলছে এবং জোট হলে পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হবেন এআইডিএমকের এড়াপাদ্দি কে. পালানিস্বামী। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই টিভিকে পদত্যাগের হুমকি দিয়েছে। যদি সত্যিই তারা পদত্যাগ করে, তাহলে তামিলনাড়ুতে ফের নতুন বিধানসভা নির্বাচন ছাড়া কোনো উপায় থাকবে না।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_4.webp" alt="থালাপতি বিজয়ের ধাক্কা! ১০৭ বিধায়কসহ পদত্যাগের হুমকি, তামিলনাড়ুতে সরকার গঠন নিয়ে চাঞ্চল্য" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>থালাপতি বিজয়ের ধাক্কা! ১০৭ বিধায়কসহ পদত্যাগের হুমকি, তামিলনাড়ুতে সরকার গঠন নিয়ে চাঞ্চল্য</h1>
            <p>তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েও সরকার গঠন করতে পারছে না থালাপতি বিজয়ের দল তামিলাগা ভেত্রি কোজাগাম (টিভিকে)। সাংবিধানিক জটিলতায় আটকে গেছে তাদের পথ। এর মধ্যেই ডিএমকে ও এআইডিএমকে জোট বেঁধে টিভিকেকে ক্ষমতার বাইরে রাখার পরিকল্পনা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পরিস্থিতি এমন জটিল যে, বিজয়ের দল এখন পদত্যাগের হুমকি দিয়েছে। বিজয় নিজে এখনও মুখ না খুললেও টিভিকের নেতারা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন— যদি ডিএমকে ও এআইডিএমকে জোট করে সরকার গড়ে, তাহলে বিজয়সহ তাদের ১০৭ জন নির্বাচিত বিধায়ক সবাই একসঙ্গে পদত্যাগ করবেন। টিভিকের এক জ্যেষ্ঠ নেতা ইন্ডিয়া টুডেকে বলেন, “জনরায় খণ্ডিত, কিন্তু বৃহত্তম দলকে অবহেলা করা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।” তামিলনাড়ু বিধানসভায় মোট ২৩৪টি আসন। সরকার গঠন করতে হলে দরকার কমপক্ষে ১১৮টি আসন। টিভিকে একাই পেয়েছে ১০৭টি— যা একক দল হিসেবে সর্বোচ্চ। কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করে তাদের মোট হয়েছে ১১২টি, এখনও ৬টি আসন কম। অন্যদিকে ডিএমকে পেয়েছে ৫৯টি ও এআইডিএমকে ৪৭টি আসন। তবে ছোট ছোট দলগুলোর সঙ্গে জোট মিলিয়ে ডিএমকে জোটের আসন দাঁড়িয়েছে ৬৮টি এবং এআইডিএমকের ৫৩টি। দুই দল মিললে মোট ১২১ আসন— যা সহজেই সরকার গঠনের জন্য যথেষ্ট। গত ৬ মে বুধবার বিজয় কংগ্রেস নেতাদের নিয়ে রাজ্যপাল রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আরলেকারের সঙ্গে দেখা করে সরকার গঠনের দাবি জানান। কিন্তু রাজ্যপাল তাকে ১১৮ জনের সমর্থন নিয়ে আসতে বলে ফিরিয়ে দেন। এদিকে খবর এসেছে, ডিএমকে ও এআইডিএমকে গোপনে জোট নিয়ে আলোচনা চালাচ্ছে। ডিএমকের এক উচ্চপর্যায়ের সূত্র এনডিটিভিকে জানিয়েছে, আলোচনা চলছে এবং জোট হলে পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হবেন এআইডিএমকের এড়াপাদ্দি কে. পালানিস্বামী। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই টিভিকে পদত্যাগের হুমকি দিয়েছে। যদি সত্যিই তারা পদত্যাগ করে, তাহলে তামিলনাড়ুতে ফের নতুন বিধানসভা নির্বাচন ছাড়া কোনো উপায় থাকবে না।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_4.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_4.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_4.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[হরমুজে ফের আগুন! যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পাল্টাপাল্টি হামলায় কাঁপছে প্রণালি, যুদ্ধবিরতি ভাঙার শঙ্কা]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36894</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36894</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 08 May 2026 16:05:11 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Hormuz Strait attack, US Iran clash, Iran missile attack US Navy, Strait of Hormuz tension, US strikes Iran port, Iran US ceasefire violation, Khamir Sirik attack, Kesham Island strike, CENTCOM statement, Press TV Iran, Chabahar port attack, Iran tanker attacked, US destroyer targeted, Persian Gulf conflict, Hormuz latest news]]></category>
        
        <description><![CDATA[হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা হয়েছে। চলমান যুদ্ধবিরতির মাঝেও গতকাল বৃহস্পতিবার এই ঘটনা ঘটায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তবে বর্তমানে প্রণালিটি শান্ত রয়েছে বলে উভয় পক্ষই দাবি করেছে। ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশের সময় তাদের দুটি জাহাজকে লক্ষ্য করে গোলা ছুড়েছে মার্কিন নৌবাহিনী। এর মধ্যে একটি ট্যাংকার জাহাজ ও একটি বেসামরিক বাণিজ্যিক জাহাজ ছিল। একই দিন মার্কিন সেনারা পারস্য উপসাগরের কেশম দ্বীপ এবং ইরানের খামির সিরিক সমুদ্রবন্দরে বিমান হামলা চালিয়েছে। জবাবে ইরান হরমুজ প্রণালি ও চাবাহার বন্দরের কাছে মার্কিন নৌবাহিনীর ওপর ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। ইরানের খাতাম আল আনবিয়া হেডকোয়ার্টার্স দাবি করেছে, তাদের হামলায় মার্কিন নৌবাহিনীর উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী বলেছে, টহলরত তাদের জাহাজ লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছিল ইরান, যা থেকেই উত্তেজনা শুরু। মার্কিন কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকোম) এক্স-এ পোস্ট করে জানিয়েছে, ইরান তাদের তিনটি ডেস্ট্রয়ার জাহাজকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও স্পিডবোট ব্যবহার করেছে। তবে কোনো আক্রমণ সফল হয়নি এবং মার্কিন নৌবাহিনীর কোনো সম্পদের ক্ষতি হয়নি। এ ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পর ইরানের প্রেস টিভি জানিয়েছে, দেশটির দ্বীপ, উপকূলীয় এলাকা ও হরমুজ প্রণালিতে আবার স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে এসেছে। এটি যুদ্ধবিরতির মধ্যে প্রথম ঘটনা নয়। এর আগে সোমবার ইরানের ৬টি স্পিডবোট ধ্বংস করে মার্কিন বাহিনী। জবাবে ইরান মার্কিন নৌবাহিনী লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যান্টি-মিসাইল সিস্টেম তা আটকে দেয়।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_3.webp" alt="হরমুজে ফের আগুন! যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পাল্টাপাল্টি হামলায় কাঁপছে প্রণালি, যুদ্ধবিরতি ভাঙার শঙ্কা" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>হরমুজে ফের আগুন! যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পাল্টাপাল্টি হামলায় কাঁপছে প্রণালি, যুদ্ধবিরতি ভাঙার শঙ্কা</h1>
            <p>হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা হয়েছে। চলমান যুদ্ধবিরতির মাঝেও গতকাল বৃহস্পতিবার এই ঘটনা ঘটায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তবে বর্তমানে প্রণালিটি শান্ত রয়েছে বলে উভয় পক্ষই দাবি করেছে। ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশের সময় তাদের দুটি জাহাজকে লক্ষ্য করে গোলা ছুড়েছে মার্কিন নৌবাহিনী। এর মধ্যে একটি ট্যাংকার জাহাজ ও একটি বেসামরিক বাণিজ্যিক জাহাজ ছিল। একই দিন মার্কিন সেনারা পারস্য উপসাগরের কেশম দ্বীপ এবং ইরানের খামির সিরিক সমুদ্রবন্দরে বিমান হামলা চালিয়েছে। জবাবে ইরান হরমুজ প্রণালি ও চাবাহার বন্দরের কাছে মার্কিন নৌবাহিনীর ওপর ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। ইরানের খাতাম আল আনবিয়া হেডকোয়ার্টার্স দাবি করেছে, তাদের হামলায় মার্কিন নৌবাহিনীর উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী বলেছে, টহলরত তাদের জাহাজ লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছিল ইরান, যা থেকেই উত্তেজনা শুরু। মার্কিন কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকোম) এক্স-এ পোস্ট করে জানিয়েছে, ইরান তাদের তিনটি ডেস্ট্রয়ার জাহাজকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও স্পিডবোট ব্যবহার করেছে। তবে কোনো আক্রমণ সফল হয়নি এবং মার্কিন নৌবাহিনীর কোনো সম্পদের ক্ষতি হয়নি। এ ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পর ইরানের প্রেস টিভি জানিয়েছে, দেশটির দ্বীপ, উপকূলীয় এলাকা ও হরমুজ প্রণালিতে আবার স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে এসেছে। এটি যুদ্ধবিরতির মধ্যে প্রথম ঘটনা নয়। এর আগে সোমবার ইরানের ৬টি স্পিডবোট ধ্বংস করে মার্কিন বাহিনী। জবাবে ইরান মার্কিন নৌবাহিনী লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যান্টি-মিসাইল সিস্টেম তা আটকে দেয়।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_3.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_3.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_3.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[কে হবেন বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী? অমিত শাহ আজই করবেন বড় ঘোষণা, টেনশনে জয়ী বিধায়করা!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36893</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36893</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 08 May 2026 16:05:03 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[এশিয়া]]></category>
                        <category><![CDATA[West Bengal CM, Amit Shah Kolkata, BJP West Bengal victory, Who will be West Bengal Chief Minister, Bengal Assembly Election 2026, Suvendu Adhikari, Sukanta Majumdar, Samik Bhattacharya, RSS role BJP, West Bengal swearing in, Modi Amit Shah Bengal, BJP landslide Bengal, New CM Bengal today, Brigad Parade Ground oath, Nitin Navin Bengal, World Bangla Convention Centre]]></category>
        
        <description><![CDATA[পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ভূমিধস জয় পেয়েছে বিজেপি। এখন নতুন সরকার গঠনের পালা। আর সেই সরকারের মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন— সেই বড় সিদ্ধান্ত আজ শুক্রবারেই। ইতোমধ্যে কলকাতায় পৌঁছে গেছেন বিজেপির জ্যেষ্ঠ নেতা ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। গত এক দশকে বহুবার এসেছেন তিনি এ রাজ্যে, কখনও সভাপতি হিসেবে, কখনও মন্ত্রী হিসেবে। কিন্তু এবারের আগমন একেবারে আলাদা। গৈরিক বাংলায় নতুন মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, তা চূড়ান্ত করতেই তার এই সফর। বঙ্গ বিজেপির একাংশের ধারণা, মন্ত্রিসভার তালিকা পকেটে নিয়েই বুধবার রাতে কলকাতায় নেমেছেন অমিত শাহ। জয়ী প্রার্থীদের সঙ্গে বৈঠক নাকি শুধু আনুষ্ঠানিকতা। তবে এক কেন্দ্রীয় নেতা বলছেন, “শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাংলায় বিজেপির সরকার গড়া অমিত শাহের স্বপ্ন ছিল। সেটা পূরণ হয়েছে। এখন কে মুখ্যমন্ত্রী হবেন, সেটা তুচ্ছ বিষয়।” বিজেপির গেরুয়া শিবিরে এখন চাপা উদ্বেগ। মুখে না বললেও অনেক বিধায়কের মনে টেনশন। ৪ মে ভোটের ফল প্রকাশের দিনও তাদের মধ্যে উদ্বেগ ছিল। আজ শুক্রবার নিউটাউনের বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকের আগে সেই টেনশন আরও বেড়েছে। কারণ এখানেই ঠিক হবে কারা মন্ত্রিত্ব পাচ্ছেন। এক জয়ী প্রার্থী বুকে হাত দিয়ে বলেন, “নিজের হার্টবিট নিজেই শুনতে পারছি। এত টেনশন! কেউ বলছে তালিকায় নাম আছে, কেউ বলছে গ্যারান্টি নেই।” রাঢ়বঙ্গের আরেক জয়ী প্রার্থী যোগ করেন, “ভোটে জেতার আশা ছিল না। আমরা তো হারতে হারতেই রাজনীতি করেছি। কিন্তু এবার প্রবল হাওয়ায় জিতে গিয়ে মন্ত্রী হওয়ার স্বপ্নটাও পূরণ করতে চাই।” আজ শুক্রবার দুপুরে বিজেপির জয়ী ২০৭ জন প্রার্থীর সঙ্গে বৈঠক করবেন অমিত শাহ। সেখানে উপস্থিত থাকবেন রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার, কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বনসল ও রাজ্যের সাধারণ সাংগঠনিক সম্পাদক অমিতাভ চক্রবর্তী। মতামত নেওয়ার পর স্থির হবে কে হবেন বিজেপির পরিষদীয় দলনেতা— অর্থাৎ বাংলার পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী। তবে দলীয় সূত্রের খবর, বাংলার মতো গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী ও গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের খসড়া তৈরি হয়েই আছে। এক নেতা বলেন, আরএসএসের পরামর্শ উপেক্ষা করা হয় না। এখন দেখার বিষয় সঙ্ঘ কাকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায়। সবকিছু ঠিক থাকলে আজ মন্ত্রিসভা চূড়ান্ত হলে কাল শনিবারই ব্রিগেডে শপথ নেবেন নতুন বিধায়করা। সেই মেগা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ, বিজেপি সভাপতি নীতিন নবীনসহ বিজেপি শাসিত সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা। এর আগে নিউটাউনের একটি হোটেলে অমিত শাহ বৈঠক করবেন শমীক ভট্টাচার্য, শুভেন্দু অধিকারী ও সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে। সেখানেই সম্ভাব্য মন্ত্রিসভা নিয়ে চূড়ান্ত আলোচনা হবে বলে জানা গেছে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_2.webp" alt="কে হবেন বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী? অমিত শাহ আজই করবেন বড় ঘোষণা, টেনশনে জয়ী বিধায়করা!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>কে হবেন বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী? অমিত শাহ আজই করবেন বড় ঘোষণা, টেনশনে জয়ী বিধায়করা!</h1>
            <p>পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ভূমিধস জয় পেয়েছে বিজেপি। এখন নতুন সরকার গঠনের পালা। আর সেই সরকারের মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন— সেই বড় সিদ্ধান্ত আজ শুক্রবারেই। ইতোমধ্যে কলকাতায় পৌঁছে গেছেন বিজেপির জ্যেষ্ঠ নেতা ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। গত এক দশকে বহুবার এসেছেন তিনি এ রাজ্যে, কখনও সভাপতি হিসেবে, কখনও মন্ত্রী হিসেবে। কিন্তু এবারের আগমন একেবারে আলাদা। গৈরিক বাংলায় নতুন মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, তা চূড়ান্ত করতেই তার এই সফর। বঙ্গ বিজেপির একাংশের ধারণা, মন্ত্রিসভার তালিকা পকেটে নিয়েই বুধবার রাতে কলকাতায় নেমেছেন অমিত শাহ। জয়ী প্রার্থীদের সঙ্গে বৈঠক নাকি শুধু আনুষ্ঠানিকতা। তবে এক কেন্দ্রীয় নেতা বলছেন, “শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাংলায় বিজেপির সরকার গড়া অমিত শাহের স্বপ্ন ছিল। সেটা পূরণ হয়েছে। এখন কে মুখ্যমন্ত্রী হবেন, সেটা তুচ্ছ বিষয়।” বিজেপির গেরুয়া শিবিরে এখন চাপা উদ্বেগ। মুখে না বললেও অনেক বিধায়কের মনে টেনশন। ৪ মে ভোটের ফল প্রকাশের দিনও তাদের মধ্যে উদ্বেগ ছিল। আজ শুক্রবার নিউটাউনের বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকের আগে সেই টেনশন আরও বেড়েছে। কারণ এখানেই ঠিক হবে কারা মন্ত্রিত্ব পাচ্ছেন। এক জয়ী প্রার্থী বুকে হাত দিয়ে বলেন, “নিজের হার্টবিট নিজেই শুনতে পারছি। এত টেনশন! কেউ বলছে তালিকায় নাম আছে, কেউ বলছে গ্যারান্টি নেই।” রাঢ়বঙ্গের আরেক জয়ী প্রার্থী যোগ করেন, “ভোটে জেতার আশা ছিল না। আমরা তো হারতে হারতেই রাজনীতি করেছি। কিন্তু এবার প্রবল হাওয়ায় জিতে গিয়ে মন্ত্রী হওয়ার স্বপ্নটাও পূরণ করতে চাই।” আজ শুক্রবার দুপুরে বিজেপির জয়ী ২০৭ জন প্রার্থীর সঙ্গে বৈঠক করবেন অমিত শাহ। সেখানে উপস্থিত থাকবেন রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার, কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বনসল ও রাজ্যের সাধারণ সাংগঠনিক সম্পাদক অমিতাভ চক্রবর্তী। মতামত নেওয়ার পর স্থির হবে কে হবেন বিজেপির পরিষদীয় দলনেতা— অর্থাৎ বাংলার পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী। তবে দলীয় সূত্রের খবর, বাংলার মতো গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী ও গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের খসড়া তৈরি হয়েই আছে। এক নেতা বলেন, আরএসএসের পরামর্শ উপেক্ষা করা হয় না। এখন দেখার বিষয় সঙ্ঘ কাকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায়। সবকিছু ঠিক থাকলে আজ মন্ত্রিসভা চূড়ান্ত হলে কাল শনিবারই ব্রিগেডে শপথ নেবেন নতুন বিধায়করা। সেই মেগা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ, বিজেপি সভাপতি নীতিন নবীনসহ বিজেপি শাসিত সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা। এর আগে নিউটাউনের একটি হোটেলে অমিত শাহ বৈঠক করবেন শমীক ভট্টাচার্য, শুভেন্দু অধিকারী ও সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে। সেখানেই সম্ভাব্য মন্ত্রিসভা নিয়ে চূড়ান্ত আলোচনা হবে বলে জানা গেছে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_2.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_2.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_2.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ট্রাম্পের ১০% শুল্কে বড় ধাক্কা! আদালত বলছে অবৈধ, বিশ্ব বাণিজ্যে উত্তেজনা]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36892</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36892</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Fri, 08 May 2026 16:05:03 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[যুক্তরাজ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Trump 10% tariff illegal, US court ruling, Baseline Tariff, Donald Trump tariff policy, IEEPA, Supreme Court Trump tariff, US trade war, Reciprocal Tariff, China India Canada tariffs, US Customs Revenue, Trade Act 1974, Federal Circuit Court, International Emergency Economic Powers Act, Trump appeal tariff, Global trade impact]]></category>
        
        <description><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য করা প্রায় সব দেশের ওপর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপ করা ১০ শতাংশ ‘বেইসলাইন শুল্ক’কে অবৈধ ঘোষণা করেছে আমেরিকার নিউইয়র্কের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আদালত। এই আদালত ফেডারেল হাইকোর্টের সমমর্যাদার। গতকাল বৃহস্পতিবার দেওয়া রায়ে আদালতের তিন বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়েছে, ট্রাম্প যে আইনের (আইইইপিএ) জোরে এই শুল্ক আরোপ করেছিলেন, সেই আইন আসলে তাকে এমন নির্দেশ দেওয়ার অনুমতি দেয় না। বেঞ্চের দুই বিচারক এই রায়ের পক্ষে ছিলেন, তবে একজন বিচারক বলেছেন শুল্কটি আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক নয়। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন যদি এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে চায় তাহলে প্রথমে ওয়াশিংটনের ইউএস কোর্ট অব আপিল ফর দ্য ফেডারেল সার্কিটে যেতে হবে। সেখানেও হারলে শেষ ভরসা সুপ্রিম কোর্ট। প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের ২ এপ্রিল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ১৯৭৭ সালের ইন্টারন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ইকোনমিক পাওয়ার অ্যাক্ট (আইইইপিএ)-এর আওতায় এই নতুন শুল্ক নীতি ঘোষণা করেন। এতে ১০ শতাংশ বেইসলাইন শুল্কের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের ওপর পাল্টাপাল্টি শুল্ক (রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ) আরোপ করা হয়। পরে চীন, ভারত, কানাডা, মেক্সিকো, ব্রাজিলসহ অনেক দেশের সঙ্গে বাণিজ্য যুদ্ধে এই শুল্ককে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছেন ট্রাম্প। এই শুল্ক নীতির কারণে গত প্রায় এক বছরে যুক্তরাষ্ট্র শুধু শুল্ক থেকেই অতিরিক্ত ১৩ দশমিক ৩৫ হাজার কোটি ডলার আয় করেছে। এর আগে চলতি ২০২৬ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্পের শুল্ক নীতিকে অবৈধ বলে রায় দিয়েছিল। সেই রায়ের পর ট্রাম্প ১৯৭৪ সালের ট্রেড অ্যাক্টের আওতায় বিশ্বের প্রায় সব দেশের ওপর অস্থায়ী ১০ শতাংশ শুল্ক বসান। তিনি জানিয়েছিলেন, এই শুল্ক ১৫০ দিন কার্যকর থাকবে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দেওয়া সময় অনুযায়ী, আগামী ২৪ জুলাই এই অস্থায়ী শুল্কের মেয়াদ শেষ হবে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_1.webp" alt="ট্রাম্পের ১০% শুল্কে বড় ধাক্কা! আদালত বলছে অবৈধ, বিশ্ব বাণিজ্যে উত্তেজনা" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ট্রাম্পের ১০% শুল্কে বড় ধাক্কা! আদালত বলছে অবৈধ, বিশ্ব বাণিজ্যে উত্তেজনা</h1>
            <p>যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য করা প্রায় সব দেশের ওপর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপ করা ১০ শতাংশ ‘বেইসলাইন শুল্ক’কে অবৈধ ঘোষণা করেছে আমেরিকার নিউইয়র্কের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আদালত। এই আদালত ফেডারেল হাইকোর্টের সমমর্যাদার। গতকাল বৃহস্পতিবার দেওয়া রায়ে আদালতের তিন বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়েছে, ট্রাম্প যে আইনের (আইইইপিএ) জোরে এই শুল্ক আরোপ করেছিলেন, সেই আইন আসলে তাকে এমন নির্দেশ দেওয়ার অনুমতি দেয় না। বেঞ্চের দুই বিচারক এই রায়ের পক্ষে ছিলেন, তবে একজন বিচারক বলেছেন শুল্কটি আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক নয়। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন যদি এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে চায় তাহলে প্রথমে ওয়াশিংটনের ইউএস কোর্ট অব আপিল ফর দ্য ফেডারেল সার্কিটে যেতে হবে। সেখানেও হারলে শেষ ভরসা সুপ্রিম কোর্ট। প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের ২ এপ্রিল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ১৯৭৭ সালের ইন্টারন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ইকোনমিক পাওয়ার অ্যাক্ট (আইইইপিএ)-এর আওতায় এই নতুন শুল্ক নীতি ঘোষণা করেন। এতে ১০ শতাংশ বেইসলাইন শুল্কের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের ওপর পাল্টাপাল্টি শুল্ক (রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ) আরোপ করা হয়। পরে চীন, ভারত, কানাডা, মেক্সিকো, ব্রাজিলসহ অনেক দেশের সঙ্গে বাণিজ্য যুদ্ধে এই শুল্ককে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছেন ট্রাম্প। এই শুল্ক নীতির কারণে গত প্রায় এক বছরে যুক্তরাষ্ট্র শুধু শুল্ক থেকেই অতিরিক্ত ১৩ দশমিক ৩৫ হাজার কোটি ডলার আয় করেছে। এর আগে চলতি ২০২৬ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্পের শুল্ক নীতিকে অবৈধ বলে রায় দিয়েছিল। সেই রায়ের পর ট্রাম্প ১৯৭৪ সালের ট্রেড অ্যাক্টের আওতায় বিশ্বের প্রায় সব দেশের ওপর অস্থায়ী ১০ শতাংশ শুল্ক বসান। তিনি জানিয়েছিলেন, এই শুল্ক ১৫০ দিন কার্যকর থাকবে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দেওয়া সময় অনুযায়ী, আগামী ২৪ জুলাই এই অস্থায়ী শুল্কের মেয়াদ শেষ হবে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-8-5-26_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[১৬ কোটি টাকা লোকসান! বিপিএল নিয়ে ক্ষোভ ঝাড়লেন তামিম, কাকে জবাব চাইলেন?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/36891</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/36891</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 07 May 2026 18:05:16 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ক্রিকেট]]></category>
                        <category><![CDATA[BPL 2025 financial loss, Tamim Iqbal on Bulbul accountability, BCB ad-hoc committee BPL, franchise no contract issue, BPL payment crisis, Aminul Islam Bulbul BPL role, 16 crore loss BPL, Bangladesh cricket news, BPL franchise ownership problem, Tamim press conference Mirpur, BPL mismanagement, cricket Bangladesh human interest, BPL bank guarantee issue, franchise no bid BPL, Tamim accountability statement]]></category>
        
        <description><![CDATA[শেষ বিপিএল আসর শেষ হয়েছে চার মাস আগে। কিন্তু তার ঝড় এখনও থামেনি। মালিকানা আর পেমেন্ট ইস্যু নিয়ে তোলপাড় চলছেই। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো, গেল আসরে দুটি দল কোনো চুক্তি ছাড়াই খেলেছে! ব্যাংক গ্যারান্টির পুরো টাকাও নেয়া হয়নি। এবার সেই প্রসঙ্গেই সরব হলেন বিসিবির অ্যাড-হক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবাল। বৃহস্পতিবার মিরপুরে সংবাদ সম্মেলনে তামিম বলেন, ‘দুইটা ফ্র্যাঞ্চাইজি একটা মৌসুম খেলে ফেলেছে অথচ চুক্তিই হয় নাই। এটাকে কী আপনি শুধু ভুল বলবেন? না, এখানে জবাবদিহিতা চাই।’ তামিম সরাসরি প্রাক্তন বিপিএল কমিটির প্রধান আমিনুল ইসলাম বুলবুলের কথাও টেনে আনেন। তিনি বলেন, ‘তাহলে উনাকে জবাবদিহিতা করতে হবে। সে কী কারণে ১০ কোটি টাকার জায়গায় ৩ কোটি টাকা নিয়েছেন? একটা দলকে ফ্র্যাঞ্চাইজি নিতে না করা উচিত ছিল, সেটা কেন দেওয়া হয়েছে? সব প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে।’ তবে তামিম সাফ জানিয়ে দেন, ব্যক্তিগত আক্রমণ নয় তাঁর উদ্দেশ্য। তিনি বলেন, ‘আমি কাউকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করতে চাই না। ফ্যাক্ট নিয়ে আলোচনা করছি। কেউ যদি ভুল করে থাকে, তাকে জবাবদিহিতা করতে হবে—যেই হোক না কেন। আমি যদি এখন কোনো ভুল করি, তাহলে আমাকেও জবাব দিতে হবে।’ গেল বিপিএলে কত টাকা লোকসান হয়েছে? তামিম বলেন, ‘পুরোপুরি নিশ্চিত না, তবে ১৪-১৬ কোটি টাকা লস হতে পারে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে বাংলাদেশে আপনি কাল সকালে ঘুম থেকে উঠেও ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিক হতে পারবেন।’  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_28.webp" alt="১৬ কোটি টাকা লোকসান! বিপিএল নিয়ে ক্ষোভ ঝাড়লেন তামিম, কাকে জবাব চাইলেন?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>১৬ কোটি টাকা লোকসান! বিপিএল নিয়ে ক্ষোভ ঝাড়লেন তামিম, কাকে জবাব চাইলেন?</h1>
            <p>শেষ বিপিএল আসর শেষ হয়েছে চার মাস আগে। কিন্তু তার ঝড় এখনও থামেনি। মালিকানা আর পেমেন্ট ইস্যু নিয়ে তোলপাড় চলছেই। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো, গেল আসরে দুটি দল কোনো চুক্তি ছাড়াই খেলেছে! ব্যাংক গ্যারান্টির পুরো টাকাও নেয়া হয়নি। এবার সেই প্রসঙ্গেই সরব হলেন বিসিবির অ্যাড-হক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবাল। বৃহস্পতিবার মিরপুরে সংবাদ সম্মেলনে তামিম বলেন, ‘দুইটা ফ্র্যাঞ্চাইজি একটা মৌসুম খেলে ফেলেছে অথচ চুক্তিই হয় নাই। এটাকে কী আপনি শুধু ভুল বলবেন? না, এখানে জবাবদিহিতা চাই।’ তামিম সরাসরি প্রাক্তন বিপিএল কমিটির প্রধান আমিনুল ইসলাম বুলবুলের কথাও টেনে আনেন। তিনি বলেন, ‘তাহলে উনাকে জবাবদিহিতা করতে হবে। সে কী কারণে ১০ কোটি টাকার জায়গায় ৩ কোটি টাকা নিয়েছেন? একটা দলকে ফ্র্যাঞ্চাইজি নিতে না করা উচিত ছিল, সেটা কেন দেওয়া হয়েছে? সব প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে।’ তবে তামিম সাফ জানিয়ে দেন, ব্যক্তিগত আক্রমণ নয় তাঁর উদ্দেশ্য। তিনি বলেন, ‘আমি কাউকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করতে চাই না। ফ্যাক্ট নিয়ে আলোচনা করছি। কেউ যদি ভুল করে থাকে, তাকে জবাবদিহিতা করতে হবে—যেই হোক না কেন। আমি যদি এখন কোনো ভুল করি, তাহলে আমাকেও জবাব দিতে হবে।’ গেল বিপিএলে কত টাকা লোকসান হয়েছে? তামিম বলেন, ‘পুরোপুরি নিশ্চিত না, তবে ১৪-১৬ কোটি টাকা লস হতে পারে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে বাংলাদেশে আপনি কাল সকালে ঘুম থেকে উঠেও ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিক হতে পারবেন।’  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_28.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_28.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_28.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[বাবর পাকিস্তানের সেরা ব্যাটারদের একজন’, কী বললেন শান মাসুদ?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/36890</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/36890</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 07 May 2026 18:05:41 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ক্রিকেট]]></category>
                        <category><![CDATA[Shan Masood statement on Babar Azam, Pakistan Test captain press conference, Bangladesh vs Pakistan Test series 2024, Babar Azam form PSL, new Pakistan coaching staff, Sarfaraz Ahmed coach, Asad Shafiq batting coach, Bangladesh T20 win over Pakistan, Pakistan revenge not focus, good brand of cricket, Mirpur Test match, Bangladesh conditions advantage, Babar best Pakistani batsman, human interest cricket news, Shan Masood Bangla interview]]></category>
        
        <description><![CDATA[পাকিস্তান টেস্ট দল এখন বাংলাদেশে। দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ শুরু আগামীকাল মিরপুরে। তার আগে বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে এলেন পাকিস্তান অধিনায়ক শান মাসুদ। তিনি জানালেন, বাবর আজমের রানে ফেরাটা তাদের জন্য বড় স্বস্তি। মাসুদ বললেন, ‘বাবর পাকিস্তানে জন্ম নেওয়া সেরা ব্যাটারদের একজন। তাকে রানে দেখা মানেই দারুণ লাগে। রান পেলে আত্মবিশ্বাসটা থাকে। বাবর এখন ফর্মে আছে, রান পাচ্ছে, এটা খুব ভালো খবর। আশা রাখি টেস্টেও সে পিএসএলের মতো রান করবে।’ নতুন কোচিং স্টাফ নিয়ে মাসুদ বলেন, ‘আমরা যাদের সঙ্গে খেলতাম, তারাই এখন কোচ। সরফরাজ ভাই former captain, উনার নেতৃত্বে খেলেছি। আসাদ শফিক ভাইও অন্যতম সেরা ব্যাটার ছিলেন। আমার ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে তার সঙ্গেও খেলেছি। আমরা সবাই একে অপরকে খুব ভালো চিনি। তারা জানে কীভাবে আমাদের থেকে সেরাটা বের করে আনতে হয়। তাই নতুন লাগছে না।’ এর আগে টি-টোয়েন্টি সিরিজে বাংলাদেশ পাকিস্তানকে হারিয়েছিল। এবার টেস্ট সিরিজ জিতলে সেই হার কি প্রতিশোধ নেওয়া হবে? মাসুদ বলেন, ‘প্রতিশোধ নিয়ে ভাবতে চাই না। ওরা যেভাবে টি-টোয়েন্টিতে আমাদের হারিয়েছে, বাংলাদেশকে কৃতিত্ব দিতেই হবে। তারা এই কন্ডিশনে ভালো খেলে। তবে ভালো খেলেই ওরা জিতেছে। আমরা জেনে রাখি ওদের শক্তির জায়গা। মুলতানে ২৬ রানে ৬ উইকেট হারিয়েও ম্যাচ জিতেছিল ওরা। কাউকে হালকাভাবে নেব না। আবার প্রতিশোধ নিয়েও ভাবছি না। শুধু ভালো খেলে জিততে চাই। ভালো ব্র্যান্ডের ক্রিকেট খেলতে চাই।’  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_27.webp" alt="বাবর পাকিস্তানের সেরা ব্যাটারদের একজন’, কী বললেন শান মাসুদ?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>বাবর পাকিস্তানের সেরা ব্যাটারদের একজন’, কী বললেন শান মাসুদ?</h1>
            <p>পাকিস্তান টেস্ট দল এখন বাংলাদেশে। দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ শুরু আগামীকাল মিরপুরে। তার আগে বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে এলেন পাকিস্তান অধিনায়ক শান মাসুদ। তিনি জানালেন, বাবর আজমের রানে ফেরাটা তাদের জন্য বড় স্বস্তি। মাসুদ বললেন, ‘বাবর পাকিস্তানে জন্ম নেওয়া সেরা ব্যাটারদের একজন। তাকে রানে দেখা মানেই দারুণ লাগে। রান পেলে আত্মবিশ্বাসটা থাকে। বাবর এখন ফর্মে আছে, রান পাচ্ছে, এটা খুব ভালো খবর। আশা রাখি টেস্টেও সে পিএসএলের মতো রান করবে।’ নতুন কোচিং স্টাফ নিয়ে মাসুদ বলেন, ‘আমরা যাদের সঙ্গে খেলতাম, তারাই এখন কোচ। সরফরাজ ভাই former captain, উনার নেতৃত্বে খেলেছি। আসাদ শফিক ভাইও অন্যতম সেরা ব্যাটার ছিলেন। আমার ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে তার সঙ্গেও খেলেছি। আমরা সবাই একে অপরকে খুব ভালো চিনি। তারা জানে কীভাবে আমাদের থেকে সেরাটা বের করে আনতে হয়। তাই নতুন লাগছে না।’ এর আগে টি-টোয়েন্টি সিরিজে বাংলাদেশ পাকিস্তানকে হারিয়েছিল। এবার টেস্ট সিরিজ জিতলে সেই হার কি প্রতিশোধ নেওয়া হবে? মাসুদ বলেন, ‘প্রতিশোধ নিয়ে ভাবতে চাই না। ওরা যেভাবে টি-টোয়েন্টিতে আমাদের হারিয়েছে, বাংলাদেশকে কৃতিত্ব দিতেই হবে। তারা এই কন্ডিশনে ভালো খেলে। তবে ভালো খেলেই ওরা জিতেছে। আমরা জেনে রাখি ওদের শক্তির জায়গা। মুলতানে ২৬ রানে ৬ উইকেট হারিয়েও ম্যাচ জিতেছিল ওরা। কাউকে হালকাভাবে নেব না। আবার প্রতিশোধ নিয়েও ভাবছি না। শুধু ভালো খেলে জিততে চাই। ভালো ব্র্যান্ডের ক্রিকেট খেলতে চাই।’  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_27.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_27.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_27.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[জোড়াতালি দিয়ে বিপিএল চাই না’, কী চমক বার্তা দিলেন তামিম ইকবাল!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/36889</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/36889</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 07 May 2026 18:05:58 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ক্রিকেট]]></category>
                        <category><![CDATA[Tamim Iqbal BPL statement, BPL franchise crisis, no patchwork BPL, BCB Ad Hoc Committee, BPL 2025 fixing issue, player payment problem Bangladesh, Tamim Iqbal press conference Mirpur, BPL future uncertain, Fahim Sinha BCB, Sylhet and Noakhali BPL team, Chattogram Royals BCB, Cricketers welfare Bangladesh, BPL organization challenges, franchise based league Bangladesh, Tamim Iqbal cricket news]]></category>
        
        <description><![CDATA[বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) নিয়ে শেষ দুই আসরে নানা বিতর্কের শেষ নেই। গেল ২০২৫ সালেই ফিক্সিং আর পেমেন্ট ইস্যুতে তোলপাড় কাটে টুর্নামেন্টটা। তাছাড়া দল গঠন থেকে শুরু করে নানা অব্যবস্থাপনার কথাও কম শোনা যায়নি। এবার চমক দিলেন বিপিএল কর্তাদের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবাল। তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন, জোড়াতালি দিয়ে কোনো টুর্নামেন্ট করতে রাজি নন তিনি। বৃহস্পতিবার মিরপুরে সংবাদ সম্মেলনে তামিম বললেন, ‘আমি জোড়াতালি দিয়ে বিপিএলের মতো টুর্নামেন্ট করব না। আমরা যদি ফ্র্যাঞ্চাইজি না পাই, তাহলে মনে হয় না বিপিএল করা উচিত। শুধু করতেই হবে—এমন চিন্তা থেকে বিপিএল না করাই ভালো। আমি সব সময় চাই নিয়মিত বিপিএল হোক। তবে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে ফ্র্যাঞ্চাইজি।’ একটু থেমে তামিম আরও বলেন, ‘আমি যদি কোনো কাজ করি, যার কারণে বিসিবি ভোগান্তিতে পড়ে, তাহলে সেটার দায়িত্ব আমাকেই নিতে হবে। ভুল তো সবার হতে পারে। কিন্তু জেনেশুনে ভুল করাটা অপরাধ।’ একই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডহক কমিটির সদস্য ফাহিম সিনহা। তিনি জানান, ‘দুটি দলের সঙ্গেই চুক্তি হয়নি। অথচ তারা একটা আসর খেলে ফেলেছে (সিলেট ও নোয়াখালী)। চট্টগ্রাম রয়্যালসের দায়িত্ব বিসিবি নিজে নিয়েছিল। বিসিবির ভুল সিদ্ধান্তের কারণেই এখন ভুগতে হচ্ছে। সামনে যেন এমন না হয়, সেটা নিশ্চিত করব। কোয়াবের প্রেসিডেন্ট মিঠুনের সঙ্গে কথা হয়েছে। খেলোয়াড়দের চুক্তি কীভাবে হবে, সেটাতে বিসিবি নির্দেশনা দেবে, যেন খেলোয়াড়রা সমস্যায় না পড়েন।’  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_26.webp" alt="জোড়াতালি দিয়ে বিপিএল চাই না’, কী চমক বার্তা দিলেন তামিম ইকবাল!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>জোড়াতালি দিয়ে বিপিএল চাই না’, কী চমক বার্তা দিলেন তামিম ইকবাল!</h1>
            <p>বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) নিয়ে শেষ দুই আসরে নানা বিতর্কের শেষ নেই। গেল ২০২৫ সালেই ফিক্সিং আর পেমেন্ট ইস্যুতে তোলপাড় কাটে টুর্নামেন্টটা। তাছাড়া দল গঠন থেকে শুরু করে নানা অব্যবস্থাপনার কথাও কম শোনা যায়নি। এবার চমক দিলেন বিপিএল কর্তাদের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবাল। তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন, জোড়াতালি দিয়ে কোনো টুর্নামেন্ট করতে রাজি নন তিনি। বৃহস্পতিবার মিরপুরে সংবাদ সম্মেলনে তামিম বললেন, ‘আমি জোড়াতালি দিয়ে বিপিএলের মতো টুর্নামেন্ট করব না। আমরা যদি ফ্র্যাঞ্চাইজি না পাই, তাহলে মনে হয় না বিপিএল করা উচিত। শুধু করতেই হবে—এমন চিন্তা থেকে বিপিএল না করাই ভালো। আমি সব সময় চাই নিয়মিত বিপিএল হোক। তবে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে ফ্র্যাঞ্চাইজি।’ একটু থেমে তামিম আরও বলেন, ‘আমি যদি কোনো কাজ করি, যার কারণে বিসিবি ভোগান্তিতে পড়ে, তাহলে সেটার দায়িত্ব আমাকেই নিতে হবে। ভুল তো সবার হতে পারে। কিন্তু জেনেশুনে ভুল করাটা অপরাধ।’ একই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডহক কমিটির সদস্য ফাহিম সিনহা। তিনি জানান, ‘দুটি দলের সঙ্গেই চুক্তি হয়নি। অথচ তারা একটা আসর খেলে ফেলেছে (সিলেট ও নোয়াখালী)। চট্টগ্রাম রয়্যালসের দায়িত্ব বিসিবি নিজে নিয়েছিল। বিসিবির ভুল সিদ্ধান্তের কারণেই এখন ভুগতে হচ্ছে। সামনে যেন এমন না হয়, সেটা নিশ্চিত করব। কোয়াবের প্রেসিডেন্ট মিঠুনের সঙ্গে কথা হয়েছে। খেলোয়াড়দের চুক্তি কীভাবে হবে, সেটাতে বিসিবি নির্দেশনা দেবে, যেন খেলোয়াড়রা সমস্যায় না পড়েন।’  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_26.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_26.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_26.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[শেষবার আর্সেনাল-পিএসজি লড়াইয়ে কী হয়েছিল? মনে করিয়ে দিলেন চ্যাম্পিয়নরা!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/36888</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/36888</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 07 May 2026 18:05:19 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ফুটবল]]></category>
                        <category><![CDATA[Arsenal vs PSG final 2026, Champions League rematch, Arsenal revenge semifinal 2024, PSG back to back title chance, Donnarumma best saves, Arsenal 20 years final, Puskas Arena final, Bukayo Saka goal, Fabian Ruiz stunning goal, Mikel Arteta tactics, Luis Enrique PSG, Odegaard Martinelli chances, Vitinha midfield control, Hakimi decisive goal, human interest football story]]></category>
        
        <description><![CDATA[চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল সামনে। টানা দ্বিতীয়বার শিরোপা জিততে মরিয়া পিএসজি। আর ২০ বছর পর ফাইনালে উঠে প্রথম ট্রফি ছুঁতে চায় আর্সেনাল। স্বাভাবিকভাবেই দুই শিবিরে উত্তেজনা চরমে। গানারদের জন্য এটি প্রতিশোধের ম্যাচ, আর পিএসজির সামনে ঐতিহাসিক সুযোগ—২০১৬ সালের পর প্রথম দল হিসেবে টানা দুইবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার। মাত্র এক বছর আগে শেষ দেখা হয়েছিল এই দুই দলের। ২০২৪-২৫ মৌসুমের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সেমিফাইনালে আর্সেনালের ইউরোপীয় স্বপ্ন ভেঙে দিয়েছিল পিএসজি। লুইস এনরিকের দল গানারদের ৩-১ গোলের লিডে উড়িয়ে দিয়েছিল। তারপর ফাইনালে ইন্টার মিলানকে ৫-০ গোলে হারিয়ে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয় ফরাসিরা। এবার প্রতিশোধের আগুন জ্বালিয়ে সেই একই মঞ্চে নামবে আর্সেনাল। শেষ লড়াইটা হয়েছিল পার্ক দে প্রিন্সেসে, সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে। পিএসজি লন্ডনে প্রথম লেগ ১-০ গোলে জিতেছিল। প্যারিসে গিয়ে আর্সেনাল শুরু করেছিল দারুণ। ডেকলান রাইস গোলের খুব কাছাকাছি চলে গিয়েছিলেন। গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি আর মার্টিন ওডেগার্ডের দুর্দান্ত শট রুখে দেন দোনারুমা। আর্সেনালের চাপাচাপিতে ঘাম ছুটেছিল পিএসজির, কিন্তু টিকে যায় এনরিকের দল। ২৭তম মিনিটে ফ্যাবিয়ান রুইজের অসাধারণ হাফ ভলি গোলে এগিয়ে যায় পিএসজি। ফ্রি কিক ক্লিয়ার করতে পারেনি আর্সেনাল। দুই লেগ মিলিয়ে ২-০ লিড পেয়ে যায় তারা। দ্বিতীয়ার্ধে নাটক আরও জমে ওঠে। ভিএআরে হ্যান্ডবলের কারণে আর্সেনালের বিরুদ্ধে পেনাল্টি পায় পিএসজি। কিন্তু দাভিদ রায়া অসাধারণ সেভে ভিতিনহাকে আটকে দেন। কিন্তু ৭২তম মিনিটে আশরাফ হাকিমির বাঁকানো শটে দ্বিতীয় গোল হজম করে আর্সেনাল। বুকায়ো সাকা একটি গোল শোধ দিলেও আর প্রত্যাবর্তন হয়নি গানারদের। ওই ম্যাচের নায়ক ছিলেন দোনারুমা। দুই লেগে তার দারুণ সেভ আর্সেনালের দাপটের মাঝেও পিএসজির স্বপ্ন বাঁচিয়ে রেখেছিল। আর্সেনাল বল দখলে রেখে সুযোগ তৈরি করছিল, কিন্তু পিএসজির বিধ্বংসী কাউন্টার আর নিখুঁত ফিনিশিংয়ে হার মানে। বিশেষ করে ভিতিনহা, জোয়ান নেভেস ও রুইজ মিডফিল্ডে বাধা হয়ে দাঁড়ান। এবার বুদাপেস্টে পুসকাস এরেনায় ফাইনাল। ৩০ মে শুধু চ্যাম্পিয়ন নির্ধারণ হবে না, হার ভুলে প্রতিশোধ নেওয়ার মঞ্চ তৈরি হয়েছে আর্সেনালের জন্য।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_25.webp" alt="শেষবার আর্সেনাল-পিএসজি লড়াইয়ে কী হয়েছিল? মনে করিয়ে দিলেন চ্যাম্পিয়নরা!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>শেষবার আর্সেনাল-পিএসজি লড়াইয়ে কী হয়েছিল? মনে করিয়ে দিলেন চ্যাম্পিয়নরা!</h1>
            <p>চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল সামনে। টানা দ্বিতীয়বার শিরোপা জিততে মরিয়া পিএসজি। আর ২০ বছর পর ফাইনালে উঠে প্রথম ট্রফি ছুঁতে চায় আর্সেনাল। স্বাভাবিকভাবেই দুই শিবিরে উত্তেজনা চরমে। গানারদের জন্য এটি প্রতিশোধের ম্যাচ, আর পিএসজির সামনে ঐতিহাসিক সুযোগ—২০১৬ সালের পর প্রথম দল হিসেবে টানা দুইবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার। মাত্র এক বছর আগে শেষ দেখা হয়েছিল এই দুই দলের। ২০২৪-২৫ মৌসুমের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সেমিফাইনালে আর্সেনালের ইউরোপীয় স্বপ্ন ভেঙে দিয়েছিল পিএসজি। লুইস এনরিকের দল গানারদের ৩-১ গোলের লিডে উড়িয়ে দিয়েছিল। তারপর ফাইনালে ইন্টার মিলানকে ৫-০ গোলে হারিয়ে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয় ফরাসিরা। এবার প্রতিশোধের আগুন জ্বালিয়ে সেই একই মঞ্চে নামবে আর্সেনাল। শেষ লড়াইটা হয়েছিল পার্ক দে প্রিন্সেসে, সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে। পিএসজি লন্ডনে প্রথম লেগ ১-০ গোলে জিতেছিল। প্যারিসে গিয়ে আর্সেনাল শুরু করেছিল দারুণ। ডেকলান রাইস গোলের খুব কাছাকাছি চলে গিয়েছিলেন। গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি আর মার্টিন ওডেগার্ডের দুর্দান্ত শট রুখে দেন দোনারুমা। আর্সেনালের চাপাচাপিতে ঘাম ছুটেছিল পিএসজির, কিন্তু টিকে যায় এনরিকের দল। ২৭তম মিনিটে ফ্যাবিয়ান রুইজের অসাধারণ হাফ ভলি গোলে এগিয়ে যায় পিএসজি। ফ্রি কিক ক্লিয়ার করতে পারেনি আর্সেনাল। দুই লেগ মিলিয়ে ২-০ লিড পেয়ে যায় তারা। দ্বিতীয়ার্ধে নাটক আরও জমে ওঠে। ভিএআরে হ্যান্ডবলের কারণে আর্সেনালের বিরুদ্ধে পেনাল্টি পায় পিএসজি। কিন্তু দাভিদ রায়া অসাধারণ সেভে ভিতিনহাকে আটকে দেন। কিন্তু ৭২তম মিনিটে আশরাফ হাকিমির বাঁকানো শটে দ্বিতীয় গোল হজম করে আর্সেনাল। বুকায়ো সাকা একটি গোল শোধ দিলেও আর প্রত্যাবর্তন হয়নি গানারদের। ওই ম্যাচের নায়ক ছিলেন দোনারুমা। দুই লেগে তার দারুণ সেভ আর্সেনালের দাপটের মাঝেও পিএসজির স্বপ্ন বাঁচিয়ে রেখেছিল। আর্সেনাল বল দখলে রেখে সুযোগ তৈরি করছিল, কিন্তু পিএসজির বিধ্বংসী কাউন্টার আর নিখুঁত ফিনিশিংয়ে হার মানে। বিশেষ করে ভিতিনহা, জোয়ান নেভেস ও রুইজ মিডফিল্ডে বাধা হয়ে দাঁড়ান। এবার বুদাপেস্টে পুসকাস এরেনায় ফাইনাল। ৩০ মে শুধু চ্যাম্পিয়ন নির্ধারণ হবে না, হার ভুলে প্রতিশোধ নেওয়ার মঞ্চ তৈরি হয়েছে আর্সেনালের জন্য।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_25.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_25.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_25.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[মিরপুরের উইকেট যেন পাকিস্তানের মাঠ! কী সুখবর দিলেন শান মাসুদ]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/36887</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/36887</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 07 May 2026 18:05:33 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ক্রিকেট]]></category>
                        <category><![CDATA[Shan Masood confident Mirpur wicket, Pakistan vs Bangladesh Test 2024, Mirpur pitch like Pakistan, Bangladesh best pace attack ever, Shan Masood press conference, Pakistan Test team preparation, Bangladesh Pakistan head to head, Mirpur grass pitch, red ball series Bangladesh, Pakistan captain statement, human interest cricket news, Shakib Al Hasan missing, Test cricket return after long gap, spin friendly wicket Mirpur, Bangladesh pace bowling skill]]></category>
        
        <description><![CDATA[পাকিস্তানের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ দিয়ে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। আর ম্যাচের আগে বড় কথা বলে দিলেন অতিথি অধিনায়ক শান মাসুদ। তাঁর মতে, মিরপুরের উইকেট পাকিস্তানের ঘরের মাঠের মতোই হবে। আশ্চর্য হলেও সত্যি, মাসুদ এতে দারুণ আত্মবিশ্বাসীও। প্রথম টেস্টের আগে বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে শান মাসুদ জানান, ‘পিচে ঘাস আছে মনে হচ্ছে। কাল সকালে পরিষ্কার বুঝতে পারব। গত আড়াই বছরে আমরা অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকায় খেলেছি। বাংলাদেশ আর পাকিস্তানের উইকেট প্রায় একই রকম হয়। পেস হোক আর স্পিন, আমাদের দল সব কিছুর জন্য প্রস্তুত।’ মাসুদ বাংলাদেশের পেস বোলিং নিয়েও কথা বলেছেন। তাঁর ভাষায়, ‘বাংলাদেশের পেস আক্রমণ সত্যিই মুগ্ধকর। তারা রাওয়ালপিন্ডিতে সিরিজ জিতেছিল। বাঁহাতি-ডানহাতি মিলিয়ে দারুণ স্কিল আছে। এটা সম্ভবত আমার দেখা বাংলাদেশের সেরা পেস আক্রমণ।’ তবে কে এগিয়ে—বাংলাদেশ না পাকিস্তান? মাসুদ সোজা বলেছেন, ‘আমরা তুলনা করতে চাই না। ওদের কোয়ালিটি আছে, আমাদেরও আছে।’ অনেক দিন পর টেস্ট খেলছে পাকিস্তান। তাই পেসারদের প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে। জবাবে মাসুদ বলেন, ‘আমরা এতে অভ্যস্ত। দুই দলই অনেক দিন পর খেলছে। এই তো মডার্ন ক্রিকেট। দুদলই আরও টেস্ট খেলতে চায়। আশা করি ভবিষ্যতে তা হবে। একদিন এক ফরম্যাট, আরেকদিন অন্য ফরম্যাট—এভাবেই মানিয়ে নিতে হবে।’ মাস দুয়েক আগে টি-টোয়েন্টি সিরিজ হেরে দেশ ফিরেছিল পাকিস্তান। এবার লাল বলের সিরিজ তাই তাদের জন্য বাড়তি প্রেরণা। মাসুদ মনে করেন, ‘আমাদের দল এমন যে পেস হোক বা স্পিন, সব কন্ডিশনের জন্য তৈরি। আর কন্ডিশন তো আশানুরূপই পেয়েছি।’  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_24.webp" alt="মিরপুরের উইকেট যেন পাকিস্তানের মাঠ! কী সুখবর দিলেন শান মাসুদ" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>মিরপুরের উইকেট যেন পাকিস্তানের মাঠ! কী সুখবর দিলেন শান মাসুদ</h1>
            <p>পাকিস্তানের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ দিয়ে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। আর ম্যাচের আগে বড় কথা বলে দিলেন অতিথি অধিনায়ক শান মাসুদ। তাঁর মতে, মিরপুরের উইকেট পাকিস্তানের ঘরের মাঠের মতোই হবে। আশ্চর্য হলেও সত্যি, মাসুদ এতে দারুণ আত্মবিশ্বাসীও। প্রথম টেস্টের আগে বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে শান মাসুদ জানান, ‘পিচে ঘাস আছে মনে হচ্ছে। কাল সকালে পরিষ্কার বুঝতে পারব। গত আড়াই বছরে আমরা অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকায় খেলেছি। বাংলাদেশ আর পাকিস্তানের উইকেট প্রায় একই রকম হয়। পেস হোক আর স্পিন, আমাদের দল সব কিছুর জন্য প্রস্তুত।’ মাসুদ বাংলাদেশের পেস বোলিং নিয়েও কথা বলেছেন। তাঁর ভাষায়, ‘বাংলাদেশের পেস আক্রমণ সত্যিই মুগ্ধকর। তারা রাওয়ালপিন্ডিতে সিরিজ জিতেছিল। বাঁহাতি-ডানহাতি মিলিয়ে দারুণ স্কিল আছে। এটা সম্ভবত আমার দেখা বাংলাদেশের সেরা পেস আক্রমণ।’ তবে কে এগিয়ে—বাংলাদেশ না পাকিস্তান? মাসুদ সোজা বলেছেন, ‘আমরা তুলনা করতে চাই না। ওদের কোয়ালিটি আছে, আমাদেরও আছে।’ অনেক দিন পর টেস্ট খেলছে পাকিস্তান। তাই পেসারদের প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে। জবাবে মাসুদ বলেন, ‘আমরা এতে অভ্যস্ত। দুই দলই অনেক দিন পর খেলছে। এই তো মডার্ন ক্রিকেট। দুদলই আরও টেস্ট খেলতে চায়। আশা করি ভবিষ্যতে তা হবে। একদিন এক ফরম্যাট, আরেকদিন অন্য ফরম্যাট—এভাবেই মানিয়ে নিতে হবে।’ মাস দুয়েক আগে টি-টোয়েন্টি সিরিজ হেরে দেশ ফিরেছিল পাকিস্তান। এবার লাল বলের সিরিজ তাই তাদের জন্য বাড়তি প্রেরণা। মাসুদ মনে করেন, ‘আমাদের দল এমন যে পেস হোক বা স্পিন, সব কন্ডিশনের জন্য তৈরি। আর কন্ডিশন তো আশানুরূপই পেয়েছি।’  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_24.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_24.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_24.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[বছরে ৪৯ কোটি টাকা! জাতীয় দলেই কি ধনী হচ্ছেন অসি তারকারা?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/36886</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/36886</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 07 May 2026 18:05:00 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ক্রিকেট]]></category>
                        <category><![CDATA[Pat Cummins salary 4 million dollars, Cricket Australia central contract, Travis Head new deal, Australian cricketer highest paid, franchise cricket threat, Test cricket retention policy, Sydney Morning Herald cricket news, Marnus Labuschagne contract, Cameron Green remuneration, Big Bash League low salary, Bangladesh Bangla news cricket, international vs franchise cricket money, human interest cricket story, Australia busy Test season 2024, James Allsopp statement]]></category>
        
        <description><![CDATA[ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের দৌরাত্ম এখন বিশ্বজুড়েই। তারকা খেলোয়াড়রা বড় অঙ্কের টাকার লোভে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে দ্রুত বিদায় জানাচ্ছেন। আর এই প্রতিযোগিতায় টিকতে অস্ট্রেলিয়াও নাকি হাতে-নাতে টাকা গুণছে তার তারকাদের। খবরটা কী? ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ) তাঁদের টেস্ট অধিনায়ক প্যাট কামিন্স, ট্রাভিস হেডদের এত বড় অঙ্কের প্রস্তাব দিচ্ছে যে শুনলে চোখ কপালে উঠবে! অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যম ‘দ্য সিডনি মর্নিং হেরাল্ড’ জানিয়েছে, কামিন্সকে ২০২৯ সাল পর্যন্ত নতুন চুক্তি দিতে চলেছে সিএ। এই চুক্তি চূড়ান্ত হলে বছরেই আয় হবে প্রায় ৪ মিলিয়ন ডলার। সেটা বাংলাদেশি টাকায় যা দাঁড়ায় প্রায় ৪৯ কোটি টাকা! তার ওপর সামনে অজিদের ব্যস্ত মৌসুম, যেখানে এক বছরে ২১টির বেশি টেস্ট খেলতে হতে পারে। একই প্রস্তাব নিয়ে ট্রাভিস হেডের সঙ্গেও আলোচনা চলছে। মজার ব্যাপার হলো, গত বছর এই দুই তারকাকে পুরোপুরি ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে চলে যেতে ১০ মিলিয়ন ডলারের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছিল! সিএর নতুন চুক্তিতে স্বাক্ষর করলে কামিন্সের বছরে আয় বেড়ে যাবে আরও ১ মিলিয়ন ডলার। আর তিন বছরে পকেটে ঢুকবে প্রায় ১২ মিলিয়ন ডলার। ইদানীং অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষ ক্রীড়াবিদদের আয়ের তালিকায় কামিন্স আছেন ১৫ নম্বরে। গত বছর আইপিএল ও বাণিজ্যিক চুক্তি মিলিয়ে আয় ছিল ৯-১০ মিলিয়ন ডলার। আর ট্রাভিস হেড? গত বছর সিএর কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে ২.৮ মিলিয়ন ডলার পেয়েছেন। আগামী বছর তিনিও কামিন্সের কাতারে যোগ দিতে পারেন বলে ধারণা করছে ক্রীড়ামহল। শুধু কি তারা দুজন? না, মার্নাস লাবুশেনেকেও তিন বছরের চুক্তির প্রস্তাব দিয়েছে সিএ। আর ক্যামেরন গ্রিন? ফর্মে না থাকলেও অলরাউন্ডার হিসেবে তিনি এখনও দারুণ মূল্যবান। গত বছর তার আয় ছিল দেড় মিলিয়ন ডলারের একটু কম। বর্তমান চুক্তি অনুযায়ী পুরুষ ক্রিকেটারদের গড় বার্ষিক রিটেইনার ১ মিলিয়ন ডলারের কিছু বেশি, যার বাইরে থাকে ম্যাচ ফি ও বোনাস। কামিন্সের নতুন চুক্তিতে ম্যাচের সংখ্যা যাই হোক না কেন, আগের তুলনায় অনেক বেশি টাকা পাবেন নিশ্চিতভাবে। চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে ২০২৯ সালে, তখন কামিন্সের বয়স ৩৬ বছর। তবে সবশেষ অ্যাশেজে পিঠের চোটে всего মাত্র একটা টেস্ট খেলতে পেরেছিলেন তিনি। এ ব্যাপারে কিছু বলতে রাজি হয়নি ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া বা কামিন্সের ম্যানেজমেন্ট। তবে সংস্থার ক্রিকেট প্রধান জেমস অলসোপ বলেছেন, যারা একাধিক ফরম্যাট খেলেন এবং দীর্ঘ সময় ধরে দলকে সেবা দিয়েছেন, তাদের ভালো পারিশ্রমিক দেওয়াটা এখন অগ্রাধিকার। বাজারের চাপ সবচেয়ে বেশি ওই খেলোয়াড়দের ওপর, যাদের বাণিজ্যিক মূল্যও সবচেয়ে বেশি। অলসোপ আরও বলেন, বিগ ব্যাশে আমাদের সেরা ক্রিকেটাররা অন্যান্য টি-টোয়েন্টি লিগের তুলনায় অনেক কম পারিশ্রমিক পান, যা নিয়ে ভাবছে অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট বোর্ড।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_23.webp" alt="বছরে ৪৯ কোটি টাকা! জাতীয় দলেই কি ধনী হচ্ছেন অসি তারকারা?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>বছরে ৪৯ কোটি টাকা! জাতীয় দলেই কি ধনী হচ্ছেন অসি তারকারা?</h1>
            <p>ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের দৌরাত্ম এখন বিশ্বজুড়েই। তারকা খেলোয়াড়রা বড় অঙ্কের টাকার লোভে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে দ্রুত বিদায় জানাচ্ছেন। আর এই প্রতিযোগিতায় টিকতে অস্ট্রেলিয়াও নাকি হাতে-নাতে টাকা গুণছে তার তারকাদের। খবরটা কী? ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ) তাঁদের টেস্ট অধিনায়ক প্যাট কামিন্স, ট্রাভিস হেডদের এত বড় অঙ্কের প্রস্তাব দিচ্ছে যে শুনলে চোখ কপালে উঠবে! অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যম ‘দ্য সিডনি মর্নিং হেরাল্ড’ জানিয়েছে, কামিন্সকে ২০২৯ সাল পর্যন্ত নতুন চুক্তি দিতে চলেছে সিএ। এই চুক্তি চূড়ান্ত হলে বছরেই আয় হবে প্রায় ৪ মিলিয়ন ডলার। সেটা বাংলাদেশি টাকায় যা দাঁড়ায় প্রায় ৪৯ কোটি টাকা! তার ওপর সামনে অজিদের ব্যস্ত মৌসুম, যেখানে এক বছরে ২১টির বেশি টেস্ট খেলতে হতে পারে। একই প্রস্তাব নিয়ে ট্রাভিস হেডের সঙ্গেও আলোচনা চলছে। মজার ব্যাপার হলো, গত বছর এই দুই তারকাকে পুরোপুরি ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে চলে যেতে ১০ মিলিয়ন ডলারের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছিল! সিএর নতুন চুক্তিতে স্বাক্ষর করলে কামিন্সের বছরে আয় বেড়ে যাবে আরও ১ মিলিয়ন ডলার। আর তিন বছরে পকেটে ঢুকবে প্রায় ১২ মিলিয়ন ডলার। ইদানীং অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষ ক্রীড়াবিদদের আয়ের তালিকায় কামিন্স আছেন ১৫ নম্বরে। গত বছর আইপিএল ও বাণিজ্যিক চুক্তি মিলিয়ে আয় ছিল ৯-১০ মিলিয়ন ডলার। আর ট্রাভিস হেড? গত বছর সিএর কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে ২.৮ মিলিয়ন ডলার পেয়েছেন। আগামী বছর তিনিও কামিন্সের কাতারে যোগ দিতে পারেন বলে ধারণা করছে ক্রীড়ামহল। শুধু কি তারা দুজন? না, মার্নাস লাবুশেনেকেও তিন বছরের চুক্তির প্রস্তাব দিয়েছে সিএ। আর ক্যামেরন গ্রিন? ফর্মে না থাকলেও অলরাউন্ডার হিসেবে তিনি এখনও দারুণ মূল্যবান। গত বছর তার আয় ছিল দেড় মিলিয়ন ডলারের একটু কম। বর্তমান চুক্তি অনুযায়ী পুরুষ ক্রিকেটারদের গড় বার্ষিক রিটেইনার ১ মিলিয়ন ডলারের কিছু বেশি, যার বাইরে থাকে ম্যাচ ফি ও বোনাস। কামিন্সের নতুন চুক্তিতে ম্যাচের সংখ্যা যাই হোক না কেন, আগের তুলনায় অনেক বেশি টাকা পাবেন নিশ্চিতভাবে। চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে ২০২৯ সালে, তখন কামিন্সের বয়স ৩৬ বছর। তবে সবশেষ অ্যাশেজে পিঠের চোটে всего মাত্র একটা টেস্ট খেলতে পেরেছিলেন তিনি। এ ব্যাপারে কিছু বলতে রাজি হয়নি ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া বা কামিন্সের ম্যানেজমেন্ট। তবে সংস্থার ক্রিকেট প্রধান জেমস অলসোপ বলেছেন, যারা একাধিক ফরম্যাট খেলেন এবং দীর্ঘ সময় ধরে দলকে সেবা দিয়েছেন, তাদের ভালো পারিশ্রমিক দেওয়াটা এখন অগ্রাধিকার। বাজারের চাপ সবচেয়ে বেশি ওই খেলোয়াড়দের ওপর, যাদের বাণিজ্যিক মূল্যও সবচেয়ে বেশি। অলসোপ আরও বলেন, বিগ ব্যাশে আমাদের সেরা ক্রিকেটাররা অন্যান্য টি-টোয়েন্টি লিগের তুলনায় অনেক কম পারিশ্রমিক পান, যা নিয়ে ভাবছে অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট বোর্ড।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_23.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_23.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_23.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ভালো উইকেট পেলে স্ট্রাইক রেট আরও ভালো হতো’, আক্ষেপ শান্তর!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/36885</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/36885</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 07 May 2026 18:05:23 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ক্রিকেট]]></category>
                        <category><![CDATA[Shanto strike rate regret, Mirpur pitch batting challenge, Bangladesh Test team news, Shanto press conference today, Taskin Ahmed Test return, Bangladesh vs Pakistan Test series 2024, good sporting wicket need, Tigers Test preparation, Mushfiqur Test format only, Bangladesh pace attack experience, human interest cricket story, Test cricket wicket condition, Bangladesh captain interview, red ball cricket challenge, four day match preparation]]></category>
        
        <description><![CDATA[লাল বলের ক্রিকেটে বছরের প্রথম টেস্ট খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। তার আগে বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত জানালেন, প্রতিদিন ভালো ক্রিকেট খেলার কথায় বিশ্বাসী তিনি। অতীতের সিরিজের সাফল্যও আত্মবিশ্বাস জোগাবে বলে মনে করিয়ে দিলেন এই টাইগার অধিনায়ক। শান্ত বললেন, ‘গত সিরিজে আমরা ভালো ক্রিকেট খেলেছিলাম। সেটা এখন অতীত। তবে সেই সিরিজ আমাদের অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস দেবে। এই সিরিজেও ভালো খেলতে হবে। প্রতিদিন ভালো ক্রিকেট খেলতে হবে, তাহলে ফলাফল নিজে থেকেই চলে আসবে। রেকর্ড নিয়ে মাথা ঘামাই না। বরং প্রতিদিন ভালো খেলাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’ মিরপুরে খেলার কারণে ব্যাটিং গড় কম– এমন প্রশ্নে শান্তর সুরে ছিল আক্ষেপ। তিনি বলেন, ‘মন খারাপের কিছু নেই। মিরপুরে সব সময় চ্যালেঞ্জ ছিল। এখানে ব্যাট করা সব সময় কঠিন। ভালো উইকেটে খেলতে পারলে বা আগে যারা খেলেছে তারা ভালো উইকেট পেলে তাদের গড় বা স্ট্রাইক রেট আরও ভালো হতো। কিন্তু এটা তো খেলোয়াড়দের হাতে নেই। যেমন কন্ডিশনই থাকুক, সেটা অনুযায়ী কতটা ভালো ব্যাটিং করা যায়, সেটাই আসল। সম্প্রতি মিরপুরের উইকেট ভালো হয়েছে, বিশেষ করে সাদা বলের সিরিজে। আশা করি, ধীরে ধীরে ব্যাটাররা আরও ভালো করবে। সময়ের সঙ্গে গড়ও বদলাবে।’ তাসকিন আহমেদকে দলে ফেরা প্রসঙ্গে শান্ত বলেন, ‘সবচেয়ে ভালো দিক হলো, তাসকিন সব সময় টেস্ট খেলতে চায়। দুর্ভাগ্যবশত ফিটনেস, ইনজুরি বা ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের কারণে আমরা সব সময় ওকে রাখতে পারি না। কিন্তু সে খেলতে চায়। এই টেস্টের আগে ট্রেনার ও ফিজিওদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। সে ফিট, তাই দলে নেওয়া হয়েছে। গত সিরিজে দারুণ করেছিল। তাসকিন দলে থাকলে ক্যাপ্টেনের কাজ অনেক সহজ হয়। দলে তার বাড়তি এফোর্টটা আমরা পাই। সেই আশা নিয়েই এসেছে। আশা করি এই সিরিজেও ভালো করবে। বাকি পেসারদেরও নিজেদের পরিকল্পনা সম্পর্কে ধারণা আছে।’ উইকেট নিয়ে শান্ত জানান, ‘ভালো উইকেট হবে আশা করছি। আমাদের বোলিং আক্রমণ অভিজ্ঞ। ব্যাটাররা অনেক দিন ধরে এই ফরম্যাট খেলছে। টেস্টে আমরা একসঙ্গে বেশ কয়েক সিরিজ খেলছি। অভিজ্ঞতায় দল ভালো। উইকেট যেমনই থাকুক, আমাদের ভালো পেসার ও স্পিনার আছে। তাই স্পোর্টিং উইকেট হলেই ভালো। তবে আবহাওয়ার ওপরও উইকেট নির্ভর করে। মানিয়ে নিতে হবে। বোলার-ব্যাটাররা সব পরিস্থিতি সামলানোর সামর্থ্য রাখে।’ এত দিন পর টেস্ট খেলা কতটা কঠিন? শান্ত বলেন, ‘অবশ্যই কঠিন। তবে একটা চারদিনের ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছি, এটা খুব ভালো। মুমিনুল ভাই, তাইজুল ভাই, নাঈম– সবার জন্যই এটা কঠিন। মুশফিক ভাই তো শুধু এই ফরম্যাটই খেলেন। তারা পেশাদারিত্ব দিয়ে প্রস্তুতি নেন, নেতিবাচকতা এড়িয়ে চলেন। দলকে সর্বোচ্চ দেওয়ার চেষ্টা করেন। আমি খুব খুশি যে সবাই মন থেকে পারফর্ম করতে চায়। সব কিছু চাইলেও পরিস্থিতির কারণে ভালো করা সম্ভব হয় না। তবে আমরা ভালো চিন্তা করতে পারি, ভালো প্র্যাকটিস করতে পারি। তারা সব সময় সেটাই করেন।’  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_22.webp" alt="ভালো উইকেট পেলে স্ট্রাইক রেট আরও ভালো হতো’, আক্ষেপ শান্তর!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ভালো উইকেট পেলে স্ট্রাইক রেট আরও ভালো হতো’, আক্ষেপ শান্তর!</h1>
            <p>লাল বলের ক্রিকেটে বছরের প্রথম টেস্ট খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। তার আগে বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত জানালেন, প্রতিদিন ভালো ক্রিকেট খেলার কথায় বিশ্বাসী তিনি। অতীতের সিরিজের সাফল্যও আত্মবিশ্বাস জোগাবে বলে মনে করিয়ে দিলেন এই টাইগার অধিনায়ক। শান্ত বললেন, ‘গত সিরিজে আমরা ভালো ক্রিকেট খেলেছিলাম। সেটা এখন অতীত। তবে সেই সিরিজ আমাদের অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস দেবে। এই সিরিজেও ভালো খেলতে হবে। প্রতিদিন ভালো ক্রিকেট খেলতে হবে, তাহলে ফলাফল নিজে থেকেই চলে আসবে। রেকর্ড নিয়ে মাথা ঘামাই না। বরং প্রতিদিন ভালো খেলাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’ মিরপুরে খেলার কারণে ব্যাটিং গড় কম– এমন প্রশ্নে শান্তর সুরে ছিল আক্ষেপ। তিনি বলেন, ‘মন খারাপের কিছু নেই। মিরপুরে সব সময় চ্যালেঞ্জ ছিল। এখানে ব্যাট করা সব সময় কঠিন। ভালো উইকেটে খেলতে পারলে বা আগে যারা খেলেছে তারা ভালো উইকেট পেলে তাদের গড় বা স্ট্রাইক রেট আরও ভালো হতো। কিন্তু এটা তো খেলোয়াড়দের হাতে নেই। যেমন কন্ডিশনই থাকুক, সেটা অনুযায়ী কতটা ভালো ব্যাটিং করা যায়, সেটাই আসল। সম্প্রতি মিরপুরের উইকেট ভালো হয়েছে, বিশেষ করে সাদা বলের সিরিজে। আশা করি, ধীরে ধীরে ব্যাটাররা আরও ভালো করবে। সময়ের সঙ্গে গড়ও বদলাবে।’ তাসকিন আহমেদকে দলে ফেরা প্রসঙ্গে শান্ত বলেন, ‘সবচেয়ে ভালো দিক হলো, তাসকিন সব সময় টেস্ট খেলতে চায়। দুর্ভাগ্যবশত ফিটনেস, ইনজুরি বা ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের কারণে আমরা সব সময় ওকে রাখতে পারি না। কিন্তু সে খেলতে চায়। এই টেস্টের আগে ট্রেনার ও ফিজিওদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। সে ফিট, তাই দলে নেওয়া হয়েছে। গত সিরিজে দারুণ করেছিল। তাসকিন দলে থাকলে ক্যাপ্টেনের কাজ অনেক সহজ হয়। দলে তার বাড়তি এফোর্টটা আমরা পাই। সেই আশা নিয়েই এসেছে। আশা করি এই সিরিজেও ভালো করবে। বাকি পেসারদেরও নিজেদের পরিকল্পনা সম্পর্কে ধারণা আছে।’ উইকেট নিয়ে শান্ত জানান, ‘ভালো উইকেট হবে আশা করছি। আমাদের বোলিং আক্রমণ অভিজ্ঞ। ব্যাটাররা অনেক দিন ধরে এই ফরম্যাট খেলছে। টেস্টে আমরা একসঙ্গে বেশ কয়েক সিরিজ খেলছি। অভিজ্ঞতায় দল ভালো। উইকেট যেমনই থাকুক, আমাদের ভালো পেসার ও স্পিনার আছে। তাই স্পোর্টিং উইকেট হলেই ভালো। তবে আবহাওয়ার ওপরও উইকেট নির্ভর করে। মানিয়ে নিতে হবে। বোলার-ব্যাটাররা সব পরিস্থিতি সামলানোর সামর্থ্য রাখে।’ এত দিন পর টেস্ট খেলা কতটা কঠিন? শান্ত বলেন, ‘অবশ্যই কঠিন। তবে একটা চারদিনের ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছি, এটা খুব ভালো। মুমিনুল ভাই, তাইজুল ভাই, নাঈম– সবার জন্যই এটা কঠিন। মুশফিক ভাই তো শুধু এই ফরম্যাটই খেলেন। তারা পেশাদারিত্ব দিয়ে প্রস্তুতি নেন, নেতিবাচকতা এড়িয়ে চলেন। দলকে সর্বোচ্চ দেওয়ার চেষ্টা করেন। আমি খুব খুশি যে সবাই মন থেকে পারফর্ম করতে চায়। সব কিছু চাইলেও পরিস্থিতির কারণে ভালো করা সম্ভব হয় না। তবে আমরা ভালো চিন্তা করতে পারি, ভালো প্র্যাকটিস করতে পারি। তারা সব সময় সেটাই করেন।’  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_22.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_22.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_22.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[শীর্ষ পাঁচে যেতে চান শান্ত! টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে বড় স্বপ্ন টাইগারদের]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/36884</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/36884</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 07 May 2026 18:05:32 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ক্রিকেট]]></category>
                        <category><![CDATA[Bangladesh Test Championship goal, Najmul Hossain Shanto goal top five, Bangladesh vs Pakistan Test series, ICC Test Championship 2024, Shanto press conference Mirpur, Bangladesh team balance, home Test matches importance, Australia South Africa tour Bangladesh, Tigers Test improvement, Bangladesh pace bowling update, Test Championship cycle target, human interest cricket news, Bangladesh captain interview, Test cricket challenge, Shanto batting first innings]]></category>
        
        <description><![CDATA[সাদা বলের ক্রিকেটে বেশ কয়েকটা সিরিজ খেলে ফেলেছে বাংলাদেশ। এবার লাল বলের পালা। পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ দিয়ে আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের নতুন চক্রে পা রাখতে যাচ্ছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। আর এই চক্রেই বড় স্বপ্ন দেখছেন টাইগার অধিনায়ক। তিনি জানিয়ে দিলেন, শীর্ষ পাঁচে থাকতে চান তারা। বৃহস্পতিবার মিরপুরে সিরিজের প্রথম টেস্টের আগে সংবাদ সম্মেলনে শান্ত বলেন, ‘এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গত দুই বছর আমরা ভালো খেলেছি। সেবার শেষ করেছিলাম সাত নম্বরে। ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছে, যা আগে হয়নি। সেটা ভালো অর্জন। এবার লক্ষ্য আরও ভালো কিছু করা। চার বা পাঁচ নম্বরে থাকতে পারলে দারুণ লাগবে।’ তবে কাজটা সহজ নয়, সেটা নিজেও মানছেন শান্ত। তাঁর ভাষায়, ‘চ্যালেঞ্জ কিন্তু কম নয়। সামনে বেশ কিছু অ্যাওয়ে সিরিজ আছে, যেগুলো আমাদের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ হবে। অস্ট্রেলিয়া আর দক্ষিণ আফ্রিকা সফর আছে। তাই ঘরের মাঠের সিরিজ খুব গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিপক্ষের শক্তি বুঝে উইকেট ও কন্ডিশন তৈরির চেষ্টা করব। দল এখন বেশ ভারসাম্যপূর্ণ।’ শান্ত আরও জানান, ‘পেস বোলাররা অবশ্যই আমাদের সাহায্য করবে। ওদের স্কিলের দারুণ উন্নতি হয়েছে। এখন যেকোনো কন্ডিশনেই ভালো বল করতে পারে। বিশেষ করে সাদা বলে। অধিনায়ক হিসেবে চাইব ঘরের মাঠের ম্যাচ জিততে। আর ব্যাটার হিসেবে চাই প্রথম ইনিংসে বড় রান করতে। এই চ্যালেঞ্জ ঠিকভাবে নিতে পারলে পুরো চক্রটাই ভালো যাবে।’  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_21.webp" alt="শীর্ষ পাঁচে যেতে চান শান্ত! টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে বড় স্বপ্ন টাইগারদের" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>শীর্ষ পাঁচে যেতে চান শান্ত! টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে বড় স্বপ্ন টাইগারদের</h1>
            <p>সাদা বলের ক্রিকেটে বেশ কয়েকটা সিরিজ খেলে ফেলেছে বাংলাদেশ। এবার লাল বলের পালা। পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ দিয়ে আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের নতুন চক্রে পা রাখতে যাচ্ছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। আর এই চক্রেই বড় স্বপ্ন দেখছেন টাইগার অধিনায়ক। তিনি জানিয়ে দিলেন, শীর্ষ পাঁচে থাকতে চান তারা। বৃহস্পতিবার মিরপুরে সিরিজের প্রথম টেস্টের আগে সংবাদ সম্মেলনে শান্ত বলেন, ‘এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গত দুই বছর আমরা ভালো খেলেছি। সেবার শেষ করেছিলাম সাত নম্বরে। ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছে, যা আগে হয়নি। সেটা ভালো অর্জন। এবার লক্ষ্য আরও ভালো কিছু করা। চার বা পাঁচ নম্বরে থাকতে পারলে দারুণ লাগবে।’ তবে কাজটা সহজ নয়, সেটা নিজেও মানছেন শান্ত। তাঁর ভাষায়, ‘চ্যালেঞ্জ কিন্তু কম নয়। সামনে বেশ কিছু অ্যাওয়ে সিরিজ আছে, যেগুলো আমাদের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ হবে। অস্ট্রেলিয়া আর দক্ষিণ আফ্রিকা সফর আছে। তাই ঘরের মাঠের সিরিজ খুব গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিপক্ষের শক্তি বুঝে উইকেট ও কন্ডিশন তৈরির চেষ্টা করব। দল এখন বেশ ভারসাম্যপূর্ণ।’ শান্ত আরও জানান, ‘পেস বোলাররা অবশ্যই আমাদের সাহায্য করবে। ওদের স্কিলের দারুণ উন্নতি হয়েছে। এখন যেকোনো কন্ডিশনেই ভালো বল করতে পারে। বিশেষ করে সাদা বলে। অধিনায়ক হিসেবে চাইব ঘরের মাঠের ম্যাচ জিততে। আর ব্যাটার হিসেবে চাই প্রথম ইনিংসে বড় রান করতে। এই চ্যালেঞ্জ ঠিকভাবে নিতে পারলে পুরো চক্রটাই ভালো যাবে।’  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_21.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_21.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_21.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[মাত্র ৩০ বছর বয়সেই ফুটবলকে ‘গুডবাই’! কি জানালেন জার্মান তারকা?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/36883</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/36883</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 07 May 2026 18:05:53 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ফুটবল]]></category>
                        <category><![CDATA[Mats Hummels retirement, German defender retires at 30, Niklas Süle retirement reason, ACL injury fear, Borussia Dortmund news, Bundesliga 2024, professional football retirement early age, Niklas Süle career decision, Bayern Munich Champions League winner, German international retirement, career ending injury prevention, football podcast statement, human interest sports news, Dortmund final matches 2024, Germany defender quits football]]></category>
        
        <description><![CDATA[জার্মানির হয়ে ৪৯ ম্যাচ খেলা ডিফেন্ডার নিকলাস সুয়েল ফুটবলকে বিদায় বলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বয়স এখনও সবে ৩০ বছর। আর এই বয়সেই পেশাদার ফুটবল ছাড়ার ঘোষণা দিলেন ডর্টমুন্ডের এই তারকা। বড় চোট এড়াতেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন। সুয়েলের ক্যারিয়ার শুরু হফেনহাইমে। ২০১৭ সালে বায়ার্ন মিউনিখে পাড়ি জমান তিনি। বাভারিয়ানদের জার্সি গায়েই পাঁচবার বুন্দেস লিগা আর ২০২০ সালে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতেছেন। ২০২২ সালে যোগ দেন বরুসিয়া ডর্টমুন্ডে। বৃহস্পতিবার ‘স্পেইলম্যাচার’ নামের এক পডকাস্টে এসব কথা জানান সুয়েল। গত মাসে হফেনহাইমের বিপক্ষে হাঁটুতে চোট পান তিনি। হাঁটুর এমআরআই করানোর পর বুঝতে পারেন, হয়তো শেষ সময় চলে এসেছে। ‘আমার কাছে ১০০০ শতাংশ নিশ্চয়তা ছিল যে এখানেই শেষ’, বলেছেন জার্মান ডিফেন্ডার। আর কী বলেছেন সুয়েল? ‘জীবনে এগিয়ে যাওয়া ছাড়া আর কোনো খারাপ দিক কল্পনাও করতে পারছি না। ছুটি কাটানো, নিজের সন্তানদের সঙ্গে সময় কাটানোর মতো স্বাধীনতা চাই। এর মাঝেই তৃতীয়বার ক্রুসিয়েট লিগামেন্ট ছিঁড়ে যাওয়ার যন্ত্রণা মেনে নিয়েছি।’ তবে চতুর্থবার এসিএল চোট হয়নি দেখে স্বস্তি রয়েছে তার কণ্ঠেও। এবার বুন্দেস লিগায় ৬৭ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে আছে ডর্টমুন্ড। ১৬ পয়েন্ট বেশি নিয়ে আগেই শিরোপা নিশ্চিত করেছে বায়ার্ন মিউনিখ। দুই দলেরই এখন বাকি দুটি করে ম্যাচ। ১৬ মে ফ্রাঙ্কফুর্ট ও ওয়ার্ডার ব্রেমেনের বিপক্ষে দলের শেষ ম্যাচ। সেখানেই পূর্ণবিরতি চিহ্ন পড়বে সুয়েলের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_20.webp" alt="মাত্র ৩০ বছর বয়সেই ফুটবলকে ‘গুডবাই’! কি জানালেন জার্মান তারকা?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>মাত্র ৩০ বছর বয়সেই ফুটবলকে ‘গুডবাই’! কি জানালেন জার্মান তারকা?</h1>
            <p>জার্মানির হয়ে ৪৯ ম্যাচ খেলা ডিফেন্ডার নিকলাস সুয়েল ফুটবলকে বিদায় বলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বয়স এখনও সবে ৩০ বছর। আর এই বয়সেই পেশাদার ফুটবল ছাড়ার ঘোষণা দিলেন ডর্টমুন্ডের এই তারকা। বড় চোট এড়াতেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন। সুয়েলের ক্যারিয়ার শুরু হফেনহাইমে। ২০১৭ সালে বায়ার্ন মিউনিখে পাড়ি জমান তিনি। বাভারিয়ানদের জার্সি গায়েই পাঁচবার বুন্দেস লিগা আর ২০২০ সালে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতেছেন। ২০২২ সালে যোগ দেন বরুসিয়া ডর্টমুন্ডে। বৃহস্পতিবার ‘স্পেইলম্যাচার’ নামের এক পডকাস্টে এসব কথা জানান সুয়েল। গত মাসে হফেনহাইমের বিপক্ষে হাঁটুতে চোট পান তিনি। হাঁটুর এমআরআই করানোর পর বুঝতে পারেন, হয়তো শেষ সময় চলে এসেছে। ‘আমার কাছে ১০০০ শতাংশ নিশ্চয়তা ছিল যে এখানেই শেষ’, বলেছেন জার্মান ডিফেন্ডার। আর কী বলেছেন সুয়েল? ‘জীবনে এগিয়ে যাওয়া ছাড়া আর কোনো খারাপ দিক কল্পনাও করতে পারছি না। ছুটি কাটানো, নিজের সন্তানদের সঙ্গে সময় কাটানোর মতো স্বাধীনতা চাই। এর মাঝেই তৃতীয়বার ক্রুসিয়েট লিগামেন্ট ছিঁড়ে যাওয়ার যন্ত্রণা মেনে নিয়েছি।’ তবে চতুর্থবার এসিএল চোট হয়নি দেখে স্বস্তি রয়েছে তার কণ্ঠেও। এবার বুন্দেস লিগায় ৬৭ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে আছে ডর্টমুন্ড। ১৬ পয়েন্ট বেশি নিয়ে আগেই শিরোপা নিশ্চিত করেছে বায়ার্ন মিউনিখ। দুই দলেরই এখন বাকি দুটি করে ম্যাচ। ১৬ মে ফ্রাঙ্কফুর্ট ও ওয়ার্ডার ব্রেমেনের বিপক্ষে দলের শেষ ম্যাচ। সেখানেই পূর্ণবিরতি চিহ্ন পড়বে সুয়েলের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_20.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_20.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_20.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[টেস্টে তামিমের প্রথম ডাক, কী চাইলেন অধিনায়ক শান্ত? চমক ফিরলো টাইগার শিবিরে!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/36882</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/36882</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 07 May 2026 18:05:03 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ক্রিকেট]]></category>
                        <category><![CDATA[Tanzid Hasan Tamim Test call, Najmul Hossain Shanto press conference, Bangladesh vs Pakistan Test series, Tamim Test debut expectation, T20 to Test transition, Taskin Ahmed Test return, Mirpur pitch condition, Bangladesh cricket news, Shanto on Tamim batting, Test team selection Bangladesh, workload management in cricket, Tigers Test squad, human interest cricket story, Bangladesh opener Test chance, first Test match 2024]]></category>
        
        <description><![CDATA[কথায় আছে, দেরিতে হলেও ঠিকই আসে। জাতীয় দলে তিন বছর ধরে ঝড় তুলছেন তানজিদ হাসান তামিম। সাদা বলের ক্রিকেটে তাঁর কোনো জুড়ি নেই। আর এবার লাল বলের ক্রিকেটেও পা রাখতে যাচ্ছেন এই তারকা ওপেনার। হ্যাঁ, ঠিকই শুনছেন। পাকিস্তানের বিপক্ষে আসন্ন টেস্ট সিরিজে প্রথমবারের মতো ডাক পেয়েছেন তামিম। এই প্রথম টেস্টে তিনি খেলবেন তো? নাকি বসে থাকতে হবে? ম্যাচের আগের দিন বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে এমন প্রশ্নের জবাব দিলেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। তবে সরাসরি কিছু না বলে জানিয়ে দিলেন, তামিমের কাছে তাঁর প্রত্যাশাটা কী। শান্ত বললেন, ‘তানজিদ তামিমকে নিয়ে অনেক দিন ধরেই আমরা কথা বলছিলাম। নতুন নির্বাচকরা তাকে দলে নিয়ে দারুণ কাজ করেছে। তামিমের মতো ব্যাটার টেস্ট দলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। আমি শুধু চাই, সে যেন তার সহজাত ব্যাটিংটাই খেলে। প্রথম ইনিংসে বড় রান করাটা খুব জরুরি।’ অন্যদিকে দীর্ঘদিন পর টেস্ট দলে ফিরেছেন পেসার তাসকিন আহমেদও। তাঁকে নিয়েও কথা বলেছেন অধিনায়ক। শান্ত বললেন, ‘তাসকিন সব সময় টেস্ট খেলতে চায়। কিন্তু কাজের চাপ ও ইনজুরির কারণে তাকে সব সময় দলে রাখা যায় না। ও থাকলে আমার ও দলের কাজ অনেক সহজ হয়ে যায়।’ এই বছর এটি টাইগারদের প্রথম টেস্ট। তবে গত বছর ভালো টেস্ট খেলার স্মৃতি এখনও ভোলেননি শান্ত। তিনি বললেন, ‘শেষ সিরিজে আমরা দারুণ ক্রিকেট খেলেছিলাম। সেটা অবশ্য অতীত। তবে হ্যাঁ, ওই সিরিজটা আমাদের অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস দেবে।’ শেষ পর্যন্ত মিরপুরের উইকেট প্রসঙ্গে শান্ত জানালেন, ‘মিরপুরে আগে ভালো উইকেটে খেললে ব্যাটারদের গড় ও স্ট্রাইক রেট ভালো হতো। তবে সাম্প্রতিক সময়ে মিরপুরের পিচ অনেক ভালো আচরণ করছে।’  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_19.webp" alt="টেস্টে তামিমের প্রথম ডাক, কী চাইলেন অধিনায়ক শান্ত? চমক ফিরলো টাইগার শিবিরে!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>টেস্টে তামিমের প্রথম ডাক, কী চাইলেন অধিনায়ক শান্ত? চমক ফিরলো টাইগার শিবিরে!</h1>
            <p>কথায় আছে, দেরিতে হলেও ঠিকই আসে। জাতীয় দলে তিন বছর ধরে ঝড় তুলছেন তানজিদ হাসান তামিম। সাদা বলের ক্রিকেটে তাঁর কোনো জুড়ি নেই। আর এবার লাল বলের ক্রিকেটেও পা রাখতে যাচ্ছেন এই তারকা ওপেনার। হ্যাঁ, ঠিকই শুনছেন। পাকিস্তানের বিপক্ষে আসন্ন টেস্ট সিরিজে প্রথমবারের মতো ডাক পেয়েছেন তামিম। এই প্রথম টেস্টে তিনি খেলবেন তো? নাকি বসে থাকতে হবে? ম্যাচের আগের দিন বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে এমন প্রশ্নের জবাব দিলেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। তবে সরাসরি কিছু না বলে জানিয়ে দিলেন, তামিমের কাছে তাঁর প্রত্যাশাটা কী। শান্ত বললেন, ‘তানজিদ তামিমকে নিয়ে অনেক দিন ধরেই আমরা কথা বলছিলাম। নতুন নির্বাচকরা তাকে দলে নিয়ে দারুণ কাজ করেছে। তামিমের মতো ব্যাটার টেস্ট দলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। আমি শুধু চাই, সে যেন তার সহজাত ব্যাটিংটাই খেলে। প্রথম ইনিংসে বড় রান করাটা খুব জরুরি।’ অন্যদিকে দীর্ঘদিন পর টেস্ট দলে ফিরেছেন পেসার তাসকিন আহমেদও। তাঁকে নিয়েও কথা বলেছেন অধিনায়ক। শান্ত বললেন, ‘তাসকিন সব সময় টেস্ট খেলতে চায়। কিন্তু কাজের চাপ ও ইনজুরির কারণে তাকে সব সময় দলে রাখা যায় না। ও থাকলে আমার ও দলের কাজ অনেক সহজ হয়ে যায়।’ এই বছর এটি টাইগারদের প্রথম টেস্ট। তবে গত বছর ভালো টেস্ট খেলার স্মৃতি এখনও ভোলেননি শান্ত। তিনি বললেন, ‘শেষ সিরিজে আমরা দারুণ ক্রিকেট খেলেছিলাম। সেটা অবশ্য অতীত। তবে হ্যাঁ, ওই সিরিজটা আমাদের অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস দেবে।’ শেষ পর্যন্ত মিরপুরের উইকেট প্রসঙ্গে শান্ত জানালেন, ‘মিরপুরে আগে ভালো উইকেটে খেললে ব্যাটারদের গড় ও স্ট্রাইক রেট ভালো হতো। তবে সাম্প্রতিক সময়ে মিরপুরের পিচ অনেক ভালো আচরণ করছে।’  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_19.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_19.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_19.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[রহস্য ভাঙল! মৃত্যুর আগে যা লিখে গেলেন জেফরি এপস্টেইন, পড়ুন]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36881</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36881</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 07 May 2026 18:05:16 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[যুক্তরাজ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Jeffrey Epstein suicide note released, Epstein handwritten letter court, Nicholas Tartaglione cellmate, White Plains federal court, Judge Kenneth Karas ruling, no fun Epstein note, Epstein death controversy, Metropolitan Correctional Center Manhattan, Epstein note not worth it, Epstein graphic novel note, Epstein bust out cryne, Epstein prior emails no fun, New York Times Epstein documents, Epstein jail cell security, Epstein suicide note authenticity]]></category>
        
        <description><![CDATA[অবশেষে প্রকাশ্যে এল যৌন অপরাধে অভিযুক্ত মার্কিন ধনকুবের জেফরি এপস্টেইনের বলে দাবি করা সেই ‘আত্মহত্যার চিরকুট’। বছরখানেক ধরে সিলগালা থাকার পর ফেডারেল আদালতের নির্দেশে তা জনসমক্ষে এসেছে। এই চিরকুটটি প্রকাশ করেছেন হোয়াইট প্লেইনস ফেডারেল ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের বিচারক কেনেথ এম কারাস। এটি এপস্টেইনের সাবেক সেলমেট নিকোলাস টারটাগ্লিওনির বিরুদ্ধে চলা একটি মামলার অংশ ছিল। হাতে লেখা ওই চিরকুটে এপস্টেইন কী লিখেছেন? সেখানে লেখা আছে, ‘তারা আমাকে নিয়ে কয়েক মাস ধরে তদন্ত করেছে—কিন্তু কিছুই পায়নি।’ তারপর তিনি উল্লেখ করেন, তদন্তকারীরা পুরোনো অভিযোগ সামনে এনে বিষয়টি এগিয়ে নিচ্ছে। আরও লেখা আছে, ‘বিদায় জানানোর জন্য নিজের পছন্দমতো সময় বেছে নেওয়াটা একটা বিশেষ প্রাপ্তি।’ চিরকুটে হতাশা ও মানসিক চাপের ইঙ্গিত স্পষ্ট। এক জায়গায় তিনি লেখেন, ‘তোমরা আমার কাছে কী চাও—আমি কান্নায় ভেঙে পড়ি।’ শেষের দিকে বড় অক্ষরে লেখা ‘নো ফান’ আর ‘নট ওর্থ ইট’—শেষে দাগ টানা। কে এই টারটাগ্লিওনি? তিনি সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা, বর্তমানে খুনের মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ করছেন। তার দাবি, ২০১৯ সালের জুলাই মাসে এপস্টেইনকে কারাগারের কক্ষে গলায় কাপড় প্যাঁচানো অচেতন অবস্থায় পাওয়ার পর তিনি এই চিরকুট পান। সে যাত্রায় এপস্টেইন বেঁচে গেলেও কয়েক সপ্তাহ পর নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের মেট্রোপলিটন কারেকশনাল সেন্টারে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। তখন তার বয়স ৬৬ বছর। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস আদালতের কাছে নথিটি প্রকাশের আবেদন করলে বিচারক তা জনসমক্ষে আনার সিদ্ধান্ত নেন। টারটাগ্লিওনি টেলিফোনে সংবাদমাধ্যমকে জানান, এপস্টেইনকে সেল থেকে সরিয়ে নেওয়ার পর তিনি একটি গ্রাফিক নভেলের (ছবিযুক্ত উপন্যাস) ভেতর এই চিরকুট পান। তিনি বলেন, ‘বইটি পড়তে গিয়ে খুলেছিলাম, ভেতরেই পেয়ে যাই।’ চিরকুটটি লিগ্যাল প্যাড থেকে ছেঁড়া হলুদ কাগজে লেখা ছিল। তবে এটি আসল কি না—তা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তবে মজার ব্যাপার হচ্ছে, চিরকুটে থাকা ‘নো ফান’ ও ‘বাস্ট আউট ক্রাইন’ শব্দদুটি এপস্টেইনের আগের কিছু ইমেইলেও পাওয়া গিয়েছিল। এমনকি মৃত্যুর সময় তার কক্ষ থেকে পাওয়া আরেকটি নোটেও লেখা ছিল ‘নো ফান’। নিউইয়র্ক সিটির মেডিকেল এক্সামিনার এপস্টেইনের মৃত্যুকে আত্মহত্যা বললেও ঘটনাটি ঘিরে বিতর্ক ও ষড়যন্ত্র তত্ত্ব এখনো থামেনি। বিশেষ করে কারাগারের নিরাপত্তা ঘাটতি ও মৃত্যুর সময়কার নানা ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বারবার। উল্লেখ্য, জুলাই মাসের ঘটনার পর কারা কর্মকর্তারা এপস্টেইনের গলায় লাল দাগ দেখে প্রশ্ন করলে তিনি প্রথমে দাবি করেছিলেন, টারটাগ্লিওনি তার ওপর হামলা চালিয়েছে এবং তিনি নিজে আত্মহত্যার চেষ্টা করেননি। তবে টারটাগ্লিওনি শুরু থেকেই সেই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছিলেন। পরে এপস্টেইন কারা কর্মকর্তাদের বলেন, তার সেলমেটের সঙ্গে ‘কোনো সমস্যা ছিল না’।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_18.webp" alt="রহস্য ভাঙল! মৃত্যুর আগে যা লিখে গেলেন জেফরি এপস্টেইন, পড়ুন" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>রহস্য ভাঙল! মৃত্যুর আগে যা লিখে গেলেন জেফরি এপস্টেইন, পড়ুন</h1>
            <p>অবশেষে প্রকাশ্যে এল যৌন অপরাধে অভিযুক্ত মার্কিন ধনকুবের জেফরি এপস্টেইনের বলে দাবি করা সেই ‘আত্মহত্যার চিরকুট’। বছরখানেক ধরে সিলগালা থাকার পর ফেডারেল আদালতের নির্দেশে তা জনসমক্ষে এসেছে। এই চিরকুটটি প্রকাশ করেছেন হোয়াইট প্লেইনস ফেডারেল ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের বিচারক কেনেথ এম কারাস। এটি এপস্টেইনের সাবেক সেলমেট নিকোলাস টারটাগ্লিওনির বিরুদ্ধে চলা একটি মামলার অংশ ছিল। হাতে লেখা ওই চিরকুটে এপস্টেইন কী লিখেছেন? সেখানে লেখা আছে, ‘তারা আমাকে নিয়ে কয়েক মাস ধরে তদন্ত করেছে—কিন্তু কিছুই পায়নি।’ তারপর তিনি উল্লেখ করেন, তদন্তকারীরা পুরোনো অভিযোগ সামনে এনে বিষয়টি এগিয়ে নিচ্ছে। আরও লেখা আছে, ‘বিদায় জানানোর জন্য নিজের পছন্দমতো সময় বেছে নেওয়াটা একটা বিশেষ প্রাপ্তি।’ চিরকুটে হতাশা ও মানসিক চাপের ইঙ্গিত স্পষ্ট। এক জায়গায় তিনি লেখেন, ‘তোমরা আমার কাছে কী চাও—আমি কান্নায় ভেঙে পড়ি।’ শেষের দিকে বড় অক্ষরে লেখা ‘নো ফান’ আর ‘নট ওর্থ ইট’—শেষে দাগ টানা। কে এই টারটাগ্লিওনি? তিনি সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা, বর্তমানে খুনের মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ করছেন। তার দাবি, ২০১৯ সালের জুলাই মাসে এপস্টেইনকে কারাগারের কক্ষে গলায় কাপড় প্যাঁচানো অচেতন অবস্থায় পাওয়ার পর তিনি এই চিরকুট পান। সে যাত্রায় এপস্টেইন বেঁচে গেলেও কয়েক সপ্তাহ পর নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের মেট্রোপলিটন কারেকশনাল সেন্টারে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। তখন তার বয়স ৬৬ বছর। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস আদালতের কাছে নথিটি প্রকাশের আবেদন করলে বিচারক তা জনসমক্ষে আনার সিদ্ধান্ত নেন। টারটাগ্লিওনি টেলিফোনে সংবাদমাধ্যমকে জানান, এপস্টেইনকে সেল থেকে সরিয়ে নেওয়ার পর তিনি একটি গ্রাফিক নভেলের (ছবিযুক্ত উপন্যাস) ভেতর এই চিরকুট পান। তিনি বলেন, ‘বইটি পড়তে গিয়ে খুলেছিলাম, ভেতরেই পেয়ে যাই।’ চিরকুটটি লিগ্যাল প্যাড থেকে ছেঁড়া হলুদ কাগজে লেখা ছিল। তবে এটি আসল কি না—তা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তবে মজার ব্যাপার হচ্ছে, চিরকুটে থাকা ‘নো ফান’ ও ‘বাস্ট আউট ক্রাইন’ শব্দদুটি এপস্টেইনের আগের কিছু ইমেইলেও পাওয়া গিয়েছিল। এমনকি মৃত্যুর সময় তার কক্ষ থেকে পাওয়া আরেকটি নোটেও লেখা ছিল ‘নো ফান’। নিউইয়র্ক সিটির মেডিকেল এক্সামিনার এপস্টেইনের মৃত্যুকে আত্মহত্যা বললেও ঘটনাটি ঘিরে বিতর্ক ও ষড়যন্ত্র তত্ত্ব এখনো থামেনি। বিশেষ করে কারাগারের নিরাপত্তা ঘাটতি ও মৃত্যুর সময়কার নানা ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বারবার। উল্লেখ্য, জুলাই মাসের ঘটনার পর কারা কর্মকর্তারা এপস্টেইনের গলায় লাল দাগ দেখে প্রশ্ন করলে তিনি প্রথমে দাবি করেছিলেন, টারটাগ্লিওনি তার ওপর হামলা চালিয়েছে এবং তিনি নিজে আত্মহত্যার চেষ্টা করেননি। তবে টারটাগ্লিওনি শুরু থেকেই সেই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছিলেন। পরে এপস্টেইন কারা কর্মকর্তাদের বলেন, তার সেলমেটের সঙ্গে ‘কোনো সমস্যা ছিল না’।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_18.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_18.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_18.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[বিশ্ববাজারে চমক! যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির ঘোষণা যেকোনো মুহূর্তে]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36880</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36880</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 07 May 2026 18:05:27 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[US Iran deal imminent, Hormuz Strait agreement news, Axios US Iran peace framework, Iran nuclear program suspension, US sanctions relief Iran, Steve Witkoff Iran talks, Jared Kushner diplomacy, Pakistan mediation Iran US, Geneva Iran nuclear meeting, Iran enriched uranium transfer, US Iran 30 day negotiation, Iran inspection access deal, Israel warning Hormuz Strait, maritime navigation Oman coast, US Iran breakthrough 2026]]></category>
        
        <description><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্যের উত্তাপ কি কমতে চলেছে? আশার আলো দেখাচ্ছেন মার্কিন কর্মকর্তারা। খবরটি দিচ্ছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস। তাদের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধ বন্ধ এবং হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা কমানোর জন্য একটি প্রাথমিক সমঝোতার খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। বুধবার প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাত্র এক পাতার সমঝোতা স্মারকে ৩০ দিনের আলোচনার কাঠামো ঠিক করা হয়েছে। সেখানে জায়গা পেয়েছে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা শিথিল এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করার মতো বড় বড় ইস্যু। সূত্রের খবর, কয়েকটি অমীমাংসিত বিষয়ে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই তেহরানের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক জবাব পেতে চায় ওয়াশিংটন। আলোচনার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা বলছেন, চলমান যুদ্ধ শুরুর পর এই প্রথম দুই দেশ এত কাছাকাছি এসেছে কোনো চুক্তিতে। খসড়া প্রস্তাবটি একটু খুলে বলি। সেখানে কী আছে? ইরান সাময়িকভাবে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করবে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের আরও বেশি ঢুকতে দেবে। আর পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথে না যাওয়ার নিশ্চয়তা দেবে। বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র ধাপে ধাপে নিষেধাজ্ঞা কমাবে এবং ইরানের জব্দ হওয়া বিপুল পরিমাণ অর্থ ছেড়ে দেবে। এ ছাড়া হরমুজ প্রণালিতে সম্প্রতি উত্তেজনায় ব্যাহত হওয়া আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল আবার স্বাভাবিক করতেও ধাপে ধাপে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা আছে প্রস্তাবে। তবে সবচেয়ে বড় অমিমাংসা ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ রাখার সময়সীমা নিয়ে। ইরান পাঁচ বছরের জন্য এই কার্যক্রম স্থগিত রাখতে রাজি। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র প্রথমে চেয়েছিল ২০ বছর। এখন উভয়পক্ষ ১২ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে কোনো সমঝোতায় পৌঁছানোর চেষ্টা করছে। জানা গেছে, ইরান তাদের উচ্চমাত্রার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত বিদেশে সরিয়ে দিতেও সম্মত হতে পারে। আগে তারা এই প্রস্তাব একেবারে নাকচ করে দিয়েছিল। আলোচনা চালাচ্ছেন মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ ও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার। পরবর্তী বৈঠক হতে পারে পাকিস্তানের ইসলামাবাদ অথবা সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়। এদিকে আলোচনার অগ্রগতিতে খুশি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, এই কূটনৈতিক প্রচেষ্টা মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ও স্থিতিশীলতা বয়ে আনবে। তবে সবাই এত আশাবাদী নয়। ইসরাইলের জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তারা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে হরমুজ প্রণালিতে পুরোপুরি নিরাপদ নৌচলাচল নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। তাদের ভাষ্য, ওমান উপকূল ঘেঁষা বিকল্প পথটিও অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও সংকীর্ণ।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_17.webp" alt="বিশ্ববাজারে চমক! যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির ঘোষণা যেকোনো মুহূর্তে" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>বিশ্ববাজারে চমক! যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির ঘোষণা যেকোনো মুহূর্তে</h1>
            <p>মধ্যপ্রাচ্যের উত্তাপ কি কমতে চলেছে? আশার আলো দেখাচ্ছেন মার্কিন কর্মকর্তারা। খবরটি দিচ্ছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস। তাদের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধ বন্ধ এবং হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা কমানোর জন্য একটি প্রাথমিক সমঝোতার খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। বুধবার প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাত্র এক পাতার সমঝোতা স্মারকে ৩০ দিনের আলোচনার কাঠামো ঠিক করা হয়েছে। সেখানে জায়গা পেয়েছে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা শিথিল এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করার মতো বড় বড় ইস্যু। সূত্রের খবর, কয়েকটি অমীমাংসিত বিষয়ে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই তেহরানের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক জবাব পেতে চায় ওয়াশিংটন। আলোচনার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা বলছেন, চলমান যুদ্ধ শুরুর পর এই প্রথম দুই দেশ এত কাছাকাছি এসেছে কোনো চুক্তিতে। খসড়া প্রস্তাবটি একটু খুলে বলি। সেখানে কী আছে? ইরান সাময়িকভাবে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করবে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের আরও বেশি ঢুকতে দেবে। আর পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথে না যাওয়ার নিশ্চয়তা দেবে। বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র ধাপে ধাপে নিষেধাজ্ঞা কমাবে এবং ইরানের জব্দ হওয়া বিপুল পরিমাণ অর্থ ছেড়ে দেবে। এ ছাড়া হরমুজ প্রণালিতে সম্প্রতি উত্তেজনায় ব্যাহত হওয়া আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল আবার স্বাভাবিক করতেও ধাপে ধাপে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা আছে প্রস্তাবে। তবে সবচেয়ে বড় অমিমাংসা ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ রাখার সময়সীমা নিয়ে। ইরান পাঁচ বছরের জন্য এই কার্যক্রম স্থগিত রাখতে রাজি। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র প্রথমে চেয়েছিল ২০ বছর। এখন উভয়পক্ষ ১২ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে কোনো সমঝোতায় পৌঁছানোর চেষ্টা করছে। জানা গেছে, ইরান তাদের উচ্চমাত্রার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত বিদেশে সরিয়ে দিতেও সম্মত হতে পারে। আগে তারা এই প্রস্তাব একেবারে নাকচ করে দিয়েছিল। আলোচনা চালাচ্ছেন মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ ও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার। পরবর্তী বৈঠক হতে পারে পাকিস্তানের ইসলামাবাদ অথবা সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়। এদিকে আলোচনার অগ্রগতিতে খুশি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, এই কূটনৈতিক প্রচেষ্টা মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ও স্থিতিশীলতা বয়ে আনবে। তবে সবাই এত আশাবাদী নয়। ইসরাইলের জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তারা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে হরমুজ প্রণালিতে পুরোপুরি নিরাপদ নৌচলাচল নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। তাদের ভাষ্য, ওমান উপকূল ঘেঁষা বিকল্প পথটিও অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও সংকীর্ণ।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_17.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_17.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_17.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[পেছন থেকে ছুরি মারছে যুক্তরাষ্ট্র!’ ইরানী প্রেসিডেন্টের অভিযোগ শুনুন]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36879</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36879</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 07 May 2026 18:05:46 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Iran president accuses US backstabbing, Masoud Pezeshkian Macron call, US attacked Iran during talks, Tehran diplomatic solution, Iran national interest no compromise, US military pressure on Iran, Iran nuclear deal talks 2026, Hormuz Strait navigation normalisation, US Iran mutual trust broken, France president Iran mediation, US sanctions relief Iran, Iran uranium enrichment negotiation, West Asia tensions latest, Iran US back channel talks, Tehran Washington confrontation news]]></category>
        
        <description><![CDATA[কূটনৈতিক টেবিলে আলোচনা চলছে, অথচ ওদিকে একই সময়ে হামলা! এমন অভিযোগ তুলে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তাঁর কথায়, ওয়াশিংটন যেন ‘পেছন থেকে ছুরি মেরেছে’ ইরানকে। ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁর সঙ্গে ফোনালাপে পেজেশকিয়ান জানান, দ্বিপক্ষীয় সংলাপ চলার সময়টায় ঠিক দুবার হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এই ঘটনাকে তিনি ‘পেছন থেকে ছুরি মারা’র চেয়ে কম কিছু বলেননি। ইরানের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জানিয়েছে, তেহরান এখনো কূটনৈতিক সমাধানের পথ খোলা রাখতে চায়। তবে পরিষ্কার সতর্কবার্তাও দিয়েছেন পেজেশকিয়ান—জনগণের অধিকার ও জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে কোনো আপস নয়, কোনো রকম ছাড় নয়। তিনি আরও বলেন, আলোচনার নামে যদি চাপ সৃষ্টি করা হয় বা সামরিক হামলা চালানো হয়, তা কোনো অবস্থাতেই গ্রহণযোগ্য নয়। বরং এতে পারস্পরিক আস্থা আরও নষ্ট হয়, সম্পর্ক আরও খারাপের দিকে যায়। এদিকে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবর বলছে, চলমান উত্তেজনা ও সংঘাত বন্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটা সম্ভাব্য সমঝোতার খুব কাছে পৌঁছে গেছে। আলোচনায় মূলত পাঁচটি বিষয়ে জোর দেওয়া হচ্ছে—ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করার বিষয়টিও রয়েছে সবার ওপরে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_16.webp" alt="পেছন থেকে ছুরি মারছে যুক্তরাষ্ট্র!’ ইরানী প্রেসিডেন্টের অভিযোগ শুনুন" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>পেছন থেকে ছুরি মারছে যুক্তরাষ্ট্র!’ ইরানী প্রেসিডেন্টের অভিযোগ শুনুন</h1>
            <p>কূটনৈতিক টেবিলে আলোচনা চলছে, অথচ ওদিকে একই সময়ে হামলা! এমন অভিযোগ তুলে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তাঁর কথায়, ওয়াশিংটন যেন ‘পেছন থেকে ছুরি মেরেছে’ ইরানকে। ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁর সঙ্গে ফোনালাপে পেজেশকিয়ান জানান, দ্বিপক্ষীয় সংলাপ চলার সময়টায় ঠিক দুবার হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এই ঘটনাকে তিনি ‘পেছন থেকে ছুরি মারা’র চেয়ে কম কিছু বলেননি। ইরানের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জানিয়েছে, তেহরান এখনো কূটনৈতিক সমাধানের পথ খোলা রাখতে চায়। তবে পরিষ্কার সতর্কবার্তাও দিয়েছেন পেজেশকিয়ান—জনগণের অধিকার ও জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে কোনো আপস নয়, কোনো রকম ছাড় নয়। তিনি আরও বলেন, আলোচনার নামে যদি চাপ সৃষ্টি করা হয় বা সামরিক হামলা চালানো হয়, তা কোনো অবস্থাতেই গ্রহণযোগ্য নয়। বরং এতে পারস্পরিক আস্থা আরও নষ্ট হয়, সম্পর্ক আরও খারাপের দিকে যায়। এদিকে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবর বলছে, চলমান উত্তেজনা ও সংঘাত বন্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটা সম্ভাব্য সমঝোতার খুব কাছে পৌঁছে গেছে। আলোচনায় মূলত পাঁচটি বিষয়ে জোর দেওয়া হচ্ছে—ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করার বিষয়টিও রয়েছে সবার ওপরে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_16.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_16.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_16.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[চীনের চেয়েও বড় খবর! চীন সফরের আগেই ইরান চুক্তি হতে পারে]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36878</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36878</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 07 May 2026 18:05:01 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[এশিয়া]]></category>
                        <category><![CDATA[Trump Iran deal before China trip, US Iran nuclear agreement 2026, Iran uranium transfer to US, Steve Witkoff Jared Kushner Iran talks, Islamabad Iran US negotiations, Iran uranium enrichment limits, Axios Iran preliminary deal, Trump China visit timing, Iran US inspection system, Hormuz Strait navigation deal, US Iran ceasefire framework, Pakistan mediator Iran US, Iran Foreign Ministry nuclear response, US Iran 30 day agreement, Tehran Washington negotiation progress]]></category>
        
        <description><![CDATA[দেখা যাচ্ছে, বিশ্বরাজনীতিতে বসেছে বড় চমক। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহে চীন সফরে যাওয়ার আগেই ইরানের সঙ্গে একটা সমঝোতা চুক্তি করে ফেলা সম্ভব হতে পারে। বুধবার এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এই ইঙ্গিত দেন। তাঁর কথায়, এই প্রস্তাবিত চুক্তির আওতায় ইরানের ইউরেনিয়াম যুক্তরাষ্ট্রে স্থানান্তরের ব্যাপারটিও আলোচনায় রয়েছে। তবে ট্রাম্প জানান, পরবর্তী দফার আলোচনায় হয়তো মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ আর তাঁর জামাতা জ্যারেড কুশনার অংশ নাও নিতে পারেন। ওদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যমের খবর বলছে, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে আগামী সপ্তাহে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে আবার আলোচনা বসতে পারে। তবে এখনো দু’পক্ষের মধ্যে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে অমিমাংসা রয়ে গেছে। যেমন—ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের সীমা কত হবে, আর পরিদর্শন ব্যবস্থা কেমন হবে—এসব নিয়েই মূলত টানাপড়েন। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, উভয় পক্ষের খসড়া প্রস্তাব পর্যালোচনার কাজ এখনো চলছে। আর পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে এখনো আনুষ্ঠানিক জবাব পাঠানো হয়নি। এর আগে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি প্রাথমিক সমঝোতার খুব কাছে পৌঁছে গেছে। সেই সম্ভাব্য চুক্তির আওতায় কী কী থাকতে পারে? যুদ্ধ বন্ধ, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে সমঝোতা, অবরোধ শিথিল করা এবং হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচল—এসব মাথায় রেখে ৩০ দিনের একটি কাঠামো তৈরির পরিকল্পনা বলা হয়েছে। সূত্রের দাবি, চলমান সংঘাত শুরুর পর এই প্রথম দুই দেশ এতটা কাছে পৌঁছেছে কোনো চুক্তিতে। এখন দেখার বিষয়, সত্যিই কি চীন সফরের আগেই সই হচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি!  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_15.webp" alt="চীনের চেয়েও বড় খবর! চীন সফরের আগেই ইরান চুক্তি হতে পারে" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>চীনের চেয়েও বড় খবর! চীন সফরের আগেই ইরান চুক্তি হতে পারে</h1>
            <p>দেখা যাচ্ছে, বিশ্বরাজনীতিতে বসেছে বড় চমক। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহে চীন সফরে যাওয়ার আগেই ইরানের সঙ্গে একটা সমঝোতা চুক্তি করে ফেলা সম্ভব হতে পারে। বুধবার এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এই ইঙ্গিত দেন। তাঁর কথায়, এই প্রস্তাবিত চুক্তির আওতায় ইরানের ইউরেনিয়াম যুক্তরাষ্ট্রে স্থানান্তরের ব্যাপারটিও আলোচনায় রয়েছে। তবে ট্রাম্প জানান, পরবর্তী দফার আলোচনায় হয়তো মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ আর তাঁর জামাতা জ্যারেড কুশনার অংশ নাও নিতে পারেন। ওদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যমের খবর বলছে, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে আগামী সপ্তাহে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে আবার আলোচনা বসতে পারে। তবে এখনো দু’পক্ষের মধ্যে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে অমিমাংসা রয়ে গেছে। যেমন—ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের সীমা কত হবে, আর পরিদর্শন ব্যবস্থা কেমন হবে—এসব নিয়েই মূলত টানাপড়েন। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, উভয় পক্ষের খসড়া প্রস্তাব পর্যালোচনার কাজ এখনো চলছে। আর পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে এখনো আনুষ্ঠানিক জবাব পাঠানো হয়নি। এর আগে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি প্রাথমিক সমঝোতার খুব কাছে পৌঁছে গেছে। সেই সম্ভাব্য চুক্তির আওতায় কী কী থাকতে পারে? যুদ্ধ বন্ধ, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে সমঝোতা, অবরোধ শিথিল করা এবং হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচল—এসব মাথায় রেখে ৩০ দিনের একটি কাঠামো তৈরির পরিকল্পনা বলা হয়েছে। সূত্রের দাবি, চলমান সংঘাত শুরুর পর এই প্রথম দুই দেশ এতটা কাছে পৌঁছেছে কোনো চুক্তিতে। এখন দেখার বিষয়, সত্যিই কি চীন সফরের আগেই সই হচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি!  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_15.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_15.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_15.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ওমান উপসাগরে ইরানি জাহাজের রাডার উড়িয়ে দিল যুক্তরাষ্ট্র!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36877</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36877</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 07 May 2026 18:05:33 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[US Navy disables Iranian tanker, MT Hasna tanker Oman Gulf, US Central Command Iran, Hormuz Strait latest news, Trump Project Freedom strike, Iranian oil ship radar attack, US blockade Iran port, IRGC Navy statement, US Iran military tension 2026, Middle East shipping crisis, US warship open fire, Iran oil export blocked, Trump steel wall metaphor, Pakistan request ceasefire, US Iran indirect talks progress]]></category>
        
        <description><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত জলে ফের নাটকীয় ঘটনা। ওমান উপসাগরে ইরানের পতাকাবাহী একটি তেলবাহী জাহাজকে আচমকা অচল করে দিল যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। কী কারণে এই পদক্ষেপ? জানা গেছে, ইরানি বন্দরের ওপর মার্কিন নৌ অবরোধ ভেঙে ফেলার চেষ্টা করছিল জাহাজটি। বুধবার এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড জানিয়েছে, ‘এমটি হাসনা’ নামের জাহাজটি আন্তর্জাতিক জলসীমা পেরিয়ে ইরানের এক বন্দরের দিকে যাচ্ছিল। বারবার সতর্ক করা সত্ত্বেও জাহাজটি থামেনি। বরং অবরোধের নির্দেশনা উপেক্ষা করে এগিয়ে যেতে থাকে। সেখানেই কঠোর পদক্ষেপ নেয় মার্কিন নৌবাহিনী। তাদের একটি যুদ্ধবিমান জাহাজটির রাডারকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। সরাসরি আঘাতে জাহাজটির নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা কার্যত অকেজো হয়ে যায়। এরপর আর সামনে এগোতে পারেনি জাহাজটি। মার্কিন কেন্দ্রীয় কমান্ড জানিয়েছে, ইরানি বন্দরে আসা-যাওয়া করা জাহাজের ওপর নৌ-অবরোধ এখনো পুরোদমে কার্যকর আছে। এদিকে হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি নিয়ে আশাবাদী যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছেন, এই কৌশলগত জলপথের পরিস্থিতি ‘অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে’। এমনকি বলেছেন, মার্কিন বাহিনী এখানে ‘ইস্পাতের দেয়াল’ তৈরি করে ফেলেছে। প্রসঙ্গত, গত ৩ মে ট্রাম্প ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নামে এক নৌ অভিযান ঘোষণা করেছিলেন। উদ্দেশ্য ছিল, হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া জাহাজগুলোকে নিরাপদে বের করে আনা। কিন্তু পাকিস্তানসহ কয়েকটি দেশের অনুরোধ এবং ইরানের সঙ্গে পরোক্ষ আলোচনায় কিছু অগ্রগতির ইঙ্গিত পাওয়ার পর মাত্র দুদিনের মাথায় সেই অভিযান স্থগিত করে দেয় যুক্তরাষ্ট্র। এরপর ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর নৌ শাখা দাবি করে, ‘আগ্রাসী শক্তির হুমকি’ সরে যাওয়ার কারণেই হরমুজ প্রণালিতে শান্তিপূর্ণ নৌ চলাচল আবার সম্ভব হয়েছে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_14.webp" alt="ওমান উপসাগরে ইরানি জাহাজের রাডার উড়িয়ে দিল যুক্তরাষ্ট্র!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ওমান উপসাগরে ইরানি জাহাজের রাডার উড়িয়ে দিল যুক্তরাষ্ট্র!</h1>
            <p>মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত জলে ফের নাটকীয় ঘটনা। ওমান উপসাগরে ইরানের পতাকাবাহী একটি তেলবাহী জাহাজকে আচমকা অচল করে দিল যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। কী কারণে এই পদক্ষেপ? জানা গেছে, ইরানি বন্দরের ওপর মার্কিন নৌ অবরোধ ভেঙে ফেলার চেষ্টা করছিল জাহাজটি। বুধবার এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড জানিয়েছে, ‘এমটি হাসনা’ নামের জাহাজটি আন্তর্জাতিক জলসীমা পেরিয়ে ইরানের এক বন্দরের দিকে যাচ্ছিল। বারবার সতর্ক করা সত্ত্বেও জাহাজটি থামেনি। বরং অবরোধের নির্দেশনা উপেক্ষা করে এগিয়ে যেতে থাকে। সেখানেই কঠোর পদক্ষেপ নেয় মার্কিন নৌবাহিনী। তাদের একটি যুদ্ধবিমান জাহাজটির রাডারকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। সরাসরি আঘাতে জাহাজটির নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা কার্যত অকেজো হয়ে যায়। এরপর আর সামনে এগোতে পারেনি জাহাজটি। মার্কিন কেন্দ্রীয় কমান্ড জানিয়েছে, ইরানি বন্দরে আসা-যাওয়া করা জাহাজের ওপর নৌ-অবরোধ এখনো পুরোদমে কার্যকর আছে। এদিকে হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি নিয়ে আশাবাদী যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছেন, এই কৌশলগত জলপথের পরিস্থিতি ‘অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে’। এমনকি বলেছেন, মার্কিন বাহিনী এখানে ‘ইস্পাতের দেয়াল’ তৈরি করে ফেলেছে। প্রসঙ্গত, গত ৩ মে ট্রাম্প ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নামে এক নৌ অভিযান ঘোষণা করেছিলেন। উদ্দেশ্য ছিল, হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া জাহাজগুলোকে নিরাপদে বের করে আনা। কিন্তু পাকিস্তানসহ কয়েকটি দেশের অনুরোধ এবং ইরানের সঙ্গে পরোক্ষ আলোচনায় কিছু অগ্রগতির ইঙ্গিত পাওয়ার পর মাত্র দুদিনের মাথায় সেই অভিযান স্থগিত করে দেয় যুক্তরাষ্ট্র। এরপর ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর নৌ শাখা দাবি করে, ‘আগ্রাসী শক্তির হুমকি’ সরে যাওয়ার কারণেই হরমুজ প্রণালিতে শান্তিপূর্ণ নৌ চলাচল আবার সম্ভব হয়েছে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_14.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_14.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_14.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[হামাস নেতার ছেলে আহত! গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৫]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36876</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36876</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 07 May 2026 18:05:25 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Gaza airstrike today, Hamas leader son injured, Israeli attack Gaza, Khalil Al-Hayya son, Naseem Al-Kazani killed, Khan Yunis strike, Palestine news update, Israel Hamas ceasefire violation, Gaza police officer killed, Press TV Gaza report, children killed in Gaza, anti narcotics unit Gaza, Tahir Al-Nono statement, Gaza death toll 72500, Middle East conflict 2026]]></category>
        
        <description><![CDATA[ফের রক্তে ভাসছে গাজা। ইসরায়েলি বিমান হামলায় সরাসরি লক্ষ্যবস্তু হয়েছেন হামাসের শীর্ষ নেতা খালিল আল-হাইয়ার ছেলে। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি আজ্জাম আল-হাইয়া। আর এই হামলায় প্রাণ গেল কমপক্ষে পাঁচজনের। বৃহস্পতিবার (৭ মে) এই তথ্য জানিয়েছে প্রেস টিভি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজা সিটিতে চালানো এক হামলায় আহত হন আজ্জাম আল-হাইয়া। একই ঘটনায় মৃত্যু হয় আরও একজনের। আর তার আগের দিন আলাদা হামলায় প্রাণ হারান চার ফিলিস্তিনি। তাদের মধ্যে গাজার পুলিশের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাও রয়েছেন। সবচেয়ে রক্তাক্ত হামলাটি ঘটে দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে। সেখানে নিহত হন মাদকবিরোধী ইউনিটের প্রধান নাসিম আল-কাজানি। একই হামলায় আহত হয়েছেন আরও কমপক্ষে ১৭ জন। নিজের ছেলে হামলায় আহত হওয়ার পর সরব হয়েছেন হামাস নেতা খালিল আল-হাইয়া। তিনি বলেন, ‘এটা আমাদের জনগণের ওপর আগ্রাসনেরই অংশ। তারা জবরদস্তি, হত্যা আর সন্ত্রাসের মাধ্যমে নিজেদের ইচ্ছা চাপিয়ে দিতে চায়।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য খুব স্পষ্ট। শিশু হত্যা করে বা নেতাদের শহীদ করে আমাদের ভয় দেখানো যাবে না।’ এই হামলায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন খালিল আল-হাইয়ার সহকারী তাহের আল-নোনো। তিনি বলেন, ‘আজ্জাম আল-হাইয়াকে টার্গেট করে হামলা চালানো নৈতিক ও মানবিক দিক থেকে সম্পূর্ণ পতনের লক্ষণ।’ তিনি আরও সাফ বলেন, ‘এই হত্যাকাণ্ড সত্ত্বেও আমাদের নেতারা তাদের জনগণের অধিকার রক্ষায় অটল থাকবেন।’ উল্লেখ্য, গত অক্টোবর মাসে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও হামাস একটি শান্তি প্রস্তাবে রাজি হয়েছিল। কিন্তু তারপর বারবার শান্তিচুক্তি ভেঙেছে ইসরায়েল। তাতে এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছেন অন্তত ৮৩০ জন ফিলিস্তিনি। দীর্ঘ এই সংঘাতে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় গাজায় প্রাণ গিয়েছে প্রায় ৭২ হাজার ৫০০ ফিলিস্তিনির।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_13.webp" alt="হামাস নেতার ছেলে আহত! গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৫" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>হামাস নেতার ছেলে আহত! গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৫</h1>
            <p>ফের রক্তে ভাসছে গাজা। ইসরায়েলি বিমান হামলায় সরাসরি লক্ষ্যবস্তু হয়েছেন হামাসের শীর্ষ নেতা খালিল আল-হাইয়ার ছেলে। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি আজ্জাম আল-হাইয়া। আর এই হামলায় প্রাণ গেল কমপক্ষে পাঁচজনের। বৃহস্পতিবার (৭ মে) এই তথ্য জানিয়েছে প্রেস টিভি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজা সিটিতে চালানো এক হামলায় আহত হন আজ্জাম আল-হাইয়া। একই ঘটনায় মৃত্যু হয় আরও একজনের। আর তার আগের দিন আলাদা হামলায় প্রাণ হারান চার ফিলিস্তিনি। তাদের মধ্যে গাজার পুলিশের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাও রয়েছেন। সবচেয়ে রক্তাক্ত হামলাটি ঘটে দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে। সেখানে নিহত হন মাদকবিরোধী ইউনিটের প্রধান নাসিম আল-কাজানি। একই হামলায় আহত হয়েছেন আরও কমপক্ষে ১৭ জন। নিজের ছেলে হামলায় আহত হওয়ার পর সরব হয়েছেন হামাস নেতা খালিল আল-হাইয়া। তিনি বলেন, ‘এটা আমাদের জনগণের ওপর আগ্রাসনেরই অংশ। তারা জবরদস্তি, হত্যা আর সন্ত্রাসের মাধ্যমে নিজেদের ইচ্ছা চাপিয়ে দিতে চায়।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য খুব স্পষ্ট। শিশু হত্যা করে বা নেতাদের শহীদ করে আমাদের ভয় দেখানো যাবে না।’ এই হামলায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন খালিল আল-হাইয়ার সহকারী তাহের আল-নোনো। তিনি বলেন, ‘আজ্জাম আল-হাইয়াকে টার্গেট করে হামলা চালানো নৈতিক ও মানবিক দিক থেকে সম্পূর্ণ পতনের লক্ষণ।’ তিনি আরও সাফ বলেন, ‘এই হত্যাকাণ্ড সত্ত্বেও আমাদের নেতারা তাদের জনগণের অধিকার রক্ষায় অটল থাকবেন।’ উল্লেখ্য, গত অক্টোবর মাসে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও হামাস একটি শান্তি প্রস্তাবে রাজি হয়েছিল। কিন্তু তারপর বারবার শান্তিচুক্তি ভেঙেছে ইসরায়েল। তাতে এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছেন অন্তত ৮৩০ জন ফিলিস্তিনি। দীর্ঘ এই সংঘাতে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় গাজায় প্রাণ গিয়েছে প্রায় ৭২ হাজার ৫০০ ফিলিস্তিনির।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_13.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_13.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_13.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইরানের বিরুদ্ধে সরব জিসিসি! বললেন, ‘আক্রমণ আর মিথ্যে’ ছাড়েনি]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36875</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36875</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 07 May 2026 18:05:24 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[GCC condemns Iran, Jassem Al Budaiwi statement, Iran UAE tensions, Gulf region stability, Iran false allegations, GCC secretary general news, UAE sovereignty threat, Raya News Middle East, Iran hostile approach, Gulf security crisis, Iran attack on Abu Dhabi, GCC supports UAE, regional peace disruption, Iran misinformation campaign, Gulf Cooperation Council latest]]></category>
        
        <description><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্যে ফের বাড়ল রাজনৈতিক উত্তাপ! এবার আরব আমিরাতকে নিয়ে ইরানের মন্তব্যে ক্ষোভে ফেটে পড়ল উপসাগরীয় সহযোগিতা সংস্থা (জিসিসি)। সংস্থার মহাসচিব জাসিম আল-বুদাইওয়ি ইরানের মুখের কথাকে ‘মিথ্যা ও অগ্রহণযোগ্য অভিযোগ’ বলে নিন্দা জানিয়েছেন। তার কথায়, ইরান এই ধরনের বক্তব্য দিয়ে এই অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যেই অশান্তি লাগানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। জিসিসি মহাসচিব এক বিবৃতিতে বলেন, ‘ইরানের দাবি সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর। এগুলো অঞ্চলের নিরাপত্তা আর স্থিতিশীলতা ধ্বংস করার জন্যই পরিকল্পিতভাবে বলা হচ্ছে।’ তিনি আরও সাফ বলেন, ‘ইরান শুধু আবুধাবি আর সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভূখণ্ডে সরাসরি হামলা চালাচ্ছে তা-ই নয়, বরং তথ্য ঘুরিয়ে-পেঁচিয়ে পেশ করছে। যা আন্তর্জাতিক আইন ও নীতির স্পষ্ট লঙ্ঘন।’ খবর সংযুক্ত আরব আমিরাতের গণমাধ্যম রয়া নিউজের। মহাসচিবের ভাষ্যমতে, ‘ইরানের এই বিবৃতিতে স্পষ্ট বোঝা যায়, তারা কীভাবে উত্তেজনা বাড়াতে এবং এই অঞ্চলের শান্তি নষ্ট করতে চায়। এতে ইরানের শত্রুতামূলক দৃষ্টিভঙ্গি পরিষ্কার। যা পুরো অঞ্চলের মানুষ ও নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি।’ আল-বুদাইওয়ি জোর গলায় বলেন, ‘জিসিসি এক্ষেত্রে সংযুক্ত আরব আমিরাতের পাশে দৃঢ়ভাবে অবস্থান নিচ্ছে। আমিরাতের নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও সার্বভৌমত্ব বাঁচাতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপে সমর্থন দেওয়া হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘সংযুক্ত আরব আমিরাতের নিরাপত্তা মানেই সব জিসিসি দেশের নিরাপত্তা। এটা পরস্পরের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত।’  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_12.webp" alt="ইরানের বিরুদ্ধে সরব জিসিসি! বললেন, ‘আক্রমণ আর মিথ্যে’ ছাড়েনি" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইরানের বিরুদ্ধে সরব জিসিসি! বললেন, ‘আক্রমণ আর মিথ্যে’ ছাড়েনি</h1>
            <p>মধ্যপ্রাচ্যে ফের বাড়ল রাজনৈতিক উত্তাপ! এবার আরব আমিরাতকে নিয়ে ইরানের মন্তব্যে ক্ষোভে ফেটে পড়ল উপসাগরীয় সহযোগিতা সংস্থা (জিসিসি)। সংস্থার মহাসচিব জাসিম আল-বুদাইওয়ি ইরানের মুখের কথাকে ‘মিথ্যা ও অগ্রহণযোগ্য অভিযোগ’ বলে নিন্দা জানিয়েছেন। তার কথায়, ইরান এই ধরনের বক্তব্য দিয়ে এই অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যেই অশান্তি লাগানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। জিসিসি মহাসচিব এক বিবৃতিতে বলেন, ‘ইরানের দাবি সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর। এগুলো অঞ্চলের নিরাপত্তা আর স্থিতিশীলতা ধ্বংস করার জন্যই পরিকল্পিতভাবে বলা হচ্ছে।’ তিনি আরও সাফ বলেন, ‘ইরান শুধু আবুধাবি আর সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভূখণ্ডে সরাসরি হামলা চালাচ্ছে তা-ই নয়, বরং তথ্য ঘুরিয়ে-পেঁচিয়ে পেশ করছে। যা আন্তর্জাতিক আইন ও নীতির স্পষ্ট লঙ্ঘন।’ খবর সংযুক্ত আরব আমিরাতের গণমাধ্যম রয়া নিউজের। মহাসচিবের ভাষ্যমতে, ‘ইরানের এই বিবৃতিতে স্পষ্ট বোঝা যায়, তারা কীভাবে উত্তেজনা বাড়াতে এবং এই অঞ্চলের শান্তি নষ্ট করতে চায়। এতে ইরানের শত্রুতামূলক দৃষ্টিভঙ্গি পরিষ্কার। যা পুরো অঞ্চলের মানুষ ও নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি।’ আল-বুদাইওয়ি জোর গলায় বলেন, ‘জিসিসি এক্ষেত্রে সংযুক্ত আরব আমিরাতের পাশে দৃঢ়ভাবে অবস্থান নিচ্ছে। আমিরাতের নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও সার্বভৌমত্ব বাঁচাতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপে সমর্থন দেওয়া হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘সংযুক্ত আরব আমিরাতের নিরাপত্তা মানেই সব জিসিসি দেশের নিরাপত্তা। এটা পরস্পরের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত।’  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_12.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_12.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_12.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[গাজায় ভয়াবহ রোগের মহামারি! নাজুক স্বাস্থ্য পরিস্থিতি, আতঙ্কে মানুষ]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36874</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36874</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 07 May 2026 18:05:31 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Gaza health crisis, infectious diseases outbreak Gaza, WHO Gaza emergency, UNRWA Gaza diseases, scabies outbreak Gaza, Gaza displacement crisis, waterborne diseases Gaza, Gaza humanitarian disaster, Israel Gaza health impact, epidemic risk Gaza, Gaza sanitation collapse, Gaza medical supplies shortage, rodent infestation Gaza, skin infections Gaza, Gaza aid restrictions]]></category>
        
        <description><![CDATA[ধ্বংসস্তূপ আর দুর্ভোগের মধ্যেই গাজায় যোগ হয়েছে নতুন আতঙ্ক। দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে নানা সংক্রামক রোগ। আশঙ্কা করা হচ্ছে, যেকোনো মুহূর্তে ভয়াবহ স্বাস্থ্য বিপর্যয় নেমে আসতে পারে ভূখণ্ডটিতে। মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে বিষয়টি জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তাদের ভাষ্যমতে, ইসরায়েলি হামলায় সৃষ্ট মানবিক সংকটে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোর পরিবেশ একেবারে ভেঙে পড়েছে। পানি দূষিত, পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা ধ্বংস, বর্জ্য জমে জমে পঁচে যাচ্ছে। আর এর মধ্যেই দেখা দিয়েছে ডায়রিয়া, চর্মরোসহ একের পর এক মারণ রোগ। এদিকে বাড়ছে ইঁদুর, মশা আর নানা পরজীবীর উপদ্রব। পরিস্থিতি দিন দিন হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা। তারা বলছেন, বড় কোনো মহামারি ঠেকাতে এখনই জরুরি ভিত্তিতে লাগবে আন্তর্জাতিক সহায়তা, ওষুধ আর প্রতিরোধমূলক চিকিৎসার সরঞ্জাম। জাতিসংঘের ত্রাণ ও কর্মসংস্থান সংস্থা (ইউএনআরডব্লিউএ) জানিয়েছে, আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে চর্মরোগের সংক্রমণ লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। খোসপাঁচড়া, উকুন, পোকামাকড়ের কামড় আর নানা চামড়ার সংক্রমণে আক্রান্ত হচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ। দাতা সংস্থাটি বলছে, সাধারণ ওষুধ দিয়েই এগুলো নিয়ন্ত্রণ করা যায়, কিন্তু সেই ওষুধ পর্যন্ত পৌঁছানো যাচ্ছে না মানুষের কাছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, এ বছরের শুরুর পর থেকেই গাজায় বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের মধ্যে ইঁদুর ও পরজীবীঘটিত সংক্রমণের ১৭ হাজারেরও বেশি ঘটনা শনাক্ত হয়েছে। সংস্থাটি পরিস্থিতিকে ‘নৈরাশ্যজনক ও অত্যন্ত বিপজ্জনক’ বলে বর্ণনা করেছে। শুধু রোগই নয়, ভেঙে পড়েছে গাজার পুরো স্বাস্থ্য ব্যবস্থা। ধ্বংস হয়েছে বড় বড় হাসপাতালসহ ১৮০০-র বেশি স্বাস্থ্যকেন্দ্র। প্রায় ১৪০ কোটি ডলারের ক্ষতি হয়েছে এই খাতে। যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও স্বস্তি নেই গাজার ২৪ লাখ মানুষের। খাদ্য, চিকিৎসা, ত্রাণ আর আশ্রয়ের জিনিস ঢুকতে দিতে এখনো চলছে কড়া বিধিনিষেধ। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো বলছে, এভাবে চললে বিপর্যয় আরও ভয়াবহ হবে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_11.webp" alt="গাজায় ভয়াবহ রোগের মহামারি! নাজুক স্বাস্থ্য পরিস্থিতি, আতঙ্কে মানুষ" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>গাজায় ভয়াবহ রোগের মহামারি! নাজুক স্বাস্থ্য পরিস্থিতি, আতঙ্কে মানুষ</h1>
            <p>ধ্বংসস্তূপ আর দুর্ভোগের মধ্যেই গাজায় যোগ হয়েছে নতুন আতঙ্ক। দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে নানা সংক্রামক রোগ। আশঙ্কা করা হচ্ছে, যেকোনো মুহূর্তে ভয়াবহ স্বাস্থ্য বিপর্যয় নেমে আসতে পারে ভূখণ্ডটিতে। মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে বিষয়টি জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তাদের ভাষ্যমতে, ইসরায়েলি হামলায় সৃষ্ট মানবিক সংকটে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোর পরিবেশ একেবারে ভেঙে পড়েছে। পানি দূষিত, পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা ধ্বংস, বর্জ্য জমে জমে পঁচে যাচ্ছে। আর এর মধ্যেই দেখা দিয়েছে ডায়রিয়া, চর্মরোসহ একের পর এক মারণ রোগ। এদিকে বাড়ছে ইঁদুর, মশা আর নানা পরজীবীর উপদ্রব। পরিস্থিতি দিন দিন হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা। তারা বলছেন, বড় কোনো মহামারি ঠেকাতে এখনই জরুরি ভিত্তিতে লাগবে আন্তর্জাতিক সহায়তা, ওষুধ আর প্রতিরোধমূলক চিকিৎসার সরঞ্জাম। জাতিসংঘের ত্রাণ ও কর্মসংস্থান সংস্থা (ইউএনআরডব্লিউএ) জানিয়েছে, আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে চর্মরোগের সংক্রমণ লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। খোসপাঁচড়া, উকুন, পোকামাকড়ের কামড় আর নানা চামড়ার সংক্রমণে আক্রান্ত হচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ। দাতা সংস্থাটি বলছে, সাধারণ ওষুধ দিয়েই এগুলো নিয়ন্ত্রণ করা যায়, কিন্তু সেই ওষুধ পর্যন্ত পৌঁছানো যাচ্ছে না মানুষের কাছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, এ বছরের শুরুর পর থেকেই গাজায় বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের মধ্যে ইঁদুর ও পরজীবীঘটিত সংক্রমণের ১৭ হাজারেরও বেশি ঘটনা শনাক্ত হয়েছে। সংস্থাটি পরিস্থিতিকে ‘নৈরাশ্যজনক ও অত্যন্ত বিপজ্জনক’ বলে বর্ণনা করেছে। শুধু রোগই নয়, ভেঙে পড়েছে গাজার পুরো স্বাস্থ্য ব্যবস্থা। ধ্বংস হয়েছে বড় বড় হাসপাতালসহ ১৮০০-র বেশি স্বাস্থ্যকেন্দ্র। প্রায় ১৪০ কোটি ডলারের ক্ষতি হয়েছে এই খাতে। যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও স্বস্তি নেই গাজার ২৪ লাখ মানুষের। খাদ্য, চিকিৎসা, ত্রাণ আর আশ্রয়ের জিনিস ঢুকতে দিতে এখনো চলছে কড়া বিধিনিষেধ। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো বলছে, এভাবে চললে বিপর্যয় আরও ভয়াবহ হবে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_11.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_11.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_11.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ঈদের এই সুখবর শুনুন! আমিরাত জানিয়ে দিল সম্ভাব্য তারিখ, কবে জানেন?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36873</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36873</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 07 May 2026 18:05:41 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Eid ul Adha 2026 possible date, UAE announces Eid ul Adha, crescent moon sighting UAE, Ibrahim Al Jarwan Eid forecast, Dhul Hijjah moon birth date, Arafat Day 2026 UAE, Eid al Adha astronomical prediction, Gulf News Eid update, Emirates Astronomy Society, Arab Union for Astronomy, 27 May Eid ul Adha, 17 May moon sighting, UAE public holidays 2026, Islamic calendar 1447 Hijri, Eid ul Adha Bangladesh 2026 news]]></category>
        
        <description><![CDATA[কবে আসছে কোরবানির ঈদ? এই প্রশ্নে এখন থেকেই উত্তেজনা বাড়ছে মুসলিম বিশ্বে। আর সেই অপেক্ষার মধ্যেই বড় খবর দিল মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত। তারা জানিয়ে দিয়েছে আসন্ন ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ। কী বলছে আমিরাতের গণমাধ্যম গালফ নিউজ? তাদের খবর অনুযায়ী, জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের হিসাব বলছে—সংযুক্ত আরব আমিরাতে পবিত্র ঈদুল আজহা অনুষ্ঠিত হতে পারে আগামী ২৭ মে। বুধবার (৬ মে) এমিরেটস অ্যাস্ট্রোনমি সোসাইটির চেয়ারম্যান ইব্রাহিম আল জারওয়ান নিজেই এই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি আরব ইউনিয়ন ফর অ্যাস্ট্রোনমি অ্যান্ড স্পেস সায়েন্সেসেরও সদস্য। ইব্রাহিম আল জারওয়ান জানান, আগামী ১৭ মে সংযুক্ত আরব আমিরাত সময় রাত ১২টা ১ মিনিটে জিলহজ মাসের চাঁদ জন্ম নেওয়ার খুব সম্ভাবনা আছে। তিনি আরও বলেন, ওই দিন সূর্যাস্তের প্রায় ৫৮ মিনিট পর চাঁদ অস্ত যাবে। আর সেটা দিগন্তের প্রায় ১০ ডিগ্রি ওপরে থাকবে। আবহাওয়া ভালো থাকলে চাঁদ দেখা যাওয়ার সম্ভাবনাও অনেক বেশি। এই হিসেবটা যদি সত্যি হয়, তাহলে ১৮ মে শুরু হতে পারে ১৪৪৭ হিজরির জিলহজ মাস। সেক্ষেত্রে আরাফাতের দিন পড়বে ২৬ মে। আর পরের দিনই, অর্থাৎ ২৭ মে সারা দেশে ধুমধাম করে উদযাপিত হবে কোরবানির ঈদ। তবে আগেই জেনে নিন—জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, এই তারিখগুলো শুধু বৈজ্ঞানিক সম্ভাবনা। আনুষ্ঠানিকভাবে চাঁদ দেখার র依赖 করেই ঠিক হবে ঈদের চূড়ান্ত তারিখ।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_10.webp" alt="ঈদের এই সুখবর শুনুন! আমিরাত জানিয়ে দিল সম্ভাব্য তারিখ, কবে জানেন?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ঈদের এই সুখবর শুনুন! আমিরাত জানিয়ে দিল সম্ভাব্য তারিখ, কবে জানেন?</h1>
            <p>কবে আসছে কোরবানির ঈদ? এই প্রশ্নে এখন থেকেই উত্তেজনা বাড়ছে মুসলিম বিশ্বে। আর সেই অপেক্ষার মধ্যেই বড় খবর দিল মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত। তারা জানিয়ে দিয়েছে আসন্ন ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ। কী বলছে আমিরাতের গণমাধ্যম গালফ নিউজ? তাদের খবর অনুযায়ী, জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের হিসাব বলছে—সংযুক্ত আরব আমিরাতে পবিত্র ঈদুল আজহা অনুষ্ঠিত হতে পারে আগামী ২৭ মে। বুধবার (৬ মে) এমিরেটস অ্যাস্ট্রোনমি সোসাইটির চেয়ারম্যান ইব্রাহিম আল জারওয়ান নিজেই এই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি আরব ইউনিয়ন ফর অ্যাস্ট্রোনমি অ্যান্ড স্পেস সায়েন্সেসেরও সদস্য। ইব্রাহিম আল জারওয়ান জানান, আগামী ১৭ মে সংযুক্ত আরব আমিরাত সময় রাত ১২টা ১ মিনিটে জিলহজ মাসের চাঁদ জন্ম নেওয়ার খুব সম্ভাবনা আছে। তিনি আরও বলেন, ওই দিন সূর্যাস্তের প্রায় ৫৮ মিনিট পর চাঁদ অস্ত যাবে। আর সেটা দিগন্তের প্রায় ১০ ডিগ্রি ওপরে থাকবে। আবহাওয়া ভালো থাকলে চাঁদ দেখা যাওয়ার সম্ভাবনাও অনেক বেশি। এই হিসেবটা যদি সত্যি হয়, তাহলে ১৮ মে শুরু হতে পারে ১৪৪৭ হিজরির জিলহজ মাস। সেক্ষেত্রে আরাফাতের দিন পড়বে ২৬ মে। আর পরের দিনই, অর্থাৎ ২৭ মে সারা দেশে ধুমধাম করে উদযাপিত হবে কোরবানির ঈদ। তবে আগেই জেনে নিন—জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, এই তারিখগুলো শুধু বৈজ্ঞানিক সম্ভাবনা। আনুষ্ঠানিকভাবে চাঁদ দেখার র依赖 করেই ঠিক হবে ঈদের চূড়ান্ত তারিখ।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_10.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_10.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_10.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[বিমানের ধাক্কায় ট্রাক উড়ে গেল! চমকে বাঁচলেন যাত্রীরা, দেখুন ভিডিও]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36872</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36872</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 07 May 2026 17:05:41 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[যুক্তরাজ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Boeing 767 truck collision, plane hits truck New York, United Airlines near miss, Liberty Airport incident, viral plane accident video, human interest story USA, Boeing crash avoided, truck driver survives plane crash, emotional father son call, Boxing Hall of Fame member son, vehicle hit by landing gear, Newark flight accident, Boeing 767 landing gear failure, NTSB investigation update, shocking plane truck collision]]></category>
        
        <description><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রে এক ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে। নিচ দিয়ে উড়তে থাকা একটি বোয়িং ৭৬৭ বিমান হঠাৎ করেই একটি ট্রাককে ধাক্কা মারে। প্রায় বিপর্যয়ের মুখে পড়েও অলৌকিকভাবে বেঁচে যান বিমানের সব যাত্রী। আর সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন ভাইরাল সেই দুর্ঘটনার ভিডিও। জানা গেছে, নিউইয়র্কের লিবার্টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামার সময় যুক্তরাষ্ট্রের ইউনাইটেড এয়ারলাইন্সের ওই বোয়িং ৭৬৭ বিমানটি নিচু দিয়ে যাচ্ছিল। তখনই রাস্তায় থাকা একটি বেকারি পণ্যের ট্রাকের সঙ্গে তার ধাক্কা লেগে যায়। ভয়াবহ এই সংঘর্ষে ট্রাকটি তছনছ হয়ে যায়। বিমানের ল্যান্ডিং গিয়ারের একটা চাকা সজোরে ট্রাকের জানালা আর উইন্ডশিল্ড ভেদ করে ভেতরে চলে যায়। চারদিকে কাঁচের ছিটেফোঁটা। আর ট্রাকের চালক বোর্ডলি জুনিয়রের হাত ও বাহুতে গুরুতর আঘাত লাগে। কিন্তু কী অদ্ভুত! এত বড় দুর্ঘটনার পরও তিনি প্রাণে বেঁচে যান। কিছুক্ষণ পরই তিনি ফোন করেন তাঁর বাবাকে। বাবা ওয়ারেন বোর্ডলি সিনিয়র বক্সিং জগতের নামকরা ব্যক্তি। তিনি বক্সিং হল অব ফেমের সদস্য। তিনি জানান, “ছেলে এতটাই আতঙ্কিত ছিল যে কী বলবে বুঝতে পারছিল না। ফোন করে বলল, প্লেন এসে আমাকে ধাক্কা দিয়ে গেছে। শুনে আমারও বিশ্বাস হয়নি!” চালকের বাবা আরও জানান, ছেলের সারা শরীর ব্যথায় ভেঙে পড়েছে। মাথায় ও শরীরের ভেতরেও আঘাত লেগেছে। তবে এখন শুধু কৃতজ্ঞতা যে সে বেঁচে আছে। শারীরিক কষ্ট হয়তো একদিন সারবে, কিন্তু মানসিক ধাক্কা অনেক দিন থাকবে। তিনি বলেন, “পৃথিবীর সব কিছুর জন্য মানুষ প্রস্তুত থাকতে পারে, কিন্তু একটা বিমান এসে ট্রাকের গায়ে চড়ে বসবে—এটা কেউ ভাবতেই পারে না। অন্য কোনো গাড়ির ভুল ধরতে পারব, কিন্তু প্লেনের জন্য কী প্রস্তুতি থাকবে?” ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড (এনটিএসবি) তদন্ত শুরু করেছে। তারা দেখছে—ফ্লাইটটা ঠিকমতো নিয়ন্ত্রণে ছিল কি না, আবহাওয়া কেমন ছিল, কোনো মানবিক ত্রুটি ছিল কিনা, ক্রু ম্যানেজমেন্ট ও এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল সঠিক ছিল কি না। ইউনাইটেড এয়ারলাইন্স জানিয়েছে, বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করেছে এবং কোনো যাত্রী বা ক্রু সদস্য এতে আহত হননি।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_9.webp" alt="বিমানের ধাক্কায় ট্রাক উড়ে গেল! চমকে বাঁচলেন যাত্রীরা, দেখুন ভিডিও" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>বিমানের ধাক্কায় ট্রাক উড়ে গেল! চমকে বাঁচলেন যাত্রীরা, দেখুন ভিডিও</h1>
            <p>যুক্তরাষ্ট্রে এক ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে। নিচ দিয়ে উড়তে থাকা একটি বোয়িং ৭৬৭ বিমান হঠাৎ করেই একটি ট্রাককে ধাক্কা মারে। প্রায় বিপর্যয়ের মুখে পড়েও অলৌকিকভাবে বেঁচে যান বিমানের সব যাত্রী। আর সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন ভাইরাল সেই দুর্ঘটনার ভিডিও। জানা গেছে, নিউইয়র্কের লিবার্টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামার সময় যুক্তরাষ্ট্রের ইউনাইটেড এয়ারলাইন্সের ওই বোয়িং ৭৬৭ বিমানটি নিচু দিয়ে যাচ্ছিল। তখনই রাস্তায় থাকা একটি বেকারি পণ্যের ট্রাকের সঙ্গে তার ধাক্কা লেগে যায়। ভয়াবহ এই সংঘর্ষে ট্রাকটি তছনছ হয়ে যায়। বিমানের ল্যান্ডিং গিয়ারের একটা চাকা সজোরে ট্রাকের জানালা আর উইন্ডশিল্ড ভেদ করে ভেতরে চলে যায়। চারদিকে কাঁচের ছিটেফোঁটা। আর ট্রাকের চালক বোর্ডলি জুনিয়রের হাত ও বাহুতে গুরুতর আঘাত লাগে। কিন্তু কী অদ্ভুত! এত বড় দুর্ঘটনার পরও তিনি প্রাণে বেঁচে যান। কিছুক্ষণ পরই তিনি ফোন করেন তাঁর বাবাকে। বাবা ওয়ারেন বোর্ডলি সিনিয়র বক্সিং জগতের নামকরা ব্যক্তি। তিনি বক্সিং হল অব ফেমের সদস্য। তিনি জানান, “ছেলে এতটাই আতঙ্কিত ছিল যে কী বলবে বুঝতে পারছিল না। ফোন করে বলল, প্লেন এসে আমাকে ধাক্কা দিয়ে গেছে। শুনে আমারও বিশ্বাস হয়নি!” চালকের বাবা আরও জানান, ছেলের সারা শরীর ব্যথায় ভেঙে পড়েছে। মাথায় ও শরীরের ভেতরেও আঘাত লেগেছে। তবে এখন শুধু কৃতজ্ঞতা যে সে বেঁচে আছে। শারীরিক কষ্ট হয়তো একদিন সারবে, কিন্তু মানসিক ধাক্কা অনেক দিন থাকবে। তিনি বলেন, “পৃথিবীর সব কিছুর জন্য মানুষ প্রস্তুত থাকতে পারে, কিন্তু একটা বিমান এসে ট্রাকের গায়ে চড়ে বসবে—এটা কেউ ভাবতেই পারে না। অন্য কোনো গাড়ির ভুল ধরতে পারব, কিন্তু প্লেনের জন্য কী প্রস্তুতি থাকবে?” ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড (এনটিএসবি) তদন্ত শুরু করেছে। তারা দেখছে—ফ্লাইটটা ঠিকমতো নিয়ন্ত্রণে ছিল কি না, আবহাওয়া কেমন ছিল, কোনো মানবিক ত্রুটি ছিল কিনা, ক্রু ম্যানেজমেন্ট ও এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল সঠিক ছিল কি না। ইউনাইটেড এয়ারলাইন্স জানিয়েছে, বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করেছে এবং কোনো যাত্রী বা ক্রু সদস্য এতে আহত হননি।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_9.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_9.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_9.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[চমকে দেওয়া রায়! চীনের সাবেক দুই প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36871</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36871</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 07 May 2026 17:05:09 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[এশিয়া]]></category>
                        <category><![CDATA[China former defense ministers, Wei Fenghe death sentence, Li Shangfu corruption case, Chinese military court verdict, CCTV news China, bribery charges China, suspended death sentence China, Central Military Commission China, life imprisonment China, state councilor China, property confiscation China, China anti corruption campaign, political rights revoked, China justice system, CCP crackdown on generals]]></category>
        
        <description><![CDATA[চীনে এবার বড় ধরনের পদক্ষেপ নিল আদালত। ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগে দেশটির সাবেক দুই প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েই ফেংহে এবং লি শাংফুকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে সামরিক আদালত। বৃহস্পতিবার এই রায় ঘোষণা করা হয়। রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে ঘুষ নেওয়া ও দুর্নীতির দায়ে এই দুই প্রভাবশালী নেতাকে সবচেয়ে কঠোর শাস্তি দিয়েছে আদালত। তবে খবর হলো, এই সাজা কার্যকরের ব্যাপারে দুই বছরের জন্য স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে। উভয়েই ছিলেন চীনের কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের প্রভাবশালী সদস্য এবং সাবেক স্টেট কাউন্সিলর। আদালত জানিয়েছে, ওয়েই ফেংহেকে ঘুষ গ্রহণের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। অন্যদিকে লি শাংফুর বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়া ও ঘুষ দেওয়া— দুটি অভিযোগই প্রমাণিত হয়েছে। শুধু মৃত্যুদণ্ডই নয়, তাদের সব ধরনের রাজনৈতিক অধিকারও কেড়ে নেওয়া হয়েছে আজীবনের জন্য। সেই সঙ্গে ব্যক্তিগত সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। আদালতে আরও বলা হয়েছে, দুই বছর পর এই স্থগিতাদেশ শেষ হলে আইন অনুযায়ী তাদের সাজা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে রূপান্তরিত হবে। আর সেক্ষেত্রে তারা কোনোদিনই সাজা মওকুফ বা কারামুক্তির সুযোগ পাবেন না। চীনের মতো দেশে এত বড় পদে থাকা দুই নেতার এ রায় সত্যিই সবার চোখ কপালে তুলে দেওয়ার মতো ঘটনা!  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_8.webp" alt="চমকে দেওয়া রায়! চীনের সাবেক দুই প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>চমকে দেওয়া রায়! চীনের সাবেক দুই প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড</h1>
            <p>চীনে এবার বড় ধরনের পদক্ষেপ নিল আদালত। ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগে দেশটির সাবেক দুই প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েই ফেংহে এবং লি শাংফুকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে সামরিক আদালত। বৃহস্পতিবার এই রায় ঘোষণা করা হয়। রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে ঘুষ নেওয়া ও দুর্নীতির দায়ে এই দুই প্রভাবশালী নেতাকে সবচেয়ে কঠোর শাস্তি দিয়েছে আদালত। তবে খবর হলো, এই সাজা কার্যকরের ব্যাপারে দুই বছরের জন্য স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে। উভয়েই ছিলেন চীনের কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের প্রভাবশালী সদস্য এবং সাবেক স্টেট কাউন্সিলর। আদালত জানিয়েছে, ওয়েই ফেংহেকে ঘুষ গ্রহণের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। অন্যদিকে লি শাংফুর বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়া ও ঘুষ দেওয়া— দুটি অভিযোগই প্রমাণিত হয়েছে। শুধু মৃত্যুদণ্ডই নয়, তাদের সব ধরনের রাজনৈতিক অধিকারও কেড়ে নেওয়া হয়েছে আজীবনের জন্য। সেই সঙ্গে ব্যক্তিগত সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। আদালতে আরও বলা হয়েছে, দুই বছর পর এই স্থগিতাদেশ শেষ হলে আইন অনুযায়ী তাদের সাজা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে রূপান্তরিত হবে। আর সেক্ষেত্রে তারা কোনোদিনই সাজা মওকুফ বা কারামুক্তির সুযোগ পাবেন না। চীনের মতো দেশে এত বড় পদে থাকা দুই নেতার এ রায় সত্যিই সবার চোখ কপালে তুলে দেওয়ার মতো ঘটনা!  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_8.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_8.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_8.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইতিহাস গড়ল এয়ারবাস! মালয়েশিয়ায় এক কোম্পানিকে বিক্রি করল ১৫০ বিমান]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36870</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36870</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 07 May 2026 17:05:22 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[এশিয়া]]></category>
                        <category><![CDATA[Airbus A220-300 deal, AirAsia 150 aircraft order, Tony Fernandes Airbus contract, Malaysia aviation news, Canada Quebec Mirabel, Airbus single largest order, Lars Wagner statement, Mark Carney Airbus event, Southeast Asia aviation market, long haul narrow body aircraft, Airbus AirAsia partnership, 1900 crore dollar deal, low cost carrier expansion, new generation aircraft sale, Airbus historical record]]></category>
        
        <description><![CDATA[বিশ্বের নামকরা বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাস এবার রেকর্ড গড়ল। মালয়েশিয়ার বিমান পরিষেবা সংস্থা এয়ার এশিয়ার সঙ্গে দারুণ এক চুক্তি সই করেছে তারা। এই চুক্তি অনুযায়ী, এয়ারবাস তাদের আধুনিক প্রজন্মের A220-300 সিরিজের ১৫০টি বিমান সরবরাহ করবে এয়ার এশিয়াকে। ১৯৭০ সালে পথচলা শুরু করা এয়ারবাসের ইতিহাসে এই চুক্তি সত্যিই বড় মাইলফলক। কারণ কোনো একক কোম্পানির কাছে এত বড় অর্ডার আর কখনও পায়নি ইউরোপের এই কোম্পানি। এই ১৫০টি বিমানের মোট দাম ধরা হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৯০০ কোটি আমেরিকান ডলার! গতকাল ৬ মে কানাডার কুইবেক প্রদেশের মিরাবেল শহরে এয়ারবাসের আঞ্চলিক অফিসে চুক্তি সই হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন এয়ার এশিয়ার উপদেষ্টা টনি ফার্নান্দেজ ও প্রধান নির্বাহী লার্স ওয়াগনার। আর তাদের হাত ধরেই এই চুক্তি সম্পন্ন হয়। এ সময় কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক ক্র্যানি ও কুইবেকের মুখ্যমন্ত্রী ক্রিস্টিন ফ্রেশেটও উপস্থিত ছিলেন। এই A220-300 সিরিজের বিমান সাধারণত ১৬০ জন যাত্রী বহন করতে পারে। কিন্তু এয়ার এশিয়ার জন্য বানানো ১৫০টি বিমানের প্রতিটিতে থাকবে অতিরিক্ত আরও ১০টি আসন, অর্থাৎ মোট ১৭০ আসন। আর নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে প্রতিটি বিমানের দু’পাশে থাকবে অতিরিক্ত ওভারউইং এক্সিট দরজা। চুক্তি সই অনুষ্ঠানে টনি ফার্নান্দেজ বলেন, “এই ১৫০টি বিমানের মধ্যে ছোট-বড় দুই ধরনেরই আছে। ছোট বিমানগুলো চলবে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও মধ্য এশিয়ার দেশগুলোতে। আর বড়গুলো ব্যবহার করা হবে দূরপাল্লার রুটে।” তিনি আরও গর্বিত কণ্ঠে বলেন, “এয়ার এশিয়া সবসময়ই সঠিক সময়ে সাহসিকতার সঙ্গে সিদ্ধান্ত নিতে জানে। আমরা এই কোম্পানিকে সেভাবেই গড়ে তুলেছি। আজকের এই চুক্তি আমাদের দীর্ঘ দিনের চেষ্টা আর বড় স্বপ্নের ফসল। বিশ্বের সবচেয়ে সাশ্রয়ী ও সেরা পরিষেবা দেওয়ার কোম্পানি হিসেবেই এয়ার এশিয়া সর্বদা পরিচিত থাকবে।” অন্যদিকে এয়ারবাসের শীর্ষ নির্বাহী লার্স ওয়াগনার বলেন, “এয়ার এশিয়ার সঙ্গে এ চুক্তি এয়ারবাসের জন্যও এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল।” সত্যিই, বিমান শিল্পে এই চুক্তি আরও একবার প্রমাণ করে দিল, এশিয়ার বাজার দখলে পশ্চিমা কোম্পানিগুলো কত বড় পরিকল্পনা করছে!  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_7.webp" alt="ইতিহাস গড়ল এয়ারবাস! মালয়েশিয়ায় এক কোম্পানিকে বিক্রি করল ১৫০ বিমান" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইতিহাস গড়ল এয়ারবাস! মালয়েশিয়ায় এক কোম্পানিকে বিক্রি করল ১৫০ বিমান</h1>
            <p>বিশ্বের নামকরা বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাস এবার রেকর্ড গড়ল। মালয়েশিয়ার বিমান পরিষেবা সংস্থা এয়ার এশিয়ার সঙ্গে দারুণ এক চুক্তি সই করেছে তারা। এই চুক্তি অনুযায়ী, এয়ারবাস তাদের আধুনিক প্রজন্মের A220-300 সিরিজের ১৫০টি বিমান সরবরাহ করবে এয়ার এশিয়াকে। ১৯৭০ সালে পথচলা শুরু করা এয়ারবাসের ইতিহাসে এই চুক্তি সত্যিই বড় মাইলফলক। কারণ কোনো একক কোম্পানির কাছে এত বড় অর্ডার আর কখনও পায়নি ইউরোপের এই কোম্পানি। এই ১৫০টি বিমানের মোট দাম ধরা হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৯০০ কোটি আমেরিকান ডলার! গতকাল ৬ মে কানাডার কুইবেক প্রদেশের মিরাবেল শহরে এয়ারবাসের আঞ্চলিক অফিসে চুক্তি সই হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন এয়ার এশিয়ার উপদেষ্টা টনি ফার্নান্দেজ ও প্রধান নির্বাহী লার্স ওয়াগনার। আর তাদের হাত ধরেই এই চুক্তি সম্পন্ন হয়। এ সময় কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক ক্র্যানি ও কুইবেকের মুখ্যমন্ত্রী ক্রিস্টিন ফ্রেশেটও উপস্থিত ছিলেন। এই A220-300 সিরিজের বিমান সাধারণত ১৬০ জন যাত্রী বহন করতে পারে। কিন্তু এয়ার এশিয়ার জন্য বানানো ১৫০টি বিমানের প্রতিটিতে থাকবে অতিরিক্ত আরও ১০টি আসন, অর্থাৎ মোট ১৭০ আসন। আর নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে প্রতিটি বিমানের দু’পাশে থাকবে অতিরিক্ত ওভারউইং এক্সিট দরজা। চুক্তি সই অনুষ্ঠানে টনি ফার্নান্দেজ বলেন, “এই ১৫০টি বিমানের মধ্যে ছোট-বড় দুই ধরনেরই আছে। ছোট বিমানগুলো চলবে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও মধ্য এশিয়ার দেশগুলোতে। আর বড়গুলো ব্যবহার করা হবে দূরপাল্লার রুটে।” তিনি আরও গর্বিত কণ্ঠে বলেন, “এয়ার এশিয়া সবসময়ই সঠিক সময়ে সাহসিকতার সঙ্গে সিদ্ধান্ত নিতে জানে। আমরা এই কোম্পানিকে সেভাবেই গড়ে তুলেছি। আজকের এই চুক্তি আমাদের দীর্ঘ দিনের চেষ্টা আর বড় স্বপ্নের ফসল। বিশ্বের সবচেয়ে সাশ্রয়ী ও সেরা পরিষেবা দেওয়ার কোম্পানি হিসেবেই এয়ার এশিয়া সর্বদা পরিচিত থাকবে।” অন্যদিকে এয়ারবাসের শীর্ষ নির্বাহী লার্স ওয়াগনার বলেন, “এয়ার এশিয়ার সঙ্গে এ চুক্তি এয়ারবাসের জন্যও এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল।” সত্যিই, বিমান শিল্পে এই চুক্তি আরও একবার প্রমাণ করে দিল, এশিয়ার বাজার দখলে পশ্চিমা কোম্পানিগুলো কত বড় পরিকল্পনা করছে!  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_7.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_7.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_7.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[সংখ্যা জটিলতায় সরকার গঠন থমকে, এবার রাজ্যপালের দরজায় হাত ফাঁকা]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36869</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36869</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 07 May 2026 17:05:30 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Thalapathy Vijay government formation, Tamil Nadu Governor RN Ravi, TVK Congress alliance seats, BJP conspiracy Tamil Nadu, Thol Thirumavalavan statement, Amit Shah interference in state politics, single largest party government formation, Tamil Nadu political crisis 2026, Vijay meets Governor again, V Thirumavalavan VCK support, Modi Tamil Nadu politics, TVK needs 6 more seats, Tamilaga Vettri Kazhagam 108 seats, Chennai Raj Bhavan latest, opposition unity in Tamil Nadu]]></category>
        
        <description><![CDATA[তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনে একক দল হিসেবে সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েও সরকার গঠনের স্বপ্ন অধরাই রয়ে গেল থালাপতি বিজয়ের। তাঁর দল টিভিকে পেয়েছে ১০৮টি আসন। কিন্তু সরকার গঠনের ম্যাজিক ফিগার ১১৮। এরই মধ্যে কংগ্রেস সমর্থন জানালে টিভিকের আসন সংখ্যা দাঁড়ায় ১১৩-এ। কিন্তু বিজয় নিজে দুটি আসনে জিতেছেন বলে একটি আসন ছেড়ে দিতে হবে। তাতে আসন কমে দাঁড়ায় ১১২। অর্থাৎ সরকার গঠনে এখনও ৬ আসন কম। এ অবস্থায় আজ বৃহস্পতিবার (৭ মে) চেন্নাইয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে দ্বিতীয়বার দেখা করেন থালাপতি বিজয়। কিন্তু ১১৮ জনের সমর্থনের জোগান না থাকায় তাঁকে আবারও ফিরিয়ে দেওয়া হয়। গতকালও খালি হাতে ফিরতে হয়েছিল তাঁকে। এবার অবশ্য পাল্টা অভিযোগ উঠল কেন্দ্রের বিজেপির বিরুদ্ধে। তামিলনাড়ুর আরেক দল ভিসিকের প্রধান থোল. থ্রিরুমাভালাভান সরাসরি দাবি করেছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও বিজেপি তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করছে। এই হস্তক্ষেপেই রাজ্যপাল বিজয়কে সরকার গঠন করতে দিচ্ছেন না বলে অভিযোগ তাঁর। থ্রিরুমাভালাভান জানান, বিজয়ের দল থেকে সরকারে যোগ দেওয়ার চিঠি তারা পেয়েছেন এবং দ্রুত এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন। তিনি আরও বলেন, "বিজয়কে এখন সরকার গঠনের সুযোগ দেওয়া উচিত। তিনি পরে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করবেন। কিন্তু রাজ্যপাল বিজেপির চাপে সেটা করতে দিচ্ছেন না।" এই নেতার ভাষ্য, "বিজেপি, মোদি ও অমিত শাহ তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করে বিভ্রান্তি তৈরি করছেন। বিজয়ের টিভিকেকে একক দল হিসেবে বেছে নিয়েছে সাধারণ মানুষ। তাই তাদের ক্ষমতায় আসতে দেওয়া উচিত।" তিনি আরও জানান, "সংবিধান বলে সর্বোচ্চ আসন পাওয়া দল সরকার গঠন করবে। বিজয় যখন সমর্থন চাইছেন, তখন রাজ্যপাল কেন কোনও সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন না? তিনি টিভিকেকে সমর্থনকারীদের তালিকা চাইতে পারেন না। উনি বলতে পারেন না, ‘১১৮ জনকে আমার সামনে হাজির করুন, তারপর শপথ নিতে আসুন’।" এখন দেখার বিষয়, ভিসিকের মতো অন্য কেউ কি বিজয়ের হাত বাড়িয়ে দেন, নাকি আবারও খালি হাতে ফিরতে হবে তাঁকে?  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_6.webp" alt="সংখ্যা জটিলতায় সরকার গঠন থমকে, এবার রাজ্যপালের দরজায় হাত ফাঁকা" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>সংখ্যা জটিলতায় সরকার গঠন থমকে, এবার রাজ্যপালের দরজায় হাত ফাঁকা</h1>
            <p>তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনে একক দল হিসেবে সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েও সরকার গঠনের স্বপ্ন অধরাই রয়ে গেল থালাপতি বিজয়ের। তাঁর দল টিভিকে পেয়েছে ১০৮টি আসন। কিন্তু সরকার গঠনের ম্যাজিক ফিগার ১১৮। এরই মধ্যে কংগ্রেস সমর্থন জানালে টিভিকের আসন সংখ্যা দাঁড়ায় ১১৩-এ। কিন্তু বিজয় নিজে দুটি আসনে জিতেছেন বলে একটি আসন ছেড়ে দিতে হবে। তাতে আসন কমে দাঁড়ায় ১১২। অর্থাৎ সরকার গঠনে এখনও ৬ আসন কম। এ অবস্থায় আজ বৃহস্পতিবার (৭ মে) চেন্নাইয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে দ্বিতীয়বার দেখা করেন থালাপতি বিজয়। কিন্তু ১১৮ জনের সমর্থনের জোগান না থাকায় তাঁকে আবারও ফিরিয়ে দেওয়া হয়। গতকালও খালি হাতে ফিরতে হয়েছিল তাঁকে। এবার অবশ্য পাল্টা অভিযোগ উঠল কেন্দ্রের বিজেপির বিরুদ্ধে। তামিলনাড়ুর আরেক দল ভিসিকের প্রধান থোল. থ্রিরুমাভালাভান সরাসরি দাবি করেছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও বিজেপি তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করছে। এই হস্তক্ষেপেই রাজ্যপাল বিজয়কে সরকার গঠন করতে দিচ্ছেন না বলে অভিযোগ তাঁর। থ্রিরুমাভালাভান জানান, বিজয়ের দল থেকে সরকারে যোগ দেওয়ার চিঠি তারা পেয়েছেন এবং দ্রুত এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন। তিনি আরও বলেন, "বিজয়কে এখন সরকার গঠনের সুযোগ দেওয়া উচিত। তিনি পরে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করবেন। কিন্তু রাজ্যপাল বিজেপির চাপে সেটা করতে দিচ্ছেন না।" এই নেতার ভাষ্য, "বিজেপি, মোদি ও অমিত শাহ তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করে বিভ্রান্তি তৈরি করছেন। বিজয়ের টিভিকেকে একক দল হিসেবে বেছে নিয়েছে সাধারণ মানুষ। তাই তাদের ক্ষমতায় আসতে দেওয়া উচিত।" তিনি আরও জানান, "সংবিধান বলে সর্বোচ্চ আসন পাওয়া দল সরকার গঠন করবে। বিজয় যখন সমর্থন চাইছেন, তখন রাজ্যপাল কেন কোনও সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন না? তিনি টিভিকেকে সমর্থনকারীদের তালিকা চাইতে পারেন না। উনি বলতে পারেন না, ‘১১৮ জনকে আমার সামনে হাজির করুন, তারপর শপথ নিতে আসুন’।" এখন দেখার বিষয়, ভিসিকের মতো অন্য কেউ কি বিজয়ের হাত বাড়িয়ে দেন, নাকি আবারও খালি হাতে ফিরতে হবে তাঁকে?  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_6.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_6.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_6.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[বাবার চোখের সামনে নয়, সাত সন্তানের চারজন ইজরায়েলের ‘টার্গেট’]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36868</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36868</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 07 May 2026 17:05:04 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Khalil Al-Hayya son killed, Israel Gaza airstrike today, Hamas leader children death, Ismail Haniyeh family Israel, Gaza war 2026 news, Al Jazeera breaking Palestine, Basem Naim statement, Israeli targeted killings, Hamas political bureau Qatar, Gaza health ministry 70k deaths, October 7 Hamas attack, Palestine civilian casualties, Israel Hamas ceasefire violation, Doha airstrike Hamas meeting, Middle East conflict latest]]></category>
        
        <description><![CDATA[আবারও নিঃশব্দে কেঁদে উঠল এক বাবার মন। ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের অন্যতম শীর্ষ নেতা খলিল আল-হায়ার চতুর্থ ছেলেকেও হত্যা করল দখলদার ইজরায়েল। বৃহস্পতিবার (৭ মে) নিজেদের এই নেতার ছেলের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে হামাস। সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানিয়েছে, নিহত ছেলের নাম আজম। হামাসের আরেক প্রভাবশালী নেতা বাসিম নাঈম নিশ্চিত করেছেন যে গাজা সিটিতে ইজরায়েলি বিমান হামলাতেই প্রাণ হারিয়েছেন আজম। আহা! খলিল আল-হায়া নিজে গাজায় থাকেন না। কিন্তু পরিবারের বাকি সদস্যরা সেখানেই আটকে ছিলেন। সাত সন্তানের বাবা তিনি। ইজরায়েল একাধিকবার তাকে হত্যার চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হয়েছে। কিন্তু বাচ্চাদের বাঁচাতে পারেনি তারা। চোখ ফেরালেই দেখা যায় ইতিহাস— গত বছর কাতারের রাজধানী দোহায় হামাস নেতাদের বৈঠকে বিমান হামলা চালিয়ে আরেক ছেলেকে হারিয়েছিলেন খলিল। তারও আগে ২০০৮ ও ২০১৪ সালে দুই ছেলে ইজরায়েলি হামলায় প্রাণ হারায়। মানে, মোট চার সন্তানকে হারালেন এই নেতা। প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইজরায়েলের বিভিন্ন অবৈধ বসতিতে হামলা চালায় হামাস। তারপর থেকেই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ। ওই যুদ্ধে হামাস জঙ্গি থেকে শুরু করে সাধারণ ফিলিস্তিনিরা— অগণিত মানুষ মারা গেছেন। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য বলছে, সেখানে ইজরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত ৭০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, যাদের বেশিরভাগই মা আর শিশু। এখন গাজায় যুদ্ধবিরতি চললেও পুরোপুরি থেমে নেই ইজরায়েলের হামলা। শুধু নামে যুদ্ধবিরতি, আর ফিলিস্তিনিদের প্রাণহানি চলছেই। খলিল আল-হায়া আর সাত সন্তানের দেখা পাবেন কিনা- সেটাও বড় প্রশ্ন!  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_5.webp" alt="বাবার চোখের সামনে নয়, সাত সন্তানের চারজন ইজরায়েলের ‘টার্গেট’" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>বাবার চোখের সামনে নয়, সাত সন্তানের চারজন ইজরায়েলের ‘টার্গেট’</h1>
            <p>আবারও নিঃশব্দে কেঁদে উঠল এক বাবার মন। ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের অন্যতম শীর্ষ নেতা খলিল আল-হায়ার চতুর্থ ছেলেকেও হত্যা করল দখলদার ইজরায়েল। বৃহস্পতিবার (৭ মে) নিজেদের এই নেতার ছেলের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে হামাস। সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানিয়েছে, নিহত ছেলের নাম আজম। হামাসের আরেক প্রভাবশালী নেতা বাসিম নাঈম নিশ্চিত করেছেন যে গাজা সিটিতে ইজরায়েলি বিমান হামলাতেই প্রাণ হারিয়েছেন আজম। আহা! খলিল আল-হায়া নিজে গাজায় থাকেন না। কিন্তু পরিবারের বাকি সদস্যরা সেখানেই আটকে ছিলেন। সাত সন্তানের বাবা তিনি। ইজরায়েল একাধিকবার তাকে হত্যার চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হয়েছে। কিন্তু বাচ্চাদের বাঁচাতে পারেনি তারা। চোখ ফেরালেই দেখা যায় ইতিহাস— গত বছর কাতারের রাজধানী দোহায় হামাস নেতাদের বৈঠকে বিমান হামলা চালিয়ে আরেক ছেলেকে হারিয়েছিলেন খলিল। তারও আগে ২০০৮ ও ২০১৪ সালে দুই ছেলে ইজরায়েলি হামলায় প্রাণ হারায়। মানে, মোট চার সন্তানকে হারালেন এই নেতা। প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইজরায়েলের বিভিন্ন অবৈধ বসতিতে হামলা চালায় হামাস। তারপর থেকেই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ। ওই যুদ্ধে হামাস জঙ্গি থেকে শুরু করে সাধারণ ফিলিস্তিনিরা— অগণিত মানুষ মারা গেছেন। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য বলছে, সেখানে ইজরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত ৭০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, যাদের বেশিরভাগই মা আর শিশু। এখন গাজায় যুদ্ধবিরতি চললেও পুরোপুরি থেমে নেই ইজরায়েলের হামলা। শুধু নামে যুদ্ধবিরতি, আর ফিলিস্তিনিদের প্রাণহানি চলছেই। খলিল আল-হায়া আর সাত সন্তানের দেখা পাবেন কিনা- সেটাও বড় প্রশ্ন!  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_5.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_5.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_5.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[বিজেপির ‘ষড়যন্ত্রে’ সরকার গঠনে বাধা? চতুর্থবারের মতো ফিরলেন তামিল স্টার]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36867</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36867</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 07 May 2026 17:05:52 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[এশিয়া]]></category>
                        <category><![CDATA[Thalapathy Vijay government formation latest news, Tamil Nadu Governor RN Ravi, TVK alliance with Congress, BJP conspiracy allegation Tamil Nadu, Thol Thirumavalavan statement, Vijay meets Governor again, Tamil Nadu political crisis 2026, single largest party government formation, Tamilaga Vettri Kazhagam seats 108, Chennai Raj Bhavan latest, Amit Shah Tamil Nadu politics, Modi interference in state elections, TVK needs 6 more seats, Indian National Congress support, Tamil Nadu floor test news]]></category>
        
        <description><![CDATA[তামিলনাড়ুর ভোটের ফলাফল যেন জটিলতার জালে জড়িয়ে গেছে। একক দল হিসেবে সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েও সরকার গঠন করতে পারছেন না থালাপতি বিজয়। তাঁর দল টিভিকে এবার পেয়েছে ১০৮ আসন। কিন্তু সরকার গঠনের জন্য লাগে ১১৮ আসন। পালটি দিয়ে কংগ্রেস সমর্থন জানালে বিজয়ের দলের ঝুড়িতে আসে আরও ৫ আসন। অর্থাৎ মোট আসন দাঁড়ায় ১১৩-এ। কিন্তু বিজয় নিজে জিতেছেন দুটি আসন থেকে, তাই একটা আসন ছেড়ে দিতে হবে। এতে আসন কমে দাঁড়ায় ১১২। তার মানে সরকার গঠনে টিভিকের এখনও দরকার আরও ৬ আসন। এমন সময় আজ বৃহস্পতিবার (৭ মে) দ্বিতীয়বার রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে যান থালাপতি বিজয়। কিন্তু যেহেতু এখনও ১১৮ জনের সমর্থন জোগাড় করতে পারেননি, তাই তাঁকে ফের ফিরিয়ে দেওয়া হলো। এর আগে গতকালও খালি হাতে ফিরতে হয়েছিল তাঁকে। এবার অবশ্য ঘটনা ঘুরে দাঁড়িয়েছে ভিন্নমুখে। তামিলনাড়ুর আরেক দল ভিসিকের প্রধান থোল. থ্রিরুমাভালাভান সরাসরি অভিযোগ এনে বসেছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও তাদের দল বিজেপি তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করছে। আর সেই হস্তক্ষেপের কারণেই রাজ্যপাল বিজয়কে সরকার গঠন করতে দিতে নাকি রাজি নন। থ্রিরুমাভালাভান জানিয়েছেন, বিজয়ের দল থেকে সরকারে যোগ দেওয়ার চিঠি তারা পেয়েছেন। দ্রুত এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন তারা। তিনি আরও বলেন, “এখন বিজয়কে সরকার গঠনের সুযোগ দেওয়া উচিত। তিনি পরে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করবেন। কিন্তু রাজ্যপাল বিজেপির চাপে সেটাই করতে দিতে চান না।” রাজনীতিবিদের অভিযোগ, “বিজেপি, মোদি ও অমিত শাহ তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে নানাভাবে হস্তক্ষেপ করে সবাইকে কনফিউশনে ফেলে দিচ্ছে। বিজয়ের টিভিকেকে একক দল হিসেবে বেছে নিয়েছে সাধারণ মানুষ, তাই তাদের ক্ষমতায় আসতে বাধা দেওয়া ঠিক নয়।” তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, “সংবিধান বলে সর্বোচ্চ আসন পাওয়া দল সরকার গঠন করবে। বিজয় যখন সমর্থন চাইছেন, ঠিক তখন কেন রাজ্যপাল কোনো সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন না? তিনি টিভিকেকে কারা সমর্থন করছে সেই তালিকাও চাইতে পারেন না। উনি বলতে পারেন না, ‘১১৮ জনকে আমার সামনে হাজির করুন, তারপর শপথ নিতে আসুন’।” তবে এখন দেখার বিষয়, ভিসিকের মতো আরও কেউ কি বিজয়ের হাত ধরে, নাকি ফের ফিরতে হবে খালি হাতে?  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_4.webp" alt="বিজেপির ‘ষড়যন্ত্রে’ সরকার গঠনে বাধা? চতুর্থবারের মতো ফিরলেন তামিল স্টার" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>বিজেপির ‘ষড়যন্ত্রে’ সরকার গঠনে বাধা? চতুর্থবারের মতো ফিরলেন তামিল স্টার</h1>
            <p>তামিলনাড়ুর ভোটের ফলাফল যেন জটিলতার জালে জড়িয়ে গেছে। একক দল হিসেবে সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েও সরকার গঠন করতে পারছেন না থালাপতি বিজয়। তাঁর দল টিভিকে এবার পেয়েছে ১০৮ আসন। কিন্তু সরকার গঠনের জন্য লাগে ১১৮ আসন। পালটি দিয়ে কংগ্রেস সমর্থন জানালে বিজয়ের দলের ঝুড়িতে আসে আরও ৫ আসন। অর্থাৎ মোট আসন দাঁড়ায় ১১৩-এ। কিন্তু বিজয় নিজে জিতেছেন দুটি আসন থেকে, তাই একটা আসন ছেড়ে দিতে হবে। এতে আসন কমে দাঁড়ায় ১১২। তার মানে সরকার গঠনে টিভিকের এখনও দরকার আরও ৬ আসন। এমন সময় আজ বৃহস্পতিবার (৭ মে) দ্বিতীয়বার রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে যান থালাপতি বিজয়। কিন্তু যেহেতু এখনও ১১৮ জনের সমর্থন জোগাড় করতে পারেননি, তাই তাঁকে ফের ফিরিয়ে দেওয়া হলো। এর আগে গতকালও খালি হাতে ফিরতে হয়েছিল তাঁকে। এবার অবশ্য ঘটনা ঘুরে দাঁড়িয়েছে ভিন্নমুখে। তামিলনাড়ুর আরেক দল ভিসিকের প্রধান থোল. থ্রিরুমাভালাভান সরাসরি অভিযোগ এনে বসেছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও তাদের দল বিজেপি তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করছে। আর সেই হস্তক্ষেপের কারণেই রাজ্যপাল বিজয়কে সরকার গঠন করতে দিতে নাকি রাজি নন। থ্রিরুমাভালাভান জানিয়েছেন, বিজয়ের দল থেকে সরকারে যোগ দেওয়ার চিঠি তারা পেয়েছেন। দ্রুত এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন তারা। তিনি আরও বলেন, “এখন বিজয়কে সরকার গঠনের সুযোগ দেওয়া উচিত। তিনি পরে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করবেন। কিন্তু রাজ্যপাল বিজেপির চাপে সেটাই করতে দিতে চান না।” রাজনীতিবিদের অভিযোগ, “বিজেপি, মোদি ও অমিত শাহ তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে নানাভাবে হস্তক্ষেপ করে সবাইকে কনফিউশনে ফেলে দিচ্ছে। বিজয়ের টিভিকেকে একক দল হিসেবে বেছে নিয়েছে সাধারণ মানুষ, তাই তাদের ক্ষমতায় আসতে বাধা দেওয়া ঠিক নয়।” তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, “সংবিধান বলে সর্বোচ্চ আসন পাওয়া দল সরকার গঠন করবে। বিজয় যখন সমর্থন চাইছেন, ঠিক তখন কেন রাজ্যপাল কোনো সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন না? তিনি টিভিকেকে কারা সমর্থন করছে সেই তালিকাও চাইতে পারেন না। উনি বলতে পারেন না, ‘১১৮ জনকে আমার সামনে হাজির করুন, তারপর শপথ নিতে আসুন’।” তবে এখন দেখার বিষয়, ভিসিকের মতো আরও কেউ কি বিজয়ের হাত ধরে, নাকি ফের ফিরতে হবে খালি হাতে?  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_4.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_4.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_4.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[বাবার চোখের সামনে নয়, দূর থেকেই সাজাপ্রাপ্ত খলিল আল-হায়া]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36866</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36866</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 07 May 2026 17:05:13 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Hamas leader son killed Israel, Khalil al-Hayya fourth son, Gaza air strike news, Israel Palestine conflict 2026, Al Jazeera breaking news, Hamas leaders family killed, Gaza health ministry casualty, ceasefire violation Israel, Basem Naim statement, Gaza City attack today, Palestinian civilian deaths, Israel targeted killing, Hamas political bureau, Qatar Hamas meeting, Middle East war update]]></category>
        
        <description><![CDATA[আরেকটি ট্র্যাজেডি। হামাসের শীর্ষ নেতা খলিল আল-হায়ার চতুর্থ ছেলেকেও হত্যা করল দখলদার ইসরায়েল। আজ বৃহস্পতিবার (৭ মে) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে হামাস। মারা যাওয়া ছেলের নাম আজম বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা। হামাসের আরেক প্রভাবশালী নেতা বাসিম নাঈম নিশ্চিত করেছেন, গাজা সিটিতে ইসরায়েলি বিমান হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন আজম। খলিল আল-হায়া নিজে গাজায় থাকেন না, কিন্তু তাঁর পরিবারের সদস্যরা রয়ে গেছেন সেখানেই। এখন প্রশ্ন হলো, এটা কি শুধু আজকের ঘটনা? না। এর আগে ২০০৮ ও ২০১৪ সালে খলিলের আরও দুই ছেলে ইসরায়েলি হামলায় মারা গিয়েছিলেন। আর গত বছর কাতারের দোহায় হামাস নেতাদের বৈঠকে বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। সেবারও নিহত হন খলিলের আরেক ছেলে। অর্থাৎ, আজম চতুর্থ। খলিল আল-হায়ার মোট সাত সন্তান। এর মধ্যে চারজনকে সাজা দিলো ইসরায়েল। খলিল নিজেও একাধিকবার হত্যার শিকার হতে পারেন, কিন্তু ব্যর্থ হয়েছে তারা। প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাস ইসরায়েলের বিভিন্ন অবৈধ বসতিতে হামলা চালানোর পর শুরু হয় রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ। সেই যুদ্ধে হামাসের অসংখ্য যোদ্ধা ও সাধারণ ফিলিস্তিনিরা প্রাণ হারান। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত ৭০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। বর্তমানে যুদ্ধবিরতি চললেও পুরোপুরি থামেনি ইসরায়েলের হামলা। আর এই অস্থিরতার মধ্যেই ফের এক পিতার কোলে পড়ল শোকের ছায়া।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_3.webp" alt="বাবার চোখের সামনে নয়, দূর থেকেই সাজাপ্রাপ্ত খলিল আল-হায়া" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>বাবার চোখের সামনে নয়, দূর থেকেই সাজাপ্রাপ্ত খলিল আল-হায়া</h1>
            <p>আরেকটি ট্র্যাজেডি। হামাসের শীর্ষ নেতা খলিল আল-হায়ার চতুর্থ ছেলেকেও হত্যা করল দখলদার ইসরায়েল। আজ বৃহস্পতিবার (৭ মে) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে হামাস। মারা যাওয়া ছেলের নাম আজম বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা। হামাসের আরেক প্রভাবশালী নেতা বাসিম নাঈম নিশ্চিত করেছেন, গাজা সিটিতে ইসরায়েলি বিমান হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন আজম। খলিল আল-হায়া নিজে গাজায় থাকেন না, কিন্তু তাঁর পরিবারের সদস্যরা রয়ে গেছেন সেখানেই। এখন প্রশ্ন হলো, এটা কি শুধু আজকের ঘটনা? না। এর আগে ২০০৮ ও ২০১৪ সালে খলিলের আরও দুই ছেলে ইসরায়েলি হামলায় মারা গিয়েছিলেন। আর গত বছর কাতারের দোহায় হামাস নেতাদের বৈঠকে বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। সেবারও নিহত হন খলিলের আরেক ছেলে। অর্থাৎ, আজম চতুর্থ। খলিল আল-হায়ার মোট সাত সন্তান। এর মধ্যে চারজনকে সাজা দিলো ইসরায়েল। খলিল নিজেও একাধিকবার হত্যার শিকার হতে পারেন, কিন্তু ব্যর্থ হয়েছে তারা। প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাস ইসরায়েলের বিভিন্ন অবৈধ বসতিতে হামলা চালানোর পর শুরু হয় রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ। সেই যুদ্ধে হামাসের অসংখ্য যোদ্ধা ও সাধারণ ফিলিস্তিনিরা প্রাণ হারান। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত ৭০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। বর্তমানে যুদ্ধবিরতি চললেও পুরোপুরি থামেনি ইসরায়েলের হামলা। আর এই অস্থিরতার মধ্যেই ফের এক পিতার কোলে পড়ল শোকের ছায়া।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_3.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_3.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_3.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[নিরাপত্তা প্রটোকল হারিয়ে হিমশিম! শপথের আগেই বেকায়দায় তামিল স্টার নেতা বিজয়]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36865</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36865</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 07 May 2026 17:05:33 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[এশিয়া]]></category>
                        <category><![CDATA[Thalapathy Vijay security protocol removed, Tamil Nadu government formation news, TVK alliance DMK Congress, Vijay CM security, Tamil Nadu election result 2026, AIADMK support to TVK, Vijay police security withdrawn, Tamil Nadu political crisis, actor turned politician Vijay, DMK government Tamil Nadu, BJP Tamil Nadu alliance, Vijay vs DMK, latest Tamil Nadu news, India political update, Tamilaga Vettri Kazhagam]]></category>
        
        <description><![CDATA[তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনে দারুণ ফল করলেও সরকার গঠনের জটিলতায় এবার বড় ধাক্কা খেলেন সাবেক চিত্রতারকা ও সম্ভাব্য মুখ্যমন্ত্রী জোসেফ বিজয় চন্দ্রশেখর, যিনি থালাপতি বিজয় নামেই বেশি পরিচিত। গতকাল বুধবার থেকে দেখা যাচ্ছে, তিনি আর সরকারি নিরাপত্তা প্রটোকল পাচ্ছেন না। মানে, এখন তাঁকে ঘিরে নেই স্পেশাল পুলিশের বন্দোবস্ত! এনডিটিভি তামিলনাড়ু পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করলে রাজ্যের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, বিজয়ের নিজের অনুরোধেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুলিশ। তিনি বলেছেন, “বিজয় আমাদের অনুরোধ করেছিলেন – মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি সরকারি নিরাপত্তা প্রটোকল নিতে চান না। তাই আমরা তার অনুরোধেই প্রটোকল তুলে নিয়েছি। তবে তার জন্য মৌলিক পাইলট নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু আছে, থাকবেও।” সরকার গঠনে টানা টানাপড়েন তামিলনাড়ুর বিধানসভায় মোট আসন ২৩৪। এখানে সরকার গঠন করতে গেলে কোনো দল বা জোটকে জিততে হবে কমপক্ষে ১১৮ আসনে। বিজয়ের দল তামিলাগা ভেত্রি কাজাগাম (টিভিকে) প্রতিষ্ঠিত হয় ২০২৪ সালে। আর এটাই তাদের প্রথম বিধানসভা নির্বাচন। আর প্রথমবার এসেই টিভিকে পেয়েছে ১০৮ আসন! বিজয় নিজে জিতেছেন দুই আসনে। কিন্তু সমস্যা হলো, সংখ্যাগরিষ্ঠতা (১১৮) পেতে টিভিকের এখনও দরকার আরও ১০টি আসন। গতকাল কংগ্রেস তাদের সঙ্গে জোট করতে রাজি হয়েছে, কিন্তু কংগ্রেসের বিধায়ক সংখ্যা মাত্র ৫। তাহলেও দরকার কমপক্ষে আরও ৫ আসন। এআইডিএমকে ও ভিসিকেসহ বামপন্থি দলগুলোর সঙ্গেও যোগাযোগ করেছিল টিভিকে। কিন্তু সিপিআই ও সিপিআই (মার্কসিস্ট) পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে, তারা ডিএমকে নেতৃত্বাধীন জোটেই থাকবে। ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লীগও ডিএমকে-কেই সমর্থন জানিয়েছে। ফলে এখনও জোট জুড়তে পারেনি বিজয়ের দল। আজ ৭ মে তামিলনাড়ুর মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণের কথা থাকলেও জটিলতায় তা পিছিয়ে গেছে। আর তার মধ্যেই বিজয়ের সরকারি প্রটোকল প্রত্যাহার করে নিল পুলিশ। কী হবে下一步, এখন দেখার অপেক্ষা!  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_2.webp" alt="নিরাপত্তা প্রটোকল হারিয়ে হিমশিম! শপথের আগেই বেকায়দায় তামিল স্টার নেতা বিজয়" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>নিরাপত্তা প্রটোকল হারিয়ে হিমশিম! শপথের আগেই বেকায়দায় তামিল স্টার নেতা বিজয়</h1>
            <p>তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনে দারুণ ফল করলেও সরকার গঠনের জটিলতায় এবার বড় ধাক্কা খেলেন সাবেক চিত্রতারকা ও সম্ভাব্য মুখ্যমন্ত্রী জোসেফ বিজয় চন্দ্রশেখর, যিনি থালাপতি বিজয় নামেই বেশি পরিচিত। গতকাল বুধবার থেকে দেখা যাচ্ছে, তিনি আর সরকারি নিরাপত্তা প্রটোকল পাচ্ছেন না। মানে, এখন তাঁকে ঘিরে নেই স্পেশাল পুলিশের বন্দোবস্ত! এনডিটিভি তামিলনাড়ু পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করলে রাজ্যের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, বিজয়ের নিজের অনুরোধেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুলিশ। তিনি বলেছেন, “বিজয় আমাদের অনুরোধ করেছিলেন – মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি সরকারি নিরাপত্তা প্রটোকল নিতে চান না। তাই আমরা তার অনুরোধেই প্রটোকল তুলে নিয়েছি। তবে তার জন্য মৌলিক পাইলট নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু আছে, থাকবেও।” সরকার গঠনে টানা টানাপড়েন তামিলনাড়ুর বিধানসভায় মোট আসন ২৩৪। এখানে সরকার গঠন করতে গেলে কোনো দল বা জোটকে জিততে হবে কমপক্ষে ১১৮ আসনে। বিজয়ের দল তামিলাগা ভেত্রি কাজাগাম (টিভিকে) প্রতিষ্ঠিত হয় ২০২৪ সালে। আর এটাই তাদের প্রথম বিধানসভা নির্বাচন। আর প্রথমবার এসেই টিভিকে পেয়েছে ১০৮ আসন! বিজয় নিজে জিতেছেন দুই আসনে। কিন্তু সমস্যা হলো, সংখ্যাগরিষ্ঠতা (১১৮) পেতে টিভিকের এখনও দরকার আরও ১০টি আসন। গতকাল কংগ্রেস তাদের সঙ্গে জোট করতে রাজি হয়েছে, কিন্তু কংগ্রেসের বিধায়ক সংখ্যা মাত্র ৫। তাহলেও দরকার কমপক্ষে আরও ৫ আসন। এআইডিএমকে ও ভিসিকেসহ বামপন্থি দলগুলোর সঙ্গেও যোগাযোগ করেছিল টিভিকে। কিন্তু সিপিআই ও সিপিআই (মার্কসিস্ট) পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে, তারা ডিএমকে নেতৃত্বাধীন জোটেই থাকবে। ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লীগও ডিএমকে-কেই সমর্থন জানিয়েছে। ফলে এখনও জোট জুড়তে পারেনি বিজয়ের দল। আজ ৭ মে তামিলনাড়ুর মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণের কথা থাকলেও জটিলতায় তা পিছিয়ে গেছে। আর তার মধ্যেই বিজয়ের সরকারি প্রটোকল প্রত্যাহার করে নিল পুলিশ। কী হবে下一步, এখন দেখার অপেক্ষা!  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_2.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_2.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_2.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[চীন ইরানকে দিলো কঠিন বার্তা – এখনই হরমুজ প্রণালি খোলার নির্দেশ!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36864</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36864</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Thu, 07 May 2026 17:05:13 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[China pressure on Iran, Hormuz Strait latest news, Iran-US war update, China Iran meeting, Strait of Hormuz blockade, fuel crisis worldwide, Iran nuclear deal, Wang Yi Abbas Araghchi, Trump on Hormuz, international trade route, Middle East conflict, ceasefire Iran US, China role in Middle East, Persian Gulf tension, Iran oil export]]></category>
        
        <description><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার মধ্যে বড় খেল দেখা গেল। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যত দ্রুত সম্ভব পুরো যুদ্ধবিরতি চূড়ান্ত করতে এবং বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য হরমুজ প্রণালি অবিলম্বে খুলে দিতে ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টি করল চীন। এই তথ্য জানিয়েছে চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম শিনহুয়া ও ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। জানিয়ে রাখা ভালো, চীন ইরানের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক সঙ্গী এবং ইরানের তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা। গতকাল বেইজিংয়ে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-এর সঙ্গে বৈঠকে বসেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। ঠিক সেই বৈঠকেই ওয়াং ই ইরানকে জরুরি আহ্বান জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এখনই যুদ্ধবিরতি চুক্তি করুক ইরান এবং হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে দিক। হরমুজ প্রণালি কেন এত গুরুত্বপূর্ণ? ১৬৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এই হরমুজ প্রণালি পারস্য উপসাগর ও আরব সাগরকে যুক্ত করেছে। এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জলপথ। বিশ্বের মোট জ্বালানি চাহিদার এক-পঞ্চমাংশ পণ্য এই পথ দিয়েই পরিবহন হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর পর ইরান এই প্রণালিতে অবরোধ জারি করে, যার ফলে বাণিজ্যিক জাহাজের চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। তার ফল বিশ্বব্যাপী দেখা দিয়েছে জ্বালানি সংকট। এর মধ্যেই কয়েকদিন আগে ইরানের ইসলামি সরকার ঘোষণা করে, এখন থেকে হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি ইরানের নিয়ন্ত্রণে থাকবে। বিদেশি জাহাজগুলো যদি এই প্রণালি পাড়ি দিতে চায়, তাহলে তাদের ইরানি সরকারি কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হবে এবং টোল দিতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র প্রতিক্রিয়া ইরানের এই ঘোষণার তীব্র বিরোধিতা করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র দেশগুলো। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালি আন্তর্জাতিক জলপথের অংশ, তাই এখানে টোল আরোপ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। প্রসঙ্গত, গত ৮ এপ্রিল থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি শুরু হয়েছে। এই বিরতির মূল উদ্দেশ্য ইরানের সঙ্গে একটি বিস্তৃত শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করা। ওই চুক্তি নিয়ে আলোচনার সময়ই চীন সফরে যান ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসি জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরুর পর বেইজিংয়ের সঙ্গে তিনবার ফোনে কথা বললেও ওয়াং ই-এর সঙ্গে আরাগচির এই প্রথম সরাসরি বৈঠক হলো।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_1.webp" alt="চীন ইরানকে দিলো কঠিন বার্তা – এখনই হরমুজ প্রণালি খোলার নির্দেশ!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>চীন ইরানকে দিলো কঠিন বার্তা – এখনই হরমুজ প্রণালি খোলার নির্দেশ!</h1>
            <p>মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার মধ্যে বড় খেল দেখা গেল। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যত দ্রুত সম্ভব পুরো যুদ্ধবিরতি চূড়ান্ত করতে এবং বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য হরমুজ প্রণালি অবিলম্বে খুলে দিতে ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টি করল চীন। এই তথ্য জানিয়েছে চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম শিনহুয়া ও ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। জানিয়ে রাখা ভালো, চীন ইরানের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক সঙ্গী এবং ইরানের তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা। গতকাল বেইজিংয়ে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-এর সঙ্গে বৈঠকে বসেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। ঠিক সেই বৈঠকেই ওয়াং ই ইরানকে জরুরি আহ্বান জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এখনই যুদ্ধবিরতি চুক্তি করুক ইরান এবং হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে দিক। হরমুজ প্রণালি কেন এত গুরুত্বপূর্ণ? ১৬৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এই হরমুজ প্রণালি পারস্য উপসাগর ও আরব সাগরকে যুক্ত করেছে। এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জলপথ। বিশ্বের মোট জ্বালানি চাহিদার এক-পঞ্চমাংশ পণ্য এই পথ দিয়েই পরিবহন হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর পর ইরান এই প্রণালিতে অবরোধ জারি করে, যার ফলে বাণিজ্যিক জাহাজের চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। তার ফল বিশ্বব্যাপী দেখা দিয়েছে জ্বালানি সংকট। এর মধ্যেই কয়েকদিন আগে ইরানের ইসলামি সরকার ঘোষণা করে, এখন থেকে হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি ইরানের নিয়ন্ত্রণে থাকবে। বিদেশি জাহাজগুলো যদি এই প্রণালি পাড়ি দিতে চায়, তাহলে তাদের ইরানি সরকারি কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হবে এবং টোল দিতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র প্রতিক্রিয়া ইরানের এই ঘোষণার তীব্র বিরোধিতা করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র দেশগুলো। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালি আন্তর্জাতিক জলপথের অংশ, তাই এখানে টোল আরোপ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। প্রসঙ্গত, গত ৮ এপ্রিল থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি শুরু হয়েছে। এই বিরতির মূল উদ্দেশ্য ইরানের সঙ্গে একটি বিস্তৃত শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করা। ওই চুক্তি নিয়ে আলোচনার সময়ই চীন সফরে যান ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসি জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরুর পর বেইজিংয়ের সঙ্গে তিনবার ফোনে কথা বললেও ওয়াং ই-এর সঙ্গে আরাগচির এই প্রথম সরাসরি বৈঠক হলো।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-7-5-26_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[কাঁদা ছোড়াছুড়িতেই হার! খামখেয়ালি না থাকলে ফল হতো অন্যরকম: কাঞ্চন]]></title>
        <link>https://nbs24.org/entertainment/36863</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/entertainment/36863</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 06 May 2026 17:05:39 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
                <category><![CDATA[ঢালিউড]]></category>
                        <category><![CDATA[Kanchan Mullick election defeat 2026, West Bengal BJP internal feud, Kanchan Mullick birthday celebration, Uttarpara MLA Kanchan Mullick, Bengali actor in politics, Kanchan Mullick wife Srimoyee Chattoraj, TMC vs BJP Kanchan Mullick, Kanchan Mullick political career end, West Bengal election result analysis, Kanchan Mullick daughter Krishvi, Bengali cinema actor political journey, Kanchan Mullick exclusive interview, Mamata Banerjee Kanchan Mullick relationship, celebrity MLA loses election, Kanchan Mullick final statement after defeat]]></category>
        
        <description><![CDATA[প্রচ্ছদ: রাজনীতির মাঠ ছাড়ার পেছনে বাজে অভিজ্ঞতা কী বলছেন নায়ক কাঞ্চন মল্লিক? দলের ভেতরের দ্বন্দ্ব নিয়েই অভিমান ঝরালেন। পাশাপাশি জন্মদিনের খাস খবর! পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই উত্তাল কলকাতার রাজনীতি। তবে এই গরম ভাতায় নিজের সিদ্ধিতে অনড় উত্তরপাড়ার বিদায়ী বিধায়ক আর জনপ্রিয় অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক। আগেই বলেছিলেন, ২০২৬-এর লড়াইয়ে তিনি নেই। এবার হার আর দলের ভেতরের ‘কাদা ছোড়াছুড়ি’ নিয়ে মুখ খুললেন তিনি। কাঞ্চনের সোজাসাপটা কথা, ‘গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব না থাকলে হয়তো এই পরাজয় হতো না’। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে রাজনীতিতে এলেও পাঁচ বছরটা মোটেও সুখকর হয়নি তাঁর। কী বলেন তিনি? ‘বিপুল ভোটে জেতার পরও নিজের অফিস পাইনি। মাখলার একটা ক্লাবে বসে মানুষের কাজ করতে হয়েছে। দলের বড় নেতাদের কেউ মিষ্টি ব্যবহার করেছেন, কেউ দিয়েছেন অসহযোগিতা। শুধু মম দিদির মুখের দিকে তাকিয়ে এত দিন মুখ বুজে সহ্য করেছি।’ রাজনীতি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক ছিল—এখন আর এ নিয়ে কোনো সংশয় নেই কাঞ্চনের। তাঁর ধারণা, ৩০ বছরের অভিনয় জীবনে তিনি যেমন দক্ষ, রাজনীতিতে ততটা নন। নিজের ভাষায়, ‘আমি অভিনয়ের মানুষ। রাজনীতির ব্যক্তিগত আক্রমণ আর নোংরামি নিতে পারছি না। তবে আমি মাথা উঁচু করে, শিরদাঁড়া সোজা রেখেই বিদায় নিচ্ছি।’ রাজনীতির জটিলতায় থাকলেও আজ (৬ মে) কাঞ্চন মল্লিকের জন্মদিন। পরাজয়ের গ্লানি কিংবা দলাদলি সরিয়ে রেখে দিনটি তিনি কাটাতে চান মেয়ে কৃষভি আর স্ত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজকে নিয়ে। সেজন্য ঘরেই তৈরি হচ্ছে কাঞ্চনের পছন্দের পদগুলো।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_37.webp" alt="কাঁদা ছোড়াছুড়িতেই হার! খামখেয়ালি না থাকলে ফল হতো অন্যরকম: কাঞ্চন" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>কাঁদা ছোড়াছুড়িতেই হার! খামখেয়ালি না থাকলে ফল হতো অন্যরকম: কাঞ্চন</h1>
            <p>প্রচ্ছদ: রাজনীতির মাঠ ছাড়ার পেছনে বাজে অভিজ্ঞতা কী বলছেন নায়ক কাঞ্চন মল্লিক? দলের ভেতরের দ্বন্দ্ব নিয়েই অভিমান ঝরালেন। পাশাপাশি জন্মদিনের খাস খবর! পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই উত্তাল কলকাতার রাজনীতি। তবে এই গরম ভাতায় নিজের সিদ্ধিতে অনড় উত্তরপাড়ার বিদায়ী বিধায়ক আর জনপ্রিয় অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক। আগেই বলেছিলেন, ২০২৬-এর লড়াইয়ে তিনি নেই। এবার হার আর দলের ভেতরের ‘কাদা ছোড়াছুড়ি’ নিয়ে মুখ খুললেন তিনি। কাঞ্চনের সোজাসাপটা কথা, ‘গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব না থাকলে হয়তো এই পরাজয় হতো না’। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে রাজনীতিতে এলেও পাঁচ বছরটা মোটেও সুখকর হয়নি তাঁর। কী বলেন তিনি? ‘বিপুল ভোটে জেতার পরও নিজের অফিস পাইনি। মাখলার একটা ক্লাবে বসে মানুষের কাজ করতে হয়েছে। দলের বড় নেতাদের কেউ মিষ্টি ব্যবহার করেছেন, কেউ দিয়েছেন অসহযোগিতা। শুধু মম দিদির মুখের দিকে তাকিয়ে এত দিন মুখ বুজে সহ্য করেছি।’ রাজনীতি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক ছিল—এখন আর এ নিয়ে কোনো সংশয় নেই কাঞ্চনের। তাঁর ধারণা, ৩০ বছরের অভিনয় জীবনে তিনি যেমন দক্ষ, রাজনীতিতে ততটা নন। নিজের ভাষায়, ‘আমি অভিনয়ের মানুষ। রাজনীতির ব্যক্তিগত আক্রমণ আর নোংরামি নিতে পারছি না। তবে আমি মাথা উঁচু করে, শিরদাঁড়া সোজা রেখেই বিদায় নিচ্ছি।’ রাজনীতির জটিলতায় থাকলেও আজ (৬ মে) কাঞ্চন মল্লিকের জন্মদিন। পরাজয়ের গ্লানি কিংবা দলাদলি সরিয়ে রেখে দিনটি তিনি কাটাতে চান মেয়ে কৃষভি আর স্ত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজকে নিয়ে। সেজন্য ঘরেই তৈরি হচ্ছে কাঞ্চনের পছন্দের পদগুলো।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_37.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_37.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_37.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[প্রভাসকেও টেক্কা! ‘ধুরন্ধর টু’-র রেকর্ড আয়ে চোখ কপালে ইন্ডাস্ট্রির]]></title>
        <link>https://nbs24.org/entertainment/36862</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/entertainment/36862</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 06 May 2026 17:05:55 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
                <category><![CDATA[বলিউড]]></category>
                        <category><![CDATA[Dhurandhar 2 box office collection, Prabhas The Raja Saab vs Dhurandhar 2, Ranbir Singh spy thriller Pan India success, Hindi movie South India box office record, Aditya Dhar Dhurandhar review, Dhurandhar 2 Karnataka collection 125 crore, Hindi cinema overtakes Telugu film industry, Pan India film trend 2026, Dhurandhar The Revenge Hindi original version, Animal Jawan Dhurandhar comparison, Bollywood blockbuster in Andhra Telangana, Dhurandhar 2 net collection 1139 crore, South audience watches Hindi film, Indian box office new record 2026, Hindi film doubles competition earnings]]></category>
        
        <description><![CDATA[‘প্যান ইন্ডিয়া’ শব্দটাকে ঘরে ঘরে পৌঁছে দিয়েছিলেন এসএস রাজামৌলি তাঁর ‘বাহুবলী’ দিয়ে। দক্ষিণী সিনেমা নিয়মিতভাবে হিন্দি বলয়ে সাফল্য পেলেও বলিউড ততটা পায়নি। তবে এবার সেই হিসেব পুরোপুরি বদলে দিল আদিত্য ধর-এর ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’। রণবীর সিংয়ের এই স্পাই থ্রিলার শুধু বক্স অফিসে তুফানই তুলেনি, বরং দক্ষিণের পাঁচ রাজ্যে ২৫০ কোটি রুপি ব্যবসা করে বলিউডকে নিয়ে গেছে এক অনন্য উচ্চতায়। যা প্রভাসের ‘দ্য রাজা সাব’-এর আয়কেও ছাপিয়ে গেছে। দেশের ভেতরের বাজারে ছবিটির মোট নেট আয় দাঁড়িয়েছে ১১৩৯ কোটি রুপি। সাধারণত হিন্দি সিনেমার সাফল্য হয় উত্তর ভারতেই। কিন্তু ‘ধুরন্ধর টু’ একা কর্ণাটক রাজ্য থেকেই আয় করেছে ১২৫ কোটি রুপি। অথচ কন্নড় সিনেমার ইতিহাসে মাত্র চারটি স্থানীয় সিনেমা এই সংখ্যা স্পর্শ করতে পেরেছে। শুধু তাই নয়, অন্ধ্রপ্রদেশ আর তেলেঙ্গানায় ছবিটির আয় ৮০ কোটি রুপি। এই প্রথম কোনো হিন্দি সিনেমা তেলেগু বলয়ে গিয়ে প্রভাসের সিনেমাকেও পেছনে ফেলার সাহস দেখাল! দক্ষিণের প্যান ইন্ডিয়া ছবিগুলো উত্তর ভারতে ডাবিং সংস্করণের ওপর নির্ভর করে। কিন্তু ‘ধুরন্ধর টু’-র ক্ষেত্রে ঘটল উল্টো। মোট আয়ের মধ্যে ডাবিং সংস্করণের অবদান মাত্র ৭০ কোটি রুপি। তার মানে দক্ষিণের বড় শহর ও মেট্রো শহরগুলোর দর্শক ডাবিং না দেখে মূল হিন্দি সংস্করণেই ছবিটি উপভোগ করেছে। শহুরে দর্শকদের এই বিপুল সাড়াই ছবিটিকে ‘অ্যানিমেল’ বা ‘জওয়ান’-এর চেয়েও দ্বিগুণ আয় করতে সাহায্য করেছে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_36.webp" alt="প্রভাসকেও টেক্কা! ‘ধুরন্ধর টু’-র রেকর্ড আয়ে চোখ কপালে ইন্ডাস্ট্রির" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>প্রভাসকেও টেক্কা! ‘ধুরন্ধর টু’-র রেকর্ড আয়ে চোখ কপালে ইন্ডাস্ট্রির</h1>
            <p>‘প্যান ইন্ডিয়া’ শব্দটাকে ঘরে ঘরে পৌঁছে দিয়েছিলেন এসএস রাজামৌলি তাঁর ‘বাহুবলী’ দিয়ে। দক্ষিণী সিনেমা নিয়মিতভাবে হিন্দি বলয়ে সাফল্য পেলেও বলিউড ততটা পায়নি। তবে এবার সেই হিসেব পুরোপুরি বদলে দিল আদিত্য ধর-এর ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’। রণবীর সিংয়ের এই স্পাই থ্রিলার শুধু বক্স অফিসে তুফানই তুলেনি, বরং দক্ষিণের পাঁচ রাজ্যে ২৫০ কোটি রুপি ব্যবসা করে বলিউডকে নিয়ে গেছে এক অনন্য উচ্চতায়। যা প্রভাসের ‘দ্য রাজা সাব’-এর আয়কেও ছাপিয়ে গেছে। দেশের ভেতরের বাজারে ছবিটির মোট নেট আয় দাঁড়িয়েছে ১১৩৯ কোটি রুপি। সাধারণত হিন্দি সিনেমার সাফল্য হয় উত্তর ভারতেই। কিন্তু ‘ধুরন্ধর টু’ একা কর্ণাটক রাজ্য থেকেই আয় করেছে ১২৫ কোটি রুপি। অথচ কন্নড় সিনেমার ইতিহাসে মাত্র চারটি স্থানীয় সিনেমা এই সংখ্যা স্পর্শ করতে পেরেছে। শুধু তাই নয়, অন্ধ্রপ্রদেশ আর তেলেঙ্গানায় ছবিটির আয় ৮০ কোটি রুপি। এই প্রথম কোনো হিন্দি সিনেমা তেলেগু বলয়ে গিয়ে প্রভাসের সিনেমাকেও পেছনে ফেলার সাহস দেখাল! দক্ষিণের প্যান ইন্ডিয়া ছবিগুলো উত্তর ভারতে ডাবিং সংস্করণের ওপর নির্ভর করে। কিন্তু ‘ধুরন্ধর টু’-র ক্ষেত্রে ঘটল উল্টো। মোট আয়ের মধ্যে ডাবিং সংস্করণের অবদান মাত্র ৭০ কোটি রুপি। তার মানে দক্ষিণের বড় শহর ও মেট্রো শহরগুলোর দর্শক ডাবিং না দেখে মূল হিন্দি সংস্করণেই ছবিটি উপভোগ করেছে। শহুরে দর্শকদের এই বিপুল সাড়াই ছবিটিকে ‘অ্যানিমেল’ বা ‘জওয়ান’-এর চেয়েও দ্বিগুণ আয় করতে সাহায্য করেছে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_36.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_36.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_36.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[পাঁচ বছর পর এক মঞ্চে সামান্থা ও নাগা! তবে এবার সঙ্গী অন্য কেউ]]></title>
        <link>https://nbs24.org/entertainment/36861</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/entertainment/36861</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 06 May 2026 17:05:14 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
                <category><![CDATA[বলিউড]]></category>
                        <category><![CDATA[Samantha Ruth Prabhu Naga Chaitanya together after divorce, Samantha marriage with Raj Nidimoru, Naga Chaitanya marriage with Sobhita Dhulipala, Sunil Narang daughter wedding, Samantha and Naga Chaitanya same event, Telugu cinema divorce news 2026, Samantha current husband, Naga Chaitanya new wife, Sobhita Dhulipala Naga Chaitanya wedding, Samantha Raj Nidimoru marriage, Tollywood power couple past, Samantha Naga Chaitanya maturity viral, Indian cinema celebrity wedding event, Samantha second marriage update, Naga Chaitanya family function 2026]]></category>
        
        <description><![CDATA[প্রচ্ছদ: সামান্থা-নাগার বিচ্ছেদের পাঁচ বছর। সেই প্রথম বার্তা! বিয়েবাড়িতে হাজির হলেন দুজনেই, কিন্তু হাতে ধরা নতুন জীবনসঙ্গী। ভিডিও ভাইরাল! ২০২১ সালে দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় জুটি সামান্থা রুথ প্রভু আর নাগা চৈতন্যর বিচ্ছেদের খবরে ভক্তরা হতবাক হয়েছিলেন। চার বছরের সংসার ভেঙে দুজনেই নিয়েছিলেন আলাদা পথ। তার পর কেটে গেছে আরও প্রায় পাঁচ বছর। এত দিন ধরে কোনো পারিবারিক অনুষ্ঠানে তাদের দেখা যায়নি একসঙ্গে। তবে সম্প্রতি হায়দ্রাবাদের এক জমকালো বিয়ের আসরে ফের দেখা মিলল এই প্রাক্তন জুটির। তবে এবার কিন্তু হাত ধরাধরি নয়— দুজনেই এসেছেন নতুন করে পাওয়া মানুষকে নিয়ে। হায়দরাবাদের নামী প্রযোজক সুনীল নারাংয়ের মেয়ে সিমরনের বিয়ের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত ছিলেন ইন্ডাস্ট্রির অনেক তারকা। সেখানেই এসেছিলেন নাগা চৈতন্য আর সামান্থা রুথ প্রভু। কিন্তু কেমন এলেন তাঁরা? নাগা সঙ্গে নিয়ে এসেছেন তাঁর স্ত্রী শোভিতা ধুলিপালাকে। আর সামান্থা হাজির হয়েছেন তাঁর বর্তমান স্বামী ও বিখ্যাত পরিচালক রাজ নিদিমোরুকে নিয়ে। পাঁচ বছর পর প্রাক্তন স্বামী-স্ত্রীকে এক জায়গায় দেখে হৈ চৈ পড়ে গেল অনুষ্ঠানপ্রাঙ্গণে। তবে সেদিকে পাত্তা দিলেন না কেউ। কটু কথা বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে তাঁরা ইচ্ছা করেই এড়িয়ে গিয়েছেন একে অন্যকে। সময় কাটিয়েছেন আলাদাভাবে। ব্যক্তিগত জীবনে এখন স্থিতিশীল দুই তারকাই। গত ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে শোভিতা ধুলিপালাকে বিয়ে করেন নাগা চৈতন্য। আর ঠিক এক বছর পর ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে কোয়েম্বাটুরের লিংগ ভৈরবী মন্দিরে ঘরোয়া আয়োজনে পরিচালক রাজ নিদিমোরুকে বিয়ে করেন সামান্থা। এর আগে ২০১৭ সালে গোয়ায় জমকালো অনুষ্ঠানে নাগার সঙ্গেই সাত পাকে বাঁধা পড়েছিলেন তিনি। এক সময়ের ‘পাওয়ার কাপল’ এখন একে অপরের কাছে শুধুই অতীত। নতুন সঙ্গীদের নিয়ে একই অনুষ্ঠানে তাদের এভাবে হাজির হওয়া ইঙ্গিত দিচ্ছে— পুরোনো দিন ভুলে দুজনেই এখন নিজেদের বর্তমান জীবন নিয়ে খুশি। নেটিজেনরা বলছেন, এই ‘ম্যাচিউরিটি’ আসলেই প্রশংসার দাবি রাখে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_35.webp" alt="পাঁচ বছর পর এক মঞ্চে সামান্থা ও নাগা! তবে এবার সঙ্গী অন্য কেউ" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>পাঁচ বছর পর এক মঞ্চে সামান্থা ও নাগা! তবে এবার সঙ্গী অন্য কেউ</h1>
            <p>প্রচ্ছদ: সামান্থা-নাগার বিচ্ছেদের পাঁচ বছর। সেই প্রথম বার্তা! বিয়েবাড়িতে হাজির হলেন দুজনেই, কিন্তু হাতে ধরা নতুন জীবনসঙ্গী। ভিডিও ভাইরাল! ২০২১ সালে দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় জুটি সামান্থা রুথ প্রভু আর নাগা চৈতন্যর বিচ্ছেদের খবরে ভক্তরা হতবাক হয়েছিলেন। চার বছরের সংসার ভেঙে দুজনেই নিয়েছিলেন আলাদা পথ। তার পর কেটে গেছে আরও প্রায় পাঁচ বছর। এত দিন ধরে কোনো পারিবারিক অনুষ্ঠানে তাদের দেখা যায়নি একসঙ্গে। তবে সম্প্রতি হায়দ্রাবাদের এক জমকালো বিয়ের আসরে ফের দেখা মিলল এই প্রাক্তন জুটির। তবে এবার কিন্তু হাত ধরাধরি নয়— দুজনেই এসেছেন নতুন করে পাওয়া মানুষকে নিয়ে। হায়দরাবাদের নামী প্রযোজক সুনীল নারাংয়ের মেয়ে সিমরনের বিয়ের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত ছিলেন ইন্ডাস্ট্রির অনেক তারকা। সেখানেই এসেছিলেন নাগা চৈতন্য আর সামান্থা রুথ প্রভু। কিন্তু কেমন এলেন তাঁরা? নাগা সঙ্গে নিয়ে এসেছেন তাঁর স্ত্রী শোভিতা ধুলিপালাকে। আর সামান্থা হাজির হয়েছেন তাঁর বর্তমান স্বামী ও বিখ্যাত পরিচালক রাজ নিদিমোরুকে নিয়ে। পাঁচ বছর পর প্রাক্তন স্বামী-স্ত্রীকে এক জায়গায় দেখে হৈ চৈ পড়ে গেল অনুষ্ঠানপ্রাঙ্গণে। তবে সেদিকে পাত্তা দিলেন না কেউ। কটু কথা বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে তাঁরা ইচ্ছা করেই এড়িয়ে গিয়েছেন একে অন্যকে। সময় কাটিয়েছেন আলাদাভাবে। ব্যক্তিগত জীবনে এখন স্থিতিশীল দুই তারকাই। গত ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে শোভিতা ধুলিপালাকে বিয়ে করেন নাগা চৈতন্য। আর ঠিক এক বছর পর ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে কোয়েম্বাটুরের লিংগ ভৈরবী মন্দিরে ঘরোয়া আয়োজনে পরিচালক রাজ নিদিমোরুকে বিয়ে করেন সামান্থা। এর আগে ২০১৭ সালে গোয়ায় জমকালো অনুষ্ঠানে নাগার সঙ্গেই সাত পাকে বাঁধা পড়েছিলেন তিনি। এক সময়ের ‘পাওয়ার কাপল’ এখন একে অপরের কাছে শুধুই অতীত। নতুন সঙ্গীদের নিয়ে একই অনুষ্ঠানে তাদের এভাবে হাজির হওয়া ইঙ্গিত দিচ্ছে— পুরোনো দিন ভুলে দুজনেই এখন নিজেদের বর্তমান জীবন নিয়ে খুশি। নেটিজেনরা বলছেন, এই ‘ম্যাচিউরিটি’ আসলেই প্রশংসার দাবি রাখে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_35.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_35.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_35.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[রকস্টার’ ছবির টিজারে শাকিবের ঝড়, সেটা দেখে আবেগপ্রবণ হয়ে গেলেন নায়িকা সাবিলা নূর। আর কী বললেন?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/entertainment/36860</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/entertainment/36860</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 06 May 2026 17:05:23 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
                <category><![CDATA[ঢালিউড]]></category>
                        <category><![CDATA[Shakib Khan Rockstar teaser, Sabila Noor reaction to Shakib Khan, Shakib Khan new movie 2026, Rockstar movie Bangladeshi film, Shakib Khan action musical thriller, Sabila Noor emotional post, Shakib Khan unique personality, Dhallywood latest news, Rockstar teaser viral, Shakib Khan destructive look, Bangla movie Rockstar update, Shakib Khan fan reaction, Sabila Noor grateful post, Rockstar behind the scenes, Shakib Khan history maker]]></category>
        
        <description><![CDATA[অবশেষে অপেক্ষার প্রহর শেষ। প্রকাশ পেয়েছে মেগাস্টার শাকিব খানের নতুন সিনেমা ‘রকস্টার’-এর অফিশিয়াল টিজার। ইউটিউবে আসার পরপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে ভক্তদের উন্মাদনা। তবে এই উত্তাপের মাঝে সবার নজর কেড়েছে ছবির নায়িকা সাবিলা নূরের এক আবেগঘন স্ট্যাটাস। টিজারের একটি কোলাজ ছবি পোস্ট করে নিজের মুগ্ধতা লুকোতে পারেননি সাবিলা। শাকিব খানের লুক আর অভিনয়ের ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি লেখেন, ‘এত বড় আর স্মরণীয় একটি প্রজেক্টের অংশ হয়ে আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত বোধ করছি।’ এরপর সুপারস্টার শাকিব খানের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে বলেন, ‘শাকিব খান, মানুষ হিসেবে আপনি অনন্য। কাজের প্রতি আপনার একাগ্রতা আর আপনার তৈরি ইতিহাস নিজের পরিচয় নিজেই দেয়। এই বিশেষ জিনিসটির সঙ্গে যুক্ত থাকতে পেরে আমি মন থেকে কৃতজ্ঞ।’ ১ মিনিট ২০ সেকেন্ডের টিজারে শাকিবকে দেখা গেছে একদম ভিন্ন আর ধ্বংসাত্মক লুকে। কনসার্ট জমানো থেকে শুরু করে ধুন্ধুমার অ্যাকশন—সব মিলিয়ে জানান দিয়েছেন নিজের মেগাস্টার ইমেজের। টিজার দেখে পরিষ্কার, এবার দর্শক পেতে যাচ্ছে গান, উন্মাদনা আর বিনোদনের ভিন্ন এক স্বাদ। একজন রকস্টারের জীবন আর সংগ্রামের গল্প নিয়েই তৈরি হয়েছে এই মিউজিক্যাল অ্যাকশন থ্রিলার।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_34.webp" alt="রকস্টার’ ছবির টিজারে শাকিবের ঝড়, সেটা দেখে আবেগপ্রবণ হয়ে গেলেন নায়িকা সাবিলা নূর। আর কী বললেন?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>রকস্টার’ ছবির টিজারে শাকিবের ঝড়, সেটা দেখে আবেগপ্রবণ হয়ে গেলেন নায়িকা সাবিলা নূর। আর কী বললেন?</h1>
            <p>অবশেষে অপেক্ষার প্রহর শেষ। প্রকাশ পেয়েছে মেগাস্টার শাকিব খানের নতুন সিনেমা ‘রকস্টার’-এর অফিশিয়াল টিজার। ইউটিউবে আসার পরপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে ভক্তদের উন্মাদনা। তবে এই উত্তাপের মাঝে সবার নজর কেড়েছে ছবির নায়িকা সাবিলা নূরের এক আবেগঘন স্ট্যাটাস। টিজারের একটি কোলাজ ছবি পোস্ট করে নিজের মুগ্ধতা লুকোতে পারেননি সাবিলা। শাকিব খানের লুক আর অভিনয়ের ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি লেখেন, ‘এত বড় আর স্মরণীয় একটি প্রজেক্টের অংশ হয়ে আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত বোধ করছি।’ এরপর সুপারস্টার শাকিব খানের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে বলেন, ‘শাকিব খান, মানুষ হিসেবে আপনি অনন্য। কাজের প্রতি আপনার একাগ্রতা আর আপনার তৈরি ইতিহাস নিজের পরিচয় নিজেই দেয়। এই বিশেষ জিনিসটির সঙ্গে যুক্ত থাকতে পেরে আমি মন থেকে কৃতজ্ঞ।’ ১ মিনিট ২০ সেকেন্ডের টিজারে শাকিবকে দেখা গেছে একদম ভিন্ন আর ধ্বংসাত্মক লুকে। কনসার্ট জমানো থেকে শুরু করে ধুন্ধুমার অ্যাকশন—সব মিলিয়ে জানান দিয়েছেন নিজের মেগাস্টার ইমেজের। টিজার দেখে পরিষ্কার, এবার দর্শক পেতে যাচ্ছে গান, উন্মাদনা আর বিনোদনের ভিন্ন এক স্বাদ। একজন রকস্টারের জীবন আর সংগ্রামের গল্প নিয়েই তৈরি হয়েছে এই মিউজিক্যাল অ্যাকশন থ্রিলার।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_34.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_34.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_34.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[কিয়ারা আদবানি মেজাজ হারালেন! ‘টক্সিক’ সিনেমার ঘনিষ্ঠ দৃশ্য নিয়ে যা বললেন]]></title>
        <link>https://nbs24.org/entertainment/36859</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/entertainment/36859</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 06 May 2026 17:05:38 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
                <category><![CDATA[বলিউড]]></category>
                        <category><![CDATA[Kiara Advani Toxic controversy, Yash Toxic movie intimate scenes, Kiara Advani reaction nonsense, Toxic A Tale for Grown Ups latest news, Sandeep Reddy Vanga statement, Kiara Advani Yash film news, Toxic movie release date delay, Kiara Advani social media post, South film controversy 2026, Yash new movie update, Kiara Advani intimate scene rumor, Toxic movie teaser backlash, female director Sandeep Reddy Vanga, Bollywood gossip today, Kannada cinema latest news]]></category>
        
        <description><![CDATA[প্রচ্ছদ: যশের সিনেমা ‘টক্সিক’ নিয়ে গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন কিয়ারা। বললেন এ সব ‘অ্যাবসলিউট ননসেন্স’! জেনে নিন পুরো ঘটনা। দক্ষিণী সুপারস্টার যশের সিনেমা ‘টক্সিক: অ্যা টেল ফর গ্রোন আপস’ নিয়ে সিনেমাপাগল মানুষদের আগ্রহের শেষ নেই। একের পর এক মুক্তির তারিখ পেছালেও উন্মাদনা কিন্তু কমেনি একটুও। তবে এবার মুক্তির তারিখ নিয়ে নয়, শিরোনামে এল ঘনিষ্ঠ দৃশ্য ঘিরে বিতর্ক। গুঞ্জন ওঠে, সিনেমার নায়িকা কিয়ারা আদবানি নির্মাতাদের কাছে বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছেন— তাঁর ঘনিষ্ঠ দৃশ্য যেন বাদ দেওয়া হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই নিয়ে হইচই শুরু হয়ে যায়। তবে গুঞ্জন উড়িয়ে দিতে এক কোপেই মেজাজ হারালেন কিয়ারা। নিজের সোশ্যাল হ্যান্ডেলে ভুয়ো খবরের স্ক্রিনশট পোস্ট করে বড় বড় অক্ষরে লিখলেন, ‘অ্যাবসলিউট ননসেন্স’। মানে ‘শুদ্ধ বাজে কথা’। এই দাবিকে একেবারে ভিত্তিহীন বলে জানিয়ে দিলেন স্পষ্ট ভাষায়। কীভাবে শুরু বিতর্ক? বছর শুরুর দিকে ‘টক্সিক’-এর টিজার এবং কিছু স্থিরচিত্র বেরোয়। সেখানে যশের মারকাটারি মেজাজের সঙ্গে ছিল নারী চরিত্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ দৃশ্য। সেই দৃশ্য দেখে অনেক প্রশ্ন তোলেন নেটিজেনরা। তাঁদের অভিযোগ—নারী চরিত্র কি কেবল শরীরেই সীমাবদ্ধ থাকল? আর যেখানে সিনেমার পরিচালক নিজে একজন নারী, সেখানে কেন এত খোলামেলা দৃশ্য—এ নিয়েও শুরু হয় সমালোচনা। তবে এই বিতর্কের মধ্যেও সিনেমার পাশে দাঁড়িয়েছেন অনেকে। পরিচালক সন্দীপ রেড্ডি ভাঙ্গা বলেছেন, টিজার দেখে তাঁর মনে হচ্ছে—এটি ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে বড় মাইলফলক হতে চলেছে। টিজারে দেখা না গেলেও শোনা যাচ্ছিল, কিয়ারাকেও কিছু সাহসী দৃশ্যে দেখা যাবে। বিশেষ করে যশের কোলে বসে থাকার একটি ছবি ভাইরাল হয়ে যাওয়ায় গুঞ্জন আরও জোরালো হয়। কিন্তু সেই সব গুঞ্জন নিজেই উড়িয়ে দিলেন নায়িকা। তাই আপাতত বিতর্কে জল পড়েছে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_33.webp" alt="কিয়ারা আদবানি মেজাজ হারালেন! ‘টক্সিক’ সিনেমার ঘনিষ্ঠ দৃশ্য নিয়ে যা বললেন" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>কিয়ারা আদবানি মেজাজ হারালেন! ‘টক্সিক’ সিনেমার ঘনিষ্ঠ দৃশ্য নিয়ে যা বললেন</h1>
            <p>প্রচ্ছদ: যশের সিনেমা ‘টক্সিক’ নিয়ে গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন কিয়ারা। বললেন এ সব ‘অ্যাবসলিউট ননসেন্স’! জেনে নিন পুরো ঘটনা। দক্ষিণী সুপারস্টার যশের সিনেমা ‘টক্সিক: অ্যা টেল ফর গ্রোন আপস’ নিয়ে সিনেমাপাগল মানুষদের আগ্রহের শেষ নেই। একের পর এক মুক্তির তারিখ পেছালেও উন্মাদনা কিন্তু কমেনি একটুও। তবে এবার মুক্তির তারিখ নিয়ে নয়, শিরোনামে এল ঘনিষ্ঠ দৃশ্য ঘিরে বিতর্ক। গুঞ্জন ওঠে, সিনেমার নায়িকা কিয়ারা আদবানি নির্মাতাদের কাছে বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছেন— তাঁর ঘনিষ্ঠ দৃশ্য যেন বাদ দেওয়া হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই নিয়ে হইচই শুরু হয়ে যায়। তবে গুঞ্জন উড়িয়ে দিতে এক কোপেই মেজাজ হারালেন কিয়ারা। নিজের সোশ্যাল হ্যান্ডেলে ভুয়ো খবরের স্ক্রিনশট পোস্ট করে বড় বড় অক্ষরে লিখলেন, ‘অ্যাবসলিউট ননসেন্স’। মানে ‘শুদ্ধ বাজে কথা’। এই দাবিকে একেবারে ভিত্তিহীন বলে জানিয়ে দিলেন স্পষ্ট ভাষায়। কীভাবে শুরু বিতর্ক? বছর শুরুর দিকে ‘টক্সিক’-এর টিজার এবং কিছু স্থিরচিত্র বেরোয়। সেখানে যশের মারকাটারি মেজাজের সঙ্গে ছিল নারী চরিত্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ দৃশ্য। সেই দৃশ্য দেখে অনেক প্রশ্ন তোলেন নেটিজেনরা। তাঁদের অভিযোগ—নারী চরিত্র কি কেবল শরীরেই সীমাবদ্ধ থাকল? আর যেখানে সিনেমার পরিচালক নিজে একজন নারী, সেখানে কেন এত খোলামেলা দৃশ্য—এ নিয়েও শুরু হয় সমালোচনা। তবে এই বিতর্কের মধ্যেও সিনেমার পাশে দাঁড়িয়েছেন অনেকে। পরিচালক সন্দীপ রেড্ডি ভাঙ্গা বলেছেন, টিজার দেখে তাঁর মনে হচ্ছে—এটি ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে বড় মাইলফলক হতে চলেছে। টিজারে দেখা না গেলেও শোনা যাচ্ছিল, কিয়ারাকেও কিছু সাহসী দৃশ্যে দেখা যাবে। বিশেষ করে যশের কোলে বসে থাকার একটি ছবি ভাইরাল হয়ে যাওয়ায় গুঞ্জন আরও জোরালো হয়। কিন্তু সেই সব গুঞ্জন নিজেই উড়িয়ে দিলেন নায়িকা। তাই আপাতত বিতর্কে জল পড়েছে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_33.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_33.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_33.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[২৫ বছর পর বেরোল ইরফান-বিদ্যার প্রথম সিনেমা! দেখে নিন ঝটিতি]]></title>
        <link>https://nbs24.org/entertainment/36858</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/entertainment/36858</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 06 May 2026 17:05:49 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
                <category><![CDATA[অন্যান্যদন]]></category>
                        <category><![CDATA[Irrfan Khan, Vidya Balan, The Last Tenant release, lost movie found after 25 years, Sarthak Dasgupta, Bengali cinema news, Irrfan Khan death anniversary, YouTube movie release, rare Bollywood film, Irrfan and Vidya together, VHS tape restored, nostalgic Indian film, The Music Teacher director, Dharavi Bank web series, 200 Halla Ho]]></category>
        
        <description><![CDATA[প্রয়াত ইরফান খানের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকীতে ভক্তদের জন্য চমক। দীর্ঘ ২৫ বছর বন্দি থাকার পর মুক্তি পেল ‘দ্য লাস্ট টেন্যান্ট’। কেমন আছে সিনেমাটা? প্রয়াত কিংবদন্তি ইরফান খানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দর্শকদের জন্য এসেছে এক স্পেশাল উপহার। প্রায় সোয়া দুই দশক ধরে আটকে থাকার পর শেষ পর্যন্ত প্রকাশ পেয়ে গেল ইরফান-বিদ্যা বালন অভিনীত সিনেমা ‘দ্য লাস্ট টেন্যান্ট’। সম্প্রতি ইউটিউবে ছবিটি মুক্তি পেয়েছে। এই সিনেমার বিশেষত্ব কী জানেন? এটি ইরফান খান ও বিদ্যা বালন—দুজনের ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের কাজ। ছোট পর্দা ছেড়ে রুপালি পর্দায় এটাই ছিল বিদ্যার সম্ভবত প্রথম সিনেমা। আরও মজার কথা হচ্ছে, ভারতীয় সিনেমার এই দুই প্রতিভাবান অভিনেতা পুরো ক্যারিয়ারে একসঙ্গে শুধু এই একটি ছবিতেই অভিনয় করেছেন। ২৫ বছর আগে চিত্রনাট্যকার সার্থক দাশগুপ্ত এই সিনেমাটি পরিচালনা করেছিলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্য পিছু ছাড়ছিল না। আসল ফুটেজ হারিয়ে যাওয়ায় ছবিটি প্রকাশ পায়নি। দুই দশকের বেশি সময় ধরে এটি বন্ধ ছিল। পরিচালক প্রায় আশাই ছেড়ে দিয়েছিলেন। তবে একদিন অঘটনে পাওয়া যায় একটি ভিএইচএস কপি। সেটিকে আধুনিক টেকনোলজির সাহায্যে পুনরুদ্ধার করে দর্শকদের সামনে আনা সম্ভব হয়েছে। পরিচালনার পুরনো স্মৃতি ভাগ করে নিতে গিয়ে সার্থক দাশগুপ্ত বলেন, ‘সে সময় আমি একেবারে নতুন ছিলাম। কোনো শাস্ত্রীয় পড়াশোনা ছাড়াই শুধু নিজের অনুভূতি দিয়ে সিনেমাটি বানিয়েছিলাম। ইঞ্জিনিয়ারিং আর এমবিএ শেষ করে কর্পোরেট চাকরি ছেড়ে দেওয়া সেই তরুণের কাছে এটি ছিল একটা বড় চ্যালেঞ্জ। আজ আমার প্রিয় ইরফানকে স্মরণ করে এই সিনেমা মুক্তি দিতে পেরে আমি সত্যিই তৃপ্ত।’ সিনেমার গল্প কী? এটি একটি সঙ্গীতশিল্পীকে ঘিরে। দেশ ছাড়ার আগে তিনি আশ্রয় নেন এক পরিত্যক্ত বাড়িতে। সেই নির্জনতা আর রহস্যের ভেতরে বাঁধে স্মৃতি আর স্বপ্নের জট। তবে তার যাত্রা যায় না মসৃণ পথে। শূন্য বাজেটের এই কাজটি আজ দর্শকদের কাছে তৈরি করেছে ভিন্ন রকম এক নস্টালজিয়া। নিজের প্রথম দিকের সিনেমা প্রসঙ্গে রীতিমতো উচ্ছ্বসিত বিদ্যা বালন। তিনি বলেন, ‘দ্য লাস্ট টেন্যান্ট’ শেষ পর্যন্ত দর্শকদের সামনে এসেছে দেখে দারুণ লাগছে। আমি তখন আমার জায়গা খুঁজছি, আর ইরফান ছিলেন অসাধারণ এক সহকর্মী। আমাদের একসঙ্গে করা একমাত্র কাজটি আমি ফিরে পেয়েছি—এটা আমার জন্য অনেক বড় পাওয়া।’ গত ২৯ এপ্রিল সিনেমা মুক্তির মাত্র তিন দিনেই ইউটিউবে ভিউ ছাড়িয়েছে প্রায় দুই লাখ। ইরফান ভক্তদের কাছে এটি যেন হারিয়ে যাওয়া এক অমূল্য রত্ন। এর আগে সার্থক দাশগুপ্ত ‘দ্য মিউজিক টিচার’, ‘২০০ হাল্লা হো’ আর ওয়েব সিরিজ ‘ধারাভি ব্যাংক’-এর মতো জনপ্রিয় কাজ উপহার দিয়েছেন।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_32.webp" alt="২৫ বছর পর বেরোল ইরফান-বিদ্যার প্রথম সিনেমা! দেখে নিন ঝটিতি" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>২৫ বছর পর বেরোল ইরফান-বিদ্যার প্রথম সিনেমা! দেখে নিন ঝটিতি</h1>
            <p>প্রয়াত ইরফান খানের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকীতে ভক্তদের জন্য চমক। দীর্ঘ ২৫ বছর বন্দি থাকার পর মুক্তি পেল ‘দ্য লাস্ট টেন্যান্ট’। কেমন আছে সিনেমাটা? প্রয়াত কিংবদন্তি ইরফান খানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দর্শকদের জন্য এসেছে এক স্পেশাল উপহার। প্রায় সোয়া দুই দশক ধরে আটকে থাকার পর শেষ পর্যন্ত প্রকাশ পেয়ে গেল ইরফান-বিদ্যা বালন অভিনীত সিনেমা ‘দ্য লাস্ট টেন্যান্ট’। সম্প্রতি ইউটিউবে ছবিটি মুক্তি পেয়েছে। এই সিনেমার বিশেষত্ব কী জানেন? এটি ইরফান খান ও বিদ্যা বালন—দুজনের ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের কাজ। ছোট পর্দা ছেড়ে রুপালি পর্দায় এটাই ছিল বিদ্যার সম্ভবত প্রথম সিনেমা। আরও মজার কথা হচ্ছে, ভারতীয় সিনেমার এই দুই প্রতিভাবান অভিনেতা পুরো ক্যারিয়ারে একসঙ্গে শুধু এই একটি ছবিতেই অভিনয় করেছেন। ২৫ বছর আগে চিত্রনাট্যকার সার্থক দাশগুপ্ত এই সিনেমাটি পরিচালনা করেছিলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্য পিছু ছাড়ছিল না। আসল ফুটেজ হারিয়ে যাওয়ায় ছবিটি প্রকাশ পায়নি। দুই দশকের বেশি সময় ধরে এটি বন্ধ ছিল। পরিচালক প্রায় আশাই ছেড়ে দিয়েছিলেন। তবে একদিন অঘটনে পাওয়া যায় একটি ভিএইচএস কপি। সেটিকে আধুনিক টেকনোলজির সাহায্যে পুনরুদ্ধার করে দর্শকদের সামনে আনা সম্ভব হয়েছে। পরিচালনার পুরনো স্মৃতি ভাগ করে নিতে গিয়ে সার্থক দাশগুপ্ত বলেন, ‘সে সময় আমি একেবারে নতুন ছিলাম। কোনো শাস্ত্রীয় পড়াশোনা ছাড়াই শুধু নিজের অনুভূতি দিয়ে সিনেমাটি বানিয়েছিলাম। ইঞ্জিনিয়ারিং আর এমবিএ শেষ করে কর্পোরেট চাকরি ছেড়ে দেওয়া সেই তরুণের কাছে এটি ছিল একটা বড় চ্যালেঞ্জ। আজ আমার প্রিয় ইরফানকে স্মরণ করে এই সিনেমা মুক্তি দিতে পেরে আমি সত্যিই তৃপ্ত।’ সিনেমার গল্প কী? এটি একটি সঙ্গীতশিল্পীকে ঘিরে। দেশ ছাড়ার আগে তিনি আশ্রয় নেন এক পরিত্যক্ত বাড়িতে। সেই নির্জনতা আর রহস্যের ভেতরে বাঁধে স্মৃতি আর স্বপ্নের জট। তবে তার যাত্রা যায় না মসৃণ পথে। শূন্য বাজেটের এই কাজটি আজ দর্শকদের কাছে তৈরি করেছে ভিন্ন রকম এক নস্টালজিয়া। নিজের প্রথম দিকের সিনেমা প্রসঙ্গে রীতিমতো উচ্ছ্বসিত বিদ্যা বালন। তিনি বলেন, ‘দ্য লাস্ট টেন্যান্ট’ শেষ পর্যন্ত দর্শকদের সামনে এসেছে দেখে দারুণ লাগছে। আমি তখন আমার জায়গা খুঁজছি, আর ইরফান ছিলেন অসাধারণ এক সহকর্মী। আমাদের একসঙ্গে করা একমাত্র কাজটি আমি ফিরে পেয়েছি—এটা আমার জন্য অনেক বড় পাওয়া।’ গত ২৯ এপ্রিল সিনেমা মুক্তির মাত্র তিন দিনেই ইউটিউবে ভিউ ছাড়িয়েছে প্রায় দুই লাখ। ইরফান ভক্তদের কাছে এটি যেন হারিয়ে যাওয়া এক অমূল্য রত্ন। এর আগে সার্থক দাশগুপ্ত ‘দ্য মিউজিক টিচার’, ‘২০০ হাল্লা হো’ আর ওয়েব সিরিজ ‘ধারাভি ব্যাংক’-এর মতো জনপ্রিয় কাজ উপহার দিয়েছেন।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_32.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_32.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_32.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[Walton signs deals with three firms to build country’s largest iconic office tower]]></title>
        <link>https://nbs24.org/english-news/36857</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/english-news/36857</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 06 May 2026 17:05:07 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[English News]]></category>
                <category><![CDATA[Economy]]></category>
                        <category><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news today, latest bangladeshi news, atn bd news, latest news and bulletin, bd news, bd news 26, news update bd, latest news headline and bulletin, bd news live, bd news live tv, bd india relation news, news today bd news today, bd news live today, latestnews, bdnews, bd news live today 2026, security news bd, atn news tv, update news, news update, bd parliament news, government news bd, rater bangladesh news, atn news, bangla news update, atn news today, bangla tv news]]></category>
        
        <description><![CDATA[Walton Hi-Tech Industries PLC signs separate agreements with three architectural and engineering consultancy firms to construct country’s largest iconic office tower at its corporate office premises in Dhaka Walton Hi-Tech Industries PLC. has signed separate agreements with three leading architectural and engineering consultancy firms to construct the country’s largest iconic office tower at its corporate office premises in Dhaka. The country’s leading electronics and technology brand signed the agreements with Vistaara Architects Private Limited, Abode of Consultant’s (Pvt.) Limited and BN Engineering. The firms will provide consultancy support in architectural design, structural planning, engineering solutions and other related services for the proposed office towers. The signing ceremony was held at Walton Corporate Office on Sunday (May 3, 2026). Walton Hi-Tech Chief Financial Officer and Additional Managing Director Md. Ziaul Alam, Abode of Consultant’s Chairman and Managing Director Professor Dr. M Shamim Z. Bosunia, Vistaara Architects Managing Director Mustapha Khalid Palash and BN Engineering Chief Executive Officer A.B.M Abdul Kabir signed the agreements on behalf of their respective organizations. Among others present at the ceremony were Walton Hi-Tech Chairman S M Shamsul Alam, Managing Director S M Mahbubul Alam, Directors S M Nurul Alam Rezvi and S M Rezaul Alam, along with senior officials from the consultancy firms. Speaking on the occasion, S M Mahbubul Alam said a good office is not merely about an attractive building; rather, it is about creating an environment where people can work comfortably, express creativity and deliver their best performance. “A modern office must be smart, sustainable and human-centric. Through this agreement, we are not only building offices; we are developing institutions that will represent the future of Bangladesh’s corporate and industrial capability,” he said. He added that the planned office tower would reflect Walton’s long-term vision of innovation, technological advancement and global competitiveness. “This is not only Walton’s dream; it is also part of our broader commitment to showcasing Bangladesh’s industrial strength, design capability and sustainable development mindset to the world,” Mahbubul Alam added. Architect Mustapha Khalid Palash said, “Walton is our national pride. This initiative comes at a time when Walton is expanding its footprint in electronics, electrical appliances, ICT products and other high-tech industrial sectors both local and global stages.” He added that the buildings would incorporate international-standard architecture, smart space planning, advanced engineering solutions, modern digital facilities, environment-friendly materials and energy-efficient systems. According to company officials, the Walton Iconic Tower will be built on a 14.3-bigha plot with a total floor area of approximately 1.8 million square feet. In the first phase, a 13-storey state-of-the-art sustainable green office building with around 900,000 square feet of space will be constructed on 7 bigha of land. The building will also feature three basement levels.]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24o_06-05-26_41.webp" alt="Walton signs deals with three firms to build country’s largest iconic office tower" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>Walton signs deals with three firms to build country’s largest iconic office tower</h1>
            <p>Walton Hi-Tech Industries PLC signs separate agreements with three architectural and engineering consultancy firms to construct country’s largest iconic office tower at its corporate office premises in Dhaka Walton Hi-Tech Industries PLC. has signed separate agreements with three leading architectural and engineering consultancy firms to construct the country’s largest iconic office tower at its corporate office premises in Dhaka. The country’s leading electronics and technology brand signed the agreements with Vistaara Architects Private Limited, Abode of Consultant’s (Pvt.) Limited and BN Engineering. The firms will provide consultancy support in architectural design, structural planning, engineering solutions and other related services for the proposed office towers. The signing ceremony was held at Walton Corporate Office on Sunday (May 3, 2026). Walton Hi-Tech Chief Financial Officer and Additional Managing Director Md. Ziaul Alam, Abode of Consultant’s Chairman and Managing Director Professor Dr. M Shamim Z. Bosunia, Vistaara Architects Managing Director Mustapha Khalid Palash and BN Engineering Chief Executive Officer A.B.M Abdul Kabir signed the agreements on behalf of their respective organizations. Among others present at the ceremony were Walton Hi-Tech Chairman S M Shamsul Alam, Managing Director S M Mahbubul Alam, Directors S M Nurul Alam Rezvi and S M Rezaul Alam, along with senior officials from the consultancy firms. Speaking on the occasion, S M Mahbubul Alam said a good office is not merely about an attractive building; rather, it is about creating an environment where people can work comfortably, express creativity and deliver their best performance. “A modern office must be smart, sustainable and human-centric. Through this agreement, we are not only building offices; we are developing institutions that will represent the future of Bangladesh’s corporate and industrial capability,” he said. He added that the planned office tower would reflect Walton’s long-term vision of innovation, technological advancement and global competitiveness. “This is not only Walton’s dream; it is also part of our broader commitment to showcasing Bangladesh’s industrial strength, design capability and sustainable development mindset to the world,” Mahbubul Alam added. Architect Mustapha Khalid Palash said, “Walton is our national pride. This initiative comes at a time when Walton is expanding its footprint in electronics, electrical appliances, ICT products and other high-tech industrial sectors both local and global stages.” He added that the buildings would incorporate international-standard architecture, smart space planning, advanced engineering solutions, modern digital facilities, environment-friendly materials and energy-efficient systems. According to company officials, the Walton Iconic Tower will be built on a 14.3-bigha plot with a total floor area of approximately 1.8 million square feet. In the first phase, a 13-storey state-of-the-art sustainable green office building with around 900,000 square feet of space will be constructed on 7 bigha of land. The building will also feature three basement levels.</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24o_06-05-26_41.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24o_06-05-26_41.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24o_06-05-26_41.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[বেঙ্গালুরুকে বাদ দিয়ে কোথায় আইপিএলের ফাইনাল? দেখুন নতুন সূচি!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/36856</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/36856</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 06 May 2026 17:05:26 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ক্রিকেট]]></category>
                        <category><![CDATA[IPL final shifted to Ahmedabad, IPL playoff schedule 2025, BCCI announced IPL dates, RCB home ground denied final, Narendra Modi Stadium final, IPL 2025 final venue controversy, defending champions not hosting final, IPL playoff venues Dharamsala Mullanpur, BCCI protocol not followed, IPL 2025 Kolkata final snub, IPL second qualifier date, IPL eliminator date 27 May, IPL final 31 May 2025, Bangalore unable to host final, IPL final shifted third time]]></category>
        
        <description><![CDATA[আইপিএলের চিরচেনা নিয়ম ভাঙল বিসিসিআই। শুনলে অবাক হবেন, ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের ঘরের মাঠে হওয়ার কথা ফাইনাল। কিন্তু গতবার যেমন হয়নি, এবারও হচ্ছে না। গত বছর ট্রফি জিতেছিল বেঙ্গালুরু। কিন্তু এবারের ফাইনাল হবে অহমেদাবাদে। আগের মরসুমে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ছিল কলকাতা। কিন্তু ফাইনাল ইডেন গার্ডেন্সের বদলে হয় অহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে। এবারও একই গল্প। আয়োজনের অক্ষমতার কথা বলে চিন্নাস্বামী স্টেডিয়াম থেকে ফাইনাল তুলে দেওয়া হয়েছে অহমেদাবাদে। এই নিয়ে তৃতীয়বারের মতো আইপিএলের ফাইনাল আয়োজন করতে যাচ্ছে অহমেদাবাদ। আজ বুধবার প্লে-অফের চারটি ম্যাচের সূচি ঘোষণা করে বিসিসিআই। বেঙ্গালুরু কিন্তু কোনো ম্যাচই পায়নি। জানেন কি, সাধারণত ফাইনালের পাশাপাশি একটা ম্যাচ পায় ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। এবার সেই নিয়মও মানা হয়নি। কারণ কী? বিসিসিআই জানিয়েছে, বেঙ্গালুরুতে ফাইনাল আয়োজনের জন্য স্থানীয় ক্রিকেট সংস্থা ও কর্তৃপক্ষ সঠিক সময়ে সব ব্যবস্থা করতে পারেনি। তাই প্লে-অফের ম্যাচ অন্যজায়গায় সরানো হয়েছে। এ ছাড়াও পরিচালনাগত ও যাতায়াতের সমস্যার কারণে মাত্র তিনটি মাঠে রাখা হয়েছে প্লে-অফ। এবার সূচিটা দেখে নিন— প্রথম কোয়ালিফায়ার: ২৬ মে, ধর্মশালা (হিমাচল প্রদেশ) এলিমিনেটর: ২৭ মে, মুল্লানপুর দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার: ২৯ মে, মুল্লানপুর ফাইনাল: ৩১ মে, অহমেদাবাদ দেখা যাক, রীতি ভেঙে যাওয়া এবারের আইপিএলে ফাইনালের আয়োজন কোন দলের ভাগ্যে জোটে আর কে ঘরে তোলে ট্রফি!  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_31.webp" alt="বেঙ্গালুরুকে বাদ দিয়ে কোথায় আইপিএলের ফাইনাল? দেখুন নতুন সূচি!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>বেঙ্গালুরুকে বাদ দিয়ে কোথায় আইপিএলের ফাইনাল? দেখুন নতুন সূচি!</h1>
            <p>আইপিএলের চিরচেনা নিয়ম ভাঙল বিসিসিআই। শুনলে অবাক হবেন, ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের ঘরের মাঠে হওয়ার কথা ফাইনাল। কিন্তু গতবার যেমন হয়নি, এবারও হচ্ছে না। গত বছর ট্রফি জিতেছিল বেঙ্গালুরু। কিন্তু এবারের ফাইনাল হবে অহমেদাবাদে। আগের মরসুমে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ছিল কলকাতা। কিন্তু ফাইনাল ইডেন গার্ডেন্সের বদলে হয় অহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে। এবারও একই গল্প। আয়োজনের অক্ষমতার কথা বলে চিন্নাস্বামী স্টেডিয়াম থেকে ফাইনাল তুলে দেওয়া হয়েছে অহমেদাবাদে। এই নিয়ে তৃতীয়বারের মতো আইপিএলের ফাইনাল আয়োজন করতে যাচ্ছে অহমেদাবাদ। আজ বুধবার প্লে-অফের চারটি ম্যাচের সূচি ঘোষণা করে বিসিসিআই। বেঙ্গালুরু কিন্তু কোনো ম্যাচই পায়নি। জানেন কি, সাধারণত ফাইনালের পাশাপাশি একটা ম্যাচ পায় ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। এবার সেই নিয়মও মানা হয়নি। কারণ কী? বিসিসিআই জানিয়েছে, বেঙ্গালুরুতে ফাইনাল আয়োজনের জন্য স্থানীয় ক্রিকেট সংস্থা ও কর্তৃপক্ষ সঠিক সময়ে সব ব্যবস্থা করতে পারেনি। তাই প্লে-অফের ম্যাচ অন্যজায়গায় সরানো হয়েছে। এ ছাড়াও পরিচালনাগত ও যাতায়াতের সমস্যার কারণে মাত্র তিনটি মাঠে রাখা হয়েছে প্লে-অফ। এবার সূচিটা দেখে নিন— প্রথম কোয়ালিফায়ার: ২৬ মে, ধর্মশালা (হিমাচল প্রদেশ) এলিমিনেটর: ২৭ মে, মুল্লানপুর দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার: ২৯ মে, মুল্লানপুর ফাইনাল: ৩১ মে, অহমেদাবাদ দেখা যাক, রীতি ভেঙে যাওয়া এবারের আইপিএলে ফাইনালের আয়োজন কোন দলের ভাগ্যে জোটে আর কে ঘরে তোলে ট্রফি!  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_31.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_31.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_31.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[দেশের সর্ববৃহৎ আইকনিক কর্পোরেট অফিস নির্মাণ করছে ওয়ালটন]]></title>
        <link>https://nbs24.org/economy/36855</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/economy/36855</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 06 May 2026 17:05:00 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
                <category><![CDATA[করপোরেট খবর]]></category>
                        <category><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news today, latest bangladeshi news, atn bd news, latest news and bulletin, bd news, bd news 26, news update bd, latest news headline and bulletin, bd news live, bd news live tv, bd india relation news, news today bd news today, bd news live today, latestnews, bdnews, bd news live today 2026, security news bd, atn news tv, update news, news update, bd parliament news, government news bd, rater bangladesh news, atn news, bangla news update, atn news today, bangla tv news]]></category>
        
        <description><![CDATA[দেশের সর্ববৃহৎ আইকনিক অফিস ভবন নির্মাণে স্বনামধন্য তিন পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র চুক্তি স্বাক্ষর বিশ্বের অন্যতম সেরা গ্লোবাল ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ডের তালিকায় স্থান করে নেয়ার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক বাজারে এগিয়ে যাচ্ছে টেক জায়ান্ট ওয়ালটন। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য শুধু উৎপাদন সক্ষমতাই নয়; বরং কার্যকর পরিকল্পনা, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং সর্বোচ্চ দক্ষতায় কাজ পরিচালনার জন্য একটি আধুনিক ও সুসংগঠিত কর্মপরিবেশ অপিরহার্য। সেই ধারাবাহিকতায় ভবিষ্যত প্রস্তুতির অংশ হিসেবে রাজধানীতে ১৮ লাখ বর্গফুট আয়তনের দেশের সর্ববৃহৎ অত্যাধুনিক, টেকসই ও গ্রিন আইকনিক অফিস ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে ওয়ালটন। ওয়ালটন আইকনিক টাওয়ার নির্মাণে আর্কিটেকচারাল, কন্সট্রাকশন ও ইঞ্জিনিয়ারিং এ পরামর্শক প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করবে স্বনামধন্য তিনটি প্রতিষ্ঠান- ভিসতারা আর্কিটেক্টস প্রাইভেট লিমিটেড, অ্যাবোড অব কনসালট্যান্টস প্রাইভেট লিমিটেড এবং বিএন ইঞ্জিনিয়ারিং।  রবিবার (৩ মে, ২০২৬) রাজধানীর ওয়ালটন কর্পোরেট অফিসে ওই তিন পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পৃথক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি। অনুষ্ঠানে ওয়ালটন হাই-টেকের চিফ ফিন্যান্সিয়াল অফিসার ও অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. জিয়াউল আলমের সঙ্গে অ্যাবোড অব কনসালট্যান্টসের চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর প্রফেসর ডা. এম শামিম জেড বসুনিয়া, ভিসতারা আর্কিটেক্টস প্রাইভেটের ম্যানেজিং ডিরেক্টর আর্কিটেক্ট মুস্তফা খালিদ পলাশ এবং বিএন ইঞ্জিনিয়ারিং এর চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার আবুল বাশার মোহাম্মদ আব্দুল কবির নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।  অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন হাই-টেকের চেয়ারম্যান এস এম শামছুল আলম, পরিচালক এস এম নূরুল আলম রেজভী ও এস এম রেজাউল আলম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলমসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তাগণ।  ওয়ালটন হাই-টেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম বলেন, একটি ভালো অফিস মানে শুধু নান্দনিকতা নয়, বরং এমন একটি পরিবেশ যেখানে মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ করতে পারে, সৃজনশীলতা প্রকাশ করতে পারে এবং নিজের সর্বোচ্চটা দিতে পারে। একটি উন্নত কর্মপরিবেশই পারে মানুষের সেরা সম্ভাবনাকে উন্মোচন করতে। এরই ধারাবাহিকতায় ওয়ালটনের আইকনিক মেগা অফিস কমপ্লেক্সটি হবে একটি আধুনিক, স্মার্ট ও টেকসই কর্মপরিবেশের প্রতীক। এই প্রকল্পের মাধ্যমে আমরা শুধু একটি অফিস ভবন নির্মাণ করছি না; বরং আমরা তুলে ধরছি বাংলাদেশের শিল্প সক্ষমতা, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যাওয়ার আত্মবিশ্বাস। তিনি আরো বলেন, আমাদের লক্ষ্য- শুধু একটি বড় ভবন নয়; বরং একটি দায়িত্বশীল ও টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে আমরা আজ দেশের তিনটি স্বনামধন্য পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছি। তাদের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা এই প্রকল্পকে একটি বিশ্বমানের স্থাপনায় রূপ দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। আর্কিটেক্ট মুস্তফা খালিদ পলাশ বলেন, ওয়ালটন আমাদের দেশের গর্বের প্রতিষ্ঠান। বিশ্বের বহু দেশে পণ্য রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণের মাধ্যমে ওয়ালটন আন্তর্জাতিক বাজারে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। ওয়ালটনের মেগা আইকনিক অফিস ভবন নির্মাণে যুক্ত হতে পেরে অত্যন্ত আনন্দিত। এই মেগা আইকনিক ভবনের আর্কিটেকচারাল ডিজাইনে আমরা গ্রিন বিল্ডিং কনসেপ্ট, জ্বালানি সাশ্রয়ী প্রযুক্তি এবং নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহারের প্রতি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিবো।  অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ১৪.৩ বিঘা জায়গার ওপর ওয়ালটন আইকনিক টাওয়ারের আয়তন হবে প্রায় ১৮ লাখ বর্গফুট। প্রাথমিক ধাপে ৭ বিঘা জমিতে প্রায় ৯ লাখ বর্গফুটের ১৩ তলা বিশিষ্ট একটি অত্যাধুনিক, টেকসই গ্রিন অফিস ভবন নির্মাণ করা হবে। এই ভবনে আরো ৩টি বেসমেন্ট থাকবে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24o_06-05-26_41.webp" alt="দেশের সর্ববৃহৎ আইকনিক কর্পোরেট অফিস নির্মাণ করছে ওয়ালটন" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>দেশের সর্ববৃহৎ আইকনিক কর্পোরেট অফিস নির্মাণ করছে ওয়ালটন</h1>
            <p>দেশের সর্ববৃহৎ আইকনিক অফিস ভবন নির্মাণে স্বনামধন্য তিন পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র চুক্তি স্বাক্ষর বিশ্বের অন্যতম সেরা গ্লোবাল ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ডের তালিকায় স্থান করে নেয়ার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক বাজারে এগিয়ে যাচ্ছে টেক জায়ান্ট ওয়ালটন। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য শুধু উৎপাদন সক্ষমতাই নয়; বরং কার্যকর পরিকল্পনা, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং সর্বোচ্চ দক্ষতায় কাজ পরিচালনার জন্য একটি আধুনিক ও সুসংগঠিত কর্মপরিবেশ অপিরহার্য। সেই ধারাবাহিকতায় ভবিষ্যত প্রস্তুতির অংশ হিসেবে রাজধানীতে ১৮ লাখ বর্গফুট আয়তনের দেশের সর্ববৃহৎ অত্যাধুনিক, টেকসই ও গ্রিন আইকনিক অফিস ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে ওয়ালটন। ওয়ালটন আইকনিক টাওয়ার নির্মাণে আর্কিটেকচারাল, কন্সট্রাকশন ও ইঞ্জিনিয়ারিং এ পরামর্শক প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করবে স্বনামধন্য তিনটি প্রতিষ্ঠান- ভিসতারা আর্কিটেক্টস প্রাইভেট লিমিটেড, অ্যাবোড অব কনসালট্যান্টস প্রাইভেট লিমিটেড এবং বিএন ইঞ্জিনিয়ারিং।  রবিবার (৩ মে, ২০২৬) রাজধানীর ওয়ালটন কর্পোরেট অফিসে ওই তিন পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পৃথক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি। অনুষ্ঠানে ওয়ালটন হাই-টেকের চিফ ফিন্যান্সিয়াল অফিসার ও অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. জিয়াউল আলমের সঙ্গে অ্যাবোড অব কনসালট্যান্টসের চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর প্রফেসর ডা. এম শামিম জেড বসুনিয়া, ভিসতারা আর্কিটেক্টস প্রাইভেটের ম্যানেজিং ডিরেক্টর আর্কিটেক্ট মুস্তফা খালিদ পলাশ এবং বিএন ইঞ্জিনিয়ারিং এর চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার আবুল বাশার মোহাম্মদ আব্দুল কবির নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।  অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন হাই-টেকের চেয়ারম্যান এস এম শামছুল আলম, পরিচালক এস এম নূরুল আলম রেজভী ও এস এম রেজাউল আলম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলমসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তাগণ।  ওয়ালটন হাই-টেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম বলেন, একটি ভালো অফিস মানে শুধু নান্দনিকতা নয়, বরং এমন একটি পরিবেশ যেখানে মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ করতে পারে, সৃজনশীলতা প্রকাশ করতে পারে এবং নিজের সর্বোচ্চটা দিতে পারে। একটি উন্নত কর্মপরিবেশই পারে মানুষের সেরা সম্ভাবনাকে উন্মোচন করতে। এরই ধারাবাহিকতায় ওয়ালটনের আইকনিক মেগা অফিস কমপ্লেক্সটি হবে একটি আধুনিক, স্মার্ট ও টেকসই কর্মপরিবেশের প্রতীক। এই প্রকল্পের মাধ্যমে আমরা শুধু একটি অফিস ভবন নির্মাণ করছি না; বরং আমরা তুলে ধরছি বাংলাদেশের শিল্প সক্ষমতা, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যাওয়ার আত্মবিশ্বাস। তিনি আরো বলেন, আমাদের লক্ষ্য- শুধু একটি বড় ভবন নয়; বরং একটি দায়িত্বশীল ও টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে আমরা আজ দেশের তিনটি স্বনামধন্য পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছি। তাদের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা এই প্রকল্পকে একটি বিশ্বমানের স্থাপনায় রূপ দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। আর্কিটেক্ট মুস্তফা খালিদ পলাশ বলেন, ওয়ালটন আমাদের দেশের গর্বের প্রতিষ্ঠান। বিশ্বের বহু দেশে পণ্য রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণের মাধ্যমে ওয়ালটন আন্তর্জাতিক বাজারে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। ওয়ালটনের মেগা আইকনিক অফিস ভবন নির্মাণে যুক্ত হতে পেরে অত্যন্ত আনন্দিত। এই মেগা আইকনিক ভবনের আর্কিটেকচারাল ডিজাইনে আমরা গ্রিন বিল্ডিং কনসেপ্ট, জ্বালানি সাশ্রয়ী প্রযুক্তি এবং নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহারের প্রতি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিবো।  অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ১৪.৩ বিঘা জায়গার ওপর ওয়ালটন আইকনিক টাওয়ারের আয়তন হবে প্রায় ১৮ লাখ বর্গফুট। প্রাথমিক ধাপে ৭ বিঘা জমিতে প্রায় ৯ লাখ বর্গফুটের ১৩ তলা বিশিষ্ট একটি অত্যাধুনিক, টেকসই গ্রিন অফিস ভবন নির্মাণ করা হবে। এই ভবনে আরো ৩টি বেসমেন্ট থাকবে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24o_06-05-26_41.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24o_06-05-26_41.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24o_06-05-26_41.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[হ্যাটট্রিক মিশনে নারী ফুটবল দল, বাদ স্বপ্না-মুনকি! থাকছে কারা?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/36854</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/36854</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 06 May 2026 17:05:48 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ফুটবল]]></category>
                        <category><![CDATA[Bangladesh women SAFF hat-trick mission, SAFF Women's Championship 2025 Bangladesh, Swapna Rani Munki Akhter dropped, Sabina Khatun excluded from SAFF, Bangladesh women football team news, SAFF preparation Thailand camp, Bangladesh India Maldives SAFF group, BFF press conference before SAFF, Mahfuza Akter Kiron statement, Bangladesh women football coach Butler, Anika Sweden expat Bangladesh team, SAFF semifinal and final date, Bangladesh SAFF threepeat chance, Nawroon injury SAFF 2025, Bangladesh football team Goa India]]></category>
        
        <description><![CDATA[বাংলাদেশের নারী ফুটবল দল এবার হ্যাটট্রিক শিরোপার লক্ষ্যে মাঠে নামছে। ২৫ মে ভারতের গোয়ায় শুরু হচ্ছে সাফ টুর্নামেন্ট। তার আগে প্রস্তুতি নিতে আগামীকাল ব্যাংককের উদ্দেশে উড়ে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। সেখান থেকে গোয়ায় যাবে দল। আর আজই এই টুর্নামেন্ট উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন করেছে বাফুফে। বাংলাদেশ নারী দল টানা দুইবারের সাফ চ্যাম্পিয়ন। এবার লক্ষ্য তৃতীয়বারের মতো শিরোপা জিতে ফেলা। আর সেই লক্ষ্যে দুই সপ্তাহের ট্রেনিং ক্যাম্প ও থাইল্যান্ডের দুটি ক্লাবের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচ আয়োজন করেছে বাফুফে। তবে দলে বড় পরিবর্তন এসেছে। মিডফিল্ডার স্বপ্না রাণী ও মুনকি আক্তারকে পারফরম্যান্সের অভাবে ছেঁটে ফেলা হয়েছে। ইনজুরির কারণে নেই নবীর্ণাও। আর আগের চ্যাম্পিয়ন দলের বেশ কজন তারকাও এবার নেই। দল থেকে বাইরে রয়েছেন সাবিনা খাতুন, কৃষ্ণা, মাসুরা, সানজিদা ও সুমাইয়া। গত সাফ জয়ের পর থেকেই কোচ বাটলারের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল তাদের। সেই কারণে এবার তারা দলে ডাক পাননি। তবে বাংলাদেশের স্কোয়াডে আছেন বিদেশি মাঠের খেলোয়াড়। অষ্ট্রেলিয়ায় থাকা সুইডেন প্রবাসী আনিকা জায়গা পেয়েছেন দলে। বাকিরা নতুন প্রতিভাদের সুযোগ দিয়ে গড়া হয়েছে দল। বাফুফের নারী উইংয়ের চেয়ারম্যান মাহফুজা আক্তার কিরণ আজ সংবাদ সম্মেলনে জানান, ‘আমাদের লক্ষ্য হ্যাটট্রিক চ্যাম্পিয়ন হওয়া। সেজন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বাফুফের পক্ষ থেকে এই টুর্নামেন্টে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।’ ছয় দলের সাফ টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ ‘বি’ গ্রুপে আছে স্বাগতিক ভারত ও মালদ্বীপের সঙ্গে। বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ ২৮ মে মালদ্বীপের বিপক্ষে। ৩১ মে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হবে ভারতের। প্রতিটি গ্রুপ থেকে শীর্ষ দুটি দল যাবে সেমিফাইনালে। আর ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৬ জুন। দুইবারের চ্যাম্পিয়ন তারকাহীন দলটি কি এবার সাফের শিরোপা ধরে রাখতে পারবে? নাকি নতুন মুখের দল ইতিহাস গড়বে? উত্তর জানা যাবে মাঠের লড়াইয়ে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_30.webp" alt="হ্যাটট্রিক মিশনে নারী ফুটবল দল, বাদ স্বপ্না-মুনকি! থাকছে কারা?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>হ্যাটট্রিক মিশনে নারী ফুটবল দল, বাদ স্বপ্না-মুনকি! থাকছে কারা?</h1>
            <p>বাংলাদেশের নারী ফুটবল দল এবার হ্যাটট্রিক শিরোপার লক্ষ্যে মাঠে নামছে। ২৫ মে ভারতের গোয়ায় শুরু হচ্ছে সাফ টুর্নামেন্ট। তার আগে প্রস্তুতি নিতে আগামীকাল ব্যাংককের উদ্দেশে উড়ে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। সেখান থেকে গোয়ায় যাবে দল। আর আজই এই টুর্নামেন্ট উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন করেছে বাফুফে। বাংলাদেশ নারী দল টানা দুইবারের সাফ চ্যাম্পিয়ন। এবার লক্ষ্য তৃতীয়বারের মতো শিরোপা জিতে ফেলা। আর সেই লক্ষ্যে দুই সপ্তাহের ট্রেনিং ক্যাম্প ও থাইল্যান্ডের দুটি ক্লাবের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচ আয়োজন করেছে বাফুফে। তবে দলে বড় পরিবর্তন এসেছে। মিডফিল্ডার স্বপ্না রাণী ও মুনকি আক্তারকে পারফরম্যান্সের অভাবে ছেঁটে ফেলা হয়েছে। ইনজুরির কারণে নেই নবীর্ণাও। আর আগের চ্যাম্পিয়ন দলের বেশ কজন তারকাও এবার নেই। দল থেকে বাইরে রয়েছেন সাবিনা খাতুন, কৃষ্ণা, মাসুরা, সানজিদা ও সুমাইয়া। গত সাফ জয়ের পর থেকেই কোচ বাটলারের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল তাদের। সেই কারণে এবার তারা দলে ডাক পাননি। তবে বাংলাদেশের স্কোয়াডে আছেন বিদেশি মাঠের খেলোয়াড়। অষ্ট্রেলিয়ায় থাকা সুইডেন প্রবাসী আনিকা জায়গা পেয়েছেন দলে। বাকিরা নতুন প্রতিভাদের সুযোগ দিয়ে গড়া হয়েছে দল। বাফুফের নারী উইংয়ের চেয়ারম্যান মাহফুজা আক্তার কিরণ আজ সংবাদ সম্মেলনে জানান, ‘আমাদের লক্ষ্য হ্যাটট্রিক চ্যাম্পিয়ন হওয়া। সেজন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বাফুফের পক্ষ থেকে এই টুর্নামেন্টে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।’ ছয় দলের সাফ টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ ‘বি’ গ্রুপে আছে স্বাগতিক ভারত ও মালদ্বীপের সঙ্গে। বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ ২৮ মে মালদ্বীপের বিপক্ষে। ৩১ মে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হবে ভারতের। প্রতিটি গ্রুপ থেকে শীর্ষ দুটি দল যাবে সেমিফাইনালে। আর ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৬ জুন। দুইবারের চ্যাম্পিয়ন তারকাহীন দলটি কি এবার সাফের শিরোপা ধরে রাখতে পারবে? নাকি নতুন মুখের দল ইতিহাস গড়বে? উত্তর জানা যাবে মাঠের লড়াইয়ে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_30.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_30.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_30.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[সালাউদ্দিন এইচপিতে যাচ্ছেন, বাংলাদেশের ক্রিকেটের বড় উপকার বললেন সিমন্স!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/36853</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/36853</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 06 May 2026 17:05:30 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ক্রিকেট]]></category>
                        <category><![CDATA[Mohammad Salahuddin HP coach, Phil Simmons on Salahuddin, Bangladesh High Performance cricket, BCB HP unit plan, Salahuddin leaves national team, Bangladesh cricket pipeline, HP coach Salahuddin appointment, Simmons statement Salahuddin, Bangladesh vs Pakistan Test series, two uncapped players Bangladesh, national team to HP transition, Bangladesh cricket grassroots development, Salahuddin coaching style, BCB future plan 2025, Simmons on young cricketers]]></category>
        
        <description><![CDATA[বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এবার হাই-পারফরম্যান্স (এইচপি) বিভাগ নিয়ে বড় পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। সেই পরিকল্পনার মোড়ল হতে যাচ্ছেন মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। যিনি আপাতত জাতীয় দলের কোচিং স্টাফের সদস্য। আগামী মৌসুমে এইচপি দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব দেওয়া হবে তাকেই। জানা গেছে, পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ শেষেই জাতীয় দলের দায়িত্ব ছাড়ছেন সালাউদ্দিন। এবার এই নিয়েই মুখ খুললেন টাইগারদের প্রধান কোচ ফিল সিমন্স। আর যা বললেন, তাতে বুঝা যাচ্ছে, এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন তিনি। সিমন্স বলেন, ‘আমার মনে হয় এটি বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য অনেক বড় উপকার বয়ে আনবে। সালাউদ্দিন জানেন আমরা জাতীয় দলে ঠিক কী করতে চাই। ফলে তিনি যখন এইচপিতে কাজ করবেন, তখন নিচের স্তর থেকে উঠে আসা খেলোয়াড়দের মধ্যে সেই বিষয়গুলো গেঁথে দিতে পারবেন।’ এদিকে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের জন্য দলে ডাক পেয়েছেন দুই নতুন মুখ। তাঁদের অভিষেক হতে পারে কি না, সেই প্রশ্নে সিমন্স বলেন, ‘দলে তরুণ এবং নতুন খেলোয়াড় আসা সবসময়ই ভালো। আগামীকাল আমরা বসব এবং চূড়ান্ত একাদ্ধ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেব। তাই যে কারো অভিষেকের সুযোগ সবসময়ই থাকে। তবে এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত কিছু ঠিক করা হয়নি।’ পরে আরও যোগ করেন এই টাইগার কোচ, ‘র‍্যাঙ্কিংয়ে উপরে উঠতে হলে বিশ্বমানের বোলারদের বিপক্ষেই খেলতে হবে। আমাদের ইউনিট হিসেবে বড় স্কোর করার মানসিকতা নিয়ে মাঠে নামতে হবে, যা দলের জন্য ইতিবাচক। তবে উইকেট ক্রিকেটের জন্য ভালো হবে। আমাদের পরিকল্পনা হলো পাকিস্তানের বিপক্ষে দীর্ঘ সময় ব্যাটিং করা।’ জাতীয় দলের পাইপলাইন মজবুত করতে এইচপি ইউনিটকে আরও শক্তিশালী করতে চায় বিসিবি। সালাউদ্দিনের সেই দায়িত্ব নেওয়ার পেছনে মূল কারণও তাই। আগামী দিনে এর ফলে ঘরোয়া ক্রিকেটের স্তর কতটা বদলায়, সেদিকেই তাকিয়ে থাকবে সবাই।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_29.webp" alt="সালাউদ্দিন এইচপিতে যাচ্ছেন, বাংলাদেশের ক্রিকেটের বড় উপকার বললেন সিমন্স!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>সালাউদ্দিন এইচপিতে যাচ্ছেন, বাংলাদেশের ক্রিকেটের বড় উপকার বললেন সিমন্স!</h1>
            <p>বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এবার হাই-পারফরম্যান্স (এইচপি) বিভাগ নিয়ে বড় পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। সেই পরিকল্পনার মোড়ল হতে যাচ্ছেন মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। যিনি আপাতত জাতীয় দলের কোচিং স্টাফের সদস্য। আগামী মৌসুমে এইচপি দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব দেওয়া হবে তাকেই। জানা গেছে, পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ শেষেই জাতীয় দলের দায়িত্ব ছাড়ছেন সালাউদ্দিন। এবার এই নিয়েই মুখ খুললেন টাইগারদের প্রধান কোচ ফিল সিমন্স। আর যা বললেন, তাতে বুঝা যাচ্ছে, এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন তিনি। সিমন্স বলেন, ‘আমার মনে হয় এটি বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য অনেক বড় উপকার বয়ে আনবে। সালাউদ্দিন জানেন আমরা জাতীয় দলে ঠিক কী করতে চাই। ফলে তিনি যখন এইচপিতে কাজ করবেন, তখন নিচের স্তর থেকে উঠে আসা খেলোয়াড়দের মধ্যে সেই বিষয়গুলো গেঁথে দিতে পারবেন।’ এদিকে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের জন্য দলে ডাক পেয়েছেন দুই নতুন মুখ। তাঁদের অভিষেক হতে পারে কি না, সেই প্রশ্নে সিমন্স বলেন, ‘দলে তরুণ এবং নতুন খেলোয়াড় আসা সবসময়ই ভালো। আগামীকাল আমরা বসব এবং চূড়ান্ত একাদ্ধ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেব। তাই যে কারো অভিষেকের সুযোগ সবসময়ই থাকে। তবে এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত কিছু ঠিক করা হয়নি।’ পরে আরও যোগ করেন এই টাইগার কোচ, ‘র‍্যাঙ্কিংয়ে উপরে উঠতে হলে বিশ্বমানের বোলারদের বিপক্ষেই খেলতে হবে। আমাদের ইউনিট হিসেবে বড় স্কোর করার মানসিকতা নিয়ে মাঠে নামতে হবে, যা দলের জন্য ইতিবাচক। তবে উইকেট ক্রিকেটের জন্য ভালো হবে। আমাদের পরিকল্পনা হলো পাকিস্তানের বিপক্ষে দীর্ঘ সময় ব্যাটিং করা।’ জাতীয় দলের পাইপলাইন মজবুত করতে এইচপি ইউনিটকে আরও শক্তিশালী করতে চায় বিসিবি। সালাউদ্দিনের সেই দায়িত্ব নেওয়ার পেছনে মূল কারণও তাই। আগামী দিনে এর ফলে ঘরোয়া ক্রিকেটের স্তর কতটা বদলায়, সেদিকেই তাকিয়ে থাকবে সবাই।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_29.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_29.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_29.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[বাংলাদেশও ঘরের মাঠে স্পিন উইকেট বানায়’, বললেন শাহিন আফ্রিদি!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/36852</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/36852</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 06 May 2026 17:05:40 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ক্রিকেট]]></category>
                        <category><![CDATA[Shaheen Afridi spin friendly wicket comment, Bangladesh home ground advantage, Pakistan Test series in Bangladesh 2025, Mirpur pitch spin bowling, Bangladesh vs Pakistan first Test, Shaheen Afridi press conference today, Bangladesh spin friendly pitches controversy, Pakistan Test championship goal, Bangladesh tough opponent at home, two match Test series 2025, Pakistan longest Test season, Bangladesh pitch preparation, Shaheen Afridi on Bangladesh spin, Test championship qualification Pakistan, Mirpur Test match preview]]></category>
        
        <description><![CDATA[পাকিস্তান দল এখন ঢাকায়। দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে এসে আজ বুধবার সংবাদ সম্মেলনে শাহিন আফ্রিদি বেশ সরব হয়েছেন। অন্য প্রসঙ্গের পাশাপাশি তিনি মন্তব্য করেন, ঘরের মাঠে উইকেটের সুবিধা নেওয়ার ব্যাপারটা বাংলাদেশও কম করে না। আফ্রিদির ভাষ্যে, ‘আপনি যদি দেখেন, বাংলাদেশও যখন তাদের ঘরের মাঠে খেলে, তখন তারাও স্পিনবান্ধব উইকেট বানায়। যে দলই নিজেদের কন্ডিশনে খেলুক না কেন, তারা সেই কন্ডিশন ব্যবহার করার চেষ্টা করে।’ নিজেদের লক্ষ্যের কথা বলতে গিয়ে শাহিন জানান, ‘আমাদের সামনে বড় লক্ষ্য টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ। কীভাবে ফাইনালে কোয়ালিফাই করা যায় কিংবা ফাইনাল খেলা যায়, সেটাই আমাদের মূল ফোকাস। দল হিসেবে আমরা সবাই বুঝি, টেস্ট ফরম্যাটে আমাদের সেরা ক্রিকেটটা খেলতে হবে।’ যে কারণে এই সময়টাকে খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন আফ্রিদি, ‘এই প্রথমবার আমরা এত লম্বা একটা টেস্ট মৌসুম খেলতে যাচ্ছি। তাই প্রথম টেস্টের জন্য কীভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছি এবং এখানকার কন্ডিশন আমাদের কতটা মানিয়ে নিতে সাহায্য করছে, সেটাই দেখার বিষয়। আমরা আমাদের সেরা ক্রিকেটটাই খেলার চেষ্টা করব।’ বাংলাদেশকে কিন্তু হালকাভাবে নিচ্ছেন না শাহিন। তার মতে, ‘যেকোনো দলই নিজেদের কন্ডিশনে সবসময় কঠিন প্রতিপক্ষ। তবে আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হলো আমরা কীভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছি এবং এই সিরিজটিকে কীভাবে দেখছি। আমরা শুধু এই সিরিজের দিকে তাকাচ্ছি না, আমাদের লক্ষ্য টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ।’ আগামী শুক্রবার মিরপুরে মুখোমুখি হবে দুই দল। তার আগে শাহিন আফ্রিদির এই মন্তব্য ঘরের মাঠে বাংলাদেশের জন্য নতুন করে মাত্রা যোগ করল। দেখা যাক, স্পিন বান্ধব উইকেটেই বা জয় কার দখলে যায়!  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_28.webp" alt="বাংলাদেশও ঘরের মাঠে স্পিন উইকেট বানায়’, বললেন শাহিন আফ্রিদি!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>বাংলাদেশও ঘরের মাঠে স্পিন উইকেট বানায়’, বললেন শাহিন আফ্রিদি!</h1>
            <p>পাকিস্তান দল এখন ঢাকায়। দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে এসে আজ বুধবার সংবাদ সম্মেলনে শাহিন আফ্রিদি বেশ সরব হয়েছেন। অন্য প্রসঙ্গের পাশাপাশি তিনি মন্তব্য করেন, ঘরের মাঠে উইকেটের সুবিধা নেওয়ার ব্যাপারটা বাংলাদেশও কম করে না। আফ্রিদির ভাষ্যে, ‘আপনি যদি দেখেন, বাংলাদেশও যখন তাদের ঘরের মাঠে খেলে, তখন তারাও স্পিনবান্ধব উইকেট বানায়। যে দলই নিজেদের কন্ডিশনে খেলুক না কেন, তারা সেই কন্ডিশন ব্যবহার করার চেষ্টা করে।’ নিজেদের লক্ষ্যের কথা বলতে গিয়ে শাহিন জানান, ‘আমাদের সামনে বড় লক্ষ্য টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ। কীভাবে ফাইনালে কোয়ালিফাই করা যায় কিংবা ফাইনাল খেলা যায়, সেটাই আমাদের মূল ফোকাস। দল হিসেবে আমরা সবাই বুঝি, টেস্ট ফরম্যাটে আমাদের সেরা ক্রিকেটটা খেলতে হবে।’ যে কারণে এই সময়টাকে খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন আফ্রিদি, ‘এই প্রথমবার আমরা এত লম্বা একটা টেস্ট মৌসুম খেলতে যাচ্ছি। তাই প্রথম টেস্টের জন্য কীভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছি এবং এখানকার কন্ডিশন আমাদের কতটা মানিয়ে নিতে সাহায্য করছে, সেটাই দেখার বিষয়। আমরা আমাদের সেরা ক্রিকেটটাই খেলার চেষ্টা করব।’ বাংলাদেশকে কিন্তু হালকাভাবে নিচ্ছেন না শাহিন। তার মতে, ‘যেকোনো দলই নিজেদের কন্ডিশনে সবসময় কঠিন প্রতিপক্ষ। তবে আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হলো আমরা কীভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছি এবং এই সিরিজটিকে কীভাবে দেখছি। আমরা শুধু এই সিরিজের দিকে তাকাচ্ছি না, আমাদের লক্ষ্য টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ।’ আগামী শুক্রবার মিরপুরে মুখোমুখি হবে দুই দল। তার আগে শাহিন আফ্রিদির এই মন্তব্য ঘরের মাঠে বাংলাদেশের জন্য নতুন করে মাত্রা যোগ করল। দেখা যাক, স্পিন বান্ধব উইকেটেই বা জয় কার দখলে যায়!  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_28.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_28.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_28.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[পাকিস্তানকে হারিয়ে ‘নতুন ইতিহাস’ গড়তে চান বাংলাদেশ কোচ সিমন্স!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/36851</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/36851</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 06 May 2026 16:05:58 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ক্রিকেট]]></category>
                        <category><![CDATA[Phil Simmons new history statement, Bangladesh vs Pakistan Test series 2025, Nahid Rana bowling skill, Mushfiqur Rahim 100th Test, Bangladesh head coach press conference Mirpur, red ball cricket return Bangladesh, Pakistan whitewash 2024 memory, Test cricket mental adjustment, Bangladesh team preparation, Tamim Iqbal Test comeback, Bangladesh pace attack Nahid Rana, Phil Simmons on Mushfiqur, Bangladesh Test squad 2025, Pakistan tour of Bangladesh 2025, Bangladesh want to create history]]></category>
        
        <description><![CDATA[বাংলাদেশ ক্রিকেট দল দীর্ঘ বিরতি শেষে আবার লাল বলের ক্রিকেটে ফিরছে। চলতি বছরের প্রথম টেস্ট সিরিজেই প্রতিপক্ষ পাকিস্তান। আর মাঠে নামার আগেই বড় ঘোষণা দিয়ে বসলেন টাইগারদের প্রধান কোচ ফিল সিমন্স। তিনি বলছেন, ‘নতুন ইতিহাস গড়তে চাই’। আজ বুধবার মিরপুরে সংবাদ সম্মেলনে আসেন সিমন্স। ২০২৪ সালে পাকিস্তানের মাটিতে টেস্ট সিরিজ জয়ের স্মৃতি থাকলেও সেটাতে আটকে থাকতে নারাজ তিনি। সিমন্স বলেন, ‘পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করাটা অতীত। সেটা গত হয়ে গেছে। আমরা এই সিরিজে নতুন ইতিহাস গড়তে চাই।’ তরুণ পেসার নাহিদ রানা প্রসঙ্গে সিমন্সের মুখে বড় প্রশংসা। তার ভাষায়, ‘নাহিদ রানার সবচেয়ে ভালো ব্যাপার হলো তার বোঝার সক্ষমতা। সে জানে সে কোথায় আছে এবং তার কী কাজ।’ আগামী টেস্টটি হবে দেশের হয়ে মুশফিকুর রহিমের শততম ম্যাচ। এই প্রসঙ্গে সিমন্স বলেন, ‘মুশফিককে আমি অল্প সময় ধরে চিনি, তবে এই সময়েই বুঝেছি তার জন্য এটি ১ নম্বর টেস্ট হোক, ৫০তম হোক বা ১০০তম—সবই সমান। সে যেভাবে টেস্ট ম্যাচের আগে প্রস্তুতি নেয়, সেভাবেই চালিয়ে যাবে। তার ১০১তম ম্যাচটিকেও আগের সব ম্যাচের মতো গুরুত্ব দিয়ে দেখবে।’ সাদা বল থেকে লাল বলে স্যুইচ করা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে সিমন্স জানান, ‘টেস্ট ক্রিকেট মূলত একটা মানসিক পরিবর্তন। তবে একই সঙ্গে দলে এমন অনেক খেলোয়াড় আছে যারা সাদা বলের ক্রিকেটে ছিল না এবং গত কয়েক মাস ধরে লাল বল নিয়েই কাজ করছে। তাই আমি মনে করি ফরম্যাট পরিবর্তনের এই প্রক্রিয়াটি আপনার ধারণার চেয়েও সহজ হবে।’ ২০১২ সালের পর বাংলাদেশ আর পাকিস্তানের মাটিতে টেস্ট সিরিজ জেতেনি। সেবার ইতিহাস গড়েছিল মুশফিক বাহিনী। এবার সেই অধ্যায় পেছনে ফেলে নতুন কিছু করতে চান সিমন্স। কাজেই ক্রিকেটপ্রেমীদের অপেক্ষা এখন শুধু মাঠের লড়াইয়ের।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_27.webp" alt="পাকিস্তানকে হারিয়ে ‘নতুন ইতিহাস’ গড়তে চান বাংলাদেশ কোচ সিমন্স!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>পাকিস্তানকে হারিয়ে ‘নতুন ইতিহাস’ গড়তে চান বাংলাদেশ কোচ সিমন্স!</h1>
            <p>বাংলাদেশ ক্রিকেট দল দীর্ঘ বিরতি শেষে আবার লাল বলের ক্রিকেটে ফিরছে। চলতি বছরের প্রথম টেস্ট সিরিজেই প্রতিপক্ষ পাকিস্তান। আর মাঠে নামার আগেই বড় ঘোষণা দিয়ে বসলেন টাইগারদের প্রধান কোচ ফিল সিমন্স। তিনি বলছেন, ‘নতুন ইতিহাস গড়তে চাই’। আজ বুধবার মিরপুরে সংবাদ সম্মেলনে আসেন সিমন্স। ২০২৪ সালে পাকিস্তানের মাটিতে টেস্ট সিরিজ জয়ের স্মৃতি থাকলেও সেটাতে আটকে থাকতে নারাজ তিনি। সিমন্স বলেন, ‘পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করাটা অতীত। সেটা গত হয়ে গেছে। আমরা এই সিরিজে নতুন ইতিহাস গড়তে চাই।’ তরুণ পেসার নাহিদ রানা প্রসঙ্গে সিমন্সের মুখে বড় প্রশংসা। তার ভাষায়, ‘নাহিদ রানার সবচেয়ে ভালো ব্যাপার হলো তার বোঝার সক্ষমতা। সে জানে সে কোথায় আছে এবং তার কী কাজ।’ আগামী টেস্টটি হবে দেশের হয়ে মুশফিকুর রহিমের শততম ম্যাচ। এই প্রসঙ্গে সিমন্স বলেন, ‘মুশফিককে আমি অল্প সময় ধরে চিনি, তবে এই সময়েই বুঝেছি তার জন্য এটি ১ নম্বর টেস্ট হোক, ৫০তম হোক বা ১০০তম—সবই সমান। সে যেভাবে টেস্ট ম্যাচের আগে প্রস্তুতি নেয়, সেভাবেই চালিয়ে যাবে। তার ১০১তম ম্যাচটিকেও আগের সব ম্যাচের মতো গুরুত্ব দিয়ে দেখবে।’ সাদা বল থেকে লাল বলে স্যুইচ করা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে সিমন্স জানান, ‘টেস্ট ক্রিকেট মূলত একটা মানসিক পরিবর্তন। তবে একই সঙ্গে দলে এমন অনেক খেলোয়াড় আছে যারা সাদা বলের ক্রিকেটে ছিল না এবং গত কয়েক মাস ধরে লাল বল নিয়েই কাজ করছে। তাই আমি মনে করি ফরম্যাট পরিবর্তনের এই প্রক্রিয়াটি আপনার ধারণার চেয়েও সহজ হবে।’ ২০১২ সালের পর বাংলাদেশ আর পাকিস্তানের মাটিতে টেস্ট সিরিজ জেতেনি। সেবার ইতিহাস গড়েছিল মুশফিক বাহিনী। এবার সেই অধ্যায় পেছনে ফেলে নতুন কিছু করতে চান সিমন্স। কাজেই ক্রিকেটপ্রেমীদের অপেক্ষা এখন শুধু মাঠের লড়াইয়ের।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_27.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_27.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_27.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[কোচ হিসেবে ‘সেরা পছন্দ’ সরফরাজ, দারুণ মন্তব্য শাহিন আফ্রিদির!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/36850</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/36850</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 06 May 2026 16:05:18 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ক্রিকেট]]></category>
                        <category><![CDATA[Sarfaraz Ahmed best coach choice, Shaheen Afridi on Sarfaraz, Pakistan head coach Sarfaraz Ahmed, Pakistan Bangladesh Test series 2025, Sarfaraz Ahmed coaching style, domestic coaches Pakistan team, Umar Gul Pakistan bowling coach, Mirpur press conference Shaheen Afridi, Jason Gillespie vs Sarfaraz Ahmed, Pakistan cricket communication improvement, Sarfaraz Ahmed selection committee, Pakistan Test squad Bangladesh tour, former Pakistan captain turned coach, Sarfaraz Ahmed player relationship, Pakistan dressing room planning]]></category>
        
        <description><![CDATA[পাকিস্তান দলের হেড কোচ হিসেবে সরফরাজ আহমেদের নাম জানান দিয়েই আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছিল। এবার সেই সরফরাজের প্রশংসায় পঞ্চমুখ পাক তারকা শাহিন আফ্রিদি। বললেন, এই মুহূর্তে পাকিস্তান ক্রিকেটের জন্য কোচ হিসেবে সরফরাজই সেরা পছন্দ। জানা যায়, খেলোয়াড়ি জীবন থেকে অবসর নেওয়ার পর কোচিংয়ে নাম লেখান সরফরাজ। তার আগে তিনি ছিলেন নির্বাচক। আর এখন পাকিস্তানের প্রধান কোচ হিসেবে বাংলাদেশ সফরে এসেছেন। আর তার শিষ্যরা নামতে প্রস্তুত টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচে। আজ বুধবার মিরপুরে সংবাদ সম্মেলনে এসে শাহিন আফ্রিদি বলেন, ‘এই মুহূর্তে পাকিস্তান ক্রিকেটের জন্য কোচ হিসেবে তিনিই (সরফরাজ আহমেদ) সেরা পছন্দ। সরফরাজ ভাই এখন আমাদের হেড কোচ। তিনি আমাদের সঙ্গে খেলেছেন, এমনকি আমাদের অনেকের অভিষেক ম্যাচেও তিনি অধিনায়ক ছিলেন। সেই স্মৃতিগুলো এখনও মনে আছে। তিনি খুব ভালো করেই জানেন কোন খেলোয়াড়কে কোন কন্ডিশনে কীভাবে ব্যবহার করতে হবে।’ শুধু সরফরাজ নয়, দেশি কোচ হিসেবে দলে রয়েছেন উমর গুলও। এ কারণে দলের পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলাটা অনেক সহজ হয়েছে বলেও জানান আফ্রিদি। তাঁর ভাষ্য, ‘আমার মনে হয় এতে (দেশীয় কোচ থাকায়) কথা বলা অনেক সহজ হয়েছে। আপনি খুব সহজেই বুঝতে পারছেন দলের পরিকল্পনা কী। এটি যোগাযোগ অনেক সহজ করে দিয়েছে।’ অতীতের কোচদের প্রসঙ্গে আফ্রিদি জানান, ‘তারা (জেসন গিলেস্পি ও মাইক হেসন) সবাই নিজ নিজ দেশের হয়ে বড় মাপের আন্তর্জাতিক খেলোয়াড় ছিলেন। তারা পাকিস্তান দলকে কোচিং করিয়েছেন, আমরা তাদের সম্মান করি। তবে কিছু সিদ্ধান্ত আমাদের হাতে থাকে না।’ বাংলাদেশ সিরিজ দিয়ে কোচ হিসেবে সরফরাজের যাত্রা শুরু। আর তারই প্রশংসায় শাহিন আফ্রিদির এমন মন্তব্য চা-স্টল থেকে শুরু করে ক্রিকেটপাড়ায় দারুণ আলোচনা ফেলেছে। এখন দেখার বিষয়, কন্ডিশনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে সরফরাজের পরিকল্পনা কতটা কাজ দেয় মাঠে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_26.webp" alt="কোচ হিসেবে ‘সেরা পছন্দ’ সরফরাজ, দারুণ মন্তব্য শাহিন আফ্রিদির!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>কোচ হিসেবে ‘সেরা পছন্দ’ সরফরাজ, দারুণ মন্তব্য শাহিন আফ্রিদির!</h1>
            <p>পাকিস্তান দলের হেড কোচ হিসেবে সরফরাজ আহমেদের নাম জানান দিয়েই আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছিল। এবার সেই সরফরাজের প্রশংসায় পঞ্চমুখ পাক তারকা শাহিন আফ্রিদি। বললেন, এই মুহূর্তে পাকিস্তান ক্রিকেটের জন্য কোচ হিসেবে সরফরাজই সেরা পছন্দ। জানা যায়, খেলোয়াড়ি জীবন থেকে অবসর নেওয়ার পর কোচিংয়ে নাম লেখান সরফরাজ। তার আগে তিনি ছিলেন নির্বাচক। আর এখন পাকিস্তানের প্রধান কোচ হিসেবে বাংলাদেশ সফরে এসেছেন। আর তার শিষ্যরা নামতে প্রস্তুত টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচে। আজ বুধবার মিরপুরে সংবাদ সম্মেলনে এসে শাহিন আফ্রিদি বলেন, ‘এই মুহূর্তে পাকিস্তান ক্রিকেটের জন্য কোচ হিসেবে তিনিই (সরফরাজ আহমেদ) সেরা পছন্দ। সরফরাজ ভাই এখন আমাদের হেড কোচ। তিনি আমাদের সঙ্গে খেলেছেন, এমনকি আমাদের অনেকের অভিষেক ম্যাচেও তিনি অধিনায়ক ছিলেন। সেই স্মৃতিগুলো এখনও মনে আছে। তিনি খুব ভালো করেই জানেন কোন খেলোয়াড়কে কোন কন্ডিশনে কীভাবে ব্যবহার করতে হবে।’ শুধু সরফরাজ নয়, দেশি কোচ হিসেবে দলে রয়েছেন উমর গুলও। এ কারণে দলের পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলাটা অনেক সহজ হয়েছে বলেও জানান আফ্রিদি। তাঁর ভাষ্য, ‘আমার মনে হয় এতে (দেশীয় কোচ থাকায়) কথা বলা অনেক সহজ হয়েছে। আপনি খুব সহজেই বুঝতে পারছেন দলের পরিকল্পনা কী। এটি যোগাযোগ অনেক সহজ করে দিয়েছে।’ অতীতের কোচদের প্রসঙ্গে আফ্রিদি জানান, ‘তারা (জেসন গিলেস্পি ও মাইক হেসন) সবাই নিজ নিজ দেশের হয়ে বড় মাপের আন্তর্জাতিক খেলোয়াড় ছিলেন। তারা পাকিস্তান দলকে কোচিং করিয়েছেন, আমরা তাদের সম্মান করি। তবে কিছু সিদ্ধান্ত আমাদের হাতে থাকে না।’ বাংলাদেশ সিরিজ দিয়ে কোচ হিসেবে সরফরাজের যাত্রা শুরু। আর তারই প্রশংসায় শাহিন আফ্রিদির এমন মন্তব্য চা-স্টল থেকে শুরু করে ক্রিকেটপাড়ায় দারুণ আলোচনা ফেলেছে। এখন দেখার বিষয়, কন্ডিশনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে সরফরাজের পরিকল্পনা কতটা কাজ দেয় মাঠে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_26.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_26.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_26.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[পাকিস্তানের শাহিন আফ্রিদি বললেন, নাহিদ রানা বাংলাদেশের ‘বড় সম্পদ’!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/36849</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/36849</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 06 May 2026 16:05:41 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ক্রিকেট]]></category>
                        <category><![CDATA[Nahid Rana Bangladesh asset, Shaheen Afridi statement on Nahid Rana, Bangladesh vs Pakistan Test series, Nahid Rana pace bowler, Shaheen Afridi press conference Mirpur, Shan Tait conversation Nahid Rana, Bangladesh cricket rising star, World Test Championship goal Pakistan, Nahid Rana ODI performance, Pakistan tour of Bangladesh 2025, Nahid Rana red ball cricket, Shaheen Afridi funny reply, Bangladesh fast bowling future, Nahid Rana New Zealand series, Pakistan bowling attack WTC]]></category>
        
        <description><![CDATA[পাকিস্তানের বিপক্ষে লাল বলের ক্রিকেটে নামার আগেই বড় মন্তব্য করে ফেললেন পাক তারকা শাহিন আফ্রিদি। তিনি বলছেন বাংলাদেশের তরুণ পেসার নাহিদ রানার কথা। আর যা বললেন, তাতে দেশের ক্রিকেটভক্তদের গর্ব তো হবেই, সঙ্গে খানিক হাসিও পাবেন। জাতীয় দলের হয়ে নিয়মিত খেলা দুই বছর পেরিয়েছে নাহিদ রানার। সাদা বলের ক্রিকেটে এতটা ধারাবাহিক না হলেও লাল বলের ফরম্যাটে ঝড় তুলেছেন এই গতি তারকা। সম্প্রতি পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডেতেও দুর্দান্ত করেছেন। এবার পাকিস্তানের বিপক্ষেই টেস্ট সিরিজে দেখা যাবে তাকে। আজ মিরপুরে সংবাদ সম্মেলনে এসে শাহিন আফ্রিদি জানান, এর আগে শন টেইটের সঙ্গেও নাহিদ প্রসঙ্গে কথা হয়েছে। শাহিন বলেন, ‘আমি ওয়ানডে সিরিজ শুরুর আগে শন টেইটের সঙ্গে কথা বলেছিলাম। আমার মনে হয়, নাহিদ রানা বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য অনেক বড় সম্পদ হতে পারে। আশা করি, বাংলাদেশ তাকে ভালোভাবে ব্যবহার করবে।’ তবে হাস্যরস করতেও ভুললেন না পাক পেসার। তিনি বলেন, ‘নাহিদ রানা খুব ভালো ফর্মে আছে, তবে আশা করি সে আমাদের বিপক্ষে খুব বেশি সুবিধা করতে পারবে না (হাসি)।’ অতীতে টেস্ট সিরিজ হারের প্রসঙ্গে আফ্রিদি একেবারেই অতীতে গিয়ে আটকে থাকতে নারাজ। তার ভাষ্য, ‘অতীত তো অতীতই। আমি ব্যক্তিগতভাবে অতীত মনে রাখতে চাই না। আমাদের লক্ষ্য বর্তমান আর ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে নিজেদের তৈরি করা।’ পরে স্পষ্ট করে বলেন, ‘আমাদের আসল লক্ষ্য হলো চ্যাম্পিয়নশিপ জেতা, মানে ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ। শুধু একটা সিরিজ জিতলেই হবে না। দল হিসেবে আমাদের লক্ষ্য অনেক বড় এবং আমরা সেটার জন্যই তৈরি হচ্ছি।’ তবে বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা এখন তাকিয়ে নাহিদ রানার দিকেই। শাহিন আফ্রিদির মতো বিশ্বসেরা পেসার যখন বলছে ‘বাংলাদেশের সম্পদ’, তখন গর্ব তো হবেই। এবার দেখার, মাঠের লড়াইয়ে সেই সম্পদের মূল্য কতটা বুঝিয়ে দেন নাহিদ!  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_25.webp" alt="পাকিস্তানের শাহিন আফ্রিদি বললেন, নাহিদ রানা বাংলাদেশের ‘বড় সম্পদ’!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>পাকিস্তানের শাহিন আফ্রিদি বললেন, নাহিদ রানা বাংলাদেশের ‘বড় সম্পদ’!</h1>
            <p>পাকিস্তানের বিপক্ষে লাল বলের ক্রিকেটে নামার আগেই বড় মন্তব্য করে ফেললেন পাক তারকা শাহিন আফ্রিদি। তিনি বলছেন বাংলাদেশের তরুণ পেসার নাহিদ রানার কথা। আর যা বললেন, তাতে দেশের ক্রিকেটভক্তদের গর্ব তো হবেই, সঙ্গে খানিক হাসিও পাবেন। জাতীয় দলের হয়ে নিয়মিত খেলা দুই বছর পেরিয়েছে নাহিদ রানার। সাদা বলের ক্রিকেটে এতটা ধারাবাহিক না হলেও লাল বলের ফরম্যাটে ঝড় তুলেছেন এই গতি তারকা। সম্প্রতি পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডেতেও দুর্দান্ত করেছেন। এবার পাকিস্তানের বিপক্ষেই টেস্ট সিরিজে দেখা যাবে তাকে। আজ মিরপুরে সংবাদ সম্মেলনে এসে শাহিন আফ্রিদি জানান, এর আগে শন টেইটের সঙ্গেও নাহিদ প্রসঙ্গে কথা হয়েছে। শাহিন বলেন, ‘আমি ওয়ানডে সিরিজ শুরুর আগে শন টেইটের সঙ্গে কথা বলেছিলাম। আমার মনে হয়, নাহিদ রানা বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য অনেক বড় সম্পদ হতে পারে। আশা করি, বাংলাদেশ তাকে ভালোভাবে ব্যবহার করবে।’ তবে হাস্যরস করতেও ভুললেন না পাক পেসার। তিনি বলেন, ‘নাহিদ রানা খুব ভালো ফর্মে আছে, তবে আশা করি সে আমাদের বিপক্ষে খুব বেশি সুবিধা করতে পারবে না (হাসি)।’ অতীতে টেস্ট সিরিজ হারের প্রসঙ্গে আফ্রিদি একেবারেই অতীতে গিয়ে আটকে থাকতে নারাজ। তার ভাষ্য, ‘অতীত তো অতীতই। আমি ব্যক্তিগতভাবে অতীত মনে রাখতে চাই না। আমাদের লক্ষ্য বর্তমান আর ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে নিজেদের তৈরি করা।’ পরে স্পষ্ট করে বলেন, ‘আমাদের আসল লক্ষ্য হলো চ্যাম্পিয়নশিপ জেতা, মানে ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ। শুধু একটা সিরিজ জিতলেই হবে না। দল হিসেবে আমাদের লক্ষ্য অনেক বড় এবং আমরা সেটার জন্যই তৈরি হচ্ছি।’ তবে বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা এখন তাকিয়ে নাহিদ রানার দিকেই। শাহিন আফ্রিদির মতো বিশ্বসেরা পেসার যখন বলছে ‘বাংলাদেশের সম্পদ’, তখন গর্ব তো হবেই। এবার দেখার, মাঠের লড়াইয়ে সেই সম্পদের মূল্য কতটা বুঝিয়ে দেন নাহিদ!  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_25.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_25.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_25.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[আইপিএল প্লে-অফে কোন ৪ দল? কে আছে এগিয়ে, কার সামনে কোন সমীকরণ?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/36848</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/36848</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 06 May 2026 16:05:03 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ক্রিকেট]]></category>
                        <category><![CDATA[IPL playoff race 2025, Punjab Kings playoff chances, Sunrisers Hyderabad qualification scenario, Rajasthan Royals points table, RCB playoff equation, Gujarat Titans must-win matches, Chennai Super Kings playoff hopes, Delhi Capitals qualification path, Kolkata Knight Riders survival, Mumbai Indians slim chances, Lucknow Super Giants eliminated, IPL 48 matches update, IPL points table analysis, IPL playoff qualifying teams, IPL final four prediction]]></category>
        
        <description><![CDATA[ক্রিকেটপ্রেমীরা এখন তাকিয়ে আইপিএলের প্লে-অফের দিকে। চলতি মরসুমে ইতিমধ্যেই পড়েছে ৪৮টি ম্যাচ। চার দল বাদে প্রতিটি দলই ১০টি করে ম্যাচ খেলে ফেলেছে। এখন পুরোদমে জমে উঠেছে প্লে-অফের লড়াই। পয়েন্ট টেবিলে চোখ রাখলেই বোঝা যাচ্ছে, অন্তত তিন দল প্রায় উঠেই গেছে। আরেক দলের জায়গাও প্রায় নিশ্চিত। মানে খুব বড় অঘটন না ঘটলে প্লে-অফের চার দল নিয়ে আর কিছুটা হলেও ধারণা পাওয়া যাচ্ছে। চলুন, এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, কোন দল কতটা এগিয়ে আর কার কী লাগছে। শীর্ষে পাঞ্জাব কিংস ৯ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে সবার ওপরে পাঞ্জাব। আরেকটা ম্যাচ জিতলেই প্রায় প্লে-অফ নিশ্চিত। আর দুটো জিতলে তাহলে তো কোনো প্রশ্নই থাকল না। বাকি আছে হায়দরাবাদ, দিল্লি, মুম্বাই, বেঙ্গালুরু আর লখনৌয়ের বিরুদ্ধে লড়াই। হায়দরাবাদ ও রাজস্থানও কাঁটায় কাঁটায় দুটো দলেরই ১০ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট। একটা করে ম্যাচ জিতলেই প্লে-অফ প্রায় নিশ্চিত হয়ে যাবে। হায়দরাবাদ খেলবে পাঞ্জাব, গুজরাট, চেন্নাই ও বেঙ্গালুরুর সঙ্গে। আর রাজস্থানের বাকি ম্যাচ গুজরাট, দিল্লি, লখনৌ ও মুম্বাইয়ের বিপক্ষে। বেঙ্গালুরুও দারুণ ফর্মে পয়েন্ট তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে বেঙ্গালুরু। ওরাও ৯ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে আছে। রান রেট এত ভালো যে লখনৌ, মুম্বাই, কলকাতা, পাঞ্জাব আর হায়দরাবাদের মধ্যে যেকোনো এক বা দুটো ম্যাচ জিতলেই প্লে-অফ নিশ্চিত। এই চার দল এখন সবার চেয়ে এগিয়ে। কিন্তু শেষ সময়ে হিসেব গুলিয়ে দিতে পারে আরও তিন দল। গুজরাট, চেন্নাই ও দিল্লি – মরতে না বাঁচতে দৌড়ে টিকে থাকতে গুজরাট, চেন্নাই আর দিল্লিকে কম করে দুটো ম্যাচ জিততেই হবে। গুজরাটের সামনে চ্যালেঞ্জ—রাজস্থান ও হায়দরাবাদের মতো শক্ত দল। তবে কলকাতা আর চেন্নাইয়ের বিপক্ষে লড়াই তুলনামূলক সহজ। কলকাতার আশা মরীচিকা? ৯ ম্যাচে ৭ পয়েন্ট নিয়ে কলকাতা পুরোপুরি লড়াই ছাড়েনি, কিন্তু সুযোগ খুবই কম। প্লে-অফে উঠতে গেলে ন্যূনতম ১৪ পয়েন্ট চাই, ভালো হয় ১৬ পেলে। এক্ষেত্রে বাকি সব ম্যাচ জিততে হবে আজিঙ্কা রাহানের দলকে। তাদের কাছে এখন প্রতিটি ম্যাচই মরণবাঁচন। মুম্বাইয়ের ক্ষীণ আশা ৪টি ম্যাচের সব ক’টিতে জিতলে মুম্বাই পৌঁছতে পারে ১৪ পয়েন্টে। তবে সেখানেও অন্য দলের ফলাফলের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে। কারণ চতুর্থ স্থানের দলগুলোর পয়েন্ট এখন ১২। তাই মুম্বাইয়ের পথ সহজ নয়। লখনৌ তো ছিটকেই গেল ৯ ম্যাচে মাত্র ৪ পয়েন্ট নিয়ে লখনৌ। কোনো আশা আর অবশিষ্ট নেই। তারা প্লে-অফের দৌড় থেকে আগেই ছিটকে গেছে। এবার দেখার, এই সমীকরণের মধ্যে দিয়ে শেষ পর্যন্ত কোন চার দল পায় প্লে-অফের টিকিট। একদিন বাদেই শুরু হবে আরও জমাট লড়াই।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_24.webp" alt="আইপিএল প্লে-অফে কোন ৪ দল? কে আছে এগিয়ে, কার সামনে কোন সমীকরণ?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>আইপিএল প্লে-অফে কোন ৪ দল? কে আছে এগিয়ে, কার সামনে কোন সমীকরণ?</h1>
            <p>ক্রিকেটপ্রেমীরা এখন তাকিয়ে আইপিএলের প্লে-অফের দিকে। চলতি মরসুমে ইতিমধ্যেই পড়েছে ৪৮টি ম্যাচ। চার দল বাদে প্রতিটি দলই ১০টি করে ম্যাচ খেলে ফেলেছে। এখন পুরোদমে জমে উঠেছে প্লে-অফের লড়াই। পয়েন্ট টেবিলে চোখ রাখলেই বোঝা যাচ্ছে, অন্তত তিন দল প্রায় উঠেই গেছে। আরেক দলের জায়গাও প্রায় নিশ্চিত। মানে খুব বড় অঘটন না ঘটলে প্লে-অফের চার দল নিয়ে আর কিছুটা হলেও ধারণা পাওয়া যাচ্ছে। চলুন, এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, কোন দল কতটা এগিয়ে আর কার কী লাগছে। শীর্ষে পাঞ্জাব কিংস ৯ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে সবার ওপরে পাঞ্জাব। আরেকটা ম্যাচ জিতলেই প্রায় প্লে-অফ নিশ্চিত। আর দুটো জিতলে তাহলে তো কোনো প্রশ্নই থাকল না। বাকি আছে হায়দরাবাদ, দিল্লি, মুম্বাই, বেঙ্গালুরু আর লখনৌয়ের বিরুদ্ধে লড়াই। হায়দরাবাদ ও রাজস্থানও কাঁটায় কাঁটায় দুটো দলেরই ১০ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট। একটা করে ম্যাচ জিতলেই প্লে-অফ প্রায় নিশ্চিত হয়ে যাবে। হায়দরাবাদ খেলবে পাঞ্জাব, গুজরাট, চেন্নাই ও বেঙ্গালুরুর সঙ্গে। আর রাজস্থানের বাকি ম্যাচ গুজরাট, দিল্লি, লখনৌ ও মুম্বাইয়ের বিপক্ষে। বেঙ্গালুরুও দারুণ ফর্মে পয়েন্ট তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে বেঙ্গালুরু। ওরাও ৯ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে আছে। রান রেট এত ভালো যে লখনৌ, মুম্বাই, কলকাতা, পাঞ্জাব আর হায়দরাবাদের মধ্যে যেকোনো এক বা দুটো ম্যাচ জিতলেই প্লে-অফ নিশ্চিত। এই চার দল এখন সবার চেয়ে এগিয়ে। কিন্তু শেষ সময়ে হিসেব গুলিয়ে দিতে পারে আরও তিন দল। গুজরাট, চেন্নাই ও দিল্লি – মরতে না বাঁচতে দৌড়ে টিকে থাকতে গুজরাট, চেন্নাই আর দিল্লিকে কম করে দুটো ম্যাচ জিততেই হবে। গুজরাটের সামনে চ্যালেঞ্জ—রাজস্থান ও হায়দরাবাদের মতো শক্ত দল। তবে কলকাতা আর চেন্নাইয়ের বিপক্ষে লড়াই তুলনামূলক সহজ। কলকাতার আশা মরীচিকা? ৯ ম্যাচে ৭ পয়েন্ট নিয়ে কলকাতা পুরোপুরি লড়াই ছাড়েনি, কিন্তু সুযোগ খুবই কম। প্লে-অফে উঠতে গেলে ন্যূনতম ১৪ পয়েন্ট চাই, ভালো হয় ১৬ পেলে। এক্ষেত্রে বাকি সব ম্যাচ জিততে হবে আজিঙ্কা রাহানের দলকে। তাদের কাছে এখন প্রতিটি ম্যাচই মরণবাঁচন। মুম্বাইয়ের ক্ষীণ আশা ৪টি ম্যাচের সব ক’টিতে জিতলে মুম্বাই পৌঁছতে পারে ১৪ পয়েন্টে। তবে সেখানেও অন্য দলের ফলাফলের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে। কারণ চতুর্থ স্থানের দলগুলোর পয়েন্ট এখন ১২। তাই মুম্বাইয়ের পথ সহজ নয়। লখনৌ তো ছিটকেই গেল ৯ ম্যাচে মাত্র ৪ পয়েন্ট নিয়ে লখনৌ। কোনো আশা আর অবশিষ্ট নেই। তারা প্লে-অফের দৌড় থেকে আগেই ছিটকে গেছে। এবার দেখার, এই সমীকরণের মধ্যে দিয়ে শেষ পর্যন্ত কোন চার দল পায় প্লে-অফের টিকিট। একদিন বাদেই শুরু হবে আরও জমাট লড়াই।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_24.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_24.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_24.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ক্রুইফের ৩৬ গোলের রেকর্ড ভাঙতে আর কট্টি? বিশ্বকাপের আগে বড় চমক!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/36847</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/36847</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 06 May 2026 16:05:07 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ফুটবল]]></category>
                        <category><![CDATA[Johan Cruyff record, World Cup 2026 countdown, most goal chances in World Cup, Cruyff Turn history, Netherlands football legend, Diego Maradona stats, World Cup dribbling records, Jay Jay Okocha, FIFA World Cup special, football all-time records, World Cup 36 days left, Dutch football history, World Cup unique stats, football nostalgia, Cruyff unforgettable performance]]></category>
        
        <description><![CDATA[আর মাত্র ৩৬ দিন! হ্যাঁ, ঠিক শুনেছেন। ২০২৬ বিশ্বকাপের মেগা উৎসব শুরু হতে আর সময় হাতে মাত্র ৩৬ দিন। আর এই বিশেষ কাউন্টডাউনেই ফিফা স্মরণ করিয়ে দিল নেদারল্যান্ডসের মহাতারকা জোহান ক্রুইফের সেই অবিশ্বাস্য রেকর্ডের কথা, যা এখনও অটুট। মজার ব্যাপার হলো, সংখ্যাটাও ৩৬– ঠিক যত দিন বাকি বিশ্বকাপ শুরু হতে। ১৯৭৪ সালের জার্মানি বিশ্বকাপে ডাচ কিংবদন্তি ক্রুইফ প্রতিপক্ষের পোস্টে মোট ৩৬টি গোলের সুযোগ তৈরি করেছিলেন। একটা বিশ্বকাপের এক আসরে এটাই এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ, যা কোনো ফুটবলার করতে পারেননি! দ্বিতীয় স্থানে আছেন আর্জেন্টিনার ম্যারাডোনা। ১৯৮৬ মেক্সিকো বিশ্বকাপে তিনি ২৭টি সুযোগ তৈরি করেছিলেন– ক্রুইফের চেয়ে ৯টি কম। ক্রুইফ তাঁর ক্যারিয়ারের একমাত্র বিশ্বকাপে ৭ ম্যাচ খেলে ৩টি গোল ও ৩টি অ্যাসিস্ট করেন। শুধু তাই নয়, সুইডেনের বিপক্ষে ম্যাচে তিনি ১২টি সফল ড্রিবলিং করেছিলেন, যার মধ্যে ছিল সবার জানা সেই বিখ্যাত ‘ক্রুইফ টার্ন’। আর জানেন কি? বিশ্বকাপ ইতিহাসে এক ম্যাচে ক্রুইফের চেয়ে বেশি ড্রিবলিং করার কীর্তি আছে মাত্র তিনজনের। নাইজেরিয়ান তারকা জে জে ওকোচা ১৯৯৪ সালে ইতালির বিপক্ষে করেন ১৫টি। দ্বিতীয় স্থানে আছেন জাইরজিনহো (১৯৭০, উরুগুয়ের বিপক্ষে ১৩টি) এবং পল কোয়েন (১৯৯০, ক্যামেরুনের বিপক্ষে ১৩টি)। তিনি মাঠ ছেড়েছেন অনেক আগে, কিন্তু রেকর্ডগুলো এখনও তরুণ তারকাদের চ্যালেঞ্জ জানিয়ে চলেছে। এবারের বিশ্বকাপে কেউ কি ক্রুইফের ৩৬ সুযোগের মাইলফলক ছুঁতে পারবেন? উত্তর হয়তো জানবে আগামী কয়েক সপ্তাহ!  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_23.webp" alt="ক্রুইফের ৩৬ গোলের রেকর্ড ভাঙতে আর কট্টি? বিশ্বকাপের আগে বড় চমক!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ক্রুইফের ৩৬ গোলের রেকর্ড ভাঙতে আর কট্টি? বিশ্বকাপের আগে বড় চমক!</h1>
            <p>আর মাত্র ৩৬ দিন! হ্যাঁ, ঠিক শুনেছেন। ২০২৬ বিশ্বকাপের মেগা উৎসব শুরু হতে আর সময় হাতে মাত্র ৩৬ দিন। আর এই বিশেষ কাউন্টডাউনেই ফিফা স্মরণ করিয়ে দিল নেদারল্যান্ডসের মহাতারকা জোহান ক্রুইফের সেই অবিশ্বাস্য রেকর্ডের কথা, যা এখনও অটুট। মজার ব্যাপার হলো, সংখ্যাটাও ৩৬– ঠিক যত দিন বাকি বিশ্বকাপ শুরু হতে। ১৯৭৪ সালের জার্মানি বিশ্বকাপে ডাচ কিংবদন্তি ক্রুইফ প্রতিপক্ষের পোস্টে মোট ৩৬টি গোলের সুযোগ তৈরি করেছিলেন। একটা বিশ্বকাপের এক আসরে এটাই এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ, যা কোনো ফুটবলার করতে পারেননি! দ্বিতীয় স্থানে আছেন আর্জেন্টিনার ম্যারাডোনা। ১৯৮৬ মেক্সিকো বিশ্বকাপে তিনি ২৭টি সুযোগ তৈরি করেছিলেন– ক্রুইফের চেয়ে ৯টি কম। ক্রুইফ তাঁর ক্যারিয়ারের একমাত্র বিশ্বকাপে ৭ ম্যাচ খেলে ৩টি গোল ও ৩টি অ্যাসিস্ট করেন। শুধু তাই নয়, সুইডেনের বিপক্ষে ম্যাচে তিনি ১২টি সফল ড্রিবলিং করেছিলেন, যার মধ্যে ছিল সবার জানা সেই বিখ্যাত ‘ক্রুইফ টার্ন’। আর জানেন কি? বিশ্বকাপ ইতিহাসে এক ম্যাচে ক্রুইফের চেয়ে বেশি ড্রিবলিং করার কীর্তি আছে মাত্র তিনজনের। নাইজেরিয়ান তারকা জে জে ওকোচা ১৯৯৪ সালে ইতালির বিপক্ষে করেন ১৫টি। দ্বিতীয় স্থানে আছেন জাইরজিনহো (১৯৭০, উরুগুয়ের বিপক্ষে ১৩টি) এবং পল কোয়েন (১৯৯০, ক্যামেরুনের বিপক্ষে ১৩টি)। তিনি মাঠ ছেড়েছেন অনেক আগে, কিন্তু রেকর্ডগুলো এখনও তরুণ তারকাদের চ্যালেঞ্জ জানিয়ে চলেছে। এবারের বিশ্বকাপে কেউ কি ক্রুইফের ৩৬ সুযোগের মাইলফলক ছুঁতে পারবেন? উত্তর হয়তো জানবে আগামী কয়েক সপ্তাহ!  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_23.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_23.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_23.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[শিরোপার ভবিষ্যদ্বাণী! তিন বিশ্বকাপে সঠিক সেই মডেল এবার বলে দিল চ্যাম্পিয়ন কারা]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/36846</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/36846</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 06 May 2026 16:05:25 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ফুটবল]]></category>
                        <category><![CDATA[Netherlands World Cup 2026 prediction, upset World Cup champion, Panama Libram model forecast, Portugal final match, Argentina quarterfinal exit, Brazil loses to Japan, best team never won World Cup, Joakim Klement economic model, FIFA ranking prediction, social indicators football, human interest football news, 2026 FIFA World Cup clickbait, Netherlands first title, Spain semifinal elimination, England World Cup 2026 exit]]></category>
        
        <description><![CDATA[ফুটবল দুনিয়ার বাইরে থেকে আসা একটা ভবিষ্যদ্বাণী ঘিরে শুরু হয়েছে চাঞ্চল্য। ২০২৬ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে এক বিনিয়োগ সংস্থার মডেল জানিয়েছে, এবারের আসরে চ্যাম্পিয়ন হতে পারে নেদারল্যান্ডস। আর হলেই ওদের ইতিহাসে এটাই হবে প্রথম বিশ্বকাপ জয়। প্যানমোর লিব্রাম নামের এই সংস্থা কিন্তু খেলার ফর্ম বা কৌশল নয়, বরং অর্থনীতি আর সমাজের নানা তথ্য দিয়ে তৈরি করেছে তাদের প্রেডিকশন। সংস্থার বিশেষজ্ঞ জোয়াকিম ক্লেমেন্ট দেখেছেন মাথাপিছু আয়, জনসংখ্যা, আবহাওয়া, স্বাগতিক সুবিধা এবং ফিফা র‌্যাঙ্কিং—এই বিষয়গুলো মিলিয়ে একটা মডেল বানিয়েছেন। তাঁর দাবি, এসব উপাদান দিয়েই একজন দলের পারফরম্যান্সের প্রায় ৫৫ শতাংশ ব্যাখ্যা করা যায়, বাকিটা ভাগ্য। মজার ব্যাপার হলো, এই মডেল গত তিন বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন জার্মানি, ফ্রান্স ও আর্জেন্টিনার নাম ঠিকঠাক আগেই বলে দিয়েছিল! যদিও ক্লেমেন্ট নিজেও মানেন মডেলে ফাঁকফোকর আছে, তবু তাঁর ভবিষ্যদ্বাণী নতুন করে আলোচনা জাগিয়েছে। মডেল বলছে, এবারের ফাইনাল হবে নেদারল্যান্ডস আর পর্তুগালের মধ্যে। বিশ্বকাপের ইতিহাসে আগে কখনো এই ম্যাচ ফাইনালে দেখা যায়নি। আর স্পেন, ব্রাজিল বা বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার মতো জায়ান্টদের এবার শিরোপার লড়াইয়ে রাখেনি এই প্রেডিকশন। আর্জেন্টিনা ভক্তদের জন্য আরেকটা দুঃসংবাদ—গ্রুপ পর্বে ভালো করলেও কোয়ার্টার ফাইনালেই তাদের বিদায় নেওয়ার আভাস দিয়েছে মডেল। সেখানে প্রতিপক্ষ হতে পারে পর্তুগাল। বিশ্লেষণ বলছে, মেসি এখনো আর্জেন্টিনার প্রধান ভরসা, আর পর্তুগালও রোনালদোকে নিয়ে লড়াই করলেও সামগ্রিক দলগত গভীরতায় এগিয়ে থাকতে পারে পর্তুগাল। আরও বড় চমক আছে। ব্রাজিল নাকি শেষ ৩২-এ হেরে যেতে পারে জাপানের কাছে! তাহলে তো ওটাই হবে টুর্নামেন্টের সবচেয়ে বড় অঘটন। একইভাবে স্পেন আর ইংল্যান্ডকে সেমিফাইনাল থেকেই বিদায় নিতে হবে বলে ধরা হয়েছে। ফাইনালে যেতে হলে নেদারল্যান্ডসকে হারাতে হবে মরক্কো, কানাডা, ফ্রান্স ও স্পেনের মতো দলকে। আর পর্তুগালের পথে বাধা হবে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনা। ইতিহাস কিন্তু কিছুটা ডাচদের পক্ষেই—তিনবার ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলেও কখনো জেতা হয়নি তাদের। তাই ‘বিশ্বকাপ না জেতা সেরা দল’ বললেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে নেদারল্যান্ডস। বুকির বাজারে তাদের জয়ের সম্ভাবনা মাত্র ৩ শতাংশ হলেও ঘরের কাগজের এই মডেল কিন্তু বড় অঘটনের ইঙ্গিতই দিচ্ছে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_22.webp" alt="শিরোপার ভবিষ্যদ্বাণী! তিন বিশ্বকাপে সঠিক সেই মডেল এবার বলে দিল চ্যাম্পিয়ন কারা" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>শিরোপার ভবিষ্যদ্বাণী! তিন বিশ্বকাপে সঠিক সেই মডেল এবার বলে দিল চ্যাম্পিয়ন কারা</h1>
            <p>ফুটবল দুনিয়ার বাইরে থেকে আসা একটা ভবিষ্যদ্বাণী ঘিরে শুরু হয়েছে চাঞ্চল্য। ২০২৬ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে এক বিনিয়োগ সংস্থার মডেল জানিয়েছে, এবারের আসরে চ্যাম্পিয়ন হতে পারে নেদারল্যান্ডস। আর হলেই ওদের ইতিহাসে এটাই হবে প্রথম বিশ্বকাপ জয়। প্যানমোর লিব্রাম নামের এই সংস্থা কিন্তু খেলার ফর্ম বা কৌশল নয়, বরং অর্থনীতি আর সমাজের নানা তথ্য দিয়ে তৈরি করেছে তাদের প্রেডিকশন। সংস্থার বিশেষজ্ঞ জোয়াকিম ক্লেমেন্ট দেখেছেন মাথাপিছু আয়, জনসংখ্যা, আবহাওয়া, স্বাগতিক সুবিধা এবং ফিফা র‌্যাঙ্কিং—এই বিষয়গুলো মিলিয়ে একটা মডেল বানিয়েছেন। তাঁর দাবি, এসব উপাদান দিয়েই একজন দলের পারফরম্যান্সের প্রায় ৫৫ শতাংশ ব্যাখ্যা করা যায়, বাকিটা ভাগ্য। মজার ব্যাপার হলো, এই মডেল গত তিন বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন জার্মানি, ফ্রান্স ও আর্জেন্টিনার নাম ঠিকঠাক আগেই বলে দিয়েছিল! যদিও ক্লেমেন্ট নিজেও মানেন মডেলে ফাঁকফোকর আছে, তবু তাঁর ভবিষ্যদ্বাণী নতুন করে আলোচনা জাগিয়েছে। মডেল বলছে, এবারের ফাইনাল হবে নেদারল্যান্ডস আর পর্তুগালের মধ্যে। বিশ্বকাপের ইতিহাসে আগে কখনো এই ম্যাচ ফাইনালে দেখা যায়নি। আর স্পেন, ব্রাজিল বা বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার মতো জায়ান্টদের এবার শিরোপার লড়াইয়ে রাখেনি এই প্রেডিকশন। আর্জেন্টিনা ভক্তদের জন্য আরেকটা দুঃসংবাদ—গ্রুপ পর্বে ভালো করলেও কোয়ার্টার ফাইনালেই তাদের বিদায় নেওয়ার আভাস দিয়েছে মডেল। সেখানে প্রতিপক্ষ হতে পারে পর্তুগাল। বিশ্লেষণ বলছে, মেসি এখনো আর্জেন্টিনার প্রধান ভরসা, আর পর্তুগালও রোনালদোকে নিয়ে লড়াই করলেও সামগ্রিক দলগত গভীরতায় এগিয়ে থাকতে পারে পর্তুগাল। আরও বড় চমক আছে। ব্রাজিল নাকি শেষ ৩২-এ হেরে যেতে পারে জাপানের কাছে! তাহলে তো ওটাই হবে টুর্নামেন্টের সবচেয়ে বড় অঘটন। একইভাবে স্পেন আর ইংল্যান্ডকে সেমিফাইনাল থেকেই বিদায় নিতে হবে বলে ধরা হয়েছে। ফাইনালে যেতে হলে নেদারল্যান্ডসকে হারাতে হবে মরক্কো, কানাডা, ফ্রান্স ও স্পেনের মতো দলকে। আর পর্তুগালের পথে বাধা হবে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনা। ইতিহাস কিন্তু কিছুটা ডাচদের পক্ষেই—তিনবার ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলেও কখনো জেতা হয়নি তাদের। তাই ‘বিশ্বকাপ না জেতা সেরা দল’ বললেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে নেদারল্যান্ডস। বুকির বাজারে তাদের জয়ের সম্ভাবনা মাত্র ৩ শতাংশ হলেও ঘরের কাগজের এই মডেল কিন্তু বড় অঘটনের ইঙ্গিতই দিচ্ছে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_22.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_22.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_22.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[আনন্দে ভারি যন্ত্র নয়! বিজেপির জয়োৎসবে কড়া বার্তা কলকাতা পুলিশের]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36845</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36845</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 06 May 2026 16:05:31 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[এশিয়া]]></category>
                        <category><![CDATA[Kolkata Police bans bulldozer victory rally, BJP celebration restrictions, JCB not allowed in processions, Ajay Nand warning West Bengal, post election violence Kolkata, illegal rally crackdown, heavy machinery banned celebrations, Kolkata law and order Bengal election, 80 arrested post poll violence, firearms seized Kolkata, political victory rally rules, Bengal BJP supporters celebration, Kolkata Police commissioner statement, West Bengal administration alert, peaceful celebration guidelines Bengal]]></category>
        
        <description><![CDATA[পশ্চিমবঙ্গে আমূল বদল। ঘুরছে রাজনীতির চাকা। আর এই পালাবদলের পর বিজয়োৎসবের মেজাজে গেরুয়া শিবিরের সমর্থকেরা। কিন্তু সেই উৎসবের মাঠে কড়া অবস্থান নিয়েছে কলকাতা পুলিশ। কারণ কয়েকটি ঘটনা প্রশাসনের কপালে ভাঁজ ফেলেছে। ঢাকের তালে, আবির-গুলাল উড়িয়ে মিছিল করছে মানুষ। কিন্তু এর মাঝেই কেউ কেউ বুলডোজার বা জেসিবি নিয়ে মিছিল করায় বাড়ছে উদ্বেগ। আর তাই সাংবাদিক সম্মেলন করে স্পষ্ট সতর্কবার্তা দিয়ে দিলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দ। বললেন, বিজয় মিছিলে কোনোভাবেই জেসিবি বা বুলডোজার ব্যবহার করা যাবে না। কেউ এই নির্দেশ না মানলে শুধু মিছিলে অংশ নেওয়াদের বিরুদ্ধেই নয়, সেই যন্ত্রের মালিকদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেবে পুলিশ। পুলিশের বার্তা পরিষ্কার—উৎসব করতে কোনও বাধা নেই। তবে আইন মেনে, নিরাপত্তা বজায় রেখে। কেন এই নিষেধাজ্ঞা? কারণ ভারী যন্ত্রপাতি নিয়ে রাস্তায় নামলেই তৈরি হতে পারে ভয়াবহ পরিস্থিতি। ইতিমধ্যে শহর জুড়ে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। পুলিশ কমিশনার জানিয়েছেন, অনুমতি ছাড়া কোনো মিছিল বা শোভাযাত্রা বরদাস্ত করা হবে না। এমন ঘটনা ঘটলে সঙ্গে সঙ্গে আটকানো হবে, আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জেসিবি মালিকদেরও সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে—যন্ত্র ভাড়া দিয়ে এমন মিছিলে দিলে বাজেয়াপ্ত করা হবে, সাথে আরও কঠোর আইনি পদক্ষেপ। পুলিশ সূত্রের খবর, নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর রাজ্যের নানা প্রান্তে ছড়িয়ে পড়া অশান্তির ঘটনা গুরুত্বের সঙ্গে নিচ্ছে প্রশাসন। ইতিমধ্যে একাধিক ঘটনায় প্রায় ৮০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শহরের বিভিন্ন জায়গা থেকে উদ্ধার হয়েছে আগ্নেয়াস্ত্রও।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_19.webp" alt="আনন্দে ভারি যন্ত্র নয়! বিজেপির জয়োৎসবে কড়া বার্তা কলকাতা পুলিশের" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>আনন্দে ভারি যন্ত্র নয়! বিজেপির জয়োৎসবে কড়া বার্তা কলকাতা পুলিশের</h1>
            <p>পশ্চিমবঙ্গে আমূল বদল। ঘুরছে রাজনীতির চাকা। আর এই পালাবদলের পর বিজয়োৎসবের মেজাজে গেরুয়া শিবিরের সমর্থকেরা। কিন্তু সেই উৎসবের মাঠে কড়া অবস্থান নিয়েছে কলকাতা পুলিশ। কারণ কয়েকটি ঘটনা প্রশাসনের কপালে ভাঁজ ফেলেছে। ঢাকের তালে, আবির-গুলাল উড়িয়ে মিছিল করছে মানুষ। কিন্তু এর মাঝেই কেউ কেউ বুলডোজার বা জেসিবি নিয়ে মিছিল করায় বাড়ছে উদ্বেগ। আর তাই সাংবাদিক সম্মেলন করে স্পষ্ট সতর্কবার্তা দিয়ে দিলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দ। বললেন, বিজয় মিছিলে কোনোভাবেই জেসিবি বা বুলডোজার ব্যবহার করা যাবে না। কেউ এই নির্দেশ না মানলে শুধু মিছিলে অংশ নেওয়াদের বিরুদ্ধেই নয়, সেই যন্ত্রের মালিকদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেবে পুলিশ। পুলিশের বার্তা পরিষ্কার—উৎসব করতে কোনও বাধা নেই। তবে আইন মেনে, নিরাপত্তা বজায় রেখে। কেন এই নিষেধাজ্ঞা? কারণ ভারী যন্ত্রপাতি নিয়ে রাস্তায় নামলেই তৈরি হতে পারে ভয়াবহ পরিস্থিতি। ইতিমধ্যে শহর জুড়ে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। পুলিশ কমিশনার জানিয়েছেন, অনুমতি ছাড়া কোনো মিছিল বা শোভাযাত্রা বরদাস্ত করা হবে না। এমন ঘটনা ঘটলে সঙ্গে সঙ্গে আটকানো হবে, আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জেসিবি মালিকদেরও সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে—যন্ত্র ভাড়া দিয়ে এমন মিছিলে দিলে বাজেয়াপ্ত করা হবে, সাথে আরও কঠোর আইনি পদক্ষেপ। পুলিশ সূত্রের খবর, নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর রাজ্যের নানা প্রান্তে ছড়িয়ে পড়া অশান্তির ঘটনা গুরুত্বের সঙ্গে নিচ্ছে প্রশাসন। ইতিমধ্যে একাধিক ঘটনায় প্রায় ৮০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শহরের বিভিন্ন জায়গা থেকে উদ্ধার হয়েছে আগ্নেয়াস্ত্রও।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_19.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_19.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_19.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[কার মাথায় পড়বে মুকুট? শুক্রবার বৈঠক, শুভেন্দুই কি বাংলার নয়া মুখ্যমন্ত্রী?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36844</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36844</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 06 May 2026 16:05:28 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[এশিয়া]]></category>
                        <category><![CDATA[West Bengal next CM, Shubhendu Adhikari BJP, Bengal BJP legislative meeting 8 May, Amit Shah announces CM name, Shamik Bhattacharya proposal, Rabindra Jayanti oath ceremony, Narendra Modi Kolkata visit, BJP government formation Bengal, Shubhendu Adhikari Bengali criteria, post election West Bengal 2026, BJP single largest party Bengal, TMC ousted West Bengal, new Bengal CM swearing in, BJP central leadership decision, Bengal political crisis latest]]></category>
        
        <description><![CDATA[পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, সেই জল্পনা যেন থামছেই না। শুভেন্দু অধিকারীর নাম জোরালোভাবে সামনে আসলেও এখনো নিশ্চিত করে কিছু জানায়নি বিজেপি। তবে এনডিটিভি সূত্রে খবর, আগামী শুক্রবার (৮ মে) কলকাতায় বিধায়ক দলের বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে বড় জয়ের পর শুভেন্দু অধিকারীকে বিধায়ক দলের নেতা নির্বাচিত করা হতে পারে। কীভাবে? হাত তুলে সমর্থনের মাধ্যমেই! সূত্রের খবর, বৈঠকে রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য শুভেন্দুর নাম প্রস্তাব করবেন। আর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আনুষ্ঠানিকভাবে সেই নাম ঘোষণা করবেন। এরপর শুভেন্দু, শমীক ও সুনীল বনসাল রাজভবনে গিয়ে সরকার গঠনের দাবি জানাবেন। শুধু তাই নয়, শনিবার (৯ মে) শপথ গ্রহণের পরিকল্পনাও করছে দলটি। দিনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী ‘রবীন্দ্র জয়ন্তী’ হওয়ায় বিশেষ তাৎপর্য দেখছেন নেতারা। সেদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বিজেপি শরিক দলগুলোর শীর্ষ নেতারাও উপস্থিত থাকতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছে। এর আগে অমিত শাহ জানিয়েছিলেন, পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হবেন এমন এক বাঙালি, যিনি বাংলায় জন্মেছেন, বাংলা মাধ্যমে পড়েছেন আর মাতৃভাষায় কথা বলেন। বিশ্লেষকদের মতে, এই সব শর্ত পুরোপুরি পূরণ করেন শুভেন্দু অধিকারী। এখন দেখার অপেক্ষা, শুক্রবারের বৈঠকেই কি নিশ্চিত হয় ‘সিংহাসন’ কাদের ভাগ্যে?  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_18.webp" alt="কার মাথায় পড়বে মুকুট? শুক্রবার বৈঠক, শুভেন্দুই কি বাংলার নয়া মুখ্যমন্ত্রী?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>কার মাথায় পড়বে মুকুট? শুক্রবার বৈঠক, শুভেন্দুই কি বাংলার নয়া মুখ্যমন্ত্রী?</h1>
            <p>পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, সেই জল্পনা যেন থামছেই না। শুভেন্দু অধিকারীর নাম জোরালোভাবে সামনে আসলেও এখনো নিশ্চিত করে কিছু জানায়নি বিজেপি। তবে এনডিটিভি সূত্রে খবর, আগামী শুক্রবার (৮ মে) কলকাতায় বিধায়ক দলের বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে বড় জয়ের পর শুভেন্দু অধিকারীকে বিধায়ক দলের নেতা নির্বাচিত করা হতে পারে। কীভাবে? হাত তুলে সমর্থনের মাধ্যমেই! সূত্রের খবর, বৈঠকে রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য শুভেন্দুর নাম প্রস্তাব করবেন। আর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আনুষ্ঠানিকভাবে সেই নাম ঘোষণা করবেন। এরপর শুভেন্দু, শমীক ও সুনীল বনসাল রাজভবনে গিয়ে সরকার গঠনের দাবি জানাবেন। শুধু তাই নয়, শনিবার (৯ মে) শপথ গ্রহণের পরিকল্পনাও করছে দলটি। দিনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী ‘রবীন্দ্র জয়ন্তী’ হওয়ায় বিশেষ তাৎপর্য দেখছেন নেতারা। সেদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বিজেপি শরিক দলগুলোর শীর্ষ নেতারাও উপস্থিত থাকতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছে। এর আগে অমিত শাহ জানিয়েছিলেন, পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হবেন এমন এক বাঙালি, যিনি বাংলায় জন্মেছেন, বাংলা মাধ্যমে পড়েছেন আর মাতৃভাষায় কথা বলেন। বিশ্লেষকদের মতে, এই সব শর্ত পুরোপুরি পূরণ করেন শুভেন্দু অধিকারী। এখন দেখার অপেক্ষা, শুক্রবারের বৈঠকেই কি নিশ্চিত হয় ‘সিংহাসন’ কাদের ভাগ্যে?  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_18.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_18.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_18.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[কংগ্রেসের ‘না’ বলার ক্ষমতা! শর্ত সাপেক্ষে বিজয়ের পাশে রাহুল গঙ্গা]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36843</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36843</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 06 May 2026 16:05:45 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Congress supports Thalapathy Vijay, Tamil Nadu government formation, TVK coalition with Congress, secular alliance condition, AIADMK meets TVK, DMK 59 seats, Vijay two seats victory, Tiruchi East bypoll, VCK CPI CPM support, Communist parties Tamil Nadu, Rahul Gandhi Tamil Nadu, Edappadi Palaniswami meeting, BJP not in alliance, TVK single largest party, Tamil Nadu hung assembly 2026]]></category>
        
        <description><![CDATA[তামিলনাড়ুতে সরকার গঠনের জটিল সমীকরণে বড়সড় অগ্রগতি। অভিনেতা থালাপতি বিজয়ের দল তামিলাগা ভেত্রি কাজাগামকে (টিভিকে) সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে কংগ্রেস। তবে এই সমর্থন ফ্রি নয়—কংগ্রেস দিয়েছে কঠিন এক শর্ত। জোটে যেন ‘সাম্প্রদায়িক শক্তি’কে রাখা না হয়। স্পষ্ট ভাষায়, বিজেপি বা তাদের ঘনিষ্ঠ কাউকে পাশে বসাতে পারবেন না বিজয়! এনডিটিভির খবর অনুযায়ী, তামিলনাড়ু কংগ্রেস কমিটি ও কংগ্রেস লেজিসলেটিভ পার্টি (সিএলপি) টিভিকে সরকার গঠনে পূর্ণ সমর্থন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অল ইন্ডিয়া কংগ্রেস কমিটির (এআইসিসি) তামিলনাড়ু দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা গিরিশ চোদাঙ্কর এক বিবৃতিতে জানান, ‘আমাদের সমর্থন শর্তসাপেক্ষ—টিভিকে যেন কোনো সাম্প্রদায়িক শক্তিকে জোটে না আনে, যারা ভারতের সংবিধানে বিশ্বাস করে না।’ কংগ্রেসের ৫ বিধায়কের সমর্থন পেয়ে টিভিকে-র সমর্থন সংখ্যা এখন ১১২। এর আগে ১০৭ আসন নিয়ে একক বৃহত্তম দল ছিল তারা। কিন্তু সরকার গঠনের জন্য দরকার ১১৮ আসন। অর্থাৎ এখনও ৬ আসনের ব্যবধান। এই ঘাটতি পূরণে বিজয় এখন ভিসিকে, সিপিআই ও সিপিএম-এর দিকে তাকিয়ে। এই তিন দলের সমর্থন পেলে মোট দাঁড়াবে ১১৯ বিধায়ক, যা যথেষ্ট। তবে জটিলতা আরও বাড়িয়েছে এআইএডিএমকে প্রধান এডাপ্পাডি কে পলানিস্বামীর সঙ্গে টিভিকে নেতাদের বৈঠক। চেন্নাইয়ে ওই বৈঠক ঘিরে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। বিশ্লেষকদের মতে, বিজেপির সঙ্গে জোটে থাকা এআইএডিএমকের ভিতরে টানাপোড়েনের ইঙ্গিত দিতে পারে এই সাক্ষাৎ। কংগ্রেস এটাও জানিয়েছে, টিভিকে-র সঙ্গে তাদের জোট শুধু সরকার গঠনেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। বরং স্থানীয় সরকার, লোকসভা ও রাজ্যসভা নির্বাচনেও এই সমঝোতা অব্যাহত থাকতে পারে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘বিজয় ও রাহুল গান্ধী তামিলনাড়ুর জনগণের ঐতিহাসিক রায়কে সম্মান জানানোর এবং ধর্মনিরপেক্ষ ও প্রগতিশীল সরকার গঠনে অঙ্গীকারবদ্ধ। বিশেষ করে রাজ্যের তরুণদের স্বপ্ন পূরণে তারা একসঙ্গে কাজ করবেন।’ উল্লেখ্য, এবারের নির্বাচনে ২৩৪ আসনের মধ্যে ১০৮টি পেয়ে টিভিকে একক বৃহত্তম দল হিসেবে উঠে আসে। এটি ৬২ বছরের ডিএমকে-এআইএডিএমকে-র দোয়া ধাক্কা দিয়েছে। ডিএমকে পেয়েছে ৫৯, এআইএডিএমকে ৪৭ আসন। বিজয় নিজে ত্রিচি ইস্ট ও পেরাম্বুর—দুটি আসন থেকেই জিতেছেন। দলীয় সূত্র বলছে, তিনি ত্রিচি ইস্ট আসন ছেড়ে দিয়ে পেরাম্বুর আসনটি ধরে রাখবেন। তাহলে ওই আসনে হবে উপনির্বাচন।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_17.webp" alt="কংগ্রেসের ‘না’ বলার ক্ষমতা! শর্ত সাপেক্ষে বিজয়ের পাশে রাহুল গঙ্গা" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>কংগ্রেসের ‘না’ বলার ক্ষমতা! শর্ত সাপেক্ষে বিজয়ের পাশে রাহুল গঙ্গা</h1>
            <p>তামিলনাড়ুতে সরকার গঠনের জটিল সমীকরণে বড়সড় অগ্রগতি। অভিনেতা থালাপতি বিজয়ের দল তামিলাগা ভেত্রি কাজাগামকে (টিভিকে) সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে কংগ্রেস। তবে এই সমর্থন ফ্রি নয়—কংগ্রেস দিয়েছে কঠিন এক শর্ত। জোটে যেন ‘সাম্প্রদায়িক শক্তি’কে রাখা না হয়। স্পষ্ট ভাষায়, বিজেপি বা তাদের ঘনিষ্ঠ কাউকে পাশে বসাতে পারবেন না বিজয়! এনডিটিভির খবর অনুযায়ী, তামিলনাড়ু কংগ্রেস কমিটি ও কংগ্রেস লেজিসলেটিভ পার্টি (সিএলপি) টিভিকে সরকার গঠনে পূর্ণ সমর্থন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অল ইন্ডিয়া কংগ্রেস কমিটির (এআইসিসি) তামিলনাড়ু দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা গিরিশ চোদাঙ্কর এক বিবৃতিতে জানান, ‘আমাদের সমর্থন শর্তসাপেক্ষ—টিভিকে যেন কোনো সাম্প্রদায়িক শক্তিকে জোটে না আনে, যারা ভারতের সংবিধানে বিশ্বাস করে না।’ কংগ্রেসের ৫ বিধায়কের সমর্থন পেয়ে টিভিকে-র সমর্থন সংখ্যা এখন ১১২। এর আগে ১০৭ আসন নিয়ে একক বৃহত্তম দল ছিল তারা। কিন্তু সরকার গঠনের জন্য দরকার ১১৮ আসন। অর্থাৎ এখনও ৬ আসনের ব্যবধান। এই ঘাটতি পূরণে বিজয় এখন ভিসিকে, সিপিআই ও সিপিএম-এর দিকে তাকিয়ে। এই তিন দলের সমর্থন পেলে মোট দাঁড়াবে ১১৯ বিধায়ক, যা যথেষ্ট। তবে জটিলতা আরও বাড়িয়েছে এআইএডিএমকে প্রধান এডাপ্পাডি কে পলানিস্বামীর সঙ্গে টিভিকে নেতাদের বৈঠক। চেন্নাইয়ে ওই বৈঠক ঘিরে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। বিশ্লেষকদের মতে, বিজেপির সঙ্গে জোটে থাকা এআইএডিএমকের ভিতরে টানাপোড়েনের ইঙ্গিত দিতে পারে এই সাক্ষাৎ। কংগ্রেস এটাও জানিয়েছে, টিভিকে-র সঙ্গে তাদের জোট শুধু সরকার গঠনেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। বরং স্থানীয় সরকার, লোকসভা ও রাজ্যসভা নির্বাচনেও এই সমঝোতা অব্যাহত থাকতে পারে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘বিজয় ও রাহুল গান্ধী তামিলনাড়ুর জনগণের ঐতিহাসিক রায়কে সম্মান জানানোর এবং ধর্মনিরপেক্ষ ও প্রগতিশীল সরকার গঠনে অঙ্গীকারবদ্ধ। বিশেষ করে রাজ্যের তরুণদের স্বপ্ন পূরণে তারা একসঙ্গে কাজ করবেন।’ উল্লেখ্য, এবারের নির্বাচনে ২৩৪ আসনের মধ্যে ১০৮টি পেয়ে টিভিকে একক বৃহত্তম দল হিসেবে উঠে আসে। এটি ৬২ বছরের ডিএমকে-এআইএডিএমকে-র দোয়া ধাক্কা দিয়েছে। ডিএমকে পেয়েছে ৫৯, এআইএডিএমকে ৪৭ আসন। বিজয় নিজে ত্রিচি ইস্ট ও পেরাম্বুর—দুটি আসন থেকেই জিতেছেন। দলীয় সূত্র বলছে, তিনি ত্রিচি ইস্ট আসন ছেড়ে দিয়ে পেরাম্বুর আসনটি ধরে রাখবেন। তাহলে ওই আসনে হবে উপনির্বাচন।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_17.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_17.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_17.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ভোট পরবর্তী সংঘর্ষে উত্তপ্ত পশ্চিমবঙ্গ, চার মৃত্যু—সরকার গঠনে অমিত শাহ যাচ্ছেন রাজ্যে]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36842</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36842</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 06 May 2026 16:05:44 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[West Bengal post poll violence, Amit Shah Bengal visit, BJP TMC clash news, Bengal election results violence, India political news, Mamata Banerjee party clash, BJP government formation Bengal, Asansol violence update, Bengal CM race, Indian election violence news, post election unrest India, BJP observer Amit Shah, Mohan Charan Majhi role, Bengal breaking news, political conflict India]]></category>
        
        <description><![CDATA[বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পশ্চিমবঙ্গ। নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৪ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে, যা রাজ্যের পরিস্থিতিকে উদ্বেগজনক করে তুলেছে। বিজেপির অভিযোগ, হাওড়ার উদয়পুর ও রাজারহাট নিউ টাউনে তৃণমূল সমর্থকরা তাদের দুই কর্মীকে হত্যা করেছে। অন্যদিকে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের দল দাবি করেছে, বীরভূমের নানুর ও কলকাতার বেলেঘাটায় বিজেপি কর্মীরাই তাদের দুই সদস্যকে খুন করেছে। বীরভূম, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, নদিয়া ও বাঙ্কুরাসহ একাধিক জেলায় দু’পক্ষের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। অনেক জায়গায় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে। মঙ্গলবার রাতে আসানসোল শিল্পাঞ্চলে তৃণমূলের একাধিক অফিসে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠে। আনন্দবাজার জানিয়েছে, এক কার্যালয়ের আগুন পাশের একটি কেকের দোকানেও ছড়িয়ে পড়ে। এছাড়া রূপনারায়ণপুর টোল প্লাজা, কুমারপুর, কুলটি, রানিগঞ্জ, জামুড়িয়া, বারাবনি ও বার্ণপুরেও তৃণমূলের একাধিক কার্যালয়ে হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। কিছু অফিস গেরুয়া রঙে রাঙিয়ে দেওয়ার অভিযোগও তুলেছেন তৃণমূল নেতাকর্মীরা। তবে এসব ঘটনার দায় অস্বীকার করেছে বিজেপি। দলের নবনির্বাচিত বিধায়কেরা বলছেন, এসব সহিংসতায় তাদের কোনো কর্মী জড়িত নয়। বরং ‘দুষ্কৃতিকারীরা’ বিজেপির নাম ব্যবহার করে অশান্তি তৈরির চেষ্টা করছে বলে দাবি তাদের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর বার্তা দিয়েছেন ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। তিনি নির্দেশ দিয়েছেন, কোথাও ভাঙচুর বা সহিংসতা ঘটলে সঙ্গে সঙ্গে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করতে হবে। এ জন্য রাজ্যের মুখ্যসচিব, পুলিশ মহাপরিচালক, কলকাতার পুলিশ কমিশনার এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদেরও প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এদিকে রাজনৈতিক অঙ্গনে আরও বড় চমক—পশ্চিমবঙ্গে সরকার গঠনের প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে অমিত শাহকে রাজ্যে পাঠাচ্ছে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, তা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন তিনি। বিধানসভায় বিজেপির পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনের জন্য তাকে পর্যবেক্ষক করা হয়েছে। তার সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝি। আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি ভেঙে ২০৭ আসনে জয় পেয়ে সরকার গঠনের পথে এগোচ্ছে বিজেপি। ফল ঘোষণার পরদিনই বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব জানায়, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় দলনেতা বাছাই প্রক্রিয়ায় অমিত শাহ পর্যবেক্ষক হিসেবে কাজ করবেন, তার সঙ্গে থাকবেন মোহনচরণ মাঝি। সাধারণত নির্বাচনের পর দলনেতা নির্ধারণে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক পাঠানো বিজেপির নিয়ম। তারা নবনির্বাচিত বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নেন। সেই বৈঠক থেকেই ঠিক হয়ে যায় মুখ্যমন্ত্রীর নাম। তবে নরেন্দ্র মোদির ‘সেকেন্ড ইন-কমান্ড’ হিসেবে পরিচিত অমিত শাহকে এ ধরনের দায়িত্ব দেওয়া খুব একটা দেখা যায় না। ফলে পশ্চিমবঙ্গের এই জয়কে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব যে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে, তা স্পষ্ট।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_16.webp" alt="ভোট পরবর্তী সংঘর্ষে উত্তপ্ত পশ্চিমবঙ্গ, চার মৃত্যু—সরকার গঠনে অমিত শাহ যাচ্ছেন রাজ্যে" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ভোট পরবর্তী সংঘর্ষে উত্তপ্ত পশ্চিমবঙ্গ, চার মৃত্যু—সরকার গঠনে অমিত শাহ যাচ্ছেন রাজ্যে</h1>
            <p>বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পশ্চিমবঙ্গ। নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৪ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে, যা রাজ্যের পরিস্থিতিকে উদ্বেগজনক করে তুলেছে। বিজেপির অভিযোগ, হাওড়ার উদয়পুর ও রাজারহাট নিউ টাউনে তৃণমূল সমর্থকরা তাদের দুই কর্মীকে হত্যা করেছে। অন্যদিকে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের দল দাবি করেছে, বীরভূমের নানুর ও কলকাতার বেলেঘাটায় বিজেপি কর্মীরাই তাদের দুই সদস্যকে খুন করেছে। বীরভূম, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, নদিয়া ও বাঙ্কুরাসহ একাধিক জেলায় দু’পক্ষের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। অনেক জায়গায় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে। মঙ্গলবার রাতে আসানসোল শিল্পাঞ্চলে তৃণমূলের একাধিক অফিসে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠে। আনন্দবাজার জানিয়েছে, এক কার্যালয়ের আগুন পাশের একটি কেকের দোকানেও ছড়িয়ে পড়ে। এছাড়া রূপনারায়ণপুর টোল প্লাজা, কুমারপুর, কুলটি, রানিগঞ্জ, জামুড়িয়া, বারাবনি ও বার্ণপুরেও তৃণমূলের একাধিক কার্যালয়ে হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। কিছু অফিস গেরুয়া রঙে রাঙিয়ে দেওয়ার অভিযোগও তুলেছেন তৃণমূল নেতাকর্মীরা। তবে এসব ঘটনার দায় অস্বীকার করেছে বিজেপি। দলের নবনির্বাচিত বিধায়কেরা বলছেন, এসব সহিংসতায় তাদের কোনো কর্মী জড়িত নয়। বরং ‘দুষ্কৃতিকারীরা’ বিজেপির নাম ব্যবহার করে অশান্তি তৈরির চেষ্টা করছে বলে দাবি তাদের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর বার্তা দিয়েছেন ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। তিনি নির্দেশ দিয়েছেন, কোথাও ভাঙচুর বা সহিংসতা ঘটলে সঙ্গে সঙ্গে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করতে হবে। এ জন্য রাজ্যের মুখ্যসচিব, পুলিশ মহাপরিচালক, কলকাতার পুলিশ কমিশনার এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদেরও প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এদিকে রাজনৈতিক অঙ্গনে আরও বড় চমক—পশ্চিমবঙ্গে সরকার গঠনের প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে অমিত শাহকে রাজ্যে পাঠাচ্ছে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, তা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন তিনি। বিধানসভায় বিজেপির পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনের জন্য তাকে পর্যবেক্ষক করা হয়েছে। তার সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝি। আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি ভেঙে ২০৭ আসনে জয় পেয়ে সরকার গঠনের পথে এগোচ্ছে বিজেপি। ফল ঘোষণার পরদিনই বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব জানায়, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় দলনেতা বাছাই প্রক্রিয়ায় অমিত শাহ পর্যবেক্ষক হিসেবে কাজ করবেন, তার সঙ্গে থাকবেন মোহনচরণ মাঝি। সাধারণত নির্বাচনের পর দলনেতা নির্ধারণে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক পাঠানো বিজেপির নিয়ম। তারা নবনির্বাচিত বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নেন। সেই বৈঠক থেকেই ঠিক হয়ে যায় মুখ্যমন্ত্রীর নাম। তবে নরেন্দ্র মোদির ‘সেকেন্ড ইন-কমান্ড’ হিসেবে পরিচিত অমিত শাহকে এ ধরনের দায়িত্ব দেওয়া খুব একটা দেখা যায় না। ফলে পশ্চিমবঙ্গের এই জয়কে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব যে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে, তা স্পষ্ট।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_16.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_16.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_16.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[তেহরানের কাছে শপিং মলে ভয়াবহ আগুন, দাহ্য ভবনে আটকা পড়ে নিহত অন্তত ৮ জন]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36841</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36841</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 06 May 2026 16:05:36 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Iran fire incident, Tehran shopping mall fire, Andisheh Argavan mall fire, Iran casualties fire, Iran breaking news, Middle East disaster news, Iran emergency response, shopping center fire Iran, Iran accident news, Tehran fire update, Iran injuries fire, global fire incident, Iran US tension news, tragic fire Iran, latest world news]]></category>
        
        <description><![CDATA[ইরানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৮ জন। দেশটির স্থানীয় সংবাদমাধ্যম মিজান জানিয়েছে, রাজধানী তেহরানের পশ্চিমে আন্দিশেহ শহরের আরঘাভান শপিং সেন্টারে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। এতে আরও ৩৬ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। স্থানীয় দমকল বিভাগ জানিয়েছে, ভবনটির বাইরের আবরণ ছিল দাহ্য উপাদানে তৈরি। ফলে মঙ্গলবার (০৫ মে) আগুন লাগার পর তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে পুরো শপিং কমপ্লেক্সে। অগ্নিকাণ্ডের ভিডিওতে দেখা গেছে, মুহূর্তের মধ্যেই আগুনে গ্রাস করছে পুরো ভবনটি। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দোষী ব্যক্তিদের পাশাপাশি সম্পত্তি উন্নয়নকারী সংস্থাকেও শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের নির্দেশ জারি করা হয়েছে বলে জানা গেছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি নতুন করে চাপে পড়ার মধ্যেই এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল, যা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_15.webp" alt="তেহরানের কাছে শপিং মলে ভয়াবহ আগুন, দাহ্য ভবনে আটকা পড়ে নিহত অন্তত ৮ জন" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>তেহরানের কাছে শপিং মলে ভয়াবহ আগুন, দাহ্য ভবনে আটকা পড়ে নিহত অন্তত ৮ জন</h1>
            <p>ইরানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৮ জন। দেশটির স্থানীয় সংবাদমাধ্যম মিজান জানিয়েছে, রাজধানী তেহরানের পশ্চিমে আন্দিশেহ শহরের আরঘাভান শপিং সেন্টারে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। এতে আরও ৩৬ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। স্থানীয় দমকল বিভাগ জানিয়েছে, ভবনটির বাইরের আবরণ ছিল দাহ্য উপাদানে তৈরি। ফলে মঙ্গলবার (০৫ মে) আগুন লাগার পর তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে পুরো শপিং কমপ্লেক্সে। অগ্নিকাণ্ডের ভিডিওতে দেখা গেছে, মুহূর্তের মধ্যেই আগুনে গ্রাস করছে পুরো ভবনটি। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দোষী ব্যক্তিদের পাশাপাশি সম্পত্তি উন্নয়নকারী সংস্থাকেও শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের নির্দেশ জারি করা হয়েছে বলে জানা গেছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি নতুন করে চাপে পড়ার মধ্যেই এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল, যা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_15.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_15.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_15.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির জবাব, আত্মসমর্পণ নয় সংলাপ—মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়াচ্ছে ইরানের কড়া বার্তা]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36840</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36840</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 06 May 2026 16:05:32 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[যুক্তরাজ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Iran US tension, Masoud Pezeshkian statement, Iran nuclear program news, Middle East conflict update, Iran Iraq relations, US Iran diplomacy, Iran refuses surrender, Shia political stance, Iran military threat response, global geopolitics news, Iran US negotiation crisis, Iraq Iran cooperation, nuclear technology Iran, breaking world news, Middle East diplomacy]]></category>
        
        <description><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর হুঁশিয়ারির জবাবে এবার স্পষ্ট বার্তা দিল ইরান। দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, “আমাদের কেউ আত্মসমর্পণ করাতে পারবে না।” তিনি জোর দিয়ে জানান, শিয়া ধর্মাবলম্বীদের কখনোই বলপ্রয়োগে বাধ্য করা যায় না। বুধবার (০৬ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে পেজেশকিয়ান জানান, তিনি ইরাকের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। সেই আলোচনায় তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে মধ্যপ্রাচ্য থেকে সামরিক হুমকি সরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান। পেজেশকিয়ান বলেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্র আন্তর্জাতিক আইনের কাঠামোর মধ্যে থেকে যেকোনো সংলাপের জন্য প্রস্তুত। তবে কোনোভাবেই চাপ বা বলপ্রয়োগের কাছে নতি স্বীকার করবে না ইরান। তিনি আরও বলেন, “যদি তারা যুক্তির ভাষায় কথা বলে, তাহলে সংলাপ সম্ভব। কিন্তু হুমকি বা ভয়ভীতির ভাষা কখনোই ফলপ্রসূ হবে না।” একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র একদিকে ইরানের ওপর সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগ করছে, অন্যদিকে আবার আশা করছে তেহরান আলোচনার টেবিলে বসে তাদের একতরফা দাবি মেনে নেবে—যা বাস্তবসম্মত নয়। ইরানের পারমাণবিক প্রযুক্তি পুরোপুরি ত্যাগ করার মার্কিন দাবি সরাসরি নাকচ করে দেন পেজেশকিয়ান। তিনি বলেন, “এই সক্ষমতা থেকে নিজেদের বঞ্চিত করার কোনো প্রশ্নই আসে না। এটি বহু বছরের জাতীয় প্রচেষ্টার ফল।” অন্যদিকে ফোনালাপে ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আল-জাইদি বলেন, ইরানের বর্তমান শক্তি শুধু তাদের একার নয়, বরং শিয়া অনুসারীসহ সকল মুসলমানের জন্য সহায়ক। তিনি আরও বলেন, “ইরানের কাছ থেকে এই ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া আমরা কখনোই মেনে নেব না।” একই সঙ্গে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, যখন দায়েশের সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ইরাকে রক্তপাত ও ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছিল, তখন বাগদাদকে রক্ষা করতে ইসলামী প্রজাতন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। আল-জাইদি মনে করেন, ইরাকের এখনো ইরানের সমর্থন প্রয়োজন। কারণ ইরানের শক্তি যেমন ইরাকের শক্তি, তেমনি ইরানের দুর্বলতা ইরাকের দুর্বলতাও। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, “আমরা দুই দেশের সম্পর্ককে অর্থনীতি, রাজনীতি, নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক সমন্বয়ের ক্ষেত্রে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে কাজ করব।” সবশেষে তিনি বলেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার মতপার্থক্য কেবল আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান সম্ভব। কারণ, ওয়াশিংটন যেমন ইরানের ইসলামী শাসনব্যবস্থা উৎখাত করতে পারবে না, তেমনি সংঘাতও কোনো স্থায়ী সমাধান নয়।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_14.webp" alt="যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির জবাব, আত্মসমর্পণ নয় সংলাপ—মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়াচ্ছে ইরানের কড়া বার্তা" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির জবাব, আত্মসমর্পণ নয় সংলাপ—মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়াচ্ছে ইরানের কড়া বার্তা</h1>
            <p>যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর হুঁশিয়ারির জবাবে এবার স্পষ্ট বার্তা দিল ইরান। দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, “আমাদের কেউ আত্মসমর্পণ করাতে পারবে না।” তিনি জোর দিয়ে জানান, শিয়া ধর্মাবলম্বীদের কখনোই বলপ্রয়োগে বাধ্য করা যায় না। বুধবার (০৬ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে পেজেশকিয়ান জানান, তিনি ইরাকের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। সেই আলোচনায় তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে মধ্যপ্রাচ্য থেকে সামরিক হুমকি সরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান। পেজেশকিয়ান বলেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্র আন্তর্জাতিক আইনের কাঠামোর মধ্যে থেকে যেকোনো সংলাপের জন্য প্রস্তুত। তবে কোনোভাবেই চাপ বা বলপ্রয়োগের কাছে নতি স্বীকার করবে না ইরান। তিনি আরও বলেন, “যদি তারা যুক্তির ভাষায় কথা বলে, তাহলে সংলাপ সম্ভব। কিন্তু হুমকি বা ভয়ভীতির ভাষা কখনোই ফলপ্রসূ হবে না।” একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র একদিকে ইরানের ওপর সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগ করছে, অন্যদিকে আবার আশা করছে তেহরান আলোচনার টেবিলে বসে তাদের একতরফা দাবি মেনে নেবে—যা বাস্তবসম্মত নয়। ইরানের পারমাণবিক প্রযুক্তি পুরোপুরি ত্যাগ করার মার্কিন দাবি সরাসরি নাকচ করে দেন পেজেশকিয়ান। তিনি বলেন, “এই সক্ষমতা থেকে নিজেদের বঞ্চিত করার কোনো প্রশ্নই আসে না। এটি বহু বছরের জাতীয় প্রচেষ্টার ফল।” অন্যদিকে ফোনালাপে ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আল-জাইদি বলেন, ইরানের বর্তমান শক্তি শুধু তাদের একার নয়, বরং শিয়া অনুসারীসহ সকল মুসলমানের জন্য সহায়ক। তিনি আরও বলেন, “ইরানের কাছ থেকে এই ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া আমরা কখনোই মেনে নেব না।” একই সঙ্গে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, যখন দায়েশের সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ইরাকে রক্তপাত ও ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছিল, তখন বাগদাদকে রক্ষা করতে ইসলামী প্রজাতন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। আল-জাইদি মনে করেন, ইরাকের এখনো ইরানের সমর্থন প্রয়োজন। কারণ ইরানের শক্তি যেমন ইরাকের শক্তি, তেমনি ইরানের দুর্বলতা ইরাকের দুর্বলতাও। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, “আমরা দুই দেশের সম্পর্ককে অর্থনীতি, রাজনীতি, নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক সমন্বয়ের ক্ষেত্রে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে কাজ করব।” সবশেষে তিনি বলেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার মতপার্থক্য কেবল আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান সম্ভব। কারণ, ওয়াশিংটন যেমন ইরানের ইসলামী শাসনব্যবস্থা উৎখাত করতে পারবে না, তেমনি সংঘাতও কোনো স্থায়ী সমাধান নয়।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_14.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_14.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_14.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[টানটান উত্তেজনার মাঝে পাকিস্তানের বার্তা: যুদ্ধবিরতি না মানলে মধ্যপ্রাচ্যে বাড়বে অস্থিরতা, সতর্ক করলেন শাহবাজ]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36839</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36839</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 06 May 2026 16:05:43 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Pakistan Iran mediation, UAE missile attack, Shahbaz Sharif statement, Middle East tension news, Iran drone attack UAE, ceasefire call Pakistan, Bilawal Bhutto Zardari BBC, UAE oil port attack, Iran US conflict update, diplomatic talks Middle East, breaking international news, Gulf region crisis, Iran UAE conflict, Pakistan foreign policy, global peace efforts]]></category>
        
        <description><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্যে বাড়তে থাকা উত্তেজনার মধ্যে এবার যুদ্ধবিরতি মেনে চলার আহ্বান জানাল পাকিস্তান। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী দেশ হিসেবে দায়িত্ব পালন করা পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ সংযুক্ত আরব আমিরাতের ওপর সাম্প্রতিক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, গতরাতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে চালানো মিসাইল ও ড্রোন হামলা অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং অগ্রহণযোগ্য। এর আগে সোমবার আরব আমিরাত দাবি করে, তারা একাধিক ইরানি মিসাইল ও ড্রোন প্রতিহত করেছে। এই হামলায় দেশটির একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল বন্দরও আক্রান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। মঙ্গলবার (০৫ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় শাহবাজ শরীফ বলেন, এই অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে হলে যুদ্ধবিরতি বজায় রাখা এবং তা সম্মানের সঙ্গে পালন করা অত্যন্ত জরুরি। একই সঙ্গে আলোচনার জন্য প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক পরিবেশ তৈরি করাও এখন সময়ের দাবি। এদিকে পাকিস্তানের ক্ষমতাসীন জোট সরকারের শরিক পাকিস্তান পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি একই সুরে কথা বলেছেন। বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিসের ‘নিউজডে’ প্রোগ্রামে তিনি বলেন, উভয় পক্ষের উচিত উত্তেজনা বাড়ানো থেকে বিরত থাকা এবং কূটনৈতিক সমাধানের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকা। জারদারি আরও জানান, পাকিস্তান এখনো দুই পক্ষের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান চালিয়ে যাচ্ছে এবং আস্থা তৈরির চেষ্টা করছে। তবে সাম্প্রতিক হামলার মতো ঘটনা শান্তি প্রক্রিয়াকে আরও জটিল করে তুলছে বলেও তিনি সতর্ক করেন।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_13.webp" alt="টানটান উত্তেজনার মাঝে পাকিস্তানের বার্তা: যুদ্ধবিরতি না মানলে মধ্যপ্রাচ্যে বাড়বে অস্থিরতা, সতর্ক করলেন শাহবাজ" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>টানটান উত্তেজনার মাঝে পাকিস্তানের বার্তা: যুদ্ধবিরতি না মানলে মধ্যপ্রাচ্যে বাড়বে অস্থিরতা, সতর্ক করলেন শাহবাজ</h1>
            <p>মধ্যপ্রাচ্যে বাড়তে থাকা উত্তেজনার মধ্যে এবার যুদ্ধবিরতি মেনে চলার আহ্বান জানাল পাকিস্তান। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী দেশ হিসেবে দায়িত্ব পালন করা পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ সংযুক্ত আরব আমিরাতের ওপর সাম্প্রতিক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, গতরাতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে চালানো মিসাইল ও ড্রোন হামলা অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং অগ্রহণযোগ্য। এর আগে সোমবার আরব আমিরাত দাবি করে, তারা একাধিক ইরানি মিসাইল ও ড্রোন প্রতিহত করেছে। এই হামলায় দেশটির একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল বন্দরও আক্রান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। মঙ্গলবার (০৫ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় শাহবাজ শরীফ বলেন, এই অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে হলে যুদ্ধবিরতি বজায় রাখা এবং তা সম্মানের সঙ্গে পালন করা অত্যন্ত জরুরি। একই সঙ্গে আলোচনার জন্য প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক পরিবেশ তৈরি করাও এখন সময়ের দাবি। এদিকে পাকিস্তানের ক্ষমতাসীন জোট সরকারের শরিক পাকিস্তান পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি একই সুরে কথা বলেছেন। বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিসের ‘নিউজডে’ প্রোগ্রামে তিনি বলেন, উভয় পক্ষের উচিত উত্তেজনা বাড়ানো থেকে বিরত থাকা এবং কূটনৈতিক সমাধানের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকা। জারদারি আরও জানান, পাকিস্তান এখনো দুই পক্ষের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান চালিয়ে যাচ্ছে এবং আস্থা তৈরির চেষ্টা করছে। তবে সাম্প্রতিক হামলার মতো ঘটনা শান্তি প্রক্রিয়াকে আরও জটিল করে তুলছে বলেও তিনি সতর্ক করেন।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_13.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_13.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_13.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[বড় ফাটকা! সিরি নিয়ে ভুল তথ্য দিয়ে অ্যাপেলকে ২৫ কোটি ডলার জরিমানা]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36838</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36838</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 06 May 2026 16:05:38 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[যুক্তরাজ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Apple fined $250 million Siri AI, Apple misleading advertising case, iPhone 16 AI features false claims, Apple class action settlement, Better Business Bureau Apple ruling, Apple AI features delayed indefinitely, iPhone 15 Pro false advertising, Apple customer compensation 95 dollars, US court Siri lawsuit, Apple AI promises not delivered, tech giant penalty AI marketing, Apple privacy settlement 2025, iPhone false advertisement case, Apple damages per device, AI technology consumer protection]]></category>
        
        <description><![CDATA[আইফোনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সমর্থিত সিরি নিয়ে ক্রেতাদের বিভ্রান্ত করেছে বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যাপেল। আর সেই অভিযোগে ২৫ কোটি ডলার (প্রায় ২,৭৫০ কোটি টাকা) জরিমানা দিতে রাজি হয়েছে তারা। যুক্তরাষ্ট্রে দায়ের করা একটি ক্লাস অ্যাকশন মামলার নিষ্পত্তি করতেই এই অর্থ দিতে হচ্ছে অ্যাপেলকে। বুধবার (৬ মে) দ্য স্ট্রেইটস টাইমস জানিয়েছে, ২০২৪ সালের শেষ দিকে আইফোন বিক্রি বাড়াতে এমন কিছু এআই সুবিধার কথা প্রচার করেছিল অ্যাপেল, যা তখনো আসেনি। সেসব সুবিধা এখনো পুরোপুরি চালু হয়নি। বরং আরও কয়েক বছর সময় লাগতে পারে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞাপন তদারকি সংস্থা বেটার বিজনেস ব্যুরো ন্যাশনাল এডভার্টাইজিং ডিভিশন (বিবিএনএএডি) জানিয়েছে, নতুন এআই-চালিত সিরি ব্যবহার নিয়ে অ্যাপেল ভুল ইঙ্গিত দিয়েছিল। আদালতে জমা দেওয়া অভিযোগে অ্যাপেল কোনো দোষ স্বীকার করেনি। তবুও এই মামলায় প্রায় ৩ কোটি ৬০ লাখ ডিভাইস অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে আছে আইফোন ১৬, আইফোন ১৫ প্রো ও আইফোন ১৫ প্রো ম্যাক্স। এই ডিভাইসগুলো ২০২৪ সালের ১০ জুন থেকে ২০২৫ সালের ২৯ মার্চের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে বিক্রি হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রত্যেক গ্রাহক ডিভাইসপ্রতি ২৫ থেকে ৯৫ ডলার ক্ষতিপূরণ পেতে পারেন। অ্যাপেল এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বিষয়টি তারা মিটিয়ে নিয়েছে, যাতে ক্রেতাদের পণ্য ও সেবা দেয়ায় কোনো বাধা না আসে। ভোক্তাদের পক্ষে মামলা করা আইনজীবী রায়ান ক্লার্কসন বলেছেন, এই সমঝোতা চুক্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত। তাঁর ভাষায়, ‘এআই প্রযুক্তির ক্ষেত্রে আমরা বড় একটা মোড়ে দাঁড়িয়ে। কোম্পানি ও নিয়ন্ত্রকদের সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে প্রযুক্তি সাধারণ মানুষের জীবনে কী প্রভাব ফেলছে।’ প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালে এআই-সমর্থিত সিরির প্রচারে বড় বিজ্ঞাপন চালিয়েছিল অ্যাপেল। পরে এসব সুবিধা অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করে বিজ্ঞাপন সরিয়ে নেয় প্রতিষ্ঠানটি। আগামী ১৭ জুন নোয়েল ওয়াইজের আদালতে শুনানির মাধ্যমে এই সমঝোতা অনুমোদনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_12.webp" alt="বড় ফাটকা! সিরি নিয়ে ভুল তথ্য দিয়ে অ্যাপেলকে ২৫ কোটি ডলার জরিমানা" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>বড় ফাটকা! সিরি নিয়ে ভুল তথ্য দিয়ে অ্যাপেলকে ২৫ কোটি ডলার জরিমানা</h1>
            <p>আইফোনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সমর্থিত সিরি নিয়ে ক্রেতাদের বিভ্রান্ত করেছে বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যাপেল। আর সেই অভিযোগে ২৫ কোটি ডলার (প্রায় ২,৭৫০ কোটি টাকা) জরিমানা দিতে রাজি হয়েছে তারা। যুক্তরাষ্ট্রে দায়ের করা একটি ক্লাস অ্যাকশন মামলার নিষ্পত্তি করতেই এই অর্থ দিতে হচ্ছে অ্যাপেলকে। বুধবার (৬ মে) দ্য স্ট্রেইটস টাইমস জানিয়েছে, ২০২৪ সালের শেষ দিকে আইফোন বিক্রি বাড়াতে এমন কিছু এআই সুবিধার কথা প্রচার করেছিল অ্যাপেল, যা তখনো আসেনি। সেসব সুবিধা এখনো পুরোপুরি চালু হয়নি। বরং আরও কয়েক বছর সময় লাগতে পারে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞাপন তদারকি সংস্থা বেটার বিজনেস ব্যুরো ন্যাশনাল এডভার্টাইজিং ডিভিশন (বিবিএনএএডি) জানিয়েছে, নতুন এআই-চালিত সিরি ব্যবহার নিয়ে অ্যাপেল ভুল ইঙ্গিত দিয়েছিল। আদালতে জমা দেওয়া অভিযোগে অ্যাপেল কোনো দোষ স্বীকার করেনি। তবুও এই মামলায় প্রায় ৩ কোটি ৬০ লাখ ডিভাইস অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে আছে আইফোন ১৬, আইফোন ১৫ প্রো ও আইফোন ১৫ প্রো ম্যাক্স। এই ডিভাইসগুলো ২০২৪ সালের ১০ জুন থেকে ২০২৫ সালের ২৯ মার্চের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে বিক্রি হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রত্যেক গ্রাহক ডিভাইসপ্রতি ২৫ থেকে ৯৫ ডলার ক্ষতিপূরণ পেতে পারেন। অ্যাপেল এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বিষয়টি তারা মিটিয়ে নিয়েছে, যাতে ক্রেতাদের পণ্য ও সেবা দেয়ায় কোনো বাধা না আসে। ভোক্তাদের পক্ষে মামলা করা আইনজীবী রায়ান ক্লার্কসন বলেছেন, এই সমঝোতা চুক্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত। তাঁর ভাষায়, ‘এআই প্রযুক্তির ক্ষেত্রে আমরা বড় একটা মোড়ে দাঁড়িয়ে। কোম্পানি ও নিয়ন্ত্রকদের সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে প্রযুক্তি সাধারণ মানুষের জীবনে কী প্রভাব ফেলছে।’ প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালে এআই-সমর্থিত সিরির প্রচারে বড় বিজ্ঞাপন চালিয়েছিল অ্যাপেল। পরে এসব সুবিধা অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করে বিজ্ঞাপন সরিয়ে নেয় প্রতিষ্ঠানটি। আগামী ১৭ জুন নোয়েল ওয়াইজের আদালতে শুনানির মাধ্যমে এই সমঝোতা অনুমোদনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_12.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_12.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_12.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[কেশম দ্বীপে বিকট শব্দ! ইরানের আকাশে ড্রোন ধ্বংস করে বড় ঘোষণা]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36837</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36837</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 06 May 2026 16:05:27 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Iran shoots down drones, Qeshm Island explosion sound, Hormuz Strait drone incident, Iranian air defense active, spy drones downed by Iran, US Iran ceasefire ongoing, Trump suspends Project Freedom, Iran naval blockade continues, Keshim Island news, drone interception Tehran, Iran warns US drones, Gulf tensions latest updates, Pakistan requests Trump, Iran nuclear deal progress, Middle East military escalation]]></category>
        
        <description><![CDATA[হরমুজ প্রণালির কৌশলগত দ্বীপ কেশমে হঠাৎ বিকট শব্দ শোনা গেল! ইরান দাবি করেছে, একাধিক গুপ্তচর ড্রোন ভূপাতিত করার সময়ই এই আওয়াজ তৈরি হয়েছে। খবর আল জাজিরার। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কেশম দ্বীপে কোনো বিস্ফোরণ বা ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেনি। ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বেশ কয়েকটি গোয়েন্দা ড্রোনের গতিবিধি শনাক্ত করার পর সক্রিয় হয়ে ওঠে। তখন ওই ড্রোনগুলো মোকাবিলা করতে গিয়েই ওই বিকট শব্দ তৈরি হয়। হরমুজ প্রণালিতে ইরানের এই কৌশলগত দ্বীপে বিস্ফোরণের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ায় দ্রুত বিবৃতি দেয় দেশটি। জানিয়ে দেয়, আকাশ থেকেই প্রতিহত হয়েছে সব হুমকি। প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চললেও সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বেশ কয়েকবার ড্রোন প্রতিহত করেছে। এমনকি সম্প্রতি তেহরানের আকাশেও ড্রোন শনাক্ত ও প্রতিহত করার খবর পাওয়া গেছে। এদিকে ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় অগ্রগতি দেখে যুক্তরাষ্ট্রও বড় ধরনের ঘোষণা দিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তির বিষয়ে অগ্রগতি ও পাকিস্তানসহ কয়েকটি দেশের অনুরোধে হরমুজ প্রণালিতে চলমান সামরিক অভিযান ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ স্থগিত করা হয়েছে। তবে তিনি পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, ইরানের বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ পুরোপুরি কার্যকর থাকবে। বাংলাদেশ সময় বুধবার (৬ মে) ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে ট্রাম্প এই ঘোষণা দেন। ইরান এখন কী প্রতিক্রিয়া জানায়, সেদিকেই তাকিয়ে বিশ্ব।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_11.webp" alt="কেশম দ্বীপে বিকট শব্দ! ইরানের আকাশে ড্রোন ধ্বংস করে বড় ঘোষণা" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>কেশম দ্বীপে বিকট শব্দ! ইরানের আকাশে ড্রোন ধ্বংস করে বড় ঘোষণা</h1>
            <p>হরমুজ প্রণালির কৌশলগত দ্বীপ কেশমে হঠাৎ বিকট শব্দ শোনা গেল! ইরান দাবি করেছে, একাধিক গুপ্তচর ড্রোন ভূপাতিত করার সময়ই এই আওয়াজ তৈরি হয়েছে। খবর আল জাজিরার। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কেশম দ্বীপে কোনো বিস্ফোরণ বা ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেনি। ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বেশ কয়েকটি গোয়েন্দা ড্রোনের গতিবিধি শনাক্ত করার পর সক্রিয় হয়ে ওঠে। তখন ওই ড্রোনগুলো মোকাবিলা করতে গিয়েই ওই বিকট শব্দ তৈরি হয়। হরমুজ প্রণালিতে ইরানের এই কৌশলগত দ্বীপে বিস্ফোরণের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ায় দ্রুত বিবৃতি দেয় দেশটি। জানিয়ে দেয়, আকাশ থেকেই প্রতিহত হয়েছে সব হুমকি। প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চললেও সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বেশ কয়েকবার ড্রোন প্রতিহত করেছে। এমনকি সম্প্রতি তেহরানের আকাশেও ড্রোন শনাক্ত ও প্রতিহত করার খবর পাওয়া গেছে। এদিকে ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় অগ্রগতি দেখে যুক্তরাষ্ট্রও বড় ধরনের ঘোষণা দিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তির বিষয়ে অগ্রগতি ও পাকিস্তানসহ কয়েকটি দেশের অনুরোধে হরমুজ প্রণালিতে চলমান সামরিক অভিযান ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ স্থগিত করা হয়েছে। তবে তিনি পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, ইরানের বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ পুরোপুরি কার্যকর থাকবে। বাংলাদেশ সময় বুধবার (৬ মে) ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে ট্রাম্প এই ঘোষণা দেন। ইরান এখন কী প্রতিক্রিয়া জানায়, সেদিকেই তাকিয়ে বিশ্ব।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_11.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_11.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_11.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[বড় খবর দিলেন ট্রাম্প! ইঙ্গিতে লাফ দিয়ে নেমে গেল তেলের দাম]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36836</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36836</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 06 May 2026 16:05:47 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[এশিয়া]]></category>
                        <category><![CDATA[Trump hints Iran peace deal, crude oil price drops, Brent crude 108 dollars, WTI crude 100 dollars, Hormuz Strait oil tankers, US Iran ceasefire talks, global oil supply increase, oil prices fall second day, Middle East tension eases, US naval blockade Iran, oil inventories drop US, refinery pressure supply, Trump announcement oil market, Iran nuclear deal prospects, fuel prices relief global]]></category>
        
        <description><![CDATA[আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম যেন রোলারকোস্টার! যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির ইঙ্গিত দিতেই টানা দ্বিতীয় দিনের মতো কমেছে তেলের দাম। স্বস্তির খবর বিশ্ববাসীর জন্য। বুধবার (৬ মে) রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্রেন্ট ক্রুডের দাম কমেছে ব্যারেলপ্রতি ১.৬৯ ডলার বা ১.৫ শতাংশ। এখন দাম ১০৮.১৮ ডলার। তার আগের দিনই দাম কমেছিল ৪ শতাংশ। অপর দিকে আমেরিকার ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম কমেছে ১.৬৭ ডলার বা ১.৬ শতাংশ। এখন দাম দাঁড়িয়েছে ১০০.৬০ ডলারে। কিন্তু কেন এই দামপতন? গত মঙ্গলবার ট্রাম্প হঠাৎ জানান, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিরাপদ রাখতে যুক্তরাষ্ট্র যে অভিযান চালাচ্ছিল, তা সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হবে। তিনি আরও জানান, ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য একটা সমঝোতার দিকেই এগোচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি। ইরানের পক্ষ থেকেও তৎক্ষণাৎ কোনো প্রতিক্রিয়া আসেনি। বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই ঘোষণা ইঙ্গিত দিচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা কমে আসার। তাহলে উপসাগরীয় অঞ্চলে আটকে থাকা তেলবাহী জাহাজগুলো ধীরে ধীরে চলাচল শুরু করতে পারবে। বাড়বে তেলের সরবরাহ। তখন আরও কমতে পারে দাম। তবে এখনো পুরো অনিশ্চয়তা কাটেনি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সম্ভাব্য চুক্তি হলেও সরবরাহ স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে। কারণ ট্রাম্প আরও জানিয়েছেন, ইরানের বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ অব্যাহত থাকবে। এই অবরোধের কারণেই বৈশ্বিক বাজারে সরবরাহ কমে গিয়ে গত সপ্তাহে ব্রেন্ট তেলের দাম ২০২২ সালের পর সবচেয়ে উচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছিল। অন্যদিকে হরমুজের উত্তেজনায় বৈশ্বিক মজুতও কমে গেছে। শোধনাগারগুলো চাপের মুখে। তেলের উৎপাদন ঘাটতি পোষানো দায় হয়ে পড়েছে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে টানা তৃতীয় সপ্তাহে অপরিশোধিত তেলের মজুত কমেছে। ১ মে কমেছে প্রায় ৮১ লাখ ব্যারেল। পেট্রোলের মজুত কমেছে ৬১ লাখ ব্যারেল এবং অন্যান্য জ্বালানি তেলের মজুত কমেছে ৪৬ লাখ ব্যারেল।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_10.webp" alt="বড় খবর দিলেন ট্রাম্প! ইঙ্গিতে লাফ দিয়ে নেমে গেল তেলের দাম" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>বড় খবর দিলেন ট্রাম্প! ইঙ্গিতে লাফ দিয়ে নেমে গেল তেলের দাম</h1>
            <p>আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম যেন রোলারকোস্টার! যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির ইঙ্গিত দিতেই টানা দ্বিতীয় দিনের মতো কমেছে তেলের দাম। স্বস্তির খবর বিশ্ববাসীর জন্য। বুধবার (৬ মে) রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্রেন্ট ক্রুডের দাম কমেছে ব্যারেলপ্রতি ১.৬৯ ডলার বা ১.৫ শতাংশ। এখন দাম ১০৮.১৮ ডলার। তার আগের দিনই দাম কমেছিল ৪ শতাংশ। অপর দিকে আমেরিকার ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম কমেছে ১.৬৭ ডলার বা ১.৬ শতাংশ। এখন দাম দাঁড়িয়েছে ১০০.৬০ ডলারে। কিন্তু কেন এই দামপতন? গত মঙ্গলবার ট্রাম্প হঠাৎ জানান, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিরাপদ রাখতে যুক্তরাষ্ট্র যে অভিযান চালাচ্ছিল, তা সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হবে। তিনি আরও জানান, ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য একটা সমঝোতার দিকেই এগোচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি। ইরানের পক্ষ থেকেও তৎক্ষণাৎ কোনো প্রতিক্রিয়া আসেনি। বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই ঘোষণা ইঙ্গিত দিচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা কমে আসার। তাহলে উপসাগরীয় অঞ্চলে আটকে থাকা তেলবাহী জাহাজগুলো ধীরে ধীরে চলাচল শুরু করতে পারবে। বাড়বে তেলের সরবরাহ। তখন আরও কমতে পারে দাম। তবে এখনো পুরো অনিশ্চয়তা কাটেনি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সম্ভাব্য চুক্তি হলেও সরবরাহ স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে। কারণ ট্রাম্প আরও জানিয়েছেন, ইরানের বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ অব্যাহত থাকবে। এই অবরোধের কারণেই বৈশ্বিক বাজারে সরবরাহ কমে গিয়ে গত সপ্তাহে ব্রেন্ট তেলের দাম ২০২২ সালের পর সবচেয়ে উচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছিল। অন্যদিকে হরমুজের উত্তেজনায় বৈশ্বিক মজুতও কমে গেছে। শোধনাগারগুলো চাপের মুখে। তেলের উৎপাদন ঘাটতি পোষানো দায় হয়ে পড়েছে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে টানা তৃতীয় সপ্তাহে অপরিশোধিত তেলের মজুত কমেছে। ১ মে কমেছে প্রায় ৮১ লাখ ব্যারেল। পেট্রোলের মজুত কমেছে ৬১ লাখ ব্যারেল এবং অন্যান্য জ্বালানি তেলের মজুত কমেছে ৪৬ লাখ ব্যারেল।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_10.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_10.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_10.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[জোটের খেলায় নতুন চমক! কংগ্রেসের পর বিজয়ের বাড়তি ‘সাপোর্ট’ চাওয়া]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36835</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36835</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 06 May 2026 16:05:02 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[এশিয়া]]></category>
                        <category><![CDATA[Vijay Thalapathy coalition Tamil Nadu, VCK support to TVK, Thol Thirumavalavan meeting Vijay, Tamil Nadu hung assembly 2026, DMK Congress alliance, TVK needs 10 more seats, Congress supports Thalapathy, CPI CPM Tamil Nadu election, AIADMK 47 seats, Tiruchi East seat bypoll, Perambur Vijay victory, TVK single largest party, Thalapathy government formation, Tamil Nadu political crisis, Vijay coalition updates]]></category>
        
        <description><![CDATA[তামিলনাড়ুর সিংহাসন পেতে জোটের প্রচেষ্টা জোরদার করেছেন অভিনেতা-রাজনীতিক বিজয় থালাপতি। কংগ্রেসের সমর্থন পাওয়ার পর এবার আরেক দলের কাছেও আনুষ্ঠানিকভাবে সমর্থন চাইলেন তিনি। এনডিটিভির খবর অনুযায়ী, বিজয় এবার বিদুথালাই চিরুথাইগল কাতচি (ভিসিকে)-র মুখা থোল থিরুমাভালানের কাছে সমর্থন চেয়েছেন। তবে এখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি ওই দলটি। ভিসিকে নেতারা জানিয়েছেন, তারা বিষয়টি এখনো ভাবছে। এর আগে বিজয় ডিএমকে জোটের কংগ্রেস, সিপিআই ও সিপিএমের কাছেও সমর্থন চেয়েছিলেন। ইতিমধ্যেই কংগ্রেস জানিয়ে দিয়েছে, বিজয় সরকার গঠন করলে তারা সমর্থন দেবে। এখন ভিসিকে, সিপিআই ও সিপিএম সমর্থন দিলে টিভিকে পাবে মোট ১১৯ বিধায়কের সমর্থন। আর এটি সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতার চেয়েও এক আসন বেশি! প্রসঙ্গত, গত মাসে তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনে টিভিকে সবচেয়ে বড় দল হিসেবে উঠে আসে। ২৩৪ আসনের মধ্যে ১০৮টি পায় বিজয়ের দল। সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য দরকার ছিল ১১৮ আসন। ডিএমকে পেয়েছে ৫৯টি, এআইএডিএমকে ৪৭টি আসন। অন্যদিকে সম্ভাব্য জোটসঙ্গী দলগুলোর মধ্যে কংগ্রেস পেয়েছে ৫টি আসন, ভিসিকে ২টি, সিপিআই ২টি ও সিপিএম ২টি আসন। এবার কৌশলগত দিকটাও চমকপ্রদ। বিজয় তিরুচি পূর্ব ও পেরাম্বুর—দুটি আসন থেকে জিতেছেন। তিনি তিরুচি পূর্ব আসন ছেড়ে দেবেন বলে শোনা যাচ্ছে। তাহলে সেখানে হবে উপনির্বাচন। তামিলনাড়ুর সরকার গঠনের সমীকরণ এখনো পুরোপুরি মেলেনি। তবে বিজয়ের জোটের প্রচেষ্টা রাজ্যের রাজনীতিতে যে নতুন মোড় এনেছে, সেটা নিশ্চিত করে বলা যায়।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_9.webp" alt="জোটের খেলায় নতুন চমক! কংগ্রেসের পর বিজয়ের বাড়তি ‘সাপোর্ট’ চাওয়া" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>জোটের খেলায় নতুন চমক! কংগ্রেসের পর বিজয়ের বাড়তি ‘সাপোর্ট’ চাওয়া</h1>
            <p>তামিলনাড়ুর সিংহাসন পেতে জোটের প্রচেষ্টা জোরদার করেছেন অভিনেতা-রাজনীতিক বিজয় থালাপতি। কংগ্রেসের সমর্থন পাওয়ার পর এবার আরেক দলের কাছেও আনুষ্ঠানিকভাবে সমর্থন চাইলেন তিনি। এনডিটিভির খবর অনুযায়ী, বিজয় এবার বিদুথালাই চিরুথাইগল কাতচি (ভিসিকে)-র মুখা থোল থিরুমাভালানের কাছে সমর্থন চেয়েছেন। তবে এখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি ওই দলটি। ভিসিকে নেতারা জানিয়েছেন, তারা বিষয়টি এখনো ভাবছে। এর আগে বিজয় ডিএমকে জোটের কংগ্রেস, সিপিআই ও সিপিএমের কাছেও সমর্থন চেয়েছিলেন। ইতিমধ্যেই কংগ্রেস জানিয়ে দিয়েছে, বিজয় সরকার গঠন করলে তারা সমর্থন দেবে। এখন ভিসিকে, সিপিআই ও সিপিএম সমর্থন দিলে টিভিকে পাবে মোট ১১৯ বিধায়কের সমর্থন। আর এটি সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতার চেয়েও এক আসন বেশি! প্রসঙ্গত, গত মাসে তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনে টিভিকে সবচেয়ে বড় দল হিসেবে উঠে আসে। ২৩৪ আসনের মধ্যে ১০৮টি পায় বিজয়ের দল। সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য দরকার ছিল ১১৮ আসন। ডিএমকে পেয়েছে ৫৯টি, এআইএডিএমকে ৪৭টি আসন। অন্যদিকে সম্ভাব্য জোটসঙ্গী দলগুলোর মধ্যে কংগ্রেস পেয়েছে ৫টি আসন, ভিসিকে ২টি, সিপিআই ২টি ও সিপিএম ২টি আসন। এবার কৌশলগত দিকটাও চমকপ্রদ। বিজয় তিরুচি পূর্ব ও পেরাম্বুর—দুটি আসন থেকে জিতেছেন। তিনি তিরুচি পূর্ব আসন ছেড়ে দেবেন বলে শোনা যাচ্ছে। তাহলে সেখানে হবে উপনির্বাচন। তামিলনাড়ুর সরকার গঠনের সমীকরণ এখনো পুরোপুরি মেলেনি। তবে বিজয়ের জোটের প্রচেষ্টা রাজ্যের রাজনীতিতে যে নতুন মোড় এনেছে, সেটা নিশ্চিত করে বলা যায়।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_9.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_9.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_9.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ রাতের আঁধারে বুলডোজার! কলকাতার নিউমার্কেটে মাংসের দোকানে হামলা বিজেপির]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36834</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36834</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 06 May 2026 16:05:02 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[এশিয়া]]></category>
                        <category><![CDATA[BJP bulldozer attack New Market Kolkata, violence after Bengal election 2026, Hog Market Kolkata vandalism, meat shops attacked in Kolkata, TMC office demolished by BJP, police deployed New Market, Mahua Moitra condemns attack, Derek O’Brien tweet Bengal violence, post-poll violence West Bengal, BJP supporters rampage Kolkata, central forces inactive Bengal, New Market historical area vandalised, political violence in Kolkata, Bengal election result aftermath, BJP TMC clash New Market]]></category>
        
        <description><![CDATA[পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে জয়ের পর রাজ্যে সহিংসতা থামছেই না। বারবার উঠছে ভাঙচুর, হামলা, এমনকি খুনের খবর। এবার সরাসরি কলকাতার ঐতিহ্যবাহী বাজার নিউমার্কেটে হামলা চালালেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। আর এবার লক্ষ্য ছিল মাংসের দোকান! সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, গতকাল মঙ্গলবার (৫ মে) রাতে নিউমার্কেটের ঐতিহাসিক হগ মার্কেট এলাকায় বুলডোজার নিয়ে হাজির হন বিজেপির একদল উগ্র কর্মী। তারা সেখানে অবস্থিত তৃণমূল কংগ্রেসের অফিসটি বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেন। আর সেই সময় পাশের মাংসের দোকানগুলোতেও হামলা চালানো হয়। হঠাৎ বুলডোজার দেখে আতঙ্কে কাঁপেন ওই ব্যস্ত বাজারের ব্যবসায়ীরা। অনেকে তাড়াতাড়ি নিজেদের দোকানের সাটার নামিয়ে দেন। পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে বিশৃঙ্খলা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। এরপর আর কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ওই এলাকায় পুলিশের টহল বাড়ানো হয়েছে। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মহুয়া মৈত্রী। সামাজিক মাধ্যমে তিনি লেখেন, “কলকাতার ঐতিহাসিক নিউমার্কেট। বাঙালিরা পরিবর্তনের মাঝে আনন্দ করছেন।” তার ভাষায়, বিজেপি যেন বুঝতে পারেনি, বাংলার মানুষ শান্তি চায়, অরাজকতা নয়। আরেক তৃণমূল নেত্রী ডেরেক ও ব্রায়েন এক্সে আরও বিস্তারিত লিখেছেন, “মধ্য কলকাতায়, নিউমার্কেটের কাছে পুলিশের অনুমতি নিয়েই বিজয় উল্লাসের অজুহাতে বুলডোজার আনা হয় মাংসের দোকান ভাঙতে। আর কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে চেয়ে দেখেছে। বিজেপিকে বলছি, বিশ্বকে এ চিত্র দেখাতে দ্বিধা করবেন না।”  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_8.webp" alt=" রাতের আঁধারে বুলডোজার! কলকাতার নিউমার্কেটে মাংসের দোকানে হামলা বিজেপির" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1> রাতের আঁধারে বুলডোজার! কলকাতার নিউমার্কেটে মাংসের দোকানে হামলা বিজেপির</h1>
            <p>পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে জয়ের পর রাজ্যে সহিংসতা থামছেই না। বারবার উঠছে ভাঙচুর, হামলা, এমনকি খুনের খবর। এবার সরাসরি কলকাতার ঐতিহ্যবাহী বাজার নিউমার্কেটে হামলা চালালেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। আর এবার লক্ষ্য ছিল মাংসের দোকান! সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, গতকাল মঙ্গলবার (৫ মে) রাতে নিউমার্কেটের ঐতিহাসিক হগ মার্কেট এলাকায় বুলডোজার নিয়ে হাজির হন বিজেপির একদল উগ্র কর্মী। তারা সেখানে অবস্থিত তৃণমূল কংগ্রেসের অফিসটি বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেন। আর সেই সময় পাশের মাংসের দোকানগুলোতেও হামলা চালানো হয়। হঠাৎ বুলডোজার দেখে আতঙ্কে কাঁপেন ওই ব্যস্ত বাজারের ব্যবসায়ীরা। অনেকে তাড়াতাড়ি নিজেদের দোকানের সাটার নামিয়ে দেন। পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে বিশৃঙ্খলা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। এরপর আর কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ওই এলাকায় পুলিশের টহল বাড়ানো হয়েছে। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মহুয়া মৈত্রী। সামাজিক মাধ্যমে তিনি লেখেন, “কলকাতার ঐতিহাসিক নিউমার্কেট। বাঙালিরা পরিবর্তনের মাঝে আনন্দ করছেন।” তার ভাষায়, বিজেপি যেন বুঝতে পারেনি, বাংলার মানুষ শান্তি চায়, অরাজকতা নয়। আরেক তৃণমূল নেত্রী ডেরেক ও ব্রায়েন এক্সে আরও বিস্তারিত লিখেছেন, “মধ্য কলকাতায়, নিউমার্কেটের কাছে পুলিশের অনুমতি নিয়েই বিজয় উল্লাসের অজুহাতে বুলডোজার আনা হয় মাংসের দোকান ভাঙতে। আর কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে চেয়ে দেখেছে। বিজেপিকে বলছি, বিশ্বকে এ চিত্র দেখাতে দ্বিধা করবেন না।”  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_8.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_8.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_8.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[কংগ্রেসের কঠিন শর্ত! তামিলনাড়ুর সিংহাসন পেতে বিরাট ঠেকা থালাপতি বিজয়ের]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36833</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36833</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 06 May 2026 16:05:25 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[এশিয়া]]></category>
                        <category><![CDATA[Thalapathy Vijay government formation, Tamil Nadu election results 2026, TVK needs Congress support, Congress condition no BJP alliance, Edappadi Palaniswami meeting TVK, Rahul Gandhi Tamil Nadu, AIADMK BJP alliance history, TVK seat count 108, Congress 5 seats Tamil Nadu, hung assembly Tamil Nadu, VCK CPI CPM support TVK, Thalapathy Vijay CM race, Tamil Nadu political crisis, Congress ultimatum to TVK, South India coalition politics]]></category>
        
        <description><![CDATA[তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েছে থালাপতি বিজয়ের দল টিভিকে। মোট ২৩৪টি আসনের মধ্যে তারা একাই পেয়েছে ১০৮টি। কিন্তু সরকার গঠনের জন্য দরকার ১১৮টি আসন। অর্থাৎ দরকার আরও ১০টি আসনের সমর্থন। এই অবস্থায় রাহুল গান্ধীর কংগ্রেসসহ কয়েকটি দলের দ্বারস্থ হয়েছে থালাপতির দল। তবে কংগ্রেস তাদের সমর্থনের বিনিময়ে একটা কঠিন শর্ত দিয়েছে। সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু বুধবার (৬ মে) জানিয়েছে, কংগ্রেস পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে— থালাপতি বিজয় যদি তাদের সমর্থন চান, তাহলে তাকে বিজেপি এবং বিজেপি সমর্থিত কোনো দলের সঙ্গে কোনো ধরনের জোট করতে পারবেন না। অপর দিকে এনডিটিভি জানিয়েছে, থালাপতি বিজয়ের দলের কর্তারা ইতিমধ্যেই এআইএডিএমকে-র বস ইদাপ্পাদি কে পালানিস্বামীর বাড়িতে গিয়ে দেখা করেছেন। আর এই দলটি আগে বিজেপির মিত্র ছিল। শুধু এই ঘটনাতেই কংগ্রেস কঠোর অবস্থানে চলে গেছে। তাদের বার্তা স্পষ্ট— বিজেপি বা তাদের সঙ্গী কাউকে সঙ্গে আনলে টিভিকে-কে সমর্থন করবে না কংগ্রেস। এখন হিসাবটা দাঁড়াচ্ছে এমন— তামিলনাড়ুতে কংগ্রেস পেয়েছে ৫টি আসন। টিভিকে-র সঙ্গে কংগ্রেস মিললে আসন হবে ২১৩টি। কিন্তু থালাপতি বিজয় দুটিতে নির্বাচন করায় তাকে একটা আসন ছেড়ে দিতে হবে। তাহলে টিভিকে-র আসন দাঁড়াবে ১০৭-এ। কংগ্রেসের ৫ আসন যোগ করলে মোট দাঁড়ায় ১১২টি। অথচ সরকার গঠনের দরকার ১১৮টি আসন। অর্থাৎ আরও ৬ জন বিধায়কের সমর্থন লাগবে। এই অবস্থায় থালাপতির দল ভিসিকে, সিপিআই ও সিপিএম-এর সঙ্গেও যোগাযোগ করছে। এই দলগুলি সমর্থন দিলেই কেবল সম্ভব হবে টিভিকে-র সরকার গঠন। এখন দেখার, কারা আসে বিজয়ের পাশে!  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_7.webp" alt="কংগ্রেসের কঠিন শর্ত! তামিলনাড়ুর সিংহাসন পেতে বিরাট ঠেকা থালাপতি বিজয়ের" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>কংগ্রেসের কঠিন শর্ত! তামিলনাড়ুর সিংহাসন পেতে বিরাট ঠেকা থালাপতি বিজয়ের</h1>
            <p>তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েছে থালাপতি বিজয়ের দল টিভিকে। মোট ২৩৪টি আসনের মধ্যে তারা একাই পেয়েছে ১০৮টি। কিন্তু সরকার গঠনের জন্য দরকার ১১৮টি আসন। অর্থাৎ দরকার আরও ১০টি আসনের সমর্থন। এই অবস্থায় রাহুল গান্ধীর কংগ্রেসসহ কয়েকটি দলের দ্বারস্থ হয়েছে থালাপতির দল। তবে কংগ্রেস তাদের সমর্থনের বিনিময়ে একটা কঠিন শর্ত দিয়েছে। সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু বুধবার (৬ মে) জানিয়েছে, কংগ্রেস পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে— থালাপতি বিজয় যদি তাদের সমর্থন চান, তাহলে তাকে বিজেপি এবং বিজেপি সমর্থিত কোনো দলের সঙ্গে কোনো ধরনের জোট করতে পারবেন না। অপর দিকে এনডিটিভি জানিয়েছে, থালাপতি বিজয়ের দলের কর্তারা ইতিমধ্যেই এআইএডিএমকে-র বস ইদাপ্পাদি কে পালানিস্বামীর বাড়িতে গিয়ে দেখা করেছেন। আর এই দলটি আগে বিজেপির মিত্র ছিল। শুধু এই ঘটনাতেই কংগ্রেস কঠোর অবস্থানে চলে গেছে। তাদের বার্তা স্পষ্ট— বিজেপি বা তাদের সঙ্গী কাউকে সঙ্গে আনলে টিভিকে-কে সমর্থন করবে না কংগ্রেস। এখন হিসাবটা দাঁড়াচ্ছে এমন— তামিলনাড়ুতে কংগ্রেস পেয়েছে ৫টি আসন। টিভিকে-র সঙ্গে কংগ্রেস মিললে আসন হবে ২১৩টি। কিন্তু থালাপতি বিজয় দুটিতে নির্বাচন করায় তাকে একটা আসন ছেড়ে দিতে হবে। তাহলে টিভিকে-র আসন দাঁড়াবে ১০৭-এ। কংগ্রেসের ৫ আসন যোগ করলে মোট দাঁড়ায় ১১২টি। অথচ সরকার গঠনের দরকার ১১৮টি আসন। অর্থাৎ আরও ৬ জন বিধায়কের সমর্থন লাগবে। এই অবস্থায় থালাপতির দল ভিসিকে, সিপিআই ও সিপিএম-এর সঙ্গেও যোগাযোগ করছে। এই দলগুলি সমর্থন দিলেই কেবল সম্ভব হবে টিভিকে-র সরকার গঠন। এখন দেখার, কারা আসে বিজয়ের পাশে!  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_7.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_7.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_7.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[বড় মেসেজ ইরানের! হরমুজে আটকা পড়েছে দুই মার্কিন জাহাজ]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36832</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36832</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 06 May 2026 16:05:27 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[US ships stranded in Hormuz, Iranian news Fars News, Oman coast rocky area, commercial vessels stuck, US flagged ships Iran, Hormuz Strait blockade, IRGC closes Hormuz, Iran US Israel war update, global oil supply disruption, Hormuz strategic waterway, US Iran reciprocal sanctions, tankers trapped in Hormuz, maritime security Gulf, Iran threatens US ships, fuel prices impact Hormuz]]></category>
        
        <description><![CDATA[আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে আটকা পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পতাকাবাহী দুটি বাণিজ্যিক জাহাজ। ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজ মঙ্গলবার এই তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালির দক্ষিণ দিকের একটা অংশ অগভীর, পাথুরে আর অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। আর এই অংশটাই পড়েছে ওমান উপকূলে। সেখানেই আটকা পড়েছে জাহাজ দুটি। ফার্স নিউজ বলছে, “বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, হরমুজ প্রণালির ওমান উপকূলের পাথুরে জায়গায় আটকে আছে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি বাণিজ্যিক জাহাজ। এমন এলাকা থেকে জাহাজ সামনে বা পেছনে নেওয়া প্রায় অসম্ভব।” এদিকে বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল সংবাদমাধ্যম এএফপি। তবে নৌবাহিনীর কোনো মুখপাত্র এ ব্যাপারে মন্তব্য করতে রাজি হননি। উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর পর এই গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য জলপথ বন্ধ করে দেয় ইরানের অভিজাত প্রতিরক্ষা বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। পরে আইআরজিসি জানায়—এই প্রণালি দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের প্রতি শত্রুভাবাপন্ন দেশগুলোর জাহাজ চলাচল করলেই হামলা করা হবে। হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্ববাজারে তেল-জ্বালানির দামে প্রভাব পড়ে। কারণ বিশ্বের মোট জ্বালানি চাহিদার এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালি দিয়েই পরিবহন হয়। এর মধ্যে গত ১২ এপ্রিল ইরানের বন্দর ও হরমুজে পাল্টা অবরোধ জারি করে যুক্তরাষ্ট্র। এখনও এই গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য পথ দুই দেশের পাল্টাপাল্টি অবরোধের মধ্যে আটকে আছে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_6.webp" alt="বড় মেসেজ ইরানের! হরমুজে আটকা পড়েছে দুই মার্কিন জাহাজ" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>বড় মেসেজ ইরানের! হরমুজে আটকা পড়েছে দুই মার্কিন জাহাজ</h1>
            <p>আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে আটকা পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পতাকাবাহী দুটি বাণিজ্যিক জাহাজ। ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজ মঙ্গলবার এই তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালির দক্ষিণ দিকের একটা অংশ অগভীর, পাথুরে আর অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। আর এই অংশটাই পড়েছে ওমান উপকূলে। সেখানেই আটকা পড়েছে জাহাজ দুটি। ফার্স নিউজ বলছে, “বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, হরমুজ প্রণালির ওমান উপকূলের পাথুরে জায়গায় আটকে আছে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি বাণিজ্যিক জাহাজ। এমন এলাকা থেকে জাহাজ সামনে বা পেছনে নেওয়া প্রায় অসম্ভব।” এদিকে বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল সংবাদমাধ্যম এএফপি। তবে নৌবাহিনীর কোনো মুখপাত্র এ ব্যাপারে মন্তব্য করতে রাজি হননি। উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর পর এই গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য জলপথ বন্ধ করে দেয় ইরানের অভিজাত প্রতিরক্ষা বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। পরে আইআরজিসি জানায়—এই প্রণালি দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের প্রতি শত্রুভাবাপন্ন দেশগুলোর জাহাজ চলাচল করলেই হামলা করা হবে। হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্ববাজারে তেল-জ্বালানির দামে প্রভাব পড়ে। কারণ বিশ্বের মোট জ্বালানি চাহিদার এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালি দিয়েই পরিবহন হয়। এর মধ্যে গত ১২ এপ্রিল ইরানের বন্দর ও হরমুজে পাল্টা অবরোধ জারি করে যুক্তরাষ্ট্র। এখনও এই গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য পথ দুই দেশের পাল্টাপাল্টি অবরোধের মধ্যে আটকে আছে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_6.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_6.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_6.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[শত্রুতা ভুলে! আরব সাগরে ভারতীয় নাবিকদের উদ্ধারে পাকিস্তান]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36831</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36831</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 06 May 2026 16:05:45 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[এশিয়া]]></category>
                        <category><![CDATA[Pakistan Navy rescues Indian sailors, MV Gautam stranded in Arabian Sea, India Pakistan cooperation rescue mission, Pakistani naval ship PMSS Kashmir, Indian crew members saved by Pakistan, Arabian Sea engine breakdown rescue, maritime rescue India Pakistan, emergency aid for Indian vessel, Pakistan helps Indian sailors food medicine, India Pakistan humanitarian gesture, Gulf Times rescue photos, Indian ship stranded near Oman, Pakistan Maritime Security Agency, India Maritime Rescue Coordination Centre, unexpected friendship at sea]]></category>
        
        <description><![CDATA[আরব সাগরে গুরুতর যান্ত্রিক সমস্যায় আটকে পড়া ভারতীয় জাহাজের নাবিকদের জরুরি সহায়তা দিয়েছে পাকিস্তানের নৌবাহিনী। এমন তথ্যই জানা যাচ্ছে মঙ্গলবার সামরিক বাহিনীর বিবৃতি থেকে, যা নিশ্চিত করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম রয়টার্স। জাহাজটির নাম ‘এমভি গৌতম’। ক্রু বা নাবিক রয়েছেন মোট ৬ জন—৫ জন ভারতীয় ও একজন ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক। কয়েক দিন আগে ওমানের বন্দর থেকে ভারতের উদ্দেশে রওনা দেয় জাহাজটি। কিন্তু পথিমধ্যে হঠাৎ ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। ফলে সমুদ্রেই আটকা পড়ে তারা। এর মধ্যে খাবার, ওষুধ এবং অন্যান্য জরুরি রসদ প্রায় শেষের দিকে। তখনই সাহায্যের জন্য এসওএস (জরুরি সহায়তা) বার্তা পাঠায় জাহাজের নাবিকেরা। বার্তা পায় ভারতের সামুদ্রিক উদ্ধারকারী সংস্থা—মেরিটাইম রেসকিউ অ্যান্ড কো-অর্ডিনেশন সেন্টার (এমআরসিসি)-এর মুম্বাই শাখা। ঘটনার গুরুত্ব বুঝে দ্রুত পাকিস্তান সরকারের কাছে সহযোগিতা চায় ভারত। আর সেই অনুরোধেই এগিয়ে আসে পাকিস্তানের নৌবাহিনী। তারা আরব সাগরে নিজেদের জাহাজ ‘পিএমএসএস কাশ্মির’ পাঠায়। পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বিবৃতি অনুযায়ী, ‘এমভি গৌতম’-এর নাবিকদের খাবার, ওষুধ এবং প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জাহাজের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করেছে তাদের নৌবাহিনী। এ অভিযানে ‘পাকিস্তান মেরিটাইম সিকিউরিটি এজেন্সি’ (পিএমএসএ)-ও সহযোগিতা করে। আরব সাগরে আটকে পড়া এই জাহাজে সাহায্যের ছবিও সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করেছে কাতারের অন্যতম প্রধান ইংরেজি দৈনিক ‘দ্য গালফ টাইমস’। উল্লেখ্য, গত মাসেও আরব সাগরে আটকা পড়া একটি জাহাজের ১৮ জন ক্রুকে উদ্ধার করেছিল পাকিস্তান। সেই নাবিকদের মধ্যে ছিলেন চীন, মিয়ানমার, ভিয়েতনাম, বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার নাগরিকেরা।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_5.webp" alt="শত্রুতা ভুলে! আরব সাগরে ভারতীয় নাবিকদের উদ্ধারে পাকিস্তান" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>শত্রুতা ভুলে! আরব সাগরে ভারতীয় নাবিকদের উদ্ধারে পাকিস্তান</h1>
            <p>আরব সাগরে গুরুতর যান্ত্রিক সমস্যায় আটকে পড়া ভারতীয় জাহাজের নাবিকদের জরুরি সহায়তা দিয়েছে পাকিস্তানের নৌবাহিনী। এমন তথ্যই জানা যাচ্ছে মঙ্গলবার সামরিক বাহিনীর বিবৃতি থেকে, যা নিশ্চিত করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম রয়টার্স। জাহাজটির নাম ‘এমভি গৌতম’। ক্রু বা নাবিক রয়েছেন মোট ৬ জন—৫ জন ভারতীয় ও একজন ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক। কয়েক দিন আগে ওমানের বন্দর থেকে ভারতের উদ্দেশে রওনা দেয় জাহাজটি। কিন্তু পথিমধ্যে হঠাৎ ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। ফলে সমুদ্রেই আটকা পড়ে তারা। এর মধ্যে খাবার, ওষুধ এবং অন্যান্য জরুরি রসদ প্রায় শেষের দিকে। তখনই সাহায্যের জন্য এসওএস (জরুরি সহায়তা) বার্তা পাঠায় জাহাজের নাবিকেরা। বার্তা পায় ভারতের সামুদ্রিক উদ্ধারকারী সংস্থা—মেরিটাইম রেসকিউ অ্যান্ড কো-অর্ডিনেশন সেন্টার (এমআরসিসি)-এর মুম্বাই শাখা। ঘটনার গুরুত্ব বুঝে দ্রুত পাকিস্তান সরকারের কাছে সহযোগিতা চায় ভারত। আর সেই অনুরোধেই এগিয়ে আসে পাকিস্তানের নৌবাহিনী। তারা আরব সাগরে নিজেদের জাহাজ ‘পিএমএসএস কাশ্মির’ পাঠায়। পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বিবৃতি অনুযায়ী, ‘এমভি গৌতম’-এর নাবিকদের খাবার, ওষুধ এবং প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জাহাজের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করেছে তাদের নৌবাহিনী। এ অভিযানে ‘পাকিস্তান মেরিটাইম সিকিউরিটি এজেন্সি’ (পিএমএসএ)-ও সহযোগিতা করে। আরব সাগরে আটকে পড়া এই জাহাজে সাহায্যের ছবিও সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করেছে কাতারের অন্যতম প্রধান ইংরেজি দৈনিক ‘দ্য গালফ টাইমস’। উল্লেখ্য, গত মাসেও আরব সাগরে আটকা পড়া একটি জাহাজের ১৮ জন ক্রুকে উদ্ধার করেছিল পাকিস্তান। সেই নাবিকদের মধ্যে ছিলেন চীন, মিয়ানমার, ভিয়েতনাম, বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার নাগরিকেরা।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_5.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_5.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_5.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[শেষ হলো ইরানে যুদ্ধ! বড় ঘোষণা মার্কিন মন্ত্রী রুবিওর]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36830</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36830</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 06 May 2026 16:05:04 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[যুক্তরাজ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[US ends military operation in Iran, Operation Epic Fury over, Marco Rubio ABC interview, US Iran war update, Iran nuclear deal news, Hormuz Strait reopening, US Iran ceasefire continues, Iran missile program US, Khamenei killed in war, IRGC commander dead, US Iran negotiation Geneva, Middle East war 2025, US troops Gulf bases attacked, Iran drone missile strikes, US peace deal with Iran]]></category>
        
        <description><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র ইরানে যে সামরিক অভিযান শুরু করেছিল, তা শেষ হয়েছে। নিজেই এই তথ্য জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা মার্কো রুবিও। গতকাল মঙ্গলবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রুবিও জানান, “ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শেষ করেছে মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনী। আমরা এই অভিযান যেই লক্ষ্যে শুরু করেছিলাম, তা পূরণ হয়েছে।” তবে ইরানে আর কোনও নতুন সামরিক অভিযান চালানোর পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের নেই বলেও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। রুবিও বলেন, “আমরা নতুন কোনও পরিস্থিতি তৈরি করতে চাইছি না। আমরা শান্তির পথে হাঁটতে চাই। আমাদের প্রেসিডেন্ট একটি চুক্তি চান। তিনি আলোচনার মাধ্যমে একটি সমঝোতা স্মারক তৈরি করতে চান, যাতে ভবিষ্যতের আলোচনার জন্য জরুরি সব বিষয় থাকে। তিনি চান হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে দেওয়া হোক—যাতে বিশ্ব ফের আগের জায়গায় ফিরতে পারে।” প্রসঙ্গত, ইরানের পরমাণু প্রকল্প ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে প্রায় দুই যুগ ধরে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে টানাপোড়েন চলছে। ২০২৫ সালের জুনে এই ইস্যুতে ১২ দিনের সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। পরমাণু ইস্যুতে ইরানের সঙ্গে সমঝোতার জন্য গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় বৈঠক হয় দুই পক্ষের প্রতিনিধিদলের মধ্যে। কিন্তু ২১ দিনের দফায় দফায় আলোচনার পরও কোনও চুক্তি হয়নি। তার পরের দিনই ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। এই যুদ্ধে ইতিমধ্যেই নিহত হয়েছেন ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানি, আইআরজিসি-র শীর্ষ কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপৌরসহ বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। এছাড়া ইরানের বহু সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনা ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নিহতের সংখ্যা ৩ হাজারের বেশি। অন্যদিকে ইরানও পাল্টা জবাব দিতে ছাড়েনি। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের ৬ দেশে—সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমানে অবস্থিত মার্কিন সেনাঘাঁটি লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে আসছে ইরান। টানা ৪০ দিন যুদ্ধের পর ৮ এপ্রিল থেকে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র। সেই বিরতি এখনও বহাল রয়েছে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_4.webp" alt="শেষ হলো ইরানে যুদ্ধ! বড় ঘোষণা মার্কিন মন্ত্রী রুবিওর" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>শেষ হলো ইরানে যুদ্ধ! বড় ঘোষণা মার্কিন মন্ত্রী রুবিওর</h1>
            <p>যুক্তরাষ্ট্র ইরানে যে সামরিক অভিযান শুরু করেছিল, তা শেষ হয়েছে। নিজেই এই তথ্য জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা মার্কো রুবিও। গতকাল মঙ্গলবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রুবিও জানান, “ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শেষ করেছে মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনী। আমরা এই অভিযান যেই লক্ষ্যে শুরু করেছিলাম, তা পূরণ হয়েছে।” তবে ইরানে আর কোনও নতুন সামরিক অভিযান চালানোর পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের নেই বলেও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। রুবিও বলেন, “আমরা নতুন কোনও পরিস্থিতি তৈরি করতে চাইছি না। আমরা শান্তির পথে হাঁটতে চাই। আমাদের প্রেসিডেন্ট একটি চুক্তি চান। তিনি আলোচনার মাধ্যমে একটি সমঝোতা স্মারক তৈরি করতে চান, যাতে ভবিষ্যতের আলোচনার জন্য জরুরি সব বিষয় থাকে। তিনি চান হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে দেওয়া হোক—যাতে বিশ্ব ফের আগের জায়গায় ফিরতে পারে।” প্রসঙ্গত, ইরানের পরমাণু প্রকল্প ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে প্রায় দুই যুগ ধরে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে টানাপোড়েন চলছে। ২০২৫ সালের জুনে এই ইস্যুতে ১২ দিনের সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। পরমাণু ইস্যুতে ইরানের সঙ্গে সমঝোতার জন্য গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় বৈঠক হয় দুই পক্ষের প্রতিনিধিদলের মধ্যে। কিন্তু ২১ দিনের দফায় দফায় আলোচনার পরও কোনও চুক্তি হয়নি। তার পরের দিনই ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। এই যুদ্ধে ইতিমধ্যেই নিহত হয়েছেন ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানি, আইআরজিসি-র শীর্ষ কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপৌরসহ বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। এছাড়া ইরানের বহু সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনা ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নিহতের সংখ্যা ৩ হাজারের বেশি। অন্যদিকে ইরানও পাল্টা জবাব দিতে ছাড়েনি। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের ৬ দেশে—সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমানে অবস্থিত মার্কিন সেনাঘাঁটি লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে আসছে ইরান। টানা ৪০ দিন যুদ্ধের পর ৮ এপ্রিল থেকে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র। সেই বিরতি এখনও বহাল রয়েছে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_4.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_4.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_4.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[বড় ঘোষণা ট্রাম্পের! হরমুজে ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ থামছে, ইরানের উল্লাস]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36829</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36829</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 06 May 2026 16:05:13 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[যুক্তরাজ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Trump suspends Project Freedom, Hormuz Strait news update, US Iran conflict latest, Project Freedom halted, Trump Truth Social post, Iran celebrates victory, US Navy Hormuz blockade, Pakistan mediation Iran US, commercial ships stranded Hormuz, Trump Iran war update, Hormuz oil transport news, Project Freedom temporary pause, US sanctions Iran ports, Iran claims victory over US, Middle East shipping crisis]]></category>
        
        <description><![CDATA[ইরানের অবরোধের কারণে হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর জন্য যুক্তরাষ্ট্র বড় একটা উদ্যোগ নিয়েছিল। নাম দেওয়া হয়েছিল ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’। মার্কিন নৌবাহিনীর প্রহরায় জাহাজগুলোকে নিরাপদে প্রণালি পেরোতে সাহায্য করাই ছিল এই প্রকল্পের লক্ষ্য। কিন্তু সেই প্রকল্পই আপাতত স্থগিত করে দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। খবরটা নিজেই নিশ্চিত করেছেন তিনি। ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ট্রাম্প জানিয়েছেন, এই বিরতি ‘স্বল্প সময়ের জন্য’। মঙ্গলবার করা সেই পোস্টে তিনি লেখেন, “আমরা পরস্পরের সম্মতিতে সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, অবরোধ পুরোদমে কার্যকর থাকলেও, চুক্তিটি চূড়ান্ত ও স্বাক্ষরিত হতে পারে কি না—তা খতিয়ে দেখতে স্বল্প সময়ের জন্য ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ স্থগিত রাখা হবে।” ট্রাম্প আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের অনুরোধেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে তিনি পরিষ্কার করে দিয়েছেন, প্রোজেক্ট ফ্রিডম স্থগিত হলেও ইরানের বন্দরগুলোতে মার্কিন অবরোধ ঠিক আগের মতোই বহাল থাকবে। এই ঘোষণার পর দারুণ খুশি ইরান। দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যমগুলো ট্রাম্পের পোস্টকে ‘ইরানের বিজয়’ হিসেবে দাবি করেছে। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধে ‘ধারাবাহিক ব্যর্থতার’ কারণেই হরমুজ থেকে ‘পিছু হটছেন’ মার্কিন প্রেসিডেন্ট। প্রসঙ্গত, আরব উপসাগর আর পারস্য উপসাগরকে যুক্ত করেছে ১৬৭ কিলোমিটার দীর্ঘ হরমুজ প্রণালি। এই পথ দিয়েই বিশ্বের এক পঞ্চমাংশ তেল-গ্যাস ও জ্বালানি পণ্য পরিবহন হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর পর এই গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য পথে অবরোধ জারি করে ইরান। ফলে প্রণালি, আরব উপসাগর ও পারস্য উপসাগরে আটকা পড়ে শতাধিক জাহাজ। সেই জাহাজগুলোকে মার্কিন নৌবাহিনীর প্রহরায় নিরাপদে হরমুজ পেরোতে সাহায্য করতেই গত ৪ মে ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ নামের নতুন প্রকল্প ঘোষণা করেছিলেন ট্রাম্প। আর মঙ্গলবার সেই প্রকল্পই স্থগিত করে দিলেন তিনি!  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_3.webp" alt="বড় ঘোষণা ট্রাম্পের! হরমুজে ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ থামছে, ইরানের উল্লাস" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>বড় ঘোষণা ট্রাম্পের! হরমুজে ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ থামছে, ইরানের উল্লাস</h1>
            <p>ইরানের অবরোধের কারণে হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর জন্য যুক্তরাষ্ট্র বড় একটা উদ্যোগ নিয়েছিল। নাম দেওয়া হয়েছিল ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’। মার্কিন নৌবাহিনীর প্রহরায় জাহাজগুলোকে নিরাপদে প্রণালি পেরোতে সাহায্য করাই ছিল এই প্রকল্পের লক্ষ্য। কিন্তু সেই প্রকল্পই আপাতত স্থগিত করে দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। খবরটা নিজেই নিশ্চিত করেছেন তিনি। ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ট্রাম্প জানিয়েছেন, এই বিরতি ‘স্বল্প সময়ের জন্য’। মঙ্গলবার করা সেই পোস্টে তিনি লেখেন, “আমরা পরস্পরের সম্মতিতে সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, অবরোধ পুরোদমে কার্যকর থাকলেও, চুক্তিটি চূড়ান্ত ও স্বাক্ষরিত হতে পারে কি না—তা খতিয়ে দেখতে স্বল্প সময়ের জন্য ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ স্থগিত রাখা হবে।” ট্রাম্প আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের অনুরোধেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে তিনি পরিষ্কার করে দিয়েছেন, প্রোজেক্ট ফ্রিডম স্থগিত হলেও ইরানের বন্দরগুলোতে মার্কিন অবরোধ ঠিক আগের মতোই বহাল থাকবে। এই ঘোষণার পর দারুণ খুশি ইরান। দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যমগুলো ট্রাম্পের পোস্টকে ‘ইরানের বিজয়’ হিসেবে দাবি করেছে। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধে ‘ধারাবাহিক ব্যর্থতার’ কারণেই হরমুজ থেকে ‘পিছু হটছেন’ মার্কিন প্রেসিডেন্ট। প্রসঙ্গত, আরব উপসাগর আর পারস্য উপসাগরকে যুক্ত করেছে ১৬৭ কিলোমিটার দীর্ঘ হরমুজ প্রণালি। এই পথ দিয়েই বিশ্বের এক পঞ্চমাংশ তেল-গ্যাস ও জ্বালানি পণ্য পরিবহন হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর পর এই গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য পথে অবরোধ জারি করে ইরান। ফলে প্রণালি, আরব উপসাগর ও পারস্য উপসাগরে আটকা পড়ে শতাধিক জাহাজ। সেই জাহাজগুলোকে মার্কিন নৌবাহিনীর প্রহরায় নিরাপদে হরমুজ পেরোতে সাহায্য করতেই গত ৪ মে ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ নামের নতুন প্রকল্প ঘোষণা করেছিলেন ট্রাম্প। আর মঙ্গলবার সেই প্রকল্পই স্থগিত করে দিলেন তিনি!  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_3.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_3.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_3.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ভাঙচুর, গুলি, খুন! ফলাফল ঘোষণার পর উত্তাল বাংলা, গুলিবিদ্ধ ওসি]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36828</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36828</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 06 May 2026 16:05:30 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[এশিয়া]]></category>
                        <category><![CDATA[West Bengal post-poll violence, BJP vs TMC clash, OC shot in Bengal, Naihati OC injured, Bhangar violence after election, Bengal election result 2024, TMC office vandalised, BJP worker killed Howrah, Abir Sheikh murder Birbhum, Shafiqul Islam shot Murshidabad, Abhishek Banerjee reaction, Shamik Bhattacharya statement, Bengal governor violence report, post-election riots Bengal, political violence India, Mamata Banerjee law and order]]></category>
        
        <description><![CDATA[পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল এসেছে গত সোমবার (৪ মে)। আর সেই দিন রাত থেকেই শুরু হয়ে যায় সহিংসতার একের পর এক ঘটনা। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসতে থাকে ভাঙচুর, সংঘর্ষ, এমনকি খুনের খবর। কলকাতাসহ একাধিক জায়গায় তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর শুরু করে দেয় বিজেপি সমর্থকরা। হামলা চালানো হয় তৃণমূল কর্মীদের উপরও। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হন এক থানার ওসি। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার ন্যাজাট থানার রাজবাড়ি এলাকায়। সেখানে বিজেপি ও তৃণমূল সমর্থকদের মধ্যে বাধে তুমুল সংঘর্ষ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান ওসি ভরত প্রসূন কর। তখনই একটি বাড়ির ভিতর থেকে গুলি চালানো হয় বলে অভিযোগ। সেই গুলি লাগে ওসি ভরতের পায়ে। তাঁর টিমের একজন কনস্টেবলও গুলিবিদ্ধ হন। আহত দু'জনকে কলকাতার চিত্তরঞ্জন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড় তো যেন যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। সেখানে বিজেপি-ঘনিষ্ঠদের হাতে আক্রান্ত হওয়ার অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল। বাড়ি ভাঙচুর, মারধরের অভিযোগ উঠেছে একাধিক জায়গায়। তৃণমূলের অভিযোগ, ভাঙড়ে যিনি জিতেছেন—ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের (আইএসএফ) নেতা-কর্মীরা রাতভর তাণ্ডব চালিয়েছেন। এছাড়া নিমকুড়িয়াতেও ছড়িয়েছে উত্তেজনা। বেঁওতায় তৃণমূল নেতার বাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে। অভিযোগ, তৃণমূল করার ‘অপরাধে’ ওই বাড়িতে ঢুকে মহিলাসহ পুরো পরিবারকে মারধর করা হয়েছে। এমনকি ভাঙড়ের বেঁওতা-১ গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান বাড়ির সিসি ক্যামেরাও ভেঙে দিয়েছে দুষ্কৃতীরা। হাওড়ার উদয়নারায়ণপুরে তো খুনের ঘটনাই ঘটে গেল মঙ্গলবার সকালে। সেখানে বিজেপির এক কর্মীকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। মৃতের নাম যাদব বর (৪৮)। বিজেপি সূত্রে খবর, তিনি জয়ের আনন্দে আবির খেলছিলেন। অভিযোগ, তাঁকে খুন করেছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। বীরভূমের নানুরেও খুনের ঘটনা ঘটেছে। সেখানে স্থানীয় এক তৃণমূল কর্মী আবির শেখকে কুপিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে। পরিবারের অভিযোগ, আবিরকে রাস্তায় একা পেয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হয়। শুধু গ্রাম নয়, শহরেও থমথমে পরিস্থিতি। শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেবের ওয়ার্ডেই তৃণমূলের কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। ওই অফিসে ঢুকে টেবিল-চেয়ার ভাঙচুর করা হয়। তৃণমূলের পতাকা খুলে নেওয়ার অভিযোগও এসেছে। যদিও সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। এদিকে মুর্শিদাবাদের ডোমকল পৌরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে সিপিএম কর্মী শফিকুল ইসলামকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁর গলায় গুলি লেগেছে বলে হাসপাতাল জানিয়েছে। অভিযোগের তীর উঠেছে তৃণমূলের দিকে। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, “যেভাবে আমাদের উপর অত্যাচার হচ্ছে, পার্টি অফিস ভাঙছে, ঘরে ঢুকে মারছে, সবার বলব, তৃণমূলের সৈনিকেরা শক্ত থাকুন। দল আপনাদের সঙ্গে রয়েছে।” তিনি আরও জানান, ইতিমধ্যেই নানুরে ও বেলেঘাটায় কর্মী খুন হয়েছে। ২৪ ঘণ্টায় ৩০০-৪০০ পার্টি অফিস ভাঙচুর হয়েছে। অন্যদিকে সহিংসতা বন্ধে রাজ্যের মুখ্যসচিবের কাছে পদক্ষেপ নিয়েও আর্জি জানিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেছেন, “প্রশাসনকে বলতে চাই, কোথাও যে কোনও হিংসার ঘটনা ঘটলে ব্যবস্থা নিন। কারণ, এই জন্যই বাংলার মানুষ বিজেপিকে বেছে নিয়েছেন।” তবে দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে শমীক বলেছেন, “শান্তিতে থাকুন। খুশি থাকুন। জয়ের আনন্দে কাউকে আঘাত করবেন না। কারও ভাবাবেগে আঘাত দেবেন না।”  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_2.webp" alt="ভাঙচুর, গুলি, খুন! ফলাফল ঘোষণার পর উত্তাল বাংলা, গুলিবিদ্ধ ওসি" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ভাঙচুর, গুলি, খুন! ফলাফল ঘোষণার পর উত্তাল বাংলা, গুলিবিদ্ধ ওসি</h1>
            <p>পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল এসেছে গত সোমবার (৪ মে)। আর সেই দিন রাত থেকেই শুরু হয়ে যায় সহিংসতার একের পর এক ঘটনা। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসতে থাকে ভাঙচুর, সংঘর্ষ, এমনকি খুনের খবর। কলকাতাসহ একাধিক জায়গায় তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর শুরু করে দেয় বিজেপি সমর্থকরা। হামলা চালানো হয় তৃণমূল কর্মীদের উপরও। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হন এক থানার ওসি। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার ন্যাজাট থানার রাজবাড়ি এলাকায়। সেখানে বিজেপি ও তৃণমূল সমর্থকদের মধ্যে বাধে তুমুল সংঘর্ষ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান ওসি ভরত প্রসূন কর। তখনই একটি বাড়ির ভিতর থেকে গুলি চালানো হয় বলে অভিযোগ। সেই গুলি লাগে ওসি ভরতের পায়ে। তাঁর টিমের একজন কনস্টেবলও গুলিবিদ্ধ হন। আহত দু'জনকে কলকাতার চিত্তরঞ্জন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড় তো যেন যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। সেখানে বিজেপি-ঘনিষ্ঠদের হাতে আক্রান্ত হওয়ার অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল। বাড়ি ভাঙচুর, মারধরের অভিযোগ উঠেছে একাধিক জায়গায়। তৃণমূলের অভিযোগ, ভাঙড়ে যিনি জিতেছেন—ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের (আইএসএফ) নেতা-কর্মীরা রাতভর তাণ্ডব চালিয়েছেন। এছাড়া নিমকুড়িয়াতেও ছড়িয়েছে উত্তেজনা। বেঁওতায় তৃণমূল নেতার বাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে। অভিযোগ, তৃণমূল করার ‘অপরাধে’ ওই বাড়িতে ঢুকে মহিলাসহ পুরো পরিবারকে মারধর করা হয়েছে। এমনকি ভাঙড়ের বেঁওতা-১ গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান বাড়ির সিসি ক্যামেরাও ভেঙে দিয়েছে দুষ্কৃতীরা। হাওড়ার উদয়নারায়ণপুরে তো খুনের ঘটনাই ঘটে গেল মঙ্গলবার সকালে। সেখানে বিজেপির এক কর্মীকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। মৃতের নাম যাদব বর (৪৮)। বিজেপি সূত্রে খবর, তিনি জয়ের আনন্দে আবির খেলছিলেন। অভিযোগ, তাঁকে খুন করেছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। বীরভূমের নানুরেও খুনের ঘটনা ঘটেছে। সেখানে স্থানীয় এক তৃণমূল কর্মী আবির শেখকে কুপিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে। পরিবারের অভিযোগ, আবিরকে রাস্তায় একা পেয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হয়। শুধু গ্রাম নয়, শহরেও থমথমে পরিস্থিতি। শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেবের ওয়ার্ডেই তৃণমূলের কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। ওই অফিসে ঢুকে টেবিল-চেয়ার ভাঙচুর করা হয়। তৃণমূলের পতাকা খুলে নেওয়ার অভিযোগও এসেছে। যদিও সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। এদিকে মুর্শিদাবাদের ডোমকল পৌরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে সিপিএম কর্মী শফিকুল ইসলামকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁর গলায় গুলি লেগেছে বলে হাসপাতাল জানিয়েছে। অভিযোগের তীর উঠেছে তৃণমূলের দিকে। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, “যেভাবে আমাদের উপর অত্যাচার হচ্ছে, পার্টি অফিস ভাঙছে, ঘরে ঢুকে মারছে, সবার বলব, তৃণমূলের সৈনিকেরা শক্ত থাকুন। দল আপনাদের সঙ্গে রয়েছে।” তিনি আরও জানান, ইতিমধ্যেই নানুরে ও বেলেঘাটায় কর্মী খুন হয়েছে। ২৪ ঘণ্টায় ৩০০-৪০০ পার্টি অফিস ভাঙচুর হয়েছে। অন্যদিকে সহিংসতা বন্ধে রাজ্যের মুখ্যসচিবের কাছে পদক্ষেপ নিয়েও আর্জি জানিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেছেন, “প্রশাসনকে বলতে চাই, কোথাও যে কোনও হিংসার ঘটনা ঘটলে ব্যবস্থা নিন। কারণ, এই জন্যই বাংলার মানুষ বিজেপিকে বেছে নিয়েছেন।” তবে দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে শমীক বলেছেন, “শান্তিতে থাকুন। খুশি থাকুন। জয়ের আনন্দে কাউকে আঘাত করবেন না। কারও ভাবাবেগে আঘাত দেবেন না।”  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_2.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_2.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_2.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[চমক! পশ্চিমবঙ্গ জয়ের পর মোদিকে ফোনে কী বললেন ট্রাম্প?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36827</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36827</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Wed, 06 May 2026 16:05:08 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[এশিয়া]]></category>
                        <category><![CDATA[Trump calls Modi after Bengal win, PM Modi congratulated by Trump, West Bengal election result 2024, NDA landslide victory, Trump phone call to Modi, Modi Trump friendship, India US relations, BJP wins West Bengal, Mamata Banerjee loses election, historic Modi win, Trump praise for Modi, how lucky India is, White House statement, Modi Trump conversation, Puducherry election result]]></category>
        
        <description><![CDATA[পশ্চিমবঙ্গ-সহ দুই রাজ্য ও এক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এনডিএর বিধানসভা নির্বাচনে দাপুটে জয়ের পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে মোবাইল ফোনে ফোন করে অভিনন্দন জানিয়েছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার (৫ মে) হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র কুশ দেশাই সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে এই তথ্য জানান। তিনি ট্রাম্পের ফোনালাপের কথাও নিশ্চিত করেন। কুশ দেশাই জানান, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রধানমন্ত্রী মোদিকে এই ঐতিহাসিক নির্বাচনী জয়ের জন্য শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।” এর আগেও গত মাসে দুই নেতার ফোনালাপ হয়েছিল। সেবার ট্রাম্প মোদির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে মন্তব্য করেছিলেন, “ভারত কত ভাগ্যবান যে সে মোদির মতো নেতা পেয়েছে।” প্রসঙ্গত, গত সোমবার (৪ মে) পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জিতে প্রথমবার ক্ষমতা দখল করতে চলেছে বিজেপি। পদ্মশিবিরের এই জয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ১৫ বছরের শাসনের পর্দা নামল। অন্যদিকে পুদুচেরিতে বিজেপি তাদের সহযোগী দল এনআর কংগ্রেসের ‘জুনিয়র পার্টনার’ হয়ে দ্বিতীয়বার সরকার গড়তে চলেছে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_1.webp" alt="চমক! পশ্চিমবঙ্গ জয়ের পর মোদিকে ফোনে কী বললেন ট্রাম্প?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>চমক! পশ্চিমবঙ্গ জয়ের পর মোদিকে ফোনে কী বললেন ট্রাম্প?</h1>
            <p>পশ্চিমবঙ্গ-সহ দুই রাজ্য ও এক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এনডিএর বিধানসভা নির্বাচনে দাপুটে জয়ের পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে মোবাইল ফোনে ফোন করে অভিনন্দন জানিয়েছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার (৫ মে) হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র কুশ দেশাই সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে এই তথ্য জানান। তিনি ট্রাম্পের ফোনালাপের কথাও নিশ্চিত করেন। কুশ দেশাই জানান, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রধানমন্ত্রী মোদিকে এই ঐতিহাসিক নির্বাচনী জয়ের জন্য শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।” এর আগেও গত মাসে দুই নেতার ফোনালাপ হয়েছিল। সেবার ট্রাম্প মোদির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে মন্তব্য করেছিলেন, “ভারত কত ভাগ্যবান যে সে মোদির মতো নেতা পেয়েছে।” প্রসঙ্গত, গত সোমবার (৪ মে) পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জিতে প্রথমবার ক্ষমতা দখল করতে চলেছে বিজেপি। পদ্মশিবিরের এই জয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ১৫ বছরের শাসনের পর্দা নামল। অন্যদিকে পুদুচেরিতে বিজেপি তাদের সহযোগী দল এনআর কংগ্রেসের ‘জুনিয়র পার্টনার’ হয়ে দ্বিতীয়বার সরকার গড়তে চলেছে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-6-5-26_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[পাকিস্তান সিরিজের পর বিদায়! সালাউদ্দিন যাচ্ছেন নতুন মিশনে]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/36826</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/36826</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 05 May 2026 17:05:49 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ক্রিকেট]]></category>
                        <category><![CDATA[Mohammad Salahuddin Bangladesh HP coach, Pakistan series last national duty, BCB high performance plan, HP vs Zimbabwe A series, Bangladesh HP team South Africa tour, Bangladesh HP Australia tour 2026, Emerging Asia Cup HP players, Tamim Iqbal BCB president, Salahuddin new assignment, HP squad no age limit, red ball white ball HP players, Sohail Islam Mizanur Babul Rajin Saleh Talha Jubair, Bogura Rajshahi ODI matches, Sylhet four day matches, Bangladesh cricket pipeline]]></category>
        
        <description><![CDATA[জাতীয় দলের জন্য প্রতিভা তৈরি করে দেওয়ার কাজটা অনেকটাই করে দেয় হাই-পারফরম্যান্স (এইচপি) বিভাগ। তাই প্রতি বছর এই বিভাগের জন্য আলাদা করে সাজানো হয় খেলার সূচি। এবারও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। বরং বড় পরিকল্পনা নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। জানা গেছে, এইচপির প্রধান কোচ হচ্ছেন মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। জাতীয় দলের সঙ্গে কাজ করা এই কোচের ওপরেই ভরসা রাখছে বিসিবি। বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালের সঙ্গেও কথা হয়েছে সালাউদ্দিনের। আসন্ন পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ শেষেই তিনি ছাড়বেন জাতীয় দলের দায়িত্ব। এরপর পুরো মনোযোগ থাকবে এইচপি বিভাগে। আর এবারের এইচপিতে বয়সের বাধা থাকছে না। লাল বল আর সাদা বল মিলিয়ে মোট ক্রিকেটার থাকবেন ৩৫ জন। সালাউদ্দিনের সঙ্গে কোচ হিসেবে থাকছেন সোহেল ইসলাম, মিজানুর রহমান বাবুল, রাজিন সালেহ ও তালহা জুবায়েরের মতো অভিজ্ঞরা। সব ঠিক থাকলে এইচপির প্রথম অ্যাসাইনমেন্ট হবে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। আগামী ১ জুন থেকে শুরু হবে ক্যাম্প। ৩ জুন জিম্বাবুয়ে ‘এ’ দল বাংলাদেশ সফরে আসছে। ৮, ১০ ও ১৩ জুন ওয়ানডে সিরিজ হবে বগুড়া ও রাজশাহীতে। তারপর সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে দুটি চারদিনের ম্যাচ। এরপর জুলাইয়ে এইচপি দল সফর করবে দক্ষিণ আফ্রিকায়। সেখানে তিনটি ওয়ানডে ও দুটি চারদিনের ম্যাচ খেলবে তারা। ১৫ আগস্ট থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত থাকবে অস্ট্রেলিয়া সফর। সেখানে টপ এন্ড টি-টোয়েন্টির পর দুটি চারদিনের ম্যাচ। পাশাপাশি ইমার্জিং এশিয়া কাপেও এইচপির ক্রিকেটাররা অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_24.webp" alt="পাকিস্তান সিরিজের পর বিদায়! সালাউদ্দিন যাচ্ছেন নতুন মিশনে" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>পাকিস্তান সিরিজের পর বিদায়! সালাউদ্দিন যাচ্ছেন নতুন মিশনে</h1>
            <p>জাতীয় দলের জন্য প্রতিভা তৈরি করে দেওয়ার কাজটা অনেকটাই করে দেয় হাই-পারফরম্যান্স (এইচপি) বিভাগ। তাই প্রতি বছর এই বিভাগের জন্য আলাদা করে সাজানো হয় খেলার সূচি। এবারও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। বরং বড় পরিকল্পনা নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। জানা গেছে, এইচপির প্রধান কোচ হচ্ছেন মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। জাতীয় দলের সঙ্গে কাজ করা এই কোচের ওপরেই ভরসা রাখছে বিসিবি। বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালের সঙ্গেও কথা হয়েছে সালাউদ্দিনের। আসন্ন পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ শেষেই তিনি ছাড়বেন জাতীয় দলের দায়িত্ব। এরপর পুরো মনোযোগ থাকবে এইচপি বিভাগে। আর এবারের এইচপিতে বয়সের বাধা থাকছে না। লাল বল আর সাদা বল মিলিয়ে মোট ক্রিকেটার থাকবেন ৩৫ জন। সালাউদ্দিনের সঙ্গে কোচ হিসেবে থাকছেন সোহেল ইসলাম, মিজানুর রহমান বাবুল, রাজিন সালেহ ও তালহা জুবায়েরের মতো অভিজ্ঞরা। সব ঠিক থাকলে এইচপির প্রথম অ্যাসাইনমেন্ট হবে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। আগামী ১ জুন থেকে শুরু হবে ক্যাম্প। ৩ জুন জিম্বাবুয়ে ‘এ’ দল বাংলাদেশ সফরে আসছে। ৮, ১০ ও ১৩ জুন ওয়ানডে সিরিজ হবে বগুড়া ও রাজশাহীতে। তারপর সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে দুটি চারদিনের ম্যাচ। এরপর জুলাইয়ে এইচপি দল সফর করবে দক্ষিণ আফ্রিকায়। সেখানে তিনটি ওয়ানডে ও দুটি চারদিনের ম্যাচ খেলবে তারা। ১৫ আগস্ট থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত থাকবে অস্ট্রেলিয়া সফর। সেখানে টপ এন্ড টি-টোয়েন্টির পর দুটি চারদিনের ম্যাচ। পাশাপাশি ইমার্জিং এশিয়া কাপেও এইচপির ক্রিকেটাররা অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_24.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_24.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_24.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[বিশ্বকাপ দেখতে না পেয়েও বসে থাকতে হবে? ভারত-চীনে দেখা দিল শঙ্কার মেঘ!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/36825</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/36825</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 05 May 2026 17:05:45 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ফুটবল]]></category>
                        <category><![CDATA[FIFA World Cup broadcast India, China World Cup TV rights, World Cup 2026 broadcast deal, FIFA media rights India China, World Cup telecast uncertainty, FIFA World Cup start date June 11, Indian football fans World Cup, Chinese World Cup viewership record, FIFA statement India China, World Cup sponsorship crisis, football World Cup news 2026, India China broadcast deadlock, World Cup coverage delay, FIFA 175 territories agreement, World Cup marketing time short]]></category>
        
        <description><![CDATA[ভারত ও চীন—বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ। যেখানে ফুটবল ভক্তের সংখ্যাও লাখ লাখ নয়, কোটি কোটি। কিন্তু ঠিক সেই দুই দেশেই আগামী বিশ্বকাপের সম্প্রচার নিয়ে তৈরি হয়েছে বড় শঙ্কা। কেন? এখনো পর্যন্ত চূড়ান্ত হয়নি সম্প্রচার স্বত্বের চুক্তি। চীনে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি নেই। অথচ ফিফার তথ্য বলছে, ২০২২ বিশ্বকাপে ডিজিটাল ও সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে বিশ্বজুড়ে যত মিনিট খেলা দেখা গিয়েছিল, তার প্রায় অর্ধেকই (৪৯.৮ শতাংশ) ছিল চীনের দখলে। আর ভারতের অবস্থাও প্রায় একই। ফিফা জানিয়েছে, বিশ্বের অন্তত ১৭৫টি অঞ্চলের সম্প্রচারকারীদের সঙ্গে চুক্তি হয়ে গেছে। রয়টার্সকে ফিফা এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘চীন ও ভারতে এখনো আলোচনা চলছে। এই মুহূর্তে বিষয়টি গোপন রাখা আবশ্যক।’ কিন্তু অভিজ্ঞরা বলছেন, এত দেরি করে চুক্তি করা একেবারেই স্বাভাবিক নয়। কারণ ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপের আগে চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম অনেক আগেই স্বত্ব কিনে ফেলেছিল। আর টুর্নামেন্ট শুরুর কয়েক সপ্তাহ আগেই শুরু করেছিল জমিয়ে প্রচার। আগামী ১১ জুন থেকে শুরু হবে বিশ্বকাপ। অর্থাৎ হাতে সময় всего পাঁচ সপ্তাহ। এত কম সময়ে চুক্তি করা, সম্প্রচার ব্যবস্থা তৈরি করা আর স্পন্সরদের বিজ্ঞাপনের জায়গা বিক্রি করা—সত্যি বেশ চ্যালেঞ্জের।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_23.webp" alt="বিশ্বকাপ দেখতে না পেয়েও বসে থাকতে হবে? ভারত-চীনে দেখা দিল শঙ্কার মেঘ!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>বিশ্বকাপ দেখতে না পেয়েও বসে থাকতে হবে? ভারত-চীনে দেখা দিল শঙ্কার মেঘ!</h1>
            <p>ভারত ও চীন—বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ। যেখানে ফুটবল ভক্তের সংখ্যাও লাখ লাখ নয়, কোটি কোটি। কিন্তু ঠিক সেই দুই দেশেই আগামী বিশ্বকাপের সম্প্রচার নিয়ে তৈরি হয়েছে বড় শঙ্কা। কেন? এখনো পর্যন্ত চূড়ান্ত হয়নি সম্প্রচার স্বত্বের চুক্তি। চীনে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি নেই। অথচ ফিফার তথ্য বলছে, ২০২২ বিশ্বকাপে ডিজিটাল ও সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে বিশ্বজুড়ে যত মিনিট খেলা দেখা গিয়েছিল, তার প্রায় অর্ধেকই (৪৯.৮ শতাংশ) ছিল চীনের দখলে। আর ভারতের অবস্থাও প্রায় একই। ফিফা জানিয়েছে, বিশ্বের অন্তত ১৭৫টি অঞ্চলের সম্প্রচারকারীদের সঙ্গে চুক্তি হয়ে গেছে। রয়টার্সকে ফিফা এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘চীন ও ভারতে এখনো আলোচনা চলছে। এই মুহূর্তে বিষয়টি গোপন রাখা আবশ্যক।’ কিন্তু অভিজ্ঞরা বলছেন, এত দেরি করে চুক্তি করা একেবারেই স্বাভাবিক নয়। কারণ ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপের আগে চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম অনেক আগেই স্বত্ব কিনে ফেলেছিল। আর টুর্নামেন্ট শুরুর কয়েক সপ্তাহ আগেই শুরু করেছিল জমিয়ে প্রচার। আগামী ১১ জুন থেকে শুরু হবে বিশ্বকাপ। অর্থাৎ হাতে সময় всего পাঁচ সপ্তাহ। এত কম সময়ে চুক্তি করা, সম্প্রচার ব্যবস্থা তৈরি করা আর স্পন্সরদের বিজ্ঞাপনের জায়গা বিক্রি করা—সত্যি বেশ চ্যালেঞ্জের।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_23.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_23.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_23.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[বড় খবর! শ্রীলঙ্কাকে টেক্কা দিয়ে টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ এখন ৮ নম্বরে]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/36824</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/36824</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 05 May 2026 17:05:54 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ক্রিকেট]]></category>
                        <category><![CDATA[Bangladesh T20 ranking 8th, ICC T20 ranking annual update, Bangladesh ahead of Sri Lanka, India top T20 ranking, England second in T20, Australia third position, New Zealand T20 ranking, South Africa T20 ranking, Pakistan T20 ranking, West Indies T20 ranking, Afghanistan T20 ranking 10th, USA big jump ranking, Zimbabwe Ireland T20 ranking, Netherlands Scotland ranking down, Tigers good news ranking]]></category>
        
        <description><![CDATA[আইসিসি টি-টোয়েন্টি র‌্যাংকিংয়ের বার্ষিক হালনাগাদে দারুণ সুখবর পেয়েছে বাংলাদেশ। র‌্যাংকিংয়ে একধাপ এগিয়ে তারা। আর কী দারুণ! শ্রীলঙ্কাকে পেছনে ফেলে এখন টাইগাররা উঠে এসেছে অষ্টম স্থানে। সর্বশেষ এই র‌্যাংকিংয়ে ২০২৫ সালের মে থেকে খেলা সব ম্যাচকে ১০০ শতাংশ এবং তার আগের দুই বছরের ম্যাচগুলোকে ৫০ শতাংশ গুরুত্ব দিয়ে পয়েন্ট গণনা করা হয়েছে। ২৭৫ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে ভারত। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ইংল্যান্ডের পয়েন্ট ২৬২। আর ২৫৮ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে অস্ট্রেলিয়া। সেরা সাতের অবস্থানে কোনো বদল আসেনি। চার নম্বরে নিউজিল্যান্ড (২৪৭ পয়েন্ট)। পাঁচে দক্ষিণ আফ্রিকা (২৪৪ পয়েন্ট)। ছয় নম্বরে পাকিস্তান (২৪০ পয়েন্ট)। আর সাত নম্বরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ (২৩৩ পয়েন্ট)। শ্রীলঙ্কা ৬ পয়েন্ট হারিয়ে নেমেছে নয় নম্বরে। অন্যদিকে বাংলাদেশ পেয়েছে এক পয়েন্ট। ফলে ২২৫ পয়েন্ট নিয়ে টাইগাররা এখন অষ্টম স্থানে। আফগানিস্তান ২২০ পয়েন্ট নিয়ে আছে দশম স্থানে, যা শ্রীলঙ্কার ঠিক এক পয়েন্ট পেছনে। জিম্বাবুয়ে ও আয়ারল্যান্ড যথাক্রমে ১১ ও ১২ নম্বরে অপরিবর্তিত। তবে বড় লাফ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ৬ পয়েন্ট বাড়িয়ে তারা দুই ধাপ এগিয়ে এখন ১৩ নম্বরে। আর নেদারল্যান্ডস ও স্কটল্যান্ড নামল ১৪ ও ১৫ নম্বরে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_22.webp" alt="বড় খবর! শ্রীলঙ্কাকে টেক্কা দিয়ে টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ এখন ৮ নম্বরে" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>বড় খবর! শ্রীলঙ্কাকে টেক্কা দিয়ে টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ এখন ৮ নম্বরে</h1>
            <p>আইসিসি টি-টোয়েন্টি র‌্যাংকিংয়ের বার্ষিক হালনাগাদে দারুণ সুখবর পেয়েছে বাংলাদেশ। র‌্যাংকিংয়ে একধাপ এগিয়ে তারা। আর কী দারুণ! শ্রীলঙ্কাকে পেছনে ফেলে এখন টাইগাররা উঠে এসেছে অষ্টম স্থানে। সর্বশেষ এই র‌্যাংকিংয়ে ২০২৫ সালের মে থেকে খেলা সব ম্যাচকে ১০০ শতাংশ এবং তার আগের দুই বছরের ম্যাচগুলোকে ৫০ শতাংশ গুরুত্ব দিয়ে পয়েন্ট গণনা করা হয়েছে। ২৭৫ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে ভারত। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ইংল্যান্ডের পয়েন্ট ২৬২। আর ২৫৮ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে অস্ট্রেলিয়া। সেরা সাতের অবস্থানে কোনো বদল আসেনি। চার নম্বরে নিউজিল্যান্ড (২৪৭ পয়েন্ট)। পাঁচে দক্ষিণ আফ্রিকা (২৪৪ পয়েন্ট)। ছয় নম্বরে পাকিস্তান (২৪০ পয়েন্ট)। আর সাত নম্বরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ (২৩৩ পয়েন্ট)। শ্রীলঙ্কা ৬ পয়েন্ট হারিয়ে নেমেছে নয় নম্বরে। অন্যদিকে বাংলাদেশ পেয়েছে এক পয়েন্ট। ফলে ২২৫ পয়েন্ট নিয়ে টাইগাররা এখন অষ্টম স্থানে। আফগানিস্তান ২২০ পয়েন্ট নিয়ে আছে দশম স্থানে, যা শ্রীলঙ্কার ঠিক এক পয়েন্ট পেছনে। জিম্বাবুয়ে ও আয়ারল্যান্ড যথাক্রমে ১১ ও ১২ নম্বরে অপরিবর্তিত। তবে বড় লাফ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ৬ পয়েন্ট বাড়িয়ে তারা দুই ধাপ এগিয়ে এখন ১৩ নম্বরে। আর নেদারল্যান্ডস ও স্কটল্যান্ড নামল ১৪ ও ১৫ নম্বরে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_22.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_22.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_22.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[বুমরাহকে নো বলের জন্য তুলোধুনো! কিংবদন্তি গাভাস্কার যা বললেন, শুনুন]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/36823</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/36823</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 05 May 2026 17:05:55 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ক্রিকেট]]></category>
                        <category><![CDATA[Jasprit Bumrah no ball criticism, Sunil Gavaskar angry on Bumrah, MI vs LSG IPL 2026, Bumrah out of form IPL, Rohit Sharma 84 runs, Ryan Rickelton 83 runs, Mumbai Indians win, Bumrah over step no ball, Gavaskar commentary reaction, Bumrah wicketless spell, IPL bowling failure, MI 6 wickets win LSG, Lucknow Super Giants bottom, Bumrah form decline, hardik pandya MI captain]]></category>
        
        <description><![CDATA[গতকাল ওয়াংখেড়েতে লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। জয় পেলেও মুম্বাই ক্যাম্পে স্বস্তি নেই। কারণ সেখানে দারুণ চাপে আছেন তারকা পেসার জাসপ্রিত বুমরাহ। তার বোলিং নিয়ে চারিদিকে সমালোচনার ঝড়। ম্যাচের পর এবার কড়া ভাষায় সমালোচনা করলেন কিংবদন্তি সুনীল গাভাস্কার। আইপিএলের এই আসরে বেশ খারাপ ফর্মে আছেন বুমরাহ। তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরেক ঘটনা। লক্ষ্ণৌয়ের ইনিংসের ১৪তম ওভারে বোলিংয়ে আসেন বুমরাহ। তখন উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন হিম্মত সিং। কিন্তু রিপ্লেতে দেখা যায়, এটি নো বল! ওভার স্টেপিংয়ের কারণে ক্যাচ বাঁচে। ধারাভাষ্যে তখন সুনীল গাভাস্কার। তিনি সরাসরি ক্ষোভ ঝাড়তে থাকেন। বলেন, ‘এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তুমি একজন পেশাদার ক্রিকেটার। ওয়াইড বলটা বুঝলাম, কিন্তু নো বল? এটা কিছুতেই মেনে নেওয়া যায় না।’ এদিন বুমরাহ তার কোটার চার ওভারে ৪৫ রান দিয়ে কোনো উইকেটই পাননি। পুরো আসর জুড়েই তার পারফরম্যান্স নিম্নমুখী। ঠিক কিছুদিন আগে জাতীয় দলের হয়ে দারুণ ফর্মে ছিলেন। হঠাৎ আইপিএলে এসে যেন ছন্দপতন ঘটেছে তার। যা মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের জন্য সত্যিই চিন্তার বিষয়। অবশ্য লক্ষ্য তাড়ায় দাপট দেখিয়েছে মুম্বাই। ওপেনার রোহিত শর্মা ও রায়ান রিকেলটন গড়েন ১৪৩ রানের ঝড়ো জুটি। রিকেলটন всего ৩২ বলে ৮৩ রান করেন, আর রোহিত ৪৪ বলে ৮৪ রানে অপরাজিত থাকেন। এই জয়ে মুম্বাইয়ের পয়েন্ট ১০ ম্যাচে ৬, আর লক্ষ্ণৌয়ের অবস্থান ৯ ম্যাচে মাত্র ৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের একদম তলানিতে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_21.webp" alt="বুমরাহকে নো বলের জন্য তুলোধুনো! কিংবদন্তি গাভাস্কার যা বললেন, শুনুন" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>বুমরাহকে নো বলের জন্য তুলোধুনো! কিংবদন্তি গাভাস্কার যা বললেন, শুনুন</h1>
            <p>গতকাল ওয়াংখেড়েতে লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। জয় পেলেও মুম্বাই ক্যাম্পে স্বস্তি নেই। কারণ সেখানে দারুণ চাপে আছেন তারকা পেসার জাসপ্রিত বুমরাহ। তার বোলিং নিয়ে চারিদিকে সমালোচনার ঝড়। ম্যাচের পর এবার কড়া ভাষায় সমালোচনা করলেন কিংবদন্তি সুনীল গাভাস্কার। আইপিএলের এই আসরে বেশ খারাপ ফর্মে আছেন বুমরাহ। তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরেক ঘটনা। লক্ষ্ণৌয়ের ইনিংসের ১৪তম ওভারে বোলিংয়ে আসেন বুমরাহ। তখন উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন হিম্মত সিং। কিন্তু রিপ্লেতে দেখা যায়, এটি নো বল! ওভার স্টেপিংয়ের কারণে ক্যাচ বাঁচে। ধারাভাষ্যে তখন সুনীল গাভাস্কার। তিনি সরাসরি ক্ষোভ ঝাড়তে থাকেন। বলেন, ‘এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তুমি একজন পেশাদার ক্রিকেটার। ওয়াইড বলটা বুঝলাম, কিন্তু নো বল? এটা কিছুতেই মেনে নেওয়া যায় না।’ এদিন বুমরাহ তার কোটার চার ওভারে ৪৫ রান দিয়ে কোনো উইকেটই পাননি। পুরো আসর জুড়েই তার পারফরম্যান্স নিম্নমুখী। ঠিক কিছুদিন আগে জাতীয় দলের হয়ে দারুণ ফর্মে ছিলেন। হঠাৎ আইপিএলে এসে যেন ছন্দপতন ঘটেছে তার। যা মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের জন্য সত্যিই চিন্তার বিষয়। অবশ্য লক্ষ্য তাড়ায় দাপট দেখিয়েছে মুম্বাই। ওপেনার রোহিত শর্মা ও রায়ান রিকেলটন গড়েন ১৪৩ রানের ঝড়ো জুটি। রিকেলটন всего ৩২ বলে ৮৩ রান করেন, আর রোহিত ৪৪ বলে ৮৪ রানে অপরাজিত থাকেন। এই জয়ে মুম্বাইয়ের পয়েন্ট ১০ ম্যাচে ৬, আর লক্ষ্ণৌয়ের অবস্থান ৯ ম্যাচে মাত্র ৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের একদম তলানিতে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_21.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_21.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_21.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[এক লাফে ৪৮ ধাপ! বাংলাদেশি এই ক্রিকেটারের রেকর্ডে চোখ কপালে!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/36822</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/36822</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 05 May 2026 17:05:04 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ক্রিকেট]]></category>
                        <category><![CDATA[Sultana Khatun ICC ranking jump 48 places, Bangladesh women cricket T20, Sharmin Akther Supta ranking, Bangladesh vs Sri Lanka women series, ICC T20 women bowler ranking, most wickets in series Sultana Khatun, Bangladesh cricketer good news, women T20 rankings 2026, Salma Khatun bowling figures, Bangladesh women whitewash, ICC ranking update April 2026, T20 women batter top 10, Georgia Voll No 1 batter, Bangladesh cricket improvement, women’s T20 ranking points]]></category>
        
        <description><![CDATA[বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে। তিন ম্যাচেই হার। তবে দল না জিতলেও কিছু ক্রিকেটারের জন্য আছে দারুণ সুখবর। আইসিসির নতুন র‌্যাংকিংয়ে বড় লাফ দিয়েছেন সুলতানা খাতুন ও শারমিন আক্তার সুপ্তারা। তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে সুলতানা খাতুন পান ৬টি উইকেট। তিনিই সিরিজের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি। তিন ম্যাচে ১০ ওভার বল করে মাত্র ৫৮ রান দিয়েছেন। তার সেরা বোলিং ৬ রানে ৩ উইকেট। আর প্রতি উইকেট পেতে সুলতানা খরচ করেছেন всего মাত্র ৯.৬৬ রান! এমন দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পুরস্কার পেলেন র‌্যাংকিংয়ে। এক লাফে ৪৮ ধাপ এগিয়ে তিনি এখন বোলারদের তালিকায় ৩৮ নম্বরে! বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে এটাই সবচেয়ে বড় উন্নতি। শুধু বোলিং নয়, ব্যাটিং র‌্যাংকিংয়েও লাফ দিয়েছেন শারমিন আক্তার সুপ্তা, স্বর্ণা আক্তার ও দিলারা আক্তার। সুপ্তা ১০ ধাপ এগিয়ে এখন ৩৭ নম্বরে। দিলারা ৫ ধাপ এগিয়ে ৫৫ নম্বরে। আর স্বর্ণা বাড়িয়েছেন ১৯ ধাপ! তাঁর অবস্থান এখন ৬২ নম্বরে। সেরা দশে অবশ্য কোনো বদল আসেনি। ৮১৫ পয়েন্ট নিয়ে টি-টোয়েন্টির সেরা ব্যাটার অস্ট্রেলিয়ার জর্জিয়া ভোল। দুই নম্বরে আরেক অজি ব্যাটার বেথ মুনি (৭৮৮ পয়েন্ট)। তিন নম্বরে লরা ওলভার্ট (৭৮৬ পয়েন্ট)। আর চার ও পাঁচ নম্বরে আছেন হেইলি ম্যাথিউস ও স্মৃতি মান্ধানা।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_20.webp" alt="এক লাফে ৪৮ ধাপ! বাংলাদেশি এই ক্রিকেটারের রেকর্ডে চোখ কপালে!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>এক লাফে ৪৮ ধাপ! বাংলাদেশি এই ক্রিকেটারের রেকর্ডে চোখ কপালে!</h1>
            <p>বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে। তিন ম্যাচেই হার। তবে দল না জিতলেও কিছু ক্রিকেটারের জন্য আছে দারুণ সুখবর। আইসিসির নতুন র‌্যাংকিংয়ে বড় লাফ দিয়েছেন সুলতানা খাতুন ও শারমিন আক্তার সুপ্তারা। তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে সুলতানা খাতুন পান ৬টি উইকেট। তিনিই সিরিজের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি। তিন ম্যাচে ১০ ওভার বল করে মাত্র ৫৮ রান দিয়েছেন। তার সেরা বোলিং ৬ রানে ৩ উইকেট। আর প্রতি উইকেট পেতে সুলতানা খরচ করেছেন всего মাত্র ৯.৬৬ রান! এমন দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পুরস্কার পেলেন র‌্যাংকিংয়ে। এক লাফে ৪৮ ধাপ এগিয়ে তিনি এখন বোলারদের তালিকায় ৩৮ নম্বরে! বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে এটাই সবচেয়ে বড় উন্নতি। শুধু বোলিং নয়, ব্যাটিং র‌্যাংকিংয়েও লাফ দিয়েছেন শারমিন আক্তার সুপ্তা, স্বর্ণা আক্তার ও দিলারা আক্তার। সুপ্তা ১০ ধাপ এগিয়ে এখন ৩৭ নম্বরে। দিলারা ৫ ধাপ এগিয়ে ৫৫ নম্বরে। আর স্বর্ণা বাড়িয়েছেন ১৯ ধাপ! তাঁর অবস্থান এখন ৬২ নম্বরে। সেরা দশে অবশ্য কোনো বদল আসেনি। ৮১৫ পয়েন্ট নিয়ে টি-টোয়েন্টির সেরা ব্যাটার অস্ট্রেলিয়ার জর্জিয়া ভোল। দুই নম্বরে আরেক অজি ব্যাটার বেথ মুনি (৭৮৮ পয়েন্ট)। তিন নম্বরে লরা ওলভার্ট (৭৮৬ পয়েন্ট)। আর চার ও পাঁচ নম্বরে আছেন হেইলি ম্যাথিউস ও স্মৃতি মান্ধানা।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_20.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_20.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_20.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ফর্মে নেই পান্ত? কোচ যা বললেন শুনলে চোখ কপালে উঠবে!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/36821</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/36821</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 05 May 2026 17:05:20 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ক্রিকেট]]></category>
                        <category><![CDATA[Rishabh Pant practice 95 runs 30 balls, Justin Langer on Pant, LSG coach interview, Pant out of form IPL, Lucknow Super Giants update, Pant 27 crore pressure, Pant batting news, IPL 2025 Pant form, Pant vs Mumbai Indians, Nicholas pooran 63 runs, Pant selfless decision, Pant net session viral, most expensive player IPL, Pant comeback IPL, Langer confidence on Pant]]></category>
        
        <description><![CDATA[মাঠে রান না পেলেও, অনুশীলনে যেন আগুন ছুটছেন ঋষভ পান্ত! আইপিএল-এ লখনউ সুপার জায়ান্টস পয়েন্ট টেবিলের একদম নিচে। দলনেতা পান্তও ছন্দহীন। কিন্তু দলের কোচ জাস্টিন ল্যাঙ্গার দিলেন চমকের খবর। সোমবারের ম্যাচের আগে এক প্রস্তুতি ম্যাচে পান্তের এমন ধ্বংসাত্মক ব্যাটিং দেখেছেন তিনি, যা শুনলে রোমাঞ্চ ছড়িয়ে যাবে। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে পান্ত ৪ নম্বরে নেমে মাত্র ১৫ রান করেই ফিরে গিয়েছেন। তবে ল্যাঙ্গার জানাচ্ছেন, всего দুই দিন আগেও পান্ত ছিলেন ভয়ংকর ফর্মে। ল্যাঙ্গার বলেছেন, ‘প্রস্তুতি ম্যাচে ঋষি (পান্ত) সম্ভবত ৩০ বা ৪০ বলেই ৯৫ রান করেছিল। সেটা দেখে মনে হচ্ছিল—আমাদের সেই চিরচেনা বিধ্বংসী পান্ত যেন ফিরে এসেছে!’ মুম্বাইয়ের বিপক্ষে নিকোলাস পুরানকে ৩ নম্বরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ দিতে নিজে ৪ নম্বরে নেমেছিলেন পান্ত। ল্যাঙ্গার এই সিদ্ধান্তকে নিঃস্বার্থ বলেছেন। যদিও পান্ত বড় রান পাননি, তবে পুরান ২১ বলে ৬৩ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন। আইপিএল ইতিহাসের সবচেয়ে দামি খেলোয়াড় (২৭ কোটি টাকা) হওয়ার চাপ কি পান্তকে ভুগাচ্ছে? একথা জিজ্ঞেস করায় ল্যাঙ্গারের জবাব, ‘আমার মনে হয় না টাকার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক আছে। কিন্তু নেতৃত্ব দেওয়ার জায়গাটা সবসময়ই চাপের। আর পান্ত সেই চাপ নিয়েই খেলছে।’ তবে ল্যাঙ্গার আশাবাদী, পান্ত কঠিন পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। আর খুব শিগগিরই তাঁকে আবার সেই আগুনে ছন্দে দেখা যাবে, যেখানে তিনি ধ্বংস করে দেন প্রতিপক্ষ বোলিং আক্রমণ।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_19.webp" alt="ফর্মে নেই পান্ত? কোচ যা বললেন শুনলে চোখ কপালে উঠবে!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ফর্মে নেই পান্ত? কোচ যা বললেন শুনলে চোখ কপালে উঠবে!</h1>
            <p>মাঠে রান না পেলেও, অনুশীলনে যেন আগুন ছুটছেন ঋষভ পান্ত! আইপিএল-এ লখনউ সুপার জায়ান্টস পয়েন্ট টেবিলের একদম নিচে। দলনেতা পান্তও ছন্দহীন। কিন্তু দলের কোচ জাস্টিন ল্যাঙ্গার দিলেন চমকের খবর। সোমবারের ম্যাচের আগে এক প্রস্তুতি ম্যাচে পান্তের এমন ধ্বংসাত্মক ব্যাটিং দেখেছেন তিনি, যা শুনলে রোমাঞ্চ ছড়িয়ে যাবে। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে পান্ত ৪ নম্বরে নেমে মাত্র ১৫ রান করেই ফিরে গিয়েছেন। তবে ল্যাঙ্গার জানাচ্ছেন, всего দুই দিন আগেও পান্ত ছিলেন ভয়ংকর ফর্মে। ল্যাঙ্গার বলেছেন, ‘প্রস্তুতি ম্যাচে ঋষি (পান্ত) সম্ভবত ৩০ বা ৪০ বলেই ৯৫ রান করেছিল। সেটা দেখে মনে হচ্ছিল—আমাদের সেই চিরচেনা বিধ্বংসী পান্ত যেন ফিরে এসেছে!’ মুম্বাইয়ের বিপক্ষে নিকোলাস পুরানকে ৩ নম্বরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ দিতে নিজে ৪ নম্বরে নেমেছিলেন পান্ত। ল্যাঙ্গার এই সিদ্ধান্তকে নিঃস্বার্থ বলেছেন। যদিও পান্ত বড় রান পাননি, তবে পুরান ২১ বলে ৬৩ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন। আইপিএল ইতিহাসের সবচেয়ে দামি খেলোয়াড় (২৭ কোটি টাকা) হওয়ার চাপ কি পান্তকে ভুগাচ্ছে? একথা জিজ্ঞেস করায় ল্যাঙ্গারের জবাব, ‘আমার মনে হয় না টাকার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক আছে। কিন্তু নেতৃত্ব দেওয়ার জায়গাটা সবসময়ই চাপের। আর পান্ত সেই চাপ নিয়েই খেলছে।’ তবে ল্যাঙ্গার আশাবাদী, পান্ত কঠিন পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। আর খুব শিগগিরই তাঁকে আবার সেই আগুনে ছন্দে দেখা যাবে, যেখানে তিনি ধ্বংস করে দেন প্রতিপক্ষ বোলিং আক্রমণ।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_19.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_19.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_19.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[বাংলাদেশ ফুটবল কোচের আবেগঘন বিদায়! চোখে জল আনলেন যে পোস্ট]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/36820</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/36820</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 05 May 2026 17:05:53 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ফুটবল]]></category>
                        <category><![CDATA[Javier Cabrera Bangladesh coach exit, Bangladesh football news, SAFF semifinal Bangladesh, Bangladesh vs India win, Spanish coach Bangladesh, BFF contract renewal, Bangladesh national team, Javier Cabrera emotional post, Bangladesh football history, longest serving coach Bangladesh, FIFA ranking Bangladesh, U-23 players debut Bangladesh, Bangladesh football future, football news in Bangla, Javier Cabrera farewell message]]></category>
        
        <description><![CDATA[বাংলাদেশ ফুটবল দলের স্প্যানিশ কোচ হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরা বললেন, ‘অবিস্মরণীয় স্মৃতি নিয়ে বিদায় নিচ্ছি, যার প্রতিটি মুহূর্ত ছিল সার্থক’ ঢাকা: বাংলাদেশের জাতীয় ফুটবল দলের স্প্যানিশ হেড কোচ হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরার চুক্তি শেষ হয়েছে গত ৩০ এপ্রিল। প্রায় চার বছর দায়িত্বে থাকার পর বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) তার সঙ্গে আর চুক্তি বাড়ায়নি। এর আগেও নানা মহল থেকে তার বিদায়ের দাবি উঠেছিল। শেষ পর্যন্ত চুক্তির মেয়াদ শেষেই তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। বাংলাদেশ অধ্যায় শেষে ক্যাবরেরা এখন লিখেছেন এক আবেগঘন পোস্ট। ২০২২ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশের দায়িত্ব নেন ক্যাবরেরা। এই ৪১ বছর বয়সী কোচের অধীনে ৩৯ ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। যেখানে জয় ও ড্র—দুটোই ১০টি করে, আর হার ১৯টিতে। ১০ জয়ের মধ্যে সবচেয়ে বেশি তিনটি করে ভুটান ও মালদ্বীপের বিপক্ষে, কম্বোডিয়ার বিপক্ষে দুটি, আর সেশেলস ও ভারতের বিপক্ষে একটি করে জয়। বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক শেষ হওয়ার পর স্প্যানিশ এই কোচ সামাজিক মাধ্যমে নিজের অনুভূতি ভাগ করে নিলেন। তিনি বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সময় ধরে থাকা প্রধান কোচ। তার হাত ধরেই ১৪ বছর পর সাফের সেমিফাইনালে ওঠে বাংলাদেশ। আরও বড় কথা, দুই দশকেরও বেশি সময় পর ভারতকে হারানোর মতো কীর্তিও রয়েছে তাদের। এই সাফল্যে গর্বিত স্প্যানিশ কোচ। ক্যাবরেরা লিখেছেন, ‘বাংলাদেশ জাতীয় দলের প্রধান কোচ হিসেবে আমার যাত্রা শেষ হলো। চার বছর চার মাস পর—যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ মেয়াদ—আমি এমন অবিস্মরণীয় স্মৃতি আর অভিজ্ঞতা নিয়ে বিদায় নিচ্ছি, যার প্রতিটি মুহূর্ত ছিল সার্থক।’ তিনি আরও লেখেন, ‘মাঠে আর মাঠের বাইরে আমরা অনেক লম্বা পথ পেরিয়েছি। হাজারো ভক্তের সামনে খেলা থেকে শুরু করে গ্যালারি ভর্তি দর্শকের সামনে অবিস্মরণীয় রাত—এমন সব মুহূর্ত তৈরি হয়েছে, যেগুলো চিরকাল বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসের অংশ থাকবে।’ লম্বা পোস্টে তিনি বলেন, ‘একসঙ্গে আমরা গড়ে তুলেছি এক শক্ত প্রতিযোগিতামূলক মানসিকতা, যার মাধ্যমে আমরা এশিয়ার বড় দলগুলোর বিপক্ষেও নিয়মিত লড়াই করেছি। ১৪ বছর পর সাফ সেমিফাইনাল, ২২ বছরে প্রথমবার ভারতকে হারানো এবং ২০১৬ সালের পর ফিফার সেরা র‌্যাংকিং—এই বড় মাইলফলকগুলো আমরা ছুঁয়েছি।’ ক্যাবরেরার দাবি, তার আমলেই বাংলাদেশ ফুটবলের শক্ত ভিত তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, ‘বিশেষ করে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য আমরা যে পথ বানিয়ে দিয়েছি, সেটা ভাবলে আমি গর্বিত। এই সময়ের মধ্যে ২১ জন অনূর্ধ্ব-২৩ খেলোয়াড়কে অভিষেক করিয়েছি। তারাই এখন এশিয়ার অন্যতম তরুণ দল হিসেবে ভবিষ্যতের মজবুত ভিত গড়ছে।’  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_18.webp" alt="বাংলাদেশ ফুটবল কোচের আবেগঘন বিদায়! চোখে জল আনলেন যে পোস্ট" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>বাংলাদেশ ফুটবল কোচের আবেগঘন বিদায়! চোখে জল আনলেন যে পোস্ট</h1>
            <p>বাংলাদেশ ফুটবল দলের স্প্যানিশ কোচ হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরা বললেন, ‘অবিস্মরণীয় স্মৃতি নিয়ে বিদায় নিচ্ছি, যার প্রতিটি মুহূর্ত ছিল সার্থক’ ঢাকা: বাংলাদেশের জাতীয় ফুটবল দলের স্প্যানিশ হেড কোচ হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরার চুক্তি শেষ হয়েছে গত ৩০ এপ্রিল। প্রায় চার বছর দায়িত্বে থাকার পর বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) তার সঙ্গে আর চুক্তি বাড়ায়নি। এর আগেও নানা মহল থেকে তার বিদায়ের দাবি উঠেছিল। শেষ পর্যন্ত চুক্তির মেয়াদ শেষেই তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। বাংলাদেশ অধ্যায় শেষে ক্যাবরেরা এখন লিখেছেন এক আবেগঘন পোস্ট। ২০২২ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশের দায়িত্ব নেন ক্যাবরেরা। এই ৪১ বছর বয়সী কোচের অধীনে ৩৯ ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। যেখানে জয় ও ড্র—দুটোই ১০টি করে, আর হার ১৯টিতে। ১০ জয়ের মধ্যে সবচেয়ে বেশি তিনটি করে ভুটান ও মালদ্বীপের বিপক্ষে, কম্বোডিয়ার বিপক্ষে দুটি, আর সেশেলস ও ভারতের বিপক্ষে একটি করে জয়। বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক শেষ হওয়ার পর স্প্যানিশ এই কোচ সামাজিক মাধ্যমে নিজের অনুভূতি ভাগ করে নিলেন। তিনি বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সময় ধরে থাকা প্রধান কোচ। তার হাত ধরেই ১৪ বছর পর সাফের সেমিফাইনালে ওঠে বাংলাদেশ। আরও বড় কথা, দুই দশকেরও বেশি সময় পর ভারতকে হারানোর মতো কীর্তিও রয়েছে তাদের। এই সাফল্যে গর্বিত স্প্যানিশ কোচ। ক্যাবরেরা লিখেছেন, ‘বাংলাদেশ জাতীয় দলের প্রধান কোচ হিসেবে আমার যাত্রা শেষ হলো। চার বছর চার মাস পর—যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ মেয়াদ—আমি এমন অবিস্মরণীয় স্মৃতি আর অভিজ্ঞতা নিয়ে বিদায় নিচ্ছি, যার প্রতিটি মুহূর্ত ছিল সার্থক।’ তিনি আরও লেখেন, ‘মাঠে আর মাঠের বাইরে আমরা অনেক লম্বা পথ পেরিয়েছি। হাজারো ভক্তের সামনে খেলা থেকে শুরু করে গ্যালারি ভর্তি দর্শকের সামনে অবিস্মরণীয় রাত—এমন সব মুহূর্ত তৈরি হয়েছে, যেগুলো চিরকাল বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসের অংশ থাকবে।’ লম্বা পোস্টে তিনি বলেন, ‘একসঙ্গে আমরা গড়ে তুলেছি এক শক্ত প্রতিযোগিতামূলক মানসিকতা, যার মাধ্যমে আমরা এশিয়ার বড় দলগুলোর বিপক্ষেও নিয়মিত লড়াই করেছি। ১৪ বছর পর সাফ সেমিফাইনাল, ২২ বছরে প্রথমবার ভারতকে হারানো এবং ২০১৬ সালের পর ফিফার সেরা র‌্যাংকিং—এই বড় মাইলফলকগুলো আমরা ছুঁয়েছি।’ ক্যাবরেরার দাবি, তার আমলেই বাংলাদেশ ফুটবলের শক্ত ভিত তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, ‘বিশেষ করে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য আমরা যে পথ বানিয়ে দিয়েছি, সেটা ভাবলে আমি গর্বিত। এই সময়ের মধ্যে ২১ জন অনূর্ধ্ব-২৩ খেলোয়াড়কে অভিষেক করিয়েছি। তারাই এখন এশিয়ার অন্যতম তরুণ দল হিসেবে ভবিষ্যতের মজবুত ভিত গড়ছে।’  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_18.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_18.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_18.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[সীমা ছাড়াল! হরমুজে আমেরিকার হস্তক্ষেপ মানেই যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ, ইরানের কঠোর বার্তা]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36819</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36819</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 05 May 2026 17:05:24 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Iran warns US Hormuz intervention, Project Freedom ceasefire violation, Trump escort plan Iran response, Iranian parliament security chief, Ebrahim Azizi X post, US Navy Hormuz Strait protection, Truth Social Trump announcement, Iran US ceasefire breach, Hormuz commercial ships escort, Middle East tension escalation 2025, Iran red line Hormuz, US Iran military confrontation risk, Strategic waterway Iran warning, Trump Project Freedom start date, Bangladesh time Hormuz news]]></category>
        
        <description><![CDATA[ভূমিকা: হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ পাহারা দিতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। আর তাতেই বজ্রপাত ইরানের। স্পষ্ট হুঁশিয়ারি, এটাকে তেহরান ‘যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন’ হিসেবেই দেখবে। এবার থামছে না কি উত্তেজনা? হরমুজ প্রণালির জটিল পরিস্থিতির মধ্যে বাড়তি ইন্ধন দিলেন ইরানের এক শীর্ষ কর্মকর্তা। ইব্রাহিম আজিজি, যিনি দেশটির পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির প্রধান, তিনি সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ জানিয়ে দিলেন, “হরমুজ প্রণালির নতুন সামুদ্রিক ব্যবস্থায় আমেরিকার যেকোনো হস্তক্ষেপকে যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য করা হবে।” অর্থাৎ, যুক্তরাষ্ট্র এগোলেই সরাসরি সংঘাত নিশ্চিত। এই হুঁশিয়ারি এমন এক সময় এলো, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন— সোমবার থেকেই হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ এসকর্ট শুরু করছে মার্কিন বাহিনী। রোববার ট্রাম্প ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ নামের এক নতুন সামরিক উদ্যোগের কথা জানান। তার পোস্টে তিনি লেখেন, “এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হরমুজ প্রণালি ও আশপাশে আটকে পড়া বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা।” মানে, আমেরিকার নৌবাহিনী এখন হরমুজে প্রহরী সেজে দাঁড়াবে। স্থানীয় সময় সোমবার সকাল থেকেই (বাংলাদেশ সময় সোমবার রাত) ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ চালু করে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরান কিন্তু আগেই সতর্ক করে দিয়েছে, এই জলপথের ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ আছে। এবার সরাসরি হস্তক্ষেপ করলে পরিণতি কী দাঁড়াবে, তা আর ভাবতে সময় নিচ্ছে না তেহরান। বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ ইতিমধ্যে বিঘ্নিত। এর ওপর নতুন করে এ হুমকিতে মধ্যপ্রাচ্যের গোটা অঞ্চল যেন চিরুনি চাপা আগ্নেয়গিরি।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_16.webp" alt="সীমা ছাড়াল! হরমুজে আমেরিকার হস্তক্ষেপ মানেই যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ, ইরানের কঠোর বার্তা" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>সীমা ছাড়াল! হরমুজে আমেরিকার হস্তক্ষেপ মানেই যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ, ইরানের কঠোর বার্তা</h1>
            <p>ভূমিকা: হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ পাহারা দিতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। আর তাতেই বজ্রপাত ইরানের। স্পষ্ট হুঁশিয়ারি, এটাকে তেহরান ‘যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন’ হিসেবেই দেখবে। এবার থামছে না কি উত্তেজনা? হরমুজ প্রণালির জটিল পরিস্থিতির মধ্যে বাড়তি ইন্ধন দিলেন ইরানের এক শীর্ষ কর্মকর্তা। ইব্রাহিম আজিজি, যিনি দেশটির পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির প্রধান, তিনি সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ জানিয়ে দিলেন, “হরমুজ প্রণালির নতুন সামুদ্রিক ব্যবস্থায় আমেরিকার যেকোনো হস্তক্ষেপকে যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য করা হবে।” অর্থাৎ, যুক্তরাষ্ট্র এগোলেই সরাসরি সংঘাত নিশ্চিত। এই হুঁশিয়ারি এমন এক সময় এলো, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন— সোমবার থেকেই হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ এসকর্ট শুরু করছে মার্কিন বাহিনী। রোববার ট্রাম্প ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ নামের এক নতুন সামরিক উদ্যোগের কথা জানান। তার পোস্টে তিনি লেখেন, “এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হরমুজ প্রণালি ও আশপাশে আটকে পড়া বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা।” মানে, আমেরিকার নৌবাহিনী এখন হরমুজে প্রহরী সেজে দাঁড়াবে। স্থানীয় সময় সোমবার সকাল থেকেই (বাংলাদেশ সময় সোমবার রাত) ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ চালু করে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরান কিন্তু আগেই সতর্ক করে দিয়েছে, এই জলপথের ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ আছে। এবার সরাসরি হস্তক্ষেপ করলে পরিণতি কী দাঁড়াবে, তা আর ভাবতে সময় নিচ্ছে না তেহরান। বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ ইতিমধ্যে বিঘ্নিত। এর ওপর নতুন করে এ হুমকিতে মধ্যপ্রাচ্যের গোটা অঞ্চল যেন চিরুনি চাপা আগ্নেয়গিরি।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_16.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_16.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_16.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[যুদ্ধ থামাতে বসতে রাজি ইরান, কিন্তু ট্রাম্পকে মানতে হবে শর্ত!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36818</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36818</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 05 May 2026 17:05:57 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Iran sets conditions for US talks, Hormuz Strait tension 2025, Trump escort plan Iran response, Iran 14 point peace proposal, US Iran indirect negotiations Pakistan, Iran foreign ministry statement, End of Iran US war demand, Tehran nuclear deal new condition, Israel Iran warning Hormuz, global oil supply disruption, US blockade Iranian ports, Iran considers Hormuz guardian, US military escort commercial ships, Iran diplomatic solution offer, ceasefire Iran US 2025]]></category>
        
        <description><![CDATA[আলোচনায় বসতে চায় ইরান। কিন্তু আমেরিকাকে আগে মানতে হবে তাদের শর্ত। হরমুজ প্রণালির উত্তাপ কমাতে নতুন প্রস্তাব দিল তেহরান। স্পষ্ট বার্তা, ‘হুমকি দিয়ে কিছু হবে না!’ অবশেষে যুদ্ধ থামানোর পথে হাঁটতে চায় ইরান। তবে ওয়াশিংটনকে সেটা করতে হবে তাদের শর্তে। সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকেই স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, “আলোচনায় বসার আগে আমেরিকাকে ইরান সংক্রান্ত সব বাড়তি দাবি তুলে নিতে হবে।” টেলিভিশনে দেওয়া এক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, “এই মুহূর্তে আমাদের মূল লক্ষ্য যুদ্ধের অবসান। অন্য পক্ষকে যুক্তিসংগত অবস্থান নিতে হবে এবং ইরানকে ঘিরে সব অতিরিক্ত শর্ত প্রত্যাহার করতে হবে।” গত ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর কূটনৈতিক খাত প্রায় স্থবির। সরাসরি মাত্র এক দফা আলোচনা হয়েছে। জটিলতার মূল কারণ হরমুজ প্রণালি। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর এই জলপথের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ নেয় ইরান। ফলে বিশ্ববাজারে তেল, গ্যাস ও সারের সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। একই সময়ে ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ বসিয়েছে ওয়াশিংটন। আরও চাপ বাড়ে রোববার, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ঘোষণা দেন— যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ এসকর্ট করা শুরু করবে। জবাবে ইরানের সামরিক বাহিনী পাল্টা হুঁশিয়ারি দেয়। বাকেই বলেন, “এতদিনে আমেরিকার বোঝা উচিত যে, হুমকি ও শক্তির ভাষা দিয়ে ইরানি জাতির সঙ্গে আচরণ করা যাবে না।” তিনি আরও বলেন, “ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান নিজেকে হরমুজ প্রণালি ও এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথের রক্ষক মনে করে।” ইসরাইলকে ইঙ্গিত করে তিনি আরও বলেন, “এই জলপথে অস্থিরতা সৃষ্টি এবং বিশ্বজুড়ে যেসব সমস্যা হয়েছে, তার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও জায়নিস্ট শাসনকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে দায় নিতে হবে।” এর আগেই বাকেই জানিয়েছিলেন, যুদ্ধ বন্ধ করে ১৪ দফার একটি প্রস্তাব দিয়েছে তেহরান। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র সেই প্রস্তাবে জবাবও দিয়েছে। এবার দেখার বিষয়, ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের এই নতুন শর্ত মেনে আলোচনার টেবিলে বসে কি না।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_15.webp" alt="যুদ্ধ থামাতে বসতে রাজি ইরান, কিন্তু ট্রাম্পকে মানতে হবে শর্ত!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>যুদ্ধ থামাতে বসতে রাজি ইরান, কিন্তু ট্রাম্পকে মানতে হবে শর্ত!</h1>
            <p>আলোচনায় বসতে চায় ইরান। কিন্তু আমেরিকাকে আগে মানতে হবে তাদের শর্ত। হরমুজ প্রণালির উত্তাপ কমাতে নতুন প্রস্তাব দিল তেহরান। স্পষ্ট বার্তা, ‘হুমকি দিয়ে কিছু হবে না!’ অবশেষে যুদ্ধ থামানোর পথে হাঁটতে চায় ইরান। তবে ওয়াশিংটনকে সেটা করতে হবে তাদের শর্তে। সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকেই স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, “আলোচনায় বসার আগে আমেরিকাকে ইরান সংক্রান্ত সব বাড়তি দাবি তুলে নিতে হবে।” টেলিভিশনে দেওয়া এক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, “এই মুহূর্তে আমাদের মূল লক্ষ্য যুদ্ধের অবসান। অন্য পক্ষকে যুক্তিসংগত অবস্থান নিতে হবে এবং ইরানকে ঘিরে সব অতিরিক্ত শর্ত প্রত্যাহার করতে হবে।” গত ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর কূটনৈতিক খাত প্রায় স্থবির। সরাসরি মাত্র এক দফা আলোচনা হয়েছে। জটিলতার মূল কারণ হরমুজ প্রণালি। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর এই জলপথের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ নেয় ইরান। ফলে বিশ্ববাজারে তেল, গ্যাস ও সারের সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। একই সময়ে ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ বসিয়েছে ওয়াশিংটন। আরও চাপ বাড়ে রোববার, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ঘোষণা দেন— যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ এসকর্ট করা শুরু করবে। জবাবে ইরানের সামরিক বাহিনী পাল্টা হুঁশিয়ারি দেয়। বাকেই বলেন, “এতদিনে আমেরিকার বোঝা উচিত যে, হুমকি ও শক্তির ভাষা দিয়ে ইরানি জাতির সঙ্গে আচরণ করা যাবে না।” তিনি আরও বলেন, “ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান নিজেকে হরমুজ প্রণালি ও এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথের রক্ষক মনে করে।” ইসরাইলকে ইঙ্গিত করে তিনি আরও বলেন, “এই জলপথে অস্থিরতা সৃষ্টি এবং বিশ্বজুড়ে যেসব সমস্যা হয়েছে, তার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও জায়নিস্ট শাসনকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে দায় নিতে হবে।” এর আগেই বাকেই জানিয়েছিলেন, যুদ্ধ বন্ধ করে ১৪ দফার একটি প্রস্তাব দিয়েছে তেহরান। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র সেই প্রস্তাবে জবাবও দিয়েছে। এবার দেখার বিষয়, ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের এই নতুন শর্ত মেনে আলোচনার টেবিলে বসে কি না।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_15.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_15.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_15.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[সাউথের সুপারস্টার বিজয় কি করবেন ‘ম্যাজিক’? সংখ্যায় কম, তবু সরকার গড়ার চেষ্টা!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36817</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36817</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 05 May 2026 17:05:07 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[এশিয়া]]></category>
                        <category><![CDATA[Thalapathy Vijay government formation, TVK single largest party Tamil Nadu, Tamil Nadu election results 2026, Joseph Vijay coalition options, DMK vs TVK post election, 118 seats majority Tamil Nadu, Congress support to TVK, PMK alliance possibilities, Chennai election result TVK, actor turned CM Vijay latest, minority government Tamil Nadu, Perambur Trichy East Vijay win, Tamil Nadu political crisis 2026, TVK floor test strategy, South India political update]]></category>
        
        <description><![CDATA[প্রথম নির্বাচনেই তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে ভূমিকম্প এনে দিয়েছেন ‘থালাপতি’ বিজয়। তাঁর দল টিভিকে বৃহত্তম শক্তি হয়ে উঠলেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে কিছুটা পিছিয়ে। এখন সবাই একটাই প্রশ্ন দেখছে— কীভাবে এগিয়ে নেবেন সিনেমার নায়কের রাজনীতি? রাজনীতির মাঠে প্রথম ব্যাট হাতেই সেঞ্চুরি হাঁকালেন সিনেমার সুপারস্টার জোসেফ বিজয় চন্দ্রশেখর। অভিনেতা থেকে দল গঠন করে ২০২৪ সালে আত্মপ্রকাশ করা 'তামিলাগা ভেট্টি কোঝাগাম' (টিভিকে) এবার ১০৭ আসন নিয়ে একক বৃহত্তম দল। তামিলনাড়ু বিধানসভায় মোট আসন ২৩৪। সরকার গঠনের জন্য দরকার ১১৮ আসন। মানে, এখনও ১১ আসন কম। কিন্তু থেমে থাকার পাত্র নন বিজয়। এখন জোর জল্পনা— বাইরের সমর্থন নিয়ে সংখ্যালঘু সরকার গঠন করবেন কি না? ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, শুরুতে রাজ্যপাল হয়তো বৃহত্তম দল হিসেবে টিভিকেকেই আমন্ত্রণ জানাতে পারেন। আর তখন বাইরের সমর্থন পেলে সরকার গড়া সম্ভব। বর্তমানে ডিএমকে জোটে থাকা কয়েকটি ছোট দল হয়তো টিভিকে-তে ঝুঁকতে পারে। যেমন— কংগ্রেস (৫ আসন), সিপিআই (২ আসন), সিপিআইএম (২ আসন), ভিসিকে (২ আসন)। পাশাপাশি পিএমকের (পাট্টালি মাক্কল কাচ্চি) হাতে ৫ আসন। তারাও টিভিকে-তে যোগ দিতে পারে। তবে এআইএডিএমকে তো বিজেপির মিত্র আর বিজয় তো বিজেপিকে আদর্শগত প্রতিপক্ষ মানেন, তাই তাঁদের সঙ্গে জোট কঠিন। একসময় ২০০৬ সালে ডিএমকে সংখ্যালঘু সরকার বাইরের সমর্থন নিয়েই টিকে ছিল। সেই ইতিহাস টেনে টিভিকে নেতাকর্মীরা আশাবাদী। দলের তরুণ প্রার্থী রেভান্থ চরণ মাদুরাভয়াল আসন থেকে জিতে এসেছেন। তিনি বলেন, “কোনও ভয় নেই। আমরা সরকার গঠন করব। চূড়ান্ত কথা বলবে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব।” এবার টিভিকের অভিষেক যে রীতিমতো ঐতিহাসিক। চেন্নাই শহরে, যেটা ডিএমকের ঘাঁটি, সেখানে ১৬ আসনের মধ্যে ১৪টিতেই জিতেছে টিভিকে। আর বিজয় নিজে পেরাম্বুর ও ত্রিচি ইস্ট— দুটি আসন থেকেই জিতেছেন। নির্বাচনের আগে বিজয় জোটের পথে না গিয়ে একাই লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কারণ কেউ ক্ষমতা ভাগাভাগিতে রাজি হয়নি। ফল দেখে বোঝা যাচ্ছে, সেই কৌশল কাজ দিয়েছে। আগামী ৭ মের মধ্যেই শপথগ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে। এখন পর্দার আড়ালে চলছে দৌড়ঝাঁপ। টিভিকেকে নজর রাখতে হবে সংখ্যার সমীকরণের দিকে। আসলে সিনেমার নায়ক এবার রাজনীতির পর্দায় শেষ ‘একশন’ দৃশ্যটি কেমন হবে— সেটাই দেখার।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_14.webp" alt="সাউথের সুপারস্টার বিজয় কি করবেন ‘ম্যাজিক’? সংখ্যায় কম, তবু সরকার গড়ার চেষ্টা!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>সাউথের সুপারস্টার বিজয় কি করবেন ‘ম্যাজিক’? সংখ্যায় কম, তবু সরকার গড়ার চেষ্টা!</h1>
            <p>প্রথম নির্বাচনেই তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে ভূমিকম্প এনে দিয়েছেন ‘থালাপতি’ বিজয়। তাঁর দল টিভিকে বৃহত্তম শক্তি হয়ে উঠলেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে কিছুটা পিছিয়ে। এখন সবাই একটাই প্রশ্ন দেখছে— কীভাবে এগিয়ে নেবেন সিনেমার নায়কের রাজনীতি? রাজনীতির মাঠে প্রথম ব্যাট হাতেই সেঞ্চুরি হাঁকালেন সিনেমার সুপারস্টার জোসেফ বিজয় চন্দ্রশেখর। অভিনেতা থেকে দল গঠন করে ২০২৪ সালে আত্মপ্রকাশ করা 'তামিলাগা ভেট্টি কোঝাগাম' (টিভিকে) এবার ১০৭ আসন নিয়ে একক বৃহত্তম দল। তামিলনাড়ু বিধানসভায় মোট আসন ২৩৪। সরকার গঠনের জন্য দরকার ১১৮ আসন। মানে, এখনও ১১ আসন কম। কিন্তু থেমে থাকার পাত্র নন বিজয়। এখন জোর জল্পনা— বাইরের সমর্থন নিয়ে সংখ্যালঘু সরকার গঠন করবেন কি না? ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, শুরুতে রাজ্যপাল হয়তো বৃহত্তম দল হিসেবে টিভিকেকেই আমন্ত্রণ জানাতে পারেন। আর তখন বাইরের সমর্থন পেলে সরকার গড়া সম্ভব। বর্তমানে ডিএমকে জোটে থাকা কয়েকটি ছোট দল হয়তো টিভিকে-তে ঝুঁকতে পারে। যেমন— কংগ্রেস (৫ আসন), সিপিআই (২ আসন), সিপিআইএম (২ আসন), ভিসিকে (২ আসন)। পাশাপাশি পিএমকের (পাট্টালি মাক্কল কাচ্চি) হাতে ৫ আসন। তারাও টিভিকে-তে যোগ দিতে পারে। তবে এআইএডিএমকে তো বিজেপির মিত্র আর বিজয় তো বিজেপিকে আদর্শগত প্রতিপক্ষ মানেন, তাই তাঁদের সঙ্গে জোট কঠিন। একসময় ২০০৬ সালে ডিএমকে সংখ্যালঘু সরকার বাইরের সমর্থন নিয়েই টিকে ছিল। সেই ইতিহাস টেনে টিভিকে নেতাকর্মীরা আশাবাদী। দলের তরুণ প্রার্থী রেভান্থ চরণ মাদুরাভয়াল আসন থেকে জিতে এসেছেন। তিনি বলেন, “কোনও ভয় নেই। আমরা সরকার গঠন করব। চূড়ান্ত কথা বলবে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব।” এবার টিভিকের অভিষেক যে রীতিমতো ঐতিহাসিক। চেন্নাই শহরে, যেটা ডিএমকের ঘাঁটি, সেখানে ১৬ আসনের মধ্যে ১৪টিতেই জিতেছে টিভিকে। আর বিজয় নিজে পেরাম্বুর ও ত্রিচি ইস্ট— দুটি আসন থেকেই জিতেছেন। নির্বাচনের আগে বিজয় জোটের পথে না গিয়ে একাই লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কারণ কেউ ক্ষমতা ভাগাভাগিতে রাজি হয়নি। ফল দেখে বোঝা যাচ্ছে, সেই কৌশল কাজ দিয়েছে। আগামী ৭ মের মধ্যেই শপথগ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে। এখন পর্দার আড়ালে চলছে দৌড়ঝাঁপ। টিভিকেকে নজর রাখতে হবে সংখ্যার সমীকরণের দিকে। আসলে সিনেমার নায়ক এবার রাজনীতির পর্দায় শেষ ‘একশন’ দৃশ্যটি কেমন হবে— সেটাই দেখার।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_14.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_14.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_14.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[কে হচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী? শুভেন্দু নাকি অন্য কেউ, জল্পনা তুঙ্গে]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36816</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36816</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 05 May 2026 17:05:23 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[এশিয়া]]></category>
                        <category><![CDATA[West Bengal next chief minister, Suvendu Adhikari CM contender, BJP wins West Bengal 2025, Mamata Banerjee defeated Bhabanipur, Agnimitra Paul possible CM candidate, Shamik Bhattacharya leadership BJP, West Bengal political update 2025, BJP legislative meeting Kolkata, Nandigram election result Suvendu, BJP Hindu vote bank strategy, West Bengal government formation, Amit Shah Suvendu Adhikari, TMC vs BJP Bengal, new Bengal CM suspense, Bengal election historic win]]></category>
        
        <description><![CDATA[শেষমেশ পশ্চিমবঙ্গে ইতিহাস গড়ল বিজেপি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়ে সরকার গঠনের পথে দল। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন? শুভেন্দু অধিকারী কি এগিয়ে, নাকি ঘুরে দাঁড়াতে পারেন অন্য কেউ? পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে বড় পালাবদল। ২৯৩ আসনের মধ্যে ২০৬টিতেই জয় পেয়েছে বিজেপি। তৃণমূলের জমানায় টান পড়েছে। আর এই জয়ের নায়ক কে হবেন রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী, সেই জল্পনা এখন চরমে। ভবানীপুরে সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু। ব্যবধান প্রায় ১৫ হাজার ভোট। এর আগে নন্দীগ্রামেও তিনি মমতাকে হারিয়েছিলেন। একসময় মমতার মন্ত্রিসভায় থাকা এই নেতা ২০২০ সালে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন। স্বাগত জানান অমিত শাহ নিজে। তাই দলীয় মহলে শুভেন্দুর নামই সবার ওপরে। দলের ভিতরের একটি অংশ বলছে, নারী মুখ্যমন্ত্রী চাইলে অগ্নিমিত্রা পালও হতে পারেন। তিনি আসানসোল দক্ষিণ আসন থেকে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। আরেক সম্ভাব্য নাম শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর নেতৃত্বেই দল বড় জয় পেয়েছে। শুভেন্দু নিজে অবশ্য ফল ঘোষণার পর একথা বলেছেন, “এটা হিন্দুত্ব, বাংলার মানুষ এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জয়।” বিজেপি খুব শিগগিরই কলকাতায় নবনির্বাচিত বিধায়কদের বৈঠক ডাকছে। সেখানেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হওয়ার কথা। সবার চোখ এখন সেই বৈঠকের দিকে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_13.webp" alt="কে হচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী? শুভেন্দু নাকি অন্য কেউ, জল্পনা তুঙ্গে" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>কে হচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী? শুভেন্দু নাকি অন্য কেউ, জল্পনা তুঙ্গে</h1>
            <p>শেষমেশ পশ্চিমবঙ্গে ইতিহাস গড়ল বিজেপি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়ে সরকার গঠনের পথে দল। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন? শুভেন্দু অধিকারী কি এগিয়ে, নাকি ঘুরে দাঁড়াতে পারেন অন্য কেউ? পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে বড় পালাবদল। ২৯৩ আসনের মধ্যে ২০৬টিতেই জয় পেয়েছে বিজেপি। তৃণমূলের জমানায় টান পড়েছে। আর এই জয়ের নায়ক কে হবেন রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী, সেই জল্পনা এখন চরমে। ভবানীপুরে সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু। ব্যবধান প্রায় ১৫ হাজার ভোট। এর আগে নন্দীগ্রামেও তিনি মমতাকে হারিয়েছিলেন। একসময় মমতার মন্ত্রিসভায় থাকা এই নেতা ২০২০ সালে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন। স্বাগত জানান অমিত শাহ নিজে। তাই দলীয় মহলে শুভেন্দুর নামই সবার ওপরে। দলের ভিতরের একটি অংশ বলছে, নারী মুখ্যমন্ত্রী চাইলে অগ্নিমিত্রা পালও হতে পারেন। তিনি আসানসোল দক্ষিণ আসন থেকে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। আরেক সম্ভাব্য নাম শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর নেতৃত্বেই দল বড় জয় পেয়েছে। শুভেন্দু নিজে অবশ্য ফল ঘোষণার পর একথা বলেছেন, “এটা হিন্দুত্ব, বাংলার মানুষ এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জয়।” বিজেপি খুব শিগগিরই কলকাতায় নবনির্বাচিত বিধায়কদের বৈঠক ডাকছে। সেখানেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হওয়ার কথা। সবার চোখ এখন সেই বৈঠকের দিকে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_13.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_13.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_13.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইতিহাস গড়লেন ফাতিমা! কেরালার বুকে বাম দুর্গে ভাঙন, জিতলেন তরুণী আইনজীবী]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36815</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36815</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 05 May 2026 17:05:28 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[এশিয়া]]></category>
                        <category><![CDATA[Fatima Thahiliya Kerala election winner, Perambra constituency results 2026, IUML first woman MLA, CPI M leader TP Ramakrishnan defeat, Rahul Gandhi campaign Kerala, Muslim women in Indian politics, Kerala assembly election 2026, young lawyer turned politician, Haritha founder Kerala, Muslim Students Federation national VP, Kerala political history women, child marriage activist Kerala, Kerala election upset, IUML women candidates history, Kozhikode district court lawyer]]></category>
        
        <description><![CDATA[বামপন্থীদের শক্ত ঘাঁটি পেরাম্ব্রায় ঘোর জমানো ফল। ৩৪ বছরের তরুণী মুসলিম আইনজীবী ফাতিমা তাহিলিয়া হারিয়ে দিলেন সিপিআইএমের জ্যেষ্ঠ নেতাকে। শুধু জয় নয়, দলীয় ইতিহাসেও গড়লেন নতুন রেকর্ড। কেরালার রাজনীতিতে নতুন নাম লেখালেন ফাতিমা তাহিলিয়া। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে পেরাম্ব্রা আসনে জিতে রীতিমতো তাক লাগিয়ে দিয়েছেন এই তরুণী। বাম শিবিরের দুর্গ দীর্ঘদিন ধরে ছিল এই আসনটি, সেখানেই এলডিএফ কনভেনর টি.পি. রামকৃষ্ণনকে হারিয়ে দিলেন তিনি। ফলে ৫ হাজার ৮৭ ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন ফাতিমা। তাঁর প্রাপ্ত ভোট সংখ্যা ৮১ হাজার ৪২৯। এদিকে ২০২১ সালে রামকৃষ্ণন ২২ হাজার ভোটে জিতেছিলেন। এবার উল্টো চিত্র দেখতে হলো তাঁকে। কারণ আইইউএমএল খুব কমই নারী প্রার্থী দেয়। ইতিহাস বলে, দলটি ১৯৯৬ ও ২০২১ সালে মাত্র দুই নারী প্রার্থী দিয়েছিল— তাঁরা দুজনেই হেরেছিলেন। এবার তৃতীয় নারী প্রার্থী ফাতিমা নয়, বরং ইতিহাস গড়লেন। তিনি আইইউএমএলের প্রথম নারী বিধায়ক। ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে আসা ফাতিমা ‘হারিতা’র প্রতিষ্ঠাতা রাজ্য সভাপতি ছিলেন। ২০১২ সাল থেকে তিনি সক্রিয় রাজনীতিতে। পেশায় আইনজীবী ফাতিমা বর্তমানে কোঝিকোড জেলা আদালতে কাজ করেন। এর আগে ২০২০ সালে তিনি কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছিলেন। নির্বাচনে তাঁর পক্ষে প্রচার করেন রাহুল গান্ধী। আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে ফাতিমা সাধারণ মানুষ ও প্রবীণ ভোটারদের কাছে পৌঁছে যান। বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে সোচ্চার এই নারী নারীর শিক্ষা ও অধিকার নিয়েও কাজ করে চলেছেন। এমনকি নিজের দলের জ্যেষ্ঠ নেতারাও যখন অভিজ্ঞতার অভাব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন, তখনও নিজের জায়গায় অটল ছিলেন তিনি। এর আগে এমএসএফের জাতীয় সহ-সভাপতির পদ থেকে তাকে বহিষ্কার করার ঘটনাও আলোচিত। তিনি অভিযোগ করেছিলেন, সংগঠনের জ্যেষ্ঠ কেউ নারীদের প্রতি অশালীন ভাষা ব্যবহার করেন এবং তাঁদের চুপ করিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হয়। এবার সেই ফাতিমাই এখন কেরালার ইতিহাস। মুসলিম তরুণীদের জন্য আশার বার্তা এনে দিলেন তিনি।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_12.webp" alt="ইতিহাস গড়লেন ফাতিমা! কেরালার বুকে বাম দুর্গে ভাঙন, জিতলেন তরুণী আইনজীবী" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইতিহাস গড়লেন ফাতিমা! কেরালার বুকে বাম দুর্গে ভাঙন, জিতলেন তরুণী আইনজীবী</h1>
            <p>বামপন্থীদের শক্ত ঘাঁটি পেরাম্ব্রায় ঘোর জমানো ফল। ৩৪ বছরের তরুণী মুসলিম আইনজীবী ফাতিমা তাহিলিয়া হারিয়ে দিলেন সিপিআইএমের জ্যেষ্ঠ নেতাকে। শুধু জয় নয়, দলীয় ইতিহাসেও গড়লেন নতুন রেকর্ড। কেরালার রাজনীতিতে নতুন নাম লেখালেন ফাতিমা তাহিলিয়া। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে পেরাম্ব্রা আসনে জিতে রীতিমতো তাক লাগিয়ে দিয়েছেন এই তরুণী। বাম শিবিরের দুর্গ দীর্ঘদিন ধরে ছিল এই আসনটি, সেখানেই এলডিএফ কনভেনর টি.পি. রামকৃষ্ণনকে হারিয়ে দিলেন তিনি। ফলে ৫ হাজার ৮৭ ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন ফাতিমা। তাঁর প্রাপ্ত ভোট সংখ্যা ৮১ হাজার ৪২৯। এদিকে ২০২১ সালে রামকৃষ্ণন ২২ হাজার ভোটে জিতেছিলেন। এবার উল্টো চিত্র দেখতে হলো তাঁকে। কারণ আইইউএমএল খুব কমই নারী প্রার্থী দেয়। ইতিহাস বলে, দলটি ১৯৯৬ ও ২০২১ সালে মাত্র দুই নারী প্রার্থী দিয়েছিল— তাঁরা দুজনেই হেরেছিলেন। এবার তৃতীয় নারী প্রার্থী ফাতিমা নয়, বরং ইতিহাস গড়লেন। তিনি আইইউএমএলের প্রথম নারী বিধায়ক। ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে আসা ফাতিমা ‘হারিতা’র প্রতিষ্ঠাতা রাজ্য সভাপতি ছিলেন। ২০১২ সাল থেকে তিনি সক্রিয় রাজনীতিতে। পেশায় আইনজীবী ফাতিমা বর্তমানে কোঝিকোড জেলা আদালতে কাজ করেন। এর আগে ২০২০ সালে তিনি কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছিলেন। নির্বাচনে তাঁর পক্ষে প্রচার করেন রাহুল গান্ধী। আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে ফাতিমা সাধারণ মানুষ ও প্রবীণ ভোটারদের কাছে পৌঁছে যান। বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে সোচ্চার এই নারী নারীর শিক্ষা ও অধিকার নিয়েও কাজ করে চলেছেন। এমনকি নিজের দলের জ্যেষ্ঠ নেতারাও যখন অভিজ্ঞতার অভাব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন, তখনও নিজের জায়গায় অটল ছিলেন তিনি। এর আগে এমএসএফের জাতীয় সহ-সভাপতির পদ থেকে তাকে বহিষ্কার করার ঘটনাও আলোচিত। তিনি অভিযোগ করেছিলেন, সংগঠনের জ্যেষ্ঠ কেউ নারীদের প্রতি অশালীন ভাষা ব্যবহার করেন এবং তাঁদের চুপ করিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হয়। এবার সেই ফাতিমাই এখন কেরালার ইতিহাস। মুসলিম তরুণীদের জন্য আশার বার্তা এনে দিলেন তিনি।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_12.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_12.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_12.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[সতর্কবার্তা ট্রাম্পের! ইরানের হামলায় দক্ষিণ কোরিয়ার জাহাজ, যোগ দাও ‘প্রজেক্ট ফ্রিডমে’]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36814</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36814</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 05 May 2026 17:05:10 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[যুক্তরাজ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Trump pressures South Korea Project Freedom, Iran attacks South Korean cargo ship, Hormuz Strait ship explosion 2025, Panama flagged vessel blast, South Korea shipping company news, US military initiative Project Freedom, Trump Iran naval skirmish, South Korean sailors safe, UAE coast ship incident, South Korea foreign ministry statement, Iran US military tension update, commercial ships Hormuz crisis, Trump social media post Iran, South Korea US alliance pressure, Middle East conflict shipping lane]]></category>
        
        <description><![CDATA[হরমুজ প্রণালির উত্তাপ ছুঁয়েছে দক্ষিণ কোরিয়াকেও। ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশটির একটি পণ্যবাহী জাহাজ। এমন প্রেক্ষাপটে আমেরিকার সামরিক উদ্যোগে নামতে সিউলের ওপর চাপ বাড়াচ্ছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি দিন দিন আরও জটিল হচ্ছে। এবার হরমুজ প্রণালিতে ইরানের হামলার শিকার হয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার একটি কার্গো জাহাজ। এমনই দাবি করলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প লেখেন, “ইরান কয়েকটি অপ্রাসঙ্গিক দেশের জাহাজে গুলি চালিয়েছে। যার মধ্যে আছে দক্ষিণ কোরিয়ার একটি পণ্যবাহী জাহাজ।” ট্রাম্প আরও দাবি করেন, জবাবে যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে ইরানের সাতটি ছোট নৌযান ধ্বংস করেছে। তবে তিনি বলেন, দক্ষিণ কোরিয়ার জাহাজ ছাড়া অন্য কোথাও বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি। এই ঘটনার পর দক্ষিণ কোরিয়াকে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’-এ যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ট্রাম্প। হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে নিরাপদে উদ্ধার করাই এই সামরিক উদ্যোগের লক্ষ্য। অন্যদিকে দ্য কোরিয়া টাইমস জানিয়েছে, দক্ষিণ কোরিয়ার একটি শিপিং কোম্পানি পরিচালিত পানামা পতাকাবাহী জাহাজে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। সিউলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছেই ওই জাহাজটিতে ছিলেন ২৪ জন নাবিক। তাদের মধ্যে ৬ জন দক্ষিণ কোরীয়, বাকিরা বিদেশি। তবে স্বস্তির বিষয়, এই ঘটনায় কেউ হতাহত হননি। কী কারণে বিস্ফোরণ ঘটেছে, তা তদন্ত করছে কর্তৃপক্ষ। এখন দেখার বিষয়, ট্রাম্পের এই চাপের মুখে আমেরিকার সামরিক উদ্যোগে নামে কি দক্ষিণ কোরিয়া, নাকি নিজেদের স্বার্থে সরে দাঁড়ায় সিউল।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_11.webp" alt="সতর্কবার্তা ট্রাম্পের! ইরানের হামলায় দক্ষিণ কোরিয়ার জাহাজ, যোগ দাও ‘প্রজেক্ট ফ্রিডমে’" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>সতর্কবার্তা ট্রাম্পের! ইরানের হামলায় দক্ষিণ কোরিয়ার জাহাজ, যোগ দাও ‘প্রজেক্ট ফ্রিডমে’</h1>
            <p>হরমুজ প্রণালির উত্তাপ ছুঁয়েছে দক্ষিণ কোরিয়াকেও। ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশটির একটি পণ্যবাহী জাহাজ। এমন প্রেক্ষাপটে আমেরিকার সামরিক উদ্যোগে নামতে সিউলের ওপর চাপ বাড়াচ্ছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি দিন দিন আরও জটিল হচ্ছে। এবার হরমুজ প্রণালিতে ইরানের হামলার শিকার হয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার একটি কার্গো জাহাজ। এমনই দাবি করলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প লেখেন, “ইরান কয়েকটি অপ্রাসঙ্গিক দেশের জাহাজে গুলি চালিয়েছে। যার মধ্যে আছে দক্ষিণ কোরিয়ার একটি পণ্যবাহী জাহাজ।” ট্রাম্প আরও দাবি করেন, জবাবে যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে ইরানের সাতটি ছোট নৌযান ধ্বংস করেছে। তবে তিনি বলেন, দক্ষিণ কোরিয়ার জাহাজ ছাড়া অন্য কোথাও বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি। এই ঘটনার পর দক্ষিণ কোরিয়াকে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’-এ যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ট্রাম্প। হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে নিরাপদে উদ্ধার করাই এই সামরিক উদ্যোগের লক্ষ্য। অন্যদিকে দ্য কোরিয়া টাইমস জানিয়েছে, দক্ষিণ কোরিয়ার একটি শিপিং কোম্পানি পরিচালিত পানামা পতাকাবাহী জাহাজে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। সিউলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছেই ওই জাহাজটিতে ছিলেন ২৪ জন নাবিক। তাদের মধ্যে ৬ জন দক্ষিণ কোরীয়, বাকিরা বিদেশি। তবে স্বস্তির বিষয়, এই ঘটনায় কেউ হতাহত হননি। কী কারণে বিস্ফোরণ ঘটেছে, তা তদন্ত করছে কর্তৃপক্ষ। এখন দেখার বিষয়, ট্রাম্পের এই চাপের মুখে আমেরিকার সামরিক উদ্যোগে নামে কি দক্ষিণ কোরিয়া, নাকি নিজেদের স্বার্থে সরে দাঁড়ায় সিউল।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_11.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_11.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_11.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ট্রাম্পের ডাকে সাড়া দেবে কি সিউল? হরমুজ অভিযানে নামার ভাবনা দক্ষিণ কোরিয়ার]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36813</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36813</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 05 May 2026 17:05:31 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[South Korea reviews Project Freedom, Trump Hormuz military operation, South Korea US alliance 2025, Hormuz Strait ship rescue mission, Iran warns US coalition, South Korea president office decision, humanitarian initiative Trump, Iran US positive talks, South Korea energy security, Strait of Hormuz blockade news, US allies military cooperation, Middle East tension 2025, South Korea Iran relations, Trump social media Hormuz, Project Freedom implementation status]]></category>
        
        <description><![CDATA[ভূমিকা: ইরানের হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করে হরমুজ প্রণালিতে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নামে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উদ্যোগ। এবার সেই অভিযানে অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে দক্ষিণ কোরিয়া। আমেরিকার প্রস্তাবে সাড়া দিলে কী দাঁড়াতে পারে, তা যাচাই করছে প্রেসিডেন্ট কার্যালয়। মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত অঞ্চল হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি দিন দিন জটিল হচ্ছে। এর মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে সাড়া দেওয়ার কথা ভাবছে আমেরিকার পুরনো মিত্র দক্ষিণ কোরিয়া। রয়টার্স জানিয়েছে, ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’-এ অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে দেশটি। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি এই সামরিক উদ্যোগের ঘোষণা দেন। যার মূল উদ্দেশ্য— হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া জাহাজগুলোকে নিরাপদে বের করে আনা। ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে বলেন, এই উদ্যোগ মূলত মানবিক। এতে নিরপরাধ দেশ ও কোম্পানিগুলোকে সহায়তা করা হবে, যারা বর্তমান সংকটের শিকার। ট্রাম্প আরও দাবি করেছেন, কয়েকটি দেশের অনুরোধেই এই অভিযান শুরু হয়েছে। পাশাপাশি তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে ‘ইতিবাচক আলোচনায়’ বসেছে। তবে সতর্ক করে দিয়ে ট্রাম্প বলেন, এই অভিযানে যে কোনো বাধা কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে। এদিকে ইরান আগেই হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ে কঠোর অবস্থান জানিয়ে দিয়েছে। ফলে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ বাস্তবায়ন কতটা সম্ভব, তা নিয়ে এখনো স্পষ্টতা নেই বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো। দক্ষিণ কোরিয়া এখন দেখছে, এই অভিযানে অংশ নিলে তাদের ভূরাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কী কী প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে ইরানের সঙ্গে তাদের বিদ্যমান সম্পর্ক ও জ্বালানি নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সিউল।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_10.webp" alt="ট্রাম্পের ডাকে সাড়া দেবে কি সিউল? হরমুজ অভিযানে নামার ভাবনা দক্ষিণ কোরিয়ার" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ট্রাম্পের ডাকে সাড়া দেবে কি সিউল? হরমুজ অভিযানে নামার ভাবনা দক্ষিণ কোরিয়ার</h1>
            <p>ভূমিকা: ইরানের হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করে হরমুজ প্রণালিতে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নামে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উদ্যোগ। এবার সেই অভিযানে অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে দক্ষিণ কোরিয়া। আমেরিকার প্রস্তাবে সাড়া দিলে কী দাঁড়াতে পারে, তা যাচাই করছে প্রেসিডেন্ট কার্যালয়। মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত অঞ্চল হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি দিন দিন জটিল হচ্ছে। এর মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে সাড়া দেওয়ার কথা ভাবছে আমেরিকার পুরনো মিত্র দক্ষিণ কোরিয়া। রয়টার্স জানিয়েছে, ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’-এ অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে দেশটি। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি এই সামরিক উদ্যোগের ঘোষণা দেন। যার মূল উদ্দেশ্য— হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া জাহাজগুলোকে নিরাপদে বের করে আনা। ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে বলেন, এই উদ্যোগ মূলত মানবিক। এতে নিরপরাধ দেশ ও কোম্পানিগুলোকে সহায়তা করা হবে, যারা বর্তমান সংকটের শিকার। ট্রাম্প আরও দাবি করেছেন, কয়েকটি দেশের অনুরোধেই এই অভিযান শুরু হয়েছে। পাশাপাশি তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে ‘ইতিবাচক আলোচনায়’ বসেছে। তবে সতর্ক করে দিয়ে ট্রাম্প বলেন, এই অভিযানে যে কোনো বাধা কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে। এদিকে ইরান আগেই হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ে কঠোর অবস্থান জানিয়ে দিয়েছে। ফলে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ বাস্তবায়ন কতটা সম্ভব, তা নিয়ে এখনো স্পষ্টতা নেই বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো। দক্ষিণ কোরিয়া এখন দেখছে, এই অভিযানে অংশ নিলে তাদের ভূরাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কী কী প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে ইরানের সঙ্গে তাদের বিদ্যমান সম্পর্ক ও জ্বালানি নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সিউল।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_10.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_10.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_10.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[কী আশ্চর্য! বোনের স্বামীকে বদলাতে চান দুই বোন, আদালতে চাঞ্চল্য]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36812</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36812</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 05 May 2026 16:05:42 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[এশিয়া]]></category>
                        <category><![CDATA[Sisters swap husbands court case, Madhya Pradesh HC Gwalior bench, Habeas corpus petition sister in law, Two sisters want each other husband, Indian family court controversy 2025, Datiya MP news viral, Husband swapping legal case India, Adult consent relationship court, Sister voluntarily goes to brother in law, Indian judiciary viral news, Madhya Pradesh family dispute, Husband sister love affair case, Court dismisses habeas corpus, Unusual family arrangement India, Indian law on relationship choice]]></category>
        
        <description><![CDATA[ভূমিকা: ভাবী-জামাই নিয়ে সাধারণত জটিলতা তৈরি হয়। কিন্তু মধ্যপ্রদেশে ঘটল ঠিক উল্টো। দুই বোন একে অপরের স্বামীর সঙ্গে থাকতে চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। এমন অভিনব দাবি শুনে হতভম্ব বিচারকও! ভারতের মধ্যপ্রদেশের হাইকোর্টের গোয়ালিয়র বেঞ্চে সোমবার শোনা গেল এক অভিনব দাবি। দুই সহোদর বোন আদালতে জানিয়েছেন, তাঁরা নিজেদের স্বামী ছেড়ে একে অপরের স্বামীর সঙ্গে থাকতে চান। অর্থাৎ বড় বোন যাবেন ছোট বোনের স্বামীর কাছে, আর ছোট বোন চান বড় বোনের স্বামীকে! ঘটনার শুরুটা অবশ্য অন্যরকম। দতিয়ার এক ব্যক্তি আদালতে হেবিয়াস কর্পাস আবেদন করে অভিযোগ করেন, তার স্ত্রী ও মেয়েকে তাঁর ভাইয়ের ছেলে (ভায়রাভাই) অপহরণ করেছে। আদালত পুলিশকে নির্দেশ দেয় ওই নারী ও অভিযুক্তদের আদালতে হাজির করতে। পুলিশ যখন তাদের আদালতে হাজির করল, তখন চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। ‘অপহৃত’ সেই নারী আদালতকে বলেন, তিনি কেউ তাকে অপহরণ করেনি। তিনি স্বেচ্ছায় বোনের স্বামীর কাছে গেছেন এবং তাঁর সঙ্গেই থাকতে চান। তিনি আরও বলেন, তার নিজের স্বামীর সঙ্গে সম্পর্ক ভালো নয় এবং তিনি ইতিমধ্যে ডিভোর্সের মামলাও করেছেন। অথচ এখানেই শেষ নয়! অপর বোন (অর্থাৎ যে নারীর স্বামীর কাছে বোন গেছেন) আদালতে বলেন, তিনিও নিজের স্বামীর সঙ্গে সংসার করতে চান না। বরং তিনি বোনের স্বামীর সঙ্গেই থাকতে চান। অর্থাৎ, দুই বোনের ইচ্ছা পরস্পরের স্বামী বদল করে নেওয়ার। তাঁরা আদালতের কাছে এ বিষয়ে আইনি অনুমতি চান। এমন দাবি শুনে বিচারক স্পষ্ট জানিয়ে দেন, সংশ্লিষ্ট সবাই প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় এটা অপহরণের মামলা নয়, বরং পারিবারিক বিরোধ। আদালত বলেন, তাঁরা চাইলে নিজেরা আলোচনা করে ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। শেষ পর্যন্ত হেবিয়াস কর্পাস আবেদনটি খারিজ করে দেন বিচারক। এই অস্বাভাবিক ঘটনা ইতিমধ্যে এলাকায় চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। কেউ বলছেন নাটকীয়তা, কেউ বলছেন ব্যক্তিগত স্বাধীনতা।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_9.webp" alt="কী আশ্চর্য! বোনের স্বামীকে বদলাতে চান দুই বোন, আদালতে চাঞ্চল্য" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>কী আশ্চর্য! বোনের স্বামীকে বদলাতে চান দুই বোন, আদালতে চাঞ্চল্য</h1>
            <p>ভূমিকা: ভাবী-জামাই নিয়ে সাধারণত জটিলতা তৈরি হয়। কিন্তু মধ্যপ্রদেশে ঘটল ঠিক উল্টো। দুই বোন একে অপরের স্বামীর সঙ্গে থাকতে চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। এমন অভিনব দাবি শুনে হতভম্ব বিচারকও! ভারতের মধ্যপ্রদেশের হাইকোর্টের গোয়ালিয়র বেঞ্চে সোমবার শোনা গেল এক অভিনব দাবি। দুই সহোদর বোন আদালতে জানিয়েছেন, তাঁরা নিজেদের স্বামী ছেড়ে একে অপরের স্বামীর সঙ্গে থাকতে চান। অর্থাৎ বড় বোন যাবেন ছোট বোনের স্বামীর কাছে, আর ছোট বোন চান বড় বোনের স্বামীকে! ঘটনার শুরুটা অবশ্য অন্যরকম। দতিয়ার এক ব্যক্তি আদালতে হেবিয়াস কর্পাস আবেদন করে অভিযোগ করেন, তার স্ত্রী ও মেয়েকে তাঁর ভাইয়ের ছেলে (ভায়রাভাই) অপহরণ করেছে। আদালত পুলিশকে নির্দেশ দেয় ওই নারী ও অভিযুক্তদের আদালতে হাজির করতে। পুলিশ যখন তাদের আদালতে হাজির করল, তখন চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। ‘অপহৃত’ সেই নারী আদালতকে বলেন, তিনি কেউ তাকে অপহরণ করেনি। তিনি স্বেচ্ছায় বোনের স্বামীর কাছে গেছেন এবং তাঁর সঙ্গেই থাকতে চান। তিনি আরও বলেন, তার নিজের স্বামীর সঙ্গে সম্পর্ক ভালো নয় এবং তিনি ইতিমধ্যে ডিভোর্সের মামলাও করেছেন। অথচ এখানেই শেষ নয়! অপর বোন (অর্থাৎ যে নারীর স্বামীর কাছে বোন গেছেন) আদালতে বলেন, তিনিও নিজের স্বামীর সঙ্গে সংসার করতে চান না। বরং তিনি বোনের স্বামীর সঙ্গেই থাকতে চান। অর্থাৎ, দুই বোনের ইচ্ছা পরস্পরের স্বামী বদল করে নেওয়ার। তাঁরা আদালতের কাছে এ বিষয়ে আইনি অনুমতি চান। এমন দাবি শুনে বিচারক স্পষ্ট জানিয়ে দেন, সংশ্লিষ্ট সবাই প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় এটা অপহরণের মামলা নয়, বরং পারিবারিক বিরোধ। আদালত বলেন, তাঁরা চাইলে নিজেরা আলোচনা করে ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। শেষ পর্যন্ত হেবিয়াস কর্পাস আবেদনটি খারিজ করে দেন বিচারক। এই অস্বাভাবিক ঘটনা ইতিমধ্যে এলাকায় চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। কেউ বলছেন নাটকীয়তা, কেউ বলছেন ব্যক্তিগত স্বাধীনতা।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_9.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_9.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_9.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[বড় পদক্ষেপ! অবৈধ অভিবাসী না ফেরায় চীনের বিরুদ্ধে ভিসা নিষেধাজ্ঞার প্রস্তুতি ট্রাম্পের]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36811</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36811</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 05 May 2026 16:05:57 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[যুক্তরাজ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[US visa sanctions China, Trump China undocumented immigrants, China US immigration news 2025, Beijing deport citizens failure, undocumented Chinese nationals USA, Trump Beijing visit May 2025, US China trade war latest, visa ban preparation US, Chinese immigrants US border, Trump administration deportation policy, China not cooperating repatriation, US State Department visa restrictions, China embassy Washington response, US China diplomatic tension, illegal immigration US southern border]]></category>
        
        <description><![CDATA[ভূমিকা: আমেরিকায় ঢুকে পড়া লাখো চীনা নাগরিককে ফিরিয়ে নিতে গাফিলতি করছে বেইজিং। আর সেই কারণেই চীনের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা দিতে প্রস্তুত হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প প্রশাসনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নিজেই জানালেন বিস্ফোরক এই খবর। যুক্তরাষ্ট্র আর চীনের সম্পর্ক যেন দিন দিন আরও জটিল হচ্ছে। এবার সেই জটিলতা ছড়াল অভিবাসন ইস্যুতে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, আমেরিকায় থাকা নথিবিহীন চীনা নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে চীন রাজি না হলে তাদের বিরুদ্ধে ভিসা নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে ওয়াশিংটন। কেন এই সিদ্ধান্ত? সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের আমলে হাজার হাজার চীনা নাগরিক আমেরিকার দক্ষিণাঞ্চলীয় সীমান্ত দিয়ে ঢুকেছেন বৈধ কাগজপত্র ছাড়া। সরকারি হিসেব বলছে, বর্তমানে আমেরিকায় ১ লাখের বেশি নথিবিহীন চীনা নাগরিক আছেন। এর মধ্যে ৩০ হাজারের আদালত দেশে ফেরত পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। চীন কী বলছে? শুরুতে চীন তাদের ৩ হাজার নাগরিককে ফেরত নিয়েছিল। কিন্তু গত ছয় মাস ধরে একজনকেও ফেরত নেয়নি বেইজিং। ট্রাম্প প্রশাসন বারবার চীনের কাছে এই বিষয়ে সহযোগিতা চেয়েছে, কিন্তু কোনো কার্যকর সাড়া পায়নি ওয়াশিংটন। ট্রাম্প প্রশাসনের ওই কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, “বেইজিং ধরে দিয়েছে তারা এই ইস্যুতে পুরোপুরি সহযোগিতা করতে আগ্রহী নয়। এই অসহযোগিতার জের ধরেই হয়তো অদূর ভবিষ্যতে আমেরিকায় চীনা দর্শনার্থীদের ভিসা পেতে বাধা আসবে।” কী পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে? যুক্তরাষ্ট্র আরও কয়েকদিন ধৈর্য ধরবে। তারপরও চীন কাগজবিহীন নাগরিকদের ফেরাতে না চাইলে— প্রথম ধাপে বাড়িয়ে দেওয়া হবে চীনা দর্শনার্থীদের ভিসা ফি, বাতিল করা হবে অনেক ভিসা। শেষ পদক্ষেপ হিসেবে স্থায়ী ভিসা নিষেধাজ্ঞা জারি করা হতে পারে। এদিকে আগামী ১৪ ও ১৫ মে বেইজিং সফরে যাচ্ছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। বাণিজ্য সুবিধা আদায়ের এই সফরের আগেই চীনের বিরুদ্ধে বাড়তি চাপ তৈরির কৌশল বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। চীনা দূতাবাস যদিও রয়টার্সের একাধিক প্রশ্নের জবাব দিতে রাজি হয়নি।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_8.webp" alt="বড় পদক্ষেপ! অবৈধ অভিবাসী না ফেরায় চীনের বিরুদ্ধে ভিসা নিষেধাজ্ঞার প্রস্তুতি ট্রাম্পের" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>বড় পদক্ষেপ! অবৈধ অভিবাসী না ফেরায় চীনের বিরুদ্ধে ভিসা নিষেধাজ্ঞার প্রস্তুতি ট্রাম্পের</h1>
            <p>ভূমিকা: আমেরিকায় ঢুকে পড়া লাখো চীনা নাগরিককে ফিরিয়ে নিতে গাফিলতি করছে বেইজিং। আর সেই কারণেই চীনের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা দিতে প্রস্তুত হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প প্রশাসনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নিজেই জানালেন বিস্ফোরক এই খবর। যুক্তরাষ্ট্র আর চীনের সম্পর্ক যেন দিন দিন আরও জটিল হচ্ছে। এবার সেই জটিলতা ছড়াল অভিবাসন ইস্যুতে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, আমেরিকায় থাকা নথিবিহীন চীনা নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে চীন রাজি না হলে তাদের বিরুদ্ধে ভিসা নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে ওয়াশিংটন। কেন এই সিদ্ধান্ত? সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের আমলে হাজার হাজার চীনা নাগরিক আমেরিকার দক্ষিণাঞ্চলীয় সীমান্ত দিয়ে ঢুকেছেন বৈধ কাগজপত্র ছাড়া। সরকারি হিসেব বলছে, বর্তমানে আমেরিকায় ১ লাখের বেশি নথিবিহীন চীনা নাগরিক আছেন। এর মধ্যে ৩০ হাজারের আদালত দেশে ফেরত পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। চীন কী বলছে? শুরুতে চীন তাদের ৩ হাজার নাগরিককে ফেরত নিয়েছিল। কিন্তু গত ছয় মাস ধরে একজনকেও ফেরত নেয়নি বেইজিং। ট্রাম্প প্রশাসন বারবার চীনের কাছে এই বিষয়ে সহযোগিতা চেয়েছে, কিন্তু কোনো কার্যকর সাড়া পায়নি ওয়াশিংটন। ট্রাম্প প্রশাসনের ওই কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, “বেইজিং ধরে দিয়েছে তারা এই ইস্যুতে পুরোপুরি সহযোগিতা করতে আগ্রহী নয়। এই অসহযোগিতার জের ধরেই হয়তো অদূর ভবিষ্যতে আমেরিকায় চীনা দর্শনার্থীদের ভিসা পেতে বাধা আসবে।” কী পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে? যুক্তরাষ্ট্র আরও কয়েকদিন ধৈর্য ধরবে। তারপরও চীন কাগজবিহীন নাগরিকদের ফেরাতে না চাইলে— প্রথম ধাপে বাড়িয়ে দেওয়া হবে চীনা দর্শনার্থীদের ভিসা ফি, বাতিল করা হবে অনেক ভিসা। শেষ পদক্ষেপ হিসেবে স্থায়ী ভিসা নিষেধাজ্ঞা জারি করা হতে পারে। এদিকে আগামী ১৪ ও ১৫ মে বেইজিং সফরে যাচ্ছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। বাণিজ্য সুবিধা আদায়ের এই সফরের আগেই চীনের বিরুদ্ধে বাড়তি চাপ তৈরির কৌশল বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। চীনা দূতাবাস যদিও রয়টার্সের একাধিক প্রশ্নের জবাব দিতে রাজি হয়নি।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_8.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_8.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_8.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[৪৯ বছর পর ইতিহাস গড়লেন ‘থালাপতি’ বিজয়! এমজিআরের রেকর্ডে নাম লিখিয়ে দিলেন]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36810</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36810</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 05 May 2026 16:05:23 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[এশিয়া]]></category>
                        <category><![CDATA[Thalapathy Vijay becomes Tamil Nadu CM, Vijay TVK election record 2025, MG Ramachandran record broken, Tamil Nadu assembly election results 2025, actor turned CM Vijay Joseph Chandrasekhar, TVK 108 seats victory, Vijay Makkal Iyakkam history, AIADMK support Vijay, Tamilaga Vettri Kazhagam president, South Indian cinema politics, Vijay first election win, Tamil Nadu political record 49 years, Jayalalithaa vs Vijay comparison, Kollywood actor CM Tamil Nadu, Vijay oath ceremony waiting]]></category>
        
        <description><![CDATA[ভূমিকা: অভিনেতা থেকে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী— তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে এ যেন সিনেমার গল্প। ১৯৭৭ সালে এমজি রামাচন্দ্রান যেখানে থামিয়েছিলেন, সেখান থেকেই শুরু করলেন জোসেফ বিজয় চন্দ্রশেখর। শুধু জয় নন, ভাঙলেন দীর্ঘ ৪৯ বছরের এক রেকর্ডও! দক্ষিণী সিনেমার সুপারস্টার ‘থালাপতি’ বিজয় এবার রাজনীতির মাঠে ঝড় তুললেন। নিজের প্রথম নির্বাচনেই শুধু জেতাই নয়, বরং তামিলনাড়ুর ৪৯ বছরের একটি রেকর্ড গুঁড়িয়ে দিলেন তিনি। কী সেই রেকর্ড? অভিনেতা থেকে নিজের দল গঠন করে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার। ইতিহাস বলে, ১৯৭৭ সালে তামিল সিনেমার কিংবদন্তি এমজি রামাচন্দ্রান নিজের দল এআইএডিএমকে গঠন করে নির্বাচনে জিতে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন। ১৯৮৭ সালে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি সেই পদে ছিলেন। এরপর জয়ললিতা অবশ্য মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন, কিন্তু তিনি নিজের দল তৈরি করেননি। বরং এমজিআরের দল এআইএডিএমকে-র নেতৃত্ব দিয়েই ক্ষমতায় এসেছিলেন। তবে এবারের গল্পটা ভিন্ন। বিজয় নতুন দল ‘তামিলাগা ভেট্টরি কোঝাগাম’ (টিভিকে) গঠন করে লড়লেন ২৩৪ আসনের তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে। সরকার গঠনের জন্য দরকার ১১৮ আসন। বিজয়ের দল পেয়েছে ১০৮ আসন। নিজে তো জিতেছেনই, পাশাপাশি ২০২৪ সালে তৈরি এই দলের জন্য এটা রীতিমতো চমক। এককভাবে সরকার গঠনের জন্য ১০ আসন কম পড়লেও, জোট বাঁধলেই মুখ্যমন্ত্রী হওয়া প্রায় নিশ্চিত বিজয়ের। আর তাতেই ১৯৭৭ সালের পর দ্বিতীয় অভিনেতা হিসেবে সেই কীর্তি গড়তে চলেছেন তিনি। বিজয়ের কৌশল? এমজিআর যেমন তার ভক্তদের দিয়ে রাজনৈতিক বুনিয়াদ গড়েছিলেন, বিজয়ও ঠিক তেমনই করেছেন। ২০০৯ সাল থেকে নিজের ভক্তদের সংগঠিত করতে শুরু করেন তিনি। তৈরি করেন ‘বিজয় মাক্কাল ইয়াক্কাম’ নামে একটি ঐক্যমোর্চা। ২০১১ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত তারা এআইএডিএমকে-কে সমর্থন দেয়। ২০২১ সালে সেই সমর্থন তুলে নিয়ে ২০২৪ সালে আত্মপ্রকাশ করে টিভিকে। আর এবারের নির্বাচনে সেই দল নিয়ে ঝড় তোলে ইতিহাস গড়লেন ‘থালাপতি’ বিজয়।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_7.webp" alt="৪৯ বছর পর ইতিহাস গড়লেন ‘থালাপতি’ বিজয়! এমজিআরের রেকর্ডে নাম লিখিয়ে দিলেন" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>৪৯ বছর পর ইতিহাস গড়লেন ‘থালাপতি’ বিজয়! এমজিআরের রেকর্ডে নাম লিখিয়ে দিলেন</h1>
            <p>ভূমিকা: অভিনেতা থেকে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী— তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে এ যেন সিনেমার গল্প। ১৯৭৭ সালে এমজি রামাচন্দ্রান যেখানে থামিয়েছিলেন, সেখান থেকেই শুরু করলেন জোসেফ বিজয় চন্দ্রশেখর। শুধু জয় নন, ভাঙলেন দীর্ঘ ৪৯ বছরের এক রেকর্ডও! দক্ষিণী সিনেমার সুপারস্টার ‘থালাপতি’ বিজয় এবার রাজনীতির মাঠে ঝড় তুললেন। নিজের প্রথম নির্বাচনেই শুধু জেতাই নয়, বরং তামিলনাড়ুর ৪৯ বছরের একটি রেকর্ড গুঁড়িয়ে দিলেন তিনি। কী সেই রেকর্ড? অভিনেতা থেকে নিজের দল গঠন করে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার। ইতিহাস বলে, ১৯৭৭ সালে তামিল সিনেমার কিংবদন্তি এমজি রামাচন্দ্রান নিজের দল এআইএডিএমকে গঠন করে নির্বাচনে জিতে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন। ১৯৮৭ সালে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি সেই পদে ছিলেন। এরপর জয়ললিতা অবশ্য মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন, কিন্তু তিনি নিজের দল তৈরি করেননি। বরং এমজিআরের দল এআইএডিএমকে-র নেতৃত্ব দিয়েই ক্ষমতায় এসেছিলেন। তবে এবারের গল্পটা ভিন্ন। বিজয় নতুন দল ‘তামিলাগা ভেট্টরি কোঝাগাম’ (টিভিকে) গঠন করে লড়লেন ২৩৪ আসনের তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে। সরকার গঠনের জন্য দরকার ১১৮ আসন। বিজয়ের দল পেয়েছে ১০৮ আসন। নিজে তো জিতেছেনই, পাশাপাশি ২০২৪ সালে তৈরি এই দলের জন্য এটা রীতিমতো চমক। এককভাবে সরকার গঠনের জন্য ১০ আসন কম পড়লেও, জোট বাঁধলেই মুখ্যমন্ত্রী হওয়া প্রায় নিশ্চিত বিজয়ের। আর তাতেই ১৯৭৭ সালের পর দ্বিতীয় অভিনেতা হিসেবে সেই কীর্তি গড়তে চলেছেন তিনি। বিজয়ের কৌশল? এমজিআর যেমন তার ভক্তদের দিয়ে রাজনৈতিক বুনিয়াদ গড়েছিলেন, বিজয়ও ঠিক তেমনই করেছেন। ২০০৯ সাল থেকে নিজের ভক্তদের সংগঠিত করতে শুরু করেন তিনি। তৈরি করেন ‘বিজয় মাক্কাল ইয়াক্কাম’ নামে একটি ঐক্যমোর্চা। ২০১১ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত তারা এআইএডিএমকে-কে সমর্থন দেয়। ২০২১ সালে সেই সমর্থন তুলে নিয়ে ২০২৪ সালে আত্মপ্রকাশ করে টিভিকে। আর এবারের নির্বাচনে সেই দল নিয়ে ঝড় তোলে ইতিহাস গড়লেন ‘থালাপতি’ বিজয়।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_7.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_7.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_7.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ক্যালেন্ডারে লাল দিন! ৯ মে নয়া মুখ্যমন্ত্রীর শপথ, কী বললেন মোদি]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36809</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36809</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 05 May 2026 16:05:41 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[এশিয়া]]></category>
                        <category><![CDATA[West Bengal new CM oath May 9, Rabindranath Tagore birthday 2025, BJP government Bengal swearing ceremony, Narendra Modi Barrackpore rally speech, Shameek Bhattacharya ANI interview, West Bengal election results 2025, BJP wins 206 seats, Chitto Jetha Bhoyashunyo quote Modi, West Bengal political update, Governor Bengal new government, May 9 Bengal politics, Tagore birth anniversary special, West Bengal BJP history, Indian election news Bangla, Kolkata latest news 2025]]></category>
        
        <description><![CDATA[ভূমিকা: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথের জন্মদিনেই পালাবদল পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে। কবে শপথ নেবে বিজেপির নতুন সরকার, তা জানিয়ে দিলেন দলের মুখপাত্র। আর সেই দিনটিকে বেছে নেওয়ার পেছনে রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ ইচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির মঞ্চে নাটক যেন থামছেই না। এবার জানা গেল, আগামী ৯ মে শপথ নেবে রাজ্যের নতুন বিজেপি সরকার। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকীর এই দিনটিকেই বেছে নেওয়া হয়েছে। রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য আজ মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যম এএনআইকে বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রীর শপথ হবে আগামী ৯ মে।” তবে দিনটি ঠিক করে দেওয়ার পেছনে কী কারণ? শমীক জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ইচ্ছে ও নির্দেশেই এই দিন ধার্য করা হয়েছে। অর্থাৎ, মোদি নিজেই চেয়েছেন ৯ মে হয় শপথ। এবারে কিন্তু শুধু দিনকেই নয়, বারবার অনুষ্ঠানেও রবীন্দ্রনাথকে স্মরণ করেছেন মোদি। ব্যারাকপুরের সমাবেশে তিনি বলেছিলেন, “আমি এই আত্মবিশ্বাস নিয়ে আজ পশ্চিমবঙ্গ থেকে বিদায় নিচ্ছি যে আগামী ৪ মে ফল প্রকাশের পর নতুন সরকার গঠনের সময়ে ফের আসব।” সেই সময়টাই এসে গেল। প্রধানমন্ত্রীর রবীন্দ্রনাথ ভক্তি নতুন কিছু নয়। প্রায়ই কবির উক্তি ব্যবহার করেন তিনি। সোমবার ফলাফল প্রকাশের পর নয়াদিল্লিতে দলীয় কর্মীদের ভাষণে ঠাকুরের বিখ্যাত লাইন ধার করে বললেন, “বিজেপির লক্ষ্য হলো এমন এক বাংলা গড়া—‘চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির’।” প্রসঙ্গত, এবারের বিধানসভা নির্বাচনে ভূমিধস জয় পেয়েছে বিজেপি। পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪টি আসনের মধ্যে ২০৬টিতেই জয়ী হয়েছেন দলের প্রার্থীরা। আজ মঙ্গলবার প্রধান নির্বাচন কর্মকর্তা মনোজ কুমার আগার ওয়ালের কাছে গেজেটেড ফলাফল হস্তান্তর করবেন নির্বাচন কমিশনের দুই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এস বি জোশি ও সুজিত কুমার মিশ্র।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_6.webp" alt="ক্যালেন্ডারে লাল দিন! ৯ মে নয়া মুখ্যমন্ত্রীর শপথ, কী বললেন মোদি" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ক্যালেন্ডারে লাল দিন! ৯ মে নয়া মুখ্যমন্ত্রীর শপথ, কী বললেন মোদি</h1>
            <p>ভূমিকা: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথের জন্মদিনেই পালাবদল পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে। কবে শপথ নেবে বিজেপির নতুন সরকার, তা জানিয়ে দিলেন দলের মুখপাত্র। আর সেই দিনটিকে বেছে নেওয়ার পেছনে রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ ইচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির মঞ্চে নাটক যেন থামছেই না। এবার জানা গেল, আগামী ৯ মে শপথ নেবে রাজ্যের নতুন বিজেপি সরকার। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকীর এই দিনটিকেই বেছে নেওয়া হয়েছে। রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য আজ মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যম এএনআইকে বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রীর শপথ হবে আগামী ৯ মে।” তবে দিনটি ঠিক করে দেওয়ার পেছনে কী কারণ? শমীক জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ইচ্ছে ও নির্দেশেই এই দিন ধার্য করা হয়েছে। অর্থাৎ, মোদি নিজেই চেয়েছেন ৯ মে হয় শপথ। এবারে কিন্তু শুধু দিনকেই নয়, বারবার অনুষ্ঠানেও রবীন্দ্রনাথকে স্মরণ করেছেন মোদি। ব্যারাকপুরের সমাবেশে তিনি বলেছিলেন, “আমি এই আত্মবিশ্বাস নিয়ে আজ পশ্চিমবঙ্গ থেকে বিদায় নিচ্ছি যে আগামী ৪ মে ফল প্রকাশের পর নতুন সরকার গঠনের সময়ে ফের আসব।” সেই সময়টাই এসে গেল। প্রধানমন্ত্রীর রবীন্দ্রনাথ ভক্তি নতুন কিছু নয়। প্রায়ই কবির উক্তি ব্যবহার করেন তিনি। সোমবার ফলাফল প্রকাশের পর নয়াদিল্লিতে দলীয় কর্মীদের ভাষণে ঠাকুরের বিখ্যাত লাইন ধার করে বললেন, “বিজেপির লক্ষ্য হলো এমন এক বাংলা গড়া—‘চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির’।” প্রসঙ্গত, এবারের বিধানসভা নির্বাচনে ভূমিধস জয় পেয়েছে বিজেপি। পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪টি আসনের মধ্যে ২০৬টিতেই জয়ী হয়েছেন দলের প্রার্থীরা। আজ মঙ্গলবার প্রধান নির্বাচন কর্মকর্তা মনোজ কুমার আগার ওয়ালের কাছে গেজেটেড ফলাফল হস্তান্তর করবেন নির্বাচন কমিশনের দুই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এস বি জোশি ও সুজিত কুমার মিশ্র।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_6.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_6.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_6.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[বড় খবর! তেলের দাম কি আবার কমবে? ৭ দেশ মিলে নিল বড় সিদ্ধান্ত]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36808</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36808</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 05 May 2026 16:05:55 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[OPEC Plus production increase 2025, Saudi Arabia Russia oil output, fuel price relief news, crude oil supply chain crisis, Iran US Israel war impact on oil, Hormuz Strait shipping disruption, oil market analysis today, OPEC meeting June 2025, UAE leaves OPEC Plus, daily barrel increase news, gasoline price Bangladesh, global energy crisis update, Rystad Energy report, oil demand supply gap, Middle East conflict fuel price]]></category>
        
        <description><![CDATA[ভূমিকা: চড়া তেলের দামে নাজেহাল সাধারণ মানুষ। শেষ পর্যন্ত স্বস্তির আভাস দিচ্ছে ওপেক প্লাস। সৌদি আরব-রাশিয়া মিলিয়ে যে ৭ দেশ তেল উত্তোলন বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে, তাতে কি বাজার ফের স্বাভাবিক হবে? পেট্রোল-ডিজেলের দাম যেন আকাশ ছোঁয়া। সেই অবস্থায় স্বস্তির খবর দিল ওপেক প্লাস জোটের ৭ দেশ। সৌদি আরব, রাশিয়া, কুয়েত, আলজেরিয়া, ইরাক, কাজাখস্তান এবং ওমান মিলে প্রতিদিন অতিরিক্ত তেল উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী জুন মাস পর্যন্ত প্রতিদিন মোট ১ লাখ ৮৮ হাজার ব্যারেল তেল বেশি উত্তোলন করবে এই সাত দেশ। গতকাল সোমবার অনলাইন বৈঠক করেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওপেক প্লাস জোট। এক সময় তেলের দাম কমায় উৎপাদন কমিয়েছিল ওপেক প্লাস। কিন্তু গত ফেব্রুয়ারিতে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর পর বিশ্বজুড়ে তেলের চাহিদা বেড়েছে। তাই দৈনিক উৎপাদন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে জোটটি। কিন্তু এখানে একটা বড় ঘটনাও আছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত গত ২৮ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে ওপেক প্লাস থেকে বেরিয়ে গেছে। আমিরাত থাকলে আরও ২ লাখ ৬ হাজার ব্যারেল তেল বাড়ানো হতো। কিন্তু তারা না থাকায় অতিরিক্ত উত্তোলনের পরিমাণ কমিয়ে আনা হয়েছে। বিশ্লেষকরা কী বলছেন? স্বস্তির এই খবরে কিন্তু মোটেও আশাবাদী নন জ্বালানি বাজার বিশ্লেষকরা। ব্রিটিশ সংস্থা রাইস্ট্যাড এনার্জির কর্মকর্তা জর্জ লিওন এএফপিকে বলেন, “বর্তমানে তেলের দাম বাড়ার মূল কারণ বাজারের সরবরাহ শৃঙ্খল ভেঙে পড়া, পণ্যের ঘাটতি নয়। হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক না হলে শুধু উৎপাদন বাড়ালে লাভ হবে না।” সব মিলিয়ে, নতুন এই সিদ্ধান্ত বাজারে কিছুটা প্রভাব ফেললেও পুরোপুরি স্বস্তি পাওয়া এখনই কঠিন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_5.webp" alt="বড় খবর! তেলের দাম কি আবার কমবে? ৭ দেশ মিলে নিল বড় সিদ্ধান্ত" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>বড় খবর! তেলের দাম কি আবার কমবে? ৭ দেশ মিলে নিল বড় সিদ্ধান্ত</h1>
            <p>ভূমিকা: চড়া তেলের দামে নাজেহাল সাধারণ মানুষ। শেষ পর্যন্ত স্বস্তির আভাস দিচ্ছে ওপেক প্লাস। সৌদি আরব-রাশিয়া মিলিয়ে যে ৭ দেশ তেল উত্তোলন বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে, তাতে কি বাজার ফের স্বাভাবিক হবে? পেট্রোল-ডিজেলের দাম যেন আকাশ ছোঁয়া। সেই অবস্থায় স্বস্তির খবর দিল ওপেক প্লাস জোটের ৭ দেশ। সৌদি আরব, রাশিয়া, কুয়েত, আলজেরিয়া, ইরাক, কাজাখস্তান এবং ওমান মিলে প্রতিদিন অতিরিক্ত তেল উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী জুন মাস পর্যন্ত প্রতিদিন মোট ১ লাখ ৮৮ হাজার ব্যারেল তেল বেশি উত্তোলন করবে এই সাত দেশ। গতকাল সোমবার অনলাইন বৈঠক করেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওপেক প্লাস জোট। এক সময় তেলের দাম কমায় উৎপাদন কমিয়েছিল ওপেক প্লাস। কিন্তু গত ফেব্রুয়ারিতে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর পর বিশ্বজুড়ে তেলের চাহিদা বেড়েছে। তাই দৈনিক উৎপাদন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে জোটটি। কিন্তু এখানে একটা বড় ঘটনাও আছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত গত ২৮ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে ওপেক প্লাস থেকে বেরিয়ে গেছে। আমিরাত থাকলে আরও ২ লাখ ৬ হাজার ব্যারেল তেল বাড়ানো হতো। কিন্তু তারা না থাকায় অতিরিক্ত উত্তোলনের পরিমাণ কমিয়ে আনা হয়েছে। বিশ্লেষকরা কী বলছেন? স্বস্তির এই খবরে কিন্তু মোটেও আশাবাদী নন জ্বালানি বাজার বিশ্লেষকরা। ব্রিটিশ সংস্থা রাইস্ট্যাড এনার্জির কর্মকর্তা জর্জ লিওন এএফপিকে বলেন, “বর্তমানে তেলের দাম বাড়ার মূল কারণ বাজারের সরবরাহ শৃঙ্খল ভেঙে পড়া, পণ্যের ঘাটতি নয়। হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক না হলে শুধু উৎপাদন বাড়ালে লাভ হবে না।” সব মিলিয়ে, নতুন এই সিদ্ধান্ত বাজারে কিছুটা প্রভাব ফেললেও পুরোপুরি স্বস্তি পাওয়া এখনই কঠিন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_5.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_5.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_5.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ চমক! ফল ঘোষণার আগেই মমতার ‘অনৈতিক জয়’ অভিযোগ, ভাঙলেন কেন্দ্রেও]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36807</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36807</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 05 May 2026 16:05:12 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[এশিয়া]]></category>
                        <category><![CDATA[Mamata Banerjee immoral victory comment, West Bengal election results 2025, BJP win West Bengal, TMC defeat Bhawanipur, Suvendu Adhikari vs Mamata, Election Commission allegations Mamata, West Bengal assembly election controversy, Mamata reaction election results, TMC press conference Kolkata, immoral victory meaning, Bengal political crisis, Mamata Banerjee news today, BJP celebration West Bengal, Indian election news Bengali, West Bengal political analysis]]></category>
        
        <description><![CDATA[পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে বিজেপির ভূমিধস জয় মানতে নারাজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সরাসরি ‘অনৈতিক’ ও ‘দানবিক পার্টি’ বলে আক্রমণ করলেন তিনি। একইসঙ্গে উঠল নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ। পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে যে ফল এল, তাতে তৃণমূলের আশা শেষ। বিজেপি পেল ২০৬ আসন, আর তৃণমূলের জোট অনেক আসনেই পিছিয়ে। এমনকি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরেই হেরে গেছেন শুভেন্দু অধিকারীর কাছে। গত ২৩ ও ২৯ এপ্রিল ভোট হয়েছিল রাজ্যে। সোমবার ফল প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। কিন্তু ফল আসার আগেই শুরু হয় নাটক। কলকাতার সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের গণনাকেন্দ্রে দুপুরে পৌঁছে যান মমতা। কিছুক্ষণ পর সেখানে হাজির হন শুভেন্দু অধিকারীও। দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দু’জনই গণনা দেখেন। কিন্তু সন্ধ্যায় ফল ঘোষণার আগেই হঠাৎ কেন্দ্র ছেড়ে বেরিয়ে যান তৃণমূলনেত্রী। বাইরে দাঁড়িয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “আমাকে ভিতরে ঢুকতে দিচ্ছে না। পুরো ব্যাপার একতরফা। ধাক্কা দেওয়া হয়েছে, মারাও হয়েছে—সেটাও সিআরপিএফ-এর সামনে। আমি প্রার্থী, আমাকে ঢুকতে দেয়নি। এটা দানবিক পার্টি। ১০০টার উপরে সিট লুট করেছে। এই নির্বাচন কমিশন আর কিছু নয়—এটা বিজেপি কমিশন।” মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগারওয়ালের কাছে অভিযোগ জানিয়েও লাভ হয়নি বলে দাবি করেন মমতা। এরপর তিনি সরাসরি বলেন, “এটা কী ধরনের জয়! এটা ইমমোরাল ভিক্ট্রি (অনৈতিক জয়)। মোরাল ভিক্ট্রি (নৈতিক জয়) নয়। পুরোটাই বেআইনি। জোর করে জিতেছে। লুট, লুট, লুট। আমরা ঘুরে দাঁড়াবই।” এই প্রতিক্রিয়া জানিয়ে কালীঘাটের বাড়িতে চলে যান মমতা। এদিকে টানা ১৫ বছর রাজ্য শাসন করা তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা ভীষণ হতাশ। তারই মধ্যে আজ মঙ্গলবার কলকাতার কালীঘাটে নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তিনি আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা বলতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_4.webp" alt=" চমক! ফল ঘোষণার আগেই মমতার ‘অনৈতিক জয়’ অভিযোগ, ভাঙলেন কেন্দ্রেও" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1> চমক! ফল ঘোষণার আগেই মমতার ‘অনৈতিক জয়’ অভিযোগ, ভাঙলেন কেন্দ্রেও</h1>
            <p>পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে বিজেপির ভূমিধস জয় মানতে নারাজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সরাসরি ‘অনৈতিক’ ও ‘দানবিক পার্টি’ বলে আক্রমণ করলেন তিনি। একইসঙ্গে উঠল নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ। পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে যে ফল এল, তাতে তৃণমূলের আশা শেষ। বিজেপি পেল ২০৬ আসন, আর তৃণমূলের জোট অনেক আসনেই পিছিয়ে। এমনকি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরেই হেরে গেছেন শুভেন্দু অধিকারীর কাছে। গত ২৩ ও ২৯ এপ্রিল ভোট হয়েছিল রাজ্যে। সোমবার ফল প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। কিন্তু ফল আসার আগেই শুরু হয় নাটক। কলকাতার সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের গণনাকেন্দ্রে দুপুরে পৌঁছে যান মমতা। কিছুক্ষণ পর সেখানে হাজির হন শুভেন্দু অধিকারীও। দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দু’জনই গণনা দেখেন। কিন্তু সন্ধ্যায় ফল ঘোষণার আগেই হঠাৎ কেন্দ্র ছেড়ে বেরিয়ে যান তৃণমূলনেত্রী। বাইরে দাঁড়িয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “আমাকে ভিতরে ঢুকতে দিচ্ছে না। পুরো ব্যাপার একতরফা। ধাক্কা দেওয়া হয়েছে, মারাও হয়েছে—সেটাও সিআরপিএফ-এর সামনে। আমি প্রার্থী, আমাকে ঢুকতে দেয়নি। এটা দানবিক পার্টি। ১০০টার উপরে সিট লুট করেছে। এই নির্বাচন কমিশন আর কিছু নয়—এটা বিজেপি কমিশন।” মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগারওয়ালের কাছে অভিযোগ জানিয়েও লাভ হয়নি বলে দাবি করেন মমতা। এরপর তিনি সরাসরি বলেন, “এটা কী ধরনের জয়! এটা ইমমোরাল ভিক্ট্রি (অনৈতিক জয়)। মোরাল ভিক্ট্রি (নৈতিক জয়) নয়। পুরোটাই বেআইনি। জোর করে জিতেছে। লুট, লুট, লুট। আমরা ঘুরে দাঁড়াবই।” এই প্রতিক্রিয়া জানিয়ে কালীঘাটের বাড়িতে চলে যান মমতা। এদিকে টানা ১৫ বছর রাজ্য শাসন করা তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা ভীষণ হতাশ। তারই মধ্যে আজ মঙ্গলবার কলকাতার কালীঘাটে নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তিনি আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা বলতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_4.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_4.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_4.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[হুনানে আতশবাজি কারখানায় বিস্ফোরণে নিহত ২১, আহত ৬০, আতঙ্কে স্থানীয়রা এলাকা খালি]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36806</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36806</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 05 May 2026 16:05:56 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[এশিয়া]]></category>
                        <category><![CDATA[China firework factory explosion, Hunan explosion news, Liuyang fireworks accident, China industrial blast, Xinhua report explosion, Xi Jinping investigation order, firework industry China, factory blast casualties, China safety incident, industrial accident China, fireworks market global, China export fireworks, explosion rescue operation, hazardous factory China, breaking news China explosion]]></category>
        
        <description><![CDATA[চীনের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ হুনান-এর একটি আতশবাজির কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে অন্তত ২১ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন প্রায় ৬০ জন। দেশটির সরকারি বার্তাসংস্থা Xinhua এই তথ্য জানিয়েছে। হুনানের লিউইয়াং শহরে অবস্থিত হুয়াশেং ফায়ারওয়ার্কস ম্যানুফেকচারিং অ্যান্ড ডিসপ্লে কোম্পানির কারখানা বা ওয়ার্কশপে এই বিস্ফোরণ ঘটে। শহরটি চীনের আতশবাজি শিল্পের অন্যতম বড় কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত, যেখানে একাধিক কারখানা রয়েছে। সিনহুয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় সোমবার বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে) এই বিস্ফোরণ ঘটে। নিহতদের বেশিরভাগই ঘটনাস্থলেই মারা যান। বিস্ফোরণের কিছুক্ষণের মধ্যেই ফায়ার সার্ভিসের প্রায় ৫০০ উদ্ধারকর্মী ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। নিরাপত্তার স্বার্থে কারখানার আশপাশের প্রায় ৩ কিলোমিটার এলাকার বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। কারণ, কারখানাটির কাছেই কালো বারুদের দুটি গুদাম রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বিস্ফোরণের সময় এত জোরে শব্দ হয়েছিল যে তাদের বাড়ির দরজা-জানালা কেঁপে ওঠে। তবে ঠিক কী কারণে এই বিস্ফোরণ ঘটেছে, তা এখনো জানা যায়নি। এই ঘটনায় দ্রুত তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। একইসঙ্গে কারখানা কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতাও চাওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সিনহুয়া। উল্লেখ্য, আতশবাজি শিল্পে চীন বিশ্বে অন্যতম শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। ২০২৫ সালে বৈশ্বিক বাজারে ১১৪ কোটি ডলারের আতশবাজি সরবরাহ করেছে চীনা কোম্পানিগুলো। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, গত বছর বিশ্বে বিক্রি হওয়া আতশবাজির প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই এসেছে চীন থেকে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/default.jpg" alt="হুনানে আতশবাজি কারখানায় বিস্ফোরণে নিহত ২১, আহত ৬০, আতঙ্কে স্থানীয়রা এলাকা খালি" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>হুনানে আতশবাজি কারখানায় বিস্ফোরণে নিহত ২১, আহত ৬০, আতঙ্কে স্থানীয়রা এলাকা খালি</h1>
            <p>চীনের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ হুনান-এর একটি আতশবাজির কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে অন্তত ২১ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন প্রায় ৬০ জন। দেশটির সরকারি বার্তাসংস্থা Xinhua এই তথ্য জানিয়েছে। হুনানের লিউইয়াং শহরে অবস্থিত হুয়াশেং ফায়ারওয়ার্কস ম্যানুফেকচারিং অ্যান্ড ডিসপ্লে কোম্পানির কারখানা বা ওয়ার্কশপে এই বিস্ফোরণ ঘটে। শহরটি চীনের আতশবাজি শিল্পের অন্যতম বড় কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত, যেখানে একাধিক কারখানা রয়েছে। সিনহুয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় সোমবার বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে) এই বিস্ফোরণ ঘটে। নিহতদের বেশিরভাগই ঘটনাস্থলেই মারা যান। বিস্ফোরণের কিছুক্ষণের মধ্যেই ফায়ার সার্ভিসের প্রায় ৫০০ উদ্ধারকর্মী ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। নিরাপত্তার স্বার্থে কারখানার আশপাশের প্রায় ৩ কিলোমিটার এলাকার বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। কারণ, কারখানাটির কাছেই কালো বারুদের দুটি গুদাম রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বিস্ফোরণের সময় এত জোরে শব্দ হয়েছিল যে তাদের বাড়ির দরজা-জানালা কেঁপে ওঠে। তবে ঠিক কী কারণে এই বিস্ফোরণ ঘটেছে, তা এখনো জানা যায়নি। এই ঘটনায় দ্রুত তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। একইসঙ্গে কারখানা কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতাও চাওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সিনহুয়া। উল্লেখ্য, আতশবাজি শিল্পে চীন বিশ্বে অন্যতম শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। ২০২৫ সালে বৈশ্বিক বাজারে ১১৪ কোটি ডলারের আতশবাজি সরবরাহ করেছে চীনা কোম্পানিগুলো। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, গত বছর বিশ্বে বিক্রি হওয়া আতশবাজির প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই এসেছে চীন থেকে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/default.jpg" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/default.jpg" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/default.jpg" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[সাবধান! হরমুজে হাত দিলে ‘কঠোর’ জবাব দেবে ইরান, ট্রাম্পের সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36805</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36805</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 05 May 2026 16:05:28 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Iran warns US on Hormuz, IRGC hard response, Trump Hormuz Strait crisis, US Iran military tension, Yemen news context, Iran nuclear deal impact, Project Freedom Iran response, Middle East conflict update, US Navy vs IRGC, Strait of Hormuz blockade news, Iran retaliation threat, US Iran war possibility, Javadani statement translation, Iran foreign ministry warning, Gulf security crisis 2025]]></category>
        
        <description><![CDATA[ভূমিকা: আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ যেন চূড়ান্ত পথে। হরমুজ প্রণালিতে নাক গলালেই ‘ভীষণ জবাব’ দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিল তেহরান। ট্রাম্পের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ এবার দেখবে কী হয়! হরমুজ প্রণালি নিয়ে যতই কঠোর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, ততই সরাসরি সংঘাতের পথে হাঁটছে ইরান। এবার আমেরিকার যেকোনো হস্তক্ষেপের ‘কঠোর’ জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটির শক্তিশালী ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। বাহিনীটির রাজনৈতিক শাখার উপপ্রধান ইয়াদুল্লাহ জাভানি সরাসরি বলেছেন, “হরমুজ প্রণালিতে হস্তক্ষেপ করার যে কোনো মার্কিন প্রচেষ্টাকে কঠোর জবাবের মুখোমুখি হতে হবে।” ইরানি সংবাদমাধ্যম আইএসএনএ-কে জাভানি আরও বলেন, “ট্রাম্পের আসল মাথাব্যথা এখন হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া। গত ৪০ দিন ধরে যুদ্ধ আর তার পরে তিনি যেন প্রতিটি দরজায় কড়া নাড়ছেন, কিন্তু কোনো লাভ হচ্ছে না।” ইরানের এই শীর্ষ কর্মকর্তা দাবি করেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইরানের ওপর ‘চাপ প্রয়োগ’ করে এই জলপথ খোলার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে ইরান তা হতে দেবে না। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে জাভানি বলেন, “আমরা আগেও বলেছি, আজও বলছি—আমেরিকা আর কোনো পরাশক্তি নয়। বরং ওরা এখন এক শক্তির মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে, আর সেই লড়াইয়ে আমেরিকার ক্ষয়ক্ষতি ইরানের চেয়ে অনেক বেশি হবে।” সতর্কবার্তার শেষে জাভানি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আমেরিকা যেন তার শক্তির পরীক্ষা নিতে চায়, সব ক্ষমতা প্রয়োগ করে দেখুক। শেষ পর্যন্ত তাদের পরাজয় অনিবার্য।” ঘটনা ক্রমেই উত্তপ্ত হচ্ছে। এখন দেখার বিষয়, ট্রাম্পের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ আর ইরানের এই ‘কঠোর জবাবের’ মুখোমুখি সংঘাত ঠেকানো যায় কি না।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_2.webp" alt="সাবধান! হরমুজে হাত দিলে ‘কঠোর’ জবাব দেবে ইরান, ট্রাম্পের সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>সাবধান! হরমুজে হাত দিলে ‘কঠোর’ জবাব দেবে ইরান, ট্রাম্পের সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ</h1>
            <p>ভূমিকা: আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ যেন চূড়ান্ত পথে। হরমুজ প্রণালিতে নাক গলালেই ‘ভীষণ জবাব’ দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিল তেহরান। ট্রাম্পের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ এবার দেখবে কী হয়! হরমুজ প্রণালি নিয়ে যতই কঠোর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, ততই সরাসরি সংঘাতের পথে হাঁটছে ইরান। এবার আমেরিকার যেকোনো হস্তক্ষেপের ‘কঠোর’ জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটির শক্তিশালী ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। বাহিনীটির রাজনৈতিক শাখার উপপ্রধান ইয়াদুল্লাহ জাভানি সরাসরি বলেছেন, “হরমুজ প্রণালিতে হস্তক্ষেপ করার যে কোনো মার্কিন প্রচেষ্টাকে কঠোর জবাবের মুখোমুখি হতে হবে।” ইরানি সংবাদমাধ্যম আইএসএনএ-কে জাভানি আরও বলেন, “ট্রাম্পের আসল মাথাব্যথা এখন হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া। গত ৪০ দিন ধরে যুদ্ধ আর তার পরে তিনি যেন প্রতিটি দরজায় কড়া নাড়ছেন, কিন্তু কোনো লাভ হচ্ছে না।” ইরানের এই শীর্ষ কর্মকর্তা দাবি করেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইরানের ওপর ‘চাপ প্রয়োগ’ করে এই জলপথ খোলার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে ইরান তা হতে দেবে না। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে জাভানি বলেন, “আমরা আগেও বলেছি, আজও বলছি—আমেরিকা আর কোনো পরাশক্তি নয়। বরং ওরা এখন এক শক্তির মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে, আর সেই লড়াইয়ে আমেরিকার ক্ষয়ক্ষতি ইরানের চেয়ে অনেক বেশি হবে।” সতর্কবার্তার শেষে জাভানি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আমেরিকা যেন তার শক্তির পরীক্ষা নিতে চায়, সব ক্ষমতা প্রয়োগ করে দেখুক। শেষ পর্যন্ত তাদের পরাজয় অনিবার্য।” ঘটনা ক্রমেই উত্তপ্ত হচ্ছে। এখন দেখার বিষয়, ট্রাম্পের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ আর ইরানের এই ‘কঠোর জবাবের’ মুখোমুখি সংঘাত ঠেকানো যায় কি না।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_2.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_2.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_2.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[সতর্কবার্তা ট্রাম্পের! ইরানকে ‘ধুলিসাৎ’ করার হুমকি, শুরু ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36804</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36804</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Tue, 05 May 2026 16:05:04 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Trump threatens Iran, Hormuz Strait conflict, Project Freedom military plan, US Iran war news, Fox News interview Trump, US Navy vs Iranian boats, commercial ships stranded Hormuz, CENTCOM Admiral Brad Cooper, US Iran tension update, world trade route crisis, Persian Gulf military escalation, Trump warning to Iran, Iran US ceasefire breakdown, innocent bystander ships, Middle East breaking news]]></category>
        
        <description><![CDATA[ভূমিকা: হরমুজ প্রণালি নিয়ে আমেরিকা-ইরানের টানাপোড়েন চরমে। এবার সরাসরি হুমকি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বললেন, ইরান যদি আমেরিকার জাহাজে হামলা চালায়, তাহলে গোটা দেশটাই ‘মাটি হয়ে যাবে’। হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যে উত্তেজনা চলছিল, তা যেন যুদ্ধের পথে পৌঁছে গেল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এক সাক্ষাৎকারে ইরানকে সরাসরি ‘পৃথিবীর বুক থেকে মুছে ফেলার’ হুমকি দিয়েছেন। ফক্স নিউজকে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেছেন, “আমাদের হাতে আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী অস্ত্র আছে। সারা বিশ্বে আমাদের সামরিক ঘাঁটি ভরপুর। দরকার পড়লে এসব ব্যবহার করতে আমরা পিছপা হব না।” তিনি আরও বলেন, ইরান যদি যুক্তরাষ্ট্রের কোনো জাহাজে আঘাত হানে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে এমন কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে যে দেশটির অস্তিত্বই বিপন্ন হয়ে যাবে। এরই মধ্যে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নামে একটি বিশেষ পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে মার্কিন সেনাবাহিনী। সোমবার থেকে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে, যার মূল লক্ষ্য—ইরানের সম্ভাব্য অবরোধ উপেক্ষা করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে আমেরিকার জাহাজগুলো নিরাপদে পার করে দেয়া। গত সোমবার ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে হামলা চালানোর পর পুরো অঞ্চলে নতুন করে সংঘাতের সূত্রপাত হয়। ট্রাম্প দাবি করেছেন, জবাবে মার্কিন বাহিনী হরমুজের কাছে ইরানের সাতটি ছোট নৌকা ডুবিয়ে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র আরও জানিয়েছে, তারা দুটি মার্কিন বাণিজ্যিক জাহাজকে ওই প্রণালি পার করতে সাহায্য করেছে। তবে জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইটগুলোর তথ্য বলছে, এখনো অধিকাংশ জাহাজ চলাচল বন্ধ রাখছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার জানিয়েছেন, প্রণালির কাছে আটকে পড়া জাহাজগুলো ৮৭টি ভিন্ন দেশের। তিনি এদের ‘নির্দোষ দর্শক’ বলে মন্তব্য করেছেন। কুপার আরও বলেন, “গত ১২ ঘণ্টায় আমরা কয়েক ডজন জাহাজ ও শিপিং কোম্পানির সঙ্গে কথা বলেছি, যাতে তারা হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলে আগ্রহী হয়। প্রেসিডেন্ট যেভাবে চান জাহাজগুলো নিরাপদে পার করতে—আমরা সেভাবেই কাজ করছি।” তবে আমেরিকার এই আশ্বাসে জাহাজ মালিকরা কতটা সাড়া দিচ্ছেন, সেটা এখনো পরিষ্কার নয়। আপাতত সবাই চোখ রেখেছে উত্তপ্ত এই প্রণালির দিকে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_1.webp" alt="সতর্কবার্তা ট্রাম্পের! ইরানকে ‘ধুলিসাৎ’ করার হুমকি, শুরু ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>সতর্কবার্তা ট্রাম্পের! ইরানকে ‘ধুলিসাৎ’ করার হুমকি, শুরু ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’</h1>
            <p>ভূমিকা: হরমুজ প্রণালি নিয়ে আমেরিকা-ইরানের টানাপোড়েন চরমে। এবার সরাসরি হুমকি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বললেন, ইরান যদি আমেরিকার জাহাজে হামলা চালায়, তাহলে গোটা দেশটাই ‘মাটি হয়ে যাবে’। হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যে উত্তেজনা চলছিল, তা যেন যুদ্ধের পথে পৌঁছে গেল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এক সাক্ষাৎকারে ইরানকে সরাসরি ‘পৃথিবীর বুক থেকে মুছে ফেলার’ হুমকি দিয়েছেন। ফক্স নিউজকে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেছেন, “আমাদের হাতে আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী অস্ত্র আছে। সারা বিশ্বে আমাদের সামরিক ঘাঁটি ভরপুর। দরকার পড়লে এসব ব্যবহার করতে আমরা পিছপা হব না।” তিনি আরও বলেন, ইরান যদি যুক্তরাষ্ট্রের কোনো জাহাজে আঘাত হানে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে এমন কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে যে দেশটির অস্তিত্বই বিপন্ন হয়ে যাবে। এরই মধ্যে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নামে একটি বিশেষ পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে মার্কিন সেনাবাহিনী। সোমবার থেকে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে, যার মূল লক্ষ্য—ইরানের সম্ভাব্য অবরোধ উপেক্ষা করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে আমেরিকার জাহাজগুলো নিরাপদে পার করে দেয়া। গত সোমবার ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে হামলা চালানোর পর পুরো অঞ্চলে নতুন করে সংঘাতের সূত্রপাত হয়। ট্রাম্প দাবি করেছেন, জবাবে মার্কিন বাহিনী হরমুজের কাছে ইরানের সাতটি ছোট নৌকা ডুবিয়ে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র আরও জানিয়েছে, তারা দুটি মার্কিন বাণিজ্যিক জাহাজকে ওই প্রণালি পার করতে সাহায্য করেছে। তবে জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইটগুলোর তথ্য বলছে, এখনো অধিকাংশ জাহাজ চলাচল বন্ধ রাখছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার জানিয়েছেন, প্রণালির কাছে আটকে পড়া জাহাজগুলো ৮৭টি ভিন্ন দেশের। তিনি এদের ‘নির্দোষ দর্শক’ বলে মন্তব্য করেছেন। কুপার আরও বলেন, “গত ১২ ঘণ্টায় আমরা কয়েক ডজন জাহাজ ও শিপিং কোম্পানির সঙ্গে কথা বলেছি, যাতে তারা হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলে আগ্রহী হয়। প্রেসিডেন্ট যেভাবে চান জাহাজগুলো নিরাপদে পার করতে—আমরা সেভাবেই কাজ করছি।” তবে আমেরিকার এই আশ্বাসে জাহাজ মালিকরা কতটা সাড়া দিচ্ছেন, সেটা এখনো পরিষ্কার নয়। আপাতত সবাই চোখ রেখেছে উত্তপ্ত এই প্রণালির দিকে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-5-5-26_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[বিশ্বে প্রথমবারের মতো অটিজম-বান্ধব টাইলস “নিউরোটাইলস” নিয়ে এলো ডিবিএল সিরামিকস]]></title>
        <link>https://nbs24.org/economy/36803</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/economy/36803</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 04 May 2026 17:05:50 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
                <category><![CDATA[করপোরেট খবর]]></category>
                        <category><![CDATA[latest news, latest bangla news, latest news today, latest bangladeshi news, atn bd news, latest news and bulletin, bd news, bd news 26, news update bd, latest news headline and bulletin, bd news live, bd news live tv, bd india relation news, news today bd news today, bd news live today, latestnews, bdnews, bd news live today 2026, security news bd, atn news tv, update news, news update, bd parliament news, government news bd, rater bangladesh news, atn news, bangla news update, atn news today, bangla tv news]]></category>
        
        <description><![CDATA[অটিজম থাকা শিশুদের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে বিশ্বের প্রথম অটিজম-ফ্রেন্ডলি টাইলস “নিউরোটাইলস” বাজারে এনেছে DBL Ceramics। ছয় মাসের গবেষণার ভিত্তিতে তৈরি এই উদ্যোগে শিশুদের মানসিক স্বস্তি ও আচরণগত সহায়তাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অটিজম বিষয়ে বিশ্বজুড়ে প্রায় ৬৮.১ মিলিয়ন শিশু বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হলেও তাদের বসবাস ও শেখার পরিবেশ সবসময় সেই চাহিদা অনুযায়ী তৈরি করা হয় না। এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে “ডিজাইনড ফর লাইফ” দর্শন থেকে নতুন ইনক্লুসিভ ডিজাইন গাইডলাইন তৈরি করেছে DBL Ceramics। ছয় মাসব্যাপী এই গবেষণায় শিশুদের পছন্দ, আচরণ এবং মানসিক প্রতিক্রিয়া বিশ্লেষণ করা হয়। এতে অংশ নেন চিকিৎসক, মনোবিজ্ঞানী, শিক্ষক ও ডিজাইনাররা। পাশাপাশি কল্যাণী ইনক্লুসিভ স্কুল, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হসপিটাল এবং শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিশেষজ্ঞরাও যুক্ত ছিলেন। গবেষণায় দেখা যায়, অটিজম থাকা শিশুরা সাধারণত হালকা রং, সহজ টেক্সচার এবং পুনরাবৃত্ত প্যাটার্নে বেশি স্বস্তি অনুভব করে। এসব উপাদান তাদের মনোযোগ বাড়াতে, অস্থিরতা কমাতে এবং স্ব-নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। এই বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতেই তৈরি হয়েছে “নিউরোটাইলস”। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, শুধু একটি পণ্য নয়, বরং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজাইন দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করাই তাদের মূল লক্ষ্য। এজন্য তারা পুরো গাইডলাইনটি ওপেন-সোর্স করেছে, যাতে যে কেউ এটি ব্যবহার করে অটিজম-বান্ধব ঘর, স্কুল বা পাবলিক স্পেস ডিজাইন করতে পারে। গাইডলাইনটি বিনামূল্যে পাওয়া যাচ্ছে: https://neurotiles.dblceramics.com/ এ বিষয়ে ডিবিএল সিরামিকস এর চিফ বিজনেস অফিসার মোহাম্মদ বায়েজিদ বাশার বলেন, যদি অটিজম থাকা একটি শিশুও নিজের ঘরে প্রথমবারের মতো স্বস্তি পায়, তাহলেই আমাদের এই উদ্যোগ সার্থক। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসন নকশায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে।]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24o_05-4-26_41.webp" alt="বিশ্বে প্রথমবারের মতো অটিজম-বান্ধব টাইলস “নিউরোটাইলস” নিয়ে এলো ডিবিএল সিরামিকস" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>বিশ্বে প্রথমবারের মতো অটিজম-বান্ধব টাইলস “নিউরোটাইলস” নিয়ে এলো ডিবিএল সিরামিকস</h1>
            <p>অটিজম থাকা শিশুদের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে বিশ্বের প্রথম অটিজম-ফ্রেন্ডলি টাইলস “নিউরোটাইলস” বাজারে এনেছে DBL Ceramics। ছয় মাসের গবেষণার ভিত্তিতে তৈরি এই উদ্যোগে শিশুদের মানসিক স্বস্তি ও আচরণগত সহায়তাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অটিজম বিষয়ে বিশ্বজুড়ে প্রায় ৬৮.১ মিলিয়ন শিশু বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হলেও তাদের বসবাস ও শেখার পরিবেশ সবসময় সেই চাহিদা অনুযায়ী তৈরি করা হয় না। এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে “ডিজাইনড ফর লাইফ” দর্শন থেকে নতুন ইনক্লুসিভ ডিজাইন গাইডলাইন তৈরি করেছে DBL Ceramics। ছয় মাসব্যাপী এই গবেষণায় শিশুদের পছন্দ, আচরণ এবং মানসিক প্রতিক্রিয়া বিশ্লেষণ করা হয়। এতে অংশ নেন চিকিৎসক, মনোবিজ্ঞানী, শিক্ষক ও ডিজাইনাররা। পাশাপাশি কল্যাণী ইনক্লুসিভ স্কুল, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হসপিটাল এবং শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিশেষজ্ঞরাও যুক্ত ছিলেন। গবেষণায় দেখা যায়, অটিজম থাকা শিশুরা সাধারণত হালকা রং, সহজ টেক্সচার এবং পুনরাবৃত্ত প্যাটার্নে বেশি স্বস্তি অনুভব করে। এসব উপাদান তাদের মনোযোগ বাড়াতে, অস্থিরতা কমাতে এবং স্ব-নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। এই বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতেই তৈরি হয়েছে “নিউরোটাইলস”। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, শুধু একটি পণ্য নয়, বরং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজাইন দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করাই তাদের মূল লক্ষ্য। এজন্য তারা পুরো গাইডলাইনটি ওপেন-সোর্স করেছে, যাতে যে কেউ এটি ব্যবহার করে অটিজম-বান্ধব ঘর, স্কুল বা পাবলিক স্পেস ডিজাইন করতে পারে। গাইডলাইনটি বিনামূল্যে পাওয়া যাচ্ছে: https://neurotiles.dblceramics.com/ এ বিষয়ে ডিবিএল সিরামিকস এর চিফ বিজনেস অফিসার মোহাম্মদ বায়েজিদ বাশার বলেন, যদি অটিজম থাকা একটি শিশুও নিজের ঘরে প্রথমবারের মতো স্বস্তি পায়, তাহলেই আমাদের এই উদ্যোগ সার্থক। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসন নকশায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে।</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24o_05-4-26_41.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24o_05-4-26_41.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24o_05-4-26_41.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইতিহাস গড়লেন সুনীল নারিন! আইপিএলে প্রথম বিদেশি বোলারের ডাবল সেঞ্চুরি]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/36802</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/36802</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 04 May 2026 17:05:11 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ক্রিকেট]]></category>
                        <category><![CDATA[Sunil Narine IPL record, first foreigner 200 IPL wickets, KKR spinner history, Narine double century wickets, IPL all time wicket takers list, KKR vs SRH Narine performance, Caribbean cricketer IPL milestone, Narine only overseas in top five, Chahal Bhuvneshwar comparison, Narine KKR loyalty, IPL 2025 wickets update, Narine 201 wickets achievement, Kolkata Knight Riders star, most wickets in IPL by spinner, Bengali cricket news]]></category>
        
        <description><![CDATA[আইপিএলের ময়দানে আরও একবার ঝড় তুললেন সুনীল নারিন। কলকাতা নাইট রাইডার্সের এই কারিশম্যাটিক স্পিনার হয়ে গেলেন প্রথম বিদেশি ক্রিকেটার, যিনি আইপিএলে ২০০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করলেন! এই কীর্তি তিনি গড়েছেন গতকাল সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে ম্যাচে। প্যাট কামিন্সের দলের বিপক্ষে মাত্র ৩১ রানে ২ উইকেট তুলে নেন নারিন। আর এতেই পৌঁছে যান অনন্য এক রেকর্ডের ঠিকানায়। তিনি এখন আইপিএলের ইতিহাসে তৃতীয় বোলার, যিনি ২০০ উইকেট পেয়েছেন। তো এই তালিকার সিংহাসন কার? শীর্ষে আছেন যুবেন্দ্র চাহাল। এই লেগ স্পিনার ১৮২ ম্যাচে নিয়েছেন ২২৮ উইকেট। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন ভুবনেশ্বর কুমার, যিনি ১৯৯ ম্যাচে ২১৫ উইকেট শিকার করেছেন। আর নারিন এখন তৃতীয়। মাত্র ১৯৭ ম্যাচেই তাঁর দখলে ২০১ উইকেট! চতুর্থ স্থানে পিযুষ চাওলা— নামী এই স্পিনারের ১৯২ ম্যাচে ১৯২ উইকেট। আর পঞ্চম স্থানে রবিচন্দ্রন অশ্বিন, যিনি ২২১ ম্যাচে পেয়েছেন ১৮৭ উইকেট। মানে দাঁড়াচ্ছে, আইপিএলের সেরা পাঁচ বোলারের মধ্যে মাত্র একজন বিদেশি— আর সেটা হলেন সুনীল নারিন। নারিন কিন্তু ২০১২ সাল থেকে খেলছেন আইপিএল। আর শুরু থেকে রয়েছেন কলকাতা নাইট রাইডার্সেই। অর্থাৎ তিনি আইপিএলে ২০১টি উইকেটের প্রতিটিই নিয়েছেন শাহরুখ খানের এই দলের হয়ে। যা সত্যিই অসাধারণ এক নিষ্ঠার উদাহরণ!  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_30.webp" alt="ইতিহাস গড়লেন সুনীল নারিন! আইপিএলে প্রথম বিদেশি বোলারের ডাবল সেঞ্চুরি" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইতিহাস গড়লেন সুনীল নারিন! আইপিএলে প্রথম বিদেশি বোলারের ডাবল সেঞ্চুরি</h1>
            <p>আইপিএলের ময়দানে আরও একবার ঝড় তুললেন সুনীল নারিন। কলকাতা নাইট রাইডার্সের এই কারিশম্যাটিক স্পিনার হয়ে গেলেন প্রথম বিদেশি ক্রিকেটার, যিনি আইপিএলে ২০০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করলেন! এই কীর্তি তিনি গড়েছেন গতকাল সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে ম্যাচে। প্যাট কামিন্সের দলের বিপক্ষে মাত্র ৩১ রানে ২ উইকেট তুলে নেন নারিন। আর এতেই পৌঁছে যান অনন্য এক রেকর্ডের ঠিকানায়। তিনি এখন আইপিএলের ইতিহাসে তৃতীয় বোলার, যিনি ২০০ উইকেট পেয়েছেন। তো এই তালিকার সিংহাসন কার? শীর্ষে আছেন যুবেন্দ্র চাহাল। এই লেগ স্পিনার ১৮২ ম্যাচে নিয়েছেন ২২৮ উইকেট। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন ভুবনেশ্বর কুমার, যিনি ১৯৯ ম্যাচে ২১৫ উইকেট শিকার করেছেন। আর নারিন এখন তৃতীয়। মাত্র ১৯৭ ম্যাচেই তাঁর দখলে ২০১ উইকেট! চতুর্থ স্থানে পিযুষ চাওলা— নামী এই স্পিনারের ১৯২ ম্যাচে ১৯২ উইকেট। আর পঞ্চম স্থানে রবিচন্দ্রন অশ্বিন, যিনি ২২১ ম্যাচে পেয়েছেন ১৮৭ উইকেট। মানে দাঁড়াচ্ছে, আইপিএলের সেরা পাঁচ বোলারের মধ্যে মাত্র একজন বিদেশি— আর সেটা হলেন সুনীল নারিন। নারিন কিন্তু ২০১২ সাল থেকে খেলছেন আইপিএল। আর শুরু থেকে রয়েছেন কলকাতা নাইট রাইডার্সেই। অর্থাৎ তিনি আইপিএলে ২০১টি উইকেটের প্রতিটিই নিয়েছেন শাহরুখ খানের এই দলের হয়ে। যা সত্যিই অসাধারণ এক নিষ্ঠার উদাহরণ!  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_30.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_30.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_30.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[বালক-বালিকা দুই বিভাগেই দাপট! মিনি হ্যান্ডবলে সানিডেইলের ডাবল সাফল্য]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/36801</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/36801</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 04 May 2026 17:05:25 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[অন্য খেলা]]></category>
                        <category><![CDATA[Sunbeel handball champions, mini school handball tournament, both boys and girls winners, Sunbeel school Dhaka, double title handball, Bangladesh handball news, sports ministry secretary award, handball final result, school sports Bangladesh, Adiyan Shams best player, Walia Hossain best player, handball competition Dhaka, Motijheel Model school win, Sher-e-Bangla school victory, Bengali school sports news]]></category>
        
        <description><![CDATA[ছোট্ট এই হ্যান্ডবল তারকাদের দাপট দেখে রীতিমতো থরহরিকম্প! মিনি স্কুল হ্যান্ডবল টুর্নামেন্টে বালক ও বালিকা— উভয় বিভাগের শিরোপাই জিতে নিয়েছে সানিডেইল দল। বালকদের ফাইনালে রানার্সআপ হয়েছে নির্ঝর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ আর বালিকাদের রানার্সআপ ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ। গ্রুপ পর্বে কিন্তু নির্ঝর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুলের কাছে হেরেছিল সানিডেইল। তবে ফাইনালে সেই ব্যর্থতা ঘুচিয়ে দিয়ে মাতিয়ে দিয়েছে তারা। প্রতিশোধ আর কি! ৫-২ গোলের বড় জয় তুলে নিয়েছে সানিডেইল। অন্যদিকে তৃতীয়স্থান নির্ধারণী ম্যাচে নৌবাহিনী কলেজকে ৫-১ গোলে হারিয়েছে মতিঝিল মডেল স্কুল। আর পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে দারুণ খেলায় বালকদের সেরা খেলোয়াড় হয়েছে সানিডেইলের মো. আদিয়ান শামস। বালিকাদের বিভাগেও কিন্তু সানিডেইলের জয়যাত্রা। দারুণ ছন্দে থাকা দলটি ফাইনালে ভিকারুননিসা নূন স্কুলকে ৫-৩ গোলে হারিয়েছে। বালিকাদের তৃতীয় স্থানের ম্যাচে নির্ঝর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুলকে ১-০ গোলে হারিয়েছে শেরে বাংলা স্কুল। আর টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার ঘরে তুলেছে সানিডেইলের ওয়ালিয়া হোসেন। ফাইনাল শেষে বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের খেলোয়াড়দের হাতে পুরস্কার তুলে দিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হ্যান্ডবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন আহম্মেদ, যুগ্ম সম্পাদক রাশিদা আফজালুন নেসা এবং ফেডারেশনের অন্যান্য কর্মকর্তারা।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_29.webp" alt="বালক-বালিকা দুই বিভাগেই দাপট! মিনি হ্যান্ডবলে সানিডেইলের ডাবল সাফল্য" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>বালক-বালিকা দুই বিভাগেই দাপট! মিনি হ্যান্ডবলে সানিডেইলের ডাবল সাফল্য</h1>
            <p>ছোট্ট এই হ্যান্ডবল তারকাদের দাপট দেখে রীতিমতো থরহরিকম্প! মিনি স্কুল হ্যান্ডবল টুর্নামেন্টে বালক ও বালিকা— উভয় বিভাগের শিরোপাই জিতে নিয়েছে সানিডেইল দল। বালকদের ফাইনালে রানার্সআপ হয়েছে নির্ঝর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ আর বালিকাদের রানার্সআপ ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ। গ্রুপ পর্বে কিন্তু নির্ঝর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুলের কাছে হেরেছিল সানিডেইল। তবে ফাইনালে সেই ব্যর্থতা ঘুচিয়ে দিয়ে মাতিয়ে দিয়েছে তারা। প্রতিশোধ আর কি! ৫-২ গোলের বড় জয় তুলে নিয়েছে সানিডেইল। অন্যদিকে তৃতীয়স্থান নির্ধারণী ম্যাচে নৌবাহিনী কলেজকে ৫-১ গোলে হারিয়েছে মতিঝিল মডেল স্কুল। আর পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে দারুণ খেলায় বালকদের সেরা খেলোয়াড় হয়েছে সানিডেইলের মো. আদিয়ান শামস। বালিকাদের বিভাগেও কিন্তু সানিডেইলের জয়যাত্রা। দারুণ ছন্দে থাকা দলটি ফাইনালে ভিকারুননিসা নূন স্কুলকে ৫-৩ গোলে হারিয়েছে। বালিকাদের তৃতীয় স্থানের ম্যাচে নির্ঝর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুলকে ১-০ গোলে হারিয়েছে শেরে বাংলা স্কুল। আর টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার ঘরে তুলেছে সানিডেইলের ওয়ালিয়া হোসেন। ফাইনাল শেষে বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের খেলোয়াড়দের হাতে পুরস্কার তুলে দিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হ্যান্ডবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন আহম্মেদ, যুগ্ম সম্পাদক রাশিদা আফজালুন নেসা এবং ফেডারেশনের অন্যান্য কর্মকর্তারা।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_29.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_29.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_29.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[আউট হয়ে ব্যাট ছুড়ে মাটিতে! কড়া শাস্তি পেলেন নারী টাইগ্রেস অধিনায়ক]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/36800</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/36800</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 04 May 2026 17:05:40 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ক্রিকেট]]></category>
                        <category><![CDATA[Jyoti punishment cricket, Bangladesh women cricket news, ICC code of conduct breach, Bangladesh vs Sri Lanka T20, Jyoti bat throw incident, women’s cricket controversy, ICC demerit point, Sylhet cricket match, Tigress captain fine, Level 1 ICC offence, Bangladeshi women cricketer, sports discipline news, Bangla cricket news update, human interest sports story, female cricketer suspended]]></category>
        
        <description><![CDATA[শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডেতে একটা জিতলেও টি-টোয়েন্টি সিরিজে গোলা খেয়েছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। আর শেষ ম্যাট শেষে আইসিসির আচরণবিধি ভাঙার দায়ে কঠোর শাস্তি পেলেন টাইগ্রেস ক্যাপ্টেন। হ্যাঁ, ঠিকই শুনছেন। আইসিসির কোড অফ কন্ডাক্টের লেভেল ১ ভঙ্গ করায় এই শাস্তি হয়েছে তাঁর। গত শনিবার সিলেটে লঙ্কানদের বিপক্ষে বাংলাদেশ যখন ব্যাট করছিল, তখনই ঘটে যায় অঘটন। আউট হওয়ার পর মাঠ ছাড়ার আগে রাগের মাথায় নিজের ব্যাট মাটিতে ছুড়ে মারেন জ্যোতি। আইসিসি তাঁর এই কাজটিকে ক্রিকেট সামগ্রী বা মাঠের জিনিসপত্রের অপব্যবহার হিসেবে চিহ্নিত করেছে। শুধু তিরস্কারই নয়, জ্যোতির ডিসিপ্লিনারি রেকর্ডে একটি ডিমেরিট পয়েন্টও যোগ হয়েছে। তবে স্বস্তির কথা হলো, গত ২৪ মাসে এটাই তাঁর প্রথম এমন অপরাধ। জ্যোতি নিজেই ম্যাচ রেফারি সুপ্রিয়া রানী দাসের দেওয়া শাস্তি মেনে নিয়েছেন। এতে করে কোনো শুনানির দরকার পড়েনি। মাঠের আম্পায়ার এলোইস শেরিডান, সাথিরা জাকির জেসি, তৃতীয় আম্পায়ার রোকেয়া সুলতানা এবং চতুর্থ আম্পায়ার চম্পা চাকমা সকলেই জ্যোতির বিরুদ্ধে অভিযোগ আনেন। সাধারণত লেভেল ১ ভাঙলে তিরস্কারের পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ ম্যাচ ফি জরিমানা এবং এক বা দুটি ডিমেরিট পয়েন্ট দেওয়ার নিয়ম আছে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_28.webp" alt="আউট হয়ে ব্যাট ছুড়ে মাটিতে! কড়া শাস্তি পেলেন নারী টাইগ্রেস অধিনায়ক" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>আউট হয়ে ব্যাট ছুড়ে মাটিতে! কড়া শাস্তি পেলেন নারী টাইগ্রেস অধিনায়ক</h1>
            <p>শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডেতে একটা জিতলেও টি-টোয়েন্টি সিরিজে গোলা খেয়েছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। আর শেষ ম্যাট শেষে আইসিসির আচরণবিধি ভাঙার দায়ে কঠোর শাস্তি পেলেন টাইগ্রেস ক্যাপ্টেন। হ্যাঁ, ঠিকই শুনছেন। আইসিসির কোড অফ কন্ডাক্টের লেভেল ১ ভঙ্গ করায় এই শাস্তি হয়েছে তাঁর। গত শনিবার সিলেটে লঙ্কানদের বিপক্ষে বাংলাদেশ যখন ব্যাট করছিল, তখনই ঘটে যায় অঘটন। আউট হওয়ার পর মাঠ ছাড়ার আগে রাগের মাথায় নিজের ব্যাট মাটিতে ছুড়ে মারেন জ্যোতি। আইসিসি তাঁর এই কাজটিকে ক্রিকেট সামগ্রী বা মাঠের জিনিসপত্রের অপব্যবহার হিসেবে চিহ্নিত করেছে। শুধু তিরস্কারই নয়, জ্যোতির ডিসিপ্লিনারি রেকর্ডে একটি ডিমেরিট পয়েন্টও যোগ হয়েছে। তবে স্বস্তির কথা হলো, গত ২৪ মাসে এটাই তাঁর প্রথম এমন অপরাধ। জ্যোতি নিজেই ম্যাচ রেফারি সুপ্রিয়া রানী দাসের দেওয়া শাস্তি মেনে নিয়েছেন। এতে করে কোনো শুনানির দরকার পড়েনি। মাঠের আম্পায়ার এলোইস শেরিডান, সাথিরা জাকির জেসি, তৃতীয় আম্পায়ার রোকেয়া সুলতানা এবং চতুর্থ আম্পায়ার চম্পা চাকমা সকলেই জ্যোতির বিরুদ্ধে অভিযোগ আনেন। সাধারণত লেভেল ১ ভাঙলে তিরস্কারের পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ ম্যাচ ফি জরিমানা এবং এক বা দুটি ডিমেরিট পয়েন্ট দেওয়ার নিয়ম আছে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_28.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_28.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_28.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[হ্যাটট্রিক জিতেও বিপদে কেকেআর! প্লে-অফের স্বপ্ন দেখতে কঠিন অঙ্কের ধাঁধা]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/36799</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/36799</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 04 May 2026 17:05:25 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ক্রিকেট]]></category>
                        <category><![CDATA[KKR playoff chances, Kolkata Knight Riders latest news, IPL 2024 points table, KKR vs other teams, Rinku Singh form, KKR remaining matches, IPL playoff equation, Bengali sports news, KKR hat-trick win, Ajinkya Rahane captaincy, IPL top 4 race, must-win for KKR, IPL 10 teams format, KKR 2024 campaign, cricket news in Bangla]]></category>
        
        <description><![CDATA[টানা তিন ম্যাচ জিতে আইপিএলে ফের জমজমাট শোনা যাচ্ছে কলকাতা নাইট রাইডার্সের নাম। তবে রাস্তা যতটাই কঠিন হোক না কেন, তিন বারের চ্যাম্পিয়নরা এখনও প্লে-অফের আশা ছাড়েননি। হ্যাঁ, শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। অজিঙ্কা রাহানের দলকে সামনের সব ম্যাচ জিততেই হবে, তাহলেই শেষ চারে যাওয়া সম্ভব। মানে পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি তাদের হাতছাড়া নয়। এখন পর্যন্ত ৯ ম্যাচ খেলে কেকেআর জিতেছে মাত্র তিনটিতে। একটা ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেসে গিয়েছে। ৭ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলে আট নম্বরে আছে রাহানেরা। প্লে-অফে যেতে হলে প্রথম চারের মধ্যে থাকতে হবে। কেকেআরের এখন বাকি ৫টি ম্যাচ। সবকটিতেই জিতলে সর্বোচ্চ ১৭ পয়েন্ট সংগ্রহ সম্ভব। আর একটি ম্যাচ হারলেই নেমে আসবে ১৫ পয়েন্টে। এদিকে দিল্লি ক্যাপিটালস আর চেন্নাই সুপার কিংস— এই দুই দলও ৯ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট করে নিয়েছে। তবে নেট রান রেটে দিল্লির চেয়ে ভালো অবস্থানে আছে কেকেআর। ৫ মে এই দুই দল মুখোমুখি হবে, সেদিন তাদের একজনের পয়েন্ট ৮-ই থাকবে। আবার ৪ মে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স ও লখনউ সুপার জায়ান্টসের লড়াই। যেই দলই জিতুক, কেকেআরকে ছাড়িয়ে যেতে পারবে না। কারণ দুদলেরই এখন পয়েন্ট ৪ করে। কাজেই আপাতত অষ্টম স্থানটা প্রায় নিশ্চিত কলকাতার। ১০ দলের আইপিএলে গতবার অর্থাৎ ২০২৪ সালে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু মাত্র ১৪ পয়েন্ট নিয়েই প্লে-অফে গিয়েছিল। এর চেয়ে কম পয়েন্ট নিয়ে শেষ চারে কেউ যায়নি। হিসেব বলছে, রাহানেদের ১৫ পয়েন্ট হলেও সুযোগ থাকছে। এখন টেবিলের চেহারা দেখে নেওয়া যাক। ৯ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে পাঞ্জাব কিংস। ৯ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় বেঙ্গালুরু। তৃতীয় থেকে পঞ্চম স্থানে আছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ, রাজস্থান রয়্যালস ও গুজরাট টাইটান্স। তিন দলই ১০টি করে ম্যাচ খেলে নিয়েছে এবং পয়েন্ট ১২ করে। প্রতিটি দলের বাকি ৪টি করে ম্যাচ। তারা ২টিতেও জিতলে পৌঁছে যাবে ১৬ পয়েন্টে। তাহলে এবার প্লে-অফের দৌঁড়ে ১৫ পয়েন্ট যথেষ্ট নয়। আর সেই কারণেই কেকেআরকে বাকি সব কটি ম্যাচ জিততেই হবে। নইলে শেষ হাসি হয়তো হাসতে পারবে না নাইট সমর্থকরা।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_27.webp" alt="হ্যাটট্রিক জিতেও বিপদে কেকেআর! প্লে-অফের স্বপ্ন দেখতে কঠিন অঙ্কের ধাঁধা" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>হ্যাটট্রিক জিতেও বিপদে কেকেআর! প্লে-অফের স্বপ্ন দেখতে কঠিন অঙ্কের ধাঁধা</h1>
            <p>টানা তিন ম্যাচ জিতে আইপিএলে ফের জমজমাট শোনা যাচ্ছে কলকাতা নাইট রাইডার্সের নাম। তবে রাস্তা যতটাই কঠিন হোক না কেন, তিন বারের চ্যাম্পিয়নরা এখনও প্লে-অফের আশা ছাড়েননি। হ্যাঁ, শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। অজিঙ্কা রাহানের দলকে সামনের সব ম্যাচ জিততেই হবে, তাহলেই শেষ চারে যাওয়া সম্ভব। মানে পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি তাদের হাতছাড়া নয়। এখন পর্যন্ত ৯ ম্যাচ খেলে কেকেআর জিতেছে মাত্র তিনটিতে। একটা ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেসে গিয়েছে। ৭ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলে আট নম্বরে আছে রাহানেরা। প্লে-অফে যেতে হলে প্রথম চারের মধ্যে থাকতে হবে। কেকেআরের এখন বাকি ৫টি ম্যাচ। সবকটিতেই জিতলে সর্বোচ্চ ১৭ পয়েন্ট সংগ্রহ সম্ভব। আর একটি ম্যাচ হারলেই নেমে আসবে ১৫ পয়েন্টে। এদিকে দিল্লি ক্যাপিটালস আর চেন্নাই সুপার কিংস— এই দুই দলও ৯ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট করে নিয়েছে। তবে নেট রান রেটে দিল্লির চেয়ে ভালো অবস্থানে আছে কেকেআর। ৫ মে এই দুই দল মুখোমুখি হবে, সেদিন তাদের একজনের পয়েন্ট ৮-ই থাকবে। আবার ৪ মে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স ও লখনউ সুপার জায়ান্টসের লড়াই। যেই দলই জিতুক, কেকেআরকে ছাড়িয়ে যেতে পারবে না। কারণ দুদলেরই এখন পয়েন্ট ৪ করে। কাজেই আপাতত অষ্টম স্থানটা প্রায় নিশ্চিত কলকাতার। ১০ দলের আইপিএলে গতবার অর্থাৎ ২০২৪ সালে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু মাত্র ১৪ পয়েন্ট নিয়েই প্লে-অফে গিয়েছিল। এর চেয়ে কম পয়েন্ট নিয়ে শেষ চারে কেউ যায়নি। হিসেব বলছে, রাহানেদের ১৫ পয়েন্ট হলেও সুযোগ থাকছে। এখন টেবিলের চেহারা দেখে নেওয়া যাক। ৯ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে পাঞ্জাব কিংস। ৯ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় বেঙ্গালুরু। তৃতীয় থেকে পঞ্চম স্থানে আছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ, রাজস্থান রয়্যালস ও গুজরাট টাইটান্স। তিন দলই ১০টি করে ম্যাচ খেলে নিয়েছে এবং পয়েন্ট ১২ করে। প্রতিটি দলের বাকি ৪টি করে ম্যাচ। তারা ২টিতেও জিতলে পৌঁছে যাবে ১৬ পয়েন্টে। তাহলে এবার প্লে-অফের দৌঁড়ে ১৫ পয়েন্ট যথেষ্ট নয়। আর সেই কারণেই কেকেআরকে বাকি সব কটি ম্যাচ জিততেই হবে। নইলে শেষ হাসি হয়তো হাসতে পারবে না নাইট সমর্থকরা।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_27.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_27.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_27.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ চোটের জটিলতায় আইপিএল ছেড়ে দেশে ফিরলেন ফিল সল্ট! ফিরবেন কি আবার?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/36798</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/36798</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 04 May 2026 17:05:19 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ক্রিকেট]]></category>
                        <category><![CDATA[Phil Salt injury update, RCB news in Bengali, IPL 2024 latest news, Phil Salt returns to England, RCB opening crisis, Bangalore Royal Challengers, finger injury cricket, IPL midway setback, Phil Salt IPL stats, Jacob Bethell RCB, ECB central contract, RCB replacement player, Lucknow Super Giants vs RCB, cricket news in Bangla, IPL human-interest story]]></category>
        
        <description><![CDATA[আইপিএলের মাঝপথেই বড় ধাক্কা খেল শিরোপাধারী রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। আঙুলের চোটে জরুরি ভিত্তিতে ইংল্যান্ডে ফিরে গেলেন ইংলিশ ওপেনার ফিল সল্ট। গত ১৮ এপ্রিল দিল্লি ক্যাপিটালসের বিপক্ষে ম্যাচে বাউন্ডারি বাঁচাতে গিয়ে বাঁ হাতের আঙুলে আঘাত পান এই তারকা ব্যাটার। চলতি মরসুমে আরসিবির হয়ে দারুণ ফর্মে ছিলেন ফিল সল্ট। চোটের আগে তিনি মাত্র ৬ ইনিংসে ২০২ রান করেছিলেন, যেখানে তার স্ট্রাইক রেট ছিল ১৬৮.৩৩! সল্টের না থাকায় বিরাট কোহলির সঙ্গে ওপেনিংয়ে নামছেন ইংল্যান্ডের তরুণ জ্যাকব বেথেল। তবে ব্যাট হাতেই চলছে না তার। ৩ ইনিংসে всего ৩৯ রান করেছেন তিনি। ইসিবির সেন্ট্রাল কন্ট্রাক্টে থাকায় ইংল্যান্ড কর্তৃপক্ষের অনুরোধেই দেশে ফিরেছেন সল্ট। সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে স্ক্যান করানো হয়েছে তার। তবে আরসিবি কর্তৃপক্ষ এবং সল্ট দু’পক্ষই আশাবাদী, চোট খুব জটিল না হলে এই মাসের শেষেই আবার ভারতে ফিরে দলে যোগ দেবেন। আর যদি ইনজুরি দীর্ঘমেয়াদি হয়, তবে আইপিএলের নিয়ম অনুযায়ী বদলি খেলোয়াড় নেওয়ার সুযোগ পাবে আরসিবি। গুজরাট টাইটান্সের কাছে হারের পর আরসিবির ক্রিকেটাররা বর্তমানে কয়েক দিনের ছুটি কাটাতে মালদ্বীপে রয়েছেন। আগামী বৃহস্পতিবার লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে মাঠে নামবে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_26.webp" alt=" চোটের জটিলতায় আইপিএল ছেড়ে দেশে ফিরলেন ফিল সল্ট! ফিরবেন কি আবার?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1> চোটের জটিলতায় আইপিএল ছেড়ে দেশে ফিরলেন ফিল সল্ট! ফিরবেন কি আবার?</h1>
            <p>আইপিএলের মাঝপথেই বড় ধাক্কা খেল শিরোপাধারী রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। আঙুলের চোটে জরুরি ভিত্তিতে ইংল্যান্ডে ফিরে গেলেন ইংলিশ ওপেনার ফিল সল্ট। গত ১৮ এপ্রিল দিল্লি ক্যাপিটালসের বিপক্ষে ম্যাচে বাউন্ডারি বাঁচাতে গিয়ে বাঁ হাতের আঙুলে আঘাত পান এই তারকা ব্যাটার। চলতি মরসুমে আরসিবির হয়ে দারুণ ফর্মে ছিলেন ফিল সল্ট। চোটের আগে তিনি মাত্র ৬ ইনিংসে ২০২ রান করেছিলেন, যেখানে তার স্ট্রাইক রেট ছিল ১৬৮.৩৩! সল্টের না থাকায় বিরাট কোহলির সঙ্গে ওপেনিংয়ে নামছেন ইংল্যান্ডের তরুণ জ্যাকব বেথেল। তবে ব্যাট হাতেই চলছে না তার। ৩ ইনিংসে всего ৩৯ রান করেছেন তিনি। ইসিবির সেন্ট্রাল কন্ট্রাক্টে থাকায় ইংল্যান্ড কর্তৃপক্ষের অনুরোধেই দেশে ফিরেছেন সল্ট। সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে স্ক্যান করানো হয়েছে তার। তবে আরসিবি কর্তৃপক্ষ এবং সল্ট দু’পক্ষই আশাবাদী, চোট খুব জটিল না হলে এই মাসের শেষেই আবার ভারতে ফিরে দলে যোগ দেবেন। আর যদি ইনজুরি দীর্ঘমেয়াদি হয়, তবে আইপিএলের নিয়ম অনুযায়ী বদলি খেলোয়াড় নেওয়ার সুযোগ পাবে আরসিবি। গুজরাট টাইটান্সের কাছে হারের পর আরসিবির ক্রিকেটাররা বর্তমানে কয়েক দিনের ছুটি কাটাতে মালদ্বীপে রয়েছেন। আগামী বৃহস্পতিবার লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে মাঠে নামবে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_26.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_26.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_26.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[মা হওয়ার পর প্রথমবার ক্যামেরার সামনে ক্যাটরিনা! কোথায় দেখা গেল নায়িকাকে?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/entertainment/36797</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/entertainment/36797</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 04 May 2026 17:05:24 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
                <category><![CDATA[বলিউড]]></category>
                        <category><![CDATA[Katrina Kaif first public appearance after baby, Vicky Kaushal Katrina Kaif son born November 2025, Katrina Kaif airport look black overcoat, new mom Katrina fitness glow, Vicky Kaushal fatherhood experience interview, Katrina Kaif postpartum comeback, Bollywood celebrity parents Vicky Katrina, Katrina Kaif pregnancy announcement September 2025, Vicky Kaushal The Hollywood Reporter India, Neha Dhupia interview Vicky Kaushal, Katrina Kaif paparazzi photos viral, Bollywood new mom first appearance, Katrina Kaif baby boy latest news, Vicky Kaushal on raising son, Bollywood human-interest entertainment news]]></category>
        
        <description><![CDATA[গত বছরের নভেম্বরে বলিউডের চর্চিত দম্পতি ক্যাটরিনা কাইফ ও ভিকি কৌশলের ঘর আলো করে আসে এক পুত্রসন্তান। কিন্তু মা হওয়ার পর থেকে দূরবীন দিয়ে খুঁজলেও ক্যামেরার সামনে দেখা যাচ্ছিল না ক্যাটরিনাকে। তবে সেই অপেক্ষার প্রায় শেষ। অবশেষে ভিকির হাত ধরে আবারও ঝলমলে আলোর সামনে হাজির হলেন সুপারস্টার অভিনেত্রী! সম্প্রতি বিমানবন্দরে পাপারাজ্জিদের ক্যামেরায় ধরা পড়েন ভিকি-ক্যাটরিনা। ভিকি পরনে বাদামি রঙের জ্যাকেট, ক্যাজুয়াল লুক। আর ক্যাটরিনাকে দেখা গেছে কালো রঙের স্টাইলিশ ওভারকোট পরে। তবে সবচেয়ে বেশি চোখ কাড়ে তাঁর চেহারা – মা হওয়ার পর যেন এক নতুন আভা! ফিটনেস আর স্নিগ্ধতা দেখে নেটিজেনরা তো প্রশংসায় ভাসছেন। এক ভক্ত লিখেছেন, ‘অসাধারণ লাগছে! দেখেই বোঝার উপায় নেই যে তিনি নতুন মা হয়েছেন।’ আরেকজন তো সরাসরি লিখে ফেলেছেন, ‘সবচেয়ে সুন্দর বাবা-মা!’ প্রকৃতপক্ষে, মা হওয়ার আগের যাত্রাটি দম্পতি নিজেদের মতো করেই ব্যক্তিগতভাবে উপভোগ করেছেন। মজার ব্যাপার হলো, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে সোশ্যাল মিডিয়ায় আবেগঘন বার্তার মাধ্যমে ক্যাটরিনার গর্ভাবস্থার ঘোষণা দেন তাঁরা। লিখেছিলেন, ‘আনন্দ ও কৃতজ্ঞতায় ভরা হৃদয় নিয়ে আমরা জীবনের সবচেয়ে সুন্দর অধ্যায় শুরু করতে চলেছি।’ এদিকে বাবা হওয়ার অনুভূতি নিয়ে এবার মুখ খুলেছেন ভিকিও। সম্প্রতি ‘দ্য হলিউড রিপোর্টার ইন্ডিয়া’-র একটি অনুষ্ঠানে নেহা ধুপিয়া প্রশ্ন করেন – নতুন বাবা হওয়ার অভিজ্ঞতা কেমন? হাসতে হাসতে ভিকি জানান, ‘আমার ছেলের বয়স মাত্র তিন মাস। এই বয়সে বাবার করার মতো খুব বেশি কিছু থাকে না। এখন শুধু উৎসাহ দিচ্ছি আর অপেক্ষায় আছি – ও একটু বড় হোক, যাতে ওর বেড়ে ওঠায় আরও বেশি করে অবদান রাখতে পারি!’  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_25.webp" alt="মা হওয়ার পর প্রথমবার ক্যামেরার সামনে ক্যাটরিনা! কোথায় দেখা গেল নায়িকাকে?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>মা হওয়ার পর প্রথমবার ক্যামেরার সামনে ক্যাটরিনা! কোথায় দেখা গেল নায়িকাকে?</h1>
            <p>গত বছরের নভেম্বরে বলিউডের চর্চিত দম্পতি ক্যাটরিনা কাইফ ও ভিকি কৌশলের ঘর আলো করে আসে এক পুত্রসন্তান। কিন্তু মা হওয়ার পর থেকে দূরবীন দিয়ে খুঁজলেও ক্যামেরার সামনে দেখা যাচ্ছিল না ক্যাটরিনাকে। তবে সেই অপেক্ষার প্রায় শেষ। অবশেষে ভিকির হাত ধরে আবারও ঝলমলে আলোর সামনে হাজির হলেন সুপারস্টার অভিনেত্রী! সম্প্রতি বিমানবন্দরে পাপারাজ্জিদের ক্যামেরায় ধরা পড়েন ভিকি-ক্যাটরিনা। ভিকি পরনে বাদামি রঙের জ্যাকেট, ক্যাজুয়াল লুক। আর ক্যাটরিনাকে দেখা গেছে কালো রঙের স্টাইলিশ ওভারকোট পরে। তবে সবচেয়ে বেশি চোখ কাড়ে তাঁর চেহারা – মা হওয়ার পর যেন এক নতুন আভা! ফিটনেস আর স্নিগ্ধতা দেখে নেটিজেনরা তো প্রশংসায় ভাসছেন। এক ভক্ত লিখেছেন, ‘অসাধারণ লাগছে! দেখেই বোঝার উপায় নেই যে তিনি নতুন মা হয়েছেন।’ আরেকজন তো সরাসরি লিখে ফেলেছেন, ‘সবচেয়ে সুন্দর বাবা-মা!’ প্রকৃতপক্ষে, মা হওয়ার আগের যাত্রাটি দম্পতি নিজেদের মতো করেই ব্যক্তিগতভাবে উপভোগ করেছেন। মজার ব্যাপার হলো, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে সোশ্যাল মিডিয়ায় আবেগঘন বার্তার মাধ্যমে ক্যাটরিনার গর্ভাবস্থার ঘোষণা দেন তাঁরা। লিখেছিলেন, ‘আনন্দ ও কৃতজ্ঞতায় ভরা হৃদয় নিয়ে আমরা জীবনের সবচেয়ে সুন্দর অধ্যায় শুরু করতে চলেছি।’ এদিকে বাবা হওয়ার অনুভূতি নিয়ে এবার মুখ খুলেছেন ভিকিও। সম্প্রতি ‘দ্য হলিউড রিপোর্টার ইন্ডিয়া’-র একটি অনুষ্ঠানে নেহা ধুপিয়া প্রশ্ন করেন – নতুন বাবা হওয়ার অভিজ্ঞতা কেমন? হাসতে হাসতে ভিকি জানান, ‘আমার ছেলের বয়স মাত্র তিন মাস। এই বয়সে বাবার করার মতো খুব বেশি কিছু থাকে না। এখন শুধু উৎসাহ দিচ্ছি আর অপেক্ষায় আছি – ও একটু বড় হোক, যাতে ওর বেড়ে ওঠায় আরও বেশি করে অবদান রাখতে পারি!’  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_25.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_25.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_25.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[মাত্র পাঁচ সপ্তাহে দশ হাজার কোটি টাকা! কোন সিনেমা করল এমন কীর্তি?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/entertainment/36796</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/entertainment/36796</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 04 May 2026 17:05:35 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
                <category><![CDATA[অন্যান্যদন]]></category>
                        <category><![CDATA[The Super Mario Galaxy Movie box office collection, 400 million dollars North America, animated movie record Frozen beaten, worldwide 894 million dollars, highest grossing animated films list, April 2026 release blockbuster, video game adaptation success, Chris Pratt Mario movie sequel, Super Mario Bros box office milestone, 10000 crore rupees movie, family entertainment box office hit, Illumination Entertainment Mario, Mario Galaxy movie fifth weekend earnings, global box office 1 billion target, Hollywood animated film news Bangladesh]]></category>
        
        <description><![CDATA[উত্তর আমেরিকার বক্স অফিসে নতুন ইতিহাস গড়ল অ্যানিমেটেড সিনেমা ‘দ্য সুপার মারিও গ্যালাক্সি মুভি’। মুক্তির মাত্র পাঁচ সপ্তাহ শেষে শুধু আমেরিকা-কানাডা থেকেই এর আয় ছাড়িয়েছে ৪০০ মিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশি টাকায় যা প্রায় ৪ হাজার ৮০০ কোটি টাকা! আর পুরো দুনিয়া মিলিয়ে তো আয় ১০ হাজার ৭৩০ কোটি টাকার বেশি! হ্যাঁ, ঠিকই শুনেছেন। ‘দ্য সুপার মারিও গ্যালাক্সি মুভি’ এবার পেছনে ফেলেছে কিংবদন্তি ‘ফ্রোজেন’-কেও। ‘ফ্রোজেন’ উত্তর আমেরিকায় আয় করেছিল ৪০০.৭ মিলিয়ন ডলার। আর এই ছবির আয় এখন ৪০২.৭ মিলিয়ন ডলার। ফলে সর্বকালের সর্বোচ্চ আয়কারী অ্যানিমেটেড সিনেমার তালিকায় এটি এখন ১১তম স্থানে! সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো, পঞ্চম সপ্তাহান্তে উত্তর আমেরিকায় ৩১৯টি সিনেমা হল হারিয়ে ফেললেও ছবিটি আয় করেছে ১২.১ মিলিয়ন ডলার! বিশ্লেষকদের ধারণা, উত্তর আমেরিকায় শেষ পর্যন্ত আয় দাঁড়াতে পারে ৪৩০ মিলিয়ন ডলারে। কেবল আমেরিকাতেই নয়, দাপট আন্তর্জাতিক বাজারেও। পঞ্চম সপ্তাহান্তে বৈদেশিক বাজার থেকে আয় করেছে ৩২.২ মিলিয়ন ডলার। সব মিলিয়ে বিশ্বব্যাপী আয় এখন ৮৯৪.২ মিলিয়ন ডলার, মানে বাংলাদেশি টাকায় ১০ হাজার ৭৩০ কোটি টাকা। আগামী সপ্তাহান্তেই যে এটি ৯০০ মিলিয়ন ডলার টপকে যাবে, সে ব্যাপারে নিশ্চিত বিশেষজ্ঞরা। এখন বক্স অফিসে প্রতিযোগিতায় আছে ‘মাইকেল’ ও ‘দ্য ডেভিল উইয়ারস প্রাডা টু’-র মতো ছবি। কিন্তু তাতেও দমছে না মারিও ব্রাদার্স। বরং বিশ্লেষকরা বলছেন, খুব দ্রুতই এটি ‘অ্যা মাইনক্রাফট মুভি’-কে টেক্কা দেবে। ‘দ্য সুপার মারিও গ্যালাক্সি মুভি’ গত ১ এপ্রিল বিশ্বজুড়ে মুক্তি পায়। অ্যারন হরভথ, মাইকেল জেলেনিক ও পিয়েরে লেডাক পরিচালিত এই ছবির চিত্রনাট্য লিখেছেন ম্যাথিউ ফোগেল। আর কণ্ঠ দিয়েছেন ব্রি লারসন, ভার্জিনিয়া ডেয়ার জেলেনিক ও বেনি সাফডির মতো তারকারা। ভিডিও গেম থেকে সিনেমা হয়ে দর্শক মাতানো এই ছবির সাফল্য সত্যিই অবিশ্বাস্য!  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_24.webp" alt="মাত্র পাঁচ সপ্তাহে দশ হাজার কোটি টাকা! কোন সিনেমা করল এমন কীর্তি?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>মাত্র পাঁচ সপ্তাহে দশ হাজার কোটি টাকা! কোন সিনেমা করল এমন কীর্তি?</h1>
            <p>উত্তর আমেরিকার বক্স অফিসে নতুন ইতিহাস গড়ল অ্যানিমেটেড সিনেমা ‘দ্য সুপার মারিও গ্যালাক্সি মুভি’। মুক্তির মাত্র পাঁচ সপ্তাহ শেষে শুধু আমেরিকা-কানাডা থেকেই এর আয় ছাড়িয়েছে ৪০০ মিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশি টাকায় যা প্রায় ৪ হাজার ৮০০ কোটি টাকা! আর পুরো দুনিয়া মিলিয়ে তো আয় ১০ হাজার ৭৩০ কোটি টাকার বেশি! হ্যাঁ, ঠিকই শুনেছেন। ‘দ্য সুপার মারিও গ্যালাক্সি মুভি’ এবার পেছনে ফেলেছে কিংবদন্তি ‘ফ্রোজেন’-কেও। ‘ফ্রোজেন’ উত্তর আমেরিকায় আয় করেছিল ৪০০.৭ মিলিয়ন ডলার। আর এই ছবির আয় এখন ৪০২.৭ মিলিয়ন ডলার। ফলে সর্বকালের সর্বোচ্চ আয়কারী অ্যানিমেটেড সিনেমার তালিকায় এটি এখন ১১তম স্থানে! সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো, পঞ্চম সপ্তাহান্তে উত্তর আমেরিকায় ৩১৯টি সিনেমা হল হারিয়ে ফেললেও ছবিটি আয় করেছে ১২.১ মিলিয়ন ডলার! বিশ্লেষকদের ধারণা, উত্তর আমেরিকায় শেষ পর্যন্ত আয় দাঁড়াতে পারে ৪৩০ মিলিয়ন ডলারে। কেবল আমেরিকাতেই নয়, দাপট আন্তর্জাতিক বাজারেও। পঞ্চম সপ্তাহান্তে বৈদেশিক বাজার থেকে আয় করেছে ৩২.২ মিলিয়ন ডলার। সব মিলিয়ে বিশ্বব্যাপী আয় এখন ৮৯৪.২ মিলিয়ন ডলার, মানে বাংলাদেশি টাকায় ১০ হাজার ৭৩০ কোটি টাকা। আগামী সপ্তাহান্তেই যে এটি ৯০০ মিলিয়ন ডলার টপকে যাবে, সে ব্যাপারে নিশ্চিত বিশেষজ্ঞরা। এখন বক্স অফিসে প্রতিযোগিতায় আছে ‘মাইকেল’ ও ‘দ্য ডেভিল উইয়ারস প্রাডা টু’-র মতো ছবি। কিন্তু তাতেও দমছে না মারিও ব্রাদার্স। বরং বিশ্লেষকরা বলছেন, খুব দ্রুতই এটি ‘অ্যা মাইনক্রাফট মুভি’-কে টেক্কা দেবে। ‘দ্য সুপার মারিও গ্যালাক্সি মুভি’ গত ১ এপ্রিল বিশ্বজুড়ে মুক্তি পায়। অ্যারন হরভথ, মাইকেল জেলেনিক ও পিয়েরে লেডাক পরিচালিত এই ছবির চিত্রনাট্য লিখেছেন ম্যাথিউ ফোগেল। আর কণ্ঠ দিয়েছেন ব্রি লারসন, ভার্জিনিয়া ডেয়ার জেলেনিক ও বেনি সাফডির মতো তারকারা। ভিডিও গেম থেকে সিনেমা হয়ে দর্শক মাতানো এই ছবির সাফল্য সত্যিই অবিশ্বাস্য!  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_24.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_24.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_24.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ধুরন্ধর’ সিনেমা কি প্রচার চালানোর ছবি? চমকে দিলেন জাভেদ আখতার!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/entertainment/36795</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/entertainment/36795</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 04 May 2026 17:05:55 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
                <category><![CDATA[বলিউড]]></category>
                        <category><![CDATA[Javed Akhtar on propaganda film debate, Dhurandhar movie controversy response, Ranveer Singh spy thriller Dhurandhar, Javed Akhtar Kolkata event speech, propaganda tag on Bollywood films, Dhurandhar box office success, Aditya Dhar director latest, Javed Akhtar supports patriotic films, Bollywood vs propaganda accusations, Dhurandhar vs Pathaan comparison, Ranveer Singh Bond-inspired role, Indian film industry political messaging, Javed Akhtar clear statement, Bollywood human-interest news, Dhurandhar controversy new twist]]></category>
        
        <description><![CDATA[বর্তমানে বলিউডের সবচেয়ে চর্চিত শব্দ ‘প্রোপাগান্ডা ফিল্ম’ – অর্থাৎ প্রচারমূলক ছবি। বিশেষ করে ‘ধুরন্ধর’-এর মতো ছবি নিয়ে যখন একদিকে যেমন হচ্ছে বক্স অফিসে ধামাকা, অন্যদিকে হচ্ছে কটাক্ষ ও সমালোচনা, তখনই পর্দার আড়াল থেকে এল চমকের বাণী! খোদ কিংবদন্তি গীতিকার-চিত্রনাট্যকার জাভেদ আখতার জানিয়ে দিলেন, তিনি ধুরন্ধর বিতর্কের সুরে সুর মেলান না। এই সম্প্রতি কলকাতায় একটি জুয়েলারি ব্র্যান্ডের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন জাভেদ আখতার। সেখানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি পরিষ্কার বলেন, সিনেমার গায় ‘প্রোপাগান্ডা’ ট্যাগ আঁটার পক্ষপাতী নন তিনি। জাভেদের মতে, কোনো নির্মাতা যদি তাঁর নিজের দৃষ্টিভঙ্গি পর্দায় ফুটিয়ে তোলেন, তাতে দোষ কী! ধুরন্ধর সিনেমা নিয়ে নিজের ভালোলাগার কথাও জানান এই কিংবদন্তি। বললেন, ‘প্রোপাগান্ডা ফিল্ম বলতে আপনারা কী বুঝতে চান, আমি জানি না। ধুরন্ধর আমার খুব ভালো লেগেছে – সেটা দারুণ একটা ছবি। তবে দ্বিতীয়টার চেয়ে প্রথমটা বেশি ভালো লেগেছে।’ উল্লেখ্য, আদিত্য ধর পরিচালিত স্পাই থ্রিলার ‘ধুরন্ধর’-এ রণবীর সিং করাচিতে ভারতীয় এজেন্টের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন। গত ডিসেম্বরে মুক্তি পাওয়া ছবিটি বক্স অফিসে যেমন ঝড় তুলেছে, তেমনি সোশ্যাল মিডিয়ায় হয়েছে প্রচারণার অভিযোগ। আর জাভেদ আখতারের এই সোজাসাপ্টা মন্তব্য সেই বিতর্কে নতুন করে জ্বালানি দিল। জাভেদ আখতার বলছেন, একটা সৃষ্টিকে কেবল ‘প্রোপাগান্ডা’ লেবেল দিয়ে তার শৈল্পিক মূল্য বিচার করা ঠিক নয়। কলকাতার ওই অনুষ্ঠানে যেখানে নানা ক্ষেত্রের সফল ব্যক্তিদের সংবর্ধনা দেওয়া হচ্ছিল, সেখানেই বিনোদন জগতের এই জ্বলন্ত ইস্যুতে মুখ খুললেন তিনি। তাঁর অবস্থান স্পষ্ট – ভালো সিনেমা ভালো সিনেমাই, লেবেল বদলালে সেটা বদলায় না।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_23.webp" alt="ধুরন্ধর’ সিনেমা কি প্রচার চালানোর ছবি? চমকে দিলেন জাভেদ আখতার!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ধুরন্ধর’ সিনেমা কি প্রচার চালানোর ছবি? চমকে দিলেন জাভেদ আখতার!</h1>
            <p>বর্তমানে বলিউডের সবচেয়ে চর্চিত শব্দ ‘প্রোপাগান্ডা ফিল্ম’ – অর্থাৎ প্রচারমূলক ছবি। বিশেষ করে ‘ধুরন্ধর’-এর মতো ছবি নিয়ে যখন একদিকে যেমন হচ্ছে বক্স অফিসে ধামাকা, অন্যদিকে হচ্ছে কটাক্ষ ও সমালোচনা, তখনই পর্দার আড়াল থেকে এল চমকের বাণী! খোদ কিংবদন্তি গীতিকার-চিত্রনাট্যকার জাভেদ আখতার জানিয়ে দিলেন, তিনি ধুরন্ধর বিতর্কের সুরে সুর মেলান না। এই সম্প্রতি কলকাতায় একটি জুয়েলারি ব্র্যান্ডের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন জাভেদ আখতার। সেখানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি পরিষ্কার বলেন, সিনেমার গায় ‘প্রোপাগান্ডা’ ট্যাগ আঁটার পক্ষপাতী নন তিনি। জাভেদের মতে, কোনো নির্মাতা যদি তাঁর নিজের দৃষ্টিভঙ্গি পর্দায় ফুটিয়ে তোলেন, তাতে দোষ কী! ধুরন্ধর সিনেমা নিয়ে নিজের ভালোলাগার কথাও জানান এই কিংবদন্তি। বললেন, ‘প্রোপাগান্ডা ফিল্ম বলতে আপনারা কী বুঝতে চান, আমি জানি না। ধুরন্ধর আমার খুব ভালো লেগেছে – সেটা দারুণ একটা ছবি। তবে দ্বিতীয়টার চেয়ে প্রথমটা বেশি ভালো লেগেছে।’ উল্লেখ্য, আদিত্য ধর পরিচালিত স্পাই থ্রিলার ‘ধুরন্ধর’-এ রণবীর সিং করাচিতে ভারতীয় এজেন্টের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন। গত ডিসেম্বরে মুক্তি পাওয়া ছবিটি বক্স অফিসে যেমন ঝড় তুলেছে, তেমনি সোশ্যাল মিডিয়ায় হয়েছে প্রচারণার অভিযোগ। আর জাভেদ আখতারের এই সোজাসাপ্টা মন্তব্য সেই বিতর্কে নতুন করে জ্বালানি দিল। জাভেদ আখতার বলছেন, একটা সৃষ্টিকে কেবল ‘প্রোপাগান্ডা’ লেবেল দিয়ে তার শৈল্পিক মূল্য বিচার করা ঠিক নয়। কলকাতার ওই অনুষ্ঠানে যেখানে নানা ক্ষেত্রের সফল ব্যক্তিদের সংবর্ধনা দেওয়া হচ্ছিল, সেখানেই বিনোদন জগতের এই জ্বলন্ত ইস্যুতে মুখ খুললেন তিনি। তাঁর অবস্থান স্পষ্ট – ভালো সিনেমা ভালো সিনেমাই, লেবেল বদলালে সেটা বদলায় না।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_23.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_23.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_23.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ভোট গণনার দিন তিরুপতিতে তৃষা! থালাপতি বিজয়ের জন্যেই কি?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/entertainment/36794</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/entertainment/36794</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 04 May 2026 17:05:14 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
                <category><![CDATA[বলিউড]]></category>
                        <category><![CDATA[Trisha Krishnan Tirupati temple visit election day, Thalapathy Vijay Tamil Nadu election results 2026, Trisha birthday May 4 coincidences, Vijay and Trisha relationship rumors, Tamilaga Vettri Kazhagam TVK lead over DMK, South Indian actress prays for political success, Thalapathy Vijay political debut sensational victory, Trisha pooja viral photos, DMK vs TVK Tamil Nadu assembly election, Vijay CM race updates, Tamil cinema stars political connections, Trisha Krishnan latest news today, Thalapathy Vijay fan celebration, South Indian politics historical moment, celebrity temple visit human-interest story]]></category>
        
        <description><![CDATA[তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনার উত্তেজনার মাঝেই সরগরম দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা তৃষা কৃষ্ণন। তিনি গিয়ে হাজির হয়েছেন অন্ধ্রপ্রদেশের তিরুপতি মন্দিরে! দিনটি ৪ মে – একদিকে থালাপতি বিজয়ের দলের জোর কদমে এগোনো, অন্যদিকে এই দিনেই তৃষার ৪৩তম জন্মদিন। আর মন্দিরে পা দেওয়া মাত্রই শুরু হয়ে গেল ভক্তদের নানা জল্পনা-কল্পনা! শনিবার (৪ মে) সকালে কোনো আগাম ঘোষণা ছাড়াই তিরুপতি মন্দিরে পৌঁছে যান তৃষা। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ছবি ও ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, তিনি নিষ্ঠার সঙ্গে পূজা দিচ্ছেন। একদল ভক্তের মন্তব্য, থালাপতি বিজয়ের নির্বাচনী জয়ের জন্যই হয়তো প্রার্থনা করতে এসেছেন তৃষা! প্রসঙ্গত, বেশ কিছুদিন ধরেই থালাপতি ও তৃষার ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে টুইট-টিপ্পানি চলছে। তবে সরাসরি কিছু বলেননি কেউ। কিন্তু কাকতালীয়ভাবে, বিজয়ের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় পরীক্ষার দিনটাই তৃষার জন্মদিন – তাই আগ্রহটা আরও বেড়ে গেছে। খবরের এ অংশটুকুও জরুরি – প্রথমবার রাজনীতিতে নেমেই তোলপাড় ফেলে দিয়েছেন থালাপতি বিজয়। তাঁর দল তামিলাগা ভেট্টি কাজাগাম (টিভিকে) এখন পর্যন্ত ক্ষমতাসীন ডিএমকে-কে পেছনে ফেলে অনেক আসনে এগিয়ে। আর এই সাফল্য তাঁকে মুখ্যমন্ত্রীর দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অভিনেতা থেকে সফল রাজনীতিক হিসেবে বিজয়ের এই উঠে আসা দক্ষিণ ভারতের ইতিহাসে সত্যিই এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। আর এই উল্লাসের মাঝেই তৃষার মন্দিরযাত্রা যেন জল্পনার বীজ বুনে দিল। এখন দেখার, চূড়ান্ত ফলে ঠিক কতদূর যায় থালাপতি, আর সেই সঙ্গে কী ইঙ্গিত মেলে নায়িকার মন্দিরযাত্রায়!  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_22.webp" alt="ভোট গণনার দিন তিরুপতিতে তৃষা! থালাপতি বিজয়ের জন্যেই কি?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ভোট গণনার দিন তিরুপতিতে তৃষা! থালাপতি বিজয়ের জন্যেই কি?</h1>
            <p>তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনার উত্তেজনার মাঝেই সরগরম দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা তৃষা কৃষ্ণন। তিনি গিয়ে হাজির হয়েছেন অন্ধ্রপ্রদেশের তিরুপতি মন্দিরে! দিনটি ৪ মে – একদিকে থালাপতি বিজয়ের দলের জোর কদমে এগোনো, অন্যদিকে এই দিনেই তৃষার ৪৩তম জন্মদিন। আর মন্দিরে পা দেওয়া মাত্রই শুরু হয়ে গেল ভক্তদের নানা জল্পনা-কল্পনা! শনিবার (৪ মে) সকালে কোনো আগাম ঘোষণা ছাড়াই তিরুপতি মন্দিরে পৌঁছে যান তৃষা। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ছবি ও ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, তিনি নিষ্ঠার সঙ্গে পূজা দিচ্ছেন। একদল ভক্তের মন্তব্য, থালাপতি বিজয়ের নির্বাচনী জয়ের জন্যই হয়তো প্রার্থনা করতে এসেছেন তৃষা! প্রসঙ্গত, বেশ কিছুদিন ধরেই থালাপতি ও তৃষার ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে টুইট-টিপ্পানি চলছে। তবে সরাসরি কিছু বলেননি কেউ। কিন্তু কাকতালীয়ভাবে, বিজয়ের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় পরীক্ষার দিনটাই তৃষার জন্মদিন – তাই আগ্রহটা আরও বেড়ে গেছে। খবরের এ অংশটুকুও জরুরি – প্রথমবার রাজনীতিতে নেমেই তোলপাড় ফেলে দিয়েছেন থালাপতি বিজয়। তাঁর দল তামিলাগা ভেট্টি কাজাগাম (টিভিকে) এখন পর্যন্ত ক্ষমতাসীন ডিএমকে-কে পেছনে ফেলে অনেক আসনে এগিয়ে। আর এই সাফল্য তাঁকে মুখ্যমন্ত্রীর দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অভিনেতা থেকে সফল রাজনীতিক হিসেবে বিজয়ের এই উঠে আসা দক্ষিণ ভারতের ইতিহাসে সত্যিই এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। আর এই উল্লাসের মাঝেই তৃষার মন্দিরযাত্রা যেন জল্পনার বীজ বুনে দিল। এখন দেখার, চূড়ান্ত ফলে ঠিক কতদূর যায় থালাপতি, আর সেই সঙ্গে কী ইঙ্গিত মেলে নায়িকার মন্দিরযাত্রায়!  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_22.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_22.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_22.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ভালো মনের মানুষ’! পাশা-হাবুদের ভূয়সী প্রশংসা নেপালি মডেলের]]></title>
        <link>https://nbs24.org/entertainment/36793</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/entertainment/36793</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 04 May 2026 17:05:01 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
                <category><![CDATA[বলিউড]]></category>
                        <category><![CDATA[Bachelor Point season 5 Nepal shooting, Nepali model Rajshree Thapa, Chashi Alom Habu, Marzuk Russell Pasha, Tawsif Mahbub Nehal, Shamim Hasan Arefin, Kajal Arefin Omi director, Bangladeshi web series new character, Bachelor Point backstage with Nepali actress, OTT platform Bongo web series, Channel i drama serial, Bangladeshi actors praised by foreign model, Bachelor Point season 5 cast, Dhallywood latest news entertainment, human-interest story Bangladeshi web series]]></category>
        
        <description><![CDATA[কিছুদিন আগেই নির্মাতা কাজল আরেফিন অমি ফেসবুকে এক নতুন মুখের ছবি পোস্ট করে দর্শকদের মধ্যে দারুণ কৌতূহল জাগিয়েছিলেন। ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ খ্যাত এই নির্মাতা লিখেছিলেন, ‘চরিত্রটি কে হতে পারে? অনুমান করুন!’ তারপর থেকেই শুরু হয় গুঞ্জন। আর সেই রহস্যভেদ করতেই এখন জানা গেল সব কথা। নির্মাতা কাজল আরেফিন অমি পরিচালিত জনপ্রিয় সিরিজ ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’-এর পঞ্চম সিজনের শুটিং চলছে নেপালে। আর এই সিজনেই যুক্ত হয়েছেন এক নেপালি মডেল। তাঁর নাম রাজশ্রী থাপা। নির্মাতা জানিয়েছেন, ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট সিজন ফাইভ’-এর চ্যাপ্টার ১২-এ চমক হিসেবে হাজির হবেন রাজশ্রী। বর্তমানে নেপালে শুটিং করছেন নেহাল (তৌসিফ মাহবুব), হাবু (চাষী আলম), পাশা (মারজুক রাসেল), কাবিলা (জিয়াউল হক পলাশ), আরেফিন (শামীম হাসান)রা। আর তাঁদের সঙ্গেই কাজ করছেন রাজশ্রী। ঠিক তখনই সোশ্যাল মিডিয়ায় এল রাজশ্রীর এক পোস্ট! তিনি তিনটি ছবি শেয়ার করেছেন। যেখানে দেখা যাচ্ছে—মারজুক রাসেল, চাষী আলম ও শামীম হাসান সরকারের সঙ্গে ফ্রেমবন্দি তিনি। তবে শুধু ছবিই নয়, বাহবা দিতে ভোলেননি এই নেপালি মডেল। ক্যাপশনে হাবু, পাশা ও আরেফিনের নাম উল্লেখ করে রাজশ্রী লিখেছেন, ‘এ ভেরি নাইস হার্টেড পারসন’। অর্থাৎ রাজশ্রীর কাছে তাঁরা ভালো মনের মানুষ। একথা জানার পর থেকেই ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ ভক্তদের উচ্ছ্বাস দেখার মতো! যে রাজশ্রীকে কেউ চিনতেন না, তাঁর মন্তব্যের ঘর এখন ভক্তদের সাড়ায় ভরপুর। বেশিরভাগ দর্শকই রাজশ্রীর উপস্থিতিকে স্বাগত জানিয়েছেন। পাশাপাশি তাঁর চরিত্রটি নিয়ে উৎসুক হয়েছেন অনেকেই। প্রসঙ্গত, গত বছর কোরবানির ঈদ থেকে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ‘বঙ্গ’-এ শুরু হয়েছে ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট সিজন-৫’-এর প্রচার। পাঁচ বছর পর এই সিজনেই ফিরে এসেছেন তৌসিফ মাহবুব ও শামীম হাসান সরকার। আর যুক্ত হয়েছেন নতুন চরিত্র। অভিনয় করছেন মারজুক রাসেল, জিয়াউল হক পলাশ, চাষী আলম, মনিরা মিঠু প্রমুখ। শুধু ওটিটি নয়, চ্যানেল আই এবং বুম ফিল্মসের ইউটিউব চ্যানেলেও দেখা মিলছে এই সিজনের।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_21.webp" alt="ভালো মনের মানুষ’! পাশা-হাবুদের ভূয়সী প্রশংসা নেপালি মডেলের" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ভালো মনের মানুষ’! পাশা-হাবুদের ভূয়সী প্রশংসা নেপালি মডেলের</h1>
            <p>কিছুদিন আগেই নির্মাতা কাজল আরেফিন অমি ফেসবুকে এক নতুন মুখের ছবি পোস্ট করে দর্শকদের মধ্যে দারুণ কৌতূহল জাগিয়েছিলেন। ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ খ্যাত এই নির্মাতা লিখেছিলেন, ‘চরিত্রটি কে হতে পারে? অনুমান করুন!’ তারপর থেকেই শুরু হয় গুঞ্জন। আর সেই রহস্যভেদ করতেই এখন জানা গেল সব কথা। নির্মাতা কাজল আরেফিন অমি পরিচালিত জনপ্রিয় সিরিজ ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’-এর পঞ্চম সিজনের শুটিং চলছে নেপালে। আর এই সিজনেই যুক্ত হয়েছেন এক নেপালি মডেল। তাঁর নাম রাজশ্রী থাপা। নির্মাতা জানিয়েছেন, ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট সিজন ফাইভ’-এর চ্যাপ্টার ১২-এ চমক হিসেবে হাজির হবেন রাজশ্রী। বর্তমানে নেপালে শুটিং করছেন নেহাল (তৌসিফ মাহবুব), হাবু (চাষী আলম), পাশা (মারজুক রাসেল), কাবিলা (জিয়াউল হক পলাশ), আরেফিন (শামীম হাসান)রা। আর তাঁদের সঙ্গেই কাজ করছেন রাজশ্রী। ঠিক তখনই সোশ্যাল মিডিয়ায় এল রাজশ্রীর এক পোস্ট! তিনি তিনটি ছবি শেয়ার করেছেন। যেখানে দেখা যাচ্ছে—মারজুক রাসেল, চাষী আলম ও শামীম হাসান সরকারের সঙ্গে ফ্রেমবন্দি তিনি। তবে শুধু ছবিই নয়, বাহবা দিতে ভোলেননি এই নেপালি মডেল। ক্যাপশনে হাবু, পাশা ও আরেফিনের নাম উল্লেখ করে রাজশ্রী লিখেছেন, ‘এ ভেরি নাইস হার্টেড পারসন’। অর্থাৎ রাজশ্রীর কাছে তাঁরা ভালো মনের মানুষ। একথা জানার পর থেকেই ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ ভক্তদের উচ্ছ্বাস দেখার মতো! যে রাজশ্রীকে কেউ চিনতেন না, তাঁর মন্তব্যের ঘর এখন ভক্তদের সাড়ায় ভরপুর। বেশিরভাগ দর্শকই রাজশ্রীর উপস্থিতিকে স্বাগত জানিয়েছেন। পাশাপাশি তাঁর চরিত্রটি নিয়ে উৎসুক হয়েছেন অনেকেই। প্রসঙ্গত, গত বছর কোরবানির ঈদ থেকে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ‘বঙ্গ’-এ শুরু হয়েছে ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট সিজন-৫’-এর প্রচার। পাঁচ বছর পর এই সিজনেই ফিরে এসেছেন তৌসিফ মাহবুব ও শামীম হাসান সরকার। আর যুক্ত হয়েছেন নতুন চরিত্র। অভিনয় করছেন মারজুক রাসেল, জিয়াউল হক পলাশ, চাষী আলম, মনিরা মিঠু প্রমুখ। শুধু ওটিটি নয়, চ্যানেল আই এবং বুম ফিল্মসের ইউটিউব চ্যানেলেও দেখা মিলছে এই সিজনের।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_21.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_21.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_21.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[দক্ষিণী সুপারস্টার থালাপতি বিজয়ের দল এগিয়ে! মুখ থুবড়ে পড়ল ডিএমকে?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/entertainment/36792</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/entertainment/36792</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 04 May 2026 17:05:17 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
                <category><![CDATA[বলিউড]]></category>
                        <category><![CDATA[Thalapathy Vijay Tamil Nadu election lead, Tamilaga Vettri Kazhagam TVK performance, DMK trailing behind Vijay, AIADMK alliance second position, Tamil Nadu assembly election results 2026, Vijay political debut mission, MK Stalin DMK setback, South Indian actor turned politician, Tamil Nadu government formation seats, Vijay vs DMK electoral battle, NDTV Tamil Nadu election updates, Tamil cinema superstar politics, Vijay single party lead, Tamil Nadu election shocker, Thalapathy Vijay news Bangladesh]]></category>
        
        <description><![CDATA[তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনে তুমুল চমক দিয়েছেন দক্ষিণের জনপ্রিয় তারকা থালাপতি বিজয়। সর্বশেষ ফলাফল বলছে, ক্ষমতাসীন মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিনের ডিএমকে জোটকে বড় ব্যবধানে পেছনে ফেলে এককভাবে শীর্ষে বিজয়ের দল ‘তামিলাগা ভেট্টি কাজাগাম’ (টিভিকে)। ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, রাজ্যের ২৩৪টি আসনের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৮৭টায় এগিয়ে রয়েছে বিজয় ও তাঁর দল। দ্বিতীয় স্থানে এআইএডিএমকে জোট – তাঁরা এগিয়ে ৭৫টি আসনে। আর ক্ষমতাসীন ডিএমকে? গত বার ১৩৭টি আসনে জিতলেও এবার তাঁদের অবস্থা একেবারেই ভিন্ন। এখন পর্যন্ত মাত্র ৫৪টি আসনে এগিয়ে রয়েছেন স্ট্যালিনের দল। প্রসঙ্গত, তামিলনাড়ুতে সরকার গড়তে লাগে ১১৮টি আসন – অর্থাৎ ‘হাফওয়ে মার্ক’ও পার করতে হিমশিম খাচ্ছে ডিএমকে। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো, থালাপতি বিজয় কিন্তু নয়া খেলোয়াড়। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাজনীতিতে নামার সময় তিনি সাফ জানিয়েছিলেন, এটি কোনো শখের কাজ নয়, বরং ‘জনগণের সেবার মিশন’। অভিনয়ের জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করে প্রথমবার ময়দানে নেমেই তিনি রাজ্যের পুরনো রাজনৈতিক দলগুলোকে ঘাম ছুটিয়ে দিয়েছেন! তবে এখনই চূড়ান্ত ফল আসেনি। তবে এগিয়ে থাকার পরিসংখ্যান বলছে, এই নির্বাচনে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে। চূড়ান্ত ফলে কে জিতছে, সেটা দেখার জন্য চোখ রাখতে হবে পাল্লায়।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_20.webp" alt="দক্ষিণী সুপারস্টার থালাপতি বিজয়ের দল এগিয়ে! মুখ থুবড়ে পড়ল ডিএমকে?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>দক্ষিণী সুপারস্টার থালাপতি বিজয়ের দল এগিয়ে! মুখ থুবড়ে পড়ল ডিএমকে?</h1>
            <p>তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনে তুমুল চমক দিয়েছেন দক্ষিণের জনপ্রিয় তারকা থালাপতি বিজয়। সর্বশেষ ফলাফল বলছে, ক্ষমতাসীন মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিনের ডিএমকে জোটকে বড় ব্যবধানে পেছনে ফেলে এককভাবে শীর্ষে বিজয়ের দল ‘তামিলাগা ভেট্টি কাজাগাম’ (টিভিকে)। ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, রাজ্যের ২৩৪টি আসনের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৮৭টায় এগিয়ে রয়েছে বিজয় ও তাঁর দল। দ্বিতীয় স্থানে এআইএডিএমকে জোট – তাঁরা এগিয়ে ৭৫টি আসনে। আর ক্ষমতাসীন ডিএমকে? গত বার ১৩৭টি আসনে জিতলেও এবার তাঁদের অবস্থা একেবারেই ভিন্ন। এখন পর্যন্ত মাত্র ৫৪টি আসনে এগিয়ে রয়েছেন স্ট্যালিনের দল। প্রসঙ্গত, তামিলনাড়ুতে সরকার গড়তে লাগে ১১৮টি আসন – অর্থাৎ ‘হাফওয়ে মার্ক’ও পার করতে হিমশিম খাচ্ছে ডিএমকে। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো, থালাপতি বিজয় কিন্তু নয়া খেলোয়াড়। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাজনীতিতে নামার সময় তিনি সাফ জানিয়েছিলেন, এটি কোনো শখের কাজ নয়, বরং ‘জনগণের সেবার মিশন’। অভিনয়ের জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করে প্রথমবার ময়দানে নেমেই তিনি রাজ্যের পুরনো রাজনৈতিক দলগুলোকে ঘাম ছুটিয়ে দিয়েছেন! তবে এখনই চূড়ান্ত ফল আসেনি। তবে এগিয়ে থাকার পরিসংখ্যান বলছে, এই নির্বাচনে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে। চূড়ান্ত ফলে কে জিতছে, সেটা দেখার জন্য চোখ রাখতে হবে পাল্লায়।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_20.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_20.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_20.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ভোটের ফল ঘোষণার দিনই দেবের মন ভাঙল! কী হারালেন নায়ক-সাংসদ?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/entertainment/36791</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/entertainment/36791</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 04 May 2026 17:05:33 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
                <category><![CDATA[ঢালিউড]]></category>
                        <category><![CDATA[Dev Bengali actor dog Lucky death, Dev TMC lost pet election result day, Bengali cinema news pet loss, Dev emotional post on Instagram, Ghatal Lok Sabha constituency Dev, Dev personal life pet loss, Tollywood actors pet love, Dev Lucky dog photos, pet loss grief celebrity, animal lover Dev Bengali star, West Bengal election result June 4, Dev Bangla news today, Bolpur vs Ghatal Dev, pet bereavement celebrity news, human-interest entertainment news Bangladesh]]></category>
        
        <description><![CDATA[পশ্চিমবঙ্গে ভোটের ফল ঘোষণার টানটান উত্তেজনার মাঝেই মন কাঁদানো খবর দিলেন টালিউডের সুপারস্টার ও সাংসদ দেব। এক দশকের বেশি সময়ের সঙ্গী, আদরের পোষ্য ‘লাকি’-কে হারিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (৪ জুন) সকালে যখন দেশজুড়ে ভোটের ফলাফল নিয়ে চলছে হিট-গরম বিশ্লেষণ, তখনই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাঙা হৃদয় নিয়ে লিখলেন এই নায়ক। সামাজিক মাধ্যমে লাকির সঙ্গে কাটানো মুহূর্তের ছবি শেয়ার করে দেব লিখলেন, "তুমি আমার জীবনে আসা সেরা জিনিস। শান্তিতে থেকো লাকি। তাড়াতাড়ি ফিরে এসো।" সত্যিই, একটা ছবি আর কয়েকটা কথা… অথচ কত ব্যথা লুকিয়ে থাকে তাতে! পরিবারের সূত্রে জানা যাচ্ছে, লাকি শুধু পোষ্য ছিল না, বরং ছিল পরিবারের অবিচ্ছেদ্য অংশ। শুটিংয়ের ব্যস্ততা হোক কিংবা রাজনীতির চাপ – যাই হোক না কেন, বাড়ি ফিরলেই লাকি দিত সঙ্গ। ভক্তদের সঙ্গেও নিয়মিত লাকির ছবি-ভিডিও শেয়ার করতেন দেব। প্রসঙ্গত, ঘাটাল আসন থেকে হ্যাটট্রিক জয়ের অপেক্ষায় থাকা এই নায়কের ব্যক্তিগত জীবনে এই দুঃসংবাদে শোক প্রকাশ করেছেন ভক্ত ও সহশিল্পীরা। দেখা যাচ্ছে, দীর্ঘদিনের সঙ্গীকে হারানোর শোকের কাছে রাজনৈতিক জয়-পরাজয়ের সমীকরণ আজ যেন ম্লান! এই দুঃসংবাদ শুনে সাধারণ মানুষ থেকে কলকাতার বিনোদন দুনিয়ার তারকারাও সমবেদনা জানিয়েছেন। অনেকে বলছেন, প্রিয় পোষ্যকে হারানোর বেদনা অন্য সব সাফল্যের চেয়েও অনেক বড়। শুধু অভিনেতা বা রাজনীতিক নন, দেব একজন পশুপ্রেমী হিসেবেও পরিচিত। লাকি ছাড়াও তাঁর বাড়িতে ‘হ্যাপি’ নামের আরেক পোষ্য রয়েছে। প্রিয় সঙ্গীকে হারানোর এই শোক কাটিয়ে উঠতে সময় নিচ্ছেন এই নায়ক-সাংসদ।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_19.webp" alt="ভোটের ফল ঘোষণার দিনই দেবের মন ভাঙল! কী হারালেন নায়ক-সাংসদ?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ভোটের ফল ঘোষণার দিনই দেবের মন ভাঙল! কী হারালেন নায়ক-সাংসদ?</h1>
            <p>পশ্চিমবঙ্গে ভোটের ফল ঘোষণার টানটান উত্তেজনার মাঝেই মন কাঁদানো খবর দিলেন টালিউডের সুপারস্টার ও সাংসদ দেব। এক দশকের বেশি সময়ের সঙ্গী, আদরের পোষ্য ‘লাকি’-কে হারিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (৪ জুন) সকালে যখন দেশজুড়ে ভোটের ফলাফল নিয়ে চলছে হিট-গরম বিশ্লেষণ, তখনই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাঙা হৃদয় নিয়ে লিখলেন এই নায়ক। সামাজিক মাধ্যমে লাকির সঙ্গে কাটানো মুহূর্তের ছবি শেয়ার করে দেব লিখলেন, "তুমি আমার জীবনে আসা সেরা জিনিস। শান্তিতে থেকো লাকি। তাড়াতাড়ি ফিরে এসো।" সত্যিই, একটা ছবি আর কয়েকটা কথা… অথচ কত ব্যথা লুকিয়ে থাকে তাতে! পরিবারের সূত্রে জানা যাচ্ছে, লাকি শুধু পোষ্য ছিল না, বরং ছিল পরিবারের অবিচ্ছেদ্য অংশ। শুটিংয়ের ব্যস্ততা হোক কিংবা রাজনীতির চাপ – যাই হোক না কেন, বাড়ি ফিরলেই লাকি দিত সঙ্গ। ভক্তদের সঙ্গেও নিয়মিত লাকির ছবি-ভিডিও শেয়ার করতেন দেব। প্রসঙ্গত, ঘাটাল আসন থেকে হ্যাটট্রিক জয়ের অপেক্ষায় থাকা এই নায়কের ব্যক্তিগত জীবনে এই দুঃসংবাদে শোক প্রকাশ করেছেন ভক্ত ও সহশিল্পীরা। দেখা যাচ্ছে, দীর্ঘদিনের সঙ্গীকে হারানোর শোকের কাছে রাজনৈতিক জয়-পরাজয়ের সমীকরণ আজ যেন ম্লান! এই দুঃসংবাদ শুনে সাধারণ মানুষ থেকে কলকাতার বিনোদন দুনিয়ার তারকারাও সমবেদনা জানিয়েছেন। অনেকে বলছেন, প্রিয় পোষ্যকে হারানোর বেদনা অন্য সব সাফল্যের চেয়েও অনেক বড়। শুধু অভিনেতা বা রাজনীতিক নন, দেব একজন পশুপ্রেমী হিসেবেও পরিচিত। লাকি ছাড়াও তাঁর বাড়িতে ‘হ্যাপি’ নামের আরেক পোষ্য রয়েছে। প্রিয় সঙ্গীকে হারানোর এই শোক কাটিয়ে উঠতে সময় নিচ্ছেন এই নায়ক-সাংসদ।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_19.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_19.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_19.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[সিঙ্গেল মাদার থেকে সারোগেট! প্রীতি জিনতার ওই ৫ সাহসী সিনেমা দেখেছেন?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/entertainment/36790</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/entertainment/36790</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 04 May 2026 17:05:49 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
                <category><![CDATA[বলিউড]]></category>
                        <category><![CDATA[Preity Zinta single mother roles, Bollywood unconventional motherhood films, Preity Zinta pregnant before marriage movies, Salaam Namaste live-in relationship, Chori Chori Chupke Chupke surrogacy story, Har Dil Jo Pyar Karega movie, Koi… Mil Gaya series, Jaan-E-Mann film, Preity Zinta comeback Lahore 1947, Aamir Khan production, Sunny Deol Preity Zinta pair, Bollywood bold female characters, Preity Zinta unseen facts, Preity Zinta Punjab Kings IPL, Bollywood human-interest news]]></category>
        
        <description><![CDATA[বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী প্রীতি জিনতা বহু হিট ছবি উপহার দিয়েছেন। কিন্তু কি জানেন, মজার ব্যাপার হচ্ছে – তাঁর কিছু গল্প এমন যেখানে প্রীতি পর্দায় ‘সিঙ্গেল মা’ হয়ে উঠেছেন! তা আবার কখনো বিয়ের আগেই, কখনো অন্য আরেক রূপে। চলুন আজ সেই পাঁচটি ছবির কথা বলি, যা দেখে আপনার চোখ কপালে উঠতে পারে! এই ছবির গল্পটা সেবারকার সময়ে বেশ সাহসী ছিল। প্রীতি ছিলেন এক কলেজ পড়ুয়া, যিনি প্রেমে পড়ে বিয়ের আগেই মা হতে চান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সাইফ আলী খান। ছবিতে প্রীতি সমাজের নানা বাধা উপেক্ষা করে সন্তান রাখার সিদ্ধান্ত নেন। এই ছবিতে প্রীতি আর সাইফ আবার জুটি বেঁধেছিলেন – তবে এ বার লিভ-ইন সম্পর্কে। গল্পে প্রীতি গর্ভবতী হন, কিন্তু তাঁরা বিয়ে করেননি। ছবির শেষটাও মজার – বিয়ে না করেই একসঙ্গে থাকার সিদ্ধান্ত নেন নায়ক-নায়িকা! সালমান খান, রানী মুখার্জি আর প্রীতি জিনতা – একদম জমজমাট কস্তার এই ছবিতে প্রীতি একজন যৌনকর্মীর চরিত্রে। তিনি সালমান-রানীর সন্তানের জন্য সারোগেট মা হন। এখানেও প্রীতির চরিত্র বিয়ের আগেই অন্তঃসত্ত্বা হয়। ছবিটিতে প্রীতির সঙ্গে ছিলেন সালমান ও অক্ষয় কুমার। গল্প অনুযায়ী, প্রীতির চরিত্রটি স্বামীর থেকে আলাদা থাকাকালীন গর্ভবতী হন। আর তখন তিনি একাই সন্তান বড় করার চ্যালেঞ্জ নেন। ব্লকবাস্টার ‘কৃষ’-এ প্রীতি জিনতা বিবাহিতা চরিত্রে ছিলেন, কিন্তু সন্তান প্রসবের পর তাঁর মারা যাওয়ার করুণ পরিণতি হয়। উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে সানি দেওলের সঙ্গে ‘ভাইয়াজি সুপারহিট’ ছবিটি ব্যবসায়িক সফলতা পায়নি। দীর্ঘ বিরতির পর প্রীতি জিনতা ফিরছেন ‘লাহোর ১৯৪৭’ ছবি দিয়ে। রাজকুমার সন্তোষী পরিচালিত এই ছবিটি প্রযোজনা করছেন আমির খান। এখানে তাঁর বিপরীতে আছেন সানি দেওল। বর্তমানে অভিনয় থেকে দূরে স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে সময় কাটালেও আইপিএলে নিজের দল পাঞ্জাব কিংসকে সমর্থন দিতে গ্যালারিতে নিয়মিত দেখা যায় তাঁকে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_18.webp" alt="সিঙ্গেল মাদার থেকে সারোগেট! প্রীতি জিনতার ওই ৫ সাহসী সিনেমা দেখেছেন?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>সিঙ্গেল মাদার থেকে সারোগেট! প্রীতি জিনতার ওই ৫ সাহসী সিনেমা দেখেছেন?</h1>
            <p>বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী প্রীতি জিনতা বহু হিট ছবি উপহার দিয়েছেন। কিন্তু কি জানেন, মজার ব্যাপার হচ্ছে – তাঁর কিছু গল্প এমন যেখানে প্রীতি পর্দায় ‘সিঙ্গেল মা’ হয়ে উঠেছেন! তা আবার কখনো বিয়ের আগেই, কখনো অন্য আরেক রূপে। চলুন আজ সেই পাঁচটি ছবির কথা বলি, যা দেখে আপনার চোখ কপালে উঠতে পারে! এই ছবির গল্পটা সেবারকার সময়ে বেশ সাহসী ছিল। প্রীতি ছিলেন এক কলেজ পড়ুয়া, যিনি প্রেমে পড়ে বিয়ের আগেই মা হতে চান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সাইফ আলী খান। ছবিতে প্রীতি সমাজের নানা বাধা উপেক্ষা করে সন্তান রাখার সিদ্ধান্ত নেন। এই ছবিতে প্রীতি আর সাইফ আবার জুটি বেঁধেছিলেন – তবে এ বার লিভ-ইন সম্পর্কে। গল্পে প্রীতি গর্ভবতী হন, কিন্তু তাঁরা বিয়ে করেননি। ছবির শেষটাও মজার – বিয়ে না করেই একসঙ্গে থাকার সিদ্ধান্ত নেন নায়ক-নায়িকা! সালমান খান, রানী মুখার্জি আর প্রীতি জিনতা – একদম জমজমাট কস্তার এই ছবিতে প্রীতি একজন যৌনকর্মীর চরিত্রে। তিনি সালমান-রানীর সন্তানের জন্য সারোগেট মা হন। এখানেও প্রীতির চরিত্র বিয়ের আগেই অন্তঃসত্ত্বা হয়। ছবিটিতে প্রীতির সঙ্গে ছিলেন সালমান ও অক্ষয় কুমার। গল্প অনুযায়ী, প্রীতির চরিত্রটি স্বামীর থেকে আলাদা থাকাকালীন গর্ভবতী হন। আর তখন তিনি একাই সন্তান বড় করার চ্যালেঞ্জ নেন। ব্লকবাস্টার ‘কৃষ’-এ প্রীতি জিনতা বিবাহিতা চরিত্রে ছিলেন, কিন্তু সন্তান প্রসবের পর তাঁর মারা যাওয়ার করুণ পরিণতি হয়। উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে সানি দেওলের সঙ্গে ‘ভাইয়াজি সুপারহিট’ ছবিটি ব্যবসায়িক সফলতা পায়নি। দীর্ঘ বিরতির পর প্রীতি জিনতা ফিরছেন ‘লাহোর ১৯৪৭’ ছবি দিয়ে। রাজকুমার সন্তোষী পরিচালিত এই ছবিটি প্রযোজনা করছেন আমির খান। এখানে তাঁর বিপরীতে আছেন সানি দেওল। বর্তমানে অভিনয় থেকে দূরে স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে সময় কাটালেও আইপিএলে নিজের দল পাঞ্জাব কিংসকে সমর্থন দিতে গ্যালারিতে নিয়মিত দেখা যায় তাঁকে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_18.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_18.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_18.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[হুঁশিয়ারি ইরানের! হরমুজে ঢুকলেই মার্কিনিদের ওপর হামলা]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36789</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36789</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 04 May 2026 17:05:15 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Iran threatens US Navy Hormuz, Hormuz Strait military clash, US Project Freedom operation, Iran central command warning, Major General Ali Abdullah Iran, Iran US positive talks, Trump Hormuz military action, guided missile destroyer Hormuz, US Iran tension 2026, Hormuz blockade Iran control, US troops Hormuz deployment, Iran red line Hormuz, US Iran negotiation positive outcome, Hormuz Strait tanker crisis, Iran military response US aggression]]></category>
        
        <description><![CDATA[ইরান এবার খোলাখুলি হুমকি দিয়ে দিল— হরমুজ প্রণালিতে ঢুকলেই মার্কিন বাহিনীকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হবে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ওই প্রণালিতে আটকে পড়া জাহাজগুলোকে বের করে আনতে সামরিক অভিযানের ঘোষণা দেওয়ার পরই এই কঠোর বার্তা এলো তেহরান থেকে। ইরানের কেন্দ্রীয় কমান্ডের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি সশস্ত্র বাহিনী যদি এই প্রণালির কাছাকাছি আসে বা এতে প্রবেশ করতে চায়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিশেষ করে ‘আগ্রাসী মার্কিন বাহিনী’ চেষ্টা করলেই তারা হামলার শিকার হবে। ইরানের মেজর জেনারেল আলি আব্দুল্লাহ বলেন, “ইরান বারবার বলেছে, এই প্রণালি আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে। এখানে নিরাপদে চলাচল করতে হলে সব পরিস্থিতিতেই আমাদের সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে।” অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র বলছে, ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ অভিযানে অংশ নেবে গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার, ১০০টির বেশি স্থল ও সামুদ্রিক বিমান, বহুমাত্রিক ড্রোন আর ১৫ হাজার সেনাসদস্য। ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন, কেউ বাধা দিলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে মজার ব্যাপার হলো, ট্রাম্প আবার সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, “মার্কিন প্রতিনিধিরা ইরানের সঙ্গে খুব ইতিবাচক আলোচনা করছেন। এই আলোচনা সবার জন্য খুব ইতিবাচক কিছু বয়ে আনতে পারে।”  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_17.webp" alt="হুঁশিয়ারি ইরানের! হরমুজে ঢুকলেই মার্কিনিদের ওপর হামলা" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>হুঁশিয়ারি ইরানের! হরমুজে ঢুকলেই মার্কিনিদের ওপর হামলা</h1>
            <p>ইরান এবার খোলাখুলি হুমকি দিয়ে দিল— হরমুজ প্রণালিতে ঢুকলেই মার্কিন বাহিনীকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হবে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ওই প্রণালিতে আটকে পড়া জাহাজগুলোকে বের করে আনতে সামরিক অভিযানের ঘোষণা দেওয়ার পরই এই কঠোর বার্তা এলো তেহরান থেকে। ইরানের কেন্দ্রীয় কমান্ডের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি সশস্ত্র বাহিনী যদি এই প্রণালির কাছাকাছি আসে বা এতে প্রবেশ করতে চায়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিশেষ করে ‘আগ্রাসী মার্কিন বাহিনী’ চেষ্টা করলেই তারা হামলার শিকার হবে। ইরানের মেজর জেনারেল আলি আব্দুল্লাহ বলেন, “ইরান বারবার বলেছে, এই প্রণালি আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে। এখানে নিরাপদে চলাচল করতে হলে সব পরিস্থিতিতেই আমাদের সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে।” অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র বলছে, ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ অভিযানে অংশ নেবে গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার, ১০০টির বেশি স্থল ও সামুদ্রিক বিমান, বহুমাত্রিক ড্রোন আর ১৫ হাজার সেনাসদস্য। ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন, কেউ বাধা দিলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে মজার ব্যাপার হলো, ট্রাম্প আবার সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, “মার্কিন প্রতিনিধিরা ইরানের সঙ্গে খুব ইতিবাচক আলোচনা করছেন। এই আলোচনা সবার জন্য খুব ইতিবাচক কিছু বয়ে আনতে পারে।”  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_17.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_17.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_17.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[মার্কিন নজরদারি ফাঁকি দিয়ে ইন্দোনেশিয়ায় ঢোকাল আরেক ইরানি সুপারট্যাংকার!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36788</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36788</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 04 May 2026 17:05:48 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[যুক্তরাজ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Iranian supertanker avoids US navy, Deria VLCC Lombok Strait, Iranian oil to Indonesia, Tanker Trackers Iran, US Navy intercepts Iran tankers, 25 Iranian oil tankers April, seized Iranian tankers, Iran oil exports bypass sanctions, Riau Islands Iran tanker, Hughes supertanker Iran, 1.88 million barrels Iran oil, Iran VLCC Indonesia route, US Iran maritime tension, Iran oil delivery success, Al Jazeera Iran tanker news]]></category>
        
        <description><![CDATA[আমেরিকার চোখ ফাঁকি দিয়ে ইন্দোনেশিয়ার পানিতে ঢুকে পড়ল আরেক ইরানি সুপারট্যাংকার। জাহাজ ট্র্যাকিং সংস্থা ট্যাংকার ট্রেকার ডটকম জানিয়েছে, ‘ডেরিয়া’ নামের একটি ভিএলসিসি (ভেরি লার্জ ক্রুড ক্যারিয়ার) বর্তমানে ইন্দোনেশিয়ার লম্বক প্রণালি পাড়ি দিয়ে রিয়াউ দ্বীপপুঞ্জের দিকে যাচ্ছে। আলজাজিরার প্রতিবেদন বলছে, এর আগে এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে প্রায় ১৮ লাখ ৮০ হাজার ব্যারেল ইরানি অপরিশোধিত তেল ভারতের পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা ব্যর্থ হয়। তখন ওই এলাকায় থাকা অন্যান্য ট্যাংকারগুলোকে ফেরত পাঠায় মার্কিন নৌবাহিনী। তবে থামছে না ইরান। এর ঠিক একদিন আগেই একই সংস্থা জানিয়েছিল, ‘হিউজ’ নামের আরেকটি সুপারট্যাংকার প্রায় ১৯ লাখ ব্যারেল তেল নিয়ে একই রুটে রিয়াউ অঞ্চলের দিকে এগোচ্ছে। ট্যাংকার ট্রেকার আরও জানিয়েছে, এপ্রিল মাসে মোট ২৫টি ইরানি তেলবাহী জাহাজ বেরিয়েছে। তার মধ্যে সাতটি জাহাজ ফেরত পাঠিয়েছে মার্কিন নৌবাহিনী, আর দুটি জব্দ করা হয়েছে। বাকি জাহাজগুলো নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছেছে বা পৌঁছানোর পথেই রয়েছে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_16.webp" alt="মার্কিন নজরদারি ফাঁকি দিয়ে ইন্দোনেশিয়ায় ঢোকাল আরেক ইরানি সুপারট্যাংকার!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>মার্কিন নজরদারি ফাঁকি দিয়ে ইন্দোনেশিয়ায় ঢোকাল আরেক ইরানি সুপারট্যাংকার!</h1>
            <p>আমেরিকার চোখ ফাঁকি দিয়ে ইন্দোনেশিয়ার পানিতে ঢুকে পড়ল আরেক ইরানি সুপারট্যাংকার। জাহাজ ট্র্যাকিং সংস্থা ট্যাংকার ট্রেকার ডটকম জানিয়েছে, ‘ডেরিয়া’ নামের একটি ভিএলসিসি (ভেরি লার্জ ক্রুড ক্যারিয়ার) বর্তমানে ইন্দোনেশিয়ার লম্বক প্রণালি পাড়ি দিয়ে রিয়াউ দ্বীপপুঞ্জের দিকে যাচ্ছে। আলজাজিরার প্রতিবেদন বলছে, এর আগে এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে প্রায় ১৮ লাখ ৮০ হাজার ব্যারেল ইরানি অপরিশোধিত তেল ভারতের পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা ব্যর্থ হয়। তখন ওই এলাকায় থাকা অন্যান্য ট্যাংকারগুলোকে ফেরত পাঠায় মার্কিন নৌবাহিনী। তবে থামছে না ইরান। এর ঠিক একদিন আগেই একই সংস্থা জানিয়েছিল, ‘হিউজ’ নামের আরেকটি সুপারট্যাংকার প্রায় ১৯ লাখ ব্যারেল তেল নিয়ে একই রুটে রিয়াউ অঞ্চলের দিকে এগোচ্ছে। ট্যাংকার ট্রেকার আরও জানিয়েছে, এপ্রিল মাসে মোট ২৫টি ইরানি তেলবাহী জাহাজ বেরিয়েছে। তার মধ্যে সাতটি জাহাজ ফেরত পাঠিয়েছে মার্কিন নৌবাহিনী, আর দুটি জব্দ করা হয়েছে। বাকি জাহাজগুলো নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছেছে বা পৌঁছানোর পথেই রয়েছে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_16.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_16.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_16.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[সৌদিতে বড় ধাওয়া! এক সপ্তাহে ২৬ হাজারের বেশি বিদেশি আটক]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36787</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36787</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 04 May 2026 17:05:39 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Saudi Arabia illegal immigrant crackdown April 2026, 14855 deportations Saudi, 11300 arrests Saudi, Saudi Interior Ministry statement, Yemeni migrants Saudi, Ethiopian migrants Saudi, Saudi residency law violators, border security law Saudi, Saudi labor law violations, joint security operation Saudi, Gulf News Saudi immigration, mass arrests Saudi Arabia, Saudi deportation news 2026, illegal entry attempt Saudi, Saudi immigration crackdown weekly report]]></category>
        
        <description><![CDATA[সৌদি আরবে অবৈদ্ধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে চালানো হলো ঝাঁটার মতো অভিযান। মাত্র এক সপ্তাহে বহিষ্কার করা হয়েছে প্রায় ১৫ হাজারকে। আর গ্রেপ্তার আরও ১১ হাজারের বেশি! গালফ নিউজ জানিয়েছে, গত ২৩ থেকে ২৯ এপ্রিল সৌদির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিরাপত্তা বাহিনী যৌথ অভিযান চালিয়ে মোট ১৪ হাজার ৮৫৫ জনকে বহিষ্কার করেছে। পাশাপাশি আরও ১১ হাজার ৩০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে ৬ হাজার ২৪৪ জন আবাসন আইন, ৩ হাজার ৫৪৩ জন সীমান্ত নিরাপত্তা আইন আর এক হাজার ৫১৩ জন শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ধরা পড়েছেন। শুধু তাই নয়, অবৈধভাবে সৌদিতে ঢোকার চেষ্টার অভিযোগে আরও এক হাজার ৩৩০ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৪৩ শতাংশই ইয়েমেনি নাগরিক, আর ৫৪ শতাংশ ইথিওপিয়ার।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_15.webp" alt="সৌদিতে বড় ধাওয়া! এক সপ্তাহে ২৬ হাজারের বেশি বিদেশি আটক" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>সৌদিতে বড় ধাওয়া! এক সপ্তাহে ২৬ হাজারের বেশি বিদেশি আটক</h1>
            <p>সৌদি আরবে অবৈদ্ধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে চালানো হলো ঝাঁটার মতো অভিযান। মাত্র এক সপ্তাহে বহিষ্কার করা হয়েছে প্রায় ১৫ হাজারকে। আর গ্রেপ্তার আরও ১১ হাজারের বেশি! গালফ নিউজ জানিয়েছে, গত ২৩ থেকে ২৯ এপ্রিল সৌদির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিরাপত্তা বাহিনী যৌথ অভিযান চালিয়ে মোট ১৪ হাজার ৮৫৫ জনকে বহিষ্কার করেছে। পাশাপাশি আরও ১১ হাজার ৩০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে ৬ হাজার ২৪৪ জন আবাসন আইন, ৩ হাজার ৫৪৩ জন সীমান্ত নিরাপত্তা আইন আর এক হাজার ৫১৩ জন শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ধরা পড়েছেন। শুধু তাই নয়, অবৈধভাবে সৌদিতে ঢোকার চেষ্টার অভিযোগে আরও এক হাজার ৩৩০ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৪৩ শতাংশই ইয়েমেনি নাগরিক, আর ৫৪ শতাংশ ইথিওপিয়ার।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_15.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_15.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_15.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[সব কার্ড আমার কাছে’! ইরানকে হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের, পরের মুভি কী?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36786</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36786</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 04 May 2026 17:05:34 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Trump all cards message Iran, White House Uno cards post, Iran nuclear program tension, Hormuz Strait conflict Trump, Trump military threat Iran, Iran 14 point proposal rejected, US Iran war 2026, Tehran nuclear talks later, Trump Iran warning May 2026, Al Jazeera Iran US news, Trump Florida press conference, Iran not paid price yet, US sanctions Iran relief, Middle East war latest, Trump X post Iran]]></category>
        
        <description><![CDATA[মাত্র একটা ছবিই বুঝিয়ে দিচ্ছে পুরো গেমপ্ল্যান! হোয়াইট হাউসের অফিসিয়াল এক্স অ্যাকাউন্টে পোস্ট করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি ছবি। ছবিতে তিনি হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন কয়েকটি ‘উনো কার্ড’। মুখে হাসি। আর উপরে লেখা— ‘সবগুলো কার্ড আমার কাছে।’ আলজাজিরার প্রতিবেদন বলছে, মধ্যপ্রাচ্যে জ্বলন্ত যুদ্ধ, হরমুজ প্রণালির উত্তেজনা আর ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বাড়াবাড়ির মধ্যে এই ছবি ইরানের জন্য এক সুস্পষ্ট বার্তা ছাড়া আর কিছুই নয়। এর আগে ফ্লোরিডায় সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেছেন, ইরান যদি কোনো ‘অসদাচরণ’ করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। সামরিক হামলার হুমকিও দিয়ে রেখেছেন তিনি। ট্রাম্পের দাবি, ইরান এখনো গত কয়েক দশকের কর্মকাণ্ডের জন্য যথেষ্ট মূল্য দেয়নি। আর ইরানের দেওয়া নতুন ১৪ দফা প্রস্তাব গ্রহণ হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি। উল্লেখ্য, ইরানের প্রস্তাবে ৩০ দিনের মধ্যে যুদ্ধ শেষে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, জব্দ সম্পদ ফেরত, ভবিষ্যতে হামলা না করার নিশ্চয়তা ও হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার দাবি রাখা হয়েছে। তবে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা ‘পরে’ করার কথা বলেছে তেহরান।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_14.webp" alt="সব কার্ড আমার কাছে’! ইরানকে হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের, পরের মুভি কী?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>সব কার্ড আমার কাছে’! ইরানকে হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের, পরের মুভি কী?</h1>
            <p>মাত্র একটা ছবিই বুঝিয়ে দিচ্ছে পুরো গেমপ্ল্যান! হোয়াইট হাউসের অফিসিয়াল এক্স অ্যাকাউন্টে পোস্ট করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি ছবি। ছবিতে তিনি হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন কয়েকটি ‘উনো কার্ড’। মুখে হাসি। আর উপরে লেখা— ‘সবগুলো কার্ড আমার কাছে।’ আলজাজিরার প্রতিবেদন বলছে, মধ্যপ্রাচ্যে জ্বলন্ত যুদ্ধ, হরমুজ প্রণালির উত্তেজনা আর ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বাড়াবাড়ির মধ্যে এই ছবি ইরানের জন্য এক সুস্পষ্ট বার্তা ছাড়া আর কিছুই নয়। এর আগে ফ্লোরিডায় সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেছেন, ইরান যদি কোনো ‘অসদাচরণ’ করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। সামরিক হামলার হুমকিও দিয়ে রেখেছেন তিনি। ট্রাম্পের দাবি, ইরান এখনো গত কয়েক দশকের কর্মকাণ্ডের জন্য যথেষ্ট মূল্য দেয়নি। আর ইরানের দেওয়া নতুন ১৪ দফা প্রস্তাব গ্রহণ হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি। উল্লেখ্য, ইরানের প্রস্তাবে ৩০ দিনের মধ্যে যুদ্ধ শেষে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, জব্দ সম্পদ ফেরত, ভবিষ্যতে হামলা না করার নিশ্চয়তা ও হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার দাবি রাখা হয়েছে। তবে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা ‘পরে’ করার কথা বলেছে তেহরান।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_14.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_14.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_14.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[এপ্রিলেই ইরাকে ৩৬ ভূমিকম্প! কোন সীমান্ত এলাকায় বেশি কেঁপেছে?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36785</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36785</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 04 May 2026 17:05:10 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Iraq earthquakes April 2026, 36 tremors in Iraq border areas, Sulaymaniyah earthquake count, Iraq Iran border quakes, Iraq Turkey border tremors, Syria Hasaka region quake, Niniveh Dohuk Erbil Diyala earthquakes, 1 to 5 magnitude Iraq, Iraq Meteorological Authority report, no casualties Iraq quakes, quake depth 5 to 39 km, Shafaq News Iraq earthquake, monthly seismic report Iraq, border region tremors Middle East, Iraq natural disaster news]]></category>
        
        <description><![CDATA[মাত্র এক মাসেই ইরাকে কেঁপে উঠল ৩৬ বার মাটি! দেশটির আবহাওয়া ও ভূকম্পন কর্তৃপক্ষের মাসিক প্রতিবেদন বলছে, এপ্রিলে এই ৩৬টি ভূমিকম্পের অধিকাংশই ঘটেছে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এর মধ্যে ১৬টি কম্পন ইরাকের ভেতরে অনুভূত হয়েছে। আর বাকি ২০টি সীমান্ত পেরিয়ে আশপাশের অঞ্চলে। সীমান্তের ভূমিকম্পগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি—ইরানের কাছে ১০টি, তুরস্কে ৯টি এবং সিরিয়ার হাসাকা অঞ্চলে ১টি। ইরাকের অভ্যন্তরে সবচেয়ে বেশি কেঁপেছে সুলাইমানিয়া প্রদেশ। সেখানকার দুকান, পেনজউইন ও শহর এলাকায় মোট ৮টি ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া নিনেভেহ, দোহুক, এরবিল ও দিয়ালা প্রদেশেও কম্পন অনুভূত হয়েছে। ভূমিকম্পগুলোর মাত্রা ছিল ১ থেকে ৫ স্কেলের মধ্যে। গভীরতা ছিল ৫ থেকে ৩৯ কিলোমিটার পর্যন্ত। তবে ভালো খবর হলো, এই সব ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_13.webp" alt="এপ্রিলেই ইরাকে ৩৬ ভূমিকম্প! কোন সীমান্ত এলাকায় বেশি কেঁপেছে?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>এপ্রিলেই ইরাকে ৩৬ ভূমিকম্প! কোন সীমান্ত এলাকায় বেশি কেঁপেছে?</h1>
            <p>মাত্র এক মাসেই ইরাকে কেঁপে উঠল ৩৬ বার মাটি! দেশটির আবহাওয়া ও ভূকম্পন কর্তৃপক্ষের মাসিক প্রতিবেদন বলছে, এপ্রিলে এই ৩৬টি ভূমিকম্পের অধিকাংশই ঘটেছে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এর মধ্যে ১৬টি কম্পন ইরাকের ভেতরে অনুভূত হয়েছে। আর বাকি ২০টি সীমান্ত পেরিয়ে আশপাশের অঞ্চলে। সীমান্তের ভূমিকম্পগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি—ইরানের কাছে ১০টি, তুরস্কে ৯টি এবং সিরিয়ার হাসাকা অঞ্চলে ১টি। ইরাকের অভ্যন্তরে সবচেয়ে বেশি কেঁপেছে সুলাইমানিয়া প্রদেশ। সেখানকার দুকান, পেনজউইন ও শহর এলাকায় মোট ৮টি ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া নিনেভেহ, দোহুক, এরবিল ও দিয়ালা প্রদেশেও কম্পন অনুভূত হয়েছে। ভূমিকম্পগুলোর মাত্রা ছিল ১ থেকে ৫ স্কেলের মধ্যে। গভীরতা ছিল ৫ থেকে ৩৯ কিলোমিটার পর্যন্ত। তবে ভালো খবর হলো, এই সব ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_13.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_13.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_13.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইসরায়েল এখন দিশাহারা! কী এমন অস্ত্র ব্যবহার করছে হিজবুল্লাহ?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36784</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36784</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 04 May 2026 17:05:26 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Hezbollah fiber optic drone, Israel defense system failure, Lebanon Israel war 2026, bomb ready drone video, IED drone Hezbollah, Israel electronic jamming vulnerable, Hezbollah new weapon technology, CNN Israel Lebanon news, Israeli soldier killed by drone, fiber optic cable drone range, low tech high impact weapon, Israel military intelligence drone threat, coordinated drone attack Hezbollah, Israel National Security Studies expert, asymmetric warfare drone]]></category>
        
        <description><![CDATA[দক্ষিণ লেবাননের আকাশে যুদ্ধের চিত্র যেন বদলে দিচ্ছে হিজবুল্লাহ। ইরান-সমর্থিত এই গোষ্ঠী এখন ব্যবহার করছে ফাইবার-অপটিক ড্রোন— যা ইসরায়েলের আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকেও ঘাম ছোটাতে বাধ্য করছে। সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, এই ড্রোনগুলো এতটাই নিখুঁত যে এক ইসরায়েলি ট্যাংকের পাশে দাঁড়ানো সেনাদের ওপর পর্যন্ত হামলা চালাতে পারে তারা। সেদিনের ভিডিওতে দেখা যায়, একটি কোয়াডকপ্টার ড্রোন বাড়ির ছাদ ঘেঁষে, ধ্বংসস্তূপ ফাঁক করে একদম কৌশলে এগিয়ে যাচ্ছে। আর উপরে লেখা ‘বোম্ব রেডি’। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ড্রোনগুলোর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো— এগুলো ইলেকট্রনিক জ্যামিং থেকে সম্পূর্ণ সুরক্ষিত। কারণ সাধারণ ড্রোন যেমন ওয়্যারলেস সংকেত দিয়ে চলে, এগুলো আবার সরাসরি ফাইবার-অপটিক কেবলের মাধ্যমে অপারেটরের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে। ইসরায়েলের ইনস্টিটিউট ফর ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্টাডিজের গবেষক ইয়েহোশুয়া কালিস্কি বলছেন, “এসব ড্রোনের কোনো ইলেকট্রনিক সিগনেচার নেই। ফলে কোথা থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে, সেটা শনাক্ত করা প্রায় অসম্ভব।” হিজবুল্লাহর প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েক কেজি ওজনের একটি ড্রোন এমনভাবে হামলা চালায় যে ইসরায়েলি সেনারা বুঝতেই পারেনি। ওই হামলায় ১৯ বছর বয়সী সার্জেন্ট ইদান ফুকস নিহত হন। আহত হন আরও কয়েকজন। আরও জটিল বিষয় হলো— আহতদের সরাতে আসা উদ্ধার হেলিকপ্টারেও হামলা চালায় হিজবুল্লাহ। এই ড্রোনগুলোর তার এতটাই পাতলা ও হালকা যে খালি চোখে দেখা যায় না। এটি প্রায় ১৫ কিলোমিটার বা তার বেশি দূর পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে। ফলে অপারেটর নিরাপদ দূরত্বে থেকেও স্পষ্টভাবে লক্ষ্য দেখতে পান। একাধিক ড্রোন একসঙ্গে হামলা চালালে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, হিজবুল্লাহ দ্রুত শিখছে এবং সমন্বিত হামলার চেষ্টা করছে। সাধারণ ড্রোন জ্যাম করে থামানো গেলেও ফাইবার-অপটিক ড্রোনে কোনো সংকেত না থাকায় তা জ্যাম করা যায় না। ইসরায়েলি সামরিক সূত্র বলছে, জাল বা অন্য শারীরিক বাধা ছাড়া এ ধরনের ড্রোন ঠেকানোর উপায় খুব কম। এটি মূলত অসম যুদ্ধের জন্য তৈরি এক নিম্নপ্রযুক্তির অথবা মারাত্মক কার্যকর অস্ত্র।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_12.webp" alt="ইসরায়েল এখন দিশাহারা! কী এমন অস্ত্র ব্যবহার করছে হিজবুল্লাহ?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইসরায়েল এখন দিশাহারা! কী এমন অস্ত্র ব্যবহার করছে হিজবুল্লাহ?</h1>
            <p>দক্ষিণ লেবাননের আকাশে যুদ্ধের চিত্র যেন বদলে দিচ্ছে হিজবুল্লাহ। ইরান-সমর্থিত এই গোষ্ঠী এখন ব্যবহার করছে ফাইবার-অপটিক ড্রোন— যা ইসরায়েলের আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকেও ঘাম ছোটাতে বাধ্য করছে। সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, এই ড্রোনগুলো এতটাই নিখুঁত যে এক ইসরায়েলি ট্যাংকের পাশে দাঁড়ানো সেনাদের ওপর পর্যন্ত হামলা চালাতে পারে তারা। সেদিনের ভিডিওতে দেখা যায়, একটি কোয়াডকপ্টার ড্রোন বাড়ির ছাদ ঘেঁষে, ধ্বংসস্তূপ ফাঁক করে একদম কৌশলে এগিয়ে যাচ্ছে। আর উপরে লেখা ‘বোম্ব রেডি’। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ড্রোনগুলোর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো— এগুলো ইলেকট্রনিক জ্যামিং থেকে সম্পূর্ণ সুরক্ষিত। কারণ সাধারণ ড্রোন যেমন ওয়্যারলেস সংকেত দিয়ে চলে, এগুলো আবার সরাসরি ফাইবার-অপটিক কেবলের মাধ্যমে অপারেটরের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে। ইসরায়েলের ইনস্টিটিউট ফর ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্টাডিজের গবেষক ইয়েহোশুয়া কালিস্কি বলছেন, “এসব ড্রোনের কোনো ইলেকট্রনিক সিগনেচার নেই। ফলে কোথা থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে, সেটা শনাক্ত করা প্রায় অসম্ভব।” হিজবুল্লাহর প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েক কেজি ওজনের একটি ড্রোন এমনভাবে হামলা চালায় যে ইসরায়েলি সেনারা বুঝতেই পারেনি। ওই হামলায় ১৯ বছর বয়সী সার্জেন্ট ইদান ফুকস নিহত হন। আহত হন আরও কয়েকজন। আরও জটিল বিষয় হলো— আহতদের সরাতে আসা উদ্ধার হেলিকপ্টারেও হামলা চালায় হিজবুল্লাহ। এই ড্রোনগুলোর তার এতটাই পাতলা ও হালকা যে খালি চোখে দেখা যায় না। এটি প্রায় ১৫ কিলোমিটার বা তার বেশি দূর পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে। ফলে অপারেটর নিরাপদ দূরত্বে থেকেও স্পষ্টভাবে লক্ষ্য দেখতে পান। একাধিক ড্রোন একসঙ্গে হামলা চালালে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, হিজবুল্লাহ দ্রুত শিখছে এবং সমন্বিত হামলার চেষ্টা করছে। সাধারণ ড্রোন জ্যাম করে থামানো গেলেও ফাইবার-অপটিক ড্রোনে কোনো সংকেত না থাকায় তা জ্যাম করা যায় না। ইসরায়েলি সামরিক সূত্র বলছে, জাল বা অন্য শারীরিক বাধা ছাড়া এ ধরনের ড্রোন ঠেকানোর উপায় খুব কম। এটি মূলত অসম যুদ্ধের জন্য তৈরি এক নিম্নপ্রযুক্তির অথবা মারাত্মক কার্যকর অস্ত্র।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_12.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_12.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_12.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইরানের ১৪ দফা শান্তি প্রস্তাব! ৩০ দিনের মধ্যেই শেষ চাই যুদ্ধ]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36783</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36783</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 04 May 2026 17:05:02 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[যুক্তরাজ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Iran 14 point peace proposal, US Iran war end in 30 days, permanent ceasefire Iran US, Iran retaliation to US 9 point plan, Al Jazeera Iran news, Noor News Iran proposal, Trump rejects Iran offer, US sanctions removal Iran demand, US naval blockade end, US troops withdrawal from Middle East, Lebanon war Israel Iran, Oman mediator Iran US, Iran foreign minister Abbas Araghchi, fragile ceasefire Iran US, Tehran peace initiative]]></category>
        
        <description><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে নতুন এক প্রস্তাব নিয়ে এসেছে ইরান। তাদের দাবি, আগামী ৩০ দিনের মধ্যেই সব অমীমাংসিত সমস্যার সমাধান করে ফেলতে হবে। সাময়িক যুদ্ধবিরতি নয়, বরং যুদ্ধের পুরোপুরি অবসান চায় তেহরান। আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের ৯ দফার পরিকল্পনার জবাবেই ইরান এই ১৪ দফার পাল্টা প্রস্তাব দিয়েছে। ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা নূর নিউজ জানিয়েছে, এই প্রস্তাবে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি আছে— ইরানের ওপর থেকে সব মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, নৌ-অবরোধ বাতিল, মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার আর লেবাননে ইসরায়েলি যুদ্ধসহ সব ধরনের বৈরিতার অবসান। প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহে ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের আগের একটি প্রস্তাব নাকচ করে দিলেও দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা এখনো চলছে। এখন পর্যন্ত প্রায় ৩ সপ্তাহ ধরে একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি বহাল আছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এদিকে, গতকাল রোববার ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আল-বুসাইদির সঙ্গে ফোনে যুদ্ধবিরতি ও দ্বিপাক্ষিক ইস্যু নিয়ে কথা বলেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। যুদ্ধ শুরুর আগেও যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় মধ্যস্থতা করেছিল ওমান।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_11.webp" alt="ইরানের ১৪ দফা শান্তি প্রস্তাব! ৩০ দিনের মধ্যেই শেষ চাই যুদ্ধ" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইরানের ১৪ দফা শান্তি প্রস্তাব! ৩০ দিনের মধ্যেই শেষ চাই যুদ্ধ</h1>
            <p>যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে নতুন এক প্রস্তাব নিয়ে এসেছে ইরান। তাদের দাবি, আগামী ৩০ দিনের মধ্যেই সব অমীমাংসিত সমস্যার সমাধান করে ফেলতে হবে। সাময়িক যুদ্ধবিরতি নয়, বরং যুদ্ধের পুরোপুরি অবসান চায় তেহরান। আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের ৯ দফার পরিকল্পনার জবাবেই ইরান এই ১৪ দফার পাল্টা প্রস্তাব দিয়েছে। ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা নূর নিউজ জানিয়েছে, এই প্রস্তাবে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি আছে— ইরানের ওপর থেকে সব মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, নৌ-অবরোধ বাতিল, মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার আর লেবাননে ইসরায়েলি যুদ্ধসহ সব ধরনের বৈরিতার অবসান। প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহে ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের আগের একটি প্রস্তাব নাকচ করে দিলেও দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা এখনো চলছে। এখন পর্যন্ত প্রায় ৩ সপ্তাহ ধরে একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি বহাল আছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এদিকে, গতকাল রোববার ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আল-বুসাইদির সঙ্গে ফোনে যুদ্ধবিরতি ও দ্বিপাক্ষিক ইস্যু নিয়ে কথা বলেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। যুদ্ধ শুরুর আগেও যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় মধ্যস্থতা করেছিল ওমান।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_11.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_11.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_11.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[পশ্চিমবঙ্গে ১৬৭ আসনে এগিয়ে বিজেপি! উৎসবে মাতল গেরুয়া শিবির]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36782</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36782</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 04 May 2026 17:05:12 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[এশিয়া]]></category>
                        <category><![CDATA[West Bengal election result 2026, BJP leading in 167 seats, Trinamool Congress 82 seats, Mamata Banerjee vs Shuvendu Adhikari, Bhabanipur constituency result, Bengal assembly vote counting, TMC star candidates performance, BJP Bengal candidates list, Left parties Bengal fails, Congress zero seats Bengal, postals ballot counting Bengal, EVM counting West Bengal, next Bengal CM race, Bengal election 2026 updates, Indian election news Bengal]]></category>
        
        <description><![CDATA[পশ্চিমবঙ্গের ভোটগণনায় দারুণ খবর বিজেপি শিবিরে। মোট ২৯৪ আসনের মধ্যে ১৬৭টিতেই এগিয়ে গেরুয়া শিবির। অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল তৃণমূল কংগ্রেস আটকে আছে মাত্র ৮২ আসনে। আজ সোমবার সকাল থেকে শুরু হওয়া গণনার চার ঘণ্টার ব্যবধানে দেখা যাচ্ছে এই চিত্র। বামদের অবস্থা আরও করুণ। বিজিপিএম, সিপিআই(এম) আর এআইএসএফ— প্রত্যেকে একটি করে আসনে এগিয়ে। আর চমকের বিষয় হলো, কেন্দ্রের প্রধান বিরোধী দল ভারতীয় কংগ্রেস এখন পর্যন্ত কোনো আসনেই এগিয়ে থাকতে পারেনি। প্রসঙ্গত, গত ২৩ ও ২৯ এপ্রিল দুই দফায় পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪টি আসনে ভোট হয়। প্রথমে পোস্টাল ব্যালটের ভোট গণনা চলছে, পরে ইভিএমের ভোট গোনা হবে। আজকের ফলেই ঠিক হয়ে যাবে, আগামী ৫ বছর বাংলার ক্ষমতার মসনদে কে বসছেন। দুপুর নাগাদ জয়-পরাজয়ের একটা পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে। তবে কোনো কোনো কেন্দ্রে গণনা শেষ হতে রাতও হয়ে যেতে পারে। সবার নজর এখন ভবানীপুরে। সেখানে সরাসরি লড়াই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে। আর এই দুই জনের একজনই হবেন বাংলার পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী। তাই ফল দেখার জন্য চোখ রাখতে হবে সেই কেন্দ্রে। এ ছাড়া তৃণমূলের তারকা প্রার্থীদের ফলও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। কলকাতা বন্দরে ফিরহাদ হাকিম, রাসবিহারীতে দেবাশীষ কুমার, চৌরঙ্গীতে নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, বেলেঘাটায় কুণাল ঘোষ, শ্যামপুকুরে শশী পাঁজা আর বাগদায় মধুপর্ণা ঠাকুর— সবার ফলের দিকেই থাকছে টিকিট收看 দর্শকদের চোখ। বিজেপিও আছে চেনা মুখ। শিবপুরে রুদ্রনীল ঘোষ, আসানসোল দক্ষিণে অগ্নিমিত্রা পাল, নোয়াপাড়ায় অর্জুন সিং, রাজারহাট-গোপালপুরে তরুণজ্যোতি তিওয়ারি আর পানিহাটিতে আর জি কর হাসপাতালে খুন হওয়া সেই ছাত্রীর মা রত্না দেবনাথ— সবার ফল দেখার অপেক্ষায় সাধারণ মানুষ। বাম ও কংগ্রেস আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে আছেন অনেকে। বামদের বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য, মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় ও সায়নদ্বীপ মিত্র। কংগ্রেসের অধীর চৌধুরী, মৌসুম বেনজীর নূর, শুভংকর সরকার, মনোজ চক্রবর্তী, শাহনাজ বেগম, আবদুর রাজ্জাক মোল্লা এবং আইএসএফ-এর নওশাদ সিদ্দিকী— কেমন ফল করছেন এসব প্রার্থী, সেদিকেও তাকিয়ে ভোটাররা।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_10.webp" alt="পশ্চিমবঙ্গে ১৬৭ আসনে এগিয়ে বিজেপি! উৎসবে মাতল গেরুয়া শিবির" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>পশ্চিমবঙ্গে ১৬৭ আসনে এগিয়ে বিজেপি! উৎসবে মাতল গেরুয়া শিবির</h1>
            <p>পশ্চিমবঙ্গের ভোটগণনায় দারুণ খবর বিজেপি শিবিরে। মোট ২৯৪ আসনের মধ্যে ১৬৭টিতেই এগিয়ে গেরুয়া শিবির। অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল তৃণমূল কংগ্রেস আটকে আছে মাত্র ৮২ আসনে। আজ সোমবার সকাল থেকে শুরু হওয়া গণনার চার ঘণ্টার ব্যবধানে দেখা যাচ্ছে এই চিত্র। বামদের অবস্থা আরও করুণ। বিজিপিএম, সিপিআই(এম) আর এআইএসএফ— প্রত্যেকে একটি করে আসনে এগিয়ে। আর চমকের বিষয় হলো, কেন্দ্রের প্রধান বিরোধী দল ভারতীয় কংগ্রেস এখন পর্যন্ত কোনো আসনেই এগিয়ে থাকতে পারেনি। প্রসঙ্গত, গত ২৩ ও ২৯ এপ্রিল দুই দফায় পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪টি আসনে ভোট হয়। প্রথমে পোস্টাল ব্যালটের ভোট গণনা চলছে, পরে ইভিএমের ভোট গোনা হবে। আজকের ফলেই ঠিক হয়ে যাবে, আগামী ৫ বছর বাংলার ক্ষমতার মসনদে কে বসছেন। দুপুর নাগাদ জয়-পরাজয়ের একটা পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে। তবে কোনো কোনো কেন্দ্রে গণনা শেষ হতে রাতও হয়ে যেতে পারে। সবার নজর এখন ভবানীপুরে। সেখানে সরাসরি লড়াই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে। আর এই দুই জনের একজনই হবেন বাংলার পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী। তাই ফল দেখার জন্য চোখ রাখতে হবে সেই কেন্দ্রে। এ ছাড়া তৃণমূলের তারকা প্রার্থীদের ফলও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। কলকাতা বন্দরে ফিরহাদ হাকিম, রাসবিহারীতে দেবাশীষ কুমার, চৌরঙ্গীতে নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, বেলেঘাটায় কুণাল ঘোষ, শ্যামপুকুরে শশী পাঁজা আর বাগদায় মধুপর্ণা ঠাকুর— সবার ফলের দিকেই থাকছে টিকিট收看 দর্শকদের চোখ। বিজেপিও আছে চেনা মুখ। শিবপুরে রুদ্রনীল ঘোষ, আসানসোল দক্ষিণে অগ্নিমিত্রা পাল, নোয়াপাড়ায় অর্জুন সিং, রাজারহাট-গোপালপুরে তরুণজ্যোতি তিওয়ারি আর পানিহাটিতে আর জি কর হাসপাতালে খুন হওয়া সেই ছাত্রীর মা রত্না দেবনাথ— সবার ফল দেখার অপেক্ষায় সাধারণ মানুষ। বাম ও কংগ্রেস আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে আছেন অনেকে। বামদের বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য, মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় ও সায়নদ্বীপ মিত্র। কংগ্রেসের অধীর চৌধুরী, মৌসুম বেনজীর নূর, শুভংকর সরকার, মনোজ চক্রবর্তী, শাহনাজ বেগম, আবদুর রাজ্জাক মোল্লা এবং আইএসএফ-এর নওশাদ সিদ্দিকী— কেমন ফল করছেন এসব প্রার্থী, সেদিকেও তাকিয়ে ভোটাররা।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_10.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_10.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_10.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[আসামের ভোটেও বাজিমাত বিজেপির! হিমন্ত কি আবার মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36781</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36781</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 04 May 2026 17:05:44 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[এশিয়া]]></category>
                        <category><![CDATA[Assam election result 2026, BJP lead in Assam, Himanta Biswa Sarma victory, Assam assembly seats 126, NDA vs INDIA bloc Assam, Muslim majority Assam politics, AIUDF Assam election, independent candidates Assam, Assam vote counting live, Congress stronghold Assam, Himanta leaves Congress, 9 April Assam polls, BJP Assam 96 seats, northeast India election news, Bangladeshi border Assam]]></category>
        
        <description><![CDATA[বাংলাদেশের সীমান্ত ঘেঁষা আসাম রাজ্যেও যেন পশ্চিমবঙ্গের ছবি দেখা যাচ্ছে। সেখানকার বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগণনায় বড় ব্যবধানে এগিয়ে বিজেপি। আসামে মোট ১২৬টি বিধানসভা আসন। রাজ্যটিতে ভোটার সংখ্যা ২ কোটি ৪০ লাখের কিছু বেশি। গত ৯ এপ্রিল সেখানে ভোট হয়। আর আজ সোমবার সকাল ৮টায় (বাংলাদেশ সময় সাড়ে ৮টায়) শুরু হয়েছে গণনা। প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে তিন জোটে— বিজেপির এনডিএ, কংগ্রেসের ইন্ডিয়া জোট আর আম আদমি পার্টি–তৃণমূল–সমমনা দলগুলোর জোট এআইইউডিএফ। পাশাপাশি স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও লড়ছেন। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বেলা ১১টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত ৯৬ আসনে এগিয়ে বিজেপি ও এনডিএ। কংগ্রেস ও তাদের ইন্ডিয়া জোট এগিয়ে ২৬ আসনে। এআইইউডিএফ এগিয়ে মাত্র দুটিতে। আর একটি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী লিড নিচ্ছেন। মোট প্রার্থী ছিলেন ৭২২ জন। তার মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থীই ২৫৮ জন। প্রায় ৪০ শতাংশ মুসলিম অধ্যুষিত আসাম একসময় কংগ্রেসের ঘাঁটি ছিল। বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মাও ছিলেন কংগ্রেসেই। একাধিক মেয়াদে রাজ্যের মন্ত্রীও ছিলেন তিনি। তবে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈয়ের সঙ্গে মতবিরোধের জেরে ২০১৪ সালের জুলাইয়ে কংগ্রেস ও রাজ্যসরকারের সব পদ ছাড়েন হিমন্ত। পরের বছর ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে বিজেপিতে যোগ দেন। এরপর ২০১৬ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করে বিজেপি। আর মুখ্যমন্ত্রী হন হিমন্ত বিশ্বশর্মা। এবার জিতলে আরও এক দফা মেয়াদ বাড়বে তাঁর।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_9.webp" alt="আসামের ভোটেও বাজিমাত বিজেপির! হিমন্ত কি আবার মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>আসামের ভোটেও বাজিমাত বিজেপির! হিমন্ত কি আবার মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন?</h1>
            <p>বাংলাদেশের সীমান্ত ঘেঁষা আসাম রাজ্যেও যেন পশ্চিমবঙ্গের ছবি দেখা যাচ্ছে। সেখানকার বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগণনায় বড় ব্যবধানে এগিয়ে বিজেপি। আসামে মোট ১২৬টি বিধানসভা আসন। রাজ্যটিতে ভোটার সংখ্যা ২ কোটি ৪০ লাখের কিছু বেশি। গত ৯ এপ্রিল সেখানে ভোট হয়। আর আজ সোমবার সকাল ৮টায় (বাংলাদেশ সময় সাড়ে ৮টায়) শুরু হয়েছে গণনা। প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে তিন জোটে— বিজেপির এনডিএ, কংগ্রেসের ইন্ডিয়া জোট আর আম আদমি পার্টি–তৃণমূল–সমমনা দলগুলোর জোট এআইইউডিএফ। পাশাপাশি স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও লড়ছেন। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বেলা ১১টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত ৯৬ আসনে এগিয়ে বিজেপি ও এনডিএ। কংগ্রেস ও তাদের ইন্ডিয়া জোট এগিয়ে ২৬ আসনে। এআইইউডিএফ এগিয়ে মাত্র দুটিতে। আর একটি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী লিড নিচ্ছেন। মোট প্রার্থী ছিলেন ৭২২ জন। তার মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থীই ২৫৮ জন। প্রায় ৪০ শতাংশ মুসলিম অধ্যুষিত আসাম একসময় কংগ্রেসের ঘাঁটি ছিল। বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মাও ছিলেন কংগ্রেসেই। একাধিক মেয়াদে রাজ্যের মন্ত্রীও ছিলেন তিনি। তবে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈয়ের সঙ্গে মতবিরোধের জেরে ২০১৪ সালের জুলাইয়ে কংগ্রেস ও রাজ্যসরকারের সব পদ ছাড়েন হিমন্ত। পরের বছর ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে বিজেপিতে যোগ দেন। এরপর ২০১৬ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করে বিজেপি। আর মুখ্যমন্ত্রী হন হিমন্ত বিশ্বশর্মা। এবার জিতলে আরও এক দফা মেয়াদ বাড়বে তাঁর।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_9.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_9.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_9.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[তামিলনাড়ুতে ঝড় তুললেন থালাপতি বিজয়! মুখ্যমন্ত্রী হতে পথে কত আসনে এগিয়ে?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36780</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36780</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 04 May 2026 16:05:51 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[এশিয়া]]></category>
                        <category><![CDATA[Thalapathy Vijay election lead 2026, Tamilaga Vettri Kazhagam 145 seats, Tamil Nadu assembly result, Vijay CM candidate, TVTK debut election, Puthiya Thalapathy Vijay political career, Tamil Nadu election counting live, Vijay vs DMK vs AIADMK, Tamil film star turned politician, Vijay manifesto promises, youth vote Tamil Nadu, fisherfolk benefits Tamil Nadu, Vijay political mission 2026, Hindustan Times Tamil Nadu, NDTV Tamil Nadu election]]></category>
        
        <description><![CDATA[তামিলনাড়ুর ভোটগণনায় বড় চমক দিয়েছেন অভিনেতা থালাপতি বিজয়। তাঁর দল ‘তামিলাগা ভেট্টি কাজাগাম’ (টিভিকে) এগিয়ে আছে ১৪৫ আসনে। আর সরকার গড়তে প্রয়োজন মাত্র ১১৮টি আসন। তাহলে বুঝতেই পারছেন, এবার অধরা নয় মুখ্যমন্ত্রীর আসন! সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস ও বিশ্লেষণী পোর্টাল পিভেলুর তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ গণনায় দেখা যাচ্ছে, থালাপতির দল অনেকটাই এগিয়ে। তবে এনডিটিভি জানিয়েছে, টিভিকে এগিয়ে ১০৫ আসনে— হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। তবে প্রথমবার নির্বাচনে নেমেই ‘কিংমেকার’ থেকে ‘দল বাজিমাত’—এ যেন সিনেমার গল্পকেও হার মানায়। প্রসঙ্গত, গত ২৩ এপ্রিল তামিলনাড়ুর ২৩৪ আসনে ভোট হয়। একক সরকার গঠনের জন্য যে কোনো দলকে জিততে হবে ১১৮ আসনে। আর থালাপতি বিজয় তো এই বছরই প্রথম নির্বাচনে নেমেছেন। আসল নাম চন্দ্রশেখর জোসেফ বিজয়। দল মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঘোষণা না করলেও জিতলে যে তিনিই হবেন মুখ্যমন্ত্রী, তা নিয়ে কারও সন্দেহ নেই। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাজনীতিতে নামার সময় বিজয় বলেছিলেন, এটি তাঁর কাছে ‘শখের কাজ’ নয়, ‘মিশন’—জনগণের সেবা করার মিশন। অভিনয়ের জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করে প্রথমবারেই তিনি কাঁপিয়ে দিয়েছেন তামিলনাড়ুর গতানুগতিক রাজনৈতিক দলগুলোকে। বিশ্লেষকরা বলছেন, বিজয়ের উত্থান তামিল রাজনীতিতে নতুন যুগের ইঙ্গিত দিচ্ছে। ইশতেহারে তরুণ, নারী ও মৎস্যজীবীদের জন্য বিশেষ প্রতিশ্রুতি তাঁর এই সাফল্যে বড় ভূমিকা রেখেছে বলেই ধারণা করছেন তারা।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_8.webp" alt="তামিলনাড়ুতে ঝড় তুললেন থালাপতি বিজয়! মুখ্যমন্ত্রী হতে পথে কত আসনে এগিয়ে?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>তামিলনাড়ুতে ঝড় তুললেন থালাপতি বিজয়! মুখ্যমন্ত্রী হতে পথে কত আসনে এগিয়ে?</h1>
            <p>তামিলনাড়ুর ভোটগণনায় বড় চমক দিয়েছেন অভিনেতা থালাপতি বিজয়। তাঁর দল ‘তামিলাগা ভেট্টি কাজাগাম’ (টিভিকে) এগিয়ে আছে ১৪৫ আসনে। আর সরকার গড়তে প্রয়োজন মাত্র ১১৮টি আসন। তাহলে বুঝতেই পারছেন, এবার অধরা নয় মুখ্যমন্ত্রীর আসন! সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস ও বিশ্লেষণী পোর্টাল পিভেলুর তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ গণনায় দেখা যাচ্ছে, থালাপতির দল অনেকটাই এগিয়ে। তবে এনডিটিভি জানিয়েছে, টিভিকে এগিয়ে ১০৫ আসনে— হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। তবে প্রথমবার নির্বাচনে নেমেই ‘কিংমেকার’ থেকে ‘দল বাজিমাত’—এ যেন সিনেমার গল্পকেও হার মানায়। প্রসঙ্গত, গত ২৩ এপ্রিল তামিলনাড়ুর ২৩৪ আসনে ভোট হয়। একক সরকার গঠনের জন্য যে কোনো দলকে জিততে হবে ১১৮ আসনে। আর থালাপতি বিজয় তো এই বছরই প্রথম নির্বাচনে নেমেছেন। আসল নাম চন্দ্রশেখর জোসেফ বিজয়। দল মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঘোষণা না করলেও জিতলে যে তিনিই হবেন মুখ্যমন্ত্রী, তা নিয়ে কারও সন্দেহ নেই। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাজনীতিতে নামার সময় বিজয় বলেছিলেন, এটি তাঁর কাছে ‘শখের কাজ’ নয়, ‘মিশন’—জনগণের সেবা করার মিশন। অভিনয়ের জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করে প্রথমবারেই তিনি কাঁপিয়ে দিয়েছেন তামিলনাড়ুর গতানুগতিক রাজনৈতিক দলগুলোকে। বিশ্লেষকরা বলছেন, বিজয়ের উত্থান তামিল রাজনীতিতে নতুন যুগের ইঙ্গিত দিচ্ছে। ইশতেহারে তরুণ, নারী ও মৎস্যজীবীদের জন্য বিশেষ প্রতিশ্রুতি তাঁর এই সাফল্যে বড় ভূমিকা রেখেছে বলেই ধারণা করছেন তারা।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_8.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_8.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_8.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[মমতার দুর্গে বিজেপির বাজিমাত! কী বললেন শুভেন্দু?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36779</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36779</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 04 May 2026 16:05:10 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[এশিয়া]]></category>
                        <category><![CDATA[West Bengal election result 2026, BJP lead 189 seats, Shuvendu Adhikari NDTV interview, Mamata Banerjee defeat, tribal vote shift Bengal, Hindu vote for BJP, BJP possible CM candidate, West Bengal political change, people vote against misrule, Shyama Prasad Mukherjee BJP Bengal, Narendra Modi Bengal campaign, outsider vs son of soil controversy, Nandigram Mamata loss, Bhabanipur election update, Bengal assembly counting live]]></category>
        
        <description><![CDATA[পশ্চিমবঙ্গের ভোটগণনায় যেন তৃণমূলের ঘাঁটিতে বাজিমাত করছে বিজেপি। আর এই সাফল্যের নেপথ্যের রহস্য জানিয়েছেন দলের রাজ্য নেতা শুভেন্দু অধিকারী। এনডিটিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, শুধু হিন্দু ভোটারই নয়, আদিবাসী সম্প্রদায়ও এবার ব্যাপক সমর্থন দিয়েছে বিজেপিকে। প্রসঙ্গত, শুভেন্দু অধিকারীকে পশ্চিমবঙ্গের সম্ভাব্য মুখ্যমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করছে দল। ক্ষমতায় যেতে ২৯৪ আসনের মধ্যে দরকার ১৪৮টি আসন। আর প্রাথমিক গণনায় দেখা যাচ্ছে, ২০১১ সাল থেকে বাংলায় শাসন করা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার এবার বিদায়ের পথে। শুভেন্দু এনডিটিভিকে বলেন, “মানুষ অপশাসনের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে।” তিনি জানান, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সময় থেকেই বিজেপি এটা করার স্বপ্ন দেখছিল, কিন্তু আগে কখনও সেটা সম্ভব হয়নি। পশ্চিমবঙ্গকে ভারতের ‘সাংস্কৃতিক রাজধানী’ বলে অভিহিত করে তিনি বর্তমান সরকারের সময়ে রাজ্যের পরিবর্তন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। আর এই প্রচারণার নেতৃত্ব ও কঠোর পরিশ্রমের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে কৃতিত্ব দিয়েছেন শুভেন্দু। পাশাপাশি জনগণকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। সাক্ষাৎকারে তাকে ‘পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী’ সম্বোধন করলে তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন। নারী ভোটার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভোট নারী কিংবা পুরুষ—এভাবে ভাগ হয়নি। তবে হিন্দু নারীরা বিজেপিকেই ভোট দিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। শুভেন্দু আরও জানান, এবার আদিবাসী ভোটেরও বড় অংশ পেয়েছে বিজেপি। বিশেষ করে যেসব এলাকায় জনতাত্ত্বিক পরিবর্তন ঘটেছে, সেখানেও ভোটাররা একই ধারা বজায় রেখেছেন। তিনি বলেন, “আমরা এখন ১৮৯টি আসনে এগিয়ে আছি। এটা বড় ব্যবধান। বাকিটা আমরা সামলে নেব। আগামী দিনগুলোতে সব ঠিক হয়ে যাবে।” তৃণমূলের ‘বহিরাগত-ভূমিপুত্র’ বিতর্ককে ‘সস্তা রাজনীতি’ বলে উড়িয়ে দিয়ে শুভেন্দু বলেন, “এই ইস্যুটি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একেবারে সস্তা রাজনীতি। জনগণ তা প্রত্যাখ্যান করেছে।” নন্দীগ্রামে মমতাকে হারিয়ে এবার ভবানীপুরেও তাকে পরাজিত করার সম্ভাবনা ও নিজের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার প্রশ্নে শুভেন্দু কৌশলে বলেন, “আমি এই সংবেদনশীল প্রশ্নে কোনো মন্তব্য করব না। বিজেপি সম্মিলিত নেতৃত্বে বিশ্বাসী। নরেন্দ্র মোদির বলিষ্ঠ নেতৃত্বে আমরা লড়াই করেছি এবং ফলাফল এখন আমাদের সামনে আসছে।” প্রসঙ্গত, সকাল ৮টা থেকে পোস্টাল ব্যালটের পর ইভিএমের ভোট গণনা শুরু হয়। প্রাথমিক ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, সীমান্তবর্তী এলাকা, আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চল আর শিল্পাঞ্চলগুলোতে অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছে বিজেপি।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_7.webp" alt="মমতার দুর্গে বিজেপির বাজিমাত! কী বললেন শুভেন্দু?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>মমতার দুর্গে বিজেপির বাজিমাত! কী বললেন শুভেন্দু?</h1>
            <p>পশ্চিমবঙ্গের ভোটগণনায় যেন তৃণমূলের ঘাঁটিতে বাজিমাত করছে বিজেপি। আর এই সাফল্যের নেপথ্যের রহস্য জানিয়েছেন দলের রাজ্য নেতা শুভেন্দু অধিকারী। এনডিটিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, শুধু হিন্দু ভোটারই নয়, আদিবাসী সম্প্রদায়ও এবার ব্যাপক সমর্থন দিয়েছে বিজেপিকে। প্রসঙ্গত, শুভেন্দু অধিকারীকে পশ্চিমবঙ্গের সম্ভাব্য মুখ্যমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করছে দল। ক্ষমতায় যেতে ২৯৪ আসনের মধ্যে দরকার ১৪৮টি আসন। আর প্রাথমিক গণনায় দেখা যাচ্ছে, ২০১১ সাল থেকে বাংলায় শাসন করা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার এবার বিদায়ের পথে। শুভেন্দু এনডিটিভিকে বলেন, “মানুষ অপশাসনের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে।” তিনি জানান, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সময় থেকেই বিজেপি এটা করার স্বপ্ন দেখছিল, কিন্তু আগে কখনও সেটা সম্ভব হয়নি। পশ্চিমবঙ্গকে ভারতের ‘সাংস্কৃতিক রাজধানী’ বলে অভিহিত করে তিনি বর্তমান সরকারের সময়ে রাজ্যের পরিবর্তন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। আর এই প্রচারণার নেতৃত্ব ও কঠোর পরিশ্রমের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে কৃতিত্ব দিয়েছেন শুভেন্দু। পাশাপাশি জনগণকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। সাক্ষাৎকারে তাকে ‘পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী’ সম্বোধন করলে তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন। নারী ভোটার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভোট নারী কিংবা পুরুষ—এভাবে ভাগ হয়নি। তবে হিন্দু নারীরা বিজেপিকেই ভোট দিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। শুভেন্দু আরও জানান, এবার আদিবাসী ভোটেরও বড় অংশ পেয়েছে বিজেপি। বিশেষ করে যেসব এলাকায় জনতাত্ত্বিক পরিবর্তন ঘটেছে, সেখানেও ভোটাররা একই ধারা বজায় রেখেছেন। তিনি বলেন, “আমরা এখন ১৮৯টি আসনে এগিয়ে আছি। এটা বড় ব্যবধান। বাকিটা আমরা সামলে নেব। আগামী দিনগুলোতে সব ঠিক হয়ে যাবে।” তৃণমূলের ‘বহিরাগত-ভূমিপুত্র’ বিতর্ককে ‘সস্তা রাজনীতি’ বলে উড়িয়ে দিয়ে শুভেন্দু বলেন, “এই ইস্যুটি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একেবারে সস্তা রাজনীতি। জনগণ তা প্রত্যাখ্যান করেছে।” নন্দীগ্রামে মমতাকে হারিয়ে এবার ভবানীপুরেও তাকে পরাজিত করার সম্ভাবনা ও নিজের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার প্রশ্নে শুভেন্দু কৌশলে বলেন, “আমি এই সংবেদনশীল প্রশ্নে কোনো মন্তব্য করব না। বিজেপি সম্মিলিত নেতৃত্বে বিশ্বাসী। নরেন্দ্র মোদির বলিষ্ঠ নেতৃত্বে আমরা লড়াই করেছি এবং ফলাফল এখন আমাদের সামনে আসছে।” প্রসঙ্গত, সকাল ৮টা থেকে পোস্টাল ব্যালটের পর ইভিএমের ভোট গণনা শুরু হয়। প্রাথমিক ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, সীমান্তবর্তী এলাকা, আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চল আর শিল্পাঞ্চলগুলোতে অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছে বিজেপি।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_7.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_7.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_7.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[পশ্চিমবঙ্গে ঝড় তুলছে বিজেপি! এগিয়ে ১৯২ আসনে, টালমাটাল তৃণমূল]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36778</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36778</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 04 May 2026 16:05:00 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[এশিয়া]]></category>
                        <category><![CDATA[West Bengal election result 2026, BJP leading in 192 seats, TMC 95 seats, Falta constituency vote cancelled, Mamata Banerjee vs Shuvendu Adhikari, Bengal assembly poll counting, EVM counting West Bengal, Trinamool Congress trailing, BJP wave in Bengal, 21 May re-poll Falta, West Bengal political news, counting agents QR code, Bengal star candidates list, CPM one seat lead, Indian Secular Front Naushad Siddiqui]]></category>
        
        <description><![CDATA[পশ্চিমবঙ্গের ভোটগণনায় বড়সড় ব্যবধানে এগিয়ে গেরুয়া শিবির। ২৯৩ আসনের মধ্যে ১৯২টিতেই লিড নিয়েছে বিজেপি। আর তৃণমূল আটকে আছে মাত্র ৯৫ আসনে। বাকি ১টিতে এগিয়ে সিপিএম আর ৫টিতে অন্যান্য প্রার্থীরা। প্রথমে খবরটা একটু পরিষ্কার করা যাক। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় মোট আসন ২৯৪টি। গত ২৩ ও ২৯ এপ্রিল দুই দফায় ভোট হয়। আজ সোমবার ছিল সব আসনের ফল ঘোষণার দিন। কিন্তু দক্ষিণ ২৪ পরগনার ‘ফলতা’ কেন্দ্রে নির্বাচনী অনিয়ম আর গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ভাঙার অভিযোগে ভোট বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন। ফলে ওখানে নতুন করে ভোট হবে ২১ মে, আর গণনা ২৪ মে। তাই আজ ফলতা বাদে বাকি ২৯৩ আসনের ফল বেরোচ্ছে। সকাল ৮টায় (বাংলাদেশ সময় সাড়ে ৮টায়) শুরু হয় গণনা। আগে পোস্টাল ব্যালট, তারপর ইভিএমের ভোট গোনা হচ্ছে। শুরুতে তেমন ব্যবধান না থাকলেও ধীরে ধীরে তৃণমূলকে পেছনে ফেলে দিয়েছে বিজেপি। এখন ব্যবধান প্রায় ১০০ আসন। আজকের ফলেই ঠিক হয়ে যাবে, আগামী ৫ বছর পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতার চাবি কার হাতে থাকবে। ভোট গণনা সুষ্ঠু করতে তিন স্তরের নিরাপত্তায় ঘিরে ফেলা হয়েছে গণনাকেন্দ্র। সব দলের কাউন্টিং এজেন্টদের ঢুকতে অনুমতি পেতে ‘কিউআর কোড’ দেওয়া হয়েছে। মুঠোফোন নিয়ে ঢোকার সুযোগ নেই কাউকে, শুধু নির্বাচন কর্মকর্তাদের জন্য ছাড়পত্র আছে। চোখ রাখতে হবে ভবানীপুরে। সেখানে লড়াই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে। এ ছাড়াও তৃণমূলের তারকাদের মধ্যে ফিরহাদ হাকিম (কলকাতা বন্দর), দেবাশীষ কুমার (রাসবিহারী), নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় (চৌরঙ্গী), কুণাল ঘোষ (বেলেঘাটা), শশী পাঁজা (শ্যামপুকুর) আর মধুপর্ণা ঠাকুরের (বাগদা) ফলাফলের দিকেও নজর থাকছে। বিজেপির তারকা প্রার্থীদের মধ্যে রুদ্রনীল ঘোষ (শিবপুর), অগ্নিমিত্রা পাল (আসানসোল দক্ষিণ), অর্জুন সিং (নোয়াপাড়া), তরুণজ্যোতি তিওয়ারি (রাজারহাট-গোপালপুর) আর আর জি কর হাসপাতালে খুন হওয়া সেই চিকিৎসক ছাত্রীর মা রত্না দেবনাথের (পানিহাটি) ফল দেখার অপেক্ষায় সাধারণ ভোটাররা। বাম আর কংগ্রেস আছে চেনা মুখ। বামদের বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য, মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়, সায়নদীপ মিত্র। কংগ্রেসের অধীর চৌধুরী, মৌসুম বেনজীর নূর, শুভংকর সরকার, মনোজ চক্রবর্তী, শাহনাজ বেগম ও আবদুর রাজ্জাক মোল্লা। আর আইএসএফ-এর নওশাদ সিদ্দিকী। সবার নজর এখন ফলাফলের দিকে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_6.webp" alt="পশ্চিমবঙ্গে ঝড় তুলছে বিজেপি! এগিয়ে ১৯২ আসনে, টালমাটাল তৃণমূল" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>পশ্চিমবঙ্গে ঝড় তুলছে বিজেপি! এগিয়ে ১৯২ আসনে, টালমাটাল তৃণমূল</h1>
            <p>পশ্চিমবঙ্গের ভোটগণনায় বড়সড় ব্যবধানে এগিয়ে গেরুয়া শিবির। ২৯৩ আসনের মধ্যে ১৯২টিতেই লিড নিয়েছে বিজেপি। আর তৃণমূল আটকে আছে মাত্র ৯৫ আসনে। বাকি ১টিতে এগিয়ে সিপিএম আর ৫টিতে অন্যান্য প্রার্থীরা। প্রথমে খবরটা একটু পরিষ্কার করা যাক। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় মোট আসন ২৯৪টি। গত ২৩ ও ২৯ এপ্রিল দুই দফায় ভোট হয়। আজ সোমবার ছিল সব আসনের ফল ঘোষণার দিন। কিন্তু দক্ষিণ ২৪ পরগনার ‘ফলতা’ কেন্দ্রে নির্বাচনী অনিয়ম আর গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ভাঙার অভিযোগে ভোট বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন। ফলে ওখানে নতুন করে ভোট হবে ২১ মে, আর গণনা ২৪ মে। তাই আজ ফলতা বাদে বাকি ২৯৩ আসনের ফল বেরোচ্ছে। সকাল ৮টায় (বাংলাদেশ সময় সাড়ে ৮টায়) শুরু হয় গণনা। আগে পোস্টাল ব্যালট, তারপর ইভিএমের ভোট গোনা হচ্ছে। শুরুতে তেমন ব্যবধান না থাকলেও ধীরে ধীরে তৃণমূলকে পেছনে ফেলে দিয়েছে বিজেপি। এখন ব্যবধান প্রায় ১০০ আসন। আজকের ফলেই ঠিক হয়ে যাবে, আগামী ৫ বছর পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতার চাবি কার হাতে থাকবে। ভোট গণনা সুষ্ঠু করতে তিন স্তরের নিরাপত্তায় ঘিরে ফেলা হয়েছে গণনাকেন্দ্র। সব দলের কাউন্টিং এজেন্টদের ঢুকতে অনুমতি পেতে ‘কিউআর কোড’ দেওয়া হয়েছে। মুঠোফোন নিয়ে ঢোকার সুযোগ নেই কাউকে, শুধু নির্বাচন কর্মকর্তাদের জন্য ছাড়পত্র আছে। চোখ রাখতে হবে ভবানীপুরে। সেখানে লড়াই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে। এ ছাড়াও তৃণমূলের তারকাদের মধ্যে ফিরহাদ হাকিম (কলকাতা বন্দর), দেবাশীষ কুমার (রাসবিহারী), নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় (চৌরঙ্গী), কুণাল ঘোষ (বেলেঘাটা), শশী পাঁজা (শ্যামপুকুর) আর মধুপর্ণা ঠাকুরের (বাগদা) ফলাফলের দিকেও নজর থাকছে। বিজেপির তারকা প্রার্থীদের মধ্যে রুদ্রনীল ঘোষ (শিবপুর), অগ্নিমিত্রা পাল (আসানসোল দক্ষিণ), অর্জুন সিং (নোয়াপাড়া), তরুণজ্যোতি তিওয়ারি (রাজারহাট-গোপালপুর) আর আর জি কর হাসপাতালে খুন হওয়া সেই চিকিৎসক ছাত্রীর মা রত্না দেবনাথের (পানিহাটি) ফল দেখার অপেক্ষায় সাধারণ ভোটাররা। বাম আর কংগ্রেস আছে চেনা মুখ। বামদের বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য, মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়, সায়নদীপ মিত্র। কংগ্রেসের অধীর চৌধুরী, মৌসুম বেনজীর নূর, শুভংকর সরকার, মনোজ চক্রবর্তী, শাহনাজ বেগম ও আবদুর রাজ্জাক মোল্লা। আর আইএসএফ-এর নওশাদ সিদ্দিকী। সবার নজর এখন ফলাফলের দিকে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_6.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_6.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_6.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[খেলা শেষ’ লিখে বার্তা বিজেপির! মমতার জবাব ‘ওয়েট অ্যান্ড সি’]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36777</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36777</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 04 May 2026 16:05:31 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[এশিয়া]]></category>
                        <category><![CDATA[West Bengal election result 2026, BJP leads TMC by 100 seats, Khela Sesh vs Khela Hobe, Mamata Banerjee reaction counting, Anubrata Mandal slogan, Bengal vote counting controversy, EVM tampering allegations Bengal, central forces Bengal election, Mamata Banerjee tiger cub remark, BJP Bengal celebration, TMC trailing Bengal, political slogans India, Bengal assembly poll update, vote counting irregularities, West Bengal political news]]></category>
        
        <description><![CDATA[পশ্চিমবঙ্গের ভোটগণনায় প্রায় ১৯২ আসনে এগিয়ে বিজেপি। তৃণমূল কংগ্রেস পিছিয়ে মাত্র ৯৪ আসনে। ব্যবধান প্রায় ১০০ আসন। আর এমনিতেই ‘খেলা শেষ’ লিখে সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্তা দিয়েছে গেরুয়া শিবির। প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের নির্বাচনের আগে ‘খেলা হবে’ স্লোগান দিয়েছিলেন তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল। সেটা ভাইরাল হয়ে যায়। পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও একাধিকবার ব্যবহার করেছিলেন সেই স্লোগান। আর এবার বিজেপি যেন তাদের সেই স্লোগানেরই জবাব দিয়ে ‘খেলা শেষ’ লিখে উল্লাস করছে। তবে পিছিয়ে পড়েও হাল ছাড়ছেন না মমতা। কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি দিয়েছেন বার্তা। বলেছেন, “দয়া করে কেউ গণনাকেন্দ্র ছেড়ে আসবেন না। এটা বিজেপির পরিকল্পনা। আমি গতকাল থেকেই বলে আসছি, ওরা আগে তাদের এগিয়ে থাকা আসন দেখাবে। আমাদের আসন পরে দেখাবে। অনেক জায়গায় গণনা বন্ধ করে রেখেছে। কল্যাণীতে সাতটা মেশিন ধরা পড়েছে, যেখানে কোনো মিল নেই।” মমতার অভিযোগ, “কেন্দ্রীয় সরকার জোর করে পুলিশ আর কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে তৃণমূলের ওপর অত্যাচার করছে। অফিস ভাঙছে, জোর করে দখল করছে। এসআইআরের নামে ভোট লুট হয়েছে।” তিনি নেতাকর্মীদের ধৈর্য ধরারও আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, “মন খারাপের কিছু নেই। আমি বলেছিলাম, সূর্যাস্তের পরে আপনারা জিতবেন। তিন-চার রাউন্ড মাত্র গণনা হয়েছে। আসল ফল জানতে হবে ১৮-১৯ রাউন্ড শেষে। তখন আপনারা জিতবেন। ওয়েট অ্যান্ড সি, ওয়াচ। আপনারা সকলে জিতবেন। আমরা আছি আপনাদের সঙ্গে।” শেষে জবাব দিতে ভোলেননি মমতা। তিনি বলেন, “নিশ্চিন্তে থাকুন। আমরা বাঘের বাচ্চার মতো লড়াই করে যাব।”  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_5.webp" alt="খেলা শেষ’ লিখে বার্তা বিজেপির! মমতার জবাব ‘ওয়েট অ্যান্ড সি’" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>খেলা শেষ’ লিখে বার্তা বিজেপির! মমতার জবাব ‘ওয়েট অ্যান্ড সি’</h1>
            <p>পশ্চিমবঙ্গের ভোটগণনায় প্রায় ১৯২ আসনে এগিয়ে বিজেপি। তৃণমূল কংগ্রেস পিছিয়ে মাত্র ৯৪ আসনে। ব্যবধান প্রায় ১০০ আসন। আর এমনিতেই ‘খেলা শেষ’ লিখে সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্তা দিয়েছে গেরুয়া শিবির। প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের নির্বাচনের আগে ‘খেলা হবে’ স্লোগান দিয়েছিলেন তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল। সেটা ভাইরাল হয়ে যায়। পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও একাধিকবার ব্যবহার করেছিলেন সেই স্লোগান। আর এবার বিজেপি যেন তাদের সেই স্লোগানেরই জবাব দিয়ে ‘খেলা শেষ’ লিখে উল্লাস করছে। তবে পিছিয়ে পড়েও হাল ছাড়ছেন না মমতা। কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি দিয়েছেন বার্তা। বলেছেন, “দয়া করে কেউ গণনাকেন্দ্র ছেড়ে আসবেন না। এটা বিজেপির পরিকল্পনা। আমি গতকাল থেকেই বলে আসছি, ওরা আগে তাদের এগিয়ে থাকা আসন দেখাবে। আমাদের আসন পরে দেখাবে। অনেক জায়গায় গণনা বন্ধ করে রেখেছে। কল্যাণীতে সাতটা মেশিন ধরা পড়েছে, যেখানে কোনো মিল নেই।” মমতার অভিযোগ, “কেন্দ্রীয় সরকার জোর করে পুলিশ আর কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে তৃণমূলের ওপর অত্যাচার করছে। অফিস ভাঙছে, জোর করে দখল করছে। এসআইআরের নামে ভোট লুট হয়েছে।” তিনি নেতাকর্মীদের ধৈর্য ধরারও আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, “মন খারাপের কিছু নেই। আমি বলেছিলাম, সূর্যাস্তের পরে আপনারা জিতবেন। তিন-চার রাউন্ড মাত্র গণনা হয়েছে। আসল ফল জানতে হবে ১৮-১৯ রাউন্ড শেষে। তখন আপনারা জিতবেন। ওয়েট অ্যান্ড সি, ওয়াচ। আপনারা সকলে জিতবেন। আমরা আছি আপনাদের সঙ্গে।” শেষে জবাব দিতে ভোলেননি মমতা। তিনি বলেন, “নিশ্চিন্তে থাকুন। আমরা বাঘের বাচ্চার মতো লড়াই করে যাব।”  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_5.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_5.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_5.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[যুদ্ধের মাঝেও হরমুজ পেরোল ভারতীয় ট্যাংকার! কীভাবে সম্ভব?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36776</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36776</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 04 May 2026 16:05:25 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Hormuz Strait Indian tanker, Sarvashakti ship passes Hormuz, US Iran embargo 2026, Indian Oil Corporation LPG shipment, Hormuz Strait blockade, Persian Gulf tanker movement, India energy security, geopolitical crisis Hormuz, Indian tanker safe passage, US Iran war impact, Strait of Hormuz news, Indian Oil Corporation latest, LNG tanker Sarvashakti, Middle East oil route, India Iran relations]]></category>
        
        <description><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র আর ইরানের চলমান যুদ্ধ আর অবরোধের ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যেই হরমুজ প্রণালি পেরিয়ে গেছে ভারতীয় একটি ট্যাংকার জাহাজ—‘সর্বশক্তি’। যেখানে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ, সেখানে এই ঘটনাকে ‘বিরল’ বলছেন বিশেষজ্ঞরা। জাহাজটি বেশ বড়। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, গতকাল রোববার ৪৫ হাজার টন এলপিজি গ্যাস নিয়ে পারস্য উপসাগরের লারাক ও কেশম দ্বীপ থেকে হরমুজ প্রণালি পেরিয়ে ওমান সাগরে পৌঁছে যায় ‘সর্বশক্তি’। বর্তমানে এটি ভারতের বন্দরের দিকে যাচ্ছে। পুরো পথে কোনো বাধা, হামলা বা বিপত্তি হয়নি জাহাজটির। ‘সর্বশক্তি’ নিয়মিতই পারস্য উপসাগর আর ভারতের বন্দরগুলোর মধ্যে যাতায়াত করে। এবার যে এলপিজি বহন করছে, তার ফরমায়েশ দিয়েছিল ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি সংস্থা ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন। হরমুজে জাহাজটির নিরাপদ যাত্রা নিয়ে ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশনের প্রতিক্রিয়া জানতে চায় ব্লুমবার্গ। তবে ওই সংস্থার কেউ মন্তব্য করতে রাজি হননি। প্রসঙ্গত, আরব উপসাগর আর পারস্য উপসাগরকে যুক্ত করা ১৬৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এই জলপথ বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য রুট। বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ তেল-গ্যাস ও জ্বালানি পণ্য এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে যায়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর পর হরমুজে অবরোধ দিয়েছিল ইরান। আবার ১২ এপ্রিল ইরানের তেল বাণিজ্য বন্ধ করতে হরমুজ ও ইরানি বন্দরগুলোতে অবরোধ জারি করে যুক্তরাষ্ট্র। তাতে আটকা পড়ে শতাধিক জাহাজ। তবে ভারতীয় কোনো জাহাজ আটকা পড়ার খবর এখন পর্যন্ত নেই। বরং গত মার্চেও যখন যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে সংঘাত চলছিল, তখনও একাধিক ভারতীয় ট্যাংকার নিরাপদে হরমুজ পেরিয়ে ভারতে পৌঁছেছিল।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_4.webp" alt="যুদ্ধের মাঝেও হরমুজ পেরোল ভারতীয় ট্যাংকার! কীভাবে সম্ভব?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>যুদ্ধের মাঝেও হরমুজ পেরোল ভারতীয় ট্যাংকার! কীভাবে সম্ভব?</h1>
            <p>যুক্তরাষ্ট্র আর ইরানের চলমান যুদ্ধ আর অবরোধের ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যেই হরমুজ প্রণালি পেরিয়ে গেছে ভারতীয় একটি ট্যাংকার জাহাজ—‘সর্বশক্তি’। যেখানে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ, সেখানে এই ঘটনাকে ‘বিরল’ বলছেন বিশেষজ্ঞরা। জাহাজটি বেশ বড়। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, গতকাল রোববার ৪৫ হাজার টন এলপিজি গ্যাস নিয়ে পারস্য উপসাগরের লারাক ও কেশম দ্বীপ থেকে হরমুজ প্রণালি পেরিয়ে ওমান সাগরে পৌঁছে যায় ‘সর্বশক্তি’। বর্তমানে এটি ভারতের বন্দরের দিকে যাচ্ছে। পুরো পথে কোনো বাধা, হামলা বা বিপত্তি হয়নি জাহাজটির। ‘সর্বশক্তি’ নিয়মিতই পারস্য উপসাগর আর ভারতের বন্দরগুলোর মধ্যে যাতায়াত করে। এবার যে এলপিজি বহন করছে, তার ফরমায়েশ দিয়েছিল ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি সংস্থা ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন। হরমুজে জাহাজটির নিরাপদ যাত্রা নিয়ে ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশনের প্রতিক্রিয়া জানতে চায় ব্লুমবার্গ। তবে ওই সংস্থার কেউ মন্তব্য করতে রাজি হননি। প্রসঙ্গত, আরব উপসাগর আর পারস্য উপসাগরকে যুক্ত করা ১৬৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এই জলপথ বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য রুট। বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ তেল-গ্যাস ও জ্বালানি পণ্য এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে যায়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর পর হরমুজে অবরোধ দিয়েছিল ইরান। আবার ১২ এপ্রিল ইরানের তেল বাণিজ্য বন্ধ করতে হরমুজ ও ইরানি বন্দরগুলোতে অবরোধ জারি করে যুক্তরাষ্ট্র। তাতে আটকা পড়ে শতাধিক জাহাজ। তবে ভারতীয় কোনো জাহাজ আটকা পড়ার খবর এখন পর্যন্ত নেই। বরং গত মার্চেও যখন যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে সংঘাত চলছিল, তখনও একাধিক ভারতীয় ট্যাংকার নিরাপদে হরমুজ পেরিয়ে ভারতে পৌঁছেছিল।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_4.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_4.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_4.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[বাবরি মসজিদ বানাতে চাওয়া হুমায়ুনের জয়রথ! দিলেন তৃণমূলকে তোপধ্বনি]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36775</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36775</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 04 May 2026 16:05:57 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[এশিয়া]]></category>
                        <category><![CDATA[Humayun Kabir West Bengal election, Babri Masjid replica Murshidabad, Rejinagar Nauda assembly seats, expelled from Trinamool Congress, Am Janata Unnayan Party, Babri Masjid foundation stone 6 December, West Bengal election result 2026, Humayun Kabir lead, TMC corruption allegations, Mamata Banerjee nephew controversy, Bengal political news, Hindu Muslim polarisation Bengal, Humayun Kabir victory speech, West Bengal assembly polls, Babri Masjid 1992 anniversary]]></category>
        
        <description><![CDATA[পশ্চিমবঙ্গের রেজিনগর আর নওদা আসন থেকে জয়ের পথে হুমায়ুন কবির। গত বছর যিনি মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদের আদলে একটি মসজিদ তৈরির ঘোষণা দিয়ে তোলপাড় ফেলে দিয়েছিলেন। তার এই ঘোষণার পরেই তাকে দল থেকে বহিষ্কার করে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু বহিষ্কারেও দমে যাননি হুমায়ুন। উল্টো ২০২৫ সালের ৬ ডিসেম্বর তিনি সেই মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এরপর নিজের নতুন দল গড়েন— ‘আম জনতা উন্নয়ন পার্টি’ নামে। প্রসঙ্গত, ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বরেই উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা অযোধ্যার বাবরি মসজিদ ভেঙে ফেলে। আর সেই একই তারিখে মুর্শিদাবাদে নতুন বাবরি মসজিদের কাজ শুরু করে সে দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখেন হুমায়ুন। ভোট গণনায় এগিয়ে থাকার পর নিজের সাবেক দল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন তিনি। দাবি করেছেন, গত ১৫ বছরে তৃণমূল এত বেশি লুটপাট করেছে যে এই ফলাফল তাদের প্রাপ্যই ছিল। সাংবাদিকদের হুমায়ুন বলেন, “তৃণমূলের হারার ব্যাপারে আমি কী বলতে পারি? যা হচ্ছে তা ভালো। এটা হওয়া উচিত ছিল। মমতা তিনবার মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। তিনি তাঁর ভাইয়ের ছেলেকে অনেক বেশি ক্ষমতা দিয়েছিলেন। তারা সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করেছে আর তাদের টাকা-পয়সা লুট করেছে। ব্রিটিশরা ১০০-২০০ বছরে যা লুট করেছিল, তারা ১৫ বছরে সেটাকেও ছাড়িয়ে গেছে। আমি পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে শুভেচ্ছা জানাতে চাই, যারা তৃণমূলকে জবাব দিয়েছে।” নিজের জয় প্রসঙ্গে হুমায়ুন বলেন, “আমি দুটি আসনে নির্বাচন করেছি। দুটিতেই জিতব। আর দুপুর ৩টার দিকে জয়ের সার্টিফিকেট নিয়ে ফিরব।”  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_3.webp" alt="বাবরি মসজিদ বানাতে চাওয়া হুমায়ুনের জয়রথ! দিলেন তৃণমূলকে তোপধ্বনি" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>বাবরি মসজিদ বানাতে চাওয়া হুমায়ুনের জয়রথ! দিলেন তৃণমূলকে তোপধ্বনি</h1>
            <p>পশ্চিমবঙ্গের রেজিনগর আর নওদা আসন থেকে জয়ের পথে হুমায়ুন কবির। গত বছর যিনি মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদের আদলে একটি মসজিদ তৈরির ঘোষণা দিয়ে তোলপাড় ফেলে দিয়েছিলেন। তার এই ঘোষণার পরেই তাকে দল থেকে বহিষ্কার করে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু বহিষ্কারেও দমে যাননি হুমায়ুন। উল্টো ২০২৫ সালের ৬ ডিসেম্বর তিনি সেই মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এরপর নিজের নতুন দল গড়েন— ‘আম জনতা উন্নয়ন পার্টি’ নামে। প্রসঙ্গত, ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বরেই উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা অযোধ্যার বাবরি মসজিদ ভেঙে ফেলে। আর সেই একই তারিখে মুর্শিদাবাদে নতুন বাবরি মসজিদের কাজ শুরু করে সে দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখেন হুমায়ুন। ভোট গণনায় এগিয়ে থাকার পর নিজের সাবেক দল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন তিনি। দাবি করেছেন, গত ১৫ বছরে তৃণমূল এত বেশি লুটপাট করেছে যে এই ফলাফল তাদের প্রাপ্যই ছিল। সাংবাদিকদের হুমায়ুন বলেন, “তৃণমূলের হারার ব্যাপারে আমি কী বলতে পারি? যা হচ্ছে তা ভালো। এটা হওয়া উচিত ছিল। মমতা তিনবার মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। তিনি তাঁর ভাইয়ের ছেলেকে অনেক বেশি ক্ষমতা দিয়েছিলেন। তারা সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করেছে আর তাদের টাকা-পয়সা লুট করেছে। ব্রিটিশরা ১০০-২০০ বছরে যা লুট করেছিল, তারা ১৫ বছরে সেটাকেও ছাড়িয়ে গেছে। আমি পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে শুভেচ্ছা জানাতে চাই, যারা তৃণমূলকে জবাব দিয়েছে।” নিজের জয় প্রসঙ্গে হুমায়ুন বলেন, “আমি দুটি আসনে নির্বাচন করেছি। দুটিতেই জিতব। আর দুপুর ৩টার দিকে জয়ের সার্টিফিকেট নিয়ে ফিরব।”  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_3.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_3.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_3.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[কলকাতায় বিজেপি অফিসের সামনে শুরু উৎসব! রং মাখা আর মিষ্টির বনিবনায় মাতলেন কর্মীরা]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36774</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36774</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 04 May 2026 16:05:06 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[এশিয়া]]></category>
                        <category><![CDATA[West Bengal election result 2026, BJP lead in Bengal, Kolkata BJP office celebration, Mamata Banerjee TMC trailing, Bengal assembly seat count, BJP vs TMC Bengal, ANI video BJP celebration, Bengal election vote counting, 293 seats result West Bengal, BJP 167 seats lead, TMC 82 seats, Left front in Bengal, Congress zero seats Bengal, two-phase Bengal election, West Bengal political news]]></category>
        
        <description><![CDATA[পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা চলছে আর তাতে এখন পর্যন্ত এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। আর এই খবরে কলকাতায় দলীয় অফিসের সামনে উৎসবে মেতেছেন কর্মী-সমর্থকরা। বার্তাসংস্থা এএনআইয়ের ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, নেতাকর্মীরা একে অন্যকে রঙ মাখাচ্ছেন আর মুখে তুলে দিচ্ছেন মিষ্টি। জমে উঠেছে উৎসবের আমেজ। প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় মোট আসন ২৯৪টি। এর মধ্যে একটি আসনে পুনরায় ভোট হচ্ছে, তাই আজ ২৯৩টি আসনের ফল ঘোষণা করা হবে। সরকার গঠন করতে হলে কোনো দলকে এককভাবে অন্তত ১৪৮টি আসনে জিততে হবে। গণনা শুরু হওয়ার চার ঘণ্টার ব্যবধানে দেখা যাচ্ছে, বিজেপি এগিয়ে আছে ১৬৭ আসনে। আর তৃণমূল কংগ্রেস এগিয়ে রয়েছে ৮২ আসনে। অন্যদিকে বাম ও কংগ্রেস জোটের অবস্থা বেশ খারাপ। বিজিপিএম, সিপিআই(এম) এবং এআইএসএফ— প্রত্যেকে একটি করে আসনে এগিয়ে আছে। কিন্তু চমকের ব্যাপার হচ্ছে, কেন্দ্রের প্রধান বিরোধী দল ভারতীয় কংগ্রেস এখন পর্যন্ত কোনো আসনেই এগিয়ে থাকতে পারেনি। উল্লেখ্য, গত ২৩ ও ২৯ এপ্রিল দুই দফায় পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪টি আসনে ভোটগ্রহণ হয়েছিল। এবার তার ফলাফল যেন ঘুরিয়ে দিচ্ছে বাংলার রাজনীতির চিত্রনাট্য।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_2.webp" alt="কলকাতায় বিজেপি অফিসের সামনে শুরু উৎসব! রং মাখা আর মিষ্টির বনিবনায় মাতলেন কর্মীরা" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>কলকাতায় বিজেপি অফিসের সামনে শুরু উৎসব! রং মাখা আর মিষ্টির বনিবনায় মাতলেন কর্মীরা</h1>
            <p>পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা চলছে আর তাতে এখন পর্যন্ত এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। আর এই খবরে কলকাতায় দলীয় অফিসের সামনে উৎসবে মেতেছেন কর্মী-সমর্থকরা। বার্তাসংস্থা এএনআইয়ের ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, নেতাকর্মীরা একে অন্যকে রঙ মাখাচ্ছেন আর মুখে তুলে দিচ্ছেন মিষ্টি। জমে উঠেছে উৎসবের আমেজ। প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় মোট আসন ২৯৪টি। এর মধ্যে একটি আসনে পুনরায় ভোট হচ্ছে, তাই আজ ২৯৩টি আসনের ফল ঘোষণা করা হবে। সরকার গঠন করতে হলে কোনো দলকে এককভাবে অন্তত ১৪৮টি আসনে জিততে হবে। গণনা শুরু হওয়ার চার ঘণ্টার ব্যবধানে দেখা যাচ্ছে, বিজেপি এগিয়ে আছে ১৬৭ আসনে। আর তৃণমূল কংগ্রেস এগিয়ে রয়েছে ৮২ আসনে। অন্যদিকে বাম ও কংগ্রেস জোটের অবস্থা বেশ খারাপ। বিজিপিএম, সিপিআই(এম) এবং এআইএসএফ— প্রত্যেকে একটি করে আসনে এগিয়ে আছে। কিন্তু চমকের ব্যাপার হচ্ছে, কেন্দ্রের প্রধান বিরোধী দল ভারতীয় কংগ্রেস এখন পর্যন্ত কোনো আসনেই এগিয়ে থাকতে পারেনি। উল্লেখ্য, গত ২৩ ও ২৯ এপ্রিল দুই দফায় পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪টি আসনে ভোটগ্রহণ হয়েছিল। এবার তার ফলাফল যেন ঘুরিয়ে দিচ্ছে বাংলার রাজনীতির চিত্রনাট্য।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_2.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_2.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_2.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ভবানীপুরে টসটসে লড়াই! এগিয়ে মমতা? নাকি শুভেন্দু ঘুরিয়ে দিচ্ছেন খেলা?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36773</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36773</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Mon, 04 May 2026 16:05:59 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[এশিয়া]]></category>
                        <category><![CDATA[Bhabanipur election result, Mamata Banerjee vs Shuvendu Adhikari, West Bengal bypoll 2026, TMC vs BJP, Bhabanipur vote counting, Mamata Banerjee lead, Shuvendu Adhikari trailing, West Bengal political news, Bhabanipur clash, Amit Shah statement, Bengal assembly election update, tight fight Bhabanipur, Mamata Banerjee home constituency, Shuvendu Adhikari challenge, Indian election news]]></category>
        
        <description><![CDATA[পশ্চিমবঙ্গের ভবানীপুর কেন্দ্রটি এবারের নির্বাচনে যেন এক উত্তেজনার মহারণক্ষেত্র। কারণ এখানে সরাসরি লড়াই হচ্ছে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে। দু’পক্ষেই জোরদার টক্কর। কখনও এগোচ্ছেন মমতা, তো কখনও পিছিয়ে পড়ছেন না শুভেন্দু। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রায় ৮ হাজার ভোটে এগিয়ে রয়েছেন বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীকে পেছনে ফেলে। ভারতের সংবাদমাধ্যম ‘এই সময়’ নির্বাচন কমিশনের তথ্য তুলে ধরে জানিয়েছে, প্রথম রাউন্ডের গণনা শেষে ভবানীপুরে লিড নিয়েছিলেন মমতা। তিনি ১৯৯৬ ভোটে এগিয়ে থাকলেও দ্বিতীয় রাউন্ড শেষে ১৫৫৮ ভোটে ব্যবধান কমিয়ে ঘুরে দাঁড়ান শুভেন্দু। কিন্তু তৃতীয় রাউন্ডে আবার পাল্টে যায় ছবি। উল্লেখ্য, গত ২৩ ও ২৯ এপ্রিল দুই দফায় ভোটগ্রহণ শেষ হয় পশ্চিমবঙ্গে। আজ সোমবার সকাল ৮টায় (বাংলাদেশ সময় সাড়ে ৮টায়) শুরু হয় গণনা। আগে পোস্টাল ব্যালট, তারপর ইভিএমের ভোট গোনা হচ্ছে। ফলে এখন পর্যন্ত যা ফল আসছে, সেটা পুরোপুরি চূড়ান্ত নয়। তবে এ কথা সত্যি, ভবানীপুর আসর বার ভোটের সবচেয়ে আলোচিত কেন্দ্র। ২০১১ সালে প্রথমবার উপনির্বাচনে এখান থেকেই জিতেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার আগে ২০১১ সালের সাধারণ নির্বাচনে এই আসন থেকে জয়ী হয়েছিলেন সুব্রত বক্সী। এই কেন্দ্র থেকেই জিতে প্রথমবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন মমতা। পরে ২০১৬ ও ২০২১— দুবারই ভবানীপুর থেকে জিতে তিনি মুখ্যমন্ত্রী হন। এবার একই কেন্দ্রে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী শুভেন্দু অধিকারী, যিনি ২০২১ সালের ভোটে নন্দীগ্রামে মমতাকে হারিয়েছিলেন। এবার শুভেন্দুকে হারাতেই যেন মাটিতে পা রেখে লড়ছেন মমতা। পদযাত্রা, মিছিল, সভা— কিছুই বাদ দেননি তিনি। অন্যদিকে শুভেন্দুও মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর থেকেই ভবানীপুরকে ‘পাখির চোখ’ বানিয়ে ছিলেন। যেদিন তিনি ভবানীপুরে মনোনয়ন জমা দেন, সেদিন তাঁর সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শাহ সেদিন বলেছিলেন, “আমাদের শুভেন্দুদা নন্দীগ্রাম থেকে লড়তে চেয়েছিলেন। আমি বলেছিলাম— মমতার ঘরেই গিয়ে তাঁকে হারাতে হবে। গতবার তিনি সরকার গড়লেও নন্দীগ্রামে হেরেছিলেন। এবার মমতা সব কেন্দ্রেই হারবেন, ভবানীপুরেও হারবেন।” শেষমেশ কে জিতছে? এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। লড়াই জমজমাট, ফল তো বাকি।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_1.webp" alt="ভবানীপুরে টসটসে লড়াই! এগিয়ে মমতা? নাকি শুভেন্দু ঘুরিয়ে দিচ্ছেন খেলা?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ভবানীপুরে টসটসে লড়াই! এগিয়ে মমতা? নাকি শুভেন্দু ঘুরিয়ে দিচ্ছেন খেলা?</h1>
            <p>পশ্চিমবঙ্গের ভবানীপুর কেন্দ্রটি এবারের নির্বাচনে যেন এক উত্তেজনার মহারণক্ষেত্র। কারণ এখানে সরাসরি লড়াই হচ্ছে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে। দু’পক্ষেই জোরদার টক্কর। কখনও এগোচ্ছেন মমতা, তো কখনও পিছিয়ে পড়ছেন না শুভেন্দু। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রায় ৮ হাজার ভোটে এগিয়ে রয়েছেন বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীকে পেছনে ফেলে। ভারতের সংবাদমাধ্যম ‘এই সময়’ নির্বাচন কমিশনের তথ্য তুলে ধরে জানিয়েছে, প্রথম রাউন্ডের গণনা শেষে ভবানীপুরে লিড নিয়েছিলেন মমতা। তিনি ১৯৯৬ ভোটে এগিয়ে থাকলেও দ্বিতীয় রাউন্ড শেষে ১৫৫৮ ভোটে ব্যবধান কমিয়ে ঘুরে দাঁড়ান শুভেন্দু। কিন্তু তৃতীয় রাউন্ডে আবার পাল্টে যায় ছবি। উল্লেখ্য, গত ২৩ ও ২৯ এপ্রিল দুই দফায় ভোটগ্রহণ শেষ হয় পশ্চিমবঙ্গে। আজ সোমবার সকাল ৮টায় (বাংলাদেশ সময় সাড়ে ৮টায়) শুরু হয় গণনা। আগে পোস্টাল ব্যালট, তারপর ইভিএমের ভোট গোনা হচ্ছে। ফলে এখন পর্যন্ত যা ফল আসছে, সেটা পুরোপুরি চূড়ান্ত নয়। তবে এ কথা সত্যি, ভবানীপুর আসর বার ভোটের সবচেয়ে আলোচিত কেন্দ্র। ২০১১ সালে প্রথমবার উপনির্বাচনে এখান থেকেই জিতেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার আগে ২০১১ সালের সাধারণ নির্বাচনে এই আসন থেকে জয়ী হয়েছিলেন সুব্রত বক্সী। এই কেন্দ্র থেকেই জিতে প্রথমবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন মমতা। পরে ২০১৬ ও ২০২১— দুবারই ভবানীপুর থেকে জিতে তিনি মুখ্যমন্ত্রী হন। এবার একই কেন্দ্রে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী শুভেন্দু অধিকারী, যিনি ২০২১ সালের ভোটে নন্দীগ্রামে মমতাকে হারিয়েছিলেন। এবার শুভেন্দুকে হারাতেই যেন মাটিতে পা রেখে লড়ছেন মমতা। পদযাত্রা, মিছিল, সভা— কিছুই বাদ দেননি তিনি। অন্যদিকে শুভেন্দুও মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর থেকেই ভবানীপুরকে ‘পাখির চোখ’ বানিয়ে ছিলেন। যেদিন তিনি ভবানীপুরে মনোনয়ন জমা দেন, সেদিন তাঁর সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শাহ সেদিন বলেছিলেন, “আমাদের শুভেন্দুদা নন্দীগ্রাম থেকে লড়তে চেয়েছিলেন। আমি বলেছিলাম— মমতার ঘরেই গিয়ে তাঁকে হারাতে হবে। গতবার তিনি সরকার গড়লেও নন্দীগ্রামে হেরেছিলেন। এবার মমতা সব কেন্দ্রেই হারবেন, ভবানীপুরেও হারবেন।” শেষমেশ কে জিতছে? এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। লড়াই জমজমাট, ফল তো বাকি।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_1.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_1.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-4-5-26_1.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[সঞ্চালকের কুরুচিপূর্ণ ‘রসিকতায়’ অস্বস্তিতে সারা আলি খান! ভক্তরা ক্ষোভে ফুঁসছে]]></title>
        <link>https://nbs24.org/entertainment/36772</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/entertainment/36772</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 03 May 2026 17:05:14 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
                <category><![CDATA[বলিউড]]></category>
                        <category><![CDATA[Sara Ali Khan uncomfortable, Pati Patni Aur Woh 2 trailer launch, host inappropriate joke, Sara reaction viral, Bollywood event controversy, Ayushmann Khurrana new movie, Rakul Preet Singh, Vamika Gabbi, Sara annoyed face, host body shaming joke, celebrity event awkward moment, Bollywood comedy drama, Sara Ali Khan latest news, trailer launch host remark, netizens support Sara]]></category>
        
        <description><![CDATA[সাধারণত হাসিখুশি থাকতে ভালোবাসেন বলিউডের এই অভিনেত্রী। কিন্তু সম্প্রতি এক ট্রেলার লঞ্চ অনুষ্ঠানে তাঁর মুখে চেপে বসেছিল বিরক্তি। কারণটা কী? সঞ্চালকের এক ‘মজার’ মন্তব্য! সম্প্রতি মুম্বাইয়ে জমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে সিনেমা ‘পতি পত্নী অওর ও দো’-এর ট্রেলার লঞ্চ। সেখানে ছিলেন আয়ুষ্মান খুরানা, রাকুল প্রীত সিং, ওয়ামিকা গাব্বি আর সারা আলি খান। সবকিছু ঠিকঠাক চলছিল। কিন্তু অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে সঞ্চালক মজা করে বলে বসলেন, ‘আমি সিনেমার অভিনেতাদের পেছন দিক থেকেও চিনতে পারেন!’ এ কথা শোনার পর স্পষ্ট বোঝা গেল, রসিকতার ছলেও এই মন্তব্য হজম করতে পারছেন না সারা। তাঁর চোখেমুখে ফুটে উঠল চরম অস্বস্তি আর বিরক্তি। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, সঞ্চালকের ওই কথা শুনে সারা বারবার পাশের সহ-অভিনেতাদের দিকে তাকাচ্ছেন। আর তাঁর অভিব্যক্তি যেন স্পষ্ট বলে দিচ্ছিল, তিনি এতে কতটা শিউরে উঠেছেন। অবশ্য এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভক্তরা দিচ্ছেন সারার পক্ষে সাফাই। তাদের মতে, বিনোদনের নামে এভাবে ব্যক্তিগত ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য একেবারেই মানায় না। অনেকে আবার সঞ্চালকের বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করেছেন। যাই হোক, পরে অনুষ্ঠানটি স্বাভাবিক ভাবেই শেষ হয়েছে। তবে সারার সেই অস্বস্তির ভিডিও ভাইরাল হয়ে এখন চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে। জানা গেছে, ‘পতি পত্নী অওর ও দো’ একটি কমেডি-ড্রামা সিনেমা, যেখানে আয়ুষ্মান খুরানার চরিত্রকে কেন্দ্র করে সম্পর্কের জটিলতা দেখানো হয়েছে। ছবিতে আরও আছেন রাকুল প্রীত সিং ও ওয়ামিকা গাব্বি। ট্রেলার প্রশংসা পেলেও এখন সবার আলোচনা যেন সারার সেই ভাইরাল মুহূর্তটিকেই ঘিরে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_31.webp" alt="সঞ্চালকের কুরুচিপূর্ণ ‘রসিকতায়’ অস্বস্তিতে সারা আলি খান! ভক্তরা ক্ষোভে ফুঁসছে" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>সঞ্চালকের কুরুচিপূর্ণ ‘রসিকতায়’ অস্বস্তিতে সারা আলি খান! ভক্তরা ক্ষোভে ফুঁসছে</h1>
            <p>সাধারণত হাসিখুশি থাকতে ভালোবাসেন বলিউডের এই অভিনেত্রী। কিন্তু সম্প্রতি এক ট্রেলার লঞ্চ অনুষ্ঠানে তাঁর মুখে চেপে বসেছিল বিরক্তি। কারণটা কী? সঞ্চালকের এক ‘মজার’ মন্তব্য! সম্প্রতি মুম্বাইয়ে জমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে সিনেমা ‘পতি পত্নী অওর ও দো’-এর ট্রেলার লঞ্চ। সেখানে ছিলেন আয়ুষ্মান খুরানা, রাকুল প্রীত সিং, ওয়ামিকা গাব্বি আর সারা আলি খান। সবকিছু ঠিকঠাক চলছিল। কিন্তু অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে সঞ্চালক মজা করে বলে বসলেন, ‘আমি সিনেমার অভিনেতাদের পেছন দিক থেকেও চিনতে পারেন!’ এ কথা শোনার পর স্পষ্ট বোঝা গেল, রসিকতার ছলেও এই মন্তব্য হজম করতে পারছেন না সারা। তাঁর চোখেমুখে ফুটে উঠল চরম অস্বস্তি আর বিরক্তি। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, সঞ্চালকের ওই কথা শুনে সারা বারবার পাশের সহ-অভিনেতাদের দিকে তাকাচ্ছেন। আর তাঁর অভিব্যক্তি যেন স্পষ্ট বলে দিচ্ছিল, তিনি এতে কতটা শিউরে উঠেছেন। অবশ্য এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভক্তরা দিচ্ছেন সারার পক্ষে সাফাই। তাদের মতে, বিনোদনের নামে এভাবে ব্যক্তিগত ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য একেবারেই মানায় না। অনেকে আবার সঞ্চালকের বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করেছেন। যাই হোক, পরে অনুষ্ঠানটি স্বাভাবিক ভাবেই শেষ হয়েছে। তবে সারার সেই অস্বস্তির ভিডিও ভাইরাল হয়ে এখন চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে। জানা গেছে, ‘পতি পত্নী অওর ও দো’ একটি কমেডি-ড্রামা সিনেমা, যেখানে আয়ুষ্মান খুরানার চরিত্রকে কেন্দ্র করে সম্পর্কের জটিলতা দেখানো হয়েছে। ছবিতে আরও আছেন রাকুল প্রীত সিং ও ওয়ামিকা গাব্বি। ট্রেলার প্রশংসা পেলেও এখন সবার আলোচনা যেন সারার সেই ভাইরাল মুহূর্তটিকেই ঘিরে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_31.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_31.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_31.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[‘আমি দুনিয়া আগেই ছেড়ে দিয়েছি!’ দিলজিতের মঞ্চের রহস্যময় বক্তব্যে কাঁপল ভক্তমন]]></title>
        <link>https://nbs24.org/entertainment/36771</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/entertainment/36771</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 03 May 2026 17:05:24 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
                <category><![CDATA[অন্যান্যদন]]></category>
                        <category><![CDATA[Diljit Dosanjh dead claim, Diljit concert California, Diljit mental health, Punjabi singer shocking statement, Diljit December 2025 death attempt, Diljit spiritual awakening, Diljit Dosanjh controversy, Diljit stage speech viral, Jimmy Fallon show Diljit, Punjab flood criticism Diljit, Diljit Dosanjh fan worry, Diljit emotional breakdown, Diljit I left this world, Diljit Dosanjh latest news, Diljit mysterious comments]]></category>
        
        <description><![CDATA[মঞ্চে পারফর্ম করতে গিয়ে হঠাৎ নিজেকে ‘মৃত’ বলে দাবি করলেন জনপ্রিয় পাঞ্জাবি গায়ক ও অভিনেতা দিলজিৎ দোসাঞ্জ। আর তাতেই চরম উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে তাঁর ভক্তদের মধ্যে। ঘটনাটি ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায়। গত ৩০ এপ্রিল এক কনসার্টে দর্শকদের উদ্দেশে তিনি জানান, গত বছরের ডিসেম্বরেই তিনি ‘এই শরীর ত্যাগ করার চেষ্টা’ করেছিলেন। ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, মাঝপথে গান থামিয়ে পাঞ্জাবি ভাষায় দিলজিৎ বলছেন, ‘আমি এই দুনিয়া আগেই ছেড়ে দিয়েছি। আমার মৃত্যুর ভয় নেই। গত ডিসেম্বরে আমি এই শরীর থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু এই শরীর ছাড়ার আগে আমার আরও কিছু কাজ করার আছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আমি এই দুনিয়া আগেই ছেড়ে দিয়েছি, এটা সত্যি।’ দিলজিতের এমন রহস্যময় বক্তব্য দেখে ভক্তরা বিভক্ত হয়ে পড়েছেন। কেউ বলছেন, অতিরিক্ত জনপ্রিয়তা তাঁর মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলেছে। আবার কারও মতে, দিলজিৎ আসলে আধ্যাত্মিক জাগরণের কথাই বুঝিয়েছেন। অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে তিনি আবেগপ্রবণ হয়ে বলেন, তাঁর কারও প্রতি কোনো ক্ষোভ নেই এবং তিনি সবাইকে ভালোবাসেন। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি জিম ফ্যালনের টক শো–তে দিলজিতের অংশগ্রহণ নিয়ে উচ্ছ্বাস ছিল চরমে। অন্যদিকে পাঞ্জাবের বন্যার সময় তাকে পাশে না পাওয়ার অভিযোগে সমালোচনাও হয়েছিল। ধারণা করা হচ্ছে, সেই নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার জবাব দিতেই মঞ্চে এমন মন্তব্য করেছেন দিলজিৎ। তবে এ ব্যাপারে তাঁর টিমের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা আসেনি।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_30.webp" alt="‘আমি দুনিয়া আগেই ছেড়ে দিয়েছি!’ দিলজিতের মঞ্চের রহস্যময় বক্তব্যে কাঁপল ভক্তমন" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>‘আমি দুনিয়া আগেই ছেড়ে দিয়েছি!’ দিলজিতের মঞ্চের রহস্যময় বক্তব্যে কাঁপল ভক্তমন</h1>
            <p>মঞ্চে পারফর্ম করতে গিয়ে হঠাৎ নিজেকে ‘মৃত’ বলে দাবি করলেন জনপ্রিয় পাঞ্জাবি গায়ক ও অভিনেতা দিলজিৎ দোসাঞ্জ। আর তাতেই চরম উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে তাঁর ভক্তদের মধ্যে। ঘটনাটি ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায়। গত ৩০ এপ্রিল এক কনসার্টে দর্শকদের উদ্দেশে তিনি জানান, গত বছরের ডিসেম্বরেই তিনি ‘এই শরীর ত্যাগ করার চেষ্টা’ করেছিলেন। ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, মাঝপথে গান থামিয়ে পাঞ্জাবি ভাষায় দিলজিৎ বলছেন, ‘আমি এই দুনিয়া আগেই ছেড়ে দিয়েছি। আমার মৃত্যুর ভয় নেই। গত ডিসেম্বরে আমি এই শরীর থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু এই শরীর ছাড়ার আগে আমার আরও কিছু কাজ করার আছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আমি এই দুনিয়া আগেই ছেড়ে দিয়েছি, এটা সত্যি।’ দিলজিতের এমন রহস্যময় বক্তব্য দেখে ভক্তরা বিভক্ত হয়ে পড়েছেন। কেউ বলছেন, অতিরিক্ত জনপ্রিয়তা তাঁর মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলেছে। আবার কারও মতে, দিলজিৎ আসলে আধ্যাত্মিক জাগরণের কথাই বুঝিয়েছেন। অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে তিনি আবেগপ্রবণ হয়ে বলেন, তাঁর কারও প্রতি কোনো ক্ষোভ নেই এবং তিনি সবাইকে ভালোবাসেন। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি জিম ফ্যালনের টক শো–তে দিলজিতের অংশগ্রহণ নিয়ে উচ্ছ্বাস ছিল চরমে। অন্যদিকে পাঞ্জাবের বন্যার সময় তাকে পাশে না পাওয়ার অভিযোগে সমালোচনাও হয়েছিল। ধারণা করা হচ্ছে, সেই নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার জবাব দিতেই মঞ্চে এমন মন্তব্য করেছেন দিলজিৎ। তবে এ ব্যাপারে তাঁর টিমের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা আসেনি।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_30.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_30.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_30.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[অপেক্ষা আরও বাড়ল! নার্নিয়া সিনেমা মুক্তি পাচ্ছে না নভেম্বরে, নতুন তারিখ জানেন?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/entertainment/36770</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/entertainment/36770</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 03 May 2026 17:05:26 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
                <category><![CDATA[অন্যান্যদন]]></category>
                        <category><![CDATA[Narnia release date delayed, The Magicians Nephew Netflix, Greta Gerwig Narnia film, Narnia movie 2027 release, IMAX Narnia February, Daniel Craig Meryl Streep Narnia, Netflix theatrical strategy, Narnia prequel storyline, Barbie director new film, Chronicles of Narnia Netflix, Narnia global theatrical release, streaming vs theatre debate, Netflix big budget movies, Narnia April streaming date, Greta Gerwig next project]]></category>
        
        <description><![CDATA[নার্নিয়া ভক্তদের জন্য বাজে খবর। নেটফ্লিক্সের বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘নার্নিয়া: দ্য ম্যাজিশিয়ানস নেফিউ’-এর মুক্তি পিছিয়ে গেছে। গ্রেটা গারউইগ পরিচালিত এই সিনেমাটি আগে ২০২৬ সালের নভেম্বরে আসার কথা ছিল। কিন্তু এখন সেটা পিছিয়ে গিয়ে দাঁড়িয়েছে ২০২৭ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি। কেন এমন সিদ্ধান্ত? নেটফ্লিক্স জানিয়েছে, বড় পরিসরে বিশ্বব্যাপী প্রেক্ষাগৃহে সিনেমাটি প্রদর্শনের লক্ষ্যেই এই তারিখ পরিবর্তন। নতুন শিডিউল অনুযায়ী, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ থেকে আইম্যাক্স হলে শুরু হবে বিশেষ প্রদর্শনী। আর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির প্রায় দুই মাস পর, মানে ২ এপ্রিল থেকে সিনেমাটি দেখা যাবে নেটফ্লিক্সের স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে। সাধারণত নেটফ্লিক্স তাদের সিনেমা সরাসরি অনলাইনে মুক্তি দিলেও, সম্প্রতি বড় বাজেটের সিনেমাগুলো প্রেক্ষাগৃহে দেখানোর দিকে বিশেষ জোর দিচ্ছে তারা। উল্লেখ্য, সবার প্রিয় ‘বার্বি’ সিনেমার পর এটি গ্রেটা গারউইগের প্রথম কাজ। ‘দ্য ক্রনিকলস অফ নার্নিয়া’ সিরিজের গল্প অবলম্বনে বানানো এই সিনেমাটি আসলে মূল কাহিনির আগের অংশ। যেখানে দেখা যাবে নার্নিয়া রাজ্য কীভাবে শুরু হয়েছিল। আর সিনেমাটিতে অভিনয় করতে দেখা যাবে ড্যানিয়েল ক্রেগ ও মেরিল স্ট্রিপের মতো বিশ্বখ্যাত তারকাদের। বিশ্লেষকরা বলছেন, নেটফ্লিক্সের এই কৌশলগত সিদ্ধান্ত স্ট্রিমিং দুনিয়ার জন্য নতুন ইঙ্গিত বহন করছে। বড় বাজেটের সিনেমার জন্য এখনো প্রেক্ষাগৃহ কতটা জরুরি, সেটাই বোঝা যাচ্ছে এই সিদ্ধান্ত থেকে। ভবিষ্য়তে স্ট্রিমিং আর বড় পর্দা—দুই জায়গাতেই নিজেদের জায়গা ধরে রাখতে চায় নেটফ্লিক্স। তবে যাই হোক, নার্নিয়া দেখতে হলে এখন আরও কয়েক মাস অপেক্ষা করতে হবে। সেটা কি আপনাদের মেনে নিতে পারছেন?  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_29.webp" alt="অপেক্ষা আরও বাড়ল! নার্নিয়া সিনেমা মুক্তি পাচ্ছে না নভেম্বরে, নতুন তারিখ জানেন?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>অপেক্ষা আরও বাড়ল! নার্নিয়া সিনেমা মুক্তি পাচ্ছে না নভেম্বরে, নতুন তারিখ জানেন?</h1>
            <p>নার্নিয়া ভক্তদের জন্য বাজে খবর। নেটফ্লিক্সের বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘নার্নিয়া: দ্য ম্যাজিশিয়ানস নেফিউ’-এর মুক্তি পিছিয়ে গেছে। গ্রেটা গারউইগ পরিচালিত এই সিনেমাটি আগে ২০২৬ সালের নভেম্বরে আসার কথা ছিল। কিন্তু এখন সেটা পিছিয়ে গিয়ে দাঁড়িয়েছে ২০২৭ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি। কেন এমন সিদ্ধান্ত? নেটফ্লিক্স জানিয়েছে, বড় পরিসরে বিশ্বব্যাপী প্রেক্ষাগৃহে সিনেমাটি প্রদর্শনের লক্ষ্যেই এই তারিখ পরিবর্তন। নতুন শিডিউল অনুযায়ী, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ থেকে আইম্যাক্স হলে শুরু হবে বিশেষ প্রদর্শনী। আর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির প্রায় দুই মাস পর, মানে ২ এপ্রিল থেকে সিনেমাটি দেখা যাবে নেটফ্লিক্সের স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে। সাধারণত নেটফ্লিক্স তাদের সিনেমা সরাসরি অনলাইনে মুক্তি দিলেও, সম্প্রতি বড় বাজেটের সিনেমাগুলো প্রেক্ষাগৃহে দেখানোর দিকে বিশেষ জোর দিচ্ছে তারা। উল্লেখ্য, সবার প্রিয় ‘বার্বি’ সিনেমার পর এটি গ্রেটা গারউইগের প্রথম কাজ। ‘দ্য ক্রনিকলস অফ নার্নিয়া’ সিরিজের গল্প অবলম্বনে বানানো এই সিনেমাটি আসলে মূল কাহিনির আগের অংশ। যেখানে দেখা যাবে নার্নিয়া রাজ্য কীভাবে শুরু হয়েছিল। আর সিনেমাটিতে অভিনয় করতে দেখা যাবে ড্যানিয়েল ক্রেগ ও মেরিল স্ট্রিপের মতো বিশ্বখ্যাত তারকাদের। বিশ্লেষকরা বলছেন, নেটফ্লিক্সের এই কৌশলগত সিদ্ধান্ত স্ট্রিমিং দুনিয়ার জন্য নতুন ইঙ্গিত বহন করছে। বড় বাজেটের সিনেমার জন্য এখনো প্রেক্ষাগৃহ কতটা জরুরি, সেটাই বোঝা যাচ্ছে এই সিদ্ধান্ত থেকে। ভবিষ্য়তে স্ট্রিমিং আর বড় পর্দা—দুই জায়গাতেই নিজেদের জায়গা ধরে রাখতে চায় নেটফ্লিক্স। তবে যাই হোক, নার্নিয়া দেখতে হলে এখন আরও কয়েক মাস অপেক্ষা করতে হবে। সেটা কি আপনাদের মেনে নিতে পারছেন?  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_29.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_29.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_29.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[কপিল শর্মার ক্যাফের পাশে গুলি! আবার হুমকি বিষ্ণোই গ্যাংয়ের, আতঙ্কে অনুরাগীরা]]></title>
        <link>https://nbs24.org/entertainment/36769</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/entertainment/36769</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 03 May 2026 17:05:41 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
                <category><![CDATA[বলিউড]]></category>
                        <category><![CDATA[Kapil Sharma cafe shooting, Lawrence Bishnoi gang Canada, Chai Sutta Bar firing, Taison Bishnoi Jora Sindhu, Vancouver Surrey crime, Kapil Canada threat, Kapil Caps Cafe hit again, Indian comedian Canada attack, Khalistani supporters Kapil, Bishnoi gang threat post, Kapil Sharma security scare, Canada crime Indian celebrity, Surrey BC shooting 2026, Kapil Sharma death threat, Bishnoi gang Canada activities]]></category>
        
        <description><![CDATA[কানাডায় আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠল উদ্বেগ। জনপ্রিয় ভারতীয় কমেডিয়ান কপিল শর্মার ক্যাফের একদম পাশেই একটি ক্যাফেতে গুলির ঘটনা ঘটেছে। আর এই হামলার দায় স্বীকার করেছে বিতর্কিত লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাং। একইসঙ্গে কপিল শর্মা ও ওই ক্যাফের মালিককে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট ভাইরাল হয়েছে। যার জেরে কানাডার ওই এলাকায় নিরাপত্তা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন করে আশঙ্কা। ঘটনাটি ঘটেছে কানাডার ব্রিটিশ কলম্বিয়া অঙ্গরাজ্যের সারে শহরে। সেখানে ‘চাই সুট্টা বার’ নামের একটি ক্যাফেতে চলে এল গুলি। আর অবাক করার বিষয় হলো, এই ক্যাফেটি কপিল শর্মার মালিকানাধীন ‘ক্যাপস ক্যাফে’র ঠিক পাশেই অবস্থিত। ‘টাইসন বিষ্ণোই জোরা সিন্ধু’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করে বলা হয় – ‘আমাদের নির্দেশ অমান্য করলে কপিল শর্মার রেস্তোরাঁর পরিণতিও একই হবে।’ তবে আইনিভাবে এই পোস্টটি আসল কি না, আর বিষ্ণোই গ্যাংয়ের সরাসরি কোনো সম্পৃক্ততা আছে কি না – তা এখন নিশ্চিত হয়নি। উল্লেখ্য, এর আগেও কপিল শর্মার এই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি একাধিকবার হামলার শিকার হয়েছে। ২০২৪ সালের আগস্টে ক্যাফে উদ্বোধনের কয়েক দিনের মাথায় সেখানে হামলা চালায় খলিস্তানি সমর্থকরা। তারপর ২০২৫ সালের জুলাই, আগস্ট ও অক্টোবরে ধারাবাহিকভাবে তিনবার গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে – প্রতিবারই বিষ্ণোই গ্যাংয়ের নাম জড়িয়ে। বারবার হামলা, বারবার হুমকি – এবার কী হবে? প্রশ্নটা ফাঁকি দিচ্ছে না।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_28.webp" alt="কপিল শর্মার ক্যাফের পাশে গুলি! আবার হুমকি বিষ্ণোই গ্যাংয়ের, আতঙ্কে অনুরাগীরা" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>কপিল শর্মার ক্যাফের পাশে গুলি! আবার হুমকি বিষ্ণোই গ্যাংয়ের, আতঙ্কে অনুরাগীরা</h1>
            <p>কানাডায় আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠল উদ্বেগ। জনপ্রিয় ভারতীয় কমেডিয়ান কপিল শর্মার ক্যাফের একদম পাশেই একটি ক্যাফেতে গুলির ঘটনা ঘটেছে। আর এই হামলার দায় স্বীকার করেছে বিতর্কিত লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাং। একইসঙ্গে কপিল শর্মা ও ওই ক্যাফের মালিককে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট ভাইরাল হয়েছে। যার জেরে কানাডার ওই এলাকায় নিরাপত্তা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন করে আশঙ্কা। ঘটনাটি ঘটেছে কানাডার ব্রিটিশ কলম্বিয়া অঙ্গরাজ্যের সারে শহরে। সেখানে ‘চাই সুট্টা বার’ নামের একটি ক্যাফেতে চলে এল গুলি। আর অবাক করার বিষয় হলো, এই ক্যাফেটি কপিল শর্মার মালিকানাধীন ‘ক্যাপস ক্যাফে’র ঠিক পাশেই অবস্থিত। ‘টাইসন বিষ্ণোই জোরা সিন্ধু’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করে বলা হয় – ‘আমাদের নির্দেশ অমান্য করলে কপিল শর্মার রেস্তোরাঁর পরিণতিও একই হবে।’ তবে আইনিভাবে এই পোস্টটি আসল কি না, আর বিষ্ণোই গ্যাংয়ের সরাসরি কোনো সম্পৃক্ততা আছে কি না – তা এখন নিশ্চিত হয়নি। উল্লেখ্য, এর আগেও কপিল শর্মার এই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি একাধিকবার হামলার শিকার হয়েছে। ২০২৪ সালের আগস্টে ক্যাফে উদ্বোধনের কয়েক দিনের মাথায় সেখানে হামলা চালায় খলিস্তানি সমর্থকরা। তারপর ২০২৫ সালের জুলাই, আগস্ট ও অক্টোবরে ধারাবাহিকভাবে তিনবার গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে – প্রতিবারই বিষ্ণোই গ্যাংয়ের নাম জড়িয়ে। বারবার হামলা, বারবার হুমকি – এবার কী হবে? প্রশ্নটা ফাঁকি দিচ্ছে না।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_28.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_28.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_28.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[প্রবাসে ‘চুক্তির বিয়ে’র কাহিনি নিয়ে বড় পর্দায় মৌসুমী! আসছে ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’]]></title>
        <link>https://nbs24.org/entertainment/36768</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/entertainment/36768</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 03 May 2026 17:05:54 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
                <category><![CDATA[অন্যান্যদন]]></category>
                        <category><![CDATA[Contract Marriage movie Moushumi, Bangladeshi film contract marriage, Moushumi new film 2026, Hasan Jahangir director, overseas Bangladeshi marriage, expatriate life in USA film, Bangladeshi cinema release May 15, Moushumi after Sonar Char, contract marriage true story, Bangladeshi women expatriate struggles, thriller film Bangladesh, Moushumi USA shooting, Bangladesh film censor board, expatriate Bangladeshi film, Moushumi comeback cinema]]></category>
        
        <description><![CDATA[দেশ ছেড়ে অনেক দিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রে কাটাচ্ছেন সময়। কিন্তু সেখানে গিয়েও থেমে নেই চিত্রনায়িকা মৌসুমী। এবার তিনি হাজির হচ্ছেন নতুন এক সিনেমা নিয়ে। নাম ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’। প্রথমে এটা ওয়েব সিরিজ হওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত পুরোদমে সিনেমা আকারেই আসছে প্রোজেক্টটি। সিনেমার গল্পে উঠে আসছে প্রবাস জীবনের এক কঠিন বাস্তবতা। অনেক বাংলাদেশি নারী প্রবাসে গিয়ে চুক্তিভিত্তিক বিয়েতে বাধ্য হন। এসব বিয়ে সাধারণত টেকসই হয় না। আবার কেউ কেউ এ আশায় স্বামী-সন্তান ছেড়ে বিদেশে পাড়ি জমান। ফলে দাম্পত্য জীবনে যেমন নেমে আসে অন্ধকার, তেমনি প্রবাসেও শুরু হয় ভোগান্তি আর নানা সংগ্রাম। মৌসুমী সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘কীভাবে তারা টিকে থাকেন, কীভাবে একটু করে সংসার সাজান – সেই সংগ্রামের গল্পই উঠে এসেছে এই সিনেমায়।’ আগামী ১৫ মে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’। মৌসুমীর বিপরীতে অভিনয় করেছেন নির্মাতা ও অভিনেতা হাসান জাহাঙ্গীর। তিনিই সিনেমাটি তৈরি করেছেন। এর শুটিং শুরু হয় ২০২৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রে। তখন নির্মাতা জানিয়েছিলেন, এটি সাসপেন্স থ্রিলারধর্মী সিরিজ হবে এবং মৌসুমীর চরিত্র ঘিরেই আবর্তিত হবে পুরো গল্প। তিনি আরও জানিয়েছিলেন, নারীর মর্যাদা ও সম্মানকে সামনে রেখে এই গল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশকে তুলে ধরা হয়েছে। গত মার্চে চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’। নির্মাতা জানান, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডাসহ আরও কয়েকটি দেশে মুক্তি পাবে সিনেমাটি। আর এই সিনেমার মাধ্যমেই দুই বছর পর বড় পর্দায় ফিরছেন মৌসুমী। এর আগে ২০২৪ সালে মুক্তি পেয়েছিল তাঁর ‘সোনার চর’। প্রবাসীদের কষ্টের গল্প, চুক্তির বিয়ের অন্ধকার দিক – সব মিলিয়ে দারুণ এক গল্প নিয়ে আসছেন মৌসুমী। দেখার অপেক্ষা এখন ১৫ মে পর্যন্ত।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_27.webp" alt="প্রবাসে ‘চুক্তির বিয়ে’র কাহিনি নিয়ে বড় পর্দায় মৌসুমী! আসছে ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>প্রবাসে ‘চুক্তির বিয়ে’র কাহিনি নিয়ে বড় পর্দায় মৌসুমী! আসছে ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’</h1>
            <p>দেশ ছেড়ে অনেক দিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রে কাটাচ্ছেন সময়। কিন্তু সেখানে গিয়েও থেমে নেই চিত্রনায়িকা মৌসুমী। এবার তিনি হাজির হচ্ছেন নতুন এক সিনেমা নিয়ে। নাম ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’। প্রথমে এটা ওয়েব সিরিজ হওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত পুরোদমে সিনেমা আকারেই আসছে প্রোজেক্টটি। সিনেমার গল্পে উঠে আসছে প্রবাস জীবনের এক কঠিন বাস্তবতা। অনেক বাংলাদেশি নারী প্রবাসে গিয়ে চুক্তিভিত্তিক বিয়েতে বাধ্য হন। এসব বিয়ে সাধারণত টেকসই হয় না। আবার কেউ কেউ এ আশায় স্বামী-সন্তান ছেড়ে বিদেশে পাড়ি জমান। ফলে দাম্পত্য জীবনে যেমন নেমে আসে অন্ধকার, তেমনি প্রবাসেও শুরু হয় ভোগান্তি আর নানা সংগ্রাম। মৌসুমী সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘কীভাবে তারা টিকে থাকেন, কীভাবে একটু করে সংসার সাজান – সেই সংগ্রামের গল্পই উঠে এসেছে এই সিনেমায়।’ আগামী ১৫ মে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’। মৌসুমীর বিপরীতে অভিনয় করেছেন নির্মাতা ও অভিনেতা হাসান জাহাঙ্গীর। তিনিই সিনেমাটি তৈরি করেছেন। এর শুটিং শুরু হয় ২০২৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রে। তখন নির্মাতা জানিয়েছিলেন, এটি সাসপেন্স থ্রিলারধর্মী সিরিজ হবে এবং মৌসুমীর চরিত্র ঘিরেই আবর্তিত হবে পুরো গল্প। তিনি আরও জানিয়েছিলেন, নারীর মর্যাদা ও সম্মানকে সামনে রেখে এই গল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশকে তুলে ধরা হয়েছে। গত মার্চে চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’। নির্মাতা জানান, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডাসহ আরও কয়েকটি দেশে মুক্তি পাবে সিনেমাটি। আর এই সিনেমার মাধ্যমেই দুই বছর পর বড় পর্দায় ফিরছেন মৌসুমী। এর আগে ২০২৪ সালে মুক্তি পেয়েছিল তাঁর ‘সোনার চর’। প্রবাসীদের কষ্টের গল্প, চুক্তির বিয়ের অন্ধকার দিক – সব মিলিয়ে দারুণ এক গল্প নিয়ে আসছেন মৌসুমী। দেখার অপেক্ষা এখন ১৫ মে পর্যন্ত।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_27.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_27.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_27.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[মিনারেল ওয়াটারে গোসল করেন রণবীর সিং! ‘গুন্ডে’ সিনেমার সেটের গোপন রহস্য ফাঁস]]></title>
        <link>https://nbs24.org/entertainment/36767</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/entertainment/36767</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 03 May 2026 17:05:18 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
                <category><![CDATA[বলিউড]]></category>
                        <category><![CDATA[Ranveer Singh mineral water bath, Bollywood luxury demands, Gunday movie set story, Ridhima Samant video, Orhan Atramani comment, Bollywood celebrity bath ritual, Ranveer Singh vanity van, actor bottled water use, Bollywood shooting conditions, celebrity eccentric habits, Ranveer Singh controversy, mineral water waste Bollywood, Bollywood insider reveal, Ranveer Singh team response, celebrity lifestyle Bollywood]]></category>
        
        <description><![CDATA[বলিউড তারকাদের বিলাসিতা নিয়ে মাঝে মধ্যেই শোনা যায় নানা গল্প। কিন্তু এবার যে তথ্য সামনে এলো, তাতে চমকে যাবেন আপনিও। শোনা যাচ্ছে, জনপ্রিয় অভিনেতা রণবীর সিং সাধারণ পানি ছেড়ে মিনারেল ওয়াটার বা বোতলজাত পানি দিয়ে গোসল করেন! কীভাবে এলো এমন তথ্য? সম্প্রতি ঋদ্ধিমা সামন্ত নামে এক সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার একটি ভিডিও পোস্ট করেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, বলিউডের অনেক তারকাই শুটিং সেটে অদ্ভুত সব আবদার করেন। কেউ কেউ গোসলের জন্যও শর্ত দেন – শুধু মিনারেল ওয়াটার বা সুপেয় পানি দিয়ে গোসল করবেন। আর সেক্ষেত্রে প্রযোজকদের আলাদা করে ট্রাক ভর্তি পানির ব্যবস্থা করতে হয়। এই ভিডিওর নিচে বলিউডের পরিচিত মুখ ওরহান আত্রামানি (ওরি) মজা করে মন্তব্য করেন, ‘গোপন কথা প্রকাশ করে দিলে তো! তাই তোমাদের সঙ্গে চুক্তি করেছিলাম। এখন আইনজীবী দিয়ে কথা বলাবো, দাঁড়াও।’ ওরির এই মন্তব্যে সবাই হাসলেও আসল চমক আসে কমেন্ট বক্সের অন্য এক ব্যক্তির মন্তব্যে। তিনি দাবি করেন, তিনি রণবীর সিং অভিনীত ‘গুন্ডে’ সিনেমার কস্টিউম বিভাগে কাজ করেছিলেন। তাঁর লেখা, ‘ভোর ৬টার দিকে রণবীরের সহকারীকে বড় বড় মিনারেল ওয়াটারের বোতল ভ্যানিটি ভ্যানে নিয়ে যেতে দেখতাম। অভিনেতা ওই পানি দিয়েই গোসল সারতেন।’ এখন বিষয়টি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। কেউ বলছেন, তারকাখ্যাতির বিড়ম্বনা। কেউ আবার একে অপচয় বলে মনে করছেন। তবে রণবীর সিং বা তাঁর টিম এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করেননি। মিনারেল ওয়াটারে গোসল – বিলাসিতা নাকি বায়না? এটা আপনিই ঠিক করুন।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_26.webp" alt="মিনারেল ওয়াটারে গোসল করেন রণবীর সিং! ‘গুন্ডে’ সিনেমার সেটের গোপন রহস্য ফাঁস" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>মিনারেল ওয়াটারে গোসল করেন রণবীর সিং! ‘গুন্ডে’ সিনেমার সেটের গোপন রহস্য ফাঁস</h1>
            <p>বলিউড তারকাদের বিলাসিতা নিয়ে মাঝে মধ্যেই শোনা যায় নানা গল্প। কিন্তু এবার যে তথ্য সামনে এলো, তাতে চমকে যাবেন আপনিও। শোনা যাচ্ছে, জনপ্রিয় অভিনেতা রণবীর সিং সাধারণ পানি ছেড়ে মিনারেল ওয়াটার বা বোতলজাত পানি দিয়ে গোসল করেন! কীভাবে এলো এমন তথ্য? সম্প্রতি ঋদ্ধিমা সামন্ত নামে এক সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার একটি ভিডিও পোস্ট করেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, বলিউডের অনেক তারকাই শুটিং সেটে অদ্ভুত সব আবদার করেন। কেউ কেউ গোসলের জন্যও শর্ত দেন – শুধু মিনারেল ওয়াটার বা সুপেয় পানি দিয়ে গোসল করবেন। আর সেক্ষেত্রে প্রযোজকদের আলাদা করে ট্রাক ভর্তি পানির ব্যবস্থা করতে হয়। এই ভিডিওর নিচে বলিউডের পরিচিত মুখ ওরহান আত্রামানি (ওরি) মজা করে মন্তব্য করেন, ‘গোপন কথা প্রকাশ করে দিলে তো! তাই তোমাদের সঙ্গে চুক্তি করেছিলাম। এখন আইনজীবী দিয়ে কথা বলাবো, দাঁড়াও।’ ওরির এই মন্তব্যে সবাই হাসলেও আসল চমক আসে কমেন্ট বক্সের অন্য এক ব্যক্তির মন্তব্যে। তিনি দাবি করেন, তিনি রণবীর সিং অভিনীত ‘গুন্ডে’ সিনেমার কস্টিউম বিভাগে কাজ করেছিলেন। তাঁর লেখা, ‘ভোর ৬টার দিকে রণবীরের সহকারীকে বড় বড় মিনারেল ওয়াটারের বোতল ভ্যানিটি ভ্যানে নিয়ে যেতে দেখতাম। অভিনেতা ওই পানি দিয়েই গোসল সারতেন।’ এখন বিষয়টি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। কেউ বলছেন, তারকাখ্যাতির বিড়ম্বনা। কেউ আবার একে অপচয় বলে মনে করছেন। তবে রণবীর সিং বা তাঁর টিম এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করেননি। মিনারেল ওয়াটারে গোসল – বিলাসিতা নাকি বায়না? এটা আপনিই ঠিক করুন।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_26.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_26.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_26.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[শেখার শেষ নেই, সবাই তো শেখে!’ নতুন চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত হৃদয়]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/36766</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/36766</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 03 May 2026 17:05:09 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ক্রিকেট]]></category>
                        <category><![CDATA[Taohid Hridoy learning mindset, Bangladesh cricketer interview, Hridoy on pressure challenge, DPL 2026 Mohamadan, New Zealand series performance, white ball cricket Bangladesh, Hridoy batting order change, cricket craze decline Bangladesh, team performance responsibility, Hridoy improvement areas, Bangladeshi cricketer growth, Mirpur press meet, cricket fan interest, Hridoy statement today, challenge in cricket]]></category>
        
        <description><![CDATA[নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দারুণ ব্যাটিং করেছেন তাওহীদ হৃদয়। অর্ডার বদল হয়েছে, কিন্তু থেমে থাকেননি তিনি। এবার সাদা বলের সিরিজ শেষ করে মাঠে নামছেন ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল)। মোহামেডানের জার্সি গায়ে চাপ দিতে চলেছেন এই তরুণ তারকা। আর আজ রোববার গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জানিয়ে দিলেন, তিনি এখনো শিখছেন। মিরপুরে হৃদয় বলেন, ‘শিক্ষার শেষ নেই। সবাই তো শেখে। আপনারা, আমরাও সবাই প্রতিদিন কিছু না কিছু শেখার চেষ্টা করি। আমিও করছি। যেসব জায়গায় উন্নতি করার দরকার, সেসব জায়গাতেই আমি কাজ করছি।’ চাপ? হৃদয়ের কাছে সেটা কোনো ভয়ানক শব্দ নয়। বরং তিনি চাপকেই চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিতে চান। তাঁর ভাষ্য, ‘চাপের কিছু নেই। প্রতিটা জায়গাতেই চাপ থাকবে। কিন্তু চাপের ভেতর থেকে আপনি কতটুকু উপভোগ করবেন, দলকে কী দিতে পারবেন বা নিজে কতটা পারফর্ম করবেন – সেটাই একজন প্লেয়ার হিসেবে চ্যালেঞ্জ। আর এই চ্যালেঞ্জ তো নিতেই হবে।’ দর্শকদের আগ্রহ কি ক্রিকেটে কমছে? একেবারে সোজা জবাব দিলেন হৃদয়। বললেন, ‘সবকিছু রিজিকের ওপর। তবে আগে যে ক্রেজ ছিল, এখন সেটা হয়তো একটু কমেছে। জানি না, ভুলও হতে পারি। আর এই কমার পেছনে হয়তো আমাদেরই দায় আছে। কারণ আমরা টিম হিসেবে ভালো করতে পারছি না।’  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_25.webp" alt="শেখার শেষ নেই, সবাই তো শেখে!’ নতুন চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত হৃদয়" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>শেখার শেষ নেই, সবাই তো শেখে!’ নতুন চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত হৃদয়</h1>
            <p>নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দারুণ ব্যাটিং করেছেন তাওহীদ হৃদয়। অর্ডার বদল হয়েছে, কিন্তু থেমে থাকেননি তিনি। এবার সাদা বলের সিরিজ শেষ করে মাঠে নামছেন ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল)। মোহামেডানের জার্সি গায়ে চাপ দিতে চলেছেন এই তরুণ তারকা। আর আজ রোববার গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জানিয়ে দিলেন, তিনি এখনো শিখছেন। মিরপুরে হৃদয় বলেন, ‘শিক্ষার শেষ নেই। সবাই তো শেখে। আপনারা, আমরাও সবাই প্রতিদিন কিছু না কিছু শেখার চেষ্টা করি। আমিও করছি। যেসব জায়গায় উন্নতি করার দরকার, সেসব জায়গাতেই আমি কাজ করছি।’ চাপ? হৃদয়ের কাছে সেটা কোনো ভয়ানক শব্দ নয়। বরং তিনি চাপকেই চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিতে চান। তাঁর ভাষ্য, ‘চাপের কিছু নেই। প্রতিটা জায়গাতেই চাপ থাকবে। কিন্তু চাপের ভেতর থেকে আপনি কতটুকু উপভোগ করবেন, দলকে কী দিতে পারবেন বা নিজে কতটা পারফর্ম করবেন – সেটাই একজন প্লেয়ার হিসেবে চ্যালেঞ্জ। আর এই চ্যালেঞ্জ তো নিতেই হবে।’ দর্শকদের আগ্রহ কি ক্রিকেটে কমছে? একেবারে সোজা জবাব দিলেন হৃদয়। বললেন, ‘সবকিছু রিজিকের ওপর। তবে আগে যে ক্রেজ ছিল, এখন সেটা হয়তো একটু কমেছে। জানি না, ভুলও হতে পারি। আর এই কমার পেছনে হয়তো আমাদেরই দায় আছে। কারণ আমরা টিম হিসেবে ভালো করতে পারছি না।’  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_25.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_25.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_25.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[অনেক ক্রিকেটার এই লিগ খেলেই চালায় সংসার!’ মাঠে ফিরছে ডিপিএল]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/36765</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/36765</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 03 May 2026 17:05:51 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ক্রিকেট]]></category>
                        <category><![CDATA[Dhaka Premier League 2026, DPL start date, Taohid Hridoy statement, Bangladeshi cricketers livelihood, BCB domestic cricket, third division cricketers income, Mohamadan cricket team DPL, DPL six venues Monday, cricketers family support, Bangladesh first class cricket, DPL importance for players, cricketers financial struggle, Bangladesh domestic tournament, DPL player opportunities, Hridoy on BCB responsibility]]></category>
        
        <description><![CDATA[অবশেষে সেই অপেক্ষা শেষ হলো। আগামীকাল সোমবার থেকে মাঠে গড়াতে যাচ্ছে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ (ডিপিএল)। সারাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য বড় খবর এটি। তবে ক্রিকেটারদের জন্য এই খবর আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে রোজগারের কথা ভাবলে। জাতীয় দলের ক্রিকেটার তাওহীদ হৃদয় আজ রোববার গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে স্পষ্ট করে দিলেন, ডিপিএল মানে শুধু ক্রিকেট নয়, অনেকের জন্য এটা সংসার চালানোর পথ। হৃদয় বলেন, ‘প্রত্যেক ক্রিকেটারের জন্য টুর্নামেন্ট খেলা অনেক জরুরি। আপনি দেখেন, থার্ড ডিভিশন, সেকেন্ড ডিভিশনের খেলোয়াড়েরাও খেলতে পারেনি। আমরা যারা প্রিমিয়ার লিগ ও ফার্স্ট ক্লাস করি, তারা কিছুটা আছি। কিন্তু যারা সেকেন্ড ও থার্ড ডিভিশনে খেলে, তারা পুরোপুরি থমকে গিয়েছিল। তাদের জন্য বিষয়টি খুব কষ্টের।’ এরপর হৃদয় এমন কথাই বললেন, যা অনেকের চোখে জল আনতে পারে। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, অনেক খেলোয়াড় আছে যারা ওই টুর্নামেন্ট খেলেই সংসার চালায়। আশা করি, বিসিবি তাদের জন্য সামনে ভালো সুযোগ তৈরি করবে। আর এই ডিপিএল আমাদের সবার জন্যই খুব জরুরি ছিল। টুর্নামেন্ট না হলে যেমন খেলোয়াড়দের সুযোগ নষ্ট হয়, তেমনি নতুন ভালো প্রতিভাও বেরিয়ে আসে না।’ নিজের দল মোহামেডান প্রসঙ্গে হৃদয় বলেন, ‘আল্লাহর রহমতে আমরা ভালো দল গঠন করেছি। তবে কাগজে কলমে ভালো দল এখন অনেকেরই আছে। আমাদের দলটাও ভালো। কিন্তু দিনশেষে মাঠে যে সেরা পারফর্ম করবে, তারাই ফল পাবে।’ ডিপিএল মানে শুধু ব্যাট-বল নয়, বরং অনেক ক্রিকেটারের স্বপ্ন ও রুটিরোজগারের লড়াই। তাই সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে সেই লড়াই।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_24.webp" alt="অনেক ক্রিকেটার এই লিগ খেলেই চালায় সংসার!’ মাঠে ফিরছে ডিপিএল" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>অনেক ক্রিকেটার এই লিগ খেলেই চালায় সংসার!’ মাঠে ফিরছে ডিপিএল</h1>
            <p>অবশেষে সেই অপেক্ষা শেষ হলো। আগামীকাল সোমবার থেকে মাঠে গড়াতে যাচ্ছে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ (ডিপিএল)। সারাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য বড় খবর এটি। তবে ক্রিকেটারদের জন্য এই খবর আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে রোজগারের কথা ভাবলে। জাতীয় দলের ক্রিকেটার তাওহীদ হৃদয় আজ রোববার গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে স্পষ্ট করে দিলেন, ডিপিএল মানে শুধু ক্রিকেট নয়, অনেকের জন্য এটা সংসার চালানোর পথ। হৃদয় বলেন, ‘প্রত্যেক ক্রিকেটারের জন্য টুর্নামেন্ট খেলা অনেক জরুরি। আপনি দেখেন, থার্ড ডিভিশন, সেকেন্ড ডিভিশনের খেলোয়াড়েরাও খেলতে পারেনি। আমরা যারা প্রিমিয়ার লিগ ও ফার্স্ট ক্লাস করি, তারা কিছুটা আছি। কিন্তু যারা সেকেন্ড ও থার্ড ডিভিশনে খেলে, তারা পুরোপুরি থমকে গিয়েছিল। তাদের জন্য বিষয়টি খুব কষ্টের।’ এরপর হৃদয় এমন কথাই বললেন, যা অনেকের চোখে জল আনতে পারে। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, অনেক খেলোয়াড় আছে যারা ওই টুর্নামেন্ট খেলেই সংসার চালায়। আশা করি, বিসিবি তাদের জন্য সামনে ভালো সুযোগ তৈরি করবে। আর এই ডিপিএল আমাদের সবার জন্যই খুব জরুরি ছিল। টুর্নামেন্ট না হলে যেমন খেলোয়াড়দের সুযোগ নষ্ট হয়, তেমনি নতুন ভালো প্রতিভাও বেরিয়ে আসে না।’ নিজের দল মোহামেডান প্রসঙ্গে হৃদয় বলেন, ‘আল্লাহর রহমতে আমরা ভালো দল গঠন করেছি। তবে কাগজে কলমে ভালো দল এখন অনেকেরই আছে। আমাদের দলটাও ভালো। কিন্তু দিনশেষে মাঠে যে সেরা পারফর্ম করবে, তারাই ফল পাবে।’ ডিপিএল মানে শুধু ব্যাট-বল নয়, বরং অনেক ক্রিকেটারের স্বপ্ন ও রুটিরোজগারের লড়াই। তাই সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে সেই লড়াই।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_24.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_24.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_24.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[১৫ বছরের বৈভবকে ‘আইসক্রিম প্রেমী’ বললেন জিতেশ! কাদের উদ্দেশ্যে এই বার্তা?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/36764</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/36764</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 03 May 2026 17:05:35 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ক্রিকেট]]></category>
                        <category><![CDATA[Jitesh Sharma on Vaibhav Suryavanshi, RCB podcast AB de Villiers, Vaibhav 15 year old cricketer, Rajasthan Royals young batter, Vaibhav ice cream love, Jitesh Vaibhav friendship, Vaibhav Suryavanshi criticism, Jitesh Sharma defends Vaibhav, Vaibhav Suryavanshi future India, three format cricketer, Vaibhav professionalism debate, Jitesh Sharma statement, Vaibhav Suryavanshi lifestyle, young cricketer pressure, RCB wicketkeeper batsman]]></category>
        
        <description><![CDATA[রাজস্থান রয়্যালসের ১৫ বছরের তরুণ ব্যাটার বৈভব সূর্যবংশী। সম্প্রতি তাঁর ব্যাটিং নিয়ে কিছু মানুষ ‘অপেশাদার’ মন্তব্য করেছিলেন। কিন্তু সেই কথা মানতে নারাজ রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর উইকেটরক্ষক-ব্যাটার জিতেশ শর্মা। উল্টো বৈভবের পাশে দাঁড়িয়ে সমালোচকদেরই জবাব দিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি আরসিবির পডকাস্টে কিংবদন্তি এবি ডি ভিলিয়ার্সের সঙ্গে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন জিতেশ। সেখানেই বৈভব নিয়ে খোলাখুলি কথা বলেছেন তিনি। জিতেশ বলেছেন, 'বৈভব আমার খুব ভালো বন্ধু। আমরা খুবই ঘনিষ্ঠ। আমি তাকে যা খুশি বলতে পারি।' ডি ভিলিয়ার্স তাঁকে প্রশ্ন করেন, 'তোমার মতে কোন তরুণ ক্রিকেটার ভারতীয় দলের ভবিষ্যৎ?' জিতেশের উত্তর সোজা, 'বৈভব। কারণ ওর টেকনিক, মানসিকতা আর কঠোর পরিশ্রম করার ক্ষমতা অসাধারণ। আমার তো মনে হয় বৈভব তিন ফরম্যাটেই দাপট দেখাবে। মাঠে ওকে এই বয়সেই দারুণ পেশাদার মনে হয়। কিন্তু আসলে তা নয়।' কেন তা নয়? জিতেশ খোলাসা করে বলেন, 'বৈভব ১৫ বছরের বাচ্চা। আইসক্রিম খেতে খুব ভালোবাসে। প্রায়ই আইসক্রিম খেত। আমি অবশ্য খেতাম না। একটা বাচ্চা তো আইসক্রিম খেতে চাইবেই। এতে অস্বাভাবিক কিছু আছে? বৈভব আমাদের বাড়িতেও আসে। আমার স্ত্রীর সঙ্গে গল্প করে। ইউটিউবে ভিডিও দেখে। বৈভব আমার ছোট ভাইয়ের মতো।' আর এখানেই চটেছেন জিতেশ। বৈভবকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে যে সমালোচনা শুরু হয়েছে, তা তাঁর একদমই ভালো লাগছে না। তিনি বলেন, 'যে যা পারে বলুক। আমি এসব পাত্তা দিই না। অনেকে মনে করেন বৈভবের আরও পেশাদার হওয়া উচিত। কিন্তু মাথায় রাখা দরকার, ওর বয়স মাত্র ১৫। বাচ্চাদের বাচ্চার মতোই থাকতে দেওয়া উচিত। আমিই ওকে বলি, তোর বয়স এখন ১৫। টেলিভিশন দেখবি। যা খুশি খাবি। তবে ব্যাটিং নিয়ে সব সময় যত্নশীল থাকবি।' অর্থাৎ, জিতেশের ভাষায়, সবাইকে বৈভবের বয়সটা বুঝে নেওয়া দরকার। কারণ এই বয়সে আইসক্রিম খাওয়া, গল্প করা, ভিডিও দেখা – এগুলো খুবই স্বাভাবিক।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_23.webp" alt="১৫ বছরের বৈভবকে ‘আইসক্রিম প্রেমী’ বললেন জিতেশ! কাদের উদ্দেশ্যে এই বার্তা?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>১৫ বছরের বৈভবকে ‘আইসক্রিম প্রেমী’ বললেন জিতেশ! কাদের উদ্দেশ্যে এই বার্তা?</h1>
            <p>রাজস্থান রয়্যালসের ১৫ বছরের তরুণ ব্যাটার বৈভব সূর্যবংশী। সম্প্রতি তাঁর ব্যাটিং নিয়ে কিছু মানুষ ‘অপেশাদার’ মন্তব্য করেছিলেন। কিন্তু সেই কথা মানতে নারাজ রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর উইকেটরক্ষক-ব্যাটার জিতেশ শর্মা। উল্টো বৈভবের পাশে দাঁড়িয়ে সমালোচকদেরই জবাব দিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি আরসিবির পডকাস্টে কিংবদন্তি এবি ডি ভিলিয়ার্সের সঙ্গে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন জিতেশ। সেখানেই বৈভব নিয়ে খোলাখুলি কথা বলেছেন তিনি। জিতেশ বলেছেন, 'বৈভব আমার খুব ভালো বন্ধু। আমরা খুবই ঘনিষ্ঠ। আমি তাকে যা খুশি বলতে পারি।' ডি ভিলিয়ার্স তাঁকে প্রশ্ন করেন, 'তোমার মতে কোন তরুণ ক্রিকেটার ভারতীয় দলের ভবিষ্যৎ?' জিতেশের উত্তর সোজা, 'বৈভব। কারণ ওর টেকনিক, মানসিকতা আর কঠোর পরিশ্রম করার ক্ষমতা অসাধারণ। আমার তো মনে হয় বৈভব তিন ফরম্যাটেই দাপট দেখাবে। মাঠে ওকে এই বয়সেই দারুণ পেশাদার মনে হয়। কিন্তু আসলে তা নয়।' কেন তা নয়? জিতেশ খোলাসা করে বলেন, 'বৈভব ১৫ বছরের বাচ্চা। আইসক্রিম খেতে খুব ভালোবাসে। প্রায়ই আইসক্রিম খেত। আমি অবশ্য খেতাম না। একটা বাচ্চা তো আইসক্রিম খেতে চাইবেই। এতে অস্বাভাবিক কিছু আছে? বৈভব আমাদের বাড়িতেও আসে। আমার স্ত্রীর সঙ্গে গল্প করে। ইউটিউবে ভিডিও দেখে। বৈভব আমার ছোট ভাইয়ের মতো।' আর এখানেই চটেছেন জিতেশ। বৈভবকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে যে সমালোচনা শুরু হয়েছে, তা তাঁর একদমই ভালো লাগছে না। তিনি বলেন, 'যে যা পারে বলুক। আমি এসব পাত্তা দিই না। অনেকে মনে করেন বৈভবের আরও পেশাদার হওয়া উচিত। কিন্তু মাথায় রাখা দরকার, ওর বয়স মাত্র ১৫। বাচ্চাদের বাচ্চার মতোই থাকতে দেওয়া উচিত। আমিই ওকে বলি, তোর বয়স এখন ১৫। টেলিভিশন দেখবি। যা খুশি খাবি। তবে ব্যাটিং নিয়ে সব সময় যত্নশীল থাকবি।' অর্থাৎ, জিতেশের ভাষায়, সবাইকে বৈভবের বয়সটা বুঝে নেওয়া দরকার। কারণ এই বয়সে আইসক্রিম খাওয়া, গল্প করা, ভিডিও দেখা – এগুলো খুবই স্বাভাবিক।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_23.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_23.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_23.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[তিন বছর পর বুন্দেসলিগায় ফিরল শালকে! সমর্থকদের উদযাপনে মাতল গোটা শহর]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/36763</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/36763</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 03 May 2026 17:05:33 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ফুটবল]]></category>
                        <category><![CDATA[Schalke promoted to Bundesliga, seven time German champions, Zweite Bundesliga top two, Kenan Karaman goal, Schalke fans celebration, Frank Baumann sporting director, Miron Muslic coach, Edin Dzeko injury, Moussa Sylla goals, Schalke return Bundesliga, Fortuna Dusseldorf relegated, Schalke 2026-27 season, German football second division, Schalke promotion party, Bundesliga promotion race]]></category>
        
        <description><![CDATA[দীর্ঘ তিন মৌসুম। কত অপেক্ষা। শেষ পর্যন্ত সেই দিন এলো। জার্মানির বুন্দেসলিগায় ফিরল সাত বারের জার্মান চ্যাম্পিয়ন শালকে। গতকাল ফরচুনা ডুসেলডর্ফকে ১-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয় স্তরের লিগে শীর্ষস্থান পাকাপোক্ত করে ফের তারা পৌঁছে গেছে স্বপ্নের ঠিকানায়। লিগে আরও তিন ম্যাচ বাকি থাকলেও ৬৭ পয়েন্ট নিয়ে শালকে টেবিলের দুইয়ে থাকা নিশ্চিত করেছে। নিয়ম অনুযায়ী প্রথম দুই দল সরাসরি বুন্দেসলিগায় ওঠে। ম্যাচের ১৩তম মিনিটে একমাত্র গোলটি করেছিলেন দলের অধিনায়ক কেনান কারামান। এই জয়ে তৃতীয় স্থানে থাকা হ্যানোভারের চেয়ে শালকে এগিয়ে গেল ১০ পয়েন্ট। সংক্ষেপে বললে, শালকের উঠে আসা এখন কেবল আনুষ্ঠানিকতা মাত্র। কারামান ম্যাচ শেষে আবেগ আটকাতে পারেননি। তিনি বললেন, 'এটা ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। ক্লাব হিসেবে, শহর হিসেবে, আমাদের আশপাশের সবার জন্য অনেক দিন ধরে এই মুহূর্তের অপেক্ষায় ছিলাম। ঘরের মাঠে শেষ ধাপটা পার করতে পেরে আমি খুবই খুশি, কারণ সমর্থকরা এটা প্রাপ্য।' শুধু গোলই নয়, গ্যালারিতে সমর্থকদের উন্মাদনা ছিল চোখে পড়ার মতো। আতশবাজি, গান আর উদযাপনে মেতে ওঠে তারা। যদিও নিরাপত্তার জন্য শত শত স্টুয়ার্ড মাঠে মোতায়েন ছিল এবং সমর্থকদের মাঠে না নামার অনুরোধ জানানো হয়েছিল। শালকের এই ঘুরে দাঁড়ানোর মূল কারিগর ক্রীড়া পরিচালক ফ্র্যাঙ্ক ব্যোমান। তিনি গত গ্রীষ্মে মিরন মুসলিচকে দায়িত্ব দেন। ৪৩ বছর বয়সী মুসলিচ সংকটে থাকা দলটিকে পুরোপুরি বদলে দেন। এখন শালকে শুধু বুন্দেসলিগাতেই উঠছে না, দ্বিতীয় বিভাগের শিরোপা জয়ের দৌড়েও আছে তারা। এ ছাড়া জানুয়ারিতে দলে আসা বসনিয়ান ফরোয়ার্ড জেকো দারুণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ৪০ বছর বয়সী এই তারকা ৯ ম্যাচে ৬ গোল করেছিলেন। কিন্তু বিশ্বকাপ প্লে-অফে কাঁধে চোট পেয়ে তিনি মাঠের বাইরে। তবে তাঁর অনুপস্থিতিতে অন্যরা দায়িত্ব নিয়েছে। মালির ফরোয়ার্ড মুসা সিলা শেষ ছয় ম্যাচে ৩টি-সহ মোট ৭ গোল করে দলকে উপহার দিয়েছেন বুন্দেসলিগার টিকিট। এবার এই নিয়ে পাঁচ বছরে দ্বিতীয়বার দ্বিতীয় বিভাগ থেকে উঠল শালকে। ২০২১ সালে অবনমনের পর পরের মৌসুমেই তারা চ্যাম্পিয়ন হয়ে ফিরেছিল। কিন্তু ২০২৩ সালে আবার অবনমিত হয়। এবার ২০২৬-২৭ মৌসুমে আবারও বুন্দেসলিগায় লড়াই করবে শালকে। সত্যি বলতে কী, এটাই বুঝি চ্যাম্পিয়নের চেনা নিয়ম – বারবার পড়ে, আবার বারবার উঠে দাঁড়ায়!  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_22.webp" alt="তিন বছর পর বুন্দেসলিগায় ফিরল শালকে! সমর্থকদের উদযাপনে মাতল গোটা শহর" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>তিন বছর পর বুন্দেসলিগায় ফিরল শালকে! সমর্থকদের উদযাপনে মাতল গোটা শহর</h1>
            <p>দীর্ঘ তিন মৌসুম। কত অপেক্ষা। শেষ পর্যন্ত সেই দিন এলো। জার্মানির বুন্দেসলিগায় ফিরল সাত বারের জার্মান চ্যাম্পিয়ন শালকে। গতকাল ফরচুনা ডুসেলডর্ফকে ১-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয় স্তরের লিগে শীর্ষস্থান পাকাপোক্ত করে ফের তারা পৌঁছে গেছে স্বপ্নের ঠিকানায়। লিগে আরও তিন ম্যাচ বাকি থাকলেও ৬৭ পয়েন্ট নিয়ে শালকে টেবিলের দুইয়ে থাকা নিশ্চিত করেছে। নিয়ম অনুযায়ী প্রথম দুই দল সরাসরি বুন্দেসলিগায় ওঠে। ম্যাচের ১৩তম মিনিটে একমাত্র গোলটি করেছিলেন দলের অধিনায়ক কেনান কারামান। এই জয়ে তৃতীয় স্থানে থাকা হ্যানোভারের চেয়ে শালকে এগিয়ে গেল ১০ পয়েন্ট। সংক্ষেপে বললে, শালকের উঠে আসা এখন কেবল আনুষ্ঠানিকতা মাত্র। কারামান ম্যাচ শেষে আবেগ আটকাতে পারেননি। তিনি বললেন, 'এটা ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। ক্লাব হিসেবে, শহর হিসেবে, আমাদের আশপাশের সবার জন্য অনেক দিন ধরে এই মুহূর্তের অপেক্ষায় ছিলাম। ঘরের মাঠে শেষ ধাপটা পার করতে পেরে আমি খুবই খুশি, কারণ সমর্থকরা এটা প্রাপ্য।' শুধু গোলই নয়, গ্যালারিতে সমর্থকদের উন্মাদনা ছিল চোখে পড়ার মতো। আতশবাজি, গান আর উদযাপনে মেতে ওঠে তারা। যদিও নিরাপত্তার জন্য শত শত স্টুয়ার্ড মাঠে মোতায়েন ছিল এবং সমর্থকদের মাঠে না নামার অনুরোধ জানানো হয়েছিল। শালকের এই ঘুরে দাঁড়ানোর মূল কারিগর ক্রীড়া পরিচালক ফ্র্যাঙ্ক ব্যোমান। তিনি গত গ্রীষ্মে মিরন মুসলিচকে দায়িত্ব দেন। ৪৩ বছর বয়সী মুসলিচ সংকটে থাকা দলটিকে পুরোপুরি বদলে দেন। এখন শালকে শুধু বুন্দেসলিগাতেই উঠছে না, দ্বিতীয় বিভাগের শিরোপা জয়ের দৌড়েও আছে তারা। এ ছাড়া জানুয়ারিতে দলে আসা বসনিয়ান ফরোয়ার্ড জেকো দারুণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ৪০ বছর বয়সী এই তারকা ৯ ম্যাচে ৬ গোল করেছিলেন। কিন্তু বিশ্বকাপ প্লে-অফে কাঁধে চোট পেয়ে তিনি মাঠের বাইরে। তবে তাঁর অনুপস্থিতিতে অন্যরা দায়িত্ব নিয়েছে। মালির ফরোয়ার্ড মুসা সিলা শেষ ছয় ম্যাচে ৩টি-সহ মোট ৭ গোল করে দলকে উপহার দিয়েছেন বুন্দেসলিগার টিকিট। এবার এই নিয়ে পাঁচ বছরে দ্বিতীয়বার দ্বিতীয় বিভাগ থেকে উঠল শালকে। ২০২১ সালে অবনমনের পর পরের মৌসুমেই তারা চ্যাম্পিয়ন হয়ে ফিরেছিল। কিন্তু ২০২৩ সালে আবার অবনমিত হয়। এবার ২০২৬-২৭ মৌসুমে আবারও বুন্দেসলিগায় লড়াই করবে শালকে। সত্যি বলতে কী, এটাই বুঝি চ্যাম্পিয়নের চেনা নিয়ম – বারবার পড়ে, আবার বারবার উঠে দাঁড়ায়!  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_22.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_22.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_22.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[লম্বা জিগিচ বনাম বেঁটে বাকারি! বিশ্বকাপের মজার রেকর্ডটা জানেন?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/36762</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/36762</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 03 May 2026 17:05:05 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ফুটবল]]></category>
                        <category><![CDATA[FIFA World Cup countdown, 39 days left World Cup, Nikola Zigic height, Bakari Kone shortest player, World Cup height difference record, 48 team World Cup 2026, USA Mexico Canada host, Serbia Montenegro Ivory Coast, 2006 Germany World Cup, 39 cm gap players, Dennis Lawrence Aaron Lennon, Per Mertesacker Christian Lara, shortest World Cup player ever, football fun facts, World Cup history record]]></category>
        
        <description><![CDATA[মাত্র ৩৯ দিন বাকি! আর তাতেই শুরু হয়ে যাচ্ছে ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে বড় আসর ফিফা বিশ্বকাপ। আগামী ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো আর কানাডা মিলে আয়োজন করতে যাচ্ছে ৪৮ দলের এই মহাযুদ্ধ। ফিফা প্রতিদিন নানা মজার তথ্য দিয়ে ক্ষণগণনা করাচ্ছে। আজকের গল্পটা ২০০৬ সালের জার্মানি বিশ্বকাপের। সেখানে মুখোমুখি হয়েছিল সার্বিয়া-মন্টেনিগ্রো আর আইভরি কোস্ট। আর সেখানেই তৈরি হয় এক চমকপ্রদ রেকর্ড। সার্বিয়ার স্ট্রাইকার নিকোলা জিগিচের উচ্চতা ২.০২ মিটার। উল্টো দিকে আইভরি কোস্টের উইঙ্গার বাকারি কোনে মাত্র ১.৬৩ মিটার লম্বা। দুই প্রতিপক্ষের এই দুই খেলোয়াড়ের উচ্চতার ব্যবধান ৩৯ সেন্টিমিটার! যা বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। মজার ব্যাপার হলো, এর পরের তিনটি রেকর্ডও এই একই ম্যাচেই গড়িয়েছিল! জিগিচ আর আরেক খেলোয়াড় আথুর বোকার (১.৬৬ মি) মধ্যে ব্যবধান ছিল ৩৬ সেন্টিমিটার। তার নিচেই জায়গা করে নিয়েছেন ত্রিনিদাদের ডেনিস লরেন্স (২.০১ মি) আর ইংল্যান্ডের অ্যারন লেনন (১.৬৫ মি) – যাদের ব্যবধান ৩৬ সেন্টিমিটারই। আর চারে আছেন জার্মানির পার মের্টেস্যাকার (১.৯৮ মি) আর ইকুয়েডরের ক্রিস্টিয়ান লারা (১.৬২ মি)। তবে এই শতাব্দীতে বিশ্বকাপের সবচেয়ে বেঁটে খেলোয়াড়ের তকমা কিন্তু লারার কপালেই জুটেছে। তাহলে অপেক্ষা শেষ, মাত্র ৩৯ দিন পরেই শুরু হবে ফুটবলের মহারণ। আর সেই প্রতিযোগিতায় কে কত বড়, কে কত ছোট – তাতেই বা কী আসে যায়! খেলাই তো আসল।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_21.webp" alt="লম্বা জিগিচ বনাম বেঁটে বাকারি! বিশ্বকাপের মজার রেকর্ডটা জানেন?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>লম্বা জিগিচ বনাম বেঁটে বাকারি! বিশ্বকাপের মজার রেকর্ডটা জানেন?</h1>
            <p>মাত্র ৩৯ দিন বাকি! আর তাতেই শুরু হয়ে যাচ্ছে ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে বড় আসর ফিফা বিশ্বকাপ। আগামী ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো আর কানাডা মিলে আয়োজন করতে যাচ্ছে ৪৮ দলের এই মহাযুদ্ধ। ফিফা প্রতিদিন নানা মজার তথ্য দিয়ে ক্ষণগণনা করাচ্ছে। আজকের গল্পটা ২০০৬ সালের জার্মানি বিশ্বকাপের। সেখানে মুখোমুখি হয়েছিল সার্বিয়া-মন্টেনিগ্রো আর আইভরি কোস্ট। আর সেখানেই তৈরি হয় এক চমকপ্রদ রেকর্ড। সার্বিয়ার স্ট্রাইকার নিকোলা জিগিচের উচ্চতা ২.০২ মিটার। উল্টো দিকে আইভরি কোস্টের উইঙ্গার বাকারি কোনে মাত্র ১.৬৩ মিটার লম্বা। দুই প্রতিপক্ষের এই দুই খেলোয়াড়ের উচ্চতার ব্যবধান ৩৯ সেন্টিমিটার! যা বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। মজার ব্যাপার হলো, এর পরের তিনটি রেকর্ডও এই একই ম্যাচেই গড়িয়েছিল! জিগিচ আর আরেক খেলোয়াড় আথুর বোকার (১.৬৬ মি) মধ্যে ব্যবধান ছিল ৩৬ সেন্টিমিটার। তার নিচেই জায়গা করে নিয়েছেন ত্রিনিদাদের ডেনিস লরেন্স (২.০১ মি) আর ইংল্যান্ডের অ্যারন লেনন (১.৬৫ মি) – যাদের ব্যবধান ৩৬ সেন্টিমিটারই। আর চারে আছেন জার্মানির পার মের্টেস্যাকার (১.৯৮ মি) আর ইকুয়েডরের ক্রিস্টিয়ান লারা (১.৬২ মি)। তবে এই শতাব্দীতে বিশ্বকাপের সবচেয়ে বেঁটে খেলোয়াড়ের তকমা কিন্তু লারার কপালেই জুটেছে। তাহলে অপেক্ষা শেষ, মাত্র ৩৯ দিন পরেই শুরু হবে ফুটবলের মহারণ। আর সেই প্রতিযোগিতায় কে কত বড়, কে কত ছোট – তাতেই বা কী আসে যায়! খেলাই তো আসল।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_21.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_21.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_21.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[এই মৌসুম আর মুম্বাইয়ের জন্য নয়'! ৭ ম্যাচ হারিয়ে ভেঙে পড়লেন হার্দিক]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/36761</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/36761</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 03 May 2026 17:05:55 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ক্রিকেট]]></category>
                        <category><![CDATA[Hardik Pandya emotional interview, Mumbai Indians 7 losses, MI vs CSK highlights, IPL 2026 Mumbai Indians, Chepauk stadium Chennai, Mumbai Indians batting collapse, Hardik captaincy failure, IPL points table bottom, Mumbai Indians 9th position, MI 159 all out, Chennai Super Kings easy win, Hardik post match reaction, Mumbai Indians season review, IPL most successful team flop, Hardik Pandya honest statement]]></category>
        
        <description><![CDATA[হার্দিক পান্ডিয়া প্রায় কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলে ফেললেন, এই মৌসুম তাদের জন্য না। আইপিএলের অন্যতম সফল দল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স এবার পুরোদমে ধসে পড়েছে। ৯ ম্যাচ খেলে ৭টিতেই হার! আর এমন বিপর্যয়ের পর ভেঙে পড়া স্বাভাবিক। গতকাল চেন্নাইয়ের মাঠ চিপকে ব্যাট করে মাত্র ১৫৯ রান তুলেছিল মুম্বাই। চেন্নাই সুপার কিংস সহজেই ৮ উইকেট ও ১১ বল হাতে রেখে সেই রান টপকে যায়। এই হারের পর মুম্বাইয়ের অবস্থান ১০ দলের মধ্যে ৯ নম্বরে। ম্যাচ শেষে হার্দিক বলেন, 'শুধু এই রাত নয়, গোটা মৌসুমটাই আমাদের পক্ষে আসেনি। তারা (চেন্নাই) সব দিকেই ভালো খেলেছে— ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং।' মাত্র ১০.৫ ওভারেই মুম্বাই দলীয় ১০০ রান তুলে ফেলেছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত থামে মাত্র ১৫৯-এ। শেষ দিকে মোমেন্টাম ধরে রাখতে পারেনি দল। হার্দিকের কথায়, 'আমরা ভেবেছিলাম ১৮০-১৯০ রান করব। কিন্তু ১০ ওভার পর মোমেন্টাম হারিয়ে ফেলি। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলা সহজ ছিল না। আর চেন্নাই থিতু হওয়ার পর বোলাররা তাদের চাপ দিতে পারেনি।' নিজেদের ব্যর্থতার বিষয়েও স্পষ্ট হার্দিক। তিনি বলেন, 'তাদের বোলিং ইউনিট ভালো ছিল, আর আমাদের ব্যাটিং ইউনিট খারাপ ছিল।' শেষ ৫৫ বলে মুম্বাই হারিয়েছে ৪ উইকেট, তুলেছে মাত্র ৫৯ রান! প্রশ্ন করা হয়েছিল, চেন্নাইয়ের জন্য লক্ষ্য তাড়া কঠিন করতে মুম্বাই আরও আক্রমণাত্মক হতে পারত কি না? জবাবে হার্দিক বলেন, 'কতটা আক্রমণাত্মক হওয়া যেত, জানি না। তাদের অলআউট করতে হলে আগুনের বল দরকার ছিল। কিন্তু চেন্নাই বুদ্ধিদীপ্ত ক্রিকেট খেলেছে। ভালো খেলেছে তারা, এটাই শেষ কথা।'  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_20.webp" alt="এই মৌসুম আর মুম্বাইয়ের জন্য নয়'! ৭ ম্যাচ হারিয়ে ভেঙে পড়লেন হার্দিক" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>এই মৌসুম আর মুম্বাইয়ের জন্য নয়'! ৭ ম্যাচ হারিয়ে ভেঙে পড়লেন হার্দিক</h1>
            <p>হার্দিক পান্ডিয়া প্রায় কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলে ফেললেন, এই মৌসুম তাদের জন্য না। আইপিএলের অন্যতম সফল দল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স এবার পুরোদমে ধসে পড়েছে। ৯ ম্যাচ খেলে ৭টিতেই হার! আর এমন বিপর্যয়ের পর ভেঙে পড়া স্বাভাবিক। গতকাল চেন্নাইয়ের মাঠ চিপকে ব্যাট করে মাত্র ১৫৯ রান তুলেছিল মুম্বাই। চেন্নাই সুপার কিংস সহজেই ৮ উইকেট ও ১১ বল হাতে রেখে সেই রান টপকে যায়। এই হারের পর মুম্বাইয়ের অবস্থান ১০ দলের মধ্যে ৯ নম্বরে। ম্যাচ শেষে হার্দিক বলেন, 'শুধু এই রাত নয়, গোটা মৌসুমটাই আমাদের পক্ষে আসেনি। তারা (চেন্নাই) সব দিকেই ভালো খেলেছে— ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং।' মাত্র ১০.৫ ওভারেই মুম্বাই দলীয় ১০০ রান তুলে ফেলেছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত থামে মাত্র ১৫৯-এ। শেষ দিকে মোমেন্টাম ধরে রাখতে পারেনি দল। হার্দিকের কথায়, 'আমরা ভেবেছিলাম ১৮০-১৯০ রান করব। কিন্তু ১০ ওভার পর মোমেন্টাম হারিয়ে ফেলি। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলা সহজ ছিল না। আর চেন্নাই থিতু হওয়ার পর বোলাররা তাদের চাপ দিতে পারেনি।' নিজেদের ব্যর্থতার বিষয়েও স্পষ্ট হার্দিক। তিনি বলেন, 'তাদের বোলিং ইউনিট ভালো ছিল, আর আমাদের ব্যাটিং ইউনিট খারাপ ছিল।' শেষ ৫৫ বলে মুম্বাই হারিয়েছে ৪ উইকেট, তুলেছে মাত্র ৫৯ রান! প্রশ্ন করা হয়েছিল, চেন্নাইয়ের জন্য লক্ষ্য তাড়া কঠিন করতে মুম্বাই আরও আক্রমণাত্মক হতে পারত কি না? জবাবে হার্দিক বলেন, 'কতটা আক্রমণাত্মক হওয়া যেত, জানি না। তাদের অলআউট করতে হলে আগুনের বল দরকার ছিল। কিন্তু চেন্নাই বুদ্ধিদীপ্ত ক্রিকেট খেলেছে। ভালো খেলেছে তারা, এটাই শেষ কথা।'  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_20.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_20.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_20.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[প্লাস্টিক অধিনায়ক’! মুম্বাই অধিনায়ক হার্দিককে কটাক্ষ করলেন বিশ্বকাপজয়ী শ্রীকান্ত]]></title>
        <link>https://nbs24.org/sports/36760</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/sports/36760</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 03 May 2026 17:05:31 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[খেলা]]></category>
                <category><![CDATA[ক্রিকেট]]></category>
                        <category><![CDATA[Hardik Pandya plastic captain, Krishnamachari Srikkanth criticism, Mumbai Indians batting collapse, Hardik Pandya slow innings, 23 balls 18 runs, MI vs CSK match analysis, Srikkanth YouTube video, MI middle overs dot balls, Hardik Pandya strike rate 136, Mumbai Indians captaincy debate, former India opener statement, IPL 2026 controversy, Hardik Pandya batting plan, MI death overs strategy, Srikkanth on Hardik]]></category>
        
        <description><![CDATA[হার্দিক পান্ডিয়া এবার কড়া সমালোচনার মুখে। তাঁকে ‘প্লাস্টিক অধিনায়ক’ বলে কটাক্ষ করলেন ভারতের বিশ্বকাপজয়ী ওপেনার শ্রীকান্ত। কেন এমন মন্তব্য? চলুন দেখে নেওয়া যাক। সম্প্রতি এক ম্যাচে তিলক ভার্মা আউট হওয়ার পর হার্দিক নামেন ছয় নম্বরে ব্যাট করতে। অন্যদিকে নামান ধীর নিজের অবস্থানে ছিলেন দৃঢ়। কিন্তু হার্দিক যেন নিজেকেই খুঁজে পাচ্ছিলেন না। নামানের সঙ্গে ২৪ বল খেলে মাত্র ২৫ রানের জুটি গড়েন তিনি। মুম্বাইয়ে ম্যাচে তো রান এসেছে ৭ উইকেটে ১৫৯। আর হার্দিকের ব্যক্তিগত ইনিংস? ২৩ বলে মাত্র ১৮ রান। চার আছে всего দুটি, আর ডট বল ১০টি! এখন এই নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ১৯৮৩ সালের বিশ্বকাপজয়ী ভারতের ওপেনার শ্রীকান্ত। তাঁর মতে এমন ইনিংসেই মুম্বাই পিছিয়ে পড়েছে। নিজের ইউটিউব চ্যানেলে তিনি বলেন, ‘সংখ্যাগুলো নিজেই বলছে— ২৩ বলে ১৮ রান। কী এটা? ও একজন প্লাস্টিক অধিনায়ক।’ শ্রীকান্ত আরও বলেন, ‘জুটিটা দেখুন, উদ্দেশ্য কী ছিল? হার্দিক পান্ডিয়া আসলে কী করতে চেয়েছিলেন? মাঝের ওভারগুলোতে ডট বলের সংখ্যা দেখে বোঝা যায়, সঠিক কোনো পরিকল্পনা বা খেলার সচেতনতা ছিল না। ওই সময় রানরেট ভয়াবহভাবে কমে যায়।’ শুধু এই ম্যাচ কেন, চলতি মৌসুমে হার্দিকের স্ট্রাইক রেট মাত্র ১৩৬.৪৫, যা খুবই উদ্বেগজনক। মাঝের ওভারগুলোতে মুম্বাইয়ের ব্যাটিংয়েও জোর নেই। গতকাল চেন্নাইয়ের বিপক্ষে ডেথ ওভারের পরিকল্পনা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন শ্রীকান্ত। তাঁর ভাষ্য, ‘সত্যি বলতে, আমি বুঝতেই পারছিলাম না ওরা কী করতে চাইছে। ওদের পরিকল্পনাটাই কী ছিল?’  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_19.webp" alt="প্লাস্টিক অধিনায়ক’! মুম্বাই অধিনায়ক হার্দিককে কটাক্ষ করলেন বিশ্বকাপজয়ী শ্রীকান্ত" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>প্লাস্টিক অধিনায়ক’! মুম্বাই অধিনায়ক হার্দিককে কটাক্ষ করলেন বিশ্বকাপজয়ী শ্রীকান্ত</h1>
            <p>হার্দিক পান্ডিয়া এবার কড়া সমালোচনার মুখে। তাঁকে ‘প্লাস্টিক অধিনায়ক’ বলে কটাক্ষ করলেন ভারতের বিশ্বকাপজয়ী ওপেনার শ্রীকান্ত। কেন এমন মন্তব্য? চলুন দেখে নেওয়া যাক। সম্প্রতি এক ম্যাচে তিলক ভার্মা আউট হওয়ার পর হার্দিক নামেন ছয় নম্বরে ব্যাট করতে। অন্যদিকে নামান ধীর নিজের অবস্থানে ছিলেন দৃঢ়। কিন্তু হার্দিক যেন নিজেকেই খুঁজে পাচ্ছিলেন না। নামানের সঙ্গে ২৪ বল খেলে মাত্র ২৫ রানের জুটি গড়েন তিনি। মুম্বাইয়ে ম্যাচে তো রান এসেছে ৭ উইকেটে ১৫৯। আর হার্দিকের ব্যক্তিগত ইনিংস? ২৩ বলে মাত্র ১৮ রান। চার আছে всего দুটি, আর ডট বল ১০টি! এখন এই নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ১৯৮৩ সালের বিশ্বকাপজয়ী ভারতের ওপেনার শ্রীকান্ত। তাঁর মতে এমন ইনিংসেই মুম্বাই পিছিয়ে পড়েছে। নিজের ইউটিউব চ্যানেলে তিনি বলেন, ‘সংখ্যাগুলো নিজেই বলছে— ২৩ বলে ১৮ রান। কী এটা? ও একজন প্লাস্টিক অধিনায়ক।’ শ্রীকান্ত আরও বলেন, ‘জুটিটা দেখুন, উদ্দেশ্য কী ছিল? হার্দিক পান্ডিয়া আসলে কী করতে চেয়েছিলেন? মাঝের ওভারগুলোতে ডট বলের সংখ্যা দেখে বোঝা যায়, সঠিক কোনো পরিকল্পনা বা খেলার সচেতনতা ছিল না। ওই সময় রানরেট ভয়াবহভাবে কমে যায়।’ শুধু এই ম্যাচ কেন, চলতি মৌসুমে হার্দিকের স্ট্রাইক রেট মাত্র ১৩৬.৪৫, যা খুবই উদ্বেগজনক। মাঝের ওভারগুলোতে মুম্বাইয়ের ব্যাটিংয়েও জোর নেই। গতকাল চেন্নাইয়ের বিপক্ষে ডেথ ওভারের পরিকল্পনা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন শ্রীকান্ত। তাঁর ভাষ্য, ‘সত্যি বলতে, আমি বুঝতেই পারছিলাম না ওরা কী করতে চাইছে। ওদের পরিকল্পনাটাই কী ছিল?’  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_19.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_19.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_19.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইন্টারনেট বন্ধ ইরানে! গোপনে ঢুকছে স্যাটেলাইট ডিভাইস, চমকে গেছে সরকার]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36759</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36759</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 03 May 2026 17:05:43 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[blackout, satellite terminal underground Iran, Iran government bypass technology, global internet access Iran, Iran dissidents communication, Starlink device Iran penalty, Iran digital resistance, internet freedom Iran, Iran sanctions workaround]]></category>
        
        <description><![CDATA[ইরানে সরকারি নির্দেশে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তাতে কি থেমেছে ইরানিরা? একদম না! গোপনে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট ডিভাইস ঢুকছে দেশের ভেতরে। আর আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ পেতেই শুরু হয়েছে নতুন করে চাঞ্চল্য। প্রবাসী ইরানিদের একটি গোপন নেটওয়ার্ক সক্রিয় রয়েছে বলে জানা গেছে। তারাই দেশটিতে যোগাযোগ সচল রাখতে এই ডিভাইস পৌঁছে দিচ্ছে। নিরাপত্তার কারণে নাম গোপন রেখে ‘সাহান্দ’ নামে এক ব্যক্তি জানিয়েছেন, জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ১২টি টার্মিনাল ইরানে পাঠানো হয়েছে। আর পাঠানোর চেষ্টা চলছে আরও। তাঁর ভাষায়, একজন মানুষও যদি ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারে, সেটাই বড় সাফল্য। কেন এই অবস্থা? গত ফেব্রুয়ারির শেষে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর থেকে ইরানে জাতীয় পর্যায়ে ইন্টারনেট বন্ধ। এর আগেও জানুয়ারিতে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলাকালে একই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, ওই সময় বহু মানুষ নিহত ও গ্রেপ্তার হয়েছেন। আর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছিল। এই স্যাটেলাইট প্রযুক্তি কিন্তু দারুণ কাজের। ব্যবহারকারীরা সরাসরি মহাকাশের সংযোগ ধরে বৈশ্বিক নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে পারেন। ফলে অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি উপেক্ষা করে যোগাযোগ সম্ভব হচ্ছে। ইরান সরকার ইতিমধ্যে এই ধরনের ডিভাইস ব্যবহারকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ ঘোষণা করেছে। তবুও চাহিদা বাড়ছে কমছে না। ধারণা করা হচ্ছে, বর্তমানে দেশে কয়েক হাজারের বেশি স্যাটেলাইট টার্মিনাল সক্রিয় রয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, কঠিন পরিস্থিতিতেও ইরানিরা বিকল্প পথ খুঁজে নিচ্ছে — কেউ তাদের থামাতে পারছে না। Iran satellite internet smuggled, Iran internet shutdown 2026, covert terminal Iran, Starlink Iran制裁, Iranian diaspora network, US Israel Iran attack, Iran protests internet]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_18.webp" alt="ইন্টারনেট বন্ধ ইরানে! গোপনে ঢুকছে স্যাটেলাইট ডিভাইস, চমকে গেছে সরকার" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইন্টারনেট বন্ধ ইরানে! গোপনে ঢুকছে স্যাটেলাইট ডিভাইস, চমকে গেছে সরকার</h1>
            <p>ইরানে সরকারি নির্দেশে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তাতে কি থেমেছে ইরানিরা? একদম না! গোপনে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট ডিভাইস ঢুকছে দেশের ভেতরে। আর আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ পেতেই শুরু হয়েছে নতুন করে চাঞ্চল্য। প্রবাসী ইরানিদের একটি গোপন নেটওয়ার্ক সক্রিয় রয়েছে বলে জানা গেছে। তারাই দেশটিতে যোগাযোগ সচল রাখতে এই ডিভাইস পৌঁছে দিচ্ছে। নিরাপত্তার কারণে নাম গোপন রেখে ‘সাহান্দ’ নামে এক ব্যক্তি জানিয়েছেন, জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ১২টি টার্মিনাল ইরানে পাঠানো হয়েছে। আর পাঠানোর চেষ্টা চলছে আরও। তাঁর ভাষায়, একজন মানুষও যদি ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারে, সেটাই বড় সাফল্য। কেন এই অবস্থা? গত ফেব্রুয়ারির শেষে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর থেকে ইরানে জাতীয় পর্যায়ে ইন্টারনেট বন্ধ। এর আগেও জানুয়ারিতে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলাকালে একই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, ওই সময় বহু মানুষ নিহত ও গ্রেপ্তার হয়েছেন। আর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছিল। এই স্যাটেলাইট প্রযুক্তি কিন্তু দারুণ কাজের। ব্যবহারকারীরা সরাসরি মহাকাশের সংযোগ ধরে বৈশ্বিক নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে পারেন। ফলে অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি উপেক্ষা করে যোগাযোগ সম্ভব হচ্ছে। ইরান সরকার ইতিমধ্যে এই ধরনের ডিভাইস ব্যবহারকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ ঘোষণা করেছে। তবুও চাহিদা বাড়ছে কমছে না। ধারণা করা হচ্ছে, বর্তমানে দেশে কয়েক হাজারের বেশি স্যাটেলাইট টার্মিনাল সক্রিয় রয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, কঠিন পরিস্থিতিতেও ইরানিরা বিকল্প পথ খুঁজে নিচ্ছে — কেউ তাদের থামাতে পারছে না। Iran satellite internet smuggled, Iran internet shutdown 2026, covert terminal Iran, Starlink Iran制裁, Iranian diaspora network, US Israel Iran attack, Iran protests internet</p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_18.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_18.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_18.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[আমেরিকার নাকের ওপর দিয়ে তেল নিয়ে বেরিয়ে গেল ইরানের জাহাজ! সবাই হতভম্ব]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36758</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36758</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 03 May 2026 17:05:01 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[আমেরিকাস]]></category>
                        <category><![CDATA[Iran oil tanker breaks blockade, US naval embargo fail, Hughes tanker Iran, crude oil shipment Asia, National Iranian Tanker Company, Indonesia Lombok Strait, Iran US confrontation 2026, oil sanctions bypass, Iran tanker tracking, Sri Lanka coast Iran ship, Riau Islands oil delivery, US claims Iran blockade, 52 Iranian tankers, 41 tankers diverted, Iran economic resilience]]></category>
        
        <description><![CDATA[আমেরিকা নৌবাহিনী নিয়ে বসে আছে চারপাশে। অথচ তার চোখের সামনে দিয়ে তেলবোঝাই জাহাজ নিয়ে হাজির ইরান। কঠোর অবরোধ উপেক্ষা করে এক বিশাল তেলবাহী জাহাজ পৌঁছে গেছে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে। জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারীরা এই খবর নিশ্চিত করেছেন। জাহাজটির নাম ‘হিউজ’। এটি ন্যাশনাল ইরানিয়ান ট্যাংকার কোম্পানির মালিকানাধীন। এই জাহাজে প্রায় ১৯ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল রয়েছে। যার দাম কমবেশি ২২ কোটি মার্কিন ডলার! বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটা শুধু অর্থনৈতিক সাফল্য নয়, বরং আন্তর্জাতিক চাপের মুখে ইরান কতটা দমে আছে – সেটাও বোঝা যাচ্ছে। উল্টো তারাই দেখিয়ে দিচ্ছে দাপট। জানা গেছে, মাত্র এক সপ্তাহ আগে জাহাজটিকে দেখা গিয়েছিল শ্রীলঙ্কার উপকূলে। এখন এটি ইন্দোনেশিয়ার লম্বক প্রণালি পেরিয়ে রিয়াউ দ্বীপপুঞ্জের দিকে যাচ্ছে। আমেরিকা যখন অবরোধ ঘোষণা করে, তখন জাহাজটি ছিল ইরানের জলসীমায়। পরে তারা দীর্ঘ সময় ট্র্যাকিং বন্ধ রেখেছিল, যার কারণে জাহাজটির অবস্থান শনাক্ত করাই মুশকিল হয়ে পড়েছিল। ইরানের দাবি, তাদের অন্তত ৫২টি জাহাজ সফলভাবে এই অবরোধ ভেঙেছে। অবশ্য যুক্তরাষ্ট্র বলছে, তারা ৪১টি জাহাজকে পথ বদলাতে বাধ্য করেছে। শেষ পর্যন্ত কে জিতল, সেটা সময়ই বলে দেবে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_17.webp" alt="আমেরিকার নাকের ওপর দিয়ে তেল নিয়ে বেরিয়ে গেল ইরানের জাহাজ! সবাই হতভম্ব" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>আমেরিকার নাকের ওপর দিয়ে তেল নিয়ে বেরিয়ে গেল ইরানের জাহাজ! সবাই হতভম্ব</h1>
            <p>আমেরিকা নৌবাহিনী নিয়ে বসে আছে চারপাশে। অথচ তার চোখের সামনে দিয়ে তেলবোঝাই জাহাজ নিয়ে হাজির ইরান। কঠোর অবরোধ উপেক্ষা করে এক বিশাল তেলবাহী জাহাজ পৌঁছে গেছে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে। জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারীরা এই খবর নিশ্চিত করেছেন। জাহাজটির নাম ‘হিউজ’। এটি ন্যাশনাল ইরানিয়ান ট্যাংকার কোম্পানির মালিকানাধীন। এই জাহাজে প্রায় ১৯ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল রয়েছে। যার দাম কমবেশি ২২ কোটি মার্কিন ডলার! বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটা শুধু অর্থনৈতিক সাফল্য নয়, বরং আন্তর্জাতিক চাপের মুখে ইরান কতটা দমে আছে – সেটাও বোঝা যাচ্ছে। উল্টো তারাই দেখিয়ে দিচ্ছে দাপট। জানা গেছে, মাত্র এক সপ্তাহ আগে জাহাজটিকে দেখা গিয়েছিল শ্রীলঙ্কার উপকূলে। এখন এটি ইন্দোনেশিয়ার লম্বক প্রণালি পেরিয়ে রিয়াউ দ্বীপপুঞ্জের দিকে যাচ্ছে। আমেরিকা যখন অবরোধ ঘোষণা করে, তখন জাহাজটি ছিল ইরানের জলসীমায়। পরে তারা দীর্ঘ সময় ট্র্যাকিং বন্ধ রেখেছিল, যার কারণে জাহাজটির অবস্থান শনাক্ত করাই মুশকিল হয়ে পড়েছিল। ইরানের দাবি, তাদের অন্তত ৫২টি জাহাজ সফলভাবে এই অবরোধ ভেঙেছে। অবশ্য যুক্তরাষ্ট্র বলছে, তারা ৪১টি জাহাজকে পথ বদলাতে বাধ্য করেছে। শেষ পর্যন্ত কে জিতল, সেটা সময়ই বলে দেবে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_17.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_17.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_17.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[সিরিয়ায় বড় বিমান হামলা চালাল জর্ডান! মাদক আর অস্ত্রের গুদাম ধ্বংস!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36757</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36757</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 03 May 2026 17:05:59 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Jordan airstrike Syria, drug smuggling Jordan border, Syria weapons depot hit, Jordan military operation, Suwayda province attack, Shahba area Syria, Jordan anti smuggling strike, Syria Jordan border tension, regional security concerns, drone activity Syria, airstrike on warehouses, Jordan armed forces statement, drug trafficking Middle East, Syria ammunition depot, Jordan national security]]></category>
        
        <description><![CDATA[উত্তেজনার মধ্যেই বড় পদক্ষেপ নিল জর্ডান। সিরিয়ার ভেতরে বিমান হামলা চালাল তারা। দেশটির কর্তৃপক্ষ বলছে, সীমান্ত পেরিয়ে মাদক ও অস্ত্র চোরাচালান বন্ধ করতেই এই সামরিক অভিযান। ঘটনাটি ঘটে রোববার ভোরে। সিরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের সীমান্তবর্তী এলাকায় সন্দেহভাজন কিছু ঘাঁটি টার্গেট করে এই হামলা চালানো হয়। জর্ডানের সশস্ত্র বাহিনী জানিয়েছে, চোরাচালানকারীরা যেসব জায়গা ব্যবহার করত, সেগুলো ধ্বংস করাই ছিল তাদের মূল লক্ষ্য। সেনাবাহিনীর দাবি, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গুদামঘর ও অবকাঠামো চিহ্নিত করে সেখানে নির্ভুল হামলা চালানো হয়েছে। তাদের অভিযোগ, এসব স্থান থেকেই জর্ডানে মাদক ও অস্ত্র ঢুকছিল। তবে এই হামলায় নতুন করে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সিরিয়ার স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, সুয়াইদা প্রদেশের শাহবা এলাকার একটি স্থাপনায় এই হামলা করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ওই স্থাপনায় অস্ত্র ও মাদক মজুত ছিল। হামলার পর ওই এলাকায় ড্রোন উড়তে দেখা গেছে এবং অ্যাম্বুলেন্সও যাতায়াত করছে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_16.webp" alt="সিরিয়ায় বড় বিমান হামলা চালাল জর্ডান! মাদক আর অস্ত্রের গুদাম ধ্বংস!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>সিরিয়ায় বড় বিমান হামলা চালাল জর্ডান! মাদক আর অস্ত্রের গুদাম ধ্বংস!</h1>
            <p>উত্তেজনার মধ্যেই বড় পদক্ষেপ নিল জর্ডান। সিরিয়ার ভেতরে বিমান হামলা চালাল তারা। দেশটির কর্তৃপক্ষ বলছে, সীমান্ত পেরিয়ে মাদক ও অস্ত্র চোরাচালান বন্ধ করতেই এই সামরিক অভিযান। ঘটনাটি ঘটে রোববার ভোরে। সিরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের সীমান্তবর্তী এলাকায় সন্দেহভাজন কিছু ঘাঁটি টার্গেট করে এই হামলা চালানো হয়। জর্ডানের সশস্ত্র বাহিনী জানিয়েছে, চোরাচালানকারীরা যেসব জায়গা ব্যবহার করত, সেগুলো ধ্বংস করাই ছিল তাদের মূল লক্ষ্য। সেনাবাহিনীর দাবি, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গুদামঘর ও অবকাঠামো চিহ্নিত করে সেখানে নির্ভুল হামলা চালানো হয়েছে। তাদের অভিযোগ, এসব স্থান থেকেই জর্ডানে মাদক ও অস্ত্র ঢুকছিল। তবে এই হামলায় নতুন করে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সিরিয়ার স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, সুয়াইদা প্রদেশের শাহবা এলাকার একটি স্থাপনায় এই হামলা করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ওই স্থাপনায় অস্ত্র ও মাদক মজুত ছিল। হামলার পর ওই এলাকায় ড্রোন উড়তে দেখা গেছে এবং অ্যাম্বুলেন্সও যাতায়াত করছে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_16.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_16.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_16.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[লেবানন থেকে রকেট ছুঁড়ল হিজবুল্লাহ! থমথমে ইসরায়েল সীমান্ত, বাড়ছে উত্তেজনা]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36756</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36756</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 03 May 2026 17:05:50 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Hezbollah rocket attack Israel, Avivim border town, Lebanon Israel ceasefire violation, US Israel joint strike Iran, Hezbollah retaliation, southern Lebanon conflict, rocket interception Israel, Middle East tension 2026, Hezbollah drone strike, Israel Lebanon border escalation, Iran proxy Hezbollah, February Iran attack aftermath, April ceasefire broken, Israel military response, regional war fears]]></category>
        
        <description><![CDATA[ইসরায়েলের জন্য আবার মাথাব্যথা হয়ে দাঁড়াল লেবানন। সেখান থেকে ইসরায়েলের সীমান্তবর্তী বসতি আভিভিম লক্ষ্য করে একের পর এক রকেট ছুঁড়েছে হিজবুল্লাহ। রোববার এই ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। ইসরায়েলি বাহিনী দাবি করছে, তারা একটি রকেট প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে। বাকি রকেটগুলো ঠিক কোথায় গিয়ে পড়েছে, তা এখন যাচাই করে দেখছেন তারা। তবে ভালো খবর হলো, এই হামলায় এখন পর্যন্ত কারও মৃত্যু বা আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেনি। ইসরায়েল বলছে, এটা যুদ্ধবিরতির সরাসরি লঙ্ঘন। কিন্তু পুরো ঘটনার প্রেক্ষাপট কিন্তু আরও জটিল। গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইসরায়েল আর যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরানে বড় হামলা চালায়। তাতে প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়। আর তার পর থেকেই উত্তেজনা চরম সীমায় পৌঁছে যায়। ইরানের মিত্র হিসেবে হিজবুল্লাহ তখন সরাসরি এই সংঘাতে ঝাঁপিয়ে পড়ে। এপ্রিল মাসে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হলেও দখলদার ইসরায়েল লেবাননের ভেতরে হামলা চালানো বন্ধ করেনি। বিশেষ করে দক্ষিণ লেবাননে সাধারণ মানুষের বাড়িঘর ধ্বংস আর যোদ্ধাদের টার্গেট করে অভিযান চলছেই। তার জবাবেই হিজবুল্লাহ পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তুলছে। গত কয়েকদিনে সীমান্তবর্তী এলাকায় ড্রোন আর রকেট হামলা অনেক বেড়ে গেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সংঘাত এখন থামার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। বরং দিন দিন আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করছে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_15.webp" alt="লেবানন থেকে রকেট ছুঁড়ল হিজবুল্লাহ! থমথমে ইসরায়েল সীমান্ত, বাড়ছে উত্তেজনা" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>লেবানন থেকে রকেট ছুঁড়ল হিজবুল্লাহ! থমথমে ইসরায়েল সীমান্ত, বাড়ছে উত্তেজনা</h1>
            <p>ইসরায়েলের জন্য আবার মাথাব্যথা হয়ে দাঁড়াল লেবানন। সেখান থেকে ইসরায়েলের সীমান্তবর্তী বসতি আভিভিম লক্ষ্য করে একের পর এক রকেট ছুঁড়েছে হিজবুল্লাহ। রোববার এই ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। ইসরায়েলি বাহিনী দাবি করছে, তারা একটি রকেট প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে। বাকি রকেটগুলো ঠিক কোথায় গিয়ে পড়েছে, তা এখন যাচাই করে দেখছেন তারা। তবে ভালো খবর হলো, এই হামলায় এখন পর্যন্ত কারও মৃত্যু বা আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেনি। ইসরায়েল বলছে, এটা যুদ্ধবিরতির সরাসরি লঙ্ঘন। কিন্তু পুরো ঘটনার প্রেক্ষাপট কিন্তু আরও জটিল। গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইসরায়েল আর যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরানে বড় হামলা চালায়। তাতে প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়। আর তার পর থেকেই উত্তেজনা চরম সীমায় পৌঁছে যায়। ইরানের মিত্র হিসেবে হিজবুল্লাহ তখন সরাসরি এই সংঘাতে ঝাঁপিয়ে পড়ে। এপ্রিল মাসে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হলেও দখলদার ইসরায়েল লেবাননের ভেতরে হামলা চালানো বন্ধ করেনি। বিশেষ করে দক্ষিণ লেবাননে সাধারণ মানুষের বাড়িঘর ধ্বংস আর যোদ্ধাদের টার্গেট করে অভিযান চলছেই। তার জবাবেই হিজবুল্লাহ পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তুলছে। গত কয়েকদিনে সীমান্তবর্তী এলাকায় ড্রোন আর রকেট হামলা অনেক বেড়ে গেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সংঘাত এখন থামার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। বরং দিন দিন আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করছে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_15.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_15.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_15.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[আমিরাতকে কঠিন জবাব দেবে ইরান! রিয়াদ ও মাস্কাটে পৌঁছে গেছে কড়া বার্তা]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36755</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36755</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 03 May 2026 17:05:00 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Iran warns UAE attack, US Israel aggression response, Saudi Oman Iran message, Gulf region tension, Iran UAE conflict, Tehran Abu Dhabi relations, Saudi UAE rift, Middle East Eye report, Iran Gulf diplomacy, military strike threat UAE, Iran strategic warning, Gulf power balance, Iran Saudi talks, UAE targeted by Iran, regional escalation 2026]]></category>
        
        <description><![CDATA[উপসাগরীয় এলাকায় বড় ধরনের উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ইরান সৌদি আরব ও ওমানকে পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যদি তাদের ওপর আক্রমণ চালায়, তাহলে সরাসরি সংযুক্ত আরব আমিরাতকে কঠোরভাবে লক্ষ্য করা হবে। তেহরানের এই বার্তায় পুরো অঞ্চলের রাজনৈতিক সমীকরণে নড়াচড়া শুরু হয়ে গেছে। এখন বিশ্লেষকরা বলছেন, এই পদক্ষেপের ফলে আবুধাবি ও তার প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে পুরোনো সব ক্ষত আবারও ভাজ করে উঠতে পারে। বিশেষ করে সৌদি আরব ও আমিরাতের মধ্যে দীর্ঘদিনের চাপা টানাপড়েন গোপনে ছিল, সেটা এখন সামনে আসছে। প্রতিবেদন বলছে, ইরানি কর্মকর্তারা সৌদি প্রতিনিধিদের সঙ্গেই আলোচনায় আবুধাবির সঙ্গে রিয়াদের মতবিরোধের বিষয়টি উস্কে দিয়েছেন। এটা স্পষ্ট যে তেহরান উপসাগরীয় দেশগুলোর ভেতরের এই বিভাজন নিয়ে খুব ভালোভাবেই জানে। আর সেটাকে নিজেদের স্বার্থে কাজে লাগানোর চেষ্টাও করছে। এই সব কিছু চললেও ইরান সৌদি আরবের সঙ্গে কূটনৈতিক কথাবার্তা চালিয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরাও কথা বলেছেন। তার মানে, সংঘাতের মধ্যেও তেহরান আলোচনার দরজা পুরোপুরি বন্ধ করেনি। মিডল ইস্ট আই-এর তথ্য বলছে, উপসাগরীয় অঞ্চলের এই জটিল সম্পর্ক আগামীতে আরও নাটকীয় পরিবর্তন আনতে পারে। অনেক বিশেষজ্ঞের মতে, ইরানের এই কঠিন অবস্থান পুরো অঞ্চলের শক্তির ভারসাম্যে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে বাধ্য।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_14.webp" alt="আমিরাতকে কঠিন জবাব দেবে ইরান! রিয়াদ ও মাস্কাটে পৌঁছে গেছে কড়া বার্তা" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>আমিরাতকে কঠিন জবাব দেবে ইরান! রিয়াদ ও মাস্কাটে পৌঁছে গেছে কড়া বার্তা</h1>
            <p>উপসাগরীয় এলাকায় বড় ধরনের উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ইরান সৌদি আরব ও ওমানকে পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যদি তাদের ওপর আক্রমণ চালায়, তাহলে সরাসরি সংযুক্ত আরব আমিরাতকে কঠোরভাবে লক্ষ্য করা হবে। তেহরানের এই বার্তায় পুরো অঞ্চলের রাজনৈতিক সমীকরণে নড়াচড়া শুরু হয়ে গেছে। এখন বিশ্লেষকরা বলছেন, এই পদক্ষেপের ফলে আবুধাবি ও তার প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে পুরোনো সব ক্ষত আবারও ভাজ করে উঠতে পারে। বিশেষ করে সৌদি আরব ও আমিরাতের মধ্যে দীর্ঘদিনের চাপা টানাপড়েন গোপনে ছিল, সেটা এখন সামনে আসছে। প্রতিবেদন বলছে, ইরানি কর্মকর্তারা সৌদি প্রতিনিধিদের সঙ্গেই আলোচনায় আবুধাবির সঙ্গে রিয়াদের মতবিরোধের বিষয়টি উস্কে দিয়েছেন। এটা স্পষ্ট যে তেহরান উপসাগরীয় দেশগুলোর ভেতরের এই বিভাজন নিয়ে খুব ভালোভাবেই জানে। আর সেটাকে নিজেদের স্বার্থে কাজে লাগানোর চেষ্টাও করছে। এই সব কিছু চললেও ইরান সৌদি আরবের সঙ্গে কূটনৈতিক কথাবার্তা চালিয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরাও কথা বলেছেন। তার মানে, সংঘাতের মধ্যেও তেহরান আলোচনার দরজা পুরোপুরি বন্ধ করেনি। মিডল ইস্ট আই-এর তথ্য বলছে, উপসাগরীয় অঞ্চলের এই জটিল সম্পর্ক আগামীতে আরও নাটকীয় পরিবর্তন আনতে পারে। অনেক বিশেষজ্ঞের মতে, ইরানের এই কঠিন অবস্থান পুরো অঞ্চলের শক্তির ভারসাম্যে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে বাধ্য।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_14.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_14.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_14.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ইরানকে আবার হামলার হুমকি ট্রাম্পের! উত্তপ্ত পরিস্থিতি, চরম উদ্বেগ বিশ্বজুড়ে]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36754</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36754</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 03 May 2026 17:05:29 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[যুক্তরাজ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Trump Iran military threat, US Iran tension 2026, Iran diplomatic proposal, Hormuz Strait reopening, Iran nuclear deal talks, US naval blockade Iran, Trump hostile remarks, Iran ceasefire proposal, Middle East conflict escalation, Iran one month agreement, US president war warning, Tehran diplomatic effort, Iran US negotiation, Trump press conference Iran, Gulf region security crisis]]></category>
        
        <description><![CDATA[আবারও শুরু হলো যুদ্ধের গুঞ্জন! মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট হুমকি দিয়ে দিলেন ইরানকে। তিনি বলেছেন, ইরান সামান্য ‘দুর্ব্যবহার’ করলেই নতুন করে সামরিক হামলার নির্দেশ দিতে পারেন। শনিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এই মন্তব্য করেন ট্রাম্প। মার্কিন সংবাদমাধ্যমে এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। অন্য দিকে ইরান কিন্তু কূটনীতির পথে সমাধান খুঁজতে চাইছে। তারা যুদ্ধ বন্ধে একটি কাঠামোগত চুক্তির খসড়া তৈরি করে দুই পক্ষের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান করছে। ইতিমধ্যে তেহরান একটি হালনাগাদ প্রস্তাব দিয়েছে, যেখানে এক মাসের মধ্যে সমঝোতা করার লক্ষ্য জানানো হয়েছে। ইরানের সেই প্রস্তাবে বড় বড় কথা আছে। তারা বলছে, হরমুজ প্রণালি আবার চালু করতে হবে, নৌ অবরোধ তুলে নিতে হবে এবং পুরো অঞ্চলে যেন স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধ হয়। পাশাপাশি পরবর্তী ধাপে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়েও আলোচনার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে তারা। কিন্তু ট্রাম্পের হুমকির বাণী যেন সব কূটনৈতিক সম্ভাবনার ওপর পানি ঢেলে দিচ্ছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এমন আগ্রাসী মনোভাবে কূটনীতি এগোবে না। শান্তি চাইলে ইরানের প্রস্তাবকে গুরুত্ব দিয়ে আলোচনার টেবিলে বসা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই বলে মত তাঁদের।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_13.webp" alt="ইরানকে আবার হামলার হুমকি ট্রাম্পের! উত্তপ্ত পরিস্থিতি, চরম উদ্বেগ বিশ্বজুড়ে" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ইরানকে আবার হামলার হুমকি ট্রাম্পের! উত্তপ্ত পরিস্থিতি, চরম উদ্বেগ বিশ্বজুড়ে</h1>
            <p>আবারও শুরু হলো যুদ্ধের গুঞ্জন! মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট হুমকি দিয়ে দিলেন ইরানকে। তিনি বলেছেন, ইরান সামান্য ‘দুর্ব্যবহার’ করলেই নতুন করে সামরিক হামলার নির্দেশ দিতে পারেন। শনিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এই মন্তব্য করেন ট্রাম্প। মার্কিন সংবাদমাধ্যমে এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। অন্য দিকে ইরান কিন্তু কূটনীতির পথে সমাধান খুঁজতে চাইছে। তারা যুদ্ধ বন্ধে একটি কাঠামোগত চুক্তির খসড়া তৈরি করে দুই পক্ষের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান করছে। ইতিমধ্যে তেহরান একটি হালনাগাদ প্রস্তাব দিয়েছে, যেখানে এক মাসের মধ্যে সমঝোতা করার লক্ষ্য জানানো হয়েছে। ইরানের সেই প্রস্তাবে বড় বড় কথা আছে। তারা বলছে, হরমুজ প্রণালি আবার চালু করতে হবে, নৌ অবরোধ তুলে নিতে হবে এবং পুরো অঞ্চলে যেন স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধ হয়। পাশাপাশি পরবর্তী ধাপে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়েও আলোচনার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে তারা। কিন্তু ট্রাম্পের হুমকির বাণী যেন সব কূটনৈতিক সম্ভাবনার ওপর পানি ঢেলে দিচ্ছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এমন আগ্রাসী মনোভাবে কূটনীতি এগোবে না। শান্তি চাইলে ইরানের প্রস্তাবকে গুরুত্ব দিয়ে আলোচনার টেবিলে বসা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই বলে মত তাঁদের।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_13.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_13.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_13.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[আমেরিকা-ইসরায়েল আইন ভাঙছে! জাপানি বিশেষজ্ঞের বিস্ফোরক মন্তব্যে বিশ্ব চাঞ্চল্য]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36753</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36753</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 03 May 2026 17:05:48 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[যুক্তরাজ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Japanese expert US Israel, international law violation, Saol Takahashi interview, UN human rights former official, Pars Today exclusive, US Israel attack Iran, UN charter violation, use of force prohibition, collapse of international order, US Israel aggression analysis, World War II legal system, double standards UN, Israel Iran military strike, Japan professor statement, global concern over US policy]]></category>
        
        <description><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র আর ইসরায়েল সামরিক আগ্রাসন চালিয়ে আন্তর্জাতিক আইন ভাঙছে। এমন চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করে বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন জাপানের এক বিশেষজ্ঞ। তিনি শুধু আইনজীবী নন, একসময় জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনেরও বড় পদে ছিলেন বলেই তাঁর কথার গুরুত্ব আরও বেড়েছে। জাপানি মানবাধিকার আইনজীবী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সাওল তাকাহাশি। তিনি জাতিসংঘে ফিলিস্তিন দপ্তরেরও সাবেক উপপ্রধান ছিলেন। সম্প্রতি পার্সটুডকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার বিশ্লেষণ দিয়েছেন। তাঁর ভাষ্য, এসব হামলা শুধু সামরিক অভিযান নয়, বরং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর তৈরি আন্তর্জাতিক আইনি কাঠামোর ভিতেই দুর্বল করে দিচ্ছে। সেই সঙ্গে জাতিসংঘের কার্যকর ভূমিকাও প্রশ্নের মুখে পড়েছে। পার্সটুডের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আর ইসরায়েলের অভিযানে জাতিসংঘ সনদের যে মৌলিক নীতিমালা, সেটা ভেঙে চুরমার হয়ে যাচ্ছে। তাঁর মতে, এখন এমন এক সময় এসেছে যখন বলপ্রয়োগ বন্ধের যে নিয়ম, সেটা কার্যত অর্থহীন হয়ে পড়েছে। শক্তিশালী দেশগুলো যা ইচ্ছে তাই করছে, কেউ তাদের থামাতে পারছে না। সাওল তাকাহাশি আরও বলেন, এই ভণ্ডামি আর দ্বিচারিতার কারণে পুরো আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা টিকে থাকাই কঠিন হয়ে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নীতি দিন দিন আইনি কাঠামোকে এতটাই দুর্বল করে ফেলছে যে আগামী দিনে বিশ্ব আরও অস্থির হয়ে উঠতে পারে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_12.webp" alt="আমেরিকা-ইসরায়েল আইন ভাঙছে! জাপানি বিশেষজ্ঞের বিস্ফোরক মন্তব্যে বিশ্ব চাঞ্চল্য" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>আমেরিকা-ইসরায়েল আইন ভাঙছে! জাপানি বিশেষজ্ঞের বিস্ফোরক মন্তব্যে বিশ্ব চাঞ্চল্য</h1>
            <p>যুক্তরাষ্ট্র আর ইসরায়েল সামরিক আগ্রাসন চালিয়ে আন্তর্জাতিক আইন ভাঙছে। এমন চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করে বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন জাপানের এক বিশেষজ্ঞ। তিনি শুধু আইনজীবী নন, একসময় জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনেরও বড় পদে ছিলেন বলেই তাঁর কথার গুরুত্ব আরও বেড়েছে। জাপানি মানবাধিকার আইনজীবী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সাওল তাকাহাশি। তিনি জাতিসংঘে ফিলিস্তিন দপ্তরেরও সাবেক উপপ্রধান ছিলেন। সম্প্রতি পার্সটুডকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার বিশ্লেষণ দিয়েছেন। তাঁর ভাষ্য, এসব হামলা শুধু সামরিক অভিযান নয়, বরং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর তৈরি আন্তর্জাতিক আইনি কাঠামোর ভিতেই দুর্বল করে দিচ্ছে। সেই সঙ্গে জাতিসংঘের কার্যকর ভূমিকাও প্রশ্নের মুখে পড়েছে। পার্সটুডের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আর ইসরায়েলের অভিযানে জাতিসংঘ সনদের যে মৌলিক নীতিমালা, সেটা ভেঙে চুরমার হয়ে যাচ্ছে। তাঁর মতে, এখন এমন এক সময় এসেছে যখন বলপ্রয়োগ বন্ধের যে নিয়ম, সেটা কার্যত অর্থহীন হয়ে পড়েছে। শক্তিশালী দেশগুলো যা ইচ্ছে তাই করছে, কেউ তাদের থামাতে পারছে না। সাওল তাকাহাশি আরও বলেন, এই ভণ্ডামি আর দ্বিচারিতার কারণে পুরো আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা টিকে থাকাই কঠিন হয়ে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নীতি দিন দিন আইনি কাঠামোকে এতটাই দুর্বল করে ফেলছে যে আগামী দিনে বিশ্ব আরও অস্থির হয়ে উঠতে পারে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_12.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_12.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_12.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ভারতের বাধা উপেক্ষা করেই পাকিস্তানকে রাডার দিল আমেরিকা! চরম উত্তেজনা দক্ষিণ এশিয়ায়]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36752</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36752</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 03 May 2026 17:05:05 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[এশিয়া]]></category>
                        <category><![CDATA[US Pakistan radar deal, F-16 radar maintenance, India objection ignored, South Asia military balance, Northrop Grumman Pakistan, US India strategic tension, Operation Sindur airbase, Pakistan electronic warfare, regional escalation 2026, US arms sale Pakistan, India Pakistan arms race, US defense contractor, air combat capability, Washington Delhi relations, South Asia security threat]]></category>
        
        <description><![CDATA[ভারত সব সময় আপত্তি জানিয়েও কোনো লাভ হলো না। যুক্তরাষ্ট্র একেবারে উপেক্ষা করে দিল ভারতকে। আমেরিকা পাকিস্তানের এফ-১৬ যুদ্ধবিমানের জন্য ৪৮ কোটি ৮০ লাখ ডলারের রাডার রক্ষণাবেক্ষণ চুক্তি চূড়ান্ত করে ফেলেছে। নাম দেখে বুঝবেন না যে এটা শুধু রক্ষণাবেক্ষণ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই আধুনিক রাডার প্রযুক্তি পাকিস্তানের আকাশ শক্তিকে আরও ধারালো করে দেবে। নর্থরপ গ্রুম্যান নামের একটি বড় কোম্পানি এই কাজ করছে। আর এতে দক্ষিণ এশিয়ার সামরিক ভারসাম্যে চাপ বাড়ছে। ভারত বারবার আপত্তি জানিয়েও কাজ হয়নি। এখন এই সিদ্ধান্তে দিল্লি আর ওয়াশিংটনের কৌশলগত সম্পর্কেও অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। পেন্টাগন জানিয়েছে, এটা একটি বড় ইঞ্জিনিয়ারিং সহায়তা কাঠামোর আওতায় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ২০২৬ সালের এপ্রিলে এই ঘোষণা এসেছে। আর তার আগের বছর ২০২৫ সালের মে মাসে ভারতে ‘অপারেশন সিন্দুর’ বিমান ঘাঁটিতে হামলা হয়েছিল। এই চুক্তি তার কয়েক মাস পর এলো। এখন বিশ্লেষকরা বলছেন, এই রাডার পাকিস্তানের পরিস্থিতি বোঝার ক্ষমতা ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধ সক্ষমতা অনেক বাড়িয়ে দেবে। ফলে আঞ্চলিক উত্তেজনা আগের চেয়ে আরও বাড়বে। অবশ্য একজন মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা দাবি করেছেন, এটা কোনো নতুন আক্রমণাত্মক ক্ষমতা নয়, বরং পুরনো কার্যকারিতা ধরে রাখার উদ্যোগ মাত্র। কিন্তু ভারত তাদের মূল্যায়নে বলছে, এই ধরনের আধুনিকায়ন পুরো নেটওয়ার্ক-কেন্দ্রিক যুদ্ধের সক্ষমতাই বদলে দিতে পারে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_11.webp" alt="ভারতের বাধা উপেক্ষা করেই পাকিস্তানকে রাডার দিল আমেরিকা! চরম উত্তেজনা দক্ষিণ এশিয়ায়" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ভারতের বাধা উপেক্ষা করেই পাকিস্তানকে রাডার দিল আমেরিকা! চরম উত্তেজনা দক্ষিণ এশিয়ায়</h1>
            <p>ভারত সব সময় আপত্তি জানিয়েও কোনো লাভ হলো না। যুক্তরাষ্ট্র একেবারে উপেক্ষা করে দিল ভারতকে। আমেরিকা পাকিস্তানের এফ-১৬ যুদ্ধবিমানের জন্য ৪৮ কোটি ৮০ লাখ ডলারের রাডার রক্ষণাবেক্ষণ চুক্তি চূড়ান্ত করে ফেলেছে। নাম দেখে বুঝবেন না যে এটা শুধু রক্ষণাবেক্ষণ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই আধুনিক রাডার প্রযুক্তি পাকিস্তানের আকাশ শক্তিকে আরও ধারালো করে দেবে। নর্থরপ গ্রুম্যান নামের একটি বড় কোম্পানি এই কাজ করছে। আর এতে দক্ষিণ এশিয়ার সামরিক ভারসাম্যে চাপ বাড়ছে। ভারত বারবার আপত্তি জানিয়েও কাজ হয়নি। এখন এই সিদ্ধান্তে দিল্লি আর ওয়াশিংটনের কৌশলগত সম্পর্কেও অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। পেন্টাগন জানিয়েছে, এটা একটি বড় ইঞ্জিনিয়ারিং সহায়তা কাঠামোর আওতায় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ২০২৬ সালের এপ্রিলে এই ঘোষণা এসেছে। আর তার আগের বছর ২০২৫ সালের মে মাসে ভারতে ‘অপারেশন সিন্দুর’ বিমান ঘাঁটিতে হামলা হয়েছিল। এই চুক্তি তার কয়েক মাস পর এলো। এখন বিশ্লেষকরা বলছেন, এই রাডার পাকিস্তানের পরিস্থিতি বোঝার ক্ষমতা ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধ সক্ষমতা অনেক বাড়িয়ে দেবে। ফলে আঞ্চলিক উত্তেজনা আগের চেয়ে আরও বাড়বে। অবশ্য একজন মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা দাবি করেছেন, এটা কোনো নতুন আক্রমণাত্মক ক্ষমতা নয়, বরং পুরনো কার্যকারিতা ধরে রাখার উদ্যোগ মাত্র। কিন্তু ভারত তাদের মূল্যায়নে বলছে, এই ধরনের আধুনিকায়ন পুরো নেটওয়ার্ক-কেন্দ্রিক যুদ্ধের সক্ষমতাই বদলে দিতে পারে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_11.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_11.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_11.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ট্রেন থেকে ইমামকে ধাক্কা মেরে ফেলল যাত্রীরা? অডিও ক্লিপ এল বেরিয়ে!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36751</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36751</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 03 May 2026 17:05:01 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[এশিয়া]]></category>
                        <category><![CDATA[UP train incident, Imam pushed from train, Maulana Tausif Reza, Bareilly news, train murder case India, audio clip reveals attack, Bihar resident killed, train harassment India, Indian Express report, religious leader murdered, train violence Uttar Pradesh, police investigation ongoing, family alleges murder, Indian railway crime, outrage over killing]]></category>
        
        <description><![CDATA[উত্তরপ্রদেশের বেরিল্লিতে ঘটে গেল এক মর্মান্তিক ঘটনা। সেখানে এক মসজিদের ইমামকে ট্রেন থেকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খবরটি ছড়িয়ে পড়তেই চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে সব জায়গায়। নিহত ব্যক্তির নাম মাওলানা তৌসিফ রেজা। তিনি বিহারের বাসিন্দা ছিলেন। ঘটনাটি ঘটে গত ২৭ এপ্রিল। শুরুতে পুলিশের ধারণা ছিল, হয়তো তিনি নিজে থেকে পড়ে গিয়ে মারা গেছেন। তবে সম্প্রতি একটি অডিও ক্লিপ সামনে আসার পর পুরো কাহিনিই ঘুরে দাঁড়িয়েছে। ওই অডিওতে পরিষ্কার শোনা যাচ্ছে, তাকে ট্রেনের ভেতরেই নির্যাতন করা হয়। তারপরেই ধাক্কা দিয়ে বাইরে ফেলে দেওয়া হয়। এই অডিও ক্লিপ সামনে এনেছে ইমামের পরিবার। এটি ফোনে করা কথোপকথনের রেকর্ডিং। সেখানে মাওলানা তৌসিফ রেজা নিজেই বলছেন, ট্রেনে কয়েকজন তাকে হেনস্তা করছে। ঘটনার পর ইমামের চাচা ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে জানিয়েছেন, তাদের ধারণা তাকে প্রথমে ট্রেনের ভেতর বেধড়ক নির্যাতন করা হয়। এরপরই তাকে ধাক্কা মেরে ট্রেন থেকে ফেলে দেওয়া হয়। পুরো ঘটনাটি তদন্ত করছে পুলিশ। তবে এই ঘটনায় ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দিয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_10.webp" alt="ট্রেন থেকে ইমামকে ধাক্কা মেরে ফেলল যাত্রীরা? অডিও ক্লিপ এল বেরিয়ে!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ট্রেন থেকে ইমামকে ধাক্কা মেরে ফেলল যাত্রীরা? অডিও ক্লিপ এল বেরিয়ে!</h1>
            <p>উত্তরপ্রদেশের বেরিল্লিতে ঘটে গেল এক মর্মান্তিক ঘটনা। সেখানে এক মসজিদের ইমামকে ট্রেন থেকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খবরটি ছড়িয়ে পড়তেই চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে সব জায়গায়। নিহত ব্যক্তির নাম মাওলানা তৌসিফ রেজা। তিনি বিহারের বাসিন্দা ছিলেন। ঘটনাটি ঘটে গত ২৭ এপ্রিল। শুরুতে পুলিশের ধারণা ছিল, হয়তো তিনি নিজে থেকে পড়ে গিয়ে মারা গেছেন। তবে সম্প্রতি একটি অডিও ক্লিপ সামনে আসার পর পুরো কাহিনিই ঘুরে দাঁড়িয়েছে। ওই অডিওতে পরিষ্কার শোনা যাচ্ছে, তাকে ট্রেনের ভেতরেই নির্যাতন করা হয়। তারপরেই ধাক্কা দিয়ে বাইরে ফেলে দেওয়া হয়। এই অডিও ক্লিপ সামনে এনেছে ইমামের পরিবার। এটি ফোনে করা কথোপকথনের রেকর্ডিং। সেখানে মাওলানা তৌসিফ রেজা নিজেই বলছেন, ট্রেনে কয়েকজন তাকে হেনস্তা করছে। ঘটনার পর ইমামের চাচা ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে জানিয়েছেন, তাদের ধারণা তাকে প্রথমে ট্রেনের ভেতর বেধড়ক নির্যাতন করা হয়। এরপরই তাকে ধাক্কা মেরে ট্রেন থেকে ফেলে দেওয়া হয়। পুরো ঘটনাটি তদন্ত করছে পুলিশ। তবে এই ঘটনায় ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দিয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_10.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_10.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_10.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[যুদ্ধ এলো বুঝি! ইরানের কঠোর বার্তায় কাঁপল আমেরিকা-ইসরায়েল!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36750</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36750</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 03 May 2026 17:05:13 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Iran military warning, US Israel new war, Middle East tension 2026, Mohammad Jafar Asadi, Al Jazeera Iran news, Fars news agency, Trump Iran deal reaction, Iran defense readiness, oil price war fear, Iran aggressive response, US Iran nuclear tension, Israel Iran conflict, regional balance of power, Iran peace stance, global concern Iran war]]></category>
        
        <description><![CDATA[আবারও যুদ্ধ শুরু হতে পারে! বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে এমনই ইঙ্গিত দিল ইরান। তাদের সশস্ত্র বাহিনী জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র আর ইসরায়েলের সঙ্গেই নতুন করে সংঘাত বাঁধার আশঙ্কা বেড়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরায় এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। ইরানের সামরিক সদর দপ্তরের উপপ্রধান মোহাম্মদ জাফর আসাদি দেশটির ফার্স বার্তা সংস্থাকে যা বলেছেন, তা শুনলে অবাক হতে হবে। তিনি বলছেন, মার্কিন কর্মকর্তারা যা বলছেন আর করছেন, তা আসলে গণমাধ্যমনির্ভর খেলামাত্র। তাঁদের কথায় বাস্তব পরিস্থিতিকে বিকৃত করে দেখানো হচ্ছে। কিন্তু কেন এই সব বক্তব্য? আসাদির ভাষ্য, এসবের আসল উদ্দেশ্য হলো তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং বাড়তি সংকট থেকে নিজেদের বের করে আনা। শুধু যে ইঙ্গিত দিয়েছেন, তা নয়। আসাদি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, কেউ যদি কোনো দুঃসাহসিক পদক্ষেপ নেয় বা উসকানি দেয়, তাহলে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী কঠিন জবাব দিতে পুরোপুরি প্রস্তুত। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তি না হলেও যুক্তরাষ্ট্র ভালো অবস্থানেই আছে। তবে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, আলোচনায় এখন অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে এবং ইরানের সর্বশেষ প্রস্তাবে তিনি সন্তুষ্ট নন। এখন বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যেভাবে চাপ বাড়াচ্ছে, তাতে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা দ্রুত বাড়ছে। তবে ইরানও পিছিয়ে নেই। তারা নিজেদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদার করে যাচ্ছে এবং ন্যায্য অবস্থানে অনড় রয়েছে। ইরান শান্তি চাইলেও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, কোনো আগ্রাসনের মুখে তারা দাঁড়িয়ে থাকবে না। আর এই দৃঢ় অবস্থানই পুরো অঞ্চলের শক্তির ভারসাম্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মত বিশেষজ্ঞদের।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_9.webp" alt="যুদ্ধ এলো বুঝি! ইরানের কঠোর বার্তায় কাঁপল আমেরিকা-ইসরায়েল!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>যুদ্ধ এলো বুঝি! ইরানের কঠোর বার্তায় কাঁপল আমেরিকা-ইসরায়েল!</h1>
            <p>আবারও যুদ্ধ শুরু হতে পারে! বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে এমনই ইঙ্গিত দিল ইরান। তাদের সশস্ত্র বাহিনী জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র আর ইসরায়েলের সঙ্গেই নতুন করে সংঘাত বাঁধার আশঙ্কা বেড়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরায় এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। ইরানের সামরিক সদর দপ্তরের উপপ্রধান মোহাম্মদ জাফর আসাদি দেশটির ফার্স বার্তা সংস্থাকে যা বলেছেন, তা শুনলে অবাক হতে হবে। তিনি বলছেন, মার্কিন কর্মকর্তারা যা বলছেন আর করছেন, তা আসলে গণমাধ্যমনির্ভর খেলামাত্র। তাঁদের কথায় বাস্তব পরিস্থিতিকে বিকৃত করে দেখানো হচ্ছে। কিন্তু কেন এই সব বক্তব্য? আসাদির ভাষ্য, এসবের আসল উদ্দেশ্য হলো তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং বাড়তি সংকট থেকে নিজেদের বের করে আনা। শুধু যে ইঙ্গিত দিয়েছেন, তা নয়। আসাদি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, কেউ যদি কোনো দুঃসাহসিক পদক্ষেপ নেয় বা উসকানি দেয়, তাহলে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী কঠিন জবাব দিতে পুরোপুরি প্রস্তুত। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তি না হলেও যুক্তরাষ্ট্র ভালো অবস্থানেই আছে। তবে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, আলোচনায় এখন অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে এবং ইরানের সর্বশেষ প্রস্তাবে তিনি সন্তুষ্ট নন। এখন বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যেভাবে চাপ বাড়াচ্ছে, তাতে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা দ্রুত বাড়ছে। তবে ইরানও পিছিয়ে নেই। তারা নিজেদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদার করে যাচ্ছে এবং ন্যায্য অবস্থানে অনড় রয়েছে। ইরান শান্তি চাইলেও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, কোনো আগ্রাসনের মুখে তারা দাঁড়িয়ে থাকবে না। আর এই দৃঢ় অবস্থানই পুরো অঞ্চলের শক্তির ভারসাম্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মত বিশেষজ্ঞদের।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_9.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_9.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_9.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[বড় যুদ্ধ আসছে! ইরানের সেনাবাহিনীর ভয়ঙ্কর সতর্কতা আমেরিকা-ইসরায়েলকে]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36749</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36749</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 03 May 2026 17:05:22 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Iran US Israel war threat, Iran military warning, Mohammad Jafar Asadi statement, Al Jazeera Iran news, Fars news agency Iran, Trump Iran deal collapse, Middle East conflict escalation, Iran supreme leader military, US Iran oil price politics, Iran ready for war, Trump dissatisfied Iran proposal, Iran nuclear tension 2026, new war fear Middle East, Iran army preparedness, US Iran diplomatic deadlock]]></category>
        
        <description><![CDATA[আবারও বড় যুদ্ধ শুরু হতে পারে! এমনই হুঁশিয়ারি দিল ইরানের সশস্ত্র বাহিনী। তাদের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র আর ইসরায়েলের সঙ্গেই এবার নতুন করে সংঘাত বাঁধতে চলেছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এই খবর দিয়েছে। ইরানের সামরিক সদর দপ্তরের উপপ্রধান মোহাম্মদ জাফর আসাদি দেশটির আধা-সরকারি সংবাদ মাধ্যম ফার্সকে যা বলেছেন, সেটা শুনলে চমকে যেতে হবে। তিনি বলেছেন, মার্কিন কর্মকর্তারা যা বলছেন আর করছেন, তা আসলেই গণমাধ্যমভিত্তিক খেল মাত্র। তাদের আসল উদ্দেশ্য কী? তেলের দাম কমে যাওয়া ঠেকানো, আর নিজেরাই তৈরি করা সংকট থেকে সাধারণ মানুষের দৃষ্টি সরানো। তবে শুধু কথা বলে থামছেন না আসাদি। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী যেকোনো নতুন দুঃসাহসিকতার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। আর যদি কেউ ভুল পদক্ষেপ নেয়, তাহলে তাদের কঠিন জবাব দেওয়া হবে। এই হুঁশিয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তি ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র ভালো থাকতে পারে। তাঁর কথায়, আলোচনায় আবারও অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে, আর এই অবস্থা আর বেশি দিন চলবে না। এমনকি তিনি বলেছেন, চুক্তি না করাই হয়তো ভালো, কারণ বর্তমান পরিস্থিতি আর টানাটানি করা সম্ভব নয়। এর আগে ট্রাম্প সিএনএনকে জানিয়েছিলেন, সংঘাত নিরসনে ইরান যে সর্বশেষ প্রস্তাব দিয়েছে, তাতে তিনি সন্তুষ্ট নন। এখন বিশ্লেষকরা বলছেন, দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি বক্তব্য মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। আর এতে পুরো অঞ্চল চরম অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে যাচ্ছে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_8.webp" alt="বড় যুদ্ধ আসছে! ইরানের সেনাবাহিনীর ভয়ঙ্কর সতর্কতা আমেরিকা-ইসরায়েলকে" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>বড় যুদ্ধ আসছে! ইরানের সেনাবাহিনীর ভয়ঙ্কর সতর্কতা আমেরিকা-ইসরায়েলকে</h1>
            <p>আবারও বড় যুদ্ধ শুরু হতে পারে! এমনই হুঁশিয়ারি দিল ইরানের সশস্ত্র বাহিনী। তাদের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র আর ইসরায়েলের সঙ্গেই এবার নতুন করে সংঘাত বাঁধতে চলেছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এই খবর দিয়েছে। ইরানের সামরিক সদর দপ্তরের উপপ্রধান মোহাম্মদ জাফর আসাদি দেশটির আধা-সরকারি সংবাদ মাধ্যম ফার্সকে যা বলেছেন, সেটা শুনলে চমকে যেতে হবে। তিনি বলেছেন, মার্কিন কর্মকর্তারা যা বলছেন আর করছেন, তা আসলেই গণমাধ্যমভিত্তিক খেল মাত্র। তাদের আসল উদ্দেশ্য কী? তেলের দাম কমে যাওয়া ঠেকানো, আর নিজেরাই তৈরি করা সংকট থেকে সাধারণ মানুষের দৃষ্টি সরানো। তবে শুধু কথা বলে থামছেন না আসাদি। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী যেকোনো নতুন দুঃসাহসিকতার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। আর যদি কেউ ভুল পদক্ষেপ নেয়, তাহলে তাদের কঠিন জবাব দেওয়া হবে। এই হুঁশিয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তি ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র ভালো থাকতে পারে। তাঁর কথায়, আলোচনায় আবারও অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে, আর এই অবস্থা আর বেশি দিন চলবে না। এমনকি তিনি বলেছেন, চুক্তি না করাই হয়তো ভালো, কারণ বর্তমান পরিস্থিতি আর টানাটানি করা সম্ভব নয়। এর আগে ট্রাম্প সিএনএনকে জানিয়েছিলেন, সংঘাত নিরসনে ইরান যে সর্বশেষ প্রস্তাব দিয়েছে, তাতে তিনি সন্তুষ্ট নন। এখন বিশ্লেষকরা বলছেন, দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি বক্তব্য মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। আর এতে পুরো অঞ্চল চরম অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে যাচ্ছে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_8.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_8.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_8.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[যুদ্ধ শেষ বলে দাবি ট্রাম্পের, অথচ সেনা সরায়নি আমেরিকা! কী চাইছে হোয়াইট হাউস?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36748</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36748</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 03 May 2026 17:05:52 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[যুক্তরাজ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Trump Iran war ended claim, US military Middle East presence, Congress war powers resolution, Trump Congress letter Iran, Iran US tension escalates, war powers act 1973, Pete Hegseth Iran hearing, Democrats accuse Trump violation, US Navy Iran blockade, Middle East uncertainty grows, ceasefire or war continuation, constitutional crisis US, Iran sanctions pressure, Republican divide on Iran, US military deployment Iran]]></category>
        
        <description><![CDATA[মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হঠাৎ করেই বড় ঘোষণা করে বসলেন। তিনি বলছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ! শুক্রবার কংগ্রেসকে পাঠানো এক চিঠিতে তিনি দাবি করেন, ২৮ ফেব্রুয়ারি যে সামরিক সংঘাত শুরু হয়েছিল, তা এখন আর নেই। কিন্তু বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ঘোষণা আসলে কৌশলের ফাঁদ। ওয়াশিংটন যেখানে ইরানের ওপর চাপ বাড়িয়েই যাচ্ছে, সেখানে যুদ্ধ শেষের কথা বলে আসলে কংগ্রেসের সময়সীমা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে তারা। প্রশ্ন হচ্ছে, কেন এই কৌশল? আসলে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার জন্য কংগ্রেস ১ মে তারিখ বেঁধে দিয়েছিল। আর হোয়াইট হাউস সেই আইনি সময়সীমা এড়াতেই এই পথ বেছে নিয়েছে। তবে মজার ব্যাপার হলো, মধ্যপ্রাচ্যে এখনো বিপুল সংখ্যক মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে। আর ইরানকে বড় হুমকি হিসেবেই দেখানো হচ্ছে। ১৯৭৩ সালের ওয়ার পাওয়ারস রেজুলেশন অনুযায়ী, ৬০ দিনের মধ্যে কংগ্রেসের অনুমোদন নেওয়া বাধ্যতামূলক। কিন্তু ট্রাম্প প্রশাসন বলছে, যুদ্ধবিরতি হয়ে যাওয়ায় এই হিসাব আর খাটে না। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী পিট হেগসেথও একই কথা বলেছেন। অবশ্য ডেমোক্র্যাটরা এতে চটেছেন। তাদের অভিযোগ, আইন ভঙ্গ করা হচ্ছে। সিনেটররা বলছেন, বোমাবর্ষণ কমলেও নৌবাহিনীর উপস্থিতি ও অবরোধ তো এখনো আছে, তাহলে যুদ্ধ শেষ হলো কী করে? এমনকি রিপাবলিকান শিবিরেও দেখা দিয়েছে বিভাজন। বিশ্লেষকদের মতে, এই পুরো ঘটনা ওয়াশিংটন আর কংগ্রেসের মধ্যে নতুন সাংবিধানিক সংঘাত তৈরি করছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। এখন প্রশ্ন জাগছে, ট্রাম্প প্রশাসন শান্তির নামে কেন ইরানের ওপর চাপ ও সেনা মোতায়েন ধরে রাখল? কারণ শান্তির ঘোষণা বাস্তবে কিছুই বদলায়নি। বরং মধ্যপ্রাচ্যে অনিশ্চয়তা আরও গভীর হয়েছে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_7.webp" alt="যুদ্ধ শেষ বলে দাবি ট্রাম্পের, অথচ সেনা সরায়নি আমেরিকা! কী চাইছে হোয়াইট হাউস?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>যুদ্ধ শেষ বলে দাবি ট্রাম্পের, অথচ সেনা সরায়নি আমেরিকা! কী চাইছে হোয়াইট হাউস?</h1>
            <p>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হঠাৎ করেই বড় ঘোষণা করে বসলেন। তিনি বলছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ! শুক্রবার কংগ্রেসকে পাঠানো এক চিঠিতে তিনি দাবি করেন, ২৮ ফেব্রুয়ারি যে সামরিক সংঘাত শুরু হয়েছিল, তা এখন আর নেই। কিন্তু বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ঘোষণা আসলে কৌশলের ফাঁদ। ওয়াশিংটন যেখানে ইরানের ওপর চাপ বাড়িয়েই যাচ্ছে, সেখানে যুদ্ধ শেষের কথা বলে আসলে কংগ্রেসের সময়সীমা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে তারা। প্রশ্ন হচ্ছে, কেন এই কৌশল? আসলে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার জন্য কংগ্রেস ১ মে তারিখ বেঁধে দিয়েছিল। আর হোয়াইট হাউস সেই আইনি সময়সীমা এড়াতেই এই পথ বেছে নিয়েছে। তবে মজার ব্যাপার হলো, মধ্যপ্রাচ্যে এখনো বিপুল সংখ্যক মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে। আর ইরানকে বড় হুমকি হিসেবেই দেখানো হচ্ছে। ১৯৭৩ সালের ওয়ার পাওয়ারস রেজুলেশন অনুযায়ী, ৬০ দিনের মধ্যে কংগ্রেসের অনুমোদন নেওয়া বাধ্যতামূলক। কিন্তু ট্রাম্প প্রশাসন বলছে, যুদ্ধবিরতি হয়ে যাওয়ায় এই হিসাব আর খাটে না। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী পিট হেগসেথও একই কথা বলেছেন। অবশ্য ডেমোক্র্যাটরা এতে চটেছেন। তাদের অভিযোগ, আইন ভঙ্গ করা হচ্ছে। সিনেটররা বলছেন, বোমাবর্ষণ কমলেও নৌবাহিনীর উপস্থিতি ও অবরোধ তো এখনো আছে, তাহলে যুদ্ধ শেষ হলো কী করে? এমনকি রিপাবলিকান শিবিরেও দেখা দিয়েছে বিভাজন। বিশ্লেষকদের মতে, এই পুরো ঘটনা ওয়াশিংটন আর কংগ্রেসের মধ্যে নতুন সাংবিধানিক সংঘাত তৈরি করছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। এখন প্রশ্ন জাগছে, ট্রাম্প প্রশাসন শান্তির নামে কেন ইরানের ওপর চাপ ও সেনা মোতায়েন ধরে রাখল? কারণ শান্তির ঘোষণা বাস্তবে কিছুই বদলায়নি। বরং মধ্যপ্রাচ্যে অনিশ্চয়তা আরও গভীর হয়েছে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_7.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_7.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_7.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ভোটের আগেই বিস্ফোরক! পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে কী বললেন ওমর আবদুল্লাহ?]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36747</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36747</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 03 May 2026 17:05:01 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[এশিয়া]]></category>
                        <category><![CDATA[Omar Abdullah election allegations, West Bengal vote rigging fear, EVM controversy India, voter list manipulation charge, Election Commission bias claim, Omar Abdullah press meet, West Bengal assembly election 2026, democracy threat India, Kerala Tamil Nadu Assam election, challenge to fair vote, Omar Abdullah statement, electoral process transparency, political controversy India, opposition on election commission, vote fraud suspicion Bengal]]></category>
        
        <description><![CDATA[চার রাজ্যের ভোটের ফল বেরোতে না বেরোতেই চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করে দিলেন জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ। তিনি সরাসরি ভোট কারচুপির আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। আর বিশেষ করে তাঁর চোখে পড়েছে পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচন। শুক্রবার এক অনুষ্ঠানে তিনি কী বললেন? শুধু ইভিএম নিয়ে নয়, এবার কিন্তু তাঁর দাবি, নির্বাচন কমিশন আর ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ার মাধ্যমেও অনিয়ম হচ্ছে। তাঁর কথায়, এই নতুন পদ্ধতিই এখন সবচেয়ে বড় মাথাব্যথা। ওমর আবদুল্লাহর অভিযোগ, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দিয়ে ফল প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে। তিনি সাফ সতর্ক করে দিয়েছেন, এই ধরনের প্রক্রিয়া যদি ফলাফল বদলে দেয়, তাহলে সেটা গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক হবে। আর পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন নিয়ে তিনি বিশেষভাবে ‘চ্যালেঞ্জিং’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন। তাঁর দাবি, সেখানে নানা স্তরে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। যা পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়েই প্রশ্ন তুলছে। প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও তামিলনাড়ু, কেরালা ও আসাম – এই চার রাজ্যের ফলাফল মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে ঘোষণা হবে। আর তার আগেই ভোট প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্ক চরমে পৌঁছেছে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_6.webp" alt="ভোটের আগেই বিস্ফোরক! পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে কী বললেন ওমর আবদুল্লাহ?" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ভোটের আগেই বিস্ফোরক! পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে কী বললেন ওমর আবদুল্লাহ?</h1>
            <p>চার রাজ্যের ভোটের ফল বেরোতে না বেরোতেই চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করে দিলেন জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ। তিনি সরাসরি ভোট কারচুপির আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। আর বিশেষ করে তাঁর চোখে পড়েছে পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচন। শুক্রবার এক অনুষ্ঠানে তিনি কী বললেন? শুধু ইভিএম নিয়ে নয়, এবার কিন্তু তাঁর দাবি, নির্বাচন কমিশন আর ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ার মাধ্যমেও অনিয়ম হচ্ছে। তাঁর কথায়, এই নতুন পদ্ধতিই এখন সবচেয়ে বড় মাথাব্যথা। ওমর আবদুল্লাহর অভিযোগ, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দিয়ে ফল প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে। তিনি সাফ সতর্ক করে দিয়েছেন, এই ধরনের প্রক্রিয়া যদি ফলাফল বদলে দেয়, তাহলে সেটা গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক হবে। আর পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন নিয়ে তিনি বিশেষভাবে ‘চ্যালেঞ্জিং’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন। তাঁর দাবি, সেখানে নানা স্তরে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। যা পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়েই প্রশ্ন তুলছে। প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও তামিলনাড়ু, কেরালা ও আসাম – এই চার রাজ্যের ফলাফল মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে ঘোষণা হবে। আর তার আগেই ভোট প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্ক চরমে পৌঁছেছে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_6.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_6.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_6.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[চীনের ডুবোজাহাজে সাগরে ত্রাস! পাকিস্তানের নৌবাহিনী এবার মোড় ঘুরালো!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36746</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36746</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 03 May 2026 17:05:15 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[এশিয়া]]></category>
                        <category><![CDATA[Pakistan navy Chinese submarine, Hangor class submarine Pakistan, Pakistan naval modernization, China Pakistan defense cooperation, J-10C fighter jet Pakistan, Pakistan India naval balance, submarine technology transfer China, Pakistan naval power Indian Ocean, eight submarines Pakistan China, Pakistan defense export capability, maritime security Pakistan, Chinese submarine induction ceremony, Sanya China submarine base, Pakistan naval chief statement, anti aggression naval capability]]></category>
        
        <description><![CDATA[পাকিস্তানের নৌবাহিনীতে যোগ দিচ্ছে চীনের তৈরি অত্যাধুনিক ডুবোজাহাজ। আর তাতেই সমুদ্রে এক নতুন শক্তি অর্জন করতে যাচ্ছে ইসলামাবাদ। বেইজিংয়ের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার অংশ হিসেবে এই বড় পদক্ষেপ নেওয়া হলো পাকিস্তানের সামুদ্রিক নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে। সামরিক সূত্র বলছে, এই সাবমেরিনগুলো পাকিস্তানের নৌ সক্ষমতায় নতুন মাত্রা যোগ করবে। এগুলো চীনের তৈরি জে-১০সি যুদ্ধবিমানের মতোই আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর। ফলে আকাশ ও সমুদ্র– দুই ক্ষেত্রেই তৈরি হবে সমন্বিত শক্তি। আরও জানা গেছে, পাকিস্তান-ভারত সংঘাতের পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে সামরিক সহযোগিতা অনেক গভীর হয়েছে। ওই সময় চীনের প্রযুক্তির যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে পাকিস্তান ইতিবাচক অভিজ্ঞতার কথাই জানিয়েছিল। আর এবার সেই পথেই নতুন অধ্যায়। চীনের সানিয়া শহরে ‘হ্যাঙ্গর’ সিরিজের প্রথম ডুবোজাহাজটি আনুষ্ঠানিকভাবে নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্তির জন্য আয়োজন করা হয় এক বড় অনুষ্ঠানের। সেখানে পাকিস্তানের শীর্ষ সামরিক ও রাষ্ট্রীয় প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সরকারি এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মোট আটটি ডুবোজাহাজ পেতে যাচ্ছে পাকিস্তান। তার মধ্যে চারটি সরাসরি চীনে তৈরি হয়ে আসবে। আর বাকি চারটি তৈরি হবে পাকিস্তানের নিজস্ব মাটিতেই। কারণ চীন পুরো প্রযুক্তি হস্তান্তর করছে। এই উদ্যোগকে পাকিস্তানের জন্য বড় অগ্রগতি বলেই দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। ভবিষ্যতে দেশটি শুধু এসব ডুবোজাহাজ ব্যবহার করবে না, বরং প্রযুক্তি রপ্তানির ক্ষমতাও অর্জন করতে পারে বলেই আশা প্রকাশ করেছেন অনেকে। নৌবাহিনীর প্রধান এই উদ্যোগকে দেশের সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়নে এক মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করে বলেছেন, এই ডুবোজাহাজগুলো সমুদ্র অঞ্চলে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং যেকোনো আক্রমণ প্রতিরোধে দারুণ ভূমিকা রাখবে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_5.webp" alt="চীনের ডুবোজাহাজে সাগরে ত্রাস! পাকিস্তানের নৌবাহিনী এবার মোড় ঘুরালো!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>চীনের ডুবোজাহাজে সাগরে ত্রাস! পাকিস্তানের নৌবাহিনী এবার মোড় ঘুরালো!</h1>
            <p>পাকিস্তানের নৌবাহিনীতে যোগ দিচ্ছে চীনের তৈরি অত্যাধুনিক ডুবোজাহাজ। আর তাতেই সমুদ্রে এক নতুন শক্তি অর্জন করতে যাচ্ছে ইসলামাবাদ। বেইজিংয়ের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার অংশ হিসেবে এই বড় পদক্ষেপ নেওয়া হলো পাকিস্তানের সামুদ্রিক নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে। সামরিক সূত্র বলছে, এই সাবমেরিনগুলো পাকিস্তানের নৌ সক্ষমতায় নতুন মাত্রা যোগ করবে। এগুলো চীনের তৈরি জে-১০সি যুদ্ধবিমানের মতোই আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর। ফলে আকাশ ও সমুদ্র– দুই ক্ষেত্রেই তৈরি হবে সমন্বিত শক্তি। আরও জানা গেছে, পাকিস্তান-ভারত সংঘাতের পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে সামরিক সহযোগিতা অনেক গভীর হয়েছে। ওই সময় চীনের প্রযুক্তির যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে পাকিস্তান ইতিবাচক অভিজ্ঞতার কথাই জানিয়েছিল। আর এবার সেই পথেই নতুন অধ্যায়। চীনের সানিয়া শহরে ‘হ্যাঙ্গর’ সিরিজের প্রথম ডুবোজাহাজটি আনুষ্ঠানিকভাবে নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্তির জন্য আয়োজন করা হয় এক বড় অনুষ্ঠানের। সেখানে পাকিস্তানের শীর্ষ সামরিক ও রাষ্ট্রীয় প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সরকারি এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মোট আটটি ডুবোজাহাজ পেতে যাচ্ছে পাকিস্তান। তার মধ্যে চারটি সরাসরি চীনে তৈরি হয়ে আসবে। আর বাকি চারটি তৈরি হবে পাকিস্তানের নিজস্ব মাটিতেই। কারণ চীন পুরো প্রযুক্তি হস্তান্তর করছে। এই উদ্যোগকে পাকিস্তানের জন্য বড় অগ্রগতি বলেই দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। ভবিষ্যতে দেশটি শুধু এসব ডুবোজাহাজ ব্যবহার করবে না, বরং প্রযুক্তি রপ্তানির ক্ষমতাও অর্জন করতে পারে বলেই আশা প্রকাশ করেছেন অনেকে। নৌবাহিনীর প্রধান এই উদ্যোগকে দেশের সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়নে এক মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করে বলেছেন, এই ডুবোজাহাজগুলো সমুদ্র অঞ্চলে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং যেকোনো আক্রমণ প্রতিরোধে দারুণ ভূমিকা রাখবে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_5.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_5.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_5.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[সাগরে ডাকাতি! ইয়েমেনের তেলের ট্যাংকার নিয়ে সোমালিয়ার দিকে জলদস্যুরা!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36745</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36745</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 03 May 2026 17:05:55 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Yemen oil tanker hijack, armed group Somali coast, Eureka tanker news, Yemen coastguard operation, Somali pirates attack, Sabwa province Yemen, tanker hijacking Red Sea, international maritime security, crew safety rescue mission, oil tanker under control, Somali waters hijack, Yemen government statement, Houthi rebels unrelated, Gulf of Aden piracy, tanker recovery update]]></category>
        
        <description><![CDATA[সাগরে আবার জলদস্যুতার ঘটনা ঘটল। ইয়েমেনের উপকূল থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক সশস্ত্র দল একটি তেলের ট্যাংকার তুলে নিয়েছে। খবর পাওয়া গেছে, ট্যাংকারটি এখন সোমালিয়ার দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার। ইয়েমেনের কোস্টগার্ড ইতিমধ্যে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। কোস্টগার্ড জানিয়েছে, সাবওয়া প্রদেশের উপকূল থেকে 'ইউরেকা' নামের এই ট্যাংকারটি দখল করা হয়। কীভাবে? প্রথমে সশস্ত্র লোকজন জাহাজে চড়ে বসে এবং দ্রুত পুরো জাহাজের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয়। তারপর তারা জাহাজটির দিক বদলে দেয় সোমালিয়ার দিকে। কোস্টগার্ড আরও পরিষ্কার করে দিয়েছে, তারা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের অধীনেই কাজ করছে। আর হুতি বিদ্রোহীদের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই। এই ঘটনার তদন্ত ইতিমধ্যেই শুরু করে দিয়েছেন তারা। এক বিবৃতিতে কোস্টগার্ড জানিয়েছে, ট্যাংকারটির অবস্থান তারা শনাক্ত করতে পেরেছেন। এবং সেটির ওপর নজরদারি চলছে ২৪ ঘণ্টা। জাহাজটির ক্রুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং জাহাজটিকে উদ্ধারে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_4.webp" alt="সাগরে ডাকাতি! ইয়েমেনের তেলের ট্যাংকার নিয়ে সোমালিয়ার দিকে জলদস্যুরা!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>সাগরে ডাকাতি! ইয়েমেনের তেলের ট্যাংকার নিয়ে সোমালিয়ার দিকে জলদস্যুরা!</h1>
            <p>সাগরে আবার জলদস্যুতার ঘটনা ঘটল। ইয়েমেনের উপকূল থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক সশস্ত্র দল একটি তেলের ট্যাংকার তুলে নিয়েছে। খবর পাওয়া গেছে, ট্যাংকারটি এখন সোমালিয়ার দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার। ইয়েমেনের কোস্টগার্ড ইতিমধ্যে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। কোস্টগার্ড জানিয়েছে, সাবওয়া প্রদেশের উপকূল থেকে 'ইউরেকা' নামের এই ট্যাংকারটি দখল করা হয়। কীভাবে? প্রথমে সশস্ত্র লোকজন জাহাজে চড়ে বসে এবং দ্রুত পুরো জাহাজের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয়। তারপর তারা জাহাজটির দিক বদলে দেয় সোমালিয়ার দিকে। কোস্টগার্ড আরও পরিষ্কার করে দিয়েছে, তারা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের অধীনেই কাজ করছে। আর হুতি বিদ্রোহীদের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই। এই ঘটনার তদন্ত ইতিমধ্যেই শুরু করে দিয়েছেন তারা। এক বিবৃতিতে কোস্টগার্ড জানিয়েছে, ট্যাংকারটির অবস্থান তারা শনাক্ত করতে পেরেছেন। এবং সেটির ওপর নজরদারি চলছে ২৪ ঘণ্টা। জাহাজটির ক্রুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং জাহাজটিকে উদ্ধারে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_4.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_4.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_4.webp" />
    </item>
        
    <item>
        <title><![CDATA[ফাইবার অপটিক ড্রোনে ইসরায়েলের ঘুম উড়ল! হিজবুল্লাহর নতুন অস্ত্রে তেল আবিব কাঁপছে!]]></title>
        <link>https://nbs24.org/international/36744</link>
        <guid isPermaLink="true">https://nbs24.org/international/36744</guid>
        
        <!-- Just keep dc:creator -->
        <dc:creator><![CDATA[বিএইচ সিজান]]></dc:creator>
        
        <pubDate>Sun, 03 May 2026 17:05:12 +0600</pubDate>
        
        <category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
                <category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
                        <category><![CDATA[Fiber optic drone Israel, Hezbollah new tactic Lebanon, Israel Lebanon border clash, Tel Aviv tension drone attack, Hezbollah advanced weapons, Israeli army morale down, anti drone defense Israel, Lebanon war 2026, Hezbollah sniper attack, Israeli military analysis, Hezbollah smart bomb, drone warfare middle east, Israel national security crisis, Hezbollah vs Israel military balance, fiber optic technology in war]]></category>
        
        <description><![CDATA[লেবানন সীমান্তে যেন ইসরায়েলি বাহনীর জন্য বাজে সময় এসে গেছে। হিজবুল্লাহ তাদের নতুন ড্রোন আর চমকপ্রদ কৌশলে ইসরায়েলকে কার্যত কোণঠাসা করে ফেলেছে। আর সবচেয়ে বড় মাথাব্যথা বানিয়েছে ‘ফাইবার অপটিক’ প্রযুক্তির ড্রোনগুলো। ইসরায়েলের অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও যেন হিমসিম খাচ্ছে এই ড্রোনের সামনে। এখন তো ইসরায়েলি গণমাধ্যম আর নীতি নির্ধারকদের মধ্যেই শুরু হয়ে গেছে তীব্র চিন্তা আর বিতর্ক। ইসরায়েলের এক সংবাদমাধ্যমের বিশ্লেষণ বলছে, তাদের সেনাবাহিনী এখন দীর্ঘমেয়াদি এক ক্ষয়ক্ষতির যুদ্ধে আটকে পড়েছে। দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন গ্রামে যেসব ইসরায়েলি সেনা অবস্থান করছে, তারা নিয়মিত হয়ে উঠছে হিজবুল্লাহর স্নাইপার, শক্তিশালী বিস্ফোরক আর নিখুঁত নিশানায় ড্রোন হামলার শিকার। বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য, হিজবুল্লাহর এই আধুনিক ড্রোনগুলো শনাক্ত করাও যেন দুষ্কর। আর সেগুলো ঠেকানো তো আরও কঠিন। ফলে প্রতি দিনই ইসরায়েলি বাহিনীর হতাহতের খবর আসছে, যা সেনাদের মনোবলেও চরম প্রভাব ফেলছে। আর এই পরিস্থিতি নিয়ে ইসরায়েলের ভেতরে বিতর্ক চরমে পৌঁছেছে। অনেক বিশ্লেষকের আশঙ্কা, লেবাননের এই অভিযান যেন আবার ফিরিয়ে আনছে সেই পুরনো দিনের স্মৃতি, যখন দীর্ঘ দখলদারিত্বের কারণে ইসরায়েল বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছিল।  ]]></description>

        <content:encoded><![CDATA[
                            <p><img src="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_3.webp" alt="ফাইবার অপটিক ড্রোনে ইসরায়েলের ঘুম উড়ল! হিজবুল্লাহর নতুন অস্ত্রে তেল আবিব কাঁপছে!" width="1200" height="630" /></p>
                        <h1>ফাইবার অপটিক ড্রোনে ইসরায়েলের ঘুম উড়ল! হিজবুল্লাহর নতুন অস্ত্রে তেল আবিব কাঁপছে!</h1>
            <p>লেবানন সীমান্তে যেন ইসরায়েলি বাহনীর জন্য বাজে সময় এসে গেছে। হিজবুল্লাহ তাদের নতুন ড্রোন আর চমকপ্রদ কৌশলে ইসরায়েলকে কার্যত কোণঠাসা করে ফেলেছে। আর সবচেয়ে বড় মাথাব্যথা বানিয়েছে ‘ফাইবার অপটিক’ প্রযুক্তির ড্রোনগুলো। ইসরায়েলের অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও যেন হিমসিম খাচ্ছে এই ড্রোনের সামনে। এখন তো ইসরায়েলি গণমাধ্যম আর নীতি নির্ধারকদের মধ্যেই শুরু হয়ে গেছে তীব্র চিন্তা আর বিতর্ক। ইসরায়েলের এক সংবাদমাধ্যমের বিশ্লেষণ বলছে, তাদের সেনাবাহিনী এখন দীর্ঘমেয়াদি এক ক্ষয়ক্ষতির যুদ্ধে আটকে পড়েছে। দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন গ্রামে যেসব ইসরায়েলি সেনা অবস্থান করছে, তারা নিয়মিত হয়ে উঠছে হিজবুল্লাহর স্নাইপার, শক্তিশালী বিস্ফোরক আর নিখুঁত নিশানায় ড্রোন হামলার শিকার। বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য, হিজবুল্লাহর এই আধুনিক ড্রোনগুলো শনাক্ত করাও যেন দুষ্কর। আর সেগুলো ঠেকানো তো আরও কঠিন। ফলে প্রতি দিনই ইসরায়েলি বাহিনীর হতাহতের খবর আসছে, যা সেনাদের মনোবলেও চরম প্রভাব ফেলছে। আর এই পরিস্থিতি নিয়ে ইসরায়েলের ভেতরে বিতর্ক চরমে পৌঁছেছে। অনেক বিশ্লেষকের আশঙ্কা, লেবাননের এই অভিযান যেন আবার ফিরিয়ে আনছে সেই পুরনো দিনের স্মৃতি, যখন দীর্ঘ দখলদারিত্বের কারণে ইসরায়েল বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছিল।  </p>
        ]]></content:encoded>

        <enclosure url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_3.webp" length="0" type="image/jpeg" />
        <media:content url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_3.webp" medium="image" width="1200" height="630" />
        <media:thumbnail url="https://nbs24.org/upload/images/news/2026/05/nbs24-3-5-26_3.webp" />
    </item>
    </channel>
</rss>