শুভেন্দু বীরবাহাকে কী বলেছিলেন? নাম না করে তুলোধনা মমতার


অখিল গিরি (Akhil Giri) দেশের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর (President droupadi Murmu) রূপ নিয়ে যে কথা বলেছিলেন সোমবার সে ব্যাপারে প্রথমবার প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। স্পষ্ট করে বলেছেন, রাষ্ট্রপতিকে আমি সম্মান করি। অখিল অন্যায় করেছে। পার্টির পক্ষ থেকে আমি ক্ষমা চাইছি। কিন্তু বিজেপি যেভাবে আদিবাসী সেন্টিমেন্ট উস্কে দিতে নেমেছে, সোমবার নবান্নের সাংবাদিক সম্মেলনে তা নিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) মুখোশ খুলে দিতে চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী।
এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, ‘বীরবাহা হাঁসদাও তো আদিবাসী বাড়ির মেয়ে, ঝাড়গ্রামের মেয়ে, একটা সাংস্কৃতিক বাড়ির মেয়ে। তাঁর সম্পর্কে যদি কেউ বলেন, জুতোর নীচে রেখে দেওয়া হবে, সেটা কি খুব রুচিকর?’
সোমবার সকাল থেকেই শুভেন্দুর একটি ভিডিও ফুটেজ ভাইরাল করেছে তৃণমূল। একুশের ভোটের আগে ঝাড়গ্রামে যাওয়ার সময়ে শুভেন্দুকে আটকে দিয়েছিল তৃণমূল। শুভেন্দুর পথ আটকে বসেছিলেন বীরবাহা হাঁসদারা। সেদিন ঝাড়গ্রামে ঢুকতে পারেননি শুভেন্দু। ক্ষোভে ফেটে পড়ে সংবাদমাধ্যমের সামনেই শুভেন্দু সেদিন বলেছিলেন, ‘এই যেগুলা বসে আছে সেগুলা শিশু। এই দেবনাথ হাঁসদা, বীরবাহা এরা সব শিশু। আমার জুতার নীচে থাকে।’

বিজেপি যখন অখিলের মন্তব্য তুলে ধরে জাতীয় স্তরে প্রমাণ করতে নেমেছে তৃণমূল কতটা আদিবাসী বিরোধী তখন পাল্টা সেই ফুটেজ সামনে এনে তৃণমূল তো নেমেইছে, এদিন মমতাও যেন বোঝাতে চাইলেন শুভেন্দু ধোয়া তুলসীপাতা নন।
ওই মন্তব্যের বিষয়ে এদিন শুভেন্দুকে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেছিলেন। কিন্তু বিরোধী দলনেতা বলেছেন, তিনি এসব কথা বলেননি।
মমতা এও বলেন, কাউকে দাঁড়কাক বা কাকতাড়ুয়া বলে দেবে এটাও কি খুব সভ্যতা? প্রসঙ্গত, অখিল গিরির উদ্দেশে শুভেন্দু দাঁড়কাক বলেছিলেন। বিরোধী দলনেতার বক্তব্য ছিল, অখিলকে দাঁড়কাকের মতো দেখতে। অখিল তারই জবাব দিতে গিয়ে রাষ্ট্রপতিকে টেনে এনেছিলেন।


 খবর দ্য ওয়ালের /এনবিএস/২০২২/একে
 

Walton Ads