মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ ক্যারিবীয় ও ল্যাটিন আমেরিকার জলসীমায় ৪,০০০ এরও বেশি নাবিক ও সামরিক জাহাজ মোতায়েন করেছে। প্রধান উদ্দেশ্য—মাদক চক্রের বিরুদ্ধে শক্তি প্রদর্শন এবং আক্রমণ চালানোর বার্তা দেওয়া। মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা জানিয়েছে, এই মোতায়েন “জাতীয় নিরাপত্তার হুমকি মোকাবেলায়” নেওয়া হয়েছে।
মেক্সিকো ও কলম্বিয়া এতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লডিয়া শেইনবাউম বলেছেন, তার সরকার জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার রক্ষা করতে চায় এবং দেশটির ভূখণ্ডে কোনো মার্কিন আক্রমণ সম্পূর্ণরূপে বাতিল। তিনি যুক্তি দিয়েছেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যা বলবেন, তা মেক্সিকো মানবে না; একমাত্র শাসক হল জনগণ।”
কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেট্রোও হোয়াইট হাউসের নীতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং বলেছেন, “মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে একক সামরিক পদক্ষেপের পরিবর্তে সংলাপের দিকে মনোনিবেশ করা উচিত।”
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের পদক্ষেপ মনরো মতবাদের পুনরুজ্জীবন—মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে ল্যাটিন আমেরিকাকে নিজ অঞ্চলের অংশ হিসেবে ধরা—এর অংশ। এটি সার্বভৌমত্বের উপর চাপ, সামরিক হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা এবং ল্যাটিন আমেরিকার রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়াচ্ছে।