দক্ষিণ এশিয়ার চরম উত্তেজনাপূর্ণ মে মাসের সংঘাত নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য দিয়েছে হোয়াইট হাউস। তাদের দাবি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ না হলে ভারত-পাকিস্তানের সাম্প্রতিক সংঘাত সরাসরি পারমাণবিক যুদ্ধে রূপ নিতে পারত!

সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড জানিয়েছে, চলতি বছরের মে মাসে কাশ্মিরের ভারতশাসিত অঞ্চলে এক ভয়াবহ হামলায় ২৬ জন নিহত হন, যাদের বেশিরভাগই ছিলেন হিন্দু পর্যটক। সেই ঘটনার পরই ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে শুরু হয় নজিরবিহীন সংঘাত।

টানা চার দিন ধরে দুই পারমাণবিক শক্তিধর দেশ একে অপরের ওপর ড্রোন হামলা, ক্ষেপণাস্ত্র, আর্টিলারি এবং বিমান হামলা চালায়। এতে অন্তত ৭০ জন প্রাণ হারান। পরিস্থিতি আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠার আগেই ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি ঘোষণা হয়।

হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বলেছেন, ট্রাম্প বাণিজ্যকে কূটনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে এই সংঘাত থামিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, মাত্র সাত মাসে বিশ্বব্যাপী সাতটি বড় সংঘাতের সমাধান করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তার ভাষায়, “যদি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এগিয়ে না আসতেন, ভারত-পাকিস্তান সংঘাত পারমাণবিক যুদ্ধে গড়াত।

ঘটনার পর পাকিস্তান আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রাম্পকে ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত করেছে। ইসলামাবাদ বলছে, ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনা প্রশমনে ট্রাম্পের ভূমিকা এবং কাশ্মির ইস্যুতে মধ্যস্থতার প্রস্তাবই তাকে নোবেল প্রাপ্য করেছে।
তবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সংসদে ভিন্ন সুরে বলেছেন, “কোনও বিশ্বনেতা আমাদের সামরিক অভিযান থামাতে বলেননি।
 

Walton Ads