ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন স্পেন এবং দক্ষিণ আমেরিকার শিরোপাধারী আর্জেন্টিনার মধ্যে ফিনালিসিমা ম্যাচ অনির্দিষ্টকাল স্থগিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক ফুটবলের ব্যস্ত সূচির কারণে দুই মহাদেশের চ্যাম্পিয়নদের লড়াই দফায় দফায় পিছিয়েছে, ফলে ফুটবলপ্রেমীরা লিওনেল মেসি ও লামিনে ইয়ামালকে মুখোমুখি দেখতে এখনও অপেক্ষা করছেন।

প্রাথমিকভাবে কাতারের দোহায় ম্যাচ হওয়ার কথা থাকলেও ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের চলমান সংঘাতের কারণে কাতার থেকে এটি সরানো হয়েছে। এরপর বিকল্প হিসেবে মাদ্রিদের সান্তিয়াগো বার্নাব্যু স্টেডিয়ামকে এগিয়ে রাখা হয়েছিল। তবে দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল সংস্থা কনমেবল এখন নিরপেক্ষ ভেন্যুতেই ম্যাচ আয়োজনের পক্ষে। এর ফলে আর্জেন্টিনা তাদের মাঠে খেলতে বাধ্য হবেনা।

ইতালির গণমাধ্যম ‘লা গ্যাজেটা দেলো স্পোর্ট’ জানিয়েছে, আলোচনায় দুটি সম্ভাব্য ভেন্যু— মিলান বা লিসবন। লজিস্টিক দিক থেকে পর্তুগালের রাজধানী সুবিধাজনক, যেখানে ২০২০ সালে করোনা লকডাউনের সময়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু মিলান-এর সান সিরো স্টেডিয়ামের ঐতিহ্য ও আকর্ষণ তুলনাহীন। এছাড়া মিলান-কোর্তিনা শীতকালীন অলিম্পিকের উদ্বোধনী আয়োজনের ইতিবাচক সাড়া চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে।

আগামী ২৭ মার্চ কাতারের দোহা লুসাইল স্টেডিয়ামে ফিনালিসিমা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সংঘাতের পর কাতার ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন সব টুর্নামেন্ট ও ম্যাচ স্থগিত করেছে। এর ফলে ফিনালিসিমা অনিশ্চয়তায় পড়েছে।

পরবর্তী সময়ে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন প্রেসিডেন্ট রাফায়েল লুজান জানিয়েছেন, “ফিনালিসিমা একটি প্যাকেজের অংশ। এখানে অনেক কিছু জড়িত—উয়েফা ও কনমেবল একটি কোম্পানির মাধ্যমে ছয়টি খেলার চুক্তি করেছে, সবগুলো দোহাতে হওয়ার কথা ছিল।” এর মধ্যে রয়েছে:

স্পেন বনাম আর্জেন্টিনা (২৭ মার্চ)

মিশর বনাম স্পেন (৩০ মার্চ)

সৌদি আরব বনাম সার্বিয়া (৩০ মার্চ)

আর্জেন্টিনা বনাম কাতার (৩১ মার্চ)

উয়েফা আগে জানিয়েছিল, “স্থানীয় আয়োজকদের সঙ্গে আলাপ চলছে, যারা ম্যাচ সফল করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। দোহা উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ মনে হলে, এটি স্পেন বা ইউরোপের অন্য স্থানে সরানো হবে, যেখানে দুই দলের খেলোয়াড়রা নিরাপদে খেলতে পারবেন।”

 

news