ভারতের প্রাক্তন স্পিনার রবিচন্দ্রন আশ্বিন বলছেন, কুলদীপ যাদবকে ২০২৭ ওডিআই বিশ্বকাপের প্রস্তুতিতে যথাযথ সমর্থন দেওয়া হচ্ছে না, যা দলীয় সাফল্যের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে। আন্তর্জাতিক ক্রীড়া মাধ্যম রেভস্পোর্টস জানিয়েছে, আশ্বিনের মতে, দক্ষিণ আফ্রিকার মতো বিদেশি মাটিতে দলের ভারসাম্য রক্ষার জন্য কুলদীপের ভূমিকা অপরিহার্য।

আশ্বিন তাঁর আলোচনায় উল্লেখ করেন, বর্তমান ভারতীয় দলে দুই ফিঙ্গার স্পিনার অলরাউন্ডার একসঙ্গে খেলানো সম্ভব নয়, তবে হার্শিত রানা ফিট থাকলে তিন নম্বর পেসার হিসেবে তিনি সুযোগ পান এবং কুলদীপের জন্য আলাদা একটি স্থান তৈরি হয়।

তিনি কুলদীপকে ম্যাচ জয়ী স্পিনার হিসেবে অভিহিত করে বলেন, “কুলদীপের বোলিং ২০২৭ বিশ্বকাপে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তিনি যেকোনো সময়, যেকোনো পর্যায়ে বল করতে পারেন এবং তার দক্ষিণ আফ্রিকায় ভালো রেকর্ড রয়েছে।”

আশ্বিন আরও যোগ করেন, বর্তমান ম্যানেজমেন্ট কুলদীপকে যথেষ্ট বিশ্বাস দিচ্ছে না, যা উচিত নয়। “তাঁকে আরও সুযোগ ও আত্মবিশ্বাস দেওয়া জরুরি যাতে কুলদীপ ২০২৭ বিশ্বকাপে সঠিক মনের সঙ্গে অংশ নিতে পারেন। আমি চাই ভারত তাঁকে ফ্রন্টলাইন স্পিনার হিসেবে খেলাক।”

অলরাউন্ডারদের নিয়ে বিতর্কেও আশ্বিনের মন্তব্য ছিল স্পষ্ট। তিনি হার্দিক পাণ্ডিয়েকে সর্বোচ্চ পছন্দ হিসাবে উল্লেখ করে নিতীশ কুমার রেড্ডিকে দ্বিতীয় পছন্দ হিসেবে দেখেন। “হার্দিক বা নিতীশ ইনজুরিতে পড়লে শিবম দুবে হতে পারেন বিকল্প,” বলেন আশ্বিন এবং শিবমের ব্যবহারের প্রশংসাও করেন।

ভারতীয় অফ স্পিনার হিসেবে আশ্বিন শুবমন গিলের নেতৃত্ব গুণাবলীর প্রশংসা করেন এবং উল্লেখ করেন, ভবিষ্যতে ভারতকে “একজন দায়িত্বশীল অধিনায়কের” প্রয়োজন। তিনি গুরনূর ব্রারের মতো তরুণ প্রতিভাদেরও দীর্ঘমেয়াদি সম্ভাবনা হিসেবে সমর্থন করেন।

এই খবরটি কেন গুরুত্বপূর্ণ

  • ২০২৭ ওডিআই বিশ্বকাপে ভারতীয় দলের স্পিন বোলিংয়ে কুলদীপ যাদবের গুরুত্ব বাড়বে।
  • দক্ষিণ আফ্রিকার মতো বিদেশি মাটিতে স্পিনারদের ভূমিকা কিভাবে টিম কম্বিনেশনে প্রভাব ফেলে তা বোঝা যাবে।
  • অলরাউন্ডার পজিশনে হার্দিক পাণ্ডিয়া ও নিতীশ কুমার রেড্ডির গুরুত্ব এবং বিকল্প হিসেবে শিবম দুবের সম্ভাবনা স্পষ্ট হলো।
  • শুবমন গিলের নেতৃত্বগুণ ও তরুণ খেলোয়াড়দের উন্নয়নে নতুন মাত্রা যোগ হতে পারে।
  • ম্যানেজমেন্টের কুলদীপ যাদবের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে।

Walton Ads