স্পেন ফুটবল দল বিশ্বমঞ্চে শীর্ষ স্থান পুনরুদ্ধার করেছে তাদের অনন্য কৌশল ও ধারাবাহিকতার মাধ্যমে। আন্তর্জাতিক ক্রীড়া মাধ্যম রেভস্পোর্টস (RevSportz) জানিয়েছে, স্পেনের ফুটবল দল দীর্ঘ সময়ের অবসাদ কাটিয়ে উঠতে একটি সুসংগঠিত পরিকল্পনা ও নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড়দের ওপর নির্ভর করেছে যা তাদের ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ এবং বিশ্বকাপে সাফল্যের মুখ দেখিয়েছে।

১৯৬৪ সালে ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের পর থেকে স্পেন অনেক বছর পরাশ্রয়ী দল হিসেবে থেকে যায়। রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনার বিশ্বমানের ক্লাব হওয়া সত্ত্বেও জাতীয় দল দীর্ঘদিন মূল প্রতিযোগিতায় সফল হতে পারেনি। তবে ২০০০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে বার্সেলোনার লা মাসিয়া একাডেমি থেকে উঠে আসা জাভি হার্নান্দেজ, আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা, ডেভিড ভিলা ও ফার্নান্দো টোরেসের নেতৃত্বে নতুন প্রজন্ম ফুটবলে নতুন প্রাণ সঞ্চার করে।

লুইস আরাগোনেসের নেতৃত্বে ২০০৮ ইউরোতে স্পেন দুর্দান্ত ধারায় চ্যাম্পিয়ন হয়। এই সফলতার পর ভিসেন্তে দেল বোসকে দায়িত্ব দেওয়া হয়, যিনি ২০১০ বিশ্বকাপে স্পেনকে তাদের প্রথম বিশ্বকাপ শিরোপা জিতিয়ে দেন। স্পেনের খেলা ছিল দ্রুত এবং সঠিক পাসের উপর ভিত্তি করে, যা টিকি-টাকা নামে পরিচিত। কোভিড-১৯ পরবর্তী সময়ে কিছুটা মন্দার পর নতুন কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তার অধীনে স্পেনের খেলা আধুনিক গতিতে আরও গতিশীল ও আক্রমণাত্মক হয়েছে।

বর্তমানে স্পেনের দল তরুণ খেলোয়াড়দের সংযোজনের মাধ্যমে বিশ্বের সেরা দলগুলোর মধ্যে টিকে রয়েছে। তাদের ধারাবাহিকতা, টেকনিক্যাল দক্ষতা এবং একই কৌশল বজায় রাখা স্পেনকে ফুটবল বিশ্বে একটি শক্ত অবস্থানে নিয়ে এসেছে।

Walton Ads