এআই যন্ত্রে তাড়াতাড়ি ধরা পড়বে ক্যানসার!
রয়্যাল মার্সডেন এনএইচএস ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট, ইনস্টিটিউট অব ক্যান্সার রিসার্চ, লন্ডন ও ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডনের বিশেষজ্ঞরা ডিজাইন করেছেন এই এআই যন্ত্র। গবেষকরা বলছেন, কোনও ব্যক্তির সিটি স্ক্যানে অস্বাভাবিক বৃদ্ধি ক্যানসারজনিত কারণে কিনা তা এই টুলটি সহজেই শনাক্ত করতে পারে। শরীরের ভেতর কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি হয়ে টিউমার কোষ তৈরি হচ্ছে কিনা তাও ধরে দিতে পারবে এই যন্ত্র। কিছুদিন আগেই ল্যানসেটের ইবায়োমেডিসিন জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে গবেষণার ফল।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, দীর্ঘদিন কোষের অনিয়মিত বিভাজন থেকে টিউমার কোষ তৈরি হতে থাকে। এই টিউমার কোষ বিভাজিত হতে হতে শরীরের অন্য অঙ্গে ছড়াতে শুরু করে। বিজ্ঞানীদের দাবি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে যে এআই যন্ত্র তৈরি হচ্ছে তা ক্যানসার কোষের বৃদ্ধি চিহ্নিত করতে পারবে। ফলে ক্যানসার কোষের দ্রুত ছড়িয়ে পড়া বন্ধ হবে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হল ‘দ্য সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং অব মেকিং ইন্টেলিজেন্ট মেশিনস’ বুদ্ধিমান যন্ত্র নির্মাণের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি। সেই যন্ত্র নিজের শেখা ‘বুদ্ধি’-র গুণে মানুষের মতো চিন্তা করতে ও নানান সমস্যার যুক্তিসঙ্গত নিষ্পত্তি করতে পারবে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, অদূর ভবিষ্যতে হয়তো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে কোনও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ছাড়াই প্রাথমিক চিকিৎসকের পক্ষে কম্পিউটার ব্যবহার করে রোগ বিশ্লেষণ, নির্ধারণ ও চিকিৎসার নানা পথ নির্ণয় করা সম্ভব হবে। সারা পৃথিবীর নানান রোগের কোটি কোটি ট্রেনিং ডেটা কম্পিউটারের জানা থাকবে নিউরাল নেটওয়ার্ক মডেলের মাধ্যমে।
তাই প্রাথমিক চিকিৎসক বা নার্সও যদি কোনও রোগীর সব শারীরিক সমস্যার তথ্য কম্পিউটারে তুলতে পারেন, তা হলে কম্পিউটার সেই তথ্য বিশ্লেষণ করে ট্রেনিং তথ্যের সঙ্গে তুলনা করে রোগ বর্ণনা ও নির্ণয় দিতে পারবে। এআই যন্ত্রও ঠিক এভাবেই কাজ করবে।
এনবিএস/ওডে/সি