হুয়াওয়েকে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞার মধ্যে রাখা হলেও Apple ও Huawei-এর মধ্যে পেটেন্ট লাইসেন্সিংয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। Huawei-এর নিজস্ব তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সালে তারা Apple-কে wireless Standard-Essential Patent বা SEP লাইসেন্স দেয়।
তাহলে প্রশ্ন হলো—Huawei-এর ওপর মার্কিন প্রযুক্তি-নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও Apple কীভাবে Huawei-এর পেটেন্টের জন্য অর্থ দিতে পারে?
এই ভিডিওতে সহজভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে Patent Licensing, Royalty এবং Standard-Essential Patent বা SEP কীভাবে কাজ করে। পাশাপাশি Huawei-এর ৫জি patent royalty structure, ২০২৪ সালের প্রায় ৬৩০ মিলিয়ন ডলারের patent-licensing revenue এবং বিশ্বের বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর সঙ্গে Huawei-এর licensing সম্পর্ক নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে।
Huawei-এর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ৫জি handset-এর জন্য তাদের royalty cap প্রতি ডিভাইসে সর্বোচ্চ ২.৫০ ডলার। তবে এই cap-এর অর্থ এই নয় যে প্রতিটি কোম্পানি বা প্রতিটি স্মার্টফোন থেকে ঠিক ২.৫০ ডলার নেওয়া হয়।
ভিডিওর দ্বিতীয় অংশে Apple ও Samsung-এর দীর্ঘদিনের patent dispute নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে। Samsung-এর ক্ষেত্রে Apple-এর কাছে অর্থপ্রদান ছিল patent litigation ও settlement-এর সঙ্গে সম্পর্কিত; এটি Huawei-এর সঙ্গে patent licensing-এর একই ধরনের ব্যবস্থা নয়।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—Patent Licensing এবং নিষিদ্ধ প্রযুক্তি বা পণ্য সরবরাহ এক জিনিস নয়। একটি কোম্পানি অন্য কোম্পানির Standard-Essential Patent ব্যবহার করলে নির্দিষ্ট licensing agreement-এর অধীনে royalty দিতে পারে।
তাহলে Apple–Huawei সম্পর্কের আসল হিসাব কী? Huawei কীভাবে patent licensing থেকে আয় করছে? আর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার সঙ্গে এই royalty payment-এর সম্পর্ক কোথায়? জানতে পুরো ভিডিওটি দেখুন।