ঢাকার প্রতিদিনের হাজার হাজার টন বর্জ্য কি এবার বোঝা নয়, বরং অর্থনৈতিক সম্পদে পরিণত হতে যাচ্ছে? আমিনবাজার ও মাতুয়াইলের Waste to Energy প্রকল্প ঘিরে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—প্রতি ইউনিট ২৫ টাকা দরে বিদ্যুৎ কিনলে বাংলাদেশের প্রকৃত লাভ কোথায়?
এই ভিডিওতে আমরা বিশ্লেষণ করেছি আমিনবাজার ল্যান্ডফিলের ৪২.৫ মেগাওয়াট Waste to Energy প্রকল্প, চীনা প্রতিষ্ঠান CMEC-এর সঙ্গে চুক্তি, ২৫ বছর ধরে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা এবং প্রতি ইউনিট ২৫ টাকা দরে বিদ্যুৎ কেনার বিষয়টি।
একই সঙ্গে থাকছে মাতুয়াইলের পরিকল্পিত Zero Waste মডেল, দক্ষিণ কোরিয়ার B&F-এর রাজস্ব ভাগাভাগির কাঠামো, জৈব সার, বায়োগ্যাস, RDF ও অন্যান্য বাই-প্রোডাক্ট থেকে সম্ভাব্য আয়ের হিসাব।
প্রকল্পটি ৮০ শতাংশ সক্ষমতায় চললে বছরে কত বিদ্যুৎ উৎপাদন হতে পারে? ২৫ টাকা দরে বিদ্যুৎ কিনলে অতিরিক্ত খরচ কত হতে পারে? কম সক্ষমতায় চললে কেন বিদ্যুতের কার্যকর দাম আরও বেড়ে যেতে পারে? আর বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বর্তমান শত শত কোটি টাকার খরচের সঙ্গে প্রকল্পের সম্ভাব্য লাভ-লোকসান কীভাবে তুলনা করা যায়?
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই প্রকল্পকে শুধু বিদ্যুতের দাম দিয়ে বিচার করা উচিত, নাকি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যয় সাশ্রয়, জৈব সার ও অন্যান্য পণ্য থেকে আয় এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিবেশগত সুবিধাকেও হিসাবের মধ্যে আনতে হবে?
পুরো হিসাব ও বিশ্লেষণ জানতে ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন।