ইরানের ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক স্থাপনায় ইসরায়েলের সম্ভাব্য হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণ নিয়ে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছে সিবিএস নিউজ। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই হামলায় যুক্ত হওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রেখেছেন। খবর বিবিসি'র।
লক্ষ্যবস্তু হতে পারে ইরানের ফোর্ডো ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র, যা পর্বতের নিচে স্থাপন করা এবং শক্তিশালী বিমান প্রতিরক্ষা দ্বারা সুরক্ষিত। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি ইরানের সম্ভাব্য পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কেন্দ্র।
সাম্প্রতিক সিচুয়েশন রুম বৈঠকে ট্রাম্পের নিরাপত্তা টিমের গুরুত্বপূর্ণ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন— ভাইস প্রেসিডেন্ট জে.ডি. ভ্যান্স, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথসহ অনেকে। যদিও প্রশাসনের ভেতরে এই আক্রমণ নিয়ে মতবিরোধ রয়েছে।
এদিকে ইরান দাবি করছে, ইসরায়েলের আক্রমণের জবাবে তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথে দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে। যদিও মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা আগে জানিয়েছিল, ইরান এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে অস্ত্র তৈরি করছে না।
ট্রাম্প নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হুমকি দিয়েছেন, “আমরা জানি খামেনি কোথায় লুকিয়ে আছেন, কিন্তু এখনই হামলা করব না।” এরপর বড় অক্ষরে লিখেছেন, “UNCONDITIONAL SURRENDER” (নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ)।
জবাবে আয়াতুল্লাহ খামেনি এক্সে লিখেছেন, “মর্যাদাবান হায়দারের নামে, যুদ্ধ শুরু হলো।” তিনি বলেন, “জায়নবাদীদের বিরুদ্ধে কোনো দয়া নয়, কঠোর জবাব দিতে হবে।”
ইসরায়েল বলছে, ইরানের হামলায় ২৪ জন নিহত, আর ইরান বলছে ইসরায়েলি হামলায় ২২৪ জনের বেশি নিহত। পাল্টাপাল্টি এই সংঘাতে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে যুদ্ধের ঘনঘটা দেখা দিয়েছে।