ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভুল নীতি কি তাদের নিজেদের অর্থনীতি ধ্বংস করে দিচ্ছে? একদিকে রাশিয়ান মিলিটারির একের পর এক কৌশলগত বিজয়, অন্যদিকে ফ্রন্টলাইনে ইউক্রেনীয় বাহিনীর বিপুল ক্ষয়ক্ষতি। পশ্চিমা অস্ত্র ব্যবসায়ীদের পকেট ভরতে গিয়ে কীভাবে সাধারণ ইউরোপীয় নাগরিকরা দেউলিয়া হওয়ার পথে, তা জানতে পুরো ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন বর্তমানে এক অভূতপূর্ব অর্থনৈতিক সংকটের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে। রাশিয়ার ওপর একের পর এক নিষেধাজ্ঞা জারি করে ইউরোপীয় নেতারা ভেবেছিলেন তারা মস্কোকে চেপে ধরবেন। কিন্তু বাস্তবতা সম্পূর্ণ উল্টো রূপ ধারণ করেছে। রাশিয়ার সস্তা জ্বালানি তেল এবং প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানি বন্ধ করে ইউরোপ নিজের পায়েই কুড়াল মেরেছে।

ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট Ursula von der Leyen (উর্সুলা ফন ডার লেয়েন) সম্প্রতি প্যারিসের এক সম্মেলনে অকপটে একটি সত্য স্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন ইউরোপীয় অর্থনৈতিক মডেল এতদিন ধরে যার ওপর দাঁড়িয়েছিল সেই সস্তা জ্বালানির দিন এখন শেষ। সস্তা শক্তি ছাড়া ইউরোপের শিল্পকারখানা টিকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

বর্তমানে ইউরোপের জ্বালানি খরচ আমেরিকা এবং চীনের চেয়ে প্রায় দুই থেকে তিন গুণ বেশি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই অস্বাভাবিক জ্বালানি মূল্যের কারণে জার্মানি সহ ইউরোপের প্রধান শিল্পোন্নত দেশগুলোর উৎপাদন খরচ চরমভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে বিশ্ববাজারে ইউরোপীয় পণ্যের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা মারাত্মকভাবে হ্রাস পেয়েছে।

জার্মানির চ্যান্সেলর Friedrich Merz (ফ্রিডরিশ মার্জ) স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন যে রাশিয়া থেকে গ্যাস আমদানি বন্ধ করাই বর্তমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের প্রধান কারণ। ২০২২ সালের আগে জার্মানি তাদের প্রয়োজনীয় প্রাকৃতিক গ্যাসের পঁচানব্বই শতাংশ রাশিয়া থেকে সরবরাহ পেত। সেই সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ায় জার্মান ইন্ডাস্ট্রি এখন ধ্বংসের মুখোমুখি।

একই সুর শোনা গেছে ফরাসি প্রেসিডেন্ট Emmanuel Macron (ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ)-র কণ্ঠেও। তিনি সতর্ক করে বলেছেন যে সস্তা রাশিয়ান পাইপলাইন গ্যাসের বদলে আমেরিকা থেকে চড়া দামে তরলীকৃত গ্যাস বা এলএনজি আনতে গিয়ে পুরো ইউরোপীয় ইউনিয়ন এখন জরুরি অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। আমেরিকান গ্যাসের দাম স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি।

শীতকাল আসন্ন হলেও ইউরোপের গ্যাস মজুত বিগত পনেরো বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ব্রাসেলসের কঠোর অবস্থান সত্ত্বেও অনেক ইউরোপীয় দেশ গোপনে আবার রাশিয়ান এলএনজি কেনা বাড়িয়ে দিয়েছে। কারণ শীতের রাতে বিদ্যুৎ ও হিটিং ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখতে রাশিয়ান গ্যাসের বিকল্প নেই।

মস্কো বারবার বলে এসেছে যে ইউরোপের এসব নিষেধাজ্ঞা আসলে আত্মঘাতী পদক্ষেপ ছাড়া আর কিছুই নয়। রাশিয়া তাদের জ্বালানি রফতানি ইউরোপ থেকে সরিয়ে এশিয়ার উদীয়মান বাজারগুলোতে সফলভাবে স্থানান্তরিত করেছে। এর ফলে মস্কোর অর্থনীতি স্থিতিশীল রয়েছে কিন্তু ইউরোপীয় জনগণ এখন চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে।

অর্থনৈতিক সংকটের পাশাপাশি ইউক্রেন ইস্যুতে ইউরোপীয় নেতাদের অভ্যন্তরীণ রেষারেষিও এখন প্রকাশ্যে চলে এসেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইউক্রেনের জন্য প্রায় নব্বই বিলিয়ন ইউরো ঋণের অনুমোদন দিয়েছে। এই বিপুল অর্থ দিয়ে মূলত ইউক্রেনের জন্য অস্ত্র কেনা হবে যা ভবিষ্যতে ইউক্রেনকেই পরিশোধ করতে হবে।

তবে এই ঋণের ৬০ বিলিয়ন ইউরো দিয়ে কীভাবে অস্ত্র কেনা হবে তা নিয়ে ফরাসি সরকার এক চতুর চাল ছেলেছে। তারা চায় ইউক্রেন যেন ইউরোপের বাইরের কোনো দেশ থেকে অস্ত্র কিনতে না পারে। মূলত ফ্রান্সের উদ্দেশ্য হলো এই বিপুল পরিমাণ অর্থ ফরাসি অস্ত্র প্রস্তুতকারী কোম্পানিগুলোর পকেটে ঢুকানো।

ইউক্রেন এতদিন তাদের জরুরি প্রয়োজনে আমেরিকা বা চীন থেকে ড্রোন ও মিসাইল কেনাকাটা করত। কিন্তু ফ্রান্স এখন শর্ত জুড়ে দিচ্ছে যাতে ইউক্রেনকে বাধ্য হয়ে ফরাসি অস্ত্রই কিনতে হয়। ইউক্রেন যুদ্ধের এই সুযোগে ইউরোপীয় অস্ত্র ব্যবসায়ীদের মুনাফা বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

জার্মানির সর্ববৃহৎ প্রতিরক্ষা ঠিকাদার কোম্পানি Rheinmetall (রাইনমেটাল)-এর শেয়ারের দাম বিগত ছয় বছরে দশ গুণেরও বেশি বেড়েছে। চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকেই তাদের রাজস্ব আয় প্রায় সত্তর শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে তিনশো ছাব্বিশ কোটি ইউরোতে পৌঁছেছে। সাধারণ মানুষ যখন কষ্টে আছে তখন অস্ত্র ব্যবসায়ীরা বিপুল মুনাফা লুটছে।

এদিকে কূটনীতিক আলোচনার টেবিলেও পশ্চিমা বিশ্বের প্রতারণার চিত্র উন্মোচিত করেছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী Sergey Lavrov (সের্গেই লাভরভ)। তিনি সম্প্রতি মস্কোয় ভ্যাটিকানের প্রতিনিধি এবং মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ পরিচালকের সঙ্গে বৈঠকের কথা নিশ্চিত করেছেন। ভ্যাটিকানের প্রতিনিধি যুদ্ধবিরতির অনুরোধ জানালেও লাভরভ বাস্তব পরিস্থিতি তুলে ধরেন।

সের্গেই লাভরভ ভ্যাটিকান দূতকে মনে করিয়ে দেন যে ২০১৪ সালের ইউরোমাইদান চুক্তি থেকে শুরু করে মিনস্ক চুক্তি পর্যন্ত প্রতিটি সমঝোতা ইউক্রেন এবং তার পশ্চিমা সহযোগীরা লঙ্ঘন করেছে। এমনকি দুই হাজার বাইশ সালে ইস্তাম্বুলে হওয়া শান্তি আলোচনাও ব্রিটেনের প্ররোচনায় ইউক্রেন একতরফাভাবে বাতিল করেছিল।

রাশিয়া স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে কেবল যুদ্ধবিরতি করে ফ্রন্টলাইন ফ্রিজ বা বরফাবৃত করার পশ্চিমা প্রস্তাব মস্কো মানবে না। কারণ এটি ইউক্রেনীয় বাহিনীকে আবার সংগঠিত হওয়ার এবং পুনর্গঠিত হওয়ার সুযোগ দেবে। লাভরভ স্পষ্ট বলেছেন যে পশ্চিমা কূটনীতির মূল ভিত্তিই হলো প্রতারণা ও প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করা।

গত বছরের Anchorage (অ্যাঙ্করেজ) সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump (ডোনাল্ড ট্রাম্প)-এর প্রতিনিধি Steve Witkoff (স্টিভ উইটকফ)-এর সঙ্গে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট Vladimir Putin (ভ্লাদিমির পুতিন)-এর যে সমঝোতা হয়েছিল তা পরবর্তীতে ফরাসি ও ব্রিটিশ নেতারা নস্যাৎ করে দেন। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট একতরফা ঘোষণা দেন যে অ্যাঙ্করেজ চুক্তি বাতিল হয়ে গেছে।

পশ্চিমা নেতাদের এই ধারাবাহিক বিশ্বাসঘাতকতার কারণে মস্কো এখন কূটনৈতিক প্রতিশ্রুতিতে সমস্ত আস্থা হারিয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী লাভরভ বলেছেন রাশিয়া এতদিন মানুষদের বিশ্বাস করে এসেছে কিন্তু এখন সেই বিশ্বাসের শেষ পরিণতি ঘটে গেছে। পশ্চিমের সাথে সম্পর্ক আর কখনো দুই হাজার বাইশ সালের আগের জায়গায় ফিরবে না।

একদিকে কূটনৈতিক জটিলতা অন্যদিকে রণক্ষেত্রে রাশিয়ান মিলিটারির সামরিক সাফল্য অব্যাহত রয়েছে। আগস্টের বাইশ থেকে আটাশ তারিখের মধ্যে মাত্র এক সপ্তাহে রাশিয়ান ফোর্সের নর্থ, সেন্টার এবং ইস্ট ব্যাটলগ্রুপ ইউক্রেনের সাতটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা সম্পূর্ণ মুক্ত করেছে। এতে ইউক্রেনীয় ফ্রন্টলাইন ব্যাকফুটে চলে গেছে।

সুমি অঞ্চলের পের্শে ট্রাভনিয়া ও পিসারেভকা এবং ডোনেৎস্ক পিপলস রিপাবলিকের আনোভকা ও কুচেরভ ইয়ার গ্রাম এখন রাশিয়ান মিলিটারির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে। এছাড়া ঝাপোরোজিয়ে অঞ্চলের দোলিংকা, নেঝেঙ্কা এবং শেভচেঙ্কোভস্কো এলাকায় রাশিয়ান ব্যাটলগ্রুপ ইস্ট তাদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছে।

রাশিয়ান সশস্ত্র বাহিনী ইউক্রেনের সামরিক পরিকাঠামো লক্ষ্য করে অত্যন্ত নিখুঁত একশো তিরিশটি কম্বাইন্ড এবং ম্যাসিভ এয়ার স্ট্রাইক পরিচালনা করেছে। এই হামলায় ইউক্রেনের সামরিক কারখানা, ড্রোন তৈরির ওয়ার্কশপ, জ্বালানি ডিপো এবং গুরুত্বপূর্ণ ট্রান্সপোর্ট হাবগুলো পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে।

এমনকি কৃষ্ণসাগরের সমুদ্রবন্দরেও রাশিয়ান মিলিটারির হামলা জোরদার করা হয়েছে। ইউক্রেনীয় নৌবাহিনীর একটি টহলদারি বোট এবং বিদেশি সামরিক সরঞ্জাম বহনকারী ছয়টি কার্গো জাহাজ ও দুটি তেলের ট্যাঙ্কার রাশিয়ান হামলায় ধ্বংস হয়েছে। ইউক্রেনের সামরিক সরবরাহ পথ এখন প্রায় বিচ্ছিন্ন।

পশ্চিমের গোয়েন্দা তথ্যে দাবি করা হচ্ছে যে রাশিয়ান মিলিটারি প্রতিদিন প্রায় এক হাজার নতুন যোদ্ধা তাদের বাহিনীতে যুক্ত করছে। তবে তীব্র যুদ্ধের কারণে ইউক্রেনীয় ফোর্সের প্রতি মাসে বিপুল পরিমাণ সেনা ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে যা তারা পূরণ করতে পারছে না। ফলে ইউক্রেনীয় ডিফেন্স লাইন দিন দিন দুর্বল হয়ে পড়ছে।

ইউক্রেনীয় ফোর্সের সামর্থ্য কমে যাওয়ায় তারা রাশিয়ার বেসামরিক অবকাঠামো এবং জ্বালানি কেন্দ্রে ড্রোন হামলা চালানোর চেষ্টা করছে। কিন্তু রাশিয়ান এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম অত্যন্ত কার্যকরভাবে সেসব হামলা নশ্যাৎ করে দিচ্ছে। মাত্র এক সপ্তাহে রাশিয়ান এয়ার ডিফেন্স প্রায় ছয় হাজার ইউক্রেনীয় ড্রোন ধ্বংস করেছে।

এছাড়া আমেরিকান তৈরি HIMARS (হাইমার্স) রকেট এবং ফ্লামিঙ্গো লং রেঞ্জ ক্রুজ মিসাইল আকাশেই ধ্বংস করেছে রাশিয়ান বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। আকাশসীমায় রাশিয়ার এই একচ্ছত্র আধিপত্যের কারণে ইউক্রেনীয় বাহিনী কোনো ধরণের পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারছে না।

ইউক্রেন তাদের সেনা সংকট ঢাকতে জোরপূর্বক সাধারণ নাগরিকদের সামরিক বাহিনীতে যোগ দিতে বাধ্য করছে। উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ও সরঞ্জামের অভাবে ফ্রন্টলাইনে আসা এসব ইউক্রেনীয় সেনা খুব অল্প সময়ের মধ্যেই হতাহত হচ্ছে। সেনাদলের মধ্যে চরম হতাশা ও আত্মসমর্পণ করার প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী Andy Burnham (অ্যান্ডি বার্নহাম) সম্প্রতি কিয়েভ সফর করে ইউক্রেনকে মিসাইল প্রযুক্তি ও গোপন সামরিক তথ্য দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। তবে সামরিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন যে সামান্য কিছু পশ্চিমা অস্ত্র দিয়ে ফ্রন্টলাইনের বাস্তব চিত্র বদলানো কোনোভাবেই সম্ভব নয়।

ন্যাটোর সামরিক বিশেষজ্ঞরা স্বীকার করতে বাধ্য হচ্ছেন যে রাশিয়ান সামরিক বাহিনীর উৎপাদন ক্ষমতা এবং দূরপাল্লার মিসাইল রিজার্ভ আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। পশ্চিমাদের দেয়া আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলোও রাশিয়ান হাইপারসনিক ও প্রেসিশন মিসাইলের আক্রমণ ঠেকাতে ব্যর্থ হচ্ছে।

পশ্চিমের রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা আশা করেছিলেন যে নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে রাশিয়ার অর্থনীতি অচল করে দেওয়া যাবে। কিন্তু রাশিয়ার রিয়েল জিডিপি প্রবৃদ্ধি এবং সামরিক শিল্প উৎপাদন প্রমাণ করছে যে রাশিয়ার অর্থনীতি পুরোপুরি আত্মনির্ভরশীল এবং যেকোনো ধরনের বাহ্যিক চাপ মোকাবিলায় সক্ষম।

ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থনৈতিক শক্তি যেভাবে হ্রাস পাচ্ছে তাতে অদূর ভবিষ্যতে ইউরোপের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাও হুমকির মুখে পড়বে। সাধারণ ইউরোপীয় জনগণ এখন নিজেদের সরকারের ব্যয়বহুল ইউক্রেন নীতির বিরুদ্ধে রাস্তায় নামতে শুরু করেছে।

পরিস্থিতি পর্যালোচনা করলে স্পষ্ট বোঝা যায় যে অর্থনৈতিক ও সামরিক দুই দিক থেকেই রাশিয়া নিজের অবস্থান শক্ত করে নিয়েছে। পশ্চিমা দেশগুলোর ভুল সিদ্ধান্ত এবং যুদ্ধের উসকানি মূলত ইউক্রেন ও ইউরোপীয় ইউনিয়নকেই চরম ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে পশ্চিমের উচিত যুদ্ধ বাড়ানোর অপচেষ্টা বন্ধ করে বাস্তবতাকে মেনে নেওয়া। রাশিয়ার নিরাপত্তা স্বার্থকে উপেক্ষা করে এবং মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে এই সংকট সমাধান করা কখনো সম্ভব নয় তা এখন বিশ্ববাসীর কাছে পরিষ্কার হয়ে গেছে।

Walton Ads