বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, “সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কার তিন মাসের মধ্যে শেষ করা সম্ভব। তবে কোনো দল নিজেদের সংগঠিত করতে না পারলে তার দায়ে নির্বাচন পেছানো যাবে না।”

শনিবার (২৪ মে) বিকালে বগুড়ার সেন্ট্রাল হাইস্কুল মাঠে জাতীয়তাবাদী যুবদল, স্বেচ্ছাসেবকদল ও ছাত্রদলের যৌথ আয়োজনে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, “অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জনগণের স্থায়ী সমাধান নয়। জনগণের হাতে ক্ষমতা ফিরিয়ে দিতে হলে অবিলম্বে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের রোডম্যাপ দিতে হবে।”

তারেক রহমানের ৩১ দফা ঘোষণার কথা উল্লেখ করে নজরুল বলেন, “এটি কোনো দলের একক এজেন্ডা নয়, এটি রাষ্ট্রকাঠামো সংস্কারের সর্বজনীন ভিত্তি। তরুণ প্রজন্মের হাত ধরেই আগামীতে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা হবে।”

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন রুহুল কবির রিজভী, যিনি বলেন, “অধ্যাপক ইউনূস ভালো মানুষ হলেও তার সরকারের কিছু ভুল নিয়ে কথা বললেই কিছু উপদেষ্টা ক্ষুব্ধ হন। আমরা বলছি, দেশের স্বার্থেই চট্টগ্রাম বন্দর ও করিডোর ইস্যুতে আপোষ নয়।”

সভাপতির বক্তব্যে ছাত্রদল নেতা রাকিব বলেন, “আর কোনো বিমাতাসুলভ আচরণ মেনে নেওয়া হবে না। ছাত্রদল নেতা সাম্য হত্যার বিচার না হলে আমরা রাজপথে ফিরব।”

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন যুবদল সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না, স্বেচ্ছাসেবকদল সভাপতি এস এম জিলানী, ছাত্রদল নেতা আবু হাসান ইয়াহিয়া এবং নিহত নেতা ইমরান হোসেনের কন্যা সামিয়া ইসলাম মীম।

বৃষ্টি উপেক্ষা করেও উত্তরের ১৬ জেলার হাজারো তরুণ মিছিল নিয়ে সমাবেশে যোগ দেন।

Walton Ads