বিদ্যুৎ সংকট, লোডশেডিং ও জ্বালানি ব্যয়ের চাপের মধ্যে বাংলাদেশ এখন নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে কতটা এগোচ্ছে?

সাম্প্রতিক সময়ে কয়েক হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং, শিল্পকারখানায় বিদ্যুৎ সংকট এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে। একই সময়ে আগের সরকারের আমলে বাতিল হওয়া ৩৭টি সৌর ও বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়েও নতুন করে বিতর্ক দেখা দিয়েছে।

তবে শুধু অতীতের সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা নয়, বর্তমান সরকারের নেওয়া উদ্যোগগুলোও গুরুত্বপূর্ণ। রুফটপ সোলার ও ব্যাটারি স্টোরেজে প্রণোদনা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্পে কর সুবিধা, সৌর সরঞ্জাম ও স্টোরেজের শুল্ক কমানো এবং দীর্ঘমেয়াদি নবায়নযোগ্য জ্বালানি লক্ষ্যমাত্রা—এসব উদ্যোগ বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে।

সরকারের পরিকল্পনায় ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুতের ২০ শতাংশ এবং ২০৪০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের লক্ষ্য রয়েছে। একই সঙ্গে সৌরবিদ্যুৎ বাড়ানোর পাশাপাশি উপকূলীয় অঞ্চলে বায়ুবিদ্যুতের সম্ভাবনাও কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

বাংলাদেশের ঘনবসতিপূর্ণ বাস্তবতায় রুফটপ সোলার কেন গুরুত্বপূর্ণ? শিল্পকারখানা, কৃষি ও সাধারণ পরিবারের বিদ্যুৎ খরচে সৌরবিদ্যুৎ কীভাবে ভূমিকা রাখতে পারে? ব্যাটারি স্টোরেজ কি লোডশেডিং কমাতে সাহায্য করবে? আর দীর্ঘমেয়াদে নবায়নযোগ্য জ্বালানি কি বাংলাদেশের জ্বালানি আমদানির চাপ কমাতে পারবে?

এই ভিডিওতে এসব বিষয় বিস্তারিতভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

অতীতের প্রকল্প বাতিলের কারণ ও অভিযোগগুলো নিয়ে বিতর্ক থাকলেও, বর্তমান উদ্যোগগুলোর বাস্তব ফলাফল নির্ভর করবে দ্রুত বাস্তবায়ন, স্বচ্ছতা, বিনিয়োগ এবং গ্রিড সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর।

Walton Ads