যুক্তরাষ্ট্রকে চীন : তাইওয়ান প্রশ্নে কোন আপস নয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চীনের সামরিক আলোচনা ২০২১ সাল থেকে বন্ধ ছিল। এ বছর দুই দেশের মধ্যে আলোচনা নতুন করে শুরু হয়েছে। আলোচনার শুরুতেই তাইওয়ানকে সামরিকভাবে সুসজ্জিত না করতে ও চীনের উদ্বেগকে গুরুত্বের সঙ্গে নিতে আহ্বান জানিয়েছে বেইজিং। চীন যুক্তরাষ্ট্রকে পরিস্কারভাবে জানিয়ে দিয়েছে, তাইওয়ানের বিষয়ে তারা কখনোই আপস করবে না। 

তাইওয়ানে আগামী শনিবার (১৩ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। এ নির্বাচনের আগেই দ্বীপটি নিয়ে বিশ্বের অন্যতম ক্ষমতাধর দুই দেশের এ আলোচনা বেইজিংয়ের কাছ থেকে তাদের দূরে ঠেলে দিতে বা কাছাকাছি আনতে পারে। তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে মনে করে চীন। তবে তাইওয়ান নিজেদের স্বাধীন বলে মনে করে থাকে।

তাইওয়ানে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়, চীন সমতা ও সম্মানের ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সুস্থ ও স্থিতিশীল সামরিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে ইচ্ছুক।

চীন আরও বলেছে, চীনের উদ্বেগকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে ওয়াশিংটনকে। তাদের চাওয়া চীনের ‘ওয়ান চায়না’ নীতি, এ সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতিকে সম্মান দেখাবে যুক্তরাষ্ট্র এবং তাইওয়ানের স্বাধীনতাকে সমর্থন করবে না।

গত নভেম্বরে এক বৈঠকে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের এক চুক্তির পর এ সপ্তাহে দুই দেশের সামরিক আলোচনা শুরু হয়। গত মঙ্গলবার দুই দেশের দুই দিনের আলোচনা শেষ হয়েছে।

এদিকে পৃথক এক বিবৃতিতে তাইওয়ান বলেছে, গত মঙ্গলবার চীন তাইওয়ানের আকাশসীমায় যে কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠিয়েছে, তাকে নির্বাচনে হস্তক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হবে না। কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণের পরপরই তাইওয়ানের জনগণ মুঠোফোনে ক্ষেপণাসহ হামলার একটি সতর্কবার্তা পান। চীনের গণমাধ্যমে বলা হয়, উপগ্রহটি রহস্যময় ক্ষণস্থায়ী ঘটনা পর্যবেক্ষণে কাজ করবে।সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা

এনবিএস/ওডে/সি

Walton Ads