গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা ৫৮,০০০ অতিক্রম করেছে বলে ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় গাজা সিটি ও নুসাইরাত শরণার্থী শিবিরে হামলায় অন্তত ৯৫ জন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে ১৭ জন ছিলেন একটি বাজারে, আর ১০ জন পানির লাইনে দাঁড়ানো বেসামরিক নাগরিক। নিহতদের মধ্যে ৭ শিশুও রয়েছে।

জাতিসংঘের তথ্যমতে, গাজার ২১ লক্ষ মানুষ এখন দুর্ভিক্ষের মুখোমুখি। ইউনিসেফ জানিয়েছে, জুনে ৫,৮০০-এর বেশি শিশু তীব্র অপুষ্টিতে ভুগছে, যার মধ্যে ১,০০০ শিশুর অবস্থা গুরুতর। সম্প্রতি ৭ মাসের সালাম নামে এক শিশুর অপুষ্টিজনিত মৃত্যু হয়েছে। জাতিসংঘের ৮টি সংস্থা সতর্ক করেছে, জ্বালানি সংকটের কারণে হাসপাতাল, পানি সরবরাহ ও ত্রাণ কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, নুসাইরাতের হামলা "প্রযুক্তিগত ত্রুটির" কারণে ঘটেছে। তবে আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞ জেসিকা ডরসি বলেন, "২১ মাস ধরে বেসামরিক হতাহতের ধরন ইসরায়েলের অভিপ্রায় সম্পর্কে প্রশ্ন তোলে।"

এদিকে, কাতারে যুদ্ধবিরতি আলোচনা জটিল হয়ে পড়েছে। ফিলিস্তিনি নেতা মুহাম্মদ আল-হিন্দি বলেছেন, "ইসরায়েল আগ্রাসন বন্ধ ও গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহারের গ্যারান্টি দিচ্ছে না।" অন্যদিকে, ইসরায়েলের অ্যাটর্নি জেনারেল প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর উপদেষ্টাকে গোপন তথ্য ফাঁসের অভিযোগে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

গাজায় চলমান সংঘাত ও মানবিক বিপর্যয় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের হস্তক্ষেপ দাবি করছে, কিন্তু এখনও কোনো স্থায়ী সমাধানের আভাস দেখা যাচ্ছে না।

news