গাজায় ইসরায়েলের অবরোধে তীব্র খাদ্য সংকট তৈরি হয়েছে, যাকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় 'ক্ষুধাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার' বলে অভিহিত করছে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, গাজার ৯০% জনগণ তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।

ইউএনআরডাব্লিউএ জানিয়েছে, গাজায় প্রয়োজনের তুলনায় মাত্র ১০% ত্রাণ পৌঁছেছে। অবরোধের কারণে ৮৭টি ট্রাকের ত্রাণ সামগ্রীর বেশিরভাগই গন্তব্যে পৌঁছায়নি। শিশুদের অবস্থা সবচেয়ে ভয়াবহ - প্রতি পাঁচজনে একজন অপুষ্টিতে ভুগছে।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, ইসরায়েলের এই কর্মকাণ্ড যুদ্ধাপরাধের শামিল। ২০০৭ সাল থেকে চলা অবরোধে গাজাবাসীদের জন্য ক্যালোরি গ্রহণের পরিমাণও নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

গাজার হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা সামগ্রীর acute shortage দেখা দিয়েছে। অপুষ্টিতে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসার জন্য পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবার ও ওষুধ নেই। অনেক পরিবার দিনে একবেলা খেয়ে বেঁচে আছে।

জাতিসংঘের সাবেক প্রতিবেদক হিলাল আল-আউলু বলেছেন, "এটি একটি পরিকল্পিত মানবিক সংকট।" ইসরায়েলি নীতিকে তিনি 'গাজার খাদ্য হিসাব' নামে অভিহিত করেছেন, যা জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণে ব্যর্থ।

অবরোধের প্রতিক্রিয়ায় বিশ্বব্যাপী সমালোচনা বাড়লেও ইসরায়েল তাদের নীতি পরিবর্তন করেনি। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় অবিলম্বে অবরোধ তুলে নেওয়া এবং মানবিক সহায়তা অবাধ প্রবেশের দাবি জানালেও বাস্তবে খুব কমই পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে।

 

news