ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান Ali Larijani-কে হত্যার দাবি করেছে Israel। মঙ্গলবার ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর হামলায় তিনি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী Israel Katz।
ইরানের প্রয়াত সাবেক সর্বোচ্চ নেতা Ali Khamenei-এর পর লারিজানিকে দেশটির অন্যতম শক্তিশালী নেতা হিসেবে ধরা হতো। তবে তার নিহত হওয়ার বিষয়ে ইসরায়েলের এই দাবির বিপরীতে এখন পর্যন্ত ইরানের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
এর আগে, সোমবার এক বার্তায় লারিজানি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোর উদ্দেশে তেহরানের অবস্থান স্পষ্ট করেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে চলমান লড়াইয়ে ইরান কোনোভাবেই নতি স্বীকার করবে না।
মুসলিম বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি ধর্মীয় দায়িত্বের কথাও স্মরণ করিয়ে দেন। তার অভিযোগ, কয়েকটি দেশ ছাড়া অধিকাংশ ইসলামি দেশ ইরানের ভাষায় ‘বিশ্বাসঘাতকতামূলক আগ্রাসনের’ বিরুদ্ধে সমর্থন দিতে ব্যর্থ হয়েছে।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, “কিছু ইসলামি দেশের সরকারের অবস্থান কি মহানবী (সা.)-এর এই বাণীর সঙ্গে সাংঘর্ষিক নয়— ‘যে ব্যক্তি কোনো মানুষকে ‘হে মুসলিমগণ!’ বলে সাহায্য চাইতে শুনেও সাড়া দেয় না, সে মুসলিম নয়?’”
এরপর লারিজানি ওই অঞ্চলে ইরানের হামলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। যদিও উপসাগরীয় দেশগুলো ইরানি হামলাকে তাদের সার্বভৌমত্বের ওপর আগ্রাসন বলে অভিযোগ করেছে। চলমান এই সংঘাতের মধ্যে কোনো আপস বা নিরপেক্ষ অবস্থানের সুযোগ নেই বলেও সতর্ক করেন তিনি।
মুসলিম দেশগুলোর উদ্দেশে লারিজানি সরাসরি প্রশ্ন ছুড়ে দেন, “আপনারা কোন পক্ষে?” একই সঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইরান তার প্রতিবেশীদের ওপর আধিপত্য বিস্তার করতে চায় না। বরং ইসলামি উম্মাহ ঐক্যবদ্ধ হলে তা পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা, অগ্রগতি ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে পারে।
