মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্ভাব্য যুদ্ধে নতুন এক ভয়ংকর অস্ত্র ব্যবহারের সতর্কবার্তা দিয়েছে ইরান। দেশটির দাবি, এই অস্ত্র এমন শক্তিশালী যে শত্রুপক্ষ এটিকে গভীরভাবে ভয় পায় এবং এটি তাদের ‘হার্ট অ্যাটাক’ পর্যন্ত ঘটাতে পারে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যখন ইরানের ওপর অবরোধ বজায় রাখে এবং হরমুজ প্রণালির কাছে নৌবাহিনী মোতায়েন রাখার সিদ্ধান্ত নেয়, তখনই তেহরান এই কঠোর বার্তা দেয়। এর আগে ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার বিনিময়ে অবরোধ প্রত্যাহার এবং পারমাণবিক আলোচনা স্থগিতের একটি প্রস্তাব দিয়েছিল, যা যুক্তরাষ্ট্র প্রত্যাখ্যান করেছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি জানায়, দেশটির নৌবাহিনীর কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল শাহরাম ইরানি বলেছেন, খুব শিগগিরই ইরান এমন একটি অস্ত্র ব্যবহার করবে যা শত্রুপক্ষ ভয় পায়।

তিনি বলেন, “এই অস্ত্র তাদের খুব কাছেই রয়েছে… আশা করি তাদের হার্ট অ্যাটাক হবে না।”

শাহরাম আরও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেল বাণিজ্য বন্ধ করে অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করে আলোচনায় আনতে চেয়েছিল, কিন্তু সেই কৌশল পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। তাঁর ভাষায়, শত্রুপক্ষ ভেবেছিল শেষ মুহূর্তের সামরিক পদক্ষেপে দ্রুত ফল পাবে, কিন্তু বাস্তবে সেই ধারণা এখন নিজ দেশের সামরিক মহলেই হাস্যরসের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তিনি আরও দাবি করেন, ইরানের বাহিনী যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ‘আব্রাহাম লিঙ্কন’-এর ওপর অন্তত সাতটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এর ফলে কিছু সময়ের জন্য ওই রণতরী থেকে বিমান অভিযান পরিচালনা ব্যাহত হয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের বক্তব্য ও পাল্টাপাল্টি হুমকি মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে এবং পরিস্থিতিকে নতুন সংঘাতের দিকে ঠেলে দিতে পারে।

 

news