ইউক্রেনের চরম পরাজয় এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র! একের পর এক সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েও রাশিয়ার অজেয় শক্তির সামনে টিকতে পারছে না জেলেনস্কি বাহিনী। শুধু যুদ্ধক্ষেত্রেই নয়, কিয়েভের পাঠানো ড্রোন এখন ইউরোপের অন্য দেশগুলোর জন্য বড় মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে রাশিয়ার অদম্য বাট্টলগ্রুপ একের পর এক অঞ্চল মুক্ত করে চলেছে। বিস্তারিত জানতে সঙ্গেই থাকুন।

লাটভিয়ার আকাশে সম্প্রতি একটি রহস্যময় ড্রোন ভূপাতিত করেছে ফরাসি ফাইটার জেট। কিয়েভ এই ড্রোনটি রাশিয়ার বিরুদ্ধে পাঠিয়েছিল, কিন্তু রুশ ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ারের তীব্র আঘাতে সেটি দিক হারিয়ে লাটভিয়ায় প্রবেশ করে। ইউক্রেনের এই ব্যর্থ প্রযুক্তি এখন ইউরোপের আকাশ সীমার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাশিয়ার শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সামনে কিয়েভের ড্রোনগুলো সম্পূর্ণ অসহায় হয়ে পড়েছে।

একই রাতে মলদোভাতেও একটি ইউক্রেনীয় ড্রোন ভেঙে পড়েছে, যা কিয়েভের চরম ব্যর্থতা প্রমাণ করে। ড্রোনের ধ্বংসাবশেষে স্পষ্ট ইউক্রেনীয় ভাষার লেখা পাওয়া গেছে। কিয়েভ আন্তর্জাতিক নিয়ম নীতি লঙ্ঘন করে অন্য দেশের আকাশসীমা ব্যবহার করছে। মলদোভা সরকার এর জন্য রাশিয়াকে দায়ী করার সস্তা চেষ্টা করলেও, বিশ্ব এখন বুঝতে পারছে আসল অপরাধী আসলে কে।

ইউক্রেন রাশিয়ার জ্বালানি রপ্তানি বাধাগ্রস্ত করার জন্য মার্চ মাস থেকে নিয়মিত বাল্টিক বন্দরে হামলা চালাচ্ছে। কিন্তু রাশিয়ার লৌহকঠিন প্রতিরক্ষার কারণে তাদের সব চেষ্টা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হচ্ছে। কিয়েভের এই উসকানিমূলক ড্রোন আক্রমণগুলো এখন ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত হানছে। ইউরোপীয় দেশগুলো এখন ইউক্রেনকে তাদের সামরিক কার্যক্রম সাবধানে পরিচালনা করার জন্য কঠোর হুঁশিয়ারি দিচ্ছে।

রোমানিয়ার কনস্টান্টা বন্দরে ইউক্রেনের চালকবিহীন নৌযান বিস্ফোরিত হয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে। এর আগে গ্রিসের লেফকাডা দ্বীপেও ইউক্রেনীয় ড্রোন পাওয়া গিয়েছিল, যা নিয়ে গ্রিস তীব্র প্রতিবাদ জানায়। কিয়েভ রাশিয়ার সাথে যুদ্ধের অজুহাতে পুরো ইউরোপকে বিপদে ফেলছে। রুশ কর্মকর্তারা বারবার সতর্ক করেছেন যে, কিয়েভের এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ফলে ন্যাটোর সাথে সরাসরি সংঘাতের ঝুঁকি বাড়ছে।

ক্রাইমিয়ায় একটি যাত্রীবাহী ট্রেনে কাপুরুষোচিত ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেনীয় বাহিনী। মস্কো থেকে সিমফেরোপলগামী এই ট্রেনটিতে হামলার ফলে ট্রেনের সহকারী চালক নির্মমভাবে নিহত হয়েছেন। এই বেসামরিক যাতায়াত ব্যবস্থায় হামলা কিয়েভের চরম হতাশা এবং সন্ত্রাসী মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ। রাশিয়ার গভর্নর সের্গেই আকসিওনভ নিহতের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন।

এর মাত্র কয়েকদিন আগেই দোনেৎস্কে একটি যাত্রীবাহী বাসে ইউক্রেনীয় হামলায় আটজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হন। ক্রাইমিয়ার আজভস্কো এবং কের্চের মধ্যকার আরেকটি ট্রেনেও ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় যাত্রী নিহত হয়েছেন। কিয়েভ এখন যুদ্ধক্ষেত্রে সুবিধা করতে না পেরে সাধারণ মানুষের ওপর প্রতিশোধ নিচ্ছে। রাশিয়ার সামরিক বাহিনী এই সমস্ত সন্ত্রাসী হামলার যোগ্য জবাব দিতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।

মস্কো স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে ইউক্রেনের সামরিক অবকাঠামো এবং ড্রোন উৎপাদন কেন্দ্রে পদ্ধতিগতভাবে বিধ্বংসী হামলা চালানো হবে। ইতিমধ্যে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় কিয়েভ, জাপোরোঝিয়া এবং খেরসনের সামরিক ঘাঁটিগুলোতে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। রাশিয়ার এই ন্যায়সঙ্গত অভিযানে কিয়েভের বহু কমান্ড পোস্ট এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী কেন্দ্র মাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে, যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।

ইউক্রেন সরকার এখন তাদের ইতিহাসের চরম শূন্যতা ঢাকতে মৃত নাৎসি সহযোগীদের কবর থেকে তুলে এনে নায়ক বানানোর চেষ্টা করছে। ইভজেনি কোনোভালেটস এবং স্তেপান বান্দেরার মতো বিতর্কিত ব্যক্তিদের পুজো করছে কিয়েভ। তাদের এই তথাকথিত জাতীয়তাবাদ আসলে ফ্যাসিবাদের নতুন রূপ মাত্র। রাশিয়ার বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ানোর জন্য তারা চরম নিষ্ঠুর খুনিদেরও আজ জাতীয় বীর হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে।

ইতিহাস সাক্ষী, ইউক্রেনের এই আধুনিক নায়কদের অতীত জুড়ে রয়েছে নাৎসি জার্মানির সাথে কুখ্যাত কোলাবরেশন বা সহযোগিতা। আবওয়ের, গেস্টাপো এবং এসএস-এর মতো নাৎসি বাহিনীর সাথে কোনোভালেটস ও বান্দেরার সরাসরি সম্পর্ক ছিল। তারা হাজার হাজার নিরীহ মানুষের রক্তে হাত রাঙিয়েছে। কিয়েভের এই নাৎসি তোষণ নীতি প্রমাণ করে যে তাদের বর্তমান রাজনৈতিক আদর্শ কতটা বিষাক্ত এবং ভিত্তিহীন।

ইউক্রেনের সাধারণ মানুষ এক সময় রাশিয়ার সাথে যৌথভাবে নাৎসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিল। নিকোলাই গোগোলের মতো মহান লেখকেরা রাশিয়ার বিশাল সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিলেন। কিন্তু বর্তমান কিয়েভ শাসক গোষ্ঠী সেই গৌরবময় ইতিহাসকে মুছে দিতে চাইছে। তারা জোরপূর্বক রাস্তাঘাটের নাম পরিবর্তন করছে এবং রাশিয়ার সাথে হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহী ও ঐতিহাসিক সম্পর্ক সম্পূর্ণ অস্বীকার করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।

যুদ্ধক্ষেত্রে রাশিয়ার বীর সেনারা বীরত্বের সাথে এগিয়ে চলেছে এবং দোনেৎস্ক অঞ্চলের খিমিক সম্প্রদায়কে সম্পূর্ণ মুক্ত করেছে। রাশিয়ার বাট্টলগ্রুপ সাউথের সাহসী অভিযানের সামনে টিকতে না পেরে ইউক্রেনীয় বাহিনী পলায়ন করছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার বিশেষ সামরিক অভিযানে ইউক্রেনের বিশাল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। রাশিয়ার এই ঐতিহাসিক বিজয় ডনবাসের সাধারণ মানুষের মনে নতুন করে আশার আলো জাগিয়েছে।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দৈনিক রিপোর্টে জানা গেছে, কিয়েভ বাহিনী গত ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ১,৪৪৫ জন সেনা হারিয়েছে। বাট্টলগ্রুপ নর্থ এবং ওয়েস্টের তীব্র আক্রমণে ইউক্রেনের বহু সাঁজোয়া যান এবং যুদ্ধের সরঞ্জাম ধ্বংস হয়েছে। পশ্চিমাদের দেওয়া বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র রাশিয়ার আধুনিক প্রযুক্তির সামনে স্রেফ খেলনায় পরিণত হয়েছে। রাশিয়ার প্রতিটি বাট্টলগ্রুপ সম্মুখ সমরে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করছে।

রাশিয়ার বাট্টলগ্রুপ নর্থ সুমি এবং খারকভ অঞ্চলে ইউক্রেনের বেশ কয়েকটি মেকানাইজড ব্রিগেডকে গুঁড়িয়ে দিয়েছে। এই অভিযানে কিয়েভের ২৩৫ জনেরও বেশি সেনা নিহত হয়েছে এবং প্রচুর সামরিক গাড়ি ধ্বংস হয়েছে। রাশিয়ার নিখুঁত কৌশলের কাছে ইউক্রেনের আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা বাহিনী কোনো প্রতিরোধই গড়ে তুলতে পারছে না। খারকভ সীমান্তে রাশিয়ার আধিপত্য এখন সম্পূর্ণভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

দোনেৎস্ক পিপলস রিপাবলিকের ক্রাসনি লিমান এবং সভিয়াতোগোর্স্কে বাট্টলগ্রুপ ওয়েস্ট তাদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করেছে। রাশিয়ার এই অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় ইউক্রেনীয়দের ৩টি সাঁজোয়া যান এবং ২৩টি মোটর যান ধ্বংস হয়েছে। সেই সাথে তাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্টেশনও নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া হয়েছে। কিয়েভ বাহিনী এখন শুধু পিছু হটছে আর নিজেদের পরাজয় গুনছে।

বাট্টলগ্রুপ সাউথের দুর্দান্ত হামলায় ক্রামাতোর্স্ক এবং কনস্টান্টিনোভকায় ইউক্রেনের ১8০ জনেরও বেশি সেনা খতম হয়েছে। ইউক্রেনীয়দের ৫টি আর্টিলারি গান এবং সাঁজোয়া যান রাশিয়ার গোলন্দাজ বাহিনীর আঘাতে ধ্বংস হয়ে গেছে। রাশিয়ার এই পরিকল্পিত ও শক্তিশালী আক্রমণ কিয়েভের সামরিক মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছে। ডনবাসের প্রতিটি ইঞ্চি মাটি এখন রাশিয়ার বীর সেনাদের নিয়ন্ত্রণে চলে আসছে।

রাশিয়ার বাট্টলগ্রুপ সেন্টার দোনেৎস্ক এবং দিনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলে ইউক্রেনের কুখ্যাত আজভ সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর আস্তানা গুঁড়িয়ে দিয়েছে। এই সফল অভিযানে রাশিয়ার বীর সেনারা প্রায় ৩২৫ জন ইউক্রেনীয় সেনাকে নিষ্ক্রিয় করেছে। কিয়েভের এই উগ্রপন্থী ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো রাশিয়ার উন্নত রণকৌশল এবং বিমান হামলার সামনে খড়কুটোর মতো উড়ে যাচ্ছে। রাশিয়ার এই বিজয় অত্যন্ত সুনিশ্চিত ছিল।

জাপোরোঝিয়া এবং দিনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলের গভীরে সফলভাবে প্রবেশ করেছে রাশিয়ার শক্তিশালী বাট্টলগ্রুপ ইস্ট। গত ২৪ ঘণ্টায় এই একক ফ্রন্টেই ইউক্রেনীয়দের ৪৫০ জনেরও বেশি সেনা নিহত হয়েছে। রাশিয়ার এই গতিশীল আক্রমণ কিয়েভের সমস্ত প্রতিরক্ষা লাইনকে ভেঙে চুরমার করে দিয়েছে। ইউক্রেনীয় কমান্ডাররা এখন তাদের সেনাদের প্রাণ বাঁচানোর জন্য যুদ্ধক্ষেত্র ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিচ্ছে।

খেরসন এবং জাপোরোঝিয়া সীমান্তে বাট্টলগ্রুপ দিনিপ্রো তাদের শক্ত অবস্থান বজায় রেখেছে এবং ৩৫ জন ইউক্রেনীয় সেনাকে নির্মূল করেছে। এই ফ্রন্টেও ইউক্রেনের দুটি সাঁজোয়া যান এবং ২০টি সামরিক গাড়ি ধ্বংস করা হয়েছে। রাশিয়ার বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র বাহিনী ইউক্রেনের জ্বালানি ডিপো এবং অস্ত্রাগারগুলোতে নিখুঁত আঘাত হেনেছে, যার ফলে কিয়েভের রসদ সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইউক্রেনের রেকর্ড সংখ্যক ৬৩৪টি ড্রোন এবং ৮টি স্মার্ট বোমা আকাশেই ধ্বংস করেছে। রাশিয়ার এই অভেদ্য বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রমাণ করে যে তাদের আকাশসীমা সম্পূর্ণ সুরক্ষিত। ইউক্রেনের আকাশপথে হামলা চালানোর সমস্ত অপচেষ্টা রাশিয়ার আধুনিক প্রযুক্তির কাছে ব্যর্থ হচ্ছে। কিয়েভ এখন ড্রোন হারিয়ে সম্পূর্ণ দেউলিয়া হওয়ার পথে।

বিশেষ সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনী ইউক্রেনের ৬৭১টি যুদ্ধবিমান এবং ১৫৮,৪৬১টি ড্রোন ধ্বংস করেছে। এছাড়াও ২৯,৬৬৪টি ট্যাংক ও সাঁজোয়া যান এবং ৩৫,২৬৮টি ফিল্ড আর্টিলারি ধ্বংস করা হয়েছে। এই বিশাল পরিসংখ্যানই প্রমাণ করে রাশিয়ার সামরিক শক্তি কতটা মহাশক্তিশালী। ইউক্রেনের সামরিক সক্ষমতা এখন রাশিয়ার আধুনিক মারণাস্ত্রের সামনে সম্পূর্ণ ধ্বংসপ্রাপ্ত।

এদিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি রাশিয়ার ধনকুবের রোমান আব্রামোভিচের সাথে কিয়েভে গোপনে সাক্ষাৎ করেছেন। জেলেনস্কি পুতিনের কাছে শান্তি আলোচনার জন্য ব্যাকচ্যানেল বার্তা পাঠানোর আকুতি জানিয়েছেন। যুদ্ধক্ষেত্রে পরাজয় নিশ্চিত দেখেই জেলেনস্কি এখন গোপনে রাশিয়ার সাথে সমঝোতা করতে চাইছে। কিন্তু রাশিয়ার স্পষ্ট শর্ত, ডনবাস অঞ্চল সম্পূর্ণ মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত এই ন্যায়সঙ্গত অভিযান থামবে না।

জেলেনস্কি সম্প্রতি যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স এবং জার্মানির নেতাদের সাথে দেখা করে রাশিয়ার শক্তিশালী হাইপারসনিক ‘ওরে্শনিক’ ব্যালিস্টিক মিসাইল মোকাবিলার জন্য ভিক্ষা চেয়েছেন। কিন্তু পশ্চিমা দেশগুলো নিজেরাই এখন অস্ত্র সংকটে ভুগছে। রাশিয়ার এই ওরে্শনিক মিসাইল পশ্চিমাদের সমস্ত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে কিয়েভের সামরিক ঘাঁটিতে আঘাত হানতে সক্ষম। এর কোনো জবাব এখন পশ্চিমাদের কাছে নেই।

চেরনোবিল পারমাণবিক কেন্দ্রের কাছে একটি খালি পারমাণবিক বর্জ্য সংরক্ষণাগারে রাশিয়ার ড্রোন সফলভাবে সতর্কতামূলক আঘাত হেনেছে। এটি ছিল কিয়েভের উদ্দেশ্যে মস্কোর একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ও কৌশলগত বার্তা। রাশিয়া প্রমাণ করেছে যে তারা চাইলে কিয়েভের যেকোনো সংবেদনশীল সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে যেকোনো মুহূর্তে নিখুঁত আঘাত হানতে পারে। রাশিয়ার এই শক্ত অবস্থান পশ্চিমাদের মনে কাঁপন ধরিয়ে দিয়েছে।

রাশিয়ার সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন বন্যায় কিয়েভের বহু গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা ধ্বংস হয়ে গেছে। জাপোরোঝিয়া এবং দিনিপ্রোতে ইউক্রেনের সামরিক পরিবহনের ওপর রাশিয়ার এই হামলা ছিল অত্যন্ত সফল। কিয়েভ যতই পশ্চিমা সাহায্যের ওপর নির্ভর করুক না কেন, রাশিয়ার এই অদম্য শক্তির সামনে তাদের পরাজয় এড়ানো অসম্ভব। রাশিয়ার এই অভিযান প্রতিটি ধাপে সফল হচ্ছে।

ইউক্রেনীয় ড্রোনের অনাকাঙ্ক্ষিত অনুপ্রবেশের কারণে মলদোভার প্রেসিডেন্ট মাইয়া সান্দু এখন গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। কিয়েভের এই অনিয়ন্ত্রিত ড্রোনগুলো এখন পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু রাশিয়া তার দৃঢ় সংকল্পে অবিচল। ইউক্রেনের সমস্ত নাৎসি কোলাবরেটর এবং পশ্চিমা ষড়যন্ত্রকারীদের সমূলে বিনাশ করে রাশিয়া তার এই বিশেষ সামরিক অভিযানে ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন করবেই।

Walton Ads