ঢাকা, শনিবার, এপ্রিল ৫, ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Logo
logo

আশুলিয়ায় শ্রমিকদের দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১


এনবিএস ওয়েবডেস্ক   প্রকাশিত:  ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ০৩:০৯ পিএম

আশুলিয়ায় শ্রমিকদের দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১

 

সকালে শ্রমিকরা কাজ করতে এসে দেখেন মেরামতের জন্য কারখানা বন্ধ রাখা হয়েছে। এতে শ্রমিকদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

আশুলিয়ার জিরাবো এলাকায় মাস্কট গার্মেন্টস ফ্যাক্টরির সামনে শ্রমিকদের দুই পক্ষের সংঘর্ষে এক নারী শ্রমিক নিহত ও আরও তিন জন আহত হয়েছেন।

আশুলিয়া শিল্প পুলিশের এক কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, সকালে শ্রমিকরা কাজ করতে এসে দেখেন মেরামতের জন্য কারখানা বন্ধ রাখা হয়েছে। এতে তাদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

তিনি আরও জানান, মাস্কট গার্মেন্টসের কারখানার পাশে আরও দুটি কারখানা আছে। ওই দুই কারখানার শ্রমিকদের সঙ্গে গার্মেন্টসের শ্রমিকদের সংঘর্ষ লেগে যায়। এতে এক নারী শ্রমিক গুরুতর আহত হন। হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনি মারা যান।

তাৎক্ষণিকভাবে নিহত নারীর পরিচয় জানা যায়নি।

এদিকে বকেয়া বেতনের দাবিতে গাজীপুরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করা হয়। আজ সকাল সাড়ে ৯টার দিকে গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গী পশ্চিম থানা খাঁপাড়া এলাকায় সিজন্স ড্রেসেস লিমিটেডের শ্রমিকরা মহাসড়কে নেমে বিক্ষোভ শুরু করেন।

টঙ্গী পশ্চিম থানা খাঁপাড়া এলাকায় সিজন্স ড্রেসেস লিমিটেডের শ্রমিকরা মহাসড়কে নেমে বিক্ষোভ শুরু করলে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ছবি: সংগৃহীত
জুলাই ও আগস্ট মাসের বকেয়া বেতনের দাবিতে গজীপুরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেছেন একটি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা।

আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গী পশ্চিম থানা খাঁপাড়া এলাকায় সিজন্স ড্রেসেস লিমিটেডের শ্রমিকরা মহাসড়কে নেমে বিক্ষোভ শুরু করেন। এতে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শ্রমিক দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, জুলাই ও আগস্ট মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবিতে তারা আন্দোলন করছেন। বেতন না পাওয়া পর্যন্ত মহাসড়ক থেকে না সরার কথা জানান তারা।

গাজীপুর শিল্প পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার মোশাররফ হোসেন দ্য ডেইলি স্টারকে জানান, ঘটনাস্থলে শিল্প পুলিশ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে।

সকাল সোয়া ১০টায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকার কথা জানান তিনি।

বক্তব্যের জন্য সিজন্স ড্রেসেস লিমিটেড কর্তৃপক্ষের সাথে চেষ্টা করে যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।