এনবিএস ওয়েবডেস্ক প্রকাশিত: ১৩ আগস্ট, ২০২৫, ০৮:০৮ পিএম

শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসাগুলোর এমপিওভুক্তির আদেশ শিগগিরই জারি হবে। প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক ও অফিস সহায়কসহ সকল পদে বেতন ও নিয়োগের ব্যবস্থা করা হবে। ২০০৬ সালের আগে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিশেষভাবে প্রাধান্য দিয়ে এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যা শিক্ষকদের দীর্ঘ দিনের অপেক্ষা পূরণ করবে।
দেশের স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসাগুলো শিগগিরই এমপিওভুক্ত হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব ড. খ ম কবিরুল ইসলাম। তিনি জানান, “আমি সচিব হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এই উদ্যোগ নিয়েছি। আশা করি, এমপিওভুক্তির আদেশ খুব শিগগিরই জারি হবে।”
সচিব আরও জানান, “প্রধান উপদেষ্টার কাছে এটির সামারি পাঠানো হয়েছে। যিনি বর্তমানে মালয়েশিয়ায় থাকছেন। হয়তো আগামীকাল বা পরের সপ্তাহে স্বাক্ষর হয়ে যাবে।”
বুধবার (১৩ আগস্ট) সচিবালয়ে বিভাগের সভাকক্ষে শিক্ষাবিশেষজ্ঞ ও সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় ইরাবের সভাপতি ফারুক হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক সোলাইমান সালমান, সাবেক সভাপতি সাব্বির নেওয়াজ, শরীফুল আলম সুমন ও মীর মোহাম্মদ জসিমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
শিক্ষকদের দীর্ঘ আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে এ বছরের শুরুতে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসাগুলোকে প্রথম ধাপে এমপিওভুক্ত করে পর্যায়ক্রমে জাতীয়করণের ঘোষণা দেওয়া হয়। ২৫ জুন এমপিওভুক্তির নীতিমালা জারি করা হয় এবং আবেদন নেওয়া হয়েছিল ৮ থেকে ১৫ জুলাই পর্যন্ত।
নীতিমালা অনুযায়ী, প্রতিটি মাদরাসার ছয়টি পদ এমপিওভুক্ত হবে। প্রধান শিক্ষক ১০ম গ্রেড, সাধারণ ও বিজ্ঞান বিষয়ের সহকারী শিক্ষক ১৩তম গ্রেড, ক্বারী বা নুরানি সহকারী শিক্ষক ১৬তম গ্রেডে বেতন পাবেন। অফিস সহায়ক ২০তম গ্রেডে বেতন পাবেন।
শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএর সুপারিশ মেনে পদে নিয়োগ হবে। প্রধান শিক্ষক ও অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে সম্পন্ন হবে।
ড. কবিরুল ইসলাম বলেন, “২০০৬ সালের আগে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত কিন্তু এমপিও না পাওয়া মাদরাসাগুলোকে বিশেষভাবে প্রাধান্য দেওয়া হবে। আশা করছি, এ অর্থবছরে নতুন করে এমপিওভুক্তি সম্ভব হবে। ২০২২ সালের পর থেকে নতুন কোনো প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হয়নি।”