এনবিএস ওয়েবডেস্ক | প্রকাশিত: ১৩ আগস্ট, ২০২৫, ০৯:০৮ পিএম
গাজা যুদ্ধবিরোধী আন্দোলনে যুক্তরাষ্ট্রের কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় নিল কঠোর ব্যবস্থা। বিক্ষোভে অংশ নেওয়ায় প্রায় ৮০ শিক্ষার্থী বহিষ্কার বা বরখাস্ত, এমনকি কারও ডিগ্রিও বাতিল! বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবি, ক্যাম্পাস দখল ও বিশৃঙ্খলা শাস্তির কারণ। ছাত্রনেতার স্পষ্ট হুঁশিয়ারি—তারা ফিলিস্তিনের মুক্তির লড়াই চালিয়ে যাবেন।
গাজা যুদ্ধবিরোধী আন্দোলনে যুক্তরাষ্ট্রের মর্যাদাপূর্ণ কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে। অভিযোগ, বিক্ষোভে অংশ নেওয়ায় প্রায় ৮০ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার বা সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। এমনকি কিছু শিক্ষার্থীর একাডেমিক ডিগ্রিও বাতিল করা হয়েছে।
ফিলিস্তিনপন্থী ছাত্র সংগঠন CUAD জানিয়েছে, ইসরায়েলের সঙ্গে সব আর্থিক সম্পর্ক ছিন্নের দাবিতে আন্দোলনকারীদের মধ্যে অনেকে ১ থেকে ৩ বছরের জন্য স্থগিত হয়েছেন, কেউ আবার স্থায়ী বহিষ্কারের মুখে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দাবি, ২০২৫ সালের মে মাসে বাটলার লাইব্রেরি দখল এবং ২০২৪ সালে অ্যালামনাই উইকেন্ডে বিক্ষোভ শিবির স্থাপন ছিল এই শাস্তির মূল কারণ।
CUAD বলছে, আগের তুলনায় এবার শাস্তি আরও কঠোর। সংগঠনের বার্তা—“আমরা দমে যাব না, ফিলিস্তিনের মুক্তির লড়াই চালিয়ে যাব।”
২০২৪ সালে কলম্বিয়া ক্যাম্পাস থেকে শুরু হওয়া আন্দোলন গাজা যুদ্ধবিরোধী বিশ্বব্যাপী প্রতিবাদের সূত্রপাত ঘটায়। পরে পুলিশ শিবির ভেঙে দেয় ও বহু শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বিচার বিভাগ জানায়, “রিডিং পিরিয়ডে” বিশৃঙ্খলার কারণেই এই ব্যবস্থা। তবে ঠিক কতজনকে বহিষ্কার করা হয়েছে, তা প্রকাশ করেনি তারা।
এই সময়েই কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে ৪০০ মিলিয়ন ডলারের অনুদান পুনর্বহালের আলোচনা করছে। প্রশাসনের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয় ইহুদি শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হয়েছে।
এদিকে আন্দোলনের মুখ্য নেতা মাহমুদ খলিল মুক্তি পেয়ে মার্কিন আইনপ্রণেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। অন্যদিকে গাজায় ইসরায়েলি অবরোধে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৫ জন, যার মধ্যে একটি শিশু, নিহত হয়েছে।