ঢাকা, বৃহস্পতিবার, মার্চ ১২, ২০২৬ | ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২
Logo
logo

ইতিহাস গড়লেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সোমা সাইদ! যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম মুসলিম বিচারপতি হওয়ার গল্প


এনবিএস ওয়েবডেস্ক   প্রকাশিত:  ০৬ নভেম্বর, ২০২৫, ০৮:১১ পিএম

ইতিহাস গড়লেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সোমা সাইদ! যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম মুসলিম বিচারপতি হওয়ার গল্প

যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ইতিহাসে তৈরি হলো এক নতুন অধ্যায়। বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সোমা এস সাইদ হয়ে গেলেন নিউ ইয়র্ক স্টেট সুপ্রিম কোর্টের প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এবং কুইন্সের প্রথম মুসলিম বিচারপতি! এই তথ্য পরিবার সূত্রেই নিশ্চিত করা হয়েছে।

বুধবার (৫ নভেম্বর) রাতে যুক্তরাজ্যে বসবাসরত সোমার এক পরিবারের সদস্য বুরহান চৌধুরীর সাথে কথা বলে এই চাঞ্চল্যকর খবরটি নিশ্চিত করা হয়।

সোমা সাইদ এই নির্বাচনে ২ লাখ ৬০ হাজারেরও বেশি ভোট পেয়ে স্পষ্টভাবে জয়লাভ করেছেন। তার এই ঐতিহাসিক অর্জন নিয়ে তিনি নিজেই বলেন, "এটি কেবল আমার ব্যক্তিগত জয় নয়, এটি আমার পরিবারের, আমার সম্প্রদায়ের এবং আমার দেশে জয়।"

সোমা সাইদের রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয় ২০২১ সালে, যখন তিনি কুইন্স কাউন্টি থেকে নিউ ইয়র্ক সিটি সিভিল কোর্টের বিচারক হিসেবে নির্বাচিত হন।从那以后 তিনি শহরের আইনি ও নাগরিক অঙ্গনে একজন সম্মানিত ব্যক্তিত্ব হিসেবে নিজের অবস্থান গড়ে তোলেন。

তার ব্যক্তিগত জীবনও বেশ интересনীয়। সোমা সাইদের জন্ম বাংলাদেশের টাঙ্গাইল জেলায়। তার বাবা আফতাব উদ্দিন সাঈদ ছিলেন বাংলাদেশের একজন ম্যাজিস্ট্রেট। আর মা ছিলেন একজন প্রধান শিক্ষিকা。

সোমা এবং তার স্বামী মিজান চৌধুরী বর্তমানে নিউ ইয়র্কের কুইন্সেই বসবাস করছেন。 উল্লেখ্য, মিজান চৌধুরীর জন্মস্থান বাংলাদেশের মৌলভীবাজারে। তিনি নিউ ইয়র্ক স্টেটের একজন আইটি বিশেষজ্ঞ, রাজনৈতিক কৌশলবিদ এবং সমাজসেবী।

বিচারপতি সোমা সাইদ তার দৃঢ় অঙ্গীকার, বৈচিত্র্যের প্রতি সমর্থন এবং ন্যায়বিচারের প্রতি অটল আস্থার জন্য广泛 পরিচিত。 নিউ ইয়র্কের আইনি অঙ্গনে তিনি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বের পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে নিউ ইয়র্ক সিটি সম-অধিকার প্রয়োগ পরিষদের সহ-সভাপতি, নিউ ইয়র্ক সিটি ন্যায়বিচারের অধিকার পরিষদের বোর্ড সদস্য এবং নিউ ইয়র্ক মার্কিন-এশীয় বিচারকদের সংস্থার সদস্যপদ。

এছাড়াও আরও একটি বিস্ময়কর成就 হলো, তিনি কুইন্স কাউন্টি উইমেনস বার অ্যাসোসিয়েশনের প্রথম দক্ষিণ এশীয় এবং প্রথম মুসলিম নারী সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।