ঢাকা, বৃহস্পতিবার, মার্চ ১২, ২০২৬ | ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২
Logo
logo

'অপমানজনক' তদন্তের অভিযোগ! বিসিবির দুর্নীতিবিরোধী ইউনিটের আচরণে ক্ষুব্ধ ক্রিকেটার সাইফ হাসান"


এনবিএস ওয়েবডেস্ক   প্রকাশিত:  ১৯ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৪:০১ পিএম

'অপমানজনক' তদন্তের অভিযোগ! বিসিবির দুর্নীতিবিরোধী ইউনিটের আচরণে ক্ষুব্ধ ক্রিকেটার সাইফ হাসান"

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ নতুন কিছু নয়। কিন্তু এবারের ঘটনা ভিন্ন মাত্রা পেয়েছে, কারণ শুধু বিসিবির দুর্নীতিবিরোধী ইউনিট (এসিবি) নয়, পুলিশের সিআইডি এবং আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী ইউনিটও এই বিষয়ে তদন্ত করছে। এই জটিল পরিস্থিতিতে, বিসিবির নিজস্ব ইউনিটের তদন্ত পদ্ধতি নিয়েই সরাসরি অভিযোগ তুললেন জাতীয় দলের ক্রিকেটার সাইফ হাসান।

চট্টগ্রাম রয়্যালসের বিপক্ষে ম্যাচের পর এক সংবাদ সম্মেলনে সাইফ হাসান এসিবির আচরণ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, সিলেট পর্বে এসিবি কর্মকর্তারা যেভাবে তার সাথে কথা বলেছেন এবং জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন, তা তার কাছে অত্যন্ত অপমানজনক ও অসম্মানসূচক লেগেছে।

সাইফ দৃঢ়ভাবে জানান, তিনি সবসময় আবেগ ও সততার সাথে ক্রিকেট খেলেন এবং তার পারিবারিক পটভূমি কখনই এরকম সন্দেহের জায়গা তৈরি করে না।

ঢাকা ক্যাপিটালসের প্রধান নির্বাহী আগে দাবি করেছিলেন যে সিলেটে ম্যাচের আগে সাইফ প্যাড পরা অবস্থায় জিজ্ঞাসাবাদ হয়েছিলেন। কিন্তু সাইফ সেই বিবরণ ঠিক করেননি। তার মতে, ঘটনাটি ম্যাচের আগের দিন এবং নিজে ব্যাটিংয়ে নামার ঠিক আগ মুহূর্তে ড্রেসিং রুমে এসব হয়েছিল।

তিনি আরও মর্মস্পর্শী তথ্য দিয়ে বলেন, শুধু তিনিই নন, তার দলের সহকর্মী গুরবাজ সিংকেও সিলেটে ঘুম থেকে জাগিয়ে তদন্ত করা হয়েছিল। সাইফের মতে, একজন পেশাদার ক্রিকেটারের বিশ্রাম বা ঘুমের সময় এভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা একেবারেই অনুচিত এবং এটি তাকে গভীরভাবে হতাশ করেছে।

সাইফের ধারণা, লিগের শুরুতে তার দুর্বল পারফর্মেন্সই হয়তো এসিবির সন্দেহের কারণ ছিল। তিনি জানান, প্রথম কয়েকটি ম্যাচে রান না করতে পারায় তাদের সন্দেহ হয়েছিল, কিন্তু পরে কোনো প্রমাণ না পেয়ে এসিবির পক্ষ থেকে তার কাছে দুঃখপ্রকাশ করা হয়েছে। এই বিপিএলে তিনি ৯ ম্যাচে মোট ১৩৩ রান করেছেন।

এদিকে, বিপিএলের লিগ পর্ব শেষ হয়েছে এবং প্লে-অফের সূচি চূড়ান্ত করা হয়েছে। আগামী মঙ্গলবার এলিমিনেটর ম্যাচে মুখোমুখি হবে রংপুর রাইডার্স ও সিলেট টাইটানস। একই দিন প্রথম কোয়ালিফায়ারে খেলবে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স ও চট্টগ্রাম রয়্যালস। প্রথম কোয়ালিফায়ারের বিজয়ী সরাসরি ফাইনালে যাবে। পরের দিন দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার হবে, যেখানে প্রথম কোয়ালিফায়ারের পরাজিত দল ও এলিমিনেটরের বিজয়ী দল লড়বে। ফাইনাল হবে ২৩ জানুয়ারি।

পয়েন্ট টেবিলে শীর্ষে আছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স (১৬ পয়েন্ট)। চট্টগ্রাম রয়্যালস ও রংপুর রাইডার্স দুদলেরই ১২ পয়েন্ট, তবে নেট রান রেটে এগিয়ে আছে চট্টগ্রাম। চতুর্থ স্থানে আছে সিলেট টাইটানস (১০ পয়েন্ট)।