ঢাকা, বুধবার, মার্চ ৪, ২০২৬ | ২০ ফাল্গুন ১৪৩২
Logo
logo

পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের ভয়াবহ সামরিক অভিযান, আল-খলিলে তল্লাশি, গাজা নিয়ে তেলআবিবের উদ্বেগ


এনবিএস ওয়েবডেস্ক   প্রকাশিত:  ২০ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৯:০১ পিএম

পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের ভয়াবহ সামরিক অভিযান, আল-খলিলে তল্লাশি, গাজা নিয়ে তেলআবিবের উদ্বেগ

জর্ডান নদীর পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর গ্রেপ্তার অভিযান হঠাৎ ভয়ংকর আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে আল-খলিল (হেবরন) শহরে শুরু হয়েছে বড় ধরনের সামরিক অভিযান, যা দখলকৃত অঞ্চলের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে নতুন করে সংকটময় করে তুলেছে।

সাম্প্রতিক সময়ে পশ্চিম তীরজুড়ে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর আগ্রাসন উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। একদিকে চলছে দমনমূলক সামরিক অভিযান, অন্যদিকে গাজা উপত্যকার ভবিষ্যৎ শাসন নিয়ে আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ছে। আল-খলিলে অভিযান, মুক্তিপ্রাপ্ত ফিলিস্তিনি বন্দিদের পুনরায় গ্রেপ্তার এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত ‘গাজা শান্তি পরিষদ’—সব মিলিয়ে ইসরায়েলের ভেতরে ও বাইরে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছে।

ইসরায়েলের দখলদার বাহিনী এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা শাবাক দক্ষিণ পশ্চিম তীরের আল-খলিলের জাবাল জাওহার এলাকায় বড় পরিসরে সামরিক অভিযান চালানোর ঘোষণা দিয়েছে। ইসরায়েলের দাবি, এই অভিযান কয়েক দিন ধরে চলবে এবং এতে শত শত সেনা ও বিশেষ বাহিনী অংশ নিচ্ছে।

ফিলিস্তিনি সূত্র জানায়, বাড়ি বাড়ি তল্লাশির নামে অন্তত ১৩ নিরীহ ফিলিস্তিনি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তেলআবিব বলছে, পদক্ষেপের উদ্দেশ্য প্রতিরোধ আন্দোলনের সক্ষমতা ঠেকানো এবং ৭ অক্টোবরের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করা। তবে বাস্তব চিত্র বলছে ভিন্ন—এই অভিযান পশ্চিম তীরজুড়ে প্রতিদিনের হামলা, বাড়িঘর ধ্বংস এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করছে।

এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ‘গাজা শান্তি পরিষদে’ যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। এই পরিষদের মাধ্যমে যুদ্ধ-পরবর্তী গাজা পরিচালনা ও পুনর্গঠনের তদারকি করার পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে তুরস্ক, কাতার, মিসর ও যুক্তরাজ্য অংশগ্রহণ করবে।