এনবিএস ওয়েবডেস্ক প্রকাশিত: ২০ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৯:০১ পিএম

ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলে তথাকথিত ‘গোপন কারাগার’ পরিচালনার অভিযোগ স্পষ্টভাবে অস্বীকার করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। সৌদি সমর্থিত ইয়েমেনি কর্মকর্তাদের এই দাবির পর উপসাগরীয় শক্তিগুলোর মধ্যে চলমান টানাপোড়েন আরও প্রকাশ্য হয়েছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই অভিযোগগুলো ‘ইচ্ছাকৃতভাবে সাজানো’ এবং ‘সত্যকে উপেক্ষা করে রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নের চেষ্টা’। আবুধাবি জানিয়েছে, তাদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে পরিকল্পিতভাবে এ ধরনের দাবির সূত্রপাত করা হয়েছে।
সোমবার ইয়েমেনের হাজরামাউত প্রদেশে আরব আমিরাত ও সৌদি সমর্থিত বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষের পর নতুন করে এই অভিযোগ সামনে আসে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ায় ইয়েমেন থেকে অবশিষ্ট আমিরাতি সেনা প্রত্যাহার করা হয়।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দুটি প্রধান অর্থনীতি—সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত—২০১৫ সালে ইরান-সমর্থিত হাউছি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একজোট হয়েছিল। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তারা ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলে ভিন্ন রাজনৈতিক ও সামরিক গোষ্ঠী সমর্থন দিতে শুরু করে, যা তাদের সম্পর্কের মধ্যে দূরত্ব তৈরি করেছে।
গত মাসে হাজরামাউত ও মাহরা প্রদেশে আমিরাত-সমর্থিত বিচ্ছিন্নতাবাদীদের অগ্রযাত্রা সৌদি বিমান হামলা ও মিত্র স্থলবাহিনী প্রতিহত করে। বিশ্লেষকরা মনে করেন, এ ঘটনা দুই পক্ষের দ্বন্দ্বকে চরমে পৌঁছে দিয়েছে।
সোমবার সৌদি সমর্থিত ইয়েমেনি সরকারের আমন্ত্রণে হাজরামাউতে আসা বিদেশি গণমাধ্যমকে প্রদেশটির গভর্নর দাবি করেন, ‘আমিরাতি বাহিনীর ব্যবহৃত বেশ কয়েকটি গোপন কারাগার’ সনাক্ত হয়েছে।