এনবিএস ওয়েবডেস্ক প্রকাশিত: ২২ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৭:০১ পিএম

ছেলের মৃত্যুশোকে ভেঙে পড়েছেন ১৩ বছর বয়সী মুতাসেম আল-শরাফির বাবা। তাঁর অভিযোগ, ইসরায়েলি সেনাদের গুলিতেই প্রাণ গেছে তাঁর সন্তানের। দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে এই হৃদয়বিদারক দৃশ্য এখন আর ব্যতিক্রম নয়—প্রায় প্রতিদিনই এমন করুণ বাস্তবতার মুখোমুখি হচ্ছে ফিলিস্তিনি পরিবারগুলো।
গাজায় বুধবার ভোর থেকে চালানো ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১১ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে রয়েছে দুই শিশু ও তিনজন সাংবাদিক। একই দিনে আলাদা আলাদা হামলায় আরও অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক মুনির আল-বুরশ আল-জাজিরাকে বলেন, যেসব গাড়িতে হামলা চালানো হয়েছে এবং যাঁরা নিহত হয়েছেন, তাঁরা সবাই ফটোসাংবাদিক। তাঁরা ‘ইজিপশিয়ান কমিটি ফর গাজা রিলিফ’-এর হয়ে কাজ করতেন—এই সংস্থাটি গাজার জন্য মিসরের ত্রাণ কার্যক্রম তদারক করে থাকে।
নিহত তিন ফটোসাংবাদিক হলেন আনাস ঘুনাইম, আবদুল রাউফ শাথ এবং মোহাম্মদ কেশতা।
সহকর্মী ও চিকিৎসা কর্মকর্তাদের বরাতে আল-জাজিরা জানায়, নিহত সাংবাদিকরা মধ্য গাজার নেতজারিম করিডরের কাছে মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতির তথ্য সংগ্রহ করছিলেন। ঠিক সেই সময়েই ইসরায়েলি বাহিনী তাঁদের লক্ষ্য করে হামলা চালায়।
গাজায় অবস্থানরত আল-জাজিরার প্রতিনিধিদল আরও জানিয়েছে, ওই হামলায় অতিরিক্ত একজন ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। একের পর এক এমন ঘটনায় গাজায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠলেও বিশ্ব সম্প্রদায়ের নীরবতা গভীর উদ্বেগ তৈরি করছে।