ঢাকা, রবিবার, ফেব্রুয়ারী ৮, ২০২৬ | ২৬ মাঘ ১৪৩২
Logo
logo

আরব সাগরে ইরানের ডেডলি 'ড্রোন ক্যারিয়ার'! সমুদ্রের বুকে ভেসে বেড়ানো ভয়ঙ্কর দুর্গ"


এনবিএস ওয়েবডেস্ক   প্রকাশিত:  ০৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ০৪:০২ পিএম

আরব সাগরে ইরানের ডেডলি 'ড্রোন ক্যারিয়ার'! সমুদ্রের বুকে ভেসে বেড়ানো ভয়ঙ্কর দুর্গ"

ইরান শেষ পর্যন্ত তাদের নতুন ‘ড্রোন ক্যারিয়ার’ শাহিদ বাঘেরি’র কার্যকরী ভিডিও ও ছবি প্রকাশ করেছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, জাহাজের ডেক থেকে একের পর এক ড্রোন উড়ছে এবং আবার ফিরে এসে বিশেষ অ্যারেস্টিং গিয়ারের মাধ্যমে ল্যান্ড করছে। নতুন প্রকাশিত ছবিতে ড্রোনের পাশাপাশি ক্রু-বহনকারী হেলিকপ্টারগুলোকেও জাহাজের ফ্লাইট ডেকে অবস্থান করতে দেখা গেছে। ডেকের সামনে স্কি জাম্পের মতো একটি র্যাম্প রয়েছে, যা ড্রোন ও হেলিকপ্টার উভয়েরই উড্ডয়ন-অবতরণের কাজ সহজ করে।

সবচেয়ে নজরকাড়া ব্যাপার হলো, Qaher-313 ড্রোনের নকশা অনুসারে তৈরি করা ড্রোনগুলোর উপস্থিতি। এই ড্রোনগুলো ইরানের সামরিক শক্তি ও প্রযুক্তিগত দক্ষতার একটি নতুন মাত্রা তুলে ধরেছে।

শাহিদ বাঘেরি শুধু ড্রোন বহনকারী জাহাজই নয়, এটি নিজেই একটি সুসজ্জিত যুদ্ধজাহাজ। জাহাজটি বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও আত্মরক্ষামূলক অস্ত্রে সজ্জিত। এমনকি এটিতে ছোট আকারের ক্ষেপণাস্ত্রবাহী নৌকা চালু করারও ব্যবস্থা রয়েছে।

আজকের এই ছবি ও ভিডিও প্রকাশের সাথে সাথে একটি আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানও হয়েছে, যেখানে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কোর (আইআরজিসি) নৌবাহিনীতে জাহাজটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

শাহিদ বাঘেরি মূলত একটি বাণিজ্যিক কনটেইনার জাহাজকে রূপান্তরিত করে তৈরি করা হয়েছে। এই রূপান্তর কাজ শুরু হয় ২০২২ সালের মে মাসে এবং গত বছরের নভেম্বর মাসে নতুন ডিজাইনে সমুদ্রে এর পরীক্ষামূলক যাত্রা শুরু হয়।

এই নতুন জাহাজ মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সামরিক শক্তির প্রদর্শনীতে একটি শক্তিশালী বার্তা পাঠাচ্ছে। ড্রোন, হেলিকপ্টার ও ক্ষেপণাস্ত্রের সমন্বিত শক্তি দেখিয়ে ইরান তাদের প্রতিরক্ষা এবং সম্ভাব্য আক্রমণ কৌশলকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।