ঢাকা, বুধবার, মার্চ ৪, ২০২৬ | ২০ ফাল্গুন ১৪৩২
Logo
logo

ঢাকা সেনানিবাসে প্রথম দিন! সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে অফিস করে নতুন বার্তা দিলেন তারেক রহমান


এনবিএস ওয়েবডেস্ক   প্রকাশিত:  ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ০৩:০২ পিএম

ঢাকা সেনানিবাসে প্রথম দিন! সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে অফিস করে নতুন বার্তা দিলেন তারেক রহমান

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন অধ্যায়। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ সোমবার প্রথমবারের মতো ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে অফিস করলেন। দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি ছিল তাঁর প্রথম আনুষ্ঠানিক অফিস কার্যক্রম এই গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে।

সকাল ৯টায় পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী

সকাল ঠিক ৯টায় সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তাঁকে স্বাগত জানান তিন বাহিনীর প্রধানরা। সংক্ষিপ্ত শুভেচ্ছা বিনিময়ের মধ্য দিয়ে দিনের কার্যক্রম শুরু হয়।

র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

দিনের নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী লেফটেন্যান্ট জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান এবং মেজর জেনারেল কায়সার রশিদ চৌধুরীকে ‘র‌্যাঙ্ক ব্যাজ’ পরিয়ে দেন। এই আনুষ্ঠানিকতা ছিল দিনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

সশস্ত্র বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বৈঠক ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী। এতে সামরিক-বেসামরিক সমন্বয়ের একটি ইতিবাচক বার্তা স্পষ্ট হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

কারা ছিলেন উপস্থিত?

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. একেএম শামছুল ইসলাম, পিএসসি, জি (অব.);

ওয়াকার-উজ-জামান (সেনাবাহিনী প্রধান),
মোহাম্মদ নাজমুল হাসান (নৌবাহিনী প্রধান),
হাসান মাহমুদ খাঁন (বিমানবাহিনী প্রধান),

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষা সচিব মো. আশরাফ উদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-২ মো. মেহেদুল ইসলামসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

নতুন বার্তা কী?

প্রধানমন্ত্রীর এই প্রথম অফিস কার্যক্রমকে অনেকে প্রতীকী গুরুত্ব দিচ্ছেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের কার্যক্রমে সরাসরি অংশ নেওয়া সরকারের নীতিগত অগ্রাধিকার এবং সামরিক নেতৃত্বের সঙ্গে সমন্বয়ের ইঙ্গিত বহন করছে।

ঢাকা সেনানিবাসে এই দিনের কর্মসূচি রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অঙ্গনে নতুন বার্তা দিয়েছে—সরকার ও সশস্ত্র বাহিনীর সমন্বয় আরও জোরদার হবে।