ঢাকা, শুক্রবার, মার্চ ১৩, ২০২৬ | ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২
Logo
logo

ভারতের হৃদয় ভাঙলেও ট্রফি জেতার হুঙ্কার মিচেল স্যান্টনারের, কিউইরা প্রস্তুত মহারণের জন্য


এনবিএস ওয়েবডেস্ক   প্রকাশিত:  ০৭ মার্চ, ২০২৬, ০৭:০৩ পিএম

ভারতের হৃদয় ভাঙলেও ট্রফি জেতার হুঙ্কার মিচেল স্যান্টনারের, কিউইরা প্রস্তুত মহারণের জন্য

ভারতের ক্রিকেট সমর্থকদের মনে এখনও দগদগে ক্ষতের মতো আছে প্যাট কামিন্সের বিখ্যাত সেই বক্তব্য। ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক একপ্রকার হুঙ্কার ছুড়েছিলেন, যা ভারতীয় দর্শকদের স্তব্ধ করে দিয়েছিল। মাঠে সেই শখও তিনি দেখিয়েছিলেন। আহমেদাবাদের লাখো দর্শক যেন নীল সমুদ্র থেকে মহাশ্মশানে রূপ নিয়েছিল।

একই ভেন্যুতে এবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল গড়াবে আগামীকাল। স্বাগতিক ভারত মুখোমুখি হবে নিউজিল্যান্ডের। ফাইনালের আগে আরও একবার নির্দয় বার্তা দিলেন কিউই অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার, হাই-ভোল্টেজ উত্তাপ আরও বাড়িয়ে।

সংবাদ সম্মেলনে স্যান্টনার বলেন, “ভারতের সমর্থকদের হৃদয় ভাঙতে হলেও আমাদের লক্ষ্য একটাই—বিশ্বকাপ জেতা। আমাদের হয়তো ফেভারিট বলা হচ্ছে না, কিন্তু ছোট ছোট বিষয় ঠিকভাবে করলে এবং দলগতভাবে শক্তিশালী পারফরম্যান্স দেখালে ট্রফি জেতা সম্ভব। আর ট্রফি জেতার জন্য যদি কয়েকটি হৃদয় ভাঙতেও হয়—তাতেও সমস্যা নেই।”

স্যান্টনার আরও যোগ করেন, “এখনও উইকেট দেখিনি, তবে রান উঠবে অনেক। বিশ্বকাপের আগে পাঁচটা ম্যাচ খেলেছি, সব জায়গার পিচই ভালো ছিল। টুর্নামেন্টে ধাপে ধাপে আমরা লক্ষ্য অর্জন করেছি—গ্রুপ পর্ব, সুপার এইট, সেমিফাইনাল। গোটা টিম উত্তেজিত, বিশেষ করে শেষ ম্যাচের জয় আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। ভারতও একইভাবে আত্মবিশ্বাস পেয়েছে।” উল্লেখ্য, ২০২৩ ফাইনালে স্পিন সহায়ক উইকেট ভারতের ভরাডুবির কারণ হয়েছিল। এবার আহমেদাবাদে পিচ একেবারে পাটা থাকবে।

স্যান্টনার মনে করেন, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ছোট ছোট মুহূর্তই ম্যাচের ভাগ্য ঠিক করে। “টি-টোয়েন্টিতে অনেক অনিশ্চয়তা থাকে। পুরো বিশ্বকাপ দেখেছেন—অনেক দল প্রায় সমান শক্তির। শেষ পর্যন্ত কয়েকটি ছোট মুহূর্তই ম্যাচের ফল বদলে দেয়।”

তিনি আরও বলেন, ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ জেতার চাপ থাকবে ভারতের ওপর। “ভারত অবশ্যই আত্মবিশ্বাস নিয়ে নামবে, বিশেষ করে ব্যাটিংয়ে। তবে সেমিফাইনালে তারা ২৫৪ রান ডিফেন্ড করতে গিয়ে প্রায় ২৪০ রান দিয়েছে—সেখানে আরও ভালো পারফরম্যান্স দেখানো যেত।”

স্যান্টনারের মতে, ফাইনালে দুই দলই নিজেদের শক্তির ওপর বিশ্বাস নিয়ে নামবে। “দিন শেষে যে দল বেশি সময় ধরে সেরা খেলাটা ধরে রাখতে পারবে, তারাই জিতবে।”