ঢাকা, সোমবার, মার্চ ৯, ২০২৬ | ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২
Logo
logo

মেহরাবাদ বিমানবন্দরে ইসরায়েলি অভিযানে ইরানের ১৬ যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি আইডিএফের


এনবিএস ওয়েবডেস্ক   প্রকাশিত:  ০৮ মার্চ, ২০২৬, ০৮:০৩ পিএম

মেহরাবাদ বিমানবন্দরে ইসরায়েলি অভিযানে ইরানের ১৬ যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি আইডিএফের

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে বড় দাবি করেছে ইসরায়েল। দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, ইরানের ১৬টি যুদ্ধবিমান ধ্বংস করা হয়েছে।

রোববার এক বিবৃতিতে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানায়, ধ্বংস হওয়া বিমানগুলো ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর কুদস বাহিনীর।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত শনিবার রাতে ইরানের মেহরাবাদ বিমানবন্দরে অভিযান চালায় ইসরায়েলের বিমানবাহিনী (আইএএফ)। সেই অভিযানের সময়ই এসব যুদ্ধবিমান ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করেছে আইডিএফ।

তবে এই বিষয়ে এখন পর্যন্ত ইরান কিংবা আইআরজিসির পক্ষ থেকে কোনো দাপ্তরিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

কুদস বাহিনী বা কুদস ব্রিগেড আইআরজিসির একটি গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট। নিয়মিত প্রতিরক্ষা দায়িত্বের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী— যেমন হিজবুল্লাহ ও হামাস—কে অস্ত্র ও রসদ সরবরাহ করাও এই বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

মেহরাবাদ বিমানবন্দরটিও কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। কারণ এই বিমানবন্দরটি মূলত কুদস ব্রিগেডের ব্যবহারের জন্য এবং এখান থেকেই বিভিন্ন গোষ্ঠীকে অস্ত্র ও রসদ সহায়তা দেওয়া হয় বলে দাবি করা হয়।

এদিকে ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টানা ২১ দিন তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সংলাপ চলেছিল। তবে ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো ধরনের সমঝোতা ছাড়াই সেই আলোচনা শেষ হয়।

এর ঠিক পরদিন, ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। একই সময়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ইসরায়েলও ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ নামে আরেকটি সামরিক অভিযান শুরু করে।

যুদ্ধের গত আট দিনে ইরানের নৌবাহিনীর বেশ কয়েকটি যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস করেছে যুক্তরাষ্ট্র বলে দাবি করা হয়েছে। আর ইসরায়েল মূলত ইরানের বিমানবাহিনীকে লক্ষ্য করে অভিযান চালাচ্ছে।