ঢাকা, রবিবার, মার্চ ১৫, ২০২৬ | ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২
Logo
logo

খারগ দ্বীপ হামলার জবাবে ইরান ড্রোন হামলা চালাল আমিরাতের প্রধান জ্বালানি স্থাপনায়


এনবিএস ওয়েবডেস্ক   প্রকাশিত:  ১৪ মার্চ, ২০২৬, ০৭:০৩ পিএম

খারগ দ্বীপ হামলার জবাবে ইরান ড্রোন হামলা চালাল আমিরাতের প্রধান জ্বালানি স্থাপনায়

সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রধান একটি জ্বালানি স্থাপনায় ড্রোন হামলার পর সেখানে ধোঁয়া উড়তে দেখা গেছে। ইরানের গুরুত্বপূর্ণ তেল কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত খারগ দ্বীপে মার্কিন হামলার কয়েক ঘণ্টা পর শনিবার এই পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটেছে।

উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশটির পেট্রোলিয়াম স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানোর আগে, সেখানকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছিল ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দরের আকাশে ঘন কালো ধোঁয়ার মেঘ দেখা গেছে। ফুজাইরাহ দেশটির গুরুত্বপূর্ণ বন্দর এবং তেল মজুদ ও বাণিজ্য কেন্দ্র। এর আগেও এই জ্বালানি এলাকা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে ইরান। বন্দরে বিশাল তেল রপ্তানি টার্মিনালও রয়েছে।

আমিরাতের স্থানীয় কর্তৃপক্ষের অনলাইন বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ড্রোন সফলভাবে প্রতিহত করা হয়েছে। তবে ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়েছে। বিবৃতিতে সুনির্দিষ্ট কোনো স্থানের নাম উল্লেখ করা হয়নি।

এই হামলার কয়েক ঘণ্টা আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের খারগ দ্বীপে মার্কিন সামরিক বাহিনী বোমা হামলা চালিয়েছে। খারগ দ্বীপের মাধ্যমে ইরানের প্রায় সব অপরিশোধিত তেল রপ্তানি হয়। ট্রাম্প সেই দ্বীপের তেল অবকাঠামো ধ্বংস করারও হুমকি দিয়েছিলেন।

চলতি মাসের শুরুর দিকেও ফুজাইরাহতে জ্বালানি স্থাপনায় ড্রোন হামলা হয়েছিল। সেই সময়ও প্রতিহত করা ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ থেকে আগুন লেগেছিল।

যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর কুয়েত থেকে ওমান পর্যন্ত উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রধান জ্বালানি স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করছে ইরান। এই হামলার মধ্যে রয়েছে সৌদি আরবের রাস তনুরা শোধনাগার, কাতারের রাস লাফান গ্যাস প্রক্রিয়াকরণ স্থাপনা, এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের রুওয়াইস শোধনাগার।

এছাড়া ইরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে। যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল এবং তরলিকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস এই নৌপথ দিয়েই পরিবাহিত হতো।