এনবিএস ওয়েবডেস্ক প্রকাশিত: ০১ মে, ২০২৬, ০৬:০৫ পিএম

আবারও ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের গুঞ্জন ঘুরে বেড়াচ্ছে আন্তর্জাতিক মহলে। সিএনএনকে মার্কিন সিনেটর রিচার্ড ব্লুমেন্থাল জানিয়েছেন, যুদ্ধবিরতি চললেও যেকোনো সময় ইরানে হামলা চালাতে পারে ট্রাম্প প্রশাসন।
এদিকে এক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে উচ্চপর্যায়ের সামরিক ব্রিফিংয়ে ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য তিনটি হামলা পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হয়েছে।
প্রথম পরিকল্পনায় রয়েছে স্বল্প সময়ের শক্তিশালী বিমান হামলা। দ্বিতীয়টিতে হরমুজ প্রণালীর আংশিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করার কথা বলা হয়েছে। তৃতীয় বিকল্পে ইরানের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ভাণ্ডারে বিশেষ বাহিনী পাঠিয়ে অভিযান চালানোর বিষয়টি রয়েছে।
এর মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান আলোচনায় বসতে আগ্রহী। ওভাল অফিসে তিনি বলেন, তেহরানের সামরিক সক্ষমতা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়ায় সেখানে নেতৃত্ব সংকট তৈরি হয়েছে।
তার ভাষায়, “ইরানের নৌবাহিনী ধ্বংস হয়েছে, বিমানবাহিনী কার্যত নেই। তাদের অধিকাংশ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র কারখানাও অচল হয়ে পড়েছে।”
অন্যদিকে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রীও ইরানের বিরুদ্ধে নতুন পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছেন। একই সময়ে তেল আবিবে বিপুল পরিমাণ সামরিক সরঞ্জাম পৌঁছানোর খবরও দিয়েছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
এদিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, দেশের পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা রক্ষা করা হবে।
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ওপর এখন আর কোনো আস্থা নেই।
এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার কারণে সংযুক্ত আরব আমিরাত তাদের নাগরিকদের ইরান, লেবানন ও ইরাক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে এবং সেখানে অবস্থানরতদের দ্রুত দেশে ফেরার নির্দেশ দিয়েছে।