এনবিএস ওয়েবডেস্ক প্রকাশিত: ০৫ মে, ২০২৬, ০৫:০৫ পিএম

হরমুজ প্রণালির উত্তাপ ছুঁয়েছে দক্ষিণ কোরিয়াকেও। ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশটির একটি পণ্যবাহী জাহাজ। এমন প্রেক্ষাপটে আমেরিকার সামরিক উদ্যোগে নামতে সিউলের ওপর চাপ বাড়াচ্ছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি দিন দিন আরও জটিল হচ্ছে। এবার হরমুজ প্রণালিতে ইরানের হামলার শিকার হয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার একটি কার্গো জাহাজ। এমনই দাবি করলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প লেখেন, “ইরান কয়েকটি অপ্রাসঙ্গিক দেশের জাহাজে গুলি চালিয়েছে। যার মধ্যে আছে দক্ষিণ কোরিয়ার একটি পণ্যবাহী জাহাজ।”
ট্রাম্প আরও দাবি করেন, জবাবে যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে ইরানের সাতটি ছোট নৌযান ধ্বংস করেছে। তবে তিনি বলেন, দক্ষিণ কোরিয়ার জাহাজ ছাড়া অন্য কোথাও বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি।
এই ঘটনার পর দক্ষিণ কোরিয়াকে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’-এ যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ট্রাম্প। হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে নিরাপদে উদ্ধার করাই এই সামরিক উদ্যোগের লক্ষ্য।
অন্যদিকে দ্য কোরিয়া টাইমস জানিয়েছে, দক্ষিণ কোরিয়ার একটি শিপিং কোম্পানি পরিচালিত পানামা পতাকাবাহী জাহাজে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। সিউলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছেই ওই জাহাজটিতে ছিলেন ২৪ জন নাবিক। তাদের মধ্যে ৬ জন দক্ষিণ কোরীয়, বাকিরা বিদেশি।
তবে স্বস্তির বিষয়, এই ঘটনায় কেউ হতাহত হননি। কী কারণে বিস্ফোরণ ঘটেছে, তা তদন্ত করছে কর্তৃপক্ষ।
এখন দেখার বিষয়, ট্রাম্পের এই চাপের মুখে আমেরিকার সামরিক উদ্যোগে নামে কি দক্ষিণ কোরিয়া, নাকি নিজেদের স্বার্থে সরে দাঁড়ায় সিউল।