এনবিএস ওয়েবডেস্ক প্রকাশিত: ০৮ মে, ২০২৬, ০৫:০৫ পিএম

তেহরান: চলমান কূটনৈতিক আলোচনায় সবচেয়ে বড় জোর দেওয়া হচ্ছে যুদ্ধবিরতি, যুদ্ধ থামানো এবং মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি-স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার ওপর। এমনটাই জানিয়েছেন ইরানের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন। পরে বৃহস্পতিবার আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে বিষয়টি উঠে আসে।
বাঘাই জানান, যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া প্রস্তাব এখনো পর্যালোচনার মধ্যে আছে। প্রক্রিয়া শেষ হলেই এ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, “সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর সেটা পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের জানিয়ে দেওয়া হবে। তারপর দুই পক্ষের বার্তা বিনিময়ের ফলাফলের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করা হবে।”
এদিকে আমেরিকার নামকরা সংবাদপত্র ওয়াশিংটন পোস্ট বুধবার (০৬ মে) এক বিশেষ প্রতিবেদনে লিখেছে, স্যাটেলাইট ছবি বিশ্লেষণ করে তারা দেখেছে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরানের বিমান হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক বাহিনীর ব্যবহৃত কমপক্ষে ২২৮টি ঘাঁটি বা স্থাপনা ধ্বংস হয়েছে।
ওয়াশিংটন পোস্ট আরও জানায়, এসব হামলায় বিশেষভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে মার্কিন ঘাঁটিগুলোর বিমান রাখার কাঠামো, ব্যারাক, জ্বালানি ডিপো, বিমান এবং গুরুত্বপূর্ণ রাডার, যোগাযোগ ও আকাশ প্রতিরক্ষার সরঞ্জাম।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এতটাই বড় যে, যুক্তরাষ্ট্র সরকার আগে কখনো তা স্বীকার করেনি, এমনকি আগের কোনো প্রতিবেদনেও এত বড় ধ্বংসের কথা উঠে আসেনি।