ঢাকা, রবিবার, ফেব্রুয়ারী ২৩, ২০২৫ | ১১ ফাল্গুন ১৪৩১
Logo
logo

যুগে যুগে ধর্ম প্রচারকগণ ন্যায়ের পথ দেখিয়েছেন, জন্মাষ্টমীর শুভেচ্ছা: বাংলাদেশ ন্যাপ


এনবিএস ওয়েবডেস্ক     প্রকাশিত:  ১৭ আগস্ট, ২০২২, ০৫:২৯ পিএম

যুগে যুগে ধর্ম প্রচারকগণ ন্যায়ের পথ দেখিয়েছেন, জন্মাষ্টমীর শুভেচ্ছা: বাংলাদেশ ন্যাপ

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের আরাধ্য শ্রীকৃষ্ণের জন্মদিন জন্মাষ্টমী অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। যেকোন ধর্মীয় উৎসব সম্প্রদায়ের ভেদরেখা অতিক্রম করে মানুষে মানুষে মিলনের বাণী শোনায়, মানব সমাজের মধ্যে এক অনন্য ভ্রাতৃত্ববোধ জাগরিত করে। আনন্দরূপ বিনম্রতায় সমাজে সকলকে এক গভীর শুভেচ্ছাবোধে আপ্লুত করে। সকল ধর্মের মর্মবাণী শান্তি ও মানব কল্যাণ। যুগে যুগে ধর্ম প্রচারকগণ সত্য ও ন্যায়ের পথ দেখিয়ে গিয়েছেন বলে মন্তব্য করে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া সনাতন হিন্দু সম্প্রদায়ের আরাধ্য ভগবান শ্রী কৃষ্ণের শুভ জন্মদিন জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বাংলাদেশ সহ সকল দেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

বুধবার (১৭ আগস্ট) জন্মাষ্টমী উপলক্ষে হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়েছে গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বাণীতে পার্টির নেতৃদ্বয় এসব কথা বলেন।

তারা বলেন, ধর্ম যার যার বাংলাদেশটা সবার। বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জল দৃষ্টান্ত। এদেশে সকল ধর্ম ও বর্ণের মানুষ যুগ যুগ ধরে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছে।

নেতৃদ্বয় বলেন, হিন্দু পুরান মতে, ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টম তিথিতে ভগবান শ্রী কৃষ্ণ জন্ম গ্রহণ করেন। সনাতন ধর্মালম্বীদের বিশ্বাস পাশবিক শক্তি যখন ন্যায়নীতি, সত্য ও সুন্দরকে গ্রাস করতে উদ্যত হয়েছিল, তখন সেই শক্তিকে দমন করে মানবজাতির কল্যাণ এবং ন্যায়নীতি প্রতিষ্ঠার জন্য মহাবতার ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব ঘটেছিল।

তারা বলেন, শ্রীকৃষ্ণ পৃথিবীতে আবির্ভূত হয়েছিলেন এমনি এক সময়ে যখন সমাজে অত্যাচারী রাজার নিষ্ঠুর অত্যাচার ও দুঃশাসন কায়েম ছিল। তিনি সেই অন্যায়কে দমন করে পৃথিবীতে ন্যায়, সত্য ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বাংলাদেশ ধর্মীয় সম্প্রীতি ও মূল্যবোধের দেশ। তাই বাংলাদেশিরা কখনোই ঔদার্য, ব্যাপক পরিসর ও অন্য ধর্মের প্রতি সহিষ্ণুতা হারায়নি। এখানে সকল ধর্মের মানুষেরা যুগ যুগ ধরে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে বসবাস করে আসছে। আমরা সব ধর্মের মানুষের সমঅধিকারে বিশ্বাসী। হিংসা, বিদ্বেষ, হানাহানি, বৈষম্য, অন্যায়-অবিচার দূর করে সমাজকে শান্তিময় করে তুলতে যার যার অবস্থানে থেকে আমাদের সবাইকে অবদান রাখতে হবে। জন্মাষ্টমীর এই শুভদিনে বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান ও মহাসচিব সকলের প্রতি এ আহবান জানান।

নেতৃদ্বয় সমাজে বিদ্যমান ভ্রাতৃত্ব ও বন্ধুত্বের বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকে আরো সুদৃঢ় করার লক্ষে দেশের সকল ধর্মাবলম্বীদের প্রতি আহ্বান জানান।
তারা জন্মাষ্টমী উপলক্ষে দেশের সকল নাগরিকের সুখ, শান্তি ও কল্যাণ কামনা করেন।