বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সেনানিবাসের মাল্টি পারপাস হলে বিডিআর হত্যাকাণ্ড ঘিরে শহীদ দিবসের আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আবেগঘন সেই অনুষ্ঠানে তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ড ছিল বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব নস্যাৎ করার অপপ্রয়াস।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি কেবল জনপ্রতিনিধি হিসেবে নয়, একজন সেনা পরিবারের সদস্য হিসেবেও সেখানে উপস্থিত হয়েছেন। দেশে ফেরার পরপরই শহীদদের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি গভীরভাবে অনুভব করেছেন—গত ১৭ বছর ধরে ন্যায়বিচারের আশায় দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন শহীদ পরিবারের সদস্যরা।
‘রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্মরণ আমাদের দায়িত্ব’
পিলখানার ঘটনাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্মরণ করা সরকারের দায়িত্ব বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর ভাষায়, সেনাবাহিনী দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতীক। সেই বাহিনীর ওপর এমন হামলা ছিল রাষ্ট্রের ভিত্তিকে দুর্বল করার অপচেষ্টা।
তিনি বলেন, এই ঘটনায় জাতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল। তাই ভবিষ্যতে এমন ঘটনা এড়াতে নিরাপত্তা কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করা জরুরি।
নিরাপত্তা কাঠামো আধুনিক করার অঙ্গীকার
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী আশ্বস্ত করেন, জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করতে সরকার কাজ করবে। প্রযুক্তি, সমন্বয় এবং গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়িয়ে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁদের আত্মত্যাগ জাতি কখনও ভুলবে না। একই সঙ্গে তিনি শহীদ পরিবারের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
