গোটা দেশকে কাঁদিয়ে শেষ মুহূর্তে ভেঙেছিল স্মৃতি মান্ধানা আর পলাশ মুচ্ছলের বিয়ের সব আয়োজন। কেন ভাঙল, তা নিয়ে জল্পনা ছিল তুঙ্গে। এবার সেই রহস্যের জট খুলে দিলেন স্মৃতিরই ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও প্রযোজক বৈভব মানে। তার মুখে শোনা গেল চাঞ্চল্যকর সব অভিযোগ – শুধু আর্থিক প্রতারণাই নয়, বিয়ের দিনই অন্য নারীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় ধরা পড়েছিলেন পলাশ!

বৈভব মানে দাবি করছেন, বিয়ের ঠিক সেই দিনই পলাশ মুচ্ছল অন্য এক নারীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় ধরা পড়েন। এরপর সেখানেই ঘটে উত্তেজনাকর এক ঘটনা। বৈভব বলেন, "আমি নিজের চোখে সবটা দেখেছি। পলাশ ধরা পড়ার পর স্মৃতির ক্রিকেটার বন্ধুরা মিলে তাকে মারধর করে। আমি ভেবেছিলাম, সে বিয়ে করে সংসারী হবে। তাকে বিশ্বাস করেই ভুল করেছি।"

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) বৈভব মানেই পলাশের বিরুদ্ধে ৪০ লাখ টাকার আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ তুলেছিলেন। তাদের একসাথে তৈরি হয়েছিল 'নজরিয়া' নামের একটি চলচ্চিত্র, যেখানে পলাশ ছিলেন পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার। বৈভবের অভিযোগ, কাজ শেষ হওয়ার পরও নির্ধারিত সময়ে ছবিটি মুক্তি না দেওয়া এবং সেই ৪০ লাখ টাকা ফেরত না দেওয়াই হলো এই প্রতারণার মূল কারণ। তিনি দাবি করেন, ডিজিটাল পেমেন্টে কিস্তিতে টাকা দেওয়া সত্ত্বেও পলাশ ফেরত দেননি।

স্মৃতি মান্ধানা গত নভেম্বর থেকে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কোনো মন্তব্য এড়িয়ে চললেও, তার বন্ধুর এই প্রকাশ্যে আসা কথাগুলো যেন অনেক জল্পনারই উত্তর দিল। এর আগে, পলাশ একাধিক নারীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িত থাকার গুঞ্জনও শোনা গিয়েছিল। বৈভবের বক্তব্যে যেন সেই সব অভিযোগকেই জোরালো করা হলো।

পলাশ মুচ্ছল নিজে আগেই একটি বিবৃতি দিয়েছিলেন, কিন্তু স্মৃতি মান্ধানা শুধু এতটুকুই বলেছিলেন যে বিয়ে বাতিল হয়েছে। বন্ধুর এই চাঞ্চল্যকর দাবির পর এখন সবাই অপেক্ষায়, পলাশ মুচ্ছল বা স্মৃতি মান্ধানা এবার কী জবাব দেন।

 

news