নতুন স্পেসস্যুটের জন্য সাড়ে তিন বিলিয়ন খরচ করবে নাসা
যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ডাকোটা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিউমান স্পেস্ফলাইট গবেষণাগারের পাবলো দি লিওন বলেছেন, বর্তমানে মহাকাশচারীরা যেটি পরিধান করে তা মূলত ৭০ দশকে তৈরি করা হয়েছিল। কিন্ত পর্যাপ্ত অর্থায়নের অভাবে নতুন করে কোনো স্পেসস্যুটের ডিজাইন করা হয়নি অনেক বছর ধরেই। তাই এবারে নাসা মনোযোগ দিয়েছে কিভাবে একটি মানসম্মত আধুনিক স্পেসস্যুট মহাকাচারীদের জন্য তৈরি করা যায়। আর পুরোনো এ পোষাকটি আসলেই ব্যবহারের একদম শেষ দিকে চলে এসেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সংস্থাটি আগামী ২০৩৪ সালের মধ্যে নতুন করে স্পেসস্যুট তৈরিতে এ পরিমাণ অর্থ ব্যায়ের পরিকল্পনা নিয়েছে। এটি প্রস্তত করতে নাসা রেথিয়ন টেকনলজির সহযোগী দুটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এক্সিওম স্পেস ও কলিন্স এরোস্পেসের সঙ্গে চুক্তির কথা ভাবছে। এর আগে নাসার চন্দ্র অভিযানের জন্য স্পেসস্যুট তৈরির এক প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে এক্সিওম ২২৮.৫ মিলিয়ন ডলার প্রথম পুরষ্কার হিসেবে লাভ করেন। আর কলিন্স এরোস্পেস দ্বিতীয় অবস্থান নিয়ে ৯৭.২ মিলিয়ন ডলার পায়।
সংস্থাটির এক্সট্রা ভেহিকুলার ও হিউমান সারফেস মবিলিটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার লারা কিয়ারনে বলেন, আমরা চুক্তিটি সম্পাদনের একদম শেষ পর্যায়ে রয়েছি। যে কোনো সময় কাজ শুরুর নির্দেশ দেওয়া হবে প্রতিষ্ঠানগুলোকে। ২০২৬ সালে নতুন নকশাকৃত এ স্পেসস্যুট হাতে পাওয়া যেতে পারে বলেও জানিয়েছে নাসা।
এনবিএস/ওডে/সি