আবারও নাসার চন্দ্রাভিযান : মহাশুণ্যে যাবেন নারীসহ ৪ নভোচারী
দীর্ঘ বিরতির পর ফের মনুষ্য চন্দ্রাভিযান শুরু করছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। এই অভিযানে কারা চাঁদে যাবেন সেটিও ঠিক করেছে সংস্থাটি।
নাসা জানিয়েছে, ৫০ বছর পর তাদের আর্তেমিস-২ নামে এ চন্দ্রাভিযানে মহাকাশেয যাচ্ছেন ৪ নভোচারী। এর মধ্যে রয়েছেন একজন নারী এবং একজন কৃষ্ণাঙ্গ পুরুষ। অপর দু’জন শেতাঙ্গ পুরুষ। গত সোমবার (৩ এপ্রিল) এক অনুষ্ঠানে তাদের পরিচয় করিয়ে দেয় নাসা। নাসা চাঁদে মানুষ্যবাহী যান এপোলোর ঐতিহাসিক মিশন শেষ হয় ১৯৭২ সালে। আর্তেমিস-২ চন্দ্রাভিযান শুরু ২০২৪ সালের নভেম্বর।
নতুন চন্দ্রাভিযানের এক মাত্র নারী নভোচারীর নাম ক্রিস্টিনা কোচ(৪৪)। তিনি নাসার ইতিহাসে নারী হিসেবে সবচেয়ে লম্বা সময় মহাকাশে যাত্রা করার রেকর্ড গড়েছেন। এছাড়া নাসার প্রথম তিনটি সর্ব-মহিলা মহাকাশযাত্রার অংশও ছিলেন তিনি। এবারের চন্দ্রাভিযানে তাকে মিশন স্পেশালিস্ট হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
কৃষ্ণাঙ্গ পুরুষ নভোচারীর নাম ভিক্টর গ্লোভার(৪৬)। মার্কিন নৌ বাহিনীর সাবেক এ বৈমানিক এর আগে ৪ বার মহাকাশ ভ্রমন করেছেন। তিনি আর্তেমিস-২ চন্দ্রাভিযানে পাইলটের দায়িত্ব পালন করবেন। অপর দুই শেতাঙ্গ নভোচারী হলেন জেরেমি হানসেন(৪৭) এবং রেড ওয়াইজম্যান(৪৭)।
জেরেমি হানসেন কানাডার বিমানবাহিনীর একজন কর্নেল। তিনিই প্রথম কানাডিয়ান যাকে চন্দ্রাভিযানের জন্য বাঁছাই করা হয়েছে। তিনি এ অভিযানে মিশন স্পেশালিস্টের দায়িত্ব পালন করবেন। অপর নভোচারী রেড ওয়াইজম্যান যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর যুদ্ধবিমানের পাইলট। তাকে আর্তেমিস-২ অভিযানের কমান্ডার হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে।
পৃথিবী থেকে যাত্রা শুরুর পর যে পথে চাঁদের পেছনে যাবেন আর্তেমিস-২ মিশনের নভোচারীরা সেটির ধারণা দিয়েছে মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। আর্তেমিস-২ মিশনের নভোচারীরা চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণ করবেন না। এর বদলে চাঁদের পেছন দিক দিয়ে ১০ হাজার ৩০০ কিলোমিটার দূর পর্যন্ত গিয়ে ঘুরে আসবে এই মিশনে ব্যবহৃত নভোযানটি। এরমাধ্যমে মানব ইতিহাসে মানুষকে বহনকারী কোনো নভোযান পৃথিবীর সব থেকে দূরে যাবে।
এনবিএস/ওডে/সি