মোবাইল ও প্রযুক্তির উন্নয়নে কর্মজীবনে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে: গবেষণা

টেলিনর এশিয়ার ২৫ বছরপূর্তি উদযাপন উপলক্ষে গতবছর থেকে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ৮টি দেশে পরিচালিত ‘ডিজিটাল লাইভস ডিকোডেড’ শীর্ষক এক জরিপের ফলাফল মঙ্গলবার (৯ মে) প্রকাশ করলে এ তথ্য পাওয়া যায়। শুধু তাইনয়, করোনা পরবর্তী বাস্তবতায়, নতুন কর্মপরিবেশে খুব দ্রুত খাপ খাওয়াতে  অন্যতম সহায়ক ছিলো স্মার্টফোন তথা প্রযুক্তি বলে উল্লেখ করেছে এ জরিপটি।

লিঙ্গ ভিত্তিক ফলাফল থেকে দেখা যায়, ৭৩ শতাংশ নারী ও ৬৭ শতাংশ পুরুষ ক্যারিয়ার ও দক্ষতা উন্নয়নের ক্ষেত্রে উন্নতি হয়েছে। আর ৫৭ শতাংশ মোবাইল ডিভাইস থেকে আয়ের নতুন উৎস তৈরি করতে পেরেছ। নতুন চাকরি ও ক্যারিয়ারের সুযোগ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ৫৪ শতাংশ।

এছাড়াও, মোবাইল প্রযুক্তির পূর্ণ ব্যবহারে অথবা কাজের ক্ষেত্রে এর ফিচারগুলো ব্যবহারের ক্ষেত্রে গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট বিষয় সবচেয়ে বড় বাধা বলে জানিয়েছেন ৬১ শতাংশ বাংলাদেশি। আর প্রযুক্তির ওপর ভরসা না পাওয়া এবং এ সংক্রান্ত দক্ষতা ও জ্ঞানের অভাবে এই সুযোগ কাজে লাগাতে পারছেন না যথাক্রমে ৪৯ ও ৬০ শতাংশ মানুষ। ৯১ শতাংশ মনে করছে বাংলাদেশে মোবাইলপ্রযুক্তির ব্যবহারের ক্ষেত্রে আরও বেশি প্রশিক্ষণের সুযোগ রয়েছে।

সমীক্ষার উদ্দেশ্য ও মূল বিষয় সম্পর্কে টেলিনর এশিয়ার হেড ইয়র্গেন রোস্ত্রাপ বলেন, ‘আমাদের গবেষণা থেকে দেখা যাচ্ছে, মোবাইল কানেক্টিভিটির মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা, প্রবৃদ্ধি, সহজলভ্যতা ও অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি, সমীক্ষায় উঠে এসেছে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা নিয়ে শহর ও গ্রামের মানুষ, বড় প্রতিষ্ঠানও ক্ষুদ্র-মাঝারি উদ্যোগ, বিভিন্ন শিল্পখাত এমনকি প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদেরসাথে অধীস্তন কর্মীদের পার্থক্য রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রযুক্তি এগিয়ে যাচ্ছে, আর এর সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে নিজেদের দক্ষতা ও সমক্ষতা নিয়ে মানুষ উদ্বিগ্ন। অনেক সময় বিশ্বাসের ঘাটতির কারণে কাজের ক্ষেত্রে নিজেদের সম্ভাবনার বিকাশে অনেকেই মোবাইলের পূর্ণ ব্যবহার করছেন না। অনলাইনে কাজের হার বৃদ্ধি পেয়েছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের সমীক্ষার ফলাফল সঠিক টুল ব্যবহারে এবং ব্যবধান কমিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় জ্ঞানের মাধ্যমে ডিজিটাল কাজের পরিবেশ উন্নত করতে ভূমিকা রাখবে।’

এনবিএস/ওডে/সি

Walton Ads