২০৪৫ সালের মধ্যে ‘ডিজিটাল অমরত্ব’ অর্জন করবে মানুষ
প্রযুক্তির উন্নয়নের ভিত্তি বলে খ্যাত মুরস ল বা মুরের সূত্রটি হলো, ‘প্রতি দুই বছরে কম্পিউটারের হিসাব করার ক্ষমতা দ্বিগুণ হবে এবং একই সময়ের মধ্যে দ্বিগুণ হবে সিলিকন চিপের ট্রানজিস্টারের সংখ্যা’। প্রায় ৬০ বছর পার করেও প্রযুক্তির বিভিন্ন খাতে বিশেষ করে জেনেটিক্স সিকোয়েন্সিং ও ত্রিমাত্রিক ছবির ক্ষেত্রে মুরের সূত্রের আবেদন এখনো রয়েছে। এভাবে চললে, ২০৪৫ সাল নাগাদ মানুষের মস্তিষ্কের কাজ চালাতে প্রয়োজনীয় কম্পিউটার ও অন্যান্য প্রযুক্তি এই সালের মধ্যে অর্জন করা সম্ভব হবে। যাকে বলা হচ্ছে ‘সিঙ্গুলারিটি বিপ্লব’।
জৈবপ্রযুক্তিবিষয়ক প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড থেরাপোটিকস করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী মার্টিন রথব্ল্যাট ‘মাইন্ডক্লোন’ সম্পর্কে ধারণা দিয়েছেন। এ প্রযুক্তি অনুযায়ী মস্তিষ্কের সব তথ্যের প্রতিরূপ তৈরি করে কম্পিউটারে রাখা হবে। আর সেই তথ্য চালিত হবে ‘মাইন্ডওয়েভ’ নামের একটি সফটওয়্যারে। এটি আত্মরক্ষার পাশাপাশি নিজের প্রতিরূপ তৈরি করতে পারবে।
এই প্রক্রিয়ায় মানুষের মস্তিষ্কের সকল স্মৃতি ও লব্ধ জ্ঞানকে একটি কৃত্রিম দেহে স্থানান্তর করা হবে, যার ফলে ওই ব্যক্তির জীবনে সকল জ্ঞান একটি স্টোরেজ সিস্টেমে সংরক্ষণ করা হবে। পরবর্তীতে ওই ব্যক্তির মৃত্যু হলেও তার জীবনে ঘটা সকল ঘটনার মৃত্যু ঘটবে না। শুধু তাই নয়, সংরক্ষিত ডেটা স্নায়ুবিজ্ঞানের মাধ্যমে বিশেষ পদ্ধতিতে অন্য দেহে স্থাপন এবং ডিজিটাল মাধ্যমে হলোগ্রাফিক্যালি প্রদর্শন সম্ভব হবে।