ডিপ ফেক ভিডিও ও ছবির কারণে বিপাকে পড়ছেন শোবিজ তারকারা। অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান ফেসবুকে এআই-এর মাধ্যমে তৈরি ভুয়া কনটেন্ট নিয়ে সতর্ক করেছেন। তিনি ভক্তদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার ফেসবুক স্ট্যাটাসে সাদিয়া লিখেছেন, কিছু পেজ এআই ব্যবহার করে সেলিব্রিটিদের ছবি ও ভিডিও এডিট করে ছড়ায়। তার মতে, এরা তার ছবি নিয়ে বেশি মজা পায়। এটি তাদের আয়ের উৎস হতে পারে।
সাদিয়া বলেন, এই কাজ নিম্নমানের মানসিকতার প্রকাশ। তিনি আশ্চর্য হয়ে বলেন, ২০২৫ সালেও অনেকে এআই কনটেন্ট চিনতে পারেন না। ভুয়া ছবি-ভিডিওকে সত্যি ভেবে মন্তব্য করেন।
তিনি ভক্তদের উদ্দেশে বলেন, এআই-এর ভুয়া কনটেন্টে বিশ্বাস করবেন না। সচেতন হওয়ার সময় এসেছে। এ ধরনের পোস্ট বা পেজ দেখলে রিপোর্ট ও ব্লক করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
সাদিয়া জানান, এই ঘটনা তিনি সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞদের হাতে তুলে দেবেন। তারা এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন। এআই-এর অপব্যবহার রোধে কঠোর ব্যবস্থা জরুরি বলে মনে করেন তিনি।
ডিপ ফেক প্রযুক্তির অপব্যবহার শোবিজ তারকাদের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ। এটি গোপনীয়তা লঙ্ঘনের পাশাপাশি মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ায়। সচেতনতা বাড়ালে এর প্রভাব কমানো সম্ভব হবে।
সামাজিক মাধ্যমে ভুয়া কনটেন্ট ছড়ানো বন্ধে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। সাদিয়ার মতো তারকারা এ বিষয়ে কথা বলায় সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ছে। এটি ইতিবাচক পদক্ষেপ।
এআই প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে এর অপব্যবহারও বাড়ছে। সাইবার সিকিউরিটি জোরদার করা প্রয়োজন। সরকার ও প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মগুলোর এগিয়ে আসা জরুরি। সচেতনতা এবং আইনি পদক্ষেপ এটি নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করবে।
সাদিয়ার এই আহ্বান সমাজের সব স্তরে পৌঁছানো উচিত। ভুয়া কনটেন্ট শনাক্তে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করলে এর ক্ষতি কমানো সম্ভব।
এআই-এর অপব্যবহার রোধে আইনি কাঠামো জোরদার করা দরকার। সামাজিক মাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলোরও দায়িত্ব রয়েছে। সবাই মিলে কাজ করলে এই সমস্যা সমাধানে অগ্রগতি হবে।
