সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা শনিবার (৮ নভেম্বর) সরকারি সফরে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছেছেন। ১৯৪৬ সালে স্বাধীনতা লাভের পর থেকে সিরিয়ার কোনো প্রেসিডেন্টের এটাই প্রথম এমন সফর। যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাসী কালো তালিকা থেকে সিরিয়ার নাম সরানোর পর এটি আল-শারার প্রথম সফর। সোমবার (১০ নভেম্বর) হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তার বৈঠক হবে।
একসময় আসাদ শাসনের পতনের পেছনে বিদ্রোহী বাহিনীর নেতা হিসেবে পরিচিত আল-শারা এখন আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত রাষ্ট্রনায়ক।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সফর মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নীতির পরিবর্তনের পাশাপাশি সিরিয়ার নতুন নেতৃত্বকে স্বীকৃতি দেওয়ার শক্তিশালী ইঙ্গিত।
হোয়াইট হাউস সফরটিকে মার্কিন-সিরিয়ার আরও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার দিকে একটা পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যার মধ্যে ইসলামিক স্টেটবিরোধী নিরাপত্তা সহযোগিতা এবং মানবিক কার্যক্রমে সমন্বয় অন্তর্ভুক্ত। আল-শারার প্রশাসন তাদের ভাবমূর্তি পরিমার্জিত করার অঙ্গীকার দেখিয়েছে, বড় ধরনের আইএসবিরোধী অভিযান চালিয়েছে এবং নিখোঁজ আমেরিকানদের খোঁজ ও রাসায়নিক অস্ত্র ধ্বংসে মার্কিন প্রচেষ্টার সঙ্গে সহযোগিতা করেছে।
