মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিশাল “আর্মাডা” ইরানের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। তবে তিনি আশাবাদী, এই শক্তি শেষ পর্যন্ত ব্যবহার করতে হবে না। একই সঙ্গে তেহরানকে আবারও সতর্ক করেছেন বিক্ষোভ দমন ও পারমাণবিক কর্মসূচি নতুন করে শুরু করার বিষয়ে।

গোপন সূত্রের বরাতে জানা গেছে, বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিনকনসহ একাধিক ক্ষেপণাস্ত্রবাহী বিধ্বংসী জাহাজ আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছাবে। একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই অঞ্চলে অতিরিক্ত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েনের বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইরানের সম্ভাব্য হুমকি ঠেকাতে মার্কিন ঘাঁটিগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করতেই এই উদ্যোগ বলে মনে করা হচ্ছে।

এই সামরিক প্রস্তুতির ফলে ট্রাম্প প্রশাসনের হাতে আরও বিকল্প তৈরি হচ্ছে। একদিকে যেমন মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে অবস্থানরত মার্কিন সেনাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাবে, অন্যদিকে জুনে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার পর প্রয়োজন হলে আরও সামরিক পদক্ষেপ নেওয়াও সহজ হবে।

এয়ার ফোর্স ওয়ানের ভেতরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন,
“আমাদের অনেক জাহাজ ওই দিকে যাচ্ছে। আমি আশা করি, কোনো কিছুই ঘটবে না। তবে আমরা পরিস্থিতির ওপর খুব কাছ থেকে নজর রাখছি।”

আরেক দফায় তিনি যোগ করেন,
“আমাদের নৌবাহিনী ওই অঞ্চলের দিকে এগোচ্ছে, আর সম্ভবত আমাদের সেটি ব্যবহার করতেই হবে না।”

বিশ্ব রাজনীতির মঞ্চে ট্রাম্পের এই অবস্থান ইরানের প্রতি সরাসরি হুমকির বার্তা দিচ্ছে। তবে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি মূলত কৌশলগত চাপ তৈরির চেষ্টা। কারণ ইরানের সামরিক শক্তি ও আঞ্চলিক প্রভাব সহজে দুর্বল করার মতো নয়, আর যেকোনো সংঘাত গোটা মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

 

news