দেখা যাচ্ছে, বিশ্বরাজনীতিতে বসেছে বড় চমক। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহে চীন সফরে যাওয়ার আগেই ইরানের সঙ্গে একটা সমঝোতা চুক্তি করে ফেলা সম্ভব হতে পারে।

বুধবার এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এই ইঙ্গিত দেন। তাঁর কথায়, এই প্রস্তাবিত চুক্তির আওতায় ইরানের ইউরেনিয়াম যুক্তরাষ্ট্রে স্থানান্তরের ব্যাপারটিও আলোচনায় রয়েছে। তবে ট্রাম্প জানান, পরবর্তী দফার আলোচনায় হয়তো মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ আর তাঁর জামাতা জ্যারেড কুশনার অংশ নাও নিতে পারেন।

ওদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যমের খবর বলছে, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে আগামী সপ্তাহে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে আবার আলোচনা বসতে পারে। তবে এখনো দু’পক্ষের মধ্যে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে অমিমাংসা রয়ে গেছে। যেমন—ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের সীমা কত হবে, আর পরিদর্শন ব্যবস্থা কেমন হবে—এসব নিয়েই মূলত টানাপড়েন।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, উভয় পক্ষের খসড়া প্রস্তাব পর্যালোচনার কাজ এখনো চলছে। আর পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে এখনো আনুষ্ঠানিক জবাব পাঠানো হয়নি।

এর আগে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি প্রাথমিক সমঝোতার খুব কাছে পৌঁছে গেছে। সেই সম্ভাব্য চুক্তির আওতায় কী কী থাকতে পারে? যুদ্ধ বন্ধ, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে সমঝোতা, অবরোধ শিথিল করা এবং হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচল—এসব মাথায় রেখে ৩০ দিনের একটি কাঠামো তৈরির পরিকল্পনা বলা হয়েছে।

সূত্রের দাবি, চলমান সংঘাত শুরুর পর এই প্রথম দুই দেশ এতটা কাছে পৌঁছেছে কোনো চুক্তিতে। এখন দেখার বিষয়, সত্যিই কি চীন সফরের আগেই সই হচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি!

 

news