পাকিস্তানের আদিয়ালা কারাগারে বন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে দেখা করার অনুমতি পেলেন না তাঁর নিজ দল পিটিআইয়ের নেতারা। শুক্রবার (৮ মে) দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
পিটিআই নেতা আলী জাফর পয়েন্ট অব অর্ডার তুললে জবাব দেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও জনসংযোগ উপদেষ্টা রানা সানাউল্লাহ খান। তিনি বলেন, ‘ইমরান খান ও বুশরা বিবির হেফাজত আর সুযোগ-সুবিধার সব ব্যাপারই আদালতের নির্দেশ ও কারা বিধি মেনে চলছে।’
তিনি জানান, আদালতের রায়ে সাজা পাওয়ার পর তাঁরা এখন বিচারিক হেফাজতে রয়েছেন। এর আগে ইসলামাবাদ হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টেও এই বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
রানা সানাউল্লাহ আরও বলেন, ‘আদালতের বন্ধু (অ্যামিকাস কিউরি) হিসেবে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সালমান সাফদারকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তিনি কারাগার ঘুরে দেখে ইমরান খানের থাকার জায়গা ও সুযোগ-সুবিধা নিয়ে একটা প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন।’
বুশরা বিবি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তিনিও বিচারিক হেফাজতে রয়েছেন। দরকার হলে তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে ও চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।’ তাঁর চিকিৎসায় কোনো অবহেলা করা হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।
বিরোধী দলের বিচারিক হেফাজত নিয়ে কোনো বাড়তি দাবি থাকলে সেটা আদালতেই জানানোর পরামর্শ দেন সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, ‘আদালত প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিতে পারে। আলী জাফরও আদালতের দ্বারস্থ হয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদন ও তথ্য পর্যালোচনা করতে পারেন।’
এদিকে খুররম ভির্ক, নাসিম আলী শাহ, জাহির শাহ, রাজাব আব্বাসি, জার আলম ও রুবিনা শাহীনের মতো একাধিক পিটিআই নেতা আদিয়ালা কারাগারে গেলেও ইমরান খানের সঙ্গে দেখা করার অনুমতি পাননি তাঁরা।
