অ্যাশেজে ১–৪ ব্যবধানে ভরাডুবির পর চাকরি হারানোর মুখে ইংল্যান্ডের কোচ ব্রেন্ডন ম্যাকালাম। তবে এখনই নয়—টি–২০ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের পারফরম্যান্সের ওপরই ঝুলে আছে তাঁর ভবিষ্যৎ।
অ্যাশেজে খারাপ ফলের পরও টি–২০ বিশ্বকাপ সামনে থাকায় আপাতত আত্মবিশ্বাসী ম্যাকালাম। কিন্তু বাস্তবতা হলো, ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) শীর্ষ কর্তারা তাঁর কাজে পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন।
অস্ট্রেলিয়ার কাছে ১–৪ ব্যবধানে অ্যাশেজ হারার পরই ম্যাকালামকে সরানোর দাবি জোরালো হয় ইংল্যান্ডের ক্রিকেটমহলে। তবে সামনে টি–২০ বিশ্বকাপ থাকায় এখনই কঠোর সিদ্ধান্ত নেয়নি ইসিবি। বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ২০ ওভারের বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ইংল্যান্ডের একটি প্রথম সারির সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, হ্যারি ব্রুকের দল যদি সেমিফাইনালে উঠতে না পারে, তাহলে ম্যাকালামের চাকরি যেতেই পারে।
যদিও ম্যাকালামকে সরানোর আলোচনা চলছে, তবু পুরুষদের ক্রিকেটের ডিরেক্টর হিসেবে আপাতত থাকছেন রব কি। ২০২২ সালের এপ্রিল থেকে এই দায়িত্বে আছেন তিনি। জাতীয় দলের সামগ্রিক পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত থাকলেও সাপোর্ট স্টাফ বা মাঠের কৌশলের সঙ্গে সরাসরি না থাকায় আপাতত চাপমুক্ত তিনি। তবে ম্যাকালামের ওপর চাপ বাড়ছেই।
এদিকে অ্যাশেজে এমন বিপর্যয়ের কারণ খতিয়ে দেখছেন ইসিবির প্রধান নির্বাহী রিচার্ড গোল্ড এবং চেয়ারম্যান রিচার্ড থম্পসন। দলের প্রস্তুতি, শৃঙ্খলা, মাঠের বাইরে ক্রিকেটারদের আচরণ—সবকিছুই খুঁটিয়ে দেখা হচ্ছে। সাপোর্ট স্টাফ ও কয়েকজন ক্রিকেটারের সঙ্গেও কথা বলেছেন তাঁরা। আপাতত লাল বা সাদা বলের ক্রিকেটে অধিনায়ক বদলের কথা ভাবছে না ইসিবি।
বোর্ড এখনো বেন স্টোকসের ওপর আস্থা রাখছে। তবে হ্যারি ব্রুককে ঘিরে কিছুটা অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। গত বছর নিউজিল্যান্ডের একটি নাইট ক্লাব–সংক্রান্ত বিতর্ক নতুন করে সামনে আসায় সমালোচনার মুখে পড়েছেন ব্রুক।
টি–২০ বিশ্বকাপের আগে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিন ম্যাচের সিরিজ খেলবে ইংল্যান্ড। এই সিরিজেও কড়া নজর রাখবে ইসিবি। তবে বার্তাটা স্পষ্ট—টি–২০ বিশ্বকাপই ব্রেন্ডন ম্যাকালামের শেষ সুযোগ।
