টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষ হতেই ভারতের ক্রিকেটাররা ব্যস্ত হয়ে পড়বেন আইপিএল নিয়ে। এই ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের পর শুরু হবে ঠাসা আন্তর্জাতিক সূচি, যেখানে টেস্ট, ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি—সব ফরম্যাটেই রয়েছে ম্যাচের চাপ।
ভারতের পূর্ব নির্ধারিত সূচির সঙ্গে আয়ারল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে নতুন সিরিজ যুক্ত হতে পারে। এর আগে ইংল্যান্ড, বাংলাদেশ, নিউ জিল্যান্ড-এর সঙ্গে সিরিজ নির্ধারিত আছে। জুলাই-আগস্টে শ্রীলঙ্কার মাটিতে দু’টি টেস্ট খেলার পাশাপাশি তিনটি অতিরিক্ত টি-টোয়েন্টি ম্যাচও হতে পারে। উল্লেখযোগ্য, গত নভেম্বরে ঘূর্ণিঝড় দিটওয়ায় শ্রীলঙ্কা বিধ্বস্ত হয়েছিল। ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যার্থে তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলার জন্য ভারতকে অনুরোধ করেছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট।
ভারতের সূচি শুরু হচ্ছে জুনে দেশের মাটিতে আফগানিস্তান সিরিজ দিয়ে। সেখানে একটি টেস্ট এবং তিনটি ওয়ানডে ম্যাচ খেলা হবে। এরপর ১-১৯ জুলাই ইংল্যান্ড সফরে যাবে ভারত। সেখানে তিনটি ওয়ানডে এবং পাঁচটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলার পরিকল্পনা রয়েছে।
জুনের শেষের দিকে ভারত আয়ারল্যান্ড সফর করতে পারে। এর আগে ২০১৮, ২০২২ ও ২০২৩ সালে ভারত আয়ারল্যান্ডে সিরিজ খেলেছে। এবারও সিরিজ খেলার বিষয়ে আলোচনার মধ্যে রয়েছে।
শ্রীলঙ্কা সিরিজের পর সেপ্টেম্বরের শুরুতে আরব আমিরাতে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে তিনটি টি-টোয়েন্টি হবে। একই মাসে বাংলাদেশের বিপক্ষে তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলার সম্ভাবনা আছে, যদিও সাম্প্রতিক কূটনৈতিক কারণে সফরে অনুমোদনের শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
সেপ্টেম্বরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ হওয়ার কথা, যদিও এটি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা হয়নি। একই সময়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ভারতে এসে তিনটি ওয়ানডে এবং পাঁচটি টি-টোয়েন্টি খেলবে।
সেপ্টেম্বরেই এশিয়ান গেমস শুরু হবে, যেখানে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ভারত অংশ নেবে। ভারত গতবারের চ্যাম্পিয়ন। ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত এশিয়াড অনুষ্ঠিত হবে। ফলে এমন পরিস্থিতি হতে পারে, যেখানে জাপানে ভারতের একটি টি-টোয়েন্টি দল খেলে, আর দেশের মাটিতে আরেকটি দল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ খেলবে।
অক্টোবরের ১৮ তারিখে ভারত নিউজিল্যান্ড সফরে যাবে। সেখানে পাঁচটি ওয়ানডে, পাঁচটি টি-টোয়েন্টি এবং দুটি টেস্ট খেলার পরিকল্পনা রয়েছে। সাদা বলের সিরিজ শেষ হওয়ার পর টেস্ট সিরিজ অনুষ্ঠিত হবে। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ভারত দেশে ফিরে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলার কথা। পরবর্তী বছর জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে ভারত-অস্ট্রেলিয়া সিরিজ অনুষ্ঠিত হবে।
